বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৫২ / ৩০৬ · ১৫,১০১১৫,২০০ / ৩০,৮৩২

১৫,১০১.
Which sector has the highest contribution to the GDP of Bangladesh?
  1. ক) Agriculture
  2. খ) Manufacturing
  3. গ) Service
  4. ঘ) None of these
সঠিক উত্তর:
গ) Service
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Service
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে -

বাংলাদেশের জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান সবচেয়ে বেশি।
• মুদ্রাস্ফীতির হার - ৫.৮৩% 
• স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার - ৭.২৫%
• চলতি মূল্যে মাথাপিছু জাতীয় আয় (GNI) - ২,৮২৪ মার্কিন ডলার বা ২,৪১,৪৭০ টাকা।
• চলতি মূল্যে মাথাপিছু জিডিপি - ২,৭২৩ মার্কিন ডলার বা ২,৩২,৮২৮ টাকা

• অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.৫০%
• অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.০৭%
• অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.৪৪%

সূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২
১৫,১০২.
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিনে কোন দিবস পালিত হয়?
  1. শিশু দিবস
  2. নারী দিবস
  3. শিক্ষা দিবস
  4. স্বাস্থ্য দিবস
সঠিক উত্তর:
শিশু দিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিশু দিবস
ব্যাখ্যা
জাতীয় শিশু দিবস:
- ১৭ই মার্চ জাতীয় শিশু দিবস।
- ১৯৯৭ সালে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করে।
- সেই থেকে ১৭ই মার্চ জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৫,১০৩.
কোন মুঘল সুবেদার লালবাগ কেল্লা তৈরি করেন?
  1. ক) ইসমাইল খাঁ
  2. খ) শায়েস্তা খাঁ
  3. গ) আলীবর্দী খান
  4. ঘ) মীর মানস
সঠিক উত্তর:
খ) শায়েস্তা খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শায়েস্তা খাঁ
ব্যাখ্যা

- মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন। তাঁর সুবাদারী শাসনকাল দুপর্বে বিভক্ত ছিল। প্রথম দফায় ১৬৬৪ থেকে ১৬৭৮ খ্রি: পর্যন্ত এবং শেষে ১৬৭৯ থেকে ১৬৮৮ খ্রি: পর্যন্ত তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন।
শায়েস্তা খানের কীর্তি-
- চট্টগ্রাম জয় করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
- সন্দ্বীপ ও চট্টগ্রাম অধিকার করে আরাকানি জলদস্যুদের সম্পূর্ণরূপে উৎখাত করেন।
- তিনি বাংলা থেকে ইংরেজদের বিতাড়িত করেন।
- তাঁর আমলে নির্মিত স্থাপত্য কর্মের মধ্যে ছােট কাটারা, লালবাগ কেল্লা, বিবি পরির সমাধিসৌধ, হােসেনী দালান, সফি খানের মসজিদ, বুড়িগঙ্গার মসজিদ, চক মসজিদ প্রভৃতি উল্লেখযােগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

১৫,১০৪.
Who introduced Bengali New Year (Beginning from 1st Baishakh)?
  1. ক) Akbar
  2. খ) Sultan Mahmod
  3. গ) Lakhan Sen
  4. ঘ) Sher Shah
সঠিক উত্তর:
ক) Akbar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Akbar
ব্যাখ্যা
বাংলা নববর্ষ:

- বাংলা নববর্ষের প্রচলন করেন আকবর।
- মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)। হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। 
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা  বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
- বাংলা নববর্ষ পালনের সূচনা হয় মূলত আকবরের সময় থেকে।
- বাংলা নববর্ষের মূল উৎসব ছিল হালখাতা।
- বাংলা নববর্ষ ও চৈত্রসংক্রান্তি উপলক্ষে তিন পার্বত্য জেলায় (রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি) উপজাতীয়দের ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয়-সামাজিক উৎসব ‘বৈসাবি’ আনন্দমুখর পরিবেশে পালিত হয়।
- বৈসাবি হলো পাহাড়ীদের সবচেয়ে বড় উৎসব।
- এ উৎসবকে চাকমারা বিজু, মারমারা সাংগ্রাই এবং ত্রিপুরারা বৈসুক বলে আখ্যা দিলেও গোটা পার্বত্য এলাকায় তা বৈসাবি নামেই পরিচিত। বৈসুক, সাংগ্রাই ও বিজু এই নামগুলির আদ্যক্ষর নিয়ে বৈসাবি শব্দের উৎপত্তি। 

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,১০৫.
পুলিশের বর্তমান আইজিপি কে?
  1. ক) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী
  2. খ) ড. বেনজীর আহমেদ
  3. গ) ড. মোঃ হারুন-অর-রশিদ বিশ্বাস
  4. ঘ) মু. মোহসিন চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
খ) ড. বেনজীর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ড. বেনজীর আহমেদ
ব্যাখ্যা
১৫ এপ্রিল ২০২০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (আইজিপি) দায়িত্ব নেন বেনজীর আহমেদ। [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, মে এবং জুন -২০২০]
১৫,১০৬.
বর্তমানে বিদেশে বাংলাদেশের কয়টি কূটনৈতিক মিশন আছে?[ নভেম্বর,২০২৫]
  1. ৮১টি
  2. ৫১টি
  3. ৫২টি
  4. ৬২টি
সঠিক উত্তর:
৮১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮১টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ বর্তমানে ৮১টি বিদেশি কূটনৈতিক মিশন পরিচালনা করছে।

• কূটনৈতিক মিশন:

- মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিদেশে অবস্থান করা বাংলাদেশিরাও দেশের জন্য লড়াই করেছেন।
- নয়াদিল্লি, কলকাতা, ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক এবং লন্ডন বিশ্বের এই ৫টি বড় শহরে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে কূটনীতিকরা দেশের পক্ষে বিদেশি জনমত গঠনে কাজ করেছিলেন।
- একাত্তরের ওই সময়ে  কূটনীতিকরাও দেশের পক্ষে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েন।
- ১৯৭১ সালের ১৮ এপ্রিল কলকাতায় সর্বপ্রথম বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন খোলা হয়।
- ওই সময়ে কলকাতার উপ হাইকমিশনার মো. হোসেন আলী এবং তৃতীয় সচিব আনোয়ারুল করিম চৌধুরী বাংলাদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে কলকাতার পাকিস্তান হাইকমিশনে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং হাইকমিশনটিকে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন হিসেবে ঘোষণা দেন।

উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৫,১০৭.
কতটি এজেন্সি যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সিভিল সার্ভিস কমিশনের ভূমিকা পালন করে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ১টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
১৮৮৩ সালে গঠিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল সিভিল সার্ভিস কমিশন ১৯৭৮ সালে বিভক্ত হয়ে তিনটি সংস্থায় প্রতিস্থাপিত হয়। এগুলো হলো:
- অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট
- দ্য মেরিট সিস্টেম প্রোটেকশন বোর্ড
- দ্য ফেডারেল লেবার রিলেশন অথরিটি।
(সূত্র: অফিস অব দ্য পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট ওয়েবসাইট)
১৫,১০৮.
রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান না -
  1. ক) ডেপুটি স্পিকারকে
  2. খ) উপমন্ত্রীদের
  3. গ) প্রধান বিচারপতিকে
  4. ঘ) সংসদ সদস্যদের 
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংসদ সদস্যদের 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংসদ সদস্যদের 
ব্যাখ্যা
• তৃতীয় তফসিল (শপথ ও ঘোষণা)
রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান
১। প্রধানমন্ত্রী
২। মন্ত্রীগনকে
৩। উপমন্ত্রীদেরকে
৪। প্রতিমন্ত্রীদের
৫। স্পীকার
৬। ডেপুটি স্পিকার
৭। প্রধান বিচারপতি কে

প্রধানমন্ত্রী শপথ বাক্য পাঠ করান
১। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র
২। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান

স্পিকার শপথ বাক্য পাঠ করান
১। রাষ্ট্রপতি
২। সকল সংসদ সদস্যদের 

প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান
১। সুপ্রীম কোর্টের কোন বিভাগের কোন বিচারককে
২। প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের 
৩। মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রন
৪। সরকারী কর্মকমিশনের সদস্যদেরকে

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,১০৯.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান (মুগ্ধ) কত তারিখে শহীদ হন?
  1. ১৩ জুলাই ২০২৪
  2. ১ আগস্ট ২০২৪
  3. ১৮ জুলাই ২০২৪
  4. ২৬ জুলাই ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৮ জুলাই ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ জুলাই ২০২৪
ব্যাখ্যা

• মীর মাহফুজুর রহমান (মুগ্ধ):
- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ডিসিপ্লিনের ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন মীর মাহফুজুর রহমান (মুগ্ধ)।
- ২০২৩ সালের মার্চে স্নাতক শেষ করে তিনি খুলনা ছেড়ে ঢাকায় চলে যান।
- ১৮ জুলাই ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি।
- মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত তিনি আন্দোলনরত ক্লান্ত-শ্রান্ত শিক্ষার্থী-জনতাকে ‘ভাই, পানি লাগবে? পানি?’ বলছিলেন। 

উৎস: প্রথম আলো।

১৫,১১০.
বঙ্গবন্ধু আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কী নামকরণ করেছিলেন?
  1. লাহোর ষড়যন্ত্র মামলা
  2. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
  3. রাওয়ালপিন্ডি ষড়যন্ত্র মামলা
  4. পশ্চিম পাকিস্তান ষড়যন্ত্র মামলা
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'। 
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে। 
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,১১১.
বাংলাদেশে প্রথম অস্থায়ী সরকার কখন গঠিত হয়?
  1. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  2. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ২৭ এপ্রিল, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫,১১২.
রবীন্দ্র গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৩ সালের বাংলা একাডেমির রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন-
  1. ক) সমরেশ মজুমদার
  2. খ) শীলা মোমেন
  3. গ) আজিজ আরমান
  4. ঘ) সেলিনা হোসেন
সঠিক উত্তর:
খ) শীলা মোমেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শীলা মোমেন
ব্যাখ্যা
রবীন্দ্র গবেষণায় সামগ্রিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৩ সালের বাংলা একাডেমির রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন- শীলা মোমেন

উল্লেখ্য, 
বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে ৮মে ২০২৩ সালে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬২ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুন ২০২৩।  
১৫,১১৩.
নানকার বিদ্রোহ কোথায় সংঘটিত হয়েছিল?
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
নানকার বিদ্রোহ:
- নানকার বিদ্রোহ সিলেটে সংঘটিত হয়েছিল।

⇒ 'নানকার বিদ্রোহ' সিলেট অঞ্চলের একটি কৃষক-আন্দোলন, যা ১৮ আগস্ট ১৯৪৯ সালে সংঘটিত হয়।
- জমিদারের ভূমিদাসদের একটি প্রথাকে 'নানকার প্রথা' বলা হতো।
- বিংশ শতাব্দীর বিশের দশকে শুরু হওয়া এই আন্দোলন ১৯৫০ সালে জমিদারপ্রথা বিলুপ্ত করার মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

⇒ বাঙালি জাতির সংগ্রামের ইতিহাসে বিশেষ করে অধিকারহীন মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য যেসব গৌরবমণ্ডিত আন্দোলন-বিদ্রোহ সংঘটিত হয়েছিল তার মধ্যে অন্যতম প্রধান হলো 'নানকার বিদ্রোহ'। 
- ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের আমলে সামন্তবাদী ব্যবস্থার সবচেয়ে নিকৃষ্টতম শোষণ পদ্ধতি ছিল নানকার প্রথা।
- নানকার প্রজারা জমিদারের দেওয়া বাড়ি ও সামান্য কৃষি জমি ভোগ করত; কিন্তু ওই জমি ও বাড়ির ওপর তাদের কোনো মালিকানা ছিল না।
- নানকার প্রজারা বিনা মজুরিতে জমিদারের বাড়িতে কাজ করত।
- চুন থেকে পান খসলেই তাদের ওপর চলত অকথ্য নির্যাতন।
- মূলত সিলেটের বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ ও দক্ষিণ সুরমার রেঙ্গা পরগনাসমেত এই অঞ্চলে এই সামন্তপ্রথাটি প্রচলিত ছিল। সামন্ত ভূমালিকদের সিলেট অঞ্চলে মিরাশদার এবং বড় মিরাশদারকে জমিদার বলা হতো। 
- ১৯২২ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত কমিউনিস্ট পার্টি ও কৃষক সমিতির সহযোগিতায় বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ, বড়লেখা, কুলাউড়া, বালাগঞ্জ, ধর্মপাশা থানায় দানা বাঁধতে থাকল নানকার আন্দোলন।
- কমরেড অজয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে চলতে থাকে নানকার কৃষকসহ সব নির্যাতিত জনগণকে সংগঠিত করার কাজ। 
- সে সময় অজয় ভট্টাচার্য্যের সঙ্গে কাজ করেছেন শিশির ভট্টাচার্য্য, ললিত পাল, জোয়াদ উল্ল্যা, আব্দুস সোবহান ও শৈলেন্দ্র ভট্টাচার্যসহ আরো কয়েক জন। তাদের নেতৃত্বে নানকার কৃষক ঐক্যবদ্ধ হয়ে প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে জমিদারের বিরুদ্ধে। বন্ধ হয়ে যায় খাজনা দেওয়া, এমনকি জমিদারদের হাট-বাজারের কেনাকাটা পর্যন্ত বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিভিন্ন জায়গায় জমিদার ও তার লোকজনকে ধাওয়া করে তাড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাও ঘটে।

