বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা ৩১ / ৮২ · ৩,০০১৩,১০০ / ৮,১৪১

৩,০০১.
নিচের কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. ক) এভিজি
  2. খ) টুইটার
  3. গ) এভিরা
  4. ঘ) নরটন
ব্যাখ্যা
- টুইটার একটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওয়েবসাইট।
- অপশনের বাকিগুলো অ্যান্টি ভাইরাস।

কিছু এন্টিভাইরাস প্রোগ্রাম: 
- এভিজি
- এভিরা
- নরটন
- এভাস্ট
- ক্যাস্পারস্কি

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,০০২.
স্থাপত্যবিদ্যায় নকশা প্রণয়নে কোন কম্পিউটার সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) Adobe Reader
  2. খ) AutoCAD
  3. গ) SPSS
  4. ঘ) Mycin
ব্যাখ্যা
Architectural Design Software List:1. SketchUp2. Revit3. 3D Studio Max4. Cedreo5. Autocad6. InDesign

Source: arch2o.com
৩,০০৩.
কী-বোর্ডের ‘কন্ট্রোল(Ctrl)’ কোন ধরনের কী?
  1. ক) ফাংশন কী
  2. খ) নিউমেরিক কী
  3. গ) মডিফায়ার কী
  4. ঘ) স্পেস কী
ব্যাখ্যা
কী-বোর্ডের যে সমস্ত বোতামের সাহায্যে অক্ষর বিন্যাস ছাড়া অন্যান্য কাজ করা হয় তাদেরকে বলা হয় মডিফায়ার কী (Modifire Key)।
যেমন- কন্ট্রোল(Ctrl), অল্টার(Alt), শিফট(Shift) ইত্যাদি।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
৩,০০৪.
ডিবাগিং শব্দটি উৎপত্তির সাথে কোন কম্পিউটারের নাম সম্পৃক্ত?
  1. ক) এবিসি
  2. খ) এনিয়াক
  3. গ) এডস্যাক
  4. ঘ) মার্ক-১
ব্যাখ্যা
- প্রোগ্রামের ভুলত্রুটি খুঁজে বের করে তা দূর করাকে বলে ডিবাগিং, এর আক্ষরিক অর্থ পোকা বাছা।
- 1945 সালে মার্ক 1 কম্পিউটারটির ভিতরে একটি মথপোকা ঢোকায় কম্পিউটারটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। এ থেকেই ডিবাগিং কথাটির উৎপত্তি।
- সব ভুলত্রুটি দূর না হওয়া পর্যন্ত কোন প্রোগ্রামই ব্যবহার করা যায় না।
- ডিবাগিং এর জন্য প্রথমে প্রোগ্রামের আগাগোড়া ভাল করে পরীক্ষা করে দেখা হয়।
- প্রয়োজন হলে কোন প্রোগ্রামিং বিশেষজ্ঞের সাহায্য নিতে হয়।
- প্রোগ্রামের ছোটখাট ভুল এতেই দূর হয়ে যায়।
- এরপরও যেসব ভুল থেকে যায় সেগুলো দূর করতে হলে প্রথমে সিনট্যাক্স ভুল দূর করে তারপর লজিক ভুল দূর করা

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি
৩,০০৫.
Which language does the computer directly understand?
  1. High-Level Language
  2. Assembly Language
  3. Machine Language
  4. Object-Oriented Language
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।

মেশিন ভাষা (Machine Language):
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং 0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- মেশিন ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রামের প্রয়োজন হয় না।
- অন্য কোনো ভাষায় প্রোগ্রাম রচনা করা হলে কম্পিউটার কার্যনির্বাহের আগে উপযুক্ত অনুবাদকের সাহায্যে তাকে মেশিনের ভাষায় পরিণত করে নেয়া হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০০৬.
একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে কী বলা হয়?
  1. স্ট্রাকচার
  2. ফাংশন
  3. পয়েন্টার
  4. অ্যারে
ব্যাখ্যা
♦ অ্যারে (Array):
- একই ধরনের ডাটা টাইপের গুচ্ছকে অ্যারে বলা হয়।

• অ্যারে ব্যবহারের সুবিধা:
- একই ধরনের ডেটাগুলোকে একটি চলক দিয়ে প্রকাশ করা যায়।
- অ্যারে প্রোগ্রামকে সহজ, সুন্দর ও ছোট করে।
- প্রোগ্রাম নির্বাহ দ্রুত হয়।
- অ্যারের উপাদানগুলো দ্রুত একসেস করা যায়।
- প্রোগ্রামের জটিলতা কমায়।

• অ্যারে ব্যবহারের অসুবিধা:
- প্রোগ্রাম নির্বাহের সময় অ্যারের সাইজ পরিবর্তন করা যায় না।
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ অনেক বেশি ঘোষণা করা হলে মেমোরির অপচয় হতে পারে। 
- প্রকৃত ডেটা অপেক্ষা অ্যারের সাইজ কম ঘোষণা করা হলে অ্যারেতে ডেটার পর্যাপ্ত স্থান সংকুলান হয় না।
- বিভিন্ন টাইপের ডেটা অ্যারেতে রাখা যায় না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,০০৭.
রিফ্রেশ রেট কোন এককে প্রকাশ করা হয়?
  1. ক) হার্টজ
  2. খ) পিক্সেল
  3. গ) বিট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- রিফ্রেশ রেট হলো পিক্সেলের উজ্জ্বলতা ঠিক রাখার জন্য প্রতি সেকেন্ডে পিক্সেলগুলো কতবার রিচার্জ হয় তার সংখ্যা।
- Refresh Rate যত বেশি হবে ইমেজ স্ক্রীনে তত বেশি দৃঢ় দেখাবে।
- Refresh Rate কে হার্টজ এককে প্রকাশ করা হয়।
৩,০০৮.
(31)10 = (?)2
  1. ক) 11111
  2. খ) 10101
  3. গ) 1110
  4. ঘ) 101111
ব্যাখ্যা

ডেসিমেল সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তরঃ
পূর্ণ সংখ্যার ক্ষেত্রে-
ধাপ-১ঃ সংখ্যাটিকে টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-২ঃ ধাপ-১ ভাগফলকে নিচে এবং ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
ধাপ-৩ঃ ধাপ-১ এর ভাগফলকে পুনরায় টার্গেট সংখ্যা পদ্ধতির বেজ (২) দিয়ে ভাগ করতে হবে।
ধাপ-৪ঃ ধাপ-৩ এর ভাগফলকে নিচে ও ভাগশেষকে ডানে লিখতে হবে।
এই প্রক্রিয়া ততক্ষণ চলবে যতক্ষণ না ভাগফল শুন্য (0) হয়। অতঃপর ভাগশেষগুলোকে নিচ থেকে উপরের দিকে পর্যায়ক্রমে সাজিয়ে লিখলে ডেসিমেল পূর্ণসংখ্যাটির সমতুল্য বাইনারি মান পাওয়া যাবে।

যেমন ৩১ এর ক্ষেত্রে,
৩১ / ২ = ১৫ ভাগশেষ - ১
১৫ / ২ = ৭ ভাগশেষ - ১
৭ / ২ = ৩ ভাগশেষ - ১
৩ / ২ = ১ ভাগশেষ - ১
১ / ২ = ০ ভাগশেষ - ১

অর্থাৎ, দশমিক সংখ্যা ৩১-এর বাইনারি রূপ = (১১১১১)

৩,০০৯.
প্রথম পূর্ণাঙ্গ স্টোরড প্রোগ্রাম কম্পিউটার কোনটি?
  1. ক) UNIVAC
  2. খ) EDSAC
  3. গ) IBM-PC
  4. ঘ) Apple Macintosh
ব্যাখ্যা
- EDSAC এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন Maurice Wilkes.
- ইহা প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
 
Maurice Wilkes, in full Sir Maurice Vincent Wilkes, (born June 26, 1913, Dudley, Worcestershire, England—died November 29, 2010, Cambridge, Cambridgeshire), British computer science pioneer who helped build the Electronic Delay Storage Automatic Calculator (EDSAC), the first full-size stored-program computer, and invented microprogramming.
 
উৎস: ব্রিটানিকা 
৩,০১০.
পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে কত দ্বারা ভাগ দিতে হয়?
  1. ক) ১৬
  2. খ) ৮
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ২
ব্যাখ্যা
দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
- দশমিক পূর্ণ সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটিকে 16 দ্বারা (যেহেতু হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি হচ্ছে 16) উপর্যুপরি ভাগ করতে হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না ভাগফল শূন্য (0) হয়।
- অতঃপর ভাগশেষগুলোকে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ অংক (MSD) থেকে সর্বনিম্ন গুরুত্বপূর্ণ অংক (LSD) পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে বাম থেকে ডানে সাজালে সংখ্যাটির সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পাওয়া যাবে।

পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ 10 থেকে 15 হয় তবে যথাক্রমে 10 → A, 11 → B, 12 → C, 13→D, 14 → E ও 15 → F সংখ্যা লিখতে হবে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০১১.
একটি রিলেশনাল ডাটাবেস মডেলে নিচের কোনটি দ্বারা Relation প্রকাশ করা হয়? 
  1. Tuples
  2. Attributes
  3. Tables
  4. Rows
ব্যাখ্যা
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে।
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায় ।
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায় ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০১২.
ডেটাবেজ ডিজাইনের ক্ষেত্রে তারিখ/সময় ডেটা টাইপের আকার কত?
  1. ৮ বিট
  2. ৪ বিট
  3. ৮ বাইট
  4. ১৬ বাইট
ব্যাখ্যা
- Short Text/Text ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ২৫৫ ক্যারেক্টার পর্যন্ত। সাধারণত বর্ণভিত্তিক ডেটার ক্ষেত্রে এ ডেটা টাইপ ব্যবহার করা যায়। এ ফিল্ডে বর্ণের সাথে সাথে সংখ্যাও লেখা যায়।
- Long Text/Memo ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৬৪০০০ ক্যারেক্টার পর্যন্ত, কিন্তু ১ গিগা বাইট পর্যন্ত লেখা যায়।  এটি একটি Conditional Data টাইপ। এটি ডেটাবেজের সবচেয়ে বড় ডেটা টাইপ।
- তারিখ/সময় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- মুদ্রা জাতীয় ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ৮ বাইট।
- লজিকাল/বুলিয়ান ডাটা টাইপের আকার/সাইজ ১ বিট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৩,০১৩.
নোটবুক কম্পিউটার এক ধরনের -
  1. মিনি কম্পিউটার
  2. সুপার কম্পিউটার
  3. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  4. মাইক্রো কম্পিউটার
ব্যাখ্যা

• নোটবুক কম্পিউটার এক ধরনের মাইক্রো কম্পিউটার।

• মাইক্রো কম্পিউটার:
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হলো মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রোর সাধারণ অর্থ হলো ক্ষুদ্র। তাই ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সব কম্পিউটার তৈরি হয়, সেগুলোকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার।
- এ ধরনের কম্পিউটার সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর, প্রধান মেমোরি, সহায়ক মেমোরি এবং ইনপুট-আউটপুট হার্ডওয়্যার নিয়ে গঠিত।
- একজন ব্যবহারকারী একাই একটি মাইক্রোকম্পিউটার ব্যবহার করতে পারেন বলে এ ধরনের কম্পিউটারকে ব্যক্তিগত বা পার্সোনাল কম্পিউটারও বলা হয়।
-দামে সস্তা, আকারে ছোট, সহজে বহনযোগ্য এবং রক্ষণাবেক্ষণ সহজ হওয়ায় কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের কাছে খুবই জনপ্রিয়। 
- IBM PC, Apple Macintosh, TRS80, HP 85, IBM Pentium, Power PC ইত্যাদি মাইক্রোকম্পিউটারের উদাহরণ।

• মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ:
- ১. পামটপ কম্পিউটার,
- ২. ল্যাপটপ কম্পিউটার,
- ৩. নোটবুক কম্পিউটার,
- ৪. ডেস্কটপ কম্পিউটার

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩,০১৪.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি? 
  1. ফ্লপি ডিস্ক
  2. ইউএসবি ড্রাইভ
  3. এসএসডি
  4. র‌্যাম 
  5. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মেমোরি বা স্মৃতি ইউনিট:
- কোনো সমস্যা সমাধানের জন্য কম্পিউটারে যে সমস্ত উপাত্ত বা নির্দেশাবলী ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে দেওয়া হয়, তা কম্পিউটারের স্মৃতি ইউনিটে জমা হয়।
- কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান এবং সহায়ক স্মৃতি ইউনিট বিদ্যমান।
- প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরিতে প্রোগ্রাম, নির্দেশনা এবং ফলাফল নির্বাহের সময় অস্থায়ী ফলাফল সংরক্ষিত থাকে।
- সহায়ক মেমোরি তথ্যকে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- র‍্যাম হলো প্রধান বা প্রাইমারি মেমোরি।
- এসএসডি, ফ্লপি ডিস্ক, ইউএসবি ড্রাইভ হলো সেকেন্ডারি স্টোরেজ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।
৩,০১৫.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ কী?
  1. একটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট
  2. একটি কম্বিনেশনাল সার্কিট
  3. একটি পাওয়ার সাপ্লাই ডিভাইস
  4. একটি লজিক গেট
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ হলো একটি সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিট, তাই সঠিক উত্তর হলো ক)। ফ্লিপ-ফ্লপ এমন একটি মৌলিক মেমোরি উপাদান যা এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। এটি শুধু বর্তমান ইনপুটের উপর নির্ভর করে না, বরং আগের অবস্থার (previous state) উপরও নির্ভরশীল। সাধারণত ক্লক সিগনালের সাহায্যে ফ্লিপ-ফ্লপ কাজ করে এবং ডেটা সংরক্ষণ, কাউন্টার, রেজিস্টার ও মেমোরি ডিজাইনে ব্যবহৃত হয়। কম্বিনেশনাল সার্কিটের মতো এটি তাৎক্ষণিক আউটপুট দেয় না এবং এটি পাওয়ার সাপ্লাই বা সাধারণ লজিক গেটও নয়।
 
ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে, 
- বাকি তিনটি অপশন ফ্লিপ-ফ্লপের বৈশিষ্ট্য নয়। 

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৩,০১৬.
ই-লার্নিং কী?
  1. বই কেনাবেচার সাইট
  2. ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে শিক্ষা
  3. ভার্চুয়াল ক্লাসে পাঠ্যবই পড়ানো
  4. স্কুলের মধ্যে ব্যবহৃত টুল
ব্যাখ্যা
• ই-লার্নিং:
- ই-লার্নিং শব্দটি ইলেকট্রনিক লার্নিং কথাটির সংক্ষিপ্ত রূপ।
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।
- এগুলোর মধ্যে রয়েছে মুক্তপাঠ, শিক্ষক ডট কম, জাগো অনলাইন স্কুল, প্রভৃতি।

