বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬৮ / ৩০৬ · ৬,৭০১৬,৮০০ / ৩০,৮৩২

৬,৭০১.
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের কততম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু প্রথমবারের মতো মাতৃভাষায় ভাষণ দেন?
  1. ২৮তম
  2. ২৯তম
  3. ৩০তম
  4. ৩৩তম
সঠিক উত্তর:
২৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর প্রথম ভুটান ও ভারত ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- বাংলাদেশের জন্য স্বীকৃতি আদায়ের কাজটি খুব সহজসাধ্য ছিল না।
- কারণ, পাকিস্তানের বৈরী প্রচারণায় মুসলিম বিশ্বসহ চীন বাংলাদেশ সম্পর্কে নেতিবাচক মনোভাব পোষণ করত।
- বঙ্গবন্ধুর সফল নেতৃত্বে ১৯৭৪ সালের মধ্যেই বাংলাদেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সোভিয়েত ইউনিয়ন, জাপানসহ বিশ্বের অধিকাংশ রাষ্ট্র ও জাতিসংঘসহ প্রায় সকল আন্তর্জাতিক সংস্থার স্বীকৃতি লাভ করে।
- সাধারণ পরিষদের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে বাংলাদেশ যোগদান করে।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো মাতৃভাষা বাংলায় ভাষণ দেন। 
- বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৬টি দেশের স্বীকৃতি ও ২৭টি আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ লাভ করেন।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট। 
        ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৭০২.
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী ছিল? 
  1. জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণ করা 
  2. তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা
  3. ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি পুনঃপ্রবর্তন করা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- সময়: জুলাই, ২০১১ সাল।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৭২ সালের সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথা: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার পাশাপাশি সকল ধর্মচর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে মূলনীতে পরিবর্রতন করা হয়: 
- ধর্ম নিরপেক্ষতার পরিবর্তে সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস।
- 'সমাজতন্ত্র' মানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচার।

এছাড়াও 
- ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে রায় ঘোষণা করেছেন সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগ। এর মধ্য দিয়ে চৌদ্দ বছর আগে আদালতের রায়ে বাতিল হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আবারো ফিরে এলো।

উৎস: ¡)বাংলাদেশ রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএল , ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
        ¡) বিবিসি বাংলা।

৬,৭০৩.
চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?   (নভেম্বর-২০২৫)
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

 • কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪:
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৬,৭০৪.
জাতির পিতার জন্ম কত সালে?
  1. ১৯২০
  2. ১৯২৫
  3. ১৯৩০
  4. ১৯৩৫
সঠিক উত্তর:
১৯২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২০
ব্যাখ্যা
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। 
- শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
- পিতার নাম শেখ লুৎফর রহমান।
- মায়ের নাম: সায়েরা খাতুন।
- দাদার নাম: শেখ আবদুল হামিদ।
- নানার নাম: শেখ আবদুল মজিদ।
- স্ত্রীর নাম: বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিব (রেণু)।
- মা-বাবা তাঁকে ‘খোকা’ বলে ডাকতেন।
- তাঁরা দুই কন্যা শেখ হাসিনা, শেখ রেহানা এবং তিন পুত্র শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শেখ রাসেল। 
 
উল্লেখ্য,
- বাবা-মা তাকে খোকা বলে ডাকতেন।
- খোকার শৈশবকাল কাটে টুঙ্গিপাড়ায়। 
- ১৯৭৩ সালে বিশ্ব শান্তি পরিষদ তাঁকে'জুলি ও কুরি' পদকে ভূষিত করে।
- তাঁর জীবনের ১৩টি বছর কারাগারে কেটেছে।
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায়ধানমন্ডিস্থ বাস ভবনে একদল বিদ্রোহী সামরিক ঘাতকের হাতে সপরিবারেনির্মমভাবে নিহত হন। 
- হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর মাজার  টুঙ্গীপাড়া, গোপালগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।  
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৭০৫.
সংবিধানের ৩৬নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয় সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. সমাবেশের স্বাধীনতা
  2. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  3. সংগঠনের স্বাধীনতা
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
চলাফেরার স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চলাফেরার স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• ৩৬নং অনুচ্ছেদে চলাফেরার স্বাধীনতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে:
-  ৩৮নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা। 
- ৩৭নং অনুচ্ছেদ : সমাবেশের স্বাধীনতা।
- ৪০নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৭০৬.
'বিক্রমশীল বিহার' কার আমলে নির্মিত হয়?
  1. আনন্দপাল
  2. চন্দ্রপাল
  3. ধর্মপাল
  4. রাজা আনন্দদেব
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
•  ধর্মপাল প্রায় ৪০ বছর (৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) রাজত্ব করেন।
- ধর্মপাল ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
- পালরাজাদের মধ্যে তিনিই সর্বোচ্চ সার্বভৌম উপাধি পরমেশ্বর,পরমভট্টারক মহারাজাধিরাজ উপাধি ধারণ করেছিলেন।
- ভাগলপুরের পূর্ব দিকে তিনি একটি বৌদ্ধ বিহার বা মঠ নির্মাণকরেন।
- ধর্মপালের দ্বিতীয় নাম বা উপাধি ছিল 'বিক্রমশীল'।
- এনামানুসারে বিহারটি 'বিক্রমশীল বিহার' নামে খ্যাত ছিল
- নালন্দার মতো বিক্রমশীল বিহার বাংলা ও ভারতবর্ষের সর্বত্র ও বাইরে প্রসিদ্ধি লাভ করেছিল।
- নবম শতক থেকে বারো শতক পর্যন্ত এটি সমগ্র ভারতবর্ষের একটি বিখ্যাত বৌদ্ধ শিক্ষাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
- তিব্বতের অনেক বৌদ্ধ ভিক্ষু এখানে অধ্যয়ন করতে আসত এবং এখানকার অনেক প্রসিদ্ধ বৌদ্ধ আচার্য তিব্বতে বিশুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্ম প্রচার করেছিলেন।
- নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর নামক স্থানেও ধর্মপাল এক বিশাল বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটি সোমপুর মহাবিহার নামে পরিচিত। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৬,৭০৭.
চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব কী নামে পরিচিত?
  1. সাংগ্রাই
  2. বৈসুক
  3. বিজু
  4. সোহরাই
সঠিক উত্তর:
বিজু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজু
ব্যাখ্যা

চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- এই জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া, পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

৬,৭০৮.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে প্রকাশিত পুস্তিকার লেখক নয় -
  1. ক) দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ
  2. খ) আবুল মনসুর আহমদ
  3. গ) কাজী মোতাহার হোসেন
  4. ঘ) অধ্যাপক আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
ক) দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ
ব্যাখ্যা
• পুস্তিকার নাম - ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’। 
• প্রকাশ - ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর। 
• সম্পাদক -  অধ্যাপক আবুল কাশেম।
• অন্যান্য লেখক - কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ।  

অন্যদিকে, 
• ‘তমদ্দুন মজলিশ’ এর প্রথম সভাপতি - দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ। 

বিঃদ্রঃ - যদি কোথাও তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠার তারিখ ২ সেপ্টেম্বর না থেকে ১ সেপ্টেম্বর থাকে তাহলে ১ সেপ্টেম্বর উত্তর করতে হবে। অনুরুপ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি কখন প্রকাশিত হয় জানতে চাইলে ১৬ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে। আর যদি ১৬ সেপ্টেম্বর না থাকে তাহলে হবে ১৫ সেপ্টেম্বর।  

তথ্যসূত্র:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৭০৯.
কোন দেশটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিরোধিতা করেছিলো?
  1. ক) ইরাক
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চীন, সৌদি আরব, ইরান প্রভৃতি দেশ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করে।
অন্যদিকে,
সোভিয়েত ইউনিয়ন, ভারত, কানাডা, ইরাক ও অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দেশগুলো মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সমর্থন জানায়।
পশ্চিমা দেশগুলোর গণমাধ্যমসমূহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে। তবে জাতিসংঘ কার্যকর ভূমিকা গ্রহণে ব্যর্থ হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৭১০.
কোন সংস্থা বাউল গানকে 'হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?
  1. ক) ইউএনডিপি
  2. খ) ইউএনএফ
  3. গ) ইউনেস্কো
  4. ঘ) ইউনিসেফ
সঠিক উত্তর:
গ) ইউনেস্কো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউনেস্কো
ব্যাখ্যা
• বাউল সংগীত:
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে কাজ করে আসছে।
- পদাধিকার বলে শিক্ষামন্ত্রী বিএনসিইউ এর চেয়ারম্যান ।

- মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষনা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
৬,৭১১.
’কান্তজীউ মন্দির’ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. রংপুর
  3. রাজশাহী
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• কান্তজীউ মন্দির:
- দিনাজপুর জেলার কাহারোল থানার কান্তনগর গ্রামে অবস্থিত কান্তজীউ মন্দির বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত হিন্দু ধর্মীয় স্থাপত্য।
- অনেকের মতে, কান্তনগরে অবস্থিত হওয়ায় এই মন্দিরের নামকরণ করা হয়েছে “কান্তজীউ মন্দির”।
- শ্রীকৃষ্ণের বিগ্রহ অধিষ্ঠানের উদ্দেশ্যে এই মন্দির নির্মাণ করা হয়েছিল।
- দিনাজপুরের তৎকালীন জমিদার প্রাণনাথ রায় ১৭২২ খ্রিস্টাব্দে পোড়ামাটির কারুকাজে সুসজ্জিত এই মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- তবে তিনি তাঁর জীবদ্দশায় এই মন্দির নির্মাণ শেষ করে যেতে পারেননি।
- পরবর্তীতে তাঁর পালক পুত্র রাম নাথ রায় ১৭৫২ খ্রিস্টাব্দে মন্দিরটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশন।

৬,৭১২.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক 'বিবাহ' এর রচয়িতা কে?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. শামসুল হক
  3. মমতাজ উদ্দীন আহমদ
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
সঠিক উত্তর:
মমতাজ উদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মমতাজ উদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
বিবাহ:
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক নাটক 'বিবাহ।
- মমতাজউদদীন আহমদের ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা প্রথম নাটক বিবাহ।

⇒ একে একে তার হাতে জন্ম নিলো "ক্ষত বিক্ষত", "রঙ্গপঞ্চাদশ", "প্রেম বিবাহ সুটকেশ", "জমিদার দর্পণ", "হৃদয় ঘটিত ব্যাপার স্যাপার" এর মতো অসাধারণ সব নাটক।
- টেলিভিশনে নাট্যকার হিসেবে মমতাজউদদীন আহমদের যাত্রা শুরু হয় ‘দখিনের জানালা’ নাটকটি দিয়ে।
- হুমায়ূন আহমদের উপন্যাস “শঙ্খনীল কারাগার” অবলম্বনে একই নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছিলেন মুস্তাফিজুর রহমান। সেই চলচ্চিত্রে মতিন উদ্দিন চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়েই অভিনেতা হিসেবে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয়েছিল মমতাজউদদীন আহমদের।

উল্লেখ্য,
- কিংবদন্তী নাট্যকার মমতাজউদদীন আহমদ।
- স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশের নাট্য আন্দোলনে পথিকৃৎ মমতাজ উদ্দীন আহমদ।
- মমতাজউদদীন আহমদের জন্ম ১৯৩৫ সালের ১৮ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলার হাবিবপুর থানার আইহো গ্রামে।

উৎস: The Daily Star Bangla.
৬,৭১৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় একমাত্র উপজাতি বীর বিক্রম কে?
  1. ইউ. কে. চিং মারমা 
  2. মং চিং মারমা
  3. রুহি মারমা
  4. মং থুই সাইন
সঠিক উত্তর:
ইউ. কে. চিং মারমা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউ. কে. চিং মারমা 
ব্যাখ্যা

• ইউ. কে. চিং মারমা:
- ইউ. কে. চিং মারমা ছিলেন মারমা সম্প্রদায়ের এক বীর মুক্তিযোদ্ধা।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে তিনি একমাত্র উপজাতি “বীর বিক্রম” খেতাব অর্জন করেন।
-  তিনি তৎকালীন East Pakistan Rifles (বর্তমানে Border Guards Bangladesh)-এর সদস্য ছিলেন।
-  মুক্তিযুদ্ধের সময় উত্তরাঞ্চলের রংপুর ও লালমনিরহাট অঞ্চলে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ করেন।
-  বাংলাদেশ সরকার তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে “বীর প্রতীক” খেতাবে ভূষিত করে।
-  তিনি মৃত্যুবরণ করেন ২৫ জুলাই ২০১৪ সালে।

উৎস:
১. বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (নবম–দশম শ্রেণি), জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB), ঢাকা।
২. The Daily Star: Bir Protik UK Ching passes away (২৫ জুলাই ২০১৪)।

