বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৪৬ / ৩০৬ · ১৪,৫০১১৪,৬০০ / ৩০,৮৩২

১৪,৫০১.
BCIC-এর অধীনে পরিচালিত একমাত্র সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. ছাতক সিমেন্ট কারখানা
  2. মোংলা সিমেন্ট কারখানা
  3. লাফার্জ-সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  4. মেঘনা সিমেন্ট কারখানা
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা
• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- ইহা ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১৪,৫০২.
জাতীয় সংসদে ’পয়েন্ট অব অর্ডার’ হলো - 
  1. বিধি বহির্ভূত বিরোধী দলীয় নেতার বক্তব্য
  2. সংসদে সর্বসম্মত ভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহন
  3. বিধি বহির্ভূত বিষয়ের জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানো
  4. সংসদীয় বৈঠকের কার্যপ্রণালীর বিররণ
সঠিক উত্তর:
বিধি বহির্ভূত বিষয়ের জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি বহির্ভূত বিষয়ের জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানো
ব্যাখ্যা
পয়েন্ট অব অর্ডার:
- পয়েন্ট অব অর্ডার হলো এক প্রকার আপত্তি।
- জাতীয় সংসদে অধিবেশন চলাকালীন নিয়ম বহির্ভূত কোনো কিছু হলে এর জন্য অনির্ধারিত আলোচনার দাবি জানানোকে Point of Order বলে।
- সংসদের কার্যক্রম চলাকালে কোনো সদস্য যদি মনে করেন যে, প্রথাগত বিধিমালার ভুল প্রয়োগ ঘটেছে বা পাশ কাটিয়ে যাওয়া হয়েছে তাহলে কোনো সদস্য তত্ক্ষণাত্ সে ব্যাপারে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেন । এই দৃষ্টি আকর্ষণটাই পয়েন্ট অব অর্ডার।

এছাড়াও, 
- সংসদের প্রত্যেক বৈঠকের কার্যপ্রণালীর সংক্ষিপ্ত বিবরনকে বুলেটিন বলে।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
১৪,৫০৩.
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ রানের মালিক কে? [৩১ অক্টোবর, ২০২৪]
  1. তামিম ইকবাল
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মুশফিকুর রহিম
  4. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 
----------------- 
• আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের জার্সিতে সর্বোচ্চ রানের মালিক - মুশফিকুর রহিম।

• মুশফিকুর রহিম:
- এখন পর্যন্ত (৩১ অক্টোবর, ২০২৪) দেশের হয়ে ৯৪ টেস্টে করেছেন ৬ হাজার ০৭ রান।
- ২৭১ ওয়ানডেতে করেছেন ৭ হাজার ৭৯২ রান।
- আর টি-টোয়েন্টিতে ১০২ ম্যাচে করেছিলেন ১ হাজার ৫০০ রান।
- সবমিলিয়ে মুশফিকের রান ১৫ হাজার ২৯৯।
- আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের জার্সিতে দ্বিতীয় অবস্থানে আছেন তামিম ইকবাল (১৫,২৪৯ রান)।

উৎস: ক্রিকইনফো.কম।
১৪,৫০৪.
ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন-
  1. রবার্ট ক্লাইভ
  2. লর্ড বেন্টিঙ্ক
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড কর্ণওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
লর্ড বেন্টিঙ্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড বেন্টিঙ্ক
ব্যাখ্যা
লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক:
- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক।
- লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ১৮২৮ -৩৫ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- বেন্টিংক মাদ্রাজের গভর্নর হিসেবে ১৮০৩ সালে প্রথম ভারতে আসেন।
- ১৮৩৩ সালের সনদ আইন দ্বারা পরে তাঁর পদবিকে ভারতের গভর্নর জেনারেল হিসেবে পুনরাখ্যায়িত করা হয়।
⇒ ১৮৩৩ সালের সনদ আইন দ্বারা বাংলার গভর্নর জেনারেলকে ভারতের গভর্নর জেনারেলে উন্নীত করা হয়।
- ফলে বাংলার তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংক ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।
উল্লেখ্য,
- লর্ড উইলিয়ম বেন্টিঙ্ক সাধারণত হস্তক্ষেপ না করা এবং অনাক্রমণের নীতি অনুসরণ করেছিলেন।
- ১৮৩১ সালে মহিশূরে অনেকদিন যাবৎ চলতে থাকা কুশাসন ঐ রাজ্যটিকে ব্রিটিশ প্রশাসনে আনতে তাঁকে বাধ্য করে।
- বেন্টিঙ্ক উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশে ভূমি রাজস্ব ব্যবস্থার সংস্কার করেন এবং সেখানে রাজস্ব বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন।
- সতীদাহ নিবারণ ও ঠগী দমন হলো বেন্টিঙ্কের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- তিনি সতীদাহ প্রথার বিলোপ সাধন করেন।
অন্যদিকে,
- ওয়ারেন হেস্টিংস ছিলেন বাংলার প্রথম গভর্নর-জেনারেল, প্রথমে ফোর্ট উইলিয়মএর গভর্নর এবং পরে গভর্নর জেনারেল।
- ভারতের শেষ গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড ক্যানিং।
- স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।
উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৫০৫.
জুলাই ঘোষণাপত্র কত তারিখে প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. ৩ আগস্ট, ২০২৫
  2. ৫ আগস্ট, ২০২৫
  3. ৬ আগস্ট, ২০২৫
  4. ৮ আগস্ট, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ আগস্ট, ২০২৫
ব্যাখ্যা

জুলাই ঘোষণাপত্র:
-  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
- অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
- অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

⇒ জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
- ২৮ দফা এ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

উৎস: প্রথম আলো।

১৪,৫০৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ অনুসারে, বাংলাদেশে মোট কতটি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী রয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৪৮টি
  2. ৫০টি
  3. ৫১টি
  4. ৫২টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২:
- সময়কাল: ১৫-২১ জুন, ২০২২ সাল।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ তে বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (modified de facto) পদ্ধতি অনুসারে পরিচালনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৪,৫০৭.
‘দুর্বার বাংলা’ ভাস্করটি কোথায় অবস্থিত?
  1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
  3. ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
  4. চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
সঠিক উত্তর:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যাখ্যা

- দুর্বার বাংলা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য। 
- এটির অবস্থান খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে প্রশাসনিক ভবনের পূর্বপাশে। 
- ২০১৩ সালে গোপাল চন্দ্র পালের নকশায় ভাস্কর্যটির নির্মাণ করা হয়।

বাংলাদেশের কিছু গুরত্বপূর্ণ ভাস্কর্য এবং তাদের ভাস্কর:
- সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটির ভাস্কর- নিতুন কুণ্ডু
- প্রত্যাশা ভাস্কর্যটির ভাস্কর- মৃণাল হক 
- দোয়েল চত্বর ভাস্কর্যটির ভাস্কর- আজিজুল জলিল পাশা।
- ‘সংশপ্তক’ ভাস্কর্যটির ভাস্কর হামিদুজ্জামান খান।
- মুক্তিযুদ্ধের সর্বপ্রথম স্মারক ভাস্কর্য 'জাগ্রত চৌরঙ্গী' এর ভাস্কর হলেন- আব্দুর রাজ্জাক।
- অপরাজেয় বাংলা  ভাস্কর্য টির ভাস্কর হলেন- সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালিদ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।

১৪,৫০৮.
নিচের কোন উপজাতিটি সমতলে বসবাস করে?
  1. ক) ত্রিপুরা
  2. খ) খুমি
  3. গ) সাঁওতাল
  4. ঘ) তঞ্চঙ্গা
সঠিক উত্তর:
গ) সাঁওতাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাঁওতাল
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল জনগোষ্ঠী রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুর এবং বগুড়া জেলায় বসবাস করে। সাঁওতালরা অষ্ট্রালয়েড নৃগোষ্ঠীভুক্ত। সাঁওতাল সমাজে গ্রাম পঞ্চায়েত ব্যবস্থা বিদ্যমান। তাদের প্রধান উৎসবের নাম সোহরাই।
অন্যদিকে ত্রিপুরা, খুমি এবং তঞ্চঙ্গা নৃগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাস করে।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী)
১৪,৫০৯.
কোন পর্যটক বাংলাকে 'প্রাচুর্যপূর্ণ নরক' বলে অভিহিত করেন?
  1. ফ্রাঁসোয়া বার্নিয়ার
  2. ইবনে বতুতা
  3. ফা হিয়েন
  4. হিউয়েন সাং
সঠিক উত্তর:
ইবনে বতুতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইবনে বতুতা
ব্যাখ্যা
মরক্কোর পর্যটক ইবনে বতুতা বাংলাকে 'প্রাচুর্যপূর্ণ নরক' বলে অভিহিত করেন।

ইবনে বতুতা:
- মরক্কোর বিখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা।
- তাঁর পুরো নাম শেখ আবু আবদুল্লাহ মুহম্মদ।
- বাংলায় সফরের উদ্দেশ্য তিনি নিজেই তাঁর ভ্রমন কাহিনীতে উল্লেখ করেছেন এবং তা ছিল কামরূপের পার্বত্য অঞ্চলে বিখ্যাত সুফিসাধক শেখ জালালউদ্দিনের (হযরত শাহজালাল মুজার্রদ-ই-ইয়েমেনী) দর্শন লাভ।
- ইবনে বতুতা ১৩২৫ খ্রিস্টাব্দে একুশ বছর বয়সে বিশ্ব সফরে বের হন এবং আট বছরের মধ্যে সমগ্র উত্তর আফ্রিকা, আরব, পারস্য, ভূমধ্যসাগরের পূর্ব তীরবর্তী অঞ্চল ও কনস্টান্টিনোপল পরিভ্রমণ করেন।
- এরপর তিনি ভারতে আসেন।
- তিনি ১৩৩৪ খ্রিস্টাব্দে দিল্লিতে আসেন এবং সুলতান মুহম্মদ বিন তুঘলকের অধীনে দীর্ঘ প্রায় আট বছর কাজীর পদে নিয়োজিত ছিলেন।

⇒ ইবনে বতুতা ১৩৪৬ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের শাসনকালে বাংলায় সফর করেন।
- বাংলার যে শহরে ইবনে বতুতা প্রথম পৌঁছেন (৯ জুলাই ১৩৪৬) তার নাম তিনি উল্লেখ করেছেন সাদকাঁও (চাটগাঁও)।
- সেখান থেকে সরাসরি তিনি কামারু (কামরূপ) পার্বত্য অঞ্চল অভিমুখে রওনা হন।
- তিনি বাংলায় তার ভ্রমণের এক মূল্যবান বিবরণ লিপিবদ্ধ করে যান। এ বিবরণে বাংলার প্রাকৃতিক দৃশ্য, অধিবাসীদের জীবনের বিভিন্ন দিক এবং দেশের সমৃদ্ধির প্রাণবন্ত বর্ণনা পাওয়া যায়। ইবনে বতুতা তার 'আর রিহলা' গ্রন্থে বাংলাকে ‘দোজখ-ই-পুর নিয়ামত (A Hell Full Of Good Things) ’ অর্থাৎ প্রাচুর্যপূর্ণ নরক বলে অভিহিত করেন।
- ইবনে বতুতা সিলেটের প্রখ্যাত সাধক হযরত শাহজালালের সাথে সাক্ষাৎ করেন। পরবর্তীকালে তিনি চীনের রাজদরবার গমনের উদ্দেশ্যে বাংলা ত্যাগ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৫১০.
কোনটি বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান?
  1. বার্ড
  2. সিটি কর্পোরেশন
  3. বিশ্ববিদ্যালয়
  4. চা বোর্ড
সঠিক উত্তর:
সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা
• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন :
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।

•  বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ,
- পৌরসভা,
- সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৪,৫১১.
বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. রেমিট্যান্স
  2. বৈদেশিক বাণিজ্য
  3. পোশাক শিল্প
  4. কর রাজস্ব
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর রাজস্ব
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

⇒ কর রাজস্ব বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মূল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:,
৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

তথ্যসূত্র - অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৫১২.
‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক'-কে তফসিলি ব্যাংকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয় কবে?
  1. ২৮ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  4. ২ ডিসেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১ ডিসেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ ডিসেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক নতুন প্রজ্ঞাপনে ১ ডিসেম্বর, ২০২৫ থেকে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’-কে তফসিলি ব্যাংকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
- এর আগে ৩০ নভেম্বর, ২০২৫ বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় দুর্বল পাঁচটি ইসলামী ব্যাংক- ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক ও এক্সিম ব্যাংককে একীভূত করে নতুন 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক' গঠনের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়।
- সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা।
- এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২০ হাজার কোটি এবং আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা।
- অনুমোদিত মূলধন রাখা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১৪,৫১৩.
আমাদের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) সেগুনবাগিচা
  2. খ) মাহবাগ
  3. গ) মতিঝিল
  4. ঘ) আগারগাঁও
সঠিক উত্তর:
ঘ) আগারগাঁও
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আগারগাঁও
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ সেগুনবাগিচায় বেসরকারি উদ্যোগে দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেগুনবাগিচার ভাড়া বাড়ি থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আগারগাঁও, শেরে বাংলা নগরে সরকার প্রদত্ত জমিতে নির্মিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর আগারগাঁও, শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত। সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট।
১৪,৫১৪.
What was the name of the military campaign undertaken by Pakistan in 1971, which resulted in widespread atrocities and ultimately led to the Bangladesh Liberation War?
  1. Operation Trident
  2. Operation Jackpot
  3. Operation Searchlight
  4. Operation Vijay
সঠিক উত্তর:
Operation Searchlight
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Operation Searchlight
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট:

