বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯২ / ৩০৬ · ৯,১০১৯,২০০ / ৩০,৮৩২

৯,১০১.
Who designed the National Emblem of Bangladesh?
  1. ক) Zainul Abedin
  2. খ) SM Sultan
  3. গ) Quamrul Hassan
  4. ঘ) Murtaza Bashir
সঠিক উত্তর:
গ) Quamrul Hassan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Quamrul Hassan
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কামরুল হাসান। ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন। এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন যা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন। ১৯৭১ সালের ২৩ শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা’র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
৯,১০২.
বাংলাদেশের বিশেষায়িত ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
  4. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক
ব্যাখ্যা

বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে।
- এগুলোর মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের হাতে।
- ব্যাংক তিনটি আলাদা আলাদা বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গঠন করা হয়েছে।
- ব্যাংক ৩টি হলো:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
• অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক অ-তফসিলী ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৯,১০৩.
ভাষা আন্দোলনের ফলে সৃষ্ট প্রথম প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. শিল্পকলা একাডেমি
  3. বাংলা একাডেমি
  4. শিশু একাডেমি
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ভাষা আন্দোলনের ফলে সৃষ্ট প্রথম প্রতিষ্ঠান এটি।
- এটির স্বপ্নদ্রষ্টা ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন।
- আবু হোসেন সরকার বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- ১৯৬০ সালে ‘দি বেঙ্গলী একাডেমী অ্যাক্ট’ গৃহীত হলে এটি সরকারি অর্থে পরিচালিত স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা লাভ করে।

⇒ বাংলা একাডেমির বর্তমান সভাপতি আবুল কাসেম ফজলুল হক।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম।

উল্লেখ্য,
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন অধ্যাপক মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ড. মুহম্মদ এনামুল হক।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৯,১০৪.
সংবিধানের কোন ভাগে মূলনীতিগুলো বর্ণিত হয়েছে?
  1. প্রথম
  2. চতুর্থ
  3. দ্বিতীয়
  4. তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতগুলো মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে। এ নীতিগুলো রাষ্ট্র শাসনের মূলসূত্র।
- মূল সংবিধানের 'দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি শিরোনামে ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চারটি মূলনীতি হলো:
• জাতীয়তাবাদ,
• সমাজতন্ত্র,
• গণতন্ত্র ও
• ধর্মনিরপেক্ষতা।

এছাড়াও,
⇒ সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,১০৫.
বাংলাদেশে মোট কতটি রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রয়েছে? (২০২৪)
  1. ১৩ টি
  2. ৬ টি
  3. ৫ টি
  4. ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
১৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল বন্ধ:
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) অধীনে সরকারি মোট ১৫টি চিনিকল রয়েছে।
- এর মধ্যে ছয়টির কার্যক্রম বন্ধ আছে।
- এগুলো হচ্ছে কুষ্টিয়া, পাবনা, পঞ্চগড়, শ্যামপুর (রংপুর), রংপুর ও সেতাবগঞ্জ (দিনাজপুর) চিনিকল।
- ছয়টি সরকারি চিনিকলে প্রায় চার বছর ধরে আখমাড়াই বন্ধ রয়েছে।
- এসব চিনিকল পর্যায়ক্রমে আবার চালুর চিন্তাভাবনা করছে অন্তর্বর্তী সরকার।

সূত্র- প্রথম আলো রিপোর্ট।
৯,১০৬.
সতীদাহের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করেন কে?
  1. মীর নিসার আলী
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. হাজী শরীয়ত উল্লাহ
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা
সতীদাহ প্রথা:

- বহুকাল আগে থেকেই হিন্দু সমাজে অনেক কুপ্রথা প্রচলিত হয়েছিল। এর অন্যতম হচ্ছে সতী।
- সতীদাহ প্রথা অনুসারে স্বামী মারা গেলে স্ত্রীকে স্বামীর চিতায় জীবন্ত পোড়ানো হতো।
- গোঁড়া হিন্দুদের প্রবল প্রতিরোধের মধ্যেও রামমোহন রায় সতীদাহের বিরুদ্ধে জনমত গঠন করেন।
- তিনি প্রভাবিত করতে থাকেন কোম্পানির শাসকদের।
- এই সূত্রে ১৮২৯ সালে গভর্নর জেনারেল উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের অনুমোদনে সতীদাহ প্রথা বিলুপ্ত ঘোষণা করে আইন পাশ হয়।
- রামমোহন রায়কে সাধারণভাবে রাজা রামমোহন রায় বলা হয়।
- তিনি রাজা উপধিটি পেয়েছিলেন সেসময়ের নামেমাত্র মোগল সম্রাট দ্বিতীয় আকবরের (১৮০৬-১৮৩৭) কাছ থেকে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,১০৭.
নিচের কোন পর্যটক সোনারগাঁও এসেছিলেন?
  1. মার্কোপোলো
  2. ফা- হিয়েন
  3. হিউয়েন সাং
  4. ইবনে বতুতা
সঠিক উত্তর:
ইবনে বতুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও: 

- ১৩৩৫ থেকে ১৫৩৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সোনারগাঁও কখনো বাংলার রাজধানী আবার কখনো পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল।
- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্র্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও ভ্রমণ করেন।
- পানামের জমিদারেরা ব্রিটিশ বিরোধী স্বদেশী-আন্দোলন ও মহাত্মা গান্ধীর অহিংস-আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৬৪ সালের সাম্প্রদায়িক মোহাজের সমস্যা সোনারগাঁওয়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৯,১০৮.
নিম্নের কোন আন্দোলনের সাথে 'তমদ্দুন মজলিস' জড়িত?
  1. শাসনতন্ত্র আন্দোলন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. দেশ বিভাগ
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

তমদ্দুন মজলিস: 
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে গঠিত হয় ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস।
- ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের পাশাপাশি পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগ, পূর্ববঙ্গ বুদ্ধিজীবী সমাজ, সাংবাদিক সংঘ বিভিন্ন সভা-সমিতিতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান।
- সবকিছুকে উপেক্ষা করে ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সংবিধান সভার কাছে সুপারিশ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৯,১০৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, কোন বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম?
  1. সিলেট
  2. রংপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ইন্টারনেট ব্যবহারকারী (৫বছর ও তদূর্ধ্ব),
- মোট ব্যবহারকারী - ৩০.৬৯%।
- পুরুষ ব্যবহারকারী - ৩৮.০৪%।
- নারী ব্যবহারকারী - ২৩.৫২%।
- ঢাকা বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি - ৪০.৪২%।
- রংপুর বিভাগে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা সবচেয়ে কম - ২৩.৫২%।
• শহর -৪১.৩০%।
• গ্রাম - ২৫.৭৩%।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৯,১১০.
নিচের কোন বিভাগ বাংলাদেশ সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করে?
  1. ক) আইন বিভাগ
  2. খ) বিচার বিভাগ
  3. গ) শাসন বিভাগ
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
খ) বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ব্যাখ্যা করা সরকারের বিচার বিভাগের কাজ। 

- আইন বিভাগ - সংবিধান প্রণয়ন ও সংশোধন করে এবং
- বিচার বিভাগ - সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করে। 
- শাসন বিভাগ বিচার বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মচারীদের নিয়োগ করেন।
- শাসন বিভাগের প্রধান অপরাধীদের দণ্ড হ্রাস করতে পারেন ও স্থগিত রাখতে পারেন।
- আবার কর নির্ধারণ নিয়োগ, পদোন্নতি, পদচ্যুতি প্রভৃতি বিষয়ে আপত্তির নিষ্পত্তি শাসন বিভাগ করে থাকে।

সূত্র : পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (১ম) বোর্ড বই ।
৯,১১১.
বাংলাদেশে ‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচি কোন সালে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৮ সাল
  3. ১৯৯৫ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮ সাল
ব্যাখ্যা

• বয়স্ক ভাতা :
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
- বয়স্কভাতা চালু হয়- ১৯৯৮ সালের এপ্রিল থেকে।
- বাস্তবায়নকারী দফতর- সমাজসেবা অধিদফতর।

• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য :
(১) বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা বিধান;
(২) পরিবার ও সমাজে তাঁদের মর্যাদা বৃদ্ধি;
(৩) আর্থিক অনুদানের মাধ্যমে তাঁদের মনোবল জোরদারকরণ;
(৪) চিকিৎসা ও পুষ্টি সরবরাহ বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।
(৫) বার্ধক্যজনিত দারিদ্র্য ও অসহায়ত্ব কমানো। 

তথ্যসূত্র: সমাজসেবা অধিদপ্তর।

৯,১১২.
বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান উয়ারী বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নরসিংদী
  2. নাটোর
  3. কুমিল্লা
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
ব্যাখ্যা
উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,১১৩.
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম কী ছিল?
  1. রাষ্ট্রভাষা ও পূর্ব পাকিস্তানের ভাষাসংগ্রাম
  2. বাংলাই হবে রাষ্ট্রভাষা
  3. পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
  4. রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
- পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
- এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,১১৪.
বাংলাদেশে মণিপুরীদের মূল বাসস্থান কোথায়?
  1. পটুয়াখালী
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- প্রাচীনকালে মণিপুরী সম্প্রদায় ক্যাংলেইপাক, ক্যাংলেইপাং, ক্যাংলেই, মেইত্রাবাক, মেখালি প্রভৃতি নামে পরিচিত ছিল।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,১১৫.
ঢাকা শহরে 'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  2. জেনারেল টিক্কা খান
  3. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  4. জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা
সঠিক উত্তর:
জেনারেল রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট:
- পাকিস্তানী স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে, সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।
- অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাত সাড়ে এগারটা থেকে মধ্য মে পর্যন্ত বড় বড় শহরে অভিযান পরিচালিত হয়।
- অপারেশন সার্চলাইট  অভিযান শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল ২৬ মার্চ রাত ১টা।
- সিদ্ধান্ত হয়, ২৫ মার্চ রাত ১টায় অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় অভিযানে ঢাকায় নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা।
- অপারেশন সার্চলাইটে সেনাবাহিনী নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। এতে হাজার হাজার নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষ নিহত হয়।
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা এবং অন্যান্য স্থানগুলোতে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,১১৬.
BJMC- এর পূর্ণরূপ-
  1. Bangladesh Jute Mills Council
  2. Bangladesh Joint Of Military Coordination
  3. Bangladesh Jute Mills Corporation
  4. Bangladesh Jute Mills Cooperation
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Jute Mills Corporation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Jute Mills Corporation
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি):
- BJMC- এর পূর্ণরূপ-Bangladesh Jute Mills Corporation.
- ১৯৭২ মূলে ৭৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল পরিচালন কাজ তত্ত্বাবধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জুট মিলস্ করপোরেশন (বিজেএমসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ৪টি মিল স্থাপনের মাধ্যমে মিল সংখ্যা দাঁড়ায় ৮২ টি।
- ২০০২ সালে বন্ধ ঘোষিত ২টি মিল।
- আদমজী জুট মিলস লিঃ ও এবিসি লিঃ।
- যা সরকারি আদেশে বেপজার নিকট হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন ওয়েবসাইট।
৯,১১৭.
কোন সমুদ্র সৈকতকে বাংলাদেশের ‘সাগরকন্যা’ বলা হয়?
  1. ক) পতেঙ্গা
  2. খ) সেন্টমার্টিন
  3. গ) কুয়াকাটা
  4. ঘ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
গ) কুয়াকাটা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুয়াকাটা
ব্যাখ্যা
সাগরকন্যা:
- পটুয়াখালী জেলাকে বলা হয় সাগরকন্যা।
- বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত এ জেলারই ঐতিহ্য বহনকারী বেলাভূমি।
- অপরূপ সৌন্দর্যের লীলাভূমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা।
- একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত অবলোকন করার মনোমুগ্ধকর পর্যটন স্পট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,১১৮.
বাংলার ইতিহাসে প্রথম সার্বভৌম রাজা কে ছিলেন?
  1. গোপাল
  2. শশাঙ্ক
  3. বিজয় সেন
  4. ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা

