বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩২ / ৩০৬ · ৩,১০১৩,২০০ / ৩০,৮৩২

৩,১০১.
জনসংখ্যায় বাংলাদেশের বৃহত্তম বিভাগ কোনটি?
  1. ক) চট্রগ্রাম
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন-
অনুসারে -

• জনসংখ্যায় বৃহত্তম বিভাগ - ঢাকা; (৪,৪২,১৫,১০৭ জন)।
• জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম বিভাগ - বরিশাল; (৯১,০০,১০২ জন)। 
• জনসংখ্যায় বৃহত্তম জেলা – ঢাকা (১,৪৭,৩৪,০২৫ জন)। 
• জনসংখ্যায় ক্ষুদ্রতম জেলা – বান্দরবান (৪,৮১,১০৯ জন)। 
• বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি - ঢাকা বিভাগে (১.৭৪%) । 
• বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম - বরিশাল বিভাগে (০.৭৯%)। 
• বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি - ঢাকা বিভাগে (প্রতি বর্গকিমি ২,১৫৬ জন)। 
• বিভাগ হিসেবে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম - বরিশাল বিভাগে (প্রতি বর্গকিমি ৬৮৮ জন)। 
• জেলা হিসেবে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি – ঢাকা জেলায় (প্রতি বর্গকিমি ১০,০৬৭ জন)। 
• জেলা হিসেবে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম - রাঙ্গামাটি (প্রতি বর্গকিমি ১০৬ জন)। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার- ২০২২।
৩,১০২.
মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠিত হয় কখন?
  1. ২৩ নভেম্বর
  2. ২৭ নভেম্বর
  3. ২১ নভেম্বর
  4. ২৪ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ নভেম্বর
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী:
- ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করেছিল।
- পাকিস্তান ৩রা ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায় এবং ভারতীয় বাহিনী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে।
- ৬-১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যােগ দেয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১০৩.
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে-টু (K2) এর চূড়ায় পা রাখেন-
  1. ক) মুসা ইব্রাহিম
  2. খ) নিসাত মজুমদার
  3. গ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
  4. ঘ) মুহিত আব্দুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওয়াসফিয়া নাজরীন
ব্যাখ্যা
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ 'কে-টু'র চূড়ায় পা রাখেন এভারেস্ট বিজয়ী পর্বতারোহী ওয়াসফিয়া নাজরীন।
১৭ জুলাই রাতে কে-টুর চূড়ায় উঠার জন্য যাত্রা শুরু করেন ৩৯ বছর বয়সী এই পর্বতারোহী। রেনেটা লিমিটেডের পৃষ্ঠপোষকতায় এই অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও বিখ্যাত ৩ পর্বতারোহী- মিংমা তেনজি শেরপা, মিংমা ডেভিড শেরপা ও নির্মল পুরজা।

- কারাকোরাম পর্বতমালার সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ কে-টু। এভারেস্টের পর বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বত এটি। 
- ওয়াসফিয়া দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালের ২৬ মে এভারেস্ট জয় করেন। এরপর বাংলাদেশের প্রথম পর্বতারোহী হিসেবে সাত মহাদেশের সাতটি সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গও জয় (সেভেন সামিট) করেন তিনি।  

উৎস: The Daily Star, Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার।
৩,১০৪.
বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় কয়টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে গঠিত? [মে, ২০২৫]
  1. ২২টি
  2. ২৪টি
  3. ২৫টি
  4. ২৭টি
সঠিক উত্তর:
২৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫টি
ব্যাখ্যা
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়:
- বাংলাদেশের জন্য একটি আধুনিক ও সুন্দর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ দিকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।
- সচিবালয় থেকে ১৯৭২ সালে এ মন্ত্রণালয়টি হাইকোর্ট ভবনে এবং ১৯৯৩ সালে শের-ই-বাংলা নগরের গণভবন কমপ্লেক্সে বর্তমান ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত আছেন।
- আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, সময়োপযোগী কর্ম-উদ্যোগ এবং বাস্তবানুগ ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এ মন্ত্রণালয় এবং এর আওতাধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহ আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে চলেছে।
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সামরিক অসামরিক প্রতিষ্ঠান সমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকীকরণ একটি স্বাধীন-সার্বভৌম, সুখী, সমৃদ্ধ ও প্রগতিশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টাকে আরো সুদৃঢ় ও শক্তিশালী করে তুলবে।

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক পর্যায়ে ১৪টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় গঠিত হয়েছিল।
- বর্তমানে ২৫টি দপ্তর/সংস্থা নিয়ে এ মন্ত্রণালয় পরিচালিত হচ্ছে।
- মন্ত্রণালয়ের সাংগঠনিক কাঠামোতে বর্তমানে মোট পদসংখ্যা হয়েছে ২৩২টি।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,১০৫.
“স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয় কখন?
  1. ক) ১ মার্চ , ১৯৭১
  2. খ) ৭ মার্চ , ১৯৭১
  3. গ) ১০ এপ্রিল , ১৯৭১
  4. ঘ) ১৭ এপ্রিল , ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ১ মার্চ , ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ মার্চ , ১৯৭১
ব্যাখ্যা

- বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১ মার্চ “স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” গঠিত হয় ।
“স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ” - এর সদস্যগণ হলেন -

১. নুরে আলম সিদ্দিকী (সভাপতি, ছাত্রলীগ)
২. শাজাহান সিরাজ (সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগ)
৩. আ. স. ম. আব্দুর রব (সহ-সভাপতি, ডাকসু)
৪. আব্দুল কুদ্দুস মাখন (সাধারণ সম্পাদক, ডাকসু)

- এই ৪ ছাত্র নেতাকে মুক্তিযুদ্ধের ৪ খলিফা বলা হত।

তথ্যসূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন , প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং নবম - দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১০৬.
সিলেটে বসবাস নেই নিচের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর?
  1. সাঁওতাল
  2. তঞ্চঙ্গা
  3. খাসিয়া
  4. মণিপুরি
সঠিক উত্তর:
তঞ্চঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তঞ্চঙ্গা
ব্যাখ্যা
তঞ্চঙ্গা:
- সিলেটে তঞ্চঙ্গা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস নেই।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের কতিপয় পাহাড়ি জাতির মতো তনচংগ্যাদের আবাসভূমিও গড়ে ওঠে নদী সংলগ্ন উপত্যকায়।
- পার্বত্য চটগ্রামের রাঙামাটি জেলার কাউখালি উপজেলার রইস্যাবিলি ও কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনার আশেপাশের এলাকায়, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায়, কক্সবাজার জেলার উখিয়া ও টেকনাফে তনচংগা জাতিগোষ্ঠীর বসবাস।
 
অন্যদিকে: 
- মণিপুরি, খাসিয়া, চাকমা, ত্রিপুরা, সাঁওতাল, পাঙন সিলেট জেলায় বাস করে। 
 
তথ্যসূত্র - সিলেট জেলা ওয়েবসাইট ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ ওয়েবসাইট।
৩,১০৭.
বাংলাদেশ সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের ক্ষমতার উৎস হিসেবে জনগণের কথা বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ  ৭(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৭(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৭(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৭(খ)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ  ৭(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ  ৭(১)
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৭ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।

• সংবিধানের ৭ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।

• সংবিধানের ৭ক নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ বিষয়ে বলা হয়েছে।

• সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য বিষয়ে বলা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

৩,১০৮.
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ক) 1975
  2. খ) 1973
  3. গ) 1971
  4. ঘ) 1972
সঠিক উত্তর:
খ) 1973
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 1973
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৭৩ সালের ১৪ই মে বীমা কর্পোরেশন এক্ট-১৯৭৩ (এক্ট নং-৬) অনুযায়ী বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার নিমিত্তে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
Source:sbc.gov.bd
৩,১০৯.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মোট কতটি আসন লাভ করে?
  1. ২১৭টি
  2. ২৩৭টি
  3. ২২৮টি
  4. ২২৩টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা
-  ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট মুসলিম আসনে ২১৫টি ও স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে যোগদান করে ফলে যুক্তফ্রন্ট সর্বমোট ২২৩টি আসন লাভ করে। 

যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের ফলাফল: 

- নির্বাচনে মুসলমান আসনে ৩৭.৬০% ভোট পড়ে।
- তখনকার যোগাযোগ ব্যবস্থার দুরবস্থা, মহিলাদের ভোটকেন্দ্রে আসতে অনীহা প্রভৃতি কারণে ভোটদানের হার কম ছিল।
- নির্বাচনী ফলাফল ঘোষিত হয় ২ এপ্রিল।
- মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২২৩টি আসন।
- নির্বাচনে ২৩৭টি মুসলমান আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট লাভ করে ২১৫টি, মুসলিম লীগ ৯টি, খেলাফতে রব্বানী পার্টি ১টি এবং স্বতন্ত্র ১২টি আসন।
- মুসলমান আসনে স্বতন্ত্র সদস্যদের মধ্যে ৮ জন যুক্তফ্রন্টে ও ১ জন মুসলিম লীগে যোগদান করেন
- যুক্তফ্রন্টের শরিকদলগুলোর মধ্যে আসনসংখ্যা নিম্নরূপ হয়: আওয়ামী লীগ ১৪২, কৃষক-শ্রমিক পার্টি ৪৮, নেজামে ইসলামী ১৯, গণতন্ত্রী দল ১৩ (১টি আসনে দলীয় পরিচয় অস্পষ্ট)।
- ৭২টি অমুসলমান আসনের ২৪টিতে জাতীয় কংগ্রেস, ২৭টিতে তফশিলি ফেডারেশন (রসরাজ মন্ডল গ্রুপ), সংখ্যালঘু যুক্তফ্রন্ট ১৩টি (এর মধ্যে গণতন্ত্রী দল ৩টি), কমিউনিস্ট পার্টি ৪টি, বৌদ্ধ ২টি, খ্রিস্টান ১টি এবং স্বতন্ত্র ১টি আসনে জয়লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১১০.
ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি গঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৬১০ সালে
  2. খ) ১৮৬৪ সালে
  3. গ) ১৯৬০ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৮৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
১৮৬৪ সালে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি গঠিত হয়। 
- ১৯৬০ সালে এটিকে টাউন কমিটিতে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৭২ সালে টাউন কমিটি বিলুপ্ত করে পৌরসভায় রূপান্তর করা হয়। 
- ১৯৮৩ সালে একে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা শহরকে সিটি কর্পোরেশনে রূপান্তর করা হয় 

• ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ইসলাম খান চিশতি সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাটের নামানুসারে ঢাকার নাম করেন জাহাঙ্গীরনগর।

সূত্র: ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৩,১১১.
১৯৭১ সালের কত তারিখ মুক্তিযুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকার গঠন অনুমোদন দেয়া হয়?
  1. ১০ এপ্রিল
  2. ১২ এপ্রিল
  3. ১৩ এপ্রিল
  4. ১৭ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১৩ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর অস্থায়ী সরকার:
- ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণ ও গণহত্যা শুরু হলে পূর্ব পাকিস্তান হতে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের অধিকাংশ সদস্য প্রতিবেশি দেশ ভারতে আশ্রয় নেন। 
- তারা একত্রিত হয়ে মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের একটি অস্থায়ী সরকার গঠন করেন। 
- ১৩ এপ্রিল আগরতলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের এক সভায় সরকার গঠন অনুমোদন করা হয়। 
- ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন। সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং দেশে-বিদেশে সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী অস্থায়ী সরকারের সদস্যদের শপথ পাঠ করান । 
- শপথ অনুষ্ঠানে অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন। 
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘন্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১১২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ সম্পর্কে উল্লেখ আছে?
  1. ৭৫ অনুচ্ছেদ
  2. ৬৫ অনুচ্ছেদ
  3. ৩৭ অনুচ্ছেদ
  4. ৩৫ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা


• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইনবিভাগ সরকারের একটি অংশ।

• আইন প্রণয়ন ক্ষমতা:
- সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

• সরকার গঠনবিষয়ক ক্ষমতা:
- সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

৩,১১৩.
বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি অধ্যায় রয়েছে?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর, ১৯৭২ সাল।
- কার্যকর হয়: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সাল।
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩ টি।
- ভাগ বা অধ্যায়: ১১টি।
- তফসিল: ৭টি।
- প্রস্তাবনা: ১টি।
- মূলনীতি: ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
৩,১১৪.
When did "The Bangladesh Petroleum Act' come in force?
  1. 1972
  2. 1974
  3. 1976
  4. 1980
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
1974
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1974
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন:

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন" কবে কার্যকর হয় ১৯৭৪ সালে।
- এটি ১লা জানুয়ারী ১৯৭৭ সাল থেকে চারটি তেল বিপণন সংস্থা, দুটি ব্লেন্ডিং প্ল্যান্ট এবং তার সহায়ক হিসাবে একটি রিফাইনারি নিয়ে কাজ শুরু করে।
- এই সংস্থাগুলির সাথে সম্পর্কিত কর্পোরেশনের অবস্থান হোল্ডিং কোম্পানির অনুরূপ।
- সরকারের কাছে তেল বিপণন কোম্পানি এবং রিফাইনারির উপর আর্থিক ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের জন্য একটি স্বায়ত্বশাসিত কর্পোরেশন প্রয়োজন ছিল।
- সেক্ষেত্রে প্রথম ধাপটি ছিল পেট্রোবাংলা কর্তৃক তেল বিপণন কোম্পানি এবং রিফাইনারির নিয়ন্ত্রণ।
- যেহেতু একটি একক কর্পোরেশনের ক্ষেত্রে গ্যাস ও তেল অপারেশন পরিচালনা কঠিন হয়ে গিয়েছিল সেহেতু সরকার পরবর্তীতে তেল আমদনি, প্রক্রিয়াকরণ ও বিপণনের জন্য একটি পৃথক কর্পোরেশন তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম আইন ১৯৭৪।  (লিংক)
৩,১১৫.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেট্রিক পাশ করেন কত সালে?
  1. ক) ১৯৪০ সালে
  2. খ) ১৯৪১ সালে
  3. গ) ১৯৪২ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৩ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪২ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৯৪২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাশ করেন।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পিতা শেখ লুৎফর রহমান। 
- ১৯৪২ সালে তিনি গোপালগঞ্জ মিশনারী স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯৪৪ সালে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজ থেকে আই.এ এবং একই কলেজ থেকে ১৯৪৭ সালে বি.এ পাশ করেন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের সাথে তাদের দাবি আদায়ের পক্ষে আন্দোলন করার জন্যে ১৯৪৯ সালে বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কার করা হয়।
- ১৯৫৩ সালে শেখ মুজিব পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এ পদে বহাল ছিলেন। ১৯৬৬ সালেই তিনি দলের সভাপতি হন।
- ১৯৬৬ সালে তিনি তাঁর বিখ্যাত ছয়দফা কর্মসূচী ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,১১৬.
বাংলার সেন শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুসলমান শাসনের সূচনা করেন কে?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ 
  2. শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ 
  3. ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ 
সঠিক উত্তর:
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি
ব্যাখ্যা
ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি: 
- তেরো শতকের শুরুতে তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজি বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাংশে সেন শাসনের অবসান ঘটিয়ে মুসলমান শাসনের সূচনা করেন।
- উত্তর আফগানিস্তানের গরমশির (আধুনিক দাসত-ই মার্গ) এর বাসিন্দা মুহাম্মদ বখতিয়ার ছিলেন জাতিতে তুর্কি, বংশে খলজি এবং বৃত্তিতে ভাগ্যান্বেষী সৈনিক।
- বখতিয়ার খলজির নদীয়া জয়ের সঠিক তারিখ সম্বন্ধে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতভেদ আছে।
- তবে বর্তমানে ১২০৪ খ্রিষ্টাব্দই নদীয়া জয়ের সময় হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এরপর বখতিয়ার নদীয়া ত্যাগ করে লক্ষণাবতীর (গৌড়) দিকে অগ্রসর হন।
- তিনি লক্ষণাবতী জয় করে সেখানেই রাজধানী স্থাপন করেন।
- লক্ষণাবতীই মুসলমান আমলে লখনৌতি নামে পরিচিত হয়।
- গৌড়ের পর বখতিয়ার আরও পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে বরেন্দ্র বা উত্তর বাংলায় নিজ অধিকার বিস্তার করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,১১৭.
তমদ্দুন মজলিশ কার নেতৃত্বে গঠিত হয়?
  1. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  2. আব্দুস সালাম
  3. আবদুল মতিন
  4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

- অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়।

ভাষা আন্দোলনের পটভূমি:

- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল।
- সে সময় মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতারা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মতামত দেন।
- তখনই আবদুল হক ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়।
- তমদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

৩,১১৮.
'রাজনৈতিক জোট' গড়ে উঠার প্রবণতা দেখা যায় কী ধরনের শাসনব্যবস্থায়?
  1. একদলীয় ব্যবস্থায়
  2. দ্বি-দলীয় ব্যবস্থায়
  3. বহুদলীয় ব্যবস্থায়
  4. সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায়
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয় ব্যবস্থায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুদলীয় ব্যবস্থায়
ব্যাখ্যা
বহুদলীয় ব্যবস্থা:

- 'রাজনৈতিক জোট' গড়ে উঠার প্রবণতা দেখা যায় বহুদলীয় শাসনব্যবস্থায়।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যখন দুইটির বেশি দল রাজনৈতিক ক্ষমতা লাভের লড়াইয়ে কার্যকর ভূমিকা পালন করে তাকে বহুদলীয় ব্যবস্থা বলে।
- বহুদলীয় ব্যবস্থায় সাধারণত সাধারণ নির্বাচনে কোন দলই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারে না।
- ফলে নির্বাচনে জয় লাভের জন্য অনেক সময় সমমনা দলগুলির সমন্বয়ে 'সম্মিলিত সরকার' গঠিত হয়।
- ফ্রান্স, ইতালি, বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশে এরূপ বহুদলীয় ব্যবস্থা বিদ্যমান আছে।
- বহু দলীয় ব্যবস্থায় মতামত প্রকাশের অবাধ স্বাধীনতা থাকে।
- জনগণ ইচ্ছামত যেকোনো দলকে সমর্থন করে তাদের ব্যক্তিগত ইচ্ছার বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, মোজাম্মেল হক।
৩,১১৯.
কোন এলাকাকে 'Marine Protected Area (MPA)' ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. সেন্টমার্টিন
  2. সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
  3. পটুয়াখালী ও বরগুনা
  4. হিরন পয়েন্ট
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
ব্যাখ্যা
'Marine Protected Area (MPA):
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকাকে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া ঘোষণা করা হয়েছে।
- এর আগে ১৯৯৯ সালে ৫৯০ হেক্টর প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকায় ‘সেন্টমার্টিন মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
- নতুন ঘোষণায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ ও এর আশেপাশের ১ হাজার ৭৪৩ বর্গ কিলোমিটার এলাকার পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরের ৭০ মিটার গভীর সমুদ্র যোগ হয়েছে।
- অনিয়ন্ত্রিত জাহাজ ও ইঞ্জিনচালিত নৌকার চলাচল, মাত্রাতিরিক্ত মৎস্য সম্পদ আহরণ, সমুদ্রে বর্জ্য ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ নিক্ষেপ, প্রবাল উপনিবেশ ধ্বংস, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন রোধে এই উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ মন্ত্রণালয়।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (১২ জানুয়ারি, ২০২২)।
৩,১২০.
অপারেশন সার্চ লাইট বাস্তবায়নে ঢাকার বাহিরের দায়িত্বে ছিলো -
  1. ক) রাও ফরমান আলী
  2. খ) জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  3. গ) জেনারেল টিক্কা খান
  4. ঘ) জেনারেল আবদুল হামিদ খান
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।এবং
- ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন জেনারেল টিক্কা খান।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১২১.
জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়-
  1. ১ নভেম্বর
  2. ৩ নভেম্বর
  3. ৪ নভেম্বর
  4. ৭ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
৩ নভেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ নভেম্বর
ব্যাখ্যা

জেল হত্যা দিবস:
- ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগের চারজন সিনিয়র নেতা- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হয়েছিল।
- ৩ নভেম্বর জেল হত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- তাদের এই হত্যাকাণ্ডের স্মৃতি স্মরণার্থে এ দিবস পালন করা হয়।
- বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীকে সপরিবারে হত্যার পর গুরুত্বপূর্ণ এই চার নেতাসহ অনেককে বন্দি করা হয়েছিল।
- কতিপয় সেনা কর্মকর্তা পুরাতন ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে আটক এই চার নেতাকে গুলি করে এবং বেয়নেট দিয়ে বিদ্ধ করে হত্যা করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১২২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সাথে সম্পৃক্ত-
  1. অপারেশন সার্চ ফ্রিডম
  2. অপারেশন অ্যানাকোন্ডা
  3. অপারেশন সার্চ লাইট
  4. অপারেশন ব্ল‍্যাক থান্ডার স্টর্ম
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সার্চ লাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সার্চ লাইট
ব্যাখ্যা
• অপারেশন সার্চ লাইট:
- পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে ভয়াবহ গণহত্যা অভিযান চালায়, তার নাম ছিল 'অপারেশন সার্চ লাইট'। যদিও হানাদার বাহিনী ২৫ মার্চ এ অভিযান শুরু করেছিল, তবে মূল পরিকল্পনা করা হয়েছিল মার্চ মাসের শুরু থেকেই।
- ১৬ মার্চ বঙ্গবন্ধুর সাথে আলোচনার জন্য বৈঠক শুরু হয়, কিন্তু অন্যদিকে পাকিস্তানি সরকার গোপনে আলোচনার নামে সময়ক্ষেপণ করে এবং পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সৈন্য ও গোলাবারুদ এনে পূর্ব পাকিস্তানে সামরিক প্রস্তুতি নেয়।
- ১৮ মার্চ টিক্কা খান এবং রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চ লাইট' এর নীলনকশা তৈরি করেন।
- ২৫ মার্চ রাতেই গণহত্যা শুরু করা হয়। এই পরিকল্পনার তত্ত্বাবধান করেন পাকিস্তানের গভর্নর লে. জেনারেল টিক্কা খান। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩,১২৩.
‘সমাচার দর্পণ’ কে সম্পাদনা করেন?
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. রামমোহন রায়
  3. জন ক্লার্ক মার্শম্যান
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
সঠিক উত্তর:
জন ক্লার্ক মার্শম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন ক্লার্ক মার্শম্যান
ব্যাখ্যা

সমাচার দর্পণ:
- 'সমাচার দর্পণ' হল প্রথম বাংলা সংবাদপত্র।
- জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় ২৩ মে ১৮১৮ সালে প্রকাশিত হয় প্রথম বাংলা সংবাদপত্র 'সমাচার দর্পণ'।
- এটি ছিল একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা।
- পত্রিকায় সরকারি কর্মচারী ও কর্মকর্তাদের সংবাদ, সরকারি বিজ্ঞপ্তি, ব্রিটেনের খবর, ইউরোপিয়ান দেশগুলোর সংবাদ, জন্ম-মৃত্যু ও বিবাহের সংবাদ, চলতি বিষয় এবং ভারতের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সংবাদকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হতো।
- সংবাদপত্রটি শ্রীরামপুর খ্রিস্টান মিশনের আর্থিক সহযোগিতায় প্রকাশিত হলেও এতে কোনো ধরনের ধর্মীয় গোঁড়ামি বা ধর্মীয় প্রভাব ছিল না।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৩ জুন, ২০১৪।

