বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২৩ / ৩০৬ · ২,২০১২,৩০০ / ৩০,৮৩২

২,২০১.
'বাহারীস্তান ই গায়েবী' কে লিখেছেন?
  1. ক) আবুল ফজল
  2. খ) মির্জা বুরহান
  3. গ) মির্জা কামরান
  4. ঘ) মির্জা নাথান 
সঠিক উত্তর:
ঘ) মির্জা নাথান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মির্জা নাথান 
ব্যাখ্যা
• 'বাহারীস্তান ই গায়েবী:
- 'বাহারীস্তান ই গায়েবী' লিখেছেন - মির্জা নাথান।
- বাহারিস্তান-ই-গায়েবী বাংলার মুগল সেনাপতি আলাউদ্দীন ইসফাহান ওরফে মির্জা নাথান রচিত একটি গ্রন্থ।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে মির্জা নাথানের লেখা বাহারীস্তান ই গায়েবী গ্রন্থে সতের শতকের প্রথম দশকে ভাটি অঞ্চলে স্বাধীন জমিদারদের যে তালিকা পাওয়া যায় এ মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বলা হয় মুসা খান ‘মসনদ-ই-আলা’কে। ১৫৯৯ সালে তিনি জমিদার হন।

- তার রাজ্যসীমা ছিল ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ, ত্রিপুরার কিছু অংশ এবং সুসঙ্গ ছাড়া ময়মনসিংহের সম্পূর্ণ এলাকা।
- এসময়ের আরেকজন শক্তিশালী জমিদার ছিলেন যশোরের রাজা প্রতাপাদিত্য। তাঁর রাজ্যের পরিধি বর্তমান যশোর, খুলনা ও বাখেরগঞ্জ জেলা নিয়েছিল।
- তার রাজ্য পশ্চিম দিকে ভাগিরথী নদী পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

এ ছাড়াও সিলেট এলাকায় বায়জিদ কররানি ও তার অধীনস্থ আফগানদের নিয়ন্ত্রণ ছিল। এ সময় ভুলুয়া রাজ্য ছিল রাজা অনন্ত মানিক্যের নিয়ন্ত্রণে।
- এই রাজ্যটির অবস্থান বর্তমান বৃহত্তর নোয়াখালী। বানিয়াচঙ্গের জমিদার আনোয়ার গাজীও ছিলেন স্বাধীন জমিদারদের মধ্যে একজন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২০২.
'শাপলা চত্ত্বর' এর স্থপতি কে?
  1. মৃণাল কান্তি দাস
  2. মাইনুল হাসান
  3. আজিজুল জলিল পাশা
  4. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
সঠিক উত্তর:
আজিজুল জলিল পাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজিজুল জলিল পাশা
ব্যাখ্যা

•শাপলা চত্ত্বর:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে অবস্থিত 'শাপলা চত্ত্বর'- এর স্থপতি আজিজুল জলিল পাশা।

- বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এই শাপলা (জলপদ্ম প্রজাতির শালুক)।
- ভাস্কর্যটি একটি ঝরনা দ্বারা বেষ্টিত।
- আজিজুল জলিল পাশার আরেকটি বিখ্যাত কীর্তি হচ্ছে - ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলের সামনে অবস্থিত - 'দোয়েল চত্বর'।
- এটি ১৯৭৪ সালে নির্মিত হয়েছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,২০৩.
লর্ড রিপন কর্তৃক গঠিত শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. রিপন কমিশন
  2. হান্টার কমিশন
  3. নাথান কমিশন
  4. পাওয়েল কমিশন
সঠিক উত্তর:
হান্টার কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হান্টার কমিশন
ব্যাখ্যা
• হান্টার কমিশন:
- লর্ড রিপন 'হান্টার কমিশন' নামে শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হলো হান্টার কমিশন।
- এটি ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হান্টার কে প্রধান করে গঠিত হয়।
- এতে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন।

• লর্ড রিপন:
- লর্ড রিপন স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- তিনি আফগান সীমান্ত সমস্যার সন্তোষজনক সমাধান করেন।
- তাঁর আমলে দেশীয় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮৮৫ খ্রীষ্ঠাব্দের রাজস্ব ও প্রজাস্বত্ব আইন তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- তিনি ফ্যাক্টরি আইন পাস করে শ্রমিকদের জন্য দৈনিক ৮ ঘন্টা কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করেন।
- তিনি ইলবার্ট বিল পাস করে ইউরোপীয় ও ভারতীয়দের জাতিগত বৈষম্য নিরসনে সচেষ্ট হন।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
২,২০৪.
বর্তমান বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা কত স্তর বিশিষ্ট?  
  1. দুই স্তর
  2. তিন স্তর
  3. চার স্তর
  4. পাঁচ স্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন স্তর
ব্যাখ্যা

• স্থানীয় সরকার কাঠামো:
- বাংলাদেশে বর্তমানে 'তিন স্তরবিশিষ্ট' স্থানীয় সরকার কাঠামো লক্ষ করা যায়। 
- যথা- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ। 
- এছাড়া শহরগুলোতে পৌরসভা, বড় শহরে সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ও তিন পার্বত্য জেলায় তিনটি (খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, রাঙামাটি) স্থানীয় জেলা পরিষদ রয়েছে। 
- উল্লিখিত তিন স্তরের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদকেই নিচের দিকে সবচেয়ে কার্যকর ইউনিট বলে মনে করা হয়ে থাকে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হচ্ছে ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ। 
- শহর এলাকায় রয়েছে পৌরসভা, জেলা পরিষদ ও সিটি কর্পোরেশন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২০৫.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র ছিলো কোন পত্রিকাটি?
  1. মুক্তির ডাক
  2. জয়বাংলা
  3. মুক্তির বাণী
  4. স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
জয়বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়বাংলা
ব্যাখ্যা
সাপ্তাহিক জয়বাংলা:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বাংলা সাপ্তাহিক মুখপত্র।
- পত্রিকাটি মূলত ছিল মুজিবনগরে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের একটি প্রচার মাধ্যম।
- এর লক্ষ্য ছিল একদিকে মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি ও মুক্তিযোদ্ধাদের কৃতিত্ব জনসমক্ষে তুলে ধরা এবং অন্যদিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্বজনমত সৃষ্টি ও আন্তর্জাতিক সমর্থন লাভ।

- পত্রিকাটি প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের প্রকাশনা, তথ্য, বেতার ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় প্রকাশিত হয়।
- এই বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত আবদুল মান্নান এমএন-এর উপর পত্রিকাটির সার্বিক ব্যবস্থাপনা ও প্রকাশনার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল।
- তিনি ছিলেন পত্রিকার সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি।
- সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ছিলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী, ইবনে গোলাম সামাদ, মাহবুব উল্লাহ চৌধুরী, আবদুর রাজ্জাক চৌধুরী, মোঃ সলিমুল্লাহ, আসাদ চৌধুরী, আবুল মঞ্জুর, মোহাম্মদ খালেদ, অনু ইসলাম।
- মোঃ জিল্লুর রহমান এমপি ছিলেন সম্পাদক মন্ডলীর উপদেষ্টা।
- পশ্চিমবঙ্গের কয়েকজন বাঙালি শিল্পপতি পত্রিকাটির প্রকাশনায় আর্থিক সহায়তা দান করেন।
- পত্রিকার জন্য নিউজপ্রিন্ট কাগজের যোগান দিতেন কলকাতার আনন্দবাজার গ্রুপ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
২,২০৬.
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?
  1. ক) মনির চৌধুরী
  2. খ) হাসান হাফিজুর রহমান
  3. গ) শামসুর রহমান
  4. ঘ) গাজীউল হক
সঠিক উত্তর:
খ) হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকা:

- হাসান হাফিজুর রহমান ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদক।
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সম্পাদনা - “একুশে ফেব্রুয়ারি”।
- এটি ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- হাসান হাফিজুর রহমানের সাহিত্যচর্চার শুরু ছাত্রজীবনথেকেই।
- ১৯৪৬ সালে স্কুলে পড়া অবস্থায় তাঁর প্রথম রচনা একটি ছোটগল্প 'অশ্রুভেজা পথ চলতে' সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৯ সালে সোনার বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কবিতা। এ বছর তিনি 'ঢাকা প্রগতি লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ'-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং এ বছরই তাঁর বিখ্যাত কবিতা 'অমর একুশে' রচিত হয়।
- ১৯৫৩ সালে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারী।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,২০৭.
মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. স্পিকার
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২,২০৮.
বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে কত সালে?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে ২৫ ডিসেম্বর ১৯৬৪ তারিখে। 
- শিক্ষা এবং বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান নির্মাণের পাশাপাশি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন নিশ্চিত করা এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে সমুন্নত রেখে দেশ ও জনগণের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অবদান রাখা এ জাতীয় গণমাধ্যমের দায়িত্ব।
- প্রতিদিন বাংলা ও ইংরেজি ভাষায় ৯ টি সংবাদ বুলেটিনসহ বিটিভি সম্প্রচার করছে নাটক, প্রামাণ্যচিত্র, সংগীত, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও তথ্য বিষয়ক নানা অনুষ্ঠান।

উল্লেখ্য,
- সরকারি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭২ তারিখে।
- রঙ্গীন সম্প্রচার শুরু করে ১৯৮০ সালে।
- বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয় ১১ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে। 
- মোবাইল টিভি সম্প্রচার শুরু (টেলিটক মোবাইলে) করে ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে।

⇒ পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্র -২টি
(ক) ঢাকা টেলিভিশন কেন্দ্র,
(খ) চট্টগ্রাম টেলিভিশন কেন্দ্র।

⇒ উপকেন্দ্র/রিলে কেন্দ্র-১৪টি
- নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

উৎস: বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
২,২০৯.
২০২৪ সালের জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে আয়োজিত কনসার্টটির নাম কী ছিল?
  1. Voices of Change
  2. Songs for Justice 
  3. Echoes of Freedom: Charity Concert
  4. Echoes of Revolution: Charity Concert 
সঠিক উত্তর:
Echoes of Revolution: Charity Concert 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Echoes of Revolution: Charity Concert 
ব্যাখ্যা

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে আয়োজিত কনসার্টটির নাম-  Echoes of Revolution: Charity Concert.
---------------------------------------------------------- 
• Echoes of Revolution: Charity Concert:
- তারিখ: ২১ ডিসেম্বর ২০২৪।
- ভেন্যু: আর্মি স্টেডিয়াম, ঢাকা।
- আয়োজক: Spirits of July এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
- উদ্দেশ্য:
- জুলাই–আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারের সহায়তার জন্য এই কনসার্টের আয়োজন করা হয়।
- দেশজুড়ে আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ ও মানবিক সহযোগিতার বার্তা ছড়িয়ে দিতে এই কনসার্টটি বিশাল সাড়া ফেলে।

উৎস: The Daily Star. 

২,২১০.
'এক সাগর রক্তের বিনিময়ে' গানটির শিল্পী কে?
  1. স্বপ্না রায়
  2. শাহনাজ রহমত উল্লাহ
  3. নন্দিতা ঘোষ
  4. ফেরদৌসী বেগম
সঠিক উত্তর:
স্বপ্না রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বপ্না রায়
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ জয় বাংলা, বাংলার জয়:
- গীতিকার: গাজী মাজহারুল আনোয়ার।
- সুরকার: আনোয়ার পারভেজ।
- শিল্পী: শাহনাজ রহমত উল্লাহ।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
২,২১১.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী বলে পরিচিত হবেন?
  1. ৫(১)
  2. ৫(২)
  3. ৬(১)
  4. ৬(২)
সঠিক উত্তর:
৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬(২)
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানের মোট এগারটি ভাগ রয়েছে। 
- বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগ প্রজাতন্ত্র (১-৭খ)।
- অনুচ্ছেদ ৬(১) অনুযায়ী -  বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
- অনুচ্ছেদ ৬(২)  অনুযায়ী - বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ৫ (১) অনুযায়ী- প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা ৷ 
- অনুচ্ছেদ (২) অনুযায়ী- রাজধানীর সীমানা আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে৷

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান ।

২,২১২.
দেশে প্রথম পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয় কোথায়?
  1. ক) খুলশী
  2. খ) রামু
  3. গ) মালিনীছড়া
  4. ঘ) সীতাকুণ্ড
সঠিক উত্তর:
খ) রামু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রামু
ব্যাখ্যা
১৯৬০ সালে বনবিভাগের উদ্যোগে কক্সবাজার জেলার রামুতে ৩০ একর এবং চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে ১০ একর জমিতে প্রথম রাবার বাগান গড়ে তোলা হয়। এর মাধ্যমেই বাংলাদেশে পরিকল্পিতভাবে রাবার চাষ শুরু হয়।

