বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৫৭ / ৩০৬ · ৫,৬০১৫,৭০০ / ৩০,৮৩২

৫,৬০১.
কোন আইনের ফলে কোন কোম্পানির গভর্নরের পদ গভর্নর জেনারেল পদ উন্নীত করা হয়?
  1. পিট ভারত আইন
  2. নিয়ামক আইন
  3. বেঙ্গল মিউনিসিপাল অ্যাক্ট
  4. ইলবার্ট বিল
সঠিক উত্তর:
নিয়ামক আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ামক আইন
ব্যাখ্যা

নিয়ামক বা রেগুলেটিং অ্যাক্ট, ১৭৭৩ বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন ও দায়িত্ব সংজ্ঞায়িত করে বৃটিশ পার্লামেন্টের প্রণীত প্রথম আইন।
- ব্রিটিশ কোম্পানির অবহেলা নির্যাতন ও নিপীড়ন থেকে এই অঞ্চলের মানুষকে রক্ষার্থে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ইস্ট ইন্ডিয়া
- কোম্পানির শাসন কে নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়ামক আইন পাশ করা হয়|
- এই আইনের ফলে কোম্পানির গভর্নর গভর্নর জেনারেল পদে উন্নীত করা হয় ।
-কোম্পানি কর্মকর্তাদের অসদাচরণ ও দুর্নীতি দমনই ছিল এ আইনের বিধানগুলির লক্ষ্য। অবশ্য এ আইন দুর্নীতি বন্ধ করতে ব্যর্থ হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অষ্টম শ্রেণি

৫,৬০২.
বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কোনটি?
  1. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাচন
  4. নির্বাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।

⇒  সংবিধানের ভাগ:
- প্রথম ভাগ: প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগ: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগ: বিচারবিভাগ,
- সপ্তম ভাগ: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগ: মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম-ক ভাগ: জরুরী বিধানাবলী ও নবম ভাগ: বাংলাদেশের কর্মবিভাগ,
- দশম ভাগ: সংবিধান-সংশোধন,
- একাদশ ভাগ: বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫,৬০৩.
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) কুষ্টিয়া
  4. ঘ) নঁওগা
সঠিক উত্তর:
ঘ) নঁওগা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নঁওগা
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বা পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলায় অবস্থিত।
পাল রাজা ধর্মপাল ৭৮১-৮২১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রাজত্ব করেছেন। পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল বৌদ্ধধর্মের প্রসারে নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
এখন পর্যন্ত সোমপুর বিহার ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার হিসেবে স্বীকৃত।
এটিকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐহিত্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।

উৎস: নওগাঁ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ।
৫,৬০৪.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক কোনটি?
  1. ক) স্বাধীনতা পদক
  2. খ) একুশে পদক
  3. গ) যুব উন্নয়ন পদক
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার
সঠিক উত্তর:
ক) স্বাধীনতা পদক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) স্বাধীনতা পদক
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার:
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার' বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ' থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ'।
- একুশে পদক হচ্ছে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদক। 
- বীরশ্রেষ্ঠ হলো সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব। 
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পুরস্কার বৃক্ষরোপনের জন্য প্রদান করা হয়। 

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৬০৫.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ২০০৯ সালে
  2. খ) ২০১২ সালে
  3. গ) ২০১৪ সালে
  4. ঘ) ২০১৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (BIDA-Bangladesh Investment Development Authority) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ২০১৬ সালে গঠিত হয়।
- এটির কাজ হলো বেসরকারি বিনিয়োগ বিশেষত বৈদেশিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং বিনিয়োগকারীদের বিভিন্ন সুবিধাদি প্রদান করা।
(তথ্যসূত্রঃ BIDA ওয়েবসাইট)
৫,৬০৬.
বাংলাদেশ প্রথমবার কখন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিল?
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৯০ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৬ সালে
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ গঠিত।
- সাধারণ পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সদস্য দেশগুলোর ভোটে নির্বাচিত সাধারণ পরিষদের সভাপতির মেয়াদ এক বছর।
- সাধারণত সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার নিউইয়র্কে সাধারণ পরিষদের অধিবেশন বসে।
- ১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কোরিয়া সংকটকে কেন্দ্র করে শান্তির জন্যে ঐক্য প্রস্তাব গ্রহণ করে।
- এটি সাধারণ পরিষদের 377(V) রেজ্যুলেশন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারন পরিষদে প্রথম সভাপতি নির্বাচিত হয়- ১৯৮৬ সালে।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি — হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী। 

উৎস: UN General Assembly, প্রথম আলো।

৫,৬০৭.
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের কততম সংসদ নির্বাচন?
  1. ১২ তম
  2. ১৩ তম
  3. ১৪ তম
  4. ১৫ তম
সঠিক উত্তর:
১৩ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ তম
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন, ২০২৬:
- ১২ই ফেব্রুয়ারি,২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন৷
- ১১ ডিসেম্বর, ২০২৫ (বৃহস্পতিবার) নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সিইসি এ এম এম নাসির উদ্দিন।
- একই দিনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট আয়োজনেরও ঘোষণা দিয়েছেন সিইসি।
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।
- জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট হবে সাদা, আর গণভোটের ব্যালট হবে গোলাপি।
- নির্বাচনের দিনেই গণভোট অনুষ্ঠিত হওয়ায়, ভোটগ্রহণের সময় একঘণ্টা বাড়িয়ে সকাল সাড়ে সাতটা থেকে বিকেল সাড়ে চারটা করা হয়েছে।
- তফসিল ঘোষণা থেকে ভোট গ্রহণের দিনের মধ্যে ৪০ থেকে ৪৫ দিনের পার্থক্য থাকে।
- এবার সেই সময় বাড়িয়ে করা হয়েছে দুই মাস।

তথ্যসূত্র - বিবিসি পত্রিকার রিপোর্ট।

৫,৬০৮.
সুন্দরবন 'Ramsar Site' হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে -
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৩ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯২ সালে
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গকিলোমিটার।
- সমগ্র সুন্দরবন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে বিস্তৃত।
-
এছাড়া ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য কেন্দ্র এবং ৩টি বিশেষায়িত বণ্যপ্রানী (ডলফিন) অভয়ারণ্য বিদ্যমান।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সনে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৯ সনে নীলকমলে World Heritage Site-এর নামফলক উন্মোচন করেন।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সালের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।
৫,৬০৯.
নিচের কে ভাষা আন্দোলনের শহীদ নন-
  1. ক) জব্বার
  2. খ) রফিক
  3. গ) মতিউর
  4. ঘ) বরকত
সঠিক উত্তর:
গ) মতিউর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মতিউর
ব্যাখ্যা
রফিক উদ্দিন, আব্দুল জব্বার, আবুল বরকত প্রমুখ ভাষা আন্দোলনের শহীদ। আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ), মতিউর রহমান মল্লিক, সার্জেন্ট জহুরুল হক, মুহম্মদ শামসুদ্দোহা, শহীদ আনোয়ারা বেগম, শহীদ রুস্তম প্রমুখ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৬১০.
‘মৌলিক গণতন্ত্র’ ব্যবস্থায় সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?
  1. ক) জেলা কাউন্সিল
  2. খ) থানা কাউন্সিল
  3. গ) ইউনিয়ন কাউন্সিল
  4. ঘ) বিভাগীয় কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
গ) ইউনিয়ন কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউনিয়ন কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৮ সালের ২৮শে অক্টোবর জেনারেল আইয়ুব খান এক সামরিক আদেশ জারি করে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী পদটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এবং নিজেই রাষ্ট্রপতি পদের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রচলিত গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ত্যাগ করে এক নতুন নির্বাচন কাঠামো প্রবর্তন করেন যার মূল ভিত্তি ছিল “মৌলিক গণতন্ত্র”।
- ১৯৫৮ সালের ২৭ অক্টোবর পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক পদে অধিষ্ঠিত হয়ে তিনি ১১ সদস্যবিশিষ্ট একটি মন্ত্রিসভা গঠন করেন। 
- ১৯৫৯ সালে মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তনের আদেশ জারি করা হয়।
- প্রাথমিক অবস্থায় মৌলিক গণতন্ত্র ছিল একটি চার স্তরবিশিষ্ট ব্যবস্থা। যথা- ১। ইউনিয়ন পরিষদ(গ্রামে) এবং টাউন ও ইউনিয়ন কমিটি(শহরে), ২। থানা পরিষদ( পূর্ব পাকিস্তানে), তহসিল পরিষদ(পশ্চিম পাকিস্তানে), ৩। জেলা পরিষদ এবং ৪। বিভাগীয় পরিষদ।
- এই চার স্তরের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ কাউন্সিল। 
- মোলিক গণতন্ত্রের সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হইতেন পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- মৌলিক গণতন্ত্রের আওতায় পাকিস্তানের উভয় অংশে ৪০,০০০ করে মোট ৮০,০০০ মৌলিক গণতন্ত্রী নিয়ে দেশের নির্বাচকমণ্ডলী গঠিত হয়। নির্বাচকমণ্ডলীর সদস্যরা মৌলিক গণতন্ত্রী বা বিডি মেম্বার ছিল।
- ১৯৬০ সালের নির্বাচনে পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য তিনি নির্বাচিত হন।
- ১৯৬২ সালের ১লা মার্চ নতুন সংবিধান ঘোষণা করেন এবং ৮ জুন সামরিক আইন প্রত্যাহার করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৬১১.
The ‘Black Hole Tragedy’ is associated with the reign of which ruler?
  1. Mir Qasim
  2. Siraj-ud-Daulah
  3. Alivardi Khan
  4. Nawab Murshid Quli Khan
সঠিক উত্তর:
Siraj-ud-Daulah
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Siraj-ud-Daulah
ব্যাখ্যা

• অন্ধকূপ হত্যা:  
- অন্ধকূপ হত্যা (Black Hole Tragedy)  ১৭৫৬ সালের ২০ জুন বাংলার নওয়াব সিরাজউদ্দৌলা কর্তৃক কলকাতা দখলের সময় সংঘটিত হওয়া কথিত ঘটনা।
-এ কাহিনী মূলত কলকাতা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত ইংরেজ সেনাপতি জে.জেড হলওয়েলের বিবরণের ওপর ভিত্তি করে রচিত। 
-১৭৫৬ সালের ১৬ জুন ত্রিশ হাজার সৈন্যের এক বাহিনী নিয়ে ইংরেজদের হাত থেকে কলকাতা জয়ের লক্ষ্যে নওয়াব সিরাজউদ্দৌলা ফোর্ট উইলিয়মের প্রবেশদ্বারে উপনীত হন।
-দুদিন যুদ্ধের পর ইংরেজ গভর্নর রজার ড্রেক নিশ্চিত হন যে, নওয়াবের সেনাবাহিনীর সাথে যুদ্ধে টিকে থাকা সম্ভব নয়। তাই তিনি ১৯ জুন দুর্গের ইংরেজ বাসিন্দাদের বড় অংশ নিয়ে ফুলতা পালিয়ে যান।
-  ইংরেজ সেনাপতি হলওয়েল ইউরোপীয় এবং আর্মেনীয় সেনা ছাড়াও প্রায় ১৭০ জন শ্বেতাঙ্গ সৈন্যের একটি দল নিয়ে ফোর্ট উইলিয়ম দুর্গে থেকে যান।
-  ২০ জুন সিরাজউদ্দৌলার সৈন্যরা কলকাতার দুর্গ দখল করে। ইংরেজ নেতা হলওয়েল আত্মসমর্পণ করলে কিছু ইউরোপীয় সৈন্যকে বন্দি করা হয়। 
-অভিযোগ ওঠে তাদের একটি ছোট কক্ষে (Black Hole) গাদাগাদি করে রাখা হয়েছিল। প্রচণ্ড গরম ও শ্বাসকষ্টে রাতেই ১৪৬ জন বন্দির মধ্যে প্রায় ১২৩ জন মারা যায়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ; ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৬১২.
'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালিত হয় কবে?
  1. ১৯৭১ সালের ২১শে মার্চ
  2. ১৯৭১ সালের ২৩শে মার্চ
  3. ১৯৭২ সালের ২৫শে মার্চ
  4. ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট: 
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালির তথা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরলতম এবং একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, যা 'কালরাত্রি' নামে পরিচিত।
- সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরীহ, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর ইতিহাসের নির্মমতম গণহত্যা চালায়।
- পাকিস্তান তাদের এ অভিযানের নাম দেয় 'অপারেশন সার্চলাইট'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৬১৩.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো  কোন পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে না?
  1. উৎপাদন পদ্ধতি
  2. ব্যয় পদ্ধতি
  3. আয় পদ্ধতি
  4. ক ও খ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
আয় পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আয় পদ্ধতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে না।

