বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৭৫ / ৩০৬ · ১৭,৪০১১৭,৫০০ / ৩০,৮৩২

১৭,৪০১.
প্রাচীন চন্দ্রদ্বীপের বর্তমান নাম কী?
  1. বরিশাল
  2. কুমিল্লা
  3. রাজশাহী
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
চন্দ্রদ্বীপ:
- প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক রাজ্য ছিল না।
- বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল।
- যেমন: পুণ্ড্র, বরেন্দ্র, বঙ্গ, সমতট, চন্দ্রদ্বীপ, হরিকেল, রাঢ় ইত্যাদি।
- বর্তমান বরিশাল জেলা ছিল চন্দ্রদ্বীপের মূল ভূখন্ড ও প্রাণকেন্দ্র।
- মধ্যযুগে চন্দ্রদ্বীপ বেশ সমৃদ্ধ ছিল।
- এ প্রাচীন জনপদটি বালেশ্বর ও মেঘনার মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত ছিল।

অন্যদিকে
- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় বঙ্গের প্রতিবেশী জনপদ হিসেবে সমতটের অবস্থান।
- সমতট বর্তমান কুমিল্লার প্রাচীন নাম। 
- কুমিল্লার ময়নামতিতে কয়েকটি প্রাচীন নিদর্শনের সন্ধান পাওয়া গেছে।
- শালবন বিহার এদের অন্যতম।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭,৪০২.
জিডিপিতে কোন খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান?
  1. ক) নির্মাণ
  2. খ) শিল্প
  3. গ) খনিজ
  4. ঘ) কৃষি
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কৃষি
ব্যাখ্যা
- অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত। জিডিপিতে শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম। জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫০ শতাংশ এবং প্রবৃদ্ধির হার ২.২০%।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪ শতাংশ‌ এবং প্রবৃদ্ধির হার ৬.৩১ শতাংশ।
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল।
১৭,৪০৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের 'অনুচ্ছেদ - ৩' এর বিষয়বস্তু কী?
  1. রাষ্ট্রভাষা
  2. রাষ্ট্রধর্ম
  3. নাগরিকত্ব
  4. রাজধানী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রভাষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রভাষা
ব্যাখ্যা
- অনুচ্ছেদ ৩: রাষ্ট্রভাষা - প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। 

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ২ক: রাষ্ট্রধর্ম, 
- অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী। 
- অনুচ্ছেদ ৬: নাগরিকত্ব।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭,৪০৪.
রবিশস্যের চাষ হয় কখন?
  1. ক) ফাল্গুন থেকে আষাঢ়
  2. খ) আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
  3. গ) আষাঢ় থেকে ভাদ্র
  4. ঘ) বৈশাখ থেকে শ্রাবণ
সঠিক উত্তর:
খ) আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রধানত দুটো মৌসুমে ফসল উৎপাদিত হয়। একটি হলো খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন এবং অপরটি হলো রবি বা শীতকালীন। আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়ে উৎপন্ন ফসলকে রবিশস্য ধরা হয়।
বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি রবি মৌসুমের প্রধান ফসল। এছাড়া এই সময়ে ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, লাউ, টমেটো, গাজর, আলু প্রভৃতির চাষাবাদও হয়ে থাকে।
(সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
১৭,৪০৫.
Asia's first Chief Heat Officer -
  1. ক) Jane Gilbert
  2. খ) Bushra Afreen
  3. গ) Eleni Mirivili
  4. ঘ) Christina Tornaval
সঠিক উত্তর:
খ) Bushra Afreen
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Bushra Afreen
ব্যাখ্যা
এশিয়ার প্রথম চিফ হিট অফিসার:
- এশিয়ার প্রথম 'চিফ হিট অফিসার' বুশরা আফরিন।
- পদটি তৈরি করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান অ্যাড্রিয়েন আরশট-রকফেলার ফাউন্ডেশন রেজিলিয়েন্স সেন্টার।
- লক্ষ্য, ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বের ১০০ কোটি মানুষকে চরম তাপমাত্রা থেকে রক্ষা করা।
- তবে একটি শহরে শুধু তাপমাত্রার কারণেই চিফ হিট অফিসার নিয়োগ দেওয়া হয় না।
- বিভিন্ন উদ্ভাবনী সমাধানের প্রতি ওই শহরের মেয়র ও স্থানীয় সরকারের আগ্রহের বিষয়টাও দেখা হয়।

অন্যদিকে -
- অন্যান্য দেশের চিফ হিট অফিসার:
• জেন গিলাবার্ট (ফ্লোরিডা),
• এলিনি মিরিভিলি (জাতিসংঘ),
• ক্রিস্টিনা টর্নভাল (চিলি),
• ইউজেনিয়া কার্গবো (সিয়েরা লিওন),
• এলিজাবেথ বারগিয়েন্নি (গ্রীস) এবং
• ক্রিস্টা মিলনি ও টিফানি ক্রফোর্ড (অস্ট্রেলিয়া)। 

উৎস: ৭ মে, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৭,৪০৬.
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটির রচয়িতা কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) হাছন রাজা
  3. গ) লালন শাহ
  4. ঘ) শাহ আব্দুল করিম
সঠিক উত্তর:
গ) লালন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) লালন শাহ
ব্যাখ্যা
‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’ গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ।
তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘মিলন হবে কত দিনে’
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৭,৪০৭.
ফরাসি পর্যটক ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ার কোন শাসনামলে ভারতে এসেছিলেন?
  1. পাল
  2. সেন
  3. গুপ্ত
  4. মুঘল
সঠিক উত্তর:
মুঘল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুঘল
ব্যাখ্যা
ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ার:
- ফরাসি পর্যটক ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ার মুঘল শাসনামলে ভারতে এসেছিলেন।

⇒ তিনি ছিলেন একজন ফরাসি চিকিৎসক এবং ভ্রমণকারী।
- তিনি ১৬৫৬ ও ১৬৬৮ সালের মধ্যে ভারত ও বাংলাদেশ সফর করেছিলেন।
- মুঘল আমলে প্রায় ১২ বছর তিনি ভারতে ছিলেন।
- হিন্দুস্থানের সম্রাট, আমীর ওমরাহ থেকে সকল শ্রেণির মানুষের জীবন, সামাজিক ও ধর্মীয় রীতি-নীতি, এমন কি সতীদাহ পর্যন্ত নিজের চোখে দেখেছেন।

উল্লেখ্য,
- সম্রাট শাহজাহান এর পুত্রদের মধ্যে উত্তরাধিকার যুদ্ধে দারাকে বন্দি করে কুচকাওয়াজ সহকারে অসম্মানজনকভাবে রাস্তা দিয়ে যখন নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, বার্নিয়ার সেই সময় দিল্লিতে অবস্থান করছিলেন।
- বার্নিয়ারের মূল ভ্রমণবৃত্তান্ত ফরাসি ভাষায় লিখিত ও প্রকাশিত।
- Travels in The Mogul Empire, AD 1656-68 শিরোনামে আরচিবল্ড কনস্টেবল (Archibald Constable) পুস্তকটি ১৮৯১ সালে ইংরেজিতে অনুবাদ করেন ও ইংল্যান্ড থেকে প্রকাশ করেন।
- সেই সময় থেকে বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় পুস্তকটি অনূদিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৭,৪০৮.
দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
  2. বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  3. ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
  4. রেনেটা ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানি লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড:
- দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড (ইডিসিএল)।
- এটি ১৯৬২ সালে গভর্নমেন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস ল্যাবরেটরি (GPL) নামে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৭৯ সালে এর নাম পরিবর্তন করে ফার্মাসিউটিক্যালস প্রোডাকশন ইউনিট (PPU) রাখা হয়।
- ১৯৮৩ সালে জনস্বাস্থ্য রক্ষা ও ওষুধ উৎপাদনের লক্ষ্যে এটি আধুনিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি হাসপাতাল, সিভিল সার্জন অফিস, ইউনিসেফ, WHO, আইসিডিডিআরবি প্রভৃতি সংস্থায় মানসম্পন্ন ওষুধ সরবরাহ করছে।
- এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - এসেনসিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেড ওয়েবসাইট।

১৭,৪০৯.
দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৮ সালে
  2. ১৯৯৮ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং কর্পোরেশন বাংলাদেশ :
-বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৮১ সনে ‘সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- ১৯৮৩ সনে একনেক (ECNEC) কর্তৃক অনুমোদিত হয়।
- বাংলাদেশ সিকিউরিটি প্রিন্টিং প্রেস গাজীপুরে ১৯৮৮ সালে প্রতিষ্ঠিত ।
- ১৯৮৮ সনে পরীক্ষামূলকভাবে ১ টাকা মূল্যমানের কারেন্সি নোট এবং ১০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট মুদ্রণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কাগজি মুদ্রা উৎপাদন শুরু হয়।
- নোট উৎপাদনের পাশাপাশি ১৯৮৯-১৯৯০ সন থেকে , প্রাইজবন্ড, সঞ্চয়পত্র, স্মারক ডাকটিকিট, ইনভেলাপ, পোস্ট কার্ড, সরকারি ট্রেজারি বন্ড, পোস্টাল স্ট্যাম্প, নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প, রেভিনিউ স্ট্যাম্প, সিগারেট ট্যাক্স-লেবেল, বিড়ি-ব্যান্ডরোল, বাণিজ্যিক ব্যাংকের চেকবই, সরকারি ও বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তামূলক ট্যাক্স-টোকেন, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষার নম্বরপত্র ও সনদপত্রের ফরমেট, বীজ প্রত্যয়ন ট্যাগ, বিআইডব্লিউটিএ এর টার্মিনাল টিকেট, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর জিএসপি ফরম, গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন পেপার সিল ইত্যাদি মুদ্রণ করা হয়েছে এবং হচ্ছে।
-এই প্রতিষ্ঠানটি সাধারণ জনগণের নিকট ‘টাকশাল’ নামে সর্বাধিক পরিচিত। 
-দি সিকিউরিটি প্রিন্টিং করপোরেশন (বাংলাদেশ) লিমিটেড-এর সংক্ষিপ্ত রূপ ‘এসপিসিবিএল’ বা ‘এসপিসি’ নামেও  পরিচিত।

উৎস: spcbl
১৭,৪১০.
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. সাভার
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন কেন্দ্র:
- কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার ঢাকার — সাভারে অবস্থিত একটি সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই প্রতিষ্ঠানে উন্নত জাতের ষাঁড়ের জাত উন্নয়ন এবং পশুখাদ্য বিষয়ে গবেষণা করা হয়।

সূত্র: কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার ওয়েবসাইট।
১৭,৪১১.
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) আড়াইহাজার
  2. খ) আনোয়ারা
  3. গ) সীতাকুণ্ড
  4. ঘ) সাভার
সঠিক উত্তর:
খ) আনোয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আনোয়ারা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের জন্যে ৫টি অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণের সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে।
এগুলো হলো:
চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চল – আনোয়ারা (চট্টগ্রাম)
জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল – আড়াইহাজার (নারায়ণগঞ্জ)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – মিরসরাই (চট্টগ্রাম)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – মংলা (বাগেরহাট)
ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল – কুষ্টিয়া।
(সূত্র: BEZA ওয়েবসাইট)
১৭,৪১২.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত 'বয়স্ক ভাতা' জনপ্রতি কত টাকা? 
  1. ৫৫০ টাকা
  2. ৬০০ টাকা
  3. ৬৫০ টাকা
  4. ৭০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৬৫০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

• 'বয়স্ক ভাতা' কর্মসূচি:
- 'বয়স্ক ভাতা' বাংলাদেশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এটি দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ, দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম বা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক নাগরিকদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য চালু করা হয়েছে।
- এর মূল লক্ষ্য হলো বয়স্কদের আর্থ-সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, পরিবার ও সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা, চিকিৎসা ও পুষ্টির সুবিধা বাড়ানো এবং মনোবল জোরদার করা।
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে 'বয়স্কভাতা' কর্মসূচি প্রবর্তন করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশনকে এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে উপকারভোগী ৬১ লক্ষ জন, জনপ্রতি মাসিক ভাতার হার ৬৫০ টাকা এবং বাজেট ৪৭৯১.৩১ কোটি টাকা।
- এটি আগের অর্থবছরের ৬০০ টাকা থেকে বাড়ানো হয়েছে।

