বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৮৩ / ৩০৬ · ৮,২০১৮,৩০০ / ৩০,৮৩২

৮,২০১.
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয় সর্বোচ্চ কয়জনকে নিয়ে?
  1. ৪ জন 
  2. ৫ জন 
  3. ১০ জন
  4. সংখ্যা নির্দিষ্ট নয়।
সঠিক উত্তর:
৫ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের প্রধানকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলা হয়ে থাকে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চার জন নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকবে।
- একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে কাজ করবেন।
- সংবিধানের বিধানবলী সাপেক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কোন নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদ তাঁর কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৯ এ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব বর্ণিত হয়েছে।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হলো রাষ্ট্রপতি ও সংসদে নির্বাচন পরিচালনা, নির্বাচনের জন্য ভোটার তালিকা প্রস্তুতকরণ, নির্বাচনী এলাকার সীমানা পুনঃনির্ধারণ, আইন কর্তৃক নির্ধারিত অন্যান্য নির্বাচন পরিচালনা (এর মধ্যে সকল স্থানীয় সরকার পরিষদ যেমন: ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পার্বত্য জেলা পরিষদ অর্ন্তভুক্ত) এবং আনুষাঙ্গিক কার্যাদির সুষ্ঠু সম্পাদন।
- দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন থাকবেন এবং কেবল সংবিধান ও আইনের অধীন হবেন।
- নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সকল কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

৮,২০২.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কবে বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ক) ৪ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. খ) ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  3. গ) ৪ এপ্রিল ১৯৭২
  4. ঘ) ৪ জুলাই ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ এপ্রিল ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ এপ্রিল ১৯৭২
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে।

বাংলাদেশকে বিভিন্ন দেশের স্বীকৃতি:
- ভুটান (প্রথম দেশ) : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- ভারত (দ্বিতীয় দেশ) : ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
- পূর্ব জার্মানি : ১১ জানুয়ারি ১৯৭২
- সোভিয়েত ইউনিয়ন : ২৫ জানুয়ারি ১৯৭২
- মালয়েশিয়া : ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২
- সেনেগাল : ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- যুক্তরাজ্য : ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- ইরাক : ৮ জুলাই ১৯৭২
- ইন্দোনেশিয়া : ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- জাপান : ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- পাকিস্তান : ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
- চীন : ৩১ আগস্ট ১৯৭৫।

(তথ্যসূত্র: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিস্ট দেশগুলোর সরকারি ওয়েবসাইট, নিউইয়র্ক টাইমস ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকা)
৮,২০৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত সাপ্তাহিক পত্রিকা কোনটি?
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. সংগ্রাম
  3. স্বাধীন বাংলা
  4. জয় বাংলা
সঠিক উত্তর:
জয় বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয় বাংলা
ব্যাখ্যা
সাপ্তাহিক জয়বাংলা:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পত্র-পত্রিকা প্রকাশ করা হয়।
- গণমাধ্যম হিসেবে মূল্যবান অবদান রেখেছে এসব পত্র-পত্রিকা। 
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় 'সাপ্তাহিক জয়বাংলা'।
- আব্দুল মান্নান এম.এন.এ. ছিলেন এর সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি।
- জিল্লুর রহমান এম.এন.এ. ছিলেন প্রধান সম্পাদক।
- ১১ মে থেকে ১৬ ডিসেম্বর এটি প্রকাশিত হয়।

এছাড়াও,
- বহির্বিশ্বে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার 'Bangladesh' নামক একটি পত্রিকা প্রকাশ করে।
- গেরিলা আক্রমণ ও সম্মুখ সমরসহ মুক্তিযোদ্ধাদের নানা ধরনের তৎপরতার খবরের পাশাপাশি এই পত্রিকাগুলোতে থাকতো বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম ও নির্দেশাবলী, রাজনৈতিক দল ও নেতৃবৃন্দের বিবৃতি ও তৎপরতা, প্রবাসী বাঙালিদের সংগঠন ও আন্দোলনের খবর এবং বাঙালি কুটনীতিকদের কার্যক্রমের বিস্তারিত বিবরণী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২০৪.
দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা কত সালে প্রবর্তন করা হয়?
  1. ১৭৯৩
  2. ১৭৬৫
  3. ১৭৭২
  4. ১৭৮৯
সঠিক উত্তর:
১৭৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬৫
ব্যাখ্যা

দ্বৈত শাসন ও ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ ১৭৬৫ সালে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- দ্বৈতশাসন অনুসারে রাজস্ব প্রশাসন ও দেশ রক্ষার ভার থাকে কোম্পানির হাতে এবং নিয়ামত বা প্রশাসন ও বিচার বিভাগের দায়িত্ব অর্পিত হয় নবাবের হাতে।
- দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে বাংলার জনজীবনে অরাজকতা নেমে আসে।
- অবাধ লুণ্ঠন ও যথেচ্ছভাবে রাজস্ব আদায়ের ফলে গ্রাম্যজীবন ধ্বংস হয়ে যায়।
- নবাবের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় প্রশাসন পরিচালনায় ব্যর্থ হন।
- সারাদেশে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।
- এর ফল হিসেবে ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, যা ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয় ৷
- এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৮,২০৫.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি জাদুঘর কোথায় নির্মাণ করা হবে?
  1. বঙ্গভবনে
  2. যমুনায়
  3. গণভবনে
  4. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
গণভবনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণভবনে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

গণভবনকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হ‌য়।

• সংবিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী প্রধানমন্ত্রী।
• প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের নাম 'গণভবন'। 
• গণভবন অবস্থিত শেরেবাংলা নগর, ঢাকা।  
• প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ইংরেজি নাম 'পিএমও'। 
• প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অবস্থান তেজগাঁও, ঢাকা।
• রাষ্ট্রপতির সরকারি বাসভবনের নাম 'বঙ্গভবন'।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারের ওয়েবসাইট। 
৮,২০৬.
সর্বপ্রথম সামাজিক বনায়ন শুরু হয় কবে?
  1. ক) ১৯৫৩ সালে
  2. খ) ১৯৬৯ সালে
  3. গ) ১৯৭৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে চট্টগ্রাম জেলার বেতাগী ও পোমরাতে সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর ১৯৮১-৮২ সালে উত্তরবঙ্গের বৃহত্তর ৭টি জেলায় সরকারী বনভূমিতে কমিউনিটি ফরেষ্ট্রী প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অংশগ্রহণে অংশীদারিত্বমূলক সামাজিক বনায়নের প্রচলন করে।

বর্তমান পর্যন্ত সামাজিক বনায়নের আওতায় ৯৯,৩১৪ হেক্টর জমি এবং ৭৩,২২৩ কিলোমিটার বাগান সৃজন করা হয়েছে।
উপকূলীয় বনায়ন কর্মসূচি শুরু হয় ১৯৬৬ সাল থেকে।

(তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৮,২০৭.
বাংলাদেশে আমন ধান রোপনের সময় -
  1. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
  2. জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
  3. মধ্য নভেম্বর–মধ্য জানুয়ারি
  4. মধ্য মার্চ–মধ্য এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুনের শেষ–সেপ্টেম্বরের শুরু
ব্যাখ্যা
• ধান উৎপাদন:
- আউশ ধান রোপনের সময়=মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময় =মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

- আমন ধান রোপনের সময়=জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

- বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২২।
৮,২০৮.
কোন রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে চাইলে অন্তত কয়টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় অফিস থাকতে হবে?
  1. ৫০টি
  2. ১০০টি
  3. ১৫০টি
  4. ২৫০টি
সঠিক উত্তর:
১০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০টি
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এটিএম শামছুল হুদার নির্বাচন কমিশন ভোটে অংশ নিতে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধান চালু করে।
- ওই বছরই প্রথম দফায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে চাইলে তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করতে হবে।
- প্রথমত, স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত কোনো সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে কমপক্ষে একটি আসনে বিজয়;
- দ্বিতীয়ত, ওই সব নির্বাচনে দলটির প্রার্থীরা যেসব আসনে অংশ নিয়েছেন, সেসব আসনে মোট ভোটের পাঁচ শতাংশ ভোট প্রাপ্তি;
- তৃতীয়ত, কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকতে হবে। দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় জেলা অফিস থাকতে হবে। আর অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় অফিস থাকতে হবে, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ২০০ জন ভোটার থাকবে।

⇒ রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বিধিতে বলা হয়েছে, প্রতিটি রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের শর্ত পরিপালন সম্পর্কে সময়ে সময়ে নির্বাচন কমিশনকে অবহিত করবে। নতুন কমিটি গঠন এবং দলীয় অফিসের ঠিকানা পরিবর্তন সম্পর্কিত তথ্য কমিশনকে জানাবে।
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের বিধান অনুযায়ী, কোনো দল পরপর তিন বছর তথ্য সরবরাহে ব্যর্থ হলে নিবন্ধন বাতিল হবে।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৮,২০৯.
বাংলাদেশের কোন জেলায় নবম ইপিজেড নির্মাধীন?
  1. খুলনা
  2. সাতক্ষীরা
  3. পটুয়াখালী
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

ইপিজেড:
- দেশের নবম ইপিজেড নির্মিত হচ্ছে পটুয়াখালী। 
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)।
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা।
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড। ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
-  বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

৮,২১০.
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. জিয়াউর রহমান
  4. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন:
- বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনটি সোনারগাঁও জাদুঘর হিসেবেই পরিচিত। 
- এটি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৫ সালের ১২ মার্চ।
- প্রতিষ্ঠাতা: শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন।
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন অনুধাবন করেছিলেন যে, শেকড়কে ভুলে কোনো জাতি মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। তাই তিনি আমাদের সোনালি ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণ ঘটাতে ঐতিহাসিক সোনারগাঁওকেই বেছে নিয়েছিলেন এই ফাউন্ডেশনের প্রধান কেন্দ্র হিসেবে। তাঁর এই দূরদর্শী চিন্তাই আজ বাংলার লোকজ সংস্কৃতিকে বিলুপ্তির হাত থেকে রক্ষা করছে।
- সোনারগাঁয়ের 'বড়সর্দারবাড়ি' নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক। সোনার গাঁয়ের যাদুঘর এলাকাকে রূপসী বাংলাদেশ হিসাব ঘোষণা করা হয়েছে।

• কারুশিল্পের উন্নয়ন ও শিল্পীদের অধিকার সুরক্ষায় ১৯৯৮ সালে ‘বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন আইন (১৯৯৮ সনের ৮ নং আইন)’ প্রণীত হয়। এই আইনের ৭ (চ) উপ-ধারায় কারুশিল্পের প্রসারে উৎসাহ প্রদানের বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ফাউন্ডেশনের মূল কার্যাবলি ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে:
- সংগ্রহ ও সংরক্ষণ: দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে লোকজ নিদর্শনগুলো সংগ্রহ করে সেগুলোকে বৈজ্ঞানিক উপায়ে সংরক্ষণ করা।
- গবেষণা ও প্রকাশনা: কারুশিল্পের উদ্ভব ও বিবর্তন নিয়ে মৌলিক গবেষণার ক্ষেত্র তৈরি করা।
- প্রদর্শন ও মেলা: লোকজ মেলার আয়োজন এবং যাদুঘরের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে আমাদের ঐতিহ্যের পরিচয় তুলে ধরা।
- পৃষ্ঠপোষকতা: কারুশিল্পীদের প্রশিক্ষণ প্রদান এবং তাদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা অর্জনে সহায়তা করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলার ইতিহাসের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র হলো সোনারগাঁও। সুলতানি আমলের রাজধানী থেকে শুরু করে বারো ভূঁইয়াদের শাসনকাল পর্যন্ত প্রায় তিনশত বছর সোনারগাঁও ছিল বাংলার প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। বিশেষ করে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈসা খাঁর বীরত্ব এবং বিশ্ববিখ্যাত মসলিন কাপড়ের আভিজাত্য সোনারগাঁওকে বিশ্বদরবারে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল। মসলিনের সেই সূক্ষ্ম কারুকাজ আজও বাংলার কারুশিল্পীদের সৃজনশীলতার চরম উৎকর্ষের প্রতীক হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৮,২১১.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত নয় কোনটি?
  1. সুন্দরী
  2. চমক
  3. কার্ডিনাল
  4. অনুপম
সঠিক উত্তর:
অনুপম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুপম
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৮,২১২.
ফ্লোর ক্রসিং সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ৬8নং অনুচ্ছেদে
  2. ৬৯নং অনুচ্ছেদে
  3. ৭০নং অনুচ্ছেদে
  4. ৭১নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৭০নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

- ফ্লোর ক্রসিং সংবিধানের ৭০নং অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত করা হয়েছে?