উৎস: i) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৫,১১৪.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতবার সামরিক আইন জারি করা হয়?
  1. ক) ২ বার
  2. খ) ৩ বার
  3. গ) ৪ বার
  4. ঘ) ৫ বার
সঠিক উত্তর:
ক) ২ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ বার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত ২ বার সামরিক আইন জারি করা হয়।
-১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ১৯৭৫ সালের ২০ আগস্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদ ক্ষমতাসীন হয়ে দেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করে।
- ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করেন।
- দ্বিতীয়বার ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ জেনারেল এরশাদ কর্তৃক সামরিক আইন জারি করা হয়।
- যা ১৯৮৬ সালের ১০ নভেম্বর প্রত্যাহার করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১৫,১১৫.
দ্বি-জাতি তত্ত্বের প্রবক্তা কে?
  1. মহাত্মা গান্ধী
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
  4. জওহরলাল নেহরু
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুহম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
বিশ শতকের চল্লিশের দশকে ‍মুহম্মদ আলী জিন্নাহ হিন্দু-মুসলিম পৃথক জাতিসত্ত্বা সম্পর্কিত দ্বি-জাতি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
এই দ্বি-জাতি তত্ত্বের আলোকেই লাহোর প্রস্তাব ও দিল্লি প্রস্তাব গৃহীত হয় এবং ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
জিন্নাহ’র পূর্বে স্যার সৈয়দ আহমদ খান এবং আল্লামা ইকবাল মুসলিম জাতীয়তাবাদ সম্পর্কে ধারণা দিয়েছিলেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৫,১১৬.
রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সরকারের কয়টি মৌলিক বিভাগ রয়েছে? 
  1. দুটি
  2. চারটি
  3. তিনটি
  4. পাঁচটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা

• সরকার ব্যবস্থা :
- সরকারের কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার জন্য সরকারের বিভিন্ন বিভাগ বা অঙ্গ রয়েছে। 
- রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য সামগ্রিকভাবে সরকারের তিনটি বিভাগ রয়েছে, 
যথা:
১. নির্বাহী বা শাসনবিভাগ,
২. আইনবিভাগ ও
৩. বিচার বিভাগ
- প্রত্যেক সরকারের ব্যবস্থায়  তিনটি মৌলিক বিভাগ বিদ্যমান থাকে।
- কেননা, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ তিনটি কাজ হচ্ছে প্রশাসন পরিচালনা, আইন প্রণয়ন এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা।
- প্রশাসন পরিচালনা দুই ধরনের- একটি কেন্দ্রীয় এবং অপরটি স্থানীয় শাসন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি। 

১৫,১১৭.
তমদ্দুন মজলিশ নামক সংগঠন কে প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. আবুল কাশেম
  2. গোলাম মাহবুব
  3. আব্দুর রহমান
  4. আব্দুল হামিদ খান
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল কাশেম
ব্যাখ্যা
তমদ্দুন মজলিশ:
- 'তমদ্দুন মজলিশ' নামের একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন ভাষার প্রশ্নে সোচ্চার হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেম ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ তারিখে উক্ত সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই সংগঠন ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি জানিয়ে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- পুস্তিকাটির নাম ছিল 'পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু'।
- তমদ্দুন মজলিশ ছাত্র-শিক্ষক মহলে বাংলাভাষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। 
১৫,১১৮.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কত সালে প্রবর্তিত হয়?
  1. ১৭৯১ সালে
  2. ১৭৯০ সালে
  3. ১৭৯৫ সালে
  4. ১৭৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

 চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত  ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের (সকল শ্রেণির জমিদার ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি। 

- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়।
- বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।

উৎস:
i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৫,১১৯.
২০২২ সালের জনশুমারীর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশের কত শতাংশ লোক শহরে বাস করে?
  1. ২৮.৫৮
  2. ৩১.৬৬
  3. ৩৫.৩১
  4. ৪১.২৩
সঠিক উত্তর:
৩১.৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১.৬৬
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।
- চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ: নভেম্বর, ২০২৩।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১১৯ জন।
- মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (৩১.৬৬%) নাগরিক এখন শহরে বাস করে; দুই-তৃতীয়াংশ (৬৮.৩৪%) থাকে গ্রামে।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকা বিভাগে।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে জনসংখ্যা সর্বোচ্চ ৫৯,৯০,৭২৩ জন।
- বরিশালে জনসংখ্যা সর্বনিম্ন ৪,১৯,৪৮৪ জন।
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সর্বাধিক ঘনবসতিপূর্ণ।
- রংপুর সিটি কর্পোরেশন সর্বনিম্ন ঘনবসতিপূর্ণ।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট।
১৫,১২০.
সম্প্রতি ‘সোনার বাংলা’ শীর্ষক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে কোথায়?
  1. মেক্সিকো সিটিতে
  2. দুবাই সিটিতে
  3. লুক্সেমবার্গ সিটিতে
  4. কলকাতায়
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো সিটিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেক্সিকো সিটিতে
ব্যাখ্যা
‘সোনার বাংলা’ শীর্ষক প্রদর্শনীর আয়োজন:
- মেক্সিকো সিটির বাংলাদেশ দূতাবাস এবং ক্লাস্ট্রো ডে সরহুয়ানা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ‘সোনার বাংলা’ শীর্ষক প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল।
- এটা ছিল বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও শিল্পের এক উদ্‌যাপন।

উল্লেখ্য,
- মেক্সিকোতে অবস্থিত সার্বিয়া, ইরাক, ভেনেজুয়েলা, স্পেন, স্লোভাকিয়া, কাতার, ভারত, সৌদি আরব, আলজেরিয়া, হন্ডুরাস, গুয়াতেমালা ও ডমেনিকান প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রদূত এবং কূটনৈতিক প্রতিনিধিরাও প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করেন।

উৎস: ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
১৫,১২১.
শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কোন জেলায় প্রতিষ্ঠিত হবে?
  1. ক) কিশোরগঞ্জ
  2. খ) খুলনা
  3. গ) গোপালগঞ্জ
  4. ঘ) ফরিদপুর
সঠিক উত্তর:
খ) খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) খুলনা
ব্যাখ্যা
দেশের পঞ্চম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হবে খুলনায়। নাম হবে ‘শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়’।
সূত্রঃ প্রথম আলো
১৫,১২২.
আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র বলতে মুজিবনগর সরকার কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাকে বোঝানো হয়।
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের সীমান্তবর্তী বৈদ্যনাথতলায় (পরবর্তী নাম মুজিবনগর) এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানে গণপরিষদ সদস্য অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।
- ঘোষণার মাধ্যমে নবগঠিত আইন পরিষদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ঘোষণা করে।
- ঘোষণায় ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণাকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করা হয়।
- ঘোষণাপত্রে ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর বলে ঘোষণা করা হয়।
- এ ঘোষণাবলে প্রবাসী মুজিবনগর সরকার বৈধ বলে বিবেচিত হয়।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।

উল্লেখ্য,
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতা ঘোষনা সংযুক্ত করা হয়।
- ৭ম তফসিলে ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৫,১২৩.
গম রোপণের উপযুক্ত সময়কাল কোনটি?
  1. মধ্য নভেম্বর - মধ্য জানুয়ারি
  2. নভেম্বর - ডিসেম্বর
  3. মধ্য অক্টোবর – ডিসেম্বরের শেষ
  4. মধ্য আগস্ট – মধ্য অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
নভেম্বর - ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নভেম্বর - ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

উৎসঃ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২০।
১৫,১২৪.
'নাটকের অবসান' গ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. ক) জাহানারা ইমাম
  2. খ) মুনীর চৌধুরী
  3. গ) এমদাদুল বারী
  4. ঘ) আব্দুল গফ্‌ফার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ক) জাহানারা ইমাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জাহানারা ইমাম
ব্যাখ্যা
জাহানারা ইমাম:
- মুর্শিদাবাদ জেলার সুন্দরপুর গ্রামে ১৯২৯ সালে জাহানারা ইমাম জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি শহীদ জননী হিসেবে খ্যাত।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধ চেতনা বাস্তবায়ন ও ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির আহবায়ক - হিসেবে ব্যাপক পরিচিত।
- ১৯৮১-র দিকে জাহানারা ইমাম মুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন।
- ১৯৯৪ সালের ২৬ জুন আমেরিকার মিশিগান স্টেটের ডেট্রয়েটে চিকিৎসাধীন তাঁর মৃত্যু হয়।
- তাঁর রচিত অন্যান্য গ্ৰন্থ :
সাতটি তারার ঝিকিমিকি।
অন্যজীবন
বুকের ভিতর আগুন।
নাটকের অবসান।
নিঃসঙ্গ পাইন।
প্রবাসের দিনগুলি।
একাত্তরের দিনগুলি: - বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক তাঁর - অসাধারণ ডায়েরি গ্রন্থ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া
১৫,১২৫.
বাংলাদেশে বীজের মান নিয়ন্ত্রণ করে কোন সংস্থা?
  1. SCA
  2. AIS
  3. BRRI
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
SCA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SCA
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশে বীজের মান নিয়ন্ত্রণ করে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি (Seed Certification Agency)। এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি সংস্থা, এটি নিয়ন্ত্রিত ফসলের বীজ পরীক্ষা ও প্রত্যয়ন করে।

SCA:
- এর পূর্ণরূপ Seed Certification Agency বা বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বীজের মান নিয়ন্ত্রণ ও প্রত্যয়নের উদ্দেশ্যে।
- এটি সরকার ও বেসরকারি খাতে উৎপাদিত নোটিফাইড ফসলের (যেমন ধান, গম, পাট, আলু) বীজ মাঠ পরিদর্শন, পরীক্ষা ও ট্যাগ ইস্যুর মাধ্যমে মান নিশ্চিত করে।
- জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন-২০১৮ এবং বীজ বিধিমালা-২০২০ অনুসারে এজেন্সীর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও চাষীদের উৎপাদিত বীজেও সেবা প্রদান করে, আমদানিকৃত বীজও পরীক্ষার আওতায় আনে।
- এছাড়া বীজের মান পরীক্ষা করে ভ্যারাইটি অবমুক্তকরণ ও নিবন্ধন, বীজের মান পরীক্ষা, ট্যাগ প্রদান প্রভৃতি কাজও করে।

সূত্র: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট। 

১৫,১২৬.
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন -
  1. ক) ভিরাট কোহলি
  2. খ) রোহিত শর্মা
  3. গ) ঈশান কিষান
  4. ঘ) হার্দিক পান্ডিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশান কিষান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঈশান কিষান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বিপক্ষে ওয়ানডেতে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি করেন ঈশান কিষান (ভারত)।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জানুয়ারি ২০২৩।
১৫,১২৭.
কৃষি জমিতে কোন সার সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) ডিএপি
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) জিংক সালফেট
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
কৃষি জমিতে ব্যবহৃত সারগুলোর মধ্যে - 
- সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় - ইউরিয়া।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ- ডিএপি।
- বাংলাদেশের কৃষিতে ২০২১-২২ অর্থ বছরে মোট রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয়-৫৬৯১.৫০ হাজার মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২২
১৫,১২৮.
জাতীয় সংসদ কত একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত?
  1. ক) ১৮৫ একর
  2. খ) ১৯৫ একর
  3. গ) ২০০ একর
  4. ঘ) ২১৫ একর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১৫ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১৫ একর
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবনের স্থপতি লুই আই কান।
- তিনি এস্তোনীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক।
- জাতীয় সংসদ ভবন নয় তলা উচ্চতা বিশিষ্ট।
- এটি ২১৫ একর জমির উপর নির্মিত।
- ২৮ জানুয়ারি ১৯৮২ সালে বর্তমান জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করা হয়।
উৎসঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের ওয়েবসাইট।

১৫,১২৯.
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে নিচের কোন দাবিটি ছিল না?
  1. মার্শাল ল জারি করা
  2. সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া
  3. রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত
  4. জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর
সঠিক উত্তর:
মার্শাল ল জারি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্শাল ল জারি করা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ:
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণে মার্শাল ল জারি করার দাবিটি ছিল না।
- বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চ ১৯৭১-এ প্রদত্ত ১৮ মিনিটের ভাষণটি তাঁর স্বভাবসুলভ তাৎক্ষণিক বক্তব্য ছিল, পূর্বে তৈরি করা বক্তৃতা নয়।
- এটিকে অনেকেই রাজনীতির কবিতা বলে থাকেন।
- তাঁর এই ভাষণকে তুলনা করা হয় আব্রাহাম লিংকন, উইনস্টন চার্চিল, মার্টিন লুথার কিং ও পেরিক্লিসের মহতী যুগান্তকারী ভাষণগুলোর সাথে।
- এর মহত্ত্ব ও বিরাটত্বের কারণে ২০১৭ সনের অক্টোবরে জাতিসংঘের এডুকেশন, কালচার ও সাইন্টিফিক অর্গানাইজেশন, ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের অসাধারণ ভাষণটিকে পৃথিবীর অন্যতম ‘ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে স্বাধীনতাকামী বাঙালি জাতিকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
- ভাষণে মূলত ৪ দফা দাবি তোলা হয়।
• মার্শাল ল প্রত্যাহার,
• সেনাদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া,
• রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডগুলোর বিচার বিভাগীয় তদন্ত এবং
• জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৫,১৩০.
মুজিবনগর সরকারের বাণিজ্য, শিল্প ও পরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে কে ছিলেন?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. গ) এম. মনসুর আলী
  4. ঘ) এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
গ) এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার

১০ এপ্রিল, ১৯৭১ ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলায় বাংলাদেশের সরকার গঠন করা হয়। এই সরকার ছিল ৬ সদস্যবিশিষ্ট রাষ্ট্রপতি পদ্ধতির। সরকার গঠনের পর শিলিগুড়ির একটি জঙ্গল থেকে তাজউদ্দিন আহমেদ একটি বেতারের মাধ্যমে সরকার গঠনের ঘোষণা দেন।



তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৫,১৩১.
মাৎস্যন্যায় অবস্থার অবসান ঘটান কে?
  1. ক) শশাঙ্ক
  2. খ) গণেশ
  3. গ) হেমন্ত সেন
  4. ঘ) গোপাল
সঠিক উত্তর:
ঘ) গোপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গোপাল
ব্যাখ্যা
- ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে বাংলায় অরাজকতা দেখা দেয়। সর্বত্র অনিয়ম, বিশৃঙ্খলা, লুটতরাজ প্রভৃতিতে ছেয়ে যায়। ঐতিহাসিকরা এ অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ হিসেবে অভিহিত করেন।
- পুকুরে যেমন বড় মাছ ছোট মাছকে খেয়ে ফেলে, এ সময়ে বাংলার অবস্থাও তেমনটিই ছিলো। যার কারণে এ সময়কে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলা হয়।
- ৭ম শতকের মাঝামাঝি থেকে ৮ম শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত প্রায় ১০০ বছর এ অবস্থা বিরাজমান ছিলো।
- ৭৫০ সালে গোপাল কর্তৃক পাল শাসনের সূত্রপাতের মাধ্যমে মাৎস্যন্যায় অবস্থার অবসান হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৫,১৩২.
Rules of Business কে প্রণয়ন করেন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনমন্ত্রী
  4. বাণিজ্যমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

Rules of Business:
- যে আইনের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করা হয় তাকেই সরকারী কার্যপ্রণালী বিধি বা Rules of Business বলা হয়ে থাকে।
- রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল যা সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রণীত।
- সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস’ বা কার্যবিধিমালার বিষয়বস্তু হচ্ছে মূলত নির্বাহী বিভাগের কর্মবণ্টন ও কর্মপদ্ধতি।
- বলা হয়ে থাকে রাষ্ট্রের সংবিধান যেমন সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি কার্যবিধিমালা নির্বাহী বিভাগের সবার জন্য প্রযোজ্য।
- এই বিধিমালার উদ্দেশ্য হলো সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যাবলী বন্টন করা এবং তাদের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা। 
- সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি Rules of Business প্রণয়ন করেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের প্রথম কার্যবিধিমালা প্রণীত হয়েছিল ১ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে। তখন রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ছিল বিধায় সেটি সে আদলেই করা হয়েছিল।
- ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত হয় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার উপযোগী নতুন কার্যবিধিমালা।
- বিধিমালাটি ইংরেজিতে প্রণীত।
- কার্যবিধিমালাতে পাঁচটি অধ্যায়ে ৩৩টি বিধি এবং সাতটি তফসিল রয়েছে।

উৎস: i) বণিক বার্তা।
ii) বাংলাদেশের সংবিধান। 

১৫,১৩৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বাক-স্বাধীনতার কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ৩৬ নং
  2. খ) ৩৭ নং
  3. গ) ৩৮ নং
  4. ঘ) ৩৯ নং
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩৯ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:

- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চলাফেরার স্বাধীনতা।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,১৩৪.
বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে?
  1. রাষ্ট্রপ্রতি
  2. মন্ত্রিপরিষদ সচিব
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশ সরকারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান।
- প্রধানমন্ত্রী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সরকার প্রধান।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- সংবিধানের ৫৫ ও ৫৬ নং ধারা মতে, প্রধানমন্ত্রী পদায়িত হবেন মন্ত্রিপরিষদের শীর্ষে।
- তিনি তাঁর মন্ত্রিপরিষদের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- সংবিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রকৃত নির্বাহী।
- জাতীয় সংসদের নির্বাচনের পর সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের মনোনীত ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দান করেন।
- প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি রাষ্ট্রের আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান পরিষদ অর্থাৎ মন্ত্রিপরিষদ গঠন করেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫,১৩৫.
'India Wins Freedom' কার আত্মজীবনীমূলক বই?
  1. ক) পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু
  2. খ) মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
  3. গ) সুভাষচন্দ্র বসু
  4. ঘ) এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
খ) মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাওলানা আবুল কালাম আজাদ
ব্যাখ্যা
India Wins Freedom বইটি ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস নেতা মাওলানা আবুল কালাম আজাদ রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এটি ১৯৮৮ সালে প্রকাশিত হয়। আবুল কালাম আজাদ কংগ্রেসের সাবেক সভাপতি এবং ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী ছিলেন। (সূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৫,১৩৬.
শেখ রাসেল পল্লী উন্নয়ন একাডেমি স্থাপিত হবে -
  1. ক) গোপালগঞ্জ
  2. খ) রংপুর
  3. গ) জামালপুর
  4. ঘ) যশোর
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর
ব্যাখ্যা
- শেখ রাসেল পল্লী উন্নয়ন একাডেমি স্থাপিত হবে - রংপুরে।
- বাংলাদেশে আরও দুটি পল্লী উন্নয়ন একাডেমি হচ্ছে।
- এর মধ্যে একটি হবে জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায়, আরেকটি রংপুর জেলায়।
- জামালপুরের পল্লী উন্নয়ন একাডেমির নাম হবে শেখ হাসিনা পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, জামালপুর।
- আর রংপুর পল্লী উন্নয়ন একাডেমির নাম হবে শেখ রাসেল পল্লী উন্নয়ন একাডেমি, রংপুর।
- মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই দুটি একাডেমি করার জন্য আইনের খসড়া চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

উৎস:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২।
১৫,১৩৭.
অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় জেনারেল রাও ফরমান আলী কোন শহরের নেতৃত্ব দেন?
  1. ঢাকা
  2. যশোর
  3. কুমিল্লা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট:
- পাকিস্তানী স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে, সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।
- অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাত সাড়ে এগারটা থেকে মধ্য মে পর্যন্ত বড় বড় শহরে অভিযান পরিচালিত হয়।
- অপারেশন সার্চলাইট  অভিযান শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল ২৬ মার্চ রাত ১টা।
- সিদ্ধান্ত হয়, ২৫ মার্চ রাত ১টায় অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় অভিযানে ঢাকায় নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল রাও ফরমান আলী।
- দেশের অন্যান্য অঞ্চলে নেতৃত্ব দিবেন জেনারেল খাদিম হোসেন রেজা।
- অপারেশন সার্চলাইটে সেনাবাহিনী নির্বিচারে গণহত্যা চালায়। এতে হাজার হাজার নিরস্ত্র বেসামরিক মানুষ নিহত হয়।
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আবাসিক এলাকা এবং অন্যান্য স্থানগুলোতে ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৫,১৩৮.
সাংসদের নিজ দলের বিপরীতে ভোট বা দল থেকে পদত্যাগে আসন শূন্য হওয়ার বিধান কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৭০ নং
  2. ৭১ নং
  3. ৬৭ নং
  4. ৬৬ নং
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০ নং
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ নং অনুচ্ছেদ: 
- কোন নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীরূপে মনোনীত হইয়া কোন ব্যক্তি সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইলে তিনি যদি- 
- (ক) উক্ত দল হইতে পদত্যাগ করেন, অথবা
- (খ) সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন,
- তাহা হইলে সংসদে তাঁহার আসন শূন্য হইবে, তবে তিনি সেই কারণে পরবর্তী কোন নির্বাচনে সংসদ-সদস্য হইবার অযোগ্য হইবেন না।
- জাতীয় সংসদে নিজ দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান করা বা দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কথা বলাকে বলা হয় ফ্লোর ক্রসিং৷

অন্যদিকে,
- ৬৬ নং অনুচ্ছেদ: সংসদে নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা।
- ৬৭ নং অনুচ্ছেদ: সদস্যদের আসন শূন্য হওয়া।
- ৭১ নং অনুচ্ছেদ: দ্বৈত-সদস্যতায় বাধা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৫,১৩৯.
হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে কোন উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন?
  1. কৃষ্ণাবতার
  2. জগৎভূষণ
  3. নৃপতি তিলক
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
আলাউদ্দীন হোসেন শাহ:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে আলাউদ্দীন হোসেন শাহ এক উজ্জল অধ্যায়ের সূচনা করেন।
- তিনি সামান্য অবস্থা থেকে নিজ যোগ্যতায় বাংলাদেশে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে হোসেন শাহী বংশ প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি আরবদেশীয় ও সৈয়দ বংশের লোক ছিলেন।
- ১৪৯৩ সালে হোসেন শাহ 'আলাউদ্দীন হোসেন শাহ' উপাধি গ্রহণ করে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- একারণে আধুনিক ঐতিহাসিকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহকে মধ্যযুগের 'গোপাল' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
- সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ প্রজাদের কল্যাণের জন্য জনহিতকর প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করতেন।
- হিন্দু লেখকগণ আলাউদ্দীন হোসেন শাহের সুশাসনে মুগ্ধ হয়ে তাঁকে ‘নৃপতি তিলক', 'জগৎভূষণ', 'কৃষ্ণাবতার' প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত করেন।
- আলাউদ্দীন হোসেন শাহ একজন নিষ্ঠাবান মুসলমান ছিলেন।
- তিনি বহু মসজিদ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও খানকাহ নির্মাণ করেন।
- হোসেন শাহ বাংলা সাহিত্যেরও পৃষ্ঠপোষকতা করে বাংলা ভাষাকে রাজদরবারে স্থান দেন।
- তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় বহু আরবি, ফার্সি ও সংস্কৃত গ্রন্থ বাংলা ভাষায় অনুবাদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,১৪০.
কোনটি ভারতের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা করে?
  1. পলাশীর যুদ্ধ
  2. পানিপথের যুদ্ধ
  3. বক্সারের যুদ্ধ
  4. ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ
সঠিক উত্তর:
পলাশীর যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পলাশীর যুদ্ধ
ব্যাখ্যা
পলাশীর যুদ্ধ:
- পলাশীর যুদ্ধ ভারতের ইতিহাসে নতুন যুগের সূচনা করে।
- ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশীর আমবাগানের যুদ্ধে স্বাধীন বাংলার নবাব ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কাছে পরাজিত হয়।
- ফলে প্রায় ২০০ বছরের জন্য বাংলা স্বাধীনতা হারায়।
- প্রতি বছর সে জন্য ২৩ জুন পলাশী দিবস হিসাবে পালিত হয়।
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজ-উদ-দৌলা ও ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির পলাশী নামক স্থানে যে যুদ্ধ সংঘটতি হয়েছিল তাই পলাশীর যুদ্ধ নামে পরচিতি।
- ক্লাইভ ১৭৫৭ সালে সিরাজ-উদ-দৌলাকে পরাজিত করেন এবং কলকাতা দখল করেন।
- এই যুদ্ধে সিরাজ-উদ-দৌলা পরাজতি হন এবং ভারতবর্ষে ইংরজে শাসন প্রতষ্ঠিার পথ সূচিত হয়।
- নবাবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে জগৎশেঠ, মীরজাফর, রায়দুর্লভ ও উমিচাদ।
- নবাবের পক্ষে যুদ্ধ করেন মীরমদন, মোহন লাল ও ফরাসি সেনাপতি সিন ফ্রে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,১৪১.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত কোন রাজনৈতিক দলের সদস্য ছিলেন?
  1. কমিউনিস্ট পার্টি
  2. ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
  3. কৃষক প্রজা পার্টি
  4. জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল
সঠিক উত্তর:
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
ব্যাখ্যা
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- আওয়ামী লীগ ছাড়া একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের (ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি) সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৫,১৪২.
বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে?
  1. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. আলীবর্দী খান
  3. মুর্শিদকুলি খান
  4. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদকুলি খান
ব্যাখ্যা
মুর্শিদ কুলি খান:
- সম্রাট আওরঙ্গজেবের পর কোনো কোনো সুবা স্বাধীন হয়ে যায়।
- মুর্শিদকুলী খানের সময় থেকে বাংলায় নবাবি আমলের সূচনা হয়।
- তিনি ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ সন্তান।
- সম্রাট আওরঙ্গজেব তাঁকে করতলব খান উপাধি দিয়ে ১৭০০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার দিওয়ান নিযুক্ত করেন।
 - তিনি অতিরিক্ত রাজস্ব ধার্য না করে সঠিক ব্যবস্থাপনার দ্বারা রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করেন।
- তাঁর কন্যা জিনাত-উন-নেসা।

⇒ অপরদিকে,
- বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছিলেন হোসেন শাহী যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।
- বাংলায় বর্গীদের দমনে সবচেয়ে অবদান আলীবর্দী খান।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,১৪৩.
সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের রিপোর্ট অনুসারে, মোট মাছ উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ? (জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ৯.৮২%
  2. ১০.৫৫%
  3. ১১.৯৬%
  4. ১২.৪৭%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

⇒ মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

⇒ ইলিশ: ১০.৫৫%।
⇒ চিংড়ি: ৫.১৯%।
⇒ মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল): ২২.৬৪%।
⇒ এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি): ১১.৩০%।
⇒ অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া): ৩.১৩%।
⇒ তেলাপিয়া: ৮.৭৬%।

⇒ মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

♠ শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ: ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা: ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর: ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

♠ শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম: ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা: ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী: ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৫,১৪৪.
ফ্রিডম হাউসের ইন্টারনেট স্বাধীনতা সূচক- ২০২৫ এ বাংলাদেশের স্কোর কত?
  1. ৪০
  2. ৪৫
  3. ৫৫
  4. ৬০
সঠিক উত্তর:
৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫
ব্যাখ্যা

ন্টারনেট স্বাধীনতা প্রতিবেদন- ২০২৫:
শিরোনাম: Freedom on the Net 2025.
প্রকাশ: ১৩ নভেম্বর, ২০২৫। 
প্রকাশক: ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ফ্রিডম হাউস।
অন্তর্ভুক্ত দেশ: ৭২টি। 

প্রতিবেদনে স্কোর অনুযায়ী-
- শীর্ষ দেশ: আইসল্যান্ড।
- সর্বনিম্ন দেশ: চীন ও মায়ানমার।
- বাংলাদেশের স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৪৫। 

উল্লেখ্য,
- কোনো দেশের স্কোর ৭০-১০০-এর মধ্যে থাকলে সেটিকে ইন্টারনেটে স্বাধীন, ৪০-৬৯-এর মধ্যে থাকলে সেটিকে আংশিক স্বাধীন এবং শূন্য-৩৯-এর মধ্যে থাকলে দেশটি স্বাধীন নয় বলে বিবেচনা করা হয়।
- সেই হিসেবে বাংলাদেশে ইন্টারনেটে নাগরিকদের আংশিক স্বাধীনতা রয়েছে।

তথ্যসূত্র - Freedom on the Net 2025. [link]

১৫,১৪৫.
রপ্তানি খাতে বাংলাদেশের প্রথম অবস্থানে রয়েছে কোনটি?
  1. ক) হোমটেক্সটাইল
  2. খ) পাট ও পাটজাত
  3. গ) চামড়া ও চামড়াজাত
  4. ঘ) তৈরি পোশাক
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি খাতে প্রথম অবস্থানে রয়েছে তৈরি পোশাক খাত যার রপ্তানি আয় ৪,২৬১ কোটি মার্কিন ডলার।
- দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে হোমটেক্সটাইল (১৬২ কোটি মা.ড.); চামড়া ও চামড়াজাত (১২৫ কোটি মা.ড.); কৃষি প্রক্রিয়াজাত (১১৬ কোটি মা.ড.); পাট ও পাটজাত (১১৩ কোটি মা.ড.)  

