বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ২০ / ৩০৬ · ১,৯০১২,০০০ / ৩০,৮৩২

১,৯০১.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য রাষ্ট্র?
  1. ১৩৯তম
  2. ১৩৬তম
  3. ১৩৮তম
  4. ১৩৭তম
সঠিক উত্তর:
১৩৬তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৬তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- জাতিসংঘ মহাসচিব উ থান্ট ১৯৭১ সালের গণহত্যাকে মানব ইতিহাসে অন্ধকার অধ্যায় হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মুক্ত হয়।
-বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য

⇒ জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিবৃন্দ:
- ১ম : এস এ করিম (১৮ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪),
- ২য় : কে এম কায়সার,
- ৩য় : খাজা ওয়াসিউদ্দিন,
- ৪র্থ : বি এ সিদ্দিকী,
- ৫ম : আতাউল করিম,
- ৬ষ্ঠ : এ.এইচ.জি. মহিউদ্দিন,
- ৭ম : মোহাম্মদ মহসিন,
- ৮ম : হুমায়ুন কবির,
- ৯ম : রিয়াজ রহমান
- ১০ম : আনোয়ারুল কমির চৌধুরী,
- ১১তম : ইফতেখার আহমেদ চৌধুরী,
- ১২তম : ইসামত জাহান (১৮ জুন ২০০৭, প্রথম নারী),
- ১৩তম : এ কে আব্দুল মোমেন,
- ১৪তম : মাসুদ বিন মোমেন,
- ১৫তম : রাবাব ফাতিমা,
- ১৬তম : মুহাম্মদ আবদুল মুহিত,
- ১৭তম : সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী (বর্তমান)।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১,৯০২.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সম্ভাব্য উৎপাদন কত?
  1. ক) ২০০০ মেগাওয়াট
  2. খ) ২২০০ মেগাওয়াট
  3. গ) ২৪০০ মেগাওয়াট
  4. ঘ) ২৮০০ মেগাওয়াট
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪০০ মেগাওয়াট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪০০ মেগাওয়াট
ব্যাখ্যা
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- পাবনা জেলার রূপপুরে পারমাণবিক চুল্লি নির্মিত হয়েছে রাশিয়াযর সহায়তায় । 
- রূপপুর কেন্দ্রে দুটি ইউনিটে ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। 
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে প্রাথমিকভাবে এক লক্ষ তের হাজার কোটি টাকারও বেশি খরচ ধরা হয়েছে। 
- বাংলাদেশে একক প্রকল্প হিসেবে এটি সবচেয়ে বড় কোনো অবকাঠামো প্রকল্প।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন।
১,৯০৩.
২০২৪ সালের জুলাই মাসের গণঅভ্যুত্থানের ওপর নির্মিত তথ্যচিত্রটির নাম কী?
  1. শিখর চূড়া
  2. ছায়া কাব্য
  3. জুলাই বিপ্লব
  4. শ্রাবণ বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণ বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রাবণ বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা
শ্রাবণ বিদ্রোহ:
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নির্মিত তথ্যচিত্র ‘শ্রাবণ বিদ্রোহ’।

⇒ বাংলাদেশের ২০২৪ সালের জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া কোটা সংস্কার আন্দোলন ও অসহযোগ আন্দোলনের মধ্যে সংঘটিত ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে নির্মিত তথ্যচিত্রটির নাম "শ্রাবণ বিদ্রোহ"।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
১,৯০৪.
বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ‘বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪’ লাভ করে -
  1. ৭ জন
  2. ৫ জন
  3. ৮ জন
  4. ১১ জন
সঠিক উত্তর:
৭ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জন
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার:
- বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সমসাময়িক জীবিত লেখকদের সামগ্রিক মৌলিক অবদান চিহ্নিত করে তাঁদের সৃজনী প্রতিভাকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে অনুকুল পরিবেশ সৃষ্টি করাই বাংলা একাডেমির সাহিত্য পুরস্কার প্রদানের উদ্দেশ্য।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা। 

⇒ ১৯৫৫ সালে বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি নিয়ে গবেষণা ও প্রকাশনার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু হয় একাডেমির।
- ১৯৬০ সাল থেকে প্রবর্তন করা হয় বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।

⇒ বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪:
• ফেব্রুয়ারি, ২০২৫-এ ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়। তারা হলেন—
- কবিতায়: মাসুদ খান,
- নাটক ও নাট্যসাহিত্যে: শুভাশিস সিনহা,
- প্রবন্ধ/গদ্যে: সলিমুল্লাহ খান,
- অনুবাদে: জি এইচ হাবীব,
- গবেষণায়: মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া,
- বিজ্ঞানে: রেজাউর রহমান,
- ফোকলোরে: সৈয়দ জামিল আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- শুরুতে এ তালিকায় ১০ জন কবি, লেখক ও গবেষকের নাম ছিল। তবে পুনর্বিবেচনার পর চূড়ান্ত তালিকায় সাতজনের নাম রাখা হয়েছে।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৯০৫.
বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. কুমিল্লা
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

BWMRI:
- পূর্ণরূপ Bangladesh Wheat and Maize Research Institute বা বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- ২০১৭ সালে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান ।
- এর প্রধান কার্যালয় দিনাজপুরের নশিপুরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) থেকে আলাদা হয়ে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর পূর্বে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গম ও ভুট্টা নিয়ে গবেষণা করত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১,৯০৬.
Modified De-facto পদ্ধতিতে পরিচালিত বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি -
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থান গণনাভুক্ত করার পাশাপাশি শুমারি মুহূর্তে যারা ভ্রমণরত; হাসপাতাল ও হোটেলে থাকবেন বা কর্মরত থাকবেন তাদেরকে স্ব স্ব খানায় গণনাভুক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এ 'মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto)' পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।

- বাংলাদেশের কর্মকর্তারা বলছেন, এর আগে যে আদমশুমারি বা জনশুমারিগুলো করা হয়েছে, সেগুলো কাগজে-কলমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল।
- তার সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহার খুব বেশি ছিল না।
- ওয়েবভিত্তিক ইন্টিগ্রেটেড সেনসাস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আইসিএমএস) প্রস্তুতসহ জিওগ্রাফিক্যাল ইনফরমেশন সিস্টেমে (জিআইএস) ২০২২ সালের জনশুমারির কাজটি করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
ii) বিবিসি।
১,৯০৭.
গান্ধী শান্তি পুরস্কার-২০২০ লাভ করেন কে?
  1. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  2. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  3. অধ্যাপক আনিসুজ্জামান
  4. শেখ হাসিনা
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- ভারত সরকার প্রদত্ত গান্ধী শান্তি পুরস্কার-২০২০ লাভ করেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ভারত সরকার ১৯৯৫ সাল থেকে এই পুরস্কার দিয়ে আসছে।
- মহাত্মা গান্ধীর ১২৫তম জন্মবার্ষিকীতে এই পুরস্কারের প্রবর্তন করা হয়।। জাতীয়তা, বর্ণ, ভাষা বা লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল ব্যক্তির জন্য এই পুরস্কারটি উন্মুক্ত রয়েছে।
তথ্যসূত্র: প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো, ভারত)
১,৯০৮.
বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
২য়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২য়
ব্যাখ্যা
মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান:
- বিশ্বে অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ে মৎস্য আহরণে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- বদ্ধ জলাশয়ে চাষকৃত মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৫ম।
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ২য়।
- ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১ম।
- কাঁকড়া চাষে বাংলাদেশ নবম অবস্থানে রয়েছে।
- সামুদ্রিক মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম।
- তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান ৪র্থ।

উল্লেখ্য,
- জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষিবিষয়ক সংস্থার (এফএও) প্রকাশ করা বিশ্বের মৎস্যসম্পদবিষয়ক প্রতিবেদন ‘ওয়ার্ল্ড স্টেট অব ফিশারিজ অ্যান্ড অ্যাকুয়াকালচার-২০২৪’–এ এই তথ্যগুলো উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে ২০২২ সালের তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) FAO ওয়েবসাইট।
১,৯০৯.
বর্তমানে বিশ্বের কয়টি দেশে বাংলাদেশের কাঁচাপাট রপ্তানি হচ্ছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১৪টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা

কাঁচাপাট রপ্তানি:
- বাংলাদেশের কাঁচাপাট বর্তমানে বিশ্বের ১২টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
- এই ১২টি দেশের মধ্যে রয়েছে- ভারত, পাকিস্তান, চীন, নেপাল, ব্রাজিল, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনাম, তিউনেশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, আইভরি কোস্ট, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড।
- এর মধ্যে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ভারতে সবচেয়ে বেশি পাট রপ্তানি হয়েছে।
- দেশের বন্দরগুলোর মধ্যে চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্র বন্দর, বেনাপোল ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের মাধ্যমে সর্বোচ্চ পরিমাণ কাঁচাপাট বিদেশে রপ্তানি হয়।
- ২০২৪-২০২৫ অর্থ বছরের মে মাস পর্যন্ত ১ হাজার ৯৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা মূল্যের ৭ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬৯ বেল পাট রপ্তানি হয়েছে।

সূত্র- বাসস পত্রিকা রিপোর্ট।

১,৯১০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত বিধান উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৫৮ অনুচ্ছেদ
  2. ৫৯ অনুচ্ছেদ
  3. ৬৯ অনুচ্ছেদ
  4. ৬৮ অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫৯ অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৯ অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৯ অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার সম্পর্কিত মৌলিক বিধান দেওয়া হয়েছে।

সংবিধানে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত বিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানে তৃনমূল পর্যায়ে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য স্থানীয় সরকারকে প্রতিনিধিত্বমূলক প্রতিষ্ঠান এবং একই সাথে জনগণের অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে স্থানীয় সরকার সম্পর্কে ৪টি অনুচ্ছেদ রয়েছে (অনুচ্ছেদ ৯, ১১, ৫৯ এবং ৬০)।
- এসব অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকারের ভূমিকা ও কার্যকারিতা বিষয়ে সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা প্রদান করা হয়েছে।

⇒ অনুচ্ছেদ ৯: এই অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহিত করা এবং কৃষক, শ্রমিক ও মহিলাদের জন্য বিশেষ প্রতিনিধিত্বের কথা বলা হয়েছে। 
⇒ অনুচ্ছেদ ১১: প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। 
⇒ অনুচ্ছেদ ৫৯: প্রজাতন্ত্রের প্রতিটি প্রশাসনিক ইউনিটের স্থানীয় শাসন নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত সংস্থাগুলির উপর ন্যস্ত করার কথা বলা হয়েছে।
⇒ অনুচ্ছেদ ৬০: স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানসমূহকে স্থানীয় প্রয়োজনে কর আরোপ করার ক্ষমতাসহ বাজেট প্রস্তুতকরণ এবং নিজস্ব তহবিল রক্ষনাবেক্ষণের ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে। এ অনুচ্ছেদে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক ক্ষমতা প্রদানের বিধান রাখা হয়েছে।

৫৯। (১) আইনানুযায়ী নির্বাচিত ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত প্রতিষ্ঠানসমূহের উপর প্রজাতন্ত্রের প্রত্যেক প্রশাসনিক এককাংশের স্থানীয় শাসনের ভার প্রদান করা হইবে।(২) এই সংবিধান ও অন্য কোন আইন-সাপেক্ষে সংসদ আইনের দ্বারা যেরূপ নির্দিষ্ট করিবেন, এই অনুচ্ছেদের (১) দফায় উল্লিখিত অনুরূপ প্রত্যেক প্রতিষ্ঠান যথোপযুক্ত প্রশাসনিক এককাংশের মধ্যে সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন এবং অনুরূপ আইনে নিম্নলিখিত বিষয় সংক্রান্ত দায়িত্ব অন্তর্ভুক্ত হইতে পারিবে:

(ক) প্রশাসন ও সরকারী কর্মচারীদের কার্য;
(খ) জনশৃংখলা রক্ষা;
(গ) জনসাধারণের কার্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন-সম্পর্কিত পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন।

উৎস:
i) পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।

১,৯১১.
শিশু স্বর্গ-এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. এস এম সুলতান
  3. কামরুল হাসান
  4. মুস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
শিশু স্বর্গ:
- বিখ্যাত চিত্রশিল্পী এস এম সুলতান প্রতিষ্ঠিত চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান 'শিশু স্বর্গ'।
- এস এম সুলতান তার জীবনের সঞ্চয় দিয়ে শিশুদের জন্যে একটি নৌকা তৈরি করে এতে 'শিশু স্বর্গ' নামে ভ্রাম্যমাণ চিত্রাঙ্কন প্রতিষ্ঠান খোলেন।
- পরবর্তীতে নড়াইলের মাছিমদিয়ায় এস এম সুলতানের গ্রামে বাংলাদেশ সরকার সুলতান কমপ্লেক্স তৈরি করে।
- সেখানে 'শিশু স্বর্গ' নামে শিশুদের চিত্রাঙ্কন শেখার একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করে।
- এছাড়া এস এম সুলতান চারুপীঠ এবং নন্দকানন নামে আরো দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন।

উৎস: i) নড়াইল জেলা ওয়েবসাইট।
         ii) ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭, সমকাল। [link]
১,৯১২.
রাষ্ট্রভাষা বাংলাভাষার বিষয়ে সংসদে প্রথম দাবি উথাপন করেন-
  1. ক) মাওলানা ভাসানী
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. ঘ) এ. কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
গ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

১৯৪৮সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান প্রথমগণপরিষদ অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম ভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন। কিন্তু মুসলিম লীগের সদস্যদের ভোটে তা অগ্রাহ্য হয়।
উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্র ভাষা করার প্রতিবাদ হিসাবে ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে ঢাকায় ছাত্র ধর্মঘট ও ১১ মার্চ পূর্ব বাংলায় সাধারণ ধর্মঘট পালন করা হয়।
উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা বই (উন্মুক্ত)।

১,৯১৩.
বাংলায় আগমনকারী প্রথম চীনা পরিব্রাজক কে?
  1. ফা-হিয়েন
  2. হিউয়েন-সাং
  3. শীলভদ্র
  4. ই-ৎসিঙ্
সঠিক উত্তর:
ফা-হিয়েন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফা-হিয়েন
ব্যাখ্যা

