বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৬১ / ৩০৬ · ১৬,০০১১৬,১০০ / ৩০,৮৩২

১৬,০০১.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত-
  1. ক) ময়মনসিংহে
  2. খ) ফার্মগেটে
  3. গ) জয়দেবপুরে
  4. ঘ) দিনাজপুরে
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জয়দেবপুরে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট গাজিপুরের জয়দেবপুরে অবস্থিত।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭০ সালে।
- এর প্রধান অঙ্গ হল ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

উৎসঃ বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের ওয়েবসাইট।

১৬,০০২.
বাঙালি সম্প্রদায়ের নবান্ন উৎসবের ন্যায় উপজাতীয় সম্প্রদায় কোন উৎসবটি পালন করে?
  1. ক) সাংগ্রাই
  2. খ) ওয়ানগালা
  3. গ) বৈসু
  4. ঘ) বিজু
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়ানগালা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ওয়ানগালা
ব্যাখ্যা
নতুন ফসল উঠানোকে কেন্দ্র করে বাঙালি সম্প্রদায় অগ্রহায়ণ মাসে নবান্ন উৎসব পালন করে থাকে। একইরূপ গারো সম্প্রদায় নতুন ফসল তোলার পূর্বে শস্যদেবতারপ্রতি কৃজ্ঞতার জন্যে ওয়ানগালা উৎসব পালন করে। এটি গারোদের প্রধান সামাজিক ও কৃষিকেন্দ্রিক উৎসব। গারোদের সামাজিক উৎসবগুলো মূলত কৃষিকেন্দ্রিক। গারো উপজাতিরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বসবাস করে। সাঁওতালদের প্রধান উৎসব হলো সোহরাই এবং বাহা। সাংগ্রাই, বৈসু ও বিজু বাঙালিদের পহেলা বৈশাখের ন্যায় যথাক্রমে মারমা, ত্রিপুরা এবং চাকমা সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী এবং ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
১৬,০০৩.
জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা কতটি?
  1. ৯টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা - ৭টি।

• জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের অঙ্গীকারনামা:
⇒ গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে প্রকাশিত জনগণের ইচ্ছাকে প্রাধান্য দিয়ে আমরা নিম্নস্বাক্ষরকারীগণ এই মর্মে অঙ্গীকার ও ঘোষণা করছি যে-

(১) জনগণের অধিকার ফিরে পাওয়া এবং গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সুদীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে হাজারো মানুষের জীবন ও রক্তদান এবং অগণিত মানুষের সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি ও ত্যাগ-তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত সুযোগ এবং তৎপ্রেক্ষিতে জন-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হিসেবে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে প্রণীত ও ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত নতুন রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর পরিপূর্ণ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করব।

(২) যেহেতু জনগণ এই রাষ্ট্রের মালিক, তাদের অভিপ্রায়ই সর্বোচ্চ আইন এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সাধারণত জনগণের অভিপ্রায় প্রতিফলিত হয় রাজনৈতিক দলের মাধ্যমে সেহেতু রাজনৈতিক দল ও জোটসমূহ সম্মিলিতভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার দীর্ঘ সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে জনগণের অভিপ্রায়ের সুস্পষ্ট অভিব্যক্তি হিসেবে জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ গ্রহণ করেছি বিধায় এই সনদ পূর্ণাঙ্গভাবে সংবিধানে তফসিল হিসেবে বা যথোপযুক্তভাবে সংযুক্ত করব।

(৩) জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর বৈধতা ও প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে কোনো আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করব না, উপরন্তু উক্ত সনদ বাস্তবায়নের প্রতিটি ধাপে আইনি ও সাংবিধানিক সুরক্ষা নিশ্চিত করব।

(8) গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য জনগণের দীর্ঘ ১৬ বছরের নিরবচ্ছিন্ন সংগ্রাম এবং বিশেষত ২০২৪ সালের অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থানের ঐতিহাসিক তাৎপর্যকে সাংবিধানিক তথা রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদান করব।

(৫) গণঅভ্যুত্থানপূর্ব ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী গণতান্ত্রিক সংগ্রামে গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হওয়া ব্যক্তিদের এবং ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকালে সংঘটিত সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার, শহীদদের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান ও শহীদ পরিবারগুলোকে যথোপযুক্ত সহায়তা প্রদান এবং আহতদের সুচিকিৎসা ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করব।

(৬) জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এ বাংলাদেশের সামগ্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা তথা সংবিধান, নির্বাচন ব্যবস্থা, বিচার ব্যবস্থা, জনপ্রশাসন, পুলিশি ব্যবস্থা ও দুর্নীতি দমন ব্যবস্থা সংস্কারের বিষয়ে যেসব সিদ্ধান্ত লিপিবদ্ধ রয়েছে সেগুলো বাস্তবায়নের জন্য সংবিধান এবং বিদ্যমান আইনসমূহের প্রয়োজনীয় সংশোধন, সংযোজন, পরিমার্জন বা নতুন আইন প্রণয়ন, প্রয়োজনীয় বিধি প্রণয়ন বা বিদ্যমান বিধি ও প্রবিধির পরিবর্তন বা সংশোধন করব।

(৭) জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫-এর ঐকমত্যের ভিত্তিতে গৃহীত যে সকল সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাস্তবায়নযোগ্য সেগুলো কোনো প্রকার কালক্ষেপণ না করেই দ্রুততম সময়ে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করবে।

উল্লেখ্য,
- ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ তারিখে ‘জুলাই জাতীয় সনদ-২০২৫’ আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয়েছে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,০০৪.
সম্প্রতি, শরিয়াহভিত্তিক একীভূত পাঁচটি ব্যাংকের নতুন নাম কী রাখা হয়েছে?[ অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ইসলামী শরিয়াহ ব্যাংক
  2. কেন্দ্রীয় ইসলামী ব্যাংক
  3. সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
  4. জোটভুক্ত ইসলামী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক
ব্যাখ্যা

• সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- অনিয়ম ও দুর্নীতির কারণে সংকটে পড়া দেশের শরিয়াহভিত্তিক পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক, এবং এই নতুন ব্যাংকটির নাম চূড়ান্ত হয়েছে 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক'। 
- এই পাঁচটি ব্যাংক হলো ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংক।
- একীভূত কার্যক্রম বাস্তবায়নে সরকার গঠিত কমিটি নতুন ব্যাংক গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে।
- শুরুতে এটিকে সরকারি খাতের একটি ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সরকার ২০ হাজার কোটি টাকার মূলধন জোগান দেবে।

উৎস: ইত্তেফাক ও প্রথম আলো পত্রিকা।

১৬,০০৫.
দানশীলতার জন্য কাকে লাখবক্স বলা হয়?
  1. সুলতান নাসির উদ্দিন
  2. শামসুদ্দিন ইলতুৎমিশ
  3. মুহাম্মদ ঘুরী
  4. কুতুবুদ্দিন আইবেক
সঠিক উত্তর:
কুতুবুদ্দিন আইবেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুতুবুদ্দিন আইবেক
ব্যাখ্যা
•সুলতান কুতুবুদ্দিন আইবেক:  
- সুলতান কুতুবুদ্দিন আইবেক হলেন মুহাম্মদ ঘুরীর ক্রীতদাস। 
- তিনি দিল্লিতে মুসলীম শাসনের গোড়াপত্তন করেন। 
- দানশীলতার জন্য কুতুবুদ্দিন আইবেক কে লাখবক্স বলা হত। 
- তিনি তুর্কিস্থানের অধিবাসী। 
- দিল্লির প্রথম স্বাধীন সুলতান। 
- কুতুব মিনার নির্মাণ করেন। 
- উপমহাদেশের স্থায়ী মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা ও দাস বংশের প্রতিষ্ঠাতা। 

⇒ অপরদিকে, 
- শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ ছিলেন কুতুবুদ্দিনের জামাতা। 
- দিল্লির সালতানাতের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা: শামসুদ্দিন ইলতুতমিশ। 
- তার উপাধি ছিল সুলতান-ই-আযম। 
- ইলতুতমিশের কন্যার নাম সুলতানা রাজিয়া। 
- দিল্লির সিংহাসনে আরোহণকারী প্রথম মুসলিম নারী সুলতানা রাজিয়া।
- সুলতান নাসির উদ্দিন মাহমদ শাহ ছিলেন ইলতুৎমিশের পুত্র।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র , এইচ এস এসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,০০৬.
বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমান কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. ক) ১৯ আগস্ট, ১৯৭১
  2. খ) ২০ আগস্ট, ১৯৭১
  3. গ) ২১ আগস্ট, ১৯৭১
  4. ঘ) ২২ আগস্ট, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
খ) ২০ আগস্ট, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০ আগস্ট, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ফ্লাইট লেঃ মতিউর রহমান:
- বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্ম ২৯শে অক্টোবর ১৯৪১, ঢাকার পৈত্রিক নিবাসে।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীরশ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাদের অন্যতম।
- পেশায় ছিলেন পাকিস্তান বিমানবাহিনীর একজন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট। 
- ১৯৭১ সালে নিয়মিত কাজের আড়ালে তিনি একটি বিমান ছিনতাই করে মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের পরিকল্পনা করতে থাকেন।
- এনিয়ে তিনি কয়েকজন দেশপ্রেমিক বাঙালি অফিসারের সাথে আলোচনা করেন।
- পরিকল্পনা মোতাবেক ২০শে আগস্ট ১৯৭১ সকাল ১১.১৫ মিনিটে পাঞ্জাবী পাইলট অফিসার রাশেদ মিনহাজসহ টি-৩৩ প্রশিক্ষণ বিমান (কল সাইন ব্লু-বার্ড-১৬৬) ছিনতাই করে ভারত অভিমূখে উড্ডয়ন করেন।
- অপর পাইলটের সাথে কন্ট্রোল নিয়ে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে সিন্ধুর বেদিনে বিমানটি বিধ্বস্ত হলে উভয়েই শাহাদত বরণ করেন।
- পরে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদস্যরা তার লাশ উদ্ধার করে মশরুর বিমান ঘাটির ৪র্থ শ্রেণীর কবরস্তানে অত্যন্ত অমর্যাদার সাথে দাফন করে।
- শাহাদতের ৩৫ বছর পর ২৪শে জুন ২০০৬ মতিউরের দেহাবশেষ পাকিস্তান থেকে দেশে এনে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবি কবর স্থানে পুনঃসমাহিত করা হয়।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৬,০০৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগের ২য় পরিচ্ছেদে কী সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. অধস্তন আদালত
  2. সুপ্রীম কোর্ট
  3. প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অধস্তন আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধস্তন আদালত
ব্যাখ্যা
বিচারবিভাগ:
- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বিচারবিভাগ সম্পর্কে বলা হয়েছে। 
- ষষ্ঠ ভাগে মোট ৩টি পরিচ্ছদ রয়েছে।
- যথা:
• ১ম পরিচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্ট [অনুচ্ছেদ: ৯৪ - ১১৩];
• ২য় পরিচ্ছেদ: অধস্তন আদালত [অনুচ্ছেদ- ১১৪ থেকে ১১৬];
• ৩য় পরিচ্ছেদ: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল [অনুচ্ছেদ: ১১৭]।

উৎস: আইন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৬,০০৮.
তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) যশোর
  2. খ) ঝিনাইদহ
  3. গ) সাতক্ষীরা
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা
২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে মোট তুলা উৎপাদিত হয় ৭১,৮৮৩ মে. টন।
তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:

- প্রথম : ঝিনাইদহ (২৮,৩৯৭ টন)
- দ্বিতীয় : যশোর (৮,৩৯৬ টন)
- তৃতীয় : মেহেরপুর (৯,৪৫৫ টন)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
১৬,০০৯.
ইবনে বতুতা কার শাসনামলে বাংলায় সফর করেন?
  1. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. গিয়াসউদ্দিন তুঘলক
  3. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  4. ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফখরুদ্দীন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা
ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমন কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল মুজার্রদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- এরপর তিনি ভারতে আসেন।
- তিনি ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে দিল্লিতে আসেন এবং সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের অধীনে দীর্ঘ প্রায় আট বছর কাজীর পদে নিয়োজিত ছিলেন।

⇒ ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের শাসনকালে বাংলায় সফর করেন।
- বাংলার যে শহরে ইবনে বতুতা প্রথম পৌঁছেন (৯ জুলাই ১৩৪৬) তার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন সাদকাঁও (চাটগাঁও)।
- সেখান থেকে সরাসরি তিনি কামারু (কামরূপ) পার্বত্য অঞ্চল অভিমুখে রওনা হন। 
- তিনি বাংলায় তার ভ্রমণের এক মূল্যবান বিবরণ লিপিবদ্ধ করে যান। এ বিবরণে বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, অধিবাসীদের জীবনের বিভিন্ন দিক এবং দেশের সমৃদ্ধির প্রাণবন্ত বর্ণনা পাওয়া যায়। ইবনে বতুতা তার 'আর রিহলা' গ্রন্থে বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত (A Hell Full Of Good Things) ’ অর্থাৎ প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন।
- ইবনে বতুতা সিলেটের প্রখ্যাত সাধক হযরত শাহজালালের সাথে সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীকালে তিনি চীনের রাজদরবার গমনের উদ্দেশ্যে বাংলা ত্যাগ করেন।

উল্লেখ্য,
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন সুলতান। 
- তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্ব ও কর্মে বাংলার অভ্যন্তরীণ অবস্থার ব্যাপক উন্নতি ঘটলে বাংলার সুনাম এর বাইরেও ছড়িয়ে পড়ে।
- তাঁর সময়ে বাংলার সীমানা চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত হলে বাংলার গৌরব উজ্জ্বলতর হয়।
- তাই ফখরুদ্দিনের রাজত্বকালকে বাংলার গৌরবময় যুগ বলা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,০১০.
চাকমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব কোনটি?
  1. সাংগ্রাই
  2. বিঝু
  3. ওয়ানগালা
  4. সোহরাই
সঠিক উত্তর:
বিঝু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিঝু
ব্যাখ্যা

