বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৬০ / ৩০৬ · ৫,৯০১৬,০০০ / ৩০,৮৩২

৫,৯০১.
সেন বংশের কোন শাসক পরমেশ্বর ও মহারাজাধিরাজ উপাধি গ্রহণ করেন?
  1. হেমন্ত সেন
  2. বিজয় সেন
  3. লক্ষ্মণ সেন
  4. বল্লাল সেন
সঠিক উত্তর:
বিজয় সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয় সেন
ব্যাখ্যা
বিজয় সেন:
- বাংলাদেশে বিজয় সেনের সময়ই সেনবংশের শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- হেমন্ত সেনের পুত্র বিজয় সেন ১০৯৮ সাল থেকে ১১৬০ সাল পর্যন্ত বাংলায় রাজত্ব করেন।
- বিজয় সেন সম্ভবত পালরাজা রামপালের রাজত্বকালে রাঢ় অঞ্চলে প্রথমে সামন্তরাজা ছিলেন। বিজয় সেন পালরাজা রামপালকে বরেন্দ্র উদ্ধারে সাহায্য করেছিলেন।
- পরবর্তীকালে বিজয়সেন প্রায় সমগ্র বাংলা জয় করে সেনদের ক্ষুদ্র রাজ্যটিকে একটি বড় রাজ্যে পরিণত করেন। এভাবে বিজয় সেন তাঁর সুদীর্ঘ ৬২ বছরের রাজত্বকালে বহু যুদ্ধে জয়লাভ করে প্রায় সমগ্র বাংলাদেশে একক রাজ্য প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হন।
- বিজয় সেন একজন প্রতিভাবান রাজা ছিলেন।
- তিনি একজন বীরযোদ্ধা ছিলেন যার সাহস ছিল অপরিসীম; সামরিক দূরদর্শিতা ছিল অতুলনীয়।
- তিনি পরমেশ্বর ও মহারাজাধিরাজ উপাধি গ্রহণ করেন।
- বিজয় সেন শৈব ছিলেন এবং বৈদিক ধর্মের প্রতিও বিশেষ শ্রদ্ধাবান ছিলেন।
- তিনি ব্রাহ্মণগণকে শ্রদ্ধা করতেন এবং তাদেরকে অকাতরে দান করতেন।
- কবি উমাপতিধর বিজয় সেনের চারিত্রিক গুণাবলির ভূয়সী প্রশংসা করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৯০২.
বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামে কয়টি তারকা চিহ্ন রয়েছে?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের রয়েছে লাল রঙের বৃত্তের মাঝে হলুদ রঙের বাংলাদেশের মানচিত্র। বৃত্তের উপরের দিকে লেখা আছে 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ', নিচে লেখা 'সরকার' এবং বৃত্তের পাশে দুইটি করে মোট চারটি তারকা। মনোগ্রামটি ডিজাইন করেছেন এ.এন.এ সাহা।
৫,৯০৩.
'শিখা চিরন্তন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মুজিবনগর স্মৃতিসৌধে
  2. খ) রাজারবাগ পুলিশ লাইনে
  3. গ) ঢাকা সেনানিবাসে
  4. ঘ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
ব্যাখ্যা
'শিখা চিরন্তন' সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অবস্থিত। 'শিখা অনির্বাণ' ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত। মুজিবনগরে বাংলাদেশের অস্থায়ী বা প্রথম সরকার গঠন ও শপথ অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৫,৯০৪.
জরুরি অবস্থা চলাকালীন সময় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ স্থগিত করা যায় না?
  1. ক) ৪১
  2. খ) ৩৬
  3. গ) ৪০
  4. ঘ) ৪২
সঠিক উত্তর:
ক) ৪১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪১
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১৪১খ : জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ
⇨ এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্গত বিধানাবলীর কারণে রাষ্ট্র যে আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে সক্ষম নয়। জরুরী-অবস্থা চলাকালে এই ভাগের পরিপন্থি কোনো আইন প্রণয়নে রাষ্ট্র কোনো বাধার সম্মুখীন হবে না।  
⇨ ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদসমূহের কোন কিছুই আইন-প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণ করতে রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না।
⇨ তবে অনুরূপভাবে প্রণীত কোন আইনের কর্তৃত্বে যা করা হয়েছে বা করা হয়নি, সেগুলো ছাড়া এ জাতীয় আইনের অন্য সবকিছু প্রত্যাহারের পরে অকার্যকর হয়ে যাবে।  
৪১ নং অনুচ্ছেদ : ধর্মীয় স্বাধীনতা। ৪১ নং অনুচ্ছেদ জরুরি অবস্থার সময় স্থগিত করা যায় না।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৯০৫.
প্রাচীন গৌড়ের রাজধানী ছিল-
  1. সোনারগাঁও
  2. দিল্লি
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. মুর্শিদাবাদ
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়। 
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

৫,৯০৬.
কোন ‘প্রাথমিক পণ্য’টি বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে?
  1. ক) পাটজাত দ্রব্য
  2. খ) তৈরি পোশাক
  3. গ) হিমায়িত খাদ্য
  4. ঘ) কৃষিজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষিজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষিজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ যেসব প্রাথমিক পণ্য রপ্তানি করে সেগুলোর নাম ও রপ্তানির পরিমাণঃ (২০১৮-১৯ অর্থ বছরের হিসাব)
১. কাঁচাপাট - ৮৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
২. চা - ২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
৩. হিমায়িত খাদ্য - ৩৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
৪. কৃষিজাত পণ্য - ৪৯৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
৫. অন্যান্য পণ্য - ১৪৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার
শিল্পজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে ''তৈরি পোশাক'' শীর্ষ পণ্য।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।

৫,৯০৭.
‘সেন্টমার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ হিসেবে ঘোষণা করা হয় কত বর্গ কি.মি. এলাকাকে?
  1. ক) ১,৭৪৩ বর্গ কি.মি.
  2. খ) ১৫২১ বর্গ কি.মি.
  3. গ) ১৯০০ বর্গ কি.মি.
  4. ঘ) ১৮২২ বর্গ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
ক) ১,৭৪৩ বর্গ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১,৭৪৩ বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
৪ জানুয়ারি ২০২২ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় সেন্টমার্টিন সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ৭০ মিটার গভীর সমুদ্রের ১,৭৪৩ বর্গ কি.মি. এলাকাকে ‘সেন্টমার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ ঘোষণা করে।


সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
৫,৯০৮.
বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে কোন ব্যাংক?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. ব্র্যাক ব্যাংক
  3. ইস্টার্ন ব্যাংক
  4. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ডাচ-বাংলা ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাচ-বাংলা ব্যাংক
ব্যাখ্যা

মোবাইল ব্যাংকিং:
- মোবাইল ব্যাংকিং বলতে মূলত মোবাইল টেলিযোগাযোগ ডিভাইসের সাহায্যে ব্যাংকিং ও আর্থিক সুবিধাকে বোঝায়।
- এর সাহায্যে ব্যাংকিংয়ের সব সুবিধা মোবাইলেই পাওয়া যায়।
- অর্থাৎ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সব কার্যক্রম মোবাইলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধাই হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং।
- শুরুতে মোবাইল ব্যাংকিং সাধারণত এসএমএসের মাধ্যমে করা হতো।
- ১৯৯৯ সালে স্মার্টফোনের আবির্ভাবের পর ইউরোপীয় ব্যাংকগুলো তাদের গ্রাহকদের প্রথম মোবাইল ব্যাংকের সুবিধা প্রদান করে।

⇒ বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক। 
- বাংলাদেশে ডাচ বাংলা মোবাইল ব্যাংক লিমিটেড সর্বপ্রথম ২০১১ সালের ৩১শে মার্চ প্রথম বারের মতো মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু করেছিলো।
- তাদের পরিচালিত মোবাইল ব্যাংকিং সেবার নাম রকেট।
- রকেটের আগমন বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং সেবার একটি নতুন যুগের সূচনা করে। 
- ২০১১ সালে যখন প্রথম এই মোবাইল ব্যাংকিং পরিষেবা চালু হয়েছিলো তখন এটি বাংলালিংক এবং সিটিসেল মোবাইল অপারেটর এর ‘এজেন্ট’ এবং ‘নেটওয়ার্ক’ সহায়তা গ্রহণ করার মাধ্যমেই পথচলা শুরু করে।
- ২০১৬ সালে এ সেবার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় রকেট, যা এখন টাকার রকেট নামে পরিচিত।
- এরপর থেকে অন্যান্য ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানও এই সেবা চালু করে এবং ধীরে ধীরে মোবাইল ব্যাংকিং বাংলাদেশে খুব জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

এছাড়াও,
- রকেট আসার পরপরই ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংকের অঙ্গসংগঠন হিসেবে দ্বিতীয় মোবাইল ব্যাংকিং সেবা হিসেবে বিকাশের (BKASH) আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- ব্যাংক ছাড়াও ২০১৯ সালে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ থেকে পরিচালিত নগদ মোবাইল ব্যাংকিং সেবা চালু হয়।
- প্রথম এজেন্ট ব্যাকিং সেবা চালু করে ব্যাংক এশিয়া।
- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'।

উৎস: ডাচ-বাংলা ব্যাংক ওয়েবসাইট।

৫,৯০৯.
কোন রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়?
  1. ক) প্রথম ১০টি
  2. খ) প্রথম ৬টি
  3. গ) প্রথম ৫টি
  4. ঘ) প্রথম ৪টি
  5. ঙ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রথম ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রথম ৪টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় সঙ্গীত
•রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে প্রথম ৪ চরণ বাজানো হয়।
বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত 'আমার সোনার বাংলা 'কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত  হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি।
•১৯০৫ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
• জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের বিধান অনুযায়ী কণ্ঠে গাইতে গেলে দশ চরণ আর যন্ত্র সঙ্গীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হবে।
• বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত "আমার সোনার বাংলা" এর রচয়িতা ও সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

এছাড়াও


• ১৩১২ বঙ্গাব্দে 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকার আশ্বিন সংখ্যায় গানটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
• এটি রবীন্দ্রনাথের 'গীতবিতান' গ্রন্থের স্বরবিতান অংশভুক্ত।
• বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনের প্রেক্ষিতে গানটি রচিত হয়েছিল।
গানটিতে প্রধানত স্থান পেয়েছে বাংলার মনোরম প্রকৃতির কথা।
• চলচিত্রকার জহির রায়হান ১৯৭০ সালে তার বিখ্যাত "জীবন থেকে নেওয়া” সিনামাতে গানটির চিত্রায়ন করেন।
• পল্টন ময়দানে ঘোষিত স্বাধীনতার ইসতেহারে (১৯৭১ সালের ৩ মার্চ) জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
• ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২ মন্ত্রীসভার প্রথম বৈঠকে এ গানটির প্রথম দশ লাইন জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে নির্বাচিত হয়।
• সংবিধানের ৪ (১) অনুচ্ছেদে 'আমার সোনার বাংলা' গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়েছে।
• এটি মূলত ২৫ চরণ বিশিষ্ট একটি কবিতা। এ কবিতার প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৯১০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে 'কৃষি, বন, সমবায় এবং পল্লী উন্নয়ন' মন্ত্রী নির্বাচিত হন?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ সালে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় ।
- ২১ দফার অন্যতম রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- ২১ দফার প্রথম দফাটি ছিল বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- ৪ এপ্রিল শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হককে মুখ্যমন্ত্রী করে ৫ সদস্যের মন্ত্রীসভা গঠন করা হয়।
১৯৫৪ সালে  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন, সমবায় এবং পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হন।
- তখন তার বয়স ছিলো ৩৪ বছর। তবে ৩০শে মে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৫,৯১১.
What was the '2nd point' of the six point movement?
  1. Power to form regional armies
  2. Powers of Central Government
  3. Currency or money-related power
  4. Powers relating to revenue, taxation, or duties
  5. None of above
সঠিক উত্তর:
Powers of Central Government
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Powers of Central Government
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 
৫,৯১২.
'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে' পোস্টারটি কার আঁকা?
  1. ক) মোহাম্মদ বিন সুলতান
  2. খ) কামরুল হাসান
  3. গ) মোস্তফা মনোয়ার
  4. ঘ) এস এম সুলতান
সঠিক উত্তর:
খ) কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান প্রখ্যাত বাংলাদেশি চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ’১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার নারেঙ্গা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি চিত্রশিল্পী হলেও নিজে ‘পটুয়া’ নামে পরিচিত হতে পছন্দ করতেন।
-  কামরুল হাসান স্বাধীনতাযুদ্ধের সময়ে জেনারেল ইয়াহিয়ার মুখের ছবি দিয়ে আঁকা ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ পোস্টারটি খুব বিখ্যাত হয়।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৯১৩.
বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের কততম প্রধানমন্ত্রী?
  1. ১৩তম
  2. ১১তম
  3. ১২তম
  4. ১০ম
সঠিক উত্তর:
১২তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২তম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ১২তম প্রধানমন্ত্রী।
তিনি ২০০৯ সাল থেকে টানা তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের রাষ্ট্র ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত।
বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।
দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
(সূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট)
৫,৯১৪.
ভোমরা স্থল বন্দরের সাথে ভারতের কোন জেলা সংযুক্ত?
  1. ক) চব্বিশ পরগনা
  2. খ) মুর্শিদাবাদ
  3. গ) নদিয়া
  4. ঘ) হুগলি
সঠিক উত্তর:
ক) চব্বিশ পরগনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চব্বিশ পরগনা
ব্যাখ্যা
• ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।

- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা কেএবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৫,৯১৫.
বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কার নেতৃত্বে গঠিত হয়?
  1. বিচারপতি  ‍জুবায়ের  আহমদে
  2. বিচারপতি আব্দুর রব
  3. বিচারপতি হামিদুর রহমান
  4. বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদে
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদে
ব্যাখ্যা

• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার (Caretaker Government) একটি অস্থায়ী ও বিশেষধরণের সরকার পদ্ধতি।
- বিশেষ রাজনৈতিক সংকটজনক পরিস্থিতিতে এ ধরণের সরকার দায়িত্ব পালন করে।
- এই সরকারের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সম্পূর্ণ অস্থায়ী ও নির্দলীয় সরকার যার মূল দায়িত্ব ও উদ্দেশ্য একটি সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন পরিচালনা করে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের হাতে ক্ষমতা অর্পন করা।
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন:
- ১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতন ও পদত্যাগের সময় যে সাংবিধানিক সংকট সৃস্টি হয়-তা নিরসনে এইরূপ একটি অস্থায়ী সরকার গঠন অনিবার্য হয়ে ওঠে।
-
- হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের পতনের পর পঞ্চম জাতীয় নির্বাচন আয়োজনে প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে গঠন করা হয়েছিল অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

- এরশাদবিরোধী আন্দোলনে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্যের ভিত্তিতে তাকে সরকারের প্রধান করা হয়েছিল।

- ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তখনকার মতো এই সরকারের পর্ব সমাপ্ত হয়ে যায়।
- কিন্তু খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি সরকার ক্ষমতা থাকাকালীন (১৯৯১-৯৫) বিরোধী দল কতকগুলি দাবীকে সামনে রেখে সরকারের পদত্যাগ দাবি করে এবং একই সঙ্গে পরবর্তী নির্বাচন নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে পরিচালনার দাবি জানায়।
- কিন্তু সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবী অসাংবিধানিক বলে অগ্রাহ্য করে এবং ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারী ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘোষণা করে।
- কিন্তু সকল দল নির্বাচন বর্জনের পাশাপাশি তা প্রতিহত করারও ঘোষণা দেয়।
- কিন্তু সরকার বিরোধীদল ছাড়াই একতরফাভাবে সম্পন্ন করে ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- বিরোধী দল নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করায় এই নির্বাচন জনগণের নিকট গ্রহণ যোগ্যতা অর্জন করেনি।
- ফলে উদ্ভুত গণ আন্দোলনের চাপে সরকার ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে "তত্ত্বাবধায়ক সরকার" গঠন আইন পাশ করে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৯১৬.
কোন উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃত্রান্তিক নয়?
  1. ক) খাসিয়া
  2. খ) গারো
  3. গ) মান্দি
  4. ঘ) কোনোটিই পিতৃত্রান্তিক নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনোটিই পিতৃত্রান্তিক নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনোটিই পিতৃত্রান্তিক নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি উপজাতির মধ্যে খাসিয়া এবং গারো বা মান্দি সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক। বাকি সবগুলো উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক। খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে। এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে। খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
(সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৫,৯১৭.
ঢাকা পৌরসভা কত সালে গঠিত হয়?
  1. ১৬০৮ সালে
  2. ১৮৪০ সালে
  3. ১৮৬৪ সালে
  4. ১৮৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

১৮৬৪ সালে ঢাকা পৌরসভা গঠিত হয়।

ঢাকা পৌরসভা:
- বুড়িগঙ্গা নদীতীরে অবস্থিত প্রায় সাতশত বছরের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী বন্দর নগরী ঢাকা।
- মোঘল সমাট্র জাহাঙ্গীরের আমলে ১৬০৮ সালে ঢাকায় রাজধানী স্থাপিত হলে বিশ্বব্যাপী এ নগরীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বেড়ে যায়।
- ১৮৪০ সালে ‘ঢাকা কমিটি’ নামে একটি কমিটি গঠন করেন।
- ১৮৬৪ সালের ১লা আগষ্ট ঢাকা পৌরসভা স্থাপিত হয়।
- ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল ইমপ্রুভমেন্ট অ্যাক্ট’ বলে আগস্ট মাসে গঠন করা হয় ‘ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কমিটি’।
- ১৮৬৪ সালের পূর্ব পর্যন্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট পদাধিকার বলে মিউনিসিপ্যালিটির সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৭৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ঢাকা নগরীকে ৫০টি ওয়ার্ডে বিভক্ত করে নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা পৌরসভা গঠন করা হয়।
- ১৯৭৭ সালের ৩১ অক্টোবর কমিশনারদের মাধমে ঢাকা পৌরসভার প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন শুরু করেন ব্যারিস্টার আবুল হাসনাত।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের নাম পরিবর্তন করে ঢাকা সিটি করপোরেশন নামকরণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৫,৯১৮.
পাকিস্তান গণপরিষদের ভাষা হিসেবে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ব্যবহারের প্রথম দাবি জানান কে?
  1. আর. সি. দত্ত
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. অধ্যাপক আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার দাবি: 
- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত এক শিক্ষা সম্মেলনে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হলে পূর্ববাংলায় তীব্র প্রতিবাদ শুরু হয়।
- বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি ওঠে, লেখালেখি শুরু হয়।
- ডিসেম্বর মাসেই 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সচিবালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মিছিল, সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
- পাকিস্তান সরকার ১৪৪ ধারা জারিসহ সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা করে।
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদ সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত গণপরিষদের ভাষা হিসেবে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ব্যবহারের দাবি জানান।
- তাঁর দাবি অগ্রাহ্য হলে ২৬ ও ২৯শে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ধর্মঘট পালিত হয়।
- ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' পুনর্গঠিত হয়।
- এ সংগঠন ১১ই মার্চ 'বাংলা ভাষা দাবি দিবস' পালনের ঘোষণা দেয়। ঐ দিন সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৯১৯.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৬ এর অধীন, রাষ্ট্রপতি কার কাছ থেকে উপদেষ্টামূলক মতামত গ্রহণ করতে পারেন?
  1. অ্যাটর্নি-জেনারেল
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ
  4. সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৬- সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার:
যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

⇒ এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
যদি কোনো সময় রাষ্ট্রপতির মনে হয় যে, এমন কোনো আইনি প্রশ্ন উঠেছে বা উঠতে পারে, যা খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং জনগণের জন্য তা জানা দরকার, তাহলে তিনি সেই প্রশ্নটি সুপ্রীম কোর্টের আপীল বিভাগের কাছে পাঠাতে পারেন।
আপীল বিভাগ তখন সেই প্রশ্নটি নিয়ে বিস্তারিতভাবে শুনানি করবে এবং সবকিছু বিবেচনা করার পর নিজেদের মতামত রাষ্ট্রপতিকে জানাবে।

উল্লেখ্য,
এই মতামতটি পরামর্শমূলক, রাষ্ট্রপতি চাইলে তা মেনে চলতে পারেন, আবার নাও পারেন। তবে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য এটি রাষ্ট্রপতির কাজে আসে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৯২০.
নিজেকে 'পরম সৌগত' আখ্যা দিয়েছিলেন কে?
  1. গোপাল
  2. ধর্মপাল
  3. রামপাল
  4. দেবপাল
সঠিক উত্তর:
গোপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপাল
ব্যাখ্যা
পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের শাসন (৭৫৬-৭৮১ খ্রিস্টাব্দে): 
- বাংলার ইতিহাসে প্রথম দীর্ঘ চারশ বছরব্যাপী শাসন করেছিল পালবংশ।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন গোপাল।
- তার বংশধরগণ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী ছিলেন।
- গোপালদেবের আদিবাস বরেন্দ্রভূমিতে।
- গোপালের পিতামহ ও পিতা যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন।
- সম্ভবত সে কারণেই দেশের অরাজক অবস্থায় অতিষ্ঠ বাংলার সামন্ত জমিদার এবং প্রজাদের সমর্থনে বরেন্দ্রী ও বঙ্গের সিংহাসনে আরোহণ করতে তিনি সক্ষম হন।
- বাংলায় অরাজকতার অবসান ঘটিয়ে নতুন এক শক্তিশালী দীর্ঘস্থায়ী রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করাই ছিল তার অমর কীর্তি।
- এ বংশের ১৭ জন নৃপতি বাংলা শাসন করেন।
- গোপাল নিজেকে 'পরম সৌগত' আখ্যা দিয়েছিলেন।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৯২১.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয়-
  1. নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া
  2. সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়
  3. সরকারি নীতিকে প্রভাবিত না করা
  4. দলীয় সংগঠনবিহীন
সঠিক উত্তর:
সরকারি নীতিকে প্রভাবিত না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারি নীতিকে প্রভাবিত না করা
ব্যাখ্যা

• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয়- সরকারি নীতিকে প্রভাবিত না করা।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না।
- বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।

• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য :
•  দলীয় সংগঠনবিহীন:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য হল এদের কোন দলীয় সংগঠন নেই।
- এদের উদ্দেশ্য রাজনৈতিক ক্ষমতা গ্রহণ নয়।
- সরকারের উপরে চাপ প্রয়োগ করে নিজেদের স্বার্থ বা দাবি আদায় করা হচ্ছে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য।

• দলীয় কর্মসূচিবিহীন:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কোন রাজনৈতিক দল নয় বিধায় এদের কোন দলীয় কর্মসূচিও নেই।
- এটি নির্দলীয় সংগঠন।
- এরা শুধু গোষ্ঠীর স্বার্থ পূরণের জন্য চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করে।

•  নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়া:
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নির্বাচনে প্রার্থী দেয় না এবং নির্বাচনে কোন প্রার্থীর পক্ষে সরাসরি প্রচারণা চালায় না।
-তবে অনেক সময় তাদের পছন্দের প্রার্থীকে অর্থ কিংবা জনবল দিয়ে সহযোগিতা করে থাকে। 

• সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা গোষ্ঠীর সদস্য হিসাবে সরকারের কোন পদে অধিষ্ঠিত হতে চায় না।
- বরং নানাভাবে সরকারি নীতিকে নিজেদের অনুকূলে আনার জন্য প্রচেষ্টা চালায়।

• সরাসরি রাজনীতিতে সম্পৃক্ত নয়:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সরাসরি রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত থাকে না।
- তবে পরোক্ষভাবে রাজনীতিক নেতৃবৃন্দের সাথে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে। 

• বেসরকারি সংগঠন:
- চাপসৃষ্টিকারী দলের সদস্যগণ বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি বিশেষ।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর আনুষ্ঠানিক সরকারি স্বীকৃতিও সাধারণত থাকে না।

উৎস : পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

৫,৯২২.
সিগারেট এর উপর কোন শুল্ক ধার্য করা হয়?
  1. ভ্যাট
  2. আবগারি শুল্ক
  3. অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক
  4. আমদানি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা
আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৯২৩.
ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে 'স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণা ও কর্মসূচি' শীর্ষক ইশতেহার প্রচার করা হয় কবে? 
  1. ১ মার্চ, ১৯৭১
  2. ২ মার্চ, ১৯৭১
  3. ৩ মার্চ, ১৯৭১
  4. ৭ মার্চ, ১৯৭১ 
সঠিক উত্তর:
৩ মার্চ, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মার্চ, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণা ও কর্মসূচি:

পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ৩ মার্চ, ১৯৭১ ঢাকায় পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় স্বাধীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করে। 
৩ মার্চ, ১৯৭১  ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে 'স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণা ও কর্মসূচি' শীর্ষক একটি ইশতেহার প্রচার করা হয়। 

• ইশতেহারে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠনের তিনটি লক্ষ্য চিহ্নিত করা হয়। যেমন:
১. স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন করে পৃথিবীর বুকে একটি বলিষ্ঠ বাঙালি জাতি সৃষ্টি করা হবে,
২. স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন করে সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি চালু করা হবে এবং
৩. স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গঠন করে ব্যক্তি, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতাসহ নির্ভেজাল গণতন্ত্র কায়েম করা হবে।

