বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৪৯ / ৩০৬ · ১৪,৮০১১৪,৯০০ / ৩০,৮৩২

১৪,৮০১.
কোন তারিখে ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ভারত শাসন আইন পাস হয়?
  1. ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট
  2. ১৮৫৮ সালের ২ সেপ্টেম্বর
  3. ১৮৫৮ সালের ২ অক্টোবর
  4. ১৮৫৮ সালের ২ নভেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট
ব্যাখ্যা
বঙ্গীয় আইন সভা:
- সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হওয়ার পর ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৫৮ সালের ২ আগস্ট ভারত শাসন আইন নামক একটি আইন পাস করা হয়।
- এই আইনে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনের অবসান ঘটানো হয়।
- ভারতের রাষ্ট্র ক্ষমতা ব্রিটিশ রাজ্যের উপর ন্যস্ত করা হয়।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্ট ও সরকারের নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।

⇒ ভারতবর্ষে ১৭৭২ সালের রেগুলেটিং অ্যাক্ট-এর আওতায় চার সদস্য বিশিষ্ট গভর্নর জেনারেল অ্যান্ড কাউন্সিলকে ক্ষুদ্র পরিসরের আইনসভা বলা যেতে পারে।
- ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৮৬১ সালে ভারত সরকারকে বাংলায় প্রতিনিধিত্বমূলক আইনসভা স্থাপন করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
- এর ফলে ১৮৬১ সালের ১আগস্ট ভারতীয় কাউন্সিল আইন ঘোষিত হয়।
- বঙ্গীয় আইনসভা প্রতিষ্ঠার ঘোষণাও দেওয়া হয়।

⇒ ১৮৬২ সালের ১ ফেব্রুয়ারি বঙ্গীয় আইনসভার কার্যক্রম শুরু হয়।
- এই আইনসভায় লেফটেনেন্ট গভর্নর পদাধিকার বলে সভাপতি, ১২ জন মনোনীত সদস্য, যার মধ্যে চারজন মাত্র বাঙালি ছিলেন, বাকি ৮ জনের ৪ জন সরকারি সদস্য, ৪ জন বেসরকারি সদস্য ছিলেন।
- ১৮৯২ সালে ১৩ জনের স্থলে এই সভার সদস্য ২১ জন করা হলো।
- তবে এই প্রতিনিধিদের নির্বাচিত করার বিধান ছিল না।
- কিন্তু তারপরও বাংলার প্রতিনিধিত্বমূলক আইনসভাই বাংলাকে গণতান্ত্রিক আইনসভার পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৮০২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের কোন খাতে বেশি জনশক্তি নিয়োজিত?
  1. সেবা খাত
  2. পর্যটন খাত
  3. শিল্প খাত
  4. কৃষি খাত
সঠিক উত্তর:
কৃষি খাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি খাত
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫.৩৩%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৬৫%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১১.২০%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৫৬%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.২৪%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৪,৮০৩.
বাংলাদেশে মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) -
  1. ক) ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর
  2. খ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
  3. গ) ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর
  4. ঘ) ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ কোটি ৮১ হাজার একর
ব্যাখ্যা
• মোট আবাদযোগ্য জমি (Gross Cropped Area) - ৩ কোটি ৯৬ লক্ষ ৭৮ হাজার একর।
• মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area) - ২ কোটি ৮১ হাজার একর
• আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ (Not available for cultivation) - ৮২ লক্ষ ৮৪ হাজার একর।
• বনাঞ্চল (Forest Area) - ৬৩ লক্ষ ৬৩ হাজার ৩০৯ একর।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১।
১৪,৮০৪.
স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশ-ভারত যৌথ বাহিনী গঠিত হয় কখন?
  1. ক) ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
  2. খ) ২৩ নভেম্বর, ১৯৭১
  3. গ) ২৪ নভেম্বর, ১৯৭১
  4. ঘ) ২৫ নভেম্বর, ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২১ নভেম্বর, ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ২১ শে নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে ‘যৌথ কমান্ড’ গঠন করেছিল।
- পাকিস্তান ৩ ডিসেম্বর ভারত আক্রমণ করলে যুদ্ধের তীব্রতা বৃদ্ধি পায় এবং ভারতীয় বাহিনী সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তি বাহিনীর সঙ্গে ভারতের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে যােগ দেয়।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনী যৌথ কমান্ডের নিকট আত্মসমর্পণ করে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৮০৫.
সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানীর নাম কী?
  1. ঢাকা
  2. জাহাঙ্গীরনগর
  3. গৌড়
  4. ইসলামপুর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গৌড়
ব্যাখ্যা

• সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিল — গৌড়।

• বাংলার প্রাচীন রাজধানী হিসেবে সোনারগাঁও ও গৌড়:
- নারায়ণগঞ্জ জেলার অন্তর্গত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে মোগড়াপাড়া ক্রসিং থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার উত্তরে সোনারগাঁও অবস্থিত।
- সবুজ বন-বনানী আর অনুপম স্থাপত্যশৈলীর প্রাকৃতিক সৌন্দর্য়ের নান্দনিক ও নৈসর্গিক পরিবেশে ঘেরা বাংলার প্রাচীন রাজধানী সোনারগাঁও।
- ত্রয়োদশ শতাব্দীর শেষভাগে হিন্দু আমলের রাজধানী এখানেই অবস্থিত ছিল বলে ধারণা করা হয়।
- পরবর্তীকালে মুসলিম শাসকদের পুর্ববঙ্গের প্রাদেশিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছিল।
- প্রাচীন সুবর্ণগ্রাম থেকে সোনারগাঁও নামের উদ্ভব বলে কারো কারো ধারণা রয়েছে।
- অন্য ধারণামতে বারো ভূঁইয়া প্রধান ঈশা খাঁ’র স্ত্রী সোনাবিবি’র নামানুসারে সোনারগাঁও নামকরণ করা হয়।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদের মধ্যে শিল্পকলা, সংস্কৃতি ও সাহিত্যের ক্ষেত্রে সোনারগাঁও একটি গৌরবময় জনপদ।
- আনুমানিক ১২৮১ খ্রিস্টাব্দে এ অঞ্চলে মুসলিম আধিপত্যের সূচনা হয়।
- সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২ খ্রি.)।
- পরে রাজধানী স্থানান্তরিত হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫ খ্রি.)।
- সুলতানি আমলে সবচেয়ে বেশি সময় ধরে এবং সর্বশেষ  রাজধানী গৌড় ছিল। সে আলোকে গৌড়  উত্তর নেওয়া হয়েছে।

এছাড়াও,
- ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সম্রাট আওরঙ্গজেবের আমলে ঢাকা সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঘোষিত হবার পূর্ব পর্য়ন্ত সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- ঈশা খাঁ ও তাঁর বংশধরদের শাসনামলে সোনারগাঁও ছিল পূর্ববঙ্গের রাজধানী।
- সোনারগাঁও-এর আরেকটি নাম ছিল পানাম।
- পানাম নগরের নির্মিত ভবনগুলো ছোট লাল ইট দ্বারা তৈরী।
- ইমারতগুলো কোথাও একে অপর থেকে বিচ্ছিন্ন, আবার কোথাও সন্নিহিত।
- অধিকাংশ ভবনই আয়তাকার এবং উত্তর দক্ষিণে বিস্তৃত।দীর্ঘ একটি সড়কের উভয় পাশে দৃষ্টিনন্দন ভবন স্থাপত্যের মাধ্যমে পানামনগর গড়ে উঠেছিল।
- উভয় পাশে মোট ৫২টি পুরোনো বাড়ী এই ক্ষুদ্র নগরীর মূল আকর্ষণ।

উল্লেখ্য,
- ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁওকে স্বাধীন বাংলার প্রথম রাজধানী করেন।
- জালালউদ্দিন মাহমুদ শাহ তার রাজধানী গৌড়ে স্থানান্তরিত করেন। 
- আলাউদ্দিন হোসেন শাহ সিংহাসনে আরোহণ করে রাজধানী গৌড় থেকে একডালাতে স্থানান্তরিত করেন। 

উৎস: বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১৪,৮০৬.
'এনফিল্ড' কীসের নাম?
  1. ক) নির্বতনমূলক আইন
  2. খ) রাইফেলের নাম
  3. গ) ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বন্দিশালা
  4. ঘ) ব্রিটিশ সরকার প্রদত্ত সম্মাননা
সঠিক উত্তর:
খ) রাইফেলের নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাইফেলের নাম
ব্যাখ্যা
- এনফিল্ড হলো একটি রাইফেলের নাম। এটি ১৮৫৬ সালে ভারতীয় বাহিনীতে প্রবর্তন করা হয়।
- এই রাইফেলের টোটা দাঁত দিয়ে কেটে বন্দুকে প্রবেশ করাতে হতো। কিন্তু গুজব রটে যে এর গুলির কার্তুজ গরু ও শূকরের চর্বি দিয়ে তৈরি। ফলে ভারতীয় মুসলিম ও হিন্দু সৈনিকরা এ রাইফেলের প্রবর্তনকে তাদের ধর্মনাশের অংশ হিসেবে দেখে।
- এই ঘটনাকে সিপাহী বিদ্রোহের আশু কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৪,৮০৭.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অংশের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ১৭.৪৮ কিলোমিটার
  2. ১৮.৮৭ কিলোমিটার
  3. ১৯.৭৩ কিলোমিটার
  4. ২০.৩৬ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১৯.৭৩ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯.৭৩ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে:
- ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মূল অংশের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কিলোমিটার।
- এক্সক্সপ্রেসওয়ের ১১.৫ কিলোমিটার অর্থাৎ বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করা হয়।
- ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ সালে ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করা হয়।
- বিদেশি বিনিয়োগে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতায় পরিবহন খাতে এটাই প্রথম প্রকল্প।
- সম্পূর্ণ এক্সপ্রেসওয়ে অর্থাৎ তেজগাঁও থেকে কুতুবখালী পর্যন্ত আগামী বছরের জুনে চালু করার লক্ষ্য
ঠিক করেছে সরকার ।
- পুরো উড়ালসড়কে ৩১টি স্থান দিয়ে যানবাহন ওঠানামা (র‍্যাম্প) করার ব্যবস্থা থাকছে।
- কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশে ওঠা নামার জন্য মোট ১৫টি র‍্যাম্প থাকবে। এর মধ্যে ১৩টি র‍্যাম্প আগামীকাল যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
- প্রাইভেট কার, মাইক্রোবাস, পিকআপ ও হালকা ট্রাককে ৮০, বাস ও মিনিবাস ১৬০, মাঝারি ট্রাক ৩২০ এবং ভারি ট্রাক বা ট্রেইলরে ৪০০ টাকা টোল দিতে হবে।

তথ্যসূত্র- ডেইলি স্টার, সেপ্টেম্বর ২, ২০২৩ ও দৈনিক যুগান্তর, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৩।
১৪,৮০৮.
বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার বাংলাদেশের কততম প্রধান নির্বাচন কমিশনার? [জানুয়ারি, ২০২৬] 
  1. ১২তম
  2. ১৩তম
  3. ১৪তম
  4. ১৫তম
সঠিক উত্তর:
১৪তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪তম
ব্যাখ্যা

• নির্বাচন কমিশন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দীন। 
- জনাব এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন ২০২৪ সালের ২১ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশের ১৪ তম প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- বাংলাদেশে প্রথম নির্বাচন কমিশনার: বিচারপতি এম.ইদ্রিস।

• বর্তমান নির্বাচন কমিশন:
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার: এ এম এম নাসির উদ্দিন
- নির্বাচন কমিশনার: আব্দুর রহমানেল মাছউদ
- নির্বাচন কমিশনার: বেগম তাহমিদা আহমদ
- নির্বাচন কমিশনার: মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম সরকার
- নির্বাচন কমিশনার: ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল ফজল মো: সানাউল্লাহ (অবসরপ্রাপ্ত)

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১৪,৮০৯.
নিচের কোনটি আলুর উন্নত জাত?
  1. মুক্তকেশী
  2. কার্ডিনাল
  3. বাহার
  4. কাঞ্চন
সঠিক উত্তর:
কার্ডিনাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্ডিনাল
ব্যাখ্যা
উন্নত জাত
- আলুর উন্নত জাত: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।

এছাড়াও - ঝুমকো
- বেগুনের উন্নত জাত: শুকতারা, তারাপুরী, ইওরা ,ইসলামপুর্‌, খটখটিয়া, শিংনাথ, , মুক্তকেশী, কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১।
- টমেটোর উন্নত জাত: বাহার, মানিক, রতন, মিন্টো, ঝুমকা। 
- গমের উন্নত জাত: বলাকা, দোয়েল, , আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দী। 

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৪,৮১০.
’রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ কমিটির আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. নূরুল হক ভূইয়া
  2. আব্দুল মতিন চৌধুরি
  3. গোলাম মাহবুব
  4. আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
নূরুল হক ভূইয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নূরুল হক ভূইয়া
ব্যাখ্যা

'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ':
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।

 - ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
-  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ 
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ গঠিত হয়।
- এ কমিটি আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠিত হয়,
- যার নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন পুনরায় সঞ্জীবিত হতে থাকে।

 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কর্ম পরিষদ'
- ৩১শে জানুয়ারি আওয়ামী মুসলিম লীগ সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সর্বদলীয় সভায় 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কর্ম পরিষদ' গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