উৎস: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২।
১৫,১৪৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) কত?
  1. ৭৭.৬১%
  2. ৭৮.৪০%
  3. ৭৪.৮০%
  4. ৭২.৮৪%
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৪.৮০%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১৫,১৪৭.
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডারের সংখ্যা -
  1. ২৫টি
  2. ২৬টি
  3. ২৭টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন:
- বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগের জন্য উপযুক্ত এবং যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তি নির্বাচন করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন দেশে তার প্রতিরূপ সংস্থাসমূহের মতো প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত মানব সম্পদ পরিকল্পনায় উৎকর্ষ সাধনের পাশাপাশি জনপ্রশাসন ব্যবস্থাপনায় নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ভূমিকা পালন করছে।
- কর্ম কমিশন দেশব্যাপি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের উপযুক্ত ব্যক্তি নির্বাচন করে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার ২৬টি।

বিসিএস-এর ২৬টি ক্যাডারের নাম:
১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন),
২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি),
৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (আনসার),
8. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (নিরীক্ষা ও হিসাব),
৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সমবায়),
৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারি),
৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিবার পরিকল্পনা),
৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (মৎস্য),
৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (খাদ্য),
১০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র),
১১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বন),
১২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা),
১৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য),
১৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (তথ্য),
১৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পশু সম্পদ),
১৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পুলিশ),
১৭. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ডাক),
১৮. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল),
১৯. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (গণপূর্ত),
২০. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে প্রকৌশল),
২১. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক),
২২. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সড়ক ও জনপথ),
২৩. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিসংখ্যান),
২৪. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর),
২৫. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কারিগরি শিক্ষা),
২৬. বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বাণিজ্য)।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন।
১৫,১৪৮.
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কয়বার আই এম এফ এর থেকে ঋণ সহায়তা পায়? (ডিসেম্বর, ২০২৪)
  1. ১১ বার
  2. ৯ বার
  3. ৭ বার
  4. ৩ বার
সঠিক উত্তর:
১১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ বার
ব্যাখ্যা
IMF ও বাংলাদেশ:
- IMF এর পূর্ণরূপ The International Monetary Fund.
- ১৯৪৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- IMF এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯০টি।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।
- IMF এর প্রধান কাজ হলো আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- মুদ্রার বিনিময় হার রক্ষা ও মুদ্রার অবমূল্যায়ন রোধ করা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১১ বার আই এম এফ এর থেকে ঋণ সহায়তা পায়।
- প্রথম ঋণ ১৯৭৪ সালে।
- সর্বশেষ ঋণ ২০২২ সালে।

উৎস: IMF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৫,১৪৯.
২০২৪ সালে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্টের নাম কী?
  1. কথা
  2. বর্ণ
  3. উচ্চারণ
  4. পূর্ণ
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ণ
ব্যাখ্যা
• উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্ট:
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল কর্তৃক উন্মোচিত নতুন বাংলা ফন্টের নাম - পূর্ণ।
- অমর একুশের শহিদদের স্মরণে বাংলা ভাষায় নিজেদের তৈরি তিনটি সফটওয়্যার ও বাংলা ফন্ট উন্মুক্ত করেছে বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)।
- ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ আগারগাঁওয়ে কম্পিউটার কাউন্সিল মিলনায়তনে ‘উচ্চারণ’, ‘কথা’ ও ‘বর্ণ’ সফটওয়্যারসহ ‘পূর্ণ’ নামের বাংলা ফন্ট উদ্বোধন করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।

সূত্র: প্রথম আলো ও বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি)। 
১৫,১৫০.
ICDDR,B হাসপাতালে কোন রোগের চিকিৎসা করা হয়?
  1. রাতকানা
  2. হৃদরোগ
  3. ডায়রিয়া
  4. ম্যালেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ডায়রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়রিয়া
ব্যাখ্যা
• ICDDR,B- International Center for Diarrhoeal Disease Research, Bangladesh.
- আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ।
-  এটি বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত একটি আন্তর্জাতিক স্বাস্থ্য গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- আইসিডিডিআর,বি ১৯৬০ সালে ঢাকায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (সিটো) কলেরা গবেষণাগার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরে ১৯৭৮ সালে, CRL থেকে icddr,b (আন্তর্জাতিক উদরাময় রোগ গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ) এ নতুন নামে রুপান্তর হয়।
- icddr,b ’খাবার স্যালাইন’ ও ’বেবি জিঙ্ক ট্যাবলেট’ উদ্ভাবন করে।
- ১৯৬২ সালে, সিআরএল, গুরুতর ডায়রিয়াজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীদের, বিশেষ করে ছোট শিশুদের চিকিৎসার জরুরি প্রয়োজন মেটাতে, আইসিডিডিআর,বি দ্বারা পরিচালিত ঢাকা হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা করে। 

⇒ এ গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সবচেয়ে বড় অবদান ওরস্যালাইন (Oral Rehydration Solution/ORS) উদ্ভাবন। লবণ ও গুড় অথবা চিনির সংমিশ্রণে তৈরী এ দ্রবণ তীব্র উদরাময় রোগে আক্রান্ত রোগীর দেহ থেকে দ্রুত বের হয়ে যাওয়া দেহ রসের পুনঃযোগান দেয়। দেহের শুষ্কতারোধে ORS গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং আজ পর্যন্ত বহু রোগীর জীবন বাঁচাতে সহায়ক হয়েছে। আইসিডিডিআর,বি-এর গবেষণা কার্যক্রম পরবর্তীতে আরও সম্প্রসারিত হয়েছে, এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে শ্বাসরোগ, যৌনরোগ, এইডস, হেপাটাইটিস, মা ও শিশু স্বাস্থ্য, টিকার কার্যকারিতা পরীক্ষা এবং বিভিন্ন অন্যান্য সংক্রামক রোগ।

উৎস : icddr,b., বাংলাপিডিয়া।
১৫,১৫১.
মহান মুক্তিযুদ্ধে বিমান বাহিনী কখন গঠিত হয়?
  1. ক) ১৯৭১ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর
  2. খ) ১৯৭১ সালে ২৯ সেপ্টেম্বর
  3. গ) ১৯৭১ সালে ২৮ অক্টোবর
  4. ঘ) ১৯৭১ সালে ২৯ অক্টোবর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭১ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭১ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর এ কে খন্দকারের নেতৃত্বে বিমান বাহিনী গঠিত হয়।
- ভারতীয় বিমান বাহিনীর সহায়তায় ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে ‘কিলো ফ্লাইট’ নামে যাত্রা শুরু করে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী।
- ২০২১ সালে ২৮ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ বিমান বাহিনী  বিভিন্ন কর্মসূচী পালনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করেছে।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,১৫২.
সম্প্রতি ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ উপাধিতে ভূষিত হন কে?
  1. ক) ড. আবদুল মালেক মজুমদার
  2. খ) শিরিন শারমিন চৌধুরী
  3. গ) এডভোকেট আবুদল হামিদ
  4. ঘ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
২০২২ সালে ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ উপাধিতে ভূষিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

- বিশ্বের প্রথম ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ হিসাবে স্বীকৃতি পেলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা।
- এ স্বীকৃতি প্রদান করেছে ইন্টারন্যাশনাল ডায়াবেটিস ফেডারেশন।
- আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রথম ‘গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর ফর ডায়াবেটিস’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। 
- পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ডায়াবেটিস সম্মেলন-২০২২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশনের সদ্য নির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক আকতার হোসেনের কাছ থেকে এ সম্মাননাপত্র গ্রহণ করেন।

উৎস: প্রথম আলো।
১৫,১৫৩.
'মাৎস্যন্যায়' সম্পর্কে জানা যায় কোন গ্রন্থে?
  1. রামচরিতম কাব্য
  2. আর্যমঞ্জুশ্রীমূলকল্প
  3. হর্ষচরিত কাব্য
  4. মেঘদূতম
সঠিক উত্তর:
রামচরিতম কাব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামচরিতম কাব্য
ব্যাখ্যা

• মাৎস্যন্যায়:
- মাৎস্যন্যায়  রাজা শশাঙ্ক এর মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়ে বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে।
- প্রায় সমসাময়িক লিপি, খালিমপুর তাম্রশাসন এবং সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিতম কাব্যে পাল বংশের অব্যবহিত পূর্ববর্তী সময়ের বাংলার নৈরাজ্যকর অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলে উল্লেখ করা হয়।

⇒ ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার ৭ম-৮ম শতক সময়কালকে নির্দেশ করে। রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়। সে সময় বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে। মাৎস্যন্যায়ের সময়টি ছিল মোটামুটিভাবে ৬৫০-৭৫০ সালের মধ্যকার প্রায় ১০০ বছর।
- বাংলা অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা যখন চরমে, তখন সিংহাসনে বসেন রাজা গোপাল। রাজা গোপালের হাত ধরে প্রতিষ্ঠা লাভ করে পাল বংশ। রাজা গোপাল সিংহাসনে বসার মাধ্যমে অবসান ঘটে মাৎস্যন্যায়ের। 

উল্লেখ্য,
- সংস্কৃত শব্দ মাৎস্যন্যায়ের আক্ষরিক অর্থ ‘মাছের ন্যায়’।
- মাছেদের জগতে যেমন বড় মাছ ছোট ছোট মাছ খেয়ে ফেলে; তেমনি মানবসমাজে দুর্বলরা সবলদের হাতে, ক্ষমতাহীনরা শোষিত হয় ক্ষমতাবানদের হাতে।
- এভাবে অরাজকতা আর বিশৃঙ্খলা গ্রাস করে পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রকে। 

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৫,১৫৪.
মোট আবাদকৃত জমির কত শতাংশে খাদ্যশস্য চাষ করা হয়?
  1. ক) ৭০.৫২%
  2. খ) ৭৫.৮৮%
  3. গ) ৭৭.৩১%
  4. ঘ) ৮৩.৯৮%
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৭.৩১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৭.৩১%
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের চাষ:

- খাদ্যশস্য (Cereals) - ৭৭.৩১%
- আঁশজাতীয় ফসল (Fibre) - ৪.৩৫% 
- তৈলবীজ (Oilseeds) - ৩.০৯% 
- মসলা (Spices) - ২.৫৩%
- ফল (Fruits) - ২.৪৮%
- ডাল (Pulses) - ২.৩০%
- ভেষজ ও নেশাজাতীয় দ্রব্য (Drug and Narcotics) - ১.০২% 
- চিনি জাতীয় ফসল (Sugar Crops)- ০.৯৭% 

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২২।
১৫,১৫৫.
শহীদ শামসুজ্জোহা স্মৃতি ভাস্কর্যটির নাম কী?
  1. সংশপ্তক
  2. সাবাস বাংলাদেশ
  3. স্ফুলিঙ্গ
  4. তর্জনী
সঠিক উত্তর:
স্ফুলিঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ফুলিঙ্গ
ব্যাখ্যা
• ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:
- ১৮ ফেব্রুয়ারি শহীদ শামসুজ্জোহা দিবস।
- ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থানের অগ্রনায়কের ভূমিকা পালন করেছিলেন ড. শামসুজ্জোহা।
- তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই শুরু হয়েছিল পাক-হানাদার বাহিনী হটাও আন্দোলন।
- আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মুক্তির দাবিসহ আইয়ুব খানবিরোধী আন্দোলনে ফুঁসে ওঠা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এই শহীদ বুদ্ধিজীবী।
- ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলি ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
- তিনিই পাক-হানাদারদের হাতে নিহত প্রথম বাংলাদেশি বুদ্ধিজীবী।
- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শহীদ শামসুজ্জোহা হলের সামনে নির্মিত হয়েছে শহীদ শামসুজ্জোহা স্মৃতি ভাস্কর্য ‘স্ফুলিঙ্গ’।

উৎস: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা।
১৫,১৫৬.
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাত কোনটি?
  1. আমদানি শুল্ক
  2. মূসক
  3. আয়কর
  4. আবগারি শুল্ক
সঠিক উত্তর:
মূসক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূসক
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের প্রধান খাতসমূহ (২০২০-২০২১ অর্থবছর হিসাব):
- প্রথম : মূল্য সংযোজন কর (১,২৫,১৬২ কোটি টাকা)
- দ্বিতীয় : আয়কর (১,০৩,৯৪৫ কোটি টাকা)
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক (৫৭,৮১৫ কোটি টাকা)
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক (৩৭,৮০৭ কোটি টাকা)।
(সূত্র: অর্থ বিভাগ ওয়েবসাইট)
১৫,১৫৭.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. বগুড়া
  2. মুন্সিগঞ্জ
  3. রংপুর 
  4. জয়দেবপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর 
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুযায়ী ফসল উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:

১। আলু → রংপুর 
২। পেঁয়াজ → পাবনা 
৩। আলু → রংপুর 
৪। গম → ঠাকুরগাঁও 
৫। ধান → ময়মনসিংহ
৬। পাট → ফরিদপুর

তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৫,১৫৮.
জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কতজন বিশিষ্ট নাগরিককে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২' প্রদান করা হয়?
  1. ক) ৯ জন
  2. খ) ২৪ জন
  3. গ) ১৭ জন
  4. ঘ) ২১ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২২:
- ‘স্বাধীনতা পুরস্কার' বাংলাদেশের জাতীয় এবং “সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার”।
- দেশ ও জাতির কল্যাণে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনন্য অবদানের স্বীকৃতি প্রদানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৭ সাল থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
- বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ' থেকে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ১৮ মার্চ, ২০২২ তারিখে জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ৫টি ক্যাটাগরিতে ৯ জন বিশিষ্ট নাগরিক ও ২টি প্রতিষ্ঠানকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২২ প্রদান করে বাংলাদেশ সরকারের 'মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ'।
- ২০২২ সালে স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন-

- ক্যাটাগরি ⇒ পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান: 
১। স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ ⇒ বীর মুক্তিযোদ্ধা ইলিয়াস আহমেদ চৌধুরী, শহীদ কর্নেল খন্দকার নাজমুল হুদা (বীর বিক্রম), জনাব আব্দুল জলিল, জনাব সিরাজ উদদীন আহমেদ, মরহুম মোহাম্মদ ছহিউদ্দিন বিশ্বাস এবং মরহুম সিরাজুল হক।
২। চিকিৎসাবিদ্যা ⇒ অধ্যাপক ডাঃ কনক কান্তি বড়ুয়া, অধ্যাপক ডাঃ মো. কামরুল ইসলাম।
৩। স্থাপত্য ⇒ মরহুম স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন। 
৪। গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ⇒ বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট (BWMRI)।
৫। শতভাগ বিদ্যুতায়নে সাফল্য ⇒ বিদ্যুৎ বিভাগ। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ ডাইনামিক প্যানেল, বাংলাদেশ বিষয়াবলি।
১৫,১৫৯.
স্পিকার হিসেবে বাংলাদেশ সংবিধান প্রমাণীকৃত করেন কে?
  1. ক) শাহ আব্দুল হামিদ
  2. খ) মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. গ) মোশারফ হোসেন আকন্দ
  4. ঘ) মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ উল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ উল্লাহ
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর দুপুর বেলায় বাংলাদেশ সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয়। ১৪ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদের তৎকালীন স্পিকার মোহাম্মদ উল্লাহ এই সংবিধান প্রমাণীকৃত করেন। ১৫ ডিসেম্বর গণপরিষদ সদস্যগণ এতে স্বাক্ষর করেন। প্রথমে বঙ্গবন্ধু এবং এরপর সৈয়দ নজরুল ইসলাম এবং তাজউদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষর করেন।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান।
১৫,১৬০.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতীয় সংগীত "আমার সোনার বাংলা" এর উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ (৪)
  2. অনুচ্ছেদ (৪.২)
  3. অনুচ্ছেদ (৪.১)
  4. অনুচ্ছেদ (৪.৩)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ (৪.১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ (৪.১)
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত:

- জাতীয় সঙ্গীত  ১৯০৬ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ শীর্ষক সঙ্গীতটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে গৃহীত হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি ঢাকার পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ ও শ্রমিক লীগ আয়োজিত  এক জনসভায় গানটি গীত হয়।
- ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক সাতই মার্চের ভাষণের প্রাক্কালে গানটি গাওয়া হয়েছিল।
- ২৩ মার্চ স্বাধীন বাংলা কেন্দ্রিয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা প্যারেডেও গানটি গীত হয়।

- মুজিবনগরে বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার এই গানকে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে গানটি  স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে নিয়মিত পরিবেশিত হতো।
- স্বাধীনতার পর সাংবিধানিকভাবে অনুচ্ছেদ (৪.১) ‘আমার সোনার বাংলা’ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত রূপে ঘোষিত হয়।
- গানের প্রথম ১০ ছত্র কণ্ঠসঙ্গীত এবং প্রথম ৪ ছত্র যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, 

১৫,১৬১.
কোন ক্ষেত্রে অবদানের জন্যে শেখ হাসিনা ২০২১ সালে উইটসা এমিন্যান্ট পার্সনস অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন?
  1. ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ
  2. জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা
  3. রোহিঙ্গাদের আশ্রয় প্রদান
  4. নারীর ক্ষমতায়নে অবদান
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণ
ব্যাখ্যা
- ওয়ার্ল্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি এন্ড সার্ভিসেস অ্যালায়েন্স প্রদত্ত ‘উইটসা এমিনেন্ট পারসনস অ্যাওয়ার্ড ২০২১’–এ ভূষিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ কর্মসূচি প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নে নেতৃত্ব দান এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধানমন্ত্রীকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।
- গত ১১-১৪ নভেম্বর ২০২১ ঢাকায় অনুষ্ঠিত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি খাতের বিশ্ব সম্মেলন ‘ওয়ার্ল্ড কংগ্রেস অন ইনফরমেশন টেকনোলজি ২০২১ (ডব্লিউসিআইটি ২০২১)’ এর তৃতীয় দিনে উইটসা মহাসচিব জেমস এইচ পয়জান্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলকের হাতে উইটসা পুরস্কার তুলে দেন।
(তথ্যসূত্র: প্রথম আলো)
১৫,১৬২.
ইউরিয়া সারের কাঁচামাল -
  1. মিথেন গ্যাস
  2. এ্যামোনিয়া
  3. ক্লিংকার
  4. অপরিশোধিত তৈল
সঠিক উত্তর:
মিথেন গ্যাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিথেন গ্যাস
ব্যাখ্যা

• ইউরিয়া সার উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল হলো মিথেন গ্যাস বা প্রাকৃতিক গ্যাস।

ইউরিয়া সার:
- বাংলাদেশে ব্যবহৃত নাইট্রোজেন সারের মধ্যে ইউরিয়া প্রধান। 
- নাইট্রোজেনজাতীয় সারের মধ্যে ইউরিয়াতেই সবচেয়ে বেশি পরিমাণে নাইট্রোজেন থাকে।
- গৃহপালিত পশুর মূত্রে ইউরিয়া থাকে এবং মাটি এ উৎস থেকেও ইউরিয়া পায়। 
- ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ নাইট্রোজেন প্রধানত লাভ করে।
- এই সারে ৪০-৪৭ শতাংশ নাইট্রোজেন বিদ্যমান থাকে।
- এ সার জমিতে প্রয়োগ করলে মাটিতে রাসায়নিক বিক্রিয়া ছাড়া অনেক ফসলই সরাসরি ইউরিয়া হিসেবে এটি পরিশোষণ করতে পারে।
- তাছাড়া গাছে নাইট্রোজেনের অভাজনিত লক্ষণ পরিলক্ষিত হলে ইউরিয়ার দ্রবণ তৈরি করে সিঞ্চন যন্ত্রের সাহায্যে সরাসরি উদ্ভিদের পাতায় প্রয়োগ করলে উদ্ভিদ পত্র - রন্ধ্রের মাধ্যমে ইউরিয়া পরিশোষণ করতে পারে।
- ফলে রোগাক্রান্ত ও বিনষ্ট শিকড়যুক্ত উদ্ভিদ সতেজ হয়ে যায়।

উৎস: উদ্ভিদ পুষ্টি ও সার ব্যবস্থাপনা, বিসিআইসি ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৫,১৬৩.
'জুলাই অভ্যুত্থান' - এ গেজেটভুক্ত শহীদ কত জন?
  1. ৮২৪ জন
  2. ৮৩৪ জন
  3. ৮৬৪ জন
  4. ৮৫৬ জন
সঠিক উত্তর:
৮৩৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৩৪ জন
ব্যাখ্যা
• জুলাই গণ–অভ্যুত্থান ২০২৪–এ শহীদদের তালিকা গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে সরকার।
- মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় এটি প্রকাশ করেছে।
- সেখানে গেজেট প্রকাশের তারিখ লেখা হয়েছে ১৫ জানুয়ারি, ২০২৪।
- সরকারি গেজেট অনুযায়ী, গণ–অভ্যুত্থানে শহীদের সংখ্যা ৮৩৪ জন।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৫,১৬৪.
প্রাচীন বাংলার হরিকেল জনপদ কোন কোন অঞ্চলে বিস্তৃত ছিল?
  1. রাজশাহী ও দিনাজপুর
  2. বরিশাল ও খুলনা
  3. সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম
  4. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।  

হরিকেল:

- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

সূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,১৬৫.
ইবনে বতুতা কোন খ্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও ভ্রমণ করেন?
  1. ১৩৪৪ খ্র্রিস্টাব্দে
  2. ১৩৪৫ খ্র্রিস্টাব্দে
  3. ১৩৪৬ খ্র্রিস্টাব্দে
  4. ১৩৪৭ খ্র্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৩৪৬ খ্র্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৪৬ খ্র্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
সোনারগাঁও: 

- ১৩৩৫ থেকে ১৫৩৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সোনারগাঁও কখনো বাংলার রাজধানী আবার কখনো পূর্ব বাংলার প্রাদেশিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত ছিল।
- মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্র্রিস্টাব্দে সোনারগাঁও ভ্রমণ করেন।
- পানামের জমিদারেরা ব্রিটিশ বিরোধী স্বদেশী-আন্দোলন ও মহাত্মা গান্ধীর অহিংস-আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৬৪ সালের সাম্প্রদায়িক মোহাজের সমস্যা সোনারগাঁওয়ের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ঘটনা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,১৬৬.
২০২২ সালে বাংলাদেশ ভুটান থেকে কয়টি পণ্য আমদানিতে করমুক্ত সুবিধা প্রদান করে?
  1. ক) ১৬টি
  2. খ) ১৮টি
  3. গ) ২৩টি
  4. ঘ) ২৫টি
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬টি
ব্যাখ্যা
৮ আগস্ট, ২০২২ সালে বাংলাদেশ ভুটান থেকে ১৬টি পণ্য আমদানিতে করমুক্ত সুবিধা প্রদান করে।

- ভুটান থেকে ১৬টি পণ্য আমদানিতে কোন ধরণের কাস্টমস ডিউটি বা ট্যাক্স আরোপ করা হবে না।
- পণ্যগুলো বাংলাদেশ ভুটান থেকে খুব বেশি আমদানি করে না। এর ফলে শুল্ক অব্যাহতি দেওয়া হলেও তাতে সরকারের তেমন রাজস্ব ক্ষতি হবে না।

- বাংলাদেশের ১০০টি পণ্য ভুটানে এবং ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশে শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবার কথা ছিলো।
- অবশ্য ২০১০ সাল থেকে বাংলাদেশ ভুটানকে ১৮টি পণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা দিচ্ছে। আর বাংলাদেশের ৯০টি পণ্য ভুটানে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাচ্ছে। 
- নতুন এ ১৬টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়ায় চুক্তির শর্ত পূরণ হলো।

- ২০২২ সালে যে ১৬টি পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেওয়া হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে -
দুধ, প্রাকৃতিক মধু, গম বা মেসলিনের আটা, জ্যাম, ফলের জেলি, মার্মালেড, সিমেন্ট ক্লিংকার, পোর্টল্যান্ড সিমেন্ট, সাবান, পার্টিকেল বোর্ড, ফেরো সিলিকন, লৌহ অথবা নন-আলয় স্টিলের বার এবং রড, মিনারেল ওয়াটার, গমের ভুসি, কাঠের আসবাবপত্র ইত্যাদি। 

তথ্যসূত্র: The Business Standard বাংলা
১৫,১৬৭.
২০২৫ সালের মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে প্যারাস্যুটিং প্রদর্শনীতে কতজন প্যারাট্রুপার অংশগ্রহণ করেছিলেন?
  1. ৫২ জন
  2. ৫৩ জন
  3. ৫৪ জন
  4. ৫৫ জন
সঠিক উত্তর:
৫৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪ জন
ব্যাখ্যা

• সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিংয়ে বাংলাদেশের বিশ্ব রেকর্ড:
- মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং করে বাংলাদেশ বিশ্ব রেকর্ড গড়েছে।
- ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ সালে রাজধানীর তেজগাঁও পুরোনো বিমানবন্দর সংলগ্ন প্যারেড গ্রাউন্ডে সশস্ত্র বাহিনীর উদ্যোগে এই ব্যতিক্রমী আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
- এই প্যারাস্যুটিং প্রদর্শনীতে টিম বাংলাদেশ-এর ৫৪ জন প্যারাট্রুপার অংশ নেন।
- স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে তারা জাতীয় পতাকা হাতে আকাশ থেকে অবতরণ করেন।
- এটি বিশ্বের সর্বাধিক পতাকা হাতে প্যারাস্যুটিং, যার মাধ্যমে এই বিশ্ব রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে।
- এই ঐতিহাসিক আয়োজন প্রত্যক্ষ করেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: ইত্তেফাক প্রতিবেদন।

১৫,১৬৮.
বাংলাদেশের EPZ গুলোতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ করে কোন দেশ? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চীন 
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. জাপান
  4. শ্রীলঙ্কা 
সঠিক উত্তর:
চীন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন 
ব্যাখ্যা

সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ:
- বর্তমানে দেশে বেপজার অধীনে মোট আটটি ইপিজেড ও একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল রয়েছে। 
- এগুলো হচ্ছে চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, উত্তরা, ঈশ্বরদী, কর্ণফুলী ও আদমজী ইপিজেড এবং চট্টগ্রামের মীরসরাইয়ে অবস্থিত বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ এ পর্যন্ত বেপজার ইপিজেডগুলোতে ৩৮টি দেশ থেকে বিনিয়োগ এসেছে।
- সবচেয়ে বেশি এসেছে চীন থেকে। চীনের মোট ১০৮টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে ইপিজেডে। 
- এরপর বিনিয়োগ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ৬১টি, জাপানের ২৯টি, ভারতের ১৯টি, যুক্তরাজ্যের ১৯টি, যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি ও শ্রীলঙ্কার ৭টি প্রতিষ্ঠান। বাকিগুলো অন্যান্য দেশের।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো। [link]

১৫,১৬৯.
১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে 'উর্দুই হবে রাষ্ট্রভাষা' সম্পর্কে ভাষণ দেন কে?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. হোসেন শহীদ সোহ্‌রাওয়ার্দী
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা

১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ:
- ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে 'উর্দুই হবে রাষ্ট্রভাষা' সম্পর্কে ভাষণ দেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। 

• ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে ১০ দিনের সফরে পূর্ব পাকিস্তানে আসেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ। ঢাকা ও চট্টগ্রামে তিনি বেশ কয়েকটি জনসমাবেশে ভাষণ রাখেন। 
- ২১ মার্চ ১৯৪৮ রেসকোর্স ময়দানে মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এর পূর্ব পাকিস্তান সফর উপলক্ষে আয়োজিত একটি বিশাল সমাবেশে জিন্নাহ বলেন, ‘উর্দুই পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হইবে, অন্য কোনো ভাষা নহে। যে কেহ অন্য পথে চালিত হইবে সেই পাকিস্তানের শত্রু’।
- ২৪ মার্চ তারিখে কার্জন হলে অনুষ্ঠিত ঢাবি’র সমাবর্তনে তিনি পুনরায় ঘোষণা করেন ‘Urdu and Urdu alone shall be the state language of Pakistan’. জিন্নাহ যখন বলেন, উর্দুই হবে রাষ্ট্রভাষা, তখন হলের মধ্যে বহু ছাত্র ‘না,না’ বলে চিৎকার করতে থাকেন। জিন্নাহ কঠোর ভাষায় তাদেরকে শাসিয়ে দেন, ‘যে কোন অসাংবিধানিক আন্দোলন কঠোর হস্তে দাবিয়ে রাখা হবে’। ২৮শে মার্চ জিন্নাহ ঢাকা ত্যাগ করেন এবং সেদিন সন্ধ্যায় রেডিওতে তার দেয়া বক্তব্যে তার অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। 

উৎস: i) সংগ্রামের নোটবুক।
ii) মুক্তিযুদ্ধ-ই-আর্কাইভ। 

১৫,১৭০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন?
  1. ১৯৬৩ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ:
- ১৯৬৬ সালে শেখ মুজিবুর রহমান দলটির সভাপতি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন প্রতিষ্ঠিত আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের জন্ম।
- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী এবং শামসুল হক ছিলেন প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৭১ সালে আওয়ামী লীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা ও শোষণমুক্তি এ চারটি মূলনীতির উপর দলটি পরিচালিত হচ্ছে।
- স্বাধীনতার পর থেকে দেশ পুনর্গঠন, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় দলটি অনবদ্য অবদান রেখেছে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,১৭১.
আওয়ামী লীগ ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা কর্মসূচি অনুমোদন করা হয় কবে? 
  1. ৬ মার্চ, ১৯৬৬
  2. ১৩ মার্চ, ১৯৬৬
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৬৬
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
১৩ মার্চ, ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩ মার্চ, ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
ছয়দফা কর্মসূচি অনুমোদন:

• ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন।
• ১৩ মার্চ, ১৯৬৬ আওয়ামী লীগ ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা কর্মসূচি অনুমোদন করা হয়। 
• ১৮-১৯ মার্চ ১৯৬৬ কাউন্সিল অধিবেশনেও তা অনুমোদিত হয়। 
• কাউন্সিল অধিবেশনে নতুন কমিটি গঠিত হয়। 
• শেখ মুজিবুর রহমান সভাপতি এবং তাজউদ্দিন আহমেদ সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।
• ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধুর নামে 'আমাদের বাঁচার দাবি: ছয় দফা কর্মসূচি' শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রকাশ করা হয়।
• ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা উত্থাপন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,১৭২.
‘জেকে ১৯৭১’ চলচ্চিত্রটির নির্মাতা -
  1. ক) শ্যাম বেনেগাল
  2. খ) ফাখরুল আরেফিন খান
  3. গ) মোরশেদুল ইসলাম
  4. ঘ) রফিকুল আনোয়ার
সঠিক উত্তর:
খ) ফাখরুল আরেফিন খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফাখরুল আরেফিন খান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রথম আন্তর্জাতিক সিনেমা ‘জেকে ১৯৭১’ 
-  চলচ্চিত্রটির নির্মাতা - ফাখরুল আরেফিন খান।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশের মানুষকে সহায়তার জন্য ফরাসি যুবক জ্যঁ কুয়ে ছিনতাই করেছিলেন ‌পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইনসের [পিআইএ] একটি বিমান। এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। 

সূত্র: প্রথম আলো 
১৫,১৭৩.
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর কত তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে?
  1. ৬ আগস্ট, ২০২৪
  2. ৭ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৮ আগস্ট, ২০২৪
  4. ৯ আগস্ট, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট, ২০২৪
ব্যাখ্যা

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার:
- ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট, ২০২৪ তারিখে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়েছে।
- নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আগস্ট, ২০২৪ সালে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়েছে।
- এই সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
- শপথ গ্রহণের স্থান: বঙ্গভবন।

উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় ওয়েবসাইট।

১৫,১৭৪.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর চালু হয়-
  1. ১ জানুয়ারি ১৯৯১
  2. ১ জুলাই ১৯৯১
  3. ১ জুন ১৯৯২
  4. ১ জুলাই ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই ১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জুলাই ১৯৯১
ব্যাখ্যা
• মূল্য সংযোজন কর :
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হল বাংলাদেশে উৎপাদিত এবং আমদানিকৃত পণ্য বা সেবা বাংলাদেশে সরবরাহের ক্ষেত্রে আরোপিত কর।
- আইন দ্বারা সুনির্দিষ্টভাবে অব্যাহতি প্রাপ্ত বা অন্য কোনোভাবে অব্যাহতিপ্রাপ্ত পণ্য ও সেবা ব্যতীত বাংলাদেশে প্রস্তুতকৃত বা আমদানিকৃত সকল পণ্য এবং সেবা এই কর ব্যবস্থার আওতাভুক্ত।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- তৎকালীন অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ৩১ মে ১৯৯১ তারিখে একটি অধ্যাদেশ হিসেবে জারি করেন। 
-  মূল্য সংযোজন কর চালু হয়, ১ জুলাই ১৯৯১ তারিখে ।
-মূসকের প্রমাণ কর-হার অপরিবর্তিতভাবে ১৫%-এ স্থিরীকৃত রয়েছে
- সেবা আমদানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর আদায়ের বিধান-বাংলাদেশের বাহির হতে সেবা সরবরাহ করা হলে, যিনি উক্ত সেবা সরবরাহ গ্রহণ করবেন, তার উপর সমূদয় সেবামূল্যের ভিত্তিতে ১৫% হারে মূসক প্রযোজ্য।

উৎস: 
nbr.govt. বাংলাপিডিয়া.
১৫,১৭৫.
কোন মুঘল সুবাদার বারোভূঁইয়াদের দমন করেন?
  1. ক) কাসিম খান
  2. খ) ইসলাম খান
  3. গ) শায়েস্তা খান
  4. ঘ) ইব্রাহীম খান
সঠিক উত্তর:
খ) ইসলাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইসলাম খান
ব্যাখ্যা
- মুঘল সুবাদার ইসলাম খান চিশতি বারোভূঁইয়াদের দমন করে। 
- তিনি ১৬১০ সালে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন। 
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে তিনি ঢাকার নাম রাখেন 'জাহাঙ্গীরনগর'। 
- ইসলাম খান চিশতি ১৬১১ সালে বারোভূঁইয়াদের চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে সমগ্র বাংলা মুঘল শাসনের অধীনে নিয়ে আসেন। 
- ধোলাই খাল পুরান ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক এলাকা।
- ঢাকার প্রথম মুগল সুবাদার ইসলাম খান এই খাল খনন করেন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫,১৭৬.
'নজরুল পুরস্কার ২০২৫' লাভ করেন -
  1. কে এম খালিদ
  2. শাহীন সামাদ
  3. অধ্যাপক লাইসা আহমদ লিসা
  4. অধ্যাপক আনোয়ারুল হক
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আনোয়ারুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আনোয়ারুল হক
ব্যাখ্যা

নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

⇒ নজরুল পুরস্কার ২০২৫:
- বাংলা একাডেমি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন ও সৃষ্টি নিয়ে গবেষণায় বিশিষ্ট নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় প্রখ্যাত নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারীকে নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করেছে।
- নজরুল পুরস্কারের অর্থমূল্য (প্রতিটি) ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকা।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

১৫,১৭৭.
বাংলাদেশ ও ভারতে মধ্যকার গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি কত সালে শেষ হবে?
  1. ২০২৭ সালে 
  2. ২০২৬ সালে 
  3. ২০২৯ সালে 
  4. ২০২৮ সালে 
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৬ সালে 
ব্যাখ্যা

• গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি:
- ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লিতে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- সই করেছিলেন ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া ও বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- চুক্তির মেয়াদ ৩০ বছর হওয়ায় এটি ২০২৬ সালে শেষ হবে। 
- চুক্তিতে নির্ধারিত হয় যে, উভয় পক্ষের সম্মতিক্রমে গৃহীত ফর্মুলা মোতাবেক ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মে পর্যন্ত সময়ে দু’দেশের মধ্যে গঙ্গার পানি ভাগাভাগি হবে, এবং ভারত নদীটির জলপ্রবাহের মাত্রা গত ৪০ বছরের গড় মাত্রায় বজায় রাখার সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।
 - যেকোন সঙ্কটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ৩৫ হাজার কিউসেক পানির নিশ্চয়তা পাবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৫,১৭৮.
বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) ভেড়ামারা
  2. খ) আশুগঞ্জ
  3. গ) সিদ্ধিরগঞ্জ
  4. ঘ) গোয়ালপাড়া
সঠিক উত্তর:
ক) ভেড়ামারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভেড়ামারা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে - পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্ৰ।
কিন্তু অপশনে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্ৰ নেই। অপশন অনুযায়ী ভেড়ামারা সঠিক হিসেবে নেয়া হয়েছে।

>> কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০১৮ সালে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে  ৪১০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্লান্ট (সিসিপিপি) এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।

অন্যদিকে, 
 >> দেশের বৃহত্তম কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র - পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্ৰ।
- অবস্থান - পায়রা, পটুয়াখালী।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে।
- ২০১৪ সালে এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- নির্মাণের কাজ করেছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।
- আড়াইশো কোটি ডলার ব্যয়ে এই কেন্দ্র নির্মাণের সিংহভাগ অর্থায়ন করেছে চীন।
- এরপর ২০১৬ সালের অক্টোবরে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে কয়লাভিত্তিক এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ধানখালী গ্রামের ১,০০০ একর জমির উপর নির্মিত হয়েছে বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি।
- উৎপাদন ক্ষমতা- ১৩২০ মেগাওয়াট
- ২১ মার্চ, ২০২২ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের সর্বোচ্চ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পায়রা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন করেন।

উৎস: ডেইলি স্টার নিউজ। এবং বিবিসি নিউজ বাংলা।

১৫,১৭৯.
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য 'ইউ কে চিং মারমা'কে কোন বীরত্বসূচক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?
  1. বীরশ্রেষ্ঠ
  2. বীর উত্তম
  3. বীর বিক্রম
  4. বীর প্রতীক
সঠিক উত্তর:
বীর বিক্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীর বিক্রম
ব্যাখ্যা
ইউ কে চিং মারমা:
- ইউ কে চিং মারমা ১৯৩৭ সালে বান্দরবানে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ১৯৫২ সাল থেকে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে কর্মরত ছিলেন।
- আদিবাসী বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মধ্যে একমাত্র তিনি খেতাব লাভ করেন।
- সম্মুখ যুদ্ধে দেশের স্বাধীনতার জন্য অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সরকার তাকে মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব ‘বীর বিক্রম’ উপাধিতে ভূষিত করে।
- ১৯৭১ সালে ২৫ মার্চ ইপিআরের নায়েক হিসেবে রংপুর জেলার হাতিবান্ধা বিওপিতে কর্মরত ছিলেন ইউ কে চিং।
- সেখান থেকে মেজর বাশারের নেতৃত্বে ৯ বাঙালি ইপিআর সৈনিক নিয়ে পাটগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় যুদ্ধ করেন।
- তিনি কর্মরত বিহারি ও দুই পাঞ্জাবিকে হত্যা করেন। 
- অপারেশন চালান রংপুর, লালমনিরহাট, পাখিউড়া, কাউয়াহাট, বাগভাণ্ডার, হাতিবান্দা, চৌধুরীহাট, ভূরুঙ্গামারী, জয়মনিরহাট, রায়গঞ্জ, নাগেশ্বরী, তিস্তা নদী, কুলাঘাট প্রভৃতি স্থানে।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রকাশিত ‘দি বাংলাদেশ গেজেট-এক্সট্রা অর্ডিনারি পাবলিশড বাই অথরিটি’ বইয়ের ক্রমিক নম্বর ১০০-তে তার ‘বীর বিক্রম’ প্রাপ্তির উল্লেখ আছে। 

উল্লেখ্য,
- ২০১৪ সালের ২৫ জুলাই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: ২৬ জুলাই,২০১৪, bdnews24.com
১৫,১৮০.
কার কাছে পরাজিত হয়ে লক্ষণ সেন বাংলার সিংহাসন হারায়?
  1. ক) বখতিয়ার খলজি
  2. খ) আলীবর্দী খা
  3. গ) বল্লাল সেন
  4. ঘ) আলি মর্দান খলজি
সঠিক উত্তর:
ক) বখতিয়ার খলজি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বখতিয়ার খলজি
ব্যাখ্যা

