বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৭৯ / ৩০৬ · ৭,৮০১৭,৯০০ / ৩০,৮৩২

৭,৮০১.
বাংলাদেশে প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দরটি কোথায় গড়ে তোলা হবে?
  1. ক) কুতুবদিয়া
  2. খ) হাতিরদিয়া
  3. গ) মংলা
  4. ঘ) সোনাদিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনাদিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোনাদিয়া
ব্যাখ্যা

দেশে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০০৯ সালে। শুরুতে পরিকল্পনায় ছিল কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপ। এরপর আসে পটুয়াখালীর পায়রা। সর্বশেষ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলো, সোনাদিয়া বা পায়রায় নয়, কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের মাতারবাড়ীতেই হবে গভীর সমুদ্রবন্দর।
- মাতারবাড়ি বন্দর হল বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের, কক্সবাজার জেলার, মাতারবাড়ি এলাকার প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর।
- কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আনা কয়লাবাহী জাহাজ ভেড়ানো জেটিকে সম্প্রসারণ করে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বন্দর হিসাবে নির্মাণ করা হবে।

- স্বাধীনতার আগে থেকেই বাংলাদেশে সমুদ্র বন্দরের সংখ্যা ছিল মাত্র দুইটি। চট্টগ্রাম এবং মংলা।
- বাংলাদেশের সব থেকে গভীরতম সমুদ্রবন্দর হচ্ছে মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর।
- মহেশখালী দ্বীপের আয়তন প্রায় ১৪ বর্গকিলোমিটার। সেই সাথে মাতারবাড়ি চ্যানেলের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪.৫ কিমি।
- ভাটার সময় গভীরতা থাকে প্রায় ১৪ মিটার। আর জোয়ারের সময় প্রাকৃতিক ভাবেই গভীরতা হয় প্রায় ১৮.৫ মিটার।
- মাতারবাড়ি বন্দরের কাজ শেষ হলে এই দ্বীপে ২৪০০০ একরের বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশাল বিনিয়োগ আসবে।

তথ্যসূত্র: সময় টিভি অনলাইন নিউজ।
৭,৮০২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন?
  1. গোপালগঞ্জ হাই স্কুল
  2. গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল
  3. গোপালগঞ্জ জিলা স্কুল
  4. গোপালগঞ্জ ইসলামিয়া স্কুল
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুৎফর রহমান।
- ১৯৪২ সালে তিনি গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ এবং একই কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে বি.এ পাশ করেন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সাথে তাদের দাবি আদায়ের পক্ষে আন্দোলন করার জন্যে ১৯৪৯ সালে বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয়।
- ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন। ১৯৬৬ সালেই তিনি দলের সভাপতি হন।
- ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত ছয়দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন।
- ১৯৭৫ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- ২০১০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বঙ্গবন্ধুর বহিষ্কারাদেশ তুলে দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা, ১০ আগস্ট, ২০১০।
৭,৮০৩.
ঐতিহাসিক ছয় দফায় 'বৈদেশিক বাণিজ্য' সম্পর্কে উল্লেখ আছে কোন দফায়?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
৫ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ম
ব্যাখ্যা

- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
- বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন।
২. ফেডারেল সরকার।
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা।
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য।
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৮০৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে কত ধরনের মালিকানা ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. সাত
সঠিক উত্তর:
তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 
- বাংলাদেশের সংবিধানে তিন ধরনের মালিকানা ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে: রাষ্ট্রীয়, সমবায়ী এবং ব্যক্তিগত মালিকানা।

- অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও উৎপাদন ও সম্পদের সুষম বণ্টনের লক্ষ্যে এই মালিকানার নীতিগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- রাষ্ট্রীয় মালিকানার মাধ্যমে জনগণের পক্ষে সরকার প্রধান অর্থনৈতিক খাতগুলো নিয়ন্ত্রণ করবে। 
- সমবায়ী মালিকানায় একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর সদস্যরা মিলিতভাবে মালিকানা ও ব্যবস্থাপনায় অংশ নেন।
- ব্যক্তিগত মালিকানা সীমিত পরিসরে স্বীকৃত, তবে তা আইন দ্বারা নির্ধারিত।  

বাংলাদেশের সংবিধান: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

৭,৮০৫.
বিক্রমশীলা মহাবিহারের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. দেবপাল
  2. মহীপাল
  3. গোপাল
  4. ধর্মপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
• বিক্রমশীলা মহাবিহার: 
- বিক্রমশীলা মহাবিহার পালরাজ ধর্মপাল প্রতিষ্ঠিত একটি বৌদ্ধ মঠ।
- এর সমর্থন মেলে সর্বজ্ঞ মিত্র-এর ‘স্রগ্ধরা স্তোত্র’ (Sragdhara Stotra) সূত্রে, যেখানে এটিকে ‘শ্রীমদ্বিক্রমশীলাদেব মহাবিহার’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- রাজা ধর্মপাল গৌরবময় ‘বিক্রমশীলাদেব’ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন বলে জানা যায়।
- সন্ন্যাসীদের বসবাসের জন্য বুদ্ধদেব পাঁচ ধরনের বাসস্থান নির্দেশ করেছিলেন বলে জানা যায়।
- বিহার ছিল এগুলির মধ্যে একটি।
- বিহারগুলি ধীরে ধীরে বেশ বড়সড় আবাসস্থলে পরিণত হয় এবং সন্ন্যাসীরা সেখানে সম্মিলিতভাবে জীবনযাপন করতেন।
- প্রত্নতাত্ত্বিকভাবে বর্তমানে বিক্রমশীলা মহাবিহারের অবস্থান বিহারের ভাগলপুর জেলার অন্তিচক নামক স্থানে নির্দিষ্ট হয়েছে।
- খ্রিস্টীয় নবম শতকের প্রথম দিক থেকে বারো শতক পর্যন্ত এর নির্মাণকাজ চলে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭,৮০৬.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণাগার করার দাবি করা হয় -
  1. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়কে
  2. রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে
  3. বরেন্দ্র জাদুঘরকে
  4. বর্ধমান হাউসকে
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউসকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউসকে
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা:
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।
- ২১ দফা ছিল আসলে পূর্ববাংলার মানুষের অধিকারের দলিল।
- ২১ দফা ইস্তেহার দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফায় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষণাগার করার দাবি করা হয় বর্ধমান হাউসকে।

⇒ যুক্তফ্রন্টের ১৬ নং দফা: বাংলা ভাষা গবেষণার জন্য বর্ধমান হাউজে বাংলা একাডেমী প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮০৭.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ১১ টি
  2. খ) ১৯ টি
  3. গ) ৬৪ টি
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৪ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৪ টি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ৬৪ টি সাব সেক্টরে ভাগ করা হয়। 

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়।
- এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে।
- ১১ এপ্রিল তা পুর্নগঠন করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১ টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি। 
৭,৮০৮.
ভোমরা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোর
  2. খ) চুয়াডাঙ্গা
  3. গ) বাহ্মনবাড়িয়া
  4. ঘ) সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:

- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৭,৮০৯.
মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’ এর ভাস্কর কে?
  1. আবদুর রাজ্জাক
  2. হামিদুজ্জামান খান
  3. শামীম শিকদার
  4. মৃণাল হক
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা

সংশপ্তক:
- মহান মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে নির্মিত ভাস্কর্য ‘সংশপ্তক’।
- মুক্তিযুদ্ধে অকুতোভয় বাঙালির বীরত্বগাথার স্মারক এই ভাস্কর্য।।
- জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার ভবনের সামনে ভাস্কর্যটির অবস্থান।
- চার স্তরের লাল সিরামিক ইটের বেদির ওপর ব্রোঞ্জের তৈরি ভাস্কর্যের উচ্চতা ১৫ ফুট।
- ২৬ মার্চ, ১৯৯০ সালে ভাস্কর্য স্থাপিত হয়।
- এর ভাস্কর স্থপতি হামিদুজ্জামান খান।
- ভাস্কর্যটিতে মূর্ত হয়েছে যুদ্ধে শত্রুর আঘাতে এক হাত ও এক পা হারিয়েও বন্দুক হাতে লড়ে যাওয়া এক বীরের প্রতিকৃতি। যিনি পঙ্গুত্ববরণ করেও নির্ভীক এবং যুদ্ধে জয়লাভে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৭,৮১০.
কে, কোথায় প্রথম ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, লাহোরে
  2. খ) মিজানুর রহমান চৌধুরী, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, রেসকোর্স ময়দানে
  4. ঘ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ধানমন্ডি ৩২ নং বাড়ীতে
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, লাহোরে
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন। একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন। ৭ জুন ছয়দফা দিবস পালিত হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া
৭,৮১১.
শশাঙ্ক আনুমানিক কোন সালে স্বাধীন গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ৫৯৮ খ্রি.
  2. ৬০৬ খ্রি.
  3. ৬২০ খ্রি.
  4. ৬৩৭ খ্রি.
সঠিক উত্তর:
৬০৬ খ্রি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০৬ খ্রি.
ব্যাখ্যা

রাজা শশাঙ্ক:
- বাংলার ইতিহাসে শশাঙ্ক ছিলেন প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- তিনি বাংলার বাইরেও রাজ্য জয় করে এক বিশাল সাম্রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- শশাঙ্ক উত্তর ভারতের রাজনীতিতেও ভূমিকা পালন করেছিলেন। 
- শশাঙ্ক সপ্তম শতকের শুরুতে আনুমানিক ৬০৬ সালে গৌড়ে এক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বাধীন গৌড়রাজ্য বাংলার উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাংশ ও মগধে বিস্তৃত ছিল।
- কর্ণসুবর্ণ ছিল শশাঙ্কের রাজধানী। বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮১২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের কোন জেলায় সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম?
  1. পিরোজপুর
  2. ভোলা
  3. লক্ষ্মীপুর
  4. জামালপুর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশের জামালপুর জেলায় সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- দেশে পুরুষ ও নারীর অনুপাত: ৯৯.০৮ : ১০০.৯০।

⇒ সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- পুরুষ সাক্ষরতার হার: ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার: ৭২.৯৪%।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।

⇒ সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি পিরোজপুর জেলায়।
- সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম জামালপুর জেলায়।

⇒ সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা চূড়ান্ত রিপোর্ট ২০২২।
৭,৮১৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র -
  1. জার্মানি
  2. ক্রোয়েশিয়া
  3. মাল্টা
  4. বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৭,৮১৪.
'ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা কে ছিলেন?
  1. মধুসূদন দত্ত 
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. হেনরি লুই ডিরোজিও
  4. উইলিয়াম কেরী 
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ডিরোজিও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ডিরোজিও
ব্যাখ্যা
ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট: 
- হেনরি লুই ডিরোজিও ১৮০৯ সালের ১৮ই এপ্রিল কোলকাতা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন পর্তুগিজ এবং মা ছিলেন বাঙালি। ডিরোজিও ইংরেজি শিক্ষার স্কুল ডেভিড ড্রামন্ডের ধর্মতলা একাডেমিতে পড়ালেখা শুরু করেন।
- এই শিক্ষকের আদর্শ ডিরোজিওকে তাঁর শিশুকাল থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রভাবিত করে রেখেছিল।
- তিনি ছিলেন বাঙালি যুব সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী 'ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা।
- বয়সে তরুণ হলেও তিনি ইতিহাস, ইংরেজি, সাহিত্য, দর্শন শাস্ত্রে গভীর জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন।
- তাঁর দূরদৃষ্টি, বাগ্মিতা ও বিশ্লেষণ ক্ষমতা তৎকালীন তরুণ সমাজকে ব্যাপক প্রভাবিত করতে সক্ষম হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৭,৮১৫.
বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র রয়েছে - [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান:
- বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ১০টি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যথা:
১. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি নেত্রকোনা;
২. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙ্গামাটি;
৩. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান;
৪. কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কক্সবাজার;
৫. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি;
৬. রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী;
৭. মনিপুরী ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার;
৮. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, হালুয়াঘাট;
৯. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, দিনাজপুর;
১০. ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান, নওগাঁ।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭,৮১৬.
বাংলাদেশ কতবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৫ বার
সঠিক উত্তর:
২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বার
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ:
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ১৫ সদস্য নিয়ে গঠিত।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বিজয়ী পাঁচ পরাশক্তি নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য।
- স্থায়ী সদস্য: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র।
- এই পাঁচ পরাশক্তিকে একত্রে পি-৫ নামে অভিহিত করা হয়।
- নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের ভিত্তিতে এর সাধারন পরিষদ কোন দেশকে নতুন সদস্য হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করে।
- নিরাপত্তা পরিষদ জাতিংঘের মহাসচিব ও আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও সুপারিশ করে।
- মহাসচিব নিযুক্ত হন নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশক্রমে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে।
- বাংলাদেশ ২ বার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।
- প্রথমবার (১৯৭৯-৮০) এবং দ্বিতীয়বার (২০০০-০১)।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘের ওয়েবসাইট।
৭,৮১৭.
বাংলাদেশে মোট কয়টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? (ডিসেম্বর, ২০২৫)
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৭,৮১৮.
‘মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি’ এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  3. সৈয়দ আমীর আলী
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আব্দুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
‘মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি’ এর প্রতিষ্ঠাতা - নওয়াব আব্দুল লতিফ।

• আবদুল লতিফের জন্ম- ১৮২৮ খ্রিস্টাব্দে ফরিদপুর জেলায়।
- কলকাতা মাদ্রাসায় তিনি ইংরেজী শিক্ষা গ্রহণ করেন।
- কর্মজীবনে আবদুল লতিফ প্রথমে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে এবং কলকাতা মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করেন।

- ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট নিযুক্ত হন এবং ১৮৭৭ খ্রিস্টাব্দে কলিকাতার প্রেসিডেন্সি ম্যাজিস্ট্রেট পদে উন্নীত হন।
- ১৮৬১ খ্রিস্টাব্দের কাউন্সিল আইন অনুযায়ী বাংলায় ব্যবস্থাপক পরিষদ গঠিত হলে তিনি এর সদস্য মনোনীত হন। 
- কর্মজীবনে কৃতিত্বের স্বীকৃতি স্বরূপ সরকার প্রথমে তাঁকে ‘খান বাহাদুর’ এবং পরে ‘নওয়াব’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- আবদুল লতিফের সর্বাপেক্ষা উল্লেখ্যযোগ্য কীর্তি ছিল ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ‘মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি’ প্রতিষ্ঠা।

তথ্যসুত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮১৯.
দিল্লী সালতানাতের পতন হয় কাদের হাতে?
  1. ক) আফগানদের হাতে
  2. খ) তৈমুর লঙের হাতে
  3. গ) পারস্যের শাহ্‌ এর বাহিনীর হাতে
  4. ঘ) মোঙ্গলদের হাতে
  5. ঙ) মোগলদের হাতে
সঠিক উত্তর:
ঙ) মোগলদের হাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) মোগলদের হাতে
ব্যাখ্যা
ইব্রাহিম লোদীর উদ্ব্যত আচরণ ও কঠোর দমন নীতির ফলে অসন্তুষ্ট আফগান অভিজাত শ্রেণি, পাঞ্জাবের শাসনকর্তা দৌলত খান লোদী এবং ইব্রাহীম লোদীর পিতৃব্য আলম খান এবং রাজপুতনার মেবারের রানা সংগ্রাম সিংহ কাবুলের অধিপতি জহিরুদ্দীন মুহম্মদ বাবরকে ভারত আক্রমণের আহ্বান জানান। উচ্চাভিলাষী এবং সাম্রাজ্যবাদী বাবর এই আহবানে সাড়া দিয়ে ভারত আক্রমণ করেন। ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত ঐতিহাসিক পানিপথের প্রথম যুদ্ধে লোদী বংশের সর্বশেষ শাসক ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করে দিল্লি সালতানাতের পতন ঘোষণা করেন এবং ভারতর্ষে মুঘল শাসনের গোড়াপত্তন করেন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইসলামের ইতিহাস -২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)।
৭,৮২০.
'ECNEC' এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন-
  1. ক) অর্থমন্ত্রী
  2. খ) পরিকল্পনা মন্ত্রী
  3. গ) রাষ্ট্রপতি
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

- ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council) গঠিত হয় ১৯৮২ সালে।
- একনেকের সর্বশেষ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সভাপতি।
- অর্থমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

৭,৮২১.
কখন পূর্ব বাংলার নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান করা হয়?
  1. দেশ বিভাগের সময়
  2. পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে
  3. পাকিস্তানের দ্বিতীয় সংবিধানে
  4. যুক্তফ্রন্ট সরকারের সময়ে
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধানে
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান:
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয়।
- এটি ছিল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার সংবিধান।
- এ সংবিধানের মাধ্যমে 'পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র' নাম ধারণ করে। 
- পশ্চিমাঞ্চলের প্রদেশগুলোকে একত্রিত করে এক ইউনিট গঠন করা হয় এবং নামকরণ করা হয় পশ্চিম পাকিস্তান।
- পূর্ব বাংলার নাম হয় পূর্ব পাকিস্তান।
- সংবিধানে সকল বিষয়ে সংখ্যাসাম্য নীতি স্বীকৃতি হয়।
- বাংলা এবং উর্দুকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়া হয়।
- তবে এই সংবিধানের মাধ্যমে পূর্ব বাংলাকে কার্যত পশ্চিম পাকিস্তানের একটি উপনিবেশ হিসেবে পরিণত করার চেষ্টা করা হয়।
- পূর্ব বাংলার সুশীল সমাজ এবং রাজনৈতিক নেতৃত্ব পরিস্থিতি অনুধাবন করে প্রতিবাদে সোচ্চার হন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮২২.
স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলা ভাষাকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যবহারের আইন পাস হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানে তৃতীয় অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা'।
- সংবিধানের এই বিধান যথাযথভাবে কার্যকর করতে ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ 'বাংলা ভাষা প্রচলন আইন' কার্যকর করা হয়।
- এই আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এ আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস-আদালত, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশিদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন আদালতের সোয়াল- জওয়াব এবং অন্যান্য আইনানুগত কার্যাবলী অবশ্যই বাংলায় লিখিতে হবে।
- ' ৩(২) ধারায় আরও বলা হয়েছে, উল্লেখিত কোনো কর্মস্থলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন, তাহলে তা বেআইনি ও অকার্যকর বলে গণ্য হবে।'
- ধারা ৩ ( বলছে, ‘যদি কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী এই আইন অমান্য করেন তাহলে উক্ত কার্যের জন্য তিনি সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধির অধীনে অসদাচরণ করেছেন বলে গণ্য হবে এবং তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী শৃঙ্খলা ও আপিল বিধি অনুসারে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।'

উৎস:পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোজাম্মেল হক। এবং প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

৭,৮২৩.
বর্তমানে দেশে কয়টি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
ব্যাংক নোট:
- বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- সরকারি নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
৭,৮২৪.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৫৫
  2. ব্রি ধান ৬৬
  3. ব্রি ধান ৭৯
  4. ব্রি ধান ৮৪
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৮৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৮৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৭,৮২৫.
নিচের কোনটির অভাব পূরণে ইউরিয়া সার ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) নাইট্রোজেন
  2. খ) জিংক
  3. গ) পটাশিয়াম
  4. ঘ) ফসফরাস
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া সারের কাজ:

- ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%।
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে।
- গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে।
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে। কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে।
- এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট।
৭,৮২৬.
২০২৪ সালের অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুসারে, বাংলাদেশের একক দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি কোন দেশে হয়? 
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• অঞ্চল হিসাবে রপ্তানি,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৭,৮২৭.
According to World Happiness Report 2024, the position of Bangladesh is -
  1. 123th
  2. 129th
  3. 131th
  4. 133th
  5. 135th
সঠিক উত্তর:
129th
উত্তর
সঠিক উত্তর:
129th
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ল্ড হ্যাপিনেস রিপোর্ট ২০২৪:
-  ২০ মার্চ আন্তর্জাতিক সুখ দিবস।
- প্রতিবছর এ দিবসের প্রাক্কালে সুখী দেশের তালিকা প্রকাশ করা হয়ে থাকে।
 
বিশ্বের সবচেয়ে সুখী দেশ -
১। ফিনল্যান্ড,
২। ডেনমার্ক,
৩। আইসল্যান্ড, 
৪। সুইডেন, 
৫। ইসরাইল।
 
উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৯তম। 
 
অন্যদিকে -
- তালিকায় সর্বনিম্নে রয়েছে আফগানিস্তান।
 
উৎস: World Happiness Report 2024.
৭,৮২৮.
ঢাকা কখন সর্বপ্রথম বাংলার রাজধানী হয়েছিল?
  1. ১২৫৫ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৬১০ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১০ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
রাজধানী ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম জাহাঙ্গীরনগর রাখা হয়।

উল্লেখ্য,
- জনপদ হিসেবে ঢাকার গোড়াপত্তন হয় ৭৫০ খ্রিস্টাব্দে।
- শহর হিসেবে এর গোড়াপত্তন হয় ১২২৯ খ্রিস্টাব্দে।
- ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।
উল্লেখ্য,
- ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯০৫ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী করা হয়। বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Business Standard.
৭,৮২৯.
’জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ পালিত হয় কবে?
  1. ১৬ জুলাই
  2. ৫ আগস্ট
  3. ৮ আগস্ট
  4. ১৭ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট
ব্যাখ্যা

• ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস’।
- ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ।
- ১৭ অক্টোবর ২০২৫ জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরিত হয়।

উল্লেখ্য, 
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়।
- এর তিন দিন পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

৭,৮৩০.
সংবিধানের কত তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তিত হয়?
  1. দ্বাদশ সংশোধনী
  2. দশম সংশোধনী
  3. একাদশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• দ্বাদশ সংশোধনী: 
- শিরোনাম: সংবিধান (দ্বাদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯১
- পাস হয়: ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- বিষয়বস্তু: সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন এবং উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা।
- ২ জুলাই, ১৯৯১ সালে সংশোধনীটি উত্থাপন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
- এর ফলে সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- একাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে পুনরায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- রাষ্ট্রপতি হন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান।
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী।
- মন্ত্রিপরিষদ প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ।
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটের বিধান।
- সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাপিডিয়া ও বিভিন্ন পত্রিকা।

৭,৮৩১.
মুজিবনগর সরকার সম্পর্কে সত্য নয় কোনটি?
  1. স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন আবদুল মান্নান।
  2. Bangladesh নামক পত্রিকা প্রকাশ করে।
  3. সদর দপ্তর ছিলো কলকাতায়।
  4. তাজউদ্দীন আহমেদ ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন আবদুল মান্নান।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন আবদুল মান্নান।
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর অস্থায়ী সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের একটি অস্থায়ী সরকার গঠন করেন।
- এটি মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ সরকার কখনই মুজিবনগরে অবস্থান করেননি। কিন্তু 'মুজিবনগর' নামটি প্রতিকী তাৎপর্য বহন করতে থাকে। 
- সরকারের প্রকৃত কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয় কোলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে ।
- তাজউদ্দিন আহমেদ ১২ এপ্রিল মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বন্টন করেন (তবে বাংলাপিডিয়ার মতে ১৮ই এপ্রিল দপ্তর বন্টন করা হয়)। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রেসিডেন্ট।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভাইস-প্রেসিডেন্ট।
- তাজউদ্দীন আহমেদ প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
- খন্দকার মোশতাক আহমদ পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ মন্ত্রণালয়।
- এ.এইচ.এম. কামারুজ্জামান অভ্যন্তরীণ সরকার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয় এবং
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
- ১৭ ই এপ্রিল আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান ।
- বহিঃবিশ্বে জনমত গঠনের উদ্দেশ্যে মুজিবনগর সরকার ‘Bangladesh’ নামক একটি পত্রিকা প্রকাশ করে। 

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৭,৮৩২.
‘বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন মন্ত্রনালয়ের অধীন?
  1. ক) বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়
  2. খ) খাদ্য মন্ত্রনালয়
  3. গ) পরিকল্পনা মন্ত্রনালয়
  4. ঘ) বাণিজ্য মন্ত্রনালয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাণিজ্য মন্ত্রনালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাণিজ্য মন্ত্রনালয়
ব্যাখ্যা
শুরু থেকেই বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের অঙ্গ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এ ইনস্টিটিউটের বর্তমানে ৪টি উপকেন্দ্র রয়েছে। উপকেন্দ্রগুলোর একটি মৌলভীবাজার জেলার কালিটিতে, একটি চট্টগ্রাম জেলার ফটিকছড়িতে, একটি উত্তরবঙ্গের পঞ্চগড় জেলার তেতুলিয়ায় এবং একটি উপকেন্দ্র বান্দরবান জেলার সুয়ালকে অবস্থিত।
সূত্রঃ btri.gov.bd
৭,৮৩৩.
নিচের কোনটি উচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত?
  1. পারমাণবিক শক্তি
  2. জাহাজ নির্মাণ শিল্প
  3. লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প
  4. পর্যটন শিল্প
সঠিক উত্তর:
লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প
ব্যাখ্যা
- জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ তে সাতটি শিল্পকে উচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- কৃষি/খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষিযন্ত্র প্রস্তুত শিল্প
- তৈরি পোশাক শিল্প
- আইসিটি/সফটওয়্যার শিল্প
- ঔষধ শিল্প
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্প
- লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প
- পাট ও পাটজাত পণ্য শিল্প।
অন্যদিকে,
- পারমাণবিক শক্তি হলো সংরক্ষিত শিল্প।
- পর্যটন শিল্প ও জাহাজ নির্মাণ শিল্প হলো অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্পখাত।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬)
৭,৮৩৪.
সম্প্রতি, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে কোন বিশ্ববিদ্যালয় সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করেছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. টোকিও বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অফ সিঙ্গাপুর
  3. ইউনিভার্সিটি অফ মেলবোর্ন
  4. ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া
ব্যাখ্যা

সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি:
- প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি দিয়েছে মালয়েশিয়ার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ‘ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়া’ (ইউকেএম)। 
- ১৩ আগস্ট, ২০২৫ বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে এই ডক্টরেট ডিগ্রি দেওয়া হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসের হাতে সম্মাননা ডিগ্রি তুলে দেন ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার চ্যান্সেলর তুয়াঙ্কু মুহরিজ ইবনে আলমারহুম তুয়ানকু মুনাওইর।
- সামাজিক ব্যবসা প্রসারে অধ্যাপক ইউনূসের অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।]

উল্লেখ্য,
- মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের আমন্ত্রণে অধ্যাপক ইউনূস তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে গত ১১ আগস্ট কুয়ালালামপুরে পৌঁছান।
- কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর অফিসে ১২ আগস্ট মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। 
- পরে দুই নেতার উপস্থিতিতে বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়াতে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) এবং তিনটি নোট বিনিময় চুক্তি স্বাক্ষর করে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন।