• ছাত্রলীগ সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৫,৯২৪.
চরফ্যাশন কোন জেলায়?
  1. ভোলা
  2. বরিশাল
  3. বাগেরহাট
  4. লক্ষ্মীপুর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা
চরফ্যাশন:
- চরফ্যাশন বাংলাদেশের ভোলা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা।
- এটি বরিশাল বিভাগ এর অধীনে ভোলা জেলার দক্ষিণাংশে অবস্থিত।
- এই উপজেলায় মেঘনা নদী ও তেতুলিয়া নদীর মোহনায় কয়েকশ বছর আগে জেগে ওঠে চর কুকরী মুকরী।
- চর কুকরি-মুকরি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য গড়ে তোলা হয়েছে।
- উপজেলায় চিত্তাকর্ষক স্থানের মধ্যে রয়েছে তারুয়া সমুদ্র সৈকত।
- রয়েছে ওয়াচ টাওয়ার জ্যাকব টাওয়ার। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৯২৫.
Asad Gate is related to which historical event?
  1. Mass Upsurge, 1969
  2. Language movement
  3. Liberation War
  4. Six-point movement
সঠিক উত্তর:
Mass Upsurge, 1969
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mass Upsurge, 1969
ব্যাখ্যা
আসাদ গেট ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান-এর সাথে সম্পর্কিত।

শহীদ আসাদ:
- শহীদ আসাদ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- তাই ২০ জানুয়ারি 'শহীদ আসাদ দিবস' পালিত হয়।
- অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
- এভাবে ‘আইয়ুব গেট’ হয়ে যায় ‘আসাদ গেট’, ‘আইয়ুব এভিনিউ’ নামান্তরিত হয়ে হয় ‘আসাদ এভিনিউ’।
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।

⇒ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে ওঠে যা ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ১৯৬৬ সালে ঘোষিত ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
৫,৯২৬.
একটি ফার্মের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত -
  1. সম্পদ সর্বাধিকরণ
  2. মুনাফা সর্বাধিকরণ
  3. মূলধন বৃদ্ধি
  4. বিক্রয় বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
সম্পদ সর্বাধিকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পদ সর্বাধিকরণ
ব্যাখ্যা
সম্পদ সর্বোচ্চকরণ (Wealth Maximization):
- একটি ফার্মের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য এবং যথাযথ উদ্দেশ্য হচ্ছে ঐ ফার্মের শেয়ারহোল্ডারদের তথা, ফার্মের সম্পদ সর্বাধিকরণ বা নীট বর্তমান মূল্য (Net present value) সর্বাধিকরণ।
- কোম্পানির বা ফার্মের সম্পদ সর্বাধিকরণ লক্ষ্যকে সামনে রেখে ঐ কোম্পানি তার আর্থিক কর্মকান্ড বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও তা বাস্তবায়নে পদক্ষেপ গ্রহণ করে থাকে।
- এটি মুনাফা সর্বাধিকরণের উদ্দেশ্যের দুর্বলতাগুলি দূর করে সঠিকভাবে সম্পদের পরিমাপ করতে সক্ষম হয় বলে এ উদ্দেশ্যটি একটি সুষ্ঠু ও যুক্তিসঙ্গত উদ্দেশ্য হিসেবে সার্বজনীনভাবে গৃহীত।

⇒ এটি ফার্মের মুনাফা ছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর গুরুত্ব আরোপ করে।
- ফার্মের দীর্ঘমেয়াদী মূল্য, এর প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগকারীদের ঝুঁকির পরিমাণ, এর শেয়ার মূল্য, লভ্যাংশ ইত্যাদি দ্বারা এ উদ্দেশ্য প্রভাবিত হয়।
- একটি ফার্মের সম্পদ সর্বাধিকরণ বলতে ঐ ফার্মের শেয়ারের মূল্য সর্বাধিকরণকে বা নীট বর্তমান মূল্য সর্বাধিকরণকে বুঝায়।
- কোন বিনিয়োগের নীট বর্তমান মূল্য বলতে মুনাফার বর্তমান মূল্যের সমষ্টি ও বিনিয়োগের বর্তমান মূল্যের মধ্যবর্তী পার্থক্যকে বুঝায়।
- ইতিবাচক (positve) নীট বর্তমান মূল্যই (NPV) সম্পদের সৃষ্টি করে।

উৎস: ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও বিমা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৯২৭.
বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ-এর পদবী কী ছিল?
  1. ক্যাপ্টেন
  2. লেফটেন্যান্ট
  3. সিপাহী
  4. ল্যান্স নায়েক
সঠিক উত্তর:
ল্যান্স নায়েক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ল্যান্স নায়েক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ৭ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক পদবী 'বীরশ্রেষ্ঠ' প্রদান করা হয়।

৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ হলেন -
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সিপাহী হামিদুর রহমান;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ রুহুল আমিন;
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ।

উৎসঃ বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৯২৮.
সম্প্রতি, অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হার কত শতাংশ?
  1. ৫৬.৪৪%
  2. ৫৯.৪৪%
  3. ৬০.১১%
  4. ৫৮.৯০%
সঠিক উত্তর:
৫৯.৪৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯.৪৪%
ব্যাখ্যা

- সম্প্রতি, অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯.৪৪ শতাংশ। 
- প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দল ৫০টি (নিবন্ধিত ৬০টি)।
- প্রদত্ত ভোটের হার ৫৯ দশমিক ৪৪ শতাংশ। 
- মোট ভোটার ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৭৯৩ জন,
- গণভোট পড়েছে ৬০.২৬ শতাংশ;
- তৃতীয়-লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৩২ জন,
- পোস্টাল ব্যালটে ভোট নিবন্ধনকারী ভোটারের সংখ্যা ১৫ লাখ ২৮ হাজার ১৩১ জন। 
- ভোট প্রদান ১২ লাখ ২৪ হাজার ১৮৮ জন (৮০.১১%)। 
- মোট প্রার্থী ২২২৮ জন,
- স্বতন্ত্র ২৭৩ জন (নির্বাচিত ৭ জন),
- নির্বাচিত নারী প্রার্থী ৭ জন,
- বিএনপি থেকে ৬ জন ,
- স্বতন্ত্র ১ জন।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা।লিঙ্ক এবং প্রথম আলো পত্রিকা।লিঙ্ক

৫,৯২৯.
কোন যুগে তালপাতার পুঁথিতে দেশীয় রং দিয়ে ছবি আঁকা হতো?
  1. গুপ্ত যুগ
  2. পাল যুগ
  3. কুষাণ যুগ
  4. সেন যুগ
সঠিক উত্তর:
পাল যুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল যুগ
ব্যাখ্যা
তালপাতার পুঁথিচিত্র:
- পালযুগে তালপাতায় আঁকা ছবিগুলো দেশীয় রঙে আঁকা।
- এ ছাড়া এগুলো আবিষ্কৃত হওয়ার পর প্রাচীন ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন হিসেবে যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা হয়।
- এ কারণে পাল যুগে তালপাতায় আঁকা ছবিগুলো এখনো ঝকঝকে রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- পাল চিত্রকলা পাল রাজা প্রথম মহীপালের (খ্রিস্টীয় ৯৮৩) ষষ্ঠ রাজ্যাঙ্কে তালপাতার উপরে চিত্রসম্বলিত বৌদ্ধ গ্রন্থ অষ্টসাহস্রিকা-প্রজ্ঞাপারমিতা পান্ডুলিপির বারোটি রঙ্গিন চিত্র বঙ্গীয় চিত্রকলার প্রাচীনতম নিদর্শন।
- বর্তমানে দুর্লভ এই পান্ডুলিপি কলকাতার এশিয়াটিক সোসাইটিতে সংরক্ষিত আছে।
- পরবর্তী দুশ বছরে চিত্রসম্বলিত আরও বেশ কিছু পান্ডুলিপি পাওয়া যায়।
- এগুলিকে ‘পাল মিনিয়েচার’ বলে অভিহিত করা হয়।
- পান্ডুলিপিসমূহ তালপাতায় লেখা ও চিত্রায়িত করা হয়েছে।
- তালপাতা ভঙ্গুর, এ কারণে অনেক পুথিচিত্র বর্তমানে জীর্ণ হয়ে পড়েছে।
- তুলনামূলক বিচারে দেখা যায় যে, পাল যুগের চিত্রালঙ্কৃত পান্ডুলিপিসমূহ উন্নতমানের তালপাতার (শ্রীতাড়) উপর অনুলিখিত ও চিত্রালঙ্কৃত করা হতো।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি। 
ii) বাংলাপিডিয়া।
৫,৯৩০.
‘সেরা জয়িতা পুরস্কার -২০২৩’ পেয়েছেন কয় জন নারী জয়িতা?
  1. ৩জন
  2. ৫জন
  3. ৭জন
  4. ২জন
সঠিক উত্তর:
৫জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫জন
ব্যাখ্যা
‘ সেরা জয়িতা পুরস্কার-২০২৩’ 
জয়িতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা ৫জন হলেন -
- আনার কলি (অর্থনৈতিক),
- কল্যাণী মিঞ্জি (শিক্ষা ও কর্মসংস্থান),
- কমলি রবি দাশ (সফল মা),
- জাহানারা বেগম (নিপীড়ন প্রতিরোধ)
- এবং পাখি দত্ত হিজড়া (সামাজিক উন্নয়ন)।

- পুরস্কার প্রাপ্তদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকার চেক, ক্রেস্ট, স্যাশ (উত্তোরিয়) ও সনদপত্র দেওয়া হয়।

সূত্র- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ওয়েবসাইট।
৫,৯৩১.
গৌড়মতি কী?
  1. ক) উন্নত জাতের ইক্ষু
  2. খ) পাট
  3. গ) উন্নত জাতের চা
  4. ঘ) বারোমাসি আম
সঠিক উত্তর:
ঘ) বারোমাসি আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বারোমাসি আম
ব্যাখ্যা

গৌড়মতি হলো বারোমাসি আম। 
- আশ্বিনা ও ল্যাংড়া—এ দুই জাতের আমের মুকুলের প্রাকৃতিক পরাগায়নের মাধ্যমে নতুন জাতের উৎপত্তি হয়েছে বলে তাঁদের ধারণা।
- তাঁরা আমটির নাম দিয়েছেন 'গৌড়মতি'।
- চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার সীমান্তবর্তী শিয়ালমারা এলাকার এক আমবাগানের একটি গাছে এই জাতের আম পাওয়া গেছে। 
- গাছটির আনুমানিক বয়স ১৬ বছর হবে।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

৫,৯৩২.
বঙ্গবন্ধু কত সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে বাংলায় ভাষণ দেন?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশন:

-  বাংলাদেশ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলায় প্রথম ভাষণ প্রদান করেন ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫,৯৩৩.
তিতুমীরের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার জন্য ইংরেজ সরকার কাকে নেতৃত্ব দেয়?
  1. ক্যাপ্টেন নিকোলসন
  2. মেজর স্কট
  3. ক্যাপ্টেন ক্লাইভ
  4. লর্ড কর্নওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
মেজর স্কট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর স্কট
ব্যাখ্যা
তিতুমীর: 
- ইংরেজ জমিদার, নীলকরদের দ্বারা নির্যাতিত কৃষকরা দলে দলে তিতুমিরের বাহিনীতে যোগ দেয়।
- ধর্ম সংস্কারের আন্দোলন একটি ব্যাপক কৃষক আন্দোলনে রূপ নেয়।
- ১৮৩১ সালে তিতুমিরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সেনাবাহিনী প্রেরণ করে।
- মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়া বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।
- ইংরেজদের কামান-বন্দুকের সামনে বীরের মতো লড়াই করে পরাজিত হয় তিতুমিরের বাহিনী।
- তিনি যুদ্ধে নিহত হন।

উল্লেখ্য, 
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমির চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উনিশ শতকে ভারতবর্ষে মুসলমান সমাজে এক ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত হয়েছিল।
- বাংলায় তার দুইটি ধারা প্রবহমান ছিল।
- যার একটি ওয়াহাবি বা মুহাম্মদিয়া আন্দোলন, অপরটি ফরায়েজি আন্দোলন নামে খ্যাত।
- বাংলার ওয়াহাবিরা তিতুমিরের নেতৃত্বে সংগঠিত হয়েছিল।
- তিতুমিরের নেতৃত্বে পরিচালিত তারিখ-ই-মুহাম্মদিয়া বা ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৯৩৪.
TIN stands for -
  1. ক) Tax Index Numbers
  2. খ) Taxpayers Index Number
  3. গ) Taxpayers Information Numbers
  4. ঘ) Taxpayers Identification Numbers
সঠিক উত্তর:
ঘ) Taxpayers Identification Numbers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Taxpayers Identification Numbers
ব্যাখ্যা
TIN
- TIN stands for - Taxpayers Identification Numbers.
- TIN হলো একটি শনাক্তকরণ নম্বর যা অভ্যন্তরীণ রাজস্ব পরিষেবা (IRS) দ্বারা কর আইনের প্রশাসনে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সামাজিক নিরাপত্তা প্রশাসন (SSA) বা IRS দ্বারা জারি করা হয়।
- একটি সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর (SSN) SSA দ্বারা জারি করা হয় যেখানে অন্যান্য সমস্ত TIN IRS দ্বারা জারি করা হয়।
করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (TIN)
- সামাজিক নিরাপত্তা নম্বর (SSN)।
- নিয়োগকর্তা সনাক্তকরণ নম্বর (EIN)।
- ব্যক্তিগত করদাতা সনাক্তকরণ নম্বর (ITIN)।
- মুলতুবি মার্কিন দত্তকগুলির জন্য করদাতা সনাক্তকরণ নম্বর (ATIN)।
- প্রস্তুতকারী করদাতা সনাক্তকরণ নম্বর (PTIN)।

