বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ৩০ / ৩০৬ · ২,৯০১৩,০০০ / ৩০,৮৩২

২,৯০১.
চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. সাতক্ষীরা
  2. কক্সবাজার
  3. খুলনা
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা
- মৎস্য পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯-২০২০ অনুযায়ী:
- দেশে মোট চিংড়ি উৎপাদিত হয় : ১,২৭,৬০১ মেট্রিক টন।
চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : সাতক্ষীরা (৩৭.০১ হাজার মে. টন)
- দ্বিতীয় : বাগেরহাট (৩৫.৯৪ হাজার মে. টন)
- তৃতীয় : খুলনা (২৭.৬ হাজার মে. টন)।
প্রজাতি অনুসারে চিংড়ি উৎপাদন:
- বাগদা : ৬৪.৬৯ হাজার মে. টন
- গলদা : ৫১ হাজার মে. টন
- হরিয়ানা : ৪,৯৭৯ মে. টন
- চাকা : ২,৫৪৫ মে. টন
- অন্যান্য : ৪,২৯৩ মে. টন।
- বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চায় হয়।
- দেশের মোট চিংড়ি ঘেরের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই এ অঞ্চলে অবস্থিত।
- চিংড়ি চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ায় খুলনা অঞ্চলকে বাংলাদেশের ‘কুয়েত সিটি’ বলা হয়।
- রপ্তানির মাধ্যমে অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করায় বাংলাদেশে চিংড়িকে ‘হোয়াইট গোল্ড’ নামে অভিহিত করা হয়।
(তথ্যসূত্র: মৎস্য পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৯-২০ এবং বনিকবার্তা)
২,৯০২.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩ অনুসারে, ২০২৩ সালে মানুষের গড় আয়ু -
  1. ৭২ দশমিক ১ বছর
  2. ৭২ দশমিক ২ বছর
  3. ৭২ দশমিক ৩ বছর
  4. ৭২ দশমিক ৪ বছর
সঠিক উত্তর:
৭২ দশমিক ৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭২ দশমিক ৩ বছর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

'বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩' শীর্ষক প্রতিবেদন:

- ২০২৩ সালে মানুষের গড় আয়ু ৭২ দশমিক ৩ বছর।

অন্যদিকে,
- ২০২২ সালে মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭২ দশমিক ৪ বছর।

উল্লেখ্য ২০২৩ সালে -
- জনসংখ্যার সাধারণ বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ।
- মৃত্যুর শীর্ষ ১০টি কারণের মধ্যে মৃত্যুর প্রথম কারণ হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু ১.০২৭ শতাংশ।
- পুরুষদের প্রথম বিয়ের গড় বয়স ২৪.২ বছর এবং নারীদের ক্ষেত্রে ১৮.৪ বছর।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১৭৯ জন। 

উৎস: বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩।
২,৯০৩.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ কার্যকর হয় কবে থেকে?
  1. ক) ১ জুলাই ২০১২
  2. খ) ১ জুলাই ২০১৩
  3. গ) ১ জুলাই ২০১৬
  4. ঘ) ১ জুলাই ২০১৯
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ জুলাই ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১ জুলাই ২০১৯
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই সর্বপ্রথম মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) চালু হয়। এটি এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।
(তথ্যসূত্রঃ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট)
২,৯০৪.
চেতনা-৭১ স্থাপত্যটির অবস্থান কোথায়?
  1. কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
  2. পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
  4. জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
ব্যাখ্যা

‘চেতনা ৭১’:
- শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বাধীনতার ভাস্কর্য ‘চেতনা ৭১’।
- এই ভাস্কর্যটির নকশা করেছেন স্থপতি নৃপল খান।
- নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছিলেন তারই সংগঠন ‘নৃ’ এর স্কুল অব স্কালপচার।
- চেতনা ৭১ ভাস্কর্যটি রূপ লাভ করে ২০১১ সালের ৩০ জুলাই।
- ভাস্কর্যটিতে বর্তমান সময়ের শিক্ষার্থীদের আদলে ব্যবহার করা হয়েছে। পোশাক ও আনুষঙ্গিক উপকরণও বর্তমান সময়ের। মডেলে ছাত্রের হাতে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উঁচুতে তুলে ধরার ভঙ্গিমা এবং ছাত্রীর হাতে বই, যা বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতীক নির্দেশ করে।
- একাডেমিক ভবনগুলোর সঙ্গে মিল রেখে বেদির নিচের প্লট ৩টা বানানো হয়েছে সিরামিক ইট দিয়ে।
- প্লেটটির ব্যাস ১৫ ফুট, মাঝের প্লেটের ব্যাস সাড়ে ১৩ ফুট এবং উপরের প্লেট ১২ ফুট। প্রত্যেকটি আবার ১০ ইঞ্চি করে উঁচু। প্লেট ৩টার উপরে মূল বেদিটি হবে ৪ ফুট উঁচু, তার উপরে ৮ ফুট উঁচু ফিগার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা ও ইত্তেফাক পত্রিকার রিপোর্ট।

২,৯০৫.
'সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. হবিগঞ্জ
  2. সিলেট
  3. মৌলভীবাজার
  4. সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হবিগঞ্জ
ব্যাখ্যা
সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান:
- সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার রঘুনন্দন পাহাড়ে অবস্থিত।
- উদ্যানের কাছাকাছি ৯টি চা বাগান আছে।
- উদ্যানের পশ্চিম দিকে সাতছড়ি চা বাগান এবং পূর্ব দিকে চাকলাপুঞ্জি চা বাগান অবস্থিত।
- এই ক্রান্তীয় ও মিশ্র চিরহরিৎ পাহাড়ী বনভূমি ভারতীয় উপমহাদেশ এবং উন্দো-চীন অঞ্চলের সংযোগস্থলে অবস্থিত।সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে রয়েছে প্রায় ২০০’রও বেশি গাছপালা।
- এর মধ্যে শাল, সেগুন, আগর, গর্জন, চাপালিশ, পাম, মেহগনি, কৃষ্ণচূড়া, ডুমুর, জাম, জামরুল, সিধাজারুল, আওয়াল, মালেকাস, ইউক্যালিপটাস,আকাশমনি, বাঁশ, বেত-গাছ ইত্যাদির বিশেষ নাম করা যায়।
- সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভিতর সাতটি ছড়া বা ঝর্না আছে যেখান থেকে এর নামকরণ করা হয়েছে সাতছড়ি।

জীববৈচিত্র্য:
- এ উদ্যানে ১৯৭ প্রজাতির জীব-জন্তু রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ২৪ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ১৮ প্রজাতির সরিসৃপ, ৬ প্রজাতির উভচর। আরো আছে প্রায় ১৫০-২০০প্রজাতির পাখি। এটি বাংলাদেশের একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল এবং পাখিদের একটি অভয়াশ্রম। বনে লজ্জাবতী বানর, উল্লুক (Gibbon), চশমা পরা হনুমান (Langur), কুলু বানর (Macaque), মেছো বাঘ, মায়া হরিণ (Barking Deer) ইত্যাদি; সরিসৃপের মধ্যে সাপ; পাখির মধ্যে কাও ধনেশ, বনমোরগ, লালমাথা ট্রগন, কাঠঠোকরার, ময়না, ভিমরাজ, শ্যামা, ঝুটিপাঙ্গা, শালিক, হলুদ পাখি, টিয়া প্রভৃতির আবাস রয়েছে। এছাড়া গাছে গাছে আশ্রয় নিয়েছে অগণিত পোকামাকড়, ঝিঁঝিঁ পোকা তাদের অন্যতম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৯০৬.
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী নিহত হয়েছে কোন দেশে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. সুদান
  2. কঙ্গো
  3. রুয়ান্ডা 
  4. লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
সুদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদান
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী নিহত: 
- ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী বর্বরোচিত ড্রোন হামলা চালায়। 
- এ ঘটনায় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত ও ৯ জন আহত হন।
- সুদানের সরকারের এক বিবৃতিতে, এ হামলার জন্য সরকারবিরোধী আধা সামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে দায়ী করা হয়েছে।
- কাদুগলি শহরটি প্রায় দেড় বছর ধরে আরএসএফ অবরুদ্ধ করে রেখেছে।
- ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে আধা সামরিক আরএসএফ দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

২,৯০৭.
পাল রাজারা কোন ধর্মের অনুসারী ছিলেন?
  1. হিন্দু
  2. বৌদ্ধ
  3. খ্রিস্টান
  4. জৈন
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৌদ্ধ
ব্যাখ্যা
পাল রাজবংশ:
- পাল বংশ আট শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে প্রায় চারশত বছর বাংলা ও বিহারে শাসনকারী রাজবংশ।
- শশাঙ্কের মৃত্যুর পর প্রায় একশ বছর বাংলায় অরাজকতা চলে। এই অরাজক অবস্থাকে বলা হয় 'মাৎস্যন্যায়'।
- গোপাল নামক একজন শক্তিশালী লোক এই অরাজকতার অবসান ঘটান।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত বংশের নাম পালবংশ।
- পালবংশের রাজারা প্রায় চারশ বছর রাজত্ব করেন।
- এযুগে বাংলা একটি স্থিতিশীল ও ঐশ্বর্যশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

⇒ গোপালের পর তাঁর পুত্র ধর্মপাল সিংহাসনে বসেন।
- দেবপালের পর পাল সাম্রাজ্য দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রথম মহীপালের রাজত্বকালে পালবংশের গৌরব পুনরায় ফিরে আসে।
- দ্বিতীয় মহীপাল ও রামপালের রাজত্বকালে বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। রামপাল কৈবর্ত বিদ্রোহ দমন করে বরেন্দ্র অঞ্চল পুনরুদ্ধার করেন। তিনি পালবংশের শেষ মুকুটমণি।
- অবশেষে সেনবংশের উত্থানের মধ্য দিয়ে পাল শাসনের অবসান ঘটে।

⇒ পাল রাজারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী ছিলেন। পালযুগে বৌদ্ধ ধর্ম প্রসার লাভ করেছিল তিববত, জাভা, সুমাত্রা ও মালয়েশিয়াতে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯০৮.
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে এক ব্যক্তি দম্ভোক্তি করে, যা বলেছিল নিম্নরূপঃ 'লোকটি এবং তার দল পাকিস্তানের শক্র, এবার তারা শাস্তি এড়াতে পারবে না।' এ দম্ভোক্তিকারী ব্যাক্তি কে ছিল?
  1. ক) জেনারেল নিয়াজী
  2. খ) জেনারেল টিক্কা খান
  3. গ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  4. ঘ) জেনারেল হামিদ খান
সঠিক উত্তর:
গ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত উক্তিটি করেছিলেন - পাকিস্তানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ও সেনা প্রশাসক জেনারেল ইয়াহিয়া খান।
২,৯০৯.
বর্তমানে জিডিপি নিরুপণের ভিত্তিবছর হিসেবে ব্যবহৃত হয়-
  1. ২০০২-২০০৩ অর্থবছর
  2. ২০০৩-২০০৪ অর্থবছর
  3. ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
  4. ২০০৫-২০০৭ অর্থবছর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৫-২০০৬ অর্থবছর
ব্যাখ্যা

• ২০১৩-২০১৪ অর্থবছর থেকে স্থিরমূল্যে জিডিপি নির্ণয়ের ভিত্তি বছর হিসেবে ২০০৫-২০০৬ অর্থবছর ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
• এটি দেশের চতুর্থ ভিত্তি বছর।
• এর আগে ১৯৭২-১৯৭৩, ১৯৮৪-১৯৮৫ এবং ১৯৯৫-১৯৯৬ অর্থবছর ভিত্তি বছর হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
উৎসঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

২,৯১০.
বাংলাদেশে প্রতি বর্গকিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব কত?
  1. ১১১৯ জন
  2. ১২৩৫ জন
  3. ৯৮৫ জন
  4. ১০৭০ জন
সঠিক উত্তর:
১১১৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১১৯ জন
ব্যাখ্যা

- প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১১৯ জন মানুষ বাস করেন।

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ এই গণনা অনুষ্ঠিত হয় ১৫ থেকে ২১ জুনের মধ্যে। তথ্য সংগ্রহের পদ্ধতি হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে CPI পদ্ধতি। গণনার পদ্ধতি হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে Modified De-fecto পদ্ধতি। দেশের মোট জনসংখ্যা এই সময় ছিল ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।

- দেশের বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার নির্ণীত হয়েছে ১.১২%। সাক্ষরতার হার ছিল ৭৪.৮০%। সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকায়। 

- জেলা অনুযায়ী জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রাঙ্গামাটিতে। বরিশাল বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব কম হওয়ায় এটি দেশের অন্যতম কম ঘনত্বসম্পন্ন এলাকা। বরিশাল বিভাগে মানুষের সংখ্যা অন্যান্য বিভাগের তুলনায় সবচেয়ে কম।

- সার্বিকভাবে দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল ১১১৯ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার। জনসংখ্যার ঘনত্ব সর্বোচ্চ ঢাকা বিভাগে এবং সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে পাওয়া গেছে।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ 

২,৯১১.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর ছিল -
  1. ৭নং সেক্টরের অধীনে
  2. ৬নং সেক্টরের অধীনে
  3. ৪নং সেক্টরের অধীনে
  4. ৮নং সেক্টরের অধীনে
সঠিক উত্তর:
৮নং সেক্টরের অধীনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮নং সেক্টরের অধীনে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর ছিল - ৮নং সেক্টরের অধীনে। 

• মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- তার মধ্যে মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল - ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)।
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
- চট্টগ্রাম - ১নং সেক্টর,
- ঢাকা - ২ নং সেক্টর,
- সিলেট- ৪ নং সেক্টর,
- রাজশাহী - ৭ নং সেক্টর,
- মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টর,

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯১২.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে দেশের সাংবিধানিক নাম কী?
  1. প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ 
  2. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
  3. ইসলামী জনগণতন্ত্র বাংলাদেশ 
  4. লোকপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ সংবিধান অনুযায়ী “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হবে৷ 

• সংবিধান:
- সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির সমন্বয় একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি-৪টি।
- সংবিধানের তফসিল-৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ-১৫৩ টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২,৯১৩.
কোন জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী?
  1. রাজশাহী
  2. ফরিদপুর
  3. রংপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
যশোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশোর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
--------------- 
তুলা চাষ:

- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার ৩৪টি জেলায় সমভূমির জাতের তুলার আবাদ হচ্ছে এবং অতি সম্প্রতি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের পাশাপাশি সমভূমির জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে। 
- ঝিনাইদহ জেলা তুলা চাষের জন্য সবচেয়ে বেশি উপযোগী। 
- পাহাড়ি তুলা এপ্রিল-মে মাসে এবং সমভূমির তুলা জুলাই-আগস্ট মাসে বপন করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এবং সমভূমির তুলা জানুয়ারি-মার্চ মাসে উত্তোলন করা হয়।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।
- ১৯৭৬-৭৭ সালে আমেরিকা হতে নতুন তুলার জাত প্রবর্তনের মাধ্যমে দেশে ব্যপক পরিমানে তুলা চাষ শুরু হয়।
- ১৯৯১ সালে তুলা গবেষণার দায়িত্ব বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান হতে তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নিকট স্থানান্তর করা হয়।

তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং
- হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়। 

২০২২-২৩ মৌসুমে আশতুলা উৎপাদন:
কুষ্টিয়া- ৩০৭৪৫, 
চুয়াডাংগা- ৩০১৯৬, 
ঝিনাইদহ- ২৯০৭৭, 
যশোর - ২১৭৩২। 

২০২২-২৩ মৌসুমে বীজতুলা উৎপাদন:
কুষ্টিয়া-১৩৯৮৯, 
চুয়াডাংগা- ১৩৭৩৯, 
ঝিনাইদহ- ১৩২৩০, 
যশোর - ৯৮৮৮।

বাংলাদেশের এই চারটি জেলায় সবচেয়ে বেশি তুলা চাষ ও উৎপাদন হয়ে থাকে। 
অর্থ্যাৎ- যশোর অঞ্চল তুলা চাষের জন্য বিখ্যাত।
সে হিসেবে উত্তর - যশোর গ্রহণ করা হয়েছে। 

উৎস- বাংলাপিডিয়া, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের বার্ষিক প্রতিবেদন ২০২২-২৩।
২,৯১৪.
দেশে আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ কত? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. ৮২,৬০,০০০ একর
  2. ৮২,৯৮,০০০ একর
  3. ৮৩,৫৮,০০০ একর
  4. ৮৩,৯০,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৮৩,৫৮,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩,৫৮,০০০ একর
ব্যাখ্যা

এক নজরে কৃষি পরিসংখ্যান:
- মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area): ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩,৫৮,০০০ একর।
- বনাবচল: ৬৩,৬৩,০০০ একর।
- মোট জমির পরিমাণ: ৩,৬৪,৬৫,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

২,৯১৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কতটি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়?
  1. ৩টি
  2. ৭টি
  3. ১১টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স:

- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- “জেড” ফোর্স, “কে” ফোর্স, “এস” ফোর্স নিয়ে ৩টি ব্রিগেড ফোর্স।
- জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।
- কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
- খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৯১৬.
'বায়ান্নর দিনগুলো' কার লেখা স্মৃতি সংকলন?
  1. ক) আবুল মনসুর আহমেদ
  2. খ) কাজী আবদুল ওদুদ
  3. গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) সেলিনা হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা

'বায়ান্নর দিনগুলো' রচনাটি শেখ মুজিবুর রহমানের কারাগারে অতিবাহিত দিনগুলোর স্মৃতিবিজড়িত সংকলন। 
‘বায়ান্নর দিনগুলো’ রচনাটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে। 

- ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে রাজবন্দি থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধু এই আত্মজীবনী লেখা শুরু করেন এবং ১৯৬৮ সালের ১৭ জানুয়ারি ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় ঢাকা সেনানিবাসে আটক থাকার সময় তা লেখা বন্ধ হয়ে যায়।
- বায়ান্ন সালের ভাষা আন্দোলনের নানা বিষয় এবং বঙ্গবন্ধুর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এ রচনায় ফুটে উঠেছে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্য পাঠ।

২,৯১৭.
দেশে প্রথমবারের মতো পরিবেশবান্ধব ই-সিম চালু করে কোন মোবাইল অপারেটর কোম্পানি?
  1. বাংলালিংক
  2. গ্রামীণফোন
  3. রবি
  4. টেলিটক
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রামীণফোন
ব্যাখ্যা
- দেশে প্রথমবারের মতো প্লাস্টিক সিম কার্ড ছাড়াই সংযোগের সুবিধা সম্পন্ন পরিবেশবান্ধব ই-সিম চালু করে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোন
-ই-সিম মানে এম্বেডেড সিম, অর্থাৎ একধরণের সিম, যেটা ব্যবহার করতে ফোনে কোনও রকম সিম কার্ড ঢুকাতে হয় না।
- এতে প্লাস্টিকের ব্যবহারও কম হয়। 
- এজন্য ইসিম সাপোর্ট করে এমন একটি মোবাইল ডিভাইস থাকতে হবে।

তথ্যসূত্র:- গ্রামীণফোন ওয়েবসাইট।
২,৯১৮.
আর্যদের আদি নিবাস ছিলো কোথায়?
  1. ক) তিব্বত মালভূমি
  2. খ) ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে
  3. গ) ইন্দোচীন
  4. ঘ) দক্ষিণ ভারত
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইউরাল পর্বতের দক্ষিণে
ব্যাখ্যা
আর্যদের আদি নিবাস ছিলো ইউরাল পর্বতমালার দক্ষিণে বর্তমান ইরান ও কিরগিজস্থানে। সেখান থেকে খ্রিস্টপূর্ব প্রায় দুই হাজার অব্দে আর্যরা পশ্চিম প্রদেশ দিয়ে ভারতে আগমন করে। প্রথম তারা সিন্ধু তীরে বসতি স্থাপন করে। পরবর্তীতে সমগ্র ভারতে ছড়িয়ে পড়ে। বাংলায় আর্যদের আগমন শুরু হয় খ্রিস্টপূর্ব এক হাজার অব্দ থেকে। (সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ব্রিটানিকা)
২,৯১৯.
দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর কোনটি?
  1. মংলা সমুদ্র বন্দর
  2. চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর
  3. পায়রা সমুদ্র বন্দর
  4. সোনাদিয়া সমুদ্র বন্দর
সঠিক উত্তর:
পায়রা সমুদ্র বন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা সমুদ্র বন্দর
ব্যাখ্যা
• পায়রা বন্দর: 
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রা।
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত।
- ১৩ আগস্ট ২০১৬ সালে সীমিত পরিসরে পায়রা বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে নিয়মিতভাবে কয়লা ও অন্যান্য পণ্যবাহী জাহাজ এই বন্দরে আগমন করছে।
- নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রয়েল হাসকনিংডিএইচভি এর মাধ্যমে বন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রস্তুত হয়েছে।
- রাবনাবাদ চ্যানেলে মূল খনন (ক্যাপিটাল ড্রেজিং) চলছে।
- চ্যানেলটি -১০.৫ মিটার চার্ট ডাটাম (CD) পর্যন্ত গভীর করা হবে,
- যাতে প্যানামাক্স (PANAMAX) আকারের জাহাজ ভিড়তে পারে।

উল্লেখ্য, 
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে ইংরেজ ও দেশীয় ব্যবসায়ীরা বার্ষিক এক টাকা সেলামির বিনিময়ে নিজ ব্যয়ে কর্ণফুলি নদীতে কাঠের জেটি নির্মাণ করেন।
- ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম দুটি অস্থায়ী জেটি নির্মিত হয়।
- ১৯৫৪ সালের ২০শে জুন মোংলা বন্দর নামকরন করা হয়।
- ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তনপূর্বক "মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ” হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৯২০.
টেস্ট ক্রিকেটের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান কি?
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম
সঠিক উত্তর:
নবম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবম
ব্যাখ্যা
টেস্টে বাংলাদেশ:

- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে  জিম্বাবুয়ে।
- বর্তমানে টেস্ট ক্রিকেটের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশের অবস্থান নবম।

তথ্যসূত্র - ICC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৯২১.
বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয় কোন সালে?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৯১
  3. ১৯৯২
  4. ১৯৯৩
সঠিক উত্তর:
১৯৯০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০
ব্যাখ্যা

প্রাথমিক শিক্ষা আইন:
- বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয় ১৯৯০ সালে।
- ১৯৯২ সালের ১ জানুয়ারি প্রতি জেলার একটি করে থানায় পরীক্ষামূলকভাবে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা প্রথমে চালু করা হয়।
- ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন চালু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৯২২.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১২০নং অনুচ্ছেদে
  2. ১২১নং অনুচ্ছেদে
  3. ১২২নং অনুচ্ছেদে
  4. ১২৪নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১২১নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগ - নির্বাচন অংশে ১২১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিধান বর্ণনা করা হয়।
- অনুচ্ছেদ ১২১ নং অনুযায়ী সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করে ভোটার-তালিকা থাকবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করে কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাবে না।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।
- অনুচ্ছেদ ১২২ - ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ১২৪ - নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৯২৩.
'রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার-২০২৩' পেয়েছেন কে?
  1. সাদিয়া সুলতানা
  2. নাহিদা সুলতানা
  3. সাদিকা সুলতানা
  4. উপরের কেউই নয়
সঠিক উত্তর:
সাদিয়া সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাদিয়া সুলতানা
ব্যাখ্যা
রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার-২০২৩:
- বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের নামে এ সাহিত্য পুরস্কার প্রবর্তন করে বাংলা একাডেমি।
- সাহিত্যে অবদানের জন্য কথাসাহিত্যিক ও প্রকৃতিপ্রেমী বিপ্রদাশ বড়ুয়া এবং ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে ঔপন্যাসিক সাদিয়া সুলতানা 'রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৩' পেয়েছেন।
- রাবেয়া খাতুন কথাসাহিত্য পুরস্কার ২০২৩–এর পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করেন একাডেমির মহাপরিচালক ও জুরি বোর্ডের সভাপতি কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা।
- রাবেয়া খাতুন স্মৃতি পরিষদের তহবিল থেকে পুরস্কারের অর্থ দিয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

উল্লেখ্য,
- সাদিয়া সুলতানা তাঁর ‘বিয়োগ রেখা’ উপন্যাসের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছেন।

উৎস: ২৮ ডিসেম্বর, ২০২৩, প্রথম আলো।
২,৯২৪.
বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশে কোন ফসলের চাষ তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে?
  1. ভূট্টা
  2. পাট
  3. ধান
  4. গোল আলু
সঠিক উত্তর:
ভূট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূট্টা
ব্যাখ্যা

⇒ বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশে ভুট্টা চাষ তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে।

♦ ভূট্টা উৎপাদন:
- বিগত ৫০ বছরে বাংলাদেশের কৃষিতে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে ভূট্টা (মেইজ) চাষে।
- ১৯৭১ সালে দেশের ভূট্টার উৎপাদন ছিল মাত্র ২,০০০ মেট্রিক টন এবং চাষের পরিমাণ ছিল মাত্র ২,৬৫৪ হেক্টর।
- ২০১৯–২০২০ সালে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৫৪ লাখ মেট্রিক টনে, এবং চাষের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১,৬৫,৫১০ হেক্টর।
- প্রতি হেক্টরে ফলনও বেড়েছে ০.৮৫ টন থেকে ৬.১৫ টনে।
- অন্য ফসল যেমন ধান, পাট ও আলুর চাষও বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে তুলনামূলকভাবে ভূট্টার বৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি।

কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) অনুসারে, 
স্বাধীনতার পর থেকে এ নাগাদ চালের উৎপাদন বেড়েছে প্রায় চারগুণ, গম দুইগুণ, ভুট্টা ১০ গুণ ও সবজির উৎপাদন বেড়েছে পাঁচ গুণ। 

উল্লেখ্য:
- ধান ১৯৭১ সালে ৯.৬৭ মিলিয়ন টন থেকে ২০১৯ সালে ৩৮.৭০ মিলিয়ন টনে বৃদ্ধি পেয়েছে।
- ১৯৭১ সালে পাটের উৎপাদন ছিল প্রায় ৭.৫ মিলিয়ন বেল এবং চাষের পরিমাণ ছিল ৮০০,০০০ হেক্টর। ২০২০ সালে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৮ মিলিয়ন বেল এবং চাষের পরিমাণ প্রায় ৮২০,০০০ হেক্টর, প্রতি হেক্টরে ফলন কিছুটা বেড়েছে।
- গোল আলুর ক্ষেত্রে ১৯৭১ সালে উৎপাদন ছিল ৪.৫ লাখ মেট্রিক টন এবং চাষের পরিমাণ ৮৫,০০০ হেক্টর। ২০২০ সালে উৎপাদন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮.৯ লাখ মেট্রিক টনে, চাষের পরিমাণ ১,২০,০০০ হেক্টর এবং প্রতি হেক্টরে ফলন বেড়ে ৭.৪ টন হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ডেইলী সান পত্রিকার রিপোর্ট (লিংক) ও কৃষি তথ্য সার্ভিস। (লিংক)

২,৯২৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়?
  1. ক) দশম সংশোধনী
  2. খ) একাদশ সংশোধনী
  3. গ) দ্বাদশ সংশোধনী
  4. ঘ) ত্রয়োদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংশোধনী
সংসদে উত্থাপন: ২ জুলাই, ১৯৯১
উত্থাপনকারী: আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মির্জা গোলাম হাফিজ
সংসদে গৃহীত: ৬ আগস্ট, ১৯৯১
রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১  

সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধন আইনের সংশোধন মাধ্যমে ১৭ বছর পর বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
যেখানে-
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন; 
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন; 
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
৪. উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
- সংবিধানের ৪৮, ৫০, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদের মাধ্যমে এই আইনে স্থানীয় সরকার কাঠামোতে জনপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয়, যা দেশে গণতন্ত্রের ভিত্তি সুদৃঢ় করে।


[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
২,৯২৬.
‘সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫’ জারি করা হয় কত তারিখে?
  1. ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২৯ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ২৭ নভেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৩০ নভেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

• সুপ্রীম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ, ২০২৫ জারি করা হয় - ৩০ নভেম্বর, ২০২৫।

-
অধস্তন আদালতের তত্ত্বাবধান, নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলাবিধান সংক্রান্ত বিষয়াদি যথাযথরূপে পালনের জন্য এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা কার্যকরভাবে বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বতন্ত্র সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করিবার উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় বিধান প্রণয়নকল্পে প্রণীত এ অধ্যাদেশ।

- অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদে খসড়া অনুমোদনের পর আজ রোববার সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ ২০২৫ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি। এখন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা হলে অধস্তন আদালত ও প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালের তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ–সংক্রান্ত সব প্রশাসনিক ও সাচিবিক দায়িত্ব পালন করবে এই সচিবালয়।

- অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বিচারকাজে নিয়োজিত বিচারকদের পদায়ন, পদোন্নতি, বদলি, শৃঙ্খলা ও ছুটিবিষয়ক সব সিদ্ধান্ত ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক বিষয় এই সচিবালয়ের হাতে থাকবে। সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের সার্বিক নিয়ন্ত্রণ প্রধান বিচারপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে এবং সচিবালয়ের সচিব প্রশাসনিক প্রধান হবেন।

উৎস: সংবিধান এবং প্রথম আলো।

২,৯২৭.
২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের মাথাপিছু GDP কত মার্কিন ডলার?
  1. ক) ১,৮২৮ ডলার
  2. খ) ১,৯০৭ ডলার
  3. গ) ১,৯৭০ ডলার
  4. ঘ) ২,০৬৪ ডলার
সঠিক উত্তর:
গ) ১,৯৭০ ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১,৯৭০ ডলার
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ অনুসারে ২০১৯-২০২০ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের
মাথাপিছু জিডিপি – ১৯৭০ মার্কিন ডলার
মাথাপিছু জাতীয় আয় - ২০৬৪ মার্কিন ডলার
জিডিপির প্রবৃদ্ধি হার – ৫.২৪ শতাংশ
মুদ্রাস্ফিতির হার – ৫.৬৫ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
২,৯২৮.
বাংলাদেশ কবে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের শর্ত পূরণ করতে সক্ষম হয়?
  1. ক) ২১ মার্চ, ২০১৮
  2. খ) ২৩ মার্চ, ২০১৮
  3. গ) ২৬ মার্চ, ২০১৮
  4. ঘ) ২৮ মার্চ, ২০১৮
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ মার্চ, ২০১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ মার্চ, ২০১৮
ব্যাখ্যা

[প্রশ্নের অপশনগুলো সর্বাঙ্গে সঠিক নয়। এ জাতীয় প্রশ্ন লাইভ এমসিকিউ করলে প্রশ্নটি বাতিল করা হতো। কিন্তু যেহেতু জব সল্যুশনের প্রশ্ন তাই বাতিল না করে কাছাকাছি উত্তর হিসেবে ২১ মার্চ, ২০১৮ গ্রহণ করেছি। স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।]

- ১৯৭১ সালে প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- এই তিন সূচকে বিচার করা হয় একটি দেশ স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল ধাপে উত্তরণ করবে কি না।
- উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হতে হলে অন্তত দুটি সূচক পূরণ করতে হয় একটি দেশকে।
- স্বল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসেবে তিনটি সূচকের সব কটি পূরণ করে পরবর্তী ধাপে উন্নীত হয়েছে।
- স্বল্পোন্নত দেশের কাতারে থাকা বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে সিডিপির সব শর্ত প্রথমবারের মতো পূরণ করে ২০১৮ সালের ১৫ মার্চ।
- জাতিসংঘের কমিটি ফর ডেভেলপমেন্ট পলিসির (সিপিডি) বৈঠকে বাংলাদেশের পাশাপাশি নেপাল ও লাওসও এলডিসি থেকে বের হওয়ার সুপারিশ পেয়েছে।
উল্লেখ্য,
- সবকিছু ঠিক থাকলে ২০২৬ সালে এলডিসি থেকে বের হয়ে অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের কাতারে চলে যাবে বাংলাদেশ।
- আশা করা যায়, ২০৩১ সালে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে রূপান্তরিত হবে বাংলাদেশ।

উৎস: i) যুগান্তর, ০৪ এপ্রিল, ২০২১

২,৯২৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের ‘অনুচ্ছেদ ১’ -এ কী বলা আছে?
  1. ক) বিস্‌মিল্লাহির রাহ্‌মানির রাহিম
  2. খ) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ
  3. গ) সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস
  4. ঘ) বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

প্রথম ভাগ - প্রজাতন্ত্র

১৷ বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ” নামে পরিচিত হইবে৷

৪৪ নং প্রশ্নের উত্তরও এখানেই আছে।
২,৯৩০.
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) কত সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. ১৯৭৩ সালে 
  2. ১৯৯৬ সালে 
  3. ১৯৮৩ সালে 
  4. ১৯৯৭ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি):

- বাংলাদেশের অর্থনীতি মূলত কৃষি-নির্ভর। মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮০ শতাংশ লোক গ্রামাঞ্চলে বাস করে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষিকাজের সংগে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।।

 - ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা এবং জমির ফসল নিবিড়তা অধিকতর বৃদ্ধি পাওয়ায় গতানুগতিক চাষাবাদ পদ্ধতির মাধ্যমে বর্ধিত খাদ্য চাহিদা পূরণ করা সম্ভব নয়। কৃষক সমাজের সমৃদ্ধি অর্জন, দারিদ্র দূরীকরণ, গ্রামীণ সম্প্রদায়ের টেকসই স্বনির্ভরতা নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কৃষি গবেষণার ক্ষেত্রে সুযোগ সৃষ্টি এবং সম্পদের সুষ্ঠু ও সঠিক ব্যবস্থাপনা এবং পরিকল্পিত সমন্বয়ের প্রয়োজন ছিল।

- এরই ধারাবাহিকতায় মহামান্য রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশ বলে ১৯৭৩ সালে জাতীয় পর্যায়ে কৃষি গবেষণা সমন্বয়, পরিকল্পনা, গবেষণার বাস্তবায়ন ও মূল্যায়নের জন্য সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসাবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

- পরবর্তিতে জাতীয় পর্যায়ে কৃষি গবেষণার গুরুত্ব ও সাফল্য বিবেচনায় এ্যাক্টের আওতায় কার্যপরিধি অধিকতর বৃদ্ধি, সুসংহত ও জোরদার করে ১৯৯৬ সালে কাউন্সিলকে সমন্বয়কারীর দায়িত্ব প্রদান পূর্বক “বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল আইন ১৯৯৬” পুনঃপ্রণয়ন করা হয়।

- এই আইনের আওতায় কৃষি খাতের অধীন শস্য, প্রাণিসম্পদ, মৎস্য ও বন বিষয়ক উপখাতের সংগে সংশ্লিষ্ট দশটি জাতীয় গবেষণা ইনষ্টিটিউট ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলকে নিয়ে জাতীয় কৃষি গবেষণা সিস্টেম (NARS) পূনর্গঠিত হয়। 

- কৃষি গবেষণা সিস্টেম এর কার্যকর সমন্বয় সাধনে বিএআরসির ভূমিকা অধিকতর জোরদার করার লক্ষ্যে ২০১২ সালের ৮ মার্চ সংসদ কর্তৃক “বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০১২” অনুমোদন করা হয়। কৃষি গবেষণা কর্মসূচী সমন্বয়কল্পে “বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল আইন, ২০১২” বিএআরসিকে গবেষণা সম্পদ বরাদ্দকরণে ক্ষমতা প্রদান করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২,৯৩১.
বর্তমানে গম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ-
  1. ক) ব্রাজিল
  2. খ) মিশর
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
ঘ) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে গম উৎপাদনে শীর্ষ দেশ চীন।
- গম রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ রাশিয়া।
- গম আমদানিতে শীর্ষ দেশ মিশর।
২,৯৩২.
ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৪নং সেক্টর
  4. ৭নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,৯৩৩.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'আফসার বাহিনী' কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. টাঙ্গাইল
  2. জামালপুর
  3. ফরিদপুর
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন আঞ্চলিক বাহিনীঃ
- কাদেরিয়া বাহিনী ছিল টাঙ্গাইলে,
- আফসার বাহিনী ছিল ভালুকা, ময়মনসিংহে;
- বাতেন বাহিনী ছিল টাঙ্গাইলে,
- হেমায়েত বাহিনী ছিল ফরিদপুরে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

২,৯৩৪.
মুক্তিযুদ্ধের ছয় নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. ক) উইং কমান্ডার এম কে বাশার
  2. খ) মেজর কাজী নুরুজ্জামান
  3. গ) মেজর এম আবদুল জলিল
  4. ঘ) মেজর কে এম শফিউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
ক) উইং কমান্ডার এম কে বাশার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উইং কমান্ডার এম কে বাশার
ব্যাখ্যা
সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে ৬ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
৬নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন
২,৯৩৫.
ঢাকার সর্বশেষ নবাব কে ছিলেন?
  1. খাজা হাবিবুল্লাহ
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. খাজা আব্দুল গণি
  4. খাজা আতিকুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
খাজা হাবিবুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা হাবিবুল্লাহ
ব্যাখ্যা
নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর:

- তিনি (২৬এপ্রিল, ১৮৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ঢাকার পঞ্চম এবং শেষ নবাব।
- তাঁর পিতাছিলেন নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ বাহাদুর।
- নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুরের শাসনামলেই ঢাকার নবাবপরিবারের সম্পদ ও জৌলুশ কমতে থাকে।
- ১৯৫২ সালে ইস্ট পাকিস্তান এস্টেটঅ্যাকিউজিশন অ্যাক্ট দ্বারা যা চূড়ান্তভাবে বর্জন করতে হয়।
- ২১শে নভেম্বর ১৯৫৮ তারিখে নবাব হাবিবুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিভাগ ওয়েবসাইট।
২,৯৩৬.
পুঠিয়া রাজবাড়ি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. টাঙ্গাইল
  3. বগুড়া
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

পুঠিয়া রাজবাড়ি:
- পুঠিয়া রাজবাড়ি রাজশাহী জেলার পুঠিয়া উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে মহারানী হেমন্তকুমারী দেবী আকর্ষনীয় ইন্দো ইউরোপীয় স্থাপত্যরীতিতে আয়তাকার দ্বিতল বর্তমান রাজবাড়িটি নির্মাণ করেন।
- দোতলা রাজবাড়ি ভবনের সম্মুখে উত্তর দিকে খোলা প্রাঙ্গণের অপর পার্শ্বে রয়েছে সম্মুখভাগ ৬০.৯৬ মিটার বিস্তৃত বিশাল পিরামিড আকৃতির চারতলা মনোরম দোলমঞ্চ। ভবনের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তে রয়েছে একই ধরনের দুটি সম্প্রসারিত অংশ এবং প্রায় ১৫.২৪ মিটার দীর্ঘ মধ্যবর্তী অংশে রয়েছে এক বিশাল তোরণ।
- চারদিকে পরিখাবেষ্টিত রাজবাড়ির এ বিশাল এলাকায় টেরাকোটা অলঙ্করণ সমৃদ্ধ বেশ কয়েকটি সুদৃশ্য মন্দির আছে।
- এদের মধ্যে রয়েছে পঞ্চরত্ন গোবিন্দ মন্দির, প্রাসাদের পেছনে একটি ছোট দোচালা সুদৃশ্য মন্দির, পশ্চিম দিকে কুঁড়েঘর আকৃতির জগদ্ধাত্রী মন্দির এবং রাজবাড়ির প্রবেশপথে বিরাট শিবমন্দির।

পুঠিয়া রাজবংশ:
- পুঠিয়া রাজবংশ মুঘল সম্রাট আকবর এর সময় (১৫৫৬-১৬০৫) প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় পুঠিয়া লস্করপুর পরগনার অর্ন্তগত ছিল। ১৫৭৬ সালে মুঘল সম্রাট আকবর এর সুবেদার মানসিংহ বাংলা দখল করার সময় পুঠিয়া এলাকার আফগান জায়গীরদার লস্কর খানের সাথে যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধে পুঠিয়া রাজবংশের প্রথম পুরুষ বৎসাচার্য যিনি পুঠিয়ায় একটি আশ্রম পরিচালনা করতেন, তিনি মানসিংহকে বুদ্ধি পরামর্শ দিয়ে সাহায্য করায় লস্কর খান পরাজিত হন। এ জন্য মানসিংহ বৎসাচার্যকে পুঠিয়া এলাকার জমিদারী দান করেন। বৎসাচার্য জমিদারী নিজ নামে না নিয়ে তার পুত্র পীতম্বর এর নামে বন্দোবস্ত নেন। পীতম্বর জমিদারীর আয়তন বৃদ্ধি করেন।পীতম্বর নিঃসন্তান অবস্থায় মৃত্যু বরণকরলে তার সহোদর নীলাম্বর জমিদারী প্রাপ্ত হন। সম্রাট জাহাঙ্গীর তাকে রাজা উপাধি দান করেন।

তথ্যসূত্র - পুঠিয়া উপজেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

২,৯৩৭.
ভারত উপমহাদেশে ‘গোল আলু’ প্রথম কোন দেশ থেকে আনা হয়েছিল?
  1. ইতালি
  2. জার্মানি
  3. নিউজিল্যান্ডস
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
আলু:
- বাংলাদেশের আলুর আদি জাত হচ্ছে মিষ্টি আলু।
- আর গোল আলুর আদি জাত দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে।
- আলুকে ভারতবর্ষের সর্বত্র ছড়াতে কাজ করেছিল ইংরেজরা।
- সপ্তদশ শতকের প্রথম দিকে পর্তুগিজ নাবিকরা ভারতবর্ষে প্রথম আলু নিয়ে আসে বলে ধারণা করা হয়।
- ব্রিটিশ আমলে ভারতবর্ষ তথা বাংলার প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস।
- ওয়ারেন হেস্টিংস-এর মাধ্যমে উপমহাদেশে আলু চাষের বিস্তার হয়।
- তিনি প্রথম আলু এনেছিলেন হল্যান্ড থেকে।
- ১৮৪৭ সালে ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশিত ‘দ্য গার্ডেনিং মান্থলি’ ম্যাগাজিনের একটি সংখ্যায় ভারতে আলু চাষ সম্পর্কে প্রথম তথ্য পাওয়া যায়।

