ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা BC46 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
সমাধান:
সুতরাং, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা BC46 এর সমতুল্য অক্টাল মান হচ্ছে: 136106
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৬৭ / ৮২ · ৬,৬০১–৬,৭০০ / ৮,১৪১
প্রশ্ন: হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা BC46 এর সমতুল্য অক্টাল মান কত?
সমাধান:
সুতরাং, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা BC46 এর সমতুল্য অক্টাল মান হচ্ছে: 136106
• QWERTY কী-বোর্ডে সাধারণত ফাংশন কী (Function Keys) F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে, অর্থাৎ মোট ১২টি। এই কীগুলো মূলত বিশেষ কাজের জন্য ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, F1 সাধারণত সাহায্যের (Help) জন্য ব্যবহার হয়, F5 পেজ রিফ্রেশ করার জন্য, আর F11 সম্পূর্ণ স্ক্রীন মোড চালু বা বন্ধ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ফাংশন কীগুলো প্রায় সব ধরনের কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমে কার্যকর থাকে। তাই, প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো গ) ১২টি। এগুলো ব্যবহার করে ইউজার কম্পিউটার পরিচালনা আরও দ্রুত ও সহজভাবে করতে পারে।
• ফাংশন কী:
- একটি স্ট্যান্ডার্ড QWERTY কী-বোর্ডের একদম উপরের সারিতে F1 থেকে F12 পর্যন্ত ফাংশন কী-গুলো সাজানো থাকে।
- QWERTY কী-বোর্ডে 'নিউমেরিক কী' থাকে ১৭ টি।
- ফাংশন কী থাকে ১২টি।
- অ্যারো কী থাকে ৪ টি।
- নেভিগেশন কী থাকে ১০টি।
উৎস:
১. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল), নবম-দশম শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।
◉ Embedded System হলো নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা বিশেষ কম্পিউটার সিস্টেম। এতে সাধারণত থাকে— মাইক্রোপ্রসেসর বা মাইক্রোকন্ট্রোলার, মেমরি (RAM/ROM), ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম।
এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রো কন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন, স্মার্ট ওয়াচ প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
উৎস: ব্রিটানিকা ও বিভিন্ন টেক ওয়েবসাইট।
RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি এবং ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- DRAM (Dynamic RAM) এবং SRAM (Static RAM) এর তথ্য বিদ্যুৎ চলে গেলে মুছে যায়, তাই এরা ভোলাটাইল মেমোরি।
- অন্যদিকে বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা – এসএসসি প্রোগ্রাম : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
• IoT হল এমন একটি নেটওয়ার্ক যেখানে সেন্সর সমৃদ্ধ ডিভাইস, যন্ত্রপাতি ও উপকরণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে যুক্ত থাকে এবং তথ্য সংগ্রহ, প্রেরণ ও গ্রহণ করে।
• ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট হলো একটি বিশ্বব্যাপী কম্পিউটার নেটওয়ার্কের সংযোগ ব্যবস্থা, যা বিভিন্ন নেটওয়ার্ককে একত্রিত করে একটি "নেটওয়ার্ক অফ নেটওয়ার্কস” তৈরি করেছে।
- এটি প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৭০ এর দশকে শুরু হলেও সাধারণ মানুষের জন্য এটি পরিচিত হয় ১৯৯০ এর দশকের
শুরুতে।
- ২০২০ সালের মধ্যে পৃথিবীর অর্ধেকের বেশি, প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছিলেন।
- ইন্টারনেটের জনপ্রিয়তা বাড়ার একটি বড় কারণ হলো "স্মার্ট” ডিভাইস ও "ইন্টারনেট অফ থিংস” (IoT), যেখানে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি যেমন স্মার্টফোন, যন্ত্র, থার্মোস্ট্যাট, নিরাপত্তা ক্যামেরা, গাড়ি, এমনকি পুরো শহর ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে।
• IoT (Internet of Things) :
- IoT (Internet of Things) এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে নানা ধরণের বস্তু (যন্ত্র, সেন্সর, ডিভাইস) ইন্টারনেটের মাধ্যমে একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং তথ্য আদান-প্রদান করে তাকে ইন্টানেট অব থিংস বা আইওটি (Internet of Things IOT) বলে।
- আমাদের চারপাশে প্রতিদিনকার জীবনে আমরা যেসব যন্ত্রপাতির ব্যবহার যেমন গাড়ির গ্যারেজের দরজা, গাড়ি, কন্ট্রোল, ফ্যান, টিভি, দরজার ইলেট্রিক লক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রয়োজনে যন্ত্র বা জিনিসপত্রকে অটোমেটিক করার জন্য এসবের সাথে কম্পিউটার সিস্টেম সংযুক্ত থাকে।
- এই প্রযুক্তিতে আমাদের ঘরের বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রপাতি যেমন: টিভি, ফ্রিজ, লাইট প্রভৃতি ইন্টারনেট-এর সাথে সংযুক্ত করে এগুলোকে দুর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
◉ 2's কমপ্লিমেন্ট পদ্ধতি কম্পিউটার সিস্টেমে ঋণাত্মক সংখ্যা উপস্থাপন করার জন্য ব্যবহার করা হয়। এটি বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ঋণাত্মক সংখ্যা প্রকাশের একটি কার্যকরী এবং সহজ পদ্ধতি।
২-এর পরিপূরক (2's Complement):
- কোনো বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে পূরক করে বা উল্টিয়ে (0 এর জায়গায় 1 এবং 1 এর জায়গায় 0) যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
- বাইনারি সংখ্যাকে ১-এর পরিপূরক বা উল্টিয়ে লিখে তার সাথে ১ যোগ করে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ২-এর পরিপূরক বলা হয়।
- এই পদ্ধতির সাহায্যে যোগ এবং বিয়োগের মতো গাণিতিক অপারেশন সহজেই করা যায়, কারণ একই সার্কিট বা লজিক ব্যবহার করে ধনাত্মক এবং ঋণাত্মক সংখ্যার অপারেশন সম্পন্ন করা সম্ভব।
উদাহরণ:
12 এর বাইনারি মান = 1100
12 এর বিট রেজিস্টার বাইনারি মান = 00001100
1 এর পরিপূরক মান = 11110011
1 এর পরিপূরক মান + 1 = 11110100
সুতরাং, 12 এর 2's Complement 11110100.
