বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৬৫ / ৩০৬ · ১৬,৪০১১৬,৫০০ / ৩০,৮৩২

১৬,৪০১.
বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের পত্তন করেন কে?
  1. ঈশা খাঁ
  2. শায়েস্তা খাঁ
  3. শের শাহ
  4. বাহাদুর শা
সঠিক উত্তর:
ঈশা খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশা খাঁ
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও:
- সোনারগাঁও বাংলার প্রাচীন রাজধানী।
- বর্তমান ঢাকা থেকে ২৭ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত সোনারগাঁও বর্তমান নারায়ণগঞ্জ জেলার একটি উপজেলা।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ'র স্ত্রী সোনাবিবি'র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলার রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁওয়ের পত্তন করেন ঈশা খাঁ
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- মধ্যযুগে এটি মুসলিম সুলতানদের রাজধানী ছিল।
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্যন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,৪০২.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন কবে?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৬ সালে
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ১৯৭৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ড. ইউনূস জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সহ প্রায় ১৪৫টি পুরস্কার অর্জন করেছেন।
- তিনি স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৭ সালে।

তথ্যসূত্র - ইউনূস সেন্টার।
১৬,৪০৩.
আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পরীক্ষামূলক মেট্রোরেল চলাচল করে ২০২৩ সালের -
  1. ৭ জুলাই
  2. ৮ জুলাই
  3. ১২ জুলাই
  4. ১৬ জুলাই
সঠিক উত্তর:
৭ জুলাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুলাই
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:

- আগারগাঁও থেকে মতিঝিল পর্যন্ত পরীক্ষামূলক মেট্রোরেল চলাচল করে ২০২৩ সালের ৭ জুলাই।
- ৭ জুলাই বিকাল ৪টা ৩৪ মিনিটে সবুজ পতাকা নাড়িয়ে স্বপ্নের মেট্রোরেল চলাচলের উদ্বোধন করেন সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
- আগামী অক্টোবরের শেষ দিকে এ অংশে (আগারগাঁও-মতিঝিল) মেট্রোরেলের চলাচলের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ঢাকায় মেট্রোরেল নির্মাণ ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে ডিএমটিসিএল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক যুগান্তর, ০৭ জুলাই ২০২৩।
১৬,৪০৪.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ‘ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটিসটিক্যাল রিভিউ ২০২০’ অনুসারে একক দেশ হিসেবে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. তৃতীয়
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটিসটিক্যাল রিভিউ ২০২০’ অনুসারে চীন তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষে অবস্থান করছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে মূলত ২৭ দেশের জোট ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।
তবে একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ দ্বিতীয় শীর্ষ পোশাক রপ্তানিকারক।
তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ভিয়েতনাম।
পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও বস্ত্র বা কাপড় আমদানিতে শীর্ষ দশ দেশের মধ্যে চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।
[সূত্রঃ ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটিসটিক্যাল রিভিউ ২০২০ এবং প্রথম আলো পত্রিকা]
১৬,৪০৫.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করে -
  1. আওয়ামী লীগ
  2. ছাত্রলীগ
  3. ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
  4. ছাত্র ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ইশতেহার:

- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব-পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক’ ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের’ ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৬,৪০৬.
ছয় দফার কোন দফাটি বৈদেশিক বাণিজ্য সংক্রান্ত?
  1. ক) চতুর্থ দফা
  2. খ) পঞ্চম দফা
  3. গ) ষষ্ঠ দফা
  4. ঘ) তৃতীয় দফা
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পঞ্চম দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

অন্যদিকে,
- বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ হিসেবে খ্যাত 'ছয় দফা' কোথায় উত্থাপন করা হয় লাহোরে।
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলের এক কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ওই কনভেনশনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ছয় দফা কর্মসূচি উত্থাপন করেন।
- ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয়।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪০৭.
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও প্রকাশ করেছে?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫ টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB) ৫ টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাতৃভাষায় পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন ও প্রকাশ করছে। নৃ-গোষ্ঠীগুলো হলো - চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা (ককবরক), গারো ও ওঁরাও (সাদরি)।
সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২০
১৬,৪০৮.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নয় কোনটি?
  1. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
  2. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
  3. অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
  4. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নয়।

• পররাষ্ট্রনীতি:
- পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে।
- অন্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তুলে ধরে।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত বহিঃশক্তির প্রভাব থেকে দেশের সাবভৌমত্ব ও ভূখন্ডকে রক্ষা করার মতো বিষয়েই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে।

• বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. আত্বরক্ষা,
২. অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা, ও
৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৪০৯.
UNESCO বাংলাদেশের কোন ধরনের গানকে 'Heritage of Humanity' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে?
  1. বাউল
  2. কবিগান
  3. লালনগীতি
  4. হাসন রাজার গান
সঠিক উত্তর:
বাউল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাউল
ব্যাখ্যা
⇒ বাউল সংগীত:
- মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষণা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে কাজ করে আসছে।
- পদাধিকার বলে শিক্ষামন্ত্রী বিএনসিইউ এর চেয়ারম্যান ।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
১৬,৪১০.
'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১' প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কোন দেশের?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) ব্রিটেন
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্রান্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ : 
- ২০১৮ সালের ১২ মে, বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট সফলভাবে উৎক্ষেপন করা হয়।
- উৎক্ষেপন কেন্দ্র: যুক্তরাষ্ট্রের কেনেডি স্পেস সেন্টার।
- প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান: থ্যালেস অ্যালেনিয়া স্পেস কোম্পানি (ফ্রান্স)।
- উৎক্ষেপিত রকেট: স্পেসএক্সের “ফ্যালকন ৯”।
- ওজন: ৩.৭টন।
- মেয়াদ ধরা হয়েছে ১৫ বছর।
- মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৭৬৫ কোটি টাকা।
- অরবিটাল স্লট কেনা হয়েছে রাশিয়ার ইন্টার স্পুটনিকের কাছ থেকে।
- বাংলাদেশের ভূ-কেন্দ্র: গাজীপুর জেলার জয়দেবপুর ও রাঙ্গামাটির বেতবুনিয়ায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন, Live MCQ লেকচার।
১৬,৪১১.
বৈষয়িক ব্যাপারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার আইনানুসারে লিখিত পত্রকে কী বলে ?
  1. ক) চুক্তিপত্র
  2. খ) বায়নানামা
  3. গ) বাণিজ্যিকপত্র
  4. ঘ) দলিলপত্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) দলিলপত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দলিলপত্র
ব্যাখ্যা
বৈষয়িক ব্যাপারে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতার আইনানুসারে লিখিত পত্রকে দলিলপত্র বলা হয়।

অন্যদিকে,
- চুক্তিপত্র বলতে আমরা বুঝি যে, বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে যদি নানাবিধ শর্তাবলী আরোপিত কোনো কাগজে দুই পক্ষের কোনো সম্মতি স্বরূপ কাজ নিযুক্ত হয় এবং তাতে আর্থিকভাবে লাভবান হবার দুই পক্ষের একটা রূপকাঠি দাঁড়ায় তাহলে সেই লেনদেনের লিখিত রূপই হলো চুক্তিপত্র

- কোন সম্পত্তি বা মূল্যবান কোনো কিছু ভবিষ্যতে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সম্পত্তি বা ঐ বস্তুর মূল্য বাবদ আংশিক অর্থপ্রাপ্তির প্রদানের মাধ্যমে পক্ষগণের মধ্যে বর্তমানে যে চুক্তি করা হয় তাকে বায়না পত্র বা বায়নানামা বলে।

- লিখিতভাবে ব্যবসায় বাণিজ্য সংক্রান্ত কোন তথ্য আদান প্রদান করাকে বাণিজ্যিক পত্র বলে। একটু ব্যাপক দৃষ্টিকোণ থেকে আমরা বলতে পারি - দুই বা ততোধিক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ফরমায়েশ, ক্রয়-বিক্রয়, দেনা-পাওনা, অভিযোগ, আদায়-পরিশোধ ইত্যাদি কারবারি তথ্যগুলো যদি লিখিতভাবে আদান প্রদান করা হয় তবে তাকে বাণিজ্যিক পত্র বলে।

উৎস: ব্যবসায় যোগাযোগ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং কালের কণ্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬,৪১২.
ঐতিহাসিক ৬-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. ক) বিল অব রাইটস
  2. খ) ম্যাগনাকার্টা
  3. গ) মূখ্য আইন
  4. ঘ) পিটিশন অব রাইটস
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনাকার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধীদলের নেতারা একটি সম্মেলনের আহবান করেন যেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ৬ দফা দাবিগুলো হলো যথাক্রমে- 
১। প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের ক্ষমতা
২। কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
৩। মুদ্রা ও অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা
৪। রাজস্ব, কর বা শুল্ক সংক্রান্ত ক্ষমতা
৫। বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
৬। আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা
- এই ৬ দফার মধ্যে ৩ টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩ টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক দাবি ছিল।
- বঙ্গবন্ধু এই ৬ দফা কে “আমাদের বাঁচার দাবি” হিসেবে আখ্যা দেন।
- ঐতিহাসিক এই ৬ দফাকে ‘ম্যাগনাকার্টা’র সাথে তুলনা করা হয়

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,৪১৩.
মুজিবনগর সরকার কত সদস্য বিশিষ্ট পরিকল্পনা কমিশন গঠন করেছিল?
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ৯ জন
  4. ১১ জন
সঠিক উত্তর:
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ জন
ব্যাখ্যা
পরিকল্পনা কমিশন:
- পরিকল্পনা কমিশন গঠন দেশ শত্রুমুক্ত করার পরপরই যেহেতু পুনর্গঠন একটি কাজ হবে এবং সে কাজে সরকারের পক্ষে কোনরূপ কালক্ষেপণ করা যাবে না।
- স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নের লক্ষ্যে মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হয়েছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
- সদস্য ছিলেন,
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ।
(২) ড. মোশাররফ হোসেন।
(৩) ড. এস. আর. বোস।
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৪১৪.
রাঢ়ের রাজধানীর নাম কী ছিল?
  1. কর্ণসুবর্ণ
  2. মহাস্থানগড়
  3. পাটনা
  4. কোটিবর্ষ
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোটিবর্ষ
ব্যাখ্যা

• রাঢ়:
- রাঢ় বলতে পশ্চিম বাংলার দক্ষিণাঞ্চলকেই বুঝানো হতো। 
- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল।
- জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল।
- একটি ছিল দক্ষিণ রাঢ় এবং অন্যটি ছিল উত্তর রাঢ়।
- এই উত্তর ও দক্ষিণ রাঢ়ই ছিল যথাক্রমে বজ্রভূমি ও সূহ্মভূমি। 
- রাঢ়ের প্রধান নগর বা রাজধানী ছিল কোটিবর্ষ।
- রাঢ় বা সূহ্মদেশের অন্তর্গত তাম্রলিপ্তের কথা টলেমির ভূগোলে উল্লিখিত ছিল। 
- অনেক ঐতিহাসিক মেদিনীপুর জেলার পূর্বপ্রান্ত অবস্থিত আধুনিক তমলুককে প্রাচীন তাম্রলিপ্ত বলে চিহ্নিত করেছেন।
- শুধু বাংলা নয় এটি প্রাচীন ভারতেরও পূর্বাঞ্চলের শ্রেষ্ঠ বন্দর।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৪১৫.
খরিপ শস্য মূলত কোন ধরনের ফসল?
  1. গ্রীষ্মকালীন ফসল
  2. শীতকালীন ফসল
  3. শরৎকালীন ফসল
  4. বসন্তকালীন ফসল
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালীন ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালীন ফসল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:- রবি বা শীতকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।

১৬,৪১৬.
ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোন ধারণার জন্য “দরিদ্রদের ব্যাংকার” হিসেবে পরিচিত?
  1. কৃষি ঋণ
  2. ক্রিপ্টোকারেন্সি
  3. ডিজিটাল ব্যাংকিং
  4. মাইক্রোক্রেডিট
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোক্রেডিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাইক্রোক্রেডিট
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

⇒ বাংলাদেশের (মাইক্রোক্রেডিট) ক্ষুদ্র ঋণের জনক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ক্ষুদ্রঋণের মূল ধারণাটি হচ্ছে, দরিদ্র ব্যক্তিদের কিছু টাকা ঋণ দেওয়া। সেই টাকায় তাঁরা ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করবেন। ব্যবসার মুনাফা থেকে ঋণের টাকা ফেরত দেবেন প্রতিষ্ঠানকে। প্রতিষ্ঠান আবার ওই টাকা ঋণ দেবে অন্য কাউকে।এভাবেই বিষয়টি দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখবে।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস দরিদ্র, বিশেষ করে মহিলাদের, জামানত ছাড়াই আয়-উৎপাদনমূলক কাজের জন্য ঋণ প্রদানের মাধ্যমে দারিদ্র্য থেকে মুক্তির পথ দেখিয়েছেন। 