শশাঙ্ক:
- বাংলার প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নৃপতি শশাঙ্ক সপ্তম শতাব্দীর প্রথমার্ধের শাসক।
- গুপ্ত শাসনের পর বাংলার গৌড় রাজ্যের তিনি অধিপতি হন।
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ- পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্কই বাংলার প্রথম নৃপতি যার ভূমিদান করার মতো এবং মুদ্রা প্রকাশ করার মতো স্বাধীন ক্ষমতা ছিল।
- তিনি গৌড় রাজ্যকে ভারতের বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত বিস্তৃত করেন।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু (শৈব) ধর্মের অনুসারী ছিলেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস, এস এস এইচ এল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,১১৯.
সাতগম্বুজ মসজিদ কোন শতাব্দীতে নির্মিত হয়?
  1. পঞ্চদশ শতাব্দী
  2. ষোড়শ শতাব্দী
  3. সপ্তদশ শতাব্দী
  4. অষ্টাদশ শতাব্দী
সঠিক উত্তর:
সপ্তদশ শতাব্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তদশ শতাব্দী
ব্যাখ্যা
সাতগম্বুজ মসজিদ:
- ষোড়শ শতাব্দীতে প্রতিষ্ঠিত মোগল শাসনের ধারাবাহিকতায় যে স্থাপত্যরীতি প্রচলিত রয়েছে তারই উদাহরণ ‘সাত গম্বুজ মসজিদ’টি।
- সপ্তদশ শতাব্দীতে ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে নবাব শায়েস্তা খাঁ মসজিদটি নির্মাণ করেন।
- ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত।
- এর ছাদে রয়েছে তিনটি বড় গম্বুজ এবং চার কোণের প্রতি কোনায় একটি করে অনু গম্বুজ থাকায় একে সাত গম্বুজ মসজিদ বলা হয়।
- মসজিদের গম্বুজ পদ্ম-চূড়া শোভিত।
- মসজিদের পূর্বপাশে এরই অবিচ্ছেদ্য অংশে হয়ে রয়েছে একটি সমাধি।
- কথিত আছে, এটি শায়েস্তা খাঁর মেয়ের সমাধি।
- সমাধিটি ‘বিবির মাজার’ বলেও খ্যাত।

উল্লেখ্য,
- একসময় মসজিদের পাশ দিয়ে বয়ে যেত বুড়িগঙ্গা।
- মসজিদের ঘাটেই ভেড়ানো হতো লঞ্চ ও নৌকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৯,১২০.
তঞ্চঙ্গ্যা উপজাতি কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. ক) খ্রিস্টান
  2. খ) সনাতন
  3. গ) বৌদ্ধ
  4. ঘ) বৈষ্ণব
সঠিক উত্তর:
গ) বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
• তঞ্চঙ্গ্যা উপজাতি:
- তঞ্চঙ্গ্যা পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী একটি জনগোষ্ঠী।
- এরা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়, চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া থানার বইস্যাবিলি এলাকায়, কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে এদের বসবাস।

- ভারতের  ত্রিপুরা, মিজোরাম ও মণিপুর রাজ্যের দক্ষিণ পূর্বাঞ্চলে এবং মায়ানমারের  আরাকান অঞ্চলেও তঞ্চঙ্গ্যাদের বসতি রয়েছে। - - - তঞ্চঙ্গ্যারা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর লোক। তাদের ভাষা ভারতীয় আর্য ভাষার অন্তর্গত  পালি,  প্রাকৃত, সদভুত বাংলা ভাষা।
- তঞ্চঙ্গ্যারা বিয়েকে সাঙা বলে।

- তঞ্চঙ্গ্যাদের পেশা মূলত জুমচাষ। 
- তঞ্চঙ্গ্যা ভাষায় বর্ষবরণ ও বর্ষবিদায় অনুষ্ঠানকে ‘বিষু’ বলা হয়।
- তঞ্চঙ্গ্যারা প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,১২১.
পদ্মা বহুমুখী সেতুর প্রস্থ -
  1. ক) ১৭.০৯ মি.
  2. খ) ১৬.০৮ মি.
  3. গ) ১৮.১০ মি.
  4. ঘ) ১৯.০৬ মি.
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮.১০ মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮.১০ মি.
ব্যাখ্যা
এক নজরে পদ্মা সেতু:
• অফিসিয়াল নাম: পদ্মা বহুমুখী সেতু (Padma Multipurpose Bridge)
• সেতুর ধরন: দ্বিতল (ওপরে সড়ক এবং নিচে রেলপথ)
• প্রত্যক্ষভাবে জড়িত স্থান/জেলা/উপজেলা ৩টি- ১. মাওয়া, লৌহজং উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ জেলা, ২. শিবচর উপজেলা, মাদারীপুর জেলা ও ৩. জাজিরা উপজেলা, শরীয়তপুর জেলা।
• সংযোগস্থল: মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার মাওয়া ও শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলা।
• ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ৪ জুলাই ২০০১।
• নির্মাণকাজ উদ্বোধন: ১২ ডিসেম্বর ২০১৫।
• দৈর্ঘ্য: ৬.১৫ কি.মি. (২০,১৭৭.১৭ ফুট)।
প্রস্থ: ১৮.১০ মি. (৫৯.৩৮ ফুট)
• সংযোগ সড়কসহ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য: ৯.৩০ কি.মি.
• লেন: ৪টি 
• সেতুর আয়ুষ্কাল: ১০০ বছর 
• ভূমিকম্পের সহনীয় মাত্রা: রিখটার স্কেল ৯ 
• স্প্যান: ৪১টি
• পিলার বা পিয়ার: ৪২টি
• পাইল: ২৯৪টি 
• নির্মাণের উপাদান: কংক্রিট ও স্টিল 
• ডিজাইন: AECOM (যুক্তরাষ্ট্র)
• সমীক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: JICA
• নির্মাণকারী: চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড (চীন)
• নদী শাসক প্রতিষ্ঠান: সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন (চীন)
• নির্মাণ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশন (দক্ষিণ কোরিয়া) 
• প্রথম স্প্যান বসানো হয়: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ (৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে) 
• ৪১তম বা শেষ স্প্যান বসানো হয়: ১০ ডিসেম্বর ২০২০ (১২ ও ১৩ নম্বর পিলারে)

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
৯,১২২.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক মন্ত্রিপরিষদ সভায় অনুমোদন লাভ করে কবে?
  1. ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  2. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  3. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  4. ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক ২৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে মন্ত্রিপরিষদ সভায় অনুমোদন লাভ করে।


উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
- এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা। 
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।
- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
- সংবিধানের প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র) অনুচ্ছেদে : ৪ (৩)-এ জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [link]

৯,১২৩.
কোন রাজার শাসনামলে ‘ত্রিশক্তির সংঘর্ষ' সংঘটিত হয়?
  1. মহীপাল
  2. ধর্মপাল
  3. গোপাল
  4. দেবপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
• ধর্মপাল:
- ‘ত্রিশক্তির সংঘর্ষ’ বা ত্রি-শক্তির সংগ্রাম পালরাজা ধর্মপালের শাসনামলে সংঘটিত হয়।
- রাজা হর্ষবর্ধনের মৃত্যুর পর কনৌজের সিংহাসনের ওপর আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পাল, প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূট রাজবংশের মধ্যে এই দ্বন্দ্ব শুরু হয়।
- ধর্মপাল বাংলার ইতিহাসে প্রথম রাজা যিনি উত্তর ভারতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।
- যদিও তিনি স্বল্পমেয়াদী সাফল্য অর্জন করেন, তবে তার শাসনামলে বাংলা একটি শক্তিশালী রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ধর্মপাল একজন বৌদ্ধ শাসক ছিলেন এবং তিনি সোমপুর মহাবিহারসহ বহু বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার পুত্র দেবপালও পাল রাজবংশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজা ছিলেন।
- ৬৪৭ সালে রাজা হর্ষবর্ধনের মৃত্যুর পর কনৌজের সিংহাসনের ওপর আধিপত্য স্থাপনকে কেন্দ্র করে পাল, প্রতিহার ও রাষ্ট্রকূটের মধ্যে যে দ্বন্দ্ব শুরু হয় তা-ই ইতিহাসে ত্রিশক্তির সংঘর্ষ বা ত্রি-শক্তির সংগ্রাম নামে পরিচিত। এটি ধর্মপালের শাসনামলে সংঘটিত হয়।
 
সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কালের কণ্ঠ।
৯,১২৪.
দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু নয় কোনটি?
  1. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন
  2. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন
  3. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়
  4. সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু
সঠিক উত্তর:
সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু
ব্যাখ্যা

দ্বাদশ সংশোধনী:
- দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয়।
- সংসদে সংশোধনীটি পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ই আগষ্ট ।

• দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।

উল্লেখ্য,
- ৪র্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্রের বদলে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৯,১২৫.
ঐতিহাসিক ছয় দফার ষষ্ঠ দফা কী ছিল?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌,
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,১২৬.
স্বাধীন বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনীতে সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

নারী পুলিশ নিয়োগ:
- ১৯৭৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশে পুলিশ বাহিনীতে সর্বপ্রথম মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়।
- সাদা পোশাকে স্পেশাল ব্রাঞ্চে ১২ জন মহিলা পুলিশ নিয়োগের মাধ্যমে এই যাত্রা শুরু হয়।
- ইউনিফর্মধারী নারী পুলিশের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৬ সালে।
- ১৯৭৮ সালে ঢাকা মহানগর পুলিশে মহিলা পুলিশ নিয়োগ শুরু হয়।
- ১৯৮৬ সালে ষষ্ঠ বিসিএস এর মাধ্যমে ক্যাডার সার্ভিসে ফাতেমা বেগম প্রথম নারী সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে যোগদান করেন।
- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশে প্রথম পুলিশ সুপার হিসেবে মুন্সিগঞ্জ জেলায় পদায়ন পান রওশন আরা বেগম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৯,১২৭.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. আক্তার হামিদ খান
  4. এ.কে.এফ. আহমেদ
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

৯,১২৮.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৬৫ সালে
  2. খ) ১৯২১ সালে
  3. গ) ১৯৫৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রাজশাহীর তিন মাইল পূর্বদিকে মতিহারে অবস্থিত।
- এটি ৬ জুলাই, ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
- এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর ছিলেন ড. ইতরাত হোসেন জুবেরি।

উৎস: RU Website এবং বাংলাপিডিয়া।
৯,১২৯.
BIDA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Industry Development Authority
  2. Bangladesh Investment Development Authority
  3. Bangladesh Import Development Alliance 
  4. Bangladesh Irrigation Development Authority
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Investment Development Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Investment Development Authority
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA):
- BIDA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Investment Development Authority.
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীনস্থ একটি প্রতিষ্ঠান।
- এর নিয়ন্ত্রক প্রধানমন্ত্রী/ প্রধান উপদেষ্টা।
- গঠিত হয়: ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।
- কাজ: বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগ কারীদের বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করে থাকে।

উৎস: BIDA ওয়েবসাইট।

৯,১৩০.
জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব কোন বিভাগের ওপর নির্ভর করে? 
  1. শাসন বিভাগ
  2. আইন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. প্রতিরক্ষা বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচার বিভাগ
ব্যাখ্যা

• বিচার বিভাগ:
- আইন বিভাগ ও শাসন বিভাগের মত বিচার বিভাগও আধুনিক সরকার ব্যবস্থার অপরিহার্য অঙ্গ।
- সরকারের যে বিভাগ প্রচলিত আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রের সকল বিচারকার্য সম্পন্ন করে তাকে বিচার বিভাগ বলে।
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের অধিকার ও স্বাধীনতার রক্ষাকবচ হচ্ছে বিচার বিভাগ।
- বিচার বিভাগ হল সরকারের একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ যা জনগণের মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ করে এবং এ উদ্দেশ্যে বিভিন্ন প্রকার রিট জারি করে।
- বিচার বিভাগ রাষ্ট্র ও সরকারের অভিভাবক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।

অন্যদিকে,
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ঠ বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- বিচার বিভাগ বলতে সরকারের সেই অঙ্গকে বুঝায় যা মামলার ক্ষেত্রে আইন প্রয়োগ করে, অপরাধের প্রকৃতি নির্ণয় করে এবং আইন অনুযায়ী শাস্তি বিধান করে।
- এছাড়াও বিচার বিভাগ আইনের ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,১৩১.
ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবির দ্বিতীয় দফা -
  1. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  4. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৯,১৩২.
বীরশ্রেষ্ঠ ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন কোন যুদ্ধজাহাজে কর্মরত অবস্থায় শহিদ হন?
  1. বিএনএস পদ্মা
  2. বিএনএস পলাশ
  3. বিএনএস চিত্রা
  4. বিএনএস তিতুমীর
সঠিক উত্তর:
বিএনএস পলাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিএনএস পলাশ
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১০ ডিসেম্বর খুলনার রূপসা নদীতে ভারতীয় বিমান বাহিনীর ভুলবশত বোমাবর্ষণে ‘বিএনএস পলাশ’ ক্ষতিগ্রস্ত হলে তিনি জাহাজ রক্ষার চেষ্টা করেন এবং পরবর্তীতে রাজাকারদের হাতে শহিদ হন।

বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন:
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন 'পলাশ' নামক গানবোটের ইঞ্জিনরুম আর্টিফিশার ছিলেন।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়, তিনি ভারতের হলদিয়া নৌঘাটি থেকে মংলা বন্দরের দিকে অগ্রসর হন।
- 'পদ্মা' ও 'পলাশ' গানবোটের মাধ্যমে পাকিস্তানি নৌ ঘাঁটি 'তিতুমীর' দখলের উদ্দেশ্যে অভিযান চালানো হয়েছিল।
- ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ তারিখে, এই অভিযানের সময় 'পলাশ' গানবোটে রুহুল আমিন সাহসিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

উল্লেখ্য,
- যখন ভারতীয় বিমানগুলো আক্রমণ শুরু করেছিল, রুহুল আমিন সঙ্গীদের পরামর্শ দিয়েছিলেন যে, গানবোট সচল রাখতে হবে। একটি গোলা পলাশের ইঞ্জিন রুমে আঘাত করলে, রুহুল আমিন নদীতে লাফিয়ে পড়ে আহত হন। পরে, পাকিস্তানি সেনা ও রাজাকারদের হাতে তার নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটে। রুহুল আমিনের এই সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ তাকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধিতে ভূষিত করেছে।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৯,১৩৩.
বাংলাপিডিয়া কে সম্পাদনা করেন?
  1. অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
  2. স্যার উইলিয়াম জোন্স
  3. আব্দুল হামিদ
  4. ড. আহমদ হাসান দানী
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- প্রধান সম্পাদক: অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম।

- স্যার উইলিয়াম জোন্স ছিলেন এশিয়াটিক সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সভাপতি ছিলেন আব্দুল হামিদ।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তানের প্রথম সম্পাদক ছিলেন ড. আহমদ হাসান দানী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।
৯,১৩৪.
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা- কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায়।
- ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও দৈনিক প্রথম আলো। 

৯,১৩৫.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে -
  1. ক) রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
  2. খ) তমদ্দুন মজলিশ
  3. গ) ভাষা আন্দোলন পরিষদ
  4. ঘ) সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
খ) তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।

• ভাষা আন্দোলন:
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন৷
- পরবর্তীতে ২রা সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে 'তমদ্দুন মজলিশ' নামক একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন৷
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৯,১৩৬.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কে উদ্বোধন করেন?
  1. ক) হাসিনা আক্তার
  2. খ) হাসিনা খাতুন
  3. গ) হাসিনা বেগম
  4. ঘ) হাসিনা চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) হাসিনা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাসিনা বেগম
ব্যাখ্যা
শহীদ মিনার:
- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে প্রথম শহিদ মিনার নির্মিত হয়।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান অনানুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন। ঐ দিন বিকেলবেলা পুলিশ এটি ভেঙে ফেলে।
- এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।

অতিরিক্ত তথ্য:
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি বর্তমান শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন পূর্ববঙ্গ সরকারের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী আবু হোসেন সরকার, মওলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং ভাষাশহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।
- বর্তমান শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয় ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে।
- ১৯৯৭ সালে প্রথম যুক্তরাজ্যের এডিনবার্গের ওল্ডহ্যামে এবং ১৯৯৯ সালে লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। তাছাড়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০০৫ সালে জাপানের টোকিওতে শহীদ মিনার নির্মিত হয়। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৯,১৩৭.
কীসের জন্য ময়নামতি বিখ্যাত?
  1. ক) টারশিয়ারি পাহাড়
  2. খ) প্রাচীন রাজধানী
  3. গ) প্রাচীন নগরী
  4. ঘ) বৌদ্ধ বিহার
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৌদ্ধ বিহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বৌদ্ধ বিহার
ব্যাখ্যা
ময়নামতি:
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- ময়নামতির পূর্ব নাম রোহিতগিরি।
- এযাবৎ আবিষ্কৃত লালমাই অঞ্চলের প্রাচীনতম সভ্যতার নিদর্শন হল ময়নামতি প্রত্নস্থল।
- বর্তমানে ময়নামতি অঞ্চলে যে ধ্বংশস্তুপ দেখা যায় তা প্রকৃতপক্ষে একটি প্রাচীন নগরী ও বৌদ্ধ বিহারের অবশিষ্টাংশ।
- প্রত্নতাত্ত্বিকদের মতে ইহা জয়কর্মান্তবসাক নামক একটি প্রাচীন নগরীর ধ্বংসাবশেষ ।
- কুমিল্লার ময়নামতিতে খননকৃত সব প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে শালবন বিহার অন্যতম প্রধান।
- ময়নামতি বৌদ্ধ বিহারের জন্য বিখ্যাত।
- ধারণা করা হয় যে খৃষ্টিয় সপ্তম শতাব্দীর শেষ থেকে অষ্টম শতাব্দীর প্রথম ভাগে দেববংশের চতুর্থ রাজা শ্রীভবদেব এ বৌদ্ধ বিহারটি নির্মাণ করেন। 

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ও বাংলাপিডিয়া।
৯,১৩৮.
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে পাকিস্তানকে কী নামে ঘোষণা করা হয়?
  1. পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র
  2. পাকিস্তান রেজোলিউশন
  3. ইসলামাবাদ ঘোষণা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র:
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- এটিকে বিলম্বিত শাসনতন্ত্র বলা চলে।
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি দিতে পেরেছিলেন।

⇒ ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হয়। এর অগ্রভাগে ছিল তৎকালীন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।
- এ গণপরিষদ গঠিত হয় ৮০ জন সদস্য সমন্বয়ে, যাদের মধ্যে ৪০ জন ছিলেন পূর্ববাংলার এবং বাকি ৪০ জন পশ্চিম পাকিস্তানের সদস্য।
- ১৯৫৫ সালের ৭ই জুলাই এ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। 
- অবশেষে ১৯৫৬ সালের ২রা মার্চ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- ২৩ মার্চে এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ থেকে পাকিস্তানের নতুন সংবিধান কার্যকর হয়।
- পাকিস্তানের সংবিধান, ১৯৫৬ পাকিস্তানের ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ২৩৪টি অনুচ্ছেদ, ১৩টি ভাগ এবং ৬টি তফসিল অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- পাকিস্তানের সংবিধানে ছিল একটি দীর্ঘ প্রস্তাবনা, যাতে পাকিস্তানকে ইসলামী প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং প্রজাতন্ত্রের সকল কর্মকান্ড সর্বশক্তিমান আল্লাহর বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হওয়ার অঙ্গীকার ব্যক্ত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৯,১৩৯.
বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নাটোর
  2. খ) লালমনিরহাট
  3. গ) গোপালগঞ্জ
  4. ঘ) শেরপুর
সঠিক উত্তর:
গ) গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড): দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে গোপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়ায় 'বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্স' প্রতিষ্ঠা করা হয়। -
 
- ২০১২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বঙ্গবন্ধু দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বাপার্ড)'। 
- একাডেমিটি মূলত প্রশিক্ষণ ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনা এবং সরকারি ও বেসরকারি কর্মকর্তা/ কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
 
উৎস: বাপার্ড ওয়েবসাইট
৯,১৪০.
কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ঢাকা
  2. লক্ষিপুর 
  3. সুনামগঞ্জ
  4. টাঙ্গাইল 
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল 
ব্যাখ্যা

কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ৬–১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলের- অজপাড়াগাঁ সন্তোষ- কাগমারীতে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি কাগমারী সম্মেলন হিসেবে পরিচিত। 
- ৭ ফেব্রুয়ারি এই সম্মেলনের মূল আলোচ্যসূচি ছিল: পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন ও জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি।
- সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন মজলুম জননেতা মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধিকার আন্দোলনের সূচনা হয়।

উল্লেখ্য,
- কাগমারী সম্মেলনে দেওয়া ভাসানীর জ্বালাময়ী বক্তব্য জনগণকে সাম্রাজ্যবাদ ও আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে সচেতন ও ঐক্যবদ্ধ করে তোলে।
- বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো—এই সম্মেলনেই মওলানা ভাসানী পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের উদ্দেশে ‘আসসালামু আলাইকুম’ বলে পাকিস্তান থেকে বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ইঙ্গিত দেন।
- যা পরবর্তীকালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে গভীর প্রভাব ফেলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৯,১৪১.
মুসা ইব্রাহিম কোন সালে মাউন্ট এভারেস্টে আরোহণ করেন?
  1. ক) ২০০৮
  2. খ) ২০০৯
  3. গ) ২০১০
  4. ঘ) ২০১১
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১০
ব্যাখ্যা
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে লালমনিরহাট জেলার মুসা ইব্রাহিম ২০১০ সালের ২৩ মে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ এভারেস্ট জয় করার মর্যাদা লাভ করেন। এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী লক্ষ্মীপুরের নিশাত মজুমদার। সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ জয়ী প্রথম বাংলাদেশী ফেনীর ওয়াসফিয়া নাজরীন।
৯,১৪২.
Emancipation Proclamation কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) দাস প্রথা নিষিদ্ধকরণ
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা
  3. গ) বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্রের শাসন কাঠামো
সঠিক উত্তর:
ক) দাস প্রথা নিষিদ্ধকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দাস প্রথা নিষিদ্ধকরণ
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন (১৮০৯ - ১৮৬৫)
আব্রাহাম লিংকন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট। ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
⤇ গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ। আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন। ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়। শব্দ ছিল মাত্র ২৭২টি। অথচ তার শিহরণ লেগেছিল গোটা বিশ্বে। 
⤇ ১৮৬২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন। এ লক্ষে ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ তিনি Emancipation Proclamation এ স্বাক্ষর করেন। পরবর্তীতে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়। 
⤇ ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনফেডারেট ও ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা মার্কিন গৃহযুদ্ধ নামে পরিচিত। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৯,১৪৩.
সংশোধিত জাতীয় বাজেটে (২০২৫-২৬) মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য কত টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে? 
  1. ৫ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা
  3. ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• সংশোধিত জাতীয় বাজেট (২০২৫-২৬):
- ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫ এ প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে উপদেষ্টা পরিষদের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
- এই বৈঠকে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- বাজেটটি ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।
- চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ৭ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এবং জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে।
- খাদ্য মূল্যস্ফীতি কমায় বাজেটের শেষ নাগাদ এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হবে বলে সরকার আশা করছে।

- সংশোধিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমিয়ে ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার কমানোর জন্য উন্নয়ন ব্যয় ৩০ হাজার কোটি টাকা হ্রাস পেয়েছে।
- সংশোধিত এডিপিতে বৈদেশিক অর্থায়ন ধরা হয়েছে ৭২ হাজার কোটি টাকা।
- এবং দেশীয় অর্থায়ন ধরা হয়েছে ১ লাখ ২৮ হাজার কোটি টাকা।
- সংশোধিত বাজেটে মোট রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এছাড়া সংশোধিত বাজেটে মোট ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৩ শতাংশ।
- এই ঘাটতির মধ্যে বৈদেশিক উৎস থেকে ৬৩ হাজার কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৩৭ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহের পরিকল্পনা রয়েছে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা 

৯,১৪৪.
UNESCO বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে মুজিববর্ষ উদযাপনে সম্মত হওয়ায় কয়টি দেশে মুজিব বর্ষ পালন করা হতে পারে?
  1. ক) ১৯১
  2. খ) ১৯২
  3. গ) ১৯৩
  4. ঘ) ১৯৪
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৩
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে যৌথভাবে মুজিববর্ষ উদযাপনে সম্মত হয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সাংস্কৃতিক সংস্থা UNESCO. (২৫ নভেম্বর, ২০১৯ সালে প্যারিসে UNESCO’র সদর দপ্তরে ৪০তম সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়)। যার মাধ্যমে মুজিববর্ষ বিশ্ব স্বীকৃতি লাভ করে। এর ফলে UNESCO’র ১৯৩টি দেশ সদস্য রাষ্ট্র দিবসটি পালনের সুযোগ তৈরি হলো।
৯,১৪৫.
দেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? (ফেব্রুয়ারি, ২০২৬)
  1. এ এম এম নাসির উদ্দীন
  2. এ এম এম জামাল উদ্দীন
  3. কে এম নাসিম উদ্দীন 
  4. এ এম এম ফয়সাল আহমেদ
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ এর আওতায় বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন স্থাপিত হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে।
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের ১৪তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।