তথ্যসূত্র:
i) সমাজসেবা অধিদপ্তর। 
ii) বাসস। 
iii) প্রথম আলো। 

১৭,৪১৩.
কোনটি জংশন স্টেশন?
  1. ঢাকা
  2. রাজশাহী
  3. আখাউড়া
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
আখাউড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আখাউড়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বৃহত্তম রেলওয়ে জংশন ঈশ্বরদী
- আখাউড়া বাংলাদেশের অন্যতম  রেলওয়ে জংশন। 
- বাংলাদেশের বৃহত্তম রেল কারখানা- সৈয়দপুর
- বাংলাদেশের বৃহত্তম রেল স্টেশন- কমলাপুর
 
উৎস : বাংলাদেশ রেলওয়ে ওয়েবসাইট
১৭,৪১৪.
১৯৫৯ সালে আইয়ুব খান কোন হরফে বাংলা লেখার উদ্যোগ নেন?
  1. আসামিজ
  2. আরবি
  3. উর্দু
  4. রোমান
সঠিক উত্তর:
রোমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোমান
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষা সংস্কার কমিটি:
- আইয়ুব খান বাংলা ভাষার প্রতি বিরূপ মনোভাব পোষণ করতেন।
- তিনি রোমান হরফে বাংলা লেখার উদ্যোগ নেন (১৯৫৯)।
- বাংলা একাডেমির তৎকালীন পরিচালক সৈয়দ আলী আহসানের সভাপতিত্বে 'বাংলা ভাষা সংস্কার কমিটি' গঠিত হয়।
- কিন্তু বাঙালি প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী মহলে প্রচন্ড বিরোধিতায় আইয়ুবের অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৪১৫.
প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত রাষ্ট্রপতি সরাসরি কাকে নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. স্পিকার
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের -
- ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।

- ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবেন।

- ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করবেন।

- ৪৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি-
(ক) পঁয়ত্রিশ বছরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত হয়ে থাকেন।

- ৪৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যেকোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৭,৪১৬.
ECNEC-এর পূর্ণরূপ -
  1. The Executive Committe of the National Economic Council
  2. The Executive Committee of the National Economical Council
  3. The Executive Committee of the National Economic Council
  4. The Executive Council of the National Economic Committee
সঠিক উত্তর:
The Executive Committee of the National Economic Council
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Executive Committee of the National Economic Council
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC-এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন।

⇒ নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং,
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৭,৪১৭.
বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. পুণ্ড্র
  2. সমতট
  3. বঙ্গ
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গ
ব্যাখ্যা

বঙ্গ: 
- বঙ্গ একটি অতি প্রাচীন জনপদ।
- বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- অনুমান করা হয়, এখানে বঙ্গ বলে একটি জাতি বাস করতো। তাই জনপদটি পরিচিত 'বঙ্গ' নামে।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়-একটি বিক্রমপুর ও আরেকটি নাব্য।
- ধারণা করা হয়, ফরিদপুর, ঢাকা, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালির নিচু জলাভূমি এ নব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। 

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম শ্রেণি।

১৭,৪১৮.
নভেরা আহমেদ কত সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করে?
  1. ২০২২ সালে
  2. ২০২৩ সালে
  3. ২০২৪ সালে
  4. ২০২৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৭,৪১৯.
'পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ' প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক—
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. শামছুল হক
  3. আতাউর রহমান খান
  4. আবুল হাশিম
সঠিক উত্তর:
শামছুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামছুল হক
ব্যাখ্যা
• আওয়ামী মুসলীম লীগ:
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- আওয়ামী মুসলীম লীগ থেকে মুসলীম শব্দটি বাদ দেওয়া হয়-১৯৫৫ সালে।

- আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটি নিম্নরুপ: 
- প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি - মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদক - সামছুল হক
- প্রতিষ্ঠাকালীন সহ সভাপতি - আতাউর রহমান ও আব্দুস সালাম খান।
- প্রতিষ্ঠাকালীন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক - শেখ মুজিবুর রহমান।

- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়।
- ১৯৬৬ সালের মার্চে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
১৭,৪২০.
উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা কে?
  1. উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান
  2. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
  3. উপজেলা সমাজসেবা অফিসার
  4. উপজেলা চেয়ারম্যান
সঠিক উত্তর:
উপজেলা নির্বাহী অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপজেলা নির্বাহী অফিসার
ব্যাখ্যা

• উপজেলা প্রশাসন:
- উপজেলা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক স্তর।
- প্রতিটি জেলা কয়েকটি উপজেলায় বিভক্ত। 
- উপজেলার প্রশাসনিক কর্মকর্তা হলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার।
- তিনি জেলা প্রশাসকের আদেশ বাস্তবায়ন এবং উপজেলার অন্যান্য কাজের সমন্বয় করে থাকেন।
- তিনি বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের একজন সদস্য। 
- উপজেলা পর্যায়ের অন্য কর্মকর্তাদের সহায়তায় উপজেলার সকল উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেন।
- এছাড়া উপজেলার শাসন ব্যবস্থা ও শান্তি-শৃঙ্খলার কাজও তিনি দেখাশুনা করেন। মূলত উপজেলার সকল উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাজ তদারক করা তাঁর দায়িত্ব।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৭,৪২১.
শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকলে কী হতে পারে?
  1. রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে
  2. রাষ্ট্রের অর্থনীতি উন্নত হয়
  3. রাষ্ট্রের প্রশাসন শক্তিশালী হয়
  4. রাষ্ট্রের আইন ব্যবস্থা উন্নত হয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হতে পারে
ব্যাখ্যা

বিকল্প নীতি উত্থাপন:
- বিকল্প নীতি উত্থাপন করে বিরোধী দল।
- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে, তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- বিরোধী দলের অন্যতম একটি কাজ হচ্ছে সরকারি নীতিমালাগুলো ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা।
- এক্ষেত্রে যদি কোন নীতিমালা জন বান্ধব মনে না হয়, সেক্ষেত্রে বিরোধী দল দেশের স্বার্থে উন্নততর বিকল্প নীতি প্রস্তাব করতে পারে।
- এর মধ্য দিয়ে বিরোধী দল জনগণের নিকট তাদের অবস্থানও স্পষ্ট করতে পারে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,৪২২.
বাংলাদেশ সংবিধান গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১৭ নভেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধান রচনার লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল ৪৩০ জন সদস্য বিশিষ্ট গণ-পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এদের মধ্য থেকে ৩৪ জন সদস্য নিয়ে একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল গণ-পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়।
-  বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
 
উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,৪২৩.
বাংলাদেশকে 'বুলগাকপুর' নামে অভিহিত করেন কে?
  1. ইবনে বতুতা
  2. জিয়াউদ্দিন বারানী
  3. আবুল ফজল
  4. তানসেন
সঠিক উত্তর:
জিয়াউদ্দিন বারানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিয়াউদ্দিন বারানী
ব্যাখ্যা
বাংলায় তুর্কি শাসন: 
- বাংলায় মুসলমান শাসন প্রতিষ্ঠার সূচনা করেন বখতিয়ার খলজি।
- এ পর্বের প্রথম পর্যায় ছিল ১২০৪ থেকে ১৩৩৮ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত।
- এ যুগের শাসনকর্তাদের পুরোপুরি স্বাধীন বলা যাবে না।
- তাঁদের কেউ ছিলেন বখতিয়ারের সহযোদ্ধা খলজি মালিক,
- আবার কেউ কেউ তুর্কি বংশের শাসক।
- শাসকদের সকলেই দিল্লির সুলতানদের অধীনে বাংলার শাসনকর্তা হয়ে এসেছিলেন।
- পরবর্তীকালে অনেক শাসনকর্তাই দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে স্বাধীন হতে চেয়েছেন।
- মুসলিম শাসনের এ যুগ ছিল বিদ্রোহ-বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ।
- তাই ঐতিহাসিক জিয়াউদ্দিন বারানী বাংলাদেশের নাম দিয়েছিলেন 'বুলগাকপুর'।
- এর অর্থ 'বিদ্রোহের নগরী'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭,৪২৪.
বাংলাদেশে কোনটি সরকারি নােট নয়?
  1. ক) ২ টাকা
  2. খ) ১০ টাকা
  3. গ) ১ টাকা
  4. ঘ) ৫ টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১০ টাকা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- ব্যাংক নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে আর এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।
১৭,৪২৫.
ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ কোন সেক্টরের অধীনে ছিলেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৩নং সেক্টর
  4. ৪নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
১নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:

- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৭,৪২৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ অনুযায়ী, প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বাখরাবাদ
  2. শ্রীকাইল
  3. তিতাস
  4. বিবিয়ানা
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৬৩৬৭ বি.ঘ.ফু)।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (পরিমাণ – ৫৭৫৫ বি.ঘ.ফু), এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বি.ঘ.ফু)
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৮১৪৮.৯ বি.ঘ.ফু) এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত। 

- দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা - ১০৭টি।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে - বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি।
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের – ২২টি। 

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।
১৭,৪২৭.
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. কাজী হাবিবুল আউয়াল
  2. কে এম নুরুল হুদা
  3. শাহাদত হোসেন চৌধুরী
  4. এ এম এম নাসির উদ্দীন
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম এম নাসির উদ্দীন
ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। (জানুয়ারি, ২০২৬)
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১৭,৪২৮.
কোন যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের গোড়াপত্তন হয়?
  1. ক) পানিপথের
  2. খ) পলাশীর
  3. গ) বক্সারের
  4. ঘ) পূনিয়ার
সঠিক উত্তর:
খ) পলাশীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পলাশীর
ব্যাখ্যা

- নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যুর পর তাঁর দৌহিত্র সিরাজউদ্দৌলা ১৭৫৬ সালের ১০ এপ্রিল বাংলা বিহার উড়িষ্যার নবাবি মসনদে আরোহন করেন।
- ২৩ জুন, ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলা পরাজিত হলে ইংরেজরা ধীরে ধীরে ভারতবর্ষ শাসন করতে থাকে।
- এই যুদ্ধের মধ্যে দিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের গোড়াপত্তন হয়।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৭,৪২৯.
১৯৫২ সালের ২৬শে জানুয়ারি পল্টন ময়দানে কে ঘোষণা দেন উর্দু হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা?
  1. ক) মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  2. খ) লিয়াকত আলী খান
  3. গ) খাজা নাজিমউদ্দিন
  4. ঘ) নুরুল আমিন
সঠিক উত্তর:
গ) খাজা নাজিমউদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খাজা নাজিমউদ্দিন
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন ঢাকার পল্টন ময়দানের জনসভায় ঘোষণা করেন যে,
 “প্রদেশের সরকারি কাজকর্মে কোন ভাষা ব্যবহূত হবে তা প্রদেশের জনগণই ঠিক করবে। কিন্তু পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে কেবল উর্দু।”

- তার এই ঘোষণায় উপস্থিত জনতা সঙ্গে সঙ্গে তীব্র প্রতিবাদ জানায় এবং রাষ্টভাষা বাংলা চাই শ্লোগানে ছাত্ররা বিক্ষোভ শুরু করেন।

- ৩০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্মঘট পালিত হয়। ৩১ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের সভাপতি মওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক দলের প্রতিনিধিদের এক সভায় সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।

- এর আগে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪৮ সালের ২১শে মার্চ রেসকোর্স ময়দান (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এবং ২৪শে মার্চ কার্জন হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তন অনুষ্ঠানে বক্তৃতাকালে ঘোষণা করেন, উর্দু এবং একমাত্র উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা। উভয় স্থানেই তার এই ঘোষণা উপস্থিত জনতা ও ছাত্ররা না না ধ্বনি দিয়ে তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৭,৪৩০.
বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন কোন শাসক?
  1. বখতিয়ার খিলজি
  2. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  3. ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ
  4. কুতুব উদ্দিন আইবেক
সঠিক উত্তর:
বখতিয়ার খিলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বখতিয়ার খিলজি
ব্যাখ্যা

