বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৭০ / ৩০৬ · ১৬,৯০১১৭,০০০ / ৩০,৮৩২

১৬,৯০১.
বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. পাহাড়পুর
  2. ময়নামতি
  3. সোনারগাঁও
  4. মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোনারগাঁও
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর (Bangladesh Folk Art & Craft Museum) নারায়ণগঞ্জ জেলার ঐতিহাসিক সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।

বাংলাদেশ লোকশিল্প জাদুঘর:
- সোনারগাঁয়ে লোকশিল্প জাদুঘর রাজধানী ঢাকা থেকে ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় অবস্থিত।

⇒ বাংলাদেশের লোকশিল্পের সংরক্ষণ, বিকাশ ও সর্বসাধারণের মধ্যে লোকশিল্পের গৌরবময় দিক তুলে ধরার জন্য ১৯৭৫ সালে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীনের উদ্যোগে বাংলাদেশ সরকার বিশাল এলাকা নিয়ে এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করেন।
- সোনারগাঁয়ের 'বড়সর্দারবাড়ি' নামে পরিচিত একটি প্রাচীন জমিদার প্রাসাদে এই জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে।
- এখানে আরো রয়েছে একটি সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার, কারুপল্লী ও একটি বিশাল লেক ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,৯০২.
নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড রাষ্ট্রীয়করণ করা হয় কবে?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৩৩ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৪৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
• নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেড: 
- অবস্থান: গোপালপুর, লালপুর, নাটোর,
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৩৩ সালে,
- রাষ্ট্রীয়করণ: ১৯৬৫ সালে।
- অনুমোদিত জনবল: ১,২৩৮ জন।
- বর্তমানে কর্মরত: ৯৭০ জন।
- ট্রেনিং কমপ্লেক্স: ১টি।
- উৎপাদন তথ্য (সর্বশেষ মৌসুম): 
- নিজস্ব খামার থেকে আখ সংগ্রহ: ৩৪,০০০ মেট্রিক টন,
- মোট আখ মাড়াই: ২,৫৯,৩১২ মেট্রিক টন,
- উৎপাদন হয়েছে: ১৯,৯৬৩.৭০ মেট্রিক টন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,৯০৩.
ভাষা আন্দোলনে শহীদ হওয়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-
  1. ক) রফিক
  2. খ) জব্বার
  3. গ) সালাম
  4. ঘ) বরকত
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরকত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বরকত
ব্যাখ্যা

- শহীদ আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৪৮ সালে ভর্তি হোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে।
- ১৯৫২ সালে এম.এ. ২য় বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৬,৯০৪.
'বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন'-সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত? 
  1. ১০৬ নং 
  2. ১১২ নং 
  3. ১১৬ক নং 
  4. ১২২ নং
সঠিক উত্তর:
১১৬ক নং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৬ক নং 
ব্যাখ্যা

বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন:
- সংবিধানের ১১৬ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন। 
- অনুচ্ছেদ অনুসারে, বিচার-কর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিগণ এবং ম্যাজিস্ট্রেটগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকবেন।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৬ নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার: যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এমন কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হয় বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দেয়, যা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করতে পারবেন।
- ১১২ নং অনুচ্ছেদ" বলতে সাধারণত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদটিকে বোঝায়, যা সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা সংক্রান্ত। 
- সংবিধানের ১২২ নং অনুচ্ছেদে বর্ণনা করা হয়েছে, ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,৯০৫.
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় কত সালে? 
  1. ১৯৯৭ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ও আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি: 
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দু'টি ম্যাচ জয়লাভ করে এবং দু'টি ম্যাচ হেরে ক যায়।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে।
- এটি ছিল ষষ্ঠ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।
- কারণ, এই জয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর বিশ্বকাপ (১৯৯৯ সালে) খেলার সুযোগ।

উল্লেখ্য,
- টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ: ২০০০ সালে।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায়-২০১১ সালে।
- বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল টেস্ট স্ট্যাটাস লাভ করে- ২০২১ সালে।

উৎস: বিসিবি ওয়েবসাইট।

১৬,৯০৬.
নিচের কোন সংস্থার নির্দেশনা অনুসারে কৃষি শুমারি পরিচালিত হয়?
  1. WB
  2. FAO
  3. WfP
  4. IFAD
সঠিক উত্তর:
FAO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FAO
ব্যাখ্যা

কৃষি শুমারি:
- স্বাধীনতার পর প্রথম কৃষি শুমারি হয় ১৯৭৭ সালে।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- কৃষি শুমারিতে কৃষির অন্তর্ভুক্ত বিষয় ৩ টি। যথা- শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ।
- বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৬টি।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় - ২০১৯ সালে।
- এই শুমারির স্লোগান ছিল 'কৃষি শুমারি সফল করি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ি'।
-  ২০১৯ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ কৃষি শুমারিতে পল্লি এবং শহর উভয় এলাকার সকল খানার তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।
- এই শুমারিতে প্রথম বারের মতো মৎস্য চাষে জমির ব্যবহার সংক্রান্ত তথ্যও সংগ্রহ করা হয়েছে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি (FAO) সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

তথ্যসূত্র- কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং বিবিএস ।

১৬,৯০৭.
'অ্যাটর্নি জেনারেল' রাষ্ট্রের কোন বিভাগের কর্মকর্তা?
  1. বিচার বিভাগ
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. প্রশাসনিক বিভাগ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪ নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ আছে।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হিসেবে নির্বাহী বিভাগের অধীনে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৬,৯০৮.
নিউইয়র্কে ‘Concert for Bangladesh’ অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১ আগস্ট ১৯৭১
  2. খ) ৪ আগস্ট ১৯৭১
  3. গ) ৭ আগস্ট ১৯৭১
  4. ঘ) ১০ আগস্ট ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ১ আগস্ট ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ আগস্ট ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• Concert for Bangladesh:
- বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রতি বিশ্ববাসীর সমর্থন অর্জন ও পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্বিচার গণহত্যার কারণে বন্ধুপ্রতিম দেশ ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী প্রায় ১ কোটি শরণার্থীদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গের বিখ্যাত সেতার শিল্পী পন্ডিত রবিশঙ্কর এবং তার বন্ধু জর্জ হ্যারিসনের উদ্যোগে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে প্রায় ৪০ হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে ‘দ্যা কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছিল।

-ভারতীয় উপমহাদেশের কিংবদন্তি সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্করের অনুরোধে তখন সেই কনসার্টের উদ্যোগ নিয়েছিলেন দ্য বিটলস ব্যান্ডখ্যাত ব্রিটিশ সঙ্গীত তারকা জর্জ হ্যারিসন।

- স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি ও মুজিব বর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে নিউইয়র্ক সেই ঐতিহাসিক মেডিসন স্কয়ারেই অনুষ্ঠিত হল ‘গোল্ডেন জুবিলি বাংলাদেশ’ কনসার্ট। 

উৎস: দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকা নিউজ।
১৬,৯০৯.
শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্যে একুশে পদক-২০২১ লাভ করেন কে?
  1. ক) ড. মির্জা আব্দুল জলিল
  2. খ) প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান
  3. গ) মাহফুজা খানম
  4. ঘ) ড. সমীর কুমার সাহা
সঠিক উত্তর:
গ) মাহফুজা খানম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মাহফুজা খানম
ব্যাখ্যা
একুশে পদক-২০২১ প্রাপ্তরা (মোট ২১ জন):
ভাষা আন্দোলনে:
- মোতাহার হোসেন তালুকদার (মরণোত্তর)
- শামছুল হক (মরণোত্তর)
- আফসার উদ্দীন আহমদ (মরণোত্তর)
শিল্পকলায়:
- পাপিয়া সারোয়ার (সংগীত)
- রাইসুল ইসলাম আসাদ (অভিনয়)
- সালমা বেগম সুজাতা (অভিনয়)
- আহমেদ ইকবাল হায়দার (নাটক)
- সৈয়দ সালাউদ্দিন জাকী (চলচ্চিত্র)
- ড. ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায় (আবৃত্তি)
- পাভেল রহমান (আলোকচিত্র)
মুক্তিযুদ্ধে:
- গোলাম হাসনায়েন
- ফজলুর রহমান খান ফারুক
- বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমা সৈয়দা ইসাবেলা (মরণোত্তর)
সাংবাদিকতায়:
- অজয় দাশগুপ্ত
গবেষণায়:
- ড. সমীর কুমার সাহা
শিক্ষায়:
- মাহফুজা খানম
অর্থনীতিতে:
- ড. মির্জা আব্দুল জলিল
সমাজসেবায়:
- প্রফেসর কাজী কামরুজ্জামান
ভাষা ও সাহিত্যে:
- কবি কাজী রোজী
- বুলবুল চৌধুরী
- গোলাম মুরশিদ।
(তথ্যসূত্র: তথ্য মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার রিপোর্ট)
১৬,৯১০.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৯২ সালের ১৭ মার্চ
  2. খ) ১৯৯০ সালের ২৫ মার্চ
  3. গ) ১৯৯৬ সালের ২২মার্চ
  4. ঘ) ১৯৯৫ সালের ৭ মার্চ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৬ সালের ২২মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৬ সালের ২২মার্চ
ব্যাখ্যা

১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরানো দ্বিতল বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক দেশের প্রথম জাদুঘর 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' প্রতিষ্ঠিত হয়।
২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের মাধ্যমে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্মিত নিজস্ব ভবনে 'মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর' স্থানান্তর করা হয়।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ওয়েবসাইট।

১৬,৯১১.
বাংলাদেশের কোন জেলা দুই দেশের সীমানা দ্বারা বেষ্টিত?
  1. বান্দরবান
  2. কক্সবাজার
  3. রাঙামাটি
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- একটি ভারত এবং অপরটি মিয়ানমার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
১৬,৯১২.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অনুপার্জিত আয় সম্পর্কে বলা আছে?
  1. ৮১নং অনুচ্ছেদে
  2. ২৮নং অনুচ্ছেদে
  3. ৮৩নং অনুচ্ছেদে
  4. ২০নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
২০নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের ২০(২) ধারায় বলা আছে, 
- রাষ্ট্র এমন অবস্থাসৃষ্টির চেষ্টা করবে, যেখানে সাধারণ নীতি হিসাবে কোন ব্যক্তি অনুপার্জিত আয় ভোগ করতে সমর্থ হবে না এবং যেখানে বুদ্ধিবৃত্তিমূলক ও কায়িক-সকল প্রকার শ্র্রম সৃষ্টিধর্মী প্রয়াসের ও মানবিক ব্যক্তিত্বের পূর্ণতর অভিব্যক্তিতে পরিণত হবে। 

অন্যদিকে: 
- ৮৩নং অনুচ্ছেদে "সংসদের আইন ব্যতীত করারোপে বাধা" এর কথা বলা আছে। 
- ২৮নং অনুচ্ছেদে "ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য" এর কথা বলা আছে।  
- ৮১নং অনুচ্ছেদে "অর্থবিল" এর কথা বলা আছে।   

সূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৬,৯১৩.
বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ থেকে চুরি করা অর্থ পাচার করা হয়-
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোনেশিয়ায়
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতে
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপাইনে
  4. শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা ও ফিলিপাইনে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরি:
- ২০১৬ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকে রক্ষিত বাংলাদেশ ব্যাংকের ১০ কোটি ১০ লাখ ১ হাজার ৬২৩ ডলার চুরি হয়।
- এর মধ্যে ৮১ মিলিয়ন ডলার ফিলিপাইনের আরসিবিসি ব্যাংকে থাকা চারটি অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করা হয় এবং বাকি ২০ মিলিয়ন ডলার শ্রীলঙ্কার একটি ব্যাংকে পাঠানো হয়।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে হলিউড তথ্যচিত্র ‘বিলিয়ন ডলার হাইস্ট’।
- তথ্যচিত্রটি যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন ড্যানিয়েল গর্ডন, ব্রেন্ডন ডনোভান ও ব্রায়ান ইভানস।

উৎস - প্রথম আলো এবং বাসস পত্রিকা রিপোর্ট। 

১৬,৯১৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে গ্রেপ্তার ও আটক বিষয়ে নাগরিকের রক্ষাকবচ উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩৫ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৩৪ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৩৩ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৩২ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৩৩ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৩গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ
-  (১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ-সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
- (২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে (গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।
- (৩) এই অনুচ্ছেদের (১) ও (২) দফার কোন কিছুই সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না,
- (ক) যিনি বর্তমান সময়ের জন্য বিদেশী শত্রু; অথবা
- (খ) যাঁহাকে নিবর্তনমূলক আটকের বিধান-সংবলিত কোন আইনের অধীন গ্রেপ্তার করা হইয়াছে বা আটক করা হইয়াছে।

অন্যদিকে,
- ৩২ অনুচ্ছেদ হলো  জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ। 
- ৩৪ অনুচ্ছেদ হলো জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
- ৩৫ অনুচ্ছেদ হলো বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,৯১৫.
জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে কোন জেলায়?
  1. ক) বাগেরহাট
  2. খ) খুলনা
  3. গ) রাঙামাটি
  4. ঘ) বান্দরবান
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙামাটি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে মোট বনভূমির পরিমাণ প্রায় ২৫.৮ লক্ষ হেক্টর।
জেলা অনুযায়ী সর্বাধিক বনভূমি:
- প্রথম : রাঙামাটি (৫.৫১ লক্ষ হেক্টর)
- দ্বিতীয় : বান্দরবান (৩.১৯ লক্ষ হেক্টর)
- তৃতীয় : বাগেরহাট (২.২৬ লক্ষ হেক্টর)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
১৬,৯১৬.
বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান কত?
  1. ১%
  2. ১.৮%
  3. ২.২%
  4. ২.৮%
সঠিক উত্তর:
১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১%
ব্যাখ্যা
ইলিশ:
- জাতীয় মাছ ইলিশ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক।
- বর্তমানে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বিশ্বে প্রথম বাংলাদেশ।
- দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশ মাছের অবদান প্রায় ১১%।
- বাংলাদেশের জিডিপিতে ইলিশের অবদান ১%।
- দেশে ইলিশের অভয়াশ্রম ৬টি।