• সংবিধান:
- ৭০ তম অনুচ্ছেদে ফ্লোর ক্রসিং সম্পর্কে বলা হয়েছে, এটি সংসদ সদস্যদের নিজের দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়া বোঝায়।
- এর মাধ্যমে একজন সংসদ সদস্য যদি নিজ দলের পক্ষে না দাঁড়িয়ে বিরোধী দলের পক্ষে ভোট দেন, এটাকে ফ্লোর ক্রসিং হিসেবে গণ্য করা হয়।

অন্যদিকে: 
- ৬৮নং অনুচ্ছেদে:  সংসদ-সদস্যদের [পারিশ্রমিক] প্রভৃতি, 
- ৬৯নং অনুচ্ছেদে: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড, 
- ৭১নং অনুচ্ছেদে: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা। 

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান। 

৮,২১৩.
সর্বজনীন পেনশনে পঞ্চম স্কিমের নাম কী?
  1. সুরক্ষা
  2. সমতা
  3. প্রবাস
  4. প্রত্যয়
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
‘প্রত্যয় স্কিম’
- সর্বজনীন পেনশন স্কিমে ‘প্রত্যয় স্কিম’ নামে পঞ্চম স্কিম চালু করা হয়েছে।  
- সব স্ব-শাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীনস্থ অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- এতে তাদের স্বার্থ ক্ষুন্ন হবে না এবং বিদ্যমান পেনশন/আনুতোষিক সুবিধা অক্ষুন্ন থাকবে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৭ আগস্ট পেনশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন।
- ফলে দেশে-বিদেশে বসবাসরত ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো বাংলাদেশি এখন সর্বজনীন পেনশন-ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারবেন।
- একজন পেনশনধারী ব্যক্তি ৬০ বছর পূর্ণ হওয়ার পর পেনশন পাওয়া শুরু করবেন।
- আরো চারটি আলাদা স্কিম নিয়ে সর্বজনীন পেনশন-ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয়েছে। এগুলো হচ্ছে প্রবাস, প্রগতি, সুরক্ষা ও সমতা।
- প্রবাস স্কিমটি শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য। প্রগতি স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরিজীবীদের জন্য।
- সুরক্ষা স্কিম রিকশাচালক, কৃষক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি ইত্যাদি স্বকর্মে নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য।
- আর সমতা স্কিম নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য।

উৎস: মন্ত্রিপরিসদ বিভাগের ওয়েবসাইট।
৮,২১৪.
পল্টন ময়দানে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয়-
  1. ২ মার্চ ১৯৭১ সালে
  2. ৩ মার্চ ১৯৭১ সালে
  3. ৭ মার্চ ১৯৭১ সালে
  4. ৬ মার্চ ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
৩ মার্চ ১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মার্চ ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা

- ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ।
- ঐদিনই বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেন ডাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।

৮,২১৫.
ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর কোনটি?
  1. ভোমরা
  2. তামাবিল
  3. সোনা মসজিদ
  4. ভুরুঙ্গামারী
সঠিক উত্তর:
তামাবিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাবিল
ব্যাখ্যা
• তামাবিল স্থলবন্দর: 
- গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা তামাবিল।
- তামাবিল স্থল শুল্ক বন্দর দিয়েই ভারত থেকে কয়লা আমদানী করা হয়।
- তামাবিলের অপর প্রান্তে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকী বাজার।
- তামাবিল থেকে মেঘালয় রাজ্যের শিলং পাহাড়ের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

তথ্যসূত্র: গোয়াইনঘাট উপজেলা ওয়েবসাইট।
৮,২১৬.
জুলাই ঘোষণাপত্রে কয়টি দফা রয়েছে?
  1. ২২টি
  2. ২৪টি
  3. ২৬টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
২৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮টি
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-জুলাই ঘোষণাপত্র হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল, যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- ৫ই আগস্ট, ২০২৫, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে '৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন' শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ পাঠ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- ঘোষণাপত্রের মূল বিষয়বস্তু হলো, বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বিভিন্ন স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের নিরন্তর সংগ্রামের ইতিহাস তুলে ধরা।
- ঘোষণাপত্রে মোট ২৮টি দফা রয়েছে, যার মাধ্যমে গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে স্পষ্ট করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- জুলাই ঘোষণাপত্র।

৮,২১৭.
রাখাইনদের প্রধান উৎসব কোনটি?
  1. ক) সোহরাই
  2. খ) বিজু
  3. গ) জলকেলি
  4. ঘ) ওয়ানগালা
সঠিক উত্তর:
গ) জলকেলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জলকেলি
ব্যাখ্যা
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- রাখাইনদের বসবাস পটুয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায়।
- রাখাইনদের আদিনিবাস মিয়ানমার।
- রাখাইনদের ধর্ম বৌদ্ধ।
- ওয়ানগালা হচ্ছে গারো সম্প্রদায়ের একটি নবান্ন উৎসব। 
- সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব হলো সোহরাই।
- চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণি।
৮,২১৮.
বাংলাদেশ নৌ বাহিনী আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে -
  1. ক) ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে
  2. খ) ১৯৭১ সালের মে মাসে
  3. গ) ১৯৭১ সালের জুন মাসে
  4. ঘ) ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে নৌ-বাহিনী:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ ও গৌরবময় ভূমিকা রয়েছে।
- ১৯৭১ সালে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর অধীনে বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর জন্ম হয়।
- ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে ঐতিহাসিক সেক্টর কমান্ডারদের কনফারেন্সের ঘোষণা মোতাবেক বাংলাদেশ নৌ বাহিনী আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাঙ্গালী অফিসার ও নাবিকগণ পশ্চিম পাকিস্তান ত্যাগ করে দেশে এসে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী গঠন করেন।
- ভারত থেকে প্রাপ্ত 'পদ্মা' ও 'পলাশ' নামের ছোট দুটি গানবোট এবং ৪৯ জন নাবিক নিয়ে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ নৌ বাহিনী।
- জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ সমস্ত নাবিকগণ শত্রুর বিরুদ্ধে সম্মুখ যুদ্ধ ও গেরিলা যুদ্ধে লিপ্ত হন।
- পাশাপাশি ' অপারেশন জ্যাকপট' নামে নির্ভীক ডুবুরীদল সমুদ্র ও নদী বন্দর সমূহে বিধংসী আক্রমণ পরিচালনা করেন।
- এতে হানাদার বাহিনীর ২৬ টি জাহাজ ধ্বংস হয় ও সমুদ্র পথ কার্যতঃ অচল হয়ে পড়ে।
- নৌ বাহিনীর অপারেশনের মধ্যে হিরণ পয়েন্টের মাইন আক্রমণ (১০ নভেম্বর ৭১), মার্কিন ও ব্রিটিশ নৌযান ধ্বংস (১২ নভেম্বর ৭১), চালনা বন্দরে নৌ হামলা (২২ নভেম্বর ৭১), চট্টগ্রাম নৌ অভিযান (০৫ ডিসেম্বর ৭১), পাকিস্তান নৌ ঘাঁটি পিএনএস তিতুমীর অভিযান (১০ ডিসেম্বর ৭১) উল্লেখযোগ্য।
- মহান মুক্তিযুদ্ধে নৌ বাহিনীর দুঃসাহসিক অভিযানে শক্রপক্ষ নৌ পথে দিশেহারা হয়ে পড়ে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বহুসংখ্যক নৌ সদস্য শাহাদৎ বরণ করেন। তাঁদের বীরত্ব ও আত্নত্যাগের স্বীকৃতি স্বরূপ শহীদ রুহুল আমিন, ইআরএ-১, কে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রদান করা হয়। এ
- ছাড়া ০৫ জনকে বীর উত্তম, ০৮ জনকে বীর বিক্রম এবং ০৭ জনকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়।
- জাতি মহান মুক্তিযুদ্ধে নৌ বাহিনীর ভূমিকাকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,২১৯.
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টর কেবল নৌ কমান্ডো দ্বারা গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১১ নং সেক্টর
  2. খ) ১ নং সেক্টর
  3. গ) ১০ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৯ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে। ১১ এপ্রিল তা পুনর্গঠন করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী
৮,২২০.
'ছয় দফা' কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে
  2. খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  3. গ) ২৬ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  4. ঘ) ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,২২১.
১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে কতটি দফা ছিল?
  1. ক) ১৫টি
  2. খ) ১১টি
  3. গ) ২২টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২টি
ব্যাখ্যা
বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:

- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে ২২ টি দফা ছিল।
- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরীফ কমিশনের শিক্ষাসংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পেলে ছাত্র আন্দোলন নতুন রূপ লাভ করে।
- ১৯৬২ সালে সালে শিক্ষা আন্দোলন হয়।
- এই আন্দোলন পশ্চিম পাকিস্তানিদের পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি বৈষম্যমূলক আচরণ পূর্ব-পাকিস্তানে অসন্তোষ বৃদ্ধি করে।
- ১৯৬১ সালের শেষ দিকে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
- গণতন্ত্র পূনরুজ্জীবনের লক্ষ্যে পরিচালিত আন্দোলন দমনে আইয়ুব সরকার গ্রেপ্তার নির্যাতন চালালে ছাত্র গণআন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে।
- ১০ আগস্ট পূর্ব পাকিস্তান সরকার ১৪৪ ধারা জারি করলে ছাত্ররা ১৭ সেপ্টেম্বর হরতালের ডাক দেয়। ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল চলাকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন ছাত্র নিহত এবং কয়েক শত আহত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
৮,২২২.
দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি কে?
  1. মো. সাহাবুদ্দিন
  2. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  3. শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক
  4. সুরেন্দ্র কুমার সিনহা
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ রেফাত আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ রেফাত আহমেদ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

- দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ শপথ নিয়েছেন।

- বঙ্গভবনে তাকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
- সংবিধানের ৯৫ (১) অনুচ্ছেদে দেওয়া ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন হাইকোর্টের বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। 

প্রধান বিচারপতি, বাংলাদেশ
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ পড়ান মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করেই অন্যান্য বিচারপতি দের নিয়োগ দেয়া হয়।                          
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মো. সায়েম।
- ২৫তম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ। 

তথ্যসূত্র - সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।
৮,২২৩.
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী, অতি দারিদ্রের হার -
  1. ১৮.৭ শতাংশ
  2. ১৪.৮ শতাংশ
  3. ৬.৫ শতাংশ
  4. ৫.৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৫.৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল।
- বরিশাল বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৬.৯%।
- রংপুর বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.৮%।
- ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.২%।
- ঢাকা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৯%।
- সিলেট বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৪%।
- রাজশাহী বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৬.৭%।
- চট্টগ্রাম বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৫.৮%।
- খুলনা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৪.৮%।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২।
৮,২২৪.
NNP-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Net New Product
  2. National New Product
  3. Net National Product
  4. National Net Product
সঠিক উত্তর:
Net National Product
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Net National Product
ব্যাখ্যা

NNP:
- NNP এর পূর্ণরূপ Net National Product.
- মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পুরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে।
- নীট জাতীয় উৎপাদন মোট জাতীয় উৎপাদন মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,২২৫.
কুসুম্বা মসজিদটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) নওগাঁ
  3. গ) নাটোর
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
খ) নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নওগাঁ
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ আত্রাই নদীর পশ্চিমতীরস্থ নওগাঁ জেলার মান্দা উপজেলার অন্তর্গত কুসুম্বা গ্রামের নাম অনুসারে পরিচিত। বাংলায় আফগানদের শাসন আমলে শূর বংশের শেষ দিকের শাসক গিয়াসউদ্দীন বাহাদুর শাহ-এর রাজত্বকালে জনৈক সুলায়মান মসজিদটি নির্মাণ করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৮,২২৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত শতাংশ? 
  1. ৩.৩৫%
  2. ৪.৩৪%
  3.  ৫.৩২%
  4. ৪.৫৪%
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৩৪%
ব্যাখ্যা

» অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
• খাত ভিত্তিক জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার:
- কৃষি: ১.৭৯%.
- শিল্প: ৪.৩৪%.
- সেবা: ৪.৫১%.