বাংলাদেশে মোট দেশজ আয় পরিমাপ পদ্ধতি:

- বাংলাদেশে জিডিপি গণনার দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- পরিসংখ্যান ব্যুরো প্রতি বছর চলতি বাজার মূল্য ও স্থির মূল্যে দ্রব্য ও সেবার মূল্য পরিমাপ করে জিডিপি গণনা করে থাকে।
- এসব হিসাব করতে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য সংগ্রহ করে থাকে।
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো উৎপাদন পদ্ধতি ও ব্যয় পদ্ধতি ব্যবহার করে জিডিপি গণনা করে।
- উৎপাদন পদ্ধতিতে মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) পরিমাপের জন্য অর্থনীতিকে মোট ১৯টি প্রধান খাতে বিভক্ত করা হয়।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৬১৪.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত 'জল্লাদের দরবার'-এ ইয়াহিয়া খানকে কোন চরিত্রে চিত্রিত করা হয়?
  1. টিক্কা খান
  2. ছোট জল্লাদ
  3. ফতেহ খান
  4. কেল্লা ফতেহ খান
সঠিক উত্তর:
কেল্লা ফতেহ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেল্লা ফতেহ খান
ব্যাখ্যা
জল্লাদের দরবার এবং স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বেলাল মোহাম্মদের প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠিত হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র।
- বেতারে প্রচারিত কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান হলো বজ্রকণ্ঠ, চরমপত্র, জল্লাদের দরবার, অগ্নিশিখা, প্রতিধ্বনি প্রভৃতি।
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রে চিত্রিত করা হয়।
- ‘কেল্লা ফতেহ খান’ ভূমিকায় অভিনয় করেন রাজু আহমেদ। 
- 'জল্লাদের দরবার'  পরিচালনা করতেন কল্যাণ মিত্র।

এছাড়াও, 
- ৭ মার্চের ভাষণ সহ বঙ্গবন্ধুর অন্যান্য ভাষণ 'বজ্রকণ্ঠ' নামে প্রচারিত হত।
- ঢাকার আঞ্চলিক ভাষায় প্রচারিত 'চরমপত্র' লিখতেন ও পড়তেন এম.আর.আখতার মুকুল।
- 'অগ্নিশিখা' ছিল টি.এইচ সিকদার পরিচালিত মুক্তিবাহিনীর জন্য অনুষ্ঠান।

তথ্য- বাংলাপিডিয়া।
৫,৬১৫.
বাংলাদেশ চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. বাগেরহাট
  3. কক্সবাজার
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র:
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র: বাগেরহাট।
- প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু: ০১ জুন, ২০১০
- মোট আয়তন: ৩.২৪ হেক্টর
- পুকুর কমপ্লেক্স: ১.৪২ হেক্টর

এছাড়াও -
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র: কক্সবাজার।
- স্বাদুপানি কেন্দ্র: ময়মনসিংহ।
- নদী গবেষণা কেন্দ্র: ফরিদপুর।
- লোনাপানি কেন্দ্র: পাইকগাছা, খুলনা।
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট: ময়মনসিংহ।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট।

৫,৬১৬.
বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড কার্জন।
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে।
- রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

অন্যদিকে,
- লর্ড ওয়েলেসলি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- ভারতীয় উপমহাদেশের সর্বশেষ ভাইসরয় বা রাজপ্রতিনিধি ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।
- তাঁর সময় ভারতীয় উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান রাষ্ট্রের সৃষ্টি হয়েছিল।
- লর্ড ডালহৌসি ১৮৪৮ সালে স্বত্ব বিলোপ নীতির (ডকট্রিন অব ল্যান্স) প্রবর্তন করেন।
- তবে ডালহৌসির পূর্বেও ব্রিটিশ ভারতে এই নীতির প্রয়োগ ছিলো।
- ডালহৌসি এই নীতির সর্বাধিক প্রয়োগ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৫,৬১৭.
সংবিধানের ৭৭নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু -
  1. ন্যায়পাল
  2. সংসদের অধিবেশন
  3. অর্থবিল
  4. আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়পাল
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৭১ - দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।
- অনুচ্ছেদ ৭২ - সংসদের অধিবেশন।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ - সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ও বাণী।
- অনুচ্ছেদ ৭৩ক - সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৪ - স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৭৫ - কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৭৬ - সংসদের স্থায়ী কমিটিসমূহ।
- অনুচ্ছেদ ৭৭ - ন্যায়পাল।
- অনুচ্ছেদ ৭৮ - সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ৭৯ - সংসদ-সচিবালয়।
- অনুচ্ছেদ ৮০ - আইনপ্রণয়ন-পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮১ - অর্থবিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৫,৬১৮.
রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. রূপালী ব্যাংক
  2. বেসিক ব্যাংক
  3. পূবালী ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূবালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• পূবালী ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক ব্যাংক।

ব্যাংক:
- তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা - ৬১টি।
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি।
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- বাংলাদেশে বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা - ৯টি।
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৪৩টি।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান (ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান) - ৩৫টি।

রাষ্ট্রয়াত্ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
- জনতা ব্যাংক পিএলসি।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৫,৬১৯.
কুসুম্বা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. রাজশাহী
  3. নওগাঁ
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওগাঁ
ব্যাখ্যা
কুসুম্বা মসজিদ:
- নওগাঁর মান্দা উপজেলায় ঐতিহাসিক কুসুম্বা মসজিদের অবস্থান।
- মসজিদটি ধরে রেখেছে সুলতানি আমলের অনন্য নিদর্শন।
- এর মিহরাবের ওপর সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহর নাম লিপিবদ্ধ করা।
- ধারণা করা হয়, তাঁর শাসনামলে মসজিদটি নির্মিত।
- এটি চারকোনাবিশিষ্ট। কালো ও ধূসর রঙের পাথর আর পোড়ামাটির ইটে গড়া এই মসজিদ।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের ৫ টাকার নোটে কুসুম্বা মসজিদের ছবি ছাপানো আছে।

উৎস: প্রথম আলো।
৫,৬২০.
মুক্তি যুদ্ধের বিজয়ের দিন আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনধিত্ব করেন কে?
  1. ক) জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানি
  2. খ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) আব্দুর রব
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
ব্যাখ্যা
ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের চীফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জ্যাকব পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের খসড়া দলিল নিয়ে অপরাহ্ণ এক ঘটিকায় ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল অরোরা এক হেলিকপ্টার বহরে তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে বিকাল চারটায় ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছেন। মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন ডেপুটি চীফ অব স্টাফ গ্রুপ-ক্যাপ্টেন এ.কে খন্দকার। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন। [উৎসঃ বাংলাপিডিয়া]
৫,৬২১.
National income per capita at current prices according to Economic Survey 2022?
  1. ক) 2,878 USD
  2. খ) 2,844 USD
  3. গ) 2,724 USD
  4. ঘ) 2,824 USD
সঠিক উত্তর:
ঘ) 2,824 USD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 2,824 USD
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে -
- চলতি মূল্যে জিডিপি-৩৯,৭৬,৪৬২ কোটি টাকা।
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি- ২,৭২৩ মার্কিন ডলার বা ২,৩২,৮২৮ টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি-৩০,৩৯,২৭৩ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার- ৭.২৫% (চলতি মূল্যে – ১২.৬৪%)।  
- চলতি মূল্যে জাতীয় আয় (GNI)- ৪১,২৪,০৭১ কোটি টাকা।
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI)- ২,৮২৪ মার্কিন ডলার বা ২,৪১,৪৭০ টাকা।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৫,৬২২.
বাংলা একাডেমির প্রথম নারী সভাপতি-
  1. ক) নীলিমা ইব্রাহিম
  2. খ) রাবেয়া খাতুন
  3. গ) সেলিনা হোসেন
  4. ঘ) নির্মলেন্দু গুণ
সঠিক উত্তর:
গ) সেলিনা হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
- বাংলা একাডেমির প্রথম নারী ও বর্তমান সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন কথা সাহিত্যিক ও ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন।
- গত ৩ ফেব্রুয়ারি তাকে বাংলা একাডেমীর নতুন সভাপতি হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- বাংলা একাডেমীর আগের সভাপতি জাতীয় অধ্যাপক নুরুল হক গত ৩০ নভেম্বর ২০২১ মারা যান।
- বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ড. মুহম্মদ এনামুল হক।
- বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক অধ্যাপক মযহারুল ইসলাম।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি ছিলেন মওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁ।
- বাংলা একাডেমির স্বপ্নদ্রষ্টা হলেন ড. মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ।

তথ্যসূত্র- বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
৫,৬২৩.
নিচের কোন জন ভাষা শহিদ নন?
  1. ক) আব্দুল জব্বার
  2. খ) মতিউর রহমান
  3. গ) শফিউর রহমান
  4. ঘ) আবুল বরকত
সঠিক উত্তর:
খ) মতিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলা ভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্যে আবুল বরকত, শফিউর রহমান, আবদুল জব্বার, আব্দুস সালাম, রফিকউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ জীবন উৎসর্গ করেন।
অন্যদিকে, মতিউর রহমান মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মত্যাগকারী বীর সেনানী। তবে ‘মতিউর’ নামে নবম শ্রেণীর এক কিশোর ১৯৬৯ সালের আন্দোলনে শহিদ হন।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৬২৪.
আয়তন অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষি খামারগুলোকে কত ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) তিন
  2. খ) চার
  3. গ) পাঁচ
  4. ঘ) ছয়
সঠিক উত্তর:
খ) চার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চার
ব্যাখ্যা

খামারের আয়তন: আয়তন অনুযায়ী বাংলাদেশের কৃষি খামার গুলোকে ৪ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 

০.৪৯ একর পর্যন্ত খামারগুলাে প্রান্তিক খামার, 
০.৫০ - ২.৪৯ একরের খামারগুলো ক্ষুদ্রায়তন খামার, 
২.৫০ - ৭.৪৯ একর আয়তনের খামারগুলো মাঝারি এবং 
৭.৫০ একর হতে আরো বড় আকারের খামার গুলো বৃহদায়তন খামার অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি বোর্ড বই।