• নতুন কমিশনে নির্বাচন কমিশনার হিসেবে থাকছেন:
- সাবেক অতিরিক্ত সচিব আনোয়ারুল ইসলাম সরকার,
- সাবেক জেলা ও দায়রা জজ আবদুর রহমানেল মাসুদ,
- সাবেক যুগ্ম সচিব বেগম তহমিদা আহমদ
- অবসরারপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

উৎস: বিডিনিউজ২৪ ও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট।

৯,১৪৬.
What is the name of the Dhaka-Jalpaiguri passenger train between Bangladesh and India?
  1. ক) Bandhon Express
  2. খ) Mitali Express
  3. গ) Progoti Express
  4. ঘ) Mukti Express
সঠিক উত্তর:
খ) Mitali Express
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Mitali Express
ব্যাখ্যা
- ২৭ মার্চ ২০২১ উদ্বোধন করা হয় বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ঢাকা-জলপাইগুড়ি যাত্রীবাহী ট্রেন - ‘মিতালী এক্সপ্রেস’।
- ঢাকা থেকে জলপাইগুড়ির দূরত্ব রেলপথে ৫৯৫ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ অংশে পড়েছে ৫২৬ কিলোমিটার। বাকি ৬৯ কিলোমিটার ভারত অংশে।
- ট্রেন থেকে আয় ভাগাভাগির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে ভারতকে।
- দূরত্ব অনুপাতে ভাড়ার ৮৫ ভাগ বাংলাদেশ এবং বাকি ১৫ ভাগ ভারত পাবে।
উৎস: চ্যানেল আই 
৯,১৪৭.
'অ্যাকর্ড অন ফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ' এর নতুন নাম কি?
  1. ক) দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড অন ফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি
  2. খ) দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ সেফটি ইন দ্য টেক্সটাইল এন্ড গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্ট্রি
  3. গ) দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর ফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি ইন দ্য টেক্সটাইল এন্ড গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্ট্রি
  4. ঘ) দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ এন্ড বিল্ডিং সেফটি ইন দ্য টেক্সটাইল এন্ড গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্ট্রি
সঠিক উত্তর:
খ) দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ সেফটি ইন দ্য টেক্সটাইল এন্ড গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্ট্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ সেফটি ইন দ্য টেক্সটাইল এন্ড গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্ট্রি
ব্যাখ্যা
- অ্যাকর্ড অন ফায়ার এন্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ এর নতুন নাম - দ্য ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ সেফটি ইন দ্য টেক্সটাইল এন্ড গার্মেন্টস ইন্ড্রাস্ট্রি বা ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড।
- ইহা একটি ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট। 
উৎস : পত্রিকা রিপোর্ট।
৯,১৪৮.
How many times the constitution of Bangladesh has been amended?
  1. 14 times
  2. 15 times
  3. 16 times
  4. 17 times
  5. 18 times
সঠিক উত্তর:
17 times
উত্তর
সঠিক উত্তর:
17 times
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান সংশোধন হয়েছে ১৭ বার।
- এর মধ্যে চারটি সংশোধনী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করেছে।
- সংবিধানের ১৭টি সংশোধনীর মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়ে ৪ বার, জিয়াউর রহমানের সময় ২ বার, এরশাদের সময় ৪ বার, শেখ হাসিনার সরকারের সময় ৩ বার ও খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে ৪ বার সংবিধান সংশোধন করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংসদে সংবিধানের ১ম সংশোধনী পাশ হয়।
- সংবিধানের সর্বশেষ, অর্থাৎ সপ্তদশ সংশোধনী হয় ২০১৮ সালের ৮ জুলাই।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৯,১৪৯.
২০২২-২৩ অর্থবছরে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি খাত কোনটি?
  1. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. তৈরি পোশাক
  3. পাট ও পাটজাত পণ্য
  4. হোম টেক্সটাইল
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি পন্য - পাট ও পাটজাত পন্য।

ইপিবির তথ্যানুযায়ী - দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি পন্য চামড়া ও চামড়াজাত পন্য
-------------- 
রপ্তানি বিষয়ক তথ্যের জন্য রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)-র তথ্য অধিক গ্রহণযোগ্য। 

রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.১১%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৮৬%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।

৯,১৫০.
‘রত্নদ্বীপ’ ভাস্কর্যটির অবস্থান কোথায়?
  1. ইস্কাটনে
  2. পরীবাগ মোড়ে
  3. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে
  4. লালবাগে
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে
ব্যাখ্যা
- রাজারবাগ পুলিশ লাইনে অবস্থিত 'দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক।
তার আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য ভাস্কর্য:
- মতিঝিলের - ‘বলাকা’
- প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে - ‘রত্নদ্বীপ’,
- হোটেল শেরাটনের সামনে - ‘রাজসিক’,
- পরীবাগ মোড়ে - ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা’,
- ইস্কাটনে - ‘কোতোয়াল’,
- সাতরাস্তায় - ‘ময়ূর’,
- এয়ারপোর্ট গোল চত্বরের - ভাস্কর্য,
- নৌ সদর দপ্তরের সামনে - ‘অতলান্তিকে বসতি’ ইত্যাদি।

সূত্র: প্রথম আলো রিপোর্ট।
৯,১৫১.
বাংলাদেশে কয়টি স্থলবন্দর চালু রয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১২টি
  2. ১৪টি
  3. ১৫টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশে বর্তমানে সরকার ঘোষিত ২৪ টি স্থল বন্দর রয়েছে।
- যার মধ্যে চালু রয়েছে ১৬টি।

উল্লেখ্য,
⇒ চালুকৃত স্থলবন্দর ১৬টি:
- সোনা মসজিদ স্থলবন্দর, হিলি স্থলবন্দর, বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর, বিবির বাজার স্থলবন্দর, টেকনাফ স্থলবন্দর, বেনাপোল স্থলবন্দর, বুড়িমারী স্থলবন্দর, ভোমরা স্থলবন্দর, তামাবিল স্থলবন্দর, সোনাহাট স্থলবন্দর, নাকুগাঁও স্থলবন্দর, আখাউড়া স্থলবন্দর, বিলোনিয়া স্থলবন্দর, গোবরাকুড়া-কড়ইতলী স্থলবন্দর, শেওলা স্থলবন্দর, ধানুয়া কামালপুর স্থলবন্দর।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। [link]
৯,১৫২.
সোমপুর বিহারের নির্মাতা কে?
  1. হেমন্ত সেন
  2. শশাঙ্ক
  3. ধর্মপাল
  4. রামপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। 
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে।
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
৯,১৫৩.
নিচের কোন সংস্থার সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত নয়?
  1. ক) সিরডাপ
  2. খ) বিমসটেক
  3. গ) আইসিডিডিআর,বি
  4. ঘ) সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
আইসিডিডিআরবি, সিরডাপ, বিমসটেক, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট, আন্তর্জাতিক জুট স্টাডি গ্রুপ, সার্ক কৃষি কেন্দ্র ইত্যাদি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত।
৯,১৫৪.
জনসংখ্যার বিবেচনায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট থানা কোনটি?
  1. থানচি
  2. শিবগঞ্জ
  3. রাজস্থলী
  4. শ্যামনগর
সঠিক উত্তর:
থানচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানচি
ব্যাখ্যা
থানচি উপজেলা: 
- মারমা শব্দ 'থাইন চৈ' বা 'বিশ্রামের স্থান' থেকে থানচি নামটির উৎপত্তি।
- ধারণা করা হয় ১৯৫০ সালে বা তার পূর্বে নৌপথে চলাচল কালে যাত্রীগণ বিশ্রামের জন্য এ স্থানে থামতেন বলে থাইন চৈ নামে স্থানটি পরিচিত ছিল পরে তা থানচি হিসাবে পরিচিতি লাভ করে।
- উপজেলার উত্তরে রুমা ও বিলাইছড়ি উপজেলা, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মিয়ানমারের আরাকান রাজ্য এবং আকাইব জেলা, পূর্বে রুমা ও রোয়াংছড়ি উপজেলা, পশ্চিমে লামা ও আলীকদম উপজেলা অবস্থিত।
- এই উপজেলায় ১১টি নৃতাত্ত্বিক জাতিগোষ্ঠীর বাস।
- জনসংখ্যার বিবেচনায় বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট থানা (উপজেলা) থানচি। 
- এই উপজেলায় মোট ২৯৭৯০ জন বসবাস করে। [জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২]
- উপজেলার অন্তর্গত সাকা হাফং, নাফাখুম, তাজিং ডং, বড় পাথর, রাজা পাথর ইত্যাদি স্থান পর্যটন আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২
৯,১৫৫.
According to which article of the constitution a state of emergency can be declared?
  1. 140 A
  2. 140 B
  3. 141 A
  4. 141 B
  5. 142
সঠিক উত্তর:
141 A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
141 A
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১৪০ - কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪১ - বার্ষিক রিপোর্ট।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪২ - সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৩ - প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৪ - সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ - চুক্তি ও দলিল।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।
- অনুচ্ছেদ ১৪৯ - প্রচলিত আইনের হেফাজত।
- অনুচ্ছেদ ১৫০ - ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- অনুচ্ছেদ ১৫১ - রহিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৫২ - ব্যাখ্যা।
- অনুচ্ছেদ ১৫৩ - প্রবর্তন, উল্লেখ ও নির্ভরযোগ্য পাঠ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৯,১৫৬.
ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি কোন চুক্তির মাধ্যমে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে ? 
  1. আলীনগর চুক্তি
  2. এলাহাবাদ চুক্তি
  3. মুর্শিদাবাদ চুক্তি
  4. লক্ষ্মৌ চুক্তি
সঠিক উত্তর:
এলাহাবাদ চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এলাহাবাদ চুক্তি
ব্যাখ্যা
• ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে এলাহাবাদ চুক্তির মাধ্যমে।

• ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভ:
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে দেওয়ানি লাভের পর প্রকৃতপক্ষে ইংরেজরাই বাংলার সত্যিকার শাসকরূপে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময়ে ইংরেজ কোম্পানি মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার রাজস্ব আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব লাভে সক্ষম হয়।
- বক্সারের যুদ্ধে বাংলার নবাব, অযোধ্যার নবাব এবং দিল্লীর সম্রাটের পরাজয় ইংরেজ শক্তিকে এই ক্ষমতা লাভের সুযোগ করে দেয়।
- বক্সারের যুধের পর ক্লাইভ দ্বিতীয়বার (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ) ভারতবর্ষে এলে পরিস্থিতি পাল্টে যায়।
- ক্লাইভ দেশ থেকে ফিরে অযোধ্যার পরাজিত নবাবের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করেন।
- তার বিনিময়ে আদায় করে নেন কারা ও এলাহাবাদ জেলা দুটি।
- যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ আদায় করেন পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে কোম্পানিকে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি দান করা হয়।
- এর বিনিময়ে ছাব্বিশ লক্ষ টাকা নবাব প্রতিবছর সম্রাটকে পাঠাবেন।
- এই টাকা নিয়মিত পাঠাবার জামিনদার হবে কোম্পানি।
- ইতিহাসে এটি এলাহাবাদ চুক্তি নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,১৫৭.
২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেটে সার্বিক কৃষিখাতে বরাদ্দের পরিমাণ কত?
  1. ক) ২৯,৫১৫ কোটি টাকা
  2. খ) ৩১,৯১২ কোটি টাকা
  3. গ) ৩৪,২৪০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৩৬,১৪৫ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১,৯১২ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১,৯১২ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সার্বিক কৃষিখাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ৩১,৯১২ কোটি টাকা।
- কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৯,৫০০ কোটি টাকা।
(তথ্যসূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
৯,১৫৮.
Bangladesh has recently been elected to which post in the 76 sessions of the UN General Assembly? 
  1. ক) Pesident
  2. খ) Vice-President
  3. গ) Krynoce Speaker
  4. ঘ) Teacher
সঠিক উত্তর:
খ) Vice-President
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Vice-President
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের আসন্ন ৭৬তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন মালদ্বীপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল্লাহ শহিদ। গত ৭ জুন ভোটাভুটিতে তিনি সভাপতি নির্বাচিত হন।
- বাংলাদেশ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে ৭৬তম অধিবেশনের সহ সভাপতি নির্বাচিত হয়েছে।
- তুরস্কের ভলকান ভজকির বর্তমান ৭৫তম অধিবেশনের সভাপতি।
(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৯,১৫৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানকে সাহায্য করতে কোন দেশ বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশ্যে নৌবহর প্রেরণ করে?
  1. ক) চীন
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) যুগোশ্লাভিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানকে রক্ষার্থে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে উদ্দেশ্যে টাস্কফোর্স-৭৪ প্রেরণ করে। মার্কিন সপ্তম নৌবহরের কয়েকটি জাহাজের সমন্বয়ে টাস্কফোর্স-৭৪ গঠন করা হয়।
এতে ছিলো তৎকালীন সময়ের বিশ্বের সর্ববৃহৎ যুদ্ধজাহাজ বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস এন্টারপ্রাইজ। কিন্তু ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের কঠিন অবস্থানের কারণে তা শেষ পর্যন্ত বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করতে পারেনি।
(সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো এবং ডেইলি স্টার)
৯,১৬০.
ব্রি-২৮ কী?
  1. উন্নত জাতের গম
  2. উন্নত জাতের ধান
  3. উন্নত জাতের ভুট্টা
  4. উন্নত জাতের আলু
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নত জাতের ধান
ব্যাখ্যা
ব্রি-২৮:
- ব্রি ধান২৮ বোরো মৌসুমের একটি আগাম জাত।
- এ জাত ১৯৯৪ সালে চাষাবাদের জন্য অনুমোদিত হয়।
- গাছের উচ্চতা ৯০ সেমি।
- পাকার সময় ধানের শীষ উপরে থাকে।
- চাল মাঝারি চিকন ও সাদা।
- ভাত ঝরে ঝরে ও খেতে সুস্বাদু।
- এ জাতের জীবনকাল ব্রি ধান২৯ এর চেয়ে প্রায় তিন সপ্তাহ কম।
- এ জাতটির জীবনকাল ১৪০ দিন।
- স্বাভাবিক ফলন হেক্টরপ্রতি ৫.৫-৬.০ টন।