উৎস: ।) ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।
১৬,৯১৭.
'গ্রীন এক্সপ্রেস' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) তুলা
  2. খ) তামাক
  3. গ) টমেটো
  4. ঘ) বাঁধাকপি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঁধাকপি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা
- উন্নত জাতের বাঁধাকপি নাম গ্রীন এক্সপ্রেস।
- আগাম জাতের বাঁধাকপি  লাগাতে চাইলে লাগাতে হবে কে ক্রস এবং এক্সপ্রেস ক্রস জাত দুটি।
- মধ্যম সময়ের উপযোগী জাত হল কে ওয়াই ক্রস, এটলাস ৭০, টোকিও প্রাইড, গ্রীন এক্সপ্রেস, প্রভাতী ইত্যাদি। 
- আর দেরীতে লাগাতে চাইলে লাগাতে হবে এটলাস ৭০, লিও ৮০, সেভয়, রুবি বল, ড্রাম হেড ইত্যাদি।
- এ দেশের আবহাওয়ায় বীজ উৎপাদন করতে চইলে করতে হবে বারি বাঁধাকপি ২ (অগ্রদূত), ইপসা বাঁধাকপি ১।
- সমপ্রতিক আমদানীকৃত হাইব্রিড জাতসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল সামার ওয়ারিয়র এফ ১, লরেন্স এফ ১, গ্রীন ৬২১ এফ ১, সামার ষ্টার এফ ১, গ্রীন কর্নেট এফ ১, অটাম কুইন এফ ১, সুপার ট্রপিক এফ ১, সামার বয় এফ ১, গ্রীন বল ৪০ এফ ১, সুপ্রিম কুইন এফ ১ ইত্যাদি। 

উৎস: জাতীয় কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৬,৯১৮.
সরকারী ভাষা হিসেবে এদেশে ইংরেজির ব্যবহার শুরু হয় কোন সন থেকে?
  1. ক) ১৭৬৫
  2. খ) ১৮২৪
  3. গ) ১৮৩৫
  4. ঘ) ১৮৫৭
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮৩৫
ব্যাখ্যা

১৮৩৫ খ্রিস্টাব্দে লর্ড মেকলের বিখ্যাত Minute-এ প্রথম ভারতে পাশ্চাত্য বিষয়সমূহ শিক্ষাদানের সুপারিশসহ ইংরেজি ব্যবহারের প্রতি সরকারি অনুমোদন দেওয়া হয়।
পরে লর্ড বেন্টিঙ্কের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভারতীয়দের ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে শিক্ষাদানের বিষয়টিকে বাধ্যতামূলক করা হয়।
অবশ্য, এর আগেই ভারতীয় ও ব্রিটিশদের মধ্যে প্রথম যোগাযোগের সময় থেকে বাংলায় ইংরেজি শিক্ষা শুরু হয় ইংরেজ প্রতিনিধি ও দেশিয় সহযোগী বানিয়াদের মধ্যে বাণিজ্যিক ভাষা হিসেবে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

১৬,৯১৯.
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক সিপাহী হামিদুর রহমান কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধ করেন?
  1. ১নং সেক্টর
  2. ২নং সেক্টর
  3. ৩নং সেক্টর
  4. ৪নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
৪নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ও সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান : ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : ৭নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : ৮নং সেক্টর।
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন : ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : পশ্চিম পাকিস্তান।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৬,৯২০.
বাংলাদেশে প্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয় কোথায়?
  1. মৌলভীবাজার
  2. চট্টগ্রাম
  3. হবিগঞ্জ
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
- অর্গানিক চা হলো সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপাদিত চা। অর্থাৎ অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে ২০০০ সালের দিকে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়। বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কাজী এন্ড কাজী টি এস্টেটের মাধ্যমে তেতুঁলিয়ায় প্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর প্রভৃতি জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং প্রথম আলো)
১৬,৯২১.
পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ক) ৪.৮২ কিলোমিটার
  2. খ) ৫.৬৮ কিলোমিটার
  3. গ) ৬.১৫ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৬.৪০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
গ) ৬.১৫ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬.১৫ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
- পদ্মা নদীর উপর নির্মাণাধীন পদ্মা সেতুর মোট দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার।
- মুন্সিগঞ্জের মাওয়া এবং শরীয়তপুরের জাজিরা পয়েন্ট এটি নির্মিত হচ্ছে।
- সেতুটি নির্মাণে মোট ব্যয় হচ্ছে ৩০,১৯৩ কোটি টাকা।
- ২০২৩ সালের জুন মাসে পদ্মা সেতু প্রকল্পের কাজ শেষ হবে।
- পদ্মা সেতু নির্মাণ সম্পন্ন হলে দেশের সার্বিক জিডিপি ১ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে।
(তথ্যসূত্র: সেতু বিভাগ ও ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস)
১৬,৯২২.
তমদ্দুন মজলিশ কত সালে গড়ে উঠে?
  1. ক) ১৯৪৫ সালে
  2. খ) ১৯৪৬ সালে
  3. গ) ১৯৪৭ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৮ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:

- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- ২রা সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে 'তমদ্দুন মজলিশ' নামক একটি সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে।

ভাষা আন্দোলন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য তথ্য,
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,৯২৩.
কৃষি বিজ্ঞানী প্রফেসর নরম্যান বোরলগ কত সালে বাংলাদেশ সফর করেন?
  1. ১৯৯৪ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
₻ নরম্যান বোরলগ
- নরম্যান বোরলগ ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সফর করেন। 
- এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে।
- বোরলগ খাদ্য সুরক্ষা এবং টেকসই কৃষি অর্জন এবং প্রচারের জন্য তাঁর স্বপ্নের জন্য তাঁর জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার।
১৬,৯২৪.
দারিদ্র বিমোচনে অবদানের জন্য বাংলাদেশের কোন ব্যক্তি 'নাইট' উপাধি পেয়েছেন?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ফজলে হাসান আবেদ
  3. ড. জাফর উল্লাহ্‌
  4. শাইখ সিরাজ
সঠিক উত্তর:
ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
ফজলে হাসান আবেদ:
- স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৩৬ সালের ২৭শে এপ্রিল হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন৷
- ফজলে হাসান আবেদ ব্রাক এর প্রতিষ্ঠাতা।
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম নাগরিক হিসেবে নাইট উপাধিতে সম্মানিত হন বেসরকারী সংগঠন ব্রাকের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ফজলে হাসান আবেদ৷
- দারিদ্র বিমোচন ও দরিদ্র মহিলাদের ক্ষমতায়নের জন্য তিনি এই উপাধিতে ভূষিত হন।
- ব্রাক বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা।

উৎস: ব্রাক এর ওয়েবসাইট।
১৬,৯২৫.
কোন খ্রিস্টাব্দে দিল্লীর সুলতানি শাসনের অবসান হয়?
  1. ক) ১৫২৭
  2. খ) ১৫২৩
  3. গ) ১৫২৬
  4. ঘ) ১৫২৪
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫২৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৫২৬
ব্যাখ্যা
ইব্রাহিম লোদীর উদ্ধত আচরণ ও কঠোর দমন নীতির ফলে অসন্তুষ্ট আফগান অভিজাত শ্রেণি, পাঞ্জাবের শাসনকর্তা দৌলত খান লোদী এবং ইব্রাহীম লোদীর পিতৃব্য আলম খান এবং রাজপুতনার মেবারের রানা সংগ্রাম সিংহ কাবুলের অধিপতি জহিরুদ্দীন মুহম্মদ বাবরকে ভারত আক্রমণের আহ্বান জানান। উচ্চাভিলাষী এবং সাম্রাজ্যবাদী বাবর এই আহবানে সাড়া দিয়ে ভারত আক্রমণ করেন। ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত ঐতিহাসিক পানিপথের প্রথম যুদ্ধে লোদী বংশের সর্বশেষ শাসক ইব্রাহিম লোদীকে পরাজিত করে দিল্লি সালতানাতের পতন ঘোষণা করেন এবং ভারতর্ষে মুঘল শাসনের গোড়াপত্তন করেন।
উৎসঃ একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণির ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র বই (উন্মুক্ত)
১৬,৯২৬.
ইস্কান্দার মির্জা কবে পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন?
  1. ২৩ মার্চ, ১৯৫৬
  2. ২৭ মার্চ, ১৯৫৬
  3. ৭ অক্টোবর, ১৯৫৮
  4. ২৭ অক্টোবর, ১৯৫৮
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ মার্চ, ১৯৫৬
ব্যাখ্যা

সামরিক শাসন জারি:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পর থেকেই শাসন ব্যবস্থায় স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে সামরিক শাসন জারি করেন। সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন।
- সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়। সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করা হয়। মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরোক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চাভিলাষী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৯২৭.
মুজিব নগর সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  2. এম. মনসুর আলী
  3. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  4. তাজউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৯২৮.
বাংলাদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলনের পথিকৃৎ ছিলেন -
  1. কমরেড মণি সিংহ
  2. কমরেড তোহা খান
  3. কমরেড ফরহাদ
  4. কমরেড মহিউদ্দীন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
কমরেড মণি সিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমরেড মণি সিংহ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে কমিউনিস্ট আন্দোলনের পথিকৃৎ:
- উপমহাদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ, মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম নেতা, প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সাবেক সভাপতি কমরেড মণি সিংহ।

⇒ কমরেড মণি সিংহ ছিলেন উপমহাদেশের কমিউনিস্ট আন্দোলনের কিংবদন্তি নেতা, অন্যতম স্থপতি।
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সপিবি) প্রতিষ্ঠাতা প্রাণপুরুষ।
- মার্ক্সবাদী বিপ্লবী আদর্শই ছিল তাঁর জীবনাদর্শ।
- ‘মুক্ত মানবের মুক্ত সমাজ’, তথা সমাজতন্ত্র-সাম্যবাদ প্রতিষ্ঠার জন্য ছিল তাঁর আমৃত্যু সংগ্রামী প্রয়াস। 
- তিনি সব সময় ‘বিপ্লবী মানবতাবাদের’ কথা প্রচার করতেন।
- কমরেড মণি সিংহ ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের রাজনৈতিক নেতৃত্বের অন্যতম ব্যক্তিত্ব।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের উপদেষ্টামণ্ডলীর অন্যতম সদস্য এবং কমিউনিস্ট পার্টির রাজনৈতিক-সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু। 

উৎস: প্রথম আলো। 

১৬,৯২৯.
Where was the first trade centre of the British East India Company established in India?
  1. Bombay
  2. Calcutta
  3. Surat
  4. Meerut
  5. Delhi
সঠিক উত্তর:
Surat
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Surat
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ব্রিটেনের রানী প্রথম এলিজাবেথের নিকট থেকে প্রাপ্ত সনদের মাধ্যমে ১৬০০ সালে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি গঠিত হয়।
- ১৬১২ সালে সম্রাট জাহাঙ্গীরের অনুমতি নিয়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রথম সুরাটে বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- ১৭০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়াম দুর্গ স্থাপন করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩শে জুন পলাশী যুদ্ধে জয়লাভের মাধ্যমে বাংলা তথা ভারতবর্ষে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসন শুরু হয়।
- ১৮৫৮ সাল পর্যন্ত ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ভারত শাসন করে।
- এরপর ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার নিজে নিয়ে নেয়।
 
উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
১৬,৯৩০.
"যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই” - গানটির গীতিকার কে?
  1. মলয় কুমার
  2. কামরুজ্জামান বাবু
  3. হাসান মতিউর রহমান
  4. নজরুল ইসলাম বাবু
সঠিক উত্তর:
হাসান মতিউর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসান মতিউর রহমান
ব্যাখ্যা
• "যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই
যদি রাজপথে আবার মিছিল হতো বঙ্গবন্ধুর মুক্তি চাই!” - গানটির গীতিকার হাসান মতিউর রহমান।

- হাসান মতিউর রহমান হলেন বাংলাদেশী লোকসংগীত শিল্পী, গীতিকার ও সঙ্গীত পরিচালক।
- হাসান মতিউর রহমান দেশে বিদেশে ৩৫০টির বেশি পুরস্কার পেয়েছেন।
- এর মধ্যে বিশেষ উল্লেখযোগ্য হলো ‘যদি রাত পোহালে শোনা যেত বঙ্গবন্ধু মরে নাই’ এই গানটির জন্য প্রাপ্ত পুরস্কার।
- গানটি গেয়েছেন শিল্পী মলয় কুমার ও সাবিনা ইয়াসমিন।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো ও জাগো নিউজ।
১৬,৯৩১.
জনগণের মৌলিক অধিকারের উৎস কী?
  1. ক) বিবেকবোধ
  2. খ) মূল্যবোধ
  3. গ) সংবিধান
  4. ঘ) সামাজিক প্রথা
সঠিক উত্তর:
গ) সংবিধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সংবিধান
ব্যাখ্যা
-  জনগণের মৌলিক অধিকারের উৎস হলো সংবিধান
- এটি জনগণের মৌলিক অধিকারের রক্ষাকবচ।