৫,৬২৫.
নিচের কে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হন?
  1. আবুল বরকত
  2. নাজিউদ্দিন জেহাদ
  3. নূর হোসেন
  4. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালে সংঘটিত উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের ফলে স্বৈরাচার আইয়ুব খান সরকারের পতন ঘটে।
এই আন্দোলনে ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।
২৪ জানুয়ারি শহিদ হন ঢাকার নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণীর ছাত্র মতিউর পুলিশের গুলিতে শহিদ হন।
১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
অন্যদিকে, আবুল বরকত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে এবং নূর হোসেন ও নাজিউদ্দিন জেহাদ নব্বইয়ের স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে শহিদ হন।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা আর্কাইভ)
৫,৬২৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্টের আসন সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৯৫ নং
  2. ৯৮ নং
  3. ১০০ নং
  4. ১০৬ নং
সঠিক উত্তর:
১০০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ নং
ব্যাখ্যা
সংবিধান:

- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৬২৭.
বাংলাদেশের একমাত্র স্যাটেলাইটটি কোন দেশ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়?
  1. ক) ইতালী
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম নিজস্ব স্যাটেলাইট হলো বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। ২০১৮ সালের ১১ মে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানভেরাল থেকে মার্কিন কোম্পানি স্পেসএক্স এর ফ্যালকন-৯ রকেটে করে এটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এটির নির্মাতা ফ্রান্সের থ্যালেস এলিনিয়া। এটির কক্ষপথ হলো ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমারেখা।
বাংলাদেশ বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে নিজস্ব স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করে।
উৎসঃ বিবিসি বাংলা
৫,৬২৮.
মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তর কোনটি?
  1. থানা কাউন্সিল
  2. জেলা কাউন্সিল
  3. বিভাগীয় কাউন্সিল
  4. ইউনিয়ন কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন কাউন্সিল
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্রের স্তরগুলো হচ্ছে:
- ইউনিয়ন কাউন্সিল,
- থানা কাউন্সিল,
- জেলা কাউন্সিল এবং
- বিভাগীয় কাউন্সিল।

• ছোট ছোট শহরে টাউন কমিটি এবং বড় বড় শহরে পৌরসভা গঠনের বিধান করা হয়।
- এই কাঠামোর সর্ব নিম্নস্তর ইউনিয়ন কাউন্সিল এবং পৌরসভা বা টাউন কমিটি জনগণের প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনের ব্যবস্থা ছিল।
- এর ওপরের স্তরগুলো পরোক্ষ নির্বাচন পদ্ধতিতে গঠিত ছিল।
- মৌলিক গণতন্ত্রের সর্ব নিম্নস্তরে যে ইউনিয়ন কাউন্সিলের সদস্যরা প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হতেন পূর্ব এবং পশ্চিম পাকিস্তান মিলে।
- এদের সংখ্যা ছিল ৪০ হাজার করে মোট ৮০ হাজার। এদেরকে বেসিক ডেমোক্রাট বা সংক্ষেপে বি.ডি. মেম্বার বলা হতো।
- এই ৮০ হাজার বি.ডি. মেম্বার দেশের রাষ্ট্রপতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের ব্যক্তিবর্গকে নির্বাচিত করতেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬২৯.
বিসিআইসি কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি): 
- ১লা জুলাই, ১৯৭৬ সালে তারিখে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংস্থার চেয়ারম্যান এবং বোর্ড  অব ডিরেক্টর্স এর পরিচালকবৃন্দ সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত।
- উত্তরাধীকার সূত্রে প্রাপ্ত ৮৮টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে সংস্থার যাত্রা শুরু হয়।
- বর্তমানে এ সংস্থার অধীনে ১১ টি চালু কারখানা আছে।
- চালু কারখানাসমূহের মধ্যে ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত  পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার।
- তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৫,৬৩০.
বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বাস করে?
  1. সাঁওতাল
  2. গারো
  3. লুসাই
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর ভৌগোলিক অবস্থান:
- সাধারণভাবে ভৌগোলিক অবস্থানভেদে বাংলাদেশে দুই ধরনের নৃগোষ্ঠীর মানুষ আছেন-পাহাড়ি ও সমতলবাসী।
- এদের একটি অংশ বসবাস করে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশে তথা পার্বত্য চট্টগ্রাম, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়।
- এসব জেলায় বসবাসকারী নৃগোষ্ঠীগুলো হলো-চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো, তঞ্চঙ্গ্যা, বম, পাংখুয়া, চাক, খ্যাং, খুমি এবং লুসাই
- নৃতাত্ত্বিক বিচারে এরা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর মানুষ। এরা পাহাড়ি নামেও পরিচিত।
- বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাংশেও মঙ্গোলীয় ভিন্ন নৃগোষ্ঠীর বাস রয়েছে।
- এদের মধ্যে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের গারো, হাজং, কোচ এবং বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে খাসি ও মণিপুরি প্রভৃতি নৃগোষ্ঠীর নাম উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়াও কক্সবাজার, পটুয়াখালি ও বরগুনা জেলায় বাস করে মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীভুক্ত রাখাইনরা।
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী, বগুড়া, পাবনা প্রভৃতি এলাকায় বসবাস করে সাঁওতাল, ওরাঁও, মাহালি মুন্ডা, মাল পাহাড়ি, মালো ইত্যাদি নৃগোষ্ঠী।
- এরা মূলত সমতলবাসী হিসেবে পরিচিত।
- বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলেও এসব নৃগোষ্ঠীর কারো কারো অবস্থান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
৫,৬৩১.
বাংলাদেশে বসবাসরত অধিকাংশ খাসিয়া কোন ধর্মের অনুসারী?
  1. ক) বৌদ্ধ
  2. খ) হিন্দু
  3. গ) খ্রিস্টান
  4. ঘ) মুসলিম
সঠিক উত্তর:
গ) খ্রিস্টান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খ্রিস্টান
ব্যাখ্যা
• খাসিয়াদের মধ্যে হিন্দু, মুসলমান ও খ্রিস্টধর্মের প্রভাব লক্ষণীয়। খাসিয়া সম্প্রদায়ের পরিবর্তনটা তাদের ধর্মেই বেশি ঘটেছে।
• দেড় শতাধিক বছর পূর্বে খ্রিস্টান মিশনারিরা খাসিয়াদের মধ্যে ধর্মপ্রচার শুরু করেছিল।
• বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান
• খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে। 
• প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে। প্রতি রোববারে খ্রিস্টান খাসিয়ারা গির্জায় প্রার্থনা এবং পুঞ্জির বিষয়াদি নিয়ে কিছুক্ষণ আলাপ-আলোচনা করে।
• খ্রিস্টান যাজকগণ অনেক সময় পুঞ্জির বিচার-আচারেরও দায়িত্ব পালন করেন
• খাসিয়ারা গোড়া থেকেই একেশ্বরবাদী।তাদের বিশ্বাস, ঈশ্বর পৃথিবী সৃষ্টির পর পৃথিবীতে একজোড়া নর-নারী সৃষ্টি করেছিলেন।

• বাংলাদেশের খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৩২.
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা কোন আন্দোলনের সময় শহীদ হয়েছিলেন?
  1. শিক্ষা আন্দোলন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্বপাকিস্তানী নিহত হয়েছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম।
- এ আন্দোলনে আইয়ুব খানের পতন ঘটে।
- এ আন্দোলনের ফলে আগরতলা মামলা বাতিল হয়।
- শেখ মুজিব জেল থেকে মুক্তি পেয়ে রেসকোর্সের গণসংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৩৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, দেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?  
  1. হোম টেক্সটাইল
  2. নিটওয়্যার 
  3. চামড়াজাত পণ্য
  4. হিমায়িত মাছ
সঠিক উত্তর:
নিটওয়্যার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিটওয়্যার 
ব্যাখ্যা

• নীট পোশাক: 
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য নীটওয়্যার।
- এখাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

• ওভেন পোষাক:
- ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%।

• হোম টেক্সটাইল:
- হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.১৮%।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫। 

৫,৬৩৪.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হলো—
  1. কুষ্টিয়া
  2. রাজশাহী
  3. দিনাজপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

- ভুট্টা উৎপন্ন শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

৫,৬৩৫.
বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন প্রণীত হয় -
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
আইন:
-  বাংলাদেশে যৌতুক নিরোধ আইন প্রণীত হয় ১৯৮০ সালে। 
- ১৯৮০ সালের Dowry Prohibition Act অনুসারে যৌতুক বলতে “বিবাহে এক পক্ষ কতৃর্ক অপর পক্ষকে অথবা বিবাহের কোনো এক পক্ষের পিতামাতা কতৃর্ক বা অন্য যে কোনো ব্যক্তি কতৃর্ক অপর পক্ষকে বা অপর কোনো ব্যক্তিকে, বিবাহকালে বা বিবাহের পূর্বে বা পরে যে কোনো কালে উক্ত পক্ষগণের বিবাহের পণ হিসেবে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে প্রদত্ত বা প্রদান করতে সম্মত যে কোনো সম্পত্তি বা মূল্যবান জামানতকে বুঝায়।”    

উৎস:- Ministry of Law এবং সমাজকর্ম দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৩৬.
জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. কখনও আসেনি
  2. জীবন থেকে নেয়া
  3. সঙ্গম
  4. স্টপ জেনোসাইড
সঠিক উত্তর:
কখনও আসেনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কখনও আসেনি
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান (১৯ আগস্ট ১৯৩৫ — ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী চলচ্চিত্র পরিচালক, ঔপন্যাসিক এবং গল্পকার।
- তাঁর আসল নাম ছিল জহিরুল্লাহ।
- পরবর্তী সময়ে তিনি জহির রায়হান নামে পরিচিত হন।
- ১৯৫২ সালে তিনি ভাষা আন্দোলনে যোগ দেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি যে ১০ জন প্রথম ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করেন তিনি তাঁদের অন্যতম।
- তাঁর প্রথম গল্পসংগ্রহ সূর্যগ্রহণ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- হাজার বছর ধরে উপন্যাসের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- বাংলা সাহিত্যের গল্প শাখায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬১ সালে জহির রায়হান পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র কখনও আসেনি মুক্তি পায়।
- তাঁর অন্যান্য চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা।
- জীবন থেকে নেয়া ছবিতে প্রতীকী কাহিনীর মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসনকে চিত্রিত করা হয় এবং জনগণকে পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে উদ্বুদ্ধ করা হয়।
- তিনি লেট দেয়ার বি লাইট নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেন। কিন্তু মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ায় তিনি তা শেষ করতে পারেন নি।
- পাকিস্তানি সামরিক জান্তার গণহত্যার চিত্র সম্বলিত স্টপ জেনোসাইড ছবিটি পৃথিবী জুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি করে।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি সঙ্গম ছিল পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৩৭.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচিত্র নয়?
  1. গেরিলা
  2. আবার তোরা মানুষ হ
  3. ওরা ১১ জন
  4. ঘেটুপত্র কমলা
সঠিক উত্তর:
ঘেটুপত্র কমলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘেটুপত্র কমলা
ব্যাখ্যা
• ঘেটুপত্র কমলা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচিত্র নয়।
- হুমায়ূন আহমেদের সর্বশেষ নির্মিত চলচ্চিত্র 'ঘেটুপুত্র কমলা' যা ২০১২ সালে নির্মিত হয়েছিল। 
-------------
- হুমায়ূন আহমেদের নির্মিত চলচ্চিত্র:
 • 'শ্রাবণ মেঘের দিন'। 
• আগুনের পরশমনি।
• দুই দুয়ারী।
• শ্যামল ছায়া।
• আমার আছে জল।
• ঘেটুপুত্র কমলা। 