চাষাবাদ পদ্ধতি:
১. বীজ তলায় বীজ বপন: ১-১৫ অগ্রহায়ণ (১৫-২৯ নভেম্বর)।
২. চারার বয়স- ৩৫-৪০ দিনের চারা।
৩. চারা রোপণের সময় - ৭-১২ মাঘ (২০শে জানুয়ারি থেকে ২৫শে জানুয়ারি)।
৪. চারার সংখ্যা- প্রতি গুছিতে ২-৩ টি
৫. রোপণ দূরত্ব- ২০×১৫ সেন্টিমিটার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।[লিঙ্ক]
৯,১৬১.
২০২৬ সালে কয়টি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পদক পুরস্কারের জন্য মনোনীত করে? 
  1. ১টি প্রতিষ্ঠান
  2. ৩টি প্রতিষ্ঠান
  3. ৫টি প্রতিষ্ঠান
  4. ৪টি প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
৫টি প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা

- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫ প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ পদক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 
- ২০২৬ সালে স্বাধীনতা পুরষ্কারের জন্য মনোনীত পাঁচ প্রতিষ্ঠান হলো:

- মুক্তিযুদ্ধে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ,
- চিকিৎসাবিদ্যায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,
- পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ),
- সমাজসেবায় এসওএস চিলড্রেনস ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ,ও গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র।
- স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারীশিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য খালেদা জিয়াকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]

৯,১৬২.
চিনামাটি কোন শিল্পের মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. কাগজ শিল্প
  2. সিরামিক শিল্প
  3. ইস্পাত শিল্প
  4. সিমেন্ট শিল্প
সঠিক উত্তর:
সিরামিক শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরামিক শিল্প
ব্যাখ্যা

• নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর ও এর আশপাশের এলাকায় রয়েছে চিনামাটির খনি।
- চিনামাটি মূলতঃ সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল।
- খনিজ সম্পদ ব্যুরোর ১৯৫৭ সালের তথ্যানুযায়ী, এ এলাকায় চিনামাটির মজুদ প্রায় ২৪ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন। 
- এটি দিয়ে বাংলাদেশের তিনশ বছরের চাহিদা পূরণ সম্ভব বলে তখন বলা হয়েছিল।
- খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো থেকে অনুমতি নিয়ে কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানী এখানকার চিনামাটি আহরণ করছে।
- প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক মাটি খননের কাজ করছে খনিজ প্রকল্পগুলোতে।
- এরপর তা পরিবহন করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সিরামিক শিল্পের কারখানাগুলোতে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯,১৬৩.
গম্ভীরা গানের উৎপত্তি কোথায়?
  1. মালদহ
  2. চাপাইনবাবগঞ্জ
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুুর
সঠিক উত্তর:
মালদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদহ
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা গানের উৎপত্তি ভারতের মালদহ জেলার হিন্দু সমাজে। দেশভাগের পর এই গান রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় চলে আসে এবং মুসলিম সম্প্রদায় গম্ভীরা গানের পৃষ্ঠপোষক হয়ে উঠে।
আদিতে গম্ভীরা গানের মূল বিষয়ে শিবের বন্দনা থাকলেও মুসলিম সমাজে এই গানের বিষয়বস্তু পরিবর্তিত হয়ে বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা বিষয়বস্তু হয়ে উঠে। নানা-নাতির সংলাপের মাধ্যমে গম্ভীরা গান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ প্রভৃতি জেলায় ব্যাপক জনপ্রিয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৯,১৬৪.
'প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি' (নিকার)- এর আহ্বায়ক কে?
  1. ক) কৃষি মন্ত্রী
  2. খ) অর্থমন্ত্রী
  3. গ) পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
'প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি' (নিকার):-
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার 'প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)’নিম্নরূপে গঠন করেছে :

• শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী, আহ্বায়ক।
• জনাব আ, ক, ম, মোজাম্মেল হক মন্ত্রী,মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয, সদস্য।
• জনাব ওবায়দুল কাদের মন্ত্রী, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়, সদস্য।  
• জনাব মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মন্ত্রী, কৃষি মন্ত্রণালয়, সদস্য। 
•  জনাব আসাদুজ্জামান খান মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয, সদস্য। 
• জনাব মোহাম্মদ হাছান মাহমুদ মন্ত্রী, তথ্য মন্ত্রণালয়, সদস্য।
• জনাব আনিসুল হক মন্ত্রী, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয, সদস্য।
 এছাড়াও অন্যান্য সদস্যদের নিয়ে 'প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি' গঠিত হয়। 

উৎস: মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ,
৯,১৬৫.
শরীফ কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন প্রথম শুরু হয়-
  1. ঢাকা কলেজে
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4.  জগন্নাথ কলেজে
সঠিক উত্তর:
ঢাকা কলেজে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা কলেজে
ব্যাখ্যা

- শরীফ কমিশনের সুপারিশ ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পূর্ববাংলার ছাত্ররা তৃতীয়বারের মত আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলে।
- ঢাকা কলেজ থেকে প্রথমে আন্দোলন শুরু হয়েছিল। 
- এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের মেডিকেল, স্কুল, কলেজ ও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্ররা আন্দোলনের ডাক দেয়। 
- ১০ আগস্ট ঢাকা কলেজের ক্যান্টিনে স্নাতক ও উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণীর ছাত্ররা এক সমাবেশে মিলিত হয়ে ১৫ আগস্ট দেশব্যাপী ধর্মঘট - এবং ১০ সেপ্টেম্বর সচিবালয়ে অবস্থান ধর্মঘটের ডাক দেয়। 
- ১৫ আগস্ট দেশব্যাপী ধর্মঘট পালিত হয় এবং এদিন থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যায় আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। ১০ আগস্ট পূর্ব পাকিস্তান সরকার ১৪৪ ধারা জারি করলে ১৭ সেপ্টেম্বর হরতালের ডাক দেওয়া হয়।
- এদিকে ১০ সেপ্টেম্বর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীকে মুক্তি প্রদান করে সরকার তাঁর মুক্তিপ্রদান সম্পর্কে কটাক্ষ করলে ১৭ সেপ্টেম্বর  ছাত্ররা রাস্তায় রাস্তায় পিকেটিং শুরু করে।
- ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশী নির্যাতনে কয়েকজন ছাত্র নিহত ও আহত হয়।
- এদিন কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে যশোর, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের নির্যাতনে বহু ছাত্র আহত ও গ্রেফতার হয়।
- তিনদিন পূর্ববাংলায় ব্যাপক ছাত্র অভ্যুত্থান ঘটে। 
- ঘটনার ক্রম অবনতি লক্ষ করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর গোলাম ফারুকের সাথে কয়েক দফা বৈঠকে মিলিত হন। - তাঁরই পরামর্শে ছাত্র অভ্যুত্থানের তৃতীয় দিনের মধ্যে সরকার শরীফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বাস্তবায়ন স্থগিত ঘোষণা করে।

উল্লেখ্য,
শরীফ কমিশন
⇒ আইয়ুব খান ক্ষমতায় এসে ১৯৫৮ সালে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষক এস.এম. শরীফকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিশন গঠন করেন এবং পাকিস্তানের পরবর্তী শিক্ষানীতি সম্পর্কে একটি পরিকল্পনা প্রণয়নের দায়িত্ব প্রদান করেন।১ ৯৫৯ সালের আগস্ট মাসে কমিশনের রিপোর্ট সরকারের নিকট হস্তান্তর করা হয় এবং ১৯৬২ সালে তা প্রকাশিত হয়। ইতিহাসে তা শরীফ শিক্ষা কমিশন নামে পরিচিত।

উৎস: ইতিহাস, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৯,১৬৬.
জুলাই অভ্যুত্থানে মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ কত তারিখে নিহত হন?
  1. ১৬ জুলাই
  2. ১৮ জুলাই
  3. ১৪ জুলাই
  4. ৩ আগষ্ট
সঠিক উত্তর:
১৮ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ জুলাই
ব্যাখ্যা
- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ডিসিপ্লিনের (বিভাগ) ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন মীর মাহফুজুর রহমান মুগ্ধ।
- ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে তিনি মারা যান।
- মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত তিনি আন্দোলনরত ক্লান্ত–শ্রান্ত শিক্ষার্থী ও জনতাকে পানি পান করাচ্ছিলেন।
- ‘ভাই, পানি লাগবে পানি’ বলে মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়ে তাঁর গুলিবিদ্ধ হওয়ার দৃশ্য দেশবাসীর হৃদয় নাড়িয়ে দেয়। 
----------------------------------------------------
• বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সাধারণ শিক্ষার্থীদের একটি আন্দোলন।
- কোটা সংস্কারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা আন্দোলনটিই পরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হিসেবে রূপ লাভ করে।
- নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে তখনকার সরকারের পতনের মধ্য দিয়ে ছাত্র আন্দোলনটি চূড়ান্ত পরিণতি লাভ করে।
- বাংলাদেশে ২০২৪ সাল পর্যন্ত মোট তিনবার কোটা সংস্কারের জন্য বড় ধরনের আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ৬ জুলাই সব বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজে পরীক্ষা বর্জন, ছাত্র ধর্মঘট ও সড়ক–মহাসড়ক অবরোধের ডাক দেন।
-  ১৬ জুলাই রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরস্ত্র শিক্ষার্থী আবু সাঈদকে পুলিশ গুলিতে হত্যা করে। 

উৎস: প্রথম আলো।
৯,১৬৭.
বাংলাদেশে নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূতের নাম কী?  [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬] 
  1. জন স্মিথ
  2. ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন
  3. ক্রিস্টালিনা জর্জিভা
  4. পিটার হাস
সঠিক উত্তর:
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন
ব্যাখ্যা

• ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন:
- বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূতের নাম ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন।
- ১৯ ডি‌সেম্বর, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে অনুমোদন দি‌য়ে‌ছে মার্কিন সিনেট।
- ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের পুরো নাম ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন। 
- ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। 
- ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। 
- ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

