বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

কম্পিউটার

মোট প্রশ্ন৮,১৪১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

কম্পিউটার

PrepBank · পাতা / ৮২ · ১০০ / ৮,১৪১

.
পরিবর্তনযোগ্য মেমোরির উদাহারন কোনটি? 
  1. ক) পাঞ্চ কার্ড
  2. খ) ROM
  3. গ) RAM
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

কম্পিউটারের যে অংশে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে উপাত্ত জমা করা হয় তাকে কম্পিউটারের স্মৃতি বা মেমোরি বলে।
কম্পিউটার, স্মার্টফোনসহ বিভিন্ন যন্ত্রে মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
মেমোরির ক্ষমতা দুইভাবে প্রকাশ করা হয়। একটি হচ্ছে গতি যা হার্টজ (Hz) দ্বারা এবং অন্যটি হলো ধারণক্ষমতা যা বাইট (Byte) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্য মুছে নতুন করে লেখা যায় তাকে পরিবর্তনযোগ্য মেমোরি বলে। যেমন- RAM, Magnetic Disk ইত্যাদি।
যে ধরণের মেমোরিতে সঞ্চিত তথ্য মুছে যায় না, তাকে অপরিবর্তনীয় মেমোরি বলে। যেমন- পাঞ্চ কার্ড, ROM ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

.
বৈধ ছদ্মবেশ ধারণকারী Malicious প্রোগ্রাম কোনটি?
  1. ক) File infector
  2. খ) Self-replicating
  3. গ) Trojan
  4. ঘ) Boot sector
ব্যাখ্যা
Trojan Horse হলো একটি বৈধ প্রোগ্রামের ছদ্মবেশ  ধারণকারী ম্যালিসিয়াস প্রোগ্রাম।
Trojan horse কোনো কম্পিউটার ভাইরাস নয়; ইহা একটি Malware. (সকম maleware কম্পিউটারের ভাইরাস নয়; কিন্তু সকল ভাইরাস ম্যালওয়্যার।)
 
A Trojan horse, or Trojan, is a type of malicious code or software that looks legitimate but can take control of your computer. A Trojan is designed to damage, disrupt, steal, or in general inflict some other harmful action on your data or network.

A Trojan acts like a bona fide application or file to trick you. It seeks to deceive you into loading and executing the malware on your device. Once installed, a Trojan can perform the action it was designed for.

A Trojan is sometimes called a Trojan virus or a Trojan horse virus, but that’s a misnomer. Viruses can execute and replicate themselves. A Trojan cannot. A user has to execute Trojans. Even so, Trojan malware and Trojan virus are often used interchangeably.
 
Source: us.norton.com
.
NAND গেইটের আউটপুট কখন 0 হয়?
  1. যখন A = 1, B = 1
  2. যখন A = 0, B = 1
  3. যখন A = 1, B = 0
  4. যখন দুই ইনপুটই 0
ব্যাখ্যা
A=1, B=1 হলে AND = 1 হয়, আর NOT করলে ফলাফল হয় 0।

ন্যান্ড গেইট:
- ন্যান্ড (NAND) গেইট হচ্ছে অ্যান্ড গেইট ও নট গেইটের সমন্বিত রূপ।
- অ্যান্ড গেইটের আউটপুটকে নট গেইটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলে তখন তাকে বলা হয় ন্যান্ড গেইট।
- অ্যান্ড গেইট যে কাজ করে ন্যান্ড গেইট তার বিপরীত কাজ করে।



উৎস: বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
(2FA)16 = ?
  1. (988)8
  2. (101010111110)2
  3. (772)10
  4. (1372)8
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টালে রূপান্তর করার জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি এবং পরবর্তীতে বাইনারি থেকে অক্টালে রুপান্তর করে সহজেই তা সমাধান করা যায়।

• (2FA)16 কে বাইনারি রূপান্তর: হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তরের ক্ষেত্রে প্রতিটি হেক্সাডেসিমেল অংককে ৪ বিট বিশিষ্ট বাইনারি রূপান্তর করলে বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।


∴ (2FA)16 = (001011111010)2

• (001011111010)2 কে অক্টালে রূপান্তর: কোন বাইনারি পূর্ণ সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির অংকগুলোকে ডান দিক থেকে ৩ বিট বিশিষ্ট এক একটি গ্রুপে ভাগ করা হয়।



∴ (001011111010)2 = (1372)8

অর্থাৎ (2FA)16 = (1372)8
.
মাইক্রোপ্রসেসর সংগঠনকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়
  1. ক) ২ ভাগে
  2. খ) ৩ ভাগে
  3. গ) ৪ ভাগে
  4. ঘ) ৫ ভাগে
ব্যাখ্যা

এই সমস্ত কাজ সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরে প্রয়োজনীয় বর্তনী থাকে। উপরে উল্লেখিত কাজগুলো সম্পাদনের জন্য মাইক্রোপ্রসেসরের ভিতরের সংগঠনকে আবার তিনভাগে ভাগ করা হয়।
১। নিয়ন্ত্রণ অংশ
২। গাণিতিক/যুক্তি অংশ
৩। স্মৃতি

.
নিচের কোন উক্তিটি ইউনিকোড সম্পর্কে সঠিক?
  1. এটি 16 বিটের একটি কোড
  2. এটি শুধুমাত্র ইংরেজি ভাষার জন্য
  3. এটি ব্যবহার করে বাংলাসহ বিশ্বের সব ভাষা প্রকাশ করা যায়
  4. ক + গ
ব্যাখ্যা

• ইউনিকোড:
- ইউনিকোড একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের সমস্ত ভাষার অক্ষরকে সংখ্যার মাধ্যমে প্রদর্শন করতে সক্ষম
- ইউনিকোড হচ্ছে 16 বিট কোড
- বিভিন্ন ধরনের ক্যারেক্টার এবং টেক্সটকে প্রকাশ করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের সকল দেশের ভাষাসমূহকে প্রকাশ করার জন্য 16 বিটের এই কোড ব্যবহার করা হয়।
- ইউনিকোডের সাহায্যে 216 = 65,535 কোড গ্রুপ তৈরি করা সম্ভব।
- যে সমস্ত দেশের ভাষাকে প্রকাশ করতে ৪ বিটের বেশি কোড ব্যবহৃত হয় সে সব ক্ষেত্রে ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
- ইউনিকোড এনকোডিং ফরম্যাট বিভিন্ন ধরণের থাকতে পারে, যার মধ্যে UTF-8 সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) রেডিও
  2. খ) টেলিভিশন
  3. গ) চ্যাটিং
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
ব্রডকাস্ট (Broadcast mode):
এ পদ্ধতিতে শুধু একজন প্রেরক থাকে, কিন্তু ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক আওতাধীন সব গ্রাহক ডেটা গ্রহণ করতে পারে। ব্রডকাস্ট ট্রান্সমিশন শুধু সিমপ্লেক্স হয়ে থাকে। রেডিও, টেলিভিশন ব্রডকাস্ট মোডের উদাহরণ।

মাল্টিকাস্ট (Multicast mode):
মাল্টিকাস্ট মোড অনেকটা ব্রডকাস্ট মোডের মতো হলেও এই মোডে নেটওয়ার্কের একটি প্রেরক হতে ডেটা প্রেরণ করলে তা শুধু অনুমোদিত সদস্য গ্রহণ করতে পারে। মাল্টিকাস্ট ট্রান্সমিশন হাফ-ডুপ্লেক্স বা ফুল-ডুপ্লেক্স-এ হয়ে থাকে। ভিডিও কনফারেন্সিংয়ে, চ্যাটিং, গ্রুপ ভিডিও চ্যাট ইত্যাদি মাল্টিকাস্ট মােডের উদাহরণ।

উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
.
একটি ডাটাবেস সিস্টেম যেখানে দুটি বা ততোধিক ফাইল বিভিন্ন সাইটে অবস্থান করে, তাকে বলা হয়-
  1. Centralized database
  2. Cloud database
  3. Distributed database
  4. Relational database
ব্যাখ্যা
• Distributed database:
- একটি ডাটাবেস সিস্টেম যেখানে দুটি বা ততোধিক ফাইল বিভিন্ন সাইটে অবস্থান করে, তাকে Distributed database বলা হয়।
- বিভিন্ন সাইটে 2টি উপায়ে ডেটা সংরক্ষণ করা যায়। যথা:
১. Replication ও
২. Fragmentation.
- ফ্রাগমেন্টেশন দুটি উপায়ে করা যেতে পারে। যথা:
i) Horizontal fragmentation (Splitting by rows) এবং 
ii) Vertical fragmentation (Splitting by columns).

Source: geeksforgeeks [Link]
.
Half Adder কোন ধরনের কাজ সম্পন্ন করে?
  1. দুইটি সংখ্যা গুন করে 
  2. দুইটি সংখ্যা বিয়োগ করে 
  3. তিনটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল এবং ক্যারি বের করে 
  4. দুইটি বাইনারি সংখ্যার যোগফল এবং ক্যারি বের করে 
ব্যাখ্যা

• Half Adder হলো একটি মৌলিক লজিক সার্কিট যা দুটি বাইনারি ইনপুট গ্রহণ করে এবং দুইটি আউটপুট প্রদান করে।

Sum (যোগফল):
- XOR গেট ব্যবহার করে গণনা করা হয়।
- AND গেট ব্যবহার করে গণনা করা হয়।

- যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 0 এবং 1, তাহলে Sum হবে 1; যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 1 এবং 1, Sum হবে 0।
- যদি ইনপুট দুটি সংখ্যা হয় 1 এবং 1, তাহলে Carry হবে 1; অন্য সব ক্ষেত্রে Carry হবে 0।

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
- Half Adder মাত্র দুটি ইনপুট নিয়ে কাজ করে।
- তিনটি ইনপুটের জন্য Full Adder ব্যবহার করা হয়।

তথ্যসূত্র:
NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ। 

১০.
নিচের কোনটি মাইক্রোপ্রসেসরের অংশ?
  1. ALU
  2. Register set
  3. Control Unit
  4. All above
ব্যাখ্যা
• মাইক্রোপ্রসেসর:
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের VLSI(Very large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকে মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়।

- মাইক্রোপ্রসেসর প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত। যথা-
১. নিয়ন্ত্রণ অংশ(Control Unit),
২. গাণিতিক যুক্তি অংশ(Arithmetic Logic Unit) এবং
৩. রেজিস্টার সমূহ(Register Set)

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
কোন ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম প্রতিটি লাইন অনুবাদ করার পর সঙ্গে সঙ্গেই ফলাফল দেখায়?
  1. ইন্টারপ্রেটার
  2. কম্পাইলার
  3. অ্যাসেম্বলার
  4. ক ও খ
ব্যাখ্যা

• যে ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রাম প্রতিটি লাইন অনুবাদ করার পর সঙ্গে সঙ্গেই ফলাফল দেখায়, তাকে ইন্টারপ্রেটার বলা হয়। ইন্টারপ্রেটার সোর্স কোডকে লাইন বাই লাইন পড়ে এবং তাৎক্ষণিকভাবে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে। ফলে, প্রোগ্রাম লেখকেরা প্রতিটি ধাপের ফলাফল সঙ্গে সঙ্গে দেখতে পারে এবং ত্রুটি থাকলে তা তৎক্ষণাৎ শনাক্ত করা যায়। অন্যদিকে, কম্পাইলার সম্পূর্ণ সোর্স কোডকে একবারে অনুবাদ করে এবং একটি এক্সিকিউটেবল ফাইল তৈরি করে, ফলে ফলাফল দেখার জন্য পুরো প্রোগ্রাম রান করতে হয়। অ্যাসেম্বলার মূলত অ্যাসেম্বলি ভাষাকে মেশিন কোডে রূপান্তর করে।
- তাই এখানে সঠিক উত্তর হলো ক) ইন্টারপ্রেটার।

• অনুবাদক প্রোগ্রাম:
- যে প্রোগ্রাম এর মাধ্যমে উৎস বা সোর্স প্রোগ্রামকে বস্তু বা অবজেক্ট প্রোগ্রামে রুপান্তরিত করা হয়, তাকে অনুবাদক প্রোগ্রাম বলা হয়।
- হাই-লেভেল এর ভাষা কে মেশিন ভাষায় রুপান্তরিত করার জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম এর প্রয়োজন পরে।

• তিন ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম রয়েছে:
১. কম্পাইলার:
- কম্পাইলার হল এমন একটি অনুবাদক যা সোর্স প্রোগ্রামকে একসাথে সম্পূর্ণরূপে মেশিনের ভাষায় অনুবাদ করে একটি অবজেক্ট প্রোগ্রাম তৈরি করে এবং একটি এক্সিকিউশন ফাইল (.exe) তৈরি করে।

২. ইন্টারপ্রেটার:
- ইন্টারপ্রেটার উচ্চতর ভাষাকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করে, তবে কম্পাইলার যেমন, প্রথমে সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে এবং শেষে ফলাফল প্রদান করে কিন্তু ইন্টারপ্রেটার সোর্স প্রোগ্রামকে অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না। প্রোগ্রামে রূপান্তর করে না।
- ইন্টারপ্রেটার এক লাইন করে সম্পাদন করে এবং তাৎক্ষণিক ফলাফল প্রদান করে।

৩. অ্যাসেম্বলার:
- অ্যাসেম্বলার হচ্ছে অ্যাসেম্বলি ভাষায় লিখিত উৎস প্রোগ্রাম অর্থাৎ নেমোনিক কোডকে মেশিনের ভাষায় লিখিত অবজেক্ট প্রোগ্রামে রূপান্তর করা এক ধরনের অনুবাদক প্রোগ্রাম।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
নিচের কোনটি সহায়ক মেমরি?
  1. র‍্যাম
  2. হার্ডডিস্ক
  3. ক্যাশ মেমরি
  4. প্রসেসর
ব্যাখ্যা
হার্ডডিস্ক একটি সহায়ক মেমরি। 

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory):
- কম্পিউটারের যে মেমরিতে বিভিন্ন তথ্য, নির্দেশাবলি, অডিও, ভিডিও, ইমেজ স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা যায় তাকে সহায়ক মেমরি বলা হয়।
- এ ধরনের মেমরির কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ থাকে না বিধায় ধীরগতি সম্পন্ন হয়।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে বা কম্পিউটার বন্ধ করলেও প্রোগ্রাম হারিয়ে বা মুছে যায় না।

• সহায়ক মেমরি (Secondary Memory) এর উদাহরণ:
- হার্ডডিস্ক,
- সিডি,
- ডিভিডি,
- পেনড্রাইভ,
- জিপ ড্রাইভ,
-ম্যাগনেটিক টেপ, ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশন:
ক) র‍্যাম (RAM): প্রাইমারি মেমরি, যা CPU-এর সঙ্গে দ্রুত যোগাযোগ করে, কিন্তু অস্থায়ী (ভলাটাইল) এবং পাওয়ার বন্ধ হলে তথ্য মুছে যায়।
গ) ক্যাশ মেমরি: প্রাইমারি মেমরিরই একটি উচ্চগতির অংশ, CPU-এর কাছাকাছি অবস্থিত, ডেটা দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য।
ঘ) প্রসেসর: মেমরি নয়, এটি কম্পিউটারের মূল হিসাব-নিকাশকারী অংশ (CPU)।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
নিচের কোনটি ভোলাটাইল মেমরি?
  1. RAM
  2. ROM
  3. SSD
  4. HDD
ব্যাখ্যা

• ভোলাটাইল মেমরি হলো এমন একটি মেমরি যা কম্পিউটার বন্ধ করলে তার মধ্যে থাকা তথ্য হারিয়ে যায়। এটি মূলত দ্রুত ডেটা এক্সেস এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই প্রকার মেমরির সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো RAM (Random Access Memory)। যখন আমরা কোনো প্রোগ্রাম চালাই বা ফাইল ব্যবহার করি, তখন ডেটা সাময়িকভাবে RAM-এ রাখা হয় যাতে CPU তা দ্রুত পড়তে এবং লিখতে পারে। অন্যদিকে ROM, SSD বা HDD ভোলাটাইল নয়, অর্থাৎ এগুলোতে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। তাই, কম্পিউটার বন্ধ হওয়ার পর তথ্য ধরে রাখার ক্ষমতা RAM-এর নেই। সুতরাং, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে ভোলাটাইল মেমরি হলো RAM।

• ভোলাটাইল মেমরি:
- যে সকল মেমরিতে সংরক্ষিত ডাটা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে মুছে. যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।