বর্তমানে চট্টগ্রাম, সিলেট ও টাঙ্গাইল-শেরপুর অঞ্চলে মোট ১৮টি রাবার বাগান রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
২,২১৩.
খুলনা কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের নাম কী?
  1. ক) যমুনা
  2. খ) বন্ধন
  3. গ) একতা
  4. ঘ) মৈত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) বন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বন্ধন
ব্যাখ্যা
ঢাকা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের নাম ''মৈত্রী এক্সপ্রেস'' এবং খুলনা-কলকাতা ট্রেন সার্ভিসের নাম ''বন্ধন এক্সপ্রেস''।
Source: railway.gov.bd
২,২১৪.
বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের কতটি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে?
  1. ১২৭টি
  2. ১২৮টি
  3. ১২৯টি
  4. ১৩০টি
সঠিক উত্তর:
১৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩০টি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর শাসনামল: 
- বঙ্গবন্ধু সরকার বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সবার উপরে স্থান দিয়েছেন।
- মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে সাহায্য সহযোগিতা করায় ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়নসহ অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আস্তরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
- মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করায় বঙ্গবন্ধু সরকার প্রথম দিকে মার্কিন সাহায্য গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।
- তবে বঙ্গবন্ধু সরকার দেশের স্বার্থে পুঁজিবাদী ও মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
- তারপরও বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৩০টি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে।
- এ ছাড়া জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ ও ইসলামি সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদসহ ১৪টি আস্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২১৫.
মহাস্থানগড় প্রাচীন বাংলার কোন জনপদের রাজধানী ছিল?
  1. গৌড়
  2. পুণ্ড্র
  3. বঙ্গ
  4. রাঢ়
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র:
- পুণ্ড্র শব্দের অর্থ আখ বা ইক্ষু।
- প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র।
- খুব সম্ভবত পুণ্ড্র বলে একটি জনগোষ্ঠী এ জনপদ গড়ে তুলেছিল।
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর এলাকা নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল।
- রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর। পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়।
- মহাস্থানগড় প্রাচীন পুণ্ড্র নগরীর ধ্বংসাবশেষ বলে পণ্ডিতেরা মনে করেন।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে সমৃদ্ধ নগরসভ্যতা।
- পাথরের চাকতিতে খোদাই করা লিপি এখানে পাওয়া যায়। লিপিটির নাম মহাস্থান ব্রাহ্মীলিপি।
- ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে প্রাপ্ত এটিই প্রাচীনতম শিলালিপি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,২১৬.
'ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট' গঠন করেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. আবুল কাশেম ফজলুল হক
  3. মাওলানা আতাহার আলী
  4. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
এন. ডি. এফ:
- এন. ডি. এফ এর পূর্ণরূপ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট।
- এটি গঠিত হয় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে।
- ১৯৬২ সালে আইয়ুব বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়।
- আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে বা এন. ডি. এফ গঠিত হয়।
- এই ফ্রন্ট ১৯৬২ সালে গঠিত হয়।
- এই ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়া।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২১৭.
বাংলা ভাষার প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্ল্যাটফর্মের নাম কী?
  1. কলম ডট এআই
  2. কাগজ ডট এআই
  3. বাংলা ডট এআই
  4. ভাষা ডট এআই
সঠিক উত্তর:
কাগজ ডট এআই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাগজ ডট এআই
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম:
- ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ বাংলা ভাষার জন্য এই প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘কাগজ ডট এআই’ চালু করা হয়েছে।
- ‘কাগজ ডট এআই’ বাংলা ভাষাভিত্তিক লেখালেখি, দাপ্তরিক নথি প্রস্তুত, ভাষা প্রক্রিয়াকরণ ও কনটেন্ট তৈরিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার নিশ্চিত করবে, যা বাংলা ভাষার ডিজিটাল অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
- একই সঙ্গে নতুন বাংলা ফন্ট ‘জুলাই’ দাপ্তরিক ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- উদ্বোধন হওয়া দু’টি সেবা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল থেকে বাস্তবায়নাধীন ‘গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ’ প্রকল্পের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র- বাসস। [link]

২,২১৮.
বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা কী ধরনের?
  1. রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. সংসদীয়
  3. নিয়মতান্ত্রিক রাজতন্ত্র
  4. একনায়কতন্ত্র
সঠিক উত্তর:
সংসদীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদীয়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের স্বরূপ:
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার, যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত, গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র, যেখানে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
- দেশে সংসদীয় পদ্ধতির এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে। 
- এই ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান।

- রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্যান্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন। 
- সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রদত্ত এবং তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করেন।
- সংসদীয় রীতি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার উপর ন্যস্ত। 
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়বদ্ধ থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

২,২১৯.
জনপ্রতি বার্ষিক আয়কে কী বলে?
  1. জাতীয় আয়
  2. নিট আয়
  3. জিডিপি
  4. মাথাপিছু আয়
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথাপিছু আয়
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয় (Per-Capita Income): 
- সাধারণত মাথাপিছু আয় বলতে জনপ্রতি বার্ষিক আয়কে বোঝায়।
- কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে কোন দেশের মোট জাতীয় আয়কে ঐ বছরের মধ্যসময়ের মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করলেই মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়।
- World Development Report 2010 অনুযায়ী Per-Capita is Gross National Income (GNI) divided by midyear population.

মোট জাতীয় আয় (Gross National Income বা GNI):
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত আর্থিক বছরে কোনো দেশের নাগরিকগণ কর্তৃক যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপন্ন হয় তার বাজারমূল্যের সমষ্টিকে মোট জাতীয় আয় (GNI) বলে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই। 
২,২২০.
উল্লিখিত ব্যক্তিদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ নন কে?
  1. ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ
  2. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  3. সিপাহী হামিদুর রহমান
  4. সিপাহী মোস্তফা কালাম
সঠিক উত্তর:
সিপাহী মোস্তফা কালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী মোস্তফা কালাম
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করেন।
- এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নোবাহিনীর একজন করে।

বীরশ্রেষ্ঠরা হলেন:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী,
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী, 
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী, 
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী, 
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী,  
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : সাবেক ই. পি. আর,.
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : সাবেক ই. পি. আর।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাগো নিউজ।
২,২২১.
'রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'-এই মামলা থেকে ১৯৬৯ সালের কত তারিখে পাকিস্থান সরকার জাতির পিতাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়?
  1. ২২ জানুয়ারি
  2. ২২ ফেব্রুয়ারি
  3. ২২ মার্চ
  4. ২২ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
২২ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- প্রথম আসামী - শেখ মুজিবুর রহমান।
- শেষ আসমী ছিলেন - লে. আবদুর রউফ।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।

- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়।

- ১৯৬৮ সালের ৫ আগস্ট ব্রিটিশ আইনজীবী ও ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্য টমাস উইলিয়াম শেখ মুজিবের পক্ষে ট্রাইব্যুনাল গঠন সংক্রান্ত বিধানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট আবেদন পেশ করেন।
- বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনায় তাঁর সহযোগী ছিলেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- সরকার পক্ষে প্রধান কৌশুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মঞ্জুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ খান।
- ৩ সদস্য বিশিষ্ট ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি এস এ রহমান। তিনি ছিলেন অবাঙালি। অপর দুজন এম আর খান ও মুকসুমুল হাকিম ছিলেন বাঙালি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
২,২২২.
বর্তমানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাসিক সম্মানি ভাতা কত?
  1. ক) ৫,০০০ টাকা
  2. খ) ১০,০০০ টাকা
  3. গ) ১৫,০০০ টাকা
  4. ঘ) ২০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
অর্থ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানী ভাতা বাবদ ৩ হাজার ৩০৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল। তখন তাঁরা মাসিক সম্মানী ভাতা পেতেন ১০ হাজার টাকা করে।
২০১৯-২০ অর্থবছরের মাসিক সম্মানী ভাতা ১২ হাজার টাকা করা হয়।
এবং বর্তমানে তা বেড়ে ২০০০০ টাকা হয়েছে।
প্রথম আলো
২,২২৩.
BTCL-এর পূর্ণরূপ -
  1. Bangladesh Telecommunications Company Limited
  2. Bangladesh Television Company Limited
  3. Bangladesh Telegram Company Limited
  4. Bangladesh Tobacco Company Limited
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Telecommunications Company Limited
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Telecommunications Company Limited
ব্যাখ্যা
BTCL:
- BTCL-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Telecommunications Company Limited. 
- বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ডের বর্তমান নাম BTCL. 
- বিটিসিএল বাংলাদেশের সরকারি টেলিফোন সংস্থা ও বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ টেলিযোগাযোগ কোম্পানি।
- The Bangladesh Telegraph and Telephone Board Ordinance, 1979 এর বিধান অনুসারে বাংলাদেশ তার ও টেলিফোন বোর্ড (বিটিটিবি) গঠিত হয়। 
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় বিটিটিবিকে বিলুপ্ত করে কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর অধীনে যথাক্রমে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন্স কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) এবং বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড (বিএসসিসিএল) গঠন করা হয়। 
 
উৎস: টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
২,২২৪.
নিচের কোনটি ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ নামে পরিচিত?
  1. ক) একুশ দফা
  2. খ) আট দফা
  3. গ) ছয় দফা
  4. ঘ) এগারো দফা
সঠিক উত্তর:
গ) ছয় দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ছয় দফা
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক রচিত ছয়দফা দাবী কে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারী পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয়দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয়দফা উত্থাপন করেন।
- ৭ জুন ‘ছয়দফা দিবস’ পালিত হয়।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
২,২২৫.
বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল শহর হিসাবে ঢাকার অবস্থান কততম?  [ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টস, ২০২৫]
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা

• বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নগর: 
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের ‘ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টস ২০২৫’ প্রতিবেদনে ২০২৫ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল নগর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তা। 
- দ্বিতীয় অবস্থানেই রয়েছে ঢাকা। 
- ইউনাইটেড নেশনস ডিপার্টমেন্ট অব ইকোনমিক অ্যান্ড সোশ্যাল অ্যাফেয়ার্স এ প্রতিবেদনটি প্রস্তুত করেছে।
- প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে গত ১৮ নভেম্বর। 
- তবে প্রতিবেদনে আভাস দেওয়া হয়েছে, ২০৫০ সালে সবচেয়ে জনবহুল নগরের বৈশ্বিক তালিকায় জাকার্তা আবারও দ্বিতীয় স্থানে নেমে যাবে। 
- ওই সময় নগরটির (জাকার্তার) জনসংখ্যা হবে ৫ কোটি ১৮ লাখ। 
- জাকার্তাকে ছাড়িয়ে প্রথম স্থানে উঠে আসবে ঢাকা।

• ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টস ২০২৫: 
১) জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
২) ঢাকা, বাংলাদেশ
৩) টোকিও, জাপান
৪) নয়াদিল্লি, ভারত
৫) সাংহাই, চীন
৬) গুয়াংঝু, চীন
৭) কায়রো, মিশর
৮) মানিলা, ফিলিপাইন
৯) কলকাতা, ভারত
১০) সিউল, দক্ষিণ কোরিয়া

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রস্পেক্টস ২০২৫ ও প্রথম আলো। 

২,২২৬.
নিম্নের কোনটি ভুট্টার উন্নত জাত?
  1. বাহার
  2. শ্রাবণী
  3. সুমাত্রা
  4. মোহর
সঠিক উত্তর:
মোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহর
ব্যাখ্যা

ভুট্টা:
- ভুট্টা (বৈজ্ঞানিক নাম: Zea mays) একপ্রকারের খাদ্য শস্য।
- ধান ও গমের তুলনায় ভুট্টার পুষ্টিমান বেশী।
- এতে প্রায় ১১% আমিষ জাতীয় উপাদান রয়েছে। 
- বেলে দোআশ ও দোআশ মাটি ভুট্টা চাষের জন্য উপযোগী। 
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা, মোহর ও উত্তরণ।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।

উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট। 

২,২২৭.
জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি কে?
  1. ক) লুই কান
  2. খ) মাজহারুল হক
  3. গ) এফ আর খান
  4. ঘ) হামিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ক) লুই কান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) লুই কান
ব্যাখ্যা
১৯৫৯ সালে প্রথম ঢাকায় জাতীয় সংসদ ভবন কমপ্লেক্সটির পরিকল্পনা গৃহীত হয়। তখনকার খ্যাতনামা স্থপতি লুই কান ভবন কমপ্লেক্সটির নকশা প্রণয়নের দায়িত্ব পান। ১৯৬২ সালে মূল নকশা প্রস্তুত হয়। কমপ্লেক্সটির নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯৮২ সালে।
সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
২,২২৮.
সুন্দরবনকে কবে ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন: 
- সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত।
- একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলীর অন্যতম।
- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা এবং ভারতের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলায় অবস্থিত।
- সমগ্র সুন্দরবনের প্রায় ৬,০১৭ বর্গকিলোমিটার বাংলাদেশে স্থিত।
- সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ বনভূমির মৃত্তিকা ও বাস্তুসংস্থান অনন্য এবং এ বনভূমিতে জোয়ারভাটার কারণে জলাবদ্ধতা ও লবণাক্ততার প্রভাব সুস্পষ্ট।
- ১৯৯৬ সালে - সুন্দরবনে তিনটি অভয়ারণ্য ও ২০১২ সালে তিনটি ডলফিন অভয়ারণ্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- এবং ২০১৪ সালে সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড কে মেরিন প্রটেক্টেড এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বিধায় ১৯৯২ সালে সুন্দরবন ৫৬০তম রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- ইউনেস্কো ১৯৯৭ সালে সুন্দরবনের ১,৩৯,৭০০ হেক্টর বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য এলাকাকে ৭৯৮তম বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করেছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২,২২৯.
নিচের কোনটি স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত কথিকা নয়?
  1. ক) পিণ্ডির প্রলাপ
  2. খ) জয়বাংলা
  3. গ) কাঠগড়ার আসামী
  4. ঘ) চরমপত্র
সঠিক উত্তর:
খ) জয়বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জয়বাংলা
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত কথিকাসমূহ:
- পিণ্ডির প্রলাপ : তোয়াব খান (কথক)
- চরমপত্র : এম আর আখতার মুকুল (কথক)
- জনতার সংগ্রাম : রণেশ দাশগুপ্ত, বিপ্রদাস বড়ুয়া (কথক)
- পুতুল নাচের খেল : আবদুল গাফফার চৌধুরী (কথক)
- কাঠগড়ার আসামি : মুস্তাফিজুর রহমান (কথক)
- রক্তের অক্ষরে লিখি : মোহাম্মদ আবু জাফর (কথক)
- সাময়িকী : আবুল কাশেম সন্দ্বীপ (কথক)।
অন্যদিকে,
- জয়বাংলা হলো মুজিবনগর সরকার থেকে প্রকাশিত একটি পত্রিকা।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : পঞ্চম খণ্ড)
২,২৩০.
বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ফরিদপুর
  2. ভোলা
  3. ময়মনসিংহ
  4. লক্ষ্মীপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) দেশের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে গবেষণা পরিচালনার জন্য একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন এ প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত।
- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত ৫টি কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র হতে পরিচালিত হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