- সংবিধানে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার এবং অধিকারের নিশ্চয়তার বিধান সন্নিবেশিত থাকে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে মৌলিক অধিকার সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এর মধ্যে তৃতীয় ভাগে ২৬ থেকে ৪৭ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
- এতে মোট ২২টি অনুচ্ছেদ রয়েছে।
 
উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৬,৯৩২.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয় কত সালে?
  1. ১৭৯০ সালে
  2. ১৭৯১ সালে
  3. ১৭৯৩ সালে
  4. ১৭৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- নির্দিষ্ট রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর স্থায়ী মালিকানা দান করে যে ভূমি বন্দোবস্ত চালু করা হয় তাকেই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বলা হয়।
- ১৭৯৩ সালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বা স্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত জমিদারদের জমির স্থায়ী মালিকে পরিণত করে এবং জমিদাররা জমির মালিকানা স্বত্ব লাভ করে।
- রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট করে দেয়ার ফলে নিয়মিত রাজস্ব প্রদানের বিনিময়ে জমিদার জমিদারী ভোগের চিরস্থায়ী অধিকার লাভ করে।
- এ প্রথা চালু হওয়ার ফলে জমিদারদের প্রশাসনিক ক্ষমতা বিলুপ্ত হয়। সরকার স্বয়ং শান্তি রক্ষা ও নিরাপত্তার দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- নজরানা ও বিক্রয় ফি সমূহ বাতিল করা হয়।
- খাজনা বাকি পড়লে জমিদারদের ভূমির কিছু অংশ বিক্রি করে রাজস্ব আদায় করার ব্যবস্থা ছিল।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৯৩৩.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে এবং কোন শহরে জোট নিরপক্ষে আন্দোলনের শীর্ষ সম্মেলন যোগদান করেন?
  1. ক) ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
  2. খ) ১৯৭৪, নয়াদিল্লী
  3. গ) ১৯৭৫, বেলগ্রেড
  4. ঘ) ১৯৭২, কায়রো
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৩, আলজিয়ার্স
ব্যাখ্যা
- বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ৫-৯ সেপ্টেম্বর আলজেরিয়ার রাজধানী আলজিয়ার্সে অনুষ্ঠিত জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) চতুর্থ সম্মেলনে অংশগ্রহণ ও সদস্যপদ লাভ করে।
- ন্যামের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬১ সালের ১-৬ সেপ্টেম্বর বর্তমান সার্বিয়ার রাজধানী বেলগ্রেড শহরে।

(সূত্র: ন্যাম ওয়েবসাইট)
১৬,৯৩৪.
বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) অবস্থিত-
  1. ক) সাভার
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) মিরপুর
  4. ঘ) মতিঝিল
সঠিক উত্তর:
ক) সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাভার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) সাভারে অবস্থিত। 

• বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) দেশের একমাত্র ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে খেলাধুলার সাথে সাধারণ শিক্ষার সমন্বিত কার্যক্রম রয়েছে।
ক্রীড়াকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপদান এবং আধুনিক ও যথোপযোগী প্রশিক্ষণ দানের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৮৬ সাল থেকে এ প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয়।
- রাজধানী ঢাকা থেকে ৫০ কিলোমিটার উত্তর- পশ্চিমে সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।

সূত্র: বিকেএসপি ওয়েব সাইট।
১৬,৯৩৫.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করেন কে?
  1. লর্ড বেন্টিঙ্ক
  2. লর্ড মেয়ো
  3. লর্ড ক্যানিং
  4. লর্ড রিপন
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
ব্যাখ্যা

লর্ড মেয়ো:
- লর্ড মেয়ো ১৮৬৯ থেকে ১৮৭২ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল।
- সম্ভবত তাঁর সবচেয়ে বড় সাফল্য ছিল অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার সংস্কার।
- তিনি লবণ কর ও আয়কর বৃদ্ধি করেছিলেন।
- তিনি প্রশাসনে ব্যয় সংকোচন ঘটান এবং প্রাদেশিক সরকারগুলিকে পাঁচ বছরের জন্য নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থবরাদ্দ করার ব্যবস্থা করে অর্থনৈতিক বিকেন্দ্রীকরণের উদ্যোগ নেন। এর ফলে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা যথেষ্ট উন্নত হয়।
- তাঁর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি (১৮৭০) শুরু হয়।
- তিনি দেশে পরিসংখ্যান জরিপের ব্যবস্থা করেন এবং কৃষি ও বাণিজ্য বিভাগ সৃষ্টি করেন।
- দেশীয় রাজন্যবর্গ ও প্রধানদের সন্তান-সন্ততির লেখাপড়ার জন্য তিনি আজমীরে মেয়ো কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৮৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি আন্দামান সফরে গিয়ে তিনি জনৈক পাঠান কয়েদির ছুরিকাঘাতে নিহত হন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬,৯৩৬.
ইউনেস্কো  বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদকে বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে কত সালে?

  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৬ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

• ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য:
- বাংলাদেশের তিনটি স্থান ইউনেস্কো ঘোষিত বিশ্ব ঐতিহ্য তালিকায় স্থান করে নিয়েছে:
১. নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার (১৯৮৫ সালে),
২. বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ (১৯৮৫ সালে),
৩. সুন্দরবন (১৯৯৭ সালে)।

• ষাট গম্বুজ মসজিদ:

- ষাট গম্বুজ মসজিদ বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ।
- সুলতান নসিরউদ্দীন মাহমুদ শাহের (১৪৩৫-৫৯) আমলে খান আল-আজম উলুগ খানজাহান সুন্দরবনের কোল ঘেঁষে খলিফাবাদ রাজ্য গড়ে তোলেন।
- খানজাহান বৈঠক করার জন্য একটি দরবার হল গড়ে তোলেন, যা পরে ষাট গম্বুজ মসজিদ হয়।
- মসজিদের নাম ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা আসলে ৭৭টি।
- মিনারের চারটি গম্বুজ যুক্ত করলে এর মোট গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় ৮১টিতে।
- মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই।
- এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটির মধ্যে অবস্থিত।
- বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে।
- ১৯৮৫ সালে ইউনেস্কো এই সম্মান প্রদান করে।
- ২০ টাকার নোটে ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি দেয়া আছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৬,৯৩৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে তফসিলি ব্যাংক কয়টি?
  1. ৬০টি
  2. ৬১টি
  3. ৬২টি
  4. ৬৪টি
সঠিক উত্তর:
৬১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬১টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী,
• তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা তফসিলি - ৬১টি। 
• রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক - ৬টি,
• বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি,
• বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক – ৪৩টি,
• বৈদেশিক ব্যাংক – ৯টি,
• ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান – ৩৫টি।
• ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান- ৩৫টি। 

সূত্র- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৬,৯৩৮.
বাংলাদেশ বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫ কবে শুরু হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে
  2. ৪ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে
  3. ৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে
  4. ১০ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে
সঠিক উত্তর:
৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫: 
- ৭ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখে ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকায় শুরু হয়েছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫। 
- ৭-১০ এপ্রিল, ২০২৫ তারিখ পর্যন্ত সম্মেলন চলবে। 
- ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট সামিট-২০২৫’ শীর্ষক এ বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।

উৎস: The Daily Star (৭ এপ্রিল, ২০২৫)
প্রথম আলো (৬ এপ্রিল ২০২৫)
১৬,৯৩৯.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?
  1. ২ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ৮ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১২ এপ্রিল, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বোঝানো হয়।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।
- ৭ম তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৯৪০.
ফখরউদ্দিন মুবারক শাহ কত সালে সোনারগাঁয়ের শাসন ক্ষমতা দখল করেন?
  1. ১৩৪৯
  2. ১৩৪২
  3. ১৩৩৫
  4. ১৩৩৮
সঠিক উত্তর:
১৩৩৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৩৮
ব্যাখ্যা

• ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ :
- ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ (১৩৩৮-১৩৪৯) বাংলার সুলতান।
- বাংলায় প্রথম স্বাধীন মুসলিম সালতানাতের প্রতিষ্ঠাতা।
- তাঁর রাজধানী ছিল ঐতিহাসিক নগর সোনারগাঁয়ে। 
- ফখরুদ্দীন ছিলেন জাতিতে তুর্কি এবং খুব সম্ভবত তুর্কিদের কারাউনা গোত্রীয়।
- তিনি ছিলেন দিল্লির তুগলক সুলতানের অধীনে সোনারগাঁয়ের শাসনকর্তা (ওয়ালি) বাহরাম খানের সিলাহদার (অস্ত্রাগারের তত্ত্বাবধায়ক)।
-  ১৩৩৭ খ্রিস্টাব্দে বাহরাম খানের মৃত্যুর পর ফখরুদ্দীন সোনারগাঁয়ে শাসন ক্ষমতা করায়ত্ত করেন এবং স্বীয় অবস্থান সুদৃঢ় করে ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে স্বাধীন সুলতান ঘোষণা করেন।
- স্বীয় মুদ্রায় ফখরুদ্দীন আল-সুলতানুল আযম ফখরুদ্দুনিয়া ওয়াদ-দ্বীন আবুল মুজাফফর মুবারক শাহ আল-সুলতান উপাধি গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬,৯৪১.
Recently which Bangladeshi summits Mount Everest? [October, 2024]
  1. Muhammed Aziz Khan
  2. Sajal Khaled
  3. Wasfia Nazreen
  4. Babar Ali
  5. Jahir Alam
সঠিক উত্তর:
Babar Ali
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Babar Ali
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:
- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন।
- বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।

⇒ সম্প্রতি বাবর আলী এভারেস্ট জয় করেছেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন।
- তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি।
- তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) ২০ মে, ২০২৪, The Business Standard.
ii) ২৯ আগস্ট ২০২২, প্রথম আলো।
১৬,৯৪২.
১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের সময়ে বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন-
  1. কর্নেল এম.এ.জি. ওসমানী
  2. মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. কর্নেল এম. এ. রব
  4. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার
ব্যাখ্যা
♣♣ স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়: 
- বিশ্ব ইতিহাসে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।
- বাংলাদেশ হচ্ছে তৃতীয় বিশ্বের মধ্যে প্রথম দেশ, যে দেশ সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। 
- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত আমাদের নানাভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছে। 

- বিশেষভাবে ১৯৭১ সালের ২১শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। 
- পাকিস্তান ৩রা ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়।  
- ৬ থেকে ১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যোগ দেয়।

♠♠
- যৌথ বাহিনীর সুপরিকল্পিত আক্রমণে আনুষ্ঠানিক আত্মসমর্পণের পূর্বেই হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর নৈতিক পরাজয় ঘটে। 
- অবশেষে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর বিকেল ৪টা ৩১ মিনিটে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (সোহরাওয়ার্দী উদ্যান);
- পাকিস্তানের ইস্টার্ন কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি প্রায় ৯৩ হাজার সৈন্যসহ বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করেন। 
- বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।    

উৎস:
বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৬,৯৪৩.
রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১২ সাল
  2. ২০১১ সাল
  3. ২০১৩ সাল
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সাল
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের গণপরিবহন খাতের মধ্যে রেলওয়ে অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় পরিবহন মাধ্যম।
- প্রথম রেলওয়ের সূচনা: ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর, দর্শনা–জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।
- বর্তমান রেল নেটওয়ার্ক: ২৮৭৭ কিঃমিঃ, দেশের ৪৪টি জেলায় সংযুক্ত।
- ১৯৪৭ সালের পূর্বে অবিভক্ত ভারতবর্ষে রেলওয়ে বোর্ডের মাধ্যমে রেল পরিচালিত হতো।

- ১৯৭৩ সালে রেলওয়ে বোর্ড বিলুপ্ত করে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
- ১৯৮২ সালে রেলপথ বিভাগ গঠন করা হয়; সচিব ডিজি কাম সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে অথরিটি (বিআরএ) গঠন করা হয়, তবে কার্যক্রম দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
- ১৯৯৬–২০০৩ সময়ে এডিবি অর্থায়নে রেলওয়ের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- এরপর যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সড়ক ও রেলপথ বিভাগের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হত।
-  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ০৪-১২-২০১১ তারিখের এস আরও নং ৩৬১ আইন/২০১১ অনুযায়ী রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।

উৎস:রেল মন্ত্রণালয়।

১৬,৯৪৪.
২০২৪ সালে ভারতের বেসামরিক সম্মাননা 'পদ্মশ্রী' পুরস্কার লাভ করেন কে?
  1. আনিসুজ্জামান
  2. রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
  3. সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী
  4. ঝর্ণাধারা চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৪ সালে ভারতের বেসামরিক সম্মাননা 'পদ্মশ্রী' পুরস্কার লাভ করেন রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।


রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা:
- ভারতের মর্যাদাপূর্ণ রাষ্ট্রীয় বেসামরিক সম্মাননা ‘পদ্মশ্রী’-তে ভূষিত হয়েছেন বাংলাদেশের বরেণ্য রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা।
- সংগীতশিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুরের ধারার চেয়ারম্যান রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা রবীন্দ্র সংগীত নিয়ে কয়েকটি বইও লিখেছেন।
- সংগীতে অবদানের জন্য ২০১৬ সালে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার স্বাধীনতা পুরস্কার পান তিনি।
- এটি ভারতের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা।
- ভারত সরকার ১৯৫৪ সালে পদ্ম পুরস্কার দেওয়া শুরু করে।