- তাঁর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এরকম কিছু চলচ্চিত্র:
• শঙ্খনীল কারাগার।
• দারুচিনি দ্বীপ।
• নন্দিত নরকে।
-----------------------
আবার তোরা মানুষ হ (১৯৭৩):
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান।
- এ চলচ্চিত্রে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও অবক্ষয়ের চিত্র উঠে এসেছে।
- বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারুক, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ববিতা, রোজী আফসারী, রওশন জামিলসহ অনেকে।
- এখানে আছে উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও তরুণদের কার্যকলাপ এবং একজন আদর্শবাদী অধ্যক্ষের দৃঢ়তা।
----------------
ওরা ১১ জন:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা ১১ জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত ‘ও আমার দেশের মাটি’ দিয়ে।

 • নাসির উদ্দীন ইউসুফ পরিচালিত সৈয়দ শামসুল হক'র নিষিদ্ধ লোবান উপন্যাস অবলম্বনে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে নির্মিত গেরিলা চলচ্চিত্র।

উৎস: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২১, প্রথম আলো, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ, দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
৫,৬৩৮.
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড অবস্থিত-
  1. রাঙামাটিতে
  2. চট্টগ্রামে
  3. নারায়ণগঞ্জে
  4. খুলনায়
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা

- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড চট্টগ্রামে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।

উৎস: বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট।

৫,৬৩৯.
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্দেশ্য কী?
  1. ক) মুনাফা অর্জন
  2. খ) মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ
  3. গ) ঋণ প্রদান
  4. ঘ) আমানত গ্ৰহণ
সঠিক উত্তর:
খ) মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ:

- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১২৭ নং আদেশ অনুযায়ী, বাংলাদেশে অবস্থিত সাবেক 'স্টেট ব্যাংক অব পাকিস্তান 'এর সব দায় দায়িত্ব নিয়ে ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক 'বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাজ হল,
- বাংলাদেশ ব্যাংক এর মূল উদ্দেশ্য হলো - মুদ্রার মান নিয়ন্ত্রণ রাখা।
- মুদ্রার গতিবিধি প্রক্ষেপণ কর, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করা।
- বেসরকারি ঋণের যোগান ধার্য করা।
- মুদ্রা নীতি ঘোষণা।
- বাণিজ্যিক ব্যাংককে ঋণ দেয়া।
- নিকাশ ঘরের দায়িত্ব পালন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৫,৬৪০.
রাষ্ট্র সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবেন। - এটি সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ২৫
  2. অনুচ্ছেদ - ১৬
  3. অনুচ্ছেদ - ১৮
  4. অনুচ্ছেদ - ১৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

• অনুচ্ছেদ - ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন: 
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র- 

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৬৪১.
বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।
৫,৬৪২.
’শুকতারা’ কোন ফসলের উন্নত জাত? 
  1. বেগুন
  2. কলা 
  3. মরিচ
  4. তরমুজ
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা

- শুকতারা বেগুনের উন্নত ফসলের জাত।
​- বেগুনের কয়েকটি জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো, শিংনাথ, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, নয়নতারা।
​- কলার  কয়েকটি জাত: অমৃতসাগর, সবরি, চম্পা, চিনিচাম্পা, কবরী, দুধসর, অগ্নিশ্বর।
​- মরিচের জাত: যমুনা।
​- তরমুজের কয়েকটি জাত: পদ্মা, মধুবালা।

​উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস অধিদপ্তর।

৫,৬৪৩.
বাংলাদেশের জিডিপি সার্বিকভাবে কতটি খাত নিয়ে গঠিত? 
  1. ১৭ টি
  2. ১৩ টি
  3. ১৯ টি 
  4. ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
১৯ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ টি 
ব্যাখ্যা

• অর্থনীতির খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা:- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত। (ভিত্তি বছর ২০১৫-১৬ ধরে)
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত উপখাতে বিভক্তরয়েছে।

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো: 
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি সমীক্ষা- ২০২৪।

৫,৬৪৪.
গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলা হয়-
  1. রবি শস্য
  2. খরিপ শস্য
  3. রিং শস্য
  4. রিলে শস্য
সঠিক উত্তর:
খরিপ শস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরিপ শস্য
ব্যাখ্যা

ফসল উৎপাদনের জন্য সারা বছরকে ২টি মৌসুমে ভাগ করা যায়।
যথা- রবি মৌসুম ও খরিপ মৌসুম।
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।

৫,৬৪৫.
 নিরাপদ চলাচলের জন্য শিশু-কিশোরদের কোন বিষয়ে সচেতন করা উচিত?
  1. যানবাহনের ধরন সম্পর্কে
  2. ট্রাফিক বাতি, ও জেব্রাক্রসিং সম্পর্কে
  3. রাস্তার পাশে খেলাধুলা সম্পর্কে
  4. গাড়ির গতি বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে
সঠিক উত্তর:
ট্রাফিক বাতি, ও জেব্রাক্রসিং সম্পর্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাফিক বাতি, ও জেব্রাক্রসিং সম্পর্কে
ব্যাখ্যা

নিরাপদ চলাচলের জন্য করণীয়-
- ফুটপাত দিয়ে চলাচল করা,
- দৌড়ে রাস্তা পার না হওয়া,
- চলন্ত গাড়িতে ওঠা-নামা না করা,
- চলন্ত অবস্থায় গাড়ি চালকের সঙ্গে কথা না বলা এবং জেব্রাক্রসিং, ওভারব্রিজ ও মাটির নিচের সংযোগ পথ তথা আন্ডার  পাস দিয়ে রাস্তা পারাপার হওয়া;
- শিশু-কিশোরদের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তাদের মহাসড়ক, সংযোগ সড়ক ও আধাপাকা সড়ক সম্পর্কে পরিচিত করানো।
- তাছাড়া চলাচলের জেব্রাক্রসিং,
- পারাপার সেতু, ট্রাফিক পুলিশ, ফুটপাত, ট্রাফিক বাতি ও চিহ্নাবলি,
- বিপজ্জনক স্থান প্রভৃতি সম্পর্কে পরিচিত করানো;

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৬৪৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঝিনাইদহ
  2. রংপুর
  3. ফরিদপুর
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
৫,৬৪৭.
দক্ষিণ এশিয়ার কততম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ CTBT অনুমোদন করে? 
  1. দ্বিতীয়
  2. প্রথম
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
প্রথম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে (দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষরকারী ১২৯তম দেশ।
- বাংলাদেশ ৫৪তম দেশ হিসেবে CTBT অনুমোদন করে ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।(দক্ষিণ এশিয়ায় ১ম)।
• দক্ষিণএশিয়ার দেশ সমূহ অনুমোদন করে:
- আফগানিস্তান: ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০০৩.
- বাংলাদেশ: ৮ মার্চ, ২০০০.
- মালদ্বীপ:৭ সেপ্টেম্বর, ২০০০.
- শ্রীলঙ্কা: ২৫ জুলাই, ২০২৩.
• ভারত, পাকিস্তান এবং ভুটান এখনও চুক্তিতে স্বাক্ষর করেনি, এবং নেপাল স্বাক্ষর করলেও অনুমোদন করেনি।

СТВТ:

- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- অনুমোদিত দেশ: ১৭৮টি।
- ৯টি দেশ CTBT-তে স্বাক্ষর করেছে কিন্তু অনুমোদন করেনি।
- এগুলো হলো: চীন, মিশর, ইরান ইসরায়েল, নেপাল, রাশিয়া, সোমালিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ইয়েমেন।

উৎস: Arms Control Association [লিঙ্ক] এবং СТВТ ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

৫,৬৪৮.
What is the previous name of 'Bagerhat'?
  1. Khalifatabad
  2. Jahanabad
  3. Nasirabad
  4. Bikrampur
  5. Pundranagar
সঠিক উত্তর:
Khalifatabad
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Khalifatabad
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কয়েকটি স্থানের পূর্বনাম:
বাগেরহাটের পূর্বনাম - খলিফাতাবাদ,
খুলনার পূর্বনাম - জাহানাবাদ,
মুন্সীগঞ্জের পূর্বনাম - বিক্রমপুর,
বগুড়ার পূর্বনাম - পুণ্ড্রনগর,
বরিশালের পূর্বনাম - চন্দ্রদ্বীপ/ ইসমাইলপুর,
চট্টগ্রামের পূর্বনাম - ইসলামাবাদ,
ময়মনসিংহের পূর্বনাম - নসিরাবাদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৪৯.
দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’-এর আহ্বায়ক ছিলেন—
  1. আবদুল মতিন
  2. শামসুল আলম
  3. নূরুল হক ভূইয়া
  4. শামসুজ্জামান খান
সঠিক উত্তর:
শামসুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুল আলম
ব্যাখ্যা

• 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ',
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।

⇒ ১৯৪৮ সালে ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- যার আহবায়ক ছিলেন- শামসুল আলম।
-  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

• ’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ গঠিত হয়।
- এ কমিটি আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠিত হয়,
- যার নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন পুনরায় সঞ্জীবিত হতে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৫,৬৫০.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতার রচয়িতা কে?
  1. ক) শামসুর রাহমান
  2. খ) আব্দুল গাফফার চৌধুরী
  3. গ) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
  4. ঘ) জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
গ) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী
ব্যাখ্যা
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম কবিতা 'এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধ্বমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি।'
- এর রচয়িতা মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্র-জনতার মিছিলে গুলিবর্ষণের পর মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী 'কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' কবিতাটি লিখেন
১৯৫০ সালে তিনি দাঙ্গাবিরোধী 'সীমান্ত' প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৫১.
বাংলাদেশে জিডিপির হিসাব নির্ণয়ে অন্তর্ভুক্ত হয় না -
  1. ক) রপ্তানি আয়
  2. খ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
  3. গ) দেশে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের আয়
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে জিডিপির হিসাব নির্ণয়ে অন্তর্ভুক্ত হয় না - প্রবাসীদের প্রেরিত রেমিট্যান্স।

• জিডিপি: 

- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে বা ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয় তাদের বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি বলে।
- এ প্রক্রিয়ায় সংশ্লিষ্ট দেশে কর্মরত দেশি বিদেশি সকল নাগরিক ও কোম্পানির আয় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- তবে বিদেশে কর্মরত সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিকের আয় ও কোম্পানির আয় অন্তর্ভুক্ত হয় না।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।
- জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%।
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম।
- জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫০ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ২.২০%।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ‌ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৩১ শতাংশ।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
৫,৬৫২.
জাতীয় সংসদে কোন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ইয়াসির আরাফাত
  2. ভি ভি গিরি
  3. ফিদেল কাস্ত্রো
  4. ইন্দিরা গান্ধী
সঠিক উত্তর:
ভি ভি গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভি ভি গিরি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে দুজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ প্রদান করেন।
এরা হলেন:
- সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ ব্রোজ মার্শাল টিটো (৩১ জানুয়ারী ১৯৭৪) এবং
- ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি (১৮ জুন ১৯৭৪)।
(সূত্রঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
৫,৬৫৩.
বর্তমানে বাংলাদেশে কতটি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
সিটি কর্পোরেশন: 
- ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, সিলেট, বরিশাল, রংপুর, কুমিল্লা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ ও ময়মনসিংহ পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয়েছে।
- ঢাকা সিটি কর্পোরেশনকে আইনের মাধ্যমে ঢাকা উত্তর ও ঢাকা দক্ষিণ নামে দুটি কর্পোরেশন হিসেবে বিভক্ত করা হয়েছে।
- বর্তমানে দেশে ১২টি সিটি কর্পোরেশন রয়েছে
- সিটি কর্পোরেশনের এলাকা ও কাজের ওপর এর সদস্যসংখ্যা নির্ভর করে।
- কর্পোরেশনে একজন মেয়র আছেন। তাঁরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।
- শহরের নানাবিধ সমস্যা, যেমন- পানীয়জলের ব্যবস্থা, পয়ঃনিষ্কাশন, ময়লা-আবর্জনা অপসারণ ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য সিটি কর্পোরেশন গঠন করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৫,৬৫৪.
মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চুয়াডাঙ্গা
  2. খ) নবাবগঞ্জ
  3. গ) মেহেরপুর
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেনি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র।
৫,৬৫৫.
বারো ভূঁইয়াদের নেতা ঈসা খান রাজধানী স্থাপন করেছিলেন-
  1. সোনারগাঁও
  2. রাজমহল
  3. জাহাঙ্গীরনগর
  4. মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা
বাংলার ইতিহাসে ষোড়শ শতক থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলায় যেসব বড় বড় জমিদার মুঘলদের অধীনতা মেনে নেননি এবং শক্তিশালী সৈন্য ও নৌ-বহর নিয়ে স্বাধীনতা রক্ষার জন্য একজোট হয়ে মুঘল সেনাপতির বিরুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তেন তারাই বাংলার ইতিহাসে 'বারো ভূঁইয়া' নামে পরিচিত।
বারো ভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন ঈসা খান। তিনি সোনারগাঁও রাজধানী স্থাপন করেছিলেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী]
৫,৬৫৬.
কোথায় গারোদের আবাস নেই?
  1. ময়মনসিংহ
  2. নেত্রকোনা
  3. শেরপুর
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
- রাঙ্গামাটিতে  গারোদের আবাস নেই।

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিব্বতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৫৭.
ইলবার্ট বিল কবে প্রস্তাবিত হয়েছিল?
  1. ১৮৮১ সালে
  2. ১৮৮৩ সালে
  3. ১৮৮৮ সালে
  4. ১৮৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইলবার্ট বিল:
- লর্ড রিপন তার শাসনামলে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করেন এবং নতুন নতুন সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
- তার শাসনকালীন সময়ের অন্যতম কীর্তি হলো ইলবার্ট বিল নামে একটি আইনের পরিকল্পনা।
- এ বিলের উদ্দেশ্য ছিল বিচার ও প্রশাসনিক ক্ষেত্রে ভারতীয় ও ইউরোপীয়দের মধ্যে যে বৈষম্য ছিল তা দূর করা।
- লর্ড রিপন বিচার বিভাগের বৈষম্য দূরীকরণের জন্য সচিব ইলবার্টকে একটি বিল প্রণয়নের দায়িত্ব দেন।
- যার কারণে স্যার ইলবার্ট এর নামানুসারে এ বিলটি ইলবার্ট বিল নামে পরিচিত।
- এ বিলে ভারতীয় বিচারকদের ইউরোপীয় অপরাধীদের বিচার করার ক্ষমতা দেয়া হয়।
- এ বিলটি ১৮৮৩ সালে পাস হয়।

উৎস: i) Britannica.
ii) বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৫৮.
ফ্লোর ক্রসিং বলতে কী বোঝায়?
  1. একাদিক্রমে ৯০ দিবসের অধিক অনুপস্থিত থাকা
  2. সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান
  3. সাংসদ নয় এমন ব্যক্তিদের মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্তি
  4. যেকোনো প্রস্তাবে দুই তৃতীয়াংশ ভোট পাওয়া
সঠিক উত্তর:
সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান
ব্যাখ্যা

ফ্লোর ক্রসিং:
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে ফ্লোর ক্রসিং বলা হয় ৷
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ার পর সংসদে সেই দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান বা সেই দল থেকে পদত্যাগ করলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।

সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হলে তিনি যদি-
(ক) উক্ত দল হতে পদত্যাগ করেন, অথবা (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
তাহা হলে সংসদে তাঁর আসন শূন্য হবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হবার অযোগ্য হবেন না। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৫,৬৫৯.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চিনির কল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) দর্শনা
  2. খ) ঈশ্বরদী
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ক) দর্শনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দর্শনা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ১৫টি চিনিকল, ১টি ডিস্টিলারি ইউনিট, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা, ১টি জৈবসার কারখানা ও ৩টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করছে।
• চিনিকলগুলোতে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৫০,০০০ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ২৪,৫০৯.৭৫ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদিত হয়েছে।
• ‘কেরু এ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড‘ বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গা জেলায় দর্শনায় অবস্থিত একটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
• এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম চিনি কল। 

• চিনিকল করপোরেশনের আওত্তাধীন চিনিকলসমূহের ঠিকানা
- পঞ্চগড় সুগার মিলস লি:
- ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লি-
- শ্যামপুর সুগার মিলস লি-
- জয়পুরহাঁট সুগার মিলস লি-
- সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি-
- রংপুর সুগার মিলস লি-
- ফরিদপুর সুগার মিলস লি:
- নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- পাবনা সুগার মিলস লি:
- রাজশাহী সুগার মিলস লি-
- নাটোর সুগার মিলস লি-
- জিল বাংলা সুগার মিলস লি:
- কুষ্টিয়া সুগার মিলস লি:
- মোবারকগঞ্জ সুগার মিলস লি:
- প্রকৌশল কারখানা
- রেনউইক যজ্ঞেশ্বর অ্যান্ড কোম্পানি
 সূত্র: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০২২।
৫,৬৬০.
বঙ্গভঙ্গ রদ কে ঘোষণা করেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. রাজা পঞ্চম জর্জ
  3. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
  4. লর্ড ওয়াভেল
সঠিক উত্তর:
রাজা পঞ্চম জর্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজা পঞ্চম জর্জ
ব্যাখ্যা
• বঙ্গভঙ্গ:
— ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- এটি ভারতীয় উপমহাদেশের জাতীয়তাবাদ ও জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
- এ বঙ্গভঙ্গকে পূর্ববাংলার মুসলমান সম্প্রদায় আশীর্বাদ বলে স্বাগত জানায়।
- কিন্তু হিন্দু জনগণ বিশেষ করে বুদ্ধিজীবী ও রাজনৈতিক নেতারা এটিকে কোনভাবেই মেনে নেয় নি।
- তারা নানারকম ষড়যন্ত্র করতে থাকে। তাদের এ আন্দোলন সহিংস রূপ ধারণ করে।
- ফলে তাদের এ চাপের মুখে পড়ে ব্রিটিশ সরকার বঙ্গভঙ্গ রদ করতে বাধ্য হয়।
- এবং পুনরায় পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে একত্রিত করা হয়। এটিই মূলত বঙ্গভঙ্গ রদ।

• বঙ্গভঙ্গ রদ:
১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট — পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে বঙ্গভঙ্গ রদের কথা ঘোষণা করেন।
- এবং পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে পুনরায় এক করেন।

• বঙ্গভঙ্গ রদের ফলাফল:
- বঙ্গভঙ্গ রদের ফলে ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু – মুসলমানদের সম্প্রতি নষ্ট হয়। সাম্প্রদায়িকতা ও স্বাতন্ত্র্যবোধ প্রসার লাভ করে।
- ধর্মকেন্দ্রিক জাতীয়তার বীজ অঙ্কুরিত হয়।
- মুসলমানদের মাঝে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি পায়।
- তারা বুঝতে পারে যে আপস নয় বরং সংগ্রামের পথেই উন্নতি ও স্বাধীনতার পথে তাদেরকে আগাতে হবে।
- অর্থাৎ মুসলমানগণ তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ সংরক্ষণে আরও তৎপর হয়ে উঠতে থাকে।

উৎস:
- বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৬১.
কোন প্রকার মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) বেলে মাটি
  2. খ) এঁটেল মাটি
  3. গ) দোআঁশ মাটি
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
খ) এঁটেল মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এঁটেল মাটি
ব্যাখ্যা

এঁটেল মাটির বৈশিষ্ট্য-
১. এঁটেল মাটি সাধারণত লালচে রঙের হয় ।
২. এ মাটির কণা সবচেয়ে ছোট।
৩. এ মাটির পানি ধারণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি।

৫,৬৬২.
'আলফা' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী
  2. খ) আবু শাহেদ ইমন
  3. গ) নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু
  4. ঘ) তৌকির আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু
ব্যাখ্যা
২০১৯ সালে অস্কারে অংশগ্রহণকারী বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আলফা। এর পরিচালক নাসিরউদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু। ডুব, টেলিভিশন, থার্ড পারসন সিঙ্গুলার নাম্বার ইত্যাদি চলচ্চিত্রের পরিচালক মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী। অজ্ঞাতনামা চলচ্চিত্রের পরিচালক তৌকির আহমেদ এবং জালালের গল্প চলচ্চিত্রের পরিচালক আবু শাহেদ ইমন।
উৎসঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৫,৬৬৩.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রে প্রচারিত 'চরমপত্র' অনুষ্ঠানটির উপস্থাপক ছিলেন কে?
  1. এম আর আখতার মুকুল
  2. এমএ মান্নান
  3. আশরাফুজ্জামান খান
  4. বেলাল মুহম্মদ
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- বস্তুত, চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- এই কেন্দ্র থেকেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল:
• 'চরমপত্র',
• 'জল্লাদের দরবার',
• 'মীর জাফরের রোজনামচা'।

⇒ 'চরমপত্র':
- চরমপত্র ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান।
- এটি ছিল ব্যঙ্গাত্মক ও শ্লেষাত্মক মন্তব্যে ভরপুর একটি অনুষ্ঠান, যা মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
- রচনা ও উপস্থাপনা: এম আর আখতার মুকুল।
- চরমপত্র প্রচারের পরিকল্পনা করেছিলেন: এমএ মান্নান [গণপরিষদ সদস্য]।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক রিপোর্ট।

৫,৬৬৪.
জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস কবে পালিত হয়?
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. ১ ফেব্রুয়ারি
  3. ৩০ অক্টোবর
  4. ৫ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
৫ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ও অমর একুশে বইমেলা ২০২৫
→  জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস
-  তারিখ: ৫ ফেব্রুয়ারি
- প্রথম পালিত হয়: ২০১৮ সালে
- সরকারি স্বীকৃতি: ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তে
- পালনের কারণ: ১৯৫৪ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় গ্রন্থাগারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- একুশে ফেব্রুয়ারি ও একুশে বইমেলার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে।