• RAM:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়। 
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• RAM-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory) ।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
- র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪.
ফিচার ফোন ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম কোনটি?
  1. ক) KaiOS
  2. খ) Tizen
  3. গ) Android
  4. ঘ) MacOS
ব্যাখ্যা
KaiOS হচ্ছে ফিচারফোন ভিত্তিক এডভান্সড অপারেটিং সিস্টেম। এই সিস্টেম সম্বলিত ফিচারফোনে ফোরজি সেবা পাওয়া যায়। এর লক্ষ হচ্ছে যারা স্মার্টফোন ক্রয় করার সামর্থ্য রাখেন না তারা যেন ইন্টারনেট ভিত্তিক অধিকাংশ সুবিধা এ ফোনেই ভগ করতে পারেন।
Source: KaiOStech
১৫.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি কোন প্রযুক্তিগত বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তিতে তৈরি?
  1. অ্যানিমেশন ও মেকানিক্স
  2. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও ক্লাউড স্টোরেজ
  3. কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ন্যানো প্রযুক্তি
  4. কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে তৈরি। এটি ব্যবহারকারীর অনুভূতি, দৃষ্টি ও শ্রবণকে নিয়ন্ত্রণ করে একটি কল্পিত বা সিমুলেটেড পরিবেশ তৈরি করে, যেন ব্যবহারকারী মনে করে যে সে সেই পরিবেশের অংশ। VR হেডসেট, সেন্সর ও স্পেশিয়াল ট্র্যাকিং ডিভাইস ব্যবহার করে ব্যবহারকারীর অবস্থান এবং গতিবিধি সনাক্ত করে, যা কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে সিমুলেটেড গ্রাফিক্সে রূপান্তরিত হয়। সিমুলেশন তত্ত্ব ব্যবহার করে বাস্তব পৃথিবীর গতিবিধি ও আচরণের মডেল তৈরি করা হয়, যা ভার্চুয়াল জগতে বাস্তবসম্মত অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্ব।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

১৬.
নিচের কোনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ?
  1. ক) Fortran
  2. খ) Python
  3. গ) QUEL
  4. ঘ) ALGOL
ব্যাখ্যা
কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ (Query Language)
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে তার উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা পুনরুদ্ধার বা রিট্রাইভ করা, ডেটা মডিফাই (Modify) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে।
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।
- ডেটা ম্যানিপুলেশনের উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ তৈরি হয়েছে।
- তবে নিম্ন লিখিত ৩টি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে -
(ক) QUEL - QUEery Language
(খ) QBE - Query By Example
(গ) SQL - Structured Query Language

- উপরের তিনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের মধ্যে SQL সারা বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

---------------------------
- Fortran, Python, ALGOL উচ্চতর বা তৃতীয় প্রজন্মের পোগ্রামিং ভাষা।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি), প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান
১৭.
ছোট থেকে বড় ক্রমানুযায়ী সাজানো কে কি বলে?
  1. ক) ডিসেন্ডিং
  2. খ) অ্যাসেন্ডিং
  3. গ) ইন্টারপ্রিট
  4. ঘ) ডিজাইন
ব্যাখ্যা

ছোট থেকে বড় বা A TO Z ক্রমানুসারে সাজানোকে অ্যাসেন্ডিং এবং Z to A ক্রমানুসারে সাজানোকে ডিসেন্ডিং বলে।
সুত্রঃ নবম দশম (ভোকেশনাল) কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (NCTB board বই)

১৮.
Which generation of language does Intellect belong to?
  1. 2GL
  2. 3GL
  3. 4GL
  4. None of the above
ব্যাখ্যা

Intellect চতুর্থ প্রজন্মের ভাষার অন্তর্ভুক্ত। 

অতি উচ্চতর বা Very High Level ভাষা
- কম্পিউটারে সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ কয়েকটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (4GL) বলা হয়।
- উচ্চতর ভাষার তুলনায় চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা বা 4GL খুবই সহজ, যদিও 4GL-এর জন্য প্রসেসিং ক্ষমতা বেশি দরকার।
- 4GL-এর সাহায্যে সহজেই অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করা যায় বলে একে Rapid Application Development (RAD) টুলও বলা হয়।
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্টের সাথে সংশ্লিষ্ট কুয়েরি (Query) এবং রিপোর্ট জেনারেটর ও ডেটা সঞ্চালনের জন্য ব্যবহৃত ভাষাসমূহ (যেমন SQL) চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এসব ভাষায় ইংরেজি ভাষার মত নির্দেশ দিয়ে কম্পিউটার ব্যবহারকারী ডেটাবেসের সাথে সংযোগ স্থাপন এবং ডেটা আদান-প্রদান করতে পারেন।
- পুঙ্খানুপুঙ্খ বা বিস্তারিতভাবে প্রক্রিয়াকরণের বর্ণনা দিতে হয় না বলে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে ননপ্রসিডিউলার ল্যাংগুয়েজও বলা হয়।
- এসব ক্ষেত্রে শুধু সরলভাবে প্রক্রিয়াকরণের ফল চাওয়া হয়।
- অধিকাংশ চতুর্থ প্রজন্মের ভাষায় কথোপকথন রীতিতে প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে ব্যবহারকারীর যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকে।
- SQL, NOMAD, P.PG III, FOCUS, Intellect ইত্যাদি কয়েকটি চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান)।

১৯.
সিডিতে তথ্য রাইট করার কাজকে কী বলা হয়?
  1. Erasing
  2. Copying
  3. Saving
  4. Burning
ব্যাখ্যা
• সিডিতে তথ্য রাইট করার কাজকে সাধারণত Burning বলা হয়। এটি একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে সিডি বা ডিভিডিতে নতুন ডাটা স্থায়ীভাবে লেখা হয়। এই প্রক্রিয়ায় লেজার ব্যবহার করে তথ্যের প্যাটার্ন তৈরি করা হয় যা পরে ডিভাইস পড়তে পারে। Burning এর মাধ্যমে আপনি মিউজিক, ভিডিও, ডকুমেন্ট, বা অন্যান্য ফাইল সিডিতে সংরক্ষণ করতে পারেন। অন্যদিকে, Erasing মানে আগে রাইট করা তথ্য মুছে ফেলা এবং Copying মানে ডাটা অন্য কোনো স্থানে নকল করা। তবে সিডিতে ডাটা স্থায়ীভাবে লেখার জন্য Burning শব্দটি ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো "ঘ) Burning".

• Burning:
- কম্পিউটার থেকে সিডি-রমে গান, ছবি, ভিডিও ফাইল কপি করার প্রক্রিয়াটি Burning নামে পরিচিত। 
- বর্তমান সময়ে কম্পিউটারে সম্পাদিত ডেটা সংরক্ষণের ক্ষেত্রে অন্যতম মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত মেমরির নাম সিডি-রম (CD-Rom - Compact Disk Read Only Memory)। 
- সাধারণত সিডির ধারণক্ষমতা 650 মেগাবাইট থেকে 750 মেগাবাইট পর্যন্ত হয়ে থাকে। 
- এতে সাধারণত এক সাইডে তথ্য সংরক্ষিত থাকে। 
- বিপুল পরিমাণ ধারণক্ষমতা এবং দামে সস্তা হওয়ার কারণে সিডিতে অডিও, ভিডিও, সফটওয়্যার, বড় ধরনের ডেটা ইত্যাদি সংরক্ষণে খুবই জনপ্রিয়। 
- সিডিতে সংরক্ষিত তথ্য বহুদিন পর্যন্ত সংরক্ষিত থাকে।
 
উৎস: মাইক্রোসফট ওয়েবসাইট, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
কোন মডেলটি পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগের পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত?
  1. Commodore 64
  2. Apple I
  3. Altair 8800
  4. IBM PC
ব্যাখ্যা

• পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগের পথপ্রদর্শক হিসেবে Altair 8800 (গ) মডেলটি পরিচিত। এটি ১৯৭৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পায় এবং ছোট, স্বয়ংক্রিয় ব্যবহারযোগ্য কম্পিউটারের ধারনা বাস্তবে রূপ দেয়। Altair 8800 একটি কিট হিসেবে বিক্রি হত, যা ব্যবহারকারী নিজে গঠন করতে পারত। এর প্রসেসর হিসেবে Intel 8080 ব্যবহার করা হয় এবং এটি মাইক্রোকম্পিউটারের সম্ভাবনা দেখায়, যা পরবর্তীতে Microsoft-এর মতো সফটওয়্যার কোম্পানির বিকাশে সহায়ক হয়। Altair 8800-এর জনপ্রিয়তা দেখায় যে, সাধারণ মানুষও কম্পিউটার ব্যবহার করতে পারবে, এবং এটি পার্সোনাল কম্পিউটারের যুগের সূচনা করে।

পার্সোনাল কম্পিউটার: 
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে পার্সোনাল কম্পিউটারের পথ সুগম হয়।
- ১৯৭৫ সালে এডওয়ার্ড রবার্টস ‘Altair-8800’ কম্পিউটার উপস্থাপন করেন এবং এর নামকরণ করেন পার্সোনাল কম্পিউটার।
- এডওয়ার্ড রবার্টস ছিলেন Micro Instrumentation and Telemetry Systems (MITS) এর প্রতিষ্ঠাতা।
- তার এই প্রতিষ্ঠান মূলত বিশ্বের প্রথম পার্সোনার কম্পিউটার ‘Altair-8800’ নির্মাণ করে।
- এতে Intel-8080 মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করা হয়।

উৎস:
১। ব্রিটানিকা। 
২। National Museum of American History ওয়েবসাইট। 

২১.
C প্রোগ্রামিং ভাষা কে উদ্ভাবন করেছেন?
  1. Bjarne Stroustrup
  2. James Gosling
  3. Dennis Ritchie
  4. Paul Berg
ব্যাখ্যা

• Dennis Ritchie-কে সি প্রোগ্রামিং ভাষার জনক বলা হয়।

সি প্রোগ্রামিং ভাষা:
- ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) বেল ল্যাবরেটরিতে UNIX অপারেটিং সিস্টেম ডেভেলপ করার জন্য  প্রথম C ভাষা তৈরি করেন।
- ১৯৭০ সালে PDP-11 কম্পিউটারে প্রথম C প্রোগ্রামিং ভাষা প্রয়োগ করা হয়েছিলো।
- ১৯৭২ সালে এই ভাষার প্রথম রিলিজ হয়।
- C ভাষা একটি স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং ভাষা।
- প্রতিটি C প্রোগ্রামিংয়ে একটি main() ফাংশন থাকে।
- বহু সুবিধার কারণে এখনও 'সি' প্রোগ্রামিং ভাষা প্রচলিত আছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২২.
ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন কোন কম্পিউটারের জনক?
  1. ক) Mark-I
  2. খ) ABC
  3. গ) ENIAC
  4. ঘ) EDSAC
ব্যাখ্যা
• ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার:
- যান্ত্রিক ও ইলেকট্রনিক উভয় পদ্ধতির সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারকে ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার বলা হয়।
- ১৯৩৭ সালে আমেরিকার হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক ড. হাওয়ার্ড এইচ আইকেন (Dr. Howard Aeiken) ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে চার্লস ব্যাবেজের অ্যানালাইটিক ইঞ্জিনের মতো একটি যন্ত্র তৈরি করার পরিকল্পনা করেন, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে কাজ করতে পারে।
- ১৯৪৪ সালে হাওয়ার্ড মার্ক-১ (Mark-I) নামের পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার তৈরি করেন।
- মার্ক-১ ছিলো হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও আইবিএম কোম্পানির যৌথ উদ্যোগের একটি ফসল। 

• ইলেট্রনিকস কম্পিউটার: 
- যুক্তরাষ্ট্রের আইওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ (Dr. John vincent Atanasoff) এবং তাঁর ছাত্র ক্লিফ (Cliff Barry) ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন।
- তাঁদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasof Barry Computer)।
- এটিই ছিল প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 
- ১৯৪৬ সালে ড. জন মউসলি এবং তাঁর ছাত্র প্রেসপার একার্ট (Presper Eckert) যৌথভাবে ENIAC (Electronic Numerical Integrator And Calculator) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেছিলেন। এটিই হলো প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।
- মার্কস উইলকিসের নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী EDSAC (Electronic Delay Storage Automatic Calcualtor) নামক কম্পিউটারটি তৈরি করেন।
- প্রকৃতপক্ষে এডস্যাক (EDSAC) কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৩.
What type of application software is used to manage and analyze large sets of data?
  1. ক) Spreadsheet software
  2. খ) Database software
  3. গ) Presentation software
  4. ঘ) Design software
ব্যাখ্যা
- Database software is a type of application software that is used to manage and analyze large sets of data.
- It allows users to create, modify, and query databases, as well as to generate reports and perform other data analysis tasks. Examples of database software include Microsoft Access and MySQL.

Reference: Old Dominion University website
২৪.
ওয়াকি টকি কোন পদ্ধতিতে ডাটা ট্রান্সমিট করে?
  1. ক) সিমপ্লেক্স
  2. খ) হাফ-ডুপ্লেক্স
  3. গ) ফুল-ডুপ্লেক্স
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-

১। সিমপ্লেক্স (Simplex)
২। হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex)
৩। ফুল-ডুপ্লেক্স (Full - Duplex)

সিমপ্লেক্স:
শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড় বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
যেমন: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

হাফ-ডুপ্লেক্স:
হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে তা একই সময়ে বা যুগপৎ সম্ভব না।
যেমন: ওয়াকি টকি।

ফুল-ডুপ্লেক্স:
ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
যেমন: টেলিফোন।

উৎস: একাদশ দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই(উন্মুক্ত)।
২৫.
অতি উচ্চতর ভাষা কোন প্রজন্মের ল্যাংগুয়েজ?
  1. দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা
  2. তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা
  3. চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা
  4. পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা
ব্যাখ্যা
এ যাবত বহু প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভব হয়েছে। বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এই সকল ভাষাকে পাঁচটি স্তরে বা প্রজন্মে ভাগ করা যেতে পারে।

যথা -
১। প্রথম প্রজন্মের ভাষা (১৯৪৫) : মেশিন ভাষা (Machine Language),
২। দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৫০) : অ্যাসেম্বলি ভাষা (Assembly Language),
৩। তৃতীয় প্রজন্মের ভাষা (১৯৬০) : উচ্চতর ভাষা (High Level Language),
৪। চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (১৯৭০) : অতি উচ্চতর ভাষা (Very High Level Language),
৫। পঞ্চম প্রজন্মের ভাষা (১৯৮০) : স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল ভাষা (Natural Language)।   

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
কাগজে কালির ফোঁটার অবস্থান নির্ণয় করতে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ওএমআর
  2. খ) এমআইসিওআর
  3. গ) ওসিআইআর
  4. ঘ) ওটিপি
ব্যাখ্যা
- পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নে বর্তমানে অপটিক্যাল মার্ক রিডার (Optical Mark Reader) বা ওএমআর (OMR) যন্ত্র ব্যবহৃত হয়।
- ওএমআর বা পঠনযন্ত্র কে কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়ে থাকে।
- ওএমআর এমন একটি যন্ত্র যা শুধু একটি কাগজে কালির ফোঁটার অবস্থান নির্ণয় করতে পারে।
- উত্তরপত্রে শিক্ষার্থী প্রদত্ত কালির ফোঁটার অবস্থান ও কম্পিউটারের স্মৃতিতে রক্ষিত সঠিক অবস্থান তুলনা করে উত্তরপত্র মূল্যায়ন করা হয়।
- বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে বহু নির্বাচনী প্রশ্নের উত্তরপত্র মূল্যায়নের জন্য ওএমআর পদ্ধতি ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস : কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
কোনটি ইউনিকোড ক্যারেক্টার ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. বিরামচিহ্ন
  2. সংখ্যা
  3. অক্ষর
  4. মেমোরি
ব্যাখ্যা

• ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক মান, যা কম্পিউটারে সকল ভাষার অক্ষর, সংখ্যা, চিহ্ন এবং প্রতীককে স্বতন্ত্রভাবে চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়। ইউনিকোড ক্যারেক্টার ক্যাটাগরি মূলত অক্ষর (Letter), সংখ্যা (Number), বিরামচিহ্ন (Punctuation) ইত্যাদিতে ভাগ করা হয়। এই ক্যাটাগরিগুলো কম্পিউটারকে প্রতিটি চিহ্নের ধরন ও ব্যবহার বুঝতে সাহায্য করে। কিন্তু মেমোরি (Memory) কোনো ক্যারেক্টার ক্যাটাগরিতে অন্তর্ভুক্ত নয়। মেমোরি হলো কম্পিউটারের ডেটা সংরক্ষণ বা প্রসেসিং সংক্রান্ত ধারণা, যা ইউনিকোডের ক্যারেক্টার ধরনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
- তাই, সঠিক উত্তর হলো ঘ) মেমোরি।


• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৮.
Vizard সফটওয়্যারটি প্রধানত কোথায় ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্রায়োসার্জারিতে
  2. রোবটিক্সে
  3. ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে
  4. বায়োমেট্রিক্সে
ব্যাখ্যা
• Vizard সফটওয়্যারটি ব্যবহৃত হয় ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হচ্ছে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমন্বয়ে কম্পিউটার সিস্টেমের মাধ্যমে কোনো বস্তু, ঘটনা বা পরিবেশের বাস্তবভিত্তিক বা ত্রিমাত্রিক চিত্রভিত্তিক রূপায়ণ।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয় কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্যোগকারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বলে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolKit, 3D Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে কম্পিউটার প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃত্রিম পরিবেশকে এমনভাবে উপস্থাপন করা হয়, যা ব্যবহারকারীর কাছে সত্য ও বাস্তব মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রি-মাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও সম্ভবপর হয়।
- ভার্চুয়াল জগতে প্রবেশের সময় একজন ব্যবহারকারীকে মাথাইয় হেড মাউন্টেড ডিসপ্লে, হাতে একটি ডাটা গ্লোভ বা একটি পূর্ণাঙ্গ বডি স্যুইট পড়তে হয় এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি তাকে কোনো রকম শারীরিক ঝুঁকি বা বিপদ ছাড়াই বাস্তব অভিজ্ঞতা প্রদান করে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটির উদ্ভাবক হলেন জ্যারন ল্যানিয়ার। [Jaron Lanier; পূর্ণ নাম Jaron Zepel Lanier]

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
F5 কী সাধারণত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. Safe Mode চালু করা
  2. Refresh করার জন্য 
  3. Fullscreen চালু করা
  4. Rename করা
ব্যাখ্যা

F5 কী সাধারণত Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 

• ফাংশন কী:
ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

• F1-F12: ফাংশন কী-এর কাজ দেওয়া হলো:
- F1 এর সাহায্যে সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2 এর সাহায্যে নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3 এর সাহায্যে দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4 এর সাহায্যে Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5 ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6 ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7 মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8 উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10 মেনু বার চালু করে।
- F11 ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12 ইন্সরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
কোনটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. Microsoft Windows
  2. MacOS
  3. Blackberry OS
  4. Ubuntu
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম:
- Microsoft Windows,
- Linux,
- Ubuntu,
- UNIX,
- SUN SOLARIS,
- MacOS.