⇒ ক্যামব্রিজ ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রি অব ফুডের তথ্যমতে, আজ থেকে আট হাজার বছর পূর্বে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ পেরুতে প্রথম আলু পাওয়া যায়।
- লিমা থেকে প্রায় ১০০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে টিটিকাকা হ্রদের কাছে প্রথমে আলু চাষ শুরু হয়েছিল।
- ১৫৬৫ সালের দিকে আলু প্রথমবারের মতো পেরু থেকে ইউরোপের দেশ স্পেনে পৌঁছায়।
- ইউরোপে আসার পরেই কামাটা বা বাটাটা নাম বদলে হয় পটেটো।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সর্বশেষ পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, আলু উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান সপ্তম।
- বর্তমানে বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে বারি ১ থেকে ৯১সহ আরও বিভিন্ন জাতের আবাদ হয় যার বেশিরভাগের উৎপত্তিস্থল দেশ নেদারল্যান্ডস।
- এরমধ্যে সবচেয়ে প্রচলিত জাত হলো ডায়মন্ড (ডিম্বাকার), কার্ডিনাল (লালচে আলু), গ্রেনুলা (গোল আলু)।
- বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা ছাড়া দেশের সব স্থানেই আলুর চাষ হচ্ছে।
- সবচেয়ে বেশি আলু ফলে মুন্সিগঞ্জ, বগুড়া ও রংপুর জেলায়।
- কৃষি গবেষকদের মতে আলু প্রথম চাষ হতে পারে মুন্সিগঞ্জে।
- তবে সবচেয়ে বেশি আলু উৎপন্ন হয় রংপুর জেলায়।

উৎস: i) বাংলা পিডিয়া।
ii) ৩০ মে ২০২৪, BBC।
২,৯৩৮.
ভারত ছাড় আন্দোলনের প্রস্তাব পাস হয় কখন?
  1. প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন
  2. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পূর্বে
  3. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন
  4. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন
ব্যাখ্যা
ভারত ছাড় আন্দোলন, ১৯৪২: 
- ভারত ছাড় আন্দোলন ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে শ্বেতাঙ্গ-বিরোধী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ প্রথম স্বতঃস্ফূর্ত ব্যাপক আন্দোলন (Quit India Movement, 1942)।
- ভারত ছাড় আন্দোলনের প্রধান তিনটি পর্ব দেখা যায়।
- তিনটি পর্বের আন্দোলনকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে দমন করা হয়।
- আন্দোলন দমন করতে সরকার আকাশ থেকে মেশিনগানও ব্যবহার করেছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট নিখিল ভারত কংগ্রেস কমিটির (বোম্বাইর) অধিবেশনে বিখ্যাত ভারত ছাড় আন্দোলনের প্রস্তাব পাস হয় এবং পরপরই যতদূর সম্ভব ব্যাপকভাবে অহিংস পথে গান্ধীর নেতৃত্বে আন্দোলনের ডাক দেওয়া হয়।
- ভারত ছাড় আন্দোলন চলাকালীন এবং পরে ব্রিটিশরা টোটেনহ্যামের প্রতিবেদনের মতো দলিল পত্রে সমগ্র বিস্ফোরণকে অক্ষ শক্তিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ‘পঞ্চম বাহিনী’র সুচিন্তিত ষড়যন্ত্র বলে অভিহিত করে। 
- গুরুত্ব ও বিস্তৃতির দিক থেকে ভারত ছাড় আন্দোলনকে লর্ড লিনলিথগোর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী ১৮৫৭ সালের ভারতীয় মহাবিদ্রোহের সাথে তুলনা করা যায়।
- এ আন্দোলন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়, কারণ নিরস্ত্র ও নেতৃত্ববিহীন জনগণ শক্তিশালী সাম্রাজ্যবাদী সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারে না।
- এ মহান আন্দোলনের গুরুত্ব এখানে যে, এটা জাতীয় আন্দোলনে স্বাধীনতার দাবিকে মৌলিক দাবিতে পরিণত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৯৩৯.
ভাষার জন্য যারা প্রাণ দিয়েছেন, তাদের একজনের নাম উল্লেখ করুন।
  1. ক) ইকবাল
  2. খ) আসাদ
  3. গ) সালাম
  4. ঘ) নুর হোসেন
সঠিক উত্তর:
গ) সালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সালাম
ব্যাখ্যা
ভাষা শহীদ আব্দুস সালাম এর জন্ম ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার লক্ষ্মণপুর গ্রামে। তাঁর জন্ম ১৯২৫ সালে এবং মৃত্যু ৭ এপ্রিল ১৯৫২।
২,৯৪০.
বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণের বৈধ মাধ্যম কোনটি?
  1. ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন
  2. মানিগ্রাম
  3. রিয়া
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
বিদেশ থেকে বাংলাদেশে অর্থ প্রেরণের বৈধ পন্থা:
- প্রাপকের অনুকূলে রেমিট্যান্স/চেক/ড্রাফট/টিটি/এমটি ইত্যাদি শুধুমাত্র বাংলাদেশে ব্যবসারত কোন ব্যাংকের মাধ্যমে সংগ্রহ বৈধ।
- প্রবাসী আয় ব্যাংকিং ব্যবস্থার পাশাপাশি এক্সচেঞ্জ হাউসের মাধ্যমেও বাংলাদেশে রেমিট্যান্স করা যায়।
- গ্লোবাল এক্সচেঞ্জ হাউস:
i) Western Union Money Transfer
ii) Transfast Remittance L.L.C. Global
iii) Moneygram International
iv) RIA Finanacial Services LTD
- বাংলাদেশে ব্যাংকিং চ্যানেলে বৈদেশিক মুদ্রা সংগৃহীত হবে না এমন কোন পন্থার (যেমন অবৈধ হুন্ডি কার্যক্রম) অবলম্বন Foreign Exchange Regulation Act, 1947 (সেপ্টেম্বর, ২০১৫ পর্যন্ত সংশোধিত) এর আওতায় দন্ডনীয় এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনের আওতায় দন্ডনীয় অপরাধ।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।
সোনালী ব্যাংক।
২,৯৪১.
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের জন্য সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল কোন দেশ? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. সৌদি আরব
  2. সংযুক্ত আরব আমিরাত 
  3. যুক্তরাষ্ট্র 
  4. কাতার 
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সর্বাধিক গন্তব্যস্থল:
- বাংলাদেশ জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) তথ্য মতে, বাংলাদেশের অভিবাসী নারী শ্রমিকদের সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো।
- এর মধ্যে অভিবাসী নারী শ্রমিকরা সবচেয়ে বড় গন্তব্যস্থল সৌদি আরব। 
- মোট নারী অভিবাসীর ৭২ শতাংশের গন্তব্য হলো সৌদি আরব।

এছাড়াও,
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ২য় বড় গন্তব্যস্থল জর্ডান (১৮%)।
- অভিবাসী নারী শ্রমিকদের ৩য় বড় গন্তব্যস্থল কাতার (১৮%)।
- কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে গন্তব্যের পরিমাণ ১%।

উৎস: BMET ওয়েবসাইট। [link]
২,৯৪২.
বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম কী ছিল?
  1. আহসান মঞ্জিল
  2. চামেলী হাউজ
  3. বাংলা ভবন
  4. বর্ধমান হাউজ
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ধমান হাউজ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা সংক্রান্ত সর্ববৃহৎ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫) ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলা একাডেমির বর্তমান মহাপরিচালকের নাম জনাব মুহম্মদ নূরুল হুদা।
- আবু হোসেন সরকার ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (স্থাপিত ১৯০৬) বাংলা একাডেমীর উদ্বোধন করেন।
- বাংলা একাডেমির প্রথম সভাপতি মাওলানা আঁকরাম খাঁ (১৯৬১ সাল)।
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেওয়া হয় ১৯৬০ সাল থেকে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
২,৯৪৩.
নিচের কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিলো?
  1. ক) ভারত ছাড় আন্দোলন
  2. খ) আইন অমান্য আন্দোলন
  3. গ) ৩রা জুন পরিকল্পনা
  4. ঘ) ক্রিপস মিশন
সঠিক উত্তর:
খ) আইন অমান্য আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আইন অমান্য আন্দোলন
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ঘটনাসমূহের মধ্যে সবার আগে সংঘটিত হয় আইন অমান্য আন্দোলন।
মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ১৯৩০ সালে ভারতবর্ষ জুড়ে আইন অমান্য আন্দোলন সংঘটিত হয় যা ১৯৩৪ সাল পর্যন্ত সক্রিয় ছিলো।
অন্যদিকে,
ক্রিপস মিশন ভারতে আসে ১৯৪২ সালের মার্চে।
ক্রিপস মিশন ব্যর্থ হলে ১৯৪২ সালে মহাত্মা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত ছাড় আন্দোলন সংঘটিত হয়।
লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের জুন মাসে ‘৩রা জুন পরিকল্পনা’ পেশ করেন যা ‘ভারত ভাগ পরিকল্পনা’ নামেও পরিচিত।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,৯৪৪.
বাংলাদেশের আইনসভা কয় কক্ষবিশিষ্ট?
  1. দুই কক্ষবিশিষ্ট
  2. এক কিক্ষবিশিষ্ট
  3. তিন কক্ষবিশিষ্ট
  4. চার কক্ষবিশিষ্ট
সঠিক উত্তর:
এক কিক্ষবিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক কিক্ষবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আইনসভা:
- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন
- এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন এবং সংসদের কর্যক্রম নিয়ন্ত্রন করেন।
 - জাতীয় সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
২,৯৪৫.
২০১৮ সালে মহিলা টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ ক্রিকেটে কোন দেশ শিরোপা জিতেছে?
  1. ক) পাকিস্তান
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) শ্রালংকা
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
• ২০১৮ সালে মহিলা টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ শিরোপা জিতেছে। 

• ২০১৮ সালের গ্রুপ পর্বে বাংলাদেশ ভারতকে সাত উইকেটে হারায়।
- এটা ছিল নারীদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলায় ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম জয়। 

সূত্র: প্রথম আলো। 
২,৯৪৬.
গুপ্ত সম্রাট সমুদ্রগুপ্ত বাংলার কোন জনপদ ব্যতীত সমগ্র বাংলা জয় করেন?
  1. বরেন্দ্র
  2. সমতট
  3. গৌড়
  4. পুণ্ড্র
সঠিক উত্তর:
সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট
ব্যাখ্যা

সমুদ্রগুপ্ত:
- সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন গুপ্ত বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা।
- চন্দ্রগুপ্তের মৃত্যুর পর সমুদ্রগুপ্ত পাটালিপুত্রের সিংহাসনে বসেন।
- তাঁকে প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ান বলা হয়।
- তার রাজত্বকালে সমগ্র বাংলা জয় করা হলেও সমতট একটি করদ রাজ্য ছিল।
- সমুদ্রগুপ্তের এলাহাবাদ প্রশস্তিলিপি সূত্রে জানা যায় যে, তিনি সমতট ব্যতীত বাংলার অন্য সব জনপদ তাঁর সাম্রাজ্যভুক্ত করেছিলেন।
- সমুদ্রগুপ্তের বিস্তীর্ণ সাম্রাজ্যের পূর্বতন প্রত্যন্ত রাজ্য ছিল নেপাল, কর্তৃপুর (শনাক্তকরণ বিতর্কিত), কামরূপ, ডবাক (আসাম অথবা ঢাকা), এবং সমতট (দক্ষিণ-পূর্ব বাংলা)। সমতট সম্ভবত গুপ্তদের করদ রাজ্য ছিল। তবে কালক্রমে এ অঞ্চলও গুপ্ত সাম্রাজ্যভুক্ত হয়ে পড়ে।

উল্লেখ্য,
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের অধীনে বাংলা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ।ভারতের ইতিহাসে গুপ্ত যুগ সামগ্রিকভাবে ‘স্বর্ণযুগ’ হিসেবে খ্যাত।
- গুপ্ত যুগে বাংলায় স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার সর্বব্যাপী প্রচলন হয়। স্বর্ণ মুদ্রার বহুল প্রচলন বাংলার আর্থিক সমৃদ্ধির পরিচায়ক। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিঙ্ক]

২,৯৪৭.
সংসদে বেসরকারি বিল কে উত্থাপন করেন?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সংসদ সদস্য
  4. মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
সংসদ সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ সদস্য
ব্যাখ্যা

বিল:
- আইনের প্রাথমিক প্রস্তাবকে সংসদীয় ভাষায় বিল বলা হয়।
- আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে সংসদে আনীত প্রত্যেকটি প্রস্তাব বিল আকারে উত্থাপিত হয়।

• বিল মূলত দুই প্রকার। 
১) সরকারি বিল:
- উত্থাপনকারী: মন্ত্রীরা।
- নোটিশের সময়: ৭ দিন।
- বৈশিষ্ট্য: সরকার কর্তৃক প্রস্তাবিত গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়নে ব্যবহৃত হয়।

২) বেসরকারি বিল:
- উত্থাপনকারী: সাধারণ সংসদ সদস্য (মন্ত্রী ব্যতীত)।
- নোটিশের সময়: ১৫ দিন।
- বৈশিষ্ট্য: ব্যক্তিগত সংসদ সদস্যদের উদ্যোগে উত্থাপিত হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট।

২,৯৪৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশন গঠনের বিধান রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ ১১৮
  3. অনুচ্ছেদ ১১৯
  4. অনুচ্ছেদ ১২০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১১৮
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- বাংলাদেশের বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচন অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য একটি নির্বাচন কমিশন আছে।
- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, সংসদ নির্বাচন ও অন্য নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বপ্রাপ্ত।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠন কথা বলা হয়েছে।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্রপ্রধান নিয়োগ দান করেন।

অন্যদিকে,
- ১১৭ নং অনুচ্ছেদ প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল সম্পর্কিত।
- ১১৯ নং অনুচ্ছেদ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কিত।
- ১২০ নং অনুচ্ছেদ  নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ সম্পর্কিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২,৯৪৯.
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর র‍উফ মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন বাহিনীতে কর্মরত ছিলেন?
  1. সেনাবাহিনী
  2. বিমানবাহিনী
  3. নৌবাহিনী
  4. ইপিআর
সঠিক উত্তর:
ইপিআর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইপিআর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর র‍উফ:
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা ও অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়, মুন্সী আবদুর রউফ তাঁদের অন্যতম।