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
• উত্তর হলো: ক) Ubuntu.
লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন হলো লিনাক্স কের্নেল ব্যবহার করে তৈরি করা অপারেটিং সিস্টেমের একটি পূর্ণাঙ্গ সংস্করণ। Ubuntu একটি জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন যা ব্যবহারকারীদের জন্য সহজ ইন্টারফেস এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার সুবিধা প্রদান করে। অন্যদিকে, Android Studio একটি সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট টুল, macOS হলো অ্যাপলের অপারেটিং সিস্টেম এবং Windows 10 হলো মাইক্রোসফটের অপারেটিং সিস্টেম। সুতরাং, প্রদত্ত চারটি অপশন থেকে শুধুমাত্র Ubuntu লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম বা ডিস্ট্রিবিউশন। Ubuntu এর ব্যবহার শিক্ষার্থী, ডেভেলপার এবং সার্ভার পরিচালনায় খুবই জনপ্রিয়। এটি ওপেন সোর্স হওয়ায় যে কেউ এটি বিনামূল্যে ব্যবহার এবং কাস্টমাইজ করতে পারে।
লিনাক্স (LINUX) অপারেটিং সিস্টেম:
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা বিশ্বব্যাপী হাজার হাজার প্রোগ্রামার দ্বারা উন্নতি লাভ করেছে।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক উভয় পরিবেশের সুবিধা প্রদান করে এবং এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
১। লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
২। লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
৩। ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
৪। নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
৫। এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
৬। লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• সিস্টেম ইউনিট (CPU):
- কম্পিউটারের প্রধান অংশ হলো সিস্টেম ইউনিট বা সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)।
- মানুষের মত কম্পিউটারেও মস্তিষ্ক বা প্রসেসর বিদ্যমান রয়েছে।
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ, প্রক্রিয়াকরণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ডাটা প্রক্রিয়াকরণ ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।
- প্রক্রিয়াকরণ বা প্রসেসিং ইউনিটের প্রধান অংশ তিনটি। যথা:
অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (ALU):
- এ অংশের কাজ হলো গাণিতিক ও যৌক্তিক কাজগুলো করা। গাণিতিক কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ ইত্যাদি। আর যৌক্তিক কাজগুলো হতে পারে ছোট-বড় নির্ণয় করা, সমান কী-না যাচাই করা ইত্যাদি।
কন্ট্রোল ইউনিট:
- কম্পিউটারের সব রকমের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ ও তাদের মধ্যে সমন্বয় সাধন করাই হচ্ছে এ অংশের কাজ। এ কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনপুট ও আউটপুট এর যন্ত্রাংশসমূহ নিয়ন্ত্রণ, মেমোরি থেকে ডাটা উত্তোলন ও মেমোরিতে ডাটা সংরক্ষণ ইত্যাদি।
মেমোরি বা স্মৃতি:
- প্রক্রিয়াকরণের পূর্বে প্রদত্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকালীন সময়ে অন্তবর্তীকালীন ফলাফল এবং প্রক্রিয়াকরণের শেষে চূড়ান্ত ফলাফল জমা রাখার জন্য কম্পিউটারের যে অংশগুলো (প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মেমোরি) কাজ করে তাকে মেমোরি ইউনিট বলে।
- ডাটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
• কম্পিউটার সিস্টেমের কর্মক্ষমতায় বিভিন্ন হার্ডওয়্যার উপাদান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। যেমন, রেজিস্টারের আকার (Size of Register) প্রসেসরের গতি ও ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতায় প্রভাব ফেলে, ক্যাশ মেমোরির আকার (Size of Cache Memory) দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেস নিশ্চিত করে এবং র্যামের আকার (Size of RAM) একই সময়ে কত ডেটা বা প্রোগ্রাম চালানো যায় তা নির্ধারণ করে। তবে, রোমের আকার (Size of ROM) সরাসরি সিস্টেমের কর্মক্ষমতায় প্রভাব ফেলে না, কারণ রোমে সাধারণত স্থায়ী প্রোগ্রাম বা ফার্মওয়্যার থাকে যা চালু হওয়ার সময় লোড হয়, কিন্তু সাধারণ প্রোগ্রাম চালানো বা প্রসেসরের গতি বৃদ্ধি করে না। সুতরাং, ROM-এর আকার কর্মক্ষমতার সাথে সম্পর্কিত নয়।
RAM:
- RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory.