- অপারেশন সার্চলাইট পাকিস্তানে স্বৈরাচারী শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী মুক্তিকামী বাঙালিদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তান সামরিক বাহিনী যে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে সামরিক কর্তৃপক্ষ একে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নামে অভিহিত করে।
- এ অপারেশনের উদ্দেশ্য ছিল ঢাকাসহ তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের প্রধান শহরগুলিতে বিশিষ্ট আওয়ামী লীগ নেতা ও ছাত্র নেতৃবৃন্দ এবং বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের গ্রেপ্তার ও প্রয়োজনে হত্যা, সামরিক আধা সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর বাঙালি সদস্যদের নিরস্ত্রীকরণ, অস্ত্রাগার, রেডিও ও টেলিফোন এক্সচেঞ্জ দখলসহ প্রদেশের সামগ্রিক কর্তৃত্ব গ্রহণ এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে পরিচালিত অসহযোগ আন্দোলন কঠোর হস্তে দমন করে প্রদেশে পাকিস্তান সরকারের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করা।
- অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় ২৫ মার্চ রাত সাড়ে এগারটা থেকে মধ্য মে পর্যন্ত বড় বড় শহরে অভিযান পরিচালিত হয়।
- অপারেশন সার্চলাইট  অভিযান শুরুর সময় নির্ধারিত ছিল ২৬ মার্চ রাত ১টা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৪,৫১৫.
বিএফআইডিসির মালিকানাধীন দেশে কয়টি রাবার বাগান রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৬টি
  2. ১৮টি
  3. ২১টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
১৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮টি
ব্যাখ্যা

রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- বাংলাদেশে রাবার জোন রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো: বৃহত্তর চট্টগ্রাম, সিলেট এবং টাঙ্গাইল - শেরপুর।
- ৩টি জোনে মোট রাবার বাগান ১৮টি; এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৯টি, সিলেট জোনে ৪টি এবং টাঙ্গাইল-শেরপুর জোনে ৫টি।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৪,৫১৬.
নিম্নের কোন জেলায় বরেন্দ্র ভূমি অবস্থিত নয়?
  1. রংপুর
  2. বগুড়া
  3. ময়মনসিংহ
  4. পাবনা
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
- বৃহত্তর দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া, পাবনা ও রাজশাহী এই পাঁচটি জেলা নিয়ে গঠিত বরেন্দ্রভুমি। 
- বরেন্দ্র অঞ্চল বা বর্তমান রাজশাহী বিভাগ ২৩-৪৮’-৩০” উত্তর অক্ষাংশ ও  ২৬-৩৮’ উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮-০২” পূর্ব দ্রাঘিমাংশ ‍ও ৮৯-৫৭’  পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত।
- বরেন্দ্রভূমি (Barind Tract) বঙ্গ অববাহিকার বৃহত্তম প্লাইসটোসিন ভূ-প্রাকৃতিক একক।
- প্রায় ৭,৭৭০ বর্গ কিমি এলাকা জুড়ে বরেন্দ্রভূমি বিস্তৃত।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, বাংলাপিডিয়া।
১৪,৫১৭.
ভারত বিভাগের পটভূমিতে সীমানা নির্ধারণের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন—
  1. লর্ড কার্জন
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. মহাত্মা গান্ধী
  4. স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
সঠিক উত্তর:
স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ
ব্যাখ্যা
• ভারত বিভাগের পটভূমি ও স্বাধীনতা (১৯৪৭)
- ১৯৪৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ঘোষণা করেন, ১৯৪৮ সালের জুনের মধ্যে ভারতীয়দের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়া হবে। এ দায়িত্ব পালনের জন্য লর্ড মাউন্টব্যাটেনকে ভারতের শেষ ভাইসরয় করে পাঠানো হয়।

- তিনি কংগ্রেস ও মুসলিম লীগের সঙ্গে আলোচনা করে ভারত বিভাজনের সিদ্ধান্ত নেন। ক্রমবর্ধমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ঠেকাতে নেতারা দেশ বিভাগের পক্ষে সম্মত হন। ৩ জুন ১৯৪৭ মাউন্টব্যাটেন বিভাজন পরিকল্পনা ঘোষণা করেন। পাকিস্তান গঠনের সিদ্ধান্তে মুসলিম লীগ সন্তুষ্টি প্রকাশ করে।

- ১৫ জুলাই লন্ডনের কমন্স সভায় ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়। সীমানা নির্ধারণের জন্য র‍্যাডক্লিফের নেতৃত্বে একটি কমিশন গঠিত হয়। তিনি ৯ আগস্ট প্রতিবেদন জমা দেন, তবে তা তখনই প্রকাশ করা হয়নি।

- ১৮ জুলাই ১৯৪৭ "ভারত স্বাধীনতা আইন" পাস হয়, যার মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে। এরপর ১৪ আগস্ট পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট ভারত স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও্র দশম শ্রেণি।
১৪,৫১৮.
বাংলাদেশের পূর্বে অবস্থিত?
  1. পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. আসাম, ত্রিপুরা, ও মিজোরাম এবং মায়ানমার
  4. বঙ্গোপসাগর
সঠিক উত্তর:
আসাম, ত্রিপুরা, ও মিজোরাম এবং মায়ানমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আসাম, ত্রিপুরা, ও মিজোরাম এবং মায়ানমার
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম;
- পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, ও মিজোরাম এবং মায়ানমার;
- দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং
- পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বই।
১৪,৫১৯.
নিচের কোনটি জেলা প্রশাসকের কার্যসমূহের অন্তর্ভূক্ত?
  1. স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ
  2. রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ
  3. প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
জেলা প্রশাসন:
- ডেপুটি কমিশনার বা জেলা প্রশাসক হল জেলা প্রশাসনের প্রাণ। 
- জেলা প্রশাসককে কেন্দ্র করেই জেলার সকল কার্যপ্রণালি চালিত হয়।
- একটি জেলার মধ্যে সকল ধরনের আইন শৃঙ্খলা রক্ষা করা, কর আদায় এবং উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিচালনা করে জেলা প্রশাসন।
- ‘জেলা প্রশাসক’ পদটি সচিবালয়ের উপ-সচিব পদের সমান।

⇒ জেলার প্রধান হিসেবে জেলা প্রশাসকের কার্যসমূহ নিম্নরূপ:
• প্রশাসন সংক্রান্ত কাজ।
• আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত কাজ।
• রাজস্ব সংক্রান্ত কাজ।
• উন্নয়নমূলক কাজ।
• সমন্বয় সংক্রান্ত কাজ।
• স্থানীয় শাসন সংক্রান্ত কাজ।
• বিচারিক কাজ।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৫২০.
নূর হোসেন কোন আন্দোলনে শহিদ হন?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  3. নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন
  4. ৭১ এর অসহযোগ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• শহীদ নূর হোসেন:
- নূর হোসেন নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে শহিদ হন।
 
- ১৯৯০ সালের ৬ই ডিসেম্বর এক তীব্র গণআন্দোলনের মুখে বাংলাদেশে জেনারেল এরশাদের নয় বছরের শাসনের অবসান ঘটে। 
- কিন্তু তারও তিন বছর আগে আরেকটি গণআন্দোলন তিনি নিষ্ঠুরভাবে দমন করেছিলেন।
- সেই আন্দোলনের সময় গণতন্ত্রের দাবিতে বুকে-পিঠে শ্লোগান লিখে রাস্তায় নামা এক তরুণ নূর হোসেন পুলিশের গুলিতে নিহত হন। 
- ১৯৮৭ সালের ১০ নভেম্বর নূর হোসেন শহীদ হন।
- নূর হোসেনের লেখা শ্লোগান বুকে 'স্বৈরাচার নীপাত যাক' এবং পিঠে 'গণতন্ত্র মুক্তি পাক'।

উৎস: ৬ ডিসেম্বর ২০২০, বিবিসি বাংলা।
১৪,৫২১.
দেশের প্রথম বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) এর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ২০ কিলোমিটার
  2. খ) ২৫ কিলোমিটার
  3. গ) ১৮ কিলোমিটার
  4. ঘ) ৩০ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
ক) ২০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
• দেশের প্রথম বাস র‍্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) নির্মাণের চুক্তি সই করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর ও চীনা গেজৌবা গ্রুপ (China gezhouba group)।
• প্রকল্পটিতে প্রায় ২ হাজার ৪০ কোটি ব্যয় হবে। প্রকল্পে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ সরকার, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক, ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা এবং গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল ফ্যাসিলিটি।
• গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর পর্যন্ত বিআরটিএর মূল করিডরের দৈর্ঘ্য হবে সাড়ে ২০ কিলোমিটার। যার মধ্যে ১৬ কিলোমিটার হবে সমতলে এবং সাড়ে চার কিলোমিটার হবে উড়ালসড়ক।
• এই করিডরে থাকবে ২৫টি স্টেশন, দুটি টার্মিনাল, ছয়টি ফ্লাইওভার, আট লেনবিশিষ্ট টঙ্গী সেতু, আটটি কাঁচাবাজার, ৩২ কিলোমিটার ফুটপাত এবং গাজীপুরে একটি বাস ডিপো।

তথ্যসূত্র: লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার নভেম্বর, ২০২২ এবং প্রথম আলো।
১৪,৫২২.
ঐতিহাসিক ছয় দফা পালিত হয় -
  1. ৫ ফেব্রুয়ারি
  2. ৬ ফেব্রুয়ারি
  3. ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ৭ জুন
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ জুন
ব্যাখ্যা
ঐতিহাসিক ছয়দফা: 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা ‘ম্যাগনাকার্টা' হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত।
- ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা রুহুল কুদ্দুস।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ মনু মিয়া।

উল্লেখ্য,
- প্রতিবছর ৭ জুন ঐতিহাসিক ছয় দফা পালিত হয়।
- ছয় দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৭ জুন আওয়ামী লীগের ডাকে তৎকালীন পূর্ব বাংলায় হরতাল চলাকালে পুলিশ ও ইপিআর নিরস্ত্র মানুষের ওপর গুলি চালায়।
- এতে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে মনু মিয়া, মুজিবুল হকসহ অনেকে শহীদ হন। 

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
         ii)  ৭ জুন ২০২৩, প্রথম আলো।
১৪,৫২৩.
কীসের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে?
  1. আমলাতন্ত্র
  2. সুশীল সমাজ
  3. বিরোধী দল
  4. চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্টী
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা

• গণতন্ত্র রক্ষা: 
- আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিরোধী দল ছাড়া গণতন্ত্র টিকে থাকতে পারে না। 
- গণতন্ত্র মানেই বিভিন্ন মতামতের সংমিশ্রণ। 
- এক্ষেত্রে বিভিন্ন দলের সহাবস্থান অবশ্যই থাকতে হয়। 
- শক্তিশালী বিরোধী দলের অভাবে সরকার স্বৈরাচারী হয়ে যেতে পারে। 
- জন স্টুয়ার্ট মিল তাই বলেন, "যেখানে বিরোধী দল নেই, সেখানে গণতন্ত্র নেই"।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৫২৪.
খসড়া সংবিধান গণপরিষদে প্রথম উত্থাপিত হয় কবে?
  1. ১০ অক্টোবর ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর ১৯৭২
  3. ১৯ অক্টোবর ১৯৭২
  4. ৩১ অক্টোবর ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর ১৯৭২
ব্যাখ্যা
-বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ই জানুয়ারি বাংলাদেশ অস্থায়ী সংবিধান আদেশ এবং ২৩শে মার্চ বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশের গেজেট প্রকাশ করা হয়।
- ১১ই এপ্রিল তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান রচনা কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ই এপ্রিল কমিটি তাদের প্রথম বৈঠকে বসে এবং ১২ই অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- ১৫ ডিসেম্বর প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংবিধানে স্বাক্ষর করেন এবং তারপর অন্যান্য গণপরিষদ সদস্যরা সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।
- তবে সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

[উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান]
১৪,৫২৫.
বাংলাদেশের বিখ্যাত 'মণিপুরী নৃত্য' কোন অঞ্চলের?
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. ময়মনসিংহ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
মণিপুরী:
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- জাতিগত দিক থেকে মণিপুরীরা মঙ্গোলীয় মানবগোষ্ঠীর তিব্বতি-বর্মি পরিবারের কুকি-চীন গোত্রভুক্ত।
- বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলের সিলেট, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জ জেলা এবং ঢাকায় মণিপুরী সম্প্রদায় বসবাস করে।
- আঠারো শতকের শেষের দিকে মণিপুরীরা ভারতের মণিপুর রাজ্য থেকে বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে এসে বসতি স্থাপন করে।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।

⇒ মণিপুরে তিন গোষ্ঠী সম্প্রদায়ের বাস- বিষ্ণুপ্রিয়া, মৈতৈ ও পাঙান।
- বাংলাদেশের মণিপুরীদের মধ্যে বিষ্ণুপ্রিয়ারা সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।

⇒ মণিপুরী সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব 'মহা রাসলীলা'।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,৫২৬.
কোনটি মাঠ ফসল?
  1. ধান, গম, ভুট্টা
  2. সরিষা, সয়াবিন, তিল
  3. চা, কফি, কোকো
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
মাঠ ফসল:
- বিভিন্ন ধরনের মাঠ ফসলের কৃষিতাত্ত্বিক শ্রেণিবিভাগ:
১। তন্ডুল বা দানাজাতীয় শস্য:
- এরা গ্রামিনী পরিবারের অন্তর্গত।
- এ পরিবারের খাবার উপযোগী দানা জাতীয় শস্যগুলোকেই তন্ডুল ফসল বলে।
- যেমন- ধান, গম, ভুট্টা, যব, চীনা, কাওন ইত্যাদি।

২। ডাল ফসল:
- লিগুমিনোসি পরিবারের প্যাপিলিওনেসি উপ-পরিবারের যে সমস্ত দানাজাতীয় ফসল ডালের জন্য চাষ করা হয়, সেগুলোকে ডাল ফসল বলা হয়।
- যেমন- মসুর, খেসারি, মুগ, ছোলা, মাসকালাই ইত্যাদি।

৩। তৈল ফসল:
- যে সমস্ত ফসলের বীজ থেকে তেল সংগ্রহ করা হয়।
- সেগুলোকে তৈল ফসল বলা হয়।
- যেমন- সরিষা, সয়াবিন, তিল, তিসি, সূর্যমুখী ইত্যাদি।

৪। চিনি ফসল:
- যে সমস্ত ফসলের রস থেকে মিষ্টিজাতীয় পদার্থ যেমন- চিনি, গুড়, মিছরি ইত্যাদি তৈরি করা হয়, সেগুলোকে চিনি ফসল বলে।
- যেমন- আখ, বিট, খেজুর, তাল ইত্যাদি।

