বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৯০ / ৩০৬ · ৮,৯০১৯,০০০ / ৩০,৮৩২

৮,৯০১.
‘স্থাপত্য’ ক্যাটাগরিতে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২' অর্জন করেন-
  1. ক) মরহুম সিরাজুল হক
  2. খ) সিরাজ উদদীন আহমেদ
  3. গ) সৈয়দ মাইনুল হােসেন
  4. ঘ) মাে. কামরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ মাইনুল হােসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ মাইনুল হােসেন
ব্যাখ্যা

- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ‘স্থাপত্য’ ক্যাটাগরিতে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২' অর্জন করেন সৈয়দ মাইনুল হােসেন।
- স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ
বীর মুক্তিযােদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
শহিদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
জনাব আব্দুল জলিল
জনাব সিরাজ উদদীন আহমেদ
মরহুম মােহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস
মরহুম সিরাজুল হক
- চিকিৎসাবিদ্যা
অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া
অধ্যাপক ডাঃ মাে. কামরুল ইসলাম
- গবেষণা ও প্রশিক্ষণ
বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিডব্লিউএমআরআই)।

তথ্যসূত্র- মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ।

৮,৯০২.
নিচের কোনটি আমের জাত?
  1. ক) লক্ষনভোগ
  2. খ) মোহর
  3. গ) দুলাভোগ
  4. ঘ) বর্ণালি
সঠিক উত্তর:
ক) লক্ষনভোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লক্ষনভোগ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের জাত:

- আম - লক্ষনভোগ, মল্লিকা, দুধ সর, হিমসাগর, চোষা, আম্রপালি।
- ভুট্টা - বর্ণালি, শুভ্রা , খই ভুট্টা, মোহর।
- ধান - দুলাভোগ, চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, আশা, সুফলা।

তথ্যসূত্র -  দৈনিক প্রথম আলো,৬ মে ২০২৩।
                  বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
                  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৮,৯০৩.
কোন আন্দোলনে হিন্দু মুসলিম সবাই সক্রিয়ভাবে যোগদান করেছিল?
  1. অসহযোগ আন্দোলন
  2. ওয়াহাবী আন্দোলন
  3. ফরায়েজি আন্দোলন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অসহযোগ আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন:
→ হিন্দু ও মুসলমানের মিলিত সংগ্রাম হিসেবে উপমহাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলন এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
→ আন্দোলন দুটি ছিল ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে প্রথম ব্যাপক ও জাতীয় ভিত্তিক গণআন্দোলন।
→ হিন্দু-মুসলমানের এই ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ভিত কাঁপিয়ে দেয়।
→ এই ঐক্য স্বল্পকালের হলেও সারা ভারতের জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক চেতনা ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯০৪.
'জমিদারী প্রথা' কখন বিলুপ্ত হয়?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৫১ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
জমিদারি প্রথা:
- জমিদারি প্রথার বিলোপ  বিশ শতকে ভারতীয় জাতীয়তাবাদ।
- কৃষক রাজনীতি ছিল সম্পূর্ণরূপে জমিদারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে।
- অধিকাংশ জমিদার হিন্দু ছিলেন বলে পল্লী অঞ্চলের জনসংখ্যার সিংহভাগ মুসলমান কৃষকসমাজ ছিল প্রবলভাবে জমিদারদের বিরোধী।
- ১৯৩৭ সালে সকল রাজনৈতিক দল অঙ্গীকার করে যে, তারা নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় গেলে জমিদারি প্রথা বিলোপ করা হবে।
- মুসলিম লীগ ও কৃষক প্রজা পার্টি এর কোয়ালিশন সরকার জমিদারি প্রথা সম্পর্কে রিপোর্ট দানের জন্য একটি কমিশন গঠন করে।
- ফ্লাউড কমিশন নামে পরিচিত সে কমিশন চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বাতিলের সুপারিশ করে।
- ১৯৫০ সালে ইস্ট বেঙ্গল স্টেট অ্যাকুইজিশন অ্যাক্ট-এর অধীনে জমিদারি প্রথার বিলোপ ঘটে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৯০৫.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন সেক্টরে নিয়মিত কোন সেক্টর কমান্ডার ছিলো না?
  1. ক) ৭ নং সেক্টর
  2. খ) ৮ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১০ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
•  তার মধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
• ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
• যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৯০৬.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত চরমপত্র এর এর নামকরণ করেন কে?
  1. কামাল লোহানী 
  2. এম আর আখতার মুকুল 
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. আশফাকুর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
আশফাকুর রহমান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশফাকুর রহমান খান
ব্যাখ্যা

চরমপত্র:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র- থেকে প্রচারিত সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান চরমপত্র।
- চরমপত্র মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র- থেকে প্রচারিত সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।
- এর নামকরণ করেন বেতার কেন্দ্রের একটি বিভাগের সমন্বয়কারী আশফাকুর রহমান খান।
- এটি রচনা ও প্রচার করেন এম আর আখতার মুকুল।
- এম আর আখতার মুকুল ছাত্রজীবনে সক্রিয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন ভাষাসৈনিক। তিনি বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় সাংবাদিকতা করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি তথ্য ও প্রচার অধিকর্তা ছিলেন।
- চরমপত্র হলো একটি কথিকা যা ১৯৭১ সালের ২৫ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত হতো।
- এটির পরিচালক, লেখক ও কথক ছিলেন এম আর আখতার মুকুল।
- ঢাকাইয়া ভাষায় তার এ অনুষ্ঠানটি মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছিলো।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র।

৮,৯০৭.
মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব কে  পালন করেন? 
  1. এ কে খন্দকার
  2. এম এ জি ওসমানী
  3. এম এ রব
  4. কে এম শফিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
এম এ রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম এ রব
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের-
- মুক্তিযুদ্ধে প্রধান সেনাপতি ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ জি ওসমানী।
- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি/সরকার প্রধান/ ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ রব।
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - এ কে খন্দকার।

এছাড়াও,
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন- সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- এম.মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ওয়েবসাইট। 
৮,৯০৮.
বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর এর নাম কি?
  1. ক) ডাউকি
  2. খ) কৃষ্ণনগর
  3. গ) পেট্রোপোল
  4. ঘ) সুতারকান্দি
সঠিক উত্তর:
গ) পেট্রোপোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পেট্রোপোল
ব্যাখ্যা
• বেনাপোল স্থলবন্দর:
- যশোর জেলার শার্শা উপজেলাধীন বেনাপোল স্থলবন্দর দেশের সর্ববৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- এ স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশ পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা জেলার বনগাঁ থানার পেট্রাপোলে আইসিপি অবস্থিত।
- শূল্ক আইন ১৯৬৯ এর আওতায় ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশনের অধীনে বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- এর ধারা মোতাবেক প্রঞ্জাপন নং-এস আর ও নং-৪৯৩/ডি/কাস/৭৯, তারিখ ০৬-০৭-১৯৭৯ এর  মাধ্যমে ওয়্যারহাউজিং স্টেশন ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭৯ সালের অক্টোবরে ওয়্যারহাউজিং কর্পোরেশন বিলুপ্ত হওয়ার পর বেনাপোল শূল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পাট মন্ত্রণালয়ের বিলুপ্ত সেল এর উপর ন্যাস্ত হয়।
- ১৯৮৪ সালে বেনাপোল শূল্ক স্টেশনের ব্যবস্থাপনা ও তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব মংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের উপর ন্যাস্ত হয়।
- ২০০২ সালে বেনাপোল শূল্ক স্টেশন কে স্থলবন্দর ঘোষণা করে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের অধীন ন্যাস্ত করা হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৮,৯০৯.
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করে কত সালে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নির্বাচন কমিশনের অধীন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে শতাধিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছে।

⇒ ২০০৮ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করে।
- ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের মূল আইনে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কোনো বিধান না থাকলেও রাজনীতির প্রতি বিতশ্রদ্ধ ১/১১ সরকার ১৯৭২ সালের Representation of People Order (RPO) পরিবর্তন করে সংশোধন আকারে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের Representation of People (Amendment) Ordinance, 2008 নামক একটি আইন করে।
- এই আইনে ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের একটি অতিরিক্ত অধ্যায় সংযোজন করা হয়।
- উক্ত অধ্যায়ে ৯টি ধারা (৯০এ থেকে ৯০আই) রয়েছে।
- ৯০এ অনুসারে নির্বাচনে অংশগ্রণেচ্ছু দলসমূহকে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হতে হবে।

⇒ ৯০বি(১)এ ধারার বিধি অনুসারে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন পেতে হলে:
(i) বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দরখাস্ত দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের যে কোনো একটিতে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে কমপক্ষে একটি আসন লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(ii) উক্তরূপ নির্বাচনের যেকোন একটিতে দরখাস্তকারী দল কর্তৃক নির্বাচনে অংশগ্রহণকৃত আসনসমূহে প্রদত্ত মোট ভোট সংখ্যার ৫% ভোট লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(iii) কেন্দ্রীয় কমিটি ও অফিস, অফিসসহ কমপক্ষে ১০টি জেলা কমিটি এবং অফিসসহ কমপক্ষে ৫০টি উপজেলা/থানা কমিটি থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
- ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এটিএম শামছুল হুদার নির্বাচন কমিশন ভোটে অংশ নিতে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধান চালু করে।
- ওই বছরই প্রথম দফায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৮,৯১০.
কোনটি বিচার বিভাগের কার্যক্রমের মধ্যে পড়ে না?
  1. ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা
  2. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা
  3. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা
  4. আইন তৈরি করা
সঠিক উত্তর:
আইন তৈরি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন তৈরি করা
ব্যাখ্যা
- আইন তৈরি করা - বিচার বিভাগের কার্যক্রমের মধ্যে পড়ে না। 
- আইন প্রণয়নকারী কর্তৃপক্ষ আইন বিভাগ।

বিচার বিভাগ:

- বিচার বিভাগ সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে অন্যতম, দেশের সমস্ত বিচারকদের নিয়ে বিচার বিভাগ গঠিত।
- বিচার বিভাগ বিচার পরিচালনা করে।

নিম্নে বিচার বিভাগের কার্যাবলি আলোচনা করা হলো:
বিচার সংক্রান্ত কাজ:
- বিচার বিভাগ আইনকে বাস্তবায়িত করে। এ বিভাগ দেশের আইন মোতাবেক বিচার কার্য সম্পাদন করে।
- এটা ব্যক্তির সাথে, রাষ্ট্রের সাথে, প্রতিষ্ঠানের সাথে বিরোধের মোকাবেলা সম্পন্ন করে।

সংবিধান সংরক্ষণ:
- বিচার বিভাগ সংবিধান সংরক্ষণ করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায় বিচার বিভাগ সংবিধানের অভিভাবক।
- সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করে কেন্দ্র ও অঙ্গরাজ্যের মধ্যে বিবাদ মীমাংসা করে যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত সংবিধানের প্রাধান্য বজায় রাখে।

ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা:
- ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- বিচার বিভাগ মামলা পরিচালনার তথ্য অনুসন্ধানের জন্য নথিপত্র দেখে সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ করে অপরাধীর শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা করে।

আইন সংক্রান্ত:
- বিচার বিভাগ আইনের ব্যাখ্যা করে। প্রয়োজনে নিজস্ব মতামতের প্রতিফলন ঘটায়।
- আইনের এ ব্যাখ্যা পরবর্তীকালে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

শাসন সংক্রান্ত কাজ করা:
- বিচার বিভাগ শুধু বিচার সংক্রান্ত কাজ করে না। শাসন সংক্রান্ত কাজও করে থাকে।
- নাবালকের সম্পত্তি দেখা শোনা করা, বিদেশী নাগরিককে নাগরিকত্ব প্রদান করাও বিচারবিভাগের কাজ।

পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ:
- শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগ, বিচার বিভাগের পরামর্শের প্রত্যাশী হয়।
- বিচার বিভাগ সেক্ষেত্রে তাদের জ্ঞানগর্ভ শলা-পরামর্শ বা উপদেশ প্রদান করে থাকে।

জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা:
- বিচার বিভাগ জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে। শাসন বিভাগের যথেচ্ছাচারের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ একমাত্র হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
- এটা বিভিন্নভাবে ব্যক্তির অধিকার রক্ষার প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে।

তদন্ত সংক্রান্ত কাজ:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের সম্পত্তি ও জানগণের নিরাপত্তা দান করতে সরকার ওয়াদাবদ্ধ থাকে।
- ফলে রাষ্ট্রে যদি কোন অন্যায় বা জোর-জবরদস্তি, অপরাধ বা দুর্ঘটনা ঘটে, সেক্ষেত্রে বিচার বিভাগ তদন্ত কাজ পরিচালনা করেও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্বদ্যালয়।
৮,৯১১.
'The Spirit of Islam' বইটির লেখক কে?
  1. ক) সৈয়দ আমীর আলী
  2. খ) রাজা রামমোহন রায়
  3. গ) নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. ঘ) উপরের কেউ নন
সঠিক উত্তর:
ক) সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• 'The Spirit of Islam' বইটির লেখক সৈয়দ আমীর আলী। 

- সৈয়দ আমীর আলী The Spirit of Islam এবং A short History of the Saracens নামে দুটি গ্রন্থ রচনা করেন।
- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীর এক সম্ভ্রান্ত শিয়া পরিবারে তাঁর জন্ম ।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এম.এ এবং বি.এল ডিগ্রি লাভ করেন।
- লন্ডনের লিঙ্কন্স ইন থেকে ব্যারিস্টারি পাশ করার পর ১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে তিনি কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসা শুরু করেন।
- তিনি ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি নিযুক্ত হন। 
- ১৯০৪ সালে তিনি লন্ডনে চলে যান এবং সেখানে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য নিয়োজিত হন এবং আমৃত্যু সে পদে বহাল থাকেন।


