বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৫০ / ৩০৬ · ৪,৯০১৫,০০০ / ৩০,৮৩২

৪,৯০১.
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২০ অনুসারে জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ৬ষ্ঠ
  2. খ) ৭ম
  3. গ) ৮ম
  4. ঘ) ৯ম
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল কর্তৃক প্রকাশিত ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ-২০২০ অনুসারে জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম। এশিয়ায় পঞ্চম, মুসলিম বিশ্বে ৪র্থ এবং দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয়। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬.৪৭ কোটি।
(সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার : আগস্ট)
৪,৯০২.
পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৬ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৫৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

১৯৫৬ সালের সংবিধান:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন দ্বারা নতুন রাষ্ট্র পরিচালিত হতে থাকে।
- ১৯৪৬ সালের নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে পাকিস্তান গণপরিষদ গঠিত হয়।
- এই গণপরিষদের দায়িত্ব ছিল একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন করা।
- ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে সংবিধান রচনার জন্য একটি মূলনীতি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান ঘোষণা করা হয়।
- এটি ছিল সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার সংবিধান।
- ১৯৫৬ সালে এ সংবিধানের মাধ্যমে পূর্ব বাংলার নাম পরিবর্তন করে 'পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্র' করা হয়।
- এই সংবিধান চালু ছিল মাত্র দু বছর।
- ১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান সামরিক শাসন জারি করলে সংবিধান স্থগিত করা হয়।
- সংবিধান স্থগিত করার সাথে সাথে পাকিস্তানে সাংবিধানিক শাসনের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯০৩.
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন -
  1. ক) বাইজেন্টীয় শাসক
  2. খ) ফিনিসীয় শাসক
  3. গ) মাইসেনীয় শাসক
  4. ঘ) মেসিডোনিয়ান শাসক
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেসিডোনিয়ান শাসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মেসিডোনিয়ান শাসক
ব্যাখ্যা
আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট ছিলেন একজন প্রাচীন মেসিডোনিয়ান শাসক এবং ইতিহাসের সর্বশ্রেষ্ঠ সামরিক মনের একজন।
- তিনি ম্যাসিডোনিয়া এবং পারস্যের রাজা হিসেবে প্রাচীন বিশ্বের দেখা সবচেয়ে বড় সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- ক্যারিশম্যাটিক এবং নির্মম, উজ্জ্বল এবং ক্ষমতার ক্ষুধার্ত, কূটনৈতিক এবং রক্তপিপাসু হয়ে, আলেকজান্ডার তার পুরুষদের মধ্যে এই ধরনের আনুগত্যকে অনুপ্রাণিত করেছিলেন যে তারা তাকে যে কোনও জায়গায় অনুসরণ করবে এবং প্রয়োজনে এই প্রক্রিয়ায় মারা যাবে।
- যদিও আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট তার একটি নতুন রাজ্যের একত্রিত হওয়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নের আগেই মারা গিয়েছিলেন, গ্রিক এবং এশিয়ান সংস্কৃতির উপর তার প্রভাব এত গভীর ছিল যে এটি একটি নতুন ঐতিহাসিক যুগ -হেলেনিস্টিক পিরিয়ডকে অনুপ্রাণিত করেছিল। 

উৎস: History.com।
৪,৯০৪.
৬ দফা আনুষ্ঠানিকভাবে কত তারিখে ঘোষণা করা হয়?
  1. ক) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
  2. খ) ২১ মে ১৯৬৬
  3. গ) ২৩ সেপ্টেম্বর ১৯৬৬
  4. ঘ) ২৩ অক্টোবর ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৩ মার্চ ১৯৬৬
ব্যাখ্যা

• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
• ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
• আর এটি ২৩ মার্চ ১৯৬৬ আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষিত হয়।
• ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা --রুহুল কুদ্দুস । তিনি একজন সি এস পি কর্মকর্তা। 
 ৬ দফার দাবিসমূহ---
প্রস্তাব - এক : শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
প্রস্তাব - দুই : কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
প্রস্তাব - তিন : মুদ্রা ও অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
প্রস্তাব - চার : রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
প্রস্তাব - পাঁচ : বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
প্রস্তাব - ছয় : আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা

SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।

৪,৯০৫.
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোন এলাকাকে 'ডিগ্রেডেড এয়ারশেড' ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. সাভার
  2. কেরানীগঞ্জ
  3. টঙ্গী
  4. রূপগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

ডিগ্রেডেড এয়ারশেড:
- বায়ুদূষণের মাত্রা নিয়মিতভাবে জাতীয় মান অতিক্রম করলে কোনো এলাকাকে 'ডিগ্রেডেড এয়ারশেড' ঘোষণা করা হয়।
- বায়ুদূষণ গুরুতর আকার ধারণ করায় ঢাকা জেলার অন্তর্গত শিল্পঘন সাভার উপজেলাকে 'ডিগ্রেডেড এয়ারশেড' ঘোষণা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।
- সাভারের বায়ুর বার্ষিক মানমাত্রা জাতীয় বার্ষিক নির্ধারিত মানমাত্রার প্রায় তিন গুণ অতিক্রম করেছে।
- পরিপত্র অনুযায়ী, আগামী সেপ্টেম্বর থেকে সাভার উপজেলার অন্তর্গত সব ধরনের ইটভাটায় (টানেল ও হাইব্রিড হফম্যান কিলন ছাড়া) ইট পোড়ানোসহ ইট প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা সম্পাদন নিষিদ্ধ।
- উন্মুক্ত অবস্থায় কঠিন বর্জ্য পোড়ানো এবং বায়ুদূষণ সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে এমন সব ধরনের নতুন শিল্পকারখানার অনুকূলে অবস্থানগত ও পরিবেশগত ছাড়পত্র প্রদান বন্ধ থাকবে।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা প্রতিবেদন।

৪,৯০৬.
কোন শাসকের শাসনামলে ইবনে বতুতা বাংলায় আগমন করেন?
  1. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. ইলিয়াস শাহ
  4. গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
• ইবনে বতুতা (মরক্কো): 
 - ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে ২১ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং
- আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে তিনি দিল্লিতে পৌঁছেন।
- সুলতান মুহাম্মদ বিন তুগলক তাঁকে দিল্লির কাজী নিযুক্ত করেন।
- ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলায় সফর করেন ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের আমলে।
- বাংলার যে শহরে ইবনে বতুতা প্রথম পৌঁছেন (৯ জুলাই ১৩৪৬) তার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন সাদকাঁও (চাটগাঁও)।
- গ্রন্থ- ইবনে জুযাই , কিতাবুল রেহালা।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৪,৯০৭.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য “বিজয় গাঁথা” কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা সেনানিবাস
  2. খ) রংপুর সেনানিবাস
  3. গ) সিলেট সেনানিবাস
  4. ঘ) যশোর সেনানিবাস
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর সেনানিবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর সেনানিবাস
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক ভাস্কর্য 'বিজয় গাঁথা' রংপুর সেনানিবাসে অবস্থিত। ভাস্কর্যটি নির্মাণে রংপুর সিটি কর্পোরেশন অর্থ সহায়তা দিয়েছে।
সূত্রঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন।
৪,৯০৮.
নিচের কোনটি সামাজিক নৈরাজ্যের উদাহরণ নয়?
  1. ঘুষ
  2. নারী নির্যাতন
  3. অপহরণ
  4. সামাজিক ঐক্য 
সঠিক উত্তর:
সামাজিক ঐক্য 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক ঐক্য 
ব্যাখ্যা

• সামাজিক নৈরাজ্যের উদাহরণ নয়- সামাজিক ঐক্য।

• সামাজিক নৈরাজ্যের ধারণা:
- সামাজিক বিশৃঙ্খলার চরম রূপ হচ্ছে সামাজিক নৈরাজ্য।
- রাষ্ট্রের শাসনযন্ত্র যখন আর কাজ করে না এবং শাসনযন্ত্র ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না তখন সমাজে নৈরাজ্য দেখা দেয়।

- উদাহরণস্বরূপ: ঘুষ, নারী নির্যাতন, অপহরণ, যৌন আচরণ ইত্যাদির কথা উল্লেখ করা যার।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪,৯০৯.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ৩নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. মেজর নুরুজ্জামান
  2. মেজর শফিকুর রহমান
  3. মেজর আবু উসমান
  4. মেজর  এ.এন.এম নূরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
মেজর  এ.এন.এম নূরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর  এ.এন.এম নূরুজ্জামান
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধকালীন  ৩নং সেক্টর:
- এ সেক্টর উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। - সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।
- দুই ইস্ট বেঙ্গল এবং সিলেট ও ময়মনসিংহের ইপিআর বাহিনী সমন্বয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সেক্টরের সদর দফতর ছিল হেজামারা।
- এই সেক্টরের অধীনে ১৯টি গেরিলা ঘাঁটি গড়ে উঠেছিল।
- নভেম্বর মাস পর্যন্ত গেরিলার সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ত্রিশ হাজার।
- তারা কুমিল্লা-সিলেট সড়কে কয়েকটি সেতু বিধ্বস্ত করে পাক বাহিনীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
- তাদের সবচেয়ে সফল আক্রমণ ছিল শায়েস্তাগঞ্জের নিকটে ট্যাঙ্ক বিধ্বংসী মাইনের সাহায্যে একটি রেলগাড়ি বিধ্বস্ত করা।

- এই সেক্টরের দশটি সাব-সেক্টর (কমান্ডারদের নামসহ) হচ্ছে:
- আশ্রমবাড়ি (ক্যাপ্টেন আজিজ এবং পরে ক্যাপ্টেন এজাজ); 
- বাঘাইবাড়ি (ক্যাপ্টেন আজিজ এবং পরে ক্যাপ্টেন এজাজ); 
- হাতকাটা (ক্যাপ্টেন মতিউর রহমান); 
- সিমলা (ক্যাপ্টেন মতিন); 
- পঞ্চবটী (ক্যাপ্টেন নাসিম); 
- মনতলা (ক্যাপ্টেন এম.এস.এ ভূঁইয়া); 
- বিজয়নগর (এম.এস.এ ভূঁইয়া); 
- কালাছড়া (লেফটেন্যান্ট মজুমদার); 
- কলকলিয়া (লেফটেন্যান্ট গোলাম হেলাল মোরশেদ); 
- এবং বামুটিয়া (লেফটেন্যান্ট সাঈদ)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৯১০.
নিচের কোনটি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়?
  1. ইউনিয়ন পরিষদ
  2. জেলা পরিষদ
  3. পৌরসভা
  4. সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিবালয়
ব্যাখ্যা
- সচিবালয় স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান নয়। 

বাংলাদেশের  স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান: 

- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরপর তিনটি স্তরে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করার এবং নারী সদস্যদের জন্য বিধি প্রণয়নের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
- থানা পর্যায়ে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৯৮২ সালে উপজেলা পরিষদ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গ্রাম পর্যায়ে গ্রামীণ সরকার ও পল্লী পরিষদ গঠনের প্রচেষ্টা সফল হয়নি।
- ১৯৮২ সালে চালু হওয়া উপজেলা পদ্ধতি ১৯৯১  সালে বিলুপ্ত হয় (২০০৯ সালে পুনরায় চালু)।
- শুরু থেকেই স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলিকে তাদের এলাকার মধ্যে আইনশৃঙ্খলা ও অবকাঠামো উন্নয়ন এবং তাদের রক্ষণাবেক্ষণ, স্বাস্থ্য, শিক্ষা ইত্যাদি রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব দেওয়া  হয়েছিল।
- যদিও তাদের নিজস্ব আয়ের উৎস ছিল, তবুও তাদের কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য  তারা প্রধানত সরকার থেকে প্রদত্ত  বিভিন্ন অনুদানের উপর নির্ভরশীল ছিল।
- বর্তমানে নির্বাচিত স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে। 

উৎস: স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট।
৪,৯১১.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান আইন কর্মকর্তা কে? [এপ্রিল - ২০২৫]  
  1. এ এম আমিন উদ্দিন
  2. মো. আসাদুজ্জামান
  3. শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
মো. আসাদুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মো. আসাদুজ্জামান
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন মো. আসাদুজ্জামান। 

অ্যাটর্নি জেনারেল: 
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- তিনি বাংলাদেশ সরকারের মুখ্য আইন পরামর্শক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
- তার পদাধিকারবলে তিনি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে সহায়তা করার জন্য কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল নিযুক্ত থাকেন।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোনো ব্যক্তিকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- বর্তমানে দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট রাষ্ট্রপতির দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