৬,৭১৪.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় কয়টি রং আছে?
  1. ক) ১টি
  2. খ) ২টি
  3. গ) ৩টি
  4. ঘ) ৪টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকায় দুটি রং রয়েছে। আয়তাকার গাঢ় সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের সমন্বয়ে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা পৃথিবীর যে কোন দেশের জাতীয় পতাকার তুলনায় অনন্য।
৬,৭১৫.
ফকির ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহের সাথে ‍যুক্ত ছিলেন না কে?
  1. মজনু শাহ
  2. জুম্মা খান
  3. ভবানী পাঠক
  4. মুসা শাহ
সঠিক উত্তর:
জুম্মা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুম্মা খান
ব্যাখ্যা
ফকির  ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালির প্রথম বিদ্রোহ ছিল- ফকির  ও সন্ন্যাসী বিদ্রোহ।
- এই বিদ্রোহের প্রধান কারণ তাদের দলবেঁধে চলাচলে ইংরেজরা বাধা প্রদান করে।
- এই আদেশ জারি করেন- ওয়ারেন হেস্টিংস।
- এটি সংঘটিত হয় -অষ্টাদশ শতাব্দীতে।
- এই আন্দোলনের নেতা ছিল- মজনু শাহ, ভবানী পাঠক, মুসা শাহ।
- চাকমা বিদ্রোহ সাথে জড়িত - জুম্মা খান।
- ১৭৬৪ সালে বক্সারের যুদ্ধে ফকিররা মীর কাসিমের পক্ষে যুদ্ধ করেন।
- ১৭৬০- ১৮০০ সাল পর্যন্ত বিদ্রোহ করেন।
- এই বিদ্রোহের কেন্দ্রে ছিল- উত্তর ও পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারের বিভিন্ন স্থানে।
- ফকিররা প্রথম ইংরেজ বাণিজ্য কুঠি আক্রমণ করেন বাকেরগঞ্জে বা বরিশালে।

উল্লেখ্য,
- ইংরেজদের বিরুদ্ধে চাকমা রাজা বিদ্রোহ করে জোয়ান বকস।
- তার প্রধান সেনাপতি ছিল- রুনু খান ( জুম্মা খান)

উৎস: ইতিহাস, (প্রথম পত্র) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭১৬.
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ‘লবি গ্রুপ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন -
  1. ক) অ্যালান আর. বল
  2. খ) এইচ. জিগলার
  3. গ) এস. ই. ফাইবার
  4. ঘ) আলফ্রেড গ্রাজিয়ার
সঠিক উত্তর:
গ) এস. ই. ফাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এস. ই. ফাইবার
ব্যাখ্যা
• সুশীল সমাজ - চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অংশ।
 • চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ‘লবি গ্রুপ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন - এস. ই. ফাইবার
• “Interest group” - বলে আখ্যায়িত করেছেন - এইচ. জিগলার।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (১ম) বোর্ড বই।
৬,৭১৭.
‘হালকা প্রকৌশল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা – ২০২২’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় কবে?
  1. ক) ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  2. খ) ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২২
  3. গ) ২৯ অক্টোবর, ২০২২
  4. ঘ) ২৩ অক্টোবর, ২০২২
সঠিক উত্তর:
ক) ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
• ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ‘হালকা প্রকৌশল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা – ২০২২’ ও ‘জাতীয় শিল্পনীতি – ২০২২’ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২
৬,৭১৮.
পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে কত সালে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:

- পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ১৯৭৪ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি।
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত ও ভূটান বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্যসহ সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া নেদাল্যান্ডস এবং জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- যুক্তরাষ্ট্র ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয় বাংলাদেশকে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ২৬ মার্চ ২০২১।
৬,৭১৯.
সাঁওতালদের জাতীয় উৎসব কোনটি?
  1. সোহরাই
  2. সাংগ্রাই
  3. ওয়ানগালা
  4. কারাম
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চলে।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য যদিও সূর্য, পর্বত দেবতা (মারাং বুরু) তাদের জন্য যথেষ্ট মর্যাদাব্যঞ্জক হয়ে গ্রামদেবতায় পরিণত হয়েছে।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব।
- যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৬,৭২০.
'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন কোন শাসক?
  1. বিম্বিসার
  2. অশোক
  3. কনিষ্ক
  4. বিক্রমাদিত্য
সঠিক উত্তর:
অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশোক
ব্যাখ্যা

অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- পিতার রাজত্বকালে অশোক প্রথম জীবনে উজ্জয়িনীর শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে তক্ষশীলায় বিদ্রোহ দেখা দিলে বিন্দুসার তাঁকে সেখানে পাঠান। বিদ্রোহ দমনের পর তিনি তক্ষশীলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি পাটলিপুত্রের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক তাঁর পূর্বসুরীদের মতই 'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি নিজেকে 'দেবনম পিয় পিয় দসী' রূপে পরিচয় দিতেন।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয় অর্থাৎ সৌহার্দ্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে অপরের প্রীতি অর্জনকেই প্রকৃত বিজয় বলে তিনি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান। তাদের জাগতিক ও পারলৌকিক সুখ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৭২১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ -
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৬,৭২২.
অস্থায়ী প্রবাসী সরকারের প্রতি সর্বপ্রথম কোন কূটনীতিক আনুগত্য জ্ঞাপন করেন?
  1. ক) সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  2. খ) এম. হোসেন আলী
  3. গ) আবদুল মান্নান
  4. ঘ) হুমায়ুন রশীদ চৌধূরী
সঠিক উত্তর:
খ) এম. হোসেন আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এম. হোসেন আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৬ এপ্রিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে অসাধারণ ঘটনার জন্ম দিয়েছিলেন তৎকালীন দু’জন তরুন বাঙালি কুটনীতিক-নয়দিল্লিস্থ পাকিস্তান হাই কমিশনের সেকেন্ড সেত্রেটারি কে. এম. শিহাবুদ্দিন এবং এসিস্টেন্ট প্রেস এটাচী আমজাদুল হক।

মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হওয়ার পূবের্ই কে. এম. শিহাবুদ্দিন ও আমজাদুল হকের নয়াদিল্লিতে এক প্রেস কনফারেন্স করে স্ত্রী, সন্তান ও পরিবারের কথা চিন্তা না করে লোভনীয় কূটনীতিকের পদ ছেড়ে দেন এবং পাকিস্তান সরকারের অন্যায় অত্যাচারের তীব্র নিন্দা জানান, যা সমগ্র পৃথিবীতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।

অন্যদিকে,
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল সরকার গঠনের একদিন পর কলকাতার পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলী এবং সব বাঙালি কূটনীতিক ও স্টাফ একযোগে বাংলাদেশের পক্ষে আনুগত্য জানান।
- 'পাকিস্তান ডেপুটি হাইকমিশন' নামফলক নামিয়ে ফেলা হয়। সেখানে 'বাঙলা দেশ কূটনৈতিক মিশন' নামফলক লাগিয়ে দেওয়া হয়।
- মিশনের ছাদে ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ হোসেন আলীর নেতৃত্বে ওড়ানো হয় স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মত আনুষ্ঠানিকভাবে বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশের পতাকা উড়তে শুরু করে।

উৎস: i) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি)।
৬,৭২৩.
Which institution won the Independence Award in 2023?
  1. Bangladesh Wheat and Maize Research Institute
  2. Bangladesh National Museum
  3. Bangladesh Fisheries Research Institute
  4. Department of Fire Service and Civil Defence
সঠিক উত্তর:
Department of Fire Service and Civil Defence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Department of Fire Service and Civil Defence
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৩:
→ স্বাধীনতা পুরস্কার হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পুরষ্কার।
→ ১৯৭৭ সাল থেকে শুরু হয়ে এই পর্যন্ত অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এই সম্মাননা অর্জন করেন।
→ গত ৯ই মার্চ ২০২৩ইং তারিখ ৯ জন ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।

• পুরস্কার পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন:
- বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) সামসুল আলম।
- মরহুম লে. এ জি মোহাম্মদ খুরশীদ।
- শহিদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূইয়া।
- মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী (মায়া) বীর বিক্রম।
- মরহুম ড. মুহাম্মদ মঈনুদ্দিন আহমেদ (সেলিম আল দীন)।
- পবিত্র মোহন দে।
- এ এস এম রকিবুল হাসান।
- বেগম নাদিরা জাহান (সুরমা জাহিদ)।
- ড. ফেরদৌসী কাদরী।

প্রতিষ্ঠান-
- ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ও বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনকে 'একুশে পদক ২০২৩' পুরস্কার দেওয়া হয়।
- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ২০২২ সালে স্বাধীনতা পুরষ্কার লাভ করে।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬,৭২৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ইউনিয়নের সংখ্যা কয়টি?
  1. ৪,৫৫৬টি
  2. ৪,৫৬৬টি
  3. ৪,৫৭৭টি
  4. ৪,৫৯৬টি
সঠিক উত্তর:
৪,৫৯৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪,৫৯৬টি
ব্যাখ্যা
দেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বিভাগ - ৮টি।
- জেলা - ৬৪টি।
- সিটি কর্পোরেশন - ১২টি।
- উপজেলা - ৪৯৫টি।
- ইউনিয়ন - ৪,৫৯৬টি।

তথ্যসূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন।

৬,৭২৫.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৭৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

• সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:

- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধায়নে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।

- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। 
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রাদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ প্রচার করে।

তথ্যসূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
৬,৭২৬.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করেছিলো কবে?
  1. ক) ১০ আগস্ট ১৯৭২
  2. খ) ১৪ সেপ্টেম্বর ১৯৭২
  3. গ) ১৭ অক্টোবর ১৯৭২
  4. ঘ) ২২ ডিসেম্বর ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ অক্টোবর ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ অক্টোবর ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর বাংলাদেশ জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করেছিলো।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
(তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৬,৭২৭.
'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান' লেখাটি সংবিধানের কোন প্রচ্ছদের উপর লেখা ছিল?
  1. তালপাতা
  2. গোলপাতা
  3. শীতলপাটি
  4. মসলিন
সঠিক উত্তর:
শীতলপাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীতলপাটি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক  এ.কে.এম আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানে মোট ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- হাতে লেখা সংবিধানের পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল ১০৯।
-  সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
                                                 


সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান - আরিফ খান।
৬,৭২৮.
কোনটিকে ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ বলা হয়?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম:
- চট্টগ্রামকে ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ বলা হয়। 
- বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের শতকরা প্রায় ৯০ ভাগ সম্পন্ন হয় চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর দিয়ে।
- যার কারণে চট্টগ্রামে গড়ে উঠেছে প্রচুর শিল্প-কারখানা ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এর মাধ্যমে ত্বরান্বিত হয়েছে হয়েছে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন।
- এই অর্থনৈতিক গুরুত্বের কারনেই চট্টগ্রাম দেশের বাণিজ্যিক রাজধানীর মর্যাদা লাভ করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৭২৯.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলায় কত টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে?
  1. ৩,০০০ কোটি টাকা
  2. ২,০০০ কোটি টাকা
  3. ৪,০০০ কোটি টাকা
  4. ১,০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
২,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট:
- বাজেটে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- বাজেটে উন্নয়ন ব্যয় ধরা হয়েছে ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
-  উন্নয়ন ব্যয়, পরিচালন ব্যয় মিলে মোট বাজেটের আকার পাওয়া যায় (২,৪৫,৬০৯ + ৫,৪৪,৩৯১ = ৭,৯০,০০০ কোটি টাকা)।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদদের পরিবার এবং আহতদের জন্য ৪০৫ কোটি ২০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- নারী উদ্যোক্তা সৃস্টি ও নারীর ক্ষমতায়নসহ সার্বিক উন্নয়নে ১২৫ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্টার্টআপ তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- ব্লু ইকোনমি সম্পদ আহরণে গবেষণা তহবিল বাবদ ১০০ কোটি টাকার সংস্থান রাখা হয়েছে।
- স্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবেলা তহবিল-এ ২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
- অর্থনৈতিক ও প্রাকৃতিক দূর্যোগের অভিঘাত মোকাবেলা তহবিলে ৮,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
- পরিচালন ঋণ হিসাবে ১২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয়।