[ই-লার্নিং হলো ইলেকট্রনিক মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণের প্রক্রিয়া, যা বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে সম্পন্ন হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলি সীমাবদ্ধ বা ভুল কারণ:
'বই কেনাবেচার সাইট' শুধুমাত্র একটি ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম; 'ভার্চুয়াল ক্লাসে পাঠ্যবই পড়ানো' ই-লার্নিং এর একটি অংশ মাত্র এবং 'স্কুলের মধ্যে ব্যবহৃত টুল' খুবই সীমিত ধারণা।

• ই-লার্নিং এ অন্তর্ভুক্ত থাকে: ভিডিও লেকচার, ইন্টারেক্টিভ কোর্স মেটেরিয়াল, অনলাইন কুইজ ও পরীক্ষা, ডিজিটাল লার্নিং রিসোর্স, অনলাইন ডিসকাশন ফোরাম ইত্যাদি]

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০১৭.
নিচের কোন ডিভাইসের সাথে মাউস সরাসরি সংযুক্ত থাকে?
  1. প্রসেসর
  2. মাদারবোর্ড
  3. মনিটর
  4. হার্ডডিস্ক
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড (Motherboard): 
→ মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
→ সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
→ এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
→ কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
→ মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন, কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
→ কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। তাই মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড। 
→ বর্তমানে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI ইত্যাদি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ডগুলো বাজারে পাওয়া যায়। 

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot,
2. RAM slot,
3. PCI slot, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০১৮.
জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করেন কে?
  1. ভ্যান রোসাম
  2. জেমস গসলিং
  3. মার্শাল ম্যাকলুহান
  4. অগাস্টা অ্যাডা
ব্যাখ্যা
• জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• Java programming language:
- Java programming language হলো একটি উচ্চস্তরের অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কাজের সূচনা করে।
- জেমস গসলিং সেই কাজের নেতৃত্ব দেন।
- ১৯৯৫ সালে তারা ভাষাটিকে রিলিজ করেন।
- ২০১০ সালে Oracle Corporation সান মাইক্রো সিস্টেম কিনে নিলে জাভা ভাষার ম্যানেজমেন্টও তাদের মালিকানায় চলে আসে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০১৯.
১১০০১১ এর ২-এর পরিপূরক কোনটি?
  1. ০০১১০০
  2. ০০১১০১
  3. ১০১১০০
  4. ১০১১০১
ব্যাখ্যা
• বাইনারি পদ্ধতিতে প্রকাশিত সংখ্যার ০ ও ১ ডিজিট দুটিকে যথাক্রমে ১ ও ০ দ্বারা পরিবর্তন করা হলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তাকে ১-এর পরিপূরক বলে।
• ১-এর পরিপূরকের সাথে ১ যোগ করলে ২-এর পরিপূরক পাওয়া যায়।

৩,০২০.
নিচের কোনটি এন্টি ভাইরাস?
  1. ক) Norton
  2. খ) Eset
  3. গ) Windows defender
  4. ঘ) All of these
ব্যাখ্যা
- VIRUS এর পূর্ণরূপ Vital Information Resources Under Seize.
- ফ্রেডরিক কোহেন প্রথম ভাইরাস নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।
 
- এন্টিভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগাম যা কম্পিউটারকে ভাইরাস মুক্ত করে কম্পিউটারকে সচল রাখতে গুরুতবপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। 
- উল্লেখিত সবগুলোই এন্টি ভাইরাস।

৩,০২১.
"ই-লার্নিং" ভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম নয় কোনটি?
  1. শিক্ষক ডট কম
  2. জাগো অনলাইন স্কুল
  3. ইস্কুল ডট কম
  4. মুক্তপাঠ
ব্যাখ্যা
• ই-লার্নিং:
- প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার বাইরে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সরাসরি ক্লাস করা কিংবা কোন বিষয়ের উপর জ্ঞানার্জন করার পদ্ধতিই ই-লার্নিং নামে পরিচিত।
- ই-লার্নিং এর পূর্ণরূপ ইলেকট্রনিক লার্নিং।
- এ পদ্ধতিতে ঘরে বসে সুবিধাজনক সময়ে পছন্দ মতো বিষয়ে নিজেকে দক্ষ করে গড়ে তোলা সম্ভব।
- যেহেতু এখানে ধারাবাঁধা ক্লাসের ব্যাপারটি থাকে না, তাই সুবিধামতো সময়ে শেখার কাজটি চালিয়ে নেওয়ার সুযোগ থাকে।
- বর্তমানে আমাদের দেশেও রয়েছে একাধিক ই-লার্নিং কার্যক্রম।
- বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদরা বাংলায় কোর্স দেবার জন্য বেশ কিছু ওয়েবসাইট পোর্টাল তৈরি করেছেন এবং সারা পৃথিবী থেকে যে কেউ বাংলা ভাষায় সেই কোর্সগুলো গ্রহণ করতে পারেন।

• এ ধরনের প্ল্যাটফর্মগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে:
- মুক্তপাঠ,
- শিক্ষক ডট কম এবং
- জাগো অনলাইন স্কুল উল্লেখযোগ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২২.
জন মউসলি এবং প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে কোন কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন?
  1. EDSAC
  2. ENIAC
  3. ABC
  4. UNIVAC
ব্যাখ্যা
• ENIAC:
- ENIAC এর পূর্ণরূপ Electronic Numerical Integrator And Calculator.
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তার ছাত্র প্রেসপার একার্ট যৌথভাবে ENIAC নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন।
- ENIAC ছিল প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- ENIAC কম্পিউটারের প্রোগ্রামের জন্য তারযুক্ত প্লাগবোর্ড ব্যবহার করা হতো।

- EDSAC কম্পিউটার হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ এবং তার ছাত্র ক্লিফ ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তাদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasof Barry Computer)।
- UNIVAC হলো সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০২৩.
পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার জনক কে এবং তিনি এটি কোন সালে তৈরি করেছিলেন?
  1. ভ্যান রোসাম, ১৯৮৯
  2. ডেনিস রিচি, ১৯৭৩
  3. জেমস গসলিং, ১৯৯১
  4. স্টিভ জবস, ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ মাহবুবুর রহমান।
৩,০২৪.
DVD এর চেয়ে বেশী Data store করা যায় কোনটিতে?
  1. CD Rom
  2. Red Ray Disk
  3. Blue Ray Disk
  4. Floppy
ব্যাখ্যা
ডিভিডি (DVD):
- ১৯৯৬ সালের দিকে অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন অপটিক্যাল ডিস্কের উন্নতমানের সংস্করণ ডিভিডির (DVD- Digital Versatile Disk) উদ্ভব হয়। DVD-এর গঠন ও আকার সিডির মতোই। তবে অধিক পরিমাণে তথ্য সংরক্ষণ করার জন্য DVD-তে ট্র্যাকসমূহ আরো ঘন করে সন্নিবেশিত থাকে। সাধারণত DVD-এর ধারণক্ষমতা ৪ গিগাবাইট থেকে ১৭ গিগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে।


ব্লু-রে ডিভিডি (Blu-Ray DVD):
ব্লু-রে ডিভিডি দেখতে সাধারণ ডিভিডি-এর মতাে কিন্তু এর ধারণক্ষমতা অনেক। ১০০ গিগাবাইটের ব্লু-রে ডিভিডিতে অডিও, ভিডিও বা অধিক ডেটা সংরক্ষণ করা হয়। এটিও সাধারণ সিডি বা ডিভিডির মতাে ১২ মি.মি. প্লাস্টিক ডিস্কের সাহায্যে তৈরি করা হয়। এর প্রতি লেয়ারের ধারণক্ষমতা ২৫ গিগাবাইট।

• ফ্লপি ডিস্ক: 
ফ্লপি ডিস্ক হচ্ছে একটি সহায়ক স্মৃতি। এটি হার্ডডিস্কের চেয়ে ছোট। ১৯৭৩ সালে ফ্লপি ডিস্কের প্রচলন শুরু হয়। এটি ডিসকেট নামেও পরিচিতি। গানের রেকর্ডের মতো দেখতে এই স্মৃতি প্লাস্টিকের উপর চৌম্বক পদার্থের প্রলেপ দিয়ে তৈরি করা হয়। এর ধারন ক্ষমতা খুবই কম।
সাধারণ ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ৭২০ হতে ৮০০ কিলোবাইট পর্যন্ত এবং হাই ডেনসিটি ফ্লপি ডিস্কের ধারণ ক্ষমতা ১.২ হতে ১.৪ মেগাবাইট পর্যন্ত হতে পারে।

সিডি রম:
বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম। সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা ৬৫০ মেগাবাইট থেকে ৭৫০ মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।

উপরের আলোচনা হতে বুঝা যায়, Blu - Ray Disk , DVD এর চেয়ে অধিক ধারণক্ষমতা সম্পন্ন।
৩,০২৫.
আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূল কারণ কী?
  1. বড় আকার
  2. ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট
  3. ট্রানজিস্টর
  4. ভ্যাকুয়াম টিউব
ব্যাখ্যা

- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) হলো একধরনের মাইক্রোচিপ যেখানে একাধিক ইলেকট্রনিক উপাদান (যেমন ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর, ক্যাপাসিটর) একসাথে সিলিকন প্লেটে স্থাপন করা হয়।
- এই প্রযুক্তির কারণে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়েছে।
- গতি বৃদ্ধি পেয়েছে ও বিদ্যুৎ খরচ কমেছে,
- নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যক্ষমতা বহুগুণ বেড়েছে।
- ফলে, আধুনিক কম্পিউটার অত্যন্ত দ্রুত, শক্তিশালী এবং কমপ্যাক্ট আকারে তৈরি করা সম্ভব হয়েছে।
- এই কারণেই ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট কে আধুনিক কম্পিউটার অগ্রগতির প্রধান কারণ বলা হয়।

- ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়েছিল দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে (১৯৫৬–১৯৬৩)।
- এটি ভ্যাকুয়াম টিউবের তুলনায় উন্নত হলেও, আধুনিক দ্রুত কম্পিউটারের ভিত্তি নয়।
- ট্রানজিস্টর যুগের পরই IC যুগ শুরু হয়, যা অনেক বেশি উন্নত।

- ভ্যাকুয়াম টিউব প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে (১৯৪২–১৯৫৫) ব্যবহৃত হত।
- এগুলো ছিল বড়, ভারী, অতিরিক্ত গরম হতো এবং প্রচুর বিদ্যুৎ খরচ করত।

উৎস: Britannica. [লিংক]

৩,০২৬.
35 এর বিসিডি কোড কত?
  1. 1101010
  2. 010101
  3. 1101011
  4. 00110101
ব্যাখ্যা
 BCD:
 - BCD কোডের পূর্ণরূপ Binary Coded Decimal।
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে।
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ৪টি বিট দিয়ে BCD কোড গঠিত।
- ৪টি বিট দ্বারা ২ বা ১৬ টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।

35 এর বিসিডি কোড:
3 = 0011
5 = 0101

∴ 35 এর বিসিডি কোড = 00110101

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,০২৭.
কোন ধরনের কোয়েরি ল্যাংগুয়েজ সারা দুনিয়ায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে?
  1. ক) QUEL
  2. খ) QBE
  3. গ) SQL
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

SQL কোয়েরি ল্যাংগুয়েজ হল- Structured Query Language।

এছাড়া
QUEL-QUEery Language
QBE- Query By Example

SQL এর সম্পূর্ন অর্থ হলো Structured Query Language। এটি একটি programming language যার মাধ্যমে আমরা database এর সাথে যোগাযোগ করতে পারি মানে database এ ডাটা আদান-প্রদান করতে পারি। ।
SQL এর মাধ্যমে যে কাজসমূহ করা যায়-
১। database থেকে যে কোন ডাটা নিয়ে আসতে পারবো।
২। database এ নতুন কোন ডাটা আমরা সংরক্ষন করতে পারবো।
৩। আগের কোন ডাটা আমরা update করতে পারবো।
৪। আগের কোন ডাটা আমরা delete করতে পারবো।
৫। নতুন কোন databases তৈরী করতে পারবো।
৬। databases এর মধ্যে নতুন কোন table তৈরী করতে পারবো।
৭। databases এর জন্য নতুন কোন User তৈরী করতে পারবো।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান। 

৩,০২৮.
যে ডিভাইসটি সিপিইউ থেকে ডেটা গ্রহণ করে তাকে কী বলে?
  1. ক) ইনপুট
  2. খ) আউটপুট
  3. গ) ইনপুট-আউটপুট
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
যে সব যন্ত্রের মাধ্যমে কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শিত হয় তাদেরকে বলা হয় আউটপুট ডিভাইস। সুতরাং আউটপুট ডিভাইস সিপিইউ থেকে ডেটা গ্রহণ করে সেটা প্রদর্শন করে।
৩,০২৯.
‘ম্যাক ওএস (Mac OS)’ অপারেটিং সিস্টেম উদ্ভাবন করে-
  1. ক) মটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি
  2. খ) অ্যাপল কোম্পানি
  3. গ) মাইক্রোসফট কর্পোরেশন
  4. ঘ) বেল ল্যাবরেটরি
ব্যাখ্যা
ম্যাক ওএস (Mac OS) -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Macintosh Operating System.
- ১৯৮০ সালে অ্যাপল(Apple) কোম্পানি তাদের অ্যাপল মেকিনটোশ কম্পিউটারসমূহে ব্যবহারের জন্য Mac OS তৈরি করে।
- এটি চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম।
[উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৩,০৩০.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট প্যাকেজ প্রোগ্রাম?
  1. Word Note
  2. dBase
  3. Lotus 1-2-3
  4. Foxpro
ব্যাখ্যা
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- ব্যবহারকারী যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়। যেমন-
• Word Processing Package Program: Word Star, Word Perfect, Ms-Word, Word Note ইত্যাদি।
• Spreadsheet Package Program: Lotus 1-2-3, Ms-Excel, Qrater Pro ইত্যাদি।
• Database Package Program: dBase, Foxpro, Oracle, Informix, Access ইত্যাদি।

- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (General Application Program or Package Program):
- বাণিজ্যিকভাবে সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য তৈরীকৃত সফটওয়্যার বা প্রোগ্রামকে সাধারণ ব্যবহারিক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য সাধারণ অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামগুলো হলো:
• এমএস অফিস,
• ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার,
• নেটস্কেপ নেভিগেটর,
• নেটস্কেপ কমিউনিকেটর,
• ইলেকট্রনিক মেইল,
• পেজ মেকার,
• ফটোশপ,
• ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি।

২. অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম (Application Specific or Customized Program):
- অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম বা কাস্টমাইজড হলো কাজের ধরন ও সমস্যা অনুযায়ী ব্যবহারকারীর জন্য কোনো দক্ষ প্রোগ্রামার বা কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান দ্বারা বিশেষভাবে তৈরীকৃত প্রোগ্রাম।
- কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম মূলত ব্যাংক, বীমা, হাসপাতাল ও বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- উল্লেখযোগ্য কাস্টমাইজড প্রোগ্রাম হলোঃ
• ব্যাংকিং সফটওয়্যার,
• ইলেকট্রনিস কমার্স,
• পেরোল সিস্টেম ইত্যাদি হলো অ্যাপ্লিকেশন সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩১.
ডাটাকে ঊর্ধবক্রম থেকে অধঃক্রম অনুসারে সাজানোকে বলা হয় -
  1. ক) ইনডেক্সিং
  2. খ) লুপিং
  3. গ) কুয়েরি
  4. ঘ) সর্টিং
ব্যাখ্যা
সর্টিং: 
- ডাটাকে ঊর্ধবক্রম থেকে অধঃক্রম অনুসারে সাজানোকে সর্টিং বলা হয়। 
- ডেটাকে দুইভাবে সাজানো বা সর্টিং করা যায়।
- যেমন: ছোট থেকে বড় (Ascending Order) ও বড় থেকে ছোট ( Descending Order). 