১৪,৮১১.
নিচের কোনটি সরকার কাঠামোর অংশ নয়?
  1. ক) হাইকোর্ট বিভাগ
  2. খ) সামরিক বাহিনী
  3. গ) আইনসভা
  4. ঘ) সিভিল সোসাইটি
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিভিল সোসাইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিভিল সোসাইটি
ব্যাখ্যা
সিভিল সোসাইটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার কাঠামোর অংশ নয়। সিভিল সোসাইটি হলো বেসরকারি স্বেচ্ছামূলক সংগঠিত গোষ্ঠী।
এই গোষ্ঠী সরকারি কাঠামোর বাহিরে অবস্থান করে সরকারি সিদ্ধান্ত ও নীতি গ্রহণ, পরিচালনা ও নির্ধারণে প্রভাব বিস্তার করে।
অন্যদিকে সামরিক বাহিনী, হাইকোর্ট এবং আইনসভা সরকার কাঠামোর অংশ।
(সূত্রঃ উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি : প্রথমপত্র : মো. মোজাম্মেল হক)
১৪,৮১২.
বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ নিচের কোনটির ব্যবহারে আইনি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ?
  1. ক) সি এফ সি গ্যাস
  2. খ) মাত্রাতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক
  3. গ) মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক
  4. ঘ) সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক
ব্যাখ্যা
বিশ্বে প্রথম দেশ হিসেবে ‘সিঙ্গেল-ইউজ প্লাস্টিক'-এর ব্যবহারে আইনি নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে যে দেশ - বাংলাদেশ।
১৪,৮১৩.
'সালাম সালাম হাজার সালাম' গানের গীতিকার কে?
  1. আব্দুল জব্বার
  2. ফজলে খোদা
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. আপেল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
ফজলে খোদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফজলে খোদা
ব্যাখ্যা

• স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৪,৮১৪.
গণপরিষদে প্রথম স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন যথাক্রমে -
  1. ক) শাহ আবদুল হামিদ ও বায়তুল্লাহ
  2. খ) মুহাম্মদুল্লাহ ও বায়তুল্লাহ
  3. গ) মুহাম্মদুল্লাহ ও শাহ আবদুল হামিদ
  4. ঘ) শাহ আবদুল হামিদ ও মুহাম্মদুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাহ আবদুল হামিদ ও মুহাম্মদুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শাহ আবদুল হামিদ ও মুহাম্মদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• গণপরিষদে প্রথম স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন যথাক্রমে মাননীয় সদস্য শাহ আবদুল হামিদ ও মুহাম্মদুল্লাহ। 
• ১ মে ১৯৭২ স্পিকার শাহ আবদুল হামিদ মৃত্যুবরণ করলে একই বছরের ১২ অক্টোবর বাংলাদেশ গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে 
স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন যথাক্রমে মাননীয় সদস্য মুহাম্মদুল্লাহ ও মোহাম্মদ বায়তুল্লাহ।    

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৪,৮১৫.
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক নয় কোনটি?
  1. সোনালী ব্যাংক
  2. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক
  4. বেসিক ব্যাংক
  5. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক বিশেষায়িত ব্যাংক।

বাণিজ্যিক ব্যাংক:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি।
- সোনালী ব্যাংক।
- জনতা ব্যাংক।
- অগ্রণী ব্যাংক।
- রূপালী ব্যাংক।
- বেসিক ব্যাংক।
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক।

বিশেষায়িত ব্যাংক:
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক - ৩টি।
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক।
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৪,৮১৬.
ডা. সেতারা বেগম কত নং সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছেন?? 
  1. ১ নং
  2. ২ নং
  3. ৩ নং
  4. ১১ নং
সঠিক উত্তর:
২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধে নারী, শিশু ও ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী:
- মুক্তিযুদ্ধে নারীদের বিশেষ অবদানের জন্য দুজন মহিলাকে বীরত্বসূচক 'বীরপ্রতীক' খেতাব প্রদান করা হয়।
- তারা হলেন-ক্যাপ্টেন ডা. সেতারা বেগম (২নং সেক্টর) এবং তারামন বিবি (১১নং সেক্টর)।
- খেতাবহীন বীর মহিলা মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে সুনামগঞ্জের খাসিয়া সম্প্রদায়ের কাঁকন বিবি পরিচিত, যার আসল নাম ছিল কাঁকাত হেনিনচিতা।
- তিনি 'মুক্তিবেটি' নামেও পরিচিত।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় পাক সেনা বাহিনী কর্তৃক ধর্ষিত হন প্রায় তিন লাখ নারী।
- এই নারীরা মুক্তিযোদ্ধাদের সহযাত্রী হিসেবে ভূমিকা পালন করেন এবং তাদের ত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ রাষ্ট্রীয়ভাবে 'বীরাঙ্গনা' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৪,৮১৭.
জাতীয় পতাকার লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ কত?
  1. মোট দৈর্ঘ্যের এক-চতুর্থাংশ
  2. মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ 
  3. মোট দৈর্ঘ্যের এক-অষ্টমাংশ
  4. মোট দৈর্ঘ্যের এক-দশমাংশ
সঠিক উত্তর:
মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ 
ব্যাখ্যা

• জাতীয় পতাকা:
- জাতীয় পতাকা অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশও জাতীয় পতাকার আকৃতি, গড়ন, রং ও পতাকা উত্তোলনের ধরনের কিছু অনুমোদিত নিয়মকানুন অনুসরণ করে।
- পতাকা বিধি (১৯৭২) অনুসারে জাতীয় পতাকার রং হবে গাঢ় সবুজ এবং ১০:৬ অনুপাতে আয়তাকার।
- তাতে থাকবে সবুজ অংশের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত।
- লাল বৃত্তের ব্যাসার্ধ হবে পতাকার মোট দৈর্ঘ্যের এক-পঞ্চমাংশ।
- বৃত্তের কেন্দ্রবিন্দুর অবস্থান হবে পতাকার দৈর্ঘের ৯/২০ অংশ থেকে টানা লম্বের এবং প্রস্থের মাঝখান দিয়ে টানা আনুভূমিক রেখার ছেদবিন্দুতে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪,৮১৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ঝিনাইদহ
  2. দিনাজপুর
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুযায়ী:
শীর্ষ জেলা:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৪,৮১৯.
বঙ্গবন্ধু আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কী নামকরণ করেছিলেন?
  1. রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য
  2. ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
  3. লাহোর ষড়যন্ত্র মামলা
  4. পশ্চিম পাকিস্তান ষড়যন্ত্র মামলা
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- এই মামলার সরকারি নাম ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য'। 
- লোকমুখে এই মামলা পরিচিতি লাভ করে 'আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা' হিসেবে। 
- বঙ্গবন্ধু এই মামলার নামকরণ করেছিলেন ‘ইসলামাবাদ ষড়যন্ত্র মামলা' নামে।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৪,৮২০.
মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করে কত তারিখ?
  1. ২৬ মার্চ ১৯৭১ সালে
  2. ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
  3. ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
  4. ২১ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,৮২১.
প্রদীপ কোন ফসলের জাত?
  1. গম
  2. মরিচ
  3. আলু
  4. বেগুন
সঠিক উত্তর:
গম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গম
ব্যাখ্যা
বারি গম ২৪ (প্রদীপ):
আঞ্চলিক নামঃ প্রদীপ
অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠানঃ বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট।
জীবনকালঃ ১০২-১১০ দিন দিন।
জাত এর বৈশিষ্টঃ
১। গাছের উচ্চতা ৯৫-১০০ সেমি.।
২। কুশির সংখ্যা ৫-৬ টি।
৩। দানা আকারে বড়।
৪। প্রতি শীষে ৪৫-৫৫ টি দানা থাকে।
৫। হাজার দানার ওজন ৩৮-৪২ গ্রাম।
৬। পাতা ও কান্ডের মরিচা রোগ প্রতিরোধী।
৭। শীষ বের হতে ৬৪-৬৬ দিন সময় লাগে।

তথ্যসূত্র: কৃষি বাতায়ন।
১৪,৮২২.
ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. কার্জন শিক্ষা কমিশন
  2. মেকলে শিক্ষা কমিশন
  3. হান্টার শিক্ষা কমিশন
  4. স্যাডলার শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
হান্টার শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হান্টার শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

হান্টার কমিশন:
- ১৮৫৪ সালে উডের ডেসপ্যাচে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উন্নতির জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- কিন্তু এই ডেসপ্যাচের ভাবধারা কে অবহেলা করে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উপর গুরুত্ব না দিয়ে শুধু উচ্চশিক্ষা ও সরকারি স্কুল কলেজগুলিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতি একেবারেই হয় না।
- তাই সরকার প্রথমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নতি সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করেন।

• হান্টার কমিশন গঠন:
- এই পরিস্থিতিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড রিপন ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০ জন সদস্য নিয়ে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- এটি প্রথম "ভারতীয় শিক্ষা কমিশন” নামে পরিচিত।
- এর অফিশিয়াল সরকারিভাবে নামকরণ করা হয়েছিলো ইন্ডিয়ান এডুকেশন কমিশন, ১৮৮২।
- এই কমিশন স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টারের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল বলে একে "হান্টার কমিশন” বলা হয়।
- স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টার ছিলেন এই কমিশনের সভাপতি।
- অন্যান্য সদস্যরা হলেন আনন্দমোহন বসু, কে.টি. তেলাং, ভূদেব মুখোপাধ্যায়, স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রমুখ।
- প্রাথমিক শিক্ষা ও নিরক্ষরতা বিষয়ে এই কমিশনকে বিশেষভাবে বিচার করার কথা বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৪,৮২৩.
কে ৬৯-গণঅভ্যুত্থানের সময় শহীদ হন?
  1. আবুল হাসনাত
  2. মোহাম্মদ রফিক
  3. সার্জেন্ট জহুরুল হক
  4. রাফাতুল রাহাত
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
• ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান :
- ১৯৬৮ সালের নভেম্বর মাসে ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে যে আন্দোলন দানা বাঁধে, তা একসময় ছড়িয়ে পড়ে শহর ও গ্রামের শ্রমিক-কৃষক ও সাধারণ মানুষের মাঝে।
- পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠে এক দুর্বার আন্দোলন, যা উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৬৮ সালের নভেম্বর মাসের ছাত্র অসন্তোষ মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে গণআন্দোলনে পরিণত হয়।
-  ৮ই ডিসেম্বর প্রধান বিরোধী দলগুলোর ডাকে গোটা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়।
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ আওয়ামী লীগের ছয় দফার সাথে মিলিয়ে আরও কয়েকটি দাবি নিয়ে ১১ দফা দাবি পেশ করে।
- উনসত্তরের উত্তাল সময়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এই ১১ দফা দাবি ছিল খুবই সময়োপযোগী।
- ফলে দ্রুত এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলগুলোর ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর থেকে 'ডাকসু' ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের যৌথ উদ্যোগে পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক গণআন্দোলন গড়ে ওঠে।
- ডাকসুর আহ্বানে ১৪ই জানুয়ারি সমগ্র পাকিস্তানে হরতাল পালিত হয়।
- ১৮ই জানুয়ারি পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ধর্মঘট পালন করে।
- ধর্মঘট চলাকালীন পুলিশের সাথে ছাত্রদের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়।
- ২০শে জানুয়ারি নির্যাতনের প্রতিবাদে ছাত্ররা পূর্ব পাকিস্তানে হরতাল পালন করেন। হরতাল পালনকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।   
 - আসাদ হত্যার প্রতিবাদে ২২, ২৩ ও ২৪ তারিখে ব্যাপক কর্মসূচি ঘোষিত হয়।
- ২৪ তারিখে সারা দেশে হরতাল চলাকালে সর্বস্তরের মানুষের ব্যাপক ঢল নামে। মানুষের অংশগ্রহণে আন্দোলন যেন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- ১৫ই ফেব্রুয়ারি ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত সার্জেন্ট জহুরুল হককে নৃশংসভাবে গুলি করে হত্যা করা হয়।
- জহুরুল হকের হত্যার প্রতিবাদে ১৬ই ফেব্রুয়ারি আন্দোলন দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে।
- ১৮ই ফেব্রুয়ারির পর থেকে আন্দোলন আরও বেগবান হলে দেশের সার্বিক পরিস্থিতির ব্যাপক অবনতি ঘটে।
- পশ্চিম পাকিস্তানেও আইয়ুববিরোধী আন্দোলন ব্যাপক আকার ধারণ করে।
- ২২শে মার্চ আইয়ুব খান পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর মোনায়েম খানকে অপসারণ করেন।
- তাতেও গণআন্দোলন থামানো যায়নি।
- ২৫শে মার্চ আইয়ুব খান সেনাপ্রধান জেনারেল ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করেন।

