বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৭ / ৩০৬ · ১,৬০১১,৭০০ / ৩০,৮৩২

১,৬০১.
মুজিবনগর সরকারের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন-
  1. ক) এম মনসুর আলী
  2. খ) মোশতাক আহমেদ
  3. গ) কামরুজ্জামান
  4. ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে এবং এই সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ-
- রাষ্ট্রপতিঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান;
- উপরাষ্ট্রপতিঃ সৈয়দ নজরুল ইসলাম;
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রীঃ তাজউদ্দীন আহমদ;
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রীঃ এম মনসুর আলী;
- স্বরাষ্ট্র, কৃষি, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রীঃ এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান,
- পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রীঃ খন্দকার মোশতাক আহমেদ;
- প্রধান সেনাপতিঃ কর্নেল অবসরপ্রাপ্ত এম. এ. জি ওসমানী;
- চিফ অব স্টাফঃ কর্নেল (অব.) আব্দুর রব এবং
- ডেপুটি চিফ অব স্টাফ এবং বিমান বাহিনীর প্রধানঃ গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১,৬০২.
সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ার নাম কী? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ইন্ডো-প্যাসিফিক স্ট্রাইক
  2. সার্জেন্ট শিল্ড
  3. টাইগার শার্ক
  4. ওশেন সেন্টিনেল
সঠিক উত্তর:
টাইগার শার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাইগার শার্ক
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

টাইগার শার্ক:

- বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক মহড়ার নাম 'টাইগার শার্ক'।
- মহড়াটি ২ আগস্ট, ২০২৫ এ অনুষ্ঠিত হয়।
- মহড়াটি আঞ্চলিক নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি, পারস্পরিক সমন্বয় এবং উভয় দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছে।
- ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের দীর্ঘস্থায়ী অঙ্গীকারের প্রতিফলন হল এই মহড়া।
- এই মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ইন্দো-প্যাসিফিক কমান্ড এবং বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা একসাথে চিকিৎসা প্রশিক্ষণ, টহল, লক্ষ্যভেদ অনুশীলন, সাঁতার ও ডুবসাঁতার, এবং ক্লোজ কোয়ার্টারস কমব্যাটসহ বিভিন্ন সমন্বিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

১,৬০৩.
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে প্রক্ষেপিত মূল্যস্ফীতি কত শতাংশ?
  1. ক) ৫.৬%
  2. খ) ৫.৪%
  3. গ) ৫.৫%
  4. ঘ) ৫.৩%
সঠিক উত্তর:
গ) ৫.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫.৫%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে প্রক্ষেপিত মূল্যস্ফীতি ৫.৫ শতাংশ ধরা হয়েছে।
১,৬০৪.
২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল---
  1. ক) ৫.১২%
  2. খ) ৫.৩৮%
  3. গ) ৫.৪৪%
  4. ঘ) ৫.৫৬%
  5. ঙ) ৫.৭৮%
সঠিক উত্তর:
গ) ৫.৪৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫.৪৪%
ব্যাখ্যা
২০১৮-১৯ অর্থবছরে মার্চ, ২০১৯ পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতি ৫.৪৪% যা আগের অর্থবছরে ছিলো ৫.৭৮%। উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯।
১,৬০৫.
জাতীয় কৃষি কাউন্সিলের সভাপতি কে?
  1. ক) কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব
  2. খ) কৃষিমন্ত্রী
  3. গ) প্রধানমন্ত্রী
  4. ঘ) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• জাতীয় কৃষি কাউন্সিল:
- জাতীয় কৃষি কাউন্সিলের সভাপতি – প্রধানমন্ত্রী
- প্রধানমন্ত্রীকে সভাপতি করে জাতীয় কৃষি কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে।
- দেশের কৃষি খাত সম্পর্কে সার্বিক দিকনির্দেশনা প্রদানের জন্য গঠিত এ কমিটিতে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট ২২টি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও মন্ত্রী পরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর।
- সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব বা সিনিয়র সচিবসহ কৃষি সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি সরকারি সংস্থার প্রধানকে সদস্য রাখা হয়েছে।
কমিটির মোট সদস্য ৫৮ জন।
- এছাড়া কৃষিমন্ত্রীকে প্রধান করে ‘জাতীয় কৃষি নির্বাহী কমিটি’; কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব বা সিনিয়র সচিবকে প্রধান করে ‘জাতীয় কৃষি নীতি ওয়ার্কিং কমিটি’; কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (কৃষি গবেষণা) প্রধান করে ‘কারিগরি কমিটি-১ (কৃষি গবেষণা)’; অতিরিক্ত সচিবকে (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ) প্রধান করে ‘কারিগরি কমিটি-২ (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ)’; অতিরিক্ত সচিবকে (কৃষি সম্প্রসারণ) প্রধান করে ‘কারিগরি কমিটি-৩ (কৃষি সম্প্রসারণ)’ এবং অতিরিক্ত সচিবকে (পিপিসি) প্রধান করে ‘কারিগরি কমিটি-৪ (কৃষি বিপণন)’ গঠন করা হয়েছে।

লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার
১,৬০৬.
‘ময়না’ পাখি ছাড়া কিসের নাম?
  1. ক) উন্নত জাতের গম
  2. খ) উন্নত জাতের ভুট্টা
  3. গ) উন্নত জাতের ধান
  4. ঘ) উন্নত জাতের টমেটো
সঠিক উত্তর:
গ) উন্নত জাতের ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উন্নত জাতের ধান
ব্যাখ্যা
- উন্নত জাতের ধান:- ময়না,হীরা,মালা,ইরাটম,চান্দিনা,ব্রিশাইল,সুফলা,হরিধান।
- উন্নত জাতের গম:- দোয়েল,আনন্দ,আকবর,বরকত,অগ্রণী,বলাকা।
- উন্নত জাতের ভুট্টা:- বর্ণালি , শুভ্র , উত্তরণ।
- উন্নত জাতের টমেটো:- বাহার , মানিক , রতন , মিন্টো , ঝুমকা। 

তথ্যসূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১,৬০৭.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন কে?
  1. আবুল মনসুর আহমেদ
  2. শাহজাহান সিরাজ
  3. এম. ইউসুফ আলী
  4. আবদুল মান্নান
সঠিক উত্তর:
এম. ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। এই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- এর আগে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৮ এপ্রিল এই সরকারের সদস্যদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১,৬০৮.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো-
  1. বিকেন্দ্রীভূত
  2. ফেডারেল
  3. রাজতান্ত্রিক
  4. কেন্দ্রীভূত
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীভূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেন্দ্রীভূত
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে প্রশাসনিক কাঠামো মূলত কেন্দ্রীভূত।

- অধিকাংশ ক্ষমতা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ কেন্দ্রীয় সরকারের হাতে থাকে।
- স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিকেন্দ্রীকরণের প্রচেষ্টা হলেও কার্যত কেন্দ্রীয় সরকারের সম্প্রসারিত অঙ্গ হিসেবেই পরিচালিত হয়।
- এর ফলে স্থানীয় সরকারের স্বতন্ত্রতা ও কার্যক্ষমতা সীমিত হয়ে পড়ে।

• বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দুইটি স্তর রয়েছে।এগুলো হলো-
ক) কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো এবং
খ) মাঠ পর্যায় প্রশাসনিক কাঠামো।
এই কাঠামোর প্রশাসনিক ইউনিটগুলো হচ্ছে
- বিভাগ
- জেলা
- উপজেলা
- ইউনিয়ন পরিষদ
- সিটি কর্পোরেশন
- পৌরসভা।

এছাড়াও,
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর প্রথম স্তর হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক কাঠামো (সচিবালয়) যা বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তর/অধিদপ্তর নিয়ে গঠিত।
- সচিবালয় হলো প্রশাসনিক কার্যাবলি এবং সমস্ত সরকারি কার্যক্রমের মূল কেন্দ্র।
- সংবিধানের ৫৫ (৬) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়োগের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত Rules of Business এর নিয়ম অনুসারে মন্ত্রণালয় ও বিভাগসমূহের কার্যাদি নির্ধারণ করা হয়।
- এছাড়াও সচিবালয়ের নির্দেশাবলী (Secretariate Instructions) নামে আলাদা একটি ডকুমেন্টও কেন্দ্রীয় প্রশাসনের কার্যাবলি নির্ধারণ করে থাকে।
- সচিব একটি মন্ত্রণালয়/বিভাগের প্রশাসনিক প্রধান হন এবং তিনিই এর শৃঙ্খলা রক্ষায় সচেষ্ট থাকেন।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশের মাঠ পর্যায় প্রশাসনিক কাঠামো (স্থানীয় সরকার):
- বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর দ্বিতীয় স্তর হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রধান দু'টি ক্ষেত্র হচ্ছে জেলা এবং উপজেলা প্রশাসন।
- জেলা এবং উপজেলা প্রশাসনের সমন্বয় এবং নেতৃত্বে রয়েছে বিভাগীয় প্রশাসন।
- এটি মূলত প্রশাসন বা আমলাতন্ত্রের বিন্যাস।
- অন্যদিকে সরকারের কাঠামোগত বিন্যাসে মাঠ পর্যায়ে রয়েছে স্থানীয় সরকার।
- স্থানীয় সরকারের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ এবং ইউনিয়ন পরিষদ।
- রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়ন ও নাগরিকসেবা নিশ্চিতকরণ এবং কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে স্থানীয় সরকার ও মাঠ প্রশাসনের যুগপৎ এবং সমন্বিত কর্মসূচির বিকল্প নেই।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[লিংক]

১,৬০৯.
নিচের কোন তিনটি জেলায় সুন্দরবনের বিস্তৃতি রয়েছে?
  1. খুলনা, পটুয়াখালী ও সাতক্ষীরা
  2. বাগেরহাট, খুলনা ও বরগুনা
  3. সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট
  4. বরগুনা, বাগেরহাট ও পিরোজপুর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাতক্ষীরা, খুলনা ও বাগেরহাট
ব্যাখ্যা
সুন্দরবন:

- সুন্দরবন  বাংলাদেশের দক্ষিণ অংশে গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্রের বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত পৃথিবীর বৃহত্তম জোয়ারধৌত গরান বনভূমি (mangrove forest)।
- কর্কটক্রান্তির সামান্য দক্ষিণে ভারত ও বাংলাদেশের উপকূল ধরে বিস্তৃত ২১°৩০´-২২°৩০´ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৯°০০´-৮৯°৫৫´ পূর্ব দ্রাঘিমার মধ্যবর্তী স্থানে এ বনের অবস্থান।
- বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার যা সুন্দরবনের মোট আয়তনের প্রায় ৬২ ভাগ।
- নানা ধরনের গাছপালার চমৎকার সমারোহ ও বিন্যাস এবং বন্যপ্রাণীর অনন্য সমাবেশ এ বনভূমিকে চিহ্নিত করেছে এক অপরূপ প্রাকৃতিক নিদর্শন হিসেবে।
- অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের একটি উলে­খযোগ্য কেন্দ্র হিসেবেও এটি বিবেচিত; এখান থেকে সংগৃহীত হয় নানা কাজে ব্যবহার উপযোগী বনবৃক্ষ, আহরিত হয় প্রচুর পরিমাণ মধু, মোম ও মাছ।
- সাতক্ষীরা, খুলনা এবং বাগেরহাট জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বাংলাদেশের সুন্দরবন বিস্তৃত।
- পরস্পর সংযুক্ত প্রায় ৪০০ নদী-নালা, খালসহ প্রায় ২০০টি ছোট বড় দ্বীপ ছড়িয়ে আছে সুন্দরবনে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১,৬১০.
টেস্ট ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বয়েসে সেঞ্চুরি করেন কে?
  1. ক) আশরাফুল
  2. খ) শচীন টেন্ডুলকার
  3. গ) ডন ব্রাডম্যান
  4. ঘ) জয়সুরিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) আশরাফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আশরাফুল
ব্যাখ্যা
ক্রিকেট টেস্টের ইতিহাসে কনিষ্ঠতম ব্যাটসম্যান হিসেবে সেঞ্চুরি করেছেন মোঃ আশরাফুল। তিনি ঐ ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৪ রান করেছিলেন এবং প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হয়েছিলেন।
Source: Sri Lanka vs Bangladesh, 2nd Match, Scorecard, Bangladesh, Pakistan, Sri Lanka Tri nation series in Pakistan/Sri Lanka, 2001-02.
১,৬১১.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -০১ কিসের নাম?
  1. ক) যুদ্ধ বিমান
  2. খ) কৃত্রিম উপগ্রহ
  3. গ) নৌ জাহাজ
  4. ঘ) যুদ্ধ জাহাজ
সঠিক উত্তর:
খ) কৃত্রিম উপগ্রহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কৃত্রিম উপগ্রহ
ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
উৎক্ষেপণ সময়ঃ
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪:১৪ মিনিট
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২:১৪ মিনিট
স্থানঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
মন্ত্রণালয়/বিভাগঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
বাস্তবায়নকালঃ ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত
প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা
সংশোধিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৭৬৫.৬৬ কোটি টাকা
নির্মাণ সংস্থাঃ বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।
Thales এর চুক্তিমূল্যঃ ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা

সুত্রঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন

১,৬১২.
সংবিধানের ২২নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র কী নিশ্চিত করবে?
  1. ধর্মনিরপেক্ষতা
  2. নির্বাহী বিভাগের কর্তৃত্ব
  3. বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ
ব্যাখ্যা

২২নং অনুচ্ছেদ: নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ- 
- রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন। 

অন্যদিকে: 
- ১২নং অনুচ্ছেদ : ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- ৩৬নং অনুচ্ছেদ : চলাফেরার স্বাধীনতা।
- ৪১নং অনুচ্ছেদ : ধর্মীয় স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 