৭,৮৩৫.
রাজশাহীর সর্বপ্রাচীন ইমারত বড়কুঠি কাদের র্কীতি?
  1. ইংরেজদের
  2. ফরাসিদের
  3. পর্তুগিজদের
  4. ওলন্দাজদের
সঠিক উত্তর:
ওলন্দাজদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওলন্দাজদের
ব্যাখ্যা
বড়কুঠি:
- রাজশাহী শহরের এক বিশাল ভবনের নাম বড়কুঠি। 
- রাজশাহী অঞ্চলের সর্বপ্রাচীন ইমারত বড়কুঠি।
- এটি ডাচদের নির্মিত।
- এটি রাজশাহী মহানগরীর পদ্মপাড়ে অবস্থিত’।
- ইট নির্মিত ও সমতল ছাদবিশিষ্ট এ ইমারতটি আঠারো শতকের প্রথমার্ধে (১৭২৫ সালের আগে) ওলন্দাজ রেশম ব্যবসায়ীদের নির্মিত এক উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- পরবর্তীতে ১৯৫৩ সালে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর বড়কুঠি ভবনে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- এরপর থেকে এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মালিকানাধীন ছিল। 

উল্লেখ্য,
- এটি প্রথমে ওলন্দাজ বা ডাচদের বাবসা কেন্দ্র ছিল।
- ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ডাচরা ভারতে তাদের কর্মকাণ্ড গুটিয়ে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৮১৪ সালে ইংরেজদের সাথে একটি চুক্তি করে বড়কুঠিসহ ভারতের সব ব্যবসা কেন্দ্র ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে হস্তান্তর করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন
         ii)  ১৪ মার্চ ২০১৯, নয়াদিগন্ত।
৭,৮৩৬.
ত্রয়োদশ নির্বাচনে প্রবাসী ভোটারদের জন্য তৈরিকৃত অ্যাপের নাম কী?
  1. Postal Vote BD
  2. E-Vote BD
  3. Probashi Vote 
  4. Digital Vote BD
সঠিক উত্তর:
Postal Vote BD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Postal Vote BD
ব্যাখ্যা

• Postal Vote BD অ্যাপ:
 - সম্প্রতি,  ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ সালে নির্বাচন কমিশন প্রবাসী ভোটার অ্যাপ Postal Vote BD উদ্বোধন করে।
- প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধনের জন্য ১৮ নভেম্বর 'পোস্টাল ভোেট বিডি' অ্যাপের উদ্বোধন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
- একই দিনে ইসি চূড়ান্ত ভোটার তালিকাও প্রকাশ করবে।
- এবার প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে ইসি।
- এ ছাড়া ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা এবং আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা

৭,৮৩৭.
'অদ্ভূত সাগর' এর রচনা সমাপ্ত করেন কে?
  1. বিজয় সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. লক্ষণ সেন
  4. কেশব সেন
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লক্ষণ সেন
ব্যাখ্যা
- লক্ষণ সেনের শাসনামলে শিল্প সাহিত্যের যথেষ্ট প্রসার ঘটেছিল।
- তিনি কবি-সাহিত্যিকদের যথেষ্ট মর্যাদা দিতেন।
- এক্ষেত্রে ধোয়ী, শরণ, জয়দেব, গোবর্ধন, উমাপতিধর প্রমুখ কবির নাম উল্লেখ করা যায়।
- লক্ষণ সেন নিজেও পন্ডিত ব্যক্তি ছিলেন।
- তিনি বল্লাল সেনের অসমাপ্ত বই 'অদ্ভূত সাগর' এর রচনা সমাপ্ত করেন।
- মধ্যযুগের মুসলিম ঐতিহাসিক মিনহাজ-ই-সিরাজ লক্ষণ সেনের এসব কাজের প্রশংসা করেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৩৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-অনুসারে দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী-
  1. চাকমা
  2. খাসিয়া
  3. ত্রিপুরা 
  4. মারমা 
সঠিক উত্তর:
মারমা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মারমা 
ব্যাখ্যা

- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)। 
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় লালমনিরহাট (১১৮ জন)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

৭,৮৩৯.
আলট্রা-সুপারক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৫ম
  3. গ) ৭ম
  4. ঘ) ১৩ তম
সঠিক উত্তর:
ক) ৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩য়
ব্যাখ্যা
- দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় , এশিয়ায় ৭ম আর বিশ্বের ১৩ তম দেশ হিসেবে আল্ট্রাসুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তির ব্যবহার শুরু হলো বাংলাদেশে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের মাধ্যমে দেশ প্রবেশ করল ‘সুপার ক্রিটিক্যাল ক্লাবে’।
- জ্বালানি সাশ্রয়ী পরিবেশবান্ধব ক্লিন কোল প্রযুক্তির বিদ্যুৎকেন্দ্রটির দক্ষতা ৪৪ দশমিক ২৯ শতাংশ।
- সালফার নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে ফ্লু গ্যাস ডিসালফারাইজেশন (এফজিডি) স্থাপন করা হয়েছে।
- ফ্লাইঅ্যাশ কমাতে ৯৯ শতাংশ দক্ষতাসম্পন্ন ইলেক্ট্রো স্ট্যাটিক প্রেসিপিটেটর (ইএসপি) বিদ্যুৎকেন্দ্রের সঙ্গে সংযোজিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলা ট্রিবিউন , প্রথম আলো এবং সাম্প্রতিক সমাচার এপ্রিল ২০২২।
৭,৮৪০.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত প্রথম কবে পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী উত্থাপন করেন?
  1. ক) ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮
  2. খ) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮
  3. গ) ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮
  4. ঘ) ৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
ভাষা আন্দোলন  বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত গণআন্দোলন।
- পশ্চিম পাকিস্তানে শতকরা ৯৭ ভাগ এবং পূর্ব বাংলায় শতকরা ৮০ ভাগ অধিবাসী ছিল মুসলমান। অধিকাংশ অধিবাসীর ধর্ম এক হলেও ভাষা ছিল ভিন্ন। তাই পাকিস্তান সৃষ্টির সময় রাষ্ট্রভাষা কী হওয়া উচিত এ বিষয়ে বিতর্ক শুরু হয়।
- ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার প্রস্তাব করলে পূর্ব বাংলার বুদ্ধিজীবীমহল, ছাত্রসমাজ, সাংবাদিক, সাংস্কৃতিক কর্মী প্রমুখ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার পাল্টা প্রস্তাব করে।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ জ্ঞানগর্ভ যুক্তি দিয়ে বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি সমর্থন জানান। ১৯৪৭ সালের ৬ ও ৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত নবগঠিত রাজনৈতিক সংগঠন পূর্বপাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগের কর্মী সম্মেলনে ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহ বাংলাভাষাকে পূর্বপাকিস্তানের শিক্ষার বাহন ও আইন-আদালতের ভাষা করার দাবি জানানো হয়।
- একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন ভাষার প্রশ্নে সোচ্চার হয়। সংগঠনটির নাম ছিল ‘তমাদ্দুন মজলিস’। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তারিখে উক্ত সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে। পুস্তিকাটির নাম ছিল : ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা - বাংলা না উর্দু’।
- তমাদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে। ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন। কিন্তু পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ বাঙালিদের দাবি উপেক্ষা করে উর্দুকে পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেয়।
- যদিও পাকিস্তানের শতকরা মাত্র ৩.২৭ ভাগ লোকের মাতৃভাষা ছিল উর্দু তথাপি পাকিস্তানের মুদ্রা, ডাকটিকেট, মানি অর্ডার ফরম, রেলের টিকেট প্রভৃতিতে কেবল ইংরেজি ও উর্দুভাষা ব্যবহার করা হয়। পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়। এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

- ১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলন পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশন শুরু হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি (১৯৪৮)। অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ইংরেজি ও উর্দুর সঙ্গে বাংলাকেও গণপরিষদের সরকারি ভাষা করার প্রস্তাব দেন। তিনি যুক্তি দিয়ে বলেন যে, যেহেতু পাকিস্তানে সংখ্যাগরিষ্ঠ লোকের মাতৃভাষা বাংলা, সুতরাং সংখ্যাগরিষ্ঠের ভাষাই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হওয়া উচিত।
- কিন্তু তার এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান। গণপরিষদের অধিবেশনে লিয়াকত আলী খান মন্তব্য করেন যে, যেহেতু পাকিস্তান একটি মুসলিম রাষ্ট্র তাই পাকিস্তানের সরকারি ভাষা মুসলমানের ভাষা হওয়া উচিত।
- লিয়াকত আলী খান আরও যুক্তি দেন যে, যেহেতু পাকিস্তানের মুসলমানদের সাধারণ ভাষা উর্দু, অতএব উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র সরকারি ভাষা, অন্য কোনো ভাষা নয়। গণপরিষদে অন্যান্য মুসলিম লীগ নেতৃবৃন্দ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রস্তাবকে দেশের সংহতি ও অখন্ডতা বিনষ্ট করার প্রয়াস বলে মন্তব্য করেন।
- গণপরিষদ অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত আনীত প্রস্তাব ভোটে দেয়া হলে অগ্রাহ্য হয়। সে সময় পূর্ববাংলার মুসলিম লীগ দলীয় বাঙালি মুসলমান সদস্যগণ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেন। বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি গণপরিষদে অগ্রাহ্য হওয়ায় পূর্ববাংলায় ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।

- উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার প্রতিবাদে ১৯৪৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্র ধর্মঘট পালন করা হয়। বাংলা ভাষার সংগ্রামকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করার উদ্দেশ্যে ২ মার্চ (১৯৪৮) ঢাকার ফজলুল হক হলে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করা হয়। পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম। পরিষদে নিম্ন লিখিত সংগঠনের প্রত্যেকটি থেকে দুইজন করে প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
যথা: তমাদ্দুন মজলিশ, গণআজাদী লীগ, গণতান্ত্রিক যুবলীগ, সলিমুল্লাহ মুসলিম হল, ফজলুল হক মুসলিম হল সহ অন্যান্য ছাত্রাবাস, পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ এবং ছাত্র ফেডারেশন।

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ ১১ মার্চ (১৯৪৮) পূর্ব বাংলার সর্বত্র সাধারণ ধর্মঘট আহবান করে। কিন্তু পূর্ববাংলার সরকার বাংলাভাষার আন্দোলনকে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্র হিসেবে প্রচার করে। সরকারী পুলিশ বাহিনী ছাত্রদের মিছিল ও সমাবেশে ব্যাপক লাঠিচার্জ করে। শেখ মুজিবুর রহমান, শামসুল আলমসহ ৬৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া)
৭,৮৪১.
’করতলব খান’কে মুর্শিদকুলী খান উপাধি প্রদান করেন কে?
  1. আওরঙ্গজেব 
  2. শাহজাহান
  3. আকবর 
  4. বাহাদুর শাহ
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গজেব 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গজেব 
ব্যাখ্যা

- ’করতলব খান’ কে মুর্শিদকুলী খান উপাধি প্রদান করেন সম্রাট আওরঙ্গজেব।

• সম্রাট আওরঙ্গজেব:

- সম্রাট আওরঙ্গজেব ১৭০০ সালে মুহাম্মদ হাদিকে সম্মানসূচক 'করতলব খান' উপাধি দেন।
-  নতুন দায়িত্ব পেয়ে নিজস্ব সৈন্যের বহর নিয়ে ঢাকায় আসেন তিনি।
- রাজকীয় স্বার্থ রক্ষা করতে বাংলার নাজিম ও সম্রাটের দৌহিত্র আজিম-উস-শান এর সঙ্গে তাঁর বিবাদ বেধেছিল।
- ১৭০২ সালে সম্রাট তাঁকে গঙ্গার তীরবর্তী (ভাগীরথী শাখা) মকসুদাবাদে দফতর স্থানান্তরের অনুমতি দেয়া হয়।

উপাধি লাভ: 
- কলতলব খানের সঙ্গে বিরোধের কারণে সম্রাট আওরঙ্গজেব আজিম উস শানকে পাটনায় প্রেরণ করেন।
- তিনি তাকে নায়েবের মাধ্যমে প্রদেশ শাসনের আদেশ দিয়েছিলেন।
- করতলব খানের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় রাজ্যের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পায় তখন।
- এরপর ১৭০৩ সালে তিনি সম্রাটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দাক্ষিণাত্য গিয়েছিলেন।
- নবাবের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তিনি 'মুর্শিদকুলী খান' উপাধি লাভ করেন।
- তাঁর কর্মদক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে সম্রাট তাঁকে উড়িষ্যার সুবাদার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিলেন।
- অন্যদিকে বাংলা বিহার ও উড়িষ্যার দিওয়ানিও লাভ করেছিলেন তিনি। এদিকে প্রায় ৫টি জেলার ফৌজদার পদের দায়িত্বও অর্পিত হয় তার উপর।
- এরপর সম্রাট তাকে "মুর্শিদ কুলি খান" উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- পরে তাঁর নামানুসারে মুকসুদাবাদের নাম পরিবর্তন করে 'মুর্শিদাবাদ' রাখার অনুমতি মেলে।
- ১৭০৪ সালের দিকে সেখানে প্রতিষ্ঠা করা হয় একটি রাজকীয় টাকশাল।
- প্রায় ১৩ বছর পর ১৭১৭ সালের আগস্ট মাসে তাঁকে বাংলার পূর্ণ সুবাদারের মর্যাদা দেয়া হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৪২.
সাত গম্বুজ মসজিদ কোন আমলে নির্মিত?
  1. ব্রিটিশ আমল
  2. মোঘল আমল
  3. সুলতানি আমল
  4. তুর্কি শাসনামল 
সঠিক উত্তর:
মোঘল আমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোঘল আমল
ব্যাখ্যা