- চাকমা সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ও ঐহিত্যবাহী উৎসব হলো বিঝু। এটি চাকমাদের বর্ষবরণ উৎসব।
- চৈত্র মাসের শেষ দুদিন ও বৈশাখ মাসের প্রথমদিনসহ মোট তিনদিন জুড়ে বিঝু উৎসব পালিত হয়।
- বিঝু উৎসব তিনটি পর্বে বিভক্ত।
- প্রথমটি হলো ফুল বিঝু
- দ্বিতীয়টি হলো মূল বিঝু
- তৃতীয়টি হলো গজ্যাপজ্যা বিঝু বা নুঅ বঝর।
অন্যদিকে,
- সাংগ্রাই মারমা ও রাখাইন সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব
- ওয়ানগালা গারো সম্প্রদায়ের প্রধান উৎসব
- সোহরাই সাঁওতাল নৃগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব।
(তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : ষষ্ঠ শ্রেণী)

১৬,০১১.
প্রথম আদমশুমারিতে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ছিলো কত?
  1. ৬.৫৬ কোটি
  2. ৭.৬৪ কোটি
  3. ৭.৮১ কোটি
  4. ৮.৯৯ কোটি
সঠিক উত্তর:
৭.৬৪ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭.৬৪ কোটি
ব্যাখ্যা
প্রথম আদমশুমারি - ১৯৭৪ – ৭.৬৪ কোটি
দ্বিতীয় আদমশুমারি - ১৯৮১ – ৮.৯৯ কোটি
তৃতীয় আদমশুমারি - ১৯৯১ – ১১.১৫ কোটি
চতুর্থ আদমশুমারি - ২০০১ – ১২.৯৩ কোটি
পঞ্চম আদমশুমারি - ২০১১ – ১৫.২৫ কোটি।
দেশ স্বাধীনের আগে ১৯৬১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা ছিলো ৫.৫২ কোটি।
পরবর্তী ষষ্ঠ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হবে ২০২১ সালে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)
১৬,০১২.
বাংলাদেশের সর্বোচ্চ উদ্ভিদের নাম কী?
  1. বৈলাম
  2. ইউক্লিপটাস
  3. শাল
  4. কেওড়া
সঠিক উত্তর:
বৈলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈলাম
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু বৃক্ষ বৈলাম স্থানীয় পর্যায়ে বইলাম নামেও পরিচিত।
- ভৌগোলিকভাবে এটি বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, মিয়ানমার, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়ায় পাওয়া যায়।
- আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংঘের (আইইউসিএন) লাল তালিকায় বৈলাম বিশ্বব্যাপী একটি মহাবিপদাপন্ন প্রজাতির গাছ।
- বন উজাড়, মাতৃবৃক্ষের অপ্রতুলতা ও অতিরিক্ত কাঠ আহরণের ফলে বর্তমানে বাংলাদেশে বৈলাম গাছ দুষ্প্রাপ্য ও বিপন্ন হয়ে পড়েছে। - সাধারণত পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার, কাপ্তাই, বিলাইছড়ির সংরক্ষিত বন ছাড়াও দেশের বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও নার্সারি এটি সংরক্ষণ করছে।

উৎস: i) পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) বণিক বার্তা।

১৬,০১৩.
রাজা পঞ্চম জর্জ কোথায় বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন?
  1. দিল্লিতে
  2. লন্ডনে
  3. ঢাকায়
  4. কলকাতায়
সঠিক উত্তর:
দিল্লিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিল্লিতে
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গের পটভূমি:
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন।
- এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- ১৯০৩ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হলেও শেষ পর্যন্ত ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে এর বাস্তবায়ন হয়।
- এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদাহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ।
- এই প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
- অপরদিকে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী করা হয় কোলকাতাকে।

বঙ্গভঙ্গ রদ:
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে।
- ব্রিটিশ সরকার আন্দোলনকারীদের দমন করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত ১৯১১ খ্রিস্টাব্দে বঙ্গভঙ্গ রহিত করে।
- রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,০১৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ভোটার তালিকার বিধান বর্ণিত আছে?
  1. ১২১ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১২০ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১১৯ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১১৮ নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১২১ নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২১ নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম ভাগ - নির্বাচন অংশে ১২১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ভোটার তালিকার বিধান বর্ণনা করা হয়।
- অনুচ্ছেদ ১২১ নং অনুযায়ী সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করে ভোটার-তালিকা থাকবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করে কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাবে না।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদে ১১৮ - নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদে ১১৯ - নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদে ১২০ - নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,০১৫.
কোন শাসনামলে বাংলায় কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?
  1. গুপ্ত শাসন
  2. সেন শাসন
  3. হাবশী শাসন
  4. পাল শাসন
সঠিক উত্তর:
পাল শাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাল শাসন
ব্যাখ্যা
- পাল শাসনামলে দ্বিতীয় মহীপালের সময়ে উত্তরাধিকার সংক্রান্ত অন্ত:কলহের সময় বাংলায় এক বিদ্রোহ সংঘটিত হয় যা `কৈবর্ত বিদ্রোহ’ নামে পরিচিত।
- কৈবর্ত হলো বরেন্দ্র অঞ্চলের একটি জেলে সম্প্রদায়। ১০৮০ সালে দিব্য এর নেতৃত্বে কৈবর্তরা বরেন্দ্র অঞ্চলে পালদের পরাজিত করে ক্ষমতা দখল করে।
- তবে কৈবর্ত শাসন ছিলো স্বল্পস্থায়ী। ১০৮২ সালে দ্বিতীয় মহীপালের ভাই রামপাল কৈবর্ত শাসক ভীমকে পরাজিত করে বরেন্দ্র অঞ্চলে পাল শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করেন।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : ষষ্ঠ শ্রেণী)
১৬,০১৬.
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহ্বানে ধর্মঘট পালিত হয় কত তারিখে?
  1. ২৯শে ফেব্রুয়ারি
  2. ১১ই মার্চ
  3. ২৬শে ফেব্রুয়ারি
  4. ৯ই মার্চ
সঠিক উত্তর:
১১ই মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ই মার্চ
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলনের ঘটনা প্রবাহ :
- ১৯৪৮ সালের প্রথম থেকেই শিক্ষিত বাঙালি সমাজ বাংলা ভাষার দাবি নিয়ে সোচ্চার হয়ে ওঠে।
- ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলা কংগ্রেস পার্টির সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন
- তিনি বাংলাকেও অধিবেশনের অন্যতম ভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান।
- কিন্তু, মুসলিম লীগের সকল সদস্য এ দাবি প্রত্যাখ্যান করে।
- এ ঘটনায় পূর্ব বাংলার শিক্ষার্থীরা ব্যাপকভাবে প্রতিবাদ করতে থাকে।
- ২৬ ও ২৯শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ সালে ঢাকার সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ধর্মঘট পালিত হয়।
- ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহ্বানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৬,০১৭.
চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স কত করা হয়?
  1. ৬৫ বছর 
  2. ৬৬ বছর 
  3. ৬৭ বছর 
  4. ৬৮ বছর 
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭ বছর 
ব্যাখ্যা

চতুর্দশ সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ বছর করা হয়। 

চতুর্দশ সংশোধনী: 

- চতুর্দশ সংশোধনী আইন সংবিধানের চতুর্দশ সংশোধনী আইন ২০০৪ সালের ১৬ মে সংসদে পাস হয়।
- বিভিন্ন বিধান সংবিধানে যুক্ত হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদে সংরক্ষিত নারী আসন ৩০ থেকে ৪৫ এ উন্নীত করা হয়, যা পরবর্তী দশ বছর পর্যন্ত বলবৎ থাকবে।
- এছাড়াও এই সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরগ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭-তে বর্ধিত করা হয়।
- এর পাশাপাশি এই সংশোধনীতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ছবি তাদের স্ব স্ব কার্যলয়সহ সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান এবং বিদেশে বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহে টানানোর ব্যবস্থা বাধ্যতামূলক করা হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১৬,০১৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী “বাংলাদেশ” এই নামে সরকার কর্তৃক বা সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে?
  1. অনুচ্ছেদ - ১৪৩
  2. অনুচ্ছেদ - ১৪৬
  3. অনুচ্ছেদ - ১৪৫
  4. অনুচ্ছেদ - ১৪৯
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১৪৬
ব্যাখ্যা
১৪৬নং অনুচ্ছেদ: বাংলাদেশের নামে মামলা:
"বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাবে।

অন্যদিকে: 
→ অনুচ্ছেদ - ১৪৩: প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি, 
→ অনুচ্ছেদ - ১৪৫: চুক্তি ও দলিল, 
→ অনুচ্ছেদ - ১৪৯: প্রচলিত আইনের হেফাজত। 

বাংলাদেশের সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় ৷
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর।
- সংবিধানের ভাগ আছে ১১টি।
- সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- তফসিল আছে ৭টি।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,০১৯.
সম্প্রাতি, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ হিসেবে নিযুক্ত হয়েছেন কে?
  1. রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু
  2. নুরুল ইসলাম
  3. রকিবুল ইসলাম বকুল
  4.  জি কে গউছ
সঠিক উত্তর:
নুরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

- জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও ৬ জন হুইপ নিযুক্ত করা হয়েছে।
- বরগুনা-২ (বেতাগী-বামনা-পাথরঘাটা) আসনের সংসদ সদস্য নূরুল ইসলামকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নিযুক্ত করা হয়েছে।
- সোমবার ২ মার্চ ২০২৬) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে নিয়োগ দেয়া হয়।
- যেসব আসনের সংসদ সদস্যরা হুইপ হলেন,
- হবিগঞ্জ-৩ আসনের আলহাজ্ব মোঃ জি কে গউছ,
- খুলনা-৩ আসনের রকিবুল ইসলাম,
- শরীয়তপুর-৩ আসনের মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু,
- নাটোর-২ আসনের এম গ্রহল কুদ্দুস তালুকদার দুলু,
-৪ আসনের মোঃ আখতারুজ্জামান মিয়া ও
- লক্ষীপুর-৪ এ. বি. এম আশরাফ উদ্দিন (নিজান)।

উৎস: প্রথম আল পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]

১৬,০২০.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির মোট সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ৩৩ জন
  2. ৩৪ জন
  3. ৩৫ জন
  4. ৩৬ জন
সঠিক উত্তর:
৩৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৪ জন
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৬,০২১.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' গ্রন্থের ব্রেইল সংস্করণ কোথা থেকে প্রকাশ করা হয়েছে-
  1. ক) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. খ) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. গ) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
খ) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
অসমাপ্ত আত্মজীবনী
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী সংকলন।
- ২০১২ সালের জুনে বইটি দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে প্রকাশিত হয়।
- এ পর্যন্ত ইংরেজি, উর্দু, জাপানি, চিনা, আরবি, ফরাসি, হিন্দি, তুর্কি, নেপালি, স্পেনীয়, অসমীয়া, ইতালীয়,মালয়, কোরীয়, রুশ ,মারাঠি, গ্রিক, থাই এবং সর্বশেষ ত্রিপুরা ভাষায় বইটির অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’-এর ব্রেইল সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন করেছেন।
- প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির জনকের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’তে যেমন তাঁর জীবনগাথা আছে, পাশাপাশি তাঁর সংগ্রামেরও অনেক কথা আছে।
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ গ্রন্থের ছয় খণ্ড ব্রেইল সংস্করণ প্রকাশ করায় প্রধানমন্ত্রী সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধন্যবাদ জানান।

উৎস: প্রথম আলো, ০৭ অক্টোবর, ২০২০।
১৬,০২২.
কত সালে প্রথম 'একুশে পদক' প্রদান করা হয়?
  1. ১৯৭৬ সালে
  2. ১৯৭৭ সালে
  3. ১৯৭৮ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৬ সালে
ব্যাখ্যা
একুশে পদক:
- এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।
- ১৯৭৬ সালে সাহিত্য, সাংবাদিকতা এবং শিক্ষায় মোট ৯ জনকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। পদক প্রাপ্তরা হলেন:
• সাহিত্যে: আবদুল কাদির, কাজী নজরুল ইসলাম, কবি জসীম উদদীন এবং সুফিয়া কামাল।
• সাংবাদিকতায়: আবুল কালাম শামসুদ্দিন, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া ও আবদুস সালাম।
• শিক্ষায় মুহম্মদ কুদরত এ খুদা ও মুহম্মদ মনসুর উদ্দিন।

উল্লেখ্য, একুশে পদক-২০২৫ প্রাপ্ত ব্যক্তি:
⇒ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দলকে ২০২৫ সালের একুশে দেওয়া হয়েছে তাদের মধ্যে ছয়জনই মরণোত্তর এ সম্মাননা পেয়েছেন। পুরস্কার প্রাপ্তরা -
- চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।
- সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
- আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
- সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম।
- শিক্ষায় নিয়াজ জামান।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান, রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
- ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।
- গবেষণায় মঈদুল হাসান।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১৬,০২৩.
রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয় সংবিধানের যে সংশোধনীর মাধ্যমে -
  1. দ্বিতীয়
  2. চতুর্থ
  3. অষ্টম
  4. চতুর্দশ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ
ব্যাখ্যা
চতুর্থ সংশোধনী:
- ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি এ সংশোধনীর মাধ্যমেই বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন ঘটানো হয়।
- চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় পদ্ধতি পরিবর্তন করে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা চালু করা হয়;

