বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৪২ / ৩০৬ · ১৪,১০১১৪,২০০ / ৩০,৮৩২

১৪,১০১.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কার সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় ছাত্রসভা শুরু হয়?
  1. কাজী গোলাম মাহবুব
  2. আব্দুল জব্বার
  3. রফিকউদ্দিন আহমদ
  4. গাজীউল হক
সঠিক উত্তর:
গাজীউল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীউল হক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলনের ১৪৪ ধারা ভঙ্গ:
⇒ ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন মুসলিম লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে যোগ দিতে আসেন। তিনি পল্টন ময়দানের জনসভায় বলেন, ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হবে উর্দু।’ ৩ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলনেও প্রধানমন্ত্রী একই কথার পুনরাবৃত্তি করেন। ১৯৪৮ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহও একই কথা বলে বারুদে আগুন দিয়েছিলেন।

⇒ ১৯৫২ সালের ২৯ জানুয়ারি তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৩০ জানুয়ারি সব শিক্ষায়তনে প্রতীকী ধর্মঘট পালনের সিদ্ধান্ত হয়। ৪ ফেব্রুয়ারি সব শিক্ষায়তনে পূর্ণ হরতাল পালনের সিদ্ধান্ত হয়।

⇒ ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকা বার লাইব্রেরি হলে সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব।

⇒ ২১ ফেব্রুয়ারির কর্মসূচি পালনের প্রস্তুতি যখন চলছিল, তখন ২০ ফেব্রুয়ারি ১ মাসের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। তাতে সভা, বিক্ষোভ, মিছিল নিষিদ্ধ করা হয়। সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের নেতারা দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে যান। সাধারণ শিক্ষার্থীরা ১৪৪ ধারা ভঙ্গের পক্ষে ছিলেন। সে রাতে সর্বদলীয় সংগ্রাম পরিষদের বেশির ভাগ নেতা ১৪৪ ধারা ভঙ্গের বিপক্ষে ভোট দেন। ১১ / ৩ (১) ভোটে ১৪৪ ধারা ভঙ্গ না করার প্রস্তাব গ্রহীত হয়। এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন অলি আহাদ, আবদুল মতিন ও গোলাম মাওলা।

⇒ ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টার দিকে গাজীউল হকের সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলায় ছাত্রসভা শুরু হয়।
- এ সভা থেকেই ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে, বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দানের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- ১৪৪ ধারা ভঙ্গ করে ছাত্রজনতা মিছিল করলে পুলিশের গুলিতে আবুল বরকত, রফিক উদ্দিন আহমেদ, আব্দুল জববার ও আবদুস সালাম শহীদ হন।
- তখন থেকে ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস, বর্তমানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাপিডিয়া।
১৪,১০২.
কোন নদীকে প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক সমৃদ্ধ 'মৎসখনি' বলা হয়?
  1. পদ্মা নদী
  2. হালদা নদী
  3. কর্ণফুলী নদী
  4. মেঘনা নদী
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার।
- এটি দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস।
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে।
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
- এতে হালদা নদী জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ ঐতিহ্যগত স্থান হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হবে।
- হালদায় মাছের অভয়াশ্রমের পাশাপাশি প্রকৃতিতে আসবে নতুন প্রাণ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সমকাল পত্রিকার নিউজ।
১৪,১০৩.
বিশ্ব জনসংখ্যার অবস্থা (এসডব্লিউওপি)-২০২৫ অনুসারে বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যা-
  1. ১৭ কোটি ৫৭ লাখ
  2. ১৬ কোটি ৮৭ লাখ
  3. ১৮ কোটি ৫৭ লাখ
  4. ১৫ কোটি ৫৯ লাখ
সঠিক উত্তর:
১৭ কোটি ৫৭ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ কোটি ৫৭ লাখ
ব্যাখ্যা
বিশ্ব জনসংখ্যার অবস্থা (এসডব্লিউওপি) ২০২৫- অনুসারে,
-বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৭ কোটি ৫৭ লাখ ।
-এর মধ্যে অর্ধেক নারী।
- আর দুই-তৃতীয়াংশ  (১১ কোটি ৫০ লাখ) কর্মক্ষম বয়সী।
- বাংলাদেশের এই জনসংখ্যার ৭ শতাংশ (১ কোটি ২০ লাখ) ৬৫ বছর বা তার বেশি বয়সী।
- বাংলাদেশের জনসংখ্যার ১৯ শতাংশ কিশোর-কিশোরী (প্রায় ৩ কোটি ৩০ লাখ)। 
- বৃহত্তর যুব জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ২৮ শতাংশ (প্রায় ৫ কোটি)।

উৎস: ইউনাইটেড নিউজ অফ বাংলাদেশ (ইউ এন বি) লিংক
১৪,১০৪.
বাংলাদেশ-ভারত গঙ্গা পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কত তারিখে?
  1. ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৬ 
  2. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
  3. ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
  4. ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬
ব্যাখ্যা

গঙ্গা পানি চুক্তি: 
- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর দিল্লিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবেগৗড়া ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ঐতিহাসিক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
- ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের অভিন্ন বড় নদী আছে প্রায় ৫৪টি।
- এই অভিন্ন নদীগুলোর প্রায় প্রতিটির ক্ষেত্রে উজানে বাঁধ দিয়ে রেখেছে ভারত।
- শুধু গঙ্গা নদীর উজানেই এ পর্যন্ত প্রায় ৩৬টি ব্যারাজ ও বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে।
- তবে বাংলাদেশ-ভারত পানিবণ্টনসংক্রান্ত মতবিরোধ তুঙ্গে উঠে যখন ফারাক্কা ব্যারাজ নির্মাণ শুরু হয়।
- ১৯৬১ সালে শুরু হয়ে এই ব্যারাজ নির্মাণের কাজ শেষ হয় ১৯৭৪ সালে।
- মূল উদ্দেশ্য ছিল গঙ্গা নদী থেকে ফিডার ক্যানেলের মাধ্যমে ৪০ হাজার কিউসেক পানি প্রত্যাহার করে হুগলি-ভাগীরথী নদী ব্যবস্থায় প্রবাহিত করে শুষ্ক মৌসুমে কলকাতা বন্দরের নাব্যতা রক্ষা করা।

উৎস: বিবিসি বাংলা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪,১০৫.
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের মোট আমদানির কত শতাংশ বাণিজ্য সম্পন্ন হয়?
  1. ক) ৮০%
  2. খ) ৮৫%
  3. গ) ১৩%
  4. ঘ) ৮%
সঠিক উত্তর:
খ) ৮৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮৫%
ব্যাখ্যা
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের মোট আমদানির ৮৫ শতাংশ বাণিজ্য সম্পন্ন হয়।
দেশের অভ্যন্তরে এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে জলপথ তথা নৌপথ ও সমুদ্রপথ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বাংলাদেশের তিনটি সমুদ্রবন্দর আছে— চট্টগ্রাম, মংলা ও পায়রা বন্দর। 
চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে দেশের মোট আমদানির প্রায় ৮৫ শতাংশ এবং রপ্তানির ৮০ শতাংশ বাণিজ্য সম্পন্ন হয়।
মংলা বন্দর দিয়ে মোট রপ্তানির প্রায় ১৩ শতাংশ এবং আমদানির প্রায় ৮ শতাংশ বাণিজ্য সম্পন্ন হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ (নবম - দশম শ্রেণি)
১৪,১০৬.
বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. ক) ১৯২৩ সালে
  2. খ) ১৯৩৭ সালে
  3. গ) ১৯৩৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৪৩ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৩৭ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৩৫ সালে প্রবর্তিত ভারত শাসন আইনের অধীনে বাংলায় প্রথম প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩৭ সালের ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসে।
- ১৯৩৭ সালের প্রাদেশিক আইনসভার নির্বাচনের পর অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক।
- এই নির্বাচনে কোনো দলই নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে পারেনি।
- শেরে বাংলা একে ফজলুল হকের কৃষক প্রজা পার্টি ও মুসলিম লীগের মধ্যে কোয়ালিশন সরকার গঠন করা হয়। এই কোয়ালিশন মন্ত্রিসভায় ১১ জন সদস্য ছিল।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী।
১৪,১০৭.
বর্তমানে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কয়জন?
  1. ৪২৬ জন
  2. ৪২৪ জন
  3. ১৭৪ জন
  4. ৬৭ জন
সঠিক উত্তর:
৪২৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২৪ জন
ব্যাখ্যা
বর্তমানে মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।
১৪,১০৮.
দিল্লির সম্রাটকে বাৎসরিক কত টাকার বিনিময়ে কোম্পানী দিউয়ানি লাভ করে?
  1. ১ লক্ষ
  2. ১২ লক্ষ
  3. ১৯ লক্ষ
  4. ২৬ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
২৬ লক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ লক্ষ
ব্যাখ্যা
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিউয়ানি লাভ:
- পলাশীর যুদ্ধে নবাব সিরাজউদ্দৌলা এবং বক্সারের যুদ্ধে নবাব মীরকাশিম পরাজিত হওয়ার পর ইংরেজদের গতিরোধ করার মতো শক্তি ও সাহস এদেশ থেকে সম্পূর্ণভাবে নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়।
- তখন থেকেই বাংলার শাসন ব্যবস্থায় ইংরেজরা সরাসরি হস্তক্ষেপ শুরু করে এবং বাংলার ভাগ্যবিধাতা হয়ে যায়।
- মুগল শাসনতন্ত্রে প্রদেশ শাসনের জন্য দু'টি সমপর্যায়ের পদের বিধান ছিল। একটি সুবাদারী, আরেকটি দিউয়ানি।
- সুবাদার ও দিউয়ান উভয় ব্যক্তিই সরাসরি দিল্লির সম্রাটের নিকট ব্যক্তিগতভাবে জবাবদিহি করতে বাধ্য ছিলেন। তাঁরা একে অপরকে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা করতেন, কিন্তু একে অন্যকে তাঁর অধীন করতে পারতেন না।
- সুবাদারের দায়িত্ব ছিল বিচার, প্রতিরক্ষা ও সাধারণ প্রশাসন পরিচালনা, আর দিউয়ানের দায়িত্ব ছিল মূলত রাজস্ব (খাজনা) শাসন। 
- মুর্শিদকুলী খানের (১৭১৭ খ্রি.) সুবাদারী লাভ পর্যন্ত সুবাদারী ও দিউয়ানের পদ পৃথক পৃথক ব্যক্তির উপর ন্যস্ত ছিল। 
- পলাশীর যুদ্ধের পর হতে কোম্পানি ছিল দেশের হর্তাকর্তা।
- বক্সার যুদ্ধের পর কোম্পানির কর্মচারীদের মধ্যে দুর্নীতি ও বিশৃঙ্খলা চরমে উঠলে এবং বাংলার রাজনৈতিক পরিবেশ খারাপ হলে, ইংরেজ সরকার ভীত হয়ে পড়লেন। ফলে ইংল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ কোম্পানির দুর্নীতি দমন ও স্বার্থ বৃদ্ধির জন্য পুনরায় ক্লাইভকে লর্ড উপাধি দান করে বাংলায় দ্বিতীয়বার প্রেরণ করেন (১৭৬৫-১৭৬৭ খ্রি.)।
- তিনি দিল্লির দুর্বল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলমের সাথে সন্ধি স্থাপন করেন।
- ক্লাইভ কারা ও এলাহাবাদ জেলা দু'টি ও বাৎসরিক ২৬ লক্ষ টাকা কর প্রদানের বিনিময়ে সম্রাটের নিকট হতে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দিউয়ানি লাভ করলেন (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে ১২ আগস্ট ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি দিউয়ানি সনদ লাভ করে)।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,১০৯.
একাদশ জাতীয় সংসদে মোট স্থায়ী কমিটির সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ৩৯টি
  2. খ) ৪৮টি
  3. গ) ৫০টি
  4. ঘ) ৫১টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমান একাদশ জাতীয় সংসদে মোট সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৫০টি।
- এর মধ্যে মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৩৯টি।
(তথ্যসূত্র: জাতীয় সংসদ সচিবালয় ওয়েবসাইট)
১৪,১১০.
২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে প্রেরিত রেমিট্যান্স মোট জিডিপির  - 
  1. ক) ৬.০৩%
  2. খ) ১১.০৩%
  3. গ) ৮.০৩%
  4. ঘ) ১৬.০৩%
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.০৩%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.০৩%
ব্যাখ্যা
• ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রেরিত রেমিট্যান্স দেশের মোট জিডিপির - ৬.০৩% এবং মোট পণ্য রপ্তানির – ৬৭.১৪%।
• ২০২১-২২ অর্থবছরের ফেব্রুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের পরিমাণ – ১৩,৪৩৮.৫ মিলিয়ন ডলার বা ১১৪,৮৯০.৫ কোটি টাকা (জুলাই – ফেব্রুয়ারি) যা গত - অর্থবছরের তুলনায় ১৯.৪৭% কম।