এছাড়াও,
- ভারতের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ভারতরত্ন।
- এরপর রয়েছে পদ্মবিভূষণ, পদ্মভূষণ ও পদ্মশ্রী।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখা ব্যক্তিদের এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস সামনে রেখে প্রতি বছর পদকপ্রাপ্তদের নাম ঘোষণা করা হয়।
- সাধারণত মার্চ বা এপ্রিলে রাষ্ট্রপতি ভবনে অনুষ্ঠান করে পুরস্কারগুলো তুলে দেওয়া হয়।
- এর আগে ২০২১ সালে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের অগ্রণী ব্যক্তিত্ব অধ্যাপক সন্‌জীদা খাতুন এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাজ্জাদ আলী জহির বীর প্রতীককে পদ্মশ্রী পদকে ভূষিত করেছিল ভারত সরকার।
- তার আগে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান ও কূটনীতিবিদ সৈয়দ মোয়াজ্জেম আলী ‘পদ্মভূষণ’ সম্মাননা পেয়েছিলেন। 
- ‘পদ্মশ্রী’ সম্মাননা পেয়েছিলেন প্রত্নতত্ত্ববিদ এনামুল হক ও সমাজকর্মী ঝর্ণাধারা চৌধুরী।

উৎস: ২৬ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
১৬,৯৪৫.
জাতীয় পরিষদের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন কে?
  1. ক) জেনারেল টিক্কা খান
  2. খ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  3. গ) জেনারেল নিয়াজী
  4. ঘ) জুলফিকার আলী ভুট্টো
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেনারেল ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন
- আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে দূরে রাখতে জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭১ সালের ১ মার্চ জাতীয় পরিষদের আসন্ন ৩ মার্চের অধিবেশন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত ঘোষণা করেন। 
- সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে কোনরূপ আলোচনা না করে অধিবেশন স্থগিত করায় পূর্ব বাংলার জনগণ বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু ২ মার্চ ঢাকায় ও ৩ মার্চ সারা পূর্ব পাকিস্তানে হরতালের ডাক দেন।
- বস্তুত ১ মার্চ হতেই পূর্ব বাংলায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়ে যায়।
- জনগণের মারমুখি মনোভাব ও অসহযোগ আন্দোলনে ভীত হয়ে জেনারেল ইয়াহিয়া খান ৬ মার্চ ঘোষণা করেন, ‘২৫ মার্চ জাতীয় পরিষদের অধিবেশন বসবে। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৬,৯৪৬.
সংবিধান অনুসারে কোনটিকে অর্থবিল হিসেবে গণ্য করা হয় না?
  1. সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ
  2. সংযুক্ত তহবিল সংক্রান্ত ব্যয়
  3. স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর
  4. সরকারের হিসাব ও নিরীক্ষা
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর
ব্যাখ্যা

 অর্থবিল:
- অর্থবিল একটি গুরুত্বপূর্ণ বিল।
- কোনো বিল অর্থবিল কিনা এ প্রশ্নে স্পিকারের দেওয়া সার্টিফিকেট চূড়ান্ত মত বলে গৃহীত হয়।
- অর্থবিল বা অর্থব্যয় সংক্রান্ত বিলের উদ্যোক্তা সরকার।

⇒ প্রতি বছর পরবর্তী বছরের জন্য সরকারের আর্থিক প্রস্তাবাবলি কার্যকর করার উদ্দেশ্যে অর্থবিল সংসদে উত্থাপন করা হয়।
- সংসদে উত্থাপনের পর যথানিয়মে বিভিন্ন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বিলটি পাস করতে হয়।
- অর্থবিল রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য উপস্থাপিত হলে পনের দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতি প্রদান করেন।
- রাষ্ট্রপতি সম্মতি প্রদানে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের শেষে বিলটি আইনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৮১ নং অনুচ্ছেদে 'অর্থবিল' নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

⇒  অনুচ্ছেদ ৮১(১)-এ অর্থবিলের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে—
• কর সংক্রান্ত পরিবর্তন,
• সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ বা দায়-দায়িত্ব,
• সংযুক্ত তহবিল সংক্রান্ত ব্যয়, 
• সরকারের হিসাব ও নিরীক্ষা। 

কিন্তু ৮১(২)-এ বলা হয়েছে—
- শুধু স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কর, জরিমানা, লাইসেন্স ফি বা ফি ধার্যকরণ–এর মতো বিষয় কোনো বিলকে অর্থবিল হিসেবে গণ্য করবে না।

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৬,৯৪৭.
নিচের কোনটি দুদকের তদন্ত ক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত?
  1. সামরিক অপরাধ
  2. ব্যাংক লুট
  3. ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার
  4. রাষ্ট্রদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘুষ গ্রহণ ও ক্ষমতার অপব্যবহার
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন:
- দুর্নীতি দমন কমিশন তার সামগ্রিক কার্যক্রম ৮টি অনুবিভাগের মাধ্যমে পরিচালনা করে।
- অনুসন্ধান ও তদন্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুবিভাগ।
- দুর্নীতির অপরাধসমূহের বিচার কার্য প্রধানত নির্ভর করে অনুসন্ধানের উপর।
- দুর্নীতি  দমন কমিশন আইন ২০০৪ অনুসন্ধান সম্পর্কে দুদককে বিশেষ ক্ষমতা অর্পণ করেছে (ধারা ১৯ ও ২০)।
- সেজন্য, অনুসন্ধান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য দুদকের এই অনুবিভাগটি অগ্রণী ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে।

⇒ সংশ্লিষ্ট মহাপরিচালকের নেতৃত্বে এই অনুবিভাগ টি নিম্নোক্ত বিষয়ের উপর তদন্ত ও অনুসন্ধানের দায়িত্বপ্রাপ্ত:
- ভূমি, ভূমি রাজস্ব ও বন্ধক;
- ঘুষ (অর্থ, সম্পদ ও পরিষেবা);
- স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি অবৈধ উপায়ে অর্জন;
- নির্মাণ কাজ ও যোগাযোগ খাতের দুর্নীতি ;
- উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন ও বেসরকারি সংস্থার দুর্নীতি;
- শুল্ক ও রাজস্ব, ব্যবসায়ী/ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ;
- সরকারি ক্রয়/বিক্রয়, লাইসেন্স ইস্যু করা;
- শপথ ভঙ্গ ও ক্ষমতার অপব্যবহার শীর্ষক অপরাধ; এবং
- অন্যান্য, যেমন, দুদক আইন, ২০০৪-এর তফসিলে উল্লিখিত অপরাধসমূহ।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

১৬,৯৪৮.
অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি কোন ধরনের রাজ্যগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য ছিল?
  1. সরাসরি ব্রিটিশ শাসিত রাজ্য
  2. ফরাসি প্রভাবাধীন রাজ্য
  3. ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণবর্হিভূত দেশীয় রাজ্য
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণবর্হিভূত দেশীয় রাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণবর্হিভূত দেশীয় রাজ্য
ব্যাখ্যা

অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি:
- জেনারেল লর্ড ওয়েলেসলি হস্তক্ষেপ না করার নীতিকে পরিবর্তন করেন এবং অধীনতামূলক মিত্রতার নীতি গ্রহণ করেন।
- এই নীতি অনুযায়ী ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণবর্হিভূত দেশীয় রাজ্যগুলোকে ব্রিটিশদের অধীনে ও নিরাপত্তায় থেকে রাজ্য শাসনে অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা প্রদান করা হতো।
- এই নীতির মাধ্যমে হায়দ্রাবাদ ও মারাঠারাজ্য কোম্পানির অধীনে আসে।
- টিপু সুলতান এই নীতিগ্রহণে অস্বীকার করলে চতুর্থ মহীশূর যুদ্ধে তিনি ব্রিটিশদের নিকট পরাজিত ও নিহত হন।

⇒ নীতির মূল উদ্দেশ্য:
• নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা: এই নীতির আওতায় ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণবর্হিভূত দেশীয় রাজ্যগুলোকে ব্রিটিশদের অধীনে থাকার জন্য অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা প্রদান করা হতো। অর্থাৎ, তারা নিজেদের রাজ্য শাসনে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারতেন, তবে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের নিরাপত্তার আওতায়।
• রাজ্যগুলোর অধীনে আসা: এই নীতির মাধ্যমে হায়দ্রাবাদ ও মারাঠা রাজ্যগুলো কোম্পানির অধীনে আসে।
• টিপু সুলতানের প্রতিক্রিয়া: টিপু সুলতান এই নীতি গ্রহণে অস্বীকার করেন, যার ফলস্বরূপ চতুর্থ মহীশূর যুদ্ধে তিনি ব্রিটিশদের কাছে পরাজিত ও নিহত হন।

⇒ লর্ড ওয়েলেসলির ভূমিকা:
• শাসনকাল: লর্ড ওয়েলেসলি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
• নীতির উদ্দেশ্য: তিনি ভারত থেকে ফরাসি প্রভাব দূর করে ব্রিটিশদেরকে উপমহাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করতে চেয়েছিলেন।
• শিক্ষা সংস্কার: অসামরিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
• সাম্রাজ্যের শক্তি: তাঁর শাসনামল শেষ হওয়ার পরও ওয়েলেসলি ব্রিটিশদের ভারতে একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে যান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৯৪৯.
মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান সেনাপতি এ কে খন্দকারের জন্মস্থান কোথায়? 
  1. ঢাকা
  2. রংপুর
  3. পাবনা
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা

• এ কে খন্দকার: 
- এ কে খন্দকারের জন্ম ১৯৩০ সালে বাবার কর্মস্থল রংপুরে। 
- তাঁর আদি নিবাস পাবনা জেলার বেড়া উপজেলার পুরান ভারেঙ্গা গ্রামে। 
- ১৯৪৭ সালে ম্যাট্রিকুলেশন ও ১৯৪৯ সালে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন তিনি। 
- ১৯৫২ সালে পাকিস্তান বিমানবাহিনীতে কমিশন লাভ করেন। 
- গ্রুপ ক্যাপ্টেন হিসেবে তিনি বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ নিযুক্ত হন।

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সেনাদের আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক মুহূর্তে মুক্তিবাহিনীর প্রতিনিধি হিসেবে এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- স্বাধীনতার পর তিনি প্রথম বিমানবাহিনীর প্রধান নিযুক্ত হন।
- তাঁর নেতৃত্বে যুদ্ধবিধ্বস্ত বিমানবাহিনী পুনর্গঠিত হয়। ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত বিমানবাহিনীর প্রধান ছিলেন তিনি।

- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান রাখার জন্য এ কে খন্দকার ১৯৭৩ সালে ‘বীর উত্তম’ খেতাব এবং ২০১১ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন। 
- তিনি সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।
- মুক্তিযুদ্ধের অভিজ্ঞতা নিয়ে এ কে খন্দকারের লেখা ১৯৭১: ভেতরে বাইরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের আলোচিত একটি গ্রন্থ। 
- ২০ ডিসেম্বর, ২০২৫ (শনিবার) সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে ঢাকা সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ইন্তেকাল করেন। 
- তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৫ বছর।


তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। (Link) 

১৬,৯৫০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা -
  1. ৩,৫০,০০০ টাকা
  2. ৪,০০,০০০ টাকা
  3. ৪,৭৫,০০০ টাকা
  4. ৫,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫,০০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫,০০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে ব্যক্তির আয়ের প্রথম সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয় করমুক্ত।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ।
- প্রতিবন্ধী করদাতার জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ।
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৬,৯৫১.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব বিশোয়িত ব্যাংক?
  1. বাংলাদেশ ব্যাংক
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  4. বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে তফসিলভুক্ত রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি। এর মধ্যে ৬টি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং ৩টি বিশেষায়িত ব্যাংক।

বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহ:
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা্ ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।

বিশেষায়িত ব্যাংকসমূহ:
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
অন্যদিকে,
বাংলাদেশ ব্যাংক হলো বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৬,৯৫২.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মত জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৯৫
  2. খ) ২০০৯
  3. গ) ২০০০
  4. ঘ) ২০১৬
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১৬
ব্যাখ্যা
জেলা পরিষদ
⇨ জেলা পরিষদ এ দেশের তিনস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর।
⇨ ১৮৮৫ সালের বেঙ্গল লোকাল সেল্ফ গভর্মেন্ট এ্যাক্টের মাধ্যমে যে জেলা বোর্ড গঠন করা হয়েছিল তারই পরিবর্তিত ও পরিবর্ধিত রূপ আজকের এই জেলা পরিষদ।
⇨ ২০০০ সালে জেলা পরিষদ এ্যাক্ট প্রণয়ন করা হয় এবং ২০১৬ সালে এই আইনের কিছু সংশোধনী করা হয়। এই সংশোধিত আইনানুসারেই জেলা পরিষদ পরিচালিত হচ্ছে।
⇨ স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরে ২০১৬ সালের ডিসেম্বরে প্রথমবারের মত এই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
⇨ একটি ইলেক্টোরাল কলেজের মাধ্যমে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ২১ জন সদস্যকে নির্বাচিত করা হয়।
⇨ একটি জেলার অন্তর্গত সকল সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পরিষদের সকল নির্বাচিত প্রতিনিধিরা এই ইলেক্টোরাল কলেজের ভোটার।
⇨ আইনানুসারে প্রতি পাঁচ বছর পরপর জেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। 
⇨ চেয়ারম্যান জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী।
⇨ জেলা পরিষদ তার কাজের সুবিধার্থে আইন—শৃঙ্খলা, স্বাস্থ্য, কৃষি, শিক্ষা, সমাজকল্যাণ, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, যোগাযোগ ও অবকাঠামোর মত বিষয়ের উপর একটি করে স্ট্যান্ডিং কমিটি করে থাকে। জেলা পরিষদের সদস্যের একজন একটি স্ট্যান্ডিং কমিটির সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে থাকে। 