- বাংলায় মুসলিম শাসনের প্রতিষ্ঠাতা হলেন ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ-বিন-বখতিয়ার খলজি
- বখতিয়ার খলজি ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে বাংলার বয়োঃবৃদ্ধ রাজা লক্ষণ সেনকে পরাজিত করে বাংলা দখল করেন।
- তিনি অশ্ব বিক্রেতার বেশে ১৭/১৮ জন অশ্বারোহীসহ লক্ষণ সেনের রাজধানী নদীয়ায় প্রবেশ করে অতর্কিত আক্রমণ করেন। এই আক্রমণে লক্ষণ সেন পালিয়ে পূর্ববঙ্গের বিক্রমপুরে আশ্রয় নেন।
লক্ষণ সেন পলায়ন করলে বখতিয়ার খলজি বিনা বাধায় নদীয়া দখল করেন এবং গৌড়ের নাম পরিবর্তন করে লক্ষণাবতী রাখেন।
- তাঁর প্রচেষ্টার ফলেই এদেশে প্রথম মুসলমানদের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় অবস্থান করে লক্ষণ সেন আরও ২/৩ বৎসর রাজত্ব করেন। খুব সম্ভব ১২০৬ খ্রিষ্টাব্দে (মতান্তরে ১২০৫ খ্রি:) তিনি মৃত্যুমুখে পতিত হন।
- লক্ষণ সেনের মৃত্যুর পর তাঁর দুই পুত্র বিশ্বরূপ সেন ও কেশব সেন কিছুকাল (১২০৩ খ্রি: পর্যন্ত) পূর্ব বাংলা শাসন করেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি।

১৫,১৮১.
The existing Ramsar sites in Bangladesh are -
  1. Sundarbans
  2. Tanguar haor
  3. Hakaluki Haor
  4. a & b
  5. a, b & c
সঠিক উত্তর:
a & b
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a & b
ব্যাখ্যা
রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন (Ramsar Convention) হলো বিশ্বব্যাপী জৈবপরিবেশ রক্ষার একটি সম্মিলিত প্রয়াস।
- এটি বিশ্বের প্রথম পরিবেশ সম্মেলন।
- ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে ইরানের রামসারে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশসমূহ 'কনভেনশন অন ওয়েটল্যান্ডস' নামক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করে।
- এটি কার্যকর হয় ২১ ডিসেম্বর, ১৯৭৫ সালে।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৭২টি। 
 
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।
 
উৎস: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
১৫,১৮২.
বাংলাদেশে নৃশংস জেলহত্যা সংঘটিত হয়েছিল কবে?
  1. ৪রা নভেম্বর, ১৯৭৬
  2. ৩রা নভেম্বর, ১৯৭৫
  3. ১৫ আগস্ট, ১৯৭৬
  4. ৩রা নভেম্বর, ১৯৭৬
সঠিক উত্তর:
৩রা নভেম্বর, ১৯৭৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩রা নভেম্বর, ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৫ সালের ৩রা নভেম্বর রাতে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীরা ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে গুলি করে হত্যা করে।

হত্যাকাণ্ডের শিকার জাতীয় চার নেতা হলেন:
- সৈয়দ নজরুল ইসলাম, 
- তাজউদ্দীন আহমদ, 
- এম মনসুর আলী,  এবং
- এ এইচ এম কামারুজ্জামান।
এই হত্যাকাণ্ড ইতিাহসে জেলহত্যা নামে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- প্রতিবছর ৩ নভেম্বর 'জাতীয় জেলহত্যা দিবস' হিসেবে পালিত হয়।

তথ্যসূত্র:
- বাংলাপিডিয়া ও বিবিসি বাংলা রিপোর্ট।
১৫,১৮৩.
শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. অ্যাটর্নি জেনারেল
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
শাসন বিভাগ:
- শাসন বিভাগের নির্বাহী প্রধান প্রধানমন্ত্রী।

⇒  শাসন বিভাগের প্রকৃত ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে প্রধানমন্ত্রীর হাতে।
- রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি দেশের প্রতিনিধিত্ব করবে; কিন্তু সকল ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে হয়।
- প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রীপরিষদেরও প্রধান।
- মন্ত্রীপরিষদের সদস্যদের প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করেন।
- মন্ত্রীদের মধ্যে দায়দায়িত্ব বন্টন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সরকার প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী সরকার ব্যবস্থার প্রধান নীতিনির্ধারক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তবে আইন বাস্তবায়নগত সকল ক্ষমতা শাসন বিভাগের এখতিয়ারে।
- বাংলাদেশের শাসন বিভাগ এর ব্যাপ্তি সমুন্নত রেখেছে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদ থেকে একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত।
- এ কারণে সরকারের এই বিভাগটির মাধ্যমেই রাষ্ট্রের সকল স্তরে আইন বাস্তবায়ন সম্ভব হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,১৮৪.
সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন -
  1. চীফ হুইপ
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পীকার
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পীকার
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদ:
- স্পীকার সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- জাতীয় সংসদের বৈঠকে স্পীকার সভাপতিত্ব করেন।
- সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য থেকে একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচন করা হয়।
- স্পীকারের প্রধান দায়িত্ব সংসদে নিয়ম-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং এর মর্যাদা সংরক্ষণ করা।
- স্পীকারকে নিরপেক্ষ হতে হয় এবং সংসদে সংখ্যালঘিষ্ঠ দলের সদস্যদের অধিকার সংরক্ষণের দায়িত্ব পালন করতে হয়।
- সংসদের অধিবেশন চলাকালে স্পীকারের সিদ্ধান্ত ও রুলিং অবশ্য পালনীয়।
- সংসদে শৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে স্পীকার যেকোন সদস্যকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- স্পীকার সংসদের কার্যপ্রণালী নিয়ন্ত্রণ করেন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির অনুপস্থিতি বা তাঁর অসামর্থ্যের ক্ষেত্রে স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৫,১৮৫.
সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
  1. আবু সাঈদ চৌধুরী
  2. মোহাম্মদ উল্লাহ
  3. শাহ আবদুল হামিদ
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাঈদ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম গণপরিষদ:
- গণপরিষদ গঠন সংবিধান হলো রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক বিধি-বিধানের সমষ্টি।
- পৃথিবীর অধিকাংশ দেশে সংবিধান প্রণয়নের জন্য গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নেও এমন একটি গণপরিষদ গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- সংবিধান রচনা ও গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- গণপরিষদের প্রথম স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার যথাক্রমে শাহ আবদুল হামিদ ও মোহাম্মদ উল্লাহ।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫,১৮৬.
"AWD" এর পূর্ণরূপ কি?
  1. Alternative Weather Design
  2. Alternate Wetting and Drying
  3. Awareness on Wetting and Drying
  4. Alternative Wetting and Drying
সঠিক উত্তর:
Alternate Wetting and Drying
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alternate Wetting and Drying
ব্যাখ্যা
AWD:
- ধান উৎপাদনে সেচের পানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি (AWD).
- 'AWD' এর পূর্ণরূপ Alternate Wetting and Drying.
- ধান উৎপাদনে পানি বা সেচ প্রদান আবশ্যক।
- সেচের পানির আধিক্যে ফসলের উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং রোগ পোকার আক্রমণ বেড়ে যেতে পারে।
- জলাবদ্ধ জমিতে বাদামি গাছ ফড়িং, চুঙ্গি পোকার আক্রমণ বৃদ্ধি পায়।
- জমিতে পানি আটকে থাকলে ধান গাছে কুশি উৎপাদন ব্যাহত হয়।
- সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে এডব্লিউডি খুবই লাগসই পানিসাশ্রয়ী একটি প্রযুক্তি।
- 'AWD' প্রযুক্তি হলো জমিকে পর্যায়ক্রমে ভিজানো ও শুকানোর মাধ্যমে ধানক্ষেতে প্রয়োজনমত নিয়ন্ত্রিত সেচ দেয়া।
- এ পদ্ধতিতে সেচ দিলে ধানক্ষেতে ২৮% পানি সাশ্রয় করা সম্ভব।
- সেচের পানি সাশ্রয়ী পাইপ পদ্ধতি ধানক্ষেতে একটি ছিদ্রযুক্ত প্লাস্টিক  বা বাঁশের পাইপ বসিয়ে মাটির ভেতরের পানির স্তর পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনমতো সেচ দেয়াই হলো এ পদ্ধতির বৈশিষ্ট্য।

তথ্যসূত্র - কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
১৫,১৮৭.
জনসংখ্যায় দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান-
  1. দ্বিতীয়
  2. সপ্তম
  3. তৃতীয়
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিষয়ক সংস্থার মতে,
- জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থানঃ ৮ম
- জনসংখ্যার ঘনত্বে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থানঃ ১০ম
- জনসংখ্যায় এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থানঃ ৫ম
- জনসংখ্যায় মুসলিম বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থানঃ ৪র্থ
- জনসংখ্যায় দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের অবস্থান ৩য়।

১৫,১৮৮.
বৈরাগীর ভিটা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নাটোর
  2. খ) কুমিল্লা
  3. গ) রাজশাহী
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত প্রশ্নের উত্তর: কোনটি নয়। 

• বৈরাগী ভিটা বগুড়া মহাস্থানগড়ে অবস্থিত।
- এটি আনুমানিক ২৫০০ বছর পুরনো।
- সম্প্রতি এই ভিটায় ১৪০০ বছর আগের একটি স্থাপনার নিদর্শন পাওয়া গেছে।
- এর পূর্বেও এখানে তিনটি বৌদ্ধমন্দিরের সন্ধান পাওয়া যায়।

সূত্র: দৈনিক নয়াদিগন্ত
১৫,১৮৯.
গ্রেটা থুনবার্গ হলেন একজন-
  1. ক) নারীবাদী কর্মী
  2. খ) মানবাধিকারকর্মী
  3. গ) পরিবেশকর্মী
  4. ঘ) প্রাণী অধিকারকর্মী
সঠিক উত্তর:
গ) পরিবেশকর্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পরিবেশকর্মী
ব্যাখ্যা
গ্রেটা থুনবার্গ একজন সুইডিশ পরিবেশ কর্মী যিনি জলবায়ু পরিবর্তনের সমস্যা মোকাবেলা করতে কাজ করেছিলেন, তিনি ফ্রাইডেস ফর ফিউচার নামে পরিচিত একটি আন্দোলন প্রতিষ্ঠা করেন (২০১৮) জলবায়ুর জন্য স্কুল ধর্মঘট)।

 উৎস:- ব্রিটানিকা।
১৫,১৯০.
চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার নির্মাণে কোন দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে চুক্তি সই হয়েছে?
  1. সুইডেন
  2. ডেনমার্ক
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

- লালদিয়া টার্মিনাল নির্মাণে ডেনমার্ক দেশভিত্তিক কোম্পানির সাথে চুক্তি সই হয়েছে।
• লালদিয়ার চুক্তির এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে-
- মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের।
- এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার। শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।
- আট লাখ একক কনটেইনার ওঠানো নামানো পর্যন্ত প্রতি একক কনটেইনারে বন্দর কর্তৃপক্ষ ২১ ডলার করে মাশুল পাবে।
- আর আট লাখের বেশি ৯ লাখ একক কনটেইনার ওঠানো–নামানো পর্যন্ত প্রতি একক কনটেইনারের জন্য ২৩ ডলার করে পাবে বন্দর। - এই দুটি স্তর ছাড়া আরও একটি স্তর রয়েছে। যেমন ৯ লাখের বেশি কনটেইনার ওঠানো–নামানো হলে বন্দরকে আরেকটি স্তরে মাশুল - দেবে এপিএম টার্মিনালস। তবে সেই হার কত, তা প্রকাশ করা হয়নি।
- সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় একসঙ্গে তিনটি জাহাজ ভেড়ানোর তিন জেটির এই টার্মিনাল নির্মাণের জন্য  কোম্পানিটি ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের পর ২৫০ কোটি টাকা ‘আপফ্রন্ট ফি’ (এককালীন ফি) পাবে বন্দর।


উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।[লিঙ্ক]

১৫,১৯১.
২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় মােট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ?
  1. ক) ৮১.২৫%
  2. খ) ৭১.২৫%
  3. গ) ৪৪.৫৩%
  4. ঘ) ৯৫.৮৪%
সঠিক উত্তর:
ক) ৮১.২৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৮১.২৫%
ব্যাখ্যা
⇨ বাংলাদেশের তৈরি পােশাক খাত তৈরি পােশাক’ ও ‘নীটওয়্যার’ - ইত্যাদি কয়েক ধরনের রপ্তানি পণ্যের সমন্বয়ে গঠিত।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে তৈরি পােশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয় - ২৭,৪৯৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ২৭.৪৯৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার যা মােট রপ্তানি আয়ের - ৮১.২৫% (নীটওয়্যার- ৪৪.৫৩% ও তৈরি পােশাক - ৩৬.৭২%)।
⇨ অর্থাৎ রপ্তানি আয়ে তৈরি পােশাক খাতের অবদান - ৮১.২৫%।
⇨ এই খাতের বাইরে শিল্পজাত পণ্যের মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় আসে - পাট ও পাটজাত পণ্য থেকে (৬৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।
⇨ রপ্তানিতে প্রাথমিক পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার ৪.১৫% এবং ‘শিল্পজাত পণ্য’-এর অবদান/রপ্তানির হার - ৯৫.৮৪%।
⇨ প্রাথমিক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে - “হিমায়িত খাদ্য’।
⇨ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি হয়েছে - ‘কৃষিজাত পণ্য।   