→ অমর একুশে বইমেলা ২০২৫
- মেলার সময়কাল: ১ ফেব্রুয়ারি – ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
- প্রতিপাদ্য: ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান: নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণ’
- উদ্বোধক: অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস
- সভাপতি: বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ ও কালের কন্ঠ নিউজ। 
৫,৬৬৫.
বাংলাদেশের তার ও টেলিফোন বোর্ডের বর্তমান নাম কি?
  1. ক) বিটিটিবি
  2. খ) বিটিসিসি
  3. গ) বিটিসিএল
  4. ঘ) বিটিআরসি
সঠিক উত্তর:
গ) বিটিসিএল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিটিসিএল
ব্যাখ্যা
Bangladesh telegraph and telephone board(BTTB) converted into Bangladesh Telecommunications Company Limited (BTCL) with 100% shares owned by Government and The Submarine Cable Project transformed into Bangladesh Submarine Cable Company Limited (BSCCL).
Source: btrc.gov.bd
৫,৬৬৬.
10th EPZ of Bangladesh will be established in-
  1. Patuakhali
  2. Gopalganj
  3. Habiganj
  4. Jashore
সঠিক উত্তর:
Jashore
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jashore
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে, আরো দুইটি ইপিজেড স্থাপনের কার্যক্রম চলমান।
- ১৯৮৩ সালে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে স্থাপিত হয় দেশের প্রথম ইপিজেড।
- পরবর্তী তিন দশকের মধ্যে পর্যায়ক্রমে স্থাপিত হয় বাকি ৭টি ইপিজেড।
- ঢাকা ইপিজেডের কাজ শুরু হয় ১৯৯৩ সালে; পরবর্তীতে বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৯৭ সালে এই ইপিজেড সম্প্রসারণের প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়।
- পরবর্তীতে মংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী এবং উত্তরায় (নীলফামারী) ইপিজেড স্থাঅইত হয়। আদমজী জুট মিলস ও চট্টগ্রাম স্টিল মিলস এলাকায়ও স্থাপিত হয় আরও দুটি ইপিজেড।
- ২০১৯ সালের ১২ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে  বেপজার  ৩৪তম  গভর্নর বোর্ড সভায় দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে যশোর জেলায় একটি ইপিজেড স্থাপনের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 
- যশোরের অভয়নগর উপজেলার গ্রেমবাগ ইউনিয়নের চেঙ্গুটিয়া, মহাকাল, পোমবাগ, বালিয়াডাঙ্গা, আলডাঙ্গা আরাজি বাটিরঘাট, মাগুরা ও রাজাপুর মৌজায় ৫৬৫.৮৭১ একর ভূমিতে স্থাপিত হবে দেশের ১০ম এই  ইপিজেড।
- এর আগে, পটুয়াখালীতে প্রস্তাবিত দেশের নবম ইপিজেড স্থাপনের প্রকল্প প্রস্তাবটি বর্তমানে পরিকল্পনা কমিশনের যাছাই-বাচাই শেষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সভায় (একনেক) অনুমোদনের অপেক্ষা রয়েছে।

উৎস: দি বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [লিঙ্ক] 
৫,৬৬৭.
কোন দুটি সংশোধনী তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) দ্বাদশ - পঞ্চদশ
  2. খ) ত্রয়োদশ - পঞ্চদশ
  3. গ) নবম - ত্রয়োদশ
  4. ঘ) পঞ্চদশ - সপ্তদশ
সঠিক উত্তর:
খ) ত্রয়োদশ - পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ত্রয়োদশ - পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
• ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
• ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৬৬৮.
বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের উপর ভিত্তি করে নির্মিত চলচ্চিত্রের নাম কী?
  1. ভয়েস অব লিবার্টি
  2. ওরা ১১ জন
  3. দ্য স্পিচ
  4. স্টপ জেনোসাইড
সঠিক উত্তর:
দ্য স্পিচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্য স্পিচ
ব্যাখ্যা
তথ্যচিত্র ‘দ্য স্পিচ':
-১৯৭১-এর ৭ মার্চে রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া সেই দৃপ্ত ভাষণ নিয়ে গুণী নির্মাতা ফাখরুল আরেফীন নির্মাণ করেছেন তথ্যচিত্র ‘দ্য স্পিচ’।
- আলোচিত এই তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয় ২০১০ সালে।
- যেটি বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো হয়েছিল ইউনেস্কোতে।

উৎস: চলচ্চিত্র ও প্রকাশনা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
৫,৬৬৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'বিচারক-নিয়োগের' উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৯৩ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৯৪ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৯৫ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৯৬ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৯৫ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:

- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৫,৬৭০.
কোন চলচ্চিত্রটি ১৯৪৭ -এর দেশভাগ নিয়ে নির্মিত হয়?
  1. নদীর নাম মধুমতি
  2. চিত্রা নদীর পাড়ে
  3. হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. সূর্য দীঘল বাড়ি
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্রা নদীর পাড়ে
ব্যাখ্যা
• 'চিত্রা নদীর পাড়ে' চলচ্চিত্র:
- এটি ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত।
- পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- ছবিটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায়।
- শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ মোট সাতটি ক্যাটাগরিতে এটি ১৯৯৯ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।

অন্যদিকে,
- 'নদীর নাম মধুমতি', 'হাঙর নদী গ্রেনেড' চলচ্চিত্র মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে।
- 'সূর্য দীঘল বাড়ি' চলচ্চিত্র গ্রামীণ পটভূমিতে নির্মিত।

উৎস: বাংলা ট্রিবিউন এবং চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র।
৫,৬৭১.
জুলাই জাতীয় সনদে কতটি বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে? 
  1. ২৮টি
  2. ৩০টি
  3. ২৫টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা

গণভোটের প্রশ্ন: 
• গণভোটে নিম্নরূপ একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হইবে-
- "আপনি কি জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫ এবং জুলাই জাতীয় সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান সংস্কার সম্পর্কিত নিম্নলিখিত প্রস্তাবসমূহের প্রতি আপনার সম্মতি জ্ঞাপন করিতেছেন?"; (হ্যাঁ/ না):
- (ক) নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন এবং অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান জুলাই সনদে বর্ণিত প্রক্রিয়ার আলোকে গঠন করা হইবে।
- (খ) আগামী জাতীয় সংসদ হইবে দুই কক্ষ বিশিষ্ট ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলগুলোর প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে ১০০ সদস্য বিশিষ্ট একটি উচ্চকক্ষ গঠিত হইবে এবং সংবিধান সংশোধন করিতে হইলে উচ্চকক্ষের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের অনুমোদন দরকার হইবে।
- (গ) সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, বিরোধী দল হইতে ডেপুটি স্পীকার ও সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচন, মৌলিক অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ,
- রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাসহ তফসিলে বর্ণিত যে ৩০টি বিষয়ে জুলাই জাতীয় সনদে ঐকমত্য হইয়াছে।
সেগুলো বাস্তবায়নে আগামী সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো বাধ্য থাকিবে।

- (ঘ) জুলাই জাতীয় সনদে বর্ণিত অপরাপর সংস্কার রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিশ্রুতি অনুসারে বাস্তবায়ন করা হইবে।

উৎস: গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫।[লিঙ্ক]

৫,৬৭২.
What is the name of the newspaper published by the Mujibnagar government?
  1. ক) Muktir Dak
  2. খ) Shadinota
  3. গ) Muktir bani
  4. ঘ) Joy bangla
সঠিক উত্তর:
ঘ) Joy bangla
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Joy bangla
ব্যাখ্যা
• সাপ্তাহিক জয়বাংলা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র - সাপ্তাহিক জয়বাংলা।
- পত্রিকাটি মূলত ছিল মুজিবনগরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রচার মাধ্যম।
-  এর লক্ষ্য ছিল একদিকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভ।
- সাপ্তাহিক জয়বাংলা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ১১ মে (২৭ বৈশাখ ১৩৭৮)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৭৩.
বাংলাদেশের কৃষিতে “উত্তরণ” কিসের জাত?
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. ফুলকপি
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুট্টা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) - কর্তৃক উদ্ভাবিত ভুট্টার জাত -
খৈ ভুট্টা, মোহর, বর্ণালী, শুভ্রা, বারি হাইব্রিড ভুট্টা ইত্যাদি।
- ব্র্যাক কর্তৃক উদ্ভাবিত জাত
উত্তরণ, বিপ্লব, শক্তি, প্যাসিফিক ইত্যাদি।
এছাড়াও রয়েছে -
সুপার সাইন, কোহিনুর, ডন, প্রফিট, শাহী ইত্যাদি ভুট্টার জাত।

তথ্যসূত্র:- কৃষি বাতায়ন।

৫,৬৭৪.
জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. শামীম শিকদার
  2. আবদুর রাজ্জাক
  3. হামিদুর রহমান
  4. মঈনুল হোসেন
সঠিক উত্তর:
মঈনুল হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মঈনুল হোসেন
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্মৃতিসৌধ:
- জাতীয় স্মৃতিসৌধ ঢাকা থেকে ৩৫ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সাভারে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের মহান শহীদদের অসামান্য ত্যাগ ও শৌর্যের স্মৃতি হিসেবে সৌধটি দাঁড়িয়ে আছে।
- ১৯৭৮ সালে স্মৃতিসৌধের নকশা নির্বাচন করা হয়।
- এর স্থপতি মঈনুল হোসেন।
- অসমান উচ্চতা ও স্বতন্ত্র ভিত্তির ওপর সাতটি ত্রিভুজাকৃতির প্রাচীর নিয়ে মূল সৌধটি গঠিত।
- কাঠামোটির সর্বোচ্চ বিন্দু বা শীর্ষ ৪৫.৭২ মিটার উঁচু।
- সমগ্র কমপ্লেক্সটি ৩৪ হেক্টর (৮৪ একর) জমি জুড়ে বিস্তৃত।
- স্মৃতিসৌধের নির্মাণ তত্ত্বাবধান করেছে বাংলাদেশ সরকারের গণপূর্ত বিভাগ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৭৫.
‘বাংলার মুক্তিসনদ’ নামে পরিচিত কোনটি?
  1. ৬ দফা
  2. ৭ মার্চের ভাষণ
  3. লাহোর প্রস্তাব
  4. কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

 উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৫,৬৭৬.
বাংলাদেশকে ডেল্টা প্ল্যানে সহায়তা করছে কোন দেশ?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ দুর্যোগ ঝুঁকিপ্রবণ ৬টি হটস্পট:
১. উপকূলীয় অঞ্চল: সাইক্লোনপ্রবণ অঞ্চল- ১৩ টি উপকূলীয় ও ৬ টি নদী বাহিত জেলা।
২. বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল: খরা (মূলত কৃষি)।
৩. হাওর এবং আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল: ৭ টি জেলা।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল: পাহাড় ধস ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৫. নদী অঞ্চল এবং মোহনা: বন্যাপ্রবণ অঞ্চল।
৬. নগরাঞ্চল: ভূমিকম্প, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

৫,৬৭৭.
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) হবিগঞ্জ
  3. গ) আগরতলা
  4. ঘ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্যাখ্যা
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সদর থানার রামরাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তবে তিনি থাকতেন কুমিল্লা শহরে। ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ পাকবাহিনী তাকে কুমিল্লার বাসা থেকে ধরে নিয়ে গুলি করে হত্যা করে। তিনি ১৯৪৬ সালে কংগ্রেস থেকে বঙ্গীয় বিধানসভার সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৪৮ সালের ২৫ আগস্ট পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশনে তিনি উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবী করেন। ১৯৫৬-৫৮ সালের পূর্ব পাকিস্তানে আতাউর রহমান খানের মন্ত্রীসভায় তিনি স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
৫,৬৭৮.
বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  4. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
- বাংলায় স্বাধীন সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা হলেন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ (১৩৪২-১৩৫৮ খ্রি.)।
- তিনি ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁওয়ের শাসনকর্তা ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহকে পরাজিত করে দুই বাংলা একত্র করে বৃহত্তর বা অখণ্ড বাংলা প্রতিষ্ঠা করেন।
- তার সময় থেকেই বাংলায় বসবাসকারী জনগোষ্ঠী ‘বাঙালি’ নামে পরিচিত পায়।
- তিনি `ইলিয়াস শাহী’ বংশের প্রতিষ্ঠাতা। তার উপাধি ছিলো ‘শাহ-ই বাঙালা’ ও ‘শাহ-ই বাঙালিয়ান’।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৫,৬৭৯.
'ভবদেব মহাবিহার' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. বগুড়া
  3. কুমিল্লা
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
শালবন বিহার:
- বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কুমিল্লার শালবন বিহার যা দেব সাম্রাজ্যের কীর্তি।
- এটি দেববংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব খ্রিস্টীয় আট শতকে নির্মাণ করেন।
- বিহারের আসল নাম 'ভবদেব মহাবিহার'।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক।