• বখতিয়ার খলজী:
- বখতিয়ার খলজী  ১২০৫ খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিকে নদীয়া জয় করেন এবং বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন।
- উত্তর আফগানিস্তানের গরমশির (আধুনিক দস্ত-ই-মার্গ) এলাকার বাসিন্দা ইখতিয়ারউদ্দীন মুহম্মদ বখতিয়ার খলজী তুর্কি জাতির খলজী সম্প্রদায়র্ভুক্ত ছিলেন। 

- ১২০৩ খ্রিস্টাব্দে বখতিয়ার খলজী বিহার আক্রমণ করেন এবং ওদন্তপুরী বৌদ্ধবিহারটি সম্পূর্ণ ধ্বংস করে।
- অতঃপর তারা সে স্থান থেকে মূল্যবান সম্পদ লুণ্ঠন করে প্রত্যাবর্তন করে।
- তিনি কুতুবউদ্দীন আইবকের সাথে সাক্ষাৎ করে তাঁকে মূল্যবান উপহার প্রদান করেন। 
- অপরপক্ষে কুতুবউদ্দীনও তাঁকে সাদর অভ্যর্থনা জানান।
- অতঃপর ১২০৪ খ্রিস্টাব্দের শীতকালে তিনি ঝাড়খন্ডের দুর্গম অরণ্যাঞ্চলের মধ্য নদীয়া আক্রমন করেন।
- রাজা লক্ষ্মণসেন নৌপথে তাঁর রাজধানী বিক্রমপুরে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন।
- ইতোমধ্যে বখতিয়ার খলজীর মূল বাহিনীও এসে পড়েছিল।
- ফলে নদীয়া মুসলমানদের  অধিকারে আসে।

- বখতিয়ার খলজী স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে তিনি গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা-৯ম-১০ম শ্রেণি।

১৭,৪৩১.
বর্তমানে সরকারি গ্যাজেট অনুসারে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দদ্বয়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ -
  1. ক) Chivalrous Freedom Fighter
  2. খ) Valiant Freedom Fighter
  3. গ) Gallant Freedom Fighter
  4. ঘ) Heroic Freedom Fighter
সঠিক উত্তর:
ঘ) Heroic Freedom Fighter
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Heroic Freedom Fighter
ব্যাখ্যা
১০ ডিসেম্বর ২০২১ ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ এর ইংরেজি প্রতিশব্দ ‘Heroic Freedom Fighter’ নির্ধারণ করে গেজেট প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

সূত্র: Live MCQ বিশেষ সাম্প্রতিক সমাচার: এপ্রিল, ২০২১ – এপ্রিল, ২০২২
১৭,৪৩২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে, সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন হয়েছে-
  1. ময়মনসিংহ জেলা 
  2. রংপুর জেলা
  3. দিনাজপুর জেলা
  4. রাজশাহী জেলা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ জেলা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ জেলা 
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৭০,৩৭,৬৬৪ মে. টন)।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,২৯,৯৪৩ মে. টন)।
উল্লেখ্য, 
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

১৭,৪৩৩.
বাংলাদেশে খেতাবপ্রাপ্ত বীর বিক্রম কত জন?
  1. ক) ৬৮ জন
  2. খ) ৭ জন
  3. গ) ৪২৬ জন
  4. ঘ) ১৭৫ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৭৫ জন
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর খেতাব বাতিল করে।

এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

- স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছরে এসে, ২৪ মার্চ নতুন প্রজ্ঞাপনে জনাব আবদুল খালেকের পূর্ণাঙ্গ পরিচয়সহ তাঁকে বীর বিক্রম উপাধি দেওয়া হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)

১৭,৪৩৪.
বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকাল থেকে নিচের কোনটির সদস্য?
  1. জি-২০
  2. পিবিসি
  3. ইউনিসেফ
  4. ইউনেস্কো
সঠিক উত্তর:
পিবিসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিবিসি
ব্যাখ্যা
পিসবিল্ডিং কমিশন (পিবিসি) 
- পিসবিল্ডিং কমিশন (পিবিসি) জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের একটি আন্তরাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা সংস্থা।
- এই সংস্থা সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোতে শান্তি বিনির্মাণের জন্য কাজ করে, যাতে সংঘাতের পুনরাবৃত্তি রোধ এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা যায়।
- সাধারণ পরিষদ, নিরাপত্তা পরিষদ এবং অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ (ইকোসক) থেকে নির্বাচিত সদস্যসহ ৩১ জন সদস্যের সমন্বয়ে ২০০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় পিবিসি।
- জাতিসংঘে শীর্ষ অর্থ প্রদানকারী ও শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশগুলোও কমিশনের সদস্য।
- বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই পিবিসি’র সদস্য।
- রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা হলেন পিবিসির প্রথম নারী সভাপতি।

সূত্র- জাতিসংঘের ওয়েবসাইট (লিংক)।
১৭,৪৩৫.
নিম্নের কোন জেলায় মাত্র একটি সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. রাঙামাটি
  3. বান্দরবান
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন;
​- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন সংখ্যা ৩০০টি।
- ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- জাতীয় সংসদের ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- সর্বোচ্চ ২০টি আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

উৎস: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা।

১৭,৪৩৬.
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব-
  1. ক) বীর প্রতীক
  2. খ) বীর উত্তম
  3. গ) বীর বিক্রম
  4. ঘ) বীর শ্রেষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
গ) বীর বিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব বীর বিক্রম। ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭৩ সালে মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেছিল। ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠ, ৬৮ জন বীর উত্তম, ১৭৫ জন বীর বিক্রম এবং ৪২৬ জন কে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়েছিল। [Source: Banglapedia]
১৭,৪৩৭.
"ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ" জারি করেন কে?
  1. ক) মো. সায়েম
  2. খ) আব্দুস সাত্তার
  3. গ) খন্দকার মুশতাক
  4. ঘ) জিয়াউর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) খন্দকার মুশতাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খন্দকার মুশতাক
ব্যাখ্যা
- ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ হলো দায়মুক্তি অধ্যাদেশ। 
- এই অধ্যাদেশের মাধ্যমে ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত হত্যাকারীদের বিচারানুষ্ঠান থেকে রেহাই দেওয়া হয়। ১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট তৎকালীন রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন যা ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৭৯ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশকে সাংবিধানিক বৈধতা দেওয়া হয়। 
- ১৯৯৬ সালের ১২ নভেম্বর তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে। যার ফলে বঙ্গবন্ধু'র খুনীদের বিচারের মুখোমুখি করা সম্ভব হয়।

(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৭,৪৩৮.
সংবিধান অনুসারে নির্বাচন কমিশনারবৃন্দ কত বছরের জন্যে নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. ক) ২ বছর
  2. খ) ৩ বছর
  3. গ) ৪ বছর
  4. ঘ) ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ বছর
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১১৮(৩) নং দফা অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য কমিশনারদের পদের মেয়াদকাল দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী ৫ বছর।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চার জন কমিশনার নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
১৭,৪৩৯.
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত তারিখে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন?
  1. ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  2. ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  3. ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  4. ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ তার ৭৯তম অধিবেশন:
-সেপ্টেম্বর, ২০২৪-এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের সভাপতি ফিলেমন ইয়াং।
- ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
⇒ বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতিসংঘের ৭৯তম অধিবেশনে ভাষণ প্রদান করেন।
- নিউ ইয়র্কের স্থানীয় সময় ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ জাতিসংঘ সদর দপ্তরের জেনারেল অ্যাসেম্বলি হলে ভাষণ প্রদান করেন তিনি।
- বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রথমবারের মতো জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে অংশ নিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
- এই সফরে তিনি বিভিন্ন দেশ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সাথে বৈঠকও করেছেন।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।
১৭,৪৪০.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?
  1. কামরুল হাসান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. হাশেম খান
  4. আ.স.ম. আবদুর রব
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কামরুল হাসান
ব্যাখ্যা

জাতীয় পতাকা:
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার – শিল্পী কামরুল হাসান।
- ১৯৭২ সালে কামরুল হাসান সবুজের মাঝে লাল বৃত্তের জাতীয় পতাকার নকশা করেন।
- এর পূর্বে ব্যবহৃত মানচিত্র খচিত পতাকাটি ১৯৭০ সালের ৬ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান জহুরুল হক হলের ১১৬ নং কক্ষে শিবনারায়ণ দাস ও আরো কয়েকজন মিলে চূড়ান্ত করেন যা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম রব প্রথম উত্তোলন করেন।
- ১৯৭১ সালের ২৩ শে মার্চ বাংলাদেশের সর্বত্র পাকিস্তানের পতাকা'র পরিবর্তে লাল-সবুজের পতাকা উড়ানো হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
- 'জাতীয় পতাকা' গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০: ৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকিবে।

​উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭,৪৪১.
কোন সুলতানের শাসনামলে হযরত শাহাজালাল (র.) সিলেটে আগমন করেন?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
  2. শামসুদ্দীন ফিরোজ শাহ
  3. গিয়াস উদ্দিন আযম শাহ
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দীন ফিরোজ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দীন ফিরোজ শাহ
ব্যাখ্যা
শামসুদ্দীন ফিরোজ শাহ শাসনামলে হযরত শাহাজালাল (র) সিলেটে আগমন করেন।

• শাহ জালাল (র.):
- শাহ জালাল (র.) বাংলার একজন প্রখ্যাত সুফি দরবেশ।
-সুলতান শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের শাসনামলে হযরত শাহ জালাল ৩৬০ জন সাথী ও মুরিদ নিয়ে বাংলায় আসেন।
- হযরত শাহজালাল (র.) আরবের ইয়েমেনের অধিবাসী ছিলেন।
- শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহের সিলেট অভিযানে হযরত শাহ জালাল মুসলমান সৈন্যবাহিনীর সঙ্গে যোগ দেন।
- মুসলমান সৈন্যরা জয়লাভ করে।
- গৌর গোবিন্দ দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান এবং সিলেট মুসলমানদের শাসনাধীন হয়।

সূত্র- বাংলাপিডিয়া। 
১৭,৪৪২.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামীকে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. ক) সার্জেন্ট শামসুল হক
  2. খ) হাবিলদার আজিজুল হক
  3. গ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
  4. ঘ) স্টুয়ার্ট মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার ১৭ নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আন্দোলন আরো তীব্র আকার ধারণ করে। যার কারণে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া
১৭,৪৪৩.
বাংলাদেশে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা রয়েছে -
  1. ৮টি
  2. ১১টি
  3. ১৩টি 
  4. ১৭টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

⇒ এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী। 

উৎস: i) পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৭,৪৪৪.
নিচের কোনটি সিপাহী বিদ্রোহের ফলাফল?
  1. ক) দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন
  2. খ) ‘স্বত্ব বিলোপ নীতি' বাতিল ঘোষণা
  3. গ) বাংলা প্রেসিডেন্সি গঠন
  4. ঘ) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন
সঠিক উত্তর:
খ) ‘স্বত্ব বিলোপ নীতি' বাতিল ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ‘স্বত্ব বিলোপ নীতি' বাতিল ঘোষণা
ব্যাখ্যা
- সিপাহি বিদ্রোহকে বলা হয় ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম।
- ব্রিটিশ ভারতের ইতিহাস ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। 

