বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৪৪ / ৩০৬ · ৪,৩০১৪,৪০০ / ৩০,৮৩২

৪,৩০১.
’সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৭ক
  2. ৭খ
সঠিক উত্তর:
৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান: 
৭ক অনুচ্ছেদ: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ।

• প্রথম ভাগে রয়েছে: 
১৷ প্রজাতন্ত্র;
২৷ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা;
২ক৷ রাষ্ট্রধর্ম;
৩৷ রাষ্ট্রভাষা;
৪৷ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক;
৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি;
৫৷ রাজধানী;
৬৷ নাগরিকত্ব;
৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য;
৭ক। সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ;
৭খ। সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
৪,৩০২.
দেশে একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  2. সূতা
  3. মূলধন যন্ত্রসামগ্রী
  4. সার
সঠিক উত্তর:
সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার
ব্যাখ্যা
আমদানি পরিস্থিতি:
২০২২-২৩ (জুলাই - ফেব্রুয়ারি সময়ে) অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৫২,৭১৩.১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, 

→ একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী এবং
→ তৃতীয় সর্বোচ্চ – মূলধন যন্ত্রসামগ্রী। 

→ শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - সার।
→ প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় - তুলা।
→ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - গম।

উৎস: পরিসংখ্যান বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জুলাই- ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
৪,৩০৩.
জালিওয়ানয়ালাবাগ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) হরিয়ানায়
  2. খ) লুধিয়ানায়
  3. গ) অমৃতসরে
  4. ঘ) জম্বুতে
সঠিক উত্তর:
গ) অমৃতসরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অমৃতসরে
ব্যাখ্যা
- ১৯১৯ সালের ১৩ এপ্রিল পাঞ্জাবের অমৃতসরে রাওলাট আইনের বিরুদ্ধে আয়োজিত এক সভায় ইংরেজ বাহিনীর গুলিবর্ষণে বহু নিরীহ লোক মারা যায়।
- এই হত্যাকাণ্ড 'জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড' নামে পরিচিত।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে ব্রিটিশ সরকার প্রদত্ত নাইট উপাধি (১৯১৫ সালে প্রদত্ত) ত্যাগ করেন। 
- ব্রিটিশ একজন সেনা কর্মকর্তা পাঞ্জাবের অমৃতসরের বিক্ষোভরত নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিল সেদিন।
- জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ড বলে পরিচিত ঐ ঘটনার সূচনা অমৃতসরের একটি সমাবেশ থেকে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা, বাংলাপিডিয়া। 
৪,৩০৪.
বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী কততম দেশ?
  1. ৫৪ তম
  2. ৫৭ তম
  3. ৫৯ তম
  4. ৬১ তম
সঠিক উত্তর:
৫৪ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ তম
ব্যাখ্যা
CTBT:
- CTBT-এর পূর্ণরূপ: Comprehensive Nuclear Test Ban Treaty.
- এই চুক্তির উদ্দেশ্য হলো সামরিক-বেসামরিক সকল পারমাণবিক পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ CTBT চুক্তিটি গ্রহণ করে: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৮৭টি।
- বাংলাদেশ CTBT স্বাক্ষর করে ২৪ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে।
- CTBT অনুমোদন করে- ৮ মার্চ, ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ ১২৯ তম স্বাক্ষরকারী দেশ।
- বাংলাদেশ CTBT অনুমোদনকারী ৫৪ তম দেশ।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট।
৪,৩০৫.
বাংলাদেশে প্রথম ইপিজেড কোথায় স্থাপিত হয়?
  1. সাভার
  2. চট্টগ্রাম
  3. মংলা
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।
৪,৩০৬.
কোন শাসকের উপাধি ‘গৌড়েশ্বর’?
  1. ক) হেমন্ত সেন
  2. খ) ধর্মপাল
  3. গ) লক্ষণ সেন
  4. ঘ) গোপাল
সঠিক উত্তর:
গ) লক্ষণ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লক্ষণ সেন
ব্যাখ্যা
লক্ষণ সেন
• ৬০ বছর বয়সে লক্ষণ সেন বাংলার শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন।
• তিনি কামরূপ, কলিঙ্গ ও কাশি জয় করেন। তিনি গৌড় জয় করেন।
• সমগ্র বাংলায় নিজ ক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত করার পর লক্ষণ সেন ‘গৌড়েশ্বর’ উপাধি গ্রহণ করেন।
• তাঁর নামানুসারে গৌড়ের রাজধানী লক্ষণাবতী নেওয়া হয়।
• গোপালের মৃত্যুর পর তার পুত্র ধর্মপাল বাংলার নৃপতি হন। পাল সাম্রাজ্য এবং প্রতিপত্তি বিস্তারে ধর্মপালের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তিনি ‘বিক্রমশীলদেব’ উপাধি গ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ , বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩০৭.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কর্মরত ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোটের নতুন নাম কী?
  1. অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ
  2. নিউ অ্যালায়েন্স
  3. ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি
  4. সেইফ অ্যাকর্ড ফর টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি
সঠিক উত্তর:
ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি
ব্যাখ্যা
- ২০১২ সালে তাজরীন ফ্যাশনসে আগুন এবং ২০১৩ সালে সাভারের রানা প্লাজা ধসের পর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের কর্মপরিবেশ নিয়ে ক্রেতা দেশগুলোর মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। বিদেশি অনেক সংগঠন বাংলাদেশি পোশাক বর্জনের ডাক দেয়।
- সেই প্রেক্ষাপটে কারখানা পরিদর্শনে ইউরোপীয় ২২৮টি ক্রেতার সমন্বয়ে গঠিত হয় অ্যাকর্ড। এর মেয়াদ শেষ হতে না হতেই আন্তর্জাতিক ক্রেতারা বাংলাদেশের পোশাক খাতের পরিবেশ নিরাপদ রাখতে নতুন করে উদ্যোগী হলেন।
- সম্প্রতি বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্পের কর্মপরিবেশ উন্নয়নে কর্মরত ইউরোপীয় ক্রেতাদের জোট ‘অ্যাকর্ড অন ফায়ার অ্যান্ড বিল্ডিং সেফটি ইন বাংলাদেশ’ এর আদলে ‘ইন্টারন্যাশনাল অ্যাকর্ড ফর হেলথ অ্যান্ড সেইফটি ইন দ্য টেক্সটাইল অ্যান্ড গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রি’ নামে নতুন একটি জোটের আত্মপ্রকাশ হয়েছে।
- এ বিষয়ে দুই বছর মেয়াদি একটি নতুন চুক্তিতে সই করেছে এ খাতের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক রিটেইল ব্র্যান্ডগুলো। কোম্পানি এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলোর মধ্যে এই চুক্তির ফলে কারখানার কর্মপরিবেশ ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের মতো চুক্তিতে থাকা আন্তর্জাতিক ক্রেতাদেরও আইনি বাধ্যবাধকতা থাকবে।
- এই জোট বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের তৈরি পোশাকশিল্পের কারখানার কর্মপরিবেশ ও নিরাপত্তায় কাজ করবে; যেখানে বাংলাদেশে ‘অ্যাকর্ড’ এর কাজের সফলতাকে কাজে লাগানো হবে।
- এটি সেপ্টেম্বর মাস থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: বিজনেস টুডে ও মানব জমিন রিপোর্ট।
৪,৩০৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে চরম দারিদ্র্যের হার কত?
  1. ক) ২০.৫%
  2. খ) ১১.৫%
  3. গ) ১০.৫ %
  4. ঘ) ২১.৫%
সঠিক উত্তর:
গ) ১০.৫ %
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০.৫ %
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ তথ্য অনুসারে,
- মোট জনসংখ্যা ১৭কোটি ৮লাখ বা  ১৭০.৮ মিলিয়ন। 
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১৪০ জন। 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৭%।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ১০০.২ : ১০০।
- গড় আয়ু বা প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল ৭২.৮ বছর।
- দারিদ্র্যের হার ২০.৫%। 
- চরম দারিদ্র্যের হার ১০.৫%
- সাক্ষরতার হার ৭৫.২%। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২। 
৪,৩০৯.
‘লেট দেয়ার বি লাইট’ এর পরিচালক কে ছিলেন?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. জহির রায়হান
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4. আলমগীর কবির
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
Let there be light
- ‘লেট দেয়ার বি লাইট’ এর পরিচালক জহির রায়হান। 
- ১৯৬৯ সালে ‘লেট দেয়ার বি লাইট’ নির্মাণের ঘোষণা দেন চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান।
- ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ছবির মহরতে তিনি বলেছিলেন, এটি তাঁর স্বপ্নের সিনেমা।
- ধর্ম, বর্ণ, জাতি ও সংস্কৃতির নামে বিশ্বজুড়ে হত্যাকাণ্ডের শিকার মানুষের আর্তনাদ তুলে ধরতে ১৯৭০ সালের আগস্টের দিকে দৃশ্যধারণে হাত দেন নির্মাতা।
- সিনেমার চিত্রগ্রহণও করেছেন জহির রায়হান।
- ছবিটির শুটিংয়ের মাঝে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদাররা ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে বাঙালিদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছে।
- সিনেমার কাজে বিরতি টেনে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে এপ্রিল মাসে ঢাকা ছেড়েছেন জহির রায়হান।
- একাত্তরের গণহত্যা ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে চারটি প্রামাণ্যচিত্র প্রযোজনা করেন তিনি।
- এর ভেতর ‘স্টপ জেনোসাইড’ ও ‘আ স্টেট ইজ বর্ন’-এর পরিচালকও ছিলেন তিনি।
- স্বাধীনতার পর ঢাকায় ফেরেন জহির রায়হান।
- মিরপুরে বড় ভাই শহীদুল্লা কায়সারকে খুঁজতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন এই নির্মাতা।
- স্বপ্নের ‘লেট দেয়ার বি লাইট’ সিনেমাটি শেষ করে যেতে পারেননি জহির রায়হান।

উৎস: প্রথম আলো (২৬ মার্চ ২০২৪)
৪,৩১০.
কৈবর্ত বিদ্রোহের সময় পাল বংশের রাজা কে ছিলেন?
  1. রামপাল
  2. দ্বিতীয় মহীপাল
  3. ধর্মপাল
  4. গোপাল
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মহীপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় মহীপাল
ব্যাখ্যা

কৈবর্ত বিদ্রোহ: 
- এটি বরেন্দ্র বিদ্রোহ নামেও পরিচিত।
- বাংলাদেশ ও ভারতের প্রথম সফল জনবিদ্রোহ।
- এ সময় পাল বংশের রাজা ছিলেন দ্বিতীয় মহীপাল, যাঁর রাজত্বকাল ধারণা করা হয় ১০৭৫ সাল থেকে ১০৮০ সালের মধ্যে।
- বিদ্রোহের নেতা: দিব্যক বা দিব্য (সম্ভবত প্রথমে পালদের রাজকর্মচারী বা সামন্ত)।
- বিদ্রোহে অংশগ্রহণকারী: কৈবর্ত নামে জেলে সম্প্রদায় ও তৎকালীন সামন্তদের একটি বড় অংশ।
- উদ্দেশ্য: বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্তদের স্বতন্ত্র ও সার্বভৌম রাজ্য প্রতিষ্ঠা।
- ফলাফল: সৈন্য ও সামরিক সফলতার মাধ্যমে কৈবর্তরা স্বল্পস্থায়ীভাবে বরেন্দ্রে রাজ্য স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- পরাজয় ও সমাপ্তি: মহীপালের ভাই রামপাল, সামন্তদের সাহায্যে কৈবর্ত শাসক ভীমকে পরাজিত ও হত্যা করে ১০৮২ খ্রিষ্টাব্দে বরেন্দ্রে পাল শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৬ষ্ঠ শ্রেণি।

৪,৩১১.
সরকারি কাঠামোর বাইরে থেকে সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে-
  1. ক) দুর্নীতি দমন কমিশন
  2. খ) সশ্বস্ত্র বাহিনী
  3. গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. ঘ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা

- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার কাঠামোর অংশ নয়। এরা হলো বেসরকারি স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী।
- কিন্তু তা সত্ত্বেও এই গোষ্ঠী সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতি নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে থাকে। এদের মূল উদ্দেশ্যে হলো নিজেদের অনুকূলে সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- অন্যদিকে, সশ্বস্ত্র বাহিনী ও বাংলাদেশ ব্যাংক সরকার কাঠামোর অংশ।
- দুর্নীতি দমন কমিশন - বিধিবদ্ধ সরকারি প্রতিষ্ঠান।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক।

৪,৩১২.
ওয়ার্ম আপ কয়ভাগে বিভক্ত?
  1. ৩ ভাগে
  2. ২ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৫ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ ভাগে
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ম আপ:

- ব্যায়াম করার আগে শরীর গরম করে নিতে হয়। খেলাধুলার পরিভাষায় শরীর গরম করাকে 'ওয়ার্ম আপ' বলে।
- শরীর গরম হলে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়, অঙ্গপ্রত্যঙ্গগুলো কর্মক্ষম হয়ে ওঠে, ফলে আহত হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে।
- ওয়ার্ম আপ ৪ ভাগে বিভক্ত।
- ওয়ার্ম আপ করার নিয়ম-
(১) ওয়ার্ম আপের প্রথম ধাপ হলো স্ট্রেচিং। 
(২) স্ট্রেচিং শেষে জগিং (আস্তে আস্তে দৌড়)।
(৩) জগিং এর শেষদিকে ক্রমান্বয়ে দৌড়ের গতি বাড়াতে হবে।
(৪) ব্যায়াম। 

তথ্যসূত্র - শারীরিক শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, ৬ষ্ঠ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩১৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫নং অনুচ্ছেদে উল্লেখিত নিয়ম অনুযায়ী জাতীয় সংসদে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয় -
  1. এক-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  2. দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে
  3. মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
  4. উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে
ব্যাখ্যা

সংসদে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া:
⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের বিধান কার্যপ্রণালী-বিধি, কোরাম প্রভৃতি:

- (১) এই সংবিধান-সাপেক্ষে
(ক) সংসদ কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা এবং অনুরূপ বিধি প্রণীত না হওয়া পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রিত হইবে;
(খ) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে সংসদে সিদ্ধান্ত গৃহীত হইবে, তবে সমসংখ্যক ভোটের ক্ষেত্র ব্যতীত সভাপতি ভোটদান করিবেন না এবং অনুরূপ ক্ষেত্রে তিনি নির্ণায়ক ভোট প্রদান করিবেন;
(গ) সংসদের কোন সদস্যপদ শূন্য রহিয়াছে, কেবল এই কারণে কিংবা সংসদে উপস্থিত হইবার বা ভোটদানের বা অন্য কোন উপায়ে কার্যধারায় অংশগ্রহণের অধিকার না থাকা সত্ত্বেও কোন ব্যক্তি অনুরূপ কার্য করিয়াছেন, কেবল এই কারণে সংসদের কোন কার্যধারা অবৈধ হইবে না।

- (২) সংসদের বৈঠক চলাকালে কোন সময়ে উপস্থিত সদস্য-সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,৩১৪.
উপমহাদেশে পুলিশ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন কে? 
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. লর্ড মিন্টো
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
• লর্ড ক্যানিং:
- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন।
-  ১৮৬১ সালে উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু করেন।
- ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।
- চার্লস উড শিক্ষা বিষয়ে ১৮৫৪ সালে যে সুপরিশমালা পেশ করেন তা কার্যকর করা হয় তার সময়ে।
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।
- ভারতে তাঁর কর্তব্যপালনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮৫৯ সালে তাঁকে 'আর্ল' (Earl) মর্যাদায় উন্নীত করা হয়।
- ১৮৫৭ সালে কলকাতা, বোম্বে ও মাদ্রাজে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৩১৫.
ঘাটুগান কোন অঞ্চলের?
  1. খরা প্রবণ অঞ্চল
  2. হাওড় অঞ্চল
  3. উপকূলীয় অঞ্চল
  4. পাহাড়ি অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
হাওড় অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাওড় অঞ্চল
ব্যাখ্যা
ঘাটুগান:
- ঘাটু গান বিলুপ্তপ্রায় এক প্রকার লোকগীতি।
- ঘাটে ঘাটে নৌকা ভিড়িয়ে এ গান গাওয়া হয় বলে এর নাম হয়েছে ‘ঘাটের গান’ বা ‘ঘাটু গান’।
- রাধাকৃষ্ণের প্রণয়লীলা ও দৈনন্দিন জীবনের বিচিত্র ঘটনা ঘাটু গানের বিষয়বস্তু।
- ঘাটু দলের প্রধান অর্থাৎ মূল গায়েনকে বলে ‘সরকার’।
- ঘাটু গান মূলত ছুকরাভিত্তিক গান।
- বারো থেকে পনেরো বছরের ছেলে ছুকরাকে ঘাটু বানাবার জন্য মেয়েলি চেহারার ছেলেকে ঘাগড়ি বা শাড়ি পড়িয়ে ম্যাচিং করা ব্লাউজ, কানে দুল, দুহাতে রঙিন রুমাল বেঁধে মঞ্চে উঠানো হতো। ঘা
- একটা অল্প বয়সী ছেলেকে মেয়ে সাজিয়ে সহজ নাচের মুদ্রা শিখিয়ে বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে বাইজির নাচের মতো করে এই অনুষ্ঠান হতো।
- এ গানে বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয় ঢোল, তবলা, বেহালা, সারিন্দা, মন্দিরা, বাঁশি, করতাল, হারমোনিয়াম প্রভৃতি।
- ঘাটু গানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক গ্রামের জোতদাররা এবং এর প্রধান কর্মী সমকামী যুবকরা।
- এ গান প্রধানত ময়মনসিংহের পূর্বাঞ্চল, কুমিল্লা জেলার উত্তরাঞ্চল এবং সিলেট জেলার পশ্চিমাঞ্চলে এক সময় ব্যাপকভাবে প্রচলিত ছিল।
- বিশেষত বর্ষাকালে হাওর অঞ্চলে ঘাটু গানের আসর বসতো।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ১৯ এপ্রিল ২০১৯, প্রথম আলো।
৪,৩১৬.
বাংলাদেশ প্রথম কোন দেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক পুঁজি বিনিয়োগ চুক্তি করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
পুঁজি বিনিয়োগ চুক্তি:
- বাংলাদেশ প্রথম যুক্তরাজ্যের সাথে দ্বিপাক্ষিক পুঁজি বিনিয়োগ চুক্তি করে।
- ১৯৮০ সালে যুক্তরাজ্যের সাথে প্রথম দ্বিপাক্ষিক পুঁজি বিনিয়োগ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) দেশগুলোর মধ্যে ব্রিটেন বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে চমৎকার দ্বি-পাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে।

উৎস: শিল্প মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৪,৩১৭.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে ঢাকা শহরে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী দল কোনটি?
  1. ক) মুজিব বাহিনী
  2. খ) মুজিব ব্যাটারি
  3. গ) ক্র‍্যাক প্লাটুন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ক্র‍্যাক প্লাটুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্র‍্যাক প্লাটুন
ব্যাখ্যা
ক্র্যাক প্লাটুন

ক্র্যাক প্লাটুন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে ঢাকা শহরে গেরিলা আক্রমণ পরিচালনাকারী দল। 

এই দলটি গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ, বীর উত্তম এবং এটিএম হায়দার, বীর উত্তম। এটি ২ নং সেক্টরের অধীন একটি স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ বলে পরিচিত। 

সেক্টর কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নির্দেশনা ছিলো হোটেল ইন্টার কন্টিনেন্টালে বিদেশী সাংবাদিক ও অতিথিরা থাকাকালীন ঢাকা শহরের পরিস্থিতি যে শান্ত নয় এবং এখানে যুদ্ধ চলছে তা বোঝানোর জন্য শহরের আশে-পাশে কিছু গ্রেনেড ও গুলি ছুড়তে হবে; কিন্তু দু:সাহসী এই তরুণেরা ঢাকায় এসে ৯ জুন তারিখে সরাসরি হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে গ্রেনেড হামলা করে এবং বেশ কয়েকজনকে হত্যা করে যা ছিলো অত্যন্ত ঝুকিপূর্ণ ও অচিন্তনীয় কাজ। 

সন্ধ্যায় বিবিসির খবর থেকে খালেদ মোশাররফ এই অপারেশনের কথা জানতে পেরে বলেন, 

'দিজ অল আর ক্র্যাক পিপল! বললাম, ঢাকার বাইরে বিস্ফোরণ ঘটাতে আর ওরা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালেই বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এসেছে।' 

তিনিই প্রথম এই দলটিকে "ক্র্যাক" আখ্যা দেন; যা থেকে পরবর্তীতে এই প্লাটুনটি "ক্র্যাক প্লাটুন" নামে পরিচিত হয়।


তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক ও দৈনিক প্রথম আলো।
৪,৩১৮.
কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্বৃত্ত রয়েছে?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) চীন
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র
• যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
• এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
• যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
• অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
• ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
• ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।   

তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
৪,৩১৯.
দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সংবাদ পাঠিকা 'অপরাজিতা' কোন চ্যানেলে সংবাদ পাঠ করেন?
  1. সময় টিভি
  2. চ্যানেল ২৪
  3. ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি
  4. একাত্তর টিভি
সঠিক উত্তর:
চ্যানেল ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যানেল ২৪
ব্যাখ্যা
- দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো সংবাদ পাঠ করলেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অপরাজিতা।
- ১৯ জুলাই ২০২৩ তারিখে বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল 'চ্যানেল ২৪' এর সন্ধ্যা ৭টার বুলেটিনে যুক্ত হয়ে সংবাদ উপস্থাপন করে অপরাজিতা।
- সম্প্রতি বিভিন্ন দেশে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সকে বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে কাজে লাগিয়ে সংবাদ সঞ্চালনা করা হচ্ছে।
- চলতি বছরের এপ্রিলে ‘ফেদা’ নামের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায় কুয়েত নিউজ।
- গত ৯ জুলাই ভারতের একটি বেসরকারি টেলিভিশন, ওড়িশা টেলিভিশন লিমিটেড (ওটিভি) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দিয়ে সংবাদ পাঠ করায়।
- যার নাম ছিল লিসা।

উৎস: ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি।  [লিঙ্ক]
৪,৩২০.
'তমদ্দুন মজলিস' কার নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল?
  1. আবুল কালাম
  2. আবুল কাশেম
  3. আবুল আহমদ
  4. আবুল হাসেম
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস:
 - 'তমদ্দুন মজলিস' ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং নামকরণ হয় পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ।
- তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠায় অধ্যাপক আবুল কাশেমের অগ্রণী সহযোগীদের মধ্যে ছিলেন দেওয়ান মোহাম্মদ আজরফ, অধ্যাপক এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া, শাহেদ আলী, আবদুল গফুর, বদরুদ্দীন উমর, হাসান ইকবাল এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কতিপয় সিনিয়র ছাত্র।
- প্রফেসর আবুল কাশেম ছিলেন পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র।
উল্লেখ্য - তমদ্দুন মজলিশের প্রতিষ্ঠার তারিখ নিয়ে তথ্যকল্পদ্রুমের ৭নং পোস্টে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে। 
৪,৩২১.
বাংলাদেশে ‘শিক্ষা-স্বাস্থ্য-বিনোদন’ সাধারণভাবে অর্থনীতির কোন খাতের আওতাধীন?
  1. ক) কৃষি খাত
  2. খ) শিল্প খাত
  3. গ) সেবা খাত
  4. ঘ) জনকল্যাণ খাত
সঠিক উত্তর:
গ) সেবা খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেবা খাত
ব্যাখ্যা

-বাংলাদেশে কৃষি ও শিল্প খাতের পাশাপাশি বৃহৎ আকারের সেবা খাত রয়েছে। জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সেবা খাতের ভূমিকা অনেক বেশি।
-পরিবহন ও যােগাযােগ ব্যবস্থা, ডাক ব্যবস্থা, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবা, বিনোদন, পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ ইত্যাদি সেবা খাত এর অন্তর্ভুক্ত।
উৎসঃ অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩২২.
বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারার সবচেয়ে বড় কাঠামোগত বৈপরীত্য কোনটি?
  1. জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্থবিরতা সত্ত্বেও জিডিপির দ্রুত প্রবৃদ্ধি
  2. শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা
  3. রেমিট্যান্স বৃদ্ধি কিন্তু শ্রম অভিবাসন হ্রাস
  4. রপ্তানি বৃদ্ধি কিন্তু শিল্পায়ন কমে যাওয়া
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারার সবচেয়ে বড় কাঠামোগত বৈপরীত্য হল শক্তিশালী সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকের পাশাপাশি দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা।

♦ বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারা:
- গত দুই-তিন দশকে বাংলাদেশ ৫-৭% জিডিপি প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস, রপ্তানি বৃদ্ধি, রেমিট্যান্স আয় বাড়ানো এবং সামাজিক সূচকে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে।
- বিশ্বব্যাংক এই অর্জনকে 'Bangladesh Paradox' বলে অভিহিত করেছে।
- World Governance Indicators-এ বাংলাদেশ নিম্নস্থানে থাকলেও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত ছিল।

♦ বাংলাদেশের উন্নয়ন ধারার কাঠামোগত বৈপরীত্য:
• দুর্বল প্রাতিষ্ঠানিক শাসনব্যবস্থা,
• প্রতিযোগিতামূলক রাজনীতি,
• RMG-নির্ভর রপ্তানি বৃদ্ধি কিন্তু শিল্প বহুমুখীকরণের অভাব,
• যুব বেকারত্ব, উচ্চ প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও বৈষম্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের ঘাটতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্যারাডক্স, বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