৩,১২৪.
সম্প্রতি কোথায় শান্তিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার সময় বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন?
  1. ক) মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
  2. খ) বুরুন্ডি
  3. গ) কঙ্গো
  4. ঘ) আইভরিকোস্ট
সঠিক উত্তর:
ক) মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রে শান্তিরক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার সময় বিস্ফোরণে তিন বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছেন।
• নিহত শান্তিরক্ষীরা হলেন সৈনিক জসিম উদ্দিন, সৈনিক জাহাংগীর আলম ও সৈনিক শরিফ হোসেন। 
• মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্রের পশ্চিম সেক্টরের বোয়ার এলাকায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি পদাতিক ব্যাটালিয়ন (ব্যানব্যাট-৮) ২০২১ সালের ৯ নভেম্বর থেকে শান্তিরক্ষায় নিয়োজিত আছে।
• বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর শান্তিরক্ষীরা আফ্রিকার ৮টি দেশে শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব বজায় রেখে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রেখে চলেছেন।
• জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসেবে শীর্ষ অবস্থানে আছে বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ এবং প্রথম আলো। 
৩,১২৫.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫২ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি
  2. ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি
  3. ১৯৫৭ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার
- কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহীদ মিনারের স্থপতি।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

♦ প্রথম শহীদ মিনার
- প্রথম শহীদ মিনার ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী প্রথম শহীদ মিনারটি ভেঙ্গে ফেলে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৩,১২৬.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে কোনটি নাগরিকের কর্তব্য নয়?
  1. আইন মান্য করা
  2. নিয়মিত কর প্রদান করা
  3. শৃঙ্খলা রক্ষা করা
  4. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা
সঠিক উত্তর:
নিয়মিত কর প্রদান করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়মিত কর প্রদান করা
ব্যাখ্যা
নাগরিকের কর্তব্য
-  বাংলাদেশের নাগরিকত্ব মূলত ও প্রধাণত জন্মসূত্রে নির্ধারিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদ অনুসারে বাংলাদেশি নাগরিকত্ব নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

- ২১ নং অনুচ্ছেদে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদ অনুসারে নাগরিকের কর্তব্য ৪টি।
১. আইন মান্য করা।
২. নাগরিক দ্বায়িত্ব পালন করা।
৩. শৃঙ্খলা রক্ষা করা।
৪. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা। 

- সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে সকল লাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।
৩,১২৭.
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহারের নির্মাতা কে?
  1. ক) গোপাল
  2. খ) ধর্মপাল
  3. গ) দেবপাল
  4. ঘ) রামপাল
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
পাল বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল (৭৮১-৮২১) বৌদ্ধধর্মের প্রসারের লক্ষ্যে নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে সোমপুর বিহার প্রতিষ্ঠা করেন।
এখনো পর্যন্ত সোমপুর বিহার ভারতবর্ষের সবচেয়ে বড় বৌদ্ধ বিহার হিসেবে স্বীকৃত। এটিকে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐহিত্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
এছাড়া ভাগলপুরের বিক্রমশীল বিহারের নির্মাতাও ধর্মপাল।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
৩,১২৮.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় লোগোটি ডিজাইন করেন -
  1. ক) শিবনারায়ণ রায়
  2. খ) কামরুল হাসান
  3. গ) জয়নাল আবেদীন
  4. ঘ) এ এন সাহা
সঠিক উত্তর:
ঘ) এ এন সাহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এ এন সাহা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মনোগ্রামের ডিজাইনার  এ.এন. সাহা।

• বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলি:

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধীকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। 
- এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ - তিন কন্যা ,কামরুল হাসানের এসব চিত্রকর্মের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক সচেতনতা, অন্যায় অত্যাচারের বিরুদ্ধে নির্ভীক প্রতিবাদী মানসিকতা, গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ এবং সমাজসচেতনতাই প্রকাশিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের আন্তজার্তিক খ্যাতিসম্পন্ন চিত্রশিল্পী হলেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন।
- বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ কার্টুনিস্ট হলেন রফিকুন্নবী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,১২৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল কথা রয়েছে?
  1. ১৩৭নং
  2. ১২৭নং
  3. ৭৭নং
  4. ৬৪নং
সঠিক উত্তর:
৭৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭নং
ব্যাখ্যা
• ন্যায়পাল:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল কথা উল্লেখ্য রয়েছে।
- ৭৭(১): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
- ৭৭(২): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়,
- সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করবে।
- ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
- (৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন।
- এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হইবে।

উল্লেখ্য
- কর্মকমিশন: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক: ১২৭ নং অনুচ্ছেদে;
- রাষ্ট্রপতি: ৪৮ নং অনুচ্ছেদে।
- ৬৪ নং অ্যাটর্নি-জেনারেল।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
৩,১৩০.
ইউরোপের কোন দেশটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্সের উৎস?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) ইতালি
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে। 
২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে। 
দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য। 
ইউরোপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
 
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
৩,১৩১.
'কুতুব মিনার' কোথায় অবস্থিত?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. বার্মা
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
• কুতুব মিনার
- দিল্লির কুতুব মিনার ইট দিয়ে তৈরি বিশ্বের সর্বোচ্চ মিনার।
- লাল বেলেপাথরের এই মিনার সৌন্দর্য আর ইতিহাসকে ধারণ করে আজো সগৌরবে দাঁড়িয়ে আছে ভারতের মাটিতে।

- ১১৯৩ সালে দিল্লি জয় করেন কুতুবুদ্দিন আইবক; ভারতের প্রথম মুসলিম শাসক ছিলেন তিনি।
- কুতুবুদ্দিনের আদেশে ১১৯৩ সালে কুতুব মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- তবে ১৩৮৬ সালে মিনারের উপরের তলাগুলোর কাজ সম্পূর্ণ করেন ফিরোজ শাহ তুঘলক।
- ভূমিকম্প ও বজ্রপাতে একাধিকবার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কুতুব মিনার, যা পরবর্তী শাসকরা সংস্কার করেন।
- মিনারের আশেপাশে বেশকিছু প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় স্থাপনা ও ধ্বংসাবশেষ রয়েছে, যা কুতুব মিনার কমপ্লেক্স হিসেবে পরিচিত।
-দূর্গের কিল্লা রাই পিথোরার ধ্বংসাবশেষের উপর নির্মিত হয়েছিল কুতুব মিনার।
- কুতুব মিনারের পাঁচটি তল রয়েছে, প্রতিটি তলে রয়েছে একটি ঝুলন্ত বারান্দা।  
- মিনারের পাদদেশের ব্যাস ১৪ দশমিক ৩ মিটার, যা ধীরে ধীরে সংকীর্ণ হয়ে ৭২ দশমিক ৫ মিটার উচ্চতায় শীর্ষে ২ দশমিক ৭ মিটার সরু হয়েছে।
- লাল বেলেপাথরে তৈরি মিনারে খোদাই করা আছে পবিত্র কোরআনের আয়াত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।  
৩,১৩২.
বাংলাদেশে কোন জেলায় সর্বাধিক বনাঞ্চল রয়েছে? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. বান্দরবান
  2. রাঙ্গামাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বনাঞ্চল:
- দেশে মোট বনাঞ্চলের পরিমাণ - ৬৩,৬৩,০০০ একর।

সর্বাধিক বনাঞ্চলসম্পন্ন জেলা:
১) রাঙ্গামাটি - ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর।
২) বান্দরবান - ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর।
৩) বাগেরহাট - ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর।
৪) খাগড়াছড়ি - ৫,৫৪,১১৬.২১ একর।
৫) খুলনা - ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

৩,১৩৩.
বাংলাদেশের কোন ঋতুকে স্বতন্ত্র ঋতু বলা হয়?
  1. ক) শরৎ
  2. খ) বর্ষা
  3. গ) হেমন্ত
  4. ঘ) বসন্ত
সঠিক উত্তর:
খ) বর্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বর্ষা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বর্ষা ঋতুকে 'স্বতন্ত্র ঋতু' বলা হয়।
উৎসঃদৈনিক যুগান্তর
৩,১৩৪.
বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ময়মনসিংহ
  2. ঢাকা
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর:
- বাংলাদেশ লোক ও কারু শিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁ উপজেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের “বড়সর্দারবাড়ি” নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,১৩৫.
নিম্নের কোন ব্যক্তি ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ গঠন করেন?
  1. সিরাজুল আলম খান
  2. কাজী আরেফ আহমেদ
  3. আবদুর রাজ্জাক
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ:
- পাকিস্তানের কাঠামোয় বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশ ঘটা অসম্ভব বিবেচনা করে তৎকালীন ছাত্র সমাজের নেতৃস্থানীয় কয়েকজন ১৯৬২ সালে গোপনে ছাত্রদের সংগঠিত করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেন।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ এই ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব দেন জনাব সিরাজুল আলম খান, জনাব আবদুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদ।
এই সংগঠন 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ' নামে পরিচিত ছিল।

উল্লেখ্য,
- পূর্বপাকিস্তান ছাত্রলীগের মধ্যে সুস্পষ্ট দু’টি ধারা বিদ্যমান ছিল।
- একটি ছিল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে নিজস্ব রাজনীতির ধারা এবং অপর অংশের ঝোঁক ছিল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রতি।
- সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী নিজস্ব রাজনীতির ধারার তিনজন ছাত্রনেতা ১৯৬২ সালে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে গোপন সংগঠন ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ গঠন করেন।
- তিন সদস্যের এই ক্ষুদ্র সত্তা পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের ‘নিউক্লিয়াস’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৩,১৩৬.
উপমহাদেশে সর্ব প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন কে?
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড মেয়ো
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. লর্ড রিপন
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং। 

• লর্ড ক্যানিং:

- প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং ১৮৬১ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
- এর আগে মুদ্রা হিসেবে স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রা ব্যবহৃত হতো।
- উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন- লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।
- ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।
- লর্ড রিপনকে ভারতীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক বলা হয়।
- বঙ্গবঙ্গ (১৯০৫) কার্যকর হয় লর্ড কার্জনের সময়ে।
- লর্ড মেয়োর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু হয় ১৮৭২ সালে।
 
সূত্র- ইতিহাস ১ম পত্র এইচ এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
৩,১৩৭.
জার্মান ভিত্তিক দুর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ‘ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল’ এর বার্ষিক দুর্নীতি ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ১২
  2. খ) ১৩
  3. গ) ১৪
  4. ঘ) ১৫
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪
ব্যাখ্যা

দুর্নীতির ধারণাসূচক ২০১৯
জার্মান ভিত্তিক দুর্নীতি বিরোধী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ‘ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল’ বিশ্বব্যাপী তাদের বার্ষিক দুর্নীতি ধারণা সূচক (CPI) প্রকাশ করেছে। ২৩ জানুয়ারি ২০২০ এ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয় যাতে ১৮০টি দেশের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এই সূচকের ‘০’ স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতার ধারণায় শীর্ষ দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ এবং ‘১০০’ স্কোরকে দুর্নীতির ব্যাপকতার ধারণায় সর্বনিম্ন দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ হিসাবে ধরা হয়। যে দেশে দুর্নীতির ব্যাপকতার হার সর্বনিম্ন সে দেশে সর্বোচ্চ সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করা হয়। সূচকে সর্বোচ্চ স্কোর ৮৭ রয়েছে ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ডের এবং সর্বনিম্ন স্কোর ৯ রয়েছে সোমালিয়ার।
এই সূচকে বাংলাদেশের স্কোর ২৬। সার্কভুক্ত দেশগলোর মধ্যে সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ ভুটান (স্কোর ৬৮) এবং সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্থ দেশ আফগানিস্তান (স্কোর ১৬)। সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে দুর্নীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান দ্বিতীয় এবং বিশ্বে ১৪তম।