ইনডেক্সিং:
- ডেটাবেজ টেবিলের রেকর্ড সমূহকে বিশেষ লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকে ইনডেক্সিং বলে।
- কোন ডেটা তাড়াতাড়ি খুঁজে পেতে ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজানো হয়। 

কুয়েরি: 
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ, পুনরূদ্ধার, ডেটা মডিফাই, ডিলিট ইত্যাদি অপারেশনকে বুঝায়।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ বলে।
- তিনটি কুয়েরি ল্যাঙ্গুয়েজ সর্বাধিক প্রচলিত - QUEL, QBE, SQL ইত্যাদি।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ,একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,০৩২.
নিচের কোনটি প্রক্রিয়াকরণ অংশের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. গাণিতিক যুক্তি অংশ
  2. নিয়ন্ত্রণ অংশ
  3. মেমোরি অংশ
  4. শক্তি প্রবাহ অংশ
ব্যাখ্যা
প্রক্রিয়াকরণ অংশ:
- কম্পিউটারের সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল প্রক্রিয়াকরণ অংশ।
- ইহা কম্পিউটারের মস্তিস্কস্বরূপ।
- নিয়ন্ত্রণ, গাণিতিক যুক্তি অংশ এবং মেমোরি কম্পিউটারের এ তিনটি অংশকে প্রক্রিয়াকরণ অংশ বলে।

গাণিতিক যুক্তি অংশ:
এ অংশে গাণিতিক সমস্যার সমাধান করে। প্রয়োজন হলে গণনার ফলাফল ALU তেই জমা থাকে অথবা প্রধান মেমোরিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

নিয়ন্ত্রণ অংশ:
নিয়ন্ত্রণ অংশ কম্পিউটারের সকল কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। ব্যবহারকারী কর্তৃক প্রদত্ত এবং RAM ও ROM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুযায়ী নিয়ন্ত্রণ অংশ কম্পিউটারের অন্যান্য অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও ডাটা সংরক্ষণ করে।

মেমোরি অংশ:
মেমোরি বা স্মৃতি হচ্ছে কম্পিউটারের একটি অংশ, যেখানে তথ্য জমা থাকে। কম্পিউটারে সাধারণত প্রধান মেমোরি ও সহায়ক মেমোরি অংশ বিদ্যমান। তথ্যকে স্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করতে হলে সহায়ক মেমোরির প্রয়োজন হয়।


উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩৩.
সুপারকম্পিউটার প্রধানত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. অফিসের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি 
  2. গেম খেলা
  3. ভিডিও এডিটিং
  4. আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং বৈজ্ঞানিক সিমুলেশন
ব্যাখ্যা

• সুপারকম্পিউটার হলো অত্যন্ত শক্তিশালী কম্পিউটার, যা জটিল ও বিশাল ডেটা দ্রুত প্রক্রিয়াজাত করতে সক্ষম। এগুলো সাধারণ কাজ যেমন অফিসের উৎপাদনশীলতা, গেম খেলা বা ভিডিও এডিটিংয়ের জন্য ব্যবহার করা হয় না, কারণ এই ধরনের কাজ সাধারণ কম্পিউটার বা ওয়ার্কস্টেশন দিয়েই সহজে সম্পন্ন করা যায়। সুপারকম্পিউটারের মূল ব্যবহার হলো আবহাওয়া পূর্বাভাস, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সিমুলেশন, যেমন জলবায়ু পরিবর্তনের মডেল তৈরি, ভূমিকম্পের পূর্বাভাস, মহাকাশ গবেষণা কিংবা জটিল চিকিৎসা সংক্রান্ত বিশ্লেষণ। এতে বিপুল পরিমাণ তথ্য সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করা সম্ভব হয়, যা বৈজ্ঞানিক উন্নয়ন ও মানবকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল এবং দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটারে একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এই ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ তথ্য সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমরি এবং উচ্চ ক্ষমতার প্রক্রিয়াকরণ সুবিধা থাকে।
- সুপার কম্পিউটারে একাধিক প্রসেসর একযোগভাবে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক এবং প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সুপার কম্পিউটারগুলি সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিশাল তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান এবং ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পরমাণু চুল্লির নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
- সুপার কম্পিউটারের উদাহরণ হিসেবে রয়েছে ইন্টেল কর্পোরেশনের প্যারাগন, জাপানের নিপ্পন ইলেকট্রনিক কোম্পানির Super SX II, CRAY-I, CRAY-XMP, CYBER 205, ETA-D2P ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৩৪.
নিচের কোনটি NTFS এর পূর্ণরূপ?
  1. New Technology File System
  2. Network Transfer File System
  3. New Transfer File System
  4. Network Technology File System
ব্যাখ্যা
NTFS: 
- NTFS এর পূর্ণ অর্থ হলো New Technology File System.
- এ ধরনের সিস্টেমে প্রতিটি ফাইল বা ফোল্ডারের জন্য অ্যাকসেস কন্ট্রোল করা যায় এবং একই ড্রাইভে অধিক পরিমাণ ডেটা সংরক্ষণ করা যায়।
- এটিতে UNIX বা UNIX সমর্থিত অপারেটিং সিস্টেম চালানো যায়।
- তাছাড়া এতে Windows NT এবং Windows 2000 অপারেটিং সিস্টেম পরিচালনা করা যায়।
- DOS কোনোভাবেই NTFS পার্টিশনকে সমর্থন করে না।
- NTFS সিস্টেমের অন্যতম সুবিধা হলো প্রত্যেক ব্যবহারকারী কী পরিমাণ স্পেস ব্যবহার করবে, তা কন্ট্রোল করা যায়।
- NTFS পার্টিশনের সর্বোচ্চ ডেটা সংরক্ষণ ক্ষমতা হলো 8GB।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩৫.
OMR শিটের ডেটা পড়তে কোন ডিভাইস প্রয়োজন?
  1. প্রজেক্টর
  2. স্ক্যানার
  3. প্রিন্টার
  4. ফটোকপি মেশিন
ব্যাখ্যা

• OMR (Optical Mark Recognition) শিটের ডেটা পড়ার জন্য প্রধান ডিভাইস হলো স্ক্যানার। OMR শিটে শিক্ষার্থীরা উত্তর প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে চিহ্ন বা মার্ক করে। এই চিহ্নগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করতে এবং কম্পিউটারে রূপান্তর করতে স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়। প্রজেক্টর কেবল ছবি বা তথ্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টার শিট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় এবং ফটোকপি মেশিন কাগজের নকল করার জন্য। কিন্তু OMR শিটের মার্কগুলোকে পড়ে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করার কাজ স্ক্যানারই করতে সক্ষম, যা পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে প্রক্রিয়াকরণে সহায়ক। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) স্ক্যানার।
 
ওএমআর (OMR):
- অপটিক্যাল মার্ক রিকগনাইজার (Optical Mark Recognition) একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস। 
- OMR সিটে স্পষ্টভাবে দাগাংকিত বিশেষ ধরনের পেনসিল বা কলমের দাগ অনুধাবন করতে পারে।
- এটি OMR সিটে ওপর প্রদত্ত বিশেষ ধরনের চার্জ এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যাল বিম দ্বারা স্ক্যান করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে।
- বিশেষ OMR সিটের মার্ককে পাঠ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ডাটা তৈরি করে। এজন্য ওএমআর-এ একটি আলোক উৎস থাকে। আলোতে উৎস থেকে নির্গত আলো মার্কসমূহকে স্কানিং করে।
- নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনসংখ্যা জরিপসহ অনুরূপ নানাবিধ কাজে ওএমআর ব্যবহৃত হরে থাকে।
- এ ডিভাইস অতি অল্পসময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য স্ক্যান করতে পারে।
- মার্ক করা কাগজ স্পষ্ট না হলে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩,০৩৬.
কোনটি ম্যাগনেটিক মেমরির উদাহরণ?
  1. DVD
  2. Flash disk
  3. ROM
  4. Floppy Disk
ব্যাখ্যা
উপাদান ভিত্তিক বিভিন্ন স্টোরেজ মিডিয়া:
অর্ধপরিবাহী মেমরি: ROM, RAM, Flash disk, Pendrive.
ম্যাগনেটিক মেমরি: Hard Disk, Floppy Disk, Magnetic Tape, Megnatic Stripes, Tape Drive.
অপটিক্যাল মেমরি: CD, DVD, Blue-ray Disk, Versatile Digital Disk, WORM.

উৎস: ব্রিটানিকা, geeksforgeeks.
৩,০৩৭.
ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত কীভাবে ছড়ায়?
  1. হার্ডওয়্যার থেকে নিজে থেকেই
  2. সফটওয়্যার আপডেট করে
  3. কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংস্পর্শে
  4. ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যবহারকারী অজান্তে একটি সংযুক্তি খুললে ভাইরাসটি কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং সিস্টেমে ক্ষতি করতে বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হার্ডওয়্যার থেকে ছড়ায় না, সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে ইনস্টল হয় না এবং সরাসরি কম্পিউটারের সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে সংক্রমিত হয় না। সাধারণত ট্রোজান ভাইরাস একটি নির্দিষ্ট ফাইল বা প্রোগ্রামের আকারে আসে, যা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়, তাই ব্যবহারকারী সহজেই এটিকে খুলে ফেলে। নিরাপদ ইমেইল ব্যবহার এবং অজানা সংযুক্তি না খোলাই প্রধান প্রতিরোধ ব্যবস্থা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৩৮.
লজিক ফাংশন সরলীকরণের ক্ষেত্রে কোনটির কাজ আগে করতে হয়?
  1. পূরক অপারেশন
  2. অর অপারেশন
  3. অ্যান্ড অপারেশন
  4. ন্যান্ড অপারেশন
ব্যাখ্যা
• লজিক ফাংশন সরলীকরণের নিয়ম:
- বুলিয়ান রাশিমালাকে সরলীকরণের ফলে লজিক গেটের সংখ্যা কমে বলে সময় ও খরচ দুটোই কমে যায়।
- মূলত বুলিয়ান রাশিমালাকে সরল করার জন্য বিভিন্ন ধরনের বুলিয়ান উপপাদ্যসমূহ ব্যবহৃত হয়।
- তবে সরলীকরণের ক্ষেত্রে কতকগুলো নিয়ম মেনে সরল করতে হয়। যেমন-
• লজিক ফাংশন বাম হতে ডান দিকে সরল করতে হয়।
• প্রথম বন্ধনীর কাজ আগে করতে হয়।
• পূরক অপারেশনের কাজ শুরুতে করতে হয়।
• এরপর সকল অ্যান্ড (.) অপারেশনের কাজ করতে হয়।
• এরপর সকল অর (+) অপারেশনের কাজ করতে হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৩৯.
বাইনারি যোগ বিয়োগের নিয়ম অনুসারে কোনটি ভুল?
  1. ক) 1 + 1 = 0
  2. খ) 0 + 1 = 1
  3. গ) 0 - 1 = 1
  4. ঘ) সবগুলো সঠিক
ব্যাখ্যা

বাইনারি যোগ
0 + 0 = 0
0 +1  = 1
1 + 0 = 1
1 + 1 = 0 এবং হাতে থাকে ১, যা বাম দিকের সারিতে যোগ করতে হয়।

বাইনারি বিয়োগ
0 - 0 = 0
1 - 0 = 1
1 - 1 = 0
0 - 1 = 1 এবং হাতে থাকে ১


সূত্রঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৩,০৪০.
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. Android 16
  2. Android 15
  3. Marshmallow
  4. Oreo
ব্যাখ্যা
• অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম:
- অ্যান্ড্রয়েড একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম যা ২০০৮ সালে চালু হয়।
- এটি গুগল কর্তৃক নির্মিত একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি লিনাক্স ভিত্তিক একটি অপারেটিং সিস্টেম।
- অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনগুলো সাধারনত জাভা প্রোগ্রামিং ভাষায় লিখা হয়।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের ফাইল এক্সটেনশন হলো .apk
- APK এর পূর্ণরূপ Android Application Package.
- Android গুগলের একটি মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম।
- Android OS ব্যবহৃত প্রথম ফোন T-Mobile G1 (HTC Dream নামে বেশি পরিচিত)।
- অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের সর্বশেষ সংস্করণ হলো Android 15।

উৎস:
১. গুগলের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২. ব্রিটানিকা।
৩. অ্যান্ড্রয়েড ওয়েবসাইট।
৩,০৪১.
সি প্রোগ্রামিং-এ, 0xC কী নির্দেশ করে?
  1. Decimal 12
  2. Decimal 14
  3. Decimal 10
  4. Decimal 13
ব্যাখ্যা