৪,৩২৩.
বেঙ্গল ফাউন্ডেশন কি?
  1. ক) আর্ট গ্যালারি
  2. খ) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধাদের সংগঠন
  4. ঘ) একটি কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
ক) আর্ট গ্যালারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আর্ট গ্যালারি
ব্যাখ্যা
It was more than three decades ago that Bengal Foundation embarked upon its journey to project a culturally rich Bangladesh. Born out of the Chairman and Founder Abul Khair’s personal regard for the arts, instilled in him by his uncle and National Professor Abdur Razzaq, the Foundation presently runs several programmes on music, art, literature, crafts, cinema, and architecture. [সূত্র: bengalfoundation.org]
৪,৩২৪.
ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট কত জন সদস্য নিয়ে?
  1. ১১
  2. ১৩
  3. ১৫
সঠিক উত্তর:
১৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদ:
- ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত থাকে একটি ইউনিয়ন।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- এক জন সচিব নিয়োগ করা হয় কার্যালয় পরিচালনার জন্য।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়।
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩২৫.
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের কয়টি গ্যাস​ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ২০টি
  2. ২১টি
  3. ২২টি
  4. ২৫টি
সঠিক উত্তর:
২০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০টি
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্র:
- পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে, এর মধ্যে উৎপাদনে আছে ২০টি।
- উত্তোলন শুরু হয়নি ৪টি। সেগুলো হলো: ভোলার ইলিশা ও ভোলা নর্থ, সিলেটের জকিগঞ্জ এবং কুতুবদিয়া।
- উত্তোলনযোগ্য গ্যাস শেষ ৫টি। খনিগুলো হলো: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, সিলেটের ছাতক, গাজীপুরের কামতা, ফেনী ও সাংগু (চট্টগ্রাম)।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের ১ জুলাইয়ের হিসাবে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাসে অবশিষ্ট মজুত আছে প্রায় ২ টিসিএফ। হবিগঞ্জের বিবিয়ানায় আছে ১ দশমিক ৬৬ টিসিএফ। সিলেটের মৌলভীবাজারে আছে প্রায় ২০ বিসিএফ (বিলিয়ন বা শতকোটি ঘনফুট) গ্যাস। ৭০০ বিসিএফের কম মজুত আছে জালালাবাদে। সিলেটের বাখরাবাদ, কৈলাসটিলা, রশিদপুরসহ বাকি গ্যাসগুলোতেও মোটামুটি পরিমাণে গ্যাসের মজুত আছে।
- বর্তমানে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে দিনে ১৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়।
এছাড়া,
- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৬২ সালে। সর্বশেষ বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল ১৯৯৮ সালে, সেটি সিলেটের বিবিয়ানা। বিবিয়ানা থেকেই এখন সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। এরপর আর কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ ২০২১ সালে সিলেটের জকিগঞ্জে একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। যদিও সেখানে মজুত মাত্র ৫২ বিসিএফ।

উৎস: প্রথম আলো।

৪,৩২৬.
৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদে বাংলাদেশের গড় প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৮.৪১%
  2. ৮.৫১%
  3. ৭.৫১%
  4. ৭.৪১%
সঠিক উত্তর:
৮.৫১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮.৫১%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:

- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
- ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।
- ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০২১ - ২০২৫ মেয়াদে " চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।

৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।
- বাস্তবায়ন ব্যয় লক্ষ্যমাত্রা: ৬৪ লাখ ৯৫ হাজার ৯৮০ কোটি টাকা।
- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৭.৪%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালের মধ্যে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে আসবে বলে আশা করা যাচ্ছে।
- যেখানে অর্থবছর ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে (UMIC) উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- অর্থবছর ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের (HIC) মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
৪,৩২৭.
দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক কার্যক্রম কত সালে গৃহীত হয়?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৯৫ সালে
  3. ১৯৯৬ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
কমিউনিটি ক্লিনিক:
- কমিউনিটি ক্লিনিক হলো একটি অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কার্যক্রম যা Community Based Health Care (CBHC) অপারেশনাল প্ল্যান এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে এবং সরকারের সাফল্যের এক উজ্জল দৃষ্টান্ত যা দেশে-বিদেশে নন্দিত।
- এ কার্যক্রমের মাধ্যমে দেশের দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত গ্রামীণ জনগণ নিকটস্থ কমিউনিটি ক্লিনিক হতে সমন্বিত স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও পুষ্টি সেবা পাচ্ছেন।
- এটি জনগন ও সরকারের যৌথ প্রয়াসে বাস্তবায়িত একটি কার্যক্রম।
- ১৯৯৬ সালে গ্রামীণ দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মানসম্মত প্রাথমিক স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।
- মূলত জনগণের অংশগ্রহণে গ্রামীণ মানুষের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা পৌঁছে দেওয়াই ছিল লক্ষ্য।
- জনমূখী এ কার্যক্রম ১৯৯৬ সালে গৃহীত হয় যার বাস্তবায়ন শুরু হয় ১৯৯৮ সালে।
- কমিউনিটি ক্লিনিকে বর্তমানে ২৭ প্রকার ঔষধ এবং ২ প্রকার পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী সরবরাহ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- মে, ২০২৫-এ স্বাস্থ্য খাত সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে কমিউনিটি ক্লিনিক আছে ১৩,৯২৬টি।
- এসব ক্লিনিক থেকে দৈনিক ছয়-সাত লাখ মানুষ সেবা নেন।

উৎস: i) কমিউনিটি বেইজড হেলথ কেয়ার, কমিউনিটি ক্লিনিক স্বাস্থ্য সহায়তা ট্রাষ্ট ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৪,৩২৮.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয় কবে?
  1. ক) ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  2. খ) ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  3. গ) ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  4. ঘ) ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
ব্যাখ্যা
• ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ গভীর রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ব্যারাক হোস্টেলের ১২নং গেটের সামনে মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের সম্মিলিত শ্রমে নির্মিত হয়েছিল প্রথম শহীদ মিনার। এই শহীদ মিনারের নকশাকার ছিলেন ডা. বদরুল আলম।

সূত্র: সরকারি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া এবং বোর্ড বই।

• তবে অনেক ভাষা সৈনিকদের মতে, প্রথম শহীদ মিনার হয়েছিল রাজশাহীতে। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারির ২১ তারিখ দিবাগত রাতে রাজশাহী কলেজ ছাত্রাবাস সংলগ্ন এলাকায় এটি তৈরি হয়। কিন্তু ভাষা আন্দোলনের ছয় দশক পরও প্রথম শহীদ মিনারের রাষ্ট্রীয় ভাবে স্বীকৃতি পায়নি রাজশাহীবাসী।

উৎস: মানবজমিন পত্রিকা।

[যেহেতু এই তথ্যের রাষ্ট্রীয় কোন স্বীকৃতি নাই, তাছাড়া প্রশ্নকর্তা বোর্ড বই অনুসারে প্রশ্নটি করেছেন তাই আমরা সঠিক উত্তর হিসেবে ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ কে ধরে নিচ্ছি। মূল পরীক্ষায় আপনারা আপনাদের বিবেচনা থেকে উত্তর করবেন।]
৪,৩২৯.
'তানসেন' কোন রাজদরবারের সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন?
  1. সম্রাট আকবর
  2. আলাউদ্দিন খিলজী
  3. সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা
তানসেন মুঘল সম্রাট আকবরের রাজদরবারের সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন।

তানসেন:

- তানসেন ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ।
- তিনি মুঘল সম্রাট আকবরের রাজদরবারের সঙ্গীতজ্ঞ ছিলেন।
- তিনি শিল্পকলার পৃষ্ঠপোষকতার জন্য সুপরিচিত ছিলেন।
- তিনি মুঘল বাদশাহ আকবরের রাজদরবারের নবরত্নের মধ্যে অন্যতম ছিলেন।
- তিনি দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।

সম্রাট আকবর:
- তৃতীয় মোগল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- মোগল সম্রাট আকবর 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।
- আকবর সঙ্গীতপ্রিয় ও সঙ্গীতপিপাসু ছিলেন।
- আকবরের দরবারে জ্ঞানী, গুণী, বিদ্যান, বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের কদর ও প্রাধান্য ছিল।
- তার দরবারে ভারতীয়, ইরানী তুরানী, কাশ্মীরি গায়ক ছিলেন।
- বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের তথ্য মতে, আকবরের দরবারে ৩৬ জন গায়ক ছিলেন।
- আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
- ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন সম্রাট আকবরের দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii) Britannica.
৪,৩৩০.
২০২৩ সালে 'সমাজসেবা' বিভাগে  একুশে পদক লাভ করেন কে?
  1. ক) আকতার উদ্দিন মিয়া
  2. খ) বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন
  3. গ) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
  4. ঘ) মজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
খ) বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন
ব্যাখ্যা
• একুশে পদক-২০২৩:
- ২০২৩ পর্যন্ত ৫৬২ জন ব্যক্তি ও ৬টি প্রতিষ্ঠানকে এ পদক প্রদান করা হয়েছে।
- এ বছর ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে ৩ জন, মুক্তিযুদ্ধে ১ জন, শিল্পকলায় ৮ জন (অভিনয়, সংগীত, আবৃত্তি, চারু ও চিত্রকলা), রাজনীতিতে ২ জন, শিক্ষায় ১ জন ও ১টি প্রতিষ্ঠান, সমাজ সেবায় ১ জন ও ১টি প্রতিষ্ঠান এবং সাংবাদিকতা, গবেষণা এবং ভাষা ও সাহিত্যে ১ জন করে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
- ভাষা আন্দোলন ক্যাটাগরিতে খালেদা মঞ্জুর-ই খুদা, বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম শামসুল হক (মরণোত্তর) ও হাজী মোহাম্মদ মজিবুর রহমান।
- শিল্পকলা বিভাগে অভিনয় ক্যাটাগরিতে মাসুদ আলী খান ও শিমুল ইউসুফ এবং সংগীত বিভাগে মনোরঞ্জন ঘোষাল, গাজী আবদুল হাকিম ও ফজল-এ-খোদা (মরণোত্তর),আবৃত্তি বিভাগে জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, শিল্পকলায় নওয়াজিশ আলী খান এবং চিত্রকলা বিভাগে কনক চাপা চাকমা পুরস্কার পেয়েছেন।
- মুক্তিযুদ্ধ বিভাগে মমতাজ উদ্দিন (মরণোত্তর), সাংবাদিকতায় মো. শাহ আলমগীর (মরণোত্তর), গবেষণায় ড. মো. আব্দুল মজিদ, শিক্ষায় অধ্যাপক ড. মযহারুল ইসলাম (মরণোত্তর), সমাজসেবায় মো. সাইদুল হক, অ্যাডভোকেট মঞ্জুরুল ইসলাম (মরণোত্তর), রাজনীতিতে আকতার উদ্দিন মিয়া (মরণোত্তর) এবং ভাষা ও সাহিত্যে ড. মনিরুজ্জামান পুরস্কার পেয়েছেন।
- শিক্ষা ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর।
- সমাজসেবায় বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন এ পুরস্কার লাভ করেছে।

উৎস: The daily star.
৪,৩৩১.
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) গ্রিস
  3. গ) তুরস্ক
  4. ঘ) মিশর
সঠিক উত্তর:
গ) তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তুরস্ক
ব্যাখ্যা
হোমারের মহাকাব্যে বর্ণিত ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেসারলিক নামক স্থানে অবস্থিত। উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিক শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ সম্ভব হয়। গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
(সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা)
৪,৩৩২.
স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য ডা. সেতারা বেগমকে কোন খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) বীরশ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীর-উত্তম
  3. গ) বীর-বিক্রম
  4. ঘ) বীরপ্রতিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীরপ্রতিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীরপ্রতিক
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল স্থাপন করা হয়েছিল।
- এ রকম একটি হাসপাতাল ছিল ২ নম্বর সেক্টরে।
- এর নাম ছিল ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’।
- এখানে ডা. জাফরউল্লাহ, ডা. মোবিন, ডা. আখতার, ডা. সিতারা বেগমসহ আরও অনেক চিকিৎসক, মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রী ও সেবিকা নিয়োজিত ছিলেন।
- এটি প্রথমে স্থাপিত হয় সীমান্তসংলগ্ন ভারতের সোনামুড়ায়।
- পরে নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তা স্থানান্তর করা হয় আগরতলার কাছাকাছি বিশ্রামগঞ্জে।
- ডা. সিতারা বেগম বাংলাদেশ হাসপাতালে অসাধ্য সাধনের মতো সব কাজ করতেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন, তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং অন্যজন তারামন বিবি। 