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) প্রথম আলো।
১৬,৪১৭.
কোনো ব্যক্তি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য যোগ্যতা নিচের কোনটি?
  1. ক) বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া
  2. খ) তাঁর বয়স পঁচিশ বছর পূর্ণ হওয়া
  3. গ) আদালত তাঁকে অপ্রকৃতিস্থ বলে ঘোষণা না করলে
  4. ঘ) উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ-৬৬: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা
 (১) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক হইলে এবং তাঁহার বয়স পঁচিশ বৎসর পূর্ণ হইলে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত বিধান-সাপেক্ষে তিনি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন। 
 
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের সদস্য নির্বাচিত হইবার এবং সংসদ-সদস্য থাকিবার যোগ্য হইবেন না, যদি 
(ক) কোন উপযুক্ত আদালত তাঁহাকে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা করেন; 
(খ) তিনি দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন; 
(গ) তিনি কোন বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন করেন কিংবা কোন বিদেশী রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য ঘোষণা বা স্বীকার করেন; 
(ঘ) তিনি নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হইয়া অনূ্যন দুই বৎসরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং তাঁহার মুক্তিলাভের পর পাঁচ বৎসরকাল অতিবাহিত না হইয়া থাকে; 
 [(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন যে কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত হইয়া থাকেন; 
 (চ) আইনের দ্বারা পদাধিকারীকে অযোগ্য ঘোষণা করিতেছে না, এমন পদ ব্যতীত তিনি প্রজাতন্ত্রের কর্মে কোন লাভজনক পদে অধিষ্ঠিত থাকেন; অথবা] 
(ছ) তিনি কোন আইনের দ্বারা বা অধীন অনুরূপ নির্বাচনের জন্য অযোগ্য হন। 
 
সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,৪১৮.
'করতলব খান' কার উপাধি?
  1. আলিবর্দী খান
  2. সিরাজউদ্দৌলা
  3. মুর্শিদ কুলি খান
  4. মীর কাসিম
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
ব্যাখ্যা
• মুর্শিদ কুলি খান:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- মুর্শিদ কুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবি আমলের সূচনা হয়।
- তিনি ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ সন্তান।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে 'করতলব খান' উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
- তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪১৯.
বাংলাদেশে বসবাসকারী হাজংদের অধিকাংশ কোন ধর্মাবলম্বী?
  1. ক) বৌদ্ধ
  2. খ) হিন্দু
  3. গ) খ্রিস্টান
  4. ঘ) জৈন
সঠিক উত্তর:
খ) হিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) হিন্দু
ব্যাখ্যা
- হাজংরা ধর্মীয় বিশ্বাসে হিন্দু ধর্মাবলম্বী। 
- হাজং জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের বসবাস ময়মনসিংহ জেলায়।
- এছাড়া নেত্রকোনা, শেরপুর ও সিলেট জেলাতেও হাজংদের বসবাস রয়েছে। 
- হাজংদের আদি নিবাস উত্তর বার্মায়।
- এদের সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।
- হাজং শব্দের অর্থ ‘মাটির পোকা’।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৬,৪২০.
ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় কে ছিলেন?
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড লিটন
  3. লর্ড রিপন
  4. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড মাউন্টব্যাটেন
ব্যাখ্যা
ব্রিটিশ শাসন: 
- ব্রিটিশদের ভারত ত্যাগ এবং ভারত ভেঙে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন করে।
- রাষ্ট্রের জন্মের মতো ইতিহাসের ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে ব্রিটিশ সরকার ভারতের গভর্নর জেনারেল করে পাঠায়। 
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন তিনি ভারতের শেষ ভাইসরয়।
• ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় / গভর্নর:
- ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর: লর্ড ক্লাইভ।
- শেষ গভর্নর: লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
- প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিল- লর্ড ওয়ারেন হেস্টিংস।
- শেষ গভর্নর জেনারেল: লর্ড ক্যানিং।
- ব্রিটিশ ভারতের প্রথম ভাইসরয়: লর্ড ক্যানিং।
- শেষ ভাইসরয়: লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

এছাড়াও,
- পূর্ব বাংলার ও আসামের প্রথম লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্যার জেনারেল ব্যামফিল্ড ফুলার।
- পূর্ব বাংলার ও আসামের শেষ লেফটেন্যান্ট জেনারেল- স্যার চার্লস স্টুয়ার্ট বেইলি।

উৎস: ইতিহাস, (প্রথম পত্র) একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৪২১.
বর্তমানে পৃথিবীর কোন্ দেশে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছে?
  1. সৌদি আরব
  2. মালয়েশিয়া
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌদি আরব
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশি অভিবাসন (২০২৪):
- মোট বিদেশে প্রেরিত কর্মী: ১০ লাখ ১১,৮৬৯ জন (BMET অনুযায়ী)
- মূল গন্তব্য দেশসমূহ: সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, কাতার, সিঙ্গাপুর ও সংযুক্ত আরব আমিরাত
- মোট কর্মীর ৯৫% এই পাঁচটি দেশে গিয়েছেন।

শীর্ষ গন্তব্য: সৌদি আরব
- মোট অভিবাসনের ৬২.১৭% (প্রায় ৬ লাখ ২৭ হাজার কর্মী) সৌদি আরবে গেছেন।
- সেখানে অবকাঠামো নির্মাণসহ বিভিন্ন খাতে দক্ষ ও অদক্ষ শ্রমিকের চাহিদা অব্যাহত আছে।

• দ্বিতীয় বৃহত্তম গন্তব্য: মালয়েশিয়া।
- ২০২৪ সালে মাত্র ৯৩ হাজার কর্মী মালয়েশিয়ায় গেছেন।

উৎস - প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট এবং বিএমইটি রিপোর্ট। 

১৬,৪২২.
অসহযোগ আন্দোলনের নেতা কে ছিলেন?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. জওহরলাল নেহরু
  3. সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. বিপিনচন্দ্র পাল 
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাত্মা গান্ধী
ব্যাখ্যা

অসহযোগ আন্দোলন:
-  অসহযোগ আন্দোলন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের মধ্যে অহিংস প্রতিরোধ, রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং গণমানুষকে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে একত্রিত করার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে বিবেচিত। 
- ১৯২০ সালে মহাত্মা গান্ধী ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অংশ হিসেবে অসহযোগ আন্দোলন শুরু করেন।
- এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল- ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে অহিংস প্রতিবাদ এবং সরকারি কার্যক্রমে কোনো সহযোগিতা না করা।
- ১৯২১–২২ খ্রিস্টাব্দে আন্দোলনটি সর্বভারতীয় গণ-আন্দোলনে রূপ নেয়।
- তবে ১৯২১ সালে উত্তর প্রদেশের চৌরিচোরা এলাকায় অহিংস আন্দোলন সহিংসতায় রূপ নেওয়ায় গান্ধী হঠাৎ করে আন্দোলন বন্ধের ঘোষণা দেন।
- ১৯২২ সালে মহাত্মা গান্ধী গ্রেফতার হলে আন্দোলন স্থিমিত হয়।
---------------------
উল্লেখ্য,
• মহাত্মা গান্ধী:
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী, যিনি মহাত্মা গান্ধী নামেও পরিচিত।
- তিনি অহিংস প্রতিরোধ আন্দোলনের একজন প্রবক্তা এবং ভারত রাষ্ট্রের জনক।
- তিনি ১৮৬৯ সালের ২ অক্টোবর ভারতের গুজরাট রাজ্যের পোরবন্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে “মহাত্মা” উপাধি প্রদান করেন।
- দক্ষিণ আফ্রিকায় গান্ধী “নাটাল ইন্ডিয়ান কংগ্রেস” নামে একটি রাজনৈতিক দল প্রতিষ্ঠা করেন এবং সেখানে ‘Indian Opinion’ পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
- তিনি দক্ষিণ আফ্রিকায় ভারতীয়দের উপর বর্ণবাদী আচরণের বিরুদ্ধে সত্যাগ্রহ আন্দোলন শুরু করেন।
- ১৯১০ সালে তিনি তলস্তয় ফার্ম (Tolstoy Farm) নামে একটি আশ্রম স্থাপন করেন, যেখান থেকেই আন্দোলন পরিচালিত হতো।
- এছাড়াও সেখানে তিনি “দ্যা ক্রনিকল” নামের একটি পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৪২৩.
কত সালে বাংলাদেশ সর্বপ্রথম OIC এর শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে?
  1. ১৯৭২ সাল
  2. ১৯৭৩ সাল
  3. ১৯৭৪ সাল
  4. ১৯৭৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সাল
ব্যাখ্যা
OIC:
- OIC এর পূর্ণরূপ Organisation of Islamic Cooperation বা ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা।
- OIC এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- ১৯৬৯ সালে রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- OIC এর বর্তমান সদস্য ৫৭ টি।
- OIC এর বর্তমান মহাসচিব হিসেইন ব্রাহীম তাহা (১২ তম) ।
- অফিসিয়াল ভাষা ৩ টি: আরবি, ইংরেজি ও ফ্রেঞ্চ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

উৎস: OIC website.
১৬,৪২৪.
বর্তমানে বাংলাদেশের কোন জেলায় বেশি তুলা জন্মে? (আগস্ট, ২০২৪)
  1. লালমনিরহাট
  2. কুষ্টিয়া
  3. রংপুর
  4. ঝিনাইদহ
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
তুলা চাষ:
- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার ৩৪টি জেলায় সমভূমির জাতের তুলার আবাদ হচ্ছে এবং অতি সম্প্রতি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের পাশাপাশি সমভূমির জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে।
- পাহাড়ি তুলা এপ্রিল-মে মাসে এবং সমভূমির তুলা জুলাই-আগস্ট মাসে বপন করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এবং সমভূমির তুলা জানুয়ারি-মার্চ মাসে উত্তোলন করা হয়।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

⇒ তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়।

⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩ অনুসারে উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ

উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৬,৪২৫.
বাংলাদেশে কয়টি উপজাতীয় প্রতিষ্ঠান আছে?
  1. ক) ৮ টি
  2. খ) ৫ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৩ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮ টি
ব্যাখ্যা

বর্তমানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ৭টি (সর্বমোট - ৮টি) উপজাতীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র বা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
এগুলো হলোঃ
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, বিরিশিরি নেত্রকোনা;
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, রাঙামাটি;
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, খাগড়াছড়ি;
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট, বান্দরবান;
- কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কক্সবাজার;
- রাজশাহী বিভাগীয় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি, রাজশাহী;
- মণিপুরি ললিতকলা একাডেমি, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার।
- রাখাইন কালচারাল ইনস্টিটিউট, রামু, কক্সবাজার। (এপ্রিল, ২০২১ পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের অন্তর্ভূক্ত হয় নি।

(সূত্রঃ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)

১৬,৪২৬.
টিপু সুলতান কোন অঞ্চলের শাসনকর্তা ছিলেন?
  1. সুরাট
  2. মহীশূর
  3. বিহার
  4. দিল্লি
সঠিক উত্তর:
মহীশূর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহীশূর
ব্যাখ্যা
- টিপু সুলতানকে মহীশূরের বাঘ বলা হয়। ভারতের বর্তমান কর্নাটক রাজ্যের পূর্বনাম মহীশূর।
- টিপু সুলতান ১৭৮২ সাল থেকে ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত মহীশূর রাজ্যের শাসক ছিলেন।
- ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাথে কয়েক দফা যুদ্ধে জয় লাভ করলেও ১৭৯৯ সালে চতুর্থ মহীশূর যুদ্ধে তিনি লর্ড ওয়েলেসলির নিকট পরাজিত ও নিহত হন।
- ভারতের ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির সাম্রাজ্য বিস্তারের অন্যতম বড় বাধা ছিলো টিপু সুলতান।
(সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক ইতিহাস ও বিবিসি বাংলা)
১৬,৪২৭.
কোন ভাইসরয়ের শাসনামলে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা হয়?
  1. লর্ড কর্নওয়ালিশ
  2. লর্ড হেস্টিংস
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড হার্ডিঞ্জ
সঠিক উত্তর:
লর্ড হার্ডিঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড হার্ডিঞ্জ
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ রদ:
- বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা ১৯১০ সালে লর্ড হার্ডিঞ্জ ভারতের নতুন ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 
- তিনি বঙ্গভঙ্গকে কেন্দ্র করে ব্যাপক অসন্তোষ ও রাজনৈতিক অস্থিরতা লক্ষ্য করে বঙ্গভঙ্গ রদের বিষয়ে গোপন তৎপরতা শুরু করেন।
- ব্রিটেনের সম্রাট পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদের পক্ষে মত দেন।
- ১৯১১ সালে সম্রাট পঞ্চম জর্জ ও রাণি মেরী ভারত সফরে আসেন।
- ১৯১১ সালের ১২ ডিসেম্বর সম্রাট পঞ্চম জর্জ দিল্লিতে অনুষ্ঠিত অভিষেক অনুষ্ঠানে বঙ্গভঙ্গ রদের কথা ঘোষণা করেন।
- এবং পূর্ববঙ্গকে পশ্চিমবঙ্গের সাথে পুনরায় এক করেন।
- এই সফরে সম্রাট পঞ্চম জর্জ আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- ফলে কার্জনের বাংলা বিভক্তির ব্যবস্থা বাতিল হয়।
- ঢাকা চট্টগ্রাম, রাজশাহী, প্রেসিডেন্সি ও বর্ধমানের পাঁচটি বাংলা ভাষাভাষী বিভাগ নিয়ে বাংলা প্রদেশ পুনর্গঠন করা হয়।
- ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা হতে দিল্লিতে স্থানান্তর করা হয়।
- বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা লর্ড হার্ডিঞ্জ ভাইসরয়ের শাসনামলে হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬,৪২৮.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামিকে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়?
  1. ক) ক্যাপ্টেন শওকত আলীকে
  2. খ) ফ্লাইট সার্জেন্ট মফিজুল্লাহকে
  3. গ) সার্জেন্ট জহুরুল হককে
  4. ঘ) ফ্লাইট সার্জেন্ট ফজলুল হককে
সঠিক উত্তর:
গ) সার্জেন্ট জহুরুল হককে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সার্জেন্ট জহুরুল হককে
ব্যাখ্যা

- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার ১৭ নং আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে করে গণআন্দোলন আরো প্রবল হয় এবং ফলশ্রুতিতে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।

[সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাপিডিয়া]

১৬,৪২৯.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতদানকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন -
  1. ক) জন এফ কেনেডি
  2. খ) রিচার্ড নিক্সন
  3. গ) বিল ক্লিনটন
  4. ঘ) হ্যারি এস ট্রুম্যান
সঠিক উত্তর:
খ) রিচার্ড নিক্সন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতদানকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন। 

- সেক্রেটারি অব স্টেট উইলিয়াম রজার্সের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল।
- এছাড়া ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মুখ্য কর্মকর্তা হার্বার্ট স্পাইভ্যাক বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের একটি বার্তা হস্তান্তর করেন এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র সরকার রাষ্ট্রদূত পর্যায়ে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় আগ্রহী।
- শেখ মুজিবুর রহমান প্রেসিডেন্ট নিক্সনকে ৯ এপ্রিল একটি চিঠি পাঠান যাতে তিনি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়ায় সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
- বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক সম্পর্ক এবং ঢাকায় দূতাবাস প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালের ১৮ই মে। 

সূত্র- যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস, বাংলাদেশ [লিঙ্ক]  
১৬,৪৩০.
নিচের কোনটি নিয়ন্ত্রিত শিল্প?
  1. আর্থিক প্রতিষ্ঠান
  2. স্যাটেলাইট চ্যানেল
  3. সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রিত শিল্প:
- যেসব শিল্প প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে তাদের নিয়ন্ত্রিত শিল্প বলে।
- এটি নিয়ন্ত্রিত শিল্পের কর্মীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন শিক্ষাদান বা আর্থিক পরিষেবা৷ পারমাণবিক শিল্প বিশ্বের সবচেয়ে নিয়ন্ত্রিত শিল্প।

⇒ নিয়ন্ত্রিত শিল্পের তালিকা:
১। যন্ত্রচালিত ট্রলারযোগে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ শিল্প।
২। বেসরকারি খাতে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান শিল্প।
৩। বেসরকারি খাতে ইনস্যুরেন্স কোম্পানি।
৪। বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ প্রকল্পসমূহ।
৫। প্রাকৃতিক গ্যাস/তেল অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৬। কয়লা অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৭। অন্যান্য প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৮। বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প (যেমন-ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে, মনোরেইল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো/কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন ইত্যাদি) স্থাপন।
৯। ক্রুড অয়েল রিফাইনারী (জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত )/ব্যবহৃত লুব অয়েল রিসাইক্লিং/রিফাইনিং।
১০। কাঁচামাল হিসেবে দেশিয় প্রাকৃতিক গ্যাস/কনডেনসেট ও অন্যান্য খনিজ ব্যবহৃত মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান।
১১। টেলিকমিউনিকেশন সেবা শিল্প (মোবাইল/সেলুলার এবং ল্যান্ড ফোন।
১২। স্যাটেলাইট চ্যানেল।
১৩। কার্গো/যাত্রী পরিবহন বিমান।
১৪। সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল।
১৫। সমুদ্র বন্দর/গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপন।
16। VoIP (Voice Over Internet Protocol) ও IP (Internet Protocol) Telephone।
১৭। সৈকত বালি থেকে আহরিত ভারী খনিজ নির্ভর শিল্প স্থাপন ও আহরণ।
১৮। বিস্ফোরকসহ (প্রজ্জ্বলীয় কঠিন পদার্থ, জারক পদার্থ, বিষাক্ত পদার্থ) যে কোন প্রকার বিস্ফোরক দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
১৯। এসিড উৎপাদনকারী শিল্প।
২০। রাসায়নিক সার উৎপাদনকারী শিল্প।
২১। সকল প্রকার শিল্প স্লাজ (Industrial Sludge) ও স্লাজ দ্বারা প্রস্তুতকৃত সার এবং এ সংক্রান্ত যে কোন সামগ্ৰী উৎপাদনকারী/ প্রস্তুতকারী শিল্প।
২২। স্টোন ক্রাশার শিল্প।

উৎস: জাতীয় শিল্পনীতি- ২০১৬. pdf, bangladesh.gov.bd.
১৬,৪৩১.
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. নেত্রকোনা
  2. শেরপুর 
  3. রাঙামাটি
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি:
- বাংলাদেশে প্রথম উপজাতীয় কালচারাল একাডেমি নেত্রকোনার বিরিশিরিতে অবস্থিত।

⇒ বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, সংরক্ষন, পরিচর্যা, উন্নয়ন ও চর্চা, লালনের লক্ষ্যে ১৯৭৭ সালে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের 'বিশেষ এলাকা উন্নয়ন' শীর্ষক প্রকল্পের মাধ্যমে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলার নেত্রকোনা মহকুমার দূর্গাপুর থানাধীন বিরিশিরিতে 'উপজাতীয় কালচারাল একাডেমী' নামক এ সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তীকালে জাতীয় সংস্কৃতির মূল স্রোতধারার সংগে সংগতি রেখে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংস্কৃতিকে জাতীয় সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান হিসেবে এর উপর গবেষণা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে একাডেমীকে ১৬-৭-১৯৭৯ তারিখে 'তথ্য সম্প্রচার, ক্রীড়া ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের 'ক্রীড়া ও সংস্কৃতি' বিভাগে ন্যাস্ত করা হয়।
- এ একাডেমীতে উপজাতীয় সংস্কৃতি চর্চা করা হয়।
- এখানে প্রতি বছর উপজাতীয়দের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সহ অন্যান্য অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।
- এর প্রথম পরিচালক ছিলেন সিস বিভা সাংমা।
- এর চারটি শাখা রয়েছে: ক) সংস্কৃতি খ) গবেষণা গ) লাইব্রেরি ও ঘ) জাদুঘর।
- এটি একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত।
- বিরিশিরি ব্যতীত কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, মৌলভীবাজার ও রাজশাহী জেলায় সরকারি উপজাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কালচারাল একাডেমি ওয়েবসাইট।
১৬,৪৩২.
মন্ত্রীসভার সদস্যদের কত অংশ সদস্য সংসদের বাইরে থেকে নিয়োগের বিধান রয়েছে?
  1. ক) এক দশমাংশ
  2. খ) নয় দশমাংশ
  3. গ) এক শতাংশ
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ক) এক দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) এক দশমাংশ
ব্যাখ্যা
৫৬ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 
প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতীমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, তাদের সংখ্যার অন্যূন নয় দশমাংশ সংসদ সদস্যগণের মধ্য হইতে নিযুক্ত হইবেন এবং অনধিক এক দশমাংশ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য ব্যক্তিগণের মধ্য হইতে মনোনীত হইতে পারিবেন। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৬,৪৩৩.
পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (Rural Development Academy) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
• পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (ইংরেজি: Rural Development Academy, RDA)
- বাংলাদেশের বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় অবস্থিত প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং গবেষণা কর্মের
- একটি বিশেষায়িত পল্লী উন্নয়ন সংস্থা।
-  এটি ১৯শে জুন, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়৷
- ১৯৯০ সালে ১০নং আইনের দ্বারা পল্লী উন্নয়ন একাডেমী, বগুড়া একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (বার্ড) ১৯৫৯ সালে কুমিল্লা জেলার কোটবাড়িতে প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (RDA) ওয়েবসাইট।
১৬,৪৩৪.
পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয় কোন নদীর তীরে?
  1. ভাগীরথী
  2. যমুনা
  3. গঙ্গা
  4. তিস্তা
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী
ব্যাখ্যা
পলাশী যুদ্ধ
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিনফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- সিরাজউদ্দৌলার পরাজয় ও মৃত্যু বাংলায় প্রত্যক্ষ ঔপনিবেশিক শাসনের পথ সুগম করে।
- যুদ্ধের ফলে মীরজাফরকে বাংলার সিংহাসনে বসালেও প্রকৃত ক্ষমতা ছিল রবার্ট ক্লাইভের হাতে।
- পলাশী যুদ্ধের ফলে ইংরেজ বা বাংলায় একচেটিয়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ পায়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৪৩৫.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যক্ষ ফলাফল কোনটি?
  1. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার
  2. আইয়ুব সরকারের পতন
  3. ইয়াহিয়া খানের ক্ষমতা লাভ
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- এছাড়া, ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ  সকল আসামিকে মুক্তি বাধ্য হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তোফায়েল আহামেদ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ( বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ) শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করেন।
- এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে এবং আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

সূত্র- পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৩৬.
২০১৯-২০ অর্থবছরের বাজেটে মোট রাজস্ব আয় কত?
  1. ক) ২ লাখ ৭৭ হাজার ৩৬০ কোটি টাকা
  2. খ) ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা
  3. গ) ৪ লাখ ২০ হাজার ২৮০ কোটি টাকা
  4. ঘ) ২ লাখ ৯৬ হাজার ২০১ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩ লাখ ৭৭ হাজার ৮১০ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা
সূত্রঃ mof.portal.gov.bd এর বার্ষিক প্রতিবেদন।
১৬,৪৩৭.
ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. শামসুর রাহমান
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. জহির রায়হান
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম উপন্যাস:
- ভাষা আন্দোলন নিয়ে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস জহির রায়হানের 'আরেক ফাল্গুন'।
- এটি ১৯৫৫ সালের ভাষা দিবস ২১ ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় লেখা।
- পুলিশ ভাষা দিবস পালনকারী অনেককে গ্রেপ্তার করলে একজন বলে - ‘আসছে ফাল্গুনে আমরা দ্বিগুন হবো'।
- চরিত্র: মুনিম, আসাদ, রসুল, সালমা ইত্যাদি। এই উপন্যাসে বাঙালির জাতীয় ঐতিহাসিক ঘটনাকে রূপায়িত করা হয়েছে।
- 'কবর' মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলনের উপর রচিত প্রথম বাংলা নাটক ।
- 'একুশের গল্প' জহির রায়হান এর ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত গল্প।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৬,৪৩৮.
বঙ্গবন্ধু ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা‘র নামকরণ করেছিলেন -
  1. ক) আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা
  2. খ) রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
  3. গ) ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
  4. ঘ) আগরতলা মামলা
সঠিক উত্তর:
গ) ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’।
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে ‘আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা’ হিসেবে।
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা’ নামে। 
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৩৯.
তমদ্দুন মজলিসের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন -
  1. আবুল কাশেম
  2. কাজী মোতাহার হোসেন
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. উপরের সবাই
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবাই
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিস:
- তমদ্দুন মজলিস  ইসলামী আদর্শশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ১৯৪৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠিত হয়।

• প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য:
- বাংলা ভাষার মাধ্যমে সংস্কৃতির সেবা করা।
- পাকিস্তান সৃষ্টির পর বাংলা ভাষার পক্ষে সংস্থাটির ভূমিকা ছিল প্রাথমিক ও গুরুত্বপূর্ণ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়.
- আবুল কাশেম এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

তমদ্দুন মজলিসেরস ৩ সদস্যের  কমিটি:
- অধ্যাপক আবুল কাশেম,কাজী মোতাহার হোসেন,আবুল মনসুর আহমদ।
- ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে পুস্তিকা প্রকাশ - ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর।

উৎস:- স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র প্রথম খন্ড ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৬,৪৪০.
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট এর বিচারকগণকে অপসারণের সুপারিশকারী কর্তৃপক্ষ -
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
  4. জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল
ব্যাখ্যা

সুপ্রিম কোর্ট:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিভাগের পৃথক এখতিয়ার রয়েছে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- ১৯৭২ সালের ১৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠিত করা হয়।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ অনুসারে (১৬তম সংশোধনী বাতিলের পর), সুপ্রীম কোর্টের বিচারকদের অসদাচরণ বা অসামর্থ্যের কারণে অপসারণের জন্য সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল (SJC) তদন্ত করে রাষ্ট্রপতিকে সুপারিশ করে। SJC-এর চেয়ারম্যান প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য সদস্য আপীল বিভাগের সিনিয়র বিচারক। এই রায় ২০২৪ সালের অক্টোবরে অ্যাপিলেট ডিভিশন কর্তৃক নিশ্চিত হয়েছে, যা বিচারবিভাগের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য সংসদের ক্ষমতা বাতিল করে।