• সি প্রোগ্রামিং-এ 0xC একটি হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal) সংখ্যা নির্দেশ করে। এখানে 0x প্রিফিক্স বোঝায় যে সংখ্যাটি বেস-১৬ পদ্ধতিতে লেখা। হেক্সাডেসিমালে ০-৯ পর্যন্ত সংখ্যা এবং A-F পর্যন্ত অক্ষর ব্যবহৃত হয়, যেখানে A=10, B=11, C=12, D=13, E=14 এবং F=15। সুতরাং 0xC মানে হলো হেক্সাডেসিমালের C, যার দশমিক মান 12। তাই সি প্রোগ্রামিং-এ 0xC আসলে দশমিক ১২ নির্দেশ করে। এই কারণে সঠিক উত্তর হলো ক) Decimal 12
 
• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
- sciencedirect. [link]

৩,০৪২.
নিচের কোনটি output device নয়?
  1. monitor
  2. microphone
  3. printer
  4. speaker
ব্যাখ্যা
• microphone একটি ইনপুট ডিভাইস।

• ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
Keyboard, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Scanner, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Monitor, Printer, Plotter, Speaker, Multimedia Projector, Image setter, Film Recorder, Headphone ইত্যাদি।

• ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Pendrive, Modem ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computerhope website.
৩,০৪৩.
ডাটাবেজ টেবিলের "প্রাইমারি কী" কী কাজ করে?
  1. টেবিলের সকল তথ্য নিরাপদ রাখতে এনক্রিপশন ব্যবহার করে
  2. টেবিলের সকল ডাটা স্থায়ীভাবে মুছে ফেলে
  3. টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে সনাক্ত করে
  4. টেবিলের সাইজ ছোট করার জন্য অতিরিক্ত তথ্য কমিয়ে ফেলে
ব্যাখ্যা

ডাটাবেজ টেবিলে প্রাইমারি কী (Primary Key) হলো একটি বিশেষ কলাম বা কলামের সেট, যা টেবিলের প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে (Uniquely) সনাক্ত করে।

• কী-ফিল্ড:
- যে ফিল্ড এর উপর ভিত্তি করে ডাটাবেজ এর ডেটা শনাক্ত, অনুসন্ধান, সম্পর্ক স্থাপন ইত্যাদি কাজ করা হয়, তাকে কী-ফিল্ড বলে।
- কী ৩ ধরনের হয়। যথা-

১. প্রাইমারি কী:
- যে ফিল্ড এর মান দ্বারা একটি রেকর্ডকে অন্য রেকর্ড থেকে আলাদা করা যায় তাকে প্রাইমারি কী বলে।
- যেমন: ID হলো ডাটা টেবিলের এমন একটি অদ্বিতীয় ফিল্ড যার ডাটা অন্য ডাটার সাথে মিলে না। একজনের ID অন্যজনের সাথে কখনোই মিলে না সাধারণত।
- রোল নম্বর, মোবাইল নম্বর একটি প্রাইমারি কী এর উদাহরণ কারণ প্রত্যাকের রোল বা মোবাইল নম্বর ভিন্ন হয়ে থাকে।

২. কম্পোজিট প্রাইমারি কী:
- যদি একটি ডাটা টেবিলের একাধিক কী একসাথে প্রাইমারি কী হিসাবে কাজ করে তাহলে তাদেরকে একসাথে কম্পোজিট প্রাইমারি কী বলে।

৩. ফরেন কী:
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী যদি অন্য একটি টেবিলে থাকে তাহলে অন্য টেবিলের সেই কী কে ফরেন কী বলা হয়।
- যেমন: একটি কোম্পানির ২ টা ডাটা টেবিলের মধ্যে তাদের এমপ্লয়িদের ID ফিল্ড একই থাকলে তাকে একটি নির্দিষ্ট টেবিলের সাপেক্ষে অন্য টেবিলের ফরেন কি বলে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. ব্রিটানিকা।

৩,০৪৪.
(507)8 = (?)16
  1. 247
  2. 147
  3. 742
  4. 472
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) 147

​​অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর 

- অক্টাল সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরের ​জন্য প্রথমে অক্টাল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংকের সমতুল্য 3 বিট বাইনারি সংখ্যা বসিয়ে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে। 
​- অতঃপর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে 4 বিট বাইনারি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য হেক্সাডেসিমেল মান বসালে অক্টাল সংখ্যাটির হেক্সাডেসিমেল মান পাওয়া যায়।


​(507)8 = (147)16
​​
​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৪৫.
কোন সত্যতা সারণি একটি ২-ইনপুট NOR গেটকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করে?
  1. 0 0 → 0, 0 1 → 1, 1 0 → 1, 1 1 → 0
  2. 0 0 → 1, 0 1 → 0, 1 0 → 0, 1 1 → 0
  3. 0 0 → 1, 0 1 → 1, 1 0 → 1, 1 1 → 0
  4. 0 0 → 0, 0 1 → 0, 1 0 → 0, 1 1 → 1
ব্যাখ্যা

• ২-ইনপুট NOR গেট হল একটি লজিক গেট যা আউটপুট প্রদান করে তখনই যখন উভয় ইনপুটই শূন্য (0) থাকে। অন্যভাবে বলা যায়, NOR গেট হলো OR গেটের নেগেশন। OR গেটের আউটপুট ১ হয় যদি অন্তত একটি ইনপুট ১ হয়, তাই NOR গেটের আউটপুট ঠিক উল্টো হয়। অর্থাৎ, ইনপুট (0,0) হলে আউটপুট ১ হবে, এবং (0,1), (1,0), (1,1) হলে আউটপুট হবে ০.
- দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে কেবল “খ)” সারণিটি এই বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মিলে যায়: 0 0 → 1, 0 1 → 0, 1 0 → 0, 1 1 → 0। সুতরাং, সঠিক সত্যতা সারণি হলো খ)।


• NOR গেইট:
- NOR গেইট ব্যবহার করে তিনটি মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) সহ যেকোনো জটিল ডিজিটাল সার্কিট তৈরি করা সম্ভব, তাই একে সার্বজনীন (Universal) গেইট বলা হয়।

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,০৪৬.
বাংলাদেশে প্রথম টেলি ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রথম চালু করে-
  1. ক) National Bank
  2. খ) Grindlays Bank
  3. গ) Standard Chartered Bank
  4. ঘ) American Express Bank
ব্যাখ্যা
টেলি ব্যাংকিং কথাটির অর্থ হলো টেলিফোন ব্যাংকিং। অর্থাৎ টেলিফোনের মাধ্যমে যে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় তাকে টেলিফোন ব্যাংকিং বা টেলি ব্যাংকিং বলা হয়। এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক তার ব্যাংক সীমিত পরিসরে একাউন্ট ব্যালেন্স ট্রানজেকশন, ইলেকট্রনিক বিল পেমেন্ট, ফান্ড ট্রান্সফার ইত্যাদি কাজ করার সুবিধা গ্রহণ করতে পারে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই সেবা চালু থাকলেও বাংলাদেশে স্ট্যান্ডার্ড চাটার্ড ব্যাংক প্রথম এই সেবা চালু করে।
৩,০৪৭.
(110010)২ এর সমতূল্য অক্টাল মান কত?
  1. ক) 62
  2. খ) 50
  3. গ) 72
  4. ঘ) 20
ব্যাখ্যা
Convert every 3 binary digits (start from bit 0) to 1 octal digit, with this table:

Binary    Octal
000    0
001    1
010    2
011    3
100    4
101    5
110    6
111    7


Convert every 3 binary digits (from bit0) to octal digit (see conversion table below):
110010
= 110 010
= 6 2
= 62
৩,০৪৮.
ন্যানো প্রযুক্তির জনক কে?
  1. মারশলে ম্যাকলুহান
  2. রিচার্ড ফাইনম্যান
  3. ফ্রেডরিক এঙ্গেলবার্গার
  4. রে টমলিনসন
ব্যাখ্যা
• ন্যানো টেকনোলজি:
- ন্যানো টেকনোলজি বা ন্যানো প্রযুক্তি হলো পারমাণবিক বা আণবিক স্কেলে অতিক্ষুদ্র ডিভাইস (যেমন- রোবোট) তৈরি করার জন্য ধাতব ও বস্তুকে সুনিপুণভাবে কাজে লাগানোর বিজ্ঞান।
- ন্যানো টেকনোলজিকে সংক্ষেপে ন্যানোটেক বলা হয়ে থাকে।
- আমেরিকান পদার্থবিদ রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) ১৯৫৯ সালের ২৯ ডিসেম্বর তার "There's Plenty of Room at the Bottom" আলোচনায় ন্যানো টেকনোলজি সম্পর্কে সর্বপ্রথম ধারণা দেন।
- যেখানে তিনি পরমাণুর প্রত্যক্ষ ম্যানিপুলেশনের মাধ্যমে সংশ্লেষণের সম্ভাবনা বর্ণনা করেছিলেন।
- তাই রিচার্ড ফাইনম্যান (Richard Feynman) কে ন্যানো প্রযুক্তির জনক বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,০৪৯.
কোন অপারেটিং সিস্টেমে টাইম স্লাইস (Time Slice) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়?
  1. ক্লায়েন্ট সার্ভার
  2. রিয়েল টাইম
  3. টাইম শেয়ারিং
  4. মাল্টি প্রেগ্রামিং
ব্যাখ্যা
- টাইম স্লাইসিং (Time Slicing) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয় টাইম শেয়ারিং (Time Sharing) অপারেটিং সিস্টেমে। 

টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেম: 
- টাইম শেয়ারিং পদ্ধতিতে অনেক ব্যবহারকারী এক সঙ্গে নিজ নিজ টারমিনালের সাহায্যে মূল কম্পিউটারে কাজ করে। 
- মূল কম্পিউটারের প্রসেসর পর্যায়ক্রমিক ভাবে একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রত্যেক ব্যবহারকারীর কাজ সম্পাদন করে, অর্থাৎ এ জাতীয় অপারেটিং সিস্টেম প্রসেসিং সময়কে বিভিন্ন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারকারীর মধ্যে বণ্টন করে। 
- টাইম শেয়ারিং অপারেটিং সিস্টেমগুলি একাধিক ব্যবহারকারীকে একই সিস্টেম রিসোর্স ভাগ করে নিতে দেয়। 
- প্রত্যেক ব্যবহারকারীকে খুব ছোট ছোট সময় অন্তর (Time Slice) প্রদান করা হয়, যার মধ্যে তাদের প্রোগ্রামগুলি রান করতে পারে, এই প্রক্রিয়াটিকে টাইম স্লাইসিং বলা হয়। 
উদাহরণ: অনলাইন ফাইল শেয়ার করার অপারেটিং সিস্টেম। 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)।
৩,০৫০.
"OCR" এর সঠিক ব্যবহার কোনটি?
  1. উত্তরপত্র মূল্যায়নে ব্যবহার করা
  2. মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট দেয়া
  3. ডিজিটাল চেক তৈরিতে ব্যবহার করা
  4. পণ্যের বাজার বিশ্লেষণ করা
ব্যাখ্যা
• OCR:
- OCR -এর পূর্ণ নাম হলো Optical Character Reader.
- এটি মূলত একটি ইনপুট ডিভাইস হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত OCR বিভিন্ন আকারের দাগ, চিহ্ন এবং সব ধরনের আলফানিউমেরিক ক্যারেক্টার পড়তে পারে।
- এটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে শুধুমাত্র ছাপার লেখা না, হাতের লেখা পর্যন্ত পড়তে পারে।
- OCR-এর কার্যপ্রণালী মূলত OCR সফটওয়্যারের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।
- এ ক্ষেত্রে OCR যন্ত্রটি প্রথমে ডকুমেন্টের বিটম্যাপ ইমেজ তৈরি করে।
- অতঃপর OCR সফটওয়‍্যার সেগুলোকে ASCII টেক্সটে রূপান্তরিত করে ফলে কম্পিউটার বিভিন্ন অক্ষর, বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ ক্যারেক্টার চিনতে পারে।

• OCR এর ব্যবহার:
- ইনস্যুরেন্স প্রিমিয়াম নোটিশ,
- চিঠির পিনকোড,
- ক্যাশ রেজিস্টার,
- ইলেকট্রিক বিল ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৫১.
কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ইউনিটের (Control Unit) কাজ নয় কোনটি?
  1. মাইক্রোপ্রসেসরের জন্য নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা
  2. মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা
  3. কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করা
  4. ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

ইনপুট ডিভাইস থেকে তথ্য সংরক্ষণ করা মেমোরি ইউনিটের কাজ।

• কম্পিউটার সিস্টেমের প্রধান পাঁচটি অংশ হলো:
১। ইনপুট ইউনিট (Input Unit)
২। নিয়ন্ত্রণ ইউনিট (Control Unit)
৩। গাণিতিক যুক্তি ইউনিট (Arithmetic Logic Unit)
৪। মেমোরি ইউনিট (Memory Unit)
৫। আউটপুট ইউনিট (Output Unit)

• নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit):
- কন্ট্রোল ইউনিটের প্রধান কাজ হলো মেমোরি থেকে নির্দেশনা কোড পড়া ও ডিকোড করা।
- মাইক্রোপ্রসেসরের অন্য অংশগুলোকে কাজে লাগানোর জন্য প্রয়োজনীয় নিয়ন্ত্রণ সংকেত তৈরি করা। যেমন—গাণিতিক কার্যক্রম সম্পন্ন করার জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের গাণিতিক যুক্তি অংশকে নিয়ন্ত্রণ সংকেতের মাধ্যমে নির্দেশ প্রদান করা।
- নিয়ন্ত্রণ ইউনিট বা কন্ট্রোল ইউনিট কম্পিউটারের সমস্ত অংশকে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনার কাজে নিয়োজিত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের প্রতিটি নির্দেশ পরীক্ষা করে এবং কার্যকর করার জন্য প্রয়োজনীয় সংকেত তৈরি করে।
- মেমোরিতে কখন তথ্যের প্রয়োজন হবে, সহায়ক মেমোরি থেকে কখন প্রধান মেমোরিতে তথ্য নিতে হবে, কখন ইনপুট থেকে উপাত্ত নিতে হবে, কখন ফলাফল দিতে হবে - এ সব বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

৩,০৫২.
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে কোন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়? 
  1. Python
  2. Java
  3. PROLOG
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা: 
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রধানত Java, MATLAB, Python, SHRDLU, PROLOG LISP, CLISP, R ইত্যাদি প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করা হয়। 
- কার্যকারিতা ও প্রয়োজনীয়তার ভিত্তিতে ডেভেলপারগণ তাঁদের পছন্দসই প্রোগ্রাম ব্যবহার করে থাকেন। 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র হিসেবে মেশিন লার্নিং-এর কথা বলা যায়। 
- মেশিন লার্নিং-কে মোটা দাগে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা - 
১। সুপারভাইজড লার্নিং, 
২। আনসুপারভাইজড লার্নিং এবং 
৩। রিইনফোর্সমেন্ট লার্নিং। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
৩,০৫৩.
BIOS কম্পিউটারের কার্যপ্রণালীতে কী ভূমিকা রাখে?
  1. ভাইরাস স্ক্যানিং
  2. হার্ডওয়্যার সিকিউরিটি ও মেইন্টেন্যান্স
  3. ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট
  4. অপারেটিং সিস্টেম লোড করা
ব্যাখ্যা

