বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯৭ / ৩০৬ · ৯,৬০১৯,৭০০ / ৩০,৮৩২

৯,৬০১.
মাস্টারদা সূর্যসেনের ফাঁসি কার্যকর হয় কত তারিখে?
  1. ১২ জানুয়ারি, ১৯৩২ সালে
  2. ১০ জানুয়ারি, ১৯৩৪ সালে
  3. ১২ জানুয়ারি, ১৯৩৪ সালে
  4. ১০ জানুয়ারি, ১৯৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
১২ জানুয়ারি, ১৯৩৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ জানুয়ারি, ১৯৩৪ সালে
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্য সেন:
- তার পুরো নাম সূর্যকুমার সেন।
- ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।
- বিএ পড়ার সময় তিনি তার শিক্ষক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন।
- অধ্যাপক সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী যুগান্তর নামে বিপ্লবী দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- ১৯১৮ সালে চট্টগ্রামে ফিরে তিনি বিপ্লবী যুগান্তর দল পুনরুজ্জীবিত করেন।
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত হন 'মাস্টারদা' নামে। 
- ১৯৩০ সালে চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক ছিলেন মাস্টারদা সূর্যসেন।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তার ফাঁসি কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে তার ফাঁসি কার্যকরের প্রায় ৯১ বছর হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬০২.
বাংলাদেশের প্রথম ঔষধ পার্ক -
  1. ক) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায়
  2. খ) গাজীপুরের কালিয়াকৈরে
  3. গ) সাভারের কোনাবাড়িতে
  4. ঘ) ময়মনসিংহের ভালুকায়
সঠিক উত্তর:
ক) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায়
ব্যাখ্যা
• ঔষধ পার্ক:
 - মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় ২১৬ একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে ওষুধ শিল্প পার্ক।
- ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক উত্তরণ ঘটলে এ শিল্প পার্ক ওষুধ শিল্পকে সুরক্ষা দেবে।
- ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে ‘অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট (এপিআই)’ বা ‘ওষুধ শিল্প পার্ক’ নির্মাণের যাত্রা শুরু হয়েছিল এক যুগ আগে। 

- রাজধানী থেকে ৩৭ কিলোমিটার দূরে মেঘনা নদীর পাড় ঘেঁষে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় ২১৬ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এই শিল্প পার্কের ‘সরকারি অংশের অবকাঠামো উন্নয়নকাজ’ শেষ।

তথ্যসূত্র: নিউজ বাংলা (৯ মার্চ, ২০২২)।
৯,৬০৩.
Which is the longest river in Bangladesh?
  1. Padma
  2. Meghna
  3. Ichamati
  4. Jamuna
সঠিক উত্তর:
Padma
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Padma
ব্যাখ্যা
দেশে দীর্ঘতম নদী:
- দেশে বর্তমানে জীবন্ত নদ-নদীর সংখ্যা ১০০৮টি।
- দেশের দীর্ঘতম নদী পদ্মা।
- দেশের তিন বিভাগের ১২টি জেলায় প্রবাহিত নদীটির দৈর্ঘ্য ৩৪১ কিলোমিটার।

অন্যদিকে,
- সব মিলিয়ে দেশে ২২ হাজার কিলোমিটারের দীর্ঘ নদীপথ রয়েছে।
- বিশ্ব নদী দিবস উপলক্ষে রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে আয়োজিত 'বাংলাদেশের নদ-নদী: সংজ্ঞা ও সংখ্যাবিষয়ক সেমিনার' শীর্ষক অনুষ্ঠানে জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন দেশের নদ-নদীর সংখ্যা ও তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছে।
- দেশে বর্তমানে ২০০ কিলোমিটারের বেশি নদী রয়েছে ১৪টি।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে বেশি নদী রয়েছে সুনামগঞ্জ জেলায়, ৯৭টি।
- ৯ আগস্ট নদী রক্ষা কমিশন তাদের ওয়েবসাইটে ৯০৭টি নদ-নদীর খসড়া তালিকা প্রকাশ করে
- কমিশনে জমা পড়া সব মতামত ও আপত্তি নিষ্পত্তি করে ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়, যেখানে নদীর সংখ্যা বেড়েছে ১০১টি।

তথ্যসূত্র - ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
৯,৬০৪.
রেফারেন্ডাম সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৪৮ নং
  2. ১৪২ নং
  3. ৫৬ নং
  4. রেফারেন্ডামের কোন অনুচ্ছেদ নেই
সঠিক উত্তর:
রেফারেন্ডামের কোন অনুচ্ছেদ নেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেফারেন্ডামের কোন অনুচ্ছেদ নেই
ব্যাখ্যা
গণভোট (Referendum):
- আক্ষরিক অর্থে গণভোট বলতে জনগণের কাছে উপস্থাপিত করা (refer to the people)-কে বোঝায়।
- আইনসভার দ্বারা প্রণীত আইনকে ভোটের মাধ্যমে অনুমোদন বা প্রত্যাখ্যান করার জন্য জনসাধারণের কাছে উপস্থাপিত করাকে বলে গণভোট (Referendum)।
- অর্থাৎ গণভোট হল এমন এক উপায় বা পদ্ধতি যার মাধ্যমে কোন একটি আইন চূড়ান্তভাবে গৃহীত হওয়ার আগে জনসাধারণের মতামত নেওয়া হয়।
- সংবিধানে গণভোট (Referendum) সংক্রান্ত কোনো অনুচ্ছেদ নেই।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের সুনির্দিষ্ট নিয়ম বা পদ্ধতি উল্লেখিত রয়েছে।
- সংবিধান সংশোধন বা পরিবর্তন এবং গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নে গণভোটের বিধান রয়েছে, তবে চাইলেই যেকোন বিষয়ে গণভোট করা যায় না।
- সংবিধানের ৮, ৪৮, ৫৬, ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করতে গণভোট প্রয়োজন হবে, তবে অন্য অনুচ্ছেদগুলো সংশোধন করতে এর প্রয়োজন নেই। 

উল্লেখ্য,
- গণভোটের বিধান নিয়ে রায়ে বলা হয়েছে, ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী মাধ্যমে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান যুক্ত করা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিধান বাদ দেওয়া হয়।
- এ ছাড়া জনমত বা জন- আকাঙ্ক্ষাকে উপেক্ষা করে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের ৮, ৪৮ ও ৫৬ অনুচ্ছেদ অসংশোধনযোগ্য ঘোষণা করা হয়, যা সংবিধানের মৌলিক কাঠামোবিরোধী এবং অসংগতিপূর্ণ। তাই পঞ্চদশ সংশোধনী আইন, ২০১১-এর ৪৭ ধারার মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে গণভোটের বিধান বাতিল করাকে বাতিল ঘোষণা করা হলো। ফলে দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৪২ অনুচ্ছেদে যুক্ত করা গণভোটের বিধান পুনরুদ্ধার হলো।

উৎস: i) গণভোট আইন, ১৯৯১।
ii) Surendranath Evening College।
৯,৬০৫.
বঙ্গবন্ধু সেতু কোন নদীর উপর নির্মিত?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) মেঘনা
  3. গ) সুরমা
  4. ঘ) পদ্মা
সঠিক উত্তর:
ক) যমুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যমুনা
ব্যাখ্যা
 বঙ্গবন্ধু সেতু যমুনা নদীর উপর অবস্থিত।

বঙ্গবন্ধু সেতু:

- বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়। 
- এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু। 
- এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।
- বঙ্গবন্ধু সেতু যা বাংলাদেশের পূর্ব এবং পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে কৌশলগত সেতুবন্ধন তৈরী করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ
৯,৬০৬.
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন জেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত জেলা ঘোষণা করেন?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) যশোর
  3. গ) ফেনী
  4. ঘ) মাগুরা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাগুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাগুরা
ব্যাখ্যা
২১ জুলাই, ২০২২ তারিখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পঞ্চগড় ও মাগুরাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত জেলা হিসেবে ঘোষণা করেন।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।
৯,৬০৭.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?
  1. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. অধ্যাপক মনসুর আহমদ
  4. হাসান ফিরোজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সম্পাদনা - “একুশে ফেব্রুয়ারি”।
- এটি ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৬ সালে স্কুলে পড়া অবস্থায় তাঁর প্রথম রচনা একটি ছোটগল্প ‘অশ্রুভেজা পথ চলতে’ সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- পরে ১৯৪৯ সালে সোনার বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কবিতা।
- এ বছর তিনি ‘ঢাকা প্রগতি লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং এ বছরই তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘অমর একুশে’ রচিত হয়।
- ১৯৫৩ সালে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৬০৮.
অপারেশন সার্চলাইটের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন কে?
  1. ক) জেনারেল টিক্কা খান
  2. খ) জেনারেল আবদুল হামিদ খান
  3. গ) জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  4. ঘ) জেনারেল রাও ফরমান আলী
সঠিক উত্তর:
ক) জেনারেল টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জেনারেল টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা 
• পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
• পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
• ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
• এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।এবং
• ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
• এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন জেনারেল টিক্কা খান

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।
৯,৬০৯.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনকে কোন জেলায় সমাহিত করা হয়?
  1. খুলনা
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন: ১৯৩৫ সালে।
- তাঁর জন্মস্থান: বাঘচাপড়া, নোয়াখালী।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়ার মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তিনি ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।
- সেপ্টেম্বর ১৯৭১ এ বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে সকল সেক্টর থেকে প্রাক্তন নৌসেনাদের আগরতলায় সংগঠিত করে নৌ বাহিনীর প্রাথমিক কাঠামো গঠন করা হয়।
- ভারত সরকার বাংলাদেশ নৌ বাহিনীকে দুইটি টাগবোট উপহার দেয়। এগুলোকে কোলকাতার গার্ডেনরীচ নৌ ওয়ার্কসপে দুইটি বাফার গান ও মাইন পড লাগিয়ে গানবোটে রূপান্তরিত করা হয়।
- গানবোট দুটির নামকরণ করা হয় 'পদ্মা' ও 'পলাশ'।
- রুহুল আমিন নিয়োগ পান 'পলাশের' ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে।
- ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি নিহত হন।
- খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৯,৬১০.
সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয় কোন জেলায়? (কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪)
  1. ঠাকুরগাঁও
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ 
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, 

- বাংলাদেশে মোট ধানের (আউশ + আমন বোরো) উৎপাদন- ৪,০৬,৯৭,৪৬৯ মে. টন। 
- মোট ধানের আবাদ হয়েছে- ২৮,৮১,৯৮,০৮ একর।

- জেলা হিসেবে বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে - ময়মনসিংহ জেলা (১৮,২৯,৯৪৩ মে. টন)।
- বিভাগ হিসেবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে- রংপুর বিভাগে।

উল্লেখ্য,
-  লিচু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-পাবনা জেলা।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৯,৬১১.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোন খাদ্যশস্যের আমদানি সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. গম
  2. চাল
  3. ডাল
  4. ভোজ্যতেল
সঠিক উত্তর:
চাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাল
ব্যাখ্যা

খাদ্যশস্য আমদানি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সম্প্রতি প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে চালের আমদানি সবচেয়ে বেড়েছে। 
​- গত অর্থবছর ৬৮ কোটি ২৪ লাখ ডলারের চাল আমদানি হয়েছে। আগের অর্থবছরের তুলনায় যা প্রায় ২৬ গুণ বেশি। 
​- এর আগের অর্থবছরে দুই কোটি ৫৪ লাখ ডলারের চাল আমদানি হয়। 
​- তবে গমের আমদানি ২০ শতাংশ কমে ১৬২ কোটি ডলারে নেমেছে। 
​- ভোজ্যতেলের আমদানি প্রায় ২৪ শতাংশ বেড়ে ২৭১ কোটি ডলার হয়েছে। 
​- ডালের আমদানি বেড়েছে ৩৪ শতাংশের বেশি।

​তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

৯,৬১২.
জাতীয় বীমা দিবস পালিত হয় -
  1. ১ মার্চ
  2. ১ এপ্রিল
  3. ১ মে
  4. ১ জুন
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ
ব্যাখ্যা
জাতীয় বীমা দিবস:
- জাতীয় বীমা দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি জাতীয় দিবস।
- জাতীয় বীমা দিবস ১ মার্চ।
- বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার এটি প্রবর্তন করে।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দেন।
- তাঁর এ যোগদানের দিনটিকে জাতীয় পর্যায়ে স্মরণীয় রাখতে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।
- ওই বছরের ১ মার্চ এটি প্রথম দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৯,৬১৩.
ষাট গম্বুজ মসজিদ কোন স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত হয়?
  1. সেন রীতি
  2. মোঘল
  3. সুলতানী
  4. আধুনিক
সঠিক উত্তর:
সুলতানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুলতানী
ব্যাখ্যা

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- ১৫শ শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করা হয়।
- এটি সুলতানী স্থাপত্য শৈলীতে নির্মিত হয়। 
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়। 
- তুঘলকি ও জৌনপুরী নির্মাণশৈলী এতে সুস্পষ্ট।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি। 
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। 
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। 
- ১৯৮৫ খ্রিস্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
         ii) প্রথম আলো।