উৎস: প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়, জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো, বাংলাদেশ ব্যাংক।
১৪,১১১.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের লোগোর ডিজাইনার কে?
  1. আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী
  2. কামরুল হাসান
  3. ইমদাদ হোসেন
  4. মোস্তফা মনোয়ার
সঠিক উত্তর:
ইমদাদ হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইমদাদ হোসেন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ টেলিভিশন (BTV):
- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান টেলিভিশন কর্পোরেশন ও ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির আদেশে (পি.ও নং-১১৫) বাংলাদেশ টেলিভিশন নামে রাষ্ট্রীয় টিভি চ্যানেলে পরিণত হয়।
- বাংলাদেশ টেলিভিশন -এর লোগোর ডিজাইনার ইমদাদ হোসেন।  
- ১৯৭৫ সালের ৯ই ফেব্রুয়ারি বিটিভি স্থানান্তরিত হয় রামপুরার নিজস্ব টিভি ভবনে।
- ৬ই মার্চ ১৯৭৫ সাল হতে রামপুরা টিভি ভবনে নতুন আঙ্গিকে শুরু হয় বিটিভির সম্প্রচার কার্যক্রম।
- ১৯৮০ সালের ১ ডিসেম্বর তারিখে রামপুরা টিভি কেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে প্রথম রঙিন টেলিভিশন সম্প্রচার শুরু হয়।
- বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয় ১১ এপ্রিল ২০০৪ তারিখে।
- ২০১৩ সাল থেকে আইপিটিভি, মোবাইল টিভি ও ওয়েবটিভি এর মাধ্যমেও বিটিভির অনুষ্ঠানমালা দেশে ও বিদেশে দেখার সুযোগ পাচ্ছেন দর্শকরা।
- ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর সংবাদভিত্তিক পূর্ণাঙ্গ টেলিভিশন চ্যানেল হিসেবে “বিটিভি নিউজ” নামে যাত্রা শুরু করে।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো ও বিডি নিউজ ২৪ ডট কম। (Link) 

১৪,১১২.
জুম চাষকে অন্য কী নামে পরিচিত?
  1. প্রাচীন চাষাবাদ 
  2. স্থানান্তর চাষাবাদ
  3. আবদ্ধ কৃষি
  4. আধুনিক চাষাবাদ
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর চাষাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্থানান্তর চাষাবাদ
ব্যাখ্যা

• জুম চাষ:
- জুমচাষ (Shifting cultivation) পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীদের মধ্যে অতি পরিচিত একটি পাহাড়ী মিশ্র কৃষি চাষ পদ্ধতি।
- জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে ‘সুইডেন চাষাবাদ’ বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত।
- এমন একটা সময় ছিল যখন এখানকার জনগোষ্ঠীদের মধ্যে এই জুম চাষই ছিল জীবিকা অর্জনের একমাত্র উপায়। ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে এখানকার মানুষ সমতলের মত চাষাবাদ করার পদ্ধতি আয়ত্ব করেছে জুমচাষের অনেক পরে।
- মূলত চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতীয়দের জীবন ও সংস্কৃতি বহুলাংশে জুমচাষের ওপর নির্ভরশীল।
- এছাড়া সিলেটের পাহাড়িয়া অঞ্চলেও কিছু কিছু জুমচাষ হয়।
- রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান, জুম চাষ হয়।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীগুলির প্রধান জীবিকা ছিল কৃষি।
- জুম চাষকে স্থানান্তর কৃষি ব্যবস্থাও বলা হয়ে থাকে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।

১৪,১১৩.
আমলাতন্ত্রকে সর্বপ্রথম যুক্তিসঙ্গত ও আইনগত মডেল বলেছেন কে?
  1. লাস্কি
  2. ম্যাক্স ওয়েভার
  3. ফাইনার
  4. রুশো
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স ওয়েভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাক্স ওয়েভার
ব্যাখ্যা
আমলাতন্ত্র:
- আমলাতন্ত্র হলো স্থায়ী, বেতনভুক্ত, দক্ষ ও পেশাদার কর্মচারিদের সংগঠন।
- আমলাতন্ত্র সরকারের নীতি ও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে থাকে।
- আমলাতন্ত্রের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Bureaucracy।
- তাই Bureaucracy এর উৎপত্তিগত অর্থ হলো Desk Government.
- জার্মান দার্শনিক ম্যাক্স ওয়েভারকে আমলাতন্ত্রের জনক বলা হয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
১৪,১১৪.
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন' উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের নতুন রাজনৈতিক দল কোনটি?
  1. আমার বাংলাদেশ পার্টি
  2. গণ অধিকার পরিষদ
  3. বাংলাদেশ গণতন্ত্রী পার্টি
  4. জাতীয় নাগরিক পার্টি
সঠিক উত্তর:
জাতীয় নাগরিক পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় নাগরিক পার্টি
ব্যাখ্যা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন':
- জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে আত্মপ্রকাশ হতে যাওয়া নতুন রাজনৈতিক দলের নাম ‘জাতীয় নাগরিক পার্টি’।
- তরুণদের নতুন এই দলের নামের ইংরেজি রূপ ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি’ (এনসিপি)।

উল্লেখ্য,
- ২০০৮ সালে দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- দেশের প্রথম নিবন্ধিত দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি।
- ২০০৮ সালের ২০ অক্টোবর নিবন্ধন পায় দলটি। দলটির নির্বাচনী প্রতীক 'ছাতা'।
- যেকোনো দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চাইলে নির্বাচন কমিশন বরাবর দরখাস্ত ও যথাযথ দালিলাদি পদান সাপেক্ষে নিবন্ধনের আবেদন করতে পারবে।
- বর্তমানে বাংলাদেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সংখ্যা ৫০টি। (জুন ২০২৫)
- বাংলাদেশে সর্বশেষ নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি) (ফেব্রুয়ারি, ২০২৫)
- দলটির প্রতীক রকেট।

উৎস: বিবিসি বাংলা।
১৪,১১৫.
’শাহ-ই-বাঙ্গালা’ নামে উপাধি কার ছিল?
  1. মুহাম্মদ বিন তুঘলক
  2. গিয়াস উদ্দিন আযম শাহ
  3. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  4. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
ব্যাখ্যা
সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ:
- সুলতানি যুগের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন সুলতান শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ। 
- অতি সাধারণ অবস্থা থেকে লখনৌতির শাসক হয়ে লখনৌতি, সাতগাঁও, সোনারগাঁ ও বিহার অধিকার করে সমগ্র বাংলাকে একটি কেন্দ্রীয় শাসনের অধীনে এনে ইলিয়াস শাহ বাংলার ইতিহাসে অমর স্থান অধিকার করে আছেন। 
- ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহের পুত্র ও সোনারগাঁও-এর শাসক ইখতিয়ারউদ্দিন গাজী শাহকে পরাজিত করে পূর্ব বঙ্গে রাজ্য সম্প্রসারণ করেন। 
- তাঁর রাজত্বকালে বাঙালিরা সর্বপ্রথম একটি জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। 
- এ সময় বাংলার লোকেরা বাঙালি হিসেবে পরিচিত হয়। 
- এ কারণে ঐতিহাসিকগণ তাঁকে 'বাঙালি জাতীয়তাবাদের জনক' বলে উল্লেখ করেছেন।  
- লখনৌতি, সাতগাঁও এবং এর সাথে সোনারগাঁও অধিকার করে ইলিয়াস শাহ সমগ্র বাংলার একচ্ছত্র অধিপতির মর্যাদা লাভ করেন। 
- ইতিপূর্বে এই বিরল গৌরব আর কোন মুসলমান শাসক অর্জন করতে পারেন নি। 
- এ কারণে ঐতিহাসিক শামস-ই- সিরাজ আফীফ তাঁকে 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ" এবং 'সুলতান-ই-বাঙ্গালাহ' উপাধিতে ভূষিত করেন। 

উল্লেখ্য, 
- দুই বাংলার সমগ্র সীমানাকে একত্রিত করে বাঙ্গালাহ নামটি তাঁর সময়েই প্রচলিত হয়।
- বাংলার ইতিহাসের এ মহানায়ক সুদীর্ঘ ১৬ বছর রাজত্ব করার পর ১৩৫৮ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,১১৬.
নিচের কোন জেলায় হাজং জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. ক) চট্রগ্রাম
  2. খ) নেত্রকোনা
  3. গ) রংপুর
  4. ঘ) দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
খ) নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
হাজং
• হাজং বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
• ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস। এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে। তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়। 
• নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়।
• তারা হিন্দু/সনাতন ধর্মাবলম্বী।
• সমাজ কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১৪,১১৭.
বঙ্গভঙ্গ করা হয় কত সালে?
  1. ১৯০১ সালে
  2. ১৯০৩ সালে
  3. ১৯০৫ সালে
  4. ১৯০৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ:
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত।
- বাংলার মুসলমানরা নবাব সলিমুল্লাহর নেতৃত্বে বঙ্গভঙ্গকে স্বাগত জানায়।
- অপর দিকে তীব্র বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা যায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মধ্যে।
- ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে তারা বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে সুদৃঢ় ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলে। রাজা পঞ্চম জর্জ ভারত সফরে এসে দিল্লির দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা দেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদে হিন্দু সম্প্রদায় খুশি হয়, অপর দিকে মুসলমান সম্প্রদায় মর্মাহত এবং হতাশ হয়।
- ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,১১৮.
আউশ ধান সাধারণত কোন সময়ে রোপণ করা হয়?
  1. জানুয়ারি শেষ – ফেব্রুয়ারি শুরু
  2. মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  3. জুন শেষ – জুলাই শেষ
  4. সেপ্টেম্বর মধ্য – অক্টোবর শেষ
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
-------------------
আউশ ধান = মধ্য মার্চ মধ্য এপ্রিল।
আমন ধান =  জুনের শেষ সেপ্টেম্বরের শুরু।
বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
-----------------------
আউশ ধান = মধ্য জুলাই আগস্টের শুরু।
আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)।

১৪,১১৯.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, পুরুষের সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭৩.৩৯%
  2. ৭৪.৭৮%
  3. ৭৫.২১%
  4. ৭৬.৭১%
সঠিক উত্তর:
৭৬.৭১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৬.৭১%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- CAPI এর পূর্ণরূপ - Computer Assisted Personal Interviewing.
- গণনায় যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে-  মোডিফাইড ডি-ফ্যাক্টো (Modified De-facto) পদ্ধতি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১৪,১২০.
ট্যারিফ কমিশন কয়টি শাখায় বিভক্ত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

ট্যারিফ কমিশন:
- ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি প্রতিষ্ঠান।
- বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ২৮ জুলাই ১৯৭৩ তারিখের সিদ্ধান্তবলে উক্ত মন্ত্রণালয়ের একটি অধীনস্থ অধিদপ্তর হিসেবে কাজ শুরু করে।
- ১৯৯২ সনের নভেম্বরে উক্ত কমিশন বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন আইন ১৯৯২ (১৯৯২ সনের ৪৩ নম্বর আইন)-এর অধীনে বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন নামে পুর্ণগঠিত হয়।
- বর্তমানে এটি দেশীয় শিল্পসমূহকে অসম প্রতিযোগিতা থেকে রক্ষা ও যথাযথ সংরক্ষণের লক্ষ্যে একটি স্বায়ত্তশাসিত বিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে কাজ করছে।
- বাংলাদেশ ট্রেড এন্ড ট্যারিফ কমিশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট।
- এর প্রধান হচ্ছেন সরকারের সচিব পর্যায়ের মর্যাদাসম্পন্ন একজন চেয়ারম্যান।
- কমিশন তিনটি শাখায় বিভক্ত:
• বাণিজ্য নীতিমালা।
• বাণিজ্য প্রতিকার।
• আন্তর্জাতিক সহযোগিতা শাখা।
- প্রতিটি শাখা একজন সদস্য দ্বারা পরিচালিত। এছাড়াও একটি প্রশাসনিক শাখা আছে।
- এই শাখা কমিশনের সচিব দ্বারা পরিচালিত।