এছাড়াও,
- একদলীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন করা; রাষ্ট্রপতি ও সংসদের মেয়াদ বৃদ্ধি এবং রাষ্ট্রপতি অপসারণ পদ্ধতি জটিল করা; সংসদকে একটি ক্ষমতাহীন বিভাগে পরিণত করা; মৌলিক অধিকার বলবৎ করার অধিকার বাতিল করা; বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে খর্ব করা ও উপ-রাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টি করা হয়।
- ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বাতিল হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,০২৪.
(প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক ছিলো)
বাংলাদেশের অষ্টম জাতীয় সংসদে কোন সদস্য নিজেই নিজের কাছে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন?
  1. বেগম খালেদা জিয়া
  2. শেখ হাসিনা
  3. জমির উদ্দীন সরকার
  4. আবদুল হামিদ
সঠিক উত্তর:
আবদুল হামিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল হামিদ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথনামা সংবিধানের ‘তৃতীয় তফসিল’ – এ লিপিবদ্ধ রয়েছে।
- সে অনুযায়ী প্রত্যেক নির্বাচিত ব্যক্তি বিদায়ী স্পিকার বা তার অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকারের সামনে শপথ গ্রহণ এবং শপথ নামায় স্বাক্ষর করেন। 
- সংসদ সদস্যগণ বিদায়ী স্পিকারের কাছে শপথ গ্রহণ করবেন। 
- যেহেতু আবদুল হামিদ নিজেই বিদায়ী স্পিকার ছিলেন।
- তাই তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদে নিজেই নিজের কাছে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন। 
- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী নিজেই নিজের শপথবাক্য পাঠ করেছেন।
 
সূত্র: দৈনিক পত্রিকাসমূহ। 
১৬,০২৫.
কোন মুঘল সম্রাট তার শাসনকালে বাংলায় প্রতিষ্ঠা লাভে ব্যর্থ হয়েছিল?
  1. ক) সম্রাট হুমায়ুন
  2. খ) সম্রাট আকবর
  3. গ) সম্রাট জাহাঙ্গীর
  4. ঘ) সম্রাট আওরঙ্গজেব
সঠিক উত্তর:
ক) সম্রাট হুমায়ুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সম্রাট হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
আফগান নেতা শের শাহ হুমায়ুনের রাজত্বকালে ১৫৩৭ সালে দুইবার বাংলা আক্রমন করেন। পরবর্তীতে হুমায়ুন শের খানকে বাংলা থেকে বিতারিত করে রাজধানী গৌড়ে ৬ মাস অবস্থান করেন। পরে প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের খবর পেয়ে দিল্লী যাত্রা করেন। চৌসা পৌছালে অপ্রস্তুত হুমায়ুনের বাহিনীকে শের খান এই সময় আক্রমণ ও পরাজিত করে (১৫৩৯)। যুদ্ধে জয়লাভ করে শের খান নিজেকে বিহারের স্বাধীন সুলতান ঘোষনা করেন। ১৫৪০ সালে বাংলায় মুঘল শাসনকর্তা আলী কুলী খানকে পরাজিত করে শের খান বাংলা দখল করে নেন। এই বছরেই কনৌজের যুদ্ধে মুঘল সম্রাট হুমায়ুন কে চুড়ান্ত রূপে পরাজিত করে শের খান দিল্লীর সিংহাসন দখল করে নেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণীর বোর্ড বই।
১৬,০২৬.
আগরতলা পরিকল্পনা ফাঁসকারী কে?
  1. ক) শামসুল আলম
  2. খ) টি. এইচ. খান
  3. গ) মোয়াজ্জেম হোসেন
  4. ঘ) আমীর হোসেন
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমীর হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আমীর হোসেন
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় ৩ জানুয়ারি, ১৯৬৮ সালে।
স্বাধীনতার পরিকল্পনা ফাঁস করেন- পাকিস্তান ইন্টার ইন্টেলিজেন্সের সদস্য আমির হোসেন। এই মামলার দ্বিতীয় প্রধান আসামি লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন (তিনি আগরতলা পরিকল্পনার প্রধান নেতা)।
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার মোট আসামি ছিল ৩৫ জন। এই মামলা প্রত্যাহার করা হয় ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে।
২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ সালে তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে) শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেন।
উৎসঃ বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
১৬,০২৭.
নিচের কোনটি ‍মুক্তিবাহিনীর ব্রিগেড ছিল না?
  1. জেড ফোর্স
  2. এস ফোর্স
  3. কে ফোর্স
  4. এন ফোর্স
সঠিক উত্তর:
এন ফোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এন ফোর্স
ব্যাখ্যা

• নিচের কোনটি ‍মুক্তিবাহিনীর ব্রিগেড ছিল না- এন ফোর্স।

• জেড ফোর্স:

- জেড ফোর্স  নামে পরিচিত মুক্তিবাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- এই ব্রিগেডের কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষর ‘জেড’ অনুসারে ব্রিগেডটির নামকরণ করা হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

•এস ফোর্স:
‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন সফিউল্লাহ।

• কে ফোর্স:
 -‘কে ফোর্স’ ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে গঠিত হয়।
- এ ব্রিগেডের অধিনায়ক ছিলেন খালেদ মোশাররফ।
- এই ব্রিগেডের কমান্ডার খালেদ মোশাররফের নামের ইংরেজি আদ্যক্ষর ‘কে’ অনুসারে ব্রিগেডটির নামকরণ করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬,০২৮.
'বিজু' বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর উৎসব?
  1. গারো
  2. চাকমা
  3. সাঁওতাল
  4. মারমা
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা

বিজু উৎসব:
- বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে চাকমা ও তঞ্চঙ্গ্যারা যে উৎসব করে তাকে বিজু বলে।
- এই উৎসব পালিত হয় পহেলা বৈশাখে বা নববর্ষে।
- এই উৎসবের মুখ্য উদ্দেশ্য হলো পুরনো বছরকে বিদায় জানানো এবং নতুন বছরকে সাদরে গ্রহণ করা।
- চৈত্র মাসের শেষ দুই দিন এবং পহেলা বৈশাখ নিয়ে মোট তিন দিন ধরে বিজু উৎসব চলে।
- বিজু উৎসবে তিন দিনের আলাদা নামকরণ হয়েছে।
- প্রথম দিন ফুলবিজু, দ্বিতীয় দিন মূলবিজু এবং তৃতীয় দিন গজ্যাপজ্যা।
- বছরের শেষ অর্থাৎ চৈত্র মাসের ২৯ তারিখে ‘ফুল বিজু’।
- চৈত্র মাসের শেষ দিন অর্থাৎ ৩০ তারিখে পালন করা হয় মূলবিজু।
- বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পালন করা হয় গজ্যাপজ্যা (গড়িয়ে পড়ার দিন)।

উল্লেখ্য,
- উৎসবটিকে চাকমারা বিজু হিসেবে পালন করলেও মারমারা সাংগ্রাই, ত্রিপুরারা বৈসুক নামে পালন করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৬,০২৯.
একাডেমি কত সাল থেকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বইমেলা আয়োজন করে আসছে?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৭
  3. ১৯৭৮
  4. ১৯৮৩
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩
ব্যাখ্যা
বইমেলা:

- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বাংলা ভাষার জন্য যারা জীবন দিয়েছেন, তাদের ত্যাগকে জাগরূক রাখতে এই মেলার নামকরণ করা হয় ‘অমর একুশে গ্রন্থমেলা’।
- সে কারণে পুরো ফেব্রুয়ারি মাস ধরে এর আয়োজন।  
- ১৯৭২ সালের ৮  ফেব্রুয়ারি জনপ্রিয় প্রকাশক চিত্তরঞ্জন সাহা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণের বটতলায় কলকাতা থেকে আনা নিজের প্রকাশিত কিছু বই নিয়ে মেলার সূচনা করেন।
- ১৯৭২ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত স্বল্পপরিসরে মেলা চলতে থাকে।
- ১৯৭৮ সালে বাংলা একাডেমির তৎকালীন মহাপরিচালক  বাংলা একাডেমিকে বইমেলার সঙ্গে সমন্বিত করেন।
- ১৯৮৩ সালে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক কাজী মনজুরে মওলা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে বইমেলার আয়োজনের দায়দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- কিন্তু এরশাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের তোড়ে সে বছর মেলা অনুষ্ঠিত হয়নি।
- ১৯৮৪ সাল থেকে পুরো উদ্যমে মেলা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।
- বাংলা একাডেমি চত্বরে জায়গা না হওয়ায় ২০১৪ সাল থেকে বইমেলা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পর্যন্ত সম্প্রসারিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক জনকন্ঠ, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
১৬,০৩০.
মুসলমান নারী কর্তৃক লিখিত প্রথম বাংলা সাহিত্যকর্ম ‘রূপজালাল’–এর লেখক –
  1. বেগম রোকেয়া
  2. নুরুন্নেসা খাতুন বিদ্যাবিনোদিনী
  3. নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরী
ব্যাখ্যা
নওয়াব ফয়জুন্নেসা:
- অবিভক্ত ভারতীয় রক্ষণশীল মুসলিম নারীদের মধ্যে এক উজ্জল নক্ষত্র নওয়াব ফয়জুন্নেসা সততা, মহানুভবতা, সাহিত্য সাধনা ও সমাজসেবার ক্ষেত্রে অনন্য ভূমিকা রেখে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
- জনকল্যাণে তাঁর অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ইংল্যান্ডের তৎকালীন মহারানী ভিক্টেরিয়া তাকে নওয়াব উপাধিতে ভূষিত করেন।
- ১৮৩৪ সালে ত্রিপুরা জেলার (বর্তমানে কুমিল্লা) লাকসাম থানার পশ্চিমগাঁও গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম জমিদার পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।
- স্বীয় প্রতিভা বলে দ্রুত বিদুষী হিসেবে প্রসিদ্ধি লাভ করেন।
- দানবীর হাজী মোঃ মুহসীনের জনহিতকর কার্যবলীর সাথে তাঁর দানশীলতাকে তুলনা করা যেতে পারে।
- তিনিই এক মাত্র ভারতীয় মহিলা যিনি ব্রিটিশ কর্তৃক ভারতীয়দের জন্য দেওয়া শ্রেষ্ঠতম সম্মান নওয়াব উপাধি লাভ করেন।

তাঁকে নারী শিক্ষার অগ্রদূত বলা যায়:
- নারী শিক্ষার জন্য নিজ গ্রামে এম. ই. স্কুল, কুমিল্লায় ফয়জুন্নেসা গার্লস হাই স্কুল ও একটি পাঠশালা, পশ্চিমগাঁও এ স্বীয় কন্যার নামে বদরুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয় তাঁর অমর কীর্তি।পশ্চিমগাঁও এ স্বীয় কন্যার নামে বদরুন্নেসা উচ্চ বিদ্যালয় তাঁর অমর কীর্তি।
- কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ স্থাপনেও তিনি সাহায্যের হাত বাড়ায়।

সহিত্য সাধনা:
- তাঁর সাহিত্য কর্মের অন্যতম নিদর্শণ রূপজালাল বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে কোন মুসলমান মহিলা প্রকাশিত ১৮৭৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারী প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

উৎস: সমাজকল্যাণ ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,০৩১.
নৃতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ প্রধানত কোন নরগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?
  1. অস্ট্রিক
  2. দ্রাবিড়
  3. মঙ্গোলীয়
  4. অ্যালপাইন
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা
- নৃতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের মানুষ প্রধানত অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।

বাঙালি জাতির নরগোষ্ঠীগত পরিচয়:
- বাঙালির ইতিহাস (আদিপর্ব) গ্রন্থে নীহাররঞ্জন রায় উল্লেখ করেছেন, বাঙালির নৃগোষ্ঠী গঠনে আদি অস্ট্রেলীয় ও দ্রাবিড় প্রভাবের পাশাপাশি আর্যপ্রভাবও রয়েছে।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন সময়ে মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর আগমন ঘটে যারা রংপুর, সিলেট, ময়মনসিংহ ও পার্বত্য চট্টগ্রামে বসতি স্থাপন করেছিল।
- বাংলাদেশে বিভিন্ন সময় অনেক বহিরাগত রাজবংশ যেমন- সেন, বর্মণ, খড়গ ও চন্দ্র বাঙালির দৈহিক কাঠামোতে প্রভাব ফেলেছে।
- এছাড়া তুর্কি, পাঠান, মোঘল, ইরানি, আবিসিনীয় ও আরবীয় রক্তের ধারাও বাঙালির ধমনিতে প্রবহমান।
- ষোড়শ শতাব্দীতে বহিরাগত ইংরেজ, পর্তুগীজ, ডাচ, ফরাসি, দিনেমার এবং আরাকানের মগ জলদস্যুদের প্রভাবও বাঙালির রক্তে বিদ্যমান।
- এসবের দীর্ঘ ও পর্যায়ক্রমিক সংমিশ্রনে বাংলাদেশে সংকর বা মিশ্র জনগোষ্ঠী গড়ে উঠেছে।
- সংকর জাতি হওয়া সত্ত্বেও বাঙালির স্বকীয় দৈহিক বৈশিষ্ট্য লক্ষ করা যায়।
- বাঙালির লম্বা প্রকৃতির মাথা, কালো চুল, চোখের মণি বাদামি বা কালো, গায়ের রং কালো-বাদামি, মাঝারি দৈহিক উচ্চতা, মুখাকৃতি লম্বা, মধ্যমাকৃতির নাসিকা এবং মুখে দাড়ি-গোঁফের প্রাচুর্য স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের পরিচয় বহন করে।
- নৃতাত্ত্বিকদের মতে, এ বৈশিষ্ট্য অনেকটাই অস্ট্রিক প্রভাবিত।
- বাঙালির সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও অস্ট্রিক ভাষার প্রকট প্রভাব রয়েছে।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,০৩২.
'বিচারক-নিয়োগ' বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত?
  1. ৯৪ নং অনুচ্ছেদ
  2. ৯৫ নং অনুচ্ছেদ
  3. ৯৬ নং অনুচ্ছেদ
  4. ৯৭ নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৯৫ নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৫ নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ সমূহ:

- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।
- অনুচ্ছেদ ১০১ - হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
- অনুচ্ছেদ ১০২ - কতিপয় আদেশ ও নির্দেশ প্রভৃতি দানের ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,০৩৩.
SEZ-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Standard Economic Zone
  2. Special Economic Zone
  3. Strategic Economic Zone
  4. Sustainable Economic Zone
সঠিক উত্তর:
Special Economic Zone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Special Economic Zone
ব্যাখ্যা

SEZ:
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.