ফলাফল ও মূল্যায়ন : 
- সিপাহী বিদ্রোহের ফলাফল সুদূরপ্রসারী। 
- এ বিদ্রোহ সফল না হলেও এটি ভারতে ব্রিটিশ শাসনের মূলে প্রচন্ড আঘাত হানে।
-  ১৮৫৮ সালে বিদ্রোহ শেষে এক ঘোষণা বলে মহারাণী ভিক্টোরিয়া ভারতবর্ষের শাসনভার নিজের হাতে তুলে নেন এবং অবসান হয় একশ বছরের কোম্পানি শাসন। 
- ব্রিটিশ রাজ ‘স্বত্ব বিলোপ নীতি' বাতিল ঘোষণা করে। 
- সামরিক বাহিনীতে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়।
-  বাহাদুর শাহ জাফরকে রেঙ্গুনে নির্বাসনে পাঠানো হয়। 
- ভারতবর্ষের বিষয়াবলী দেখাশোনার জন্য ‘ভাইসরয়’ নামক একটি পদ সৃষ্টি করা হয়। এভাবে ইংরেজরা তাদের শাসনকার্যে ব্যাপক পরিবর্তন আনেন।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৪৪৫.
দেশীয় শিল্পের স্বার্থ রক্ষায় কোন সংস্থাটি কাজ করে?
  1. ক) বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড
  2. খ) বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন বোর্ড
  3. গ) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ
  4. ঘ) বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন
ব্যাখ্যা
- দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সংরক্ষণ, মান উন্নয়ন ও প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন কাজ করে।
- ১৯৯২ সালে আইনের মাধ্যমে পূর্বেকার ট্যারিফ অধিদপ্তর বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুনর্গঠিত হয় যা ২০২০ সালে বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন নামধারণ করে।
- এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
(তথ্যসূত্র: ট্যারিফ কমিশন ওয়েবসাইট)
১৭,৪৪৬.
জাতীয় শিশু নীতি-২০১১ অনুযায়ী, শিশু বলতে কাকে বোঝায়?
  1. ১৪ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
  2. ১৬ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
  3. ১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
  4. ২১ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছরের কম বয়সী ব্যক্তি
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিশু নীতি ২০১১:
১. ভূমিকা:
- শিশুদের সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রণীত হয় শিশু আইন ১৯৭৪, যা যুগোপযোগীকরণের মাধ্যমে শিশু আইন ২০১১ রূপে প্রণয়ন করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- পরিবার এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে প্রাসঙ্গিক সকল ক্ষেত্রে শিশুর অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করা একান্ত আবশ্যক।
- শিশুর সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা ও অধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে একটি সৎ, দেশপ্রেমিক ও কর্মক্ষম ভবিষ্যৎ প্রজন্ম গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার যত্নশীল ও সক্রিয়।

২.১ শিশু: শিশু বলতে আঠারো বছরের কম বয়সী বাংলাদেশের সকল ব্যক্তিকে বুঝাবে। দেশের প্রচলিত কোন আইনে এর ভিন্নতা থাকলে এই নীতির আলোকে প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমে সামঞ্জস্য বিধানের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
২.২ কিশোর কিশোরীঃ কিশোর-কিশোরী বলতে ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী শিশুদেরকে বুঝাবে।
৩. পরিধি:
জাতীয় শিশু নীতি বাংলাদেশের নাগরিক সকল শিশুর ক্ষেত্রে বৈষম্যহীনভাবে প্রযোজ্য হবে।
৪. মূলনীতি:
বাংলাদেশের সংবিধান ও আন্তর্জাতিক সনদসমূহের আলোকে শিশু অধিকার নিশ্চিতকরণ।
শিশু দারিদ্র্য বিমোচন।
শিশুর প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন ও বৈষম্য দূরীকরণ।
কন্যা শিশুর প্রতি সকল প্রকার নির্যাতন ও বৈষম্য দূরীকরণ।
শিশুর সার্বিক সুরক্ষা ও সর্বোত্তম স্বার্থ নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপের বিষয়ে শিশুদের অংশগ্রহণ ও মতামত গ্রহণ।

উৎস: জাতীয় শিশু নীতি- ২০১১।

১৭,৪৪৭.
শৈত্য সহিষ্ণু ধানের উদাহরন কোনটি?
  1. ক) ব্রি ধান ৩৬
  2. খ) ব্রি ধান ৫৬
  3. গ) ব্রি ধান ৫৭
  4. ঘ) ব্রি ধান ৪০
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রি ধান ৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ব্রি ধান ৩৬
ব্যাখ্যা
শৈত্য সহিষ্ণু ফসল
• বাংলাদেশে নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত শীতকাল। শীতকালে দেশের চরম সর্বনিম্ন তাপমাত্রা জানুয়ারি বা
ফেব্রুয়ারি মাসে হয়ে থাকে। 
• শীতকালে সর্বোচ্চ তাপমাত্রার গড় ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ২৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রার গড় ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়ে থাকে। 
• আমাদের দেশে শৈত্য বেশি পড়লে এবং শৈত্যতা দীর্ঘস্থায়ী হলে শীতকালীন ফসল, যেমন - গোলআলু ও গমের ফলন ভালো হয়। 
• তবে রোপা আমন ও বোরো ধানের পরাগায়ণ ও দানা গঠনের সময় শৈত্য বেশি পড়লে অর্থাৎ তাপমাত্রা কমে গেলে চিটা হয়ে ফলন কমে যায়।
• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট দেশের ঠাণ্ডাপ্রবণ এলাকার জন্য ব্রি ধান ৩৬ জাতটি বের করে। 
• বীজ বপনের সময় যে সব এলাকায় তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে যায় সেসব এলাকার জন্য এ জাতটি খুবই উপযোগী। 
• ব্রি ধান ৫৫ জাতটি মাঝারি শৈত্য সহ্য করতে পারে বলে দেশের শৈত্য-প্রবণ এলাকায় চাষ করা যায়।  

অন্যদিকে, 
• ব্রি ধান ৫৬ ও ব্রি ধান ৫৭ দুইটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত। এর মধ্যে ব্রি ধান ৫৭ প্রজনন পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৮-১৪ দিন বৃষ্টি না হলেও ফলনের তেমন কোনো ক্ষতি হয় না। 
• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ইতোমধ্যে বেশ কিছু লবণাক্ততা সহিষ্ণু জাতের ধান বের করেছে। যেমন - ব্রি ধান ৪০, ব্রি ধান ৪১, ব্রি ধান-৪৭, ব্রি ধান ৫৩, ও ব্রি ধান ৫৪।

তথ্যসূত্র:- কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৭,৪৪৮.
বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন কে?
  1. তামিম ইকবাল
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. মমিনুল হক
  4. মাহমুদল্লাহ রিয়াদ
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

মুশফিকুর রহিম:
- দেশের ইতিহাসে প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে শততম ম্যাচ খেলার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন মুশফিকুর রহিম। 
- ১৯ নভেম্বর, ২০২৫ মিরপুরে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয় টেস্টের মধ্য দিয়ে দেশের প্রথম ক্রিকেটার এবং বিশ্বের ৮৪তম খেলোয়াড় হিসেবে ১০০তম টেস্ট খেলেন মুশফিকুর রহিম।
- প্রথম দিন শেষে (১৯ নভেম্বর, ২০২৫) আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে ৯৯ রানে অপরাজিত ছিলেন মুশফিক। 
- ২০ নভেম্বর, ২০২৫ দিনের দ্বিতীয় ওভারে পেসার জর্ডান নিলের করা ওভারের তৃতীয় বলে এক রান নিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটার ও বিশ্বের ১১তম ক্রিকেটার হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরির কীর্তি গড়েন।

উল্লেখ্য,
- ২০০৫ সালে ঐতিহাসিক লর্ডস টেস্ট দিয়ে মুশফিকুর রহিমের আন্তর্জাতিক যাত্রা শুরু হয়।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট।

১৭,৪৪৯.
২৫ বছর পূর্তিকে বলা হয় -
  1. রজত জয়ন্তী
  2. সুবর্ণ জয়ন্তী
  3. হীরক জয়ন্তী
  4. প্লাটিনাম জয়ন্তী
সঠিক উত্তর:
রজত জয়ন্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রজত জয়ন্তী
ব্যাখ্যা
জয়ন্তী বা জুবিলী:
- প্রকৃত পক্ষে জুবিলীর (Jubilee) অর্থ হলো উৎসব মুখর পরিবেশে জন্মতিথি পালন।
• ২৫ বছর পূর্তিকে বলা হয়: রজত জয়ন্তী (Silver Jubilee),
• ৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয়: সুবর্ণ জয়ন্তী / স্বর্ণ জয়ন্তী (Golden Jubilee),
• ৬০ বছর পূর্তিকে বলা হয়: হীরক জয়ন্তী (Diamond Jubilee),
• ৭৫ বছর পূর্তিকে বলা হয়: প্লাটিনাম জয়ন্তী (Platinum Jubilee),
• ১০০ বছর পূর্তিকে বলা হয়: শতবর্ষ (Centenary jubilee),
• ১৫০ বছর পূর্তিকে বলা হয়: সার্ধশত (Sesquicentennial),
• ২০০ বছর পূর্তিকে বলা হয়: দ্বিশতবর্ষ (Bicentenary/ bicentennial)।

উৎস: প্রথম আলো।
১৭,৪৫০.
'The Spirit of Islam' বইটি কে লিখেছেন?
  1. সৈয়দ আমির আলি
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. নবাব ফয়জুন্নেছা চৌধুরানী
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমির আলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আমির আলি
ব্যাখ্যা
সৈয়দ আমির আলি
- উনিশ শতকের শেষার্ধে বাংলার মুসলমান সমাজের নবজাগরণে যিনি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিলেন তিনি হলেন সৈয়দ আমির আলি।
- তিনি ১৮৭৭সালে কোলকাতায় 'সেন্ট্রাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন' নামে একটি সমিতি গঠন করেন।
- তিনি পত্র-পত্রিকায় শিক্ষা ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে মুসলমানদের পিছিয়ে পড়ার বিষয়টি নিয়ে লেখালেখি করেন।
- ফলে ১৮৮৫ সালে সরকার মুসলমানদের শিক্ষার অগ্রগতির জন্য কতকগুলো ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
- এ কারণে তিনি ১৮৮৪ সালে কোলকাতায় মাদ্রাসায় কলেজ পর্যায়ে ইংরেজি শিক্ষা এবং করাচিতে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠায় উৎসাহিত করেন।
- তাঁর বিখ্যাত দুইটি গ্রন্থ 'The Spirit of Islam' এবং 'A Short History of the Saracens'-এ ইসলাম ধর্মের বিজ্ঞানসম্মত ব্যাখ্যা ও ইসলামের অতীত গৌরবের কথা তুলে ধরা হয়েছে।
- তিনি বিশ্বাস করতেন, আধুনিক ভারতের উন্নতির জন্য হিন্দু-মুসলমান উভয় সম্প্রদায়ের একযোগে কাজ করা প্রয়োজন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৭,৪৫১.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নির্বিচারে হত্যার ঘটনায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে জাতিসংঘ কতটি সুপারিশ করেছে?
  1. ৩১টি
  2. ৪১টি
  3. ৪৬টি
  4. ৫৩টি
সঠিক উত্তর:
৪১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১টি
ব্যাখ্যা

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: 
- ছাত্র-জনতার জুলাই আন্দোলনে নির্বিচারে হত্যার ঘটনায় নির্দেশদাতা এবং নেতৃত্ব দেওয়া ব্যক্তিদের বিদ্যমান আইন ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের আলোকে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করাসহ ৪১ সুপারিশ করেছে জাতিসংঘ।
- একই সঙ্গে স্বাধীন তদন্তে পুলিশ, গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য, বিজিবি, আনসার-ভিডিপি এবং সশস্ত্র বাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্যে যাদের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘন ও দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ মিলবে তাদের অপসারণ করতে বলা হয়েছে।
- সামরিক গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইর তৎপরতা ও ক্ষমতা সীমিত করার পরামর্শ দিয়েছে।
- জাতিসংঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনের তথ্যানুসন্ধান দলের প্রতিবেদনে এ সুপারিশ করা হয়েছে।
- ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনাবলি নিয়ে তৈরি করা এ প্রতিবেদন।

উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট।

১৭,৪৫২.
খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে কোন জেলায়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙ্গামাটি
  3. কক্সবাজার
  4. সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৭,৪৫৩.
Who is the lyricist of the famous Bengali folk song “Agey Ki Shundor Din Kataitam”?
  1. Lalon Shah
  2. Hason Raja
  3. Shah Abdul Karim
  4. Abdul Alim
সঠিক উত্তর:
Shah Abdul Karim
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Shah Abdul Karim
ব্যাখ্যা