উল্লেখ্য,
- স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে তিনি ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিয়ে যুদ্ধে অংশ নেন।
- ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে আবদুর রউফ ইপিআরের ১১ নম্বর উইং চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল রাঙামাটির নানিয়ারচরের বুড়িঘাটে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের মুখোমুখি লড়াই হয়।
- কৌশলগত কারণে সহযোদ্ধাদের পিছু হটতে বলে তিনি নিজেই শত্রুসেনাদের মোকাবেলা করেন, একপর্যায়ে শহীদ হন।
- সহযোদ্ধারা পরে তাঁর লাশ উদ্ধার করে নানিয়ারচরের চিংড়ি খালসংলগ্ন একটি টিলার ওপর সমাহিত করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে তাঁর বীরত্ব ও আত্মদানের জন্য বাংলাদেশ রাইফেলস ১৯৭৩ সালে সিপাহি মুন্সী আবদুর রউফকে অনারারি ল্যান্স নায়েক পদে মরণোত্তর পদোন্নতি দান করে।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
২,৯৫০.
কোন বিভাগে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি?
  1. ক) সিলেট বিভাগ
  2. খ) চট্টগ্রাম বিভাগ
  3. গ) রংপুর বিভাগ
  4. ঘ) ঢাকা বিভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) রংপুর বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রংপুর বিভাগ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ-২০১৬ অনুসারে দেশের মধ্যে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে বেশি রংপুর বিভাগে ৪৭.৩ শতাংশ। অন্যদিকে দারিদ্র্য হার সবচেয়ে কম সিলেট বিভাগে ১৬.২ শতাংশ। জেলা হিসেবে সবচেয়ে বেশি দারিদ্র্য হার কুড়িগ্রাম জেলায় ৭০.৮ শতাংশ এবং সবচেয়ে কম নারায়ণগঞ্জ জেলায় ২.৬ শতাংশ।
(সূত্রঃ বিবিএস খানা আয় ও ব্যয় জরিপ -২০১৬)
২,৯৫১.
২০২৩-২৪ বাজেট মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে-
  1. ক) ৪ লাখ কোটি টাকা
  2. খ) ৫ লাখ কোটি টাকা
  3. গ) ৭ লাখ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৮ লাখ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ লাখ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ লাখ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২৩-২৪ বাজেট:

- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) এর জন্য কত বরাদ্দ আছে - ২,৬৩,০০০ কোটি টাকা।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে পরিচালনসহ অন্যান্য খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৩৬ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা।
- বাজেটে মোট রাজস্ব আয় ধরা হয়েছে ৫ লাখ কোটি টাকা।
- বাজেট ঘাটতি ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা দেখানো হয়েছে, যা জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ।
- ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক ঋণ থেকে ১ লাখ ৬ হাজার ৩৯০ কোটি ও অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ৯ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা আহরণ করা হবে।

তথ্যসূত্র - বাজেট ২০২৩-২৪।
২,৯৫২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এর তথ্য অনুযায়ী সার্বিকভাবে জিডিপি কয়টি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৯টি
  2. ২২টি
  3. ২৩টি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP): ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI): ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
• কৃষি: ১১.০২%।
• শিল্প: ৩৭.৯৫%।
• সেবা: ৫১.০৮%।
- ৩টি বৃহৎ খাতে নিয়োজিত জনশক্তি -
• কৃষি:৪৫%।
• শিল্প: ১৭%।
• সেবা: ৩৮%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২,৯৫৩.
বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'নিপোর্ট' প্রতিষ্ঠিত কত সালে হয়?
  1. ক) ১৯৮২ সালে
  2. খ) ১৯৭২ সালে
  3. গ) ১৯৭৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান 'নিপোর্ট' প্রতিষ্ঠিত .১৯৭৭ সালে হয়। 

- নিপোর্ট (NIPORT-National Institute of Population Research and Training) হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।

- নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

(তথ্যসূত্র: NIPORT ওয়েবসাইট)
২,৯৫৪.
আশুগঞ্জ সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি? 
  1. ইউরিয়া 
  2. টিএসপি 
  3. ডিএপি 
  4. কোনটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া 
ব্যাখ্যা

• জিয়া সার কারখানা/আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসিএল ):
-  জিয়া সার কারখানা ব্রাক্ষণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ এ অবস্থিত।
- এ সার কারখানা তে - ইউরিয়া উৎপাদিত হয়।
- ১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী (এএফসিসি) নামে এ কারখানা প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানী রূপে যাত্রা শুরু করে।
- তখন এর নাম ছিল আশুগঞ্জ ফর্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি।
- এ কারখানার উৎপাদন শুরু হয় ১৯৮১ সালের শুরুর দিকে। 
-  ১২ ডিসেম্বর ১৯৮১ সালে তৎকালীন সরকারী সিদ্ধান্তে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এন্ড কেমিক্যাল কোম্পানী (এএফসিসি) এর নাম পরিবর্তন করে জিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড নামকরণ করা হয়।
- ০৭/০১/২০১০ তারিখে একনেক সভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের নিমিত্তে সার কারখানাটির নাম পরিবর্তন করে “আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিমিটেড (এএফসিসিএল)”করা হয়। 

তথ্যসূত্র: আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসিএল ) ওয়েবসাইট এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।

২,৯৫৫.
অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদান্তে প্রত্যাশিত গড় আয়ু কত হবে?
  1. ৭২ বছর
  2. ৭৪ বছর
  3. ৭৫ বছর
  4. ৭৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৭৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪ বছর
ব্যাখ্যা
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদান্তে কিছু সূচক:
- মেয়াদ: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।
- দারিদ্রের নিম্নহার - ৭.৪%।
- দারিদ্রের উচ্চহার – ১৫.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু - ৭৪ বছর।
- মেয়াদান্তে জনসংখ্যার হার: ১.১৮%।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধি - ৮.৫১%।
- জিডিপির আকার - ১৭,০৮৭ বিলিয়ন টাকা। 
- মাথাপিছু আয় - ৩,০৫৯ মার্কিন ডলার।
- মুদ্রাস্ফীতি - ৪.৬%।
- মেয়াদান্তে বিদুৎ উৎপাদন ক্ষমতা – ৩০,০০০ মেগাওয়াট।

সূত্র: পরিকল্পনা কমিশনের ওয়েবসাইট।
২,৯৫৬.
বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. মজিদ শিক্ষা কমিশন
  2. শামসুল হক শিক্ষা কমিশন
  3. কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন
  4. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
কুদরত ই খুদা শিক্ষা কমিশন:
- জাতীয় শিক্ষা কমিশন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও বিজ্ঞানী ড. কুদরাত-ই-খুদাকে চেয়ারম্যান করে ১৯৭২ সালের ২৬ জুলাই গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন ‘জাতীয় শিক্ষা কমিশন’।
- ১৯৭২ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর কমিশনের কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- চেয়ারম্যানের নামানুসারে এই কমিশন কুদরত-ই-খুদা কমিশন নামেও পরিচিতি পায়।
- কমিশন প্রশ্নমালার আকারে শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর লোকদের নিকট থেকে মতামত গ্রহণ করে,
-  কমিশন ১৯৭৪ সালের ৩০ মে সরকারের নিকট রিপোর্ট পেশ করে।

অপরদিকে,
- মজিদ খান শিক্ষা কমিশন:
- ১৯৮৩ সালে গঠিত হয় মজিদ খান শিক্ষা কমিশন।
- এই কমিশন  রিপোর্ট ব্যাপক প্রচারলাভ করে নি এবং এই কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নের কোনো আনুষ্ঠানিক উদ্যোগও নেয়া হয় নি।
• শামসুল হক শিক্ষা কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ সালের ১৪ জানুয়ারি জারীকৃত এক আদেশবলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর এম শামসুল হককে চেয়ারম্যান করে ৫৬ সদস্যের একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করে।

• কবির চৌধুরী শিক্ষা কমিশন:
- ২০০০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিকে সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে ২০০৯ সালে জাতীয় অধ্যাপক কবির চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি ১৬ সদস্যের কমিটি গঠন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৯৫৭.
বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. বগুড়া

  2. গাজীপুর

  3. নারায়ণগঞ্জ

  4. ঢাকা

সঠিক উত্তর:
ঢাকা

উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (সংক্ষেপে: বিপিএটিসি) একটি সংবিধিবদ্ধ প্রশিক্ষণমূলক প্রতিষ্ঠান যা সরকারি, বেসরকারি ও স্বশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
- এটি ঢাকা জেলার সাভারে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে অবস্থিত।
- এছাড়া এর প্রশাসনিক তত্ত্বাবধানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের সদর দপ্তরে চারটি আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র রয়েছে।
- প্রতিষ্ঠানটি ২৮ এপ্রিল, ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র অধ্যাদেশ ১৯৮৪ দ্বারা গঠিত ও পরিচালিত।
- ১৯৮৪ সালের ২৬ নং অধ্যাদেশের আওতায় লোকপ্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার জন্য প্রতিষ্ঠানটি একটি সমন্বিত জাতীয় সংবিধিবদ্ধ প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারের একজন সচিব এর প্রধান কর্মকর্তা।
- পদবী রেক্টর। রেক্টরের অধীনে পাঁচটি বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম-সচিব পর্যায়ে রয়েছে পাঁচজন এমডিএস।
- বিভাগগুলো হলো: ব্যবস্থাপনা ও লোকপ্রশাসন, কর্মসূচি প্রণয়ন ও পর্যবেক্ষণ, উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক বিষয়াদি, গবেষণা ও নির্দেশনা এবং প্রকল্প প্রণয়ন।
- একজন মন্ত্রীর সভাপতিত্বে ১২-সদস্য বিশিষ্ট বোর্ড অব গভর্নরস প্রতিষ্ঠানটির সাধারণ নীতিমালা নির্ধারণ করে।

উৎস: বাংলাদেশ লোক-প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের ওয়েবসাইট। 

২,৯৫৮.
বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসাবে প্রথম স্বীকৃতি প্রদানকারী দেশ কোনটি
  1. ভারত
  2. ভুটান
  3. শ্রীলংকা
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দেশ:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। 
- একইদিন অর্থাৎ ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর দ্বিতীয় দেশ হিসেবে ভারত বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- ভুটান ও ভারত উভয় দেশই বাংলাদেশকে একই দিনে স্বীকৃতি দিয়েছিল। 
- অপরদিকে সর্বশেষ দেশ হিসেবে চীন বাংলাদেশকে ১৯৭৫ সালের ৩১ আগস্ট স্বীকৃতি প্রদান করে। 
 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র সচিবের ভাষ্যমতে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান এবং দ্বিতীয় দেশ ভারত।

এছাড়াও,
- তৃতীয় দেশ ও প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলাদেশের বিজয়ের পর ১৯৭২ সালের ২৪ জানুয়ারি সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
- প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- নানা বাধা-বিপত্তির পরও দেখা যায় স্বাধীন হবার মাত্র চার বছরেরও কম সময়ে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্র হয়েছিল আর শতাধিক দেশের স্বীকৃতি আদায় করতে সক্ষম হয়েছিল।
- ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে যুক্তরাজ্যসহ সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, অস্ট্রিয়া নেদাল্যান্ডস এবং জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- বিজয়ের পর পরই ১৯৭২ জানুয়ারি মাসেই পূর্ব জার্মানি, বুলগেরিয়া, পোল্যান্ড, মিয়ানমার, নেপাল, সোভিয়েত ইউনিয়ন স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

২,৯৫৯.
ভারতে বর্তমানে রাজ্য সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ২৭টি
  2. খ) ২৮টি
  3. গ) ২৯টি
  4. ঘ) ৩০টি
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৮টি
ব্যাখ্যা
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর-২০১৯।
২,৯৬০.
‘লোকটি এবং তার দল পাকিস্তানের শত্রু, এবার তারা শাস্তি এড়াতে পারবে না’- এ দম্ভোক্তিকারী ব্যক্তিটি কে?
  1. জেনারেল হামিদ খান
  2. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  3. জেনারেল নিয়াজী
  4. জেনারেল টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত ১১ টার দিকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট থেকে বেলুচিস্তানের কসাই হিসেবে কুখ্যাত লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খানের নির্দেশ ছিল- 'আজ রাতেই সামরিক অভিযান'।
- কুখ্যাত অপারেশন সার্চলাইট বাস্তবায়নের এটা ছিল সবুজ সংকেত।
- ঢাকায় মোতায়েন পাকিস্তানি আর্মির এক পদস্থ অফিসার দম্ভভরে বলেছিলেন- পাকিস্তানি আর্মির সক্ষমতা ও শৃঙ্খলা নিয়ে সন্দেহ পোষণ করা অনুচিত, তারা বিশ্ব সেরা। কিন্তু তারা ভুলে গিয়েছিল জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের সেই অমর উক্তি- 'সাত কোটি মানুষকে দাবায়া রাখতে পারবা না... যার যা আছে তাই নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা কর।'
- পাকিস্তান সশস্ত্র বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের জনসংযোগ অফিসার সিদ্দিক সালেক তার উইটনেস টু সারেন্ডার গ্রন্থে লিখেছেন, '২৩ মার্চ মার্শাল ল' সদর দফতর ও গভর্নর হাউস ছাড়া আর কোথাও পাকিস্তানের পতাকা দেখা যায়নি। বেতার-টেলিভিশনে গাওয়া হয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি...' গান [উইটনেস টু সারেন্ডার, পৃষ্ঠা ৬৭।
- ২৫ মার্চ অপারেশন সার্চলাইট বাস্তবায়ন শুরুর পর পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল ইয়াহিয়া খান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সম্পর্কে বিদ্বেষপূর্ণ ভাষায় বলেছিলেন, 'ওই লোক এবং তার দল আওয়ামী লীগ পাকিস্তানের শত্রু। এই অপরাধের বিচার হবেই। দিস টাইম হি উইল নট গো আনপানিশন্ড। আওয়ামী লীগ ইজ ব্যান্ড।