• BIOS (Basic Input/Output System) কম্পিউটারের বেসিক ফার্মওয়্যার যা মূলত কম্পিউটার চালু হলে প্রথমেই কাজ করে। এটি হার্ডওয়্যার পরীক্ষা করে এবং নিশ্চিত করে যে সব ডিভাইস সঠিকভাবে কাজ করছে। এছাড়াও, BIOS অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রাথমিক সেটিং ও নির্দেশনা প্রদান করে, যার মাধ্যমে কম্পিউটার বুট হতে পারে। ভাইরাস স্ক্যানিং, ডাটা স্টোরেজ ম্যানেজমেন্ট বা হার্ডওয়্যার মেইনটেন্যান্সের সরাসরি কাজ BIOS-এর মধ্যে নেই, যদিও কিছু উন্নত BIOS নিরাপত্তা ফিচার দিতে পারে। মূলত, BIOS-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় অপারেটিং সিস্টেমকে লোড করা। তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) অপারেটিং সিস্টেম লোড করা।

• BIOS:
- কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS.
- BIOS এর পূর্ণরূপ হলো- Basic Input/Output System.
- কম্পিউটার Boot হওয়ার পরপরই যে প্রোগ্রামটি Run হয় সেটি হল BIOS.
- অর্থাৎ, BIOS এর প্রাথমিক কাজ হচ্ছে Boot process নিয়ন্ত্রণ করা।
- এটি System BIOS, ROM BIOS, PC BIOS হিসেবে পরিচিত।
- BIOS মাধ্যমে কম্পিউটারের সিস্টেম কনফিগারেশন নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৩,০৫৪.
Record means -
  1. Aggregation of file
  2. Aggregation of field
  3. Aggregation of program
  4. Aggregation of table
ব্যাখ্যা
ডাটাবেজ: 
- এক বা একাধিক পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডাটা টেবিল বা ফাইলের সমষ্টিকে ডাটাবেজ বলে।
- ডাটা শব্দটির অর্থ ‘উপাত্ত’ এবং বেজ শব্দটির অর্থ ‘সমাবেশ’।
- ডাটা, ফিল্ড, রেকর্ড, ডাটা টেবিল ইত্যাদি হলো ডাটাবেজের উপাদান। 
- কোনো ডাটাবেজের বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য যে রেকর্ড ব্যবহার করা হয় তাকে এনটিটি বলে।  
- ফিল্ড হলো ক্ষুদ্রতম ডাটা ইউনিট যা ব্যবহারকারী একই জাতীয় ডাটাকে একটি ক্যাটাগরিতে নামকরণ করেন। 
- পরস্পর সম্পর্কযুক্ত কয়েকটি ফিল্ড নিয়ে গঠিত হয় একেকটি রেকর্ড। 
- এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে টেবিল তৈরি হয়। 
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ডাটাবেজ প্রোগ্রাম হলো - 
মাইক্রোসফট এক্সেস, ফক্সপ্রো, ডিবেজ, ফক্সবেইজ, ওরাকল, প্যারাডক্স, ফোর্থ ডাইমেনশন ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,০৫৫.
যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন সম্পন্ন করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. ১ PFLOPS
  2. ১ GFLOPS
  3. ১ TFLOPS
  4. ১ MFLOPS
ব্যাখ্যা

• যদি একটি প্রসেসর প্রতি সেকেন্ডে ১ বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট অপারেশন সম্পন্ন করতে পারে, তখন তাকে ১ জি‌ফ্লপস (GFLOPS) ক্ষমতার বলা হয়। “ফ্লপস” শব্দটি এসেছে “Floating Point Operations Per Second” থেকে, যা একটি প্রসেসরের গণনার গতিশীলতা বা পারফরম্যান্স পরিমাপ করে। এখানে “জি” মানে “গিগা”, যা এক বিলিয়নের সমান। তাই, ১ জি‌ফ্লপস মানে প্রতি সেকেন্ডে এক বিলিয়ন ফ্লোটিং-পয়েন্ট গণনা করা। GFLOPS (Giga Floating-Point Operations Per Second)। অন্য অপশনগুলো যেমন মেগাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন), টেরাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক ট্রিলিয়ন), এবং পেটাফ্লপস (প্রতি সেকেন্ডে এক কোয়াড্রিলিয়ন) ভিন্ন স্কেলে আসে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো খ) ১ GFLOPS.
 
• FLOPS:
- FLOPS (Floating Point Operations Per Second) হলো কম্পিউটারের গাণিতিক গণনা করার ক্ষমতা পরিমাপের একক।
- এটি বিশেষ করে বিজ্ঞানসম্মত ও ইঞ্জিনিয়ারিং গণনার জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ফ্লোটিং-পয়েন্ট গাণিতিক অপারেশন গুরুত্বপূর্ণ।
- এটি বিশেষত সুপারকম্পিউটার, হাই-পারফরম্যান্স কম্পিউটিং (HPC), এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য ব্যবহৃত কম্পিউটারগুলোর কার্যক্ষমতা পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

উদাহরণ:
- আধুনিক সুপারকম্পিউটারের গতি পেটাফ্লপস (PFLOPS) বা এক্সাফ্লপস (EFLOPS) পরিমাপে হয়।
- যেমন, Fugaku সুপারকম্পিউটার (জাপান) প্রায় ৪৪২ পেটাফ্লপস গতিতে কাজ করে।

উৎস: লেনোভো ওয়েবসাইট। 

৩,০৫৬.
বুলিয়ান আলজেবরার কোন উপপাদ্যটি সঠিক?
  1. A + A = 1
  2. A + A' = 1
  3. A + 1 = A
  4. A . 0 = A
ব্যাখ্যা
• বুলিয়ান উপপাদ্য:
- A + 0 = A
- A + A = A
- A + A' = 1
- A + 1 = 1
- A . 1 = A
- A . A' = 0
- A . A = A
- A . 0 = 0

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,০৫৭.
Mark IV কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ক) ১ম প্রজন্ম
  2. খ) ২য় প্রজন্ম
  3. গ) ৩য় প্রজন্ম
  4. ঘ) ৪র্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• প্রথম প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৪২ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত সময়কালকে কম্পিউটারের প্রথম প্রজন্ম বলে ধরা হয়।
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারের সার্কিটে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার করা হতো।
- অসংখ্য ডায়োড, ট্রায়োড, ভালভ, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি দিয়ে তৈরি হতো বলে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার ছিল আকৃতিতে বড় এবং স্বল্প গতিসম্পন্ন।
- আকৃতিতে বড় থাকার কারণে সহজে বহনযোগ্য ছিল না।
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারে পাঞ্চ কার্ডের মাধ্যমে ইনপুট দেওয়ার ব্যবস্থা ছিল। 
- এ প্রজন্মের কম্পিউটারে প্রোগ্রামের জন্য মেশিন ও অ্যাসেম্বলি ভাষা ব্যবহার করা হতো।
- UNIVAC, ENIAC, EDSAC, IBM 650, IBM 704, Mark I, Mark IV ইত্যাদি প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারের উদাহরণ। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৫৮.
দশমিক সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশ করা যায় কোন কোডের মাধ্যমে?
  1. ক) EBCDIC
  2. খ) ASCII
  3. গ) BCD
  4. ঘ) Unicode
ব্যাখ্যা
• বিসিডি কোড (BCD Code):
- দৈনন্দিন হিসাব নিকাশে আমরা সবসময় দশমিক সংখ্যা ব্যবহার করলেও কম্পিউটার বা ইলেক্ট্রনিক সার্কিট দিয়ে ডিজিটাল প্রক্রিয়া করার জন্য এগুলোকে বাইনারিতে রূপান্তর করে নিতে হয়। 
- কিন্তু এই প্রক্রিয়ায় রূপান্তরের পরে এর দশমিক রূপটি অক্ষুণ্ণ থাকেনা।
- দশমিক সংখ্যা যেহেতু বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়, তাই এর দশমিক রূপটি যতটুকু সম্ভব অক্ষুণ্ণ রেখে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য একটি বিশেষ ধরনের কোডিং পদ্ধতি গ্রহণ করতে হয়। এটিকে বিসিডি কোড বলে।
- BCD এর পূর্ণ অর্থ হলো Binary Coded Decimal. 

• অ্যাসকি কোড:
- ASCII একটি শব্দ সংক্ষেপ যার পূর্ণ নাম American Standard Code for Information Interchange.
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত আলফানিউমেরিক কোড যা মাইক্রো কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটারসহ অনেক মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।

• ইবিসিডিক কোড:
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড। 

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড।
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৫৯.
নিচের কোনটি বাংলাদেশী কম্পিউটার এন্টিভাইরাস?
  1. AVG
  2. Panda
  3. Cobra
  4. McAfee
ব্যাখ্যা
• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো:
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।
• বাংলাদেশী কম্পিউটার এন্টিভাইরাস হলো কোবরা।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৬০.
(0.105)10 = (?)8
  1. 0.065
  2. 0.056
  3. 0.061
  4. 0.055
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) 0.065

দশমিক ভগ্নাংশকে অক্টালে রূপান্তর:
ধাপ-১: ভগ্নাংশকে অক্টাল ভিত্তি ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে। গুণফলের পূর্ণ অংশ এবং ভগ্নাংশ আলাদা করতে হবে এবং পূর্ণ অংশটি সংরক্ষণ করতে হবে।
ধাপ-২: গুণফলের ভগ্নাংশকে পুনরায় ৮ দিয়ে গুণ করতে হবে এবং পূর্ণ অংশ ও ভগ্নাংশ আলাদা করতে হবে। এই প্রক্রিয়া যতক্ষণ না ভগ্নাংশ ০ হয় ততক্ষণ চালাতে হবে। যদি কমপক্ষে ৫-৬ বার গুণ করার পরও ভগ্নাংশ ০ না হয়, তবে এই অবস্থায় কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
ধাপ-৩: সংরক্ষিত পূর্ণ অংশগুলোকে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত (MSD থেকে LSD) সাজালে কাঙ্ক্ষিত অক্টাল সংখ্যাটি পাওয়া যাবে।

 

সুতরাং (0.105)10 = (0.065)8

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩,০৬১.
SATA এর পূর্ণরূপ হচ্ছে:
  1. Serial Advanced Technology Attachment
  2. System ATA Transfer
  3. Serial Access Technology Architecture
  4. Standard ATA Transmission
ব্যাখ্যা

• SATA এর পূর্ণরূপ হলো Serial Advanced Technology Attachment। এটি একটি স্টোরেজ ইন্টারফেস যা মূলত হার্ড ড্রাইভ (HDD), সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) এবং অপটিক্যাল ড্রাইভের সঙ্গে কম্পিউটার সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। SATA পূর্ববর্তী PATA (Parallel ATA) প্রযুক্তির তুলনায় অনেক দ্রুত এবং আরও কার্যকর। এটি ডাটা স্থানান্তরের জন্য সিরিয়াল কেবল ব্যবহার করে, যা সরু এবং নমনীয়, ফলে কম্পিউটার ভেতরের এয়ারফ্লো উন্নত হয়। SATA ড্রাইভের জন্য বিভিন্ন সংস্করণ আছে, যেমন SATA I, SATA II এবং SATA III, যা পর্যায়ক্রমে ডাটা ট্রান্সফারের গতি বাড়িয়েছে। এটি আধুনিক কম্পিউটারে স্টোরেজ সংযোগের একটি মান হয়ে গেছে।

সঠিক উত্তর: ক) Serial Advanced Technology Attachment.

• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ:
- কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ এবং 
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ। 

• সাটা (SATA):
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সিরিয়াল আটা বা সাটার পুরো অর্থ হলো সিরিয়াল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ড্রাইভ (SATA – Serial Advance Technology Attachment Drive)। 
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত ৭ পিনের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ৪ পিন দুইটি জোড়ায় থাকে এবং বাকি ৩ পিন গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA হার্ডডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য SATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- একটি সাটা ক্যাবলে শুধু একটি ড্রাইভই সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।

৩,০৬২.
নিচের কোনটি কম্পিউটার ভাইরাস নয়?
  1. CryptoLocker
  2. Morpho
  3. ILOVEYOU
  4. Storm
ব্যাখ্যা
• Morpho হলো একটি হ্যাকার গ্রুপ। অন্যদিকে ILOVEYOU, CryptoLocker এবং Storm হলো কম্পিউটার ভাইরাসের নাম।

• কম্পিউটার ভাইরাস:

- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের
ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

• কয়েকটি উওল্লেখযোগ্য কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
৩,০৬৩.
পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ (PDA) এর পূর্নরূপ কী?
  1. Personal Digital Assistant
  2. Programmable Data Analyzer
  3. Pushdown Automaton
  4. Portable Data Analyzer
ব্যাখ্যা

◉ পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ (PDA) হলো একটি ছোট এবং বহনযোগ্য ডিভাইস, যা মূলত ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবস্থাপনা এবং কম্পিউটিং কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
পিডিএ-এর পূর্ণরূপ হলো পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট (Personal Digital Assistant)।

পামটপ কম্পিউটার বা পিডিএ:
- PDA এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistant.
- ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, এটি হেল্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রন করা হয়।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৬৪.
Which of the following is not computer hardware?
  1. Mouse
  2. Motherboard
  3. Avro Keyboard
  4. SSD
ব্যাখ্যা
• পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device): সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস,
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস।

১. ইনপুট পেরিফেরাল:
→ কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে নির্দেশাবলী গ্রহণ করে, সে সকল হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। যেমন:
- কী-বোর্ড,
- ওএমআর,
- মাউস,
- স্ক্যানার,
- জয়স্টিক,
- ডিজিটাইজার,
- লাইটপেন,
- বার কোড রিডার ইত্যাদি।

২. আউটপুট পেরিফেরাল:
→ কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে। এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেরাল নামে পরিচিত।
→ অর্থাৎ, কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। যেমন:
- মনিটর,
- প্রিন্টার,
- প্লটার,
- স্পিকার,
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
→ কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। যেমন:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- এস এস ডি,
- পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

→ মাদারবোর্ড হচ্ছে হার্ডওয়্যার। সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড। 
→ সকল ইনপুট, আউটপুট, ইনপুট-আউটপুট পেরিফেরালসমূহ মাদারবোর্ডের সাথে সংযুক্ত থাকে।