তথ্যসূত্র - ট্যারিফ কমিশন অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪,১২১.
প্রথম বাংলা ছায়াছবি ‘মুখ ও মুখোশ’ কত সালে  মুক্তি পায়?
  1. ক)  ১৯৫৬
  2. খ)  ১৯৬২
  3. গ)  ১৯৬৫
  4. ঘ)  ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
ক)  ১৯৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক)  ১৯৫৬
ব্যাখ্যা
- পূর্ব পাকিস্তানের প্রথম সবাক্ বাংলা পূর্ণ দৈর্ঘ্য  চলচিত্র মুখ ও মুখোশ মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগষ্ট
- ১৯৫৬ সালে ১টি ছবি মুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশে চলচ্চিত্রের যাত্রা শুরু করা হয়। 
- এর প্রযোজনায় ছিলেন নুরুজ্জামান, শহীদুল আলম, কলিমউদ্দিন আহমেদ, এম এ হাসান ও আব্দুল জব্বার খান।
- পরিচালকের নিজের লেখা নাটক ডাকাত অবলম্বনে এ ছবির কাহিনী তৈরি হয়।
- তিনি নায়ক চরিত্রে অভিনয় করেন।
- ১৯৫৭ সালের ৩ এপ্রিল পূর্ব পাকিস্তান আইন পরিষদে বিল পাশের মাধ্যমে পূর্ব পাকিস্তান চলচ্চিত্র উন্নয়ন সংস্থা (ইপিএফডিসি) প্রতিষ্ঠত হয়। এফডিসি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ভিত্তি স্থাপিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,১২২.
১৯৬৬ সালের ৬ দফার কয়টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ১ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
• ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা(৩,৪ ও ৫ নং দফা) অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো।

- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফা ঘোষণা করেন।
• ছয়টি দফা হলো-
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন। 
২. ফেডারেল সরকারের এখতিয়ার। 
৩. মুদ্রা সংক্রান্ত ক্ষমতা। 
৪. ট্যাক্স, খাজনা ও কর ধার্য ।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য।
৬. প্যারা মিলিশিয়া গঠন।

 ৬ দফার মধ্যে ৩টি দফা অর্থনীতি ও মুদ্রা বিষয়ক এবং বাকি ৩টি শাসন ও নিরাপত্তা বিষয়ক ছিলো।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৪,১২৩.
লুসাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসন্ত উৎসব কোনটি?
  1. সাংগ্রুং
  2. মীমতূত
  3. পলকূত
  4. চাপচারকূত
সঠিক উত্তর:
চাপচারকূত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাপচারকূত
ব্যাখ্যা

লুসাই:
- লুসাই  নৃ-গোষ্ঠী বার্মা থেকে এসেছে বলে ধারণা করা হয়।
- তারা নিজেদের মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর বংশধর বলে পরিচয় দেয়।
- বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান জেলায় ও ভারতের মিজোরামে লুসাইয়ের বসবাস রয়েছে।
- বর্তমানে শতভাগ লুসাই খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- ধর্মীয় উৎসব পালন ছাড়াও বছরে তারা প্রধান তিনটি উৎসব পালন করে থাকে:
১. চাপচারকূত (বসন্ত উৎসব)।
২. মীমতূত (মৃত আত্মাদের স্মরণে)।
৩. পলকূত (শস্য কাটার উৎসব)।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১৪,১২৪.
মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার কে ছিলেন?
  1. তারামন বিবি
  2. সেতারা বেগম
  3. কাকন বিবি
  4. আশালতা বৈদ্য
সঠিক উত্তর:
আশালতা বৈদ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশালতা বৈদ্য
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার:
- মুক্তিযুদ্ধের একমাত্র নারী কমান্ডার আশালতা বৈদ্য।
- আশালতা বৈদ্যের জন্ম ১৯৫৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি।
- মুক্তিযুদ্ধের বছর তার বয়স ছিল মাত্র পনের বছর।
- মাত্র ১৫ বছর বয়সে মুক্তিযুদ্ধের ৮ ও ৯ নম্বর সেক্টরে কোটালীপাড়া সীমানা সাব-সেক্টরের কমান্ডার হেমায়েত উদ্দিনের বাহিনীতে যোগ দেন
- তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে হেমায়েত বাহিনী/৭১ গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, বরিশাল অঞ্চলে সরাসরি মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং একমাত্র নারী মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেন।

উৎস: মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৪,১২৫.
জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ কতজন সৈন্য প্রেরণ করেছিল?
  1. ১৫ জন
  2. ২২ জন
  3. ৩৭ জন
  4. ৪০ জন
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান:
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদান আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত।
- ১৯৪৮ সালে জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন শুরু হলেও বাংলাদেশ এতে যুক্ত হয় ১৯৮৮ সালে।
- ইরান-ইরাক সামরিক পর্যবেক্ষক মিশনে ১৫ জন সদস্য পাঠানোর মাধ্যমে এ যাত্রার সূচনা হয়।

⇒ বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ১০টি দেশে শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন করছে।
- প্রথমবারের মতো ডিআর কঙ্গোতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর তিনটি হেলিকপ্টারও মোতায়েন করা হয়েছে।
- শুরু থেকে এ পর্যন্ত জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশের ১৬৮ জন সদস্য প্রাণ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রতি সুদানে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সন্ত্রাসী ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ছয় শান্তিরক্ষী। 
- ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী বর্বরোচিত ড্রোন হামলা চালায়। এ ঘটনায় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত ও ৯ জন আহত হন।

উৎস: i) আইএসপিআর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১৪,১২৬.
ঐতিহাসিক ছয় দফার প্রথম দফা কী ছিল?
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
  3. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
  4. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
ব্যাখ্যা
• 'ছয় দফা':
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত।
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।
- ছয় দফা আন্দোলনের প্রথম শহিদ - মনু মিয়া।

• দফা গুলো হলো:-
- প্রথম দফাঃ প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌।
- দ্বিতীয় দফাঃ কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- তৃতীয় দফাঃ মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- চতুর্থ দফাঃ রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- পঞ্চম দফাঃ বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- ষষ্ঠ দফাঃ আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,১২৭.
জাতীয় সংসদে বাংলা ভাষাকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য কত সালে আইন পাস হয়েছে?
  1. ১৯৭৫ সালে 
  2. ১৯৭৮ সালে 
  3. ১৯৮২ সালে 
  4. ১৯৮৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৭ সালে
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদে বাংলা ভাষাকে জীবনের সর্বস্তরে ব্যবহারের জন্য ১৯৮৭ সালে আইন পাস হয়েছে।

বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭:
- ১৯৪৭ সালে ভারত বর্ষ ভাগ হয়ে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর প্রথম আঘাতটাই আসে বাংলা ভাষার ওপর।
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনেই স্বাধীনতার বীজ বপন করা হয়েছিল, যা অঙ্কুরিত হয়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পরিপূর্ণতা লাভ করে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের জন্ম হয়।
- স্বাধীনতার পরপর সর্বস্তরে বাংলা ভাষা প্রয়োগের জন্য একাধিক পরিপত্র জারি করা হয়।
- সর্বোপরি ১৯৮৭ সালে বাংলা ভাষার প্রচলন আইন সংসদ কর্তৃক পাশ হয়। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৮৭ সালের ৮ মার্চ ‘বাংলা ভাষা প্রচলন আইন, ১৯৮৭’ প্রণয়ন করা হয়।
- ঐ আইনের ৩(১) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই আইন প্রবর্তনের পর বাংলাদেশের সর্বত্র তথা সরকারি অফিস-আদালত, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিদেশের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়া অন্য সব ক্ষেত্রে নথি ও চিঠিপত্র, আইন-আদালতের সওয়াল-জবাব এবং অন্যান্য আইনানুগ কার্যাবলি অবশ্যই বাংলায় লিখিত হবে।
- এই ধারা মোতাবেক কোনো কর্মস্থলে যদি কোনো ব্যক্তি বাংলা ভাষা ব্যতীত অন্য কোনো ভাষায় আবেদন বা আপিল করেন তা হলে তা বেআইনি ও অকার্যকর বলিয়া গণ্য হবে।’

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪,১২৮.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর পরিচালিত দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামারের সংখ্যা কতটি?
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ১১১টি
  4. ঘ) ২৪টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৪টি
ব্যাখ্যা
সারাদেশব্যাপী বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)-এর পরিচালিত বীজ উৎপাদন খামারের সংখ্যা -
- দানা শস্য বীজ উৎপাদন খামার – ২৪টি
- পাট বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- আলু বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- ডাল ও তৈলবীজ উৎপাদন খামার - ৪টি
- সবজি বীজ উৎপাদন খামার - ২টি
- চুক্তিবদ্ধ চাষী জোন - ১১১টি

[উৎস:অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১৪,১২৯.
জেল হত্যা দিবসে নিম্নের কাকে হত্যা করা হয়নি?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  4. ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমেদ
ব্যাখ্যা
জেল হত্যা দিবস: 
- প্রতি বছর ৩ নভেম্বর বাংলাদেশে জেল হত্যা দিবস পালিত হয়। 
- ১৯৭৫ সালের এই দিনে চার জাতীয় নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়: 
• সৈয়দ নজরুল ইসলাম (অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, মুজিবনগর সরকার)
• তাজউদ্দিন আহমদ (প্রধানমন্ত্রী, মুজিবনগর সরকার)
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
• এ এইচ এম কামরুজ্জামান

- রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ এবং বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডে জড়িত সেনা কর্মকর্তারা ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখার চেষ্টা করছিলেন।
- এই পরিস্থিতিতে চার শীর্ষ নেতার রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন ও পুনরুজ্জীবিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারত।
- খন্দকার মোশতাক ও বঙ্গবন্ধু হত্যাকারী সেনা কর্মকর্তারা আশঙ্কা করেছিলেন যে, এই চার নেতার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনরায় সংগঠিত হলে তাদের শাসন দীর্ঘস্থায়ী হবে না।
- তাদের প্রভাব এবং অভিজ্ঞতাকে ধ্বংস করার জন্যই কারাগারের ভেতরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়।
- হত্যার দিনেই দেশে সামরিক অভ্যুত্থান ঘটে, যার নেতৃত্ব দেন মেজর জেনারেল খালেদ মোশারফ।

উৎস: বিবিসি বাংলা (৩ নভেম্বর ২০১৭)
১৪,১৩০.
সরকারের যে বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করে তাকে কি বলে?
  1. আইন বিভাগ
  2. শাসন বিভাগ
  3. বিচার বিভাগ
  4. নির্বাচকমন্ডলী 
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইন বিভাগ
ব্যাখ্যা
• সরকার ব্যবস্থা:
→ সরকারের যে বিভাগ আইন প্রণয়ন, পরিবর্তন ও সংশোধন করে তাকে আইন বিভাগ বলে।
→ আইন বিভাগ কর্তৃক প্রণীত আইনকে যে বিভাগ বাস্তবায়িত করে সে বিভাগকে শাসন বিভাগ বা নির্বাহী বিভাগ বলে।
→ রাষ্ট্রের সকল ধরনের প্রশাসনিক কাজকর্ম শাসন বিভাগ দ্বারা সম্পাদিত হয়।
→ সরকারের যে বিভাগ বিচারিক কার্য সম্পাদন করে তাকে বিচার বিভাগ বলে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,১৩১.
আগরতলা মামলার বিচারকার্য ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. এস.এ.রহমান
  2. টি.এইচ.খান
  3. এম.আর.খান
  4. মকসুমুল হাকিম
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:
- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- মামলায় সাক্ষীর সংখ্যা ছিল ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,১৩২.
খাসিয়া উপজাতি বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে বাস করে?
  1. সিলেট
  2. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলে ও ভারতের আসামে এই জনগোষ্ঠী বাস করে।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- সিলেটের খাসিয়ারা সিনতেং গোত্রভুক্ত জাতি।
- খাসিয়াদের গ্রাম পুঞ্জি এবং পুঞ্জি প্রধান সিয়েম নামে পরিচিত।
- এদের আদি নিবাস ছিলো তিব্বতে।
- খাসিয়াদের পরিবার মাতৃতান্ত্রিক।
- খাসিয়াদের ধর্ম খ্রিস্টান।
- প্রধান দেবতার নাম উব্লাই নাংথউ।
- তারা প্রচুর পান ও মধুর চাষ করে। 