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম:
- iOS,
- Symbian,
- Windows Phone OS,
- Android,
- Blackberry OS.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩১.
কোন কম্পিউটারে সর্বপ্রথম ম্যাগনেটিক-টেপ ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. EDSAC
  2. UNIVAC
  3. ABC
  4. ENIAC
ব্যাখ্যা

◉ UNIVAC-I (১৯৫১ সালে চালু) ছিল প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত কম্পিউটার যেখানে ম্যাগনেটিক টেপ ব্যবহার করা হয়েছিল প্রাইমারি স্টোরেজ মিডিয়াম হিসেবে। 

UNIVAC:
- UNIVAC এর পূর্ণরূপ Universal Automatic Computer.
- ১৯৫১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে হোয়ার্লউইন্ড-১ কম্পিউটার নির্মাণের কাজ শেষ হয়।
- একই বছরে ENIAC- এর নির্মাতা ড. জন মউসলি ও প্রেসপার UNIVAC কম্পিউটারের নির্মাণকাজ শেষ করেন।
- ইউনিভ্যাকই ছিল সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি ইলেকট্রনিক কম্পিউটার এবং এ যন্ত্রেই সর্বপ্রথম চুম্বক-ফিতা ব্যবহার করা হয়েছিল।
- UNIVAC কম্পিউটারে একই সঙ্গে পড়া, গণনা ও তথ্য লেখার কাজ করা যেত।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
- EDSAC কম্পিউটার হলো প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রামবিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- ENIAC হলো প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- অধ্যাপক ড. জন ভিনসেন্ট অ্যাটানসাফ এবং তার ছাত্র ক্লিফ ১৯৩৯ সালে যৌথভাবে ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহার একটি ইলেকট্রনিক গণনাকারী যন্ত্র আবিষ্কার করেন। তাদের নামানুসারে যন্ত্রটির নামকরণ করা হয় এবিসি (ABC - Atanasof Barry Computer)। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
লজিক গেইট কিসের উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. লিনিয়ার অ্যালজেবরা
  2. বুলিয়ান অ্যালজেবরা
  3. ম্যাট্রিক্স অ্যালজেবরা
  4. কমপ্লেক্স অ্যালজেবরা
ব্যাখ্যা

লজিক গেইট বুলিয়ান অ্যালজেবরার উপর ভিত্তি করে কাজ করে।

​• ​লজিক গেইট 
- ​লজিক গেইট (Logic Gate) বুলিয়ান অ্যালজেবরার ব্যবহারিক প্রয়োগের জন্য ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক সার্কিট ব্যবহার করা হয়। 
- ​এ সকল ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক সার্কিটকে লজিক গেইট বলে। 
​- গেইট হচেছ ইলেক্ট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে একটিমাত্র আউটপুট প্রদান করে। 
- অন্যভাবে বলা যায় যে, যে সকল ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক সার্কিট যুক্তিভিত্তিক সংকেতের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে সে সকল সার্কিটকে লজিক গেইট বলে। 
- ​ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক্সে তিনটি মৌলিক লজিক গেইট ব্যবহার হয়। যথা- ১। অর (OR) গেইট ২। অ্যান্ড (AND) গেইট ৩। নট (NOT) গেইট। 
​- এখানে উল্লেখ্য, ডিজিটাল সিস্টেমে বাইনারি ০ বা ১ প্রকৃতপক্ষে ০ বা ১ ভোল্টেজকে প্রকাশ করে না। 
​- কোন নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ভোল্টেজের লেবেলকে প্রকাশ করে। 
- ​ভোল্টেজ লেবেল ০ থেকে ০.৮ ভোল্ট হলে লজিক ০ এবং ভোল্টেজ লেবেল ২ থেকে ৫ ভোল্ট হয় তাকে লজিক ১ ধরা হয়। 
- ​এই লজিক ০ এবং লজিক ১ এর উপর ভিত্তি করেই বুলিয়ান অ্যালজেবরা কাজ করে এবং লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৩.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা (307)16 কে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করলে কত হয়?
  1. 875
  2. 765
  3. 775
  4. 855
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - গ) 775

পূর্ণ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
১। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি ডিজিটকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার বেজ 16 দ্বারা গুণ করতে হবে।
২। গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী 16-এর ঘাত 0 হতে বাড়াতে হবে। উদাহরণস্বরূপ: একক স্থানীয় অংককে 160 দ্বারা, দশক স্থানীয় অংককে 161 দ্বারা, শতক স্থানীয় অংককে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে।
৩। হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার কোনো অংক যদি A, B, C, D, E বা F হয়; তাহলে যথাক্রমে 10, 11, 12, 13, 14 ও 15 দিয়ে গুণ করতে হবে।
৪। প্রাপ্ত গুণফলগুলোকে যোগ করলে দশমিক সমতুল্য মান পাওয়া যাবে।



সুতরাং, (307)16 = (775)10

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৩৪.
কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত কোনটির উপর নির্ভর করে?
  1. Memory Unit
  2. Input Unit
  3. Control Unit
  4. Central Processing Unit
ব্যাখ্যা
• সিপিইউ:
- CPU-এর পূর্ণরূপ Central Processing Unit.
- কম্পিউটার ব্যবহারকারীর দেওয়া তথ্য ও নির্দেশের ভিত্তিতে ডেটাকে প্রক্রিয়াজাত করে ফলাফল বা আউটপুট প্রদান করে থাকে।
- প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করার জন্য কম্পিউটারের ভেতর থাকে প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
- প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে আরো কিছু যান্ত্রিক অংশ সহায়ক ভূমিকা পালন করে থাকে।
- কম্পিউটারের যে অংশ ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে তাকে সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা সিপিইউ বলে।
- সিপিইউ কম্পিউটারের মস্তিষ্ক বলা হয়।
- কম্পিউটারের কাজ করার গতি ও ক্ষমতা প্রধানত সিপিইউ-এর ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
A Terabyte is equal to-
  1. ক) 1024 Megabytes.
  2. খ) 1024 Kilobytes
  3. গ) 1024 Gigabytes
  4. ঘ) 1024 Bytes
ব্যাখ্যা
১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ কিলোবাইট
১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ মেগাবাইট
১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট অথবা ২১০ বা ১০২৪ গিগাবাইট
১ পেটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ২১০ বা ১০২৪ টেরাবাইট

উৎসঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বই, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩৬.
Firmware is built using -
  1. ক) RAM
  2. খ) ROM
  3. গ) Cache Memory
  4. ঘ) Register
ব্যাখ্যা
Firmware (ফার্মওয়্যার)
- Firmware (ফার্মওয়্যার) হলো কম্পিউটারের রমে সংরক্ষিত কতগুলো স্থায়ী নির্দেশাবলি।
- কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কম্পিউটার প্রস্তুতের সময় এর সেমিকন্ডাক্টর রমে কিছু স্থায়ী নির্দেশ সংরক্ষিত করে দেয়, যেগুলোকে ফার্মওয়্যার বলে।
- রমে যে তথ্য থাকে তাকে পরিবর্তন করা যায় না।
- ROM-BIOS হলো এক প্রকার ফার্মওয়্যার।
- রম ভিত্তিক প্রোগ্রামকে Firmware বলে।

সূত্র: মাইক্রোসফট
৩৭.
নিচের কোনটি সত্য?
  1. ক) 1 Megabyte = 8 × 106 Bits
  2. খ) 1 Megabyte = 8 × 1012 Bits
  3. গ) 1 Megabyte = 8 × 1010 Bits
  4. ঘ) 1 Megabyte = 8 × 108 Bits
ব্যাখ্যা
1 Megabyte is equal to 8 × 106 Bits.
1 Megabyte = 8 × 106 Bits.
1 Megabyte = 8 × 1000000 Bits.
1 MB = 8000000 bits.

There are 8000000 Bits in a Megabyte.
৩৮.
ডেটাবেজ এ কোনগুলো একই অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. এট্রিবিউট ও ফিল্ড
  2. এনটিটি ও টেবিল
  3. এনটিটি সেট ও টেবিল
  4. কলাম ও টেবিল
ব্যাখ্যা
• ডেটাবেজ এ এট্রিবিউট ও ফিল্ড একই অর্থে ব্যবহৃত হয়।

- ডেটাবেজের ডেটার আইটেমকে ফিল্ড বলা হয়।
- ফিল্ড হচ্ছে ডেটাবেজের ভিত্তি।
- রেকর্ডের প্রতিটি উপাদানকে এক একটি ফিল্ড হিসেবে ধরা হয়।
- ফিল্ড সাধারণত কলাম হেডিং হিসেবে থাকে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩৯.
একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ ও একটি পিসি সরাসরি সংযুক্ত করতে নিচের কোনটি ব্যবহার করা যেতে পারে?
  1. WAN ইন্টারফেস
  2. Parallel ইন্টারফেস
  3. USB ইন্টারফেস
  4. SCSI ইন্টারফেস
ব্যাখ্যা
- একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ একটি SCSI ইন্টারফেসের মাধ্যমে সরাসরি একটি পিসির সাথে সংযুক্ত হতে পারে।
- SCSI এর পূর্ণ্রুপ Small Computer System Interface।
- SCSI ড্রাইভগুলোর সাধারণত ৫০টি থেকে ৬৮টি পিন থাকে।
- SCSI ড্রাইভগুলো সাধারণত 640MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- এই ড্রাইভগুলো সোয়াপেবল (swappable) নয়।
- SCSI হার্ড ডিস্ক সংযোগের জন্য সাধারণত SCSI ক্যাবল ব্যবহৃত হয়।
- একটি SCSI ক্যাবলে সর্বোচ্চ ১৬টি ড্রাইভ সংযুক্ত করা যায়।
- ক্যাবলে এর আইডেন্টিফিকেশনের জন্য প্রতিটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের একটি ৮ বাইট হেক্সাডেসিম্যাল কোড রয়েছে যা WWN (world wide name) নামে পরিচিত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪০.
অক্টাল সংখ্যা 157 কে ডেসিমেলে রূপান্তর করলে কত পাওয়া যায়?
  1. 105
  2. 111
  3. 113
  4. 119
ব্যাখ্যা

• অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি:
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি হলো একটি সংখ্যা পদ্ধতি যার ভিত্তি (base) ৮। এটি ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট ৮টি সংখ্যা ব্যবহার করে, যেমন: ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭।
- প্রতিটি অঙ্কের মান নির্ধারণ করা হয় তার অবস্থান (position) অনুযায়ী এবং ৮-এর ঘাত (power) ব্যবহার করে।
- এই পদ্ধতিটি সাধারণত কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে তখন যখন বাইনারি সংখ্যাকে সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে হয়, কারণ তিনটি বাইনারি বিট = একটি অক্টাল সংখ্যা।
- উদাহরণস্বরূপ, বাইনারি সংখ্যা 101010 কে অক্টালে রূপান্তর করলে পাওয়া যায় 52।

এখানে,
(157)8
= (1 × 82) + (5 × 81) + (7 × 80)
= (1 × 64) + (5 × 8) + (7 × 1)
= 64 + 40 + 7
= (111)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্ত, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪১.
কোন সার্কিট কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে?
  1. ক) এনকোডার
  2. খ) ডিকোডার
  3. গ) রেজিস্টার
  4. ঘ) এডার
ব্যাখ্যা
ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন একটি সমবায় সার্কিট যার সাহায্যে n টি ইনপুট থেকে সর্বাধিক 2n টি আউটপুট লাইনের একটিতে 1 ও বাকি সবকটিতে 0 আউটপুট পাওয়া যায়।
- কখন কোন আউটপুট লাইনে 1 পাওয়া যাবে তা নির্ভর করে ইনপুটগুলোর মানের উপর।
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেক্ট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

এনকোডার:
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে। 

রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে। 

এডার:
- কম্পিউটারের যাবতীয় গাণিতিক কাজ বাইনারি যোগের মাধ্যমে সম্পন্ন করা হয়।
- গুণ হলো বার বার যোগ করা এবং ভাগ হলো বার বার বিয়োগ করা। আবার পূরক পদ্ধতিতে বাইনারি যোগের মাধ্যমেই বিয়োগ করা যায়।
- কম্পিউটার সিস্টেমে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায়, তাকে বলে এডার। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
বাণিজ্যিকভাবে প্রথম সফল কম্পিউটারটির নাম কী?
  1. ক) ENIAC
  2. খ) IBM-650
  3. গ) IBM-704
  4. ঘ) UNIVAC-1
ব্যাখ্যা

IBM-650 বাণিজ্যিকভাবে সফল প্রথম কম্পিউটার।

- IBM কোম্পানি প্রথমে ৫০টি কম্পিউটার তৈরি করলেও পরে ১০০০টির বেশি কম্পিউটার তৈরি করে বাজারে ছাড়ে। 
- ENIAC হচ্ছে বিশ্বের প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটার। 
- UNIVAC-1 হচ্ছে প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার। 
- IBM-704 হচ্ছে প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার। 

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৪৩.
কোন প্রজন্মে IC - (Integrated Circuit) এর ব্যবহার শুরু হয়?
  1. দ্বিতীয়
  2. প্রথম
  3. পঞ্চম
  4. তৃতীয়
ব্যাখ্যা
তৃতীয় প্রজন্মে IC - (Integrated Circuit) এর ব্যবহার শুরু হয়।

• কম্পিউটারের পাঁচটি প্রজন্ম/জেনারেশন:
- প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪২ - ১৯৫৯),
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৯ - ১৯৬৫),
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫ - ১৯৭১),
- চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১ - বর্তমান),
- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৮২ - বর্তমান)।

• তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১):
- একীভূত বর্তনী (IC-Integrated Circuit) এর ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটার আবির্ভাব।
- উন্নত নির্ভরযোগ্যতা।
- উচ্চ প্রক্রিয়াকরণ ক্ষমতা।
- উচ্চতর প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার।
- ন্যানো সেকেন্ডে কাজ সম্পাদন।
- যেমন: IBM 360.