৬,৭৩০.
রাষ্ট্র সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগ করে কিসের মাধ্যমে?
  1. রাজনৈতিক দল
  2. আইন বিভাগ
  3. সরকার
  4. চাপসৃষ্টিকারী দল
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
• সরকারের অঙ্গসমূহ:
→ রাষ্ট্র একটি বিমূর্ত ধারণা। রাষ্ট্রকে বাস্তবে দেখা যায় না। রাষ্ট্রকে উপলব্ধি করা যায় এর অন্যতম উপাদান সরকারের মাধ্যমে।
→ রাষ্ট্রের অন্য তিনটি উপাদান হচ্ছে নাগরিক, ভূখন্ড ও সার্বভৌমত্ব।
→ রাষ্ট্র তার সার্বভৌম ক্ষমতা সরকারের মাধ্যমে প্রয়োগ করে।
→ আর সরকার গঠিত হয় জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে।
→ সরকার ব্যতীত কোন রাষ্ট্র কল্পনা করা যায় না। সরকার সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার নীতি বা কৌশল তৈরি করে। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৩১.
প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে -
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ২০০১ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
জনশুমারি:
- কোনো দেশের বা কোনো নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষ গণনাকেই মূলত আদমশুমারি বলে।
- একে একটি দেশের জনসংখ্যার সরকারি গণনা হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- সেগুলো হলো: ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।

উল্লেখ্য,
- ২০১৩ সালে প্রণীত পরিসংখ্যান আইন অনুযায়ী, ইতিপূর্বে পরিচিত ‘আদমশুমারি'কে 'জনশুমারি' হিসেবে অভিহিত করা হয়। সে অনুসারে 'আদমশুমারি ও গৃহগণনার' পরিবর্তে ২০২২ সালের জুন মাসে '৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা' অনুষ্ঠিত হয়। ডিজিটাল শুমারিতে প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে ৩৫ ধরনের তথ্যসহ আরও ১০টি সহায়ক তথ্য নেওয়া নিয়েছেন তথ্য সংগ্রহকারীরা। এতে করে একজন নাগরিকের মোট ৪৫ ধরনের তথ্য নেওয়া হয়েছে।

⇒ জনশুমারি নিয়ে কিছু তথ্য:
- ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে।পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
ii) BBC.
৬,৭৩২.
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী, কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য জনগোষ্ঠী বাস করে?
  1. খুলনা বিভাগ
  2. রংপুর বিভাগ
  3. ময়মনসিংহ বিভাগ
  4. বরিশাল বিভাগ
সঠিক উত্তর:
বরিশাল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল বিভাগ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
- অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ।

• সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য জনগোষ্ঠী: বরিশাল বিভাগ (২৬.৯%)।
• সবচেয়ে কম দারিদ্র্য জনগোষ্ঠী: খুলনা বিভাগ (১৪.৮%)।

অন্যদিকে -
- ঢাকা বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৯%।
- রাজশাহী বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৬.৭%।
- চট্টগ্রাম বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৫.৮%।
- রংপুর বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.৮%।
- ময়মনসিংহ বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ২৪.২%।
- সিলেট বিভাগে দারিদ্র‍্যের হার: ১৭.৪%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
৬,৭৩৩.
মুঘল সম্রাটদের মধ্যে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন -
  1. আকবর
  2. বাবর
  3. হুমায়ুন
  4. শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
বাবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর
ব্যাখ্যা

মুঘল সম্রাটদের মধ্যে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন সম্রাট বাবর। তার রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'তযুক-ই-বাবরী'। 

সম্রাট বাবর:

- জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ছিলেন ভারতবর্ষে মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা।
- বাবরের পিতা উমর শেখ মির্জা ছিলেন দুধর্ষ সমর নেতা তৈমুরের বংশধর এবং মাতা কুতলুঘ নিগার খানম ছিলেন মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খানের অধস্তন বংশধর ইউনুস খানের কন্যা।
- মাত্র ১১ বছর বয়সে বাবর পিতৃ সিংহাসনে উপবেশন করেন।
- বাবর অল্পদিনের মধ্যেই সমগ্র আফগানিস্তানে নিজ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে 'পাদশাহ' (বাদশাহ) উপাধি গ্রহণ করে ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত কাবুলের শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৫১২ খ্রিস্টাব্দে উজবেকদের সাথে সংঘটিত এক যুদ্ধে বাবর পরাজিত হয়ে সমরকন্দ থেকে বিতাড়িত হন। অতঃপর মধ্য এশিয়ায় রাজ্য স্থাপন অসম্ভব মনে করে বাবর ভারতবর্ষের দিকে মনোনিবেশ করেন।

⇒  ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে পানিপথের প্রথম যুদ্ধে ইব্রাহীম লোদীকে, ১৫২৭ খ্রিস্টাব্দে খানুয়ার যুদ্ধে মেবারের রাজপুত নেতা রানা সংগ্রাম সিংহকে, ১৫২৮ খ্রিস্টাব্দে চান্দেরী অভিযানের সময় মেদেনী রাওকে এবং সর্বশেষ ১৫২৯ খ্রিস্টাব্দে গোগরার যুদ্ধে সম্মিলিত আফগান শক্তিকে পরাস্ত করার মধ্যে বাবরের উন্নত সামরিক কৌশল, রণনিপুণতা এবং একজন সফল সমর নায়কের কৃতিত্ব ফুটে উঠে। 

⇒ জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মুঘল সাম্রাজ্য শাসন করেন। তাঁর সময় মুঘল সাম্রাজ্য পশ্চিমে কাবুল থেকে পূর্বে বিহার এবং উত্তরে হিমালয় থেকে দক্ষিণে চান্দেরি পর্যন্ত বিস্তার লাভ করে। মাত্র চার বছরের সংক্ষিপ্ত রাজত্বকালে বাবর বিশাল সাম্রাজ্যে সুষ্ঠু শাসন ব্যবস্থা অব্যাহত রাখেন।
- তবে বাবর খলিফার ক্ষমতাকে অস্বীকার করে স্বয়ং 'বাদশাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- বাবর সমগ্র সাম্রাজ্যব্যাপী ১৫ মাইল অন্তর অন্তর ডাকচৌকির ব্যবস্থা করেন।
- তিনি তুর্কি ও ফার্সি ভাষায় অসংখ্য কবিতা রচনা করেন। তাঁর রচিত তুর্কি কবিতার সংকলন 'দিওয়ান' নামে পরিচিত। জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবরের সাহিত্যানুরাগের শ্রেষ্ঠ নির্দশন তুর্কি ভাষায় রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'তযুক-ই-বাবরী'। 'তুযুক-ই-বাবরী' মুঘল ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৭৩৪.
পহেলা বৈশাখের ঐতিহ্যবাহী 'সূচনা' অনুষ্ঠানটি কোথায় হয়?
  1. ছায়ানটে
  2. মানিক মিয়া এভিনিউতে
  3. রমনার বটমূলে
  4. মতিঝিল শাপলা চত্বরে
সঠিক উত্তর:
রমনার বটমূলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রমনার বটমূলে
ব্যাখ্যা
পহেলা বৈশাখ:
- পহেলা বৈশাখ বাংলা সনের প্রথম দিন।
- এ দিনটি বাংলাদেশে নববর্ষ হিসেবে পালিত হয়।
- এটি বাঙালির একটি সর্বজনীন লোকউৎসব।
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বর্ষবরণের চমকপ্রদ ও জমজমাট আয়োজন ঘটে রাজধানী ঢাকায়।
- এখানে বৈশাখী উৎসবের অনুষ্ঠানমালা এক মিলন মেলার সৃষ্টি করে।
- নববর্ষের প্রথম প্রভাতে রমনা উদ্যান ও এর চারপাশের এলাকায় উচ্ছল জনস্রোতে সৃষ্টি হয় জাতীয় বন্ধন।
- ছায়ানটের উদ্যোগে জনাকীর্ণ রমনার বটমূলে রবীন্দ্রনাথের আগমনী গান ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’-এর মাধ্যমে নতুন বর্ষকে বরণ করা হয়।

⇒ ১৩৭২ বঙ্গাব্দে (১৯৬৫) ছায়ানট প্রথম এ উৎসব শুরু করে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের বকুলতলার প্রভাতী অনুষ্ঠানেও নববর্ষকে সম্ভাষণ জানানো হয়।
- এখানকার চারুশিল্পীদের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা নববর্ষের আহবানকে করে তোলে নয়নমনোহর এবং গভীর আবেদনময়।
- এ শোভাযাত্রা উপভোগ করে সব শ্রেণীর আবাল-বৃদ্ধ-বনিতা।
- এদিন শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ, টি.এস.সি এবং চারুকলাসহ সমগ্র বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা পরিণত হয় এক বিশাল জনসমুদ্রে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬,৭৩৫.
'স্বোপার্জিত স্বাধীনতা' ভাস্কর্যের স্থপতি কে?
  1. শামীম শিকদার
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. মোস্তফা হারুন কুদ্দুস
  4. সৈয়দ মাইনুল হোসেন
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা
• স্বোপার্জিত স্বাধীনতা:
- মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি।
- স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনের সড়কের মোড়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি: শামীম শিকদার।
- ভাস্কর্য কর্মে সহায়তা করেন হিমাংশু রায় ও আনোয়ার চৌধুরী।
- ১৯৮৮ সালের ২৫ মার্চ তারিখে, অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক এ ভাস্কর্যটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৭৩৬.
দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১৫-২১ মে
  2. খ) ১৫-২১ এপ্রিল
  3. গ) ১৫-২১ জুন
  4. ঘ) ১৫-২১ জুলাই
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫-২১ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫-২১ জুন
ব্যাখ্যা
• ১৫-২১ জুন ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা।
• এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা।
• বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। পরবর্তীতে ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত হয় যথাক্রমে ২য়, ৩য়, ৪র্থ ও ৫ম আদমশুমারি ও গৃহগণনা।
• ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনার প্রতিপাদ্য ছিল: “জনশুমারিতে তথ্য দিন, পরিকল্পিত উন্নয়নে অংশ নিন”।
• পরিসংখ্যান আইন, ২০১৩ অনুযায়ী, আদমশুমারি ও গৃহগণনাকে ‘জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে নামকরণ করা হয়।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২।
৬,৭৩৭.
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতার খবর প্রথম বহির্বিশ্বে প্রচার করেন কোন সাংবাদিক?
  1. ক) মতিউর রহমান
  2. খ) সাইমন ড্রিং
  3. গ) এম আর আখতার মুকুল
  4. ঘ) অ্যালেন গিন্সবার্গ
সঠিক উত্তর:
খ) সাইমন ড্রিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাইমন ড্রিং
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ অপারেশন সার্চলাইটের সময় ব্রিটেনের ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকার সাংবাদিক সাইমন ড্রিং ঢাকা ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে গোপনে অবস্থান করে পাকবাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞ প্রত্যক্ষ করেন।
পরবর্তীতে ৩০শে মার্চ ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকায় 'ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ট ইন পাকিস্তান' শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে সর্বপ্রথম পাকবাহিনীর হত্যাযজ্ঞের খবর বহির্বিশ্বে প্রচার করেন। এ ঘটনার পর তাকে ঢাকা ছাড়তে হয়।
পরবর্তীতে ১৬ ডিসেম্বর মিত্রবাহিনীর ট্যাংকে চড়ে তিনি ঢাকায় প্রবেশ করেন।
উৎসঃ দৈনিক প্রথম আলো আর্কাইভ
৬,৭৩৮.
দেশের বাহিরে নিচের কোন শহরে মুজিবনগর সরকার মিশন স্থাপন করেছিল? 
  1. স্টকহোম
  2. দিল্লি
  3. ওয়াশিংটন
  4. উপরের সবকয়টি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকয়টি
ব্যাখ্যা
দেশের বাহিরে মুজিবনগর সরকারের মিশন স্থাপন:

• ১৯৭১ সালের ১০ মার্চ মুজিবনগর সরকার গঠনের পর কাজের সুবিধার্থে ১২ টি মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। 
• মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন করে। শহরগুলো হলোঃ
- কলকাতা
- দিল্লি
- লন্ডন
- ওয়াশিংটন
- নিউইয়র্ক
- স্টকহোম
• এসব মিশন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে। 
• সরকার বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়। 
• তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমতসৃষ্টি ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেন। 
• উল্লেখ্য, বিদেশে কলকাতাতেই প্রথম বাংলাদেশ মিশন স্থাপন করে। 
• মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে ছিল। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
৬,৭৩৯.
তৈরি পোশাক থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের শতকরা কত ভাগ আসে? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৪]
  1. শতকরা প্রায় ৩৭ ভাগ
  2. শতকরা প্রায় ৪৪ ভাগ
  3. শতকরা প্রায় ৩৩ ভাগ
  4. শতকরা প্রায় ৪৮ ভাগ
সঠিক উত্তর:
শতকরা প্রায় ৩৭ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শতকরা প্রায় ৩৭ ভাগ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রপ্তানি পরিস্থিতি:

- পণ্যভিত্তিক রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)। 

অন্যদিকে,
- ২য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: পাটজাত পণ্য - ৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.২৫%)।
- ৩য় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয়: ইঞ্জিনিয়ারিং (প্রকৌশল) দ্রব্য - ৩৩৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৮৮%)।

এছাড়াও,
⇒ সার্বিক রপ্তানি পরিস্থিতি:
১. কৃষিজাত পণ্য: ৫৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১.৩৯%)।
২. হিমায়িত খাদ্য: ২৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.৭১%)।
৩. কাঁচাপাট: ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.২৬%)।
৪. চা: ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (০.০০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬,৭৪০.
‘তৈচাকমা’ জলপ্রপাতটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙামাটি
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
• তৈচাকমা জলপ্রপাত:
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা থেকে সাত কিলোমিটার দূরে জলপ্রপাতটির অবস্থান।
→ ত্রিপুরা ভাষার তৈচাকমা মানে লাল পানি, আর চাকমা ভাষায় রাঙাপানি। তবে এখন পানির রং স্বচ্ছ।
→ এছাড়াও রাঙামাটি জেলায় রয়েছে কাট্টলী বিল, চিৎমরম বৌদ্ধ বিহার, ফুরমোন পাহাড় ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও রাঙামাটি জেলার ওয়েবসাইট।
৬,৭৪১.
লাল শাপলার রাজ্য নামে খ্যাত 'ডিবির হাওর' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কিশোরগঞ্জ
  2. খ) সুনামগঞ্জ
  3. গ) হবিগঞ্জ
  4. ঘ) সিলেট
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেট
ব্যাখ্যা

ইতিহাস, ঐতিহ্য আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা। জৈন্তাপুরের ‘ডিবির হাওর’ এখন পর্যটনকেন্দ্র।
বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী মেঘালয় পাহাড়ের পাদদেশে ডিবির হাওরের অবস্থান।
জৈন্তারাজ্যের রাজা রাম সিংহের স্মৃতিবিজড়িত ডিবির হাওর, ইয়াম, হরফকাটা ও কেন্দ্রী বিলসহ রয়েছে চারটি বিল। বিলগুলোকে কেন্দ্র করেই নাম করা হয়েছে ডিবির হাওর।
ভ্রমণপিপাসুদের কাছে এখন ‘শাপলার রাজ্য’ নামে পরিচিত এই ডিবির হাওর। বিলে ফুটে থাকে অজস্র লাল শাপলা। সিলেট শহর থেকে ৪২ কিলোমিটার দূরে এই এই শাপলার রাজ্য।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

৬,৭৪২.
বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট জেলা (আয়তন) কোনটি?
  1. নওয়াবগঞ্জ
  2. নরসিংদী
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
নারায়ণগঞ্জ:
- আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম জেলা নারায়ণগঞ্জ।
- ১৯৮৪ সালে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিষ্ঠিত।
- এর আয়তন ৬৮৪.৩৭ বর্গকিলোমিটার। 
- নারায়ণগঞ্জ সোনালী আশঁ পাটের জন্য প্রাচ্যের ড্যান্ডি নামে পরিচিত।
- নারায়ণগঞ্জ বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম নদীবন্দর। 
- নারায়ণগঞ্জের মধ্য দিয়ে শীতলক্ষ্যা নদী প্রবাহিত।

অন্যদিকে -
- আয়তন অনুযায়ী বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা হল রাঙ্গামাটি।
- প্রতিষ্ঠাকালের দিক থেকে যশোর বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন জেলা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৭৪৩.
ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠন করে কে?
  1. আওয়ামী মুসলিম লীগ
  2. ছাত্রলীগ
  3. তমদ্দুন মজলিশ
  4. পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগ
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তমদ্দুন মজলিশ
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক আবুল কাসেমের নেতৃত্বে তমদ্দুন মজলিশ গঠিত হয়।
- এটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন। 
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের সেপ্টেম্বরে ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম পুস্তিকা প্রকাশিত হয়।
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান। 
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’। 
- এর আহ্বায়ক মনোনিত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম পরিচালিত হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন।
- তিনি ‘বাংলা’ ভাষাকেও অধিবেশনের ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) ১৩ ডিসেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
৬,৭৪৪.
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করার জন্য পরিচালিত অপারেশনের নাম কী ছিল?
  1. অপারেশন ব্লুবার্ড
  2. অপারেশন বিগবার্ড
  3. অপারেশন বিগম্যান
  4. অপারেশন সার্চলাইট
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বিগবার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন বিগবার্ড
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় (বাইগার নদীর তীরে)।
- বঙ্গবন্ধু আনুষ্ঠানিকভাবে রাজনীতিতে অভিষিক্ত হন ১৯৪৪ সালে কুষ্টিয়ায় অনুষ্ঠিত নিখিল বঙ্গ মুসলিম ছাত্রলীগের সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে।
- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- বন্দী থাকা অবস্থায় ১৬ ফেব্রুয়ারিতে রাষ্ট্র ভাষা বাংলার দাবিতে বঙ্গবন্ধু কারাগারে অনশন শুরু করেন। ভাষার দাবিতে বঙ্গবন্ধু ১৩ দিন অনশন করেছিলেন।

- ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চের ভাষণ দেন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে, যা এখন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের মূল বক্তব্য ছিল “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম"।
- বঙ্গবন্ধুর ধানমন্ডির বাড়িতে প্রথম ২৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাত অর্থাৎ ২৬ মার্চে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- এরপরই পাকিস্তানি সেনাবাহিনী বঙ্গবন্ধুকে গ্রেপ্তার করে।
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করতে পরিচালিত অপারেশনের নাম অপারেশন বিগবার্ড।

অন্যদিকে: 

- অপারেশন সার্চলাইট পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।

উৎস: শতবর্ষে শত তথ্যে 'বঙ্গবন্ধু' ও প্রথম আলো।
৬,৭৪৫.
২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মাথাপিছু আয় (প্রক্ষেপণ) -
  1. ক) ৩,২৩৩ ডলার
  2. খ) ২,৩৭৩ ডলার
  3. গ) ২,৫৭৩ ডলার
  4. ঘ) ২,১৭৩ ডলার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২,১৭৩ ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২,১৭৩ ডলার
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ জাতীয় বাজেট ২০১৯-২০
৬,৭৪৬.
"ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২" অনুসারে, জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম জেলা কোনটি?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) মাগুরা
সঠিক উত্তর:
খ) বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বান্দরবান
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ন তথ্য:
জানশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২। তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় - ২৭ জুলাই ২০২২।
জনসংখ্যা - ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন। পুরুষ: ৮,১৭,১২,৮২৪ জন; নারী: ৮,৩৩,৪৭,২০৬ জন; হিজড়া: ১২,৬২৯ জন। [১৭,৫০৭টি খানার ৮৫,৯৫৭ জনের আংশিক তথ্য পাওয়া গেছে, তাই মোট জনসংখ্যার সাথে লিঙ্গ ভিত্তিক জনসংখ্যার কিছুটা পার্থক্য রয়েছে।]
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.২২%
জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে – ১,১১৯ জন।
পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০
সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৬৬%।
খানার সংখ্যা - ৪,১০,১০,০৫১ জন।
খানা প্রতি গড় সদস্য সংখ্যা – ৪.০ জন।
প্রতিবন্ধী জনসংখ্যা - ২৩,৬১,৬০৪ জন।
ধর্মভিত্তিক জনসংখ্যা – মুসলমান ৯১.০৪% ; হিন্দু ৭.৯৫% ; বৌদ্ধ : ০.৬১% ; খ্রিষ্টান : ০.৩০% ; অন্যান্য : ০.১২%।
শহর অঞ্চলে বসবাসকারি জনসংখ্যা - ৫,২০,০৯,০৭২ জন।
গ্রাম অঞ্চলে বসবাসকারি জনসংখ্যা - ১১,৩০,৬৩,৫৮৭ জন।
জনসংখ্যায় বৃহত্তম বিভাগ - ঢাকা; (৪,৪২,১৫,১০৭ জন)।
জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম বিভাগ - বরিশাল; (৯১,০০,১০২ জন)।
জনসংখ্যায় বৃহত্তম জেলা – ঢাকা (১,৪৭,৩৪,০২৫ জন)।
জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম জেলা – বান্দরবান (৪,৮১,১০৯ জন)।
বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি – ঢাকা বিভাগে (১.৭৪%)।
বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম - বরিশাল বিভাগে (০.৭৯%)।
 
উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট
৬,৭৪৭.
ইবনে বতুতা রচিত কোন গ্রন্থে চতুর্দশ শতকে বাংলার আর্থ সামাজিক অবস্থার চিত্র পাওয়া যায়?
  1. ক) কিতাবুল রেহালা
  2. খ) আন-নহর উল-আয্রাক
  3. গ) ইবনে জুযাই
  4. ঘ) আল রিহবাত
সঠিক উত্তর:
ক) কিতাবুল রেহালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কিতাবুল রেহালা
ব্যাখ্যা
- ইবনে বতুতা মরক্কোর পর্যটক ছিলেন।
- তিনি ১৩৩৪ সালে ভারতে ও ১৩৪৬ সালে বাংলায় ভ্রমণ করেন।
- তাঁর লিখিত বিখ্যাত গ্রন্থ কিতাবুল রেহালা বা সফরনামা।
- তাঁর ‘কিতাবুল রেহালা’ নামক গ্রন্থে সমসাময়িক বাংলায় আর্থ-সামাজিক অবস্থার অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
-  ইবনে বতুতা সিলেটের প্রখ্যাত সাধক হযরত শাহজালালের সাথে সাক্ষাৎ করেন।
- তিনি বাংলার নামকরণ করেন ‘দোযখ-ই-পুর নিয়ামত’ বা প্রাচুর্যপূর্ণ নরক।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।
৬,৭৪৮.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল -
  1. ৭.৮৯%
  2. ৮.২৪%
  3. ৯.৭৪%
  4. ১০.৪৯%
সঠিক উত্তর:
৯.৭৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯.৭৪%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:

- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল: ৭২.৩ বছর (পুরুষ: ৭০.৮; নারী: ৭৩.৮)।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮,৪৫২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি। 
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত (২০২৩): ৯৬.৩: ১০০।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৬,৭৪৯.
দেশের প্রথম বাণিজ্যিক বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পাবনা
  2. সাতক্ষীরা
  3. বাগেরহাট
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম বাণিজ্যিক বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প:
- দেশের প্রথম বাণিজ্যিক বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্প কক্সবাজারে অবস্থিত। 
- উৎপাদন সক্ষমতা: ৬০ মেগাওয়াট।
- ২০২২ সালের ৩১ মার্চ ১১৬.৫১ মিলিয়ন ডলারের ব্যয়ের এ প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। 
- এই প্রকল্পের নেতৃত্বে রয়েছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইউএস-ডিকে গ্রিন এনার্জি বিডি লিমিটেড।
- আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে চীনা কোম্পানি এসপিআইসি উইলিং পাওয়ার কর্পোরেশন।
- বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মাণের সময় ১৫০০-এর বেশি কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।

উৎস: ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৬,৭৫০.
২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত গড় মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে-
  1. ৫.২ শতাংশ
  2. ৫.৪ শতাংশ
  3. ৫.৫ শতাংশ
  4. ৫.৬৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৫.৪ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৪ শতাংশ
ব্যাখ্যা
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে অনুমিত গড় মূল্যস্ফিতি ধরা হয়েছে ৫.৪ শতাংশ। আগের ২০১৯-২০ অর্থবছরে অনুমিত গড় মূল্যস্ফিতি ধরা হয়েছিলো ৫.৬৫ শতাংশ।
জিডিপির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮.২ শতাংশ।
[সূত্রঃ অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট]
৬,৭৫১.
‘গণতন্ত্র ও মানবাধিকার’ বিষয়টি বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে আলোচিত হয়েছে?
  1. ১১ নং
  2. ১৭ নং
  3. ১৮ নং
  4. ২১ নং
সঠিক উত্তর:
১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

⇒ সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ: গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
- প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে৷
- সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। যেখানে মৌলিক মানবাধিকার, স্বাধীনতার নিশ্চয়তা এবং মানবসত্তার মর্যাদার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে। রাষ্ট্রীয় সকল কাজে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। প্রাপ্তবয়স্কদের সর্বজনীন ভোটাধিকারের মাধ্যমে সরকার নির্বাচিত হবে।
- সমাজজীবন হতে সর্বপ্রকার বৈষম্য দূরীভূত করে নাগরিকদের মৌলিক মানবিক অধিকার এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করা হবে।

অন্যদিকে,
- ১৭ নং অনুচ্ছেদে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা বিষয়ে বর্ণিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) পৌরনীতি, বাংলাদেশের সংবিধান, এস এস সি প্রোগ্রাম।