সাত গম্বুজ মসজিদ: 
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মোঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ। 
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাতগম্বুজ মসজিদ'।
- এটি মোঘল আমলের অন্যতম নিদর্শন।
- ১৬৮০ সালে মোগল সুবাদার শায়েস্তা খাঁর আমলে তার পুত্র উমিদ খাঁ মসজিদটি নির্মান করান।
- গম্বুজ সংখ্যা: ৭টি (৩টি বড় গম্বুজ ও ৪টি অনু গম্বুজ)।
- মিনার সংখ্যা: ৪টি (চার কোণায়)।
- মসজিদটি লালবাগ কেল্লার মসজিদ ও খাজা আম্বর মসজিদের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন।

৭,৮৪৩.
Dhaka Stock Exchange was established in-
  1. 1948
  2. 1950
  3. 1952
  4. 1954
সঠিক উত্তর:
1954
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1954
ব্যাখ্যা
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ: 
- ১৯৫২ সালে কলকাতা স্টক এক্সচেঞ্জ পাকিস্থানী শেয়ার ও সিকিউরিটিজ লেনদেন বন্ধ করে দিলে পাকিস্তান সরকার পূর্ব পাকিস্থানে একটি স্টক এক্সচেঞ্জ গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- তখন প্রস্তাবিত স্টক এক্সচেঞ্জ গঠনের লক্ষ্যে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সকে বলা হল তাদের সকল সদস্যকে ২০০০ টাকা মূল্যমানের সদস্য কার্ড ক্রয় করতে।
- ১৯৫৪ সালে ২৮ এপ্রিল ৮ জন উদ্যোক্তা ইনকরপোরেটেড হয়ে পূর্ব পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ এসোসিয়েশন লিমিটেড গঠন করে।
- ১৯৬২ সালের ২৩ জুন সে নাম পরিবর্তিত হয়ে পূর্ব পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড এবং ১৯৬৪ সালের ১৪ মে তা ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নাম গ্রহণ করে।
- ১৯৫৪ সালে ইনকরপোরেটেড হলেও ব্যবসা শুরু হয় ১৯৫৬ সালে নারায়ণগঞ্জে এবং ১৯৫৮ সালে তা ঢাকায় স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত হয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পাঁচ বছর এর কার্যক্রম বন্ধ থাকে।
- ১৯৭৬ ট্রেডিং পুনরায় শুরু হলেও ১৯৮৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ। [লিঙ্ক]
৭,৮৪৪.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার 'ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার।
- এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ও সিঙ্গাপুরে অবস্থিত সেল ইস্টার্ন পেট্রোলিয়াম লিঃ কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ চট্টগ্রামস্থ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড-এ অপরিশোধিত খনিজ তেল ও পেট্রোলিয়াম শোধন করে। 
- এখানে উপজাত হিসেবে ন্যাপথা ও ফার্নেস তেল উৎপাদিত হয় যা দেশের চাহিদা পূরণের পর রপ্তানি করা হয়।

উৎসঃ বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট; অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৪৫.
‘অন্ধকূপ হত্যা’ বাংলার কোন নবাবের নামের সাথে জড়িত?
  1. নবাব আলীবর্দি খান
  2. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  3. নবাব মুর্শিদকুলী খান
  4. সুবেদার ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
নবাব সিরাজউদ্দৌলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবাব সিরাজউদ্দৌলা
ব্যাখ্যা
‘অন্ধকূপ হত্যা’ বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলার নামের সাথে জড়িত।

অন্ধকূপ হত্যা:

- অন্ধকূপ হত্যা ১৭৫৬ সালের ২০ জুন বাংলার নবাব সিরাজউদ্দৌলা কর্তৃক কলকাতা দখলের সময় সংঘটিত হওয়া কথিত ঘটনা।
- এ কাহিনী মূলত কলকাতা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ইংরেজ সেনাপতি জে.জেড হলওয়েলের বিবরণের ওপর ভিত্তি করে রচিত।
- নবাব কর্তৃক ১৭৫৬ সালে জুন মাসে কলকাতার ইংরেজ দুর্গ দখলের পর ১৪৬ জন ইংরেজ বন্দিকে অবিশ্বাস্য রকম ক্ষুদ্র একটি কক্ষে আবদ্ধ রেখে হত্যা করা হয় বলে এই উপাখ্যানে দাবি করা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ নবাব কলকাতা আক্রমণ করলে (১৬-২০ জুন, ১৭৫৬) ফোর্ট উইলিয়ামের ইংরেজরা পলায়ন করতে বাধ্য হয়।
- জন জেফেনিয়াহ হলওয়েলসহ ১৭০ জন ইংরেজ পলায়নের জন্য সময়মতো জাহাজে উঠতে ব্যর্থ হয় এবং পরিণামে তারা নবাবের সৈন্যদের হাতে বন্দি হয়।
- ১৪৬ জন ইংরেজ বন্দিকে দুর্গের ১৮ ফুট দীর্ঘ ও ১৪ ফুট ৩ ইঞ্চি প্রস্থ একটি বন্দিশালায় গ্রীষ্মের অসহনীয় গরমে রাত্রিযাপনে বাধ্য করা হয়।
- ১২৩ জন ইংরেজ এই বন্দিশালায় মারা যায়।
- জীবিতদের মধ্যে একজন ছিলেন হলওয়েল।
- তিনি এই শোকাবহ ঘটনার বিস্তৃত বর্ণনা দেন এবং এই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার জন্য নবাবকে দায়ী করেন।
- হলওয়েল, জন জেফেনিয়াহ বহুল আলোচিত অন্ধকূপ হত্যা কাহিনীর রচয়িতা।
- উনিশ শতকের প্রথম দিকের অধিকাংশ ইংরেজ ইতিহাসবিদ এ কাহিনী বিশ্বাস করেন এবং অন্ধকূপ হত্যার ঘটনাকে প্রাচ্যদেশীয় শাসকদের বর্বরতা ও নিষ্ঠুরতার জঘন্য নিদর্শনরূপে গণ্য করেন।
- কিন্তু পরবর্তীকালের ইতিহাসবিদগণ হলওয়েলের কাহিনীর সত্যতা সম্পর্কে সন্দিহান হওয়ার মতো প্রমাণ আবিষ্কার করেন।
- সেই দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা নবাবের সম্পূর্ণ অজ্ঞাতেই ঘটেছিল।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৪৬.
ছয় দফার কত নং দফায় 'আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা'র কথা উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ক) ৩ নং
  2. খ) ৪ নং
  3. গ) ৫ নং
  4. ঘ) ৬ নং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৬ নং
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ছয় দফা কর্মসূচি শেষ করেন।
• ছয় দফা কর্মসূচি বাঙালিদের অধিকারের সনদ যার মধ্যে বাঙালিদের জীবনের দাবি নিহিত ছিল। নিম্নে ছয় দফা কর্মসূচি উল্লেখ করা হল।

১। শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি: ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচিত হবে। 

২। পররাষ্ট্র সংক্রান্ত: বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা ছাড়া সকল বিষয় অঙ্গরাষ্ট্র বা প্রদেশের হাতে ন্যস্ত থাকবে। বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা বিষয় ন্যস্ত থাকবে কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে।

৩। অর্থ ও মুদ্রা: দেশের দুই অঞ্চলের জন্য দুটি পৃথক অথচ সহজে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু করার ব্যবস্থা থাকবে। 

৪। শুল্ক সম্বন্ধীয়: সকল প্রকার ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য এবং আদায়ের ক্ষমতা প্রাদেশিক বা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যয় নিবার্হের জন্য আদায়কৃত অর্থের একটা অংশ কেন্দ্রীয় সরকার পাবে।

৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: বৈদেশিক মুদ্রার ওপর প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলোর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ থাকবে। 

৬। আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যগুলো আধা-সামরিক বাহিনী বা মিলিশিয়া বাহিনী গঠন করতে পারবে। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৪৭.
শিক্ষা ও গবেষণা ক্ষেত্রে ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. আবরার ফাহাদ
  3. বদরুদ্দীন উমর
  4. জামাল নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ বাংলাদেশের জাতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫' পেয়েছেন ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন-
• বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর)।
• সাহিত্য:  মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর)।
• শিক্ষা ও গবেষণা: জনাব বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর।
• সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর)।
• সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর)।
• মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর)।
• প্রতিবাদী তারুন্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

৭,৮৪৮.
বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে স্থল সীমান্ত চিহ্নিতকরণ ও সম্পর্কিত বিষয় সংক্রান্ত চুক্তি কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা

স্থলসীমান্ত চুক্তি ১৯৭৪:
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের মধ্যে স্থলসীমান্ত চিহ্নিতকরণ ও সম্পর্কিত বিষয় সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- এর উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অমীমাংসিত স্থল সীমানা চূড়ান্ত করা।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভারতের ভেতরে থাকা দক্ষিণ বেরুবাড়ি ভারতের দখলে চলে যায় এবং দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অধিকারে আসে।
- ছিটমহল দুটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন থাকায় পানবাড়ি মৌজার সঙ্গে যুক্ত করার জন্য তিনবিঘা জমি ভারত বাংলাদেশের অনুকূলে স্থায়ী ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
- চুক্তি সইয়ের পরপরই বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ এটি অনুমোদন করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি বাংলা।

৭,৮৪৯.
চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. মৌলভীবাজার 
  2. চট্টগ্রাম
  3. হবিগঞ্জ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে,

- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৭,৮৫০.
শিশুর সহায়তায় হট লাইন নম্বরটি কত?
  1. ক) ৩৩৩১
  2. খ) ১০৯০
  3. গ) ১০৯৮
  4. ঘ) ৯৯৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১০৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০৯৮
ব্যাখ্যা
সুবিধাবঞ্চিত নির্যাতিত ও বিপদাপন্ন শিশুদের ২৪ ঘণ্টা জরুরি সহায়তা সেবা দিতে ২০১১ সালে যাত্রা শুরু করে চাইল্ড হেল্পলাইন ১০৯৮
সমাজসেবা অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধান অপরাজেয় বাংলাদেশ নামের একটি বেসরকারি সংস্থা এই হেল্পলাইন পরিচালনা করছে।
এই নম্বরে ফোন করতে কোনো চার্জ প্রযোজ্য হবে না।

উৎস: দৈনিক প্রথমআলো
৭,৮৫১.
Which of the following areas was included in Harikal township?
  1. Cumilla
  2. Sylhet
  3. Noakhali
  4. Dhaka
সঠিক উত্তর:
Sylhet
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sylhet
ব্যাখ্যা
হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৫২.
বঙ্গভঙ্গের পর গঠিত পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশে কোন অঞ্চলটি অন্তর্ভুক্ত ছিল? 
  1. পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার
  2. আসাম ও মেঘালয়
  3. কলকাতা ও  বিহার
  4. ঢাকা ও  জলপাইগুড়ি
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ও  জলপাইগুড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ও  জলপাইগুড়ি
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ:
- ভারতের বড় লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ভাগ হবার পূর্বে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, মধ্যপ্রদেশ, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল বাংলা প্রদেশ বা বাংলা প্রেসিডেন্সি। বঙ্গভঙ্গের এই পরিকল্পনা অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছিল।
- বাংলা প্রেসিডেন্সির আয়তন অনেক বড় হওয়ার কারণে ১৮৫৩ থেকে ১৯০৩ সাল পর্যন্ত এর সীমানা পুনর্বিন্যাসের অনেক প্রস্তাব ব্রিটিশ সরকারি মহলে উপস্থাপন করা হয়।
- প্রকৃতপক্ষে ১৯০৩ সালে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হয়।
- ১৯০৪ সালে ভারত সচিব এটি অনুমোদন করেন এবং ১৯০৫ সালের জুলাই মাসে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়।
- সে বছর অক্টোবরে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়।
- এই পরিকল্পনায় বর্তমান বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী এবং ভারতের আসাম, জলপাইগুড়ি পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ।
- প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা। 
- অপরপক্ষে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী হয় কলকাতা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৭,৮৫৩.
'বেপজা'র অধীনে দেশে কয়টি ইপিজেড চালু রয়েছে?
  1. ক) ৭
  2. খ) ৮
  3. গ) ৬
  4. ঘ) ১০
সঠিক উত্তর:
খ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮
ব্যাখ্যা
দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, দারিদ্র্য বিমোচন, শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশের জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ দেশে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ) স্থাপন করেছে। যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।

বেপজা’র অধীনে বর্তমানে বাংলাদেশে ৮টি সরকারি ইপিজেড চালু রয়েছে।
এগুলো হলো:
- চট্টগ্রাম ইপিজেড (প্রথম ও বৃহত্তম)
- ঢাকা ইপিজেড (দ্বিতীয়)
- মংলা ইপিজেড
- কুমিল্লা ইপিজেড
- ঈশ্বরদী ইপিজেড
- উত্তরা ইপিজেড (কৃষিভিত্তিক)
- আদমজী ইপিজেড
- কর্ণফুলী ইপিজেড (সর্বশেষ)।