৩,১৩৮.
যুক্তফ্রন্ট কয় দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে?
  1. ১৮ দফা
  2. ২১ দফা
  3. ২৪ দফা
  4. ১৫ দফা
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট গঠনের পটভূমি এবং ২১ দফা কর্মসূচি: 
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মুসলিম লীগ ছিল পুরাতন ও বড় দল।
- এছাড়া পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক সরকার পরিচালনা করত মুসলিম লীগ।
- ফলে ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে সদ্য প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলো মুসলিম লীগকে পরাজিত করার কৌশল হিসেবে জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করার পরিকল্পনা নেয়।
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৩ সালের ১৪ই নভেম্বর 'যুক্তফ্রন্ট' গঠনের সিদ্ধান্ত হয়।
- যুক্তফ্রন্ট মূলত পাঁচটি বিরোধী রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
১. মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ,
২. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকের কৃষক- শ্রমিক পার্টি,
৩. মওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম পার্টি,
৪. হাজী দানেশের বামপন্থি গণতন্ত্রী দল ও
৫. খিলাফত-ই-রাব্বানি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- পূর্ব বাংলার গণমানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে সামনে রেখে প্রণীত এই ২১ দফা কর্মসুচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩,১৩৯.
Which one of the following is the largest gas field in Bangladesh?
  1. Meghna
  2. Bakhrabad
  3. Titas
  4. Kamta
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Titas
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Titas
ব্যাখ্যা
তিতাস গ্যাসক্ষেত্র:

- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্র হলো ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরে অবস্থিত তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- গ্যাসক্ষেত্রটিতে উত্তোলনযোগ্য গ্যাসের পরিমাণ ৭.৫৮২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট। ৩১ আগস্ট ২০২১ পর্যন্ত মোট গ্যাস উত্তোলিত হয়েছে ৫.০৬৬ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- ১৯৬২ সালে পাকিস্তান শেলওয়েল কোম্পানি তিতাস গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে। ১৯৬৮ সাল থেকে ক্ষেত্রটি থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড তিতাস ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন করছে।
- তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিমিটেডের মাধ্যমে তিতাস ক্ষেত্রের গ্যাস ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নরসিংদী, নেত্রকোনা, ও কিশোরগঞ্জ জেলায় গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে।
- তবে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে সিলেটের বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্র থেকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি এবং পেট্রোবাংলা ওয়েবসাইট।
৩,১৪০.
রাজনৈতিক দল কিসের ভিত্তিতে কর্মসূচি প্রণয়ন করে?
  1. নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত  পদ্ধতিতে
  2. ব্যক্তি স্বার্থে
  3. আন্তর্জাতিক চাপে
  4. সরকারি নীতিতে
সঠিক উত্তর:
নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত  পদ্ধতিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত  পদ্ধতিতে
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দল কর্মসূচি প্রণয়ন:
- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকে। এই কর্মসূচিকে বাস্তবে রূপায়িত করার জন্য দলগুলো নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত পদ্ধতিতে অগ্রসর হয়
- রাজনৈতিক দল ও চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর কর্মকান্ড আঞ্চলিক অথবা জাতীয় ভিত্তিতে পরিচালিত হতে পারে।
- রাজনৈতিক দলের লক্ষ্য হল রাজনৈতিক ক্ষমতা অর্জন। লক্ষ্য পূরণের জন্য রাজনৈতিক দলের প্রধান কাজ থাকে সদস্য নিয়োগ, নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন, নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে সরকার গঠন ও পরিচালনা,সরকারের কর্মসূচি নির্ধারণ ও প্রয়োগ। 
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রাভাবিত করা। 

উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪১.
কতজন বিশিষ্ট ব্যক্তি রবীন্দ্র পুরস্কার- ২০২৫ এ ভূষিত হয়েছেন? [জুন, ২০২৫]
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৫:
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- বাংলা একাডেমি ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- ২০২৫ সালে রবীন্দ্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন ২ জন।
• রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় - ড. অসীম দত্ত।
• রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় - শিল্পী এ এম এম মহীউজজামান চৌধুরী ময়না।

উল্লেখ্য,
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ১,০০,০০০.০০ (এক লক্ষ) টাকা।
- নগদ পুরস্কারের সাথে একটি সম্মাননা প্রতীক ও সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
৩,১৪২.
ভারতবর্ষের প্রথম কামানের ব্যবহার হয় কোন যুদ্ধে?
  1. তরাইনের প্রথম যুদ্ধ
  2. পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ
  3. পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ
  4. পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

পানি পথের যুদ্ধ:
- পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- দিল্লি হতে পানি পথের দূরত্ব- ৯০ কি.মি.
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।

• পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ
- পক্ষ: বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- ফলাফল: ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন।
- পানি পথের প্রথম যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।

• পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ।
- পক্ষ: আকবরের সেনাপতি বৈরাম খাঁ বনাম আফগান নেতা হিমু।
- ফলাফল: হিমু পরাজিত ও নিহত হন।

• পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে।
- আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।
- ফলাফল: মারাঠা বাহিনী পরাজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা , নবম-দশম শ্রেণি।

৩,১৪৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৮১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ৮৭ নং অনুচ্ছেদে
  3. ৮০ নং অনুচ্ছেদে
  4. ৯৩ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৮১ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অর্থবিল:
- অর্থবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল।
- কোনো বিল অর্থবিল কিনা এ প্রশ্নে স্পীকারের দেওয়া সার্টিফিকেট চূড়ামত বলে গৃহীত হয়।
- অর্থবিল বা অর্থব্যয় সংক্রান্ত বিলের উদ্যোক্তা সরকার।

⇒ প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়।
- সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন।
- রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদানে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের শেষে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ ৮০: আইন প্রণয়ন পদ্ধতি।
- অনুচ্ছেদ ৮৭: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি।
- অনুচ্ছেদ ৯৩: অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।
৩,১৪৪.
বাংলা প্রদেশকে দ্বিখন্ডিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন -
  1. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  4. পঞ্চম জর্জ
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় ঢাকায়।
-  পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী হয় কলকাতা।
- এই সিদ্ধান্তের ফলে  ভারতীয় উপমহাদেশে হিন্দু – মুসলমানদের সম্প্রতি নষ্ট হয়। সাম্প্রদায়িকতা ও স্বাতন্ত্র্যবোধ প্রসার লাভ করে এবং ধর্মকেন্দ্রিক জাতীয়তার বীজ অঙ্কুরিত হয়।

- ১৯১১ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জের সময় রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- প্রচণ্ড গণআন্দোলনের ফলশ্রুতিতে  ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল পুনরায় দুই বাংলা একত্রিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস: নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪৫.
দেশের ১৬তম GI পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায় বাংলাদেশের-
  1. ফজলী আম
  2. জামদানী শাড়ি
  3. শীতল পাটি
  4. রসগোল্লা
সঠিক উত্তর:
শীতল পাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শীতল পাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বর্তমানে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে - ১৭ টি পণ্য।
- সর্বশেষ ২০ জুলাই, ২০২৩ বাংলাদেশেরশীতলপাটি দেশের ১৬তম GI পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

• জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরূপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

• বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
১. জামদানি,
২. ইলিশ,
৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম।
৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি,
৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ,
৬. কালিজিরা,
৭. রংপুরের শতরঞ্জি,
৮. রাজশাহী সিল্ক,
৯. ঢাকাই মসলিন,
১০. বাগদা চিংড়ি,
১১. ফজলি আম,
১২. তুলসীমালা ধান,
১৩. বগুড়ার বিখ্যাত সরার দই,
১৪. ল্যাংড়া আম,
১৫. আশ্বিনা আম,
১৬. শীতলপাটি।
১৭. নাটোরের কাঁচাগোল্লা।

তথ্যসূত্র: পত্রিকার রিপোর্ট।
৩,১৪৬.
২০১৯-২০ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে -
  1. ক) ১২.২৫ ভাগ
  2. খ) ১১.২১ ভাগ
  3. গ) ১০.৩৫ ভাগ
  4. ঘ) ১৪.৬৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
ক) ১২.২৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১২.২৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০ অর্থবছরে পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে ১২.২৫ ভাগ। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
৩,১৪৭.
কোন শতকে জৈন ধর্মের উদ্ভব হয়?
  1. ক) ৫ম শতক
  2. খ) ৬ ষ্ঠ শতক
  3. গ) ৭ম শতক
  4. ঘ) ৮ম শতক
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ ষ্ঠ শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ ষ্ঠ শতক
ব্যাখ্যা

- প্রাচীন ভারতে খ্রিস্টপূর্ব ষষ্ঠ শতকে জৈন ধর্মের উদ্ভব ঘটে।
- মহাবীর প্রবর্তিত ধর্ম হলো জৈন ধর্ম।
- মহাবীরের আসল নাম বর্ধমান। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৫৪০ অব্দে জন্মগ্রহণ এবং খ্রিস্টপূর্ব ৪৬৮ অব্দে মারা যান বলে অনুমান করা হয়।
- তবে কিছু ঐতিহাসিকের মতে জৈন ধর্মের প্রবর্তক খষভদেব বা আদিনাথ। তাদের মতে জৈন ধর্মের প্রচারক সংখ্যা ২৩ জন এবং এদের মধ্যে মহাবীর হলেন সর্বশেষ প্রচারক।

তথ্যসূত্র - উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।

৩,১৪৮.
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে নিচের কোন দাবিটি ছিল না?
  1. মার্শাল ল প্রত্যাহার
  2. জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর
  3. পুনরায় নির্বাচন করা
  4. সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া
সঠিক উত্তর:
পুনরায় নির্বাচন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুনরায় নির্বাচন করা
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) অনুষ্ঠিত জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেয়।
- উক্ত ভাষণ ১৮ মিনিট স্থায়ী হয়।
- এই ভাষণে তিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদেরকে স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত হওয়ার আহ্বান জানান।
- ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয়:
১। মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২। সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
৩। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং,
৪। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব ইতিহাসে যে ভাষণগুলো বিখ্যাত হয়ে আছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক এই ভাষণটি সেগুলোর অন্যতম।
- বিশিষ্ট ইতিহাসবিদ Jacob F. Field এর বিশ্বসেরা ভাষণ নিয়ে লেখা 'We shall Fight on the beaches: The Speeches that Inspired History' শীর্ষক গ্রন্থে বঙ্গবন্ধু সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি স্থান পেয়েছে।
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে 'World's Documentary Heritage' এর মর্যাদা দিয়ে 'International Memory of the World Register'- এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।
- বঙ্গবন্ধুর সেই অমর ভাষণকে  ইউনেস্কো ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৪৯.
‘সি টু সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন কে?
  1. নিশাত মজুমদার
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. ওয়াসফিয়া নাজনীন
  4. মুসা ইব্রাহীম
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা
‘সি টু সামিট’-এর কৃতিত্ব অর্জন করেন ইকরামুল হাসান শাকিল।

ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
৩,১৫০.
উয়ারী-বটেশ্বর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. নরসিংদী
  3. গাজীপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
ব্যাখ্যা

