বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২৫ / ৩০৬ · ২,৪০১২,৫০০ / ৩০,৮৩২

২,৪০১.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুকে অভিযুক্ত করা হয় কত তারিখে?
  1. ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  2. ২৮ জানুয়ারি, ১৯৬৯ সালে
  3. ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
  4. ২৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”।
- তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধুসহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

সূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৪০২.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু কোন আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন?
  1. ঢাকা - ১০
  2. ঢাকা - ১২
  3. ঢাকা - ১৭
  4. ঢাকা - ৯
সঠিক উত্তর:
ঢাকা - ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা - ১২
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদ:
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- সে সময় ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়।
- সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ১৫টি।
- নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টিতে জয়লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু সে সময় ঢাকা-১২ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন।
- প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন মুহম্মদুল্লাহ
- ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন বায়তুল্লাহ।

উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার ও বাংলাপিডিয়া।
২,৪০৩.
কক্সবাজার জেলার পূর্ব নাম কী ছিল?
  1. শ্রীহট্ট
  2. পালংকী
  3. শমসের নগর
  4. চন্দ্রদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
পালংকী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালংকী
ব্যাখ্যা
কক্সবাজার জেলা:
- কক্সবাজারের প্রাচীন নাম পালংকী।
- একসময় এটি প্যানোয়া নামে পরিচিত ছিল।
- এটি চট্টগ্রাম থেকে ১৫৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। 
- ইংরেজ অফিসার ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স ১৭৯৯ খ্রিঃ এখানে একটি বাজার স্থাপন করেন।
- কক্স সাহেবের বাজার হতে  কক্সবাজার নামের উৎপত্তি।
- জেলার প্রায় অর্ধেক এলাকা জুড়ে পার্বত্য অঞ্চল এবং অর্ধেক সমুদ্র উপকূলীয় দ্বীপাঞ্চল।
- প্রধান দ্বীপসমূহ: মহেশখালী, কুতুবদিয়া, মাতার বাড়ি, সোনাদিয়া, শাহ পরীর দ্বীপ এবং সেন্ট মার্টিনস বা জিনজিরা দ্বীপ। 
- প্রধান নদী: মাতামুহুরী, বাকখালী, নাফ এবং মহেশখালী চ্যানেল, কুতুবদিয়া চ্যানেল উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- কক্সবাজারে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত অবস্থিত। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪০৪.
বাংলাদেশের প্রথম বেসরকারি ব্যাংক -
  1. আইএফআইসি ব্যাংক
  2. আরব বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. সিটি ব্যাংক
  4. গ্রামীণ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
আরব বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরব বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
এবি ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশের সর্বপ্রথম বেসরকারি ব্যাংক এবি ব্যাংক পিএলসি।
- ১৯৮১ সালের ৩১শে ডিসেম্বর এবি ব্যাংক পিএলসি আত্মপ্রকাশ করে।
- শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের লক্ষ্যে আরব বাংলাদেশ ব্যাংক পরিচিতি নিয়ে ১৯৮২ সালের ১২ই এপ্রিল ব্যাংকটি তার কর্মকান্ড শুরু করে।
- ব্যাংকটি ১৯৯৬ সালে প্রথম এটিএম সেবা চালু করে।
- ১৯৯৯ সালে এটি প্রথম বাংলাদেশি ব্যাংক হিসেবে সুইফট সেবা চালু করে।
- ব্যারিষ্টার খায়রুল আলম চৌধুরী এবি ব্যাংক পিএলসি. -এর সম্মানিত চেয়ারম্যান।

উৎস: এবি ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
২,৪০৫.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় কত তারিখে?
  1. ক) ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল
  2. খ) ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
  3. গ) ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৭২ সালের ২৬ মার্চ
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
- সংবিধান রচনার জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ' জারি করেন।
- এই আদেশে অনুসারে ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নির্বাচিত প্রাদেশিক ও জাতীয় পরিষদের সদস্যরা গণপরিষদের সদস্য হবেন।
- সংবিধান প্রণয়নই ছিল গণপরিষদের একমাত্র লক্ষ্য। আদেশটি ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর করা হয়।
- এই আদেশ জারির মধ্য দিয়ে সংবিধান প্রণয়নের আনুষ্ঠানিক কাজ শুরু হয়।
- আওয়ামী লীগ পার্লামেন্টারি পার্টি বঙ্গবন্ধুকে গণপরিষদের দলীয় নেতা নির্বাচন করে।
- ৪৩০ সদস্য বিশিষ্ট গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
২,৪০৬.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে দেশে মোট জনসংখ্যা -
  1. ১৬.৮২ মিলিয়ন
  2. ১৬৮.২ মিলিয়ন
  3. ১.৬৮২ মিলিয়ন
  4. ১৬৮২ মিলিয়ন
সঠিক উত্তর:
১৬৮.২ মিলিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৮.২ মিলিয়ন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে,
দেশে মোট জনসংখ্যা - ১৬.৮২ কোটি (১৬৮.২ মিলিয়ন)
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার - ১.৩৭%    
জনসংখ্যার ঘনত্ব - ১১৪০ জন  

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১।
২,৪০৭.
শাহ জালালউদ্দীন কোন শতকে বাংলাদেশে আসেন?
  1. ক) পনেরো শতকে
  2. খ) চৌদ্দ শতকে
  3. গ) ষোল শতকে
  4. ঘ) তেরো শতকে
সঠিক উত্তর:
খ) চৌদ্দ শতকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চৌদ্দ শতকে
ব্যাখ্যা
- সিলেটের শাহ জালালউদ্দীন কুনিয়াঈ চৌদ্দ শতকে বাংলাদেশে আসেন।

মধ্যযুগে বাংলায় ইসলাম ধর্ম:
- চৌদ্দ শতকের মধ্যেই বাংলাদেশে সুফি প্রভাব বিস্তার লাভ করে।
- ইবন বতুতা ১৩৩৮ সনে সিলেটে শাহ জালালউদ্দীনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
- শাহ জালালউদ্দীন গৌরগোবিন্দকে পরাজিত করে সিলেট অঞ্চলে ইসলাম প্রচার করেন।
- শাহজালাল নামে বিখ্যাত এই সাধুপুরুষ উত্তর পূর্ব বাংলা ও আসামে ইসলাম প্রচারে অবদান রাখেন।
- শেখ আঁখি সিরাজুদ্দিন উসমান নিযামুদ্দিন আউলিয়ার খলিফা ছিলেন।
-  তিনি পান্ডুয়ার শেখ আলাউল হকের পীর। তিনি চৌদ্দ-পনেরো শতকের দরবেশ। তাঁর প্রভাবেই মুখ্যত বাংলাদেশে চিশতিয়া তরিকার প্রসার হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,এসএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪০৮.
'জুলাই জাতীয় সনদ' স্বাক্ষরিত হয় কোথায়?
  1. সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
  2. জাতীয় সংসদ ভবন
  3. মানিক মিয়া এভিনিউ
  4. প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ ভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ ভবন
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ:
- স্বাক্ষরপ্রদান: ১৭ অক্টোবর, ২০২৫
- স্থান: জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের প্রধান অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতিতে জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেন রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতিনিধিরা।
- রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের প্রস্তাব নিয়ে তৈরি এই সনদে শুক্রবার সই করেছে বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ ২৪টি রাজনৈতিক দল ও জোট।
- পাশাপাশি সনদে সই করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা।

উল্লেখ্য,
- তবে জুলাই অভ্যুত্থানের নেতৃত্বে থাকা তরুণদের গড়া দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) অনুষ্ঠানে যায়নি, সনদে সইও করেনি।
- এ ছাড়া চারটি বাম দল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি), বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ), বাসদ (মার্ক্সবাদী) ও বাংলাদেশ জাসদ জুলাই সনদে সই করেনি।

উৎস:পত্রিকার রিপোর্ট। [লিঙ্ক]

২,৪০৯.
দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান পাওয়া যায় -
  1. পাবনায়
  2. দিনাজপুরে
  3. সিলেটে
  4. চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুরে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪১০.
বাংলাদেশে সরকারি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি? [মার্চ, ২০২৬] 
  1. ৫০টি 
  2. ৪৫টি 
  3. ৪০টি 
  4. ৪৩টি 
সঠিক উত্তর:
৪৩টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩টি 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সরকারি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের সংখ্যা ৪৩টি।
- সারাদেশে সরকারি ৪৩টি দিবাযত্ন কেন্দ্রে দুই হাজার ৮৩০ শিশু রাখার ব্যবস্থা আছে।
- কর্মজীবী মায়েরা কাজে গেলে তাদের শিশুরা যাতে নিরাপদে থাকতে পারে, সেজন্য সরকার এই উদ্যোগ নেয়।
- ৪৩টি দিবাযত্ন কেন্দ্রের মধ্যে ৩৩টি নিম্নবিত্তের শিশুদের জন্য, বাকি ১০টি মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য।
-  কেন্দ্রগুলোর আবাসন সক্ষমতা যথাক্রমে ৮০, ৬০ ও ৫০।
- মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে এ কেন্দ্রগুলো পরিচালিত হয়।

উৎস: পত্রিকার নিউজ। [লিঙ্ক]

২,৪১১.
‘কনভেনশন মুসলিম লীগ’ নামের রাজনৈতিক দল গঠন করেন কে?   
  1. ফজলুল হক
  2. আইয়ুব খান
  3. ইয়াহিয়া খান 
  4. জুলফিকার আলী ভূট্টো
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা

• আইয়ুব খান:
- ১৯৬২ সালের ৮ই জুন সামরিক আইন স্থগিত করা হলে দলীয় রাজনীতির অধিকার ফিরে আসে। 
- আইয়ুব খান নিজেই কনভেনশন মুসলিম লীগ নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- এ সময় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী সকল রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে আইয়ুববিরোধী মোর্চা গঠনের আহ্বান জানান।
- ফলে আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নুরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এনডিএফ গঠিত হয়।
- এ ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়া।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম দশম শ্রেণি। 

২,৪১২.
গারো উপজাতি কোন জেলায় বাস করে?
  1. দিনাজপুর
  2. নেত্রকোনা
  3. রাজশাহী
  4. চট্রগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
গারো উপজাতিদের বসবাস- ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা ও টাঙ্গাইল জেলায়।
(রেফারেন্স - ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়)
২,৪১৩.
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত দুর্নীতি ধারণা সূচক-২০২০ এ বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ১৩৩তম
  2. ১৩৬তম
  3. ১৪২তম
  4. ১৪৬তম
সঠিক উত্তর:
১৪৬তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৬তম
ব্যাখ্যা
- বার্লিনভিত্তিক আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত দুর্নীতি ধারণা সূচক-২০২০:
- বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৬তম
- বাংলাদেশের স্কোর : ২৬
- শীর্ষদেশ : ডেনমার্ক ও নিউজিল্যান্ড
- সর্বাধিক দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ : সোমালিয়া ও দক্ষিণ সুদান।
(তথ্যসূত্র: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল)
২,৪১৪.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র?
  1. ধীরে বহে মেঘনা
  2. কলমিলতা
  3. আবার তােরা মানুষ হ
  4. হুলিয়া
সঠিক উত্তর:
হুলিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুলিয়া
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র - হুলিয়া।
- এটি নির্মাণ করেন তানভীর মোকাম্মেল।
- ষাটের দশকে প্রগতিশীল সংগঠনের কর্মীদের ওপর পশ্চিম পাকিস্তান সরকারের নিপীড়ন-নির্যাতনের মধ্যে হুলিয়া বুকে নিয়ে ঘরছাড়া এক তরুণকে নিয়ে লেখা কবি নির্মলেন্দু গুণের কবিতাকে ক্যামেরার ফ্রেমে তুলে এনেছেন তানভীর মোকাম্মেল।

অন্যদিকে,
ধীরে বহে মেঘনা (১৯৭৩):
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক 'ধীরে বহে মেঘনা' চলচ্চিত্রটির পরিচালক- 'আলমগীর কবির'।
- ভারতীয় মেয়ে অনিতার প্রেমিক মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়।
- সে ঢাকায় এসে যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে আরও গভীরভাবে মর্মাহত হয়।
- অভিনয়ে বুলবুল আহমেদ, ববিতা, গোলাম মোস্তফা, আনোয়ার হোসেন, খলিল উল্লাহ প্রমুখ।
- হেমন্ত মুখোপাধ্যায় ও সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায়ের গান আছে এ ছবিতে।