(সূত্র: BEPZA ওয়েবসাইট)
৭,৮৫৪.
ফ্রান্সের কোন প্রেসিডেন্ট "ঢাকা ও প্যারিস সমঝোতা চুক্তি" স্বাক্ষর করেন?
  1. Jacques Chirac
  2. Emmanuel Macron
  3. Francois Hollande
  4. Nicolas Sarkozy
সঠিক উত্তর:
Emmanuel Macron
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Emmanuel Macron
ব্যাখ্যা
ঢাকা ও প্যারিস সমঝোতা চুক্তি:
- ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁর (Emmanuel Macron) উপস্থিতিতে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে বিনিময় করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ঢাকা ও প্যারিস ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে অবকাঠামো, স্যাটেলাইটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়াতে দুটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে ঢাকা ও প্যারিস।
- সমঝোতা স্মারক দুটি হলো:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং ফ্রান্সের ফ্রান্স ডেভেলপমেন্ট এজেন্সির (এফডিএ) মধ্যে ‘ইমপ্রুভিং আরবান গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রোগ্রাম’ বিষয়ে একটি ক্রেডিট সুবিধা চুক্তি।
- বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিএল) এবং ফ্রান্সের এয়ারবাস ডিফেন্স অ্যান্ড স্পেস এসএএসের মধ্যে বঙ্গবন্ধু-২ আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম সম্পর্কিত সহযোগিতার বিষয়ে লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই)।
-  ফ্রান্স পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ।
- দেশটির বর্তমান প্রেসিডেন্ট - ইমানুয়েল মাখোঁর (Emmanuel Macron)।
- তার রাজনৈতিক দলের নাম - La République En Marche!
- তিনি ২০১৭ সালে প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ফ্রান্সের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম - জিন কাসটেক্স (Jean Castex)

উৎস: ব্রিটানিকা.কম, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
৭,৮৫৫.
মহামান্য রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে কার সুপারিশ গ্রহণ করেন?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. আইনমন্ত্রী
  4. কারোর নয়
সঠিক উত্তর:
কারোর নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কারোর নয়
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা : 
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।
- দেশের সরকার গঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং অর্থ, বিচার, প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কাজ তিনি সম্পাদন করেন।

• রাষ্ট্রপতির কার্যাবলি -
-  সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন নেতাকে প্রবানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।
-  রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
- তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে তিনি কারো সুপারিশ গ্রহণ করেন না।
-  রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান করেন। 

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ৪৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ছাড়া ৯৫ অনুচ্ছেদের ১ দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ নিয়োগদান করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি এবং সংবিধান।
৭,৮৫৬.
১৯৪৮ সালে পাকিস্তান গণপরিষদে কে বাংলা ভাষাকে গণপরিষেদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের প্রস্তাব রাখেন?
  1. ক) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. খ) আবুল কাশেম
  3. গ) মাওলানা ভাসানী
  4. ঘ) যোগেশচন্দ্র ঘোষ
সঠিক উত্তর:
ক) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
• ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৮৮৬-১৯৭১):
- ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।

-  ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা’র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- মহাত্মা গান্ধীর আদর্শ অনুসরণে তিনি মুক্তি সংঘ নামে একটি সমাজকল্যাণমূলক সংস্থা গঠন করেন। 
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।

- আওয়ামীলিগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করেন। 
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংরাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- সরকারী কাগজে বাংলা ভাষা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানান – ধীরেনদ্রনাথ দত্ত।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৫৭.
ঐতিহাসিক ছয় দফার 'ষষ্ঠ দফা' কী বিষয়ক ছিল?
  1. প্রতিরক্ষা
  2. বৈদেশিক মুদ্রা
  3. বাণিজ্য
  4. রাজস্ব
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৫৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত- 
  1. সেবা খাত
  2. শিল্প খাত
  3. কৃষি খাত
  4. পর্যটন খাত
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাত
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের জিডিপিতে উৎপাদন ভিত্তিতে ৩ টি বৃহৎ খাত।
- সার্বিক ভাবে ১৯টি খাত রয়েছে।
- বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।

অন্যদিকে,
- জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত- সেবা খাত।
- ছোট খাত- কৃষি খাত।
- কিন্তু কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত- কৃষি খাত।

​উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

৭,৮৫৯.
নিচের কোনটি রামসার সাইট?
  1. হাকালুকি হাওর
  2. চলন বিল
  3. হালদা নদী
  4. টাঙ্গুয়ার হাওর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গুয়ার হাওর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে রামসার সাইটের সংখ্যা দুটি। এগুলো হলো:
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০৩১তম) ও
- সুন্দরবন (৫৬০তম)।
- টাঙ্গুয়ার হাওরের ৯,৫০০ হেক্টর এলাকাকে ২০০০ সালের ১০ জুলাই রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।
- সুন্দরবনের ৬০১,৭০০ হেক্টর এলাকাকে ১৯৯২ সালের ২১ মে রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।
- জলভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ বিষয়ক রামসার কনভেনশন ১৯৭১ সালে ইরানের রামসার শহরে গৃহীত হয়।
- এই কনভেনশন অনুসারে পৃথিবীর বিভিন্ন সংকটাপন্ন ও তাৎপর্যপূর্ণ জলাভূমিসমূহকে রামসার সাইট ঘোষণা করা হয়।
(তথ্যসূত্র: রামসার সাইট ওয়েবসাইট)
৭,৮৬০.
বাংলায় আফগান শাসন কে সূচনা করেন?
  1. হোসেন শাহ
  2. শেরশাহ
  3. দাউদ খান
  4. মাহমুদ শাহ
সঠিক উত্তর:
শেরশাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরশাহ
ব্যাখ্যা
→ বাংলায় আফগান শাসন সূচনা করেন শেরশাহ।

 আফগান শাসনের সূচনা
- ১৫৩৮ সালে শেরখান গৌড় জয় করেন।
- বাংলায় আফগান শাসনের প্রবর্তন ঘটে।
→ শাসনকাল:
- আফগানরা বাংলায় ৩৮ বছর শাসন করে।
- এর মধ্যে মাত্র ৯ মাস গৌড় মুঘল সম্রাট হুমায়ুনের দখলে ছিল।

•  শেরশাহের উত্থান:
- শেরখান (পরবর্তীতে শেরশাহ) হুমায়ুনকে পরাজিত করেন।
- দিল্লির সিংহাসন দখল করে ভারতীয় উপমহাদেশে নিজের আধিপত্য বিস্তার করেন।
→ বাংলার অবস্থা:
- শেরশাহ ও তাঁর পুত্রের আমলে বাংলাদেশ দিল্লির একটি প্রদেশে পরিণত হয়।
- ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দে শেরশাহের পুত্র ইসলাম শাহ (অর্থাৎ সলীম শাহ) মৃত্যুবরণ করেন।
- এর পর বাংলাদেশ পুনরায় স্বাধীন হয়ে যায়।
- এবং মুঘল বিজয় পর্যন্ত স্বাধীনতা বজায় থাকে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬১.
জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের বর্তমান স্থায়ী প্রতিনিধি কে? (মার্চ-২০২৬)
  1. বি এম সিদ্দিকী
  2. মুহাম্মদ আবদুল মুহিত
  3. রাফকাত হোসাইন
  4. সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

⇒ জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ:
- ১ম : এস এ করিম (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪),
- ২য় : কে এম কায়সার,
- ৩য় : খাজা ওয়াসিউদ্দিন,
- ৪র্থ : বি এ সিদ্দিকী,
- ৫ম : আতাউল করিম,
- ৬ষ্ঠ : এ.এইচ.জি. মহিউদ্দিন,
- ৭ম : মোহাম্মদ মহসিন,
- ৮ম : হুমায়ুন কবির,
- ৯ম : রিয়াজ রহমান
- ১০ম : আনোয়ারুল কমির চৌধুরী,
- ১১তম : ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী,
- ১২তম : ইসামত জাহান (১৮ জুন ২০০৭, প্রথম নারী),
- ১৩তম : এ কে আব্দুল মোমেন,
- ১৪তম : মাসুদ বিন মোমেন,
- ১৫তম : রাবাব ফাতিমা,
- ১৬তম : মুহাম্মদ আবদুল মুহিত,
- ১৭তম : সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী (বর্তমান)।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৭,৮৬২.
কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট কে ছিলেন?
  1. কণিষ্ক
  2. অশোক
  3. শশাঙ্ক
  4. কুজলা
সঠিক উত্তর:
কণিষ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কণিষ্ক
ব্যাখ্যা

কুষাণ যুগ:
- যে সকল বিদেশি জাতি ভারতবর্ষে সাম্রাজ্য স্থাপন করেছিল তাদের মধ্যে কুষাণদের নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- কুষাণরা ছিল ইউ-চি জাতির একটি শাখা।
- কুষাণ শাখার নেতা কুজলা কদফিসেস কর্তৃক খ্রিস্টপূর্ব ৩০ অব্দ নাগাদ পাঁচটি শাখায় বিভক্ত ইউ-চিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।
- তিনি কাবুল, সোমায়ার, কাশ্মির অধিকার করেন।
- তাঁর পুত্র বিম কদফিসেস সিংহাসনে বসেন।
- তাঁর সাম্রাজ্য মধ্য এশিয়ার তুর্কিস্থান থেকে সিন্ধু উপত্যকা পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কুষাণ বংশের শ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন কণিষ্ক।
- ৭৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং একটি অব্দ বা সম্বৎ প্রবর্তন করেন যা পরবর্তীতে শকাব্দ নামে পরিচিতি লাভ করে।
- ভারতে তিনি এক বিশাল সাম্রাজ্য গড়ে তোলেন, এটি উত্তর- পশ্চিমে পেশোয়ার থেকে পূর্বে পশ্চিমবাংলা, উত্তরে কাশ্মির থেকে দক্ষিণে মধ্যপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- ভারতের বাইরে বর্তমান সোভিয়েত তুর্কিস্থানের এবং আফগানিস্তানের কিছু অংশও তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত ছিল।
- পুরুষপুর বা বর্তমান পেশোয়ার তাঁর রাজধানী ছিল।
- বিশাল সাম্রাজ্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে বিভিন্ন রাজকর্মচারীদের মাধ্যমে এখান থেকেই তিনি শাসনকার্য পরিচালনা করতেন।
- তাঁর আমলেই বৌদ্ধ ধর্ম 'মহাযান' ও 'হীনযান' -এ দুভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। 
- ২৩ বছর রাজত্ব করার পর কণিষ্ক ১০১ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৮৬৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০ অনুসারে, 'চা' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) মৌলভীবাজার
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
খ) মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা
-  'চা' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার (৪৬,২৭৮ মে.টন)  
-  দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা হবিগঞ্জ (১৬,৯৯৫ মে.টন)
উৎস : কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০
৭,৮৬৪.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ অনুযায়ী নিচের কোনটি উচ্চ পর্যায়ের অভীষ্ট?
  1. ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ
  2. ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন
  3. ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন
  4. সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো 
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে উচ্চতর পর্যায়ের ৩টি জাতীয় অভীষ্ট এবং ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট ৬টি নির্দিষ্ট অভীষ্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট অভীষ্টসমূহ উচ্চতর পর্যায়ের অভীষ্ট অর্জনে অবদান রাখবে।

উচ্চ পর্যায়ের অভীষ্ট:
- অভীষ্ট ১: ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ;
- অভীষ্ট ২: ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন; এবং
- অভীষ্ট ৩: ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন।

ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০'র নির্দিষ্ট অভীষ্টসমূহ:
- অভীষ্ট ১: বন্যা ও জলবায়ু পরিবর্তন সম্পর্কিত বিপর্যয় থেকে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ২: পানির নিরাপত্তা এবং পানি ব্যবহারে অধিকতর দক্ষতা বৃদ্ধি করা;
- অভীষ্ট ৩: সমন্বিত ও টেকসই নদী অঞ্চল এবং মোহনা ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা;
- অভীষ্ট ৪: জলাভূমি এবং বাস্তুতন্ত্র সংরক্ষণ এবং তাদের যথোপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা;
- অভীষ্ট ৫: অন্তঃ ও আন্তঃদেশীয় পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য কার্যকর প্রতিষ্ঠান ও ন্যায়সঙ্গত সুশাসন গড়ে তোলা; এবং
- অভীষ্ট ৬: ভূমি ও পানি সম্পদের সর্বোত্তম সমন্বিত ব্যবহার নিশ্চিত করা।

উৎস: বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা (সরকারি ওয়েবসাইট)।
৭,৮৬৫.
Which is the latest (2023) registered political party in Bangladesh?
  1. BSP
  2. BPN
  3. NPP
  4. PSN
সঠিক উত্তর:
BSP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSP
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রাজনৈতিক দল:

- বর্তমানে বাংলাদেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৪৪টি।
- রাজনৈতিক দল হিসেবে নির্বাচন কমিশনে সর্বশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)।
- বিএসপির প্রতীক একতারা বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
- নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ছাড়া কোনো দল দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে অংশ নিতে পারে না।
- নিবন্ধনের জন্য এবার ৯৩টি দল আবেদন করেছিল। 
- প্রাথমিক বাছাই শেষে গণঅধিকার পরিষদ, এবি পার্টিসহ ১২টি দলের মাঠ পর্যায়ের তথ্য যাচাইয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।
- এই ১২টি দলের মধ্যে শেষ পর্যন্ত দুটি দলকে নিবন্ধন দেওয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, ১০ আগস্ট, ২০২৩।
৭,৮৬৬.
তিস্তা নদী কোন জেলার সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. লালমনিরহাট 
  2. নীলফামারী
  3. কুড়িগ্রাম
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
ব্যাখ্যা

