বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৭৫ / ৩০৬ · ৭,৪০১৭,৫০০ / ৩০,৮৩২

৭,৪০১.
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু নয় কোনটি?
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল
  2. সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৪৫-এর স্থলে ৫০
  3. 'বাঙালি' শব্দটির পরিবর্তে 'বাংলাদেশী'
  4. রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ গ্রহণ
সঠিক উত্তর:
'বাঙালি' শব্দটির পরিবর্তে 'বাংলাদেশী'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'বাঙালি' শব্দটির পরিবর্তে 'বাংলাদেশী'
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
• সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
• এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
• এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
•  জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
• সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে ‘গণভোটের’ বিধান বাদ দিয়েছিল।
- এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান সংযোজন করা হয়।

অন্যদিকে, 
-  'বাঙালি' শব্দটির পরিবর্তে 'বাংলাদেশী' এটি সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে গৃহীত হয়। 

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

৭,৪০২.
নিচের কোন জেলায় সরকারি রাবার বাগান রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. টাঙ্গাইল
  3. গাজীপুর
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের অধীনে দেশে বর্তমানে ১৮টি রাবার বাগান রয়েছে।
জেলা অনুসারে রাবার বাগান:
- চট্টগ্রামে : ৭টি
- টাঙ্গাইলে : ৩টি
- হবিগঞ্জে : ২টি
- মৌলভীবাজারে : ২টি
- কক্সবাজারে : ১টি
- শেরপুরে : ১টি
- ময়মনসিংহে : ১টি
- রংপুরে : ১টি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ও বণিকবার্তা)
৭,৪০৩.
মাস্টারদার প্রকৃত নামের ক্ষেত্রে কোনটি সমর্থনযোগ্য?
  1. ক) নেতাজী
  2. খ) অজয় সেন
  3. গ) সূর্যসেন
  4. ঘ) মাস্টার মশাই
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্যসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সূর্যসেন
ব্যাখ্যা
- এমন একজন দুঃসাহসী বিপ্লবী ছিলেন চট্টগ্রামের মাস্টারদা, যার আসল নাম সূর্যসেন (১৮৯৪-১৯৩৪)।
- তিনি চট্টগ্রামকে ব্রিটিশ শাসন মুক্ত করার জন্য গঠন করেন চট্টগ্রাম বিপ্লবী বাহিনী।
- পরে এই বিপ্লবী বাহিনীর নাম হয় ‘চিটাগাঙ রিপাবলিকান আর্মি’।
- এই বাহিনী একের পর এক সরকারি প্রতিষ্ঠান দখল করে, সরকারি অস্ত্রাগার লুণ্ঠন করে ‘স্বাধীন চিটাগাঙ সরকার’ গঠনের ঘোষণা দেয়।
- যুদ্ধ ঘোষণা করে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে।
- এ যুদ্ধ ছিল অসম শক্তির যুদ্ধ। ফলে গোলাবারুদ ফুরিয়ে গেলে বিপ্লবীরা পিছু হটে।
- ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দে সূর্যসেন গ্রেফতার হন।
- ১৯৩৪ খ্রিস্টাব্দে সংক্ষিপ্ত ট্রাইবুনালের বিচারে তাঁকে ফাঁসির আদেশ দেয়া হয়।
- চরম নির্যাতনের পর ১২ জানুয়ারি তাকে ফাঁসি দেয়া হয় এবং তাঁর লাশ বঙ্গোপসাগরে ভাসিয়ে দেয়া হয়।
- সূর্য সেনের বিপ্লবী বাহিনীতে নারী যোদ্ধাও ছিলেন। 
-  উল্লেখযোগ্য কল্পনা দত্ত ও প্রীতিলতা।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
৭,৪০৪.
মন্ত্রনালয়ের উপ-বিভাগের প্রধান কে?
  1. সচিব
  2. অতিরিক্ত সচিব
  3. উপসচিব
  4. সহকারী সচিব
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতিরিক্ত সচিব
ব্যাখ্যা

মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।

৭,৪০৫.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে কী নেই?
  1. বাংলাদেশের মানচিত্র
  2. ভাসমান শাপলা ফুল
  3. ৪ টি তারকা
  4. ’গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’ লেখা
সঠিক উত্তর:
ভাসমান শাপলা ফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাসমান শাপলা ফুল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রাম
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার - নিত্যানন্দ সাহা (এনএন সাহা)।
- এই মনোগ্রামে রয়েছে লাল বৃত্তের মাঝখানে হলুদ রংঙের মানচিত্র।
- বৃত্তের উপরে লেখা ’গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’, নিচে লেখা ’সরকার’ এবং বৃত্তের দুপাশে রয়েছে ২ টি করে মোট ৪ টি তারকা।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার - কামরুল হাসান।
- জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল, তার উপর ৩ টি পরস্পর সংযুক্ত পাট পত্রক এবং তার দুপাশে ২ টি করে তারকা।
- সৈয়দ মাইনুল হোসেন জাতীয় স্মৃতিসৌধের ডিজাইনার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৪০৬.
২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রথম নারী শহীদ কে?
  1. শারমিন আক্তার
  2. নাঈমা সুলতানা
  3. তানজিলা নাযিয়া
  4. তহমিনা রহমান
সঠিক উত্তর:
নাঈমা সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাঈমা সুলতানা
ব্যাখ্যা
• জুলাই গণঅভ্যুত্থান:
- ৮৪৪ জন জুলাই শহীদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে।
- এর মধ্যে ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জন নারীর নাম রয়েছে।
- শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন নারায়ণগঞ্জে ও ১ জন সাভারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।
- প্রথম নারী শহীদ নাঈমা সুলতানা।
- সময়:  ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর উত্তরার বাসার বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

 উৎস: প্রথম আলো।
৭,৪০৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেন?
  1. ৫৮ (২)
  2. ৬২ (১)
  3. ৬৪ (১)
  4. ৪৮ (১)
সঠিক উত্তর:
৬৪ (১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ (১)
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়।
- এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ। 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৪০৮.
সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন - প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. ক) নওয়াব আবদুল লতিফ
  2. খ) স্যার সৈয়দ আহমদ
  3. গ) সৈয়দ আমির আলি
  4. ঘ) নবাব স্যার সলিমুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ আমির আলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ আমির আলি
ব্যাখ্যা
১৮৭৭ সালে সৈয়দ আমির আলি কলকাতায় সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯০৬ সালে মুসলিমলীগ প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশনই ছিলো মুসলানদের একমাত্র রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান।
সৈয়দ আমির আলিই প্রথম মুসলমানদের জন্যে পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন। তিনি আজীবন সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক ছিলেন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৭,৪০৯.
'বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা' করার দাবি যুক্তফ্রন্টের কত নং দফায় অন্তর্ভূক্ত ছিল?
  1. ১ নং
  2. ২ নং
  3. ৩ নং
  4. ৪ নং
সঠিক উত্তর:
১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নং
ব্যাখ্যা

- ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ সালে গঠিত হয় যুক্তফ্রন্ট।
- যুক্তফ্রন্ট কর্তৃক নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালিত হয় ২১ দফার ভিত্তিতে।
- ২১ দফার অন্যতম রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- ২১ দফার প্রথম দফাটি ছিল বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৭,৪১০.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা কমিশন
  4. জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)

ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।

৭,৪১১.
সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে যে জেলায় -
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০টি আসন নিয়ে গঠিত।
- ৩০০টি আসন থেকে সরাসরি ভোটের মাধ্যমে সদস্য নির্বাচিত হয়। অবশিষ্ট ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

অন্যদিকে -
- চট্টগ্রাম জেলায় সংসদীয় আসন ১৬টি।
- কুমিল্লা জেলায় সংসদীয় আসন ১১টি।
- ময়মনসিংহ জেলায় সংসদীয় আসন ১১টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৪১২.
’নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা’ প্রবর্তন করা হয় সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে? 
  1. দ্বাদশ সংশোধনী 
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- সংবিধানের ৫৮ অনুচ্ছেদে খ, গ এবং ঘ ধারা সংযোজনের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- এই সংশোধনী মোতাবেক, একজন প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে অনধিক ১০ জন উপদেষ্টার দ্বারা নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলা হয়।
- ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ এ সংশোধনী জাতীয় সংসদে পাস হয়।

উল্লেখ্য
- দ্বাদশ সংশোধনী: রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকারব্যবস্থার পরিবর্তে সংসদীয় সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তন হয়। এবং উপরাষ্ট্রপতির পদ বিলুপ্ত করা হয়।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- চতুর্দশ সংশোধনী: মহিলাদের জন্য জাতীয় সংসদে ৪৫টি আসন সংরক্ষণ করা হয়।

উৎস:বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৭,৪১৩.
Who was the last Chief Minister of undivided Bengal?
  1. Husen Shahid Suhrawardy
  2. Khaja Nazim Uddin
  3. Abul Hashem
  4. A. K. Fazlul Haque
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
Husen Shahid Suhrawardy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Husen Shahid Suhrawardy
ব্যাখ্যা
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

অন্যদিকে,
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৪১৪.
In Bangladesh, which country assists in Rooppur Nuclear Power Plant?
  1. ক) Russia
  2. খ) India
  3. গ) China
  4. ঘ) France
সঠিক উত্তর:
ক) Russia
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Russia
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে ১৩ মে ২০০৯ তারিখে একটি ‘পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার’ বিষয়ক একটি ‘সমঝোতা স্বাক্ষর’, ২১ মে ২০১০  তারিখে ‘Framework Agreement’ স্বাক্ষর  এবং ০২ নভেম্বর ২০১১ তারিখে  রূপপুরে প্রতিটি আনুমানিক ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা সম্পন্ন দু’ ইউনিট বিশিষ্ট পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

Source: rooppurnpp.gov.bd
৭,৪১৫.
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম শত্রুমুক্ত জেলা কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. যশোর
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ ও যশোর জেলাঃ
- ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণপণ লড়াইয়ে দেশের সর্বপ্রথম শত্রু মুক্ত হয় যশোর জেলা।
- ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠর মধ্যে ২-জনই বৃহত্তর যশোর জেলার কৃতি সন্তান।
- এরা হলো বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ও বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সেপাহী হামিদুর রহমান।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যশোরই হল প্রথম শত্রু মুক্ত জেলা।

উল্লেখ্য,
- সর্বশেষ শত্রু মুক্ত হয় ঢাকা জেলা।

উৎস: যশোর জেলার ওয়েবসাইট।

৭,৪১৬.
উত্তরাঞ্চলে 'মঙ্গার ধান' বলে পরিচিত -
  1. ক) ব্রি-৩৩
  2. খ) বি আর-২৮
  3. গ) স্বর্ণা
  4. ঘ) বি আর-২২
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রি-৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রি-৩৩
ব্যাখ্যা
ব্রি-৩৩ আমন মৌসুমের ধান। ১৯৯৭ সালে এ জাতের উদ্ভাবন হয়। হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৪.৫ টন। জীবনকাল ১১৮ দিন। মঙ্গা এলাকায় এ ধান বেশ জনপ্রিয়। (রেফারেন্সঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৭,৪১৭.
জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫ পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি কত তম?
  1. ক) ৫ম
  2. খ) ৬ষ্ঠ
  3. গ) ৭ম
  4. ঘ) ৮ম
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ম
ব্যাখ্যা
- জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫ পর্যন্ত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাটি দেশের ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা।
- বিশ্বে পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ধারণা প্রবর্তন করেন রাশিয়া সাবেক প্রেসিডেন্ট জোসেফ স্টালিন।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) কর্তৃক ২৯ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে অনুমোদিত করা হয়। 