উৎস: বণিক বার্তা ও বাংলা ট্রিবিউন।

৯,১৬৮.
১৯৭১ সালে পল্টন ময়দানে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেছিলেন-
  1. ক) তোফায়েল আহমেদ
  2. খ) শাহজাহান সিরাজ
  3. গ) আ.স.ম. আব্দুর রব
  4. ঘ) নূরে আলম সিদ্দিকী
সঠিক উত্তর:
খ) শাহজাহান সিরাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাহজাহান সিরাজ
ব্যাখ্যা
- ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ।
- ঐদিনই বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেন ডাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
৯,১৬৯.
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ৩০০ নম্বর আসন-
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
খ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় সংসদীয় আসন সংখ্যা একটি করে। বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির সংসদীয় আসন সংখ্যা ১ টি করে। জাতীয় সংসদের ৩০০ নম্বর আসনটি বান্দরবানের।
উৎসঃ সংসদ সচিবালয়ের ওয়েবসাইট।
৯,১৭০.
প্রতি বছর কোন তারিখে বাংলাদেশে 'জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয়?
  1. ক) ২ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ১১ জুলাই
  3. গ) ২ মার্চ
  4. ঘ) ৭ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জনসংখ্যানীতি:
- সাধারণভাবে একটি দেশের জনসংখ্যা বিষয়ে জাতীয় পর্যায়ে পরিকল্পনা গ্রহণ করার জন্য যে দিক নির্দেশনা হয় তাকেই বলা হয় দেশটির জনসংখ্যা নীতি।
- দেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- এ নীতির লক্ষ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করে দেশের নাগরিকদের জীবনমানের উন্নতি এবং দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা। 
- বাংলাদেশের জনসংখ্যানীতির মূল লক্ষ্য বা উদ্দেশ্যগুলো হলো:
১। দেশের সব মানুষের কাছে প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সেবা পৌঁছে দেওয়া । বিশেষ করে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য পরিবার পরিকল্পনার সুযোগ ও অত্যাবশ্যক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা। 
২। পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচি ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা জোরদার করা।
৩। শিশু ও নারীর অপুষ্টির হার কমিয়ে আনা।
৪। ইউনিয়ন পর্যায় পর্যন্ত নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা। থানা ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্রে সার্বক্ষণিক ডাক্তার, নার্স ও প্রয়োজনীয় ঔষধের সরবরাহ নিশ্চিত করা। প্রতিটি গ্রামে প্রসূতিদের নিরাপদ সন্তান জন্মদানের সুযোগ সৃষ্টি করা।
৫। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের মাধ্যমে সর্বত্র ও সকলের কাছে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া।
৬। দরিদ্র জনগোষ্ঠী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবার ব্যবস্থা করা।
৭। দেশের প্রবীণ জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা।
- জনসংখ্যা সম্পর্কে বর্তমানে বাংলাদেশের স্লোগান হচ্ছে ‘দুটি সন্তানের বেশি নয়, একটি হলে ভালো হয়।
- প্রতিবছর ২রা ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশে ‘জাতীয় জনসংখ্যা দিবস' পালন করা হয়

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
৯,১৭১.
চৈনিক ভ্রমণকারী 'হিউয়েন সাং' কার শাসনামলে বাংলা ভ্রমণ করেন?
  1. রাজা চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. রাজা সমুদ্রগুপ্ত
  3. রাজা শশাঙ্ক
  4. রাজা গোপাল
সঠিক উত্তর:
রাজা শশাঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা শশাঙ্ক
ব্যাখ্যা
চৈনিক ভ্রমণকারী 'হিউয়েন সাং' রাজা শশাঙ্ক-এর শাসনামলে বাংলা ভ্রমণ করেন।

হিউয়েন সাং
:
- হিউয়েন-সাং ছিলেন একজন চৈনিক ভ্রমণকারী।
- ফা-হিয়েনের পরবর্তী তীর্থ-ভ্রমণকারী ছিলেন হিউয়েন-সাং।
- তাঁর বিবরণী থেকে সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধের বাংলা সম্পর্কে তথ্য জানা যায়।
- সে সময় উত্তর ভারতে হর্ষবর্ধন, বাংলায় শশাঙ্ক এবং আসামে ভাস্করবর্মণ শাসন করছিলেন।
- ৬২৯ সালে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে হিউয়েন সাং উত্তর ভারতে পৌঁছান।
- হিউয়েন-সাং তৎকালীন বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র নালন্দা মহাবিহারে বেশ কিছুদিন অবস্থান করে পড়াশোনা চালিয়ে যান।
- হিউয়েন-সাং ৬৩৮ সালের দিকে বাংলায় আসেন।
- ৬৪৫ সালে হিউয়েন সাং চীনে প্রত্যাবর্তন করেন।
- ৬৬৪ সালে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বৌদ্ধ রচনার অনুবাদে জীবনের বাকি সময় ব্যয় করেন হিউয়েন সাং। 

অন্যদিকে,
রাজা শশাঙ্ক:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- হিউয়েনসাং শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং শশাঙ্ককে ‘গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- তাঁর বিবরণী থেকে শশাঙ্ক-এর ইতিহাস, বিশেষ করে হর্ষবর্ধনের সঙ্গে তাঁর বৈরিতা এবং শশাঙ্কের ধর্মনীতি সম্পর্কে জানা যায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,১৭২.
রাষ্ট্র কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান
  2. রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
  3. ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান
  4. অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্র :
- রাষ্ট্র একটি রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
- বিশ্বের সকল মানুষ কোনো না কোনো রাষ্ট্রে বসবাস করে।
-  অধ্যাপক গার্নার বলেন, 'সুনির্দিষ্ট ভুখণ্ডে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী, সুসংগঠিত সরকারের প্রতি স্বভাবজাতভাবে আনুগত্যশীল, বহিঃশত্রুর নিয়ন্ত্রণ হতে মুক্ত স্বাধীন জনসমষ্টিকে রাষ্ট্র বলে।'

রাষ্ট্রের ৪টি উপাদান রয়েছে-
(১) জনসমষ্টি
(২) নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
(৩) সরকার ও
(৪) সার্বভৌমত্ব।
এই চারটি উপাদান রাষ্ট্রের জন্য অপরিহার্য। এর কোন একটি না থাকলে রাষ্ট্র গঠিত হতে পারে না।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৯,১৭৩.
‘মাল্টিপল ইনডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে, ২০১৯’ অনুযায়ী, দেশের কত শতাংশ মানুষ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে? [জুন, ২০২৪]
  1. ৯ শতাংশ
  2. ১৩ শতাংশ
  3. ১১ শতাংশ
  4. ১৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ ভাগ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।


দেশে আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকি:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও ইউনিসেফের যৌথ জরিপ প্রতিবেদন ‘মাল্টিপল ইনডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে, ২০১৯’ অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যার ১১ ভাগ আর্সেনিক দূষণের ঝুঁকিতে রয়েছে।
- আর্সেনিকের কবল থেকে সাধারণ মানুষকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
- এতে ২০২৫ সালের মধ্যে আর্সেনিক দূষণ ঝুঁকি ৫-৬ ভাগে নেমে আসবে।

উল্লেখ্য,
- প্রকল্পের আওতায় ২০২৫ সালের মধ্যে ১০ লাখ ৬৫ হাজার আর্সেনিকমুক্ত পানির উৎস স্থাপন করা হবে।
- এ ক্ষেত্রে গভীর নলকূপ ছাড়াও পাইপের মাধ্যমে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যবস্থা এবং পুকুর খনন ও পুনঃখননসহ সৌরচালিত পন্ড স্যান্ড ফিল্টার স্থাপন করা হবে।
- এতে ২০২৫ সালের মধ্যে আর্সেনিক দূষণ ঝুঁকি ৫-৬ ভাগে নেমে আসবে।

উৎস: ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
৯,১৭৪.
ক্রম বিন্যাসে জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর কততম স্তর?
  1. প্রথম স্তর
  2. দ্বিতীয় স্তর
  3. তৃতীয় স্তর
  4. চতুর্থ স্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় স্তর
ব্যাখ্যা
জেলা প্রশাসন:
- জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামাের তৃতীয় স্তর।
- একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন।
- ‘জেলা প্রশাসক’ পদটি সচিবালয়ের উপ-সচিব পদের সমান।
- একজন ডেপুটি কমিশনার এই প্রশাসন এককের প্রধান।
- ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক হল জেলা প্রশাসনের প্রাণ। তাকে কেন্দ্র করেই জেলার সকল কার্যপ্রণালি চালিত হয়।
- জেলার প্রধান হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যসমূহ নিম্নরূপ:
• প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ।
• আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজ।
• রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ।
• উন্নয়নমূলক কাজ।
• সমন্বয় সংক্রান্ত কাজ।
• স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ।
• বিচারিক কাজ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,১৭৫.
দত্তনগর কৃষি খামার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) দিনাজপুর
  3. গ) ঝিনাইদহ
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
দেশের বৃহত্তম কৃষি খামার দত্তনগর কৃষি খামার ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার দত্তনগরে অবস্থিত। এটি ১৯৪০ সালে হেমেন্দ্র নাথ দত্ত নামে এক ব্যক্তি স্থাপন করেন।
১৯৪৮ সালে পাকিস্তান সরকার এটি অধিগ্রহণ করে কৃষি বিভাগের উপর পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করে। বর্তমানে এটি BADC’র অধীনে বীজ উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে।
(সূত্র: ঝিনাইদহ জেলা ওয়েবসাইট)
৯,১৭৬.
তথ্যচিত্র ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’ কোন প্রেক্ষাপটে নির্মিত?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
  4. ২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
শ্রাবণ বিদ্রোহ:
- ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত তথ্যচিত্র ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’।
- তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অধীন চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তরের প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে এই তথ্যচিত্র।
- তথ্যচিত্রটি পরিচালনা করেছেন আরিফুর রহমান।
- জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের নৃশংস ও ভয়াবহ বাস্তবতার রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই ৩০ মিনিটের তথ্যচিত্রে।
- এ তথ্যচিত্রে আন্দোলনকালীন দুর্লভ ভিডিওচিত্র, স্থিরচিত্র ও গ্রাফিতি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’-এর প্রিমিয়ার শো ৭ জুলাই, ২০২৫ জাতীয় জাদুঘরের প্রধান মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র- বাসস। [link]
৯,১৭৭.
'ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' কোন সালে গঠিত হয়?
  1. ১৬০০
  2. ১৬০১
  3. ১৬৫০
  4. ১৭৫০
সঠিক উত্তর:
১৬০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০০
ব্যাখ্যা

• ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:

- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয় এবং ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে। এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৯,১৭৮.
কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সমতলে বাস করে?
  1. খুমি
  2. হাজং
  3. খিয়াং
  4. চাক
সঠিক উত্তর:
হাজং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজং
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ৫০ টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগোষ্ঠী বসবাস রয়েছে।
- পার্বত্য তিন জেলায় পার্বত্য বাঙালিসহ ১৩ টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করছে।
- তারা হল পার্বত্য বাঙালি, চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, বম, পাংখোয়া, খিয়াং, খুমি, চাক, লুসাই, রাখাইন এবং তঞ্চঙ্গ্যা।
- দেশের সমতল ভূমির মধ্যে রাজশাহী, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেটে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জনগোষ্ঠী বসবাস করে।
- সমতলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সাঁওতাল, ওরাঁও, মুণ্ডা, মাহালি, পাহান, বর্মন, কোরা, মুশোর, গারো এবং হাজং ইত্যাদি।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক। [লিঙ্ক]
৯,১৭৯.
‘জয় বাংলার ধ্বনি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক -
  1. ক) রফিকুল আনোয়ার (রাসেল)
  2. খ) মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম খন্দকার
  3. গ) তানভীর মোকাম্মেল
  4. ঘ) ফাখরুল আরেফিন খান
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম খন্দকার
ব্যাখ্যা
২০২১-২২ অর্থবছরে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দুইটি চলচ্চিত্র - ‘জয় বাংলার ধ্বনি’ ও ‘একাত্তর-করতলে ছিন্নমাথা’।
জয় বাংলার ধ্বনি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক - মোহাম্মদ খোরশেদুল আলম খন্দকার।
‘একাত্তর-করতলে ছিন্নমাথা’ চলচ্চিত্রের পরিচালক - রফিকুল আনোয়ার (রাসেল)।
‘জেকে ১৯৭১’ চলচ্চিত্রটির নির্মাতা - ফাখরুল আরেফিন খান।
 