আবার তোরা মানুষ হ (১৯৭৩):
- চলচ্চিত্রটির পরিচালক খান আতাউর রহমান।
- এ চলচ্চিত্রে যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের সামাজিক বিশৃঙ্খলা ও অবক্ষয়ের চিত্র উঠে এসেছে।
- বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফারুক, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ববিতা, রোজী আফসারী, রওশন জামিলসহ অনেকে।
- এখানে আছে উচ্ছৃঙ্খল ছাত্র ও তরুণদের কার্যকলাপ এবং একজন আদর্শবাদী অধ্যক্ষের দৃঢ়তা।

কলমীলতা -মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পরিচালক - শহীদুল হক খান।

উৎস: প্রথম আলো ।
২,৪১৫.
কোন সময়ে জাটকা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকে?
  1. ক) জানুয়ারি থেকে জুলাই
  2. খ) মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর
  3. গ) নভেম্বর থেকে জুন
  4. ঘ) ডিসেম্বর থেকে আগস্ট
সঠিক উত্তর:
গ) নভেম্বর থেকে জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নভেম্বর থেকে জুন
ব্যাখ্যা
- ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্যে নভেম্বর মাস থেকে জুন পর্যন্ত আট মাস দেশের নদী ও সাগরে দশ ইঞ্চির কম সাইজের ইলিশ মাছ বা জাটকা আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ থাকে।
- এছাড়া আশ্বিন ও কার্তিক মাসে মা ইলিশের ডিম ছাড়ার জন্যে ২২ দিন মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকে।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ এবং মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট)
২,৪১৬.
According to the final report of Census and Census 2022, which tribe has the largest population in Bangladesh?
  1. Chakma
  2. Garo
  3. Marma
  4. Tripura
  5. Khashia
সঠিক উত্তর:
Chakma
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Chakma
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
• চাকমা - ৪,৮৩,৩৬৫।
• মারমা - ২,২৪,২৯৯।
• ত্রিপুরা - ১,৫৬,৬২০।
• সাঁওতাল - ১,২৯,০৫৬।
• ওরাওঁ - ৮৫,৮৫৮।
• গারো - ৭৬,৮৫৪।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
২,৪১৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নাগরিকদের ফোন কোনো আইন শৃঙ্খলা বাহিনী চেক করতে পারে না?
  1. ৪০ নং
  2. ৪১ নং
  3. ৪২ নং
  4. ৪৩ নং
সঠিক উত্তর:
৪৩ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৩ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ আছে।

• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩য় ভাগে 'মৌলিক অধিকার' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদ 'গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ' অনুযায়ী যোগাযোগ থেকে শুরু করে চিঠিপত্র আদান-প্রদান এবং ব্যক্তিগত সবকিছুর গোপনীয়তার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।

⇒ ৪৩ নং অনুছেদ:
- রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, জনসাধারণের নৈতিকতা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা নিষেধ-সাপেক্ষে প্রত্যেক নাগরিকের -
(ক) প্রবেশ, তল্লাশী ও আটক হতে নিজ গৃহে নিরাপত্তালাভের অধিকার থাকবে; এবং
(খ) চিঠিপত্রের ও যোগাযোগের অন্যান্য উপায়ের গোপনতারক্ষার অধিকার থাকবে।

অন্যদিকে,
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।
- ৪১ নং অনুচ্ছেদ: ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ: সম্পত্তির অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৪১৮.
বাংলাদেশের বাজেট সাধারণত-
  1. উদ্বৃত্ব বাজেট
  2. ঘাটতি বাজেট
  3. সুষম বাজেট
  4. সম্পূরক বাজেট
সঠিক উত্তর:
ঘাটতি বাজেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘাটতি বাজেট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বাজেট সাধারণত ঘাটতি বাজেট।

বাজেট:
- বাজেট হচ্ছে একটি দেশের এক বছরের সম্ভাব্য সব আয়-ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব-নিকাশের বিবরণী।
- কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে কতটুকু আয় প্রাপ্তির আশা করে এবং বিভিন্ন খাতে কী পরিমাণ ব্যয় করতে চায়, তার সুবিন্যস্ত হিসাবকে সরকারি বাজেট বলে।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি বাজেটের সময়কাল হচ্ছে এক অর্থবছর, যা ১ জুলাই থেকে পরবর্তী বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত ধরা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে বাজেট শব্দটি ব্যবহারের পরিবর্তে সমরূপ শব্দ ‘বার্ষিক আর্থিক বিবরণী’ ব্যবহার করা হয়েছে।

⇒ আয় ও ব্যয় সমান কিনা, সেই প্রশ্নেই রাষ্ট্রের বাজেট দুই রকমের হয়ে থাকে, যেমন: সুষম বাজেট ও অসম বাজেট।
- সরকারের আয় ও ব্যয়ের ওপর ভিত্তি করে অসম বাজেটকে আবার দুভাগে ভাগ করা হয়, এগুলো হচ্ছে: উদ্বৃত্ত বাজেট ও ঘাটতি বাজেট।

• ঘাটতি বাজেট:
- কোনো আর্থিক বছরে সরকারের প্রত্যাশিত আয় অপেক্ষা ব্যয়ের পরিমাণ বেশি হলে তাকে ঘাটতি বাজেট বলে।
- বাজেটের এ ঘাটতি পূরণের লক্ষ্যে সরকার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে ঋণ, কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ঋণ, বৈদেশিক ঋণ ও অনুদান নিয়ে থাকে।
- ঘাটতি বাজেট বলতে বোঝায় যখন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়।
- সাধারণত মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৫ শতাংশ পর্যন্ত ঘাটতিকে সহনীয় বলে ধরা হয়।

⇒ বাজেট ঘাটতি দুভাবে পূরণ করা হয়।
- বৈদেশিক উৎস: এটি মূলত বৈদেশিক ঋণ। সরকার বিভিন্ন দাতা সংস্থা ও দেশ থেকে সহজ শর্তে ঋণ নেয়।
- অভ্যন্তরীণ উৎস: সরকার দুভাবে দেশের ভেতর থেকে ঋণ নেয়। যেমন, ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও ব্যাংকবহির্ভূত ব্যবস্থা।

উল্লেখ্য,
- উন্নয়নশীল দেশগুলো সাধারণত ঘাটতি বাজেটই প্রণয়ন করে।
- বাংলাদেশও শুরু থেকেই ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করেছে।
- উন্নয়নশীল দেশে প্রাকৃতিক সম্পদের পরিপূর্ণ ব্যবহার, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি ও জনগণের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে কিছুটা ঘাটতি বাজেট প্রণয়ন করতে হয়।
- অর্থনীতিবিদরা মনে করেন, বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে কিছুটা ঘাটতি থাকা ভালো।
- এতে অব্যবহৃত সম্পদের ব্যবহার বাড়ে, ঘাটতি পূরণের চাপ থাকে।
- তাতে অর্থনীতিতে উদ্দীপনা সৃষ্টি হয়।

অন্যদিকে,
• সম্পূরক বাজেট: কোন খাতে ব্যয়ের জন্য যে টাকা বরাদ্দ করা হয় তার চাইতে বেশি ব্যয় হলে তার অনুমোদন করতে যে বিল পাশ করা হয় তাকে সম্পূরক বাজেট বলে। যেকোন আর্থিক বছরের শেষে এই বাজেট করা হয়।
• সুষম বাজেট: যে বাজেটে আয় ও ব্যয়ের পরিমান সমান থাকে তাকে সুষম বাজেট বলে।

উৎস: i) অর্থবিভাগ ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
২,৪১৯.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুযায়ী তৎকালীন জনসংখ্যা কত ছিল?
  1. ক) ৭.৫৪ কোটি
  2. খ) ৭.৬৪ কোটি
  3. গ) ৮.২৫ কোটি
  4. ঘ) ৭.৪৮ কোটি
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৬৪ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৭.৬৪ কোটি
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে।
- ষষ্ঠ আদমশুমারি হয় 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
২,৪২০.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. গাজীপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন সংগ্রহশালা ময়মনসিংহ জেলার পার্ক রোডে অবস্থিত। এটি ১৯৭৫ সালে যাত্রা শুরু করে।
অন্যদিকে,
শিল্পাচার্য জয়নুল লোক ও কারুশিল্প জাদুঘর নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত যা ১৯৯৬ সালের ১৯ অক্টোবর উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনও নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় জাদুঘর ওয়েবসাইট)
২,৪২১.
বাংলাদেশ কত সালে কমনওয়েলথ-এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৩ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা

কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ হলো একটি আন্তর্জাতিক সংগঠন।
- এটি পূর্বে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের অধীনে থাকা স্বাধীন দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত।
- এই সংগঠনের সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত।
- কমনওয়েলথের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তানসহ মোট ৫৬টি দেশ রয়েছে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।

উল্লেখ্য,
- এর মূল লক্ষ্য হলো শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রচার করা।
- সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- ও জ্ঞান-অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি নিশ্চিত করা। 
- এছাড়াও কমনওয়েলথ উন্নয়নমূলক সহায়তা, নির্বাচন পর্যবেক্ষণ, ক্ষুদ্র ব্যবসা উন্নয়ন, আইন প্রণয়নে সহায়তা করে।
- নারী ও যুবসমাজের অধিকার ও ক্ষমতায়ন বৃদ্ধির কাজেও এটি নিয়োজিত থাকে। 

উৎস: Britannica.

২,৪২২.
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট কতটি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে?
  1. ক) ২৭টি
  2. খ) ২৮টি
  3. গ) ২৯টি
  4. ঘ) ৩০টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯টি
ব্যাখ্যা
প্রধান খনিজ সম্পদ:
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা ওয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- বর্তমানে দেশে মোট ২৯টি গ্যাস ক্ষেত্র রয়েছে।
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- ভোলার ইলিশা-১ কূপটি দেশের নতুন গ্যাসক্ষেত্র (২৯তম)।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজতেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উৎস: মে ২২, ২০২৩, The Daily Star বাংলা।
২,৪২৩.
সরকারের সামগ্রিক আয় ব্যয় ব্যবস্থাপনার কৌশলগত নির্দেশনা হলো -
  1. ক) বাজেট
  2. খ) অর্থনৈতিক সমীক্ষা
  3. গ) অর্থনীতি
  4. ঘ) রাজস্ব নীতি
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজস্ব নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজস্ব নীতি
ব্যাখ্যা
সুত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯
২,৪২৪.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা কে?
  1. অ্যাটর্নি জেনারেল
  2. আইন সচিব
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
• অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
• অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
• বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।