উৎস: কম্পিউটার পরিচিতি ও ব্যবহার, স্কুল অব এগ্রিকালচার এন্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪.
র‍্যাম কোথায় থাকে?
  1. সিপিইউ
  2. এক্সপানসন বোর্ড
  3. মাদারবোর্ড
  4. হার্ডডিস্ক
ব্যাখ্যা
♦ মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগস্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের প্রসেসর এবং র‍্যাম মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন- কি-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লপি ডিস্কড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।
- কম্পিউটারে যেকোনো যন্ত্রাংশ স্থাপন করা হোক না কেন প্রতিটি তা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে মাদারবোর্ডের সাথে সংযোজিত। 
- মাদারবোর্ড হলো কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সার্কিট বোর্ড।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৫.
অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে ইন্টারফেস করে তাকে বলা হয়:
  1. কার্নেল
  2. ড্রাইভার
  3. ইউজার ইন্টারফেস
  4. ফার্মওয়্যার
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেমের কেন্দ্রীয় অংশ যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাকে কার্নেল (Kernel) বলা হয়। কার্নেল হল এমন একটি প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতা করে। এটি মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস কন্ট্রোল এবং ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণের কাজ করে। কার্নেল ছাড়া অপারেটিং সিস্টেম ঠিকমতো কাজ করতে পারে না কারণ এটি হার্ডওয়্যারের সম্পদগুলোকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করে এবং বিভিন্ন সফটওয়্যার প্রোগ্রামকে হার্ডওয়্যারের সুবিধা ব্যবহার করার সুযোগ দেয়। তাই কার্নেল অপারেটিং সিস্টেমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল এমন একটি সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং থেকে শুরু করে, কম্পিউটার বন্ধ হওয়া পর্যন্ত সকল কাজ অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হল 'কার্নেল' (Kernel)।
- কার্নেল হল অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের কাজ:
১. সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
২. মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
৩. ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।

উৎস: Techtarget website.
৪৬.
বাইনারী পদ্ধতিতে কয়টি প্রতীক ব্যবহার হয়?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
ইংরেজী Binary শব্দের প্রথম দুটি অক্ষর এবং Digit শব্দের শেষ অক্ষরটি নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়েছে। ০ এবং ১ বাইনারী পদ্ধতির এই অংক দুটির প্রত্যেকটির প্রত্যেকটিকে এক একটি Bit বলা হয়। বাইনারি পদ্ধতিতে এই দুইটি প্রতিক ব্যবহার করা হয়।
উৎসঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৪৭.
MICR-এ ব্যবহারের জন্য কোন ফন্টটি সবচেয়ে বেশি প্রচলিত?
  1. E-13B
  2. Calibri
  3. Times New Roman
  4. Arial
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রযুক্তিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ফন্ট হলো E-13B। এই ফন্টটি ব্যাংকিং এবং চেক প্রক্রিয়াকরণে বিশেষভাবে ডিজাইন করা হয়েছে, যাতে ম্যাগনেটিক ইঙ্ক দিয়ে প্রিন্ট করা অক্ষরগুলো সহজে যন্ত্র দ্বারা সনাক্ত করা যায়। E-13B ফন্টের অক্ষরগুলো নির্দিষ্ট আকার ও গঠন অনুসরণ করে, যা চেক, ড্রাফট বা অন্যান্য ব্যাংক ডকুমেন্টের নম্বর এবং তথ্য পড়তে সাহায্য করে। অন্য ফন্ট যেমন Calibri, Times New Roman, বা Arial সাধারণ পাঠ্য প্রয়োগে ব্যবহার হয়, কিন্তু সেগুলোতে ম্যাগনেটিক স্ক্যানিং-এর জন্য যথেষ্ট স্পষ্টতা ও নির্দিষ্টকরণ নেই। তাই ব্যাংকিংয়ে MICR প্রক্রিয়ায় E-13B ফন্টই সবচেয়ে প্রচলিত।

- সঠিক উত্তর: ক) E-13B

⚪ MICR:
- MICR হলো Magnetic Ink Character Recognition.
- চৌম্বক কালি বা ফেরোসোফেরিক অক্সাইডযুক্ত কালীর সাহায্যে MICR লেখা হয়।
- এই কালিতে লেখা কাগজ শক্তিশালী চৌম্বকক্ষেত্রে রাখলে কালির ফেরোসোফেরিক অক্সাইড চুম্বকে পরিণত হয়।
- ব্যাংকের চেক বইয়ে MICR টেকনোলজি ব্যবহার করা হয়।
- MICR চেক ব্যাংক লেনদেনের জন্য নিরাপদ এবং সময় সাশ্রয়ী।
- মূলত MICR চেক ব্যাংক আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ার অন্যতম একটি অংশ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৪৮.
প্রথম মেকানিক্যাল ক্যালকুলেটর Pascaline কে তৈরি করেছিলেন?
  1. উইলহেলম লিবনিজ
  2. চার্লস ব্যাবেজ
  3. ব্লেইস প্যাসকেল
  4. অ্যালান টুরিং
ব্যাখ্যা

◉ প্রথম মেকানিক্যাল ক্যালকুলেটরটির নাম ছিল Pascaline (বা Pascal’s Calculator)। এটি তৈরি করেছিলেন ফরাসি গণিতবিদ ও দার্শনিক ব্লেইস প্যাসকেল (Blaise Pascal) ১৬৪২ সালে।

​যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর:
- ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়সে ফরাসি গণিতবিদ ব্লেইজ প্যাসকেল (Blaise Pascal) গিয়ার ও চাকতি ব্যবহার করে সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর বা যান্ত্রিক গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন যার নাম প্যাসকেলেন (Pascaline)।
- প্যাসকেলের যন্ত্রের সাহায্যে যোগ ও বিয়োগ করা যেত। তিনি পুনঃপুনঃ যোগ ও বিয়োগের মাধ্যমে যথাক্রমে গুণ এবং ভাগ করার পদ্ধতিও আবিষ্কার করেন।

আর, ১৬৭১ সালে জার্মান দার্শনিক ও গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ (Gottfried Von Leibniz) প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দণ্ড ব্যবহার করে আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন।
- তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনির যন্ত্র (Rechoning Machine)।
- এটির সাহায্যে গুণ, ভাগসহ হিসাবের অন্যান্য বিষয় আরো সহজ হয়ে যায়।
- মূলত রিকোনির যন্ত্রটিই ছিল বাণিজ্যিক ক্যালকুলেটর। যন্ত্রটির যান্ত্রিক অসুবিধার জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারেনি।
- তবে পরে ১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার (Thomas De Colmar) রিকোনিং যন্ত্রের যান্ত্রিক অসুবিধা দূর করে লিবনিজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৯.
নিচের কোন ধরনের প্রিন্টার সাধারণত উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে?
  1. ডট প্রিন্টার
  2. লেজার প্রিন্টার
  3. ইমপেক্ট প্রিন্টার
  4. ইঙ্কজেট প্রিন্টার
ব্যাখ্যা
লেজার প্রিন্টার: 
- লেজার প্রিন্টার একটি নন-ইমপেক্ট প্রিন্টার। 
- এ লেজার প্রিন্টিং প্রযুক্তির মূলে রয়েছে আলোক পরিবাহী পদার্থ বা আলোর উপস্থিতিতে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী এবং আলোর অনুপস্থিতিতে বিদ্যুৎ কুপরিবাহী। 
- লেজার প্রিন্টারে লেজার রশ্মির সাহায্যে কাগজে লেখা ছাপানো হয়। 
- লেজার প্রিন্টার সাধারণত উচ্চগতি সম্পন্ন হয়ে থাকে। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপা উন্নতমানের হয়। 
- লেজার প্রিন্টারে ছাপার খরচ অনেক বেশি হয় অন্যান্য প্রিন্টারের তুলনায়। 
- লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন, স্পিড অন্যান্য প্রিন্টারের চেয়ে বেশি। 
- প্রিন্টারের রেজুলেশন DPI এবং গতি PPM এ পরিমাপ করা হয়। 
- বর্তমানে একটি লেজার প্রিন্টারের রেজুলেশন 1200 DPI এবং গতি 24 PPM. 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযিক্তি-২, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)- নবম-দশম শ্রেণি।
৫০.
কোনটি ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যার?
  1. ওয়ার্ম
  2. ট্রোজান হর্স
  3. অ্যাডওয়্যার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• মেলওয়্যার (Malware):
- মেলওয়্যার (Malware) একটি ইংরেজি শব্দ যার পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- সাধারণভাবে মেলওয়্যার বলতে সেই সমস্ত সফটওয়্যারকে বোঝানো হয়, যে সফটওয়্যারগুলো ডিজাইন করা হয় ব্যবহারকারীর অজান্তে কোনো কম্পিউটারে অবৈধ অনুপ্রবেশ করে উক্ত কম্পিউটার সিস্টেমের ক্ষতিসাধনের উদ্দেশ্যে।
- মেলওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে: স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়্যার, ট্রোজান হর্স, ওয়ার্ম প্রভৃতি।
- এগুলোর প্রতিটির টাইপ বা প্রকৃতি ভিন্ন হলেও এদের উদ্দেশ্য এক অর্থাৎ কম্পিউটার সিস্টেমে অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং এর ক্ষতিসাধন করা।
- এজন্য এগুলোর প্রত্যেকটি মেলওয়্যারের এক একটি টাইপ হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। এমনকি আর্থিক প্রতারণা বা অবৈধ উপায়ে অর্থ আদায়ে ব্যবহৃত সফটওয়্যারগুলোকেও অ্যাডভান্স লেভেলের মেলওয়্যার হিসেবে অন্তর্ভুক্তকরা হয়। যেমন: Ransomware. 

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।
৫১.
এনকোডারে ইনপুট D0 = 1, D1 = 0, D2 = 0, D3 = 0, D4 = 0, D5 = 0, D6 = 0, D7 = 0 হলে, আউটপুট যথাক্রমে X, Y, Z কত হবে?
  1. 1, 0, 0
  2. 0, 1, 0
  3. 0, 0, 0
  4. 1, 0, 1
ব্যাখ্যা
• এনকোডারে ইনপুট D0 = 1, D1 = 0, D2 = 0, D3 = 0, D4 = 0, D5 = 0, D6 = 0, D7 = 0 হলে, আউটপুট যথাওক্রমে X = 0, Y = 0, Z = 0 হবে।

• এনকোডার:
- এনকোডার এক ধরনের সমবায় সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী, যা মানুষের ব্যবহৃত বিভিন্ন আলফানিউমেরিক বর্ণ, বিশেষ চিহ্ন, টেক্সট, অডিও ও ভিডিও ইত্যাদিকে ডিজিটাল সিস্টেমের বোধগম্য কোডে রূপান্তর করে।
- এনকোডার এমন একটি সমবায় সার্কিট যার দ্বারা সর্বাধিক 2n টি ইনপুট থেকে n টি আউটপুট লাইনে 0 বা 1 আউটপুট পাওয়া যায়।
- যদি 23 = 8টি ইনপুট হয় তাহলে 3টি আউটপুট হবে।

- যে কোন মুহূর্তে একটি মাত্র ইনপুট 1 ও বাকি সব ইনপুট 0 থাকে।
- এনকোডার বিভিন্ন ধরনের হতে পারে। যেমন: 4 থেকে 2 এনকোডার, 8 থেকে 3 এনকোডার ইত্যাদি।
- এনকোডারের সাহায্যে যে কোন আলফানিউমেরিক বর্ণকে অ্যাসকি, ইবিসিডিক ইত্যাদি কোডে পরিণত করা যায়। সেজন্য ইনপুট ব্যবস্থায় কী-বোর্ডের সঙ্গে এনকোডার যুক্ত থাকে।



উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫২.
কম্পিউটারের সকল ভাইরাস হলো -
  1. Botnet
  2. Malware
  3. Spyware
  4. Adware
ব্যাখ্যা
- যে কোন malicious সফটওয়্যারকে Malware বলা হয়। 
- কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরণের Malware.
 
Malware is an umbrella term for any malicious software written specifically to infect and harm the host system or its user. 
A computer virus is just one type of malware. 
Just as all squares are rectangles (but not all rectangles are squares), all viruses are malware, but not all malware is a virus.
 
Source: avast.com
৫৩.
BCD কোড 1000 0100 কোন দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে?
  1. 72
  2. 64
  3. 82
  4. 84
ব্যাখ্যা

• BCD (Binary-Coded Decimal) কোড হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে প্রতিটি দশমিক সংখ্যা ৪-বিট বাইনারি আকারে প্রকাশ করা হয়। এখানে প্রতিটি চারটি বিট একটি একক দশমিক সংখ্যা নির্দেশ করে। দেওয়া BCD কোডটি হলো 1000 0100। প্রথম চার বিট 1000 হলো বাইনারি সংখ্যা 8, যা দশমিক সংখ্যা 8 নির্দেশ করে। দ্বিতীয় চার বিট 0100 হলো বাইনারি সংখ্যা 4, যা দশমিক সংখ্যা 4 নির্দেশ করে। সুতরাং, পুরো BCD কোডটি একত্র করলে এটি দশমিক সংখ্যা 84 প্রকাশ করছে। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) 84। BCD কোড সাধারণত ডিজিট ভিত্তিক কম্পিউটার ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসে সংখ্যা প্রদর্শনের জন্য ব্যবহার করা হয়।

​বিসিডি কোড:
- বিসিডি (BCD) শব্দের পূর্ণরূপ হলো বাইনারি কোডেড ডেসিমেল (Binary Coded Decimal)।
- দশমিক (Decimal) সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে বাইনারিতে রূপান্তরই হলো বিসিডি কোড।
- এই পদ্ধতিতে দশমিক সংখ্যা 0 থেকে 9 পর্যন্ত মোট দশটি অংককে সমতুল্য 4 বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করা হয়।
- 4 বিট দ্বারা 24 অর্থাৎ, 16 ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। তাই 16টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার BCD কোড গঠন করা সম্ভব।
- এর মধ্যে BCD 8421 কোড বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

8 এর বিসিডি 1000
4 এর বিসিডি 0100
∴ 84 এর বিসিডি 1000 0100

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫৪.
The first machine to successfully perform a long series of arithmetic and logical operations was:
  1. ক) ENIAC
  2. খ) Mark I
  3. গ) Analytic engine
  4. ঘ) UNIVAC-I
ব্যাখ্যা
The IBM Automatic Sequence Controlled Calculator, called Mark I by Harvard University’s staff, was a general purpose electromechanical computer that was used in the war effort during the last part of World War II. One of the first programs to run on the Mark I was initiated on 29 March 1944 by John von Neumann.
Source: britannica.com
৫৫.
'অনুবাদক প্রােগ্রাম' কি ধরণের সফটওয়্যার?
  1. সিস্টেম ম্যনেজমেন্ট সফটওয়্যার
  2. সিস্টেম সাপোর্ট সফটওয়্যার
  3. সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট সফটওয়্যার:
ব্যবহারিক সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে প্রােগ্রাম উন্নয়নের জন্য সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রাম ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট প্রােগ্রামকে নিম্নলিখিত ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১) প্রােগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ ট্রান্সলেটর বা অনুবাদক প্রােগ্রাম।
২) প্রােগ্রামিং এডিটর এবং টুলস
উৎসঃ কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)
৫৬.
Symbian মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমটি কোন প্রতিষ্ঠান বাজারজাত করে?
  1. স্যামসাং
  2. মাইক্রোসফট
  3. নকিয়া
  4. অ্যাপল
ব্যাখ্যা
স্মার্টফোনে যে সকল অপারেটিং সিস্টেমে পরিচালিত হয় তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল:
- গুগলের অ্যান্ড্রয়েড,
- অ্যাপলের আইওএস (iOS),
- রিমের ব্ল্যাকবেরি,
- মাইক্রোসফট উইন্ডোজ,
- নকিয়ার সিম্বিয়ান (Symbian) ও
- স্যামসাংয়ের বাডা
৫৭.
MS PowerPoint এ Slide Show করার জন্য কোন ফাংশন কী ব্যবহৃত হয়?
  1. F8
  2. F6
  3. F5
  4. F7
ব্যাখ্যা
• ফাংশন কী:
- কম্পিউটারে মোট ১২ টি ফাংশন কী আছে। তথ্য সংযোজন, বিয়োজন বা নির্দেশ প্রদানের জন্য ফাংশন কী ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
• F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F1 দিয়ে আমরা কম্পিউটার রানিং করতে পারি।
- এক্সেল এবং ওয়ার্ডে রিবন মেনু লুকিয়ে ডাটা প্রদর্শন করে।
  
• F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ফাইল খোলা। 
- Ctrl+F2 চেপে ওয়ার্ডে প্রিন্ট প্রিভিউ (print preview) দেখা।

• F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের ক্যাপিটাল ওয়ার্ড থেকে স্মল ওয়ার্ডে লেখা। 
- প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ করা যায়। 
- MS-DOS এ ব্যবহার করে লাস্ট কম্যান্ড লাইন রিপিট করা যায়।
- ফায়ারফক্স এবং গুগল ক্রোমে অনুসন্ধান করার অপশন খোলে।

• F4 last action performed repeat করা যায়।
- Alt-F4 চেপে স্পক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

• F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো শুরু করা যায়। 
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
- Ctrl + F5 একটি ওয়েব পৃষ্ঠা সম্পূর্ণরূপে রিফ্রেশ করবে, ক্যাশে ক্লিন করবে এবং পুনরায় ডাউনলোড করবে।

• F6 মাউসের কারসরকে ইন্তারনেট ব্রাইজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।

• F7 বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয়।
- মজিলা ফায়ার ফক্সের Caret browsing চালু করা যায়। 
- Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান (Dictionary) চালু করা যায়।
 
• F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।]

• F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টকে রিফ্রেশ (Refresh) করতে ব্যবহার করা হয়।
- Microsoft Outlook এ ইমেল পাঠায় এবং গ্রহণ করে।

• F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- Shift + F10 = রাইট-ক্লিক। অর্থাৎ (Shift + F10) রাইট ক্লিকের মতো কাজ করে।

• F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- Shift + F11 এক্সেলে একটি নতুন স্প্রেডশীট যোগ করে। 
- সমস্ত খোলা উইন্ডো লুকিয়ে রাখে

• F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- Shift+F12 কী চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয়। 
- Ctrl + F12 কী চেপে MS Word এর নতুন ফাইল খলার জন্য ব্যাবহার করা হয়।
- Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড (Microsoft Word) ফাইল প্রিন্ট করা হয়।

Source: Microsoft Support
৫৮.
কে প্রথম বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন?
  1. ক) Charles Babbage
  2. খ) Lady Ada Augasta Byron
  3. গ) Blaise Pascal
  4. ঘ) John Napier
ব্যাখ্যা

বিখ্যাত কবি Lord Byron এর কন্যা Lady Ada Augasta Byron এই বাইনারি ইন্সট্রাকশনের সূচনা করেন।
তাই, তাকে পৃথিবীর প্রথম প্রোগ্রামার বলা হয়।