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
৯,১৮০.
পাল রাজারা প্রায় কত বছর রাজত্ব করেন?
  1. পঞ্চাশ বছর
  2. একশ বছর
  3. দুইশ বছর
  4. চারশ বছর 
সঠিক উত্তর:
চারশ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারশ বছর 
ব্যাখ্যা
পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠা:
- প্রাচীন বাংলার রাজবংশসমূহের তালিকায় পালবংশ বিখ্যাত একটি রাজবংশ।
- এই বংশই বাংলার সর্বপ্রথম দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ বলে ধারণা করা হয়।
- পাল রাজারা প্রায় চারশ বছর যাবৎ এদেশে রাজত্ব করেন।
- ৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে রাজা গোপাল বাংলায় পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- এক অরাজকতাপূর্ণ অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় সামন্তরা গোপালকে ক্ষমতায় বসান।
- রাজা গোপালের প্রতিষ্ঠিত রাজবংশই পাল বংশ নামে ইতিহাসে প্রসিদ্ধ হয়ে আছে।

⇒ পাল বংশের পতন:
- রাজা রামপালের মৃত্যুর পর পাল সাম্রাজ্যের পতন শুরু হয়। অল্পদিনের মধ্যেই বিলুপ্ত হয়ে যায় পাল রাজবংশ। সমাপ্ত হয় দীর্ঘ ৪শ বছরের পাল শাসন। এভাবে বাংলার ক্ষমতার মসনদে অন্য একটা রাজবংশ প্রতিষ্ঠিত হবার পথ সৃষ্টি হয়ে যায়।
- পাল বংশের পতনের পর বাংলায় সেন বংশের উত্থান ঘটে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,১৮১.
আউশ ধান উত্তোলনের সময়-
  1. ক) মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি
  2. খ) মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট
  3. গ) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  4. ঘ) ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
সঠিক উত্তর:
খ) মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট
ব্যাখ্যা
আউশ ধান রোপনের সময়কাল =মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
আউশ ধান উত্তোলনের সময়কাল =মধ্য জুলাই – মধ্য আগস্ট।

আমন ধান রোপনের সময়কাল =জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
আমন ধান উত্তোলনের সময়কাল = ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

বোরো ধান রোপনের সময়কাল = মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
বোরো ধান উত্তোলনের সময়কাল = এপ্রিল – মে।

তথ্যসূত্র- কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০।
৯,১৮২.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন্‌ সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ২ (দুই) নম্বর
  2. ৩ (তিন) নম্বর
  3. ৪ (চার) নম্বর
  4. ৫ (পাঁচ) নম্বর
সঠিক উত্তর:
২ (দুই) নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ (দুই) নম্বর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরসমূহ:
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।

- ২ নং সেক্টরের অন্তর্ভূক্ত অঞ্চল - ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে।
- আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে - ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর।
- এই সেক্টরে ৬টি সাব-সেক্টর ছিল।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন - প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

মুক্তিযুদ্ধের অন্যান্য সেক্টর: 
সেক্টর নং - ১:
- ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী পর্যন্ত ছিল ‘সেক্টর নং ১’।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর রফিকুল ইসলাম।
- আর এই সেক্টরকে পাঁচটি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।

সেক্টর নং - ৩:
- হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৩’ এর আওতায়।
- এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর কেএম শফিউল্লাহ। সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মেজর এএনএম নুরুজ্জামান।
- আর এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।

সেক্টর নং - ৪:
- সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ৪’। এই সেক্টরেও ছিল ৬টি সাব-সেক্টর।
- মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর সিআর দত্ত (পরে মেজর জেনারেলা) এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।

সেক্টর নং - ৫:
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ‘সেক্টর নং ৫‘ গঠিত হয় ।
- মেজর মীর শওকত আলী ছিলেন সেক্টর কমান্ডার।
- এই সেক্টরকেও ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়ছিল।

সেক্টর নং - ৬:
- দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৬’।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এমকে বাশার। এই সেক্টরে ছিল ৫টি সাব-সেক্টর।

সেক্টর নং - ৭:
- রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৭’ এর অন্তর্ভুক্ত।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তিনজন -মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর (পরে লে. কর্নেল) কাজী নুরুজ্জামান।
- এই সেক্টরে ছিল ৯টি সাব-সেক্টর।

সেক্টর নং - ৮:
- কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৮’ এর অন্তর্ভুক্ত।
- এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর (পরে লে.কর্নেল) আবু ওসমান চৌধুরী ও আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর (পরে মেজর জেনারেল) এম এ মঞ্জুর।
- এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।

সেক্টর নং - ৯:
- পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৯’।
- ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল এবং তারপর মেজর জয়নাল আবেদীন। এছাড়াও অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন মেজর এম এ মঞ্জুর।
- এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।

সেক্টর নং - ১০:
- সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন ছিল ‘সেক্টর নং ১০’ এর অধীনে।
- এ সেক্টরে নৌ কমান্ডোরা যখন যে সেক্টরে মিশনে নিয়োজিত থাকতেন, তখন সে সেক্টরের কমান্ডারের নির্দেশে কাজ করতেন।
- এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার। প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।

সেক্টর নং - ১১:
- কিশোরগঞ্জ বাদে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ১১’।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান।
- নভেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু তাহের ও তারপর ফ্লাইট লেফট্যান্যান্ট (পরে উইং কমান্ডার) এম হামিদুল্লাহ খান।
- এই সেক্টরকে ৭টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল।

উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া এবং BBC বাংলা প্রতিবেদন।
৯,১৮৩.
সংবিধান সংস্কার কমিশন 'প্রজাতন্ত্র' এর পরিবর্তে কোন শব্দটি পরিবর্তন করার সুপারিশ করেছেন? 
  1. লোকতন্ত্র
  2. নাগরিকতন্ত্র 
  3. জনতন্ত্র 
  4. মানবিকতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
নাগরিকতন্ত্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগরিকতন্ত্র 
ব্যাখ্যা

নাগরিকতন্ত্র:
- কমিশন সুপারিশ করছে যে, সংবিধানের প্রযোজ্য সকল ক্ষেত্রে 'প্রজাতন্ত্র' এবং 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' শব্দগুলোর পরিবর্তে 'নাগরিকতন্ত্র' এবং 'জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ' শব্দগুলো ব্যবহৃত হবে। তবে ইংরেজি সংস্করণে "Republic" ও "People's Republic of Bangladesh" শব্দগুলো থাকছে।
- ভাষা নাগরিকতন্ত্রের রাষ্ট্র ভাষা হবে '-বাংলা'। সংবিধানে বাংলাদেশে নাগরিকদের মাতৃভাষা হিসেবে ব্যবহৃত সকল ভাষা এ দেশের প্রচলিত ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হবে।
-  নাগরিকত্ব 'বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি...' কমিশন এই বিধানটি বিলুপ্ত করার সুপারিশ করছে।
- সুপারিশ করা হচ্ছে যে, বর্তমান অনুচ্ছেদ ৬(২) নিম্নোক্তভাবে সংশোধন করা হোক "বাংলাদেশের নাগরিকগণ
'বাংলাদেশি' বলে পরিচিত হবেন" হিসেবে প্রতিস্থাপিত হোক।
- সংবিধান বিষয়ক অপরাধ ও সংবিধান সংশোধনের সীমাবদ্ধতা কমিশন সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৭ক এবং ৭খ বিলুপ্তির সুপারিশ করছে।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন।[ লিঙ্ক]

৯,১৮৪.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন-
  1. ১০ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৯ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৮ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৭ আগস্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।
- প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- মোট উপদেষ্টা: ২৩ জন।
- নারী উপদেষ্টা রয়েছে ৪ জন।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

৯,১৮৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ৬ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন কে?
  1. মেজর সি আর দত্ত
  2. মেজর মীর শওকত আলী
  3. উইং কমান্ডার খাদেমুল বাশার
  4. মেজর নাজমুল হক
সঠিক উত্তর:
উইং কমান্ডার খাদেমুল বাশার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইং কমান্ডার খাদেমুল বাশার
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার কতগুলো সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
মুক্তিকালীন ১১টি সেক্টরের কমান্ডারগণ:
১ নং সেক্টর:
- মেজর জিয়াউর রহমান
- মেজর রফিকুল ইসলাম
২ নং সেক্টর:
- মেজর খালেদ মোশাররফ
- মেজর এ.টি.এম হায়দার
৩ নং সেক্টর:
- মেজর কে. এম শফিউল্লাহ
- মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান
৪ নং সেক্টর:
- মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
- ক্যাপ্টেন এ রব
৫ নং সেক্টর:
- মেজর মীর শওকত আলী
৬ নং সেক্টর:
- উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার
৭ নং সেক্টর:
- মেজর নাজমুল হক
- সুবেদার মেজর এ. রব
- মেজর কাজী নূরুজ্জামান
৮ নং সেক্টর:
- মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
- মেজর এম.এ মঞ্জুর
৯ নং সেক্টর:
- মেজর এম.এ জলিল
- মেজর এম. এ মঞ্জুর ও
- মেজর জয়নাল আবেদীন
১০ নং সেক্টর: কোন নিয়মিত সেক্টর ছিলো না
১১ নং সেক্টর:
- মেজর এম. আবু তাহের
- স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৯,১৮৬.
নিচের কোন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারো পরামর্শ গ্রহণে বাধ্য নয়?
  1. ক) সংসদ অধিবেশন আহবান
  2. খ) জরুরি অবস্থা ঘোষণা
  3. গ) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও শাসন বিভাগের সর্বোচ্চ ব্যক্তি। কিন্তু সাংবিধানিকভাবে তার ক্ষমতা খুবই সীমিত।
তিনি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ব্যতীত অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করে থাকেন।
শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতার অধিকারি প্রধানমন্ত্রী ও তার নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভা।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৯,১৮৭.
ঐতিহাসিক ৬-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. বিল অব রাইটস
  2. ম্যাগনাকার্টা
  3. পিটিশন অব রাইটস
  4. মুখ্য আইন
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
• ৬ দফা:
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
-  ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব। পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার হয়।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনাকার্টা’ বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।

• ৬ দফার দাবিসমূহ নিম্নরূপ:
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৪. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক ক্ষমতা।
৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১, পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৯,১৮৮.
প্রাচীন নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা লাভ করে কোন যুগে?
  1. ক) মৌর্য যুগে
  2. খ) সেন যুগে
  3. গ) গুপ্ত যুগে
  4. ঘ) পাল যুগে
সঠিক উত্তর:
গ) গুপ্ত যুগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) গুপ্ত যুগে
ব্যাখ্যা
• পালযুগ:
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় যে মাৎস্যন্যায় বা মাছের রাজত্ব চলছিল গোপাল সেই শত বছরের অরাজকতার অবসান ঘটিয়ে রাজা হন এবং পাল বংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- পাল রাজা ধর্মপাল উত্তর ভারতের রাজনীতিতে অংশ নেন ।
- গুপ্ত সম্রাটরা নালন্দা মহাবিহারের নির্মাতা। পাল রাজাদের (আট থেকে বারো শতক) সময়ে এটি বিভিন্ন কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দু ছিল।
- প্রাচীন বাংলার প্রথম দেশজ রাজশক্তি এবং আধুনিক বাঙালি জাতি গঠনের প্রাচীনতম পাল বংশ মহীপালের সময় থেকে দুর্বল হতে থাকে।
- রামপালকে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,১৮৯.
When was the Mujibnagar government formed?
  1. ক) March 16, 1971
  2. খ) April 10, 1971
  3. গ) April 17, 1971
  4. ঘ) April 13, 1971
সঠিক উত্তর:
খ) April 10, 1971
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) April 10, 1971
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।
- পরবর্তীকালে স্বাধীনতাযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রধানত নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের সুবিধার্থে এ সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতায় স্থানান্তর হয়।
- এ সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তাই তাঁরই নামানুসারে বৈদ্যনাথতলার নতুন নামকরণ হয় মুজিবনগর এবং অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।