৯,৬১৪.
মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় যা ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে।
এই সরকারের,
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দীন আহমদ
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৬১৫.
হাজী শরীয়তুল্লাহ কোন আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা?
  1. আলীগড় আন্দোলন
  2. ফরায়েজি আন্দোলন
  3. স্বদেশী আন্দোলন
  4. নীল বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
ফরায়েজি আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরায়েজি আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• হাজী শরীয়তুল্লাহ:
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬১৬.
জাতীয় প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রেসক্লাব: 
- জাতীয় প্রেসক্লাব জাতীয় পর্যায়ে সাংবাদিকদের একটি সংঘবিশেষ।
- বিশ্বের কোথাও কোথাও এ ধরনের প্রতিষ্ঠান প্রেসগিল্ড নামেও পরিচিত।
- ঢাকায় অবস্থিত জাতীয় প্রেসক্লাবই বাংলাদেশের প্রধান প্রেসক্লাব।
- অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালে কলকাতায়। 
- ১৯৫৪ সালের ২০ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান প্রেসক্লাব প্রতিষ্ঠা লাভ করে। 
- বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর ১৯৭২ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রেসক্লাব সংশোধন করে নাম রাখা হয় জাতীয় প্রেসক্লাব।
- ১৯৯৫ সালে জাতীয় প্রেসক্লাবের পতাকা ও প্রতীক নির্বাচন করা হয়।
- জাতীয় প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের একটি প্রফেশনাল ক্লাব হলেও বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে গোড়া থেকেই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।
- ১৯৬৪ সালের দাঙ্গাবিরোধী শান্তি মিছিল, ১৯৬৭ সালে রবীন্দ্রসঙ্গীত নিষিদ্ধ ঘোষণার প্রতিবাদ মিছিল এ প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয়েছিল।
পরবর্তী সময়ে স্বাধিকার আন্দোলন, একাত্তরের  মুক্তিযুদ্ধ, আরও পরে গণতন্ত্র ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং স্বৈরশাসনের দুঃসহ দিনগুলিতে প্রেসক্লাবই হয়ে উঠেছিল আন্দোলন ও সংগ্রামের কেন্দ্রস্থল।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে হানাদার বাহিনী প্রেসক্লাব ভবনে মর্টারশেল নিক্ষেপ করেছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৯,৬১৭.
'বজরা শাহী মসজিদ' কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. নোয়াখালী
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
বজরা শাহী মসজিদ:
- নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার বজরা ইউনিয়নে নির্মিত ঐতিহাসিক মসজিদের নাম বজরা শাহী মসজিদ।
- দিল্লির শাহী জামে মসজিদের নকশার অনুকরণে বজরা শাহী মসজিদটি গড়ে তোলা হয়েছে।
- মসজিদের সাথে যে শিলালিপি আছে তা থেকে জানা যায় যে, সম্রাট মোহাম্মদ শাহ এর রাজত্বকালে ১৭৪১ সালে আমানউল্লাহ নামক এক ব্যক্তি মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- বজরা শাহী মসজিদটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১১৬ ফুট, প্রন্থ প্রায় ৭৪ ফুট এবং মসজিদটির উচ্চতা প্রায় ২০ ফুট। ৩ গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদটির ভীত মাটির প্রায় ২০ ফুট নিচ থেকে তৈরী করা হয়েছে। ভিনিটি গম্বুজই সুদৃশা মার্বেল পাথর সুসজ্জিত।
- ১৯৯৮ সালে ২৯ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব বিভাগ ঐতিহাসিক বজরা শাহী মসজিদের ঐতিহ্য রক্ষা এবং দুর্লভ নিদর্শন সংরক্ষণের জন্য কাজ করে যাচ্ছে।
- মোগল সম্রাট মোহাম্মদ শাহের অনুরোবে সৌদি আরবের পবিত্র কাবা শরীফ হতে মাওলানা শাহ আবু সিদ্দীক বজরা শাহী মসজিদের প্রথম ইমাম হিসেবে স্থায়ীত্ব পালন শুরু করেন।
- মাওলানা শাহ আবু সিদ্দীক সাহেবের বংশয়রগণ যুগ যুগ ধরে বজরা শাহী মসজিদের ইমামের দায়িত্ব পালন করে চলছেন।
- বর্তমানে শাহ আবু সিদ্দীক সাহেবের ৭ম পুরুষ ইমাম হাসান সিদ্দীকি বজরা শাহী মসজিদে ইমাম হিসাবে নিযুক্ত আছেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৬১৮.
বাংলাদেশের GDP'র সাময়িক হিসাব (২০২৪-২৫) অনুসারে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ২.৭৯%
  2.  ১.৫৯%
  3.  ১.৭৭%
  4.  ১.৭৯%
সঠিক উত্তর:
 ১.৭৯%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১.৭৯%
ব্যাখ্যা

• GDP'র সাময়িক হিসাব: ২০২৪-২৫:

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৯,৬১৯.
বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা কোনটি?
  1. ক) ফেঞ্চুগঞ্জ
  2. খ) জামাল্পুর
  3. গ) আশুগঞ্জ
  4. ঘ) কর্ণফুলি
সঠিক উত্তর:
ক) ফেঞ্চুগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফেঞ্চুগঞ্জ
ব্যাখ্যা
১৯৬১ সালে বাংলাদেশে প্রথম সার কারখানা সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জের মাইগাঁওয়ে স্থাপিত হয়। এটি ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা বা ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ নামে পরিচিত।
দেশের প্রধান সার কারখানা গুলো হল- ঘোড়াশাল সার কারখানা, শাহজালাল সার কারখানা, আশুগঞ্জ সার কারখানা, পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা, চট্টগ্রাম ট্রিপল সুপার ফসফেট সার কারখানা।
সূত্রঃ ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা ওয়েবসাইট ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর অর্থনৈতিক ভূগোল বই (উন্মুক্ত)।
৯,৬২০.
বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় কয় ধরনের মামলা রয়েছে ?
  1. ক) ৩ ধরনের
  2. খ) ৪ ধরনের
  3. গ) ২ ধরনের
  4. ঘ) ৬ ধরনের
সঠিক উত্তর:
গ) ২ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ ধরনের
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিচার ব্যবস্থায় দুই ধরনের মামলা রয়েছে। একটি হলো দেওয়ানি মামলা অপরটি হলো ফৌজদারি মামলা।
- কোন বিষয়ে অধিকারের দাবি বা সম্পত্তি দাবি বা কোন ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ দাবির জন্য যে মামলা করা হয় তাকে দেওয়ানি মামলা বলে।
- অপরদিকে কোন ব্যক্তিকে যখন মারামারি, চুরি, ডাকাতি, খুন, প্রতারণা, ধর্ষণ, অপহরণ, ইভ-টিজিং, জালিয়াতি, মিথ্যা সাক্ষ্যদান প্রভৃতি অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় তাকে ফৌজদারি মামলা বলে।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি

৯,৬২১.
The foreign exchange reserve of Bangladesh Bank at this moment is at record level. What is that level?
  1. $ 23 + billion
  2. $ 22 + billion
  3. $ 21 + billion
  4. $ 20 + billion
সঠিক উত্তর:
$ 23 + billion
উত্তর
সঠিক উত্তর:
$ 23 + billion
ব্যাখ্যা
বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ :

- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) শর্ত মেনে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের প্রকৃত তথ্য প্রকাশ শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- রিজার্ভ এখন ২ হাজার ৩৫৬ কোটি বা ২৩ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।
- ১৭ জুলাই, ২০২৩ তারিখে সাপ্তাহিক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে রিজার্ভ বর্তমানে ২ হাজার ৯৯৭ কোটি ডলার বা ২৯ দশমিক ৯ বিলিয়ন ডলার।
- বাংলাদেশ ব্যাংক প্রকৃত রিজার্ভ বা বৈদেশিক মুদ্রার মজুত হিসাব করতে ৬৪০ কোটি ডলার বাদ দিয়েছে।

তথ্যসূত্র - ১৭ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
৯,৬২২.
বাংলাদেশের সংবাদ সংস্থা কোনটি?
  1. ক) ইউপিপি
  2. খ) রয়টারস্
  3. গ) ইউএনবি
  4. ঘ) এএফপি
  5. ঙ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ইউএনবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউএনবি
ব্যাখ্যা
সংবাদ সংস্থা
⋅ সংবাদ সংস্থা  সংবাদ সংগ্রহ করে সংবাদপত্র, সাময়িকী ও ইলেট্রনিক্স সম্প্রচার কেন্দ্রগুলির মধ্যে বণ্টন করার প্রতিষ্ঠান।
⋅ দ্য রয়টার টেলিগ্রাম কোম্পানি সংক্ষেপে রয়টার পৃথিবীর প্রাচীন সংবাদ সংস্থাগুলির অন্যতম।
দি অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস অব পাকিস্তান (এপিপি) পাকিস্তানের প্রথম সংবাদ সংস্থা, ১৯৪৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়। করাচিতে প্রধান অফিস এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের, ঢাকা ও চট্টগ্রামে এর শাখা ছিল।
⋅ ১৯৪৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্যক্তিমালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা ইউনাইটেড প্রেস অব পাকিস্তান (ইউপিপি) কার্যক্রম শুরু করে করাচি থেকে। ঢাকায় এ সংস্থার একটি শাখা ছিল।
ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইউএনবি)  ১৯৮৮ সালে সংবাদ সংস্থাটি কার্যক্রম শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্রের অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) হচ্ছে এর প্রিন্সিপাল সংস্থা।
⋅ইস্টার্ন নিউজ এজেন্সি (এনা)  বাংলাদেশে প্রথম ব্যক্তি মালিকানাধীন সংবাদ সংস্থা, ১৯৭০ সালের মার্চ মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
⋅ বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)  ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে এক সরকারি আদেশবলে জাতীয় সংবাদ সংস্থা হিসেবে আবির্ভূত হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া
৯,৬২৩.
জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ ঘটায় কোনটি?
  1. ক) রাজনৈতিক দল
  2. খ) সামাজিক সংগঠন
  3. গ) অর্থনৈতিক সংস্থা
  4. ঘ) পারিবারিক শিক্ষা
সঠিক উত্তর:
ক) রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা
- গণতন্ত্র মানেই হচ্ছে রাজনৈতিক দলের উপস্থিতি ।
- গণতন্ত্রের সফলতার জন্য রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব অপরিসীম ।
- কেননা রাজনৈতিক দলই জনগণের মতামতকে সুসংগঠিত করে এবং জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ ঘটায়
- রাজনৈতিক দল এর সদস্য ও নেতাদেরকে গণতান্ত্রিক আচার-আচরণে অভ্যস্ত হতে শেখায়। যেমন- দলীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় দলের নেতা ও কর্মীদেরকে মত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয় এবং অন্যের মতের প্রতি সহনশীল হতে শেখায় ।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৯,৬২৪.
সম্প্রতি বাংলাদেশে কোন দেশের দূতাবাস খোলা হয়েছে?
  1. ক) কাতার
  2. খ) আর্জেন্টিনা
  3. গ) সুইডেন
  4. ঘ) আজারবাইজান
সঠিক উত্তর:
খ) আর্জেন্টিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা
• ঢাকায় আর্জেন্টিনার দূতাবাস:
- ঢাকায় ফের উদ্বোধন করা হলো আর্জেন্টিনার দূতাবাস
- ৪৫ বছর পর সোমবার (২৭ ফেব্রুয়ারি,২০২৩) রাজধানীর বনানীতে দেশটির দূতাবাস উদ্বোধন করা হয়।
- এ সময় উপস্থিত ছিলেন আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সান্তিয়াগো ক্যাফিয়ারো ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।
- এ সফরে ৪৫ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া লাতিন আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনার দূতাবাস চালু ও দুই দেশের মধ্যে ফুটবল এবং কৃষিতে সহযোগিতাসহ চারটি চুক্তি এবং সমঝোতা স্মারক সইকরা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৯,৬২৫.
পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন-
  1. মোবারক আহমদ খান
  2. বজলুর রহমান
  3. ইসমাইল হোসেন খান
  4. মাকসুদুল আলম
সঠিক উত্তর:
ইসমাইল হোসেন খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসমাইল হোসেন খান
ব্যাখ্যা

- পাট থেকে পলিথিন উদ্ভাবন করেন মোবারক আহমদ খান।
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।
- পাট ও ছত্রাকের জীবন রহস্য উদ্ভাবন করেন মাকসুদুল আলম।

৯,৬২৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ক) ৯ টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ১২ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো। নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর) এবং ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না, চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর, ঢাকা-২ নং সেক্টর, রাজশাহী-৭ নং সেক্টর, মুজিবনগর-৮ নং সেক্টর, সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

৯,৬২৭.
বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ক) ১ম
  2. খ) ২য়
  3. গ) ৩য়
  4. ঘ) ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩য়
ব্যাখ্যা

- বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ চীন।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ভিয়েতনাম।

- তৈরি পোশাক আমদানিতে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ জাপান।
- তৈরি পোশাক আমদানিতে তৃতীয় শীর্ষ দেশ যুক্তরাজ্য।

উল্লেখ্য, ২০২১ সালের জুলাইয়ে ভিয়েতনাম বাংলাদেশকে টপকে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে আসে।

৯,৬২৮.
এখন পর্যন্ত (২০২৪) কতজন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন?
  1. ৩ জন
  2. ৪ জন
  3. ৫ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:

- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।
- এখন পর্যন্ত পাঁচজন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন ও মো. খালেদ হোসাইন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২।
৯,৬২৯.
বাংলাদেশের কোন সম্প্রদায়ের মাঝে মাতৃতান্ত্রিক প্রথা চালু আছে?
  1. সাঁওতাল
  2. খাসিয়া
  3. মনিপুরী
  4. চাকমা
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠি।
- স্থাবর-অস্থাবর সব সম্পদের মালিক হয় নারীরা।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চেপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- খাসিয়ারা প্রায় পাঁচ শতাধিক বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জিপ্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বাংলাদেশে এদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়, ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে।
- ভাত, মাংস, শুঁটকি মাছ ও মধু খাসিয়াদের প্রধান খাদ্য।
- তারা পান-সুপারিকে খুবই পবিত্র মনে করে।
- খাসিয়াদের প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।
- বর্তমানে বেশিরভাগ খাসিয়াই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,৬৩০.
বাংলাদেশের জিডিপিতে (GDP) কৃষি খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ১১.৬২%
  2. ১১.৩৪%
  3. ১১.০৮%
  4. ১১.৪৬%
সঠিক উত্তর:
১১.৬২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১.৬২%
ব্যাখ্যা
খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- সর্বশেষ (মে, ২০২৫) ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব অনুসারে -

• কৃষি খাতের অবদান ১১.৬২ শতাংশ ও কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ১.৭৯%।
• শিল্প খাতের অবদান ৩৪.৮১ শতাংশ ও শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৩৪।
• সেবা খাতের অবদান ৫৩.৫৬ শতাংশ ও সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার: ৪.৫১%।

⇒ ইতঃপূর্বে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব প্রাক্কলন ও প্রকাশ করা হয়েছিলো।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭% [উল্লেখ্য, চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%]।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।
৯,৬৩১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০ অনুসারে কোন খাতে সর্বাধিক পরিমাণ শ্রমশক্তি নিয়োজিত?
  1. ক) কৃষি
  2. খ) শিল্প
  3. গ) সেবা
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কৃষি
ব্যাখ্যা
সার্বিকভাবে, বাংলাদেশের জিডিপি ১৫টি খাত নিয়ে গঠিত।
-জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত - সেবাখাত ও ছােট খাত - কৃষিখাত।
-কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎ খাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছােট খাত -শিল্পখাত(২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
-অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত, শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার- ৬.৪৮%। অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার- ৩.১১%।
-সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান - ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রম বর্ধমান।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২০।
৯,৬৩২.
কৃষি উপকরণ সংরক্ষণ এবং বিতরণে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষনা কেন্দ্র
  2. খ) বাংলাদেশ পরমানু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) 
• বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি), তদানিন্তন পূর্বপাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন নামে কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ (ই.পি. অধ্যাদেশ XXXVII,১৯৬১) এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
• সরকারের কৃষি খাতের অন্যান্য উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান হতে কার্যক্রমের দিক থেকে ভিন্নতর বিবেচিত হওয়ায় ১৯৭৫ সালে বিএডিসি’কে বাংলাদেশ কৃষি উপকরণ সরবরাহ এবং সেবা কর্পোরেশন (বিএআইএসএসসি) হিসেবে পুনঃনামকরণ করা হয়। কিন্তু ১৯৭৬ সালে বিএআইএসএসসি এর নাম পুনঃ পরিবর্তন করে বিএডিসি নাম পুনর্বহাল করা হয়। কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্ব শাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএডিসি’র ভিত্তি ঢাকা শহর কেন্দ্রিক হলেও এর সেবার পরিধি সমগ্র বাংলাদেশে বিস্তৃত। মাঠপর্যায়ের অফিসসমূহ উপজেলা পর্যায় পর্যন্ত, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে আরো প্রত্যন্ত এলাকায় অফিসের সুবিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে।
• বিএডিসি’র উপর অর্পিত মৌলিক কাজগুলো হচ্ছে: সারা বাংলাদেশে কৃষি উপকরণ উৎপাদন, সংগ্রহ (ক্রয়), পরিবহন, সংরক্ষণ এবং বিতরণ ব্যবস্থাপনা টেকসই করা এবং অত্যাবশ্যকীয় কৃষি উপকরণ যেমন: বীজ, সার সরবরাহ এবং ভূপরিস্থ ও ভূগর্ভস্থ পানি ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকের জন্য সেচের সুযোগ সৃষ্টি করা।    

তথ্যসূত্র: BADC ওয়েবসাইট। 
৯,৬৩৩.
‘আগুনের পরশমণি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. জহির রায়হান
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. খান আতাউর রহমান
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা

আগুনের পরশমণি:
- মুক্তিযুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে যে চলচ্চিত্রগুলো নির্মিত হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম ‘আগুনের পরশমণি’।
- চিত্রনাট্য ও পরিচালনা: হুমায়ূন আহমেদ।
- নির্মিত হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মুক্তি পায়: ১৯৯৫ সালে।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় অবরুদ্ধ ঢাকায় মুক্তিবাহিনীর অভিযান আর মধ্যবিত্ত একটি পরিবারের সংকট ছবিটিতে তুলে ধরেছেন। এ ছবিতে অভিনয় করেছেন আসাদুজ্জামান নূর, বিপাশা হায়াত, ডলি জহুর ও আরো অনেকে।
- আগুনের পরশমণি চলচ্চিত্রটি ৮টি শাখায় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।
- শাখাগুলো হচ্ছে-
• শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র (প্রযোজক হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ কাহিনীকার (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা (হুমায়ূন আহমেদ),
• শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী (বিপাশা হায়াত),
• শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক (সত্য সাহা),
• শ্রেষ্ঠ শব্দ গ্রাহক (মফিজুল হক),
• শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী (শিলা আহমেদ),
• শিশুশিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার (হোসনে আরা পুতুল)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,৬৩৪.
বস্তিতে বসবাসকারী সবচেয়ে কম জনসংখ্যা কোন বিভাগে?
  1. সিলেট বিভাগে
  2. রাজশাহী বিভাগে
  3. ময়মনসিংহ বিভাগে
  4. ঢাকা বিভাগে
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ বিভাগে
ব্যাখ্যা
বস্তিতে বসবাসকারী জনসংখ্যা:
• বস্তিতে বসবাসকারী মোট জনসংখ্যা ১৭,৩৬,৩০২ জন।
- পুরুষ ৮,৯৭,৪০৩ জন
- নারী ৮,৩৮৪৪৩ জন
- হিজরা ৪৫৬ জন
• বস্তিতে বসবাসকারী জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৮,৬৮,৫৩৭জন)।
বস্তিতে বসবাসকারী জনসংখ্যা সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৩১,৯১৪জন)।


উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২, চুড়ান্ত রিপোর্ট।
৯,৬৩৫.
চাণক্য কার রাজত্বকালে প্রধানমন্ত্রী ছিলেন?
  1. দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত
  2. সমুদ্রগুপ্ত 
  3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
ব্যাখ্যা

চাণক্য:
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চাণক্য।
- তিনি প্রাচীন তক্ষশীলা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রনীতির অধ্যাপক ছিলেন।
- তিনি মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের উত্থানে প্রধান ভূমিকা গ্রহণ করেন।
- তিনিই তরুণ চন্দ্রগুপ্তকে শিক্ষা দিয়েছিলেন।
- চাণক্য চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ও তাঁর পুত্র বিন্দুসারের রাজ-উপদেষ্টার কাজ করেছিলেন। 
- চাণক্যকে কৌটিল্য বা বিষ্ণুগুপ্ত নামেও অভিহিত করা হয়।
- তিনি প্রাচীন ভারতের রাষ্ট্রবিজ্ঞান গ্রন্থ অর্থশাস্ত্র-এর রচয়িতা।
- তাঁকেই ভারতের প্রথম অর্থনীতিবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী মনে করা হয়।

• চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য:
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য।
- মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যই প্রাচীন ভারতে অখন্ড ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে প্রথম বড় ধরনের সফল পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে।
- মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়।
- বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- সামাজিক ক্ষেত্রে আর্য-অনার্যের পার্থক্য ক্রমেই ঘুঁচে যেতে শুরু করে।
- শিল্প- সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও গুণগত পরিবর্তনের সূচনা হয়।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চাণক্য।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
         ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬৩৬.
কোন রাজবংশের শাসনামলে 'কৈবর্ত বিদ্রোহ' সংঘটিত হয়েছিল?
  1. গুপ্ত রাজবংশ
  2. পাল রাজবংশ
  3. সেন রাজবংশ
  4. কুষাণ রাজবংশ
সঠিক উত্তর:
পাল রাজবংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল রাজবংশ
ব্যাখ্যা

পাল রাজবংশের শাসনামলে 'কৈবর্ত বিদ্রোহ' সংঘটিত হয়েছিল।

কৈবর্ত বিদ্রোহ:
- কৈবর্ত বিদ্রোহকে বলা হয়ে থাকে বাংলাদেশ এমনকি ভারতবর্ষের প্রথম সফল জনবিদ্রোহ।
- বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামেও অভিহিত করা হয় একে।
- এ সময় পাল বংশের রাজা ছিলেন দ্বিতীয় মহীপাল, যাঁর রাজত্বকাল ধারণা করা হয় ১০৭৫ সাল থেকে ১০৮০ সালের মধ্যে। এই বিদ্রোহের নেতা ছিলেন দিব্যক বা দিব্য। তিনি খুব সম্ভব প্রথম দিকে পালদের একজন রাজকর্মচারী কিংবা সামন্ত ছিলেন। কৈবর্তদের একত্রিত করে একটি শক্তিশালী বাহিনী তৈরি করেন তিনি।
- কৈবর্ত বিদ্রোহের প্রত্যক্ষ কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয় ধর্মীয় কারণকে। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬৩৭.
জাতীয় সংসদে কে কাস্টিং ভোট প্রদানের ক্ষমতা সংরক্ষণ করে থাকেন?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. বিরোধীদলীয় নেতা
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা

⇒ সংসদের কার্যপ্রণালী, কোরাম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদে সংসদের কার্যপ্রণালী, কোরাম এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ বিষয়ে বলা হয়েছে:
১. কার্যপ্রণালী-বিধি:
- সংসদ তার কার্যপ্রণালী-বিধি প্রণয়ন করবে। তবে, বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি প্রণীত বিধি অনুযায়ী সংসদের কার্যক্রম চলবে।
২. সিদ্ধান্ত গ্রহণ:
- সংসদে উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে।
- সভাপতি সাধারণত ভোট দেবেন না, তবে সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।
৩. কার্যধারা বৈধতা:
- কোনো সদস্যপদ শূন্য থাকা, বা কোনো ব্যক্তির সংসদে উপস্থিতি বা কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও, তা সংসদের কার্যধারাকে অবৈধ করবে না।
৪. কোরাম:
- যদি সংসদে উপস্থিত সদস্যের সংখ্যা ৬০-এর কম হয় এবং সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহলে তিনি বৈঠক স্থগিত বা মুলতবী করবেন, যতক্ষণ না ৬০ জন সদস্য উপস্থিত হন।

⇒ অনুচ্ছেদ ৭৫:- কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:
(১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
- (খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করবেন না কিন্তু সমসংখ্যক ভোট হলে তিনি নির্ণায়ক ভোট (Casting Vote) প্রদান করবেন।

উল্লেখ্য,
⇒ সংসদে সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি হলেন স্পিকার।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় একটি অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য হলো স্পিকারের সভাপতিত্ব।
- স্পিকার শুধু সভাপতিত্বকারী নন, তিনি পার্লামেন্টের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাও।
- তাঁর কর্তৃত্ব সবাই মেনে চলেন ও শ্রদ্ধা করেন।
- স্পিকারকে পার্লামেন্টের অভিভাবক বলা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৯,৬৩৮.
পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৯৬ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৮ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা

পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন:
- জাতীয় সংসদে গৃহীত আইনের মাধ্যমে 'পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন (পিডিবিএফ)' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠা করা হয়: ১৯৯৯ সালে।
- পিডিবিএফ একটি সংবিদিবদ্ধ, স্ব-শাসিত, অমুনাফাকাঙ্ক্ষী, আত্মনির্ভরশীল, নন-ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- পিডিবিএফ ক্ষুদ্র ঋণ এর পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণ (SELP) পরিচালনা করে যাতে করে গ্রামীন বঞ্চিত মানুষের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নতি হয়।

তথ্যসূত্র - পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৯,৬৩৯.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য কোন স্কিমটি চালু হয়েছে?
  1. সমতা
  2. সুরক্ষা
  3. প্রগতি
  4. প্রবাস
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম):
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। 
- আপাতত চালু হয়েছে ৪টি স্কিম।

৪টি স্কিম:
• প্রবাস: 
- এটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য।
- এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে।

• প্রগতি:
- এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য।

• সুরক্ষা:
- এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য।
- অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন।

• সমতা:
- এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই: এক হাজার টাকা।
- তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে পাঁচশ টাকা আর বাকি পাঁচশো দেবে সরকার।
- মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম।