Charles Babbage- Different Engine আবিষ্কার করায়, তাকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়।
Blaise Pascal একজন ফ্রেঞ্চ গণিতবিদ যিনি Pascal's Calculator আবিষ্কার করেন, যা পৃথিবীর প্রথম ক্যালকুলেটর।
John Napier সৃষ্টি করেন লগারিদমস।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)

৫৯.
এমবেডেড কম্পিউটারের মূল বৈশিষ্ট্য কী?
  1. হাই-এন্ড গ্রাফিক্স প্রসেসিং
  2. কম্পিউটার নেটওয়ার্কে সংযোগ স্থাপন
  3. বড় আকারের কম্পিউটিং ডিভাইস
  4. সুনির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা
ব্যাখ্যা

◉ এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষ উদ্দেশ্যে তৈরি ডিভাইস, যা নির্দিষ্ট কাজের জন্য অপ্টিমাইজড। 

এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ।
- এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এম্বেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।

এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্রসমূহ হলো:
- গাড়ি,
- সেলফোন ও স্মার্টফোন,
- প্রিন্টার,
- মাইক্রোওয়েভ,
- ওয়াশিং মেশিন,
- এয়ার কন্ডিশন(এসি),
- ঘড়ি,
- থার্মোস্ট্যাট,
- ভিডিও গেমস্,
- ভ্যাকুয়াম ক্লিনিং,
- ATM,
- সিকিউরিটি ক্যামেরা ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬০.
ইলেকট্রনিক বিনিময় প্রথার মাধ্যমে বাণিজ্য করাকে কি বলে?
  1. ক) ই-লার্নিং
  2. খ) ই-সার্ভিস
  3. গ) ই-কমার্স
  4. ঘ) ই-গভর্ন্যান্স
ব্যাখ্যা
ই-কমার্স এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে ইলেকট্রনিক কমার্স। ইন্টারনেট প্রযুক্তিতে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও অন্যান্য ইলেকট্রনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে পণ্য, সেবা ও তথ্য ক্রয়-বিক্রয়, হস্তান্তর বা বিনিময় কার্যকেই বলা হয় ই-কমার্স (E-commerce)। ই-কমার্স একটি বাণিজ্য ক্ষেত্র যেখানে কোন ইলেকট্রনিক সিস্টেমের মাধ্যমে পণ্য বা সেবার লেনদেন সম্পূর্ণ হয়ে থাকে। আধুনিক ই-কমার্স সাধারণত ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর মাধ্যমে বাণিজ্যিক কাজ পরিচালনা করে। এছাড়াও মোবাইল কমার্স, ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার ও অন্যান্য আরো কিছু মাধ্যম ব্যবহৃত হয়। 

ই-লার্নিং এক ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থা যেখানে ছাত্রছাত্রীরা অনলাইনে ক্লাসে অংশগ্রহণ করে। 

ই-সার্ভিস হচ্ছে অনলাইনে বিভিন্ন সার্ভিস প্রদান

ই-সরকারের ধারণার একটি জনপ্রিয় উপায় হল প্রযুক্তিগতভাবে মধ্যস্থতামূলক মিথস্ক্রিয়াগুলির তিনটি ক্ষেত্রের মধ্যে পার্থক্য করা। সরকার-থেকে-সরকার মিথস্ক্রিয়া সরকারী আমলাতন্ত্রের অভ্যন্তরীণ দক্ষতা বাড়ানোর জন্য প্রযুক্তি ব্যবহারের সাথে সম্পর্কিত, উদাহরণস্বরূপ, রুটিন কাজগুলির স্বয়ংক্রিয়করণ এবং বিভাগ এবং সংস্থাগুলির মধ্যে তথ্য দ্রুত ভাগ করে নেওয়ার মাধ্যমে। সরকার-থেকে-ব্যবসায়িক মিথস্ক্রিয়া সাধারণত ফার্মগুলি থেকে পণ্য এবং পরিষেবাগুলি কেনা এবং বিক্রি করার জন্য সরকারের খরচ কমাতে ইন্টারনেট ব্যবহারকে জড়িত করে। সরকার-থেকে-নাগরিক মিথস্ক্রিয়ায় ইন্টারনেট ব্যবহার করে পাবলিক পরিষেবা এবং অনলাইনে লেনদেন এবং দ্রুত ইলেকট্রনিক ফিডব্যাক মেকানিজম, যেমন তাত্ক্ষণিক ভোট, ওয়েব সমীক্ষা এবং ই-মেইল অন্তর্ভুক্ত করে পরিষেবাগুলির নকশা এবং বিতরণ উন্নত করা জড়িত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রস্তুতি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা
৬১.
ভিএলএসআই (VLSI) চিপ নিম্নের কোনটিকে নির্দেশ করে?
  1. ক) মাইক্রোকন্ট্রোলার
  2. খ) মাদারবোর্ড
  3. গ) মাইক্রোপ্রসেসর
  4. ঘ) ক্যাশ মেমোরি
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর মাইক্রোকম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 

উৎস : মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬২.
Which of the following is an input device?
  1. OCR
  2. Printer
  3. Monitor
  4. Speaker
ব্যাখ্যা
• ইনপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটার বিভিন্ন ধরনের হার্ডওয়্যারের বা ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কাছ থেকে কিংবা বিভিন্ন পরিবেশ থেকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ডেটা গ্রহণ করে। 
- কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজে ডেটা প্রদানে নিয়োজিত হার্ডওয়্যারসমূহই হলো ইনপুট ডিভাইস। 
- কম্পিউটার সিস্টেমে বিভিন্ন ধরনের ইনপুট ডিভাইস ব্যবহৃত হয়। যেমন:
→ কি-বোর্ড (Keyboard),
→ মাউস (Mouse),
→ ট্যাকবল (Trackball),
→ জয়স্টিক (Joystick),
→ ওএমআর (OMR),
→ ওসিআর (OCR),
→ স্ক্যানার (Scanner),
→ ডিজিটাইজার (Digitizer),
→ টাচ স্ক্রিন (Touch Screen),
→ লাইটপেন (Lightpen),
→ বার কোড রিডার (Bar Code Reader),
→ পয়েন্ট অফ সেল (Point of Sale),
→ গ্রাফিক্স প্যাড (Graphics Pad),
→ ডিজিটাল ক্যামেরা (Digital Camera), ইত্যাদি।

• আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ইনপুট হার্ডওয়্যারসমূহের মাধ্যমে প্রাপ্ত ডেটাসমূহ প্রক্রিয়াকরণ অংশে প্রক্রিয়াজাত হয়ে যে সকল হার্ডওয়্যারের সাহায্যে ফলাফল প্রদান বা প্রদর্শন করায় সেগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলা হয়।
- উল্লেখযোগ্য আউটপুট হার্ডওয়‍্যারসমূহ হলো:
→ মনিটর (Monitor),
→ প্রিন্টার (Printer),
→ প্লটার (Ploter),
→ স্পিকার (Speaker),
→ মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর (Multimedia Projector),
→ ইমেজ সেটার (Image Setter),
→ ফিল্ম রেকর্ডার (Film Recorder),
→ হেড ফোন (Headphone), ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬৩.
Primary Key এর কাজ কী?
  1. ডেটা ডিলিট করা
  2. ডেটা দেখতে সার্চিং দ্রুত করা
  3. ইনডেক্সিং প্রক্রিয়াকে সহজ করা
  4. ডুপ্লিকেট রেকর্ড প্রতিরোধ
ব্যাখ্যা

- Primary Key হলো টেবিলের এমন একটি ক্ষেত্র বা কলাম  যা প্রতিটি রেকর্ডকে অনন্যভাবে শনাক্ত করে।
- কোনো টেবিলে একটি মাত্র Primary Key থাকতে পারে।
- Primary Key-এর মান null (ফাঁকা) হতে পারে না এবং একই মান (duplicate) রাখা যায় না।

উদাহরণ:
 ধরা যাক Student টেবিলে Student_ID হলো Primary Key।

টেবিলে অন্য কোনো কলাম যেমন Name ডুপ্লিকেট হতে পারে, কিন্তু Primary Key ইউনিক।
এখানে Student_ID ইউনিক হওয়ায় 101 আবার দেওয়া যাবে না।

উৎস: NCTB, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।

৬৪.
প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম সহ কম্পিউটারটির নাম কী?
  1. মার্ক-১
  2. এডভাক
  3. এডসাক
  4. এনিয়াক
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালে নির্মিত EDSAC কম্পিউটারই প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
- EDSAC এর পূর্ণরূপ হলো Electronic Delay Storage Automatic Calculator.
- কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গাণিতিক গবেষণার অধ্যাপক মার্কস উইলকিস এর নেতৃত্বাধীন একদল বিজ্ঞানী এ্যাডস্যাক আবিষ্কার করেন।

[UNIVAC ⇒ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে তৈরি প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
EDSAC ⇒ প্রথম সংরক্ষিত প্রোগ্রাম বিশিষ্ট ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। [অনেকেই প্রথম স্বয়ংক্রিয় ডিজিটাল কম্পিউটার মনে করেন।]
Mark-I ⇒ পৃথিবীর প্রথম ইলেকট্রো-মেকানিক্যাল কম্পিউটার।
ABC ⇒ প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার।
ENIAC ⇒ প্রথম প্রজন্মের ডিজিটাল কম্পিউটার।]

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১ ,এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল )।
৬৫.
নিচের কোনটি স্প্রেডশিট এক্সটেনশন ফাইল?
  1. .wav
  2. .csv
  3. .bmp
  4. .html
ব্যাখ্যা
• Music and sound files:
.mp3
.wav

• Picture files:
.bmp
.gif
.jpg
.png

• Operating system files:
.dll
.exe

• Text and word processing documents:
.doc
.docx
.rtf
.txt

• Spreadsheet files:
.xls
.xlsx
.xlr
.csv

• Web Page files:
.htm
.html

উৎস: Computerhope Website.
৬৬.
নিচের কোনটির সাথে ই-পুর্জি সম্পর্কিত?
  1. আখ চাষি
  2. জমির রেকর্ড
  3. রেলওয়ের টিকেট
  4. বাংলাদেশ ডাক বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ই-পুর্জি:
- দেশের প্রথম দিককার ই-সেবাসমূহের একটি।
- এটি আখ চাষিদের জন্য প্রবর্তিত ই-সেবা।
- দেশের ১৫টি চিনিকলের সকল আখচাষি এসএমএসের মাধ্যমে ই-পুর্জি তথ্য পাচ্ছে।
- পূর্জি হচ্ছে চিনিকলসমূহে কখন আখ সরবরাহ করতে হবে সে জন্য আওতাধীন আখচাষিদের দেওয়া একটি অনুমতিপত্র।

• ই-পর্চা সেবা:
- বর্তমানে দেশের সকল জমির রেকর্ডের অনুলিপি অনলাইনে সংগ্রহ করা যায়, এটিকে বলা হয় ই-পর্চা।

• ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেম (ই-এমটিএস):

- বাংলাদেশ ডাক বিভাগের ইলেকট্রনিক মানি ট্রান্সফার সিস্টেমের মাধ্যমে দেশের এক অঞ্চল থেকে অন্য অঞ্চলে নিরাপদে, দ্রুত ও কম খরচে টাকা পাঠানো যায় ।
- ১ মিনিটের মধ্যে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত পাঠানো যায়।
- দেশের প্রায় সকল ডাকঘরে এই সেবা পাওয়া যায় ।

• রেলওয়ের ই-টিকেটিং ও মোবাইল টিকেটিং:
- বাংলাদেশ রেলওয়ের কয়েকটি আন্তঃনগর ট্রেনের টিকেট এখন মোবাইল ফোনেও ক্রয় করা যায়।
- আবার অনলাইনেও টিকেট সংগ্রহের ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে, নিজের সুবিধামতো সময়ে রেলস্টেশনে না গিয়েও নির্দিষ্ট গন্তব্যের টিকেট সংগ্রহ সম্ভব হচ্ছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড বাংলাদেশ।
৬৭.
কম্পিউটার কোন ভাষাকে সরাসরি প্রক্রিয়া করতে পারে?
  1. হাই-লেভেল ভাষা
  2. সি++
  3. সিউডোকোড
  4. মেশিন ভাষা 
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার সরাসরি মেশিন ভাষা প্রক্রিয়া করতে পারে। মেশিন ভাষা হলো বাইনারি কোডের একটি ধারা, যা ০ এবং ১ দিয়ে গঠিত। এটি কম্পিউটারের প্রসেসর বুঝতে পারে এবং সরাসরি হার্ডওয়্যারে কার্যকর হয়। অন্যদিকে, হাই-লেভেল ভাষা যেমন সি++, জাভা বা পাইথন মানুষের জন্য বোঝার উপযোগী হলেও কম্পিউটার সরাসরি এটি বুঝতে পারে না। এগুলোকে মেশিন ভাষায় রূপান্তর করতে কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার ব্যবহার করা হয়। সিউডোকোড শুধু প্রোগ্রামের লজিক বোঝানোর জন্য লেখা হয়, এটি কার্যকর কোড নয়।
- তাই, কম্পিউটার সরাসরি যে ভাষা প্রক্রিয়া করতে পারে, তা হলো মেশিন ভাষা।

 
• মেশিন ভাষা:
- কম্পিউটারে সবচেয়ে নিচের স্তরের ভাষা হলো মেশিন ভাষা।
- কম্পিউটারের নিজস্ব ভাষাকে মেশিন ভাষা বা নিম্নস্তরের ভাষা বলা হয়।
- কম্পিউটারের মৌলিক ভাষা হলো এই নিম্নস্তরের ভাষা।
- এ ভাষায় বাইনারি সংখ্যা (1) এবং (0) অথবা হেক্সাডেসিম্যাল পদ্ধতি ব্যবহার করে সবকিছু লেখা হয়।
- কম্পিউটার শুধুমাত্র মেশিন ভাষাই বুঝতে পারে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্যনির্বাহের জন্য বিদ্যুৎ তরঙ্গের পারস্পরিক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সাথে মেশিনের ভাষার সরাসরি মিল রয়েছে।

• মেশিন ভাষার সুবিধা:
- এই ভাষা দিয়ে সরাসরি মেমোরি অ্যাড্রেসের সাথে সংযোগ সাধন সম্ভব।
- সবচেয়ে কম পরিমাণ লজিক ও কম মেমোরিতে এই ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহ করা যায়।
- এ ভাষায় লিখিত প্রোগ্রাম নির্বাহের জন্য অনুবাদক প্রোগ্রাম দরকার হয় না।
- মেশিন ভাষা অন্যান্য ভাষা থেকে দ্রুত কাজ করে।

• মেশিন ভাষার অসুবিধা:
- এই ভাষায় প্রোগ্রাম লেখা অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও সময়সাপেক্ষ।
- এক ধরনের মেশিনের জন্য লিখিত প্রোগ্রাম অন্য ধরনের মেশিনে ব্যবহার করা যায় না।
- মেশিন ভাষায় প্রোগ্রাম লিখতে দক্ষ প্রোগ্রামার প্রয়োজন।
- প্রোগ্রামের ভুল-ত্রুটি সনাক্ত ও সংশোধন কষ্টসাধ্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৮.
গাণিতিক কাজে কোন ধরনের কমান্ড গ্রুপ ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) Alignment 
  2. খ) Styles
  3. গ) Cell
  4. ঘ) Editing
ব্যাখ্যা

এডিটিং কমান্ড গ্রুপ ব্যাবহার করে গাণিতিক কাজ করা যায়।

- Data fill, Clear, Sort, Filter, ইত্যাদি কাজে এই কমান্ড গ্রুপ ব্যবহার করা হয়।

সূত্র: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)। 

৬৯.
ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি সফটওয়্যারকে কী বলা হয়?
  1. সিস্টেম সফটওয়্যার
  2. ইউটিলিটি প্রোগ্রাম
  3. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  4. মিডলওয়্যার
ব্যাখ্যা

◉ অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার হলো সেই ধরনের প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর নির্দিষ্ট চাহিদা বা কাজ সম্পাদনের জন্য তৈরি করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, MS Word ব্যবহার করা হয় ওয়ার্ড প্রসেসিং-এর জন্য, MS Excel ব্যবহার করা হয় স্প্রেডশিট কাজের জন্য, আবার Photoshop ব্যবহার করা হয় ছবি সম্পাদনার জন্য। এসব সফটওয়্যার সরাসরি ব্যবহারকারীর কাজকে সহজ ও কার্যকর করে তোলে।

​অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন বলতে বিশেষ ধরনের কম্পিউটার প্রোগ্রামকে বোঝায় যা মানুষকে কোন বিশেষ ধরনের কাজ সম্পাদনে সহায়তা করে।
- এটি একটি কম্পিউটার সফটওয়্যার যেটা ব্যবহারকারীর প্রয়োজন অনুযায়ী এবং নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনা (এক বা একাধিক) করতে ব্যবহারকারীকে সহায়তা করে থাকে।
- অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম সাধারণত ব্যবহারকারীকে টেক্সট, সংখ্যা কিংবা ছবি নিয়ে বিভিন্ন কাজ করার সুযোগ দেয়।
- একাউন্টিং সফটওয়্যার, অফিস সফটওয়্যার, গ্রাফিক্স সফটওয়্যার, বিভিন্ন মিডিয়া প্লেয়ার (ভিডিও এবং অডিও) গুলো হল অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার।
- উদাহরণ: MS Word, MS Excel, Oracle, Foxpro, Adobe Photoshop, Paint ইত্যাদি।