তথ্যসূত্র: - ইতিহাস তৃতীয় পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯,১৯০.
পায়রা সেতুর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) China Road and Bridge Corporation
  2. খ) China Machinery Import & Export Corporation
  3. গ) Longjian Road and Bridge Construction
  4. ঘ) Kokosing Construction Company
সঠিক উত্তর:
গ) Longjian Road and Bridge Construction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Longjian Road and Bridge Construction
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দক্ষিণ বাংলার মানুষের স্বপ্নের পায়রা সেতু উদ্বোধন করেন ২৪ অক্টোবর ২০২১।
- সেতুটি পায়রা নদীর উপর ঢাকা - বরিশাল - পটুয়াখালী - কুয়াকাটা মহাসড়কে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী এলাকায় নির্মিত।
-  নদীর তলদেশে দেশের দীর্ঘতম পাইল বসানো হয়েছে যা ১৩০ মিটার দীর্ঘ।
- সেতুটিতে বাতি জ্বলবে সৌর বিদ্যুতের সাহায্যে। চার লেন বিশিষ্ট সেতুটিতে ব্যবহৃত হয়েছে “এক্সট্রাডোজড ক্যাবল স্টেইড” প্রযুক্তি। 
- নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান: Longjian Road and Bridge Construction
- নির্মাণ ব্যয়: ১৪৪৭ কোটি ২৪ লাখ টাকা
- অর্থায়ন: ৮২ ভাগ অর্থায়ন করে Kuwait Fund for Arab Economic Development (KFAED) এবং OPEC Fund for International Development (OPEC Fund) আর বাকি টাকা বাংলাদেশ সরকার।
৯,১৯১.
ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কখন বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করে?
  1. ১৭৫৫ সালে
  2. ১৭৬৯ সালে
  3. ১৭৬৫ সালে
  4. ১৭৪৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৬৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬৫ সালে
ব্যাখ্যা

ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি — ১৭৬৫ সালে — বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করে

কোম্পানির দেওয়ানি লাভ:
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে দেওয়ানি লাভের পর প্রকৃতপক্ষে ইংরেজরাই বাংলার সত্যিকার শাসকরূপে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময়ে ইংরেজ কোম্পানি মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার রাজস্ব আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব লাভে সক্ষম হয়।
- বক্সারের যুদ্ধে বাংলার নবাব, অযোধ্যার নবাব এবং দিল্লীর সম্রাটের পরাজয় ইংরেজ শক্তিকে এই ক্ষমতা লাভের সুযোগ করে দেয়।
- বক্সারের যুদ্ধের পর — ক্লাইভ দ্বিতীয়বার (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ) ভারতবর্ষে এলে পরিস্থিতি পাল্টে যায়।
- ক্লাইভ দেশ থেকে ফিরে অযোধ্যার পরাজিত নবাবের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করেন।
- তার বিনিময়ে আদায় করে নেন — কারা ও এলাহাবাদ জেলা দুটি।
- যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ আদায় করেন পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।

- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে — কোম্পানিকে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি দান করা হয়।
- মোগল সম্রাট — দ্বিতীয় শাহ্ আলম একটি ফরমানের মাধ্যমে — বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি ইংরেজ কোম্পানির হাতে তুলে দেন।
- ইংরেজরা এর বিনিময়ে শাহ্ আলমকে বছরে ২৬ লক্ষ টাকা দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয়।
- ইতিহাসে এটি — এলাহাবাদ চুক্তি নামে পরিচিত।
- ১৭৬৫ সালের ১২ই অগাস্ট এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭৫৭ সালে পলাশির যুদ্ধে জয়ী হয়ে 'ব্রিটিশ ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি' বাংলা তথা ভারতবর্ষে তাদের কর্তৃত্বের ভিত্তি রচনা করেন।
- ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে বাংলা, বিহার, অযোধ্যা ও দিল্লির সম্রাটের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করলে, ইংরেজদের সেই ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।

৯,১৯২.
বাংলাদেশে উৎপাদিত মৎসের কত শতাংশ ইলিশ থেকে আসে?
  1. ক) ১.২ শতাংশ
  2. খ) ৫.৬ শতাংশ
  3. গ) ৮.৯ শতাংশ
  4. ঘ) ১২.১৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২.১৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১২.১৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ ১ম।
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের ১২.১৫ শতাংশ আসে শুধু ইলিশ থেকে।
- দেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান এক শতাংশের অধিক।
- একক প্রজাতি হিসেবে ইলিশের অবদান সর্বোচ্চ; বাংলাদেশ ইলিশ শীর্ষক ভৌগোলিক নিবন্ধন সনদ (জিআই সনদ) প্রাপ্তিতে নিজস্ব পরিচয় নিয়ে বিশ্ববাজারে     বাংলাদেশের ইলিশ সমাদৃত।
- পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ইলিশ উৎপাদনকারী বাংলাদেশ ‘ইলিশের দেশ’ হিসেবে পরিচিত। 
- তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৪র্থ এবং এশিয়ার মধ্যে ৩য় স্থান অধিকার করেছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০২১
৯,১৯৩.
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে?
  1. সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি
  2. মুক্তবাজার অর্থনীতি
  3. মিশ্র অর্থনীতি
  4. পুঁজিবাদী অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
মিশ্র অর্থনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশ্র অর্থনীতি
ব্যাখ্যা

• মিশ্র অর্থ ব্যবস্থা:
- ধনতান্ত্রিক ও সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার সংমিশ্রণই হচ্ছে মিশ্র অর্থব্যবস্থা।
- অর্থাৎ মিশ্র অর্থব্যবস্থা এমন একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা যেখানে উৎপাদন, ভোগ, বণ্টন ইত্যাদি অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে স্বয়ংক্রিয় বাজার ব্যবস্থার সাথে সাথে সরকারি নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার সংমিশ্রণ ঘটে।
- এ ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় অনেক অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত ব্যক্তি বা ফার্ম বাজার ব্যবস্থার মাধ্যমে নিয়ে থাকে।
- আবার সরকারও সম্পদের বণ্টনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
বর্তমান সময়ে কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই বিশুদ্ধ ধনতান্ত্রিক বা বিশুদ্ধ সমাজতান্ত্রিক নয়।
- অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশসমূহে এ দু'ধরনের অর্থব্যবস্থার বৈশিষ্ট্যসমূহ দেখা যায়।
- অর্থাৎ এসব দেশে মিশ্র অর্থনীতি বিদ্যমান।
- বৃটেন, কানাডা, জাপান, ভারত, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।
- ভারত, বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশে মিশ্র অর্থব্যবস্থা প্রচলিত।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,১৯৪.
BIPSOT-বলতে কী বোঝেন?
  1. ক) Bangladesh Institute of Public Service Officers Training
  2. খ) Bangladesh International Peace Support Overseas Training
  3. গ) Bangladesh Institute of Peace Support Operation Training
  4. ঘ) Bangladesh Inland Police Service Operation and Training
সঠিক উত্তর:
গ) Bangladesh Institute of Peace Support Operation Training
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Bangladesh Institute of Peace Support Operation Training
ব্যাখ্যা
Bangladesh Institute of Peace Support Operation Training - BIPSOT. সুত্রঃ অফিসিয়াল সাইট।
৯,১৯৫.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক কে?
  1. ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
  2. ড. মোহাম্মদ শাহজাহান
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. ড. আকবর আলি খান
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র ঋণ:
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

⇒ বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মুহাম্মদ ইউনুসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক বিশেষ আইনবলে যাত্রা শুরু করে ১৯৮৩ সালে।
- এ গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বহুমাত্রিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বিপ্লবের সূচনা হয়।
- এ জন্য ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে যৌথভাবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারও পান ড. মুহাম্মদ ইউনুস।

উল্লেখ্য,
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া।
- সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে।
- প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।
- এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো ও বিবিসি বাংলা পতিকার রিপোর্ট।

৯,১৯৬.
কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ নৃপতি কে ছিলেন?
  1. হুবিষ্ক
  2. কনিষ্ক
  3. বাসুদেব
  4. শশাঙ্ক
সঠিক উত্তর:
কনিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কনিষ্ক
ব্যাখ্যা

কুষাণ যুগ:
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ নৃপতি ছিলেন কনিষ্ক। 
- উমহাদেশে প্রথম স্বর্ণমুদ্রা চালু করেন কুষাণ সম্রাটগণ।
- কুষাণ সম্রাট বীম কদফিসেসই সম্ভবত সর্বপ্রথম স্বর্ণমুদ্রা প্রবর্তন করেন যেখানে মুদ্রার উপরিপৃষ্ঠে বেদিতে যজ্ঞরত রাজার প্রতিকৃতি উৎকীর্ণ রয়েছে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ মনে করেন, এই বিশেষ প্রতিকৃতি পার্থিয়ান রাজা গোটার্জেসের স্বর্ণমুদ্রার নকশা দ্বারা প্রভাবিত।
- তবে পরবর্তীকালের কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক ও হুবিষ্ক তাদের স্বর্ণমুদ্রায় বিভিন্ন ধরনের নকশা ও প্রতীক ব্যবহার করেছেন যেগুলো আলাদাভাবে বিশ্লেষণের দাবি রাখে।
- প্রত্নতাত্ত্বিকগণ বাংলার বিভিন্ন প্রত্নস্থান থেকে কুষাণ সম্রাট কনিষ্ক, হুবিষ্ক ছাড়াও মহানাদ কুষাণ, প্রথম বাসুদেব ও দ্বিতীয় বাসুদেবের স্বর্ণমুদ্রা আবিষ্কার করেছেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, বিবিএ বাংলা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯,১৯৭.
তমদ্দুন মজলিসের নেতৃত্বদানকারী অধ্যাপক আবুল কাশেম কোন বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন?
  1. পদার্থবিজ্ঞান
  2. রসায়ন
  3. গণিত
  4. জীববিজ্ঞান
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদার্থবিজ্ঞান
ব্যাখ্যা

• ভাষা আন্দোলনের পটভূমি:
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল।
- সে সময় মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতারা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মতামত দেন।
- তখনই আবদুল হক ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়।
- তমদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 

৯,১৯৮.
সুজন সংগঠনটি প্রথম কী নামে আত্মপ্রকাশ করে?
  1. সিএফই
  2. এইচজিসি
  3. পিএসই
  4. এসপিসি
সঠিক উত্তর:
সিএফই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিএফই
ব্যাখ্যা
সুজন:
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ১২ নভেম্বর ২০০২ তারিখে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তথ্যসূত্র - সুজন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৯,১৯৯.
'Sultana's Dream' বইটি কার লেখা?
  1. নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী
  2. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  3. বেগম সুফিয়া কামাল
  4. সুলতানা রাজিয়া
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা
'Sultana's Dream' বইটি রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন-এর লেখা।

রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:

- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

উল্লেখ্য,
- নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস পালন করা হয়।

রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২), Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮), পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪), অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১) প্রভৃতি।
- মতিচূর, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতি গ্রন্থে রোকেয়ার ঐকান্তিক স্বপ্নই এক অভিনব রূপ পেয়েছে। মতিচূর ২য় খন্ডে আছে ‘সৌরজগৎ’, ‘ডেলিসিয়া হত্যা’ (মেরী করেলী রচিত Murder of Delicia, ১৮৯৬ উপন্যাসের গল্পাংশের অনুবাদ), ‘জ্ঞান-ফল’, ‘নারী-সৃষ্টি’, ‘নার্স নেলী’, ‘মুক্তি-ফল’ প্রভৃতি গল্প ও রূপকথা।
- এছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।

Sultana’s Dream:
- Sultana’s Dream গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯,২০০.
বাংলাদেশে ব্যাংকাসুরেন্স আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয় কবে?
  1. ১ মার্চ, ২০২৪
  2. ৩ মার্চ, ২০২৪
  3. ৫ মার্চ, ২০২৪
  4. ৭ মার্চ, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ, ২০২৪
ব্যাখ্যা
• ব্যাংকাস্যুরেন্স:
- জাতীয় বিমা দিবস উপলক্ষে ১ মার্চ,২০২৪ উদ্বোধন করা হয় ব্যাংকে বিমাপণ্য বেচাকেনার সেবা ‘ব্যাংকাসুরেন্স’।
- এই সেবা উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ব্যাংক গ্রাহকদের কাছে বিমা পরিষেবা বিক্রির ব্যবস্থা ‘ব্যাংকাসুরেন্স’ নামে পরিচিত।
- এখানে ব্যাংকগুলো কেবল করপোরেট প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করবে। তারা নিজেদের গ্রাহকদের বিমা পলিসি সম্পর্কে জানাবে এবং আগ্রহী গ্রাহকদের কাছে সেগুলো বিক্রি করবে।
- প্রাথমিকভাবে দেশের কয়েকটি বেসরকারি ব্যাংকের কিছু শাখায় সেবাটি মিলবে। ধীরে ধীরে তাদের সব শাখায় এবং অন্যান্য ব্যাংকও ব্যাংকাস্যুরেন্স সেবা দেবে। 

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক (১মার্চ, ২০২৪)।