উৎস: প্রথম আলো, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২০।
৪,৩৩৩.
দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে সর্বাধিক কত দিনের জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষিত হতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০ দিন
ব্যাখ্যা
সংসদ আহবান:
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সংসদের এক অধিবেশনের শেষ এবং পরবর্তী অধিবেশনের শুরুর মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতি হবে ৬০ দিন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস এস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৩৩৪.
সর্বশেষ অর্থবছরে কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সর্বাধিক আমদানি করেছে? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫]
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

দেশভিত্তিক আমদানি:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান বিভাগের তথ্য মতে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে আমদানির পরিমাণ -

⇒ আমদানি রিপোর্ট: 
- চীন: ২০৫২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩০.০২%)।
- ভারত: ৯৬৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৪.১৮%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ২৫০৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৬৭%)। 
- সিঙ্গাপুর: ২২৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩২%)।
- জাপান: ১৯৬৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২.৮৮%)।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

৪,৩৩৫.
৫২-এর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহীদ কে?
  1. ক) আব্দুস সালাম
  2. খ) আব্দুল জব্বার
  3. গ) আবুল বরকত
  4. ঘ) রফিক উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) রফিক উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রফিক উদ্দিন
ব্যাখ্যা
শহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ রফিক

- বায়ান্নোর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহীদ রফিক উদ্দিন আহমদ রফিক

- তিনি মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার পারিল গ্রামের উত্তর পাড়ায় ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম আব্দুল লতিফ এবং মাতার নাম রাফিজা খাতুন।
- বাবুবাজার-বাদামতলীর একটি প্রিন্টিং প্রেসের মালিক ছিলেন জনাব আব্দুল লতিফ।
- রফিক জগন্নাথ কলেজের (মতান্তরে মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্র কলেজের) ছাত্র ছিলেন।
- পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে রফিক তার পিতার কাজে সাহায্য করতেন।
- একুশে ফেব্রুয়ারি আন্দোলনত ছাত্র-জনতার উপর পুলিশ লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
- বিকেল সাড়ে তিনটার পর মেডিকেল কলেজের সামনে পুলিশ ছাত্রদেরকে লক্ষ্য করে গুলি চালালে রফিক ঘটনাস্থলেই সাথে সাথে মারা যান।
- তাঁকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৪,৩৩৬.
বঙ্গবন্ধুর 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী' মারাঠি ভাষায় অনুবাদ করেন কে?
  1. ক) ড. সৌমেন ভারতীয়া
  2. খ) অপর্ণা ভেলনকার
  3. গ) ড. জুরি শর্মা
  4. ঘ) ) প্রফেসর ফ্রান্স ভট্টাচার্য
সঠিক উত্তর:
খ) অপর্ণা ভেলনকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অপর্ণা ভেলনকার
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু অসমাপ্ত আত্মজীবনী সর্বশেষ অনূদিত ভাষা হলো মারাঠি ভাষা (অপূর্ণ আত্মকথা)।
- এর অনুবাদক অপর্ণা ভেলনকার।
উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
৪,৩৩৭.
আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় কবে?
  1. ২১ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  2. ২২ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
  4. ২৪ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৩৮.
নির্বাচনে মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৫২ সালে
  2. খ) ১৯৫৩ সালে
  3. গ) ১৯৫৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণের পরিকল্পনা নেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগের কাউন্সিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। চারটি বিরোধী রাজনৈতিক দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়। দলগুলো ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজাম- ই-ইসলামী এবং বামপন্থী গণতন্ত্রী দল। এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও মাওলানা ভাসানী ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রন্ট গঠন করেন। সূত্র- বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা) এবং প্রথম আলো।
৪,৩৩৯.
“স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” - এর সদস্য নন- 
  1. নুরে আলম সিদ্দিকী
  2. শাহজাহান সিরাজ
  3. আ. স. ম. আব্দুর রব 
  4. তোফায়েল আহমেদ
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১ মার্চ “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয় ।
 “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” - এর সদস্যগণ হলেন - 

১. নুরে আলম সিদ্দিকী (সভাপতি, ছাত্রলীগ)
২. শাজাহান সিরাজ (সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগ )
৩. আ. স. ম. আব্দুর রব (সহ-সভাপতি, ডাকসু)
৪. আব্দুল কুদ্দুস মাখন (সাধারণ সম্পাদক, ডাকসু)

 এই ৪ ছাত্র নেতাকে মুক্তিযুদ্ধের ৪ খলিফা বলা হত । 
- ২৩ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর মুক্তি উপলক্ষে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে রেসকোর্স ময়দানের সংবর্ধনা সভায় শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন তদানীন্তন ডাকসুর ভিপি তোফায়েল আহমেদ। 

 উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৪০.
২০২০ সাল শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কত?
  1. ৪১ বি. মা. ডলার
  2. ৪২ বি. মা. ডলার
  3. ৪৩ বি. মা. ডলার
  4. ৪৪ বি. মা. ডলার
সঠিক উত্তর:
৪৩ বি. মা. ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩ বি. মা. ডলার
ব্যাখ্যা
২০২০ সাল শেষে বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করেছে।
গত ৩০ ডিসেম্বর বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাড়ায় ৪৩.১৭ বিলিয়ন ডলার।
এর আগে গত ১৫ ডিসেম্বর রিজার্ভ প্রথমবারের মতো ৪২ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছিলো।
(সূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ রিপোর্ট)
৪,৩৪১.
বাংলাদেশে মোট কতটি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমান পর্যন্ত মোট ৫টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
প্রথম কৃষিশুমারি – ১৯৭৭ সালে
দ্বিতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৮৩-৮৪ সালে
তৃতীয় কৃষিশুমারি – ১৯৯৬ সালে
চতুর্থ কৃষিশুমারি – ২০০৮ সালে
সর্বশেষ পঞ্চম কৃষিশুমারি - ৯-২০ জুন ২০১৯।
(সূত্রঃ বিবিএস ওয়েবসাইট)
৪,৩৪২.
বর্তমানে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা পরিচালনা করে—
  1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ময়মনসিংহ জেলা পরিষদ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা: 
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালাঃ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন বাংলাদেশের আধুনিক ও সমসাময়িক শিল্প আন্দোলনের অগ্রগামী ছিলেন।
- ময়মনসিংহের স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তিনি একটি আর্ট গ্যালারী প্রতিষ্ঠা শুরু করেন,
- এটি ১৫ এপ্রিল ১৯৭৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জাতীয় যাদুঘর কর্তৃক পরিচালিত উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে এটির উন্নতি করা হয় এবং একটি যাদুঘরে রূপান্তরিত হয়।
- প্রয়াত শিল্পীর স্মৃতির সম্মানে যাদুঘরের নামকরন করা হয় শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন সংগ্রহশালা।
- এটি ময়মনসিংহ জেলার ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট।
৪,৩৪৩.
‘৩ জুন পরিকল্পনা’ কী সংক্রান্ত?
  1. ক) বাংলা প্রদেশ বিভক্ত করার পরিকল্পনা
  2. খ) বাংলাদেশ স্বাধীন করার পরিকল্পনা
  3. গ) ভারত বিভক্ত করার পরিকল্পনা
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত বিভক্ত করার পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভারত বিভক্ত করার পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
৩ জুন পরিকল্পনা

- স্বাধীন সার্বভৌম 'বাংলা রাষ্ট্র' গঠনের প্রস্তাব এবং এর ভবিষ্যৎ সংবিধানের রূপরেখা প্রকাশিত হলে 'হিন্দু মহাসভা’, কংগ্রেসের প্রতিক্রিয়াশীল ও ধর্মান্ধ অবাঙালি নেতাগণ এর বিরোধিতা শুরু করেন।
- এসব সাম্প্রদায়িক ও ধর্মান্ধ নেতাগণ ভারত বিভক্তির সাথে সাথে বাংলা এবং পাঞ্জাবের বিভক্তিরও দাবি জানান।
- ১৯৪৭ সালের জুন মাসে মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে মি. জিন্নাহর প্ররোচনায় অবাঙালি মুসলিম লীগ নেতাদের সমর্থনে ভারত বিভক্তি সংক্রান্ত মাউন্টব্যাটেনের '৩ জুন পরিকল্পনা' গৃহীত হয়।

- বাংলা প্রদেশের অধিবাসী হয়েও খাজা নাজিমুদ্দিন এবং মওলানা আকরাম খান সেদিন জিন্নাহকেই সমর্থন করেছিলেন, অখণ্ড বাংলাকে নয়।
- তবে আবুল হাশিমসহ ৭ জন প্রতিনিধি এ সিদ্ধান্তের জোরালো প্রতিবাদ করেছিলেন।
- এর ফলে ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট ভারত বিভক্ত হয় এবং এর পাশাপাশি বাংলা বিভক্ত হয়ে পূর্ব অংশ 'পাকিস্তানের' সাথে এবং পশ্চিম অংশ ভারতের সাথে অন্তর্ভুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
৪,৩৪৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদের উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৫১নং অনুচ্ছেদ
  2. ৫৪নং অনুচ্ছেদ
  3. ৫৭নং অনুচ্ছেদ
  4. ৫৯নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫৭নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৪,৩৪৫.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোন সংস্থা থেকে 'আজিজুল হক পল্লী উন্নয়ন পদক' লাভ করেন?
  1. ক) IDA
  2. খ) WMO
  3. গ) CIRDAP
  4. ঘ) BARD
সঠিক উত্তর:
গ) CIRDAP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) CIRDAP
ব্যাখ্যা
- ২০২২ সালের ২৯ মে, গ্রামীণ উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ  'আজিজুল হক পল্লী উন্নয়ন পদক ২০২১' লাভ করেন - প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
- দারিদ্র বিমোচন ও পল্লী উন্নয়নে অবদানের জন্য আজিজুল হক পল্লী উন্নয়ন পদক প্রদান করে - CIRDAP.
 
- CIRDAP এর পূর্ণরূপ Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific. 
- CIRDAP কার্যালয়ের নাম চামেলি হাউজ। এটির অবস্থান ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের পাশে।
- ১৯৭৯ সালে বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর উদ্যোগে  প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের পল্লী জনগণের দারিদ্র্য বিমোচন ও ভাগ্য উন্নয়নের লক্ষ্যে CIRDAP প্রতিষ্ঠিত হয়।

 
উৎস: CIRDAP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, কালের কন্ঠ পত্রিকা নিউজ)
৪,৩৪৬.
The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. হেনরি কিসিঞ্জার
  2. এপিজে আবদুল কালাম
  3. অমর্ত্য সেন
  4. নেলসন ম্যান্ডেলা
সঠিক উত্তর:
অমর্ত্য সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যা

অমর্ত্য সেন:
- অমর্ত্য সেন একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ভারতীয় বাঙালী অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক।
- ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন অমর্ত্য সেন।
- দারিদ্র এবং দুর্ভিক্ষ নিয়ে গবেষণার জন্য পৃথিবী জুড়েই তিনি শ্রদ্ধা অর্জন করেছেন।
- তিনি হার্ভার্ড সোসাইটি অফ ফেলোস, ট্রিনিট্রি কলেজ, অক্সব্রিজ এবং ক্যামব্রিজের একজন সিনিয়র ফেলো।
- এছাড়াও তিনি ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল পর্যন্ত ক্যামব্রিজের ট্রিনিটি কলেজের মাস্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ইকোনমিস্ট ফর পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির একজন ট্রাষ্টি।
- তিনিই প্রথম ভারতীয় শিক্ষাবিদ যিনি একটি অক্সব্রিজ কলেজের প্রধান হন।
- এছাড়াও তিনি প্রস্তাবিত নালন্দা আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসাবেও কাজ করেছেন।
- ২০০৬ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে অনূর্ধ্ব ষাট বছর বয়সী ভারতীয় বীর হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
- ২০১০ সালে তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় স্থান দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- অমর্ত্য সেনের লেখা গ্রন্থাবলি ৩০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে।
- The Idea Of Justice-গ্রন্থটির রচয়িতা অমর্ত্য সেন।
- বইটি মূলত জন রলসের 'A Theory of Justice' (1971)-এর মৌলিক ধারণাগুলির একটি সমালোচনা এবং সংশোধন।

অন্যদিকে,
- Nuclear Weapons and Foreign Policy গ্রন্থটির রচয়িতা হেনরি কিসিঞ্জার।
- Long Walk to Freedom গ্রন্থটির রচয়িতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- Wings of Fire গ্রন্থটির রচয়িতা এপিজে আবদুল কালাম।

উৎস: Britannica.