অন্যান্য অপশনসমূহ,
সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software): এটি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার পরিচালনা করে। উদাহরণ: অপারেটিং সিস্টেম (Windows, Linux)।
ইউটিলিটি প্রোগ্রাম (Utility Program): এটি কম্পিউটার রক্ষণাবেক্ষণ এবং অপ্টিমাইজেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: Antivirus, Disk Cleanup।
মিডলওয়্যার (Middleware): এটি বিভিন্ন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন এবং অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে। উদাহরণ: Database Middleware, Web Servers.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০.
'পকেট কম্পিউটার' নামে পরিচিত -
  1. ক) ল্যাপটপ কম্পিউটার
  2. খ) নোটবুক কম্পিউটার
  3. গ) ডেস্কটপ কম্পিউটার
  4. ঘ) পামটপ কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
পামটপ কম্পিউটার পকেট কম্পিউটার  নামেও পরিচিত। 

- PDA-এর পুরোনাম হলো Personal Digital Assistants. ১৯৯৩ সালে ইলেকট্রনিক নির্মাতারা পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিটেন্ট তৈরি করেন।
- পিডিএ এর প্রাথমিক ভার্সন ছিল অ্যাপলের 'নিউটন'।
- এ ধরনের কম্পিউটার ক্ষুদ্রাকৃতির এবং দেখতে অনেকটা ক্যালকুলেটরের ন্যায়, যা হাতের তালুর মধ্যে রেখে ব্যবহার করা যায়, এমনকি পকেটে রেখে সহজে বহন করা যায়।
- এটি হেন্ড বা পকেট কম্পিউটার নামেও পরিচিত।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কোনো প্রকার ডিস্ক ড্রাইভ থাকে না। সাধারণত টাচ স্ক্রিন ও ডিজিটাল পেনের সাহায্যে এ জাতীয় কম্পিউটারগুলো নিয়ন্ত্রিত হয়ে থাকে।
- স্প্রেডশিটের ছোট আকারের কাজ, লেখালেখি, প্রয়োজনীয় টেলিফোন নম্বর, তারিখ, এজেন্ডা তৈরি করে রাখা ইত্যাদি কাজে এ ধরনের কম্পিউটারগুলো মূলত ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

সূত্র: ২৩ পৃষ্ঠা, মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 


৭১.
কম্পিউটারে হিসাব নিকাশের জন্য কোন সফটওয়্যার উপযোগী ও বহুল ব্যবহৃত?
  1. ক) Power Point
  2. খ) MS Word
  3. গ) MS Access
  4. ঘ) MS Excel
ব্যাখ্যা

এক্সেল হচ্ছে মাইক্রোসফ্ট কর্পোরেশনের একটি জনপ্রিয় ইলেক্ট্রনিক স্প্রেডশিট এ্যানালাইসিস প্রোগ্রাম। এক্সেলের সাহায্যে খুব সহজেই গাণিতিক হিসাব নিকাশ, বিভিন্ন ফর্মূলা, চার্ট তৈরি ইত্যাদি কাজ করা যায়।
সূত্রঃ কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রা্‌ম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৭২.
নিচের কোনটি একইসাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে না?
  1. পেনড্রাইভ
  2. টাচ স্ক্রিন
  3. মডেম
  4. ওয়েবক্যাম
ব্যাখ্যা
ইনপুট ডিভাইসঃ যেসব ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটারে ডাটা বা তথ্য ইনপুট বা কমান্ড দেওয়া যায়, সেগুলোই ইনপুট ডিভাইস।
- কি-বোর্ড
- মাউস
- অপটিকাল রিডার
- জয়স্টিক
- মাইক্রোফোন
- স্ক্যানার
- গ্রাফিক্স প্যাড
- লাইট পেন
- ওয়েবক্যাম
- ওসিআর ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইসঃ যেগুলোর মাধ্যমে কম্পিউটার থেকে ডাটা/তথ্য বা যেকোনো কিছু আউটপুট নেওয়া যায়, সেগুলোই আউটপুট ডিভাইস।
- মনিটর
 - প্রিন্টার,
- প্রজেক্টর,
- স্পিকার,
- প্লটার,
- হেডফোন

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসঃ  কিছু ডিভাইস আছে যেগুলো ইনপুট-আউটপুট দুটোরই কাজ করে
- পেনড্রাইভ
- টাচ স্ক্রিন
- মডেম

সূত্র: উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় নবম দশম শ্রেণী ও কালের কণ্ঠ পত্রিকা
৭৩.
নিচের কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. ক) MS-DOS
  2. খ) CP/M
  3. গ) ADA
  4. ঘ) XENIX
ব্যাখ্যা
- কম্পিউটার প্রোগ্রামের একটি ল্যাংগুয়েজ এর নাম C,
- এছাড়া আরও কয়েকটি কম্পিউটার ল্যাংগুয়েজ হলোঃ FORTAN, BASIC, ADA, C++.

অন্যদিকে, MS-DOS, CP/M, XENIX ইত্যাদি হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম।
৭৪.
CISC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Complex Instruction Sets Computing
  2. Complex Instruction Set Computer
  3. Complex Instruction Set Computing
  4. Complexity Instruction Set Computing
ব্যাখ্যা
মাইক্রোপ্রসেসর কে সাধারন ভাবে ৩ ভাগে ভাগ করা যায়:

1) CISC Processor: Complex Instruction Set Computers. তুলনামূলক কঠিন ইনস্ট্রাকশন ব্যবহার করা হয়। এসেম্বলি ভাষায় প্রোগ্রাম করার জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Intel Pentium, AMD ইত্যাদি।

2) RISC Processor: Reduced Instruction Set Computers. সরল ও ছোট প্রোগ্রাম এর জন্য ব্যবহৃত হয়। উচ্চতর ভাষায় প্রোগ্রামিং এর জন্য বেশি উপযোগী। যেমন: Motorola Power PC - 601, DEC Alpha- 21064 ইত্যাদি।

3) Special Purpose Processor: বিশেষ কোনো কাজের উদ্ধেশ্যে বা মূল কম্পিউটারের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবহৃত প্রসেসরগুলোকেই Special Purpose Processor.

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭৫.
যখন একাধিক কলাম মিলে প্রাইমারি কী (Primary Key) তৈরি হয়, তখন সেটিকে কি বলে?
  1. কম্পোজিট কী
  2. ফরেন কী
  3. মাস্টার কী
  4. অটো ইনক্রিমেন্ট
ব্যাখ্যা


উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।
৭৬.
কোনো ডকুমেন্ট লেখার জন্য কোন প্রোগ্রাম ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) C++
  2. খ) McAfee
  3. গ) Word Processor
  4. ঘ) Adobe Illustrator
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার (Word Processing Software):
- কম্পিউটারের সাহায্যে বর্ণমালা, সংখ্যা, চিহ্ন বা শব্দ ব্যবহার করে ডকুমেন্ট বা লিপি তৈরি করা এবং উক্ত ডকুমেন্টকে সম্পাদনই হলো ওয়ার্ড প্রসেসিং।
- ডকুমেন্ট তৈরি ও প্রসেসিংয়ের জন্য ব্যবহৃত এক বিশেষ ধরনের কম্পিউটারের ব্যবস্থাকে ওয়ার্ড প্রসেসর বলা হয়। মূলত লেখালেখির কাজ করার জন্য ব্যবহৃত অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামকেই ওয়ার্ড প্রসেসর বা ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বলা হয়ে থাকে।
- উদাহরণ: Microsoft word, Wordstar, Wordperfect, Latex, Note Pad ইত্যাদি।

• C++ হলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। 
• McAfee হলো অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার প্রোগ্রাম। 
• Adobe Illustrator হলো গ্রাফিক্স প্রোগ্রাম। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
F1 কী-এর কাজ কী?
  1. ফাইল সেভ করা
  2. Help মেনু খোলা
  3. উইন্ডো বন্ধ করা
  4. সার্চ চালু করা
ব্যাখ্যা

F1 কী-এর কাজ হচ্ছে Help মেনু খোলা।

​ফাংশন কী:
- ফাংশন কী হলো কিবোর্ডে থাকা বিশেষ ধরনের কী, যা বিভিন্ন সফটওয়্যারে নির্দিষ্ট কাজ করতে ব্যবহৃত হয়।
- সাধারণত এগুলো F1 থেকে F12 পর্যন্ত থাকে।

F1-F12 ফাংশন কী-এর কাজ:
- F1: সাধারণত Help মেনু খুলে।
- F2: নির্বাচিত ফাইল বা ফোল্ডারের নাম পরিবর্তন (Rename) করতে ব্যবহৃত হয়।
- F3: দ্রুত সার্চ বা খোঁজার অপশন চালু করে।
- F4: Alt + F4 চাপলে বর্তমান উইন্ডো বন্ধ হয়।
- F5: ব্রাউজারে বা ডেস্কটপে Refresh করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F6: ব্রাউজারে Address bar সিলেক্ট করে।
- F7: মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে Spelling ও Grammar Check চালু করে।
- F8: উইন্ডোজ চালুর সময় সেফ মোড (Safe Mode) চালুর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- F9: কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হত।
- F10: মেনু বার চালু করে।
- F11: ফুলস্ক্রিন মোড চালু বা বন্ধ করে।
- F12: ইংরেজি থেকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮.
LLM যখন ভুল বা কাল্পনিক তথ্য আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রদান করে, তখন সেই ঘটনাকে কী বলা হয়?
  1. Deepfake
  2. Data Leakage
  3. Overfitting
  4. Hallucination
ব্যাখ্যা

• LLM (Large Language Model) যখন আত্মবিশ্বাসের সাথে এমন কিছু তথ্য দেয় যা ভুল, কাল্পনিক বা বাস্তবে অস্তিত্বহীন, তখন সেই ঘটনাকে Hallucination বলা হয়।

• LLM-এর প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- Massive Scale: এগুলো বিলিয়ন বা ট্রিলিয়ন প্যারামিটারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যা মডেলকে অত্যন্ত জটিল তথ্য প্রসেস করতে সাহায্য করে।
- Transformer Architecture: এটি 'Self-attention' মেকানিজম ব্যবহার করে বাক্যের দূরবর্তী শব্দের মধ্যেও সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে।
- Generative Ability: এটি কেবল তথ্য খুঁজে দেয় না, বরং নতুন কবিতা, কোড বা প্রবন্ধ তৈরি করতে পারে।
- Few-shot Learning: খুব সামান্য উদাহরণ বা নির্দেশ দেখেই এটি নতুন কোনো কাজ (যেমন- অনুবাদ বা সারসংক্ষেপ) আয়ত্ত করতে পারে।
- Context Window: এটি একবারে একটি নির্দিষ্ট সীমার তথ্য (Tokens) মনে রেখে উত্তর প্রদান করে।

• Al Hallucination:
- যখন LLM মডেলটি বাস্তব তথ্যের পরিবর্তে ভুল, কল্পিত বা বানানো তথ্য দেয়, তখন সেটি Al Hallucination বলে।
- এটি এমনভাবে উত্তর দেয় যেন সেটি সত্য, যদিও তথ্যটি ভিত্তিহীন বা সম্পূর্ণ ভুল।
- যখন মডেল বাস্তব ডাটাবেস বা ইন্টারনেট থেকে তথ্য যাচাই করতে পারে না, নিশ্চিত উত্তর না থাকলে মডেলটি শূন্য আউটপুট দেওয়ার চেয়ে একটি সম্ভাব্য অনুমান তৈরি করে, যা প্রায়শই ভুল হয়।

অন্যান্য অপশন:
- Deepfake: এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা নকল ছবি, ভিডিও বা অডিও যা কাউকে বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- Data Leakage: এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে মডেলের প্রশিক্ষণের সময় অজানা ডেটা বা উত্তর আগে থেকেই মডেলের কাছে ফাঁস হয়ে যায়।
- Overfitting: এটি মডেলের এমন একটি অবস্থা যেখানে এটি ট্রেনিং ডেটা অতিরিক্ত মাত্রায় মুখস্থ করে ফেলে এবং নতুন ডেটাতে ভুল করে।

উৎস: IBM website [link].

৭৯.
(১২৭) কে হেক্সাডেসিমেলে রূপান্তর করলে সংখ্যাটি হবে-
  1. ৫৫
  2. ৫৭
  3. ২৭
  4. ১২
ব্যাখ্যা

অক্টাল (৮-ভিত্তিক) সংখ্যা (127)8 কে হেক্সাডেসিমাল (১৬-ভিত্তিক) সংখ্যায় রূপান্তর করতে নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করা হলো:

ধাপ ১: অক্টাল থেকে বাইনারি (Binary) রূপান্তর
প্রতিটি অক্টাল ডিজিটকে ৩-বিট বাইনারিতে রূপান্তর করুন।

1 → 001
2 → 010
7 → 111

সুতরাং, (127)8 = 001 010 1112
(অপ্রয়োজনীয় শূন্য বাদ দিলে: 1010111₂)

ধাপ ২: বাইনারি থেকে হেক্সাডেসিমেল রূপান্তর
বাইনারি সংখ্যাটিকে ডান থেকে বামে ৪-বিটের গ্রুপে ভাগ করুন (প্রয়োজনে বাম দিকে শূন্য যোগ করুন)।

প্রদত্ত বাইনারি: 1010111
গ্রুপিং করার জন্য বামে একটি শূন্য যোগ করি: 01010111

0101 → 5
0111 → 7

সুতরাং, (127)8 = 5716

৮০.
কোনটি ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের একটি কাজ?
  1. ডেটাবেজ রেকর্ড
  2. ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ
  3. ডেটাবেজ প্রিন্টিং
  4. অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল
ব্যাখ্যা
ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের একটি কাজ।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
যে সফটওয়্যার ডেটা সংরক্ষণ, ব্যবহার ও ব্যবস্থাপনায় সাহায্য করে তা হচ্ছে ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।

• ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রধান ৩টি কাজ-
- ডেটাবেজ তৈরি,
- ডেটাবেজ ইন্টারোগেশন ও
- ডেটাবেজ রক্ষণাবেক্ষণ।

• কয়েকটি DBMS উদাহরণ হচ্ছে-
- মাইএসকিউএল (MySQL),
- ওরাকল (Oracle),
- মাইক্রোসফট অ্যাকসেস (Micorsoft Access),
- মাইক্রোসফট এসকিউএল সার্ভার (Microsoft SQL Server),
- পোস্টগ্রি এসকিউএল (Postgre SQL),
- এসকিউলাইট (SQLite) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৮১.
ইউনিক্সের কোন সংস্করণটি সর্বপ্রথম বেল ল্যাবসের বাইরে পাবলিক ভার্সন হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. UNIX-3
  2. UNIX-4
  3. UNIX-6
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• UNIX-6:
- UNIX-6 (বা Unix Sixth Edition) হল ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমের একটি সংস্করণ, যা 1975 সালে AT&T Bell Labs-এ উন্নত করা হয়েছিল।
- এটি ইউনিক্সের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সংস্করণগুলির মধ্যে একটি, যা সিস্টেমের ব্যবহার এবং সক্ষমতা বৃদ্ধি করার জন্য অনেক নতুন বৈশিষ্ট্য অন্তর্ভুক্ত করেছিল।
- UNIX-6 ছিল ইউনিক্সের জন্য একটি অগ্রগামী সংস্করণ, যা পরবর্তীতে ইউনিক্সের আধুনিক রূপের বিকাশের পথ প্রশস্ত করেছিল।

• ইউনিক্স (Unix):
- ১৯৬৯ সালে কিন থমসন AT&T-এর বেল ল্যাবরেটরি হতে মিনি কম্পিউটার PDP-7 এর জন্য সহজ, সরল এবং তুলনামূলকভাবে ছোট আকারের ইউনিক্স নামে একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- আইনগত বাধার কারণে ১৯৭৬ সালের পূর্ব পর্যন্ত Unix কেবলমাত্র AT&T-ই ব্যবহার করতো।
- ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ১৯৭৬ সালে ইউনিক্স-এর প্রথম পাবলিক ভার্সন UNIX-6 বের হয়।
- ১৯৭৮ সালে বের হয় Unix-7।
- একসাথে একাধিক অপারেটর কাজ করতে পারে তাই ইউনিক্স-কে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- মইেনফ্রেম কম্পিউটার থেকে শুরু করে মাইক্রোকম্পিউটারে ইউনিক্স ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮০ সালে মাইক্রোসফট কর্পোরেশন মাইক্রোকম্পিউটারে ব্যবহার উপযোগী ইউনিক্সের একটি নতুন ভার্সন Xenix বের করেন।
- ইউনিক্সের এই নতুন ভার্সন IBM-PC/AT তে ব্যবহারের জন্য Xenix নামে বাজারজাত হয়।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮২.
যৌক্তিক পূরকের জন্য কোন গেইট ব্যবহৃত হয়?
  1. অর গেইট
  2. অ্যান্ড গেইট
  3. নট গেইট
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
তিন প্রকার মৌলিক গেইটগুলাে হলাে :
১. অর গেইট (OR Gato): যৌক্তিক যোগের জন্য।
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) : যৌক্তিক গুণের জন্য।
৩. নট গেইট NOT Gate) : যৌক্তিক পূরকের জন্য।

(রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণীর কম্পিউটার (ভোকেশনাল)
৮৩.
বায়োইনফরমেটিক্সের প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. চিকিৎসা যন্ত্র তৈরি করা
  2. মানব মস্তিষ্ক অধ্যয়ন করা
  3. জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা
  4. রসায়নিক বিক্রিয়া ডিজাইন করা
ব্যাখ্যা

• বায়োইনফরমেটিক্সের প্রধান লক্ষ্য হলো জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা। এটি জীববিজ্ঞানের বৃহৎ ডেটা, যেমন জেনোম, প্রোটিন, এবং জৈব রাসায়নিক তথ্যকে সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করার জন্য কম্পিউটার এবং অ্যালগরিদম ব্যবহার করে। এর মাধ্যমে জিনের কার্যক্রম, রোগের কারণ, ও বিভিন্ন জীববৈচিত্র্যের প্যাটার্ন সম্পর্কে জানা যায়। চিকিৎসা যন্ত্র তৈরি করা, মানব মস্তিষ্ক অধ্যয়ন করা বা রসায়নিক বিক্রিয়া ডিজাইন করা সরাসরি বায়োইনফরমেটিক্সের লক্ষ্য নয়, যদিও এগুলোর জন্য প্রাপ্ত তথ্য ব্যবহার হতে পারে। মূলত এটি জীববিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির সংমিশ্রণ যা জৈবিক সমস্যার সমাধান করে।

সঠিক উত্তর: গ) জৈবিক তথ্য বিশ্লেষণ করা।

বায়োইনফরমেটিক্স (Bioinformatics):
- বায়োইনফরমেটিক্স হলো এমন একটি শাখা যেখানে জীববিজ্ঞানের তথ্য বিশ্লেষণের জন্য কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে সমাধান করা হয়।

বায়োইনফরমেটিক্স এর প্রয়োগ/ব্যবহার:
- প্যাটার্ন রিকোগনিশন,
- ডেটা মাইনিং,
- মেশিন ল্যাংগুয়েজ অ্যালগরিদম,
- ভিজ্যুয়ালাইজেশন ইত্যাদি,

বিভিন্ন গবেষণার ক্ষেত্রে বায়োইনফরমেটিক্স ব্যবহৃত হচ্ছে:
- সিকুয়েন্স এলাইনমেন্ট,
- ডিএনএ ম্যাপিং,
- ডিএনএ এনালাইসিস,
- জিন ফাইন্ডিং,
- জিনোম সমাগম,
- ড্রাগ নকশা,
- ড্রাগ আবিষ্কার,
- প্রোটিনের গঠন,
- প্রোটিনের ভবিষ্যত গঠন,
- জিন সূত্রের ভবিষ্যত,
- প্রোটিন-প্রোটিনের মিথষ্ক্রিয়া,
- জিনোম এর ব্যাপ্তি এবং বিবর্তনের মডেলিং, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৪.
ট্রোজান শনাক্ত করা ব্যবহারকারীদের জন্য এত কঠিন কেন?
  1. এগুলো সিস্টেমকে স্থায়ীভাবে ক্র্যাশ করে
  2. এগুলো কখনও ইন্টারনেটে সংযুক্ত হয় না
  3. এগুলো বৈধ প্রোগ্রামের মতো দেখায়
  4. তাদের ইনস্টলেশনের প্রয়োজন হয় না
ব্যাখ্যা

• ট্রোজান শনাক্ত করা ব্যবহারকারীদের জন্য কঠিন হওয়ার প্রধান কারণ হলো এগুলো সাধারণত বৈধ বা নির্ভরযোগ্য প্রোগ্রামের মতো ছদ্মবেশ ধারণ করে, ফলে ব্যবহারকারীরা সহজে সন্দেহ করেন না। ট্রোজান অনেক সময় নিরীহ সফটওয়্যার বা দরকারি অ্যাপ্লিকেশনের ভেতর লুকিয়ে থাকে এবং স্বাভাবিক আচরণের মতোই কাজ করে যায়, যার ফলে এদের উপস্থিতি বোঝা কঠিন হয়।

পাশাপাশি অনেক ট্রোজান আলাদা ইনস্টলেশন ছাড়াই সিস্টেমে ঢুকে পড়ে, যা ব্যবহারকারীর নজর এড়ায়। যদিও কিছু ট্রোজান ইন্টারনেটে সংযুক্ত না-ও হতে পারে বা সিস্টেম ক্র্যাশ ঘটাতে পারে, তবুও ছদ্মবেশ এবং লুকানো কার্যপ্রণালীই শনাক্ত করাকে সবচেয়ে কঠিন করে তোলে।

 
 • সাইবার অপরাধ:
বিভিন্ন ধরনের সাইবার অপরাধ হয়ে থাকে। নিচে অতি সংক্ষিপ্তভাবে অপরাধসমূহের তালিকা দেওয়া হলো:
- কম্পিউটার সিস্টেম অথবা নেটওয়ার্কে অযাচিত প্রবেশ করা।
- ইলেকট্রনিক ফর্মে থাকা তথ্য চুরি করা।
- প্লেজিয়ারিজম- অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- স্নিকিং- গোপনে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে নিজের আওতায় আনা।
- ই-মেইল বম্বিং (বিশাল ই-মেইল পাঠানোর মাধ্যমে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।

• Data diddling (কম্পিউটার প্রসেসিং এর পূর্বে কোন ডেটাকে কম্পিউটার থেকে সরিয়ে ফেলা এবং প্রসেসিং সম্পন্ন হবার পর পুনরায় সে ডেটাকে কম্পিউটারে স্থাপন করা।)
• Salami Attack (অবৈধ আর্থিক বিনিময় কিংবা আর্থিক ক্ষতি সাধন।)

• Denial of Service Attack (বেশি পরিমাণে রিকোয়েস্ট পাঠায়ে সিস্টেম ক্র্যাশ করা)।
• ভাইরাস/ওয়ার্ম আক্রমণ।
• লজিক বম্ব (ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা)।

• ট্রোজান এ্যাটাক (পরোক্ষভাবে কারো সিস্টেমে প্রবেশ করে সিস্টেমের কন্ট্রোল গ্রহণ করা।
• ইন্টারনেটের ব্যবহার্য সময় বা ইউনিট চুরি।
• ওয়েব সাইট হ্যাক করে তথ্য পরিবর্তন করা।

উৎস:
- কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৫.
নিচের কোনটি Octal number নয়?
  1. ক) 1019
  2. খ) 2456
  3. গ) 1263
  4. ঘ) 3654
ব্যাখ্যা
• Octal number system এ আটটি অংক ব্যবহৃত হয়।
- এগলো হল - 0, 1, 2, 3, 4, 5, 6 এবং 7।
তাই, 1019 Octal number নয়।
৮৬.
ডেটাকে এনক্রিপ্ট করার উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটার আকার ছোট করা
  2. ডেটা দ্রুত পাঠানো ও নির্দিষ্ট জায়গায় রাখা
  3. ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা
  4. ডেটা ব্যাকআপ করে রাখা
ব্যাখ্যা
ডেটাকে এনক্রিপ্ট করার উদ্দেশ্য হচ্ছে ডেটার গোপনীয়তা ও সুরক্ষা বজায় রাখা।

এনক্রিপশন (Encryption):
- এনক্রিপশন হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মেসেজ, ডেটা বা তথ্যকে কোড করা হয়, যাতে অনুমোদিত ব্যতীত অন্য কেউ তা পড়তে বা বুঝতে না পারে।
- কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কে গোপনীয় ডেটা স্থানান্তরের সময় ডেটাকে বিশেষ কোডে এনক্রিপ্ট করে প্রেরণ করা হয়, যাতে ডেটার গোপনীয়তা বজায় থাকে।
- প্রেরক ডেটাকে এনক্রিপ্ট করলে প্রাপক ডিক্রিপ্ট করে (ডেটাকে আসল রূপে ফেরত নিয়ে) ব্যবহার করে।
- এনক্রিপশন এবং ডিক্রিপ্ট করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম ও অ্যালগোরিদম ব্যবহার করা হয়।
- উদাহরণস্বরূপ, সিজার কোডে প্রতিটি অক্ষরকে তার পরবর্তী ৩ সংখ্যক অক্ষরে প্রতিস্থাপন করা হয়।
- যেমন: JULIA ROBERT → MWPLD TOETHV

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮৭.
নিচের কোনটি ১০২৪ জেটাবাইট (ZB)-এর সমতুল্য?
  1. ১ ইট্রাবাইট (YB)
  2. ১ পেটাবাইট (PB)
  3. ১ গিগাবাইট (GB)
  4. ১ এক্সাবাইট (EB)
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটার মেমোরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সম্পর্ক:
- ৮ বিট = ১ বাইট = ১ অক্ষর
- ১০২৪ = ১ কিলোবাইট (KB)
- ১০২৪ কিলোবাইট = ১ মেগাবাইট (MB)
- ১০২৪ মেগাবাইট = ১ গিগাবাইট (GB)
- ১০২৪ গিগাবাইট = ১ টেরাবাইট (TB)
- ১০২৪ টেরাবাইট = ১ পেটাবাইট (PB)
- ১০২৪ পেটাবাইট = ১ এক্সাবাইট (EB)
- ১০২৪ এক্সাবাইট = ১ জেটাবাইট (ZB)
- ১০২৪ জেটাবাইট = ১ ইট্রাবাইট (YB)

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
৮৮.
কোন কম্পিউটারের আবিষ্কারের ফলে অন্যান্য স্বল্প মূল্যের কম্পিউটারের বাজারজাত শুরু হয়েছে?
  1. মেইনফ্রেম
  2. মাইক্রোকম্পিউটার
  3. মাইক্রোপ্রসেসর
  4. সুপার কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
[মাইক্রোকম্পিউটার হলো একটি ছোট, স্বল্পমূল্যের কম্পিউটার যা একটি মাইক্রোপ্রসেসর ব্যবহার করে। এটি ১৯৭০-এর দশকে আবিষ্কৃত হয় এবং এর ফলে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য সহজলভ্য হয়ে ওঠে। এর মাধ্যমে অন্যান্য স্বল্পমূল্যের কম্পিউটারের বাজারজাত শুরু হয়, যা সাধারণ মানুষ ও ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করা সহজ করে তোলে।]

• মাইক্রোকম্পিউটার (Micro Computer):
- পার্সোনাল কম্পিউটারের অপর নাম মাইক্রোকম্পিউটার।
- মাইক্রোপ্রসেসর আবিষ্কারের ফলে কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিটকে মাত্র একটি চিপে ধারণ করা সম্ভব হয় এবং কম্পিউটার জগতে একটি নতুন প্রজন্মের আবির্ভাব হয়।
- মাইক্রো (Micro) শব্দের অর্থ ক্ষুদ্র। ক্ষুদ্রাকৃতি মাইক্রোপ্রসেসর দিয়ে তৈরি ক্ষুদ্রাকৃতি কম্পিউটারকে তাই মাইক্রোকম্পিউটার (Microcomputer) বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৯.
The term MIPS refers to _____
  1. ক) millions of instructions per second
  2. খ) multiple instructions per second
  3. গ) megabytes of instructions per seconds
  4. ঘ) millions input processor set
ব্যাখ্যা
This is a CPU capacity unit.
৯০.
(0.71)10 কে হেক্সাডেসিমাল আকারে প্রকাশ করুন।
  1. 0.B5C...
  2. 0.C5C...
  3. 0.B5D...
  4. 0.B7C...
ব্যাখ্যা

• (0.71)10 কে হেক্সাডেসিমাল আকারে প্রকাশ করলে: 0.B5C... হয়। 



• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা:
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যা ১৬ ভিত্তিতে লেখা হয়।
- এই সংখ্যাগুলোতে ব্যবহার করা হয় ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ডিজিট এবং A থেকে F পর্যন্ত অক্ষর।
- এখানে A, B, C, D, E, F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, ১৫ মানে। তাই হেক্সাডেসিমাল সংখ্যায় G, H, Z অক্ষরগুলো থাকতে পারে না কারণ এগুলো হেক্সাডেসিমাল ভিত্তিতে স্বীকৃত নয়।

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System)।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal) – ভিত্তি ১০। 
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary) – ভিত্তি ২। 
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal) – ভিত্তি ৮। 
- হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal) – ভিত্তি ১৬। 

- প্রতিটি পদ্ধতিতে সংখ্যা প্রকাশের নিয়ম আলাদা, কিন্তু মূল ধারণা একই- একটি নির্দিষ্ট ভিত্তির উপর সংখ্যাগুলো লেখা।

হেক্সাডেসিমাল ব্যবহার:

- কম্পিউটার প্রোগ্রামিং: যেমন C, C++ এ 0x দ্বারা হেক্সাডেসিমাল নির্দেশ করা হয়।
- মেমোরি ঠিকানা: প্রতিটি মেমোরি লোকেশনকে ছোট হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা দিয়ে উপস্থাপন করা যায়।
- রঙের কোডিং (HTML/CSS): উদাহরণ: #FF5733 → RGB রঙ।
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স: বাইট বা ওয়ার্ডের মান সংক্ষেপে দেখানোর জন্য।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯১.
কোনটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে পরিচিত?
  1. মাইএসকিউএল
  2. অ্যাডোবি ফটোশপ
  3. গুগল ক্রোম
  4. এমএস ওয়ার্ড
ব্যাখ্যা

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম: 
- একটি ডাটাবেজে একাধিক টেবিল থাকতে পারে। 
- কোন একটি নির্দিষ্ট ফিল্ডের উপর ভিত্তি করে দুই বা ততোধিক টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করাকে রিলেশনশীপ বলা হয়। 
- রিলেশন তৈরি করা টেবিল থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা নিয়ে আলাদা ডাটা টেবিল তৈরি করা যায়। 
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়। 
- আধুনিক ডাটাবেজ  বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়। 
- রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্ভারে ডাটাবেজ ইঞ্জিন ব্যবহার করার জন্য বাজারে অনেক ধরনের সফট্ওয়্যার রয়েছে। 
যথা- মাইক্রোসফ্‌ট একসিস, ওরাকল, মাইএসকিউএল, এসকিউএল সার্ভার, ইনফরমিক্স ইত্যাদি। 

রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্য: 
• সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়। 
• ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়। 
• অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়। 
• সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়। 
• সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়। 
• সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়। 
• প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়। 
• এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। 
• আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়। 
• অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২.
মাদারবোর্ডের সাথে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য প্রাথমিকভাবে কোন স্লটটি ব্যবহার করা হয়?
  1. এমএসআই স্লট
  2. ওএসডি স্লট
  3. পিএসআই স্লট
  4. এজিপি স্লট
ব্যাখ্যা
• মাদারবোর্ড:
- মাদারবোর্ডই হচ্ছে একটি কম্পিউটারের মূল অংশ, যা সিস্টেম ইউনিটের অভ্যন্তরে সংযুক্ত থাকে।
- সাধারণত কম্পিউটারের সমস্ত যন্ত্রাংশের সংযোগ স্থানকে বলা হয় মাদারবোর্ড।
- এটি সিস্টেম বোর্ড বা মেইনবোর্ড হিসেবেও পরিচিত।
- কম্পিউটারের ব্রেইন হিসেবে পরিচিত প্রসেসর মাদারবোর্ডের মধ্যেই থাকে।
- মাদারবোর্ডের মধ্যে কম্পিউটারের বিভিন্ন ডিভাইস যেমন: কী-বোর্ড, মাউস, মনিটর, প্রিন্টার, হার্ড ডিস্কড্রাইভ, ফ্লোপি ডিস্ক ড্রাইভ, পেনড্রাইভ ইত্যাদি লাগানোর ব্যবস্থা থাকে।

• মাদারবোর্ডের স্লট:
1. AGP slot
2. RAM slot
3. PCI slot; ইত্যাদি।

- মাদারবোর্ডের সাথে গ্রাফিক্স কার্ড সংযোগ করার জন্য প্রাথমিকভাবে AGP স্লট ব্যবহার করা হয়।
- মাদারবোর্ডের সাথে keyboard, speaker ইত্যাদি সংযোগ করার জন্য USB ব্যবহার করা হয়।
- মাদারবোর্ডের সাথে hard drive, SSD ইত্যাদি সংযোগ করার জন্য SATA ব্যবহার করা হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৩.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে কর্মসংস্থান বা চাকরির সুযোগ সৃষ্টিকে কী বলা হয়?
  1. আউটসোর্সিং
  2. ই-বিজনেস
  3. ই-কমার্স
  4. ই-গভর্নেন্স
ব্যাখ্যা

◉ আউটসোর্সিং হলো একটি ব্যবসায়িক প্রক্রিয়া যেখানে কোনো প্রতিষ্ঠান ইন্টারনেটের মাধ্যমে তৃতীয় পক্ষের (Freelancers বা অন্য কোম্পানি) সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে নির্দিষ্ট কাজ সম্পন্ন করে। এটি ইন্টারনেট-ভিত্তিক কর্মসংস্থানের একটি জনপ্রিয় মডেল।