৬,৭৫২.
বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের আলোচ্য বিষয় কী?
  1. ক) শপথ ও ঘোষণা
  2. খ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
  3. গ) অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
  4. ঘ) রাষ্টপতি নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
ব্যাখ্যা
- ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৩টি তফসিল যুক্ত করা হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে :-
» প্রথম তফসিল - অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
» দ্বিতীয় তফসিল - রাষ্টপতি নির্বাচন।
» তৃতীয় তফসিল - শপথ ও ঘোষণা।
» চতুর্থ তফসিল – ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
» পঞ্চম তফসিল - ১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
» ষষ্ঠ তফসিল - ১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা।
» সপ্তম তফসিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিবনগর সরকারের জারিকৃ্ত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫৩তম অনুচ্ছেদে ৭টি তফসিল উল্লেখ করা হয়।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৬,৭৫৩.
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কবে?
  1. ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  2. ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  3. ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  4. ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট:
⇒  ১১ ডিসেম্বর ২০২৫ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।
⇒ তফসিল অনুযায়ী আগামী ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার দেশের ৩০০ আসনে জাতীয় সংসদের সাধারণ নির্বাচন এবং একই সাথে জুলাই জাতীয় সনদ সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশ-২০২৫ এর উপর গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
⇒ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া যাবে আগামী ২৯ ডিসেম্বর সোমবার পর্যন্ত। ৩০ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত মনোনয়ন যাচাই-বাছাই হবে।
⇒  রিটার্নিং অফিসারের আদেশের বিরুদ্ধে কমিশনে আপিল দায়েরের শেষ তারিখ ১১ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত।
⇒ কমিশনের দায়ের করা আপিল নিষ্পত্তি করা হবে ১২ জানুয়ারি সোমবার থেকে ১৮ জানুয়ারি রোববার পর্যন্ত।
⇒  প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ জানুয়ারি মঙ্গলবার। রিটার্নিং অফিসাররা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি বুধবার।
⇒  ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি। 

উৎস: নির্বাচন কমিশন।

৬,৭৫৪.
দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর -
  1. পানগাঁও
  2. রূপপুর
  3. সন্দ্বীপ
  4. মিরসরাই-রাসমনি
সঠিক উত্তর:
সন্দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সন্দ্বীপ
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ।
- চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।

⇒ সন্দ্বীপকে নদীবন্দর ঘোষণা করে জারি করা প্রজ্ঞাপনে নদীবন্দরের চারদিকের সীমানার অক্ষাংশ–দ্রাঘিমাংশ উল্লেখ করা হয়। ভূ–ভাগের সীমানার বর্ণনা দিয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সন্দ্বীপ দ্বীপের চারপাশের তীরের সাধারণ ভরাকটালের সময় সর্বোচ্চ পানি সমতল থেকে ভূ–ভাগের দিকে ৫০ মিটার পর্যন্ত এর সীমানা বিস্তৃত। সন্দ্বীপ উপকূলীয় এলাকার ওই সীমানার মধ্যে খালগুলো নদীবন্দরের সীমানার আওতাভুক্ত হবে।

উল্লেখ্য,
- সন্দ্বীপসহ বর্তমানে নদীবন্দরের সংখ্যা ৫৪টি।
- এর মধ্যে চারটি বড় নদী বন্দর হচ্ছে ঢাকা (সদরঘাট), নারায়ণগঞ্জ, চাঁদপুর ও বরিশাল।
- দেশের কনটেইনার টার্মিনাল নদীবন্দর হচ্ছে ঢাকার পানগাঁও।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) বণিক বার্তা।
৬,৭৫৫.
১৯৭১ সালের কত তারিখে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়?
  1. ১৬ ডিসেম্বর
  2. ১০ এপ্রিল
  3. ১৭ এপ্রিল
  4. ২৬ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২৬ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ মার্চ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা 
- ২৫ মার্চ ১৯৭১ রাতে পাকবাহিনীর নৃশংসতম আক্রমণের পরে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে রাত দেড়টার কিছু পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ইংরেজিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।
- এই ঘোষণার মাধ্যমেই ২৬ মার্চ, ১৯৭১ থেকে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
- এই ঘোষণা তিনি ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পৌঁছে দেন।
- সেই রাতেই চট্টগ্রাম ওয়্যারলেস জহুর আহমেদ চৌধুরীকে এটি পাঠিয়ে দেন।
- জহুর আহমেদ চৌধুরী এবং তৎকালীন চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক এম. এ. হান্নান এই ঘোষণার বঙ্গানুবাদ করেন।
- ২৬ মার্চ দুপুর আড়াইটায় এম. এ. হান্নান চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে জাতির উদ্দেশ্যে সর্বপ্রথম বঙ্গবন্ধু ঘোষিত স্বাধীনতার ঘোষণা পাঠ করেন।
- ২৭ মার্চ সন্ধ্যায় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর নামে ইংরেজিতে এই ঘোষণা পাঠ করেন।
- এই ঘোষণার প্রথম দুটি লাইন ছিল, 'This may be my last message. From today Bangladesh is independent.'
- ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস।

তথ্য- পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো মোজাম্মেল হোক।
৬,৭৫৬.
’নাটক ও নাট্যসাহিত্য’ বিভাগে বাংলা একাডেমি পুরুস্কার-২০২৫ কে লাভ করেন?
  1. সলিমুল্লাহ খান
  2. মাসুদ খান
  3. শুভাশিস সিনহা
  4. জি এইচ হাবিব
সঠিক উত্তর:
শুভাশিস সিনহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুভাশিস সিনহা
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়: ১৯৬০ সালে।
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

• বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
- কবিতা- মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্য- শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্য- সলিমুল্লাহ খান,
- বিজ্ঞান: রেজাউর রহমান,
- অনুবাদক: জি এইচ হাবিব,
- গবেষণা- মুহম্মদ শামজাহান মিয়া,
- ফোকলোর- সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসােইট।

৬,৭৫৭.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে -
  1. ২১১টি
  2. ২০৭টি
  3. ২২৩টি
  4. ২২১টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা
প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন:
- চারটি দল নিয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার হয় ২১ দফা।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়ী হয় এবং মুসলিম লীগ শোচনীয়ভাবে পরাজয় বরণ করে।
- নির্বাচনে মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে মুসলমানদের জন্য সংরক্ষিত ২৩৭টি আসনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসনে জয়ী হয়।
- যুক্তফ্রন্ট প্রদত্ত ভোটের ৬৪% লাভ করে।

অন্যদিকে -
- সরকারি দল মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন।
- বাকি ৫টি মুসলিম আসনের ৪টি পায় স্বতন্ত্র প্রার্থীরা এবং ১টি পায় খেলাফত-ই-রব্বানী পার্টি।
- এছাড়া মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ৯টি আসনের সবকটিই যুক্তফ্রন্ট লাভ করে।
- নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী যুক্তফ্রন্ট প্রাদেশিক মন্ত্রিসভা গঠনের যোগ্যতা অর্জন করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, SSHL প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
৬,৭৫৮.
স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের জন্য সম্প্রতি কোন স্কিমটি চালু করা হয়েছে?
  1. প্রগতি
  2. প্রবাস
  3. প্রত্যয়
  4. সমতা
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
প্রত্যয় স্কিম:
- চারটি আলাদা কর্মসূচি (স্কিম) নিয়ে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হয় ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে।
- এগুলো হচ্ছে প্রগতি, সুরক্ষা, প্রবাস ও সমতা।
- প্রগতি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মালিক ও কর্মচারীদের জন্য।
- সমতা দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাসকারী (যাঁদের আয়সীমা বার্ষিক অনূর্ধ্ব ৬০ হাজার টাকা) স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য।  
- প্রবাস শুধু প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য।
- আর সুরক্ষা রিকশাচালক, কৃষক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেলে, তাঁতি ইত্যাদি স্বকর্মে নিয়োজিত নাগরিকদের জন্য।
- সর্বজনীন পেনশনে ১৮ থেকে ৫০ বছর বয়সী একজন সুবিধাভোগী ৬০ বছর বয়স পর্যন্ত এবং ৫০ বছরের বেশি বয়সের সুবিধাভোগী ন্যূনতম ১০ বছর চাঁদা দেওয়া সাপেক্ষে আজীবন পেনশন সুবিধা ভোগ করবেন। 

উল্লেখ্য,
- দেশের সব স্বশাসিত, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, সংবিধিবদ্ধ বা সমজাতীয় সংস্থা এবং তাদের অধীন অঙ্গপ্রতিষ্ঠানগুলোর চাকরিতে যেসব কর্মকর্তা বা কর্মচারী ২০২৪ সালের ১ জুলাইয়ের পর যোগ দেবেন, তাঁরা প্রত্যয় সর্বজনীন পেনশনের আওতাভুক্ত করা হবে। 
- ১ জুলাই, ২০২৪-এর পর যাঁরা নতুন চাকরিতে যোগ দেবেন, তাঁরা ‘প্রত্যয়’ স্কিমের আওতার অধীনস্ত হবেন।

উৎস: ১৫ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
৬,৭৫৯.
প্রাচীন পুণ্ড্রনগরে কোন সাম্রাজ্যের নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে?
  1. মৌর্য সাম্রাজ্য
  2. গুপ্ত সাম্রাজ্য
  3. সেন সাম্রাজ্য
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- পূর্বে এর নাম ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এক সময় মহাস্থানগড় বাংলার রাজধানী ছিল।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে।
- এর অবস্থান বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায়।
- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১০ কি.মি উত্তরে মহাস্থান গড় অবস্থিত।
- মহাস্থানগড় বগুড়ায় জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের অন্যতম একটি প্রাচীন পর্যটন কেন্দ্র। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৬,৭৬০.
১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত বাংলাদেশে কোন আন্দোলন সংঘটিত হয়?
  1. ক) সহযোগ আন্দোলন
  2. খ) বাংলাদেশ স্বাধীন আন্দোলন
  3. গ) অসহযোগ আন্দোলন
  4. ঘ) বাংলাদেশ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
গ) অসহযোগ আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অসহযোগ আন্দোলন
ব্যাখ্যা

• অসহযোগ আন্দোলন:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে ১৯৭১ সালের ২ মার্চ থেকে ২৫ মার্চ পর্যন্ত পাকিস্তান সরকারের বিরুদ্ধে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে পরিচালিত আন্দোলন। - এ আন্দোলনে কেন্দ্রীয় শাসনের বিপরীতে স্বশাসন প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়।
- ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে দিগনির্দেশনামূলক ভাষণের মাধ্যমে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- এছাড়া আওয়ামী লীগ বিভিন্ন নির্দেশের মাধ্যমে এ আন্দোলন পরিচালনা করে।
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। কিন্তু সরকার গঠনে আহবান জানানোর পরিবর্তে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান - ১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতীয় পরিষদ অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন।
- শেখ মুজিবুর রহমান এ সিদ্ধান্তকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ আখ্যা দেন এবং এর প্রতিবাদে ২ মার্চ ঢাকায় এবং ৩ মার্চ সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল আহবান করেন।

উৎস
: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া। 

৬,৭৬১.
মীর জাফরকে ক্ষমতাচুত্য করেন কোন ইংরেজ গভর্নর?
  1. ক) লর্ড ক্লাইভ
  2. খ) ভান্সিটার্ট
  3. গ) রবার্ট ক্লাইভ
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন হকিন্স
সঠিক উত্তর:
খ) ভান্সিটার্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভান্সিটার্ট
ব্যাখ্যা
- পলাশির যুদ্ধের পর মীর জাফরকে নামেমাত্র নবাব করা হয়। তবে মীর জাফরের বিরুদ্ধে অযোগ্যতা, অতিরিক্ত অর্থ প্রদানে অক্ষমতা এবং ওলন্দাজদের সঙ্গে আঁতাতের অভিযোগে তাকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।
- ১৭৬০ সালে ইংরেজ গভর্নর ভান্সিটার্ট মীর জাফরকে ক্ষমতা থেকে সরিয়ে মীর কাশিমকে শর্ত সাপেক্ষে সিংহাসনে বসান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৭৬২.
প্রধান উপদেষ্টাসহ বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মোট উপদেষ্টা কত জন? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. ২১ জন
  2. ২৩ জন
  3. ২৫ জন
  4. ২৪ জন
সঠিক উত্তর:
২৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ জন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের:
-ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গত ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে প্রধান উপদেষ্টা করে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়।
- প্রধান উপদেষ্টাসহ এই সরকারের সদস্যসংখ্যা ছিল ২১।
- অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের দপ্তর পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।
- এর মধ্যে পুরনোদের কয়েকজনের দায়িত্ব রদবদল হয়েছে।
- এ ছাড়া নতুন করে যুক্ত তিনজনকে দেওয়া হয়েছে নতুন দায়িত্ব।
- এখন নতুন ৩ উপদেষ্টা মিলিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ২৪ জন।
- রবিবার (১০ নভেম্বর) সন্ধ্যায় নতুন তিন উপদেষ্টার শপথ গ্রহণের পরপর মন্ত্রিপরিষদ থেকে এক প্রজ্ঞাপনে দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের কথা জানানো হয়।
- নতুনদের মধ্যে মোস্তফা সরওয়ার ফারুকীকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
- এতদিন এই দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আইন উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
- সেখ বশির উদ্দিন পেয়েছেন বাণিজ্য, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব।
- মাহফুজ আলমকে কোনো মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়নি।
- প্রধান উপদেষ্টা সহ বর্তমানে অন্তবর্তীকালীন সরকারের মোট উপদেষ্টা ২৪ জন।