সূত্র: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।

৪,৯১২.
পাকিস্তানের মোট জনগোষ্ঠীর শতকরা কত ভাগ লোকের মুখের ভাষা উর্দু ছিল?
  1. ক) ৫৬.৪০%
  2. খ) ৩.২৭%
  3. গ) ৪০.২৩%
  4. ঘ) ৩২.৩৫%
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.২৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩.২৭%
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির অধিকার হরণের চেষ্টায় লিপ্ত হয়। পাকিস্তানের মোট জনগোষ্ঠীর শতকরা ৫৬.৪০ ভাগের মুখের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও সংখ্যালঘিষ্ট মাত্র ৩.২৭% জনগোষ্ঠীর ভাষা উর্দুকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল। ১৯৪৮ সালে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মতামত উপেক্ষা করে উর্দু ভাষাকেই রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সূত্র- বোর্ড বইঃনবম-দশম শ্রেণি।
৪,৯১৩.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের নিয়মিত বৈঠক হয়-
  1. ক) প্যারিসে
  2. খ) লন্ডনে
  3. গ) জেনেভায়
  4. ঘ) ঢাকায়
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ঢাকায়
ব্যাখ্যা

- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।

উৎসঃ ইআরডি ওয়েবসাইট।

৪,৯১৪.
মাস্টারদা সূর্যসেনকে বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত করেন কে ?
  1. মহাত্না গান্ধী
  2. সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী
  3. দেশবন্ধুচিত্তরঞ্জন দাশ 
  4. সুভাষচন্দ্র বস
সঠিক উত্তর:
সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সতীশ চন্দ্র চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা

মাস্টারদা সূর্যসেনঃ 
- মাস্টারদা সূর্যসেন ১৮৯৪ সালে চামের রাউজান থানার নাাপা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- সূর্যসেন পেশায় ছিলেন একজন শিক্ষক।
- তাঁকে সম্মান প্রদর্শনের জন্য বলা হত মাস্টারদা সূর্যসেন।  
- ১৯১৬ সালে মুর্শিদাবাদের বহরমপুর কৃঞ্চনাথ কলেজে বি.এ পড়ার সময় তিনি তাঁর এক শিক্ষক শতীশচন্দ্র চক্রবর্তী কর্তৃক বৈপ্লবিক আদর্শে দীক্ষিত হন। 
- রাজনৈতিক দল কংগ্রেসের চট্রগ্রাম অঞ্চলের নেতা হিসেবে তিনি বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকান্ডে তৎপর হয়ে ওঠেন।
- ১৯৩০ সালের এপ্রিল মাস থেকে ভারতবর্ষের স্বাধীনতার লক্ষ্যে মাস্টারদা ব্রিটিশদের উপর আক্রমণ চালাতে শুরু করেন।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্ত্ততি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
-  এ যুদ্ধে ১৪ জন বিপ্লবী শহীদ হন।
- ১৯৩২ সালের জুন মাসে মাস্টারদা প্রীতিলতা ও কল্পনা দত্তকে বোমা সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম কারাগার ডিনামাইট দিয়ে উড়িয়ে দেবার নির্দেশ প্রদান করেন।
- মাস্টারদা পটিয়া এলাকার গৈরালা গ্রামে আত্নগোপন করেন।
- একজন গ্রামবাসীর বিশ্বাসঘাতকতায় ১৯৩৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি মাস্টারদা গ্রেফতার হন।
- ১৯৩৪ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি সূর্যসেনকে ফাঁসি দেয়া হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, ২য় পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

৪,৯১৫.
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌছে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রবর্তিত ই-কৃষি সেবা নয় কোনটি?
  1. ক) কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা
  2. খ) কৃষকের জানালা
  3. গ) কৃষি বাতায়ন
  4. ঘ) বন্ধুফোন
  5. ঙ) সবগুলোই ই-কৃষি সেবা
সঠিক উত্তর:
ঙ) সবগুলোই ই-কৃষি সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঙ) সবগুলোই ই-কৃষি সেবা
ব্যাখ্যা
কৃষি ও কৃষিভিত্তিক সেবা জনগনের দোরগোড়ায় পৌছে দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রবর্তিত ই-কৃষি সেবাঃ কৃষকের জানালা, কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা, কৃষি বাতায়ন, বন্ধুফোন, Online Fertilizer Recommendation Software, Bangladesh Rice Knowledge Bank। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
৪,৯১৬.
গৌড়ের বিখ্যাত ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন কে?
  1. সিকান্দার শাহ
  2. নুসরত শাহ
  3. মাহমুদ শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
ব্যাখ্যা

আলাউদ্দিন হোসেন শাহ গৌড়ের বিখ্যাত ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন।

আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:

- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
- তিনি 'বাংলার আকবর হিসেবে' পরিচিত ছিলেন।
- তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব "বৈষ্ণব ধর্ম" প্রচার করেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে 'নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।

• শিল্প ও স্থাপত্যের নির্মাতা:
- সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শিল্প স্থাপত্যের একজন শ্রেষ্ঠ নির্মাতা ছিলেন।
- গৌড়ের বিখ্যাত ছোট সোনা মসজিদ, মানিকগঞ্জ জেলার নাচাইল মসজিদ, গোমতি ফটক ছাড়া অগণিত মসজিদ, মাদ্রসা, সমাধি ও দূর্গ নির্মাণ করে তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
- তিনি ‘বাদশাহী সড়ক’ সহ সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিদের চলাচলের জন্য অনেক রাস্তাঘাট নির্মাণ করেন।
- সুদীর্ঘ ২৬ বছর গৌরবময় রাজত্ব শেষে ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে হোসেন শাহ ইন্তেকাল করেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ নিঃসন্দেহে মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসে একজন শ্রেষ্ঠ নরপতি ছিলেন। 

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
          ii) বাংলাপিডিয়া।

৪,৯১৭.
কোন প্রেক্ষাপটে একুশ দফা প্রণীত হয়েছিলো?
  1. ক) বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
  3. গ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চুয়ান্নর প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে একুশ দফা নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়। একুশ দফা প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন আবুল মনসুর আহমেদ।

এর প্রথম দফা বা দাবী ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
এছাড়া অন্যান্য দাবীর মধ্যে ছিলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
- বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারী প্রথা বিলুপ্ত করা
- অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রবর্তন প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
৪,৯১৮.
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা
  2. সরকারি প্রতিষ্ঠান
  3. আধা- সায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা
  4. সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন:
- বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন প্রধানত বিভিন্ন সরকারি চাকুরি ও পদে নিয়োগ দানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সাংবিধানিক সংস্থা।
- সংস্থাটি সরকারি কর্মচারীদের পদোন্নতি, পদায়ন, বদলি, শৃঙ্খলা ও আপিলের মতো বিষয়ের ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত।
- রাষ্ট্রপতির ৩৪ নং আদেশবলে ১৯৭২ সালের মে মাসে প্রাথমিক পর্যায়ে পাবলিক সার্ভিস কমিশন ও পাবলিক সার্ভিস কমিশন নামে দুটি আলাদা কমিশন গঠিত হয়।
- সরকার ১৯৭৭ সালের নভেম্বর মাসে দুটি কমিশনের স্থলে একটি কমিশন স্থাপন করার লক্ষ্যে আরেকটি অধ্যাদেশ জারি করে।
- ১৯৭৭ সালের ২২ ডিসেম্বর এই কমিশনের নামকরণ হয় বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ওয়েবসাইট।
৪,৯১৯.
ঢাকার শেষ নবাব ছিলেন -
  1. খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন বাহাদুর
  3. খাজা আতিকুল্লাহ বাহাদুর
  4. খাজা সলিমুল্লাহ বাহাদুর
সঠিক উত্তর:
খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর
ব্যাখ্যা

নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর:
- তিনি ২৬এপ্রিল, ১৮৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর ঢাকার পঞ্চম এবং শেষ নবাব।
- তাঁর পিতা ছিলেন নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ বাহাদুর।
- নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুরের শাসনামলেই ঢাকার নবাবপরিবারের সম্পদ ও জৌলুশ কমতে থাকে।
- ১৯৫২ সালে ইস্ট পাকিস্তান এস্টেটঅ্যাকিউজিশন অ্যাক্ট দ্বারা যা চূড়ান্তভাবে বর্জন করতে হয়।
- ২১শে নভেম্বর ১৯৫৮ তারিখে নবাব হাবিবুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিভাগ ওয়েবসাইট।

৪,৯২০.
মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে গঠিত “সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটি” এর সদস্য ছিলেন না -
  1. ক) অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ
  2. খ) মনোরঞ্জন ধর
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
• মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
• এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
- মনিসিংহ (কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)
• সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি বা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯২১.
মনিপুরীদের পূর্বপুরুষ হল-
  1. ক) সুসাইম
  2. খ) পাখাংবা
  3. গ) চান্দো
  4. ঘ) মাইতে
সঠিক উত্তর:
খ) পাখাংবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাখাংবা
ব্যাখ্যা

মনিপুরী এর পূর্ব পুরুষরা হলো পাখাংবা এর বংশধর।
- ৩৩ সালে মণিপুরী রাজা পাখাংবা-র (Pakhangba) সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৪,৯২২.
The highest densely populated country of the world is-
  1. ক) Bangladesh
  2. খ) India
  3. গ) Monaco
  4. ঘ) Indonesia
সঠিক উত্তর:
গ) Monaco
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Monaco
ব্যাখ্যা
বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০২৩ অনুযায়ী -
- পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ দেশ মেকাও দ্বিতীয় মোনাকো। অপশনে মেকাও না থাকায় সঠিক উত্তর হবে-  মোনাকো
- দেশটির জনসংখ্যার ঘনত্ব(প্রতি বর্গ কিলোমিটারে বসবাসকারী লোকসংখ্যা ১৮,১৪৯ জন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম - গ্রীন্ডল্যান্ডে।
- পৃথিবীর সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ ১০ দেশ:
- মেকাও, মোনাকো, সিঙ্গাপুর, হংকং, জিব্রাল্টার, বাহরাইন, মালদ্বীপ, মাল্টা, বাংলাদেশ, সিন্ট মার্টেন।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০২৩
৪,৯২৩.
রাজনৈতিক দলগুলো কোন সংস্থার অধীনে নিবন্ধিত?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  4. স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন:
- রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নির্বাচন কমিশনের অধীন।
- স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশে শতাধিক রাজনৈতিক দলের আবির্ভাব হয়েছে।

⇒ ২০০৮ সালে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করে।
- ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের মূল আইনে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের কোনো বিধান না থাকলেও রাজনীতির প্রতি বিতশ্রদ্ধ ১/১১ সরকার ১৯৭২ সালের Representation of People Order (RPO) পরিবর্তন করে সংশোধন আকারে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের Representation of People (Amendment) Ordinance, 2008 নামক একটি আইন করে।
- এই আইনে ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের একটি অতিরিক্ত অধ্যায় সংযোজন করা হয়।
- উক্ত অধ্যায়ে ৯টি ধারা (৯০এ থেকে ৯০আই) রয়েছে।
- ৯০এ অনুসারে নির্বাচনে অংশগ্রণেচ্ছু দলসমূহকে নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত হতে হবে।

⇒ ৯০বি(১)এ ধারার বিধি অনুসারে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন পেতে হলে:
(i) বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে দরখাস্ত দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনের যে কোনো একটিতে দলীয় নির্বাচনী প্রতীক নিয়ে কমপক্ষে একটি আসন লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(ii) উক্তরূপ নির্বাচনের যেকোন একটিতে দরখাস্তকারী দল কর্তৃক নির্বাচনে অংশগ্রহণকৃত আসনসমূহে প্রদত্ত মোট ভোট সংখ্যার ৫% ভোট লাভ করে থাকতে হবে অথবা,
(iii) কেন্দ্রীয় কমিটি ও অফিস, অফিসসহ কমপক্ষে ১০টি জেলা কমিটি এবং অফিসসহ কমপক্ষে ৫০টি উপজেলা/থানা কমিটি থাকতে হবে।

উল্লেখ্য,
- ২০০৮ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এটিএম শামছুল হুদার নির্বাচন কমিশন ভোটে অংশ নিতে রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের বিধান চালু করে।
- ওই বছরই প্রথম দফায় বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ ৩৯টি রাজনৈতিক দলকে নিবন্ধন দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন।