তিস্তা নদী:
- তিস্তা নদী বাংলাদেশ-ভারতের একটি আন্তঃসীমান্ত নদী।
- এটি ভারতের সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত একটি নদী।
- ভারতের উত্তর সিকিমের পার্বত্য এলাকায় এর উৎপত্তি।
- লাচেন এবং লাচুং নামের দু’পর্বত স্রোতধারাই তিস্তার উৎস। এ দু’স্রোত ধারা সিকিমের চুংথাং-এ এসে মিলেছে।
- সিকিম ও পশ্চিমবঙ্গের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার পর বাংলাদেশে প্রবেশ করে তিস্তা ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- এটি দার্জিলিং -এ অবস্থিত শিভক গোলা নামে পরিচিত একটি গিরিসঙ্কটের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- নদীটি নীলফামারী জেলার কালীগঞ্জ সীমান্ত এলাকা দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

⇒ অষ্টাদশ শতকের প্রায় শেষ পর্যন্ত এই ধারাটি বিভিন্ন নদীপ্রবাহের মাধ্যমে গঙ্গা নদীতে প্রবাহিত হতো।
- ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দের অতিবৃষ্টি একটি ব্যাপক বন্যার সৃষ্টি করেছিল এবং সেই সময় নদীটি গতিপথ পরিবর্তন করে লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং গাইবান্ধা জেলার মধ্যদিয়ে প্রবাহিত হয়ে চিলমারী নদীবন্দরের দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদে পতিত হয়।
- তিস্তা একসময় করতোয়া নদীর মাধ্যমে গঙ্গার সঙ্গে সংযুক্ত ছিল এবং এর অংশবিশেষ এখনও বুড়ি তিস্তা নামে পরিচিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭,৮৬৭.
মুসলিম মহিলা সমিতির প্রতিষ্ঠাতা - 
  1. বেগম সুফিয়া কামাল
  2. নওয়াব ফয়জুন্নেসা
  3. বেগম ফজিলাতুন্নেছা
  4. বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা
• বেগম রোকেয়া  সাখাওয়াত হোসেন:
- বেগম রোকেয়ার সময়কালে মেয়েরা ছিল খুবই পর্দানশিন।
- বেগম রোকেয়া তাঁর বড় ভাই ইবরাহিম সাবের এবং বড় বোন করিমুন্নেসার কাছে শিক্ষা লাভ করেন। 
- বেগম রোকেয়ার লিখিত গ্রন্থ অবরোধ বাসিনী, পদ্মরাগ, মতিচুর, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতিতে সে চিত্র ফুটে উঠেছে।
- তিনি স্বামীর নামে ভাগলপুরে একটি প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয় স্থাপন করেন।
- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে তিনি কলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করেন। 
- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে এটি উচ্চ ইংরেজি গার্লস স্কুলে উন্নিত হয়।
- তাঁর মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা এবং সুপারিনটেনডেন্টের দায়িত্ব পালন করেছেন। 
- বেগম রোকেয়া  সাখাওয়াত হোসেন নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতায় আঞ্জুমান খাওয়াতিনে ইসলাম (মুসলিম মহিলা সমিতি) প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৮৬৮.
ধান উৎপাদনে পৃথিবীতে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ২য়
  2. ৩য়
  3. ৪র্থ
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা

• ধান উৎপাদন:
- ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।
- ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ:
- ১ম: ভারত (২৮%),
- হয়: চীন (২৭%),
- ৩য়: বাংলাদেশ (৭%),
- ৪র্থ: ইন্দনেশিয়া (৬%),
- ৫ম: ভিয়েতনাম (৫%)।

উৎস: USDA Foreign Agricultural Service (.govt.) [লিঙ্ক]

৭,৮৬৯.
মুক্তিযুদ্ধকালে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. সিদ্ধার্থ শঙ্কর রায়
  2. অজয় মুখোপাধ্যায়
  3. প্রফুল্লচন্দ সেন
  4. জ্যোতি বসু
সঠিক উত্তর:
অজয় মুখোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অজয় মুখোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধকালীন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী
- মুক্তিযুদ্ধের সময় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন অজয় মুখোপাধ্যায়
- তাঁর নেতৃত্বে 'মুক্তিযুদ্ধ সহায়ক সমিতি' গঠিত হয়।
- এই সমিতির মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার ও বিশ্বনেতাদের নিকট প্রচারণা চালান।
- এছাড়া, তাঁর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার প্রায় ৭৫ লাখ শরণার্থীদের আশ্রয় দেয়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি নিউজ বাংলা।
৭,৮৭০.
দেশে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বর্তমানে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ৩টি:
১. ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর,
২. শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও
৩. হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর।
[২০২৪ সালের জুনে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালু হবে।] 
প্রশ্নের অপশনে আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের সংখ্যা ৪টি উল্লেখ্য থাকলে উত্তর হবে ৪টি।  

• বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (সিএএবি) (Civil Aviation Authority of Bangladesh-CAAB):
বাংলাদেশের আকাশসীমায় ও বিমানবন্দরসমূহে চলাচলকারী দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সকল উড়োজাহাজ এর সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ পালন করে থাকে।

CAAB এর অধীনে বর্তমানে দেশে ৩টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও ৭টি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর এবং ২টি স্টলপোর্ট রয়েছে।
এই ১২টি বিমানবন্দর ও স্টলপোর্টের মধ্যে বর্তমানে ৮টি বিমানবন্দরে ফ্লাইট পরিচালিত হচ্ছে।
যাত্রী স্বল্পতার কারণে ২টি অভ্যন্তরীণ বিমান বন্দর ও ২টি স্টলপোর্টে কোন ফ্লাইট যাতায়াত করছে না।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স লিমিটেড: বর্তমানে ৭টি অভ্যন্তরীণ ও ১৯টি আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সার্ভিস পরিচালনা করছে।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩।
৭,৮৭১.
স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে যৌথভাবে কোন বাংলাদেশী ইউটিউব (YouTube) প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. জাবেদ করিম
  2. ফজলুল করিম
  3. জাওয়াদুল করিম
  4. মঞ্জুরুল করিম
সঠিক উত্তর:
জাবেদ করিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাবেদ করিম
ব্যাখ্যা
ইউটিউব (YouTube):
- ইউটিউব ভিডিও শেয়ার করার জন্য একটি ওয়েবসাইট।
- ইউটিউব ১৪ ফেব্রুয়ারী, ২০০৫ সালে নিবন্ধিত হয়েছিল।
- এর সদর দপ্তর ক্যালিফোর্নিয়ার সান ব্রুনোতে অবস্থিত।
- Parent organization: Google
- CEO: Neal Mohan

উল্লেখ্য, 
আমেরিকান ই-বাণিজ্য সংস্থা পেপালের তিন প্রাক্তন কর্মী - স্টিভ চেন, চ্যাড হারলি এবং জাবেদ করিম ইউটিউবের প্রতিষ্ঠাতা। জাবেদ করিম বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত। 

উৎস: 
১. ব্রিটানিকা.
২. ইউটিউব এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৮৭২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. রংপুর
  2. কুষ্টিয়া
  3. ফরিদপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৭,৮৭৩.
চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের কোন দেশে প্রথমবারের মতো পন্যবাহী জাহাজ গেছে?
  1. পর্তুগাল
  2. ইতালি
  3. অস্ট্রিয়া
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা

- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ থেকে শুরু হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সরাসরি ইউরোপের দেশ ইতালিতে পন্যবাহী জাহাজ চলাচল। এর আগে ইউরোপে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ থেকে অন্য দেশের বন্দর হয়ে পাঠানো হত।
- ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বরে ‘ক্যাপ ফ্লোরেস' নামের খালি কন্টেইনারবাহী একটি জাহাজের পরীক্ষামূলক যাত্রা সফল হওয়ায় এবার নিয়মিত যাত্রার অংশ হিসেবে প্রথমবারের মতো কন্টেইনার ভর্তি লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ ‘এমভি সোঙ্গা চিতা' ইতালির উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দর ছেড়ে যায়।
- চট্টগ্রাম-ইতালি সরাসরি জাহাজ চলাচলের এ সেবা চালু করে ইতালির ফ্রেইট ফরোয়ার্ডার প্রতিষ্ঠান আরআইএফ লাইন এবং সহযোগী প্রতিষ্ঠান ক্যালিপসো কোম্পানিয়া ডি নেভিগেশন।

৭,৮৭৪.
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের বনভূমির বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) পত্রপতনশীল
  2. খ) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
  3. গ) স্রোতজ বনভূমি
  4. ঘ) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও পত্রপতনশীল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃষ্টিবহুল উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার এবং দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলায় বিস্তৃত বনভূমি হলো ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বৃক্ষের বনভূমি। এছাড়া এই বনাঞ্চলের কম বৃষ্টিবহুল এলাকায় পত্রপতনশীল বৃক্ষের উপস্থিতি রয়েছে।
- এটি দেশের বৃহত্তম বনাঞ্চল।
- এ বনের উদ্ভিদের মধ্যে চাপালিশ, তেলসুর প্রভৃতি প্রধান। তবে এ
(সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী এবং বনবিভাগ)
৭,৮৭৫.
‘মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক’-এর বর্তমান নাম কি?
  1. জাতীয় মানব কল্যাণ পদক
  2. জাতীয় সমাজ কল্যাণ পদক
  3. জাতীয় সমাজসেবা পদক
  4. জাতীয় মানবসেবা পদক
সঠিক উত্তর:
জাতীয় মানব কল্যাণ পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় মানব কল্যাণ পদক
ব্যাখ্যা
জাতীয় মানব কল্যাণ পদক:
- মাদার অব হিউম্যানিটি সমাজকল্যাণ পদক’-এর নাম পরিবর্তন করে ‘জাতীয় মানব কল্যাণ পদক’ নাম নির্ধারণ করে মন্ত্রিসভা।
- মন্ত্রিসভা আলাপ-আলোচনা করে এর নাম পরিবর্তন করে ‘জাতীয় মানব কল্যাণ পদক- ২০২২’ নির্ধারণ করে।
- ২০১৮ সালে মাদার অব হিউম্যানিটি পুরস্কার হিসেবে মন্ত্রিসভায় অনুমোদন করা হয়েছিল।
- সুবিধাবঞ্চিত অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমন্বিত সম-উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার পুনঃএকত্রীকরণ এবং আর্থসামজিক উন্নয়নে সামাজিক সাম্য প্রতিষ্ঠাসহ পাঁচটি ক্ষেত্রে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে এ পদক দেয়া হয়।
- তবে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে কোনো বছর প্রার্থী না পাওয়া গেলে পদক সংখ্যা কমানো বা পুরস্কারের নতুন ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে পারে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়।  
- ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে দেয়া পদক তৈরি করা হয় ১৮ ক্যারট মানের ২৫ গ্রাম সোনা দিয়ে। এছাড়া পুরস্কারপ্রাপ্তদের দেয়া হয় দুই লাখ টাকার চেক ও সম্মাননা সনদ।
- মরণোত্তর পুরস্কারের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে নীতিমালায়।

উৎস: সময় নিউজ। [লিঙ্ক]
৭,৮৭৬.
সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ -
  1. ক) বাল্যস্মৃতি
  2. খ) জীবনস্মৃতি
  3. গ) আমার জীবননীতি আমার রাজনীতি
  4. ঘ) আপন কথা
সঠিক উত্তর:
গ) আমার জীবননীতি আমার রাজনীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আমার জীবননীতি আমার রাজনীতি
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ- আমার জীবননীতি আমার রাজনীতি।

• আবদুল হামিদের আত্মজীবনী:
- অমর একুশে বইমেলায় প্রকাশ হয়েছে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের আত্মজীবনী ‘আমার জীবননীতি আমার রাজনীতি’।
- দুর্গম হাওরের নিভৃত এক পল্লী থেকে উঠে এসে রাজনীতিতে সদর্প বিচরণ ঘটিয়ে রাষ্ট্রের প্রধানের দায়িত্বে আসীনআবদুল হামিদের জীবনকথা বইয়ের মোড়কে এনেছে বাংলা একাডেমি।

- বইটির প্রচ্ছদ করেছেন সব্যসাচী হাজরা।
- রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ মুখবন্ধে বইটি প্রকাশের অন্যতম অনুপ্রেরণাদানকারী প্রয়াত মাইনউদ্দিন খন্দকারকে বিশেষভাবে স্মরণ করেন।
- কৃতজ্ঞচিত্তে উল্লেখ করেন বঙ্গভবনের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং বাংলা একাডেমির কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের কথা।
- বইটিতে ৩১ পৃষ্ঠা পর্যন্ত উঠে এসেছে কিশোরগঞ্জে আবদুল হামিদের শৈশবের নানা কথা।
- দ্বিতীয় অধ্যায়ে তিনি লিখেছেন মিঠামইন-ভাটির জীবন বিষয়ে।

- তৃতীয় অধ্যায়ের নাম দেওয়া হয়েছে গ্রামীণ সংস্কৃতি।
- চতুর্থ অধ্যায়ের নাম দেওয়া হয়েছে আমার পিতা।
- পঞ্চম অধ্যায়ে আছে স্কুল পর্ব। এতে ৭৩-১০০ পৃষ্ঠা পর্যন্ত ভৈরব কেবি হাই স্কুল, দুরন্তপনা, ভৈরব, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী ভ্রমণ, মিষ্টি খাওয়ার প্রতিযোগিতা, হাজতবাস, বিদায় ভৈরব, নিকলী জিসি হাই স্কুল, নিকলীর সেই দুরন্ত দিনগুলি, একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন, যতসব মজার ঘটনা, ভাটি এলাকার মহৎ ব্যক্তিবর্গ শিরোনামে বিষয়গুলো সাজিয়েছেন আবদুল হামিদ।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর পত্রিকা।