পরিব্রাজক:
- ফা-হিয়েন ভারতে চৈনিক তীর্থ-ভ্রমণকারীদের মধ্যে সর্বপ্রথম বিবরণী পাওয়া যায়।
- পাঁচ শতকের সূচনায় তিনি ভারত ভ্রমণ করেন।
- তখন গুপ্ত বংশীয়রা বাংলার অংশবিশেষসহ ভারত শাসন করছিলেন।
- ফা-হিয়েন ৩৯৯ খ্রিস্টাব্দে চীন থেকে যাত্রা শুরু করেন।
- এবং ১৪ বছর পর আবার চীনে ফিরে যান।
- ভ্রমণের শেষ পর্যায়ে তিনি সীমান্ত রাজ্য চম্পার মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেন।
- ফা-হিয়েন প্রথম বাংলায় আসেন।
গন্তব্যস্থল:
- তাম্রলিপ্তি (তমলুক, পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত)।
- সমুদ্রপথে তিনি অপর বৌদ্ধপ্রধান অঞ্চল শ্রীলঙ্কায় যান।

অপরদিকে,
- হিউয়েন-সাং ফা-হিয়েনের পরবর্তী তীর্থ-ভ্রমণকারী ছিলেন।
- হিউয়েন-সাং ৬৩৮ খ্রিস্টাব্দের দিকে বাংলায় আসেন।
- ই-ৎসিঙ্ ৬৭২ খ্রিস্টাব্দের দিকে চৈনিক পর্যটক বাংলায় আসেন।
- তা চেং-তেঙ বারো বছর তাম্রলিপ্তিতে বসবাস করে সংস্কৃত ভাষায় দক্ষতা অর্জন করেন।
- শেঙ চি-এর ভ্রমনের সময় ছিল অভিন্ন (৬৭২-৭৩ খ্রি.)।
- জানা যায়, তিনি রাজভটের শাসনকালে সমতটে আসেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৯১৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষাকর্তা-
  1. প্রেসিডেন্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
  4. হাই কোর্ট
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষাকর্তা বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট।

♦ সংবিধানের রক্ষক:
→ বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষক সুপ্রিম কোর্ট।
→ সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক।
→ তাই এর ক্ষমতা ও কার্যাবলী অপরিসীম।
→ সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে সুপ্রীম কোর্ট দেশের সকল আদালতের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।
→ সংবিধান বহির্ভূত সব কিছুকেই সুপ্রীম কোর্ট অবৈধ ঘোষণা করতে পারে।
→ সুপ্রীম কোর্ট জনগণের মৌলিক অধিকারের সংরক্ষক ও সংবিধানের রক্ষক।

♦ উল্লেখ্য:
→ বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় গণপরিষদের মাধ্যমে।
→ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
→ সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
→ সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল একটি কমিটি গঠন করা হয়।
→ এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
→ এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
→ সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান ও বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ স্টাডিজ, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯১৫.
সংবিধানের ১৮(২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোন ধরনের অপরাধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন?
  1. চুরি, ডাকাতি, এবং খুন
  2. ঘুষ ও দুর্নীতি
  3. সাইবার অপরাধ এবং প্রতারণা
  4. জুয়া এবং গনিকাবৃত্তি
সঠিক উত্তর:
জুয়া এবং গনিকাবৃত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুয়া এবং গনিকাবৃত্তি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮ নং অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য এবং নৈতিকতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
 
⇒ ১৮ (১) নং দফায় বলা হয়েছে, জনগণের পুষ্টির স্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবেন এবং বিশেষতঃ আরোগ্যের প্রয়োজন কিংবা আইনের দ্বারা নির্দিষ্ট অন্যবিধ প্রয়োজন ব্যতীত মদ্য ও অন্যান্য মাদক পানীয় এবং স্বাস্থ্যহানিকর ভেষজের ব্যবহার নিষিদ্ধকরণের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

⇒ ১৮ (২) নং দফায় বলা হয়েছে, গনিকাবৃত্তি এবং জুয়াখেলা নিরোধের জন্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৯১৬.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ায়র মধ্যে কয়টি সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার সমঝোতা স্মারক সই:
- ১২ আগস্ট, ২০২৫ মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়। 
- বৈঠকের পর মালয়েশিয়ার সাথে পাঁচটি সমঝোতা স্মারক সই করেছে বাংলাদেশ।
- প্রথম সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে। 
- দ্বিতীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ, এলএনজি অবকাঠামো, পেট্রোলিয়াম পণ্য ও তাদের অবকাঠামো ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে। 
- তৃতীয় সমঝোতা স্মারকটি হলো মালয়েশিয়ার আইসিসিআইএস ও বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের মধ্যে।
- চতুর্থ সমঝোতা স্মারক মিমোস সার্ভিসেস এসডিএন বিহাদ এবং বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিএমসিসিআই) মধ্যে সহযোগিতা নিয়ে।
- পঞ্চম সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে মালয়েশিয়ার ন্যাশনাল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (এনসিসিআইএম) এবং বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফবিসিসিআই) এর মধ্যে।

উল্লেখ্য,
- মালয়েশিয়ার সাথে তিনটি ‘নোট অব এক্সচেঞ্জ’ ও সই করেছে বাংলাদেশ। 
- প্রথম নোট বিনিময় হয় উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা নিয়ে, দ্বিতীয় নোট বিনিময় হয় কূটনীতিক প্রশিক্ষণের জন্য এবং তৃতীয় নোটটি হালাল ইকোসিস্টেমে সহযোগিতা নিয়ে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]

১,৯১৭.
বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্য নীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য কী?
  1. বিনামূল্যে চিকিৎসা প্রদান
  2. সরকারি হাসপাতাল বৃদ্ধি
  3. প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা
  4. আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি চালু করা
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও জরুরি চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা
জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির উদ্দেশ্য হচ্ছে:
- সবার জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও জরুরি চিকিৎসা সেবা প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা;
- সমতার ভিত্তিতে সেবা গ্রহীতা কেন্দ্রিক মানসম্মত স্বাস্থ্য সেবার সহজপ্রাপ্যতা বৃদ্ধি ও বিস্তার করা;
- রোগ প্রতিরোধ ও সীমিতকরণের জন্য সেবা গ্রহণে জনগণকে উদ্বুদ্ধ করা।
- জনগণের নিজ পকেট হতে স্বাস্থ্য সেবার ব্যয় কমিয়ে আনা এবং বিপর্যয়কর স্বাস্থ্য ব্যয় হতে জনগণকে সুরক্ষা দেয়া।
- সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সংবিধান অনুযায়ী ও আন্তর্জাতিক সনদসমূহ অনুসারে চিকিৎসাকে অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করাও এ নীতির অন্যতম উদ্দেশ্য।

উৎস: জাতীয় স্বাস্থ্য নীতি ২০১১, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
১,৯১৮.
ডেনমার্কের অধিবাসীদের কী বলা হতো?
  1. ক) দিনেমার
  2. খ) ওলন্দাজ
  3. গ) ফরাসি
  4. ঘ) ফিরিঙ্গ
সঠিক উত্তর:
ক) দিনেমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দিনেমার
ব্যাখ্যা
ডেনমার্কের অধিবাসীরা : ডেনিশ বা দিনেমার।
অন্যদিকে:
- ফরাসি : ফ্রান্সের অধিবাসী
- ইংরেজ : ইংল্যান্ডের অধিবাসী
- ওলন্দাজ : নেদারল্যান্ডসের অধিবাসী
- পর্তুগিজ : পর্তুগালের অধিবাসী
- ফিরিঙ্গি : পর্তুগিজ জলদস্যু
- বর্গি : মারাঠা সৈন্য

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১,৯১৯.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল-
  1. নৌকা
  2. হারিকেন
  3. মোমবাতি
  4. বই
সঠিক উত্তর:
হারিকেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হারিকেন
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালে মূলত ৪টি দল নিয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
- নির্বাচনে মুসলিম লীগের নির্বাচনী প্রতীক ছিল 'হারিকেন'।
- নির্বাচনে মোট আসন ছিল ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯২০.
বাংলাদেশে দেশজাত দ্রব্যের উৎপাদন ও ব্যবহারের উপর ধার্যকৃত কর কোনটি?
  1. আবগারি শুল্ক
  2. আমদানি শুল্ক
  3. রপ্তানি শুল্ক
  4. আয়কর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবগারি শুল্ক
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- ‘আবগারি কর’ অভ্যন্তরীণ উৎপাদন ও আমদানির ওপর সমভাবে প্রযোজ্য হলেও বাস্তবে তা শুধু অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের ওপর আরোপ করা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানত চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- আবগারি শুল্ক মূল্যভিত্তিতে অথবা পরিমাণভিত্তিতে নির্ণয় করা হয়।
- বাংলাদেশে বর্তমানে আবগারি শুল্ক আরোপ করা হচ্ছে ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৪, আবগারি ও লবণ আইন-এর অধীনে।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাপিডিয়া।

১,৯২১.
What is the full form of BADC?
  1. Bangladesh Agricultural Department Corporation
  2. Bangladesh Association Defence Corporation
  3. Bangladesh Association Development Corporation
  4. Bangladesh Agricultural Development Corporation
  5. None of them
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Agricultural Development Corporation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Agricultural Development Corporation
ব্যাখ্যা
BADC:
- BADC-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Agricultural Development Corporation.
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
১,৯২২.
ভাষা শহিদদের মধ্যে কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
  1. আবুল বরকত
  2. আব্দুস সালাম
  3. রফিক উদ্দিন
  4. আব্দুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
আবুল বরকত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল বরকত
ব্যাখ্যা

আবুল বরকত:
- ভাষা আন্দোলনের একজন শহিদ আবুল বরকত। 
- আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন।

⇒ ভাষা শহিদ আবুল বরকত ১৯২৭ সালের ১৩ জুন অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলায় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ভারত বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে সপরিবার ঢাকায় চলে আসেন। তিনি ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে চতুর্থ হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে একই বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তি হন।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সংগঠিত আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

অন্যদিকে,
- আবদুস সালাম ডাইরেক্টর অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অফিসে রেকর্ড কিপার পদে চাকরি করতেন।
- রফিক উদ্দীন আহমদ মানিকগঞ্জ জেলার দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয়  বর্ষের ছাত্র।
- আবদুল জব্বার সাধারণ গ্রামীণ কর্মজীবী মানুষ ছিলেন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৯২৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুজিবনগর কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিলো?
  1. ক) ৫ নং সেক্টর
  2. খ) ৮ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৩ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুুদ্ধের সেক্টর:
- ১৯৭১ সালে ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- বর্তমান মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো
- ৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া
১,৯২৪.
কত দফার ভিত্তিতে যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে?
  1. ক) ১১ দফা
  2. খ) ৬ দফা
  3. গ) ১৯ দফা
  4. ঘ) ২১ দফা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১ দফা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের ২১-দফা কর্মসূচি
• আওয়ামী মুসলীম লীগের নির্বাচনী কর্মসূচীর ৪২ দফার প্রধান প্রধান দফা নিয়ে যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী ইসতেহার ঘোষণা করা হয় ।
• আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আবুল মনসুর আহমদের প্রণীত ২১ দফায় বিভিন্ন নেতা স্বাক্ষর করেন।
• ২১ দফার ভিত্তিতে যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল নৌকা এবং মুসলিম লীগের প্রতীক ছিল হারিকেন।
• ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট নেতাগণ ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা শহীদের স্মৃতি অম্লান করে রাখার জন্য শ্রদ্ধাভরে তাদের কর্মসূচিকে ২১টি দফায় লিপিবদ্ধ করেন।
• ২১ দফার মধ্যে ভাষা সংক্রান্ত দফা ৫ টি যথা - ১,১০,১৬,১৭,১৮।    

তথ্যসূত্র:-স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯২৫.
১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারী কি বার ছিল?
  1. মঙ্গলবার
  2. বুধবার
  3. বৃহস্পতিবার
  4. রবিবার
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৃহস্পতিবার
ব্যাখ্যা

একুশে ফেব্রুয়ারির ঘটনাবলি:
- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ছিল বৃহষ্পতিবার, ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮ বঙ্গাব্দ।
- পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী ২১ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররা জমায়েত হতে থাকে।
- সরকার ১৪৪ ধারা জারি করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে ছাত্ররা দুজন দুজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে থাকে।
- বেলা ১১ টায় ছাত্রসভা শুরু হয়। সভায় ১৪৪ ধারা ভাঙার সিদ্ধান্তগৃহীত হয়।
- ১৪৪ ধারা ভাঙার পন্থা হিসেবে দশজন দশজন করে ছাত্র রাস্তায় মিছিল বের করবে বলে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। 
- অনেকেই এদিন গ্রেফতার হন। 
- পুলিশ মিছিলকারীদের উপর বেপরোয়া লাঠিচার্জ করে এবং কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করে।
- কিন্তু সব বাধা উপেক্ষা করে ছাত্ররা মেডিকেল হোস্টেলের প্রধান ফটকের কাছে জমায়েত হন।
- মেডিকেল হোস্টেলের নিকটেই ছিল জগন্নাথ হলের অডিটোরিয়াম যেখানে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের সভা বসত।
- আন্দোলনকারী ছাত্রদের উদ্দেশ্য ছিল পূর্ববাংলা আইন পরিষদে যোগদানকারী সদস্যদের কাছে বাংলা ভাষার দাবির কথা পৌঁছে দেয়া যেন তাঁরা অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিষয়ে সুপারিশ গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৯২৬.
প্রাচীন বাংলার কোন জনপদ 'বজ্রভূমি' নামে পরিচিত ছিল?
  1. রাঢ়
  2. পুন্ড্র
  3. বরেন্দ্র
  4. সমতট
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঢ়
ব্যাখ্যা
রাঢ় জনপদ:
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো।
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।

⇒ রাঢ় জনপদটি ২টি অংশে বিভক্ত ছিল।
- দক্ষিণ রাঢ় এবং উত্তর রাঢ় নিয়ে ছিল রাঢ় জনপদ।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি।