উৎস: i) বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৪,৯২৪.
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা রাষ্ট্রদূত কে?
  1. ক) তাহমিনা খান ডলি
  2. খ) জাকিয়া আকতার
  3. গ) সুরাইয়া বেগম
  4. ঘ) মাহমুদা হক চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাহমুদা হক চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মাহমুদা হক চৌধুরী
ব্যাখ্যা
মাহমুদা হক চৌধুরী হলেন একজন বাংলাদেশী অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা যিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর পত্রিকা
৪,৯২৫.
জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র 'বসুন্ধরা' কোন বিখ্যাত উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত? 
  1. ক) তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
  2. খ) কর্ণফুলী
  3. গ) ক্ষুধা ও আশা 
  4. ঘ) খসড়া কাগজ
সঠিক উত্তর:
ক) তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
ব্যাখ্যা
• আলাউদ্দীন আল আজাদ এর বিখ্যাত উপন্যাস ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ অবলম্বনে  জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত চলচ্চিত্র 'বসুন্ধরা'  নির্মিত।
- ১৯৭৭ সালে এটি জাতীয় পুরস্কার লাভ করে।

তাঁর অন্যান্য উপন্যাস –
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০)
- শীতের শেষরাত বসন্তের প্রথম দিন (১৯৬২)
- কর্ণফুলী (১৯৬২)
- ক্ষুধা ও আশা (১৯৬৪)
- খসড়া কাগজ (১৯৮৬), ইত্যাদি। 

 উৎস: বাংলা ভাষা ও জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর।
৪,৯২৬.
বাংলায় প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র কোনটি?
  1. আজাদ
  2. সমাচার দর্পণ
  3. দিকদর্শন
  4. বেঙ্গল গেজেট
সঠিক উত্তর:
সমাচার দর্পণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা
সমাচার দর্পণ:
- 'সমাচার দর্পণ' হলো প্রথম বাংলা সংবাদপত্র।
- জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় ২৩ মে ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম বাংলা সংবাদপত্র 'সমাচার দর্পণ'।
- এটি ছিল একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা।
- পত্রিকায় সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সংবাদ, সরকারি বিজ্ঞপ্তি, ব্রিটেনের খবর, ইউরোপিয়ান দেশগুলোর সংবাদ, জন্ম-মৃত্যু ও বিবাহের সংবাদ, চলতি বিষয় এবং ভারতের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সংবাদকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো।
- সংবাদপত্রটি শ্রীরামপুর খ্রিস্টান মিশনের আর্থিক সহযোগিতায় প্রকাশিত হলেও এতে কোনো ধরনের ধর্মীয় গোঁড়ামি বা ধর্মীয় প্রভাব ছিল না।

অন্যদিকে, 
- 'দিগদর্শন' হলো প্রথম বাংলা সাময়িকপত্র।
- 'বাঙ্গাল গেজেট' হলো দ্বিতীয় বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৩ জুন, ২০১৪।
৪,৯২৭.
নিচের কোনটি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী?
  1. এনবিআর
  2. এফবিসিসিআই
  3. বিডা
  4. জাসদ
সঠিক উত্তর:
এফবিসিসিআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এফবিসিসিআই
ব্যাখ্যা
• চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো এমন এক গোষ্ঠী যার সদস্যগণ সমজাতীয় মনোভাব এবং স্বার্থের দ্বারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ।
- তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা।
- এদের কোন বৃহৎ বা জাতীয় লক্ষ্য থাকে না।
- উদাহরণ:
- আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
-  এছাড়াও আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি), সুশাসনের জন্যে নাগরিক(সুজন), এফবিসিসিআই প্রভৃতি চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে,
- বিডা ও এনবিআর সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- জাসদ একতি রাজনৈতিক দল।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথমপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।
৪,৯২৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মেহেরপুর কত নং সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ৬ নং সেক্টর
  2. ৭ নং সেক্টর
  3. ৮ নং সেক্টর
  4. ৯ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৮ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের জুলাই মাসে প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
এদের মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়। বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অধীন মেহেরপুর ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং মেজর এম. এ. মঞ্জুর।

অন্যদিকে,
৬ নং সেক্টর : সমগ্র রংপুর জেলা ও ঠাকুরগাঁও মহকুমা
৭ নং সেক্টর : রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া ও দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ
৯ সেক্টর : বরিশাল ও পটুয়াখালী জেলা এবং খুলনা-ফরিদপুরের অংশবিশেষ
ঢাকা শহর ২নং সেক্টরের অধীন ছিলো।

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)
৪,৯২৯.
'জীবনঢুলী' কি?
  1. একটি উপন্যাসের নাম
  2. একটি কাব্যগ্রন্থের নাম
  3. একটি আত্মজীবনীর নাম
  4. একটি চলচ্চিত্রের নাম
সঠিক উত্তর:
একটি চলচ্চিত্রের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি চলচ্চিত্রের নাম
ব্যাখ্যা
◉ জীবনঢুলী হলো মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র।

জীবনঢুলী:
- এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র।
- 'জীবনঢুলী'র পরিচালক ছিলেন তানভীর মোকাম্মেল।
- ‘জীবনঢুলী’ নির্মিত হয়েছে ২০১৩ সালে।
- জীবনঢুলী নিম্নবর্গের একটি হিন্দু ঢাকি ও তার পরিবারের ১৯৭১ সালের অভিজ্ঞতার কাহিনি।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় নিম্নবর্ণের এক ঢাকি জীবনকৃষ্ণ দাস ও তাঁর পরিবারের অভিজ্ঞতার গল্প বলা হয়েছে ‘জীবনঢুলী’ ছবিতে। 
- বাংলাদেশ সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত ছবিটিতে চুকনগর গণহত্যাকে তুলে ধরা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
-  খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের চুকনগর বাজার।
- ১৯৭১ সালের ২০ মে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সেখানে এক নৃশংস গণহত্যা চালায়।
- ইতিহাসে তা ‘চুকনগর গণহত্যা’ নামে পরিচিতি।

উৎস: i) ১৯ জানুয়ারি ২০১৪, প্রথম আলো।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৯৩০.
নিচের কোনটি চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা?
  1. রঙ্গপুর বার্তাবহ
  2. গ্রামবার্তা প্রকাশিকা
  3. জ্যোতি
  4. সমাচার দর্পণ
সঠিক উত্তর:
জ্যোতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জ্যোতি
ব্যাখ্যা
সংবাদপত্র:
- পূর্ববঙ্গ অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র হলো রঙ্গপুর বার্তাবহ।
- এটি ছিলো একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৮৪৭ সালের আগস্ট মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটির প্রথম সম্পাদক ছিলেন গুরুচরণ শর্মা রায়।
- ১৮৫৭ সালে পত্রিকাটির প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।

অন্যদিকে,
- কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার সম্পাদিত ঢাকা প্রকাশ (১৮৬১) হল ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা পত্রিকা।
- গ্রামবার্তা প্রকাশিকা (১৮৬৩) পত্রিকা হরিনাথ মজুমদারের সম্পাদনায় কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে প্রকাশিত হয়।
- জ্যোতি পত্রিকা ১৯২১ সালে চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম বাংলা দৈনিক পত্রিকা।
- সমাচার দর্পণ একটি বাংলা সাপ্তাহিক পত্রিকা ছিল যা ব্যাপটিস্ট মিশনারি সোসাইটি প্রকাশ করেছিল এবং ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে শ্রীরামপুরের ব্যাপটিস্ট মিশন প্রেস থেকে 1818 সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এটি প্রথম ভারতীয় ভাষার সংবাদপত্র হিসাবে বিবেচিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং লাল নীল দীপাবলি, ড.হুমায়ুন আজাদ।
৪,৯৩১.
এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৭৯৩ সালে
  2. খ) ১৮৬৫ সালে
  3. গ) ১৭৬৫ সালে
  4. ঘ) ১৮৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৬৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
• এলাহাবাদ চুক্তি:
- ১২ আগস্ট, ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে এলাহাবাদের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- প্রয়াত সম্রাট আলমগীরের পুত্র মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম, বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভের হাতে একটি চুক্তিপত্র তুলে দিয়েছিলেন যা ইতিহাসে এলাহাবাদ চুক্তি হিসেবে পরিচিত।
- এলাহাবাদ চুক্তি অনুসারে (১৭৬৫) শাহ আলম বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা বা দীউয়ানি প্রদান করেন।
- কোম্পানি কোরা ও এলাহাবাদকে বাদশাহর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্মত হয়।    

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৯৩২.
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বর্তমান চেয়ারম্যান কে? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ
  2. বিচারপতি এম সালেহ আহমেদ
  3. বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার
  4. বিচারপতি মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি গোলাম মর্তুজা মজুমদার
ব্যাখ্যা
গত ১৪ অক্টোবর, ২০২৪ তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়।

নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন-

চেয়ারম্যান:
হাইকোর্টের বিচারপতি — গোলাম মর্তুজা মজুমদার।

সদস্য: 
১. হাইকোর্টের বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও
২. অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

চিফ প্রসিকিউটর:
সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট (০৪ নভেম্বর ২০২৪)।
৪,৯৩৩.
হান্টার কমিশন গঠনের সময় তৎকালীন ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. লর্ড রিপন
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা

হান্টার কমিশন:
- ১৮৫৪ সালে উডের ডেসপ্যাচে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উন্নতি উল্লেখিত হলেও উচ্চশিক্ষা ও সরকারি স্কুল-কলেজে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতি একেবারেই হয় না।
- তাই সরকার প্রথমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নতি সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করেন।

• হান্টার কমিশন গঠন:
- তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড রিপন ২০ জন সদস্য নিয়ে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- এটি গঠন করা হয় ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ৩রা ফেব্রুয়ারি।
- এটি প্রথম "ভারতীয় শিক্ষা কমিশন” নামে পরিচিত।
- এই কমিশন স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টারের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল বলে একে "হান্টার কমিশন” বলা হয়।
- স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টার ছিলেন এই কমিশনের সভাপতি।
- অন্যান্য সদস্যরা হলেন আনন্দমোহন বসু, কে.টি. তেলাং, ভূদেব মুখোপাধ্যায়, স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রমুখ।
- প্রাথমিক শিক্ষা ও নিরক্ষরতা বিষয়ে এই কমিশনকে বিশেষভাবে বিচার করার কথা বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৯৩৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচনের বিধান করা হয়েছিল?
  1. দ্বাদশ সংশোধনী
  2. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  3. ষোড়শ সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন, ২০১১: 
২০১১ সালে বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী পাস হয়, যা বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনে।
এর মূল বিষয়বস্তুগুলো হলো:
 
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
দলীয় সরকারের অধীন মেয়াদ শেষ হবার আগের ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান।

⇒ সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা:
৪৭ এর ৩ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য "অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তিসমষ্টি বা সংগঠন" এর বিচার করার বিধান সংযুক্ত করা।

⇒ জরুরি অবস্থার মেয়াদ:
জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়।

⇒ নতুন তফসিল সংযোজন:
সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

উৎস:
বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান। 

৪,৯৩৫.
১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত পত্রিকার নাম ছিল-
  1. জয় বাংলা
  2. বাংলাদেশ
  3. স্বাধীনতা
  4. মুক্তির ডাক
সঠিক উত্তর:
জয় বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয় বাংলা
ব্যাখ্যা
সাপ্তাহিক জয়বাংলা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র - সাপ্তাহিক জয়বাংলা।
- পত্রিকাটি মূলত ছিল মুজিবনগরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রচার মাধ্যম।
- এর লক্ষ্য ছিল একদিকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভ।
- সাপ্তাহিক জয়বাংলা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ১১ মে (২৭ বৈশাখ ১৩৭৮)।
- কলকাতার পার্ক সার্কাসের ২১/১ বালু হাক্কাক লেনে ছিল জয়বাংলা পত্রিকার অফিস দপ্তর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৯৩৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট খাদ্যশস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৪৪৩.০২ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ৪৫৩.৪৪ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ৪৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ৪৭০.২৫ লক্ষ মেট্রিক টন
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট খাদ্যশস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
এর মধ্যে,