উল্লেখ্য,
-  ‘সেং কুটস্নেম’ বা বর্ষবিদায় খাসিয়াদের সর্বজনীন উৎসব। 
- খাসি সেং কুটস্নেম বাংলায় করলে হয় খাসি বর্ষবিদায়।
- ১৮৯৯ সাল থেকে খাসি জনগোষ্ঠীর লোকজন অনুষ্ঠান করলেও বাংলাদেশে তাঁরা ২০১১ সাল থেকে আয়োজন করছেন।
- ২৩ নভেম্বর ‘খাসি সেং কুটস্নেম’ পালন করা হয়। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ২৩ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
১৪,১৩৩.
বাংলাদেশে কোন সময়ের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড়ের তীব্রতা সবচেয়ে বেশি দেখা যায়?
  1. জানুয়ারি - ফেব্রুয়ারি
  2. ফেব্রুয়ারি - মার্চ
  3. এপ্রিল -  মে 
  4. জুন - জুলাই
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল -  মে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এপ্রিল -  মে 
ব্যাখ্যা

• কালবৈশাখী:
- বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের ধ্বংসাত্মক প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড় সুপরিচিত। 
- কালবৈশাখী ঝড় বায়ুপ্রবাহ ও ভারী বৃষ্টিপাতের সাথে সংঘটিত হয়।
- মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য মে মাসের মধ্যে কালবৈশাখী ঝড় তীব্র রূপ ধারণ করে।
- মূলত আর্দ্র ও শুষ্ক বায়ুপুঞ্জ পরস্পর মুখোমুখি হলে এইরূপ কালবৈশাখী ঝড়ের সৃষ্টি হয়।
- মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময় থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত বাংলাদেশের তাপমাত্রা পূর্ববর্তী মাসগুলির (শীতকালের মাসগুলি) তুলনায় দ্রুত বাড়তে থাকে।  
- এপ্রিল মাসের মাঝামাঝিতে সারা দেশে বিশেষ করে দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে দৈনিক তাপমাত্রা সর্বোচ্চ পরিমাণে বৃদ্ধি পায়।
- অস্থিতিশীল বায়ুমন্ডল আর দ্রুত পরিচলন ক্রিয়া কালবৈশাখীর উৎপত্তি ও বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক।
- কালবৈশাখীর গতি প্রতি ঘণ্টায় ৪০ হতে ৮০ কিলোমিটার। 
- অনেক সময় এ ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ১২৮ কিলোমিটারেরও বেশি হয়ে থাকে।  
- কালবৈশাখী সাধারণত বাংলাদেশের মধ্যভাগে বিশেষ করে ঢাকা, পাবনা, ফরিদপুর এলাকায় আঘাত হানে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,১৩৪.
বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল জন্মগ্রহণ করেন-
  1. ক) নোয়াখালী
  2. খ) নড়াইল
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) ভোলা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভোলা
ব্যাখ্যা
- বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল ১৯৪৭ সালে ভোলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি সেনাবাহিনীর সিপাহী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
- তিনি ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।
- তিনি ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে শহীদ হন।
- তাঁর সমাধি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়ায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,১৩৫.
এশিয়ার প্রথম সার কারখানা কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) রাজশাহীতে
  2. খ) ঢাকায়
  3. গ) চট্টগ্রামে
  4. ঘ) সিলেটে
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিলেটে
ব্যাখ্যা
সঠিক  উত্তর: সিলেটে 

সার শিল্প:

- ১৯৬১ সালে সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে প্রথম ।
- এশিয়ার প্রথম সার কারখানা হলো "ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড"(ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা)। যেটি সংক্ষেপে এনজিএফএফ (NGFF) নামে পরিচিত।
- ১১ আগস্ট, ২০২১ সালে নিলামে দ্বিগুণ দামে বিক্রি হয়েছে।
- সর্বোচ্চ দরদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিলামে ২১১ কোটি ৪০ লাখ ২৫ হাজার টাকা দিয়ে পুরাতন সারকারখানাটি স্ক্রেপ হিসেবে কিনে নেন মেসার্স সাইদুর রহমান। 

উৎস: লাইভ এম সি কিউ লেকচার।
১৪,১৩৬.
উৎপাদন খাতে নিয়োজিত মাঝারি শিল্পের সর্বনিম্ন স্থায়ী সম্পদের মূল্য কত হতে হয়?
  1. ৮ কোটি টাকা
  2. ১০ কোটি টাকা
  3. ১২ কোটি টাকা
  4. ১৫ কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

উৎপাদন খাতে নিয়োজিত মাঝারি শিল্পের সর্বনিম্ন স্থায়ী সম্পদের মূল্য ১৫ কোটি টাকা হতে হয়। 

মাঝারি শিল্প (Medium scale industries):

- ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।
- তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।
- সেবা শিল্পের ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ২ কোটি টাকা থেকে ৩০ কোটি টাকা পর্যন্ত কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৫১-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

১৪,১৩৭.
Who was responsible for causing the partition of Bengal?
  1. Lord Lytton
  2. Lord Wellesly
  3. Lord Dufferin
  4. Lord Minto
  5. Lord Curzon
সঠিক উত্তর:
Lord Curzon
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Lord Curzon
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ ও নতুন প্রদেশ সৃষ্টি: 
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করে দুটি প্রদেশ করা হয়।
- প্রধানত প্রশাসনিক প্রয়োজন এবং সেই সাথে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বিশাল আয়তনের বাংলা প্রদেশকে বিভক্ত করেন।
- পূর্ব বঙ্গের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিভাগের সাথে জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা, মালদাহ ও আসামকে যুক্ত করে পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ নামে একটি নতুন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়।
- নতুন প্রদেশের আয়তন দাঁড়ায় ১০৬,৫৪০ বর্গমাইল।
- জনসংখ্যা ৩ কোটি ১০ লক্ষ।
- এর মধ্যে ১ কোটি ৮০ লক্ষ ছিল মুসলমান।
- নতুন প্রদেশের রাজধানী করা হয় ঢাকা এবং অনুসঙ্গী সদর দপ্তর চট্টগ্রামে।

অন্য দিকে -
- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে আরেকটি প্রদেশ হয়।
- এর নামকরণ করা হয় বাংলা প্রদেশ।
- বাংলা প্রদেশের রাজধানী করা হয় কলকাতা।

উল্লেখ্য,
- নতুন প্রদেশে মুসলমানরা সংখ্যাগরিষ্ঠ হওয়ায় তারা কার্জনের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানায়।
- অন্যদিকে উচ্চ বর্ণের হিন্দুরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।
- কংগ্রেস এর বিরুদ্ধে একটি তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলে।
- শেষ পর্যন্ত সরকার ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করে ।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,১৩৮.
বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) কী ধরনের প্রতিষ্ঠান?
  1. অর্থনৈতিক ও স্বাস্থ্য বিষয়ক
  2. জলবায়ু বিষয়ক
  3. মানবিক ও উন্নয়ন ধর্মী
  4. প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ধর্মী
সঠিক উত্তর:
প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ধর্মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশিক্ষণ ও গবেষণা ধর্মী
ব্যাখ্যা

• বার্ডের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি:
- বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
-  বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) -এর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ড. আখতার হামিদ খান ।
- একাডেমি কর্তৃক উদ্ভাবিত পল্লী উন্নয়নের ‘কুমিল্লা মডেল’ এর জন্য বার্ড দেশে-বিদেশে সুখ্যাতি অর্জন করে। 
- পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে। 
- এছাড়াও পল্লী উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে বিশেষ অবদানের জন্য বার্ড জাতীয় পল্লী উন্নয়ন পদক-২০১৩ অর্জন করে এবং ২০২২ সালে বার্ড আজিজ-উল-হক রুরাল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০২২ পাওয়ার গৌরব অর্জন করে।

উৎস: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)।

১৪,১৩৯.
বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির ন্যূনতম বয়স কত?
  1. ১৬ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ১২২(২) খ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির নূন্যতম বয়স ১৮ বছর।
------------------------ 
সপ্তম ভাগ: নির্বাচন - 

অনুচ্ছেদ-১২২: ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা-

(১) প্রাপ্ত বয়স্কের ভোটাধিকার-ভিত্তিতে সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হইবে।  
(২) কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার-তালিকাভু্ক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি 
(ক) তিনি বাংলাদেশের নাগরিক হন; 
(খ) তাঁহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়; 
(গ) কোন যোগ্য আদালত কর্তৃক তাঁহার সম্পর্কে অপ্রকৃতিস্থ বলিয়া ঘোষণা বহাল না থাকিয়া থাকে; 
(ঘ) তিনি ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বা আইনের দ্বারা ঐ নির্বাচনী এলাকার অধিবাসী বিবেচিত হন; এবং  
(ঙ) তিনি ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ যোগসাজশকারী (বিশেষ ট্রাইব্যুনাল) আদেশের অধীন কোন অপরাধের জন্য দণ্ডিত না হইয়া থাকেন। 

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,১৪০.
বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে কত সালে? 
  1. ২০২৪ সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২৩ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২২ সালে
ব্যাখ্যা

- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।

• নজরুল পুরস্কার-২০২৫:

 - ২০২৫সালে নজরুল পুরস্কার পেয়েছেন নজরুল গবেষক অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারী।
- বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫সালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৬তম জন্মবার্ষিকী ছিল।
- বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক। 
- মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম।
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ২ লাখ টাকার চেক, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক এবং পুষ্পস্তবক।

উৎস: বাংলা একাডেমী ওয়েবসাইট।[ লিঙ্ক]

১৪,১৪১.
‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ কোন ধরনের পরিকল্পনা?
  1. ৫০ বছরের পরিকল্পনা
  2. দশ বছরের পরিকল্পনা
  3. শতবর্ষী পরিকল্পনা
  4. ত্রৈমাসিক পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
শতবর্ষী পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শতবর্ষী পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা

• বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০ :
-বাংলাদেশ বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ একটি শতবর্ষী পরিকল্পনা।
- ’দ্বীপ পরিকল্পনা-২১০ ‘ ৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে ‘ অনুমোদন করা হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ’বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করে- নেদারল্যান্ড।

• বাংলাদেশে ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে সমগ্র দেশকে মোট ৬টি হটস্পটে বিভক্ত করা হয়েছে।
হটস্পটগুলো হচ্ছে:
১।  উপকূলীয় অঞ্চল, 
২ ।বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল,
৩। হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল, 
৪। পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল, 
৫। নদী ও মোহনা অঞ্চল এবং 
৬। নগরাঞ্চল ।

 উৎস:  বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।

১৪,১৪২.
বাংলাদেশের বিচার বিভাগ কয়স্তর বিশিষ্ট?
  1. ক) ৪ স্তর
  2. খ) ২ স্তর
  3. গ) ১ স্তর
  4. ঘ) ৩ স্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ স্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ২ স্তর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ মূলত দ্বি-স্তর বিশিষ্ট। উচ্চ আদালত ও নিম্ন আদালত। 
- উচ্চ আদালত বা সুপ্রীম কোর্ট আবার আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত।
- ন্যায়বিচারের মানদন্ডকে সমুন্নত রেখে নিরপেক্ষ বিচার অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিক অধিকার বাস্তবায়ন, শাসক ও শাসিতের সম্পর্ককে সংহত ও শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশের সংবিধানে সুপ্রিম কোর্ট নামে একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। 
- সুপ্রিম কোর্ট সংবিধান বহির্ভূত কোনো বিধানকে অবৈধ ঘোষণা করে শাসনতন্ত্রকে সুনির্দিষ্ট পথে পরিচালিত হতে সাহায্য করে।
 