২,৪২৫.
বাংলাদেশে মাতৃতান্ত্রিক উপজাতি কারা?
  1. সাঁওতাল
  2. গারো
  3. চাকমা
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
গারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গারো
ব্যাখ্যা
গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিববতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।
- গারোদের আদি বাসভূমি বর্তমান চীনের উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের সিন-কিয়াং প্রদেশ, যেখান থেকে তারা দেশত্যাগ করে পরবর্তীকালে তিববতে দীর্ঘদিন বসবাস করে।
- এরপর ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকায় এবং বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের কিছু এলাকায় এরা বসবাস শুরু করে।
- গারোদের সমাজ ব্যবস্থা মাতৃতান্ত্রিক।
- মা-ই পরিবারের কর্তা ও সম্পত্তির অধিকারী এবং এক্ষেত্রে পিতা পরিবারের ব্যবস্থাপকের দায়িত্ব পালন করে।
- পরিবারের সন্তানসন্ততিরা মায়ের পদবি ধারণ করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৪২৬.
‘রাসোৎসব’ কাদের প্রধান উৎসব?
  1. খাসিয়া
  2. সাঁওতাল
  3. তঞ্চঙ্গা
  4. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা
মণিপুরীদের প্রধান উৎসব ‘রাসোৎসব’। ভাষাগত এবং ধর্মীয় ভিন্নতার কারণে বাংলাদেশের মণিপুরীরা তিনটি শাখায় বিভক্ত এবং স্থানীয়ভাবে তারা (১) বিষ্ণুপ্রিয়া, (২) মৈতৈ ও (৩) পাঙন নামে পরিচিত। বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ। এরা বৈষ্ণব ধর্মের অনুসারী। সূত্র- http://www.nrigostisanad.gov.bd/nrri-goshthi
২,৪২৭.
নিচের কোন জেলায় 'ওরাওঁ' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. রংপুর
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
ওরাওঁ:
- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী। এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে।
- নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
- তারা মুঘল শাসনামলে বরেন্দ্র অঞ্চলে প্রবেশ করে এবং সে অঞ্চলে তাদের স্থায়ী নিবাস গড়ে তোলে।
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।
- ওরাওঁরা জড়োপাসক, তাদের ভগবানের নাম ধরমী বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’।
- ওরাওঁরা তাদের সৃষ্টিকর্তা ধরমেশকে সন্তুষ্ট রাখার জন্য তাঁর উদ্দেশ্যে পূজা করে এবং তাঁর উদ্দেশ্যে ‘ডানডাকাঁটা’ উৎসবের আয়োজন করে।
- ওরাওঁদের ভাষার নাম কুরুক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৪২৮.
নির্বাচন কমিশনারগণকে কে নিয়োগ দেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
২,৪২৯.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ দিয়ে থাকেন?
  1. অনুচ্ছেদ ৫৫
  2. অনুচ্ছেদ ৫৬
  3. অনুচ্ছেদ ৫৮
  4. অনুচ্ছেদ ৫৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫৬
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ৫৬ নং অনুচ্ছেদের ২ নং দফা অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের নিয়োগ দান করে থাকেন।
- ৫৬ (৩) নং দফা অনুযায়ী, যে সংসদ-সদস্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের আস্থাভাজন বলিয়া রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হইবেন, রাষ্ট্রপতি তাঁহাকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ করিবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৫৫ : মন্ত্রীসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ : মন্ত্রীদের পদের মেয়াদ। 
- অনুচ্ছেদ ৫৯ : স্থানীয় শাসন। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
২,৪৩০.
উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক ছবি আলীবাবা ও চল্লিশ চোর নির্মাণ করেন -
  1. দাদা সাহেব ফালকে
  2. হীরালাল সেন
  3. গুনরাম বাবু
  4. সত্যজিৎ রায়
সঠিক উত্তর:
হীরালাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হীরালাল সেন
ব্যাখ্যা
হীরালাল সেন: 
- হীরালাল সেন হলেন চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব।
- তিনি ১৮৬৬ সালে মানিকগঞ্জ জেলার বগজুরী গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯০৪ সালে উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক ছবি আলীবাবা ও চল্লিশ চোর নির্মাণ করেন।
- ১৯০৩ সালে তাঁর রয়াল বায়োস্কোপ কোম্পানি থেকে প্রথম বাংলায় সিকে সেনের মাথার তেল ‘জবাকুসুম’ বটফেস্ট পালের ‘এডওয়ার্ড টনিক’ ও ডব্লিউ মেজর কোম্পানির ‘সালসা পিলা’ প্রভৃতি বিজ্ঞাপনচিত্র নির্মিত হয়।
- তাছাড়া তিনি প্রামাণ্যচিত্র ও সংবাদচিত্রও নির্মাণ করেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
২,৪৩১.
সম্প্রতি বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্টের নাম কী?
  1. পূর্ণ
  2. বর্ণ
  3. উচ্চারণ
  4. কথা
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ
ব্যাখ্যা
- অমর একুশের শহীদদের স্মরণে বাংলা ভাষায় তৈরি তিনটি সফটওয়্যার ও বাংলা ফন্ট উন্মুক্ত করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। 
- আগারগাঁওয়ে কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে ‘উচ্চারণ’, ‘কথা’ ও ‘বর্ণ’ সফটওয়্যারসহ ‘পূর্ণ’ নামের বাংলা ফন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ। 
- ‘পূর্ণ’ ফন্টটি মূলত ইউনিকোডভিত্তিক ফন্ট। 
- স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ, বিরাম চিহ্ন, ইংরেজি বর্ণ, গাণিতিক চিহ্নসহ প্রয়োজনীয় সব সুবিধা থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের পাশাপাশি মুদ্রণ কাজেও ব্যবহার করা যাবে ফন্টটিতে। 

অন্যদিকে, 
- ‘উচ্চারণ’ নামের টেক্সট টু স্পিচ সফটওয়্যারটি ওয়েবসাইট বা যন্ত্রের পর্দায় থাকা সব তথ্য পড়ে শোনাতে পারে। 
- মুখের কথাকে লেখায় রূপান্তর করতে পারে ‘কথা’ সফটওয়্যারটি। 
- ‘বর্ণ’ হলো বাংলা ওসিআর সফটওয়্যার।
- পিডিএফ বা ছবিতে থাকা বার্তা লেখায় রূপান্তরের সুযোগ থাকায় সফটওয়্যারটির মাধ্যমে সহজেই সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তির তথ্য লিখিত আকারে সংরক্ষণ করা যাবে। 

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা (প্রকাশ: ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪)।
২,৪৩২.
সম্রাট আকবরের মন্ত্রীসভার অর্থমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. ক) আবুল ফজল
  2. খ) তানসেন
  3. গ) মান সিংহ
  4. ঘ) টোডরমল
সঠিক উত্তর:
ঘ) টোডরমল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) টোডরমল
ব্যাখ্যা

সম্রাট আকবরের মন্ত্রীসভার অর্থমন্ত্রী ছিলেন- টোডরমল
• সম্রাট আকবর ছিলেন মুঘল সাম্রাজ্যের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা।
• ১৫৫৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর উপাধি নিয়ে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহণ করেন।

আকবরের মন্ত্রীসভা
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন আবুল ফজল।
- অর্থমন্ত্রী ছিলেন টোডরমল।
- সেনাপ্রধান ছিলেন মান সিংহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া ।

২,৪৩৩.
বাংলাদেশ কত সালে ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষর করে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

- ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়েতে যুক্ত হতে ২০০৭ সালে চুক্তি করে বাংলাদেশ। 
- এ নেটওয়ার্কের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, চীন, মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোর মধ্যে সহজেই পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- রেল নেটওয়ার্কটিতে যোগ দিতে পদ্মা সেতু, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ।
- গত দেড় দশকে এ বহুপক্ষীয় নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে রেল অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে বাংলাদেশ।

উৎস: পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং ডেইলি স্টার বাংলা।

২,৪৩৪.
বাংলাদেশের জিডিপি সার্বিকভাবে কতটি খাত নিয়ে গঠিত?
  1. ১৭টি
  2. ১৩টি
  3. ১৯টি 
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি 
ব্যাখ্যা

অর্থনীতির খাত:
- বাংলাদেশের জিডিপি’কে উৎপাদনের ভিত্তিতে ৩টি বৃহৎ খাতে বিভক্ত করা হয়েছে।
- যথা:- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত।
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।
- এবং ৬টি খাত উপখাতে বিভক্তরয়েছে।

• জিডিপির সার্বিক খাতগুলো হলো: 
১। কৃষি ও বনজ এবং মৎস্য সম্পদ (উপখাত - ৪টি)।
২। খনিজ ও খনন (গ্যাস, তেল ইত্যাদি) (উপখাত - ২টি)।
৩। ম্যানুফ্যাকচারিং (উপখাত - ৩টি)।
৪। বিদ্যুৎ, গ্যাস, বাষ্প এবং শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা (উপখাত - ২টি)।
৫। পানি সরবরাহ, পয়নিষ্কাশন, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুর্নব্যবহার কার্যক্রম।
৬। নির্মাণ।
৭। পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মোটরসাইকেল মেরামত।
৮। পরিবহণ এবং সংরক্ষণ (উপখাত ৫টি)।
৯। আবাসন এবং খাদ্য পরিবেশন কার্যক্রম।
১০। তথ্য ও যোগাযোগ।
১১। আর্থিক এবং বীমা কার্যক্রম (উপখাত-৩টি)।
১২। রিয়েল এস্টেট কার্যক্রম।
১৩। পেশাদার, বৈজ্ঞানিক এবং প্রযুক্তিগত কার্যক্রম।
১৪। প্রশাসনিক ও সহায়তামূক পরিষেবা কার্যক্রম।
১৫। জনপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা।
১৬। শিক্ষা।
১৭। মানবস্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা কার্যক্রম।
১৮। শিল্পকলা ও বিনোদন।
১৯। অন্যান্য সেবা কার্যক্রম।

উৎস: অর্থনীতি সমীক্ষা- ২০২৪।

২,৪৩৫.
বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে কততম?
  1. ক) ষষ্ঠ
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৃতীয়
ব্যাখ্যা
- বিবিএস এর সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষির অবদান প্রায় ১৩.৪৭ শতাংশ।
- বাংলাদেশ বিশ্বে ধান উৎপাদনে চতুর্থ স্থান থেকে তৃতীয় স্থানে উন্নীত হয়েছে।

[উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
২,৪৩৬.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ কত দফা দাবি পেশ করেছিল?
  1. ৪ দফা 
  2. ৬ দফা 
  3. ১১ দফা 
  4. ২১ দফা 
সঠিক উত্তর:
১১ দফা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ দফা 
ব্যাখ্যা

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৪৭ সাল থেকে ক্রমাগতভাবে পূর্বপাকিস্তানের প্রতি পাকিস্তানের শাসকগোষ্ঠি যে বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে তার বহি:প্রকাশ ঘটে উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে।
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে এক দুর্বার আন্দোলন গড়ে ওঠে যা ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- এসময় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ১১ দফা দাবি ঘোষণা করেন।

⇒ ১৯৬৯ সালের ১৭ জানুয়ারি ছাত্রনেতারা দেশব্যাপী সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটের ডাক দিলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনেম খান ছাত্র আন্দোলন দমাতে ১৪৪ ধারা জারি করে।
- সরকারি নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আমানুল্লাহ মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান (আসাদ) নিহত হলে আন্দোলন আরও তীব্র হয়।
- শহীদ আসাদের আত্মদানের পর ২১, ২২ ও ২৩ জানুয়ারি শোক পালনের মধ্য দিয়ে সর্বস্তরের জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ২৪ জানুয়ারি অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের সৃষ্টি হয়।
- পাকিস্তানি সামরিক শাসন উৎখাতের লক্ষ্যে ১৯৬৯ সালের ২৪ জানুয়ারি সংগ্রামী জনতা শাসকগোষ্ঠীর দমন-পীড়ন ও সান্ধ্য আইন ভঙ্গ করে মিছিল বের করে।
- মিছিলে পুলিশের গুলিতে ঢাকায় সচিবালয়ের সামনের রাজপথে নবকুমার ইনস্টিটিউটের নবম শ্রেণির ছাত্র কিশোর মতিউর রহমান ও রুস্তম শহীদ হন।

⇒ সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা শহর।
- কিন্তু তাদের প্রদত্ত কর্মসূচি অন্যান্য বিভাগীয় শহর এবং জেলা শহরের ছাত্র, শিক্ষক, কৃষক, শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণ পালন করে। এমনকি পশ্চিম পাকিস্তানের ছাত্ররাও এগারো দফার সমর্থনে আন্দোলন করে।
- সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহবানে ২৪ জানুয়ারির হরতাল পালনের সময় ময়মনসিংহে ২ জন নিহত ও ২০ জন আহত হয়। 
- গণঅভ্যুত্থানের জোয়ারের মুখে টিকতে না পেরে শেষাবধি ২৫ মার্চ পাকিস্তানের ‘লৌহ মানব’ প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

২,৪৩৭.
সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন কতজন?
  1. ৩২ জন
  2. ৩৪ জন
  3. ৩৩ জন
  4. ৩৭ জন
সঠিক উত্তর:
৩৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ জন
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।
- রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন-১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২
- গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন।
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৩৮.
বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ক) ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
  2. খ) ৫০৬৭ বর্গ কিলোমিটার
  3. গ) ৬০৭২ বর্গ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৬০৬৬ বর্গ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- এ বনের জীববৈচিত্র্য বিশ্বের যে কোনো ম্যানগ্রোভ বনের তুলনায় অনেক বেশি সমৃদ্ধ।
- সুন্দরবন ১৮৭৮ সনে সংরক্ষিত বনভূমি হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং ১৯৭৯ সনে সুন্দরবনের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বভার বন বিভাগ গ্রহণ করে।
- সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার। তন্মধ্যে স্থলভাগ ৪,১৪৩ বর্গকিলোমিটার (৭০%) এবং জলভাগ ১,৮৭৪ বর্গকিলোমিটার (৩০%)।
- সমগ্র সুন্দরবন খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটে বিস্তৃত।

এছাড়া,
- ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য কেন্দ্র এবং ৩টি বিশেষায়িত বণ্যপ্রানী (ডলফিন) অভয়ারণ্য বিদ্যমান।
- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সনে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৯ সনে নীলকমলে World Heritage Site-এর নামফলক উন্মোচন করেন।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

তথ্যসূত্র: বন সংরক্ষকের দপ্তর, খুলনা।
২,৪৩৯.
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা'- গানটির রচয়িতা কে?
  1. আপেল মাহমুদ
  2. গোবিন্দ হালদার
  3. আবদুল জব্বার
  4. হাছনরাজা
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা
গোবিন্দ হালদার রচিত কয়েকটি বিখ্যাত গান:

- 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি....'
- 'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা আমরা তোমাদের ভুলব না।'
- 'পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে.....'