অর্থাৎ, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অপসারণের সুপারিশ করার জন্য সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল (Supreme Judicial Council) হলো মূল কর্তৃপক্ষ।
- আপিল বিভাগের এক রায়ের মাধ্যমে এই কাউন্সিলকে পুনরায় বিচারক অপসারণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।
- এর মাধ্যমে সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতি অপসারণের যে ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করা হয়েছিল, সেটি সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের হাতে নেওয়া হয়েছে।

১৬,৪৪১.
গভর্নমেন্ট হাউজ এর নাম বর্তমান নাম কি?
  1. গণভবন
  2. বঙ্গভবন
  3. জাতীয় সংসদ ভবন
  4. বাংলা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গভবন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর মহামান্য রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ও বাসভবন - বঙ্গভবন।
- ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর এ ঐতিহাসিক এই ভবনের যাত্রা শুরু হয়।
- তখন এর নাম ছিল গভর্নমেন্ট হাউজ।
- ১৯৭১ সালের ২৩ ডিসেম্বর এই ভবনের নাম পরিবর্তন করে 'বঙ্গভবন' রাখা হয়।

- বঙ্গভবন বা রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এর ২টি বিভাগ রয়েছে। যথা -
১. জন বিভাগ (Public Division),
২. আপন বিভাগ (Personal Division)।

তথ্যসূত্র - রাষ্ট্রপতির কার্যালয় ওয়েবসাইট।
১৬,৪৪২.
বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা কত?
  1. ৬৭২ জন
  2. ৬৭৪ জন
  3. ৬৭৬ জন
  4. ৬৭৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭২ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৪৩.
ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস-
  1. ক) ১২ ডিসেম্বর
  2. খ) ১০ নভেম্বর
  3. গ) ১৮ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ২৮ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ১২ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১২ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- ১২ ডিসেম্বর ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস
- ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।
- ১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস।
- ১৮ ডিসেম্বর আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবস।
১৬,৪৪৪.
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ৪২ কিমি
  2. খ) ৩২ কিমি
  3. গ) ২৮ কিমি
  4. ঘ) ২৪ কিমি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪ কিমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪ কিমি
ব্যাখ্যা
ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে
▪ চার লেন বিশিষ্ট এই এক্সপ্রেসওয়ের দৈর্ঘ্য ২৪ কিলোমিটার
▪ এয়ারপোর্ট-আব্দুল্লাহপুর-ধউর-বড় আশুলিয়া-জিরাবো-বাইপাইল হয়ে ঢাকা ইপিজেড পর্যন্ত হবে এর বিস্তৃতি। 
▪ ২০২৬ সালের জুনের ভেতর শেষ হবে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ।
▪ প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হচ্ছে ঢাকার এই দ্বিতীয় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে।

তথ্যসূত্র: লাইভ MCQ সাম্প্রতিক সমাচার ডিসেম্বর, ২০২২
১৬,৪৪৫.
প্রধানমন্ত্রী তার কাজের জন্য কার নিকট জবাবদিহি করবেন?
  1. জাতীয় সংসদের নিকট
  2. রাষ্ট্রপতির নিকট
  3. স্পীকারের নিকট
  4. সুপ্রিম কোটের নিকট
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের নিকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদের নিকট
ব্যাখ্যা

- প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে জবাবদিহি করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কাজ: 

- সংবিধান অনুযায়ী দেশের সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শাসনকার্য পরিচালনা করেন।
- প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মন্ত্রিসভার সদস্য, সাংবিধানিক পদে রাষ্ট্রের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিদেশে রাষ্ট্রদূত ইত্যাদি নিয়োগ দেন।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের প্রধান।
- তিনি মন্ত্রিসভার সদস্যসংখ্যা নির্ধারণ করেন ও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করেন।
- প্রধানমন্ত্রী জাতীয় সংসদের একজন সদস্য ও সংসদ নেতা।

এছাড়াও, 
- জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দিতে রাষ্ট্রপতিকে পরামর্শ দিতে পারেন।
- সংসদে আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্যে কোনো সরকারি বিল উত্থাপনের পূর্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।
- যদি প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিপরিষদ উক্ত প্রস্তাবটি গ্রহণ করেন তবেই তা সংসদে বিল আকারে উত্থাপন করা যায়।
- এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ও পরামর্শে অর্থমন্ত্রী বাংলাদেশের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের (জাতীয়) বাজেট প্রণয়ন ও সংসদে উপস্থাপন করেন। 
- প্রধানমন্ত্রীর সম্মতি ছাড়া কোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদিত হতে পারে না।
- আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- দেশের জরুরি অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রিপরিষদের সিদ্ধান্ত ছাড়া যেকোনো নির্দেশ দিতে পারেন।
- তবে প্রধানমন্ত্রী সংসদের কাছে জবাবদিহি করবেন।
- সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জবাবদিহি চালু রাখতে পারে।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি, ৫৯ পৃষ্ঠা।

১৬,৪৪৬.
বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. বগুড়া
  3. চট্টগ্রাম
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর:
​- বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর রাজশাহী শহরে স্থাপিত বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর।
- রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের শিক্ষক রমাপ্রসাদ চন্দ্রের প্রচেষ্টায় ১৯১০ সালে এ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
​- ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর বাংলার তৎকালীন গভর্নর কারমাইকেল জাদুঘরটি উদ্বোধন করেন।
​- বরেন্দ্র জাদুঘরের সংগ্রহ সংখ্যা ৯ হাজারেরও অধিক। এখানে হাজার বছর আগের সিন্ধু সভ্যতার নিদর্শন রয়েছে। 
​- মোঘল আমলের রৌপ্র মুদ্রা, গুপ্ত সম্রাট চন্দ্রগুপ্তের গোলাকার স্বর্ণমুদ্রা, সম্রাট শাহজাহানের গোলাকার রৌপ্য মুদ্রা বিশেষ ভাবে উল্যেখয়োগ্য।
​- এখানে প্রায় ৫,০০০ পুঁথি রয়েছে যার মধ্যে ৩৬৪৬টি সংস্কৃত আর বাকিগুলো বাংলায় রচিত।
​- বর্তমানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় এটি পরিচালনা করে থাকে।

​তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,৪৪৭.
‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয় নিম্নের কোন আদালতকে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সুপ্রিম কোর্ট
  3. জজকোর্ট
  4. ম্যাজিস্ট্রেট কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্ট
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রিম কোর্টকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয়।

১ম পরিচ্ছেদ:  সুপ্রীম কোর্ট
- সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে 'কোর্ট অব রেকর্ড' রূপে সুপ্রীম কোর্ট: সুপ্রীম কোর্ট একটি 'কোর্ট অব্ রেকর্ড' হবেন এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশদানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকিবেন।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপীল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হবে।
- সংবিধান ও সংবিধানের পাশাপাশি দেশের সাধারণ আইন (সংসদ কর্তৃক পাশকৃত আইন) এই এখতিয়ারের উৎস।
- সুপ্রীমকোর্ট সংবিধানের অভিভাবক ও ব্যাখ্যাকারক।
- নাগরিকের মৌলিক অধিকারের উপর সংসদ যে সমস্ত বাঁধা নিষেধ আরোপ করতে পারে সেগুলো যুক্তিসঙ্গত কিনা তা বিচার করবার ক্ষমতা সুপ্রীমকোর্টের উপর ন্যাস্ত।

উৎস: i) সুপ্রিম কোর্ট ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,৪৪৮.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ১০ টি
  2. খ) ১১ টি
  3. গ) ১২ টি
  4. ঘ) ১৩ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা বিদ্যমান।
গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় দুই ধরনের নির্বাচন বিদ্যমান। যেমন- প্রত্যক্ষ নির্বাচন ও পরোক্ষ নির্বাচন।
প্রত্যক্ষ নির্বাচন: যখন জনগণ সরাসরি ভোটাধিকার প্রয়োগ করে প্রতিনিধি নির্বাচন করে তখন তাকে প্রত্যক্ষ নির্বাচন বলে। যেমন- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ সদস্যগণ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন।

পরোক্ষ নির্বাচন: জনগণ ভোট প্রয়োগের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি বা একটি মধ্যবর্তী সংস্থা নির্বাচিত করেন। জনপ্রতিনিধিগণ ভোট দিয়ে রাষ্ট্রপতি বা সংসদের সংরক্ষিত আসনের (৫০ জন মহিলা) সদস্য নির্বাচিত করেন। এভাবে নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়াকে পরোক্ষ নির্বাচন বলে। যেমন- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতিকে সংসদ সদস্যরা ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। আবার ইলেক্টরাল কলেজ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচিত করেন।

- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ১১ বার জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে
- বাংলাদেশে সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়- ৩০ ডিসেম্বর, ২০১৮ সালে।
- সর্বশেষ নির্বাচন হচ্ছে- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
- নির্বাচনে জয় লাভ করে- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।
- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ২২ জন নারী সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়।
- বাংলাদেশে ৫ বছর পর পর সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।  

 
তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিক, একাদশ-দাদ্বশ শ্রেণি (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৬,৪৪৯.
বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান কাদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপ থেকে বিতাড়িত করেন?
  1. ইংরেজদের
  2. পর্তুগিজদের
  3. ডাচদের
  4. ফরাসিদের
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজদের
ব্যাখ্যা
- পর্তুগিজদের বিভিন্ন অপকর্ম ও দস্যুতার কারণে বাংলার সুবাদার শায়েস্তা খান তাদের চট্টগ্রাম ও সন্দ্বীপ ঘাঁটি দখল করে বাংলা থেকে বিতাড়ন করেন।

• পর্তুগিজ: 
-পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা ১৪৯৮ সালে আফ্রিকার উত্তমাশা অন্তরীপ হয়ে সমুদ্রপথে ভারতের কালিকট বন্দরে এসে পৌঁছান। 
- উপমহাদেশে তাঁর এ আগমন ব্যবসা-বাণিজ্য এবং যোগাযোগ ক্ষেত্রে এক নতুন যুগের সূচনা করে।
- ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন- পর্তুগিজরা।
- ১৫৩৮ সালে তারা চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে বাণিজ্যঘাঁটি নির্মাণের অনুমতি লাভ করে।
- স্বল্প সময়ের মধ্যে তারা উপমহাদেশের পশ্চিম উপকূলের কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন,
কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি বন্দরে কুঠি স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
-পর্তুগিজরা বাংলায় ফিরিঙ্গি নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
১৬,৪৫০.
কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম কী?
  1. রক্ত সোপান
  2. বিজয় গাঁথা
  3. অনির্বাণ জেড
  4. বীরের প্রত্যাবর্তন
সঠিক উত্তর:
অনির্বাণ জেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনির্বাণ জেড
ব্যাখ্যা
কুমিল্লা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম অনির্বাণ জেড।

সেনানিবাস গুলোতে নির্মিত কয়েকটি মুক্তিযুদ্ধের ভাস্কর্য:

- ঢাকা সেনানিবাস: বিজয় কেতন, শিখা অনির্বাণ, জাহাঙ্গীর গেট, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস: রক্ত সোপান।
- কুমিল্লা সেনানিবাস: অনির্বাণ জেড।
- রংপুর সেনানিবাস: বিজয় গাঁথা।