উৎস: তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
২,৯৬১.
নওগাঁ জেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত “সোমপুর বিহার” এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. গোপাল
  2. ধর্মপাল
  3. মহীপাল
  4. বিগ্রহপাল
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধর্মপাল
ব্যাখ্যা
পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার:
- পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার বা সোমপুর বিহার বা সোমপুর মহাবিহার বর্তমানে ধ্বংসপ্রাপ্ত একটি প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার।
- পালবংশের দ্বিতীয় রাজা — শ্রী ধর্মপালদেব অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকে এই বিহার তৈরি করছিলেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এটিকে বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়।
- পাহাড়পুরকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় বৌদ্ধবিহার বলা যেতে পারে।
- আয়তনে এর সাথে ভারতের নালন্দা মহাবিহারের তুলনা হতে পারে। 
- এটি ৩০০ বছর ধরে বৌদ্ধদের অতি বিখ্যাত ধর্মচর্চা কেন্দ্র ছিল।
- শুধু উপমহাদেশের বিভিন্ন স্থান থেকেই নয়, চীন, তিব্বত, মায়ানমার (তদানীন্তন ব্রহ্মদেশ), মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া প্রভৃতি দেশের বৌদ্ধরা এখানে ধর্মচর্চা ও ধর্মজ্ঞান অর্জন করতে আসতেন।
- খ্রিষ্টীয় দশম শতকে বিহারের আচার্য ছিলে অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান।
- পুন্ড্রবর্ধনের রাজধানী পুন্ড্রনগর (বর্তমান মহাস্থান) এবং অপর শহর কোটিবর্ষ (বর্তমান বানগড়)এর মাঝামাঝি স্থানে অবস্থিত ছিল সোমপুর মহাবিহার।
- এর ধ্বংসাবশেষটি বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর রাজশাহীর অন্তর্গত নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুর গ্রামে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৯৬২.
নিচের কোনটি জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ব্রি ধান ৫১
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬৪
  4. ব্রি ধান ৭২
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান ৫১
ব্যাখ্যা
⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
২,৯৬৩.
বাংলা ভাষা আরবি হরফে লেখা প্রস্তাবের প্রতিবাদ করেন কে?
  1. মওলানা ভাসানী
  2. শামসুল আলম
  3. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  4. আবদুল মতিন
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ব্যাখ্যা

• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- ১৯৪৮ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে বাংলা ভাষা আরবি হরফে লেখার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এর প্রতিবাদ করেন।
- আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা হিসেবে বাংলা ভাষা সংস্কারের নামে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে 'পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করা হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রতিবাদ জানায়।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ কমিটি গঠিত হয়।
- ১৯৫০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গণপরিষদ কর্তৃক পঠিত মূলনীতি কমিটির সুপারিশে বলা হয়, উর্দুই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে।
- দেশজুড়ে প্রতিবাদ সভা-সমাবেশ চলতে থাকে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

২,৯৬৪.
১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনের কয় দফা দাবি ছিল?
  1. ১৪ দফা
  2. ১৮ দফা
  3. ২১ দফা
  4. ২২ দফা
সঠিক উত্তর:
২২ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ দফা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে ২২টি দফা ছিল।

৬২-র শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরীফ কমিশন শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে একটি বৈষম্যমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
- এই কমিশন পূর্ব পাকিস্তানের প্রতি পশ্চিম পাকিস্তানের বৈষম্যমূলক আচরণ বাড়িয়ে দেয়।
- ১৯৬১ সালের শেষ দিকে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন দমাতে আইয়ুব সরকার দমন-পীড়ন ও গ্রেপ্তার শুরু করে।
- এর ফলে ছাত্র আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে।
- ১০ আগস্ট পূর্ব পাকিস্তান সরকার ১৪৪ ধারা জারি করলে ছাত্ররা ১৭ সেপ্টেম্বর হরতালের ডাক দেয়।
- ১৭ সেপ্টেম্বর হরতাল চলাকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন ছাত্র নিহত এবং শতাধিক আহত হয়।
- এই ঘটনার স্মরণে ১৭ সেপ্টেম্বর 'শিক্ষা দিবস' হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৬৫.
সংবিধানের কোন সংশোধনী দ্বারা সুপ্রিমকোর্টের বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত করা হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. চতুর্দশ সংশোধনী
  3. পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. ষোড়শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৬ নং অনুচ্ছেদের ২ নং দফায় সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণ পদ্ধতি বর্ণনা করা হয়েছে।
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত ছিলো।
- ১৯৭৮ সালে সামরিক ফরমান দ্বারা বিচারপতিদের অপসারণ ক্ষমতা সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের উপর ন্যস্ত করা হয় যা পঞ্চম সংশোধনী দ্বারা সাংবিধানিক বৈধতা পায়।
- ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারকদের অপসারণ ক্ষমতা পুনরায় জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়।
- কিন্তু এই সংশোধনীর বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ৫ নভেম্বর নয়জন আইনজীবী হাইকোর্টে রিট দায়ের করে। হাইকোর্ট ২০১৬ সালের ৫ মে ষোড়শ সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করে এবং আপিল বিভাগও ২০১৭ সালের ৩ জুলাই হাইকোর্টের রায় বহাল রাখে।
- পরবর্তীতে ২০১৭ সালের ২৪ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগের রায়ের রিভিউয়ের জন্যে আবেদন করে যা এখনো বিচারাধীন রয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান এবং দৈনিক প্রথম আলো)
২,৯৬৬.
জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি বসবাস করে (প্রতি বর্গ কিলোমিটারে) -
  1. ক) ঢাকা বিভাগে
  2. খ) বরিশাল বিভাগে
  3. গ) চট্টগ্রাম বিভাগে
  4. ঘ) খুলনা বিভাগে
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা বিভাগে
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে জনসংখ্যার ঘনত্ব ছিল ৪৮৪ জন যা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেয়ে ১৯৮১ সালে ৫৯০ জন, ১৯৯১ সালে ৭২০ জন, ২০০১ সালে ৮৪৩ জন, ২০১১ সালে ৯৭৬ জন এবং সর্বশেষ ২০২২ সালে ১,১১৯ জনে উপনীত হয়েছে।

• বিভাগভিত্তিক জনসংখ্যার ঘনত্ব লক্ষ করলে দেখা যায়, জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে (২,১৫৬ জন) এবং সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে (৬৮৮ জন)।

সূত্র: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
২,৯৬৭.
নিচের কোনটি উন্নত জাতের গমের নাম?
  1. জোপাটিকা
  2. মহানন্দা
  3. বর্ণালি
  4. চমক
সঠিক উত্তর:
জোপাটিকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জোপাটিকা
ব্যাখ্যা
- গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬
- আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
- ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
- আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
- তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা ।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।
২,৯৬৮.
হিলি স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. দিনাজপুর
  3. লালমনিরহাট
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
২,৯৬৯.
ঐতিহাসিক ছয় দফার ষষ্ঠ দফা কী ছিল?
  1. ক) কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. খ) মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. গ) রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  4. ঘ) আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
ঘ) আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।Y
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৭০.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে বাঙালি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হবে বাঙালি জাতির-
  1. ভাষা ও সংস্কৃতি
  2. ঐক্য ও সংহতি
  3. মতৈক্য ও সমঝোতা
  4. ভাষা ও আচার-অনুষ্ঠান
সঠিক উত্তর:
ঐক্য ও সংহতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঐক্য ও সংহতি
ব্যাখ্যা

⇒ অনুচ্ছেদ ৯: জাতীয়তাবাদ:
- ভাষাগত ও সংস্কৃতিগত একক সত্তাবিশিষ্ট যে বাঙালী জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করিয়া জাতীয় মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করিয়াছেন, সেই বাঙালী জাতির ঐক্য ও সংহতি হইবে বাঙালী জাতীয়তাবাদের ভিত্তি।

অর্থাৎ বাঙালী জাতি তাদের ভাষা ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে ঐক্যবদ্ধভাবে স্বাধীনতা সংগ্রাম করেছেন, এবং সেই ঐক্য ও সংগ্রামের চেতনা বাঙালী জাতীয়তাবাদ গঠনের মূল স্তম্ভ।


⇒ Article 9: Nationalism
- The unity and solidarity of the Bangalee nation, which, deriving its identity from its language and culture, attained sovereign and independent Bangladesh through a united and determined struggle in the war of independence, shall be the basis of Bangalee nationalism.

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

২,৯৭১.
শাসন বিভাগের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও তদারক করে কোনটি?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. বিচার বিভাগ
  3. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
  4. মন্ত্রিপরিষদ সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

• শাসন বিভাগ:
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রিত হয় জাতীয় সংসদ দ্বারা।

» জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- আইন প্রণয়নের ক্ষমতা একমাত্র জাতীয় সংসদের হাতে ন্যস্ত হওয়ায় বাংলাদেশের সংবিধান কর্তৃক জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলিকে বিস্তৃত করা হয়েছে। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চমভাগে জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা আছে।
- সংবিধানের ৬৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী এই প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত সকল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত। 
- সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ৩০০ সংসদ সদস্য এবং সংরক্ষিত ৫০ জন নারী সংসদ সদস্য নিয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়। 

» শাসন বিভাগ নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত কার্যাবলি:
- তত্ত্বগতভাবে শাসন বিভাগের নিয়ন্ত্রণকল্পে অর্থাৎ শাসন বিভাগের স্বেচ্ছাচারিতা রোধে আইন বিভাগ ভূমিকা পালন করে।
- তবে রাষ্ট্রভেদে তা ভিন্নরূপ পরিগ্রহ করতে দেখা যায়।
- বাংলাদেশের আইন সভা সার্বভৌম হওয়ার দরুণ আইন বিভাগের এ ধরনের ভূমিকা রাখার কথা থাকলেও, ভারসাম্যপূর্ণ শাসন ও প্রশাসনের তাগিদে শাসন বিভাগ আইন বিভাগের হস্তক্ষেপ মুক্ত থাকে।
- তবে আইন সভা কর্তৃক প্রণীত সাংবিধানিক আইন নির্বাহী বা শাসন বিভাগ মেনে চলতে বাধ্য থাকে। আইন সভা কর্তৃক প্রণীত আইন অমান্য করার অর্থ হল সংবিধানকে অগ্রাহ্য করা।

উল্লেখ্য,
- সরকারের সর্ববৃহৎ বিভাগ হল শাসন বিভাগ যাকে নির্বাহী বিভাগও বলা হয়।
- শাসন বিভাগ আইন প্রয়োগ ও আইনের আলোকে রাষ্ট্রের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। 
- জনগণকে সেবা প্রদানের মূল দায়িত্বে থাকে শাসন বিভাগ। 
- শাসন বিভাগের দুটি অংশ থাকে। 
(১) রাজনৈতিক অংশ ও
(২) অরাজনৈতিক অংশ। 

রাজনৈতিক অংশ:
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ শাসন বিভাগের রাজনৈতিক অংশ।
রাজনৈতিক অংশ অস্থায়ী।
তাঁরা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য নির্বাচিত এবং নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন।
 
অরাজনৈতিক অংশ:
- আমলাগণ শাসন বিভাগের অরাজনৈতিক অংশ, স্থায়ী ও বেতনভূক্ত। 
- শাসন বিভাগের ক্ষমতা বিভিন্ন ইউনিটে বিভক্ত থাকে। যা কেন্দ্রিয় ও মাঠ প্রশাসন হিসেবে পরিচিত।
- কেন্দ্রে থাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগ। মাঠ প্রশাসনে জেলা-উপজেলা প্রশাসন সরকারি দায়িত্ব পালন করে। 
শাসন বিভাগ আইন প্রয়োগ ও বাস্তবায়ন, প্রতিরক্ষা, অর্থ সংক্রান্ত কাজ থেকে শুরু কওে সরকারের প্রয়োজনীয় সকল কাজই করে থাকে।
- রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রণীত 'রুলস অব বিজনেস' অনুযায়ী শাসন বিভাগের কার্যক্রম পরিচালিত হয়। 
- সরকারের সফলতা ও স্থায়িত্ব শাসন বিভাগের দক্ষতার উপর নির্ভর করে।

তথ্যসূত্র: i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৭২.
"লিটল বাংলাদেশ" এর অবস্থান কোথায়?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. লাইবেরিয়া
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

- ‘লিটল বাংলাদেশ’ গড়ে উঠেছে সুদূর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার বুকে লস অ্যাঞ্জেলেসে।

⇒ ২০১০ সালে লস অ্যাঞ্জেলেস সিটি কাউন্সিল আনুষ্ঠানিকভাবে এলাকাটিকে ‘লিটল বাংলাদেশ’ ঘোষণা করে। তৎকালীন মেয়র অ্যান্টোনিও ভিলারাইগোসা বলেন, ‘এটি শুধু একটি নাম নয়; বরং বাংলাদেশি কমিউনিটির অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যম।

⇒ লিটল বাংলাদেশ তৈরির ইতিহাস নিয়ে একটি বই লিখেছেন কাজী মশহুরুল হুদা। তিনি ছিলেন ‘লিটল বাংলাদেশ ফরমেশনের’ কো-অর্ডিনেটর ও লিটল বাংলাদেশ বিউটিফিকেশন প্রজেক্টের আহ্বায়ক।

উৎস: প্রথম আলো।

২,৯৭৩.
মাত্র ১টি সংসদীয় আসন বিদ্যমান -
  1. মেহেরপুরে
  2. ঝালকাঠিতে
  3. গোপালগঞ্জে
  4. রাঙামাটিতে
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটিতে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের তিনটি সংসদীয় আসনের মাত্র ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- জেলাগুলো হলো: রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৯৭৪.
বাংলাদেশের কোথায় আড়াই হাজার বছর পূর্বের নগর সভ্যতার নির্দশন পাওয়া গেছে?
  1. ক) সীতাকুণ্ড
  2. খ) উয়ারি বটেশ্বর
  3. গ) বিক্রমপুর
  4. ঘ) সোনারগাঁও
সঠিক উত্তর:
খ) উয়ারি বটেশ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উয়ারি বটেশ্বর
ব্যাখ্যা
নরসিংদী জেলার উয়ারি বটেশ্বর গ্রামে আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বের নগর সভ্যতার নির্দশন পাওয়া গেছে। স্থানটিতে এখনো খনন কাজ চলমান রয়েছে। বাংলাদেশে আবিষ্কৃত সভ্যতা সমূহের মধ্যে উয়ারি বটেশ্বরই সবচেয়ে প্রাচীন বলে ধারণা করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী)
২,৯৭৫.
চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. কন্যাকুমারী
  2. পাটালিপুত্র 
  3. কোটিবর্ষ 
  4. কনৌজ
সঠিক উত্তর:
পাটালিপুত্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটালিপুত্র 
ব্যাখ্যা