উৎস: (পরিকল্পনা কমিশন)।
৭,৪১৮.
দক্ষিণ এশিয়ার কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ই-পাসপোর্ট চালু হয়?
  1. দ্বিতীয়
  2. প্রথম 
  3. তৃতীয়
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
প্রথম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম 
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ এশিয়ায় প্রথম এবং বিশ্বে ১১৯তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে।

⇒ ই-পাসপোর্ট হলো একটি বায়োমেট্রিক পাসপোর্ট, যাতে একটি এমবেডেড ইলেকট্রনিক চিপ রয়েছে। এ চিপের মধ্যে রয়েছে বায়োমেট্রিক তথ্য, যা পাসপোর্টধারীর পরিচয় প্রমাণের জন্য ব্যবহার করা হয়। এতে মাইক্রোপ্রসেসর বা চিপ এবং অ্যান্টেনাসহ স্মার্টকার্ড প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। পাসপোর্টের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চিপে সংরক্ষণ করা হয়। ই-পাসপোর্টে যেসব বায়োমেট্রিক তথ্য নেয়া হয় সেসব হলো—ছবি, আঙ্গুলের ছাপ (ফিঙ্গারপ্রিন্ট) ও আইরিশ। ইলেকট্রনিক বর্ডার কন্ট্রোল ব্যবস্থা (ই-বর্ডার) দিয়ে পাসপোর্ট চিপের বাইরের বায়োমেট্রিক বৈশিষ্ট্যগুলোর তুলনামূলক যাচাই করা হয়। পাবলিক কি ইনফ্রাষ্ট্রাকচােরর (পিকেআই) মাধ্যমে পাসপোর্ট চিপে থাকা তথ্য যাচাই করা হয়। 

উৎস: প্রথম আলো।

৭,৪১৯.
জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড কত সালে সংঘটিত হয়? 
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯১৬ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯২১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১৯ সালে
ব্যাখ্যা

জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড:
- ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের অমৃতসরের জালিয়ানওয়ালাবাগে হত্যাযজ্ঞটি সংঘটিত হয়েছিল ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল।
- ব্রিটিশ সরকারের সামরিক কর্মকর্তা জেনারেল রেগিনাল্ড ডায়ারের নির্দেশে নিরস্ত্র নারী-পুরুষ ও শিশুদের এক সমাবেশে শত শত রাউন্ড গুলিবর্ষণ করেছিল।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে তার ‘নাইটহুড উপাধি’ বর্জন করেছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ইংরেজদের সুবিধা করে দিতে ১৯১৯ সালের ১০ মার্চ বলবৎ করা হয় কুখ্যাত ‘রাওলাট অ্যাক্ট’।
- এমনই এক সময়ে ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের অমৃতসর শহরে ডাকা হলো এক প্রতিবাদসভা।
- সেদিন আবার ছিল পাঞ্জাবের অন্যতম বৃহৎ উৎসব বৈশাখীরও দিন।
- তখন পাঞ্জাবে জনসমাবেশ নিষিদ্ধ হলেও সাতসকালেই উদ্যান ভরে গেল উৎসাহী ক্রোধতপ্ত মানুষে।
- ইংরেজ সেনাবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত জেনারেল রেগিনাল্ড ডায়ারের নির্দেশে মুহূর্তেই গুলি ছুটল প্রতিবাদী জনসমষ্টির দিকে।
- এতে মারা যায় অসংখ্য মানুষ।

উৎস: i) বিবিসি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৭,৪২০.
২০২৬ সালের গণভোটে ব্যবহৃত ব্যালটের রঙ কী হবে? 
  1. সাদা
  2. গোলাপি
  3. হলুদ
  4. নীল 
সঠিক উত্তর:
গোলাপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাপি
ব্যাখ্যা

• গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
- গণভোটের ব্যালট জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট থেকে আলাদা এবং ভিন্ন রঙের হবে।
 - জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।
- এছাড়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গণভোটেও প্রবাসীসহ চার শ্রেণির নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। 

তথ্যসূত্র: বিবিসি।  

৭,৪২১.
জাতীয় সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. স্পীকার
  2. ডেপুটি স্পীকার
  3. চিফ হুইপ
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- স্পীকার সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
- স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর মর্যাদা সংরক্ষণ করা।
- স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়।
- সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,৪২২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সর্বাধিনায়কতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৮
  2. অনুচ্ছেদ ৫৯
  3. অনুচ্ছেদ ৬০
  4. অনুচ্ছেদ ৬১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৪৯ - ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৬১ - সর্বাধিনায়কতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৭,৪২৩.
বাজেট মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ
  2. অর্থ বিভাগ
  3. কেন্দ্রীয় ব্যাংক
  4. পরিকল্পনা কমিশন
সঠিক উত্তর:
অর্থ বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ বিভাগ
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট:
- বাজেট (সরকারি) একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের ব্যয় ও রাজস্বসমূহের একটি পূর্বাভাষ।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে একটি অর্থবৎসর, যা একটি বৎসরের ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বৎসরের ৩০ জুন পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সরকারি বাজেটে কর ও মুদ্রাসংক্রান্ত কার্যক্রমের মাধ্যমে সরকারি অর্থের আহরণ, আবণ্টন ও বিতরণ করা হয়।
- বাজেট দলিল চূড়ান্তকরণের সকল স্তরে অর্থাৎ সংগ্রহ, মন্ত্রণালয়ে পেশের পর পরীক্ষা ও সংসদে পাস হওয়া থেকে তার চূড়ান্ত প্রকাশ পর্যন্ত, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থবিভাগ।
- অর্থবিভাগের বাজেট উইং ও উন্নয়ন উইং যথাক্রমে রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেটের তদারকি করে এবং অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ কর ব্যবস্থার প্রস্তাবসমূহ প্রস্ত্তত করে।
- অর্থমন্ত্রী জুন মাসে সংসদে বাজেট পেশ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,৪২৪.
বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভায় কতজন নারী সদস্য রয়েছে?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৬ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা

বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভা:
- বর্তমান সরকারের মন্ত্রীসভায় ৩ জন নারী সদস্য রয়েছে।

• বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ জনের নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়। এর মধ্যে ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী আর ২৪ জন প্রতিমন্ত্রী রয়েছে।
- তাদের মধ্যে মানিকগঞ্জ-৩ (সদর ও সাটুরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আফরোজা খানম রিতা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন।
- ফরিদপুর-২ আসনের এমপি শামা ওবায়েদ পেয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। 
- নাটোর–১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসনের এমপি ফারজানা শারমিন পুতুলকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। 

উৎস: প্রথম আলো। 

৭,৪২৫.
বল্লাল সেন কার পুত্র ছিলেন?
  1. বিজয় সেন
  2. হেমন্ত সেন
  3. লক্ষ্মণ সেন
  4. গোবিন্দপাল
সঠিক উত্তর:
বিজয় সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয় সেন
ব্যাখ্যা
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর বল্লাল সেন আনুমানিক ১১৬০ সালে সিংহাসনে বসেন।

বল্লাল সেন:
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর আনুমানিক ১১৬০ সালে তার পুত্র বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি রাজ্য জয়ের চেয়ে দেশের ভেতরে উন্নয়ন, নতুন প্রথা চালু ও সংস্কারের কাজে অধিকতর মনোযোগী ছিলেন।
- তবে তিনি গোবিন্দপালকে পরাজিত করে মগধের পূর্বাঞ্চল অধিকার করেন।
- কথিত আছে যে, বল্লাল সেন তাঁর পিতার রাজত্বকালে মিথিলা জয় করেন।
- বল্লাল সেন বিদ্যান ও বিদ্যোৎসাহী রাজা ছিলেন।
- তিনি ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর নামে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪২৬.
দুদক হটলাইনের মাধ্যমে দুর্নীতি সংক্রান্ত তথ্য জানানোর নম্বর কোনটি?  
  1. ১০৬
  2. ১০৩
  3. ১১১
  4. ১০৮
সঠিক উত্তর:
১০৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৬
ব্যাখ্যা

- দুর্নীতি ও অনিয়মের তথ্য সরাসরি জানাতে এখন থেকে চালু হলো দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) হটলাইন ‘১০৬’।
- বিনা খরচে এবং যে কোন মোবাইল বা টেলিফোন থেকে এই নাম্বারে কল করে দুদককে দুর্নীতির তথ্য, অভিযোগ জানানো যাবে।
- অফিস চলাকালীন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত এই নম্বরে ফ্রি কল করে দুর্নীতির তথ্য জানানো যাবে।

• বিভিন্ন সেবায় হটলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস। 
- ১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার।
- ১৬৪৩০: সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার। 
- ১৬১২৩: কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন। 
- ১০৯: নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে কল সেন্টার।
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১৬২৬৩: বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য কল সেন্টার। 
- ১৬১০৮: মানবাধিকার সহায়ক কল সেন্টার। 
- ১৬২৫৬: আপনার ইউনিয়নের সকল তথ্য জানতে কল করুন ইউনিয়ন সহায়তামুলক কল সেন্টারে।
- ১৩১: বাংলাদেশ রেলওয়ে কল সেন্টার। 
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭,৪২৭.
“শাসনতন্ত্র হল এমন কতগুলো আইন বা প্রথার সমষ্টি যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালিত হয়”- সংবিধানের এই সংজ্ঞাটি কে দিয়েছেন?
  1. ক) এ্যারিস্টটল
  2. খ) কে সি হোয়ার
  3. গ) লর্ড ব্রাইস
  4. ঘ) কাল মার্কস
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড ব্রাইস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লর্ড ব্রাইস
ব্যাখ্যা
- মানবকল্যাণের নিমিত্ত প্রতিষ্ঠিত সর্বোত্তম ব্যবস্থা হল রাষ্ট্র।
- সাধারণত সরকার বলতে শাসন বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগকে বোঝায়।
- সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্রের শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।
- রাষ্ট্রবিজ্ঞানের জনক এ্যারিস্টটল বলেন, সংবিধান হল এমন এক জীবন পদ্ধতি, যা রাষ্ট্র স্বয়ং বেছে নিয়েছে।
- সংবিধানকে রাষ্ট্রের চালিকা শক্তি বলা হয়।
- লর্ড ব্রাইস বলেন, “শাসনতন্ত্র হল এমন কতগুলো আইন বা প্রথার সমষ্টি যার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় জীবন পরিচালিত হয়
- কে. সি. হোয়ার বলেন, “কোন দেশের শাসন ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণকারী সমস্ত লিখিত ও অলিখিত নিয়ম-কানুনকে বোঝাবার জন্য সংবিধান শব্দটি ব্যবহৃত হয়।”
- সংবিধান অনুযায়ী সরকার রাষ্ট্র পরিচালনা করে। তাই সংবিধানকে এড়িয়ে কোন কাজ করার ক্ষমতা সরকারের থাকে না।
- তাই সংবিধানকে রাষ্ট্রের চালিকা শক্তি বলা হয়। 