উয়ারী বটেশ্বর:
- উয়ারী-বটেশ্বর বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নস্থল।
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
-প্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে আড়াই হাজার বছরের প্রাচীন দুর্গ নগর।
- প্রত্নতাত্ত্বিক খননে উয়ারী প্রত্নস্থলে আবিষ্কৃত হয়েছে ৬০০ মি. x ৬০০ মি. আয়তনের চারটি মাটির দুর্গ-প্রাচীর।
- দুর্গ প্রাচীরের ৫-৭ ফুট উঁচু ধ্বংসপ্রাপ্ত কিছু অংশ এখনো টিকে আছে।
- পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে অবস্থিত উয়ারী নগরের বাইরে আরো ৫০টি প্রত্নস্থান এ যাবত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একটি দুর্গনগর, নগর বা একটি নগর কেন্দ্র।
- আবিষ্কৃত প্রত্নবস্তু বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায় যে, উয়ারী-বটেশ্বর ছিল একাধারে একটি নগর ও সমৃদ্ধ বাণিজ্য কেন্দ্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৩,১৫১.
’জুলাই গণঅভ্যুত্থানে’ প্রথম নারী শহীদ কে?
  1. নাহিদা সুলতানা
  2. নাঈমা সুলতানা 
  3. সাবিনা আক্তার 
  4. আফিয়া খাতুন 
সঠিক উত্তর:
নাঈমা সুলতানা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাঈমা সুলতানা 
ব্যাখ্যা

• জুলাই গণঅভ্যুত্থান:
- ৮৪৪ জন জুলাই শহীদের নাম গেজেট আকারে প্রকাশ করেছিল।
​- তবে আটজন শহীদের নাম বাতিল করেছে।
​- বর্তমানে গেজেটেড শহীদ ৮৩৬ জন।
- এর মধ্যে ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জন নারীর নাম রয়েছে।
- শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন নারায়ণগঞ্জে ও ১ জন সাভারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন।
- প্রথম নারী শহীদ নাঈমা সুলতানা।
- সময়: ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রাজধানীর উত্তরার বাসার বারান্দায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যায়।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

৩,১৫২.
'জলকেলি' উৎসব কাদের সংস্কৃতির অংশ?
  1. চাকমা
  2. ত্রিপুরা 
  3. সাঁওতাল
  4. রাখাইন
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাখাইন
ব্যাখ্যা

রাখাইন:
- রাখাইনদের প্রধান উৎসব জলকেলি।
- রাখাইনদের বসবাস পটুয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায়।
- রাখাইনদের আদিনিবাস মিয়ানমার।
- রাখাইনদের ধর্ম বৌদ্ধ।

অন্যদিকে:
- চাকমা: প্রধান উৎসবের নাম বিজু (এটি মূলত তিন দিনব্যাপী পালিত হয়— ফুল বিজু, মূল বিজু এবং নুজ্যা পিদ্যা বা গোজ্যাপোজ্যা দিন)।
- ত্রিপুরা: এদের প্রধান উৎসবের নাম বৈসু।
সাঁওতাল: এদের প্রধান উৎসবের নাম সোহরাই (এটি মূলত ফসল কাটার উৎসব)। এছাড়া তারা 'বাহা' উৎসবও বেশ ঘটা করে পালন করে।
- ওয়ানগালা হচ্ছে গারো সম্প্রদায়ের একটি নবান্ন উৎসব।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।

উল্লেখ্য যে,
- পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরাদের এই উৎসবগুলোকে একত্রে 'বৈসাবি' (বৈসু, সাঙ্গ্রাই ও বিজু) বলা হয়।


উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি ও প্রথম আলো।

৩,১৫৩.
ঢাকার প্রথম মেট্রোরেল উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত কী নামে পরিচিত?
  1. ক) এমআরটি লাইন-৪
  2. খ) এমআরটি লাইন-৫
  3. গ) এমআরটি লাইন-১
  4. ঘ) এমআরটি লাইন-৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) এমআরটি লাইন-৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এমআরটি লাইন-৬
ব্যাখ্যা
- দেশের ইতিহাসে প্রথম মেট্রোরেল পরীক্ষামূলকভাবে চালানো হয় গত ২৯ আগস্ট ২০২১।
- রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানি ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (DMTCL) মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে।
- জাপানের কাওয়াসাকি – মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম মেট্রোরেলের ২৪ সেট ট্রেনের নকশা প্রণয়ন ও তৈরির দায়িত্বে রয়েছে।
- নকশা অনুযায়ী মেট্রোরেল ঘন্টায় ১১০ কিলোমিটার গতিতে চলবে।
- ঢাকার প্রথম মেট্রোরেলটি উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ‘এমআরটি লাইন-৬’ নামে পরিচিত।
উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট
৩,১৫৪.
এভারেস্ট জয়ী প্রথম বাঙালি কে?
  1. ক) নিশাত মজুমদার
  2. খ) সত্যব্রত দাস
  3. গ) মুসা ইব্রাহিম
  4. ঘ) ওয়াসফিয়া নাজরিন
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যব্রত দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সত্যব্রত দাস
ব্যাখ্যা

প্রথম বাঙালি এভারেস্ট বিজয়ী : সত্যব্রত দাস, ভারত।
প্রথম বাঙালি নারী এভারেস্ট বিজয়ী : শিপ্রা মজুমদার।
প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্ট বিজয়ী : মুসা ইব্রাহীম।
এভারেস্ট বিজয়ী প্রথম বাংলাদেশি নারী : নিশাত মজুমদার।

সূত্রঃ সমকাল।

৩,১৫৫.
ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) নাটোর
  2. খ) ফরিদপুর
  3. গ) ঠাকুরগাও
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - রংপুর  (২১,৯২,৩৪৭ মে.টন)
ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা  - দিনাজপুর (৬,২৭,৮৫০ মে.টন)

গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ -  রাজশাহী  (৪,১২,৮২৫ মে.টন)
গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা- ঠাকুরগাও জেলা (১,৭৫,৬৬৯ মে.টন)

পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ - ঢাকা বিভাগ(২৬,৩০,৪২০ মে.টন)
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-ফরিদপুর জেলা (৮,৯১,৯৩৮ মে.টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২০
৩,১৫৬.
১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের মূলমন্ত্র কী ছিল?
  1. রাষ্ট্রভাষা বাংলা
  2. পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন
  3. অর্থনৈতিক উন্নতি
  4. স্বাধীন রাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:

- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের মূলমন্ত্র প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ছিল।
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩,১৫৭.
বাংলা ভাষাকে আরবি হরফে লেখা প্রস্তাবের বিরোধিতা করেন কে?
  1. আবুল হোসেন
  2. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  3. আবদুল মতিন
  4. কাজী মোতাহার হোসেন
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট (১৯৪৮–১৯৫০)
- ১৯৪৮ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে বাংলা ভাষাকে আরবি হরফে লেখার একটি প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়।
- প্রখ্যাত ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সেই প্রস্তাবের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
- বাংলা ভাষাকে বিকৃত করার এই চেষ্টার অংশ হিসেবে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে 'পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করা হয়, যা তথাকথিত ভাষা সংস্কারের নামে বাংলা ভাষার অস্তিত্বকেই হুমকির মুখে ফেলে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর বিরোধিতা করে এই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়।
- ভাষার অধিকার রক্ষায় নতুন করে আন্দোলনের সংগঠিত প্রয়াস শুরু হয়।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রনেতা আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়।
- এই কমিটির নেতৃত্বেই ভাষা আন্দোলন নতুন করে প্রাণ ফিরে পায় এবং জনগণের সচেতনতা ও প্রতিবাদের মাধ্যমে তা আরও বেগবান হয়ে ওঠে।
- এই ধারাবাহিকতা ১৯৫২ সালের ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলনের দিকে ধাবিত করে, যার ভিত্তিতে পরবর্তীতে বাংলা বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি পায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
৩,১৫৮.
পরিবার কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. রাজনৈতিক
  2. সামাজিক
  3. সাংস্কৃতিক
  4. ব্যক্তিগত
সঠিক উত্তর:
সামাজিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামাজিক
ব্যাখ্যা
পরিবার:
- সমাজের মৌলিক ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক প্রতিষ্ঠান হলো পরিবার।
- পরিবার সমাজ কাঠামোর মৌল অঙ্গ সংগঠন।
- এই পরিবার মানব সৃষ্টির উষালগ্ন থেকেই সমাজে বিদ্যমান।
- তাই এর সাথে মানুষের নিবিড় সম্পর্ক ও যোগাযোগ রয়েছে।
- পরিবারের সাথেই মানুষের আন্তরিক এবং অনেকটা অকৃত্রিম সামাজিক মিথস্ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয়।
- তাই পরিবার একটি সার্বজনীন সামাজিক প্রতিষ্ঠান।

⇒ সাধারণত পরিবারের অন্যতম বৈশিষ্ট্যগুলো হচ্ছে বিশ্বজনীনতা আবেগপূর্ণতা সদস্যদের দায়িত্বশীলতা, স্থায়ীত্ব।
- পরিবারের কর্তৃত্বানুযায়ী পিতৃতান্ত্রিক পরিবার ও মাতৃতান্ত্রিক পরিবার, বংশানুক্রমিক অনুযায়ী : মাতৃবংশানুক্রমিক পরিবার ও পিতৃবংশানুক্রমিক পরিবার এবং পরিবারের আকার অনুযায়ী ও আধুনিককালে অনুপরিবার, যৌথ পরিবার ও বর্ধিত পরিবার শ্রেণী ভাগ করা হয়ে থাকে।
- মূলতঃ পরিবার যে সব কার্যাবলী সম্পাদন করে থাকে তা হচ্ছে জৈবিক কার্যাবলী, সন্তান জন্মদান ও লালন পালন, অর্থনৈতিক, দৈহিক ও মানসিক পরিতৃপ্তি, নিরাপত্তামূলক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক কার্যাবলী।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৫৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিব নগর কত নং সেক্টরের অধীনে ছিলো?
  1. ক) ১০
  2. খ) ৮
  3. গ) ৯
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল - ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)। ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
চট্টগ্রাম - ১নং সেক্টর,
ঢাকা - ২ নং সেক্টর,
রাজশাহী - ৭ নং সেক্টর,
মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টর,
সুন্দরবন - ৯ নং সেক্টর।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৩,১৬০.
বাংলায় দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন কে?
  1. লর্ড কর্ণওয়ালিশ
  2. রবার্ট ক্লাইভ
  3. লর্ড কার্জন 
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা

দ্বৈত শাসন:
- রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করেন।
- রবার্ট ক্লাইভ দেওয়ানি সনদের নামে বাংলার সম্পদ লুণ্ঠনের একচেটিয়া ক্ষমতা লাভ করে।
- দিল্লি কর্তৃক বিদেশি বণিক কোম্পানিকে এই অভাবিত ক্ষমতা প্রদানে সৃষ্টি হয় দ্বৈত শাসনের।
- অর্থাৎ যাতে করে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, নবাব পরিণত হন ক্ষমতাহীন শাসকে।

উল্লেখ্য, 
- এই ব্যবস্থা অত্যন্ত ক্ষতিকর ছিল (দুর্নীতি, শোষণ, ১৭৭০-এর মন্বন্তর ইত্যাদি)।
- তাই ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস (Warren Hastings) এই দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা চিরতরে বিলুপ্ত করেন।
- কোম্পানি সরাসরি বাংলার প্রশাসনের দায়িত্ব গ্রহণ করে, নবাবকে কেবল একজন ভাতাভোগীতে পরিণত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৬১.
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার স্তর নয় কোনটি?
  1. প্রাথমিক শিক্ষা
  2. উচ্চশিক্ষা
  3. মাধ্যমিক শিক্ষা
  4. নিম্ন-মাধ্যমিক শিক্ষা
সঠিক উত্তর:
নিম্ন-মাধ্যমিক শিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্ন-মাধ্যমিক শিক্ষা
ব্যাখ্যা

- 'নিম্ন-মাধ্যমিক শিক্ষা' শিক্ষা ব্যবস্থার স্তর নয়।

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা:

- বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা তিন স্তরবিশিষ্ট।

• স্তরসমূহ:
- প্রাথমিক স্তর
- মাধ্যমিক স্তর
- উচ্চশিক্ষা/বিশ্ববিদ্যালয় স্তর

উল্লেখ্য,
- প্রাথমিক শিক্ষা: ৫ বছর মেয়াদি।
- মাধ্যমিক শিক্ষা: ৭ বছর মেয়াদি (এর মধ্যে ২ বছর উচ্চমাধ্যমিক)।
- বিশ্ববিদ্যালয়/উচ্চশিক্ষা: সাধারণত ৩–৫ বছর মেয়াদি।
- শিক্ষার জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দফতর: শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

উৎস: বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা, bangladesh.gov.bd.