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪৪০.
বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৮৫১ সালে
  2. ১৮৫২ সালে
  3. ১৮৫৩ সালে
  4. ১৮৫৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৪ সালে
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
২,৪৪১.
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে কে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন?
  1. তামিম
  2. সাব্বির
  3. লিটন দাস
  4. মুশফিকুর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর
ব্যাখ্যা

ক্রিকেট:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট ক্রিকেটের দশম সদস্য।
- তারা ২০০০ সালের ২৬ জুন আইসিসির সভায় এই মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট ম্যাচ হয় ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর ভারতের বিপক্ষে।
- এই ম্যাচে অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- বাংলাদেশের প্রথম টেস্ট জয় আসে ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- আর প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন মুশফিকুর রহিম।

উৎস: 
প্রথম আলো;
বাংলাদেশ টেলিভিশন।

২,৪৪২.
বঙ্গবন্ধু কর্তৃক 'ছয় দফা' ঘোষিত হয় কবে?
  1. ক) ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
  2. খ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
  3. গ) ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮
  4. ঘ) ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয় দফা দাবী কে বাঙালির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলা হয়।
১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
৭ জুন ছয় দফা দিবস পালিত হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া
২,৪৪৩.
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনালের নকশাকার কে?
  1. রোহানি বাহারিন
  2. বব বুই
  3. লুই আই কান
  4. লারোস
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোহানি বাহারিন
ব্যাখ্যা
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল:
- হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বাংলাদেশের প্রধান ও বৃহত্তম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর যা রাজধানী ঢাকার উত্তরাঞ্চল শহরের কেন্দ্র হতে ১৭ কিঃ মিঃ দূরে কুর্মিটোলায় অবস্থিত।
- বিমানবন্দরটির আয়তন ৮০২ হেক্টর (১,৯৮১ একর)।
- বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (CAAB) বিমানবন্দরটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করে।
- এটি ১৯৮০ সালে তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- বাংলাদেশের অন্যতম সম্মানিত সুফি সাধক শাহ জালালের সম্মানে নামকরণের আগে বিমানবন্দরটি 'ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর' নামে পরিচিত ছিল।
- বিমানবন্দর এর IATA কোড "DAC" নেয়া হয়েছে "Dacca" থেকে যা "Dhaka" এর পূর্বে ব্যবহৃত বানান।
- হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হলো জাতীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রধান অপারেশনাল কেন্দ্রস্থল।
- এছাড়াও, এটি এয়ার অ্যাস্ট্রা, নভোএয়ার এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স সহ বাংলাদেশের বেশিরভাগ বেসরকারী বিমান সংস্থাগুলির অপারেশনাল কেন্দ্রস্থল। 
- ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী এই টার্মিনালের নির্মাণকাজের উদ্বোধন করেছিলেন।
- ০৭ অক্টোবর ২০২৩ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল উদ্বোধন করেন।
- টার্মিনালটি নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২১ হাজার ৩৯৯ কোটি টাকা।
- টার্মিনালটির নকশা করেছেন বিশ্বের অন্যতম সেরা ও ব্যস্ততম হিসেবে পরিচিত সিঙ্গাপুরের চাঙ্গি বিমানবন্দরের নকশাকার রোহানি বাহারিন ।
- বিশ্বমানের এই টার্মিনালে ১ হাজার ৪৪টি গাড়ি রাখার সক্ষমতাসহ বহুতল গাড়ি পার্কিং তৈরি করা হচ্ছে।
- এই টার্মিনালে একসঙ্গে ৩৭টি উড়োজাহাজ পার্ক করে রাখা যাবে।

উৎস: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়েবসাইট। 
২,৪৪৪.
মুক্তিযুদ্ধে নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে গঠিত সেক্টর কোনটি?
  1. ক) ১১ নং
  2. খ) ১০ নং
  3. গ) ৮ নং
  4. ঘ) ৬ নং
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ নং
ব্যাখ্যা
⇨ ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
⇨ এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর। দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
⇨ ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
⇨ যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।   
⇨ এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।  এঁরা ছিলেন - 
- গাজী মোহাম্মদ রহমতউল্লাহ (চীফ পেটি অফিসার), 
- সৈয়দ মোশাররফ হোসেন (পেটি অফিসার), 
- আমিন উল্লাহ শেখ (পেটি অফিসার), 
- আহসান উল্লাহ (এম.ই-১), 
- এ.ডব্লিউ.চৌধুরী (আর.ও-১), 
- বদিউল আলম (এম.ই-১), 
- এ.আর মিয়া (ই.এন-১) এবং 
- আবেদুর রহমান (স্টুয়ার্ড-১)। 

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৪৫.
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনকে শিল্পাচার্য উপাধি দেয়-
  1. কলকাতা আর্ট কলেজ
  2. ঢাকা আর্ট কলেজ
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. বাংলাদেশ সরকার
সঠিক উত্তর:
ঢাকা আর্ট কলেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা আর্ট কলেজ
ব্যাখ্যা
১৯৬৮ সালে ঢাকা আর্ট কলেজের ছাত্রদের তরফ থেকে ‘ শিল্পাচার্য’ উপাধি পান।

শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন বিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত বাঙালি চিত্রশিল্পী।
- জন্মগ্রহণ: ১৯১৪ সালের ২৯ ডিসেম্বর তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জ মহকুমার কেন্দুয়ায়।
- জয়নুল আবেদিন ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৮ সাল পর্যন্ত কলকাতার সরকারি আর্ট স্কুলে পড়েন।
- তাঁর প্রচেষ্টায়  সোনারগাঁয় লোকশিল্প জাদুঘর ও ময়মনসিংহে জয়নুল সংগ্রহশালা প্রতিষ্ঠিত হয়। 

তাঁর চিত্রকর্মের মধ্যে অন্যতম:
নৌকা , সংগ্রাম, বীর মুক্তিযোদ্ধা, ম্যাডোনা
- তাঁর দীর্ঘ দুটি স্ক্রল ’নবান্ন’ এবং ‘মনপুরা-৭০’ প্রশংসিত দুটি শিল্পকর্ম।
- ১৯৩৮ সালে চিত্র প্রদর্শনীতে তিনি নিখিল ভারত স্বর্ণপদক লাভ করেন।

এছাড়াও,
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের তরফ থেকে জাতীয় অধ্যাপকের সম্মান লাভ করেন। 
- জয়নুল আবেদিন ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় মারা যান।

উৎস: বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প  ফাউন্ডেশন।
২,৪৪৬.
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী সবচেয়ে বেশি আদিবাসী কোনটি ?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. ত্রিপুরা
  4. গারো
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:

- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- এর মধ্যে পুরুষ ৪৯.৯৮% ও নারী ৫০.০২%।
- এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

সংখ্যার দিক দিয়ে -
- পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা। 
- চতুর্থ স্থানে আছে সাঁওতাল। 

জেলার দিক দিয়ে -
- দেশে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
         ii) ২৭ জুলাই ২০২২, প্রথম আলো।
২,৪৪৭.
প্রধান বিচারপতির পদের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৪ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩ বছর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৯৬(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ তাদের বয়স ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে বহাল থাকতে পারবেন।
- ১৯৭২ সালের ‍মূল সংবিধানে বিচারকদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা ছিলো ৬২ বছর।
- ১৯৮৬ সালে সপ্তম সংশোধনীর মাধ্যমে তা ৬৫ বছরে এবং ২০০৪ সালে চতুর্দশ সংশোধনী দ্বারা অবসর গ্রহণের বয়ষসীমা ৬৭ বছরে উন্নীত করা হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
২,৪৪৮.
পূর্ব বাংলার নামকরণ পূর্ব পাকিস্তান কখন করা হয়?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫৩ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
• পাকিস্তান শাসনতন্ত্র:
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি করে।
- ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হয়।
- এর অগ্রভাগে ছিল তৎকালীন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।
- ১৯৫৫ সালের ৭ই জুলাই এ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- ১৯৫৬ সালের ৯ই জানুয়ারি গণপরিষদে শাসনতন্ত্র বিল উত্থাপিত হয়। 
- ২৩ মার্চে এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- পাকিস্তানের ইতিহাসে এ শাসনতন্ত্রটি ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র নামে পরিচিত।
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল মূলত একটি ইসলামি আদর্শ ভিত্তিক শাসনতন্ত্র।
- এ শাসনতন্ত্রে পাকিস্তানকে ইসলামি প্রজাতন্ত্র নামে আখ্যায়িত করা হয়।
-  এ শাসনতন্ত্রে বলা হয় যে, পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিম পাকিস্তান নিয়ে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র গঠন করা হবে।
- যা ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনকে অনুসরণ করা হয়।

উৎস: ইতিহাস, এএসএসএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৪৯.
’সম্রাট অশোক’ কোন বংশের রাজা ছিলেন?
  1. গুপ্ত বংশ
  2. মৌর্য বংশ
  3. পাল বংশ
  4. সেন বংশ
সঠিক উত্তর:
মৌর্য বংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌর্য বংশ
ব্যাখ্যা
- সম্রাট অশোক (খ্রিস্টপূর্ব ৩০৪–২৩২) ছিলেন মৌর্য সাম্রাজ্যের তৃতীয় সম্রাট ও চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের নাতি।
- ​তাঁর সবচেয়ে বড় সামরিক অভিযান ছিল কলিঙ্গ যুদ্ধ (খ্রিস্টপূর্ব ২৬১), যেখানে ব্যাপক প্রাণহানি তাঁকে গভীরভাবে নাড়া দেয়।
- ​এরপর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করে অহিংসা, নৈতিকতা ও ধর্মীয় সহনশীলতার নীতি প্রচার করেন।
- ​শিলালিপি ও স্তম্ভলিপির মাধ্যমে তিনি তাঁর নীতি ও নির্দেশনা প্রকাশ করেন, যা ভারতীয় ইতিহাসের প্রাচীনতম লিখিত দলিলগুলির মধ্যে অন্যতম।
- ​তাঁর উদ্যোগে বৌদ্ধধর্ম ভারত ছাড়াও শ্রীলঙ্কা, মধ্য এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে।
- ​আধুনিক ভারতের জাতীয় প্রতীক অশোকের ঐতিহ্য থেকেই গৃহীত।

​উৎস: বিট্রানিকা।
২,৪৫০.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটিতে আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি ছিলেন-  
  1. খন্দকার মোশতাক আহমদ 
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি:

• সদস্য সংখ্যা: ৮ জন।
• কাজ: মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করা।
• গঠনের সময়: ৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১। 
• কমিটির নেতা: মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
• আহবায়ক: তাজউদ্দীন আহমেদ।

