বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৬৭ / ৩০৬ · ১৬,৬০১১৬,৭০০ / ৩০,৮৩২

১৬,৬০১.
নিম্নের কোন দু'টি দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে?
  1. ক) নেপাল ও ভারত
  2. খ) ভারত ও ভুটান
  3. গ) মায়ানমার ও ভারত
  4. ঘ) ভারত ও শ্রীলংঙ্কা
সঠিক উত্তর:
গ) মায়ানমার ও ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মায়ানমার ও ভারত
ব্যাখ্যা
আয়তন ও সীমা
-  মায়ানমার ও ভারত দুইটি দেশের সাথে বাংলাদেশের সীমানা রয়েছে। 
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ।
- উত্তরে ভারতীয় রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়।
- পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং সেই সঙ্গে মায়ানমার।
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর।
- আন্তর্জাতিক স্থলসীমার দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৪০০ কিমি।
- এর মধ্যে ৯২ শতাংশ ভারতের সঙ্গে এবং বাকি ৮ শতাংশ মায়ানমারের সঙ্গে। 
- উপকূলীয় সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪৮৩ কিলোমিটারের অধিক। 
- ভূখন্ডগত সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল (২২.২২ কিমি) এবং অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০.৪০ কিমি) পর্যন্ত বিস্তৃত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৬,৬০২.
বাংলাদেশের তৃতীয় বৃহত্তম রপ্তানি বাজার কোনটি?
  1. জার্মানি
  2. কানাডা
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
- সদ্যসমাপ্ত ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানির পরিমাণ ৩,৮৭৫.৮৩ কোটি মার্কিন ডলার।
দেশ অনুসারে শীর্ষ রপ্তানি গন্তব্যসমূহ:
- প্রথম : যুক্তরাষ্ট্র (৬৯৭.৪ কোটি মা. ড.)
- দ্বিতীয় : জার্মানি (৫৯৫.৩৫ কোটি মা. ড.)
- তৃতীয় : যুক্তরাজ্য (৩৭৫.১২ কোটি মা. ড.)
- চতুর্থ : স্পেন (২৩৪.৩৯ কোটি মা. ড.)
- পঞ্চম : ফ্রান্স (১৯৬.২১ কোটি মা. ড.)
- ষষ্ঠ : পোল্যান্ড (১৫০.৩৬ কোটি মা. ড.)
- সপ্তম : ইতালি (১৩০.৮৬ কোটি মা. ড.)
- অষ্টম : ভারত (১২৭.৯৬ কোটি মা. ড.)
- নবম : নেদারল্যান্ডস (১২৭.৪৪ কোটি মা. ড.)
- দশম : জাপান (১১৮.৩৬ কোটি মা. ড.)
- এগারোতম : কানাডা (১১৬.৪ কোটি মা. ড.)।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৬,৬০৩.
নিম্নের কোন জেলায় হাজংদের বসবাস নেই?
  1. সিলেট
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাঙামাটি 
  4. শেরপুর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা
রাঙামাটি জেলায় হাজংদের বসবাস নেই। 

হাজং:
- হাজং বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস। এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের প্রধান ভাষা বাংলা।
- তবে হাজংদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- হাজং ভাষার নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।
- হাজংরা ভাষার লিখিত রূপ দিতে অসমীয়া বর্ণমালা ব্যবহার করে।
- হাজংরা সনাতন ধর্মাবলম্বী।
- হাজং সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৬০৪.
মোট কতজন সদস্য নিয়ে ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয়?
  1. ৯ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৩ জন
  4. ১৫ জন
সঠিক উত্তর:
১৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ জন
ব্যাখ্যা

ইউনিয়ন পরিষদের গঠন:
- একটি ইউনিয়ন ৯টি ওয়ার্ডে বিভক্ত।
- চেয়ারম্যান ১ জন।
- নির্বাচিত সদস্য ৯ জন।
- সংরক্ষিত মহিলা সদস্য ৩ জন।
- ইউনিয়ন পরিষদ গঠিত হয় মোট ১৩ জন সদস্য নিয়ে।
- প্রতি তিন ওয়ার্ড থেকে একজন মহিলা সদস্য নির্বাচিত হন।
- কার্যালয় পরিচালনার জন্য এক জন সচিব নিয়োগ করা হয়।
- ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ ৫ বছর, সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশের অনাস্থা ভোটের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও অন্যান্য সদস্যদের অপসারণ করা যায়। 
- ইউনিয়ন পরিষদের সকলেই সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৬০৫.
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩ অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১২%
  2. ১.২২%
  3. ১.২৩%
  4. ১.৩৩%
সঠিক উত্তর:
১.৩৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৩৩%
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস-২০২৩:
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: আগস্ট, ২০২৪।
- সংস্থা: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

⇒ মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গ কি.মি.-এ: ১,১৭১ জন।
- লিঙ্গ অনুপাত = পুরুষ : নারী = ১০০:৯৬.৩।

অন্যদিকে,
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ প্রাথমিক প্রতিবেদন: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.২২%।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত প্রতিবেদন: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৬,৬০৬.
খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীর লোকদের আদি নিবাস কোথায়?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) তিব্বত
  3. গ) মনিপুর
  4. ঘ) আসাম
সঠিক উত্তর:
খ) তিব্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তিব্বত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের খাসিয়া সম্প্রদায় বাংলাদেশের সুনামগঞ্জ, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ জেলায় বসবাস করে। এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে। খাসিয়া গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
(সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৬,৬০৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ-
  1. ৪০%
  2. ৪৫%
  3. ৬০%
  4. ৮০%
সঠিক উত্তর:
৪৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫%
ব্যাখ্যা

 অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.০৪%।

উল্লেখ্য,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১৬,৬০৮.
২০২৫ সালের বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ১৪৮তম
  2. ১৪৯তম
  3. ১৫০তম
  4. ১৫১তম
সঠিক উত্তর:
১৪৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৯তম
ব্যাখ্যা

সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচক:
- ২০২৫ সালে বিশ্ব সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে বাংলাদেশ ১৮০টি দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মধ্যে ১৪৯তম অবস্থান অধিকার করেছে।
- বাংলাদেশ গত বছরের তুলনায় ১৬ ধাপ এগিয়েছে। 
- দেশের প্রাপ্ত স্কোর ৩৩.৭১।
- সূচকটি প্রকাশ করেছে ফ্রান্সভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা Reporters Without Borders (RSF).
- প্রতি বছর ৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে সূচকটি প্রকাশিত হয়।
- এই সূচক তৈরি করা হয় পাঁচটি মূল বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে-
• রাজনীতি,
• অর্থনীতি,
• আইনি সুরক্ষা,
• সামাজিক বিষয় এবং
• নিরাপত্তা।
- ২০২৫ সালে বাংলাদেশ এই পাঁচটি বিষয়ের প্রতিটিতেই উন্নতি করেছে।

উল্লেখ্য,
- সূচকের শীর্ষে অবস্থান করছে নরওয়ে।
- আর সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে ইরিত্রিয়া।
- এই সূচক মূলত দেশের গণমাধ্যম কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে তা মূল্যায়ন করে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা [লিঙ্ক] ও Reporters Without Borders Website. 

১৬,৬০৯.
সংবিধান অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দেন কে?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি: 
- সংসদীয় ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি নিয়মতান্ত্রিক প্রধান।
- প্রজাতন্ত্রের সকল কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তাঁর হাতে কোনো নির্বাহী ক্ষমতা নেই।

প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ ও শাসনসংক্রান্ত ক্ষমতা ও কার্যাবলি: 
- সংসদ নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের আস্থাভাজন নেতাকে প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের নিয়োগ ও তাঁদের দপ্তর বণ্টন করেন।
- তিনি অ্যাটর্নি জেনারেল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারকবৃন্দ, রাষ্ট্রদূত ও হাই কমিশনারদের নিয়োগ দান করেন।

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ ও বিচারসংক্রান্ত কাজ:
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি কারও পরামর্শ গ্রহণ করেন না।
- সুপ্রিম কোর্টের অন্য বিচারপতিগণও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৬,৬১০.
বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী নারী ও পুরুষের বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স কত?
  1. ১৮ ও ২০
  2. ১৮ ও ২১
  3. ২১ ও ২৪
  4. ২১ ও ১৮
সঠিক উত্তর:
১৮ ও ২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ ও ২১
ব্যাখ্যা
বাল্য বিবাহ নিরোধ বিল-২০১৭:

নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে বিয়ের সর্বনিম্ন বয়স যথাক্রমে ১৮ এবং ২১ বছর নির্ধারণ।
বাল্য বিয়ে নিরোধে প্রয়োজনীয় বিধান করে সংসদে বাল্য বিবাহ নিরোধ বিল-২০১৭ পাস হয়।
মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ বিলটি পাসের প্রস্তাব করেন।
বিলে বিধিমালা দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতি বাল্য বিয়ে প্রতিরোধের জন্য জাতীয়, জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে প্রতিরোধ কমিটি গঠন ও এর কার্যাবলী নির্ধারণের বিধান করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,৬১১.
নিচের কোনটি বাংলাদেশে জাতীয় বীমা দিবস?
  1. ক) ১ মার্চ।
  2. খ) ৪ মার্চ।
  3. গ) ২ মার্চ।
  4. ঘ) ৩ মার্চ।
সঠিক উত্তর:
ক) ১ মার্চ।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১ মার্চ।
ব্যাখ্যা
• জাতীয় বীমা দিবস বাংলাদেশে পালিত একটি জাতীয় দিবস।
• জাতীয় বীমা দিবস ১ মার্চ।
• বীমা শিল্পের উন্নয়ন ও বীমা সম্পর্কে জনসচেতনতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকার এটি প্রবর্তন করে।
• ইতিহাস
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬০ সালের ১ মার্চ পাকিস্তানের আলফা ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে যোগ দেন।
তাঁর এ যোগদানের দিনটিকে জাতীয় পর্যায়ে স্মরণীয় রাখতে ২০২০ সালের ১৫ জানুয়ারি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের সুপারিশক্রমে প্রতিবছর ১ মার্চকে জাতীয় বীমা দিবস ঘোষণা করে বাংলাদেশ সরকার।
• ওই বছরের ১ মার্চ এটি প্রথম দিবস হিসেবে পালিত হয়।

সূত্র: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ,গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
১৬,৬১২.
বর্তমানে দেশে মহিষের সংখ্যা-
  1. ক) ১৪.০৪ লক্ষ
  2. খ) ৭.৮ লক্ষ
  3. গ) ১২.৩৪ লক্ষ
  4. ঘ) ১৫.০১ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.০১ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৫.০১ লক্ষ
ব্যাখ্যা

দেশে মহিষের সংখ্যা ১৫.০১ লক্ষ।
- মোষ বা মহিষ, (ইংরেজি: Water buffalo), গরুর নিকট আত্মীয় কালো চেহারার রোমন্থক প্রাণী। 
- এই বিশাল বোভিডির উৎপত্তি মূলত দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও চীন এই অঞ্চলে। 
- বর্তমানে এটি ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা ও আফ্রিকার কিছু দেশেও পাওয়া যায়।

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১

১৬,৬১৩.
দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে অবস্থিত 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন -
  1. ক) মুস্তফা মনোয়ার
  2. খ) হামিদুজ্জামান খান
  3. গ) নিতুন কুণ্ডু
  4. ঘ) শামীম শিকদার
সঠিক উত্তর:
খ) হামিদুজ্জামান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হামিদুজ্জামান খান
ব্যাখ্যা
- হামিদুজ্জামান খান হলেন একজন বাংলাদেশী ভাস্কর।
- তিনি ১৯৮১ সালে বঙ্গভবনে 'পাখি পরিবার',
- ১৯৮৭ সালে বাংলা একাডেমিতে 'মুক্তিযোদ্ধা',
- ১৯৮৮ সালে আশুগঞ্জ জিয়া সারকারখানায় 'জাগ্রত বাংলা'এবং
- ১৯৮৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল অলিম্পিক পার্কে 'স্টেপস' (সিঁড়ি) নির্মাণ করেন।
- "His piece titled ‘Steps’ has found a permanent place in the Seoul Olympic Park in Korea."
Source: Bengal Foundation
১৬,৬১৪.
৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কোন দফাটি পেশ করেন?
  1. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  2. মার্শাল ল প্রত্যাহার
  3. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  4. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
মার্শাল ল প্রত্যাহার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্শাল ল প্রত্যাহার
ব্যাখ্যা
• বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধু ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে এক ঐতিহাসিক ভাষণ দেন।
- ভাষণটি ইতিহাসে ‘বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণ’ নামে অভিহিত হয়েছে। 

• ভাষণে মূলত চার দফা দাবি তোলা হয় -
১। মার্শাল ল প্রত্যাহার,
২। সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
৩। রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
৪। জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