⇒ রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- বৌদ্ধ পুঁথি ও বিদেশী পর্যটকদের বর্ণনা থেকে জানা যায় যে, তৎকালে তাম্রলিপ্তি একটি বিখ্যাত নৌ-বাণিজ্য বন্দর ছিল।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯২৭.
লর্ড কর্নওয়ালিস কত সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন?
  1. ক) ১৭৮৬ সালে
  2. খ) ১৭৯০ সালে
  3. গ) ১৭৯৩ সালে
  4. ঘ) ১৭৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
• লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন। 

• চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের পটভূমি:
- লর্ড কর্নওয়ালিসকে কোম্পানির শাসন দুর্নীতিমুক্ত ও সুসংগঠিত করতে ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারতের গভর্নর জেনারেল ও সেনা প্রধানের দায়িত্ব দিয়ে পাঠানো হয়।
- তিনি ১৭৯৩ খ্রিস্টাব্দে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- ঐ বছর ২২ মার্চ নির্দিষ্ট রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর স্থায়ী মালিকানা দান করে যে ভূমি বন্দোবস্ত চালু করা হয় তাকেই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বলা হয়।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের আগে ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস রাজস্ব আদায়ের জন্য পাঁচসালা বন্দোবস্ত চালু করেন।
- জমি বন্দোবস্তের নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকায় জমিদাররা অর্থ আদায়ের জন্য কৃষকদের প্রতি চরম নির্যাতন মূলক ব্যবস্থা নিতো। অথচ কৃষকের বা জমির উন্নয়নের প্রতি তাদের কোনো লক্ষ ছিল না। ফলে নির্যাতনের ভয়ে কৃষকরা জমি ছেড়ে পালিয়ে যেতো।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯২৮.
কোন গাছের কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে?
  1. ধুন্দল
  2. গেওয়া
  3. গরান
  4. গর্জন
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা
শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:
কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
- সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

দিয়াশলাই শিল্প:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে।
- এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

পরিবহন শিল্প:
- বনভূমি থেকে প্রাপ্ত গর্জন, সেগুন, চাপালিশ, প্রভৃতি গাছের কাঠ রেলথের স্লিপার, রেলগাড়ির বগি, লঞ্চ, স্টিমার, নৌকা, বাস ও ট্রাকের বডি, বৈদ্যুতিক খুঁটি, রাস্তার পুল ইত্যাদি তৈরি করতে প্রয়োজন।

ভেষজ শিল্প:
- বনের গাছ-গাছড়া, লতাপাতা, মধু, প্রভৃতির উপর নির্ভর করে ভেষজ শিল্প গড়ে উঠেছে।

চামড়া শিল্প:
- সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: কৃষি শিক্ষা দ্বিতীয় পত্র , এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯২৯.
সংবিধানের ৪১ নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ক) আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার
  2. খ) ধর্মীয় স্বাধীনতা
  3. গ) চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা
  4. ঘ) সমাবেশের স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মীয় স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধর্মীয় স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• ৩১ নং অনুচ্ছেদ - আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার।
• ৩৭ নং অনুচ্ছেদ - সমাবেশের স্বাধীনতা।
• ৩৯ নং অনুচ্ছেদ - চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা।
৪১ নং অনুচ্ছেদ - ধর্মীয় স্বাধীনতা।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৩০.
বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪.৮০ কিলোমিটার
  2. ৫.২২ কিলোমিটার
  3. ৬.১৫ কিলোমিটার
  4. ৭.২৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৬.১৫ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.১৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
পদ্মা সেতু:

- পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত পদ্মা সেতু একটি বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতু।
- এটি বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু।
- সেতুটি মুন্সিগঞ্জের মাওয়া, লৌহজংকে শরীয়তপুরের জাজিরা প্রান্তের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- এর ফলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্ত উত্তর-পুর্বাঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
- মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- সেতুতে মোট পাইল রয়েছে ২৭২টি।
- পদ্মা সেতু তৈরি করা হয়েছে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প সহনীয় করে।
- পদ্মা সেতুর মোট স্প্যান ৪১টি, যার প্রতিটির দৈর্ঘ্য ১৫০ মিটার।
- পদ্মা সেতুর মোট পিলার রয়েছে ৪২টি।
- পদ্মা সেতুর নেভিগেশন ক্লিয়ারেন্স ১৮.৩০ মিটার।
- ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ সালে প্রথম স্প্যান বসানো হয়।
- ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে শেষ স্প্যান বসানো হয়।
- ২৫ জুন ২০২২ সালে পদ্মা সেতু উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার বাংলা, জুন ২৫, ২০২২।
১,৯৩১.
পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট কে মনোনীত হয়েছিলেন?
  1. ইয়াহিয়া খান 
  2. আইয়ুব খান 
  3. ইস্কান্দার মির্জা 
  4. মালিক ফিরোজ খান
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা 
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন।

⇒ ইস্কান্দার মির্জা জেনারেল আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করেন।
- এর মাত্র তিন সপ্তাহ পর, ২১ দিনের মাথায় ২৭ অক্টোবর, ১৯৫৬ আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট মির্জাকে উৎখাত করে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করেন।
- এর পরের দিন আইয়ুব খান এক আদেশ জারির মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর পদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন।
- আইয়ুব খান নিজের ক্ষমতা পাকাপাকি করার জন্য ১৩ জন জেনারেলকে বরখাস্ত করেন এবং নিজেকে ভূষিত করেন ফিল্ড মার্শাল উপাধিতে।
- তা ছাড়া রাজধানী করাচি থেকে প্রথমে স্থানাস্তর করেন রাওয়ালপিন্ডিতে, পরে ইসলামাবাদে।
- জেনারেল আইয়ুব ১৯৫৯ সালে ‘মৌলিক গণতন্ত্র’ নামে নতুন একটা রাজনৈতিক ব্যবস্থা চালু করেন।
- ১৯৬০ সালে এসব মৌলিক গণতন্ত্রীর আস্থা ভোটে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৫৮-১৯৬৯ প্রায় ১০ বছর আইয়ুব খানের সামরিক শাসন স্থায়ী হয়েছিল।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৩২.
নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান কে?
  1. বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান
  2. ড. ইফতেখারুজ্জামান
  3. আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী
  4. ড. বদিউল আলম মজুমদার
সঠিক উত্তর:
ড. বদিউল আলম মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. বদিউল আলম মজুমদার
ব্যাখ্যা

• দেশের বিভিন্ন সেক্টর সংস্কারে লক্ষে আলাদা কমিশন গঠন করে অন্তর্বর্তী সরকার।

- নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান - বদিউল আলম মজুমদার।
- পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান - সফর রাজ হোসেন।
- বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে-  বিচারপতি শাহ আবু নাঈম মমিনুর রহমান।
- দুর্নীতি দমন সংস্কার কমিশনের প্রধান- ড. ইফতেখারুজ্জামান।
- জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান - আবদুল মুয়ীদ চৌধুরী।
- আর সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান হিসেবে প্রথমে বিশিষ্ট আইনজীবী শাহদীন মালিকের নাম ঘোষণা করা হলেও পরে তা পরিবর্তন করে অধ্যাপক আলী রীয়াজকে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১,৯৩৩.
বাংলাদেশের প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল-
  1. ক) ২০১০-১৮
  2. খ) ২০১০-২১
  3. গ) ২০১০-৪১
  4. ঘ) ২০১০-৩১
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১০-২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১০-২১
ব্যাখ্যা

- এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ২টি দীর্ঘমেয়াদি বা প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল ছিল- ২০১০-২০২১।
- এই পরিকল্পনার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে সুষম ও সমন্বিত উন্নয়ন অর্জন।
- প্রধান লক্ষ্য ছিল ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের সমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করা।
- দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল- ২০২১-২০৪১ সাল।
- উদ্দেশ্য হচ্ছে দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুশাসন আরও সুসংহত করা এবং বাংলাদেশকে আধুনিক বিশ্বের দেশ হিসেবে গড়ে তোলা।
- প্রধান লক্ষ্য ২০৪১ সালে বাংলাদেশকে উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করানো।

১,৯৩৪.
কত সালে ঢাকা শহরকে সিটি কর্পোরেশন রূপান্তর করা হয়?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৮৬৪ খ্রিস্টাব্দে ঢাকা মিউনিসিপ্যালিটি (পৌরসভা) গঠিত হয় এবং ১৯৬০ সালে এটিকে টাউন কমিটিতে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৭২ সালে টাউন কমিটি বিলুপ্ত করে পৌরসভায় রূপান্তর করা হয় এবং ১৯৮৩ সালে একে মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত করা হয়।
- ১৯৯০ সালে ঢাকা শহরকে সিটি কর্পোরেশন রূপান্তর করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৯৩৫.
জাতিসংঘের 'টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন ২০২১' অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান কততম?
  1. ক) ১৩৭
  2. খ) ১০৯
  3. গ) ১৩৫
  4. ঘ) ১২২
সঠিক উত্তর:
খ) ১০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০৯
ব্যাখ্যা
টেকসই উন্নয়ন প্রতিবেদন:
জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশনস নেটওয়ার্ক ১৬৫ টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে 'Sustainable Development Report 2021' শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশ করে ১৪ জুন ২০২১।

প্রতিবেদন অনুযায়ী -
শীর্ষ দেশ - ফিনল্যান্ড এবং সর্বনিম্ন দেশ - মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র। 
সার্কভুক্ত দেশগুলোর অবস্থান –
ভুটান – ৭৫-তম,
মালদ্বীপ - ৭৯-তম,
শ্রীলঙ্কা - ৮৭-তম,
নেপাল - ৯৬-তম,
বাংলাদেশ - ১০৯-তম,
ভারত - ১২০-তম,
পাকিস্তান - ১২৯-তম,
আফগানিস্তান - ১৩৭-তম।
১,৯৩৬.
E-banking-এর সমার্থক কোনটি?
  1. Tele Banking
  2. Easy Banking
  3. Automated Banking
  4. Internet Banking
সঠিক উত্তর:
Internet Banking
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Internet Banking
ব্যাখ্যা
• E-banking-এর সমার্থক Internet Banking.

• অনলাইন ব্যাংকিং বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং:
- ই-ব্যাংকিং হল একটি ব্যাঙ্ক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং এর গ্রাহকদের মধ্যে একটি ব্যবস্থা যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেন করতে সক্ষম।
- তথ্য প্রযুক্তির ক্রমাগত উন্নতিতে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে অনলাইন ব্যাংকিং'। 

অন্যদিকে,
• E-Banking product: 
- ATM, 
- SMS banking, 
- Plastic money, (debit or credit card is called Plastic money).

উৎস: ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ- ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।
১,৯৩৭.
বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মিত হচ্ছে-
  1. ক) পটুয়াখালীতে
  2. খ) চট্টগ্রামে
  3. গ) ফরিদপুরে
  4. ঘ) খুলনায়
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা

• স্বপ্নের দিগন্তে বঙ্গবন্ধু টানেল:
- দেশের ফাস্ট ট্র্যাক মেগাপ্রকল্পের একটি বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ।
- চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম টানেল।
- জাপানি সংস্থা জাইকা প্রথম কর্ণফুলী নদীতে টানেল নির্মাণের সুপারিশ করে।
- ১৪ অক্টোবর ২০১৭ বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং চীন সরকারের পক্ষ থেকে দ্য এক্সিম ব্যাংক অব চায়না এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ঐ দিনই টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
- মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৪ কিমি এবং উভয় পাশের সংযোগ সড়ক ৫.৩৫ কিমি।
- টানেলটি চট্টগ্রাম নগরের সাথে আনোয়ারা উপজেলাকে যুক্ত করবে।
- টানেলের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (CCCC)।
- এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ এবং এটি ২০২২ সালে উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

উৎস: দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট 

১,৯৩৮.
সংবিধানের তফসিল কতটি?
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ৬টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান হল মৌলিক বিধানাবলির  সমন্বয়  একটি গঠনতন্ত্র যার উপর ভিত্তি করে একটি রাষ্ট্র পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানের পূর্ণ নাম: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধান।
- সংবিধান গণাপরিষদে গৃহীত হয়: ৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকর হয়- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।
- সংবিধানের একটি প্রস্তাবনা আছে- বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম।
- সংবিধানের মূলনীতি- ৪টি।
- সংবিধানের তফসিল- ৭ টি।
- সংবিধানের ভাগ- ১১ টি।
- সংবিধানের অনুচ্ছেদ- ১৫৩ ‍টি।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৯৩৯.
Bangladesh's first five-year plan was applicable for which period?
  1. 1972-77
  2. 1972-78
  3. 1973-77
  4. 1973-78
  5. 1974-79
সঠিক উত্তর:
1973-78
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1973-78
ব্যাখ্যা
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা:
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- এর মধ্যে ৭টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা সম্পন্ন হয়েছে।
• প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৭৩-৭৮।
• দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৮০-৮৫।
• তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৮৫-৯০।
• চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৯০-৯৫।
• পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ১৯৯৭-২০০২।
• ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০১১-১৫।
• সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০১৬-২০।
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা: ২০২০-২৫।

⇒ ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা চলমান রয়েছে।
- ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০ তারিখে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ ৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০২১ - ২০২৫ মেয়াদে " চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়।শ

উৎস: পরিকল্পনা বিভাগ।
১,৯৪০.
কোন অঞ্চলগুলো নিয়ে পূর্বববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়েছিলো?
  1. ক) বিহার, রাজশাহী, কলকাতা
  2. খ) ঢাকা, চট্টগ্রাম, পার্বত্য ত্রিপুরা
  3. গ) আসাম, উড়িষ্যা, চট্টগ্রাম
  4. ঘ) মালদহ, জলপাইগুড়ি, পশ্চিম বাংলা
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা, চট্টগ্রাম, পার্বত্য ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা, চট্টগ্রাম, পার্বত্য ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা
১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করা হয়।
ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, জলপাইগুড়ি, মালদহ, পার্বত্য ত্রিপুরা ও আসাম নিয়ে পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়। এর রাজধানী ছিলো ঢাকা।
অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ। যার রাজধানী ছিলো কলকাতা।
কিন্তু কংগ্রেস ও হিন্দুদের তীব্র বিরোধিতার কারণে ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১,৯৪১.
বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু হয় কোন সালে?
  1. ১৭০০ সালে
  2. ১৭৯৩ সালে
  3. ১৭৮৩ সালে
  4. ১৭৫১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