৫। আঁশ ফসল:
- আঁশ পাওয়ার জন্য যে সমস্ত ফসল চাষ করা হয়, সেগুলোকে আঁশ ফসল বলা হয়।
- যেমন- পাট, তুলা, শনপাট, কেনাফ, রামী ইত্যাদি।

৬। নেশা ফসল:
- নেশাজাতীয় দ্রব্য উৎপাদানের জন্য যে সমস্ত ফসল চাষ করা হয়, সেগুলোকে নেশা ফসল বলে।
- যেমন- তামাক, গাঁজা, আফিম, কুম্ভি, হেনবেন ইত্যাদি।

৭। পানীয় ফসল: যে সকল ফসল পানীয় দ্রব্য উৎপাদনের জন্য চাষ করা হয়, সেগুলোকে পানীয় ফসল বলে।
- যেমন- চা, কফি, কোকো ইত্যাদি।

৮। পশুখাদ্য ফসল:
- পশুর খাদ্যের জন্য যে সমস্ত ফসল চাষ করা হয়।
- সেগুলোকে পশুখাদ্য ফসল বলে।
- যেমন- প্যারা ঘাস, নেপিয়ার ঘাস, ভুট্টা, জোয়ার, খেসারি, মাসকালাই ইত্যাদি।

৯। সবুজ সার ফসল:
- যে সমস্ত সবুজ ফসল জন্মানোর একটা নির্দিষ্ট সময় পর মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়ে জৈব সার তৈরির জন্য চাষ করা হয়, সেগুলোকে সবুজ সার ফসল বলে।
- যেমন- ধইঞ্চা, শনপাট ইত্যাদি।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৫২৭.
অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন -
  1. ক) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. খ) খাজা নাজিম উদ্দিন
  3. গ) মওলানা আবুল কালাম আজাদ
  4. ঘ) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
ব্যাখ্যা
- অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক।
- শেষ মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলায় সর্বশেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এতে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বাধীন মুসলিমলীগ ১১৪টি আসন পেয়ে জয় লাভ করে এবং সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী হন।
- ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পাকিস্তান সৃষ্টি হলে খাজা নাজিম উদ্দিন পূর্ব বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী নিযুক্ত হন।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৫২৮.
বর্তমানে দেশে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? 
  1. ঝিনাইদহ 
  2. ঠাকুরগাঁও 
  3. দিনাজপুর 
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ 
ব্যাখ্যা

তুলা চাষ:
- ১৯৭৩-৭৪ সনে বাংলাদেশে সমভূমির তুলাচাষ শুরু হওয়ার পর থেকে তুলা চাষ এলাকা ও উৎপাদন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পায়।
- বর্তমানে সমতল এলাকার ৩৪টি জেলায় সমভূমির জাতের তুলার আবাদ হচ্ছে এবং অতি সম্প্রতি ৩টি পার্বত্য জেলাতেও পাহাড়ি জাতের পাশাপাশি সমভূমির জাতের তুলার চাষাবাদ হচ্ছে।
- পাহাড়ি তুলা এপ্রিল-মে মাসে এবং সমভূমির তুলা জুলাই-আগস্ট মাসে বপন করা হয়।
- পাহাড়ি তুলা ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এবং সমভূমির তুলা জানুয়ারি-মার্চ মাসে উত্তোলন করা হয়।
- বর্তমানে তুলা উন্নয়ন বোর্ড তুলা গবেষণা, এর সম্প্রসারণ, বীজ উৎপাদন ও বিতরণ, প্রশিক্ষণ, বাজারজাতকরণ ও জিনিং এবং ঋণ বিতরণ প্রভৃতি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করে আসছে।

⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুসারে তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ঝিনাইদহ।

• তুলার চাষকৃত জাতগুলো:
- সমতল এলাকায় বর্তমানে, সিবি-৫, সিবি-৯ সিবি-১০ ও সিবি-১১ প্রভৃতি উচ্চফলনশীল জাতের তুলা এবং
- হাইব্রিড জাতের মধ্যে হীরা ও রূপালী-১ ও ডিএম-১ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
- এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে পাহাড়ি তুলা-১ ও পাহাড়ি তুলা-২ নামে উচ্চফলনশীল জাতের তুলা চাষ হয়।

উৎস: i) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।
         ii) কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৪,৫২৯.
দেশে প্রথমবারের মতো ই-সিম চালু করে কোন মোবাইল অপারেটর কোম্পানি?
  1. ক) গ্রামীণফোন
  2. খ) বাংলালিংক
  3. গ) রবি
  4. ঘ) টেলিটক
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রামীণফোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গ্রামীণফোন
ব্যাখ্যা
• প্রথম ই-সিম:
- দেশে প্রথমবারের মতো প্লাস্টিক সিম কার্ড ছাড়াই সংযোগের সুবিধা সম্পন্ন পরিবেশবান্ধব ই-সিম চালু করে মোবাইল অপারেটর কোম্পানি গ্রামীণফোন।
- চালু করে - ১ মার্চ, ২০২২
- ই-সিমের পূর্ণ রূপ হলো এমবেডেড সাবস্ক্রাইবার আইডেনটিটি মডিউল।

- প্রচলিত প্লাস্টিকের সিমকার্ডের মতো এই সিম সহজে খোলা ও পরিবর্তনের সুযোগ থাকার পরিবর্তে সরাসরি মাদারবোর্ডে যুক্ত থাকে।
- শুধু আগে থেকে ইনস্টল করা ডিভাইসগুলোতেই ই-সিম কাজ করে। 
- নতুন ই-সিম সংযোগ পেতে হলে গ্রাহকদের ই-সিম সমর্থন করে এমন ডিভাইস থাকতে হবে।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার নিউজ।
১৪,৫৩০.
NIPORT কোথায় অবস্থিত?
  1. মিরপুর, ঢাকা
  2. ফার্মগেট, ঢাকা
  3. খিলগাঁও, ঢাকা
  4. আজিমপুর, ঢাকা
সঠিক উত্তর:
আজিমপুর, ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আজিমপুর, ঢাকা
ব্যাখ্যা
NIPORT:
- NIPORT-এর পূর্ণরূপ: National Institute of Population Research and Training.
- এটি হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৭৭ সালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়‌।
- নিপোর্ট এই মন্ত্রণায়লের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকতা-কর্মচারীদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট) ওয়েবসাইট।
১৪,৫৩১.
শাহ সুজার নিযুক্তির সময় সুবাহ-বাংলার রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. ক) রাজমহল
  2. খ) ঊড়িষ্যা
  3. গ) ঢাকা
  4. ঘ) কুচবিহার
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঢাকা
ব্যাখ্যা
শাহ সুজা:

- শাহ সুজার নিযুক্তির সময় ঢাকা সুবাহ-বাংলার রাজধানী ছিল।
- শাহ সুজা (১৬৩৯-১৬৬০) সুবাহ-বাংলার মুগল ভাইসরয়।
- তিনি ছিলেন সম্রাট শাহজাহান ও সম্রাজ্ঞী মমতাজ মহলের দ্বিতীয় পুত্র। ১৬১৬ খ্রিস্টাব্দের ২৩ জুন তাঁর জন্ম হয়।
- ১৬৪২ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে ঊড়িষ্যা প্রদেশের দায়িত্বও অর্পণ করা হয়।
- ঢাকার প্রাচীন মুগল দালানগুলি তাঁর সময়েই নির্মিত হয়। দালানগুলি হলো বড় কাটরা, ঈদগাহ, হোসেনী দালান এবং চুড়িহাট্টা মসজিদ,বুড়িগঙ্গার তীরে বড় কাটরা

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া। 
১৪,৫৩২.
বাংলাদেশের মোট চা বাগানের সংখ্যা কয়টি? (মে, ২০২৫)
  1. ১৬৭টি
  2. ১৬৮টি
  3. ১৬৯টি
  4. ১৭০টি
সঠিক উত্তর:
১৭০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭০টি
ব্যাখ্যা
চা ও চা বাগান:
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় চট্টগ্রামে।
- বাংলাদেশে চায়ের চাষাবাদ প্রথম শুরু হয় ১৮৪০ সালে।
- বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে।
- সিলেটের মালনিছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান মৌলভীবাজার জেলায়।
- বাংলাদেশের মোট চা বাগানের সংখ্যা ১৭০টি। (মে, ২০২৫)
- দেশের সর্বশেষ চা বাগান পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র- বিবিসি বাংলা, ২১ মে ২০১২, দৈনিক সমকাল, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ও বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট। (লিংক)
১৪,৫৩৩.
নিপোর্ট (NIPORT) কী বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) অর্থনীতি
  2. খ) সংস্কৃতি
  3. গ) জনসংখ্যা
  4. ঘ) শিক্ষা
সঠিক উত্তর:
গ) জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা

- নিপোর্ট হচ্ছে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (NIPORT: National Institute of Population Research And Training)।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালে।
- সংস্থাটির অবস্থান ঢাকার আজিমপুরে।
- সংস্থাটিকে নিয়ন্ত্রণ করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়‌।
উৎস: স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়‌।

১৪,৫৩৪.
মন্ত্রিসভার সদস্যগণ যৌথভাবে কার নিকট দায়বদ্ধ থাকে? 
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. জাতীয় সংসদ
  4. মন্ত্রণালয় 
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা

শাসন বিভাগের জবাবদিহিতা: 
- বাংলাদেশে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- আর এ কারণে জাতীয় সংসদ রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।
- আইন সভায় মূলত জাতীয় সংসদের সদস্যরাই উপস্থিত থাকে এবং তাদের নিয়েই সরকার গঠিত হয়।
- শাসন বিভাগের আইন বাস্তবায়নকারী অংশ অর্থাৎ মন্ত্রী পরিষদের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রের প্রকৃত শাসনের কাজ করে থাকে।
- এ কারণে তিনি জাতীয় সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের আস্থাভাজন হয়ে থাকেন।
- তবে বাংলাদেশ সংবিধানের ৫৫ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকে।
- অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দকে শাসন বিভাগের যাবতীয় কর্মকান্ডের জন্য জাতীয় সংসদের নিকট জবাবদিহি করতে হয়। জবাবদিহিতার এই বিষয়টি বিদ্যমান থাকায় সরকারকে সদা জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত থাকতে হয়। অনেকক্ষেত্রে, সরকারের ভুল-ত্রুটি শুধরে দিতেও জাতীয় সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৫৩৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের অর্থনীতির কোন খাতে সর্বোচ্চ জনশক্তি নিয়োজিত?
  1. কৃষি
  2. শিল্প
  3. সেবা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কৃষি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী জিডিপিতে বিভিন্ন খাতে অবদান:
• কৃষি: ১১.২০%।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৪৫.৩৩%।
• শিল্প: ৩৭.৫৬%।
-  নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ১৭.০২%।
• সেবা: ৫১.২৪%।
- নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ: ৩৭.৬৫%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৪,৫৩৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ আছে 'প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ'?
  1. ক) ২
  2. খ) ৬
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ৪
সঠিক উত্তর:
গ) ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭ নং অনুচ্ছেদে সংবিধানের প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।
- ৭(১) দফায় বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হইবে।
- ৬(২) নং দফায় বলা হয়েছে বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসেবে বাঙালি এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।
- ২ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা,
- ২ক অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রধর্ম,
- ৪ নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,৫৩৭.
বাংলাদেশে প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ১৯৭৭ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে গণভোট:
- রাষ্ট্রের কোন গুরুত্বপুর্ন বিষয়ে জনমত যাচাই করার জন্য যে প্রত্যক্ষ ভোট গ্রহন করা হয় তাকে গণভোট বা Referendum বলা হয়।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত গণভোট হয়েছে ৩ বার।
- বাংলাদেশের প্রথম গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৭ সালের ৩০ মে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ (প্রশাসনিক)।
- দ্বিতীয় গণভোট অনুষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ১ মার্চ এরশাদের সমর্থন যাচাই (প্রশাসনিক)।
- তৃতীয় গণভোট - ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১ (একমাত্র সাংবিধানিক )।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে গনভোটের বিধান আওতাভুক্ত করা হয়েছিল।

উৎস: বাংলাদেশ আইন মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ।
১৪,৫৩৮.
আনন্দ বিহার কোথায়?
  1. ক) রাজশাহীতে
  2. খ) মহাস্থানগড়
  3. গ) ময়নামতি
  4. ঘ) পাহাড়পুর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়নামতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়নামতি
ব্যাখ্যা
♦উল্লেখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো - ময়নামতি।

• আনন্দ বিহার:

- আনন্দ বিহার কুমিল্লার ময়নামতির লালমাই পাহাড়ে অবস্থিত।
- বগুড়ার মহাস্থানগড়ে অবস্থিত ভাসু বিহার ও গােকুল মেধ।
- আর নওগাঁর পাহাড়পুরে অবস্থিত সােমপুর বৌদ্ধ বিহার।

সূত্র: বাংলা পিডিয়া।
১৪,৫৩৯.
মুজিবনগর সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকার:
রাষ্ট্রপতি- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
উপ-রাষ্ট্রপতি- সৈয়দ নজরুল ইসলাম (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি)
প্রধানমন্ত্রী- তাজউদ্দীন আহমদ
অর্থমন্ত্রী- ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন, কৃষি মন্ত্রী- এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান
পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী- খন্দকার মোশতাক আহমদ
প্রধান সেনাপতি- কর্নেল (অব.) এম.এ.জি ওসমানী
চিফ অব স্টাফ- লে. কর্নেল (অব.) আবদুর রব
ডেপুটি চিফ অব স্টাফ- গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ.কে. খন্দকার

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৫৪০.
চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাস ফেবো প্রকাশিত হয়-
  1. ক) ২০০০ সালে
  2. খ) ২০০৪ সালে
  3. গ) ২০০৮ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২০০৪ সালে
ব্যাখ্যা
চাকমা ভাষায় লিখিত প্রথম উপন্যাসের নাম- ফেবো। এটি প্রকাশিত হয় ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে।
১৪,৫৪১.
সম্প্রতি বাংলাদেশ কোন দেশের নাগরিককে ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার অনার' প্রদান করে?
  1. ক) অস্ট্রেলিয়া
  2. খ) কানাডা
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক প্রয়াত মার্কিন সিনেটর এডওয়ার্ড এম কেনেডি সিনিয়রকে ‘ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার অনার' প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- উল্লেখ্য যে, পাকিস্তানিদের অত্যাচারে প্রায় ১ কোটির ওপর শরণার্থী ভারতে আশ্রয় নেয়। সেই রিফিউজি ক্যাম্পে অত্যন্ত মানবেতর জীবনযাপন যখন তারা করতো তখন ছুটে এসেছিলেন টেড কেনেডি। 