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৯৫৩.
বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর-
  1. জেলা পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. গ্রাম পরিষদ
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা: 
- বাংলাদেশে স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তরটি হচ্ছে ইউনিয়ন পরিষদ।
-  ইউনিয়ন পরিষদের কাঠামো নিম্নরূপ:
- ১ জন চেয়ারম্যান
- ৯ জন সদস্য
- ৩ জন সংরক্ষিত নারী সদস্য
- ১ জন সচিব, অফিস সহকারি ও গ্রাম পুলিশ। 
- প্রতি পাঁচ বছর পরপর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা তিনটি স্তর।
- জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ,ইউনিয়ন পরিষদ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৬,৯৫৪.
বাংলাদেশে SWAT টিমের কার্যক্রম শুরু হয় কত সালে?
  1. ক) ২০০৯
  2. খ) ২০১২
  3. গ) ২০১১
  4. ঘ) ২০১৩
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০৯
ব্যাখ্যা
স্পেশাল উইপন্স অ্যান্ড ট্যাকটিক্স টিম (সোয়াট) ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি অভিজাত কৌশলী ইউনিট যা ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ
১৬,৯৫৫.
বাংলাদেশের অস্ত্র কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সাভার
  2. খ) গাজীপুর
  3. গ) নারায়ণগঞ্জ
  4. ঘ) নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গাজীপুর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্ববৃহৎ সামরিক কারখানা। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে। এখানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং অন্যান্য সরঞ্জাম তৈরি করা হয়। এটি গাজীপুর জেলায় অবস্থিত।
সূত্রঃ Bangladesh Ordnance Factories এর ওয়েব সাইট
১৬,৯৫৬.
ওঁরাও জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের কোন জেলায় বাস করে?
  1. কুমিল্লা
  2. দিনাজপুর
  3. কক্সবাজার
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
ওঁরাও:
- ওঁরাও দক্ষিণ এশিয়ার একটি বড় নৃগোষ্ঠী।
- ভারতের ঝাড়খণ্ড রাজ্য, ছত্তিশগড়, মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে এদের বাস।
- বাংলাদেশে বর্তমানে গাজীপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া ও রাজশাহী জেলা ওঁরাওদের প্রধান বসতিস্থল।

⇒ ওঁরাওদের ভাষার নাম কুরুখ ও সাদ্রি।
- এই ভাষার কোনো বর্ণমালা নেই।
- ওঁরাও আদিবাসীরা নৃতাত্ত্বিক বিচারে আদি অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রেলীয়) জনগোষ্ঠীর উত্তরপুরুষ।
- ওঁরাও সমাজব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

⇒ এদের গ্রামপ্রধানকে বলা হয় মাহাতো।
- এদের নিজস্ব আঞ্চলিক পরিষদ আছে, যা পাহতো নামে পরিচিত।
- এই পরিষদে কয়েকটি গ্রামের প্রতিনিধিরা থাকে।
- অন্যান্য আদিবাসী জাতির মতো ওঁরাও সমাজও সর্বপ্রাণবাদী প্রকৃতি উপাসক, তবে এদের ধর্মবিশ্বাসে সৃষ্টিকর্তা হিসেবে সর্বশক্তিমান ‘ধরমী’ বা ‘ধার্মেশ’ বা ‘ধরমেশ’ স্বীকৃত।

⇒ এদের প্রধান উৎসবের নাম কারাম।
- ওঁরাও সমাজে অতিথি আপ্যায়ন ও উৎসব-অনুষ্ঠানে নেশাদ্রব্য পান করা একটি ঐতিহ্যবাহী অভ্যাস।
- এদের সমাজে নৃত্য ও সংগীত একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৯৫৭.
সর্বশেষ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো কোন অর্থবছরকে ভিত্তি করে জিডিপি, প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, মাথাপিছু আয় গণনা শুরু করে?
  1. ক) ২০২১ - ২২
  2. খ) ২০১৩ - ১৪
  3. গ) ২০১৫ - ১৬
  4. ঘ) ২০১৭ - ১৮
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৫ - ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৫ - ১৬
ব্যাখ্যা
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরকে ভিত্তিবছর ধরে জিডিপি প্রকাশ শুরু করে।
- তখন ১১ টি খাতের উপর ভিত্তি করে জিডিপি প্রকাশ করা হতো।
- এরপর কয়েকবার ভিত্তি বছর পাল্টানো হয় এবং জিডিপি খাত ১১ থেকে ১৫ টি তে উন্নীত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০২১ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০১৫-১৬ অর্থবছরকে ভিত্তি করে জিডিপি, প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, মাথাপিছু আয় গণনা শুরু করে।
- নতুন ভিত্তি বছরে জিডিপি খাত ২৪টি তে উন্নীত করা হয়।
- নতুন খাতসমূহ: মোবাইল ব্যাংকিং; এজেন্ট ব্যাংকিং; গরু ও হাঁস-মুরগি; নার্সারি; লটকন, ড্রাগন, স্ট্রবেরি, ক্যাপসিকাম, মাশরুম; আবাসন; কেব্‌ল টেলিভিশন; ইন্টারনেট; হেলিকপ্টার।

উৎস: বিবিএস, পত্রিকা রিপোর্ট
১৬,৯৫৮.
'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' সংবিধানের কততম সংশোধনীতে করা হয়?
  1. চতুর্দশ
  2. ত্রয়োদশ
  3. দ্বাদশ
  4. পঞ্চদশ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই। 
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। 
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকার পতনের পর ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট জনস্বার্থে পাঁচ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি পঞ্চদশ সংশোধনীর বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন। 
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে এই সংশোধনীর বেশ কিছু অংশ বাতিল করেছেন হাইকোর্ট।
- রায়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত পঞ্চদশ সংশোধনী আইনের বিধান বাতিল করা হয় যা ভবিষ্যতে কার্যকর হবে।
- ১৪২ অনুচ্ছেদ বাতিল করার মধ্য দিয়ে জনগণের ইচ্ছাকে বাতিল করা হয়েছিল।
- যে কারণে ১৪২ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপন করা হলো।
- সংশোধনীর বাকি বিষয়গুলো পরবর্তী সংসদের ওপর ছেড়ে দেওয়া হলো।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

১৬,৯৫৯.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কর্মকাণ্ড কার নামে পরিচালিত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. মন্ত্রী
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

কেন্দ্রীয় প্রশাসন:
- বাংলাদেশ একটি এককেন্দ্রিক সরকার কাঠামোভিত্তিক রাষ্ট্র হওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে সকল প্রশাসনিক ক্ষমতা ন্যস্ত।
- সকল প্রশাসনিক কর্মকান্ড পরিচালনার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে কেন্দ্রীয় সচিবালয়।
- কেন্দ্রীয় সচিবালয়ের সকল প্রশাসনিক ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রী।
- রাষ্ট্রপতির নামে রাষ্ট্রের সকল প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদের কার্যকরি প্রধান হিসেবে সকল কার্য পরিচালনা করে থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর অধীনে থাকেন মন্ত্রীগণ এবং মন্ত্রীদের অধীনে থাকেন রাষ্ট্রের স্থায়ী প্রশাসন অর্থাৎ সচিবগণ।
- সচিব হলেন বাংলাদেশের প্রশাসনিক ব্যবস্থার অরাজনৈতিক প্রশাসনিক প্রধান।
- এই সচিবদের অধীনে থাকেন অন্যান্য সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৯৬০.
বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি রাজশাহী শহরে অবস্থিত।

বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি:
- বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি রাজশাহী শহরে অবস্থিত।
- এটি জাতীয়ভাবে মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা ও পেশাগত দক্ষতার উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত একটি সরকারি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।
- স্বাধীনতার পরপরই এই একাডেমি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয় এবং ১৯৭৪ সালে এর প্রস্তাব চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮২ সালে পোস্টাল একাডেমি রাজশাহীতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে।
- পরবর্তীতে ১৯৮৬ সালে এটি বর্তমান রূপে পুনর্গঠিত ও পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- শুরু থেকে একাডেমি প্রায় ৬০০টি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালনা করেছে, যেখানে ছয় হাজারেরও বেশি প্রশিক্ষণার্থী অংশগ্রহণ করেছেন।
- প্রশিক্ষণগুলো পোস্টাল ব্যবস্থাপনা, মানব সম্পদ, আর্থিক ও জনসংযোগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কেন্দ্রীভূত।

সূত্র: বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি ওয়েবসাইট।

১৬,৯৬১.
Stop Genocide (স্টপ জেনোসাইড) প্রামাণ্যচিত্রটির নির্মাতা কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. আলমগীর কবীর
  3. জহির রায়হান
  4. তারেক মাসুদ
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
Stop Genocide:
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র Stop Genocide.
- Stop Genocide নির্মাণ করেন জহির রায়হান।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ সালের মে/জুন মাসে এটি প্রথম কলকাতায় প্রদর্শিত হয়।
- মূলত বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া স্টক ফুটেজ ও নিউজ রিলের ছবির ওপর নির্ভর করেই তৈরি হয় স্টপ জেনোসাইড। 
- একজন চলচ্চিত্র-নির্মাতা হিসেবে জহির রায়হান দুনিয়ার মানুষকে বাংলাদেশে চলতে থাকা গণহত্যার খবর জানান দেওয়ার এক বড় দায়িত্ব কাঁধে নেন। 
- বিভিন্ন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার প্রসঙ্গে লেনিনের একটি বক্তব্য দিয়ে শুরু হয় ছবিটি।
- ২০ মিনিটের এই ছবিতে বাংলাদেশের মানুষ আছে, এর প্রকৃতি আছে, আছে পাকিস্তানিদের অত্যাচার, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগের দৃশ্য। 

উল্লেখ্য,
- জহির রায়হান চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক।
- ১৯৩৫ সালে তিনি ফেনী জেলার মজিপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- ছাত্রজীবনেই তিনি লেখালেখিতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
- তাঁর লিখিত অন্যান্য বইগুলি হচ্ছে শেষ বিকেলের মেয়ে, হাজার বছর ধরে, আরেক ফাল্গুন, বরফ গলা নদী এবং আর কত দিন।
- তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র হলো: কাজল, কাঁচের দেয়াল, বেহুলা, জীবন থেকে নেয়া, আনোয়ারা, সঙ্গম এবং বাহানা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১৬,৯৬২.
মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন তারিখে বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়?
  1. ক) ২৫ মার্চ ১৯৭১
  2. খ) ২৬ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ঘ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধকালীন ১৪ ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকায় দুই শতেরও বেশি বুদ্ধিজীবীকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নেয়া হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১৬,৯৬৩.
হাজং সম্প্রদায় কোন এলাকায় বসবাস করে?
  1. ক) যশোর
  2. খ) রাজশাহী
  3. গ) পটুয়াখালী
  4. ঘ) নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
- হাজং জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস ময়মনসিংহ জেলায়। এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুর ও সিলেট জেলাতেও হাজংদের বসবাস রয়েছে।
- হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।
- তারা হিন্দু ধর্মাবলম্বী।
- সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- হাজং শব্দের অর্থ মাটির পোকা।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১৬,৯৬৪.
বিসিআইসি কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৬
  4. ১৯৭৯
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬
ব্যাখ্যা
বিসিআইসি ১৯৭৬ সালে গঠিত হয়।

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতি ২৭ নম্বর অধ্যাদেশের ১৯৭৬ সনের ২৫ নম্বর সংশোধনী বলে ৩টি কর্পেোরেশন যথা- বাংলাদেশ সার, রসায়ন ও ভেষজ শিল্প কর্পোরেশন, বাংলাদেশ কাগজ ও বোর্ড কর্পোরেশন, বাংলাদেশ ট্যানারীজ কর্পোরেশন একীভূত করে ১লা জুলাই, ১৯৭৬ইং তারিখে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সংস্থার চেয়ারম্যান এবং বোর্ড অব ডিরেক্টর্স এর পরিচালকবৃন্দ সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত।
- প্রধান নির্বাহী হিসাবে চেয়ারম্যানকে সংস্থাটি পরিচালনার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
- কর্পোরেশনের সার্বিক কার্যক্রম সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগকৃত একজন চেয়ারম্যান ও ৫ জন পরিচালক এর সমন্বয়ে গঠিত একটি বোর্ড অব ডিরেক্টরর্স এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