১,৬১৩.
মুদ্রাস্ফীতির প্রধান কারণ হলো -
  1. ক) উৎপাদন বৃদ্ধি
  2. খ) আমদানি বৃদ্ধি
  3. গ) মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি
  4. ঘ) রপ্তানি বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
গ) মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুদ্রার যোগান বৃদ্ধি
ব্যাখ্যা
মুদ্রাস্ফীত:
- ক্ল্যাসিকেল অর্থনীবিদদের মতে, মুদ্রার পরিমাণ বৃদ্ধিই হলো মুদ্রাস্ফীতি।
- মনিটারিস্টরা মনে করেন যে, অর্থের অতিরিক্ত যোগান বৃদ্ধির কারণে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায় এবং মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়।
- কেইনসের মতে, পূর্ণ নিয়োগ অবস্থার পর অর্থের চাহিদার চেয়ে অর্থের যোগান বৃদ্ধি পেলে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়।
- সংক্ষেপে বলা যায়, যখন দেশে প্রচলিত অর্থের পরিমাণ উৎপাদিত মোট দ্রব্যসামগ্রীর তুলনায় অধিক হয় এবং তার ফলে দ্রব্যমূল্য বা দামস্তর ক্রমাগত বৃদ্ধি পেতে থাকে সে অবস্থাকেই ‘মুদ্রাস্ফীতি' (Inflation) বলা হয় ।
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে অর্থ ও সম্পদ এক শ্রেণীর লোকের হাত হতে অন্য এক শ্রেণীর লোকের হাতে চলে যায়। 
- মুদ্রাস্ফীতির ফলে সাধারণ মূল্যস্তর ও উৎপাধন ব্যয় বৃদ্ধি পায়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক অর্থনীতি ২য় পত্র- বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬১৪.
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান কে?
  1. ক) নাছিমা বেগম
  2. খ) কাজী রিয়াজুল হক
  3. গ) ড. মিজানুর রহমান খান
  4. ঘ) ইকবাল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
ক) নাছিমা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাছিমা বেগম
ব্যাখ্যা
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বর্তমান চেয়ারম্যান সাবেক সিনিয়র সচিব নাছিমা বেগম। তিনি সংস্থাটির প্রথম মহিলা চেয়ারম্যান। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি সংস্থা। এটি ২০০৮ সালের ৯ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়। (সূত্রঃ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ওয়েবসাইট)
১,৬১৫.
স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের পতন ঘটে কীভাবে?
  1. বিজয় সেনের হাতে
  2. সম্রাট অশোকের হাতে
  3. মৌর্য সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের হাতে
  4. চালুক্য বংশের রাজা কীর্তিবর্মণের হাতে
সঠিক উত্তর:
চালুক্য বংশের রাজা কীর্তিবর্মণের হাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চালুক্য বংশের রাজা কীর্তিবর্মণের হাতে
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বঙ্গ রাজ্য:
- গুপ্ত সাম্রাজ্যের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে সমগ্র দক্ষিণ ও পূর্ব বঙ্গে একটি স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে। 
-  এই রাজ্যকে ঐতিহাসিকরা স্বাধীন বঙ্গরাজ্য নামে আখ্যা দিয়েছেন। 
- স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের রাজারা তামার পাতে খোদাই করা রাজ নির্দেশ জারি করতেন। এগুলোকে তাম্রশাসন বলা হতো। এ রকম ৭টি তাম্রশাসন পাওয়া গেছে।
-  এসব থেকে জানা যায় যে, গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচার দেব নামে তিনজন রাজা স্বাধীন বঙ্গরাজ্য শাসন করেছেন।
- উল্লিখিত ৫২৫-৬০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত মোট ৭৫ বছর রাজত্ব করেন।
- তারা 'মহাধিরাজ' উপাধি ধারণ করতেন। এতে তাদের সার্বভৌম ক্ষমতার পরিচয় পাওয়া যায়।

⇒ ধারণা করা হয়, দাক্ষিণাত্যের চালুক্য বংশের রাজা কীর্তি বর্মণের হাতে স্বাধীন বঙ্গরাজ্যের পতন ঘটেছিল। 
- তবে কারো কারো মতে স্বাধীন গৌড় রাজ্যের উত্থান ঘটলে বঙ্গরাজ্যের পতন ঘটে।
- স্বাধীন বঙ্গরাজ্যের পতনের পেছনে কিছু সামন্ত রাজার উত্থানকেও দায়ী করা হয়। কারণ সপ্তম শতকের পূর্বেই দক্ষিণ বাংলার সমতট রাজ্যে ভদ্র, খড়গ, রাঢ় প্রভৃতি বংশের স্বাধীন সামন্ত রাজাদের উত্থান ঘটেছিল।

উল্লেখ্য,
- সপ্তম শতকের গোড়ার দিকে গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের নেতৃত্বে বাংলার পুন্ড্র বা পণ্ড্রবর্ধন, গৌড় এবং বঙ্গকে একত্রিত করে একটি বিশাল গৌড় রাজ্য স্থাপিত হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬১৬.
বাংলাদেশ কোন সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে?
  1. লাহোর সম্মেলন
  2. তেহরান সম্মেলন
  3. জেদ্দা সম্মেলন
  4. তুরস্ক সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
লাহোর সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোর সম্মেলন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে।
- ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়।
- ওআইসি সদস্য দেশ ৫৭ টি।
- ওআইসির শীর্ষ সম্মেলন প্রতি তিন বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- ওআইসির সর্বশেষ ১৪তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় সৌদি আরবের মক্কায় - ২০১৯ সালে।
- ওআইসির অফিসিয়াল ভাষা ৩টি। যথাঃ আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উৎস: ওআইসি ওয়েবসাইট।
১,৬১৭.
বাংলাদেশের বর্তমান ও ২৬তম প্রধান বিচারপতি কে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. সৈয়দ রেফাত উদ্দিনি আহমদ
  2. জুবায়ের রহমান চৌধুরী
  3. মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান 
  4. জনাব মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা 
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুবায়ের রহমান চৌধুরী
ব্যাখ্যা

প্রধান বিচারপতি: 
- বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী।
- ২৮ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে  বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে প্রধান বিচারপতির শপথ বাক্য পাঠ করান।
- ২৫ তম  প্রধান বিচারপতি ছিলেন ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের ।
- সংবিধান অনুযায়ী, ৬৭ বছর পূর্ণ হওয়ায় ২৭ ডিসেম্বর অবসরে হয়েছেন দেশের ২৫তম প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

উল্লেখ্য, 
- জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে এবং ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন।
- ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট জুবায়ের রহমান চৌধুরী অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান।
- ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন।

উৎস: ডেইলি স্টার বাংলা। [লিঙ্ক]

১,৬১৮.
BEPZA কীসের অধীন?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
- BEPZA (Bangladesh Export Processing Zones Authority) ১৯৮০ সালে গঠিত হয়।
- এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটির কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা প্রতিষ্ঠা, ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা।
- বেপজার অধীনে বর্তমানে দেশে ৮টি চালু সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণাধীন রয়েছে।
(তথ্যসূত্রঃ বেপজা ওয়েবসাইট)
১,৬১৯.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের প্রচ্ছদ কোন রঙের?
  1. ক) লাল
  2. খ) সবুজ
  3. গ) সাদা
  4. ঘ) নীল
সঠিক উত্তর:
গ) সাদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাদা
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের প্রচ্ছদ (cover page)  সাদা রঙের।

• সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- ১৯৭২ সালরে ১১ অক্টোবর খসড়া সংবধিান প্রণয়ন কমিটি সংবিধানের চূড়ান্ত খসড়া প্রণয়ন করেন। 
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১,৬২০.
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র 'সৈনিক' পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন কে?
  1. শাহেদ আলী
  2. আবুল কাসেম
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. আবদুল মতিন
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহেদ আলী
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র: 
- ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল 'সৈনিক' পত্রিকা, এটি সাপ্তাহিক আকারে প্রকাশিত হত।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' এর উদ্যোক্তাগণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন, এবং সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিশেরও মুখপত্র।
- পত্রিকাটিতে তৎকালীন বাংলা ভাষার প্রতিযশা সকল লেখকগণ লিখে বাংলা ভাষা সপক্ষে জনমত গড়ে তুলতে সহায়তা করেন।
- সাপ্তাহিক সৈনিক-এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন শাহেদ আলী, পরবর্তীতে এর সম্পাদক ছিলেন আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও প্রথম আলো আর্কাইভ।
১,৬২১.
১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় সুইডেনের স্টকহোমে বাংলাদেশ মিশনের প্রতিনিধিত্ব করেন -
  1. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  2. এম আর সিদ্দিকী
  3. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. আবদুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুর রাজ্জাক
ব্যাখ্যা
দেশের বাহিরে মুজিবনগর সরকারের মিশন:

• পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়  যুদ্ধের সময় বিদেশের বিভিন্ন শহরে বাংলাদেশের মিশন স্থাপন করে।
• বহির্বিশ্বের সরকার ও জনগণের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে মিশনের প্রতিনিধিদল। 
• কলকাতা, দিল্লি, লন্ডন, ওয়াশিংটন, নিউইয়র্ক, স্টকহোম প্রভৃতি স্থানে কূটনৈতিক মিশন স্থাপন করা হয়। 
• জাতিসংঘ, আফগানিস্তান, সিরিয়া-লেবানন, নেপাল, শ্রীলংকা, বার্মা, থাইল্যান্ড, জাপান প্রভৃতি দেশের সমর্থন আদায়ের জন্য কূটনৈতিক প্রতিনিধিদল প্রেরণ করে।

• বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোর প্রধান ছিলেন- 
- কলকাতায় হোসেন আলী,
- দিল্লিতে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী, 
- ওয়াশিংটনে এম আর সিদ্দিকী,
- স্টকহোমে আবদুর রাজ্জাক, 
• ইউরোপে বিশেষ প্রতিনিধি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত সৃষ্টি ও বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সমর্থন আদায়ের জন্য কাজ করেন। 
• উল্লেখ্য, বিদেশে কলকাতাতে প্রথম বাংলাদেশ মিশন স্থাপন করা হয়েছিল। 
• মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে ছিল। 

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬২২.
দেশে প্রথম সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল করে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ক) ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২২
  2. খ) ১৪ই অক্টোবর, ২০২২
  3. গ) ১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২২
  4. ঘ) ১৫ই অক্টোবর, ২০২২
সঠিক উত্তর:
ক) ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২২
ব্যাখ্যা
• দেশের প্রথম সেন্টার বেইসড সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের উদ্বোধন করা হবে ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২২
- এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের  (বিএসএমএমইউ) অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। 
- এটি ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত। 
 
উৎস: বিএসএমএমইউ
১,৬২৩.
বাংলায় নবাবি শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. আলীবর্দী খান
  2. সুজাউদ্দিন খান
  3. সরফরাজ খান
  4. মুর্শিদ কুলি খান
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
ব্যাখ্যা
মুর্শিদ কুলি খান: নবাবি শাসন প্রতিষ্ঠা
- মুর্শিদ কুলি খান (১৭০০-১৭২৭) বাংলায় নবাবি শাসনের প্রতিষ্ঠাতা।
- দাক্ষিণাত্যে শায়েস্তা খানের দিওয়ান হাজী শফী ইস্পাহানী অল্প বয়সী মুর্শিদ কুলিকে কিনে নিয়ে ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করেন এবং তার নাম রাখেন মুহাম্মদ হাদী।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে করতলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- ১৭০৩ খ্রিস্টাব্দে তিনি সম্রাটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে দাক্ষিণাত্য যান এবং এ সাক্ষাতে তিনি ‘মুর্শিদকুলী খান’ উপাধি লাভ করেন। 

⇒ ১৭১৬ খ্রিস্টাব্দে মুর্শিদকুলী খান বাংলার নাজিম পদে উন্নীত হন।
- ১৭১৭ সালের আগস্ট মাসে তাঁকে বাংলার পূর্ণ সুবাদারের মর্যাদা দেয়া হয়।
- তিনি অসংখ্য উপাধি ও পদবিতে ভূষিত হন। প্রথমে তিনি ‘জাফর খান’ উপাধি পান এবং পরে তাঁকে ‘মুতামিন-উল-মুলক আলা-উদ-দৌলা জাফর খান নাসিরী নাসির জঙ্গ বাহাদুর' উপাধি দেওয়া হয়। তাঁকে সাত হাজারি মনসব প্রদান করা হয়।
- ১৭২৭ খ্রিস্টাব্দের ৩০ জুন মুর্শিদকুলী খানের মৃত্যু হয়।

⇒ বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদ কুলি খান দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- তিনি ঢাকা বাংলার রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন ১৭১৭ সালে।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।

উৎস: i) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১,৬২৪.
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ গঠনের সাথে জড়িত ব্যাক্তি নয় কে?
  1. সিরাজুল আলম খান
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. আবদুর রাজ্জাক
  4. কাজী আরেফ আহমেদ
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ:
- পাকিস্তানের কাঠামোয় বাঙালি জাতিসত্তার বিকাশ ঘটা অসম্ভব বিবেচনা করে তৎকালীন ছাত্র সমাজের নেতৃস্থানীয় কয়েকজন ১৯৬২ সালে গোপনে ছাত্রদের সংগঠিত করার প্রচেষ্টা গ্রহণ করেন।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ এই ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব দেন জনাব সিরাজুল আলম খান, জনাব আবদুর রাজ্জাক এবং কাজী আরেফ আহমেদ।
- এই সংগঠন 'স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ' নামে পরিচিত ছিল।