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫

৮,২২৭.
ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয় -
  1. ক) ব্রিটিশ আমলে
  2. খ) সুলতানি আমলে
  3. গ) স্বাধীন নবাবী আমলে
  4. ঘ) মুঘল আমলে
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুঘল আমলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মুঘল আমলে
ব্যাখ্যা
• মুঘল আমল:
 - বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা মোঘল-পূর্ব যুগে কিছু গুরুত্বধারন করলেও শহরটি ইতিহাসে প্রসিদ্ধি লাভ করে মুঘল আমলে
- আকবর নামা গ্রন্থে ঢাকা একটি থানা (সামরিক ফাঁড়ি) হিসেবে এবং আইন-ই- আকবরী গ্রন্থে সরকার বাজুহার একটি পরগনা হিসেবে ঢাকা বাজু উল্লিখিত হয়েছে।
- ১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে এর নামকরণ করে জাহাঙ্গীরনগর।
- প্রশাসনিকভাবে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ হলেও সাধারণ মানুষের মুখে ঢাকা নামটিই থেকে যায়। সকল বিদেশী পর্যটক এবং বিদেশী কোম্পানির কর্মকর্তারাও তাদের বিবরণ এবং চিঠিপত্রে ঢাকা নামটি ব্যবহার করেন।
- ঢাকার সমৃদ্ধি ও স্থাপত্য সমূহ মূলত মুঘল যুগেই শুরু হয়।

উৎস:- ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট ও মাধ্যমিক বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই।
৮,২২৮.
Taka 10 polymer note was first introduced in Bangladesh in:
  1. 2000
  2. 2001
  3. 2002
  4. 2003
সঠিক উত্তর:
2000
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2000
ব্যাখ্যা
দশ টাকা: 
- বাংলাদেশে প্রথম কাগুজে নোট চালু করা হয়েছিল ১৯৭২ সালের ৪ মার্চ। 
- ১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ প্রথম ১০ টাকার নোট ইস্যু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ২রা জুন এবং ১৯৭৩ সালের ১৫ই অক্টোবর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর- এর ছবি সংবলিত আরো দুটি নোট ইস্যু হয়।
- ১৯৭৬ সালের ১১ই অক্টোবর তারা মসজিদ- এর ছবি সংবলিত নোট ইস্যু হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালের ৩রা আগস্ট এবং ১৯৮২ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর আতিয়া জামে মসজিদ- এর ছবি সংবলিত ভিন্ন দুটি নোট ইস্যু হয়।
- ১৯৯৭ সালের ১১ই ডিসেম্বর লালবাগ কেল্লা মসজিদ- এর ছবি সংবলিত নোট ইস্যু হয়।
- ২০০০ সালের ১৪ই ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়া থেকে ১০ টাকার পলিমার নোট তৈরি করে আনা হয়, অবশ্য তা বাংলাদেশের জন্য ব্যবহারের অনুপযোগী।
- ২০০২ সালের ৭ই জানুয়ারি ১০ টাকার আরেকটি নোট ইস্যু হয়।
- সর্বশেষ ২০০৬ সালের ২১শে সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা উপাদান বাড়িয়ে পুনরায় আগের নোটটি ইস্যু হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৮,২২৯.
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে 'বাংলা ব্লকেড' কর্মসূচী পালিত হয় কবে?
  1. ৬ জুলাই, ২০২৪
  2. ৭ জুলাই, ২০২৪
  3. ৮ জুলাই, ২০২৪
  4. ৯ জুলাই, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৭ জুলাই, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা

বাংলা ব্লকেড:
- কোটা সংস্কার ও মেধাভিত্তিক নিয়োগের জন্য ২০১৮ সালের সরকারি পরিপত্র পুনর্বহালের দাবিতে আন্দোলন করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
- ৫ জুন, ২০২৪ তারিখে হাইকোর্ট ২০১৮ সালের পরিপত্রের আংশিক অবৈধ ঘোষণা করার পর আবার এই আন্দোলন শুরু হয়।
- এটি বাতিলের দাবিতে ৭ জুলাই, ২০২৪ তারিখে সারা দেশে সড়ক-মহাসড়ক অবরোধের ডাক দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। শাহবাগ মোড়সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় নির্ধারিত হওয়া এই কর্মসূচির নাম দিয়েছেন ‘বাংলা ব্লকেড’।

⇒ সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতির সংস্কারের দাবিতে ২০১৮ সালে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে সে সময় কোটা পদ্ধতি বাতিল করে সরকার। পরে ২০২১ সালে কয়েকজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হাইকোর্টে রিট করলে গত ৫ জুন এক রায়ের মাধ্যমে আবারও ফিরে আসে কোটা ব্যবস্থা।
- সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি বাতিলের দাবিতে ১ জুলাই, ২০২৪ থেকে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলনে নামে দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
 
উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC.

৮,২৩০.
বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঈরশ্বদী, পাবনা
  2. খ) মির্জাপুর, টাঙ্গাইল
  3. গ) শ্রীমঙ্গল, সিলেট
  4. ঘ) সাভার, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ঈরশ্বদী, পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঈরশ্বদী, পাবনা
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করছে রাশিয়া।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করছে। অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করবে।
- তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।

- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
- মোট ব্যয় প্রায় ১২.৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে রাশিয়া সরকার ঋণ দিচ্ছে ১১.৪ বিলিয়ন ডলার।
- ২০২৩ সালে কেন্দ্রটি চালু করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম - ২৩৫।

সূত্র: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৮,২৩১.
বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রাপ্তদের মধ্যে নিচের কোন জন সাবেক ই. পি. আর. সদস্য?
  1. ক) মোস্তফা কামাল
  2. খ) রুহুল আমিন
  3. গ) মুন্সি আব্দুর রউফ
  4. ঘ) হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) মুন্সি আব্দুর রউফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুন্সি আব্দুর রউফ
ব্যাখ্যা
মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন কে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করেন।
বাহিনী অনুসারে বীরশ্রেষ্ঠবৃন্দ:
- সেনাবাহিনীর : তিনজন
- সাবেক ই. পি. আর : দুইজন
- বিমানবাহিনীর : একজন
- নোবাহিনীর : একজন।
বীরশ্রেষ্ঠবৃন্দ:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : সাবেক ই. পি. আর.
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : সাবেক ই. পি. আর.।

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
৮,২৩২.
বাংলাদেশের প্রধান রবিশস্য-
  1. ক) ভুট্টা ও চিনাবাদাম
  2. খ) আমন ধান ও আনারস
  3. গ) পাট ও আম
  4. ঘ) বোরো ধান ও গম
সঠিক উত্তর:
ঘ) বোরো ধান ও গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বোরো ধান ও গম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়ে উৎপন্ন সফলকে রবিশস্য ধরা হয়। বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি রবি মৌসুমের প্রধান ফসল।
অন্যদিকে পাট ও আম খরিপ-১ মৌসুম, আমন ধান ও আনারস খরিপ-২ মৌসুম এবং ভুট্টা ও চিনাবাদাম মৌসুম নিরপেক্ষ বা বারমাসি ফসল।
(সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা : সপ্তম শ্রেণী)
৮,২৩৩.
স্যাটেলাইট অধিকারী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ৫৫তম
  2. খ) ৫৬তম
  3. গ) ৫৭তম
  4. ঘ) ৫৮তম
সঠিক উত্তর:
গ) ৫৭তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫৭তম
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট – ১: 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১। 
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
-  বাংলাদেশ সময় ১১ মে ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট – ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
-  ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
-  রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হচ্ছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।

উৎস: portal.gov.bd.
৮,২৩৪.
হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  4. লর্ড রিপন
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

→ হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন প্রবর্তন করেন লর্ড ডালহৌসি।

সামাজিক সংস্কার:
- সংস্কারপন্থী বাঙালি নেতা ও শিক্ষিত শ্রেণির উদারবাদীদের সহযোগিতায় ইংরেজ শাসকরা সামাজিক ধর্মীয় অনেক অমানবিক প্রথা কুসংস্কার দূর করতে সক্ষম হন।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক, রাজা রামমোহন রায়, প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের মতো উদারপন্থী হিন্দু নেতৃবর্গ এবং সদর নিজামত আদালতের জজদের অকুণ্ঠ সমর্থনে ১৮২৯ খ্রিস্টাব্দে ডিসেম্বরে সতীদাহ প্রথা রহিত করতে সক্ষম হন।
- স্বামীর মৃত্যুর পর কোনো বিধবাকে স্বামীর সঙ্গে মরতে বাধ্য করলে তা আইনত দণ্ডনীয় বলে আইন জারি করা হয়।
- লর্ড এলেনবরা-এর সময়ে ১৮৪৩ খ্রিস্টাব্দে দাস প্রথা উচ্ছেদ করা হয়।
- লর্ড ডালহৌসি পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সহায়তায় হিন্দু বিধবা বিবাহ আইন পাস করে বিধবা বিবাহের প্রচলন করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,২৩৫.
হরিকেল জনপদ বিস্তৃত ছিল -
  1. ঢাকা থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত
  2. কুমিল্লা থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত
  3. সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত
  4. নোয়াখালী থেকে ঢাকা চট্টগ্রাম পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
হরিকেল:
- এই জনপদ সম্পর্কে প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ বিস্তৃত ছিল: সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৩৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন কে?
  1. মিয়া গোলাম সামাদ
  2. মোনায়েম খান
  3. আব্দুল মোত্তালিব মালিক
  4. আমির আব্দুল্লাহ নিয়াজী
সঠিক উত্তর:
আব্দুল মোত্তালিব মালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল মোত্তালিব মালিক
ব্যাখ্যা
- মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান। তবে ১৭ সেপ্টেম্বর টিক্কা খান কে সরিয়ে ডা. আব্দুল মোত্তালিব মালিক কে গর্ভনর করা হয়।
- একই সময়ে ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। ১৪ ডিসেম্বর এই মন্ত্রিসভা পদত্যাগে বাধ্য হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
৮,২৩৭.
বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর নিযুক্ত করা হয়েছিল কাকে?
  1. আব্দুর রউফ
  2. এ এন হামিদুল্লাহ
  3. সালাউদ্দিন আহমেদ
  4. ফখরুদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
এ এন হামিদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এন হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• ব্যাংক :
- ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতি আদেশ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক গঠন করা হয়।
- এ আদেশ কার্যকর করা হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ থেকে।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৭২ প্রথম গভর্নর নিযুক্ত করা হয়-  এ এন হামিদুল্লাহকে।
- কোনো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ও সোনা রিজার্ভ ছাড়া এবং পাকিস্তানিদের রেখে যাওয়া ৩৫৮ কোটি টাকা দায় মাথায় নিয়ে শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের যাত্রা।
- বাংলাদেশে ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর-  ড. আহসান এইচ মনসুর ( মে-২৫) 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় - মতিঝিল, ঢাকা।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৮,২৩৮.
একটি দেশের উচ্চ মুদ্রাস্ফীতির সময় নিচের কোনটি ঘটে না?
  1. বেকারত্ত্বের হার বাড়ে
  2. মূল্যস্তর বৃদ্ধি পায়
  3. অর্থের মূল্য কমে
  4. অর্থের সরবরাহ বাড়ে
সঠিক উত্তর:
বেকারত্ত্বের হার বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেকারত্ত্বের হার বাড়ে
ব্যাখ্যা
মূদ্রাস্ফীতি সম্পর্কে বিভিন্ন অর্থনীতিবিদদের মতে:
- অর্থনীতিবিদ্ ক্রাউথার (Crowther) বলেন, “মূদ্রাস্ফীতি হল এমন এক অবস্থা যখন অর্থের মূল্য ক্রমাগত হ্রাস পায় এবং দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়।”
- অধ্যাপক পিগু (Pigou) বলেন, “যখন আয় সৃষ্টিকারী কাজ অপেক্ষা মানুষের আর্থিক আয় অধিক হারে বৃদ্ধি পায়, তখনই মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়।”

মূদ্রাস্ফীতি উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর প্রভাব:
- পূর্ণ নিয়োগস্তর অতিক্রান্ত হওয়ার পর যদি মুদ্রাস্ফীতি ঘটে তাহলে মূল্যবৃদ্ধি উৎপাদন ও কর্মনিয়োগ সম্প্রসারণ করতে সক্ষম হয় না।
- ফলে মুদ্রাস্ফীতি চরম আকার ধারণ করে এবং দেশের উৎপাদন ও কর্মসংস্থানের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।
- এ সময় ব্যবসায়ী ও উৎপাদনকারিগণ উৎপাদন বৃদ্ধির পরিবর্তে ফটকা কারবারের দ্বারা দ্রুত মুনাফা অর্জন করতে আগ্রহী হয়।
- ফলে দেশের প্রকৃত উৎপাদন কমে যায়। তাছাড়া অর্থের ক্রয়শক্তি দ্রুত কমতে থাকে, বলে সঞ্চয়কারী সঞ্চয়ের পরিবর্তে ভোগ ব্যয় বাড়িয়ে দেয়।ফলে মূলধন গঠন ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
- চরম মুদ্রাস্ফীতির সময় উদ্যোক্তাগণও উৎপাদন ক্ষেত্রে ঝুঁকি গ্রহণ করতে আগ্রহী হয় না।
- সুতরাং মুদ্রাস্ফীতির ফলে শেষ পর্যন্ত উৎপাদন ও নিয়োগ কমে আসে।
- নিয়োগ কম হলে বেকারত্ত্বের হার বাড়বে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিঙ্ক]
৮,২৩৯.
ভারতীয় উপমহাদেশে 'খিলাফত আন্দোলন' সূচিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯১৪ সালে
  2. খ) ১৯১১ সালে
  3. গ) ১৯২৪ সালে
  4. ঘ) ১৯১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯১৯ সালে
ব্যাখ্যা
খিলাফত আন্দোলন (১৯১৯-১৯২৪) 
- ভারতীয় জাতীয়তাবাদের প্রভাবে উদ্ভূত একটি প্যান-ইসলামি আন্দোলন। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে তুরস্কের পরাজয় এবং সেভার্স চুক্তির (আগস্ট ১০, ১৯২০) অধীনে তুরস্কের ভূখন্ড ইউরোপীয় শক্তিগুলির মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা হওয়ায় ইসলামের পবিত্র স্থানসমূহের ওপর খলিফার অভিভাবকত্ব নিয়ে ভারতে আশংকা দেখা দেয়। 
- এ কারণে তুর্কি খিলাফত রক্ষা এবং গ্রেট ব্রিটেন ও ইউরোপীয় শক্তিগুলির তুরস্ক সাম্রাজ্যকে বাঁচানোর জন্য ১৯১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে খিলাফত আন্দোলন শুরু হয়।
- আলী ভ্রাতৃদ্বয় মুহম্মদ আলী ও শওকত আলী,  আবুল কালাম আজাদ, ড. এম.এ আনসারী ও হসরত মোহানীর নেতৃত্বে এ আন্দোলন সূচিত হয়। 
- উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি শহরে খিলাফত সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং প্রাদেশিক শাখার বিধানসহ বোম্বাই শহরে একটি কেন্দ্রীয় খিলাফত কমিটি গঠিত হয়। 
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
৮,২৪০.
কোন আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১১ দফা প্রণীত হয়?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. ঘ) নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ১১ দফা দাবী ঘোষণা করা হয়। এই এগারো দফার মধ্যে ছাত্রদের বিভিন্ন দাবী, ছয়দফা, কৃষক ও শ্রমিকদের অধিকার এবং পাকিস্তানের শাসনতান্ত্রিক বিষয়াদি অন্তর্ভুক্ত ছিলো। যার কারণে এগারো দফা পূর্ব বাংলার আপামর জনসাধারণের সমর্থন লাভ করে।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৮,২৪১.
সেন বংশের কোন রাজা কৌলিন্য প্রথা প্রবর্তন করেন?
  1. লক্ষণ সেন
  2. হেমন্ত সেন
  3. বিজয় সেন
  4. বল্লাল সেন
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা

• সেন বংশ: 
- সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন হেমন্ত সেন। 
- বাংলায় পাল যুগের অবসানের পর বার শতকের শেষের দিকে সেন বংশের শাসনের সূচনা হয়।
- সেন বংশের শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হেমন্ত সেন হলেও বিজয় সেনের সময়েই বাংলাদেশে সেন বংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- সেন বংশের অন্যতম শাসক বল্লাল সেন যিনি কৌলিন্য প্রথা প্রবর্তন করেন বলে মনে করা হলেও সাম্প্রতিক গবেষণায় অনেকটা অস্বীকার করা হয়েছে।
- সেন বংশের সর্বশেষ শাসক লক্ষ্মণ সেন ১২০৪ সালে বখতিয়ার খিলজির আক্রমণে নদীয়া ত্যাগ করেন এবং বাংলায় সেন বংশের শাসনের পতন হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮,২৪২.
ভ্যাকসিন দেওয়ার লক্ষ্যে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের প্রস্তুতকৃত অ্যাপের নাম -
  1. ক) ভ্যাকসিন
  2. খ) সেবা
  3. গ) সুরক্ষা
  4. ঘ) মায়া
সঠিক উত্তর:
গ) সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুরক্ষা
ব্যাখ্যা
- বিশ্বের ৫৪তম দেশ হিসেবে ২৭ জানুয়ারি ২০২১ বাংলাদেশ করোনা ভাইরাসের টিকা প্রয়োগ শুরু করে।
- বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের টিকা গ্রহণের নিবন্ধন অ্যাপ - এর নাম - “সুরক্ষা”।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,২৪৩.
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? ( মে-২০২৫)
  1. কুষ্টিয়া
  2. দিনাজপুর
  3. ঠাকুরগাওঁ
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাওঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুরগাওঁ
ব্যাখ্যা
• গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঠাকুরগাওঁ।
• তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ঝিনাইদহ।
• আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - নওগাঁ।
• তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - কুষ্টিয়া।
• পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - ফরিদপুর।
• ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩।
৮,২৪৪.
‘লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড’ প্রতিষ্ঠানটি কোন শিল্পের সাথে সম্পৃক্ত-
  1. ক) টেলিফোন শিল্প
  2. খ) ঔষধ শিল্প
  3. গ) সিমেন্ট শিল্প
  4. ঘ) চিনি শিল্প
সঠিক উত্তর:
গ) সিমেন্ট শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিমেন্ট শিল্প
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে অবস্থিত সিমেন্ট শিল্পের বহুজাতিক কোম্পানি লাফার্জ হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত এই সিমেন্ট কারখানাটি। সিমেন্টের প্রধান কাঁচামাল ক্লিংকার উৎপাদন করে সেখান থেকে সিমেন্ট তৈরি করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। দেশের বেসরকারি সিমেন্ট কারখানাগুলোর মধ্যে লাফার্জই হচ্ছে একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ কারখানা।
[সূত্রঃ lafargeholcim.com.bd এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
৮,২৪৫.
গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৩ সালে
  2. খ) ১৯৭৭ সালে
  3. গ) ১৯৮৩ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৭৬ সালে চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে ড. মুহাম্মদ ইউনূস ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ক একটি গবেষণা প্রকল্প চালু করেন যা পরবর্তীতে টাঙ্গাইল জেলাতেও বিস্তৃত হয়।
প্রকল্পটি ফলগ্রসূ হলে বাংলাদেশ সরকার ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর অধ্যাদেশের মাধ্যমে এই প্রকল্পকে গ্রামীণ ব্যাংক এ রূপান্তর করে। ২০০৬ সালে গ্রামীণ ব্যাংক ও ড. ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করে।
(সূত্র: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৮,২৪৬.
'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালনা করে কোন বাহিনী?
  1. গেরিলা বাহিনী
  2. নৌ বাহিনী
  3. মিত্র বাহিনী
  4. বিমান বাহিনী
সঠিক উত্তর:
নৌ বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌ বাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
৮,২৪৭.
বাংলাদেশের প্রথম সরকারের নাম কী?
  1. ক) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
  2. খ) মহাজোট সরকার
  3. গ) মুজিবনগর সরকার
  4. ঘ) চারদলী সরকার
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবনগর সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবনগর সরকার
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
৮,২৪৮.
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের কারণ নয় কোনটি?
  1. আন্তর্জাতিক খাদ্য সহায়তা পেতে ব্যর্থতা
  2. বার্ষিক খাদ্যশস্য উৎপাদন হ্রাস পাওয়া
  3. সরকারি অব্যবস্থাপনা 
  4. চোরাচালান ও মজুদদারি
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক খাদ্যশস্য উৎপাদন হ্রাস পাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক খাদ্যশস্য উৎপাদন হ্রাস পাওয়া
ব্যাখ্যা

১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষের কারণ:
- ১৯৭৪ সালে দুর্ভিক্ষের পেছনে বেশ কয়েকটি কার্যকারণ রয়েছে।
- প্রথমত, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বন্যা: ১৯৭৪ সালে ভয়াবহ বন্যা হয়, যেখানে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যমুনা নদী ছয়বার ভেঙে পড়ে।
- প্রচুর ফসল নষ্ট হয় এবং বহু মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়, ফলে কৃষিকাজে নিয়োজিত দিনমজুররা কাজ হারান।
- কিন্তু, অমর্ত্য সেনের Poverty and Famine গ্রন্থ ও তৎকালই খাদ্যশস্যের উৎপাদনের তথ্য অনুসারে,
- ১৯৭৪ সালে দেশে মোট খাদ্যশস্যের উৎপাদন এবং মাথাপিছু খাদ্যশস্যের প্রাপ্যতা ১৯৭২ বা ১৯৭৩ সালের চেয়ে বেশি ছিল,যা বার্ষিক খাদ্যশস্য উৎপাদন হ্রাস পাওয়াকে দুর্ভিক্ষের কারণ হিসেবে চিহ্নিত করার ধারণাকে ভুল প্রমাণ করে।

-  দুর্ভিক্ষ অর্থনীতি (Famine Economics): ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৪ সালের মধ্যে চালের দাম দ্বিগুণ হয়ে যায়, যা নিম্নবিত্তের জন্য খাদ্য দুষ্প্রাপ্য করে তোলে। চালের দাম বৃদ্ধির মূল কারণ পুরোপুরি নিশ্চিত নয়, তবে চোরাচালান ও মজুদদারির ভূমিকা ছিল বলে ধারণা করা হয়। অমর্ত্য সেনের ‘অধিকার তত্ত্ব’ (Entitlement Theory) অনুযায়ী, দুর্ভিক্ষ খাদ্যের অভাবে নয়, বরং মানুষের তা কেনার সামর্থ্যের অভাবে ঘটে।

- বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকট ও আন্তর্জাতিক সাহায্যের অভাব: ১৯৭৩ সালের তেল সংকটের কারণে খাদ্য ও জ্বালানির দাম দ্রুত বেড়ে যায়। বাংলাদেশ সরকার তখন আর্থিক সংকটে ছিল এবং পর্যাপ্ত খাদ্য আমদানি করতে পারেনি। যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে খাদ্যসহায়তা দিতে অস্বীকৃতি জানায়, কারণ বাংলাদেশ কিউবার সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রেখেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের Public Law 480 (পিএল ৪৮০) অনুসারে, এটি তাদের নীতির পরিপন্থী ছিল। খাদ্যসহায়তা এক বছর দেরিতে আসে, যখন দুর্ভিক্ষ এরই মধ্যে তার ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।

- ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ একাধিক কারণের সম্মিলিত ফল, যার মধ্যে রাজনৈতিক অব্যবস্থাপনা, বাজার নিয়ন্ত্রণের ব্যর্থতা এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ছিল। যদিও মতাদর্শগত সংঘাত (যেমন, যুক্তরাষ্ট্র ও কিউবার সম্পর্কজনিত সমস্যা) কিছুটা ভূমিকা রেখেছিল, মূলত দুর্নীতি, বাজারে খাদ্যের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে না পারা এবং কার্যকর নীতি গ্রহণের ব্যর্থতার কারণেই এ দুর্ভিক্ষ সংঘটিত হয়।

উৎস: বনিক বার্তা ও Poverty and Famines: An Essay on Entitlement and Deprivation, AMARTYA SEN.

৮,২৪৯.
'The State Acquisition and Tenancy Act' কোন সালে প্রণয়ন করা হয়?
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৫৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: 
- 'রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ (১৯৫১ সনের ২৮নং আইন' যা ১৯৫০ সালে প্রণয়ন করা হয়।
- এই আইনে পূর্ববাংলায় জমিতে খাজনা সংগ্রাহক ও অন্যান্য স্বার্থধারীদের তালুক অধিগ্রহণের বিধান, তালুকে প্রজাদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত আরও অন্যান্য বিষয়ের আইনগত সম্পর্ক সংজ্ঞায়িত করার বিধান রয়েছে।
- আইনটি পাশের আগে এদেশের কৃষিসংক্রান্ত আইন বলতে প্রধানত ছিল ১৭৯৩ সালের বঙ্গীয় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবিধান ও বঙ্গীয় প্রজাস্বত্ব আইন, ১৮৮৫। 
- দেশ বিভাগের পর পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব বিল প্রণয়ন করে ১৯৪৮ সালের ৩১ মার্চ তা প্রকাশ করা হয়।
- তারপর এই বিলটিকে আইন পরিষদের বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়।
- এই পরিপ্রেক্ষিতে বিলটি পাস হওয়ার পর ১৬ মে ১৯৫১ সালে বিলে প্রয়োজনীয় অনুমোদনমূলক সম্মতি পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- এই আইনের আওতায় সরকার দেশের একমাত্র জমিদারে পরিণত হয় এবং সরকার পর্যায়ক্রমে জমিতে সকল খাজনা-আদায়ি স্বার্থ অধিগ্রহণ করে।
- এই আইনের ৩ নং ধারা বলবৎ হওয়ায় জমির সকল মালিক সরকারের প্রত্যক্ষ প্রজায় পরিণত হয়।
- এই আইনবলে সরকার হাটবাজার, ফেরি ও মাছ উৎপাদনমূলক জলভাগের মালিক ও ব্যবস্থাপক হয়।
- এই আইনে ১৫২টি ধারা রয়েছে।
- এগুলি পাঁচটি অংশ ও উনিশটি অধ্যায়ে বিভক্ত।

উৎস: ভূমি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৮,২৫০.
বাংলাদেশের প্রথম সাবমেরিন ঘাঁটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) পটুয়াখালীতে
  2. খ) বরিশালে
  3. গ) চট্টগ্রামে
  4. ঘ) কক্সবাজারে
সঠিক উত্তর:
ঘ) কক্সবাজারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কক্সবাজারে
ব্যাখ্যা
বানৌজা শেখ হাসিনা
- সাবমেরিনের সুষ্ঠু পরিচালনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও নিরাপদ জেটি সুবিধার জন্য কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার পেকুয়ায় সাবমেরিন ঘাঁটি ‘বানৌজা শেখ হাসিনা’ কমিশনিং করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এটি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ ডুবোজাহাজ ঘাঁটি।
- ২০২৩ সালের ২০ মার্চ গণভবন হতে ভিডিও টেলিকনফারেন্স এর মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে নামফলক উন্মোচন করেন। 
- এর মধ্য দিয়ে ঘাঁটিটি নৌবাহিনীতে আনুষ্ঠানিকভাবে অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু করল।
- ১২ মার্চ ২০১৭ তারিখে ‘বানৌজা শেখ হাসিনা’ নির্মাণে ঘাঁটির নামফলক উন্মোচিত হয়।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৮,২৫১.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে ব্যবহৃত মানচিত্রের রঙ কী?
  1. লাল
  2. সবুজ
  3. সাদা
  4. হলুদ 
সঠিক উত্তর:
হলুদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলুদ 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার - নিত্যানন্দ সাহা (এনএন সাহা)।
- এই মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝখানে হলুদ রংঙের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরে লেখা ’গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’, নিচে লেখা ’সরকার’ এবং বৃত্তের দুপাশে রয়েছে ২ টি করে মোট ৪ টি তারকা।

উৎস: - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮,২৫২.
ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি কী?
  1. ক) Executive Committee of the National Economic Council
  2. খ) Executive Council of National Economic Committee
  3. গ) Economic Council of National Executive Committee
  4. ঘ) Executive Committee the Nation Economic Council
সঠিক উত্তর:
ক) Executive Committee of the National Economic Council
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Executive Committee of the National Economic Council
ব্যাখ্যা
ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি - Executive Committee of the National Economic Council.