উল্লেখ্য, ৬ দফা দাবির - 
- প্রথম দফা: প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফা: কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- ষষ্ঠ দফা: আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,৬১৫.
কোন ঘটনার মাধ্যমে সামরিক স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতন ঘটে?
  1. ৬ দফা আন্দোলন
  2. ১৯৫৪ সালের নির্বাচন
  3. বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- বাঙালির দীর্ঘ স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
- ছয় দফা ও পরবর্তীতে ১১ দফা কর্মসূচির প্রেক্ষাপটে সংঘটিত হয় ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান।
- ১৯৬৯ সালের ১৭ জানুয়ারি ছাত্রনেতারা দেশব্যাপী সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ধর্মঘটের ডাক দিলে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনেম খান ছাত্র আন্দোলন দমাতে ১৪৪ ধারা জারি করে।
- সরকারি নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন নিহত হয়েছিলেন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আসাদুজ্জামান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা তাদের মধ্যে অন্যতম।
- এ আন্দোলনে সামরিক স্বৈরশাসক আইয়ুব খানের পতন ঘটে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৬১৬.
আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. ক) নাথান কমিশন
  2. খ) হান্টার কমিশন
  3. গ) সাইমন কমিশন
  4. ঘ) উড কমিশন
সঠিক উত্তর:
খ) হান্টার কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হান্টার কমিশন
ব্যাখ্যা
হান্টার কমিশন:
- সরকারিভাবে ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন (১৮৮২) নামে পরিচিত।
- এটি ছিল আধুনিক ভারতের ইতিহাসে প্রথম শিক্ষা কমিশন।
- ভাইসরয় লর্ড রিপন ১৮৮২ সালে উইলিয়ম হান্টারকে চেয়ারম্যান করে প্রথম ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন নিয়োগ করেন।
- এই কমিশন সরকারি অনুদান ব্যবস্থার মাধ্যমে মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যক্তি উদ্যোগ ও ব্যবস্থাপনায় ছেড়ে দেয়া, স্কুলে অভ্যন্তরীণ ও প্রবেশিকা পরীক্ষা অনুষ্ঠান এবং মাধ্যমিক স্কুলে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত শিক্ষক নিয়োগের সুপারিশ করে।
- ১৯০১ সালে সিমলায় অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান কনফারেন্সের পর লর্ড কার্জন একটি সরকারি সিদ্ধান্তের আদলে ১৯০৪ সালে তাঁর শিক্ষানীতি প্রকাশ করেন।
- এই শিক্ষানীতিতে হাইস্কুল পর্যায়ে বিশেষত পাবলিক স্কুলে মাতৃভাষার মাধ্যমে শিক্ষালাভের সুযোগ সম্প্রসারিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৬১৭.
নিখিল পাকিস্তান শিক্ষক সম্মেলনে আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাবের প্রতিবাদ করেন কে?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  2. আবুল কাসেম
  3. এ কে ফজলুল হক
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৮ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে বাংলা ভাষা আরবি হরফে লেখার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এর প্রতিবাদ করেন।
- আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা হিসেবে বাংলা ভাষা সংস্কারের নামে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে 'পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করা হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রতিবাদ জানায়।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষাসংগ্রাম পরিষদ কমিটি গঠিত হয়।
- তাঁর নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন পুনরায় সঞ্জীবিত হতে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শেণি।

১৬,৬১৮.
সিলেটের প্রধান ও দীর্ঘতম নদী -
  1. ক) কুশিয়ারা
  2. খ) সুরমা
  3. গ) যদুকাটা
  4. ঘ) সারি গোয়াইন
সঠিক উত্তর:
খ) সুরমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সুরমা
ব্যাখ্যা
সিলেট
- সিলেটকে অঞ্চলকে ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়।
- সিলেট জেলা ১৭৭২ সালের ১৭ মার্চ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সিলেটের উত্তরে ভারতের খাসিয়া, জৈন্তিয়া পাহাড় (ভারতের মেঘালয় রাজ্য),দক্ষিণে মৌলভীবাজার জেলা,পূর্বে ভারতের কাছাড় ও করিমগঞ্জ জেলা (ভারতের আসাম রাজ্য) ও পশ্চিমে সুনামগঞ্জ এবং হবিগঞ্জ জেলা।
- সিলেট জেলার আয়তন ৩,৪৫২.০৭ বর্গ কি.মি বা ১৩৩২.০০ বর্গমাইল।
- সিলেট জেলায় প্রধানত মণিপুরি,পাত্র,খাসিয়া,চাকমা,ত্রিপুরা,সাঁওতাল উপজাতি বসবাস করে।
- বৃহত্তর সিলেট জেলায় ৩৬টি নদী বিদ্যমান।
- সিলেটের প্রধান ও দীর্ঘতম নদী সুরমা (৩৫০ কি.মি.)।
- অপর বৃহৎ নদী হলো কুশিয়ারা, এছাড়াও রয়েছে সারি, পিয়াইন।
- সিলেটে ছোট বড় মিলিয়ে মোট ৮২টি হাওর - বিল আছে।

উৎস: সিলেট জেলা, sylhet.gov.bd.
১৬,৬১৯.
বাংলাদেশে সর্বশেষ কততম জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ৪র্থ
  2. ৫ম
  3. ৬ষ্ঠ
  4. ৭ম
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
জনশুমারি:
- বাংলাদেশে সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারী অনুষ্ঠিত হয়।
- জনশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২।
- তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- জনসংখ্যা - ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন। 
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার – ১.২২%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে – ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ : ১০০
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৬৬%।
- খানার সংখ্যা - ৪,১০,১০,০৫১ জন।
- খানা প্রতি গড় সদস্য সংখ্যা – ৪.০ জন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৬,৬২০.
কোন ঘটনার মধ্যেদিয়ে ভারতে ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে?
  1. ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন
  2. সিপাহি বিদ্রোহ
  3. ফরায়েজি আন্দোলন
  4. নীল বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
সিপাহি বিদ্রোহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহি বিদ্রোহ
ব্যাখ্যা

১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহ:
- ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহকে ভারতের প্রথম স্বাধীনতা সংগ্রাম বলা হয়।
 - বিদ্রোহের আগুন প্রথমে জ্বলে ওঠে পশ্চিমবঙ্গের ব্যারাকপুরে।
- ১৮৫৭ সালের ২৯শে মার্চ বন্দুকের গুলি ছুড়ে বিদ্রোহের সূচনা করেন মঙ্গল পাণ্ডে নামে এক সিপাহি।
- দ্রুত এইবিদ্রোহ মিরাট, কানপুর, পাঞ্জাব, উত্তর প্রদেশ,মধ্য প্রদেশ, বিহার, বাংলাসহ ভারতের প্রায় সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে।
- বর্তমান বাংলাদেশের ঢাকা,চট্টগ্রাম, যশোর, সিলেট,কুমিল্লা, পাবনা, রংপুর, দিনাজপুর,রাজশাহী এই বিদ্রোহে শামিল হয়।
- পরবর্তীতে তা ভারতবর্ষের উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বিদ্রোহ ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।
-তবে এ বিদ্রোহের ফলে ভারতে কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটে।
- ভারতের শাসনভার ব্রিটিশ সরকার সরাসরি তার হাতে নিয়ে নেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 

১৬,৬২১.
Currently, the contribution of agriculture sector in the GDP of Bangladesh is -
  1. 11.20%
  2. 11.50%
  3. 17.02%
  4. 37.56%
  5. 37.65%
সঠিক উত্তর:
11.20%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
11.20%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান: 
• কৃষি: ১১.২০%।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.৩৩%।
• শিল্প: ৩৭.৫৬%।
-  নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০২%।
• সেবা: ৫১.২৪%।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৭.৬৫%।

খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- কৃষি খাতে প্রবৃদ্ধির হার ২.৬১ শতাংশ।
- শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮ শতাংশ।
- সেবা খাতে প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮৪ শতাংশ।
 
উল্লেখ্য,
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ৮.১৮%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৬,৬২২.
অধ্যাদেশ জারী পরবর্তী সংসদ অধিবেশনে উত্থাপনের কত দিনের মধ্যে তা অনুমোদন করতে হয়?
  1. ক) ৭ দিন
  2. খ) ১৫ দিন
  3. গ) ৩০ দিন
  4. ঘ) ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৯৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদ ভাঙ্গা কিংবা সংসদ অধিবেশন চলা না কালে বিশেষ প্রয়োজনে অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন যা আইনের মতোই প্রযোজ্য। এই অধ্যাদেশ জারির পরবর্তী অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তা সংসদের অনুমোদনের জন্যে উত্থাপন করতে হয়। উত্থাপনের ৩০ দিনের মধ্যে তা অনুমোদন করতে হয়। অন্যথায় ৩০ দিন পর অধ্যাদেশটি আপনাআপনি অকার্যকর হয়ে যায়। (সূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
১৬,৬২৩.
এলাহাবাদ চুক্তি কাদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. মীর কাশিম ও রবার্ট ক্লাইভ
  2. সুজাউদ্দৌলা ও রবার্ট ক্লাইভ
  3. রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস ও শাহ আলম
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ ও দ্বিতীয় শাহ আলম
ব্যাখ্যা

এলাহাবাদ চুক্তি ও বাংলার ক্ষমতা দখল:
- রবার্ট ক্লাইভ ও মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম-এর মধ্যে ১৭৬৫ সালে এলাহাবাদ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এই চুক্তির ফলে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করেছিল।
- সম্রাট শাহ আলমকে কোম্পানি প্রতি বছর ২৬ লক্ষ টাকা দান করার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এই চুক্তির ফলে  রাজস্ব আদায় ও দেশ রক্ষার ভার ছিল কোম্পানির উপর, অন্যদিকে নিজামত তথা বিচার ও প্রশাসন বিভাগের দায়িত্ব বর্তায় নবাবের উপর।

⇒ কোম্পানির সরাসরি দিউয়ানির দায়িত্ব গ্রহণের জন্য যে অর্থ ও লোকবল প্রয়োজন তা যেমন ছিলনা, তেমনি এদেশীয় ভাষা ও আইন কানুন সম্পর্কে কোম্পানির কর্মচারীদের জ্ঞানও ছিল না।
- তাই রাজস্ব আদায়ের দায়িত্ব সরাসরি গ্রহণ তাদের জন্য সম্ভব ছিল না।
- এ সকল দিক চিন্তা করেই তারা দ্বৈত শাসন নীতি প্রবর্তন করা হয়েছিল।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৬২৪.
বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের মুক্তিযুদ্ধের খেতাব বাতিলের প্রজ্ঞাপন জারি হয় কবে?
  1. ১৬ জুন, ২০২১
  2. ০৬ জুন, ২০২১
  3. ২৬ জুন, ২০২১
  4. ৩০ জুন, ২০২১
সঠিক উত্তর:
০৬ জুন, ২০২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৬ জুন, ২০২১
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব বাতিল:
• জাতির পিতার আত্মস্বীকৃত ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত চার খুনির মুক্তিযুদ্ধের খেতাব বাতিল করেছে সরকার।
এ বিষয়ে ০৬ জুন, ২০২১ রোজ রোববার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

♣ যাঁদের খেতাব বাতিল হলো তাঁরা হলেন;
 • লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম, গেজেট নং ২৫),  
• লে. কর্নেল এস এইচ এম এইচ এম বি নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম, গেজেট নং ৯০),
• লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক, গেজেট নং ২৬৭) এবং
• নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক, গেজেট নং ৩২৯)।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো (০৬ জুন, ২০২১)।
১৬,৬২৫.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে এডিপিতে বরাদ্দ কত?
  1. ৩ লাখ ১০ হাজার কোটি টাকা
  2. ২ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  3. ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
  4. ২লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।

উৎস: ২০২৫-২৬ অর্থবছর বাজেট।

১৬,৬২৬.
The country's first smart upazila -
  1. ক) Madhyanagar, Sunamganj
  2. খ) Dasar, Madaripur
  3. গ) Shibchar, Madaripur
  4. ঘ) Eidgaon, Cox's Bazar
সঠিক উত্তর:
গ) Shibchar, Madaripur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Shibchar, Madaripur
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম স্মার্ট উপজেলা:
- দেশের প্রথম স্মার্ট উপজেলা শিবচর।
- ৩১ জানুয়ারী, ২০২৩  তারিখে মাদারীপুর জেলার শিবপুর উপজেলাকে স্মার্ট উপজেলা হিসেবে ঘোষণা করা করা হয়েছে। 
- এই সময় শিবচরের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে স্থাপিত ৮৮০টি সিসিটিভি ক্যামেরা উদ্বোধন করা হয়।
- সিসি ক্যামেরা থাকায় যে কোনো অপরাধ সংঘটিত হলে সহজেই অপরাধীকে শনাক্ত করা যাবে।
- শিবচরের কুতুবপুরে ১৫শ কোটি টাকার শেখ হাসিনা ইনস্টিটিউট অফ ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। 

অন্যদিকে -
- দেশে নতুন করে তিনটি উপজেলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। 
- সেগুলো হলো কক্সবাজারের ঈদগাঁও, মাদারীপুরের ডাসার এবং সুনামগঞ্জের মধ্যনগর। 