উল্লেখ্য,
- পূর্বপাকিস্তান ছাত্রলীগের মধ্যে সুস্পষ্ট দু’টি ধারা বিদ্যমান ছিল।
- একটি ছিল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে নিজস্ব রাজনীতির ধারা এবং অপর অংশের ঝোঁক ছিল মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের প্রতি।
- সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী নিজস্ব রাজনীতির ধারার তিনজন ছাত্রনেতা ১৯৬২ সালে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরে গোপন সংগঠন ‘স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদ’ গঠন করেন।
- তিন সদস্যের এই ক্ষুদ্র সত্তা পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশের ‘নিউক্লিয়াস’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
১,৬২৫.
বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬ অনুযায়ী, বাণিজ্যিক বিরোধের বিচার প্রক্রিয়া কতদিনের দিনের মধ্যে সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে?   
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন 
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন 
ব্যাখ্যা

• বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬:
- দীর্ঘদিনের বিচারিক দীর্ঘসূত্রতা কাটিয়ে দ্রুততম সময়ে বাণিজ্যিক বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে সরকার ‘বাণিজ্যিক আদালত অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছে।
- রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদে প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ১ জানুয়ারি, ২০২৬ গুরুত্বপূর্ণ এই অধ্যাদেশটি জারি করেন।
- ২ জানুয়ারি, ২০২৫ আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত গেজেট প্রকাশিত হয়েছে।
- মামলার চূড়ান্ত শুনানি শুরুর ৯০ দিনের মধ্যে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রেখে প্রণীত এই আইনি কাঠামো দেশের ‘ইজ অব ডুয়িং বিজনেস’ বা সহজ ব্যবসা সূচকে আমূল পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, 
- এই অধ্যাদেশের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো ‘সুইট ম্যানেজমেন্ট’ বা মামলা ব্যবস্থাপনা শুনানি।
 - বিবাদী জবাব দাখিল করার পর প্রথম শুনানির দিনই আদালত বিচার্য বিষয়গুলো নির্ধারণ করবেন এবং কত সময়ের মধ্যে বিচার শেষ হবে, তার একটি রূপরেখা তৈরি করবেন।
 - চূড়ান্ত শুনানি শুরু হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: Lawyers Club Bangladesh

১,৬২৬.
'শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়' কোন জেলায় স্থাপিত হবে?
  1. ক) কুড়িগ্রাম
  2. খ) খুলনা
  3. গ) গোপালগঞ্জ
  4. ঘ) নীলফামারী
সঠিক উত্তর:
খ) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খুলনা
ব্যাখ্যা
- খুলনায় প্রতিষ্ঠিত হবে দেশের ৫০তম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
- এটি দেশের পঞ্চম সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
- যার সম্ভাব্যতা যাচাই, সিন্ডিকেট সদস্য মনোনয়ন এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক প্রাথমিক বাজেট বরাদ্দ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
- এখন এটি মাঠ পর্যায়ে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের রোডম্যাপ নিয়ে কাজ চলছে।
উৎসঃ বাংলাদেশ গেজেট এবং দৈনিক পত্রিকা।
১,৬২৭.
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটির বর্তমান সভাপতি কে? (ডিসেম্বর-২০২৫)
  1. অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম
  2. অধ্যাপক ড. আহমদ হাসান দানী
  3. অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ 
  4. অধ্যাপক ড. আব্দুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি:
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি নাম করণ করা হয়: ১৯৭২ সালে।
- কলকাতা এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৫ জানুয়ারি ১৭৮৪ সালে।
- ভারত ভাগের পর “এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান”  প্রতিষ্ঠাতা করা হয়: ৩ জানুয়ারি ১৯৫২।
- বাংলাদেশ এশিয়া সোসাইটি বাংলাপিডিয়া  নামে এনসাইক্লোপেডিয়া বের করে: ২০০৩ সালে।
- বাংলাপিডিয়া সম্পাদনা করেন: ড. সিরাজুল ইসলাম।
- এর লক্ষ্য: এশিয়ার মানুষ ও প্রকৃতি নিয়ে গবেষণা করা।

উল্লেখ্য,
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সম্পাদক: ড. আহমদ হাসান দানী।
- এশিয়াটিক সোসাইটি অব পাকিস্তান এর প্রথম সভাপতি: আব্দুল হামিদ।
- বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বর্তমান সভাপতি: অধ্যাপক ড. হারুন-অর-রশিদ।

উৎস: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।

১,৬২৮.
প্রখ্যাত অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামান মৃত্যুবরণ করেন কবে?
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  2. খ) ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  3. গ) ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১
  4. ঘ) ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১
সঠিক উত্তর:
খ) ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১
ব্যাখ্যা

মৃত্যু এটিএম শামসুজ্জামান ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ঢাকার সূত্রাপুরের দেবেন্দ্রনাথ দাস লেনে নিজ বাসায় মৃত্যুবরণ করেন।
- এটিএম শামসুজ্জামানের চলচ্চিত্র পর্দায় আগমন ১৯৬৫ সালে।
-তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র নয়া জিন্দেগানী চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়নি।
-১৯৬৮ সালে নারায়ণ ঘোষ মিতার এতটুকু আশা চলচ্চিত্রে তাকে খবরের কাগজ বিক্রেতা চরিত্রে প্রথমবারের মত পর্দায় দেখা যায়।

উৎস: Live Mcq সাম্প্রতিক সমাচার

১,৬২৯.
'জীবনঢুলী' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. তানভীর মোকাম্মেল
  2. মোরশেদুল ইসলাম
  3. নাসিরউদ্দীন ইউসুফ
  4. তারেক মাসুদ
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা

জীবনঢুলী:
- এটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র।
- 'জীবনঢুলী'র পরিচালক ছিলেন তানভীর মোকাম্মেল।
- ‘জীবনঢুলী’ নির্মিত হয়েছে ২০১৩ সালে।
- জীবনঢুলী নিম্নবর্গের একটি হিন্দু ঢাকি ও তার পরিবারের ১৯৭১ সালের অভিজ্ঞতার কাহিনি।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলার সময় নিম্নবর্ণের এক ঢাকি জীবনকৃষ্ণ দাস ও তাঁর পরিবারের অভিজ্ঞতার গল্প বলা হয়েছে ‘জীবনঢুলী’ ছবিতে।
- বাংলাদেশ সরকারের অনুদানপ্রাপ্ত ছবিটিতে চুকনগর গণহত্যাকে তুলে ধরা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার আটলিয়া ইউনিয়নের চুকনগর বাজার।
- ১৯৭১ সালের ২০ মে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী সেখানে এক নৃশংস গণহত্যা চালায়।
- ইতিহাসে তা ‘চুকনগর গণহত্যা’ নামে পরিচিতি।

উৎস: i) ১৯ জানুয়ারি ২০১৪, প্রথম আলো।
        ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১,৬৩০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুয়ায়ী, তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা -
  1. যশোর
  2. কুষ্টিয়া
  3. রংপুর
  4. ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
তামাক:
- তামাকগাছের আদি নিবাস উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকায়।
- এর শুকানো পাতা সাধারণত সিগারেট, বিড়ি, হুঁকা, পান খাওয়ার জর্দায় ও নস্যি হিসেবে গুলে ব্যবহৃত হয়।
- তামাকের ইংরেজি ‘Tobacco’ এসেছে স্প্যানিশ ‘Tabaco’ শব্দ থেকে।
- তামাকের চাষ প্রায় সব ধরনের জমিতেই করা যায়।
- যেসব এলাকার গড় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের মতো, সেসব অঞ্চলে এ গাছ ভালো জন্মে।
- বাংলাদেশে তামাক রবিশস্য হিসেবে চাষ করা হয়। 
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান তামাক উৎপাদনকারী জেলা হচ্ছে রংপুর, কুষ্টিয়া, যশোর, ঢাকা, ফরিদপুর, চট্টগ্রাম ও পটুয়াখালী।

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুয়ায়ী, তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১,৬৩১.
কোন শাসকের আমলে সমগ্র বাংলা পরিচিতি হয়ে ওঠে 'বাঙ্গালা' নামে?
  1. ফখরুদ্দিন মুবারাক শাহ
  2. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. শের শাহ
  4. সম্রাট আকবর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা

শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্:
- ইলিয়াস শাহী সুলতানগণ বাংলা প্রায় ১২২ বছর শাসন করেন।
- এ বংশের প্রতিষ্ঠাতা সুলতান শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ্।
- তিনি সর্বপ্রথম বাংলার বিভিন্ন অংশ একত্র করেন।
- এর আগে কোন মুসলমান সুলতান সমগ্র বাংলাদেশকে একত্রো করতে পারেননি। 
- তার সময় থেকেই সমগ্র বাংলাদেশ ‘বাঙ্গালা' নামে পরিচিত হয় এবং অধিবাসীরা পরিচিত হয় ‘বাঙালি' নামে।
- ঐতিহাসিক শামস-ই-সিরাজ আফীফ তাঁকে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ’ ও ‘সুলতান-ইবাঙ্গালাহ’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ইলিয়াসশাহ জাজনগর (উড়িষ্যা) আক্রমণ করেন এবং ৪৪টি হাতিসহ অনেক ধনসম্পদ লাভ করেন।
- তিনি বিহার আক্রমণ করেন এবং আরও পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে চম্পারণ, গোরক্ষপুর ও কাশী জয় করে তাঁর রাজ্যভুক্ত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৩২.
বাংলাদেশের সরকারি EPZ মোট কতটি?
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সরকারি EPZ মোট ৮টি।
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- দ্বিতীয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এর দশ বছর পর, ১৯৯৩ সালে ঢাকার সাভারে।
- এছাড়া মংলা, উত্তরা, ঈশ্বরদী, কুমিল্লা, কর্ণফুলী ও আদমজী আরও ছয়টি ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানাদি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ এলাকা।

সূত্র: Banglapedia. 
১,৬৩৩.
স্বর্ণা সার কে আবিষ্কার করেন?
  1. ক) ড. সৈয়দ আবদুল খালেক
  2. খ) ড. সৈয়দ আবদুল মালেক
  3. গ) ড. মাকসুদুল আলম
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) ড. সৈয়দ আবদুল খালেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ড. সৈয়দ আবদুল খালেক
ব্যাখ্যা
• স্বর্ণা এক প্রকার জৈব সার। ১৯৮৭ সালে ড. সৈয়দ আবদুল খালেক এই সার আবিষ্কার করেন। এর বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার।
• মাকসুদুল আলম (১৪ ডিসেম্বর ১৯৫৪ - ২০ ডিসেম্বর ২০১৪) ছিলেন একজন বাংলাদেশি জিনতত্ত্ববিদ।
•  তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা ।

সূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
১,৬৩৪.
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মতিঝিল
  2. খ) সিলেট
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে অবস্থিত। এটি বন গবেষণা বিষয়ক দেশের একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।

এটি ১৯৫৫ সালে ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি নামে যাত্রা শুরু করে যা ১৯৬৮ সালে পূর্ণাঙ্গ বন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত হয়।
বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
১,৬৩৫.
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস কোনটি?
  1. তানিয়া গার্মেন্টস
  2. নাহার গার্মেন্টস
  3. রিয়াজ গার্মেন্টস
  4. সুভা গার্মেন্টস
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা

রিয়াজ গার্মেন্টস:
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানি করেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসি মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রাঁ, বাংলাদেশি টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- রিয়াজ গার্মেন্টস দেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস।

- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি টিকে না থাকলেও পোশাকশিল্পের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ও তাঁর রিয়াজ গার্মেন্টসের নাম।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৬৩৬.
ক্র্যাক প্লাটুন কী?
  1. ক) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
  2. খ) স্বাধীন বাংলা ফুটবল দল
  3. গ) আকাশ বাণী থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠান
  4. ঘ) মুক্তিযুদ্ধত্তোর অস্ত্র উদ্ধার অভিযান
সঠিক উত্তর:
ক) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মুক্তিযুদ্ধের গেরিলা সংগঠন
ব্যাখ্যা
ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বযে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন। ২নং সেক্টরের কমান্ডার মেজর খালেদ মোশারফ এই বাহিনী গড়ে তুলেন। ১৯৭১ সালের জুনে ভারতের মেঘালয়ের মেলাঘর ক্যাম্প থেকে প্রথমে ১৭ জন গেরিলা প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে ক্র্যাক প্লাটুনের যাত্রা শুরু করে। শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ আজাদ, শহিদ আবু বকর, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।
(সূত্র: রোর বাংলা)
১,৬৩৭.
'মুসলিম মহিলা সমিতি' প্রতিষ্ঠা করেন -
  1. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
  2. বেগম সুফিয়া কামাল
  3. নওয়াব ফয়জুন্নেসা
  4. শামসুন্নাহার মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
ব্যাখ্যা
রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন:
- নারী জাগরণের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার জন্ম ৯ই ডিসেম্বর, ১৮৮০, পায়রাবন্দ গ্রাম, রংপুর।
- বাংলাদেশের নারী আন্দোলনের ইতিহাসে বেগম রোকেয়ার অবদান চিরঅম্লান।
- বেগম রোকেয়া প্রতিষ্ঠা করেন আঞ্জুমানে খাওয়াতীনে ইসলাম বা মুসলিম মহিলা সমিতি।
- 'Sultana’s Dream' গ্রন্থটি রোকেয়া নিজেই বাংলায় অনুবাদ করেন সুলতানার স্বপ্ন নামে।
- এটি একটি প্রতীকী রচনা এবং এতে বর্ণিত Lady Land বা নারীস্থান মূলত রোকেয়ারই স্বপ্নকল্পনার প্রতীক।

উল্লেখ্য,
- নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর রোকেয়া দিবস পালন করা হয়।