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।
৬,৭৬৩.
বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম জাতিসংঘে যোগদান করে কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
 জাতিসংঘ:
- বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘে যোগদান করে - ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের - ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন - ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশকে প্রথম জাতিসংঘ সংস্থায় সদস্যরূপে স্বাগত জানায় - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৬,৭৬৪.
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের বর্তমান অধিনায়ক কে?
  1. আফঈদা খন্দকার প্রান্তি
  2. কৃষ্ণা রানী সরকার
  3. সাবিনা খাতুন
  4. মাহফুজা আক্তার কিরণ
সঠিক উত্তর:
আফঈদা খন্দকার প্রান্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আফঈদা খন্দকার প্রান্তি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলের বর্তমান অধিনায়ক আফঈদা খন্দকার প্রান্তি।

বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল:
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (BFF) দ্বারা পরিচালিত হয়।
- বর্তমান অধিনায়ক: আফঈদা খন্দকার প্রান্তি।
- SAFF নারী চ্যাম্পিয়নশিপ: ২০২২ ও ২০২৪ সালে টানা দুইবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল ২০২৫ সালে একুশে পদক লাভ করে।
 
উৎস: বাফুফে ওয়েবসাইট।

৬,৭৬৫.
বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইনের তফসিল কয়টি?
  1. ক) ৭টি 
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ১টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১টি
ব্যাখ্যা
তথ্য অধিকার আইন: 
- তথ্য প্রাপ্তি নাগরিকের অধিকার।
- বাংলাদেশে ২০০৯ সালের  এপ্রিল মাসে প্রণীত তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের লক্ষ্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- সে জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অনিবার্য। জনগণের অংশগ্রহণ ব্যতীত সুশাসন প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।
- এ লক্ষ্যেই তথ্য অধিকার আইন প্রণীত হয়েছে।
- এ আইনে আটটি অধ্যায়, ১টি তফসিল ও ৩৭টি ধারা রয়েছে।


- এ আইন প্রণয়নের ৯০ দিনের মধ্যে একটি তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেয়া হয়।
- এটি একটি সংবিধিবদ্ধ স্বাধীন সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকায়।
- কমিশন গঠন বিষয়ে আইনটির ১২ নং ধারায় বলা হয়েছে যে একজন প্রধান তথ্য কমিশনার এবং ২ জন তথ্য কমিশনার নিয়ে এটি গঠিত হবে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৬৬.
আমদানীকৃত বীজের রোগবালাই ও গুণগত মান পরীক্ষার জন্য সরকারের গৃহীত প্রকল্প কোনটি?
  1. ক) Post Harvest Management
  2. খ) Agriculture Information and Communication Centre (AICC)
  3. গ) Post-Entry Quarantine Centre
  4. ঘ) Crop Zoning
সঠিক উত্তর:
গ) Post-Entry Quarantine Centre
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Post-Entry Quarantine Centre
ব্যাখ্যা
আমদানীকৃত বীজের রোগবালাই ও গুণগত মান পরীক্ষার জন্য সরকার Post-Entry Quarantine Centre প্রকল্প গ্রহন করেছে।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
৬,৭৬৭.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সরকারিভাবে মুক্তিযোদ্ধা নামে পরিচিত ছিল -
  1. অনিয়মিত বাহিনী
  2. মুক্তিবাহিনী
  3. নিয়মিত বাহিনী
  4. যৌথ বাহিনী
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিয়মিত বাহিনী
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ ও বাহিনীসমূহ
- মুজিবনগর সরকার পরিকল্পিত উপায়ে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করার জন্য সামরিক ও বেসামরিক সকল জনগণকে নিয়ে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করে।
- মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী।

- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী বা গেরিলাবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর বিভিন্ন সেক্টরে গণবাহিনীতে নিয়োগ করা হতো।
- গণবাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শত্রুর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পাঠানো হয়।
- অনিয়মিত বাহিনীকে সরকারিভাবে বলা হত মুক্তিযোদ্ধা।

- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- এই বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্রবাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন।
- নিয়মিত বাহিনীর সংগঠনিক নাম ছিল মুক্তিফৌজ।

উল্লেখ্য,
- মুজিবনগর সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে প্রথমে ৪ টি যুদ্ধাঞ্চলে ভাগ করে। পরে আরো ৩টি ভাগ করা হয়। ফলে মোট যুদ্ধাঞ্চল ছিল ৭টি।
- S ফোর্স, K ফোর্স ও Z ফোর্স নামে তিনটি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
-এছাড়া মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সমগ্র বাংলাদেশ ১১ টি সেক্টর ছিল , যেখানে মোট ১৬ জন সেক্টর-কমান্ডার ছিলেন।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিলপত্র, দশম খন্ড।
৬,৭৬৮.
ডাক বিভাগ প্রবর্তিত ডিজিটাল আর্থিক সেবা কোনটি?
  1. ইউক্যাশ
  2. নগদ
  3. পরিচয়
  4. রকেট
সঠিক উত্তর:
নগদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগদ
ব্যাখ্যা
ডাক বিভাগ প্রবর্তিত মোবাইল আর্থিক সেবা হলো নগদ। ২০১৯ সালের ২৬শে মার্চ প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে নগদ সেবা উদ্বোধন করেন।
রকেট, বিকাশ ও ইউক্যাশ হলো যথাক্রমে ডাচ বাংলা ব্যাংক, ব্র্যাক ব্যাংক ও ইউসিবিএল ব্যাংক প্রবর্তিত মোবাইল আর্থিক সেবা।
পরিচয় হলো নির্বাচন কমিশনের ভেরিফিকেশন গেটওয়ে।
(সূত্র: নগদ ও প্রথম আলো)
৬,৭৬৯.
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারত স্বাধীনতা আইন পাস হয় -
  1. ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট
  2. ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট
  3. ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই
  4. ১৯৪৭ সালের ২৩ জুন
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই
ব্যাখ্যা
• 'ভারত স্বাধীনতা আইন' 

- ব্রিটিশ ভারতীয় উপমহাদেশের রাজনৈতিক ও শাসনতান্ত্রিক ইতিহাসের গতিধারায় ১৯৪৭ সালের ভারত শাসন আইন ভারতীয়দের জাতীয় জীবনের সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ও উল্লেখযোগ্য ঘটনা ।
- তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মি. এটলির ঘোষণা মোতাবেক ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন ভারতবর্ষকে বিভক্তির মাধ্যমে ভারতীয় শাসন পরিকল্পনায় যে সমস্ত সুপারিশ করেন সেগুলোকে সামনে রেখে ব্রিটিশ সরকার ভারতবর্ষের জনগণের স্বাধীনতা প্রদানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়।
- ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

-  এ আলোকেই ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ১৯৪৭ সালের ১৮ জুলাই কতিপয় ধারা সংবলিত ভারত শাসন আইন পাস করে ।
- এই আইন অনুসারে ভারতবর্ষ থেকে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে ।
- পৃথিবীর মানচিত্রে অখণ্ড ভারতের পরিবর্তে পাকিস্তান ও ভারত নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উদ্ভব ঘটে ।

উৎস- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতাঃ নবম-দশম শ্রেণী।
৬,৭৭০.
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ৫৭৬ জন
  2. ৪৭৬ জন
  3. ৬৭৬ জন
  4. ৭৭৬ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭৬ জন
ব্যাখ্যা
বীরত্বসূচক খেতাব:
- বীরত্বসূচক খেতাব বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসম সাহসিকতা প্রদর্শন এবং আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধাদের প্রদত্ত খেতাব।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিদান এবং তাদের মধ্যে আত্মত্যাগের প্রেরণা সৃষ্টির লক্ষে বীরত্বসূচক খেতাব প্রদানের একটি প্রস্তাব মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানী মে মাসের প্রথমদিকে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিপরিষদে উপস্থাপন করেন।
- ১৬ মে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে বীরত্বসূচক খেতাবের প্রস্তাবটি অনুমোদিত হয়।
- এ পরিকল্পে চার পর্যায়ের খেতাব প্রদানের বিধান ছিল: (ক) সর্বোচ্চ পদ, (খ) উচ্চ পদ, (গ) প্রশংসনীয় পদ, (ঘ) বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্র।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক- ৪২৬ জন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
৬,৭৭১.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে 'ইলামতি' জাতের আমের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) নাটোর
  3. গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর ও নাচোলে 'ইলামতি' জাতের আমের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
আমটি নাবি জাতের অর্থাৎ মৌসুমের শেষ দিকের।
নাবি জাতের আমগুলোর মধ্যে এটি সম্ভাবনাময় বলে মনে করছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টারের কৃষিবিদেরা।
এখানকার কৃষিবিদেরা ২০১৩ সালে খুঁজে পেয়েছিলেন আরেকটি নাবি জাতের আম ‘গৌড়মতি’।
উৎস: প্রথম আলো। 
৬,৭৭২.
একটি ইউনিয়ন পরিষদ কয়টি ওয়ার্ডে বিভক্ত?
  1. ৩টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান: ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য: ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য: ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৭৩.
কার রাজত্বকালেই শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর 'ইউসুফ জোলেখা' কাব্য রচনা করেন?
  1. নাসিরউদ্দিন নুসরত শাহ
  2. আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ
  3. গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
  4. রুকনউদ্দিন বরবক শাহ
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ
ব্যাখ্যা

গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ:  
- তিনি ১৩৯০- ৯১ খ্রিস্টাব্দে বাংলার সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- বাংলার ইতিহাসে তাঁর রাজত্বকাল নানা কারণে প্রসিদ্ধি লাভ করে।
- খ্যাতি ও সাফল্যের বিচারে তিনি ইলিয়াস শাহী বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সুলতান ছিলেন।
- তিনি ন্যায়পরায়ণ শাসক হিসেবেও প্রসিদ্ধি লাভ করেন।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ নিজে বিদ্বান ছিলেন।
- তিনি বিদ্বান, কবি ও সাহিত্যিকদের সমাদর ও শ্রদ্ধা করতেন।
- তিনি ফার্সি ভাষায় কবিতা লিখতেন।
- ইরানের কবি হাফিজের সাথে তাঁর যোগাযোগ ছিল।
- তিনি হাফিজকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানান।
- তিনি বাংলা সাহিত্যেরও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহের রাজত্বকালেই প্রথম বাঙালি মুসলিম কবি শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর কাব্য ইউসুফ জোলেখা রচনা করেন।
- গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ তাঁর পিতা ও পিতামহের মতই মুসলমান সুফি ও দরবেশদেরকে ভক্তি করতেন।
- সুফিদের মধ্যে শেখ নূর কুতব আলম প্রসিদ্ধ ছিলেন।
- চৈনিকসূত্র থেকে জানা যায় যে, গিয়াসউদ্দীন আজম শাহ চীন সম্রাটের নিকট দূত ও উপহার পাঠিয়েছিলেন।
- চীন সম্রাটও বাংলাদেশের সুলতান ও তাঁর স্ত্রীর জন্য উপঢৌকন প্রেরণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 

৬,৭৭৪.
মুক্তিযুদ্ধকালে 'যৌথকমান্ড' গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ৩ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. খ) ১ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  3. গ) ১৫ নভেম্বর, ১৯৭১
  4. ঘ) ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
'যৌথকমান্ড' গঠন

'যৌথ বাহিনী' বা 'যৌথকমান্ড' গঠন করা হয়: ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর (বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে)। 
'যৌথ কমান্ড'-এর অধিনায়ক নির্বাচিত করা হয়: ভারতের ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা। 
'যৌথ কমান্ড'-এর প্রধান হন: ভারতের সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল শ্যাম মানেকশ'।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৬,৭৭৫.
আইএমএফের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কত হবে?
  1. ২.৩ শতাংশ
  2. ৩.১ শতাংশ
  3. ৩.৭১ শতাংশ
  4. ৪.১৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৩.১ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.১ শতাংশ
ব্যাখ্যা
২০২৪-২৫ অর্থবছর:
- বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পূর্বাভাস বৃদ্ধি করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
- আইএমএফের পূর্বাভাস, ২০২৪ সালে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ১ শতাংশ।