• শাহ আবদুল করিম: 
- জন্ম: ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দ, সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার ধলআশ্রম গ্রামে।
- পিতা: ইব্রাহিম আলী (একজন দরিদ্র কৃষক)
- মাতা: নাইওরজান বিবি।
- তিনি লোকসঙ্গীত শিল্পী, গীতিকার ও সুরকার।
- শৈশবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার সুযোগ পাননি।
- বারো বছর বয়সে নিজ গ্রামের একটি নৈশবিদ্যালয়ে কিছুদিন পড়াশোনা করেন।
- সেখানে তিনি প্রাথমিক শিক্ষা লাভ করেন।
- পরবর্তীতে নিজের চেষ্টায় স্বশিক্ষিত হয়ে ওঠেন।
-  কৈশোরকাল থেকেই গণসঙ্গীতের প্রতি শাহ আবদুল করিমের আকর্ষণ ছিল। সম্ভবত জীবনের বাস্তবতা তাঁকে গণসঙ্গীত রচনায় উদ্বুদ্ধ করে।
- ১৯৫৪ সালে শাহ আবদুল করিম প্রণীত গণসঙ্গীত গ্রন্থ প্রকাশিত হয়।
- তাঁর প্রকাশিত অন্যান্য গানের সংকলন হলো আফতাব সঙ্গীত (১৯৪৮), কালনীর ঢেউ (১৯৮১), ভাটির চিঠি (১৯৯৮), ধলমেলা (১৯৯০), কালনীর কূলে (২০০১)।
- ‘আগে কি সুন্দর দিন কাটাইতাম’, ‘বন্দে মায়া লাগাইছে, পিরিতি শিখাইছে’, ‘গাড়ি চলে না’, ‘কেমনে ভুলিব আমি বাঁচি না তারে ছাড়া’, ‘কোন মেস্তরি নাও বানাইছ’, তার এরকম অসংখ্য গান জনপ্রিয়তা পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি। 

১৭,৪৫৪.
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?
  1. শামীম শিকদার
  2. তানভীর কবির
  3. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ
  4. মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হালী
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হালী
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ: 
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। 
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী। 
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৯৭১ সালের ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। 
- তাঁদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধের স্থপতি ছিলেন মোস্তফা হারুন কুদ্দুস হালী।
- ১৯৭২ সালে এই স্মৃতিসৌধের নির্মাণ কাজ শেষ হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৭,৪৫৫.
বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং প্রথম চালু করে- 
  1. ডাচ বাংলা ব্যাংক
  2. ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
  3. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
  4. ইসলামী ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাংক এশিয়া পিএলসি
ব্যাখ্যা

এজেন্ট ব্যাংকিং:
- বাংলাদেশে এজেন্ট ব্যাংকিং প্রথম চালু করে ব্যাংক এশিয়া পিএলসি।
- বাংলাদেশ ব্যাংক ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর এজেন্ট ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নীতিমালা জারি করে।
- এই নীতিমালার ভিত্তিতে ব্যাংক এশিয়া ২০১৪ সালের ১৭ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা চালু করে।
- তাই এই দিনটিকে "এজেন্ট ব্যাংকিং দিবস" হিসেবে পালন করা হয়।
- দেশের প্রথম এজেন্ট আউটলেট স্থাপিত হয় মুন্সীগঞ্জ জেলার জৈনসার ইউনিয়নে।
- এজেন্ট ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সহজে এবং সাশ্রয়ীমূল্যে ব্যাংকিং সেবা প্রদান সম্ভব হয়েছে। প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী এতে উপকৃত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বে প্রথম এজেন্ট ব্যাংকিং চালু হয়েছিল ১৯৯৯ সালে ব্রাজিলে।

 উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৭,৪৫৬.
কবে থেকে বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়?
  1. ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
  2. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর ১৯৭২
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহীত হয় ।
- ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ।

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান ও বাংলাপিডিয়া।
১৭,৪৫৭.
নিচের কোনটি বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটি?
  1. ক) বিএসইসি
  2. খ) এনইসি
  3. গ) একনেক
  4. ঘ) নিকার
সঠিক উত্তর:
গ) একনেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) একনেক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক প্রকল্প অনুমোদন সংক্রান্ত সর্বোচ্চ নির্বাহী কমিটি হলো ECNEC (Executive Committee of the National Economic Council)। এটি ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
ECNEC এর চেয়ারপার্সন হলেন প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারপার্সন অর্থমন্ত্রী।

অন্যদিকে,
NEC (National Economic Council) হলো জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল
BSEC (Bangladesh Securities and Exchange Commission) হলো বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
NICAR (National Implementation Committee for Administrative Reform) হলো প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসজনিত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি।

(তথ্যসূত্র: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১৭,৪৫৮.
বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন কে?
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. আব্দুর রউফ
  3. এম মনসুর আলী
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধান:
- হস্তলিখিত সংবিধানের মূল লেখক - এ.কে.এম আব্দুর রউফ।
- হস্তলিখিত সংবিধানে মোট ৩৯৯ জন গণপরিষদ সদস্যের স্বাক্ষর রয়েছে।
- হাতে লেখা সংবিধানের পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল ১০৯।
- সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা ছিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

সূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭,৪৫৯.
ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) একুশের গল্প
  2. খ) আরেক ফাল্গুন
  3. গ) একুশে ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ওরা প্রাণ দিলো
সঠিক উত্তর:
গ) একুশে ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) একুশে ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
- হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ 'একুশে ফেব্রুয়ারি'। 
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালে। 

হাসান হাফিজুর রহমান:
- ১৯৩২ সালের ১৪ জুন জামালপুর শহরে মাতুলালয়ে তাঁর জন্ম। তাঁর পৈতৃক নিবাস জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার কুলকান্দি গ্রামে। 
- ১৯৫২ সালে সাপ্তাহিক  বেগম পত্রিকায় সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। 
- ১৯৪৯ সালে সোনার বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কবিতা। 
- হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় ১৫ খন্ডে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ: দলিলপত্র (১৯৮২-৮৩) প্রকাশিত হয়।

অন্যদিকে, 
- 'ওরা প্রাণ দিলো' একুশের প্রথম কবিতা সংকলন।
- 'আরেক ফাল্গুন' জহির রায়হানের একুশের প্রথম উপন্যাস। 
- 'একুশের গল্প' গ্রন্থটির রচয়িতা- জহির রায়হান। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১৭,৪৬০.
বাংলাদেশের LNG প্রথম টার্মিনালের চুক্তির মেয়াদ কত বছর?
  1. ১৫ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২৫ বছর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের LNG প্রথম টার্মিনাল:
- Excelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) কর্তৃক স্থাপিত MLNG টার্মিনাল।
- চুক্তি স্বাক্ষর : ১৮ জুলাই, ২০১৬।
- বাস্তবায়ন : Build Own Operate and Transfer (BOOT) ভিত্তিতে।
- অবস্থান : কক্সবাজারের মহেশখালীতে (21º32’04’’ N; 91º49’07’’E)। 
- Floating Storage Re-gasification Unit (FSRU) এর নাম : Excellence।
- আকার : দৈর্ঘ্যে ২৭৭ মিটার, প্রস্থে ৪৪ মিটার এবং ড্রাফট ১২.৫ মিটার।
- ধারনক্ষমতা : ১৩৮,০০০ ঘনমিটার।
- রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি : ৫০০ এমএমএসসিএফডি।
- চুক্তির মেয়াদ : ১৫(পনের) বছর (২০১৮-২০৩২)।
- গ্যাস সরবরাহ শুরু : ১৯ আগষ্ট, ২০১৮।
- শুরু থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিমান : ৫৯৭,৭৮৬.৭১ এমএমএসসিএফ।
- টার্মিনাল হস্তান্তর : ১৫ বছর পর কোন ধরনের চার্জ  গ্রহন ব্যাতিত FSRU টি EEBL পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করবে।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড।
১৭,৪৬১.
বাংলাদেশের সংবিধানে 'অসাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলকারীদের শাস্তির কথা বলা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ২৩ক
  2. খ) ১৮ক
  3. গ) ৭খ
  4. ঘ) ৭ক
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৭ক
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
• ৭ক। (১) কোন ব্যক্তি শক্তি প্রদর্শন বা শক্তি প্রয়োগের মাধ্যমে বা অন্য কোন অসাংবিধানিক পন্থায় -
  (ক) এই সংবিধান বা ইহার কোন অনুচ্ছেদ রদ, রহিত বা বাতিল বা স্থগিত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে ; কিংবা
 (খ) এই সংবিধান বা ইহার কোন বিধানের প্রতি নাগরিকের আস্থা, বিশ্বাস বা প্রত্যয় পরাহত করিলে কিংবা উহা করিবার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ বা ষড়যন্ত্র করিলে-
 তাহার এই কার্য রাষ্ট্রদ্রোহিতা হইবে এবং ঐ ব্যক্তি রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধে দোষী হইবে।
 (২) কোন ব্যক্তি (১) দফায় বর্ণিত-
 ক) কোন কার্য করিতে সহযোগিতা বা উস্কানি প্রদান করিলে; কিংবা
  খ) কার্য অনুমোদন, মার্জনা, সমর্থন বা অনুসমর্থন করিলে-
 তাহার এইরূপ কার্যও একই অপরাধ হইবে।
 (৩) এই অনুচ্ছেদে বর্ণিত অপরাধে দোষী ব্যক্তি প্রচলিত আইনে অন্যান্য অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে সর্বোচ্চ দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।

অন্যদিকে,
• ৭খ।সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগে বর্ণিত অনুচ্ছেদসমূহের বিধানাবলী সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদসহ সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমুহের বিধানাবলী সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ কিংবা অন্য কোন পন্থায় সংশোধনের অযোগ্য হইবে।]

• সংবিধানের ২৩ক নং অনুচ্ছেদ-উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি।

• ১৮ক। রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব-বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।]

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৭,৪৬২.
সংকীর্ণ ও সমজাতীয় বিশেষ গোষ্ঠীকে কেন্দ্র করে গঠিত - 
  1. ক) ব্যবসায়িক গোষ্ঠী
  2. খ) বিদেশী স্বার্থ রক্ষাকারী গোষ্ঠী
  3. গ) জনসংযোগ গোষ্ঠী
  4. ঘ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
ব্যাখ্যা
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উৎপত্তি:
• সংকীর্ণ ও সমজাতীয় বিশেষ গোষ্ঠীগত স্বার্থকে কেন্দ্র করে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর উৎপত্তি হয়েছে।
এছাড়াও

• আলফ্রেড গ্রজিয়ার মতে, “চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে, এমন এক সংগঠিত সামাজিক গোষ্ঠী; যা সরকারকে আনুষ্ঠানিক ভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের আচরণকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে।
•  উৎপত্তি, উদ্দেশ্য ও কর্মসূচি প্রভৃতির পরিপ্রেক্ষিতে রাজনৈতিক দল ও চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।
•  বহুমুখী ও ব্যাপক সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়।
 
উৎস:  পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র  (এইচএসসি প্রোগ্রাম),উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৪৬৩.
শেখ মুজিবুর রহমানকে কত সালে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. ক) ১৯৬৯
  2. খ) ১৯৭১
  3. গ) ১৯৫২
  4. ঘ) ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ছাত্রসমাজের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রদত্ত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তোফায়েল আহমদ তাকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ পল্টন ময়দানে স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আয়োজিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ অভিধায় ভূষিত করা হয়।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৭,৪৬৪.
১৯৭১ সালে কতজন পাকিস্তানি সৈন্য আত্মসমর্পন করে?
  1. ক) ৯৩ হাজার
  2. খ) ৯০ হাজার
  3. গ) ৮৮ হাজার
  4. ঘ) ৮৭ হাজার
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৩ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৩ হাজার
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।
- পাকিস্তান বাহিনীর পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমির আব্দুল্লাহ খান নিয়াজী আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে যৌথবাহিনীর পক্ষে লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং বাংলাদেশের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন মুক্তিবাহিনীর উপ প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবদুল করিম খন্দকার (এ.কে খন্দকার)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১৭,৪৬৫.
'গারো' ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীরা মূলত কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. দিনাজপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. সিলেট
  4. রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

• 'গারো' উপজাতি:
- বাংলাদেশে গারো উপজাতির মূল নিবাস ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায়। 