আউশ ধান : ৩৪.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন

আমন ধান : ১৫০.৪৭ লক্ষ মেট্রিক টন

বোরো ধান : ২০৯.৫১ লক্ষ মেট্রিক টন

গম : ১২.২৬ লক্ষ মেট্রিক টন

ভুট্টা : ৫৮.৭৫ লক্ষ মেট্রিক টন।

(তথ্যসূত্র:বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
৪,৯৩৭.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. ক্যাপটেন মনসুর আলী
  2. কর্নেল এম এ রব
  3. জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
  4. মেজর জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি  ছিলেন- জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি।
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।
- মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন কর্নেল এম এ রব।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪,৯৩৮.
আগরতলা মামলার সকল অভিযুক্ত কবে মুক্তি লাভ করেন?
  1. ২১শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সাল
  2. ২২শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
  3. ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
  4. ২৪শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২২শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য: 
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯শে জুন বেলা এগারোটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- বিচারকাজ চলার সময় পাকিস্তানের উভয় অংশে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন দানা বাঁধতে থাকে।
- পূর্ব পাকিস্তানে আগরতলা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জোরদার হয়।
- ধীরে ধীরে পূর্ব পাকিস্তানের গণবিক্ষোভ ১৯৬৯ সালে এসে গণঅভ্যুত্থানে রূপান্তরিত হয়।
- অবশেষে আইয়ুব সরকার পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের কাছে নতি স্বীকার করে আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করে নেয়।
- মামলার সকল অভিযুক্ত ২২শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে মুক্তি লাভ করেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৯৩৯.
নিচের কোনটি চিনি ফসল নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান?
  1. BJRI
  2. BRRI
  3. BARI
  4. BSRI
সঠিক উত্তর:
BSRI
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BSRI
ব্যাখ্যা
BSRI:
- বাংলাদেশে চিনি ফসল নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান BSRI.
- BSRI হলো Bangladesh Sugarcrop Research Institute বা বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এটি বাংলাদেশের সুগারক্রপ (চিনি উৎপাদনকারী ফসল) যেমন আখ, খেজুর, পাটালি ইত্যাদি ফসলের গবেষণা, উন্নয়ন, এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করে।
- ১৯৫১ সালে (প্রথমে Sugarcane Research Station বা ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র নামে) প্রতিষ্ঠিত।
- মূল কার্যালয়: ঈশ্বরদী, পাবনা, বাংলাদেশ।

এছাড়া,
- BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অঙ্গ হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI), যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- BJRI হলো Bangladesh Jute Research Institute বা বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।

উৎস: বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।
৪,৯৪০.
একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. ক) আনোয়ারুল করিম চৌধুরী
  2. খ) ইফতেখার আহমেদ
  3. গ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  4. ঘ) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে। এতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে প্রথম বাংলায় ভাষণ দেন।
আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
ইসমাত জাহান জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রথম নারী স্থায়ী প্রতিনিধি।
(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)
৪,৯৪১.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়া পৃথিবীর অষ্টম সর্বোচ্চ চূড়া 'মানাসলু' জয় করেন কে?
  1. ইমরানুল হাসান শাকিল
  2. তৌফিক আহমেদ তমাল
  3. বাবর আলী
  4. এম এম মুহিত
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
ব্যাখ্যা

মানাসলু শৃঙ্গ জয়:
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়াই পৃথিবীর অষ্টম সর্বোচ্চ চূড়া 'মানাসলু' শিখরে আরোহণ করেছেন পর্বতারোহী বাবর আলী।
- ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ নেপালের স্থানীয় সময় ভোর সাড়ে চারটার দিকে পৃথিবীর অষ্টম উঁচু পর্বতে ওঠেন এভারেস্টজয়ী এই পর্বতারোহী।
- বাবর আলীর পাশপাশি বাংলাদেশের আরেক পর্বতারোহী তানভীর আহমেদও 'মানাসলু' জয় করেছেন।
- তাদের এই যৌথ অভিযানের নাম 'মানাসলু অ্যাসেন্ট: ভার্টিক্যাল ডুয়ো'।
- এর আগে ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু জয় করেন পর্বতারোহী তৌফিক আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- হিমালয় পর্বতমালার ৮ হাজার ১৬৩ মিটার উঁচু 'মাউন্টেন অব দ্য স্পিরিট' নামে পরিচিত মানাসলু পর্বতের অবস্থান নেপালের মানসিরি হিমাল রেঞ্জে।
- ২০১১ সালে ১২ অক্টোবর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গে ওঠেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী এম এম মুহিত।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকা প্রতিবেদন।

৪,৯৪২.
'লাল কেল্লা' কে নির্মাণ করেন?
  1. শাহ সুজা
  2. মীর জুমলা
  3. সম্রাট শাহজাহান
  4. শায়েস্তা খান
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট শাহজাহান
ব্যাখ্যা
সম্রাট শাহজাহান:
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের পুত্র শাহজাহান ১৫৯২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি জাহাঙ্গীরের উত্তরাধিকারী হিসেবে ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন ।
- দাদা আকবরের মতো তিনিও তার সাম্রাজ্য প্রসারিত করতে আগ্রহী ছিলেন।
- ১৬৫৮ সালে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে পুত্র আওরঙ্গজেব তাকে বন্দী করেন এবং বন্দী অবস্থায় ১৬৬৬ সালে আগ্রা দূর্গে তার মৃত্যু হয়।

উল্লেখ্য,
- তার রাজত্বের সময়কালের মুঘল স্থাপত্যের স্বর্ণযুগ ছিল।
- তিনি পৃথিবীর স্মরণকালের শ্রেষ্ঠ সমাধিসৌধ 'আগ্রার তাজমহল' নির্মাণ করেন।
- তিনি কেবল তাজমহলই নয়, আগ্রায় মতি মসজিদ, দিল্লিতে লাল কেল্লা ও জামে মসজিদও নির্মাণ করেন; শাহজাহানাবাদ নামে একটি শহর প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি ময়ূর সিংহাসন নির্মাণ করেন।
- তিনি ইংরেজদের বঙ্গদেশে কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৪,৯৪৩.
মৌর্য সাম্রাজ্যের বিখ্যাত সম্রাট অশোক কোন কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
  1. হিন্দু ধর্ম
  2. বৌদ্ধ ধর্ম
  3. খ্রিস্টান ধর্ম
  4. সনাতন ধর্ম
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ ধর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ ধর্ম
ব্যাখ্যা
• অশোকের 'ধৰ্ম্ম' ও ধর্মপ্রচার:
- সম্রাট অশোক ধম্ম প্রচার করেন।
- অশোকের শিলালিপিতে  অনুসারে 'ধম্ম' (ধর্ম) অর্থ হলো 'কল্যাণমূলক কাজ'।
- 'দুশ্চরিত্রতা হতে মুক্তি', 'দয়া', 'দান', 'সত্যবাদিতা', 'পবিত্রতা' ও 'মৃদুতা'। '
- ধম্ম' আচরণ করতে হলে এই গুণগুলির অনুশীলন করতে হবে।
- 'ধম্ম' ছিল অশোকের নিজস্ব আবিষ্কার।
- হিন্দু ও বৌদ্ধ ভাবধারার সমন্বয়ে তিনি ধম্মের নৈতিক নিয়মগুলি রচনা করেছিলেন।
- অশোক নৈতিক ও ধর্মীয় আচরণের উপরই জোর দেন।
- ডঃ রমেশচন্দ্র মজুমদার মনে করেন, অশোক ধর্মের নামে যা প্রচার করেছিলেন তা ছিল প্রকৃতপক্ষে নৈতিক অনুশাসন।
- অশোকের ব্যক্তিগত ধর্মমত ছিল বৌদ্ধধর্ম।

উল্লেখ্য,
- তিনি তাঁর 'ধম্ম' প্রচারের মাধ্যমে অসাম্প্রদায়িকতার প্রসার ঘটান,
- এবং ভারতবাসীকে এক সূত্রে বাঁধার চেষ্টা করেন।
- তাঁর সময়ে সমগ্র সাম্রাজ্যের প্রশাসনের মূলমন্ত্র ছিল এরকম "হৃদয়হীন শাসন নয়,
- সেবা আক্রমণে নয়, ভালোবাসায় অন্যের হৃদয় জয়"।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচ এসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৪৪.
টিপু সুলতান কোন অঞ্চলের শাসনকর্তা ছিলেন?
  1. ক) হায়দ্রাবাদ
  2. খ) মহীশূর
  3. গ) বিহার
  4. ঘ) ঝাড়খণ্ড
সঠিক উত্তর:
খ) মহীশূর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মহীশূর
ব্যাখ্যা
- টিপু সুলতান ভারতের মহীশূর অঞ্চলের (বর্তমান কর্নাটক) শাসক ছিলেন।
- তাকে মহীশূরের বাঘ বলা হয়।
- তিনি ১৭৮২ সাল থেকে ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত মহীশূরের শাসক ছিলেন।
- ১৭৯৯ সালে চতুর্থ মহীশূর যুদ্ধে তিনি লর্ড ওয়েলেসলির নিকট পরাজিত ও নিহত হন।
(তথ্যসূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ও বিবিসি বাংলা)
৪,৯৪৫.
কার নেতৃত্বে 'জেড' ফোর্স গঠন করা হয়?
  1. জিয়া আহসান
  2. কে.এম.সফিউল্লাহ
  3. জিয়াউর রহমান
  4. খালেদ মোশারফ
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউর রহমান
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স: 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনকে ১১টি সেক্টর ও তার অধীন অনেক সাব-সেক্টর ছাড়াও তিনটি ব্রিগেড ফোর্সে বিভক্ত করা হয়।
- ফোর্সের নামকরণ করা হয় ব্রিগেডগুলোর অধিনায়কদের নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে।

১: জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে 'জেড' ফোর্স-
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

২: কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে 'এস' ফোর্স-
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

৩: খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে 'কে' ফোর্স-
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৪,৯৪৬.
স্বাধীন বাংলাদেশের মন্ত্রীসভা কবে শপথ গ্রহণ করে?
  1. ক) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  2. খ) ১ এপ্রিল ১৯৭১
  3. গ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দের ১০ই এপ্রিল তারিখে।
- এটিই স্বাধীন বাংলাদেশের সরকার।
- ১৯৭১ সালের ১৭ই এপ্রিল এই সরকারের মন্ত্রীপরিষদের সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

এছাড়া, এম. এ. জি. ওসমানী প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

৪,৯৪৭.
মুজিববর্ষের থিম সং এর গীতিকার-
  1. ক) কামাল আব্দুল নাসের
  2. খ) শ্যাম বেনেগাল
  3. গ) সব্যসাচী হাজরা
  4. ঘ) নকীব খান
সঠিক উত্তর:
ক) কামাল আব্দুল নাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কামাল আব্দুল নাসের
ব্যাখ্যা

- বঙ্গবন্ধুর জন্মের ১০০তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষ্যে ১৭ মার্চ ২০২০ থেকে ২৬ মার্চ ২০২২ সময়কালকে মুজিববর্ষ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী।
- মুজিববর্ষের লোগো ডিজাইন করেন সব্যসাচী হাজরা এবং থিম সং এর গীতিকার ড. কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী।
- মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী উপলক্ষে বাংলাদেশে আগমন করেন পাঁচটি দেশ- ভারত, নেপাল, ভুটান, শ্রীলংকা ও মালদ্বীপ এর রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান।
- শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনা নির্মিতব্য ছবি “বঙ্গবন্ধু” যার পরিচালক শ্যাম বেনেগাল (ভারত)।
- মুজিব বর্ষ উপলক্ষে হালদা নদীকে “বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ” ঘোষণা করা হয়।
- মুজিববর্ষ স্মরণে Climate Vulnerable Forum (CVF) এর সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয় এবং ভারত বঙ্গবন্ধুর ছবি সম্বলিত হাতঘড়ি উন্মোচন করে।

উৎস: ডেইলি স্টার রিপোর্ট।

৪,৯৪৮.
কোন জনপদ থেকে 'বাঙালি' নৃগোষ্ঠীর উৎপত্তি ঘটেছিল?
  1. চন্দ্রদ্বীপ
  2. রাঢ়
  3. গৌড়
  4. বঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
ব্যাখ্যা

- বঙ্গ জনপদ থেকে 'বাঙালি' নৃগোষ্ঠীর উৎপত্তি ঘটেছিল।

বঙ্গ:

- 'বঙ্গ' একটি অতি প্রাচীন জনপদ।
- বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- অনুমান করা হয়, এখানে 'বঙ্গ' বলে একটি জাতি বাস করতো।
- তাই জনপদটি পরিচিত হয় 'বঙ্গ' নামে।
- প্রাচীন শিলালিসিতে বঙ্গের দুইটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়-একটি 'বিক্রমপুর', আর অন্যটি 'নাব্য'।
- বর্তমানে নাব্য বলে কোনো জায়গার অস্তিত্ব নেই।
- ধারণা করা হয়, ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি এ নাব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- প্রাচীন বঙ্গ জনপদ ছিল খুব শক্তিশালী অঞ্চল।
- 'বঙ্গ' থেকে 'বাঙালি' জাতির উৎপত্তি ঘটেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৪,৯৪৯.
২০২৬ সালের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিম ব্যক্তির তালিকায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অবস্থান কততম?
  1. ৩০ তম
  2. ৩৯ তম
  3. ৪৪ তম
  4. ৫০ তম
সঠিক উত্তর:
৫০ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ তম
ব্যাখ্যা