এছাড়াও,
⇒ বিভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভের অবস্থান:
- দুর্জয়: রাজারবাগ, ঢাকা।
- দুরন্ত: শিশু একাডেমি।
- সংগ্রাম: সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
- বিজয় বিহঙ্গ: আমতলা, বরিশাল।
- স্বাধীনতা: ভাষা ইন্সটিটিউট সেগুনবাগিচা, ঢাকা।
- বীরের প্রত্যাবর্তন: বাড্ডা, ঢাকা।
- প্রত্যাশা: ফুলবাড়িয়া, ঢাকা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,৪৫১.
ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. রাসায়নিক দ্রব্য
  2. কৃষিজাত পণ্য
  3. তৈরি পোশাক
  4. চামড়া
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি বাণিজ্য:
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
১৬,৪৫২.
ভাষা আন্দোলনের সমর্থক হিসেবে কোন পত্রিকাকে পাকিস্তান সরকার নিষিদ্ধ ঘোষণা করে? 
  1. দৈনিক ইত্তেফাক
  2. দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার 
  3. দৈনিক আজকাল
  4. দৈনিক সংবাদ 
সঠিক উত্তর:
দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার 
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন: 
- পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমউদ্দিন ২৭ জানুয়ারি (১৯৫২) এক জনসভায় ঘোষণা দেন যে, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা।
- খাজা নাজিমউদ্দীনের উক্তির প্রতিবাদে 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩০ জানুয়ারি (১৯৫২) ছাত্র ধর্মঘট ও সভা আহবান করে। 
- ৩০ জানুয়ারির সভায় ৪ ফেব্রুয়ারি (১৯৫২) ঢাকা শহরে ছাত্রধর্মঘট, বিক্ষোভ মিছিল ও ছাত্রসভা অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ভাষা আন্দোলনকে সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে ৩১ জানুয়ারি বিকেলে ঢাকার বার লাইব্রেরিতে একটি সর্বদলীয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- সভায় সভাপতিত্ব করেন পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি মাওলানা ভাসানী।
- সভায় পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ, তমাদ্দুন মজলিশ, ইসলামী ছাত্রসংঘ, যুবসংঘ, পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রভৃতি সংগঠনের প্রতিনিধি সমন্বয়ে ২৮ মতান্তরে ৪০ সদস্য বিশিষ্ট 'সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- উক্ত পরিষদ ৪ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি সমর্থন করে এবং ২১ ফেব্রুয়ারি সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল, বিক্ষোভ ও সভার কর্মসূচি ঘোষণা করে।
- ১২ ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের সমর্থক ইংরেজি পত্রিকা 'দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার' নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। 
- এছাড়া ২০ ফেব্রুয়ারি রাত থেকে এক মাসের জন্য সমস্ত ঢাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়।
- ১৪৪ ধারা জারি করার অর্থ একসঙ্গে ৪ জনের বেশি লোকের সমাগম, মিছিল, শোভাযাত্রা, সভা ও সমাবেশ করা আইনবিরোধী।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ওবিশ্ব সভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৪৫৩.
কোন রোমান সম্রাট প্রথম খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেন?
  1. ক) সম্রাট টিটাস
  2. খ) সম্রাট অগাসটাস সিজার
  3. গ) সম্রাট কনস্টানটাইন
  4. ঘ) সম্রাট টারকিউনিকাস সুপারকাস
সঠিক উত্তর:
গ) সম্রাট কনস্টানটাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সম্রাট কনস্টানটাইন
ব্যাখ্যা
গ্রিকদের মতো রোমানরা বিভিন্ন দেবদেবীর উপাসনা করতো। তাদের প্রধান দেবতা ছিলো জুপিটার। সম্রাট অগাস্টাস সিজার নিজেকে ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি নিজের প্রভাব হারানোর ভয়ে খ্রিস্টধর্মের উপর বিধি নিষেধ আরোপ করেন।
কিন্তু সম্রাট কনস্টানটাইন খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে একে রোমান সাম্রাজ্যের সরকারি ধর্মে পরিণত করেন। তার হাত ধরেই খ্রিস্টধর্ম প্রসার লাভ করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৬,৪৫৪.
রপ্তানি আয়ের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান পণ্য হিসেবে কোনটি বিবেচিত হয়? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. পাট ও পাটবস্ত্র
  2. খাদ্যশস্য
  3. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  4. কফি ও চা
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

• চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য:
- দেশে নিজস্ব কাঁচামালনির্ভর রপ্তানিপণ্যের মধ্যে চামড়া অন্যতম। 
- এটি দেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানিপণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, সদ্যোবিদায়ি অর্থবছরে (২০২৪-২৫) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে চার হাজার ৮২৮ কোটি মার্কিন ডলারের, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তিন হাজার ৯৩৪ কোটি ডলারের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। 

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো। (Link1)

১৬,৪৫৫.
Who is the regulator for Micro-finance institutions in Bangladesh?
  1. Bangladesh Bank
  2. PKSF
  3. MRA
  4. CDF
সঠিক উত্তর:
MRA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
MRA
ব্যাখ্যা
MRA:

- MRA এর পূর্ণরূপ Microcredit Regulatory Authority.
- বাংলাদেশে মাইক্রো-ফাইনান্স প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি (MRA)।
- ২০০৬ সালে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি আইন ২০০৬ পাশ হয়।
- এই আইনের আওতায় সরকার মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি প্রতিষ্ঠা করেন এবং বাংলাদেশ ব্যাংক এর গভর্নর মহোদয়কে সভাপতি করে ইহার পরিচালনা বোর্ড গঠণ করেন।
- এই নতুন আইন অনুযায়ী কর্মরত সকল ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে সনদের জন্য অথরিটিতে আবেদন করতে হবে।
- অথরিটির সনদ ব্যতিত কোন প্রতিষ্ঠান দেশের অভ্যন্তরে ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
- এই আইন অনুযায়ী ক্ষুদ্রঋণ পরিচালনাকারী সকল প্রতিষ্ঠানকে ক্ষুদ্রঋণ সংশ্লিষ্ট সকল হিসাবায়ন অন্যান্য উন্নয়ন কার্যক্রম হতে পৃথকভাবে সংরক্ষণ করবে।
- অথরিটির সনদপ্রাপ্ত সকল ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানকে দেখভাল এবং তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব অথরিটিকে দেয়া হয়।

তথ্যসূত্র - মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরী অথরিটি ওয়েবসাইট।
১৬,৪৫৬.
বাংলাদেশের বৃহত্তম রপ্তানি বাজার কোনটি?
  1. ক) জার্মানি
  2. খ) ভারত
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি বাজারসমূহ:
- প্রথম : যুক্তরাষ্ট্র (১৬.৫ শতাংশ)
- দ্বিতীয় : জার্মানি (১৪.২ শতাংশ)
- তৃতীয় : যুক্তরাজ্য (৯.৫ শতাংশ)।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৬,৪৫৭.
কোন পদ্ধতিতে জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ পরিচালিত হয়েছে?
  1. ডি-ফ্যাক্টো
  2. মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো
  3. ডি-জুরি
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে - CAPI (Computer Assisted Personal Interviewing).
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে।
জাতিসংঘের গাইডলাইন অনুযায়ী জনশুমারি মূলত নিম্নবর্ণিত তিন ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করে পরিচালনা করা হয়।

• ডি-জুরি (de jure) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুধু তাদের বাসস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।

ডি-ফ্যাক্টো (de: facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যগণকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থানে গণনাভুক্ত করা হয়।

মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified de facto) পদ্ধতি:
- এই পদ্ধতিতে খানার সদস্যকে শুমারি মুহূর্তে তাদের অবস্থান গণনাভুক্ত করার পাশাপাশি শুমারি মুহূর্তে যারা ভ্রমণরত; হাসপাতাল ও হোটেলে থাকবেন বা কর্মরত থাকবেন তাদেরকে স্ব স্ব খানায় গণনাভুক্ত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট ও  বিবিসি পত্রিকা রিপোর্ট। 

১৬,৪৫৮.
কোনটি বিচার বিভাগের কাজ নয়?
  1. আইনের প্রয়োগ
  2. আইনের ব্যাখ্যা
  3. সংবিধানের ব্যাখ্যা
  4. সংবিধান প্রণয়ন
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধান প্রণয়ন
ব্যাখ্যা
বিচার বিভাগের কাজ নয় - সংবিধান প্রণয়ন

বিচার বিভাগ:
- বিচার বিভাগ সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে অন্যতম, দেশের সমস্ত বিচারকদের নিয়ে বিচার বিভাগ গঠিত। বিচার বিভাগ বিচার পরিচালনা করে।

নিম্নে বিচার বিভাগের কার্যাবলি আলোচনা করা হলো:
১. বিচার সংক্রান্ত কাজ:
- বিচার বিভাগ আইনকে বাস্তবায়িত করে। এ বিভাগ দেশের আইন মোতাবেক বিচার কার্য সম্পাদন করে।
- এটা ব্যক্তির সাথে, রাষ্ট্রের সাথে, প্রতিষ্ঠানের সাথে বিরোধের মোকাবেলা সম্পন্ন করে।

২. আইন সংক্রান্ত:
- বিচার বিভাগ আইনের ব্যাখ্যা করে। প্রয়োজনে নিজস্ব মতামতের প্রতিফলন ঘটায়।
- আইনের এ ব্যাখ্যা পরবর্তীকালে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

৩. শাসন সংক্রান্ত কাজ করা:
- বিচার বিভাগ শুধু বিচার সংক্রান্ত কাজ করে না। শাসন সংক্রান্ত কাজও করে থাকে।
- নাবালকের সম্পত্তি দেখা শোনা করা, বিদেশী নাগরিককে নাগরিকত্ব প্রদান করাও বিচারবিভাগের কাজ।

৪.পরামর্শ সংক্রান্ত কাজ:
- শাসন বিভাগ ও আইন বিভাগ, বিচার বিভাগের পরামর্শের প্রত্যাশী হয়।
- বিচার বিভাগ সেক্ষেত্রে তাদের জ্ঞানগর্ভ শলা-পরামর্শ বা উপদেশ প্রদান করে থাকে।

৫. জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা:
- বিচার বিভাগ জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা করে। শাসন বিভাগের যথেচ্ছাচারের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগ একমাত্র হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে।
- এটা বিভিন্নভাবে ব্যক্তির অধিকার রক্ষার প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারে।

৬.তদন্ত সংক্রান্ত কাজ:
- গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে জনগণের সম্পত্তি ও জানগণের নিরাপত্তা দান করতে সরকার ওয়াদাবদ্ধ থাকে।
- ফলে রাষ্ট্রে যদি কোন অন্যায় বা জোর-জবরদস্তি, অপরাধ বা দুর্ঘটনা ঘটে, সেক্ষেত্রে বিচার বিভাগ তদন্ত কাজ পরিচালনা করেও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করে।

৭. সংবিধান সংরক্ষণ:
- বিচার বিভাগ সংবিধান সংরক্ষণ করে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রীয় শাসন ব্যবস্থায় বিচার বিভাগ সংবিধানের অভিভাবক।
- সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদান করে কেন্দ্র ও অঙ্গরাজ্যের মধ্যে বিবাদ মীমাংসা করে যুক্তরাষ্ট্রীয় আদালত সংবিধানের প্রাধান্য বজায় রাখে।

৮. ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা:
- ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা বিচার বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ।
- বিচার বিভাগ মামলা পরিচালনার তথ্য অনুসন্ধানের জন্য নথিপত্র দেখে সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ করে অপরাধীর শাস্তি প্রদানের মাধ্যমে ন্যায়-বিচার প্রতিষ্ঠা করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (১ম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্বদ্যালয়।
১৬,৪৫৯.
১৯৬৯ সালের কত তারিখে জেনারেল আইয়ুব খান ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগ করেন?
  1. ২০ মার্চ
  2. ২২ মার্চ
  3. ২৪ মার্চ
  4. ২৫ মার্চ 
সঠিক উত্তর:
২৪ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪ মার্চ
ব্যাখ্যা

১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান: 
- ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থানের আন্দোলন ছিল পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর এই আন্দোলন ছিল সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
- আইয়ুব খানের পতনকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের দুই অংশের মানুষ প্রথমবার একসাথে আন্দোলনে নামে। 
- আইয়ুব খানের পতনের মধ্যে দিয়ে আন্দোলনের সমাপ্তি ঘটে।
- ১৯৬৯ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল আইয়ুব খান জেনারেল ইয়াহিয়ার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে পদত্যাগ করেন।
উল্লেখ্য, 
- ২৫ মার্চ পাকিস্তানে আবার জারি করা হয় সামরিক আইন।
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্ব পাকিস্তানি নিহত হয়েছিলেন। 
- এছাড়াও ৩৪ জন শিল্প-কারখানার শ্রমিক, ২০ জন ছাত্র, ৭ জন সরকারি কর্মচারী, ৫ জন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, ১ জন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও ১ জন স্কুল শিক্ষক অন্যতম।

উৎস:  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (এসএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৪৬০.
RDA ও BARD এর অবস্থান যথাক্রমে -
  1. ক) যশোর, বগুড়া
  2. খ) বগুড়া, যশোর
  3. গ) বগুড়া, কুমিল্লা
  4. ঘ) কুমিল্লা, শেরপুর
সঠিক উত্তর:
গ) বগুড়া, কুমিল্লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বগুড়া, কুমিল্লা
ব্যাখ্যা
পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (ইংরেজি: Rural Development Academy বা RDA) বাংলাদেশের বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলায় অবস্থিত প্রশিক্ষণ, গবেষণা এবং গবেষণা কর্মের একটি বিশেষায়িত পল্লী উন্নয়ন সংস্থা। এটি ১৯শে জুন, ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী বা বার্ড, বাংলাদেশের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৯ সালে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণার মাধ্যমে পল্লী অঞ্চলের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন তথা পল্লীর দারিদ্র্য বিমোচনে নিরলস সহায়তা করে যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি কুমিল্লা শহর থেকে ১০ কিলোমিটার পশ্চিমে কোটবাড়ীতে অবস্থিত।
১৬,৪৬১.
মুঘল ইতিহাসে শাহজাহানের রাজত্বকাল কোন নামে পরিচিত?
  1. The Age of Marble
  2. The Golden Age
  3. The Age of Expansion
  4. The Dark Age
সঠিক উত্তর:
The Age of Marble
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Age of Marble
ব্যাখ্যা