- তাছাড়া শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলাতেও কিছু গারো উপজাতি বাস করে। 
- গারোদের ঐতিহ্যবাহী ধর্মের নাম 'সাংসারেক'। 
- গারোদের প্রধান দেবতা 'তাতারা রাবুগা'। 
- গারোদের ধর্ম খ্রিস্টান। 
- গারোদের উৎসব 'ওয়ানগালা'। 
- গারোদের ভাষা মান্দি। 
- গারোদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক। 

উৎস: ময়মনসিংহ জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১৭,৪৬৬.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য কতজনকে 'বীরউত্তম' খেতাবে ভূষিত করেন?
  1. ৪২৬ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৭৬ জন
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
ব্যাখ্যা
১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
১. বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
২. বীর উত্তম ৬৮ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
৩. বীর বিক্রম ১৭৫ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
৪. বীর প্রতীক ৪২৬ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৭,৪৬৭.
দেশের প্রথম লোহাখনি আবিষ্কৃত হয় কোন জেলায়?
  1. ক) নেত্রকোনা
  2. খ) নওগা
  3. গ) সীতাকুণ্ড
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম লোহাখনি আবিষ্কৃত হয়েছে দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার ইসবপুর গ্রামে। ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর বা জিএসবি ১৮ জুন ২০১৯ এ খনি আবিষ্কারের ঘোষণা দেন। (সূত্রঃ জিএসবি ওয়েবসাইট)
১৭,৪৬৮.
মুজিবনগর সরকারের বহির্বিশ্বের বিশেষ দূত হিসেবে কাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল?
  1. ক) বিচারপতি আবু রইস চৌধুরী
  2. খ) বিচারপতি এম. এস. রহমান
  3. গ) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. ঘ) বিচারপতি আবু জামান চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭০-৭১ সালের নির্বাচনে বিজয়ী জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য দ্বারা মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পক্ষে বিশ্ব জনমত সৃষ্টি করা ছিল এ সরকারের প্রধান উদ্দেশ্য ।
- মুজিবনগর সরকার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের গুরুত্বপূর্ণ শহরে (কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, স্টকহোম) বাংলাদেশ সরকারের মিশন স্থাপন করে।
- এসব মিশন বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে প্রচারণা ও সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে।
- সরকার বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরীকে বিশেষ দূত নিয়োগ দেয়।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমতসৃষ্টি ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭,৪৬৯.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. ক) সূর্যদীঘল বাড়ি
  2. খ) ধীরে বহে মেঘনা
  3. গ) তিতাস একটি নদীর নাম
  4. ঘ) হাজার বছর ধরে
সঠিক উত্তর:
খ) ধীরে বহে মেঘনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ধীরে বহে মেঘনা
ব্যাখ্যা
অপশনসমূহের মধ্যে ‘ধীরে বহে মেঘনা’ হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র। এর পরিচালক আলমগীর কবির। এটি ১৯৭৩ সালে মুক্তি পায়। তিতাস একটি নদীর নাম (১৯৭৩), সূর্যদীঘল বাড়ি (১৯৭৯) এবং হাজার বছর ধরে (২০০৫) চলচ্চিত্রের পরিচালক যথাক্রমে ঋতিৃক ঘটক, নিয়ামত আলী শাকের এবং কোহিনুর আক্তার সুচন্দা।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বিডিনিউজ২৪)
১৭,৪৭০.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. জার্মানী
  3. স্পেন
  4. গ্রিস
সঠিক উত্তর:
জার্মানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানী
ব্যাখ্যা
- প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে পূর্ব জার্মানি ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ভূটান ৬ ডিসেম্বর ১৯৭১।
- ভারতও একই দিন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- যুক্তরাজ্য বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।
- স্পেন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১২ মে ১৯৭২
- গ্রিস বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১১ মার্চ ১৯৭২।
- প্রথম আফ্রিকান দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২।

উৎস: বাংলাদেশ প্রতিদিন। [লিঙ্ক]
১৭,৪৭১.
আগরতলা মামলার ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন -
  1. আবদুস সালাম খান
  2. মকসুমুল হাকিম
  3. এস.এ.রহমান
  4. আতাউর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৪৭২.
তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত আন্দোলন কী নামে পরিচিত?
  1. স্বদেশী আন্দোলন
  2. ফরায়েজী আন্দোলন
  3. ওয়াহাবি আন্দোলন
  4. ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
ওয়াহাবি আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াহাবি আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ওয়াহাবি আন্দোলন:
- পূর্ব ও পশ্চিম বাংলায় প্রায় একই সময়ে দুটি ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের শুরু হয়।
- পূর্ব বাংলার আন্দোলনটি ফরায়েজি আন্দোলন নামে পরিচিত, আর পশ্চিম বাংলার আন্দোলনের নাম ওয়াহাবি বা ‘তারিক-ই- মুহম্মদীয়া'।
- ওয়াহাবি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তিতুমীর।
- ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে এ আন্দোলন শুরু এবং শেষ হয় ১৮৩১ ক্রিস্টাব্দে তিতুমীরের শাহাদাৎ বরণের মধ্য দিয়ে।

⇒ উনিশ শতকে ভারতবর্ষে মুসলমান সমাজের ধর্মীয়, সামাজিক কুসংস্কার দূর করে মুসলিম সম্প্রদায়কে ধর্মীয় অনুশাসন পালনের সঠিক পথ নির্দেশ করাই এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল।
- বাংলার ওয়াহাবিরাও তিতুমীরের নেতৃত্বে একই উদ্দেশ্যে সংগঠিত হয়েছিল।
- তিতুমীরের নেতৃত্বে পরিচালিত 'তাহরিক-ই-মুহম্মদীয়া' আন্দোলন বা ওয়াহাবি আন্দোলন ছিল উত্তর ভারতের সৈয়দ আহমদ শহীদের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত।
- তাঁর এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনে বহু মুসলমান, বিশেষ করে চব্বিশ পরগনা এবং নদীয়া জেলার বহু কৃষক, তাঁতী স্বতঃস্ফূর্তভাবে সাড়া দেয়।
- ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে তিতুমীর তাঁর প্রধান ঘাটি স্থাপন করেন। নির্মাণ করেন ইতিহাস খ্যাত তাঁর বাঁশের কেল্লা।
- গোলাম মাসুমের নেতৃত্বে গড়ে তোলেন সুদক্ষ শক্তিশালী লাঠিয়াল বাহিনী।
- ইংরেজ জমিদার, নীলকরদের দ্বারা নির্যাতিত কৃষকরা দলে দলে তিতুমীরের বাহিনীতে যোগ দিলে ধর্ম সংস্কার আন্দোলন একটি ব্যাপক কৃষক আন্দোলনে রূপ নেয়। ফলে কৃষকদের সংঘবদ্ধতা এবং তিতুমীরের শক্তি বৃদ্ধিতে শঙ্কিত হয়ে উঠে শাসক-শোষক, জমিদার শ্রেণি।

⇒ জমিদারদের প্ররোচনায় ইংরেজ সরকার তিতুমীর এবং তার অনুসারীদের দমনের জন্য বারাসাতের ম্যাজিস্ট্রেট আলেকজেন্ডারের নেতৃত্বে একদল সৈন্য পাঠায়। কিন্তু তারা তিতুমীরের বাহিনীর কাছে শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়। ১৫ জন ইংরেজ সৈন্য নিহত ও বহু আহত হয়। এতে প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন বড় লাট লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক। শেষ পর্যন্ত ১৮৩১ খ্রিস্টাব্দে তিতুমীরের বিরুদ্ধে ইংরেজ সরকার এক বিশাল সুশিক্ষিত সেনা বাহিনী প্রেরণ করে। মেজর স্কটের নেতৃত্বে এই বাহিনী তিতুমীরের নারিকেলবাড়িয়ার বাঁশের কেল্লা আক্রমণ করে। ইংরেজদের কামান বন্দুকের সামনে বীরের মতো লড়াই করে পরাজিত হয় তিতুমীরের বাহিনী। তিনি যুদ্ধে নিহত হন। এ ভাবেই পরিসমাপ্তি ঘটে একটি সুসংগঠিত কৃষক আন্দোলনের। 

⇒ মীর নিসার আলী ওরফে তিতুমীর চব্বিশ পরগনা জেলার বারাসাত মহকুমার চাঁদপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিতুমীর হজকরার জন্য মক্কা শরিফ যান এবং ১৮২৭ খ্রিস্টাব্দে দেশে ফিরে আসেন। দেশের ফিরে তিনি ধর্মীয় সংস্কার কাজে আত্মনিয়োগ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৪৭৩.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মন্ত্রী পরিষদ সচিবের নাম কী?
  1. ক) তৌফিক ইলাহী
  2. খ) মির্জা আব্দুল জলিল
  3. গ) ফজলুর রহমান
  4. ঘ) এইচ টি ইমাম
সঠিক উত্তর:
ঘ) এইচ টি ইমাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এইচ টি ইমাম
ব্যাখ্যা
মন্ত্রী পরিষদের সচিব:

- দেশের বর্তমান এবং ২৪ তম মন্ত্রী পরিষদ সচিব হলেন মোঃ মাহবুব হোসেন (০৩-০১-২০২৩ থেকে বর্তমান)।
- তার পূর্বে ২৩ তম সচিব ছিলেন কবির বিন আনোয়ার (১৫-১২-২০২২ থেকে ০৩-০১-২০২৩)।
- মন্ত্রী পরিষদের প্রথম সচিব ছিলেন এইচ টি ইমাম (১৬-০৭-১৯৭১ থেকে ২৭-০৮-১৯৭৫)।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৭,৪৭৪.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্য শুরু হয় কোন স্থানে?
  1. ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
  2. রাওয়ালপিন্ডি
  3. লাহোর
  4. করাচি
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:

- ১৯৬৮ সালের আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য"। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭,৪৭৫.
নিম্নের কোন আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত রয়েছে?
  1. ESCAP 
  2. ACU
  3. BIMSTEC
  4. SAARC
সঠিক উত্তর:
BIMSTEC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BIMSTEC
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- IJSG
- CIRDAP
- BIMSTEC
- SAARC Agricultural Centre প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- SAARC (সার্ক) সদরদপ্তর : কাঠমুণ্ডু, নেপাল
- ESCAP (এসকাপ) সদরদপ্তর : ব্যাংকক, থাইল্যান্ড
- ACU (আকু) সদরদপ্তর : তেহরান, ইরান।

উৎস: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট।

১৭,৪৭৬.
কৃষি উন্নয়নে সরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পের নাম কী?
  1. পিআরএসপি
  2. এসএফডিএফ
  3. পিকেএসএফ
  4. পিডিবিএফ
সঠিক উত্তর:
এসএফডিএফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এসএফডিএফ
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন:
- কৃষি উন্নয়নে সরকারি ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পেন নাম এসএফডিএফ বা Small Farmers Development Foundation বা ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ১৯৭৫-১৯৭৬ অর্থবছরে কুমিল্লা, বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলার ৩টি সদর থানায় পরীক্ষামূলকভাবে 'ক্ষুদ্র কৃষক ও ভূমিহীন শ্রমিক উন্নয়ন প্রকল্প' কার্যক্রম শুরু করা হয়।
- ১৯৮৮ হতে পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার ১১টি উপজেলায় প্রকল্পটির কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হয়।
- জুন ১৯৯১ সালে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের বাস্তবায়ন সমাপ্ত হয়।
- ১৯৯১-৯৬ মেয়াদে প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় বাস্তবায়ন হয়।
- দায়দেনাসহ (with assets and liabilities) ১৯৯৪ প্রকল্পটিকে মেয়াদ সমাপনান্তে বিদ্যমান সম্পদ ও সালের কোম্পানী আইনের ২৮ ধারার বিধানমতে যৌথ মূলধন কোম্পানী ও ফার্ম সমূহের পরিদপ্তর হতে নিবন্ধন গ্রহণের মাধ্যমে “ক্ষুদ্র কৃষক উন্নয়ন ফাউন্ডেশন (Small Farmers Development Foundation)” নামে একটি লিমিটেড কোম্পানীতে রূপান্তর করা হয় ৷

অন্যদিকে,
- পিডিবিএফ হলো পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশন।
- পিকেএসএফ হলো পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন। 
- পিআরএসপি হলো দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র। 