- ২০২৬ সালের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ মুসলিম ব্যক্তির তালিকা প্রকাশ করেছে জর্ডানভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘দ্য রয়েল ইসলামিক স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ সেন্টার (আরআইএসএসসি)’।
- প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, ড. মুহাম্মদ ইউনুস বিশ্বের প্রভাবশালী মুসলিম ব্যক্তিত্বদের মধ্যে ৫০তম স্থানে রয়েছেন।
- তালিকায় তাকে Interim Prime Minister of Bangladesh (বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন প্রধানমন্ত্রী) হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
- ‘দ্য মুসলিম ৫০০: ৫০০ ইনফ্লুয়েনশিয়াল মুসলিমস ২০২৬’ শিরোনামের এ তালিকায় প্রথম কাতারের আমির, দ্বিতীয় মুফতি তাকি উসমানি।
- তালিকার শীর্ষে রয়েছেন কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল-থানি। দ্বিতীয় স্থানে আছেন পাকিস্তানের প্রখ্যাত মুফতি ও ইসলামি স্কলার শেখ মুহাম্মদ তাকি উসমানি এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছেন ইয়েমেনি সুফি আলেম শেখ হাবিব উমর বিন হাফিজ।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৪,৯৫০.
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন সরকারপ্রধান বা প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগের প্রধান প্রধানমন্ত্রী।
- সংসদীয় পদ্ধতির শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত থাকায় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শাসন ক্ষমতার মধ্যমণি।
- তাঁকে কেন্দ্র করেই প্রজাতন্ত্রের সকল শাসন ও প্রশাসন পরিচালিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি শাসন সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও শাসনকার্য পরিচালনায় নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী অর্থমন্ত্রী বাজেট প্রণয়ন ও তা সংসদে পেশ করেন।
- তাঁর পরামর্শের আলোকে দেশের রাষ্ট্রপতি প্রশাসনিক ব্যয় নির্বাহে অর্থ মঞ্জুরী প্রদান করেন।

⇒ শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত।
- এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৫১.
'তাহরিক ই মুহম্মদীয়া' আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. তিতুমীর
  2. টিপু সুলতান
  3. দুদু মিয়া
  4. হাজী শরিয়ত উল্লাহ
সঠিক উত্তর:
তিতুমীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিতুমীর
ব্যাখ্যা
তিতুমীর:
- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন তাহরিক ই মুহম্মদীয়া।
- মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- উত্তর ভারত ও উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে যখন ওয়াহাবি আন্দোলনের (তাহরিক ই মুহম্মদীয়া) জোয়ার চলছে, তখন পশ্চিম বঙ্গের বারাসাত অঞ্চলে তিতুমীরের নেতৃত্বে এই আন্দোলন প্রবল আকার ধারণ করে।
- ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তিতুমীর হজ করার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে।এই যুদ্ধে তিনি নিহত হন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৫২.
প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শন উয়ারী বটেশ্বরের অবস্থান কোন জেলায়?
  1. ক) সোনারগাঁও, ঢাকা
  2. খ) কাপাসিয়া, গাজীপুর
  3. গ) বেলাব, নরসিংদী
  4. ঘ) আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) বেলাব, নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বেলাব, নরসিংদী
ব্যাখ্যা
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে পুরাতন ব্রক্ষ্মপুত্র নদ বা কয়রা নদীর তীরে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
- নির্মানকাল- ৪৫০ খ্রিস্টা- পূর্বাব্দ।
- গ্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে ২৫০০ বছরের প্রাচীন দুর্গ।
- স্কুল শিক্ষক মুহাম্মদ হানিফ পাঠান উয়ারী বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব প্রথম জনসম্মুখে তুলে ধরেন ১৯৩০ সালে।
- এর খনন কাজ শুরু হয় ২০০০ সালে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।
৪,৯৫৩.
সংবিধানের সপ্তম তফসিলের বিষয়বস্তু কী?
  1. ক) বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ
  2. খ) বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
  3. গ) মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
  4. ঘ) রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র
ব্যাখ্যা
২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৩টি তফসিল (৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তফসিল) যুক্ত করা হয়।
এর মধ্যে,
৫ম তফসিল - ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণ।
৬ষ্ঠ তফসিল - ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
৭ম তফসিল - ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।
দ্বিতীয় তফসিল – রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৪,৯৫৪.
বাংলাদেশের ওষুধশিল্পে প্রথমবারের মতো মার্কিন পেটেন্ট প্রাপ্ত ‘বঙ্গভ্যাক্স’ কোন ধরনের টিকা?
  1. ডেঙ্গু টিকা
  2. যক্ষ্মা টিকা
  3. ম্যালেরিয়া টিকা
  4. কোভিড–১৯ টিকা
সঠিক উত্তর:
কোভিড–১৯ টিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোভিড–১৯ টিকা
ব্যাখ্যা

কোভিড-১৯ টিকা ‘বঙ্গভ্যাক্স’:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে ওষুধশিল্পে প্রথমবারের মতো গ্লোব বায়োটেকের আবিষ্কৃত কোভিড-১৯ টিকা বঙ্গভ্যাক্স মার্কিন পেটেন্ট (মেধাস্বত্ব) পেয়েছে।
- গ্লোব বায়োটেকের বিজ্ঞানী কাকন নাগ ও নাজনীন সুলতানার তত্ত্বাবধানে ‘কোভিড-১৯’ শনাক্তকরণ কিট, টিকা এবং ওষুধ আবিষ্কারের গবেষণার ফলশ্রুতিতে তৈরি এই টিকা।
- প্রথমে এই টিকার টার্গেটের সম্পূর্ণ কোডিং সিকুয়েন্স ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের এনসিবিআই ডেটাবেজে প্রকাশিত হয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) ২০২০ সালে গ্লোব বায়োটেক আবিষ্কৃত এই এমআরএনএ টিকা কোডিড-১৯ ভ্যাকসিন তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।

উল্লেখ্য,
- গ্লোব বায়োটেক বলেছে, এটি একটি নিজস্ব উদ্ভাবিত মৌলিক প্রযুক্তির এমআরএনএ টিকা।
- এটি তৈরিতে ন্যানোটেকনোলজির নিজস্ব উদ্ভাবিত মৌলিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
- এটি বিশ্বের একমাত্র এক ডোজের বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট–বিরোধী কার্যকরী কোভিড টিকা।
- এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমআরএনএসহ অন্যান্য প্রযুক্তির টিকা তৈরি করা যাবে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

৪,৯৫৫.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক নয়?
  1. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড
  3. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
  4. রূপালী ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংকসমূহ:
- রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
• সোনালী ব্যাংক পিএলসি।
• রূপালী ব্যাংক লিমিটেড।
• জনতা ব্যাংক পিএলসি।
• অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড।
• বেসিক ব্যাংক লিমিটেড।
• বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড।

অন্যদিকে -
বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংকের সংখ্যা ৩টি।
- এগুলো হলোঃ
• বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
• রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।
• প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৯৫৬.
দেশীয় কোন প্রতিষ্ঠানটি ‘বঙ্গভ্যাক্স’ নামের কোভিড-১৯ রোগের টিকা উদ্ভাবন করেছে?
  1. বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস
  2. গ্লোব বায়োটেক
  3. গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র
  4. আইসিডিডিআর’বি
সঠিক উত্তর:
গ্লোব বায়োটেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লোব বায়োটেক
ব্যাখ্যা
- দেশীয় প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক ‘বঙ্গভ্যাক্স’ নামে কোভিড-১৯ রোগের প্রতিষেধক টিকা উদ্ভাবন করেছে। গত ২ জুলাই ২০২০ গ্লোব বায়োটেক এই টিকা উদ্ভাবনের ঘোষণা দেয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা গত ১৫ অক্টোবর তাদের তালিকায় গ্লোব বায়োটেকের প্রস্তাবিত তিনটি টিকাকে অন্তর্ভুক্ত করে। এগুলো হলো:
- ডি৬১৪জি ভেরিয়েন্ট এমআরএনএ
- ডিএনএ প্লাসমিড
- এডিনোভাইরাস টাইপ৫ ভেক্টর
- এদের মধ্যে প্রথম ভ্যাকসিনটির নামকরণ হয় ‘ব্যানকভিড’ যা পরবর্তীতে ‘বঙ্গভ্যাক্স’ নামকরণ করা হয়।
- বর্তমানে টিকাটি মানবদেহে ট্রায়ালের অপেক্ষায় রয়েছে।
(সূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ)
৪,৯৫৭.
'ডায়মন্ড' কোন উচ্চ ফলনশীল ফসলের জাত?
  1. আলু
  2. আম
  3. বাঁধাকপি
  4. পেঁয়াজ
সঠিক উত্তর:
আলু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উৎস: জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
৪,৯৫৮.
জনসংখ্যার স্বাভাবিক বৃদ্ধির হার: [মার্চ, ২০২০]
  1. ক) ১.৩৩%
  2. খ) ২.৩৩%
  3. গ) ১.০৩%
  4. ঘ) ১.৪৫%
সঠিক উত্তর:
ক) ১.৩৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১.৩৩%
ব্যাখ্যা
জনসংখ্যা ও জনতাত্বিক রিপোর্ট-২০১৯
৪,৯৫৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত?
  1. ১৫
  2. ২৭
  3. ৩৭
  4. ৩৯
সঠিক উত্তর:
৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত।

⇒ ৩৯ নং অনুচ্ছেদ:
- (১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হলো।
- (২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংগঠনের প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা প্রদান করা হলো।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে ১৫ নং অনুচ্ছেদে 'মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সমাবেশের স্বাধীনতা। ৩৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসংগত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৯৬০.
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয় ১৯৭২ সালের -
  1. ১১ এপ্রিল
  2. ১২ অক্টোবর
  3. ১১ জানুয়ারি
  4. ২২ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধানে তফসিল রয়েছে - ৭ টি।
- সংবিধানে অনুচ্ছেদ রয়েছে - ১৫৩ টি।
- মূলনীতি রয়েছে - ৪ টি।
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয় - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- সংবিধান রচনা কমিটির প্রধান - ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য সংখ্যা ছিল - ৩৪ জন।
- একমাত্র মহিলা সদস্য ছিল - বেগম রাজিয়া বানু।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য - সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত।
- খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৯৬১.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফায় কোন কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন চাওয়া হয়েছে?
  1. জাহাঙ্গীরনগর ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ঢাকা ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  3. চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে ‘যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- ২১ ফেব্রুয়ারিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য যুক্তফ্রন্টের ইশতেহার করা হয় ২১ দফা।
- ২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- যুক্তফ্রন্ট তাদের ঐতিহাসিক ২১ দফা দাবিতে গণমানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরে।

⇒ যুক্তফ্রন্টের ২১ দফার ১১ নং দফায় ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার দাবি জানানো হয়।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৬২.
পিএসসির সদস্যবৃন্দকে শপথ পড়ান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. জনপ্রশাসন মন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
রাষ্ট্রপতি যাদের শপথ বাক্য পাঠ করান:
• প্রধানমন্ত্রী   
• মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ
• স্পিকার     
• ডেপুটি স্পিকার
• প্রধান বিচারপতি

স্পীকার যাদের শপথবাক্য পাঠ করান: 
• রাষ্ট্রপতি    
• সংসদ সদস্যবৃন্দ

প্রধান বিচারপতি যাদের শপথ বাক্য করান:
• আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ
পিএসসির সদস্যবৃন্দ
• মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
• নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪,৯৬৩.
মোট শ্রমশক্তির শতকরা কতভাগ শিল্পখাতে নিয়োজিত? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. ২০,০০%
  2. ১৫,৭৭%
  3. ১১,১২%
  4. ১৭.৩৭%
সঠিক উত্তর:
১৭.৩৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭.৩৭%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫ অনুসারে:

• শ্রমশক্তি ও কর্মসংস্থান (শ্রমশক্তি জরিপ, ২০২৪ মোতাবেক)
মোট শ্রমশক্তি (১৫ বছর+) (মিলিয়ন) = ৭১.৭১%
পুরুষ = ৪৮.০২%
মহিলা = ২৩.৬৯%

মোট শ্রমশক্তির শতকরা হার হিসেবে (২০২৪)
• কৃষি = ৪৪,৬৭%
• শিল্প = ১৭.৩৭%
• সেবা= ৩৭.৯৬%
• বেকারত্বের শতকরা হার = ৩.৬৬%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৫।

৪,৯৬৪.
আসাদুজ্জামান আসাদ শহীদ হন-
  1. ক) ৫২ এর ভাষা আন্দোলনে
  2. খ) ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলনে
  3. গ) ৬৯ এর গণ আন্দোলনে
  4. ঘ) ৬৬ এর ছয় দফা আন্দোলনে
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৯ এর গণ আন্দোলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৯ এর গণ আন্দোলনে
ব্যাখ্যা