৩,১৬২.
মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? (আগস্ট, ২০২৪)
  1. ময়মনসিংহ
  2. কুমিল্লা
  3. খুলনা
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৯,১৪,৭১৫ মে.টন।
- ইলিশ - ১১.৬৩%।
- চিংড়ি - ৫.৫২%।
- মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.০৬%।
- এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.০৯%।
- অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ২.৯৪%।
- তেলাপিয়া - ৮.৫৭%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনেরপ রিমাণ: ৪২,৩৫,৩৩০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৩৮,৯৫৯ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,০৯,৮৮৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪১,২২৩ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৫৩,০০৩ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৭,৮৫,৮৫৩ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৫১,৭৫৪ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
৩,১৬৩.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর প্রথম চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯১
  3. ১৯৯২
  4. ১৯৯৫
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯১
ব্যাখ্যা

• মূল্য সংযোজন কর:
- কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয়।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%।
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

৩,১৬৪.
Who built the famous Ahsan Manzil of Dhaka?
  1. Nawab Abdul Ghani
  2. Qutb-ud-Din Aibak
  3. Nawab Abdul Latif
  4. Isha Khan
  5. Nawab Hafizur Rahman
সঠিক উত্তর:
Nawab Abdul Ghani
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nawab Abdul Ghani
ব্যাখ্যা
আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিল পুরনো ঢাকার ইসলামপুরে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
- এটি পূর্বে ছিল ঢাকার নবাবদের প্রাসাদ।
- বর্তমানে এটি জাদুঘর হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- এর প্রতিষ্ঠাতা নওয়াব আবদুল গনি।
- তিনি তার পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ’র নামানুসারে এর নামকরণ করেন।
- এর নির্মাণকাল ১৮৫৯-১৮৭২ সাল।
- ১৯০৬ সালে এখানে এক অনুষ্ঠিত বৈঠকে মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত হয়।
- নওয়াব আবদুল গণি ১৮৭২ সালে প্রাসাদটি নতুন করে নির্মাণ করান।
- এই প্রাসাদের ছাদের উপর সুন্দর একটি গম্বুজ আছে।
- এক সময় এই গম্বুজের চূড়াটি ছিল ঢাকা শহরের সর্বোচ্চ।
- আহসান মঞ্জিল জাদুঘরে এখন পর্যন্ত সংগৃহীত নিদর্শন সংখ্যা ৪ হাজার ৭৭।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৩,১৬৫.
জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ রহিত করা যায় না?
  1. ক) ৩৬ নং
  2. খ) ৪০ নং
  3. গ) ৪১ নং
  4. ঘ) ৪২ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ৪১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪১ নং
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ১৪১(খ) নং উপ-দফায় জরুরি অবস্থার সময় সরকারকে সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ এবং ৪২ নং অনুচ্ছেদ অকার্যকর রাখার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
- ৪১ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত ধর্মীয় স্বাধীনতা এর আওতাধীন নয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)

৩,১৬৬.
ভারত বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করে কবে?
  1. ৫ এপ্রিল, ২০২৫
  2. ৮ এপ্রিল, ২০২৫
  3. ১০ এপ্রিল, ২০২৫
  4. ১১ এপ্রিল, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৮ এপ্রিল, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ এপ্রিল, ২০২৫
ব্যাখ্যা
ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল:
- ট্রান্সশিপমেন্ট হলো এমন একটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক প্রক্রিয়া, যেখানে একটি দেশ তার পণ্য অন্য একটি দেশের বন্দর ব্যবহার করার মাধ্যমে রপ্তানি করে।
- একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে পণ্য আমদানিও করা হয়।
- ২০২০ সালের ২৯শে জুন বাংলাদেশ ও ভারতের মাঝে চুক্তি হয়েছিলো যে, ট্রান্সশিপমেন্ট প্রক্রিয়ায় ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে বাংলাদেশের পণ্য তৃতীয় কোনও দেশে পাঠানো যাবে।
- বাংলাদেশও এতদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্য বা পশ্চিমের কোনো দেশে এবং ভারতের শুল্ক স্টেশন (ট্রা্নজিট রুট) ব্যবহার করে পণ্য পাঠাতে পারতো।
- ভারত সরকার ২০২৫ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশকে তৃতীয় দেশে পণ্য রপ্তানির জন্য দেওয়া ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা বাতিল করে।
- এই সিদ্ধান্তের ফলে বাংলাদেশ আর ভারতের স্থল শুল্ক স্টেশন, বন্দর ও বিমানবন্দর ব্যবহার করে তৃতীয় দেশে পণ্য পাঠাতে পারবে না।
- বন্দরগুলিতে যানজট তৈরির ফলে পণ্য পরিবহণ করতে বহু সময় লেগে যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের। ওই জট কাটাতেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানায় ভারত।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।
৩,১৬৭.
ভারত ছাড় আন্দোলনের প্রস্তাব পাস হয় -
  1. ক) ১৯৪১
  2. খ) ১৯৪২ 
  3. গ) ১৯৩৯
  4. ঘ) ১৯৪৪
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪২ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪২ 
ব্যাখ্যা
ভারত ছাড় আন্দোলন, ১৯৪২ 
• ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে শ্বেতাঙ্গ-বিরোধী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ প্রথম স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাপক আন্দোলন ভারত ছাড় আন্দোলন।
• গান্ধী হরিজন পত্রিকায় ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে ভারত ছাড় পরিকল্পনা গ্রহণ করেন।
• গান্ধীর মনোভাব লক্ষ্য করে কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটি ১৯৪২ সালের ১৪ জুলাই গান্ধীর ভারত ছাড়  নীতি অনুমোদন করে। • কংগ্রেসের কার্যকরী কমিটি সিদ্ধন্ত গ্রহন করে যে অবিলম্বে ব্রিটিশ সরকারকে ভারত ছাড়তে হবে নতুবা দেশব্যাপী তারা আইন অমান্য আন্দোলন শুরু করবে।
• ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির (বোম্বাইর) অধিবেশনে বিখ্যাত ভারত ছাড় আন্দোলনের প্রস্তাব পাস হয় এবং পরপরই যতদূর সম্ভব ব্যাপকভাবে অহিংস পথে গান্ধীর নেতৃত্বে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৩,১৬৮.
তেভাগা আন্দোলন কোথায় সংঘটিত হয়?
  1. দিনাজপুর
  2. চট্টগ্রাম
  3. নাটোর
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
তেভাগা আন্দোলন:
- তেভাগা আন্দোলন বাংলায় সংঘটিত বর্গাচাষীদের একটি কৃষক আন্দোলন।
- তেভাগা আন্দোলন কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন। 
- মূলত তেভাগা আন্দোলন সংগঠিত করেন বাংলার প্রাদেশিক কৃষকসভার কম্যুনিস্ট কর্মীরা।
- ১৯৪৬-৪৭ সালে এই আন্দোলন সংঘটিত হয়।
- তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
- তেভাগা আন্দোলনের দাবী ছিলো বর্গাচাষীরা তাদের উৎপন্ন ফসলের এক ভাগ দিবে মালিকপক্ষকে এবং দুই ভাগ পাবে তারা।
- রংপুর, দিনাজপুর, যশোর, চব্বিশ পরগণা, জলপাইগুড়ি, খুলনা, ময়মনসিংহ প্রভৃতি জেলায় তেভাগা আন্দোলন সংঘটিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৩,১৬৯.
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (BSEC) কত সালে গঠিত হয়েছিল?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯৩ 
  3. ১৯৯৫
  4. ১৯৫৪
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ 
ব্যাখ্যা

• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

৩,১৭০.
প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় -
  1. সৌদি আরব
  2. ইরান
  3. ইরাক
  4. ফিলস্তিন
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা

• মধ্যপ্রাচ্যের দেশের বাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। 
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ।

অন্যদিকে -
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২৮ মার্চ, ১৯৭৩।
- মিশর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৩।
- জর্ডান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৬ অক্টোবর ১৯৭৩। 
- কুয়েত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ নভেম্বর ১৯৭৩।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।
- সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৬ আগস্ট, ১৯৭৫।

উৎস: বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)।

৩,১৭১.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেস হাইওয়ে কোন কোন দুটি পয়েন্টকে সংযুক্ত করবে?
  1. ক) উত্তরা - যাত্রাবাড়ি
  2. খ) টঙ্গী - সায়দাবাদ
  3. গ) শাহজালাল বিমান বন্দর - কুতুবখালী
  4. ঘ) উত্তরা - মতিঝিল
  5. ঙ) মিরপুর - কাঁচপুর
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল বিমান বন্দর - কুতুবখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শাহজালাল বিমান বন্দর - কুতুবখালী
ব্যাখ্যা
ঢাকা হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর হতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের কাজ চলছে। এটি সরকারের First Track প্রকল্পগুলোর একটি। ২০২১ সালের মধ্যে এটি খুলে দেওয়া হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সেতুমন্ত্রী। এর মোট ব্যয় - ৮ হাজার ৯০০ কোটি টাকা প্রায়। সূত্রঃ প্রথম আলো আর্কাইভ।
৩,১৭২.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য?
  1. বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ
  2. শিল্পের অনগ্রসর
  3. স্বল্প মাথাপিছু আয়
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অর্থনীতির বৈশিষ্ট্যসমূহ বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ। সুতরাং উন্নয়নশীল অর্থনীতির সকল বৈশিষ্ট্যই বাংলাদেশের ক্ষেত্রে কম-বেশি দেখতে পাওয়া য়ায়।

• নিম্নে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করা হলো:
- স্বল্প মাথাপিছু আয়।
- কৃষির উপর নির্ভরশীলতা।
- প্রাকৃতিক সম্পদের অপূর্ণ ব্যবহার।
- শিল্পের অনগ্রসর।
- জনসংখ্যার চাপ।
- মিশ্র অর্থনীতি।
- সস্তা শ্রম।
- বৈদেশিক ঋণ গ্রহণ।
- মুদ্রাস্ফীতি ইত্যাদি।

উৎস: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৩,১৭৩.
১৯৬৫ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে গঠিত জোট কোনটি?
  1. ক) সম্মিলিত বিরোধী জোট
  2. খ) National Democratic Front
  3. গ) নিউক্লিয়াস
  4. ঘ) ডেমোক্রেটিক একশন কমিটি
সঠিক উত্তর:
ক) সম্মিলিত বিরোধী জোট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সম্মিলিত বিরোধী জোট
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রপতি র্নির্বাচনকে সামনে রেখে ১৯৬৪ সালের ২৬ জুলাই আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক জোট গঠিত হয়।
- যা সম্মিলিত বিরোধী জোট (Combined Opposition party-COP) নামে পরিচিত। 
- এই জোটের শরিক দলগুলো হলো-
১। পাকিস্তান আওয়ামী লীগ
২। ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী)
৩। মুসলিম লীগ (কাউন্সিল)
৪। নেজাম-ই-ইসলাম
৫। জামায়াতে ইসলামী
- ‘সম্মিলিত বিরোধী জোট’ আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছোট বোন ফাতেমা জিন্নাহ্কে আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনয়ন করে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে।