তথ্যসুত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, (HSC Programme) উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯১২.
বাংলার দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশের নাম কী?
  1. মৌর্য বংশ
  2. সেন বংশ
  3. পাল বংশ
  4. গুপ্ত বংশ
সঠিক উত্তর:
পাল বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল বংশ
ব্যাখ্যা
• পাল বংশ:
- বাংলা শাসনকারী সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ হলো পাল বংশ
- ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে গোপাল এ বংশের প্রতিষ্ঠা করেন। তারপর থেকে দ্বাদশ শতকের দ্বিতীয় ভাগ পর্যন্ত প্রায় চারশ বছর ধরে পাল শাসকরা বাংলা শাসন করেন।
- পাল বংশের শ্রেষ্ঠতম শাসক ছিলেন ধর্মপাল।
- তিনি প্রায় (৭৮১-৮২১ খ্রি.) ৪০ বছর বাংলা শাসন করেন।
- তার উপাধি ছিলো পরমেশ্বর, পরমভট্টারক, মহারাজাধিরাজ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯১৩.
BCIC এর অধীনে পরিচালিত একমাত্র সিমেন্ট কারখানার নাম -
  1. ক) ছাতক সিমেন্ট কারখানা
  2. খ) জয়পুরহাট সিমেন্ট কারখানা
  3. গ) লাফার্জ সিমেন্ট কারখানা
  4. ঘ) মংলা সিমেন্ট কারখানা
সঠিক উত্তর:
ক) ছাতক সিমেন্ট কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ছাতক সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা
• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সালে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে এটি ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৮,৯১৪.
Who is the proponent of 'Young Bengal' movement?
  1. Vivian Derozio
  2. Muhammad Mohsin
  3. Valentino Rossi
  4. Raja Ram Mohan Roy
সঠিক উত্তর:
Vivian Derozio
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Vivian Derozio
ব্যাখ্যা
ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট:

- 'ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা ডিরোজিও।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধ জুড়ে ছিল রাজা রামমোহন রায়ের আন্দোলনের ধারা। দৃঢ়ভাবে সে ধারাকে বাঁচিয়ে রেখেছিল হিন্দু কলেজের প্রতিভাবান ছাত্রবৃন্দ ইয়াং বেঙ্গল আন্দোলনের মাধ্যমে । যার নেতৃত্বে ছিলেন হিন্দু কলেজের তরুণ অধ্যাপক হেনরি লুইস ডিরোজিও।
- তিনি তাঁর ছাত্র-অনুসারীদের স্বাধীন মতামত ব্যক্ত করার শিক্ষা দেন।
- ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- ডিরোজিও তাঁর স্কুল শিক্ষক ডেভিড ড্রামন্ডের প্রগতিবাদী, সংস্কারমুক্ত, অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমৃদ্ধ মানবতাবাদী চিন্তাধারা দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত ছিলেন।
- বাংলার ‘রেনেসাঁস’ যুগের এই প্রতিভাবান তরুণ মাত্র তেইশ বছর বয়সে ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পরও তাঁর হাতে গড়া অনুসারী, ছাত্ররা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখতে থাকেন। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন, রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যনার্জি প্রমুখ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯১৫.
ভারতীয় উপমহাদেশে মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠা কে ছিলেন?
  1. প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  2. সম্রাট অশোক
  3. রাজা শশাঙ্ক
  4. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য 
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য 
ব্যাখ্যা

 মৌর্য সম্রাজ্য:
- গ্রিক লেখকদের বিবরণ থেকে জানা যায় যে, গ্রিক বীর আলেকজান্ডারের ভারত আক্রমণকালে বর্তমান বাংলাদেশ এলাকায় গঙ্গারিডই নামে সমৃদ্ধশালী রাজ্য ছিল।
- এ রাজ্যের রাজধানীর নাম ছিল গঙ্গা। এ সময়কালকে মৌর্য শাসনামল বলে ধারণা করা হয়।
- পণ্ডিতদের ধারণা হলো, 'গঙ্গারিডই' ছিল বর্তমানকালের বাংলা।
- আর্যদের আগমনের আগেই বাংলায় মৌর্য বংশের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য ৩২১ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে ভারতে মৌর্য বংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় রাজা অশোকের সময়ে ২৬৯-২৩২ খ্রিস্ট পূর্বাব্দে। বাংলা ছিল মৌর্যদের একটি প্রদেশ। এর রাজধানী ছিল প্রাচীন পুণ্ড্র নগর।
- মৌর্য শাসনামলে বাংলার রাজা খুবই প্রতাপশালী ছিলেন। তার বিশাল সামরিক বাহিনীতে ৪ হাজার সুসজ্জিত হাতি ছিল।
- কোন কোন ঐতিহাসিক মনে করেন, বিশাল হস্তী বাহিনীর ও সুসজ্জিত সেনাবাহিনীর খবর শুনে গ্রিক বীর আলেকজান্ডার বাংলা আক্রমণের পরিকল্পনা বাতিল করেন।
- মৌর্য শাসনামলে বাংলা ছিল ঐশ্বর্যপূর্ণ রাজ্য। 'গঙ্গারিডই' (বাংলার পূর্বনাম) রাজ্যের রাজধানীতে সূক্ষ্ম মসলিন কাপড় তৈরি হতো, যা সুদূর পশ্চিমা দেশে রপ্তানি হতো।
- মৌর্য শাসনামলে বাংলার সীমানা বিস্তৃত হয়। মৌর্য সম্রাট অশোকের সময় প্রাচীন পুণ্ড্ররাজ্য মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ফলে উত্তরবঙ্গের এ অঞ্চল তখন মৌর্য শাসনাধীন একটা প্রদেশে পরিণত হয়।

অন্যদিকে,
- প্রথম চন্দ্রগুপ্ত ছিলেন গুপ্ত বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- সম্রাট অশোক ছিলেন  মৌর্য সম্রাজ্যের একজন রাজা।
- রাজা শশাঙ্ক ছিলেন, বাংলার প্রথম স্বাধীন রাজা। তিনি স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস:
১. বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
২. ইতিহাস ১ম পত্র , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯১৬.
বাংলাদেশে সরকার অনুমোদিত প্রথম Genetically Modified (GM) খাদ্য ফসল কোনটি?
  1. গোল্ডেন রাইস
  2. বিটি তুলা
  3. গোল্ডেন জুট
  4. বিটি বেগুন
সঠিক উত্তর:
বিটি বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটি বেগুন
ব্যাখ্যা

প্রথম Genetically Modified (GM) খাদ্য ফসল:
- জি. এম. বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড হলো উদ্ভিদের বা ফসলের জিনকে মডিফাই বা পরিবর্তন করে ঐ ফসলের ফলন বাড়ানো। আর এভাবে উৎপাদিত ফসলকে জি.এম. ফসল বলা হয়। 
- হাইব্রিড সব ফসলই জি.এম. ফসল। তবে এই ধরনের ফসল প্রাকৃতিক প্রতিরূপ ফসলের তুলনায় বিষাক্ত বা কম পুষ্টি হতে পারে।

⇒ বর্তমানে জেনেটিক মডিফিকেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের রোগ বালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও উৎপাদনে উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব হয়েছে। 
- বাংলাদেশে সরকার অনুমোদিত প্রথম জিনগতভাবে পরিবর্তন (GM) খাদ্য ফসল হলো বিটি বেগুন (Bt Brinjal)।
- এটি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের মাঝে বিতরণের জন্য অনুমোদন দেয়

⇒ Bt-বেগুন: 
- Bacillus thuringiensis নামক একটি সয়েল ব্যাকটেরিয়া থেকে ক্রিস্টাল প্রোটিন জিন বেগুনের জিনোমে অন্তর্ভুক্ত করে উৎপন্ন বেগুনের নাম দেয়া হয়েছে Bt-বেগুন।
- সাধারণ বেগুন ও Bt-বেগুনের মধ্যে পার্থক্য হলো এক প্রকার পোকা সাধারণ বেগুন গাছের কচি ডগা ও ফল ছিদ্র করে নষ্ট করে ফেলে যার ফলে ফলন দারুণভাবে হ্রাস পায়। 
- পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করার জন্য কৃষককে প্রতি সিজনে ৬০-১৮০ বার পোকানাশক ওষুধ স্প্রে করতে হয়। 
- Bt-বেগুনে ঐ পোকার আক্রমণ হবে না, তাই পোকানাশক ওষুধও স্প্রে করতে হবে না।

⇒ Bt-বেগুন চাষের গুরুত্ব:
১। পোকানাশক ওষুধ কিনতে হবে না এবং স্প্রে করতে হবে না। এতে লক্ষ লক্ষ টাকা উৎপাদন খরচ কম হবে।
২। যারা বেগুন খান তারাও ঐ বিষ দ্বারা বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হবেন না এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে বেঁচে যাবেন।
৩। মাটি ও পরিবেশ বিষমুক্ত থাকবে।
৪। আশেপাশের জলাশয় বিষমুক্ত থাকবে এবং জলজ পরিবেশের স্বাভাবিক উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
৫। উৎপাদন বাড়বে।

উৎস: i) উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট। 

৮,৯১৭.
ছয় দফার কোন দফায় লাহোর প্রস্তাবকে ভিত্তি করা হয়েছে?
  1. ক) ২য় দফা
  2. খ) ১ম দফা
  3. গ) ৩য় দফা
  4. ঘ) ৫ম দফা
সঠিক উত্তর:
খ) ১ম দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১ম দফা
ব্যাখ্যা

ছয় দফা কর্মসূচি
পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠী কর্তৃক পূর্ব বাংলাকে শোষণের বিরুদ্ধে ছয় দফা কর্মসূচি ছিল তীব্র প্রতিবাদ আর বাঙালির অধিকার আদায়ের সনদ বা মুক্তিসনদ । ছয় দফা কর্মসূচি ছিল নিম্নরূপ :
১ম দফা : লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পাকিস্তানের জন্য সত্যিকার অর্থে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসনতন্ত্র প্রণয়ন করতে হবে । সরকার হবে সংসদীয় পদ্ধতির । সর্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সকল প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটে জাতীয় ও প্রাদেশিক আইনসভাগুলো গঠিত হবে ।
২য় দফা : যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের হাতে থাকবে দেশরক্ষা ও পররাষ্ট্র বিষয়। অবশিষ্ট সকল বিষয় প্রদেশের হাতে থাকবে ।
৩য় দফা : দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজ বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু থাকবে অথবা দেশের দুই অঞ্চলের জন্য একই মুদ্রা থাকবে। তবে সংবিধানে এমন ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে এক অঞ্চলের মুদ্রা ও মূলধন অন্য অঞ্চলে পাচার হতে না পারে।
৪র্থ দফা : সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক সরকারের হাতে থাকবে তবে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নির্বাহের জন্য আদায় কৃত অর্থের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে ।
৫ম দফা : বৈদেশিক বাণিজ্য ও বৈদেশিক মুদ্রার উপর প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা থাকবে। সকল প্রকার বৈদেশিক চুক্তি ও সহযোগিতার ব্যাপারে প্রাদেশিক সরকার দায়িত্ব পালন করবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা যুক্তিযুক্ত হারে উভয় সরকার কর্তৃক মেটানো হবে।
৬ষ্ঠ দফা : আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য আঞ্চলিক সরকারগুলো স্বীয় কর্তৃত্বাধীন আধা সামরিক বাহিনী (প্যারা মিলিশিয়া) গঠন ও পরিচালনা করতে পারবে ।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯১৮.
Who is the architect of the National Memorial?
  1. Syed Mainul Hossain
  2. Abdur Razzaq
  3. Hamidur Rahman
  4. Novera Ahmed
  5. Tanveer Kabir
সঠিক উত্তর:
Syed Mainul Hossain
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Syed Mainul Hossain
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত মুক্তিযোদ্ধা ও নিহত বেসামরিক বাঙালি ও অবাঙ্গালিদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নিবেদিত একটি স্মারক স্থাপনা।
- এটি সাভারে অবস্থিত।
- এর অপর নাম 'সম্মিলিত প্রয়াস'।
- এর স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।
- ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের জন্য একটা জাতীয় স্মৃতিসৌধ নির্মাণের পরিকল্পনা নেয় এবং নকশা আহবান করে।
- এর উচ্চতা ১৫০ ফুট (৪৫.৭২ মি)।