⇒ একটি দেশের নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত সেই সকল অঞ্চল যেগুলি দেশের আন্যান্য অঞ্চলের তুলজ অর্থনীতি ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে প্রচলিত সরকারী নীতি নিয়মের ব্যাপারে অধিক সুযোগ সুবিধা ভোগ করে তাদের SEZ বলে।
- উদ্দেশ্য:
(i) দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি করা,
(ii) রপ্তানী বৃদ্ধি করা,
(iii) সরকারী নিয়মনীতির জটিলত নেই বলে বিনিয়োগকারীদের উৎসাহ বোধ করা।
(iv) উৎপাদনমূলক ও পরিষেবামূলক শিল্পে সুলঙ্গে আন্তর্জাতিক গুণমানের পণ্য উৎপাদন করা।
(v) সহজে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা ও দেশের অর্থনৈতি উন্নতি তরান্বিত করা।

উৎস: BSEZ ওয়েবসাইট।

১৬,০৩৪.
'Transparency International Bangladesh (TIB)' কী ধরনের সংগঠন?
  1. সুশীল সমাজের অংশ
  2. সরকারি প্রতিষ্ঠান
  3. রাজনৈতিক দল
  4. উন্নয়ন সংস্থা
সঠিক উত্তর:
সুশীল সমাজের অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুশীল সমাজের অংশ
ব্যাখ্যা
- 'Transparency International Bangladesh (TIB)' সুশীল সমাজের অংশ। 
- টিআইবি একটি নির্দলীয়, অলাভজনক এবং স্বাধীন সংস্থা যা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য নিবেদিত যেখানে সরকার, রাজনীতি, ব্যবসা, নাগরিক সমাজ এবং দৈনন্দিন জীবন থেকে দুর্নীতি নির্মূল করা হবে।
- টিআইবি দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ কল্পনা করে।
- এটি সচেতনতা বৃদ্ধি, সততা বৃদ্ধি এবং উন্নত সমাজের জন্য নীতিগত পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি অর্জনের চেষ্টা করে।
- টিআইবি নাগরিকদের দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে, পদক্ষেপ নিতে এবং সুশাসন ও স্বচ্ছতার জন্য সরকারকে জবাবদিহি করতে সক্ষম করার জন্য গবেষণা তথ্য, অ্যাডভোকেসি রিসোর্স এবং নাগরিক সম্পৃক্ততা ব্যবহার করে।

উৎস: TIB Website
১৬,০৩৫.
ব্রিটিশ শাসনামলে প্রথম গোল টেবিল বৈঠক কত খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১৯২৯ সালে
  2. খ) ১৯৩০ সালে
  3. গ) ১৯৩১ সালে
  4. ঘ) ১৯৩২ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
প্রথম গোলটেবিল বৈঠক:
- গোল টেবিল বৈঠকের প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দের ১২ নভেম্বর
- অধিবেশনে বৃটেনের রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষে ১৬, ভারতীয় রাজন্যবর্গের পক্ষে ১৩ এবং বৃটিশ শাসিত ভারত থেকে ৫৭ জন সহ সর্বমোট ৮৯ জন সদস্য যোগ দেন।
- কংগ্রেস এ অধিবেশনে যোগ দেয় নি।
- উপস্থিত ভারতীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে অনুন্নত সম্প্রদায়ের নেতা ড. আম্বেদকার, মুসলিম লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ এবং তেজ বাহাদুর সাপ্রু বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী রামজে মেকডোনাল্ড এ বৈঠকে কতগুলো সংবিধানিক প্রস্তাব দেন; তার মধ্যে
১. ভারতে যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকার গঠন,
২ - প্রদেশগুলোতে দায়িত্বশীল সরকার এবং
৩. কেন্দ্রে আংশিক দায়িত্বশীল সরকার গঠন সংক্রান্ত প্রস্তাবগুলো অন্যতম। 

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,০৩৬.
বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা চালু হয় কততম সংশোধনীর মাধ্যমে ?
  1. ক) ৮
  2. খ) ১১
  3. গ) ১২
  4. ঘ) ১৪
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২
ব্যাখ্যা

দ্বাদশ সংশোধনী
শিরোনাম - সংবিধান [দ্বাদশ সংশোধন] আইন, ১৯৯১।
উত্থাপনকারী - প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া।
সংসদে পাশের তারিখ - ৬ আগস্ট, ১৯৯১।
বিষয়বস্তু - রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার প্রবর্তন।
উপ-রাষ্ট্রপতি ও উপ-প্রধানমন্ত্রী পদগুলো বাতিল ঘোষণা।
দ্বাদশ সংশোধনীকে চতুর্থ সংশোধনীর বিপরীত সংশোধনী বলা হয়।
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি

১৬,০৩৭.
পরিবেশবাদী আইনজীবী সংগঠন 'BELA' এর পূর্ণরূপ-
  1. Bangladeshi Environmental Legal Alliance
  2. Bangladesh Ecology and Legal Association
  3. Bangladesh Environmental Lawyers Association
  4. Bangladesh Environmental Legal Association
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Environmental Lawyers Association
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Environmental Lawyers Association
ব্যাখ্যা
BELA:
- পূর্ণরূপ: Bangladesh Environmental Lawyers Association.
- বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (BELA) একটি পরিবেশ বিষয়ক আইনজীবীদের সংগঠন।
- এটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাতা মহিউদ্দিন ফারুক এবং বর্তমান নির্বাহী পরিচালক সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
- BELA প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে পরিবেশ আইনের বাস্তবায়ন ও পরিবেশ সুরক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করা।
- BELA টেংরাটিলা গ্যাসফিল্ডে বিস্ফোরনের কারণে নাইকোর বিরুদ্ধে মামলা করে।

উৎস: বেলা ওয়েবসাইট, পত্রিকা রিপোর্ট। 
১৬,০৩৮.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে মোট চালু কারখানা রয়েছে- 
  1. ১১ টি 
  2. ১৩ টি 
  3. ১৫ টি 
  4. ১৬ টি 
সঠিক উত্তর:
১১ টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ টি 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১ টি চালু কারখানা আছে।
- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার।
- তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে।
- উল্লেখ্য যে, ১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে সারা দেশে কৃষকদের মাঝে সার বিতরনের মত স্পর্শকাতর বিষয়টি বিসিআইসি’র উপর ন্যাস্ত হয়।
- বিসিআইসি অত্যন্ত আস্তা এবং সফলতার সাথে এই গুরু দয়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

⇒ চালু সার কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা।
• ১টি ডিএপি সার কারখানা।
• ১টি টিএসপি সার কারখানা।
• ১টি কাগজ কারখানা।
• ১টি সিমেন্ট কারখানা।
• ১টি গ্লাসশীট কারখানা।
• ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে।

উল্লেখ্য ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা হলো -
- চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, 
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ,
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী ।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।

১৬,০৩৯.
বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশের রাজধানী কোথায় নির্ধারণ করা হয়?
  1. কলকাতা
  2. ঢাকা
  3. চট্টগ্রাম
  4. রাজশাহী
  5. মালদাহ 
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ ও নতুন প্রদেশ সৃষ্টি:
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করে দুটি প্রদেশ করা হয়।
- প্রধানত প্রশাসনিক প্রয়োজন এবং সেই সাথে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বিশাল আয়তনের বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করেন। 
- পূর্ব বঙ্গের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের সাথে জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা, মালদাহ ও আসামকে যুক্ত করে পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়।
- নতুন প্রদেশের আয়তন দাঁড়ায় ১০৬,৫৪০ বর্গমাইল।
- জনসংখ্যা ৩ কোটি ১০ লক্ষ।
- এর মধ্যে ১ কোটি ৮০ লক্ষ ছিল মুসলমান।
- নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয় ঢাকা এবং অনুসঙ্গী সদর দপ্তর চট্টগ্রামে।

অন্য দিকে -
- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে আরেকটি প্রদেশ হয়।
- এর নামকরণ করা হয় বাংলা প্রদেশ।
- বাংলা প্রদেশের রাজধানী করা হয় কলকাতা।

উল্লেখ্য,
- নতুন প্রদেশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় তারা কার্জনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।
- অন্যদিকে উচ্চ বর্ণের হিন্দুরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।
- কংগ্রেস এর বিরুদ্ধে একটি তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে।
- শেষ পর্যন্ত সরকার ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করে ।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৬,০৪০.
বাংলাদেশে সাধারনত কয় প্রকার পাট চাষ করা হয়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
সঠিক উত্তর:
ক) ২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সাধারনত দুই প্রকার পাট চাষ করা হয় - দেশি এবং তোষা পাট।
রংপুর, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুমিল্লা, যশোর, ঢাকা, কুষ্টিয়া, জামালপুর, টাঙ্গাইল, পাবনা প্রভৃতি জেলায় পাট চাষ ভাল হয়।
সূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণীর ভূগোল ও পরিবেশ বোর্ড বই।
১৬,০৪১.
১৯৫৮ সালে আইয়ুব খান তাঁর ক্ষমতা দখলকে কী বলে আখ্যায়িত করেছেন?
  1. আগস্ট বিপ্লব
  2. জুলাই বিপ্লব
  3. নভেম্বর বিপ্লব
  4. অক্টোবর বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্টোবর বিপ্লব
ব্যাখ্যা
আইয়ুব খানের ক্ষমতা দখল (১৯৫৮):
- পূর্বেই উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দর মির্জা ছিলেন গণতন্ত্র বিরোধী।
- গণতন্ত্র ধ্বংসে তাঁর অপতৎপরতার অন্যতম সহযোগী ছিলেন প্রধান সেনাপতি আইয়ুব খান।
- কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাসে তাঁর একান্ত পার্শ্বচর আইয়ুব খানের হাতেই তাঁর ভাগ্য বিপর্যয় ঘটে।
- সামরিক শাসন জারির ২১ দিন পরেই আইয়ুব খান ইস্কান্দর মির্জাকে ক্ষমতাচ্যুত এবং দেশ ত্যাগে বাধ্য করেন।
- ১৯৫৮ সালের ২৭ আক্টোবর আইয়ুব খান নিজেকে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করেন।
- একই সংগে তিনি প্রধান সেনাপতি ও প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক পদে বহাল থাকেন।
- আইয়ুব খান তাঁর ক্ষমতা দখলকে অক্টোবর বিপ্লব বলে আখ্যা দেন।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,০৪২.
বিবিএসের তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশে ৫ বছরের নিচে প্রতি হাজারে জীবিত জন্মে শিশু মৃত্যুহার কত?
  1. ক) ৩৫
  2. খ) ৩০
  3. গ) ২৮
  4. ঘ) ২৩
সঠিক উত্তর:
গ) ২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৮
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশে ৫ বছরের নিচে প্রতিহাজারে জীবিত জন্মে শিশু মৃত্যুহার ২৮। ২০১৮ সালে এই হার ছিলো ২৯। অন্যদিকে, এক বছরের নিচে প্রতি হাজারে শিশু মৃত্যুহার ২১ এবং এক মাসের কম বয়সের শিশুমৃত্যু হার প্রতিহাজারে ১৫।
(সূত্রঃ বিবিএস SVRS Report-2019)
১৬,০৪৩.
মহাখালী ফ্লাইওভারে কতটি স্প্যান আছে?
  1. ক) ১৭টি
  2. খ) ১৮টি
  3. গ) ১৯টি
  4. ঘ) ২১টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯টি
ব্যাখ্যা
- নির্মাণ সমাপ্তির দিক থেকে মহাখালী ফ্লাইওভার দেশের প্রথম ফ্লাইওভার।
- মহাখালী ফ্লাইওভার উদ্ধোধন করা হয় ৪ নভেম্বর ২০০৪ ।
- দৈর্ঘ্য ১০১২ মিটার, প্রস্থ ১৭.৯ মিটার, মোট পাইল ১৮ টি, মোট স্প্যান ১৯ টি ।
- এর নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান চায়না ফাস্ট মেটার্লজিক্যাল কনস্ট্রাকশন কর্পোরেশন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬,০৪৪.
বাংলাদেশের প্রথম নদীনির্ভর টার্মিনাল 'পানগাঁও' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. তিস্তা
  2. যমুনা
  3. মেঘনা
  4. বুড়িগঙ্গা
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা

পানগাঁও টার্মিনাল:
- বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে কেরানীগঞ্জে অবস্থিত দেশের প্রথম নদীনির্ভর টার্মিনাল পানগাঁও ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো (আইসিডি)।
- ২০১৩ সালের শেষ দিকে এই টার্মিনাল উদ্বোধন করা হয়।
- প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এ টার্মিনাল বছরে ১ লাখ ১৬ হাজার টুয়েন্টি-ফুট ইকুইভালেন্ট ইউনিটস (টিইইউএস) কনটেইনার হ্যান্ডল করার সক্ষমতা নিয়ে চালু হয়েছিল।
- তবে বর্তমানে টার্মিনালটির ব্যবহার হচ্ছে সক্ষমতার ২০ শতাংশেরও কম।