• ECNEC:
- ECNEC ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- একনেক (ECNEC)-এর প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- একনেক 1982 সালে গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৮,২৫৩.
মণিপুরীরা কোথায় বাস করে?
  1. সিলেটে
  2. চট্টগ্রামে
  3. দিনাজপুরে
  4. কুমিল্লায়
সঠিক উত্তর:
সিলেটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেটে
ব্যাখ্যা
মণিপুরী সম্প্রদায়:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়। 
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে বাংলাদেশের মণিপুরীরা তিনটি শাখায় বিভক্ত।
- স্থানীয়ভাবে তারা (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ ও (৩) পাঙন নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- তাদের সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দিক হলো মণিপুরী নৃত্য যা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত।
- মণিপুরীদের মাতৃভাষা মেইতেই লন বা মণিপুরী ভাষা মঙ্গোলীয় ভাষা পরিবারের তিববতি-বর্মি উপ-পরিবারভুক্ত এবং কুকি-চীনা দলভুক্ত।
- ১৯৭৫ সালে ‘বাংলাদেশ মণিপুরী সাহিত্য সংসদ’ প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়ে মণিপুরী সাহিত্যের ইতিহাস নতুন মাত্রা পায়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮,২৫৪.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন- ড. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন গঠিত হয় কবে?
  1. ১৬ জুন, ১৯৭২
  2. ২৬ জুন , ১৯৭২
  3. ১৬ জুলাই, ১৯৭২
  4. ২৬ জুলাই, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ জুলাই, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম - কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন (১৯৭২) বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন'।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে, এবং ঐসব মতামত সতর্কতার সঙ্গে যাচাই বাছাই করে প্রণীত রিপোর্টে দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুনর্বিন্যাসের সুপারিশ করে।
- কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৮,২৫৫.
What is the tax-free income limit in Bangladesh?
  1. 3,25,000 Tk
  2. 3,50,000 Tk
  3. 3,75,000 Tk
  4. 4,00,000 Tk
সঠিক উত্তর:
3,50,000 Tk
উত্তর
সঠিক উত্তর:
3,50,000 Tk
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে করমুক্ত আয়সীমা:
- প্রস্তাবিত বাজেট ২০২৩-২৪ অনুযায়ী, আয়ের প্রথম ৩,৫০,০০০/- টাকার ওপর কোনো কর দিতে হবে না।
- পরবর্তী ১ লাখ টাকার ওপর ৫% আয়কর দিতে হবে।
- পরবর্তী ৩ লাখ টাকায় ১০% আয়কর দিতে হবে।
- পরবর্তী ৪ লাখ টাকায় ১৫% আয়কর দিতে হবে।
- পরবর্তী ৫ লাখ টাকায় ২০% আয়কর দিতে হবে।
- বাকি টাকার আয়ের উপর ২৫% আয়কর দিতে হবে।

 উৎস: জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ ।
৮,২৫৬.
পিআর নির্বাচন পদ্ধতিতে আসন বণ্টন কিসের ভিত্তিতে হয়?
  1. এলাকার জনসংখ্যার ভিত্তিতে
  2. রাজনৈতিক দলের বয়সের ভিত্তিতে
  3. সর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থীর ভিত্তিতে
  4. প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিটি দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে
ব্যাখ্যা

পিআর নির্বাচন পদ্ধতি:
- আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব বা পিআর হচ্ছে নির্বাচনি ব্যবস্থার এমন একটি পদ্ধতি যেখানে আসন বণ্টন হয় প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রাপ্ত ভোটের আনুপাতিক হারে।
- এ পদ্ধতিতে একটি নির্বাচনে দেওয়া প্রত্যেকটি ভোট কাজে লাগে এবং প্রতিটি ভোট সংসদে সমানভাবে প্রতিনিধিত্ব করে। তাছাড়া একটি নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ও হারের ভিত্তিতে সংসদে আসন বণ্টন হয়। উদাহরণস্বরূপ, কোনো দল যদি ১০% ভোট পায়, তাহলে সংসদে তাদের আসনও হবে প্রায় ১০% হারে।
- আনুপাতিক নির্বাচন পদ্ধতিতে ভোটের আগে প্রতিটি দল ক্রম ভিত্তিতে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে। প্রতিটি রাজনৈতিক দল তার প্রাপ্ত ভোটের হার অনুসারে আসন সংখ্যা পাবে।

⇒ পিআর পদ্ধতির ধরন:
১. মুক্ত তালিকা পদ্ধতি: দলগুলো ভোটের ভিত্তিতে তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের মধ্যে থেকে আসন পায়।
২. বদ্ধ তালিকা পদ্ধতি: দল ঠিক করে দেয় কে হবেন সংসদ সদস্য।
৩. মিশ্র পদ্ধতি: কিছু আসনে প্রতীকভিত্তিক, কিছু আসনে পিআর ভিত্তিতে নির্বাচন হয়।

⇒ বাংলাদেশসহ অনেক দেশে বর্তমানে প্রচলিত ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ (FPTP) পদ্ধতিতে যে দল বেশি আসনে জয় পায়, তারা সরকার গঠন করে, ভোটের মোট শতাংশ নয়।
- বর্তমান বাংলাদেশের সংসদীয় নির্বাচন ব্যবস্থায় ৩০০টি আসনে আলাদা আলাদা প্রার্থী দিয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে রাজনৈতিক দলগুলো।

উৎস: BBC.

৮,২৫৭.
সম্প্রতি উন্মোচিত ১০০ টাকার নতুন নোটে নিম্নের কোন ছবিটি রয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. সুন্দরবন 
  2. মেট্রোরেল 
  3. পদ্মা সেতু
  4. কর্ণফুলী টানেল
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন 
ব্যাখ্যা

১০০ টাকার নতুন নোট:
- ১২ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে বাজারে ১০০ টাকার নতুন নোট প্রচলনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
- গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের স্বাক্ষরিত নতুন এই নোটের এক পাশে ষাট গম্বুজ মসজিদ এবং অপর পাশে সুন্দরবনের ছবি আছে।
- নোটের মূল রং নীল।

⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানিয়েছে, মোট ১ হাজার ৫০০ কোটি টাকার নতুন এ নোট ছাপানো হবে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান জানান, সুনির্দিষ্ট কোনো ব্যাংকের শাখায় নয়, যেসব ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আগ্রহ জানিয়েছে, তাদেরকে স্বল্প পরিমাণে নতুন ১০০ টাকার নোট দেওয়া হয়েছে। 

উৎস: i) The Business Standard.
ii) Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।

৮,২৫৮.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) এর কার্যক্রম শুরু হয় কত সালে?
  1. ক) ২০১১
  2. খ) ২০১৫
  3. গ) ২০১০
  4. ঘ) ২০১৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৪
ব্যাখ্যা
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা)
⇨ জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন শীর্ষস্থানীয় একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ।
⇨ কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভাগ/ দপ্তরের প্রথম শ্রেণীর/সমমান পর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দানের মাধ্যমে কৃষিতে মানব সম্পদ উন্নয়নে নাটা অগ্রণী ভূমিকা পালন করে। 
⇨ অবস্থান:- জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে। 

ইতিহাস:- 
• ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
• ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
• ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা  হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমির ওয়েবসাইট।
৮,২৫৯.
এ পর্যন্ত বাংলাদেশে কতটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৭টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ১২টি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
• প্রথম জাতীয় সংসদ

- বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। 
- সে সময় ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন হলেও ১৫টি আসন সংরক্ষিত ছিল নারীদের জন্য।
- মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামী লীগ প্রথম নির্বাচনে ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৩টিতে জয়লাভ করেছিল। 
- স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্বাচিত হয়েছিলেন ঢাকা-৬ আসন থেকে।
- তেজগাঁওয়ে অবস্থিত তখনকার জাতীয় সংসদ ভবনে ওই সংসদের প্রথম অধিবেশন বসেছিল ৭ এপ্রিল।

• দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন 
- প্রথম সংসদ নির্বাচনের প্রায় ৮ বছর পর দ্বিতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি।
- সামরিক শাসক জিয়াউর রহমানের আমলে ওই নির্বাচনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ৩০টি৷ 
- সেই নির্বাচনে মাস ছয়েক আগে প্রতিষ্ঠিত দল বিএনপি ২০৭টি এবং আওয়ামী লীগ ৫৪টি আসনে জয় পেয়েছিল৷
- দ্বিতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসে ওই বছরের ২ এপ্রিল৷

• তৃতীয় সংসদ নির্বাচন
- বিএনপির বর্জনের মধ্যে তৃতীয় সংসদ নির্বাচন হয় ১৯৮৬ সালের ৭ মে৷ সাবেক সামরিক শাসক হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের দল জাতীয় পার্টি ১৫৩টি, আওয়ামী লীগ ৭৬টি এবং জামায়াতে ইসলামী ১০টি আসনে জয় পায়।

• চতুর্থ সংসদ নির্বাচন
- তৃতীয় সংসদের দুই বছরের মাথায় ১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ চতুর্থ সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয় এরশাদের শাসনামলে৷
- আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ প্রায় সব দলের বর্জনের মধ্যে ওই নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ২৫১টি আসনে জয় পেয়েছিল।
- সংরক্ষিত নারী আসন সংক্রান্ত আইনের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় ওই সংসদে মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০০টি৷

• পঞ্চম সংসদ নির্বাচন
- পঞ্চম সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনী ব্যবস্থায় নতুন ধারায় প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- গণআন্দোলনে এরশাদের বিদায়ের পর তখনকার প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে প্রধান করে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি ওই নির্বাচন হয়।
- পঞ্চম সংসদে বিএনপি ১৪০টি, আওয়ামী লীগ ৮৮টি আর জাতীয় পার্টি ৩৫টি আসনে জয়লাভ করে৷
 - এছাড়া নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ৩০ জন নারী সাংসদ নির্বাচিত হন৷
- তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি সংবিধানের অংশ না থাকলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আন্দোলনের মুখে পরের সংসদে সেটির বিল পাস করা হয়েছিল৷

• ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন 
- আওয়ামী লীগসহ অধিকাংশ বিরোধী রাজনৈতিক দলের বর্জনের মধ্যে ষষ্ঠ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি৷
- সে সময় ৩০০ আসনের মধ্যে বিএনপি ২৭৮টিতে জয়লাভ করে৷ মাত্র চার কার্যদিবস সংসদ বসার পর তা বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। 
- তার আগে সেই সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিল পাস হয়।

• সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- এরপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন হয় সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। 
- সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ১৪৬টি, বিএনপি ১১৬টি এবং জাতীয় পার্টি ৩২টি আসনে জয়লাভ করে৷
- পরে শেখ হাসিনাকে প্রধানমন্ত্রী করে ২১ বছর পর সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ৷

• অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- ২০০১ সালের ১ অক্টোবর অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে বিএনপি ও চার দলীয় জোট সরকার। 
- ৩০০ আসনের ১৯৩টিতে বিএনপি আর ৬২টিতে আওয়ামী লীগ জয়ী হয়৷

• নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে সবশেষ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর। 
- সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট সরকার ২৬৩টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে।
- দুই বছর সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পর আসা ওই নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৩টি আসন পায়।
- নবম সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী এনে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

• দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- এরপর বিএনপিসহ বিভিন্ন দলের বর্জনের মধ্যে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি। 
- ৩০০ আসনের মধ্যে ১৫৩টিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে সরকার গঠন করে আওয়ামী লীগ।

• একাদশ সংসদ নির্বাচন
- ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ সংসদ নির্বাচনে ২৯৯ আসনে ভোট হয়। আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টিসহ ৩৯ দল অংশ নেয়। ৮০% ভোট পড়ে।
 - আওয়ামী লীগ ২৫৯টি আসন পেয়ে আবারও সরকার গঠন করে।  জাতীয় পার্টি পায় ২০টি আসন। ওয়ার্কার্স পার্টি ৩টি, জাসদ ২টি, বিকল্প ধারা ২টি, তরীকত ফেডারেশন ১টি, জাতীয় পার্টি (জেপি) ১টি আসন পায়।

• দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
- ২০২৪ সালের ০৭ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪-দলীয় জোট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। 
- ১১ জানুয়ারি ২০২৪ আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা টানা চতুর্থবারসহ পঞ্চমবারের মতো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে শপথ গ্রহণ করেন। 

উৎস- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, জাতীয় দৈনিক পত্রিকা।
৮,২৬০.
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর-এর আওতায় (ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত) দেশে জাতীয় মহাসড়ক এর পরিমাণ কত?
  1. ২২,৪৭৬ কিলোমিটার
  2. ৪,৮৯৮ কিলোমিটার
  3. ৩,৯৯১ কিলোমিটার
  4. ১৩,৫৮৭ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩,৯৯১ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৯৯১ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------- 
• সড়ক যোগাযোগ:


সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ): সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর-এর আওতায় দেশে বিভিন্ন ধরনের মহাসড়ক রয়েছে – ২২,৪৭৬ কিলোমিটার (ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ পর্যন্ত)।
এর মধ্যে –  

• জাতীয় মহাসড়ক – ৩,৯৯১ কিলোমিটার।
• আঞ্চলিক মহাসড়ক – ৪,৮৯৮ কিলোমিটার এবং
• ফিডার/জেলা সড়ক – ১৩,৫৮৭ কিলোমিটার।