উৎস: Taxpayer Identification Numbers (TIN) - IRS, IRS (.gov).
৫,৯৩৫.
Bahadur Shah Park bears the memory of which movement?
  1. Non-Cooperation Movement, 1920
  2. Sannyasi Fakir Rebellion, 1770-1800
  3. Nachole Uprising, 1949
  4. Indigo Revolt, 1859
  5. Sepoy Revolt, 1857
সঠিক উত্তর:
Sepoy Revolt, 1857
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Sepoy Revolt, 1857
ব্যাখ্যা
পুরান ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে অবস্থিত বাহাদুর শাহ পার্কটি ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিপ্লবের স্মৃতিচিহ্ন ধারণ করে আছে।

বাহাদুর শাহ পার্ক:
- বাহাদুর শাহ পার্ক বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার লক্ষ্মীবাজারে অবস্থিত।
- ১৮৫৮ সালে রানি ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে এই স্থানের নামকরণ হয় ‘ভিক্টোরিয়া পার্ক’।
- পার্কটি আন্টাঘর ময়দান নামে পরিচিত ছিল।
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের পর এক প্রহসনমূলক বিচারে ইংরেজ শাসকেরা ফাঁসি দেয় অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহিকে।
- তারপর জনগণকে ভয় দেখাতে সিপাহিদের লাশ এনে ঝুলিয়ে দেওয়া হয় এই ময়দানের বিভিন্ন গাছের ডালে।
- ১৯৫৭ সালে (মতান্তরে ১৯৬১) সিপাহি বিদ্রোহের শতবার্ষিকী পালন উপলক্ষে এখানে একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করে পার্কের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।
- সিপাহী বিদ্রোহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইংরেজ শাসনের সমাপ্তি ঘটিয়ে মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় বাহাদুর শাহ এর শাসন পুনরায় আনার জন্য।
- তাই তাঁর নামানুসারে এর নতুন নামকরণ করা হয় ‘বাহাদুর শাহ পার্ক’।
 
 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৯৩৬.
কোন সংস্থা থেকে বাংলাদেশ সর্বাধিক ঋণ সহায়তা পায়?
  1. ক) AIIB
  2. খ) IDA
  3. গ) ADB
  4. ঘ) IMF
সঠিক উত্তর:
খ) IDA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) IDA
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ IDA (International Development Association) থেকে সবচেয়ে বেশি ঋণ সহায়তা পায়।
- গত বছরে বাংলাদেশ IDA থেকে ২২৬.৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তা পায় যা IDA এর দ্বিতীয় শীর্ষ ঋণ গ্রহীতা।
(তথ্যসূত্রঃ IDA ওয়েবসাইট)
৫,৯৩৭.
সোনালী ব্যাংক পিএলসি এর বিদেশে কতটি শাখা রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
সোনালী ব্যাংক পিএলসি:

- সোনালী ব্যাংকের বর্তমান নাম সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক্স (ন্যাশনালাইজেশন) অর্ডার ১৯৭২, রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ নম্বর ২৬, ১৯৭২ অনুসারে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহ্ওয়ালপুর এবং প্রিমিয়ার ব্যাংক নিয়ে ‘সোনালী ব্যাংক’ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর শাখার সংখ্যা বর্তমানে ১২৩১টি।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি এবং বিদেশে ২টি শাখা রয়েছে।
- দেশের অভ্যন্তরে ১২২৯টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে রয়েছে ৭৩০টি এবং অবশিষ্ট ৫০০টি শহরাঞ্চলে।
- বিদেশে ২টি শাখার মধ্যে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতায় ১টি ও শিলিগুড়িতে ১টি।

তথ্যসূত্র - সোনালী ব্যাংক পিএলসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫,৯৩৮.
ছোট সোনা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. কুষ্টিয়া
  2. রাজশাহী
  3. বাগেরহাট
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

ছোট সোনা মসজিদ:
- চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রাচীন ঐতিহ্যের প্রধানতম নিদর্শন হচ্ছে ছোট সোনা মসজিদ।
- ছোট সোনা মসজিদ 'সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন' বলে আখ্যায়িত।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়।
- শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯) কোন এক সময় নির্মিত।
- বিশাল এক দিঘির দক্ষিণপাড়ের পশ্চিম প্রান্ত জুড়ে এর অবস্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৫,৯৩৯.
তমদ্দুন মজলিস কোন আন্দোলনের সংগঠন?
  1. তেভাগা আন্দোলন
  2. দেশ বিভাগ
  3. ভাষা আন্দোলন
  4. শাসনতন্ত্র আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস: 
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে গঠিত হয় ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস। 
- ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের পাশাপাশি পাকিস্তান গণতান্ত্রিক যুবলীগ, পূর্ববঙ্গ বুদ্ধিজীবী সমাজ, সাংবাদিক সংঘ বিভিন্ন সভা-সমিতিতে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানান।
- সবকিছুকে উপেক্ষা করে ডিসেম্বর মাসে করাচিতে অনুষ্ঠিত শিক্ষা সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য সংবিধান সভার কাছে সুপারিশ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৫,৯৪০.
নিচের কোন জেলায় মণিপুরী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. কক্সবাজার
  2. সিলেট
  3. রাঙ্গামাটি
  4. বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

মণিপুরী:
- বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ সিলেট অঞ্চলের।
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী। নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাস (Rasa) নৃত্য।
- ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৫,৯৪১.
২০২১ সালে দেশে চা উৎপাদনের পরিমাণ কত ছিল?
  1. ক) ৮ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি
  2. খ) ৯ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি
  3. গ) ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি
  4. ঘ) ১০ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি
ব্যাখ্যা
- বাণিজ্যিক চা চাষে ১৬৮ বছরের ইতিহাসে গেল বছর সর্বোচ্চ ৯ কোটি ৬৫ লাখ ৬ হাজার কেজি চা উৎপাদন করে রেকর্ড গড়েছে বাংলাদেশ।
- ২০২১ সালে ছোট-বড় সব বাগান থেকে রেকর্ড পরিমাণ এ চা উৎপাদনের হয়েছে বলে জানান বাংলাদেশ চা বোর্ড।
- ২০২০ সালের তুলনায় এক কোটি ১১ লাখ কেজি বেশি।
- এর আগে ২০১৯ সালে ৯ কোটি ৬০ লাখ ৬৯ হাজার কেজি চা উৎপাদিত হয়েছিল, যা ছিল সেসময় পর্যন্ত দেশে চা শিল্পের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ।
- চা বোর্ডের তথ্য অনুসারে, ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়ায় দেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ চা বোর্ড।
৫,৯৪২.
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ব্যাংক -
  1. ক) ট্রাস্ট ব্যাংক
  2. খ) স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক
  3. গ) সিটিজেনস ব্যাংক
  4. ঘ) পুবালি ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রাস্ট ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ট্রাস্ট ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ব্যাংক - ট্রাস্ট ব্যাংক।

এছাড়া, 

- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
এগুলো হলোঃ
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।

বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা তিনটি। এগুলো হলো:
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

(সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক ওয়েবসাইট)
৫,৯৪৩.
ক্র্যাক প্লাটুন কী?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
  2. খ) স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল
  3. গ) আকাশ বাণী থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠান
  4. ঘ) মুক্তিযুদ্ধত্তোর অস্ত্র উদ্ধার অভিযান
সঠিক উত্তর:
ক) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
ব্যাখ্যা

- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ২নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশারফের উদ্যোগে এই গেরিলা বাহিনী গড়ে তোলা হয়।

- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।

- ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন:
শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ।

(তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল)

৫,৯৪৪.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. ঝিটকা
  2. প্রতিভা
  3. প্রভাতী
  4. প্রগতি
সঠিক উত্তর:
প্রতিভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিভা
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৫,৯৪৫.
ষোড়শ সংশোধনী রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ করে কখন?
  1. ক) ২০১৪ সালের ৭ সেপ্টম্বর
  2. খ) ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টম্বর
  3. গ) ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর
  4. ঘ) ২০১৮ সালের ৮ জুলাই
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর
ব্যাখ্যা

ষোড়শ সংশোধনী-
- উত্থাপন:২০১৪ সালের ৭ সেপ্টম্বর
- উত্থাপনকারী:এটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক
- গৃহীত: :২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টম্বর
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ২০১৪ সালের ২২ সেপ্টম্বর
ষোড়শ সংশোধনীর আলোচ্য বিষয়-
৭২ এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান

৫,৯৪৬.
বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম হলো-
  1. বাংলাদেশ
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
  3. বাংলাদেশ প্রজাতন্ত্র
  4. বাংলাদেশ ইসলামী প্রজাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ'।

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৯৪৭.
দেশের একমাত্র টাকশাল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) নারায়ণগঞ্জ
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের একমাত্র টাকশাল বা টাকা ছাপানোর প্রতিষ্ঠান হলো 'দ্য সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড'।
এটি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত যা ১৯৮৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
এটি বাংলাদেশ ব্যাংকের অধীন।
এতে বিভিন্ন নোট, ডাকটিকিট, স্ট্যাম্প, সঞ্চয়পত্র, প্রাইজবন্ড, নম্বরপত্র, সনদ ইত্যাদি ছাপানো হয়৷
(সূত্রঃ সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন লিমিটেড ওয়েবসাইট)
৫,৯৪৮.
BEZA কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. শিল্প মন্ত্রণালয়
  3. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
- দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে Bangladesh Economic Zones Authority (BEZA) কাজ করে থাকে।
- এটি ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর গঠিত হয়।
- BEZA প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।

- এর কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং নিবন্ধন প্রদান করা।
- বেজার অধীনে দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
- এর মধ্যে সর্ববৃহৎ হলো চট্টগ্রাম ও ফেনী জেলা জুড়ে বিস্তৃত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরী।

অন্যদিকে,
- BEPZA এর দায়িত্ব রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা।
- BIDA বিনিয়োগ আকৃষ্ট ও বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করে থাকে।
- BIDF হলো অবকাঠামো উন্নয়ন তহবিল।

তথ্যসূত্র:- BEZA ওয়েবসাইট
৫,৯৪৯.
‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠান আয়োজনে মূল ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. ক) অ্যালেন গিন্সবার্গ
  2. খ) পণ্ডিত রবিশংকর
  3. গ) ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো
  4. ঘ) গীতা মেহতা
সঠিক উত্তর:
খ) পণ্ডিত রবিশংকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পণ্ডিত রবিশংকর
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ারে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়। এর উদ্দেশ্য ছিলো কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের শরনার্থীদের সহায়তা করা।
- এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিখ্যাত ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশংকর। তার আহবানে সাড়া দিয়ে মার্কিন ব্যান্ডদল বিটলস এ কনসার্ট আয়োজনে অংশ নেয়। এতে জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান, রিঙ্গো স্টার প্রমুখ অংশগ্রহণ করেন।
- বাংলাদেশের আকবর আলী খাঁ, তবলাবাদক ওস্তাদ আল্লারাখা প্রমুখ এতে যুক্ত ছিলেন।
(তথ্যসূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)

৫,৯৫০.
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি সংক্ষিপ্ত রুপ কি?
  1. ক) MoFA
  2. খ) MOAP
  3. গ) MoE
  4. ঘ) MoPA
সঠিক উত্তর:
ঘ) MoPA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) MoPA
ব্যাখ্যা

MoPA (Ministry of Public Administration) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ইংরেজি সংক্ষিপ্ত রূপ ।
-সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নতুন নাম হলো ‘জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়’। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন

৫,৯৫১.
একটি দেশের জিডিপিকে দেশের জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে কোনটি পাওয়া যায়?
  1. মাথাপিছু আয়
  2. জাতীয় মোট আয়
  3. বিনিয়োগের অংশ
  4. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হার
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
ব্যাখ্যা

• মাথাপিছু আয় (per Capita Income):
- একটি দেশের মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের যোগফলকে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে যে আয় পাওয়া যায় তাকে মাথাপিছু আয় বলে। 
- মাথাপিছু আয় দুটি পৃথক মান দ্বারা নির্ধারিত হয়: (১) মোট জাতীয় আয় এবং (২) মোট জনসংখ্যা।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে কোনো দেশের মোট জাতীয় আয়কে (GNI) সে দেশের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে মাথাপিছু জাতীয় আয় বা মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- এটি দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও জনগণের জীবনমান বোঝার একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
- মাথাপিছু আয় যত বেশি, সাধারণত দেশের মানুষ বেশি সম্পদশালী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি এবং  বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট। 