- মাদারবোর্ডের সাথে সরাসরি সংযুক্ত যে মেমোরিতে পঠন এবং লিখন দুটি কাজই সম্পন্ন করা যায় সে মেমোরিকে RAM বলা হয়।
- এটি একটি অস্থায়ী মেমোরি।
- কম্পিউটারের যতক্ষণ বিদ্যুৎপ্রবাহ চালিত থাকে ততক্ষণ RAM এ তথ্যসমূহ সংরক্ষিত থাকে।
- বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে RAM তার সমস্ত তথ্য মুছে ফেলে।
- এজন্য RAM কে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরিও বলা হয়।
ROM:
- এটি হচ্ছে ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইস (যেমন কম্পিউটার) এর স্টোরেজ সিস্টেম।
- এটিকে স্থায়ী স্টোরেজ হিসেবে ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়।
- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি।
- তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
Cache Memory:
- কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি করার জন্য ব্যবহৃত একটি মেমরি।
- সাধারনত RAM ও CPU এর মাঝখানে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার যেসব ডাটাগুলো বারংবার ব্যবহার করে সেই ডাটা গুলো RAM থেকে এসে Cache তে অবস্থান করে।
- Cache এর গতি বেশি হওয়ায় এখান থেকে ডাটা প্রোসেসিং এ যেতে সময় কম লাগে।
Register:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ-ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদনের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়।
- অর্থাৎ মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়
উৎস:
১. ব্রিটানিকা
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
কম্পিউটারের কোন নিজস্ব বুদ্ধিমত্তা নেই।
এতে দেয়া ইনপুট ডেটা এর উপর ভিত্তি করে এটি ডেটা প্রক্রিয়া করে থাকে।
তাই কম্পিউটারের আই কিউ (IQ) শূন্য ধরা হয়।
ভগ্নাংশ দশমিক সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তরঃ
ভগ্নাংশ দশমিক সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর করার জন্য নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করতে হবে।
১. ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
২. এভাবে ভগ্নাংশকে উপর্যুপরি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না গুণফলের ভগ্নাংশ ০ হয়।
৩. অতঃপর উপরে দিক থেকে নিচের দিকের পূর্ণ অংশগুলো বাম থেকে ডান দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখতে হবে।
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি - প্রথম পত্র,এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর - খ) AC কে DC তে রূপান্তর করে।
কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেম
- কম্পিউটার পাওয়ার সিস্টেম কম্পিউটারকে স্থিতিশীল ও নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ করে।
- এটি AC কে DC তে রূপান্তর করে কম্পিউটারকে ব্যবহারযোগ্য করে তোলে।
UPS (Uninterruptible Power Source)
- UPS হলো পাওয়ার সিস্টেমের উন্নত রূপ।
- এতে থাকে স্টোরেজ ব্যাটারি, rectifier, inverter ও control circuits।
- বিদ্যুৎ লাইনে ভোল্টেজ ওঠানামা করলে ব্যাটারি থেকে AC বিদ্যুৎ সরবরাহ হয়।
ব্যাটারির ভূমিকা
- ব্যাটারি কম ভোল্টেজের DC উৎস।
- DC কে AC তে রূপান্তর (Inversion) করে transformer দ্বারা ভোল্টেজ বাড়ানো হয়।
Inversion ও ট্রানজিস্টরের ব্যবহার
- Inversion করা হয় high-power transistor দিয়ে।
- ট্রানজিস্টর switch-এর মতো কাজ করে এবং ৫০/৬০ Hz ফ্রিকোয়েন্সিতে AC তৈরি করে।
উৎস: ব্রিটানিকা।
• হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একসাথে ধারণ করে। অ্যানালগ কম্পিউটার দ্রুত এবং ধারাবাহিক তথ্য প্রক্রিয়াকরণে দক্ষ, আর ডিজিটাল কম্পিউটার সঠিক হিসাব ও ডেটা সংরক্ষণে কার্যকর। এই দুটি সুবিধা একত্রিত হয়ে হাইব্রিড কম্পিউটারকে বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, চিকিৎসা সংক্রান্ত নিরীক্ষা ও জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত করে। যেমন হাসপাতালে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা, রক্তচাপ বা হৃদস্পন্দন নিরীক্ষা করার সময় এটি দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে।
হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• একটি লাইটপেন স্ক্রিনের ওপর তার অবস্থান সনাক্ত করার জন্য সাধারণত স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে। লাইটপেনের টিপ বা সূচটি যখন স্ক্রিনে স্পর্শ করে, তখন টেলিভিশন বা মনিটরের ক্রোমিনেন্স ও ব্রাইটনেস অনুযায়ী নির্দিষ্ট পিক্সেল থেকে আলো নির্গত হয়। লাইটপেনের সেন্সর সেই আলো সনাক্ত করে এবং প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটের মাধ্যমে স্ক্রিনের ঠিক কোন স্থানে লাইটপেনটি স্পর্শ করছে তা নির্ধারণ করে। এটি মূলত ভিডিও সিগন্যালের সময় এবং অবস্থান অনুযায়ী কাজ করে, তাই লাইটপেন ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পয়েন্টে ক্লিক বা ড্রইং করা সম্ভব হয়। অতএব সঠিক উত্তর হলো ক) স্ক্রিন থেকে নির্গত আলো সনাক্ত করে।
• পেরিফেরাল ডিভাইস:
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
• তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল।
- যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।
২. আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।
৩. ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়।
- যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• F2 কী সাধারণত কোনো ফাইল, ফোল্ডার বা শর্টকাটের নাম পরিবর্তন (Rename) করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
• ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে।
- তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।
- কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইনটারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
উৎস: Microsoft website (link)
• রেটিনা স্ক্যানিং হলো একটি শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক পদ্ধতি।
- এটি চোখের রেটিনায় রক্তনালীর জটিল এবং অদ্বিতীয় বিন্যাস ব্যবহার করে ব্যক্তিকে শনাক্ত করে।
• বায়োমেট্রিক্স:
- বায়োমেট্রিক্স এমন একটি প্রযুক্তি, যার মাধ্যমে ব্যক্তির শারীরিক বা আচরণগত বৈশিষ্ট্যের ভিত্তিতে তার পরিচয় নিশ্চিত করা হয়।
- এটি মানুষের দেহের বিশেষ বৈশিষ্ট্য যেমন আঙুলের ছাপ, চোখের আইরিস, মুখাবয়ব অথবা কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে পরিচয় যাচাই করে।
• দেহের গঠন ও আচরনগত বৈশিষ্ট্য এর উপর ভিত্তি করে বায়োমেট্রিক্স দুই প্রকার। যেমন-
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙুলের ছাপ (ফিংগার প্রিন্ট),
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ (হ্যান্ড জিওমিট্রি),
- ফেইস রিকোগনিশন,
- চোখের আইরিস ও রেটিনা শনাক্তকরণ,
- ডিএনএ টেস্ট।
২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ (ভয়েস রিকোগনিশন),
- সিগনেচার ভেরিফিকেশন,
- কী-বোর্ডে টাইপিং গতি যাচাইকরণ।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মোঃ মাহবুবুর রহমান।
• আধুনিক কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যগুলো হলোঃ
- Accuracy,
- Memory,
- Versatility,
- Automation,
- Correctness,
- High Speed,
- Reliability,
- Diligence,
- Logical Decision,
- Endless Life ইত্যাদি।
• HTML-এ লাইন ব্রেক দেওয়ার জন্য সঠিক ট্যাগ হলো < br >। এটি একটি সেলফ-ক্লোজিং ট্যাগ, অর্থাৎ এর জন্য আলাদা বন্ধ ট্যাগের প্রয়োজন হয় না। যখন কোনো টেক্সটের মধ্যে নতুন লাইনে যাওয়ার দরকার হয়, তখন < br > ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, একটি অনুচ্ছেদে যদি দুটি লাইনে লেখা থাকে এবং তাদের আলাদা করতে চাই, তাহলে < br > ব্যবহার করে তা করা যায়। < break > বা, < brk > বা, < lb > কোনো valid HTML ট্যাগ নয়, তাই এগুলো কাজ করবে না। সুতরাং, লাইন ব্রেকের জন্য < br > সর্বদা ব্যবহার করাই সঠিক ও প্রচলিত। এটি সহজ এবং জনপ্রিয় পদ্ধতি।
• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।
উৎস: w3.org
উত্তর: ক) Arithmetic Logic Unit
• ALU (অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট):
- ALU হল অ্যারিথমেটিক-লজিক ইউনিট।
- এটি একটি ডিজিটাল কম্পিউটার সিস্টেমের চারটি মৌলিক কার্যকরী উপাদানের মধ্যে একটি।
- অন্য তিনটি হলো: ইনপুট-আউটপুট সরঞ্জাম, প্রধান মেমরি এবং কন্ট্রোল ইউনিট।
- ALU-এর কাজ হল ইনকামিং ডেটা প্রক্রিয়াকরণের জন্য গাণিতিক এবং লজিক অ্যালগরিদমগুলো সম্পাদন করা।
- এটি অত্যন্ত উচ্চ গতিতে কাজ করে, যা ন্যানো সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে।
- ALU-তে এমন সার্কিট রয়েছে যা দুটি গাণিতিক মান যোগ, বিয়োগ, গুণ ও ভাগ করতে পারে।