⇒ উত্তরাধীকার সূত্রে প্রাপ্ত ৮৮টি প্রতিষ্ঠান নিয়ে সংস্থার যাত্রা শুরু হয়।
- পরবর্তীতে ৬টি নতুন কারখানা সংস্থা কর্তৃক স্থাপিত হয় এবং ৩টি কারখানা অন্য সংস্থা হতে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রনাধীনে ন্যাস্ত হয়।
- সরকার বিরাষ্ট্রীয়করন নীতিমালা বাস্তবায়নের ফলে মোট ৯৭টি শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬৫টি প্রতিষ্ঠান হতে পূজি প্রত্যাহার করা হয়।
- ৭টি কারখানা প্রাক্তন মালিকের নিকট এবং ৭টি প্রতিষ্ঠান মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাষ্টের নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- ৫টি প্রতিষ্ঠান সরকারি সিদ্ধান্তক্রমে বন্ধ করে জনবল পে-অফ করা হয়েছে।
- সরকারের বিরাষ্ট্রীয়করণ নীতিমালার আওতায় ২০০২ সাল হতে ৮টি প্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণ বন্ধ আছে।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
১৬,৯৬৫.
বাঘা মসজিদ কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. পাবনা
  3. রাজশাহী
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বাঘা মসজিদ:
- বাঘা মসজিদ রাজশাহী শহরের বাঘা উপজেলায় অবস্থিত।
- একটি উঁচু টিলার উপর টেরাকোটা অলংকরণে সমৃদ্ধ দশ গম্বুজ বিশিষ্ট অতুলনীয় বাঘা মসজিদটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম মসজিদ গুলির অন্যতম।
- বাংলার (গৌড়) সুলতান নশরত শাহের আমলে ১৫২৩ খৃষ্টাব্দে মসজিদটি নির্মাণ করা হয়।
- মসজিদ চত্ত্বরের পার্শ্বেই রয়েছে একাধিক পীর আউলিয়াগনের মাজার।
- মসজিদটি ২৫৬ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। সমভুমি থেকে থেকে ৮-১০ ফুট উঁচু করে মসজিদের আঙিনা তৈরি করা হয়েছে।
- মসজিদটিতে সর্বমোট ১০টি গম্বুজ, ৪টি মিনার (যার শীর্ষদেশ গম্বুজাকৃতির) এবং ৫টি প্রবেশদ্বার রয়েছে।
- এই মসজিদটি চারদিক হতে প্রাচীর দিয়ে ঘেরা এবং প্রাচীরের দু’দিকে দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। মসজিদের ভিতরে-বাইরে সবর্ত্রই টেরাকোটার নকশা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - রাজশাহী জেলা ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১৬,৯৬৬.
বঙ্গভঙ্গ রদ হয় কত সালে?
  1. ১৯১৬ সালে
  2. ১৯১১ সালে
  3. ১৯০৫ সালে
  4. ১৮১১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১১ সালে
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ রদ:
- বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা ১৯১০ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ ভারতের নতুন ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- তিনি বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অসন্তোষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা লক্ষ্য করে বঙ্গভঙ্গ রদের বিষয়ে গোপন তৎপরতা শুরু করেন।
- ব্রিটেনের সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের পক্ষে মত দেন।
- ১৯১১ সালে সম্রাট পঞ্চম জর্জ ও রাণি মেরী ভারত সফরে আসেন।
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে বঙ্গভঙ্গ রদের কথা ঘোষণা করেন।
- এবং পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে পুনরায় এক করেন।
- এই সফরে সম্রাট পঞ্চম জর্জ আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ফলে কার্জনের বাংলা বিভক্তির ব্যবস্থা বাতিল হয়।
- ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, প্রেসিডেন্সি ও বর্ধমানের পাঁচটি বাংলা ভাষাভাষী বিভাগ নিয়ে বাংলা প্রদেশ পুনর্গঠন করা হয়।
- ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা হতে দিল্লিতে স্থানান্তর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬,৯৬৭.
দ্বৈত শাসনের প্রবর্তক কে?
  1. লর্ড লিটন
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. লর্ড রিপন
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
দ্বৈত শাসন:
- রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন প্রবর্তন করে।
- রবার্ট ক্লাইভ দেওয়ানি সনদের নামে বাংলার সম্পদ লুণ্ঠনের একচেটিয়া ক্ষমতা লাভ করে।
- দিল্লি কর্তৃক বিদেশি বণিক কোম্পানিকে এই অভাবিত ক্ষমতা প্রদানে সৃষ্টি হয় দ্বৈত শাসনের।
- অর্থাৎ যাতে করে কোম্পানি লাভ করে দায়িত্বহীন ক্ষমতা, নবাব পরিণত হন ক্ষমতাহীন শাসকে।
- অথচ নবাবের দায়িত্ব থেকে যায় ষোলআনা। ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়।
- সারাদেশে শুরু হয় সীমাহীন বিশৃঙ্খলা।
- ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৯৬৮.
২০১০ সালের ব্রিটেনের 'নাইট' উপাধি পান-
  1. ক) ফজলে হাসান আবেদ
  2. খ) ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম
  3. গ) এম আর খান
  4. ঘ) বিচারপতি সৈয়দ শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
ক) ফজলে হাসান আবেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা
স্যার ফজলে হাসান আবেদ ১৯৭২ সালে ব্র্যাক এনজিও প্রতিষ্ঠা করেন যা বর্তমান বিশ্বের সর্ববৃহৎ এনজিও। ২০১০ সালে তিনি ব্রিটেনের নাইটহুড উপাধি ও ২০১৯ সালে ইদান পুরস্কার লাভ করেন। সূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো
১৬,৯৬৯.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. অধ্যাপক আবুল কাশেম
  3. ফয়েজ উল্লাহ
  4. অধ্যাপক মনসুর আহমদ
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাসান হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সম্পাদনা - “একুশে ফেব্রুয়ারি”।
- এটি ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৬ সালে স্কুলে পড়া অবস্থায় তাঁর প্রথম রচনা একটি ছোটগল্প ‘অশ্রুভেজা পথ চলতে’ সওগাত পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- পরে ১৯৪৯ সালে সোনার বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কবিতা।
- এ বছর তিনি ‘ঢাকা প্রগতি লেখক ও শিল্পী সঙ্ঘ’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে তিনি সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন এবং এ বছরই তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘অমর একুশে’ রচিত হয়।
- ১৯৫৩ সালে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় ভাষা আন্দোলনের ওপর প্রথম সংকলন গ্রন্থ একুশে ফেব্রুয়ারী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৯৭০.
নিম্নের কোনটি উন্নত জাতের বেগুন?
  1. নয়নতারা
  2. হীরা
  3. কার্ডিনাল
  4. কাঞ্চন
সঠিক উত্তর:
নয়নতারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নয়নতারা
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের বেগুন: শুকতারা, নয়নতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, কাজলা, বিজয়, মুক্তকেশী, ঝুমকো।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী ও আকবর।
• উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৬,৯৭১.
বাংলাদেশের প্রধান দানাজাতীয় ফসল -
  1. ক) ভুট্টা
  2. খ) যব
  3. গ) ধান
  4. ঘ) গম
সঠিক উত্তর:
গ) ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ধান
ব্যাখ্যা
ধান বাংলাদেশের প্রধান দানাজাতীয় ফসল এবং প্রধান খাদ্য। 
- বিশ্বের প্রায় অর্ধেক মানুষের প্রধান খাদ্য ভাত। 
- বিশ্বের প্রধান প্রধান ধান উৎপাদনকারী দেশ হলো চীন, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশ। 
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯২ শতাংশ ধান এশিয়ার এ দেশগুলোতে উৎপন্ন হয়। 
- বাংলাদেশের মাটি, আবহাওয়া, জলবায়ু সব কিছুই ধান চাষের উপযোগী। 
- চাষাবাদের মৌসুম অনুযায়ী ধানের চাষ তিন ভাগে ভাগ করা হয়।
যেমন-
১. আউশ ধান (Aus rice): খরিপ ১ মৌসুমে এ ধান মার্চ থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত চাষ করা হয়।
২. আমন ধান (Aman rice): খরিপ ২ মৌসুমে জুন থেকে ডিসেম্বর মাসে পর্যন্ত চাষ করা হয় ।
৩. বোরো ধান (Boro rice): রবি মৌসুমে নভেম্বর থেকে মে মাসে এ ধান চাষ করা হয়।

সূত্র: কৃষি শিক্ষা ১ম পত্র, ওপেন স্কুল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৯৭২.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ কোনটি?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জার্মানি
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- দেশভিত্তিক রপ্তানি উপাত্তে দেখা যায় যে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- আলোচ্য সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে যথাক্রমে ৮,৬৯২.৮০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৫,২৯৪.৪৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে।
- যা দেশের মোট রপ্তানির যথাক্রমে ১৮.০০ শতাংশ এবং ১০.৯৬ শতাংশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানিকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলোঃ তৈরি পোশাক, নীটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালী বস্ত্র ইত্যাদি।
- দেশভিত্তিক পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য (৯.৫৭%), ফ্রান্স (৫.০০%) ও নেদারল্যান্ড (৪.৮৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১৬,৯৭৩.
বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি -
  1. ক) মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন
  2. খ) এডভোকেট আব্দুল হামিদ
  3. গ) হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী
  4. ঘ) এফ.কে.এম.এ মুনিম
সঠিক উত্তর:
ক) মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
• বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. সাহাবুদ্দিন৷
•  মো. আবদুল হামিদের উত্তরসূরি হিসেবে তিনি হবেন বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি।

মহামান্য রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন সর্ম্পকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য :
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মো. সাহাবুদ্দিনকে নির্বাচিত ঘোষণা করে নাম ঠিকানাসহ প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন৷
• দুদকের সাবেক কমিশনার মো. সাহাবুদ্দিন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য৷
• ১৯৪৯ সালে পাবনায় জন্মগ্রহণ করা মো. সাহাবুদ্দিন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা৷
• ২০০৬ সালে তিনি জেলা ও দায়রা জজ হিসেবে অবসরে যান৷
•  ব্যক্তিজীবনে তিনি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু নামেই বেশি পরিচিত৷
• ১৯৭১ সালে পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন তিনি, মুক্তিযুদ্ধেও সক্রিয়ভাবে অংশ নেন৷
• তিনি ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল দুদকের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন৷ 

উৎস: বাংলাদেশে ডয়চে ভেলের কনটেন্ট ।
১৬,৯৭৪.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয় কয় বার?
  1. ক) ১ বার
  2. খ) ২ বার
  3. গ) ৩ বার
  4. ঘ) ৪ বার
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ বার
ব্যাখ্যা
ইনডেমনিটি হলো কোন বিচারকার্যকে বাধা প্রধান সংক্রান্ত অধ্যাদেশ বা আইন।
- কোনো অভিযান বা অভ্যুত্থানের ক্ষয়ক্ষতি আদালতের বহির্ভূত রাখার জন্য আইনসভা যে বিল পাস করে তাকেই ইনডেমনিটি বিল বলে। - বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৩ বার ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ: ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার সাথে জড়িতদের দায়মুক্তি করে ২৬ সেপ্টেম্বর ১৯৭৫ সালে প্রথম ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমদ ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেন।

দ্বিতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ: ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ নভেম্বর পর্যন্ত এরশাদ সরকারের জারিকৃত সকল প্রকার সামরিক আইন অধ্যাদেশ,বিধি-নির্দেশ ইত্যাদিকে ও বৈধতাদানের উদ্দেশ্য ২য ইনডেমিনিটি বিলটি' ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হয় এবং সংবিধানের সপ্তম সংশোধনীতে এটি অন্তর্ভুক্ত' করা হয়।

• তৃতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ: ২০০২ সালের অপারেশন ক্লিন হার্টের বৈধতা প্রদান করার জন্য ২০০৩ ক. সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তৃতীয় ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৬,৯৭৫.
প্রথম কোন যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়?
  1. মুহাম্মদ কামারুজ্জামান
  2. মতিউর রহমান নিজামী
  3. কাদের মোল্লা
  4. গোলাম আযম
সঠিক উত্তর:
কাদের মোল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাদের মোল্লা
ব্যাখ্যা
যুদ্ধাপরাধের বিচার প্রক্রিয়া:

- একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরপরই শুরু হয়েছিল যুদ্ধের সময় খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও নির্যাতনকারী তথা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া।
- এ বিচারে ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ডসহ ৭৫২ জনের সাজাও হয়েছিল।
- ১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তন এবং তার পর দালাল আইন বাতিল হওয়ায় তাদের অধিকাংশই রেহাই পেয়ে যায়।
- স্বাধীনতার ৪২ বছর পর একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালের ডিসেম্বরে জামায়াত নেতা কাদের মোল্লাকে ফাঁসিতে ঝুলানোর মধ্য দিয়ে প্রথম কোনো যুদ্ধাপরাধীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলো।

তথ্যসূত্র - কালের কন্ঠ, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৩।
১৬,৯৭৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ” বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ৫
  3. অনুচ্ছেদ ৭
  4. অনুচ্ছেদ ৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৭
ব্যাখ্যা
- সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- সংবিধানে জনগণকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে বলা হয় রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ।
- সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদে “রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ” বলা হয়েছে। 

অনুচ্ছেদ ৭৷ সংবিধানের প্রাধান্য:
৭৷ (১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷ 
 ৭৷ (২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তাহলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে৷