• অন্যান্য সদস্যরা হলেন- 
- অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি);
- মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি);
- মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা);
- ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি);
- এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি);
- খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৫১.
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্যে কোন প্রতিষ্ঠানটি ২০২২ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করে?
  1. ক) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. গ) বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট
  4. ঘ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্যে ২০২২ সালে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা স্বাধীনতা পদক লাভ করে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট। এটি দিনাজপুর জেলার নশিপুরে অবস্থিত।

স্বাধীনতা পদক ২০২২ বিজয়ী:

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ:
- বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী
- শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম)
- আব্দুল জলিল
- সিরাজ উদ্দীন আহমেদ
- মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস (মরণোত্তর) ও
- সিরাজুল হক (মরণোত্তর)

চিকিৎসাবিদ্যায়:
- অধ্যাপক ডা. কনক কান্তি বড়ুয়া
- অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল ইসলাম

সাহিত্যে
- মরহুম মো. আমির হামজা

স্থাপত্য:
- মরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন

গবেষণা ও প্রশিক্ষণে

- বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।

(তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট ও কালেরকণ্ঠ)
২,৪৫২.
সংবিধান সম্পর্কে নিচের কোন বিবৃতিটি সঠিক নয়?
  1. ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
  3. সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেন।
  4. ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।   
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেন।
ব্যাখ্যা
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেন। - এটি বিবৃতিটি সঠিক নয়। 

• সংবিধান:

- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে  আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।   

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
২,৪৫৩.
বাংলাদেশ OIC এর কোন সম্মেলনে প্রথম যোগ দেয়?
  1. রাবাত সম্মেলন
  2. লাহোর সম্মেলন
  3. কাসাব্লাংকা সম্মেলন
  4. তেহরান সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
লাহোর সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর সম্মেলন
ব্যাখ্যা
১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC (Organisation of Islamic Cooperation) এর দ্বিতীয় সম্মেলনে বাংলাদেশ প্রথম যোগ দেয়।
এই সম্মেলনেই বাংলাদেশ সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে OIC প্রতিষ্ঠিত হয়।
OIC এর সর্বশেষ ১৪তম সম্মেলন ২০১৯ সালের ৩১ মে সৌদি আরবের মক্কায় অনুষ্ঠিত হয়।
(সূত্র: OIC ওয়েবসাইট)
২,৪৫৪.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ‘ওরা ১১ জন’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন কে?
  1. আলমগীর কবির
  2. আমজাদ হোসেন
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. খান আতাউর রহমান
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

ওরা ১১ জন:
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা ১১ জন'।
- পরিচালনা করেছেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই সিনেমার বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন রাজ্জাক, শাবানা, নূতন, সৈয়দ হাসান ইমাম, এটিএম শামসুজ্জামান, খলিলউল্লাহ খান প্রমুখ।
- এ সিনেমায় ১১ জনের ১০ জন ছিলেন মুক্তিযোদ্ধা।
- তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন খসরু, মুরাদ, হেলাল ও নান্টু।

উৎস: ইত্তেফাক পত্রিকা।

২,৪৫৫.
ভাষা আন্দোলন বাংলা কোন সনে হয়েছিল?
  1. ১৩৬০ সনে
  2. ১৩৫৮ সনে
  3. ১৩৫৭ সনে
  4. ১৩৫৫ সনে
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮ সনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৫৮ সনে
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।
২,৪৫৬.
বর্তমানে বাংলাদেশের একক বৃহত্তম দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন অংশীদার দেশ কোনটি? [মার্চ, ২০২৫]
  1. চীন
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা

উন্নয়ন সহযোগী দেশ:
- জাপান বাংলাদেশের একক বৃহত্তম দ্বিপক্ষীয় উন্নয়ন অংশীদার।
- বর্তমানে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৪০০ কোটি মার্কিন ডলার।
- বর্তমানে বাংলাদেশে ৩৫০টির বেশি জাপানি কোম্পানি কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং জাপান বাংলাদেশের শীর্ষ পাঁচটি রপ্তানি গন্তব্যের একটি।
- জাপান সরকারের অর্থায়নপুষ্ট প্রকল্পসমূহ হচ্ছে মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর, মাতারবাড়ি কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র, ঢাকা মেট্রো রেল এবং হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল প্রকল্প।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে জাপান।
- দেশটি ব্যবসা ও উন্নয়ন সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

২,৪৫৭.
২০২১-২২ সালের বাজেট অনুযায়ী ব্যক্তি করদাতার ক্ষেত্রে মোট আয়ের উপর সর্বোচ্চ কর হার কত?
  1. ক) ১৫%
  2. খ) ২০%
  3. গ) ২৫%
  4. ঘ) ৩০%
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৫%
ব্যাখ্যা

২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যক্তিগত আয়করের হার অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেট অনুযায়ী যাদের আয় ৩ লাখ টাকার চেয়ে বেশি তাদেরকে পরবর্তী এক লাখ টাকার জন্যে ৫ শতাংশ, পরবর্তী ৩ লাখ টাকার জন্যে ১০ শতাংশ, পরবর্তী চার লাখ টাকার জন্যে ১৫ শতাংশ, পরবর্তী পাঁচ লাখ টাকার জন্যে ২০ শতাংশ এবং এর বেশি পরিমাণ আয়ের জন্যে ২৫ শতাংশ হারে আয়কর দিতে হবে।

উৎসঃ দ্যা ডেইলি স্টার 

২,৪৫৮.
"অবিভক্ত স্বাধীন বঙ্গই আমাদের দাবি করা উচিত।" - উক্তিটি কার?
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) খাজা নাজিমুদ্দিন
  3. গ) এ. কে. ফজলুল হক
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
অবিভক্ত বাংলা

১৯৪৭ সালের ৩ জুন পরিকল্পনায় ব্রিটিশ-ভারতের সর্বশেষ ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভারতের স্বাধীনতা এবং 'পাকিস্তান' দাবি মেনে নেওয়ার পাশাপাশি 'বাংলা' এবং 'পাঞ্জাব প্রদেশকে বিভক্ত করার প্রস্তাব করেন। মুসলিম লীগ এবং কংগ্রেসের অনেক নেতা এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানান। হিন্দু মহাসভার নেতাগণ হর্ষোৎফুল হয়ে বঙ্গ বিভাগকে স্বাগত জানান। দূরদৃষ্টিসম্পন্ন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বঙ্গ বিভাগের পরিণামের কথা চিন্তা করে শঙ্কিত হয়ে পড়েন। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, 'বঙ্গ বিভাগ করা হলে ভারত এবং পাকিস্তান উভয় দেশেই বাঙালিরা দুর্বল হয়ে পড়বে। যুক্ত বাংলার অবিভাজ্য সত্তাকে দুভাগে ভাগ করার অর্থ উভয় বাংলার শক্তিকে পঙ্গু করার ব্যবস্থা।

দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি ঘোষণা করেন যে, “বৃহত্তর বাংলাদেশে হিন্দু-মুসলমানদের এক স্বাধীন সম্মিলিত রাষ্ট্র গঠন করে আমরা বাংলাকে সর্বতোভাবে উন্নত করে তুলতে চাই। বঙ্গভঙ্গের পরিবর্তে হিন্দু-মুসলমানদের 'অবিভক্ত স্বাধীন বঙ্গই' আমাদের দাবি করা উচিত।"

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর 'অবিভক্ত বাংলা রাষ্ট্র' দাবির সমর্থনে বঙ্গীয় মুসলিম লীগ সম্পাদক জনাব আবুল হাশিম, বাংলা কংগ্রেস দলের নেতা শরৎ বসু, কিরণ শংকর রায় প্রমুখ আন্দোলন শুরু করেন।

- শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এবং মহাত্মা গান্ধীও 'অবিভক্ত বাংলার' জন্য সোহরাওয়ার্দীর প্রচেষ্টাকে সমর্থন প্রদান করেন।
- কিন্তু মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ ও খাজা নাজিমুদ্দিনের সমর্থক মুসলিম লীগ নেতা এবং পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু ও সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের সমর্থক কংগ্রেস নেতাদের অদূরদর্শিতা এবং উগ্র সাম্প্রদায়িক হিন্দু মহাসভা নেতাদের একগুঁয়েমির জন্য ‘অবিভক্ত বাংলা' গঠনের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
২,৪৫৯.
বাংলাদেশের কোথায় গো-চারণের জন্যে বাথান ভূমি রয়েছে?
  1. ক) নাটোর
  2. খ) কিশোরগঞ্জ
  3. গ) যশোর
  4. ঘ) মানিকগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাটোর
ব্যাখ্যা
বাথান হলো বিস্তৃত তৃণাচ্ছাদিত ভূমি যেখানে গবাদি পশুর পাল উন্মুক্তভাবে চরে ঘাস খায় এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত সেখানেই থাকে।
এক সময় দেশের সর্বত্রই বাথান ‍ভূমির উপস্থিতি ছিলো। বর্তমানে চলনবিল সংলগ্ন সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, নাটোর ও পাবনা, হাওরাঞ্চল এবং নতুন জেগে উঠা চরাঞ্চলে অস্থায়ী বাথান ভূমি দেথতে পাওয়া যায়।

(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া)
২,৪৬০.
‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয় কত তারিখ?
  1. ২৯ জুলাই ২০২৪
  2. ৩০ জুলাই ২০২৪
  3. ৩১ জুলাই ২০২৪
  4. ১ আগস্ট ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৩০ জুলাই ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জুলাই ২০২৪
ব্যাখ্যা

'মার্চ ফর জাস্টিস' কর্মসূচি:

→ কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে হত্যা, গণগ্রেপ্তার, হামলা, মামলা ও গুমের প্রতিবাদে ২০২৪ সালের ৩১ জুলাই বুধবার সারাদেশে ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি পালন করে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন।

→ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে এই কর্মসূচির কথা জানানো হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের রাত সোয়া ১১টার দিকে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

→ কর্মসূচির ঘোষণায় বলা হয়, ‘সারা দেশে ছাত্র-জনতার ওপর গণহত্যা, গণগ্রেপ্তার, হামলা, মামলা, গুম-খুনের প্রতিবাদে ও জাতিসংঘ কর্তৃক তদন্তপূর্বক বিচারের দাবিতে এবং ছাত্রসমাজের ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে দেশের সব আদালত, ক্যাম্পাস ও রাজপথে আগামীকাল বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচি পালন করা হবে।’ 


⇒ ৩০ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করার ঘোষণা দিয়েছে।
- ৩১ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তারা মার্চ ফর জাস্টিস কর্মসূচী পালন করেছে।
- ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে এ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

২,৪৬১.
বারোভূঁইয়াদের মধ্যে অন্যতম লক্ষণ মাণিক্য বাংলার কোন অঞ্চলের জমিদার ছিলেন?
  1. ভাওয়াল
  2. বিক্রমপুর
  3. চন্দ্রদ্বীপ
  4. ভুলুয়া
সঠিক উত্তর:
ভুলুয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুলুয়া
ব্যাখ্যা
- মধ্যযুগে ষোল শতকের মাঝামাঝি থেকে সতের শতকের মধ্য সময় পর্যন্ত পূর্ব বাংলার যেসব জমিদার মুঘলদের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করে নিজেদের স্বাধীনতা রক্ষা করতে সচেষ্ট ছিলেন তারা ‘বারোভূঁইয়া’ নামে পরিচিত।
- বারোভূঁইয়াদের নেতা ছিলেন সোনারগাঁও এর জমিদার ঈসা খান এবং তার পুত্র মুসা খান।
বারোভূঁইয়াদের মধ্যে অন্যান্যরা হলেন:
- লক্ষণ মাণিক্য : ভুলুয়া (নোয়াখালী)
- চাঁদ রায় ও কেদার রায় : বিক্রমপুর (মুন্সিগঞ্জ)
- বাহাদুর গাজি : ভাওয়াল
- সোনাগাজি : সরাইল (উত্তর ত্রিপুরা)
- ওসমান খান : বোকাইনগর (সিলেট)
- বীর হামির বিষ্ণুপুর (বাকুড়া)
- পরমানন্দ রায় : চন্দ্রদ্বীপ (বরিশাল)
- বিনোদ রায়/মধু রায় : চান্দপ্রতাপ (মানিকগঞ্জ)
- মুকুন্দরা/সত্রজিৎ : ভূষণা (ফরিদপুর)
- রাজা কন্দর্পনারায়ণ/রামচন্দ্র : বরিশাল জেলার অংশবিশেষ।
- ১৬১১ সালে মুঘল সুবাদার ইসলাম খান বারোভূঁইয়াদের দমন করে সমগ্র বাংলা মুঘল অধিকারে আনেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
২,৪৬২.
ADP-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Annual Development Plan
  2. Automated Development Programme
  3. Annual Development Programme
  4. Advanced Development Programme
সঠিক উত্তর:
Annual Development Programme
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Annual Development Programme
ব্যাখ্যা
ADP:
- ADP-এর পূর্ণরূপ: Annual Development Programme.