সম্প্রতি,
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় কনটেইনার পরিবহনকারী প্রতিষ্ঠান মেডিটেরেনিয়ান শিপিং কোম্পানি (এমএসসি) পানগাঁও আইসিডি আধুনিকায়ন ও পরিচালনার জন্য ৪০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে।

তথ্যসূত্র- দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। [link]

১৬,০৪৫.
সংবিধান সংশোধনী বিলে রাষ্ট্রপতিকে কত দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়?
  1. ০৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১২ দিন
  4. ১৫ দিন
সঠিক উত্তর:
০৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০৭ দিন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনী সংক্রান্ত কোন বিল পাসের জন্যে সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সম্মতি প্রয়োজন।
- বিল পাসের পর এতে রাষ্ট্রপতিকে ৭ দিনের মধ্যে স্বাক্ষর করতে হয়। এই সময়সীমার মধ্যে রাষ্ট্রপতি স্বাক্ষর না করলে রাষ্ট্রপতি বিলে স্বাক্ষর করেছেন বলে ধরে নেওয়া হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
১৬,০৪৬.
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল -বিএনপির বর্তমান চেয়ারপার্সন কে? (জুন-২০২৫)
  1. জনাব তারেক রহমান
  2. বেগম খালেদা জিয়া
  3. মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
  4. জোবাইদা রহমান
সঠিক উত্তর:
বেগম খালেদা জিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম খালেদা জিয়া
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি):
- বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।
- রমনা বটমূলের খোলা চত্ত্বরে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৭৮ ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবদী দল (বিএনপি)’ নামে এই নতুন রাজনৈতিক দলের ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট জিয়া।
- বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য, গণতন্ত্র, ধর্মীয় মূল্যবোধ, মুক্তবাজার অর্থনীতি ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা দলটির অন্যতম মূলনীতি।
- বিএনপির বর্তমান চেয়ারপার্সন : বেগম খালেদা জিয়া। (জুন-২০২৫)
- মহাসচিব : মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

উৎস: বিএনপি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৬,০৪৭.
আলাউদ্দিন হুসেন শাহ সিংহাসনে আরোহণ করেন কত সালে?
  1. ক) ১৪৫৩ খ্রিস্টাব্দে
  2. খ) ১৪৮১ খ্রিস্টাব্দে
  3. গ) ১৪৯০ খ্রিস্টাব্দে
  4. ঘ) ১৪৯৩ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪৯৩ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৪৯৩ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
- বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে হুসেন শাহি বংশের শাসনামল ছিলো সবচেয়ে গৌরবময়। ১৪৯৩ সালে আলাউদ্দিন হুসেন শাহ এই বংশের শাসনামলের সূচনা করেন।
- তিনি ১৪৯৩ সাল থেকে ১৫১৯ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত দক্ষতার সাথে বাংলা শাসন করেন। তাকে হুসেন শাহী বংশের শ্রেষ্ঠ সুলতান বিবেচনা করা হয়।
- হাবসি শাসনে বিপর্যস্ত বাংলায় তিনি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হন। ১৫৩৮ সাল পর্যন্ত হুসেন শাহি বংশ বাংলা শাসন করে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৬,০৪৮.
বাংলাদেশে কতটি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে? (মে, ২০২৫)
  1. ৬১টি
  2. ৬২টি
  3. ৬৩টি
  4. ৬৪টি
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৬২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬২টি
ব্যাখ্যা
[প্রশ্নে ভাষাগত সমস্যা থাকায় লাইভ পরীক্ষা চলাকালে প্রশ্ন সংশোধন করা হয়েছে] 

- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের ব্যাংকিং শিল্প যাত্রা শুরু করে ৬টি জাতীয়করণকৃত বাণিজ্যিক ব্যাংক, ৩টি রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক এবং ৯টি বিদেশী ব্যাংক দিয়ে।
- ১৯৮০-এর দশকে বেসরকারি ব্যাংকের প্রবেশের মাধ্যমে ব্যাংকিং শিল্প উল্লেখযোগ্যভাবে প্রসার লাভ করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্যাংকগুলি মূলত দুই ধরণের :

তফসিলি ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২ এর অধীনে রক্ষিত ব্যাংকের তালিকায় থাকা ব্যাংকগুলি।
- বাংলাদেশে ৬২টি তফসিলি ব্যাংক রয়েছে যারা বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে কাজ করে।

অ-তফসিলি ব্যাংক:
- যে ব্যাংকগুলি বিশেষ এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যের জন্য প্রতিষ্ঠিত এবং কোনও আইনের অধীনে পরিচালিত হয় কিন্তু তফসিলি ব্যাংক নয়। এই ব্যাংকগুলি তফসিলি ব্যাংকের সমস্ত কার্য সম্পাদন করতে পারে না।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১৬,০৪৯.
সম্প্রতি, বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) সভাপতি পদে প্রার্থী হিসেবে কাকে মনোনীত করেছেন? 
  1. মোঃ তৌহিদ হোসেন 
  2. ড. খলিলুর রহমান
  3. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. আব্দুল মোমেন
সঠিক উত্তর:
ড. খলিলুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. খলিলুর রহমান
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে ফিলিস্তিন।
- এর ফলে আগামী জুন মাসে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বাংলাদেশের সঙ্গে সাইপ্রাসের।
- প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে নির্বাচনের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানকে মনোনীত করেছেন।
- সময়: ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। 

উল্লেখ,
- ঠিক চার দশক পর বাংলাদেশ পুনরায় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে নির্বাচন করতে যাচ্ছে।
- ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন বাংলাদেশের তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী।
- আর ২০২৬-২৭ মেয়াদে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য নির্ধারিত ওই পদে নির্বাচনের জন্য শেষ মুহূর্তে প্রার্থিতা ঘোষণা করেছিল ফিলিস্তিন।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ। [লিঙ্ক]

১৬,০৫০.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতিকে রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান করা হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. দ্বাদশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. ষোড়শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বাদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
দ্বাদশ সংশোধনী:
- রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা পাল্টিয়ে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি পুনরায় প্রবর্তন করা হয় দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে।
- ১৯৯১ সালের ৬ই অগাষ্ট সংসদে সংশোধনীটি পাস হয়।

দ্বাদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু:
১. রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সাংবিধানিক প্রধান হন।
২. প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রধান নির্বাহী বা সরকার প্রধান হন।
৩. প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিপরিষদ জাতীয় সংসদের কাছে দায়বদ্ধ হয়।

উল্লেখ্য:
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদের পরিবর্তে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবর্তিত হয়।
- ত্রয়োদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন।
- ষোড়শ সংশোধনীর মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৬,০৫১.
স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত ‘চরমপত্র’ এর কথক ছিলেন কে?
  1. এম আর আখতার হামিদ
  2. কামাল লোহানী
  3. এম আর আখতার মুকুল
  4. আবদুল হান্নান
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
• এম. আর আখতার মুকুল(১৯২৯-২০০৪):
- এম আর আখতার মুকুল সাংবাদিক, লেখক, সম্পাদক এবং মুক্তিযুদ্ধের সময় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত সাড়া জাগানো অনুষ্ঠান ‘চরমপত্র’-এর কথক।
- তাঁর জন্ম ১৯২৯ সালের ৯ আগস্ট বগুড়া জেলার মহাস্থানগড়ের অন্তর্গত চিংগাসপুর গ্রামে।
- ১৯৮৭ সালে দেশে ফিরে তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র সম্পাদনার দ্বিতীয় পর্যায়ে কিছুদিন কাজ করেছেন।পরে তিনি ঢাকায় সাগর পাবলিশার্স নামে একটি প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
- এ সংস্থাসহ বিভিন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁর রচিত ৬০টিরও বেশি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে।

• এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
- পল্লী এক্সপ্রেস (অনুবাদ, ১৯৬০),
- রূপালী বাতাস (১৯৭২),
- রূপালী বাতাস সোনালী আকাশ (১৯৭৩),
- মুজিবের রক্তলাল (১৯৭৬),
- ভাসানী মুজিবের রাজনীতি (১৯৮৪),
- পঞ্চাশ দশকে আমরা ও ভাষা আন্দোলন (১৯৮৫),। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৬,০৫২.
উচ্চ ফলনশীল গমের জাত কোনটি?
  1. চমক
  2. প্রতিভা
  3. তাহেরপুরী
  4. প্রগতি
সঠিক উত্তর:
প্রতিভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিভা
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১৬,০৫৩.
১৯৪৭ সালে ‘বৃহত্তর বাংলা বা স্বাধীন-সার্বভৌম অখণ্ড বাংলা’ রাষ্ট্রের পক্ষে কোন চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) বাংলা চুক্তি
  2. খ) লাহোর চুক্তি
  3. গ) বেঙ্গল প্যাক্ট চুক্তি
  4. ঘ) বসু-সোহরাওয়ার্দী চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বসু-সোহরাওয়ার্দী চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বসু-সোহরাওয়ার্দী চুক্তি
ব্যাখ্যা
১৯৪৭ সালে হােসেন শহীদ সােহরাওয়ার্দী যুক্ত বাংলার প্রস্তাব উত্থাপন করেন। এ প্রস্তাবের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নেন শরৎচন্দ্র বসু। প্রস্তাবটি উপমহাদেশের ইতিহাস ‘বসু-সােহরাওয়ার্দী’ প্রস্তাব নামে খ্যাত।
১৯৪৭ সালের ২০শে মে কোলকাতায় স্বাধীন-সার্বভৌম অখণ্ড বাংলা রাষ্ট্রের পক্ষে এক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যা বসু-সােহরাওয়ার্দী চুক্তি নামে পরিচিত।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৬,০৫৪.
রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে সংসদ নির্বাচনে কত শতাংশ ভোট পেতে হয়?
  1. ৩%
  2. ৫%
  3. ৭%
  4. ১০%
সঠিক উত্তর:
৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫%
ব্যাখ্যা

• রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের শর্ত:
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে চাইলে তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করতে হবে।
- প্রথমত, স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত কোনো সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে কমপক্ষে একটি আসনে বিজয়;
- দ্বিতীয়ত, ওই সব নির্বাচনে দলটির প্রার্থীরা যেসব আসনে অংশ নিয়েছেন, সেসব আসনে মোট ভোটের পাঁচ শতাংশ ভোট প্রাপ্তি;
- তৃতীয়ত, কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকতে হবে। দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় জেলা অফিস থাকতে হবে। 
- আর অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় অফিস থাকতে হবে, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ২০০ জন ভোটার থাকবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও BBC.

১৬,০৫৫.
According to the Economic Survey 2024, to which Asian country does Bangladesh export the most?
  1. India
  2. Japan
  3. China
  4. Nepal
  5. Pakistan
সঠিক উত্তর:
Japan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Japan
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হার ১৫.৮৭%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের দ্বিতীয় অবস্থানে আছে জার্মানি।
- জার্মানিতে রপ্তানি হার ১১.২১%।
- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের তৃতীয় অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।
- যুক্তরাজ্যে রপ্তানি হার ১০.৫২%।

• এশিয়া,
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে।
- জাপানে রপ্তানি হার ৩.৪০%।

• অঞ্চল,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৬,০৫৬.
বাংলাদেশে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেওয়ার সীমা কত?
  1. সর্বোচ্চ ৫%
  2. সর্বোচ্চ ১০%
  3. সর্বোচ্চ ১৫%
  4. সর্বোচ্চ ২০%
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১০%
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- সংবিধানের ৫৬ ধারা অনুযায়ী, সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ সদস্য এমন ব্যক্তিদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া যাবে যাঁরা সংসদ নির্বাচনে সদস্য পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার যোগ্য।
- এরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।
- মন্ত্রিপরিষদের অন্তত ৯০ শতাংশ সদস্যকে জাতীয় সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দিতে হবে।
- এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী ‘রুলস অব বিজনেস’ অনুযায়ী ‘প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা’ পদেও ব্যক্তিদের নিয়োগ দিতে পারেন।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,০৫৭.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ কত সালে আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে?
  1. ১৯৫৬ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ, 
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে: ১৯৫৬ সালে।

⇒ চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

১৬,০৫৮.
ইউনেস্কো বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনকে World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা দেয়-
  1. ১৯৯৫ সালে
  2. ১৯৯৬ সালে
  3. ১৯৯৭ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা

• সুন্দরবন:
- সুন্দরবন বিশ্বের একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
- সুন্দরবন দুটি বন বিভাগে বিভক্ত: সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগ ও সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগ।
- বাংলাদেশ অংশে সুন্দরবনের মোট আয়তন ৬০১৭ বর্গ কি.মি.।

- ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে UNESCO সুন্দরবনের ৩টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যকে ৭৯৮তম World Heritage Site হিসেবে ঘোষণা করে।
- সুন্দরবনের জলভাগ জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ হওয়ায় ১৯৯২ সনের ২১ মে থেকে এটি Ramsar Site হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।
- টাঙ্গুয়ার হাওর ১০ জুলাই, ২০০০ সালে রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: বন সংরক্ষণ দপ্তর ও রামসার সাইট।