উৎস: ১৭ আগস্ট, ২০২৩, প্রথম আলো।
৯,৬৪০.
'বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পুরস্কার' কত সাল থেকে প্রদান করা হয়?
  1. ২০১৬
  2. ২০১৭
  3. ২০১৮
  4. ২০১৯
সঠিক উত্তর:
২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৬
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পুরস্কার:
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৮ জন সরকারি কর্মকর্তা ও দু’টি সরকারি বিভাগকে ‘বঙ্গবন্ধু জনপ্রশাসন পুরস্কার-২০২৩’ প্রদান করেন।
- জাতীয় পাবলিক সার্ভিস দিবস উপলক্ষ্যে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ পুরস্কার দেন।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের দক্ষতা, মননশীলতা এবং উদ্ভাবনী প্রচষ্টাকে উৎসাহিত করতে ২০১৬ সাল থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরির অধীনে পুরষ্কারটি দেয়া হচ্ছে।
- প্রত্যেককে একটি স্বর্ণপদক (১৫ গ্রাম ওজনের) এবং রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামসহ একটি প্রশংসাপত্র দেয়া হয়।
- ব্যক্তিগত অবদানের জন্য ২ লাখ টাকা এবং দলগত অবদানের জন্য ৫ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।  [লিঙ্ক]
৯,৬৪১.
বাংলাদেশের সংবিধানের কয়টি তফসিল রয়েছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ১১টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৬৪২.
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা ছিলেন -
  1. ফৌজদার
  2. শিকদার
  3. সুবাহদার
  4. ওয়াজির
সঠিক উত্তর:
ফৌজদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফৌজদার
ব্যাখ্যা

মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা।
- শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬৪৩.
মুজিবনগর সরকারের বক্তব্য সম্বলিত একটি পত্রকে অফিসিয়াল ডকুমেন্ট হিসাবে গ্রহণ করে জাতিসংঘের কোন সংস্থা?
  1. ক) সাধারণ পরিষদ
  2. খ) নিরাপত্তা পরিষদ
  3. গ) অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ
  4. ঘ) অছি পরিষদ
সঠিক উত্তর:
খ) নিরাপত্তা পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিরাপত্তা পরিষদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার ও জাতিসংঘ

- ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে যুদ্ধ বন্ধ ও বিশ্বশান্তি প্রশ্নে নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক শুরু হয়।
- ৪ ডিসেম্বর নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি দলের নেতা আবু সাঈদ চৌধুরীকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দান প্রশ্নে ব্যাপক বিতর্কের পর তাঁকে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দেয়া না হলেও তাঁর বক্তব্য সম্বলিত পত্রটি নিরাপত্তা পরিষদের অফিসিয়াল ডকুমেন্ট হিসাবে গ্রহণ ও বিলি করা হয়।
- অর্থাৎ এটি ছিল এক ধরনের পরোক্ষ স্বীকৃতি। এই প্রথম জাতিসংঘে বাংলাদেশের মানুষের বক্তব্য বাংলাদেশের প্রতিনিধির মাধ্যমে সরাসরি উচ্চারিত হয়।

- তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় স্মরণ রাখা প্রয়োজন যে, জাতিসংঘ হচ্ছে এমন একটি বিশ্ব সংস্থা যেখানে প্রধানত বৃহৎ শক্তিবর্গের সম্মতিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত ও বাস্তবায়িত হয়। কিন্তু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বৃহৎ শক্তিবর্গের মধ্যে মতবিরোধ থাকায় জাতিসংঘ ত্রাণকার্য পরিচালনা ব্যতীত অন্য কোন দায়িত্ব পালনে পুরোপুরিই ব্যর্থ হয়েছিল।


তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৪৪.
'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' সংবিধানের কততম সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৫ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম
ব্যাখ্যা
পঞ্চম সংশোধনী:

- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' সন্নিবেশিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয়।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৯,৬৪৫.
একুশে পদক প্রবর্তন করা হয়-
  1. ক) ১৯৬০ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ১৯৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

- জাতীয় পর্যায়ে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে একুশে পদক প্রবর্তন করা হয়।
- একুশে পদক প্রবর্তন করা হয় ১৯৭৬ সাল থেকে।
- একুশে পদকের প্রদেয় পুরষ্কার এককালীন নগদ ৪ লাখ টাকাসহ ৩৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র।

৯,৬৪৬.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প কোনটি?
  1. তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প
  2. কর্ণফুলি সেচ প্রকল্প
  3. মেঘনা-ধনাগোদা সেচ প্রকল্প
  4. ডিএনডি প্রকল্প
সঠিক উত্তর:
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা ব্যারেজ প্রকল্প
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প হলো ⇒ তিস্তা সেচ প্রকল্প, যা তিস্তা ব্যারেজ নামেও পরিচিত।

তিস্তা সেচ প্রকল্প:
- তিস্তা সেচ প্রকল্প হলো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প।
- নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলার সীমানা থেকে ১ কিঃমিঃ দূরে লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী নামক স্থানে তিস্তা নদীর উপর তিস্তা ব্যারেজ অবস্থিত।
- এ প্রকল্পটি নীলফামারী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার ৫ লক্ষ ৪০ হাজার হেক্টর জমিতে সেচ সুবিধা প্রদান করে।
- এর কাজ শুরু হয় ১৯৭৯ সালে এবং শেষ হয় ১৯৯০ সালে।
- সেচ প্রকল্পটির পরিচালনা ও রক্ষনাবেক্ষনের দায়িত্বে রয়েছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।

⇒ উত্তরাঞ্চল খরাপিড়িত এলাকা হওয়ায় তৎকালিন বৃটিশ আমলে ১৯৩৭ সালে তিস্তা ব্যারেজ নিমার্ণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
- তবে এর মুল পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয় ১৯৫৩ সালে পাকিস্তান আমলে।
- ১৯৫৭ সালে নির্মাণ কাজ শুরুর পরিকল্পনা থাকলে রাজনৈতিক অস্থিতিলতার কারণে তা সম্ভব হয়নি।
- পরবর্তীতে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৯ সালে ব্যারেজ নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৮৫ সালে সৌদি উন্নয়ন তহবিল ও ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক এবং আবুধাবি উন্নয়ন তহবিলের প্রায় ২,৫০০কোটি টাকা ব্যয়ে তিস্তা ব্যারেজসহ সেচ যোগ্য কৃষিজমি ও জলকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে।
- ২০১৬ সালে ২৬৬ হেক্টর জমি অধিগ্রহণ করা হয়।

⇒ ব্যারেজের দৈর্ঘ্য ৬১৫ মিটার, গেট ৪৪ টি।
- ক্যানেল হেড রেগুলেটর ১১০ মিটার দীর্ঘ, গেট ৮ টি। সর্বমোট গেট ৫২ টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,৬৪৭.
কোন সাম্রাজ্যের পতনের ফলে স্বাধীন বঙ্গ রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে?
  1. গুপ্ত
  2. মৌর্য
  3. পাল
  4. সেন
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বঙ্গ রাষ্ট্র:
- ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বিশাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- সেই অস্থিতিশীল পরিবেশে বাংলাদেশে দুটো স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে।
- এর একটি হচ্ছে স্বাধীন 'বঙ্গ রাষ্ট্র', অপরটি 'গৌড় রাজ্য।

উল্লেখ্য,
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সমগ্র দক্ষিণ ও পূর্ব বঙ্গে একটি স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে।
- স্বাধীন বঙ্গ রাষ্ট্রের রাজারা তামার পাতে খোদাই করা রাজ নির্দেশ জারি করতেন।
- এগুলোকে তাম্রশাসন বলা হতো।
- এ রকম ৭টি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে।
- স্বাধীন বঙ্গরাজ্যে চন্দ্রগুপ্ত, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব নামের তিনজন রাজা ছিলেন।
- তারা ৫২৫-৬০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোট ৭৫ বছর রাজত্ব করেন।
- তারা 'মহাধিরাজ' উপাধি ধারণ করতেন।
- এতে তাদের সার্বভৌম ক্ষমতার পরিচয় পাওয়া যায়। স্বাধীন বঙ্গের যথেষ্ট যশ, খ্যাতি, প্রভাব ও সমৃদ্ধির কথা জানা যায়।
- সপ্তম শতকের গোড়ার দিকে গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের নেতৃত্বে বাংলার পুন্ড্র বা পণ্ড্রবর্ধন, গৌড় এবং বঙ্গকে একত্রিত করে একটি বিশাল গৌড় রাজ্য স্থাপিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৪৮.
বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা কোনটি?
  1. তারাগঞ্জ
  2. আলী নগর
  3. শিবগঞ্জ
  4. শায়েস্তাগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
শিবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ।

৯,৬৪৯.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ক) গম
  2. খ) আখ
  3. গ) ধান
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
খ) আখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আখ
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়। বাংলাদেশে অর্থকরী ফসলের মধ্যে পাট, আখ, চা, রাবার, তামাক, তুলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
অন্যদিকে ধান, গম, আলু, তেলবীজ, ভুট্টা, ডাল, সবজি, ফলমূল ইত্যাদি হলো খাদ্যশস্য।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক ভূগোল)
৯,৬৫০.
“বলাকা ও দোয়েল” বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে কিসের নাম?
  1. ক) কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
  2. খ) উন্নত জাতের ধানের নাম
  3. গ) উফশী আম
  4. ঘ) উফশী গম
সঠিক উত্তর:
ঘ) উফশী গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উফশী গম
ব্যাখ্যা
বলাকা, দোয়েল, কাঞ্চন, আকবর, সৌরভ, বরকত, সোনালিকা, আনন্দ, শতাব্দী, প্রতিভা, গৌরব, বিজয় ইত্যাদি গমের কতগুলো উন্নত জাত।
(সূত্রঃ IUBAT ওয়েবসাইট)
৯,৬৫১.
ফল বলতে কি বোঝায়?
  1. নিষিক্ত ও পরিপক্ক গর্ভাশয়
  2. পরিপক্ক গর্ভাশয়
  3. পরিপক্ক পাঁপড়ি
  4. নিষিক্ত গর্ভাশয়
সঠিক উত্তর:
নিষিক্ত ও পরিপক্ক গর্ভাশয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিষিক্ত ও পরিপক্ক গর্ভাশয়
ব্যাখ্যা
ফল:
- ফল বলতে নিষিক্ত পরিপক্ক গর্ভাশয়কে বুঝায়।
- নিষিক্ত পরিপক্ক গর্ভাশয় ছাড়াও বিশেষ প্রক্রিয়ায় অর্থাৎ পার্থোনোজেনিটিকভাবে বা ডিম্বক সরাসরি ফলে পরিণত হয়। এগুলোকে অপ্রকৃত ফল বলে। প্রকৃত বা অপ্রকৃত ফল পরিণত বা পাকা অবস্থায় রান্না ছাড়াই খাওয়া হয় তাদেরকে উদ্যানতাত্ত্বিক ফল বলে।
- ফল যেহেতু রান্না করে খাওয়া হয় না তাই সমস্ত পুষ্টি উপাদান অবিকৃত অবস্থায় দেহ গ্রহণ করে।
- এছাড়া ঔষধি হিসেবে, সামাজিক কর্মকাণ্ডে ফল গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। 

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৫২.
৪ মার্চ, ২০২৩ কোন স্থলবন্দরে ই-গেট চালু করা হয়?
  1. ক) বেনাপোল
  2. খ) বাংলাবান্ধা
  3. গ) হিলি
  4. ঘ) তামাবিল
সঠিক উত্তর:
ক) বেনাপোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেনাপোল
ব্যাখ্যা
• বেনাপোল স্থলবন্দর:
- ৪ মার্চ, ২০২৩ যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে চারটি ই–গেট চালু করা হয়েছে। 
- ইলেকট্রনিক এসব গেটে প্রথমে ই-পাসপোর্টধারীর যাত্রীর ছবি, তথ্য ও বারকোড থাকা পৃষ্ঠাটি স্ক্যান হয়ে তথ্যগুলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। সব ঠিক থাকলে গেটের প্রথম ধাপ খুলে যাবে।
- এরপর দ্বিতীয় ধাপের সরাসরি শনাক্তকরণ ক্যামেরার মাধ্যমে পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে যাত্রীর তাৎক্ষণিক মুখমণ্ডল মিলে গেলেই খুলে যাবে দ্বিতীয় গেটটিও।
- আর সার্ভার ও সিস্টেম সব ঠিক থাকলে সর্বোচ্চ ১৮ সেকেন্ডের মধ্যেই একজন যাত্রীর ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৪ মার্চ, ২০২৩)।
৯,৬৫৩.
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে দুইজন বিদেশি নাগরিক বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, তারা হলেন -
  1. মার্শাল জুকুভ ও উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড
  2. আন্দ্রে মালরাক্স ও উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড
  3. জেমস হিলটন ও উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড
  4. এসই ফিনার ও উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
আন্দ্রে মালরাক্স ও উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আন্দ্রে মালরাক্স ও উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে বিদেশি নাগরিকের অবদান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধে ফরাসী ঔপন্যাসিক Andre Malraux ও অস্ট্রেলিয় নাগরিক William AS Ouderland বিশেষ অবদান রেখেছিলেন।

⇒ আন্দ্রে মালরাক্স:
- আন্দ্রে মালরাক্স বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে ভিনদেশী এক সহযোদ্ধা।
- ফ্রান্সের খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও লেখক।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির বিরুদ্ধে ফ্রান্সের প্রতিরোধ যোদ্ধা হিসেবেও অংশ নেন।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য আন্দ্রে মালরাক্স ফ্রান্সে সাংস্কৃতিক আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন।
- ফ্রান্স সরকারকে উদ্দেশ্য করে তাঁর আকুতি ছিল: আমাকে একটি যুদ্ধ বিমান দাও, আমি বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য শেষ লড়াইটা করতে চাই।
- তাঁর এই আন্দোলন বক্তৃতা, বিবৃতি আন্তর্জাতিক প্রেরণা হয়ে সেসময় বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হলে, ১৯৭৩ সালে তাঁকে বাংলাদেশে এনে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