৫,৯৫২.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটির লেখক নন -
  1. ক) কাজী মোতাহার হোসেন 
  2. খ) ড. এনামুল হক
  3. গ) আবুল মনসুর আহমদ 
  4. ঘ) আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
খ) ড. এনামুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ড. এনামুল হক
ব্যাখ্যা
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকা

- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- এ ঐতিহাসিক পুস্তিকায় সন্নিবেশিত নিবন্ধগুলোতে এদের লেখক কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ ও অধ্যাপক আবুল কাশেম বাংলাকে পূর্ব - বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন।
- তাঁরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিও তুলে ধরেন।
- এই মূল পুস্তিকার মুখবন্ধে, পুস্তিকার সম্পাদক আবুল কাশেম কর্তৃক প্রণীত বাংলাকে স্বীকৃতি দানের দাবির একটি সংক্ষিপ্ত প্রস্তাবনাও ছিল।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৫,৯৫৩.
ঔষধ শিল্প থেকে বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ৯০ শতাংশ
  2. ৯৫ শতাংশ
  3. ৯৮ শতাংশ
  4. ১০০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প: 
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়
- বর্তমানে শুধু মাত্র কিছু হাইটেক প্রোডাক্ট (ব্লাড বায়োসিমিলার প্রোডাক্ট, এন্টিক্যান্সার ড্রাগ, ভ্যাকসিন ইত্যাদি) আমদানি করা হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 
- সারা বিশ্বে বাংলাদেশের মানসম্পন্ন ঔষধ সুনাম অর্জন করেছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ ১৫৭টি দেশে রপ্তানি করছে এবং ঔষধ রপ্তানির পরিমাণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৫,৯৫৪.
প্রাচীন বাংলায় সমতট বর্তমান কোন অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল?
  1. ঢাকা ও কুমিল্লা
  2. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা
  3. কুমিল্লা ও নােয়াখালী
  4. ময়মনসিংহ ও জামালপুর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা ও নােয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা ও নােয়াখালী
ব্যাখ্যা
• সমতট:
- দক্ষিণ পূর্ব বাংলার জনপদ সমতট নামটি বর্ণনামূলক এবং এর অর্থ তটের সমান্তরাল।
- চতুর্থ শতকের সম্রাট সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ লিপিতে তাঁর রাজ্যের পূর্ব সীমায় সমতটের উল্লেখ
রয়েছে।
- হিউয়েন সাঙ সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন।
- হিউয়েন সাঙ বৌদ্ধ সংস্কৃতির বিদ্যমান অবস্থার যে বর্ণনা রেখে গেছেন তা থেকে বোঝা যায় যে, কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট।
- সমতট বঙ্গের পূর্বে অবস্থিত ছিল।
-মেঘনা- পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল।
- সমতটের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী 'লালমাই' এলাকা।
- ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চল নিয়েই ছিল প্রাচীন সমতট।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৯৫৫.
সম্প্রতি, কোন দেশের জাতিসংঘ ঘাঁটিতে হামলায় বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. রুয়ান্ডা
  2. নাইজেরিয়া
  3. হাইতি
  4. সুদান
সঠিক উত্তর:
সুদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত:
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘের ভবনে সন্ত্রাসীদের ড্রোন হামলায় ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন।
- আহত হয়েছেন আটজন।
- সুদানের সরকারের এক বিবৃতিতে, এ হামলার জন্য সরকারবিরোধী আধা সামরিক র‍্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে দায়ী করা হয়েছে।
- ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে আধা সামরিক আরএসএফ দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২২ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন 'ইউনাইটেড নেশনস ইন্টারিম সিকিউরিটি ফোর্স ফর আবেই' (UNISFA)-তে বাংলাদেশের একটি ব্যাটালিয়ন মোতায়েন রয়েছে।
- সুদান ও দক্ষিণ সুদান যৌথভাবে আবেই অঞ্চলটি পরিচালনা করে এবং উভয় দেশই এর মালিকানা দাবি করে আসছে।

তথ্যসূত্র- বিবিসি।

৫,৯৫৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে 'মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক' সম্পর্কে উল্লেখ রয়েছে?
  1. নবম ভাগ
  2. সপ্তম ভাগ
  3. দশম ভাগ
  4. অষ্টম ভাগ
সঠিক উত্তর:
অষ্টম ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম ভাগ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৯৫৭.
বাংলাদেশের কোথায় জুম চাষ পদ্ধতির প্রচলন নেই?
  1. ক) রাঙ্গামাটি
  2. খ) খাগড়াছড়ি
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের এক ধরনের চাষাবাদ পদ্ধতি।
- পাহাড়ের ঢালু এলাকায় জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে পাহাড়িরা সাধারণত চাষাবাদ করে থাকে।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে জুম চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।      

তথ্যসূত্র- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া। 
৫,৯৫৮.
'স্বাধীনতার সংগ্রাম'  ভাস্কর্যটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ফুলার রোড, ঢাকা
  2. ইন্দিরা রোড, ঢাকা
  3. বেইলি রোড, ঢাকা
  4. সেলিনা পারভীন রোড, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ফুলার রোড, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফুলার রোড, ঢাকা
ব্যাখ্যা
 স্বাধীনতার সংগ্রাম
- ঢাবির জগন্নাথ হলের পশ্চিম পাশে ফুলার রোডের একটি সড়কদ্বীপে স্থাপন করা হয়েছে 'স্বাধীনতার সংগ্রাম' ভাস্কর্য।
- এক জায়গায় এত ভাস্কর্য দেশের আর কোথাও নেই।

- ভাস্কর্যের সবচেয়ে উঁচুতে বন্দুকের সঙ্গে বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা বাঁধা।
- তার নিচে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের তর্জনীর উঁচু করা সেই চিরচেনা ভঙ্গি।
- ভাস্কর্যটিতে ৪২টি বাতি, একটি সংকেত বাতি, একটি লাইটিং, একটিপানির পাম্প ও ছয়টি পানির ফোয়ারা সংযুক্ত করা আছে।
- ভাস্কর্যগুলোর সবই নির্মাণ করেছেন ভাস্কর শামীম সিকদার।
- মূল ভাস্কর্যটি ঘিরে রয়েছে বিভিন্ন মনীষীর ছোট ছোট অনেক ভাস্কর্য।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৫,৯৫৯.
বাংলাদেশ আইসিসি-র ১০ম টেস্ট খেলোয়াড় দেশ হিসেবে কোন সালে অন্তর্ভুক্ত হয়? 
  1. ১৯৯৭ সাল
  2. ১৯৯৯ সাল
  3. ২০০১ সাল
  4. ২০০০ সাল
সঠিক উত্তর:
২০০০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সাল
ব্যাখ্যা

• ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (BCB) দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ১৯৭২ সালে গঠিত হয়
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ আইসিসির সহযোগী সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশের প্রথম ওডিআই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় ৩১ মার্চ ১৯৮৬ সালে পাকিস্তানের বিপক্ষে এশিয়া কাপে।
- ১৯৯৭ সালে কেনিয়ার বিরুদ্ধে আইসিসি ট্রফি জয়ের পর  ১৯৯৯ সালের বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
- ২০০০ সালের ২৬ জুন বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাস পায় এবং আইসিসির ১০ম টেস্ট খেলোয়াড় দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- প্রথম আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন শফিকুল হক হিরা।
- দেশের প্রথম টেস্ট জয় আসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

উৎস: Bangladesh Cricket Board.

৫,৯৬০.
বাংলা ভাষার প্রথম ’এআই’ প্ল্যাটফর্মের নাম কী?
  1. বাংলা বট এআই
  2. কাগজ ডট এআই
  3. শব্দ এআই 
  4. ভাষা প্ল্যাটফর্ম এআই
সঠিক উত্তর:
কাগজ ডট এআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাগজ ডট এআই
ব্যাখ্যা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই):
- বাংলা ভাষার জন্য এই প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) পূর্ণাঙ্গ প্ল্যাটফর্ম 'কাগজ ডট এআই (kagoj.ai)' চালু হয়েছে।
- 'কাগজ ডট এআই' বাংলা ভাষাভিত্তিক লেখালেখি, দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ এবং কনটেন্ট তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিশ্চিত করবে।
- প্রকাশের তারিখ: ১৭ ‍ডিসেম্বর, ২০২৬ সালে।
- এছাড়া একই সাথে নতুন বাংলা ফন্ট 'জুলাই' দাপ্তরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

৫,৯৬১.
আলোচিত 'হালাল কূটনীতি' কোন দুটি দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. বাংলাদেশ - মালয়েশিয়া 
  2. মালয়েশিয়া - ইন্দোনেশিয়া 
  3. বাংলাদেশ - পাকিস্তান 
  4. চীন- পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ - মালয়েশিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ - মালয়েশিয়া 
ব্যাখ্যা

আলোচিত 'হালাল কূটনীতি' যে দুইটি দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট- বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া।

হালাল কূটনীতি:
- ১২ আগস্ট, ২০২৫ বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া হালাল ইকোসিস্টেমের ক্ষেত্রে সহযোগিতার একটি নোট বিনিময় করে, যাকে কর্মকর্তারা 'হালাল কূটনীতি' হিসাবে উল্লেখ করেছেন।
- দ্রুত সম্প্রসারণশীল বৈশ্বিক হালাল পণ্যের বাজার ধরার লক্ষ্যে হালাল শিল্পপার্ক নির্মাণে মালয়েশিয়ার সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ।
বর্তমানে বিশ্বব্যাপী হালাল পণ্যের বাজার ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০৩০ সালের মধ্যে এটি ৫ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে বলে অনুমান করা হচ্ছে।
- এই বাজারে মালয়েশিয়া এখনই অন্যতম বড় অংশীদার।
- দেশটি ১৪টি হালাল শিল্প পার্ক পরিচালনা করছে এবং নিজস্ব মানদণ্ড অনুযায়ী পণ্য উৎপাদন ও রপতানিতে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে।
- এই খাতে ব্যবসা করা অন্যান্য দেশের মধ্যে রয়েছে- মধ্য প্রাচ্যের দেশগুলো, থাইল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বাংলাদেশে হালাল সার্টিফিকেশনের অনুমোদিত একমাত্র সংস্থা হলো ইসলামিক ফাউন্ডেশন।
- এ পর্যন্ত মাত্র ১২৪টি প্রতিষ্ঠান হালাল সার্টিফিকেট পেয়েছে, যা বৈশ্বিক বাজারের তুলনায় খুবই কম।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Business Standard.

৫,৯৬২.
দেশের কোন বিভাগে আবাদী জমির পরিমাণ সবচেয়ে কম?
  1. ক) রংপুর
  2. খ) সিলেট
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) ঢাকা
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিলেট
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুযায়ী দেশে মোট আবাদী জমি : ২ কোটি ৮১ হাজার একর।

বিভাগ অনুযায়ী সর্বাধিক আবাদী জমি:

- রাজশাহী বিভাগ : ৩২.৬০ লক্ষ একর
- রংপুর বিভাগ : ৩০.৪৯ লক্ষ একর
- ঢাকা বিভাগ : ২৯.৭৪ লক্ষ একর
- চট্টগ্রাম বিভাগ : ২৬.৮৬ লক্ষ একর
- খুলনা বিভাগ : ২৬.৩৮ লক্ষ একর
- বরিশাল বিভাগ : ১৮.৪৮ লক্ষ একর
- ময়মনসিংহ বিভাগ : ১৮.১৬ লক্ষ একর
- সিলেট বিভাগ : ১৮.১ লক্ষ একর।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ : পৃষ্ঠা-৪২৭/৪২৮)
৫,৯৬৩.
How many government EPZs are there in Bangladesh?
  1. ক) 7
  2. খ) 8
  3. গ) 9
  4. ঘ) 10
সঠিক উত্তর:
খ) 8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 8
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বেপজা এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority (BEPZA).
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি ইপিজেড রয়েছে
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
৫,৯৬৪.
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সূচনা হয় কী কেন্দ্র করে?
  1. শ্রমিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে
  2. কৃষক আন্দোলনকে কেন্দ্র করে
  3. ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে
  4. ছয় দফা দাবিকে কেন্দ্র করে
সঠিক উত্তর:
ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে
ব্যাখ্যা

• ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান :
- ১৯৬৮ সালের নভেম্বর মাসে ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন দানা বাঁধে, তা একসময় ছড়িয়ে পড়ে শহর ও গ্রামের শ্রমিক-কৃষক ও সাধারণ মানুষের মাঝে।
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠে এক দুর্বার আন্দোলন, যা উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান হিসেবে পরিচিত।
- আইয়ুব খানের পতনকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের দুই অংশের মানুষ প্রথমবারের মতো একসাথে আন্দোলনে নামে। 
- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ছিল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরবর্তীকালের সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
- ১৯৬৮ সালের নভেম্বর মাসের ছাত্র অসন্তোষ মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে গণআন্দোলনে পরিণত হয়।
-  ৮ই ডিসেম্বর প্রধান বিরোধী দলগুলোর ডাকে গোটা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়।
- ১০ই ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ 'নির্যাতন প্রতিরোধ দিবস' পালন করে।
- ২৯শে ডিসেম্বর ঘেরাও আন্দোলনের সূচনা হয়।
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আওয়ামী লীগের ছয় দফার সাথে মিলিয়ে আরও কয়েকটি দাবি নিয়ে ১১ দফা দাবি পেশ করে।
- উনসত্তরের উত্তাল সময়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এই ১১ দফা দাবি ছিল খুবই সময়োপযোগী।
- ফলে দ্রুত এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলোর ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর থেকে 'ডাকসু' ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যৌথ উদ্যোগে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে ওঠে।
- ডাকসুর আহ্বানে ১৪ই জানুয়ারি সমগ্র পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়।
- ১৮ই জানুয়ারি পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ধর্মঘট পালন করে।
- ধর্মঘট চলাকালীন পুলিশের সাথে ছাত্রদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।
- ২০শে জানুয়ারি নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্ররা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালন করেন। হরতাল পালনকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।   
 - আসাদ হত্যার প্রতিবাদে ২২, ২৩ ও ২৪ তারিখে ব্যাপক কর্মসূচি ঘোষিত হয়।
- ২৪ তারিখে সারা দেশে হরতাল চলাকালে সর্বস্তরের মানুষের ব্যাপক ঢল নামে। মানুষের অংশগ্রহণে আন্দোলন যেন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।

উৎস : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

৫,৯৬৫.
২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় কত?
  1. ক) ২৯.৫২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. খ) ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. গ) ৩৭.৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ৪৯.২৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
খ) ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
• ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
• অর্থাৎ রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।
• এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
• রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
• প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
• দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
৫,৯৬৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুসারে, নিচের কোন তথ্যটি সঠিক নয়?
  1. সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬%
  2. জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%
  3. সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে
  4. ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এ 'মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto)' পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- চুড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: ৯ এপ্রিল, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব): ৭৪.৬৬%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উল্লেখ্য,
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরুপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এ 'মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto)' পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।

এছাড়াও,
- জাতিসংঘের গাইডলাইন অনুযায়ী জনশুমারি মূলত নিম্নবর্ণিত তিন ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালনা করা হয়।
.• ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুধু তাদের বাসস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।
• ডি-ফ্যাক্টো (de: facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।
• মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থান গণনাভুক্ত করার পাশাপাশি শুমারি মুহূর্তে যারা ভ্রমণরত; হাসপাতাল ও হোটেলে থাকবেন বা কর্মরত থাকবেন তাদেরকে স্ব স্ব খানায় গণনাভুক্ত করা হয়।

জনশুমারি নিয়ে কিছু তথ্য:
- ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে।পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে। এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে।
- প্রতি ১০ বছর পরপর ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১ সালে আদমশুমারি ও গৃহগণনা হয়েছে। কিন্তু করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালে না হয়ে একবছর পিছিয়ে যায়।
- পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, সেই সময় বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৬৩ লাখ।
- ২০১১ সালে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের সীমান্ত এলাকায় আদমশুমারি করে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
         ii) ১৫ জুন ২০২২, প্রথম আলো।
৫,৯৬৭.
নিচের কোন জেলায় স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে?
  1. ক) দিনাজপুর
  2. খ) কুষ্টিয়া
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) কিশোরগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
- পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রচলিত জুম চাষ পদ্ধতি ‘সুইডেন চাষাবাদ পদ্ধতি’ নামে পরিচিত। এটি হলো এক প্রকার স্থানান্তর চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের ঢালে জঙ্গল কেটে বা পুড়িয়ে কৃষি জমি প্রস্তুত করে চাষ করা হয়। কয়েক বছর চাষাবাদ করার পর তা ছেড়ে অন্যত্র চাষ করা হয়।
- বর্তমানে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে এরূপ চাষ পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৫,৯৬৮.
মুক্তিযুদ্ধকালীন নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি কোন মাসে গঠিত হয়?
  1. আগস্ট
  2. অক্টোবর
  3. সেপ্টেম্বর 
  4. জুলাই 
সঠিক উত্তর:
জুলাই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই 
ব্যাখ্যা

⇒ মুক্তিবাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত ও অনিয়মিত দুটি ভাগে বিভক্ত ছিল। 

- অনিয়মিত বাহিনী গণবাহিনী নামে পরিচিত ছিল।
- নিয়মিত বাহিনীর অন্তর্ভুক্ত ছিল ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসের সৈন্যরা।
- ছাত্র, কৃষক, শ্রমিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের প্রাথমিক প্রশিক্ষণের পর বিভিন্ন সেক্টরে গণবাহিনীতে নিয়োগ করা হতো।
- গণবাহিনীর সদস্যদের বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শত্রুর বিরুদ্ধে গেরিলা যুদ্ধ পরিচালনার জন্য পাঠানো হয়।

- নিয়মিত বাহিনীর সদস্যরা সশস্ত্রবাহিনীর প্রথাগত যুদ্ধে নিয়োজিত ছিলেন।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- এই ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষর ‘জেড’ অনুসারে ব্রিগেডটির নামকরণ করা হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়। এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন সফিউল্লাহ।

- খালেদ মোশাররফের অধিনায়কত্বে সেপ্টেম্বর মাসে ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।

৫,৯৬৯.
দেশে বর্তমানে বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা -
  1. ক) ৮০টি
  2. খ) ৭৯টি
  3. গ) ৭৮টি
  4. ঘ) ৮১টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭৯টি
ব্যাখ্যা
দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা - ৭৯টি। 
২০২০-২১ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলাতে মোট ৬০,৯৪৪.৯৫ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে। 
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৫,৯৭০.
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা ছিলেন -
  1. শিকদার
  2. ফৌজদার
  3. সুবাহদার
  4. ওয়াজির
সঠিক উত্তর:
শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিকদার
ব্যাখ্যা

মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা।
- শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৯৭১.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম আরব দেশ কোনটি?
  1. ইরাক
  2. ইরান
  3. সৌদি আরব
  4. কুয়েত
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃতি লাভ:
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১।
৫,৯৭২.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় কতজন সদস্য নিয়ে?
  1. ক) ৫ জন সদস্য
  2. খ) ৪ জন সদস্য
  3. গ) ৯ জন সদস্য
  4. ঘ) ৮ জন সদস্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ জন সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ জন সদস্য
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৯৭৩.
বাংলাদেশে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয় কবে?
  1. ১৯৮৯ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
- শিশুদের ডায়রিয়া, টিটেনাস, পারটুসিস, যক্ষা, হাম ও পোলিওর টিকা দিতে  ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি শুরু করা হয়। 
- প্রথমে আটটি থানায় শুরু হলেও পরবর্তীতে সারা দেশে বিস্তৃত হয়।
- এতে মোট ছয়টি রোগের টিকা দেওয়া হয়।

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ইউনিসেফ ওয়েবসাইট।
৫,৯৭৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় রংপুর কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ৪নং
  2. ৫নং
  3. ৬নং
  4. ৭নং
সঠিক উত্তর:
৬নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,৯৭৫.
‘একতারা তুই দেশের কথা’ গানটির গীতিকার কে?
  1. নজরুল ইসলাম বাবু
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. আপেল মাহমুদ
  4. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
সঠিক উত্তর:
গাজী মাজহারুল আনোয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজী মাজহারুল আনোয়ার
ব্যাখ্যা

একতারা তুই দেশের কথা:
- একতারা তুই দেশের কথা গানটির গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- সুরকার: আনোয়ার পারভেজ।

এছাড়াও, মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গান -
- জয় বাংলা, বাংলার জয় - গীতিকার: গাজী মাযহারুল আনোয়ার।
- মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- এক সাগর রক্তের বিনিময়ে - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার। 
- জনতার সংগ্রাম চলবেই - গীতিকার: সিকান্দার আবু জাফর। 
- মুক্তির মন্দির সোপান তলে কতো প্রাণ হলো বলিদান  - গীতিকার: মোহিনী চৌধুরী।
- এক নদী রক্ত পেরিয়ে বাংলার আকাশে - গীতিকার: আতাউর রহমান। 
- পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল, রক্ত লাল, রক্ত লাল - গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।

উৎস: প্রথম আলো।

৫,৯৭৬.
কোন নভোকাশ কেন্দ্র থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণ করা হয়?
  1. কেনেডি স্পেস সেন্টার
  2. ওয়াল্প আইল্যান্ড ফ্লাইট
  3. মোহাভে স্পেস এন্ড এয়ারপোর্ট
  4. থেলিস এলেনিয়া
সঠিক উত্তর:
কেনেডি স্পেস সেন্টার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনেডি স্পেস সেন্টার
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব
কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে
পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
৫,৯৭৭.
সম্প্রতি কোন দেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশকে ২৩৫ মিলিয়ন ডলার সহায়তা প্রদানের ঘোষণা দিয়েছে?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. অষ্ট্রেলিয়া
  3. কানাডা
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
অষ্ট্রেলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ২৩৫ মিলিয়ন ডলার দেবে:
- মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে তাদের মাতৃভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবর্তনের জন্য বাংলাদেশকে প্রায় ২৩৫ মিলিয়ন ডলার দেবে অস্ট্রেলিয়া।
- ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩ তারিখে গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাতের সময় এ কথা জানান ঢাকায় নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার জেরেমি বুয়ার।

উৎস: i) Britannica.
         ii) ২৪ ডিসেম্বর ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
৫,৯৭৮.
'বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি' এর প্রধান কে? [ডিসেম্বর- ২০২৪]
  1. আহসান এইচ মনসুর
  2. হুসনে আরা শিখা
  3. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
  4. সালেহউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

⇒ শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি ও প্রতিবেদন: 
- দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা তুলে ধরতে গত ২৯ আগস্ট বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ১২ সদস্যের শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- কমিটির আনুষ্ঠানিক নাম ‘বাংলাদেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক অবস্থার শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটি’।
- শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে প্রধান উপদেষ্টার কাছে ১ ডিসেম্বর ২০২৪ তারিখে প্রতিবেদনটি জমা দেয়।

⇒ প্রস্তাবিত শ্বেতপত্রে যেসব বিষয়াদি নিয়ে আলোকপাত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, সেগুলো হলো-
- সরকারি আর্থিক ব্যবস্থাপনা- অভ্যন্তরীণ সম্পদ, সরকারি ব্যয় (সরকারি বিনিয়োগ, এডিপি, ভর্তুকি এবং ঋণ), বাজেট ঘাটতির অর্থায়ন।
-  মুদ্রাস্ফীতি এবং খাদ্য ব্যবস্থাপনা- উৎপাদন, সরকারি সংগ্রহ এবং খাদ্য বণ্টন।
 - রপ্তানি, আমদানি, রেমিটেন্স, এফডিআই, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, বৈদেশিক অর্থ প্রবাহ এবং ঋণ।
-  চাহিদা, সরবরাহ, মূল্য নির্ধারণ, খরচ এবং ক্রয় চুক্তি।
 - ব্যক্তিগত বিনিয়োগ- ক্রেডিট, বিদ্যুৎ, সংযোগ এবং লজিস্টিকসে অ্যাক্সেস।
 - দেশে এবং বিদেশে কর্মসংস্থান, আনুষ্ঠানিক এবং অনানুষ্ঠানিক মজুরি; যুব কর্মসংস্থান।

⇒ প্রতিবেদনটি থেকে পাওয়া গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য:
- অবৈধ অর্থ পাচার: ১৫ বছরে ২৩৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ২৮ উপায়ে পাচার। প্রতিবছর গড়ে ১৬ বিলিয়ন ডলার তছরূপ ও পাচার হয়েছে।
- উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয়: প্রকল্প খরচ গড়ে ৭০% বেড়েছে। প্রকল্প সম্পন্ন হতে গড়ে ৫ বছরের বেশি সময় লেগেছে। এডিপি বিনিয়োগের ১৪-২৪ বিলিয়ন ডলার দুর্নীতিতে অপচয়।
- ব্যাংকিং খাতের ক্ষতি: মন্দ ঋণের কারণে ব্যাংক খাতে বিপুল আর্থিক সংকট।
- দুর্নীতির কেন্দ্র: সামরিক ও বেসামরিক আমলারা প্রধান দুর্নীতিবাজ হিসেবে চিহ্নিত।