মোট – ২২,৪৭৬ কিলোমিটার।

সওজ নিয়ন্ত্রাণাধীন সড়ক নেটওয়ার্কে বিভিন্ন প্রকারের ৪,৪০৪টি সেতু এবং ১৫,০৮৪টি কালভার্ট রয়েছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪।
৮,২৬১.
গ্লোবাল স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম সূচক অনুসারে, বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৯১তম
  2. খ) ৯৫তম
  3. গ) ৯৩তম
  4. ঘ) ৯৭তম
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯৩তম
ব্যাখ্যা
গ্লোবাল স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ইনডেক্স:
জুন ২০২২-এ বৈশ্বিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান স্টার্টআপ ব্রিঙ্ক ১০০টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে গ্লোবাল স্টার্টআপ ইকোসিস্টেম ইনডেক্স প্রকাশ করে।
সূচক অনুসারে -
• শীর্ষ দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
বাংলাদেশের অবস্থান - ৯৩তম।
• শীর্ষ শহর - সান ফ্রান্সিসকো। 
• ঢাকার অবস্থান ৩২৬তম।
• সার্কভুক্ত দেশের অবস্থান: ১৯. ভারত, ৭৬. পাকিস্তান, ৯০. শ্রীলংকা ও ৯৩. বাংলাদেশ।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
৮,২৬২.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান৬৪
  2. ব্রি ধান৭২
  3. ব্রি ধান৭৪
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত:
i) ব্রি ধান৬২
ii) ব্রি ধান৬৪:
- চালের মাঝারি মোটা এবং রঙ সাদা।
- ১০০০টি পুষ্ট ধানের ওজন প্রায় ২৪.৬ গ্রাম।
- চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৭.২%।
- চালে জিংক এর পরিমাণ ২৪ মিলিগ্রাম/কেজি।

iii) ব্রি ধান৭২:
- অধিক ফলনশীল জিংক সমৃদ্ধ আমন ধানের জাত।
- চালের আকার আকৃতি লম্বা, মোটা এবং রং সাদা।
- ১০০০ টি পুষ্ট ধানের ওজন প্রায় ২৭.৯ গ্রাম।
- চালে এমাইলোজের পরিমাণ ২৬.০%।

iv) ব্রি ধান৭৪
v) ব্রি ধান৮৪
- এ জাতের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো চালের রং হালকা লালচে
- ১০০০ টি পুষ্ট ধানের ওজন প্রায় ২২.৮ গ্রাম
- এ ধানের অ্যামাইলোজ ২৫.৯%
- এ জাতের চালে শতকরা ৯.৭ ভাগ প্রোটিন রয়েছে
- প্রতি কেজি চালে ২৭.৬ মিলিগ্রাম জিঙ্ক এবং ১০.১ মিলিগ্রাম আয়রন রয়েছে।

vi) ব্রি ধান১০০
vii) ব্রি ধান১০২
viii) বিনাধান-২০:
- জিংক সমৃদ্ধ ধান, আকাড়া চালে ২৬.৫ পিপিএম জিংক বিদ্যমান
- ২০-৩১ পিপিএম আয়রণ বিদ্যমান
- জীবনকালঃ ১২৫-১৩০ দিন
- বাদামী গাছ ফড়িং এর প্রতি মধ্যম মাত্রায় প্রতিরোধী
- চালের রং লালচে লম্বা ও চিকন।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৮,২৬৩.
ফা-হিয়েন কোন ধর্মের তীর্থযাত্রী ছিলেন?
  1. হিন্দু ধর্ম
  2. শৈব ধর্ম
  3. বৌদ্ধ ধর্ম
  4. খ্রিস্ট ধর্ম
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ ধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ ধর্ম
ব্যাখ্যা

• ফা-হিয়েন:
- ফা-হিয়েন প্রাচীন চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
- তিনি মধ্য এশিয়া, ভারত ও শ্রীলংকা ভ্রমণ করেন ও তাঁর ভ্রমণ বৃত্তান্ত লিপিবদ্ধ করেন।
- ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি যখন ভারতের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন তখন তাঁর বয়স সম্ভবত ৬৪ বছর।
- তিনি তাঁর ভ্রমণের অধিকাংশ সময়ই মধ্য ভারত বা মগধ পরিভ্রমণ অতিবাহিত করেন।
- তাঁর গন্তব্যস্থল ছিল সে সময়ের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক বন্দর তাম্রলিপ্তি (বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত তমলুক)।
উল্লেখ্য,
- চিনা পরিব্রাজক ফা-হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের শাসনকালে গৌতমবুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত স্থানগুলি পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে ভারত অভিমুখে যাত্রা করেন।
- ফা-হিয়েনের বর্ণনায় পাটলীপুত্র, তাম্রলিপ্তি, তক্ষশীলা, সারনাথ, মথুরা, পেশোয়ার, কুশীনগরসহ বেশ কিছু প্রসিদ্ধ স্থানের বিবরণ আছে।
- তাঁর ভ্রমণ কাহিনী থেকে গুপ্তযুগীয় ভারতের আর্থ-সামাজিক, ধর্মীয় এবং পরোক্ষভাবে রাজনৈতিক অবস্থার কিছু চিত্র পাওয়া যায়, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- ফা-হিয়েন গুপ্ত শাসনের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন। 

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
         ii) বাংলাপিডিয়া।

৮,২৬৪.
এ পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশে মোট কতটি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় দশ বছর পরপর।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে যথা: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম হয় 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

• স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত আদমশুমারি সমূহ:
- প্রথম : ১৯৭৪ সালে, 
- দ্বিতীয় : ১৯৮১ সালে, 
- তৃতীয় : ১৯৯১ সালে, 
- চতুর্থ : ২০০১ সালে, 
- পঞ্চম : ২০১১ সালে, 
- ষষ্ঠ : ২০২২ সালে।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

৮,২৬৫.
বাংলাদেশ ব্যাংক বছরে কয়বার মুদ্রানীতি ঘোষণা করে থাকে?
  1. ক) একবার
  2. খ) দুইবার
  3. গ) তিনবার
  4. ঘ) চারবার
সঠিক উত্তর:
ক) একবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একবার
ব্যাখ্যা
- আমাদের দেশে বাংলাদেশ ব্যাংক মুদ্রানীতি ঘোষণা করে থাকে। বছরে একবার মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়।
- তবে ২০০৬-২০১৯ সময়ে বছরে ছয় মাস অন্তর দুইটি করে মুদ্রানীতি ঘোষণা করা হয়।
- মুদ্রানীতি হলো মুদ্রার গতিবিধির প্রক্ষেপণ। এটি অভ্যন্তরীণ ঋণ ও মুদ্রা সরবরাহের সাথে সম্পর্ক যুক্ত।
- দারিদ্র্য বিমোচন, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি বাড়ানো, অর্থনৈতিক গতিশীলতা রক্ষা প্রভৃতি ক্ষেত্রে মুদ্রানীতি সহায়তা করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং বাংলাপিডিয়া)
৮,২৬৬.
প্রতি বছর কতজন লেখককে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার:
- শিশুসাহিত্যে সার্বিক অবদানের জন্য বাংলাদেশ শিশু একাডেমি বছরে একজন সাহিত্যসেবীকে এ পুরস্কার প্রদান করে।
- বাংলা ১৩৯৬ সন (১৯৮৯ খ্রি) থেকে এ পুরস্কার চালু করা হয়েছে।
- একজন কবি বা সাহিত্যিক জীবনে মাত্র একবার এ পুরস্কার লাভ করতে পারেন।
- এ পুরস্কার মরণোত্তর পুরস্কার হিসেবে দেওয়ার বিধান নেই।
- শিশু একাডেমি পুরস্কারের মান নগদ ২৫ হাজার টাকা।
- পুরস্কৃত সাহিত্যিককে নগদ অর্থ, সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমি ওয়েবসাইট।
৮,২৬৭.
‘গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়ণের ব্যবস্থা’ বিষয়টিকে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫
  2. অনুচ্ছেদ ১৬
  3. অনুচ্ছেদ ১৭
  4. অনুচ্ছেদ ১৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৬
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ১৬ অনুচ্ছেদে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়নের ব্যবস্থাকে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ সংবিধানের ১৬ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু: গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব।
- সংবিধানের ১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূর করার জন্য গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়ন, কৃষি বিপ্লব, এবং কুটির শিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশসহ গ্রামাঞ্চলে আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।" 

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা।
- সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,২৬৮.
শীতকালে কোন বনভূমির পাতা ঝড়ে যায়?
  1. ক) রাতারগুল বন
  2. খ) সুন্দরবন
  3. গ) শালবন
  4. ঘ) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়ী বনভূমি
সঠিক উত্তর:
গ) শালবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শালবন
ব্যাখ্যা
- টাঙ্গাইলের মধুপুর, গাজীপুরের ভাওয়াল গড়, শেরপুর, ময়মনসিংহ ও বরেন্দ্রভূমি এলাকায় বিস্তৃত শালবন একটি পত্রপতনশীল বৃক্ষের বনভূমি। যার কারণে শীতকালে এই বনের গাছের পাতা ঝড়ে যায়।
- শালবনের মোট আয়তন প্রায় ১.২ লক্ষ হেক্টর।
- এই বনের প্রধান বৃক্ষ হলো শাল বা গজারী।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৮,২৬৯.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রধান ছিলেন কে?
  1. আব্দুস সাত্তার
  2. মনজুর কাদের
  3. এস এ রহমান
  4. মুকসুমুল হাকিম
সঠিক উত্তর:
এস এ রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এ রহমান
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলায় আসামী করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
এই মামলার বিচারের জন্যে গঠিত ট্রাইব্যুনাল:
- প্রধান বিচারপতি : এস এ রহমান
- সদস্য : এম আর খান
- মুকসুমুল হাকিম।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি:
- মনজুর কাদের
- অ্যাডভোকেট জেনারেল টি. এইচ. খান।
বাদী পক্ষের আইনজীবী:
- আবদুস সালাম খান
- স্যার টমাস উইলিয়াম।
- এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ গুলি করে হত্যা করা হয়। এতে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
- এর ফলে ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
৮,২৭০.
কোন নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বাস করে না?
  1. কোচ
  2. ডালু
  3. চাক
  4. নাগা
সঠিক উত্তর:
নাগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগা
ব্যাখ্যা

- নাগা নৃগোষ্ঠী ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চলে বসবাস করে।

এছাড়াও, 
কোচ:
কোচ বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে বসবাসকারী অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। বর্তমানে কোচ জাতির বিস্তৃতি আদিভূমি কোচবিহার ছড়িয়ে ময়মনসিংহ জেলায় তাদের আবাস গড়ে তোলে । বর্তমানে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী , নালিতাবাড়ী এবং শ্রীবর্দী উপজেলায় তাদের বসবাস।

ডালু:
ডালু জাতি হচ্ছে বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র জাতির নাম। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও শেরপুরের নালিতাবাড়ি অঞ্চলে ডালু জাতির মানুষদের বাস। তাদের অনেকে মনে করেন মণিপুরিই হচ্ছে তাদের আসল ভাষা।

চাক:
চাক বাংলাদেশের একটি উপজাতি। বাংলাদেশের বান্দরবান, চট্টগ্রামের চাক পাহাড় ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের বসবাস রয়েছে। চকরা যে ভাষায় কথা বলে সেটি চাক ভাষা নামে পরিচিত। চাকদের ভাষায় 'চক' শব্দের অর্থ 'দাঁড়ানো'।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ।

৮,২৭১.
বাংলাদেশের খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত বীর বিক্রম একমাত্র মুক্তিযোদ্ধার নাম কী?
  1. ইউ কে চিং
  2. আশুতোষ চাকমা
  3. মং প্রু
  4. অংশু চাকমা
সঠিক উত্তর:
ইউ কে চিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউ কে চিং
ব্যাখ্যা
ইউ কে চিং মারমা:
- ইউ কে চিং মারমা ১৯৩৭ সালে বান্দরবানে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫২ সাল থেকে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন।
- আদিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে একমাত্র তিনি খেতাব লাভ করেন।
- সম্মুখ যুদ্ধে দেশের স্বাধীনতার জন্য অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাকে মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব ‘বীর বিক্রম’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ ইপিআরের নায়েক হিসেবে রংপুর জেলার হাতিবান্ধা বিওপিতে কর্মরত ছিলেন ইউ কে চিং।
- সেখান থেকে মেজর বাশারের নেতৃত্বে ৯ বাঙালি ইপিআর সৈনিক নিয়ে পাটগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধ করেন।
- তিনি কর্মরত বিহারি ও দুই পাঞ্জাবিকে হত্যা করেন। 
- অপারেশন চালান রংপুর, লালমনিরহাট, পাখিউড়া, কাউয়াহাট, বাগভাণ্ডার, হাতিবান্দা, চৌধুরীহাট, ভূরুঙ্গামারী, জয়মনিরহাট, রায়গঞ্জ, নাগেশ্বরী, তিস্তা নদী, কুলাঘাট প্রভৃতি স্থানে।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রকাশিত ‘দি বাংলাদেশ গেজেট-এক্সট্রা অর্ডিনারি পাবলিশড বাই অথরিটি’ বইয়ের ক্রমিক নম্বর ১০০-তে তার ‘বীর বিক্রম’ প্রাপ্তির উল্লেখ আছে। 