উৎস:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪২৮.
আলুটিলা গুহা কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙ্গামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
আলুটিলা গুহা: 
- খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলায় আলুটিলার সবচেয়ে আকষীয় স্থান হচ্ছে পাহাড়ের পাদদেশে রহস্যময় এক গুহা।
- প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি বিশাল ওই গুহাটি পাহাড়কে একপাশ থেকে অন্য পাশ পযন্ত ভেদ করেছে।
- ঘুটঘুটে অন্ধকার এই গুহার ওপর থেকে ঝিরঝির করে পড়ে পানি।
- গুহার ভিতর ঢুকতে হলে মশাল জ্বালিয়ে যেতে হয়।
- পর্যটন কেন্দ্রেই ৫ থেকে ১০ টাকা দিয়ে পাওয়া যায় মশাল।
- গা ছমছম করা অনুভূতি নিয়ে পাহাড়ি সুরঙ্গ পথ বেয়ে নামতে নামতে মনে হবে আপনি যেন পাতালে চলে যাচ্ছেন।
- পাহাড়ের পাদদেশ থেকে গুহার মুখ পযন্ত যেতে এক সময় দর্শনাথীদের অনেক কষ্ট করতে হতো।
- তবে জেলা পরিষদ সেখানে পাকা সিঁড়ি নির্মাণ করায় এখন পাহাড়ের চূড়া থেকে ২৬৬ টি সিড়ি বেয়ে চলে যাওয়া যায় নিচে।
- আলুটিলা সুরঙ্গের দৈঘ্য প্রায় ২৮২ ফুট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৪২৯.
বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে গর্ভপাতকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয় কোন দেশ?
  1. ফ্রান্স
  2. সুইডেন
  3. জার্মানি
  4. পেরু
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
• গর্ভপাতকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি:
→ বিশ্বের প্রথম কোনো দেশ হিসেবে নারীদের স্বেচ্ছা গর্ভপাতের অধিকারকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেয় - ফ্রান্স।
→ দেশটির পার্লামেন্টের উভয়পক্ষের আইনপ্রণেতারা এই পদক্ষেপকে বৈধতা দিতে ভোট দিয়েছেন। এর পক্ষে ভোট পড়েছে ৭৮০,  বিপক্ষে পড়েছে ৭২টি যা এই পদক্ষেপকে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দিতে যথেষ্ট।
→ এই পদক্ষেপকে ফ্রান্সের জন্য ঐতিহাসিক হিসেবে উল্লেখ করেছেন দেশটির আইনপ্রণেতারা। 

তথ্যসূত্র: ইত্তেফাক ও আল জাজিরা।
৭,৪৩০.
কলেরা রোগ নিরাময়ে কোন আন্তর্জাতিক সংস্থা কাজ করছে?
  1. ক) UNICEF
  2. খ) ICDDR,B
  3. গ) FAO
  4. ঘ) WHO
সঠিক উত্তর:
খ) ICDDR,B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ICDDR,B
ব্যাখ্যা
• কলেরা রােগ নিরাময়ের জন্য কাজ করছে ICDDR,B (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh) এর প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৬০।

এছাড়াও ,
• WHO (World Health Organization) প্রতিষ্ঠিত হয়- ৭ এপ্রিল, ১৯৪৮।
- সদরদপ্তর- জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
•  FAO (Food and Agricultural Organization) গঠিত হয় ১৯৪৫ সালে, সদরদপ্তর- রােম।
• UNICEF (United Nations Children's Fund) প্রতিষ্ঠিত হয়- ১১ ডিসেম্বর, ১৯৪৬ সালে।
- সদরদপ্তর- নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
৭,৪৩১.
কোন স্থলবন্দরে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পতাকা স্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. আখাউড়া
  2. বেনাপোল
  3. বাংলাবান্ধা
  4. বুড়িমারী
সঠিক উত্তর:
বাংলাবান্ধা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাবান্ধা
ব্যাখ্যা

সর্বোচ্চ পতাকা স্ট্যান্ড:
-দেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলার বাংলাবান্ধা সীমান্তে দেশের সর্বোচ্চ পতাকাস্ট্যান্ড নির্মাণ করা হয়েছে।
-
৪ নভেম্বর, ২০২৫ এই পতাকাস্ট্যান্ডের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- ৩০ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১৮ ফুট প্রস্থের পতাকা তৈরি করে ১১৭ ফুট উচ্চতায় উত্তোলন করা হয়।
- স্থলবন্দর কার্যালয় ও ভারতীয় সীমান্তরেখার মধ্যখানে ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ডটি নির্মাণ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৭,৪৩২.
সংবিধানের কোন অংশগুলো সংশোধনের অযোগ্য?
  1. প্রস্তাবনা
  2. জাতীয় সংগীত
  3. নাগরিকত্ব
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের সংশোধন অযোগ্য: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে।
এতে বলা হয়:
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা,
- প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ: (অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব, অনুচ্ছেদ ০৪ : জাতীয় সঙ্গীত)
- দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হবে।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৭,৪৩৩.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয় -
  1. ক) ২০০০ সনের ২৩ অক্টোবর
  2. খ) ২০০১ সনের ২৪ অক্টোবর
  3. গ) ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর
  4. ঘ) ২০০১ সনের ২৫ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পরিচিতি
২০০১ সনের ২৩ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠিত হয়;
• সর্বপ্রথম বর্তমান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ভবনে ৩ টি কক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম আরম্ভ হয়;
• মন্ত্রণালয়ের কাজের গুরুত্ব বৃদ্ধি পাওয়ায় মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের নিমিত্ত ও মুক্তিযোদ্ধা এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের নির্বিঘ্নে সেবা প্রদানের সুবিধার্থে ২০০২ সালে বিআরটিবি ভবন,এলেনবাড়ী, তেজগাঁও-এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় স্থানান্তরিত হয়;
• পরবর্তীতে কাজের কলেবর ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমান ঠিকানা সচিবালয় লিংক রোড, ঢাকার সরকারি পরিবহন পুলভবনের ৬ষ্ঠ ও ৭ম তলায় গত ১০/১০/২০০৬ তারিখ হতে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে।

সূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৭,৪৩৪.
ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রথম শহীদ বিপ্লবী নারী কে ছিলেন?
  1. লীলা নাগ
  2. প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
  3. মনোরমা নাসিমা
  4. কল্পনা দত্ত
সঠিক উত্তর:
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
ব্যাখ্যা
প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার:
- ভারতের ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নারী মুক্তিযোদ্ধা এবং প্রথম শহীদ বিপ্লবী নারী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার।
- ১৯১১ সালের ৫ মে চট্টগ্রামের বর্তমান পটিয়া উপজেলার ধলঘাট গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ইডেন কলেজে ছাত্রী থাকাকালে প্রীতিলতা লীলা নাগের নেতৃত্বাধীন দীপালি সংঘের অন্তর্ভুক্ত শ্রীসংঘের সদস্য ছিলেন।
- ১৯৩০ সালে সমগ্র বাংলা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিপ্লবী হয়ে ওঠে।
- প্রথম মহিলা সদস্য হিসেবে প্রীতিলতা যোগ দেন সূর্যসেনের নেতৃত্বাধীন বিপ্লবী দলের সঙ্গে।
- ১৯৩২ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণে প্রীতিলতার ছিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
- প্রীতিলতার নেতৃত্বে বিপ্লবীরা ইউরোপিয়ান ক্লাব আক্রমণ করে।
- ওই সময়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হলে তাত্ক্ষণিকভাবে পটাসিয়াম সায়ানাইড খেয়ে আত্মাহুতি দেন।
- তাঁর আত্মদান বিপ্লবীদের সশস্ত্র সংগ্রামে আরো উজ্জীবিত করে তোলে।
- পাহাড়তলীর ইউরোপিয়ান ক্লাবটি এখন ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা জাদুঘর’ নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
লীলা নাগ:
- লীলা নাগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী।
- তিনি একজন সক্রিয় বিপ্লবী ও আন্দোলনকারী। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৩৫.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ করা হয়?
  1. বান্দরবান
  2. বরিশাল
  3. খুলনা
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
জুম চাষ:
- পাহাড়ের ঢালে বন উজাড় করে ও তা আগুনে পুড়িয়ে জমিকে চাষের উপযোগী করার মাধ্যমে যে চাষাবাদ করা হয় তারই নাম জুম চাষ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় প্রায় ৫,৪৮০ বর্গকিলোমিটার বনভূমির সিংহভাগেই জুম চাষ করা হয়।
- তিন পার্বত্য জেলা হচ্ছে- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি।
- তিন পার্বত্য জেলায় ৩৫ হাজারেরও বেশি জুমিয়া পরিবার এই জুম চাষের সঙ্গে জড়িত।
- জুম চাষের জন্য পাহাড়ের গাছপালা পোড়ানো হয়।
- জুম চাষকে চাকমা ভাষায় জুম, মারমা ভাষায় ইয়াঁ, ত্রিপুরা ভাষায় হুগ, ম্রো ভাষায় উঃঅ, খিয়াং ভাষায় লাই, বম ভাষায় লাও বলা হয়।
- ভারী বৃষ্টির পর পাহাড়ের মাটি খুঁড়ে রোপণ করা হয় বিভিন্ন ফসল।
- জুমের ফসলের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নানাজাতের ধান, কুমড়া, অড়হড়, শিম, শশা, করলা, ঢেঁড়শ, তিল, ভুট্টা, আদা, যব, তুলা, হলুদ, পাহাড়ি আলু, কচু, ইত্যাদি।

উৎস: DW বাংলা। 
৭,৪৩৬.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্যে খেতাবপ্রাপ্ত ডব্লিউ এস ওডারল্যান্ড কোন দেশের নাগরিক?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) সুইডেন
  3. গ) স্কটল্যান্ড
  4. ঘ) অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
একজন বিদেশি হয়েও ডব্লিউ এস ওডারল্যান্ড বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। তবে তার জন্ম নেদারল্যান্ডসে। ১৯৭১ সালে ঢাকা বাটা সু কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন। অসীম সাহসিকতার জন্যে বাংলাদেশ সরকার তাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করে। তিনি ২০০১ সালে মারা যান। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৭,৪৩৭.
বাংলাদেশে মোট কয়টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

আদমশুমারি:
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

৭,৪৩৮.
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসন পায়?
  1. ক) ২৩৭টি
  2. খ) ২২৩টি
  3. গ) ১৪৩টি
  4. ঘ) ১৬৯টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩টি
ব্যাখ্যা

• ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রাপ্ত আসন ২২৩টি।
- যার মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৪৩ টি আসনে জয়ী।
- কৃষক শ্রমিক পার্টি ৪৮টি আসনে জয়ী।
- নেজামে ইসলাম ১৯টি আসনে জয়ী।
- গণতন্ত্রী পার্টি ১৩টি আসনে জয়ী হয়।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৭,৪৩৯.
'বিআর ৫' জাতের ধানের বৈশিষ্ট্য নিচের কোনটি?
  1. জলমগ্নতা সহিষ্ণু
  2. এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
  3. খরা সহিষ্ণু
  4. জিংক সমৃদ্ধ
সঠিক উত্তর:
এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৭,৪৪০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে রচিত যাত্রাপালার নাম কি?
  1. নিঃসঙ্গ সঙ্গিনী
  2. নিঃসঙ্গ লড়াই
  3. নিঃসঙ্গ রাত
  4. নিঃসঙ্গ রাত্রিবাস
সঠিক উত্তর:
নিঃসঙ্গ লড়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিঃসঙ্গ লড়াই
ব্যাখ্যা
যাত্রাপালা ‘নিঃসঙ্গ লড়াই’:

- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে তৈরি হয়েছে যাত্রাপালা ‘নিঃসঙ্গ লড়াই’।
- পাকিস্তানের লায়ালপুর জেলখানার বন্দি থাকা অবস্থায় তার জীবনীভিত্তিক কাহিনী নিয়েই গড়ে উঠেছে যাত্রাপালাটি।
- এর পালাকার মাসুম রেজা। নির্দেশনা দিয়েছেন সাইদুর রহমান লিপন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগ যাত্রাপালাটির ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে রয়েছে।
- পালাটি পরিচালনা করছে সাইদুর রহমান লিপন।
- বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করবেন মিঠুন ইসলাম। ইয়াহিয়া চরিত্রে এস এম শফি, জুলফিকার আলী ভুট্টোর চরিত্রে আফসারুজ্জামান রনি অভিনয় করেছেন।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইনকিলাব, ৯ জানুয়ারি, ২০২২।
৭,৪৪১.
প্রথম তৈরি শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন কে?
  1. ক) শফিউর রহমান
  2. খ) আবুল কাশেম
  3. গ) মাহবুবুর রহমান
  4. ঘ) হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) মাহবুবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাহবুবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ-পূর্ব পাশে প্রথম শহিদ মিনার নির্মিত হয়।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান অনানুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন। ঐ দিন বিকেলবেলা পুলিশ এটি ভেঙে ফেলে।
- এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৪২.
আলীগড় আন্দোলনের প্রবক্তা কে?
  1. সৈয়দ আহমদ খান 
  2. এ.কে. ফজলুল হক
  3. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. স্যার সলিমুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আহমদ খান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আহমদ খান 
ব্যাখ্যা

আলীগড় আন্দোলন:
- ১৮৭৫ সালে সৈয়দ আহমদ খান আলীগড়ে 'মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল' প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৭৭ সালে এটি কলেজে উন্নীত হয়।
- এ কলেজ প্রতিষ্ঠার পর আলীগড় ভারতীয় মুসলমানদের ধর্মীয়, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়।
- সৈয়দ আহমদ খান এ আলীগড় কলেজকে কেন্দ্র করে অধঃপতিত অবস্থা থেকে মুসলমানদের পুনরুদ্ধার ও তাদের পুনর্জাগরণের জন্য একটি আন্দোলন পরিচালনা করেন।
- ইতিহাসে এটিই 'আলীগড় আন্দোলন' নামে প্রসিদ্ধ।
- এ আন্দোলন মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক ভাবধারা ও চিন্তা-চেতনা জাগ্রত করে।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৪৩.
১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল প্রণয়ন করা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল কী নামে পরিচিত হয়?
  1. মালনীছড়া রণকৌশল
  2. তেলিয়াপাড়া রণকৌশল
  3. মুজিবনগর রণকৌশল
  4. বৈদ্যনাথপাড়া রণকৌশল
সঠিক উত্তর:
তেলিয়াপাড়া রণকৌশল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেলিয়াপাড়া রণকৌশল
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া রণকৌশল:
- ১৯৭১ সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া রণকৌশল নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- তেলিয়াপাড়াকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্নিসাক্ষী হিসেবে পরিচিত করার মূল ভূমিকা পালন করেন ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গলের অধিনায়ক মেজর খালেদ মোশাররফ।
- ২৭ মার্চ মেজর শাফায়াত জামিলের নেতৃত্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিদ্রোহ শুরু হয়, যেখানে কয়েকজন পাক সেনা অফিসার বন্দী হন।
- এরপর মেজর খালেদ মোশাররফ অধিনায়কত্ব গ্রহণ করেন এবং বিদ্রোহের সংবাদ ছড়িয়ে দেন।
- ২৮ মার্চ সম্ভাব্য বিমান হামলা এড়াতে ৪র্থ ইস্ট বেঙ্গলের সদর দপ্তর তেলিয়াপাড়া চা বাগানে স্থানান্তরিত হয়।
- ৪ এপ্রিল এখানে বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তাদের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- ভারতীয় বিএসএফ-এর ব্রিগেডিয়ার ভি সি পান্ডে এবং আগরতলার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ওমেস সায়গলসহ বাংলাদেশের বিদ্রোহী সেনা কর্মকর্তা ও কর্নেল ওসমানী এই সভায় উপস্থিত ছিলেন।
- এ সভার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক পরিকল্পনা গৃহীত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৪৪৪.
স্বর্ণা সারের উদ্ভাবক কে?
  1. ড. মাকসুদুল আলম
  2. ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক
  3. ইসমাইল হোসেন খান
  4. ড. মোবারক আহমেদ খান
সঠিক উত্তর:
ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক
ব্যাখ্যা
স্বর্ণা সার:
- স্বর্ণা এক প্রকার জৈব সার।
- ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক এই সার আবিষ্কার করেন।
- এর বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার।

উল্লেখ্য,
- ক্যাসিকাল ও জীববিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ড. খালেক-এর রয়েছে পনরটি পেটেন্ট করা আবিষ্কার।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রাণরসায়ন-এ পড়ালেখা শেষ করে তিনি লণ্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৭৪ এ পিএইচডি করেন ‘ইমিউনোএনজাইমোলজি’ (Immunoenzymology)-র ওপর।
- এরপর তিনি শিক্ষকতা করেন যুক্তরাজ্যের রয়েল হলওয়ে কলেজে।
- এই বিজ্ঞানীর প্রথম আবিষ্কার ‘ফাইটোহরমোন ইনডিউসার’ (Phytohormone Inducer)।
- ’স্বর্ণা’ নামের বহুল পরিচিত এই ‘জৈবসার’-টি পেটেন্ট করা হয় ১৯৯৩ সালে।

অন্যদিকে,
- পাট থেকে সবুজ চা উদ্ভাবন করেন ইসমাইল হোসেন খান।
- ড. মোবারক আহমেদ খান ২০০৮ সালে পাট থেকে ঢেউটিন তৈরির পদ্ধতি আবিষ্কার করেন। 
- পাটের জিনোম আবিষ্কার করেন ড. মাকসুদুল আলম।

উৎস: মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
৭,৪৪৫.
Who was the first Prime Minister of the Provisional Government of Bangladesh?
  1. ক) Sheikh Mojibur Rahman
  2. খ) Tajuddin Chowdhury
  3. গ) Nazrul Islam
  4. ঘ) Tajuddin Ahmed
সঠিক উত্তর:
ঘ) Tajuddin Ahmed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Tajuddin Ahmed
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ।
- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিব নগর সরকার গঠিত হয় -  ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে।
- সরকার শপথ গ্রহন করে ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
- শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যপক ইউসুফ আলী।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করা হয়।
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৪৬.
২০২২-২৩ অর্থবছরে কয় লক্ষ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর করহার শূন্য?
  1. ক) ৩,৫০,০০০ টাকা
  2. খ) ২,৫০,০০০ টাকা
  3. গ) ৩,৭৫,০০০ টাকা
  4. ঘ) ৩,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রথম ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর করহার - শূন্য
পরবর্তী ১,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর করহার ৫%

পরবর্তী ৩,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর করহার - ১০%
পরবর্তী ৪,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর করহার - ১৫%

পরবর্তী ৫,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত মোট আয়ের উপর - ২০%
অবশিষ্ট মোট আয়ের উপর করহার - ২৫%
 
উৎস : এনবিআর ওয়েবসাইট
৭,৪৪৭.
কত তারিখে 'ছয়দফা দিবস' পালিত হয়?
  1. ক) ৭ জুন
  2. খ) ১৩ মার্চ
  3. গ) ১৮ জুন
  4. ঘ) ১২ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৭ জুন
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলসমূহের সম্মেলেনে বঙ্গবন্ধু পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন সংবলিত ছয় দফা দাবি উত্থাপন করেন।
- পরবর্তীতে ১৮-২০ মার্চ ১৯৬৬ আওয়ামীলীগের কার্যকরী কমিটির সভায় ৬ দফা গৃহিত হয়। পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
- ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়।
- এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
- ছয় দফাকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয়।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেনি।
৭,৪৪৮.
নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বসবাস করে না?
  1. মুন্ডা
  2. মাসাই
  3. কুকি
  4. মাহাতো
সঠিক উত্তর:
মাসাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাসাই
ব্যাখ্যা
• ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী:
- কেনিয়া ও তানজানিয়ার সীমান্তে বসবাসকারী উপজাতি - মাসাই।
- মুন্ডা, কুকি, মাহাতো ও খিয়াং নৃগোষ্ঠীসহ বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে।

এছাড়াও,
- রাজবংশী উপজাতির বসবাস রংপুর।
- বাংলাদেশে মনিপুরী, খাসিয়া উপজাতি বাস করে সিলেট অঞ্চলে।
- রাঙ্গামাটিতে বাস করে চাকমা, মারমা, তনচংগা সহ বেশ কয়েকটি উপজাতির অংশবিশেষ।
- গারো ও হাজংদের বসবাস ময়মনসিংহ অঞ্চলে।
- রাখাইন উপজাতিরা বসবাস করে পটুয়াখালীতে।
- সাওতাল - রাজশাহী, রংপুর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ব্রিটানিকা।
৭,৪৪৯.
ভারতবর্ষে ইউরোপীয়দের মধ্যে প্রথম দুর্গ স্থাপন করেন -
  1. ফরাসীরা
  2. দিনেমাররা
  3. ওলন্দাজরা
  4. পর্তুগিজরা
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজরা
ব্যাখ্যা
পর্তুগিজ
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- কলম্বাস বিখ্যাত ইতালীয় নাবিক ছিলেন।
- পর্তুগিজরা বাংলাদেশের চট্টগ্রামেও বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং কুঠিগুলোকে দুর্গে পরিণত করে।
- পর্তুগিজরাই প্রথম ইউরোপীয় যাঁরা ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য কাজে এদেশে সুদূরপ্রসারী ও স্থায়ী প্রভাব রেখে গেছে।
- ভারতে প্রথম ইউরোপীয় দুর্গগুলির মধ্যে, ফোর্ট ইমানুয়েল ১৫০৩ সালে পর্তুগিজদের দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।
- ফোর্ট কোচিতে অবস্থিত।
- এটি একসময় কোচির শাসক এবং পর্তুগালের রাজার মধ্যে জোটের প্রতীক ছিল।
- সৈকত বরাবর একটি আকর্ষণীয় কাঠামো, এটি একটি আকর্ষণীয় অনুসন্ধানের জন্য তৈরি করে।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ফোর্ট ইমানুয়েল, অবিশ্বাস্য ভারত।
৭,৪৫০.
বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের GDP'র প্রবৃদ্ধি -
  1. ক) ৫.১%
  2. খ) ৩.৬%
  3. গ) ৫%
  4. ঘ) ৭.২%
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.৬%
ব্যাখ্যা
- বিশ্বব্যাংক GDP'র প্রবৃদ্ধি প্রকাশ করে - ৩১ মার্চ ২০২১। 
- প্রতিবেদনের শিরোনাম হলো সাউথ এশিয়া ইকোনমিক ফোকাস স্প্রিং ২০২১: সাউথ এশিয়া ভ্যাকসিনেটস
- প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে  ২০২০-২১ অর্থ বছরে ৩.৬ %  এবং ২০২১-২২ অর্থ বছরে  প্রবৃদ্ধি  ৫.১ %
৭,৪৫১.
বাংলাদেশের জাতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন কে?
  1. শারমিন আখতার
  2. নিগার সুলতানা জ্যোতি
  3. নাহিদা আখতার
  4. ফারজানা হক
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নিগার সুলতানা জ্যোতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিগার সুলতানা জ্যোতি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্বারা পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেট দল।
- এটি বাংলাদেশকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করে।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দলের বর্তমান অধিনায়ক নিগার সুলতানা জ্যোতি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস লাভ করে ২০১১ সালে যুক্তরাষ্ট্রকে হারিয়ে।
- এশিয়া কাপের শিরোপা জয় লাভ করে ২০১৮ সালে।
- টেস্ট ক্রিকেটে মর্যাদা পায় ২০২১ সালে ।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম নারী সেঞ্চুরিয়ান ফারজানা হক পিংকি।