২,২৩১.
১৯৭০ সালের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ কয়টি আসনে নির্বাচিত হয়?
  1. ক) ২৮৮ টি
  2. খ) ১৬০ টি
  3. গ) ১৬৭ টি
  4. ঘ) ২৯৮টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২৮৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৮৮ টি
ব্যাখ্যা

১৯৭০ এর নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশ নেয়। ৩০০টি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেন মোট এক হাজার ৯৫৭ জন প্রার্থী। মনোনয়নপত্র বাছাই শেষে এক হাজার ৫৭৯ জন প্রার্থী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
- জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ ১৭০ আসনে প্রার্থী দেয়। এর মধ্যে ১৬২টি আসন পূর্ব পাকিস্তানে এবং বাকিগুলো পশ্চিম পাকিস্তানে।
- আওয়ামী লীগ ১৬০টি আসনে জয়লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। সংরক্ষিত ও স্বতন্ত্র নির্বাচিত সদস্য আওয়ামী লীগে যোগ দেওয়ায় মোট আসন সংখ্যা দাঁড়ায় - ১৬৭টি।

- আবার প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ পূর্ব পাকিস্তান অ্যাসেম্বলির ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টিতে সরাসরি ভোটে জয়লাভ করে।
- স্বতন্ত্র ও সংরক্ষিত নারী আসনে জয়লাভ করে আওয়ামী লীগে যোগ দিলে আওয়ামী লীগের দলীয় আসন দাঁড়ায় - ২৯৮টি।

( তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

২,২৩২.
‘চিরঞ্জীব মুজিব’ চলচ্চিত্রের পরিচালক -
  1. শ্যাম বেনেগাল
  2. সন্তু রায়
  3. সেলিম খান
  4. নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
চিরঞ্জীব মুজিব:
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্থ অবলম্বনে নির্মিত চলচ্চিত্র হলো চিরঞ্জীব মুজিব।
- এটির পরিচালনা করেন প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার নজরুল ইসলাম।
- হায়দার এন্টারপ্রাইজের ব্যানারে নির্মিত চলচ্চিত্রটি আগস্ট মাসে মুক্তি পায়।
- চলচ্চিত্রটিতে বঙ্গবন্ধু চরিত্রে অভিনয় করেন আহমেদ রুবেল।
 
উৎস: ১ জানুয়ারি ২০২২, প্রথম আলো।
২,২৩৩.
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটির আহবায়ক কে ছিলেন?
  1. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. তাজউদ্দীন আহমেদ
  3. মোজাফফর আহমদ
  4. মনোরঞ্জন ধর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাজউদ্দীন আহমেদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন:
- মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন:
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)।
• মনি সিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)।
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)।
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)।
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৩৪.
বাংলাদেশের কোন অভিনেত্রী সত্যজিৎ রায়ের 'অশণি সংকেত' চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন?
  1. চম্পা
  2. শাবানা
  3. ববিতা
  4. জয়া আহসান
সঠিক উত্তর:
ববিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ববিতা
ব্যাখ্যা

 • চলচ্চিত্র: 'অশণি সংকেত'- 
- চলচ্চিত্রকার সত্যজিৎ রায় ১৯৭৩ সালে ‘অশনি সংকেত’-এর জন্য বার্লিন চলচ্চিত্র উৎসবে গোল্ডেন বেয়ার পুরস্কার অর্জন করেন।
- সত্যজিৎ রায়ের 'অশনি সংকেত' ছবিতে অনঙ্গ বৌ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী ববিতা।

• সত্যজিৎ রায়ের চলচ্চিত্রসমূহের (২৮টি) উল্লেখযোগ্য হলো:
- পথের পাঁচালী (১৯৫৫),
- অপরাজিত (১৯৫৬),
- অপুর সংসার (১৯৫৯),
- দেবী (১৯৬০),
- তিন কন্যা (১৯৬১),
- রবীন্দ্রনাথ (১৯৬১),
- কাঞ্চনজঙ্ঘা (১৯৬২),
- অভিযান (১৯৬২),
- চারুলতা (১৯৬৪),
- নায়ক (১৯৬৬),
- অশনি সংকেত (১৯৭৩),
- হীরক রাজার দেশে (১৯৮০),
- ঘরে বাইরে (১৯৮৪),
- আগন্তুক (১৯৯১)

উৎস: বিবিসি বাংলা।লিঙ্ক]

২,২৩৫.
অখণ্ড স্বাধীন বাংলা গঠনের প্রস্তাবক কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী
  3. মাওলানা ভাসানী
  4. সি আর দাশ
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
অখণ্ড স্বাধীন বাংলা:
- ১৯৪৭-পূর্ব যেসব ঘটনাপ্রবাহের ভিত্তিতে দুটি পৃথক রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছিল, সেখানে গুরুত্বপূর্ণ একটি ভূমিকায় ছিলেন মি. সোহরাওয়ার্দী।
- অখণ্ড স্বাধীন বাংলা গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৭ সালের ২৭ শে এপ্রিল, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী তখন বাংলার প্রধানমন্ত্রী।

⇒ ব্রিটিশরা তখন ভারতবর্ষ বিভক্ত করে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্রের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রস্তুতি নিচ্ছে। লর্ড মাউন্টব্যাটেন ভাইসরয় হিসাবে ভারতে এসে উপমহাদেশ ভাগ করার পরিকল্পনা পেশ করেন।
- দিল্লীতে এক সংবাদ সম্মেলনে মি. সোহরাওয়ার্দীর প্রস্তাবটি ছিল, অবিভক্ত এবং স্বাধীন বাংলার ধারনা।
- ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে যখন ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি আলাদা রাষ্ট্রের জন্ম হতে যাচ্ছে তখন তিনি অবিভক্ত বাংলাকে নিয়ে আলাদা একটি রাষ্ট্রের ধারণা তুলে ধরেন।
- বাংলা, আসাম এবং বিহার অঞ্চলের কয়েকটি জেলা নিয়ে বৃহৎ বাংলা নামে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্ক্ষা ছিল হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর।

উল্লেখ্য,
- অখণ্ড বাংলা গঠনের প্রস্তাবটি শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়। এর প্রধান কারণ ছিল মুসলিম লীগ এবং কংগ্রেসের দ্বন্দ্ব এবং বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে মতভেদ। মুসলিম লীগের একটি অংশ এবং কংগ্রেস দুই পক্ষই বাংলাকে একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার প্রস্তাবে আপত্তি জানায়। এছাড়া ব্রিটিশ শাসকরা দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সাম্প্রদায়িক দ্বন্দ্বের কারণে বাংলার বিভক্তিকে সমর্থন করে।

উৎস: i) বিবিসি।
ii) বাংলাপিডিয়া। 
২,২৩৬.
মুক্তিযুদ্ধের সময় 'কাদেরিয়া বাহিনী' কোন অঞ্চলে গড়ে উঠে?
  1. সিরাজগঞ্জে
  2. ঝিনাইদহে
  3. টাঙ্গাইলে
  4. ফরিদপুরে
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইলে
ব্যাখ্যা
মুক্তিবাহিনী:
- বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও অনেকে গেরিলা বাহিনী গঠন করেন। 
- যেমন:
• টাঙ্গাইলের কাদের সিদ্দিকীর কাদেরিয়া বাহিনী।

• সিরাজগঞ্জে রফিক মির্জা বাহিনী। 
• ফরিদপুরের হেমায়েত বাহিনী। 
• ঝিনাইদহের আকবর বাহিনী।
• বরিশালের কুদ্দুস বাহিনী।
• ময়মনসিংহের আফসার বাহিনী।
• ভারতের বাহিনীর মেজর জেনারেল ওবানের অধীনে বঙ্গবন্ধুর নামে ‘মুজিব বাহিনী’ নামে একটি বাহিনী গঠিত হয়।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৩৭.
সাধারণ করমুক্ত আয়সীমা কত?
  1. ক) ২ লাখ ৫০ হাজার
  2. খ) ৩ লাখ
  3. গ) ৩.৫০ লাখ
  4. ঘ) ৪ লাখ
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লাখ
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে সাধারণ করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৩,০০,০০০ টাকা‌
• নারী, তৃতীয় লিঙ্গ ও ৬৫ বছরের উর্ধ্ব করদাতার করমুক্ত আয়সীমা ৩,৫০,০০০ টাকা।
• প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৫০,০০০ টাকা।
• গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪,৭৫,০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র: জাতীয় বাজেট, ২০২২-২৩
২,২৩৮.
‘গ্লিসি ১২বি’ কী?
  1. ড্রোন
  2. গ্রহ
  3. বিমান
  4. জাহাজ
সঠিক উত্তর:
গ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রহ
ব্যাখ্যা
গ্লিসি ১২বি
- পৃথিবীর চেয়ে কিছুটা ছোট আকৃতির একটি ‘বাসযোগ্য’ গ্রহের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- ‘তাত্ত্বিকভাবে বাসযোগ্য’ ওই গ্রহটি সৌর পরিবারের শুক্রের চেয়ে বড় এবং প্রায় ৪০ আলোকবর্ষ দূরে একটি ছোট্ট নক্ষত্রকে ঘিরে প্রদক্ষিণরত।
- আবিস্কৃত গ্লিসি ১২বি নামে গ্রহটি যে শীতল লোহিত বামন নক্ষত্রকে ঘিরে প্রদক্ষিণ করছে।
- সেটি আকারে আমাদের সূর্যের মাত্র ২৭ শতাংশ। এর উত্তাপ সূর্যের মাত্র ৬০ শতাংশ।

উৎস: প্রথম আলো।
২,২৩৯.
How many enclaves of India came under Bangladesh through enclave exchange of 2015?
  1. 162
  2. 51
  3. 111
  4. 70
  5. 55
সঠিক উত্তর:
111
উত্তর
সঠিক উত্তর:
111
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যবর্তী ছিট্মহল বিনিময়:

- ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয় ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই মধ্যরাতে।
- বাংলাদেশ ভারতের মধ্যে মোট ১৬২ টি ছিটমহল বিনিময় হয়।
- বাংলাদেশের মধ্যে থাকা ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
- ভারতের মধ্যে থাকা বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশের ভাগে অন্তর্ভুক্ত ১৭,১৬০ একর জায়গা।
- ভারতের ভাগে অন্তর্ভুক্ত ৭১১০ একর জায়গা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,২৪০.
বঙ্গবন্ধু (যমুনা) বহুমুখী সেতুর পিলার কয়টি?
  1. ৭৫টি
  2. ৫৯টি
  3. ৫০টি
  4. ৪৫টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
যমুনা সেতু:

- বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়।
- এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
- এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু।
- এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি.মি এবং প্রস্থ ১৮.৫ মিটার।
- এর ৫০টি পিলার রয়েছে।
- সেতুটি নির্মাণে মোট খরচ হয় ৯৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- আইডিএ, এডিবি, জাপানের ওইসিএফ প্রত্যেকে ২২ শতাংশ তহবিল সরবরাহ করে এবং বাকি ৩৪ শতাংশ ব্যয় বহন  করে বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
২,২৪১.
Habeas Corpus writ দায়ের করা হয় সংবিধানের ______ অনুচ্ছেদ লংঘনের কারনে। 
  1. ৩১
  2. ৩২
  3. ৩৪
  4. ৩৩
সঠিক উত্তর:
৩৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩
ব্যাখ্যা

→ Habeas Corpus writ দায়ের করা হয় সংবিধানের ৩৩ নং অনুচ্ছেদ লংঘনের কারনে। 

♦ Habeas Corpus writ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (২)(খ) অনুসারে Writ of Habeas Corpus-এর জন্য যে কোনো ব্যক্তি আবেদন করতে পারেন।
- হেবিয়াস কর্পাস রিট বলতে বোঝায় আদালতের এমন একটি আদেশ, যার মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে অবৈধভাবে আটক বা বন্দি করে রাখা হয়েছে কি না তা যাচাই করা হয়।
অর্থাৎ, Habeas Corpus Writ হলো সংবিধানিক ও মৌলিক অধিকারভিত্তিক রিট, যার মাধ্যমে অবৈধ আটক বা বেআইনি বন্দিত্বের বিরুদ্ধে আদালতের তৎক্ষণাৎ হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।
- এই রিটের মাধ্যমে আদালত আটককারী কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয় আটক ব্যক্তিকে আদালতে হাজির করতে এবং কেন তাকে আটক রাখা হয়েছে তার আইনগত কারণ ব্যাখ্যা করতে।
- যদি আটক বৈধ না হয়, তবে আদালত তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন।

♦ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ – 'গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ':
(১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।

(২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।

(৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
(ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
(খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

(৪) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইন কোন ব্যক্তিকে ছয় মাসের অধিক কাল আটক রাখিবার ক্ষমতা প্রদান করিবে না যদি সুপ্রীম কোর্টের বিচারক রহিয়াছেন বা ছিলেন কিংবা সুপ্রীম কোর্টের বিচারকপদে নিয়োগলাভের যোগ্যতা রাখেন, এইরূপ দুইজন এবং প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত একজন প্রবীণ কর্মচারীর সমন্বয়ে গঠিত কোন উপদেষ্টা-পর্ষদ্ উক্ত ছয় মাস অতিবাহিত হইবার পূর্বে তাঁহাকে উপস্থিত হইয়া বক্তব্য পেশ করিবার সুযোগদানের পর রিপোর্ট প্রদান না করিয়া থাকেন যে, পর্ষদের মতে উক্ত ব্যক্তিকে তদতিরিক্ত কাল আটক রাখিবার পর্যাপ্ত কারণ রহিয়াছে।