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: ২৬ জুলাই,২০১৪, bdnews24.com
৮,২৭২.
The number of Government Medical Universities of Bangladesh is -
  1. ক) 4
  2. খ) 6
  3. গ) 5
  4. ঘ) 2
সঠিক উত্তর:
গ) 5
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) 5
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫টি।
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
২. রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
৪. সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
৫. শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা।
খুলনায় প্রতিষ্ঠিত দেশের ৫০তম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। এটি দেশের পঞ্চম সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ গেজেট এবং দৈনিক পত্রিকা।
৮,২৭৩.
নিচের কোনটি ফসল উৎপাদনের প্রধান মাধ্যম?
  1. পানি
  2. বাতাস
  3. মাটি
  4. সার
সঠিক উত্তর:
মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটি
ব্যাখ্যা
ফসল উৎপাদনের মাধ্যম:
- মাটি ফসল উৎপাদনের প্রধান মাধ্যম।
- বৈশিষ্ট্য ভেদে মৃত্তিকাকে বিভিন্ন শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যেমন:
• বেলে দোআঁশ,
• পলি দোআঁশ,
• এঁটেল ইত্যাদি।
- আবার অঞ্চলভেদেও মাটির বৈশিষ্ট্য ভিন্নরূপ হয় এবং বিভিন্ন নামে অভিহিত করা হয় যেমন, পলি দোআঁশ মাটি অঞ্চল, বরেন্দ্র ও মধুপুর অঞ্চল, পাহাড় ও পাদভূমি অঞ্চল।
- যেহেতু এসকল শ্রেণির মাটি বৈশিষ্ট্য ভিন্ন প্রকৃতির, তাই এ সকল জমিতে কৃষি উৎপাদনের জন্য ফসল নির্বাচনের ক্ষেত্রেও বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।
- মাটি ভেদে ফসলের উৎপাদন যেহেতু ভিন্ন হয়, তাই অধিক উৎপাদন নিশ্চিত করার জন্য মাটির বৈশিষ্ট্য এবং সেই সাথে মাটির উপযোগী ফসল নির্বাচনের দিক সম্পর্কেও জানতে হবে।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৭৪.
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র প্রথম কোথা থেকে প্রচার শুরু করে?
  1. ক) কুষ্টিয়া
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) বেনাপোল
  4. ঘ) কালুরঘাট
সঠিক উত্তর:
ঘ) কালুরঘাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কালুরঘাট
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র। চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
পরবর্তীতে, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও অস্থায়ী সরকারকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার পর স্বাধীন দেশের বেতার কেন্দ্র হিসেবে এর নতুন নাম হয় ‘বাংলাদেশ বেতার’। বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার ১৯৭১ সালের ২২ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরে আসে এবং সেদিন থেকেই স্বাধীন দেশের রেডিও হিসেবে বাংলাদেশ বেতারের সম্প্রচার কাজ শুরু হয়।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৮,২৭৫.
কোন সাংবিধানিক পদটি কার্যকর নয় -
  1. ক) ন্যায়পাল
  2. খ) স্পিকার
  3. গ) এটর্নি জেনারেল
  4. ঘ) সবগুলোই কার্যকর
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যায়পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ন্যায়পাল
ব্যাখ্যা
সংবিধানে যে সব পদ সম্পর্কে বলা হয়েছে সেগুলোকে সাংবিধানিক পদ বলা হয়। সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল সম্পর্কে বলা হয়েছে। ১৯৮০ সালে ন্যায়পাল নিয়োগ ও তার দায়িত্ব নির্ধারণ করে আইন প্রণয়ন করা হলেও এখনো পর্যন্ত বাংলাদেশে কোন ন্যায়পাল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদে এটর্নি জেনারেল, ৭৪ নং অনুচ্ছেদে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে।
উৎসঃ সহজ ভাষায় বাংলাদেশ সংবিধান : আরিখ খান।
৮,২৭৬.
জাতীয় সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন -
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. চীফ হুইপ
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা: স্পীকার।
- জাতীয় সংসদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন: স্পীকার।
- সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
- স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর মর্যাদা সংরক্ষণ করা।
- স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়।
- সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,২৭৭.
সম্প্রতি, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের কয়টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন বাতিল করেছে? [মে, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১৫টি
  3. ২০টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- দেশের ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিকল্পনা বাতিল করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।
- প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়।
- এর মধ্যে পাঁচটি সরকারি এবং পাঁচটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল আছে।

- বাতিল করা অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে সরকারিগুলো হলো:
সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক (কক্সবাজার), সুন্দরবন ট্যুরিজম পার্ক (বাগেরহাট), গজারিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (মুন্সীগঞ্জ), শ্রীপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল (গাজীপুর) এবং ময়মনসিংহ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ময়মনসিংহ)।

- বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো হলো:
বিজিএমইএ গার্মেন্টস শিল্প পার্ক (মুন্সীগঞ্জ), ছাতক ইকোনমিক জোন (সুনামগঞ্জ), ফমকম ইকোনমিক জোন (বাগেরহাট), সিটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন (ঢাকা) এবং সোনারগাঁও অর্থনৈতিক অঞ্চল (নারায়ণগঞ্জ)। - এছাড়াও নেপালের জন্য আলাদা একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
৮,২৭৮.
ব্রেটন উডস সংস্থা হিসেবে কোনটি পরিচিত?
  1. AIIB
  2. NATO 
  3. World Bank
  4. ADB
সঠিক উত্তর:
World Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Bank
ব্যাখ্যা

• ব্রেটন উডস সংস্থা: 
- ব্রেটন উডস সংস্থা বলতে প্রধানত বোঝানো হয়: আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এবং বিশ্ব ব্যাংক কে (World Bank).
- ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস সম্মেলনের ফলে ব্রেটন উডস সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 
- এই প্রতিষ্ঠান দুটি বিশ্বব্যাপী আর্থিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করে।

বিশ্বব্যাংক: 
- বিশ্বব্যাংক জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৪৪ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস–এ প্রতিষ্ঠিত হয়;
- মূলত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসের পর ইউরোপকে পুনর্গঠনে সহায়তা করার উদ্দেশ্যে।
- পরে, এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য হ্রাসের বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়।
- সংস্থাটি ১৯৪৬ সালের ২৭ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে এবং
- এর সদর দপ্তর বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.-তে অবস্থিত।
--------------------------------------
উল্লেখ্য,
- বিশ্বব্যাংকের মূল কাজ হলো:
• নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলিকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয়া,
• নীতিগত পরামর্শ, প্রযুক্তিগত সহায়তা এবং উন্নয়ন প্রকল্পে অর্থায়ন করা।
- যাতে টেকসই উন্নয়ন, দারিদ্র্য কমানো এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা যায়।

• আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF):
- IMF কে ব্রেটন উডস সংস্থা বলা হয়ে থাকে।
- IMF সদস্য দেশগুলোকে স্বল্পমেয়াদি আর্থিক সংকটে সহায়তা প্রদান করে;
- প্রযুক্তিগত সহায়তা ও প্রশিক্ষণ দেয়, এবং
- বৈশ্বিক আর্থিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখে,
- IMF বৈদেশিক মুদ্রার হার নিয়ন্ত্রণ করে ও ঋণ সহায়তা দেয়।

উৎস: Britannica ও World Bank Website. 

৮,২৭৯.
একজন বাংলাদেশি নাগরিক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হতে চাইলে কত বছর বিচার বিভাগীয় পদে চাকরি করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে?
  1. ৫ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ১০ বছর
  4. ১৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
• সুপ্রীম কোর্টের গঠন:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালতের নাম হলো সুপ্রীম কোর্ট।
- এই আদালতের প্রধান হলেন প্রধান বিচারপতি।

উল্লেখ্য, 
- সুপ্রীম কোর্টে দুটি বিভাগ রয়েছে—হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগ।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এরপর প্রধান বিচারপতির পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ প্রদান করেন।

এছাড়াও, 
- কোনো বাংলাদেশি নাগরিক যদি ১০ বছর এডভোকেট হিসেবে কাজ করেন অথবা বিচার বিভাগীয় কোনো পদে ১০ বছর চাকরি করেন, তবে তিনি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হিসেবে নিয়োগ লাভের জন্য যোগ্য বলে বিবেচিত হন।

সূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা (নবম-দশম শ্রেণি), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮,২৮০.
হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. ঢাকা
  3. গৌড়
  4. লক্ষ্মনাবতী
সঠিক উত্তর:
গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
ব্যাখ্যা
হুমায়ুন:

- হুমায়ুন (১৫৩০-১৫৫৬) মুগল সম্রাট বাবরের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- হুমায়ুনের শাসনামলে বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার রাজধানী গৌড়ের নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।
- হুমায়ূন এখানে ছয়মাস অবস্থান করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৮,২৮১.
স্বর্ণা সার আবিষ্কার করেন কে?
  1. ড. আনোয়ার হোসেন
  2. ড. আব্দুল খালেক
  3. ড. মোবারক আহমেদ খান
  4. ড. মাকসুদুল আলম
সঠিক উত্তর:
ড. আব্দুল খালেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. আব্দুল খালেক
ব্যাখ্যা
স্বর্ণা সার:
- স্বর্ণা এক প্রকার জৈব সার।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার।
- ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক এই সার আবিষ্কার করেন।

উল্লেখ্য,
-'স্বর্ণা' নামের বহুল পরিচিত এই 'জৈবসার'-টি পেটেন্ট করা হয় ১৯৯৩ সালে।
- ড. মোবারক আহমেদ খান ২০০৮ সালে পাট থেকে ঢেউটিন তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
- পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম।

উৎস: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৮,২৮২.
UNESCO সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করে কবে?
  1. ১৯৯৩ সালের ৬ ডিসেম্বর
  2. ১৯৯৫ সালের ৬ ডিসেম্বর
  3. ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর
  4. ১৯৯৮ সালের ৬ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হিসেবে অখন্ড বন যা বিশ্বে সর্ববৃহৎ।
- এই বনভূমি গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের মোহনায় অবস্থিত এবং বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিস্তৃত ।
- ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার রয়েছে বাংলাদেশে।
- UNESCO ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সুন্দরবনকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সুন্দরবনকে জালের মত জড়িয়ে রয়েছে সামুদ্রিক স্রোতধারা, কাদা চর এবংম্যানগ্রোভ বনভূমির লবণাক্ততাসহ ছোট ছোট দ্বীপ।
- ১৯৯২ সালের ২১শে মে সুন্দরবন রামসার স্থান হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

উৎস: বাগেরহাট জেলা, জাতীয় তথ্য বাতায়ন ওয়েবসাইট।

৮,২৮৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে কত ধরণের মালিকানার কথা বলা আছে?
  1. ৪ ধরণের
  2. ৫ ধরণের
  3. ২ ধরণের 
  4. ৩ ধরণের
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ধরণের
ব্যাখ্যা

মালিকানা নীতি:
- বাংলাদেশের সংবিধানে তিন ধরণের মালিকানার কথা বলা আছে।
- সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই মালিকানাগুলো হলো:
১. রাষ্ট্রীয় মালিকানা
২. সমবায় মালিকানা
৩. ব্যক্তিগত মালিকানা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে। 
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৮,২৮৪.
রাতারগুল কোন ধরনের বন?
  1. ম্যানগ্রোভ
  2. রেইন ফরেস্ট
  3. সোয়াম্প ফরেস্ট
  4. সামাজিক বন
সঠিক উত্তর:
সোয়াম্প ফরেস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোয়াম্প ফরেস্ট
ব্যাখ্যা
রাতারগুল: 
- সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার হাওড় ও বিল জুড়ে এ বন বিস্তৃত।
- রাতারগুল দেশের একটি দৃষ্টিনন্দন জলাভূমির বন (সোয়াম্প ফরেস্ট)।
- সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় এ বন অবস্থিত।
- রাতারগুলের আয়তন ২০৪.২৫ হেঃ। 
- এ বনের প্রধান বৃক্ষ প্রজাতিসমুহ হলো- হিজল, করচ, পিটালী, বরুন ইত্যাদি।
- বছরের প্রায় অর্ধেক সময় এ বনের গাছ পানিতে আংশিক ডুবে থাকে।
- বানর, মেছোবাঘ, ভোদড়, কাঠবিড়ালী, সাপ, পাখি ইত্যাদি।
- হাওর এলাকায় বিভিন্ন রকম মাছ পাওয়া যায়। এ বনাঞ্চল মাছের আবাসস্থলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বন অধিদপ্তর। 
৮,২৮৫.
পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:

- পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত ও ভূটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্যসহ সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া নেদাল্যান্ডস এবং জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশকে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৬ মার্চ ২০২১।
৮,২৮৬.
পরিকল্পনা কমিশনের বিকল্প চেয়ারম্যান কে?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. অর্থমন্ত্রী
  4. বাণিজ্য মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

পরিকল্পনা কমিশন:
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা সহ সরকারের বিভিন্ন মেয়াদী অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
- পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
- পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প চেয়ারম্যান অর্থমন্ত্রী।
- ভাইস চেয়ারম্যান পরিকল্পনা মন্ত্রী।
- পরিকল্পনা কমিশন বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনাসহ সরকারের যাবতীয় স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।

৮,২৮৭.
বাংলাদেশে কিশোর অপরাধের প্রধান কারণ কী?
  1. আদর-যত্নের অভাব
  2. দারিদ্র্য
  3. মাতাপিতার বিবাহবিচ্ছেদ
  4. চিত্তবিনোদনের অভাব
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য
ব্যাখ্যা