সীতাকোট বিহার:
- দিনাজপুর জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সীতাকোট বিহার অবস্থিত।
- বিহারটিতে মোট ৪১টি প্রায় সমআয়তনের কক্ষ ছিল।
- এই কক্ষগলি একটি প্রশস্ত টানা বারান্দার সংগে যুক্ত ছিল।
- সীতাকোট বিহার আঙ্গিনার মধ্যবর্তী স্থানে কোন প্রধান মন্দির ছিলনা।
- এখানে পাহাড়পুর,শালবন বিহার এবং আনন্দ বিহারের মত ঐতিহ্যবাহী পোড়ামাটির ফলক দেখা যায়না।
- তবে আকার আয়তনের দিক থেকে এই বিহারের সংগে বগুড়ায় অবস্থিত ভাসু বিহার এর অনেক মিল রয়েছে।
- সীতাকোট বিহার থেকে প্রাপ্ত দুইটি ব্রোঞ্জ মূর্তির গঠন শৈলী থেকে অনুমান করা যায় যে, এগুলি ৭ম-৮ম শতাব্দীতে তৈরী।
- সময়কাল: - খ্রিঃ ৭-৮ম শতক।

সোমপুর বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন। ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- সময়কাল: অষ্টম-নবম শতক (আনুমানিক ৭৭০ - ৮১০ খিঃ)

শালবন বিহার:
- বাংলাদেশের অন্যতম প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন কুমিল্লার শালবন বিহার যা দেব সাম্রাজ্যের কীর্তি।
- এটি দেববংশের চতুর্থ রাজা ভবদেব খ্রিস্টীয় আট শতকে নির্মাণ করেন।
- বিহারের আসল নাম 'ভবদেব মহাবিহার'।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক

আনন্দ বিহার:
- আনন্দবিহার প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- বিহারটি নির্মাণ করেন - প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব।
- সময়কাল:- অষ্টম শতক।

[উপরোক্ত আলোচনা থেকে এটা বলা যায় যে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনগুলোর মধ্যে সিতাকোট বিহার সবচেয়ে প্রাচীন।]

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট।
৫,৬৮০.
'ভাষা আন্দোলন' বাংলা কত সনে হয়েছিল?
  1. ১১৫২
  2. ১১৫৮
  3. ১৩৫২
  4. ১৩৫৮
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: শিক্ষক বাতায়ন
৫,৬৮১.
'জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন' এর সভাপতি কে?
  1. মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ
  2. সারজিস আলম
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে আহতদের যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় সরকার বহন করবে।
- আন্দোলনে যারা আহত হয়েছেন, সরকারি হাসপাতালে তাদের বিনামূল্যে চিকিৎসাসহ যাবতীয় চিকিৎসা ব্যয় বহন করা হবে।
- একইসঙ্গে আন্দোলনে আহত চিকিৎসধীন ছাত্র জনতার চিকিৎসা সেবা সুনিশ্চিতে দেশের সব সরকারি হাসপাতালে আলাদা স্পেশালাইজড ডেডিকেটেড কেয়ার ইউনিট তৈরি করারও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহিদদের স্মৃতি সংরক্ষণ ও শহিদ পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য গঠন করা হয়েছে 'জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন'।
- প্ৰধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ফাউন্ডেশনের সভাপতি।
- ফাউন্ডেশনের সাত সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- কাজী ওয়াকার আহমদ (কোষাধ্যক্ষ), তথ্য উপদেষ্টা মো. নাহিদ
ইসলাম (দপ্তর সম্পাদক) এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা - আসিফ মাহমুদ সজিব ভূঁইয়া, নুরজাহান বেগম ও সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন এস মুর্শিদ (কার্যনির্বাহী সদস্য)।
- এ ফাউন্ডেশনে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ইতোমধ্যে ১০০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।

তথ্যসূত্র - তথ্য অধিদফতর।

৫,৬৮২.
জাতিতাত্ত্বিত জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. মহাস্থানগড়
  2. আগ্রাবাদ
  3. পাহাড়পুর
  4. লালমাই
সঠিক উত্তর:
আগ্রাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আগ্রাবাদ
ব্যাখ্যা
• নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর:
- বাংলাদেশের একমাত্র জাতিতাত্ত্বিক বা নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত।
- এটির নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৯৬৫ সালে।
- জনসাধারণের জন্যে উন্মুক্ত করে দেওয়া হয় ১৯৭৪ সালের ৯ জানুয়ারি। 
- এই জাদুঘরে বিভিন্ন নৃগোষ্ঠীর জাতি তাত্ত্বিক সামগ্রী প্রদর্শিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর হলো রাজশাহীতে অবস্থিত বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর (১৯১০)।

তথ্যসূত্র: জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৮৩.
একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি কার?
  1. ক) সাকিব আল হাসান
  2. খ) তামিম ইকবাল
  3. গ) মোহাম্মদ আশরাফুল
  4. ঘ) লিটন দাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিটন দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) লিটন দাস
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের হয়ে একদিনের ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেন লিটন দাস
- ২০২০ সালের ৬ মার্চ সিলেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি ১৪৩ বলে ১৭৬ রান করেন যা বাংলাদেশের যেকোন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সর্বাধিক।
- এর আগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিলো তামিম ইকবালের (১৫৮ রান)।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার।
৫,৬৮৪.
কোন বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের সময়সীমা কত দিন?
  1. ৩ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ দিন
ব্যাখ্যা
আইন বিভাগে আলোচ্য সময়সূচি:
- পুনর্বিবেচিত বিল রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিবেন।
- কোনো বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের সর্বোচ্চ সময় ১৫ দিন।
- নির্বাচলের পর সংসদের অভিবেশন আহবান করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে।
- অধ্যাদেশকে অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন দিতে হবে।
- সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ ৬০ দিন।
- সংসদের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিন অনুপস্থিত থাকলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।
- নির্বাচিত হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৫,৬৮৫.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় “বীর প্রতীক” খেতাবে ভূষিত একমাত্র বিদেশী নাগরিক-
  1. ক্লাইভ ফিলিপসন
  2. মাইকেল আলেকজান্ডার ফস
  3. উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারল্যান্ড
  4. ডোনাল্ড এন্ড্রুসন 
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

‘বীর প্রতীক’:
- বীরত্বসূচক খেতাব হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ সাহসিকতা ও আত্মত্যাগ দেখানো বিশেষ মুক্তিযোদ্ধাদের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য প্রদত্ত সম্মানসূচক খেতাব।
- ৪২৬ জন 'বীর প্রতীক' খেতাব প্রাপ্তদের মধ্যে একমাত্র বিদেশী- উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারলল্যান্ড। 
- উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ওডারলল্যান্ড ছিলেন একজন ডাচ-অস্ট্রেলীয় কমান্ডো অফিসার।
- তিনি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণের পাশাপাশি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে সরাসরি অবদান রাখেন।
- বাটা বাংলাদেশের প্রোডাকশন ম্যানেজার হিসেবে থাকাকালীন তিনি ২নং সেক্টরে গেরিলা যোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র সরবরাহ করতেন।
- বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ‘বীর প্রতীক’ খেতাবে ভূষিত করে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া। 

৫,৬৮৬.
কার শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশে 'আর্মস অ্যাক্ট' পাস হয়?
  1. লর্ড রিপন 
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড লিটন 
  4. লর্ড ডালহৌসি
সঠিক উত্তর:
লর্ড লিটন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড লিটন 
ব্যাখ্যা

লর্ড লিটন:
- লর্ড লিটন (এডওয়ার্ড রবার্ট লিটন) ১৮৭৬ হতে ১৮৮০ পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল ছিলেন। 
- ১৮৮০ সালে গ্ল্যাডস্টোন ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তন করলে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে পদত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য,
- লর্ড লিটন কর্তৃক প্রবর্তিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ আইন হলো ১৮৭৮ সালের দেশীয় সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act) এবং ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইন (Arms Act)।

⇒ দেশীয় সংবাদপত্র আইন (Vernacular Press Act):
- এই আইনটি ভারতীয়দের দেশীয় ভাষায় (Vernacular) সংবাদপত্র প্রকাশের ক্ষেত্রে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে।
- এর উদ্দেশ্য ছিল সরকারের সমালোচনামূলক লেখা দমন করা এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা খর্ব করা। 

⇒ অস্ত্র আইন (Arms Act):
- এই আইনের মাধ্যমে লাইসেন্স ছাড়া কোনো ভারতীয়র অস্ত্র বহন করা একটি ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য করা হয়।
- তবে, এই আইনটি ব্রিটিশ নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য ছিল না। 

এছাড়াও,
- তার শাসনামলে দ্বিতীয় ইঙ্গ-আফগান যুদ্ধ সংঘটিত হয়। 

উৎস: i) অস্ত্র আইন, ১৮৭৮।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৫,৬৮৭.
বিশ্বব্যাংকের ‘Ease of Doing Business-2020’ সূচকে বাাংলাদেশের অবস্থান-
  1. ৩৪তম
  2. ১১৫তম
  3. ১২২তম
  4. ১৬৮তম
সঠিক উত্তর:
১৬৮তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৮তম
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংকের ‘Ease of Doing Business-2020’ সূচকে ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬৮তম। সূচকে শীর্ষ দেশ নিউজিল্যান্ড। দক্ষিণ এশিয়ায় সবার উপরে ভারত ৬৩তম। ২০১৯ সালের রিপোর্টে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো ১৭৬তম।
[সূত্র: Ease of Doing Business Report-2020]
৫,৬৮৮.
সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে কী বলা হয়?
  1. বিরোধী বেঞ্চ
  2. ট্রেজারি বেঞ্চ
  3. ব্যাকবেঞ্চার
  4. মেম্বার বেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
ব্যাখ্যা

◉ সংসদ কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে ট্রেজারি বেঞ্চ বলা হয়।

- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৫,৬৮৯.
সংবিধান রচনার জন্য গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা কত জন ছিল?
  1. ৪০১ জন
  2. ৪০৩ জন
  3. ৪১৩ জন
  4. ৪৯৩ জন
সঠিক উত্তর:
৪০৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০৩ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- সংবিধান রচনার জন্য তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ 'বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন।
- এ আদেশ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকরী বলে ধরে নেয়া হয়।
- এ আদেশ বলে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর থেকে ১৯৭১ সালের ১ মার্চ পর্যন্ত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদে বাংলাদেশ থেকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- আইনের দৃষ্টিতে অযোগ্য বলে বিবেচিত এমন ব্যক্তিকে গণপরিষদের সদস্য হতে পারতেন না।
- গণপরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ৪০৩ জন।