(৫) নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন প্রদত্ত আদেশ অনুযায়ী কোন ব্যক্তিকে আটক করা হইলে আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষ তাঁহাকে যথাসম্ভব শীঘ্র আদেশদানের কারণ জ্ঞাপন করিবেন এবং উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য-প্রকাশের জন্য তাঁহাকে যত সত্বর সম্ভব সুযোগদান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, আদেশদানকারী কর্তৃপক্ষের বিবেচনায় তথ্যাদি-প্ৰকাশ জনস্বার্থবিরোধী বলিয়া মনে হইলে অনুরূপ কর্তৃপক্ষ তাহা প্রকাশে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিতে পারিবেন ।

(৬) উপদেষ্টা-পর্ষদ কর্তৃক এই অনুচ্ছেদের (৪) দফার অধীন তদন্তের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতি সংসদ আইনের দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারিবেন।

♦ উল্লেখ্য:
- অনুচ্ছেদ ৩১ - আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৩২ - জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৩৪ - জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২,২৪২.
বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকী কার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছিলো?
  1. ক) আলেকজান্ডার ফর্বেস
  2. খ) জেমস অগাস্টাস হিকি
  3. গ) জন ক্লার্ক মার্শম্যান
  4. ঘ) উইলিয়াম কেরি
সঠিক উত্তর:
গ) জন ক্লার্ক মার্শম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জন ক্লার্ক মার্শম্যান
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষার প্রথম সাময়িকপত্র হলো দিগদর্শন।
- শ্রীরামপুরের ব্যাপ্টিস্ট মিশনারিদের উদ্যোগে ১৮১৮ সালের এপ্রিল মাসে জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় দিগদর্শন সাময়িকপত্র প্রকাশিত হয়।
- দিগদর্শনের মোট ২৬টি সংখ্যা প্রকাশিত হয়। ১৮২১ সালের পরে এটি বন্ধ হয়ে যায়।
- দিগদর্শন প্রকাশিত হওয়ার একমাস পর (২৩ মে, ১৮১৮) জন ক্লার্ক মার্শম্যানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় সমাচার দর্পণ সাময়িকী।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,২৪৩.
কত সালে প্রথম ঢাকাকে বাংলা সুবার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়?
  1. ১৬০৮ সালে
  2. ১৬১০ সালে
  3. ১৬৬০ সালে
  4. ১৯০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৬১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬১০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলা সুবার রাজধানী: 
- বাংলা ছিল মুঘলদের অন্যতম সুবা।
- বার ভূঁইয়াদের দমনের পর সমগ্র বাংলায় সুবাদারি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সতের শতকের প্রথম দিক থেকে আঠার শতকের শুরু পর্যন্ত ছিল সুবাদারি শাসনের স্বর্ণযুগ।
- রাজমহলের যুদ্ধে জয়ী হয়ে মুঘলরা পুরো বাংলার উপর নিজেদের আধিপত্য বিস্তারে মনোনিবেশ করে।
- এ লক্ষে সম্রাট জাহাঙ্গীর সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে (১৬০৮-১৬১৩ খ্রি.) বাংলার সুবাদার হিসেবে নিয়োগ দেন।
- সুবাদার ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বার ভূঁইয়াদের দমন করে সমগ্র বাংলায় সুবাদারি শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম ঢাকাকে বাংলা সুবার রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৪৪.
কোন বিভাগে সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. বরিশাল
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
- সবচেয়ে বেশি জনসংখ্যা বসবাস করে ঢাকা বিভাগে।

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
২,২৪৫.
বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে?
  1. মহিবুল হাসান চৌধুরী
  2. সাবের হোসেন চৌধুরী
  3. ডাঃ সামন্ত লাল সেন
  4. মোহাম্মদ হাছান মাহ্‌মুদ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ হাছান মাহ্‌মুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ হাছান মাহ্‌মুদ
ব্যাখ্যা
বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভা:
- প্রধানমন্ত্রী: শেখ হাসিনা,
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়: জনাব ওবায়দুল কাদের,
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী: জনাব আ, ক, ম, মোজাম্মেল হক
- অর্থ মন্ত্রণালয়: জনাব আবুল হাসান মাহমুদ আলী,
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: জনাব আনিসুল হক,
- শিল্প মন্ত্রণালয়: জনাব নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, 
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: জনাব আসাদুজ্জামান খান,
- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম, 
- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়: জনাব মুহাম্মদ ফারুক খান, 
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: জনাব মোহাম্মদ হাছান মাহ্‌মুদ,
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: ডা: দীপু মনি, 
- খাদ্য মন্ত্রণালয়: জনাব সাধন চন্দ্র মজুমদার, 
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: জনাব আব্দুস সালাম, 
- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ ফরিদুল হক খান, 
- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: জনাব র,আ,ম, উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী,
- ভূমি মন্ত্রণালয়: জনাব নারায়ন চন্দ্র চন্দ,
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়: জনাব জাহাঙ্গীর কবির নানক, 
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ আব্দুর রহমান,
- কৃষি মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ আব্দুস শহীদ,
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়: স্থপতি ইয়াফেস ওসমান,
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: ডাঃ সামন্ত লাল সেন,
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়: জনাব ফরহাদ হোসেন,
- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়: জনাব নাজমুল হাসান,
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়: জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়: জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
২,২৪৬.
পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ব্যবহারের দাবি করেন কে?
  1. ড. জিয়াউদ্দিন আহমদ  
  2. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ড. কুদরাত-এ খুদা
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- পাকিস্তান গণপরিষদে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকে অন্যতম ভাষা হিসেবে প্রস্তাব করেন ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।

⇒ ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের করাচিতে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়।
- এই অধিবেশনে বিরোধী দল দুটি সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন।"
- "প্রথম প্রস্তাবটিতে বৎসরে অন্তত একবার ঢাকায় পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশন অনুষ্ঠানের দাবি জানানো হয়। দ্বিতীয় প্রস্তাবটি ছিল ভাষা বিষয়ক। এটিতে উর্দু ও ইংরেজির সাথে বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহার করার দাবি উত্থাপন করা হয়। প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন পূর্ব বাঙলার প্রতিনিধি ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।"
- পরে বিভিন্ন পর্যায়ে মি. দত্ত মোট তিনটি সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেছিলেন গণপরিষদে, যার প্রতিটিতেই বাংলাকে সরকারি ভাষা করার প্রস্তাব ছিল।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের প্রস্তাবটি উত্থাপনের একদিন পর ২৫শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদে তুমুল বিতর্ক হয়। প্রস্তাবটির তীব্র বিরোধিতা করেন তখনকার প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান।
- মি. দত্তের প্রস্তাবটিই ছিল বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসেবে গ্রহণের জন্য প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব।
- পরে পাকিস্তানের শাসকরা ১৯৫৬ সালে দেশটির প্রথম শাসনতন্ত্রে উর্দুর সাথে বাংলাকেও সরকারি ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে বাধ্য হয়েছিলো, যার মাধ্যমে বাংলা সরকারি ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছিলো।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) BBC.

২,২৪৭.
ভাষা শহীদ নয় -
  1. ক) সালাম
  2. খ) রফিক
  3. গ) মনুমিয়া
  4. ঘ) শফিউর
সঠিক উত্তর:
গ) মনুমিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মনুমিয়া
ব্যাখ্যা
ভাষা শহিদ
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে আমরা পাঁচজন শহিদের নাম বেশি শুনতে পাই: সালাম, বরকত, রফিক, জব্বার ও শফিউর। 
- ১৯৫২ সালের ২১ ও ২২ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে সরকারি বাহিনীর নির্বিচার গুলিতে বহু লোক নিহত হলেও তারা সবাই স্বীকৃতিও পাননি।
- ২০০০ সালে তাদের রাষ্ট্রীয় একুশে পদকে ভূষিত করা হয়েছে।
-বরকত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র।
- রফিক ছিলেন বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের মালিকের ছেলে।
- তারা তিনজন নিহত হন ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে।
- পরদিন ২২ ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে মারা যান রিকশাচালক সালাম এবং হাইকোর্টের কর্মচারী শফিউর রহমান।
- ১৯৫২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি প্রাণ হারানোর তালিকায় আরো দুটি নাম পাওয়া যায়- অহিউল্লাহ ও আবদুল আউয়াল।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইটে ভাষাশহিদ হিসেবে এই দুজনের নাম-পরিচয় উল্লেখ আছে।
- এ ছাড়া সালাউদ্দীন নামেও একজন ২১ ফেব্রুয়ারি শহিদ হন বলে বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

অন্যদিকে -
- ঐতিহাসিক ছয়দফা দাবির আন্দোলনে শহীদ হন মনুমিয়া।

 উৎস: প্রথম আলো,২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০।
২,২৪৮.
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা পরিষদ সংখ্যা কতটি?
  1. ৬১টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৬১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬১টি
ব্যাখ্যা
- স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা পরিষদের সংখ্যা ৬১টি।
- ৩ টি পার্বত্য জেলায় পার্বত্য আঞ্চলিক পরিষদের অধীন পার্বত্য জেলা পরিষদ বিদ্যমান।
- দেশে প্রথমবারের মতো জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৬ সালের ২৮ ডিসেম্বর।
- জেলা পরিষদ নির্বাচন পরোক্ষ পদ্ধতিতে অনুষ্ঠিত হয়।

২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী: [এখন ২০০০ সালের 'জেলা পরিষদ আইন' কার্যকরী নয়] 
- ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী জেলা পরিষদ গঠিত হতো। 

জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২২ অনুসারে:
(২০০০ সনের ১৯ নং আইন), অতঃপর উক্ত আইন বলিয়া উল্লিখিত, এর ধারা ৪ এর উপ-ধারা (১) এর পরিবর্তে নিম্নরূপ উপ-ধারা (১) প্রতিস্থাপিত হইবে, যথা :-
‘‘(১) নিম্নবর্ণিত সদস্য সমন্বয়ে পরিষদ গঠিত হইবে, যথা :-
(ক) একজন চেয়ারম্যান;
(খ) সংশ্লিষ্ট জেলার মোট উপজেলার সমসংখ্যক সদস্য;
(গ) দফা (ক) ও (খ) এ উল্লিখিত সদস্য-সংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (নিকটবর্তী পূর্ণ সংখ্যায়) নারী সদস্য:
তবে শর্ত থাকে যে, তাহাদের সংখ্যা ২(দুই) এর কম হইবে না; এবং
(ঘ) সংশ্লিষ্ট প্রত্যেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, পৌরসভার মেয়র এবং ক্ষেত্রমত, সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের প্রতিনিধি পদাধিকারবলে সদস্য।’’।
---------------------------------
[এখন ২০০০ সালের 'জেলা পরিষদ আইন' কার্যকরী নয়। বই তে ভুল রয়েছে।]

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা ; নবম-দশম শ্রেণি এবং জেলা পরিষদ (সংশোধন) আইন, ২০২২।
২,২৪৯.
মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা 'সাইমন ড্রিং' কে ছিলেন?
  1. একজন সাংবাদিক
  2. একজন গায়ক
  3. একজন রাষ্ট্রদূত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
একজন সাংবাদিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন সাংবাদিক
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা 'সাইমন ড্রিং' ছিলেন একজন সাংবাদিক।

মুক্তিযুদ্ধকালীন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম ও সাংবাদিক:

- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ অপারেশন সার্চলাইট শুরু হওয়ার সময় থেকে বিদেশি সাংবাদিকরা পাকিস্তানিদের গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের তথ্য সংগ্রহ করতে শুরু করে।
- তারাই প্রথম বহির্বিশ্বে বাংলাদেশে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা ও বর্বরতার খবর ছড়িয়ে দেয়।

• সাইমন ড্রিং এরকমই একজন সাংবাদিক।
- ১৯৭১ এর মাঝামাঝি সময়ে পাকিস্তান সরকার কিছু বিদেশি সাংবাদিককে নিয়ন্ত্রিতভাবে বাংলাদেশের কোনো কোনো এলাকা সফর করিয়ে তাদের পক্ষে প্রতিবেদন লেখানোর ফব্দি আঁটে।
- কিন্তু তাদের সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
- নিজ চোখে সব দেখে তারা পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরতা সম্পর্কে অবহিত হয় এবং সত্য কথা লিখে পত্রিকা ও বেতারের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে তা অবহিত করে।
- এভাবে এস্থনি ম্যাসকারেনহাস গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের চাঞ্চল্যকর তথ্য সারা বিশ্বে প্রকাশ করেন।
- বিবিসির সাংবাদিক মার্ক টালি পুরোটা সময় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে খবর প্রচার করে গেছেন।
- এদিকে দেশে অবরুদ্ধ থেকেও অনেক বাঙালি সাংবাদিক ঝুঁকি নিয়ে বিদেশে খবর পাঠিয়েছেন।
- একাত্তরের শহিদ নিজামউদ্দিন ও নাজমুল হক এরকমই দুজন সাংবাদিক।
- এছাড়া আকাশবাণী, বিবিসি, ভোয়া প্রভৃতি বেতারকেন্দ্র আমাদের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিল।
= আকাশবাণী কলকাতা থেকে প্রতি রাতে প্রচারিত 'সংবাদ পরিক্রমা' খুবই জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ছিল।
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের 'বজ্রকণ্ঠ' ও 'চরমপত্রসহ' বিভিন্ন অনুষ্ঠান শ্রোতাদের মুক্তিযুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
২,২৫০.
ছয় দফা দাবি উত্থাপন করা হয় কোথায়?
  1. ক) ঢাকায়
  2. খ) করাচীতে
  3. গ) লাহোরে
  4. ঘ) কলকাতায়
সঠিক উত্তর:
গ) লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লাহোরে
ব্যাখ্যা
• শেখ মুজিবুর রহমান:
- ১৯৬৩ সালে হোসেন সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন শেখ মুজিব।
- তিনি ছিলেন আইয়ুব খানের ‌মৌলিক গণতন্ত্র তত্ত্বের কট্টর সমালোচক।
- ১৯৬৬ সালে লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপন করেন।
- এই ছয় দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্ত্বশাসনের রূপরেখা।
- মুজিবের ৬ দফার প্রতি জনগণের ব্যাপক সমর্থনে ভীত হয়ে তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার শেখ মুজিবকে।
- এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে বাংলার সমস্ত জনগণ। জনরোষের কাছে নতি স্বীকার করে এক পর্যায়ে তাঁকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয় শোষকগোষ্ঠী।
- ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে শেখ মুজিবুর রহমানকে গণসম্বর্ধনা দেওয়া হয়৷সেখানেই উত্থাপিত হয় এগার দফা দাবি যার মধ্যে ছয় দফার সবগুলোই দফাই অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- লাখো মানুষের এই জমায়েতে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়৷

সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
২,২৫১.
Which is not a subsidiary company of Petrobangla?
  1. CTCL
  2. Bapex
  3. BGFCL
  4. SGFCL
  5. GTCL
সঠিক উত্তর:
CTCL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
CTCL
ব্যাখ্যা
• CTCL পেট্রোবাংলার অধীনস্ত কোম্পানি নয়।

পেট্রোবাংলার অধীনস্ত কোম্পানি:
- বর্তমানে পেট্রোবাংলার অধীনস্ত ১৩টি পৃথক কোম্পনির মাধ্যমে পেট্রোবাংলা তার উপর অর্পিত দায়িত্ব পালন করে।
- কোম্পানিগুলির নাম:
• বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স),
• বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল),
• সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিএফসিএল),
• গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানি লিমিটেড (জিটিসিএল),
• তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (টিজিটিডিসিএল),
• জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেমস লিমিটেড (জেজিটিডিএসএল),
• বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেমস লিমিটেড (বিজিএসএল),
• পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (পিজিসিএল),
• কর্নফুলি গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল),
• সুন্দরবন গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (এসজিসিএল),
• রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল),
• বড়পুকুরিয়া কোল মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (বিসিএমসিএল) এবং
• মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কোম্পানি লিমিটেড (এমজিএমসিএল)।

তথ্যসূত্র - পেট্রোবাংলার ওয়েবসাইট।
২,২৫২.
বাবরের ভারত বিজয়ের প্রাক্কালে দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের শাসক ছিলেন -
  1. দৌলত খান লোদী
  2. ইব্রাহিম লোদী
  3. আলম খান লোদী
  4. দরিয়া খান
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম লোদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইব্রাহিম লোদী
ব্যাখ্যা
• ইব্রাহিম লোদী:
- বাবরের ভারতবর্ষ আক্রমণের প্রাক্কালে এদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজমান ছিল। তখন দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের শাসক ছিলেন ইব্রাহিম লোদী।
- তিনি অনেকটা দুর্বল শাসক ছিলেন। ফলে অমাত্যবর্গ ও প্রাদেশিক শাসনকর্তাগণের উপর তার নিয়ন্ত্রণ কম ছিল।
- কেন্দ্রীয় শাসনের দুর্বলতার সুযোগে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এসব রাজ্যের মধ্যে পাঞ্জাবের দৌলত খান লোদী সুলতানের চরম বিরোধিতা করেন এবং ইব্রাহিম লোদীকে সিংহাসনচ্যুত করার জন্য বাবরকে আমন্ত্রণ জানান।
- এমন সংকটপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থার সুযোগ নিয়ে বাবর ভারত আক্রমণ করেন। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৫৩.
সিলেট জেলায় বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষ শুরু হয় কখন থেকে?
  1. ২০২০ সাল
  2. ২০২১ সাল
  3. ২০২২ সাল
  4. ২০২৩ সাল
সঠিক উত্তর:
২০২১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২১ সাল
ব্যাখ্যা
সিলেটের টিলায় টিলায় কফি চাষ:
- সিলেটের একসময়ের অনাবাদি টিলাগুলোতে কফি চাষ শুরু হয়েছে।
- প্রবাসী থেকে শুরু করে স্থানীয় উদ্যোক্তারা নিজেদের টিলায় বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষে উদ্যোগী হয়েছেন। 
- সিলেট জেলায় বাণিজ্যিকভাবে কফি চাষ শুরু হয় ২০২১ সালে।
- এ পর্যন্ত গোলাপগঞ্জ, বিয়ানীবাজার, ফেঞ্চুগঞ্জ ও জৈন্তাপুর উপজেলার প্রায় ২০ হেক্টর টিলাশ্রেণি জমিতে কফি চাষ করা হয়েছে।
- অ্যারাবিকা ও রোবাস্টা জাতের কফি এখানে চাষাবাদ হয়েছে।

উৎস: ১ অক্টোবর , ২০২৩, প্রথম আলো।
২,২৫৪.
বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক
  4. ব্র্যাক ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- যে ব্যাংকিং আর্থিক প্রতিষ্ঠান আমানত গ্রহণ ও ঋণদান করে তাকে বাণিজ্যিক ব্যাংক বলে।
- ১৯৯১ সালের ব্যাংক কোম্পানি আইনানুসারে বাণিজ্যিক ব্যাংক গঠিত ও পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশে ৬টি রাষ্ট্রয়াত্ত, ৪৩টি বেসরকারি ও ৯টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক রয়েছে।

⇒ ব্যাংক খাত:
• দেশের মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি (ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত)।
- রাষ্ট্র মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৬টি,
- বিশেষায়িত ব্যাংক: ৩টি,
- বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক: ৪৩টি,
- বিদেশি ব্যাংক: ৯টি।
- ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৬টি।

উল্লেখ্য,
- সোনালী ব্যাংক পিএলসি, জনতা ব্যাংক পিএলসি রাষ্ট্রায়ত্ব বাণিজ্যিক ব্যাংক।
- ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসিত বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মধ্যে অন্যতম। 

অন্যদিকে,
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরও দশটি শাখা রয়েছে।
- এগুলো হলো: মতিঝিল, ঢাকা, সদরঘাট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল, রাজশাহী, বগুড়া, খুলনা, ময়মনসিংহ, রংপুর।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২,২৫৫.
বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরী হিসেবে পরিচিত মহাস্থানগড় কোন জনপদের রাজধানী ছিল?
  1. বঙ্গ 
  2. রাঢ়
  3. পুণ্ড্র
  4. তাম্রলিপ্ত 
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

পুণ্ড্র জনপদ:
- পুণ্ড্র ছিল পূর্বাঞ্চলের জনপদসমূহের মধ্যে খুব সম্ভবত প্রাচীনতম।
- খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের (আনুমানিক) মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপিতে উল্লিখিত পুদনগল (পুণ্ড্র নগর) এবং বগুড়া যে অভিন্ন তা একাধিক উৎস থেকে প্রমাণ করা যায়। প্রাচীন এই জনপদের সীমানা চিহ্নিত করে ড. নীহাররঞ্জন রায় লিখেছেন, "পুণ্ড্রবর্ধনের কেন্দ্র বা হৃদয়স্থানের একটি নতুন নাম পাইতেছি দশম শতক হইতে; এ নাম বরেন্দ্র অথবা বরেন্দ্রী।" অর্থাৎ এই প্রাচীন জনপদটি ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে দুটো ভিন্ন নামে পরিচিতি লাভ করেছিল। কতিপয় লিপি প্রমাণে এ কথা বলা যায় যে, বরেন্দ্র পুণ্ড্রবর্ধনেরই অংশবিশেষ। মধ্যযুগের মুসলিম ঐতিহাসিকরা বরেন্দ্রিকে বলতেন বরীন্দ্র।

⇒ বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ।
- প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়। গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

⇒ মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল।
- ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।
- এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান।
- ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
 
উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।

২,২৫৬.
জাতীয় সংসদে ’পয়েন্ট অব অর্ডার’ বলতে কী বুঝায়?
  1. ক) বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্য
  2. খ) সংসদীয় বৈঠকের কার্যপ্রণালীর বিররণ
  3. গ) বিধি বহির্ভূত বিষয়ের জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানো
  4. ঘ) সংসদে সর্বসম্মত ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহন
সঠিক উত্তর:
গ) বিধি বহির্ভূত বিষয়ের জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিধি বহির্ভূত বিষয়ের জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানো
ব্যাখ্যা
পয়েন্ট অব অর্ডার: (Point of Order)
- পয়েন্ট অব অর্ডার হলো এক প্রকার আপত্তি।
- জাতীয় সংসদে অধিবেশন চলাকালীন নিয়ম বহির্ভূত কোনো কিছু হলে এর জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানোকে Point of Order বলে।
- সংসদের কার্যক্রম চলাকালে কোনো সদস্য যদি মনে করেন যে, প্রথাগত বিধিমালার ভুল প্রয়োগ ঘটেছে বা পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়েছে তাহলে কোনো সদস্য তত্ক্ষণাত্ সে ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন । এই দৃষ্টি আকর্ষণটাই পয়েন্ট অব অর্ডার ।

অন্যদিকে,
- সংসদের প্রত্যেক বৈঠকের কার্যপ্রণালীর সংক্ষিপ্ত বিবরনকে বুলেটিন বলে।

 ‍সূত্রঃ বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়। 
 
২,২৫৭.
বাংলায় ব্রিটিশ-বিরোধী প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন কোনটি ছিল?
  1. ফরায়েজী আন্দোলন
  2. ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
  3. সিপাহী বিদ্রোহ
  4. নাচোল বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম বিদ্রোহ।
- ইংরেজ সরকার তীর্থস্থান দর্শনের উপর করারোপ করে, ভিক্ষা ও মুষ্টি সংগ্রহকে বেআইনি ঘোষণা করে।
- তাছাড়া তাদেরকে ডাকাত-দস্যু বলে আখ্যায়িত করতে থাকে।
- ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে ফকির সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনে অবতীর্ণ হয়।
- বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ।
- আর সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
- তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
- এই সব অঞ্চলে ইংরেজদের সঙ্গে বিদ্রোহী ফকির-সন্ন্যাসীদের বহু সংঘর্ষ সংঘটিত হয়।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে ।
- ফকির মজনু শাহ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

অপরদিকে -
- সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ভবানী-পাঠক ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে লেফটেন্যান্ট ব্রেনানের নেতৃত্বে একদল ব্রিটিশ সৈন্যের আক্রমণে দুই সহকারীসহ নিহত হন। 
- তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৫৮.
হুসেন শাহী যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান বলা হয় কাকে?
  1. ক) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  2. খ) ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ
  3. গ) গিয়াসউদ্দিন মাহমুদ শাহ
  4. ঘ) আলাউদ্দিন ফিরোজ শাহ
সঠিক উত্তর:
ক) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
• সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহী যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
• তিনি আরব দেশীয় সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন।
• আলাউদ্দিন হুসেন শাহের সময় বাংলার রাজ্যসীমা সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পায়।
• তিনি আরাকানীদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন।
• আলাউদ্দিন হোসেন শাহের উৎসাহ ও পৃষ্ঠপোষকতায় মালাধরবসু ‘ভগবদ গীতা’, কৃত্তিবাস ‘রামায়ন’ সংস্কৃত থেকে বাংলায় অনুবাদ করেন।
• রামায়ন অনুবাদের জন্য হোসেন শাহ তাঁকে ‘গুনরাজ খাঁ’ উপাধি দেন।
• তাছাড়া কবি মালাধর বসু, মনসা মঙ্গল এর রচিয়তা বিজয় গুপ্ত, মনসা বিজয়ের লেখক বিপ্রদাস অনেকেই তাঁর সহযোগিতা পেয়েছিলেন।
• তাঁর অধীনস্থ চট্টগ্রামের শাসনকর্তা পরাগল খাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় কবীন্দ্র পরমেশ্বর নামক জনৈক পন্ডিত বাংলা ভাষায় ‘মহাভারত’ অনুবাদ করেন।
• গৌড়ের বিখ্যাত ছোট সোনা মসজিদ, মানিকগঞ্জ জেলার নাচাইল মসজিদ, গোমতি ফটক ছাড়া অগণিত মসজিদ, মাদ্রসা, সমাধি ও দূর্গ নির্মাণ করে তিনি ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।
• তিনি ‘বাদশাহী সড়ক’ সহ সামরিক ও বেসামরিক ব্যক্তিদের চলাচলের জন্য অনেক রাস্তাঘাট নির্মাণ করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা এস এস সি প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
২,২৫৯.
উপমহাদেশের কোথায় 'ফোর্ট উইলিয়াম' দুর্গ  নির্মিত হয়েছিল?
  1. মুম্বাই
  2. কলকাতা
  3. মাদ্রাজ
  4. বালেশ্বর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কলকাতা
ব্যাখ্যা