- এছাড়াও তিনি সিনেটে (মার্কিন) এ বিষয়ে তিনি কথা তোলেন এবং আমেরিকা যে পাকিস্তানিদের পক্ষ নিয়েছে, অস্ত্র দিচ্ছে বা অর্থ দিচ্ছে তার বিরোধিতা করেন এবং তিনি দ্বার্থহীন কণ্ঠে বলেন, মুক্তিকামী বাঙালিদের পাশে আমেরিকার থাকা উচিত।
- এডওয়ার্ড এম কেনেডি সিনিয়র এর যোগ্য পুত্র এডওয়ার্ড এম টেড কেনেডি জুনিয়রের হাতে ফ্রেন্ডস অব লিবারেশন ওয়ার অনার তুলে দেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।

উৎস: লাইভ এম সি কিউ সাম্প্রতিক সমাচার, নভেম্বর ২০২২ এবং বাংলা ট্রিবিউন।
১৪,৫৪২.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে মোট কতজনকে বীরউত্তম খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ৬৬ জন
  2. ৬৭ জন
  3. ৬৮ জন
  4. ৬৯ জন
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,৫৪৩.
বাঙালির জাতীয় ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা কোনটি?
  1. ক) শিক্ষা আন্দোলন
  2. খ) ছয়দফা আন্দোলন
  3. গ) মুক্তিযুদ্ধ
  4. ঘ) ভাষা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে,
- শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
- ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সময়ে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৫৪৪.
জি-৭ এর ৪৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে কোন দেশে?
  1. ক) ইতালি
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) ইংল্যান্ড
  4. ঘ) আয়ারল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
খ) জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
২৬ - ২৮ জুন ২০২২ তারিখে জি-৭ এর ৪৮তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে - জার্মানিতে।
উৎস : পত্রিকা রিপোর্ট। 
১৪,৫৪৫.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থা কত সালে উচ্ছেদ করা হয়?
  1. ১৮৫৭ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৩৫ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালে
ব্যাখ্যা

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ১৭৯৩ সালে কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার ভূমি মালিকদের (সকল শ্রেণির জমিদার ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি স্থায়ী চুক্তি।
- এ চুক্তির আওতায় জমিদার উপনিবেশিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় ভূ-সম্পত্তির নিরঙ্কুশ স্বত্বাধিকারী হন।
- জমির স্বত্বাধিকারী হওয়া ছাড়াও জমিদারগণ স্বত্বাধিকারের সুবিধার সাথে চিরস্থায়ীভাবে অপরিবর্তনীয় এক নির্ধারিত হারের রাজস্বে জমিদারিস্বত্ব লাভ করেন। 

⇒ “একশালা” ও “পাঁচশালা”  বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয়ে লর্ড কর্নওয়ালিসের (১৭৩৮-১৮০৫) প্রস্তাবনা মেনে নিয়ে ১৭৯৩ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি ব্রিটিশ ভারতে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চালু করেন।
- এটি মূলত ভূমি রাজস্ব আদায়ের একটি মাধ্যম।
- এর মাধ্যমে জমিদারদেরকে জমির মালিক এবং কৃষকদেরকে তাদের প্রজা রূপে রূপায়িত করা হয়। 

উল্লেখ্য,
- ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর জেনারেল ওয়ারেন হেস্টিংস ‘পাঁচসালা বন্দোবস্ত এবং ‘একসালা বন্দোবস্ত' প্রবর্তন করেন।
- কিন্তু এ দুটি বন্দোবস্ত রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ হয়নি।
- এমতাবস্থায় গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিশ নানা বিচার-বিশ্লেষণ করে ১৭৯৩ সালে ভূমি ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে এক নতুন প্রথার প্রবর্তন করেন। ইতিহাসে এটি ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' নামে পরিচিত।
- এর মাধ্যমে ইংরেজরা এদেশে তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতার ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছিলেন।
- এক্ষেত্রে তারা অনেক সফলতা লাভ করলেও এ ব্যবস্থার ফলে সাধারণ কৃষক এমনকি অনেক সম্ভ্রান্ত বনেদি জমিদার সর্বশান্ত হয়ে পড়ে।
- অন্যদিকে নগদ টাকার মালিক ও পুঁজিপতি মহাজনরা রাতারাতি জমিদারে পরিণত হয়।
- নব সৃষ্ট এ জমিদার শ্রেণী ইংরেজ শাসনের জন্য একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক ভিত্তি স্থাপনে সহায়ক শক্তির ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৫০ সালে এ ব্যবস্থা উচ্ছেদ করা হয় ।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৫৪৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার কোন দেশ?
  1. চীন
  2. যুক্তরাজ্য 
  3. জার্মানি
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে শীর্ষ রপ্তানি খাত তৈরি পোশাক। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে তৈরি পোশাক ও নীটওয়্যার পণ্যের রপ্তানি আয়: ৩২,৮৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এটি মোট রপ্তানি আয়ের ৮৫.৪৫%।

উল্লেখ্য,
- নীটওয়্যার: ১৮,৫৯২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪৮.৩৫%)।
- তৈরি পোশাক: ১৪,২৬৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩৭.১০%)।

⇔ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- দেশ হিসেবে তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক।
- ২০২৪ সালে বাংলাদেশ থেকে ৭৩৪ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। 
- এই রপ্তানি ২০২৩ সালের তুলনায় শূন্য দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) ১১ মার্চ, ২০২৫, প্রথম আলো।
১৪,৫৪৭.
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে কবে?
  1. ২৭ মে ১৯৯৭
  2. ২৭ মে ১৯৯৮
  3. ১৭ মে ১৯৯৯
  4. ২৭ মে ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
২৭ মে ১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭ মে ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ:
- পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইন-১৯৯৮ (১৯৯৮ সনের ১২ নং আইন) অনুসারে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ২ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ২৭ মে ১৯৯৯ ইং তারিখে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।

কর্মপরিধি:
(ক) পার্বত্য জেলা পরিষদের অধীনে পরিচালিত সকল উন্নয়ন কর্মকান্ডসহ উহাদের আওতাধীন এবং উহাদের উপর অর্পিত বিষয়াদি সার্বিক তত্বাবধান ও সমন্বয়:
(খ) পৌরসভাসহ স্থানীয় পরিষদসমুহ তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় সাধন;
(গ) পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর কার্যাবলীর সার্বিক তত্ত্বাবধান;
(ঘ) পার্বত্য জেলার সাধারন প্রশাসন, আইন শৃঙ্খলা ও উন্নয়নের তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় সাধন;
(ঙ) উপজাতীয় রীতিনীতি, প্রথা ইত্যাদি এবং সামাজিক বিচার সমন্বয় ও তত্ত্বাবধান;
(চ) জাতীয় শিল্পনীতির সহিত সংগতি রাখিয়া পার্বত্য জেলাসমুহে ভারী শিল্প স্থাপনের লাইসেন্স প্রদান;
(ছ) দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রান কার্যক্রম পরিচালনা এবং এনজিও কার্যাবলীর সমন্বয় সাধন;

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়
১৪,৫৪৮.
‘ম্যাডোনা-৪৩’ কী?
  1. ক) একটি চলচিত্র
  2. খ) উন্নত গমের জাত
  3. গ) চিত্রকর্ম
  4. ঘ) উন্নত ভুট্টার জাত
সঠিক উত্তর:
গ) চিত্রকর্ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চিত্রকর্ম
ব্যাখ্যা
পঞ্চাশের মন্বন্তর নামে পরিচিত - ১৯৪৩ সালের দুর্র্ভিক্ষ।
পঞ্চাশের মন্বন্তর সংঘঠিত হয় বাংলা - ১৩৫০ সালে।
পঞ্চাশের মন্বন্তরের অন্যতম কারণ ছিল - দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং তার ফলশ্রুতিতে চাল আমদানি বন্ধ।
পঞ্চাশের মন্বন্তর নিয়ে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের বিখ্যাত চিত্রকর্ম - ম্যাডোনা-৪৩।
উৎস : বাংলাপিডিয়া
১৪,৫৪৯.
বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল কে নিয়োগ দেন?
  1. আইন মন্ত্রণালয়
  2. সুপ্রীম কোর্টের প্রধান বিচারপতি
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ রয়েছে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একজন অ্যাটর্নি জেনারেল থাকবেন।
- অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা।
- তিনি আইনগত দিক নিয়ে রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করেন।

⇒ সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভকরবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।

⇒ অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।
- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: i) অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৫৫০.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে মাথাপিছু আয় কত? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ১,৭৩৮ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৩৮ মার্কিন ডলার
  3. ৩,৫৩০ মার্কিন ডলার
  4. ৩,৭৮২ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৭৩৮ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৭৩৮ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
মাথাপিছু আয়:
- একটি দেশের জনসাধারণের জনপ্রতি গড় জাতীয় আয়কে মাথাপিছু জাতীয় আয় বলে।
- মোট জাতীয় আয়কে মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ দিলে মাথাপিছু জাতীয় আয় পাওয়া যায়।
- বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় বর্তমানে ২ হাজার ৭৩৮ মার্কিন ডলার।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এই তথ্য দিয়েছে।
- বিবিএসের সাময়িক হিসাবে মাথাপিছু আয় ছিল ২ হাজার ৭৮৪ ডলার।
- মূলত ডলারের বিনিময় হার বেড়ে যাওয়ায় বিবিএসের হিসাবে মাথাপিছু আয় কমেছে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের মার্কিন ডলারের গড় বিনিময় হার ১১১ টাকা ৬ পয়সা হিসেবে ধরা হয়েছে।

সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [Link]
১৪,৫৫১.
'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১' মোট কতটি ট্রান্সপন্ডার রয়েছে?
  1. ২৫টি
  2. ৩০টি
  3. ৩৫টি
  4. ৪০টি
সঠিক উত্তর:
৪০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০টি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১। 
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১' মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ। 
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি।
- ট্রান্সপন্ডার রয়েছে ৪০টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,৫৫২.
‘মওলানা ভাসানী সেতু’ কোন নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে?
  1. ইছামতী
  2. করতোয়া
  3. তিস্তা
  4. মহানন্দা
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিস্তা
ব্যাখ্যা

• মওলানা ভাসানী সেতু:
- তিস্তা নদীর ওপর নির্মিত হয়েছে ‘মওলানা ভাসানী সেতু’।
- এটি গাইবান্ধা জেলার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার হরিপুর ঘাট থেকে কুড়িগ্রাম জেলার চিলমারী পর্যন্ত বিস্তৃত।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৪৯০ মিটার এবং প্রস্থ ৯.৬০ মিটার এবং সেতুটিতে মোট ৩০টি পিলার রয়েছে।
- সেতুটি সৌদি ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশনের আর্থিক সহায়তায় ও এলজিইডির তত্ত্বাবধানে চীনা একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছে।
- মোট নির্মাণ ব্যয় হয়েছে ৮৮৫ কোটি টাকা।
- ২০ আগস্ট, ২০২৫ সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

উৎস: বাসস।

১৪,৫৫৩.
BIA কী?
  1. বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
  2. বাংলাদেশ বীমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  3. বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
  4. আন্তর্জাতিক তথ্য ‍নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স একাডেমি
ব্যাখ্যা
• Bangladesh Insurance Academy (BIA):
-  ১৯৭৩ সালে ২৯ নভেম্বর একটি স্বায়ত্ব-শাসিত বীমা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসাবে বাংলাদেশ ইনসিওরেন্স একাডেমি প্রতিষ্ঠা  হয়।
-  ১৯৭৩ সালে একাডেমি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে বীমা খাত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে ন্যস্ত হয় এবং একাডেমি অর্থ মন্ত্রণালয়, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অধীনে একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
- একাডেমি কর্তৃক প্রতি বছর ঢাকাসহ সারা দেশে ২৮/৩০ টি প্রশিক্ষণ কোর্স পরিচালিত হচ্ছে।
- একই সাথে একাডেমি বীমার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সম-সাময়িক বিষয়ের উপর প্রতি বছর ৩/৪টি  সেমিনার / ওয়ার্কশপ আয়োজন করে থাকে।

উৎস: Bangladesh Insurance Academy (BIA).
১৪,৫৫৪.
ভারতের প্রথম মুদ্রা প্রবর্তন করেন -
  1. ক) শের শাহ
  2. খ) মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  3. গ) ইলতুৎমিশ
  4. ঘ) লর্ড কর্নওয়ালিস
সঠিক উত্তর:
ক) শের শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শের শাহ
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ এশিয়াতে বিনিময়ের মাধ্যমরূপে মুদ্রার চাক্ষুষ প্রমাণ খ্রিস্টপূর্ব ছয়-পাঁচ শতকের পূর্বে পাওয়া দুরূহ। তক্ষশিলার ভির ঢিবি অঞ্চল ও কাবুলের নিকটবর্তী চমান-ই-হুজুরীর মুদ্রাভান্ডার আবিষ্কৃত হওয়ায় তর্কাতীত প্রমাণ পাওয়া যায় যে, খ্রিস্টপূর্ব পাঁচ শতকে উত্তর ভারতে ধাতব মুদ্রার প্রচলন হয়েছিল।
সুত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
পরবর্তীতে, বিভিন্ন যুগের শাসকগণ মুদ্রার ধরণ এবং মুদ্রা ব্যবস্থার পরিবর্তন ও সংস্কার করেছেন। কোন শাসক "ভারতের প্রথম মুদ্রা প্রবর্তন" করেন এটা বলা সম্ভব নয়।

প্রশ্নটা যেভাবে করা হয়ে সে অনুযায়ী উত্তর ক) শের শাহ ধরা যায়।

তাঁর মুদ্রা পদ্ধতি মুঘল ও কোম্পানি আমলেও বজায় ছিল। প্রকৃতপক্ষে এটাই ব্রিটিশ মুদ্রার এবং বর্তমান রুপির ভিত্তি।
Reference: The Reserve Bank of India

অপশনগুলোর শাসকদের মুদ্রা এবং মুদ্রাব্যবস্থা সম্পর্কিত কিছু তথ্য দেয়া হল -

ক) শের শাহ
শেরশাহ মুদ্রা ব্যবস্থার সংস্কার সাধন করেন। তিনি তাঁর মুদ্রার উপাদানে নির্ভেজাল, ওজনে সঠিক ও গঠনরীতিতে মনোরম ইত্যাদি বিষয়ের ওপর প্রভুত গুরুত্ব প্রদান করেন। তিনি চতুষ্কোণ ও গোলাকার দু'ধরনের মুদ্রা চালু করেন। তিনি সোনা, রূপা ও তামার পৃথক মুদ্রা চালু করেন। তামার মুদ্রাকে বলা হতো দাম। এছাড়া আনি, দু'আনি, সিকি, আধুলি স্তরের মুদ্রাও প্রচলন করেছিলেন। এসঙ্গে মুদ্রার নকসার উন্নতি সাধন করেন। তাঁর এই মুদ্রানীতির সংস্কারের ফলে সাধারণ মানুষ এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে লেনদেনের অসুবিধা দূর হয়।
তাঁর মুদ্রা পদ্ধতি মুঘল ও কোম্পানি আমলেও বজায় ছিল। প্রকৃতপক্ষে এটাই ছিল ব্রিটিশ মুদ্রার ভিত্তি।

Sher Shah Suri (1540 to 1545 AD), an Afghan, who ruled for a brief time in Delhi. Sher Shah issued a coin of silver which was termed the Rupiya. This weighed 178 grains and was the precursor of the modern rupee. It remained largely unchanged till the early 20th Century. Together with the silver Rupiya were issued gold coins called the Mohur weighing 169 grains and copper coins called Dam.