⇒ উইলিয়াম এ এস ওডারল্যান্ড:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'বীরপ্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক ডব্লিও এ এস ওডারল্যান্ড।
- তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক, তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে।
- ১৯৭০ সালে তিনি বাটা সু কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশে আসেন।
- মুক্তিযুদ্ধে তিনি ২নং সেক্টরে কাজ করেন।
- তিনি গোপনে মুক্তিযোদ্ধাদের খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ, আর্থিক সহায়তা এবং সকল সম্ভাব্য উপায়ে সাহায্য করতেন।
- দেশ স্বাধীন হলে ১৯৭৮ সালে অস্ট্রেলিয়ায় ফেরত যান।
- ওই বছরই বাংলাদেশ সরকার তাঁকে চতুর্থ সামরিক খেতাব 'বীরপ্রতীক' প্রদান করে।
- ১৮ মে, ২০০১ সালে তিনি মারা যান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৯,৬৫৪.
লাহােরে অনুষ্ঠিত OIC শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কবে যােগদান করেন?
  1. ক) ২০-২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  2. খ) ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  3. গ) ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
  4. ঘ) ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা

১৯৭৪ সালের ২২ - ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার (OIC) দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ওআইসির সদস্যপদ (৩২-তম) লাভ করে।

ওআইসি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধুঃ
- ১৯৭৪ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ওআইসি মহাসচিবের কাছ থেকে একটি বার্তা এলো বঙ্গবন্ধুর জন্য। আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট হুয়ারি বুমেদিন তাঁর বিশেষ বিমান পাঠিয়েছেন বঙ্গবন্ধুকে লাহোরে নিয়ে যাওয়ার জন্য।
- বিমানে আলজেরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বুতেফলিকার নেতৃত্বে আরব পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের একটি দল রয়েছে। দলে কুয়েতের আমিরের বিশেষ দূত হিসেবে আছেন কুয়েতি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁরা বঙ্গবন্ধুকে সঙ্গে করে নিয়ে যেতে চান।

- ওআইসি পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের প্রতিনিধিদল ঢাকা এলো ২২ ফেব্রুয়ারি। বঙ্গবন্ধু আলোচনায় জানালেন, রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে লাহোর সম্মেলনে যোগদান সম্ভব নয়। আলাপ-আলোচনার পর প্রতিনিধিদলটি বাংলাদেশের সঙ্গে ঐকমত্যে উপনীত হলো যে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একই সময়ে একযোগে পারস্পরিক স্বীকৃতি দেবে এবং লাহোর ও ঢাকা থেকে এ ঘোষণা একসঙ্গে প্রচার করা হবে—এটাও সিদ্ধান্ত হলো। ২৩ ফেব্রুয়ারি ওআইসি সম্মেলনে যোগ দিতে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদল লাহোর যাবে।

- পরবর্তীতে, ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখেই পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করে এবং বঙ্গবন্ধু ২৩ ফেব্রুয়ারি সম্মেলনে যোগ দিতে লাহোর যান।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু ওআইসি সম্মেলনে ভাষণ প্রদান করেন।

উৎসঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ ও ওআইসি ওয়েবসাইট।

৯,৬৫৫.
শান্তির জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবে জুলিও কুরী পুরস্কার পান?
  1. ক) ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭২
  2. খ) ২৪ মে ১৯৭৩
  3. গ) ২৩ জুন ১৯৭৩
  4. ঘ) ২৩ মে, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মে, ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩ মে, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- শান্তিতে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বিশ্ব শান্তি পরিষদ' কর্তৃক 'জুলিও কুরি' শান্তি পদকে ভূষিত করে।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে ১৯৫০ সালে প্রবর্তিত জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২৩ মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

উৎস: কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামীলীগ ওয়েবসাইট।দ
৯,৬৫৬.
"জি-কে প্রজেক্ট" বাংলাদেশের কয়টি জেলায় সেচ সুবিধা প্রদান করে?
  1. ক) ৫টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
ব্যাখ্যা
গঙ্গা কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (জি-কে প্রজেক্ট): 
- কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এবং মাগুরা জেলার সর্বমোট ১৯৭.৪৮৬ হেক্টর ভূমি জুড়ে বিস্তৃত (পর্ব ১: ৮৪.৯৮৬ হেক্টর এবং পর্ব ২: ১১২.৫০০ হেক্টর)। 
- ১৯৫৪ সালে প্রকল্পটির বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৬২ সালে এটি আংশিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে। 
- ১৯৮১ সালে চূড়ান্ত পর্যায়ে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন সমাপ্ত হয়, এতে ব্যয় হয় সর্বমোট ৮২৮ মিলিয়ন টাকা (বিরাশি কোটি আশি লক্ষ টাকা)। 
- গঙ্গা থেকে পানি উত্তোলনের জন্য ভেড়ামারায় একটি উত্তোলন কেন্দ্র (পাম্প স্টেশন) রয়েছে। 
- তিনটি প্রধান পাম্পের সর্বমোট উত্তোলন ক্ষমতা ১১০.৪ কিউমেক এবং অপর বারোটি সহায়ক পাম্পের সর্বমোট ক্ষমতা ৪২ কিউমেক। 
- খাল ও নালা কেটে একটি জালিকার মতো বিস্তৃত পানি প্রবাহ প্রণালীর মাধ্যমে ১৪২.০০০ হেক্টর শস্যক্ষেত্রে পানি পরিবাহিত হয়।
 এই প্রণালীর প্রধান খালের দৈর্ঘ্য ১৯৩ কিমি, দ্বিতীয় পর্যায়ভুক্ত খালগুলোর সর্বমোট দৈর্ঘ্য ৪৬৭ কিমি এবং শস্য ক্ষেত্রে পানি পৌঁছে দেওয়ার সর্বশেষ পর্যায়ের নালাগুলির সর্বমোট দের্ঘ্য ৬৩১ কিমি এবং শস্যক্ষেত্রে নির্গম দ্বারের সংখ্যা ৩,৫০০ টি।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
৯,৬৫৭.
উপমহাদেশে সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধ করেন কে?
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড বেন্টিঙ্ক
  4. লর্ড ডালহৌসি
সঠিক উত্তর:
লর্ড বেন্টিঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা
সতীদাহ প্রথা: 
- সতীদাহ প্রথা ভারত উপমহাদেশে নিষিদ্ধ করেছিলেন ব্রিটিশ শাসক লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক। 
- রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- ১৮২৯ সালে তিনি "রেগুলেশন XVII" আইন পাস করেন, এর মাধ্যমে হিন্দু বিধবা নারীদের জীবন্ত দাহ করা বা সতীদাহ প্রথা বেআইনি ঘোষণা করা হয়।
- এই আইনে ‘সতীদাহ প্রথা বা হিন্দু বিধবা নারীকে জীবন্ত দাহ বা সমাধিস্থ করা বেআইনি’ বলে ঘোষণা করা হয়।
- লর্ড বেন্টিঙ্ক ছিলেন একজন মানবহিতৈষী সংস্কারপন্থী, এবং তার প্রচেষ্টার ফলে সতীদাহ প্রথার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,৬৫৮.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক চলচ্চিত্র নিম্নের কোনটি?
  1. ক) জীবন থেকে নেয়া
  2. খ) সঙ্গম
  3. গ) কখনো আসেনি
  4. ঘ) আবার তোরা মানুষ হ
সঠিক উত্তর:
ক) জীবন থেকে নেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জীবন থেকে নেয়া
ব্যাখ্যা
- কথাসাহিত্যিক জহির রায়হান একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক।
- তাঁর আসল নাম ছিল মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।

- তাঁর রচিত উপন্যাস:
শেষ বিকেলের মেয়ে (প্রথম উপন্যাস)
আরেক ফাল্গুন (ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক)
বরফ গলা নদী
 আর কতদিন (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক)
কয়েকটি মৃত
তৃষ্ণা
একুশে ফেব্রুয়ারি।

- তাঁর বিখ্যাত চলচ্চিত্র:  
কখনো আসেনি (প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র)
সঙ্গম (বাংলাদেশের প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র)
কাঁচের দেয়াল
জীবন থেকে নেওয়া (বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র)
বেহুলা
সোনার কাজল
আনোয়ারা
বাহানা ইত্যাদি।
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৯,৬৫৯.
ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত গঙ্গা-ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে কত সালে?
  1. ২০২৬ সালে
  2. ২০২৭ সালে
  3. ২০২৯ সালে
  4. ২০৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে
ব্যাখ্যা

গঙ্গা-ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি: 
- ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা-ফারাক্কা পানি বণ্টন চুক্তি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর হওয়ায় এটি ২০২৬ সালে শেষ হবে।
- হিমালয়ের হিমবাহ থেকে উৎপন্ন গঙ্গা নদী ভারতের উত্তর প্রদেশ, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পদ্মা নামে পরিচিত হয়।
- ১৯৭২ সালে শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী যৌথ নদী কমিশন গঠনের ঘোষণা দেন।
- এরপর ১৯৯৬ সালে সরকার নতুন করে আলোচনা শুরু করে এবং দীর্ঘমেয়াদি এই পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

৯,৬৬০.
২০২০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ সমার্তনে সম্মানসূচক ‘ডক্টর অব লজ’ ডিগ্রি প্রদান করা হবে কাকে?
  1. ক) ড. মাহাথির মোহাম্মদ
  2. খ) নরেন্দ্র মোদি
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) বান কি মুন
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
মুজিব বর্ষ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ বিশেষ সমাবর্তন আয়োজন করবে। এতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানকে সম্মানসূচকে ‘ডক্টর অব লজ’ (মরনোত্তর) ডিগ্রি প্রদান করা হবে এতে সমাবর্তন বক্তা হিসেবে উপস্থিত থাকবেন নোবেল বিজয়ী বাঙালি অর্থনীতিবিদ অভিজিৎ ব্যানার্জি।(সূত্র: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট)
৯,৬৬১.
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ছয় দফা দাবি সংক্রান্ত পুস্তিকাটির নাম কী ছিলো?
  1. বাংলাদেশের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
  2. পূর্ব বাংলার বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
  3. আমাদের বাঁচার চাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
  4. আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
সঠিক উত্তর:
আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৯৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে চৌধুরী মোহাম্মদ আলীর বাসভবনে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করেন।
- ১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বঙ্গবন্ধু বলেন, ছয় লক্ষ বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। ছয়দফা রচিত হয় লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে।
- এরপর ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ ও প্রচার করা হয়।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সঙ্গে মিল রেখে।
- ছয় দফা দাবির মূল উদ্দেশ্য ছিল- পাকিস্তান হবে একটা ফেডারেল রাষ্ট্র।

• ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি:
- ১ম দফা: শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
- ২য় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
- ৩য় দফা: মুদ্রা ও অর্থ বিষয়ক ক্ষমতা।
- ৪র্থ দফা: কর বা রাজস্ব বিষয়ক ক্ষমতা।
- ৫ম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা।
- ৬ষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক মিলিশিয়া বাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

• এছাড়াও -
- ৬ দফা উত্থাপন করা হয় মোট ৩বার।
- উত্থাপনকারী- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রথমবার ৫-৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে লাহোরের বিরোধী দলীয় সম্মেলনে।
- দ্বিতীয়বার ১৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ সালে অনানুষ্ঠানিকভাবে।
- তৃতীয়বার ২৩ মার্চ ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা পূর্ব পাকিস্তানের ম্যাগনাকার্টা বলা হয়- ৬ দফাকে।
- ছয় দফা দিবস পালিত হয়ে আসছে- ৭ জুন।
- ছয় দফার অর্থনীতি বিষয়ক দাবি- ৩টি (৩য়, ৪র্থ, ৫ম)।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া, দৈনিক কালের কণ্ঠ।
৯,৬৬২.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের জনপ্রিয় অনুষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) চরমপাঠ
  2. খ) চরমপত্র
  3. গ) সংবাদ পরিক্রমা
  4. ঘ) ব্রজসাহস
সঠিক উত্তর:
খ) চরমপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চরমপত্র
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি অনুষ্ঠান ছিল চরমপত্র। 
এই অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আবদুল মান্নান। 
স্থানীয় ঢাকাইয়া উপভাষায় এর স্ক্রিপ্ট তৈরি এবং উপস্থাপনা করেন এম আর আখতার মুকুল।