ইংরেজদের আগমন ও ক্ষমতা বিস্তার:
-পর্তুগিজ ও ওলন্দাজ বণিকদের বাণিজ্যিক সাফল্য ও এদেশের বিপুল ধন-সম্পদের বর্ণনা ইংরেজ বণিকদের মনে এদেশে বাণিজ্য করার আগ্রহ সৃষ্টি করে।
-১৬০০ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ইংল্যান্ডের রানী এলিজাবেথের কাছ থেকে ১৫ বছর মেয়াদী সনদ নিয়ে এদেশে বাণিজ্য করতে আসে।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের সময়ে তারা ১৬১২ খ্রিস্টাব্দে মুম্বাইয়ের নিকট সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৬১৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজ রাজদূত স্যার টমাস রো সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে এসে ইংরেজদের বাণিজ্যের জন্য কিছু সুবিধা আদায় করেন।
- পর্তুগিজরা বাংলা থেকে বিতাড়িত হলে ইংরেজগণ বালেশ্বরে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে এবং করমণ্ডল উপকূলে কিছু জমি নিয়ে একটি দুর্গ নির্মাণ করে এবং এ দুর্গই পরে মাদ্রাজ শহরে পরিণত হয়।
-১৬৫০ খ্রিস্টাব্দে জলপথে ইংরেজগণ হুগলিতে আসে এবং বাংলার সুবেদার শাহ সুজার অনুমতি নিয়ে ১৬৫১ খ্রিস্টাব্দে সেখানে বাণিজ্য কুঠি নির্মাণ করে।
- ইংল্যান্ডের রাজা দ্বিতীয় চার্লস ১৬৬৮ খ্রিস্টাব্দে কোম্পানিকে মুম্বাই ইজারা দেন।
-১৬৯০ খ্রিস্টাব্দে জব চার্নক ভাগীরথী নদীর তীরে ১২০০ টাকার বিনিময়ে কলকাতা, সূতানটি ও গোবিন্দপুর এ তিনটি গ্রামের জমিদারী স্বত্ব কিনে নেন।
- পরবর্তীকালে উপমহাদেশের ভাগ্য নির্ধারণকারী দুর্গ ফোর্ট উইলিয়াম কলকাতায় নির্মিত হয়। 
-১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট ফররুখশিয়ারের অনুমতি নিয়ে ইংরেজগণ বাংলা, মাদ্রাজ ও মুম্বাইয়ে বিনা শুল্কে অবাধ বাণিজ্য করতে থাকে।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

২,২৬০.
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৮৩
  3. ২০১১
  4. ২০১৮
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB):
- ১৯৭২–১৯৭৭: স্কুল টেক্সটবুক বোর্ড ১ম থেকে ১০ম শ্রেণির সকল পাঠ্যপুস্তক সংশোধন, পরিমার্জন ও পুনর্লিখন করে।
-এর লক্ষ্য ছিল রাষ্ট্রের জনসাধারণের জন্য প্রয়োজনীয় জ্ঞান আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা।
- ১৯৭৮–১৯৭৯: নতুন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি অনুযায়ী নতুন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন শুরু।
- ১৯৮৩: ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত মানসম্পন্ন পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণ সম্পন্ন।
- ১৯৮৩ সালে: The National Curriculum & Textbook Board Ordinance 1983 এর মাধ্যমে স্কুল টেক্সটবুক বোর্ড ও জাতীয় শিক্ষাক্রম উন্নয়ন কেন্দ্র একীভূত হয়ে NCTB প্রতিষ্ঠিত।
- ২০১৮ সালে: জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড আইন ২০১৮ দ্বারা ১৯৮৩ সালের আইন সংশোধন ও পুনর্বিন্যাস করা হয়।

• উদ্দেশ্য ও কার্যক্রম: 
- দেশের সকল স্কুলে পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও বিতরণ করা।
- শিক্ষাক্রম (Curriculum) পরিকল্পনা ও হালনাগাদ করা।
- শিক্ষার মান উন্নয়ন ও সময়োপযোগী শিক্ষাসংক্রান্ত নীতি বাস্তবায়ন।

উৎস: NCTB এর ওয়েবসাইট।

২,২৬১.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে- 
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ১৯৯৭সালে
  3. ২০০২ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা

• টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে ২০০০ সালে।
- ২০০০ সালের ১০ই নভেম্বর বাংলাদেশ সর্বপ্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ভারতের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায়।
- ১০ জানুয়ারি, ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট সিরিজ জয় লাভকরে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পুরুষ দল ওডিআই স্ট্যাটাস লাভ করে- ১৯৯৭ সালে।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে- ১ এপ্রিল ২০২১ তারিখে।
- বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল ওডিআই স্ট্যাটাস লাভ করে-  ২০১১ সালে।

উৎস: ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও বিসিবি ওয়েবসাইট।

২,২৬২.
বাংলাদেশের কোন জেলায় ’তামাবিল স্থলবন্দর’ অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. চুয়াডাঙ্গা
  3. সিলেট
  4. সাতক্ষীরা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

• গুরত্বপূর্ণ স্থলবন্দরের অবস্থান:
- বেনাপোল স্থলবন্দর - বেনাপোল, যশোর।
- ভোমরা স্থলবন্দর - ভোমরা, সাতক্ষীরা।
- তামাবিল স্থলবন্দর- গোয়াইনঘাট সিলেট।
- দর্শনা স্থলবন্দর - দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

২,২৬৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ভাগে "রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি" সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. চতুর্থ ভাগ
  2. তৃতীয় ভাগ
  3. দ্বিতীয় ভাগ
  4. প্রথম ভাগ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয় ভাগ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
- এর মধ্যে প্রথম ভাগে প্রজাতন্ত্র,
- দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি,
- তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার,
- চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে বাংলাদেশের কর্মবিভাগ ও নবম-ক ভাগ জরুরী বিধানাবলী,
- দশম ভাগে সংবিধান সশোধন এবং একাদশ ভাগ বিবিধ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
২,২৬৪.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন-
  1. ক) সরদার শরন সিং
  2. খ) সমর সেন
  3. গ) বিজয়লক্ষী পন্ডিত
  4. ঘ) আর কে দিক্ষিত
সঠিক উত্তর:
খ) সমর সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমর সেন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় জাতিসংঘে নিযুক্ত ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি ছিলেন সমর সেন। বিজয়লক্ষ্মী পণ্ডিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের প্রথম নারী সভাপতি।
২,২৬৫.
নালন্দা মহাবিহার কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. সমুদ্রগুপ্ত
  2. কুমারগুপ্ত
  3. শ্রীগুপ্ত
  4. প্রতীম গুপ্ত
সঠিক উত্তর:
কুমারগুপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমারগুপ্ত
ব্যাখ্যা
নালন্দা মহাবিহার:
- প্রাচীন ভারতের খ্যাতনামা বৌদ্ধ মহাবিহার নালন্দা।
- বিহার প্রদেশের পাটনা থেকে ৯৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে এবং বিহার শরিফ শহরের কাছে এর অবস্থান।
- সাত শতকে নালন্দা মহাবিহার প্রসিদ্ধি অর্জনকারী বৌদ্ধ শিক্ষা ও সংস্কৃতির কেন্দ্র।
- ধারণা করা হয়, গুপ্ত সম্রাটরা এ মহাবিহারের নির্মাতা।
- সম্রাট প্রথম কুমারগুপ্তই সম্ভবত এক্ষেত্রে প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করেন।

⇒ পঞ্চম শতাব্দী থেকে ১২০০ শতাব্দী পর্যন্ত এটি ছিল একটি বিখ্যাত শিক্ষাকেন্দ্র।
- পাল রাজাদের (আট থেকে বারো শতক) সময়েই এটি বিভিন্ন কর্মকান্ডের কেন্দ্রবিন্দু ছিল। 
- বিহারটি সম্পর্কে জানা যায় পর্যটক জুয়ান জাং ও ইজিংয়ের লেখা ভ্রমণ-বিবরণী থেকে।
- তাঁরা সপ্তম শতাব্দীতে নালন্দায় ভ্রমণ করেন।
- চৈনিক তীর্থযাত্রী হিউয়েন-সাং পড়াশোনার জন্য এখানে কয়েক বছর অতিবাহিত করেন।
- নালন্দার পন্ডিতগণ ছিলেন স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিখ্যাত।
- হিউয়েন-সাং যখন নালন্দায় ছিলেন তখন বাঙালি বৌদ্ধ ভিক্ষু শীলভদ্র ছিলেন এর অধ্যক্ষ।
- শীলভদ্র ছিলেন সর্বপ্রথম বাঙালি বৌদ্ধ শিক্ষক যিনি বাংলার বাইরে এরূপ দুর্লভ সম্মান অর্জন করেন।
- হিউয়েন-সাং নিজেও শীলভদ্রের একজন ছাত্র ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে বিহারটি ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,২৬৬.
সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা হয় সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  2. পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. ষোড়শ সংশোধনী
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।

পঞ্চদশ (১৫তম) সংশোধনী এর বিষয়বস্তু:
• তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল;
• দলীয় সরকারের অধীন মেয়াদ শেষ হবার আগের ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠান;
• সংরক্ষিত মহিলা আসন ৪৫ থেকে ৫০ করা;
• ৪৭ এর ৩ অনুচ্ছেদে যুদ্ধাপরাধ বা মানবতা বিরোধী অপরাধের জন্য "অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তিসমষ্টি বা সংগঠন" এর বিচার করার বিধান সংযুক্ত করা;
• জরুরী অবস্থার মেয়াদ অনধিক ১২০ দিন করা হয়;
• সংবিধানে নতুন তিনটি তফসিল যুক্ত করা হয়- যথা পঞ্চম, ষষ্ঠ, ও সপ্তম।

⇒ তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ও গণভোট পদ্ধতি বাতিল করে সংবিধানের যে পঞ্চদশ সংশোধনী আনা হয়েছিলো সেটিকে আংশিক বাতিল করেছে হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ।
- এই সংশোধনীতে ৫৪টি পরিবর্তন আনা হয়েছিলো।
- আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।

তথ্যসূত্র - ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা ও ১৭ ডিসেম্বর ২০২৪, বিবিসি বাংলা।
২,২৬৭.
কার শাসনামলে উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড রিপন
  3. লর্ড লিটন
  4. লর্ড মেয়ো
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
ব্যাখ্যা
আদমশুমারি:
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ ও ২০২২ সালে আদমশুমারি হয়েছিল।
- সাধারণত প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।  প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- বাংলাদেশে দ্বিতীয় আদমশুমারি হয় ১৯৮১ সালে।

⇒ ৬ষ্ঠ আদমশুমারি ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন জনশুমারি ও গৃহগণনা নামে অনুষ্ঠিত হয়।
- জনশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

উল্লেখ্য,
- ভারত উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ব্রিটিশ আমলে, ১৮৭২ সালে। পরের আদমশুমারি হয় ১৮৮১ সালে।
- এরপর থেকে এই উপমহাদেশে প্রতি ১০ বছর পরপর আদমশুমারি হয়েছে।
- লর্ড মেয়ো ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন এবং তার শাসনামলেই ১৮৭২ সালে উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC.
২,২৬৮.
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থার ক্ষেত্রে নিচের কোনটি সত্য নয়?
  1. সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক সুবাহদার
  2. সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা ফৌজদার
  3. পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা ওয়াজির
  4. রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস সম্রাট
সঠিক উত্তর:
পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা ওয়াজির
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা ওয়াজির
ব্যাখ্যা

মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- মুঘল শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।

⇒ মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস: পাদশাহ বা সম্রাট।
• তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান,
• সামরিক প্রধান,
• প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।

⇒ সম্রাটের পরের স্থান: প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজির।
⇒ সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক: সুবাহদার।
⇒ সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা: ফৌজদার।
⇒ পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা: শিকদার।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২,২৬৯.
ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয় কবে?
  1. ক) ০৩ অক্টোবর ১৯৯৬
  2. খ) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
  3. গ) ১০ ডিসেম্বর ১৯৯৬
  4. ঘ) ১১ জানুয়ারী ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ নভেম্বর ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদ ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ জারি করেন যা ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা দেওয়া হয়।
১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার জাতীয় সংসদে ‘ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ’ বাতিল করে যার ফলশ্রুতিতে বঙ্গবন্ধু'র খুনীদের বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ গেজেট)
২,২৭০.
পিআরএসপি মূলত কোন উদ্দেশ্যে প্রণীত?
  1. শিল্পায়ন বৃদ্ধি
  2. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি
  3. দারিদ্র্য বিমোচন
  4. রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দারিদ্র্য বিমোচন
ব্যাখ্যা