সম্রাট শাহজাহান:
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের পুত্র ছিলেন সম্রাট শাহজাহান। 
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের মৃত্যুর পর শাহজাহান ১৬২৮ খ্রি. ১৪ ফেব্রুয়ারি গাজী উপাধি নিয়ে সিংহাসনে বসেন।
- তার সময়কাল মুঘল ইতিহাসের চিত্রকলা ও স্থাপত্যের স্বর্ণযুগ বলে বিবেচিত ও প্রশংসিত। 
- মুঘল ইতিহাসে তিনি প্রিয়তমা পত্নীর স্মৃতিতে তাজমহলের স্রষ্টা ও 'Prince of builders' নামে আজও বিখ্যাত হয়ে আছেন।
- মুঘল ইতিহাসে শাহজাহানের রাজত্বকাল "The Age of Marble" নামে খ্যাত।

উল্লেখ্য,
- সম্রাট শাহজাহান ছিলেন শিল্পকলা, স্থাপত্য ও সৌন্দর্যের পূজারী। তিনি ছিলেন ভারতবর্ষের ইতিহাসে শ্রেষ্ঠ নির্মাতা। তার স্থাপত্যরীতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল তিনি লাল পাথরে স্থলে মূল্যবান শ্বেত মর্মম পাথর (White marbel) ব্যবহার করেছেন।
- তার রাজত্বকালে দিল্লি, আগ্রা, লাহোরে ব্যাপক স্থাপত্য শৈলী তৈরী করা হয়েছিল।
- কাবুল, কান্দাহার ও কাশ্মিরে মনোরম উদ্যান, প্রাসাদ, মসজিদ ইত্যাদি নির্মিত হয়েছিল।
- রাজধানী আগ্রাতে তিনি নির্মাণ করেছিলেন দীউয়ান-ই-আম, দীউয়ান-ই-খাস, মোতি মসজিদ, সালিমার উদ্যান, শীষ মহল ইত্যাদি।

এছাড়াও,
- শাহজাহান ১৬৩৮ খ্রি. রাজধানী আগ্রা হতে দিল্লিতে স্থানান্তর করেন এবং নতুন নগরীর নাম দেন শাহজাহানাবাদ। এখানে তিনি লালকেল্লা, মমতাজ মহল ইত্যাদি নির্মাণ করেন।
- তার মসজিদ স্থাপত্যের মধ্যে সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ছিল দিল্লির জামে মসজিদ।
- এছাড়াও তিনি বহু মূল্যবান রত্ন খচিত জগৎবিখ্যাত ময়ূর সিংহাসন তৈরি করেন।

⇒ সম্রাট শাহজাহানের সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি হল আগ্রার তাজমহল। সম্রাট তার প্রিয়তমা পত্নী মমতাজ মহলের স্মৃতিকে অমর করে রাখার জন্য বিশ হাজার দক্ষ শিল্পী ও কারিগর সুদীর্ঘ ২২ বছর যাবৎ এই সমাধিসৌধ নির্মাণ করেন। ভারতীয় ও পারসিক শিল্পকলার মিলন ঘটিয়ে তাজমহল নির্মিত হয়েছে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,৪৬২.
বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের অনধিক নির্বাচন কমিশনার কতজন?
  1. চারজন
  2. দুইজন
  3. তিনজন
  4. ছয়জন
সঠিক উত্তর:
চারজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চারজন
ব্যাখ্যা
• নির্বাচন কমিশনের গঠন:
- বাংলাদেশে নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। কমিশন স্বতন্ত্র, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন পরিচালনা করে।
- এটি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনার নিয়ে এ কমিশন গঠিত হয়।
- সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য কমিশনারদের নিয়োগদান করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতি হিসেবে কাজ করেন। কমিশনের মেয়াদ পাঁচ বছর।
- কমিশনাররা রাষ্ট্রপতির কাছে স্বেচ্ছায় পদত্যাগপত্র পেশ করতে পারেন।
- অসদাচরণ ও অসামর্থ্যের কারণে কমিশনাররা দায়িত্ব থেকে অপসারিত হতে পারেন।

উৎস:বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৬,৪৬৩.
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে, প্রধান বিচারপতিকে কে শপথ বাক্য পাঠ করায়?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. স্পীকার
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে, রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান। 

​বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: [১৪৮ অনুচ্ছেদ] শপথ ও ঘোষণা।

- বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথগ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।

⇒ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:
১। রাষ্ট্রপতি [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
২। প্রধানমন্ত্রী এবং অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতি-মন্ত্রী ও উপমন্ত্রী [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৩। ডেপুটি স্পীকার [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৫। সংসদ সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান স্পীকার]।
৬। প্রধান বিচারপতি বা বিচারক [শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি]।
৭। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনার [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।
৮। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি।
৯। সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য [শপথ বাক্য পাঠ করান প্রধান বিচারপতি]।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,৪৬৪.
সংবিধান অনুসারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কত বছরের জন্য নির্বাচিত হন?
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. নির্দিষ্ট মেয়াদ উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন।
- সংবিধানের ৫০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে ৫ বছর।
- উল্লেখ্য, দুই মেয়াদের অধিক কেউ রাষ্ট্রপতির পদে কোন ব্যক্তি অধিষ্ঠিত হতে পারবেন না।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৬,৪৬৫.
চলতি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনাসহ এ পর্যন্ত গৃহীত পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সংখ্যা কত?
  1. ক) ৮টি
  2. খ) ৭টি
  3. গ) ৯টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের 'পরিকল্পনা কমিশন' এর 'সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ' (General Economic Division) পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে। 
• বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
• অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
• পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা অনুমোদন করে - জাতীয় অর্থনৈতিক কাউন্সিল।
• বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
• বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
• বাংলাদেশের প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার সময়কাল - ১৯৭৩-৭৮।

তথ্যসূত্র:- পরিকল্পনা কমিশন।
১৬,৪৬৬.
টাঙ্গুয়ার হাওড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সুনামগঞ্জ
  2. কিশোরগঞ্জ
  3. চট্টগ্রাম
  4. শেরপুর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর: 
- টাঙ্গুয়ার হাওর বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্রুপ জলমহালগুলোর অন্যতম।
- এটি বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তে সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা এবং তাহিরপুর উপজেলায় অবস্থিত। 
- জীববৈচিত্রে সমৃদ্ধ মিঠা পানির এ হাওর বাংলাদেশের ২য় রামসার এলাকা।
- ভারতের মেঘালয়ের খাসিয়া, জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে সারি সারি হিজল-করচ শোভিত, পাখিদের কলকাকলি মুখরিত টাঙ্গুয়ার হাওর মাছ, পাখি এবং অন্যান্য জলজ প্রাণীর এক বিশাল অভয়াশ্রম।
- বর্তমানে মোট জলমহাল সংখ্যা ৫১টি এবং মোট আয়তন ৬,৯১২.২০ একর।
- তবে নলখাগড়া বন, হিজল করচ বনসহ বর্ষাকালে সমগ্র হাওরটির আয়তন দাড়ায় প্রায় ২০,০০০ একর।
- টাঙ্গুয়ার হাওর প্রকৃতির অকৃপণ দানে সমৃদ্ধ।
- এ হাওর শুধু একটি জলমহাল বা মাছ প্রতিপালন, সংরক্ষণ ও আহরণেরই স্থান নয়।
- এটি একটি মাদার ফিশারী।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১৬,৪৬৭.
মুক্তিযুদ্ধে কুষ্টিয়া কত নং সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. ক) ৫ নং সেক্টর
  2. খ) ৬ নং সেক্টর
  3. গ) ৯ নং সেক্টর
  4. ঘ) ৮ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টর বা রণাঙ্গনে ভাগ করা হয়। 
- প্রতি সেক্টরে একজন সেক্টর কমান্ডার (অধিনায়ক) নিয়োগ করা হয়।
- যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য প্রতিটি সেক্টরকে কয়েকটি সাব-সেক্টরে বিভক্ত করা হয় এবং প্রতিটি সাব-সেক্টরে একজন করে কমান্ডার নিয়োজিত হন।
- ৮ নং সেক্টর  এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা।
- সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।
- এই সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল কল্যানীতে।
- সেক্টরের সৈন্যদের মধ্যে ৩০০০ ছিল নিয়মিত বাহিনী এবং ২৫০০০ গেরিলা সৈন্য।  

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৪৬৮.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শহিদ আবু সাইদ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
  1. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
  2. জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়
  3. মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  4. হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

জুলাই অভ্যুত্থান:
- বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহিদ- আবু সাইদ।
- ১৬ জুলাই ২০২৪ সালে তিনি শহিদ হন।
- আবু সাঈদ ২০০১ সালে রংপুরের জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার বাবনপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন।
- তার বাবা-মা, মকবুল হোসেন ও মনোয়ারা বেগম।
- আবু সাইদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বায়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৬,৪৬৯.
ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা কত সালে শহীদ হন?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা
- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের সময় ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গুলিতে ড. মোহাম্মদ শামসুজ্জোহা শহীদ হন। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক এবং প্রক্টর ছিলেন।
- আন্দোলনরত ছাত্রদের বাচাঁতে গিয়ে তিনি নিজেই শহীদ হন। তার মৃত্যুর ফলে আইয়ুব খান বিরোধী আন্দোলন আরও তীব্র আকার ধারণ করে এবং শেষ পর্যন্ত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও আইয়ুব খান পদত্যাগে বাধ্য হন।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৬,৪৭০.
১৯৫৪ সালে পূর্ববঙ্গ আইনসভার নির্বাচনের পর কে মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বভার গ্রহণ করেন?
  1. ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
  2. খ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. গ) খাজা নাজিমুদ্দীন
  4. ঘ) নূরুল আমিন
সঠিক উত্তর:
ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের নির্বাচন, ১৯৫৪

১৯৫৪ সালের ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে পূর্ব বাংলা আইন পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ছিল ৩০৯টি। এতে যুক্তফ্রন্ট পায় মোট ২৩৬টি আসন।

নির্বাচনের পর শেরে বাংলা এ.কে. ফজলুল হককে মন্ত্রিসভা গঠনের আহ্বান জানানো হয়। তিনি ৩ এপ্রিল চার সদস্যবিশিষ্ট এবং পরে ১৫ মে আওয়ামী লীগের ৭ জন এবং কৃষক শ্রমিক পার্টির ৩ জনসহ মোট ১৪ জন নিয়ে বর্ধিত মন্ত্রিসভা গঠন করেন।

শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন কৃষিঋণ, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৬,৪৭১.
এনজিও বিষয়ক ব্যুরো কীসের অধীন?
  1. সমবায় মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  4. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
- এনজিও বিষয়ক ব্যুরো হলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি বাংলাদেশে কার্যক্রমরত বেসরকারি এজেন্সিগুলো কর্মকাণ্ড তদারকি এবং এনজিওগুলোকে বিভিন্ন সেবা প্রদান করে থাকে।
- এটি ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
(তথ্যসূত্র: এনজিও বিষয়ক ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১৬,৪৭২.
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যটির স্থপতি কে?
  1. ক) আব্দুর রাজ্জাক
  2. খ) মৃণাল হক
  3. গ) শামিম শিকদার
  4. ঘ) নিতুন কুণ্ড
সঠিক উত্তর:
গ) শামিম শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শামিম শিকদার
ব্যাখ্যা
স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সড়ক দ্বীপে অবস্থিত। এটির স্থপতি শামীম শিকদার। মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নির্মিত এই ভাস্কর্যটি ১৯৮৮ সালে স্থাপিত হয়।

- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডে অবস্থিত স্বাধীনতা সংগ্রাম ভাস্কর্যটির স্থপতিও শামিম শিকদার। তিনি গত ২১ মার্চ ২০২৩ মৃত্যবরণ করেন।

(তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার রিপোর্ট)
১৬,৪৭৩.
‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ গানটি কার লেখা?
  1. ক) হাছন রাজা
  2. খ) লালন শাহ
  3. গ) সিরাজ সাঁই
  4. ঘ) শাহ আবদুল করিম
সঠিক উত্তর:
খ) লালন শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লালন শাহ
ব্যাখ্যা
- ‘কেউ মালা, কেউ তসবি গলায়, তাইতো জাত ভিন্ন বলায়’ -গানটির রচয়িতা বাউল সম্রাট খ্যাত লালন শাহ।
তার অন্যান্য গানের মধ্যে রয়েছে:
- ‘বাড়ির কাছে আরশী নগর’
- ‘আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে’
- ‘মিলন হবে কত দিনে’
- ‘খাঁচার ভিতর অচিন পাখি কেমনে আসে যায়’
- ‘তিন পাগলের মেলা’
- ‘সময় গেলে সাধন হবে না’।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৭৪.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ অনুযায়ী দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত শতাংশ?
  1. ৩.৮%
  2. ৫.৬%
  3. ৬.৫%
  4. ৭.৩%
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫.৬%
ব্যাখ্যা
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ - ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
- খানাপ্রতি মাসিক গড় আয় - ৩২,৪২২ টাকা (শহুরে ৪৫,৭৫৭ টাকা, গ্রামীণ ২৬,১৬৩ টাকা)।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব) - ৭৪% (পুরুষ ৭৫.৮%, নারী ৭২.৬%)।
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার - ২০.৫%।