• কিশোর অপরাধের ধারণা:
- সাধারণভাবে রাষ্ট্র বা সমাজ স্বীকৃত নয় এমন কাজকে অপরাধ বলে। অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলেমেয়ে বা কিশোরদের দ্বারা সংগঠিত বিভিন্ন ধরনের অপরাধকেই বলা হয় কিশোর অপরাধ।

- বাংলাদেশ, ভারত ও শ্রীলঙ্কায় ৭ থেকে ১৬ বছর বয়সী কিশোরদের অপরাধমূলক কাজকে কিশোর অপরাধ বলা হয়।
- পাকিস্তান ও থাইল্যান্ডে কিশোর অপরাধীর বয়স ৭ থেকে ১৮ বছর।
- আর জাপানে এ বয়সসীমা ১৪ থেকে ২০ বছর। কিশোর বয়সে এরা রাষ্ট্র ও সামজের আইন ও নিয়ম ভাঙে বলেই তারা কিশোর অপরাধী।

• কিশোর অপরাধের কারণ:
- বাংলাদেশে কিশোর অপরাধের অন্যতম প্রধান কারণ দারিদ্র্য।
- বাড়ির বাইরে বা কর্মস্থলে অতি ব্যস্ততার কারণে মাতাপিতার পক্ষে তাঁদের সন্তানদের যথেষ্ট সময় বা মনোযোগ দিতে না পারা, 
- আদর-যত্নের অভাব, 
- মাতাপিতার অকালমৃত্যু বা বিবাহবিচ্ছেদ, 
- অভিভাবকদের অতিরিক্ত শাসনের কারণেও অনেক কিশোর ধীরে ধীরে অপরাধী হয়ে ওঠে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

৮,২৮৮.
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর নগদ অর্থ সহায়তার কর্মসূচিতে সকল উপকারভোগীকে কোন পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে?
  1. G2G পদ্ধতি
  2. G2B পদ্ধতি
  3. G2P পদ্ধতি
  4. G2C পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
G2P পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
G2P পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী:
- সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচিসমূহ বাস্তবায়নে যে সকল মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তর কাজ করে থাকে তার মধ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়াধীন সমাজসেবা অধিদপ্তর অন্যতম।
- সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল (NSSS) -২০১৫ এ সমাজসেবা অধিদপ্তরকে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী ক্লাস্টারে লিডিং অধিদপ্তর হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়িত নগদ অর্থ সহায়তার কর্মসূচিসমূহের সকল উপকারভোগীকে G2P  পদ্ধতিতে অর্থ পরিশোধ করা হচ্ছে। 
- প্রত্যেক উপকারভোগী ৩ মাস অন্তর ৪ বারে তার প্রাপ্য অর্থ স্বীয় মোবাইল হিসাব নম্বর (নগদ/বিকাশ) এবং এজেন্ট ব্যাংকিং এর মাধ্যমে পেয়ে থাকেন।

উৎস: সমাজসেবা অধিদপ্তর
৮,২৮৯.
বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন হয় কোথায়?
  1. নিউইয়র্ক
  2. কলকাতা
  3. টেকিও
  4. দিল্লি
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা

• জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন:
-  ১৯৭১ সালের ২ মার্চ, ছাত্র সংগঠনগুলো 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- একই দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের বটতলায় একটি ছাত্রসভায় ডাকসু ভিপি আ.স.ম আবদুর রব প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন।
- এই ঘটনাটি স্মরণীয় হয়ে থাকে, তাই ২ মার্চ 'জাতীয় পতাকা দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

- বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় কলকাতা উপহাইকামিশনারের কার্যালয়ে।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় বাংলাদেশ উপহাইকমিশনে স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা তোলা হয়। তৎকালীন উপহাইকমিশনার হোসেন আলী দূতাবাসে পাকিস্তানের পতাকা নামিয়ে তুলেছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো।

৮,২৯০.
মুক্তিযুদ্ধে ডা. সিতারা বেগম কোন সেক্টরের ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’-এ চিকিৎসাসেবা প্রদান করেন?
  1. ১ নং সেক্টর
  2. ২ নং সেক্টর
  3. ৫ নং সেক্টর
  4. ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:
- মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭২ সালে মোট ৬৭৬ বীর যোদ্ধাকে বিভিন্ন খেতাবে ভূষিত করা হয়েছে।
- তাদের মধ্যে দুজন নারীও রয়েছেন। একজন হলেন ডা. সেতারা বেগম এবং অন্যজন তারামন বিবি; যাদের ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল বা চিকিত্সাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। এ রকম একটি হাসপাতাল ছিল ২ নম্বর সেক্টরে। নাম ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’। ডা. সিতারা বেগম বাংলাদেশ হাসপাতালে অসাধ্য সাধনের মতো সব কাজ করতেন। মুক্তিযুদ্ধে এ মহীয়সী নারীর সাহসী আবদানের জন্য তাঁকে ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত করা হয়। ১৯৭২ সালে জেনারেল ওসমানী চিঠি দিয়ে তাঁকে বীর প্রতীক খেতাব পাওয়ার কথা জানান। তারপর তা গেজেট আকারে প্রকাশ পায়।

অন্যদিকে,
- তারামন বিবি ১১ নং সেক্টর থেকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
- কাঁকন বিবি ১৯৭১ সালে সংঘটিত বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের এক বীরযোদ্ধা, বীরাঙ্গনা ও গুপ্তচর। মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি পাকিস্তানি বাহিনীর বিপক্ষে মুক্তিবাহিনীর হয়ে ৫ নং সেক্টরের গুপ্তচরের কাজ করেন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

৮,২৯১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'চলাফেরার স্বাধীনতা'র কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩৬ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৩৮ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৩৯ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৩৭ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চলাফেরার স্বাধীনতা।

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা: 
জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।

• অন্যদিকে: 
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৮,২৯২.
'জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান' কবে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ১৪ অক্টোবর
  2. ১৭ অক্টোবর
  3. ১৮ অক্টোবর
  4. ২০ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
১৭ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ অক্টোবর
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান:
- 'জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান' অনুষ্ঠিত হবে ১৭ অক্টোবর।
- উল্লেখ্য, পূর্বে এটি অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ ছিল ১৫ অক্টোবর। 

⇒ জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
- আগ্রহী জনগণের অংশগ্রহণের সুবিধার্থে অনুষ্ঠানটি ১৭ অক্টোবর, শুক্রবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত হবে। 
- জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও জোটের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার প্রতিনিধিদের এ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। 

৮,২৯৩.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স ২০২২ অনুযায়ী, পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর ও তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭৪.৭%
  2. ৭৬.৮%
  3. ৭৭.০%
  4. ৭৯.০%
সঠিক উত্তর:
৭৯.০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৯.০%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন।
সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স ২০২২:

- ৩১ জানুয়ারি, ২০২৪ বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স (SVRS) ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। 
[জনশুমারি ২০২২-এর ভিত্তিতে প্রাক্কলিত]
- প্রাক্কলিত জাতীয় জনসংখ্যা - ১৭০.৮৪ মিলিয়ন (পুরুষ: ৮৪.৬৮ মিলিয়ন, মহিলা: ৮৬.১৬ মিলিয়ন)। 
[১ জানুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত]
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা: মুসলিম ৮৯.০%, অন্যান্য ১১.০%। 
- জনসংখ্যার স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার (RNI): ১.৪০%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতি বর্গ কিমি): ১,১৬৩ জন। 
- প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৪ বছর (পুরুষ: ৭০.৮ বছর, মহিলা: ৭৪.২ বছর)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর ও তদূর্ধ্ব): ৭৬.৮% (পুরুষ: ৭৯.০%, নারী: ৭৪.৭%)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিক্স ২০২২।
৮,২৯৪.
বাংলাদেশ প্রথম কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য পদ লাভ করে?
  1. ইসলামি উন্নয়ন ব্যাংক (IDB)
  2. ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (OIC)
  3. কমনওয়েলথ
  4. কৃষি ও খাদ্য সংস্থা (FAO)
সঠিক উত্তর:
কমনওয়েলথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমনওয়েলথ
ব্যাখ্যা
• কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ  ৫৬টি স্বাধীন ও সমান দেশের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ।
• এটি ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় সর্বসম্মতিক্রমে।
- বর্তমান সদস্য ৫৬টি।
- সদরদপ্তর: মার্লবোরো হাউস, লন্ডন।
- কমনওয়েলথের প্রধান : মহামান্য রাজা তৃতীয় চার্লস কমনওয়েলথের প্রধান।
- মাননীয় শার্লি বচওয়ে  বর্তমান কমনওয়েলথ মহাসচিব।

- বাংলাদেশ প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্থার ৩২তম সদস্য হিসেবে, কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।

উৎসঃ কমনওয়েলথের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট
৮,২৯৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে জাতিসংঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাবে 'ভেটো' প্রদান করে কোন দেশ?
  1. ভারত
  2. ফ্রান্স
  3. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত ইউনিয়ন ও সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের ভূমিকা:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের পর সর্বাধিক অবদান রাখে অধুনালুপ্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া)।
- পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক বাংলাদেশে গণহত্যা, অগ্নিসংযোগ, নারী নির্যাতন বন্ধ করার জন্য সোভিয়েত রাষ্ট্রপ্রধান পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানকে আহ্বান জানান।
- তিনি ইয়াহিয়াকে বাংলাদেশের জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের জন্যও বলেন।
- সোভিয়েত পত্রপত্রিকা, প্রচার মাধ্যমগুলো বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতনের কাহিনি ও মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি প্রচার করে বিশ্ব জনমত সৃষ্টিতে সহায়তা করে।
- জাতিসংঘে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব সোভিয়েত ইউনিয়ন 'ভেটো' (বিরোধিতা করা) প্রদান করে বাতিল করে দেয়।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে কিউবা, যুগোস্লাভিয়া, পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, বুলগেরিয়া, চেকোস্লোভাকিয়া, পূর্ব জার্মানিসহ তৎকালীন সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামকে সমর্থন জানায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৮,২৯৬.
’অগ্রণী’ কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ভূট্টা 
  2. কলা 
  3. গম
  4. বেগুন
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা

উন্নত জাতের কলার জাত:
- অগ্নিশ্বর উন্নত জাতের কলা।
- এছাড়াও, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান।
উচ্চ ফলনশীল বেগুন জাত:
- চমক এফ১, বিটি বেগুন, বিজয়, পার্পল কিং, কাজলা (বারি বেগুন ৪), নয়নতারা (বারি বেগুন ৫), তারাপুরী (বারি বেগুন ২), শুকতারা, ডিম বেগুন, মুক্তকেশী।
- উচ্চ ফলনশীল টমেটো জাত:
- বাহার, রোমাভিএফ, রাজা, সুরক্ষা, হাইটম-২
- উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর,’অগ্রণী’, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উৎস: কৃষি সার্ভিস তথ্য সার্ভিস।

৮,২৯৭.
বাংলাদেশে জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স গঠন করা হয় কবে?
  1. ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২৫
  3. ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা
জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স:
- বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের উন্নয়নে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে সেমিকন্ডাক্টর শীর্ষক ১৩ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে বাংলাদেশ সরকার।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 
- বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (বিডা) নেতৃত্বে এই ফোর্স গঠন করা হয়।
- নব গঠিত টাস্কফোর্সের কাজ হবে সেমিকন্ডাক্টর খাতে তাৎক্ষণিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ চিহ্নিত করা, নীতি ও দক্ষতার ঘাটতি দূর করা এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণে অবকাঠামো ও প্রণোদনা কাঠামো প্রস্তাব করা।
- এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর চিপ ডিজাইন, টেস্টিং এবং অ্যাসেম্বলিং সক্ষমতাকে আরও এগিয়ে  নিবে বলে কর্তৃপক্ষ আশাবাদী।

তথ্যসূত্র: বাসস। [Link]
৮,২৯৮.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার প্রধান আসামী কে ছিলেন?
  1. সার্জেন্ট জহুরুল হক
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। 
- তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৮,২৯৯.
শিখা অনির্বাণ অবস্থিত-
  1. ক) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  2. খ) বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে
  3. গ) রাজারবাগ পুলিশ লাইনে
  4. ঘ) ঢাকা সেনানিবাসে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা সেনানিবাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকা সেনানিবাসে
ব্যাখ্যা
- 'শিখা অনির্বাণ' ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত।
- 'শিখা চিরন্তন' সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত। মুজিবনগরে বাংলাদেশের অস্থায়ী বা প্রথম সরকার গঠন ও শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
৮,৩০০.
কোনটি হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র?
  1. মাটির ময়না
  2. চিত্রা নদীর পাড়ে
  3. আবার তোরা মানুষ হ
  4. আগুনের পরশমণি
সঠিক উত্তর:
আগুনের পরশমণি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা
• চলচ্চিত্র:
- হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র- 'আগুনের পরশমণি '
- আগুনের পরশমণি উপন্যাস নিয়ে ১৯৯৪ সালে নির্মাণ হয়।

এছাড়া, 
- 'আবার তোরা মানুষ হ' চলচ্চিত্রের পরিচালক- খান আতাউর রহমান।
- 'মাটির ময়না'  চলচ্চিত্রের পরিচালক- তারেক মাসুদ।
- 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত। এটি পরিচালনা করেন তানভীর মোকাম্মেল।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।