উৎস : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৪,৮২৪.
কোন সনে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে?
  1. ২০০৩
  2. ২০০৫
  3. ২০০৭
  4. ২০০৮
সঠিক উত্তর:
২০০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭
ব্যাখ্যা
• নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আলাদা:
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণের জন্য মামলা হয় ১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর। 
- এই মামলাটি 'মাসদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ' নামে পরিচিত। 
- নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ সংক্রান্ত বিতর্কের অবসান ঘটে ১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর মাজদার হোসেন মামলায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রদত্ত রায়ের মাধ্যমে।
- ২০০৭ সালের ১১ জানুয়ারি গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথকীকরণের লক্ষ্যে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের পদ সৃষ্টি করে ফৌজদারি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ ২০০৭ জারি করে। 
- যা ২০০৯ সালে আইনে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গের মধ্যে বিচার বিভাগ অন্যতম।
- নাগরিকের অধিকার রক্ষা ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করার জন্য বাংলাদেশের বিচার বিভাগ শেষ আশ্রয় হিসেবে কাজ করে।
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দুই ভাগে বিভক্ত।
• উচ্চতর বিচার বিভাগ (সুপ্রিম কোর্ট)।
• অধস্তন বিচার বিভাগ (নিম্ন আদালতসমূহ)।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ট বিভাগে বিচার বিভাগের কাঠামো, মর্যাদা এবং কার্যাবলি সম্পর্কিত বিধান লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট।
১৪,৮২৫.
কাকে 'ক্যাবিনেট তোরণের স্তম্ভ' বলা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. প্রধান বিচারপতি
  4. স্পিকার
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
'ক্যাবিনেট তোরণের স্তম্ভ' বলা হয় প্রধানমন্ত্রীকে।

প্রধানমন্ত্রী:
- সংসদীয় গণতন্ত্রে নির্বাহী বিভাগ ও সংসদের মধ্যমনি হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- তিনি কেবল মন্ত্রীসভার প্রধান নন; তার উপরই নির্ভর করবে সংসদের মেয়াদ।
- প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ করলে কার্যত সংসদ ভেঙে যায়।
- প্রধানমন্ত্রীই অন্যান্য মন্ত্রী নির্বাচন করেন।
- মন্ত্রীদের কর্মদক্ষতা বিচার করে তিনি মন্ত্রীদের কার্যত পদত্যাগে বাধ্য করেন।
- সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির তথা মন্ত্রীপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়েছে।
- সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী একাধারে সরকার প্রধান, জাতীয় সংসদের নেতা এবং শাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রবিন্দু।
- তার নেতৃত্বে সরকার পরিচালিত হয়।
- তিনি দেশ পরিচালনায় মন্ত্রীপরিষদকে নেতৃত্ব দেন।
- এছাড়াও মন্ত্রীসভার অধিবেশন আহ্বান, কার্যসূচী নির্ধারন, অধিবেশন সভা পরিচালনা, মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বন্টন, মন্ত্রীসভার কাজ তত্ত্বাবধান প্রভৃতি দায়িত্ব মূলত প্রধানমন্ত্রীর উপর ন্যস্ত।
- এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে 'ক্যাবিনেট তোরণের স্তম্ভ' (Keystone of the Cabinet arch) বলা হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৮২৬.
বাংলাদেশে শিক্ষাক্রম অনুসারে পাঠ্যপুস্তক ও অন্যান্য শিখন উপকরণ উন্নয়ন ও পরিমার্জন করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. NAEM
  2. NCTB
  3. NAPE
  4. DPE
সঠিক উত্তর:
NCTB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NCTB
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB): 
- জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড NCTB নামে পরিচিত
- এর পূর্ণরূপ National Curriculum & Textbook Board.
- বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য, 
- এনসিটিবি প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও পরিমার্জনের জন্য শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। এটি জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুসারে পাঠ্যপুস্তক ও অন্যান্য শিখন উপকরণ উন্নয়ন ও পরিমার্জন করে, এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

সূত্র: NCTB ওয়েবসাইট। 

১৪,৮২৭.
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের সময়কাল ছিল -
  1. ১৭০০-১৭৫০ খ্রিস্টাব্দ 
  2. ১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দ
  3. ১৮১০-১৮৬০ খ্রিস্টাব্দ
  4. ১৮৫০-১৯০০ খ্রিস্টাব্দ
সঠিক উত্তর:
১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দ
ব্যাখ্যা

ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম বিদ্রোহ।
- ইংরেজ সরকার তীর্থস্থান দর্শনের উপর করারোপ করে, ভিক্ষা ও মুষ্টি সংগ্রহকে বেআইনি ঘোষণা করে।
- তাছাড়া তাদেরকে ডাকাত-দস্যু বলে আখ্যায়িত করতে থাকে।
- ফলে ক্ষুব্ধ হয়ে ফকির সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ আন্দোলনে অবতীর্ণ হয়।
- বিদ্রোহী ফকির দলের নেতার নাম ছিল মজনু শাহ।
- আর সন্ন্যাসীদের নেতার নাম ছিল ভবানী পাঠক।
- তাদের আক্রমণের মূল লক্ষ্য ছিল সরকারি কুঠি, জমিদারদের কাছারি ও নায়েব-গোমস্তার বাড়ি।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে।
- এই সব অঞ্চলে ইংরেজদের সঙ্গে বিদ্রোহী ফকির-সন্ন্যাসীদের বহু সংঘর্ষ সংঘটিত হয়।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে ।
- ফকির মজনু শাহ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

অপরদিকে -
- সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ভবানী-পাঠক ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে লেফটেন্যান্ট ব্রেনানের নেতৃত্বে একদল ব্রিটিশ সৈন্যের আক্রমণে দুই সহকারীসহ নিহত হন। 
- তার মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সন্ন্যাসী বিদ্রোহের অবসান ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৮২৮.
নির্বাহী বিভাগ হতে বিচার বিভাগের আলাদা করার বিষয় উল্লেখ আছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ২০ অনুচ্ছেদে
  2. খ) ২১ অনুচ্ছেদে
  3. গ) ২২ অনুচ্ছেদে
  4. ঘ) ২৩ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ এর কথা বলা হয়েছে। অনুচ্ছেদটি - ‘রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।’ Source: bdlaws.minlaw.gov.bd
১৪,৮২৯.
নিচের কোন জেলায় মুন্ডা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. সিলেট
  2. কক্সবাজার
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা

মুন্ডা:
- মুন্ডা বাংলাদেশে বসবাসরত অন্যতম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চল, সিলেট জেলার চা বাগান এবং বৃহত্তর যশোর এবং খুলনা জেলায় এদের বসবাস।
- মুন্ডারা নিজেদের মধ্যে মুন্ডারী ভাষায় কথা বলে।
- মুন্ডাদের পোশাকের নাম হাতকা।
- মৃত্যুর পর মুন্ডাদের মৃতদেহ পুড়িয়ে ফেলাই রীতি।
- ধর্ম বিশ্বাসে মুন্ডারা প্রকৃতি পূজারী।
- তাদের প্রধান দেবতা হচ্ছেন শিং বোঙ্গা। তাদের মতে, তিনিই এ বিশ্বব্রহ্মান্ড সৃষ্টি করেছেন এবং পরিচালনা করছেন।
- গ্রাম পূজা মুন্ডাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৪,৮৩০.
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের কোন অংশের কর্মকর্তা?
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তা।

অ্যাটর্নি জেনারেল:
- অ্যাটর্নি জেনারেল, রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক।
- এছাড়াও, অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ-অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

⇒ বাংলাদেশের সংবিধান মোতাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল সাংবিধানিক পদ নয়, এটি একটি সংবিধিবদ্ধ পদ।
- সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

উল্লেখ্য,
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।
- তিনি ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল।
- ২০২৪ সালের ৮ আগস্ট তিনি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৪,৮৩১.
বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুষ্টিয়া
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে অবস্থিত।
- পাকিস্তান আমলে ১৯৫১ সালে প্রথম ইক্ষু গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে এ কেন্দ্রটিকে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন তৎকালীন বাংলাদেশ চিনিকল সংস্থার নিকট হস্তান্তর করা হয়।
- এ সংস্থাটি ১৯৭৪ সালে ‘‘ ইক্ষু গবেষণা ইন্সটিটিউট’’ নামে একটি প্রকল্প প্রণয়ন করে।
- মূলত এ ইন্সটিটিউট হতে দু’ধরনের কাজ সম্পাদিত হয়,
(ক) ইক্ষুর উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা কৌশল উদ্ভাবন।
(খ) উদ্ভাবিত উন্নত জাত ও উন্নত উৎপাদন কলা-কৌশলসমূহ ইু চাষীদের মধ্যে বিস্তার ঘটানো।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৪,৮৩২.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন-  
  1. মেজর জিয়াউর রহমান 
  2. জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী
  3. এ.কে. খন্দকার
  4. মেজর খালেদ মোশাররফ
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ: 
- জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন।
- তিনি ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন,
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- ৭ই জুলাই ১৯৭১ যুদ্ধের কৌশলগত কারণে সরকার নিয়মিত পদাতিক ব্রিগেড গঠনের পরিকল্পনায় 'জেড ফোর্স' ব্রিগেড গঠন করেন।
- এই জেড ফোর্সের অধিনায়ক হলেন জিয়াউর রহমান।
- একই ভাবে সেপ্টেম্বর মাসে 'এস ফোর্স' এবং ১৪ই অক্টোবর 'কে ফোর্স' গঠন করা হয়, এস ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন লেঃ কর্নেল কে. এম. সফিউল্লাহ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪,৮৩৩.
মুক্তিযুদ্ধে বীরত্ব অবদানে কতজন নারীকে বীর প্রতীক উপাধি দেওয়া হয়?
  1. ৫ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ১ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে নারীর অবদান:
- ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে বাংলাদেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে পুরুষের পাশাপাশি নারীরাও অংশ নিয়েছেন
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ প্রকৃত অর্থেই ছিল জনযুদ্ধ।
- নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সর্বাত্মক এই যুদ্ধে শামিল হয়েছিল সমানভাবে।
- মোট গেজেটভুক্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২০৩ জন।
- বর্তমানে মোট বীরাঙ্গনা নারী মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৪৪৮ জন।
- এদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা ২ জন।
- ২ জন নারী বীর প্রতীক: ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং তারামন বিবি।

উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ওয়েবসাইট।

১৪,৮৩৪.
শিশু মৃত্যুহার হ্রাসের জন্য প্রধানমন্ত্রী লাভ করেন-
  1. ক) ডক্টরেট ডিগ্রি
  2. খ) planet 50-50
  3. গ) MDG award 2010
  4. ঘ) ইউনিসেফ এ্যাওয়ার্ড
সঠিক উত্তর:
গ) MDG award 2010
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) MDG award 2010
ব্যাখ্যা

সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা( এমডিজি) এর অন্যতম গুগোল শিশুমৃত্যু হার কমানোর জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে শেখ হাসিনা ২০১০ সালে MDG award 2010 লাভ করেন।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবেলায় ২০১৫ সালে জাতিসংঘ কর্তৃক চ্যাম্পিয়ন অব দ্যা আর্থ
- এবং ২০১৬ সালে নারীর ক্ষমতায়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য planet 50-50 চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন।

উৎস: pmo.gov.bd/(প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়)

১৪,৮৩৫.
সর্বশেষ "জাতীয় শ্রমনীতি" ঘোষণা করা হয় কোন সালে?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার সুরক্ষা, ন্যায্য মজুরি, নিরাপদ কর্মপরিবেশ এবং শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য সরকার ২০১২ সালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় "জাতীয় শ্রমনীতি" ঘোষণা করে।

এ নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল:

- শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
- আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থার (ILO) কনভেনশন অনুযায়ী আইন ও নীতি প্রণয়ন।
- নারী শ্রমিক ও শিশুশ্রম বিষয়ে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান।
- পেশাগত স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা (Occupational Safety and Health) নিশ্চিত করা।
- শ্রমিকদের জন্য প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা।
- এর আগে বাংলাদেশে শ্রম সংক্রান্ত নানা আইন থাকলেও একটি একক ও সমন্বিত জাতীয় শ্রমনীতি ছিল না। ফলে ২০১২ সালের এই নীতি শ্রমক্ষেত্রে একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হয়।

উৎস: জাতীয় শ্রমনীতি-২০১২।

১৪,৮৩৬.
চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান তাঁর ব্যঙ্গচিত্র 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’তে প্রতীকী হিসেবে কার ছবি আঁকেন?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. টিক্কা খান
  3. আইয়ুব খান
  4. জুলফিকার আলী ভুট্টো
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইয়াহিয়া খান
ব্যাখ্যা
এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে:
- বড় বড় চোখ, রক্তলাল জিব আর বিষদাঁত।
- ছবির নিচে ক্যাপশন ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে'।
- ছবিটি পুরো দেশের মানুষকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল ইয়াহিয়া নামের এক দানবের সঙ্গে।
- বাংলাদেশের মানুষের চোখে হানাদারের প্রতিকৃতি হয়ে আছে মুক্তিযুদ্ধের সময়কার ওই পোস্টার।
- 'এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে’ শিরোনামের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক পোস্টারের শিল্পী কামরুল হাসান।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় কামরুল হাসান তাঁর সহশিল্পীদের বলেছিলেন, যুদ্ধে একজন শিল্পীর হাতিয়ার তাঁর রংতুলি।
- কামরুল হাসান তাঁর হাতিয়ার দিয়ে আঁকেন ইয়াহিয়া খানের রক্তচোষা দানবমূর্তি।
- শেষে তা হানাদার পাকিস্তানি বাহিনীর স্বরূপ হিসেবেই সারা বিশ্বের কাছে পরিচিতি পায়।
- বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্মের কাছেও এ পোস্টার হানাদারের প্রতীক।
- সেগুনবাগিচার মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরে রাখা আছে মুক্তিযুদ্ধের সময়ে ছাপা এ পোস্টার।