উৎস: পৌরনীতি, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৪,১৪৩.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের কতটি সাধারণ নির্বাচনী আসন ছিল?
  1. ৩১৬টি
  2. ৩১৩টি
  3. ৩১০টি
  4. ৩০০টি
সঠিক উত্তর:
৩০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০টি
ব্যাখ্যা
১৯৭০ সালের নির্বাচন:
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচনী আসন সর্বমোট ৩১৩ টি।
- যেখানে ১৩ টি মহিলা আসন ছিল।
- পাঁচটি প্রাদেশিক পরিষদে ৬২১ টি আসনের বিপরীতে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে।
- পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ আসন ছিল ৩০০টি। 
জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের আসন
অঞ্চল জাতীয় পরিষদ প্রাদেশিক পরিষদ
সাধারণ মহিলা মোট সাধারণ মহিলা মোট
পূর্ব পাকিস্তান ১৬২ ১৬৯ ৩০০ ১০ ৩১০
পাঞ্জাব ৮২ ৮৫ ১৮০ ১৮৬
সিন্ধু ২৭ ২৮ ৬০ ৬২
উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত ১৮ ১৯ ৪০ ৪২
বেলুচিস্তান ২০ ২১
কেন্দ্র শাসিত এলাকা - - -
মোট ৩০০ ১৩ ৩১৩ ৬০০ ২১ ৬২১
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,১৪৪.
বাংলাদেশ IDA এর সদস্যপদ লাভ করে কত সালে?
  1. ক) ১৯৭২
  2. খ) ১৯৭৩
  3. গ) ১৯৭৪
  4. ঘ) ১৯৯৭
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭২
ব্যাখ্যা
 IDA (International Development Association) তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে। যার কারণে IDA কে Soft Loan Window বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৩টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IDA এর সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ IDA থেকে সর্বাধিক অর্থ সহায়তা পায়।
(তথ্যসূত্রঃ IDA ওয়েবসাইট)
১৪,১৪৫.
একাধিক আসনে বিজয়ী প্রার্থী কোন আসনে প্রতিনিধিত্ব করতে চান তা কতদিনের মধ্যে নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হয়?
  1. ক) ১৫ দিন
  2. খ) ২০ দিন
  3. গ) ২৫ দিন
  4. ঘ) ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
কোনো ব্যক্তি একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনি এলাকার সংসদ সদস্য হবেন না। যদি কেউ একই সময়ে দুই বা ততোধিক নির্বাচনি এলাকা থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন, তা হলে নির্বাচনের ৩০ দিনের মধ্যে তিনি কোন নির্বাচনি এলাকার প্রতিনিধিত্ব করতে চান তা নির্বাচন কমিশনকে জানাতে হবে। তা না হলে তাঁর সকল আসন শূন্য হবে।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১৪,১৪৬.
'সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে কয়টি স্কিম রাখা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম):
- দেশের নাগরিকদের পেনশন ব্যবস্থার আওতায় আনতে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম) চালু করছে সরকার।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকারি গেজেট প্রজ্ঞাপন জারির আগে সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা সরকারি পেনশন স্কিমে অংশ নিতে করতে পারবেন না।
- চাঁদাদাতার বয়স ৬০ বছর হওয়ার পর তার ব্যাংক হিসাবে অথবা মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের মাধ্যমে মাসিক পেনশন দেওয়া হবে।
- সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে ৪টি স্কিম রাখা হয়েছে।
- এগুলো হলো যথাক্রমে প্রবাস স্কিম, প্রগতি স্কিম, সুরক্ষা ও সমতা স্কিম।
- বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানরত যে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক নির্ধারিত অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় জমা দিয়ে এই স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- জাতীয় পরিচয়পত্র ভিত্তি ধরে ১৮ বছরে থেকে শুরু করে ৫০ বছর বয়সী বাংলাদেশি নাগরিক সর্বজনীন পেনশন স্কিমে অংশগ্রণ করতে পারবে।
- পেনশনে থাকাকালে ৭৫ বছর পূর্ণ হওয়ার আগে মৃত্যুবরণ করলে পেনশনারের নমিনি বাকি সময়ের (মূল পেনশনারের বয়স ৭৫ বছর পর্যন্ত) জন্য মাসিক পেনশন পাবেন।

উৎস: ১৭ আগস্ট, ২০২৩, দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১৪,১৪৭.
কোটা সংস্কার আন্দোলনের প্রথম শহিদ আবু সাঈদ পুলিশের গুলিতে নিহত হয় কবে?
  1. ১৬ জুলাই, ২০২৪
  2. ১৭ জুলাই, ২০২৪
  3. ১৮ জুলাই, ২০২৪
  4. ১৯ জুলাই, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ জুলাই, ২০২৪
ব্যাখ্যা
শহীদ আবু সাঈদ:
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
- ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে তিনি রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহীদ হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।
- কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি লুটিয়ে পড়েন।
- বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
- এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে আরও গতিশীল হয় কোটা সংস্কার আন্দোলন।
- ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান হাসিনা।

উৎস: i) বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) প্রথম আলো।
১৪,১৪৮.
বর্তমানে তফসিল বহির্ভূত ব্যাংক সংখ্যা কতটি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
• আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
• কর্মসংস্থান ব্যাংক,
• গ্রামীণ ব্যাংক,
• জুবিলি ব্যাংক,
• পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক।

১৪,১৪৯.
সংসদীয় পরিভাষায় ‘ট্রেজারি বেঞ্চ’ কী?
  1. ক) স্পিকারের আসন
  2. খ) সংসদ-কক্ষের মাঝের দিকের আসন
  3. গ) সংসদ-কক্ষের পিছনের দিকের আসন
  4. ঘ) সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসন
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসন
ব্যাখ্যা
• সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ। 
• সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন। 
• স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ। 
• ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
• সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার। 
• এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া ।
১৪,১৫০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদবলে বাংলাদেশের নাগরিকগণ “বাংলাদেশী” বলে পরিচিত হন?
  1. ৬ (২) নং
  2. ৭ক নং
  3. ৪ নং
  4. ১০ নং
সঠিক উত্তর:
৬ (২) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ (২) নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ১ম ভাগের প্রজাতন্ত্র ৬ নং অনুচ্ছেদ: নাগরিকত্ব
- ৬ (১) নং বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
- ৬ (২) নং বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী হিসেবে পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- সংবিধানের ১০ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি।
- সংবিধানের ৪ নং অনুচ্ছেদের জাতীয় পতাকার কথা বলা হয়েছে।
- সংবিধানের ৭ক নং অনুচ্ছেদে সংবিধান বাতিল, স্থগিতকরণ, ইত্যাদি অপরাধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৪,১৫১.
বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান কত?
  1. ক) ৫৩-তম
  2. খ) ৫৭-তম
  3. গ) ৫৮-তম
  4. ঘ) ১০১-তম
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৩-তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৩-তম
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা সূচক:
জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা আন্তর্জাতিক টেলিযোগযোগ ইউনিয়ন (ITU) ১৮২টি দেশকে অন্তর্ভুক্ত করে ‘Global Cybersecurity Index 2020’ সূচক প্রকাশ করে জুন, ২০২১।
সূচক অনুযায়ী - 
- সাইবার নিরাপত্তা সূচকে শীর্ষ দেশ: যুক্তরাষ্ট্র।
- সাইবার নিরাপত্তা সূচকে সর্বনিম্ন দেশ: উত্তর কোরিয়া।
- সাইবার নিরাপত্তা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান: ৫৩-তম।
১৪,১৫২.
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি' গানটির শিল্পী কে?
  1. সমর দাস
  2. আব্দুল জব্বার
  3. গোবিন্দ হালদার
  4. আপেল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র:
- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পরপরই বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বেতার সম্প্রচার কেন্দ্র।
- চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র থেকে এর প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের প্রচারিত গানগুলো মানুষকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের প্রেরণা যুগিয়েছে।

⇒ তীর হারা এই ঢেউয়ের সাগর:
- কথা ও সুর: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: রথীন্দ্রনাথ রায়।

⇒ পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল রক্ত লাল:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: সমর দাস।
- গানটি কয়েকজন শিল্পীর সমবেত কণ্ঠে প্রচার করা হয়।

⇒ মোরা একটি ফুলকে বাঁচাব বলে যুদ্ধ করি:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: আপেল মাহমুদ।

⇒ এক সাগর রক্তের বিনিময়ে:
- গীতিকার: গোবিন্দ হালদার।
- সুরকার: আপেল মাহমুদ।
- শিল্পী: স্বপ্না রায়।

⇒ সালাম সালাম হাজার সালাম:
- গীতিকার: ফজলে খোদা।
- সুরকার: আব্দুল জব্বার।
- শিল্পী: আব্দুল জব্বার।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।
১৪,১৫৩.
ঢাকায় প্রস্তাবিত পাতাল রেলের দৈর্ঘ্য কত হবে?
  1. ক) ১৩ কি.মি.
  2. খ) ২৩ কি.মি.
  3. গ) ২২ কি.মি.
  4. ঘ) ১৯ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২২ কি.মি.
ব্যাখ্যা
ঢাকায় প্রস্তাবিত পাতাল রেলের দৈর্ঘ্য হবে - ২২ কি.মি. [উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, অক্টোবর- ২০১৯]
১৪,১৫৪.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতিকরণের লক্ষ্যে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন?
  1. ১৪নং অনুচ্ছেদ
  2. ১৬নং অনুচ্ছেদ
  3. ১৫নং অনুচ্ছেদ
  4. ১৭নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
১৬নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ১৬নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবন যাত্রার মানের বৈষম্য ক্রমাগতভাবে দূর করবার উদ্দেশ্যে কৃষিবিপ্লবের বিকাশ, গ্রামাঞ্চলে বৈদ্যুতিকরণের ব্যবস্থা, কুটিরশিল্প ও অন্যান্য শিল্পের বিকাশ এবং শিক্ষা, যোগাযোগ-ব্যবস্থা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নের মাধ্যমে গ্রামাঞ্চলের আমূল রূপান্তরসাধনের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।  