সফটওয়্যার:
→ সফটওয়্যার হলো কতকগুলো প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রামের সমষ্টি, যা হার্ডওয়্যারকে কর্মক্ষম করে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাঙ্ক্ষিত ফলাফল প্রদান করে। সফটওয়্যারের মাধ্যমে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে কার্যোপযোগী করা হয়।

→ সমস্যা সমাধান বা কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কম্পিউটারের ভাষায় ধারাবাহিকভাবে লিখিত সুশৃঙ্খল কতগুলো নির্দেশের সমষ্টিকে প্রোগ্রাম বলে। প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টির মাধ্যমে হার্ডওয়্যারকে কার্যক্ষম রাখে, তাকে সফটওয়্যার বলে।

→ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার: Dos, Windows, MS Office, MS paint, Adobe Photoshop, Video Player, PageMaker.
→ Avro Keyboard- ও সফটওয়্যার।

→ অন্যদিকে, কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সম্পর্ক সৃষ্টি করে অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০৬৫.
বুট সেক্টর ভাইরাসের প্রধান ঝুঁকি কী?
  1. অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা
  2. ইন্টারনেটের গতি কমানো
  3. ব্রাউজারের কুকিজ চুরি করা
  4. মজার বার্তা দেখানো
ব্যাখ্যা

• বুট সেক্টর ভাইরাসের প্রধান ঝুঁকি হলো অপারেটিং সিস্টেম লোড হওয়া রোধ করা। এটি কম্পিউটারের হার্ড ডিস্কের বুট সেক্টরকে আক্রান্ত করে এবং কম্পিউটার চালু করার সময় নিজের কোডকে কার্যকর করে। ফলে সিস্টেম ঠিকমত শুরু হতে পারে না বা পুরোপুরি অচল হয়ে যেতে পারে। এই ধরনের ভাইরাস সাধারণত স্টোরেজ ডিভাইসে সরাসরি লুকিয়ে থাকে এবং ব্যবহারকারী সচেতন না থাকলে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অন্য বিকল্প যেমন ইন্টারনেটের গতি কমানো, ব্রাউজারের কুকিজ চুরি বা মজার বার্তা দেখানো বুট সেক্টর ভাইরাসের মূল উদ্দেশ্য নয়। মূল বিপদ হলো কম্পিউটার চালু হওয়ার প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করা।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
 -প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস:
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- সিআইএইচ
- ভিয়েনা ইত্যাদি।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- এভিরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- এভিজি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- নরটন এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- কোবরা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার,
- পান্ডা এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা

৩,০৬৬.
হেক্সাডেসিমেল A5 কে দশমিক সিস্টেমে কিভাবে প্রকাশ করা যাবে?
  1. 90
  2. 125
  3. 145
  4. 165
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: হেক্সাডেসিমেল A5 কে দশমিক সিস্টেমে কিভাবে প্রকাশ করা যাবে?

সমাধান:
• হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যা রূপান্তর করতে হলে, প্রতিটি অংককে 16 এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হবে।

স্থানীয় মান অনুযায়ী গুণ করা:
- একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা গুণ করতে হবে।
- দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা গুণ করতে হবে।
- শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে, এবং এভাবে বামে যাওয়ার সাথে সাথে 16 এর ঘাত বাড়বে।

• হেক্সাডেসিমেল অংকের মান:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা A, B, C, D, E, এবং F যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14, এবং 15 মানের সমান। এই মানগুলোও গুণফলে ব্যবহার করতে হবে।

এখন,
(A5)16 = 5 × 160 + A × 161
= 5 × 1 + 10 × 16
= 5 + 160
= 165

∴ (A5)16 = (165)10  

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৬৭.
ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম কোনটি?
  1. ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ
  2. বর্ণ > ফিল্ড > রেকর্ড > ডেটাবেজ
  3. রেকর্ড > ফিল্ড > তথ্য > ডেটাবেজ
  4. রেকর্ড > ফিল্ড > বর্ণ > ডেটাবেজ
ব্যাখ্যা
• ডেটা ফাইল তৈরির সঠিক অনুক্রম- ফিল্ড > রেকর্ড > টেবিল > ডেটাবেজ।

• ফিল্ড:
ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়। ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।

• রেকর্ড:
সম্পর্কযযুক্ত ফিল্ডকে একত্রে রেকর্ড বলা হয়। অনেকগুলো ফিল্ডের ডেটার সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি রেকর্ড।

• ডেটা টেবিল:
সমজাতীয় সকল ডেটাকে এক একটি টেবিলে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। এক বা একাধিক রেকর্ড নিয়ে ডেটা টেবিল গঠিত হয়।

• ডেটাবেজ:
ফিল্ড, রেকর্ড, ডেটা টেবিল নিয়ে ডেটাবেজ গঠিত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৩,০৬৮.
What type of device is a digitizer that converts analog data into digital form?
  1. Input device
  2. Output device
  3. Storage device
  4. Processor device
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) Input device

ইনপুট ডিভাইস:

যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে আমরা কম্পিউটারকে নির্দেশ দিই বা তথ্য দিই, সেগুলো ইনপুট ডিভাইস। এদের মাধ্যমে কম্পিউটার ডেটা গ্রহণ করে।

উদাহরণ:
- কি-বোর্ড (Keyboard),
- মাউস (Mouse),
- ডিজিটাইজার (Digitizer),
- ওএমআর (OMR),
- লাইটপেন (Light pen),
- বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
- গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
- ওসিআর (OCR),
- ট্র্যাকবল (Trackball),
- স্ক্যানার (Scanner),
- জয়স্টিক (Joystick),
- পয়েন্ট অফ সেল (Point-of-Sale),
- ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারে প্রক্রিয়াজাত ডেটা থেকে পাওয়া ফলাফল বা তথ্যকে আউটপুট বলে।

উদাহরণ:
- মনিটর (Monitor),
- প্রিন্টার (Printer),
- প্লটার (Plotter),
- স্পিকার (Speaker),
- মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
- ইমেজ সেটার (Image Setter),
- ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
- হেডফোন (Headphone), ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
কম্পিউটারের ব্যবহারের জন্য এমন কিছু উপায় আছে যাকে ইনপুট-আউটপুট উভয় পর্যায়ে ব্যবহার করা যায়।

উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি বা ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- টাচ স্ক্রিন, ইত্যাদি।

সোর্স: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১ এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল) ও মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৬৯.

এর মান কত?
  1. AC
  2. 1
  3. ABC
  4. 0
৩,০৭০.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার?
  1. MySQL
  2. Informix
  3. Sybase
  4. McAfee
ব্যাখ্যা
এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

• Sybase, Informix এবং MySQL হচ্ছে ডেটাবেজ সফটওয়্যার।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।
৩,০৭১.
সরাসরি ডাটা এন্ট্রি না করে কোন লিস্ট থেকে পছন্দকৃত ডাটা ইনপুট করার জন্য কোন ধরণের ফিল্ড ব্যবহার করা হয়?
  1. Memo
  2. OLE Object
  3. Hyperlink
  4. Lookup wizard
ব্যাখ্যা
• Memo:
- এটা Conditional Data টাইপ অর্থাৎ এ জাতীয় ফিল্ডে বর্ণ, সংখ্যা, চিহ্ন, তারিখ ইত্যাদি ব্যবহার করে লেখা যায়।
- সাধারণত মন্তব্য ফিল্ডে এ ডাটা টাইপ ব্যবহার করা হয়।

• OLE Object:
- এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Object Linking and Embedding।
- ফিল্ডের অধীনে টেক্সট, ছবি, গ্রাফ বা সাউণ্ড হিসেবে অন্য কোন প্রোগ্রাম যেমন- এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, ফটোসপ ইত্যাদি থেকে অবজেক্ট দিতে হলে OLE Object হিসেবে দিতে হয়।

• Hyperlink:
- কোন ফিল্ডের অধীনে টেক্সট ও নম্বরের কম্বিনেশন ও অন্যান্য কোন প্রোগ্রামের তথ্যকে লিঙ্ক করে দিতে চাইলে এই ধরনের ফিল্ড টাইপ সিলেক্ট করতে হয়।

• Lookup wizard:
- সরাসরি ডাটা এন্ট্রি না করে কোন লিস্ট থেকে পছন্দকৃত ডাটা ইনপুট করার জন্য এ জাতীয় ফিল্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭২.
সিডিতে ডেটা রাইট করাকে কী বলে?
  1. Saving
  2. Burning
  3. Copying
  4. Exporting
ব্যাখ্যা
• Burning:
- কম্পিউটার থেকে সিডি-রমে গান, ছবি, ভিডিও ফাইল কপি করার প্রক্রিয়াটি Burning নামে পরিচিত। 
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory)। 
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।
 
উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭৩.
IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কার করে-
  1. ক) অ্যাপল কোম্পানি
  2. খ) বেল ল্যাবরেটরি
  3. গ) জেনারেল মোটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি
  4. ঘ) মাইক্রোসফট কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জেনারেল মোটর রিসার্চ ল্যাবরেটরি কর্তৃক IBM কর্পোরেশনের জন্য সর্বপ্রথম অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কৃত হয়। এটি তখন মেইনফ্রেম কম্পিউটারে ব্যবহার করা হত।
- ১৯৭১ সালে মাইক্রোকম্পিউটারের জন্য তৈরি প্রথম অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে CP/M।
[উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)]
৩,০৭৪.
রেজিস্টার তৈরির জন্য কোন উপকরণ ব্যবহৃত হয়?
  1. সেমিকন্ডাক্টর
  2. ডায়োড
  3. ফ্লিপ-ফ্লপ
  4. ট্রানজিস্টর
ব্যাখ্যা

• রেজিস্টার একটি মূলত তথ্য সংরক্ষণের উপাদান, যা কম্পিউটারের প্রসেসরে অস্থায়ীভাবে ডেটা রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত ফ্লিপ-ফ্লপ দ্বারা গঠিত, কারণ ফ্লিপ-ফ্লপ একটি দ্বি-স্থিতিশীল সার্কিট যা একটি বিট তথ্য ধরে রাখতে সক্ষম। প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ একটি একক বিট সংরক্ষণ করতে পারে এবং অনেকগুলো ফ্লিপ-ফ্লপ একত্র করে একটি রেজিস্টার তৈরি করা হয়। যদিও সেমিকন্ডাক্টর, ট্রানজিস্টর ও ডায়োড ফ্লিপ-ফ্লপের নির্মাণে ব্যবহৃত হয়, সরাসরি রেজিস্টারের মূল উপকরণ হিসেবে ফ্লিপ-ফ্লপ বিবেচিত হয়।
- তাই রেজিস্টারের কার্যকরী এবং মৌলিক উপাদান হলো ফ্লিপ-ফ্লপ।


• ইন্টারনাল মেমরি:
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

• রেজিস্টার:
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন- অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।
- মাইক্রোপ্রসেসর যখন হিসাব-নিকাশের কার্যাবলি সম্পাদন করে তখন ডেটাকে সাময়িকভাবে জমা রাখার জন্য রেজিস্টারসমূহ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৭৫.
IBM-370 কোন প্রজন্মের কম্পিউটার?
  1. ১ম প্রজন্ম
  2. ২য় প্রজন্ম
  3. ৩য় প্রজন্ম
  4. ৪র্থ প্রজন্ম
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় প্রজন্ম (Third Generation,1965-1971):
- ১৯৬৫ সাল হতে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারকে তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- একীভূত বর্তনী (Integrated Circuit), অর্ধপরিবাহী স্মৃতি, উন্নত কার্যকারিতা, নির্ভরশীলতা এই প্রজন্মের কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
- একীভূত বর্তনীতে অনেক ট্রানজিস্ট্রর, অর্ধপরিবাহী ডায়োড এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ থাকে। 
- কম্পিউটারের আকার আরও ছোট হয়, দাম কমে, কাজের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়।
- এই প্রজন্মের কম্পিউটারের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে- অধিক সংখ্যক ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস সংযোজন, অধিক প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা, সুর ও শব্দ সৃষ্টির ক্ষমতা, তারের সাহায্যে দূরবর্তী কোন কম্পিউটারের সাথে তথ্য আদান প্রদান ক্ষমতা ইত্যাদি।
- এই সময়ে মিনি কম্পিউটারের উদ্ভব ঘটে। এই প্রজন্মে উচ্চতর ভাষার প্রচলন এবং নির্বাহী পদ্ধতির উন্নয়ন ঘটে।
- IBM 360, IBM 370, GE 600 ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭৬.
নিচের কোন মেমোরিটিতে Access Time সবচেয়ে কম?
  1. ক) SSD
  2. খ) RAM
  3. গ) Cache Memory
  4. ঘ) Registers
ব্যাখ্যা
Register মেমোরিটিতে Access Time সবচেয়ে কম।

রেজিস্টার:  রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী। রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- কম্পিউটারের রেজিস্টার মেমোরি একসেস সবচেয়ে কম। 
- কম্পিউটারের প্রসেসরের সবচেয়ে কাছে থাকে রেজিস্টার, তাই এর ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড তুলনামূলক বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭৭.
নিচের কোনটি ১ এক্সাবাইটের সমতুল্য-
  1. ১০২৪ গিগাবাইট
  2. ১০২৪ টেরাবাইট
  3. ১০২৪ ইয়োট্টাবাইট
  4. ১০২৪ পেটাবাইট
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের একক:
- 1 Bit = Binary Digit
- 8 Bits = 1 Byte
- 1024 Bytes = 1 KB (Kilo Byte)
- 1024 KB = 1 MB (Mega Byte)
- 1024 MB = 1 GB (Giga Byte)
- 1024 GB = 1 TB (Terra Byte)
- 1024 TB = 1 PB (Petabyte)
- 1024 PB = 1 EB (Exa Byte)

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৭৮.
The two basic types of record-access methods are-
  1. ক) sequential and random
  2. খ) sequential and indexed
  3. গ) direct and immediate
  4. ঘ) on-line and realtime
ব্যাখ্যা
No Explanation Added
৩,০৭৯.
(1001011)2 = (?)10
  1. ক) 57
  2. খ) 105
  3. গ) 75
  4. ঘ) 67
ব্যাখ্যা

(1001011)2 = 1×26 + 0×25 + 0×24 + 1×23 + 0×22 + 1×21 + 1×20
= 64 + 0 + 0 + 8 + 0 + 2 + 1
= 75