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১৫,১৯২.
কোনটি নিয়ন্ত্রিত শিল্প?
  1. ক) সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল
  2. খ) পারমাণবিক শক্তি
  3. গ) হাইটেক শিল্প
  4. ঘ) সিকিউরিটিজ প্রিন্টিং
সঠিক উত্তর:
ক) সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল
ব্যাখ্যা
নিয়ন্ত্রিত শিল্প
- যেসব শিল্প প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার করে এবং জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করে তাদের নিয়ন্ত্রিত শিল্প বলে।
- এটি নিয়ন্ত্রিত শিল্পের কর্মীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেমন শিক্ষাদান বা আর্থিক পরিষেবা৷ পারমাণবিক শিল্প বিশ্বের সবচেয়ে নিয়ন্ত্রিত শিল্প।
নিয়ন্ত্রিত শিল্পের তালিকা
১। যন্ত্রচালিত ট্রলারযোগে গভীর সমুদ্রে মৎস্য আহরণ শিল্প।
২। বেসরকারি খাতে ব্যাংক/আর্থিক প্রতিষ্ঠান শিল্প।
৩। বেসরকারি খাতে ইনস্যুরেন্স কোম্পানি।
৪। বেসরকারি খাতে বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ প্রকল্পসমূহ।
৫। প্রাকৃতিক গ্যাস/তেল অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৬। কয়লা অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৭। অন্যান্য প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান, উত্তোলন ও সরবরাহকরণ শিল্প।
৮। বৃহৎ অবকাঠামো প্রকল্প (যেমন-ফ্লাইওভার, এলিভেটেড এক্সপ্রেস ওয়ে, মনোরেইল, অর্থনৈতিক অঞ্চল, ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো/কনটেইনার ফ্রেইট স্টেশন ইত্যাদি) স্থাপন।
৯। ক্রুড অয়েল রিফাইনারী (জ্বালানী হিসেবে ব্যবহৃত )/ব্যবহৃত লুব অয়েল রিসাইক্লিং/রিফাইনিং।
১০। কাঁচামাল হিসেবে দেশিয় প্রাকৃতিক গ্যাস/কনডেনসেট ও অন্যান্য খনিজ ব্যবহৃত মাঝারি ও বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান।
১১। টেলিকমিউনিকেশন সেবা শিল্প (মোবাইল/সেলুলার এবং ল্যান্ড ফোন।
১২। স্যাটেলাইট চ্যানেল।
১৩। কার্গো/যাত্রী পরিবহন বিমান।
১৪। সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল।
১৫। সমুদ্র বন্দর/গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপন।
16। VoIP (Voice Over Internet Protocol) ও IP (Internet Protocol) Telephone।
১৭। সৈকত বালি থেকে আহরিত ভারী খনিজ নির্ভর শিল্প স্থাপন ও আহরণ।
১৮। বিস্ফোরকসহ (প্রজ্জ্বলীয় কঠিন পদার্থ, জারক পদার্থ, বিষাক্ত পদার্থ) যে কোন প্রকার বিস্ফোরক দ্রব্য উৎপাদনকারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।
১৯। এসিড উৎপাদনকারী শিল্প।
২০। রাসায়নিক সার উৎপাদনকারী শিল্প।
২১। সকল প্রকার শিল্প স্লাজ (Industrial Sludge) ও স্লাজ দ্বারা প্রস্তুতকৃত সার এবং এ সংক্রান্ত যে কোন সামগ্ৰী উৎপাদনকারী/ প্রস্তুতকারী শিল্প।
২২। স্টোন ক্রাশার শিল্প।

উৎস:  জাতীয় শিল্পনীতি- ২০১৬. pdf, bangladesh.gov.bd.
১৫,১৯৩.
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা

প্রাথমিক শিক্ষা:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭৩ সালে সরকার প্রাথমিক শিক্ষা জাতীয়করণ করে।

⇒ ১ জানুয়ারী, ১৯৯৩ থেকে সারাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন কার্যকর হয়।
- ১৯৭৪ সালে কুদরাত-এ-খুদা প্রণীত ‘বাংলাদেশ শিক্ষা কমিশন' ১৯৮৩ সালের মধ্যে প্রথম শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষাকে সর্বজনীন, বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষার সুপারিশ করে।
- ১৯৮১ সালে পৃথক প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৯০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন পাস হয়।
- অন্যদিকে এ আইনের যথাযথ বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণের জন্য প্রথমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে ২১ আগস্ট, ১৯৯০ ইং ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা আইন বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ কোস/সেল প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- পরবর্তীতে ৩১ নভেম্বর, ১৯৯২ ইং তারিখে এর নামকরণ করা হয় ‘বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষা বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ইউনিট'।
- তার পূর্বে ১ জানুয়ারি, ১৯৯২ সালে প্রাথমিকভাবে ৬৮ টি উপজেলায় এই আইন চালু হয়।

উৎস: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

১৫,১৯৪.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অপারেশন গুলোর সমন্বিত সাংকেতিক নাম কী?
  1. অপারেশন বিগ বার্ড
  2. অপারেশন জ্যাকপট
  3. অপারেশন কিলো ফ্লাইট
  4. অপারেশন বিগ উইং
সঠিক উত্তর:
অপারেশন কিলো ফ্লাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন কিলো ফ্লাইট
ব্যাখ্যা
অপারেশন কিলো ফ্লাইট:
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুক্তিবাহিনীর বিমান উইং এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্ম ও গোড়াপত্তনের ইতিহাস।
- ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত পরিত্যক্ত এক বিমানঘাঁটিতে জন্ম হয়েছিল যে ইতিহাসের, সেই ইতিহাস শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অপারেশন গুলোর সমন্বিত সাংকেতিক নাম।
- এই কিলো ফ্লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন দুঃসাহসিক বিমান যোদ্ধারা।
- ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ সম্ভাবনাটিও চিরতরে হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও ডেইলি স্টার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২।
১৫,১৯৫.
ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত প্রথম ক্লাব কোনটি?
  1. ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব
  2. ব্রাদার্স ইউনিয়ন
  3. মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব
  4. আবাহনী লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব
ব্যাখ্যা
ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব:
- ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত প্রথম ফুটবল ক্লাব ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব।

⇒ রামদাস ভাদুড়ি ঢাকার ওয়ারী এলাকায় ১৮৩৫ সালে প্রতিষ্ঠা করেন একটি ক্রীড়া সংগঠন, যার নাম ছিলো 'ওয়েলিংটন ক্লাব'। 
- ওয়ারীর কয়েকজন ক্রীড়া সংগঠক এই ওয়েলিংটনকেই 'ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাব' নাম দিয়ে ১৮৯৮ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ঢাকার প্রথম ফুটবল ক্লাব।
- স্থানীয় জমিদার সুরেন্দ্র নাথ রায় ক্লাবটির গোড়াপত্তনে মূল ভূমিকা রেখেছিলেন বলে মনে করা হয়।

⇒ মতিঝিল শাপলা চত্ত্বর থেকে ক্লাব পাড়ার গলি ধরে এগুলে প্রথমেই দেখা পাওয়া যায় মোহামেডান ক্লাবের। এরপরেই ভিক্টোরিয়া, আরেকটু সামনে হাঁটলে চোখে পড়ে 'ওয়ারী স্পোর্টিং ক্লাবের' মূল ফটক। তাতে প্রতিষ্ঠার সময়কাল লেখা ১৮৯৮। 
- ওয়ারী ক্লাবের প্রথম সাফল্য আসে ফুটবলে, ১৯১০ সালে। সে বছর ওয়ারী ক্লাব পরাজিত করে বৃটিশ রাজকীয় 'প্রাসাদ' দলকে। 

উল্লেখ্য,
- পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করলে ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন গঠিত হয়।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
১৫,১৯৬.
On March 22, 2023 Bangladesh signed transit agreement with which country?
  1. ক) Nepal
  2. খ) Bhutan
  3. গ) India
  4. ঘ) Myanmar
সঠিক উত্তর:
খ) Bhutan
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Bhutan
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ভুটান ট্রানজিট চুক্তি:
- বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে ট্রানজিট সুবিধায় যানবাহন চলাচলের বিষয়ে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- ২২ মার্চ, ২০২৩ তারিখে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। 
- পরস্পরের ভূমি ব্যবহার করে বাণিজ্য জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে ট্রানজিট চুক্তিতে সই করে দেশ দুটি।
- বুধবার ভুটানের রাজধানী থিম্পুতে ‘প্রটোকল অব দ্য এগ্রিমেন্ট অন দ্য মুভমেন্ট অব ট্রাফিক ইন ট্রানজিট বিটুইন বাংলাদেশ অ্যান্ড ভুটান’ শীর্ষক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি এবং ভুটানের পক্ষে দেশটির শিল্প কাণিজ্য ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী কার্মা দর্জি সই করেন।
- এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের জল, স্থল ও আকাশপথ ব্যবহার করে ভুটান নির্ধারিত ফি দিয়ে তৃতীয় দেশের সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য করতে পারবে।
- আর ভবিষ্যতে চীনের সঙ্গে ভুটানের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ হলে তখন এ ট্রানজিট সুবিধায় ভুটানের ভেতর দিয়ে চীনের সঙ্গে বাণিজ্য করতে পারবে বাংলাদেশ।

উৎস: ২২ মার্চ, ২০২৩, প্রথম আলো।
১৫,১৯৭.
বাংলাদেশের ২১ তম রাষ্ট্রপতির নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো?
  1. ক) ৫ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ১৯ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৮ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯ ফেব্রুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
দৈনিক পত্রিকাগুলোতে ২১ তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তারিখ হিসেবে কোথাও কোথাও ১৮ ফেব্রুয়ারি এবং কোথাও কোথাও ১৯ ফেব্রুয়ারির উল্লেখ আছে। অপশনে ১৯ ফেব্রুয়ারি থাকায় এটাকেই উত্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে।
১৫,১৯৮.
দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেলের নাম কী?
  1. জনাব মাহবুবে আলম
  2. এ এম আমিন উদ্দিন
  3. আব্দুল কাদের
  4. জনাব সালাউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
এ এম আমিন উদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এম আমিন উদ্দিন
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল: 
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেলের নাম এ এম আমিন উদ্দিন।
- সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ এম আমিন উদ্দিন।
- রাষ্ট্রপতি মো. আব্দুল হামিদ অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে এ এম আমিন উদ্দিনকে নিয়োগ দেন। 
- সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি আমিন উদ্দিন এর আগে দুই মেয়াদে সমিতির সম্পাদক ছিলেন।
- ২০১৯-২০ মেয়াদে তিনি সমিতির সভাপতি ছিলেন।
- সর্বশেষ ২০২০-২১ মেয়াদে তিনি সমিতির সভাপতি নির্বাচিত হন।
- তিনি প্রয়াত অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের জুনিয়র সহকর্মী হিসেবে কাজ করেছেন। 
- তিনি ১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেল।

অন্যদিকে -
- জনাব সালাউদ্দিন আহমদ ১৪তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- জনাব মাহবুবে আলম ১৫তম অ্যাটর্নি জেনারেল।

উৎস: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
১৫,১৯৯.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'যুদ্ধাপরাধীদের বিচার' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ১৮ক নং
  2. ১১৮ নং
  3. ৩৬ নং
  4. ৪৭ (৩) নং
সঠিক উত্তর:
৪৭ (৩) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৭ (৩) নং
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান:
• সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ৪৭ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
- গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দণ্ডদান করার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সাথে অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী হিসেবে গণ্য হবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হয়েছে বলে গণ্য হবে না ।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চলাফেরার স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৫,২০০.
বাংলাদেশের প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন কার উপর ন্যস্ত?
  1. সুপ্রিমকোর্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. হাইকোর্ট
  4. আইন মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:

• বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত।
- সংসদ যেকোনো নতুন আইন প্রণয়ন, প্রচলিত আইনের পরিবর্তন বা সংশোধন করতে পারে।
- কোনো নতুন আইন পাশ করতে হলে খসড়া বিলের আকারে তা সংসদে পেশ করা হয়। সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের ভোটে বিলটি গৃহীত হওয়ারপর এবং বিধি অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর তা' আইনে পরিণত হয়।

• জাতীয় সংসদ নির্বাহী বিভাগের কার্যক্রম তদারকি করে।
- প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যগণ সংসদের নিকট দায়ী থাকেন।
- কোনো কারণে সংসদ প্রধানমন্ত্রীর প্রতি অনাস্থা আনলে মন্ত্রিসভা ভেঙে যায়। মুলতুবি

• জাতীয় সংসদের অনুমতি ছাড়া কোনো কর বা খাজনা আরোপ ও আদায় করা যায় না।
- সংসদ প্রতিবছর জাতীয় বাজেট পাস করে।
- অর্থমন্ত্রী বাজেটের খসড়া সংসদে উপস্থাপন করেন। সংসদ সদস্যগণ দীর্ঘ বিতর্ক ও আলোচনার মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধনীসহ তা পাশ করেন।

•  জাতীয় সংসদের বিচারসংক্রান্ত ক্ষমতা রয়েছে। কোনো সংসদ সদস্য অসংসদীয় আচরণ করলে স্পিকার তাঁকে বহিষ্কার করতে পারেন।
- তাছাড়া সংবিধান লঙ্ঘন করলে সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসন করতে পারে এবং প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনতে পারে।

•  সংসদ সংবিধানে উল্লিখিত নিয়মের ভিত্তিতে সংবিধান সংশোধন করতে পারে। তবে এজন্য সংসদের মোট সদস্যের কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ ভোটের দরকার হয়।
• জাতীয় সংসদের সদস্যগণ সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার এবং সংসদের বিভিন্ন কমিটির সদস্যদের নির্বাচিত করেন।
- সংরক্ষিত আসনের মহিলা সদস্যগণও সংসদ সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
- এ ছাড়া সংসদ সদস্যগণ দেশের রাষ্ট্রপতিকে নির্বাচন করে থাকেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।