Reference: The Reserve Bank of India

খ) মুহাম্মদ বিন তুঘলক

সুলতান মুহাম্মদ বিন তুঘলকের সময় দেশে সোনার অনুপাতে রূপার অভাব দেখা দিয়েছিল। তদুপরি দেশ থেকে প্রচুর স্বর্ণমুদ্রা বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছিল।
দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতির কথা চিন্তা করে সুলতান বাজারে তামার নোট ছাড়েন। এ মুদ্রা ছিল স্বর্ণ ও রৌপ্য মুদ্রার প্রতীক স্বরূপ। অনেকটা আধুনিক কালের কাগজের টাকার মতো। তামার পাতে টাকার যে অংক বা পরিমাণ লেখা থাকতো তামার ধাতব মূল্য ছিল তার ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ মাত্র। ব্যাপারটি ছিল অভিনব। অবশ্যই এটি সুলতানের মেধা ও প্রতিভার স্বাক্ষর বহন করে। কিন্তু, অসাবধানতাবশত: মুদ্রা যাতে জাল না হয় সে ব্যাপারে টাকশালের কর্মকর্তারা কোন সতর্কতা অবলম্বন করেন নি। ফলে নকল প্রতীক মুদ্রায় বাজার ছেয়ে যায় এবং দেশে চরম মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়। প্রতীক মুদ্রার কোনটা আসল, কোনটা নকল তা চেনা কষ্টকর হয়ে পড়ে। পরিকল্পনাটি ছিল যুগের চেয়ে অনেক বেশি অগ্রসর। সমসাময়িক জনগণ এটি বুঝতে পারেনি। কিন্ত তাঁর প্রবর্তিত প্রতীক মুদ্রা ব্যবস্থা ছিল নিঃসন্দেহে একটি মৌলিক ও সাহসী পদক্ষেপ।

গ) ইলতুৎমিশ

সুলতান ইলতুৎমিশ এক ধরনের রৌপ্য মুদ্রা প্রবর্তন করেন যা ‘তংকা’ নামে পরিচিত।
সুলতান ইলতুৎমিশ নিজ নামে মুদ্রা প্রচলন করেন। তিনিই প্রথম ভারতে খাঁটি আরবি মুদ্রা অর্থাৎ আরবি ভাষা খোদিত মুদ্রার প্রচলন ঘটান। মুদ্রায় তিনি বাগদাদের খলিফার নাম অঙ্কন করেন এবং নিজেকে ‘বিশ্বাসীদের নেতার সাহায্যকারী' হিসেবে দাবি করেন।

সুত্রঃ বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, সমাজবিজ্ঞান অনুষদ, ইতিহাস বই।

১৪,৫৫৫.
বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখির মাজার অবস্থিত-
  1. ক) মহাস্থানে
  2. খ) শাহজাদপুরে
  3. গ) নেত্রকোণায়
  4. ঘ) রামপালে
সঠিক উত্তর:
ক) মহাস্থানে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মহাস্থানে
ব্যাখ্যা
শাহ সুলতান মাহিসওয়ার (রঃ) একজন দরবেশ।
তিনি বগুড়া জেলার মহাস্থানে সমাহিত।
শাহ সুলতান মাহিসওয়ারের ইতিহাস অস্পষ্ট।
কথিত আছে যে, তিনি বলখ রাজ্যের রাজার পুত্র ছিলেন এবং এজন্য তিনি বলখী নামেও পরিচিত।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১৪,৫৫৬.
ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলার সংখ্যা কত?
  1. ৩০টি
  2. ৩১টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৩টি
সঠিক উত্তর:
৩০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:

- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি জেলার যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,৫৫৭.
বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী দেশের কততম বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেছেন?
  1. ক) ২১ তম
  2. খ) ২২ তম
  3. গ) ২৩ তম
  4. ঘ) ২৪ তম
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৩ তম
ব্যাখ্যা
-দেশের ২৩তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

-সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এ নিয়োগ দেন।
-বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী বর্তমান প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের স্থলাভিষিক্ত।

-বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ১৯৫৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার রমানাথপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
-বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী ২০১৫ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

সোর্স:- দৈনিক প্রথম আলো ও বিচার বিভাগীয় বাতায়ন।
১৪,৫৫৮.
রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের শর্ত নয় কোনটি?
  1. অংশগ্রহণকৃত আসনে কমপক্ষে ৫% ভোট পেতে হবে।
  2. দেশের সকল জেলায় অফিস থাকতে হবে।
  3. স্বাধীনতার পর থেকে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যেকোনো একটি আসনে জয়লাভ।
  4. কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকতে হবে।
সঠিক উত্তর:
দেশের সকল জেলায় অফিস থাকতে হবে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশের সকল জেলায় অফিস থাকতে হবে।
ব্যাখ্যা
• রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের শর্ত:
- গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, কোনো রাজনৈতিক দল নিবন্ধন পেতে চাইলে তিনটি শর্তের যেকোনো একটি পূরণ করতে হবে।
- প্রথমত, স্বাধীনতার পর অনুষ্ঠিত কোনো সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে কমপক্ষে একটি আসনে বিজয়;
- দ্বিতীয়ত, ওই সব নির্বাচনে দলটির প্রার্থীরা যেসব আসনে অংশ নিয়েছেন, সেসব আসনে মোট ভোটের পাঁচ শতাংশ ভোট প্রাপ্তি;
- তৃতীয়ত, কেন্দ্রীয় কমিটিসহ একটি সক্রিয় কেন্দ্রীয় অফিস থাকতে হবে। দেশের অন্তত এক-তৃতীয়াংশ জেলায় জেলা অফিস থাকতে হবে।
- আর অন্তত ১০০টি উপজেলা বা মেট্রোপলিটন এলাকার থানায় অফিস থাকতে হবে, যার প্রতিটিতে সদস্য হিসেবে কমপক্ষে ২০০ জন ভোটার থাকবে।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও BBC.
১৪,৫৫৯.
মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য 'রক্তসোপান' কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. বরিশাল
  3. গাজীপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য 'রক্তসোপান'।
- রক্তসোপান (গাজীপুর সদর) গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে মুক্তিযুদ্ধের স্মারক ভাস্কর্য।
- এ স্মৃতিস্তম্ভে মহান মুক্তিযুদ্ধে সেনা অর্ডনেন্স কোরের শহীদ ৪৫ জন মুক্তিযোদ্ধার অবদান ও পরিচিতি তুলে ধরা হয়েছে।
- ভাস্কর্যটির নকশাকার অর্ডনেন্স কোরের মেজর শফিকুল মোস্তফা মুনির।
- ২৫০০ বর্গফুট আয়তনের আটকৌণিক বেদিতে এ স্মৃতিস্তম্ভটি স্থাপিত হয়েছে।
- এ স্মৃতিস্তম্ভে মুক্তিযোদ্ধাদের গৌরবগাথা ছাড়াও সবুজ প্রান্তর, ভাষা-আন্দোলন-, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়, সাত বীরশ্রেষ্ঠ ইত্যাদি তুলে ধরা হয়েছে।
- রক্তসোপানের মর্মকথায় বলা হয়েছে, ৯টি সিঁড়ি- রক্তক্ষয়ী ৯ মাসের যুদ্ধের প্রতীক;
- মূল চত্বরে সবুজ ঘাস- চিরসবুজ বাংলার প্রতীক;
- পেছনের দেয়ালে লাল রং- ৫২-এর ভাষা-আন্দোলনের রক্তাক্ত দিনের প্রতীক
- ও ৮ ফুট উচ্চতা ৮ই ফাল্গুনকে নির্দেশ করে;
- মাঝের দেয়ালের কালো রং- দুঃসহ দুঃখভরা যুদ্ধের দিনগুলোর নিষ্পেষণের তিক্ত স্মৃতি ও ১১ ফুট উচ্চতা ১১ দফা আন্দোলনকে নির্দেশ করে;
-  সম্মুখের দেয়াল- সাধারণ বিশ্বজনীন শান্তির প্রতীক;
- ১৬ ফুট উচ্চতা ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর অর্জিত বিজয়ের নির্দেশক;
- রক্তিম সূর্য মহান স্বাধীনতা সূচনার প্রতিচ্ছবি;
- ৭টি রশ্মি- অমর ৭ বীর শ্রেষ্ঠের অম্লান স্মৃতির নিদর্শন।
- নিজস্ব সেনা তহবিলে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভটি ২০০০ সালের ১৯শে জুলাই সেনাবাহিনী প্রধান লে. জে. মুহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, বীর বিক্রম উদ্বোধন করেন। [মনিরুজ্জামান শাহীন]


উৎস: বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ ৯ম খণ্ড।

১৪,৫৬০.
‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ ভাস্কর্যের স্থপতি কে?
  1. নিতুন কুণ্ড
  2. শামীম শিকদার
  3. হামিদুজ্জামান খান
  4. আব্দুর রাজ্জাক
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামীম শিকদার
ব্যাখ্যা
- ‘স্বাধীনতা সংগ্রাম’ ভাস্কর্যের স্থপতি বা শিল্পী হলেন শামীম শিকদার।
- এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডে অবস্থিত।
- ১৯৯৯ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এটির উদ্বোধন করেন।
- এতে বায়ান্নর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে মহান মুক্তিযুদ্ধ পর্যন্ত বাঙালি জাতির বীরত্ব গাঁথা তুলে ধরা হয়েছে।
- বিভিন্ন আন্দোলনে শহীদ হওয়া ১৮ জনের প্রতিকৃতি রয়েছে এটিতে। এছাড়া দেশের শতাধিক স্মরণীয় ব্যক্তির ভাস্কর্য।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন ও প্রথম আলো আর্কাইভ)
১৪,৫৬১.
পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী মাটি কোনটি?
  1. এঁটেল মাটি
  2. দো-আঁশ মাটি
  3. বেলে মাটি
  4. পলি মাটি
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দো-আঁশ মাটি
ব্যাখ্যা

পাট চাষ:
- উর্বর দো-আঁশ মাটি পাট চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
- তবে বেলে ও এঁটেল মাটি ছাড়া সব জমিতেই পাট চাষ করা যায়।
- তবে যে জমিতে বর্ষার শেষের দিকে পলি পড়ে সে জমি পাট চাষের জন্য উত্তম।
- তোষা পাট উঁচু জমিতে এবং দেশী পাট উঁচু ও নিচু দু'ধরনের জমিতেই চাষ করা যায়।

তথ্যসূত্র - কৃষি শিক্ষা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,৫৬২.
কোন শাসককে পরাজিত করে শের খান ‘শের শাহ’ উপাধি লাভ করেন?
  1. ক) সম্রাট বাবর
  2. খ) আদিল শাহ শূর
  3. গ) গিয়াসউদ্দিন বাহাদুর শাহ
  4. ঘ) সম্রাট হুমায়ুন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সম্রাট হুমায়ুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সম্রাট হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
- ১৫৩৯ খ্রিষ্টাব্দে শের খান অপ্রস্তুত মুঘল সম্রাট হুমায়ুনকে পরাজিত করে ‘শের শাহ’ উপাধি নেন এবং নিজেকে স্বাধীন সুলতান হিসেবে ঘোষণা করেন।
- ১৫৪০ খ্রিষ্টাব্দে মুঘল শাসনকর্তা আলী কুলিকে পরাজিত করে তিনি বাংলা দখল করেন এবং এ বছরই তিনি হুমায়ুনকে কনৌজের নিকট বিলগ্রামের যুদ্ধে চূড়ান্তভাবে পরাজিত করে দিল্লির সিংহাসন অধিকার করেন।                                                                                                                                                   
- চট্টগ্রাম ও সিলেট পর্যন্ত সমগ্র বাংলাদেশ শের শাহের সম্রাজ্যভুক্ত ছিল। শের শাহ শূর বংশের বলে এ সময়ের বাংলার শাসন ছিল শূর আফগান বংশের শাসন। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,৫৬৩.
উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. নওগাঁ
  3. নাটোর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
নাটোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাটোর
ব্যাখ্যা