চিরস্থায়ী বন্দোবস্থ
• ১৭৯৩ সালের ২২মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
• ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
• চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়। বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
• ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯৪২.
সংরক্ষিত মহিলা আসন ৩০ থেকে ৪৫টি করা হয় সংবিধানের কততম সংশোধনীতে?
  1. ক) একাদশ সংশোধনী
  2. খ) ত্রয়োদশ সংশোধনী
  3. গ) চতুর্দশ সংশোধনী
  4. ঘ) সপ্তদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্দশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চতুর্দশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
চতুর্দশ সংশোধনী
সংসদে উত্থাপন: ২৭ মার্চ, ২০০৪
উত্থাপনকারী: আইনমন্ত্রী মওদুদ আহমেদ এই সংশোধনীটি উত্থাপন করেন।
সংসদে গৃহীত:  ১৬ মে, ২০০৪
রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ১৭ মে, ২০০৪

চতুর্দশ সংবিধান সংশোধন আইন অনুসারে,
৬৫(৩) নং অনুচ্ছেদ সংশোধন করে সংরক্ষিত মহিলা আসন ৩০ থেকে ৪৫টি করা হয়।
বিচারপতি, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যানের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়।
১৪৮ অনুচ্ছেদে (২ক) দফা সংযুক্ত করা হয়।
এছাড়া রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি এবং সরকারি ও আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও বিদেশে বাংলাদেশ মিশনে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিকৃতি বা ছবি প্রদর্শনের বিধান করা হয়।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
১,৯৪৩.
উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত কোনটি?
  1. মালা
  2. প্রতিভা
  3. চমক
  4. ঝিটকা
সঠিক উত্তর:
মালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১,৯৪৪.
বাংলায় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তক -
  1. ক) লর্ড মিন্টো
  2. খ) লর্ড রিপন
  3. গ) লর্ড লিটন
  4. ঘ) লর্ড হার্ডিঞ্জ
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড রিপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা
- বাংলায় স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তক লর্ড রিপন।
- ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় (১৮৮০-৮৪) ছিলেন। 
- তাঁর সর্বপ্রথম পদক্ষেপ ছিল দীর্ঘস্থায়ী অ্যাংলো-আফগান শক্রতার অবসান ঘটানো।
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের ক্রমবিকাশের ক্ষেত্রে লর্ড রিপন উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।
- ১৮৮২ সালে তিনি সরকারিভাবে মনোনীত ব্যক্তিদের দ্বারা পরিচালিত স্থানীয় সরকারের চলমান প্রথা রহিত করেন।
- তিনি গ্রামীণ বোর্ডসমূহের জন্য সর্ব প্রথম নির্বাচন প্রথা প্রবর্তন করেছিলেন।
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার কাঠামো শুরু হয় ব্রিটিশ আমলে।
- ব্রিটিশ আমলে ১৮৭০ সালে চৌকিদারি আইনের মাধ্যমে পঞ্চায়েত ব্যবস্থার আইনি কাঠামো দেওয়া হয়।
- এরপর ভাইসরয় লর্ড রিপনের সময়ে ১৮৮৫ সালে ব্রিটিশ বেঙ্গল লোকাল সেল্ফ গর্ভমেন্ট এ্যাক্টের মাধ্যমে এ জনপদে তিনস্তর বিশিষ্ট পল্লী স্থানীয় সরকার কাঠামো প্রবর্তন করা হয়।
- এগুলো হলো- জেলা পর্যায়ের জন্য জেলা বোর্ড, থানা পর্যায়ের জন্য লোকাল বোর্ড এবং গ্রামের জন্য ইউনিয়ন কমিটি।
- এছাড়াও ভাইসরয় লর্ড রিপনের সময়েই ১৮৮৪ সালে বেঙ্গল মিউনিসিপল এ্যাক্টের মাধ্যমে নগর স্থানীয় সরকার মিউনিসিপল্ প্রতিষ্ঠা করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৪৫.
শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হককে 'শের-ই-বঙ্গাল' বা 'বাংলার বাঘ' উপাধি দেয় কারা?
  1.  কৃষক-প্রজারা
  2. পাঞ্জাববাসীরা
  3. লাহোরবাসীরা
  4. কলকাতাবাসীরা
সঠিক উত্তর:
পাঞ্জাববাসীরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঞ্জাববাসীরা
ব্যাখ্যা

শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকঃ
- তার পূর্ণ নাম আবুল কাশেম ফজলুল হক। 
- ১৮৭৩ সালের ২৯ অক্টোবর বরিশাল জেলার বানরীপাড়া থানার চাখার গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯০৬ সালে তিনি ডেপুটি ম্যাজিস্টেটের চাকরি গ্রহণ করেন।
- ১৯১৬ সালে লক্ষ্ণৌ শহরের অধিবেশনে তিনি যে প্রস্তাব উত্থাপন করেন, তাই বিখ্যাত ‘লক্ষ্ণৌ চুক্তি’ নামে অভিহিত হয়।
- ১৯২৭ সালে তিনি কৃষক-প্রজা পার্টি নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- ১৯৩৫-৩৬ সালে প্রথম বাঙালি মুসলমান হিসাবে কলকাতা কর্পোরেশনের মেয়র নির্বাচিত হন।
- ১৯৩৭ সালে শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক অবিভক্ত বাংলার প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন। 
- ১৯৪০ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর সভাপতিত্বে লাহোরে অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত মুসলিম লীগের অধিবেশনে জ্বালাময়ী বক্তৃতায় প্রথম পাকিস্তান প্রস্তাব পেশ করেন।
- তাঁর বক্তৃতায় মুগ্ধ হয়ে পাঞ্জাববাসীরা তাঁকে উপাধি দেয় শের-ই-বঙ্গাল অর্থাৎ বাংলার বাঘ।
- তিনি ‘ঋণ সালিশী বোর্ড’ গঠন করেন।
- ১৯৪০ সালে মহাজনী আইন পাসের মাাধ্যমে সুদের হার ও চক্রবৃদ্ধি রহিত করেন।
- তাঁর প্রচেষ্টায় ফ্লাউড কমিশন গঠিত হয় এবং এ কমিশনের সুপারিশেই ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারী দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন পাস হয়। 
- ১৯৫৪ সালে দেশের সাধারণ নির্বাচনে তিনি ‘যুক্তফ্রন্ট’ দলের নেতৃত্ব দিয়ে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সাল থেকে ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তিনি পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- ১৯৫৫ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টর-অব-ল উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৯৫৯ সালে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান তাঁকে ‘হিলাল-ই-পাকিস্তান’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- শের-এ-বাংলা এ. কে ফজলুল হক ১৯৬২ সালের ২৭ এপ্রিল প্রায় ৮৯ বছর বয়সে ইন্তেকাল করেন।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজাপুর উপজেলার ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]।

১,৯৪৬.
বেঙ্গল প্যাক্ট কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১৯০৯ সালে 
  2. ১৯১১ সালে 
  3. ১৯১৩ সালে 
  4. ১৯২৩ সালে 
সঠিক উত্তর:
১৯২৩ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯২৩ সালে 
ব্যাখ্যা

 • বেঙ্গল প্যাক্ট:
- বেঙ্গল প্যাক্ট একটি চুক্তি যা ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে সাম্প্রদায়িক পার্থক্যজনিত সমস্যা সমাধানকল্পে সম্পাদিত হয়েছিল। 
- চুক্তির উদ্যোক্তা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ মুসলিমদের সাথে হিন্দুদের রাজনৈতিক অংশীদারত্বের পক্ষপাতী ছিলেন।
- এই চুক্তিতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী‌র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- চুক্তিটি বঙ্গীয় প্রাদেশিক কংগ্রেস কমিটির ১৯২৩ সালের ১৮ ডিসেম্বর তারিখের সভায়ও অনুমোদন লাভ করে।
• চুক্তিটির বিভিন্ন শর্ত ছিল নিম্নরূপ:
১. বঙ্গীয়-আইন সভায় প্রতিনিধিত্ব পৃথক নির্বাচক মন্ডলীর মাধ্যমে জনসংখ্যার ভিত্তিতে নির্বাচনের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
২. স্থানীয় পরিষদসমূহে প্রতিনিধিত্বের অনুপাত হবে সংখ্যাগুরু সম্প্রদায়ের শতকরা ৬০ ভাগ এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের শতকরা  ৪০ ভাগ।
৩. সরকারি চাকরির শতকরা পঞ্চান্ন ভাগ পদ পাবে মুসলমান সম্প্রদায় থেকে। যতদিন ঐ অনুপাতে না পৌঁছানো যায়, ততদিন মুসলমানরা পাবে শতকরা আশি ভাগ পদ এবং বাকি শতকরা কুড়ি ভাগ পাবে হিন্দুরা।
৪. কোন সম্প্রদায়ের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ৭৫ শতাংশের সম্মতি ব্যতিরেকে এমন কোন আইন বা সিদ্ধান্ত উপস্থাপন করা যাবে না, যা ঐ সম্প্রদায়ের সঙ্গে স্বার্থের পরিপন্থী।
৫. মসজিদের সামনে বাদ্যসহকারে শোভাযাত্রা করা যাবে না।
৬.  আইন সভায় খাদ্যের প্রয়োজনে গো-জবাই সংক্রান্ত কোন আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে না এবং আইন সভার বাইরে দুটি সম্প্রদায়ের মধ্যে সমঝোতা আনার প্রচেষ্টা চালানো অব্যাহত থাকবে। এমনভাবে গরু জবাই করতে হবে যেন তা হিন্দুদের দৃষ্টিতে পড়ে তা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত না করে।  ধর্মীয় প্রয়োজনে গরু জবাইয়ের ব্যাপারে কোন হস্তক্ষেপ করা যাবে না।

উৎস: বাংলাপিডিয়া 

১,৯৪৭.
Where is Shiladevi Ghat located?
  1. ক) Bogura
  2. খ) Bagerhat
  3. গ) Cumilla
  4. ঘ) Dinajpur
সঠিক উত্তর:
ক) Bogura
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Bogura
ব্যাখ্যা
শীলাদেবীর ঘাট বগুড়ায় অবস্থিত।

• শীলাদেবীর ঘাট:
- শীলাদেবীর ঘাট  জনশ্রুতিতে বর্ণিত শীলাদেবীর ঘাট বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় থেকে ২০০ মিটার পূর্ব দিকে করতোয়া নদীতে অবস্থিত।
- স্থানটির অবস্থান মহাস্থানগড়স্থ বৈরাগীর ভিটার বিপরীত দিকে।
- স্থানীয় কাহিনী-কিংবদন্তী অনুযায়ী শীলাদেবী ছিলেন মহাস্থানগড়ের শেষ হিন্দু রাজা পরশুরামের কন্যা বা ভগ্নি।

- মুসলিম সাধক শাহ সুলতান বলখী (রঃ) মাহীসওয়ার কর্তৃক রাজা পরশুরাম পরাজিত হলে শীলাদেবী করতোয়ার এই স্থানে জলে ডুবে আত্মাহুতি দেন।
- এই স্থানটি তাই শীলাদেবীর ঘাট নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৯৪৮.
বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. হরিপুর
  2. ইলিশ-১
  3. ভোলা নর্থ
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- এ গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন করা হয় ১৯৫৭ সালে।
- এ গ্যাসক্ষেত্রের আবিষ্কারক ছিল পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি।
- এটি দেশের জ্বালানি ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হয়।

উল্লেখ্য, 
• বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র। 
- এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
• বাংলাদেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র হচ্ছে ইলিশা-১,ভোলা জেলা।
• আর সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গেছে জামালপুরের মাদারগঞ্জে। [ডিসেম্বর,২০২৫]।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো পত্রিকা। 

১,৯৪৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত-
  1. শিল্প খাত
  2. কৃষি খাত
  3. সেবা খাত
  4. যোগাযোগ খাত
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প খাত
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
• বাংলাদেশের জিডিপিতে উৎপাদন ভিত্তিতে ৩ টি বৃহৎ খাত।
- সার্বিক ভাবে ১৯টি খাত রয়েছে।
- বাংলাদেশের দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত।

উল্লেখ্য,
- জিডিপিতে সর্ববৃহৎ খাত- সেবা খাত।
- ছোট খাত- কৃষি খাত।
- কিন্তু কর্মসংস্থান দিক থেকে বৃহৎ খাত- কৃষি খাত।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৯৫০.
দেশের প্রথম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কোনটি?
  1. বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
  2. বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল
  3. বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি
  4. লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
সঠিক উত্তর:
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
ব্যাখ্যা

- দেশের প্রথম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি এলডিপি
- নিবন্ধন নম্বর: ০০১।
- নিবন্ধন তারিখ: ২০/১০/২০০৮.
- প্রতীকের নাম: ছাতা।
- প্রেসিডেন্ট: ডক্টর অলি আহমদ, বীর বিক্রম।
- এটি দেশের প্রথম নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।

অপরদিকে,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ৫৫টি। (আওয়ামীলিগ ছাড়া)
- তবে আওয়ামীলের নিবন্ধন স্থগিত রয়েছে।
- সর্বশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল: বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)। [জানয়ারি, ২০২৬]

উৎস: নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

১,৯৫১.
স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় কবে?
  1. ১ মার্চ ১৯৭০
  2. ২ মার্চ ১৯৭১
  3. ১ মার্চ ১৯৭১
  4. ৪ মার্চ ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ:
- স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১ মার্চ।
- বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ছাত্রলীগ ও ডাকসুর সমন্বয়ে ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। 