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের সংবিধান। 
১৬,৯৭৭.
স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রােগ্রাম (এসইআইপি) কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
- সরকার জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০১০ এবং জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতি ২০১১ এর বাস্তবায়নের মাধ্যমে টিভেট পদ্ধতির উন্নতি বিধানে প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছে।
- এই নীতিগুলাে টেকনিক্যাল ও ভােকেশনাল শিক্ষা কর্মসূচিসমূহের প্রসার, বহুমূখীকরণ, সম্প্রসারণ ও উন্নয়নে জোর দেবে।
- জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন নীতির অধীন জাতীয়ভাবে স্বীকৃত যােগ্যতা গুণগতমান সংগতি রক্ষার্থে জাতীয় টেকনিক্যাল ও ভােকেশনাল যােগ্যতা কাঠামাে (NTVQF) প্রণয়ন করা হয়েছে।
- আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলাে এডিবি (ADB) ও সরকারের আর্থিক সহযােগিতায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন স্কিল ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রােগ্রাম (এসইআইপি)।
- বেসিস, বিটিএমএ, বিজিএমইএ, এইওএসআইবি (AEOSIB) এবং অন্যান্যরা কারিগরি প্রশিক্ষণের সাথে বৈশ্বিকভাবে স্বীকৃত দক্ষতা সনদ প্রদানের জন্য এর সাথে সংযুক্ত রয়েছে।
- কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ একটি সমন্বিত টিভেট উন্নয়ন কর্ম পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে, যাতে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের জন্য টিভেট কর্মকাণ্ড উৎসাহিত করা যায়।
উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
১৬,৯৭৮.
FIR এর পূর্ণরূপ হলো -
  1. ক) First Information Report
  2. খ) First Information Resource
  3. গ) Firstly Important Report
  4. ঘ) First Insurance Report
সঠিক উত্তর:
ক) First Information Report
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) First Information Report
ব্যাখ্যা
• FIR- First Information Report বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী যা এজাহার নামে পরিচিত পেনাল কোডের ১৫৫ ও ১৫৪ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধের বিষয়ে থানায় রিপোর্ট করাকে FIR বলে।
• চার্জসিট - এটি একধরনের অভিযোগপত্র। থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কোন অপরাধীর অপরাধ তদন্ত ক...
• PP Public Prosecutor যার মাধ্যমে সমস্ত ক্রিমিনাল মামলা কোর্টে যায়।
• প্যারোল নির্বাহী আদেশে মুক্তি ।
• Amicus Curiae আদালতের বন্ধু
• ৫৪ ধারা বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ কর্তৃক গ্রেফতার করার ক্ষমতা।
• ১৪৪ ধারা মানুষের চলাচল, আচরণ অর্থাৎ মৌলিক কর্মকাণ্ডের উপর নিষেধাজ্ঞা ।
• ১৫৪ ধারা ফৌজদারি কার্যবিধি ধারা।
• ১৬৪ ধারা এই ধারায় জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।
• ১৭৩ ধারা এই ধারায় চার্জশিট দাখিল করা হয়।
• ৪২০ ধারা বাংলাদেশ পেনাল কোডের একটি ধারা যেখানে প্রতারণার জন্য শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস:- লজ অব বাংলাদেশ।
১৬,৯৭৯.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় শেখ মুজিবকে কবে অভিযুক্ত করা হয়?
  1. ক) ১৯৬৭ সালের ১৬ জানুয়ারি
  2. খ) ১৯৬৭ সালের ২৪ জানুয়ারি
  3. গ) ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি
  4. ঘ) ১৯৬৮ সালের ২৫ জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি এক প্রেসনোটে ঘোষণা করে যে, সরকার ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী এক চক্রান্ত উদ্ঘাটন করেছে।
এ ঘোষণায় ২ জন সিএসপি অফিসারসহ ৮ জনের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ পায়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা ভারতীয় সহায়তায় এক সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে কেন্দ্র থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রয়াসে লিপ্ত ছিল।
স্বরাষ্ট্র দফতর ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি অপর এক ঘোষণায় শেখ মুজিবুর রহমানকেও এ ষড়যন্ত্রে অভিযুক্ত করে।
তখন এই মামলার নাম হয়- ‘রাষ্ট্রদ্রোহ বনাম শেখ মুজিব ও অন্যান্য’। বঙ্গবন্ধুসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামী সংখ্যা ছিল ৩৫ জন।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলাঃ
১৯৬৮ সালের জানুয়ারিতে শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে আইয়ুব খানের সরকার রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করে।
সরকারি নথিতে এই মামলার নাম ছিলো ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য’।
- ১৯৬৮ সালের ৬ জানুয়ারি এক প্রেসনোটে ঘোষণা করে যে, সরকার ১৯৬৭ সালের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তানের জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী এক চক্রান্ত উদ্ঘাটন করেছে।
এ ঘোষণায় ২ জন সিএসপি অফিসারসহ ৮ জনের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ পায়। এতে অভিযোগ করা হয় যে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিরা ভারতীয় সহায়তায় এক সশস্ত্র অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তানকে কেন্দ্র থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রয়াসে লিপ্ত ছিল।
- স্বরাষ্ট্র দফতর ১৯৬৮ সালের ১৮ জানুয়ারি অপর এক ঘোষণায় শেখ মুজিবুর রহমানকেও এ ষড়যন্ত্রে অভিযুক্ত করে।
- এ মামলায় বঙ্গবন্ধুসহ অভিযুক্ত ছিলেন ৩৫ জন।
- ঢাকা সেনানিবাসে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে এই মামলার বিচার কার্য শুরু হয় ১৯৬৮ সালের ১৯শে জুন।
- গণআন্দোলনের মুখে আইয়ুব সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৯৮০.
কত সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়?
  1. ২০০৭ সালে
  2. ২০০৮ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৬,৯৮১.
'রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২২' অর্জন করেন কে?
  1. ক) ড. আতিউর রহমান
  2. খ) শেখ হাসিনা
  3. গ) অধ্যাপক সিদ্দিকা মাহমুদা
  4. ঘ) আবু আব্দুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক সিদ্দিকা মাহমুদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক সিদ্দিকা মাহমুদা
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২১ - এ ভূষিত হয়েছেন বিশিষ্ট রবীন্দ্র-গবেষক এবং অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আতিউর রহমান।
রবীন্দ্র-গবেষণা এবং রবীন্দ্রসংগীত চর্চায় জীবনব্যাপী অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি ২০১০ সাল থেকে ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ প্রবর্তন করে। ড. আতিউর রহমানের গবেষণা থেকে আমরা রবীন্দ্রনাথের আর্থসামাজিক ভাবনা এবং মানব-হিতৈষণা সম্পর্কে বিশদ ধারণা লাভ করি। 

• রবীন্দ্র-গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট গবেষক অধ্যাপক সিদ্দিকা মাহমুদাকে বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২২ প্রদান করা হয়েছে।
রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে অধ্যাপক সিদ্দিকা মাহমুদার রচিত উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধসমূহ হল- 
- রবীন্দ্রনাথের গদ্যকবিতা : চেতনা ও চিত্রকল্প,
- রবীন্দ্রকাব্যে চেতনা ও চিত্রকল্প,
- পুনশ্চ-সীমার মাঝে অসীম,
- রবীন্দ্রনাথের গদ্যকবিতা : প্রতীক প্রসঙ্গ,
- রবীন্দ্রনাথের শিক্ষাচিন্তা,
- রবীন্দ্রদৃষ্টিতে আধুনিক সভ্যতা,
- চল্লিশ দশকের কবি রবীন্দ্রনাথ,
- আকাশপ্রদীপ-এর রবীন্দ্রনাথ,
- রবীন্দ্রনাথের ব্যাকরণ-ভাবনা,
- জন্মদিনের কবিতাগুচ্ছে রবীন্দ্রনাথ।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, মে-জুন ২০২২
১৬,৯৮২.
With the establishment of the Rooppur nuclear power plant, what is the position of Bangladesh as nuclear power-using country?
  1. 33rd
  2. 51th
  3. 57th
  4. 81th
সঠিক উত্তর:
33rd
উত্তর
সঠিক উত্তর:
33rd
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক নিউক্লিয়ার ক্লাবের ৩৩তম সদস্য:
- পাবনা জেলায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ব নিউক্লিয়ার ক্লাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিদ্যুৎকেন্দ্রের শুভ উদ্বোধন করেন।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ বিশ্বে ৩৩তম দেশ হিসেবে নিউক্লিয়ার ক্লাবের সদস্য হয়েছে।
- ঠিকাদার হিসেবে রাশান ফেডারেশনের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নিমার্ণকারী প্রতিষ্ঠান এটমস্ট্রয়এক্সপোর্টের সাথে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সম্পাদিত General Contract-এর আওতায় বর্তমানে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ইকুইপমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের কাজ চলছে।
- বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিউক্লিয়ার রিঅ্যাক্টর ভেসেলের Molten Core Catcher রূপপুর এসে পৌঁছেছে।
- আশা করা যায় যে, ২০২৩ সালের মধ্যে এ বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।

উৎস: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৬,৯৮৩.
In which Indians state "Bharat Bangla Maitri Uddan" is located?
  1. ক) Tripura
  2. খ) West Bengal
  3. গ) Assam
  4. ঘ) Meghalaya
সঠিক উত্তর:
ক) Tripura
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Tripura
ব্যাখ্যা
ভারত বাংলা মৈত্রী উদ্যান:

- ভারত বাংলা মৈত্রী উদ্যান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় চোত্থাখোলায় মুক্তিযোদ্ধাদের অস্থায়ী ছাউনি ছিল। সেই স্মৃতি ধরে রাখতে ২০০৯ সালে স্থানীয় বিধায়ক সুধন দাস ওই স্থানকে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি পার্ক নাম দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ উৎসব শুরু করেন। পরবর্তী সময় ওই স্থানের নামকরণ করা হয় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী উদ্যান।
- ২০১০ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি এই পার্কের শিলান্যাস করেন।
- রাজ্য সরকারের উদ্যোগে ২০ হেক্টর জমির ওপর গড়ে উঠেছে আন্তর্জাতিক মানের এই পার্ক।
- এখানে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বিশাল ভাস্কর্যসহ মুক্তিযুদ্ধের একাধিক ম্যুরাল রয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২ ডিসেম্বর ২০১৭।
১৬,৯৮৪.
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুযায়ী, সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি হয়েছে কোন খাতে?
  1. ম্যানুফ্যাকচারিং
  2. নির্মাণ
  3. স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
  4. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত
সঠিক উত্তর:
স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা
ব্যাখ্যা
সার্বিকভাবে ১৫টি খাতের মধ্যে অর্থনীতিতে/জিডিপিতে অবদান রাখা খাতগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি – ‘স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা’ খাতের; হার - ৯.৯৪%
এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি – ‘নির্মাণ’ খাতের; হার - ৮.৬৮%।
সার্বিকভাবে ১৫টি খাতের মধ্যে অর্থনীতিতে/জিডিপিতে অবদান রাখা খাতগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ অবদান – ‘ম্যানুফ্যাকচারিং’ খাতের;  এবং দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবদান – ‘পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য, যানবাহন ও মেরামত’ খাতের; ৩৮৭,৬০৬ কোটি টাকা (১৪.০৮%)।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
১৬,৯৮৫.
ঘূর্ণীঝড় ফণী বাংলাদেশে আঘাত হানে কবে?
  1. ক) ৮ মার্চ ২০১৯
  2. খ) ১১ এপ্রিল ২০১৯
  3. গ) ৩ মে ২০১৯
  4. ঘ) ২৭ অক্টোবর ২০১৯
  5. ঙ) ৯ নভেম্বর ২০১৯
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ মে ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩ মে ২০১৯
ব্যাখ্যা
২০১৯ সালের ২ মে ভারতে আঘাত হানার পর ৩ মে বাংলাদেশে আঘাত হানে ঘূর্ণীঝড় ফণী। এতে বাংলাদেশে ১৬ জন ও ভারতে ৩৩ জন মারা যায়। ঘূর্ণীঝড়টির নামকরণ ফণী করে বাংলাদেশ। (সূত্রঃ বিবিসি)
১৬,৯৮৬.
বাংলাদেশের রপ্তানী পণ্যর সর্ব বৃহৎ বাজার- [নভেম্বর,২০২৫]
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জার্মানি
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

রপ্তানি (২০২৪-২৫):
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে যুক্তরাষ্ট্রে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জার্মানি
- তৃতীয় সর্বোচ্চ- যুক্তরাজ্য।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ - স্পেন।

এছাড়াও,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

উৎস: বানিজ্য মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১৬,৯৮৭.
সংবিধানের কোন সংশোধনী ২০০৫ সালে হাইকোর্টের রায়ে অবৈধ ঘোষণা করা হয়?
  1. চতুর্থ
  2. পঞ্চম
  3. ষষ্ঠ
  4. সপ্তম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
ব্যাখ্যা
পঞ্চম সংশোধনী:
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সংবিধান কার্যকরী হওয়ার পর ১৯৭৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির চারটি মূল স্তম্ভে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। 
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যাকান্ডের ধারাবাহিকতায় ক্ষমতা দখল করেন জিয়াউর রহমান। 
- এই সামরিক শাসক ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের চারটি মূল স্তম্ভের তিনটিতে পরিবর্তন আনেন।
- সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ২৯ আগস্ট, ২০০৫ সালে সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী অবৈধ ঘোষণা করে। 
- পরবর্তীতে আপিল বিভাগ ২ ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সালে হাইকোর্ট বিভাগের রায় বহাল রাখে। 

এছাড়া,
- চতুর্থ সংশোধনী বাকশাল গঠন,
- ষষ্ঠ সংশোধনী উপরাষ্ট্রপতির পদে থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন এবং
- সপ্তম সংশোধনী সামরিক শাসনের বৈধতা সংক্রান্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৯৮৮.
মুজিবনগর দিবস কবে পালন করা হয়?
  1. ১৫ ডিসেম্বর
  2. ১৪ ডিসেম্বর
  3. ১৫ আগষ্ট
  4. ১৭ এপ্রিল
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর দিবস পালন করা হয় ১৭ এপ্রিল।

মুজিবনগর সরকার গঠন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল ও মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়।
- ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশের জন্য এই দিনটির তাৎপর্য অপরিসীম, কেননা এই দিনেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- এদিন (১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল) কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার ভবেরপাড়া গ্রামের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি 'মুজিবনগর সরকার' নামেই সমধিক পরিচিত এবং মুজিব নগর সরকারের নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১০ এপ্রিল দেশের 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ' নামকরণ করে বঙ্গবন্ধুর অন্যতম সহযোগী আওয়ামী লীগ নেতা তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে মন্ত্রীসভা ঘোষণা করা হয়।
- উল্লেখ্য, মেহেরপুর মহকুমা পরবর্তীতে জেলা হিসাবে উন্নীত হয় এবং বৈদ্যনাথতলার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়- মুজিবনগর।
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে মুজিবনগর ছিলো স্বাধীন দেশের অস্থায়ী রাজধানী এবং সচিবালয়/সদরদপ্তর ছিলো- কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোড।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, DMP ও তথ্য অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১৬,৯৮৯.
কোন প্রতিষ্ঠান ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ক) EU
  2. খ) UNICEF
  3. গ) UNHCR
  4. ঘ) UNESCO
সঠিক উত্তর:
ঘ) UNESCO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) UNESCO
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান এবং সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর তার ৩০তম সাধারণ সভায় ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
এতে ২০০০ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
উৎসঃ ইউনেস্কো ওয়েসাইট।