⇒ বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) কোনো একটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় প্রক্ষেপিত সরকারি খাতের উন্নয়ন নীতিমালা, কর্মসূচি, বিনিয়োগ এবং লক্ষ্যমাত্রাসমূহ পরিচালনা ও অর্জনের জন্য ঐ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কোন একটি নির্দিষ্ট বছরে বাস্তবায়নযোগ্য বিভিন্ন খাতের প্রকল্পসমূহের তালিকা এবং তাদের জন্য আর্থিক বরাদ্দসহ প্রণীত কর্মসূচি।
- প্রচলিত নিয়মানুযায়ী প্রতিটি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাকে লক্ষ্য অর্জনের সুবিধার্থে পাঁচটি বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বিভক্ত করা হয় এবং প্রত্যেকটি প্রকল্পের জন্য স্থানীয় ও বৈদেশিক উভয় মুদ্রায় বরাদ্দ রাখা হয়।
- প্রতি বছরের এডিপি সে বছরের জন্য জাতীয় সংসদ কর্তৃক অনুমোদিত উন্নয়ন বাজেটের ভিত্তিতে প্রণীত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,৪৬৩.
কোনটি বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অংশ নয়?
  1. গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ
  2. দায়মুক্তি ক্ষমতা
  3. যুদ্ধ ঘোষণা
  4. পেশার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধ ঘোষণা
ব্যাখ্যা
যুদ্ধ ঘোষণা বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অংশ নয়।

সংবিধানের তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার

- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (অনুচ্ছেদ ২৬-৪৭) মৌলিক অধিকার লিপিবদ্ধ রয়েছে। এগুলো হলো: 
২৬। মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল,
২৭। আইনের দৃষ্টিতে সমতা,
২৮। ধর্ম প্রভৃতি কারণে বৈষম্য,
২৯। সরকারী নিয়োগলাভে সুযোগের সমতা,
৩০। বিদেশী খেতার প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ,
৩১। আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার,
৩২। জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ,
৩৩। গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ,
৩৪। জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ,
৩৫। বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ,
৩৬। চলাফেরার স্বাধীনতা,
৩৭। সমাবেশের স্বাধীনতা,
৩৮। সংগঠনের স্বাধীনতা,
৩৮। চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা,
৪০। পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা,
৪১। ধর্মীয় স্বাধীনতা,
৪২। সম্পত্তির অধিকার,
৪৩। গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ,
88। মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ,
৪৫। শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন,
৪৬। দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা,
৪৭। কতিপয় আইনের হেফাজত।

অন্যদিকে,
- যুদ্ধ ঘোষণা বাংলাদেশ সংবিধানের ৪র্থ ভাগের অংশ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৪৬৪.
The Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 জারি করা হয় কবে?
  1. ৫ জুলাই, ২০২৫
  2. ৭ জুলাই, ২০২৫
  3. ১০ জুলাই, ২০২৫
  4. ১২ জুলাই, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১০ জুলাই, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ জুলাই, ২০২৫
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025:
- গত ১০ জুলাই, ২০২৫ “The Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025” নামে নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হয়।
- সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে এই অধ্যাদেশ জারি করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
- এতে ‘ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮’ সংশোধন করে নতুনভাবে যুক্ত করা হয়েছে ধারা ১৭৩এ (173A)।
- এর মাধ্যমে তদন্ত চলাকালে অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার আইনি সুযোগ তৈরি হয়েছে।
- বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নতুন বিধান তদন্তাধীন মামলায় দীর্ঘ সময় ধরে নিরপরাধ ব্যক্তিদের জেল হাজতে থাকা বা হয়রানির শিকার হওয়ার প্রবণতা কমবে।

তথ্যসূত্র- নিউজ রিপোর্ট। [LINK]
২,৪৬৫.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি 
  2. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
  3. প্রিমিয়ার সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
  4. ক্রাউন সিমেন্ট পিএলসি 
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি
ব্যাখ্যা

ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হয়।
- পরে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি'র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, বিএমইডিসি ।
- এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি'র নিয়ন্ত্রণে আসে।

অন্যদিকে,
- শাহ সিমেন্ট ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড হলো ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় সিমেন্ট কোম্পানি 'লাফার্জহোলসিম'।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

২,৪৬৬.
মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) আগারগাঁও
  2. খ) বেতবুনিয়া
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) মিরপুর
সঠিক উত্তর:
ক) আগারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আগারগাঁও
ব্যাখ্যা
স্পারসো ঢাকার আগারগাঁও এ অবস্থিত।

• স্পারসো:

- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।

সূত্র: বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)।
২,৪৬৭.
সংবিধানের কোন তফসিলটি বর্তমানে কার্যকর নয়?
  1. ১ম
  2. ৫ম
  3. ২য়
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানে তফসিল ৭টি। যথা:
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন,
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বর্তমানে বিলুপ্ত),
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা,
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী,
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ,
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষণা,
- সপ্তম তফসিল: ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকারের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

⇒ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন:
- সংবিধানের চতুর্থ সংশােধন আইন, ১৯৭৫ এর ৩০ নং ধারাবলে মূল সংবিধানের এই দ্বিতীয় তফসিলটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, দ্বিতীয় তফসিল এখন আর কার্যকর নেই।
- ১৯৭৫ সালের ২৫শে জানুয়ারি সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা চালু করা হয়।
- যার নাম দেয়া হয় বাকশালট

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
২,৪৬৮.
Who was the captain of Bangladesh's first test cricket team?
  1. ক) Aminul Islam
  2. খ) Khaled Masud
  3. গ) Akram Khan
  4. ঘ) None
সঠিক উত্তর:
ঘ) None
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) None
ব্যাখ্যা
টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:

- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায় ২০০৫ সালে।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪০০ রান করে বাংলাদেশ।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে  জিম্বাবুয়ে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।

তথ্যসূত্র - bangladesh.gov.bd
                দৈনিক প্রথম আলো,০৬ জানুয়ারি ২০১৭।
                দৈনিক প্রথম আলো,১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
২,৪৬৯.
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) ময়মনসিংহ
  3. গ) জামালপুর
  4. ঘ) গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়:
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের কলেজ পর্যায়ের শিক্ষার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ঢাকা শহর থেকে উত্তরে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে গাজীপুর জেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ক্যাম্পাস অবস্থিত।
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রায় ১৭০০ অধিভুক্ত কলেজের মাধ্যমে এর শিক্ষা কর্মসূচি পরিচালনা করে।
- ১৯৯২ সালের জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আইনের মাধ্যমে কৃষি, প্রকৌশল ও চিকিৎসা শিক্ষা প্রদানকারী কলেজ ছাড়া স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষা কর্মসূচি চালিয়ে নেওয়ার জন্য সক্ষম কলেজগুলি অধিভূক্ত করার ক্ষমতা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর অর্পণ করা হয়েছে।
- ১৯৯২ সালে বাংলাদেশ পার্লামেন্ট ৩৭ নং আইন পাশ করে। এই আইনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়কে দেশের কলেজ অধিভুক্তকরণ, পাঠ্যক্রম প্রণয়ন, জ্ঞান উন্নয়ন ও বিতরণের কাজে বিশেষ দৃষ্টি প্রদান, শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, পরীক্ষার আয়োজন ও ডিগ্রি প্রদানের ক্ষমতা দেওয়া হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর।
- তাঁর পরেই সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হলেন ভাইস-চ্যান্সেলর।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
২,৪৭০.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কে দায়িত্ব পালন করেছিলেন? 
  1. ড. আখতার হামিদ খান
  2. ড. মাহবুব আলম
  3. ড. হাসান মোস্তফা
  4. ড. আনিসুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ড. আখতার হামিদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. আখতার হামিদ খান
ব্যাখ্যা

• বার্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
-  বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) -এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খান ।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে। 
- পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)।

২,৪৭১.
মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ (Concert for Bangladesh) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ক) নিউইয়র্ক
  2. খ) বােস্টন
  3. গ) লন্ডন
  4. ঘ) ক্যানবেরা
সঠিক উত্তর:
ক) নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ারে 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ' অনুষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিলো কনসার্ট থেকে প্রাপ্ত অর্থ দিয়ে বাংলাদেশের শরনার্থীদের সহায়তা করা।
- এর মূল উদ্যোক্তা ছিলেন বিখ্যাত ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশংকর।
- তার আহবানে সাড়া দিয়ে মার্কিন ব্যান্ডদল বিটলসের জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলান, রিঙ্গো স্টার প্রমুখ এই কনসার্টে অংশগ্রহণ করেন।
- বাংলাদেশের আকবর আলী খাঁ, তবলাবাদক ওস্তাদ আল্লারাখা প্রমুখ এতে যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট।
২,৪৭২.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন?
  1. ক) ২৮তম
  2. খ) ২৯তম
  3. গ) ৩২তম
  4. ঘ) ৩০তম
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২৯তম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেন।
- একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
- বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের কেবল ২৯তম অধিবেশনেই অংশগ্রহণ করেন।


(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
২,৪৭৩.
বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত? 
  1. সিলেটের বনভূমি
  2. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  3. ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
  4. খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
ব্যাখ্যা
• মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি:
- উত্তরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র হতে দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদী পর্যন্ত এ উচ্চভূমি বিস্তৃত। 
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর জেলার বনভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- এর আয়তন ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। 
- এটি প্লাইস্টোসিনকালের দ্বিতীয় বৃহত্তম উচ্চভূমি। 
- বনজঙ্গলে পরিপূর্ণ এ উচ্চভূমি শাল বা গজারী বৃক্ষের কেন্দ্র।
- এজন্য এটি গজারী বা শালবৃক্ষের বনভূমি হিসেবেও পরিচিত।
- এ বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্গত।

অন্যদিকে,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি।
- বরেন্দ্র বনভূমি হচ্ছে ক্রান্তীয় পাতাঝরা বৃক্ষের বনভূমি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
২,৪৭৪.
এফবিসিসিআই'র নব-নির্বাচিত সভাপতি -
  1. ক) মাহবুবুল আলম
  2. খ) জিনাত আরা
  3. গ) নুরুল ইসলাম
  4. ঘ) মোহাম্মদ নাজমুল হাসান
সঠিক উত্তর:
ক) মাহবুবুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাহবুবুল আলম
ব্যাখ্যা
এফবিসিসিআই:
- FBCCI এর পূর্ণরূপ: The Federation of Bangladesh Chambers of Commerce and Industry (FBCCI).
- এটি ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন।
- এ সংগঠনের মূল উদ্দেশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠন ও চেম্বারসমূহকে একত্রিত করে সামগ্রিক ব্যবসা উন্নয়নে কাজ করা।
- দ্য ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ১৯৭৩ সালে ট্রেড অর্গানাইজেশন অর্ডিন্যান্স অ্যান্ড কোম্পানি অ্যাক্ট, ১৯১৩- এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এফবিসিসিআই’র নতুন সভাপতি মাহবুবুল আলম।
- তিনি ২০২৩-২৫ মেয়াদে এফবিসিসিআই’র সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। 

অন্যদিকে -
- নৌবাহিনীর ১৭তম প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হলেন মোহাম্মদ নাজমুল হাসান।
- দেশের ১৩তম মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (CAG) হয়েছেন নুরুল ইসলাম।
- বাংলাদেশ ইন্সটিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট এর নতুন মহাপরিচালক জিনাত আরা।