⇒ ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর প্রথম বিজয় দিবসে জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান এর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।
- ১৯৮২ সালের আগষ্ট মাসে সৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- স্মৃতিসৌধের রয়েছে ৭টি খাঁজ।
- ১৯৫২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত ৭টা বড় আন্দোলন হয়েছিল।
- ওই খাঁজগুলো দিয়ে সেই সব আন্দোলন বোঝানো হয়েছে।
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন।
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন।
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন।
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন।
৬. ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান।
৭. ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৯১৯.
বাংলাদেশে ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা-২১০০ কোন দেশের পরিকল্পনাকে অনুসরণ করে করা হয়েছে?
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. নেদারল্যান্ড
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. ফিনল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০
• জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্খিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার 'বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
• পানি, জলবায়ু, পরিবেশ ও ভূমির টেকসই ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।
• বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হলেও, তাতে ২০৫০ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি এজেন্ডার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।
• এ প্রেক্ষাপটে, নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতার আলোকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উত্তম চর্চা (Best Practice) অনুসরণে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়নে নেদারল্যান্ডস্ সরকারের সার্বিক সহায়তা গ্রহণ করা হয়েছে।
• নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।
৮,৯২০.
সর্বপ্রথমে এদেশীয়দের শাসন ও বিচার সংক্রান্ত উচ্চপদে নিয়োগ করেন -
  1. লর্ড মিন্টো
  2. লর্ড রিপন
  3. লর্ড বেন্টিংক
  4. লর্ড ডালহৌসি
সঠিক উত্তর:
লর্ড বেন্টিংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড বেন্টিংক
ব্যাখ্যা
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক:
- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৮ -৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- বেন্টিংক প্রথম জীবনে মাদ্রাজ কাউন্সিলের গভর্নর নিযুক্ত হয়ে ১৮০৩ সালে এই উপমহাদেশে আগমন করেন।
- অতঃপর ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দ পুনরায় বেন্টিঙ্ককে গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত করে এদেশে পাঠানো হয় এবং তিনি ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত স্বপদে বহাল ছিলেন।

⇒ বেন্টিঙ্কই সর্বপ্রথমে এদেশীয়দের শাসন ও বিচার সংক্রান্ত উচ্চপদে নিয়োগ করেন।
- তিনি কর্ণওয়ালিস প্রবর্তিত প্রাদেশিক বিচারালয়গুলো তুলে দিয়ে জেলা কালেক্টরের উপর ফৌজদারী মামলার বিচার করার দায়িত্ব দেন। তিনি কয়েকটি জেলাকে একত্রিত করে একটি বিভাগ গঠন করে প্রতিটি বিভাগে একজন করে কমিশনার নিযুক্ত করেন। ডেপুটি এবং জয়েন্ট ম্যাজিস্ট্রেটের পদও সৃষ্টি করা হয়। 
- তিনি এদেশীয় বিচারালয়গুলোতে মুসলিম আমল থেকে প্রচলিত ফার্সি ভাষার পরিবর্তে দেশীয় ভাষার প্রচলন শুরু করেন। তিনি বাংলায় সর্বপ্রথম 'জুরী ব্যবস্থার' প্রবর্তন করেন।
- বেন্টিঙ্ক লর্ড মেকলের সহায়তায় আইন কমিশন গঠন করে 'ইন্ডিয়ান পেনাল কোড' তৈরি করেন যা ফৌজদারী মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে গাইড বুক হিসাবে স্বীকৃতি পায়। 
- সতীদাহ নিবারণ ও ঠগী দমন হলো বেন্টিঙ্কের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কীর্তি। তিনি সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেন। 
- তিনি ইংরেজি শিক্ষার জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করেন এবং ফার্সীর পরিবর্তে ইংরেজিকে সরকারি ভাষারূপে ঘোষণা করেন। ঐ বৎসরই (১৮৩৫ খ্রি:) বেন্টিঙ্কের চেষ্টার ফলে পাশ্চাত্য ধারার শিক্ষাদানের জন্য কলকাতায় একটি মেডিক্যাল কলেজ ও বোম্বাইয়ে (বর্তমান মুম্বাই) এলফিনস্টোন ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- এছাড়া বেন্টিঙ্ক এদেশের ভেতরে মালামাল চলাচলের উপর শুল্ক উঠিয়ে দেন। 
- বৈদেশিক নীতি মেনে চলার ক্ষেত্রে বেন্টিঙ্ক নিরপেক্ষ নীতি অনুসরণ করে চলার পক্ষপাতি ছিলেন। 
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক সাধারণত হস্তক্ষেপ না করা এবং অনাক্রমণের নীতি অনুসরণ করেছিলেন।
- বেন্টিঙ্ক উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন এবং সেখানে রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯২১.
আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস -
  1. ৯ জুন
  2. ৯ জুলাই
  3. ৯ আগস্ট
  4. ৯ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
৯ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ আগস্ট
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ১৯৯৪ সালে রেজল্যুশন ৪৯/২১৪ গ্রহণ করে ৯ আগস্টকে আদিবাসী দিবস হিসেবে ঘোষণা করে এবং তা পালনের জন্য সদস্য রাষ্ট্রসমূহকে আহ্বান জানায়।
- ২০০০ সালে জাতিসংঘে স্থায়ী ফোরাম গঠন,
- ২০০১ সাল থেকে এ-বিষয়ক স্পেশাল র‌্যাপোটিয়ার নিয়োগ,
- ২০০৫-১৪ সালের সময়কালকে দ্বিতীয় দশক হিসেবে পালন,
- ২০০৭ সালে জাতিসংঘের ঘোষণাপত্র গ্রহণ,
- ২০১৪ সালে সাধারণ পরিষদের বিশ্ব সম্মেলন আয়োজন এবং
- এ সম্মেলনে ঐতিহাসিক ‘আউটকাম ডকুমেন্ট’ গ্রহণ ইত্যাদি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- ‘কাউকে পেছনে ফেলে রাখা নয়’ স্লোগান নিয়ে এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য ২০৩০ যেসব এজেন্ডা জাতিসংঘ গ্রহণ করেছে, সেখানে আদিবাসীদের কথা বিশেষভাবে বলা হয়েছে।

উৎস: ৯ আগস্ট ২০২২, প্রথম আলো।
৮,৯২২.
কোন সেক্টর নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-কমান্ড গঠিত হয়?
  1. ক) ৭ নং সেক্টর
  2. খ) ৮ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১০ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• সেক্টর:
 - ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯২৩.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান কোনটি?
  1. দেবীগঞ্জ
  2. মনাকাষা
  3. শিবগঞ্জ
  4. বাংলাবান্ধা
সঠিক উত্তর:
বাংলাবান্ধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাবান্ধা
ব্যাখ্যা

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকাষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

৮,৯২৪.
বাংলাদেশের তামাবিল সীমান্তের সাথে ভারতের কোন শহরটি অবস্থিত?
  1. ডাউকি
  2. বজ্রপুর
  3. পেট্রাপোল
  4. করিমগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ডাউকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাউকি
ব্যাখ্যা
• তামাবিল স্থলবন্দর: 
- গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা তামাবিল।
- তামাবিল স্থল শুল্ক বন্দর দিয়েই ভারত থেকে কয়লা আমদানী করা হয়।
- তামাবিলের অপর প্রান্তে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকী শহরটি অবস্থিত।
- তামাবিল থেকে মেঘালয় রাজ্যের শিলং পাহাড়ের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

সূত্র: গোয়াইনঘাট উপজেলা ওয়েবসাইট।
৮,৯২৫.
’বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট’ গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ৯৪
  2. অনুচ্ছেদ- ৬৬
  3. অনুচ্ছেদ- ৪৮
  4. অনুচ্ছেদ- ৬৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৯৪
ব্যাখ্যা

’বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট’:  
- অনুচ্ছেদ ৯৪(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হবে।
- ৯৪(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।- - ৯৪ (৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৮,৯২৬.
৪ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ক) মেজর কে এম শফিউল্লাহ
  2. খ) মেজর এ এন এম নুরুজ্জামান
  3. গ) মেজর মীর শওকত আলী
  4. ঘ) মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেজর চিত্ত রঞ্জন দত্ত
ব্যাখ্যা

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এসব সেক্টরকে আবার কতগুলো সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। প্রত্যেক সেক্টরে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
মুক্তিকালীন ১১টি সেক্টরের কমান্ডারগণ:
১ নং সেক্টর:
- মেজর জিয়াউর রহমান
- মেজর রফিকুল ইসলাম
২ নং সেক্টর:
- মেজর খালেদ মোশাররফ
- মেজর এ.টি.এম হায়দার
৩ নং সেক্টর:
- মেজর কে. এম শফিউল্লাহ
- মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান
৪ নং সেক্টর:
- মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত
- ক্যাপ্টেন এ রব
৫ নং সেক্টর:
- মেজর মীর শওকত আলী
৬ নং সেক্টর:
- উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার
৭ নং সেক্টর:
- মেজর নাজমুল হক
- সুবেদার মেজর এ. রব
- মেজর কাজী নূরুজ্জামান
৮ নং সেক্টর:
- মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
- মেজর এম.এ মঞ্জুর
৯ নং সেক্টর:
- মেজর এম.এ জলিল
- মেজর এম. এ মঞ্জুর ও
- মেজর জয়নাল আবেদীন
১০ নং সেক্টর: কোন নিয়মিত সেক্টর ছিলো না
১১ নং সেক্টর:
- মেজর এম. আবু তাহের
- স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)

৮,৯২৭.
শশাঙ্কের রাজধানী 'কর্ণসুবর্ণ' বর্তমানে কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. মালদহ জেলায়
  2. মুর্শিদাবাদ জেলায়
  3. রাজশাহী জেলায়
  4. নদীয়া জেলায়
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদাবাদ জেলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদাবাদ জেলায়
ব্যাখ্যা

গৌড়
- গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়, যার অবস্থান ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে ছিল।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড় রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলায় এর অবস্থান।
- বাংলায় মুসলিম বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।
- মুসলিম যুগেও এ অঞ্চল গৌড় নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: পৌরনীতি , এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯২৮.
Bank's functions do not include
  1. ক) acceptance of deposit
  2. খ) giving loans
  3. গ) trading
  4. ঘ) transfer of funds
সঠিক উত্তর:
গ) trading
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) trading
ব্যাখ্যা
ব্যাংকের কাজ:

- ব্যাঙ্কের কার্যাবলী অন্তর্ভুক্ত নয় লেনদেন।
- 'ব্যাংকের প্রধান কাজই হলো আমানত সংগ্রহ করা।
- সেই সংগৃহীত অর্থ ঋণস্বরূপ প্রদান করা'।
- এই সংজ্ঞা থেকে বোঝা যায় যে, একটি ব্যাংক মূলত আমানত গ্রহণ, ঋণ দান, এবং চেক প্রচলন করে থাকে।
- এছাড়া দেশি-বিদেশি বাণিজ্যের অর্থনৈতিক লেনদেন-এ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদানও ব্যাংকের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮,৯২৯.
সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক কে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সুপ্রিমকোর্ট
  3. গণপরিষদ
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিমকোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিমকোর্ট
ব্যাখ্যা
সুপ্রিমকোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক:
- নাগরিকের মৌলিক অধিকারের উপর সংসদ যে সমস্ত বাঁধা নিষেধ আরোপ করতে পারে সেগুলো যুক্তিসঙ্গত কিনা তা বিচার করবার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যাস্ত।
- সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি কিংবা তার নির্দেশক্রমে অন্য কোন বিচারক সুপ্রীম কোর্টের কর্মচারীদেরকে নিযুক্ত করবেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ অধ্যায়ে সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে আইনি বিধান রয়েছে। 

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৩০.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলাদেশের প্রথম সভাপতি কে?
  1. শাহ এ এম এস কিবরিয়া
  2. আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
  3. আবু তৈয়ব মুহাম্মদ জহিরুল আলম
  4. হুমাযুন রশীদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
হুমাযুন রশীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুমাযুন রশীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘের সাধারন পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয় ১৯৮৬ সালে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারন পরিষদে দুইবার সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- প্রথমবার ১৯৮৬ সালে, দ্বিতীয়বার ১৯৯৯ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী।
- বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

অন্যদিকে,
- জাতিসংঘে বাংলাদেশের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০২ সালে সংস্থাটির আন্ডারসেক্রেটারি নিযুক্ত হয়েছিলেন। 
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আবু তৈয়ব মুহাম্মদ জহিরুল আলম লাইবেরিয়ায় জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশনে ফোর্স কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব নেন।
- জাতিসংঘের কোনো সংস্থার শীর্ষ পদে প্রথম প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট
৮,৯৩১.
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে কোন সালে প্রথম দেশে প্রত্যাবর্তন করেন?
  1. ক) ১৯৮০
  2. খ) ১৯৮১
  3. গ) ১৯৮২
  4. ঘ) ১৯৮৩
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮১
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের পর ৬ বছর পর নির্বাসিত জীবন শেষ করে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশে ফিরে আসেন।
- তার আগেই ১৯৮১ সালের ১৪ - ১৬ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত দলীয় কাউন্সিলে শেখ হাসিনার অনুপস্থিতিতেই তাঁকে সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও আওয়ামী-লীগ ওয়েবসাইট।
৮,৯৩২.
রাষ্ট্রপতি কার নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. মন্ত্রীপরিষদ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ:
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
- অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ করেন।
- রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগের
- দায়িত্বও রাষ্ট্রপতির। প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগসমূহের সর্বাধিনায়কতা রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত।
- তিন বাহিনীর (সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী) প্রধানদের তিনিই নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতিত রাষ্ট্রপতি তাঁর সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য পরিচালনা করেন।
-  রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
- তিনি সংসদে ভাষণ দিতে ও বাণী পাঠাতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতি কিছু আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকবেন

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৮,৯৩৩.
জেনারেল এরশাদের শাসনব্যবস্থা কী ধরনের ছিল?
  1. গণতান্ত্রিক
  2. সমাজতান্ত্রিক
  3. সাম্যবাদী
  4. একনায়কতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
একনায়কতান্ত্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একনায়কতান্ত্রিক
ব্যাখ্যা
জেনারেল এরশাদের শাসনব্যবস্থা: 
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ বাংলাদেশে তার সামরিক শাসনের সূচনা করেন।
- তখন থেকে দীর্ঘ নয় বছর এরশাদের সামরিক একনায়কত্বের আওতায় বাংলাদেশ শাসিত হয়।
- এরশাদের শাসনকালে আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক সকল ক্ষেত্রে দুর্যোগপূর্ণ অবস্থা তৈরি হয়।
- এরশাদের সামরিক শাসন অবসানের জন্য এ দেশের মানুষকে ক্রমাগত আন্দোলন-সংগ্রাম করতে হয়েছে।
- গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে বহু মানুষ প্রাণদান করেছেন।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ডিসেম্বর মাসে সাধারণ মানুষ, রাজনৈতিক দল ও সামাজিক সংগঠনসমূহের সফল গণঅভ্যুত্থানে সামরিক শাসনের অবসান ঘটে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পথ উন্মুক্ত হয়।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৩৪.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ১ মার্চ ১৯১৯ খ্রি.
  2. ১৭ মার্চ ১৯২০ খ্রি.
  3. ১৪ আগস্ট ১৯৪৭ খ্রি.
  4. ২১ জুন ১৯৪১ খ্রি.
সঠিক উত্তর:
১৭ মার্চ ১৯২০ খ্রি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ মার্চ ১৯২০ খ্রি.
ব্যাখ্যা
শেখ মুজিবুর রহমান:
- শেখ মুজিবুর রহমান ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গীপাড়া গ্রামে ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৪২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ পাশ করেন।
- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুৎফর রহমান।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সাথে তাদের দাবি আদায়ের পক্ষে আন্দোলন করার জন্যে ১৯৪৯ সালে বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয়।
- ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন।
- ১৯৬৬ সালেই তিনি দলের সভাপতি হন।
- ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত ছয়দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৯৩৫.
'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন কে?
  1. ড. কামাল হোসেন
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত
  4. এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৮,৯৩৬.
শাসন বিভাগ কার নিকট দায়ী থাকে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. সংসদ
  4. বিচার বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা:
- শাসন বিভাগের আইন বাস্তবায়নকারী অংশ অর্থাৎ মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসনের কাজ করে থাকে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়।
- জবাবদিহিতার এই বিষয়টি বিদ্যমান থাকায় সরকারকে সদা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হয়।
- সরকারের ভুল-ত্রুটি শুধরে দিতেও জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা হল বিভিন্ন দপ্তরের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ অন্যান্য কর্মকতারা তাঁদের ওপর অর্পিত কাজ সঠিকভাবে সম্পাদন করছেন কিনা সে ব্যাপারে সংসদ বা আইন সভায় অবহিত করা।
- মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের ওপর অর্পিত কার্যক্রম যদি জনগণের প্রতিকূলে যায়, সেক্ষেত্রে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ জাতীয় সংসদ করে থাকে। 

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৩৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১১ নং সেক্টরের অধীনে ছিল -
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুষ্টিয়া
  3. হবিগঞ্জ
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।

⇒ সেক্টরগুলো:
- ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী: ১নং সেক্টর,
- ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া–ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ২ নং সেক্টর,
- হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ: ৩ নং সেক্টর,
- সিলেট জেলার অংশবিশেষ: ৪ নং সেক্টর,
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ: ৫ নং সেক্টর,
- দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর: ৬ নং সেক্টর,
- রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ: ৭ নং সেক্টর,
- কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ: ৮ নং সেক্টর,
- পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ: ৯ নং সেক্টর,
- সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন: ১০ নং সেক্টর,
- ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল: ১১ নং সেক্টর।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
৮,৯৩৮.
খাবার স্যালাইনের উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র
  2. ব্র্যাক
  3. আইসিডিডিআর, বি
  4. ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
সঠিক উত্তর:
আইসিডিডিআর, বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসিডিডিআর, বি
ব্যাখ্যা

ICDDR,B:
- ICDDR, B এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো ওরস্যালাইন।
- আইসিডিডিআর.বি (ICDDR, B/আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) ঢাকা শহরের মহাখালীতে অবস্থিত চিকিৎসাবিষয়ক গবেষণা এবং সেবা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এটির আন্তর্জাতিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭৯ সালে।
- ICDDR, B এর পূর্ণরূপ হচ্ছে (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh).
- ICDDR, B এর সদর দপ্তর ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - আইসিডিডিআরবি এর ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

৮,৯৩৯.
৪০। আওয়ামী মুসলিম লীগের কততম কাউন্সিলে দলের নাম থেকে ‍মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়?
  1. ক) দ্বিতীয় কাউন্সিল
  2. খ) তৃতীয় কাউন্সিল
  3. গ) চতুর্থ কাউন্সিল
  4. ঘ) পঞ্চম কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
খ) তৃতীয় কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তৃতীয় কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৫ সালের ২১-২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে আওয়ামী ‍মুসলিম লীগের তৃতীয় কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এই কাউন্সিলে দলের নাম থেকে মুসলিম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়।
- ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে ‘আওয়ামী মুসলিম লীগ’ গঠিত হয়।
আওয়ামী লীগের প্রথম কমিটি:
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫৩ সালের ১৪-১৬ নভেম্বর অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের দ্বিতীয় কাউন্সিলে দলটির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৬৬ সালে সভাপতি নির্বাচিত হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলা ট্রিবিউন)
৮,৯৪০.
বাঙালি জাতির 'মুক্তির সনদ' কোনটি?
  1. ৬ দফা
  2. ১১ দফা
  3. ২১ দফা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- আওয়ামী লীগ এ আন্দোলন গড়ে তুলেছিল ইতিহাসে তা 'ঐতিহাসিক ছয়দফা আন্দোলন' নামে অভিহিত হয়ে আছে।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির 'মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকাটা' হিসাবে পরিচিত। 

ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
• দফা গুলো হলো:
প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৪১.
দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে এশিয়ার কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক ঘাটতি রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. চীন
  3. জাপান
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

বাণিজ্য ঘাটতি:
- এশিয়া মহাদেশে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে চীনের সাথে বাংলাদেশের সর্বাধিক ঘাটতি রয়েছে।
- চীন থেকে গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) পণ্য আমদানি হয়েছে ২ হাজার ৬১ কোটি ডলারের। 
- এর বিপরীতে বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ৭৪ কোটি ডলারের পণ্য।
- তাতে দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ১ হাজার ৯৮৭ কোটি ডলারের।
- চীনের পরেই বড় ঘাটতি ভারতের সঙ্গে।
- গত অর্থবছরে দেশটি থেকে আমদানি হয়েছে ৯৬৮ কোটি ডলার পণ্য।
- রপ্তানি হয়েছে ১৮২ কোটি ডলারের পণ্য। তাতে বছর শেষে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে বাংলাদেশের ঘাটতি ৭৮৬ কোটি ডলারের।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

৮,৯৪২.
ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ কোন সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪ নং
  2. ১ নং
  3. ৮ নং
  4. ৭ নং
সঠিক উত্তর:
১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নং
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ:
- বীরত্বের জন্য প্রদত্ত বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক পুরস্কার বীরশ্রেষ্ঠ। 
- যুদ্ধক্ষেত্রে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের নিদর্শন স্থাপনকারী যোদ্ধার স্বীকৃতিস্বরূপ এই পদক দেয়া হয়। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে শহীদ সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে এই পদক দেয়া হয়েছে।

• সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ -
⇒ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
- সেক্টর: ৭ নং,
- মৃত্যু: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে শেষ শহীদ)

⇒ সিপাহী হামিদুর রহমান,
- সেক্টর: ৪ নং,
- মৃত্যু: ২৮ অক্টোবর, ১৯৭১

⇒ সিপাহী মোস্তফা কামাল,
- সেক্টর: ২ নং,
- মৃত্যু: এপ্রিল ১৮, ১৯৭১

⇒ মোহাম্মদ রুহুল আমিন,
- সেক্টর: ১০ নং,
- মৃত্যু: ডিসেম্বর ১০, ১৯৭১

⇒ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান,
- বাংলাদেশ বিমান বাহিনী,
- মৃত্যু: আগস্ট ২০, ১৯৭১

⇒ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ,
- সেক্টর: ১ নং,
- মৃত্যু: এপ্রিল ৮, ১৯৭১ (বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে ১ম শহীদ)

⇒ নূর মোহাম্মদ শেখ,
- সেক্টর: ৮ নং,
- মৃত্যু: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮,৯৪৩.
SRDI এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Soil Resources Development Institute
  2. Soil Resource Developing Institute
  3. Seed Research and Development Institute
  4. Soil Research and Development Institute
সঠিক উত্তর:
Soil Resources Development Institute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Soil Resources Development Institute
ব্যাখ্যা
SRDI:
- SRDI পূর্ণরূপ: Soil Resources Development Institute বা মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।
- মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (এসআরডিআই) হচ্ছে কৃষি মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণাধীন একটি সরকারী প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠান-এর প্রধান নির্বাহী হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- এ প্রতিষ্ঠানে ২টি উইং, ২টি বিভাগ, প্রশাসন, কার্টোগ্রাফী, ডাটা প্রসেসিং অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকেল এন্ড আইসিটি এবং পাবলিকেশন অ্যান্ড রেকর্ড শাখাসহ ৯টি শাখা, ৭টি বিভাগীয় কার্যালয়, ৩৩টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ৭টি ভিাগীয় গবেষণাগার, ১৬টি আঞ্চলিক গবেষণাগার এবং ২টি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।
- এছাড়া কৃষকের মৃত্তিকা নমুনা সরেজমিনে পরীক্ষা করে ফলাফলের ভিত্তিতে সুষম মাত্রার সার সুপারিশ করার লক্ষ্যে ১০টি ভ্রাম্যমান মৃত্তিকা পরীক্ষাগার রয়েছে।

তথ্যসূত্র - SRDI ওয়েবসাইট।
৮,৯৪৪.
ADP প্রণীত হয় কত সময়ের জন্যে?
  1. ক) ১ বছর
  2. খ) ২ বছর
  3. গ) ৪ বছর
  4. ঘ) ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ বছর
ব্যাখ্যা
ADP (Annual Development Programme) হলো বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা উন্নয়ন বাজেট যা ১ বছরের জন্যে ঘোষণা করা হয়।
বাংলাদেশের ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে ADP এর আকার ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা।
(সূত্রঃ অর্থনীতি : নবম-দশম শ্রেণী এবং অর্থবিভাগ)
৮,৯৪৫.
বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠানটির ৭০ বছর পূর্তি উদযাপিত হয়েছে?
  1. ক) খাদ্য বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট
  2. খ) কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
  4. ঘ) বাংলা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি
ব্যাখ্যা
 এশিয়াটিক সোসাইটি অব বাংলাদেশের ৭০ বছর পূর্তি উদযাপন:
মৌলিক গবেষণা, নতুন জ্ঞান সৃজন এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার অগ্রণী প্রতিষ্ঠান ‘বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি’। 
৩ জানুয়ারি ১৯৫২ সালে এশিয়ার মানুষ, তাদের জীবন ও কর্ম এবং প্রকৃতি বিষয়ে গবেষণা এবং এ কাজে আত্মনিয়োগে গবেষকদের উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ‘পাকিস্তান এশিয়াটিক সোসাইটি’ নামে এই প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা শুরু হয়েছিল। 
১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠানটির নাম পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি’ নামকরণ করা হয়।
৩ জানুয়ারি ২০২২ প্রতিষ্ঠানটির ৭০ বছর পূর্তি উদযাপন করা হয়।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট 
৮,৯৪৬.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
  1. জয়নুল আবেদীন
  2. কামরুল হাসান
  3. হাশেম খান
  4. হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার — কামরুল হাসান।
------------------ 
• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
• দুর্ভিক্ষ–চিত্রমালার জন্য বিখ্যাত ছিলেন জয়নুল আবেদীন।

• সংবিধানের অঙ্গসজ্জা কার্যক্রমের মূল তত্ত্বাবধায়ক ছিলেন - জয়নুল আবেদীন এবং অঙ্গসজ্জা করেন- হাশেম খান।

• বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ হামিদুর (১৯৪৫-১৯৭১) ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সিপাহি এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদ। 

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

iii) ডিসেম্বর ২১, ২০২২, বণিক বার্তা।
৮,৯৪৭.
'আমার দেখা নয়াচীন' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা কততম প্রকাশিত গ্রন্থ?
  1. চতুর্থ
  2. দ্বিতীয়
  3. প্রথম
  4. তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা
আমার দেখা নয়াচীন” জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর চীন ভ্রমণের উপর লেখা গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থটি তার প্রকাশিত তৃতীয় গ্রন্থ।
- ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২০ বাংলা একাডেমি এটি প্রকাশ করে।
- ১৯৫২ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে নয়া চীন যান বঙ্গবন্ধু।
- তার এ সফরের অভিজ্ঞতাই এ গ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে।

(সূত্রঃ আমার দেখা নয়াচীন : বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান)
৮,৯৪৮.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে?
  1. ৫ টি
  2. ২ টি
  3. ৩ টি
  4. ১ টি
সঠিক উত্তর:
১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ টি
ব্যাখ্যা
• দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০):
- ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ এ দু বছরের জন্য একটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা রচনা করা হয়।
- এটি ছিলো বাংলাদেশের একমাত্র দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা।