৪,৩৪৭.
BARD -এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Administrative and Rural Development
  2. Bureau for Agricultural and Rural Development
  3. Bangladesh Academy for Rural Development
  4. Board of Agriculture and Rural Development
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Academy for Rural Development
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Academy for Rural Development
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড):
- এর পূর্ণরূপ - Bangladesh Academy for Rural Development
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- একাডেমির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খানে।
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কুমিল্লায় অবস্থিত।

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৩৪৮.
কোন পণ্যকে 'প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার-২০২৩' ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. তুলা
  2. তামাক
  3. চা
  4. পাট
সঠিক উত্তর:
পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট
ব্যাখ্যা
• পাটজাত পণ্য:
- পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছে সরকার।
- রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ এর অনুচ্ছেদ ৯.১২ অনুসারে ‘পাটজাত পণ্য’কে বর্ষপণ্য-২০২৩ (প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার-২০২৩) ঘোষণা করা হলো।

- ‘রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪’ এর ৯.১২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, পণ্যভিত্তিক রপ্তানিকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিবছর একটি পণ্যকে ‘প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার’ ঘোষণা অব্যাহত রাখা হবে।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
৪,৩৪৯.
বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের মধ্যে প্রাচীনতম-
  1. ক) দ্রাবিড়
  2. খ) মোঙ্গলীয়
  3. গ) অস্ট্রিক
  4. ঘ) নেগ্রিটো
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেগ্রিটো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেগ্রিটো
ব্যাখ্যা
• প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা বাঙলায় বাস করতো তারা হলোঃ
- অস্ট্রিক, 
- দ্রাবিড়, 
- নেগ্রিটো ও
- ভোটচীনীয়।

• সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ব বিদ্যালয় অনুসারে -
এ অঞ্চলে প্রথম অস্ট্রিক জনগোষ্ঠীর লোকরা আসে এবং সেটি সম্ভবত পাঁচ-ছয় হাজার বছর পূর্বে ইন্দোচীন থেকে।

• সরকারি সাইট শিক্ষক বাতায়ন (teachers.gov.bd) অনুসারে -
এ অঞ্চলে প্রথম আসে নিগ্রপ্রতিম খর্বাকায় মানুষ, যাদেরকে নেগ্রিটো বলা হয়।

• বাংলাপিডিয়ার তথ্য অনুসারে - 
বাংলার প্রাচীনতম বং জনগোষ্ঠীর পরবর্তী নেগ্রিটো জনগোষ্ঠীর পরে  বাংলায় অস্ট্রোলয়েডদের আগমন ঘটে বলে অনুমিত হয়। 

তাই আমরা অধিক গ্রহনযোগ্য উত্তর হিসেবে নেগ্রিটো গ্রহণ করছি।
৪,৩৫০.
তৎকালীন পাকিস্তানে প্রথম সারাদেশে সামরিক শাসন জারি করেন কে?
  1. আইয়ুব খান
  2. ফিরোজ খান নুন
  3. ইস্কান্দার মীর্জা
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মীর্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মীর্জা
ব্যাখ্যা

• পাকিস্তান শাসনতন্ত্র: 
- পাকিস্তানে ১৯৪৭ হতে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ নয় বছর কোন সংবিধান ছিলো না।
-  ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ পাকিস্তানের দ্বিতীয় গণপরিষদ একটি সংবিধান প্রণয়ন করে।
- এই সংবিধান  মাত্র আড়াই বছর টিকে ছিলো।
-  রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মীর্জা সারাদেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- তিনি ১৯৫৬ সালের সংবিধান কেবল স্থগিতই করেননি, তা বাতিল করে দেন।
- এবং বরখাস্ত করেন ফিরোজ খান নুনের সরকারসহ সকল প্রাদেশিক সরকারকে।

উৎস: পৌরনীতি, ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩৫১.
What was the sector number of Dhaka in 1971?
  1. 2
  2. 4
  3. 7
  4. 11
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল: ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও -বঙ্গোপসাগর)।
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
- চট্টগ্রাম: ১নং সেক্টর,
- ঢাকা: ২ নং সেক্টর,
- রংপুর: ৬ নং সেক্টর,
- রাজশাহী: ৭ নং সেক্টর,
- মুজিবনগর: ৮ নং সেক্টর,
- সুন্দরবন: ৯ নং সেক্টর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৫২.
মারমাদের আদি নিবাস কোথায় ছিল?
  1. তিব্বত 
  2. আরাকান
  3. ত্রিপুরা
  4. মিজোরাম
সঠিক উত্তর:
আরাকান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরাকান
ব্যাখ্যা

- মারমাদের আদি নিবাস ছিল আরাকান।

মারমাদের জাতিগত উৎপত্তি:
- মারমারা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- তারা মূলত মায়ানমারের আরাকানিদের বংশধর।
- মারমা সম্প্রদায়ের গায়ের রঙ হলদে ফর্সা, উচ্চতা তুলনামূলকভাবে খাটো, নাক বোঁচা, কালো চুল ও ছোট চোখ।
- ১৪ থেকে ১৭ শতকে বার্মিজরা আরাকান জয় করলে মারমারা আরাকান থেকে বিতাড়িত হয়।
- তখন তারা থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলে অনুপ্রবেশ করে।
- মায়ানমারের প্রাচীন পেগুসিটি হল মারমা সম্প্রদায়ের আদি বাসস্থান।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩৫৩.
কোন মুঘল সুবেদার চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন?
  1. ইসলাম খাঁ
  2. শায়েস্তা খান
  3. শাহবাজ খান
  4. হোসেন কুলি বেগ
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা
সুবেদার শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খানের সুবাদারি আমল দুঅধ্যায়ে বিভক্ত ছিল।
- তিনি প্রথম অধ্যায়ে ১৬৬৪ খ্রিঃ থেকে ১৬৭৮ খ্রিঃ পর্যন্ত এবং দ্বিতীয় অধ্যায়ে ১৬৮০ খ্রিঃ থেকে ১৬৮৮ খ্রিঃ পর্যন্ত বাংলাদেশের সুবাদার ছিলেন।
- তিনি একজন দক্ষ সেনাপতি ও জনপ্রিয় সুবেদার ছিলেন।
- চট্টগ্রাম থেকে মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের বিতাড়িত করেন শায়েস্তা খান।
- মোগল সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইচ্ছানুযায়ী চট্টগ্রামের নাম রাখা হয় ইসলামাবাদ।
- শুল্ক ফাঁকি দেয়ার চেষ্টা করলে ইংরেজ কোম্পানির সঙ্গে শায়েস্তা খানের প্রথম সংঘর্ষ ঘটে এবং ইংরেজরা বাংলাদেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়। এভাবে তিনি ইংরেজ বণিকদের ঔদ্ধত্যের সমুচিত জবাব দেন।
- শায়েস্তা খান রাজস্ব সংস্কারে বড় ধরনের অবদান রাখেন।
-তাঁর সময়ে বাংলাদেশ কৃষি, শিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যে যথেষ্ট উন্নতি লাভ করেছিল। তখন বাংলাদেশে জিনিসপত্রের দাম খুব কম ছিল।
- শায়েস্তা খান ঢাকায় ছোট কাটরা, হুসায়েনী দালান, লালবাগ দুর্গের একাংশ এবং আরও বহু অট্টালিকা ও মসজিদ নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৫৪.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ কী ধরণের স্যাটেলাইট হবে?
  1. কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট
  2. ওয়েদার স্যাটেলাইট
  3. আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
  4. ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট
সঠিক উত্তর:
আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
ব্যাখ্যা
 বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট।
- ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।
- এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে।
- ফলে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য অরবিটাল স্লট প্রয়োজন হবে না।
- এই স্যাটেলাইটের লাইফ টাইম হবে ১৮ বছরের মতো।
- দেশের সমুদ্রসীমায় ‘সি রিসোর্স’ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণে এই স্যাটেলাইট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। 

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সফল উৎক্ষেপণ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে স্যাটেলাইট ক্লাবের ৫৭ তম গর্বিত সদস্যে। 

উৎস: ২৪ জুলাই, ২০২৩, যুগান্তর।
৪,৩৫৫.
'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার গ্রাম' - জাতির পিতা কবে এই ঘােষণা দেন?
  1. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  2. ৭ মার্চ ১৯৭১
  3. ৩ মার্চ ১৯৭১
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
৭ মার্চ ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ মার্চ ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানের সমাবেশে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহব্বান জানান এবং দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

তিনি বজ্রকণ্ঠে ঘোষণা করেন - “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।”

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণে শেখ মুজিবুর রহমান ৪টি দাবি উপস্থাপন করেন। যথা:
১.চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার,
২.সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া,
৩. গণহত্যার তদন্তকরা এবং
৪. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
৪,৩৫৬.
ছয় দফা দিবস কত তারিখ পালিত হয়?
  1. ৬ ফেব্রুয়ারি
  2. ২৩ মার্চ
  3. ৭ জুন
  4. ২৭ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ৭ জুন ছয় দফা দিবস।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত। 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৫৭.
What is FDI?
  1. ক) Foreign Donor Investment.
  2. খ) Foreign Direct Investment
  3. গ) Future Development Index.
  4. ঘ) Foreign Development Investment
সঠিক উত্তর:
খ) Foreign Direct Investment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Foreign Direct Investment
ব্যাখ্যা
FDI:
- FDI  এর পূর্ণরূপ - Foreign direct investment.
- FDI হলো একটি দেশে অবস্থিত একটি কোম্পানি দ্বারা অন্য দেশে অবস্থিত কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা।
- সহজ ভাষায় এফডিআই হলো একটি বিনিয়োগ যখন একটি ফার্ম, পার্টি, কোম্পানি বা ব্যক্তি ব্যবসার জন্য তাদের অর্থ বিদেশে বিনিয়োগ করে বা অন্য দেশে একটি ব্যবসায়িক সত্তায় মালিকানা নিয়ন্ত্রণ করে।
- বিদেশী সরাসরি বিনিয়োগ সাধারণত এমন দেশগুলিতে করা হয় যেখানে মুক্ত অর্থনীতি, উচ্চ প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা এবং অপেক্ষাকৃত সস্তা হারে দক্ষ কর্মী বাহিনী রয়েছে।

উৎস: Investpedia.com
৪,৩৫৮.
নানকার বিদ্রোহ প্রধানত কোন অঞ্চলে সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রাজশাহী
  3. সিলেট
  4. পার্বত্য চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

নানকার বিদ্রোহ:
- নানকার বিদ্রোহ সিলেটে সংঘটিত হয়েছিল।

⇒ 'নানকার বিদ্রোহ' সিলেট অঞ্চলের একটি কৃষক-আন্দোলন, যা ১৮ আগস্ট ১৯৪৯ সালে সংঘটিত হয়।
- জমিদারের ভূমিদাসদের একটি প্রথাকে 'নানকার প্রথা' বলা হতো।
- বিংশ শতাব্দীর বিশের দশকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ১৯৫০ সালে জমিদারপ্রথা বিলুপ্ত করার মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

⇒ বাঙালি জাতির সংগ্রামের ইতিহাসে বিশেষ করে অধিকারহীন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যেসব গৌরবমণ্ডিত আন্দোলন-বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো 'নানকার বিদ্রোহ'। 
- ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আমলে সামন্তবাদী ব্যবস্থার সবচেয়ে নিকৃষ্টতম শোষণ পদ্ধতি ছিল নানকার প্রথা।
- নানকার প্রজারা জমিদারের দেওয়া বাড়ি ও সামান্য কৃষি জমি ভোগ করত; কিন্তু ওই জমি ও বাড়ির ওপর তাদের কোনো মালিকানা ছিল না।
- নানকার প্রজারা বিনা মজুরিতে জমিদারের বাড়িতে কাজ করত।
- চুন থেকে পান খসলেই তাদের ওপর চলত অকথ্য নির্যাতন।
- মূলত সিলেটের বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমার রেঙ্গা পরগনাসমেত এই অঞ্চলে এই সামন্তপ্রথাটি প্রচলিত ছিল। সামন্ত ভূমালিকদের সিলেট অঞ্চলে মিরাশদার এবং বড় মিরাশদারকে জমিদার বলা হতো। 
- ১৯২২ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত কমিউনিস্ট পার্টি ও কৃষক সমিতির সহযোগিতায় বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, বড়লেখা, কুলাউড়া, বালাগঞ্জ, ধর্মপাশা থানায় দানা বাঁধতে থাকল নানকার আন্দোলন।
- কমরেড অজয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে চলতে থাকে নানকার কৃষকসহ সব নির্যাতিত জনগণকে সংগঠিত করার কাজ। 
- সে সময় অজয় ভট্টাচার্য্যের সঙ্গে কাজ করেছেন শিশির ভট্টাচার্য্য, ললিত পাল, জোয়াদ উল্ল্যা, আব্দুস সোবহান ও শৈলেন্দ্র ভট্টাচার্যসহ আরো কয়েক জন। তাদের নেতৃত্বে নানকার কৃষক ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে জমিদারের বিরুদ্ধে। বন্ধ হয়ে যায় খাজনা দেওয়া, এমনকি জমিদারদের হাট-বাজারের কেনাকাটা পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিভিন্ন জায়গায় জমিদার ও তার লোকজনকে ধাওয়া করে তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

উৎস: i) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৪,৩৫৯.
বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশের প্রথম পদক্ষেপ- 
  1. ছয়দফা
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান 
  4. মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