'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ'- এর সদস্যগণ হলেন -
১. নুরে আলম সিদ্দিকী (সভাপতি, ছাত্রলীগ),
২. শাজাহান সিরাজ (সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগ),
৩. আ. স. ম. আব্দুর রব (সহ-সভাপতি, ডাকসু),
৪. আব্দুল কুদ্দুস মাখন (সাধারণ সম্পাদক, ডাকসু)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৫২.
সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা কোন সংশোধনীর মাধ্যমে সংযোজন করা হয়?
  1. একাদশ সংশোধনী
  2. পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. দশম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• ত্রয়োদশ সংশোধনী: 
- শিরোনাম: সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬
- পাস হয়: ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ।
- বিষয়বস্তু: একটি নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা প্রবর্তন করে, যা অবাধ ও সুষ্ঠ নির্বাচন নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল।
- সংবিধানে ৫৮(ক), ৫৮(খ), ৫৮(গ), ৫৮(ঘ), ৫৮(ঙ), এই ৫টি অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়।
-  জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান বাতিল করা হয়। 
- গত ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তি-সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের ২০ ও ২১ ধারা সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও পত্রিকা।

১,৯৫৩.
নিচের কোন দেশটি বাংলাদেশে সর্বাধিক পরিমাণ রপ্তানি করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. কানাডা
  4. জাপান
সঠিক উত্তর:
ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত
ব্যাখ্যা
- গত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট পণ্য আমদানির পরিমাণ ছিলো ৫৪.৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
দেশ অনুসারে বাংলাদেশের প্রধান আমদানি উৎসসমূহ:
- প্রথম : চীন (১২.৯২ বি. ডলার)
- দ্বিতীয় : ভারত (৮.৫৯ বি. ডলার)
- তৃতীয় : সিঙ্গাপুর (২.৪৭ বি. ডলার)
- চতুর্থ : যুক্তরাষ্ট্র (২.২৭বি. ডলার)
- পঞ্চম : জাপান (২ বি. ডলার)
- ষষ্ঠ : ইন্দোনেশিয়া (১.৮৫ বি. ডলার)
- সপ্তম : ব্রাজিল (১.৭৪ বি. ডলার)
- অষ্টম : মালয়েশিয়া (১.৫৭ বি. ডলার)
- নবম : সংযুক্ত আরব আমিরাত (১.৩৩ বি. ডলার)
- দশম : দক্ষিণ কোরিয়া (১. ১৩ বি. ডলার)।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১,৯৫৪.
দেশের বৃহত্তম চিনিকল কোনটি?
  1. ক) নর্থবেঙ্গল সুগার মিলস লি.
  2. খ) ফরিদপুর সুগার মিলস লি.
  3. গ) সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি.
  4. ঘ) কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি.
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি.
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সর্ববৃহৎ চিনিকল হলো কেরু এন্ড কোং (বিডি) লিমিটেড। এটি চুয়াডাঙ্গা জেলার দর্শনায় অবস্থিত যা ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের অধীনে মোট ১৫টি চিনিকল রয়েছে৷ এর মধ্যে নাটোরে অবস্থিত নর্থবেঙ্গল চিনিকল দেশের প্রথম চিনিকল।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট)
১,৯৫৫.
২০০৮ সালের পর কতটি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল হয়?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৩ টি
  4. ঘ) ৫ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ টি
ব্যাখ্যা

 ২০০৮ সালের পর ৩ টি রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাতিল হয় ।
- নিবন্ধন বাতিল হওয়া দলগুলো হলো: বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল( জে এস ডি) এবং বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি।

উৎস:বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন(ecs.gov.bd)

১,৯৫৬.
বাংলাদেশ বেতারের প্রথম কী নামকরণ করা হয়?
  1. পাকিস্তান রেডিও
  2. পূর্ব পাকিস্তান রেডিও
  3. ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
  4. পূর্ব পাকিস্তান ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বেতার:
- বাংলাদেশ বেতারের প্রথম নামকরণ করা হয় 'ঢাকা ধ্বনি বিস্তার কেন্দ্র'।
- বাংলাদেশে প্রথম বেতার সম্প্রচার শুরু হয় ১৯৩৯ সালে ১৬ই ডিসেম্বর।
- ঢাকার নাজিমুদ্দিন রোডে দুটি স্টুডিও নিয়ে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ঢাকা বেতারের সম্প্রচার যন্ত্র অর্থাৎ ট্রান্সমিটারটি বসানো হয়েছিল বর্তমান কল্যাণপুর।
- ১৯৮৩ সালের ৩০ জুলাই ঢাকাস্থ শের-ই-বাংলা নগরে বর্তমান অত্যাধুনিক পূর্ণাঙ্গ জাতীয় বেতার ভবনে ঢাকা প্রচার কেন্দ্র স্থানান্তরিত হলে শাহবাগের সাবেক প্রচার ভবনটি বাংলাদেশ বেতারের সদর দপ্তরে রূপান্তরিত হয়।
- বাংলাদেশ বেতারের ১৪টি আঞ্চলিক কেন্দ্র ও ৬টি ইউনিট হতে ১৬টি মধ্যম তরঙ্গ ট্রান্সমিটার, ২টি ক্ষুদ্র তরঙ্গ ট্রান্সমিটার ও ৩৪টি এফএম ট্রান্সমিটারের মাধ্যমে দৈনিক ৪৯৭ ঘণ্টা অনুষ্ঠান সম্প্রচার করা হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ বেতার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১,৯৫৭.
একটি দেশের নাগরিকদের দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অর্জিত আয় বিবেচনা করা হয় কীসে?
  1. নীট জাতীয় উৎপাদন (NNP)
  2. নীট দেশজ উৎপাদন (NDP)
  3. মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)
  4. মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)
ব্যাখ্যা
একটি দেশের নাগরিকদের দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অর্জিত আয় বিবেচনা করা হয় মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)-তে। 

মোট জাতীয় উৎপাদন (Gross national income or GNP):

- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের জনগণ যে পরিমাণ বস্তুগত ও অবস্তুগত চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলে।
- একটি দেশের জনগণ দেশের ভেতরে ও দেশের বাহিরে অবস্থান করে উৎপাদন কাজ করতে পারে।
- তাই বিদেশে অবস্থানরত দেশীয় নাগরিকদের অর্জিত আয় GNP-তে অন্তর্ভূক্ত হয়।

⇒ দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা বিদেশে বিক্রয় তা হল রপ্তানী আর বিদেশে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা দেশের অভ্যন্তরে বিক্রয় তা হল আমদানি।
- এ রপ্তানি ও আমদানির ব্যবধানকে নীট রপ্তানি আয় বলে।
- অতএব একটি দেশের সব নাগরিকদের মোট ভোগ ব্যয়, মোট বিনিয়োগ ব্যয়, মোট সরকারি ব্যয় এবং নীট রপ্তানি আয়ের সমষ্টিকে মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) বলা হয় ।

অন্যদিকে -
⇒ মোট দেশজ উৎপাদন (Gross Domestic Product or GDP):
- GDP হলো একটি দেশের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক সীমারেখার মধ্যে দেশে অবস্থিত সকল ব্যক্তিবর্গ (দেশি ও বিদেশি) প্রাপ্ত সম্পদ ব্যবহার করে যে পরিমাণ দ্রব্য ও সেবাসামগ্রী উৎপাদন করে তার আর্থিক মূল্য।

⇒ নীট জাতীয় উৎপাদন (Net National Prduct or NNP):
- NNP হলো মোট জাতীয় উৎপাদন থেকে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বাদ দিলে পাওয়া যায় নীট জাতীয় উৎপাদন।
- মোট জাতীয় উৎপাদন করতে সারা বছর ধরে বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়।
- ফলে যন্ত্রপাতির অবচয়জনিত কারণে প্রকৃত মূল্য হ্রাস পেতে থাকে।
- দেশের উৎপাদন ক্ষমতা বজায় রাখতে হলে মোট জাতীয় উৎপাদনের কিছু অংশ মূলধনের ক্ষয়ক্ষতি পূরণের জন্য কর্তন করতে হয়।
- একে মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয় বলে । সুতরাং,
নীট জাতীয় উৎপাদন = মোট জাতীয় উৎপাদন – মূলধনের অবচয়জনিত ব্যয়

⇒ নীট দেশজ উৎপাদন (Net Domestic Product or NDP):
- NDP হলো নীট দেশজ উৎপাদন মোট দেশজ উৎপাদনের একটি অংশ।
- মোট দেশজ উৎপাদন থেকে মূলধনের বাদ দিলে যা পাওয়া যায় তা হলো নীট দেশজ উৎপাদন ।

উৎস: i) অর্থনীতি, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ বাংলা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৫৮.
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টরসমূহের মধ্যে নৌ-সেক্টর কোনটি?
  1. ৮ নং
  2. ১০ নং
  3. ১১ নং
  4. ৯ নং
সঠিক উত্তর:
১০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নং
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১,৯৫৯.
বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত কয়টি মৌসুমে ভাগ করা যায়?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:- রবি বা শীলকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত আশ্বিন থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

তথ্যসূত্র - কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।
১,৯৬০.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশ সরকারের কর-বহির্ভূত রাজস্ব ?
  1. ক) সম্পূরক শুল্ক
  2. খ) টোল ও লেভি
  3. গ) বাণিজ্য শুল্ক
  4. ঘ) মূল্য সংযোজন কর
সঠিক উত্তর:
খ) টোল ও লেভি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টোল ও লেভি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের কর-বহির্ভূত রাজস্ব হচ্ছে - টোল ও লেভি।
অপরদিকে -
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান উৎস রাজস্ব কর।
- সরকার দেশের জনগণ, বিভিন্ন ব্যবসায় ও শিল্প কারখানার ওপর যে কর ধার্য করে তা থেকে প্রাপ্ত আয়কে রাজস্ব কর বলে।
- বাণিজ্য শুল্ক, আবগারী শুল্ক, মূল্য সংযোজন কর, সম্পূরক শুল্ক ও ভূমি রাজস্ব ইত্যাদি রাজস্ব কর।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৯৬১.
বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম সংঘটিত হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে কোনটি?
  1. ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. ১৯৫৪ সালের নির্বাচন
  4. ১৯৭০ সালের নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালের নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সালের নির্বাচন
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচন ও সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি:
- বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে ১৯৭০ সালের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ১৯৬৯ সালের ২৫ মার্চ সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খানের নিকট থেকে ক্ষমতা গ্রহণ করে জেনারেল ইয়াহিয়া খান জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দেন।
- ২৮ নভেম্বর তিনি এক ভাষণে দেশে পুনরায় সর্বজনীন প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচনের মাধ্যমে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তনের ঘোষণা দেন।
- যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭০ সালের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে।
- নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
- নির্বাচনের ফলাফল ছিল ছয় দফাভিত্তিক বাঙালি জাতীয়তাবাদের বিজয়।

⇒ কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে ইচ্ছুক ছিল না। ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য শাসকগোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ মানুষের উপর আক্রমণ করে।
- এরই পরিপ্রেক্ষিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং নয় মাস রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- বিজয় অর্জনের মধ্যে দিয়ে স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয় ঘটে।
- তাই বলা যায়, বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম সংঘটিত হওয়ার পেছনে সবচেয়ে বেশি প্রভাব ফেলেছে ১৯৭০ সালের নির্বাচন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
১,৯৬২.
তিতুমীরের কোন বিশ্বস্ত সহচর কে ব্রিটিশরা বিচারের নামে ফাঁসি দিয়েছিল?
  1. দুদু মিয়া
  2. গোলাম মাসুদ
  3. শাহ ওয়ালিউল্লাহ
  4. মজনু শাহ
সঠিক উত্তর:
গোলাম মাসুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোলাম মাসুদ
ব্যাখ্যা

তিতুমীরের নেতৃত্বে যুদ্ধ সংগঠন: 
- তিতুমীর একদিকে ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন, অপরদিকে জমিদার, নীলকর ও ব্রিটিশ বাহিনীর নির্দয় অত্যাচার, শোষণ ও মুসলমানদের জন্য মর্যাদা হানিকর বিভিন্ন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে কৃষক, তাঁতী, কারিগর প্রভৃতি লোকজনদের সংগঠিত করতে থাকেন।
- শীঘ্রই পশ্চিম বাংলার এক বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে তিতুমীরের নেতৃত্বে দেখা দেয় বিদ্রোহ।
- অত্যাচারী জমিদার-নীলকর-ব্রিটিশ বাহিনীর সঙ্গে তিতুমীরের বাহিনীর সংঘর্ষ হয়ে পড়ে অপ্রতিরোধ্য।
- বহু স্থানে তা সংঘটিত হয়। তবে, চূড়ান্ত সংঘর্ষ বাধে বারাসাতের অদূরে নারকেলবাড়িয়া নামক স্থানে।
- তিতুমীর বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করে শাসকগোষ্ঠীর যৌথ আক্রমণের বিরুদ্ধে এক বীরত্বপূর্ণ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
- আধুনিক অস্ত্রে সজ্জিত কর্ণেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বাধীন ব্রিটিশ বাহিনীর কামানের গোলার আঘাতে তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- ১৮৩১ সালের ১৯শে নভেম্বর অনুষ্ঠিত এ সম্মুখ যুদ্ধে ৫০ জন সহযোদ্ধাসহ তিতুমীর শাহাদৎ বরন করেন।
- তাঁর বিশ্বস্ত সহচর গোলাম মাসুদসহ ৩৫০ জন কৃষক-যোদ্ধা ব্রিটিশ বাহিনীর হাতে বন্দী হয়।
- পরে বিচারের নামে বিভিন্ন মেয়াদে জেল এবং গোলাম মাসুদকে ফাঁসি দেওয়া হয়।
- এইভাবে তিতুমীরের নেতৃত্বে কৃষক বিদ্রোহ তথা ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।