• কামরুল হাসান:
- কামরুল হাসান একজন চিত্রশিল্পী।
- প্রকৃত নাম আবু শরাফ মোহাম্মদ কামরুল হাসান।
- ১৯২১ সালের ২ ডিসেম্বর পিতার কর্মস্থল কলকাতায় তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- কামরুল হাসান বাংলাদেশের স্বাধিকার ও অসহযোগ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন (১৯৬৯-৭০) এবং মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
- তিনি ‘পটুয়া কামরুল হাসান’ নামে পরিচিতি লাভ করেন।
- ১৯৬০ সালে তিনি ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের নকশাকেন্দ্রের প্রধান নকশাবিদ নিযুক্ত হন।
- কামরুল হাসানের চিত্রকলার প্রধান উপাদান নর-নারী, পশুপাখি (প্রধানত গরু ও শৃগাল), সাপ ও প্রকৃতি।
- চিত্রকলায় অসাধারণ অবদানের জন্য কামরুল হাসান বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হন।
- সেসবের মধ্যে প্রেসিডেন্ট পুরস্কার (১৯৬৫), কুমিল্লা ফাউন্ডেশন স্বর্ণপদক (১৯৭৭), স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার (১৯৭৯), চারুশিল্পী সংসদ সম্মান (১৯৮৪), বাংলা একাডেমির ফেলো (১৯৮৫) উল্লেখযোগ্য।

⇒ শিল্পকর্ম:
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রতীকের ডিজাইনার কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা করেন কামরুল হাসান।
- কামরুল হাসানের 'তিন কন্যা' ও 'নাইওর' চিত্রকর্ম অবলম্বনে যুগোস্লাভ সরকার (১৯৮৫) ও বাংলাদেশ সরকার (১৯৮৬) ডাকটিকেট প্রকাশ করেছে।
- বিমানের বিখ্যাত "বলাকা" লোগোটি ডিজাইন করেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান।

⇒ কামরুল হাসানের অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে -
- রায়বেশে নৃত্য,
- ‘এই জানোয়ারদের হত্যা করতে হবে,
- ‘দেশ আজ বিশ্ববেহায়ার খপ্পরে’ প্রভৃতি।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ১৫ মার্চ ২০১৫, প্রথম আলো।
১৪,৮৩৭.
কে বাংলার সাল গণনা শুরু করেন?
  1. লক্ষ্মণ সেন
  2. ইলিয়াস শাহ্‌
  3. বিজয় সেন
  4. আকবর
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবর:
- তৃতীয় মোগল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- আকবর সঙ্গীতপ্রিয় ও সঙ্গীতপিপাসু ছিলেন।
- আকবরের দরবারে জ্ঞানী, গুণী, বিদ্যান, বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের কদর ও প্রাধান্য ছিল।
- তার দরবারে ভারতীয়, ইরানী তুরানী, কাশ্মীরি গায়ক ছিলেন।
- বিখ্যাত ইতিহাসবিদ আবুল ফজলের তথ্য মতে, আকবরের দরবারে ৩৬ জন গায়ক ছিলেন।
- আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
- ভারতের সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সঙ্গীতজ্ঞ তানসেন সম্রাট আকবরের দরবারের সবচেয়ে প্রতিভাবান বুদ্ধিজীবী এবং শিল্পী ছিলেন।

⇒ সম্রাট আকবর সমন্বয়বাদী চিন্তার ধারক-বাহক ছিলেন।

উল্লেখ্য,
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে।
- নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

এছাড়াও,
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii)ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৮৩৮.
পদাধিকার বলে ECNEC এর চেয়ারম্যান কে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. বাণিজ্য মন্ত্রী
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণ অভিব্যাক্তি - Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক ১৯৮২ সালে গঠিত হয়।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- বিকল্প সভাপতি হলেন- অর্থমন্ত্রী।
- সদস্য হচ্ছেন- পরিকল্পনা মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,৮৩৯.
স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কবে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহন করেন?
  1. ক) ১০ জানুয়ারী, ১৯৭২
  2. খ) ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
  3. গ) ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২
  4. ঘ) ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের পুনর্গঠনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের কয়েকদিনের মধ্যেই মুজিবনগর প্রশাসনের সিনিয়র
আমলাবৃন্দ ঢাকায় এসে প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণভার গ্রহণ করেন।
- ২২ ডিসেম্বর মুজিবনগর সরকারের সদস্যবৃন্দ ঢাকায় আসেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তিলাভের পর লন্ডন-দিল্লি হয়ে ১০-০১-৭২ তারিখে বঙ্গবন্ধু ঢাকায় প্রত্যাবর্তন করেন।
- ঢাকায় ফেরার পরদিন (১১.১.৭২ তারিখ রাতে) বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের ‘অন্তবর্তীকালীন শাসনতন্ত্র আদেশ, ১৯৭২’ জারি করেন।
- এই আদেশের মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু প্রধান বিচারপতির কাছে প্রথমে দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং পরে পদত্যাগ করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- এভাবেই বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের সরকার প্রধানের দায়িত্ব লাভ করেন।
- তখন বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট নিযুক্ত হন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী।
- প্রধান বিচারপতি মনোনীত হন বিচারপতি আবু সাদাত মোঃ সায়েম।
- ১২ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ১২ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রিসভা গঠন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম , বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৮৪০.
পাঙন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় কোন অঞ্চলে বাস করে?
  1. রাজশাহী
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  3. ময়মনসিংহ
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
পাঙন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায়:
- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায়।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১৪,৮৪১.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?
  1. জিমি কার্টার
  2. রিচার্ড নিক্সন
  3. জন এফ কেনেডি
  4. বিল ক্লিনটন
সঠিক উত্তর:
রিচার্ড নিক্সন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিচার্ড নিক্সন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- রিচার্ড নিক্সন।

- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- ইন্দিরা গান্ধী।
- সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন- নিকোলাই পদগর্নি।
- এই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- আলেক্সেই কোসিগিন।
- জাতিসংঘের মহাসচিব ছিলেন- উ থান্ট।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, সপ্তম শ্রেণি।
১৪,৮৪২.
উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় কার রাজত্বকালে?
  1. প্রথম চন্দ্রগুপ্তের
  2. সম্রাট অশোকের
  3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের
  4. বিন্দুসারের
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোকের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোকের
ব্যাখ্যা
- উত্তর বাংলায় মৌর্য শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে।
- মৌর্য রাজবংশ চন্দ্রগুপ্তের হাত দিয়ে শুরু হলেও তার পুত্র বিন্দুসার এবং
- বিন্দুসারের পুত্র অশোকের শাসনামলে সাম্রাজ্য চূড়ান্তভাবে বিকশিত হয়।
- খ্রিস্টপূর্ব ২৩২ অব্দে অশোকের মৃত্যু পর্যন্ত ৪০ বছর তিনি ভারতবর্ষে রাজত্ব করেন।
- সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য মৌর্য সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম-দশম শ্রেণি ও ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৮৪৩.
ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র কোনটি? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. লুক্সেমবার্গ
  4. ইতালি
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

দেশ হিসেবে রপ্তানি:

- একক দেশ হিসেবে রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।

অন্যদিকে,
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র: জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য: তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে: জাপানে।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- ২০২৩-২৪ অর্থবছর এর জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়কালে বাংলাদেশি পণ্যের প্রধান আমদানিকারক দেশ হিসেবে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে যথাক্রমে ৬,১০৩.১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ৪,৩১২.১১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়েছে, যা দেশের মোট রপ্তানির যথাক্রমে ১৫.৮৭ শতাংশ এবং ১১.২১ শতাংশ।
- যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানিতে রপ্তানীকৃত প্রধান প্রধান পণ্যসমূহ হলো- তৈরি পোশাক (ওভেন), নিটওয়্যার, হিমায়িত চিংড়ি, কাঁকড়া, গৃহস্থালি বস্ত্র ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪,৮৪৪.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার অন্যতম আসামী কে ছিলেন?
  1. ক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
  3. গ) তোফায়েল আহমেদ
  4. ঘ) আ. স. ম. আবদুর রব
সঠিক উত্তর:
খ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি পাকিস্তান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দাযের করে। ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- এই মামলায় প্রধান আসামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ মোট আসামি ছিলো ৩৫ জন।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়। এই মামলার অন্যতম আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুযারি ১৯৬৯ ঢাকা সেনানিবাসে বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- এতে আন্দোলন আরো তীব্র আকার ধারণ করে। যার কারণে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৪,৮৪৫.
২০২৫ সালের একুশে পদক লাভ করে -
  1. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল
  2. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
  3. গ্রামীণ ব্যাংক
  4. বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল
ব্যাখ্যা

একুশে পদক ২০২৫:
- বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য দেশের ১৭ জন বিশিষ্ট নাগরিক এবং ১টি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৫ সালের একুশে পদক প্রদান করা হয়েছে।
- ১টি প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

⇒ পুরস্কার প্রাপ্তরা -
- চলচ্চিত্রে আজিজুর রহমান (মরণোত্তর)।
- সংগীতে ওস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) ও ফেরদৌস আরা।
- আলোকচিত্রে নাসির আলী মামুন।
- চিত্রকলায় রোকেয়া সুলতানা।
- সাংবাদিকতায় মাহফুজ উল্লা (মরণোত্তর)।
- সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে মাহমুদুর রহমান।
- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় শহীদুল আলম।
- শিক্ষায় নিয়াজ জামান।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে মেহদী হাসান খান, রিফাত নবী, তানবিন ইসলাম সিয়াম ও শাবাব মুস্তাফা।
- সমাজসেবায় মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী (মরণোত্তর)।
- ভাষা ও সাহিত্যে হেলাল হাফিজ (মরণোত্তর) ও শহীদুল জহির (মরণোত্তর)।
- গবেষণায় মঈদুল হাসান।

উল্লেখ্য,
- একুশে পদক বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার।
- ১৯৭৬ সালে জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন।
- জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্যে এ পদক দেওয়া হয়।

অন্যদিকে,
- ২০২৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর একুশে পদক লাভ করেন।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৪,৮৪৬.
সাংবিধানিক ভাবে বাংলাদেশের সম্পদের মালিকানা কয় ধরনের হয়?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ: মালিকানার নীতি।
- বাংলাদেশের সম্পদের মালিকানা তিন ধরনের। যথা:

(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷ত

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 
১৪,৮৪৭.
Which of the following is not one of the three leaders buried at the Tin Netar Mazar?
  1. A.K.Fazlul Huq
  2. Huseyn Shaheed Suhrawardy
  3. Khwaja Nazimuddin
  4. Abdul Hamid Khan Bhashani
সঠিক উত্তর:
Abdul Hamid Khan Bhashani
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Abdul Hamid Khan Bhashani
ব্যাখ্যা

⇒ 'তিন নেতার মাজার'-এর সাথে সংশ্লিষত ব্যক্তি নয় আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।

তিন নেতার মাজার:
- রাজধানী ঢাকার দোয়েল চত্বরের কাছে অবস্থিত তিন নেতার মাজার বাংলাদেশের স্থাপত্য শিল্পের অন্যতম নিদর্শন।
- বাংলাদেশের জাতীয় তিন নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, খাজা নাজিমুদ্দিন এবং এ কে ফজলুল হক-এর সমাধির উপর ১৯৬৩ সালে স্থপতি মাসুদ আহমদ ও এস এ জহিরুদ্দিনের নকশায় তিন নেতার মাজার স্থাপনাটি নির্মাণ করা হয়েছে।
- তিন নেতার মাজারের কাছেই রয়েছে হাইকোর্ট এবং শিশু একাডেমি।
- স্বাধীনতার পূর্ব সময়ে এই তিন মহান নেতাই তৎকালীন অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে নিযুক্ত ছিলেন।
- বাংলার বাঘ খ্যাত শের-এ-বাংলা এ.কে. ফজলুল হক ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী।
- ফজলুল হক ১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী, পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া যুক্তফ্রন্ট গঠনে তাঁর ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য।
- খাজা নাজিমুদ্দিন ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন। ১৯৫১ সালে তাঁকে পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচন করা হয়।
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯২৪ সালে কলকাতা পৌরসভার ডেপুটি মেয়র হন এবং খাজা নাজিমুদ্দিনের মন্ত্রীসভায় তিনি শ্রমমন্ত্রী নিযুক্ত ছিলেন। ১৯৫৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,৮৪৮.
বাংলাদেশের মোট কয়টি ট্যানারি প্রতিষ্ঠান লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) সনদ পেয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ৮টি
  2. ১০টি
  3. ১৩টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা

এলডব্লিউজি সনদ:
- বৈশ্বিক সংস্থা লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১ হাজার ৪৫৫টি চামড়া উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এলডব্লিউজির সনদ পেয়েছে।
- এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ২৩৫টি প্রতিষ্ঠান ইতালির।
- এদিকে, বাংলাদেশের মাত্র আট প্রতিষ্ঠান এখন পর্যন্ত বৈশ্বিক সংস্থা লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের (এলডব্লিউজি) সনদ পেয়েছে।
- দেশে প্রথম এলডব্লিউজি সনদ পায় অ্যাপেক্স ফুটওয়্যারের ট্যানারি ইউনিট, ২০১৫ সালে।
- তারা নিরীক্ষায় সেরা মান, অর্থাৎ গোল্ড কারখানার মর্যাদা পেয়েছে।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