- এছাড়া লজিক অপারেশনের জন্য AND এবং OR-এর মতো সার্কিটও রয়েছে।
- ALU-তে বেশ কয়েকটি রেজিস্টার থাকে, যা গণনার ফলাফলগুলো কিছু সময়ের জন্য ধরে রাখে, যাতে সেগুলো আরও গাণিতিক অপারেশনের জন্য ব্যবহার করা যায় অথবা প্রধান মেমরিতে স্থানান্তর করা যায়।
উৎস: ব্রিটানিকা।
অ্যান্ড গেইট:
এই গেইট যৌক্তিক গুণন পদ্ধতিতে কাজ করে। অর্থাৎ যে গেইটের দুই বা ততোধিক ইনপুট থাকে এবং আউটপুট ইনপুটগুলোর যৌক্তিক গুণফলের সমান হয় তাকে অ্যান্ড গেইট বলে।
সবগুলো ইনপুট ১ হলে অ্যান্ড গেইটের আউটপুট ১ হবে; অন্যথায় আউটপুট ০ হবে।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এইচএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
• একটি অপারেটিং সিস্টেমে শেল (Shell) হলো এমন একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীকে কম্পিউটারের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের সুবিধা দেয়। শেলের মূল কাজ হলো ব্যবহারকারীর কমান্ড গ্রহণ করা এবং সেই কমান্ড অনুযায়ী অপারেটিং সিস্টেমকে নির্দেশ প্রদান করা। এটি একটি ইন্টারফেস হিসেবে কাজ করে, যেখানে ব্যবহারকারী টেক্সট-ভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল কমান্ডের মাধ্যমে ফাইল ম্যানেজমেন্ট, প্রোগ্রাম চালানো, এবং অন্যান্য সিস্টেম ফাংশন ব্যবহার করতে পারে। সহজভাবে বলা যায়, শেল ব্যবহারকারী এবং OS-এর মধ্যে একটি মাধ্যম, যা ব্যবহারকারীকে OS-এর ফিচারগুলো ব্যবহার করার উপায় সরবরাহ করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ব্যবহারকারীর OS এর ফিচারগুলো ব্যবহার করার উপায়।
অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।
Shell:
- Shell হলো এমন একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে ইন্টার্যাক্ট করার সুযোগ দেয়।
- ব্যবহারকারী শেল-এর মাধ্যমে কমান্ড বা নির্দেশনা দেয়, এবং শেল সেই নির্দেশনা কোর (Kernel)-এ পাঠায়। শেল হতে পারে CLI (Command Line Interface) যেমন Bash, বা GUI (Graphical User Interface) যেমন Windows Explorer.
Scheduler:
- CPU-তে কোন প্রসেস কখন চলবে তা নির্ধারণ করে। এটি ব্যবহারকারী ইন্টারফেস নয়।
API:
- সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশনগুলোর মধ্যে যোগাযোগের মাধ্যম, ব্যবহারকারী-টু-OS যোগাযোগ নয়।
Kernel:
- এটি অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সাথে কাজ করে, কিন্তু ব্যবহারকারীরা সরাসরি এর সাথে যোগাযোগ করতে পারে না।
উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।
• পিক্সেল:
- একটি ইমেজের ডট পার ইঞ্চিকে পিক্সেল বলে (DPI)।
অর্থাৎ, সহজভাবে বলতে গেলে পিক্সেল হলো একটি ইমেজের ক্ষুদ্রতম অংশ।
- কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- পিক্সেল হচ্ছে ডেটা প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত মাধ্যমের (মনিটরের পর্দা) ক্ষুদ্রতম এলাকা, যার বর্ণ ও উজ্জ্বলতা স্বতন্ত্রভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ পিকচার টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি-এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- পেছনের দিকে ইলেকট্রন বিম নিক্ষেপের জন্য একটি ইলেকট্রন গান থাকে।
- ইলেকট্রন বিম ফসফরাসের ওপরে পতিত হলে ফসফরাস উজ্জ্বল আলো নির্গত করে।
- ফসফরাসের ধরনের ভিত্তিতে মনিটরের পর্দায় প্রদর্শিত বিষয় এক রঙের বা বহু রঙের হতে পারে। ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত, এদেরকে পিক্সেল বলা হয়।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার উপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে।
- বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
111111110 = 1×28 + 1×27 +1×26 +1×25 +1×24 +1×23 +1×22 +1×21 +0x20 = 256 + 128 + 64 + 32 +16 +8 +4 +2 +0 = 510
সঠিক উত্তর - খ) Quickly locate specific records
ইনডেক্সিং:
- ইনডেক্সিং হলো ডাটা ফাইলে ইনপুটকৃত তথ্যকে নির্দিষ্ট নিয়মে সাজানোর প্রক্রিয়া।
- কোনো ফাইলের রেকর্ডগুলোকে আরোহী (Ascending) বা অবরোহী (Descending) ক্রমানুসারে সাজানো হলে সেটিকে ইনডেক্স করা বলা হয়।
- ডাটাবেসে নির্দিষ্ট তথ্য দ্রুত খুঁজে পেতে ফাইলের রেকর্ডগুলোকে ইনডেক্স করা হয়।
- সর্টিং-এর মতো, ইনডেক্সিং ব্যবহার করে ডাটাবেসের রেকর্ডকে কোনো ফিল্ডের ভিত্তিতে উচ্চ বা নিম্ন ক্রমানুসারে সাজানো যায়।