উৎস: পৌরনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত ‍বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৬৩.
বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের কতটি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে?
  1. ১১৪টি
  2. ১৩০টি
  3. ১২৮টি
  4. ১১২টি
সঠিক উত্তর:
১৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩০টি
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর শাসনামল:
- বঙ্গবন্ধু সরকার বিশ্বের সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থকে সবার উপরে স্থান দিয়েছেন।
- মুক্তিযুদ্ধে নানাভাবে সাহায্য সহযোগিতা করায় ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়নসহ অন্যান্য সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের আস্তরিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
- মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করায় বঙ্গবন্ধু সরকার প্রথম দিকে মার্কিন সাহায্য গ্রহণে অস্বীকৃতি জানায়।
- তবে বঙ্গবন্ধু সরকার দেশের স্বার্থে পুঁজিবাদী ও মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর সঙ্গে সুসম্পর্ক স্থাপনে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন।
- তারপরও বঙ্গবন্ধুর শাসনামলে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৩০টি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি অর্জন করে।
- এ ছাড়া জাতিসংঘ, কমনওয়েলথ ও ইসলামি সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদসহ ১৪টি আস্তর্জাতিক সংগঠনের সদস্যপদ লাভ করে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৬৪.
জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয় কবে?
  1. ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫
  2. ২৬ জানুয়ারি, ২০২৫
  3. ২৭ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৫ জানুয়ারি, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ জানুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধ্যাদেশ, ২০২৬:
- ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা প্রদান এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা প্রত্যাহারের লক্ষ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬' জারি করেছে সরকার।
- প্ৰধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে ১৫ জানুয়ারি ২০২৬-এ উপদেষ্টা পরিষদে অনুমোদিত হয়েছে।
- ২৫ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
- এই অধ্যাদেশ ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ, ২০২৬' নামে অভিহিত হবে।
- সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি এই অধ্যাদেশ জারি করেন।
- এই অধ্যাদেশটি ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে বলে গণ্য হবে এবং অন্য যেকোনো আইনের ওপর এটি প্রাধান্য পাবে।
- অধ্যাদেশে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে শুরু হওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে অংশগ্রহণকারী ছাত্র-জনতাকে ‘গণঅভ্যুত্থানকারী’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।
- অধ্যাদেশে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধ’ ও ‘বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির অপরাধমূলক অপব্যবহার'-এর মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ প্রতিদিন পত্রিকার রিপোর্ট।

১,৯৬৫.
বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মৎস্যচাষ পরিকল্পনা, সমন্বয় ও গবেষণার জন্য ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় গবেষণা সংস্থা।
- ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও জনবল সংগ্রহ ও উন্নয়ন অবকাঠামো গড়ে তোলার পর যথার্থ কাজ শুরু হয়েছে ১৯৮৬ সাল থেকে।

- রাজধানী ঢাকা থেকে ১২০ কিলোমিটার উত্তরে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- প্রশাসনিকভাবে এটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- পরিবেশ এবং মৎস্য সম্পদের প্রকৃতি অনুযায়ী দেশের ৫টি এলাকায় ইনস্টিটিউটের ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- এগুলো হলো-
1. ময়মনসিংহে অবস্থিত স্বাদুপানি কেন্দ্র,
2. চাঁদপুরে অবস্থিত নদী কেন্দ্র,
3. খুলনার পাইকগাছায় অবস্থিত লোনাপানি কেন্দ্র,
4. কক্সবাজারে অবস্থিত সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র এবং
5. বাগেরহাটে অবস্থিত চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র।

- উপকেন্দ্র ৫টি হলো-
১। রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই লেক উপকেন্দ্র,
২।সান্তাহারে প্লাবনভূমি উপকেন্দ্র,
৩।যশোরে স্বাদুপানি উপকেন্দ্র,
৪।পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় অবস্থিত নদী উপকেন্দ্র এবং
৫।সৈয়দপুরে অবস্থিত স্বাদুপানি উপকেন্দ্র।

- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম এসব কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়ে থাকে। মৎস্যসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও উৎপাদন বৃদ্ধির আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য। 

সূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাপিডিয়া
১,৯৬৬.
মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র ব্যতিক্রমী সেক্টর কোনটি?
  1. ৫ নং
  2. ৭ নং
  3. ১০ নং
  4. ১১ নং
সঠিক উত্তর:
১০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নং
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় ১০ নং সেক্টরটি ছিল ব্যতিক্রমধর্মী।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল: ১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও-বঙ্গোপসাগর)।
- ১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না।
- প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।

অন্যদিকে,
- সেক্টর নং ৫:
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ‘সেক্টর নং ৫‘ গঠিত হয় ।
- মেজর মীর শওকত আলী ছিলেন সেক্টর কমান্ডার। এই সেক্টরকেও ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়ছিল

• সেক্টর নং ৭: 
- রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৭’ এর অন্তর্ভুক্ত।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তিনজন -মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর (পরে লে. কর্নেল) কাজী নুরুজ্জামান।
- এই সেক্টরে ছিল ৯টি সাব-সেক্টর।

• সেক্টর নং ১১:
- কিশোরগঞ্জ বাদে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ১১’।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান ।
- নভেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু তাহের ও তারপর ফ্লাইট লেফট্যান্যান্ট (পরে উইং কমান্ডার) এম হামিদুল্লাহ খান। - এই সেক্টরকে ৭টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা।

১,৯৬৭.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে কয়টি স্কিম রাখা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন:
- দেশের মানুষের জন্য সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনা।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৪টি স্কিম রাখা হয়েছে। এগুলো হলো যথাক্রমে- প্রবাস স্কিম, প্রগতি স্কিম, সুরক্ষা ও সমতা স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কোনো কর্মচারী বা ওই প্রতিষ্ঠানের মালিক এতে অংশ নিতে পারবেন।
- অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত বা নিজ কাজে নিয়োজিত ব্যক্তিরা যেমন- কৃষক, রিকশাচালক, শ্রমিক, কামার, কুমার, জেল, তাঁতিরা এই স্কিমে অংশ নিতে পারবে।
- দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাসকারী স্বল্প আয়ের ব্যক্তিরা (যাদের বর্তমান আয়সীমা বছরে সর্বোচ্চ ৬০ হাজার টাকা) এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার, ১৭ আগস্ট, ২০২৩।
১,৯৬৮.
১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র প্রণয়নের মূল দায়িত্ব ছিল -
  1. আইন মন্ত্রণালয়ের ওপর
  2. গণপরিষদের ওপর
  3. মন্ত্রিপরিষদের ওপর
  4. কেবিনেটের ওপর
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদের ওপর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণপরিষদের ওপর
ব্যাখ্যা
১৯৫৬ এর শাসনতন্ত্র আন্দোলন: 
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র ছিল পাকিস্তানের প্রথম শাসনতন্ত্র।
- এটিকে বিলম্বিত শাসনতন্ত্র বলা চলে।
- সুদীর্ঘ ৯ বছর সাধনার পর শাসনতন্ত্র প্রণেতাগণ এ শাসনতন্ত্রটি দিতে পেরেছিলেন।
- ১৯৫৫ সালে পাকিস্তানে দ্বিতীয় গণপরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র প্রণয়নের মূল দায়িত্ব ছিল গণপরিষদের ওপর।
- এর অগ্রভাগে ছিল তৎকালীন গভর্নর জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ।
- ১৯৫৫ সালের ৭ই জুলাই এ পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ পরিষদের সদস্য সংখ্যা ছিল ৮০ জন।
- ১৯৫৬ সালের ৯ই জানুয়ারি গণপরিষদে শাসনতন্ত্র বিল উত্থাপিত হয়।
- এ বিলের উপর আলোচনা-সমালোচনা চলে।
- আলোচনার পর ২৯শে ফেব্রুয়ারি গণপরিষদ পাকিস্তানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ধরনের শাসনতন্ত্র গ্রহণ করে।
- অবশেষে ২রা মার্চ গভর্নর জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা শাসনতন্ত্র বিলে সম্মতি দেন।
- ২৩ মার্চে এ শাসনতন্ত্র গৃহীত ও প্রবর্তিত হয়।
- পাকিস্তানের ইতিহাসে এ শাসনতন্ত্রটি ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৬৯.
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা

অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী:
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ।
- অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।

এছাড়াও,
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিমুদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।
- ১৯৩৫ সালে ভারত শাসন আইন প্রবর্তনের পর ১৯৩৭ সালে অবিভক্ত বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা না থাকায় মুসলিম লীগ ও কৃষক প্রজা পার্টির কোয়ালিশন সরকার গঠিত হয় যার মুখ্যমন্ত্রী (অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী) নির্বাচিত হন শেরে বাংলা একে ফজলুল হক।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১,৯৭০.
'দিওয়ান-ই-আম' কোন মুঘল সম্রাটের স্থাপত্য নিদর্শন?
  1. আকবর
  2. হুমায়ুন
  3. বাবর
  4. শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজাহান
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- ১৬২৮ খ্রিস্টাব্দের ৪ ফেব্রুয়ারি 'আবুল মুজাফফর শিহাব উদ্দিন মুহাম্মদ শাহজাহান বাদশাহ গাজী' উপাধি ধারণ করে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন।
- তাঁর ত্রিশ বছরের রাজত্বকালে মোগল সাম্রাজ্য গৌরবের সর্বোচ্চ শিখরে আরোহণ করেছিল।
- সমরকুশলী হিসেবে সম্রাট শাহজাহান দক্ষতার পরিচয় দেন।
- মোগল আধিপত্য বিস্তারেও তিনি বিশেষ কৃতিত্বের পরিচয় দেন।
- তাঁর আমলে আহমদনগর, বিজাপুর, গোলকুণ্ডায় মোগল আধিপত্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- তিনি পর্তুগিজদের দমন করে হুগলী দখল করেন।
- সম্রাট শাহজাহানের রাজত্বকালে সর্বপ্রথম পশ্চিম এশিয়ার এবং ইউরোপের সাথে ভারতবর্ষের বহির্বাণিজ্যিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
- সম্রাট শাহজাহান ছিলেন সৌন্দর্য পিপাসু শিল্পমনা মানুষ।
- The Prince of Builder নামে খ্যাত সম্রাট শাহজাহানের আমলে মোগল শিল্প ও স্থাপত্যের চরম উৎকর্ষ সাধিত হয়।
- সম্রাটের স্ত্রী মমতাজ মহলের সমাধির উপর নির্মিত স্মৃতিসৌধ তাজমহল বিশ্বের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম একটি নিদর্শন।
- তাজমহলকে ঐতিহাসিক হ্যাভেল ভারতের 'ভেনাস দ্যা মিলো' নামে আখ্যায়িত করেছেন।
- এছাড়া মতি মসজিদ, দিওয়ান-ই-আম, দিওয়ান-ই-খাস, জামে মসজিদ তাঁর আমলের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম কীর্তি।
- শাহজাহানের ময়ূর সিংহাসন তাঁর শিল্পানুরাগের এক অপূর্ব নিদর্শন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৭১.
বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষের নাম কী? 
  1. কাঁঠাল
  2. আম 
  3. গোলাপ
  4. জলাপাই
সঠিক উত্তর:
আম 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম 
ব্যাখ্যা

- আম গাছ বাংলাদেশের জাতীয় বৃক্ষ।

• বাংলাদেশের জাতীয় বিষয় সমূহ:
- জাতীয় ভাষা: বাংলা।
- জাতীয় সঙ্গীত: আমার সোনার বাংলা (প্রথম ১০ চরণ)।
- জাতীয় পাখি: দোয়েল।
- জাতীয় ফুল: শাপলা।
- জাতীয় পশু: রয়েল বেঙ্গল টাইগার।
- জাতীয় বন: সুন্দরবন।
- জাতীয় ফল: কাঁঠাল।
- জাতীয় মাছ: ইলিশ। -
- জাতীয় মসজিদ: বায়তুল মোকাররম।
- জাতীয় জাদুঘর: জাতীয় জাদুঘর শাহবাগ, ঢাকা।
- জাতীয় পতাকা: সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত।
- জাতীয় কবি: কাজী নজরুল ইসলাম।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৯৭২.
কোন বিভাগে জেলার সংখ্যা সর্বোচ্চ?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঢাকা
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশের বিভাগ সংখ্যা আটটি।
- ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৩টি জেলা আছে।
- ঢাকা বিভাগের জেলা গুলো হলো:
ঢাকা, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ি, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, শরিয়তপুর ও টাঙ্গাইল।

উৎস: নিকারের ওয়েবসাইট।
১,৯৭৩.
’পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' গ্রন্থে কোন ভাষার পক্ষে যুক্তি দেখায়?
  1. উর্দু
  2. আরবি
  3. বাংলা
  4. ফার্সি
সঠিক উত্তর:
বাংলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলা
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল।
- সে সময় মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতারা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মতামত দেন।
- তখনই আবদুল হক ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দুন মজলিস গঠিত হয় ১৯৪৭ সালের ১৫ই সেপ্টেম্বর।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমুদ্দিন মজলিশ।
- তমুদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১,৯৭৪.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে প্রকাশিত পুস্তকের সম্পাদক কে ছিলেন?
  1. গাজী জিয়াউল হক
  2. মাহবুবুল আলম
  3. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  4. হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা

• তমুদ্দিন মজলিশ:
-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয় ।
- তমুদ্দিন মজলিশ মূলত সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ।
- তমুদ্দিন মজলিসের লক্ষ ছিল, কুসংস্কার দুর করে যুক্তিবাদের উপর সত্য সুন্দর ও মানবীয় মুল্যবোধ ভিত্তিক শিল্প ও সাহিত্যের মাধ্যমের দেশ ও সমাজ কে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
- তমদ্দুন মজলিশের বাংলা মুখপত্র ছিল সাপ্তাহিক সৈনিক
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদিত একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- পুস্তকটিতে বাংলা ভাষার পক্ষে জোরালো ভূমিকা উপস্থাপন করে।

বি.দ্র.  -অনেক বইতে তমুদ্দিন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয় উল্লেখ আছে, অপশনে ২ রা সেপ্টেম্বর থাকলে তা সঠিক উত্তর বলে গণ্য হবে।
         - অনেক সময় অপশনে সাহিত্য ও সংস্কৃতি দুটোই থাকলে সঠিক উত্তর হবে- সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
এ বিষয় আরো বিস্তারিত তথ্য লাইভ এসসিকিউ এর তথ্যকল্পদ্রুম বাটনে দেখুন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৯৭৫.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার মাপের অনুপাত কত?
  1. ৯ : ৫
  2. ১১ : ৭
  3. ১০ : ৬
  4. ৮ : ৬
সঠিক উত্তর:
১০ : ৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ : ৬
ব্যাখ্যা
• পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে,
- জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার, তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
অর্থাৎ,
— পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থের অনুপাত = ১০ : ৬ = ৫ : ৩।
— পতাকার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ এবং লাল বৃত্তের মাঝের অনুপাত = ১০ : ৬ : ২ = ৫ : ৩ : ১।