অন্যদিকে: 
- অনুচ্ছেদ - ১৪: কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি। 
- অনুচ্ছেদ - ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা। 
- অনুচ্ছেদ - ১৭: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান। 
১৪,১৫৫.
পঞ্চম আদমশুমারি রিপোর্ট অনুসারে কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক?
  1. ক) সিলেট
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) খুলনা
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বরিশাল
ব্যাখ্যা
পঞ্চম আদমশুমারি রিপোর্ট অনুসারে দেশে ৭ বছর ও তার উর্ধ্বের জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাক্ষরতার হার ৫৬.০৯ শতাংশ। এছাড়া শুধু পড়তে পারে এমন জনগোষ্ঠীর হার ৭.৮৩ শতাংশ। বিভাগ অনুযায়ী সাক্ষরতার হার সর্বাধিক বরিশাল বিভাগে এবং সর্বনিম্ন সিলেট বিভাগে।
বরিশাল বিভাগ - ৫৯.৫৫ শতাংশ
চট্টগ্রাম বিভাগ - ৫৯.৪৮ শতাংশ
ঢাকা বিভাগ - ৫৬.৯৮ শতাংশ
খুলনা বিভাগ - ৫৬.৮০ শতাংশ
রাজশাহী বিভাগ - ৫৩.২৫ শতাংশ
রংপুর বিভাগ - ৫১.৯৭ শতাংশ
সিলেট বিভাগ - ৪৯.৭৮ শতাংশ
[তবে পঞ্চম আদমশুমারি পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিভাগ ভেঙ্গে ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টির পর সাক্ষরতার হার ঢাকা বিভাগে ৬০.৫৭ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫.৩৮ শতাংশ]
সর্বশেষ বিবিএস SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশের ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার সাক্ষরতার হার ৭৪.৪ শতাংশ এবং ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার সাক্ষরতার হার ৭৪.৭ বছর।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১৪,১৫৬.
সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র নারী সদস্য কে ছিলেন?
  1. সুফিয়া কামাল
  2. বেগম রোকেয়া
  3. বেগম রাজিয়া বানু
  4. সেলিনা পারভীন
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশ গণপরিষদ হল ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পাকিস্তানের জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে, বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক  সংবিধান  অধিবেশন।
- রাষ্ট্রপতি গণপরিষদের আহ্বান করেন-১০  এপ্রিল ১৯৭২।
- গণ পরিষদের খসড়া সংবিধান উত্থাপিত হয় ১২ অক্টোবর ১৯৭২
- গৃহীত হয় -৪ নভেম্বর ১৯৭২।
- কার্যকর হয় -১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২।
- গণপরিষদে খসড়া সংবিধান উত্থাপন করেন- ড. কামাল হোসেন।   
- গণপরিষদের স্পিকার ছিলেন- শাহ আব্দুল হামিদ।
- গণ পরিষদের  ডেপুটি স্পিকার  ছিলেন-মোহাম্মদ উল্লাহ।
- গণ পরিষদের প্রথম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন- মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগী।
- সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন-৩৪ জন।
- একমাত্র নারী সদস্য- বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র বিরোধী দলের সদস্য ছিলেন- সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,১৫৭.
বাংলাদেশে শিক্ষাক্রম অনুসারে পাঠ্যপুস্তক ও অন্যান্য শিখন উপকরণ উন্নয়ন ও পরিমার্জন করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. DPE
  2. NAPE
  3. NCTB
  4. NAEM
সঠিক উত্তর:
NCTB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NCTB
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (NCTB):
- জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড NCTB নামে পরিচিত।
- এর পূর্ণরূপ National Curriculum & Textbook Board.
- বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য,
- এনসিটিবি প্রাক-প্রাথমিক, প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও পরিমার্জনের জন্য শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করে। এটি জাতীয় শিক্ষাক্রম অনুসারে পাঠ্যপুস্তক ও অন্যান্য শিখন উপকরণ উন্নয়ন ও পরিমার্জন করে, এটি দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

তথ্যসূত্র - NCTB ওয়েবসাইট।

১৪,১৫৮.
সার্বিকভাবে বৈশ্বিক রেমিট্যান্স প্রবাহে বাংলাদেশের অবস্থান -
  1. ক) ৯ম
  2. খ) ৮ম
  3. গ) ৭ম
  4. ঘ) ৫ম
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ম
ব্যাখ্যা
বৈশ্বিক রেমিটেন্স প্রবাহ:
গত ২৯ অক্টোবর ২০২০ বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে ‘COVID-19 Crisis Through a Migration Lens’ নামক প্রতিবেদন। প্রতিবেদন অনুযায়ী প্রবাসী আয়ে-
শীর্ষ দেশ- ভারত
দ্বিতীয়- চীন
অষ্টম- বাংলাদেশ (উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান - সপ্তম)
১৪,১৫৯.
বায়োফ্লক পদ্ধতি কোনটির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) মুরগী পালন
  2. খ) মাছ চাষ
  3. গ) ধান মাড়াই
  4. ঘ) বনায়ন
সঠিক উত্তর:
খ) মাছ চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাছ চাষ
ব্যাখ্যা
- বায়োফ্লক হলো বর্তমান সময়ের মাছ চাষের একটি জনপ্রিয় পদ্ধতি।
- বায়োফ্লক এমন একটি পদ্ধতি যেখানে জৈব বর্জ্যের পুষ্টি থেকে পুনঃব্যবহারযোগ্য খাবার তৈরি করা হয়। যে ব্যাকটেরিয়া ও শৈবাল তৈরি হয় তা পানিতে উৎপন্ন হওয়া নাইট্রোজেন গঠিত জৈব বর্জ্যকে খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে অ্যামোনিয়া গ্যাস তৈরি হতে না দিয়ে নিজেদের বংশ বাড়ায় এবং এটিকেই ফ্লক বলে।
- এসব ফ্লকে প্রচুর উপাদান থাকে, যা মাছের পুষ্টির যোগান দেয়।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিতে বিশেষ ব্যবস্থাপনায় অল্প জায়গায় বিপুল পরিমান মাছ চাষ করা হয়।
- বায়োফ্লক পদ্ধতিটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া থেকে বাংলাদেশে এসেছে।
(সূত্র: বিবিসি বাংলা)
১৪,১৬০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জোরপূর্বক শ্রম থেকে নাগরিককে সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৩৭
  2. অনুচ্ছেদ ৩২
  3. অনুচ্ছেদ ৩৪
  4.  অনুচ্ছেদ ৩৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৩৪
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ৩৪: মৌলিক অধিকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ 

(১) সকল প্রকার জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধ; এবং এই বিধান কোনভাবে লঙ্ঘিত হইলে তাহা আইনতঃ দণ্ডনীয় অপরাধ বলিয়া গণ্য হইবে।

(২) এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই সেই সকল বাধ্যতামূলক শ্রমের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে না, যেখানে
(ক) ফৌজদারী অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তি আইনতঃ দণ্ডভোগ করিতেছেন; অথবা
(খ) জনগণের উদ্দেশ্যসাধনকল্পে আইনের দ্বারা তাহা আবশ্যক হইতেছে।

অন্যদিকে,
অনুচ্ছেদ ৩৭ হলো সমাবেশের স্বাধীনতা।
অনুচ্ছেদ ৩২ হলো জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ।
 অনুচ্ছেদ ৩৫ হলো  বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

১৪,১৬১.
মুজিবনগর সরকারের ‘ক্যাবিনেট সচিব’ ছিলেন -
  1. ক) খন্দকার আসাদুজ্জামান
  2. খ) আবু সাঈদ চৌধুরী
  3. গ) এইচ টি ইমাম
  4. ঘ) লুৎফর রহমান
সঠিক উত্তর:
গ) এইচ টি ইমাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এইচ টি ইমাম
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের ‘ক্যাবিনেট সচিব’ ছিলেন - এইচ টি ইমাম।

• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 

- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলের - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী - এএইচএম কামরুজ্জামান।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, এস এস এইচ এল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,১৬২.
স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট কতটি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ক) ৫ টি
  2. খ) ৬ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫ টি
ব্যাখ্যা

- স্বাধীন বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট ৫টি উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশে উপজেলা পরিষদ ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় ১৯৮২ সালে। এর অধীনে ১৯৮২ সালের ৭ নভেম্বর প্রথম ৪৫টি থানাকে এবং পরবর্তীতে ৪৬০টি থানাকে উপজেলায় উন্নীত করা হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রথম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এরপর ১৯৯০, ২০০৯, ২০১৪ এবং সর্বশেষ ২০১৯ সালে পঞ্চম উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র;- বাংলাপিডিয়া এবং নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।

১৪,১৬৩.
বর্তমানে বাংলাদেশে মাথাপিছু আয় কত মার্কিন ডলার? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ২,৭৩৪ মার্কিন ডলার
  2. ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার
  3. ২,৭৬৫ মার্কিন ডলার
  4. ২,৮২০ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২,৮২০ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা

• মাথাপিছু আয়:
- দেশের অভ্যন্তরের আয়ের পাশাপাশি প্রবাসী আয়সহ যত আয় হয়, তা একটি দেশের মোট জাতীয় আয়। সেই জাতীয় আয়কে মাথাপিছু ভাগ করে মাথাপিছু আয় হিসাব করা হয়।
- বাংলাদেশের মানুষের বর্তমান মাথাপিছু আয় ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি ২,৬৭১ মার্কিন ডলার।

- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী জিডিপির সাথে বিনিয়োগ, দেশজ সঞ্চয় এবং জাতীয় সঞ্চয়-এর অনুপাত দাঁড়িয়েছে যথাক্রমে ২৯.৩৮%, ২৩.২৫% এবং ২৯.০১%।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী মাথাপিছু আয় দাঁড়িয়েছে ৩৩৯,২১১ টাকা (২,৮২০ ইউএস ডলার)। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ওয়েবসাইট।

১৪,১৬৪.
প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ'- এর আহ্বায়ক মনোনীত হন কে?
  1. গোলাম মাহবুব
  2. আবুল কাসেম
  3. নূরুল হক ভূঁইয়া 
  4. জিয়াউল হক
সঠিক উত্তর:
নূরুল হক ভূঁইয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নূরুল হক ভূঁইয়া 
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠন: 
- ১৯৩৭ সাল থেকে ভাষা বিতর্ক শুরু হয়।
- তমদ্দুন মজলিসের উদ্যোগে- ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক মনোনীত হন নূরুল হক ভূঁইয়া।
- পরবর্তীকালে এ উদ্দেশ্যে আরও কয়েকটি কমিটি গঠিত হয়।
- কিন্তু প্রাথমিক পর্যায়ে তমদ্দুন মজলিসের গঠিত প্রথম সংগ্রাম পরিষদটি গুলুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দের ১ ফেব্রুয়ারি সংগ্রাম পরিষদের সাথে আলোচনার পর শিক্ষামন্ত্রী ফজলুর রহমান আশ্বাস দেন যে, মানি অর্ডার, ফরম, ডাকটিকিট ও মুদ্রায় ইংরেজি-উর্দুর পাশাপাশি বাংলায় লেখা হবে।
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান ১৮ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দেয়া বক্তৃতায় সুকৌশলে উর্দুকে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণা দিলে ছাত্রদের মধ্যে হতে 'না' 'না' ধ্বনি সম্বলিত প্রতিবাদ ওঠে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,১৬৫.
সরকারের বাজেটে রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস কোনটি? 
  1. বিদেশি অনুদান
  2. কর
  3. রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের মুনাফা
  4. বিদেশি ঋণ
সঠিক উত্তর:
কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎসসমূহ:
- বাংলাদেশ সরকার বার্ষিক রাজস্ব ও উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহের জন্য যে সমস্ত উৎস থেকে সম্পদ সংগ্রহ করে তাকে সরকারের আয়ের উৎস বলে।
- যে সমস্ত বিভিন্ন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারে মোট প্রাপ্তি সংগৃহীত হয় তা দু'ভাগে বিভক্ত, যথা-
• কর রাজস্ব এবং
• কর বহির্ভূত রাজস্ব।

কর রাজস্ব:
- কর বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস।
- বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নরূপ:
১। আয় ও মুনাফা কর,
২। আমদানি শুল্ক,
৩। মুল্য সংযোজন কর,
৪। আবগারি শুল্ক,
৫। সম্পূরক শুল্ক:, ৬। যানবাহন কর,
৭। ভূমি রাজস্ব,
৮। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয়,
৯। অন্যান্য কর ও শুল্ক।

কর বহির্ভূত রাজস্বের প্রধান:
১। লভ্যাংশ ও মুনাফা,
২। সুদ,
৩। প্রশাসনিক রাজস্ব,
৪। রেলওয়ে,
৫। ডাক বিভাগ,
৬। সেবা বাবদ প্রাপ্তি,

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

১৪,১৬৬.
সংবিধানের কয়টি সংশোধনী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক বাতিল হয়েছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান গণপরিষদে গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

⇒ সংবিধান সংশোধন হয়েছে ১৭ বার।
- এর মধ্যে চারটি সংশোধনী ইতিমধ্যে সুপ্রিম কোর্ট বাতিল করেছে।
- সংবিধানের ১৭টি সংশোধনীর মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়ে ৪ বার, জিয়াউর রহমানের সময় ২ বার, এরশাদের সময় ৪ বার, শেখ হাসিনার সরকারের সময় ৩ বার ও খালেদা জিয়ার সরকারের সময়ে ৪ বার সংবিধান সংশোধন করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই সংসদে সংবিধানের ১ম সংশোধনী পাশ হয়।
- সংবিধানের সর্বশেষ, অর্থাৎ সপ্তদশ সংশোধনী হয় ২০১৮ সালের ৮ জুলাই। 