• চন্দ্ৰগুপ্ত মৌর্য :
- ভারতবর্ষের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম মৌর্য সাম্রাজ্য।
- মৌর্য সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ হচ্ছেন চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য।
- তার রাজত্বকাল খ্রিস্টপূর্ব ৩২২-২৯৮ অব্দ পর্যন্ত।
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যই প্রাচীন ভারতে অখন্ড ঐক্যবদ্ধ রাজনৈতিক সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার পথে প্রথম বড় ধরনের সফল পদক্ষেপ গ্রহণ করেন।
- তাঁর সময় থেকেই সর্বভারতীয় চিন্তা-চেতনার প্রসার ঘটে।
- মৌর্য শাসন ব্যবস্থার সূচনা হয়।
- বৌদ্ধ ধর্মের প্রচার-প্রসার বাড়তে থাকে।
- সামাজিক ক্ষেত্রে আর্য-অনার্যের পার্থক্য ক্রমেই ঘুঁচে যেতে শুরু করে।
- শিল্প- সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও গুণগত পরিবর্তনের সূচনা হয়।
- তার রাজধানী ছিল পাটালিপুত্র।
- সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন চাণক্য।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী।
       ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৯৭৬.
আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কোনটি?
  1. বান্দরবান
  2. চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

• রাঙামাটি জেলা:
- আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা রাঙামাটি।
- বিস্তৃত পাহাড়, ঝর্ণা, নদী, হ্রদ, বনানীর অপরূপ সমাহারে গড়ে ওঠা বাংলাদেশের একটি জেলা হচ্ছে জেলা রাঙ্গামাটি।
- এটি চট্টগ্রাম বিভাগের একটি জেলা।
- রাঙ্গামাটির উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা, মিজোরাম, দক্ষিণে বান্দরবান, পূর্বে মিজোরাম ও পশ্চিমে চট্রগ্রাম ও খাগড়াছড়ি।
- দেশের এক মাত্র রিক্সা বিহীন শহর, হ্রদ পরিবেষ্টিত পর্যটন শহর এলাকা।
- এ জেলায় চাকমা, মারমা, তঞ্চঙ্গ্যা, ত্রিপুরা, মুরং, বোম, খুমি, খেয়াং, চাক্, পাংখোয়া, লুসাই, সুজেসাওতাল, রাখাইন সর্বোপরি বাঙ্গালীসহ ১৪টি জনগোষ্ঠি বসবাস করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২,৯৭৭.
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর নামকরণ করেছে -
  1. ভারত
  2. আফগানিস্তান
  3. ওমান
  4. শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
ওমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওমান
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’:

- ২৬ মে, ২০২৪ সালের রাত ৮টার দিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করে।
- ঘূর্ণিঝড়টির বিস্তৃতি ছিল প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
- ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর নামকরণ করেছে ওমান।
- আরবিতে যার অর্থ বালি।বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল অতিক্রম করেছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল।

তথ্যসূত্র - ইত্তেফাক, ২৫ মে ২০২৪ ও বণিক বার্তা, ২৭ মে ২০২৪।
২,৯৭৮.
কাদের উদ্যোগে মূলত শহিদ দিবসকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়?
  1. কানাডা প্রবাসী বাঙালিদের
  2. ফ্রান্সে অবস্থানরত বাঙালিদের
  3. আমেরিকার প্রবাসী বাঙালিদের
  4. ব্রিটেনের বাঙালি প্রতিনিধিদের
সঠিক উত্তর:
কানাডা প্রবাসী বাঙালিদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কানাডা প্রবাসী বাঙালিদের
ব্যাখ্যা
‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি:
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে সারা বিশ্বে এ দিবস পালন শুরু হয়।

⇒ একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণার বিষয়ে প্রাথমিক উদ্যোগ গ্রহণ করেন কানাডাপ্রবাসী মুক্তিযোদ্ধা রফিকুল ইসলাম এবং কানাডার বহুভাষিক ও বহুজাতিক সংগঠন ‘মাতৃভাষা প্রেমিক গোষ্ঠী’।
- তৎকালীন সরকার ৭ ডিসেম্বর ১৯৯৯ পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত বিশাল জনসভায় ঘোষণা করেন যে, পৃথিবীর বিকাশমান ও বিলুপ্তপ্রায় ভাষাগুলির মর্যাদা ও অধিকার রক্ষায় গবেষণার জন্য ঢাকায় একটি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন।
- ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘের (ইউনেসকো) ১৬০তম অধিবেশনে বাংলাদেশসহ ২৭টি দেশের সমর্থন নিয়ে সর্বসম্মতিক্রমে ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ২০০০ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি এই বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশ প্রথম বারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।
- ইউনেসকোর পর জাতিসংঘও ৫ ডিসেম্বর ২০০৮ তারিখে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২,৯৭৯.
'পাইন্যার মা' কি?
  1. একটি নদীবন্দর
  2. একটি উপন্যাস
  3. একটি চিত্রশিল্প
  4. একটি মঞ্চনাটক
সঠিক উত্তর:
একটি চিত্রশিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একটি চিত্রশিল্প
ব্যাখ্যা
- শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের বিখ্যাত চিত্রকর্মের মধ্যে নবান্ন অন্যতম।
এছাড়া তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- ম্যাডোনা-৪৩
- মনপুরা-৭০
- সংগ্রাম
- গাঁয়ের বধূ
- মইটানা
- পাইন্যার মা ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
- তিনকন্যা ও রাঁয়বেশে নৃত্য : কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম
- চর দখল : এসএম ‍সুলতানের চিত্রকর্ম।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
২,৯৮০.
মন্ত্রিপরিষদ সচিব কতজন?
  1. ১ জন 
  2. ২ জন 
  3. ৩ জন 
  4. ৫ জন 
সঠিক উত্তর:
১ জন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন 
ব্যাখ্যা

মন্ত্রিপরিষদ সচিব:
- মন্ত্রিপরিষদ সচিব ১ জন। 

⇒ বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ।
- ড. শেখ আব্দুর রশীদ মন্ত্রিপরিষদ সচিব হিসেবে ১৬ অক্টোবর ২০২৪ তারিখে যোগদান করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সরকারের ২৫তম মন্ত্রিপরিষদ সচিব। 

উল্লেখ্য,
- মন্ত্রিপরিষদ সচিব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আনুষ্ঠানিক প্রধান। তিনি শীর্ষপদের সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে মনোনীত হন। পদমানক্রমে তাঁর পদমর্যাদা অন্যান্য সচিবের পদের চার ধাপ ঊর্ধ্বে। তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় আলোচনা বিষয়ক কয়েকটি সচিব পর্যায়ের কমিটিরও প্রধান। তিনি প্রশাসন উন্নয়ন সংক্রান্ত সচিব কমিটি ও সুপিরিয়র সিলেকশন বোর্ডেরও চেয়ারম্যান। বস্ত্তত মন্ত্রিপরিষদ সচিব প্রধানমন্ত্রী/মন্ত্রিসভার প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেন। তার অবস্থান অনেকটা সিভিল সার্ভিস ও স্থায়ী আমলাতন্ত্রের প্রধানের অনুরূপ। কেননা, সকল সচিব তাঁর পরামর্শ ও নির্দেশনার মুখাপেক্ষী।
- মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও তার ঊর্ধ্বতন সহযোগিবৃন্দ মন্ত্রিসভার প্রায় সকল বৈঠকে উপস্থিত থাকেন। তিনি নৈর্ব্যক্তিকভাবে এসব বৈঠকের সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিপিবদ্ধ করে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য তার কাছে পেশ করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন লাভের পর মন্ত্রিসভার বৈঠকের কার্যবিবরণীর অনুলিপি মন্ত্রীদের মধ্যে বিলি করেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের উদ্ধৃতাংশ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবের নিকট পাঠান। এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের প্রতি অবিরত নজর রাখাও তার দায়িত্ব।

উৎস: i) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া। 

২,৯৮১.
বাংলাদেশ মিয়ানমার সমুদ্রসীমা মামলার রায় হয় -
  1. ১৫ জুন, ২০০৯
  2. ২০শে মে, ২০১০
  3. ১৮ এপ্রিল, ২০১২
  4. ১৪ মার্চ, ২০১২
সঠিক উত্তর:
১৪ মার্চ, ২০১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ মার্চ, ২০১২
ব্যাখ্যা
সমুদ্র সীমা:
- বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির মামলার রায় হয় ২০১২ সালের ১৪ মার্চ।
- জার্মানির হামবুর্গে অবস্থিত সমুদ্র আইনবিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS) এ সমুদ্রসীমা বিষয়ক এই মামলাটি নিষ্পত্তি হয়।
- এই রায়ের ফলে বাংলাদেশ লাভ করে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার সমুদ্রসীমা।

অন্যদিকে,
- PCA (Permanent Court of Arbitration) আদালতে বাংলাদেশ ও ভারতের সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তি হয়।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট এবং বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট।
২,৯৮২.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অস্থায়ী সরকারের কে পাঠ করেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  3. গ) তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
উৎসঃ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস
২,৯৮৩.
নির্দলীয় সরকার ব্যবস্থার অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কোনটি?
  1. ষষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  2. পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  3. চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন
  4. সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন
ব্যাখ্যা

→ ১৯৯১ সালের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয়েছিল প্রথম অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে। 
-  সেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ছিলেন প্রধান বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ।
- এ নির্বাচনে মাঠে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দল হিসেবে ছিল বিএনপি ও আওয়ামী লীগ।
- এই নির্বাচনে ৫৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ ভোট পড়েছিল।
- নির্বাচনে বিএনপি ১৪০টি আসন ও প্রদত্ত ভোটের ৩০ দশমিক ৮১ শতাংশ ভোট পায়।
- আওয়ামী লীগ পায় ৮৮ আসন ও প্রদত্ত ভোটের ৩০ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ।
- জাতীয় পার্টি ৩৫টি আসন ও ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ ভোট এবং জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ ১৮টি আসন ও ১২ দশমিক ১৩ শতাংশ ভোট পায়। অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছিলেন ১৯টি আসন 

উল্লেখ্য,
- আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ দেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- জেনারেল জিয়াউর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৭ সালে প্রথমে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৮ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবং ১৯৭৯ সালে দ্বিতীয় জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

২,৯৮৪.
‘ভারতের নেপোলিয়ন’ হিসেবে পরিচিত কোন শাসক?
  1. ক) অশোক
  2. খ) সমুদ্রগুপ্ত
  3. গ) প্রথম চন্দ্রগুপ্ত
  4. ঘ) চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্রগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্রগুপ্ত
ব্যাখ্যা
সমুদ্রগুপ্ত
• গুপ্ত রাজবংশের শ্রেষ্ঠতম শাসক ছিলেন সমুদ্রগুপ্ত। 
• তিনি আনুমানিক ৩৩৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে ৩৮০ খ্রিস্টাব্দের পূর্বপর্যন্ত রাজত্ব করেন। 
• সমুদ্রগুপ্তকে প্রচণ্ড সাম্রাজ্যবাদী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার প্রধান নীতিই ছিলো রাজ্য অধিগ্রহণ। এজন্যে অনেক ঐতিহাসিক সমুদ্রগুপ্তকে ‘ভারতের নেপোলিয়ন’ হিসেবে অভিহিত করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৮৫.
দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজ হাসপাতাল কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) শাহবাগ, ঢাকা
  2. খ) সদরঘাট, ঢাকা
  3. গ) মিরপুর, ঢাকা
  4. ঘ) আগারগাঁও, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ক) শাহবাগ, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শাহবাগ, ঢাকা
ব্যাখ্যা
⇨ দেশের প্রথম সুপার স্পেশালাইজ হাসপাতাল 'বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল'।
⇨ যার অবস্থান ঢাকার শাহবাগে
⇨ এই হাসপাতালে রয়েছে ১০০টি আইসিইউ বেড। 
⇨ এখানে এক ছাদের নিচে সর্বাধুনিক বহুমুখী বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাবে।
⇨ ১৩ তলাবিশিষ্ট হাসপাতালটিতে রয়েছে দ্বিতল বেজমেন্ট। ৭৫০ শয্যার হাসপাতালে বিভিন্ন বিভাগে রয়েছে ১৪টি অত্যাধুনিক অপারেশন থিয়েটার।
⇨ এখানে রয়েছে সর্বাধুনিক রোবোটিক সার্জারি।

তথ্যসূত্র: দৈনিক ইনকিলাব। 
২,৯৮৬.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে?
  1. সিলেট 
  2. হবিগঞ্জ
  3. মৌলভীবাজার
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগান:
- চা বোর্ডের তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- বর্তমানে দেশে ৩টি চা নিলাম কেন্দ্র রয়েছে (চট্টগ্রাম, শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড়)।

উল্লেখ্য,
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।

এছাড়াও,
- হবিগঞ্জ জেলায় চা বাগান রয়েছে ২৫টি।
- সিলেট জেলায় চা বাগান রয়েছে ১৯টি ।
- চট্টগ্রাম জেলায় চা বাগান রয়েছে ২২টি।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

২,৯৮৭.
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) এর প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন-
  1. মওলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. মাহমুদুল হক ওসমানী
  3. মোজাফ্ফর আহমেদ
  4. এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুল হক ওসমানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহমুদুল হক ওসমানী
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৭ সালের ২৪-২৫ জুলাই ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে আয়োজিত গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)’ গঠিত হয়।
- ন্যাপের প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী, সভাপতি ছিলেন মাওলানা ভাসানী।
- এর আগে ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ‘কাগমারি সম্মেলনে’ পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি প্রশ্নে বিরোধের জের ধরে ১৮ই মার্চ ১৯৫৭ মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।
- ন্যাপের অন্যান্য নেতাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন পূর্ববাংলা থেকে হাজী মুহাম্মদ দানেশ, অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ, মহিউদ্দিন আহমদ, মশিউর রহমান (যাদু মিয়া), পীর হাবিবুর রহমান, এস.এ আহাদ, আবদুল মতিন, আবদুল হক, আতাউর রহমান এবং পশ্চিম পাকিস্তান থেকে ছিলেন ওয়ালি খান, আবদুল মজিদ সিন্ধী, মিয়া ইফতেখার প্রমুখ।  