দারিদ্র বিমোচন কৌশল পত্র (পিআরএসপি):
- PRSP এর পূর্ণরূপ: Poverty Reduction Strategy Paper.
- এটি দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা।
- বাংলাদেশ ২০০৩ সালে প্রথম অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রণয়ন করে।
- এর শিরোনাম ছিল ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নের কৌশল’।
- ২০০৫ সালে বাংলাদেশ প্রথম পিআরএসপি প্রণয়ন করে।
- এই দলিলটির শিরোনাম ছিল ‘আনলকিং দ্য পটেনশিয়াল: দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের জাতীয় কৌশল’ যা পিআরএসপি নামে বহুল প্রচারিত।
- ২০০৮ সালের অক্টোবরে ২০০৫ সালে প্রণীত দলিলটিকে হালনাগাদ করা হয়।
- এ দলিল প্রণয়নের মাধ্যমে সহস্রাব্দ উন্নয়নের লক্ষ্য (এমডিজি) এবং দক্ষিণ এশীয় উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার প্রকাশ করা হয়েছে।
- দ্রুততর দারিদ্র্য বিমোচনের কৌশল-২ (অর্থবছর ২০০৯-১১) পথে অগ্রযাত্রা'।
- ২০০৮ সালে সম্পাদিত পিআরএসপি-২ এর সরকার বদলের ফলে কিছুটা অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,২৭১.
মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ (Concert for Bangladesh) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. নিউইয়র্ক
  2. বােস্টন
  3. লন্ডন
  4. ক্যানবেরা
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউইয়র্ক
ব্যাখ্যা
কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন, যে ধরণের আয়োজন এর আগে বিশ্বের মানুষ কখনও দেখেনি।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।
- জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানের মতো তারকাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ অন্যরকম এক পরিচিতি পায় যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের সাধারণ মানুষের কাছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
ii) ১ অগাস্ট ২০২১, BBC।
২,২৭২.
‘শাহ-ই-বাঙ্গালা’ ও ‘শাহ-ই-বাঙালিয়ান’ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন-
  1. সিকান্দার শাহ
  2. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4. ফিরোজ শাহ তুঘলক
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁও দখল করে স্বাধীনতা ঘোষণা করলেও এর পূর্ণতা দান করেন শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ।
১৩৫২ সালে সোনারগাঁও দখলের মাধ্যমে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলা জয় করেন এবং দুই বাংলাকে একত্রিত করে বৃহত্তর বাংলা গড়েন।
তার সময় থেকেই বাংলাভাষী জনগণ 'বাঙালি' হিসেবে পরিচিতি পায়।
তিনি 'শাহ-ই-বাঙ্গালা' 'শাহ ই বাঙালিয়ান' উপাধি গ্রহণ করেন।
[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, উন্মুক্ত]
২,২৭৩.
বাংলাদেশ ব্যাংকের তফসিলভুক্ত নতুন ইসলামি ব্যাংক কোনটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. জনতা ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
  2. আল-বারাকাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
  3. আল-ফালাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
  4. সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন প্রজ্ঞাপনে ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’-কে তফসিলি ব্যাংকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এর আগে ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় দুর্বল পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে নতুন 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক' গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
- এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২০ হাজার কোটি এবং আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা।
- অনুমোদিত মূলধন রাখা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি।

উৎস:- দ্যা বিজন্যাস স্ট্যান্ডার্ড।

২,২৭৪.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর কত নং সেক্টরের অধীনে ছিলো?
  1. ক) ২ নং
  2. খ) ৪ নং
  3. গ) ৬ নং
  4. ঘ) ৮ নং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
তার মধ্যে মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টরের অধীনে ছিলো। 

নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল - ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)। ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
চট্টগ্রাম - ১নং সেক্টর,
ঢাকা - ২ নং সেক্টর, 
সিলেট-  ৪ নং সেক্টর,
রাজশাহী - ৭ নং সেক্টর,
মুজিবনগর - ৮ নং সেক্টর,

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,২৭৫.
সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. চীফ হুইপ
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- স্পীকার সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।  
- স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর  মর্যাদা সংরক্ষণ করা।
- স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়।
- সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,২৭৬.
নিচের কোন উপজাতি বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী?
  1. মণিপুরী
  2. খাসিয়া
  3. বম
  4. খিয়াং
সঠিক উত্তর:
খিয়াং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খিয়াং
ব্যাখ্যা
খিয়াং: 
- খিয়াং  পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে।
- আরাকান-ইয়োমা উপত্যকার অববাহিকা অঞ্চলে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী থেকে খিয়াংদের আগমন।
- ১৬ ও ১৭ শতকে খিয়াংরা বাংলাদেশে আগমন করে।
- পার্বত্য জেলা বান্দরবানের মুরার নজা পর্বতমালায় খিয়াংরা সর্ব প্রথম বসবাস শুরু করে।
- খিয়াংরা চীন - তিব্বতীয় ভাষাগোষ্ঠীর কুকি-চীন দলভুক্ত।
- খিয়াংদের নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- অতীতে খিয়াংরা ছিল প্রকৃতি পূজারি।
- পরবর্তী সময়ে তারা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেয়। 
- খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ‘সাংলান’।
- গৌতম বুদ্ধকে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে এ উৎসব শুরু হয়।

উল্লেখ্য, 
- মণিপুরীদের ধর্ম বৈষ্ণব ।
- খ্রিষ্টান ধর্মের অনুসারী বম ও খাসিয়ারা ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২,২৭৭.
বাংলাদেশে কোথায় কমনওয়েলথ সমাধি রয়েছে?
  1. কুমিল্লা ও লক্ষ্মীপুর
  2. কুমিল্লা ও গাজীপুর
  3. চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা
  4. ঢাকা ও কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ সমাধি: 
- বাংলাদেশে দুটি কমনওয়েলথ রণ সমাধি রয়েছে, একটি কুমিল্লার ময়নামতি এবং অপরটি চট্টগ্রামে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯-১৯৪৫) বার্মায় সংঘটিত যুদ্ধে নিহত ভারতীয় (তৎকালীন) ও ব্রিটিশ সৈন্যদের স্মৃতিরক্ষার্থে এই সমাধিক্ষেত্রগুলো নির্মাণ করা হয়।
- কুমিল্লার ময়নামতি ওয়ার সিমেট্রি ১৯৪৬ সালে তৈরি হয়েছে। যার অধিকাংশই হাসপাতালের মৃত সৈনিকদের। চট্টগ্রাম ওয়ার সিমেট্রি ১৯৪৩-১৯৪৪ সালে তৈরি হয়েছে। 
- এই সমাধিক্ষেত্রগুলো Commonwealth War Graves Commission (CWGC) দ্বারা পরিচালিত হয়।
- প্রতি বছর নভেম্বর মাসে এ দুটি সমাধিক্ষেত্রে ধর্মীয় প্রার্থনাসভার আয়োজন করা হয়। 

সূত্র: চট্টগ্রাম ও কুমিল্লা জেলা ওয়েবসাইট। 
২,২৭৮.
Who was the Chief Minister of the United Front Government?
  1. Syed Azizul Haque
  2. Abu Hussain Sarkar
  3. Sheikh Mujibur Rahman
  4. AK Fazlul Haque
  5. Shaheed Suhrawardy
সঠিক উত্তর:
AK Fazlul Haque
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AK Fazlul Haque
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা:
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হকের নেতৃত্বে ১৯৫৪ সালের ৩ এপ্রিল যুক্তফ্রন্ট ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করে।
- মুখ্যমন্ত্রী হন শের-ই-বাংলা এ কে ফজলুল হক।
অন্যান্য মন্ত্রী-
১. অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র- এ কে ফজলুল হক।
২. বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার- আবু হোসেন সরকার।
৩. বেসামরিক সরবরাহ ও যোগাযোগ মন্ত্রী- আশরাফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী।
৪. শিক্ষা, বাণিজ্য, শ্রম ও শিল্প - সৈয়দ আজিজুল হক।
- পরবর্তীতে ১৫ মে, ১৯৫৪ সালে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রীসভা গঠিত হলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৩৪ বছর বয়সে সর্বকনিষ্ট মন্ত্রী হিসবে কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান।
- ফজলুল হক মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ৫৬ দিন যার মধ্যে পূর্নাঙ্গ মন্ত্রীসভা দ্বায়িত্বে ছিল মাত্র ১৫ দিন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন (২য় পত্র), প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
২,২৭৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'জীবনঢুলী' এর পরিচালক কে?
  1. ক) তানভীর মোকাম্মেল
  2. খ) মোরশেদুল ইসলাম
  3. গ) নাসিরউদ্দীন ইউসুফ
  4. ঘ) আলমগীর কবির
সঠিক উত্তর:
ক) তানভীর মোকাম্মেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
চলচ্চিত্র 'জীবনঢুলী':
 
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'জীবনঢুলী'র পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।
- স্মৃতি-৭১ তাঁর প্রামাণ্যচিত্র এবং হুলিয়া তাঁর স্বল্পদৈর্ঘ্য চিত্র।
- আগামী ও ঢাকা মোরশেদুল ইসলামের স্বল্পদৈর্ঘ্য চিত্র।
- গেরিলা মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রের পরিচালক নাসির উদ্দীন ইউসুফ।
- লিবারেশন ফাইটার্স প্রামাণ্যচিত্রের নির্মাতা আলমগীর কবির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
২,২৮০.
কোন সাময়িকী তাদের প্রতিবেদনে ড. মুহাম্মদ ইউনুসকে The Revolutionary Economist হিসেবে আখ্যায়িত করেন?
  1. Nature
  2. BBC
  3. The New York Times
  4. The Economist
সঠিক উত্তর:
Nature
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nature
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের বিজ্ঞানবিষয়ক খ্যাতনামা সাময়িকী নেচার ২০২৪ সালের শীর্ষ ১০ ব্যক্তিত্বের তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। 
- সেখানে ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘জাতির নির্মাতা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

⇒ নেচারের শীর্ষ ১০ ব্যক্তির তালিকায় রয়েছেন জার্মানির ন্যাশনাল মেট্রোলজি ইনস্টিটিউটের পরিচালক পদার্থবিদ একেহার্ড পেইক। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
২,২৮১.
'ল্যাংড়া' কিসের জাত?
  1. ক) কলা
  2. খ) আনারস
  3. গ) তরমুজ
  4. ঘ) আম
সঠিক উত্তর:
ঘ) আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আম
ব্যাখ্যা
ল্যাংড়া, ফজলি, ক্ষীরসাপাত বা হিমসাগর, মহানন্দা, হাড়িভাঙা ইত্যাদি আমের কতগুলো প্রসিদ্ধ জাত। অগ্নিশ্বর, মোহনবাসী, কানাইবাসী, অমৃতসাগর, বীটজবা ইত্যাদি কলা'র জাত। (সূত্রঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস)
২,২৮২.
মালয়েশিয়া কবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. ০১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  3. ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
  4. ২০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৩১ জানুয়ারি ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১ জানুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা
- মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের তথ্যানুযায়ী মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৩১ জানুয়ারি।
- এছাড়া সম্প্রতি বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু ‍মুনশী প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে মালয়েশিয়া ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় বলে গণমাধ্যমে বক্তব্য দেন। সেই হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম মুসলিম দেশ হবে মালয়েশিয়া।
- তবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান সংক্রান্ত অন্যান্য ডকুমেন্টস অনুযায়ী মালয়েশিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
(তথ্যসূত্র: মালয়েশিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ প্রতিদিন)
২,২৮৩.
১৯৫৬ সালের সংবিধান কতদিন স্থায়ী হয়েছিল?
  1. প্রায় ৬ মাস
  2. প্রায় ১.৫ বছর
  3. প্রায় ২ বছর
  4. প্রায় ২.৫ বছর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২.৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ২.৫ বছর
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন:
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র। 
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি দিতে পেরেছিলেন। 
- ১৯৫৬ সালের ৯ই জানুয়ারি গণপরিষদে শাসনতন্ত্র বিল উত্থাপিত হয়।
- আলোচনার পর ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- অবশেষে ২রা মার্চ, ১৯৫৬ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চে এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- পাকিস্তানের ইতিহাসে এ শাসনতন্ত্রটি ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র নামে পরিচিত।

⇒ এ শাসনতন্ত্রের অধীনে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন ও সংসদীয় ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। কিন্তু এ শাসনতন্ত্র যথার্থভাবে কাজ করতে পারেনি। এ শাসনতন্ত্র দিনে দিনে অকার্যকর হয়ে পড়ে। শাসনতন্ত্রের এ ব্যর্থতার জন্যে (পশ্চিম পাকিস্তানের) শাসকবর্গই দায়ী ছিলেন।
- যার পরিপ্রেক্ষিতে শাসনতন্ত্র রচনার আড়াই বছরের মধ্যে ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর এটি বাতিল ঘোষণা করা হয় এবং সামরিক শাসন জারী করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২,২৮৪.
নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য নিয়ে আলোচনা করা কোন বিষয়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. সমাজবিজ্ঞান
  2. পৌরনীতি ও নাগরিকতা
  3. ইতিহাস
  4. সমাজকর্ম
সঠিক উত্তর:
পৌরনীতি ও নাগরিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরনীতি ও নাগরিকতা
ব্যাখ্যা
• পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয়ের পরিসর বা বিষয়বস্তু :

• নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য।
• সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান 
-যেমন- পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র, নির্বাচন, রাজনৈতিক দল ইত্যাদি।
•. নাগরিকতার স্থানীয়, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়
• নাগরিকতার অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ।

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
২,২৮৫.
বাংলায় সেন বংশের (১০৭০-১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ) শেষ শাসনকর্তা কে ছিলেন?
  1. হেমন্ত সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. লক্ষণ সেন
  4. কেশব সেন
সঠিক উত্তর:
কেশব সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেশব সেন
ব্যাখ্যা
বাংলায় সেন বংশের শাসন -

শুরু: পাল বংশের পতনের বারো শতকের দ্বিতীয় ভাগে বাংলায় সেন বংশের শাসনের সূচনা হয়।
প্রতিষ্ঠাতা: সেন রাজবংশের শাসন প্রতিষ্ঠা করেন হেমন্ত সেন (সামন্ত সেনের পুত্র)।
শ্রেষ্ঠ রাজা: বিজয় সেন। তার শাসনামলে সেন বংশ শক্ত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়।
শেষ উল্লেখযোগ্য রাজা: লক্ষ্মণ সেন। ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী নদীয়া আক্রমণ করলে তিনি প্রতিরোধ না করে মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুর পালিয়ে আসেন। এই অঞ্চলে তিনি আরো ২/৩ বছর রাজত্ব করেন।

লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর সিংহাসনে বসা:
১২০৫/০৬ খ্রিস্টাব্দে লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর তাঁর দুই পুত্র বিশ্বরূপসেন ও কেশব সেন যথাক্রমে সিংহাসনে বসেন। তাঁদের শাসনামলের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায় না, তবে বাংলার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে তাঁদের শাসন প্রায় ২৫ বছর স্থায়ী ছিল।