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম স্মার্ট জেলা: চট্টগ্রাম।

উৎস: ৩১ জানুয়ারি, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১৬,৬২৭.
ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৭৬ সালে
  3. গ) ১৯৮১ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
- ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ হলো দেশের একমাত্র সরকারি বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৬ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার রাজারবাগে অবস্থিত।
(তথ্যসূত্র: আইসিবি ওয়েবসাইট)
১৬,৬২৮.
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত কোনটি?
  1. প্রতিভা
  2. গৌরব
  3. চমক
  4. প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
চমক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চমক
ব্যাখ্যা

উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।

তথসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৬,৬২৯.
'জাতিসংঘে বাংলাদেশ' গ্রন্থের রচয়িতা -
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. শেখ হাসিনা
  3. শেখ রেহানা
  4. সায়মা ওয়াজেদ পুতুল
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘে বাংলাদেশ:
- 'জাতিসংঘে বাংলাদেশ' গ্রন্থের রচয়িতা শেখ হাসিনা। 
- সংসদ নেতা ও বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২৩ অক্টোবর, ২০২৩ সন্ধ্যায় জাতীয় সংসদ ভবনে তাঁর কার্যালয়ে স্বরচিত 'জাতিসংঘে বাংলাদেশ' এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর ছোটবোন শেখ রেহানা রচিত 'রাসেল আমাদের ভালোবাসা' শীর্ষক দুটি বইয়ের মোড়ক উম্মোচন করেন। 
- এ সময় বই দু’টির প্রকাশক চারুলিপি প্রকাশনের প্রকাশনা উপদেষ্টা স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি ও সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ, এমপি এবং চারুলিপি প্রকাশনের প্রকাশক উপস্থিত ছিলেন।

উৎস: ২৩ অক্টোবর ২০২৩, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
১৬,৬৩০.
ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চলাইট পরিচালনায় মূল দায়িত্ব পায়-
  1. জেনারেল আবরার হোসেন
  2. রাও ফরমান আলী
  3. নিয়াজি খান
  4. গোলাম মুহাম্মদ
সঠিক উত্তর:
রাও ফরমান আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাও ফরমান আলী
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট: 
- ১৮ই মার্চ টিক্কা খান, রাও ফরমান আলী 'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালনার নীলনকশা তৈরি করেন।
- ১৯শে মার্চ থেকে পূর্ব পাকিস্তানে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বাঙালি সৈন্যদের নিরস্ত্রীকরণ শুরু হয়।
- ২০শে মার্চ সরকার অস্ত্র জমা দেয়ার নির্দেশ জারি করে।
- ঐ দিন জেনারেল ইয়াহিয়া খান তার সামরিক উপদেষ্টা হামিদ খান, জেনারেল টিক্কা খান, জেনারেল পিরজাদা, জেনারেল ওমর প্রমুখকে নিয়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে সামরিক প্রস্তুতিকে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেন।
- এ সময় প্রতিদিন ৬টি থেকে ১৭টি পর্যন্ত পিআইএ ফ্লাইট বোয়িং ৭০৭ বিমান সৈন্য ও রসদ নিয়ে ঢাকা আসে এবং অসংখ্য সৈন্য ও অস্ত্রশস্ত্র বোঝাই হয়ে আসা জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে অপেক্ষা করে।
- ২৪শে মার্চ চট্টগ্রাম বন্দরে এম ভি সোয়াত জাহাজ থেকে অস্ত্র ও রসদ খালাস শুরু হয়।
- ২৫শে মার্চ গণহত্যার জন্য বেছে নেওয়া হয়।
- মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীকে ঢাকা শহরে অপারেশন সার্চলাইটের মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম, শ্রেণি।


১৬,৬৩১.
‘জীবনতরী’ হলো -
  1. ক) একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠন
  2. খ) একটি ভাসমান হাসপাতাল
  3. গ) একটি কাব্যগ্রন্থ
  4. ঘ) একটি নাটক
সঠিক উত্তর:
খ) একটি ভাসমান হাসপাতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একটি ভাসমান হাসপাতাল
ব্যাখ্যা
'জীবনতরী' একটি ভাসমান হাসপাতাল।
[সূত্র: প্রথম আলো]
১৬,৬৩২.
নিচের কোন জনপদটি মুসলিম যুগে লক্ষণাবতী নামে পরিচিত ছিল?
  1. ক) রাঢ় জনপদ
  2. খ) হরিকেল জনপদ
  3. গ) বঙ্গ জনপদ
  4. ঘ) গৌড় জনপদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) গৌড় জনপদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গৌড় জনপদ
ব্যাখ্যা
গৌড় জনপদ:

- গৌড় জনপদ  প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল। 
- মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং পশ্চিম বর্ধমান নিয়ে ছিল প্রাচীন গৌড় রাজ্য। 
- গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়’ আবার কখনো লক্ষণাবতী নামে পরিচিত ছিল।
- আদি অভিলেখর মধ্যে খ্রিস্টীয় ৫৫৪ অব্দে উৎকীর্ণ মৌখরি বংশীয় রাজা ঈশান বর্মণের হরাহ লিপিতে গৌড়বাসীর উল্লেখ পাওয়া যায়।
- কোনো একসময় গৌড়ের অবস্থান উপকূলীয় অঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- সাত শতকের প্রথম দিকে গৌড়ের অত্যন্ত শক্তিশালী রাজা শশাঙ্কের উত্থান গৌড়ের রাজ্যসীমার সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে।
- গৌড়ের রাজধানী কর্ণসুবর্ণ পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ছিরুটি অঞ্চলে অবস্থিত ছিল। আর একারণেই মুর্শিদাবাদ গৌড়ের কেন্দ্রবিন্দু বলে পরিগণিত হয়।
- তেরো শতকে বাংলার মুসলমান সুলতানদের শাসনাধীন সমগ্র অঞ্চলই গৌড় নামে পরিচিত ছিল। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৬৩৩.
ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্টের অবস্থান কোন নদীর মুখে?
  1. ধলাই নদী
  2. করতোয়া নদী
  3. যমুনা নদী
  4. তিস্তা নদী
সঠিক উত্তর:
ধলাই নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধলাই নদী
ব্যাখ্যা

• ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্ট:
- সিলেট নগরী থেকে ৩৫ কিলোমিটার দূরত্বে সীমান্তবর্তী উপজেলা কোম্পানীগঞ্জ।
- ভারতের মেঘালয়ের পাহাড়ি ঝর্ণাগুলো থেকে যে নদীর উৎপত্তি হয়ে ভোলাগঞ্জের ওপর দিয়ে বয়ে গেছে সেই নদীর নাম ধলাই নদ।
- পাহাড় থেকে ঝর্ণার পানির স্রোতে এই নদী বেয়েই সাদা পাথর নেমে আসে।
 - ধলাই নদের উৎসমুখের এই জায়গার নাম ভোলাগঞ্জ জিরো পয়েন্ট।
- পরিবেশবিদ ও স্থপতি ইকবাল হাবিবের মতে প্রাকৃতিকভাবে তৈরি এই স্থানের গুরুত্ব অপরিসীম।
 - কেননা স্বচ্ছ পানির এ আধার এই এলাকার বেশ কিছু স্থানের খাবার পানির চাহিদা মেটায়।

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর।

১৬,৬৩৪.
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা কোনটি?
  1. ক) গ্রামবার্তা প্রকাশিকা
  2. খ) ঢাকা নিউজ
  3. গ) ঢাকা প্রকাশ
  4. ঘ) রঙ্গপুর বার্তাবহ
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা নিউজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা নিউজ
ব্যাখ্যা
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা হলো ‘ঢাকা নিউজ’।
এটি ছিলো ইংরেজি ভাষার একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৮৫৬ সালের ১৮ এপ্রিল প্রথম প্রকাশিত হয়।
এর প্রথম সম্পাদক ছিলেন আলেকজান্ডার ফর্বেস। ১৮৬৯ সালে এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায়।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার সম্পাদিত ঢাকা প্রকাশ যা ১৮৬১ সালের ৭ মার্চ প্রথম প্রকাশিত হয়।
রঙ্গপুর বার্তাবহ (১৮৪৭ সালের আগস্টে প্রকাশিত) বাংলাদেশ ভূখণ্ড থেকে প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা।
(সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৬,৬৩৫.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত মোট ধানের জাত কয়টি?(অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ১২১টি
  2. ১২৬টি
  3. ১২৭টি
  4. ১২৯টি
সঠিক উত্তর:
১২১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট আটটি উচ্চফলনশীল বা হাইব্রিড জাতসহ মোট ১২১টি ধানের জাত উদ্ভাবন করেছে। 

- নতুন উদ্ভাবিত তিনটি জাত হল; লবণাক্ততা সহনশীল ব্রি-১১২, উচ্চফলনশীল বোরো ব্রি-১১৩ ও ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী ব্রি-১১৪।
- গতকাল বুধবার জাতীয় বীজ বোর্ডের (এনএসবি) ১১৪তম সভায় নতুন এ তিনটি জাত অনুমোদন করা হয়।

• BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

১৬,৬৩৬.
সম্প্রতি যুক্ত হওয়া বাংলাদেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল সি মি উই-৬ কনসাের্টিয়ামের ল্যান্ডিং স্টেশন কোথায় হবে?
  1. ক) বান্দরবান
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) সিলেট
  4. ঘ) কুয়াকাটা
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবল স্থাপিত হবে - কক্সবাজারে।
- দেশের তৃতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বাংলাদেশ যে ক্যাবলে যুক্ত হবে - SEA-ME-WE-6
- এর আগে  ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন SEA-ME-WE-5 এর সাথে সংযুক্ত হয়।
উৎস: দৈনিক পত্রিকা।
১৬,৬৩৭.
’বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা

• Bangladesh Sugar & Food Industries Corporation.

- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির ২৭ (১৯৭২ সালের ২৭ নম্বর আদেশ) নম্বর আদেশক্রমে গঠিত বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামক করপোরেশন দুটি একীভূত করে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই হতে রাষ্ট্রপতির ২৫ নং আদেশবলে (সংশোধিত) বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (বিএসএফআইসি) গঠিত হয়। 

- বর্তমানে বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী সরকার কর্তৃক নিয়োজিত ১ জন চেয়ারম্যান ও ৫ জন পরিচালকের সমন্বয়ে গঠিত বোর্ড দ্বারা বিএসএফআইসি পরিচালিত হচ্ছে। 

- ২০২৩-২০২৪ অর্থবছরে ১৫টি চিনিকল, ১টি ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা ও ২টি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান নিয়ে করপোরেশনের কর্মকাণ্ড অব্যাহত আছে। এছাড়াও কেরু অ্যান্ড কোম্পানি (বাংলাদেশ) লিমিটেড এর সাথে একটি ডিস্টিলারি প্লান্ট ও একটি জৈবসার কারখানা রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিএসএফআইসি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৬,৬৩৮.
নিচের কোনটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. ক) আইন ও সালিশ কেন্দ্র
  2. খ) এফবিসিসিআই
  3. গ) বাংলাদেশ সশ্স্ত্র বাহিনী
  4. ঘ) জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ সশ্স্ত্র বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ সশ্স্ত্র বাহিনী
ব্যাখ্যা
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো এমন এক গোষ্ঠী যার সদস্যগণ সমজাতীয় মনোভাব এবং স্বার্থের দ্বারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হলো বেসরকারি ব্যক্তিবর্গের সমষ্টি। এটি একটি নির্দলীয় বা অরাজনৈতিক সামাজিক গোষ্ঠী যাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য থাকে।
- তাদের মূল উদ্দেশ্য হলো সরকারি নীতি ও সিদ্ধান্তকে নিজেদের অনুকূলে প্রভাবিত করার মাধ্যমে নিজেদের স্বার্থ হাসিল করা।
- এদের কোন বৃহৎ বা জাতীয় লক্ষ্য থাকে না। আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থা, এনজিও, সুশীল সমাজ, বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন প্রভৃতি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- আইন ও সালিশ কেন্দ্র, এফবিসিসিআই ও জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- বাংলাদেশ সশ্বস্ত্র বাহিনী সরকার কাঠামোর অংশ। এটি চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী নয়।
(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি : মো. মোজাম্মেল হক)
১৬,৬৩৯.
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কে ছিলেন?
  1. ক) নুরুল আমিন
  2. খ) অধ্যাপক আবদুল মতিন চৌধুরী
  3. গ) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. ঘ) অধ্যাপক ফজলুল হালিম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
গ) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী ১৯৬৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযুক্ত হন। ১৯৭১ সালে জেনেভায় অবস্থানকালে পূর্ব পাকিস্তানে পাকবাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে তিনি উপাচার্য পদে ইস্তফা দেন। মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের বিশেষ দূত হিসেবে জেনেভা থেকে তিনি লন্ডন যান এবং বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে সচেষ্ট হন। স্বাধীনতার পর বিচারপতি চৌধুরী ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন এবং ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১৬,৬৪০.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ’কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি ' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১০
  2. অনুচ্ছেদ-১৪
  3. অনুচ্ছেদ-১২
  4. অনুচ্ছেদ-১৭
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১৪
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি
- রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে মেহনতী মানুষকে-কৃষক ও শ্রমিককে-এবং জনগণের অনগ্রসর অংশসমূহকে সকল প্রকার শোষণ হইতে মুক্তি দান করা।
-  সংবিধানের ১৪ নং অনুচ্ছেদে 'কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগে ১০ নং অনুচ্ছেদে 'সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- এই অনুচ্ছেদে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মানুষের শোষণমুক্ত, ন্যায়সঙ্গত ও সমতাভিত্তিক সমাজ গড়ার লক্ষ্যের কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,৬৪১.
বঙ্গবন্ধুসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামির সংখ্যা কত ছিলো?
  1. ৩২জন
  2. ৩৪জন
  3. ৩৫জন
  4. ৩৬জন
সঠিক উত্তর:
৩৫জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫জন
ব্যাখ্যা
১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে। ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ এই মামলার মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন

অন্য অভিযুক্তরা হলেন:
- কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন
- স্টুয়ার্ড মুজিবুর রহমান
- প্রাক্তন এলএস সুলতান উদ্দিন আহমেদ
- সিডিআই নূর মোহাম্মদ
- আহমেদ ফজলুর রহমান সিএসপি
- ফ্লাইট সার্জেন্ট মাহফিজউল্লাহ
- প্রাক্তন কর্পোরাল আবুল বাশার
- মোহাম্মদ আবদুস সামাদ
- প্রাক্তন হাবিলদার দলিল উদ্দিন
- রুহুল কুদ্দুস সিএসপি
- ফ্লাইট সার্জেন্ট মো. ফজলুল হক
- ভূপতিভুষণ চৌধুরী ওরফে মানিক চৌধুরী
- বিধানকৃষ্ণ সেন
- সুবেদার আব দুর রাজ্জাক
- প্রাক্তন হাবিলদার ক্লার্ক মুজিবুর রহমান
- প্রাক্তন ফ্লাইট সার্জেন্ট মো. আবদুর রাজ্জাক
- সার্জেন্ট জহুরুল হক
- মো. খুরশীদ
- খান মোহাম্মদ শামসুর রহমান সিএসপি
- হাবিলদার আজিজুল হক
- মাহফুজুল বারী
- সার্জেন্ট শামসুল হক
- শামসুল আলম এএমসি
- ক্যাপ্টেন মো. আবদুল মোতালেব
- ক্যাপ্টেন এ শওকত আলী মিয়া
- ক্যাপ্টেন খন্দকার নাজমুল হুদা এএমসি
- ক্যাপ্টেন এ.এন.এম নুরুজ্জামান
- সার্জেন্ট আবদুল জলিল
- মো. মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী
- লে. এস.এম.এম রহমান
- প্রাক্তন সুবেদার এ.কে.এম তাজুল ইসলাম
- মোহাম্মদ আলী রেজা
- ক্যাপ্টেন খুরশিদ উদ্দিন আহমেদ এএমসি এবং
- লে. আবদুর রউফ।

ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
মামলার বিচারের জন্যে গঠিত তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান ছিলেন বিচারপতি এস এ রহমান। অপর দুই সদস্য হলেন এম আর খান এবং মুকসুমুল হাকিম

বঙ্গবন্ধুর পক্ষে কৌশুলী ছিলেন ব্রিটিশ আইনজীবী টমাস উইলিয়াম, আব্দুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
সরকার পক্ষের কৌশুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের এবং অ্যাডভোকেট জেনারেল টি এইচ খান।

আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামি সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৯৬৯ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়। এতে করে আন্দোলন আরো প্রবল হয় এবং এর ফলে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৬,৬৪২.
কোন সাংবিধানিক পদে শপথ গ্রহণ প্রয়োজন হয় না?
  1. সরকারী কর্ম-কমিশনের চেয়ারম্যান
  2. ডেপুটি স্পিকার
  3. মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি সাংবিধানিক পদ হলেও এপদের শপথ গ্রহণ করতে হয় না। অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং নিয়োগ লাভের পর তিনি রাষ্ট্রপতি বরাবরে যোগদানপত্র দাখিল সাপেক্ষে পদে আসীন হন।

সাংবিধানিক পদ:

- সংবিধান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
- সাংবিধানিক উপায়ে যে সকল প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- সংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠা, পদের মেয়াদ, পদমর্যাদা, পদত্যাগ ও অপসারণ পদ্ধতি এবং দায়িত্ব সংবিধানে সুনির্দিষ্ট ও সুষ্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ রয়েছে।

⇒ সাংবিধানিক পদগুলো হলো:
• রাষ্ট্রপতি,
• প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রীগণ,
• স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার,
• প্রধান বিচারপতি,
• সংসদ সদস্য,
• প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার,
• মহা-হিসাব রক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
• সরকারী কর্ম-কমিশনের চেয়ারম্যান ও অন্যান্য,
• অ্যাটর্নি জেনারেল (একমাত্র সাংবিধানিক পদের ব্যক্তি যাকে শপথ পড়তে হয় না। রাষ্ট্রপতির অঙ্গীকার তার শপথ)।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [link]
ii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৬,৬৪৩.
বাংলাদেশে বর্তমানে কোন পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা চালু রয়েছে?
  1. রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. যুক্তরাষ্ট্রীয়
  3. সংসদীয়
  4. একনায়কতান্ত্রিক
সঠিক উত্তর:
সংসদীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদীয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা:
-  সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত। তিনি সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।
- কিন্তু বাংলাদেশে ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৯১ রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু ছিল।
- এ ধরনের ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।
- বিশেষ করে জিয়াউর রহমান ও এরশাদ সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি পদটিকে বাংলাদেশে খুবই আকর্ষণীয় করে তোলা হয়।
- এ ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের নির্বাহী প্রধান সংসদের নিকট দায়বদ্ধ থাকেন না।
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি সংবিধানে চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এ ব্যবস্থা বলবৎ করা হয়।
- কিন্তু ১৯৯১ সালের ১০ আগস্ট দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাতিল করা হয়।
- পুনরায় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা কার্যকর হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৬৪৪.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ আবু সাঈদ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন?
  1. রংপুর বিশ্ববিদ্যালয়
  2. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  3. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  4. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা
শহিদ আবু সাঈদ:
- আবু সাঈদকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- ২০০১ সালে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ২০২৪ সালে কোটা সংস্কার আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন আবু সাঈদ।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬,৬৪৫.
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সরকারি গেজেটভুক্ত শহীদের সংখ্যা কত?
  1. ৮৩৬
  2. ৮৪৬
  3. ৮৫২
  4. ৮৬০
সঠিক উত্তর:
৮৩৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩৬
ব্যাখ্যা

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সরকারি গেজেটভুক্ত শহীদ:
- জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের গেজেট অনুসারে, জুলাই  গণঅভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৬।

⇒ "জুলাই যোদ্ধা" অর্থ জুলাই গণ অভ্যুত্থান চলাকালে তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে আহত ছাত্র-জনতা।
- এছাড়া "জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ" অর্থ "তৎকালীন সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বা উক্ত সময়ে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের সদস্যদের আক্রমণে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তি।"

উল্লেখ্য,
- ৮৩৪ জনের নাম শহীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে গেজেট প্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। পরে সেখানে যুক্ত করা হয় আরও ১০ জনের নাম।
- গত ৩০শে জুন, ২০২৫ তারিখে প্রকাশিত সরকারি গেজেট অনুযায়ী, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ছিল ৮৪৪ জন।
- তবে সরাসরি জুলাই আন্দোলনে যুক্ত না থাকা এবং চারজনের নাম গেজেটে দুইবার উল্লেখ থাকায় গত ৩রা অগাস্ট, ২০২৫ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এই তালিকা থেকে আটজনের নাম বাতিল করে।
- মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী শহীদের সংখ্যা ৮৩৬ জন।

এছাড়াও,
- জুলাই  গণঅভ্যুত্থানে  ৬ থেকে ৬০ বছর বয়সী ১০ জনের নাম শহীদ হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। 
- শহীদ ১০ জন নারীর মধ্যে ৭ জন ঢাকায়, ২ জন নারায়ণগঞ্জে ও ১ জন সাভারে গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে ৭ জনই গুলিবিদ্ধ হন নিজ বাসার বারান্দা ও ছাদে। ৩ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন সড়কে।
- জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ প্রথম নারী নাঈমা সুলতানা। 

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বিবিসি।
iii) প্রথম আলো।

১৬,৬৪৬.
বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন কে জারি করেন?
  1. ক) জিয়াউর রহমান
  2. খ) ফখরুদ্দিন আহমেদ
  3. গ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  4. ঘ) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ
সঠিক উত্তর:
গ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) খন্দকার মোশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর খন্দকার মোশতাক আহমেদ ক্ষমতাসীন হয়ে দেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন। 
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করেন।
- পরবর্তীতে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ দ্বিতীয়বারের মতো দেশে সামরিক আইন জারি করেন যা ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর প্রত্যাহার করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
১৬,৬৪৭.
'মুক্ত বাংলা' ভাস্কর্য কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খ) বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  3. গ) জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

'মুক্ত বাংলা' ভাস্কর্য কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত। এর স্থপতি রশীদ আহমেদ। এটি ১৯৯৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর উদ্বোধন করা হয়। এতে মোট সাতটি স্তম্ভ রয়েছে যা মুজিবনগর মন্ত্রিসভার সাতজন সদস্যের প্রতীক।
(সূত্রঃ দৈনিক ইনকিলাব)

১৬,৬৪৮.
সার্ক কৃষি তথ্য কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কলম্বো
  2. খ) ঢাকা
  3. গ) নয়াদিল্লি
  4. ঘ) থিম্পু
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঢাকা
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC- South Asian Association for Regional Cooperation) ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সার্কের সদর দপ্তর নেপালের কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত।
- সার্কের বর্তমান সদস্য দেশ ৮ টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভুটান, মালদ্বীপ, ও আফগানিস্তান (সর্বশেষ সদস্য)।
- সার্কের বর্তমান মহাসচিব ইসালা রুয়ান ওরাকুন।
- সার্ক কৃষি তথ্য কেন্দ্র ও সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত।
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র গুজরাট।
- সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় নয়াদিল্লিতে অবস্থিত।
- সার্ক জ্বালানি ও পরিবেশ কেন্দ্র পাকিস্তানের ইসলামাবাদে।
- সার্ক যক্ষা ও এইডস কেন্দ্র কাঠমুন্ডু।
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কলম্বোতে অবস্থিত।
উৎসঃ সার্কের ওয়েবসাইট।

১৬,৬৪৯.
ময়মনসিংহ গীতিকার কোন পালাটি 'আলাল-দুলালের পালা' হিসেবে পরিচিত?
  1. দেওয়ানা মদিনা
  2. কঙ্ক ও লীলা
  3. মলুয়া
  4. মহুয়া
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানা মদিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানা মদিনা
ব্যাখ্যা
'দেওয়ানা মদিনা' পালা: 
-  লেখক মনসুর বয়াতি।
- বর্তমান হবিগঞ্জ জেলার অধীনে বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রাম বানিয়াচঙ্গের দেওয়ানদের সম্পর্কে এ পালা।
- বানিয়াচঙ্গের দেওয়ান সোনাফরের পুত্র আলাল ও দুলালের বিচিত্র জীবনকাহিনি এবং দুলাল ও গৃহস্থকন্যা মদিনার প্রেম কাহিনি ‘দেওয়ানা মদিনা' এর মূল বিষয়।
- ‘দেওয়ানা মদিনা' পালার অপর নাম ‘আলাল-দুলালের' পালা।
- ‘দেওয়ারা মদিনা’র প্রধান কয়েকটি চরিত্র হলো: আলাল, দুলাল, মদিনা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৬৫০.
কোন কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে পূর্ববঙ্গ থেকে জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়েছিলো?
  1. ক) ফ্লাউড কমিশন
  2. খ) হান্টার কমিশন
  3. গ) নাথান কমিশন
  4. ঘ) ইন্ডিগো কমিশন
সঠিক উত্তর:
ক) ফ্লাউড কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ফ্লাউড কমিশন
ব্যাখ্যা
ভূমি রাজস্ব সংক্রান্ত সমস্যাবলির সংস্কারের লক্ষ্যে শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক সরকার ১৯৩৮ সালে স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউডকে প্রধান করে ফ্লাউড কমিশন গঠন করে।

এই কমিশন ১৯৪০ সালের ২ মার্চ তার রিপোর্ট পেশ করে। রিপোর্টে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা তথা জমিদারি ব্যবস্থা বাতিল ও ভূমির উপর কৃষকদের অধিকার পুনস্থাপনের সুপারিশ করা হয়।

আন্তরিকতা থাকা সত্ত্বেও ১৯৫০ সালের পূর্বে ফ্লাউড কমিশনের সুপারিশ সমূহ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি। ১৯৫০ সালের পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের মাধ্যমে ১৯৫১ সালে জমিদারী প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা বাতিল হয়।