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৭,৪৭৭.
ক্র্যাক প্লাটুনের গেরিলা সদস্যরা মুক্তিযুদ্ধে কত নং সেক্টরে অধীন অংশ নেয়?
  1. ১০নং
  2. ৪নং
  3. ২নং 
  4. ১নং
সঠিক উত্তর:
২নং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং 
ব্যাখ্যা

'ক্র্যাক প্লাটুন':
- মুক্তিযুদ্ধে স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ।
- এই বাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন অংশ নেয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটিএম হায়দার।
- ঢাকা শহরে এটি ৮২ টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- এরা "হিট এন্ড রান" পদ্ধতিতে তাঁদের অপারেশন পরিচালনা করতো।
- এই প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন:
- শহীদ জননী জাহানার ইমাম, শহীদ রুমি ইমাম, আলতাফ মাহমুদ, পপ সম্রাট আজম খান প্রমুখ।
 
 উৎস:  বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভস, দ্যা দেইলি স্টার বাংলা।

১৭,৪৭৮.
নিচের কোনটি গণতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতির অন্যতম শর্ত?
  1. ক্ষমতা দখল
  2. সুষ্ঠু নির্বাচন
  3. গণঅভ্যুত্থান
  4. দলীয় নির্বাচন
সঠিক উত্তর:
সুষ্ঠু নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুষ্ঠু নির্বাচন
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন:
- নির্বাচন হচ্ছে জনপ্রতিনিধি বাছাইয়ের পদ্ধতি। 
- স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত ভোটাধিকার প্রাপ্ত সকল নাগরিক ভোট দিয়ে জনপ্রতিনিধি বাছাই করে।
- প্রতিনিধি বাছাইয়ের প্রক্রিয়াকে নির্বাচন বলে।
- যারা ভোট দেয়, তাদের নির্বাচক বা ভোটার বলে।
- নির্বাচকের সমষ্টিকে নির্বাচকমণ্ডলী বলা হয়।
- সুষ্ঠু নির্বাচন গণতান্ত্রিক শাসন পদ্ধতির অন্যতম শর্ত। 
- এ ছাড়া সামরিক শাসন ও এক ব্যক্তিকেন্দ্রিক শাসনব্যবস্থায়ও কখনো কখনো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে দেখা যায়। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭,৪৭৯.
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কবে গৃহীত হয়?
  1. ক) ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. খ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ঘ) ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, স্বাধীনতাযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীদের রক্তের প্রতীক। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
সূত্র: prothomalo.com
১৭,৪৮০.
হিন্দু ধর্মাবলম্বী নৃগোষ্ঠী হলো-
  1. ক) লুসাই
  2. খ) খিয়াং
  3. গ) হাজং
  4. ঘ) চাক
সঠিক উত্তর:
গ) হাজং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হাজং
ব্যাখ্যা
হাজং, ত্রিপুরা, বিষ্ণুপ্রিয়া (মণিপুরী) সম্প্রদায় হলো সনাতন বা হিন্দু ধর্মের অনুসারী। এছাড়া বর্মন, রাজবংশী, ওরাও, কোচ ও পাহান সম্প্রদায়ের ভেতরেও হিন্দু অনুসারী বৃদ্ধি পাচ্ছে। লুসাই উপজাতি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী এবং খিয়াং ও চাক বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী। একমাত্র মুসলিম উপজাতি হলো পাঙন যারা সিলেটে বসবাস করে৷ (সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
১৭,৪৮১.
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০ লাভ করে কোন সিনেমাটি?
  1. ক) গোর
  2. খ) বীর
  3. গ) বিশ্বসুন্দরী
  4. ঘ) ক + গ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক + গ
ব্যাখ্যা
শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০ লাভ করেছে চয়নিকা চৌধুরী পরিচালিত বিশ্বসুন্দরী ও গাজী রাকায়েত পরিচালিত গোর চলচ্চিত্র দুটি। গত ২৩শে মার্চ ২০২২ জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২০ প্রদান করা হয়।

পুরস্কার প্রাপ্তরা হলো:
- শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক : গাজী রাকায়েত হোসেন (গোর)
- সেরা অভিনেতা : সিয়াম (বিশ্বসুন্দরী)
- সেরা অভিনেত্রী : দীপান্বিতা মার্টিন (গোর)
- শ্রেষ্ঠ খল-অভিনেতা - মো. সাহিদ হাসান মিশা সওদাগর (বীর) ।

(তথ্যসূত্র: দৈনিক কালেরকণ্ঠ)
১৭,৪৮২.
কোন সরকারের সময় আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়?
  1. আইয়ুব খান
  2. ইয়াহিয়া খান
  3. মোনায়েম খান
  4. জুলফিকার আলী ভুট্টো
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:

- ১৯৬৮ সালের আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য"। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭,৪৮৩.
ক্র্যাক প্লাটুন কত নং সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ক) ১ নং সেক্টর
  2. খ) ২ নং সেক্টর
  3. গ) ৩ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ২নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশারফের উদ্যোগে এই গেরিলা বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
- ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
(তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল)
১৭,৪৮৪.
বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানের হাতে বন্দি করার অভিযানের নাম কী?
  1. Operation Close Door
  2. Operation Blitz
  3. Operation Big Bird
  4. Operation Searchlight
সঠিক উত্তর:
Operation Big Bird
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Operation Big Bird
ব্যাখ্যা
অপারেশন বিগ বার্ড:

- ২৫ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতারের জন্য পরিচালিত অপারেশনটির নাম অপারেশন 'বিগ বার্ড'।
- ২৫ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান রাতের অন্ধকারে গোপনে ঢাকা ত্যাগ করেন।
- সেই কালরাত্রিতেই জেনারেল রাও ফরমান আলী খানের পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় সামরিক অভিযানের কোড ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে ঢাকায় ও দেশের অন্যান্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ শহরে ব্যাপক তাণ্ডব ও নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালানো করা হয়।
- ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- রাত ১টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর রোডের নিজ বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে নিয়ে যাওয়া হয়।
- এর কয়েক মিনিটের মধ্যে ওয়্যারলেসে ৫৭ ব্রিগেডের মেজর জাফর জানায়-‘বিগ বার্ড ইন দ্য কেজ, অন্যান্য পাখিরা নীড়ে নেই, ওভার’ (সূত্র : উইটনেস টু স্যারেন্ডার; লেখক : সালিক সিদ্দিক)।
- অতঃপর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবকে ঢাকা থেকে রাওয়ালপিন্ডির লয়ালপুর জেলে স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর জেনারেল নিয়াজির নেতৃত্বে তিরান্নবই হাজার পাকিস্তানি সেনাসদস্য ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করে।
- ০৮ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পান।

তথ্যসূত্র - যুগান্তর, ১০ জানুয়ারি ২০২২।
১৭,৪৮৫.
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. সংগ্রাম
  2. ওরা ১১ জন
  3. অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী
  4. আবার তোরা মানুষ হ
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওরা ১১ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র: ওরা ১১ জন।
- এর নির্মাতা চাষি নজরুল ইসলাম।
- সিনেমায় অভিনয় করা ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার ১০ জনই সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং ১৯৬৮-৬৯ সালে ছাত্ররা ১১ দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করে।
- এখান থেকে ছবির নামকরণ হয়েছে ‘ওরা ১১ জন’।

আরো কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র:
- সুভাষ মুখোপাধ্যায়ের চলচ্চিত্র ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’।
- সংগ্রাম, নাটক নির্মাণ করেন চাষি নজরুল ইসলাম।
- আবার তোরা মানুষ হ, চলচ্চিত্রটির প্রযোজক খান আতাউর রহমান। 
- আলোর মিছিল, এই সিনেমার নির্মাতা নারায়ণ ঘোষ মিতা।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
১৭,৪৮৬.
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ-এ পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক মন্ত্রী -
  1. সাধন চন্দ্র মজুমদার
  2. উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী
  3. জাহাঙ্গীর কবির নানক
  4. সাবের হোসেন চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
সাবের হোসেন চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
মাননীয় মন্ত্রিগণ:
- প্রধানমন্ত্রী: শেখ হাসিনা,
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়: জনাব ওবায়দুল কাদের,
- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী: জনাব আ, ক, ম, মোজাম্মেল হক
- অর্থ মন্ত্রণালয়: জনাব আবুল হাসান মাহমুদ আলী,
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়: জনাব আনিসুল হক,
- শিল্প মন্ত্রণালয়: জনাব নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, 
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: জনাব আসাদুজ্জামান খান,
- স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ তাজুল ইসলাম, 
- বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়: জনাব মুহাম্মদ ফারুক খান, 
- পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়: জনাব মোহাম্মদ হাছান মাহ্‌মুদ,
- সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়: ডা: দীপু মনি, 
- খাদ্য মন্ত্রণালয়: জনাব সাধন চন্দ্র মজুমদার, 
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়: জনাব আব্দুস সালাম, 
- ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ ফরিদুল হক খান, 
- গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়: জনাব র,আ,ম, উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী,
- ভূমি মন্ত্রণালয়: জনাব নারায়ন চন্দ্র চন্দ,
- বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়: জনাব জাহাঙ্গীর কবির নানক, 
- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ আব্দুর রহমান,
- কৃষি মন্ত্রণালয়: জনাব মোঃ আব্দুস শহীদ,
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়: স্থপতি ইয়াফেস ওসমান,
- স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়: ডাঃ সামন্ত লাল সেন,
- জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়: জনাব ফরহাদ হোসেন,
- যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়: জনাব নাজমুল হাসান,
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়: জনাব সাবের হোসেন চৌধুরী,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়: জনাব মহিবুল হাসান চৌধুরী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৭,৪৮৭.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?
  1. নয়
  2. দশ
  3. এগার
  4. বার
সঠিক উত্তর:
এগার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগার
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১ টি সেক্টরে ও ৬৪ টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।
• সেক্টর নং ১: ৫টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।
• সেক্টর নং ২: এই সেক্টরে ৬টি সাব-সেক্টর ছিল।
• সেক্টর নং ৩: এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।
• সেক্টর নং ৪: এই সেক্টরে ছিল ৬টি সাব-সেক্টর।
• সেক্টর নং ৫: ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়ছিল।
• সেক্টর নং ৬: এই সেক্টরে ছিল ৫টি সাব-সেক্টর।
• সেক্টর নং ৭: এই সেক্টরে ছিল ৯টি সাব-সেক্টর। 
• সেক্টর নং ৮: এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।
• সেক্টর নং ৯: এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।
• সেক্টর নং ১০: এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার। প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।
• সেক্টর নং ১১: এই সেক্টরকে ৭টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৭,৪৮৮.
BITAC এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Investment Technical Assistance Center
  2. Bangladesh Industrial Trade Assistance Center
  3. Bangladesh Industrial Technical Assistance Center
  4. Bangladesh Industrial Technical Assistannt Center
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Industrial Technical Assistance Center
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Industrial Technical Assistance Center
ব্যাখ্যা
বিটাক:
- এর পূর্ণরূপ Bangladesh Industrial Technical Assistance Center।
- ১৯৬২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার নামে।
- ১৯৭২ সালে এর নাম পরিবর্তন করে বিটাক রাখা হয়।
- প্রধান নির্বাহী হলেন মহাপরিচালক।
- বর্তমানে এর পাঁচটি কেন্দ্র রয়েছে ঢাকা (১৯৬৪), চট্টগ্রাম (১৯৭৬), চাঁদপুর (১৯৮৩), খুলনায়(১৯৯৩) এবং বগুড়া (২০০৬)।