কেশব সেন:
কেশব সেনের রাজত্বকাল ছিল ১২২৫ - ১২৩০ সাল। তার পর সেনগণ বাংলায় রাজত্ব করেছিলেন এমন কোন প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি।

উপর্যুক্ত আলোচনা, প্রশ্নের ধরণ ও অপশন বিবেচনা করে বলা যায়,
- সাধারণত বাংলার সর্বশেষ রাজা হিসাবে লক্ষ্মণ সেনের নাম পাওয়া গেলেও সেন বংশের শাসন লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পরও কয়েক বছর টিকে ছিল।
- এই বংশের শেষ শাসনকর্তা হিসাবে কেশব সেনের (রাজত্বকাল: ১২২৫ - ১২৩০ সাল) নাম পাওয়া যায়।

প্রশ্নকর্তাও সাল উল্লেখ করেই প্রশ্নটি ক্লিয়ার করেছেন।
তাই সঠিক উত্তর হিসাবে কেশব সেন ধরা হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
২,২৮৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ কোনটি?
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

২,২৮৭.
নিচের কোন সেক্টরের সদরদপ্তর বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে ছিল?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৫নং সেক্টর
  4. ৬নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৬নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

সেক্টর ও সদরদপ্তরঃ 
• ৬ নং সেক্টরঃ
- সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত।
- প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়ি মাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার।
উল্লেখ্য, 
- ১নং সেক্টরের (চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র) সদরদপ্তর: হরিণা।
- এবং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান, পরে মেজর রফিকুল ইসলামের স্থলাভিষিক্ত হন।
- ২নং সেক্টর (ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত)সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- এবংসেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ, পরে মেজর এটিএম হায়দারের স্থলাভিষিক্ত হন।
- ৫নং সেক্টরের (সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- এবং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২,২৮৮.
নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে গঠিত সেক্টর নিচের কোনটি?
  1. ৮নং সেক্টর
  2. ৯নং সেক্টর
  3. ১০নং সেক্টর
  4. ১১নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১০নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,২৮৯.
ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ মুক্তিযুদ্ধের সময় কত নং সেক্টরের অধীনে ছিলেন?
  1. ১নং
  2. ২নং
  3. ৩নং
  4. ৪নং
সঠিক উত্তর:
১নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১নং
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:

- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২,২৯০.
সংসদ প্রণীত আইন অনুমোদন করেন কে?
  1. স্পিকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সংসদীয় স্থায়ী কমিটি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- পদমর্যাদায় রাষ্ট্রপতি সবার উপরে।
- সংবিধান অনুযায়ী তিনি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সবার ঊর্ধ্বে তিনি স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তাঁকে প্রদত্ত সকল দায়িত্ব ও ক্ষমতা তিনি প্রয়োগ করেন।
- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি অনুমোদন করেন
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।
- দেশের সরকার গঠন, শাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং অর্থ, বিচার, প্রতিরক্ষা ও কূটনীতি বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ কাজ তিনি সম্পাদন করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
২,২৯১.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তির উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৪৮
  2. অনুচ্ছেদ ৪৯
  3. অনুচ্ছেদ ৫০
  4. অনুচ্ছেদ ৫১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৫১
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৪২ - সম্পত্তির অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৪৩ - গৃহ ও যোগাযোগের রক্ষণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৪ - মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ।
- অনুচ্ছেদ ৪৫ - শৃঙ্খলামূলক আইনের ক্ষেত্রে অধিকারের পরিবর্তন।
- অনুচ্ছেদ ৪৬ - দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৭ - কতিপয় আইনের হেফাজত।
- অনুচ্ছেদ ৪৭(ক) - সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা।
- অনুচ্ছেদ ৪৮ - রাষ্ট্রপতি।
- অনুচ্ছেদ ৪৯ - ক্ষমা প্রদর্শনের অধিকার।
- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

২,২৯২.
বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্সের প্রধান ছিলেন কে?
  1. সিরাজুল আলম খান
  2. তোফায়েল আহমেদ
  3. শেখ ফজলুল হক মনি
  4. বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী
সঠিক উত্তর:
শেখ ফজলুল হক মনি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ ফজলুল হক মনি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স বা মুজিব বাহিনী মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত একটি মুক্তিযোদ্ধা বাহিনী। আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীদের নিয়ে এই বাহিনী গঠন করা হয়।
- মুজিব বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শেখ ফজলুল হক মনি।
- মুজিব বাহিনীর ১৯ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমান্ডের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে তোফায়েল আহমদ, সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক, আবদুল কুদ্দুস মাখন প্রমুখ অন্যতম।
- মুজিব বাহিনীর মোট সদস্য ছিলো প্রায় পাঁচ হাজার। এ বাহিনীকে চারটি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল উবানের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে দেরাদুন পাহাড়ি এলাকায় এই বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়।
- মুজিব বাহিনীর গঠন এবং প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্পর্কে মুজিবনগর সরকার অবহিত ছিল না। এই বাহিনী মুজিবনগর সরকারের প্রতি কোন আনুষ্ঠানিক আনুগত্যও প্রকাশ করেনি।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
২,২৯৩.
বঙ্গবন্ধুর লেখা প্রকাশিত দ্বিতীয় বইয়ের নাম কী?
  1. ক) আমার কিছু কথা
  2. খ) রক্তাক্ত বাংলা
  3. গ) কারাগারের রােজনামচা
  4. ঘ) অসমাপ্ত আত্মজীবনী
সঠিক উত্তর:
গ) কারাগারের রােজনামচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কারাগারের রােজনামচা
ব্যাখ্যা
কারাগারের রোজনামচা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত দ্বিতীয় গ্রন্থ। তার রচিত প্রথম গ্রন্থ - অসমাপ্ত আত্মজীবনী। বঙ্গবন্ধু রচিত তৃতীয় গ্রন্থ ‘আমার দেখা নয়া চীন’।
- এটি ২০১৭ সালের ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ৯৮ তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলা একাডেমি প্রকাশ করে।
- এতে ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর জেল জীবন ও রাজনৈতিক ইতিহাস স্থান পেয়েছে। এটির পৃষ্ঠা সংখ্যা ৩৩২।
- এটির ভূমিকা লিখেন শেখ হাসিনা এবং নামকরণ করেন শেখ রেহানা।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, কারাগারের রোজনামচা, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং দৈনিক প্রথম আলো
২,২৯৪.
বাংলাদেশের কোন শিল্পি 'পটুয়া' নামে পরিচিত?
  1. ক) জয়নুল আবেদিন
  2. খ) এস এম সুলতান
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) আমিনুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
গ) কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা
কামরুল হাসানের চিত্রকলায় লৌকিক ও আধুনিক রীতির মিশ্রণ ঘটায় তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকারি মনোগ্রাম তৈরি করার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। [সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
২,২৯৫.
সপ্তম শতাব্দীতে মহান ভারতীয় সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য লাভ করেন-
  1. ক) ফা-হিয়েন
  2. খ) মা-তোয়ান-লিন
  3. গ) হিউয়েন সাং
  4. ঘ) মেগাস্থিনিস
সঠিক উত্তর:
গ) হিউয়েন সাং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হিউয়েন সাং
ব্যাখ্যা
হিউয়েন-সাং সপ্তম শতকের চৈনিক বৌদ্ধ তীর্থযাত্রী।
-৬২৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করে হিউয়েন-সাং উত্তরের বাণিজ্য পথ ধরে মধ্য-এশিয়ার কুচ হয়ে উত্তর ভারতে পৌঁছান।
-কনৌজ নগরে পৌঁছে তিনি মহান ভারতীয় সম্রাট হর্ষবর্ধনের আতিথ্য লাভ করেন।
-তিনি ভারত ও বাংলা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিবরণ লিখে গেছেন।
উৎসঃ ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়) ও বাংলাপিডিয়া।
২,২৯৬.
কোন ব্রিটিশ শাসক সাম্রাজ্যবাদী নীতি প্রণয়ন করেন?
  1. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
  2. লর্ড কার্জন
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড ডালহৌসি
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ডালহৌসি
ব্যাখ্যা
স্বত্ববিলোপ নীতি:
- স্বত্ববিলোপ নীতি ছিল একটি সাম্রাজ্যবাদী নীতি।
- লর্ড ডালহৌসি এই সাম্রাজ্যবাদী নীতিটি প্রণয়ন করেন।

⇒ তাঁর সাম্রাজ্যবাদী নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল ভারতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের ব্যাপক বিস্তৃতি সাধন করা।
- স্বত্ববিলোপ নীতির মূলকথা ছিল, ব্রিটিশের শাসনাধীন যেকোনো আশ্রিত রাজ্যের রাজা অপুত্রক অবস্থায় মারা গেলে এবং তার রাজবংশে কোনো উত্তরাধিকার না থাকলে সেই রাজা সরাসরি ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হবেন।
- এই নীতির মাধ্যমে সাঁতারা, নাগপুর, ঝাঁসি ও সম্বলপুর ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।

⇒ লর্ড ডালহৌসি:
- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড হার্ডিঞ্জের পর মাত্র ৩৬ বৎসর বয়সে লর্ড ডালহৌসী এ উপমহাদেশে আসেন।
- ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্যবাদী ছিলো লর্ড ডালহৌসি।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ও সহযোগীতায় তিনি ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাশ করেন।
- তার শাসনামলেই ( ১৮৫৩ সালে ) উপমহাদেশে রেলের যাত্রা শুরু হয়।
- তিনি বনভূমি সংরক্ষণ নীতি প্রবর্তন করেন।
- উপমহাদেশে টেলিগ্রাফ সিস্টেমও তার অবদান।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
২,২৯৭.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘জয় বাংলা’ এর পরিচালক -
  1. ক) আসফাক নিপুন
  2. খ) মিজানুর রহমান শামীম
  3. গ) কাজী হায়াৎ
  4. ঘ) গিয়াস উদ্দীন সেলিম
সঠিক উত্তর:
গ) কাজী হায়াৎ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কাজী হায়াৎ
ব্যাখ্যা
• ১৬ ডিসেম্বর ২০২২ মুক্তি পাওয়া মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘জয় বাংলা’ এর পরিচালক - কাজী হায়াৎ
• মুনতাসির মামুনের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘জয় বাংলা’ ছবিতে অভিনয় করেছেন বাপ্পী চৌধুরী, জাহারা মিতু, শ্রাবণ শাহ, কাজী হায়াত প্রমুখ।

তথ্যসূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি, ২০২৩
২,২৯৮.
বাংলাদেশের প্রথম হাইড্রোজেন উৎপাদন কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো হাইড্রোজেন জ্বালানি উৎপাদন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ (বিসিএসআইআর)।
- একটি প্রকল্পের আওতায় আগামী বছরের জুন থেকে পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য এই জ্বালানি উৎপাদনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
- বিসিএসআইআরের কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গৃহস্থালি আবর্জনা ও পানিকে যথাক্রমে বায়োমাস গ্যাসিফিকেশন এবং তড়িৎ বিশ্লেষণ (ইলেক্ট্রোলাইসিস) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জ্বালানিতে রূপান্তর করা হবে।
- এর জন্য বিসিএসআইআর ইতোমধ্যে একটি ইউনিট স্থাপন করেছে। আরেকটি ইউনিট স্থাপনের কাজ পূর্ণোদ্দমে চলছে।
- ইউনিট দুটি উৎপাদন শুরু করলে দৈনিক ৫ কেজি ৮০০ গ্রাম হাইড্রোজেন জ্বালানি উৎপাদিত হবে। ২৪ ঘণ্টা চালানো হলে উৎপাদন ২৯ কেজিতে পৌঁছাতে পারে।
- স্থানীয় ভাবে উচ্চ পর্যায়ের টেকসই এবং পরিবেশবান্ধব হাইড্রোজেন জ্বালানি উৎপাদনের জন্য বিসিএসআইআর ৫৪ কোটি টাকার একটি পরীক্ষামূলক প্রকল্প হাতে নিয়েছে।
- চট্টগ্রামে ২০১৮ সালের অক্টোবরে এই প্রকল্পের উদ্বোধন হয়।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম হাইড্রোজেন উৎপাদন কেন্দ্র। 

উৎস: দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা
২,২৯৯.
মুজিবনগরে কোন তারিখে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়েছিল? 
  1. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2.  ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3.  ৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১
  4. ১০ নভেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
 ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এবং ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- মুজিবনগর সরকারের শপথ বাক্য পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী।

মুজিবনগর সরকার গঠন: 
- মুক্তিযুদ্ধ সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য ১০ এপ্রিল গঠিত হয় বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার।
- এ সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায়।
- শপথ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক দেশি-বিদেশি সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

- সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথতলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর। অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।
- এ সরকার গঠনের মাত্র দুই ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বাহিনীর বিমান মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে এবং মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- ফলে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তরিত হয়।

উৎস: স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র - বাংলাপিডিয়া।
২,৩০০.
কোন দেশের পার্লামেন্টকে ‘Mother of Parliaments’ বলা হয়?
  1. ক) ব্রিটেন
  2. খ) যুক্তরাষ্ট্র
  3. গ) ভারত
  4. ঘ) বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রিটেন
ব্যাখ্যা

- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থার গোরাপত্তন ঘটেছে ব্রিটেনে।
- এই জন্য ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কে ‘Mother of Parliaments’ বলা হয়ে থাকে ।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ঐতিহ্য অনুসরন করে ১৯৭২ সালে প্রণীত বাংলাদেশের সংবিধানে সংসদীয় গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। 
- ১৯৯০ সালে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর পুনরায় সংসদীয় গণতন্ত্র চালু হয়। 
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলীর আলোকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলী নির্ধারন করা হয়েছে।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।