১৬,০৫৯.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অভিশংসন সম্ভব?
  1. ৫১নং অনুচ্ছেদ
  2. ৫৩নং অনুচ্ছেদ
  3. ৫২নং অনুচ্ছেদ
  4. ৫৪নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
৫২নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির অভিশংসন:
- সংবিধানের ৫২(১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসিত করা যেতে পারবে; তার জন্য সংসদের মোট সদস্যের সংখ্যাগরিষ্ঠ অংশের স্বাক্ষরে অনুরূপ অভিযোগের বিবরণ লিপিবদ্ধ করে একটি প্রস্তাবের নোটিশ স্পীকারের নিকট প্রদান করতে হবে; স্পীকারের নিকট অনুরূপ নোটিশ প্রদানের দিন হতে চৌদ্দ দিনের পূর্বে বা ত্রিশ দিনের পর এই প্রস্তাব আলোচিত হতে পারবে না; এবং সংসদ অধিবেশনরত না থাকিলে স্পীকার অবিলম্বে সংসদ আহবান করবেন।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
অনুচ্ছেদ ৫৪- অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
অনুচ্ছেদ ৫৩- অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,০৬০.
তমুদ্দিন মজলিস সংগঠনটি কিসের সাথে জড়িত?
  1. স্বাধীনতা সংগ্রাম
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. শাসনতন্ত্র আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনের পটভূমি:
- ১৯৪৭ সালের ১৪ই আগস্ট ভারত উপমহাদেশ বিভক্ত হয়ে ভারত ও পাকিস্তান সৃষ্টি হয়।
- তৎকালীন পূর্ববঙ্গ পাকিস্তানের একটি অংশে পরিণত হয়।
- পাকিস্তান নামক এই নতুন রাষ্ট্রের শাসকগোষ্ঠী প্রথমেই বাঙালিকে শোষণ করার কৌশল হিসেবে বাংলা ভাষার ওপর আঘাত হানে।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির পূর্বেই নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা কী হবে এ প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল।
- সে সময় মুসলিম লীগের প্রভাবশালী নেতারা উর্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার পক্ষে মতামত দেন।
- তখনই আবদুল হক ও ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহসহ বাংলার বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী ও লেখকগণ এর প্রতিবাদ করেন।
- পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টি হওয়ার পর পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন তমদ্দুন মজলিস গঠিত হয়।
- তমদ্দুন মজলিস ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু' প্রকাশ করে।
- যেখানে রাষ্ট্রভাষা বাংলা দাবির পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।
- তমুদ্দিন মজলিস সংগঠনটি ভাষা আন্দোলনের সাথে জড়িত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১৬,০৬১.
জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কে? 
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার 
  4. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতা:
- রাষ্ট্রপতি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক।
- বাংলাদেশের বিরুদ্ধে স্থল, জল ও আকাশ পথে আক্রমণের ক্ষেত্রে তিনি তা প্রতিরক্ষার জন্য এই সকল বাহিনীকে কাজে লাগিয়ে যেকোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেন।
- সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক: বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সম্মান ও মর্যাদার প্রতীক হিসেবে তিনি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানসমূহকে সম্মানসূচক পদক বা খেতাব প্রদান করে থাকেন।
- তাঁর অনুমতি ব্যতিত দেশের কোন নাগরিক বিদেশী কোন খেতাব বা সম্মান গ্রহণ করতে পারেন না।
- এ সকল ক্ষমতার বাইরে তিনি রাষ্ট্রদূত প্রেরণ ও গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতির ওপর বর্তানো কাজের অংশ হিসেবে তিনি সকল জাতীয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের দায়িত্বপূর্ব শপথ বাক্য পাঠ করান।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬,০৬২.
Leed সার্টিফিকেট কোন খাতের জন্য প্রদান করা হয়?
  1. ফাইন্যান্স
  2. শিপিং
  3. ব্যাংকিং
  4. তৈরি পোশাক
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
Leed সার্টিফিকেট তৈরি পোশাক খাতের জন্য প্রদান করা হয়।

Leed:

- Leed-এর পূর্ণরূপ: Leadership in energy and Environmental Design.
- এটি হলো বর্তমান বিশ্বে সবচেয়ে আলোচিত ও গ্রহণযোগ্য Green Building Rating System।
- এটি কোন স্থাপনা বা ভবনের পরিবেশগত কার্যকারিতা মূল্যায়ন করতে ব্যবহৃত হয়। 
- পরিবেশবান্ধব তৈরি পোশাক সবুজ কারখানায় এ সনদ প্রদান করা হয়।

⇒ ১৯৯৩ সালে United States Green Building Council (USGBC) এই LEED Certification পদ্ধতিটি প্রবর্তন করে।
- শিল্পকারখানার ভবন নির্মাণ থেকে পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত সব পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সর্বোচ্চ মানের কারখানাকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ‘ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’ (ইউএসজিবিসি) এ সনদ দেয়।
- এ সনদ পেতে প্রতিটি প্রকল্পকে ইউএসজিবিসির তত্ত্বাবধানে স্থাপনা নির্মাণের কাজ থেকে শুরু করে উৎপাদন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে মান রক্ষা করতে হয়।

⇒ Green Building-এর নকশা, নির্মাণ এবং অপারেশনের মূল্যায়ক হিসেবে LEED Certification বিশ্বব্যাপী পরিচিত এবং স্বীকৃত একটি নাম।
- LEED এর মাধ্যমে ভবনটির মালিক বা অপারেটর তার ভবনটির কার্যকারিতার উপর বেশ গুরুত্বপূর্ণ ও পরিমাপযোগ্য পরিবর্তন রাখতে পারে।
- মূলত পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত পাঁচটি ক্ষেত্রে কোন ভবনের টেকসই কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে LEED Certification টি দেয়া হয়।
- এই পাঁচটি ক্ষেত্র হলো, টেকসই সাইট, পানি সাশ্রয়, সক্তি সাশ্রয়, নির্মাণ সামগ্রী নির্বাচন ও আভ্যন্তরীণ পরিবেশ।

⇒ LEED Certification চারটি মাত্রা রয়েছে: i) সার্টিফাইড, ii) সিলভার, iii) গোল্ড, iV) প্লাটিনাম।

উল্লেখ্য,
- ৩ নভেম্বর ২০২৪, তারিখে বাংলাদেশে লিড সনদপ্রাপ্ত তৈরি পোশাক কারখানার সংখ্যা দাঁড়ায় ২৩০টিতে।
- বিশ্বের ১০০টি শীর্ষ লিড সদনপ্রাপ্ত কারখানার ৬২টি এখন বাংলাদেশের।

উৎস: i) U.S. Green Building Council.
ii) প্রথম আলো।
১৬,০৬৩.
কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি কে?
  1. লুৎফর রহমান
  2. হামিদুর রহমান
  3. পাভেল রহমান
  4. আতাউর রহমান
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হামিদুর রহমান
ব্যাখ্যা
শহীদ মিনার:
- শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের স্থপতি।
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহীদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক নতুন শহীদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
১৬,০৬৪.
বাংলাদেশি নতুন ১০০ টাকার নোটে কোন মসজিদের ছবি আছে?
  1. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  2. বায়তুল মোকাররম মসজিদ
  3. শাহ সুজা মসজিদ
  4. তারা মসজিদ
সঠিক উত্তর:
ষাট গম্বুজ মসজিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষাট গম্বুজ মসজিদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশি নতুন ১০০ টাকার নোট:
- 'বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপত্য' শীর্ষক নতুন ডিজাইন ও সিরিজের ১০০ টাকা মূল্যমানের ব্যাংক নোট ১২ আগস্ট, ২০২৫ থেকে বাজারে এসেছে।
- এই ব্যাংক নোট প্রথমে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিস থেকে ইস্যু করা হয়।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর স্বাক্ষরিত ১০০ টাকা মূল্যমান ব্যাংক নোটটির আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ১৪০ মিমি x ৬২ মিমি।
- নোটটি ১০০ শতাংশ সুতি কাগজে মুদ্রিত এবং নোটে জলছাপ হিসেবে রয়েল বেঙ্গল টাইগারের মুখ থাকছে। নোটটিতে থাকছে নীল রঙের আধিক্য।
- নোটের সামনে বাঁ পাশে আছে বাগেরহাটের ষাট গম্বুজ মসজিদের ছবি।
- নোটের মাঝখানের ব্যাকগ্রাউন্ডে পাতা-কলিসহ প্রস্ফুটিত জাতীয় ফুল শাপলার ছবি মুদ্রিত রয়েছে। নোটের পেছন ভাগে আছে সুন্দরবনের ছবি।
- নোটটিতে মোট ১০ ধরনের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সংযোজন করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা প্রতিবেদন।
১৬,০৬৫.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পীকার কে ছিলেন?
  1. মোহাম্মদ মালেক
  2. হাফেজউল্লাহ
  3. মোহাম্মদ তর্কবাগীশ
  4. মোহাম্মদউল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদউল্লাহ
ব্যাখ্যা
প্রথম স্পীকার:
- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম স্পীকার ছিলেন মোহাম্মদউল্লাহ।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে (১৯৭২) মোহাম্মদউল্লাহ ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হন তিনি।
- স্পীকার শাহ আবদুল হামিদের মৃত্যুর পর তিনি ভারপ্রাপ্ত স্পীকারের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরে স্পীকার পদে নির্বাচিত হন।

অন্যদিকে,
- গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশ।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ছিলেন শাহ আব্দুল হামিদ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
১৬,০৬৬.
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত বিদেশি নাগরিক কে?
  1. ডাব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
  2. সাইমন ড্রিং
  3. উভয়েই
  4. কেউই নয়
সঠিক উত্তর:
ডাব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বীর প্রতীক ডাব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড 
- ডাব্লিউ এ এস ওডারল্যান্ড ১৯১৭ সালের ৬ ডিসেম্বর নেদারল্যান্ডের আমষ্টারডাম শহরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি হলেন একমাত্র বিদেশি নাগরিক যিনি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত হন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কমান্ডো হিসেবে তিনি ছিলেন অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞ। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ২ নম্বর সেক্টরের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন। 
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রত্যক্ষ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে বাংলাদেশের চতুর্থ সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব 'বীরপ্রতীক' সম্মাননায় ভূষিত করে।
- ১৯৭১ সালে তিনি ঢাকায় বাটা সু কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন।
- ২০০১ সালের ১৮ মে অস্ট্রেলিয়ার পার্থে ৮৪ বছর বয়সে বীরপ্রতীক উইলিয়াম আব্রাহাম সাইমন ঔডারল্যান্ড মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ডেইলি স্টার। 
১৬,০৬৭.
খাবার স্যালাইনের উদ্ভাবক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) BRAC
  2. খ) ICDDR,B
  3. গ) NIPSON
  4. ঘ) INCEPTA
সঠিক উত্তর:
খ) ICDDR,B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ICDDR,B
ব্যাখ্যা
• ICDDR,B:
- ICDDR,B এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার হলো -  ওরস্যালাইন
- আইসিডিডিআর.বি (ICDDR,B/আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) ঢাকা শহরের মহাখালীতে অবস্থিত চিকিৎসাবিষয়ক গবেষণা এবং সেবা প্রদানকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান।
- আনুষ্ঠানিকভাবে এটির আন্তর্জাতিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭৯ সালে।
- ICDDR,B এর পূর্ণরূপ হচ্ছে (International Centre for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh).
-  ICDDR,B এর সদর দপ্তর ঢাকার মহাখালীতে অবস্থিত।

উৎস:  আইসিডিডিআরবি এর ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬,০৬৮.
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ পাকিস্তান সেনাবাহিনী যে গণহত্যা চালায় তার নাম কী ছিল?
  1. অপারেশন জ্যাকপট
  2. অপারেশন নীলনকশা
  3. অপারেশন সার্চলাইট
  4. অপারেশন ব্লাক বার্ড
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সার্চলাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন সার্চলাইট
ব্যাখ্যা
২৫শে মার্চের গণহত্যা:
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ মধ্যরাতে বাঙালির তথা পৃথিবীর ইতিহাসে বিরলতম এবং একটি কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সূচনা হয়, যা 'কালরাত্রি' নামে পরিচিত।
- সে সময় পাকিস্তান সেনাবাহিনী পূর্ব পাকিস্তানের নিরস্ত্র, নিরীহ, স্বাধীনতাকামী সাধারণ জনগণের ওপর ইতিহাসের নির্মমতম গণহত্যা চালায়।
- পাকিস্তান তাদের এ অভিযানের নাম দেয় 'অপারেশন সার্চলাইট'।

অপারেশন জ্যাকপট:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনী পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট',
- ১৫ই আগস্ট ১৯৭১ অভিযান পরিচালনা করে।
- এই অভিযানে দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর-চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর-চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে অপারেশন চালানো হয়েছিল।


সূত্র: ¡) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
       ¡¡) বিবিসি বাংলা।
১৬,০৬৯.
তাজিংডং পর্বত কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. লামা
  2. নাইক্ষ্যংছড়ি
  3. আলীকদম
  4. রুমা
সঠিক উত্তর:
রুমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রুমা
ব্যাখ্যা

তাজিংডং:
- স্থানীয় উপজাতীয়দের ভাষায় ‘তাজিং’ শব্দের অর্থ বড় এবং ‘ডং’ শব্দের অর্থ পাহাড়।
- এই দুটি শব্দ থেকে তাজিংডং পর্বতের নামকরণ।
- সরকারিভাবে তাজিংডং বিজয় পর্বত।
- তাজিংডং বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বান্দরবানের রুমা উপজেলার রেমাক্রী পাংশা ইউনিয়নে সাইচল পর্বতসারিতে অবস্থিত।
- এটি বান্দরবান থেকে ৫০ কিলোমিটার এবং রুমা সদর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে।
- তাজিংডং পর্বতের উচ্চতা এক হাজার ২৮০ মিটার (৪১৯৮.৪ ফুট)।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

১৬,০৭০.
'প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ'-এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. ৭(১) নং
  2. ৭(২) নং
  3. ৭ক নং
  4. ৭খ নং
সঠিক উত্তর:
৭(১) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭(১) নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের ৭ (১) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে।

• সংবিধানের ৭ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সাথে অসমঞ্জস হয়, তা হলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে।

• সংবিধানের ৭ক নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ বিষয়ে বলা হয়েছে।