উল্লেখ্য,
- উন্নত ও উদীয়মান দেশগুলোর মধ্যে ২০২৪ অর্থবছরে সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধির হার অর্জন করবে ভারত। 
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৬ শতাংশ হবে।
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৬ শতাংশ।

উৎস: ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪, প্রথম আলো।
৬,৭৭৬.
বাংলাদেশের নারী সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি কোন জেলায়?
  1. ক) ঝিনাইদহ
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) মাগুরা
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
খ) কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

বিবিএস ও ইউনিসেফের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘মাল্টি ইন্ডিকেটর ক্লাস্টার সার্ভে-২০১৯’ জরিপ প্রতিবেদন অনুযায়ী জেলাওয়ারি হিসাবে দেখা গেছে, নারী সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি কুষ্টিয়া জেলায়, ৯৬.৬ শতাংশ। এর পরই ঝিনাইদহ (৯৫.৬ শতাংশ), খুলনা (৯৫ শতাংশ), বরিশাল (৯৪.৯ শতাংশ), ঝালকাঠি (৯৪.৭ শতাংশ) ও মাগুরার (৯৪.৭ শতাংশ) অবস্থান।
জরিপ অনুযায়ী সব থেকে কম নারী সাক্ষরতার হার বান্দরবান জেলায়, ৬৭ শতাংশ
এর পরই কক্সবাজার (৭৫.২ শতাংশ), খাগড়াছড়ি (৭৭ শতাংশ), রাঙামাটি (৭৭.৩ শতাংশ) ও শেরপুরের (৭৮.৬ শতাংশ) অবস্থান।

৬,৭৭৭.
বাংলাদেশের LNG প্রথম টার্মিনাল কোথায় স্থাপিত হয়েছে?
  1. পতেঙ্গা
  2. মংলা
  3. কুয়াকাটা
  4. মহেশখালি
সঠিক উত্তর:
মহেশখালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম LNG টার্মিনাল:
- Excelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) কর্তৃক স্থাপিত MLNG টার্মিনাল।
- চুক্তি স্বাক্ষর : ১৮ জুলাই, ২০১৬।
- বাস্তবায়ন : Build Own Operate and Transfer (BOOT) ভিত্তিতে।
- অবস্থান : কক্সবাজারের মহেশখালীতে।
- Floating Storage Re-gasification Unit (FSRU) এর নাম : Excellence।
- আকার: দৈর্ঘ্যে ২৭৭ মিটার, প্রস্থে ৪৪ মিটার এবং ড্রাফট ১২.৫ মিটার।
- ধারনক্ষমতা: ১৩৮,০০০ ঘনমিটার।
- রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি: ৫০০ এমএমএসসিএফডি।
- চুক্তির মেয়াদ : ১৫ বছর (২০১৮-২০৩২)।
- গ্যাস সরবরাহ শুরু: ১৯ আগষ্ট, ২০১৮।
- শুরু থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিমান: ৫৯৭,৭৮৬.৭১ এমএমএসসিএফ।
- টার্মিনাল হস্তান্তর: ১৫ বছর পর কোন ধরনের চার্জ গ্রহন ব্যাতিত FSRU টি EEBL পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করবে।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড।
৬,৭৭৮.
তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন কে?
  1. সামসুল আলম
  2. আবদুল মতিন
  3. আবুল কাসেম
  4. নুরুল হক ভূঞা
সঠিক উত্তর:
আবুল কাসেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাসেম
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম ১৯৪৭ সালে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে তমদ্দুন মজলিশের প্রকাশিত পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।
- ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
- পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
- এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়। ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৭৯.
Who is the first woman driver of metro rail in Bangladesh?
  1. Rehnuma khanom
  2. Maria Islam
  3. Sanjida Jahan
  4. Maryam Afiza
সঠিক উত্তর:
Maryam Afiza
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Maryam Afiza
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:

- বাংলাদেশের গণপরিবহনে বৈদ্যুতিক মেট্রোরেল যুক্ত হয় ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited. - মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলে প্রবেশ করে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০১২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২।
৬,৭৮০.
‘সম্মিলিত বিরোধী দল' (কপ) কোনটির প্রেক্ষিতে গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৫৪ সালের নির্বাচন
  2. খ) ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
  3. গ) ১৯৬৫ সালের নির্বাচন
  4. ঘ) ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৫ সালের নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৫ সালের নির্বাচন
ব্যাখ্যা
১৯৬৫ সালের নির্বাচন
- ১৯৬২ সালের ৮ জুন সামরিক আইন স্থগিত করে দলীয় রাজনীতির অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া হয়। 
- ১৯৬৪ সালে আইয়ুব খান যথাক্রমে প্রেসিডেন্ট, জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের ঘোষণা দেন। 
- ১৯৬৪ সালের শুরুতে আওয়ামী লীগ এনডিএফ থেকে বেরিয়ে আসে। 
- শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হন।
- ১৯৬৫ সালের ২ জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে একক প্রার্থী দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ, ন্যাপ, কাউন্সিল মুসলিম লীগ, নেজামে ইসলাম প্রভৃতি দল মিলে ‘সম্মিলিত বিরোধী দল' (Combined Opposition Party, COP) নামে একটি জোট গঠন করে। 
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে COP-এর প্রার্থী হিসেবে ফাতেমা জিন্নাহ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন । 
- মৌলিক গণতন্ত্রীদের নিরঙ্কুশ সমর্থনে আইয়ুব খান ফাতেমা জিন্নাহকে সহজেই পরাজিত করে দ্বিতীয়বারের মত প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। 
- অবৈধ প্রভাব ও প্রশাসনিক যন্ত্রকে ব্যবহার করেই আইয়ুব খান মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় পরিষদ এবং মে মাসে অনুষ্ঠিত প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে জয় নিশ্চিত করেন। 
- ফলে ১৯৬৫ সালের নির্বাচন পাকিস্তানের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উন্নয়নে কোন ভূমিকা রাখতে পারেনি ।
 
উৎস: বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৬,৭৮১.
বাংলাদেশে সর্ব প্রথম পাটকল কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ক) ১৯৫৩
  2. খ) ১৯৪৭
  3. গ) ১৯৭২
  4. ঘ) ১৯৫১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫১
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর : ১৯৫১ 

পাট শিল্প:
-  ১৯৫১ সালে নারায়নগঞ্জের আদমজীনগরে বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল।
- ১০০০ তাঁত নিয়ে শুরু হয়। 
- ৫২ বছর পর ২০০২ সালের ৩০ জুন বন্ধ করে দেয়া হয়েছিল। 
- ২৪৫ দশমিক ১২ একর জায়গায় পরে গড়ে তোলা হয় ২০০৬ সালে। 
- আদমজী ইপিজেডের প্লট সংখ্যা ২২৯টি।
 - বিজেএমসি বর্তমানে ২৭টি পাটকল নিয়ন্ত্রণ করে।
 
উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার।
৬,৭৮২.
উপমহাদেশে সংস্কৃত ও ফারসির পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তন করেন -
  1. ক) লর্ড ডালহৌসি
  2. খ) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
  3. গ) লর্ড মাউন্ট ব্যাটন
  4. ঘ) লর্ড রিপন
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা
উপমহাদেশে সংস্কৃত ও ফারসির পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষার প্রবর্তন করেন - লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক।

শিক্ষা সংস্কার
:
- এদেশে পাশ্চাত্য শিক্ষার প্রবর্তন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্কের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- ১৮১৩ খ্রিস্টাব্দের চার্টার এ্যাক্ট দ্বারা কোম্পানি এদেশীয়দের শিক্ষা বিস্তারের জন্য বৎসরে এক লক্ষ টাকা ব্যয় করতে বাধ্য ছিল।
- এ অর্থ কেবল সংস্কৃত, ফারসি প্রভৃতি প্রাচ্য ভাষা শিক্ষার জন্য ব্যয় হতো।
- ১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ইংরেজির মাধ্যমে শিক্ষাদান এবং পাশ্চাত্য জ্ঞানবিজ্ঞানের প্রসারের উদ্যোগ নিলে দুটি মত বা দলের সৃষ্টি হয়।

- একদল প্রাচ্য ভাষা (সংস্কৃত ও ফারসি) শিক্ষার পক্ষপাতী ছিলেন। অন্যদল, পাশ্চাত্য ভাষা ও জ্ঞানবিজ্ঞানের (ইংরেজি) শিক্ষার পক্ষপাতি ছিলেন।
- শেষোক্ত দলের সমর্থক ছিলেন গভর্নর জেনারেল পরিষদের আইন বিষয়ক সদস্য লর্ড মেকলে এবং এদেশীয় সমাজ সংস্কারক রাজা রামমোহন রায়।
- লর্ড মেকলে ইংরেজি শিক্ষার পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে ১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে একটি স্মারকলিপি গভর্নর জেনারেল বেন্টিঙ্কের কাছে পেশ করেন।

- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ইংরেজি শিক্ষার জন্য প্রচুর অর্থ বরাদ্দ করেন এবং ফার্সীর পরিবর্তে ইংরেজিকে সরকারি ভাষারূপে ঘোষণা করেন।
- ঐ বৎসরই (১৮৩৫ খ্রিঃ) বেন্টিঙ্কের চেষ্টার ফলে পাশ্চাত্য ধারার শিক্ষাদানের জন্য কলকাতায় একটি মেডিক্যাল কলেজ ও বোম্বাইয়ে (বর্তমান মুম্বাই) এলফিনস্টোন ইনস্টিটিউশন প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৬,৭৮৩.
বাংলাদেশ কখন ফিফার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন:
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন সংক্ষেপে বিএফএফ এবং বাফুফে নামে পরিচিত।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ১৯৭৩ সালে এএফসির সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৭৬ সালে ফিফার সদস্যপদ লাভ করে।
- বাফুফে বর্তমান সভাপতি: তাবিথ আউয়াল।
- প্রধান কার্যালয়: ঢাকার মতিঝিলে ‘বিএফএফ ভবন’-এ অবস্থিত।

• এই সংস্থাটির পরিচালিত কার্যক্রম: 
- বাংলাদেশের পুরুষ, নারী এবং অনূর্ধ্ব-২৩ দলের পাশাপাশি ঘরোয়া ফুটবলে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ,
- বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়নশিপ লিগ এবং
- ফেডারেশন কাপের মতো প্রতিযোগিতার সকল কার্যক্রম পরিচালনা করে। [ব্যাখ্যা আপডেট - জানুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) ওয়েবসাইট।

৬,৭৮৪.
লবণাক্ত সহিষ্ণু ধান কোনটি?
  1. ক) বি আর ৭৩
  2. খ) বি আর ৩৩
  3. গ) বি আর ৩৫  
  4. ঘ) বিনা ১৪
সঠিক উত্তর:
ক) বি আর ৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বি আর ৭৩
ব্যাখ্যা
• উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগ অজৈব ঘাত সহনশীল যেমন লবণাক্ততা, বন্যা, খরা, শৈত্যপ্রবাহ ইত্যাদি সহনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনে যথেষ্ট ভূমিকা পালন করেছে।

• তিনটি বন্যা সহনশীল ধানের জাত যথা-- ব্রি ধান -৫১, ব্রি ধান -৫২ এবং ব্রি ধান -৭৯।
• ৪টি খরা সহনশীল আমন ধানের জাত যথা ব্রি ধান - ৫৬, ব্রি ধান - ৫৭, ব্রি ধান -৬৬, ব্রি ধান -৭১।
• দুটি জিংক সমৃদ্ধ জাত ব্রি ধান- ৬২ এবং ব্রি ধান- ৭২।
• তাছাড়া, লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি ধান -৪০, ব্রি ধান -৪১, ব্রি ধান -৫৩, ব্রি ধান -৫৪ এবং ব্রি ধান -৭৩।

সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৬,৭৮৫.
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদাধিকার বলে কোন প্রতিষ্ঠানের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন?
  1. ক) এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. খ) সশস্ত্র বাহিনী
  3. গ) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
  4. ঘ) বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি
সঠিক উত্তর:
গ) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জাতীয় পর্যটন পরিষদ
ব্যাখ্যা
পদাধিকার বলে প্রধানমন্ত্রী যেসকল প্রতিষ্ঠানের প্রধান:-
- ECNEC , NEC , BEZA , BEPZA  
- জাতীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন পরিষদ 
- জাতীয় পর্যটন পরিষদ 
- জাতীয় পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি 
- রপ্তানি সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি 
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA)
- প্রশাসন সংস্কার ও বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR)