১৪,৮৪৯.
BADC এর কাজ কী?
  1. সেবা উন্নয়ন
  2. কৃষি উন্নয়ন
  3. শিল্পোন্নয়ন
  4. চিকিৎসা উন্নয়ন
সঠিক উত্তর:
কৃষি উন্নয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি উন্নয়ন
ব্যাখ্যা
BADC:

- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।
১৪,৮৫০.
’রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য’ নাগরিকের কী ধরনের কর্তব্য?
  1. নৈতিক কর্তব্য
  2. আইনগত কর্তব্য
  3. মৌলিক কর্তব্য
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
আইনগত কর্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত কর্তব্য
ব্যাখ্যা
• অধিকার ভোগ করতে গিয়ে নাগরিকরা যেসব দায়িত্ব পালন করে, তাকে কর্তব্য বলে।
- নাগরিকের কর্তব্যকে দুভাগে ভাগ করা যায়।

• নৈতিক কর্তব্য:
- নৈতিক কর্তব্য মানুষের বিবেক এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে আসে এবং সামাজিক নৈতিকতা বা ন্যায়বোধ থেকে সৃষ্টি হওয়ায় এগুলোকে নৈতিক কর্তব্য বলে।
-যেমন-
- নিজে শিক্ষিত হওয়া 
- সন্তানদের শিক্ষিত করা,
-সততার সাথে ভোট দান,
- রাষ্ট্রের সেবা করা, 
- বিশ্বমানবতার সাহায্যে এগিয়ে আসা। 

• আইনগত কর্তব্য:
- রাষ্ট্রের আইন দ্বারা আরোপিত কর্তব্যকে আইনগত কর্তব্য বলে।
যেমন-
- রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য,
- আইন মানা,
- কর প্রদান করা,

উৎস : পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৪,৮৫১.
ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত ধানের কোন জাতটি লবণাক্ততা সহিষ্ণু?
  1. ব্রি ধান - ৭৪
  2. ব্রি ধান - ৬২
  3. ব্রি ধান - ৪৭
  4. ব্রি ধান - ৭১
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান - ৪৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রি ধান - ৪৭
ব্যাখ্যা
- ২০০৬ সালে জাতটি চাষাবাদের জন্য জাতীয় বীজ বোর্ড কর্তৃক অনুমোদন লাভ করে।
- ব্রি ধান ৪৭ বাংলাদেশের লবণাক্ত এলাকায় বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য অনুমোদন করা হয়েছে।

জাতের বৈশিষ্ট্য: 
- এটি লবণাক্ততা সহিষ্ণু জাত। 
- গাছের উচ্চতা ১০৫ সেমি।
- ডিগ পাতা চওড়া, লম্বা ও খাড়া।
- চাল মাঝারি মোটা এবং পেটে সাদা দাগ আছে।
- এ জাতটি চারা অবস্থায় উচ্চ মাত্রা (১২-১৪ ডিএস/মিটার) লবণাক্ততা সহনশীল।
- বয়স্ক অবস্থায় নিম্ন হতে মধ্যম মাত্রা (৬ ডিএস/মিটার) লবণাক্ততা সহনশীল।
- এ জাতের জীবনকাল ১৫২ দিন।  

- ৪টি খরা সহনশীল আমন ধানের জাত যথা ব্রি ধান - ৫৬, ব্রি ধান - ৫৭, ব্রি ধান -৬৬, ব্রি ধান -৭১।
- দুটি জিংক সমৃদ্ধ জাত ব্রি ধান- ৬২ এবং ব্রি ধান- ৭২।

সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
১৪,৮৫২.
জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের কোন কোন অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিত থাকবে?
  1. ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২
  2. ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪২, ৪৩ ও ৪৩
  3. ৩৯, ৪১, ৪২, ৪৩, ৪৪ ও ৪৫
  4. ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১, ৪৫ ও ৪৬
সঠিক উত্তর:
৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়। এই সংবিধান কার্যকর করা হয় ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবসে। সংবিধানে মোট ১৫৩টি অনুচ্ছেদ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া, এটি ১১টি ভাগ বা অধ্যায়ে বিভক্ত। সংবিধানের মাধ্যমে বাংলাদেশের রাষ্ট্রক্ষমতার উৎস, মৌলিক অধিকার, রাষ্ট্রের মূলনীতি ও নাগরিকের দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১খ - অনুযায়ী,

- এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্ভুক্ত বিধানসমূহের ফলে যে আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্র অক্ষম হয়ে পড়ে, জরুরি অবস্থার কার্যকালে এই সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদ সমূহের কোনও বিষয় উক্তরূপ আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না; তবে এভাবে প্রণীত কোনও আইনের আওতায় যা করা হয়েছে বা না করা হয়েছে সেটা ব্যতীত উক্তরূপ আইন যতটুকু কর্তৃত্বহীন, জরুরি অবস্থার ঘোষণা অকার্যকর হওয়ার পর ঠিক ততটুকু কার্যকর থাকবে না।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৮৫৩.
সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ কতদিন?
  1. ৬০ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১২০ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
আইন বিভাগে আলোচ্য সময়সূচি:
- পুনর্বিবেচিত বিল রাষ্ট্রপতি ৭ দিনের মধ্যে সম্মতি দিবেন।
- কোনো বিলে রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের সর্বোচ্চ সময় ১৫ দিন।
- নির্বাচলের পর সংসদের অভিবেশন আহবান করতে হবে ৩০ দিনের মধ্যে।
- অধ্যাদেশকে অধিবেশন শুরু হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে অনুমোদন দিতে হবে।
- সংসদের দুই অধিবেশনের মধ্যবর্তী বিরতিকাল সর্বোচ্চ ৬০ দিন।
- সংসদের অনুমতি ব্যতীত ৯০ দিন অনুপস্থিত থাকলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।
- নির্বাচিত হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে শপথ না নিলে সংসদপদ শূন্য হয়ে যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
১৪,৮৫৪.
কততম সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত আসন ছিলো না?
  1. প্রথম সংসদ
  2. তৃতীয় সংসদ
  3. চতুর্থ সংসদ
  4. ষষ্ঠ সংসদ
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংসদ
ব্যাখ্যা
- চতুর্থ সংসদে নারীদের জন্যে কোন আসন ছিলো না।
- বর্তমান জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্যে সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০টি। ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদের আসন সংখ্যা ৪৫টি থেকে ৫০টিতে উন্নীত করা হয়।
- প্রথম সংসদে নারীদের জন্যে সংরক্ষিত আসন ছিলো ১৫টি।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় সংসদে ৩০টি।
- পঞ্চম, ষষ্ঠ এবং সপ্তম সংসদে ৩০টি করে।
- অষ্টম সংসদে ৪৫টি।
(তথ্যসূত্র: সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১৪,৮৫৫.
Which organizaion publishes Banglapedia?
  1. Bangla Academy
  2. Asiatic Society of Bangladesh
  3. University of Dhaka
  4. BG Press
  5. None
সঠিক উত্তর:
Asiatic Society of Bangladesh
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Asiatic Society of Bangladesh
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি বাংলাপিডিয়া প্রকাশ করে।

বাংলাপিডিয়া:
- বাংলাপিডিয়া বাংলাদেশের জাতীয় জ্ঞানকোষ।
- এটি এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক প্রকাশিত।
- এ জ্ঞানকোষে প্রায় ১৪৫০ জন পণ্ডিতের সৃজনশীল কাজের সমন্বয় ঘটেছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীনতমকাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সকল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের বর্ণনা বাংলাপিডিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
- ফলে এটি অধ্যয়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ সংক্রান্ত সকল বিষয়ে সুস্পষ্ট জ্ঞান লাভ করা সম্ভব।
- প্রথম প্রকাশের পর বাংলাপিডিয়া ব্যাপক উৎসাহব্যঞ্জক সাড়া পেয়েছে এবং জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। 
- বাংলাপিডিয়া শিক্ষক, শিক্ষার্থী, গবেষক, পেশাজীবী এবং সাধারণ পাঠকদের অপরিহার্য সহচরে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমান দ্বিতীয় সংস্করণটি (২০১২) ইতিপূর্বে প্রকাশিত প্রথম সংস্করণের (২০০৩) একটি পরিবর্ধিত ও হালনাগাদ রূপ।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৪,৮৫৬.
কততম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রস্তাবনায় ‘মুক্তি সংগ্রাম’ শব্দের পরিবর্তে ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ যুক্ত করা হয়?
  1. ক) পঞ্চম সংশোধনী
  2. খ) ষষ্ঠ সংশোধনী
  3. গ) পঞ্চদশ সংশোধনী
  4. ঘ) ষোড়শ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
ক) পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
পঞ্চম সংশোধনী
সংসদে উত্থাপন: ৪ এপ্রিল, ১৯৭৯
উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা শাহ আজিজুর রহমান
সংসদে গৃহীত: ৫ এপ্রিল, ১৯৭৯ 
রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৬ এপ্রিল, ১৯৭৯

- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন করা হয় এবং তাতে ১৮ প্যারাগ্রাফ নামে একটি নতুন প্যারাগ্রাফ যুক্ত করা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তারিখসহ ওই দিন থেকে ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল তারিখ পর্যন্ত (ওই দিনসহ) সামরিক প্রশাসকের সকল কার্যধারা ও কার্যক্রম অনুমোদন, সমর্থন ও বৈধ করা হয়।
- সংবিধানে এর মাধ্যমে বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সংযোজন করা হয়।
- প্রস্তাবনায় ‘মুক্তি সংগ্রাম’ শব্দের পরিবর্তে ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ যুক্ত করা হয়।
- সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ (৮, ৯,১০, ১২) সংশোধন করা হয়।
-  সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে সংসদের ক্ষমতা খর্ব করা হয় এবং গণভোটের মাধ্যমে সংশোধনের বিধান যুক্ত করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে পঞ্চম সংশোধনী উচ্চ আদালতের রায়ে অবৈধ ঘোষিত হয়।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান]
১৪,৮৫৭.
বর্তমানে দেশের কত শতাংশ গ্রামীণ পরিবারের কোনো জমি নেই? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৪৪ শতাংশ
  2. ৪৮ শতাংশ
  3. ৫২ শতাংশ
  4. ৫৬ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৫৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
কৃষি নির্ভর পরিবার:
- গ্রামীণ কৃষি খাতে নিয়োজিত বেশিরভাগ পরিবার এখন ভূমিহীন।
- ৫৬ শতাংশ গ্রামীণ পরিবারের কোনো জমি নেই।
- সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে সবচেয়ে বেশি ভূমিহীন পরিবার রয়েছে, আর খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে কম ভূমিহীন পরিবার রয়েছে।
- ভূমিবণ্টন ব্যবস্থার এই করুণ চিত্র উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইএফপিআরআই) এর এক গবেষণা প্রতিবেদনে।

উৎস: i) আন্তর্জাতিক খাদ্যনীতি গবেষণা প্রতিষ্ঠান (আইএফপিআরআই)।
ii) কালের কন্ঠ। [link]
১৪,৮৫৮.
নিচের কোনটি না থাকলে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে?
  1. বিরোধী দল
  2. সরকারি দল
  3. সুশীল সমাজ
  4. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা
বিরোধী দল:

- একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য বিরোধী দল অতি আবশ্যক।
- কোন রাষ্ট্রে যদি শক্তিশালী বিরোধী দল না থাকে তাহলে সে রাষ্ট্র স্বৈরাচারী রাষ্ট্রে পরিণত হবার আশঙ্কা থাকে।
- সরকারকে সর্বদা বিরোধী দলের দাবির প্রতি সহনশীল হতে হবে।
- আবার বিরোধী দল অহেতুক রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি না করার ব্যাপারে সতর্ক থাকবে।
- বস্তুতঃ বিরোধী দল ছাড়া রাজনৈতিক ব্যবস্থাই অচল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৮৫৯.
দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ কার কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত হন?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

দুর্নীতি দমন কমিশন:
- ২১ শে নভেম্বর ২০০৪ বর্তমান দুর্নীতি দমন কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন ২০০৪ এর ১৭ ধারা অনুসারে দুর্নীতি দমন কমিশনে প্রতিরোধ, গবেষণা এবং গণসচেতনতা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- এটি একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান।
- কার্যালয়: ঢাকার সেগুনবাগিচা।
- রুপকল্প: সমাজের সর্বস্তরে প্রবাহমান একটি শক্তিশালী দুর্নীতিবিরোধী সংস্কৃতির চর্চা এবং এর প্রসার সুনিশ্চিত করা। 
-  লক্ষ্য: অব্যাহতভাবে দুর্নীতির দমন, নিয়ন্ত্রণ, প্রতিরোধ এবং উত্তম চর্চার বিকাশ সাধন করা।

⇒ দুর্নীতি দমন কমিশন একজন চেয়ারম্যান ও দুইজন কমিশনারের সমন্বয়ে গঠিত।
- দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ৬(১) ধারার বিধানমতে দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ হলেন -
(১) জনাব ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন;
(২) মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী; এবং
(৩) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহসান ফরিদ। 
- দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনারগণ দুদক আইন ২০০৪ এর ৭ ধারা অনুযায়ী গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ৫ (পাঁচ) বছর মেয়াদের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