উৎস: ২ আগস্ট ২০২৩, যুগান্তর।

২,৪৭৫.
মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের চেয়ারম্যান কে ছিলেন?
  1. ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ
  2. ড. মোশাররফ হোসেন
  3. ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
  4. ড. আনিসুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
 
- পরিকল্পনা কমিশন গঠন দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
- সদস্য ছিলেন,
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ।
(২) ড. মোশাররফ হোসেন।
(৩) ড. এস. আর. বোস।
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।
 
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৭৬.
সেনাবাহিনীর কতজন সদস্য মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদক প্রাপ্ত হয়েছেন?
  1. ৬৮ জন
  2. ৫০ জন
  3. ৪৮ জন
  4. ৫১ জন
সঠিক উত্তর:
৪৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ জন
ব্যাখ্যা

১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

এবার আমাদের প্রশ্নে আসা যাক,
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদক প্রাপ্ত -
সেনাবাহিনী - ৪৮ [লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিমকে বাদ দিয়ে]
নৌ বাহিনী - ৮
বিমান বাহিনী - ৬
গণবাহিনী - ৫

এছাড়া, ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে গিয়ে শহীদ হন কর্ণেল জামিল। তিনি ২০০৯ সালে বীর উত্তম উপাধি পান।
অর্থাৎ, শুধুমাত্র মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব ‘বীর উত্তম’ পদকপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী থেকে - ৪৮ জন
এবং কর্ণেল জামিলসহ ‘বীর উত্তম’ পদকপ্রাপ্ত সেনাবাহিনী থেকে - ৪৯ জন।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।

২,৪৭৭.
দেশের সর্বশেষ শিক্ষা বোর্ড কোনটি?
  1. দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড
  2. ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
  3. বরিশাল শিক্ষা বোর্ড
  4. সিলেট শিক্ষা বোর্ড
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ শিক্ষা বোর্ড
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে মোট ১১টি শিক্ষা বোর্ড রয়েছে।
এগুলো হলো:
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা (৭ মে ১৯২১)
- বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড (১৯৫৪)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী (১৯৬১)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা (১৯৬২)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, যশোর (১৯৬৫)
- বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড (১৯৭৮)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম (১৯৯৫)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল (১৯৯৯)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, সিলেট (১৯৯৯)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর (স্থাপিত : ২০০৬ সালে; কার্যক্রম শুরু ২০০৯ সালে)
- মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ (২৮ আগস্ট ২০১৭)
(তথ্যসূত্র: মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়)
২,৪৭৮.
বাংলাদেশ- ভারত ছিটমহল প্রটোকল সই হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সালে
ব্যাখ্যা
ছিটমহল বিনিময়:
- বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশ মিলে ১৬২টি ছিটমহলের মোট জমি ২৪ হাজার ২৭০.৮৩ একর।
- এর মধ্যে ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের আয়তন সাত হাজার ১১০.২০ একর এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ভারতের ১১১টি ছিটমহলের আয়তন ১৭ হাজার ১৫৮.৫ একর।

⇒ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক স্থলসীমা চুক্তি অনুসারে ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয়। 
- ছিটমহল বিনিময়ের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালের ১৬ মে নয়াদিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছিল। 

⇒ ২০১১ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং ঢাকা সফরের সময় বাংলাদেশের সাথে ছিটমহল সর্ম্পকিত একটি স্মারকচুক্তি স্বাক্ষর করেন। এচুক্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল যার অধিবাসী ৩৭,৩৩৪ এবং ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল যার জনসংখ্যা প্রায় ১৪,২১৫ জন।

⇒ ১ আগস্ট ২০১৫ রাত ১২টা ১ মিনিটে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের চুক্তি কার্যকর হয়। বিনিময়ের ফলে বাংলাদেশ পায় লালমনিরহাটে ৫৯টি, পঞ্চগড়ে ৩৬টি, কুড়িগ্রামে ১২টি, নীলফামারীতে ৪টি সহ মোট ১১১টি ছিটমহল।

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) বাংলাপিডিয়া।
২,৪৭৯.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন -
  1. ক) ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) ইউসুফ আলী
  4. ঘ) এম মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন ইউসুফ আলী।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১০ এপ্রিল ১৯৭১ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
২,৪৮০.
মুক্তিযুদ্ধকালীন ৮ নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. মেজর চিত্তরঞ্জন দাশ
  2. মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
  3. মেজর আবু হায়দার চৌধুরী
  4. মেজর জিয়াউর রহমান 
সঠিক উত্তর:
মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর আবু ওসমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধকালীন ৮ নং সেক্টর
- এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা।
- মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ  নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর। 
- এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল কল্যানীতে। 
- সেক্টরের সৈন্যদের মধ্যে ৩০০০ ছিল নিয়মিত বাহিনী এবং ২৫০০০ গেরিলা সৈন্য। 
 
• এই সেক্টরের সাতটি সাব-সেক্টর (কমান্ডারদের নামসহ) হচ্ছে: 
- বয়রা (ক্যাপ্টেন খোন্দকার নজমুল হুদা); 
- হাকিমপুর (ক্যাপ্টেন শফিক উল্লাহ); 
- ভোমরা (ক্যাপ্টেন সালাহউদ্দিন এবং পরে ক্যাপ্টেন শাহাবুদ্দীন); 
- লালবাজার (ক্যাপ্টেন এ.আর আযম চৌধুরী); 
- বানপুর (ক্যাপ্টেন মুস্তাফিজুর রহমান); 
- বেনাপোল (ক্যাপ্টেন আবদুল হালিম এবং পরে ক্যাপ্টেন তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী);
- শিকারপুর (ক্যাপ্টেন তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী এবং পরে লেফটেন্যান্ট জাহাঙ্গীর)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,৪৮১.
মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান কে?
  1. মন্ত্রী
  2. সচিব
  3. অতিরিক্ত সচিব
  4. সহকারী সচিব
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মন্ত্রী
ব্যাখ্যা

মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।

২,৪৮২.
বাংলাদেশের গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছিল কোন পার্লামেন্টারী ব্যবস্থার অনুসরণে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ব্রিটেন
  3. কানাডা
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটেন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ
- গণতন্ত্রায়ন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যবর্তী স্থানে।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষে বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়েছেল ব্রিটেনের উদারনৈতিক পার্লামেন্টারী ব্যবস্থার অনুসরণে।
- ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের নতুন যাত্রা শুরু হয়েছে।
- কিন্তু বাংলাদেশে প্রধান দু'টি রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের মধ্যে সমঝোতার অভাবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র সত্যিকারের প্রাতিষ্ঠানিক রূপ এখনও গ্রহণ করতে পারেনি।
- তবে বাংলাদেশের মানুষের গণতন্ত্রের স্পৃহা প্রবল, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের অধিকার রয়েছে।

উৎস: এসএসএইচএল , সমাজ বিজ্ঞান, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,৪৮৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে কয়টি?
  1. ১টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালের ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৪৮৪.
বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ এর নাম কি?
  1. ক) শাপলা
  2. খ) বিজয়
  3. গ) দোয়েল
  4. ঘ) অ্যাপল
সঠিক উত্তর:
গ) দোয়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দোয়েল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের তৈরি সর্ব প্রথম ল্যাপটপ ‘দোয়েল'। সূত্রঃ dw.com
২,৪৮৫.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. কৃষিজাত পণ্য
  2. পাট ও পাটজাত পণ্য
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. হিমায়িত খাদ্য
সঠিক উত্তর:
পাট ও পাটজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাট ও পাটজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
- ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানির পরিমাণ ছিলো ৩৩.৬৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- রপ্তানি আয়ের পরিমাণ অনুসারে প্রধান রপ্তানি পণ্যসমূহ:
- প্রথম : তৈরি পোশাক : ৮৩ শতাংশ
- দ্বিতীয় : পাট ও পাটজাত পণ্য : ২.৬২ শতাংশ
- তৃতীয় : কৃষিজাত পণ্য : ১.৪০ শতাংশ
- চতুর্থ : হিমায়িত পণ্য : ১.৩৫ শতাংশ
- পঞ্চম : চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য : ১.১১ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা : ২০২০, পৃষ্ঠা-৭৩)
২,৪৮৬.
’সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের’ আহ্বায়ক ছিলেন কে?
  1. আবুল কাসেম
  2. আব্দুল মতিন 
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
কাজী গোলাম মাহবুব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী গোলাম মাহবুব
ব্যাখ্যা

 ভাষা আন্দোলন:
- ১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত জনসভায় পাকিস্তানের নতুন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন জিন্নাহর অনুকরণে উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার নতুন ঘোষণা প্রদান করেন।
- এর প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ ৩০শে জানুয়ারি ধর্মঘট পালন করে।
- আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- ৩১শে জানুয়ারি কাজী গোলাম মাহবুবকে আহ্বায়ক করে নতুনভাবে সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।
৪ঠা ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ছাত্র বিক্ষোভ প্রদর্শিত হয়।
- ২১শে ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী সাধারণ হরতাল পালন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য,
 -  ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাসেম উদ্যেগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠা করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

২,৪৮৭.
বাংলাদেশের পোশাক খাত রফতানির দিক থেকে বর্তমানে বিশ্বে কোন অবস্থানে রয়েছে?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) পঞ্চম
  4. ঘ) ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
পোশাক খাতের রফতানির দিক দিয়ে বিশ্বে প্রথম স্থানে আছে চীন।
২য় এবং ৩য় স্থান নিয়ে বাংলাদেশ এবং ভিয়েতনামের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা বিদ্যমান।
সর্বশেষ ডাটা অনুসারে উত্তর করতে হবে অথবা লক্ষ করতে হবে অপশনে কি ২য় ও ৩য় দুটোই আছে কিনা।
প্রদত্ত অপশন থেকে আমরা উত্তর হিসেবে খ (দ্বিতীয়) বেছে নিচ্ছি।
২,৪৮৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'রাজধানী' সম্পর্কে বর্ণিত আছে?
  1. ২ নং অনুচ্ছেদ
  2. ২ক নং অনুচ্ছেদ
  3. ৪ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৫ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের অনুচ্ছেদ -
- ১ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্র,
- ২ নং অনুচ্ছেদ: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রধর্ম,
- ৩ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রভাষা,
- ৪ নং অনুচ্ছেদ: জাতীয় সঙ্গীত, জাতীয় পতাকা ও জাতীয় প্রতীক,
- ৪ক নং অনুচ্ছেদ: জাতির পিতার প্রতিকৃতি,
- ৫ নং অনুচ্ছেদ: রাজধানী,
- ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব,
- ৭ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের প্রাধান্য,
- ৭ক নং অনুচ্ছেদ: সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ,
- ৭খ নং অনুচ্ছেদ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
২,৪৮৯.
জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা কতজন?
  1. ৩০০ জন
  2. ৩৪৫ জন
  3. ৩৫০ জন
  4. ৩৫৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩৫০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ। জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা ৩৫০জন। এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সদস্য ৩০০ জন। অন্যজন ৫০ জন সদস্য নির্বাচিত সাংসদদের ভোটে মহিলাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হয়ে থাকেন।

জাতীয় সংসদের ১ নং আসন পঞ্চগড়-১ এবং ৩০০ নং আসন বান্দরবান।
বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে। সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।

(তথ্যসূত্র: নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট)
২,৪৯০.
বাংলাদেশের কোন জেলায় ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী বসবাস করে না?
  1. কুমিল্লা
  2. রাজবাড়ি
  3. রংপুর
  4. চাঁদপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

- রংপুরে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী বসবাস করে না. 