এই ব্যতিক্রমধর্মী অনুষ্ঠানটি জনগণের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হয় এবং জনগণের নৈতিক মনোবল দৃঢ়করণে ও স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধিতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিল।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৯,৬৬৩.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হয়েছে কত সাল থেকে?
  1. ১৯১৯ সাল
  2. ১৯২০ সাল
  3. ১৯২১ সাল
  4. ১৯২৪ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯২১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২১ সাল
ব্যাখ্যা
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ বিশেষ ভূমিকা পালন করেন।
- এমনকি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য তিনি ঢাকার রমনা এলাকায় নিজ জমি দান করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ঢাকায় 'সর্বভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলন' এবং 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রাদেশিক শিক্ষা সমিতির' সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- নওয়াব সলিমুল্লাহ ১৯০৫ সাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারের ওপর চাপ দিচ্ছিলেন।
- ১৯১২ সালের ২৯ জানুয়ারি লর্ড হার্ডিঞ্জ ঢাকায় আগমন করে তিন দিন অবস্থান করেন।
- ৩১ জানুয়ারি নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে ১৯ সদস্যের একটি মুসলিম প্রতিনিধি দল বড়লাটের সঙ্গে দেখা করে একটি মানপত্র প্রদান করেন এবং কয়েকটি প্রস্তাব পেশ করে পূর্ববঙ্গের মুসলমানদের স্বার্থসংরক্ষণের প্রতি তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
- ১৯১২ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়।
- ১৯২১ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠদান হয়ে আসছে।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,৬৬৪.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস কী? 
  1. রেমিটেন্স
  2. বৈদেশিক ঋণ
  3. বাণিজ্য
  4. কর রাজস্ব
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
- কর রাজস্ব এবং
- কর বহির্ভূত রাজস্ব।
- কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
• বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
- আয় ও মুনাফা কর,
- আমদানি শুল্ক,
- মূল্য সংযোজন কর,
- আবগারি শুল্ক,
- সম্পূরক শুল্ক:,
- যানবাহন কর,
- ভূমি রাজস্ব,

উৎস: অর্থনীতি, নবম দশম শ্রেণি।

৯,৬৬৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপির উৎপাদনের ভিত্তিতে বৃহৎ খাত- 
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৯টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জিডিপিকে উৎপাদনের ভিত্তিতে  বৃহৎ খাত- ৩টি।

• জিডিপিতে খাত অনুযায়ী অবদান:

- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাতের ৩টি বৃহৎ খাতে অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত আবার উপখাতে বিভক্ত।
- বাংলাদেশের জিডিপি'কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা,
- কৃষিখাত,
- শিল্পখাত
- ও সেবাখাত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৯,৬৬৬.
উপমহাদেশের চলচ্চিত্রের জনক হীরালাল সেন কোথায় জন্মগ্রহন করেন?
  1. কোলকাতায়
  2. মানিকগঞ্জ
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. নাটোরে
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• ভারতবর্ষের প্রথম চলচ্চিত্র নির্মাতা হীরালাল সেন:
- বাংলার কিংবদন্তি চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব হীরালাল সেনের জন্ম ১৮৬৬ সালে মানিকগঞ্জের বগজুরী গ্রামে।
- তার বাবার নাম চন্দ্রমোহন সেন ও মা বিধুমুখী।
- তার পিতামহ গোকুলকৃষ্ণ মুনশি ছিলেন ঢাকার জজ আদালতের আইনজীবী।
- মানিকগঞ্জ মাইনর স্কুলে তার শিক্ষাজীবন শুরু হয়।
- ১৮৭৯ সালে তিনি ঢাকার কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি হন।
- পরে বাবার সঙ্গে কলকাতায় গিয়ে কলেজে ভর্তি হন।
- ১৮৯৬ সালে কলকাতায় আইএসসি পড়ার সময় স্টার থিয়েটার আয়োজিত চলচ্চিত্র প্রদর্শনী দেখে চলচ্চিত্রের প্রতি তার আগ্রহ সৃষ্টি হয়।
- তিনি ১৯০৪ সালে উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক সিনেমা ‘আলীবাবা ও চল্লিশ চোর’ নির্মাণ করেন।
- ১৯০৩ সালে তার রয়াল বায়োস্কোপ কোম্পানি থেকে প্রথম বাংলায় সি কে সেনের মাথার তেল ‘জবাকুসুম’, 
বটফেস্ট পালের ‘এডওয়ার্ড টনিক’ ও ডব্লিউ মেজর কোম্পানির ‘সালসা পিলা’ ইত্যাদি বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মিত হয়।
- এছাড়া তিনি প্রামাণ্যচিত্র ও সংবাদচিত্রও নির্মাণ করেন। 
- ১৯০০ থেকে ১৯১৭ সাল পর্যন্ত তার নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমার সংখ্যা ৪০। 

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক।

৯,৬৬৭.
সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ কোনটি?
  1. ক) গেওয়া
  2. খ) সুন্দরী
  3. গ) গোলপাতা
  4. ঘ) ধুন্দল
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুন্দরী
ব্যাখ্যা
- সুন্দরবন পৃথিবীর বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হলো সুন্দরী। সুন্দরী গাছের নাম থেকেই এই বনের নাম হয়েছে সুন্দরবন।
সুন্দরবনের অন্যান্য গাছের মধ্যে রয়েছে:
- গরান
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- গোলপাতা ইত্যাদি।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৬৬৮.
২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. মেক্সিকো
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
 ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ:
- প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে তিনটি দেশে কানাডা, মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রে।
- প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে খেলবে ৪৮টি দেশ।
- প্রথমবারের মতো নকআউট পর্ব শুরু হবে ৩২ দল নিয়ে।
- ৩০-৩২ দিনের বদলে আগামী বিশ্বকাপ হবে ৩৯ দিনের,
- ম্যাচের সংখ্যা ৬৪ থেকে বেড়ে হচ্ছে ১০৪টি।
- বর্তমান ফিফা সভাপতি: ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।[মে,২০২৫]
- ১১ জুন মেক্সিকোর আজতেকা স্টেডিয়ামে হবে ২০২৬ বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচ,
- ফাইনাল হবে ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে।

উৎস: ফিফা ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।
৯,৬৬৯.
স্কুল টেক্সটবুক বোর্ডের সাথে কোন প্রতিষ্ঠানের একীভূতকরণের মাধ্যমে NCTB গঠিত হয়?
  1. শিক্ষা বোর্ড
  2. বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন
  3. মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর
  4. জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি):
- এনসিটিবি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ জাতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭২--১৯৭৭: ১ম–১০ম শ্রেণির পাঠ্যপুস্তক সংশোধন, পরিমার্জন ও পুনর্লিখন।
- স্বাধীনতা-উত্তর আধুনিক ধ্যান-ধারণা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত।
- ১৯৭৮-১৯৭৯: নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী বই প্রণয়নের উদ্যোগ।
- ১৯৮৩: ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণ সম্পন্ন।
- ১৯৮৩: “The National Curriculum & Textbook Board Ordinance, 1983 (Ordinance No. LVII of 1983)” জারি।
- ১৯৮৩: স্কুল টেক্সটবুক বোর্ড ও জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্র একীভূত হয়ে বর্তমান NCTB প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮: ‘জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন, ২০১৮’ জাতীয় সংসদে পাস।

উৎস: NCTB ওয়েবসাইট।

৯,৬৭০.
বাংলাদেশ কোন সনে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য হয়?
  1. ক) ১৯৯১
  2. খ) ১৯৯৪
  3. গ) ১৯৯২
  4. ঘ) ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৫
ব্যাখ্যা
This page gathers key information on Bangladesh's participation in the WTO. Bangladesh has been a WTO member since 1 January 1995 and a member of GATT since 16 December 1972. Source: wto.org
৯,৬৭১.
When did India's spacecraft Chandrayaan-3 land on Moon
  1. 19 August, 2023
  2. 21 August, 2023
  3. 23 August, 2023
  4. 26 August, 2023
সঠিক উত্তর:
23 August, 2023
উত্তর
সঠিক উত্তর:
23 August, 2023
ব্যাখ্যা
• চন্দ্রযান-৩: 
→ ভারত বিশ্বের ৪র্থ দেশ হিসেবে চাঁদে সফলভাবে অভিযান পরিচালনা করেছে। 
→ চন্দ্রযান-৩ চাঁদে যাত্রা শুরু করে ১৪ জুলাই, ২০২৩।
→ চাঁদের দক্ষিণ মেরুতে চন্দ্রযান-৩ অবতরণ করে - ২৩ আগস্ট, ২০২৩।  
→ ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থার নাম - ইসরো। 
→ চন্দ্রযান-৩-এর ল্যান্ডারের - ‘বিক্রম’।
→ চন্দ্রযান-৩-এর রোভারের নাম ‘প্রজ্ঞান’।
→ চন্দ্রযান-৩-এর পুরো অভিযান পরিচালনায় ভারতের মোট ব্যয় - ৬১৫ কোটি রুপি।
→ ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান মহাকাশকেন্দ্র থেকে ‘চন্দ্ৰযান-৩' উৎক্ষেপণ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ (২৩ আগস্ট, ২০২৩)।
৯,৬৭২.
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন কে?
  1. এম মনসুর আলী
  2. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  3. ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র মানে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে প্রথম স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করা হয়, যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- এই ঘোষণাপত্রটি জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন।
- বাংলাদেশ সংবিধানে ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষণা সংযুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানে ৭ম তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী।
৯,৬৭৩.
ভারতের অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা কে?
  1. ইন্দিরা গান্ধী
  2. রামনাথ সিং
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. জওহরলাল নেহেরু
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যা
মহাত্মা গান্ধী:
- তাঁর পুরো নাম মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী।
- তিনি ২ অক্টোবর ১৮৬৯ সালে ভারতে জন্মগ্রহন করেন।
- তিনি ধর্মীয় সহনশীলতা এবং অহিংসার মতবাদ গ্রহণ করেছিলেন।
- ভারতের অহিংস আন্দোলনের প্রবক্তা ও ভারত রাষ্ট্রের জনক মহাত্মা গান্ধী।
- তিনি ১৮৮৮ থেকে ১৮৯১ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডে আইন অধ্যয়ন করেন।
- তিনি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসকে ভারতীয় জাতীয়তাবাদের একটি কার্যকর রাজনৈতিক হাতিয়ারে রূপান্তরিত করেন।
- অসহযোগ আন্দোলন মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বাধীনে প্রবর্তিত ভারতের একটি শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী আন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে তিনি অনশনের মাধ্যমে কলকাতায় (কলকাতা) দাঙ্গার অবসান ঘটান।
- ১৯৪৮ সালের জানুয়ারী মাসে তিনি একজন তরুণ হিন্দু ধর্মান্ধ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।
৯,৬৭৪.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে কোন ধর্মের অনুসারী সবচেয়ে বেশি?
  1. হিন্দু
  2. বৌদ্ধ
  3. খ্রিষ্টান
  4. ইসলাম
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের ধর্ম: 
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের মধ্যে বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী সবচেয়ে বেশি।
- ২০২২ সালের জনশুমারি অনুসারে, দেশের মোট বৌদ্ধ জনসংখ্যা প্রায় ১০ লাখ (০.৬১%), যার অধিকাংশই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- খ্রিস্টান ধর্মানুসারী প্রায় ৪ লাখ (০.৩০%), এবং হিন্দু ধর্মানুসারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীতে কম, কারণ হিন্দু জনসংখ্যা (৭.৯৫%) মূলত বাঙালি সম্প্রদায় থেকে আসে।

» তুলনামূলক অন্যান্য ধর্ম:
• খ্রিস্টান: 
- বাংলাদেশে মোট খ্রিস্টান ধর্মানুসারী প্রায় ৪ লাখ (০.৩০%)।  যার অধিকাংশই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত। 
- এদের মধ্যে গারো (প্রধানত খ্রিস্টান), সাঁওতালের একটি অংশ, ওরাওঁ, খাসিয়া, লুসাই, বম ইত্যাদি অন্যতম।
- এদের সংখ্যা বৌদ্ধদের তুলনায় কম।
• হিন্দু: 
- বাংলাদেশে মোট হিন্দু ধর্মানুসারী প্রায় ১৩ মিলিয়ন (৭.৯৫% )।
- কিন্তু ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীতে হিন্দু অনুসারী কম (যেমন ত্রিপুরা, সাঁওতালের একটি অংশ, মণিপুরী)।
- এর মূল কারণ মোট হিন্দু জনসংখ্যার অধিকাংশ বাঙালি হিন্দু।

• অন্যান্য: 
- কিছু গোষ্ঠী (যেমন ম্রো, কিছু খুমিঐতিহ্যবাহী প্রকৃতি-উপাসনা করে।

তথ্যসূত্র: 
i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) US State Department. 
iii) IWGIA - International Work Group for Indigenous Affairs.