⇒ ৪০৩ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৯০.
সিপাহি বিদ্রোহের সূত্রপাত কোথায় ঘটে?
  1. কানপুর
  2. ব্যারাকপুর
  3. মিরাট
  4. লখনৌ
সঠিক উত্তর:
ব্যারাকপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যারাকপুর
ব্যাখ্যা

সিপাহি বিদ্রোহ:
- সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে মঙ্গলপাণ্ডে নামে এক সিপাহী কর্তৃক গুলি বর্ষণের মাধ্যমে এই বিদ্রোহের সূত্রপাত ঘটে।
- দ্রুত এই বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ, মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র। বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট, কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয় ।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
- তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৫,৬৯১.
সংবিধানের কোন সংশোধনীতে জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়?
  1. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. একাদশ সংশোধনী
  3. দ্বাদশ সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে ‘গণভোটের’ বিধান বাদ দিয়েছিল।
- এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান সংযোজন করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

৫,৬৯২.
কোন সম্মেলনে ঐতিহাসিক ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয়?
  1. লাহোর সম্মেলন
  2. কাগমারী সম্মেলন
  3. কাশ্মীর সম্মেলন
  4. ইন্দিরা সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
লাহোর সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর সম্মেলন
ব্যাখ্যা
 ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলীয় নেতারা একটি সম্মেলন আহ্বান করেন।
- আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বঙ্গবন্ধু লাহোরে পৌছান।
- বিরোধী দলের সম্মেলন চলাকালে বঙ্গবন্ধু ছয় দফা কর্মসূচি পেশ করলে সম্মেলনের নেতৃবৃন্দ তা প্রত্যাখান করেন৷ বঙ্গবন্ধু সম্মেলন বর্জন করে সাংবাদিক সম্মেলন করে ছয়দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে ঢাকায় চলে আসেন।
- ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
- ছয় দফাতে ছিল পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষা বিষয়ক দাবী।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৯৩.
বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার নাম-
  1. ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড
  2. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  3. পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
  4. ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের বৃহত্তম সার কারখানার নাম পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড।

♦ ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
→ দেশের বৃহত্তম সার কারখানা ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
→ এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
→ দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

♦ উল্লেখ্য:
→ ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
→ সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
→ এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
→ এটি দেশে 'অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ' সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট ও পত্রিকার রিপোর্ট।

৫,৬৯৪.
কোন ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘর হিসেবে কাজ করে-
  1. জনতা ব্যাংক
  2. অগ্রণী ব্যাংক
  3. রূপালী ব্যাংক
  4. সোনালী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনালী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• সোনালী ব্যাংক, বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষে নিকাশ ঘর হিসেবে কাজ করে।

• সোনালী ব্যাংক:

- ১৯৭২ সালে ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান, ব্যাংক অব বাহওয়ালপুর ও প্রিমিয়ার ব্যাংক একত্রে “সোনালী ব্যাংক” নামে প্রতিষ্ঠিত।
- ৩ জুন ২০০৭-এ কোম্পানি নিবন্ধন, ৫ জুন ২০০৭-এ ব্যাংকিং লাইসেন্স এবং ১৫ নভেম্বর ২০০৭-এ কার্যক্রম শুরু।
- ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৯ থেকে “সোনালী ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড” নামে সাবসিডিয়ারী কোম্পানি মার্চেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম শুরু করে।
- ২৯ জুন ২০১০ থেকে ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো চালু।
- “সোনালী ফাউন্ডেশন” পরিচালনা করে কর্পোরেট সামাজিক দায়িত্ব কার্যক্রম।
- মোট শাখা: ১,২৩৪ (দেশে ১,২৩২, বিদেশে ২); গ্রামাঞ্চল ৬৯৬, শহরাঞ্চল ৫৩৬।
- বৈদেশিক বাণিজ্য কার্যক্রমের জন্য ৪৮ অনুমোদিত শাখা ও ৬১৭ বৈদেশিক করেসপন্ডেন্ট রয়েছে।
- প্রশাসনিক ইউনিট: ১৮ জেনারেল ম্যানেজার’স অফিস, ৬৯ প্রিন্সিপাল অফিস, প্রধান কার্যালয়ের ৪৭টি বিভাগ।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সোনালী এক্সচেঞ্জ কোম্পানী (৯টি শাখা), যুক্তরাজ্যে ৬টি শাখা, সৌদি আরব ও কুয়েতে প্রতিনিধি অফিস।
- মালয়েশিয়ায় IME, SDN BHD ও মে ব্যাংকের মাধ্যমে প্রেরিত অর্থ কার্যক্রম পরিচালনা।
- প্রশিক্ষণ: ঢাকায় স্টাফ কলেজ, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বগুড়া ও ময়মনসিংহে ইনস্টিটিউট।
- ঋণ ও অর্থনৈতিক সহায়তা: কৃষি ও শিল্প প্রকল্প ঋণ, আমদানী-রফতানি ঋণ, ক্ষুদ্র ব্যবসা ঋণ, SME ঋণ, ভোগ্যপণ্য ঋণ ইত্যাদি।
- দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করা এবং জনসাধারণকে সঞ্চয়ে উৎসাহিত করা।

উৎস: সোনালী ব্যাংক ওয়েব সাইট।

৫,৬৯৫.
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৫ম
সঠিক উত্তর:
৩য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য়
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানি:
- যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি পোশাক বাজারে তৃতীয় শীর্ষ রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ।
- অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলসের (অটেক্সা) তথ্যমতে, ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৩৪ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- সংস্থাটির তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি গত সেপ্টেম্বরে ১৮ শতাংশ, অক্টোবরে ২৬ দশমিক ৭ শতাংশ ও নভেম্বরে ৪১ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়েছে।
- বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার হিস্যার ৯ শতাংশ দখলে আছে বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বরাবরের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে চীন এবং ২য় অবস্থানে আছে ভিয়েতনাম।

সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
৫,৬৯৬.
প্রাচীন ভারতের স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত কোনটি?
  1. পাল যুগ
  2. মৌর্য যুগ
  3. গুপ্ত যুগ
  4. কুষাণ যুগ
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত যুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গুপ্ত যুগ
ব্যাখ্যা
গুপ্ত যুগ:
- গুপ্ত সাম্রাজ্য ছিল একটি প্রাচীন ভারতীয় সাম্রাজ্য।
- আনুমানিক খ্রিস্টীয় ৩২০ - ৫৫০ অব্দের মধ্যবর্তী সময়ে ভারতীয় উপমহাদেশের অধিকাংশ অঞ্চলজুড়ে এই সাম্রাজ্য প্রসারিত ছিল।
- মহারাজ শ্রীগুপ্ত এই সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন।

⇒ গুপ্তযুগে ভারতে শান্তি ও সমৃদ্ধি স্থাপিত হয়েছিল।
- এটা ছিল আবিষ্কার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, বাস্তুবিদ্যা, শিল্প, ন্যায়শাস্ত্র, সাহিত্য, গণিত, জ্যোতির্বিদ্যা, ধর্ম ও দর্শনের বিশেষ উৎকর্ষের যুগ।
- গণিতের জগতে ‘শূন্য’র ব্যবহার এ সময়েই যুগান্তকারী এক আবিষ্কার।
- এ জন্য গুপ্তযুগকে ভারতের স্বর্ণযুগ বলা হয়।

⇒ এই বংশের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে শ্রীগুপ্তের কথা বলা হলেও প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা বলা হয় প্রথম চন্দ্রগুপ্তকে। তাঁর উপাধি ছিল মহারাজাধিরাজ।
- গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক বলা হয় সমুদ্রগুপ্তকে। তিনি সমগ্র বাংলা জয় করেন। তাঁকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ন বলেও অভিহিত করা হয়।

⇒ পাটালিপুত্রে ছিল চন্দ্রগুপ্ত সাম্রাজ্যের রাজধানী।
- গুপ্তদের সময় রাজতন্ত্র ছিল সামন্তনির্ভর।
- এদের রাজাদের অধীনে বড় কোনো অঞ্চলের শাসককে বলা হতো মহাসামন্ত।
- মৌর্যদের মতো এ দেশে গুপ্তদের রাজধানী ছিল মহাস্থানগড়ের পুণ্ড্রনগর।
- চীনা পর্যটক ফা হিয়েন গুপ্তযুগে ভারতে আসেন।
- গুপ্তযুগে বাংলায় স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার সর্বব্যাপী প্রচলন হয়।

উৎস: ইতিহাস, এসএসএইচএল প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৫,৬৯৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় কত?
  1. ক) ২,৬৩,৪১৪ টাকা
  2. খ) ২,৬৯,৩১৪ টাকা
  3. গ) ২,৭০,৪১৪ টাকা
  4. ঘ) ২,৭৫,৫১৪ টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ২,৭০,৪১৪ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২,৭০,৪১৪ টাকা
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
সমীক্ষা অনুযায়ী,
- প্রতি বর্গ কিমি জনসংখ্যার ঘনত্ব ১,১৫৩ জন।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল - ৭২.৩ বছর।
- দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%
- চরম দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%
- সাক্ষরতার (৭+) হার - ৭৬.৪%
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.৩%
- পুরুষ-মহিলা অনুপাত - ৯৮.১ : ১০০
- স্থির মূল্যে GDP প্রবৃদ্ধির হার - ৬.০৩%
- চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২,৭০,৪১৪ টাকা (২,৭৬৫ মা.ড)।
-  চলতি মূল্যে মাথাপিছু GDP - ২,৫৯,৯১৯ টাকা।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩
৫,৬৯৮.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংগঠন 'তমদ্দুন মজলিশ' প্রতিষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর
  4. ঘ) ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ
• তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন। দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।
১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
• এই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিলো - বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা। পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিলো প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
• তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো - সাপ্তাহিক সৈনিক পত্রিকা। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।

বি:দ্র: - যদি কোথাও তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠার তারিখ ২ সেপ্টেম্বর না থেকে ১ সেপ্টেম্বর থাকে তাহলে ১ সেপ্টেম্বর উত্তর করতে হবে। অনুরুপ ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ পুস্তিকাটি কখন প্রকাশিত হয় জানতে চাইলে ১৬ সেপ্টেম্বর উত্তর হবে। আর যদি ১৬ সেপ্টেম্বর না থাকে তাহলে হবে ১৫ সেপ্টেম্বর।  

তথ্যসূত্র: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।
৫,৬৯৯.
শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) ভোলা
সঠিক উত্তর:
খ) কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট গ্যাসক্ষেত্র - ২৭টি। সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র - ভোলা নর্থ।
বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলোর মধ্যে -
উৎপাদনরত - ২০টি
উৎপাদনে যায় নি - ২টি
উৎপাদন স্থগিত রয়েছে - ৫টি
শ্রীকাইল গ্যাসক্ষেত্রটি কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার শ্রীকাইলের হাজিপুরে অবস্থিত।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা - ২০২০।
৫,৭০০.
2019-20 সালের বাজেট অনুযায়ী, ব্যক্তি কর দাতার ক্ষেত্রে করমুক্ত আয় কত টাকা?
  1. ক) 100,000
  2. খ) 150,000
  3. গ) 200,000
  4. ঘ) 250,000
সঠিক উত্তর:
ঘ) 250,000
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 250,000
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা চলতি অর্থবছরের মতো আড়াই লাখ টাকায় টাকায় আছে। নারী ও ৬৫ বছর ঊর্ধ্ব করদাতাদের ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত কর দিতে হবে না।
Source:nbr.gov.bd