অন্যদিকে,

ইন্ডিগো কমিশন (১৮৬০) : নীল বিদ্রোহ
হান্টার কমিশন (১৮৮২) : শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার
নাথান কমিশন (১৯১২) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৬,৬৫১.
সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন নাম -
  1. ক) বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
  2. খ) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
  3. গ) শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
  4. ঘ) ওসমানী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট
ব্যাখ্যা
সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়:
- ‘সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (সংশোধন) আইন, ২০২৩’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে ১৭ জুলাই, ২০২৩ মন্ত্রিসভা বৈঠকে খসড়াটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
- সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৮ এর আওতায় সিলেটে একটি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
- নাম পরিবর্তন করে ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট’ করা হয়েছে।  

উৎস: ১৮ জুলাই, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৬,৬৫২.
ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ কে?
  1. রফিক 
  2. জব্বার 
  3. বরকত
  4. সালাম
সঠিক উত্তর:
রফিক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিক 
ব্যাখ্যা

প্রথম ভাষাশহীদ:
- একুশের প্রথম ভাষাশহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ।
- তিনি ছিলেন মানিকগঞ্জ দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। তাঁর বাবার নাম আবদুল লতিফ এবং মায়ের নাম রাফিজা খানম। রফিক উদ্দিনের জন্ম ১৯২৬ সালে, মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর উপজেলায়।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তিনি শহীদ হন।
- ঘটনার সময় পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাসের কারণে ছাত্ররা ঢাকা মেডিকেল কলেজের ব্যারাকে আশ্রয় নেন।
- ওই সময় পুলিশের গুলিতে তাঁর মাথার খুলি উড়ে যায়।
- মাটিতে লুটিয়ে পড়ে তখনই মারা যান তিনি। ম্যাজিস্ট্রেট ওবায়দুল্লাহর উপস্থিতিতে তাঁর জানাজার নামাজ পড়ান আজিমপুর মসজিদের ইমাম হাফেজ আবদুল গফুর। আত্মীয়স্বজনকে না জানিয়ে গোপনে আজিমপুর কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।

⇒ ভাষাশহীদ রফিক ২০০০ সালে মরণোত্তর একুশে পদক পান।

উৎস: প্রথম আলো।

১৬,৬৫৩.
‘গঙ্গাখাদ’ নামে পরিচিত -
  1. রাতারগুল সোয়াম্প ফরেস্ট
  2. সুন্দরবন
  3. টাঙ্গুয়ার হাওড়
  4. সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
সঠিক উত্তর:
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- বঙ্গোপসাগরের একটি গিরিখাত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড।
- এটি ১৪ কিলোমিটার ব্যাপী বঙ্গোপসাগরের গভীর খাদ। 
- এটি সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। 
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- এই এলাকাটি বিভিন্ন প্রজাতির ডলফিন এবং তিমির মতো বিপন্ন প্রাণীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড ‘গঙ্গাখাদ’ নামেও পরিচিত। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৬৫৪.
কত সালে সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কার্যকর করা হয়?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
প্রাথমিক শিক্ষা:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৩ সালে সরকার প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করে।
- ১ জানুয়ারী, ১৯৯৩ থেকে সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কার্যকর হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৪ সালে কুদরাত-এ-খুদা প্রণীত ‘বাংলাদেশ শিক্ষা কমিশন' ১৯৮৩ সালের মধ্যে প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে সর্বজনীন, বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষার সুপারিশ করে।
- ১৯৮১ সালে পৃথক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয়।
- অন্যদিকে এ আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণের জন্য প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২১ আগস্ট, ১৯৯০ ইং ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কোস/সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তীতে ৩১ নভেম্বর, ১৯৯২ ইং তারিখে এর নামকরণ করা হয় ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট'।
- তার পূর্বে ১ জানুয়ারি, ১৯৯২ সালে প্রাথমিকভাবে ৬৮ টি উপজেলায় এই আইন চালু হয়।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৬,৬৫৫.
“খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়” গানের রচয়িতা কে?
  1. শাহ আবদুল করিম
  2. হাসন রাজা
  3. লালন শাহ
  4. নির্মলেন্দু গুণ
সঠিক উত্তর:
লালন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালন শাহ
ব্যাখ্যা

 বাউল সাধনার প্রধান গুরু, বাউল গানের শ্রেষ্ঠ রচয়িতা, গায়ক লালন শাহ।
- লালনের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না, কিন্তু নিজ সাধনাবলে তিনি হিন্দু-মুসলমান উভয় ধর্মের শাস্ত্র সম্পর্কে গভীর জ্ঞান লাভ করেন। তাঁর রচিত গানে সেই জ্ঞানের পরিচয় পাওয়া যায়।
- আধ্যাত্মিক ভাবধারায় তিনি প্রায় দুহাজার গান রচনা করেন। তাঁর গান মরমি ব্যঞ্জনা ও শিল্পগুণে সমৃদ্ধ। সহজ-সরল শব্দময় অথচ গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ও মর্মস্পর্শী তাঁর গানে মানব জীবনের আদর্শ, মানবতাবাদ ও অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি প্রকাশ পেয়েছে।
- লালন শাহ এর প্রচলিত স্কেচটি অঙ্কন করেন অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

তাঁর জনপ্রিয় কিছু গান:
- আমি অপার হয়ে বসে আছি
- সব লোকে কয় লালন কি জাত সংসারে
- জাত গেলো জাত গেলো বলে
- খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়
- আপন ঘরের খবর লে না
- আমারে কি রাখবেন গুরু চরণদাসী
- মন তুই করলি একি ইতরপনা
- এই মানুষে সেই মানুষ আছে
- যেখানে সাঁইর বারামখানা
- বাড়ির কাছে আরশিনগর
- আমার আপন খবর আপনার হয় না
- দেখ না মন,ঝকমারি এই দুনিয়াদারী
- ধর চোর হাওয়ার ঘরে ফান্দ পেতে
- সব সৃষ্টি করলো যে জন
- সময় গেলে সাধন হবে না
- আছে আদি মক্কা এই মানব দেহে
- তিন পাগলে হলো মেলা নদে এসে
- এসব দেখি কানার হাট বাজার
- মিলন হবে কত দিনে
- কে বানাইলো এমন রঙমহল খানা

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।

১৬,৬৫৬.
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটির ভূমিকা কে লিখেছেন?
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান
  2. শেখ হাসিনা
  3. শেখ রেহানা
  4. শেখ কামাল
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
অসমাপ্ত আত্মজীবনী:

- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা বই।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বইটির ভূমিকা লিখেছেন শেখ হাসিনা।
- এই প্রকাশনার সাথে জড়িত ছিলেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা ইতিহাসবিদ, সাহিত্যিক এবং সাংবাদিকদের একটি দল।
- বাংলা ভাষা ছাড়াও ইংরেজি ভাষায়ও এই বইয়ের অনুবাদ হয়েছে। বাংলাদেশে এই বই প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড।
- এছাড়া ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে ভারতে পেঙ্গুইন ইন্ডিয়া থেকে এবং পাকিস্তানে অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস পাকিস্তান থেকে। এছাড়া পাকিস্তানে উর্দু ভাষাতেও এর অনুবাদ বের হবার কথা রয়েছে।
- ইংরেজিতে এই বইয়ের ভাষান্তর করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি সাহিত্যের অধ্যাপক ফকরুল আলম।

তথ্যসূত্র - অসমাপ্ত আত্মজীবনী, দৈনিক প্রথম আলো, ১৪ই আগস্ট ২০২০ এবং বিবিসি বাংলা, ১৯ জুন ২০১২।
১৬,৬৫৭.
বাংলায় “ঋণ সালিশি আইন” কার আমলে প্রণীত হয়?
  1. ক) এইচ. এস. সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) এ. কে. ফজলুল হক
  3. গ) খাজা নাজিম উদ্দিন
  4. ঘ) নুরুল আমিন
সঠিক উত্তর:
খ) এ. কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা

অবিভক্ত বাংলার জাতীয় নেতা আবুল কাশেম ফজলুল হক তাঁর রাজনৈতিক প্রজ্ঞা এবং দূরদর্শিতার জন্য ছিলেন সুপরিচিতি। তিনি ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম প্রধানমন্ত্রী।

সর্বভারতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন ফজলুল হক। তাঁর আপোষহীন ন্যায়নীতি ও অসামান্য বাকপটুতার কারণে রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের কাছে তিনি বেশি পরিচিত ছিলেন শেরে বাংলা (বাংলার বাঘ) নামে। সর্বভারতীয় রাজনীতির পাশাপাশি গ্রাম বাংলার মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন।

প্রথম মন্ত্রিসভার আমলে (১৯৩৭-১৯৪১) এ কে ফজলুল হক কৃষকদের দুঃখকষ্ট মোচনের জন্য কিছু প্রশংসনীয় কাজ করেছিলেন।

- তিনি ‘Bengal Agricultural Debtors' Act’ (১৯৩৮) কার্যকর করে উচ্চহারে সুদ নেয় এমন মহাজনদের কবল থেকে দরিদ্র কৃষকদের রক্ষা করেন। তিনি বাংলার সব এলাকায় ঋণ সালিশি বোর্ডও স্থাপন করেছিলেন।
- ‘Money Lenders' Act’ (১৯৩৮) এবং ১৯৩৮ সালের ‘Bengal Tenancy (Amendment) Act’ কৃষকদের ভাগ্যোন্নয়ন ঘটিয়েছিল।
- স্যার ফ্রান্সিস ফ্লাউডিকে সভাপতি করে ১৯৩৮ সালের ৫ নভেম্বর বাংলা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত ‘ল্যান্ড রেভেনিউ কমিশন’ ১৯৪০ সালের ২১ মার্চ চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করে। এটি ছিল দেশের ভূমিব্যবস্থা সম্পর্কিত সবচেয়ে মূল্যবান দলিল। ১৯৩৮ সালের আইন দ্বারা ১৮৮৫ সালের প্রজাস্বত্ব আইন সংশোধন করা হয়েছিল এবং এর দ্বারা খাজনা বৃদ্ধির সকল ধারা দশ বছরের জন্য স্থগিত করা হয়েছিল। এটি রায়তদের উপর প্রথাগতভাবে জমিদারগণ কর্তৃক ধার্যকৃত সব ধরনের আবওয়াব ও সেলামির (কর) বিলোপ সাধন করে। জমিদারকে কোনো হস্তান্তর-ফি না দিয়ে রায়তরা তাদের জমি হস্তান্তর করার অধিকার লাভ করে।
- এ আইন বকেয়া খাজনার সুদের হার ১২.৫০% থেকে ৬.২৫%-এ হ্রাস করে। নদীর ভাঙ্গনে হারানোর ২০ বছরের মধ্যে চারবছরের খাজনা দিয়ে রায়তরা নদী-সিকস্তি (নদীর ভাঙনের ফলে লুপ্ত জমির পুন জেগে ওঠা) জমির মালিকানার অধিকার লাভ করে।
- হক তাঁর নির্বাচনী প্রচারণার সময় জনগণকে প্রতিশ্রুত ডাল-ভাতের কর্মসূচি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত করতে না পারলেও তাঁর মুখ্যমন্ত্রিত্বের প্রথম মেয়াদে কার্যকর রক্ষা বহু আইন কৃষকদের বোঝা কিছুটা লাঘব করতে সাহায্য করেছিল।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং পত্রিকা রিপোর্ট।

১৬,৬৫৮.
বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ (LDC) থেকে উত্তরণ করলে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে পড়বে কোন খাত?
  1. কৃষি খাত
  2. সেবা খাত
  3. শিল্প খাত
  4. রপ্তানি খাত
সঠিক উত্তর:
রপ্তানি খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রপ্তানি খাত
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ২০২৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হবে।
- এ উত্তরণকে গর্বের অর্জন হিসেবে দেখা হলেও যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক নীতির পর এ গ্র্যাজুয়েশন কতটা টেকসই হবে তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

- বাংলাদেশের মোট পণ্য রফতানি জিডিপির প্রায় ১২ দশমিক ৯৪ শতাংশ। ডিইএসএর প্রতিবেদন বলছে, এ প্রেক্ষাপটে রফতানি আয় হঠাৎ কমে যাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, কর্মসংস্থান এবং শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। 

- রফতানিতে এ একটি খাতের ওপর নির্ভরতা স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণে বাংলাদেশের জন্য বড় ঝুঁকির কারণ হিসেবে দেখছে জাতিসংঘ। 
- বিশ্ববাজারে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের পণ্য রফতানির মোট অর্থমূল্য ছিল ৪৮ দশমিক ২৮ বিলিয়ন ডলার, যার ৮১ দশমিক ৪৯ শতাংশই তৈরি পোশাক।
- ২০২৫ সালের এপ্রিলে একতরফাভাবে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক বাড়ানোর ঘোষণায় এলডিসি দেশগুলোর উন্নয়ন ও গ্র্যাজুয়েশন সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
-  ২০২৫ সালের এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্র একতরফাভাবে শুল্কহার বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রফতানি আয় প্রায় ২১ শতাংশ হ্রাসের ঝুঁকি তৈরি হয়।