⇒ রোকেয়ার উলে­খযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে:
- মতিচূর (প্রবন্ধ, ২ খন্ড: ১ম খন্ড ১৯০৪, ২য় খন্ড ১৯২২), Sultana’s Dream (নকশাধর্মী রচনা, ১৯০৮), পদ্মরাগ (উপন্যাস, ১৯২৪), অবরোধবাসিনী (নকশাধর্মী গদ্যগ্রন্থ, ১৯৩১) প্রভৃতি।
- মতিচূর, পদ্মরাগ, অবরোধবাসিনী, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতি গ্রন্থে রোকেয়ার ঐকান্তিক স্বপ্নই এক অভিনব রূপ পেয়েছে। মতিচূর ২য় খন্ডে আছে ‘সৌরজগৎ’, ‘ডেলিসিয়া হত্যা’ (মেরী করেলী রচিত Murder of Delicia, ১৮৯৬ উপন্যাসের গল্পাংশের অনুবাদ), ‘জ্ঞান-ফল’, ‘নারী-সৃষ্টি’, ‘নার্স নেলী’, ‘মুক্তি-ফল’ প্রভৃতি গল্প ও রূপকথা।
- এছাড়া আছে অসংখ্য প্রবন্ধ, ছোটগল্প, কবিতা, ব্যঙ্গাত্মক রচনা ও অনুবাদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৬৩৮.
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কবে কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১ জুলাই ১৯২২
  2. ১ জুলাই ১৯২০
  3. ১ জানুয়ারি ১৯২১
  4. ১ জুলাই ১৯২১
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই ১৯২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই ১৯২১
ব্যাখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:
- প্রতিষ্ঠা কার্যক্রম শুরু: ১ জুলাই ১৯২১।
- অবস্থান: রমনা, ঢাকা (প্রায় ৬০০ একর জমি)।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অনুষদ: ৩টি (কলা, বিজ্ঞান ও আইন)।
- প্রতিষ্ঠাকালীন বিভাগ: ১২টি।
- প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষক সংখ্যা: ৬০ জন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন শিক্ষার্থী সংখ্যা: ৮৪৭ জন।
- প্রতিষ্ঠাকালীন আবাসিক হল: ৩টি।
- প্রথম উপাচার্য: ফিলিপ জোসেফ হার্টগ।
- প্রথম বাঙালি উপাচার্য: স্যার এ.এফ রহমান।
- শতবর্ষ পূর্তি: ২০২১ সাল।

উৎস: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১,৬৩৯.
' বাঙালি জাতীয়তাবাদ' এর পরিবর্তে 'বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ' প্রবর্তিত হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. তৃতীয়
  2. চতুর্থ
  3. পঞ্চম
  4. ষষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম
ব্যাখ্যা
পঞ্চম সংশোধনী:

- ১৯৭৯ সালে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় পঞ্চম সংশোধনী আইন।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিল সংশোধন করা হয় ।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল পর্যন্ত যে সকল সামরিক বিধি, সংবিধান সংশোধন সহ বিভিন্ন অধ্যাদেশ জারি করা হয় সেগুলো সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনী হিসেবে কাজ করা হয় ।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয়।
- এই  সংবিধানের শুরুতে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সন্নিবেশিত হয় ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১,৬৪০.
ক্লিংকার কোনটির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) প্লাস্টিক উৎপাদন
  2. খ) সার উৎপাদন
  3. গ) সিমেন্ট উৎপাদন
  4. ঘ) কাঁচ তৈরি
সঠিক উত্তর:
গ) সিমেন্ট উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিমেন্ট উৎপাদন
ব্যাখ্যা
ক্লিংকার সিমেন্ট তৈরির প্রধান সেকেন্ডারি কাঁচামাল। এটি এক প্রকার ছোট দানাদার জাতীয় বস্তু যা চুনাপাথর ও মাটিকে অত্যধিক তাপ দিয়ে তৈরি করা হয়। পরবর্তীতে ক্লিংকারের সাথে জিপসাম মিশিয়ে সিমেন্ট তৈরি করা হয়।

বাংলাদেশে লাফার্জ সুরমা কারখানা নিজেরা ক্লিংকার তৈরি করে। অন্যসব সিমেন্ট কারখানা বিদেশ থেকে ক্লিংকার আমদানি করে সিমেন্ট তৈরি করে থাকে।

(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ ব্যাংক)
১,৬৪১.
বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ এর সংগীত পরিচালক কে ছিলেন?
  1. হীরালাল সেন
  2. সমর দাস
  3. আবদুল জব্বার খান
  4. সঞ্জয় দাস
সঠিক উত্তর:
সমর দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমর দাস
ব্যাখ্যা
প্রথম সবাক চলচ্চিত্র:
 -  পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
-  ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
-  বাংলাদেশের প্রথম এই সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' এর সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
-  ১৯৫৫ সালের ৩০ অক্টোবর শেষ হয় 'মুখ ও মুখোশ 'চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয় । 
-  মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
-  হীরালাল সেন পরিচালিত ‘আলী বাবা ও চল্লিশ চোর’ হলো উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
১,৬৪২.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য 'বীরপ্রতীক' উপাধি লাভ করেন কত জন?
  1. ক) ৭ জন
  2. খ) ৬৮ জন
  3. গ) ১৭৫ জন
  4. ঘ) ৪২৬ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪২৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৪২৬ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

==================
উল্লেখ্য,
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।

অর্থ্যাৎ, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে।
এর মধ্য,
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- বীর উত্তম: ৬৭ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৪ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)
১,৬৪৩.
'Small loans, big dreams' বইটি কে লিখেছেন?
  1. ড. অমর্ত্য সেন
  2. অ্যালেক্স কাউন্টস
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. রেহমান সোবহান
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্স কাউন্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালেক্স কাউন্টস
ব্যাখ্যা
'Small loans, big dreams':
- গ্রামীণ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা অ্যালেক্স কাউন্টস লিখেছেন ‘স্মল লোনস, বিগ ড্রিমস’।
- 'Small loans, big dreams' যার আভিধানিক বাংলা অর্থ ‘ক্ষুদ্র ঋণ, বড় স্বপ্ন’।
- অ্যালেক্স কাউন্টস ক্ষুদ্রঋণের প্রসারে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের অসামান্য ভূমিকা নিয়ে ২০০৮ সালে বইটি লেখেন।
- এতে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের মাধ্যমে বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণের যে উদ্ভাবন ও বিকাশ ঘটেছে, তার ক্ল্যাসিক বিবরণ তুলে ধরেছেন অ্যালেক্স।
- ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরুর মধ্য দিয়ে একজন প্রান্তিক নারীর জীবন বদলানোর চিত্র তুলে এনেছেন তার লেখায়।
- এই বইয়ে লেখক আরও দেখিয়েছেন, ক্ষুদ্র ঋণ অর্থনৈতিক বৈষম্য কমাতে কিভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালের অমর একুশে বইমেলায় বইটির প্রথমবারের মত এটির এশীয় সংস্করণ বের করা হয়।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
১,৬৪৪.
মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন-
  1. ক) এম মনসুর আলী
  2. খ) এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  3. গ) তাজউদ্দীন আহমদ
  4. ঘ) খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দীন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাজউদ্দীন আহমদ
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও শিক্ষা বিভাগের দায়িত্বে ছিলেন- তাজউদ্দীন আহমদ। 

মুজিবনগর সরকারের কাঠামো ছিল নিম্নরূপ: 
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান- রাষ্ট্রপতি।
• সৈয়দ নজরুল ইসলাম- উপরাষ্ট্রপতি (রাষ্ট্রপতি পাকিস্তানে অন্তরীণ থাকার কারণে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা, দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত)। 
• তাজউদ্দীন আহমদ- প্রধানমন্ত্রীএবং প্রতিরক্ষা, তথ্য, সম্প্রচার ও যোগাযোগ, অর্থনৈতিক বিষয়াবলি, পরিকল্পনা বিভাগ, শিক্ষা, স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য, শ্রম, সমাজকল্যাণ, সংস্থাপন এবং অন্যান্য যেসব বিষয় কারও ওপর ন্যস্ত হয়নি তার দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী। 
• খন্দকার মোশতাক আহমদ- মন্ত্রী, পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। 
• এম মনসুর আলী- মন্ত্রী, অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
• এ এইচ এম কামরুজ্জামান- মন্ত্রী, স্বরাষ্ট্র, সরবরাহ, ত্রাণ ও পুনর্বাসন এবং কৃষি মন্ত্রণালয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
১,৬৪৫.
কোন দেশের সহযোগিতায় ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. আয়ারল্যান্ড
  2. আইসল্যান্ড 
  3. ডেনমার্ক 
  4. নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা
ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০:
- নেদারল্যান্ডস ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে উচ্চতর পর্যায়ের ৩টি জাতীয় অভীষ্ট এবং ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট ৬টি নির্দিষ্ট অভীষ্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ব-দ্বীপ সংশ্লিষ্ট অভীষ্টসমূহ উচ্চতর পর্যায়ের অভীষ্ট অর্জনে অবদান রাখবে।

উচ্চ পর্যায়ের অভীষ্ট:
- অভীষ্ট ১: ২০৩০ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্য দূরীকরণ;
- অভীষ্ট ২: ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন; এবং
- অভীষ্ট ৩: ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জন।

উৎস: বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা (সরকারি ওয়েবসাইট)।
১,৬৪৬.
জুলাই ঘোষণাপত্রের কত নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ আছে?
  1. ২৬ নং 
  2. ২৫ নং 
  3. ২৮ নং 
  4. ২৭ নং 
সঠিক উত্তর:
২৭ নং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ নং 
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- জুলাই ঘোষণাপত্রের ২৭ নং ধারায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সাংবিধানিক স্বীকৃতির কথা উল্লেখ আছে।
- ২৭ নং ধারা:  বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে ছাত্র-গণ-অভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

অন্যদিকে, 
- ২৫ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ যুক্তিসংগত সময়ে আয়োজিতব্য অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত জাতীয় সংসদে প্রতিশ্রুত প্রয়োজনীয় সাংবিধানিক সংস্কারের মাধ্যমে দেশের মানুষের প্রত্যাশা, বিশেষত তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আইনের শাসন ও মানবাধিকার, দুর্নীতি, শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে।
- ২৬ নং ধারা: সেহেতু বাংলাদেশের জনগণ এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করছে যে একটি পরিবেশ ও জলবায়ুসহিষ্ণু অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার সংরক্ষিত হবে।
- ২৮ নং ধারা: ৫ আগস্ট ২০২৪ সালে গণ-অভ্যুত্থানে বিজয়ী বাংলাদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে এই ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করা হলো।

উৎস: প্রথম আলো।

১,৬৪৭.
অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. খাজা নাজিমউদ্দীন
  4. আবুল হাশেম
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা

• হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী:
- তিনি ১৮৯২ সালে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এস.সি (সম্মান) ও বি.সি.এল ডিগ্রি লাভ করেন এবং পরে লন্ডনের গ্রেইজ ইন থেকে ব্যরিস্টার-এট-ল সম্পন্ন করেন।
- ১৯২০ সালে ইংল্যান্ড থেকে ভারতে ফিরেই তিনি রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন।
- ১৯২৪ সালে কলকাতা কর্পোরেশনের ডেপুটি মেয়র, ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী, ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমউদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী, ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

- তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পাকিস্তানের প্রথম ও প্রধান বিরোধীদল আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও সোহ্‌রাওয়ার্দীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট (এন.ডি.এফ) গঠন করে তিনি ১৯৬২-৬৩ সালের আইয়ুব-বিরোধী সম্মিলিত জোটের আন্দোলনে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- গণতান্ত্রিক রীতি ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন, তাই সুধী সমাজ কর্তৃক 'গণতন্ত্রের মানসপুত্র' বলে আখ্যায়িত হন।
- সোহ্‌রাওয়ার্দী ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া, পৌরনীতি ও সুশাসন - দ্বিতীয় পত্র - এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।

১,৬৪৮.
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন:
- মহান মুক্তিযুদ্ধের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের মাত্র ২৫ দিনের মাথায় ৫ ফেব্রুয়ারী ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতি ১০ নং আদেশমূলে স্বাধীন দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির অগ্রযাত্রায় প্রতিষ্ঠা করেন দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সমুদ্রগামী জাহাজের প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন।
- বিএসসি প্রতিষ্ঠার মাত্র ৪ মাস পর জাতির পিতার ঐকান্তিক প্রচেষ্ঠায় বিএসসি বহরের প্রথম জাহাজ হিসেবে যুক্ত হয় এম.ভি. বাংলার দূত নামক জাহাজটি।
- বিএসসি প্রতিষ্ঠার মাত্র ২৯ মাস অর্থাৎ নভেম্বর ১৯৭৪ এর মধ্যে ১৪ টি সমুদ্রগামী জাহাজ সংগৃহীত হয়।
- তারপর থেকে বিএসসি এ যাবত সর্বমোট ৪৪ টি জাহাজ সংগ্রহ করেছে।
- এ সংস্থার কার্যক্রমে গতিশীলতা আনয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন আইন-২০১৭ জাতীয় সংসদে পাশ করা হয়েছে।
- এ কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠার মুখ্য উদ্দেশ্য আন্তর্জাতিক নৌ-পথে নিরাপদ ও দক্ষ শিপিং সেবা প্রদান করা এবং বাংলাদেশের আমদানী ও রপ্তানী পণ্য নিজস্ব জাহাজ দ্বারা পরিবহন করা।

উৎস: বাংলাদেশ শিপিং কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১,৬৪৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, কোন খাতে জনশক্তির পরিমাণ সবচেয়ে কম?
  1. কৃষি
  2. শিল্প
  3. সেবা
  4. পরিবহন
সঠিক উত্তর:
শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান: 
• কৃষি: ১১.২০%।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.৩৩%।