- তবে ইনডেক্স করা ফাইল সর্টেড ফাইলের তুলনায় দ্রুত কার্যকর হয়।
- ডাটাবেসে রেকর্ড সংশোধন বা নতুন তথ্য সংযোজন করলে ইনডেক্স করা ফাইলও আপডেট হয়।
- এ কারণে আধুনিক ডাটাবেসে সর্টিং-এর পরিবর্তে ইনডেক্সিং ব্যবহার করা হয়।
সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• এক্স অর গেইট (Exclusive OR (XOR) Gate):
- Exclusive OR গেইটকে সংক্ষেপে এক্স অর গেইট বলে।
- মৌলিক গেইট দিয়ে এক্স অর গেইট তৈরি করা হয় বলে একে প্রকৃত অর গেইট বলে।
- এটি অ্যান্ড, অর, নট, ন্যান্ড, নর ইত্যাদি গেইটের সাহায্যেও তৈরি করা যায়।
- এই গেইটের দুটি ইনপুট সমান না হলে আউটপুট 1 হয়, অন্যথায় আউটপুট 0 হবে।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• (159.52)16 সংখ্যাটির সমতুল্য অক্টাল মান হবে: 531.244
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• মাইক্রোপ্রসেসর হলো একটি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট যা কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিট (CPU) হিসেবে কাজ করে। এটি প্রধানত চারটি ধরনের কাজ সম্পাদন করে: ডেটা প্রক্রিয়াকরণ, নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, গাণিতিক প্রক্রিয়া এবং লজিক্যাল অপারেশন। মাইক্রোপ্রসেসরের মধ্যে নিজস্ব মেমোরি সংরক্ষণ ক্ষমতা নেই, অর্থাৎ এটি ডেটা বা প্রোগ্রাম স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করতে পারে না; ডেটা সংরক্ষণ সাধারণত RAM বা অন্যান্য মেমোরি ডিভাইসের মাধ্যমে করা হয়। তাই, “ডেটা সংরক্ষণ” মাইক্রোপ্রসেসরের অন্তর্ভুক্ত ফাংশনের মধ্যে পড়ে না। অন্য তিনটি- নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম, লজিক্যাল অপারেশন এবং গাণিতিক প্রক্রিয়া- মাইক্রোপ্রসেসরের মূল কার্যাবলীর অংশ।
- সঠিক উত্তর: ক) ডেটা সংরক্ষণ।
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসরের প্রতিষ্ঠাতা হলেন টেড হফ।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে যায়, দাম কমে যায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায় যার ফলে কাজ করার ক্ষমতা, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যথা: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- বাণিজ্যিকভাবে নির্মিত বিশ্বের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর Intel 4004.
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• জাভা (Java) প্রোগ্রামিং ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য হলো "Write Once, Run Anywhere" (WORA), যা প্রোগ্রামটির পোর্টেবিলিটি বা বহনযোগ্যতাকে নির্দেশ করে।
- এর অর্থ হলো, একবার জাভা ভাষায় প্রোগ্রাম লিখলে সেটি কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে (যেমন: Windows, Linux, macOS) চালানো সম্ভব। এটি মূলত Java Virtual Machine (JVM) ব্যবহারের মাধ্যমে সম্ভব হয়েছে।
• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।
- বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High-Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language
• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।
• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।
• Ruby:
- Ruby একটি ডাইনামিক এবং ওপেন সোর্স প্রোগ্রামিং ভাষা, যা ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
Google Ads: Google Ads একটি বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবসা ও প্রতিষ্ঠানগুলি তাদের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করতে পারে। এটি AI বা মেশিন লার্নিং মডেল ডেভেলপমেন্টের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। সুতরাং, এটি Gemini ডেভেলপ করার জন্য কোনো ভূমিকা পালন করেনি।
DeepMind: DeepMind হলো Google-এর একটি উন্নত গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা মূলত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ও মেশিন লার্নিং নিয়ে কাজ করে। DeepMind AI প্রযুক্তির মধ্যে অনেক সেরা মডেল ডেভেলপ করেছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো Gemini। এটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং উন্নত AI মডেল তৈরি করার জন্য পরিচিত।