আউটসোর্সিং:
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে এক দেশে বসেই অন্য দেশের কোনো কাজ করা যায়।
- আউটসোর্সিং হচ্ছে কোন প্রতিষ্ঠানের কাজ নিজেরা না করে তৃতীয় কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে করিয়ে নেওয়া।
- অর্থাৎ, ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং।
- ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফ্টওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।
- আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে এখন অনেকেই ঘরে বসে তার মেধা দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজে অর্থ উপার্জন করছে এবং অন্যদের জন্য কর্মক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে।
- যারা ইন্টারনেটের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রি-ল্যান্সার।
- বাংলাদেশ প্রতি বছর আউটসোর্সিং হতে কয়েক মিলিয়ন ডলার আয় করে।
- বিশ্বব্যাপি আউটসোর্সিং প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে payoneer.com, freelancer.com, upwork.com, peopleperhour.com ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয়।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
ই-বিজনেস: ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো ব্যবসায়িক কার্যক্রম (অনলাইন ব্যাংকিং, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট)।
ই-গভর্নেন্স: সরকারি সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রদান (যেমন: ই-নথি, অনলাইন ট্যাক্স পেমেন্ট)।
ই-কমার্স: পণ্য কেনাবেচার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম (যেমন: Amazon, Daraz)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৪.
ফায়ারওয়াল কী কাজ করে?
  1. সফটওয়্যার ডাউনলোড করে
  2. সিস্টেমের হার্ডওয়্যারকে ত্রুটি থেকে রক্ষা করে
  3. নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ থেকে রক্ষা করে
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল:
- ফায়ারওয়াল হলো কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি সুরক্ষা ব্যবস্থা, যা নেটওয়ার্ককে অননুমোদিত প্রবেশ বা হ্যাকিং থেকে রক্ষা করে।
- ব্যক্তিগত বা সংবেদনশীল ডেটা রক্ষা করতে ব্যবহৃত হয়।
- অবাঞ্চিত ব্যবহারকারীর হাত হতে সিস্টেম রক্ষা করা বা সাইবার আক্রমণ এড়াতে ফায়ারওয়াল ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়ালকে বিশেষ কিছু বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন একটি সিস্টেম হিসেবে গণ্য করা হয় যার সাহায্যে ব্যবহারকারীকে সংরক্ষিত কোন নেটওয়ার্কে প্রবেশ করার অনুমতি প্রদান করা কিংবা বাধা প্রদান করা হয়।
- ফায়ারওয়াল প্রটেক্টেড সিস্টেমে সাধারণত নেটওয়ার্কের ভিতর থেকে বাহিরের সবকিছু ব্যবহার করা যায়, তবে অন্য কোন অবাঞ্চিত ব্যবহারকারী এই নেটওয়ার্কে প্রবেশ করতে পারে না। শুধুমাত্র বৈধ ব্যবহারকারীগণ এটি ব্যবহার করতে পারেন।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৯৫.
কম্পিউটারে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়‍্যারের সাধারণ নাম কী?
  1. ম্যালওয়‍্যার
  2. ভাইরাস
  3. ওয়ার্ম
  4. ট্রোজান হর্স
ব্যাখ্যা
ম্যালওয়‍্যার: 
- যেসব প্রোগ্রামিং কোড বা প্রোগ্রামসমূহ কম্পিউটারের জন্য ক্ষতিকর সে ধরনের সফটওয়‍্যারকে বলা যেতে পারে ক্ষতিকারক সফটওয়্যার বা মেলিসিয়াস (malicious) সফটওয়্যার।
- আর এ ম্যালিসিয়াস সফটওয়্যারকে সংক্ষেপে ম্যালওয়‍্যার (malware) বলা হয়ে থাকে। 
- কোনো কোনো ম্যালওয়্যার ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে রক্ষিত তথ্য চুরি করে।
- কোনো কোনো সময় ব্যবহারকারীর অজান্তে তার কম্পিউটার সিস্টেমের প্রবেশাধিকার লাভ করে।
- ম্যালওয়্যার প্রোগ্রামিং কোড, স্ক্রিপ্ট, সক্রিয় তথ্যাধার কিংবা অন্যান্য সফটওয়‍্যারের মতো প্রকাশিত হতে পারে। 
- কম্পিউটারে অনুপ্রবেশকারী বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়‍্যারের সাধারণ নামই হলো ম্যালওয়‍্যার।
- ম্যালওয়্যার এক ধরনের সফটওয়্যার, যা কিনা অন্য সফটওয়্যারকে কাঙ্ক্ষিত কর্মসম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে। 
- কম্পিউটার ভাইরাস, ওয়ার্ম, ট্রোজান হর্স, বুটকিটস, কিলগার, ডায়ালার, স্পাইওয়্যার, এডওয়্যার প্রভৃতি ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৯৬.
ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ নয় কোনটি?
  1. এমিটার
  2. বেস
  3. রেজিস্টার
  4. কালেক্টর
ব্যাখ্যা
• ট্রানজিস্টর:
- ট্রানজিস্টর একটি অর্ধপরিবাহী যন্ত্র, যা সাধারণত অ্যামপ্লিফায়ার এবং বৈদ্যুতিকভাবে নিয়ন্ত্রিত সুইচ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- তিন প্রান্তবিশিষ্ট যে ক্ষুদ্র অর্ধপরিবাহী যন্ত্রে বহির্মুখী প্রবাহ, ভোল্টেজ এবং ক্ষমতা অন্তর্মুখী প্রবাহ দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন, ডবিণ্টউ ব্রাটেন ও ডবিণ্টউ সক্লে ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের করেন।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের কারণে জে. বার্ডিন, ডবিণ্টউ ব্রাটেন ও ডবিণ্টউ সক্লেকে ১৯৫৬ সালে নোবেল পুরষ্কার দেয়া হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।
- ট্রানজিস্টরের প্রধান অংশ তিনটি। যথা - এমিটার, কালেক্টর এবং বেস।
- ট্রানজিস্টর আকারে অনেক ছোট হওয়ায় বিদ্যুৎ খরচ কম হয়,কম্পিউটার গরম কম হয় এবং ট্রানজিস্টর আবিষ্কারের ফলে কর্মদক্ষতা বৃদ্ধি পেয়েছে।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৭.
Which of these is a secondary storage device?
  1. SRAM
  2. Hard Disks
  3. ROM
  4. Cache
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - খ) Hard Disks

• Primary Storage Devices:
উদাহরণ:
RAM (Random Access Memory):
RAM হলো প্রধান মেমোরি, যা ডেটা পড়া এবং লেখা উভয়ই করতে সক্ষম। এটি ব্যবহারকারীর সক্রিয় প্রোগ্রাম ও ডেটার জন্য প্রধান স্টোরেজ হিসেবে কাজ করে।

Cache Memory:
ক্যাশ মেমোরি হলো একটি সহায়ক মেমোরি সিস্টেম, যা প্রায়ই ব্যবহৃত নির্দেশাবলী এবং ডেটা অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে, যাতে CPU দ্রুত প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে।

Static RAM (SRAM):
SRAM ফ্লিপ-ফ্লপ নামক দ্বিস্তর সার্কিট ব্যবহার করে বিট সংরক্ষণ করে এবং দ্রুত ডেটা অ্যাক্সেসের সুবিধা দেয়। এটি সাধারণত CPU-এর রেজিস্টার এবং দ্রুত ক্যাশ মেমোরিতে ব্যবহৃত হয়।

Dynamic RAM (DRAM):
DRAM প্রতিটি বিটকে একটি বৈদ্যুতিক ক্যাপাসিটরে সংরক্ষণ করে, যেখানে ট্রানজিস্টর একটি সুইচ হিসেবে কাজ করে ক্যাপাসিটরকে চার্জ বা ডিসচার্জ করতে। DRAM সাধারণত প্রধান মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়, কারণ একই আকারের চিপে SRAM-এর তুলনায় অনেক বেশি ডেটা সংরক্ষণ করা যায়, যদিও এর অ্যাক্সেস গতি কিছুটা ধীর।

Read-Only Memory (ROM):
ROM হলো নন-ভোলাটাইল মেমোরি, যা কম্পিউটারের জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম সংরক্ষণ করে, যেমন বুটস্ট্র্যাপ প্রোগ্রাম বা BIOS, যা কম্পিউটার চালু করতে এবং বাহ্যিক ডিভাইসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে ব্যবহৃত হয়।

Flash Memory:
ফ্ল্যাশ মেমোরি হলো এমন এক ধরনের ডেটা স্টোরেজ মাধ্যম, যা বিদ্যুৎ না থাকলেও ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। এটি সাধারণত পোর্টেবল ডিভাইস, ইউএসবি ড্রাইভ এবং মেমোরি কার্ডে ব্যবহৃত হয়।

• Secondary Storage Devices:
উদাহরণ:
Magnetic Tape:
ম্যাগনেটিক টেপ হলো একটি কমপ্যাক্ট ও সাশ্রয়ী স্টোরেজ মাধ্যম, যা বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংরক্ষণ ও পুনরুৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি চৌম্বকীয় পদার্থ দ্বারা আবৃত একটি সরু প্লাস্টিক ফিতায় তৈরি।

Hard Disks:
হার্ড ডিস্ক হলো অ্যালুমিনিয়াম বা কাচের তৈরি সমতল চক্করাকার প্লেট, যার পৃষ্ঠে চৌম্বকীয় পদার্থের আবরণ থাকে। এতে ডেটা ঘূর্ণায়মান ট্র্যাকে সংরক্ষিত হয়।

Floppy Disks:
ফ্লপি ডিস্ক বা ডিসকেট হলো নমনীয় প্লাস্টিকের তৈরি স্টোরেজ মাধ্যম। এর ধারণক্ষমতা কম এবং ১৯৯০ সালের পর অপটিক্যাল ডিস্ক ড্রাইভ চালু হওয়ার পর থেকে এটি প্রায় বিলুপ্ত।

Optical Discs:
অপটিক্যাল স্টোরেজ ডিভাইস যেমন CD-ROM ও DVD-ROM-এ ডেটা ছোট ছোট গর্ত বা পিট আকারে সংরক্ষিত থাকে, যা প্লাস্টিক ডিস্কের সর্পিল আকারে বিন্যস্ত এবং লেজারের মাধ্যমে পড়া ও লেখা হয়।

USB Flash Drives:
ইউএসবি ফ্ল্যাশ ড্রাইভ হলো ছোট, বহনযোগ্য স্টোরেজ ডিভাইস, যা ফ্ল্যাশ মেমোরি ব্যবহার করে এবং ইউএসবি ইন্টারফেসের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়।

Solid-State Drives (SSDs):
এটি হার্ড ডিস্কের তুলনায় বেশি নীরব, দ্রুত এবং টেকসই।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৯৮.
Ctrl + Z কে সাধারণত বলা হয়:
  1. Select all command
  2. Undo command
  3. Paste command
  4. Copy command
ব্যাখ্যা

• Ctrl + Z সাধারণত কম্পিউটার ব্যবহার এবং সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে Undo command হিসেবে পরিচিত। এটি ব্যবহারকারীদের ভুল করা বা অবাঞ্ছিত পরিবর্তন দ্রুত ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, যদি কেউ কোনো ডকুমেন্টে লেখা মুছে ফেলে বা কোনো ছবি ভুলভাবে এডিট করে, Ctrl + Z চাপলে সেই কাজ পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে। এটি সময় সাশ্রয় এবং কাজের ত্রুটি কমানোর ক্ষেত্রে অত্যন্ত কার্যকর। অনেক জনপ্রিয় সফটওয়্যার যেমন Microsoft Word, Photoshop, Excel, এবং অন্যান্য টেক্সট এডিটর ও গ্রাফিক্স টুলে Ctrl + Z একটি মৌলিক শর্টকাট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। সুতরাং, এটি কেবল একটি সুবিধাজনক ফাংশন নয়, বরং ব্যবহারকারীর কাজের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে।

- সঠিক উত্তর: খ) Undo command.
 
• এমএস ওয়ার্ডে ব্যবহৃত কী-বোর্ডের বিভিন্ন কমান্ড:
Ctrl + A : ডকুমেন্টের সব টেক্সট (text) সিলেক্ট করার জন্য।
Ctrl + B: টেক্সট (text) বোল্ড (bold) করার জন্য।
Ctrl + C: সিলেক্ট করা টেক্সট কপি করার জন্য।
Ctrl + E : টেক্সট বা লিখা গুলি মধ্যখানে আনার জন্য।
Ctrl + F: যেকোনো শব্দ বা বাক্য খোঁজার জন্য।
Ctrl + I : সিলেক্ট করা টেক্সট italic font style করার জন্য।
Ctrl + K : সিলেক্ট করা টেক্সট (text) এ hyperlink (URL web address) বা ওয়েবসাইটের অ্যাড্রেস যোগ করার জন্য।
Ctrl + L: Left alignment বা আপনার লেখা গুলি বামদিকে নিয়ে নেয়ার জন্য।
Ctrl + N : নতুন word document খোলার জন্য।
Ctrl + O: আগে থেকে বানানো word file খোলার জন্য।
Ctrl + S: বানানো ওয়ার্ড ফাইল সেভ করার জন্য।
Ctrl + U : টেক্সট বা লেখাতে underline করার জন্য।
Ctrl + V : কপি করা টেক্সট (text) সহজে পেস্ট করার জন্য।
Ctrl + X: যেকোনো সিলেক্ট করা টেক্সট এর অংশ cut করার জন্য।
Ctrl + Z : ওয়ার্ডে কাজ করার সময় যদি কোনো ভুল হয়, তাহলে ও শর্টকাট ব্যবহার করে আবার আগের অবস্থায় যেতে পারবেন।

উৎস: মাইক্রোসফটের ওয়েবসাইট।

৯৯.
Which connectivity technology does a smartwatch have?
  1. Bluetooth
  2. Satellite
  3. Infrared
  4. NFC
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর - ক) Bluetooth

স্মার্টওয়াচ (Smartwatch)
- স্মার্টওয়াচ হলো হাতের ঘড়ির মতো পরিধানযোগ্য একটি কম্পিউটিং ডিভাইস।
- এটি শুধু সময় দেখায় না, বরং ব্লুটুথ ক্ষমতাসম্পন্ন, যা ব্যবহারকারীর স্মার্টফোনের কার্যক্ষমতা ঘড়িতে প্রসারিত করতে সাহায্য করে।
- স্মার্টওয়াচ ব্যবহার করে ব্যবহারকারী কল রিসিভ ও করা, কল দেওয়া, ইমেইল পড়া, আবহাওয়ার খবর জানা, সঙ্গীত শোনা, ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্টকে প্রশ্ন করা ইত্যাদি কাজ করতে পারে।

স্মার্টওয়াচের ইতিহাস
- ১৯৭৫ সালে Calcron নামে প্রথম ক্যালকুলেটর ঘড়ি তৈরি হয়।
- ১৯৮০-এর দশকে Seiko কোম্পানি কম্পিউটিং সুবিধাসম্পন্ন ঘড়ি বাজারে আনে।
- ২০১৪ সালে Google স্মার্টওয়াচের জন্য Android Wear অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করে।

স্মার্টওয়াচের প্রধান কার্যক্রম (Functions)
- কল, এসএমএস, ইমেইল ও অ্যাপের নোটিফিকেশন প্রদর্শন।
- কিছু স্মার্টওয়াচ থেকে সরাসরি ফোন কল করা যায়।
- স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণে পেডোমিটার ও হার্ট রেট মনিটর থাকে।
- টাচস্ক্রিন বা বোতামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- স্মার্টফোনের সঙ্গে সংযোগ করে বিভিন্ন তথ্য প্রদর্শন করে।
- ডিসপ্লে হতে পারে রঙিন বা সাদা-কালো ই-পেপার।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 

১০০.
নিচের কোনটি একটি সিস্টেম সফটওয়্যার?
  1. Informix
  2. Ms-Excel
  3. dBase
  4. Solaris
ব্যাখ্যা
• সফটওয়্যারের শ্রেণি বিভাগ:
- সফটওয়্যারের ওপর কম্পিউটারের ক্ষমতা ও কাজের গতি অনেকাংশে নির্ভর করে।
- কম্পিউটারের সফটওয়্যারকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১. সিস্টেম সফটওয়্যার (System Software) ও
২. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার (Application Software) বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার।

• সিস্টেম সফটওয়্যার:
- সিস্টেম সফটওয়্যার হলো কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রক।
- এটি কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারিক প্রোগ্রামের মধ্যে যোগসূত্র রচনা ও রক্ষা করে।
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে সকল প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি দরকার তাদেরকে সিস্টেম সফটওয়্যার বলে।
- সিস্টেম সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন ইনপুট-আউটপুট ডিভাইসের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে ব্যবহারিক প্রোগ্রাম চালনার জন্য কম্পিউটারকে তৈরি রাখে এবং কম্পিউটারের বিভিন্ন ইউনিটের মধ্যে কাজের সমন্বয় রক্ষা করে।
- সিস্টেম সফটওয়্যারের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি উদাহরণ হলো:
• DOS,
• Windows XP,
• Linux,
• Unix,
• Mac OS,
Solaris ইত্যাদি।

- Informix, Ms-Excel ও dBase হলো অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার এর উদাহরণ।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রােগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।