• জাতীয় পতাকা:
- ২ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্র জনতার সমাবেশে তৎকালীন ঢাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেছিল।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- ২রা মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা দিবস।
- মানচিত্র খচিত পতাকার নকশাকার: শিব নারায়ণ দাস (৬ জুন ১৯৭০)।
- ২৩ মার্চ ১৯৭১, বঙ্গবন্ধুর বাসভবনে শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা আনুষ্ঠানিক উত্তোলন করেন এবং একই দিনে সারা বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশের বাহিরে প্রথম উত্তোলন: কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস, দৈনিক প্রথম আলো, ২ মার্চ ২০২২, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৭৬.
'ব্র্যাক' কোন জেলায়, কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. কুড়িগ্রাম জেলা, ১৯৭১
  2. পঞ্চগড় জেলা, ১৯৭২
  3. চট্টগ্রাম জেলা, ১৯৭১
  4. সিলেট জেলা, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
সিলেট জেলা, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট জেলা, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

স্যার ফজলে হাসান আবেদ ও ব্র্যাক:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাক-এর প্রতিষ্ঠাতা।
- ব্র্যাক (বাংলাদেশ রুরাল অ্যাডভান্সমেন্ট কমিটি) একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন।
- ১৯৭২ সালে স্যার ফজলে হাসান আবেদ সিলেট জেলার শাল্লা এলাকায় ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন।
- ব্র্যাক বৈষম্য ও দারিদ্র্যের সাথে বসবাসকারী ১০ কোটিরও বেশি মানুষের সাথে অংশীদারিত্ব করে মানব সম্ভাবনাকে বাস্তবায়িত করার সুযোগ তৈরি করে।
- ২০১৪ এবং ২০১৭ সালে ‘ফরচুন’ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত বিশ্বের ৫০ জন সেরা নেতার তালিকায় স্যার ফজলে হাসান আবেদের নাম স্থান পায়।
- ব্র্যাকের পাশাপাশি আবেদ বিভিন্ন জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
- ১৯৮০ সালে তিনি ‘রেমন ম্যাগসাসাই কমিউনিটি লিডারশীপ’ পুরস্কার প্রাপ্ত হন।
- তিনি ২০০৪ সালে ‘ইউএনডিপি মাহবুবুল হক পুরস্কার’ লাভ করেন।
- ২০১০ সালে তিনি ‘নাইট কমান্ডার অব দি ওয়ার্ডার অব সেইন্ট মাইকেল’ এবং ‘সেইন্ট জর্জ’ (কেসিএমজি) পুরস্কারে ভূষিত হন।
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ২০১৯ সালের ২০শে ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১,৯৭৭.
A world of three zeros.-গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ড. আবুল বারাকাত চৌধুরি
  2. ড. আবুল মনসুর আহমেদ
  3. ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনুস
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনুস
ব্যাখ্যা

ড. মুহাম্মদ ইউনুস :
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশী নোবেল বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি ১৯৪০ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বাথুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিষয়ের একজন শিক্ষক।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ (Microcredit) এবং 'সামাজিক ব্যবসা' ধারণার প্রবর্তক।
- অধ্যাপক ইউনুস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস ও তাঁর প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার প্রাপ্তির দিক থেকে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে দ্বিতীয়।

- তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'দারিদ্র্যহীন বিশ্বের অভিমুখে' এবং '(Banker to the Poor)।
- তিনি বিশ্ব খাদ্য পুরষ্কার পেয়েছিলেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য বই :
A world of three zeros,
Creating a world unlimited potential ,
Without poverty,
Super happiness,

উৎস: ইউনূস সেন্টার।

১,৯৭৮.
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?
  1. ১৫০০ সালে
  2. ১৫০৯ সালে
  3. ১৫১৭ সালে
  4. ১৫২৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৫২৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২৬ সালে
ব্যাখ্যা
পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পানিপথের প্রথম যুদ্ধ:
- পক্ষ: সম্রাট বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- অপরদিকে ইব্রাহিম লোদীর সৈন্য সংখ্যা ছিল এক লক্ষ।
- পানিপথ প্রান্তরে বাবর ভিন্ন রকম যুদ্ধ কৌশল গ্রহণ করেছিলেন।
- প্রতিরক্ষা হিসেবে পরিখা খনন করেন।
- ভারতবর্ষে প্রথমবারের মতো কামান ও গোলন্দাজ বাহিনী ব্যবহার করেন।
- শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে ইব্রাহিম লোদী পরাজিত ও নিহত হন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৭৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “গনতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের” নিশ্চয়তা দেয়া আছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১৪
  2. অনুচ্ছেদ-১২
  3. অনুচ্ছেদ-১১
  4. অনুচ্ছেদ-১০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১
ব্যাখ্যা

গণতন্ত্র ও মানবাধিকার: 
 অনুচ্ছেদ- ১১: প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে।
 
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১১। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
- অনুচ্ছেদ- ১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৩। মালিকানার নীতি;
- অনুচ্ছেদ- ১৪। কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১৫। মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা;
- অনুচ্ছেদ- ১৬। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব;
- অনুচ্ছেদ- ১৭। অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮। জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১,৯৮০.
অশোক কোন বংশের সম্রাট ছিলেন?
  1. পাল
  2. সেন
  3. গুপ্ত
  4. মৌর্য
সঠিক উত্তর:
মৌর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌর্য
ব্যাখ্যা
সম্রাট অশোক:
- সম্রাট অশোক ভারতের মৌর্য সাম্রাজ্যের তৃতীয় শাসক ছিলেন।
- খ্রিস্টপূর্ব ২৭৩ অব্দে তিনি সিংহাসনে বসেন। এর তের বছর পর খ্রিস্টপূর্ব ২৬১ অব্দে অশোক পার্শ্ববর্তী কলিঙ্গ রাজ্য আক্রমণ করেন।
- ভয়াবহ কলিঙ্গ ‍যুদ্ধে সাধারণ মানুষসহ প্রায় লক্ষাধিক মানুষ মারা যায়। এ ভয়াবহতা সম্রাট অশোকের মনে গভীর প্রভাব ফেলে। এতে করে তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন এবং যুদ্ধ পরিহার করে সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির নীতি গ্রহণ করেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, স্নাতক শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
১,৯৮১.
বাংলাদেশে সর্বশেষ জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭৪ সালে
  2. খ) ২০২২ সালে
  3. গ) ২০২১ সালে
  4. ঘ) ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০২২ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে সর্বশেষ জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০২২। 

• স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- এ পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। যথা- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১ ও ২০১১, ২০২২ সালে।

• ষষ্ঠ আদমশুমারির নাম 'জনশুমারি ও গৃহগণনা'। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে ২০২২ সালেই ষষ্ঠ শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। 

উৎস: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
১,৯৮২.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ কে ছিলেন?
  1. সার্জেন্ট জহুরুল হক
  2. আসাদউজ্জামান
  3. ড. শামসুজ্জোহা
  4. মনু মিয়া
সঠিক উত্তর:
আসাদউজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাদউজ্জামান
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- আসাদউজ্জামান বা শহীদ আসাদ ছিলো ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহীদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ  সকল আসামিকে মুক্তি বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।
- এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে এবং আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

উল্লেখ্য,
মনু মিয়া ছয় দফা আন্দোলনের শহীদ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
১,৯৮৩.
'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালনা করে -
  1. ক্র্যাক প্লাটুন
  2. মিত্র বাহিনী
  3. বিমান বাহিনী
  4. নৌবাহিনী
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
১,৯৮৪.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নয় কোনটি?
  1. সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
  2. মানবাধিকার কমিশন
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন
  4. এফবিসিসিআই
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা
• দুর্নীতি দমন কমিশন চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নয়।

• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সদস্যরা তাদের স্বার্থগত ইস্যুগুলোতে একই রকম মনোভাব পোষণ করে।
- এই গোষ্ঠী নানাবিধ চাপ প্রয়োগ ও কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে তাদের দাবি-দাওয়া আদায় করে।
- চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর লক্ষ্য হল সরকারি নীতিকে প্রভাবিত করা।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন এক জনসমষ্টি যারা সমজাতীয় স্বার্থে উদ্বুদ্ধ হয়ে রাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালায়।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী দেশের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের উপর প্রভাব বিস্তার করে।

- আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র, সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ, সুশাসনের জন্যে নাগরিক, এফবিসিসিআই প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৮৫.
নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৫-এ বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব করেন কে?
  1. নিগার সুলতানা
  2. ফারজানা হক পিংকি
  3. রুবাইয়া হায়দার
  4. নাহিদা আক্তার
সঠিক উত্তর:
নিগার সুলতানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিগার সুলতানা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দ্বারা পরিচালিত একটি আন্তর্জাতিক নারী ক্রিকেট দল।
- এটি বাংলাদেশকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করে।

উল্লেখ্য,
- নারী বিশ্বকাপ ২০২৫-এ ২য় বারের মতো অংশগ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল।
- নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৫-এ বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের অধিনায়কত্ব করেন নিগার সুলতানা।
- ৩০ সেপ্টেম্বর- ২ নভেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত বিশ্বকাপের এই আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে। 
- নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপ ২০২৫-এ বাংলাদেশের অবস্থান ৭ম।

উৎস: i) বিসিবি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১,৯৮৬.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মূল লক্ষ্য কোনটি?
  1. রাষ্ট্রীয় স্বার্থ উদ্ধার
  2. সরকারি স্বার্থ উদ্ধার
  3. গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোষ্ঠীর স্বার্থ উদ্ধার
ব্যাখ্যা

চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী:
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর সামনে বৃহত্তম জাতীয় কল্যাণ সাধনের কোন মহান উদ্দেশ্য থাকে না।
- সংকীর্ণ ও সমজাতীয় বিশেষ গোষ্ঠীগত ।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে উৎপত্তির ভিত্তিতে কোন বিশেষ রাজনৈতিক মতাদর্শের অস্তিত্ব পরিলক্ষিত হয় না।
- কোন রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অঙ্গীকার থাকে না।
- এ সমস্ত গোষ্ঠীর অঙ্গীকার থাকে গোষ্ঠীগত স্বার্থ বা কল্যাণের প্রতি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৯৮৭.
"ঈশ্বরদী ৩৯"কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. চা
  2. ইক্ষু
  3. পাট
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
ইক্ষু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইক্ষু
ব্যাখ্যা

 • বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
 • উন্নতজাতের ধান হলো ব্রি হাইব্রিড - ১ চান্দিনা, মালা , বিপ্লব, দুলাভোগ, সুফলা ইত্যাদি।
• বিটি-ওয়ান (১৯৬৬ সালে তৈরি), বিটি-২ • (১৯৭৫), বিটি-৪ (১৯৮১), বিটিএস-১ (১৯৮৫) ও টিভি-১ (১৯৪৯): উন্নত জাতের চা।
• ঈশ্বরদী ৩৯, ঈশ্বরদী ৪০, বিএসআরআই আখ ৪১, বিএসআরআই আখ ৪২, বিএসআরআই আখ ৪৩ এবং বিএসআরআই আখ ৪৪ : উন্নত জাতের ইক্ষু।
• বিজেআরআই তোষা পাট-৬ (ও-৩৮২০) উন্নত জাতের পাট।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১,৯৮৮.
কোনটি রবি শস্য নয়?
  1. গম
  2. কচু
  3. মসুর ডাল
  4. টমেটো
সঠিক উত্তর:
কচু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কচু
ব্যাখ্যা
রবি শস্য নয়- কচু। 

কৃষিক্ষেত্রে মৌসুম:

- ফসল উৎপাদনের জন্য সারাবছরকে দুইটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:

i) রবি মৌসুম:
- শীতকালীন শস্যকে বলে রবি শস্য।
- কার্তিক থেকে ফাল্গুন হচ্ছে রবি মৌসুম।
- অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে কম তাপমাত্রায় রবি শস্য বপন করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি এবং মার্চ মাসে ফসল তোলা হয়।
- বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি ফসলকে এ মৌসুমের প্রধান শস্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো, আলু ইত্যাদিও এ মৌসুমে চাষ করা হয়।

ii) খরিপ মৌসুম:
- গ্রীষ্মকালীন শস্যকে বলে খরিপ শস্য।
- যেমন- আউশ ধান, পাট, কাউন, ভুট্টা, তিল, মিষ্টি কুমড়া, কচু ও ঝিঙ্গা ইত্যাদি ।
- যেমন- আমন ধান, ভুট্টা, মাষকলাই, বর্ষাকালীন সবজি ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, নবম- দশম শ্রেণি।
১,৯৮৯.
সংবিধানের ১২২নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?
  1. নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা
  2. ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
  3. নির্বাচন কমিশনের গঠন
  4. নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব
সঠিক উত্তর:
ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ ‘ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা’ সংক্রান্ত।

ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা:
- সংবিধানের ১২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার যোগ্য হবেন, যদি তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন এবং তাঁর বয়স ১৮ বৎসরের কম না হয়। এছাড়াও, যোগ্য আদালত কর্তৃক তিনি অপ্রকৃতিস্থ হিসেবে ঘোষিত না হয়ে থাকেন এবং ঘোষণাটি বহাল না থাকে। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী হিসেবে তার বসবাস থাকতে হবে বা আইনের দৃষ্টিতে তিনি ঐ এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হতে হবে। উপরন্তু, তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোনো অপরাধের জন্য দণ্ডিত হয়ে না থাকলে, তিনি ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হবার অধিকারী হবেন।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ - ১১৯ : নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ - ১১৮ : নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ - ১২৩ : নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়।