• শিল্প: ৩৭.৫৬%।
-  নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০২%।

• সেবা: ৫১.২৪%।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৭.৬৫%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১,৬৫০.
বাংলাদেশের অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদ -
  1. আগস্ট, ২০২১ - জুলাই, ২০২৬
  2. জুলাই, ২০২১ - জুন, ২০২৫
  3. জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫
  4. জুলাই ২০২১-জুন ২০২৬
সঠিক উত্তর:
জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
- এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হয়েছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
উৎসঃ পরিকল্পনা কমিশন।
১,৬৫১.
মুজিবনগর সরকার কত তারিখে শপথ গ্রহণ করে?
  1. ক) ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. খ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. গ) ২৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ঘ) ১ ডিসেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার
• ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
• এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
• মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
• এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামারুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড।
১,৬৫২.
আলীবর্দী খান সরফরাজ খানকে পরাজিত করেন কোন যুদ্ধে? 
  1. বক্সারের যুদ্ধে
  2. মহিশূরের যুদ্ধে
  3. গিরিয়ার যুদ্ধে
  4. পলাশির যুদ্ধে
সঠিক উত্তর:
গিরিয়ার যুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গিরিয়ার যুদ্ধে
ব্যাখ্যা

আলীবর্দী খান:
- আলীবর্দী খান বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার নওয়াব।
- তিনি প্রথম জীবনে মির্জা মুহম্মদ আলী নামে পরিচিত ছিলেন।
- তিনি ছিলেন আরব বংশোদ্ভূত মির্জা মুহম্মদের পুত্র।
- মির্জা মুহম্মদ ছিলেন আওরঙ্গজেব-এর দ্বিতীয় পুত্র মির্জা আজম শাহের দরবারের একজন কর্মচারী।

উল্লেখ্য, 
- ১৭৪০ সালে গিরিয়ার যুদ্ধে নবাব সরফরাজ খান কে পরাজিত করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১,৬৫৩.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে কত দফা দাবি পেশ করা হয়?
  1. ৬ দফা
  2. ১৩ দফা
  3. ৯ দফা
  4. ১১ দফা
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ দফা
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান:
- ১৯৬৯ সালে ১১ দফা দাবি পেশ করে।
- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ছিল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পরবর্তীকালের সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া ও মেনন গ্রুপ), পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ ও ডাকসুর নেতৃবৃন্দ মিলে 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করেন।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ বঙ্গবন্ধুর ছয় দফার সাথে মিলিয়ে আরও কয়েকটি দাবি নিয়ে ১১ দফা দাবি পেশ করে।
- ২২শে মার্চ আইয়ুব খান পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খানকে অপসারণ করেন।
- ২৫শে মার্চ আইয়ুব খান সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।
-  ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে গ্রাম ও শহরের কৃষক ও শ্রমিকদের মাঝে শ্রেণি চেতনার উন্মেষ ঘটে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১,৬৫৪.
সম্প্রতি বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠান পূর্ব তিমুরের সরকারি জব পোর্টাল তৈরির দায়িত্ব পেয়েছে?
  1. ক) ক্র্যাকট্যাক সফটওয়্যার লিমিটেড
  2. খ) রেইনবো সফটওয়্যার লিমিটেড
  3. গ) মুজিব ৭১ সফটওয়্যার লিমিটেড
  4. ঘ) ড্রিম ৭১ বাংলাদেশ লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড্রিম ৭১ বাংলাদেশ লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ড্রিম ৭১ বাংলাদেশ লিমিটেড
ব্যাখ্যা
 ড্রিম ৭১ বাংলাদেশ লিমিটেড:
- পূর্ব তিমুরের সরকারি জব পোর্টাল তৈরি করবে বাংলাদেশি সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ড্রিম ৭১ বাংলাদেশ লিমিটেড।
- জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) পূর্ব তিমুরের আওতাধীন ‘যুবকদের কর্মসংস্থান এবং দক্ষতা উন্নয়ন’ প্রকল্পের আওতায় এ পোর্টাল তৈরি করা হবে।
- সম্প্রতি এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি সই হয়েছে।
- ইউএনডিপি পূর্ব তিমুরের সঙ্গে তাদের এটি তৃতীয় কাজ।
- এর আগে পূর্ব তিমুরের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জন্য মোবাইল গেমস এবং দেশটির সংসদের জন্য সফটওয়্যার তৈরি করেছিল ড্রিম ৭১।
- ড্রিম ৭১ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) পরিচালক রাশাদ কবির।
- পূর্ব তিমুরসহ বিশ্বের ১৫টির বেশি দেশে তাঁরা সফটওয়্যার সরবরাহ করেছে।

উৎস: ২৫ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
১,৬৫৫.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয় -
  1. ক) ১৭ এপ্রিল ১৯৯১
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
  3. গ) ৭ মার্চ ১৯৭১
  4. ঘ) ২৬ মার্চ ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বলবৎ হয়।
 -গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি,
- তফসিল আছে ৭টি,
- মূলনীতি আছে ৪টি,
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।

সূত্রঃ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
১,৬৫৬.
পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে নিচের কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) IDA
  2. খ) UNDP
  3. গ) WB
  4. ঘ) ADB
সঠিক উত্তর:
গ) WB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) WB
ব্যাখ্যা
- পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে বেসরকারি খাতের সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশকে ২৫ কোটি ডলার ঋণ দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক।
- ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাসোসিয়েশন কর্মসূচির আওতায় দেওয়া এ ঋণের অর্থ ‘বাংলাদেশ এনভায়রনমেন্টাল সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড ট্রান্সফরমেশন’ প্রকল্পের আওতায় দূষণ হ্রাস এবং পরিবেশ আইন কার্যকর করার প্রশাসনিক ও কারিগরি সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যয় করা হবে।

তথ্যসূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি, ২০২৩
১,৬৫৭.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়নগঞ্জ
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
• খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড:
খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- অবস্থান - খুলনার রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে।
- ইস্ট পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (ইপিআইডিসি) এর তত্ত্বাবধানে ১৯৫৪ সালে কেএসওয়াই-এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতের লক্ষ্যে ২৭ নভেম্বর ১৯৫৭ সালে চালু করা হয়।

তথ্যসূত্র: KSY ওয়েবসাইট।
১,৬৫৮.
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম আবাসিক হলের নাম কী?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হল
  2. শেখ হাসিনা হল
  3. শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল
  4. শেখ রাসেল হল
সঠিক উত্তর:
শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল
ব্যাখ্যা
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়:
- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সদরঘাটে অবস্থিত।
- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ২০০৫ সালে জাতীয় সংসদে গৃহীত ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় আইন’ (২৮ নং আইন) বলে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এ আইন বলে ঢাকার  জগন্নাথ কলেজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরিত হয়।
- ২০০৫-২০০৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক কর্মকান্ড শুরু হয়।
- বিশ্ববিদ্যালয়টি ১১.১১ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। 
- সাবেক সরকারি জগন্নাথ কলেজ ২০০৫ সালে ৪টি অনুষদের অধীনে (কলা, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ) ২০টি বিভাগ নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় নামে যাত্রা শুরু করে।
- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ০৬টি অনুষদ, ০২টি ইনস্টটিউিট, ৩৬টি বিভাগ রয়েছে।
- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম আবাসিক হলের নাম বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল।
- ২০১৩ সালের ২২ ডিসেম্বর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ এম.পি. বাংলাবাজারে অবস্থিত 'বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল'- এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।
- ২০ অক্টোবর ২০২০-মঙ্গলবার সকাল ৯.৩০ মিনিটে বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল এর শুভ উদ্বোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।

উৎস: i) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
১,৬৫৯.
'ছয় দফা' কোথায় উত্থাপন করা হয়?
  1. ঢাকায়
  2. লাহোরে
  3. করাচিতে
  4. রাওয়ালপিন্ডিতে
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাহোরে
ব্যাখ্যা
মুক্তির সনদ:
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১,৬৬০.
শ্রমশক্তি জরিপ-২০২২ অনুযায়ী, দেশে বেকারত্বের হার কত?
  1. ৩.৫৩%
  2. ৪.১২%
  3. ৪.৫৯%
  4. ৫.১১%
সঠিক উত্তর:
৩.৫৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৫৩%
ব্যাখ্যা
শ্রমশক্তি জরিপ-২০২২:
- ১৯৮০ সাল থেকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) শ্রমশক্তি জরিপ পরিচালনা করে।
- প্রকাশ - ২৫ অক্টোবর ২০২৩।
- প্রকাশক - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।
- শ্রমশক্তি (মিলিয়ন) - মোট- ৭৩.০৫ (পুরুষ: ৪৭.২৭, মহিলা: ২৫.৭৮)।
- কর্মে নিয়োজিত (মিলিয়ন) - মোট- ৭০.৪৭ (পুরুষ: ৪৫.৬১, মহিলা: ২৪.৮৬)।
- শ্রমশক্তির বাইরে (মিলিয়ন) - মোট- ৪৬.৩২ (পুরুষ: ১১.৮২, মহিলা: ৩৪.৫০)।
- শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণকারীর হার - মোট- ৬১.২০% (পুরুষ: ৮০.০০%, মহিলা: ৪২.৭৭%)।
- মোট বেকার - ২৫.৮২ লক্ষ।
- বেকারত্বের হার - ৩.৫৩%

তথ্যসূত্র: শ্রমশক্তি জরিপ-২০২২।
১,৬৬১.
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে?
  1. একনায়কতান্ত্রিক
  2. সংসদীয়
  3. যুক্তরাষ্ট্রীয়
  4. রাষ্ট্রপতিশাসিত
সঠিক উত্তর:
সংসদীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদীয়
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের স্বরূপ:
- স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম সরকার (মুজিবনগর সরকার) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র। 
- এই রাষ্ট্রে সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। 
- বর্তমানে দেশে সংসদীয় পদ্ধতির এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রপ্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান।
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করে থাকেন।
- সংসদীয় রীতি অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হয়।
- তাঁকে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থা পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগের শীর্ষ শাসক (Chief Executive) হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।

উৎস:  পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।

১,৬৬২.
কোন নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল?
  1. গৌড়
  2. সোনারগাঁ
  3. ঢাকা
  4. হুগলী
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
• রাজধানী হিসেবে ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের — বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- মুঘল সম্রাট আকবরের সময় বাংলার রাজধানী ছিল — বিহারের রাজমহল।
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী — ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়।
- সম্রাট জাহাঙ্গীর-এর নাম অনুসারে রাজধানীর নাম — 'জাহাঙ্গীরনগর' রাখা হয়।

উল্লেখ্য, 
• ১৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।

• ১৭১৭ খ্রিষ্টাব্দে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
- বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।

• কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।

• ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে। একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক , প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: ঢাকা জেলা, dhaka.gov.bd.জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬৬৩.
শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ কোথায় নির্মাণ করা হয়?
  1. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
  2. ঢাকার সাভারে
  3. রায়েরবাজার বধ্যভূমিতে
  4. ঢাকার মিরপুরে
সঠিক উত্তর:
ঢাকার মিরপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকার মিরপুরে
ব্যাখ্যা
শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ:
- বাঙালি জাতিকে মেধাশূন্য করার ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে মুক্তিযুদ্ধের সময় অগণিত বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়।
- পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে মানবতাবিরোধী এই বর্বর কাজে সহায়তা করেছে রাজাকার ও আলবদর বাহিনী।
- পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী চূড়ান্ত পরাজয়ের দুই দিন পূর্বে ১৪ই ডিসেম্বর অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে।
- তাঁদের স্মৃতি অমর করে রাখার জন্য ঢাকার মিরপুরে শহিদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।
- এর স্থপতি ছিলেন মোস্তফা আলী কুদ্দুস।
- ১৯৭২ সালে এই স্মৃতিসৌধের নির্মাণকাজ শেষ হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১,৬৬৪.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ‘প্রাচ্যের নতুন তারকা' উপাধি দিয়েছে -
  1. ক) নিউইয়র্ক টাইমস
  2. খ) ওয়াশিংটন পোস্ট
  3. গ) খালিজ টাইমস
  4. ঘ) নিউজ উহক
সঠিক উত্তর:
গ) খালিজ টাইমস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খালিজ টাইমস
ব্যাখ্যা
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (UAE) সর্বাধিক প্রচারিত দৈনিক পত্রিকা খালিজ টাইমসে  রোহিঙ্গা সংকটের প্রতি মানবিক আবেদনের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে 'প্রাচ্যের নতুন তারকা' হিসেবে অভিহিত করেছে।

অন্যদিকে,
- লেডি অব ঢাকা- যুক্তরাষ্ট ভিত্তিক  প্রভাবশালী বিজনেস ম্যাগাজিন ‘ফোর্বস’।
- মাদার অব হিউম্যানিটি- ব্রিটিশ মিডিয়া।
- কারিশম্যাটিক লিডার- মিশরের রাষ্টদূত মাহামুদ ইজ্জত।
- বিশ্ব মানবতার বিবেক- কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট জুয়ান ম্যানুয়েল সন্তোস।
- বিরল মানবতাবাদী নেতা- তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

উৎস: প্রথম আলো।
১,৬৬৫.
হাজং নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে কোথায়?
  1. বরিশাল ও পিরোজপুর
  2. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
  3. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা
  4. ফরিদপুর ও মাদারীপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা জেলায় বসবাস করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হাজং।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হাজংদের পূর্বপুরুষের দলটি তাদের আদিনিবাস ত্যাগ করে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় প্রথমে প্রবেশ করে।
- সপ্তদশ শতকে মুগলদের দ্বারা বিতাড়িত হয়ে হাজংরা গারো পাহাড়ে আশ্রয় নেয় এবং পরে সমতলভূমিতে বসতি স্থাপন করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- হাজং নারীরা যে কাপড় পরিধান করে সেটিকে তারা 'পাথিন' বলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১,৬৬৬.
মুক্তিবাহিনীকে প্রথমে কী নামে ডাকা হতো?
  1. সংগ্রাম বাহিনী
  2. স্বাধীনতা বাহিনী
  3. মুক্তিফৌজ
  4. বিজয় বাহিনী
সঠিক উত্তর:
মুক্তিফৌজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিফৌজ
ব্যাখ্যা

• মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিবাহিনী  বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সংগঠিত সশস্ত্রবাহিনী।
- শুরুতে এর নাম ছিল মুক্তিফৌজ। 

⇒ ১৯৭১ সালের মার্চের শুরু থেকে দেশের শহর ও গ্রাম এলাকায় ছাত্র ও যুব নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে গঠিত সংগ্রাম পরিষদের কর্মীরাই পরবর্তী সময়ে সংগঠিত হয়ে মুক্তিফৌজ ও মুক্তিবাহিনী গঠন করে।

⇒ মুক্তিবাহিনীর সদস্যদের মূলত দুই শ্রেণীতে ভাগ করা যায়: প্রথম শ্রেণীর সদস্যরা ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের জাতীয়তাবাদী সেনাবাহিনীর সদস্যবৃন্দ, অন্যভাগ আসে ইতিপূর্বে শহর ও গ্রামে সংগঠিত সংগ্রাম পরিষদের বিভিন্ন শাখার সদস্য ও তাদের অনুসারী বেসামরিক জনগণ থেকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১,৬৬৭.
'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্মের শিল্পী কে?
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. এস এম সুলতান
  4. মুর্তজা বশীর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়নুল আবেদিন
ব্যাখ্যা

'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্ম:
- 'সাঁওতাল দম্পতি' চিত্রকর্মের শিল্পী জয়নুল আবেদিন।
- কাঠের প্যানেলে তৈল মাধ্যমে জয়নুল আবেদিন ‘সাঁওতাল দম্পতি’ প্রথম এঁকেছিলেন ১৯৫১ সালে।
- পরে ছবিটির একাধিক সংস্করণও করেছিলেন তিনি। 
- বিষয়বস্তু: মাথায় মাথাল অর্থাৎ বাঁশ বা বেতের তৈরি এক ধরণের গ্রামীণ টুপি পরে খালি পায়ে হেঁটে যাচ্ছেন এক যুগল যা গ্রামীণ বাংলার জীবন ও সংস্কৃতির প্রতিচ্ছবি।
- ছবিটি জয়নুল আবেদিন এঁকেছিলেন ১৯৬৩ সালে। পেইন্টিং-এর ওপরে তার নাম স্বাক্ষর করা আছে।

⇒ জয়নুল আবেদিন:
- জয়নুল আবেদিন ১৯১৪ সালে ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন।
- জয়নুল আবেদিনকে বাংলাদেশে আধুনিক শিল্প আন্দোলনের পুরোধা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তিনি ১৯৩৩ সালে কলকাতা সরকারি আর্ট স্কুলে ভর্তি হন এবং পাঁচ বছর সেখানে ব্রিটিশ স্টাইলের ওপর পড়াশুনা করেন।
- ১৯৪৮ সালে ঢাকায় তার প্রতিষ্ঠা করা ‘ইনস্টিটিউট অব আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফ্টস’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। বর্তমানে যেটিকে আমরা ‘চারুকলা ইনস্টিটিউট’ হিসেবে জানি।
- ‘দুই মহিলা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩), ‘পাইন্যার মা’ (গোয়াশ, ১৯৫৩) ও ‘মহিলা’ (জলরং, ১৯৫৩), 'ফসল মাড়াই', জলরং (১৯৬৩) হলো এ আমলের উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্ম।
- ১৯৭৬ সালের ২৮ মে ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
iii) BBC.

১,৬৬৮.
‘ইলবার্ট বিল’ এর বিষয়বস্তু কী ছিলো?
  1. ক) সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণ
  2. খ) গর্ভনরের উপদেষ্টা কাউন্সিলে ভারতীয়দের অন্তর্ভুক্তি
  3. গ) জমিদারী প্রথা উচ্ছেদ করা
  4. ঘ) ইউরোপীয় ও ভারতীয় বিচারকদের সমমর্যাদা প্রদান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরোপীয় ও ভারতীয় বিচারকদের সমমর্যাদা প্রদান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইউরোপীয় ও ভারতীয় বিচারকদের সমমর্যাদা প্রদান
ব্যাখ্যা
লর্ড রিপনের সময়ে ১৮৮৩ সালে তার আইন পরিষদের সদস্য সি. পি. ইলবার্ট উত্থাপিত বিল ‘ইলবার্ট বিল’ নামে পরিচিত। এই বিলে ব্রিটিশ ভারতে কর্মরত ইউরোপীয় ও দেশীয় বিচারকদের সমমর্যাদা প্রদান করা হয়।
১৮৭২ সালে ফৌজদারি কার্যবিধি সংশোধন করে বিধান করা হয় কলকাতা ব্যতীত অন্যত্র দেশীয় বিচারকগণ ইউরোপীয় অপরাধীদের অপরাধের বিচার করতে পারবেন না।
লর্ড রিপন এই আইন সংশোধন করে সমমর্যাদা প্রদান করতে ইলবার্ট বিল প্রণয়ন করেন। কিন্তু ইউরোপীয়দের বিরোধিতায় তা করা সম্ভব হয়নি।
পরবর্তীতে ইলবার্ট বিল সংশোধন করে দেশীয় বিচারক কর্তৃক ইউরোপীয় অপরাধীদের বিচার করার ক্ষেত্রে জুরিবোর্ড গঠনের বিধান করা হয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১,৬৬৯.
‘জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি’ চালু হয়েছে কোথায়? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা

জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি:
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে ১ জুলাই থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়েছে ‘জুলাই শহীদ স্মৃতি শিক্ষাবৃত্তি’।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তরুণদের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর এই বৃত্তি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
- এ বৃত্তির অধীনে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের এককালীন সহায়তা দেওয়া হবে।
- এ বছর ৭২৫টি প্রতিষ্ঠানের ২ হাজার ৪০ জন শিক্ষার্থী এ বৃত্তি পেয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন মোট শিক্ষার্থী ৩১ লাখ ৭০ হাজারের বেশি, যা দেশে উচ্চশিক্ষায় মোট শিক্ষার্থীর প্রায় ৭২ শতাংশ।
- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন কলেজ আছে ২ হাজার ২৫৭টি।
- জুলাই গণ-অভ‍্যুত্থানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ৩২ জন শিক্ষার্থী শহীদ হয়েছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

১,৬৭০.
দেশে বর্তমানে স্বাক্ষরতার হার কত?
  1. ক) ৭২.৫%
  2. খ) ৭৩.২%
  3. গ) ৭৪.৭%
  4. ঘ) ৭৫.৩%
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪.৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪.৭%
ব্যাখ্যা
দেশে বর্তমানে স্বাক্ষরতার হার - ৭৪.৭% (প্রাথমিক ও গণ শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত তথ্য)।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর ২০২০।
১,৬৭১.
কৃষি জলবায়ু নিচের কোনটি উৎপাদনের সঙ্গে সম্পৃক্ত?
  1. ফসল উৎপাদন
  2. পশুপাখি উৎপাদন
  3. মৎস্য উৎপাদন
  4. ক, খ ও গ
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক, খ ও গ
ব্যাখ্যা
কৃষি জলবায়ু:
- জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশের ঋতুচক্র বদলে যাচ্ছে।
- এর নেতিবাচক প্রভাব দেশের কৃষি উৎপাদনের ওপরে পড়তে শুরু করেছে।
- খরাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর দিনে দিনে নিম্নমুখী হয়ে সেচ কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করছে।
- এর ফলে বিভিন্ন কৃষির উৎপাদন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

⇒ ফসল উৎপাদন:
- জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব দেশে ফসল উৎপাদন ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
- দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে লবণাক্ততা বৃদ্ধি ছাড়া ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্রের আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে।
- ফলে অতিবৃষ্টি, অসময়ে বৃষ্টি, বন্যা, তীব্র খরা, নদীর নাব্যতা সংকট, জলাবদ্ধতা ইত্যাদি সমস্যা দিন দিন প্রকট হচ্ছে।
- এর সবগুলোই কৃষি খাতের ওপর নেতিবাচক প্রভাবফেলছে।

⇒ মৎস্য উৎপাদন:
- আধুনিক পদ্ধতিতে পরিকল্পিতভাবে মৎস্য চাষের ফলে সামুদ্রিকভাবে মৎস্য উৎপাদন মুক্ত ও বদ্ধ জলাশয় বৃদ্ধি পেলেও বিভিন্ন প্রকার প্রাকৃতিক ও মনুষ্য সৃষ্ট প্রতিবন্ধকতার কারণে প্রবৃদ্ধি কাঙ্খিত পর্যায়ে ধরে রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
- এসব প্রতিবন্ধকতার মধ্যে রয়েছে বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা, খরা, বন্যা সাইক্লোন, জলোচ্ছ্বাস ইত্যাদিজনিত জলবায়ু পরিবর্তন। 

⇒ পশুপাখি উৎপাদন:
- বিশ্বের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও মানুষ কর্তৃক পরিবেশ ধ্বংসই জলবায়ু পরিবর্তনের অন্যতম কারণ।
- বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যেমন:- জলোচ্ছ্বাস, সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়, প্রবল বায়ুপ্রবাহ, বন্যা ও খরা প্রভৃতি কারণে পশুপাখির ব্যাপক ক্ষতি হয়। আর জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগ প্রতিনিয়তই এদেশে আঘাত হানছে।
- ফলে খামারি বা কৃষকরা অর্থনেতিকভাবে লাভবান হতে পারছে না। 
- মৃত পশুপাখির কারণে পরিবেশেরও দুষণ ঘটে।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭২.
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাজনৈতিক দলের ভূমিকা ও গণতন্ত্রের সম্পর্ক কেমন ?
  1. পরিপূরক
  2. বিপরীত 
  3. সম্পূরক
  4. কোন সম্পর্ক নেই
সঠিক উত্তর:
পরিপূরক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিপূরক
ব্যাখ্যা

• গণতন্ত্র ও রাজনৈতিকদলের সম্পর্ক:
-  গণতন্ত্র ও রাজনৈতিক দলের সম্পর্ক একে অপরের পরিপূরক।
- গণতন্ত্র ছাড়া যেমন রাজনৈতিক দল টিকতে পারে না। তেমনি রাজনৈতিক দল না থাকলে গণতন্ত্রও সম্ভব নয়।
-  গণতন্ত্র মানে হল রাষ্ট্রীয় কাঠামোতে সকলের অংশগ্রহণ। স্বাধীন বাংলাদেশের যাত্রা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছিল।
-  ১৯৭২ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সংবিধানে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করা হয়। 
-  মূল সংবিধানে রাষ্ট্র পরিচালনার চার মূলনীতির একটি হল গণতন্ত্র, যা সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে।
-  স্বাধীন বাংলাদেশে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে প্রথম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় - ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ ।
 
তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৭৩.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে কী রয়েছে?
  1. শাপলা
  2. ধানের শীষ
  3. সূর্য
  4. তারকা
সঠিক উত্তর:
শাপলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাপলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পরপরই বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক গ্রহণ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান একটি শাপলা ফুল।

⇒ এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।
- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।
- সংবিধানের প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র) অনুচ্ছেদে : ৪ (৩)-এ জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

⇒ এই জাতীয় প্রতীক কিন্তু সবাই ব্যবহার করতে পারেন না।
- শুধু রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার ব্যবহারের ক্ষমতা রাখেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১,৬৭৪.
স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নূর হোসেন কত সালে শহীদ হন?
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা
নূর হোসেন:

- ১৯৮৭ সালে জেনারেল এরশাদের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহীদ হন।
- তিনি ১৯৬১ সালে ঢাকার নারিন্দায় জন্মগ্রহণ করেন।
- নূর হোসেনের পৈতৃক নিবাস পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলাধীন ঝাটিবুনিয়া গ্রামে।
- নুর হোসেন ছিলেন ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের বনগ্রাম শাখার প্রচার সম্পাদক।
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর জোটবদ্ধ বিরোধী রাজনৈতিক দলসমূহ 'ঢাকা অবরোধ কর্মসূচি' গ্রহণ করে।
- এই কর্মসূচির লক্ষ্য ছিল এরশাদ সরকারের পদত্যাগ এবং নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবি আদায়।
- সেদিন নূর হোসেন স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করেন।
- তিনি গায়ের জামা খুলে উদোম বুক ও পিঠে সাদা রঙে লিখিয়ে নেন স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।

তথ্যসূত্র- বাংলাপিডিয়া।
১,৬৭৫.
মহাস্থানগড়ের প্রাচীনতম নাম কী?
  1. সুবর্ণগ্রাম
  2. পুণ্ড্রনগর
  3. সমতট
  4.  চন্দ্রদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্রনগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্রনগর
ব্যাখ্যা

মহাস্থানগড়:
- বাংলাদেশের প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন হচ্ছে মহাস্থানগড়।
- পাহাড়পুরের মত এখানেও বৌদ্ধ এবং হিন্দু সংস্কৃতির নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- ধারণা করা হয়, বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে মহাস্থানগড়ই সর্বাধিক প্রাচীন।
- অবস্থান: বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে বাংলাদেশের প্রাচীনতম ও সর্ববৃহৎ নগরী পুন্ড্রনগরের অবস্থান।
- ঢাকা-দিনাজপুর মহাসড়কের পাশে অবস্থিত এই পুন্ড্রনগরই হচ্ছে মহাস্থানগড়।
- এর পূর্বদিকে করতোয়া নদী প্রবাহিত।
- প্রাচীন এ সভ্যতাটি উত্তর-দক্ষিণে প্রায় ১৫০০ মিটার এবং পূর্ব-পশ্চিমে ১৪০০ মিটার বিস্তৃত।
- উৎপত্তি: খ্রিস্টপূর্ব আনুমানিক দ্বিতীয় শতকে মহাস্থান ব্রাহ্মলিপিতে 'পুন্দনগল' এর উল্লেখ পাওয়া যায়।
- প্রত্নতাত্ত্বিক ও নৃবিজ্ঞানীদের ধারণা, এ পুন্দনগলই হচ্ছে প্রাচীন পুঞ্জের রাজধানী পুন্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়।
- মৌর্য সম্রাট অশোকের একটি শিলালিপি ও চীনা পর্যটক হিউয়েন সাং- এর বর্ণনায় পুণ্ড্রনগরের উল্লেখ আছে।
- হিউয়েন সাং- এর বর্ণনা থেকেই আলেকজান্ডার কানিংহাম ১৮৭৯ সালে মহাস্থানকে পুণ্ড্রনগর বলে চিহ্নিত করেন।
- মহাস্থানগড়ের প্রাচীনতম নাম 'পুণ্ড্রনগর'।