রির্পোট প্রকাশের তারিখ ৯ ফ্রেব্রুয়ারি, ২০২৩

৭,৮৭৭.
১নং সেক্টর কোন এলাকা নিয়ে গঠিত ছিল?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
১নং সেক্টর: 
- ১নং সেক্টর চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে।
- সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
- এই সেক্টরে প্রায় দশ হাজার মুক্তিযোদ্ধা যুদ্ধ করেন।
- এদের মধ্যে ছিলেন ই.পি.আর, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী ও বিমানবাহিনীর প্রায় দুই হাজার নিয়মিত সৈন্য এবং গণবাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় আট হাজার।
- এই বাহিনীর গেরিলাদের ১৩৭টি গ্রুপে দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৭৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার হওয়ার যোগ্যতা ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৫২ নং
  2. ৭২(১) নং
  3. ১০৮ নং
  4. ১২২ নং
সঠিক উত্তর:
১২২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২২ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদে ভোটার হওয়ার যোগ্যতা ১৮ বছর উল্লেখ করা হয়েছে।

ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
⇒ সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদ:
- ১২২ (১) প্রাপ্তবয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

- ১২২ (২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হবার অধিকারী হবেন, যদি -
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন;
(খ) তাঁর বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়;
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থেকে থাকে;
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হয়ে থাকেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব্ রেকর্ড' হবেন এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।
- সংবিধানের ৭২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ৫২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির অভিশংসন সম্পর্কে বলা আছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৮৭৯.
খুলনার নিউজপ্রিন্ট মিলে প্রধানত সুন্দরবনের কোন গাছ কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার হতো?
  1. ক) গোলপাতা
  2. খ) গেওয়া
  3. গ) চাপালিশ
  4. ঘ) গরান
সঠিক উত্তর:
খ) গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গেওয়া
ব্যাখ্যা
১৯৫৭ সালে স্থাপিত হয় - খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল।
- মিলটি খুলনা শহরের দক্ষিণ-পশ্চিমে ভৈরব নদীর তীরে অবস্থিত।
- ১৯৫৯ সালে এটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- আশেপাশের জেলাগুলোতে গেওয়া কাঠ এবং শ্রমিক সহজলভ্যতার সুবিধা থাকায় মিলটি ১৯৫৭ সালে ৮৮ দশমিক ৬৮ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

- ক্রমাগত লোকসান এবং মূলধনের ঘাটতির কারণে ২০০২ সালের ৩০ নভেম্বর মিলটির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
৭,৮৮০.
চীন কত তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে?
  1. ৩১ আগস্ট ১৯৭৫
  2. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  3. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ১৫ আগস্ট ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
৩১ আগস্ট ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ আগস্ট ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর আনুষ্ঠানিকভাবে মোট ১৫০টি দেশ স্বীকৃতি প্রদান করে। 
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে সর্বপ্রথম ভুটান স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর স্বীকৃতি দিয়েছিল। 
- সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে। 
 
অন্যদিকে -
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২৫ মে ১৯৭২।
- বলিভিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ২ আগস্ট, ১৯৭২।
 
উৎস: i) ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, দৈনিক ইনকিলাব।  
         ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭,৮৮১.
‘১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড: প্রবাসে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার দুঃসহ দিন’ বইটির রচয়িতা কে?
  1. পীর হাবিবুর রহমান
  2. এম আর আখতার মুকুল
  3. সরাফ আহমেদ
  4. শেখ সাদী
সঠিক উত্তর:
সরাফ আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরাফ আহমেদ
ব্যাখ্যা
১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ড: প্রবাসে বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যার দুঃসহ দিন
- ১৫ আগস্ট নির্মম হত্যাকাণ্ডের সময় বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা ছিলেন বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে।
- বেলজিয়াম, জার্মানি, ভারত ও ব্রিটেনে কীভাবে কেটেছিল তাঁদের সেই সব দুঃসহ দিন সেই বর্ণনা রয়েছে বইটিতে।
- ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ সাড়া জাগানো এই বইটির লেখক সরাফ আহমেদ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী এবং জার্মান প্রবাসী সাংবাদিক ও লেখক।
- ২০২১ সালে প্রথমা প্রকাশন থেকে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।

সূত্র- প্রথম আলো।
৭,৮৮২.
এশিয়ায় প্রথম কুমিরের শরীরে ট্রান্সমিটার বসিয়ে কোথায় অবমুক্ত করা হয়েছে?
  1. বান্দরবানে
  2. সুন্দরবনে
  3. কুয়াকাটায়
  4. পঞ্চগড়ে
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনে
ব্যাখ্যা
- প্রথমবারের মতো শরীরে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে সুন্দরবনের নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে দুটি কুমির।
- সুন্দরবনের ভদ্রা নদীতে লোনা পানির কুমির দুটিকে অবমুক্ত করা হয়।
- কুমিরের গতিপ্রকৃতি সম্পর্কে জানতে পিঠে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে নদীতে অবমুক্তের ঘটনা এশিয়ায় এই প্রথম।
- এর মাধ্যমে সুন্দরবনের নদীতে কুমিরের চলাচল ও অবমুক্ত করা কুমিরের বেঁচে থাকা সম্পর্কে জানা যাবে।

সূত্র- প্রথম আলো।
৭,৮৮৩.
বাংলাদেশ প্রথম LDC তালিকায় যুক্ত হয় কত সালে?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৫ সালে
ব্যাখ্যা

 LDC:
- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- এই তিন সূচকে বিচার করা হয় একটি দেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল ধাপে উত্তরণ করবে কি না। 
- উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হতে হলে অন্তত দুটি সূচক পূরণ করতে হয় একটি দেশকে।
- স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসেবে তিনটি সূচকের সব কটি পূরণ করে পরবর্তী ধাপে উন্নীত হয়েছে।
- স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।
বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উত্তরণের তারিখ- ৪ নভেম্বর ২০২৬ সাল।
- আশা করা যায়, ২০৩১ সালে উচ্চমধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে বাংলাদেশ

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭,৮৮৪.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন কোন নদীর তীরে শহীদ হন?
  1. মেঘনা
  2. পদ্মা
  3. যমুনা
  4. রূপসা
সঠিক উত্তর:
রূপসা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপসা
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ তিনি রূপসা নদীর তীরে শহীদ হন।
------------------------------------------------------ 
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন:
- বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন (১৯৩৫–১৯৭১) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একজন নৌ-সেনা ছিলেন।
- তিনি অসাধারণ সাহসিকতার জন্য সর্বোচ্চ সামরিক পদ ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত হয়েছেন।
- তিনি নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার বাঘপাঁচড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৫৩ সালে তিনি পাকিস্তান নৌবাহিনীতে যোগদান করেন এবং ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।

- মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি পরিবারকে ছেড়ে ত্রিপুরা সীমান্ত অতিক্রম করে ২নং সেক্টরে যোগ দেন;
- এবং সেখানে সক্রিয়ভাবে যুদ্ধ করেন।
- ১০ ডিসেম্বর ১৯৭১-এ ‘পিএনএস পলাশ’ জাহাজে রূপসা নদীতে যুদ্ধরত অবস্থায় আহত হয়ে স্থানীয় রাজাকার ও পাক বাহিনীর হাতে শহীদ হন।
- শাহাদাত বরণ করার পর তাঁকে রূপসা নদীর তীর সংলগ্ন বাগমারা গ্রামে সমাহিত করা হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ডের কাছেই তাঁর সমাধিসৌধ সংরক্ষিত আছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।   

৭,৮৮৫.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক -
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. আবদুর রাজ্জাক
  4. বর্ণিত সবাই 
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই 
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় অধ্যাপক:
- জাতীয় অধ্যাপক বাংলাদেশের একটি বিশেষ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা।
- বাংলাদেশ সরকার শিক্ষা, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও গবেষণার জন্য দেশের বিশিষ্ট পণ্ডিত, চিন্তাবিদ এবং শিক্ষকদের এ সম্মাননা দিয়ে থাকে।
- ১৯৭৫ সাল থেকে এই সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে।
- সাধারণত পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য কোনও বিশিষ্ট ব্যক্তি জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিযুক্তি পেয়ে থাকেন।

⇒ ১৯৭৫ সালে সর্বপ্রথম তিনজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁরা হলেন:
• শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন, 
• শিক্ষাবিদ আবদুর রাজ্জাক এবং
• পরিসংখ্যানবিদ কাজী মোতাহার হোসেন।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- সুফিয়া আহমেদ প্রথম নারী হিসেবে ১৯৯৪ সালে জাতীয় অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ পান।

উৎস: শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭,৮৮৬.
কোন যুদ্ধের মাধ্যমে বাংলায় মুঘল শাসনের সূত্রপাত হয়?
  1. ক) চৌসার যুদ্ধ
  2. খ) কণৌজের যুদ্ধ
  3. গ) গিরিয়ার যুদ্ধ
  4. ঘ) রাজমহলের যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজমহলের যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজমহলের যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী গৌড় অধিকার করে মুঘল শাসনের সূচনা করেন। কিন্তু বাংলায় তাঁর অধিকার বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দে চৌসার যুদ্ধে পরাজয়ের পর বিজয়ী আফগান নেতা শের খান গৌড় দখল করেন এবং বাংলায় আফগান শাসন প্রতিষ্ঠা করেন। ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলার প্রবেশ পথ রাজমহলের নিকটে বাংলার শেষ আফগান শাসক দাউদ খান ও মুঘল বাহিনীর তুমুল যুদ্ধ হয়। যা রাজমহলের যুদ্ধ নামে পরিচিত। এই যুদ্ধে দাউদ খান পরাজিত ও বন্দি হলে বাংলায় মুঘল শাসনের সূত্রপাত হয়। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি) ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৮৭.
লং মার্চ টু ঢাকা কত তারিখে পালিত হয়-
  1. ৫ আগষ্ট ২০২৪
  2. ৩ জুলাই ২০২৪
  3. ২ আগষ্ট ২০২৪
  4. ৫ জুলাই ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৫ আগষ্ট ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগষ্ট ২০২৪
ব্যাখ্যা
• রাজধানী ঢাকাসহ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অসহযোগ কর্মসূচীর একটি ’লং মার্চ টু ঢাকা’ ।
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন কারফিউ প্রত্যাখ্যান করে ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, গুলি ও হত্যার প্রতিবাদে ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচি একদিন এগিয়ে এনে আজ ৫ আগস্ট করার ঘোষণা দেয়।
- তখনকার সময় সংগঠনের অন্যতম সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ ফেসবুকে ভিডিও বার্তায় এ কর্মসূচী দেন।

উল্লেখ্য,
• বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পটভূমি:
- ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সাধারণ শিক্ষার্থীদের লাগাতার আন্দোলনের ফলে সরকার প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা বাতিল ঘোষণায় পরিপত্র জারি করে।
- তখন বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র অধিকার সংরক্ষণ পরিষদের নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলন করেছিলেন, সরকার সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেয়।
- কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ জুন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবরের কোটা বাতিল–সংক্রান্ত পরিপত্রটি অবৈধ ঘোষণা করেন।
- হাইকোর্টের এ ঘোষণার ফলে নতুনভাবে আবার এই আন্দোলন শুরু হয়।
- আন্দোলনকারীদের মূল দাবি ছিল, কোটার যৌক্তিক সংস্কার।

উৎস: প্রথম আলো ৪ মার্চ ২০১৮, ইনকিলাব লিংক।
৭,৮৮৮.
নির্বাচন কমিশন প্রবাসী ভোটারদের জন্য তৈরিকৃত অ্যাপের নাম কী?
  1. E-Vote BD
  2. Postal Vote BD
  3. Probashi Vote 
  4. Digital Vote BD
সঠিক উত্তর:
Postal Vote BD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Postal Vote BD
ব্যাখ্যা

• Postal Vote BD আ্যাপ:
 - সম্প্রতি,  ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ সালে নির্বাচন কমিশন প্রবাসী ভোটার অ্যাপ Postal Vote BD উদ্বোধন করে।
- প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে নিবন্ধনের জন্য ১৮ নভেম্বর 'পোস্টাল ভোেট বিডি' অ্যাপের উদ্বোধন করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই দিনে ইসি চূড়ান্ত ভোটার তালিকাও প্রকাশ করবে।
- এবার প্রবাসী বাংলাদেশি ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে ইসি।
- এ ছাড়া ভোটের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা এবং আইনি হেফাজতে থাকা ব্যক্তিরাও পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিতে পারবেন।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

৭,৮৮৯.
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ৬ নং
  2. ৪ নং
  3. ৭ নং
  4. ৮ নং
সঠিক উত্তর:
৮ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ নং
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ: 
- জন্ম: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬। 
- গ্রাম: মহিষখোলা, উপজেলা: নড়াইল সদর, জেলা: নড়াইল।
- প্রথমে যোগদান: স্থানীয় আনসার বাহিনীতে।
- পরে যোগদান: ১৪ মার্চ, ১৯৫৯ → পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস (EPR).
- প্রশিক্ষণ শেষে পোস্টিং: দিনাজপুর সেক্টরে।
- ১৯৭০ সালে: যশোর সেক্টর হেডকোয়ার্টারে বদলি।
- ১৯৭১ সালের মার্চ: ছুটি কাটাতে এসে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান।
- সেক্টর: ৮ নং।
- দায়িত্ব: একটি স্থায়ী টহল দলের নেতৃত্বে।
- শহীদ হওয়া: তারিখ: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১।
- সমাহিত: কাশীপুর সীমান্ত এলাকায়, সহযোদ্ধাদের মাধ্যমে।
- উপাধি: “বীরশ্রেষ্ঠ” (বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান)।