অন্যদিকে,
- প্রথম শ্রেণির নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান হওয়ার কীর্তি গড়েছেন নিগার সুলতানা।

উৎস: i) বিসিবি।
ii) ICC ওয়েবসাইট। [link]
ii) প্রথম আলো।
৭,৪৫২.
২০২২ সালে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য 'বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব' পদক লাভ করেন কে?
  1. ক) সৈয়দা জেবুন্নেছা হক
  2. খ) আশালতা বৈদ্য
  3. গ) সেলিমা আহমাদ
  4. ঘ) মোছা: আছিয়া আলম
সঠিক উত্তর:
খ) আশালতা বৈদ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আশালতা বৈদ্য
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ক্ষেত্রে নারীর অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের লক্ষ্যে ২০২১ সালে প্রবর্তিত বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব পদকের জন্য এ বছর (২০২২) যাদের নাম সুপারিশ করা হয়েছে তারা হলেন –
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে - যুদ্ধকালীন কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আশালতা বৈদ্য (গোপালগঞ্জ)।
রাজনীতিতে - সৈয়দা জেবুন্নেছা হক (সিলেট)।
অর্থনীতিতে - সংসদ সদস্য সেলিমা আহমাদ (কুমিল্লা)।
শিক্ষায় - অধ্যাপক নাসরিন আহমাদ (সিলেট)।
সমাজসেবায় - মোছা: আছিয়া আলম (কিশোরগঞ্জ)।

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
৭,৪৫৩.
Which one is the fast and secured Browser based on the Bengali language?
  1. ক) Sadai
  2. খ) Pipilika
  3. গ) Chorki
  4. ঘ) Duronto
সঠিক উত্তর:
ঘ) Duronto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Duronto
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষাভিত্তিক প্রথম বাংলাদেশি নিরাপদ ও দ্রুতগতির ব্রাউজার - ‘দুরন্ত। ব্রাউজারটি মোবাইলের জন্য তৈরি। তবে, ভবিষ্যতে ডেস্কটপ থেকেও ব্যবহার করা যাবে।
বাংলাদেশি দুইটি সার্চ ইঞ্জিন চরকি (www.chorki.com) এবং
পিপীলিকা (www.pipilika.com)।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার মার্চ-এপ্রিল, ২০২১।
৭,৪৫৪.
UNESCO'র ‘অ্যাওয়ার্ড অব মেরিট’ ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি পায় নিম্নের কোন মসজিদ?
  1. ক) বাঘা শাহী মসজিদ
  2. খ) ছোট সোনা মসজিদ
  3. গ) হিন্দা-কসবা শাহী মসজিদ
  4. ঘ) দোলেশ্বর হানাফিয়া জামে মসজিদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোলেশ্বর হানাফিয়া জামে মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দোলেশ্বর হানাফিয়া জামে মসজিদ
ব্যাখ্যা
UNESCO'র ‘অ্যাওয়ার্ড অব মেরিট’ ক্যাটাগরিতে স্বীকৃতি পায় - ঢাকার কেরানীগঞ্জের দোলেশ্বর হানাফিয়া জামে মসজিদ।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
৭,৪৫৫.
বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের সবচেয়ে বড় বাজার কোনটি? (মার্চ-২০২৬)
  1. কানাডা
  2. জাপান
  3. জার্মানি
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
ব্যাখ্যা

- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের বৃহত্তম বাজার।
- বাংলাদেশী রপ্তানি পণ্যের ‍দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার- জার্মানি।

- রপ্তানি কার্যক্রম পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, পণ্যের আমদানীকারক দেশ সমূহের তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শীর্ষে অবস্থান করছে।
- ২০২৫-২০২৬ অর্থ-বছরের জুলাই-ডিসেম্বর সময়ের যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়েছে ৪৪৬৭.২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য যা উক্ত সময়ের মোট রপ্তানির ৮১.৬২%।
- বাংলাদেশ হতে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত প্রধান প্রধান পণ্য হলো ওভেন পোষাক ২৪৩৯.৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার,

দেশ ভিত্তিক প্রধান প্রধান বাজার বিশ্লেষণঃ
→ ইইউ: ১০,৩২৫.৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৩.০৩%)।
→ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ৪,৪৬৭.২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৮.৬২%)।
→ কানাডা: ৭৫৮.৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.১৬%)।
→ জাপান: ৭১২.৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২.৯৭%)।
→ মোট চারটি বাজার থেকে রপ্তানি আয়: ১৬,২৬৩.৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৬৭.৭৮% মোট রপ্তানি আয়ের)।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

৭,৪৫৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী ছিল?
  1. ‘নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার’ ব্যবস্থার প্রবর্তন করা হয়
  2. বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সংসদের হাতে দেওয়া হয়
  3. সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি
  4. পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু
সঠিক উত্তর:
সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধন:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- ১৯৭২ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭ বার বাংলাদেশের সংবিধান সংশোধিত হয়েছে।
- ১৯৭৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- সর্বশেষ ২০১৮ সালে সংবিধানের ১৭তম সংশোধনী গৃহিত হয়।
- সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
৭,৪৫৭.
কোন বিজ্ঞানী পাটের জীবন রহস্য আবিষ্কারের নেতৃত্ব দিয়েছেন?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. কাজী ফারুক আহমেদ
  3. সফিকুল ইসলাম
  4. মাকসুদুল আলম
সঠিক উত্তর:
মাকসুদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাকসুদুল আলম
ব্যাখ্যা
বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম:
- মাকসুদুল আলম ছিলেন জিনতত্ত্ববিদ।
- ১৯৫৪ সালের ১৪ ডিসেম্বর মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন মাকসুদুল আলম।
- জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাংক ইনস্টিটিউট থেকে ১৯৮৭ সালে প্রাণরসায়নে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন তিনি।
- তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডেটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য।
- ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন
- পাট ছাড়াও তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হয়ে পেঁপে, মালয়েশিয়ার হয়ে রাবারসহ মোট আটটি উদ্ভিদের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।

উল্লেখ্য,
- ২১ ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে বিজ্ঞানী ড. মাকসুদুল আলম মারা গেছেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ২২ ডিসেম্বর ২০১৪, প্রথম আলো।
৭,৪৫৮.
'বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু’ গ্রন্থটির লেখক কে?
  1. ক) মােনায়েম সরকার
  2. খ) এম. আর আখতার মুকুল
  3. গ) শওকত ওসমান
  4. ঘ) আহমদ শরীফ
সঠিক উত্তর:
ক) মােনায়েম সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মােনায়েম সরকার
ব্যাখ্যা
'বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু' গ্রন্থটির লেখক মােনায়েম সরকার। এছাড়াও তার রচিত ও সম্পাদিত গ্রন্থগুলাের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযােগ্য গ্রন্থ হলাে—বাঙালি জাতীয়তাবাদ ও গণতন্ত্র বিকাশে ঐক্য অপরিহার্য (১৯৯১), ভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু (১৯৯৪), মৃত্যুঞ্জয়ী মুজিব (১৯৯৫), সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি (২০১০), বাঙালি ঐতিহ্য ও ভবিষ্যৎ (২০১০), বঙ্গবন্ধু রাজনীতি ও শেখ হাসিনা (২০১১) ইত্যাদি।
৭,৪৫৯.
খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি কোন কাঠের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?
  1. সুন্দরী কাঠ
  2. গেওয়া কাঠ
  3. গরান কাঠ
  4. চাপালিশ কাঠ
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
ব্যাখ্যা

• শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:

১) কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

২) নিউজপ্রিন্ট কারখানা: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে

৩) দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

৪) রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

৫) পর্যটন শিল্প: পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সুন্দরবন পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় স্থান। প্রাকৃতিক দৃশ্য ও জীববৈচিত্র্য পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


তথ্যসূত্র:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৬০.
নিম্নের কোন দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আছে কিন্তু কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই?
  1. সিঙ্গাপুর
  2. তাইওয়ান
  3. উত্তর কোরিয়া
  4. ইসরাইল
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক সম্পর্ক:

- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- চীনের আপত্তির কারণে তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেনি।
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে, ইসরাইলের সাথে বাংলাদেশের কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭,৪৬১.
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. যশোর
  2. সিলেট
  3. খুলনা
  4. চট্টগ্রাম
  5. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নোয়াখালী
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন:
- তিনি জন্মগ্রহণ করেন: ১৯৩৫ সালে।
- তাঁর জন্মস্থান: বাঘচাপড়া, নোয়াখালী।
- ১৯৫৩ সালে তিনি নৌ বাহিনীতে জুনিয়ার মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দিয়েছিলেন।
- ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তিনি ২নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।
- সেপ্টেম্বর ১৯৭১ এ বাংলাদেশ নৌ-বাহিনী গঠনের উদ্দেশ্যে সকল সেক্টর থেকে প্রাক্তন নৌসেনাদের আগরতলায় সংগঠিত করে নৌ বাহিনীর প্রাথমিক কাঠামো গঠন করা হয়।
- ভারত সরকার বাংলাদেশ নৌ বাহিনীকে দুইটি টাগবোট উপহার দেয়। এগুলোকে কোলকাতার গার্ডেনরীচ নৌ ওয়ার্কসপে দুইটি বাফার গান ও মাইন পড লাগিয়ে গানবোটে রূপান্তরিত করা হয়।
- গানবোট দুটির নামকরণ করা হয় 'পদ্মা' ও 'পলাশ'।
- রুহুল আমিন নিয়োগ পান 'পলাশের' ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে।
- ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি নিহত হন।
- খুলনার রূপসা উপজেলার বাগমারা গ্রামে তাঁকে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭,৪৬২.
'রাস নৃত্য' কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংস্কৃতির অন্যতম নিদর্শন?
  1. মণিপুরী
  2. লুসাই
  3. বম
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