- কারণ হিসেবে বলা হয় প্রথম পরিকল্পনার অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো শেষ করা।
- প্রথম পরিকল্পনার ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা, বৈদেশিক সাহায্যের সম্ভবনা যাচাই প্রভৃতির জন্য দুৎবছর মেয়াদী একটি অন্তর্বতীকালীন পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৪৯.
জুম চাষের সাথে জড়িত কোন সম্প্রদায়?
  1. ক) হাজং
  2. খ) মুন্ডা
  3. গ) মুরং
  4. ঘ) কোচ
সঠিক উত্তর:
গ) মুরং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুরং
ব্যাখ্যা
পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল পুড়িয়ে বা পরিষ্কার করে ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বার লোকজন যে চাষাবাদ করে তা ই হলো জুম। বাংলাদেশে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে বসবাসকারী বিভিন্ন উপজাতি লোকজন জুম পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে। মুরংরা পার্বত্য চট্টগ্রামের বাসিন্দা হিসেবে জুম চাষের সাথে জড়িত। কোচ ও হাজংরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বাস করে। মুন্ডা উপজাতি সিলেটে বসবাস করে। (সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
৮,৯৫০.
'The Gateway of Bangladesh' বলা হয় কোন শহরকে?
  1. পটুয়াখালী
  2. বরগুনা
  3. কক্সবাজার
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

The Gateway of Bangladesh:
- 'The Gateway of Bangladesh' বা বাংলাদেশের প্রবেশদ্বার বলা হয় চট্টগ্রাম শহরকে।

• চট্টগ্রাম শহর এবং এর বন্দরকে বাংলাদেশের প্রধান বাণিজ্যিক প্রবেশদ্বার (Gateways to Bangladesh) বলা হয়।
- এটি দেশের সবচেয়ে ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের মূল কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। 
- দেশের আমদানী রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র এই চট্টগ্রাম জেলা। এই বন্দরে প্রতি বছর প্রায় ২০বিলিয়ন ডলার রপ্তানী বাণিজ্য হয়ে থাকে, যা আমাদের মোট রপ্তানীর প্রায় ৪৫%। সারা দেশের প্রায় ৪০% ভারী শিল্প গড়ে উঠেছে এই চট্টগ্রাম জেলায়, গড়ে উঠেছে দুইটি রপ্তানী প্রক্রিয়াজাতকরণ এলাকা বা EPZ।
- চট্টগ্রাম বন্দর বা 'পোর্ট গ্র্যান্ডে' (Porte Grande)কে উপনিবেশিক আমল থেকেই এই অঞ্চলের বাণিজ্যের প্রবেশদ্বার হিসেবে গণ্য করা হতো। 
- Blue.Business.Beauty- এই ট্যাগলাইনটি চট্টগ্রাম জেলার অনন্য ও অপার বৈচিত্র্য এবং অর্থনৈতিক-বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে ধারণ করে। ইতিহাস-ঐতিহ্য, সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য, পাহাড়-নদী-নালা ও সুনীল বঙ্গোপসাগরের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, শিল্প ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব, সর্বোপরি অনন্য আতিথেয়তা প্রভৃতি মিলিয়ে চট্টগ্রাম হচ্ছে “অপার বৈচিত্র্যের ভাণ্ডার”।

উৎস: চট্টগ্রাম জেলা ওয়েবসাইট। 

৮,৯৫১.
দেশে কয় ধরণের সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু হতে যাচ্ছে?
  1. ক) ৩ ধরণের
  2. খ) ৪ ধরণের
  3. গ) ৫ ধরণের
  4. ঘ) ৬ ধরণের
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪ ধরণের
ব্যাখ্যা
- দেশে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু হবে ১৭ আগস্ট, ২০২৩।
- ১৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- উদ্বোধনের দিন থেকেই ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকরা চারটি স্কিমের মাধ্যমে এতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
- আপাতত চার শ্রেণির জনগোষ্ঠীর জন্য চার ধরনের পেনশন কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে।
- ৪ ধরনের সার্বজনীন পেনশন স্কিম:
→ ‘প্রবাস’
→ ‘প্রগতি‘,
→ ‘সুরক্ষা’ ও
→ ‘সমতা’।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (১৩ আগস্ট, ২০২৩)।
৮,৯৫২.
বঙ্গবন্ধুর গ্রামটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. ক) মধুমতি
  2. খ) কুমার
  3. গ) ভৈরব।
  4. ঘ) বাইগার।
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাইগার।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাইগার।
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গােপালগঞ্জ মহকুমার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- বর্তমান গােপালগঞ্জ জেলা সদরের দক্ষিণে ও পশ্চিমে মধুমতি নদী।
- আর 'বাইগার' নদীর তীর ঘেঁষে অবস্থিত টুঙ্গিপাড়া গ্রাম।
- মধুমতীর অসংখ্য শাখা নদীর একটি বাইগার নদী।

উৎসঃ গোপালগঞ্জ জেলার ওয়েবসাইট।
৮,৯৫৩.
ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কারা গঠন করে?
  1. দিনেমার
  2. ওলন্দাজ
  3. পর্তুগিজ
  4. ব্রিটিশ
সঠিক উত্তর:
ওলন্দাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওলন্দাজ
ব্যাখ্যা
ওলন্দাজ:

- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে।
- বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক 'ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- কালিকট, নাগাপট্রম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৫৪.
বাংলাদেশের বার্ষিক বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণকারী সংস্থা কোনটি?
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
  4. বাংলাদেশ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বার্ষিক বৈদেশিক সাহায্যের পরিমাণ নির্ধারণকারী সংস্থা বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।

BDF:
- BDF-এর পূর্ণরূপ- Bangladesh Development Forum.
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) Economic Relations Division ওয়েবসাইট।

৮,৯৫৫.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চকোরিয়া
  2. করমজল
  3. টিলাগড়
  4. সাভার
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা
 প্রজনন কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের ছাগল প্রজনন কেন্দ্র - টিলাগড়, সিলেট।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো প্রজনন কেন্দ্র অবস্থিত – সাভার, ঢাকা।
- বাংলাদেশে কুমির প্রজনন কেন্দ্র - সুন্দরবনের করমজলে।
- বাংলাদেশে হরিণ প্রজনন কেন্দ্র - চকোরিয়া, কক্সবাজার।
- বাংলাদেশে মহিষ প্রজনন কেন্দ্র - ফকিরহাট, বাগেরহাট।
- বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র - ডুলাহাজরা, কক্সবাজার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৮,৯৫৬.
কোন বাংলাদেশী প্রথম সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করেন?
  1. মিজানুর রহমান
  2. আব্দুল মালেক
  3. শাহ আলম
  4. ব্রজেন দাস
সঠিক উত্তর:
ব্রজেন দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রজেন দাস
ব্যাখ্যা
ব্রজেন দাস:
- ব্রজেন দাস বাংলাদেশের একজন বাঙালি সাঁতারু।
- তিনিই প্রথম দক্ষিণ এশীয় ব্যক্তি যিনি সাঁতার কেটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- ১৯৫৮ সালের ১৮ আগস্ট তিনি এই কৃতিত্ব অর্জন করেন।
- তিনি মোট ৬ বার ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দেন।
- সর্বশেষ ১৯৬১ সালে ১০ ঘণ্টা ৩৫ মিনিটে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়েন।
- ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য ১৯৯৯ সালে তিনি মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৯৮ সালের ১ জুন তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
⇒ ইংলিশ চ্যানেল:
- ইংলিশ চ্যানেল আটলান্টিক মহাসাগরের একটি অংশ।
- এটি উত্তর ফ্রান্স থেকে গ্রেট ব্রিটেনের দ্বীপকে পৃথক করে।
- এই চ্যানেল উত্তর সাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) Britannica.
৮,৯৫৭.
কোন রাজ বংশের আমলে চর্যাপদ রচিত হয়?
  1. ক) সেন বংশ
  2. খ) পাল বংশ
  3. গ) গুপ্ত বংশ
  4. ঘ) মুঘল আমলে
সঠিক উত্তর:
খ) পাল বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাল বংশ
ব্যাখ্যা
চর্যাপদ:

- পাল বংশের আমলে চর্যাপদ রচিত হয়।
- চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন
- ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায়  হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর  পুথি আবিষ্কার করেন।
- চর্যার কবিদের কাল খ্রিস্টীয় নবম থেকে দ্বাদশ শতকের মধ্যে ধরা হয়।
- চর্যাপদের কবিরা হলেন সরহপা, শবরপা, লুইপা, ডোম্বীপা, ভুসুকুপা,  কাহ্নপা, কুক্কুরীপা, মীনপা, আর্যদেব, ঢেণ্ঢনপা প্রমুখ।
- চর্যাপদ শুধু প্রাচীন বাংলা সাহিত্যেরই নিদর্শন নয়, প্রাচীন বাংলা গানেরও নিদর্শন।

তথযসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,৯৫৮.
মুক্তিযুদ্ধকালীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা কত নং সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ২নং সেক্টর
  2. ১নং সেক্টর
  3. ৪নং সেক্টর
  4. ৮নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

১নং সেক্টর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
​ এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। 
​সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
​ এই সেক্টরের পাঁচটি সাব-সেক্টর (কমান্ডারদের নামসহ) হচ্ছে: 
​ঋষিমুখ (ক্যাপ্টেন শামসুল ইসলাম); 
​শ্রীনগর (ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান এবং পরে ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান); 
​মনুঘাট (ক্যাপ্টেন মাহফুজুর রহমান); 
​তবলছড়ি (সুবেদার আলী হোসেন); 
​এবং ডিমাগিরী (জনৈক সুবেদার)। 

​এই সেক্টরে প্রায় দশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করেন।
​ এদের মধ্যে ছিলেন ই.পি.আর, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রায় দুই হাজার নিয়মিত সৈন্য এবং গণবাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় আট হাজার। 
​এই বাহিনীর গেরিলাদের ১৩৭টি গ্রুপে দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৮,৯৫৯.
‘টিপু সুলতান‘ কী?
  1. ক) আমের একটি উন্নত জাত
  2. খ) কলার উন্নত জাত
  3. গ) গমের একটি উন্নত জাত
  4. ঘ) টমেটোর একটি উন্নত জাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) টমেটোর একটি উন্নত জাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টমেটোর একটি উন্নত জাত
ব্যাখ্যা
• টমেটো:
- এ দেশে এখন মৌসুমে ও অমৌসুমে প্রচুর পরিমাণে টমেটো চাষ হচ্ছে।
- শুধু আমাদের দেশেই নয়, সারা বিশ্বেই সবজি ফসলের মধ্যে আলু ও মিষ্টি আলুর পরেই সবচে বেশি উৎপাদিত হয় টমেটো। কেননা
- টমেটো একটি অত্যন- পুষ্টিসমৃদ্ধ সবজি। কাঁচা ও পাকা উভয় টমেটোই দেহের জন্য উপকারী।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) ও বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) বেশ কিছু টমেটোর জাত উদ্ভাবন করেছে যেগুলো অমৌসুমেও ফলে।
- এছাড়া কিছু হাইব্রিড জাত এ দেশে আসাতে সারা বছরই এখন টমেটো হচ্ছে। তবে দেশেও বেশ কিছু আধুনিক উচ্চফলনশীল জাতের টমেটো উদ্ভাবন করা হয়েছে যেগুলো ভাল ফলন দিচ্ছে।

• টমেটোর উন্নত জাতসমূহ:

জাতসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বারি টমেটো ৪, বারি টমেটো ৫, রোমা ভিএফ, রোমারিও, টিপু সুলতান, গ্রেট পেলে, ডেল্টা এফ ১, উন্নয়ন এফ ১, পুষারুবী, নিউ রূপালী এফ ১ ইত্যাদি।
মানিক, রতন, বারি টমেটো ৩, বারি টমেটো ৬, বারি টমেটো ৭, বারি টমেটো ৯, বাহার, মহুয়া ইত্যাদি জাতকে বেছে নেয়া যেতে পারে।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস
৮,৯৬০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে কোন পুরস্কার গ্রহণ করতে পারেনা?
  1. ২৪নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩০নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩২নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৪নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩০নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ সংবিধানের ৩০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে:
- রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমোদন ব্যতীত কোন নাগরিক কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নিকট হতে কোন উপাধি, খেতাব, সম্মান, পুরস্কার বা ভূষণ গ্রহণ করবেন না।

অন্যদিকে,
- ২৪নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন।
- ৩২নং অনুচ্ছেদ : জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
- ৩৪নং অনুচ্ছেদ : জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৯৬১.
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাং কোন জনপদ ভ্রমণ করে তার বিবরণী লিখে যান?
  1. সমতট
  2. বঙ্গ
  3. হরিকেল
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা

হিউয়েন সাং:
- ফা-হিয়েনের পরবর্তী তীর্থ-ভ্রমণকারী ছিলেন হিউয়েন-সাং।
- হিউয়েন-সাং  সাত শতকের চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী। 
- তাঁর বিবরণী থেকে সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধের বাংলা সম্পর্কে কিছুটা তথ্য জানা যায়।
- সে সময় উত্তর ভারতে হর্ষবর্ধন, বাংলায় শশাঙ্ক এবং আসামে ভাস্করবর্মণ শাসন করছিলেন। ৬২৯ সালে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে হিউয়েন সাং উত্তরের বাণিজ্য পথ ধরে মধ্য এশিয়ার কুশ হয়ে উত্তর ভারতে পৌঁছান। হিউয়েন সাং হর্ষবর্ধনের শাসনামলে ভারতবর্ষে আসেন। কনৌজনগরে পৌঁছে তিনি ভারতীয় সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য লাভ করেন। হিউয়েন-সাং যখন নালন্দা মহাবিহারে অধ্যয়ন করেন তখন বাঙালি বৌদ্ধ ভিক্ষু শীলভদ্র ছিলেন এর অধ্যক্ষ। হিউয়েন-সাং শীলভদ্রের একজন ছাত্র ছিলেন।