উৎস: দুর্নীতি দমন কমিশন ওয়েবসাইট।

১৪,৮৬০.
বাংলাদেশের আইনসভা কয় কক্ষবিশিষ্ট?
  1. এক-কক্ষবিশিষ্ট
  2. দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট
  3. তিন-কক্ষবিশিষ্ট
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
এক-কক্ষবিশিষ্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-কক্ষবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা

আইনবিভাগ: 
- সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইনবিভাগ।
- আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে।
- আইনবিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট।
- আইনসভা আইন প্রণয়ন করে।
- নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়।
- আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।
- দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে।
- বাংলাদেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট।
- ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৮৬১.
ভারতীয় উপমহাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ কোনটি?
  1. ভারত শাসন আইন-১৯৩৫
  2. রেগুলেটিং অ্যাক্ট-১৭৭৩
  3. মর্লি-মিন্টু সংস্কার আইন-১৯০৯
  4. ভারতীয় কাউন্সিল অ্যাক্ট-১৮৬১
সঠিক উত্তর:
রেগুলেটিং অ্যাক্ট-১৭৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেগুলেটিং অ্যাক্ট-১৭৭৩
ব্যাখ্যা
- ১৭৭৩ সালে প্রণীত রেগুলেটিং অ্যাক্ট ভারতীয় উপমহাদেশের সাংবিধানিক বিকাশের ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত।
- এই অ্যাক্ট অনুযায়ী বাংলা এবং অন্যান্য প্রেসিডেন্সির শাসনভার ও নিয়ন্ত্রণ একটি কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের অধীনে ন্যস্ত হয়, যা ‘বাংলার গভর্নর জেনারেল ও ফোর্ট উইলিয়ম কাউন্সিল’ নামে পরিচিত ছিল।
- ভারতীয় উপমহাদেশে সাংবিধানিক প্রক্রিয়া চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের মাধ্যমে।
(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১৪,৮৬২.
'বয়কট' আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কোনটি?
  1. বিলেতি শিক্ষা বর্জন
  2. বিলেতি পণ্য বর্জন
  3. দেশী খাদ্য বর্জন
  4. দেশী বস্ত্র বর্জন
সঠিক উত্তর:
বিলেতি পণ্য বর্জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিলেতি পণ্য বর্জন
ব্যাখ্যা
• স্বদেশী আন্দোলন:
- ব্রিটিশ সরকারের বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে নিয়মতান্ত্রিক আন্দোলন ব্যর্থ হলে কংগ্রেসের উগ্রপন্থী অংশের নেতৃত্বে যে আন্দোলন গড়ে ওঠে, তাকেই স্বদেশী আন্দোলন বলা হয়।
- আন্দোলনের মূল কর্মসূচি ছিল দুইটি- বয়কট ও স্বদেশী।
- 'বয়কট' আন্দোলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিলেতি পণ্য বর্জন।
- ক্রমে ক্রমে 'বয়কট' শব্দটি ব্যাপক অর্থে ব্যবহার হতে থাকে।
- বয়কট শুধু বিলেতি পণ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে না।
- বিলেতি শিক্ষা বর্জনও কর্মসূচিতে যুক্ত হয়।
- ফলে স্বদেশী আন্দোলন শিক্ষাক্ষেত্রে জাতীয় শিক্ষা আন্দোলনে রূপ নেয়।

এছাড়াও,
- বিলেতি শিক্ষা বর্জনের মতো পণ্য বর্জনের জন্যও বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- স্থানে স্থানে সমিতির মাধ্যমে বিলেতি পণ্য বর্জন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারে শপথ নেওয়া হয়।
- কংগ্রেস নেতারা গ্রামে-গঞ্জে-শহরে প্রকাশ্য সভায় বিলেতি পণ্য পুড়িয়ে ফেলা।
- এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের জন্য জনগণকে উৎসাহিত করতে থাকেন।
- একই সঙ্গে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে এ সময় দেশি তাঁতবস্ত্র, সাবান, লবণ, চিনি ও চামড়ার দ্রব্য তৈরির কারখানা গড়ে ওঠে।

উৎস:  বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম- দশম শ্রেণি।
১৪,৮৬৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্ত ২০২৪ অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি বনভূমি রয়েছে কোন জেলায়?
  1. বান্দারবান
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙ্গামাটি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্ত ২০২৪:
• মোট বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চল সম্পন্ন জেলা (৫টি)
- রাঙ্গামাটি = ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর;
- বান্দরবান = ৭,৯৭,৫৪১.৪৯ একর;
- বাগেরহাট = ৫,৬৬,৫১২.৯৫ একর;
- খাগড়াছড়ি = ৫৫৪,১১৬.২১ একর;
- খুলনা = ৫,৬৪,০৮১.৬১ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৪,৮৬৪.
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম কী ছিলো?
  1. জাতীয়তাবাদী গণমুক্তির দল
  2. জাতীয়তাবাদী গণ শক্তি
  3. জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক ফোরাম
  4. জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি): 
- বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) বাংলাদেশের অন্যতম  শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক দল।
- বিএনপির প্রতিষ্ঠাকালীন নাম ছিল জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল)। 
- ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠিত হয়।
- জিয়াউর রহমান তাঁর শাসনকে অসামরিকীকরণের অভিপ্রায়ে ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রাক্কালে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) নামে একটি দল গঠন করেন।
- উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুল সাত্তার ছিলেন এর আহবায়ক।
- জিয়াউর রহমান রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলে, বিশেষ করে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দলের কর্মকান্ডে অনুপ্রাণিত হয়ে এবং আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিবেচনায় রেখে ঢাকার রমনা ময়দানে ১৯৭৮ সালের ১ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল গঠনের ঘোষণা দেন।
- অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রথম মহাসচিব।
- জিয়াউর রহমান ছিলেন এর আহবায়ক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১৪,৮৬৫.
বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) ময়মনসিংহ
  2. খ) চাঁদপুর
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) সিরাজগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ফরিদপুর জেলায় অবস্থিত।
- শুরুতে এটির কার্যক্রম ঢাকাস্থ গ্রীনরোড থেকে পরিচালিত হতো।
- ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হাইড্রোলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরিকে একীভূত করে ১৯৭৮ সালে বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট যারা শুরু করে।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)
১৪,৮৬৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুসারে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ১.১৩%
  2. ১.১২%
  3. ১.৫%
  4. ১.২%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা
• জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ :
- বাংলাদেশের মোট আয়াতন-১,৪৭,৫৭০ বর্গ কিলোমিটার।
- মোট জনসংখ্যা - ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার- ১.১২%
- জনসংখ্যার ঘনত্ব - ১,১১৯ জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি ঢাকা জেলায়।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম রাঙামাটি জেলায়।

উৎস : জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২।
১৪,৮৬৭.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. ক) লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
  2. খ) জে. আতাউল গণি ওসমানি
  3. গ) লে. জে. এইচ. এম. এরশাদ
  4. ঘ) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
সঠিক উত্তর:
খ) জে. আতাউল গণি ওসমানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জে. আতাউল গণি ওসমানি
ব্যাখ্যা
- জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন।
- মুক্তিবাহিনীর চিফ অব স্টাফ ছিলেন লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব এবং ডেপুটি চিফ অব স্টাফ ছিলেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার।
 
আতাউল গণি ওসমানী ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। 
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন। স্বাধীনতার পর ১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর জেনারেল পদে উন্নীত হন এবং তাঁর এ পদোন্নতি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়।

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তিনি অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশর মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়। 


উৎসঃ বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী
১৪,৮৬৮.
উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত উড়ালপথে মেট্রোরেলের দূরত্বকত কি.মি.?
  1. ক) ২৫
  2. খ) ২৫.১০
  3. গ) ২০.১০
  4. ঘ) ১০.৫০
সঠিক উত্তর:
গ) ২০.১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০.১০
ব্যাখ্যা
- উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত দেশের প্রথম উড়াল মেট্রোরেল নির্মিত হচ্ছে যা এমআরটি লাইন-৬ নামে পরিচিত।
- এটির মোট দৈর্ঘ্য ২০.১ কিলোমিটার।
- স্টেশন সংখ্যা ১৬টি।
- যাত্রী পরিবহন ক্ষমতা : প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার এবং দৈনিক প্রায় ৫ লক্ষ।
- কাজের উদ্বোধন : ২৬ জুন ২০১৬ এবং কাজ শেষ হবে ১৬ ডিসেম্বর ২০২১।
- অর্থায়ন: Japan International Cooperation Agency (JICA)।
- মেট্রোরেল পরিচালনার জন্যে গঠিত সংস্থা Dhaka Mass Transit Company Limited.

(সূত্র: DMTCL ওয়েবসাইট)
১৪,৮৬৯.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় কত সালে?
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৪ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ টেলিভিশন:
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলাভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- তৎকালীন ডি আই টি ভবনের (বর্তমানে রাজউক কার্যালয়) দুটি কক্ষে মাত্র ৩ ঘন্টা চলতো এর সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালে শুরু হয় বিটিভির রঙিন সম্প্রচার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,৮৭০.
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে রদ করা হয়েছে?
  1. ১২তম
  2. ১৩তম
  3. ১৪তম
  4. ১৫তম
সঠিক উত্তর:
১৫তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫তম
ব্যাখ্যা
• ২৭ মার্চ, ১৯৯৬ সালে ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল।
- ৩০ জুন, ২০১১ সালে ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধান থেকে 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা' বাতিল করা হয়।
---------------------------- 
• পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসাবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্ম নিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
--------------------------------- 

বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকার:
- সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহিত হয়।
- ১৯৯৬ সালে বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান বাংলাদেশের সর্ব প্রথম সংবিধানসম্মত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। 
- প্রধান উপদেষ্টা বিচারপতি হাবিবুর রহমান নির্দলীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে একটি উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন।
- তিনি ১৯৯৬ সালের ১২ জুন জাতীয় সংসদের নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন, সার্ক ফোরাম, কমনওয়েলথসহ কয়েকটি দেশের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানায়।
- অবশেষে বিপুল উৎসাহ ও উদ্দীপনা মধ্য দিয়ে ১৯৯৬ সালের ১২ জুন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীন প্রথম সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন হয় ৪ বার।
- যথা: ১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১, ২০০৮।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১, বিবিসি বাংলা।
১৪,৮৭১.
সংবিধান কত নম্বর অনুচ্ছেদে, ’সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’ উল্লেখ করেছে?
  1. ১৫০ নং
  2. ১৪৮ নং
  3. ১৪২ নং
  4. ১৪৬ নং
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
ব্যাখ্যা

- ১৪২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’।

• সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
- ১৪২ নং:  এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও-
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে।
- তবে শর্ত থাকে যে,
- অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হবে বলে স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হলে;
- অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন।
- এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করছেন বলে গণ্য হবে।

এছাড়াও,
- ১৪৫ নং: চুক্তি ও দলিল;
- ১৪৬ নং"বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারবে।
- ১৪৮ নং: পদের শপথ;
- ১৫০ নং: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৪,৮৭২.
থানা পরিষদকে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয় কবে?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৩ সাল
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সাল
ব্যাখ্যা
- স্থানীয় সরকার অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত থানা পরিষদকে ১৯৮৩ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয়। 

উপজেলা পরিষদ:

- বাংলাদেশের তিন স্তর বিশিষ্ট গ্রামীন স্থানীয় সরকার কাঠামোর মধ্যম স্তর হল উপজেলা পরিষদ।
- ১৯৮২ সালে স্থানীয় সরকার অর্ডিন্যান্সের মাধ্যমে থানা পরিষদ নামক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠিত করা হয়।
- ১৯৮৩ সালে সংশোধনীর মাধ্যমে উপজেলা পরিষদ নামকরণ করা হয়।
- উপজেলা পরিষদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- উপজেলা পরিষদ সৃষ্টির মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ের মানুষের শাসন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
- ১৯৯১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরে সামরিক শাসন আমলে গঠিত উপজেলা পরিষদের সকল কার্যক্রম স্থগিত করা হয়।
- নানান পরিবর্তনের পরে ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদে উপজেলা পরিষদ আইনটি পাশ হয় এবং স্থানীয় সরকারের এই স্তরটি চালু হয়।
- দীর্ঘ বিরতির পর ২০০৯ সালে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমানে উপজেলা পরিষদে প্রধানত দুই ধরনের প্রতিনিধি দেখা যায়। যথা: নির্বাচিত প্রতিনিধি ও সরকারি প্রতিনিধি।
- নির্বাচিত প্রতিনিধির একাংশ জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত।
- অন্যরা পরোক্ষভাবে অর্থাৎ একটি উপজেলা পরিষদের আওতাধীন সকল ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভার চেয়ারম্যান ও মেয়র এবং সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যদের মধ্য থেকে নিজেদের দ্বারা নির্বাচিত এক- তৃতীয়াংশ নারী সদস্য।