⇒ ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার কয়েক মাসের মধ্যেই বাংলা ভাষাকে কেন্দ্র করে ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।
- ভাষা আন্দোলন ছিল বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশের প্রথম পদক্ষেপ।
- দীর্ঘ দু'শো বছর ইংরেজ শাসন ও শোষণের পর ভারত ও পাকিস্তান নামের দু'টি আলাদা রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে বাংলা অঞ্চল দু'ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়।
- কলকাতাসহ হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল ভারতের অধীনে এবং ঢাকাসহ পূর্ব বাংলার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ অঞ্চল পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- কিন্তু পাকিস্তান রাষ্ট্রটি বেশি দিন পর্যন্ত অখন্ড থাকতে পারেনি।
- পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির অধিকার হরণের চেষ্টায় লিপ্ত হয়।
- পাকিস্তানের মোট জনগোষ্ঠীর ৫৬.৪০% মুখের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও সংখ্যালঘিষ্ট মাত্র ৩.২৭% জনগোষ্ঠীর ভাষা উর্দুকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী রাষ্ট্রভাষা হিসেবে চাপিয়ে দিতে চেয়েছিল।
- জনসংখ্যার দিক থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়া সত্ত্বেও পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক বৈষম্য এ অঞ্চলের জনমনে প্রবল অসন্তোষের সৃষ্টি করে।
- ফলে শুলুথেকেই স্বাধিকারের প্রশ্নে এই অঞ্চলের জনগণকে আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে হয়।
- সূচিত হয় ভাষা আন্দোলন। 

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, বাংলাদেম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩৬০.
সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ সর্বোচ্চ কত বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন?
  1. ৬৫ বছর
  2. ৬৭ বছর
  3. ৬৯ বছর
  4. ৬৩ বছর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর
ব্যাখ্যা
• সুপ্রিম কোর্ট:
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিমকোর্ট।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়।
- প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট গঠিত। 
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন। 
- প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিগণ বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত করেন।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হতে হলে তাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
- সুপ্রিম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে
- বাংলাদেশে বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
- সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন

• সুপ্রিমকোর্টের এর রয়েছে দুটি বিভাগ,
যথা:
- আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
 
উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৪,৩৬১.
নিচের কোনটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি নয়?
  1. জাতীয়তাবাদ
  2. সমাজতন্ত্র
  3. ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের ৮-২৫ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

৮ নং অনুচ্ছেদের ১ নং দফানুসারে রাষ্ট্র পরিচালনার প্রধান মূলনীতি হলো চারটি।
এগুলো হলো:
- জাতীয়তাবাদ
- সমাজতন্ত্র
- গণতন্ত্র ও
- ধর্মনিরপেক্ষতা।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
৪,৩৬২.
সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে -
  1. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  2. ট্যাকনোক্রাট মন্ত্রিসভা
  3. ছায়া মন্ত্রিসভা
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
ছায়া মন্ত্রিসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছায়া মন্ত্রিসভা
ব্যাখ্যা
বিকল্প সরকার:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিরোধী দলও সরকারি দলের ন্যায় গঠন করে- ছায়া মন্ত্রিসভা।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া মন্ত্রিসভা বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৪,৩৬৩.
বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে -
  1. ৮ আগস্ট, ১৯৭২
  2. ১০ আগস্ট, ১৯৭২
  3. ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
  4. ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট জাতিসংঘের সদস্যপদের জন্য আবেদন করে।
- ১০ আগস্ট, ১৯৭২ সালে চীন বাংলাদেশের সদস্যপদের বিরুদ্ধে ভেটো প্রদান করে।
- স্থায়ী সদস্য হওয়ার পর এটি ছিল চীনের প্রথম ভেটো।

⇒ ১৯৭২ সালের ১৭ অক্টোবর জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা লাভ করে।
- বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সাল।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশকে প্রথম জাতিসংঘ সংস্থায় সদস্যরূপে স্বাগত জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
৪,৩৬৪.
বাংলাদেশের ‘জাতীয় গ্রন্থাগার‘ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) শাহবাগে
  2. খ) গুলিস্তানে
  3. গ) আগারগাঁও
  4. ঘ) উত্তরায়
সঠিক উত্তর:
গ) আগারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আগারগাঁও
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগার ঢাকার শেরে বাংলা নগরে আগারগাঁও এ অবস্থিত। 
- ১৯৭২ সালে পুরাতন এলিফ্যান্ট রোডের একটি পরিত্যক্ত ভবনে জাতীয় গ্রন্থাগারের যাত্রা শুরু হয়। 
- ১৯৭৯ সালে সেখান থেকে সেন্ট্রাল রোডের ভাড়া বাড়িতে এবং ১৯৮৫ সালের ১ নভেম্বর শেরে বাংলা নগরে নিজস্ব ভবনে জাতীয় গ্রন্থাগার স্থানান্তরিত হয়।
 শাহবাগে গণগ্রন্থাগার এবং গুলিস্তানে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র অবস্থিত।

(সূত্রঃ আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
৪,৩৬৫.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহীত হয় সংবিধানের কত নং সশোধনীর মাধমে?
  1. ক) একাদশ সংশোধনী
  2. খ) দ্বাদশ সংশোধনী
  3. গ) ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. ঘ) পঞ্চদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
গ) ত্রয়োদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
• ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে অবাধ ও নিরপেক্ষ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান সংবিধানে সন্নিবেশ করা হয়।
- ৫৮ খ নং অনুচ্ছেদে এই সংক্রান্ত বিধানটি সংযুক্ত করা হয়েছিল।

- তবে পরবর্তীতে হাইকোর্ট ২০১১ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করলে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধান থেকে বাদ দেওয়া হয়।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয় এবং পৌরনীতি ও নাগরিকতা : নবম-দশম শ্রেণী।
৪,৩৬৬.
বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বনভূমি রয়েছে কোন বিভাগে?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সবচেয়ে কম বনভূমি রয়েছে রাজশাহী বিভাগে, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে চট্রগ্রাম বিভাগে। (রেফারেন্সঃ বন বিভাগ)
৪,৩৬৭.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অংশের দৈর্ঘ্য -
  1. ৯.৩৯ কি.মি.
  2. ১৯.৭৩ কি.মি.
  3. ১২.৩০ কি.মি.
  4. ১২৯ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
১৯.৭৩ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯.৭৩ কি.মি.
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, দেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
- মূল এলিভেটেড অংশের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কি.মি.।
- প্রকল্পে উঠা-নামার জন্য মোট ২৭ কি.মি দীর্ঘ ৩১টি র‍্যাম্প রয়েছে।
- র‍্যাম্পসহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬.৭৩ কি.মি.।
- সড়কটি হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত।
- ঢাকা শহরের যানজট নিরসনসহ ভ্রমণে সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই উড়াল সড়ক তৈরির উদ্যোগ নেয় সরকার। 
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে দ্রুতগতির প্রথম উড়ালসড়ক (ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) উদ্বোধন করেছেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ছাড়া থাইল্যান্ড ও চীনভিত্তিক দুটি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ এবং নির্মাণকাজের মাধ্যমে এই উড়ালসড়কের অংশীদার।
- প্রকল্পের মেয়াদ: জুলাই ২০১১- জুন ২০২৪।

উৎস: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।
৪,৩৬৮.
নিচের কোনটি সমাজতান্ত্রিক দল?
  1. জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল
  2. বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি
  3. বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
সমাজতান্ত্রিক দল:
 
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ):
- ১৯৭২ সালে আওয়ামী লীগ থেকে পৃথক হয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) এর যাত্রা শুরু হয়।
- দলটির লক্ষ্য হল বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র এবং কৃষক-শ্রমিকদের নেতৃত্বে বিপ্লব সংঘটিত করার মাধ্যমে একটি শোষণমুক্ত শ্রেণিহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। 
 
বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি:
- এটি একটি সমাজতান্ত্রিক দল। বাংলাদেশে সমাজতান্ত্রিক দলের দুটি ধারা।
- একটি মার্কসবাদী-লেনিনবাদী বা চীনপন্থী অন্যটি সোভিয়েতপন্থী।
- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটি মূলত লেনিনবাদী সমাজতান্ত্রিক দল।
- ১৯৮০ সালে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 
 
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি:
- সমাজতন্ত্রের প্রবর্তক কার্ল মার্কস এর অনুসারী একটি দল।
- বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নিখিল ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির উত্তরাধিকারী সংগঠন।
- ১৯৬৮ সালে পূর্ব পাকিস্তানে কমিউনিস্ট ইউনিট গঠন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে এ দলটি সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।
 
তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪,৩৬৯.
‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন’ কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. খাদ্য মন্ত্রণালয়
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

- ১৬ই মে ১৯৮৩ সালে তৎকালীন মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী Science & Technology Division এর অধিনস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) ও আধাসরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস ইনস্টিটিউশন (BDSI)-কে একীভূত করে ২৫শে জুলাই ১৯৮৫ তারিখে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত ‘দি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন অধ্যাদেশ, ১৯৮৫’ -এর মাধ্যমে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) গঠিত হয়।
- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধিনস্ত কৃষিপণ্য বিপনন ও শ্রেণী বিন্যাস পরিদপ্তরটি বিএসটিআই’র সঙ্গে একীভূত হয়।
- উক্ত অধ্যাদেশটি ‘বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন আইন-২০১৮’ -তে পরিণত করা হয়েছে।
- বর্তমানে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধিনে বিএসটিআই একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে অর্পিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন।

৪,৩৭০.
সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. দ্বাদশ 
  2. ত্রয়োদশ
  3. চতুর্দশ
  4. পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।

এছাড়াও,
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে ‘গণভোটের’ বিধান বাদ দিয়েছিল।
- এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান সংযোজন করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

৪,৩৭১.
বাংলাদেশ সংবিধানের রক্ষক কে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. বিশেষ ট্রাইবুনাল
  3. সুপ্রীম কোর্ট
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা

বিচারবিভাগের কাজ:

• ন্যায়বিচার করা:

⇒ বিচারবিভাগের প্রধান কাজ প্রচলিত আইন অনুযায়ী অপরাধের জন্য অভিযুক্ত ব্যক্তি এবং আইন অমান্যকারীর বিচার করা। এক্ষেত্রে বিচারকগণ স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে আইন অনুযায়ী ন্যায়নীতির ভিত্তিতে বিচারকার্য সম্পন্ন করেন। বিচার বিভাগ সমাজে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করে। দেওয়ানি, ফৌজদারি প্রভৃতি মামলায় সত্য ঘটনা অনুসন্ধানের মাধ্যমে বিচারবিভাগ অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করে।

• আইন তৈরি:
⇒ সাধারণত আইনের ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রয়োগের দায়িত্ব বিচারবিভাগের ওপর ন্যস্ত থাকে। এছাড়া বিচারকগণ নতুন আইন সংযোজন করে থাকেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিচার করতে গিয়ে উপযুক্ত আইন খুঁজে পাওয়া না গেলে বিচারকগণ ঐকমত্যের ভিত্তিতে বিচারের রায় প্রদান করেন যা আইন হিসেবে বিবেচিত হয়।

• মৌলিক অধিকার সংরক্ষণ:
⇒ জনগণের মৌলিক অধিকার সংবিধানে লিপিবদ্ধ থাকে। এ অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব বহুলাংশে আদালতের ওপরই ন্যস্ত হয়।

• আইনের ব্যাখ্যা প্রদান ও প্রয়োগ:
⇒ বিচারবিভাগের গুরুত্বপূর্ণ কাজ আইনের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা এবং সেই ব্যাখ্যা অনুযায়ী আইন প্রয়োগ করা। আইন বলতে সাধারণত সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন, শাসনতান্ত্রিক আদেশ বা অর্ডার এবং বিভিন্ন প্রথাগত আইনকে বোঝানো হয়।

• সংবিধান রক্ষা করা:
⇒ সংবিধানের অভিভাবক হিসেবে বিচারবিভাগ কাজ করে। বিচারবিভাগ সংবিধানের চূড়ান্ত ব্যাখ্যা দেয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থায় বিচার বিভাগীয় পর্যালোচনার গুরুত্ব অপরিসীম; সেখানে সুপ্রিম কোর্ট প্রভূত ক্ষমতার অধিকারী।

উৎস: বাংলাদেশ ওি বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৪,৩৭২.
সর্বস্তরে বাংলা ভাষার প্রচলন আইন কত সালে পাশ হয়?
  1. ১৯৮৬
  2. ১৯৮৭
  3. ১৯৮৮
  4. ১৯৮৯
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা প্রচলন আইন:

- ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রণয়ন করা হয়।
- ঐ আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস-আদালত, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন-আদালতের সওয়াল-জবাব এবং অন্যান্য আইনানুগ কার্যাবলি অবশ্যই বাংলায় লিখিত হইবে। - এই ধারা মোতাবেক কোনো কর্মস্হলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন তাহা হইলে উহা বেআইনি ও অকার্যকর বলিয়া গণ্য হইবে।’