- ঊনসত্তরের গণআন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের ছাত্র আসাদুজ্জামান আসাদ শহীদ হন।
- তিনি ২০ জানুয়ারি ১৯৬৯ সালে শহীদ হন।
- এইজন্য বাংলাদেশে ২০ জানুয়ারিকে শহীদ আসাদ দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৯৬৫.
What was the capacity of the crane ship to install the span of the Padma Bridge?
  1. ক) 3600 tons
  2. খ) 2600 tons
  3. গ) 3500 tons
  4. ঘ) 4500 tons
সঠিক উত্তর:
ক) 3600 tons
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 3600 tons
ব্যাখ্যা
এক নজরে পদ্মা সেতু:
• অফিসিয়াল নাম: পদ্মা বহুমুখী সেতু (Padma Multipurpose Bridge)
• সেতুর ধরন: দ্বিতল (ওপরে সড়ক এবং নিচে রেলপথ)
• প্রত্যক্ষভাবে জড়িত স্থান/জেলা/উপজেলা ৩টি- ১. মাওয়া, লৌহজং উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ জেলা, ২. শিবচর উপজেলা, মাদারীপুর জেলা ও ৩. জাজিরা উপজেলা, শরীয়তপুর জেলা।
• সংযোগস্থল: মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার মাওয়া ও শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলা।
• ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: ৪ জুলাই ২০০১।
• নির্মাণকাজ উদ্বোধন: ১২ ডিসেম্বর ২০১৫।
• দৈর্ঘ্য: ৬.১৫ কি.মি. (২০,১৭৭.১৭ ফুট)।
• প্রস্থ: ১৮.১০ মি. (৫৯.৩৮ ফুট)
• সংযোগ সড়কসহ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য: ৯.৩০ কি.মি.
• লেন: ৪টি 
• সেতুর আয়ুষ্কাল: ১০০ বছর 
• ভূমিকম্পের সহনীয় মাত্রা: রিখটার স্কেল ৯ 
• স্প্যান: ৪১টি
• পিলার বা পিয়ার: ৪২টি
• পাইল: ২৯৪টি 
• ক্রেনের ওজন : ৩৬০০ টন 
• নির্মাণের উপাদান: কংক্রিট ও স্টিল 
• ডিজাইন: AECOM (যুক্তরাষ্ট্র)
• সমীক্ষা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: JICA
• নির্মাণকারী: চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেড (চীন)
• নদী শাসক প্রতিষ্ঠান: সিনোহাইড্রো কর্পোরেশন (চীন)
• নির্মাণ পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে কর্পোরেশন (দক্ষিণ কোরিয়া) 
• প্রথম স্প্যান বসানো হয়: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ (৩৭ ও ৩৮ নম্বর পিলারে) 
• ৪১তম বা শেষ স্প্যান বসানো হয়: ১০ ডিসেম্বর ২০২০ (১২ ও ১৩ নম্বর পিলারে)

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২; দৈনিক ইত্তেফাক রিপোর্ট 
৪,৯৬৬.
Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে কয় ভাগে বিভক্ত করেছেন?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- যে গোষ্ঠীর সদস্যগণ একই মনোভাব ও স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং স্বার্থের ভিত্তিতেই তারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ হয় তাকে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে।
- Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে ৪ ভাগে ভাগ করেছেন। যথা-
• Institutional Interest Groups,
• The Associational Interest Groups,
• Anomic Interest Groups,
• Non-Associational Interest Groups.

তথ্যসূত্র - উচ্চমাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৬৭.
বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের মোট বিচারক কত জন? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৪ জন
  2. ৫ জন
  3. ৬ জন
  4. ৭ জন
সঠিক উত্তর:
৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জন
ব্যাখ্যা
আপিল বিভাগ:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আপীল আদালত।
- এটি হল প্রথম স্তরের আপীল আদালত, যা হাইকোর্ট বিভাগের চূড়ান্ত বিচারিক রায় পর্যালোচনা করার কর্তৃত্ব রাখে।

⇒ ক্ষমতা ও কার্যাবলী:
- হাইকোট বিভাগের রায়, ডিক্রি, আদেশ বা দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানির ও তাহা নিস্পত্তির এখতিয়ার ও ক্ষমতা রয়েছে।
- এ বিভাগের কোন ঘোষিত রায় বা প্রদত্ত আদেশ পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
- রাষ্ট্রপতির প্রয়োজন মোতাবেক আপিল বিভাগ আইন বিষয়ে মতামত জ্ঞাপন করতে পারে।
- সম্পূর্ণ ন্যায় বিচারের স্বার্থে কোন ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করা ও কাগজপত্র পেশ করার আদেশ দিতে পারে।

⇒ এ বিভাগের বিচারকের নির্দিষ্ট কোন সংখ্যা নেই তবে এখানে হাইকোর্ট বিভাগের চেয়ে স্বল্প সংখ্যক বিচারক থাকে।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালে তিনজন বিচারপতি নিয়ে আপিল বিভাগে বিচারকাজ শুরু হয়।
- ২০০৯ সালে আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ১১ জনে উন্নীত করে সরকার।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে আপিল বিভাগের বিচারকের সংখ্যা ৭ জন।
- মোট বিচারক: প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ, বিচারপতি মোঃ আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, বিচারপতি মো. রেজাউল হক, বিচারপতি এস এম এমদাদুল হক, কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি ফারাহ মাহবুব শপথ ।

উৎস: i) সুপ্রীম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৬৮.
বিবিএস SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার শিক্ষার হার কত?
  1. ক) ৭৪.৩ শতাংশ
  2. খ) ৭৪.৮ শতাংশ
  3. গ) ৭৫.২ শতাংশ
  4. ঘ) ৭৫.৫ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৫.২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৫.২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে:
- ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার শিক্ষার হার : ৭৫.২ শতাংশ।
- ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার শিক্ষার হার : ৭৫.৬ শতাংশ।
(তথ্যসূত্রঃ বিবিএস SVRS Report-2020)
৪,৯৬৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় পরিচালিত ’ক্র্যাক প্লাটুন’ ছিল-
  1. চট্টগ্রামের গেরিলা দল
  2. ঢাকার গেরিলা দল
  3. রাজশাহীর গেরিলা দল
  4. খুলনার গেরিলা দল
সঠিক উত্তর:
ঢাকার গেরিলা দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকার গেরিলা দল
ব্যাখ্যা

'ক্র্যাক প্লাটুন':
- মুক্তিযুদ্ধে স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ।
- এই বাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন অংশ নেয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটিএম হায়দার।
- ক্রাক প্লাটুন ঢাকা শহরে অপারেশন পরিচালনা করে।
- ঢাকা শহরে এটি ৮২ টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- এরা "হিট এন্ড রান" পদ্ধতিতে তাঁদের অপারেশন পরিচালনা করতো।
- এই প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন:
- শহীদ জননী জাহানার ইমাম, শহীদ রুমি ইমাম, আলতাফ মাহমুদ, পপ সম্রাট আজম খান প্রমুখ।
 
 উৎস:  বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভস, দ্যা দেইলি স্টার বাংলা।

৪,৯৭০.
সাংবিধানিকভাবে প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন কে?
  1. আইনমন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ:
- সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শপূর্বক অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগ দেন।
- বিচারপতি হিসেবে নিয়োগের জন্যে ন্যূনতম দশ বছর সুপ্রিমকোর্টে অ্যাডভোকেট বা দেশের বিচার বিভাগীয় পদে দশ বছর নিযুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা প্রয়োজন হয়।
- ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৯৬ ধারা পুন:স্থাপন করে বিচারপতি’র চাকুরীর শেষ বয়সসীমা ৬৭ বছর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান, সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট।

৪,৯৭১.
বাংলাদেশে অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৬ সালে
  3. গ) ১৯৭৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন গঠিত হয় ১৯৭২ সালে। 

অ্যাথলেটিকস:-
- পৃথিবীতে যত প্রকার খেলাধুলার প্রচলন রয়েছে তার মধ্যে দৌড়, লাফ ও নিক্ষেপই সবচেয়ে প্রাচীন।
- আদিম যুগে মানুষকে বাঁচার জন্য দৌড়াতে, বাধা অতিক্রম করতে লাফাতে এবং শিকার বা শত্রুকে ঘায়েল করতে নিক্ষেপের সাহায্য নিতে হতো।
- মানব সভ্যতার ক্রমবিবর্তনে এই দৌড়, লাফ ও নিক্ষেপই ক্রীড়ায় রূপান্তরিত হয়ে অ্যাথলেটিকস নামে পরিচিতি লাভ করেছে।
- ১৯১২ সালে ইন্টারন্যাশনাল অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন (I.A.A.F) গঠিত হয়।
- এটিই অ্যাথলেটিকস এর সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে অ্যামেচার অ্যাথলেটিকস ফেডারেশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ এই আন্তর্জাতিক এ্যামেচার অ্যাথলেটিক ফেডারেশনের সদস্য।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৯৭২.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’ পরিচালনা করেছিলেন কে?
  1. চাষী নজরুল ইসলাম
  2. খান আতাউর রহমান
  3. জহির রায়হান
  4. আমজাদ হোসেন
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

◉ ১৯৭২ সালে নির্মিত ‘ওরা ১১ জন’ ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম মুক্তিযোদ্ধাদের অভিজ্ঞতা ও সংগ্রামকে কেন্দ্র করে সিনেমাটি নির্মাণ করেন।

ওরা ১১ জন (১৯৭২):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’।
- এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম।
- এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন রাজ্জাক, শাবানা, নূতন, হাসান ইমাম, এ টি এম শামসুজ্জামান, খলিল উল্লাহ প্রমুখ।
- সিনেমায় অভিনয় করা ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার ১০ জনই সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন।
- তাঁদের মধ্যে আছেন খসরু, মুরাদ, হেলাল, নান্টু। ছবির নামটি প্রতীকী।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং ১৯৬৮-৬৯ সালে ছাত্ররা ১১ দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করে।
- এখান থেকে ছবির নামকরণ হয়েছে ‘ওরা ১১ জন’।

আরো উল্লেখযোগ্য কিছু মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
• অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী (১৯৭২):
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।
- কাহিনিতে পাকিস্তানি নৃশংসতার বিরুদ্ধে বাঙালিদের প্রতিরোধযুদ্ধের কথা আছে।
- এখানে একজন ধর্ষিতা নারীকে একজন অভিনেতা স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করেন।

সংগ্রাম:
- এটি নির্মাণ করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- এর গল্প নেওয়া হয়েছে সেক্টর কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফের ডায়েরি থেকে।
- এতে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট ও অন্যান্য বাহিনীর বীরত্বগাথা চিত্রিত হয়েছে।
- এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন সুচন্দা, খসরু।

ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩):
- এটির নির্মাতা আলমগীর কবির।
- ভারতীয় মেয়ে অনিতার প্রেমিক মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়।
- সে ঢাকায় এসে যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে আরও গভীরভাবে মর্মাহত হয়।
- অভিনয়ে বুলবুল আহমেদ, ববিতা, গোলাম মোস্তফা, আনোয়ার হোসেন, খলিল উল্লাহ প্রমুখ।
- হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান আছে এ ছবিতে।

একাত্তরের যীশু (১৯৯৩): 
- চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন নাসির উদ্দীন ইউসুফ।
- শাহরিয়ার কবিরের উপন্যাস থেকে এর কাহিনি নেওয়া হয়েছে।
- অভিনয় করেছেন পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়, হুমায়ুন ফরীদি, জহির উদ্দিন পীয়ার, আবুল খায়ের, আনোয়ার ফারুক, কামাল বায়েজীদ, শহীদুজ্জামান সেলিম।

উৎস: প্রথম আলো- তারিক মনজুর, শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৭৩.
রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দলিল কোনটি?
  1. ক) ফৌজদারি কার্যবিধি
  2. খ) পেনাল কোড
  3. গ) সংবিধান
  4. ঘ) দেওয়ানি বিধি
সঠিক উত্তর:
গ) সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সংবিধান
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দলিল হলো সংবিধান। এটি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ''জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসামঞ্জস্য হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হইবে।'' অর্থাৎ সংবিধানের আলোকেই প্রচলিত অন্যান্য আইন তৈরি হবে।
(সূত্রঃ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও নাগরিকতা এবং বাংলাদেশ সংবিধান)
৪,৯৭৪.
৯ অক্টোবর ২০২১ সালে, ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তা প্রদান করতে জাতিসংঘের কোন সংস্থার সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) ইউনিসেফ
  2. খ) ইউএনএইচসিআর
  3. গ) ইউএনএইচআরসি
  4. ঘ) ইউনেস্কো
সঠিক উত্তর:
খ) ইউএনএইচসিআর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউএনএইচসিআর
ব্যাখ্যা
৯ অক্টোবর ২০২১ সালে রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তায় ভাসানচরে
রোহিঙ্গাদের সহায়তায় মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করার বিষয়ে
জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)  বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করে।
বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহসীন এবং জাতিসংঘের পক্ষে বাংলাদেশে ইউএনএইচসিআরের প্রতিনিধি উহানেন্স ভন ডার ক্লাও সমঝোতা স্মারকে সই করেন।
উৎস : প্রথম আলো 
৪,৯৭৫.
বাংলাদেশের বীরত্বসূচক উপাধিগুলোর মধ্যে কোনটির স্থান মর্যাদার দিক থেকে দ্বিতীয়?
  1. বীরউত্তম
  2. বীরবিক্রম
  3. বীরপ্রতীক
  4. বীরশ্রেষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
বীরউত্তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীরউত্তম
ব্যাখ্যা