LDC:
- LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
- জাতিসংঘের মতে, এই দেশগুলো আর্থ-সামাজিক বিকাশের সর্বনিম্ন সূচক প্রদর্শন করে।
- ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
- বর্তমানে বিশ্বে ৪৪টি স্বল্পোন্নত দেশ রয়েছে, এর মধ্যে এশিয়া মহাদেশের ৮টি দেশ হয়েছে।
- সর্বশেষ সাও টোমে ও প্রিন্সিপ ২০২৪ সালে LDC থেকে উর্ত্তীণ হয়েছে।

উৎস: UN ওয়েবসাইট এবং বণিক বার্তা।

১৬,৬৫৯.
মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানসূচক সর্বোচ্চ খেতাব কি?
  1. ক) বীরবিক্রম
  2. খ) বীরশ্রেষ্ঠ
  3. গ) বীরপ্রতীক
  4. ঘ) বীরউত্তম
সঠিক উত্তর:
খ) বীরশ্রেষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বীরশ্রেষ্ঠ
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে অসীম সাহসিকতার জন্যে ৭ জন শহীদ কে সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করা হয়। এদের মধ্যে সেনাবাহিনী থেকে ৩ জন (সিপাহী হামিদুর রহমান, সিপাহী মোস্তফা কামাল এবং ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর), ইপিআর থেকে ২ জন (ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ এবং ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ) এবং বিমানবাহিনী (ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান) ও নৌবাহিনী (ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমিন) থেকে একজন করে। এদের মধ্যে সবার আগে মারা যান ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ (৮ এপ্রিল) এবং সবার শেষে মারা যান ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর (১৪ ডিসেম্বর)।
(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়)
১৬,৬৬০.
মুক্তিযুদ্ধে মুজিবনগর কত নম্বর সেক্টরের অধীন ছিল?
  1. ক) ১ নম্বর
  2. খ) ৫ নম্বর
  3. গ) ৮ নম্বর
  4. ঘ) ১০ নম্বর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ নম্বর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে ‍মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করে।
- এর মধ্যে বৃহত্তর কুষ্টিয়া ও যশোর জেলা এবং ফরিদপুর ও খুলনা জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ৮ নং সেক্টর গঠিত হয়।
- বর্তমান মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো।
- ৮ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
- ঢাকা শহর ২নং সেক্টরের অধীন ছিলো।

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)
১৬,৬৬১.
খাসিয়া গ্রামগুলো কী নামে পরিচিত?
  1. বারং
  2. পাড়া
  3. মৌজা
  4. পুঞ্জি
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,৬৬২.
সুন্দরবন সামিট- ২০২৬ কবে অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ২০-২২ এপ্রিল
  2. ২৩-২৫ এপ্রিল
  3. ২৫-২৭ এপ্রিল
  4. ২৬-২৮ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
২৩-২৫ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩-২৫ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

সুন্দরবন সামিট-২০২৬: 
- সুন্দরবন দিবস উপলক্ষ্যে পরিবেশ ও গবেষণা সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে ঘোষণা করা হয়েছে সুন্দরবন সামিট-২০২৬।
- আগামী ২৩ থেকে ২৫ এপ্রিল খুলনা ও সুন্দরবনে অনুষ্ঠিত হবে এই সামিট।
- সামিটের মূল লক্ষ্য:
-  সুন্দরবন এবং এর ওপর নির্ভরশীল লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবন ও জীবিকা সুরক্ষায় নীতি সংলাপ,
- উদ্ভাবন, তরুণদের সম্পৃক্ততা এবং কমিউনিটি-নির্ভর সংরক্ষণ কার্যক্রমকে উৎসাহিত করা।
- “সুন্দরবন আমাদের জাতীয় সম্পদ এবং এটি প্রতিদিন বাংলাদেশকে রক্ষা করে। নিজেদের রক্ষা করতে হলে আমাদের অবশ্যই সুন্দরবনকে রক্ষা করতে হবে। এই উদ্যোগটি শুধু একটি আয়োজন নয়, এটি একটি আন্দোলন।”

উৎস: পত্রিকার রিপোর্ট।লিঙ্ক

১৬,৬৬৩.
জিডিপি-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. গ্রস ডেভেলপমেন্ট প্রোডাক্ট
  2. জেনারেল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম
  3. গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
  4. গ্লোবাল ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
সঠিক উত্তর:
গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রস ডোমেস্টিক প্রোডাক্ট
ব্যাখ্যা

•   Gross Domestic Product - GDP বা মোট দেশজ উৎপাদন ধারণা:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত পণ্য ও সেবা আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদন হিসাব করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে দেশের ভৌগোলিক সিমারেখার মধ্যে উৎপাদিত পণ্য ও সেবার মূল্য ধরতে হয়।
- দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিরা যে পণ্য ও সেবা উৎপাদন করে তা এতে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- আর বিদেশে অবস্থানরত দেশিও নাগরিকরা যে পণ্য ও সেবা উৎপাদন করে তা মোট দেশজ উৎপাদনে অন্তর্ভুক্ত হয় না।

উৎস: অর্থনৈতিক ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৬৬৪.
নিম্নের নামগুলির মধ্যে মুক্তিযুদ্ধে 'বীর প্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা কে?
  1. ক) বেগম সুফিয়া কামাল
  2. খ) নীলিমা ইব্রাহিম
  3. গ) সেতারা বেগম
  4. ঘ) জাহানারা বেগম
সঠিক উত্তর:
গ) সেতারা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সেতারা বেগম
ব্যাখ্যা
১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়-
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৮ জন,
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন,
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তার মধ্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী 'বীরপ্রতীক' খেতাব পেয়েছেন।
- ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম
- তারামন বিবি।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট
১৬,৬৬৫.
সিপাহী হামিদুর রহমান কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ২নং
  2. ৪নং
  3. ৮নং
  4. ৬নং
সঠিক উত্তর:
৪নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪নং
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান ৪ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

এছাড়াও,

- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল - ২ নম্বর সেক্টর।
- বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ - ৮ নম্বর সেক্টর।
- বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন - ১০ নম্বর সেক্টর (নৌবাহিনী)।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ - ১ নম্বর সেক্টর।
- বীরশ্রেষ্ঠ মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর - ৭ নম্বর সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৬৬৬.
কোন জেলায় কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ঢাকা
  2. টাঙ্গাইল
  3. ময়মনসিংহ
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল ঐতিহাসিক সম্মেলন।

কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- কাগমারী সম্মেলন পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সম্মেলনে রূপ নেয়।
- কাগমারী সম্মেলনের মাত্র স্বল্প সময়ের মাথায় আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

১৬,৬৬৭.
দেশের প্রথম বর্জ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) নারায়ণগঞ্জ
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
  5. ঙ) গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম বর্জ্য বিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন করা হচ্ছে কুষ্টিয়া পৌরসভাতে। অস্ট্রেলিয়ার ওয়েস্ট পাওয়ার প্লান্ট লিমিটেড এটি তৈরী করবে। এর উৎপাদন ক্ষমতা ১০০ কিলোওয়াট। ব্যয় হবে সাড়ে আট কোটি টাকা। (সূত্রঃ সমকাল, ২৪ অক্টোরব ২০১৯)
১৬,৬৬৮.
জাতীয় সংসদ সদস্যের কত অংশ 'টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী'?
  1. ক) এক-দশমাংশ
  2. খ) দুই-দশমাংশ
  3. গ) তিন-দশমাংশ
  4. ঘ) নয়-দশমাংশ
সঠিক উত্তর:
ক) এক-দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।
অনুচ্ছেদ - ৫৬(২) প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, তাঁহাদের সংখ্যার অন্যূন নয়-দশমাংশ সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক-দশমাংশ সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাদেশ সংবিধান
১৬,৬৬৯.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪]
  1. ফরিদপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. জামালপুর
  4. শেরপুর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪:
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

১৬,৬৭০.
'বেঙ্গল প্যাক্ট' চুক্তি সম্পাদনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. চিত্তরঞ্জন দাস
  2. সৈয়দ আহমদ খান
  3. মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
  4. মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন দাস
ব্যাখ্যা
• বেঙ্গল প্যাক্ট:
- সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯২৩ সালের ডিসেম্বরে বাংলার হিন্দু ও মুসলিম নেতাদের মধ্যে ‘বেঙ্গল প্যাক্ট’ নামে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি সম্পাদনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস।
- মুসলমানদের পক্ষে আব্দুল করিম, মুজিবুর রহমান, আকরম খাঁ, মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, ড. এ সোহরাওয়ার্দী প্রমুখ প্রতিনিধিত্ব করেন।
- তাঁদের লক্ষ্য ছিল, কাউন্সিলে থেকে ধারাবাহিক প্রতিবন্ধকতার নীতি অনুসরণের মাধ্যমে ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইনের অধীনে প্রবর্তিত দ্বৈত শাসন-ব্যবস্থার অবসান ঘটানো।
- ১৯২৫ সালে চিত্তরঞ্জন দাসের মৃত্যু হলে বেঙ্গল প্যাক্ট তার গুরুত্ব হারায়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস : অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম এবং বাংলাপিডিয়া
১৬,৬৭১.
মেহেরপুর জেলার উপজেলার সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
• মেহেরপুর জেলা:
- মেহেরপুর জেলার উপজেলার সংখ্যা - ৩ টি।
- উপজেলাসমূহের নাম- মেহেরপুর সদর, মুজিবনগর ও গাংনী উপজেলা।
- এটি ০৩টি উপজেলা, ০৩টি থানা, ০২টি পৌরসভা (১টি ‌‍'ক' শ্রেণীর, ১টি 'খ' শ্রেণীর), ১৮টি ইউনিয়ন, ১৯৯টি মৌজা, ২৫৯টি গ্রাম নিয়ে গঠিত। 

তথ্যসূত্র: মেহেরপুর জেলার ওয়েবসাইট।
১৬,৬৭২.
বরেন্দ্রভূমির অবস্থান কোন জনপদের মধ্যে ছিল?
  1. বঙ্গ
  2. পুণ্ড্র
  3. গৌড়
  4. রাঢ়
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্ড্র
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্রভূমির অবস্থান পুণ্ড্র জনপদের মধ্যে ছিল।

বরেন্দ্র:
- বরেন্দ্র উত্তরবঙ্গের একটি জনপদ।
- ঐতিহাসিকদের মতে বর্তমান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং পশ্চিমবঙ্গের মালদহ ও মুর্শিদাবাদের কিছু অংশ এবং দার্জিলিং ও কোচবিহারসহ গঠিত সমগ্র অঞ্চল বরেন্দ্র এলাকা।
- সন্ধ্যাকর নন্দীর 'রামচরিত-কাব্য'-এ গঙ্গা ও করতোয়া নদীর মধ্যভাগকে বরেন্দ্রী নামে অভিহিত করা হয়েছে।

⇒ পুণ্ড্র ছিল পূর্বাঞ্চলের জনপদসমূহের মধ্যে খুব সম্ভবত প্রাচীনতম।
- মধ্যযুগের মুসলিম ঐতিহাসিকরা বরেন্দ্রিকে বলতেন বরীন্দ্র।
- পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে। 
- প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।
 
উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।

১৬,৬৭৩.
মুজিবনগর সরকারকে শপথ বাক্য কে পাঠ করান?
  1. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  2. অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক
  3. এম হোসেন আলী
  4. তাজউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার: 
- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল প্রণীত ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’ ছিল বাংলাদেশের মুক্তি আকাঙ্ক্ষী রাষ্ট্রের প্রথম সংবিধান।
- ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র অনুসারে ২৬ মার্চ আমাদের স্বাধীনতা দিবস। কারণ ঘোষণাপত্রে লেখা হয়েছে- ‘আমাদের এই - স্বাধীনতার ঘোষণা ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।’
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। 
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ। 
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- এ সরকার গঠনের মাত্র ২ ঘণ্টা পর পাকিস্তানি বিমান বাহিনী মুজিবনগরে বোমাবর্ষণ করে মেহেরপুর দখল করে নেয়।
- পরে মুজিবনগর সরকারের সদর দপ্তর কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে স্থানান্তর করা হয়। 
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর। 
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।
- নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
- মুজিবনগর সরকারকে ১৫টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ভাগ করা হয়।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন হয় ১৮ এপ্রিল ১৯৭১।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৬৭৪.
উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কার আমলে?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড মেয়ো
  3. লর্ড রিপন
  4. লর্ড ক্যানিং
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মেয়ো
ব্যাখ্যা
লর্ড মেয়ো: 
- লর্ড মেয়ো ১৮৬৯ থেকে ১৮৭২ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল।
- তাঁর নাম রাখা হয় রির্চাড সাউথওয়েল বুর্ক। 
- তাঁর শাসনামলেই ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি (১৮৭২) শুরু হয়।
- তিনি দেশে পরিসংখ্যান জরিপের ব্যবস্থা করেন এবং কৃষি ও বাণিজ্য বিভাগ সৃষ্টি করেন।