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২।
৪,৩৭৩.
সংবিধানের গাইডিং স্টার বলা হয় কোনটিকে?
  1. ক) তফসিল
  2. খ) প্রস্তাবনা
  3. গ) বিভাগ
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
খ) প্রস্তাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রস্তাবনা
ব্যাখ্যা
প্রস্তাবনা: সংবিধানের গাইডিং স্টার

প্রস্তাবনা সমগ্র জাতির জন্য একটি দিক নির্দেশনা হিসাবে কাজ করে কারণ প্রস্তাবনাকে সামনে রেখেই দেশের সরকার ও সকল কার্যক্রম পরিচালিত হয়। সংবিধানের কোনো কার্যকরী অংশের বা বাক্যের অস্পষ্টতা দূরীকরণে ব্যাখ্যা প্রদানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সংবিধানের প্রস্তাবনা। তাই, প্রস্তাবনাকে সংবিধানের গাইডিং স্টার বলা হয়।

প্রস্তাবনা হচ্ছে সংবিধানের দর্পন। এটি সংবিধানের মূল বিষয় সম্পর্কে একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা প্রদান করে।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৭৪.
বর্তমান মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট সদস্য কত জন?
  1. ১জন
  2. ২জন
  3. ৩জন
  4. কোন টেকনোক্র্যাট সদস্য নেই
সঠিক উত্তর:
২জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২জন
ব্যাখ্যা
♦ বর্তমান মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট সদস্য ২ জন। 
- স্থপতি ইয়াফেস ওসমান ও সামন্ত লাল সেন টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হয়েছেন।
♦স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ডা. সামন্ত লাল সেন।
- ডা. সামন্ত লাল সেন বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারির জন্য সুপরিচিত একজন চিকিৎসক।
- তিনি দেশের বার্ন ইনস্টিটিউটগুলোর সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
- এর আগে তিনি শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ছিলেন।
♦টানা ৪ মেয়াদে টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী ইয়াফেস ওসমান।
- সরকারের নতুন মন্ত্রিসভায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন স্থপতি ইয়াফেস ওসমান।
- তিনি দ্বাদশ সংসদের নতুন মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।
 - স্থপতি ইয়াফেস ওসমান সর্বশেষ মন্ত্রিসভায় টেকনোক্রেট হিসেবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। 
-  তিনি বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত ওসমানের ছেলে ইয়াফেস ওসমান।

উৎস- LIVE MCQ সাম্প্রতিক সমাচার (ফেব্রুয়ারি)। 
৪,৩৭৫.
ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. খাজা নাজিমউদ্দীন
  4. ইস্কান্দার মির্জা
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমউদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমউদ্দীন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। 
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।

৪,৩৭৬.
প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা কাজের জন্য কার কাছে দায়বদ্ধ থাকেন?
  1. রাষ্ট্রপতির কাছে
  2. আদালতের কাছে
  3. জাতীয় সংসদের কাছে
  4. স্পিকারের কাছে
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের কাছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের কাছে
ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা কাজের জন্য জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ থাকেন।

বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ সংবিধানের ৫৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা -
- ৫৫ (১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করবে, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে।
- ৫৫ (২) প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে।
- ৫৫ (৩) মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকবেন।
- ৫৫ (৪) সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে।
- ৫৫ (৫) রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হবে, রাষ্ট্রপতি তা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে তার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
- ৫৫ (৬) রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,৩৭৭.
জেলা প্রশাসক কার পদমর্যাদা সম্পন্ন পদ হিসেবে বিবেচিত?
  1. যুগ্ম সচিব
  2. উপসচিব
  3. অতিরিক্ত সচিব
  4. সচিব
সঠিক উত্তর:
উপসচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপসচিব
ব্যাখ্যা

জেলা প্রশাসন: 
- জেলা প্রশাসন বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর তৃতীয় স্তর।
- প্রত্যেক বিভাগ কয়েকটি জেলায় বিভক্ত।
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৬৪টি জেলা রয়েছে।
- জেলা প্রশাসক বা ডেপুটি কমিশনার হলেন জেলা প্রশাসনের মধ্যমণি।
- তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন অভিজ্ঞ সদস্য।
- তিনি প্রশাসনের উপসচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা।
- জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রের যোগসূত্র বিদ্যমান।
- বাংলাদেশ সচিবালয়ে জেলাসংক্রান্ত গৃহীত যাবতীয় সিদ্ধান্ত সরাসরি জেলা প্রশাসকের নিকট প্রেরিত হয়।
- জেলা প্রশাসক কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত মোতাবেক জেলা প্রশাসন পরিচালনা করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৪,৩৭৮.
প্রান্তিক লেক কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. রাঙ্গামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বান্দরবান
ব্যাখ্যা
প্রান্তিক লেক: 
- প্রান্তিক লেক বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। 
- প্রায় ২৫ একর জায়গাজুড়ে সৃষ্ট কৃত্রিম জলাশয় ‘প্রান্তিক লেক’ এর জলাভূমির আয়তন ২৫ একর হলেও পুরো কমপ্লেক্সটি আরো অনেক বড়।
- অপূর্ব সুন্দর এ লেকের চারিপাশ নানা প্রজাতির গাছগাছালিতে ভরপুর।
- পিকনিকের জন্য এটি অন্যতম লোভনীয় স্থান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে সর্বত্র।
- এটি বান্দরবান-কেরানীহাট সড়কের পাশে হলুদিয়া নামক স্থানে অবস্থিত। 
- বান্দরবান জেলা সদর থেকে ‘প্রান্তিক লেক’ এর দুরত্ব ১৪ কিলোমিটার।
- লেকটিতে উম্মুক্ত মাটির মঞ্চ, পিকনিক স্পট, বিশ্রামাগার এবং একটি উঁচু গোল ঘর ইত্যাদি স্থাপনা রয়েছে।
- গোল ঘরে বসে লেকের সৌন্দর্য সহজে উপভোগ করা যায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৪,৩৭৯.
'মনপুরা ৭০' চিত্রকর্মের চিত্রশিল্পী কে?
  1. এস. এম. সুলতান
  2. কামরুল হাসান
  3. সফিউদ্দিন আহমেদ
  4. জয়নুল আবেদিন
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা
মনপুরা ৭০:
- সত্তরের ভয়াবহ ঘুর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত মানুষের অসহায়তাকে অবলম্বন করে একটি চিত্রশিল্প ‘মনপুরা ৭০’।
- ‘মনপুরা ৭০’ শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের শিল্পকর্ম।
- আধুনিকযুগে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন শিল্পচর্চার পথিকৃৎ।
- ১৯৪৩-এর বাংলার মন্বন্তর-ভিত্তিক চিত্রমালা তাঁকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয় এবং এক সকরুণ মানব-ট্র্যাজেডির তাৎক্ষণিক, সহানুভূতিপূর্ণ ও সবল রূপায়ন হিসেবে এগুলি বহির্বিশ্বেও শিল্পরসিকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- দুর্ভিক্ষের স্কেচে, কেবল তুলির কালো রেখায় যার সূচনা, সেটাকে বর্ণপ্রয়োগের ন্যূনতায় ও স্পেস ব্যবহারের পরিমিতিবোধে তিনি ক্রমশ এক নিজস্ব শৈলীতে রূপান্তরিত করেন।
- তাঁর এ পর্যায়ের ছবিগুলো- ‘বিদ্রোহী’, ‘মই দেওয়া’, ‘সাঁওতাল যুগল’ ‘সংগ্রাম’ এবং লোকশৈলীর মটিফে জ্যামিতিক বিন্যাসে সন্নিবেশিত চিত্র- ‘পাইন্যার মা’, ‘প্রসাধন’, ‘গুণটানা' প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৮০.
১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ক) পৃথক নির্বাচন ব্যবস্থা
  2. খ) প্রদেশে দ্বৈত শাসন
  3. গ) ভারত সচিবের পদ সৃষ্টি
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার
ব্যাখ্যা

• ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের বৈশিষ্ট্যসমূহঃ
- যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার,
- কেন্দ্রে দ্বৈতশাসন,
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত,
- গভর্নর জেনারেল ও গভর্নরদের বিশেষ ক্ষমতা,
- দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা,
- নতুন প্রদেশ গঠন,
- বার্মার পৃথকীকরণ,
- প্রতিনিধিত্ব ব্যবস্থার বিন্যাস,
- শাসন বিভাগের প্রাধান্য,
- সংবিধান সংশোধনের ক্ষমতা,
- স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

৪,৩৮১.
'গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস'-এ বাংলাদেশের কোন খেলোয়াড়ের নাম উঠেছে?
  1. নিয়াজ মোর্শেদ
  2. ব্রজেন দাস
  3. জোবেরা রহমান লিনু
  4. রানী হামিদ
সঠিক উত্তর:
জোবেরা রহমান লিনু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোবেরা রহমান লিনু
ব্যাখ্যা
জোবেরা রহমান লিনু:
- জোবেরা রহমান লিনু বাংলাদেশের বিখ্যাত টেবিল টেনিস খেলোয়াড়।
- বাংলাদেশের টেবিল টেনিসের রেকর্ড ১৬ বারের চ্যাম্পিয়ন তিনি।
- ১৯৭৭ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত ১৬ বার জাতীয় চ্যাম্পিয়ন তিনি।
- ২০০২ সালের মে মাসে নাম লেখান ‘গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে’।

উল্লেখ্য,
- মাত্র আট বছর বয়সে ১৯৭৩ সালে জোবেরা রহমান লিনু প্রথম টেবিল টেনিস প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।
- ১৯৭৪ সালে প্রথম জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নেন।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশে ইউনিসেফের ক্রীড়াদূতও হয়েছিলেন লিনু। 

উৎস: ১৪ আগস্ট, ২০২০, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।
৪,৩৮২.
মহান মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ কতটি সেক্টরে বিভক্ত ছিলো?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ১৩টি
  4. ঘ) ১১টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।
- সেক্টর নং ১ -  ৫টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
- সেক্টর নং ২ -  এই সেক্টরে ৬টি সাব-সেক্টর ছিল।
- সেক্টর নং ৩ - এই সেক্টরে ছিল ১০টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৪ - এই সেক্টরে ছিল ৬টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৫ - ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়ছিল।
- সেক্টর নং ৬ - এই সেক্টরে ছিল ৫টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৭ -  এই সেক্টরে ছিল ৮টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৮ -  এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ৯ - এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।
- সেক্টর নং ১০ - এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার। প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।
- সেক্টর নং ১১ -  এই সেক্টরকে ৮টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৮৩.
'ছোট কাটরা' কে নির্মাণ করেন কে?
  1. ইসলাম খান
  2. মীর জুমলা
  3. শায়েস্তা খান
  4. শাহ সুজা
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শায়েস্তা খান
ব্যাখ্যা

 • ছোট কাটরা:
- ছোট কাটরা হলো পুরাতন ঢাকার একটি মুঘল স্থাপত্য নিদর্শন।
- এটি বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে পুরান ঢাকার চকবাজারের হাকিম হাবিবুর রহমান লেনে অবস্থিত।
- মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৪ সালের দিকে এটি নির্মাণ করেন।
- এটির পাশেই শাহ সুজা নির্মিত বড় কাটরা (১৬৪৪ খ্রি.) অবস্থিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৪,৩৮৪.
Out of the following countries, which one is the first to give recognition to Bangladesh?
  1. Poland
  2. Senegal
  3. Iran
  4. Iraq
সঠিক উত্তর:
Poland
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Poland
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বীকৃত লাভ:

- অপশনে উল্লেখিত দেশসমূহের মধ্যে পোল্যান্ড সবার আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে ০৮ জুলাই ১৯৭২ সালে বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- ইরান ও তুরস্ক ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কন্ঠ, ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ও বিবিসি, মার্চ ২৬, ২০২১। 
৪,৩৮৫.
সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম কী?
  1. Parliament
  2. National Parliament 
  3. Legislature
  4. The House of the Nation
সঠিক উত্তর:
The House of the Nation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The House of the Nation
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজী নাম 'The House of the Nation'.
→ সংবিধানের পঞ্চম ভাগে আইনসভার উল্লেখ রয়েছে।
→ সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার উল্লেখ রয়েছে।

• জাতীয় সংসদ:
→ জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
→ দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
→ প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
→ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
→ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
→ জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
→ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
→ জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
→ অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
→ সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
→ ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

৪,৩৮৬.
নিচের কোনটি উচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত শিল্পখাত?
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি
  2. খ) জাহাজ নির্মাণ শিল্প
  3. গ) ঔষধ শিল্প
  4. ঘ) পর্যটন শিল্প
সঠিক উত্তর:
গ) ঔষধ শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঔষধ শিল্প
ব্যাখ্যা

- জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬ তে সাতটি শিল্পকে উচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাত হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- কৃষি/খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও কৃষিযন্ত্র প্রস্তুত শিল্প
- তৈরি পোশাক শিল্প
- আইসিটি/সফটওয়্যার শিল্প
- ঔষধ শিল্প
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য শিল্প
- লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং শিল্প
- পাট ও পাটজাত পণ্য শিল্প।
অন্যদিকে,
- পারমাণবিক শক্তি হলো সংরক্ষিত শিল্প।
- পর্যটন শিল্প ও জাহাজ নির্মাণ শিল্প হলো অগ্রাধিকার প্রাপ্ত শিল্পখাত।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬)

৪,৩৮৭.
’কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’- এ নিচের কোন শিল্পী অন্তর্ভুক্ত ছিল না?
  1. এরিক ক্ল্যাপটন
  2. এলভিস প্রিসলি
  3. রবি শঙ্কর
  4. বব ডিলান
সঠিক উত্তর:
এলভিস প্রিসলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এলভিস প্রিসলি
ব্যাখ্যা

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ
• একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
• পণ্ডিত রবিশংকর মুক্তিযুদ্ধের প্রতি বিশ্বজনমত গড়ে তোলা এবং শরণার্থীদের আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য তাঁর শিষ্য-বন্ধু বিশ্বখ্যাত ব্যান্ড বিটল্সের শিল্পী জর্জ হ্যারিসনকে নিয়ে এই অবিস্মরণীয় কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন। তাতে মোট ৪০,০০০ দর্শক উপস্থিত হয়েছিলেন। কনসার্টটির নাম দেওয়া হয়েছিল ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
• কনসার্ট ফর বাংলাদেশে আয়োজক দুই তারকা ছাড়াও অংশ নেন বিটলসের রিংগো স্টার, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, বিলি প্রেসটন, লিয়ন রাসেল।
• রবি শঙ্কর ছাড়াও সরোদ শিল্পী আলী আকবর খান অংশ নিয়েছিলেন এই কনসার্টে।
• এই কনসার্টটি পরিচালনা করেন পল সুইমার। 

উৎস::  প্রথম আলো এবং বিবিসি বাংলা।

৪,৩৮৮.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার (৭ বছর +) কত শতাংশ?
  1. ৭৭.৯ শতাংশ
  2. ৭৫.৯ শতাংশ
  3. ৭১.৯ শতাংশ
  4. ৮১.৯ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৭৭.৯ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭.৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর +): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%। 
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৪,৩৮৯.
উপজেলা উন্নয়ন কমিটির প্রধান কে?
  1. উপজেলার চেয়ারম্যান
  2. উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
  3. থানা নির্বাহী কর্মকর্তা
  4. জেলা প্রশাসক
সঠিক উত্তর:
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা
• উপজেলা প্রশাসন:
- উপজেলার প্রধান প্রশাসক হলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
- উপজেলার প্রশাসনিক কাজ তদারক করা তাঁর অন্যতম দায়িত্ব।
- এছাড়া তিনি উপজেলার সকল উন্নয়নকাজ তদারক করেন ও সরকারি অর্থের ব্যয় তত্ত্বাবধান করেন।
- তিনি উপজেলা উন্নয়ন কমিটির প্রধান।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৪,৩৯০.
আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. খাজা আহসানুল্লাহ
  2. নওয়াব সলিমুল্লাহ
  3. নওয়াব আবদুল গনি
  4. নওয়াব নাসিরউদ্দিন
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল গনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব আবদুল গনি
ব্যাখ্যা

আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।
- বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ঢাকার নবাব নওয়াব আব্দুল গনি। তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ’র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।
- এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল।
- নওয়াব আবদুল গণি ১৮৭২ সালে প্রাসাদটি নতুন করে নির্মাণ করান।
- ১৯০৬ সালে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে। এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাপিডিয়া।

৪,৩৯১.
পুন্ড্রনগরের সর্বপ্রথম উল্লেখ পাওয়া যায় কোথায়?
  1. ক) ব্রাহ্মী লিপিতে
  2. খ) তাম্রলিপি
  3. গ) সংস্কৃত
  4. ঘ) তাম্রলিপ্ত
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রাহ্মী লিপিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রাহ্মী লিপিতে
ব্যাখ্যা
পুন্ড্রনগর:

- পুন্ড্রনগরের সর্বপ্রথম উল্লেখ (পুদ্নগল) পাওয়া গেছে মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপিতে।
- পুন্ড্রনগর বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র
- এর প্রাচীনত্ব খ্রিস্টপূর্ব চার শতকের বলে ধরে নেওয়া হয়।
- পুন্ড্রনগরের সর্বপ্রথম উল্লেখ পাওয়া গেছে মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপিতে।
- পুন্ড্রনগরের ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করা হয়েছে বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ের আবিষ্কৃত ধ্বংসাবশেষের সঙ্গে।
- এই শনাক্তীকরণের ভিত্তি হচ্ছে উপর্যুক্ত ব্রাহ্মী লিপি, সাত শতকের চৈনিক পর্যটক ও তীর্থযাত্রী হিউয়েন সাং এর বিবরণ।
- করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত পুন্ড্রনগর
- সমগ্র প্রাচীন যুগে এটি ব্যবসায়-বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে সমৃদ্ধ ছিল।
- মুসলিম যুগের প্রথম দিকেও বিখ্যাত দরবেশ শাহ সুলতান বলখী অথবা মাহীসওয়ার এর বাসস্থান হিসেবে এ নগরের গুরুত্ব অব্যাহত ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৯২.
ঐতিহাসিক ছয় দফার ষষ্ঠ দফা কী ছিল?
  1. কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা
  2. রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  3. বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য
  4. প্রতিরক্ষা বিষয়ক
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা বিষয়ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিরক্ষা বিষয়ক
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
৪,৩৯৩.
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৫ পেয়েছেন কতজন ব্যক্তি? 
  1. ৬ জন ব্যক্তি
  2. ৯ জন ব্যক্তি
  3. ৮ জন ব্যক্তি
  4. ১০ জন ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
৯ জন ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ জন ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

- বাংলা একাডেমি ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৫’ ঘোষণা করেছে।
- এ বছর মোট ৮টি বিভাগে ৯ জন বিশিষ্ট লেখক ও গবেষককে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে।
• বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৫ বিজয়ীদের তালিকা নিচে লাইন আকারে দেওয়া হলো:
- কবিতা: মোহন রায়হান,
- কথাসাহিত্য: নাসিমা আনিস,
- প্রবন্ধ ও গদ্য: সৈয়দ আজিজুল হক,
- অনুবাদ: আলী আহমদ,
- শিশুসাহিত্য: হাসান হাফিজ,
- গবেষণা: মুস্তাফা মজিদ ও ইসরাইল খান,
- বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ: ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী,
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা: মঈদুল হাসান। 

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট। 

৪,৩৯৪.
কত বিঘা জমি পর্যন্ত ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফ করা হয়েছে?
  1. ১৫ বিঘা
  2. ২০ বিঘা
  3. ২৫ বিঘা
  4. ৩০ বিঘা
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
ব্যাখ্যা
ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩:
- ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য ও আদায়ে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩’ পাস হয়েছে।
- বিলের প্রস্তাব অনুযায়ী, ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষিজমির উন্নয়ন কর মওকুফের বিধান রাখা হয়েছে।
- তবে ২৫ বিঘার বেশি জমির মালিক হলে পুরোটারই ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে।
- বাংলা সনের পরিবর্তে ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ওই কর আদায় করা হবে।
- ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী।
- ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩’ শীর্ষক আইনে জনস্বার্থে ২৩টি ধারা সন্নিবেশ করা হয়েছে।
- এ ছাড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, উত্তরাধিকারী, কালেক্টর ইত্যাদি সংজ্ঞাকে যুগোপযোগী করা হয়েছে।
- এ ছাড়া বিলের বিধান অনুযায়ী, কোনো ভূমির মালিক টানা তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে তাকে প্রথম বছর থেকে তৃতীয় বছর পর্যন্ত সোয়া ৬ শতাংশ হারে জরিমানাসহ কর পরিশোধ করতে হবে।

উল্লেখ্য,
- পহেলা বৈশাখ থেকে ৩০ চৈত্র পর্যন্ত সময়ের জন্য ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হতো।
- এখন সেটা হবে ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত।

উৎস: ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ। [link]
৪,৩৯৫.
'করতলব খান' কার উপাধি?
  1. সুজাউদ্দিন খান
  2. আলীবর্দী খান
  3. মুর্শিদকুলি খান
  4. সিরাজউদ্দৌলা
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলি খান
ব্যাখ্যা

মুর্শিদকুলি খান:
- মুর্শিদকুলি খানের উপাধি "করতলব খান"।
- মুর্শিদকুলি খান দক্ষিণ ভারতের একটি দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেছিলেন।
- হাজী শফী ইস্পাহানী ছিলেন দাক্ষিণাত্যে শায়েস্তা খানের দিওয়ান।
- তিনি অল্প বয়সী মুর্শিদ কুলিকে কিনে নিয়ে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেন।
- প্রথমে তার নাম রাখা হয় মুহাম্মদ হাদী।
- রাজস্ব আদায়ের কাজে তাঁর অভিজ্ঞতা শেষ পর্যন্ত সম্রাট আওরঙ্গজেবের দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
- কর্মদক্ষতার গুণে আপ্লুত আওরঙ্গজেব তাঁকে হায়দারাবাদের দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে "করতলব খান" উপাধি প্রদান করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র,  এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪,৩৯৬.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তনের বক্তা ছিলেন -
  1. ক) ড. জ্যাঁ তিরোল
  2. খ) কৈলাশ সত্যাথী
  3. গ) মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান
  4. ঘ) ভোদিমির জেলেনস্কি
সঠিক উত্তর:
ক) ড. জ্যাঁ তিরোল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ড. জ্যাঁ তিরোল
ব্যাখ্যা
• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন:
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয় ১৯ নভেম্বর, ২০২২ সালে।
- সমাবর্তনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় চ্যান্সেলর জনাব মোঃ আবদুল হামিদ সভাপতিত্ব করেন।
- সমাবর্তনে বক্তা ছিলেন- নোবেল বিজয়ী ফরাসী অর্থনীতিবিদ- অধ্যাপক ড. জ্যাঁ তিরোল

তথ্যসূত্র: ঢাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট।
৪,৩৯৭.
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত আইএমএফের নিকট থেকে কতবার ঋণ গ্রহণ করে? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ১০ বার 
  2. ১৪ বার 
  3. ১১ বার 
  4. ৯ বার 
সঠিক উত্তর:
১১ বার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ বার 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত আইএমএফের নিকট থেকে ১১ বার ঋণ গ্রহণ করে।

IMF ও বাংলাদেশ:

- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- ১৯৪৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- IMF এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯১টি।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।
- IMF এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- মুদ্রার বিনিময় হার রক্ষা ও মুদ্রার অবমূল্যায়ন রোধ করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১১ বার আই এম এফ এর থেকে ঋণ সহায়তা পায়।
- প্রথম ঋণ ১৯৭৪ সালে।
- সর্বশেষ ঋণ ২০২২ সালে।

উৎস: IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

৪,৩৯৮.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন-
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি 
  4. মন্ত্রিসভা
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের স্বরূপ:
- বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। 
- এই রাষ্ট্রে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। 
- আমাদের দেশে সংসদীয় পদ্ধতির এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান।
 - এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করে থাকেন।
- সংসদীয় রীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার উপর ন্যস্ত।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম-১০ম শ্রেণি।

৪,৩৯৯.
বাংলাদেশের প্রথম EPZ কোথায় গড়ে উঠেছে?
  1. ক) নারায়ণগঞ্জ
  2. খ) খুলনা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্রগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চট্রগ্রাম
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম EPZ চট্টগ্রামে স্থাপিত হয়।
বাংলাদেশের আটটি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের মধ্যে প্রথম ও প্রধান এই ইপিজেডটি ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।

৪,৪০০.
Where is kamta gas field located?
  1. Khagrachari
  2. Noakhali
  3. Gazipur
  4. Brahmanbaria
  5. Sylhet
সঠিক উত্তর:
Gazipur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gazipur
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন গ্যাস ক্ষেত্র ও তাদের ভৌগোলিক অবস্থান: 
কামতা - গাজীপুর,
বাঙ্গুরা - কুমিল্লা,
বিয়ানীবাজার - সিলেট,
রশিদপুর - মৌলভীবাজার,
বিবিয়ানা - হবিগঞ্জ,
মেঘনা - ব্রাহ্মনবাড়িয়া,
তিতাস - ব্রাহ্মনবাড়িয়া,
সুন্দলপুর - নোয়াখালী,
ছাতক - সুনামগঞ্জ,
সেমুতাং - খাগড়াছরি।

উৎস: বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস্ কোম্পানী লিমিটেড ওয়েবসাইট।