উত্তরা গণভবন:
- ইতিহাসখ্যাত দিঘাপতিয়া রাজবাড়ী বর্তমানে এটি উত্তরা গণভবন।
- এটি নাটোরে অবস্থিত।
- নাটোরের রাণী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন।
- পরবর্তীতে এই রাজপরিবারের শেষ রাজা প্রতিভানাথ রায় ১৯৫২ সালে সপরিবারে রাজপ্রাসাদ ত্যাগ করে কলকাতায় চলে যান। ১৯৬৬ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার রাজপ্রাসাদটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয়।

উল্লেখ্য, 
- স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি সরকার দিঘাপতিয়া রাজবাড়িকে ‘উত্তরা গণভবন’ নামকরণ করেন।
- এটি ৪১.৫১ একর জমির উপর বিস্তৃত একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা।  

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,৫৬৪.
'কাজলা' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. গম
  2. বেগুন
  3. ধান
  4. কলা
সঠিক উত্তর:
বেগুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগুন
ব্যাখ্যা
• বেগুনের জাত:
- বাংলাদেশে বেগুনের বহু জাত রয়েছে। এক জাত থেকে অন্যজাতে গাছের প্রকৃতি, ফলের রং, আকার, আকৃতি প্রভৃতি বিষয়ে বেশ পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।
- বাংলাদেশে প্রধানতঃ লম্বা ফল, গোলাকর ফল ও গোলাকার এই তিন ধরণের বেগুনের চাষ বেশী হয়ে থাকে।

• কিছু বেগুনের উন্নত জাত হলো:
- খটখটিয়া, ইসলামপুরী, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২)
- কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১, লাফাফা।  

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস। 
১৪,৫৬৫.
একজন গ্রাহক ব্যাংকে টাকা জমা রাখলে সেটি ব্যাংকের জন্য____________।
  1. আয়
  2. দায়
  3. সম্পত্তি
  4. লাভ
সঠিক উত্তর:
দায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়
ব্যাখ্যা
- ব্যাংক একটি সেবা ধর্মী প্রতিষ্ঠান। কমিউনিটিতে এর অবস্থান।
- কমিউনিটির একজনের অর্থ আমানত হিসেবে জমা নেয় এবং অন্যকে উচ্চ সুদে ঋণ প্রদান করে মুনাফা অর্জন করে। আমানকারী ও ঋণ গ্রহীতা উভয়েই ব্যাংকের গ্রাহক।
- গ্রাহক সেবার কোন উন্নয়ন না করলে ব্যাংকের ব্যবসা করা কঠিন হয়ে পরবে। ব্যাংক গ্রাহকদের বিভিন্ন রকম সেবা প্রদান করে থাকে।
- ব্যাংকিং ব্যবসার তহবিলের মূল উৎস আমানত।
- একজন গ্রাহক ব্যাংকে টাকা জমা রাখলে সেটি ব্যাংকের জন্য দায়।

উৎস: ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৫৬৬.
রাষ্ট্রপতির নির্বাচিত হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ২৫ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৩০ বছর
  4. ৪০ বছর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ বছর
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি: 
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বিধান: সংবিধানের চতুর্থ অংশ, অনুচ্ছেদ ৪৮-৫৪।
- পদমর্যাদা: রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- ক্ষমতা ও দায়িত্ব: সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তার উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- আইন প্রয়োগ: রাষ্ট্রপতি জারি করা আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- কার্যবিধি: সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়।
- নির্বাচন: সংসদ-সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হন।
- যোগ্যতা: রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্য নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- পদ শূন্য হলে: মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান

১৪,৫৬৭.
’’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’’ গানটির প্রথম সুরকার কে?
  1. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  2. আব্দুর জব্বার
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আব্দুল লতিফ
সঠিক উত্তর:
আব্দুল লতিফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা
একুশে ফেব্রুয়ারি গান:
- ’’আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি”
- গানটির বর্তমান সুরকার- আলতাফ মাহমুদ।
- গানটির রচয়িতা আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী।
- এই গানটি প্রথম হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত 'একুশে ফেব্রুয়ারি' (১৯৫৩) গ্রন্থে সংকলিত হয়।
- গানটির প্রথম সুরকার ছিলেন আবদুল লতিফ।
- ঢাকা কলেজের নতুন নতুন ছাত্র ইউনিয়নের অভিষেক অনুষ্ঠানে গানটি প্রথম গাওয়া হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ডেইলী স্টার,।
১৪,৫৬৮.
বাংলাদেশ প্রথম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয় -
  1. ক) ৭ ফেব্রুয়ারি , ১৯৭৩
  2. খ) ৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩
  3. গ) ৭ মার্চ, ১৯৭৩
  4. ঘ) ৭ এপ্রিল , ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ মার্চ, ১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭ মার্চ, ১৯৭৩
ব্যাখ্যা
- ৭ মার্চ ১৯৭৩ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- সে নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৯৩ আসন পেয়ে জয়লাভ করে।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১৪,৫৬৯.
পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী বৃহত্তম জনগোষ্ঠী কোনটি?
  1. ক) চাকমা
  2. খ) মারমা
  3. গ) ত্রিপুরা
  4. ঘ) বাঙালি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঙালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাঙালি
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রামে মোট ১২ টি জাতি বসবাস করে। এদের মধ্যে ১১ টি হলো ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এবং আরেকটি হলো বাঙালি। জনসংখ্যার বিচারে পার্বত্য চট্টগ্রামের সবচেয়ে বেশি বসবাস বাঙালি জনগোষ্ঠীর। বাঙালিরা পার্বত্য চট্টগ্রামের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৫২ ভাগ। উপজাতিদের মধ্যে চাকমারা বৃহৎ জনগোষ্ঠী। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : অষ্টম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৪,৫৭০.
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতিরেকে কোন ব্যক্তিকে নিয়োগ দিতে পারেন?
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  2. অডিটর জেনারেল
  3. পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের -
- ৪৮ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবেন, যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।

- ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন এবং এই সংবিধান ও অন্য কোন আইনের দ্বারা তাঁকে প্রদত্ত ও তাঁর উপর অর্পিত সকল ক্ষমতা প্রয়োগ ও কর্তব্য পালন করবেন।

- ৪৮ (৩) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, এই সংবিধানের ৫৬ অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে কেবল প্রধানমন্ত্রী ও ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতীত রাষ্টপতি তাঁর অন্য সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করবেন। 

- ৪৮ (৪) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি -
(ক) ৩৫ বছরের কম বয়স্ক হন; অথবা
(খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হবার যোগ্য না হন; অথবা
(গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত হয়ে থাকেন।

- ৪৮ (৫) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্রীয় ও পররাষ্ট্রীয় নীতি সংক্রান্ত বিষয়াদি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত রাখবেন এবং রাষ্ট্রপতি অনুরোধ করলে যেকোন বিষয় মন্ত্রিসভায় বিবেচনার জন্য পেশ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,৫৭১.
BIG-B প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহায়তা দেয় কোন দেশ?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
The Bay of Bengal Industrial Growth Belt (BIG-B): 
- BIG-B প্রকল্পের মাধ্যমে বাংলাদেশকে সহায়তা দেয় জাপান। 

- ২০১৪ সাল বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ বছর।
- ওই বছরে টোকিওতে অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলনে "জাপান-বাংলাদেশ সমন্বিত অংশীদারিত্ব" প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেওয়া হয়।
- জাপান বাংলাদেশকে উন্নয়ন প্রকল্পে ৬০০ বিলিয়ন ইয়েন (প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) সহায়তার প্রতিশ্রুতি দেয়।
- এরপর প্রধানমন্ত্রী আবে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বাংলাদেশ সফরে (BIG-B) উদ্যোগকে অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন দিক হিসেবে চিহ্নিত করেন।
- জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (JICA) BIG-B উদ্যোগ বাস্তবায়নে কৌশলগত প্রকল্প গ্রহণ ও কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য পূর্ণ সহযোগিতা দিচ্ছে।

BIG-B এর ধারণা:
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান বঙ্গোপসাগরের তীরে এবং দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সংযোগস্থলে।
- এই অবস্থান দেশটিকে আঞ্চলিক এবং আন্তঃআঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার একক সুযোগ এনে দেয়।
- BIG-B উদ্যোগটি ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার শিল্পাঞ্চলের দ্রুত উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ তৈরি, এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের মাধ্যমে শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করবে।

উদ্দেশ্য ও সম্ভাবনা:
- জাপানের উন্নত প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে পারস্পরিক লাভবান হওয়া।
- বাংলাদেশকে আঞ্চলিক অর্থনীতির কেন্দ্র এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক গেটওয়ে হিসেবে গড়ে তোলা।
- দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক বৃদ্ধি করা।

উৎস: JICA ওয়েবসাইট।
১৪,৫৭২.
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন মুক্তিযােদ্ধাকে 'বীর বিক্রম' খেতাবে ভূষিত করা হয়?
  1. ৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন
সঠিক উত্তর:
১৭৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৫ জন
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়।
যথা- 
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন, 
- বীর উত্তম - ৬৮ জন, 
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন, 
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন।

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

তথ্যসূত্র:- মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
১৪,৫৭৩.
পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে সরকারি ভাষা করার প্রস্তাব দেন কে?
  1.  লিয়াকত আলী খান
  2. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. আবুল কাসেম
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

১৯৪৮ সালে ভাষা আন্দোলন: 
- পাকিস্তান গণপরিষদের অধিবেশন শুরু হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি (১৯৪৮)।
- অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ইংরেজি ও উর্দুর সঙ্গে বাংলাকেও গণপরিষদের সরকারি ভাষা করার প্রস্তাব দেন।
- গণপরিষদের অধিবেশনে লিয়াকত আলী খান মন্তব্য করেন যে, যেহেতু পাকিস্তান একটি মুসলিম রাষ্ট্র তাই পাকিস্তানের সরকারি ভাষা মুসলমানের ভাষা হওয়া উচিত।
- লিয়াকত আলী খান আরও যুক্তি দেন যে, যেহেতু পাকিস্তানের মুসলমানদের সাধারণ ভাষা উর্দু, অতএব উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র সরকারি ভাষা, অন্য কোনো ভাষা নয়।
- গণপরিষদ অধিবেশনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত আনীত প্রস্তাব ভোটে দেয়া হলে অগ্রাহ্য হয়।
- সে সময় পূর্ববাংলার মুসলিম লীগ দলীয় বাঙালি মুসলমান সদস্যগণ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেন।
- বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবি গণপরিষদে অগ্রাহ্য হওয়ায় পূর্ববাংলায় ভাষা আন্দোলনের সূত্রপাত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৪,৫৭৪.
২০২১ সালে SDG's অগ্রগতি পুরস্কার পেয়েছেন-
  1. শেখ হাসিনা
  2. জেসিন্ডা আর্ডেন
  3. অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
  4. জাস্টিন ট্রুডো
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’:
- ২০২১ সালে ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ পেয়েছেন শেখ হাসিনা।
- জাতিসংঘের সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশনস নেটওয়ার্ক (এসডিএসএন) পুরস্কারটি দেয়।
- দারিদ্র্য দূরীকরণ, বিশ্বের সুরক্ষা এবং সবার জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণের সর্বজনীন আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলাদেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
- টেকসই উন্নয়নের জন্য বাস্তবভিত্তিক সমাধান জোরদারে বিশ্বের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত বিশেষজ্ঞদের কাজে লাগানোই এই প্লাটফর্মের লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
১৪,৫৭৫.
নিম্নের কোনটি বাংলাদেশের ছিটমহল?
  1. ক) দহগ্রাম
  2. খ) জাফলং
  3. গ) তিন বিঘা করিডোর
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ –ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি কার্যকর হয় ৬ জুন , ২০১৫ সালে এবং এ চুক্তি কার্যকর হওয়ার ফলে দুদেশের মধ্যে ছিটমহলের কোনো অস্তিত্ব নেই । ২০১৫ সালের পর থেকে প্রতিবছর এই দিনটিকে মহা আনন্দ ও ধুমধাম আয়োজনের মাধ্যমে পালন করে ছিটমহলবাসী।
উৎসঃbd-pratidin.com
১৪,৫৭৬.
’বেঙ্গল প্যাক্ট’ চুক্তি সম্পাদনে উদ্যোগ নেয় কে?
  1. পন্ডিত মতিলাল নেহেরু
  2. মহাত্মা গান্ধী
  3. দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
  4. সুভাস চন্দ্র বসু
সঠিক উত্তর:
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ
ব্যাখ্যা
বেঙ্গল প্যাক্ট, ১৯২৩: 
- চিত্তরঞ্জন দাশ স্বরাজ অর্জনের জন্য আন্দোলনকে সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ পথ মনে করেন।
- গান্ধীজীর ন্যায় তিনিও অহিংস পন্থায় স্বদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পক্ষপাতী ছিলেন।
- জাতীয়তাবাদকে চিত্তরঞ্জন দাশ বিশ্ব শান্তির সোপান মনে করতেন।
- জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়েই তিনি স্বরাজ আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন।
- চিত্তরঞ্জন দাশ ১৯২৩ সালে মুসলমান সম্প্রদায়ের সাথে একটি চুক্তি করেন, যা 'বেঙ্গল প্যাক্ট' নামে পরিচিত।
- 'বেঙ্গল প্যাক্ট' এ সরকারি চাকুরিতে মুসলমানদের জন্য শতকরা ৫৫ ভাগ আসন সংরক্ষণের কথা বলা হয়।
- যতদিন মুসলমানরা ৫৫ শতাংশে না পৌঁছায়, ততদিন পর্যন্ত মোট সরকারি চাকুরির ৮০ ভাগ মুসলমানদের জন্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ স্বদেশের কৃষ্টি ও ঐতিহ্যকে নিগূঢ়ভাবে ভালবেসেছেন।
- তিনি ছিলেন একজন বিশুদ্ধ বাঙালি।
- স্বরাজ পার্টি গঠন, বেঙ্গল প্যাক্ট এর মত উদ্যোগগুলি নিয়ে এ জনপদের রাজনীতিকে অসাম্প্রদায়িক ধারায় প্রবাহিত করতে সচেষ্ট হন চিত্তরঞ্জন দাশ।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৫৭৭.
বর্তমানে বাংলাদেশে 'জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য' কয়টি?(জানুয়ারি, ২০২৬)
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

 জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য:
- দেশে প্রথমবারের মতো রাজশাহী জেলার দুটি জলাভূমিকে ‘জলাভূমি–নির্ভর প্রাণী অভয়ারণ্য’ ঘোষণা করেছে সরকার।
- অভয়ারণ্য দুটি হলো রাজশাহীর তানোর উপজেলার বিলজোয়ানা মৌজার ১.৬৫ একর জলাভূমি এবং গোদাগাড়ী উপজেলার বিলভালা ১৫.০৮ একর জলাভূমিকে।
- ৭ মে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন শাখা-২ থেকে জারি করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।
- বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২ অনুযায়ী এই ঘোষণা কার্যকর হবে।

উল্লেখ্য,
- বিলজোয়ানা ও বিলভালা শীতকালে দেশি ও পরিযায়ী পাখির অন্যতম আশ্রয়স্থল।
- অভয়ারণ্য ঘোষণার ফলে এখন থেকে এই এলাকাগুলোতে পাখি ও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাস নিশ্চিত হবে।

উৎস:THE BUSINESS STANDARD পত্রিকা রিপোর্ট।

১৪,৫৭৮.
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের ‘জল্লাদের দরবার’ নাটিকাটি কে রচনা করেছিলেন?
  1. এম আর আখতার মুকুল
  2. বেলাল মোহাম্মদ
  3. সিরাজুল ইসলাম
  4. কল্যাণ মিত্র
সঠিক উত্তর:
কল্যাণ মিত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কল্যাণ মিত্র
ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র একটি অস্থায়ী বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র যা বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ভারত বাংলাদেশকে সার্বভৌম স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেবার পর এর নাম বদলে বাংলাদেশ বেতার করা হয়।

⇒ ১৯৭১ সালে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে দেশের সাধারণ মানুষের যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম ছিল স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র।
- প্রবাসী সরকার এই বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমেই তাদের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত, নির্দেশনা প্রচারের জন্য পাঠাত। এগুলো স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত হলে মুক্তিযোদ্ধারা সহজেই দিকনির্দেশনা পেতেন। অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী প্রমুখের ভাষণ প্রচারিত হয় স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে।
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত গান মুক্তিযোদ্ধাদের অপারেশন সংকেত হিসেবে কাজ করত। নির্দিষ্ট গান সম্প্রচারের সঙ্গে সঙ্গে শত্রুঘাঁটিতে মুক্তিযোদ্ধারা হামলা চালাতেন।

⇒ বেতার কেন্দ্রের অনুষ্ঠানসমূহের মধ্যে বজ্রকণ্ঠ, চরমপত্র, জল্লাদের দরবার, কাজী নজরুল ইসলামের বিদ্রোহী গান, দেশাত্মবোধক গান ইত্যাদি ছিল খুবই আকর্ষণীয় ও জনপ্রিয়।
- এম আর আখতার মুকুল ছিলেন চরমপত্রের রচয়িতা ও পরিবেশক। ঢাকাইয়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলের আঞ্চলিক ভাষায় অদ্ভুত কণ্ঠস্বর ও বাচন-ভঙ্গিতে তাঁর রণাঙ্গনের খবর পরিবেশন ছিল খুবই জনপ্রিয় ও উপভোগ্য। ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ ও মুক্তিযুদ্ধে বিজয় অর্জন ছিল এ অনুষ্ঠানের সর্বশেষ পরিবেশনা।
- কল্যাণ মিত্র রচিত ইয়াহিয়া সামরিক জান্তার চরিত্র উন্মোচন করে 'জল্লাদের দরবার' নামে ব্যঙ্গাত্মক নাটিকা ছিল বেতারের আর একটি আকর্ষণীয় অনুষ্ঠান।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) সংগ্রামের নোটবুক।

১৪,৫৭৯.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে কোন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ দেন?
  1. ক) ভারত
  2. খ) মালদ্বীপ
  3. গ) যুগোশ্লাভিয়া
  4. ঘ) নেপাল
সঠিক উত্তর:
গ) যুগোশ্লাভিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুগোশ্লাভিয়া
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে দুজন বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধান ভাষণ প্রদান করেন। এরা হলেন সাবেক যুগোশ্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট জোসেফ ব্রোজ মার্শাল টিটো (৩১ জানুয়ারী ১৯৭৪) এবং ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ভি ভি গিরি (১৮ জুন ১৯৭৪)।
(সূত্রঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১৪,৫৮০.
১৯৪৭ সালের সীমানা কমিশন পরিচিত -
  1. ক) ফ্লাউড কমিশন
  2. খ) মাউন্টব্যাটেন কমিশন
  3. গ) রেডক্লিফ কমিশন
  4. ঘ) হান্টার কমিশন
সঠিক উত্তর:
গ) রেডক্লিফ কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রেডক্লিফ কমিশন
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৭ সালের ৩০ জুন পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গের সীমানা নির্ধারণের জন্যে বেঙ্গল বাউন্ডারি কমিশন গঠিত হয়। এই কমিশনের সদস্য ছিলো পাঁচজন। এরা হলেন-
- সিরিল রেডক্লিফ (চেয়ারম্যান)
- বিচারপতি বিজন কুমার মুখার্জী
- বিচারপতি সি.সি. বিশ্বাস
- বিচারপতি আবু সালেহ মোহাম্মদ আকরাম
- বিচারপতি এস.এ. রহমান।

• কমিশনের চেয়ারম্যান সিরিল র‌্যাডক্লিফের নামানুসারে এই কমিশন রেডক্লিফ কমিশন নামে অধিক পরিচিত।
১২ আগস্ট ১৯৪৭ রেডক্লিফ কমিশন ধর্মীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতার উপর গুরুত্ব প্রদান করে তাদের প্রস্তুতকৃত রিপোর্ট প্রদান করে।

তথ্যসূত্র: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড। 
১৪,৫৮১.
'প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল, ২০২২’ জাতীয় সংসদে কত তারিখে পাস হয়?
  1. ক) ২৬ জানুয়ারি ২০২২
  2. খ) ১ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  3. গ) ২৭ জানুয়ারি ২০২২
  4. ঘ) ২ ফেব্রুয়ারি ২০২২
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭ জানুয়ারি ২০২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭ জানুয়ারি ২০২২
ব্যাখ্যা
২৭ জানুয়ারি ২০২২ 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ বিল, ২০২২’ মহান জাতীয় সংসদে পাস হয়।
সূত্রঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার - মার্চ, ২০২২
১৪,৫৮২.
উপমহাদেশে লর্ড ডালহৌসি এর অবদান নয় কোনটি?
  1. বিধবা বিবাহ আইন পাশ
  2. স্বত্ববিলোপ নীতি প্রবর্তন
  3. পরিসংখ্যান জরিপ চালুকরণ
  4. রেলওয়ের প্রথম যাত্রা
সঠিক উত্তর:
পরিসংখ্যান জরিপ চালুকরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিসংখ্যান জরিপ চালুকরণ
ব্যাখ্যা
লর্ড ডালহৌসি
- সাম্রাজ্যবাদী লর্ড ডালহৌসি স্বত্ববিলোপ নীতি প্রবর্তন করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রচেষ্টায় ও সহযোগীতায় তিনি ১৮৫৬ সালে বিধবা বিবাহ আইন পাশ করেন।
- তার শাসনামলেই ( ১৮৫৩ সালে ) উপমহাদেশে রেলের যাত্রা শুরু হয়।
- তিনি বনভূমি সংরক্ষণ নীতি প্রবর্তন করেন।
- উপমহাদেশে টেলিগ্রাফ সিস্টেমও তার অবদান।

অন্যদিকে,
- লর্ড মেয়ো ভারতবর্ষে পরিসংখ্যান জরিপ চালু করেন।
- তার শাসনামলেই ১৮৭২ সালে উপমহাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস : ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,৫৮৩.
বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ধর্মাবলম্বী নৃগোষ্ঠী হলো- 
  1. লুসাই
  2. খিয়াং
  3. হাজং
  4. পাঙন 
সঠিক উত্তর:
পাঙন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঙন 
ব্যাখ্যা

• পাঙাল (পাঙন):
- পাঙাল (পাঙন) হলো বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- তারা মূলত সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বসবাস করে
- পাঙালরা ধর্মের দিক থেকে মুসলমান।
- তারা নামাজ, রোজা, বিয়ে—সব কিছুই ইসলাম অনুযায়ী পালন করে।
- কিন্তু জাতিগত পরিচয়ে তারা বাঙালি নয়।
- তাদের সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রা মনিপুরি জনগোষ্ঠীর সঙ্গে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
- তাই সামাজিক অনুষ্ঠান, পোশাক বা রীতিনীতিতে তারা সাধারণ বাঙালিদের মতো নয়।
- মসজিদে জুমার খুতবা ও ধর্মীয় আলোচনা তারা পাঙাল ভাষায় করে।
- নিজেদের পরিচয় ও ঐতিহ্য ধরে রাখার জন্য তারা সাধারণত নিজেদের গোষ্ঠীর মধ্যেই বিয়ে করে।

অন্যদিকে, 
• লুসাই উপজাতির মানুষরা মূলত খ্রিস্টান ধর্ম পালন করে।
• খিয়াং ও চাক জনগোষ্ঠী প্রধানত বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।
• হাজং, ত্রিপুরা ও বিষ্ণুপ্রিয়া (মণিপুরী) সম্প্রদায় প্রধানত হিন্দু ধর্মের অনুসারী।

উৎস:
১. ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি: সপ্তম শ্রেণী;
২. BBC News Bangla. 

১৪,৫৮৪.
তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে শীর্ষে আছে- [জুলাই, ২০২৫]
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. রাশিয়া
  4. অস্ট্রেলিয়া
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
পোশাক রপ্তানির অপ্রচলিত বাজার:
- চলতি ২০২৪–২৫ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) নতুন বাজারগুলোতে মোট ৬০৪ কোটি মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- এ রপ্তানি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেশি।
- বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ক্ষেত্রে অপ্রচলিত সবচেয়ে বড় বাজার জাপান।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের মে পর্যন্ত ১১ মাসে দেশটিতে ১১২ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়।
- যা গত অর্থবছরের একই সময়ের চেয়ে ১০ দশমিক ৩২ শতাংশ বেশি।
- অপ্রচলিত বাজারগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

উল্লেখ্য,
- অপ্রচলিত বা নতুন বাজার বলতে এমন দেশ বা অঞ্চলকে বোঝানো হয়, যেগুলো প্রচলিতভাবে কোনো দেশের পণ্য বা সেবার প্রধান ক্রেতা ছিল না, কিন্তু বর্তমানে যেসব দেশে রপ্তানি বাড়ছে বা রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
- প্রচলিত বাজার হিসেবে ২৭ জাতির জোট ইইউ, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাকে গণ্য করা হয়।
- এর বাইরে সব দেশকে অপ্রচলিত বাজার হিসেবে গণ্য করা হয়। জাপান, অস্ট্রেলিয়া, চীন, ভারত ও তুরস্ক অপ্রচলিত শ্রেণিতে উল্লেখযোগ্য নাম।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১৪,৫৮৫.
পাকিস্তানের কোন গভর্নর যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দেন?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. চৌধুরী খালিকুজ্জমান
  3. জুলফিকার আলী ভূট্টো
  4. জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
সঠিক উত্তর:
জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল গোলাম মোহাম্মদ
ব্যাখ্যা

- যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দেন পাকিস্তানের গভর্ণর জেনারেল গোলাম মুহাম্মদ। 

• মন্ত্রিসভা গঠন:  
- যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে জয়লাভ করে সরকার গঠন করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক ৪ সদস্য বিশিষ্ট মন্ত্রীসভার মুখ্যমন্ত্রী হন।
- তিনি নিজে মুখ্যমন্ত্রির দায়িত্ব ছাড়াও অর্থ, রাজস্ব ও স্বরাষ্ট্র বিভাগের দায়িত্ব নেন।
- মে মাসে ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়।
- মন্ত্রিসভার অন্যান্য সদস্যদের আবু হোসেন সরকার বিচার, স্বাস্থ্য ও স্থানীয় সরকার, সৈয়দ আজিজুল হক শিক্ষা, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন বিভাগের দায়িত্ব লাভ করেন।
- যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে পাকিস্তানের গভর্ণর জেনারেল গোলাম মুহাম্মদ।
- কেন্দ্রীয় সরকার ১৯৫৪ সালের ৩০ মে যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা বাতিল করে। 
- ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত পূর্ব বাংলায় কেন্দ্রের শাসন বলবৎ ছিল।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৪,৫৮৬.
ধান উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ১ম 
  2. ২য়
  3. ৩য় 
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৩য় 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩য় 
ব্যাখ্যা

ধান উৎপাদন:
- ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ ভারত।
- বিশ্বের মোট ধান উৎপাদনের ২৮% ধান উৎপাদন করে থাকে ভারত, যা প্রায় ১৫০ মিলিয়ন মেট্রিক টন।
- ধান উৎপাদনে ৩য় স্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। পরিমাণ প্রায় ৩৬.৬ মিলিয়ন মেট্রিক টন।

⇒ ধান উৎপাদনে বিশ্বে শীর্ষ দেশ:
১ম. ভারত (২৮%),
২য়. চীন (২৭%),
৩য়. বাংলাদেশ (৭%),
৪র্থ. ইন্দোনেশিয়া (৬%),
৫ম. ভিয়েতনাম (৫%)।

উৎস: USDA Foreign Agricultural Service (.govt.). [link]

১৪,৫৮৭.
কার্জন হল কোন সালে নির্মিত হয়?
  1. ক) ১৯০১
  2. খ) ১৯০৫
  3. গ) ১৯০৮
  4. ঘ) ১৯৫৭
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯০৮
ব্যাখ্যা

কার্জন হল তৎকালীন ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জনের নামানুসারে এ ভবনটি টাউন হল হিসেবে নির্মিত হয়েছিল। 
১৯০৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি ভারতবর্ষে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রতিনিধি ভাইসরয় লর্ড কার্জন ঢাকায় এসে কার্জন হলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেন। ১৯০৮ সালে এর নির্মাণকাজ শেষ হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং ঢাকা জেলার ওয়েবসাইট।