পদাধিকার বলে রাষ্ট্রপতি যেসব প্রতিষ্ঠানের প্রধান সেগুলো নিম্নরুপ:-
- সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক,
- সরকারি এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর 
- বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ,
- স্কাউট
- এশিয়াটিক সোসাইটির প্রধান।

তথ্যসূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়।
৬,৭৮৬.
আম্পান অর্থ কি?
  1. ক) বাতাস
  2. খ) সমুদ্র
  3. গ) মাটি
  4. ঘ) আকাশ
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকাশ
ব্যাখ্যা
‘আম্পান’ অর্থ আকাশ। সুপার সাইক্লোন আম্পান একটি ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়, যা বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী ভারতের পূর্বাংশে এবং বাংলাদেশে আঘাত হানে। এ শতাব্দীতে বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া এটিই প্রথম সুপার ঘূর্ণিঝড়। এই ঘূর্ণিঝড়ে বাংলাদেশে মারা যান ১৬জন। ঘূর্ণিঝড় আম্পানের তাণ্ডবে প্রাথমিকভাবে প্রায় সাড়ে এগারোশ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা: এনামুর রহমান। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, মে এবং জুন -২০২০]
৬,৭৮৭.
নিম্নের কোনটি অর্থকরী ফসল নয়?
  1. ধান
  2. চা
  3. পাট
  4. তামাক
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা
ধান অর্থকরী ফসল নয়। 

অর্থকরী ফসল:

- যেসব কৃষিপণ্য বিদেশে রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করা হয়, সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলে।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী কৃষিপণ্য হচ্ছে পাট, চা ও তামাক।
- বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসলসমূহ: পাট, চা, আখ বা ইক্ষু, তামাক, তুলা, রাবার, ফুল প্রভৃতি।

⇒ পাট:
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লক্ষ মে. টন পাট উৎপাদিত হয় যা বিশ্বে দ্বিতীয়।
- তবে পাট রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।
- পাট ও পাটজাত দ্রব্য রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- এ দেশের বিপুলসংখ্যক মানুষ পাট চাষ ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত।
- ফলে বাংলাদেশের মানুষের অর্থনৈতিক জীবনের বড় অংশ পাটের ওপর নির্ভরশীল।

⇒ চা:
- চা বাংলাদেশের ২য় অর্থকরী ফসল।
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে চা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- বাংলাদেশের সিলেট ও চট্টগ্রামে চা বেশি উত্পন্ন হয়।
- তবে বর্তমানে দিনাজপুর ও পঞ্চগড় জেলায়ও চা চাষ হচ্ছে।
- বাংলাদেশের চায়ের বিশেষ সুনাম থাকায় বিদেশে এর চাহিদা রয়েছে।
- চা রপ্তানি করে বাংলাদেশ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।

⇒ তামাক (Tobacco):
- বাংলাদেশে কিছু তামাক উৎপন্ন হয়।
- বাংলাদেশের প্রায় সকল অঞ্চলেই কিছুনা কিছু তামাকের চাষ হয়।
- এদের মধ্যে রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, কুষ্টিয়া প্রভৃতি অঞ্চল তামাক চাষের জন্য প্রসিদ্ধ। 

অন্যদিকে,
• ধান:
- ধান অর্থকরী ফসল নয়।
- বাংলাদেশের খাদ্য শস্যের মধ্যে ধানই প্রধান। অতি প্রাচীনকাল হতে বাংলাদেশে ধানের চাষ হচ্ছে। বাংলাদেশে কৃষিজ ফসল ও খাদ্যশস্য হিসেবে ধানের ব্যবহার ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব খুবই বেশী। দেশের ৯৯% লোকের প্রধান খাদ্য ভাত হওয়ায় মোট আবাদী জমির শতকরা প্রায় ৭০% জমিতে ধানের চাষ হয় এবং ধান উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে ৩য়।

উৎস: i) বাংলাদেশের অর্থনীতি ও সম্পদসমূহ, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৬,৭৮৮.
২০২৫–২৬ অর্থবছরের বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ কত?
  1. ২,৫০,০০০ কোটি টাকা
  2. ২,০০,০০০ কোটি টাকা
  3. ২,২৬,০০০ কোটি টাকা
  4. ২,৫৬,০০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
২,২৬,০০০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,২৬,০০০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের পরিমাণ- ৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
​- বাজেট ঘাটতি নির্ধারণ করা হয়েছে ২,২৬,০০০ কোটি টাকা, ।
​- এই ঘাটতি মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৩ দশমিক ৬২ শতাংশ।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির - ৫.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা”।

​উৎস: বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

৬,৭৮৯.
’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৩
  2. অনুচ্ছেদ-২৭
  3. অনুচ্ছেদ-২৯
  4. অনুচ্ছেদ-২৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হবেন না;
- কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁর প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

• সংবিধানের কয়েকটি  অনুচ্ছেদ:
- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
- ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৬,৭৯০.
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর চালু হতে যাচ্ছে কোন শহরে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. সিলেট
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রথম আঞ্চলিক দপ্তর:
- স্বাধীনতার পাঁচ দশক পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রামে একটি কনস্যুলার দপ্তর পরিচালনা করতে যাচ্ছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- গত মাসে সরকারের উচ্চপর্যায়ে চট্টগ্রামে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার দপ্তর চালুর বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- প্রস্তাবিত আঞ্চলিক দপ্তরটিতে বিদেশে কর্মরত ও বিদেশগামী নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সব কনস্যুলার সেবা দেওয়া হবে।
- পাশাপাশি দপ্তরটি আঞ্চলিক পর্যায়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সফর, প্রতিনিধিদলের সমন্বয় ও প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

উল্লেখ্য,
- দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এই মুহূর্তে ভারত ও পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নাগরিকদের কনস্যুলার সেবা দিতে আঞ্চলিক দপ্তর রয়েছে।
- এসব অফিস কনস্যুলার সেবা দেওয়ার পাশাপাশি আঞ্চলিক কূটনৈতিক কর্মকাণ্ড সমন্বয়ের কাজও করে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

৬,৭৯১.
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি' গানটির গীতিকার কে?
  1. গোবিন্দ হালদার
  2. আপেল মাহমুদ
  3. সমর দাস
  4. আব্দুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৬,৭৯২.
বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারপতির সংখ্যা কতজন?
  1. ক) পাঁচ জন
  2. খ) সাত জন
  3. গ) নয় জন
  4. ঘ) দশ জন
সঠিক উত্তর:
খ) সাত জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাত জন
ব্যাখ্যা
সুপ্রিমকোর্টের দুটি বিভাগের একটি হলো আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি সহ আপিল বিভাগের বর্তমান বিচারপতির সংখ্যা ৭ জন। এরা হলেন:
- বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন (প্রধান বিচারপতি)
- বিচারপতি মোহাম্মদ ইম্মান আলী
- বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিক
- বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার
- বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিক
- বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান
- বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।
(সূত্রঃ সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট)
৬,৭৯৩.
পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক কোনটি?
  1. NCC Bank PLC
  2. Eastern Bank PLC
  3. Trust Bank PLC
  4. Community Bank Bangladesh PLC
সঠিক উত্তর:
Community Bank Bangladesh PLC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Community Bank Bangladesh PLC
ব্যাখ্যা

কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি (Community Bank Bangladesh PLC):
- কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি একটি বাংলাদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২০১৯ সালে।
- এটি বাংলাদেশ পুলিশ কল্যাণ ট্রাস্টের অধীনে প্রতিষ্ঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- এই ব্যংকের মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের জনগণকে আধুনিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা।
- প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।

⇒ এই বেসরকারি ব্যাংকটি ডিজিটাল ব্যাংকিং, কর্পোরেট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, এবং রিটেইল ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে থাকে।
- কমিউনিটি ব্যাংক তাদের গ্রাহকদের জন্য বিভিন্ন ধরনের পণ্য ও সেবা প্রদান করে, যেমন সঞ্চয়ী হিসাব, চলতি হিসাব, ঋণ সুবিধা, এবং আন্তর্জাতিক লেনদেনের সুযোগ।
- ব্যাংকটি গ্রাহকদের সহজে এবং দ্রুত ব্যাংকিং সেবা পাওয়ার জন্য মোবাইল ব্যাংকিং এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করে।

উৎস: Community Bank Bangladesh PLC ওয়েবসাইট।

৬,৭৯৪.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. নুরুল আমিন
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. মোহাম্মদ আলী
  4. খাজা নাজিমুদ্দীন
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দীন
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময়:
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী : খাজা নাজিমউদ্দিন, 
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী : নুরুল আমিন, 
- পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল : গোলাম মুহাম্মদ।

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া, শিক্ষক বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা নিউজ।
৬,৭৯৫.
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টর কেবল নৌ কমান্ড দ্বারা গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ১১ নং সেক্টর
  2. খ) ৯ নং সেক্টর
  3. গ) ১ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১০ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
৬,৭৯৬.
গণভোটের বিধান বিলুপ্ত করে পঞ্চদশ সংশোধনীর কোন ধারা প্রণয়ন করা হয়েছিল?
  1. ৩৭ ধারা
  2. ৪৭ ধারা
  3. ৫৭ ধারা
  4. ৬৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৭ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ ধারা
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে থাকা গণভোটের বিধান বিলুপ্তি করে পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ৪৭ ধারা করা হয়েছিলো।
- এটিকে সংবিধানের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ উল্লেখ করে বাতিল করে দিয়েছে হাইকোর্ট।
- এর আগে ১৯৯১ সালে হওয়া সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীতে যেভাবে গণভোটের বিধান সংযুক্ত হয়েছিলো সেভাবেই আবার পুনর্বহাল হলো।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
৬,৭৯৭.
সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?
  1. ৩১ সদস্য 
  2. ৩৬ সদস্য 
  3. ৩৯ সদস্য 
  4. ৪০ সদস্য 
সঠিক উত্তর:
৪০ সদস্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০ সদস্য 
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ভাষা ও সংস্কৃতির প্রশ্নে শুরু থেকেই যে আলোড়ন সৃষ্টি হয় তার মধ্য থেকে জন্ম নিতে থাকে অনেক সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের অক্টোবর মাসে গঠিত হয় প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূঁইয়া।

⇒ ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ছাত্রসমাজ দেশের বরেণ্য বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বারের মতো রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করে।
- এ পরিষদের আহবায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।

⇒ ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।

⇒ ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- কাজী গোলাম মাহবুবকে আহবায়ক করে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

উৎস: i) ইতিহাস, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।

৬,৭৯৮.
নিচের কোন এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. বরিশাল
  2. কুমিল্লা
  3. সিলেট
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৯৯.
ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. ক) টিক্কা খান
  2. খ) এ কে নিয়াজী
  3. গ) রাও ফরমান আলী
  4. ঘ) পিরজাদা
সঠিক উত্তর:
গ) রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ কালরাতে পাকিস্তানী সামরিক বাহিনী নিরীহ নিরস্ত্র বাঙালিদের উপর 'অপারেশন সার্চ লাইট' পরিচালনা করে। এতে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে গণহত্যা চালানো হয়।
১৮ মার্চ টিক্কা খান এবং রাও ফরমান আলী অপারেশন সার্চ লাইটের নীলনকশা প্রস্তুত করেন। সব প্রস্তুতি শেষে ২৫ মার্চ এ অপারেশন চালানো হয়। মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চ লাইট পরিচালনার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৮০০.
কলকাতায় "মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি" প্রতিষ্ঠায় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন কে?
  1. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. সৈয়দ আমীর আলী
  4. হাজী মুহম্মদ মুহসীন
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা
মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি:
- মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি একটি সামাজিক সংগঠন।
- ১৮৬৩ সালে ঢাকার নওয়াব আবদুল লতিফের উদ্যোগে কলকাতায় 'মোহামেডান লিটারেরি সোসাইটি' প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সোসাইটির কমিটির মোট ১২ জন সদস্য ছিলেন। বাংলার ছোটলাটকে সোসাইটির পৃষ্ঠপোষক করা হয়েছিল।
- সমগ্র ভারতবর্ষের পাঁচ শ’রও বেশি মুসলমান সোসাইটির সাধারণ সদস্যভুক্ত ছিল।
- আবদুল লতিফের ভাষায় ‘মুসলমানদের ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করা এবং সামাজিক আচরণ ও আদান-প্রদানে শিক্ষিত হিন্দু ও ইংরেজদের সমকক্ষ করে তোলাই ছিল সোসাইটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।