উৎস: i) বাংলাদেশের সংবিধান।
ii) ৭ এপ্রিল, ২০২৩, দৈনিক ইত্তেফাক।
১৪,১৬৭.
দেশের বাইরে বঙ্গবন্ধুর প্রথম স্থায়ী প্রতিকৃতি কোথায় স্থাপন করা হয়?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) যুক্তরাজ্য
  3. গ) কানাডা
  4. ঘ) সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
১৬ আগস্ট, ২০২০ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান অঙ্গরাজ্যের হ্যামট্র্যাম্যাক শহরে বঙ্গবন্ধুর স্থায়ী প্রতিকৃতি (ম্যুরাল) স্থাপন করা হয়। এটি দেশের বাইরে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর প্রথম স্থায়ী প্রতিকৃতি।
১৪,১৬৮.
বাংলাদেশে অর্থবছর হিসেবে ব্যবহত হয়-
  1. জুন-জুলাই
  2. জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি
  3. জুলাই-জুন
  4. ডিসেম্বর-জানুয়ারি
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
ব্যাখ্যা
বাজেট:
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর জুলাই থেকে জুন।
- অর্থবছর শুরু হয় - ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি বাজেট। 
- সংসদে বাজেট পেশ করেন - অর্থমন্ত্রী।
- এজন্যে বাংলাদেশের বাজেট কার্যকর হয় ১ জুলাই থেকে।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে প্রথম বাজেট উপস্থাপন করা হয়।
- এই বাজেটটি ছিল ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পেশ করা প্রথম বাজেট ছিল।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো ।
১৪,১৬৯.
ঐতিহাসিক “ছয় দফা দাবিতে” যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-
  1. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  2. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  3. শিক্ষা নীতি
  4. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা নীতি
ব্যাখ্যা

• ছয় দফা কর্মসূচি:
- ছয় দফা কর্মসূচিকে বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রামের ‘ম্যাগনাকার্টা’ বলা হয়, কারণ এটি স্বাধীনতার ভিত্তি গড়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল। -
- ছয় দফার মূল উদ্দেশ্য ছিল:
∗ পাকিস্তানকে একটি ফেডারেল রাষ্ট্রে রূপান্তর করা;
∗ এবং পূর্ব পাকিস্তানকে (বর্তমান বাংলাদেশ) পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান করা।
- এই কর্মসূচির ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের লাহোর প্রস্তাব।
- ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর মহাসম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবিসহ ছয় দফা ঘোষণা করেন।
- এই ছয় দফা ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে পেশ করা হয়।
- ঐতিহাসিক “ছয় দফা দাবিতে” অন্তর্ভুক্ত ছিল না- শিক্ষা নীতি।


উল্লেখ্য, 
ছয় দফার দফাগুলো ছিল:
১. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন;
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা সীমিত করা;
৩. মুদ্রা ও অর্থ-সংক্রান্ত ক্ষমতা;
৪. রাজস্ব, কর ও শুল্কের নিয়ন্ত্রণ;
৫. বৈদেশিক বাণিজ্য সম্পর্কিত ক্ষমতা;
৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা;
- এই কর্মসূচি বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ হিসেবে পরিচিত।

উৎস:
ইতিহাস ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি;
বাংলাপিডিয়া। 

১৪,১৭০.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস
  2. পেইরি কেইন স্পেস
  3. থ্যালেস এলেনিয়া স্পেস
  4. ওইয়াল্প আইল্যান্ড স্পেস
সঠিক উত্তর:
থ্যালেস এলেনিয়া স্পেস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থ্যালেস এলেনিয়া স্পেস
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের  থ্যালেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু ১।
- বাংলাদেশ সময় ১১ মে, ২০১৮ তারিখে রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ১ মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব
কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে
পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে। 
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১, portal.gov.bd.
১৪,১৭১.
কত সালে বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথা চালু হয়?
  1. ১৭৯০ সালে
  2. ১৭৯১ সালে
  3. ১৭৯২ সালে
  4. ১৭৯৩ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:
- ১৭৯৩ সালের ২২শে মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে বাংলার কৃষকরা জমির উপর তাদের মালিকানা হারায়।
- ১৯৫০ সালের ‘পূর্ববঙ্গ জমিদার অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনে’র ফলে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রথার বিলুপ্তি হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪,১৭২.
একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে দুইবার মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন কে?
  1. মুসা ইব্রাহিম 
  2. নিশাত মজুমদার
  3. এম এ মুহিত
  4. ওয়াসফিয়া নাজনীন
সঠিক উত্তর:
এম এ মুহিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম এ মুহিত
ব্যাখ্যা

এম. এ. মুহিত:
- একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে দুইবার মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন এম এ মুহিত।
- ২০১১ সালের ২১ মে এম এ মুহিত প্রথমবার এভারেস্ট জয় করেন।
- ২০১২ সালের ২০ মে তিনি আবারও এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন।
- তিনিই একমাত্র বাংলাদেশি, যিনি দুবার এভারেস্ট জয় করেছেন।
- মুহিত ২০১০ সালে এভারেস্ট অভিযানে গেলেও বিরূপ আবহাওয়ার কারণে সে সময় ব্যর্থ হন।

উল্লেখ্য, এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন। তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
iii) The Daily Star.

১৪,১৭৩.
Sadharan Bima Corporation is entitled to _____of public sector insurance business in Bangladesh. 
  1. 20%
  2. 30%
  3. 40%
  4. 50%
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
50%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50%
ব্যাখ্যা
সাধারণ বীমা কর্পোরেশন:
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একমাত্র রাষ্ট্রীয় সাধারণ বীমা প্রতিষ্ঠান যা সরাসরি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রত্যক্ষ নিয়ন্ত্রণ ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- বাংলাদেশের সকল ধরণের সাধারণ বীমা ও পুনঃবীমা ব্যবসা করার জন্য বীমা কর্পোরেশন আইন ১৯৭৩ (এক্ট নং ৬) এর অধীনে ১৯৭৩ সালের ১৪ মে এটি গঠিত হয়।
- বর্তমানে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত সাধারণ বীমা ব্যবসায় একমাত্র বীমা প্রতিষ্ঠান হিসাবে কাজ করতে থাকে।
- ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ সরকার ব্যক্তি মালিকানাধীন বীমা কোম্পানির অনুমোদন প্রদান করে এবং সে লক্ষ্যে বীমা কর্পোরেশন অধ্যাদেশ (সংশোধীত) ১৯৮৪ করে ।

⇒ সাধারণ বীমা কর্পোরেশন একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
- সাধারণ বীমা কর্পোরেশন দেশের সবচেয়ে বড় বীমা প্রতিষ্ঠান।
- এর অনুমোদিত মূলধন ১৫০০ কোটি টাকা, পরিশোধিত মূলধন ৯০০ কোটি টাকা।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন, ২০১৯ এর ধারা ১৬(১) অনুযায়ী বাংলাদেশের সরকারি সম্পত্তি বা সরকারি সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট কোন ঝুঁকি বা দায় সম্পর্কিত সকল প্রকার নন-লাইফ বীমা ব্যবসা সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১০০% (একশত ভাগ) অবলিখন (underwrite) করে এর ৫০% নিজের মধ্যে রেখে অবশিষ্ট ৫০% সকল বেসরকারি নন-লাইফ বীমা কোম্পানির মধ্যে সমহারে বন্টন করে দেয়।
- উল্লেখ্য, এই আইনের ধারা ১৬(৩) অনুযায়ী ধারা ১৬(১) এর বিধান লঙ্ঘন করে গৃহীত বা ইস্যুকৃত যে কোন বীমা বাতিল বলে গণ্য হবে।

⇒ বীমা কর্পোরেশন আইন-২০১৯ অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তির অনুকূলে শুধু সাধারণ বীমা কর্পোরেশন থেকে সকল ধরনের বীমা পলিসি গ্রহণ করার বিধান রয়েছে।
- বীমা কর্পোরেশন আইন-২০১৯ অনুযায়ী সরকারি সম্পত্তির বীমাকরণ সম্পর্কিত বিধান নিম্নরূপঃ ধারা ১৬। সরকারি সম্পত্তি বীমাকরণঃ-
(১) কোনো সরকারি সম্পত্তি অথবা সরকারি সম্পত্তি সংশ্লিষ্ট কোনো ঝুঁকি বা দায় সম্পর্কিত সকল প্রকার নন-লাইফ বীমা ব্যবসা সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ১০০% (শতকরা একশত ভাগ) অবলিখন (underwrite) করিয়া উহার ৫০% (শতকরা পঞ্চাশ ভাগ) নিজের নিকট রাখিয়া অবশিষ্ট ৫০% (শতকরা পঞ্চাশ ভাগ) সকল বেসরকারি নন-লাইফ বীমা কোম্পানির মধ্যে সমহারে বন্টন করিবে।

⇒ পুনঃবীমা ব্যবসার ক্ষেত্রে, ঐ আইন এই মর্মে নির্দেশনা প্রদান করে যে কোম্পানির ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা বাধ্যতামূলকভাবে সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এর সাথে করতে হবে আর বাকী ৫০% পুনঃবীমা ব্যবসা কোম্পানি চাইলে সাধারণ বীমা কর্পোরেশনে অথবা দেশি-বিদেশি যে কোন বীমাকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে করতে পারবে।

⇒ এছাড়াও সাধারণ বীমা কর্পোরেশন বাংলাদেশে নন-লাইফ বীমা ব্যবসা পরিচালনাকারী বীমা প্রতিষ্ঠানসমূহের ঝুঁকির পুনঃবীমা করে থাকে।

উৎস: সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১৪,১৭৪.
কান চলচ্চিত্র উৎসবে ফিপ্রেস্কি আন্তর্জাতিক সমালোচক পুরস্কারের আওতায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করে কোন চলচ্চিত্রটি? 
  1. অন্তর্যাত্রা
  2. মাটির ময়না
  3.  নরসুন্দর
  4. রানওয়ে
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
মাটির ময়না: 

• মাটির ময়না ২০০২ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ফিপ্রেস্কি আন্তর্জাতিক সমালোচক পুরস্কারের আওতায় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন করে।
• এটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ সম্পর্কিত একটি বাংলাদেশি ফিচার চলচ্চিত্র। 
• কাহিনি ও চিত্রনাট্য রচনা এবং পরিচালনা: তারেক মাসুদ
• প্রযোজক: ক্যাথরিন মাসুদ। 
• অভিনয়ে শিল্পী: নুরুল ইসলাম বাবলু, রাসেল ফরাজী, রোকেয়া প্রাচী, শোয়েব ইসলাম, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, লামিসা রিমঝিম প্রমুখ।
• তারেক মাসুদের উল্লেখযোগ্য আরও কয়েকটি চলচ্চিত্র হলো অন্তর্যাত্রা (২০০৬), নরসুন্দর (২০০৯) এবং রানওয়ে (২০১০)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং The Story of 'Matir Moina’
১৪,১৭৫.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য সাধারণ নাগরিকের করমুক্ত আয়ের সর্বোচ্চ সীমা কত?
  1. ৩,০০,০০০ টাকা
  2. ৩,৫০,০০০ টাকা
  3. ৪,০০,০০০ টাকা
  4. ৪,৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩,৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

• ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরে করমুক্ত আয়সীমা:
​- ​সাধারণ করদাতা =৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- মহিলা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতা = ৪ লক্ষ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তি করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতা = ৫ লক্ষ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গ করদাতা = ৪ লক্ষ ৭৫ হাজার টাকা।

​তথ্যসূত্র: বাজেট ২০২৫-২৬।

১৪,১৭৬.
হরিকেল জনপদের বিস্তার কোন অঞ্চল থেকে কোন অঞ্চল পর্যন্ত ছিল?
  1. ঢাকা থেকে খুলনা
  2. সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী থেকে সিলেট
  4. চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