উৎস: পেীরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৮৭৩.
মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের কয়টি স্তরের কথা বলা হয়েছিল?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• মৌলিক গণতন্ত্র’ ব্যবস্থাটি আইয়ুব খানের অভিনব উদ্ভাবন।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল:
(১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়),
(২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে),
(৩) জেলা কাউন্সিল এবং
(৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

সূত্র- স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ইতিহাস।
১৪,৮৭৪.
১৯৯৯ সালে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত কোন কৃষি বিজ্ঞানী বাংলাদেশ সফর করেন?
  1. ক) প্রফেসর ড. আব্দুস সালাম
  2. খ) প্রফেসর নরম্যান বোরলগ
  3. গ) ড. আব্দুল কাদের
  4. ঘ) ড. স্বামীনাথন
সঠিক উত্তর:
খ) প্রফেসর নরম্যান বোরলগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রফেসর নরম্যান বোরলগ
ব্যাখ্যা
- Norman Borlaug visited Bangladesh in 1999 and Bangladesh Agricultural University awarded him an honorary doctorate degree.
- Borlaug devoted his life to his dream to achieve and promote food security and sustainable agriculture.
Source: The Daily Star
১৪,৮৭৫.
লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ ও পরিচালনা প্রকল্পে কোন প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি করেছে বাংলাদেশ সরকার?
  1. APM Terminals
  2. Hapag-Lloyd
  3. DP World
  4. COSCO Shipping
সঠিক উত্তর:
APM Terminals
উত্তর
সঠিক উত্তর:
APM Terminals
ব্যাখ্যা

• লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মানে ৩৩ বছরের চুক্তি: 
- চট্টগ্রাম বন্দরের লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল নির্মাণ এবং ৩০ বছরের জন্য এটি পরিচালনার দায়িত্ব পেয়েছে ডেনমার্কভিত্তিক প্রতিষ্ঠান এপিএম টার্মিনালস। 
- এ প্রতিষ্ঠানটি এপি মোলার মার্সক গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান।
 - সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) আওতায় এ টার্মিনাল নির্মাণের জন্য ৫৫ কোটি ডলার বা প্রায় ৬ হাজার ৭০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করবে কোম্পানিটি।
- মূল কনসেশন চুক্তিটি ৩৩ বছরের। এর মধ্যে নির্মাণে ৩ বছর এবং বাকি ৩০ বছর পরিচালনার।
 - শর্ত পূরণ হলে আরও ১৫ বছর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।

তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও প্রথম আলো। 

১৪,৮৭৬.
চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক কে ছিলেন?
  1. মাস্টারদা সূর্য সেন
  2. মঙ্গলপাণ্ডে
  3. মীর কাশিম
  4. ক্ষুদিরাম বসু
সঠিক উত্তর:
মাস্টারদা সূর্য সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাস্টারদা সূর্য সেন
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্য সেন:
- চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে।
- ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুন্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন।
- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।
- পুরো নাম সূর্যকুমার সেন। ডাক নাম কালু।
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে 'মাস্টারদা' আখ্যা পান।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪,৮৭৭.
৬ দফা ঘোষিত হয় ১৯৬৬ সালের-
  1. জানুয়ারি মাসে
  2. জুন মাসে
  3. এপ্রিল মাসে
  4. ফেব্রুয়ারি মাসে
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি মাসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেব্রুয়ারি মাসে
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্বলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- এটিই ইতিহাসে ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৮৭৮.
১৯৬৯ সালে সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি কে ছিলেন? 
  1. ক) আব্দুর রউফ
  2. খ) তোফায়েল আহমেদ
  3. গ) শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ঘ) মাওলানা ভাসানী
সঠিক উত্তর:
খ) তোফায়েল আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তোফায়েল আহমেদ
ব্যাখ্যা
সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ

- ১৯৬৬ সালের ছয় দফার জনপ্রিয়তা দেখে আইয়ুব সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- এ মামলার বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র সমাজ আইয়ুব খান বিরোধী তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে।

- এরই প্রেক্ষিতে ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) কার্যালয়ে ছাত্রলীগ, ছাত্র ইউনিয়ন (মতিয়া ও মেনন গ্রুপ), জাতীয় ছাত্র ফেডারেশনের একাংশ (দোলন গ্রুপ) ও ডাকসুর উদ্যোগে ডাকসুর তৎকালীন সহসভাপতি তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করা হয় এবং সাংবাদিক সম্মেলন করে 'এগার দফা কর্মসূচি' বা দাবি ঘোষণা করে।
- ১১ দফা দাবির মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ছয় দফা অন্তর্ভুক্ত ছিল। 
-  ১১ দফা আন্দোলন পরিণত হয় গণঅভ্যুত্থানে।


তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।
১৪,৮৭৯.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. লর্ড ওয়েলেসলি
  2. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড বেন্টিঙ্ক
সঠিক উত্তর:
লর্ড ওয়েলেসলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা
লর্ড ওয়েলেসলি:
- ১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড ওয়েলেসলি কোম্পানির গভর্নর হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন।
- তিনি রাজ্য শাসনের পরিবর্তে রাজ্য বিস্তারের দিকেই বেশি আগ্রহী ছিলেন।
- রাজ্যের শাসন ব্যবস্থায় তাঁর অবদান নিতান্তই সামান্য। সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব থাকা সত্ত্বেও তিনি বেশকিছু সংস্কার করে গেছেন।
- তিনি ইংরেজ অধিকৃত স্থানে জমি জরিপ করার জন্য ড. ফ্রান্সিস বুকাননকে নিযুক্ত করেন।
- ওয়েলেসলি বিচার ব্যবস্থার বেশকিছু সংস্কার করেন।
- লর্ড ওয়েলেসলি ভারতবর্ষে নবাগত ইংরেজ কর্মচারিদের শিক্ষার জন্য কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে একটি কলেজ স্থাপন করেন।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৪,৮৮০.
আল আকসা মসজিদ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মক্কা
  2. খ) মদিনা
  3. গ) জেরুজালেম
  4. ঘ) দামেস্ক
সঠিক উত্তর:
গ) জেরুজালেম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জেরুজালেম
ব্যাখ্যা
আল আকসা মসজিদ ইসরাইল অধিকৃত জেরুজালেম শহরে অবস্থিত। এটি মুসলমানদের দ্বিতীয় কিবলা নামে পরিচিত। ১৯৬৯ সালে ইহুদীরা এই মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়।
(সূত্রঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা)
১৪,৮৮১.
বিজয় সেনের প্রথম রাজধানী ছিল কোনটি?
  1. বিজয়পুর
  2. বিক্রমপুর
  3. কর্ণসুবর্ণ
  4. কোটিবর্ষ
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিজয়পুর
ব্যাখ্যা
বিজয় সেন: 
- হেমন্ত সেনের মৃত্যুর পর তার পুত্র বিজয় সেন (১০৯৮-১১৬০ খ্রিষ্টাব্দ) সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তার এই সুদীর্ঘ রাজত্বকালেই সেন বংশের শাসন স্বাধীন ও শক্তিশালী ভিত্তির উপর সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- কৈবর্ত্য বিদ্রোহের সময় তিনি রামপালকে সাহায্য করেন।
- বরেন্দ্র উদ্ধারে রামপালকে সাহায্য করার বিনিময়ে বিজয় সেন স্বাধীনতার স্বীকৃতি পান।
- আবার দক্ষিণ রাঢ়ের শুর বংশের সঙ্গে বৈবাহিক আত্মীয়তার সুত্র ধরে রাঢ় বিজয় সেনের অধিকারে আসে।
- এরপর বিজয় সেন বর্ম রাজাকে পরাজিত করে পূর্ব ও দক্ষিণ বাংলা সেন অধিকারে নিয়ে আসেন।
- শেষ পাল রাজাদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিজয় সেন মদনপালকে পরাজিত করে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম বাংলা থেকে পালদের বিতাড়িত করে নিজ কর্তৃত্ব স্থাপন করেন।
- এরপর তিনি কামরূপ, কলিঙ্গ ও মিথিলা আক্রমণ করেন।
- পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলার ত্রিবেণীতে অবস্থিত বিজয়পুর ছিল বিজয় সেনের প্রথম রাজধানী।
- দ্বিতীয় রাজধানী স্থাপন করা হয় বর্তমান মুন্সিগঞ্জ জেলার বিক্রমপুরে।
- শিব অনুরাগী বিজয় সেন পরম মহেশ্বর, পরমেশ্বর, পরমভট্টারক, মহারাজাধিরাজ অরিরাজ-বৃষভ-শঙ্কর প্রভৃতি উপাধি গ্রহণ করেন।
- সেন বংশের অধীনেই সর্বপ্রথম সমগ্র বাংলা দীর্ঘকালব্যাপী একক রাজার অধীনে ছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১৪,৮৮২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়-
  1. ক) ঢাকা থেকে
  2. খ) কলকাতা থেকে
  3. গ) মুজিবনগর থেকে
  4. ঘ) কালুরঘাট থেকে
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবনগর থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুজিবনগর থেকে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করা হয়- মুজিবনগর থেকে। 

•মুজিবনগর সরকার:  
- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।
- সরকার গঠন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড তথা প্রধান নেতৃবৃন্দকে নিয়ে একটি সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের মুক্তাঞ্চল বৈদ্যনাথতলায় সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আবদুল মান্নান এম.এন.এ এবং
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন অধ্যাপক ইউসুফ আলী এম.এন.এ।
- নবগঠিত সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে এখানে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়।
- মন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন  ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল সরকার গঠন এবং ১৭ এপ্রিল সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হলেও মন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন হয় ১৮ এপ্রিল।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৪,৮৮৩.
'শপথ ও ঘোষণা' সংবিধানের কত নং তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?
  1. প্রথম তফসিল
  2. দ্বিতীয় তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. চতুর্থ তফসিল
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয় তফসিল
ব্যাখ্যা

তফসিলসমূহ:
- সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
• সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,৮৮৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের অবদান কত?
  1. ৮.১৯%
  2. ৯.৩২%
  3. ১০.৫৫%
  4. ১১.৭৩%
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০.৫৫%
ব্যাখ্যা

মৎস্য উৎপাদন:
- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।

• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৪,৮৮৫.
আলুর একটি জাতের নাম -
  1. রূপালী
  2. ডায়মন্ড
  3. ড্রামহেড
  4. ব্রিসাইল
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডায়মন্ড
ব্যাখ্যা
• আলুর উন্নত জাত:- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী, সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• তুলার উন্নত জাত:- রুপালী ও ডেলফোজ।
• ড্রামহেড, গ্রীন এক্সপ্রেস ও গোল্ডেন ক্রস হচ্ছে উন্নত জাতের বাঁধাকপি।
• উন্নত জাতের ধান:- ময়না,হীরা,মালা,ইরাটম,চান্দিনা,ব্রিশাইল,সুফলা,হরিধান।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৪,৮৮৬.
বাংলাদেশের নামে মামলা করার বিধান রয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী?
  1. অনুচ্ছেদ-১৫০
  2. অনুচ্ছেদ - ১৪৬
  3. অনুচ্ছেদ ১৪৫
  4. অনুচ্ছেদ ১৪৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১৪৬
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের অনুচ্ছেদ - ১৪৬: বাংলাদেশের নামে মামলা: 
- 'বাংলাদেশ'-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারিবে।

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ-১৫০: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী, 
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ : চুক্তি ও দলিল, 
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ : পদের শপথ, 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৮৮৭.
‘একুশ দফা’ কোন প্রেক্ষাপটে প্রণীত হয়?
  1. ৫২'র ভাষা আন্দোলন
  2. ৫৪'র প্রাদেশিক নির্বাচন
  3. ৬৯'র গণঅভ্যুত্থান
  4. ৯০'র স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
৫৪'র প্রাদেশিক নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৪'র প্রাদেশিক নির্বাচন
ব্যাখ্যা
১৯৫৪ সালে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ‘একুশ দফা’ নির্বাচনি ইশতেহার ঘোষণা করা হয়।
এর প্রথম দফা ছিলো বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা।
উক্ত নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ৩০৯টি আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন লাভ করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৪,৮৮৮.
জিডিপি বা মোট দেশজ উৎপাদন গণনায় নিচের কোনটি পরিমাপ করা হয়?
  1. শুধু দেশীয় নাগরিকদের আয়
  2. চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
  3. প্রাথমিক দ্রব্য ও সেবার মূল্য
  4. সরকারি ও বেসরকারি মোট আয়
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবার মূল্য
ব্যাখ্যা

মোট দেশজ উৎপাদন:
- একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে একটি দেশের ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে মোট যে পরিমাণ চূড়ান্ত দ্রব্য ও সেবা উৎপাদিত হয়, তার বাজার দামের সমষ্টিকে মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP বলে।
- মোট দেশজ উৎপাদনে দেশের অভ্যন্তরীণ আয় এবং দেশের অভ্যন্তরে বিদেশিদের আয় অন্তর্ভুক্ত (includes) হয় এবং দেশীয় নাগরিক যারা প্রবাসে, তাদের প্রেরিত অর্থ ধরা হয় না।
- কোনো নির্দিষ্ট সময়ে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার বাজার মূল্য এবং উক্ত দেশে অবস্থানরত বিদেশিদের উপার্জিত আয় এর সমষ্টি (includes) থেকে বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিক কর্তৃক বিদেশ হতে প্রেরিত অর্থ বাদ (excludes) দেয়ার পর অবশিষ্ট আর্থিক মূল্যকে মোট দেশজ উৎপাদন বলে।
- অর্থাৎ GDP = মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP)+ উক্ত দেশে অবস্থানকারী বিদেশিদের অর্জিত আয় বিদেশে অবস্থানকারী দেশীয় নাগরিকদের আয়।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৮৮৯.
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি বিজিএমইএ (BGMEA) এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association
  2. Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Alliance
  3. Bangladesh Garment Makers and Exporters Association
  4. Bangladesh Garment Manufacturers and Entrepreneurs Association
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ (BGMEA):
- BGMEA এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৭ সালে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরুর পর থেকে সমিতিটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে আসছে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০ এর কাছাকাছি।