• বীরত্বসূচক খেতাব:
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর পূর্বে নির্বাচিত সকল মুক্তিযোদ্ধার নামসহ মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
এগুলো হলো:

- যথাক্রমে:- বীরশ্রেষ্ঠ, বীরউত্তম, বীরবিক্রম, বীরপ্রতীক।
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৯৭৬.
বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোস্তফা কামাল কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন?
  1. ২নং সেক্টর
  2. ৪নং সেক্টর
  3. ৭নং সেক্টর
  4. ৮নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৪,৯৭৭.
সেন্টমার্টিন দ্বীপের পুরাতন নাম কি?
  1. কলাতলী
  2. প্রবাল দ্বীপ
  3. টেকনাফ
  4. নারিকেল জিঞ্জিরা
সঠিক উত্তর:
নারিকেল জিঞ্জিরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারিকেল জিঞ্জিরা
ব্যাখ্যা
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপটি নারকেল জিঞ্জিরা হিসেবে পরিচিত ছিলো।
- প্রচুর নারকেল পাওয়া যায় বলে এ নামটি অনেক আগে থেকেই পরিচিত হয়েছে।
- প্রায় ৫০০০ বছর আগে টেকনাফের মূল ভূমির অংশ ছিল জায়গাটি।
- কিন্তু ধীরে ধীরে এটি সমুদ্রের নিচে চলে যায়।
- এরপর প্রায় ৪৫০ বছর আগে বর্তমান সেন্ট মার্টিন দ্বীপের দক্ষিণ পাড়া জেগে উঠে।
- এর ১০০ বছর পর উত্তর পাড়া এবং পরবর্তী ১০০ বছরের মধ্যে বাকি অংশ জেগে উঠে।
- ২৫০ বছর আগে আরব বণিকদের নজরে আসে এ দ্বীপটি।
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সাথে বাণিজ্যের সময় আরব বণিকরা এ দ্বীপটিতে আরব বণিকরা বিশ্রাম নিতো।
- তখন তারা এ দ্বীপের নামকরণ করেছিল 'জাজিরা'।
- পরবর্তীতে যেটি নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত হয়। 

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা। [লিঙ্ক]
৪,৯৭৮.
৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা -
  1. ৩০ হাজার মেগাওয়াট
  2. ৩৫ হাজার মেগাওয়াট
  3. ৪০ হাজার মেগাওয়াট
  4. ৪৫ হাজার মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
৩০ হাজার মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ হাজার মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
৮ম-পঞ্চবার্ষিক-পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%। 
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
৪,৯৭৯.
বীরশ্রেষ্ঠগণের মধ্যে বিমান বাহিনীর কয়জন ছিলেন?
  1. ক) ২ জন
  2. খ) ৩ জন
  3. গ) ৪ জন
  4. ঘ) ১ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ জন
ব্যাখ্যা
মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে কে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করেন।
- এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নো বাহিনীর একজন করে।

বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্তরা হলেন:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : সাবেক ই. পি. আর.।
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : সাবেক ই. পি. আর.।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
৪,৯৮০.
দেশের নবম ইপিজেড কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. বাগেরহাট
  2. রংপুর
  3. গোপালগঞ্জ
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নবম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের নবম ইপিজেড পটুয়াখালীতে স্থাপিত হবে।
- ১,৫৩০ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ পাওয়ার ও ১,৮৩৬ মিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে পটুয়াখালীতে গড়ে তোলা হচ্ছে বাংলাদেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)।
- বেপজার কর্মকর্তারা জানান, পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে বিনিয়োগের সম্ভাবনা বেড়েছে।
- 'প্রস্তাবিত ইপিজেডের কাছাকাছি দুটি সমুদ্র বন্দর রয়েছে।
- একটি পায়রা, অপরটি মোংলা সমুদ্র বন্দর।
- সমীক্ষা অনুযায়ী, পটুয়াখাালীর পচাকোড়ালিয়া ও কুয়াকাটার ৪১৮ একর জমিতে প্রস্তাবিত ইপিজেডে ৩০৬টি শিল্প প্লট তৈরি করা যাবে।
- প্রস্তাবিত ইপিজেডে ১ লাখ বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
- এছাড়া আরও ২ লাখ বাংলাদেশির পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে।
- ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ইপিডেজ স্থাপনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮০ সালে গঠন করা হয় বেপজা।
- বেপজা ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামে দেশের প্রথম ইপিজেড স্থাপন করে।

উৎস: ২৩ জুন, ২০২৩, The Business Standard।
৪,৯৮১.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গণহত্যাটি কোথায় হয়?
  1. রায়ের বাজার
  2. মোহাম্মদপুর
  3. চুকনগর
  4. মিরপুর
সঠিক উত্তর:
চুকনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুকনগর
ব্যাখ্যা

চুকনগর গণহত্যা:
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় গণহত্যা ছিল চুকনগর গণহত্যা।
- চুকনগর ছিল খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের একটি গ্রাম।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ১৯৭১ সালের ২০ মে মাত্র এক প্লাটুন পাকিস্তানি সেনা ৪ ঘণ্টায় ব্রাশফায়ার করে হত্যা করে অন্তত ১২ হাজার নিরীহ মানুষকে।
- প্রকৃতপক্ষে এই গণহত্যায় এরচেয়ে বেশি মানুষ নিহত হয়েছিলেন।
- চুকনগরের পাশে ভদ্রা নদীর পানিতে লাশ ভাসিয়ে দেওয়ায় নিহতের প্রকৃত সংখ্যা পাওয়া যায়নি।
- মে মাসের মাঝামাঝি সময় বৃহত্তর খুলনার বাগেরহাট, রামপাল, মোড়েলগঞ্জ, কচুয়া, শরণখোলা, মংলা, দাকোপ, বটিয়াঘাটা, চালনা, ফরিদপুর, বরিশালসহ বিভিন্ন অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ ভারতে যাবার উদ্দেশে রওনা হন।
- ভারতে যাবার জন্যে তারা ট্রানজিট হিসেবে বেছে নেন ডুমুরিয়ার চুকনগরকে।
- ২০ মে সকাল ১০টার দিকে ৩টি ট্রাকে করে হঠাৎ পাকিস্তানি সেনারা চুকনগর বাজারের ঝাউতলায় (তৎকালীন পাতখোলা) এসে থামে।
- দুপুর ৩টা পর্যন্ত তারা নির্বিচারে মানুষ হত্যা করতে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।

৪,৯৮২.
একজন বাংলাভাষী শিশুর প্রাথমিক শিক্ষায় প্রথম ধাপ কী?
  1. বাংলা ও গণিতের স্বাক্ষরতা
  2. বাংলা ও ইংরেজিতে দক্ষতা
  3. বাংলা ও আরবিতে দক্ষতা
  4. স্বাক্ষরতা
সঠিক উত্তর:
বাংলা ও গণিতের স্বাক্ষরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা ও গণিতের স্বাক্ষরতা
ব্যাখ্যা

⇒ একজন বাংলাভাষী শিশুর প্রাথমিক শিক্ষায় প্রথম ধাপ বাংলা ও গণিতের সাক্ষরতা।

- একজন বাংলাভাষী শিশুর জন্য প্রাথমিক শিক্ষার প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো মাতৃভাষায় সাক্ষরতা অর্জন।
- এর মধ্যে প্রথমেই বাংলা ভাষায় পড়া-লেখা ও গণিতের মৌলিক সংখ্যাজ্ঞান গড়ে তোলা হয়।
- প্রথম শ্রেণি থেকেই শিশুকে বাংলা অক্ষর চেনা, শব্দ গঠন ও সহজ গণিতের ধারণা শেখানো হয়।
- এটি শিশুর মানসিক বিকাশ ও পরবর্তী শিক্ষার ভিত্তি তৈরি করে।
- ইংরেজি বা অন্য ভাষা পরে আসে, প্রথম ধাপে মাতৃভাষা ও গণিতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
- এ কারণে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাক্রমে এটিই প্রথম ধাপ হিসেবে বিবেচিত।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৪,৯৮৩.
স্বাধীন দেশ হিসেবে বাংলাদেশ কত সালে কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ও কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথের মূল রাষ্ট্র যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ।
- বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে ১৯৭১ সালে গ্রেট ব্রিটেনের প্রচার মাধ্যমগুলো বিশেষত, বিবিসি, লন্ডন টাইমস, দ্য সান, গার্ডিয়ান, মিরর পত্রিকা স্বাধীনতাকামী বাঙ্গালি জনগণের উপর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর নির্মম নির্যাতন প্রচার করে বিশ্বজনমত সৃষ্টি করেছিল।
- ব্রিটেনসহ কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো ভারতে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীদের জন্য ব্যাপক সাহায্য দিয়েছিল।
- স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশের বিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলো অকাতরে সাহায্য সহযোগিতা দিয়েছে।

⇒ স্বাধীন দেশ হিসাবে কমনওয়েলথ ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে ১৯৭২ সালেই দ্রুত স্বীকৃতি দেয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বাংলাদেশের অস্থিতিশীল রাজনীতি ও সরকার- বিরাধীদলের দাঙ্গাপূর্ণ সম্পর্ক অবসানে বিভিন্ন সময় কমনওয়েলথ মহাসচিব মধ্যস্থতার চেষ্টা করেছেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে ১৮ ফিব্রুয়ারি ১৯৭২। এজন্য ক্ষিপ্ত হয়ে পাকিস্তান কমনওয়েলথ ত্যাগ করে ১৯৭২ সালে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৯৮৪.
স্বাধীনতার প্রাক্কালে ১৯ মার্চ জনতার সঙ্গে পাকবাহিনীর প্রথম প্রতিরোধ যুদ্ধ হয় -
  1. ক) ফার্মগেট
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) জয়দেবপুর
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুর
ব্যাখ্যা
পাকবাহিনীকে প্রতিরোধ

- জয়দেবপুরে প্রথম সশস্ত্র গণপ্রতিরোধের সূচনা হয়।
- ৭ মার্চের পর এখানে মো. হাবিবুল্লাহ, আ.ক.ম. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯ মার্চ জয়দেবপুরে জনতার সশস্ত্র প্রতিরোধ শুধু গাজীপুরে নয় সারা দেশের সার্বিক স্বাধীনতার সংগ্রামে তাৎপর্যপূর্ণ।
- ২৫ মার্চ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধের আগেই জয়দেবপুরবাসী গর্জে ওঠে।

- ঐদিন ব্রিগেডিয়ার জাহানজেবের নেতৃত্বে পাকিস্তানি বাহিনীর একটি দল ঢাকা থেকে জয়দেবপুরে দ্বিতীয় বেঙ্গল রেজিমেন্টের (দ্বিতীয় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট) বাঙালি সৈনিকদের অস্ত্র জমা নেওয়ার জন্য এলে পথে হাজার হাজার লোক দুর্ভেদ্য ব্যারিকেড দেয়।
- জয়দেবপুর রেলক্রসিং-এর কাছে লাঠি, তীর, বন্দুক ছাড়াও অনেকে ব্যক্তিগত কয়েকটি বন্দুক নিয়ে উপস্থিত হয়।
- সেদিন জনতার অনুরোধে ৫ জন বাঙালী সৈনিক পাঞ্জাবি সৈনিকদের ওপর প্রথম গুলি ছুঁড়ে।
- পাল্টা গুলিতে নিহত হয় জয়দেবপুর বাজারে মনুমিয়া নামের এক দর্জি ও নিয়ামত নামে এক কিশোর আহত হয়।
- কানু মিয়া নামে আর একজন নিহত হয়।
- মারমুখী জনতার প্রতিরোধ মোকাবেলা করে সে যাত্রা পাক সেনারা ঢাকা ফিরে যায়।
- কিন্তু জয়দেবপুরের প্রতিরোধের শিক্ষা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিভিন্ন জায়গায় শ্লোগান ওঠে ‘জয়দেবপুরের পথ ধর, বাংলাদেশ স্বাধীন কর।'