১৪,৫৮৮.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কবে প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ক) ১৯৭২ সালে
  2. খ) ১৯৮১ সালে
  3. গ) ১৯৯৬ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা
১৯৯৬ সালের ২২ শে মার্চ সেগুনবাগিচায় বেসরকারি উদ্যোগে দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠা করা হয়। সেগুনবাগিচার ভাড়া বাড়ি থেকে ২০১৭ সালের এপ্রিলে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর শেরে বাংলা নগরে সরকার প্রদত্ত জমিতে নির্মিত নিজস্ব ভবনে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত। (সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ওয়েবসাইট)
১৪,৫৮৯.
বাংলাদেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র কোনটি?
  1. মহাখালী 
  2. বেতবুনিয়া
  3. কুমিল্লা
  4. তালিবাবাদ 
সঠিক উত্তর:
বেতবুনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেতবুনিয়া
ব্যাখ্যা

• রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালী উপজেলার বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র দেশের প্রথম ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র। 
- ৩০ জানুয়ারী ১৯৭০ খ্রি: তারিখে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জেনারেল আগা মোহাম্মদ ইয়াহিয়া খান বেতবুনিয়া ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। 
- বর্তমানে উক্ত কেন্দ্রের মাধ্যমে মোট ১১ টি দেশের সাথে টেলিফোন ডাটা কমিউনিকেশন, ফ্যাক্ম, টেলেক্ম ইত্যাদি আদান-প্রদান করা হয়। 

• ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র:
বাংলাদেশে ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্র ৪টি। যথা:
- বেতবুনিয়া (রাঙ্গামাটি), 
- তালিবাবাদ (গাজীপুর),
- মহাখালী (ঢাকা) ।
- সিলেট।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,৫৯০.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অপারেশনগুলোর সমন্বিত সাংকেতিক নাম কী?
  1. অপারেশন বিগ উইং
  2. অপারেশন বিগ বার্ড
  3. অপারেশন কিলো ফ্লাইট
  4. অপারেশন জ্যাকপট
সঠিক উত্তর:
অপারেশন কিলো ফ্লাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন কিলো ফ্লাইট
ব্যাখ্যা
অপারেশন কিলো ফ্লাইট:

- অপারেশন কিলো ফ্লাইট নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুক্তিবাহিনীর বিমান উইং এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্ম ও গোড়াপত্তনের ইতিহাস।
- ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত পরিত্যক্ত এক বিমানঘাঁটিতে জন্ম হয়েছিল যে ইতিহাসের, সেই ইতিহাস শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অপারেশনগুলোর সমন্বিত সাংকেতিক নাম।
- এই কিলো ফ্লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন দুঃসাহসিক বিমান যোদ্ধারা।
- ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ সম্ভাবনাটিও চিরতরে হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

তথ্যসুত্র - ডেইলি স্টার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২।
১৪,৫৯১.
নিচের কোনটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক?
  1. ক) কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  3. গ) বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড
  4. ঘ) আরব বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি।
এগুলো হলোঃ
- সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
- জনতা ব্যাংক লিমিটেড
- অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড
- রূপালি ব্যাংক লিমিটেড
- বেসিক ব্যাংক লিমিটেড
- বাংলাদেশ উন্নয়ন ব্যাংক লিমিটেড।
অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক : রাষ্ট্রায়ত্ত বিশেষায়িত ব্যাংক
- কমিউনিটি ব্যাংক লিমিটেড ও আবর বাংলাদেশ ব্যাংক লিমিটেড হলো বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক লিমিটেড।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট)
১৪,৫৯২.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান অংশ দেশের কোথায় বাস করে?
  1. রাজশাহী, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহে
  2. কুমিল্লা ও সিলেটে
  3. দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে
  4. ভোলা, ঝালকাঠি ও পটুয়াখালীতে
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রধান অংশ দেশের দক্ষিণ-পূর্বাংশের রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়িতে বাস করে।

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:

- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।
- জেলার নিরিখে দেশে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।
- এরপরই আছে আরেক পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি। এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।

⇒ বিভাগ অনুযায়ী, বরিশালে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী জনসংখ্যা ৪ হাজার ১৮১ জন, চট্টগ্রামে ৯ লাখ ৯০ হাজার ৮৬০, ঢাকায় ৮২ হাজার ৩১১, খুলনায় ৩৮ হাজার ৯৯২, ময়মনসিংহে ৬১ হাজার ৫৫৯, রাজশাহীতে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৯২, রংপুরে ৯১ হাজার ৭০ ও সিলেটে ১ লাখ ৩৬ হাজার ৫৯৪ জন।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
১৪,৫৯৩.
মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) যশোহর
  2. খ) চুয়াডাঙ্গা
  3. গ) মেহেরপুর
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর বর্তমান মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। এখানে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। তখন এটি ‍বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অধীন ছিলো। মেহেরপুর জেলা ও মুজিবনগর ৮ নং সেক্টরের অধীন ছিলো। এর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু ওসমান চৌধুরী এবং এম এ মঞ্জুর।
(সূত্রঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া)
১৪,৫৯৪.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. ১৩৭তম
  2. ১৩৬তম
  3. ১৩৯তম
  4. ১৩২তম
সঠিক উত্তর:
১৩৬তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩৬তম
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের ও বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
- জাতিসংঘ চার্টার বা সনদের নিয়মকানুন মেনে চলতে আগ্রহী বিশ্বের যে কোনো শান্তিকামী স্বাধীন দেশ জাতিসংঘের সদস্য হতে পারে।
- বর্তমানে বিশ্বের ১৯৩টি দেশ জাতিসংঘের সদস্য।
- দক্ষিণ সুদান জাতিসংঘের ১৯৩তম সদস্যরাষ্ট্র।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের সর্বোচ্চ শান্তি সেনা প্রেরণকারী দেশ।
- ১৯৮৮ সালে ইরাক ও নামিবিয়া শান্তি মিশনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তি মিশন শুরু করে।
- ছাড়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করার পর থেকে বাংলাদেশ এই বিশ্ব সংস্থায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়।
- ১৯৭৯-৮০ এ সময়ের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদে বাংলাদেশের নির্বাচন তার এ ভূমিকার স্বীকৃতি এবং বিশ্ব সম্প্রদায়ের আস্থার স্বাক্ষরবাহী।
- ১৯৮৪ সাল থেকে জাতিসংঘের কার্যপ্রণালিতে বাংলা ভাষার ব্যবহার আমাদের জন্য খুবই গৌরবের।
- ১৯৮৬ সালে বাংলাদেশের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রন্ত্রী হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- তাঁর এই সভাপতি নির্বাচিত হওয়া বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের বিশেষ ভূমিকার কথাইস্মরণ করিয়ে দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই এবং জাতিসংঘ ওয়েব সাইট।

১৪,৫৯৫.
বিটিএমসি নিয়ন্ত্রণাধীন মিলসমূহে মূলত উৎপাদন করা হয় -
  1. সিমেন্ট
  2. রেশম
  3. সূতা
  4. চিনি
সঠিক উত্তর:
সূতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূতা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস কর্পোরেশন (বিটিএমসি):
- বিটিএমসি নিয়ন্ত্রণাধীন মিলসমূহে সূতা উৎপাদন করা হয়।
- বর্তমানেও বিটিএমসির ভাড়া পদ্ধতিতে চালু মিলসমূহে উৎপাদিত সূতা স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণে স্বল্প পরিসরে হলেও ভূমিকা রাখছে। একসময় কাপড়ও উৎপাদন হতো।
- তবে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে কম্পোজিট মিলসমূহের বুনন বিভাগ বন্ধ করার পর থেকে বিটিএমসিতে কাপড় উৎপাদন হয় না।
- বর্তমানে বিটিএমসি’র ২৫ টি মিলের মধ্যে ২টি মিল বিদ্যমান পুরাতন মেশিনারিজ দ্বারা ভাড়া পদ্ধতিতে চালু আছে। 

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১৪,৫৯৬.
মেজর খালেদ মোশারফ কোন সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন?
  1. ১ নং সেক্টর
  2. ২ নং সেক্টর
  3. ৩ নং সেক্টর
  4. ৪ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এর মধ্যে ফেনী নদী থেকে উত্তর দিকে আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত বৃহত্তর নোয়াখালী, ‍বৃহত্তর কুমিল্লা, ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ এবং ঢাকা শহর নিয়ে ২ নং সেক্টর গঠিত হয়।
২ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন:
- মেজর খালেদ মোশারফ এবং
- মেজর এটিএম হায়দার।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

১৪,৫৯৭.
গণভোটের বিধান বাতিল করা হয়-
  1. ক) ১৯৮৫ সালে
  2. খ) ১৯৯১ সালে
  3. গ) ২০১০ সালে
  4. ঘ) ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০১১ সালে
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রের অতিগুরুত্বপুর্ন কোন বিষয়ে জনমত যাচাই করার জন্য যে প্রত্যক্ষ ভোট গ্রহন করা হয় তাকে গণভোট বা Referendum বলা হয়।
- যখনই কোন ক্রান্তিকাল উপস্থিত হয়, তখন সেই সমস্যা থেকে উত্তরণের জন্য জনমত যাচাই করা হয় গনভোটের মাধ্যমে।
- সংবিধানের পঞ্চম সংশোধনীতে গনভোটের বিধান আওতাভুক্ত করা হয়েছিল।
- কিন্তু ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে গনভোটের বিধান বাতিল করা হয়।
- গণভোট সংক্রান্ত দুটি অনুচ্ছেদ : ৪৮ এবং ৫৬. তবে বর্তমানে এই অনুচ্ছেদ দুটিতে গনভোটের বিধান আর নেই।
- বাংলাদেশে এ পর্যন্ত গণভোট হয়েছে ৩ বার –

- ৩০ মে , ১৯৭৭ সালে জিয়াউর রহমানের নিজ শাসনকে বৈধকরণ করতে।
- ১ মার্চ , ১৯৮৫ সালে এরশাদের সমর্থন যাচাই।
- ১৫ সেপ্টেম্বর , ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আইন প্রস্তাব।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,৫৯৮.
বাংলাদেশের জিডিপিতে কোন খাতের অবদান সর্বাধিক?
  1. ক) সেবাখাত
  2. খ) কৃষিখাত
  3. গ) মৎস্যখাত
  4. ঘ) শিল্পখাত
সঠিক উত্তর:
ক) সেবাখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সেবাখাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি নির্ণয়ে প্রধান খাত হলো তিনটি।
এগুলো হলো:
- কৃষিখাত
- শিল্পখাত
- সেবাখাত।

২০২০-২০২১ অর্থবছরে স্থিরমূল্যে জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান:
- কৃষিখাত : ১২.০৭ শতাংশ
- শিল্পখাত : ৩৬.০১ শতাংশ
- সেবাখাত : ৫১.৯২ শতাংশ।

বাংলাদেশের জিডিপিদে সেবাখাতের অবদান সর্বাধিক। শিল্পখাতের অবদান ক্রমবর্ধমান। কৃষিখাতে সর্বাধিক জনশক্তি নিয়োজিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১৪,৫৯৯.
কয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে ‘নজরুল পুরস্কার- ২০২৫’ প্রদান করা হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
২ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ জন
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার, ২০২৫:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- নজরুল পুরস্কার ২০২৫-এ ভূষিত করা হয় ২ জনকে। এরা হলেন: আনোয়ারুল হক এবং শবনম মুশতারী।
- নজরুল গবেষণায় অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুলসংগীত-চর্চায় সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারী অবদান রাখায় এ পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। 
- পুরস্কারের অর্থমূল্য প্রতিটি ১ লাখ টাকা, সঙ্গে দেওয়া হবে সম্মাননা স্মারক ও উত্তরীয়।
- কবির ১২৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে ২৫মে বাংলা একাডেমির অনুষ্ঠানে তাঁদের হাতে এই পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলা একাডেমি।
১৪,৬০০.
রোমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান কিসে?
  1. ক) দর্শন শাস্ত্রে
  2. খ) চিকিৎসা বিজ্ঞান
  3. গ) আইন প্রনয়নে
  4. ঘ) ধর্ম শাস্ত্রে
সঠিক উত্তর:
গ) আইন প্রনয়নে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আইন প্রনয়নে
ব্যাখ্যা
বিশ্বসভ্যতার ইতিহাসে রােমানদের সর্বশ্রেষ্ঠ এবং গুরুত্বপূর্ণ অবদান হচ্ছে আইন প্রণয়ন।
- খ্রিষ্টপূর্ব পাঁচ শতকের মাঝামাঝি সময়ে রােমানরা ফৌজদারি ও দেওয়ানি আইনগুলাে সুষ্ঠুভাবে একসঙ্গে সাজাতে সক্ষম হন।
- ৫৪০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে ১২টি ব্রোঞ্জ পাতে সর্বপ্রথম আইনগুলাে খােদাই করে লিখিত হয় এবং জনগণকে দেখাবার জন্য প্রকাশ্যে ঝুলিয়ে রাখা হয়।
- রােমান আইনের দৃষ্টিতে সকল মানুষ সমান ।
- রােমান আইনকে তিনটি শাখায় ভাগ করা হয়েছে। যেমন—

১. বেসামরিক আইন : এই আইন পালন করা রােমান নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক ছিল। এই আইন লিখিত অলিখিত দুই রকম ছিল।

২. জনগণের আইন : এ আইন সকল নাগরিকের জন্য প্রযােজ্য ছিল। তাছাড়া ব্যক্তিগত অধিকার রক্ষার বিষয়টি এই আইনে ছিল। তবে এর মাধ্যমে দাসপ্রথাও স্বীকৃতি লাভ করে । সিসেরাে এ আইনের প্রণেতা।

৩. প্রাকৃতিক আইন : এ আইনে মূলত নাগরিকদের মৌলিক অধিকার রক্ষার কথা বলা হয়েছে। আধুনিক বিশ্ব সম্পূর্ণভাবে রােমান আইনের ওপর নির্ভরশীল। খ্রিষ্টীয় ষষ্ঠ শতকে সম্রাট জাস্টিনিয়ান প্রথম সমস্ত রােমান আইনের সংগ্রহ ও সংকলন প্রকাশ করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।