তথ্যসূত্র- ইতিহাস প্রথম পত্র - এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৯৮৮.
কখন আনুষ্ঠানিকভাবে সমগ্র দেশে আশ্রয়ণ প্রকল্প শুরু করেন?
  1. ক) ১৯৯৬
  2. খ) ১৯৯৭
  3. গ) ১৯৯৮
  4. ঘ) ২০২১
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯৭
ব্যাখ্যা
• আশ্রায়ন প্রকল্প:
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন নোয়াখালী বর্তমান লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চর পোড়াগাছা গ্রামে ভূমিহীন-গৃহহীন, অসহায় ছিন্নমূল মানুষের পুনর্বাসন কার্যক্রমের যাত্রা শুরু করেন।
- ১৯৯৭ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে সমগ্র দেশে শুরু করেন আশ্রয়ণ প্রকল্প।
- ২৩ জানুয়ারি ২০২১ সালে প্রথম পর্যায়ে ৬৯ হাজার ৯০৪ পরিবারের মালিকানা স্বত্বসহ গৃহ প্ৰদান করা হয়।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০ জুন, ২০২১ সালে ৫৩ হাজারের অধিক পরিবারকে অনুরূপভাবে গৃহ প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
২,৯৮৯.
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. ঢাকা
  3. ফরিদপুর
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট:

- অসংখ্য বিনুনি শাখা প্রশাখা সহ গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও মেঘনা এ ৩টি অন্যতম প্রধান ও সুবৃহৎ আন্তর্জাতিক নদীমালা কর্তৃক বাহিত পলিতে গঠিত এ বাংলাদেশ।
- এই বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার ১৯৪৮ সালে ঢাকার গ্রীণরোডে প্রায় ১২ একর জমির উপর “হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী” নামে একটি গবেষণাগার স্থাপন করে।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে ব্যাপক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৭ সালে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে এবং “হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী” প্রতিষ্ঠানটি ইহার সহিত একীভূত করে।
- ১৯৮৯ সালে ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে ৮৬ একর জমির উপর এক মনোরম পরিবেশে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে পানি সম্পদ সেক্টরে বহুমুখী গবেষণা কার্যক্রম উত্তরোত্তর বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৯০ সনের ৫৩নং আইন বলে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কেএকটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্ব-শাসিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন হতে আলাদা করে সরাসরি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ফরিদপুর জেলা ওয়েবসাইট।
২,৯৯০.
সংবিধানের ৩০নং অনুচ্ছেদ দ্বারা নাগরিকদের ওপর কয়টি বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে?
  1. ক) ১
  2. খ) ২
  3. গ) ৩
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৩০নং অনুচ্ছেদ দ্বারা ৪টি বিষয়ের উপরের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। 
অনুচ্ছেদ ৩০নং: বিদেশী খেতাব প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ। 
এই অনুচ্ছেদ দ্বারা নাগরিকদের ওপর চারটি বিষয়ে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। 
বিষয়গুলো হলো: 
- খেতাব 
- সম্মান 
- পুরস্কার 
- ভূষণ 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
২,৯৯১.
খাত অনুযায়ী শীর্ষে থাকা বাংলাদেশের ৪র্থ রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. ক) নীটওয়্যার
  2. খ) পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. গ) কৃষিজাত পণ্য
  4. ঘ) হোম টেক্সটাইল
সঠিক উত্তর:
খ) পাট ও পাটজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো জুলাই, ২০২১ এ বাংলাদেশের ২০২০-২১ অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী -
মোট রপ্তানি আয় : ৩৮,৭৫৮.৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
সর্বোচ্চ রপ্তানি হয় তৈরি পোশাক খাতে - ৩১,৪৫৬.৭৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করেছে যুক্তরাষ্ট্রে - ৬,৯৭৪.০১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

উৎস : রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
২,৯৯২.
শিক্ষা বলতে কী বোঝায়?
  1. জ্ঞান আহরণ
  2. ডিগ্রী অর্জন
  3. দক্ষতা অর্জন
  4. পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে সমাজ ও নিজের উপকারে তার পুনর্গঠন করার দক্ষতা আয়ত্ত করা
সঠিক উত্তর:
দক্ষতা অর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষতা অর্জন
ব্যাখ্যা
শিক্ষা:

- সাধারণ অর্থে বলতে গেলে শিক্ষা বলতে জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জনকে বোঝায়।
- ব্যাপক অর্থে পদ্ধতিগতভাবে জ্ঞানলাভের প্রক্রিয়াকে শিক্ষা বলে।
- শিক্ষা লাভের ফলে মানুষের আচরণের কাঙ্ক্ষিত, বাঞ্চিত এবং ইতিবাচক পরির্বতনই হয়।
- যুগে যুগে নানা মনীষী গণ নানাভাবে শিক্ষাকে সজ্ঞায়িত করেছেন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৯৯৩.
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:

- অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে : তৃতীয়
- চাষকৃত মাছ উৎপাদনে : পঞ্চম
- ইলিশ মাছ উৎপাদনে : প্রথম
- তেলাপিয়া উৎপাদনে : চতুর্থ।

২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে প্রায় ৪৬.২১ লক্ষ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
২,৯৯৪.
‘সাংলান’ কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব?
  1. খিয়াং
  2. গারো
  3. লুসাই
  4. বম
সঠিক উত্তর:
খিয়াং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খিয়াং
ব্যাখ্যা

খিয়াং:
- খিয়াং পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি নৃজাতি গোষ্ঠী।আরাকান-ইয়োমা উপত্যকার অববাহিকা অঞ্চলে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী থেকে খিয়াংদের আগমন।
- বর্তমানে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় এ জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- খিয়াংরা চীনা-তিববতীয় ভাষাগোষ্ঠীর তিববতি-ব্রহ্ম শাখার কুকি-চীন দলভুক্ত।
- খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ‘সাংলান’।
- তারা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেয়। তবে তাদের আদি দেব-দেবীদের পূজা করতেও দেখা যায়।
- বর্তমানে অনেকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে।।
- পাহাড়ের উপর খোলা জায়গায় এবং ছোট খাল বা ঝর্ণাধারার কাছে এদের গ্রামগুলি গড়ে উঠে।
- এরা ঘরকে বলে ‘ইম’ এবং গ্রামকে বলে ‘নাম’।
- খিয়াংদের সমাজব্যবস্থায় একজন নেতা থাকে যাকে বলা হয় কার্বারী।
- খিয়াংদের সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

২,৯৯৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন সংশোধনীতে "বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম" যুক্ত করা হয়?
  1. দ্বিতীয় সংশোধনী
  2. পঞ্চম সংশোধনী
  3. সপ্তম সংশোধনী
  4. অষ্টম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী:
- জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী আনা হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল।
- বাংলাদেশের রাজনীতিতে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল পর্যন্ত সামরিক শাসন বিরাজ করছিল।
- এ সময় রাষ্ট্রপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক কর্তৃক জারিকৃত আদেশ ও ঘোষণার দ্বারা বাংলাদেশ সংবিধানের কিছু কিছু সংশোধনী আনা হয়।
- পঞ্চম সংশোধনীর দ্বারা এ সংশোধনীকে বৈধতা দান করা হয়।
- তৎকালীন সময়ে রাষ্ট্রপ্রধান কর্তৃক পরিবর্তন ও সংশোধনী বিষয়াবলী হল:
(১) বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম,
(২) 'বাঙালি' শব্দটির পরিবর্তে 'বাংলাদেশী',
(৩) ধর্ম নিরপেক্ষতার পরিবর্তে সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস,
(৪) 'সমাজতন্ত্র' মানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচার,
(৫) মন্ত্রিসভার সদস্যগণের চার-পঞ্চমাংশের সংসদ সদস্য হবার বিধান,
(৬) মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ব্যাপারে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজু করা,
(৭) সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন,
(৮) গণভোট ইত্যাদি সংযোজন, পরিবর্তন ও সংশোধন করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- দীর্ঘ সময় পর ২০১০ সালে উচ্চ আদালতের এক রায়ে এই পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: i) BBC.
ii) বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৯৬.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন স্থানীয় বাহিনী কোনটি?
  1. ক) বেঙ্গল লিবারেশন ফোর্স
  2. খ) আফসার বাহিনী
  3. গ) কাদেরিয়া বাহিনী
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধকালীন স্থানীয় বাহিনী: 
- এইসব বাহিনীর মধ্যে বেঙ্গল লিবারেশন ফোর্স (বি.এল.এফ), টাঙ্গাইলের কাদেরিয়া বাহিনী' এবং ভালুকার ‘আফসার বাহিনী' উল্লেখযোগ্য।
- বি.এল.এফ ছিল একটি রাজনৈতিক সশস্ত্র বাহিনী। এই বাহিনী মুজিব বাহিনী নামেও পরিচিত।
- ছাত্র নেতা শেখ ফজলুল হক মনি, সিরাজুল আলম খান প্রমুখের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতা, কর্মী ও শিক্ষিত তরুণদের নিয়ে এ বাহিনী গড়ে উঠেছিল।
- কাদেরিয়া বাহিনীর প্রধান ছিলেন কাদের সিদ্দিকী।

• এই সব বাহিনী দেশের অভ্যন্তরে গেরিলা কায়দায় হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণ পরিচালনা করে। উল্লেখ্য যে, বিএলএফ ও কাদেরিয়া বাহিনী কোনো সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল না ।
- এরা অস্থায়ী সরকারের আওতার বাইরে নিজস্ব পদ্ধতিতে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে।

সূত্র: ইতিহাস, ওপেন স্কুল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৯৯৭.
মুজিনগর সরকার শপথগ্রহণ করে কবে?
  1. ক) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
  2. খ) ১১ এপ্রিল ১৯৭১
  3. গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  4. ঘ) ১৮ এপ্রিল ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) ১৭ এপ্রিল এই সরকার শপথ গ্রহণ করে।
এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ।
অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী ছিলেন এম মনসুর আলী। স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান এবং পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
২,৯৯৮.
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে, জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ মুসলিম দেশ কোনটি? [নভেম্বর, ২০২৪]
  1. পাকিস্তান
  2. বাংলাদেশ
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. আলজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

--------------------- 
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে,

• জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ মুসলিম দেশ — ইন্দোনেশিয়া।
- দেশটির জনসংখ্যা - ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার।

[স্বাধীন অলাভজনক সংস্থা ‘ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ’ নিজেদের ওয়েবসাইটে বিশ্বের জনসংখ্যার লাইভ (তাৎক্ষণিক) তথ্য প্রচার-প্রকাশ করে।] 
--------------------------- 
ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউয়ের তথ্য অনুসারে, জনসংখ্যায় বিশ্বের শীর্ষ ১০ দেশের তালিকা দেওয়া হলো-

১. ভারত:
জনসংখ্যা: ১৪৫ কোটি ৯ লাখ ৪০ হাজার।

২. চীন:
জনসংখ্যা: ১৪১ কোটি ৯৩ লাখ ২০ হাজার।

৩. যুক্তরাষ্ট্র:
জনসংখ্যা: ৩৪ কোটি ৫৪ লাখ ২৭ হাজার।

৪. ইন্দোনেশিয়া:
জনসংখ্যা: ২৮ কোটি ৩৪ লাখ ৮৮ হাজার।

৫. পাকিস্তান:
জনসংখ্যা: ২৫ কোটি ১২ লাখ ৬৯ হাজার।

৬. নাইজেরিয়া:
জনসংখ্যা: ২৩ কোটি ২৬ লাখ ৭৯ হাজার।

৭. ব্রাজিল:
জনসংখ্যা: ২১ কোটি ১৯ লাখ ৯৯ হাজার।

৮. বাংলাদেশ:
জনসংখ্যা: ১৭ কোটি ৩৫ লাখ ৬২ হাজার।

৯. রাশিয়া:
জনসংখ্যা: ১৪ কোটি ৪৮ লাখ ২০ হাজার।

১০. ইথিওপিয়া:
জনসংখ্যা: ১৩ কোটি ২০ লাখ ৬০ হাজার।

সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট, ওয়ার্ল্ড পপুলেশন রিভিউ- ২০২৪।
২,৯৯৯.
মণিপুরী জাতিগোষ্ঠী প্রধানত বসবাস করে কোথায়?
  1. কক্সবাজার ও রাঙ্গামাটি
  2. সিলেট ও মৌলভীবাজার
  3. পটুয়াখালী ও বরগুনা
  4. দিনাজপুর ও ঠাকুরগাঁও
সঠিক উত্তর:
সিলেট ও মৌলভীবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট ও মৌলভীবাজার
ব্যাখ্যা

​মণিপুরী জাতিসত্তা:
- অবস্থান: মণিপুরী জাতিগোষ্ঠী মূলত ভারতের মণিপুর রাজ্যের বাসিন্দা।
- বাংলাদেশে তাদের বসবাস প্রধানত সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলায়।
- অন্য নাম: মণিপুরী জনগোষ্ঠীকে "মেইতেই" নামেও ডাকা হয়।
- উৎপত্তি: এরা মঙ্গোলয়েড জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- ধারণা করা হয়, প্রায় ১৭শ শতাব্দীতে তারা মণিপুর রাজ্য থেকে সিলেট অঞ্চলে আসেন।
- ভাষা: মণিপুরী ভাষা বা "মেইতেই লোন"।
- ভাষাটি তিব্বত-বর্মণ ভাষা পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
- ধর্ম: মূলত হিন্দু (বিশেষত বৈষ্ণব সম্প্রদায়)।
- কিছু মণিপুরী মুসলিম (পাঙাল বা মণিপুরী মুসলমান নামে পরিচিত)।
- পেশা: কৃষিকাজ, তাঁতশিল্প (বিশেষত শাড়ি ও কাপড় বুনন), এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায় নিয়োজিত।
- সংস্কৃতি: মণিপুরী নৃত্য (বিশ্ববিখ্যাত শাস্ত্রীয় নৃত্যশৈলী)।
- নিজস্ব উৎসব যেমন রাস উৎসব।

​উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সনদ।

৩,০০০.
চলতি ২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সার্বিক কৃষিখাতে মোট বরাদ্দ কত?
  1. ক) ১৯,২৩৫ কোটি টাকা
  2. খ) ২৪,৯০০ কোটি টাকা
  3. গ) ২৯,৯৮১ কোটি টাকা
  4. ঘ) ৩৪,৯০০ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯,৯৮১ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯,৯৮১ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
২০২০-২০২১ অর্থবছরের বাজেটে সার্বিক কৃষিখাতে মোট বরাদ্দের পরিমাণ ২৯,৯৮১ কোটি টাকা। কৃষি, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ, ভূমি, পানিসম্পদ এবং পরিবেশ-বন-জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে সার্বিক কৃষিখাত গঠিত। চলতি অর্থবছরে কৃষিখাতে ভর্তুকির পরিমাণ ৯,৫০০ কোটি টাকা।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)