Google Maps: Google Maps একটি ডিজিটাল ম্যাপিং ও নেভিগেশন সেবা। এটি রাস্তা, অবস্থান, এবং ভ্রমণের জন্য ব্যবহৃত হয়। যদিও Google Maps-এ AI ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি Gemini বা কোনো মেশিন লার্নিং মডেল তৈরি করে না।
Waymo: Waymo হলো একটি স্বচালিত গাড়ি (autonomous vehicles) প্রযুক্তি ডেভেলপ করার প্রতিষ্ঠান। যদিও Waymo প্রযুক্তি অনেক উন্নত, তবে এটি Gemini বা অন্য কোনো AI মডেল তৈরি করার জন্য পরিচিত নয়।
- DeepMind হলো সেই বিভাগ, যা Gemini মডেলটি তৈরি করেছে, এবং এটি Google-এর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিং গবেষণার শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান।
⚪ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা:• যখন কোনো টেবিলে একাধিক ফিল্ড একসাথে মিলিত হয়ে একটি রেকর্ডকে ইউনিকভাবে চিহ্নিত করে, তখন সেই ফিল্ডগুলোর সমষ্টিকে কম্পোজিট প্রাইমারি কী (Composite Primary Key) বলা হয়। এটি একক কলামের পরিবর্তে একাধিক কলামের সংমিশ্রণ যা প্রতিটি রেকর্ডের স্বতন্ত্রতা নিশ্চিত করে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের রেজিস্ট্রেশন টেবিলে student_id এবং course_id একসাথে মিলিয়ে প্রতিটি রেজিস্ট্রেশন ইউনিক হয়। এই ক্ষেত্রে, শুধুমাত্র student_id বা course_id যথেষ্ট নয়, তাই দুইটি ফিল্ড একসাথে প্রাইমারি কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কম্পোজিট কী ডেটার স্বতন্ত্রতা বজায় রাখতে এবং তথ্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- সঠিক উত্তর: ক) কম্পোজিট প্রাইমারি কী।
• কী-ফিল্ড:
যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- ডেটাবেজ সিস্টেমে কী ফিল্ড প্রধানত ৩ প্রকার।
যথা -
• প্রাইমারি কী,
• কম্পোজিট কী এবং
• ফরেন কী।
১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড কোন একটি রেকর্ডকে অদ্বিতীয়তাবে (Unique) সনাক্ত করে তাকে প্রাইমারি কী (Key) বলে।
- প্রাইমারি কী এর সাহায্যে একাধিক ফাইলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে রিলেশনাল ডেটাবেজ তৈরি করা হয়।
২. ফরেন কী:
- কোন একটি টেবিলের প্রাইমারি যদি অন্য টেবিলে ব্যবহৃত হয় তখন ঐ কী-কে ফরেন কী বলে।
- ফরেন কী'র সাহায্যে একটি টেবিলের সাথে অন্য টেবিলের সম্পর্ক স্থাপন করা হয়।
৩. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যখন কোন ডেটাবেজ ফাইলে কোন সুনির্দিষ্ট প্রাইমারি কী থাকে না, সেসব ক্ষেত্রে একাধিক ফিল্ডকে একত্রে প্রাইমারি কী ফিল্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- এ ধরনের প্রাইমারি কী ফিল্ডকে বলা হয় কম্পোজিট প্রাইমারি কী ফিল্ড।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• ডেটা মাইনিং হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে বিশাল পরিমাণ ডেটা বা বিগ ডেটা (Big Data) থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাণিতিক বা পরিসংখ্যানগত মডেল ব্যবহার করে অর্থবহ প্যাটার্ন, প্রবণতা (Trend) এবং তথ্যের মধ্যকার পারস্পরিক সম্পর্ক খুঁজে বের করা হয়। এটি মূলত Raw data-কে কার্যকর ব্যবসায়িক বা বৈজ্ঞানিক সিদ্ধান্তে রূপান্তর করতে সাহায্য করে।
• ডেটা মাইনিং (Data Mining):
- ডেটা মাইনিং মূলত বিজনেস ইন্টেলিজেন্স এবং প্রেডিক্টিভ অ্যানালিটিক্সে ব্যবহৃত হয়।
- এটি ক্লাস্টারিং, ক্লাসিফিকেশন এবং অ্যাসোসিয়েশন রুল লার্নিংয়ের মতো কৌশল ব্যবহার করে।
- এর মাধ্যমে বড় ডেটাসেট থেকে অসংলগ্ন তথ্য বাদ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ছেঁকে তোলা হয়।
- ডেটা মাইনিংয়ে মেশিন লার্নিং, পরিসংখ্যান এবং ডাটাবেস সিস্টেমের সমন্বয় ঘটানো হয়।
- বিপণন, ব্যাংকিং এবং স্বাস্থ্যসেবার মতো ক্ষেত্রগুলোতে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশন:
- Data Entry: এটি কেবল কম্পিউটারে তথ্য টাইপ বা ইনপুট করার কাজ, কোনো বিশ্লেষণ নয়।
- Data Scrubbing: এটি মূলত ডেটাসেট থেকে ভুল, অসম্পূর্ণ বা ডুপ্লিকেট তথ্য খুঁজে বের করে তা পরিষ্কার করার প্রক্রিয়া।
- Data Buffering: এটি ডেটা প্রসেস করার সময় মেমোরিতে সাময়িকভাবে তথ্য জমা রাখার একটি প্রক্রিয়া।
উৎস: ব্রিটানিকা। [link]
AutoCAD® is computer-aided design (CAD) software that architects, engineers, and construction professionals rely on to create precise 2D and 3D drawings. It is developed by AutoDesk.