১৬,৯৯০.
কয়টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে DAC(Democratic Action Committee) গঠিত হয়?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৬টি
  4. ঘ) ৯টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮টি
ব্যাখ্যা

- দেশ বিভাগের পর থেকে রাজনৈতিক সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় ও অর্থনৈতিক প্রভৃতি ক্ষেত্রে বাঙালিরা দারুণ বৈষম্যের শিকার হয়।
- বাঙালির মনে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভের সঞ্চার হতে থাকে।
- এটিতে জ্বালানীর কাজ করে ছয়দফা ভিত্তিক আন্দোলন এবং প্রহসনমূলক আগরতলা মামলা।
- উল্লেখ্য যে আগরতলা মামলার আসামিদের মুক্তির আন্দোলন এক পর্যায় আইয়ূব খান সরকারের উৎখাত আন্দোলনে রূপ নেয়।
- বাঙালির এই আন্দোলনকে আরো বেগবান করতে পূর্ব পাকিস্তানের ৮ টি বিরোধী রাজনৈতিক দল একত্রিত হয়ে ‘গণতান্ত্রিক সংগ্রাম কমিটি' (Democratic Action Committee) সংক্ষেপে DAC নামে একটি ঐক্যজোট গঠন করা হয়।
- পরবর্তীতে ছাত্রদের এগারো দফা আন্দোলন এটির সাথে একাত্ম হলে আন্দোলন দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলে ।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, ওপেন স্কুল; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৯৯১.
সেনাবাহিনী কবে প্রথম বাংলাদেশের ক্ষমতা দখল করে?
  1. ক) ১৯ জুলাই, ১৯৭৭
  2. খ) ১০ জুন, ১৯৭৮
  3. গ) ২৫ জানুয়ারি, ১৯৭৫
  4. ঘ) ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দেড় দশক কাল বাংলাদেশে সামরিক শাসন চলেছিল। এ সামরিক শাসন ছিল কখনো
প্রত্যক্ষ কখনো পরোক্ষ।
• সামরিক শাসন কালে সংবিধান, আইনের শাসন, বিচার বিভাগ, ব্যক্তি ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, অর্থনীতি সকল ক্ষেত্রেই সামরিক বাহিনীর প্রাধান্য প্রতিষ্ঠিত হয়। একে সহায়তা করেছে বেসামরিক আমলাতন্ত্র এবং দুর্নীতিপরায়ণ রাজনীতিক চক্র। সামরিকীকরণ প্রক্রিয়ার ফলে বেসামরিক রাজনৈতিক কতৃর্ত্বে রাষ্ট্র পরিচালনা সম্ভব হয়নি।
১৯৭৫ সালে ১৫ আগস্ট প্রথম সামরিক সরকারের শুরু থেকেই সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় কতৃর্ত্বসহ সরকার ও প্রশাসনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সামরিকায়নের সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়া শুরু হয়। জেনারেল এরশাদের আমলে এ প্রক্রিয়া প্রাতিষ্ঠানিক রূপ লাভ করে। 

তথ্যসূত্র:- রাষ্ট্রবিজ্ঞান, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৯৯২.
In which year was the elderly allowance introduced in Bangladesh?
  1. ক) 1995
  2. খ) 1996
  3. গ) 1997
  4. ঘ) 1998
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1998
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) 1998
ব্যাখ্যা
-- বাংলাদেশে বায়োজেষ্ঠ্য ও দুঃস্থ উপার্জনে অক্ষম জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচী প্রবর্তন করা হয়। 
-- এর কার্যক্রম শুরু হয়- এপ্রিল ১৯৯৮ সালে।


তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৯৯৩.
বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা কয়টি?
  1. ৩০টি
  2. ৩১টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৩টি
সঠিক উত্তর:
৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে। যথা:
• ভারত ও
• মিয়ানমার।
- বাংলাদেশের মোট সীমান্তবর্তী জেলা: ৩২টি।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩০টি।
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা: ৩টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,৯৯৪.
বাংলাদেশের কোন গ্যাসক্ষেত্রটি সর্বপ্রথম আবিষ্কৃত হয়?
  1. ক) বাখরাবাদ
  2. খ) সাঙ্গু ভেলী
  3. গ) সালদা
  4. ঘ) হরিপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হরিপুর
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- এটি ১৯৬২ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পাকিস্তান শেল অয়েল কোম্পানি কর্তৃক আবিস্কৃত হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা-১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১৬,৯৯৫.
বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তক কে?
  1. হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ
  2. জেনারেল জিয়াউর রহমান
  3. সাত্তার খান
  4. মোহাম্মদ উল্ল্যা
সঠিক উত্তর:
হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ
ব্যাখ্যা
উপজেলা ব্যবস্থার প্রবর্তক হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ।

উপজেলা ব্যবস্থা:
- উপজেলা পরিষদ  জেনারেল এরশাদের সামরিক সরকার (১৯৮২-১৯৯০) কর্তৃক সংস্কার ও পুনর্গঠন কমিটির সুপারিশমালা থেকে উপজেলা পরিষদের ঐতিহাসিক পটভূমি রচিত।
- ১৯৮২ সালে উপজেলা পরিষদ আইন পাস হওয়ার পর বাংলাদেশে উপজেলা ব্যবস্থা চালু হয়।
- ১৯৮৫ সালে উপজেলা পরিষদ প্রথমবারের মতো নির্বাচিত হয়।
- উপজেলা প্রশাসন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, সড়ক নির্মাণ, এবং সরকারি অন্যান্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।
- ইউএনও উপজেলার আইনশৃঙ্খলা, প্রশাসনিক কার্যক্রম, এবং সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করে থাকেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ শাসন ব্যবস্থার ধরণ সংসদীয়।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্র মর্যাদার অধিকারী: রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৯৯৬.
দেশের মোট রপ্তানি আয়ে পাট ও পাটজাত পণ্যের অবস্থান কততম?
  1. ক) দ্বিতীয়
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) চতুর্থ
  4. ঘ) পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের মোট পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ৩৩.৬৭৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
রপ্তানি আয়ের দিক থেকে তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলো পাট ও পাটজাত পণ্য ৮৮২.৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি লক্ষ্যমাত্রার (৮২৪ মি. মা. ডলার) চেয়ে ৭.০৮ ভাগ বেশি।
রপ্তানি আয়ে শীর্ষ ছিলো তৈরি পোশাক (২৭.৯৫ বিলিয়ন মা. ডলার)।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১৬,৯৯৭.
বাংলাদেশের শিক্ষার কোন স্তরের সাথে PEDP-4 এর সম্পর্ক রয়েছে?
  1. প্রাথমিক শিক্ষা
  2. মাধ্যমিক শিক্ষা
  3. উচ্চ শিক্ষা
  4. ভিত্তিমূলক শিক্ষা
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক শিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক শিক্ষা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের শিক্ষার প্রাথমিক শিক্ষা স্তরের সাথে PEDP-4 এর সম্পর্ক রয়েছে। 

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (পিইডিপি-৪)

- প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচি (PEDP-4) হলো জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২৫ (শুরুতে ২০২৩ সালে মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিলো) পর্যন্ত মেয়াদে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প, এর প্রাক্কলিত ব্যয় ৩৮,২৯১.৪৯ কোটি টাকা। প্রকল্পটি চার বছর নয় মাসে মোট বরাদ্দের ৪৯.৪ শতাংশ অর্থ ব্যয় করতে সক্ষম হয়েছে, যা প্রায় ১৮,৫৩৭.০৬ কোটি টাকা। প্রকল্পের আওতায় দেশের ২৪,৫৮৯টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১,০৯,৯৮১টি শ্রেণিকক্ষ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে, যার মধ্যে ৭৫,৪০৪টি নির্মাণ শেষ এবং ১৯,৯৫২টির কাজ চলমান। 

সূত্র: দৈনিক যুগান্তর। 

১৬,৯৯৮.
মাতারবাড়ি গভীর সমুদ্রবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) চট্টগ্রাম
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) পটুয়াখালি
সঠিক উত্তর:
ক) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের ৩ টি সমুদ্রবন্দর হচ্ছে চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা।
- চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ১৮৮৭ সালে এবং মংলা সমুদ্রবন্দর ১৯৫০ সালে স্থাপিত হয়।
- পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় দেশের তৃতীয় পায়রা সমুদ্রবন্দরের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ১৯ নভেম্বর, ২০১৩ তারিখে।
- মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর হলো বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলায়, মাতারবাড়ি এলাকার প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর।
- কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আনা কয়লাবাহী জাহাজ ভেড়ানো জেটিকে সম্প্রসারণ করে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বন্দর হিসাবে নির্মাণ করা হবে।
- জাইকার অর্থায়নে সেই প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে গিয়ে বঙ্গোপসাগর থেকে মাতারবাড়ি পর্যন্ত ১৪.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ, ১৬ মিটার ড্রাফট (গভীরতা) এবং ২৫০ মিটার চওড়া চ্যানেল নির্মাণ হয়।
- মাতারবাড়িত গভীর সমুদ্রবন্দর চালু হবে ২০২৬ সালের মধ্যভাগে।
- সেই বন্দর থেকে প্রাথমিকভাবে দিনে গড়ে ৪ হাজার পণ্যবাহী গাড়ি চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে যাবে।

উৎস: কালের কন্ঠ।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।
১৬,৯৯৯.
২০২৪ সালে রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন -
  1. লাইসা আহমদ
  2. শীলা মোমেন
  3. রাজিয়া সুলতানা
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
লাইসা আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইসা আহমদ
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২০১০ সাল থেকে রবীন্দ্র পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- রবীন্দ্রসাহিত্যের গবেষণা ও সমালোচনা এবং রবীন্দ্রসংগীতের আজীবন সাধনার স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিবছর দুই বা তিনজনকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
- এ পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার টাকা।

- ২০২৪ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’ পেয়েছেন অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরী ও শিল্পী লাইসা আহমদ।
- কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাঁদের এ সম্মাননায় ভূষিত করা হয়।
- বাংলা একাডেমি রবীন্দ্র-সাহিত্যের গবেষণায় অবদানের জন্য অধ্যাপক ভীষ্মদেব চৌধুরীকে এবং রবীন্দ্রসংগীত-চর্চায় অবদানের জন্য অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসাকে রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৪-এ ভূষিত করেছে।

অন্যদিকে,
⇒ রবীন্দ্র গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশিষ্ট শিল্পী শীলা মোমেনকে বাংলা একাডেমি প্রবর্তিত রবীন্দ্র পুরস্কার ২০২৩ দেওয়া হয়।
- ২০২৪ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন অধ্যাপক রাজিয়া সুলতানা।
 
উল্লেখ্য,
- রবীন্দ্র পুরস্কার বা রবীন্দ্র স্মৃতি পুরস্কার নামে পশ্চিমবঙ্গেও একটি পুরস্কারের প্রচলন আছে।
- এটি সেখানকার সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার।
- পশ্চিমবঙ্গ সরকার ১৯৫০ সালে এই পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- পুরস্কারটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে নামকরণ করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১৭,০০০.
সম্প্রতি 'মানাসলু' পর্বত জয় করা বাংলাদেশি পর্বতারোহী - [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. বাবর আলী
  2. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  3. তৌফিক আহমেদ
  4. এম. এ. মুহিত
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
ব্যাখ্যা

মানাসলু পর্বত জয়:
- সম্প্রতি পৃথিবীর অষ্টম উঁচু পর্বত মানাসলু জয় করেন বাবর আলী।
- এটি পশ্চিম-মধ্য নেপালের নেপালি হিমালয়ের অংশ মানসিরি হিমালে অবস্থিত।
- উচ্চতায় ৮ম হলেও বিশ্বের প্রাণঘাতী পর্বতগুলোর মধ্যে এর অবস্থান চতুর্থ।

⇒ বাবর আলী হিমালয়ে অবস্থিত পৃথিবীর অষ্টম উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ মানাসলু (৮,১৬৩ মিটার/ ২৬,৭৮১ ফুট) শৃঙ্গ জয় করেছেন কৃত্রিম অক্সিজেন ছাড়াই।
- এটিই প্রথম কোনো বাংলাদেশির শৃঙ্গ জয় অতিরিক্ত অক্সিজেন ছাড়াই।
- ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে এই পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন বাবর।
- শিখরে বাবরের সঙ্গে ছিল দীর্ঘদিনের পর্বতসাথী বীরে তামাং।
- বাবর আলীর পাশপাশি এদিন ‘মানাসলু’ জয় করেছেন বাংলাদেশের আরেক পর্বতারোহী তানভীর আহমেদ।

উল্লেখ্য,
- ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ তারিখে ভোর ৪টায় তৌফিক আহমেদ তমাল মানাসলু পর্বত জয় করেন।
- তৌফিক আহমেদের আগে ২০১১ সালে ১২ অক্টোবর প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মানাসলু শৃঙ্গে ওঠেন এভারেস্টজয়ী পর্বতারোহী এম এম মুহিত।

উৎস: i) প্রথম আলো। 
ii) The Business Standard.