ত্রিপুরা:
- বাংলাদেশের ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশ পার্বত্য চট্টগ্রামে বাস করে।
- তিন পার্বত্য জেলা ছাড়াও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠী সমতল এলাকার কুমিল্লা, সিলেট, বৃহত্তর চট্টগামের বিভিন্ন উপজেলা, রাজবাড়ি, চাঁদপুর, ফরিদপুর ইত্যাদি অঞ্চলেও বর্তমানে বসবাস করে।
- এরা ছিল বর্তমান বারীয় রাজ্য ত্রিপুরার পার্বত্য এলাকার অধিবাসী।
- পরবর্তীতে এরা নিজ এলাকা ছেড়ে বাংলাদেশের মূলত কুমিল্লা, সিলেট এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় বসতি স্থাপন করে।
- অনেকের মতে, টিপরারা আসাম, বার্মা এবং থাইল্যাণ্ডের অধিবাসী সাধারণ এক উপজাতির পূর্বপুরুষ বডো জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। 
- এ জাতির মূল অংশ বাস করছে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে। ত্রিপুরা রাজ্য ছাড়াও ভারতের মিজোরাম , আসাম প্রভৃতি প্রদেশেও অনেক ত্রিপুরা বাস করে। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

২,৪৯১.
প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ২ক
  3. অনুচ্ছেদ ২
  4. অনুচ্ছেদ ৪ক
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২ক
ব্যাখ্যা

প্রথম ভাগ- প্রজাতন্ত্র: 
- ১নং অনুচ্ছেদঃ প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ ২৷ প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
- অনুচ্ছেদ ২ক এ রাষ্ট্রধর্ম নিয়ে বলা আছে।
- [২ক। প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম, তবে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রীষ্টানসহ অন্যান্য ধর্ম পালনে রাষ্ট্র সমমর্যাদা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করিবেন]

অন্যদিকে,
- ৩নং অনুচ্ছেদঃ রাষ্ট্রভাষা।
- ৪নং অনুচ্ছেদঃ জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- ৪ক। জাতির পিতার প্রতিকৃতি।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২,৪৯২.
ছয় দফার প্রথম দফা কোনটি? 
  1. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি
  2. মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক
  3. রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক
  4. বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য
সঠিক উত্তর:
শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি
ব্যাখ্যা

- পাক-ভারত যুদ্ধ সমাপ্ত হলে ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে নিখিল পাকিস্তান জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সভায় শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- শেখ মুজিবুর রহমান সম্মেলনে যোগদানের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন।
- এতে পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীকার আন্দোলনের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে মোট ২১ সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেন।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার দফাসমূহ
প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,৪৯৩.
তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোন দেশ সহায়তা করবে?
  1. জাপান
  2. কোরিয়া
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা

তিস্তা মহাপরিকল্পনা:
- তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে চীন।
- তিস্তা প্রকল্পের প্রথম পর্যায় বাস্তবায়নে ব্যয় হবে ৭৫ কোটি ডলার।
- চীনের রাস্ট্রদূত জানান, তিস্তা প্রকল্পের বিষয়টিতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সঙ্গে তারা কাজ করছেন।
- চীনের বিশেষজ্ঞ দল তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাবনা যাচাই শেষে অক্টোবর, ২০২৫-এর মধ্যে তিস্তা মহাপরিকল্পনার ডিজাইন চূড়ান্ত হবে।
- ২০২৬ সালে এ প্রকল্পের কাজ শুরু করে ২০২৯ সালে শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- মহাপরিকল্পনায় তিস্তা নদীর ডান-বাম উভয় তীর ঘেঁষে ২২০ কিলোমিটার উঁচু গাইড বাঁধ, রিভার ড্রাইভ, হোটেল-মোটেল-রেস্তোরাঁ, পর্যটন কেন্দ্র, ১৫০ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুতকেন্দ্র, শিল্প-কারখানা, ইপিজেড, ইকোনমিক জোন, কয়েক লাখ হেক্টর কৃষি জমি উদ্ধার, বনায়ন ইত্যাদি রয়েছে। 
- এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে তিস্তা পাড় হয়ে উঠবে পূর্ব চীনের জিয়াংসু প্রদেশের সুকিয়ান সিটির মতো সুন্দর নগরী।

উৎস: i) প্রথম আলো।
         ii) দৈনিক ইনকিলাব।

২,৪৯৪.
মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণের দলিল কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
  2. খ) শিশুপার্ক
  3. গ) লালদিঘী ময়দান
  4. ঘ) রমনা পার্ক
সঠিক উত্তর:
ক) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সোহরাওয়ার্দী উদ্যান
ব্যাখ্যা

ভারতীয় সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের চীফ অব স্টাফ মেজর জেনারেল জ্যাকব পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের খসড়া দলিল নিয়ে অপরাহ্ণ এক ঘটিকায় ঢাকা বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। লেফটেন্যান্ট জেনারেল অরোরা এক হেলিকপ্টার বহরে তাঁর সহকর্মীদের নিয়ে বিকাল চারটায় ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছেন।
পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধিত্ব করেন ডেপুটি চীফ অব স্টাফ গ্রুপ-ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

২,৪৯৫.
পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র 'জুটন' কে আবিষ্কার করেন?
  1. মোবারক আহমেদ খান
  2. কাজী হামিদুল হক
  3. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
  4. আব্দুল খালেক
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
ব্যাখ্যা
জুটন:
- জুটন হচ্ছে পাট ও তুলার সংমিশ্রণে তৈরি বস্ত্র।
- এর আবিষ্কারক ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- এখানে পাট ও সুতার অনুপাত ৭০ : ৩০।
- এ প্রক্রিয়ায় তুলার আঁশের তৈরি বস্ত্রের বিকল্প হিসেবে এক ধরনের নতুন বস্ত্র উদ্ভাবনের জন্য পাট ও তুলার আঁশ নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশানো হয়।

অন্যদিকে,
⇒ জুটিন:
- পাট থেকে ঢেউটিনের আবিষ্কার করেন ড. মোবারক আহমেদ খান।
- পাট (Jute) দিয়ে তৈরী বলে এ টিনের নাম জুটিন (Jutin).
- তাঁর অন্যান্য আবিষ্কারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- সোনালি ব্যাগ, হেলমেট ও টাইলস।
- তাঁর তৈরি সোনালি ব্যাগ বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হচ্ছে।

উৎস: i) বাংলা পিডিয়া।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
২,৪৯৬.
’স্বত্ববিলোপ নীতি‘ আরোপ করেন কে?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড ওয়েলেসলি
  4. লর্ড হেস্টিংস
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা

লর্ড ডালহৌসি:
- ব্রিটিশ সরকার ভারতে সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য যে-সব নীতি অবলম্বন করে সেগুলির মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হল স্বত্ববিলোপ নীতি।, কোনো ব্রিটিশ আশ্রিত দেশীয় রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে সেই রাজ্যটি সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবে এই নীতি স্বত্ববিলোপ নীতি নামে পরিচিত।
- স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তক- লর্ড ডালহৌসি।
- ১৮৪৮ খ্রি: স্বত্ববিলোপ নীতির প্রবর্তন করা হয়।
- স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে ডালহৌসি সর্বপ্রথম সাঁতারা রাজ্য দখল করেন
- স্বত্ববিলোপ নীতি বাতিল করেন-মহারানি ভিক্টোরিয়া।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।

২,৪৯৭.
'ঢাকেশ্বরী মন্দির' কোন শাসনামলে নির্মিত হয়?
  1. পাল
  2. সেন
  3. মুঘল
  4. সুলতানি
সঠিক উত্তর:
সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেন
ব্যাখ্যা
ঢাকেশ্বরী মন্দির:
- বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত ঢাকেশ্বরী একটি মন্দির।
- এই মন্দিরটি বাংলাদেশের জাতীয় মন্দির হিসেবে পরিচিত।

⇒ ঢাকার পুরোনো ইতিহাস ঐতিহ্য এবং সনাতন ধর্মের সবচেয়ে বড় নিদর্শন হলো ঢাকার শ্রী শ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির।
- মন্দির অঙ্গনে প্রবেশের জন্য রয়েছে একটি সিংহদ্বার।
- সিংহদ্বারটি নহবতখানা তোরণ নামে অভিহিত।

⇒ ধারণা করা হয়, সেন রাজবংশের রাজা বল্লাল সেন ১২শ শতাব্দীতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- তবে সেই সময়কার নির্মাণশৈলীর সঙ্গে এর স্থাপত্যকলার মিল পাওয়া যায় না বলেও অনেক ইতিহাসবিদ মনে করেন।
- এটি ঢাকার আদি ও প্রথম মন্দির।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,৪৯৮.
জাতীয় সংসদে 'আয়কর বিল, ২০২৩' পাস হয় -
  1. ক) জুন ১৮, ২০২৩
  2. খ) জুন ১৯, ২০২৩
  3. গ) জুন ২০, ২০২৩
  4. ঘ) জুন ২১, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
ক) জুন ১৮, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জুন ১৮, ২০২৩
ব্যাখ্যা
আয়কর বিল, ২০২৩':
- আয়কর বিল-২০২৩ পাশ হয়েছে।
- ১৮ জুন, ২০২৩ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বিলটি প্রস্তাব করেন।
- এ সময় সরকারি দল ও বিরোধী দলের কয়েকজন সংসদ সদস্যদের বেশ কয়েকটি সংশোধনী সংসদে গ্রহণ করা হয়।

উৎস: ১৮ জুন ২০২৩, যুগান্তর।
২,৪৯৯.
আওয়ামী লীগ সরকারের সর্বশেষ বাজেট কে উত্থাপন করেন?
  1. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
  2. শেখ হাসিনা
  3. আ হ ম মুস্তফা কামাল
  4. আবুল মাল আব্দুল মোহিত
সঠিক উত্তর:
আ হ ম মুস্তফা কামাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ হ ম মুস্তফা কামাল
ব্যাখ্যা
• ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট  
- এটি দেশের ৫২তম, আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের ২৪তম ও আ হ ম মুস্তফা কামালের পঞ্চম বাজেট।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটের আকার এর আগের অর্থবছরের চেয়ে ১২ দশমিক ৩৪ শতাংশ বড়।
- বাজেটটি ৫০ লাখ ৬ হাজার ৬৭২ কোটি টাকার প্রাক্কলিত জিডিপির ১৫ দশমিক ২১ শতাংশ।
-  বাজেটে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা, যা মোট জিডিপির ৫ দশমিক ২ শতাংশ।
- ঘাটতি মেটাতে বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ২ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা এবং অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৯৫ কোটি টাকা সংগ্রহের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী।
- রাজস্ব হিসেবে ৫ লাখ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
- লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সংগ্রহ করবে ৪ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা এবং অন্যন্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা হবে আরও ৭০ হাজার কোটি টাকা।
- প্রস্তাবির বাজেটে ব্যয়ের খাতগুলোর মধ্যে পরিচালন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ লাখ ৭৫ হাজার ২৮১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন ব্যয় ২ লাখ ৭৭ হাজার ৫৮২ কোটি টাকা।

• খাতভিত্তিক বরাদ্দ
- বাজেটে ১৩টি খাতে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৭৮৫ কোটি টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে।
- খাতভিত্তিক বরাদ্দ হলো
• জনসেবা খাতে ২ লাখ ৭০ হাজার ২৭০ কোটি টাকা,
• স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন খাতে ৪৯ হাজার ৩৪২ কোটি টাকা,
• প্রতিরক্ষা খাতে ৪২ হাজার ১৪২ কোটি টাকা,
• জন নিরাপত্তা খাতে ৩২ হাজার ২৬৫ কোটি টাকা,
• শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে ১ লাখ ৪ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা, স্বাস্থ্য খাতে ৩৮ হাজার ৫০ কোটি টাকা,
• সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে ৪০ হাজার ৮৫২ কোটি টাকা,
• আবাসন খাতে ৭ হাজার ৪২৮ কোটি টাকা,
• বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে ৩৪ হাজার ৮১৯ কোটি টাকা,
• শিল্প ও অর্থনৈতিক সেবা খাতে ৫ হাজার ৫৮৮ কোটি টাকা,
• পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে ৮৭ হাজার ৬২৫ কোটি টাকা,
• কৃষি খাতে ৪৩ হাজার ৭০৩ কোটি টাকা
• এবং বিনোদন, সংস্কৃতি ও ধর্ম খাতে ব্যয় ৫ হাজার ৫৬২ কোটি টাকা।

উৎস:- জাতীয় বাজেট ২০২৩।
২,৫০০.
ঐতিহাসিক ছয় দফার দ্বিতীয় দফা কোনটি?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন,
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফা: মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফা: রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফা: বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।