⇒ হিউয়েন-সাং ৬৩৮ সালের দিকে বাংলায় আসেন।
- তাঁর বিবরণী শশাঙ্ক-এর ইতিহাস, বিশেষ করে হর্ষবর্ধনের সঙ্গে তাঁর বৈরিতা এবং শশাঙ্কের ধর্মনীতি সম্পর্কে জানার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
- শৈশব থেকেই তিনি ধর্মগ্রন্থ, বিশেষ করে চৈনিক ধ্রুপদি গ্রন্থ ও প্রাচীন জ্ঞানী লোকদের লেখা পাঠে আগ্রহী হন।
- লুওইয়াং নগরে অবস্থানকালে হিউয়েন সাং মাত্র ১৩ বছর বয়সে বৌদ্ধভিক্ষু সম্প্রদায়ে প্রবেশ করেন।

উল্লেখ্য,
- হিউয়েন-সাং-এর গ্রন্থ জিউ জি (সি-উ চি) মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশসমূহের উপর সর্ববৃহৎ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ সম্বলিত গ্রন্থ। বৌদ্ধ গ্রন্থ সংগ্রহ ও বৌদ্ধ ধর্ম নির্দেশনায় ব্যুৎপত্তি অর্জন হিউয়েন-সাং-এর প্রধান উদ্দেশ্য হলেও ভারতে অবস্থানকালে তিনি অন্যান্য কাজও করেছেন। বাংলায় ভ্রমণকৃত বিভিন্ন অঞ্চলের মধ্যে ছিল প্রধানত কর্ণসুবর্ণের নিকটবর্তী  রক্তমৃত্তিকা,  পুন্ড্রনগর ও এর সংলগ্ন এলাকা,  সমতট ও  তাম্রলিপ্তি। তাঁর বিবরণ বাংলার প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারে ব্যাপক সহায়তা করে। কোথাও কোথাও তাঁর বিবরণ পক্ষপাতদোষে দুষ্ট হলেও সাত শতকের বাংলার ইতিহাস, বিশেষ করে শশাঙ্কের শাসনাধীন গৌড় রাজ্য সম্বন্ধে তিনি আলোকপাত করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৮,৯৬২.
​’খাসিয়া’ সম্প্রদায় বাংলাদেশের কোথায় বাস করে?
  1. পটুয়াখালি
  2. সিলেট
  3. বান্দরবন
  4. বরগুনা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

​খাসিয়া :
- বাংলাদেশের সিলেট জেলা ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- তারা মাতৃপ্রধান পরিবারে বসবাস করে।
- সিলেট, সুনামগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় তারা বসবাস করছে।

​অন্যদিকে,​
রাখাইন :
- রাখাইন বাংলাদেশ ও মায়ানমারের একটি জনগোষ্ঠীর নাম।
- এরা মগ নামেও পরিচিত।
- বর্তমানে রাখাইন সম্প্রদায়ের বসবাস মূলত কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায়।

​খিয়াং :
- খিয়াং বাংলাদেশের চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলে বসবাসকারী একটি সম্প্রদায়।
- কিছু খিয়াং বান্দরবন জেলায়ও বসবাস করে।

উৎস : nrigostisanad website.

৮,৯৬৩.
মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. গ) এম.মনসুর আলী
  4. ঘ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
গ) এম.মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম.মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ, অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম.মনসুর আলী, স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান, প্রধান সেনাপতি ছিলেন কর্নেল (অব.) এম. এ. জি. ওসমানী, চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. কর্নেল(অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুফ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি।
৮,৯৬৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ১১ টি
  2. ১২ টি
  3. ২৯ টি
  4. ৬৪ টি
সঠিক উত্তর:
৬৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ টি
ব্যাখ্যা

জেনারেল এম.এ. জি ওসমানী মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের মাধ্যমে যুদ্ধকৌশলের সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টর এবং ৬৪ টি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

৮,৯৬৫.
When was the Universal Pension Scheme launched in the country?
  1. August 12, 2023
  2. August 14, 2023
  3. August 17, 2023
  4. August 19, 2023
সঠিক উত্তর:
August 17, 2023
উত্তর
সঠিক উত্তর:
August 17, 2023
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (Universal Pension Scheme):
- দেশে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি চালু হয় ১৭ আগস্ট, ২০২৩
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- উদ্বোধনের দিন থেকেই ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী নাগরিকরা চারটি স্কিমের মাধ্যমে এতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারবেন।
- আপাতত চার শ্রেণির জনগোষ্ঠীর জন্য চার ধরনের পেনশন কর্মসূচি চালু করা হচ্ছে।
- ৪ ধরনের সার্বজনীন পেনশন স্কিম:
 ‘প্রবাস’ ‘প্রগতি‘, ‘সুরক্ষা’ ও ‘সমতা’।

তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক (১৭ আগস্ট, ২০২৩)।
৮,৯৬৬.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে মাঝখানে অংকিত মানচিত্র কোন রঙের?
  1. লাল
  2. হলুদ
  3. সবুজ
  4. সোনালী
সঠিক উত্তর:
হলুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলুদ
ব্যাখ্যা

• রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ', নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- এ মনোগ্রামের ডিজাইনার এ এন এ সাহা।



উৎস: বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট।

৮,৯৬৭.
দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা হিসেবে কাকে ধরা হয়?
  1. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. স্যার সলিমুল্লাহ
  3. এ কে ফজলুল হক
  4. জওহরলাল নেহরু
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
- দ্বি-জাতি তত্ত্বের (Two-Nation Theory) প্রবক্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 

জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্ব: 

- দ্বিজাতিতত্ত্ব  ভারত ও পাকিস্তান নামে দু’টি স্বাধীন জাতি ও রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমে ভারতকে রাজনৈতিকভাবে দ্বিধাবিভক্ত করার নির্ণায়ক ও আদর্শাশ্রয়ী একটি রাজনৈতিক মতবাদ।
- এই মতবাদই ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ বা ‘Two Nations Theory’ নামে পরিচিত।
- তাঁর এই তত্ত্ব ছিল ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব বা পাকিস্তান প্রস্তাবের মূলভিত্তি।
- যদিও উক্ত প্রস্তাবে ‘পাকিস্তান’ শব্দটি বা ‘দ্বিজাতি তত্ত্ব’ সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবুও প্রস্তাবের অন্তর্নিহিত বক্তব্য ছিল হিন্দু ও মুসলমানদের জন্য পৃথক রাষ্ট্র গঠনের পক্ষে। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর এই তত্ত্বই পরবর্তীতে ভারত বিভাগের অন্যতম যুক্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৬৮.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা কার্যকর হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. চতুর্দশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।

» দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।

৮,৯৬৯.
'লালমাই' কোন প্রাচীন জনপদের কেন্দ্র ছিল?
  1. বঙ্গ
  2. হরিকেল
  3. সমতট
  4. পুণ্ড্র
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা
সমতট:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটির অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ রয়েছে।
- কালিদাসের রঘুবংশ কাব্যের মাধ্যমে জানা যায় যে, সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- তিনি বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
- মেঘনা পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- সমতটের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা।
- প্রাচীন ত্রিপুরা বা বর্তমান কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলই নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট জনপদ।
- হিউয়েন সাঙ সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৭০.
২০২৪ সালে কত জন একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন?
  1. ১৭ জন
  2. ১৯ জন
  3. ২১ জন
  4. ২৩ জন
সঠিক উত্তর:
২১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

একুশে পদক-২০২৪:

- বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার এই ‘একুশে পদক’।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিতে ২১ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবার একুশে পদক পেয়েছেন।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মঙ্গলবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে মনোনীত ও তাদের প্রতিনিধিদের হাতে পদক তুলে দেন।
- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় গত ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।
- তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেলেন।

উল্লেখ্য,
- ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে দু’জন: মৌ. আশরাফুদ্দীন আহমদ(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা হাতেম আলী মিয়ার (মরণোত্তর)। 
- শিল্পকলায় ১২ জন: জালাল উদ্দীন খা(মরণোত্তর), বীর মুক্তিযোদ্ধা কল্যানী ঘোষ (মরণোত্তর), বিদিত লাল দাস(মরণোত্তর), এন্ড্রু কিশোর (মরণোত্তর), শুভ্রদেব, শিবলী মোহাম্মদ, ডলি জহুর, এম এ আলমগীর, খান মো.মুস্তাফা ওয়ালিদ(শিমুল মুস্তাফা), রূপা চক্রবর্তী, শাহজাহান আহমেদ বিকাশ, কাওসার চৌধুরী।
- সমাজসেবায় দু’জন: মো. জিয়াউল হক, রফিক আহামদ।
- ভাষা ও সাহিত্যে চার জন: মুহাম্মদ সামাদ, লুৎফর রহমান রিটন, মিনার মনসুর , রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ(মরণোত্তর)।
- শিক্ষায় একজন: প্রফেসর ড. জিনবোধি ভিক্ষু।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৮,৯৭১.
সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ৬৪
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ৬৫
  3. গ) অনুচ্ছেদ - ৬৮
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ৫৫
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ - ৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অনুচ্ছেদ - ৬৫
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ - ৬৫ঃ সংসদ প্রতিষ্ঠা -- (১) ''জাতীয় সংসদ'' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।
৮,৯৭২.
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল?
  1. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করা
  2. সংবিধান প্রণয়ন
  3. পরিকল্পনা কমিশন গঠন করা
  4. সরকার গঠন
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ :
- সংবিধান রচনার জন্য ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করে। 
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য।
- আদেশটি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়। 
- ৪৩০ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
- আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট ‘একটা খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি’ গঠিত হয়।
- বেগম রাজিয়া বানু ছিলেন এই খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি একমাত্র মহিলা সদস্য।
- এই কমিটি মোট ৭৪টি বৈঠকে মিলিত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১০ জুন অনুষ্ঠিত সভায় সংবিধানের প্রাথমিক খসড়া অনুমোদন করে।
- ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে খসড়া সংবিধান বিল আকারে পেশ করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর হয়।

উৎস:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,৯৭৩.
প্রধানমন্ত্রী কার নিকট জবাবদিহি করেন?
  1. সুপ্রিমকোর্ট
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জনগণ
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

• প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ:
⇒ সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন। মন্ত্রিপরিষদের সহযোগিতায় তিনি শাসনসংক্রান্ত সকল দায়িত্ব পালন করেন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন। প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান। তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন। মন্ত্রীদের কাজ তদারক করেন। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাজের মধ্যে সমন্বয় করেন। সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মন্ত্রীগণ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ও অনুমোদন নিয়ে কাজ করেন। তিনি যেকোনো মন্ত্রীকে তার পদ থেকে অপসারণের পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒  প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা। তিনি সংসদে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। যেমন- সংসদ অধিবেশনে নির্ধারিত দিনে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব প্রদান করেন, সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচি ও কার্যক্রম তুলে ধরে সংসদে বক্তৃতা প্রদান করেন। এছাড়া তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন।

⇒ সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়। যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। এভাবে তিনি আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকেন।

⇒ পররাষ্ট্র বিষয়ে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করেন। প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৮,৯৭৪.
Who is the President of the National Assembly of Bangladesh?
  1. ক) A Senior SP
  2. খ) Prime Minister
  3. গ) Speaker
  4. ঘ) Chief Whip
  5. ঙ) None
সঠিক উত্তর:
গ) Speaker
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Speaker
ব্যাখ্যা
সাংবিধানিক অধিকার অনুযায়ী বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সভাপতি (প্রেসিডেন্ট) স্পিকার।
আর অধিবেশন আহ্বান করেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের নেতা।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,৯৭৫.
ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন কোন শাসককে?
  1. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. মোবারক শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ফিরোজ শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
⇒ ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' ও 'সুলতান-ই- বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন।

শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহের সিংহাসন লাভ ও রাজ্য বিস্তার:

- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলাদেশে প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্ সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। তাই এ আমল থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় 'বাঙালি' নামে।
- ইলিয়াস শাহ ইরানের অধিবাসী ছিলেন।
- ইলিয়াস লখনৌতির শাসনকর্তা আলী মুবারকের ধাত্রীমাতার পুত্র ছিলেন।
- পরে আলী মুবারক বাংলাদেশে চলে আসেন এবং অল্প দিনের মধ্যেই লখনৌতির শাসনকর্তা কদর খানের প্রধান সেনাপতি হন।
- ইলিয়াস শাহ যখন সিংহাসনে বসেন তখন পূর্ব ও দক্ষিণ বঙ্গ তার রাজ্যের বাইরে ছিল।
- তিনি প্রথমে সাতগাও দখল করেন।
- এরপর ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দে নেপাল আক্রমণ করেন ও প্রচুর ধন-সম্পদ লাভ করেন।
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাও অধিকার করে সারা বাংলাদেশের সুলতান হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৭৬.
স্বাধীনতার পর মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য কোনটি?
  1. অপরাজেয় বাংলা
  2. মোদের গরব
  3. শাবাশ বাংলাদেশ
  4. জাগ্রত চৌরঙ্গী
সঠিক উত্তর:
জাগ্রত চৌরঙ্গী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাগ্রত চৌরঙ্গী
ব্যাখ্যা