৯,৬৭৫.
চাকমা বিদ্রোহের প্রধান কারণ কোনটি ছিল?
  1. ভূমি সংস্কার
  2. ধর্মীয় নিপীড়ন
  3. মুদ্রায় রাজস্ব দিতে বাধ্য করা
  4. নীল চাষ
সঠিক উত্তর:
মুদ্রায় রাজস্ব দিতে বাধ্য করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রায় রাজস্ব দিতে বাধ্য করা
ব্যাখ্যা

চাকমা বিদ্রোহ:
- চাকমা বিদ্রোহ সংঘটিত হয় ১৭৭৬–১৭৮৯ খ্রিস্টাব্দে।
- চাকমা বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন চাকমা রাজা জুয়ান (জোয়ান) বক্স খান।
- চাকমা রাজাকে মুদ্রায় রাজস্ব দিতে বাধ্য করা এই বিদ্রোহের অন্যতম প্রধান কারণ ছিল।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মুদ্রা অর্থনীতি চালু করার উদ্যোগ চাকমা বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটায়।
- ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে চাকমা জনগণ এই বিদ্রোহে অংশগ্রহণ করে।
- সরকারি নথিপত্র অনুযায়ী জুয়ান বক্স ও রানু খান সম্পূর্ণ পাহাড়ি অঞ্চলকে কিছু সময়ের জন্য ব্রিটিশ শাসনমুক্ত করেন।
- চাকমা বিদ্রোহ পার্বত্য চট্টগ্রামে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একটি গুরুত্বপূর্ণ আদিবাসী প্রতিরোধ আন্দোলন ছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,৬৭৬.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত নয় কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৬
  2. ব্রি ধান ৬২
  3. ব্রি ধান ৭২
  4. ব্রি ধান ৮৪
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৪৬
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:

- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান  ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৯,৬৭৭.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা সন কত ছিল?
  1. ১৩৫৬
  2. ১৩৫৮
  3. ১৩৬৬
  4. ১৩৬৮
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

⇒ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময়:
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী: খাজা নাজিমউদ্দিন,
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী: নুরুল আমিন,
- পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল: গোলাম মুহাম্মদ।
- পূর্ব বাংলার গভর্নর: ফিরোজ খান নুন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯,৬৭৮.
বাংলাদেশে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন কে?
  1. শিশির কুমার ঘোষ
  2. কাঙাল হরিনাথ মজুমদার
  3. রণদাপ্রসাদ সাহা
  4. সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী
সঠিক উত্তর:
রণদাপ্রসাদ সাহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রণদাপ্রসাদ সাহা
ব্যাখ্যা
ট্যানারি শিল্প:
- ট্যানারি শিল্প বলতে চামড়া পাকা করা বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়, এমন কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।
- ট্যানারিতে পশুর কাঁচা চামড়া পাকা করার পর জুতা, ব্যাগ, স্যুটকেস, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট ইত্যাদি উৎপাদনের উপযোগী চামড়া তৈরি করা হয়।
- এ অঞ্চলে ১৯৪০ সালে নারায়ণগঞ্জে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন রণদাপ্রসাদ সাহা।
- পরবর্তীকালে ট্যানারিটি ঢাকার হাজারীবাগে স্থানান্তর করা হয়।
- এই ট্যানারিকে কেন্দ্র করেই হাজারীবাগ এলাকায় অনেক ট্যানারি গড়ে ওঠে।
- দেশ বিভাগের আগ পর্যন্ত পূর্ববঙ্গে উৎপাদিত সব কাঁচা চামড়া পশ্চিম বাংলায় বিশেষত কলকাতায় রপ্তানি হতো।
- ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্প জনবহুল হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাভারে নিজস্ব শিল্পনগরীতে স্থানান্তর করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC.
৯,৬৭৯.
Which is the first sea shore gas field in Bangladesh?
  1. Bakhrabad
  2. Sangu
  3. Semutang
  4. Srikail
  5. None
সঠিক উত্তর:
Sangu
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sangu
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র হলো সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।

সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের সমুদ্রবক্ষে একমাত্র উৎপাদনশীল গ্যাসক্ষেত্র সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিঃশেষ ও পরিত্যক্ত হয় ২০১৩ সালের ১ অক্টোবর।
- সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৯৬ সালে ব্রিটিশ তেল কোম্পানি কেয়ার্ন এনার্জি কর্তৃক আবিষ্কৃত হয়।
- কোম্পানিটি ১৯৯৮ সালে সেখান থেকে গ্যাস উৎপাদন শুরু করে।
- ২০০৭-০৮ সালে সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্রে উৎপাদনে ধস নামে।
 
উল্লেখ্য,
-  পেট্রোবাংলার এমআইএস রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, ১৯৯৮ থেকে ২০১৪ পর্যন্ত সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রায় ৪৮৮ বিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উৎপাদিত হয়।
 
উৎস: ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৪, প্রথম আলো।
৯,৬৮০.
OIC এর কততম শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC (The Organisation of Islamic Cooperation) হলো মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোতে অনুষ্ঠিত রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি। (অক্টোবর, ২০২৪)
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ গায়ানা ও সুরিনাম OIC সদস্য।
- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব, হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (অক্টোবর, ২০২৪)
- মহাসচিবের মেয়াদ-৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা- তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,৬৮১.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র 'মুক্তির গান'-এর পরিচালক কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. মিশুক মুনির
  3. জহির রায়হান
  4. তারেক মাসুদ
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারেক মাসুদ
ব্যাখ্যা

মুক্তির গান:
- ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মুক্তির গান তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র।
- মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লিয়ার লেভিন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণের অভিপ্রায়ে এদেশের একদল সাংস্কৃতিক কর্মীর সঙ্গ নেন। বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা নামের দলের এই সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের দেশাত্মবোধক ও সংগ্রামী গান শুনিয়ে উজ্জীবিত করতেন। এই শিল্পীদের সাথে থেকে লেভিন প্রায় ২০ ঘণ্টার ফুটেজ সংগ্রহ করেন। যুদ্ধের শেষ দিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান।
- ১৯৯০ সালে তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ নিউইয়র্কে লেভিনের কাছ থেকে এই ফুটেজ সংগ্রহ করেন। এ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য তারা আরো বিভিন্ন উৎস থেকে মুক্তিযুদ্ধের নানা সংরক্ষিত উপাদান সংগ্রহ করেন, বিশ বছর আগের সেই শিল্পীদের সাথে যোগাযোগ করেন। লেভিনের কাছ থেকে প্রাপ্ত ফুটেজের সাথে সংগৃহীত অন্যান্য উপাদান যোগ করে ছবিটি নির্মিত হয়।
- এই চলচ্চিত্রটি ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন৷

৯,৬৮২.
বাংলাদেশে প্রতিবছর কবে 'জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয়?
  1. ৫ মে
  2. ৪ এপ্রিল
  3. ২ ফেব্রুয়ারি
  4. ২২ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
২ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জনসংখ্যা নীতি:
- সাধারণভাবে একটি দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য যে দিক নির্দেশনা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যা নীতি।
- দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
- বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১৭১ জন লোক বাস করে এবং মাথাপিছু আয় ২৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- জনসংখ্যা সম্পর্কে বর্তমানে বাংলাদেশের স্লোগান হচ্ছে 'দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়।'
- প্রতিবছর ২রা ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে 'জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।

৯,৬৮৩.
কোন মুঘল সম্রাট 'দিল্লির জামে মসজিদ' নির্মাণ করেন?
  1. বাবর
  2. হুমায়ুন
  3. আকবর
  4. শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
ব্যাখ্যা

মুঘল স্থাপনা:
- মুঘল যুগে স্থাপত্য শিল্পের উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- প্রায় সব মুঘল সম্রাট স্থাপত্য শিল্পের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- আকর্ষণীয় সৌধ, ইমারত, মসজিদ, উদ্যান এমনকি ময়ূর সিংহাসন মুঘলদের কীর্তির অবিনশ্বর স্বাক্ষর বহন করে।
- মুঘল যুগে চিত্রশিল্পও বিশেষ উৎকর্ষ লাভ করে ছিল।

• বাবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আগ্রায় পানিপথের কাবুলিবাগ নামক স্থানে মসজিদ নির্মিত হয়।

• হুমায়ুনের সময় স্থাপত্যসমূহ:
- হুমায়ুনের আমলে দিল্লিতে দীন-পানাহ ভবন, আগ্রায় ও ফতেহাবাদে নির্মিত মসজিদ তাঁর সময় কালের স্থাপত্য শৈলীর নিদর্শন।

• আকবরের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- আকবরের আমলে নির্মিত প্রাসাদ, দুর্গ, মসজিদ ও সৌধগুলোর মধ্যে ফতেহপুর সিক্রি, হুমায়ুনের সমাধি, ইবাদতখানা, বুলন্দ দরওয়াজা, পাঁচ মহল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

• জাহাঙ্গীরের ভূমিকা:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে আকবরের সমাধি সৌধ, ইতমাতুদ্দৌলার সমাধি সৌধ এবং তাঁর নিজের জন্য নির্মিত সমাধি সৌধের নাম উল্লেখ করা যায়।

• শাহজাহানের সময় কালের স্থাপত্যসমূহ:
- তিনি তাঁর স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর অবিনশ্বর প্রেমের এক অনিন্দ্য সুন্দর সৌধ তাজমহল নির্মাণ করেন।
- তাঁর আমলে আগ্রার মতি মসজিদ, দিল্লির জামে মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস নির্মিত হয়। দিওয়ান-ই-খাসের অপূর্ব নির্মাণ শৈলী এবং শিল্পকর্মের চমৎকারিত্যের জন্য এটি 'দুনিয়ার বেহেস্ত' বলে অভিহিত।
- ভুবন বিখ্যাত ময়ূর সিংহাসন মনি-মুক্তা, হীরা ও মূল্যবান পাথর দিয়ে তৈরি। ময়ূর সিংহাসন সম্রাট শাহজাহানের শিল্পানুরাগের অন্যতম কীর্তি।
- তিনি 'শাহজাহানাবাদ' নামে একটি নতুন শহরও নির্মাণ করেন যা বর্তমানে নতুন দিল্লি নামে পরিচিত। 

• আওরঙ্গজেবের সময়ের স্থাপত্যসমূহ:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে নির্মিত লাহোরের বাদশাহী মসজিদ স্থাপত্য শিল্পের এক বিশেষ নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬৮৪.
বিদেশের কোন মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম কবে উত্তোলন করা হয়?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) ওয়াশিংটন
  3. গ) লন্ডন
  4. ঘ) কোলকাতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোলকাতা
ব্যাখ্যা
- বিদেশি কোন দুতাবাস হিসেবে ভারতের কোলকাতা মিশনে বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়। 
 
১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল, রবিবার কলকাতার পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশন অফিসের সব বাঙালি কর্মকর্তা–কর্মচারী একযোগে আনুগত্য প্রকাশ করল বাংলাদেশ সরকারের প্রতি। কার্যালয়ের নাম পাল্টে হয়ে গেল ‘গণ প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কূটনৈতিক মিশন।’ মিশনের ছাদে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলীর নেতৃত্বে ওড়ানো হলো স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। প্রথমবারের মতো আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে শুরু করল।

সূত্রঃ প্রথম আলো।
৯,৬৮৫.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে মহিলা (১৫-৪৯ বছর) প্রতি উর্বরতা হার-
  1. ক) ২.৫৬
  2. খ) ২.২৮
  3. গ) ২.১৫
  4. ঘ) ২.০৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২.০৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২.০৪
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
- মহিলা (১৫-৪৯ বছর) প্রতি উর্বরতা হার- ২.০৪
- গর্ভ নিরোধক ব্যবহারের হার- ৬৩.৪।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+) ৭৪.৪
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৬ বছর
- সুপেয় পানি গ্রহণকারী ৯৮.১
- স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহারকারী ৮১.৫
- বাংলাদেশের শিশু মৃত্যুহার (প্রতি ১০০০ জীবিত জন্মে)- ২১ জন।
- দারিদ্র্যের হার ২০.৫ শতাংশ।
- চরম দারিদ্র্যের হার ১০.৫ শতাংশ।
- স্থূল জন্ম হার (প্রতি ১০০০ জনে)- ১৮.১ জন।
- স্থূল মৃত্যু হার (প্রতি ১০০০ জনে)- ৪.৯ জন।
- মহিলা (১৫-৪৯ বছর) প্রতি উর্বরতা হার- ২.০৪।
- গর্ভ নিরোধক ব্যবহারের হার- ৬৩.৪।
- ডাক্তার ও জনসংখ্যার অনুপাত-২০১৮ = ১ঃ১৭২৪।

৯,৬৮৬.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করেননি কোন ক্রিকেটার?
  1. ক) মোহাম্মদ আশরাফুল
  2. খ) আমিনুল ইসলাম বুলবুল
  3. গ) সাকিব আল হাসান
  4. ঘ) আবুল হাসান রাজু
সঠিক উত্তর:
গ) সাকিব আল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাকিব আল হাসান
ব্যাখ্যা
- টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে বাংলাদেশের হয়ে অভিষেক ম্যাচে সেঞ্চুরি করেন ৪জন ক্রিকেটার।  
- তাঁরা হলেন- 
১। আমিনুল ইসলাম বুলবুল 
২। মোহাম্মদ আশরাফুল 
৩। আবুল হাসান রাজু এবং 
৪। জাকির হাসান।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
৯,৬৮৭.
‘আমার বন্ধু রাশেদ’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রটির পরিচালক কে?
  1. জাফর ইকবাল
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. মোরশেদুল ইসলাম
  4. আলমগীর কবির
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোরশেদুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
আমার বন্ধু রাশেদ:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র ‘আমার বন্ধু রাশেদ’।
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক মোরশেদুল ইসলাম।
- মুহম্মদ জাফর ইকবালের কিশোর উপন্যাস অবলম্বনে সরকারি অনুদানে সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন মোরশেদুল ইসলাম।
- ২০১১ সালে মুক্তি পেয়েছিল সিনেমাটি। 

⇒ প্রেক্ষাপট হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে মফস্বলের ছোট্ট একটা শহর। আর চরিত্রগুলো কয়েকজন স্কুলছাত্রকে কেন্দ্র করে।
- যার মূল চরিত্র রাশেদ।
- এ ছাড়া ছবিতে দেখা যায়, একাত্তরের উত্তাল দিনগুলো যখন ছোট ছেলেরা বুঝতে পারছে না, রাজনীতি সচেতন রাশেদ তখন ঠিক তার মতো করে সেটা সবাইকে বুঝিয়ে দিচ্ছে।
- একসময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী দেশটির ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ওই ছোট্ট শহরেও তারা এসে হাজির হয়।
- ভয়ংকর এক ধ্বংসলীলার সাক্ষী হয়ে থাকে রাশেদ।