• সংবিধানের ৭খ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য বিষয়ে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৬,০৭১.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ক) পেঁয়াজ
  2. খ) আখ
  3. গ) তৈলবীজ
  4. ঘ) আলু
সঠিক উত্তর:
খ) আখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আখ
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলা হয়।
বাংলাদেশের অর্থকরী ফসলসমূহ:
- পাট
- চা
- আখ বা ইক্ষু
- তামাক
- তুলা
- রাবার
- ফুল প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
তৈলবীজ, আলু ও পেঁয়াজ হলো খাদ্যশস্য।

(তথ্যসূত্র: ‍ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
১৬,০৭২.
MDG-এর অন্যতম লক্ষ্য কি?
  1. ক) দেশ থেকে পোলিও নির্মূল
  2. খ) HIV / AIDS নির্মূল করা
  3. গ) যক্ষ্মা নির্মূল করা
  4. ঘ) ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা
ব্যাখ্যা
First goal of MDG is to “Eradicate extreme poverty and hunger”. “Combat HIV/AIDS, malaria and other diseases” is sixth among eight goals.
Source: undp.org
১৬,০৭৩.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন কে?
  1. ওয়াসফিয়া নাজরিন
  2. নিশাত মজুমদার
  3. রোজিনা খাতুন
  4. শারমিন আক্তার
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিশাত মজুমদার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের এভারেস্ট বিজয়ী:
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম।
- ২০১০ সালের ২৩ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ৫টা ১৬ মিনিটে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন এবং লাল-সবুজ পতাকা ওড়ান মুসা।
- মূলত তার হাত ধরেই পর্বতবিজয়ী দেশের তালিকায় উঠে আসে বাংলাদেশের নাম। 
- প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে এভারেস্টে আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার। 
- সময়: ২০১২ সালের ১৯ মে। 
- দ্বিতীয় বাংলাদেশি নারী হিসেবে ২০১২ সালে এভারেস্ট জয় করেন ওয়াসফিয়া নাজরীন।
- ২০১১ সালে এম এ মুহিত ২১ মে দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। 

উল্লেখ্য, 
- সপ্তম বাংলাদেশি হিসেবে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।

উৎস: প্রথম আলো। 
১৬,০৭৪.
দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত চলচ্চিত্র-
  1. ক) হাঙর নদী গ্রেনেড
  2. খ) চিত্রা নদীর পাড়ে
  3. গ) নদীর নাম মধুমতী
  4. ঘ) ধীরে বহে মেঘনা
সঠিক উত্তর:
খ) চিত্রা নদীর পাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চিত্রা নদীর পাড়ে
ব্যাখ্যা
'চিত্রা নদীর পাড়ে' ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পটভূমিতে নির্মিত একটি চলচ্চিত্র যা পরিচালনা করেন তানভীর মোকাম্মেল। এটি ১৯৯৮ সালে মুক্তি পায় এবং ১৯৯৯ সালে শ্রেষ্ঠ সিনেমা ও শ্রেষ্ঠ পরিচালকসহ সাতটি ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে। অন্যদিকে, নদীর নাম মধুমতী (১৯৯৬), জয়যাত্রা (২০০৫), আগুনের পরশমণি, হাঙর নদী গ্রেনেড, ধীরে বহে মেঘনা হলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
[সূত্রঃ প্রথম আলো, চিত্রা নদীর পাড়ে চলচ্চিত্র]
১৬,০৭৫.
জাতীয় মানবকল্যান পদক প্রদান করে -
  1. ক) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  2. খ) বাংলা একাডেমি
  3. গ) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
  4. ঘ) সমাজসেবা অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমাজসেবা অধিদপ্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সমাজসেবা অধিদপ্তর
ব্যাখ্যা
জাতীয় মানবকল্যান পদক
- জানুয়ারী মাসের ২ তারিখে সমাজসেবা অধিদপ্তর ২০২০ ও ২০২১ সালের জন্য মোট আট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় মানবকল্যান পদক প্রদান করে। 
- পদকপ্রাপ্তদের প্রত্যেকে ১৮ ক্যারেটের ২৫ গ্রাম স্বর্ণপদক, পদকের রেপ্লিকা, ব্যক্তি পর্যায়ে ২ লাখ টাকা, দপ্তর বা প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে ২ লাখ টাকা এবং একটি সম্মাননা সনদ লাভ করেন।

তথ্যসূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার ফ্রেব্রুয়ারি, ২০২২   
১৬,০৭৬.
বাংলাদেশের শিক্ষা দিবস কোন তারিখে পালিত হয়? 
  1. ১২ মে
  2. ১৬ জুলাই 
  3. ১৭ সেপ্টেম্বর
  4. ২১ নভেম্বর 
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা

• শিক্ষা দিবস:
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান ১৯৫৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর শিক্ষানীতি প্রণয়নের জন্য একটি কমিশন গঠনের ঘোষণা দেন,যা ৫ জানুয়ারি ১৯৫৯ সালে কার্যকর হয়। 
- কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের শিক্ষা বিভাগের সচিব এস এম শরীফ।
- পূর্ব পাকিস্তানের চারজন সদস্যসহ মোট ১১ জনের এই কমিশনকে জাতীয় শিক্ষা সংক্রান্ত কমিশন বা “শরিফ কমিশন” বলা হয়।
- ২৬ আগস্ট ১৯৫৯ কমিশন তাদের প্রতিবেদন জমা দেয়, যা ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- প্রতিবেদনে শিক্ষাকে পণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- এবং বলা হয় যে জনগণের ঐতিহ্যগত শিক্ষা চিন্তাভাবনা পরিবর্তন করতে হবে। 
- এছাড়াও বাংলা বর্ণমালার পরিবর্তে রোমান বর্ণমালা, উর্দু ভাষা প্রয়োগ এবং ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে ইংরেজি বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব দেয়া হয়।
- প্রতিবেদনের বিরোধিতায় পূর্ব পাকিস্তানের ছাত্ররা আন্দোলন শুরু করে।
- ১৯৬২ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানি শাসন ও শিক্ষা নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করতে গিয়ে শহীদ হন ওয়াজিউল্লাহ, গোলাম মোস্তফা, বাবুল এবং অনেক অজ্ঞাতনামা ছাত্র।
- তাদের স্মরণে ১৭ সেপ্টেম্বর শিক্ষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা- নবম-দশম শ্রেণি (মাধ্যমিক)। 

১৬,০৭৭.
সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানে সন্নিবেশন করা হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. দশম সংশোধনী
  3. একাদশ সংশোধনী
  4. পঞ্চদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
- ২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী গৃহীত হয়।
- রাষ্ট্রপতি ৩রা জুলাই এই সংশোধনী বিলে স্বাক্ষর করেন।
- পঞ্চদশ সংশোধনী মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা বাংলাদেশ সংবিধানে ষষ্ঠ তফসিল হিসেবে সন্নিবেশন করা হয়।

- একই সংশোধনীতে ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ঐতিহাসিক ভাষণ সংবিধানের পঞ্চম তফসিল এবং ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের সপ্তম তফসিল হিসেবে সন্নিবেশিত করা হয়।

বাংলাদেশ সংবিধানে বর্তমানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে।
এগুলো হলো:

প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন
দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)
তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা
চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত ৭ই মার্চের ভাষণ
ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা
সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান এবং বাংলা ট্রিবিউন)
১৬,০৭৮.
নিচের কোন দুইজন খেতাবধারী মহিলা মুক্তিযোদ্ধা?
  1. ক) ক্যাপ্টেন হালিমা ও তারামন বিবি।
  2. খ) ক্যাপ্টেন সুফিয়া বেগম ও পরিজন বিবি
  3. গ) ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি
  4. ঘ) ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও জাহানারা বেগম
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম ও তারামন বিবি
ব্যাখ্যা
তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম:
- বাংলাদেশের দুইজন 'বীরপ্রতীক' খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি
- তারামন বিবির আসল নাম ছিল তারাবানু। 
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৩ বছর।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পরে ১৯৭৩ সালে বঙ্গবন্ধু সরকার তাকে স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য 'বীরপ্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করে। 
- তিনি ২০১৮ সালের ১ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য অন্য আরেকজন মহিলা মুক্তিযুদ্ধাকে 'বীরপ্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তিনি হলেন- ডা. সেতারা বেগম।
- ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে ২নং সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং ডেইলি স্টার পত্রিকা।
১৬,০৭৯.
বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী পরিচয়ে পরিচিত হবেন - সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে?
  1. ৫নং
  2. ৬নং
  3. ৭নং
  4. ৯নং
সঠিক উত্তর:
৬নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬নং
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের ৬নং অনুচ্ছেদে নাগরিকত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে, "বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন"।  

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ ৫-এ রাজধানী সম্পর্কে বলা হয়েছে।  
- অনুচ্ছেদ ৭-এ সংবিধানের প্রাধান্য সম্পর্কে বলা হয়েছে।  
- অনুচ্ছেদ ৯-এ জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে বলা হয়েছে। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
১৬,০৮০.
সারা দেশে বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারি ভাতা চালু করা হয় -
  1. ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরে
  2. ১৯৯৫-৯৬ অর্থবছরে
  3. ১৯৯৬-৯৭ অর্থবছরে
  4. ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে
ব্যাখ্যা
বিধবা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য সরকারি ভাতা
- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়।
- পরবর্তীতে দেশের সকল পৌরসভা ও সিটিকর্পোরেশন এ কর্মসূচির আওতাভুক্ত করা হয়।
- ২০১৩ সালে প্রণীত বাস্তবায়ন নীতিমালা সংশোধন করে যুগোপযোগীকরণ, অধিক সংখ্যক মহিলাকে ভাতা কার্যক্রমের আওতায় অন্তর্ভুক্তির লক্ষ্যে মহিলাদের বয়স ৬৫ বছর থেকে কমিয়ে ৬২ বছর নির্ধারণ, উপকারভোগী নির্বাচনে স্থানীয় মাননীয় সংসদ সদস্যসহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিদের সম্পৃক্তকরণ এবং ডাটাবেইজ প্রণয়ন।

উৎস: সমাজসেবা অধিদফতর ওয়েবসাইট।
১৬,০৮১.
ECNEC এর চেয়ারম্যান কে?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. অর্থমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• ECNEC:
- একনেক (ECNEC)-এর প্রধান- প্রধানমন্ত্রী।
- একনেক (Executive Committee of the National Economic Council)
-১৯৮২ সালে গঠিত হয়। এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

সূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।
১৬,০৮২.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের উপকেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১৪টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলে কেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।
১৬,০৮৩.
লুসাই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসন্ত উৎসব কোনটি?
  1. মীমতৃত
  2. চাপচারকৃত
  3. পলকুত
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
চাপচারকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপচারকৃত
ব্যাখ্যা
লুসাই:

- লুসাই নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৬,০৮৪.
স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট কয়টি কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

• কৃষি শুমারি/ Agriculture Census:
বাংলাদেশে কৃষি শুমারি হলো দেশের কৃষি খাতের (শস্য, মৎস্য, প্রাণিসম্পদ, বন ও পরিবেশ সহ) বিস্তারিত পরিসংখ্যান সংগ্রহের জাতীয় প্রক্রিয়া।
- স্বাধীন বাংলাদেশে মোট কৃষিশুমারি হয় ৫টি।  
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- তার আগে বাংলাদেশ ভূখন্ডে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) ১৯৬০ সালে সর্ব প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।
- এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে (ট্যাবলেট ব্যবহার করে) তথ্য সংগ্রহ, যা সময় কমিয়েছে এবং নির্ভুলতা বাড়িয়েছে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।
- প্রতি দশ বছর অন্তর কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

উল্লেখ্য,
-  ২০০৮ সালে সমগ্র দেশে শহর ও পল্লি এলাকায় সকল সাধারণ খানায় তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ৪র্থ কৃষি শুমারি পরিচালনা করা হয়। 
- এটিই দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ কৃষি শুমারি।

তথ্যসূত্র:
i) বিবিএস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৬,০৮৫.
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর আসন ছিল কোনটি?
  1. ঢাকা-১২
  2. ঢাকা-১৮
  3. গোপালগঞ্জ-১
  4. গোপালগঞ্জ-৭
সঠিক উত্তর:
ঢাকা-১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা-১২
ব্যাখ্যা
প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- সে সময় ৩০০ আসনে সরাসরি নির্বাচন হয়।
- সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ১৫টি।
- বিচারপতি এম ইদ্রিস কে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ করা হয়।
- নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৯৩টি তে জয়লাভ করে।
- বঙ্গবন্ধু সে সময় ঢাকা-১২ আসন থেকে বিজয়ী হয়েছিলেন।
- প্রথম জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হন মুহম্মদুল্লাহ।
- ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন বায়তুল্লাহ।
- পরে মুহম্মদুল্লাহ রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে আবদুল মালেক উকিল স্পিকার নির্বাচিত হন।
 
উল্লেখ্য,
- ২য় সংসদ নির্বাচন ১৯৭৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ হয়।
- সেবার সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ছিল ৩০টি।
- ঐ সংসদেই প্রথমবারের মতো প্রত্যক্ষ ভোটে একজন নারী সাংসদ সৈয়দা রাজিয়া ফয়েজ খুলনা-১৪ থেকে নির্বাচিত হন।
- প্রথম অধিবেশন বসেছিল ২ এপ্রিল।
- জাতীয় সংসদের প্রতীক শাপলা ফুল।
 
উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬,০৮৬.
'পলাশী থেকে ধানমন্ডি' চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. শ্যাম বেনেগাল
  2. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
  3. তানভীর মোকাম্মেল
  4. আবদুল গাফফার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুল গাফফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
পলাশী থেকে ধানমন্ডি:
- ‘পলাশী থেকে ধানমন্ডি’ একটি মঞ্চ নাটক।
- প্রথম অভিনীত হয় ২০০৪ সালের মার্চ মাসে।
- এটি একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামান্যচিত্র। 
- এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রের পরিচালক আবদুল গাফফার চৌধুরী।