এছাড়াও,
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার - ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।
১৬,৪৭৫.
বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার কে?
  1. সাবিনা খাতুন
  2. রানী হামিদ
  3. তানিয়া সাইদ
  4. শিরিন পারভিন হক
সঠিক উত্তর:
রানী হামিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রানী হামিদ
ব্যাখ্যা
• রানী হামিদ সম্পর্কে কিছু তথ্য:
- রানী হামিদ বাংলাদেশের প্রথম মহিলা আন্তর্জাতিক দাবা মাস্টার। 
- তিনি ৩ বার ব্রিটিশ মহিলা দাবা প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হন।
- রানী জাতীয় মহিলা দাবায় চ্যাম্পিয়ন হন ১৮ বার।
- ১৯৮৪ সালে আন্তর্জাতিক দাবা ফেডারেশন থেকে 'ফিদে' খেতাব অর্জন করেন। 
- ১৯৮৫ সালে তিনি ফিদে আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।
- সর্বশেষ, কমনওয়েলথ দাবা চ্যাম্পিয়নশিপ-২০১৫ তে স্বর্ণ পদক লাভ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের নাম আবারো উজ্জ্বল করেন তিনি। 

উল্লেখ্য,
তিনি ২০২৪ সালে "বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪" লাভ করেছেন।

উৎস: The Daily Star বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট, ১৭ ডিসেম্বর ২০২০, যুগান্তর।
১৬,৪৭৬.
রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক এর বর্তমান নাম কী?
  1. ক) সোনালী ব্যাংক
  2. খ) সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) সোনালী ব্যাংক পিএলসি
  4. ঘ) সোনালী ব্যাংক এফএলবিসি
সঠিক উত্তর:
গ) সোনালী ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোনালী ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
• সোনালী ব্যাংক:
 - রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে ব্যাংকটির নাম হবে ‘সোনালী ব্যাংক পিএলসি’।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ব্যাংকের চতুর্থ বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) সোনালী ব্যাংক লিমিটেডকে সোনালী ব্যাংক পিএলসি হিসেবে অনুমোদন করেছে শেয়ারহোল্ডাররা।
- সংশোধিত কোম্পানি আইন ২০২০-এ সীমিতদায় কোম্পানি সনাক্তকরণ সংক্রান্ত ১১ (ক) ধারা নতুন করে যুক্ত করা হয়েছে। নতুন ধারায় সীমিতদায় পাবলিক কোম্পানির ক্ষেত্রে নামের শেষে পাবলিক সীমিতদায় কোম্পানি বা পিএলসি লেখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
১৬,৪৭৭.
নিচের কোন জেলায় চা বাগান রয়েছে?
  1. ক) ঠাকুরগাঁও
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) খাগড়াছড়ি
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ক) ঠাকুরগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ঠাকুরগাঁও
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে দেশে মোট ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে।
এর মধ্যে,
- মৌলভীবাজারে : ৯১টি
- হবিগঞ্জে : ২৫টি
- চট্টগ্রামে : ২১টি
- সিলেটে : ১৯টি
- পঞ্চগড়ে : ৮টি
- রাঙামাটিতে : ২টি
- ঠাকুরগাঁওয়ে : ১টি।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট)
১৬,৪৭৮.
বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠনে কোন নৃগোষ্ঠীর প্রভাব সর্বাধিক?
  1. অস্ট্রিক
  2. নেগ্রিটো
  3. দ্রাবিড়
  4. ভোটচীনীয়
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠন:
- বাঙালি জাতির নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়া একটি বৈচিত্র্যময় এবং দীর্ঘ ঐতিহাসিক প্রক্রিয়ার ফল।
-  বাঙালি জাতি বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মিশ্রণে গঠিত।
- ইন্দোচীন থেকে আগত অস্ট্রিক জাতি বাংলায় প্রাক-আর্য যুগে বসতি স্থাপন করে।
- বাঙালির প্রধান নৃতাত্ত্বিক উপাদান অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর থেকে এসেছে।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক। 
- দ্রাবিড় এবং আর্য জাতির সাথে সংমিশ্রণে বাঙালির নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য বিকশিত হয়।
- ইতিহাসের বিভিন্ন পর্যায়ে বাঙালির রক্তধারায় ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজসহ বিভিন্ন জাতির সংমিশ্রণ ঘটে।
- এই বৈচিত্র্যময় সংমিশ্রণ বাঙালির নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য এবং সংস্কৃতির বৈচিত্র্যকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাঙালির ইতিহাস, নিহারঞ্জন রায়।
১৬,৪৭৯.
IEDCR এর পূর্ণরূপ কি?
  1. ক) Institute of Epidemiology, Disease Control and Research
  2. খ) Institute of Epidemiology, Disease Control and Report
  3. গ) Institute of Epidemic Disease Control and Research
  4. ঘ) Institute of Epidemic Disease Control and Report
সঠিক উত্তর:
ক) Institute of Epidemiology, Disease Control and Research
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Institute of Epidemiology, Disease Control and Research
ব্যাখ্যা
IEDCR এর পূর্ণরূপ - Institute of Epidemiology, Disease Control and Research (রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট)
সূত্রঃ IEDCR এর ওয়েবসাইট
১৬,৪৮০.
২০২৩-২৪ সালের হিসাব মতে, তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার থেকে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের শতকরা কত ভাগ আসে?
  1. প্রায় ৭৮.৭৫ ভাগ
  2. প্রায় ৮১.২৪ ভাগ
  3. প্রায় ৮৫.৪৫ ভাগ
  4. প্রায় ৮৭.২৩ ভাগ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮৫.৪৫ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৮৫.৪৫ ভাগ
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৬,৪৮১.
দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে-
  1. নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  2. আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  3. সংশ্লিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  4. কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
সঠিক উত্তর:
কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
ব্যাখ্যা
• গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বা The representation of the peoples Order (RPO) এ বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার না হলে সে জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।

• সংসদ নির্বাচনে যোগ্যতা ও অযোগ্যতা: 

• সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।

এই বিধান অনুসারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা সমূহ হলো:
- বাংলাদেশের নাগরিক হওয়া, 
- বয়স ২৫ বৎসর পূর্ণ হওয়া, 

- আদালত কর্তৃক অপ্রকৃতিস্থ ঘোষিত না হওয়া, 
- দেউলিয়া ঘোষিত হওয়ার পর দায় থেকে অব্যাহতি না পাওয়া, 
- বিদেশী রাষ্ট্রের নাগরিকত্ব অর্জন বা আনুগত্য ঘোষণা, 
- ১৯৭২ সালের যোগসাজশকারী আদেশের অধীন কোন অপরাধে দণ্ডিত না হওয়া, 
- আইনে উল্লিখিত নির্দিষ্ট পদাধিকারী না হওয়া, 
- নৈতিক স্খলনজনিত কোন ফৌজদারী অপরাধে অন্যূন দুই বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবার পর পাঁচ বৎসর অতিবাহিত না হওয়া।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,৪৮২.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?
  1. ১৪ ডিসেম্বর
  2. ১৩ ডিসেম্বর
  3. ১২ ডিসেম্বর
  4. ১১ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
• শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস: 
- শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস ১৪ ডিসেম্বর পালন করা হয়।
- বুদ্ধিজীবী হত্যা ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ।
- ১৪ ডিসেম্বর রাতে ঢাকায় দুইশর বেশি বুদ্ধিজীবীকে তাঁদের বাড়ি থেকে তুলে নেয়া হয়।
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির উদ্দেশে বাংলাদেশে শোকাবহ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৮৩.
বাংলাদেশের কোন প্রতিষ্ঠানটি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করে?
  1. ক) বিআইডিসি
  2. খ) বিডা
  3. গ) আইসিবি
  4. ঘ) বেজা
সঠিক উত্তর:
খ) বিডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বিডা
ব্যাখ্যা
- ২৮ নভেম্বর, দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করার লক্ষ্য নিয়ে ঢাকায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সারা বিশ্বের বিনিয়োগকারীদের কাছে বাংলাদেশের ব্র্যান্ডিং করতে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (বিডা)।
উৎস : পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬,৪৮৪.
কোন বইয়ের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার' লাভ করেন?
  1. অসমাপ্ত আত্মজীবনী
  2. কারাগারের রোজনামচা
  3. আমার দেখা নয়াচীন
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন ১৯৫২’- এই তিনটি বইয়ের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান 'FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার' লাভ করেন।

FOSWAL সাহিত্য পুরস্কার:
- সার্ক সাহিত্য পুরস্কার সার্ক লেখক ও সাহিত্য প্রতিষ্ঠান (ফসওয়াল) কর্তৃক প্রবর্তিত বার্ষিক পুরস্কারবিশেষ।
- ২০০১ সাল থেকে অনিয়মিতভাবে এ পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩ সালে সার্ক সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ২৬ মার্চ, ২০২৩ তারিখে ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’, ‘কারাগারের রোজনামচা’ ও ‘আমার দেখা নয়াচীন ১৯৫২’- এই তিনটি বইয়ের জন্য বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে এই বিশেষ সাহিত্য পুরস্কার দিয়েছে ফাউন্ডেশন অফ সার্ক রাইটার্স অ্যান্ড লিটারেচার।

অন্যদিকে -
- নেপালি কবি, গীতিকার এবং অনুবাদক সুমন পোখরেল একমাত্র লেখক যিনি দুবার এই পুরস্কার পেয়েছেন।

উৎস: ৩ এপ্রিল, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৬,৪৮৫.
১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন কে?
  1. নুরুল আমিন
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. মোহাম্মদ আলী
  4. খাজা নাজিমউদ্দীন
সঠিক উত্তর:
নুরুল আমিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল আমিন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলন:
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে। 
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম- দশম শ্রেণি।

১৬,৪৮৬.
(এটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'। তখনকার সময়ের সঠিক উত্তর এখন আর গুরুত্বপূর্ণ নয়।) বাংলাদেশের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৯১ সালের কত তারিখে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৬ ফেব্রুয়ারি
  2. ২৭ ফেব্রুয়ারি
  3. ২ মার্চ
  4. ৪ মার্চ
সঠিক উত্তর:
২৭ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
• পঞ্চম সংসদ নির্বাচন: 
- পঞ্চম সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচনী ব্যবস্থায় নতুন ধারায় প্রবেশ করে বাংলাদেশ।
- গণআন্দোলনে এরশাদের বিদায়ের পর তখনকার প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে প্রধান করে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচন হয়। 
- পঞ্চম সংসদে বিএনপি ১৪০টি, আওয়ামী লীগ ৮৮টি আর জাতীয় পার্টি ৩৫টি আসনে জয়লাভ করে৷
 - এছাড়া নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে পরোক্ষভাবে ৩০ জন নারী সাংসদ নির্বাচিত হন৷
- তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাটি সংবিধানের অংশ না থাকলেও আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আন্দোলনের মুখে পরের সংসদে সেটির বিল পাস করা হয়েছিল৷

উৎস- বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, জাতীয় দৈনিক পত্রিকা।
১৬,৪৮৭.
সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ড. কামাল হোসেন কোন কোন দেশ সফর করেন?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  2. খ) ভারত ও রাশিয়া
  3. গ) যুক্তরাজ্য জার্মানি
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য ও ভারত
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য ও ভারত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাজ্য ও ভারত
ব্যাখ্যা

খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ড. কামাল হোসেন সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে যুক্তরাজ‍্য ও ভারত সফর করেন।
- গণপরিষদের আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন ডঃ কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির গঠন করা হয় -১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৬,৪৮৮.
বাংলাদেশের ইতিহাসে কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিল?
  1. ক) শাসনতন্ত্র আন্দোলন
  2. খ) ভাষা আন্দোলন
  3. গ) শিক্ষা আন্দোলন
  4. ঘ) যুক্তফ্রন্ট গঠন
সঠিক উত্তর:
খ) ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ইতিহাসে ভাষা আন্দোলনের ঘটনাটি আগে ঘটেছিল (১৯৪৭-৫২),
যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়েছিল- ১৯৫৩ সালের ডিসেম্বরে,
শাসনতন্ত্র আন্দোলন হয় ১৯৫৬ সালে;
শিক্ষা আন্দোলন হয় - ১৯৬২ সালে
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৬,৪৮৯.
মুসলিম নারী মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত কাকে বলা হয়?
  1. ক) বেগম রোকেয়া
  2. খ) বেগম ফয়জুন্নেসা
  3. গ) সুলতানা রাজিয়া
  4. ঘ) মাদার তেরেসা
সঠিক উত্তর:
ক) বেগম রোকেয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বেগম রোকেয়া
ব্যাখ্যা
- মুসলিম নারী মুক্তি আন্দোলনের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া
- সমাজ ধর্মের নামে তাদের রাখা হতো পর্দার আড়ালে গৃহবন্দি করে।
- মুসলমান মেয়েদের এই বন্দিদশা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য যিনি আহবান জানান তিনি বেগম রোকেয়া।
- এই মহীয়সী নারীর জন্ম ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে রংপুর জেলার মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দ গ্রামে।
- সাহিত্য চর্চার বিষয়বস্তুও ছিল নারী সমাজকে নিয়ে।
- তিনি সমাজের কুসংস্কার, নারী সমাজের অবহেলা বঞ্চনার করুণ চিত্র নিজ চোখে দেখেছেন।
- বেগম রোকেয়ার লিখিত গ্রন্থ অবরোধ বাসিনী, পদ্মরাগ, মতিচুর, সুলতানার স্বপ্ন প্রভৃতিতে সে চিত্র ফুটে উঠেছে।
- ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে তিনি কোলকাতায় সাখাওয়াত মেমোরিয়াল উর্দু প্রাইমারি স্কুল স্থাপন করেন।
- ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দে এটি উচ্চ ইংরেজি গার্লস স্কুলে উন্নিত হয়।
- বেগম রোকেয়া নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে কোলকাতায় আঞ্জুমানে খাওয়াতিনে ইসলাম (মুসলিম মহিলা  সমিতি) প্রতিষ্ঠা করেন।
- নারীর শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও আইনগত অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর নেতৃত্বে সমিতি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়।
- মুসলমান নারী মুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ বেগম রোকেয়ার মনে নারীর প্রতি সমাজের নানা অত্যাচার ও অসহিষ্ণুতার বিরুদ্ধে ছিল তীব্র বিদ্রোহের সুর।
- ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দে এই মহীয়সী নারী কোলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,৪৯০.
'ফারাক্কা লংমার্চ' সংগঠিত হয়েছিল কার নেতৃত্বে?
  1. সৈয়দ আমির আলী
  2. মাওলানা ভাসানী
  3. নবাব সলিমুল্লাহ
  4. হাজী মুহম্মদ মুহসীন
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
আব্দুল হামিদ খান ভাসানী:
- ভাসানী ১৮৮০ সালে সিরাজগঞ্জ জেলার ধনপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন হাজী শরাফত আলী খান।
- ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ বিরোধী অসহযোগ ও খেলাফত আন্দোলনে যোগদানের মধ্য দিয়ে তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা হয়।
- ব্রহ্মপুত্র নদীর ভাসানচরে বন্যার কবল থেকে বাঙালি কৃষকদের রক্ষার জন্য তিনি স্বেচ্ছাশ্রমের ভিত্তিতে একটি বাঁধ নির্মাণ করেন।
- ভাসানচরের জনসাধারণ তাকে ‘ভাসানী সাহেব’ বলে অভিহিত করে এবং পরবর্তীকালে এ উপাধি তাঁর নামের অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়।
- ১৯৩৭ সালে ভাসানী মুসলিম লীগে যোগ দেন।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৬ সালের ১৬ই মে ফারাক্কা বাঁধের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তের দিকে একটি মিছিলের আয়োজন করেন বাংলাদেশের সুপরিচিত রাজনীতিবিদ মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- এই মিছিল ও সমাবেশ 'ফারাক্কা লংমার্চ' হিসেবে পরিচিত।
- মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী যখন ফারাক্কা লং মার্চের নেতৃত্ব দেন তখন তার বয়স ৯০ বছরের বেশি।
- ১৯৭৬ সালের ১৭ নভেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,৪৯১.
‘মসনদ-ঈ-আলা উপাধি’ কে গ্রহণ করেন?
  1. মুসা খান
  2. ঈসা খান
  3. শায়েস্তা খান
  4. আকবর খা
সঠিক উত্তর:
ঈসা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈসা খান
ব্যাখ্যা

• ঈসা খান (১৫২৯-১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দ):
- সরাইলের জমিদার, ভাটি অঞ্চলের শাসক এবং বারো ভূঁইয়াদের নেতা।
- ইসা খানের জন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে।
- ১৫৭৮ সালে বর্তমান কিশোরগঞ্জ জেলার কাস্তলে ঈসা খানের সাথে মোগলদের যুদ্ধ হয়।
- প্রাথমিক প্রর্যায়ে ঈসা খান হেরে গেলেও পরবর্তীতে সম্মিলিত শক্তির কাছে মোগলরা পরাজিত হয়।
- সম্রাট আকবরের বিরুদ্ধে মুগল সেনাপতিদের বিদ্রোহের সুযোগ নিয়ে ১৫৮০ খ্রিস্টাব্দে ঈসা খান পূর্ব বাংলায় তাঁর শক্তি বৃদ্ধি করতে থাকেন।
- তিনি ১৫৮১-৮২ খ্রিস্টাব্দে নিজেকে ভাটি অঞ্চলের অধিপতি হিসেবে ঘোষণা দেন এবং নিজেই ‘মসনদ-ঈ-আলা উপাধি’ গ্রহণ করেন।
- এ সময় তিনি তাঁর প্রশাসনিক কেন্দ্র সরাইল থেকে সোনারগাঁও-এ স্থানান্তর করেন এবং সোনারগাঁও এর নিকটবর্তী কাত্রাবো, কলাগাছিয়া ও খিজিরপুরে দুর্গ নির্মাণ করেন।

- ১৫৮৩ ও ১৫৮৪ খিস্টাব্দেও ঈসাখান আগ্রাসী সৈন্যবাহিনীকে যথাক্রমে বাজিতপুরে ও কাত্রাবোতে পরাস্ত করেন।
- ১৫৮৬ সালেও মোগলরা ঈসাখানকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হন।
- ঈসাখানের সাথে মোঘল বাহিনীর শেষ যুদ্ধ হয় রাজা মানসিংহের নেতৃত্বে। এই যুদ্ধেও মোগলরা তাঁর কাছে পরাজিত হন এবং অনেক মোগল সৈন্য বন্দি হন।
- ১৫৯৯ খ্রিস্টাব্দে ঈসাখান মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬,৪৯২.
বর্তমানে বাংলাদেশের রাডার স্টেশন সংখ্যা -
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৭টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫টি
ব্যাখ্যা
বর্তমান আবহাওয়া অধিদপ্তরের পর্যবেক্ষণ সুবিধাসমূহ নিম্নরূপ:
- Synoptic stations (1st Class Obs.): 35
- Agro meteorological stations: 12
- Pilot Balloon stations: 10
- Radar stations: 05
- Seismic stations: 04
- Rawin Sonde stations: 03 

উৎস: আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট।
১৬,৪৯৩.
সম্প্রতি বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী কোন দেশে নিহত হয়েছেন? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. সুদান 
  2. কঙ্গো 
  3. রুয়ান্ডা
  4. দক্ষিণ সুদান 
সঠিক উত্তর:
সুদান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদান 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী নিহত: 
- ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী বর্বরোচিত ড্রোন হামলা চালায়। 
- এ ঘটনায় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত ও ৯ জন আহত হন।
- সুদানের সরকারের এক বিবৃতিতে, এ হামলার জন্য সরকারবিরোধী আধা সামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে দায়ী করা হয়েছে।
- কাদুগলি শহরটি প্রায় দেড় বছর ধরে আরএসএফ অবরুদ্ধ করে রেখেছে।
- ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে আধা সামরিক আরএসএফ দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।  

১৬,৪৯৪.
দেশের কোন বিভাগে আবাদী জমির পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. ক) চট্টগ্রাম বিভাগ
  2. খ) ময়মনসিংহ বিভাগ
  3. গ) রংপুর বিভাগ
  4. ঘ) রাজশাহী বিভাগ
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাজশাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুযায়ী দেশে মোট আবাদী জমি : ২ কোটি ৮১ হাজার একর।

বিভাগ অনুযায়ী সর্বাধিক আবাদী জমি:

- রাজশাহী বিভাগ : ৩২.৬০ লক্ষ একর
- রংপুর বিভাগ : ৩০.৪৯ লক্ষ একর
- ঢাকা বিভাগ : ২৯.৭৪ লক্ষ একর
- চট্টগ্রাম বিভাগ : ২৬.৮৬ লক্ষ একর
- খুলনা বিভাগ : ২৬.৩৮ লক্ষ একর
- বরিশাল বিভাগ : ১৮.৪৮ লক্ষ একর
- ময়মনসিংহ বিভাগ : ১৮.১৬ লক্ষ একর
- সিলেট বিভাগ : ১৮.১ লক্ষ একর।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ : পৃষ্ঠা-৪২৭/৪২৮)
১৬,৪৯৫.
ইলিশা-১ গ্যাস ক্ষেত্রটি বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. ভোলা
  3. সিলেট
  4. নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা

- ইলিশা-১ গ্যাস ক্ষেত্রটি বাংলাদেশের  ভোলা জেলায় অবস্থিত।

গ্যাসক্ষেত্র:

- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ হচ্ছে দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।

১৬,৪৯৬.
বাংলাদেশ প্রথম কোন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে?
  1. ডেনমার্ক
  2. সুইডেন
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

জাহাজ রপ্তানি: 
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জাহাজ রপ্তানি করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড স্লিপওয়েজ।
- সময়: ২০০৮ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর।
- ডেনমার্কে জাহাজ রপ্তানির মাধ্যমে এই অভিযাত্রা শুরু হয়।
- প্রথম রপ্তানি হওয়া জাহাজটির নাম ছিল এমভি স্টেলা ম্যারিস।
- কনটেইনার পরিবহনের উপযোগী করে তৈরি জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।
- জাহাজ রপ্তানির দুই বছর আগে ২০০৬ সালে প্রতিষ্ঠানটি মোজাম্বিকে ফেরি রপ্তানি করেছিল।
- এরপর ২০১০ সালে জাহাজ রপ্তানিতে যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ডের নাম।
- ওই বছরের ৩০ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানটি জার্মানিতে একটি সমুদ্রগামী জাহাজ রপ্তানি করে।
- জাহাজটির রপ্তানিমূল্য ছিল ১২৩ কোটি টাকা।

উৎস: প্রথম আলো রিপোর্ট।

১৬,৪৯৭.
বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের সুরকার -
  1. ক) সেলিম রহমান
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) ড. আশরাফ সিদ্দিকী
  4. ঘ) খন্দকার নূরুল আলম
সঠিক উত্তর:
ঘ) খন্দকার নূরুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) খন্দকার নূরুল আলম
ব্যাখ্যা
• ক্রীড়া সংগীত:
 - বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের গীতিকার - সেলিমা রহমান।
- সেলিমা রহমান রচিত 'বাংলাদেশের দুরন্ত সন্তান আমরা দুর্দম দুর্জয়' নামক গানটি বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীত। 
- বাংলাদেশের ক্রীড়া সংগীতের সুরকার - খন্দকার নূরুল আলম।
- এটি ১০ চরণ বিশিষ্ট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,৪৯৮.
ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) ACC
  2. খ) AICC
  3. গ) CCIA
  4. ঘ) UKIT
সঠিক উত্তর:
খ) AICC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) AICC
ব্যাখ্যা
ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকার কর্তৃক স্থাপিত কৃষি তথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র - Agriculture Information and Communication Centre (AICC)।

[উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১৬,৪৯৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, সার্বিকভাবে ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা?
  1. কুমিল্লা
  2. ময়মনসিংহ
  3. রংপুর
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৭০,৩৭,৬৬৪ মে. টন)।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,২৯,৯৪৩ মে. টন)।

উল্লেখ্য, 
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: চট্টগ্রাম।
- আউশ ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুমিল্লা।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রংপুর।
- আমন ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: দিনাজপুর।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: রাজশাহী।
- বোরো ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।
১৬,৫০০.
How many women have been awarded the prestigious Begum Rokeya Padak 2024?
  1. 4 people
  2. 5 people
  3. 7 people
  4. 8 people
  5. 11 people
সঠিক উত্তর:
4 people
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4 people
ব্যাখ্যা
বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪:
- ২০২৪ সালে ৪ জন নারীকে ‘বেগম রোকেয়া পদক’ প্রদান করা হয়।

⇒ সমাজ, নারী শিক্ষা ও নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদানের জন্য চার জন বিশিষ্ট নারীকে বেগম রোকেয়া পদক-২০২৪ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের ১৪৪তম জন্ম ও ৯২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে নগরীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বেগম রোকেয়া পদক প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

• বেগম রোকেয়া পদক ২০২৪ প্রাপ্তরা হলেন:
- পারভীন হাসান (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের চেয়ারপার্সন এবং কেন্দ্রীয় মহিলা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য)।
- তাসলিমা আখতার (বাংলাদেশি শ্রমিক ও নারী অধিকারকর্মী এবং আলোকচিত্রী)।
- রাণী হামিদ (বাংলাদেশী দাবাড়ু)।
- শিরিন পারভিন হক (নারীপক্ষের প্রতিষ্ঠাতা)।

উৎস: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ওয়েবসাইট।