জাগ্রত চৌরঙ্গী:
- জাগ্রত চৌরঙ্গী মুক্তিযুদ্ধের স্মরণে নির্মিত এটিই প্রথম ভাস্কর্য।
- গাজীপুরের জয়দেবপুর চৌরাস্তার ঠিক মাঝখানে সড়কদ্বীপে অবস্থিত ভাস্কর্যটি।
- এটি নির্মাণ করেন খ্যাতিমান ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক।
- ১৯৭৩ সালের সেপ্টেম্বরে এর নির্মাণ কাজ শেষ হয়।
- ভাস্কর আবদুর রাজ্জাক সহযোগী হামিদুজ্জামান খানকে নিয়ে ১৯৭২ সালে ভাস্কর্যটির নির্মাণকাজ শুরু করেন।

• ভাস্কর্যটির বৈশিষ্ট্য
- ভিত বা বেদিসহ জাগ্রত চৌরঙ্গীর উচ্চতা ৪২ ফুট ২ ইঞ্চি। 
- ২৪ ফুট ৫ ইঞ্চি ভিত বা বেদির ওপর মূল ভাস্কর্যের ডান হাতে গ্রেনেড ও বাঁ হাতে রাইফেল।
- ভাস্কর্যটিতে ১৬ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩ নম্বর সেক্টরের ১০০ জনের নাম ও
- ১১ নম্বর সেক্টরের ১০৭ জন শহীদ সৈনিক ও মুক্তিযোদ্ধাদের নাম লেখা আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮,৯৭৭.
দেশে বর্তমান উপকূলীয় নদীবন্দর কয়টি? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ৫৪টি
  2. ৩৪টি
  3. ৬টি
  4. ১টি
সঠিক উত্তর:
১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১টি
ব্যাখ্যা
সন্দ্বীপ নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম এবং বর্তমানে একমাত্র উপকূলীয় নদীবন্দর এটি।
- ১১ ডিসেম্বর,২০২৪ তারিখে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
- বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষকে (বিআইডব্লিউটিএ) সংরক্ষক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
- সন্দ্বীপ দ্বীপের চারপাশের তীরের সাধারণ ভরাকটালের সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূ–ভাগের দিকে ৫০ মিটার পর্যন্ত এর সীমানা বিস্তৃত।
- সন্দ্বীপ উপকূলীয় এলাকার ওই সীমানার মধ্যে খালগুলো নদীবন্দরের সীমানার আওতাভুক্ত হবে।

উল্লেখ্য,
- এ নিয়ে দেশে নদীবন্দরের সংখ্যা দাঁড়ালো ৫৪টিতে।
- এর মধ্যে ৪টি বড় নদীবন্দর হচ্ছে ঢাকা (সদরঘাট), নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর ও বরিশাল।
- এছাড়া দেশের কন্টেইনার টার্মিনাল নদীবন্দর হচ্ছে ঢাকার পানগাঁও।

উৎস: বিআইডব্লিউটিএ ওয়েবসাইট।
৮,৯৭৮.
রাজা রামমোহন রায়ের প্রকাশিত পত্রিকা নয় কোনটি?
  1. ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন
  2. সমাচার চন্দ্রিকা
  3. সম্বাদ কৌমুদী
  4. মিরাত-উল-আখবার
সঠিক উত্তর:
সমাচার চন্দ্রিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাচার চন্দ্রিকা
ব্যাখ্যা
• 'সমাচার চন্দ্রিকা' রাজা রামমোহন রায়ের প্রকাশিত পত্রিকা নয়।

রাজা রামমোহন রায়:
- বাংলার নবজাগরণের স্রষ্টা, ভারতের প্রথম আধুনিক পুরুষ ছিলেন রাজা রামমোহন রায়।
- ১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহন করেন।
- অসাধারণ পাণ্ডিত্যের অধিকারী রামমোহন, বিশেষ করে আরবি, ফারসি, উর্দু, ল্যাটিন ও গ্রিক ভাষায় অসামান্য দক্ষতা অর্জন করেন।
- তিনি 'সম্বাদ কৌমুদী', ‘মিরাত-উল-আখবার' ও 'ব্রাহ্মনিকাল ম্যাগাজিন' নামে তিনটি পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- তিনি হিন্দু সমাজের সতীদাহ, বাল্যবিবাহ, কৌলিন্য প্রথা, মূর্তিপূজা ও অন্যান্য কুসংস্কার দূর করে আদি একেশ্বরবাদের ভিত্তিতে হিন্দুধর্ম পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সচেষ্ট হন।
- রাজা রামমোহন ১৮২২ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘এ্যাংলো হিন্দু কলেজ' প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে এই মহাপুরুষ, ভারতীয় নবজাগরণের স্রষ্টা, রাজা রামমোহন রায়ের মৃত্যু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৭৯.
নিচের কোনটি রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষা
  2. খ) নিয়মতান্ত্রিকতা
  3. গ) জাতীয় স্বার্থ 
  4. ঘ) সরকার গঠন
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যক্তি স্বার্থ রক্ষা
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য
- সমমতাদর্শ
- নির্দিষ্ট কর্মসূচি
- জাতীয় স্বার্থ 
- সরকার গঠন 
- সংঘবদ্ধতা 
- নিয়মতান্ত্রিকতা
- দলীয় আদর্শ অনুশীলন

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।  
৮,৯৮০.
দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে পৃথিবীর অষ্টম উঁচু পর্বত মানাসলু জয় করেন কে?
  1. বাবর আলী
  2. তৌফিক আহমেদ
  3. তানভীর আহমেদ
  4. এম এ মুহিত
সঠিক উত্তর:
তৌফিক আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৌফিক আহমেদ
ব্যাখ্যা

মানাসলু শৃঙ্গ জয়:
- দ্বিতীয় বাংলাদেশী হিসেবে পৃথিবীর অষ্টম উঁচু পর্বত মানাসলু জয় করেন পর্বতারোহী তৌফিক আহমেদ।
- তিনি গত ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ নেপালের স্থানীয় সময় রাত তিনটায় 'মানাসলু' শিখরে ওঠেন ।
- এর পরদিন ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়াই পৃথিবীর অষ্টম সর্বোচ্চ চূড়া জয় করেন পর্বতারোহী বাবর আলী।
- বাবর আলীর পাশপাশি বাংলাদেশের আরেক পর্বতারোহী তানভীর আহমেদও একই দিনে ‘মানাসলু’ জয় করেছেন। 
- তাদের এই যৌথ অভিযানের নাম ‘মানাসলু অ্যাসেন্ট: ভার্টিক্যাল ডুয়ো’।

উল্লেখ্য,
- হিমালয় পর্বতমালার ৮ হাজার ১৬৩ মিটার উঁচু ‘মাউন্টেন অব দ্য স্পিরিট’ নামে পরিচিত মানাসলু পর্বতের অবস্থান নেপালের মানসিরি হিমাল রেঞ্জে।
- ২০১১ সালে ১২ অক্টোবর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গে ওঠেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী এম এম মুহিত।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৮,৯৮১.
কোনটির ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে?
  1. অর্থনৈতিক স্বার্থের ভিত্তিতে
  2. স্বজাতিবোধের ভিত্তিতে
  3. নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
  4. উপরের কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- নীতি ও কর্মসূচি ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে।
- সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে।

উল্লেখ্য, 
- সাধারণত বহুমুখী ও ব্যাপক সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়।
- বহু ও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দায়-দায়িত্ব রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অন্তর্ভূক্ত থাকে।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হল বৃহত্তম জাতীয় ও সামাজিক স্বার্থ সাধন।
- রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রেই সম্প্রসারিত।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৮২.
কবে বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়নের অঙ্গীকার নেয়? 
  1. ১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট
  2. ১৯৯০ সালের ৩ মে
  3. ১৯৯০ সালের ৩ জুলাই
  4. ১৯৯০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়ন:
- বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদ বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯০ সালের ৩ আগস্ট আইনি অঙ্গীকার গ্রহণ করে। 
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের এই সনদে স্বাক্ষরকারী প্রথম দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল।
- বাংলাদেশ শিশু অধিকার সনদে স্বাক্ষর ও অনুসমর্থনের মাধ্যমে শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করতে আইনগতভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়।

উল্লেখ্য, 
- শিশু অধিকার সনদ ১৯৮৯ সালের ২০ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয় এবং
- ১৯৯০ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়ে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলোর ওপর আইনি বাধ্যবাধকতা আরোপ করে।
- সনদটি শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য পাঁচটি মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে প্রণীত:
• জীবনের অধিকার,
• একটি নাম ও জাতীয়তা পাওয়ার অধিকার, 
• পরিবারে বড় হওয়া ও যত্ন লাভের অধিকার,
•  শিক্ষা ও খেলাধুলার অধিকার, এবং
• অর্থনৈতিক ও যৌন শোষণ থেকে সুরক্ষা পাওয়ার অধিকার। 

উৎস:
UNICEF;
বাংলাপিডিয়া।

৮,৯৮৩.
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. মুশফিকুর রহিম
  2. তামিম ইকবাল খান
  3. লিটন দাস
  4. মাহমুদুল্লাহ।
সঠিক উত্তর:
তামিম ইকবাল খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামিম ইকবাল খান
ব্যাখ্যা
- তামিম ইকবাল খান।
- আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে একমাত্র সেঞ্চুরি তামিমের, ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম পর্বে ওমানের বিপক্ষে।
- ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি রান তামিম ইকবাল খানের।
- ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি।

• বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করার কৃতিত্বও মুশফিকের।
- ২০১৩ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গলে ২০০ রান করেছিলেন তিনি।

উৎস: প্রথম আলো।
৮,৯৮৪.
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি-
  1. নির্বাচন কমিশন
  2. বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়
  3. বিশ্ববিদ্যালয়
  4.  সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
 সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়। 
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন। 

স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো-
ক. আইনগত ভিত্তি,
খ. নির্বাচিত সংস্থা,
গ. সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় জনগণের অংশগ্রহণের সুযোগ,
ঘ. করারোপের মাধ্যমে তহবিল সংগ্রহের ক্ষমতা,
ঙ.পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন,
চ. কেন্দ্রীয় বা বিভাগীয় প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণমুক্ত থেকে স্বাধীনভাবে কার্য পরিচালনা প্রভৃতি।

• বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- 
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ, 
- জেলা পরিষদ, 
- পৌরসভা,
- সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,৯৮৫.
ইউরো মুদ্রা গ্রহনকারী সর্বশেষ দেশ-
  1. ক) লিথুনিয়া
  2. খ) ক্রোয়েশিয়া
  3. গ) মন্টিগ্রো
  4. ঘ) ইউক্রেন
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রোয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রোয়েশিয়া
ব্যাখ্যা
- ২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি ‘ইউরোকে' আনুষ্ঠানিকভাবে মুদ্রা হিসেবে গ্রহন করে ক্রোয়েশিয়া।
- একই সাথে শেনজেন বা ইউরোপের ভিসা মুক্ত অঞ্চলেও প্রবেশ করলো দেশটি।
- ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদানের প্রায় এক দশক পর ইউরো মুদ্রা চালু করছে ক্রোয়েশিয়া।
- ক্রোয়েশিয়া নিজস্ব মুদ্রা কুনাকে বিদায় জানায়। এর মধ্য দিয়ে ইউরোজোনের একক মুদ্রা ‘ইউরো’ ব্যবহারকারী ২০তম দেশ হয় ক্রোয়েশিয়া।
- ১৯৯৯ সালে ইউরোপের ১৪টি দেশ (অস্ট্রিয়া, বেলজিয়াম, জার্মানি, ফিনল্যান্ড, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবুর্গ, মোনাকো, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, স্পেন, সান মারিনো এবং ভ্যাটিকান সিটি) ইউরো প্রথমদিকে ব্যবহার করতে শুরু করে।
- ইউরো মুদ্রাটি সাত রকমের নোট নিয়ে গঠিত-৫ ইউরো নোটের রং ছাই, ১০ ইউরো লাল, ২০ ইউরো নীল, ৫০ ইউরো কমলা, ১০০ ইউরো সবুজ, ২০০ ইউরো বাদামী-হলুদ এবং ৫০০ ইউরো হালকা বেগুনি।

উৎস: কালের কণ্ঠ এবং Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার এবং ইউরোপিয়ান ওয়েবসাইট
৮,৯৮৬.
কত সালে ইউনেস্কো পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারকেকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- এই মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
- এটি প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।

⇒ পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- পাল রাজবংশের রাজা ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) অষ্টম শতকের শেষ দিকে এ বিহার নির্মাণ করেন।
- সোমপুর বিহার এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বৃহত্তম বিহার।
- এর দৈর্ঘ্য পূর্ব-পশ্চিমে ৯১৯ ফুট এবং উত্তর-দক্ষিণে ৯২২ ফুট।
- মূল ভবনে বৌদ্ধ ভিক্ষুদের জন্য ১৭৭টি কক্ষ ছিল।