⇒ এছাড়াও প্রতিবেদনে সুপারিশ স্বরুপ বলা হয়েছে:
- স্বল্পমেয়াদী (২-৩ বছর) পরিকল্পনা গ্রহণের প্রস্তাব।
- অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক খাতে বিদেশি সাহায্যের বরাদ্দ নিশ্চিতকরণ।
- বাজেটের পূর্বাভাসযোগ্যতা বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সুসম্পর্ক জোরদার করা।

তথ্যসূত্র: শ্বেতপত্র প্রতিবেদন ও প্রথম আলো নিউজ।[লিঙ্ক]
৫,৯৭৯.
Bangladesh’s main import product -
  1. Mineral fuels including oil
  2. Fertilizer
  3. Textile
  4. Electrical machinery, equipmen
সঠিক উত্তর:
Mineral fuels including oil
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mineral fuels including oil
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়:
- বাংলাদেশ বেশিরভাগ পেট্রোলিয়াম ও তেল আমদানি করে (মোট আমদানির ১১ শতাংশ);
- টেক্সটাইল (১০ শতাংশ) এবং খাদ্য সামগ্রী (৯ শতাংশ)।
- অন্যদের মধ্যে রয়েছে: লোহা ও ইস্পাত (৭ শতাংশ), ভোজ্য তেল (৪ শতাংশ), রাসায়নিক (৪ শতাংশ), সুতা ও প্লাস্টিক এবং রাবার সামগ্রী (৪ শতাংশ)।
- ২০১৩ সালে, ধানের শীষের আমদানি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে মূলত এই সময়ের মধ্যে চালের পর্যাপ্ত অভ্যন্তরীণ সরবরাহের কারণে।

উৎস: Trading Economics ওয়েবসাইট।
৫,৯৮০.
‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১ আগস্ট,  ১৯৭১ সালে
  2. ৩ আগস্ট,  ১৯৭১ সালে
  3. ৮ আগস্ট, ১৯৭১ সালে
  4. ১২ আগস্ট,  ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
১ আগস্ট,  ১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ আগস্ট,  ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা

• ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১ আগস্ট, ১৯৭১ সালে অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- পণ্ডিত রবিশঙ্কর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁর শিষ্য–বন্ধু বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটলসের শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এই কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন।
- এতে অংশ নিয়েছিলেন পণ্ডিত রবিশঙ্কর, ওস্তাদ আলী আকবর খান, ওস্তাদ আল্লা রাখা।
- পশ্চিমের তারকাদের মধ্যে জর্জ হ্যারিসন ছাড়া ছিলেন রিঙ্গো স্টার, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, লিওন রাসেল, বিলি প্রেস্টন প্রমুখ।
- ৪০ থেকে ৫০ হাজার দর্শনার্থীর এ অনুষ্ঠান থেকে সংগৃহীত হয়েছিল ২ লাখ ৪৩ হাজার ৪১৮ দশমিক ৫০ ডলার।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

৫,৯৮১.
বাংলাদেশের কোন নারী ক্রিকেটার ওয়ানডেতে প্রথম হ্যাটট্রিক করেন?
  1. সালমা খাতুন
  2. জাহানারা বেগম
  3. স্বর্ণা আক্তার
  4. রুমানা আহমেদ
সঠিক উত্তর:
রুমানা আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুমানা আহমেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট:
- ২০১৬ সালে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ওয়ানডেতে হ্যাটট্রিক করেছিলেন লেগ স্পিনার রুমানা আহমেদ।
- এটি ওয়ানডে নারী ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম হ্যাটট্রিক।
- মেয়েদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে হ্যাটট্রিক করেছিলেন ফাহিমা খাতুন।
- ২০১৮ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক ফারিহা।
- অভিষেক ম্যাচেই হ্যাটট্রিক করলেন বাংলাদেশ নারী দলের ফারিহা ইসলাম।
- এটি বাংলাদেশের তৃতীয় হ্যাটট্রিক। 

উৎস: প্রথম আলো।
৫,৯৮২.
কোন মুঘল সম্রাটের ইচ্ছানুযায়ী শায়েস্তা খান চট্টগ্রামের নাম রাখেন ইসলামাবাদ?
  1. আকবর
  2. জাহাঙ্গীর
  3. শাহজাহান
  4. আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গজেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
সুবেদার শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খানের সুবাদারি আমল দুঅধ্যায়ে বিভক্ত ছিল।
- তিনি প্রথম অধ্যায়ে ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন শায়েস্তা খান।
- মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।
- শুল্ক ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করলে ইংরেজ কোম্পানির সঙ্গে শায়েস্তা খানের প্রথম সংঘর্ষ ঘটে এবং ইংরেজরা বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। এভাবে তিনি ইংরেজ বণিকদের ঔদ্ধত্যের সমুচিত জবাব দেন।
- শায়েস্তা খান রাজস্ব সংস্কারে বড় ধরনের অবদান রাখেন।
-তাঁর সময়ে বাংলাদেশ কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। তখন বাংলাদেশে জিনিসপত্রের দাম খুব কম ছিল।
- শায়েস্তা খান ঢাকায় ছোট কাটরা, হুসায়েনী দালান, লালবাগ দুর্গের একাংশ এবং আরও বহু অট্টালিকা ও মসজিদ নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৯৮৩.
বিকল্প নীতি উত্থাপন কে করে?
  1. ক্ষমতাসীন দল
  2. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  3. বিরোধী দল
  4. সরকারি কর্মকর্তারা
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা

বিকল্প নীতি উত্থাপন:
- বিকল্প নীতি উত্থাপন করে বিরোধী দল।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে, তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- বিরোধী দলের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সরকারি নীতিমালাগুলো ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা।
- এক্ষেত্রে যদি কোন নীতিমালা জন বান্ধব মনে না হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধী দল দেশের স্বার্থে উন্নততর বিকল্প নীতি প্রস্তাব করতে পারে।
- এর মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের নিকট তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৯৮৪.
বিশ্বে আহরিত মোট ইলিশের কত শতাংশ বাংলাদেশে উৎপাদিত হয়? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. প্রায় ৬৬ শতাংশ
  2. প্রায় ৭২ শতাংশ
  3. প্রায় ৮০ শতাংশ
  4. প্রায় ৯২ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮০ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮০ শতাংশ
ব্যাখ্যা

ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- বিশ্বের মোট উৎপাদনের প্রায় ৮০ শতাংশ ইলিশই হয় বাংলাদেশে।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ইলিশের চারটি প্রজনন ক্ষেত্র রয়েছে।
- দেশে ইলিশ অধ্যুষিত জেলা ৩৮টি।
- ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।
- প্রজনন মৌসুমে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকে ২২ দিন।

উৎস: ।) মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তর।
ii) প্রথম আলো।

৫,৯৮৫.
রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. ক্ষমতা লাভ
  2. সংঘবদ্ধ জনসমষ্টি
  3. হরতাল অবরোধ
  4. প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো
সঠিক উত্তর:
হরতাল অবরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরতাল অবরোধ
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত নয়- হরতাল অবরোধ।

• রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য:
• সংঘবদ্ধ জনসমষ্টি:
- রাজনৈতিক দল হচ্ছে কতগুলো নীতি ও আদর্শের ভিত্তিতে সংগঠিত একটি জনসমষ্টি।

• ক্ষমতা লাভ:
- রাজনৈতিক দলের প্রধান লক্ষ্য নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে রাষ্ট্রক্ষমতা লাভের মাধ্যমে সরকার গঠন করা।

• সুনির্দিষ্ট আদর্শ ও কর্মসূচি:
- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের একটি আদর্শ ও সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকে।
- আদর্শের দিক থেকে কোনো দল ধর্মভিত্তিক আবার কোনো দল ধর্মনিরপেক্ষ হয়।
- অন্যদিকে অর্থনীতির রূপরেখা বিবেচনায়ও দল ভিন্ন হতে পারে।।

• প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো ও নেতৃত্ব:
- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের একটি প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো থাকে।
- কেন্দ্র থেকে স্থানীয় পর্যায় পর্যন্ত দলের শাখা বিস্তৃত থাকে।
- এছাড়া প্রত্যেক দলের কেন্দ্রীয় এবং স্থানীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কমিটি থাকে। তবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দ্বারা দল পরিচালিত হয়।

• নির্বাচনসংক্রান্ত কাজ:
- আধুনিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা তথা গণতান্ত্রিক অথবা একনায়কতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থায় নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
- একনায়কতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থার চেয়ে গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থায় নির্বাচনের গুরুত্ব অধিকতর।
- এ সকল নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতি, প্রার্থী মনোনয়ন, নির্বাচনে দলীয় কর্মসূচি প্রণয়ন, নির্বাচনি প্রচার ও ভোট সংগ্রহ দলের এবং দলীয় কর্মীদের দ্বারা সম্পাদিত হয়ে থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

৫,৯৮৬.
'বাহাদুর শাহ পার্ক' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) দিল্লীতে
  3. গ) আগ্রায়
  4. ঘ) রাজশাহীতে
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকায়
ব্যাখ্যা

১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ ব্যর্থ হলে প্রহসনমূলক বিচারের মাধ্যমে এর সাথে জড়িত অসংখ্য বিপ্লবী সিপাহীদের ফাঁসি দেওয়া হয়।
জনগণকে ভয় দেখানোর জন্যে সিপাহীদের লাশ বাহাদুর শাহ পার্কের বিভিন্ন গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
১৮৫৮ সালে এই স্থানের নামকরণ করা হয় ভিক্টোরিয়া পার্ক।
পরবর্তীতে ১৯৫৭ সালে সিপাহী বিদ্রোহের শতবর্ষে ভিক্টোরিয়া পার্কের নামকরণ করা হয় বাহাদুর শাহ পার্ক।
এর অবস্থান পুরাতন ঢাকায়।
সূত্রঃ ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।

৫,৯৮৭.
প্রথম শহীদ মিনার কে উদ্ভোধন করেন?
  1. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. শহিদ শফিউরের মা
  3. শহিদ বরকতের মা
  4. শহিদ শফিউরের পিতা
সঠিক উত্তর:
শহিদ শফিউরের পিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহিদ শফিউরের পিতা
ব্যাখ্যা
• প্রথম শহীদ মিনার:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারী ভাষা আন্দোলনে নিহত শহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার উদ্দেশ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হোস্টেল প্রাঙ্গণে এই স্তম্ভ নির্মিত হয়, যা বর্তমানে ‘শহীদ মিনার’ নামে পরিচিত।
- শহীদ মিনার প্রথম নির্মিত হয় ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি।
- এর পরিকল্পনা, স্থান নির্বাচন ও নির্মাণকাজ সবই ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে সম্পন্ন হয়।
- বর্তমান শহীদ মিনারের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে শহীদদের রক্তভেজা স্থানে সাড়ে ১০ ফুট উঁচু এবং ৬ ফুট চওড়া ভিত্তির ওপর ছোট স্থাপত্যটির নির্মাণকাজ শেষ হলে এর গায়ে ‘শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ’ লেখা একটি ফলক লাগিয়ে দেওয়া হয়।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন।
- নির্মাণের পরপরই এটি শহরবাসীর আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে; প্রতিবাদী আন্দোলনের প্রতীকী মর্যাদা লাভ করে।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি সকালে দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দীন আনুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।
- ওই দিনই বিকেলে পুলিশ হোস্টেল ঘেরাও করে এটি ভেঙ্গে ফেলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৯৮৮.
বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের তরুণদের কর্মসংস্থানে ১৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তা দিচ্ছে কোন সংস্থা? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. জাতিসংঘ
  3. এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক
  4. এশীয় অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

কর্মসংস্থানে ঋণ সহায়তা:
- বাংলাদেশের নিম্ন আয়ের তরুণ এবং ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সুযোগ বাড়াতে ১৫ কোটি ৭ লাখ ৫০ হাজার (১৫০ দশমিক ৭৫ মিলিয়ন) ডলারের অর্থ সহায়তা অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক।
- 'রিকভারি অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অব ইনফরমাল সেক্টর এমপ্লয়মেন্ট' (রেইজ) প্রকল্পের আওতায় এই অতিরিক্ত অর্থায়ন করা হচ্ছে।
- এর মাধ্যমে সারা দেশে আরও প্রায় ১ লাখ ৭৬ হাজার তরুণের জন্য কর্মসংস্থান ও আয়ের সুযোগ তৈরি হবে।
- এর আগে এই প্রকল্পের সুবিধাভোগী ছিলেন ২ লাখ ৩৩ হাজার জন।
- অংশগ্রহণকারীরা দক্ষতা প্রশিক্ষণ, শিক্ষানবিশ কর্মসূচি (অ্যাপ্রেন্টিসশিপ), উদ্যোক্তা উন্নয়ন এবং মাইক্রোফাইন্যান্স বা ক্ষুদ্রঋণ সুবিধাসহ একটি সমন্বিত প্যাকেজ পাবেন।

তথ্যসূত্র- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [link]