অপরদিকে,
- চন্দ্রদ্বীপ বাংলাদেশের বরিশাল জেলার একটি ছোট অঞ্চল।
- ময়নামতি বাংলাদেশের কুমিল্লায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান।
- সোনারগাঁও-এর প্রাচীন নাম ছিল সুবর্ণগ্রাম।

উৎস: সমাজ বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচ এস সি, প্রোগ্রাম, ‍উন্মু্ক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৭৬.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর কোনটি?
  1. ক) জাতীয় জাদুঘর
  2. খ) বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
  3. গ) মহাস্থানগড় জাদুঘর
  4. ঘ) ময়নামতি জাদুঘর
সঠিক উত্তর:
খ) বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
ব্যাখ্যা
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর বাংলাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাদুঘর।
- এটি বরেন্দ্র রিসার্চ সোসাইটির একটি বড় অর্জন।
- অক্ষয়কুমার মৈত্রেয়, রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে প্রত্নস্থল আবিষ্কারের লক্ষ্যে শরৎকুমার ১৯১০ সালের এপ্রিলে দেওপাড়া, পালপাড়া, মালঞ্চ, জগপুর, ইটাহার, চবিবশনগর, মান্দইল, কুমারপুর, খেতুর ও বিজয়নগর পরিদর্শন করেন।
- তাঁরা মান্দইল থেকে চন্ডীর কয়েকটি প্রমাণসাইজ মূর্তিসহ প্রায় ৩২টি ভাস্কর্য সংগ্রহ করতে সক্ষম হন।
- ১৯১১ সালে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরে সংগৃহীত সকল দুষ্প্রাপ্য ও অনন্য নমুনা কলকাতার ভারতীয় জাতীয় জাদুঘর দাবি করলে বরেন্দ্র জাদুঘরের অস্তিত্ব বিপন্ন   হওয়ার উপক্রম হয়। 
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী জেলা প্রশাসন জাদুঘরটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিকট অর্পণ করার ব্যাপারে প্রাদেশিক সরকারের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হয়।
- হস্তান্তর পত্র যথারীতি স্বাক্ষরিত হয় এবং ১৯৬৪ সালের ১০ অক্টোবর এটি আইন সম্মত উপায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে যায়।
- বিশ্ববিদ্যালয় জাদুঘর পরিচালনার সকল আর্থিক দায়িত্ব গ্রহণ করে।
- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘরের সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে পাথর ও ধাতুনির্মিত ভাস্কর্য, খোদিত লিপি, মুদ্রা, মৃৎপাত্র ও পোড়ামাটির ফলক, অস্ত্রশস্ত্র, আরবি ও ফারসি দলিলপত্র, চিত্র, বইপত্র ও সাময়িকী এবং সংস্কৃত ও বাংলা পান্ডুলিপিসমূহ।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া। 
১,৬৭৭.
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ছিল-
  1. ১১ দফা
  2. ২১ দফা
  3. ৬ দফা
  4. ৪১ দফা
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
ব্যাখ্যা

যুক্তফ্রন্টের -২১ দফা ছিল নির্বাচনী ইশতেহার
 নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল 'নৌকা'।
২১ দফা কর্মসূচির মুখ্য রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।

- প্রধান দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হলো:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা;
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত ও ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ করা:
৩. পাটশিল্পকে জাতীয়করণ করা।
৩. পাটের ব্যবসা জাতীয়করণ করা
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রর্বতন করা
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা
১০. শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন করা
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহিদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহিদ মিনার নির্মাণ করা
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহিদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনভাবেই বৃদ্ধি না করা
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১,৬৭৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌ-কমান্ড গঠিত হয় কোন সেক্টর নিয়ে?
  1. ক) ৮ নং সেক্টর
  2. খ) ৯ নং সেক্টর
  3. গ) ১০ নং সেক্টর
  4. ঘ) ১১ নং সেক্টর 
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
• সেক্টর:
 - সমগ্র বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- তন্মধ্যে দেশের অভ্যন্তরীণ সকল নৌ চলাচল, বন্দর ও উপকূলীয় অঞ্চল নিয়ে গঠিত হয়েছিল ১০ নং সেক্টর বা নৌ সেক্টর। এ সেক্টরের কোন নির্দিষ্ট সেক্টর কমান্ডার ছিল না। । এ সেক্টর গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত তৎকালীন পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি কর্মকর্তা।
- কিশোরগঞ্জ বাদে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ১১’। 
- এপ্রিল থেকে ৩ই নভেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম আবু তাহের ও তারপর ফ্লাইট লেফট্যান্যান্ট এম হামিদুল্লাহ। আর এই সেক্টরের সদর দপ্তর  হিসেবে ভারতের আসামের মহেন্দ্রগঞ্জকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। এই সেক্টরকে ৭টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল।
- পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৯’
- কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৮’ এর অন্তর্ভুক্ত। 
- রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল ও রংপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৭’ এর অন্তর্ভুক্ত।
- দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা  ও ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৬’
- বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ  নিয়ে ‘সেক্টর নং ৫‘ গঠিত হয়।
- সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ৪’। 
- হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ ও ঢাকার কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৩’ এর আওতায়।
- ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া–ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ২’।
- ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি ও ফেনী পর্যন্ত ছিল ‘সেক্টর নং ১’। এই সেক্টরের  সদর দপ্তর  ছিল ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের  হরিনা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা,  এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৭৯.
মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয় কাকে?
  1. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
  2. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ 
  3. ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
  4. শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ
ব্যাখ্যা

সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ:
- সুলতান আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহি যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- তিনি সৈয়দ হোসেন হাবসি শাসন উচ্ছেদ করে সিংহাসনে বসেন এবং সুলতান হয়ে 'আলাউদ্দিন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তাঁর শাসনামল ছিল ১৪৯৮ থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত।
- তিনি বাংলার আকবর হিসেবে পরিচিত ছিলেন।
- তাঁর আমলে শ্রী চৈতেন্যদেব “বৈষ্ণব ধর্ম” প্রচার করেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন।

⇒ তার শাসনামলে বাংলার সালতানাতের ব্যাপক সম্প্রসারণ ঘটে।
- হুসেন শাহ কামরূপ ও কামতা জয় করেন।
- ঊড়িষ্যা এবং ত্রিপুরার কিছু অংশ তার শাসনাধীন আসে।
- এছাড়া তিনি আরাকানীদের চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে 'নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১,৬৮০.
অপারেশন জ্যাকপট কী?
  1. ক) ১৯৭১ সালে পাকবাহিনী পরিচালিত অভিযান
  2. খ) বঙ্গোপসাগরে মার্কিন সামরিক টাস্কফোর্স
  3. গ) মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অভিযান
  4. ঘ) ভারতের স্বর্ণমন্দিরে পরিচালিত অভিযান
সঠিক উত্তর:
গ) মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অভিযান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত অভিযান
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৫ আগস্ট মুক্তিবাহিনীর নৌ-কমান্ডোদের পরিচালিত প্রথম অভিযান অপারেশন জ্যাকপট নামে পরিচিত।
এদিন নৌ-কমান্ডোরা একযোগে চট্টগ্রাম, মংলা, চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জ বন্দরে পাকবাহিনীর উপর হামলা চালায়। এতে পাকবাহিনীর ২৬ টি নৌযান ধ্বংস হয়। মোট ১৪৮ জন নৌ-কমান্ডো চারটি গ্রুপে ভাগ হয়ে এ অপারেশনে অংশ নেয়।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১,৬৮১.
২৬ মার্চ, ১৯৭১ সালে চট্রগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র কে প্রথম পাঠ করেন?
  1. শেখ মুজিবর রহমান
  2. আখতার মুকুল
  3. জিয়াউর রহমান
  4. এম এ হান্নান
সঠিক উত্তর:
এম এ হান্নান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম এ হান্নান
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা:
- বঙ্গবন্ধু বন্দি হওয়ার পূর্বেই চট্টগ্রামস্থ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জনাব এম. এ. হান্নানের নিকট স্বাধীনতার ঘোষণা বাণী প্রেরণ করেন। বাণীটি স্বাধীনতার দলিলপত্র তৃতীয় খন্ডে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- এম.এ. হান্নান বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা ২৬ মার্চ দুপুরে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচার করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রিণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮২.
ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলা ভাষা সংস্কার কমিটির সভাপতি কে ছিলেন?
  1. মাওলানা আকরাম খাঁ
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. মুক্তার আলি
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আকরাম খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আকরাম খাঁ
ব্যাখ্যা
পূর্ব বাংলা ভাষা সংস্কার কমিটি:
- ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার ভাষা কমিটির সভাপতি ছিলেন মাওলানা আকরাম খাঁ। 

⇒ পূর্ব বাংলার জনগণের আন্দোলনের মুখে প্রাদেশিক সরকার ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে বাংলা ভাষা সংস্কারের জন্য মাওলানা মোহাম্মদ আকরম খাঁকে সভাপতি এবং কবি গোলাম মোস্তফাকে সম্পাদক করে একটি সংস্কার কমিটি গঠন করে।
- দেড় বছর ব্যাপক আলাপ আলোচনার পর কমিটি সরকারের কাছে রিপোর্ট পেশ করে।
- এই রিপোর্টে বাংলা ভাষা, ব্যাকরণ ও বর্ণমালার প্রচুর সংস্কারের পরামর্শ দেয়া হয়।
- নতুন ভাষার নামকরণ হয় 'সহজ বাংলা'।
- কমিটি রোমান বা উর্দু হরফে বাংলা লেখার প্রশ্নকে কমপক্ষে বিশ বছরের জন্য স্থগিত রাখার পরামর্শ দেয়।
- এ সময়ের মধ্যে উর্দু ভাষাকেও প্রয়োজনীয় সংস্কারের আহ্বান জানায়।
- এই রিপোর্টটি পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর পছন্দ হয়নি বলেই তা শেষ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়নি।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৩.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে -
  1. পঞ্চগড়ে
  2. মৌলভীবাজারে
  3. হবিগঞ্জে
  4. চট্টগ্রামে
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়ে
ব্যাখ্যা
চা নিলাম কেন্দ্র:

- চট্টগ্রাম ও সিলেটের পরে ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- এই নিলাম কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তৎকালীন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- দেশে মোট উৎপাদিত চায়ের ১৯ শতাংশ চা পঞ্চগড় ও পাশ্ববর্তী জেলাগুলোতে উৎপাদন হচ্ছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।
১,৬৮৪.
সিলেট অঞ্চল কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. সিলেট
  2. কুমিল্লা
  3. নোয়াখালী
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
হরিকেল:

- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৮৫.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্য থেকে অর্জিত?
  1. ৮৫.৪৫%
  2. ৮১.১৯%
  3. ৮৪.৫৮%
  4. ৮১.২৫%
সঠিক উত্তর:
৮৫.৪৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৫.৪৫%
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর- এ বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

অন্যদিকে,
- ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫%।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় – ৩১,৩৬২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮৪.৫৮% (নীটওয়্যার- ৪৬.০১% ও তৈরি পোশাক - ৩৮.৫৭%)।
- ২০২০-২১ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৮,৫৬১.৮৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৮.৫৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মোট রপ্তানি আয়ের - ৮১.১৯%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১,৬৮৬.
পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [মে,২০২৫]
  1. ফরিদপুর
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. ময়মনসিংহ
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন:
- প্রথম: ফরিদপুর জেলা (৯,৯১,৮৭৫ মে. টন)
- দ্বিতীয় – পাবনা জেলা (৫,৬৯,১৩৭ মে. টন)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,০২,৮৫৯ মে. টন)
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৬৭,০৬,৯৫৫ মে. টন)
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: রাজশাহী বিভাগ (৪,৩৮,৩৩০ মে. টন)
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: ঠাকুরগাও জেলা (১,৬৫,২৬৪ মে. টন)

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৩
১,৬৮৭.
১২ মার্চ, ২০২৪ বুড়িমারী-ঢাকা রেলরুটে যাত্রা শুরু করা আন্তঃনগর ট্রেনের নাম কী?
  1. ঢাকা এক্সপ্রেস
  2. বুড়িমারী এক্সপ্রেস
  3. মেলাঘর এক্সপ্রেস
  4. বঙ্গবন্ধু এক্সপ্রেস
সঠিক উত্তর:
বুড়িমারী এক্সপ্রেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িমারী এক্সপ্রেস
ব্যাখ্যা
বুড়িমারী এক্সপ্রেস:
→ বুড়িমারী-ঢাকা রেলরুটে যাত্রা শুরু করে আন্তঃনগর ট্রেন ‘বুড়িমারী এক্সপ্রেস’।
→ বুড়িমারীবাসীকে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতিশ্রুতিরও বাস্তবায়ন ঘটলো এর মাধ্যমে। 
→ ১২ মার্চ, ২০২৪ ট্রেনটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন লালমনিরহাট জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের তিনজন সংসদ সদস্য।
→ ২০১১ সালের ১৯ অক্টোবর লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম-আঙ্গোরপোতা ও তিনবিঘা করিডোর পরদির্শনে আসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সে সময় তিনি বুড়িমারী থেকে সরাসরি রাজধানী ঢাকায় চলাচলের জন্য একটি আন্তঃনগর ট্রেন চালুর প্রতিশ্রুতি দেন। ট্রেনটি চালুর সম্ভব্যতা যাচাই করতে ২০১৮ সালের ১৬ জুন লালমনিরহাট বুড়িমারী রেলপথ পরিদর্শন করেন সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। সে সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন। 