অন্যদিকে, 
- লর্ড ক্যানিং ভারতের ভাইসরয় ছিলেন।
- ১৮৬১ সালে উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু করেন।
- ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।
- চার্লস উড শিক্ষা বিষয়ে ১৮৫৪ সালে যে সুপরিশমালা পেশ করেন তা কার্যকর করা হয় তার সময়ে।
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৬৭৫.
অমর একুশে বইমেলার উদ্যোক্তা কে? 
  1. আহমদ ছফা
  2. অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ 
  3. চিত্তরঞ্জন সাহা
  4. আনিসুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন সাহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিত্তরঞ্জন সাহা
ব্যাখ্যা

• অমর একুশে বইমেলা: 
- অমর একুশে বইমেলা বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের সাথে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত একটি ঐতিহ্যবাহী আয়োজন। 
- এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মৃতিকে অমর করে রাখার উদ্দেশ্যে শুরু হয়েছে। 
- বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে বইমেলার উদ্যোক্তা চিত্তরঞ্জন সাহা।

- ১৯৭২ সালে বাংলা একাডেমি প্রথম একুশে বইমেলার আয়োজন করে।
- ১৯৭২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি তিনি বাংলা একাডেমির বর্ধমান হাউসের সামনের বটতলায় চটের ওপর ৩২টি বই সাজিয়ে বিক্রি শুরু করেন। 
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কলকাতায় আশ্রিত বাঙালি সাহিত্যিক-বুদ্ধিজীবীদের লেখা ওই ৩২টি বই প্রকাশ করে স্বাধীনতার পর দেশে এসে তিনি যেভাবে সেগুলো বিক্রি শুরু করেন, সেটাই ছিল আজকের বইমেলার বীজ।

- ১৯৭৯ সালের মেলার সঙ্গে যুক্ত হয় চিত্তরঞ্জন সাহা প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ পুস্তক বিক্রেতা ও প্রকাশক সমিতি।
- সেবারই প্রথম বাংলা একাডেমি সিদ্ধান্ত নেয় একুশে ফেব্রুয়ারি উপলক্ষে বইমেলা আয়োজনের। নাম দেওয়া হলো ‘একুশে গ্রন্থমেলা’।
- ১৯৮৪ সালে এসে গ্রন্থমেলার জন্য বিধিবদ্ধ নীতিমালা প্রণীত হয় এবং গ্রন্থমেলার নাম হয় ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’। 

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার ও যুগান্তর। (Link) (Link) 

১৬,৬৭৬.
'জুলাই স্মৃতি উদ্যান' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকায়
  2. চট্টগ্রামে
  3. সিলেটে
  4. রংপুরে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামে
ব্যাখ্যা

• ‘জুলাই স্মৃতি উদ্যান’:
- চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ আবাসিকে অবস্থিত জাতিসংঘ পার্ককে আধুনিকায়ন করে নতুন নাম দেওয়া হয়েছে।
- জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি ধরে রাখতে পার্কটির নামকরণ করা হয়েছে ‘জুলাই স্মৃতি উদ্যান’।
- শুক্রবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এটি উদ্বোধন করেন।

উৎস: ইত্তেফাক পত্রিকা।

১৬,৬৭৭.
চতুর্থ জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন কে?
  1. ক) মওদুদ আহমেদ
  2. খ) আতাউর রহমান খান
  3. গ) মিজানুর রহমান চৌধুরী
  4. ঘ) শাহ আজিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ক) মওদুদ আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মওদুদ আহমেদ
ব্যাখ্যা
১৯৮৮ সালের ৩ মার্চ চতুর্থ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং ১৫ এপ্রিল চতুর্থ সংসদ যাত্রা শুরু করে। এ সংসদে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ ২৭ মার্চ ১৯৮৮ থেকে ১২ আগস্ট ১৯৮৯ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। অন্যদিকে ১২ আগস্ট ১৯৮৯ থেকে ৬ ডিসেম্বর ১৯৯০ পর্যন্ত এরশাদের শাসনামলে কাজী জাফর আহমেদ প্রধানমন্ত্রী'র দায়িত্ব পালন করেন। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় ওয়েবসাইট)
১৬,৬৭৮.
রাজবংশীরা প্রধানত কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. বৈষ্ণব
  2. জৈন
  3. খ্রিস্টান
  4. মুসলিম
সঠিক উত্তর:
বৈষ্ণব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈষ্ণব
ব্যাখ্যা
রাজবংশী:
- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা প্রধানত বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী।
- বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা।
- মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৬৭৯.
জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট পাশ হয়-
  1. ক) ১৩ জুন
  2. খ) ১৭ জুন
  3. গ) ২৭ জুন
  4. ঘ) ৩০ জুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০ জুন
ব্যাখ্যা
১৩ জুন, ২০১৯ সালে জাতীয় সংসদে বাজেট পেশ করা হয়। ৩০ জুন ২০১৯ সালে ২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেট পাস হয় এবং ১ জুলাই, ২০১৯ সাল থেকে কার্যকর হয়।
১৬,৬৮০.
বর্তমানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা কত? (নভেম্বর, ২০২৫)
  1. ৪০০০০০ টাকা
  2. ৪৫০০০০ টাকা
  3. ৪৭৫০০০ টাকা
  4. ৫০০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৪৭৫০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭৫০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫০০০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।

উল্লেখ্য:
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর এ সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৩৭৫০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

১৬,৬৮১.
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদকাল -
  1. জুলাই ২০১৮ - জুন ২০২৩
  2. জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫
  3. জুন ২০২০ - জুলাই ২০২৫
  4. জুলাই ২০২১ - জুন ২০২৬
সঠিক উত্তর:
জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫
ব্যাখ্যা
৮ম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- মেয়াদকাল: জুলাই ২০২০ - জুন ২০২৫।

- মোট বিনিয়োগ জিডিপির: ৩৬.৫৯%।
- প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা: ৮.৫১%। 
- কর্মসংস্থান: ১ কোটি ১৩ লাখ।
- মূল্যস্ফীতি: ৪.৬%।
- প্রত্যাশিত গড় আয়ু: ৭৪ বছর।
- বিদ্যুৎ উৎপাদন: ৩০ হাজার মেগাওয়াট।
- দারিদ্র্যের হার: ১৫.৬%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৭.৪%।
- যেখানে অর্থবছর ২০৩১ এর মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশে (UMIC) উন্নীত হওয়া এবং চরম দারিদ্র্য দূর করা হবে।
- অর্থবছর ২০৪১ এর মধ্যে উচ্চ আয়ের দেশের (HIC) মর্যাদা লাভ করার রোডম্যাপ নির্ধারণ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১৬,৬৮২.
কোন মৌর্য সম্রাটের রাজত্বকালে প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়?
  1. সম্রাট চন্দ্রগুপ্ত
  2. সম্রাট বিন্দুসার
  3. সম্রাট অশোক
  4. সম্রাট বৃহদ্রথ
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র:
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুণ্ড্র।
- পুণ্ড্র 'জন' বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল।
- পুণ্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুণ্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুণ্ড্রনগর।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত।
- পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
- পুণ্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল।
- রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
- ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুণ্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুণ্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়।
- গুপ্ত যুগে (৪র্থ-৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
- এখানে গুপ্তদের সুনিয়ন্ত্রিত শাসনব্যবস্থা ছিল।
- পুণ্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল।
- প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৬,৬৮৩.
বাংলাদেশে বসবাস নেই এমন উপজাতির নাম-
  1. খিয়াং
  2. গারো
  3. মাওরি
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
মাওরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওরি
ব্যাখ্যা

- মাওরি  নিউজিল্যান্ডের উপজাতি সম্প্রদায়ের নাম।
- বাংলাদেশে মাওরি উপজাতি বসবাস নেই। 
- বাংলাদেশে মোট ৫০ টি উপজাতি রয়ছে।

অন্যদিকে,
- সাঁওতাল, খিয়াং, গারো সম্প্রদায় বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- সাঁওতাল জনগোষ্ঠী রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর, নাটোর, নওগাঁ, বগুড়া প্রভৃতি জেলায় বসবাস করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলায় খিয়াং উপজাতি বাস করে।
- গারোদের বসবাস ময়মনসিংহ অঞ্চলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, ব্রিটানিকা।

১৬,৬৮৪.
পূর্ব বাংলার প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ক) ২৩৭টি
  2. খ) ২২৩টি
  3. গ) ১৪৩ টি
  4. ঘ) ১৪৫টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৪৩ টি
ব্যাখ্যা
পাকিস্তান সৃ্ষ্টির পর ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ পূর্ব বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনের ফলাফল:-
• মোট আসন : ৩০৯টি
• মুসলিম আসন : ২৩৭টি
• অমুসলিম আসন : ৭২টি
• যুক্তফ্রন্ট লাভ করে : ২২৩টি আসন

অন্যদিকে, 
যুক্তফ্রন্টের প্রাপ্ত ২২৩ টি আসনের মধ্যে দলওয়ারী প্রাপ্ত আসন:-
• আওয়ামী মুসলিম লীগ - ১৪৩ টি
• কৃষক শ্রমিক পার্টি - ৪৮ টি
• নেজামে ইসলাম  - ১৯ টি
• গণতন্ত্রী পার্টি  - ১৩ টি

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৬৮৫.
নিচের চারটি পদের মধ্যে সেনাবাহিনীতে সর্বোচ্চ কোনটি?
  1. ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
  2. লেফটেন্যান্ট জেনারেল
  3. মেজর জেনারেল
  4. লেফটেন্যান্ট কর্নেল
সঠিক উত্তর:
লেফটেন্যান্ট জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেফটেন্যান্ট জেনারেল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর র‍্যাঙ্ক: 
- উল্লিখিত চারটি পদের মধ্যে সেনাবাহিনীতে সর্বোচ্চ পদ লেফটেন্যান্ট জেনারেল।

জেনারেল: 
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সর্বোচ্চ পদ হলো চার তারকা জেনারেল।
- বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান হলেন চার তারকা জেনারেল।

লেফটেন্যান্ট জেনারেল: 
- একজন লেফটেন্যান্ট জেনারেল হলেন একজন তিন তারকা জেনারেল।
- তিনি কখনও কখনও সেনাবাহিনী প্রধানের পিএসও অথবা সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পিএসও অথবা ডিজিএফআই-তে মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি জাতীয় প্রতিরক্ষা কলেজেও কমান্ড্যান্ট হিসেবে কাজ করতে পারেন।

মেজর জেনারেল: 
- একজন মেজর জেনারেলকে ডিভিশন লেভেল বা ARTDOC-তে জেনারেল অফিসার কমান্ডিং হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- তিনি কিছু সময় সেনাবাহিনী প্রধানের পিএসও হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি সশস্ত্র বাহিনী বিভাগে পিএসও, ডিজিএফআই, এসএসএফ, বিজিবি, আনসার ও ভিডিপি এবং অন্যান্য কিছু সংস্থার মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজ, ডিফেন্স সার্ভিস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কলেজ, মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে কমান্ড্যান্ট এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অফ প্রফেশনালস ইত্যাদির ভিসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল: 
- একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে ব্রিগেড কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- তিনি কিছু সময় সেনা সদর দপ্তরের বিভিন্ন অধিদপ্তরে পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বেশিরভাগ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কিছু ব্রিগেডিয়ার জেনারেলকে বিজিবিতে সেক্টর কমান্ডার হিসেবেও নিযুক্ত করা হয়।

কর্নেল: 
- একজন কর্নেলকে ভারপ্রাপ্ত ব্রিগেড কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- কিছু সময় তিনি ফর্মেশন স্তরে কর্নেল স্টাফ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কিছু কর্নেলকে স্টেশন কমান্ডার হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।
- কিছু কর্নেলকে বিজিবিতে সেক্টর কমান্ডার এবং ডিজিএফআইতে কর্নেল জিএস হিসেবে নিযুক্ত করা হয়।

লেফটেন্যান্ট কর্নেল: 
- তিনি ব্যাটালিয়ন কমান্ডার।
- কিছু সময় তিনি ফর্মেশন লেভেলে গ্রেড-১ স্টাফ অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি গ্রেড-১ স্টাফ অফিসার, এএ এবং কিউএমজি ইত্যাদি বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি বেশিরভাগ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠানে প্রধান প্রশিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- কিছু অফিসার বিজিবি, র‍্যাব, পুলিশ, ডিজিএফআই, এসএসএফ, এনএসআই, বিটিআরসিতে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হিসেবেও নিযুক্ত আছেন।

উৎস: JOIN BANGLADESH ARMY ওয়েবসাইট।
১৬,৬৮৬.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার বিচারকার্যে ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন কে?
  1. মকসুমুল হাকিম
  2. এম.আর.খান
  3. আতাউর রহমান খান
  4. এস.এ.রহমান
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:

- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৬৮৭.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন-
  1. লর্ড কর্নওয়ালিস
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
  4. লর্ড ওয়েলেসলি
সঠিক উত্তর:
লর্ড কর্নওয়ালিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড কর্নওয়ালিস
ব্যাখ্যা

• চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
• ১৭৯৩ সালের ২২মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
• ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
• চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়। বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
• ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬,৬৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল কোনটি?
  1. ১৯৭১ থেকে ১৯৭৬
  2. ১৯৭২ থেকে ১৯৭৭
  3. ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮
  4. ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৯
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ থেকে ১৯৭৮
ব্যাখ্যা

পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা:
- প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৩-৭৮),
- দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮০-৮৫),
- তৃতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৮৫-৯০),
- চতুর্থ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯০-৯৫),
- পঞ্চম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৯৭-২০০২),
- ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১১-২০১৫),
- সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০১৬-২০২০),
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ( ২০২১-২০২৫), বাতিল করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণীত হয়েছে।
- কিন্তু ৭ টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশনে ওয়েবসাইট।

১৬,৬৮৯.
মুক্তিযুদ্ধের আত্মসমর্পণ দলিল কোথায় স্বাক্ষরিত হয়?
  1. পল্টন ময়দানে
  2. রেসকোর্স ময়দানে
  3. কলকাতায়
  4. মিরপুর
সঠিক উত্তর:
রেসকোর্স ময়দানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেসকোর্স ময়দানে
ব্যাখ্যা

আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর:
- লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী (১৯১৫-২০০৪) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কম্যান্ডের অধিনায়ক।
- তিনি ভারতীয় বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর যৌথ কম্যান্ডের নিকট পরাজয় স্বীকার করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- ঢাকার রমনা রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকাল পাঁচটা এক মিনিটে রমনা রেসকোর্সে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) যৌথ কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা এবং পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কম্যান্ডের পক্ষে লেফটেন্যান্ট জেনারেল নিয়াজী পাকিস্তানের আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬,৬৯০.
বাংলাদেশে কয়টি বিদ্যুৎবিতরণকারী প্রতিষ্ঠান আছে?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
দেশে বিদ্যুৎ বিতরণের কাজটি করে চারটি কোম্পানি ও দুটি সংস্থা। এদের গ্রাহক ৩ কোটি ৫০ লাখ।

বিতরণের কাজটি করে:
১) বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি),
২) ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো),
৩) নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো),
৪) পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি),
৫) ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ও
৬) ঢাকা ইলেকট্রিসিটি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)।

উৎস: প্রথম আলো (২৮মে, ২০১৯)
১৬,৬৯১.
'ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ'-কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড কর্ণওয়ালিস
  3. লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক
  4. লর্ড ওয়েলেসলি
সঠিক উত্তর:
লর্ড ওয়েলেসলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা

লর্ড ওয়েলেসলি:
- ১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড ওয়েলেসলি কোম্পানির গভর্নর হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন।
- তিনি রাজ্য শাসনের পরিবর্তে রাজ্য বিস্তারের দিকেই বেশি আগ্রহী ছিলেন।
- রাজ্যের শাসন ব্যবস্থায় তাঁর অবদান নিতান্তই সামান্য। সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব থাকা সত্ত্বেও তিনি বেশকিছু সংস্কার করে গেছেন।
- তিনি ইংরেজ অধিকৃত স্থানে জমি জরিপ করার জন্য ড. ফ্রান্সিস বুকাননকে নিযুক্ত করেন।
- ওয়েলেসলি বিচার ব্যবস্থার বেশকিছু সংস্কার করেন।
- লর্ড ওয়েলেসলি ভারতবর্ষে নবাগত ইংরেজ কর্মচারিদের শিক্ষার জন্য কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে একটি কলেজ স্থাপন করেন।

⇒ লর্ড ওয়েলেসলির ভূমিকা:

• শাসনকাল: লর্ড ওয়েলেসলি ১৭৯৮ থেকে ১৮০৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
• নীতির উদ্দেশ্য: তিনি ভারত থেকে ফরাসি প্রভাব দূর করে ব্রিটিশদেরকে উপমহাদেশের সর্বশ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করতে চেয়েছিলেন।
• শিক্ষা সংস্কার: অসামরিক কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের জন্য 'ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ' প্রতিষ্ঠা করেন।
• সাম্রাজ্যের শক্তি: তাঁর শাসনামল শেষ হওয়ার পরও ওয়েলেসলি ব্রিটিশদের ভারতে একটি শক্তিশালী সাম্রাজ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে যান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৬৯২.
'শিখা চিরন্তন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকা সেনানিবাসে
  2. খ) রাজেন্দ্রপুরে
  3. গ) রাজারবাগ পুলিশ লাইনে
  4. ঘ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
ব্যাখ্যা
শিখা চিরন্তন
- মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী বীর শহিদদের অমর স্মৃতি চির জাগরূক রাখার জন্য ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ১৯৯৭ সালের ২৬শে মার্চ শিখা চিরন্তন স্থাপিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে এই স্থান থেকেই 'মুক্তির সংগ্রাম ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দিয়েছিলেন।
- গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তান দখলদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছিল এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার রজতজয়ন্তী উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে শিখা চিরন্তন স্থাপন করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,৬৯৩.
Who is the author of 'September on Jessore road'?
  1. George Harrison
  2. Allen Ginsberg
  3. Ringo Star
  4. Leon Russel
সঠিক উত্তর:
Allen Ginsberg
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Allen Ginsberg
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিদেশী নাগরিকদের ভূমিকা:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নাগরিক সমাজ বাঙালিদের সমর্থনে এগিয়ে এসেছে।
- যুক্তরাষ্ট্র সরকার পাকিস্তানের পক্ষে থাকলেও সেদেশের নাগরিকেরা বাঙালিদের সমর্থনে সরকারের ওপর এমন চাপ সৃষ্টি করেছিল যে, মার্কিন সরকার ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি।
- যুক্তরাজ্যের নাগরিকেরা বাঙালিদের সংগে রাস্তায় নেমেছেন।
- পাকিস্তানে সিভিল সমাজের অনেকেই বাঙালিদের সমর্থন করতে গিয়ে জেলে গেছেন।
- অস্ট্রেলিয়ার এক কবি বাঙালি শরণার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সরকারের দানের পরিমাণ বৃদ্ধির দাবিতে অনশন করেছেন।
- বুয়েনস আয়ার্সে নোবেলজয়ী লেখক বোহের্স, রবীন্দ্রনাথের স্নেহধন্য বুদ্ধিজীবী ভিক্টোরিয়া ওকাম্পো বাংলাদেশের সমর্থনে মিছিল করেছেন।
- জর্জ হ্যারিসন, রিংগো স্টার, লিয়ন রাসেল, ওস্তাদ রবিশঙ্কর প্রমুখ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কোয়ারে বাঙালিদের জন্য কনসার্টের আয়োজন করেছিলেন।
- জন বেজ বাংলাদেশের জন্য গেয়েছিলেন।
- অ্যালেন গিনসবার্গ বাংলাদেশের জন্য 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড' শিরোনামে কবিতা লিখেছেন।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৬৯৪.
বন বিভাগের অধীনে মোট কতটি জেলায় সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে?
  1. ক) ২১টি
  2. খ) ২৭টি
  3. গ) ২৯টি
  4. ঘ) ৩২টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৯টি
ব্যাখ্যা
বন বিভাগের অধীনে বর্তমানে দেশে মোট ২৫.৭৫ লক্ষ হেক্টর বনভূমি রয়েছে।
এর মধ্যে ২৯টি জেলায় সংরক্ষিত বনভূমি বিদ্যমান যার মোট আয়তন ১৩.৩৯৯ লক্ষ হেক্টর।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
১৬,৬৯৫.
‘বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ’ বা ‘বাকশাল’–এর কাঠামো ঘোষণা করা হয় কখন?
  1. ক) ১৯৭৫ সালের ৭ জুন
  2. খ) ১৯৭৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট
  4. ঘ) ১৯৭৫ সালের ৮ জুন
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৫ সালের ৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৫ সালের ৭ জুন
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর ভিত্তিতে ১৯৭৫ সালের ৭ জুন একমাত্র বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে বাংলাদেশ কৃষক-শ্রমিক আওয়ামী লীগ বা ‘বাকশাল’–এর কাঠামো ঘোষণা করা হয়।
- সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর ১১৭-ক অনুচ্ছেদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একটি নতুন ‘জাতীয় দল’ গঠন করার দায়িত্ব অর্পণ করা হয়।
- ১ সেপ্টেম্বর থেকে নতুন প্রশাসনিক ব্যবস্থার যাত্রা শুরু হওয়ার কথা।
- ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যা করা হয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। তাই আর বাকশাল কার্যকর হয় নি।

সোর্স: বাংলাপিডিয়া।

১৬,৬৯৬.
বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি কে?
  1. ক) এস কে সিনহা
  2. খ) সৈয়দ রিফাত আহমেদ
  3. গ) মো. আবদুল ওয়াহ্হাব মিঞা
  4. ঘ) সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সৈয়দ মাহমুদ হোসেন
ব্যাখ্যা

দেশের ২১তম প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা (এস কে সিনহা) পদত্যাগ করার ৮৫ দিনের মাথায় ২২তম প্রধান বিচারপতি পদে আপিল বিভাগের দ্বিতীয় জ্যেষ্ঠ বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
উৎসঃ দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট

১৬,৬৯৭.
বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থা সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে পুনঃপ্রবর্তিত হয়?
  1. নবম
  2. দশম
  3. একাদশ
  4. দ্বাদশ
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী:
- দ্বাদশ সংশোধনী আইন বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ইতিহাসে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে খ্যাত এই সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট।
- এর দ্বারা সংবিধানের ৪৮, ৫৫, ৫৬, ৫৮, ৫৯, ৬০, ৭০, ৭২. ১০৯, ১১৯, ১২৪, ১৪১ক এবং ১৪২ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।

⇒ এই সংশোধনীর মাধ্যমে -
- বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন;
- প্রধানমন্ত্রী হন রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী;
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়;
- উপ-রাষ্ট্রপতির পদ বিলোপ করা হয়,
- জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিধান করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।
১৬,৬৯৮.
বাংলাদেশে শহরে স্থানীয় সরকার কয় স্তর বিশিষ্ট?
  1. ২ স্তর বিশিষ্ট
  2. ৩ স্তর বিশিষ্ট
  3. ৪ স্তর বিশিষ্ট
  4. ৫ স্তর বিশিষ্ট
সঠিক উত্তর:
২ স্তর বিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ স্তর বিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
• সরকার ব্যবস্থা:
→ বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
→ বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

• শহরে স্থানীয় সরকার:
→ সিটি কর্পোরেশন,
 → পৌরসভা।

• পল্লী স্থানীয় সরকার:
 → জেলা পরিষদ,
 → উপজেলা পরিষদ,
 → ইউনিয়ন পরিষদ। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৬৯৯.
মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বিদেশি নাগরিক মাদার মারিও ভেরেনজি কোন দেশের নাগরিক ছিলেন?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ইতালি
  3. আমেরিকা
  4. কানাডা
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
⇒ মারিও ভেরেনজি: 
- ইতালীয় ধর্মযাজক মারিও ভেরেনজি।
- ভেরেনজি যশোর ফাতিমা ক্যাথলিক হাসপাতালের চারজন ইতালীয় যাজকের একজন ছিলেন।
- সকলেই জাভেরিয়ান আদেশের সদস্য ছিলেন।
- বাংলাদেশের যশোর জেলায় স্থাপিত খ্রিস্টান চার্চের দায়িত্ব পালনকালে ৪ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনি নিহত হন।
- তাকে যশোর ক্যাথলিক হাসপাতালের মাঠে সমাহিত করা হয়।
 
সূত্র: ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬,৭০০.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কত সালে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ে সর্বোচ্চ সম্মাননা 'চ্যাম্পিয়ন অফ দ্যা আর্থ' খেতাবে ভূষিত হন?
  1. ক) ২০১৭ সালে
  2. খ) ২০১৫ সালে
  3. গ) ২০১৮ সালে
  4. ঘ) ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০১৫ সালে
ব্যাখ্যা
চ্যাম্পিয়র অব দ্য আর্থ অ্যাওয়ার্ড:

- জাতিসংঘ প্রদত্ত পরিবেশ বিষয়ক সর্বোচ্চ সম্মাননা বা পুরস্কার হলো 'চ্যাম্পিয়র অব দ্য আর্থ অ্যাওয়ার্ড'।
- জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) ২০০৫ সাল থেকে পরিবেশ সংরক্ষণে অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে চারটি ক্যাটাগরিতে 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার প্রদান করে আসছে।
- ২০১৫ সালে পলিসি লিডারশীপ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ' পুরস্কার লাভ করেন।

অন্যদিকে,
- ইদান পুরস্কার দেওয়া হয় শিক্ষাক্ষেত্রে অবদানের জন্যে। 

তথ্যসূত্র - UNEP ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।