উল্লেখ্য,
- বিশিষ্ট সাংবাদিক, সাহিত্যিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- তার ভাষা আন্দোলনের স্মরণীয় গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ এর রচয়িতা।
- ১৯৪৭ সালে তিনি কংগ্রেস নেতা দুর্গা মোহন সেন সম্পাদিত ‘কংগ্রেস হিতৈষী’ পত্রিকায় কাজ শুরু করেন।
- ১৯৪৯ সালে সওগাত পত্রিকায় আবদুল গাফফার চৌধুরীর প্রথম গল্প ছাপা হয়। 
- ১৯৫৩ সালে মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীনের ‘মাসিক সওগাত’ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হন গাফফার চৌধুরী। 
- ১৯৫৮ সালে আবদুল গাফফার চৌধুরী দৈনিক ইত্তেফাকের সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়ার রাজনৈতিক পত্রিকা ‘চাবুকে’র সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পান। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬,০৮৭.
'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির রচয়িতা কে?
  1. আলতাফ মাহমুদ
  2. আবদুল লতিফ
  3. আপেল মাহমুদ
  4. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
ব্যাখ্যা

আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি:
- 'আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি' গানটির বর্তমান সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- গানটির প্রথম সুরকার আবদুল লতিফ। সেই সুর পরিবর্তন করে আলতাফ মাহমুদ পরে এর সুরারোপ করেন। সেটি এখন বলবৎ আছে। 
- ‘রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি' বলতে বোঝানো হয়েছে যে একুশে ফেব্রুয়ারিতে বহু মানুষের রক্ত ঝরেছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩।

১৬,০৮৮.
জুলাই ঘোষণাপত্রে মোট কয়টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
  1. ২৪টি
  2. ২৬টি
  3. ২৮টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
২৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮টি
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- ২৮ দফা এ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৬,০৮৯.
'নয়ন কাজল' ও 'ইসলামপুরী' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) আলু
  2. খ) বেগুন
  3. গ) বাধাঁকপি
  4. ঘ) মরিচ
সঠিক উত্তর:
খ) বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বেগুন
ব্যাখ্যা
• বেগুন:
- নয়নতারা বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট কর্তৃক একটি উন্নত জাত।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাস চারা রোপণের উপযুক্ত সময়।
- ফল গাঢ় বেগুনী, প্রায় ১৬ সেমি. লম্বা ও বেড় ৬ সেমি.।
- উচ্চফলনশীল, প্রতিটি ফলের ওজন গড়ে ৯০ গ্রাম, হেক্টর প্রতি গড় ফলন ৮০ টন।
- এ জাতটি ব্যাকটেরিয়াজনিত ঢলে পড়া রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।

• বেগুনের কিছু উন্নত জাত হলো:
- ইসলামপুরী, উত্তরা, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২), কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৬,০৯০.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এর প্রকাশিত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধির হার -
  1. ৩.১৭%
  2. ৪.২২%
  3. ৫.৩১%
  4. ৬.৪৩%
সঠিক উত্তর:
৪.২২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.২২%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৫-এ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব প্রকাশ করে।
- প্রতিবেদনে চলতি ও স্থির মূল্যের জিডিপি, খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধি, রপ্তানি আয়, বিনিয়োগ-সঞ্চয় অনুপাত ও মাথাপিছু ১০৫০২ আয়ের চূড়ান্ত চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।

⇒ স্থূল দেশজ উৎপাদ (জিডিপি) ও প্রবৃদ্ধির হার (চুড়ান্ত):
- চলতি মূল্যে জিডিপি (মিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৬,৫৩৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (কোটি টাকা): ৫০,০২,৬৫৪।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন টাকা): ৫০,০২৭।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (বিলিয়ন ইউএস ডলার): ৪৫০।
- স্থির মূল্যে প্রবৃদ্ধির হার (%): ৪.২২%।

⇒ স্থির মূল্যে তিনটি বৃহৎ খাতের প্রবৃদ্ধির হার (চুড়ান্ত):
- কৃষি: ৩.৩০%।
- শিল্প: ৩.৫১%।
- সেবা: ৫.০৯%।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ওয়েবসাইট।
১৬,০৯১.
বরেন্দ্র অঞ্চলে বসবাস রয়েছে কোন নৃগোষ্ঠীর?
  1. ক) হাজং
  2. খ) মণিপুরী
  3. গ) ওরাঁও
  4. ঘ) চাকমা
সঠিক উত্তর:
গ) ওরাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ওরাঁও
ব্যাখ্যা
• বরেন্দ্র অঞ্চলে বসবাস রয়েছে ওরাওঁ নৃগোষ্ঠীর। 

- ওরাওঁ বাংলাদেশের একটি নৃগোষ্ঠী।
- এদের বাসস্থান বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চলে
- তারা বর্তমানে বাংলাদেশের কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, গাইবান্ধা, লালমণিরহাট, রংপুর, দিনাজপুর, জয়পুরহাট, বগুড়া, রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাজীপুর, হবিগঞ্জ ও মৌলভীবাজার জেলায় বসবাস করছে।

• নৃবিজ্ঞানীদের মতে, তারা অস্ট্রিক এবং ভাষাতাত্ত্বিক সূত্রে দ্রাবিড়।
• এ কারণে অধিকাংশ গবেষক মনে করেন যে, ওরাওঁরা দ্রাবিড়ভাষী কুডুখ জাতির উত্তর পুরুষ।
• ওরাঁও জনগোষ্ঠী কুঁডুখ ভাষায় কথা বলে। এটি দ্রাবিড় ভাষা পরিবারের অন্তর্গত একটি আদি ও কথ্য ভাষা।
• এ ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই।
• ওরাঁও জনগোষ্ঠীর মধ্যে কুঁডুখ ব্যতীত সাদরি ভাষাও প্রচলিত রয়েছে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১৬,০৯২.
সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) চট্রগ্রাম
  3. গ) খুলনা
  4. ঘ) বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
ক) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ মৎস ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রনালয়ের অধীন ৫ টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫ টি উপকেন্দ্র রয়েছে। ৫টি গবেষনা কেন্দ্র হলো-
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র অবস্থিত কক্সবাজারে
- ময়মনসিংহে অবস্থিত স্বাদু পানি কেন্দ্র
- চাঁদপুরে অবস্থিত নদী কেন্দ্র
- খুলনার পাইকগাছায় অবস্থিত লোনা পানি কেন্দ্র
- বাগেরহাটে অবস্থিত চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র। 
- নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬,০৯৩.
’সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি’ কত সালে শুরু হয়?
  1. ১৯৭৯ সাল
  2. ১৯৬৯ সাল
  3. ১৯৯৭ সাল
  4. ১৯৭৬ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৯ সাল
ব্যাখ্যা
• সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) :
- ১৯৭৯ সালের ৭ এপ্রিল বাংলাদেশে ১ বছরের কম বয়সী সকল শিশুদের ৬টি সংক্রামক রোগের টিকা দেয়ার মাধ্যমে ইপিআই কার্যক্রম শুরু হয়।

• প্রতিরোধযোগ্য রোগসমূহ :
১. শিশুদের যক্ষ্মা,
২. পোলিও মাইলাইটিস,
৩. ডিফথেরিয়া,
৪. হুপিং কাশি,
৫. মা ও নবজাতকের ধনুষ্টংকার,
৬. হেপাটাইটিস-বি,
৭. হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি জনিত রোগসমূহ,
৮. হাম,
৯. রুবেলা,
১০. নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া।

• টিকাদান কর্মসূচির উদ্দেশ্য :
- শিশু ও মাতৃ মৃত্যুর হার এবং শিশুর পঙ্গুত্বের হার কমানো।

উৎস : স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
১৬,০৯৪.
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভার সদস্য ছিলেন কতজন? 
  1. ক) ৪ জন
  2. খ) ৬ জন
  3. গ) ১০ জন
  4. ঘ) ৮ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ জন
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
- মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা।
- এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।

মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড।
১৬,০৯৫.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ২৯-৩০ জানুয়ারি, ২০২০
  2. খ) ১৯-২০ জানুয়ারি, ২০২১
  3. গ) ৯-১১ জানুয়ারি, ২০২২
  4. ঘ) ২৩-২৪ জানুয়ারি, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
ক) ২৯-৩০ জানুয়ারি, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৯-৩০ জানুয়ারি, ২০২০
ব্যাখ্যা
• BDF:
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাকালীন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ (BAG)।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (BDF)।
- BDF এর পূর্ণরুপ- Bangladesh Development Forum
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় - ২৯-৩০ জানুয়ারি, ২০২০
-সম্মেলনের স্থান- বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র, ঢাকা, বাংলাদেশ।
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে- বিশ্বব্যাংক। 

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
১৬,০৯৬.
বাংলাদেশে অবস্থিত কাফকো কোন রাষ্ট্রের সহযোগিতায় গড়ে উঠেছে?
  1. ক) জাপান
  2. খ) ডেনমার্ক
  3. গ) নেদারল্যান্ডস
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) একটি 100% রপ্তানিমুখী আন্তর্জাতিক যৌথ উদ্যোগ কোম্পানি।
- বাংলাদেশ, জাপান, ডেনমার্ক এবং নেদারল্যান্ডসের সরকার এবং বেসরকারি খাতের শেয়ারহোল্ডিং এবং সহায়তায় বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত, কাফকো বাংলাদেশের বৃহত্তম যৌথ উদ্যোগ বিনিয়োগ।
- কাফকো বিশ্বের অনেক দেশে তার পণ্য বাজারজাত করে।
- KAFCO কমপ্লেক্স উচ্চ-গ্রেডের দানাদার ইউরিয়া এবং অ্যানহাইড্রাস অ্যামোনিয়া তৈরি করে।
- কাফকো প্ল্যান্টটি চট্টগ্রামের রাঙ্গাদিয়া, তে অবস্থিত।
- কাফকোর কর্পোরেট অফিস বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।

উৎস: KAFCO ওয়েবসাইট।
১৬,০৯৭.
সুপ্রীমকোর্টের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ফিরিয়ে আনার বিধান পুনঃপ্রবর্তন করা হয় কোন সংশোধনীর মাধ্যমে?
  1. ষোড়শ সংশোধনী 
  2. নবম সংশোধনী 
  3. একাদশ সংশোধনী 
  4. চতুর্দশ সংশোধনী 
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ সংশোধনী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শ সংশোধনী 
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী:
- উত্থাপনকারী:এটি উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক
- গৃহীত: :২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টম্বর।

• ষোড়শ সংশোধনীর আলোচ্য বিষয়-
- ৭২ এর সংবিধানের ৯৬ অনুচ্ছেদ পুনঃস্থাপনের মাধ্যমে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে ফিরিয়ে দেওয়ার বিধান পাস করা হয় এই সংশোধনীর মাধ্যমে।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬,০৯৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জোরপূর্বক শ্রম থেকে নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪
  4. অনুচ্ছেদ ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৪: মৌলিক অধিকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ 

(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারী অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনতঃ দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৩৭ হলো সমাবেশের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩২ হলো জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
 অনুচ্ছেদ ৩৫ হলো  বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৬,০৯৯.
তিন বিঘা করিডোর কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. মহানন্দা
  2. তিস্তা
  3. আত্রাই
  4. ধরলা
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
ব্যাখ্যা
তিন বিঘা করিডোর: 
- তিন বিঘা করিডোর হলো ভারতের মালিকানাধীন তিন বিঘা জমির মধ্যে অবস্থিত একটি স্বতন্ত্র ভূমি।
- এই তিন বিঘা করিডর ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার মেখলিগঞ্জ মহকুমা ও বাংলাদেশের লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তে অবস্থিত।
- ছিটমহল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতার সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত।
- ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দের পর থেকে দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা ছিটমহল পাটগ্রাম উপজেলার একটি স্বতন্ত্র ইউনিয়ন ‘দহগ্রাম ইউনিয়ন’ হিসেবে পরিগণিত হয়.
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ জুন ইজারার মাধ্যমে উক্ত তিন বিঘা বাংলাদেশকে প্রদান করা হয়।
- তিন বিঘা করিডোর তিস্তা নদীর তীরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৬,১০০.
পূর্ব পাকিস্তানের কোনো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ছিল না তা কোন সময়ে প্রমাণিত হয়?
  1. যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে
  2. পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারি
  3. ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ
  4. ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
সঠিক উত্তর:
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে উপেক্ষার নীতি:
- ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তান ছিল সম্পূর্ণ অরক্ষিত।
- পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক ব্যবস্থা যে কতটা দুর্বল ছিল তা এই যুদ্ধের সময় স্পষ্ট হয়ে যায়
- যুদ্ধের সতেরো দিন প্রশাসনিক দিক দিয়েও এই প্রদেশ কেন্দ্র থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল।
- তখন পূর্ব পাকিস্তানের কোন প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা ছিল না।
- এই যুদ্ধে প্রমাণিত হয় পাকিস্তান রাষ্ট্র কাঠামোর মধ্যে পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বলতে কিছুই ছিল না।
- এই অবস্থা পূর্ব পাকিস্তান স্বায়ত্তশাসনের দাবিকে আরও জোরদার করে।
- ফলে পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবি, যা দেশভাগের সময় থেকেই উচ্চারিত হচ্ছিল, পাকিস্তান-ভারত যুদ্ধের পর আরো তা জোরদার হয়। 

- যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে, পাকিস্তানে সামরিক শাসন জারির সময় বা ১৯৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান এর সময় পূর্ব পাকিস্তান এরকম অরক্ষিত ছিল না।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।