তথ্যসূত্র: BGMEA ওয়েবসাইট।
১৪,৮৯০.
কোন সময়কালকে মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ?
  1. ২০১৯ - ২০ সালকে
  2. ২০২০ - ২১ সালকে
  3. ২০২১ - ২২ সালকে
  4. ২০২২ - ২৩ সালকে
সঠিক উত্তর:
২০২০ - ২১ সালকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২০ - ২১ সালকে
ব্যাখ্যা
- ‘মুজিব বর্ষ’ হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (জন্ম ১৭ মার্চ, ১৯২০)।
- মুজিব বর্ষের সময়কাল ১৭ মার্চ ২০২০—১৭ মার্চ ২০২১
- ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এর ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
- ২০২০ সাল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ।
- সরকারিভাবে বছরটি মুজিব বর্ষ হিসেবে উদ্‌যাপিত হচ্ছে। অত্যন্ত আনন্দের কথা যে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ শুধু বাংলাদেশে উদ্‌যাপিত হচ্ছে না, জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থাও (ইউনেসকো) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 
এর ফলে বাংলাদেশ ইউনেসকোর সদস্যভুক্ত যেকোনো দেশের সঙ্গে যৌথভাবে কিংবা ইউনেসকো সদস্যভুক্ত যেকোনো দেশ আলাদাভাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপন করতে পারবে।

সূত্রঃ প্রথম আলো।
১৪,৮৯১.
কোন অঞ্চলটি প্রাচীন বঙ্গ জনপদের অন্তর্গত ছিলো না?
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. বরিশাল
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বগুড়া
ব্যাখ্যা
জনপদ:
 - প্রাচীন কাল থেকে আরম্ভ করে আনুমানিক ষষ্ঠ ও সপ্তম শতকে প্রাচীন বাংলা বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিলো: -
- যথা: পুণ্ড্র, গৌড়, রাঢ়, সূহ্ম, তাম্রলিপি, সমতট, বঙ্গ ইত্যাদি জনপদে বিভক্ত।

• পুণ্ড্র:- প্রাচীনকালে পুণ্ড্র ছিল পূর্বাঞ্চলের জনপদসমূহের মধ্যে খুব সম্ভবত প্রাচীনতম। খ্রিস্টপূর্ব দ্বিতীয় শতকের (আনুমানিক) মহাস্থান ব্রাহ্মী লিপিতে উল্লিখিত পুদনগল (পুণ্ড্র নগর) এবং বগুড়া যে অভিন্ন তা একাধিক উৎস থেকে প্রমাণ করা যায়।

• রাঢ়:- এটি গঙ্গা নদীর দক্ষিণ ও পশ্চিম ভাগে সীমাবদ্ধ ছিল। জনপদটি দুটি অংশে বিভক্ত ছিল। একটি ছিল দক্ষিণ রাঢ় এবং অন্যটি ছিল উত্তর রাঢ়।

বঙ্গ:- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ। অনুমান করা যায় ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

• সমতট:- কুমিল্লার লালমাই অঞ্চলই সমতট। মূলত মেঘনা-পূর্ববর্তী অঞ্চলই সমতট বলে পরিচিত ছিল এবং এ অঞ্চলের কেন্দ্র ছিল কুমিল্লার নিকটবর্তী ‘লালমাই’এলাকা। একেবারে সঠিকভাবে সমতটের সীমা নির্ধারণ না করা গেলেও ত্রিপুরা (কুমিল্লা) ও নোয়াখালী অঞ্চলই ছিল সম্ভবত প্রাচীন সমতট।

• হরিকেল:- এই জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে। চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল কথা আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পান্ডু লিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উল্লেখিত হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৮৯২.
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হচ্ছে -
  1. কয়লা
  2. পারমাণবিক পদার্থ
  3. ডিজেল
  4. ফার্নেস তেল
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা
• রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে:
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)
- প্রকল্প ব্যয় - ১৬,০০০ কোটি টাকা।

→ তথ্যসূত্র: বিদ্যুৎ বিভাগ।
১৪,৮৯৩.
নিচের কোনটি অনলাইন কৃষি মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম?
  1. ফুড ফর নেশন
  2. কৃষকের জানালা
  3. হর্টেক্স বাজার
  4. ক ও গ উভয়ই
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা
- কৃষিসেবা সহজে কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়ার জন্য 'কৃষি বাতায়ন' চালু রাখার পাশাপাশি ইউনিয়ন পর্যায়ে কৃষিতথ্য ও যোগাযোগ কেন্দ্র (এআইসিসি) স্থাপন করা হয়েছে।
- এছাড়া, কৃষি কমিউনিটি রেডিও, কৃষক বন্ধু ফোন-৩৩৩১, ই-বুক, অনলাইন সার সুপারিশ, ই-সেচ সেবা, রাইস নলেজ ব্যাংক, কৃষিপ্রযুক্তি ভাণ্ডার, ই-বালাইনাশক প্রেসক্রিপশন, কৃষকের জানালা, কৃষকের ডিজিটাল ঠিকানা, কমিউনিটি রুরাল রেডিওসহ বিভিন্ন মোবাইল এবং ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে কৃষকদের দোরগোঁড়ায় কৃষিতথ্য সেবা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
- অনলাইন কৃষি মার্কেটিং প্ল্যাটফর্ম 'হর্টেক্স বাজার' এবং 'ফুড ফর নেশন' চালু করা হয়েছে।
- উৎপাদন স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে কৃষি খাতে ভর্তুকি বৃদ্ধি, সার-বীজসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণে প্রণোদনা ও সহায়তা কার্ড, সেচের মূল্য হ্রাস, হাসকৃত ভাড়ায় কৃষিপণ্য পরিবহন, কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা, স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে বিশেষ কৃষি ঋণ সুবিধা প্রদান অব্যাহত রয়েছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪,৮৯৪.
'খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২' এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে দারিদ্রের হার কত?
  1. ১৫.৬ শতাংশ
  2. ১৮.৭ শতাংশ
  3. ৫.৬ শতাংশ
  4. ২৪.৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
১৮.৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮.৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
'খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২' অনুযায়ী:
- দেশে বর্তমানে দারিদ্র্যের হার ১৮.৭ শতাংশ
- অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬ শতাংশ।

এছাড়া,
- ২০২৫ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১৫.৬ শতাংশে নামিয়ে আনতে অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় (২০২০-২০২৫) লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।
- ২০২৮ সালের মধ্যে দারিদ্র্যের হার ১১ শতাংশে, ২০৩১ সালের মধ্যে চরম দারিদ্র্যের অবসান এবং
- ২০৪১ সাল নাগাদ দারিদ্র্যের হার ৩ শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ২০১৬-২০২২ মেয়াদে জাতীয় পর্যায়ে আয় দারিদ্র্য ৫.৬ পার্সেন্টেজ পয়েন্টস হ্রাস পেয়েছে (২৪.৩% থেকে ১৮.৭%)।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
১৪,৮৯৫.
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত?
  1. ২২০.২২ কিলোমিটার
  2. ৩৭০.৪০ কিলোমিটার
  3. ৪৫২.৩১ কিলোমিটার
  4. ৭১৬ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৩৭০.৪০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭০.৪০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা:

- বঙ্গোপসাগরের উপকূল রেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল বা ২২.২২ কিলোমিটার। 
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল বা ৩৭০.৪০ কিলোমিটার।
- ১ নটিক্যাল মাইল = ১.৮৫২ কিলোমিটার।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৮৯৬.
বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায় কতটি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি রয়েছে?
  1. ৫১১টি
  2. ৫১৭টি
  3. ৫২৭টি
  4. ৫৪০টি
সঠিক উত্তর:
৫১৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১৭টি
ব্যাখ্যা
সংরক্ষিত পুরাকীর্তি:
→ বর্তমানে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আওতায় ৫১৭টি সংরক্ষিত পুরাকীর্তি রয়েছে। তন্মধ্যে মহাস্থানগড়, ময়নামতি, শালবন বিহার, পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার, সীতাকোট বিহার, কান্তজীর মন্দির, ছোট সোনা মসজিদ, ষাটগম্বুজ মসজিদ, ভাসুবিহার, বারোবাজার, লালবাগ দুর্গ প্রভৃতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পুরাকীর্তি ও প্রত্নস্থল। 
→ এছাড়া বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে অবস্থিত প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ২৮টি জাদুঘর ও প্রত্নস্থল প্রবেশ মূল্যের বিনিময়ে পরিদর্শনের জন্য চালু রয়েছে।
→  এসব জাদুঘর ও প্রত্নস্থলে প্রদর্শিত নিদর্শনসমূহ পরিদর্শন করে দেশী ও বিদেশী দর্শনার্থী, ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকগণ দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করে থাকেন।

তথ্যসূত্র: প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।
১৪,৮৯৭.
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে কতজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নিহত হোন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন 
  3. ৩ জন 
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
১ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জন
ব্যাখ্যা
১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ:

• ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানে প্রায় ১০০ জন পূর্ব পাকিস্তানি নিহত হয়েছিলেন।
• এর মধ্যে শিল্প-কারখানার শ্রমিক ৩৪ জন, ছাত্র ২০ জন, সরকারি কর্মচারী ৭ জন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ৫ জন, স্কুল শিক্ষক ১ জন, এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের  ১ শিক্ষক নিহত হয়েছিলেন।   
• রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের দায়িত্ব পালন করার সময় ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯ ড. শামসুজ্জোহা পুলিশের গুলিতে ও বেয়নেট চার্জের ফলে মৃত্যুবরণ করেন।
• তিনি ছিলেন দেশের প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী। 
• তাঁর স্মরনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে “স্ফুলিঙ্গ” নামে একটি ভাস্কর্য তৈরি করা হয়।  

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৪,৮৯৮.
পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দানের বিল উত্থাপন করেন কে?
  1. ক) ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
গ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আদেলউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

- ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। 
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
---------
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।

সূত্র:- বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

১৪,৮৯৯.
‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার-২০২২’ পেয়েছে কয়টি শিল্প প্রতিষ্ঠান?
  1. ৯টি
  2. ১০টি
  3. ১১টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
১২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২টি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার-২০২২:
- বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, পণ্য উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং জাতীয় আয় বৃদ্ধিসহ অর্থনীতিতে অবদানের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার ২০২২  পেয়েছে ১২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- ২০২২ সালের জন্য বৃহৎ, মাঝারি, ক্ষুদ্র, মাইক্রো, কুটির ও হাই-টেক শিল্প ক্যাটাগরিতে ১২টি শিল্প প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়।
- ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প পুরস্কার প্রাপ্ত প্রত্যেককে নগদ অর্থ এবং সম্মাননাস্বরূপ গোল্ড মেডেল প্রদান করা হয়। 

বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১ম হয়েছে রানার অটোমোবাইলস লি.,
- ২য় হয়েছে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লি.,
- ৩য় হয়েছে বিএসআরএম স্টিলস্ লি.।

মাঝারি শিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১ম হয়েছে নিতা কোম্পানি লি. এবং
- ২য় হয়েছে নোমান টেরি টাওয়াল মিলস্ লি.।

ক্ষুদ্র শিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১ম হয়েছে হযরত আমানত শাহ স্পিনিং মিলস্ লি.,
- ২য় হয়েছে বসুমতী ডিস্ট্রিবিউশন লি. এবং
- ৩য় হয়েছে টেকনো মিডিয়া লি.। 

মাইক্রো শিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে, গ্রিন জেনেসিস ইঞ্জিনিয়ারিং লি.।

কুটিরশিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১টি প্রতিষ্ঠান নির্বাচিত হয়েছে সামসুন্নাহার টেক্সটাইল মিলস্।

হাইটেক শিল্প ক্যাটাগরিতে -
- ১ম হয়েছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লি. এবং
- ২য় হয়েছে সুপার স্টার ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যাক্সেসরিজ লি.।

উৎস: ৩ অক্টোবর, ২০২৩, সমকাল। [link]
১৪,৯০০.
কোন দেশের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ক্রিকেটে জয়লাভ করে?
  1. ওয়েস্ট ইন্ডিজ
  2. জিম্বাবুয়ে
  3. ভারত
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্বাবুয়ে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটে প্রথম জয় লাভ করে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে।
- ২০০৫ সালে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বাংলাদেশ তাদের প্রথম টেস্ট জয় পায়।
- এর আগে, ২০০০ সালে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা অর্জন করে এবং
- ২০০০ সালের নভেম্বরে ভারতের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে।
- জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয় বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের ওয়েবসাইট।