উৎস: বিটাক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৭,৪৮৯.
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ২০ কি.মি.
  2. ২৪ কি.মি.
  3. ২০.১ কি.মি.
  4. ২২.১ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
২৪ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ কি.মি.
ব্যাখ্যা
- চার লেন বিশিষ্ট এই এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য হবে ২৪ কিলোমিটার।
- এয়ারপোর্ট-আব্দুল্লাহপুর-ধউর-বড় আশুলিয়া-জিরাবো-বাইপাইল হয়ে ঢাকা ইপিজেড পর্যন্ত হবে এর বিস্তৃতি। 
- ২০২৬ সালের জুনের ভেতর শেষ হবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ।
- প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে ঢাকার এই দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
উৎস: www.banglanews24.com
১৭,৪৯০.
মহাখালী ফ্লাইওভারে কয়টি স্প্যান আছে?
  1. ১৭টি
  2. ১৮টি
  3. ১৯টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯টি
ব্যাখ্যা
মহাখালী ফ্লাইওভার: 
- নির্মাণ সমাপ্তির দিক থেকে মহাখালী ফ্লাইওভার দেশের প্রথম ফ্লাইওভার।
- মহাখালী ফ্লাইওভার উদ্ধোধন করা হয় ৪ নভেম্বর ২০০৪ ।
- দৈর্ঘ্য ১০১২ মিটার, প্রস্থ ১৭.৯ মিটার, মোট পাইল ১৮ টি, মোট স্প্যান ১৯ টি ।
- এর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চায়না ফাস্ট মেটার্লজিক্যাল কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
১৭,৪৯১.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসনে জয় লাভ করে?
  1. ক) ২৯৩টি
  2. খ) ২৮৫টি
  3. গ) ২৯০টি
  4. ঘ) ২৯৮টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২৯৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৯৩টি
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন
⇨ ১৯৭৩ সালের সংসদ নির্বাচন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচন। ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
⇨ বিচারপতি এম ইদ্রিস কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হয়।
⇨ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঘোষিত ১৯৭৩ সালের ৭ই মার্চ তারিখেই বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
⇨ এই নির্বাচনে ৩০০টি আসনে মোট ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে।
⇨ স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ নির্বাচনে ১০৮৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। নির্বাচনে ১৪টি রাজনৈতিক দল অংশ গ্রহণ করে কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ছিল অজেয়।
⇨ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩ টিতেই আওয়ামী লীগ জয় লাভ করে। বিরোধী দলীয় প্রায় সকল প্রার্থীই পরাজিত হয়।  
⇨ সংরক্ষিত ১৫টি নারী আসনেরও সবকটিতে আওয়ামী লীগ জয়লাভ করে। 
⇨ কেবল প্রবীণ নেতা আতাউর রহমান খান বাংলাদেশ জাতীয় লীগের প্রার্থী হিসেবে জয় লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৪৯২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা আছে, “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান”?
  1. অনুচ্ছেদ ২৭
  2. অনুচ্ছেদ ২৮
  3. অনুচ্ছেদ ২৯
  4. অনুচ্ছেদ ৩২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৭
ব্যাখ্যা
আইনের দৃষ্টিতে সমতা:
- সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয়লাভের অধিকারী। [অনুচ্ছেদ-২৭]

নানান কারণে বৈষম্য:
ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদে বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না। রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষ সমান অধিকার লাভ করবে। কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাবে না। [অনুচ্ছেদ-২৮(১), ২৮(২), ২৮(৩)]

সরকারি নিয়োগলাভের সুযোগের সমতা:
প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদলাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে। ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদলাভের অযোগ্য হবে না। কিংবা সে ক্ষেত্রে তাঁর প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না। [অনুচ্ছেদ- ২৯(১), ২৯ (২)]

জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতার অধিকার রক্ষণ:
- আইনানুযায়ী ব্যতীত জীবন ও ব্যক্তিস্বাধীনতা হতে কোন ব্যক্তিকে বঞ্চিত করা যাবে না। [অনুচ্ছেদ-৩২]।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান।
১৭,৪৯৩.
কোন খাতে দেশের সবচেয়ে বেশি প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. বিদ্যুৎ উৎপাদন
  2. গৃহস্থালি 
  3. শিল্প
  4. সার উৎপাদন
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদন
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
-  বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৭২.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (৪১.০০%),
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭০.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%),
- ক্যাপটিভ: ১৪৯.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৭%),
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ৯৭.৮ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার তথ্যমতে দেশে গ্যাসক্ষেত্র ২৯টি।
- উত্তোলনরত ২০টি, উৎপাদনে যায়নি ৪টি, এবং উৎপাদন স্থগিত রয়েছে ৫টি।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ii) প্রথম আলো।

১৭,৪৯৪.
চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ নিচের কোন জনপদে ভ্রমণ করেন?
  1. ক) সমতট
  2. খ) বঙ্গ
  3. গ) বরেন্দ্র
  4. ঘ) রাঢ়
সঠিক উত্তর:
ক) সমতট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সমতট
ব্যাখ্যা
- চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ প্রাচীন বাংলার সমতট ও হরিকেন জনপদে ৭ম শতকে ভ্রমণ করেন।
• সমতট:

- পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট প্রাচীন বঙ্গরাজ্যের দক্ষিণ-পূর্ব অংশের নতুন নামের আর একটি বিশাল রাজ্য।
কুমিল্লা, নোয়াখালী, ত্রিপুরা 
- রাজধানী ছিল কর্মান্ত বা ত্রিপুরা (কুমিল্লা শহরের ১২ মাইল পশ্চিমে) জেলার ময়নামতির অদূরে বড়কামতা।
-  ৭ম শতকে চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ভ্রমণ করেন।
• হরিকেল:
- সিলেট, চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্রগ্রাম (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান।
৭ম শতকে চীনা পরিব্রাজক হিউয়েন সাঙ ভ্রমণ করেন।

তথ্যসূত্র: তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৭,৪৯৫.
'করতলব খান' কার উপাধি?
  1. ইসলাম খান
  2. শায়েস্তা খান
  3. মুর্শিদকুলী খান
  4. আলীবর্দী খান
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলী খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলী খান
ব্যাখ্যা

মুর্শিদকুলী খান ও নবাবী আমলের সূচনা:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়। বাংলাও এর ব্যতিক্রম ছিল না।
- মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবী আমলের সূচনা হয়।
- মুর্শিদকুলী খানের প্রাথমিক জীবন খুবই চমকপ্রদ।
- তিনি ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ সন্তান।
- ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে করতলব খান উপাধি দিয়ে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- পরে তিনি সুবেদার হন।
- মুর্শিদকুলী খানের রাজস্ব ব্যবস্থা ছিল যুগোপযোগী।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন। 
- মুর্শিদকুলী খানের কোনো পুত্র সন্তান ছিল না।
- তাঁর উত্তরাধিকার হিসেবে কন্যা জিনাত-উন-নেসার স্বামী সুজাউদ্দীন খান (১৭২৭-১৭৩৯ খ্রি.) বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার সিংহাসনে বসেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৭,৪৯৬.
বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল কত সালে গঠিত হয়?
  1. ২০০৬ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ):
- ২০১০ সালের ২৫শে মার্চ আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইবুনাল) আইন ১৯৭৩-এর ৬ ধারার বলে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ।
-  ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। 

⇒ ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পরে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য পুনর্গঠন করে একই ট্রাইব্যুনাল।
- ২০১০ সালে গঠনের পর নানা আলােচনা এবং ঘটনা প্রবাহের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- 'The International Crimes (Tribunals) Act, 1973' আইনের অধীনে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গণহত্যা, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং অন্যান্য আন্তর্জাতিক অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের আটক, গ্রেফতার, বিচার এবং সাজা দেওয়া হয়।
- ১৯৭৩ সালের এই আইনটি মূলত বাংলাদেশ কোলাবরেটর (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) অর্ডার ১৯৭২-কে প্রতিস্থাপিত করেছে।
- আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন ১৯৭৩, যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত একটি রাষ্ট্রীয় আইন।
- পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় প্রথম মামলা (মিসকেস বা বিবিধ মামলা) হয়।
- ২০২৪ সালের ১৭ই অক্টোবর পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রথম বিচার কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (বাংলাদেশ)।
ii) BBC.

১৭,৪৯৭.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা  এর তথ্য সংগ্রহে কোন পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে?
  1. Traditional paper-based survey
  2. Telephone interviewing
  3. Computer-Assisted Personal Interviewing 
  4. Online self-reporting
সঠিক উত্তর:
Computer-Assisted Personal Interviewing 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Computer-Assisted Personal Interviewing 
ব্যাখ্যা

• জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা
হয়েছে CAPI. (Computer Assisted Personal Interviewing)
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে- মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১৭,৪৯৮.
একই অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত না করার বিধান রয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে? 
  1. অনুচ্ছেদ ৩৬
  2. অনুচ্ছেদ ৩৫
  3. অনুচ্ছেদ ৩৮
  4. অনুচ্ছেদ ৩২
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৫
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৫: মৌলিক অধিকার বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ 
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না।

(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না।

(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন।

(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না।

(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না।

(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৭,৪৯৯.
সাত গম্বুজ মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. বাগেরহাট
  2. ঢাকা
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
সাত গম্বুজ মসজিদ
- সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহাম্মদপুরে অবস্থিত মুঘল আমলে নির্মিত একটি মসজিদ।
- এই মসজিদটি চারটি মিনারসহ সাতটি গম্বুজের কারনে মসজিদের নাম হয়েছে 'সাতগম্বুজ মসজিদ'।
- এটির নির্মাতা মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান।
- ১৬৮০ খ্রিস্টাব্দে তিনি এটি নির্মাণ করেন।
- তবে অন্য তথ্যমতে এটির নির্মাতা শায়েস্তা খানের ছেলে বুজুর্গ উদ্দিন (উমিদ)।
- বর্তমানে মসজিদটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে আছে।

অন্যদিকে: 
- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাগেরহাটে অবস্থিত।
- ছোট সোনা মসজিদ রাজশাহী বিভাগের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট, parjatan.gov.bd.
১৭,৫০০.
একজন কৃষি খামারির একই কৃষিপণ্য উৎপাদনকারী অবিচ্ছিন্ন জমিকে বলা হয় -
  1. জীবন নির্বাহী খামার
  2. কৃষি বিপণন
  3. কৃষিজোত
  4. বাণিজ্যিক খামার
সঠিক উত্তর:
কৃষিজোত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষিজোত
ব্যাখ্যা
কৃষি সম্পর্কিত সংজ্ঞা -

কৃষি:
- ভূমির সাথে সম্পর্কিত উৎপাদনব্যবস্থাকে কৃষি বলে।

কৃষি খামার:
- কৃষক যে জমিতে কৃষিকাজ পরিচালনা করে তাকে কৃষি খামার বলে।

কৃষিজোত:
- একজন কৃষি খামারির একই কৃষিপণ্য উৎপাদনকারী অবিচ্ছিন্ন জমিকে কৃষিজোত বলে।

জীবন নির্বাহী খামার:
- যে খামারের উৎপাদন থেকে কৃষক তার পরিবার পরিজন নিয়ে কোনো রকমে খেয়ে-পরে জীবন নির্বাহ করতে পারে তাকে জীবন নির্বাহী খামার বলে।

বাণিজ্যিক খামার:
- মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে যে খামার পরিচালিত হয় তাকে বাণিজ্যিক খামার বলে।

কৃষিঋণ:
- কৃষির আনুষঙ্গিক উপকরণ ক্রয় এবং অন্যান্য উৎপাদন ব্যয় নির্বাহের জন্য কৃষকরা যে ঋণ গ্রহণ করেন তাকে কৃষিঋণ বলে।

শস্য বহুমুখীকরণ:
- একই জমি বা কৃষিজোতে বিভিন্ন মৌসুমে একফসলের পরিবর্তে ভিন্ন ভিন্ন ফসল উৎপাদন করার প্রক্রিয়াকে শস্য বহুমুখীকরণ বলে।

আদর্শ খামার:
- যে খামারে উৎপাদনের বিভিন্ন উপাদানের সুষ্ঠু প্রয়োগের ফলে একরপ্রতি সর্বাধিক ফসল উৎপাদনের জন্য চাষাবাদ করা হয় তাকে আদর্শ খামার বলে।

কৃষি বিপণন:
- কৃষি ফসল উৎপাদন থেকে শুরু করে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছানোর সব কার্যক্রমকে কৃষি বিপণন বলে।

কৃষি প্রযুক্তি:
- বিজ্ঞানসম্মত জ্ঞান ও যন্ত্রপাতি প্রয়োগ করে তুলনামূলকভাবে অল্প সময়ে স্বল্প খরচে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করাকে কৃষি প্রযুক্তি বলে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।