অন্যদিকে,
- মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর। 
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন: ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৭,৮৯০.
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস কোনটি?
  1. ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. ১০ মার্চে, ১৯৭২
  3. ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ২৯ মার্চে, ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ই জানুয়ারি স্বপ্নের স্বাধীন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
- আন্তর্জাতিক চাপে বাধ্য হয়ে পাকিস্তানি সরকার ০৮ জানুয়ারি তাকে মুক্ত করে দেয়। তিনি সেখান থেকে বিশেষ বিমানযোগে লন্ডনে চলে যান।
- তারপর লন্ডন থেকে ভারত হয়ে তিনি ১৯৭২ সালের ১০ ই জানুয়ারি আসেন মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশে।
- ১০ ই জানুয়ারি ২০২২ সালে বঙ্গবন্ধুর স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের ৫০ বছর পূর্তি হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৯১.
জাতীয় সংসদে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী পাস হয় কত সালে?
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৬ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০১৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা
১৭তম সংশোধনী:
- বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে৷
- ২০১৮ সালের ৮ জুলাই জাতীয় সংসদে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী পাস হয়।
- এর বিষয়বস্তু ছিলো নারীদের জন্যে সংরক্ষিত ৫০টি আসন আরও ২৫ বছরের জন্যে সংরক্ষণ করা।

অন্যদিকে,
- ২০১৪ সালের ১৭ই সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে পাশ হওয়া সংবিধানের ১৬তম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণ পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়।
- প্রথম সংশোধনীর (১৯৭৩ সালে) মাধ্যমে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের বিধান সংবিধানে যুক্ত করা হয়।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর (২০১১ সালে) মাধ্যমে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি সংশোধন অযোগ্য হিসেবে বিধান গৃহীত হয়।

তথ্যসূত্র - আইন মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৭,৮৯২.
বাংলাদেশের সর্বশেষ স্থলবন্দর-
  1. ক) বিশ্বনাথ
  2. খ) তারাশ
  3. গ) ভোলাগঞ্জ
  4. ঘ) তামাবিল
সঠিক উত্তর:
গ) ভোলাগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভোলাগঞ্জ
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর-২০১৯।
৭,৮৯৩.
বর্তমানে অস্তিত্বশীল পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন শহর কোনটি?
  1. ক) কানকুন
  2. খ) হামা
  3. গ) কেসাং
  4. ঘ) জেরিকো
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেরিকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেরিকো
ব্যাখ্যা
ফিলিস্তিনের পশ্চিমতীরে অবস্থিত জেরিকো শহরকে পৃথিবীর সবচেয়ে পুরনো শহর বিবেচনা করা হয়। খ্রিস্টপূর্ব প্রায় নয় হাজার বছর আগে এখানে বসতি স্থাপিত হয়।
(সূত্রঃ দ্য গার্ডিয়ান)
৭,৮৯৪.
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মাথাপিছু ঘাটতি-
  1. ক) ৮,৯৯০ টাকা
  2. খ) ৭,৮৯০ টাকা
  3. গ) ৮,৭৭০ টাকা
  4. ঘ) ৮,১৮০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ক) ৮,৯৯০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮,৯৯০ টাকা
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে মাথাপিছু ঘাটতি- ৮,৯৯০ টাকা।
৭,৮৯৫.
পাল বংশের রাজাগণ কত বছর শাসন করেন?
  1. ২০০ বছর
  2. ৩০০ বছর
  3. ৫০০ বছর
  4. ৪০০ বছর
সঠিক উত্তর:
৪০০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০ বছর
ব্যাখ্যা

- গোপাল প্রতিষ্ঠিত রাজবংশের নাম পাল বংশ।
- গোপালের পিতার নাম বপ্যট।
- পিতামহ ছিলেন দয়িতবিষ্ণু।
- গোপালের সিংহাসনে আরোহণের মধ্য দিয়ে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে পাল রাজত্বের শুরু হয়।
- পাল বংশের রাজাগণ একটানা চার'শ বছর শাসন করেন। 
- গোপাল সিংহাসনে আরোহণ করে রাজ্য বিস্তারে মনোযোগ দেন।
- তিনি বাংলার উত্তর এবং পশ্চিমের বিরাট অংশই রাজ্যভুক্ত করেন।
- ইতিহাস গবেষকগণের অনেকেই মনে করেন, গোপাল ৭৫০ থেকে ৭৮১ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত রাজ্য শাসন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

৭,৮৯৬.
'টঙ্ক (Tonk) আন্দোলন' কি?
  1. সাঁওতাল বিদ্রোহ
  2. কৃষক আন্দোলন
  3. প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষার আন্দোলন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কৃষক আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষক আন্দোলন
ব্যাখ্যা
❐ 'টঙ্ক (Tonk) আন্দোলন' হলো কৃষক আন্দোলন।

টঙ্ক (Tonk) আন্দোলন:
- ১৯৪৬-৫০ সালে উত্তর ময়মনসিংহে কৃষকদের দ্বারা পরিচালিত আন্দোলন টঙ্ক আন্দোলন নামে পরিচিত।
- টঙ্ক মানে ধান ফলনের প্রতিশ্রুত খাজনা। স্থানীয় ভাষায় টংক শব্দটি 'জমিতে উৎপাদিত ফলনের প্রদেয় খাজনাকে' বুঝায়।
- টঙ্ক মূলত মুদ্রা-পূর্বকালের প্রথা। কৃষকরা ধানে তাদের খাজনা পরিশোধ করত। জমিতে ফসল হোক বা না হোক, নির্দিষ্ট পরিমাণ ধান খাজনা দিতেই হবে।
- প্রথাগতভাবে টংক প্রজারা প্রতি ১.২৫ একর জমির জন্য ১০ থেকে ১৫ মণ ধান খাজনা দিত। ধানের দর ছিল প্রতি মণ সোয়া দুই টাকা। ফলে প্রতি সোয়া একরে খাজনা পড়ত ১৭ টাকা। অথচ একই সময় জোতজমির খাজনা ছিল প্রতি সোয়া একরে ৫ থেকে ৭ টাকা। সুতরাং ধানে খাজনা দিলে টাকার হিসাবে এটি দ্বিগুণেরও বেশি ছিল।
- ময়মনসিংহের কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, হালুয়াঘাট, শ্রীবর্দি ইত্যাদি থানায় বিশেষ করে সুসং এলাকায় ভয়ংকর টংক ব্যবস্থা ছিল। এসব স্থানে প্রধানত গারো ও হাজং গোষ্ঠীর লোকেরা চাষাবাদ করত।
- এই প্রথা কৃষকদের উপর অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করত এবং তাদের শোষণ করত।

⇒ তৎকালীন উত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে এই আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে এবং ১৯৫০ সালে টঙ্ক প্রথা ও জমিদারী প্রথা উচ্ছেদের মাধ্যমে এই আন্দোলনের সমাপ্তি হয়।  তেভাগা, নানকার, নাচোল আন্দোলনের মতো এটিও ছিলো কৃষকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলন।

উল্লেখ্য,
- টঙ্ক আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিলেন সুসং-দুর্গাপুরের জমিদার সন্তান কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মণি সিংহ। টঙ্ক আন্দোলনে যে সকল লড়াকু বীর শহীদ হন, তাদের মধ্যে রাসমণি অন্যতম। তিনিই টঙ্ক আন্দোলনের প্রথম শহিদ। তিনি টঙ্ক ও কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেত্রীও ছিলেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৭,৮৯৭.
ষাট গম্বুজ মসজিদে কয়টি গম্বুজ রয়েছে?
  1. ৬০টি
  2. ৭৭টি
  3. ৮১টি
  4. ৮৮টি
সঠিক উত্তর:
৮১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১টি
ব্যাখ্যা
ষাটগম্বুজ মসজিদ:

- এটি বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- ১৫ শতকের দিকে উলঘ খান-ই-জাহান ঐতিহাসিক মসজিদের শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ষাটগম্বুজ মসজিদটিতে ৮১ টি গম্বুজ রয়েছে।
- মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া।
- দেয়ালগুলো প্রায় ৮·৫ ফুট পুরু।
- এ বিশাল মসজিদের চতুর্দিকে প্রাচীর ৮ফুট চওড়া, এর চার কোনে চারটি মিনার আছে।
- মসজিদটি ছোট ইট দিয়ে তৈরী, এর দৈর্ঘ্য ১৬০ফুট, প্রস্থ ১০৮ ফুট, উচ্চতা ২২ফুট।
- মসজিদের পশ্চিম দিকে প্রধান মেহরাবের পাশে একটি দরজাসহ মোট ২৬টি দরজা আছে।
- ইউনেস্কো এ মসজিদটি বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র - প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৭,৮৯৮.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) পঞ্চগড়
  2. খ) মালনীছড়া
  3. গ) শ্রীমঙ্গল
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) শ্রীমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা
প্রথম চা বাগানঃ ১৮৪০ সালে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত। এই বাগানটি প্রতিষ্ঠার পরপরই বিলুপ্ত হয়ে যায়।
প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগানঃ ১৮৫৪ সালে মতান্তরে ১৮৪৭ সালে সিলেট শহরের এয়ারপোর্ট রোডের কাছে মালনীছড়া চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।
প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্রঃ ১৬ জুলাই ১৯৪৯ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে দেশের স্থাপন করা হয়।
দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্রঃ ৮ ডিসেম্বর ২০১৭ সালে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলায় উদ্বোধন করা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড এবং দৈনিক পত্রিকা।
৭,৮৯৯.
৬ষ্ঠ আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে নির্ভরশীলতার অনুপাত কত শতাংশ?
  1. ক) ৫১.৩২
  2. খ) ৫২.৬৪
  3. গ) ৫৪.১২
  4. ঘ) ৫৫.২৪
সঠিক উত্তর:
খ) ৫২.৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫২.৬৪
ব্যাখ্যা
নির্ভরশীলতার অনুপাত বলতে কর্মক্ষম জনসংখ্যার (১৫-৬৪ বছর) বিপরীতে নির্ভরশীল জনসংখ্যার (০-১৪ বছর এবং ৬৫ বছর তদূর্ধ্ব) অনুপাতকে বুঝায়।

- ৬ষ্ঠ আদমশুমারির তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে নির্ভরশীলতার অনুপাত:
- জাতীয় পর্যায়ে ৫২.৬৪
- পল্লী অঞ্চলে : ৫৬.০৯ এবং
- শহরাঞ্চলে ৪৫.৬৩।

বিভাগ অনুসারে:
- সর্বোচ্চ নির্ভরশীলতার অনুপাত : ময়মনসিংহ বিভাগে (৬০.৩৩)
- সর্বনিম্ন : ঢাকা বিভাগে (৪৬.৩২ বছর)।

(তথ্যসূত্র: ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা প্রাথমিক প্রতিবেদন, বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট)
৭,৯০০.
শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত করার যথাযথ কারণ কোনটি?
  1. অনুমোদন না থাকা
  2. শিক্ষক আন্দোলন
  3. ছাত্র আন্দোলন
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ছাত্র আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্র আন্দোলন
ব্যাখ্যা
শরীফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত করার যথাযথ কারণ হলো ছাত্র আন্দোলন।

বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন:

- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের মূলে ছিল শরিফ শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট।
- এই কমিশন গঠিত হয়েছিল আইয়ুবের সামরিক শাসন জারির পরপর, ৩০ ডিসেম্বর ১৯৫৮।
- কমিশনের প্রধান ছিলেন তৎকালীন শিক্ষাসচিব ড. এস এম শরিফ।
- এই কারণে রিপোর্টটি শরিফ কমিশন রিপোর্ট নামেই পরিচিতি পেয়েছে।
- কমিশন রিপোর্ট দাখিল করেছিল আট মাসের মাথায় ২৬ আগস্ট ১৯৫৯।

⇒ ১৯৫৯ সালের শেষ দিকে রিপোর্ট প্রকাশিত হলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
- কারণ এর কয়েকটি সুপারিশকে শিক্ষার ব্যয় বৃদ্ধি ও উচ্চশিক্ষা সংকোচনের জন্য উদ্দেশ্যমূলক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
- যেমন ডিগ্রি কোর্স দুই বছর থেকে তিন বছর করা, কলেজ পর্যায়ে বছর শেষে পরীক্ষা ও তার ফলাফলের ভিত্তিতে পরবর্তী বর্ষে উন্নীত হওয়ার শর্ত, অনার্স ও মাস্টার্স কোর্সে ভর্তির ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী পরীক্ষার ফলাফলের শর্ত।
- এগুলোকে ছাত্ররা সাধারণ পরিবারের সন্তানদের জন্য উচ্চশিক্ষার সুযোগ বন্ধ করার ষড়যন্ত্র হিসেবে আখ্যায়িত করে।
- ফলে রিপোর্টবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়।

⇒ ১৯৬২ সালে সামরিক আইন প্রত্যাহার হওয়ায় শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ব্যাপকতা লাভ করে।
- আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে ১৪৪ ধারার মধ্যে ১৭ সেপ্টেম্বর প্রদেশব্যাপী হরতাল আহবান করা হয়।
- এদিন ছাত্রদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ বাধে, পুলিশের বাধার মুখেও ছাত্রদের মিছিল এগিয়ে গেলে পুলিশ গুলি চালায়।
- এতে মোস্তফা ও বাবুল নামের দুজন ঘটনাস্থলে নিহত হন এবং পরদিন গুলিবিদ্ধ ওয়াজিউল্লাহ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।
- ছাত্র আন্দোলনের মুখে সরকার শেষ পর্যন্ত শরিফ কমিশন রিপোর্টের বাস্তবায়ন স্থগিত ঘোষণা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।