৫,৯৮৯.
স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগ করে লর্ড ডালহৌসি কোন রাজ্যটি অধিকার করেন?
  1. অযোধ্যা
  2. পাঞ্জাব
  3. হায়দ্রাবাদ
  4. নাগপুর
সঠিক উত্তর:
নাগপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগপুর
ব্যাখ্যা
স্বত্ববিলোপ নীতি:
- স্বত্ববিলোপ নীতি ছিল একটি সাম্রাজ্যবাদী নীতি। স্বত্ববিলোপ নীতির মূলকথা ছিল, ব্রিটিশের শাসনাধীন যেকোনো আশ্রিত রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে এবং তার রাজবংশে কোনো উত্তরাধিকার না থাকলে সেই রাজা সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবেন। এই নীতির মাধ্যমে সাঁতারা, নাগপুর, ঝাঁসি ও সম্বলপুর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।

⇒ স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ:
- লর্ড ডালহৌসি সর্বপ্রথম সাঁতারা রাজ্যের উপর তার স্বত্ববিলোপ নীতির প্রয়োগ করেন। সাঁতারার রাজা ইংরেজের বিনা অনুমতিতে দত্তক পুত্র গ্রহণ করেছিলেন। ফলে ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে রাজা মারা গেলে ডালহৌসী দত্তক পুত্রের দাবি অগ্রাহ্য করে সাঁতারা রাজ্য ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। এরপর সম্বলপুর রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে ডালহৌসী সম্বলপুর রাজ্যটিও ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন (১৮৫০ খ্রিঃ)।
- ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে ভোঁসলে বংশের শেষ রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে ডালহৌসী নাগপুর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। কারণ নাগপুর ইংরেজের প্রত্যক্ষ অধিকারে আসায় কোন দেশীয় রাজ্যের এলাকায় না ঢুকে কলকাতা থেকে বোম্বাই (মুম্বাই) যাতায়াতের পথ ইংরেজদের জন্য সোজা হয়ে গেল। ১৮৫৩ খ্রিস্টাব্দে ঝাঁসির রাজা মারা গেলে তাঁর দত্তক পুত্রের দাবি অস্বীকার করে ডালহৌসী ঝাঁসীকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত করেন। ঐ ভাবে শতদ্রু নদীর নিকট ভগৎ রাজ্য, মধ্যপ্রদেশে উদয়পুর, রাজস্থানে করৌলি প্রভৃতি রাজ্যগুলো ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৫,৯৯০.
ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু কোন নদীর উপর নির্মিত?
  1. ঘাঘট নদী
  2. শঙ্খ নদী
  3. ফেনী নদী
  4. ধাইজান নদী
সঠিক উত্তর:
ফেনী নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেনী নদী
ব্যাখ্যা
♦ ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু
- ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে চালু হচ্ছে ১.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী সেতু।
- ২০২১ সালের মার্চে এই সেতুর উদ্বোধন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ‘মৈত্রী সেতু দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলো এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগের নতুন পথের সূচনা করবে।
- আগামী দিনে সেতুটি কার্গো ও ট্রান্সশিপমেন্ট ছাড়াও দুই দেশের যাত্রীদের চলাচলের সুবিধা করবে।’
- ফেনী নদীর উপর চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এবং ভারতের উত্তর-পূর্ব রাজ্যগুলোর সংযোগস্থলে অবস্থিত এই সেতু।
- চট্টগ্রাম বন্দর থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরত্বে ত্রিপুরার সাব্রুম।  

উৎস: LIVE MCQ সাম্প্রতিক সমাচার (ফেব্রুয়ারি)।
৫,৯৯১.
বাংলাদেশের কোন নৃ-গোষ্ঠীর নৃত্য আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত?
  1. ক) সাঁওতাল
  2. খ) মণিপুরী
  3. গ) চাকমা
  4. ঘ) কোচ
সঠিক উত্তর:
খ) মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মণিপুরী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বসবাসকারী মণিপুরী সম্প্রদায় সংস্কৃতির দিক থেকে অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও ঐতিহ্যবাহী। তাদের সংস্কৃতির সবচেয়ে উজ্জ্বলতম দিক হলো মণিপুরী নৃত্য যা আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জনে সক্ষম হয়েছে।
- এছাড়া তাদের তাঁতবস্ত্র ও দৃশ্যশিল্পও ব্যাপকভাবে সমাদৃত।
- মণিপুরী সম্প্রদায় বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।
(সূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)
৫,৯৯২.
কত সালে জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. ১৫৪৮ সালে
  2. ১৫২৬ সালে
  3. ১৫৫৭ সালে
  4. ১৫৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৫২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২৬ সালে
ব্যাখ্যা
• জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করেন ১৫২৬ সালে।
- তারপর দীর্ঘ পনের বছর পর বাবরের পুত্র হুমায়ুন দিল্লির সিংহাসন দখল করেন।
- ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের ১৪ ফেব্রুয়ারি পিতা সম্রাট হুমায়ুনের মৃত্যুর পর মাত্র ১৩ বছর বয়সে জালাল উদ্দিন মুহাম্মদ আকবর নাম ধারণ করে দিল্লির মোগল সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- ১৬০৫ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আকবরের মৃত্যুর পর যুবরাজ সেলিম ‘নুরউদ্দীন মুহম্মদ জাহাঙ্গীর বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন। 
- মুঘল সম্রাটদের মধ্যে প্রথম আত্মজীবনী লিখেছিলেন 'জহির উদ্দিন মুহম্মদ বাবর'।
- মুঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা বাবর তার আত্মজীবনী লিখেছিলেন যার শিরোনাম ছিল তুজুক-ই-বাবরী।
- এতে তাঁর সংঘটিত যুদ্ধের বর্ণনা রয়েছে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও  BBC বাংলা।
৫,৯৯৩.
২০২১-২২ অর্থবছরে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের মোট জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ২.৫৬%
  2. ৪.৫৬%
  3. ৫.৫৬%
  4. ৩.৬৬%
সঠিক উত্তর:
৪.৫৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৫৬%
ব্যাখ্যা
প্রবাসী ও রেমিট্যান্স
- কোভিড-১৯ পরিস্থিতি এবং রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধ থেকে উদ্ভূত পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল রাখতে বৈদেশিক আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস হিসাবে প্রবাস আয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত প্রায় ৭,৩৪,০০০ শ্রমিক কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ থেকে বিদেশ গমন করে।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের পরিমাণ ১৪,০১৩.৩৯ মিলিয়ন ডলার বা ১৩৬১৭৪.৭৬ কোটি টাকা (জুলাই – ফেব্রুয়ারি)।
-  ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের মোট জিডিপির ৪.৫৬% এবং মোট পণ্য রপ্তানির ৪২.৭১%।

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ ।  
৫,৯৯৪.
বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকের 'চলাফেরার স্বাধীনতা' কোন অনুচ্ছেদের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে?
  1. ৩৮ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৬ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৬: চলাফেরার স্বাধীনতা
জনস্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ- সাপেক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র অবাধ চলাফেরা, ইহার যে কোন স্থানে বসবাস ও বসতিস্থাপন এবং বাংলাদেশ ত্যাগ ও বাংলাদেশে পুনঃপ্রবেশ করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।

অন্যদিকে,
- ৩৪ অনুচ্ছেদ: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
- ৩৭ অনুচ্ছেদ: সমাবেশের স্বাধীনতা।
- ৩৮ অনুচ্ছেদ: সংগঠনের স্বাধীনতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫,৯৯৫.
ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করতে কয়টি মুজিব কেল্লা স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে?
  1. ক) ৩৫০
  2. খ) ৫৫০
  3. গ) ২৫০
  4. ঘ) ৪৫০
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫৫০
ব্যাখ্যা
- ঘূর্ণিঝড় ও বন্যা থেকে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে রক্ষা করতে দেশের ১৪৮ উপজেলায় ৫৫০টি মুজিব কেল্লা নির্মাণ ও সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
এর মাধ্যমে উপকূল অঞ্চলের দুর্গত জনগণ ও প্রাণিসম্পদকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।
- পাশাপাশি ঘূর্ণিঝড় ও বন্যার কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমিয়ে আনা যাবে।
- এছাড়া বছরের অন্য সময় জনসাধারণের খেলার মাঠ, সামাজিক অনুষ্ঠান ও হাটবাজার হিসেবেও এসব স্থান ব্যবহার করা যাবে।
- উপকূলবর্তী অঞ্চলে  ৪,২৯১টি সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করা হয়েছে।
উৎস: bonikbarta.net
৫,৯৯৬.
প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ রাষ্ট্র কোনটি?
  1. ক) মাল্টা
  2. খ) ডমিনিকান রিপাবলিক
  3. গ) টোঙ্গা
  4. ঘ) সিচিলিস
সঠিক উত্তর:
গ) টোঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) টোঙ্গা
ব্যাখ্যা
গত ১৪ জানুয়ারি ২০২২ সালে, সমুদ্রতলদেশে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপ দেশ টোঙ্গার সুনামির সৃষ্টি হয়।
প্রশান্ত মহাসাগরের নিচে এক আগ্নেয়গিরিতে বিশাল অগ্ন্যুৎপাতের পর সুনামির বিরাট ঢেউ এসে আঘাত হেনেছে দ্বীপরাষ্ট্র টঙ্গাতে।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট। 
৫,৯৯৭.
বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক ভাবে LDC তালিকা থেকে বের-
  1. ক) ২০২১ সালে
  2. খ) ২০২২ সালে
  3. গ) ২০২৪ সালে
  4. ঘ) ২০২৭ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

LDC (Least Developed Countries) হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা। বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বর্তমানে LDC তালিকায় ৪৭টি দেশ রয়েছে। এ পর্যন্ত মোট ৫টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে। অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ন থাকলে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিক ভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।
(সূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)

৫,৯৯৮.
আদালত কর্তৃক বাতিল সংশোধনী কোনটি?
  1. ক) পঞ্চম সংশোধনী
  2. খ) সপ্তম সংশোধনী
  3. গ) ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমান পর্যন্ত মোট ১৭টি সংশোধনী আনা হয়
- এর মধ্যে চারটি সংশোধনী হাইকোর্ট কর্তৃক বাতিল ঘোষিত হয়েছে।
- এগুলো হলো:-
- পঞ্চম সংশোধনী (১৯৭৯) : বাতিল (আগস্ট ২০০৫)
- সপ্তম সংশোধনী (১৯৮৬) : বাতিল (আগস্ট ২০১০)
- ত্রয়োদশ সংশোধনী (১৯৯৬) : বাতিল (২০১১)
- ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪) : বাতিল (২০১৭)।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৯৯৯.
বর্তমানে বাংলাদেশের উপজেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৪৯২
  2. খ) ৪৯৫
  3. গ) ৪৯১
  4. ঘ) ৪৯৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৯৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪৯৫
ব্যাখ্যা
নতুন তিনটিসহ বর্তমানে বাংলাদেশের মোট উপজেলার সংখ্যা - ৪৯৫টি। ২৬ জুলাই, ২০২১ সরকারের প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (NICAR) - এর ১১৭তম বৈঠকে এই তিনটি (কক্সবাজার সদরের ঈদগাঁও, মাদারীপুরের ডাসার এবং সুনামগঞ্জের মধ্যনগর) নতুন উপজেলার অনুমোদন দেয়া হয়। 
৬,০০০.
নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহীদ হয়েছিলেন -
  1. ডা. শামসুল আলম খান মিলন
  2. আসাদুজ্জামান
  3. শফিউর রহমান
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ডা. শামসুল আলম খান মিলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডা. শামসুল আলম খান মিলন
ব্যাখ্যা
নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক অধিকার আন্দোলনের উজ্জ্বলতম অধ্যায় নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান।
- ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার ক্ষমতা দখলের পর থেকেই স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন শুরু হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
- টানা ৯ বছর আন্দোলনের পর এ বিশ্ববিদ্যালয়ে গড়ে ওঠা সর্বদলীয় ছাত্র ঐক্যের দুর্বার আন্দোলনেই পতন ঘটে স্বৈরশাসক এরশাদের।
- ধারাবাহিক আন্দোলনের এক পর্যায়ে ১৯৯০ সালের ১০ অক্টোবর শিক্ষার্থী জেহাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।
- ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর স্বৈরাচারবিরোধী মিছিলে হামলা চালায় নতুন বাংলা ছাত্র সমাজের ক্যাডাররা।
- সে হামলায় নিহত হন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের যুগ্ম মহাসচিব ডা. শামসুল আলম খান মিলন।
- এর পর সারাদেশের শহর-বন্দর, এমনকি গ্রামে-গঞ্জে ছড়িয়ে পড়ে স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন।
- অবশেষে ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন এরশাদ।

উল্লেখ্য,
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নূর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহিদ হন।
- নূর হোসেনের লেখা শ্লোগান 'বুকে 'স্বৈরাচার নীপাত যাক' এবং পিঠে 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।

তথ্যসূত্র - ৬ ডিসেম্বর ২০২০, বিবিসি বাংলা।