- National Democratic Front-NDF - ১৯৬২ সালের ৪ সেপ্টেম্বর সোহরাওয়ার্দীর্র নেতৃত্বে আইয়ুব বিরোধী ও গণতন্ত্রের সপক্ষ শক্তিসমূহের দ্বারা গঠিত একটি রাজনৈতিক ফ্রন্ট।
- নিউক্লিয়াস - ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত স্বাধীনতাকামী একটি ছাত্র সংগঠন।

সূত্র:- উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ১মপত্র : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭৪.
বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড কার্টিয়ার
  3. লর্ড রিপন
  4. লর্ড মেয়ো
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কার্জন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন। ১৯০৫ সালে তিনি বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন।

• বঙ্গভঙ্গ:

- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭৫.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা -
  1. এডিবি
  2. জাইকা
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. আইএমএফ
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম।
- এটি ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী সংস্থা হলো- বিশ্বব্যাংক। 
- শুরুতে এটির নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় 'বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম'। 
- প্রথমদিকে এই সংস্থার বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
৩,১৭৬.
বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BEPZA
  2. BEZA
  3. IDRA
  4. BSEC
সঠিক উত্তর:
BEPZA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BEPZA
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকাগুলোর নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান BEPZA।

বেপজা:
- BEPZA এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।

• বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):

- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।

⇒ বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- এর বাইরে চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে রয়েছে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩ সাল,
• ঢাকা: ১৯৯৩ সাল,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮ সাল,
• কুমিল্লা: ২০০০ সাল,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১ সাল,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১ সাল,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬ সাল,
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬ সাল।

অন্যদিকে,
- BEZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Economic Zones Authority. বেজা বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত।
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority. ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- BSEC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Securities and Exchange Commission. বাংলাদেশের শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান বিএসইসি।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
৩,১৭৭.
বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলভিত্তি হলো-
  1. ক) আঞ্চলিকতা
  2. খ) ধর্ম
  3. গ) রাজনীতি
  4. ঘ) ভাষা ও সংস্কৃতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভাষা ও সংস্কৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভাষা ও সংস্কৃতি
ব্যাখ্যা
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশে ভাষা আন্দোলন ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন বাংলাদেশের ইতিহাসে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদের মূলভিত্তি হলো ভাষা ও সংস্কৃতি।
- ভাষা আন্দোলন তৎকালীন রাজনীতি, সমাজ, অর্থনীতি, সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয় ।
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে পূর্ব বাংলায় শিল্প, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চর্চায় পাকিস্তান রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ঝড় উঠে। 
- কবি মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী ‘কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি' এবং তরুণ কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ ‘স্মৃতির মিনার’ শীর্ষক কবিতা রচনা করেন।
- হাসান হাফিজুর রহমানের ‘একুশের সংকলন' ভাষা আন্দোলন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশনা।
- আবদুল গাফফার চৌধুরীর ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি।
- সঙ্গীতশিল্পী আবদুল লতিফে রচনা ও সুরে ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়'।
- বাগেরহাটের চারণ কবি শামসুদ্দিন আহমেদ রচনা করেন ‘তোরা ঢাকার শহর রক্তে ভাসাইলি' শীর্ষক গান।
- ড. মুনীর চৌধুরী জেলে বসে রচনা করেন ‘কবর' নাটক এবং জহির রায়হান রচনা করেন ‘আরেক ফাল্গুন’ শীর্ষক উপন্যাস।
- ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রচিত এসব কবিতা, গান, নাটক ও উপন্যাস বাঙালি জাতীয়তাবাদী চেতনা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৭৮.
কোন সম্রাট শায়েস্তা খানকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিযুক্ত হন?
  1. জাহাঙ্গীর
  2. শাহজাহান
  3. আওরঙ্গজেব
  4. বাবর
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গজেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা

• শায়েস্তা খান:
- শায়েস্তা খানের প্রকৃত নাম ছিল আবু তালিব।
- মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে শায়েস্তা খান নাম দেন। শায়েস্তা খান সম্রাট আওরঙ্গজেবের মামা ছিলেন।
- ১৬৬৩ সালে বাংলার সুবাদার মীর জুমলার মৃত্যু হলে ১৬৬৪ সালে আওরঙ্গজেব শায়েস্তা খানকে বাংলার সুবাদার হিসেবে নিযুক্ত করেন।

উল্লেখ্য,
- সিংহাসনে আরোহণের পর আওরঙ্গজেব তাঁকে উচ্চতর পদমর্যাদা দান করেন এবং উত্তরাধিকার যুদ্ধে তাঁর অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে মর্যাদাপূর্ণ আমীর-উল-উমারা (আমীরদের বা অভিজাতদের প্রধান) উপাধিতে ভূষিত করেন। 
- শায়েস্তা খান ৬৩ বছর বয়সে প্রথম বাংলায় আসেন।
- দুই দফায় ২২ বছর তিনি বাংলা শাসন করেন। প্রথমে ১৬৬৪ থেকে ১৬৭৮ সাল এবং দ্বিতীয় বার ১৬৮০ থেকে ১৬৮৮ সাল পর্যন্ত যা ছিল মুঘল আমলে বাংলার দীর্ঘতম শাসনকাল। 
- শায়েস্তা খানের বিজয়াভিযানের মধ্যে চট্টগ্রাম বিজয় উল্লেখযোগ্য।
- ১৪৫৯ সালে আরকান রাজ চট্টগ্রামকে বাংলার সুলতানদের নিকট থেকে দখল করে নিয়েছিলেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৭৯.
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে টিসিবি কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের বিপর্যস্ত অর্থনীতি ও বিচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা, অবিন্যস্ত বন্দর ইত্যাদির প্রেক্ষাপটে পর্যাপ্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য ও শিল্পের কাঁচামাল জরুরি ভিত্তিতে জোগান দেয়া এবং ন্যায্যমূল্যে ভোগ্যপণ্য জনগণকে সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ১৯৭২ সনের ১ জানুয়ারি বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতির ৬৮ নং অধ্যাদেশের মাধ্যমে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) এর প্রতিষ্ঠা হয়।

⇒ ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। 
- এই প্রেক্ষাপটে ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮নং আদেশের মাধ্যমে টিসিবি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
- টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
- উদ্দেশ্য কতিপয় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার স্থিতিশীল রাখা।
- বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি।

উৎস: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।

৩,১৮০.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় লতিফ মির্জা বাহিনী কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. সুন্দরবন
  3. ময়মনসিংহ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরাজগঞ্জ
ব্যাখ্যা
আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মির্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
৩,১৮১.
বাংলাদেশ IDA এর সদস্যপদ লাভ করে -
  1. ১০ মে, ১৯৭২
  2. ১৭ আগস্ট, ১৯৭২
  3. ২৩ অক্টোবর, ১৯৭২
  4. ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৭ আগস্ট, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ আগস্ট, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
IDA:
- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৫টি। (জুলাই, ২০২৫)
- বাংলাদেশ IDA এর সদস্যপদ লাভ করে ১৭ আগস্ট, ১৯৭২ সালে।

তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩,১৮২.
বিটাক কী ?
  1. বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
  2. লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র
  3. কুটির শিল্প সংস্থা
  4. ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্প ও কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র-বিটাক (Bangladesh Industrial and Technical Assistance Center-BITAC): দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে কারিগরি প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের লক্ষ্যে স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদী প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করে আসছে বিটাক। এর ফলে শিল্প ক্ষেত্রে দক্ষ জনবল তৈরিসহ গবেষণার মাধ্যমে আমদানি বিকল্প যন্ত্রাংশ তৈরি করার মাধ্যমে মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করে আসছে বিটাক। 

[উৎস: অর্থনতিক সমীক্ষা- ২০২১]
৩,১৮৩.
আত্মজীবনী ক্যাটাগরিতে ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার-২০২০’ লাভ করেন কে?
  1. ক) মুহাম্মদ সামাদ
  2. খ) ফেরদৌসী কাদেরী
  3. গ) সাহিদা বেগম
  4. ঘ) ফেরদৌসী মজুমদার
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফেরদৌসী মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ফেরদৌসী মজুমদার
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি পুরস্কার-২০২০ বিজয়ীরা হলেন:
- আত্মজীবনীতে : ফেরদৌসী মজুমদার
- কবিতায় : মুহাম্মদ সামাদ
- কথাসাহিত্যে : ইমতিয়ার শামীম
- প্রবন্ধ/গবেষণায় : বেগম আকতার কামাল
- অনুবাদে : সুরেশরঞ্জন বসাক
- নাটকে : রবিউল আলম
- শিশুসাহিত্যে : আনজীর লিটন
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় : সাহিদা বেগম
- বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞানে : অপরেশ বন্দোপাধ্যায়
- ফোকলোর বিভাগে : মুহাম্মদ হাবিবুল্লা পাঠান।
(সূত্র: প্রথম আলো)
৩,১৮৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কত জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ৫ জন
  2. খ) ৭ জন
  3. গ) ২ জন
  4. ঘ) ৬ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা রহমান৷ অন্যজন তারামন বিবি৷
Source: dw.com
৩,১৮৫.
দ্বিজাতি তত্ত্ব নামক রাজনৈতিক মতবাদের প্রবক্তা কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  4. স্যার সৈয়দ আহম্মদ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা

দ্বিজাতি তত্ত্ব: 
- দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
- তিনি ১৯৪০ সালে পাকিস্তান আন্দোলনের মূল ভিত্তি হিসেবে এই তত্ত্বটি প্রস্তাব করেন।
- দ্বিজাতি তত্ত্ব অনুযায়ী, ভারতীয হিন্দু এবং মুসলিম সমাজ দুটি আলাদা জাতি, যার সাংস্কৃতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, এবং ঐতিহাসিক পার্থক্য রয়েছে।
- তিনি মনে করতেন যে, হিন্দু ও মুসলিমরা একত্রে একটি সাধারণ রাষ্ট্রের অধীনে বাস করতে সক্ষম নয়, কারণ তাদের মধ্যে মৌলিকভাবে ভিন্ন জাতিগত পরিচয় রয়েছে।
- জিন্নাহর মতে, মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্রের প্রয়োজন ছিল, যেখানে তারা নিজেদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা বজায় রাখতে পারবে। তার এই চিন্তা ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাবে স্পষ্টভাবে ফুটে ওঠে, যেখানে পাকিস্তান গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছিল। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৩,১৮৬.
সুপ্রিমকোর্টের অংশ-
  1. জেলা জজ আদালত
  2. আপিল বিভাগ
  3. সহকারী জজ আদালত
  4. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল বিভাগ
ব্যাখ্যা
• সুপ্রিম কোর্ট:
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিমকোর্ট।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়।
- প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট গঠিত। 
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন। 

• সুপ্রিমকোর্টের এর রয়েছে দুটি বিভাগ,
যথা:
- আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
 
উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
৩,১৮৭.
সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন কে?
  1. ক) সুবাদার শায়েস্তা খান
  2. খ) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. গ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  4. ঘ) শের খান শূর
সঠিক উত্তর:
গ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সর্বপ্রথম চট্টগ্রাম জয় করেন।
তিনি ১৩৩৮ সাল থেকে ১৩৪৯ সাল পর্যন্ত সোনারগাঁয়ে রাজত্ব করেন। চট্টগ্রাম জয় করার মাধ্যমে তিনি তার রাজ্য দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিস্তৃত করেন।
তিনি চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত একটি রাজপথ নির্মাণ করেন।
(সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, পৃষ্ঠা-৬৩)
৩,১৮৮.
ইলা মিত্র কোনটিতে অংশগ্রহণ করেন?
  1. সিপাহী বিদ্রোহে
  2. তেভাগা আন্দোলনে
  3. নীল বিদ্রোহে
  4. ওয়াহাবী আন্দোলনে
সঠিক উত্তর:
তেভাগা আন্দোলনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেভাগা আন্দোলনে
ব্যাখ্যা
তেভাগা আন্দোলন:
- তেভাগা আন্দোলন কৃষি উৎপাদনের দুই-তৃতীয়াংশের দাবিতে সংগঠিত বর্গাচাষিদের আন্দোলন।
- ১৯৪৬-৪৭ সালে এ আন্দোলন ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল।
- মূলত তেভাগা আন্দোলন সংগঠিত করেন বাংলার প্রাদেশিক কৃষকসভার কম্যুনিস্ট কর্মীরা।
- তাদের নেতৃত্বে বর্গাচাষিরা ভূমিমালিক শ্রেণীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে উদ্বুদ্ধ হয়। খুব দ্রুত নিচের স্তরে এর নেতৃত্ব গড়ে ওঠে।
- এ তেভাগা আন্দোলন বাংলার ১৯টি জেলায় ছড়িয়ে পড়ে।
- আন্দোলনটি তীব্র আকার ধারণ করে দিনাজপুর, রংপুর, জলপাইগুড়ি, খুলনা, ময়মনসিংহ, যশোর এবং চবিবশ পরগনা জেলায়। 
- এ আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল বর্গাচাষিদের অধিকার আদায়।

⇒ তেভাগা আন্দোলনের মূল কারণ ছিল:
- জমির মালিক ও বর্গাচাষীদের মধ্যে ফসলের ভাগ নিয়ে অসন্তোষ।
- বর্গাচাষীদের উপর জমিদার ও জোতদারদের শোষণ।
- ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষ এবং এর পরবর্তী অর্থনৈতিক সংকট।
- ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশ যা উৎপাদিত ফসলের দুই-তৃতীয়াংশ চাষীদের দেয়ার কথা বলেছিল, কিন্তু তা বাস্তবায়িত হয়নি। 

⇒ তেভাগা আন্দোলনের নেত্রী ছিলেন ইলা মিত্র। তেভাগা আন্দোলন যখন স্তিমিত হওয়ার পথে তখন নাচোলের রাণী ইলা মিত্র এই আন্দোলন পুনরুজ্জীবিত করেন।
- এই আন্দোলনের আরেকজন নেতা হলেন হাজী দানেশ।
- কৃষকদের অধিকার আদায়ে তেভাগা আন্দোলনে অগ্রপথিকের ভূমিকা পালন করেন নড়াইলের অমল সেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
৩,১৮৯.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল-
  1. ক) ৭১.৬ বছর
  2. খ) ৭২.৩ বছর
  3. গ) ৭২.৬ বছর
  4. ঘ) ৭৩.৪ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭২.৬ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭২.৬ বছর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে,
- প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৬ বছর।
- পুরুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭১.১ বছর।
- মহিলার প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭৪.২ বছর।

৩,১৯০.
বাংলাদেশে সাংবিধানিকভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাংলাদেশের একপ্রকারের শাসন ব্যবস্থা, যার অধীনে দুইটি নির্বাচিত সরকারের মধ্যবর্তী সময়কালে সাময়িকভাবে অনির্বাচিত ব্যক্তিবর্গ কোন দেশের শাসনভার গ্রহণ করে থাকে।
- বিএনপি সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯৬ সালে ত্রয়োদশ সংশোধনের মাধ্যমে সংবিধানে যোগ হয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৯৬ সালে সাংবিধানিকভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়।
- বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান ছিলেন সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
- উপদেষ্টা পরিষদের বাকিরা হলেন: ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ, ড. মুহাম্মদ ইউনূস, অর্থনীতিবিদ ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ, অধ্যাপক মো. শামসুল হক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, শেগুফতা বখত চৌধুরী, এ জেড এম নাছিরুদ্দিন, সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, অধ্যাপক নাজমা চৌধুরী ও মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রহমান খান।
- এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার মোট ৮৬ দিন ক্ষমতায় ছিল। এই সরকার ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালে সেনাশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর জাতীয় নির্বাচন আয়োজন পর্যন্ত দায়িত্ব পালনের জন্য গঠন করা হয়েছিল নির্দলীয় প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদের নেতৃত্বে ঐ সরকার গঠিত হয়েছিল।

এছাড়াও,
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩,১৯১.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য সমগ্র বাংলাদেশকে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ১১টি
  2. ৯টি
  3. ১২টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৩,১৯২.
মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন কে?
  1. ক) রাও ফরমান আলী
  2. খ) মোনায়েম খান
  3. গ) আব্দুল মোত্তালিব মালিক
  4. ঘ) আমির আব্দুল্লাহ নিয়াজী
সঠিক উত্তর:
গ) আব্দুল মোত্তালিব মালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আব্দুল মোত্তালিব মালিক
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান। তবে ১৭ সেপ্টেম্বর টিক্কা খান কে সরিয়ে ডা. আব্দুল মোত্তালিব মালিক কে গর্ভনর করা হয়।
একই সময়ে ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। ১৪ ডিসেম্বর এই মন্ত্রিসভা পদত্যাগে বাধ্য হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী, পৃষ্ঠা-২৪)
৩,১৯৩.
কত সালে ক্ষমতার প্রয়োজনে গণভোটের নিয়ম সংযোজন করা হয়?
  1. ক) ১৯৭৬
  2. খ) ১৯৭৭
  3. গ) ১৯৭৮
  4. ঘ) ১৯৭৯
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৮
ব্যাখ্যা

- ১৯৭৮ সালে জেনারেল জিয়াউর রহমান এক আদেশ বলে ক্ষমতার প্রয়োজনে গণভোটের নিয়ম সংযোজন করেন যা পরবর্তিতে পঞ্চম সংশোধনীতে স্থান লাভ করে । 

- নতুন সংযোজিত এই নিয়ম অনুসারে সংবিধানের প্রস্তাবনা, রাষ্ট্রীয় মুলনীতি ৯ অনুচ্ছেদ ৮ রাষ্ট্রপ্রতি নির্বাচন ও তার ক্ষমতা মর্যাদা (অনুচ্ছেদ ৪৮) ) প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রীসভার সদস্যের নিয়োগদান ৯ অনুচ্ছেদ-৫৬) সংক্রান্তকোন সংশোধনী বিল নিয়মানুযায়ী গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপনের সাতদিনের মধ্যে তিনি বিলটিত সম্মতি দান করবেন না এ প্রশ্নটির সমাধানের জন্য বিলটি গণভোটে পাঠানোর ব্যবস্থা করবেন।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩,১৯৪.
বঙ্গবন্ধু জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের কততম শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছিলেন?
  1. ক) দ্বিতীয় সম্মেলন
  2. খ) তৃতীয় সম্মেলন
  3. গ) চতুর্থ সম্মেলন
  4. ঘ) পঞ্চম সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্থ সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্থ সম্মেলন
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও সদস্যপদ লাভ করে।
- ন্যামের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে।
- সর্বশেষ ন্যাম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালের ২৫-২৬ অক্টোবর আজারবাইজানের রাজধানী বাকু শহরে।
(সূত্র: ন্যাম আজারবাইজার ওয়েবসাইট)
৩,১৯৫.
বীর প্রতিক খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা-
  1. তারামন বিবি
  2. সেতারা বানু
  3. কাঁকন বিবি
  4. করিমন বিবি
  5. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তারামন বিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারামন বিবি
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:
- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট।
৩,১৯৬.
বাংলাদেশের রপ্তানিতে সর্বাধিক অবদান রাখে কোন পণ্যটি? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. হস্তশিল্প
  2. চামড়াজাত পণ্য
  3. নিট পোশাক
  4. কৃষিজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
নিট পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিট পোশাক
ব্যাখ্যা

- তৈরি পোশাক খাতের মধ্যে সর্বাধিক রপ্তানি হয়েছে নীটওয়্যার পণ্য

• বাংলাদেশের রপ্তানি খাত (২০২৪-২০২৫, জুন-জুলাই)

১। নীট পোশাক
- রপ্তানি আয়: 21,159.08 মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- মোট রপ্তানিতে অবদান: 43.82%

২। ওভেন পোশাক
- রপ্তানি আয়: 18,187.89 মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- মোট রপ্তানিতে অবদান: 37.67%

৩। হোম টেক্সটাইল
- রপ্তানি আয়: 871.57 মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- মোট রপ্তানিতে অবদান: 1.81%

৪। চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা
- রপ্তানি আয়: 1,145.07 মিলিয়ন মার্কিন ডলার
- মোট রপ্তানিতে অবদান: 2.37%

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও পত্রিকা। (Link1) (Link2)

৩,১৯৭.
'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' কে প্রতিষ্ঠা করেছেন?
  1. সৈয়দ আমীর আলী
  2. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  3. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  4. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমীর আলী
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আমীর আলী:
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দে হুগলীতে জন্ম গ্রহণ করেন।
- উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমীর আলী।
- তিনি পাশ্চাত্য শিক্ষার মাধ্যমে বাঙালি মুসলমানদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি করতে চেয়েছেন।
- ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তিনি লন্ডনে প্রিভি কাউন্সিলের সদস্য হন।
- সৈয়দ আমীর আলী ১৮৭৭ সালে ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটিকে তিনি ভারতের অন্যান্য প্রদেশসমূহের শাখাগুলি অধিভুক্তির পর 'সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' নামে নতুন নামকরণ করেন।

উৎস: বাংলাশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
৩,১৯৮.
বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই কিন্তু বানিজ্যিক সম্পর্ক আছে কোন দেশের? 
  1. চীন
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভুটান
  4. তাইওয়ান
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাইওয়ান
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক সম্পর্ক:
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই তবে বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- চীনের আপত্তির কারণে তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক গড়ে উঠেনি।
- এর পেছনে কারণ হচ্ছে 'একচীন' নীতি।
- তাইওয়ানের সাথে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১.২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

অন্যদিকে,
- চীন ও যুক্তরাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে।
- ইসরাইলের সাথে বাংলাদেশের কোন প্রকার সম্পর্ক নেই।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৩,১৯৯.
বাংলাদেশে বসবাসরত মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী- 
  1. মারমা 
  2. সাঁওতাল
  3. খাসিয়া
  4. ওঁরাও
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাসিয়া
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া ও গারো বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চ্যাপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- এরা পাঁচ শত বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- খাসিয়াদের গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জিপ্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তরপূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ ,হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার আবাস তাদের।
- ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করে।
- বর্তমানে শতকরা ৮০-৯০ ভাগ খাসিয়াই খ্রিষ্টান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও কোলের কণ্ঠ।

৩,২০০.
১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন হয় -
  1. ১ ডিসেম্বর
  2. ৭ ডিসেম্বর
  3. ১০ ডিসেম্বর
  4. ১৭ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৭ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচন:
- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জনগণ সর্বপ্রথম দেশের কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ লাভ করে।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের ৫ অক্টোবর জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে বন্যা হয়।
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচন হয় ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর এবং প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ নির্দিষ্ট হয় ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর।

উল্লেখ্য,
- পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ ৩১০টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ মোট ২৯৮টি আসন পেয়ে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের ৩০০টি (১০টি মহিলা সংরক্ষিত আসন ছাড়া) আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ২৮৮ টি আসনে জয়লাভ করে।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।