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ৩, বিএ অ্যান্ড বিএসএস প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও দৈনিক প্রথম আলো।
৪,৯৮৫.
তথ্য অধিকার আইন কোন সালে চালু হয়?
  1. ক) ২০১২
  2. খ) ২০০৫
  3. গ) ২০০২
  4. ঘ) ২০০৯
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৯
ব্যাখ্যা
- তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ অনুযায়ী  এপ্রিল ৬, ২০০৯ তথ্য অধিকার আইন প্রণিত হয়।
- তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রণীত আইন। 
- যেহেতু গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা নাগরিকগণের অন্যতম মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত এবং তথ্য প্রাপ্তির অধিকার  চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ; এবং যেহেতু জনগণ প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক ও জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা অত্যাবশ্যক।
- জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিত করা হলে সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারী ও বিদেশী অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারী সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পাবে, দুর্নীতি হ্রাস পাবে ও সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
- যেহেতু সরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ সংস্থা এবং সরকারী ও বিদেশী অর্থায়নে সৃষ্ট বা পরিচালিত বেসরকারী সংস্থার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার   লক্ষ্যে বিধান করা সমীচীন ও প্রয়োজনীয়।

উৎস:- বাংলাদেশ সংবিধান।
৪,৯৮৬.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা বিচারে গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রধান ছিলেন কে?
  1. আব্দুস সাত্তার
  2. এস এ রহমান
  3. মনজুর কাদের
  4. মুকসুমুল হাকিম
সঠিক উত্তর:
এস এ রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এ রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলায় আসামী করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
এই মামলার বিচারের জন্যে গঠিত ট্রাইব্যুনাল:
- প্রধান বিচারপতি : এস এ রহমান
- সদস্য : এম আর খান
- মুকসুমুল হাকিম।
রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি:
- মনজুর কাদের
- অ্যাডভোকেট জেনারেল টি. এইচ. খান।
বাদী পক্ষের আইনজীবী:
- আবদুস সালাম খান
- স্যার টমাস উইলিয়াম।
- এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে।
- এর ফলে ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী।
৪,৯৮৭.
কাজী নজরুল ইসলাম ও মোজাফফর আহমেদ যুগ্মভাবে কোন পত্রিকার সম্পাদনা করেন?
  1. ক) দৈনিক আজাদ
  2. খ) দৈনিক নবযুগ
  3. গ) দৈনিক সংবাদ
  4. ঘ) দৈনিক গণকণ্ঠ
সঠিক উত্তর:
খ) দৈনিক নবযুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দৈনিক নবযুগ
ব্যাখ্যা
- দৈনিক নবযুগ পত্রিকাটি ১৯২০ সালের ১২ জুলাই প্রথম প্রকাশিত হয়। এটির মালিক ও পরিচালক ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক।
- জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও মুজাফফর আহমদ ছিলেন যুগ্ম সম্পাদক।
- পত্রিকাটি প্রকাশের বছর খানেকের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায় এবং ১৯৪২ সালে পুনরায় চালু হয়ে দুবছর পর চিরতরে বন্ধ হয়ে যায়।
- দৈনিক নবযুগে কাজী নজরুল লিখিত কলামসমূহ নিয়ে নজরুলের ‍যুগবাণী প্রবন্ধগ্রন্থ প্রকাশিত হয় যা ব্রিটিশ সরকার রাজয়োপ্ত করে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
৪,৯৮৮.
প্রথম জাতীয় সংসদ কতদিন স্থায়ী ছিল?
  1. ক) ২৭ মাস
  2. খ) ৩১ মাস
  3. গ) ৩৪ মাস
  4. ঘ) ২৯ মাস
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩১ মাস
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় সংসদ (৭ এপ্রিল ১৯৭৩ - ৬ নভেম্বর ১৯৭৫) ৩১ মাস স্থায়ী ছিল। ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়। ৭ এপ্রিল সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।
সূত্রঃ www.parliament.gov.bd
৪,৯৮৯.
১৯৯৬ - ২০০১ মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম কার্যক্রম কোনটি ছিল?
  1. ক) ইনডিমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল
  2. খ) পাবর্ত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি
  3. গ) গঙ্গার (ফারাক্কা) পানি বণ্টন চুক্তি
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
- আওয়ামী লীগ সরকার ১৯৯৬ সালের ২৩ জুন সরকার গঠনের পর থেকে পূর্ণ মেয়াদ (৫ বছর) ক্ষমতায় ছিল। 
- ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত শাসনামলে আওয়ামী লীগ সরকারের অন্যতম কার্যক্রম ছিল “ইনডিমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল” ভারতের সঙ্গে “গঙ্গার (ফারাক্কা) পানি বণ্টন চুক্তি” এবং “ পাবর্ত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি”।
 
উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৪,৯৯০.
পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধে কে পরাজিত হন?
  1. ক) বৈরাম খাঁ
  2. খ) আহমদ শাহ আবদালি
  3. গ) মারাঠা বাহিনী
  4. ঘ) আফগান নেতা হিমু
সঠিক উত্তর:
গ) মারাঠা বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মারাঠা বাহিনী
ব্যাখ্যা
• পানি পথের যুদ্ধ:
- পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- দিল্লি হতে পানি পথের দূরত্ব- ৯০ কি.মি.
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে। যথা:

• পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:
- সময়কাল-১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
- পক্ষ- বারব বনাম ইব্রাহিম লোদী
- ফলাফল- ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন্
- এই যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।
- এই যুদ্ধের ফলে ভারতে মোঘল সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং দিল্লি সালতানাতের পতন হয়।
• পানিপথের ‍দ্বিতীয় যুদ্ধ: 
 - সময়কাল-১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ 
- পক্ষ - আকবরের সেনাপতি বৈরাম খাঁ বনাম আফগান নেতা হিমু।
- ফলাফল - হিমু পরাজিত ও নিহত হন।
• পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল - ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে।
- আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।
- ফলাফল - মারাঠা বাহিনী পরাজিত হন

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৯৯১.
মাতৃত্বকালীন কয় মাসের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ৩ মাস
  2. ৪ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ৮ মাস
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ মাস
ব্যাখ্যা
মাতৃত্বকালীন ছুটি:
- বাংলাদেশ সরকার ১১ জানুয়ারি ২০১১ গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত নারী কর্মীদের জন্য ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি ঘোষণা করে।
- এটি ৯ জানুয়ারি ২০১১ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- মাতৃত্বজনিত ছুটি বৃদ্ধির ফলে মায়েরা তাদের সন্তানদের বুকের দুধ পান করাতে সমর্থ হবেন এবং এর ফলে নবজাতক শিশুদের অপুষ্টিজনিত সমস্যা দূর হবে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৪,৯৯২.
"প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ"  সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে এটি উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. ৬ নং
  2. ৭ নং
  3. ১১ নং
  4. ১৩ নং
সঠিক উত্তর:
৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ নং
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানের ৭ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- সংবিধানের ৭ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।
- সংবিধানের ৭ক নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ বিষয়ে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য বিষয়ে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকের নাগরিকত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১৩ নং অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,৯৯৩.
উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ২২
  2. খ) ২৩
  3. গ) ২৩(ক)
  4. ঘ) ২৪
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩(ক)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ – ২৩(ক) : উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি
রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
৪,৯৯৪.
‘অর্থবিল, ২০২২’ জাতীয় সংসদে পাস হয় কত তারিখে?
  1. ক) ২৯ জুন ২০২২
  2. খ) ৩০ জুন ২০২২
  3. গ) ১ জুলাই ২০২২
  4. ঘ) ২৫ জুন ২০২২
সঠিক উত্তর:
ক) ২৯ জুন ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৯ জুন ২০২২
ব্যাখ্যা
'অর্থবিল, ২০২২’ জাতীয় সংসদে পাস হয় ২৯ জুন ২০২২।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২
৪,৯৯৫.
বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে কোন নৃগোষ্ঠীর প্রভাব সর্বাধিক?
  1. ক) নেগ্রিটো
  2. খ) অস্ট্রিক
  3. গ) দ্রাবিড়
  4. ঘ) মঙ্গোলীয়
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
- নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক
-  ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত অস্ট্রিক জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে।

- এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।
- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৪,৯৯৬.
বাংলাদেশের ইতিহাসে যে ঘটনাটি আগে ঘটেছিল-
  1. ক) যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন
  2. খ) আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা
  3. গ) ভাষা আন্দোলন
  4. ঘ) তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
ঘ) তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

- ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে বাংলা ভাষার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিভাগের অধ্যক্ষ আবুল কাসেমের নেতৃত্বে প্রথম সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২৩ জুন, ১৯৪৯ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্যায় ১৯৫২ সাল।
- যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয় ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর এবং নির্বাচন হয় ৮-১২ মার্চ, ১৯৫৪ সালে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৪,৯৯৭.
বাংলাদেশের মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব কী?
  1. ক) সরকারের আয়-ব্যয়ের হিসাব করা
  2. খ) রাষ্ট্রের হিসাব সংসদে পেশ করা
  3. গ) বাজেট প্রণয়ন করা
  4. ঘ) সরকারি হিসাব নিরীক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
ঘ) সরকারি হিসাব নিরীক্ষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সরকারি হিসাব নিরীক্ষণ করা
ব্যাখ্যা
মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব

মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক জাতীয় অর্থের অভিভাবক হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। এগুলো নিম্নরূপ:

১। মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক প্রজাতন্ত্রের সরকারি হিসাব এবং সকল আদালত, সরকারি কর্তৃপক্ষ ও কর্মচারীর সরকারি হিসাব নিরীক্ষা করবেন এবং অনুরূপ হিসাব সম্পর্কে রিপোর্ট দিবেন।
২। এ উদ্দেশ্যে তিনি প্রজাতন্ত্রের কার্যে নিযুক্ত যেকোনো ব্যক্তির নথি, বই, রসিদ, দলিল, নগদ অর্থ, স্ট্যাম্প, জামিন বা সরকারি সম্পত্তি পরীক্ষা করবেন এবং এরূপ হিসাব সম্পর্কে রিপোর্ট দান করবেন।
৩। জাতীয় সংসদের আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত যেকোনো যৌথ সংস্থার হিসাব তিনি নিরীক্ষা করবেন এবং অনুরূপ হিসাব সম্পর্কে রিপোর্ট প্রদান করবেন।
৪। উপরোল্লিখিত কার্যাদি ছাড়া জাতীয় সংসদ আইনের দ্বারা তাঁর ওপর যে সব দায়িত্ব ও কর্তব্য নির্ধারণ করবে সেসব দায়িত্ব তিনি সম্পাদন করবেন।
৫। দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে মহাহিসাব নিরীক্ষক অন্য কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষের পরিচালনা বা নিয়ন্ত্রণাধীন হবেন না।
৬। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে যে পদ্ধতি নির্ধারিত হয়, সে পদ্ধতিতে প্রজাতন্ত্রের হিসাব রাখবেন।
৭। প্রজাতন্ত্রের হিসাব সম্পর্কিত রিপোর্ট “মহাহিসাব নিরীক্ষকের রিপোর্ট" নামে অভিহিত হবে। মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক তা রাষ্ট্রপতির কাছে উপস্থাপন করবেন এবং রাষ্ট্রপতি ঐ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপন করার ব্যবস্থা করবেন।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৪,৯৯৮.
নির্মিতব্য 'ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. লালমনিরহাট
  2. নীলফামারি
  3. কুড়িগ্রাম
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- নির্মিতব্য 'ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।
৪,৯৯৯.
বাক্-স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৮
  2. অনুচ্ছেদ ৩৯
  3. অনুচ্ছেদ ৪৯
  4. অনুচ্ছেদ ৫৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৯
ব্যাখ্যা
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদের বিধান চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের এবং (খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার, নিশ্চয়তা দান করা হইল।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান। 
৫,০০০.
BARD কি বিষয়ে গবেষণা করে?
  1. ক) পল্লী উন্নয়ন
  2. খ) পাখি
  3. গ) শিক্ষা
  4. ঘ) জনসংখ্যা
সঠিক উত্তর:
ক) পল্লী উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পল্লী উন্নয়ন
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অধীনে পল্লী উন্নয়ন বিষয়ে গবেষণা, প্রশিক্ষণ ও প্রায়োগিক কর্মকান্ডে নিয়োজিত একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে কুমিল্লা জেলার কোর্টবাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আখতার হামিদ খান।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর কার্যক্রম একটি বোর্ড অব গভর্নর্স কর্তৃক পরিচালিত হয়। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী এ বোর্ডের চেয়ারম্যান।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।