⇒ পূর্বভারতে জরিপ কাজ পরিচালনাকালে ১৮০৭ ও ১৮১২ সালে বুকানন হ্যামিল্টন সর্ব প্রথম প্রত্নস্থলটি পরিদর্শন করেন।
- পরবর্তীকালে ওয়েস্টম্যাকট পাহাড়পুর পরিভ্রমণে আসেন।
- স্যার আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে এ স্থান পরিদর্শন করেন ও ২২ ফুট বর্গাকার একটি ইমারত আবিষ্কার করেন।
- প্রত্নস্থলটি ১৯০৯ সালের পুরাকীর্তি আইনের আওতায় ভারতের প্রত্নতাত্ত্বিক জরিপ বিভাগ কর্তৃক ১৯১৯ সালে সংরক্ষিত পুরাকীর্তি হিসেবে ঘোষিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৯৮৭.
জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়া 'মহিষের দুধের দই' কোন জেলার ঐতিহ্য?
  1. নোয়াখালী
  2. পিরোজপুর
  3. ভোলা
  4. নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা
জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- জাতিসংঘের সংস্থা WIPO (World Intellectual Property Organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- জিআই পণ্যের স্বীকৃতি পাওয়া 'মহিষের দুধের দই' দ্বীপ জেলা ভোলার ঐতিহ্য।
- ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. মুনিম হাসান স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ‘ভোলার মহিষের দুধের কাঁচা দই’কে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ভোলার দুইশ বছরের ঐতিহ্যবাহী মহিষের দুধের কাঁচা দইকে জিআই পণ্য হিসেবে স্বীকৃতির জন্য ২০২৩ সালের ১৯ ডিসেম্বর তখনকার ভোলার জেলা প্রশাসক পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তরে আবেদন করেন।
- আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৯ নম্বর শ্রেণিতে পণ্যটি জিআই-৫৫ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তর।

উৎস: i) পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৮,৯৮৮.
’শুভ্রা ও উত্তরণ’ কৃষিতে কোন ফসলের উন্নত জাত? 
  1. আলু
  2. তামাক
  3. ভুট্টা
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ফসল:
- উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।

অন্যদিকে,
- উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
- উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
- উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
- উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মোহনভোগ।
- উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
- উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
- উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।
- উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা,।
- উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৮,৯৮৯.
পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয় কোন শাসককে?
  1. মহীপাল
  2. রামপাল
  3. দেবপাল
  4. ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
রামপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামপাল
ব্যাখ্যা
রামপাল:

- রামপাল রাজা হয়েই বরেন্দ্র পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করেন।
- এই সময় কৈবর্তদের নেতা ছিলেন ভীম। প্রথম চেষ্টায় রামপাল ব্যর্থ হন।
- বরেন্দ্র অঞ্চলের উপর রামপালের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তাঁর রাজত্বের শেষের দিকে তিনি কামরূপ এবং উড়িষ্যার উপরও প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন।
- রামপালকে পাল বংশের শেষ মুকুট বলা হয়।
- কবি সন্ধ্যাকর নন্দী ‘রামচরিত’ নামে রামপালের জীবনী লিখেন।
- রামপালের মৃত্যুর পর পাল সাম্রাজ্যের গৌরব দ্রুত বিলুপ্তির পথে এগিয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৯০.
সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  4. স্পীকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
• সংসদীয় পদ্ধতিতে সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী রাষ্ট্রপতি। 

- ৪৮। (১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকিবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হইবেন।
         (২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করিবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁহাকে প্রদত্ত ও তাঁহার উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করিবেন।

        (৩) এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁহার অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন:
 তবে শর্ত থাকে যে, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রপতিকে আদৌ কোন পরামর্শদান করিয়াছেন কি না এবং করিয়া থাকিলে কি পরামর্শ দান করিয়াছেন, কোন আদালত সেই সম্পর্কে কোন প্রশ্নের তদন্ত করিতে পারিবেন না।
 
 সূত্র : বাংলাদেশ সংবিধান।
৮,৯৯১.
'জীবনঢুলী' চলচ্চিত্রের প্রেক্ষাপট কী?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. ১৯৪৭-এর দেশভাগ
  4. মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিযুদ্ধ
ব্যাখ্যা
জীবনঢুলী:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র জীবনঢুলী।
- 'জীবনঢুলী'র পরিচালক ছিলেন তানভীর মোকাম্মেল।
- চলচ্চিত্রটি নির্মিত হয়েছে ২০১৩ সালে।

⇒ জীবনঢুলী নিম্নবর্গের একটি হিন্দু ঢাকি ও তার পরিবারের ১৯৭১ সালের অভিজ্ঞতার কাহিনি।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় নিম্নবর্ণের এক ঢাকি জীবনকৃষ্ণ দাস ও তাঁর পরিবারের অভিজ্ঞতার গল্প বলা হয়েছে ‘জীবনঢুলী’ ছবিতে।
- বাংলাদেশ সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত ছবিটিতে চুকনগর গণহত্যাকে তুলে ধরা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের চুকনগর বাজার।
- ১৯৭১ সালের ২০ মে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সেখানে এক নৃশংস গণহত্যা চালায়।
- ইতিহাসে তা ‘চুকনগর গণহত্যা’ নামে পরিচিতি।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,৯৯২.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ কোন সংস্থার আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠানের গভর্নিং কাউন্সিলে নির্বাচিত হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. জাতিসংঘ
  3. বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা
  4. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতিসংঘ
ব্যাখ্যা
এপিসিআইসিটি (APCICT) এবং এপিডিআইএম (APDIM):
- সম্প্রতি, থাইল্যান্ডের ব্যাংককে এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনইএসসিএপি) ৮১তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- এ অধিবেশনে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক জয়লাভ করে।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ইউএনইএসসিএপি) এর ২টি আঞ্চলিক সংস্থার গভর্নিং কাউন্সিলে নির্বাচিত হয়েছে।
- সংস্থাগুলো হলো: এশিয়া-প্যাসিফিক ট্রেনিং সেন্টার অন আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট (এপিসিআইসিটি) ও এশিয়া-প্যাসিফিক সেন্টার ফর দ্য ডেভেলপমেন্ট অব ডিজাস্টার ইনফরমেশন ম্যানেজমেন্টের (এপিডিআইএম)।
- দুইটি সংস্থায় বাংলাদেশের মেয়াদ নির্ধারণ করা হয়েছে তিন বছরের জন্য।

উল্লেখ্য,
- এপিসিআইসিটি (APCICT) এর কাজ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) ব্যবহারের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা।
- এপিডিআইএম (APDIM) এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর দুর্যোগ প্রস্তুতি ও মোকাবেলা সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
৮,৯৯৩.
১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ড: মুহাম্মদ ইউনূস কোন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন?
  1. অর্থ ও পরিকল্পনা
  2. আইন, বিচার ও সংসদ
  3. বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
  4. স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের শাসনভার গ্রহণ করে থাকে।
- বিএনপি সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে যোগ হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি।
- তখন সাংবিধানিকভাবে প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

অন্যান্য উপদেষ্টাগণ ছিলেন -
- ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক মো. শামসুল হক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, শেগুফতা বখত চৌধুরী, এ জেড এম নাছিরুদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রহমান খান।

উল্লেখ্য,
ড: মুহাম্মদ ইউনুস:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারে ড: মুহাম্মদ ইউনুস বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা এবং পরিবেশ ও বন- এই তিনটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে বিএ অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৭০ সালে আমেরিকার ভেনডারবিন্ট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লাভ করেন পিএইচডি ডিগ্রি।
- ব্যাংকিং-এ বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে যুগান্তকারী ধ্যান-ধারণা নিয়ে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন গ্রামীণ ব্যাংক।
- দেশের দরিদ্র ও পশ্চাৎপদ জনগোষ্ঠী বিশেষভাবে মহিলাদের ক্ষুদ্র ঋণ সরবরাহ করে তাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানো গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাংকিং কর্মকান্ডের মূল বৈশিষ্ট্য।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) The Business Standard.
৮,৯৯৪.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে -
  1. হিমায়িত খাদ্য
  2. চামড়া
  3. কৃষিজাত পণ্য
  4. নীটওয়্যার
সঠিক উত্তর:
নীটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত নীটওয়্যার।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩১.৩৬২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮%।
- এর মধ্যে নীটওয়্যার: ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক: ৩৮.৫৭%।

অন্যদিকে,
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (১.২৯%)।
- পাটজাত পণ্য থেকে আয় আসে ৪৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উল্লেখ্য,
- 'শিল্পজাত পণ্য'- এর অবদান/রপ্তানির হার; ৯৭.১১%।
- প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে: 'কৃষিজাত পণ্য' (০.৯২%)।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে: হিমায়িত খাদ্য' (০.৮৬%)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৮,৯৯৫.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী?
  1. ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. খ) চুনাপাথর
  3. গ) মিথেন গ্যাস
  4. ঘ) ইলমেনাইট
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রাকৃতিক গ্যাস
ব্যাখ্যা
⇒ প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো মিথেন। 
- এছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসে - ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন, আইসোবিউটেন, পেন্টেন, কার্বন ডাইঅক্সাইড ইত্যাদি উপাদানও উপস্থিত থাকে।



ইউরিয়া উৎপাদনের মূলনীতি:
• বাংলাদেশে ৭টি সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদনে কাঁচামাল (Raw Material) হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়।




ইউরিয়া উৎপাদনে প্রধান কাঁচামাল তথা প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে প্রাপ্ত মিথেন ও কার্বন ডাইঅক্সাইড উভয়ই ব্যবহৃত হয় এবং উভয়ই প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান।
যেহেতু মিথেন ছাড়াও প্রাকৃতিক গ্যাসের অন্যান্য উপাদানও ইউরিয়া সারের কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তাই, কাঁচামাল তথা Raw Material হিসেবে 'প্রাকৃতিক গ্যাস' অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর। অপশনে প্রাকৃতিক গ্যাস না থাকলে মিথেন উত্তর হবে।


সূত্র:
১. কার্বন ডাইঅক্সাইড প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদান: American Energy Information Administration [Link]
২. রসায়ন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. রসায়ন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, হাজারী ও নাগ।
৮,৯৯৬.
নিচের কোনটি সরকারি নোট?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ১০০ টাকা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট। 
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে। 
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট ।
৮,৯৯৭.
মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীকে মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতা করেছে কারা?
  1. রাজাকার
  2. আলবদর
  3. আলশামস
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
অবরুদ্ধ বাংলাদেশ ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি: 
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ জুড়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা নির্যাতন, গণহত্যা আর ধ্বংসলীলায় মেতে উঠে।
- তাদের প্রধান লক্ষ ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ এদেশের ছাত্রসমাজ, অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে বিশ্বাসী শিক্ষিত মধ্যবিত্ত শ্রেণি এবং সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়।
- পাকিস্তানিরা বিশ্বাস করত পূর্ব পাকিস্তানের আন্দোলন সংগ্রামের পেছনে ভারতের ইন্ধনে হিন্দুরা কাজ করছে।
- রাজধানী ঢাকা ছাড়াও বাংলাদেশের প্রত্যন্ত গ্রাম পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনী পৌঁছে যায়।
- মুক্তিযুদ্ধের নয় মাসে দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা ৩০ লাখ বাঙালিকে হত্যা করেছে।
- পরিকল্পিতভাবে এদেশকে মেধাশূন্য করার জন্য পাকিস্তানি বাহিনী বরেণ্য সাহিত্যিক, শিল্পী, কবি, শিক্ষক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলীকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
- পাকিস্তানি বাহিনীকে নির্যাতন, হত্যা, অগ্নিসংযোগ, লুণ্ঠন ইত্যাদি মানবতাবিরোধী অপরাধে সহযোগিতা করেছে রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও শান্তি কমিটি।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,৯৯৮.
মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  2. খ) এএইচএম কামরুজ্জামান
  3. গ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খন্দকার মুশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয় যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
উপ রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত ছিলেন - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
প্রধানমন্ত্রী ছিলেন - তাজউদ্দিন আহমেদ।
স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন - এএইচএম কামরুজ্জামান।
অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন - ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী।
খন্দকার মুশতাক আহমেদ - ছিলেন পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি]
৮,৯৯৯.
বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির বিচারে গত ৬০ বছরের ইতিহাসে দেশের সেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হন -
  1. ক) মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
  2. খ) তামিম ইকবাল
  3. গ) মাশরাফি বিন মর্তুজা
  4. ঘ) সাকিব আল হাসান
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাকিব আল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাকিব আল হাসান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির বিচারে গত ৬০ বছরের ইতিহাসে দেশের সেরা ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত হন  সাকিব আল হাসান।
- সাকিব আল হাসান, কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন নাকি নিয়াজ মোর্শেদ? সঞ্চালকের মুখে বারবার নামগুলো শোনা যাচ্ছিল।
-  সাকিবকেই বাংলাদেশের ইতিহাসের সেরা ক্রীড়াবিদ হিসেবে বাছাই করেছে বাংলাদেশ স্পোর্টস প্রেস অ্যাসোসিয়েশন (বিএসপিএ)।
- দেশের ক্রীড়া সাংবাদিক ও লেখকদের এই সংগঠন বাংলাদেশের শীর্ষ ১০ ক্রীড়াবিদ নির্বাচিত করেছে।
- ক্রম অনুসারে তাঁরা হলেন সাকিব আল হাসান, ফুটবলার কাজী মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, দাবাড়ু নিয়াজ মোর্শেদ, ফুটবলার মোনেম মুন্না, বক্সার মোশাররফ হোসেন, ক্রিকেটার মাশরাফি বিন মুর্তজা, শুটার আসিফ হোসেন খান, স্প্রিন্টার শাহ আলম, সাঁতারু মোশাররফ হোসেন খান ও গলফার সিদ্দিকুর রহমান।

উৎস:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ডিসেম্বর ২০২২।
৯,০০০.
মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে। যথা:
• ভারত ও
• মিয়ানমার।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩০টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।