Source: autodesk.com
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে।
যথা- মাইক্রোসফ্ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি।
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য:
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়।
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• সবচেয়ে দ্রুত গতি সম্পন্ন স্টোরেজ ডিভাইস হলো SSD (Solid State Drive)। SSD-তে কোনো চলমান পার্ট নেই, বরং এটি NAND ফ্ল্যাশ মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা ডেটা অ্যাক্সেসের সময়কে অনেক দ্রুত করে তোলে। তুলনায়, HDD (Hard Disk Drive) এবং SSHD (Solid State Hybrid Drive) এ মেকানিক্যাল অংশ থাকে, যেমন ঘূর্ণনশীল ডিস্ক এবং রিড/রাইট হেড, যা তথ্য পড়া ও লেখা ধীর করে। Floppy Disk সবচেয়ে ধীর, কারণ এটি খুব পুরনো এবং সীমিত ডেটা স্থান ধারণ করতে পারে। SSD দ্রুত বুটিং, ফাইল ট্রান্সফার এবং অ্যাপ্লিকেশন লোডিং-এর জন্য আদর্শ, তাই আধুনিক কম্পিউটার ও ল্যাপটপে SSD ব্যবহারের প্রবণতা বেশি।
• অপশন আলোচনা:
- HDD: মেকানিক্যাল ঘূর্ণন ভিত্তিক, তুলনামূলক ধীর।
- Floppy Disk: খুব ধীর, প্রায় পুরনো প্রযুক্তি।
- SSD: ফ্ল্যাশ মেমোরি ভিত্তিক, অত্যন্ত দ্রুত।
- SSHD: হাইব্রিড, HDD-এর চেয়ে দ্রুত কিন্তু SSD-এর তুলনায় ধীর।
- সবচেয়ে দ্রুত: SSD.
• SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।
• সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।
উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- আরোহী বা অধঃক্রমে (Ascending) সাজানো বলতে ছোট থেকে বড় ক্রমে সাজানোকে বলা হয়।
- অবরোহী বা উর্ধ্বক্রম (Descending) সাজানো বলতে বুঝায় মানের বড় থেকে ছোট ক্রমে সাজানোকে।
উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি
সঠিক উত্তর - ক) Binary
• বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System):
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি একটি ২-ভিত্তিক সংখ্যা পদ্ধতি।
- এ পদ্ধতিতে ০ এবং ১ এই দুটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এ দুটি অংককে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যেকোনো সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা যায়।
- কম্পিউটার বাইনারি সংখ্যার মাধ্যমে যেকোনো ধরনের উপাত্ত বা ডেটা সংরক্ষণ করে থাকে।
- আবার কম্পিউটারের সকল অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পন্ন হয় বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে।
• সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়।
যেমন:
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি,
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি,
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি এবং
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি।
উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
(১০১০১০১) এর ২-এর পরিপূরক কোনটি?
আমরা জানি,
১ এর পরিপূরক মানে ০ এর স্থলে ১ এবং ১ এর স্থলে ০ হবে।
(১০১০১০১) এর ১ এর পরিপূরক হবে (০১০১০১০)
১ এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করলে বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায়।
∴ (০১০১০১০ + ১) = ০১০১০১১
সুতরাং, (১০১০১০১) এর ২-এর পরিপূরক = ০১০১০১১
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
• মোশন ট্র্যাকিং সেন্সর ব্যবহারকারীর নড়াচড়া শনাক্ত করে ভার্চুয়াল পরিবেশকে বাস্তবসম্মতভাবে আপডেট করে।
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality – VR):
- VR হলো কম্পিউটার-সৃষ্ট ত্রিমাত্রিক কৃত্রিম পরিবেশ।
- ব্যবহারকারী সেই পরিবেশে নিমজ্জিত অভিজ্ঞতা লাভ করে।
- VR দৃশ্য, শব্দ এবং কখনও স্পর্শ অনুভূতিও অনুকরণ করে।
• VR সিস্টেমের উপাদান:
- Head-Mounted Display (HMD) ব্যবহার করা হয়।
- Motion tracking sensor ব্যবহারকারীর মাথা ও শরীরের নড়াচড়া শনাক্ত করে।
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর গতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে 3D পরিবেশ আপডেট করে।
- Interactive software ব্যবহারকারীর সাথে পরিবেশের মিথস্ক্রিয়া নিশ্চিত করে।
• ব্যবহারক্ষেত্র:
- গেমিং,
- সামরিক প্রশিক্ষণ,
- চিকিৎসা প্রশিক্ষণ,
- শিক্ষা ও সিমুলেশন।
• অন্যান্য অপশন:
- স্ট্যাটিক প্রজেকশন সিস্টেম → স্থির প্রদর্শন করে, নড়াচড়া শনাক্ত করে না।
- অ্যানালগ ক্যামেরা → সাধারণ ভিডিও ধারণে ব্যবহৃত হয়।
- ডিজিটাল প্রিন্টিং ডিভাইস → মুদ্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, গোবিন্দ চন্দ্র রায় এবং সামসুজ্জামান এবং ব্রিটানিকা [লিঙ্ক]।
◉ Altair 8800, যা 1975 সালে প্রকাশিত হয়েছিল, এটি প্রথম বাণিজ্যিকভাবে সফল পার্সোনাল কম্পিউটার হিসেবে বিবেচিত হয়। Altair 8800 পার্সোনাল কম্পিউটিং বিপ্লবের সূচনা করেছিল এবং পরবর্তীতে Apple, IBM এবং অন্যান্য কোম্পানিগুলো পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারে প্রবেশ করে।
পার্সোনাল কম্পিউটার:
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।
উৎস:
১। ব্রিটানিকা।
২। National Museum of American History ওয়েবসাইট।