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৯৯০.
অন্তর্বর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা 'সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান' নিচের কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত?
  1. গ্রামীন ব্যাংক
  2. বেলা
  3. বাপা
  4. ব্র্যাক
সঠিক উত্তর:
বেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলা
ব্যাখ্যা
সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান:
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান নতুন অন্তবর্তী সরকারের পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা হয়েছেন।
- তিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী।
- পরিবেশ বিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী তিনি।
- তিনি ফ্রেন্ডস অব আর্থ ইন্টারন্যাশনাল এবং আইইউসিএনের নির্বাহী সদস্য।
- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের জন্ম ১৯৬৮ সালে, ঢাকায়।
- পরিবেশবিষয়ক সচেতনতা সৃষ্টির স্বীকৃতি হিসেবে ২০০৭ সালে জাতীয় পরিবেশ পদক, ২০১২ সালে র‌্যামন ম্যাগসেসে পুরস্কার এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০০৯ সালে ‘পরিবেশের নোবেল’খ্যাত গোল্ডম্যান এনভায়রনমেন্টাল প্রাইজে ভূষিত হন তিনি।
- ২০০৯ সালে টাইম সাময়িকী তাঁকে হিরোজ অব এনভায়রনমেন্ট খেতাবে ভূষিত করে।
- আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কার্যকর উদ্যোগের জন্য তাঁর নেতৃত্বাধীন বেলা সম্মানজনক ট্যাঙ্গ পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৯ আগস্ট, ২০২৪, প্রথম আলো।
১,৯৯১.
'দেবপর্বত' প্রাচীন কোন জনপদের রাজধানী ছিল? 
  1. গৌড় 
  2. হরিকেল 
  3. সমতট 
  4. পুণ্ড্র
সঠিক উত্তর:
সমতট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতট 
ব্যাখ্যা

দেবপর্বত:
- দেবপর্বত বর্তমান কুমিল্লা জেলার বরকামতা নামক স্থানে অবস্থিত। 
- এটি মূলত সমতট রাজ্যের রাজধানী ছিল।
- দেব রাজবংশের শাসনামলে এই স্থানটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। 

⇒ দেবপর্বত সমতটের একটি প্রাচীন নগরীর নাম। 
- কুমিল্লার নিকটবর্তী ময়নামতী শৈলশিরায় এটি অবস্থিত। 
- সমতটের পরম্পরাগত পাঁচটি পরিচিত রাজধানীর মধ্যে দেবপর্বত ছিল তৃতীয় ও সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার বহু পূর্বেই এটি ছিল একটি তীর্থস্থান এবং গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। 

• সমতট:
- দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- মেঘনা পূর্ববর্তী এলাকায় কুমিল্লা-নোয়াখালীর সমতল অঞ্চলে ছিল সমতটের অবস্থান।
- রাজা রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল বড়োকামতা।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৯৯২.
কৃষির প্রধান উপাদান কী?
  1. পানি
  2. আপেক্ষিক আর্দ্রতা
  3. তাপমাত্রা
  4. মাটি
সঠিক উত্তর:
মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটি
ব্যাখ্যা
কৃষি:
- আধুনিক প্রযুক্তি নির্ভর কৃষি।
- কৃষির প্রধান উপাদান হল মাটি।
- তাছাড়া আরোও অনেক উপাদান যা কৃষির উৎপাদনের সাথে জড়িত যেমন: পানি, তাপমাত্রা, আপেক্ষিক আর্দ্রতা ইত্যাদি কৃষি উপাদানের অন্তর্ভুক্ত।
- বিজ্ঞানের যে শাখায় কৃষির উৎপাদন প্রযুক্তি ও কৃষি বিষয় সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়াদি জানা যায় তাকে কৃষি শিক্ষা বলে। 

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ।
- কৃষি কর্মকান্ডকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হচ্ছে দেশজ অর্থনীতি।
- বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নের মূল উপাদান হল কৃষি।
- দেশের প্রায় শতকরা ৭০-৮০ ভাগ লোক গ্রামে বাস করে এবং তারা প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কৃষির সাথে যুক্ত।
- দেশের মোট রপ্তানিতে কৃষিজাত পণ্য যেমন- কাঁচাপাট, পাটজাত দ্রব্য, চিংড়ি চামড়া ও চা ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা ১মপত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৯৩.
সর্বপ্রথম কে পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিলেন?
  1. নূরুল আলম
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা
বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির প্রস্তাব:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের করাচিতে গণপরিষদের অধিবেশন শুরু হয়।
- ঐদিন কুমিল্লার সন্তান ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সর্বপ্রথম পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিলেন।
- তিনি অধিবেশনে স্পিকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, গণপরিষদে যে কার্যবিবরণী লেখা হয় তা ইংরেজি ও উর্দু ভাষায় লিপিবদ্ধ হয় কিন্তু সমগ্র পাকিস্তানের ৫৬ শতাংশ মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলেন।
- অধিবেশনে ইংরেজি ও উর্দুর সঙ্গে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি তোলেন তিনি।
- তিনি সরকারি কাগজে বাংলা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
- ২৫ ফেব্রুয়ারি ওই অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্তই সর্বপ্রথম রাষ্ট্রভাষা বাংলা করার দাবিতে সোচ্চার হন।

উল্লেখ্য,
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন একজন আইনজীবী, সমাজকর্মী ও রাজনীতিবিদ।
- ১৯৪৭ সালের পর একজন অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিক হিসেবে পাকিস্তানের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ রাতে পুত্র দিলীপকুমার দত্তসহ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে গ্রেফতার করা হয় এবং তাঁদেরকে ময়নামতী সেনানিবাসে নিয়ে হত্যা করা হয়।
- তাঁর স্মরণে কুমিল্লা শহরে তাঁর বাসভবনের সামনের রাস্তাটির নামকরণ করা হয়েছে ’ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সড়ক’।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৯৯৪.
আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য গঠিত বিশেষ ট্রাইবুনালের নেতৃত্বে কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি এম.এস চৌধুরী
  2. বিচারপতি কে.এম সোবহান
  3. বিচারপতি এম ইদ্রিস
  4. বিচারপতি এস.এ. রহমান
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এস.এ. রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি এস.এ. রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়: ২১ এপ্রিল, ১৯৬৮ সালে।
- বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে এই বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলার শুনানি শুরু হয়: ১৯ জুন, ১৯৬৮ সালে।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- এই মামলায় রাজসাক্ষীসহ মোট সাক্ষী ২২৭ জন। রাজসাক্ষী ১১ জন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
১,৯৯৫.
দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. NAEM
  2. BANSDOC
  3. UGC
  4. DPE
সঠিক উত্তর:
NAEM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NAEM
ব্যাখ্যা
নায়েম:
- NAEM- এর পূর্ণরুপ: National Academy for Educational Management. 
- দেশের শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান নায়েম।
- এটি ১৯৫৯ সালে স্থাপিত হয়।
- অবস্থান: ঢাকার নিউমার্কেটে ঢাকা কলেজের পাশে।
- এখানে সর্বস্তরের শিক্ষক ও শিক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

⇒ জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র এবং এটি শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে।
- নায়েমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণকে জ্ঞান, পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা সমৃদ্ধ করা।
- শিক্ষাক্ষেত্রে পরিকল্পনা, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও গবেষণার উন্নয়নের ক্ষেত্রে নায়েম প্রধান ভূমিকা পালন করছে।
- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একটি বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রুপান্তর করা হয়।

অন্যদিকে,
- DPE (Directorate of Primary Education) হলো প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
- BANSDOC হলো বাংলাদেশ জাতীয় বিজ্ঞান ও কারিগরি তথ্য নথিকরণ কেন্দ্র।
- UGC (University Grant Commission) হলো বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন।

উৎস: NAEMওয়েবসাইট।
১,৯৯৬.
‘ই-বেইলবন্ড’ কোন ধরনের পদ্ধতি?
  1. ডিজিটাল গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
  2. ডিজিটাল জামিননামা দাখিল পদ্ধতি
  3. অনলাইন মামলা দায়ের পদ্ধতি
  4. ভার্চুয়াল ভাষা শিক্ষা পদ্ধতি
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল জামিননামা দাখিল পদ্ধতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল জামিননামা দাখিল পদ্ধতি
ব্যাখ্যা

দেশে 'ই-বেইলবন্ড' এর পাইলট প্রকল্প:
- বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমানো এবং জামিননামা জালিয়াতি ঠেকাতে দেশের বিচার ব্যবস্থায় প্রথমবার চালু হওয়া 'ই-বেইলবন্ড' (ডিজিটাল জামিননামা) দাখিল পদ্ধতি অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে।
- দেশের ৯টি জেলায় সফল বাস্তবায়নের পর তৃতীয় ধাপে আরও সাতটি জেলায় এই সেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।
- আইন মন্ত্রণালয় জানায়, ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ জেলায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই পদ্ধতি চালু করা হয়। 
- সেখানে আশাতীত সফলতার পর গত ২১ জানুয়ারি দেশের আরও আটটি জেলায় এটি সম্প্রসারিত হয়।
-  বিচারপ্রার্থীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি কমানো এবং জামিননামা জালিয়াতি ঠেকাতে দেশের বিচার ব্যবস্থায় প্রথমবার চালু হওয়া ‘ই-বেইলবন্ড’ (ডিজিটাল জামিননামা) দাখিল পদ্ধতি।
- ৬ মার্চ, ২০২৬ তারিখে  দেশের ৯টি জেলায় সফল বাস্তবায়নের পর তৃতীয় ধাপে আরও সাতটি জেলায় এই সেবা চালুর উদ্যোগ নিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়।
- নতুন জেলাগুলো হলো- বগুড়া, ঝিনাইদহ, যশোর, মাগুরা, রাজশাহী, নাটোর ও কুষ্টিয়া।

উৎস: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। [লিঙ্ক]

১,৯৯৭.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৭
  2. খ) ৮
  3. গ) ১০
  4. ঘ) ১১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১
ব্যাখ্যা
সেক্টর ও সাব সেক্টরসমূহ:

- মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ১১ টি সেক্টরের অধিনে ৬৪ টি সাবসেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে ১নং সেক্টর গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম। 
- ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে ২নং সেক্টর গঠিত। আগরতলার ২০ মাইল দক্ষিণে মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।
- উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে ৩নং সেক্টর গঠিত হয়।
- উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে ৪নং সেক্টর গঠিত।
- সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে ৫নং সেক্টর গঠিত।
- ৬ নং সেক্টর  সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত।
- ৭ নং সেক্টর  রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- ১০ নং সেক্টর  নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়
- ১১ নং সেক্টর  টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৯৯৮.
‘আলাউদ্দিন আলি শাহ’ উপাধি কে গ্রহণ করেন?
  1. ক) শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  2. খ) সেনাপতি আলি মুবারক
  3. গ) ইখতিয়ার উদ্দিন গাজি শাহ
  4. ঘ) ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
খ) সেনাপতি আলি মুবারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেনাপতি আলি মুবারক
ব্যাখ্যা
মুসলিম শাসন:
- সোনারগাঁয়ে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ যখন স্বাধীন সুলতান তখন লখনৌতির সিংহাসন দখল করেছিলেন সেখানকার সেনাপতি আলি মুবারক। 
- এই সিংহাসনে বসে সেনাপতি আলি মুবারক ‘আলাউদ্দিন আলি শাহ’ উপাধি গ্রহণ করেন। 
- লখনৌ্তিতে তিনি রাজ্য গড়ে তোলেন যার রাজধানী করেন পাণ্ডূয়ায় (ফিরোজাবাদে)। 
- তিনি ক্ষমতায় ছিলেন ১৩৪২ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত। 
- তাঁর দুধ ভাই হাজি ইলিয়াস তাঁকে পরাজিত ও নিহত করে ‘শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ’ নামে বাংলায় একটি রাজবংশ প্রতিষ্ঠা করেন যা ইলিয়াস শাহী বংশ নামে পরিচিত। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৯৯৯.
"কাঁচের দেয়াল" বিখ্যাত চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন কে?
  1. সিদ্দিকুর রহমান
  2. জহির রায়হান
  3. সত্যজিৎ রায়
  4. শামীম আখতার
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
জহির রায়হান:
- জহির রায়হান ১৯৩৫ সালের ১৯ আগস্ট ফেনী জেলার মজুপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তার প্রথম ছবি "কখনো আসে নি" ১৯৬১ সালে মুক্তি পায়, এটি তার চলচ্চিত্র পরিচালনার যাত্রা শুরু করে।
- ১৩৬২ বঙ্গাব্দে তিনি তার প্রথম গল্পসংগ্রহ "সূর্যগ্রহণ" প্রকাশ করেন।

এছাড়াও 
- তিনি "লেট দেয়ার বি লাইট" নামে একটি ইংরেজি ছবি নির্মাণ শুরু করেছিলেন, তবে মুক্তিযুদ্ধের কারণে তা অসমাপ্ত থেকে যায়।
- জহির রায়হানের উর্দু ছবি "সঙ্গম" পাকিস্তানের প্রথম রঙ্গীন ছবি হিসেবে পরিচিত।
- "কাঁচের দেয়াল" ছবির জন্য তিনি অনেক পুরস্কার লাভ করেন।

তাঁর পরিচালিত অন্যান্য ছবিগুলো:
- সঙ্গম, 
- কাঁচের দেয়াল, 
- আনোয়ারা, 
- বেহুলা। 

তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো:
- তৃষ্ণা, 
- শেষ বিকেলের মেয়ে, 
- হাজার বছর ধরে, 
- আরেক ফাল্গুন, 
- বরফ গলা নদী, 
- আর কতদিন, 
- কয়েকটি মৃত্যু। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা- ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
২,০০০.
The United Nations Committee for Development Policy বাংলাদেশের Least Developed Country নামে রূপান্তরিত হয়ে Middle Income Country-তে যাওয়ার জন্য সুপারিশ করে-
  1. ডিসেম্বর ২০১৮
  2. জানুয়ারি ২০১৯
  3. ফেব্রুয়ারি ২০২১
  4. ডিসেম্বর ২০২০
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি ২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি ২০২১
ব্যাখ্যা
LDC (Least Developed Countries):
- LDC হলো জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন ১৯৭১ সালে তৈরিকৃত বিশ্বের সবচেয়ে অনুন্নত দেশসমূহের একটি তালিকা।
- এ পর্যন্ত মোট ৬টি দেশ LDC তালিকা থেকে উত্তরণ করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে LDC তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
- বাংলাদেশ ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো LDC তালিকা থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।
- বাংলাদেশের Least Developed Country নামে রূপান্তরিত হয়ে Middle Income Country-তে যাওয়ার জন্য সুপারিশ করে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারি।
- অর্জিত লক্ষ্যসমূহ ২০২১ সাল পর্যন্ত অক্ষুণ্ণ থাকায় ২০২৬ সালে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে LDC তালিকা থেকে বের হয়ে যাবে।
- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে LDC হতে উত্তরণ করবে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।