৩,০৮০.
তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে কত সময় লাগতো?
  1. ১০০ ন্যানো সেকেন্ড
  2. ৫ ন্যানো সেকেন্ড
  3. ১০০০ ন্যানো সেকেন্ড
  4. ১ ন্যানো সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের তৃতীয় প্রজন্ম:
- তৃতীয় প্রজন্মের ব্যাপ্তিকাল ১৯৬৫ হতে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত।
- ১৯৫৮ সালে Robert Noyce এবং Jack Kilby, IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন।
- তৃতীয় প্রজনোর কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল। ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়। একই সাথে কম্পিউটারের মেমরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে।
- দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকেই কম্পিউটারের সাথে ভিডিও ডিসপ্লে ইউনিট (যেমন-মনিটর), উচ্চগতির লাইন প্রিন্টারসহ অন্যান্য পেরিফেরাস ডিভাইসের ব্যবহার শুরু হয়।
- এ প্রজন্মে কম্পিউটারে একটি গাণিতিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় ৫ ন্যানো সেকেন্ড সময় লাগত।
- IBM 360, 370, PDP 8, PDP II ইত্যাদি তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৮১.
Where is the BIOS usually located?
  1. RAM
  2. CPU
  3. Hard disk
  4. Motherboard
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর - ঘ) Motherboard

BIOS (Basic Input Output System)
- BIOS (Basic Input Output System) হলো কম্পিউটারের ফার্মওয়্যার বা স্থায়ী সফ্টওয়্যার, যা সাধারণত মাদারবোর্ডে অবস্থান করে।
- কম্পিউটার তার সমস্ত কাজ ধাপে ধাপে নির্দেশ অনুযায়ী সম্পন্ন করে।
- যখন পাওয়ার বাটনে চাপ দেওয়া হয়, তখন প্রথম যে নির্দেশগুলো কম্পিউটার অনুসরণ করে, সেগুলো একটি ইলেকট্রনিক চিপে সংরক্ষিত থাকে।
​- BIOS-এর মাধ্যমে হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
- এটি অপারেটিং সিস্টেম (OS) এবং বাহ্যিক ডিভাইস যেমন মাউস ও কীবোর্ডের তথ্য ব্যবস্থাপনাও করে।
- BIOS-এর নির্দেশ অনুযায়ী প্রসেসর কম্পিউটারের বিভিন্ন উপাদানের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং তাদের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: ১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। ব্রিটানিকা
৩,০৮২.
কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় কোন ফাংশন কী এর সাহায্যে BIOS সেটিংস এ প্রবেশ করা যায়?
  1. F1
  2. F5
  3. F9
  4. F2
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়, BIOS সেটিংস এ প্রবেশ করার  জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।
- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

এছাড়া,
- কপিউটারের F2 কী সাধারণত বায়োস (BIOS) সেটিংস বা ইউইএফআই (UEFI) মেনুতে প্রবেশের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় প্রেস করা হয় এবং এটি কিপ্যাডের ফাংশন কী হিসেবে কাজ করে।
- তবে, কিছু প্রোগ্রাম বা অপারেটিং সিস্টেমে F2 কী এর ব্যবহার ভিন্ন হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ:
Windows-এ: কিছু সফটওয়্যারে F2 প্রেস করলে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন করা যায়।
BIOS/UEFI মেনুতে: এটি কনফিগারেশন সেটিংস পরিবর্তন করার জন্য ব্যবহৃত হয়

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩,০৮৩.
HDD-এর ডেটা সংরক্ষিত হয় কোনটির মাধ্যমে?
  1. বৈদ্যুতিক ডিস্ক
  2. চৌম্বকীয় ডিস্ক
  3. অপটিক্যাল ডিস্ক
  4. র‍্যাম চিপ
ব্যাখ্যা
• হার্ডডিস্ক:
- হার্ডডিস্ক বা HDD হলো ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত সহায়ক স্মৃতি। 

HDD (Hard Disk Drive)-এর ডেটা চৌম্বকীয় ডিস্ক-এর মাধ্যমে সংরক্ষিত হয়
- HDD-এর ভিতরে ঘূর্ণায়মান চৌম্বকীয় প্লেটার (Platter) থাকে, যার উপর ডেটা চৌম্বকীয়ভাবে রেকর্ড করা হয়।
- রিড/রাইট হেড এই ডেটা অ্যাক্সেস বা পরিবর্তন করে।

• হার্ডডিস্কের ধারণক্ষমতা নির্ভর করে নিম্নলিখিত বিষয়ের ওপর -
- ব্যবহারযোগ্য পৃষ্ঠের সংখ্যা। 
- ট্র্যাকের সংখ্যা। 
- ট্র্যাকে সেক্টরের সংখ্যা। 
- প্রতি সেক্টরের ধারণক্ষম বাইটের সংখ্যা। 

অন্যদিকে,
• বৈদ্যুতিক ডিস্ক → এটি SSD (Solid State Drive)-তে ব্যবহৃত হয়, HDD-তে ব্যবহৃত হয় না।
• অপটিক্যাল ডিস্ক → এটি CD, DVD বা Blu-ray-এ ব্যবহৃত হয়।
• র‍্যাম চিপ → এটি অস্থায়ী মেমোরি (Volatile), অন্যদিকে HDD স্থায়ী ডেটা সংরক্ষণ করে।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৮৪.
বাণিজ্যিকভাবে কম্পিউটারে মাউস ব্যবহার শুরু হয় কত সাল থেকে?
  1. ক) ১৯৬০
  2. খ) ১৯৬৪
  3. গ) ১৯৬৭
  4. ঘ) ১৯৮৪
ব্যাখ্যা
- ১৯৬০ এর দশকে স্ট্যানফোর্ড রিসার্চ ইন্সটিটিউটের (SRI International) বিজ্ঞানী ডগলাস এঙ্গেলবার্ট সর্বপ্রথম মাউস এর নকশা (ডিজাইন) করেন।
- তার নকশা অবলম্বন করে ১৯৬৪ সালে SRI International এর প্রধান প্রকৌশলী বিল ইংলিশ প্রথম প্রটোটাইপ মাউস নির্মাণ করেন।
- ১৯৬৭ সালে মাউসের প্যাটেন্টের জন্য আবেদন করা হয় এবং ১৯৭০ সালে ডগলাস এঙ্গেলবার্টের নামে প্যাটেন্ট ইস্যু করা হয়।
- ১৯৮৪ সালে বাণিজ্যিকভাবে কম্পিউটারে মাউস ব্যবহার শুরু হয়।

উৎসঃ SRI International ওয়েবসাইট।
[লিঙ্ক]
৩,০৮৫.
নিম্নের কোনটি মাদারবোর্ড নির্মাতা ব্র্যান্ড নয়?
  1. Intel
  2. GIGABYTE
  3. Adobe
  4. ASUS
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের প্রধান ও কেন্দ্রীয় উপাদান, যা সিস্টেম ইউনিটের ভিতরে সংযুক্ত থাকে।
- এটি কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশের সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে এবং একে সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ডও বলা হয়।
- কম্পিউটারের মূল প্রসেসর বা CPU মাদারবোর্ডে স্থাপিত থাকে, যা কম্পিউটারের "মস্তিষ্ক" নামে পরিচিত।
- মাদারবোর্ডে কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি সংযুক্ত করার জন্য বিভিন্ন পোর্ট ও সংযোগ ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারের প্রতিটি অংশ সরাসরি বা পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকে, যা এটিকে কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ডের মর্যাদা দেয়।
- বর্তমানে বাজারে Intel, GIGABYTE, ASUS, MSI প্রভৃতি ব্র্যান্ডের মাদারবোর্ড বেশ জনপ্রিয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৮৬.
হার্ড ডিস্কে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়?
  1. রেডিও
  2. চুম্বকীয়
  3. আলোক
  4. বৈদ্যুতিক
ব্যাখ্যা
• হার্ড ডিস্কে ম্যাগনেটিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।

• হার্ড ডিস্ক:
- হার্ড ডিস্ক ডেটা সংরক্ষণ করার জন্য ম্যাগনেটিক মিডিয়া ব্যবহার করে।
- অসংখ্য ফ্লপি ডিস্কের ক্ষমতা সম্পন্ন ডিস্কই হল হার্ড ডিস্ক।
- হার্ড ডিস্ককে একটি কম্পিউটারের তথ্য ভান্ডার বলা হয়।
- সাধারণত কম্পিউটারের ভিতরে স্থায়ীভাবে হার্ড ডিস্ক বসিয়ে রেখে কাজ করতে হয়।
- হার্ডডিস্ক এর প্রতিটি সেক্টরের ধারণ ক্ষমতা ৫১২ বাইট।
- হার্ড ডিস্ক প্রথম ব্যবহার হয়, IBM কোম্পানী ১৯৫৬ সালে মেইনফ্রেম বা মিনি কম্পিউটারের ডাটা সংরক্ষণের জন্য সর্বপ্রথম হার্ড ডিস্ক ব্যবহার হয়।
- তবে তখনকার সময়ে হার্ড ডিস্ক এর আকৃতি বা ধরণ ছিল বর্তমানের হার্ড ডিস্ক এর আকৃতির তুলনামুলকভাবে অনেক বেশি বড়।
- ১৯৮০ সালে ১ গিগাবাইট তথ্য ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হার্ডডিস্কের আকার ছিল একটি বড়সর রেফ্রিজারেটর বা ফ্রিজের সমান এবং দাম ও ছিল তুলনামুলক অনেক বেশি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩,০৮৭.
কোনটি মুদ্রিত টেক্সট অথবা সংখ্যাগত ডেটা সনাক্ত করতে পারে?
  1. OCR
  2. QR Code
  3. OMR
  4. Barcode
ব্যাখ্যা

• মুদ্রিত টেক্সট অথবা সংখ্যাগত ডেটা সনাক্ত করতে সক্ষম প্রযুক্তি হলো OCR (Optical Character Recognition)। OCR মূলত কাগজে মুদ্রিত লেখা, সংখ্যা বা টাইপ করা তথ্য স্ক্যান করে তা ডিজিটাল টেক্সটে রূপান্তর করতে পারে। এর মাধ্যমে বই, প্রশ্নপত্র, ফর্ম বা ডকুমেন্টের লেখা কম্পিউটারে সম্পাদনযোগ্য করা যায়। অন্যদিকে QR Code ও Barcode মূলত নির্দিষ্ট কোডের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করে, কিন্তু সরাসরি মুদ্রিত লেখা পড়তে পারে না। আবার OMR কেবল নির্দিষ্ট চিহ্ন বা বুদবুদ পূরণ শনাক্ত করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) OCR.

OCR (Optical Character Recognition):
- OCR হলো একটি স্ক্যানিং এবং তুলনা প্রযুক্তি, যা মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করে।
- এর ফলে মুদ্রিত তথ্য পুনরায় টাইপ করার প্রয়োজন হয় না।

কাজের পদ্ধতি:
- OCR সফটওয়্যার অক্ষরগুলোকে লাইব্রেরিতে সংরক্ষিত আকারের সাথে তুলনা করে চিনে নেয়।
- অক্ষরের নিকটতার (proximity) মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা হয়।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন করার চেষ্টা করা হয়।

নির্ভুলতা:
- উচ্চমানের এবং পরিষ্কার স্ক্যান থেকে সঠিকতা বেশি হয়।
- মূল পত্রের বা স্ক্যানের মান কমলে সঠিকতা হ্রাস পায়।

ব্যবহার:
- একটি অপটিক্যাল ক্যারেক্টার রিডার (OCR) সরাসরি মেইল শ্রেণিবিন্যাস করতে পারে বা মেশিন-রিডেবল কোড দিয়ে চিহ্নিত করে দ্রুত স্বয়ংক্রিয় শ্রেণিবিন্যাসে সাহায্য করে।
- 1965 সালে, ইউ.এস. পোস্টাল সার্ভিস অক্ষর ও সংখ্যা শনাক্তকরণের OCR পরীক্ষামূলকভাবে চালু করে।
- 1980-এর দশকের শুরুর দিকে, তারা এমন একটি যন্ত্র তৈরি করে যা তিনটি ঠিকানার লাইন স্ক্যান, পোস্টাল কোড যাচাই, এবং রাউটিং কোড প্রিন্ট করতে পারে।

OCR প্রক্রিয়ার মূল ধাপগুলো:
-  মুদ্রিত লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা স্ক্যান করা।
-  অক্ষরের আকারের সঙ্গে লাইব্রেরির অক্ষরের তুলনা করে সনাক্তকরণ।
-  অক্ষরের নিকটতার মাধ্যমে শব্দ শনাক্ত করা।
- মূল পৃষ্ঠার বিন্যাস পুনর্গঠন।

অন্যদিকে,
- Barcode: বারকোড হলো রেখা বা প্যাটার্নের মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ ও শনাক্ত করার প্রযুক্তি।
- OMR: OMR হলো একটি প্রযুক্তি যা চিহ্নিত মার্ক বা বুলেট/ডট শনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- QR Code: এটি লেখা বা সংখ্যাসূচক ডেটা শনাক্ত করার জন্য নয়, বরং সংরক্ষিত তথ্য স্ক্যান করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা। 

৩,০৮৮.
CRT মনিটর এর পূর্ণরূপ কী?
  1. ক) Cathode Radiation Tube
  2. খ) Cathode Radiant Tube
  3. গ) Cathode Ray Tube
  4. ঘ) Crystel Ray Tube
ব্যাখ্যা
মনিটর:
- মনিটর হলো একটি অন্যতম সফটকপি আউটপুট হার্ডওয়্যার, যা দেখতে সাধারণত টেলিভিশনের পর্দার মতো।
- মনিটর সাদা-কালো বা রঙিন হয়ে থাকে। আবার অ্যানালগ কিংবা ডিজিটালও হতে পারে।
- প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে মনিটরকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা:
১. ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (Cathode Ray Tube - CRT) ও
২. ফ্ল্যাট প্যানেল মনিটর (Flat Panel Monitor)। 