মণিপুরী:
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাস (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৭,৪৬৩.
১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে বাবর কাকে পরাজিত করেন?
  1. ক) ইব্রাহিম লোদী
  2. খ) শিবাজি
  3. গ) বৈরাম খাঁ
  4. ঘ) রানা প্রতাপ সিংহ
সঠিক উত্তর:
ক) ইব্রাহিম লোদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ইব্রাহিম লোদী
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পক্ষ: সম্রাট বাবঢ় বনাম ইব্রাহিম লোদী। 
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ। 
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন। 
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন। 
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন। 
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৬৪.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ক) তাজউদ্দীন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
ক) তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
তাজউদ্দীন আহমদ: 
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী (১০ এপ্রিল, ১৯৭১ - ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২)।
- ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর কারাগারে তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।
- এই দিনটি “জেলহত্যা দিবস” নামে পরিচিত।

উৎস: Live MCQ লেকচার।
৭,৪৬৫.
মুক্তিযুদ্ধকালে ভারত-সোভিয়েত ইউনিয়ন মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ৯ আগস্ট ১৯৭১
  2. খ) ৪ জুলাই ১৯৭১
  3. গ) ৬ মে ১৯৭১
  4. ঘ) ৭ মার্চ ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ আগস্ট ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ আগস্ট ১৯৭১
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সোভিয়েত নীতির বিভিন্ন পর্যায়

- ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জার পাকিস্তান সফর করার পরই প্রেসিডেন্ট নিক্সনের প্রস্তাবিত চীন সফরের সংবাদ প্রচারিত হয়- যা সোভিয়েত ইউনিয়নের জন্য ছিল বিব্রতকর।
- অন্যদিকে পিকিং থেকে ফিরেই হেনরি কিসিঞ্জার ওয়াশিংটনে ভারতের রাষ্ট্রদূতকে বলেন যে, ভারত পাকিস্তান আক্রমণ করলে চীন হস্তক্ষেপ করবে এবং আমেরিকা ভারতের সাহায্যে নাও এগিয়ে আসতে পারে। 
- এর ফলে ভারতীয় নেতৃবৃন্দ বিশেষভাবে চিন্তিত ও শঙ্কিত হয়ে পড়েন।
- সোভিয়েত ইউনিয়নও এ বিষয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে। ফলে ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পারস্পরিক নিরাপত্তার অভাববোধ থেকে ১৯৭১ সালের ৯ আগস্ট স্বাক্ষরিত হয় ভারত-সোভিয়েত মৈত্রী চুক্তি।

- কিন্তু এই চুক্তি স্বাক্ষরের পর ভারত জোটনিরপেক্ষ নীতি বিসর্জন দিয়েছে বলে সমালোচনা হলে ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বলেছিলেন, “India will continue to follow its policy of non-alignment as before.”
- তবে বাস্তব সত্য হচ্ছে যে, চীন-মার্কিন আঁতাতের জবাবেই মূলত এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।


তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৬৬.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম ইউরোপীয় রাস্ট্র-
  1. সেনেগাল
  2. ভেনিজুয়েলা
  3. ইরাক
  4. পূর্ব জার্মানি 
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশসমূহ:
• বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ভুটান।
ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে পূর্ব জার্মানি।
• মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ইরাক।
• এশিয়ার অ-আরব মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে ইন্দোনেশিয়া; এরপর মালয়েশিয়া।
• মুসলিম ও আফ্রিকান দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে সেনেগাল।
• সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে পোল্যান্ড।
• দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম স্বীকৃতি দিয়েছে কলম্বিয়া; এরপর ভেনেজুয়েলা।

উৎস:
Britannica;
প্রথম আলো।

৭,৪৬৭.
কোথায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. কালুরঘাট
  4. মুজিবনগর
সঠিক উত্তর:
মুজিবনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুজিবনগর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণাই হল বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ এই ঘোষণাপত্র আনুষ্ঠানিক ভাবে জারি করা হয় এবং ২৬ মার্চ, ১৯৭১ থেকে বলবৎ করা হয়।
- অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম এই আদেশ জারি করেন।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ এ অধ্যাপক ইউসুফ আলী মুজিবনগরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৪৬৮.
পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম দাবী কে উত্থাপন করেন? 
  1. আবদুল মতিন 
  2. শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  4. মাওলানা ভাষানী
সঠিক উত্তর:
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের প্রথম দাবী উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। 
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।

৭,৪৬৯.
Which European Country first introduced Bangladesh as an independent country?
  1. Belgium
  2. East-Germany
  3. Poland
  4. Ukraine
সঠিক উত্তর:
East-Germany
উত্তর
সঠিক উত্তর:
East-Germany
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয় - ইরাক।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২৮ মার্চ, ১৯৭৩ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী আরো কিছু উল্লেখযোগ্য রাষ্ট্র:
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে - ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি স্বীকৃতি দেয় পূর্ব-জার্মানি।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় - ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের মধ্যে সর্ব প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- প্রথম পশ্চিমা দেশ হিসেবে গ্রেট ব্রিটেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি।
- ফ্রান্স বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।
- ব্রাজিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে - ২৫ মে ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
৭,৪৭০.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:

- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৭১.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন -
  1. জাকিয়া সুলতানা
  2. সায়মা ওয়াজেদ
  3. জাহাঙ্গীর আলম
  4. টেড্রস আধানোম
সঠিক উত্তর:
সায়মা ওয়াজেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সায়মা ওয়াজেদ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও):
⇒ প্রধানমন্ত্রী কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সদর দপ্তরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

 উল্লেখ্য,
• প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ– পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। 
• ১ নভেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক সম্মেলনে এ নির্বাচন হয়।
• সায়মা ওয়াজেদ ৮-২ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আগামী পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।
• ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারিতে সায়মা ওয়াজেদ তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

তথ্যসূত্র -Live MCQ সালতামামি ২০২৩, প্রথম আলো (১ নভেম্বর, ২০২৩)।
৭,৪৭২.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের শাখা না থাকলে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে যে ব্যাংক -
  1. যমুনা ব্যাংক
  2. অগ্রণী ব্যাংক
  3. সোনালী ব্যাংক
  4. জনতা ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
নিকাশ ঘর:
- নিকাশ এমন একটি প্রক্রিয়া যাহার মাধ্যমে বিভিন্ন ব্যাংকের মধ্যে দেনা পাওনা অতি সহজেই নিষ্পত্তি করা যায়।
- এই প্রক্রিয়াটি সমাধা করার জন্য বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ নির্দিষ্ট সময়ে একটি নির্দিষ্ট স্থানে সমবেত হয়ে নেতা ব্যাংকের তত্ত্বাবধানে একে অন্যের উপর আদিষ্ট চেক, ড্রাফট ইত্যাদি দলিলসমূহ বিনিময় করেন।
- নিকাশ ঘরে বিভিন্ন ব্যাংকের প্রতিনিধিগণ মিলিত হয় এবং সকলে সেখানে আসার সময় অন্য ব্যাংকের নামে কাটা চেকসমূহ সাথে করে নিয়ে আসে।
- নিকাশ-ঘরে একত্রিত হওয়ার পর তারা চেক বিনিময় করে।

⇒ ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর নিকাশ ব্যবস্থার দায়িত্ব 'বাংলাদেশ ব্যাংক' গ্রহণ করে।
- যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের শাখা নেই সেখানে সোনালী ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের হয়ে নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন করে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৬টি জেলা শহরে নিকাশ ঘর ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।
- এর মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক সরাসরি ৪টি কেন্দ্র এবং সোনালী ব্যাংক ১২টি কেন্দ্র পরিচালনা করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৭৩.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের ‘জাতীয় জরুরি সেবা' প্রদান করে থাকে?
  1. ৩৩৩
  2. ৯৯৯
  3. ১০৩
  4. ২২২
সঠিক উত্তর:
৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৯৯
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন সেবায় হেল্পলাইন:
- ৯৯৯: বাংলাদেশের জরুরি কল সেন্টার। ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস। দেশের সর্বস্তরের নাগরিকদের জরুরি সেবা প্রদানের উদ্দেশ্য ২০১৭ সালের ১২ ডিসেম্বর এই সেবা চালু হয়। যেকোনো বিপদে পড়লে ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে দ্রুত সেবা পাওয়া যায়।

উল্লেখ্য,
- ১০৬: দুর্নীতি দমন কমিশনের কল সেন্টার।
- ১৬৪৩০: সরকারি আইনি সহায়তা কল সেন্টার।
- ১৬১২৩: কৃষি বিষয়ক যে কোন পরামর্শ পেতে বিনামূল্যে কল করুন।
- ১০৯: নারী ও শিশু নির্যাতন অথবা পাচারের ঘটনা প্রতিরোধে কল সেন্টার
- ১০৯৮: শিশু সহায়তামুলক কল সেন্টার।
- ৩৩৩: জাতীয় তথ্যবাতায়ন কল সেন্টার।
- ১৬২৬৩: বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য কল সেন্টার।
- ১৬১০৮: মানবাধিকার সহায়ক কল সেন্টার।
- ১৬২৫৬: আপনার ইউনিয়নের সকল তথ্য জানতে কল করুন ইউনিয়ন সহায়তামুলক কল সেন্টারে।
- ১৩১: বাংলাদেশ রেলওয়ে কল সেন্টার।
- ১০৫: জাতীয় পরিচয়পত্র তথ্য কল সেন্টার।
- ১০০: বিটিআরসি কল সেন্টার।
- ১৬৪২০: বিটিসিএল কল সেন্টার।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৪৭৪.
বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জয়দেবপুর, গাজীপুর
  2. খ) সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
  3. গ) ঈশ্বরী, পাবনা
  4. ঘ) নশিপুর, দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খ) সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাহেবপ্রতাপ, নরসিংদী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের  বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর অধীন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- অবস্থান - সিলেট হাইওয়ে সড়কের পাশে নরসিংদীর সাহেবপ্রতাপ নামক স্থানে অবস্থিত ।
- এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট
৭,৪৭৫.
মৌর্যদের পূর্বে মগধে কোন দুটি রাজবংশ শাসন করেছিল?
  1. কুষাণ ও সাতবাহন
  2. শুঙ্গ ও কণ্ব
  3. সেন ও পাল
  4. শৈশুনাগ ও নন্দ
সঠিক উত্তর:
শৈশুনাগ ও নন্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শৈশুনাগ ও নন্দ
ব্যাখ্যা

মগধ সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ অব্দে ভারতে কোন অখন্ড সর্বভারতীয় রাজ্য ছিল না।
- এ সময়ে ভারতের বিভিন্ন অঞ্চল ১৬টি রাজ্য বা ষোড়শ মহাজনপদে বিভক্ত ছিল। এ রাজ্যগুলির মধ্যে ভৌগোলিক অবস্থান, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং রাজনৈতিক যোগ্যতাবলে মগধ বৃহৎ শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।
- বর্তমান বিহারের দক্ষিণাংশ, মুখ্যত পাটনা ও গয়া জেলা, প্রাচীনকালে মগধ নামে পরিচিত ছিল।
- এ রাজ্যের রাজধানী ছিল পাটলীপুত্র।  

• মৌর্যদের পূর্বে দুটি বিখ্যাত রাজবংশ মগধে রাজত্ব করেন বলে জানা যায় এগুলি হলো হর্ষঙ্ক-শৈশুনাগ বংশ এবং নন্দ বংশ।
- হর্ষঙ্ক-শৈশুনাগ বংশের বিম্বিসার, অজাতশত্রু এবং নন্দবংশের মহাপদ্মনন্দ ও ধননন্দ হচ্ছেন প্রসিদ্ধ রাজা।
- বিম্বিসার মগধের সাম্রাজ্য বিস্তার নীতির বীজ বপন করেন।
- বৌদ্ধ শাস্ত্র অনুসারে বিম্বিসারকে হত্যা করে তাঁরই পুত্র অজাতশত্রু মগধের সিংহাসনে বসেন। 