তথ্যসূত্র: যুগান্তর ও ইত্তেফাক (১২ মার্চ, ২০২৪)।
১,৬৮৮.
২০২২ সালে শিশু সাহিত্যে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান -
  1. ক) মুহাম্মদ শামসুল হক
  2. খ) সুভাষ সিংহ রায়
  3. গ) মিলন কান্তি দে
  4. ঘ) ধ্রুব এষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধ্রুব এষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ধ্রুব এষ
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২২: 

১. কবিতা— ফারুক মাহমুদ, তারিক সুজাত। 
২. কথাসাহিত্য— তাপস মজুমদার, পারভেজ হোসেন।
৩. প্রবন্ধ/গবেষণা— মাসুদুজ্জামান।
৪. অনুবাদ— আলম খোরশেদ।
৫. নাটক— মিলন কান্তি দে, ফরিদ আহমদ দুলাল।
৬. শিশুসাহিত্য— ধ্রুব এষ।
৭. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণা—  মুহাম্মদ শামসুল হক।
৮. বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণা— সুভাষ সিংহ রায়।
৯. বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞান—  মোকারম হোসেন।
১০. আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনী— ইকতিয়ার চৌধুরী।
১১. ফোকলোর— আবদুল খালেক, মুহম্মদ আবদুল জলিল। 

উৎস: বাংলা একাডেমি।
১,৬৮৯.
বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয় কবে?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার রাষ্ট্রভাষা স্বীকৃতি:
- ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট জয়লাভ করে।
- ৭ মে ১৯৫৪ অনুষ্ঠিত গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি মোতাবেক ২১ ফেব্রুয়ারি শোক দিবস হিসেবে ছুটি ও শহীদ দিবস ঘোষণা করে।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলা ভাষা সাংবিধানিক স্বীকৃতি পায়।
- ১৯৬২ সালে সংবিধানে তা বহাল থাকে।
- সংবিধান প্রণয়নের আগে, ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৬, আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেলউদ্দিন আহমেদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার জন্য বিল উত্থাপন করেন।
- উক্ত বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
- এই প্রক্রিয়া বাংলার ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত বিজয় ও দীর্ঘ সংগ্রামের ফলাফল হিসেবে বিবেচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

১,৬৯০.
‘হীরা, শুভ্রা’ কোন দুইটি ফসলের উন্নত জাত হিসেবে বাংলাদেশে ব্যবহৃত হয়?
  1. আম ও মরিচ
  2. টমেটো ও আলু
  3. আলু ও ভুট্টা
  4. গম ও তুলা
সঠিক উত্তর:
আলু ও ভুট্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলু ও ভুট্টা
ব্যাখ্যা

‘হীরা, শুভ্রা’ বাংলাদেশে আলু ও ভুট্টার উন্নত জাত হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

- বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি ফসলের উন্নত জাত, যথা:-

• উচ্চ ফলনশীল আলু: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরি।
• আমের উন্নত জাত: মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা,, ক্ষীরসাপাতি।
• মরিচের জাত: যমুনা।
• টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, ও শ্রাবণী।
• ভুট্টার কয়েকটি উন্নত জাতের : বর্ণালি, শুভ্রা, উত্তরণ।
• গমের কয়েকটি উন্নত জাতের বীজ : বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, কাঞ্চন, অগ্রণী, আনন্দ।
• তুলার দুটো উন্নত জাত হলো: রূপালী ও ডেলফোজ

উৎস: বাংলাদেশ কৃষি তথ্য সহায়তা কেন্দ্র।

১,৬৯১.
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন কে?
  1. মেজর কে এম শফিউল্লাহ
  2. মেজর খালেদ মোশাররফ
  3. মেজর জিয়াউর রহমান
  4. মেজর এম.এ জলিল
সঠিক উত্তর:
মেজর কে এম শফিউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেজর কে এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন মেজর কে এম শফিউল্লাহ। 

তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:

- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

⇒ মুক্তিবাহিনী:
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১,৬৯২.
ক্যকপ্রাং ঝর্ণা অবস্থিত-
  1. ক) খাগড়াছড়িতে
  2. খ) চট্টগ্রামে
  3. গ) রাঙামাটিতে
  4. ঘ) হবিগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙামাটিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাঙামাটিতে
ব্যাখ্যা
- ক্যকপ্রাং ঝর্ণা অবস্থিত রাঙামাটিতে।
- মারমা ভাষায় ক্যকপ্রাং শব্দের অর্থ পাথরের এলাকা।
১,৬৯৩.
’গণতন্ত্র ও মানবাধিকার’ সংবিধানের কোন  অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৮ নং
  2. ১৪ নং
  3. ২১ নং
  4. ১১ নং
সঠিক উত্তর:
১১ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ নং
ব্যাখ্যা
• ’গণতন্ত্র ও মানবাধিকার’ সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত।

অন্যদিকে,
সংবিধানের ২১ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
সংবিধানের ২৪ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
সংবিধানের ৮ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু - মূলনীতিসমূহ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১,৬৯৪.
ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান কত তারিখে শহীদ হয়েছিলেন?
  1. ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  2. ১১ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  3. ১৭ জানুয়ারি, ১৯৬৯
  4. ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯
সঠিক উত্তর:
২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯
ব্যাখ্যা

৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান:
- আইয়ুব বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ১৯৬৮ সালের অক্টোবর মাসে শুরু হলেও তা ১৯৬৯-এর জানুয়ারিতে তুঙ্গে ওঠে এবং মধ্য জানুয়ারিতে গণআন্দোলনের রূপ নেয়। 
- ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ দেশের সকল মৌলিক গণতন্ত্রীকে পদত্যাগের আহ্বান জানালে অনেকেই সে আহ্বানে সাড়া দেন। 
- ছাত্র-শিক্ষকবৃন্দ ছাত্রসংগ্রাম পরিষদের আন্দোলনের সংগে একাত্মতা ঘোষণা করেন।
- আইয়ুব পুলিশ, ইপিআর ও সেনাবাহিনী দিয়ে ঐ আন্দোলন স্তব্ধ করার চেষ্টা করেন। 
- ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও ছাত্র ইউনিয়ন মেনন গ্রুপের নেতা আসাদুজ্জামান পুলিশের গুলিতে শহীদ হলে আন্দোলন সরকারের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
- আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে যখন প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করার সময় ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১,৬৯৫.
শায়েস্তা খানের কন্যা ইরান দুখতের মাজার অবস্থিত-
  1. ক) সোনারগাঁও
  2. খ) লালবাগ
  3. গ) ময়নামতি
  4. ঘ) নওগাঁ
সঠিক উত্তর:
খ) লালবাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লালবাগ
ব্যাখ্যা
- শায়েস্তা খানের কন্যা ছিলেন পরী বিবি।
- তাঁর আসল নাম ইরান দুখত। 
- পরীবিবির মাজার লালবাগ কেল্লার অভ্যান্তরে দরবারগৃহ থেকে ২৭৫ ফুট পশ্চিমে অবস্থিত।
- ইরান দুখত শাহাজাদা আযমের বাগদত্তা ছিলেন কিন্তু বিয়ের পূর্বে তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হন।
১,৬৯৬.
র‍্যাম্পসহ ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৪৬.৭১ কি.মি
  2. ৪৬.৭৩ কি.মি
  3. ১৯.৭৩ কি.মি
  4. ১৯.৭১ কি.মি
সঠিক উত্তর:
৪৬.৭৩ কি.মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬.৭৩ কি.মি
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, দেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।
- মূল এলিভেটেড অংশের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কি.মি.।
- প্রকল্পে উঠা-নামার জন্য মোট ২৭ কি.মি দীর্ঘ ৩১টি র‍্যাম্প রয়েছে।
- র‍্যাম্পসহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬.৭৩ কি.মি.।
- সড়কটি হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত।
- ঢাকা শহরের যানজট নিরসনসহ ভ্রমণে সময় ও ব্যয় সাশ্রয়ের লক্ষ্যে এই উড়াল সড়ক তৈরির উদ্যোগ নেয় সরকার। 
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে দ্রুতগতির প্রথম উড়ালসড়ক (ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে) উদ্বোধন করেছেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ছাড়া থাইল্যান্ড ও চীনভিত্তিক দুটি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ এবং নির্মাণকাজের মাধ্যমে এই উড়ালসড়কের অংশীদার।
- প্রকল্পের মেয়াদ: জুলাই ২০১১- জুন ২০২৪।

উৎস: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।
১,৬৯৭.
সাঁওতাল গ্রামগুলো কি নামে পরিচিত?
  1. পুঞ্জি
  2. আদাম
  3. দিশাম
  4. রোয়া
সঠিক উত্তর:
দিশাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিশাম
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। 
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই।
- সোহরাই উৎসব সাঁওতালদের একপ্রকার জাতীয় উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।
- সাঁওতালদের প্রধান উপাস্য সূর্য।
- সাঁওতাল সমাজ প্রধানত কৃষিনির্ভর। 
- সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। 
- সাঁওতালদের নিজস্ব ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই।
- সাঁওতালদের মধ্যে এখনও ১২টি গোত্রবিভাগ রয়েছে। 
- সাঁওতাল গ্রামগুলো দিশাম নামে পরিচিত।

অন্যদিকে -
- খাসিয়াদের গ্রাম পুঞ্জি।
- চাকমাদের গ্রাম আদাম।
- মারমাদের গ্রাম রোয়া।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি: সপ্তম শ্রেণি।
১,৬৯৮.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় বঙ্গবন্ধুর পক্ষে প্রসিকিউটর হিসেবে নিযুক্ত হয়েছিলেন কে?
  1. উইলিয়াম জোন্স
  2. উইলিয়াম হান্টার
  3. স্যার টমাস উইলিয়াম
  4. উইলিয়াম কেরি
সঠিক উত্তর:
স্যার টমাস উইলিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার টমাস উইলিয়াম
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে প্রসিকিউটর হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১,৬৯৯.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের দেহাবশেষ কবে বাংলাদেশে ফিরিয়ে এনে পুনঃ সমাহিত করা হয়?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান:
- তিনি সর্বকনিষ্ঠ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ।
- তিনি ১৯৫৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহ জেলার খালিশপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সেনাবাহিনীতে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ৪নং সেক্টরের অধীনে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ মোহাম্মদ মোস্তফা কামালের পদবী ছিল- সিপাহী।

উল্লেখ্য,
- ২৮শে অক্টোবর ১৯৭১, ১ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ধলই আক্রমণে সহযোদ্ধাদের জীবন রক্ষার্থে শত্রুর বাঙ্কার ধ্বংস করতে গিয়ে শত্রুর মেশিনগান বাস্টের আঘাতে শাহাদত বরণ করেন।
- পরবর্তীতে সহযোদ্ধারা তার মৃতদেহ উদ্ধার করে প্রতিবেশী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কমলপুর জেলাধীন আমবাসা গ্রামে দাফন করে।
- স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার বীরত্বের স্বীকৃতি স্বরুপ তাকে 'বীরশ্রেষ্ঠ' খেতাবে ভূষিত করে।
- শাহাদাতের ৩৬ বছর পর ১১ ডিসেম্বর ২০০৭ বাংলাদেশ সরকারের উদ্যোগে তার দেহাবশেষ দেশে ফিরিয়ে এনে ঢাকাস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবি কবরস্থানে রাষ্ট্রীয় সম্মানে পুনঃ সমাহিত করা হয়। 

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১,৭০০.
বিশ্বের কোন দেশে সর্বাধিক অপরিণত বা সময়ের আগে শিশু জন্ম নেয়?[জানুয়ারি,২০২৫]
  1. নেপাল
  2. ভারত
  3. বাংলাদেশ
  4. পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
-----------------
অপরিণত শিশু জন্মহার:

- সময়ের আগে শিশু জন্মহার সবচেয়ে বেশি বাংলাদেশে।
- বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় পাঁচ লাখ শিশু সময়ের আগে জন্ম নেয়।
- অকালিক শিশুর জন্মের হার বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি, ১০০ শিশুর মধ্যে ১৬টি।
- এসব শিশুর মৃত্যুঝুঁকি বেশি থাকে এবং তারা সহজে রোগাক্রান্ত হয়।
- ২০১০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশে অকালিক শিশুর জন্মের হার কমানো যায়নি।
- প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে এই হার বেশি।
- ২০২০ সালে বিশ্বে ১০টি শিশুর মধ্যে ১টি সময়ের আগে জন্ম নেয়।
- বাংলাদেশে অকালিক শিশুর জন্মের হার ১৬ শতাংশ, যা বৈশ্বিক গড়ের চেয়ে বেশি।
- সরকারের পদক্ষেপে ঝুঁকিপূর্ণ মায়েদের জন্য চিকিৎসা সেবা এবং নবজাতকের সেবা সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, সেবা নিশ্চিত করতে বিনিয়োগ বাড়াতে হবে এবং প্রতিরোধে জোর দিতে হবে। 

উল্লেখ্য, 
- ১৩ জানুয়ারি, ২০২৫ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. তাবাসুম পারভীন জানিয়েছেন, বাংলাদেশে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি অপরিণত শিশুর জন্ম হয়।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজনে সেন্ট্রাল সেমিনারে ‘প্রিম্যাচুরিটি অ্যাকসেস টু কোয়ালিটি কেয়ার এভরিহোয়ার’ শীর্ষক প্রবন্ধে তিনি এ তথ্য উপস্থাপন করেন।


ছবিসূত্র: প্রথম আলো ।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ। [লিঙ্ক] এবং ল্যানসেট জার্নাল [লিঙ্ক]