উৎস: প্রথম আলো।
৯,৬৮৮.
শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক কবে প্রথম অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন-
  1. ক) ১৯৪৫ সালে
  2. খ) ১৯৪৩ সালে
  3. গ) ১৯৩৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৩৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৩৭ সালে
ব্যাখ্যা

- শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন একজন রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- তিনি কলকাতার মেয়র হোন ১৯৩৫ সালে।
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩) এবং পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪) ছিলেন।
- তিনি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- লোকপ্রিয়ভাবে ‘শেরে বাংলা’ বা হক সাহেব রূপে পরিচিত আবুল কাশেম ফজলুল হক বাকেরগঞ্জ জেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৯,৬৮৯.
মুজিবনগর সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ৬ জন
  2. খ) ৭ জন
  3. গ) ৮ জন
  4. ঘ) ৯ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ জন
ব্যাখ্যা

- মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন-
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেনি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,৬৯০.
জেনারেল এরশাদের আমলে কোন সংসদে অষ্টম সংশোধনী পাস হয়েছিল?
  1. তৃতীয় সংসদ
  2. চতুর্থ সংসদ
  3. পঞ্চম সংসদ
  4. ষষ্ঠ সংসদ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংসদ
ব্যাখ্যা

◉ জেনারেল এরশাদ ১৯৮৮ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত চতুর্থ জাতীয় সংসদে অষ্টম সংশোধনী বিল পাস করান। এই সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্ম ঘোষণা করা হয়।

অষ্টম সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮।
- উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ।
- সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮।

• এ সংশোধনীর মৌলিক বিষয়গুলো হল:
- ইসলাম ধর্মকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা দান,
- হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি বেঞ্চ যথাক্রমে বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, রংপুর ও সিলেটে স্থাপন করা,
- বাংলাদেশের কোন নাগরিক রাষ্ট্রপতির অনুমতি সাপেক্ষে বিদেশ থেকে কোন উপাধি গ্রহণ করতে পারবে।
- রাজধানীর বানান Dacca এর পরিবর্তে Dhaka এবং বাংলা ভাষা ইংরেজি Bengali এর পরিবের্ত Bangla গৃহীত হয়।

উৎস:
১। বাংলাদেশের সংবিধান; 
২। বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩। বিবিসি বাংলা পত্রিকার রিপোর্ট। 

৯,৬৯১.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবে প্রথম কারাবরণ করেন?
  1. ১৯৩৮ সালে
  2. ১৯৩৭ সালে
  3. ১৯৩৬ সালে
  4. ১৯৩৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৩৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৩৮ সালে
ব্যাখ্যা
- বাঙালি জাতির জনক, স্বাধীনতা বাংলাদেশের রূপকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রথম কারাবরণ সেই ছাত্রজীবনে। 
- বঙ্গবন্ধুর এক সময়ের রাজনৈতিক সচিব, আওয়ামী লীগের বর্ষীয়ান নেতা তোফায়েল আহমেদ ২০১৭ সালের ৭ মার্চ জাতীয় সংসদে জানিয়েছিলেন, ৫৪ বছর বয়সের জীবনে বঙ্গবন্ধু চার হাজার ৬৮২ দিন কারাগারে ছিলেন।
- এর মধ্যে স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ব্রিটিশ আমলে সাতদিন কারাভোগ করেন বঙ্গবন্ধু, বাকি চার হাজার ৬৭৫ দিন তার জেলে কাটে পাকিস্তান আমলে।

প্রথম জেলজীবন:
- ১৯৩৮ সালে গোপালগঞ্জে সহপাঠী বন্ধু আবদুল মালেককে হিন্দু মহাসভার সভাপতির বাড়ি নিয়ে মারপিট করা হয়।
- শেখ মুজিবুর রহমান সেই বাড়িতে গিয়ে ধাওয়া করেন, এসময় সেখানে হাতাহাতিও ঘটে।
- এরপর গ্রেপ্তার হয়ে সাতদিন জেল খাটেন মুজিব।
- পরে মুরুব্বিদের হস্তক্ষেপে বিষয়টি মিটমাট হলে মামলা থেকে রেহাই পান তিনি।

উৎস: বিডিনিউজ
৯,৬৯২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'অ্যাটর্নি-জেনারেল' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬১
  2. অনুচ্ছেদ ৬৪
  3. অনুচ্ছেদ ৬৭
  4. অনুচ্ছেদ ৭০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৪
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৬০: স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১: সর্বাধিনায়কতা।
- অনুচ্ছেদ ৬২: প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৩: যুদ্ধ।
- অনুচ্ছেদ ৬৪: অ্যাটর্নি-জেনারেল।
- অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৬৬: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৬৭: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- অনুচ্ছেদ ৬৮: সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৬৯: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড।
- অনুচ্ছেদ ৭০: রাজনৈতিক দল হইতে পদত্যাগ বা দলের বিপক্ষে ভোটদানের কারণে আসন শূন্য হওয়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,৬৯৩.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশে কী পরিমাণ প্রবাসী আয় এসেছে?
  1. ২৫ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
  2. ২৭ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
  3. ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
  4. ৩৩ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
সঠিক উত্তর:
৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার
ব্যাখ্যা

প্রবাসী আয় (২০২৪-২৫ অর্থবছর):
- বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪–২৫ অর্থবছরে দেশে সব মিলিয়ে প্রায় ৩০ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- দেশের ইতিহাসে এর আগে কোনো অর্থবছরে এত প্রবাসী আয় আসেনি।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৩ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
- এই আয় আগের অর্থবছরের চেয়ে ৬ দশমিক ৪২ বিলিয়ন ডলার বা ২৬ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
- এই প্রবৃদ্ধির পেছনে হুন্ডি রোধে সরকারের কঠোর অবস্থান, বৈধ পথে অর্থ পাঠাতে প্রণোদনা, এবং রেমিট্যান্স পাঠানোর প্রক্রিয়া সহজ করাসহ নানা উদ্যোগ বড় ভূমিকা রেখেছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

৯,৬৯৪.
বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি কে?
  1. সৈয়দ শাহেদ রেজা
  2. মো. আমিনুল ইসলাম
  3. ওয়াকার-উজ-জামান
  4. এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ওয়াকার-উজ-জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াকার-উজ-জামান
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
----------------------
বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি:

- বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন, যা বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি নামেও পরিচিত। 
- সংস্থার সদর দফতর ঢাকায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা বা বিওএ ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৬ সালের অলিম্পিকে বাংলাদেশকে প্রথম আমন্ত্রণ জানানো হয়।
- ১৯৮০ সালে বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য পদ লাভ করে।

উল্লেখ্য, 
-বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) নতুন সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
-জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ ২৫ অক্টোবর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (বিওএ) সভাপতি পদে একক প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন।
-এর আগে বিওএর সভাপতি ছিলেন সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

সূত্র-বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন এবং দৈনিক ইত্তেফাক।
৯,৬৯৫.
কেন্দ্রীয় সরকার বাংলা ভাষায় আরবি হরফ চালুর চেষ্টা করে -
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৪৭ সাল থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার বাংলা ভাষায় আরবি হরফ চালুর চেষ্টা করে।
- এরপর আরবিতে বাংলা শিক্ষা দেয়া শুরু হয়।
- চালু হয় এ ধরনের অনেকগুলো শিক্ষাকেন্দ্র।
- সেখানে বয়স্ক ছাত্রদের বিনামূল্যে আরবি হরফের বই দেওয়া হতে থাকে।
- পূর্ববাংলার জনগণ কিছুদিনের মধ্যেই পাকিস্তানিদের অসাধু উদ্দেশ্য বুঝতে পারে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ববাংলার নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়। ফলে সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে প্রবল জনমত সৃষ্টি হতে থাকে।
- প্রথমে এগিয়ে আসে পূর্বপাকিস্তান মুসলিম লীগের 'ভাষা কমিটি'।
- এই কমিটির বক্তব্য ছিল, পূর্ববাংলার মানুষকে অশিক্ষিত বানানোর জন্যই শাসকদের এই ষড়যন্ত্র।
- প্রবল নিন্দা জানায় 'পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ'। প্রতিবাদে ফেটে পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৬৯৬.
খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন কে?
  1. মাওলানা শওকত আলী
  2. মাওলানা আতাহার আলী
  3. সৈয়দ আহমদ খান
  4. মাওলানা ভাসানী
সঠিক উত্তর:
মাওলানা শওকত আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা শওকত আলী
ব্যাখ্যা
১৯২০ সালে সেভার্স চুক্তির অধীনে ব্রিটিশ সরকার মুসলমানদের খেলাফত তুরস্ক তথা অটোমান সাম্রাজ্যকে নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিলে এর বিরুদ্ধে ভারতীয়রা যে আন্দোলন গড়ে তোলে তা খিলাফত আন্দোলন নামে পরিচিত।
দুই ভাই মাওলানা মুহাম্মদ আলী ও মাওলানা শওকত আলী, আবুল কালাম আজাদ প্রমুখ খিলাফত আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন।

একই সময়ে কংগ্রেসের অসহযোগ আন্দোলন ও খিলাফত আন্দোলন সমগ্র ভারতবর্ষে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
১৯২৪ সালে কামাল আতাতুর্ক তুরস্কে খিলাফত বিলুপ্ত করলে খিলাফত আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,৬৯৭.
'গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব' এর কথা উল্লেখ রয়েছে-
  1. ১৬ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৮ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৯ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৬ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ১৬ - গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- অনুচ্ছেদ ১৭ - অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
- অনুচ্ছেদ ১৮ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- অনুচ্ছেদ ১৮(ক) - পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৯,৬৯৮.
কোন দেশ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ অরবিটাল স্লট কেনা হয়েছে?
  1. স্পেন
  2. জার্মানি
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১
- ২০১৮ সালের ১২ মে, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপন করা হয়।
- উৎক্ষেপন কেন্দ্র: যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার।
- প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান: থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কোম্পানি (ফ্রান্স)।
- উৎক্ষেপিত রকেট: স্পেসএক্সের “ফ্যালকন ৯”।
- স্যাটেলাইটটির ওজন: ৩.৭টন।
- স্যাটেলাইটটির মেয়াদ ধরা হয়েছে ১৫ বছর। মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা।
- অরবিটাল স্লট কেনা হয়েছে রাশিয়ার ইন্টার স্পুটনিকের কাছ থেকে।
- বাংলাদেশের ভূ-কেন্দ্র: গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায়।

সূত্র- বিটিআরসির ওয়েবসাইট।  
৯,৬৯৯.
স্যার সৈয়দ আহমদ খানের নেতৃত্বে গঠিত আন্দোলনের নাম কী ছিল?
  1. খেলাফত আন্দোলন
  2. আলিগড় আন্দোলন
  3. অসহযোগ আন্দোলন
  4. ফরায়েজি আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
আলিগড় আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলিগড় আন্দোলন
ব্যাখ্যা
আলীগড় আন্দোলন:
- আলীগড় আন্দোলন হচ্ছে আলীগড়ভিত্তিক সমাজ সংস্কারমূলক আন্দোলন।
- স্যার সৈয়দ আহমদ খানের নেতৃত্বে আলীগড় আন্দোলন সংঘটিত হয়।

এছাড়াও, 
- ১৮৭৫ সালে সৈয়দ আহমদ খান আলীগড়ে 'মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল' প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৭৭ সালে এটি কলেজে উন্নীত হয়।
- সৈয়দ আহমদ খান এ আলীগড় কলেজকে কেন্দ্র করে অধঃপতিত অবস্থা থেকে মুসলমানদের পুনরুদ্ধার ও তাদের পুনর্জাগরণের জন্য একটি আন্দোলন পরিচালনা করেন।
- ইতিহাসে এটিই 'আলীগড় আন্দোলন' নামে প্রসিদ্ধ।
- এ আন্দোলন মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক ভাবধারা ও চিন্তা-চেতনা জাগ্রত করে।

অন্যদিকে: 
- মাওলানা মুহাম্মদ আলী খিলাফত আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরিয়ত উল্লাহ।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,৭০০.
দেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি কোথায় নির্মিত হচ্ছে?
  1. কুতুবদিয়া
  2. মহেশখালী
  3. পেকুয়া
  4. উখিয়া
সঠিক উত্তর:
পেকুয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেকুয়া
ব্যাখ্যা

- দেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি নির্মিত হচ্ছে- কক্সবাজার জেলার পেকুয়ায়।
- দেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি 'বিএনএস শেখ হাসিনা'।
- ১২ মার্চ ২০১৭ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নে বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন (ডুবোজাহাজ) ঘাঁটি ‘বানৌজা শেখ হাসিনা' এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- নৌবাহিনীর জন্য দুটি সাবমেরিন কেনার জন্য ২০১৪ সালে চীনের সাথে চুক্তি করে বাংলাদেশ।
- ১৪ নভেম্বর ২০১৬ চীনের দালিয়ান প্রদেশের লিয়াওয়ান শিপইয়ার্ডে সাবমেরিন দুটি বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সাবমেরিন দুটির নামকরণ করা হয় 'নবযাত্রা' এবং ‘জয়যাত্রা'।

তথ্যসূত্র:- ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।