• হর্ষঙ্ক-শৈশুনাগ বংশের পর মহাপদ্মনন্দ প্রতিষ্ঠা করেন নন্দ বংশের শাসন।
- বৌদ্ধ সূত্র মতে, তিনি ছিলেন 'উগ্রসেনা' বা ভয়ংকর সেনাদলের অধিপতি।
- ধননন্দ ছিলেন নন্দবংশের সর্বশেষ রাজা। তিনি অত্যাচারী এবং অর্থলিপ্স হিসাবে ইতিহাসে নিন্দিত। 
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য এবং কৌটিল্য এর পরিপূর্ণ সুযোগ গ্রহণ করেন এবং নন্দ বংশের শাসনের অবসান ঘটিয়ে প্রাচীন ভারতে মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৭৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়ের উৎস কোনটি? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  2. চা 
  3. চিংড়ি 
  4. পাটজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত:
- বাংলাদেশের শীর্ষ রপ্তানি খাত হলো তৈরি পোশাক।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) পরিসংখ্যান অনুসারে, তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। 

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৪ হাজার ৮২৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। 
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে মোট রপ্তানির মধ্যে তৈরি পোশাকের হিস্যা ৮৩ শতাংশ। এই সময়ে রপ্তানি হয়েছে ৩৯৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক। 
- তৈরি পোশাকের পর দ্বিতীয় শীর্ষ রপ্তানি খাত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে ১২ কোটি ৭৪ লাখ ডলারের চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- ৩য় শীর্ষ রপ্তানি খাত কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রথম মাসে কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্যের রপ্তানি ৯ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে।

উৎস: i) রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)।
ii) প্রথম আলো। [link]

৭,৪৭৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের মোট অধ্যায় কতটি?
  1. ৭টি
  2. ১৩টি
  3. ১১টি
  4. ৫৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ/অধ্যায়- ১১টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৭,৪৭৮.
দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয় হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
  5. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি:
- ১৯৭৪ সালে দেশে প্রাথমিক শিক্ষা আইন জারি হয়।
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ) ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- এটি ১৯৭৮ সালে 'মৌলিক শিক্ষা একাডেমি' নামে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে এটির নামকরণ করা হয় 'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি'।
- এখানে প্রাথমিক শিক্ষা সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।
- এই প্রতিষ্ঠান প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে থাকে।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন প্রণীত হয়।
- এই আইনের অধীনে ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি দেশের ৬৮টি উপজেলায় এবং ১ জানুয়ারি ১৯৯৩ সারা দেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

উৎস: জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৭,৪৭৯.
ভারতীয় উপমহাদেশে 'স্বরাজ দল' প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. চিত্তরঞ্জন দাস
  3. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. সুভাষ চন্দ্র বসু
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাস
ব্যাখ্যা
চিত্তরঞ্জন দাশ:
- ভারতীয় উপমহাদেশে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা রাজনীতিবিদদের মধ্যে চিত্তরঞ্জন দাস অন্যতম।
- তিনি “দেশবন্ধু” নামে সাধারণ্যে পরিচিত ছিলেন এবং একজন বলিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা ছিলেন।
- ১৯২০-এর দশকে কংগ্রেসের মধ্যে স্বরাজ বা স্ব-শাসন অর্জনের পথ নিয়ে মতবিরোধ দেখা দেয়।
- চিত্তরঞ্জন দাস মনে করতেন, কংগ্রেসকে আইনসভায় প্রবেশ করে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে ভিতর থেকে আন্দোলন চালানো উচিত।
- এই মতবিরোধ থেকেই ১৯২৩ সালে চিত্তরঞ্জন দাস ও মোতিলাল নেহরু মিলে ‘স্বরাজ দল’ প্রতিষ্ঠা করেন।
- স্বরাজ দলের লক্ষ্য ছিল আইন পরিষদে গিয়ে ব্রিটিশ নীতির বিরুদ্ধে কাজ করা ও স্ব-শাসনের দাবি তোলা।
- দলটি কংগ্রেসের অংশ হয়েও আলাদা রাজনৈতিক অবস্থান গ্রহণ করে।
- চিত্তরঞ্জন দাস ছিলেন স্বরাজ দলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।
- এই দলের মাধ্যমেই পরবর্তীতে তিনি কলকাতা সিটি করপোরেশনের প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন (১৯২৪)।
- স্বরাজ দল ভারতীয় রাজনীতিতে সংসদীয় বিরোধিতার একটি নতুন ধারা সূচনা করে এবং চিত্তরঞ্জন দাস এর নেতৃত্বে ছিল অনন্য উদাহরণ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৮০.
সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ক) ১৮ বছর
  2. খ) ২৫ বছর
  3. গ) ৩০ বছর
  4. ঘ) ৩৫ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৫ বছর
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৬(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ সদস্য পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর।
অন্যদিকে, ৪৮(৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।
(সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
৭,৪৮১.
'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় কোথায়?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) করাচিতে
  3. গ) পাঞ্জাবে
  4. ঘ) লাহোরে
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লাহোরে
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
• একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং
• ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
• পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
• ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়।
• এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৮২.
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বের জন্য কতজন বীরমুক্তিযোদ্ধাকে বীরপ্রতীক উপাধি প্রদান করা হয়?
  1. ৪২৫
  2. ৪৩০
  3. ৪২৬
  4. ৪২০
সঠিক উত্তর:
৪২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৬
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৭,৪৮৩.
'Government Note' is signed by-
  1. Finance Minister
  2. Bangladesh Bank Governor
  3. Finance Secretary
  4. Prime Minister
সঠিক উত্তর:
Finance Secretary
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Finance Secretary
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে দুই টাকা ও পাঁচ টাকা এই দুটি মুদ্রাকে সরকারি নোট বলে।
- এতে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে।
- দশ থেকে এক হাজার টাকার নোট ব্যাংক নোট হিসেবে পরিচিত।
- এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর। [লিঙ্ক]
৭,৪৮৪.
ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে ‘একুশে পদক ২০২২’ পুরস্কার পেয়েছেন -
  1. কবি কামাল চৌধুরী ও ঝর্না দাস পুরকায়স্থ
  2. এস এম আব্রাহাম লিংকন ও ডা. জ্ঞানশ্রী মহাথেরো
  3. জিনাত বরকতউল্লাহ
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
সঠিক উত্তর:
কবি কামাল চৌধুরী ও ঝর্না দাস পুরকায়স্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবি কামাল চৌধুরী ও ঝর্না দাস পুরকায়স্থ
ব্যাখ্যা


- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ দেশের ২৪ বিশিষ্ট নাগরিককে ‘একুশে পদক ২০২২’ প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এ বছর ভাষা আন্দোলন বিভাগে দুজন, মুক্তিযুদ্ধে চারজন, শিল্পকলা (শিল্প, সংগীত ও নৃত্য) বিভাগে সাতজন, সমাজসেবা বিভাগে দুজন, ভাষা ও সাহিত্যে দুজন, গবেষণায় চারজন এবং সাংবাদিকতা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং শিক্ষায় একজন করে পুরস্কার পেয়েছেন।

- ভাষা ও সাহিত্য বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন - কবি কামাল চৌধুরী ও ঝর্না দাস পুরকায়স্থ।
- সমাজসেবা বিভাগে  পুরস্কার পেয়েছেন - এস এম আব্রাহাম লিংকন ও সংঘরাজ ডা. জ্ঞানশ্রী মহাথেরো।
- নাচের জন্য  পুরস্কার পেয়েছেন - জিনাত বরকতউল্লাহ,
- সংগীতে নজরুল ইসলাম বাবু (মরণোত্তর)।

তথ্যসূত্র:- সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রনালয় ওয়েবসাইট।

৭,৪৮৫.
বাক্-স্বাধীনতা সম্পর্কে সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়েছে?
  1. ক) ৩৬
  2. খ) ৩৭
  3. গ) ৩৯ (১)
  4. ঘ) ৩৯ (২)
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৯ (২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৯ (২)
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯(২) নং অনুচ্ছেদে বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।
৩৯(১) নং অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে। ৩৬ নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতা এবং ৩৭ নং অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৭,৪৮৬.
হান্টার কমিশন কোন ভাইসরয়ের সময় গঠিত হয়েছিল?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড রিপন
  3. লর্ড ওয়েলেসলি
  4. লর্ড ক্লাইভ
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা

হান্টার কমিশন গঠন:
- ১৮৫৪ সালে উডের ডেসপ্যাচে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উন্নতির জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- কিন্তু এই ডেসপ্যাচের ভাবধারা কে অবহেলা করে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উপর গুরুত্ব না দিয়ে শুধু উচ্চশিক্ষা ও সরকারি স্কুল কলেজগুলিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতি একেবারেই হয় না। তাই সরকার প্রথমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নতি সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করেন।
- এই পরিস্থিতিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড রিপন ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০ জন সদস্য নিয়ে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- এটি প্রথম "ভারতীয় শিক্ষা কমিশন” নামে পরিচিত।
- এই কমিশন স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টারের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল বলে একে "হান্টার কমিশন” বলা হয়।
- স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টার ছিলেন এই কমিশনের সভাপতি।
- অন্যান্য সদস্যরা হলেন আনন্দমোহন বসু, কে.টি. তেলাং, ভূদেব মুখোপাধ্যায়, স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রমুখ।
- প্রাথমিক শিক্ষা ও নিরক্ষরতা বিষয়ে এই কমিশনকে বিশেষভাবে বিচার করার কথা বলা হয়।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৭,৪৮৭.
ভাস্কো-দা-গামা কত খ্রিষ্টাব্দে কালিকট বন্দরে এসে পৌছান?
  1. ১৪৭৮
  2. ১৪৯৮
  3. ১৫১৮
  4. ১৫৩৮
সঠিক উত্তর:
১৪৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯৮
ব্যাখ্যা

ভাস্কো-দ্য-গামা:
- ভাস্কো-দ্য-গামা প্রথম সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিম-উপকূলের কালিকট বন্দরে এসে উপস্থিত হন ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দের ২৭ মে।
- তার এ উপমহাদেশে আগমন ব্যবসায়-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দ্য-গামার উপমহাদেশে আসার পরপরই পর্তুগিজরা এ দেশে আসতে শুরু করে।

উল্লেখ্য,
- আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
- কলম্বাস এবং ম্যাজিলানও বিখ্যাত পর্তুগিজ নাবিক ছিলেন।
- পর্তুগিজরা ব্যবসায়-বাণিজ্যকে মূলধন করে এদেশে এলেও ক্রমে ক্রমে তারা সাম্রাজ্য বিস্তারের দিকে ঝুঁকে পড়ে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি অঞ্চলে কুঠি স্থাপন এবং ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্কঘাটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- প্রথম আগত ইউরোপীয়ান বাণিজ্যিক দল হলেও তাদের অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবেদার শায়েস্তা খান পর্তুগিজদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপের ঘাঁটি দখল করে, তাদের বাংলা থেকে বিতাড়িত করেন।
- তাছাড়া পর্তুগিজরা এদেশে আগত ইউরোপীয় অন্যন্য শক্তির সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরাজিত হয়ে এদেশ ত্যাগে বাধ্য হয়।