ক্যাথোড রশ্মির টিউব মনিটর (CRT- Cathode Ray Tube Monitor):
- সিআরটি মনিটরের প্রধান উপকরণ হলো পিকচার টিউব।
- টিউবের ভেতরের দিকে লাল, সবুজ ও আসমানি এ তিনটি মৌলিক বর্ণের ফসফরাসের আবরণের প্রলেপ থাকে।
- ফসফরাসের আবরণটি অনেকগুলো বিন্দু বা ডটের সমন্বয়ে গঠিত। এদেরকে পিক্সেল বলা হয়। কম্পিউটারের তথ্য প্রদর্শনের ক্ষুদ্রতম একক হচ্ছে পিক্সেল।
- মনিটরের পর্দায় একটি ইমেজ বা চিত্র তখনই পূর্ণাঙ্গভাবে অবলোকন করা যায়, যখন ইলেকট্রন বিম সম্পূর্ণ স্ক্রিনটিকে স্ক্যান করে এবং প্রতিটি পিক্সেলকে উজ্জ্বল করে দেয়।
- পিক্সেলের সংখ্যার ওপর মনিটরের রেজুল্যশন নির্ভর করে। বর্তমানে প্রচলিত মনিটরগুলো সাধারণত ৬৪০০০ থেকে ২ মিলিয়ন পিক্সেলবিশিষ্ট হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, এমবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৮৯.
নিচের কোনটি পেরিফেরাল ডিভাইস নয়?
  1. কী-বোর্ড
  2. পেনড্রাইভ
  3. পাওয়ার পয়েন্ট
  4. প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
পেরিফেরাল ডিভাইস (Peripheral Device):
- সাধারণত কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসগুলোকে বলা হয় কম্পিউটার পেরিফেরালস।
- তথ্য প্রবাহের দিক বিবেচনা করে কম্পিউটার পেরিফেরালকে সাধারণত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
১. ইনপুট পেরিফেরালস, 
২. আউটপুট পেরিফেরালস এবং 
৩. ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরালস। 

ইনপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে হার্ডওয়্যার সমূহই হলো ইনপুট পেরিফেরাল। যেমন: কী-বোর্ড, ওএমআর, মাউস, স্ক্যানার, জয়স্টিক, ডিজিটাইজার, লাইটপেন, বার কোড রিডার ইত্যাদি।

আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রর্দশনের বা প্রদানের কাজে বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যার জড়িত থাকে।
- এ সকল হার্ডওয়্যার আউটপুট পেরিফেয়াল নামে পরিচিত।
অর্থাৎ, কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যার সমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রর্দশন করে সেগুলোকে আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। 
যেমন: মনিটর, প্রিন্টার, প্লটার, স্পিকার, মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ইত্যাদি।

ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে সকল ডিভাইসগুলো ইনপুট ও আউটপুট যন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় তাদেরকে ইনপুট ও আউটপুট পেরিফেরাল বলা হয়। 
যেমন: হার্ডডিস্ক, সিডি বা ডিভিডি, পেনড্রাইভ ইত্যাদি।

পাওয়ার পয়েন্ট (Power Point) একটি সফটওয়্যার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৯০.
নিচের কোনটি কম্পিউটারের অংশ?
  1. ক) Keylock
  2. খ) Keyboard
  3. গ) Keystone
  4. ঘ) Key Lime
ব্যাখ্যা
- কীবোর্ড একটি কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।  
- ইহা কম্পিউটারের একটি ইনপুট ডিভাইস।
- ব্যবহারকারী কিবোর্ডে সংখ্যা, অক্ষর টাইপ করে থাকে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।
৩,০৯১.
নিচের কোনটি মেইনফ্রেম কম্পিউটার?
  1. UNIVAC 1100
  2. CYBER-205
  3. IBM S/34
  4. Apple Macintoch
ব্যাখ্যা

UNIVAC 1100 মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

• মেইনফ্রেম কম্পিউটার (Mainframe Computer):
- মাইক্রো ও মিনি কম্পিউটার অপেক্ষা মেইনফ্রেম কম্পিউটার আকৃতিতে বড় কিন্তু সুপার কম্পিউটারের চেয়ে ছোট।
- মেইনফ্রেম কম্পিউটার হচ্ছে এমন একটি কম্পিউটার যার সঙ্গে অনেক ছোট ছোট কম্পিউটার যুক্ত করে একসঙ্গে অনেক ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে এক বা একাধিক কেন্দ্রীয় প্রসেসর থাকে বিধায় অনেক দ্রুতগতিসম্পন্ন, তথ্য সংরক্ষণ ক্ষমতা অনেক বেশি।
- এ ধরনের কম্পিউটারে অনেক বড় বড় এবং জটিল ও সূক্ষ্ম কাজ করার ক্ষমতা রয়েছে।
- UNIVAC 1100, NCR 8000, IBM 4300 ইত্যাদি মেইনফ্রেম কম্পিউটারের উদাহরণ।

উল্লেখ্য,
CYBER 205 - সুপার কম্পিউটার,
IBM S/34 - মিনি কম্পিউটার,
Apple Macintoch - মাইক্রোকম্পিউটার।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,০৯২.
কম্পিউটারের মেমোরির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. প্রধান মেমোরি
  2. সহায়ক মেমোরি
  3. ইন্টারনাল মেমোরি
  4. লিনাক্স মেমোরি
ব্যাখ্যা
• মেমোরির শ্রেণিবিভাগ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত মেমোরিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. প্রধান মেমোরি বা মুখ্য মেমোরি (Main Memory or Primary Memory)
২. সহায়ক মেমোরি বা গৌণ মেমোরি (Secondary Memory or Mass Memory) ও
৩. ইন্টারনাল মেমোরি (Internal Memory)

• প্রধান মেমোরি (Main Memory):
- কম্পিউটারের কর্ম এরিয়া হিসেবে প্রধান মেমোরি পরিচিত।
- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের (CPU) সঙ্গে প্রধান মেমোরির সরাসরি সংযোগ থাকে।
- এ ধরনের মেমোরিতে তথ্য ও নির্দেশাবলি অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে।
- প্রধান মেমোরিকে মেইন বা প্রাথমিক মেমোরিও বলা হয়।
- এটি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে।
- মূলত প্রোগ্রাম চলাকালীন সময়ে কম্পিউটারের প্রোগ্রামের বিভিন্ন তথ্য ও ফলাফলকে অস্থায়ীভাবে প্রধান মেমোরি সংগ্রহ করে রাখে। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৯৩.
লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের উদ্ভাবক কে?
  1. ডেনিস রিচি
  2. লিনাস টারভোল্ডাস
  3. কিন টমসন
  4. স্টিভ ওয়াজনিয়্যাক
ব্যাখ্যা
Linux আপারেটিং সিস্টেম UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের যুবক লিনাস টারভোল্ডাস Linux অপারেটিং সিস্টেমটি তৈরী করেন।
৩,০৯৪.
কম্পিউটারের ডাটা প্রসেসিং শেষে আউটপুটের কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) এনকোডিং
  2. খ) ডিকোডিং
  3. গ) এনকোডার
  4. ঘ) ডিকোডার
ব্যাখ্যা
• ডিকোডিং:
- ডিকোডিং হলো কোডকে প্লেইন টেক্সট বা পরবর্তী প্রসেসের জন্য উপযোগী যেকোনো ফরম্যাটে রূপান্তর করার প্রক্রিয়া।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত প্রতিটি বর্ণ, সংখ্যা বা বিশেষ চিহ্নকে আলাদাভাবে সিপিইউকে বোঝানোর জন্য বিটের (০ বা ১) বিভিন্ন বিন্যাসের সাহায্যে অদ্বিতীয় (Unique) সংকেত তৈরি করা হয়। এই অদ্বিতীয় সংকেতকে কোড (Code) বলা হয়। 
- কম্পিউটার ইনপুটের জন্য কোডিং প্রয়োজন। 
- এটি এনকোডেড ডেটা কমিউনিকেশন ট্রান্সমিশন এবং ফাইলকে তাদের আসল অবস্থায় রূপান্তর করে।
 
উৎস: Techopedia website. 
৩,০৯৫.
মাইক্রো কম্পিউটারের অন্তর্গত নয় কোনটি?
  1. ল্যাপটপ কম্পিউটার
  2. ট্যাবলেট পিসি
  3. মিনি কম্পিউটার
  4. ডেস্কটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
- মাইক্রো কম্পিউটারের অন্তর্গত নয়- মিনি কম্পিউটার। 

মাইক্রো কম্পিউটার: 
- ডিজিটাল কম্পিউটারের মধ্যে সবচেয়ে আকারে ছোট এবং সস্তা কম্পিউটার হচ্ছে মাইক্রোকম্পিউটার। 
- মাইক্রো এর সাধারণ অর্থ হচ্ছে ক্ষুদ্র। 
- ক্ষুদ্রাকৃতির মাইক্রোপ্রসেসর চিপ দিয়ে যে সকল কম্পিউটার গঠিত হয় সেসব কম্পিউটারকে বলা হয় মাইক্রোকম্পিউটার । 

মাইক্রো কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ: 
১। পামটপ কম্পিউটার (Palmtop Computer) বা পিডিএ (PDA), 
২। ল্যাপটপ কম্পিউটার (Laptop Computer), 
৩। নোটবুক কম্পিউটার (Notebook Computer) এবং 
৪। ডেস্কটপ কম্পিউটার (Desktop Computer) ইত্যাদি। 
- এছাড়া ট্যাবলেট পিসি (Tablet PC), ফ্যাবলেট (Phablet), স্মার্টফোন (Smartphone) ইত্যাদিও মাইক্রোকম্পিউটারের অন্তর্ভুক্ত।

মিনি কম্পিউটার: 
- মেইনফ্রেম কম্পিউটারের চেয়ে ছোট আকারের কিন্তু পার্সোনাল কম্পিউটারের চেয়ে বড় আকারের কম্পিউটারকে মিনি কম্পিউটার বা মধ্যম সারির কম্পিউটার বা মিডরেঞ্জ কম্পিউটার বলা হয় ৷ 
- মেইনফ্রেম এবং মিনি কম্পিউটারে একই ধরনের কাজ করা যায়। 
- মিনি কম্পিউটার আকারে ছোট এবং কাজের ক্ষমতাও কম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,০৯৬.
নিচের কোনটির আবিষ্কারের সাথে নরম্যান জোসেফ ও বারনার্ড সিলভার জড়িত?
  1. QR Code
  2. Barcode
  3. RFID
  4. Mouse
ব্যাখ্যা
বারকোড হল তথ্য সংগ্রহের একটি ভিজুয়াল পদ্ধতি যা মেশিনযোগে সম্পন্ন হয়ে থাকে। এটি সাধারণত এর ধারণকারী জিনিস সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে ।
- নরম্যান জোসেফ ও বারনার্ড সিলভার বারকোড আবিষ্কার করেন।

-  এটি ১৯৫১ সালে যুক্তরাষ্ট্রে পেটেন্ট করা হয়।
- বারকোড রিডার এক ধরনের আলো নির্গমন করে যা বস্তুর পৃষ্ঠের বিশেষ সংকেত পড়তে পারে ।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি নবম দশম শ্রেণি (ভোকেশনাল)
৩,০৯৭.
এক্সেল হলো -
  1. Text based স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
  2. ডস ভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
  3. GUI ভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
  4. কী-বোর্ড কমান্ড ভিত্তিক স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম
ব্যাখ্যা

স্প্রেডসিট বলতে লোটাস ১-২-৩ এবং এক্সেল প্রোগ্রামকে বুঝায়। স্প্রেডসিট প্রোগ্রামের মধ্যে অন্যতম এক্সেল প্রোগ্রাম।
এক্সেল স্প্রেডশিট প্রোগ্রাম হচ্ছে চিত্রভিত্তিক (Graphical User Interface)। পক্ষান্তরে লোটাস হচ্ছে বর্ণভিত্তিক পদ্ধতিতে (Text based)।
অর্থাৎ লোটাসের কমান্ড দিতে হয় কী-বোর্ডের সাহায্যে এবং এক্সেল-এর কমান্ড দিতে হয় মাউস পয়েন্টারের সাহায্যে মেনু চালিত পদ্ধতিতে। লোটাস কমান্ড মেনুর সাহায্যে করা যায় তবে সময় বেশি লাগে। এক্সেল ও লোটাস উভয় প্রোগ্রামেই যে কোন তথ্য পরিবর্তন, সংশোধন, সংযোজন করা যায়।
উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)

৩,০৯৮.
বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত প্রথম মেশিন হচ্ছে -
  1. ক) হলিরিথ মেশিন
  2. খ) অ্যাবাকাস
  3. গ) ডিফারেন্স ইঞ্জিন
  4. ঘ) এনালিটিক্যাল ইঞ্জিন
ব্যাখ্যা
হলিরিথ মেশিন
- বিদ্যুৎ দ্বারা চালিত প্রথম মেশিন হচ্ছে হলিরিথ মেশিন (HOLLERITH MACHINE)।
- ১৮৮৯ সালে এটি আবিষ্কার করেন HERMAN HOLLERITH.
- এটিতে একটি মেশিন ডাটা রেকর্ডিং করতো এবং অন্য মেশিন রেকর্ড করা ডাটা ক্যালকুলেশন করতো।
- এই মেশিনে নাম্বার এবং টেক্সট উভয়ই পড়তে পারতো।
- এটিতেই প্রথম পাঞ্চ কার্ড ব্যবহার করা হয়।
- এটির অপর নাম Tabulating Machine.

সূত্র:  কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি (ভোকেশনাল)
৩,০৯৯.
1's complement of 32 is-
  1. 100000
  2. 001100
  3. 100001
  4. 011111
ব্যাখ্যা

- বাইনারি সংখ্যায় ০ এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে ০ বসিয়ে বা সংখ্যার বিটগুলোকে উল্টানোকে সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক বলে।
- ৩২ এর বাইনারি সংখ্যা ১০০০০০।
- এই সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক হবে ০১১১১১।
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৩,১০০.
ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) দীর্ঘমেয়াদী ব্যবহারের জন্য ডেটা সংরক্ষণ করতে
  2. খ) দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য ঘন ঘন অ্যাক্সেস করা ডেটা সংরক্ষণ করতে
  3. গ) গণিত এবং যৌক্তিক ক্রিয়া সম্পাদন করতে
  4. ঘ) ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস পরিচালনা করতে
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনাল মেমরি (Internal Memory):
- কম্পিউটারের ইন্টারনাল মেমরি বলতে রেজিস্টার ও ক্যাশ মেমরিকে বোঝানো হয়।

• রেজিস্টার (Register):
- মূলত মাইক্রোপ্রসেসরের অস্থায়ী মেমরি রেজিস্টার হিসেবে কাজ করে।
- রেজিস্টার তৈরি হয় ফ্লিপ- ফ্লপের সাহায্যে।
- এগুলোর কাজ করার ক্ষমতা অত্যন্ত দ্রুত।
- মাইক্রোপ্রসেসরের কার্যাবলি সম্পাদানের জন্য এর অভ্যন্তরে বিভিন্ন ধরনের রেজিস্টার ব্যবহৃত হয়। যেমন: অ্যাকুমুলেটর, ইনস্ট্রাকশন রেজিস্টার, প্রোগ্রাম কাউন্টার ইত্যাদি।

• ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমরি বলা হয়।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমরি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।