এছাড়াও,
- ১৪৭৭ খ্রিস্টাব্দে বার্থলমিউ দিয়াজ নামে এক পর্তুগিজ নাবিক আফ্রিকার সর্ব দক্ষিণের বিন্দুতে পৌঁছাতে পেরেছিলেন।
- তিনি যখন ওখানে পৌঁছেন তখন প্রচন্ড ঝড়ের কবলে পড়েন, তাই ঐ স্থানের নাম দিয়েছিলেন "ঝড়ের অন্তরীপ"।
- পর্তুগালের রাজা দ্বিতীয় জন এর মধ্যে আশার আলো দেখতে পান এবং এর নাম রাখেন "উত্তমাশা অন্তরীপ"।

উৎস: i) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৮৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার -
  1. ১.০২%
  2. ১.১২%
  3. ১.২১%
  4. ১.৩২%
  5. ১.৩৭%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

৭,৪৮৯.
বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কোন সংশোধনীর মাধ্যমে গৃহীত হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. চতুর্দশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

- বিচারপতি হাবিবুর রহমান প্রধান উপদেষ্টা নিয়োগ, সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়। 
- অতঃপর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিকট ক্ষমতা অর্পণ করে বিএনপি সরকার পদত্যাগ করে। 
- প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান নির্দলীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন। 
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সার্ক ফোরাম, কমনওয়েলথসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানায়। 
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১২ জুন (১৯৯৬) সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: এইচ.এস.সি প্রোগ্রাম, ইতিহাস ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয়।

৭,৪৯০.
কত সালে এরশাদ সরকার দেশে সামরিক আইন জারি করেন?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে সামরিক আইন জারি:
- ১৯৮১ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর উপ রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- বিচারপতি সাত্তার নির্বাচিত হওয়ার মাত্র চার মাসের মধ্যে ১৯৮২ সালে ২৪ মার্চ সেনাবাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এরশাদের নেতৃত্বে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করে।
- রাষ্ট্রপতি বিচারপতি সাত্তার অপসারিত হন।
- এরশাদ নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ঘোষণা করেন।
- একই সঙ্গে সংবিধান স্থগিত, জাতীয় সংসদ বাতিল এবং মন্ত্রিপরিষদ ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- ১৯৮২ সালে এরশাদ সরকার দেশে সামরিক আইন জারি করেন।
- সামরিক সরকার দেশে সকল প্রকার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৯১.
প্রাচীন বাংলার পূর্বাংশে কোন অঞ্চল ছিল?
  1. রাঢ়
  2. বরেন্দ্র
  3. চন্দ্রদ্বীপ
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
হরিকেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিকেল
ব্যাখ্যা
• হরিকেল:
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ। 
- খ্রিস্টীয় সাত শতকের প্রাচীন ভারতীয় লেখকগণ পূর্বভারতীয় একটি অঞ্চলকে হরিকেল বলে উলে­খ করেন।
- এটি পূর্ববঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য।
- সাত শতকের চৈনিক পরিব্রাজক  ই-ৎসিঙ্ হরিকেলের অবস্থানকে ‘পূর্বভারতের পূর্বসীমা’য় নির্দেশ করেন। 
- বর্তমান সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে এই অঞ্চল নিয়ে গঠিত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৯২.
বাংলাদেশ কবে FIFA-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন বাংলাদেশের ফুটবল খেলার প্রশাসনিক সংস্থা।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- বাফুফে সভাপতি: তাবিথ আউয়াল।
- প্রধান কার্যালয়: ঢাকার মতিঝিলে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম-এর কাছে ‘বিএফএফ ভবন’-এ অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ FIFA'র সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৬ সালে।
- এবং AFC-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৩ সালে।

উৎস: i) বাফুফে ওয়েবসাইট।
ii) FIFA ওয়েবসাইট।
৭,৪৯৩.
মুজিব নগর সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. তাজউদ্দিন আহমদ
  2. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  3. এম. মনসুর আলী
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- এস.এ সামাদ ছিলেন প্রতিরক্ষা সচিব।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।
- উপ-সেনাপতি ছিলেন এ.কে খন্দকার।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৭,৪৯৪.
বাংলাদেশ ব্যাংকের নোট প্রচলন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে ব্যাংকের -
  1. ক) সংস্থাপন বিভাগ
  2. খ) ব্যাংকিং বিভাগ
  3. গ) হিসাব রক্ষণ বিভাগ
  4. ঘ) ইস্যু বিভাগ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইস্যু বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইস্যু বিভাগ
ব্যাখ্যা
• নোট প্রচলন:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নোট প্রচলন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে ব্যাংকের - ইস্যু বিভাগ।
- বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর প্রধান কাজ হল নোট প্রচলন করা।
- নোট প্রচলনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ন্যূনতম রিজার্ভ পদ্ধতি অনুসরণ করে।
- এ নীতি অনুসারে বাংলাদেশ ব্যাংককে মোট কাগজী নোট ইস্যু করার বিপরীতে কমপক্ষে ৬০ কোটি টাকার সমমূল্যের সোনা, রূপা ও অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকের ইস্যু বিভাগে জমা রাখতে হয়।

- বাংলাদেশ ব্যাংক ১০০০, ৫০০,২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০ টাকার নোট প্রচলন করে।
- পক্ষান্তরে, ১, ২ ও ৫ টাকার নোট বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় ইস্যু করে থাকে এবং এতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।।
- এ জন্য ১, ২ ও ৫ টাকার নোটকে সরকারী নোট ও অবশিষ্ট প্রকার নোটকে ব্যাংক নোট বলে।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৯৫.
বঙ্গবন্ধু কত তারিখে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন?
  1. ৭ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২
  3. ৯ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ৮ জানুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৮ জানুয়ারি, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের পর পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক চাপে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দানে বাধ্য হয়। 
- বঙ্গবন্ধু ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন গমন করেন।
- সেখান থেকে দিল্লিতে কিছু সময় অবস্থান করে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকায় আসেন।
- ১০ জানুয়ারিকে বঙ্গবন্ধুর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭,৪৯৬.
কোন পণ্যকে ২০২০ সালে ‘Product of the Year’ ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) কৃষি ও কৃষি পক্রিয়াজাত পণ্য
  2. খ) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. গ) লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং
  4. ঘ) ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল
সঠিক উত্তর:
গ) লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং
ব্যাখ্যা
বর্ষপণ্য :
২০২০- লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং
২০১৯ – কৃষি ও কৃষি পক্রিয়াজাত পণ্য
২০১৮- ওষুধ ও ওষুধের কাঁচামাল
২০১৭ – চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য।
উৎসঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
৭,৪৯৭.
বাংলার শস্যভান্ডার নামে পরিচিত কোন জেলা?
  1. দিনাজপুর
  2. বগুড়া
  3. ময়মনসিংহ
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার:
- বরিশাল জেলাকে বাংলার শস্যভান্ডার বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- কীর্তনখোলা নদীর তীরে অবস্থিত এ শহরের পুরাতন নাম চন্দ্রদ্বীপ। 
- বাংলাদেশের শস্য ভাণ্ডার, প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপ ও প্রাচ্যের ভেনিস সহ বিভিন্ন নামে পরিচিত এই বরিশাল নগরীতে রয়েছে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নদী ও খাল।
- এই অঞ্চলের অর্থনীতি ও যোগাযোগ অনেকাংশেই নির্ভরশীল ছিল এইসব নদী ও খালের উপর।
- ধান- নদী -খাল এই তিনে বরিশাল' খ্যাত বরিশাল বিভাগের ঐতিহাসিক গুরুত্ব অপরিসীম।
- এ রাজ্য প্রতিষ্ঠার পূর্বে এ অঞ্চল ‘বাকলা' নামে পরিচিত ছিল।
- ‘বাকলা' অর্থ শস্য ব্যবসায়ী যা আরবী শব্দ থেকে আগত। 
- বাংলার শস্য ভান্ডার বরিশাল একদা ‘এগ্রিকালচারাল ম্যানচেস্টার' হিসেবে পরিচিত ছিল।
- প্রাচীনকাল থেকে পলি গঠিত উর্বর এ অঞ্চল ছিল কৃষির জন্য উৎকৃষ্ট এবং বসবাসের জন্য উত্তম।
- কৃষিই ছিল এ দেশের অর্থনীতির মূল উৎস।
- পর্যটক রালফ ফিস ১৫৮০ সালে বাকলাকে অত্যন্ত সম্পদশালী আখ্যায়িত করে এখানকার প্রচুর চাল, কার্পাস, রেশমবস্ত্র ও সুবৃহৎ ঘরের কথা উল্লেখ করেছেন। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৭,৪৯৮.
মুজিবনগর সরকারের শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন -
  1. এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. মোহাম্মদ মনসুর আলী
  4. মোশতাক আহমেদ
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার
- বাংলাদেশের প্রথম সরকার "মুজিবনগর সরকার"।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এই সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল, তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমায় মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এই সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে।
- মুজিবনগর সরকারের ১২টি মন্ত্রণালয় সহ মোট ১৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগ ছিল।
- রাষ্ট্রপতি -- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি -- সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষামন্ত্রী, তথ্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী -- তাজউদ্দিন আহমদ।
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী -- এ.এইচ.এম কামরুজ্জামান।
- অর্থমন্ত্রী, খাদ্যমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী -- মোহাম্মদ মনসুর আলী।

তথ্যসূত্র - উৎস : ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭,৪৯৯.
বাংলাদেশে মোট রাষ্ট্রীয় খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযুদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ক) ৬৭৬
  2. খ) ৭৮০
  3. গ) ৫৭৬
  4. ঘ) ৭৭৬
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬৭৬
ব্যাখ্যা
- ১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা- বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন।
- মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।

- কিন্তু ৬ জুন, ২০২১ সালে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। যার ফলে বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মোট বীর মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
=================

প্রশ্নটি আগের হিসাব অনুসারে করা হয়েছে।
তাই এই প্রশ্নের হিসাবে সঠিক উত্তর - ৬৭৬ জন।
৭,৫০০.
কোন সংস্থা বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে?
  1. World Bank
  2. UNDP
  3. WTO
  4. IMF
সঠিক উত্তর:
World Bank
উত্তর
সঠিক উত্তর:
World Bank
ব্যাখ্যা
⇒ বিশ্ব ব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

বিশ্ব ব্যাংক:
- বিশ্বের বৃহত্তম উন্নয়ন ব্যাংক হলো বিশ্ব ব্যাংক।
- এটি ১৯৪৪ সালে অনুষ্ঠিত ব্রেটনউডস সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৪৬ সাল।
- সদর দপ্তর: ওয়াশিংটন, যুক্তরাষ্ট্র।
- বর্তমান সদস্য: ১৮৯টি। (জুলাই, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে এর সদস্য পদ লাভ করে।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: অজয় বঙ্গা। (জুলাই, ২০২৫)
- বিশ্ব উন্নয়ন প্রতিবেদন প্রকাশ করে থাকে বিশ্ব ব্যাংক।
- বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপ ৫টি প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত। এগুলো হলো:
• IBRD.
• IDA.
• IFC.
• ICSID.
• MIGA.

তথ্যসূত্র - বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।