হরিকেল:
- হরিকেল জনপদের কথা প্রথম জানা যায় প্রথম শতকের চট্টগ্রামে প্রাপ্ত লিপিতে।
- চন্দ্রবংশীয় লিপিতেও হরিকেল রাজ্যের কথা আছে।
- হরিকেল জনপদ আধুনিক সিলেট থেকে পার্বত্য চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিলো।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত দুটি প্রাচীন গ্রন্থের পাণ্ডুলিপিতে হরিকোল (হরিকেল) ও বর্তমান সিলেট বিভাগ অভিন্ন উলিণ্ঢখিত হয়েছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদগুলোর সংক্ষিপ্ত আলোচনা শেষে এ কথা বলা যায় যে, জনপদগুলোর নির্দিষ্ট সীমারেখা নির্ণয় করা বা যুগে যুগে তাদের সীমার বিস্তার ও সংকোচনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা দুরূহ কাজ।
- হরিকেল প্রাচীন পূর্ববঙ্গের একটি জনপদ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,১৭৭.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশের নারী-পুরুষের অনুপাত -
  1. ক) ৯৮ : ১০০
  2. খ) ৯৭ : ১০০
  3. গ) ৯৮ : ১০২
  4. ঘ) ১০০ : ১০২
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮ : ১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৯৮ : ১০০
ব্যাখ্যা
প্রকৃতপক্ষে সঠিক উত্তর: ১০০ : ৯৮ যা অপশনে নেই।
অপশনে রয়েছে ৯৮ : ১০০ যা, এই প্রশ্নের বিষয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য উত্তর।
তাই উত্তর বাতিল না করে অপশন ক) ৯৮ : ১০০ সঠিক উত্তর হিসাবে নেয়া হলো।
---------------------

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ন তথ্য:
- জানশুমারি পরিচালনা করে - বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS).
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় - ১০ বছর পরপর।

- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২। তবে বন্যা পরিস্থির কারণে কিছু কিছু এলাকায় ২৭ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়।
- প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় - ২৭ জুলাই ২০২২।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত - ৯৮ : ১০০

- জনসংখ্যা - ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- পুরুষ: ৮,১৭,১২,৮২৪ জন;
- নারী: ৮,৩৩,৪৭,২০৬ জন;
- হিজড়া: ১২,৬২৯ জন।
[১৭,৫০৭টি খানার ৮৫,৯৫৭ জনের আংশিক]

- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৬৬%।
- পুরুষ - ৭৬.৫৬%
- নারী - ৭২.৮২%

এছাড়াও -
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
- বর্তমানে দেশে স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক) ৭৫.২%। যেখানে পুরুষ - ৭৭.৪% এবং নারী - ৭২.৯%। 

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট
১৪,১৭৮.
মুজিব নগর সরকারের মূখ্য সচিব কে ছিলেন?
  1. ক) এইচ টি ইমাম
  2. খ) মাহবুবুল আলম চাষী
  3. গ) খন্দকার আসাদুজ্জামান
  4. ঘ) রুহুল কুদ্দুস
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুহুল কুদ্দুস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রুহুল কুদ্দুস
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা। এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- মূখ্য সচিব ছিলেন - রুহুল কুদ্দুস।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড : 
১৪,১৭৯.
সম্প্রতি প্রকাশিত 'বঙ্গবন্ধু কর্নার, নন্দিত উদ্ভাবন' শীর্ষক গ্রন্থের লেখক -
  1. ক) মোহাম্মদ ফকরুল আলম
  2. খ) মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম
  3. গ) মোহাম্মদ ইলিয়াস আলী
  4. ঘ) শেখ হাসিনা
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম
ব্যাখ্যা
'বঙ্গবন্ধু কর্নার, নন্দিত উদ্ভাবন' শীর্ষক গ্রন্থের লেখক মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
১৪,১৮০.
The exchange of commodities between two countries is referred as -
  1. ক) Bilateral trade
  2. খ) Balance of trade
  3. গ) Volume of trade
  4. ঘ) Multilateral trade
সঠিক উত্তর:
ক) Bilateral trade
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Bilateral trade
ব্যাখ্যা
• দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য:
- দ্বিপাক্ষিকতা বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বলতে দুটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের মধ্যকার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্ক পরিচালনা করা বোঝায়।
- একপাক্ষিকতা বা বহুপাক্ষিকতা যেখানে যথাক্রমে এক দেশ কিংবা বহুদেশ নিয়ে কাজ করে, দ্বিপাক্ষিকতা সেখানে দুটি দেশ নিয়ে কাজ করে।

উৎস: সময় নিউজ এবং যুগান্তর।
১৪,১৮১.
মাতৃতান্ত্রিক পারিবারিক কাঠামো লক্ষ্য করা যায় কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে?
  1. ক) মারমা
  2. খ) হাজং
  3. গ) রাখাইন
  4. ঘ) কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীসমূহের মধ্যে খাসিয়া এবং গারো সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক। 
• এছাড়া, কোচ সমাজেও আংশিক মাতৃতান্ত্রিকতা বিদ্যমান রয়েছে।
• অন্যান্য ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
১৪,১৮২.
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ২২টি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনুবাদ করেছে কোন সংস্থা?
  1. সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস (সিল)
  2. ইউনেস্কো
  3. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  4. Liberation War Museum
সঠিক উত্তর:
সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস (সিল)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস (সিল)
ব্যাখ্যা

- দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ২২টি ভাষায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনুবাদ হয়েছে। এ কাজ করেছে আন্তর্জাতিক সংগঠন সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস (সিল)।
- সামার ইনস্টিটিউট অব লিঙ্গুইস্টিকস,অস্ট্রেলিয়া (সিল) ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর ভাষার সুরক্ষায় গবেষণার কাজ করে।
- বিশেষ করে যেসব ভাষা বিপন্ন, সেগুলোর প্রয়োজনমতো বর্ণমালা বা ব্যাকরণ তৈরির কাজও করে প্রতিষ্ঠানটি।
- ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণটিকে World’s Documentary Heritage এর মর্যাদা দিয়ে International Memory of the World Register-এ অর্ন্তভুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র:- প্রথম আলো।

১৪,১৮৩.
বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাওয়া গিয়েছে কোথায়?
  1. ক) সোনাগাঁও
  2. খ) লালমাই
  3. গ) পাহাড়পুর
  4. ঘ) মহাস্থানগড়
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রাচীনতম সভ্যতার নাম পুণ্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়। বাংলাদেশে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মধ্যে মহাস্থানগড়ই সর্বাধিক প্রাচীন ।
- প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র।
- পুন্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। পুন্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- এটি বাংলার প্রাচীনতম জনপদ।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।

এছাড়াও প্রাচীন বাংলার আরো জনপদ সমূহ হচ্ছে:
- বঙ্গ
- বরেন্দ্র
- সমতট
- হরিকেল
- রাঢ়
- চন্দ্রদ্বীপ
- তাম্রলিপ্ত
- গঙ্গারিডাই
- গৌড় প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী; বাংলাপিডিয়া; সমাজবিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,১৮৪.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আফ্রিকান দেশ-
  1. ক) আলজেরিয়া
  2. খ) সেনেগাল
  3. গ) দক্ষিণ আফ্রিকা
  4. ঘ) মাদাগাস্কার
সঠিক উত্তর:
খ) সেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সেনেগাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী,
- প্রথম মুসলিম দেশ বা আফ্রিকান দেশ সেনেগাল।
- প্রথম উত্তর আমেরিকার দেশ বার্বাডোস।
- প্রথম সমাজতান্ত্রিক বা ইউরোপীয় দেশ পূর্ব জার্মানি।
- প্রথম দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রথম আরব বা মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরাক।
- প্রথম উপসাগরীয় দেশ কুয়েত।
- প্রথম ওশেনিয়ার দেশ টোংগা।

উৎসঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৪,১৮৫.
কোন পোকা পার্থেনোজেনেসিস-এর মাধ্যমে বংশবিস্তার করতে পারে?
  1. বাদামী গাছ ফড়িং
  2. সবুজ ঘাস ফড়িং
  3. এফিড
  4. থ্রিপ্স
সঠিক উত্তর:
এফিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এফিড
ব্যাখ্যা
এফিড পোকা:
- এফিড এক ধরনের শোষক পোকা যা ফসলের আগা বা শীষ, পাতা ও ফুল–ফলের নরম অংশের রস শোষণ করে থাকে।
- এফিড সাধারণত বছরে ১০ থেকে ৩০ বার পর্যন্ত পার্থেনোজেনেসিস এর মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে এবং বছরে ১ বার যৌন-প্রজননের মাধ্যমে বংশবিস্তার করে থাকে।

উৎস: Frontiers in Physiology Journal.
১৪,১৮৬.
কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সনে? 
  1. ১৯৯৫
  2. ১৯৯৬
  3. ১৯৯৮
  4. ২০০১
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৯৮
ব্যাখ্যা
অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।
- মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
• আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
• কর্মসংস্থান ব্যাংক,
• গ্রামীণ ব্যাংক,
• জুবিলি ব্যাংক,
• পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

কর্মসংস্থান ব্যাংক:
সরকারি/বেসরকারি অন্যান্য বিশেষায়িত উদ্যোগের পাশাপাশি সরকার দেশের বেকার যুবদের কর্মসংস্থানের উদ্দেশ্যে — ১৯৯৮ সনে কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছে।
-  ২০২২-২৩ অর্থ-বছরে ব্যাংক ২৩৫৮.৯৮ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করেছে।
- দেশের বেকার যুবদের আত্মকর্মসংস্থানে কাজ করে যাচ্ছে এই ব্যাংকটি।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট,বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,১৮৭.
স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট কয়টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ৬ টি
  2. ৭ টি
  3. ৮ টি
  4. ৯ টি
সঠিক উত্তর:
৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা প্রণয়ন করে- পরিকল্পনা কমিশন।
- স্বাধীন বাংলাদেশের এ পর্যন্ত মোট ৮ টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
- যার মধ্যে এ পর্যন্ত ৭টি পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেছে।
- অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই, ২০২০ - জুন, ২০২৫।
- প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার মেয়াদ ছিল ১৯৭৩-১৯৭৮।
- পাকিস্তান থাকাকালীন সর্বপ্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ - ১৯৫৫ - ৬০ সাল।

তথ্যসূত্র- পরিকল্পনা কমিশন।

১৪,১৮৮.
খাসিয়া ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীরা গ্রামকে কী বলে?
  1. পাড়া
  2. সিয়েম
  3. মৌজা
  4. পুঞ্জি
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুঞ্জি
ব্যাখ্যা
খাসিয়া:
- খাসিয়া বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- বাংলাদেশে তাদের আদি নিবাস বাংলাদেশের উত্তর-পূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ জেলায়।
- বর্তমানে সিলেট, সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুর, তাহিরপুর, ছাতক ও সদর থানায় খাসিয়ারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে।
- খাসিয়া জনগোষ্ঠীর প্রধান উৎসব খাসি সেং কুটস্নেম।
- এই উৎসবের মধ্য দিয়ে তারা পুরোনো বছরকে বিদায় দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায়।
- খাসিয়ারা গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জি প্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বর্তমানে ৮০%-৯০% খাসিয়াই খ্রিস্টান।
- প্রায় প্রতি পুঞ্জিতেই গির্জা আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৪,১৮৯.
স্মার্ট কার্ড কয় স্তরে নিরাপত্তা দিতে সক্ষম?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৬
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩
ব্যাখ্যা
- স্মার্ট কার্ড প্রস্তুত করে নির্বাচন কমিশন (সহায়তা দিয়েছিল ফ্রান্স) যার মেয়াদ ১০ বছর । 
- স্মার্ট কার্ড নিরাপত্তা দিবে ৩ স্তরে ২৫ ধরনের , সেবা দিবে ২২ ধরনের এবং তথ্য থাকে ৩২ ধরনের । - অন্যদিকে জাতীয় পরিচয়পত্রের মেয়াদ ছিল ১৫ বছর । 
- ছবিসহ ভোটার তালিকা ও জাতীয় পরিচয়পত্র প্রণয়ন কর্মসূচীর নাম – অপারেশন নবযাত্রা যা ২০০৭ সালে চালু হয় । 

তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ।
১৪,১৯০.
মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ কত সালে জারি করা হয়?
  1. ১৯৫৮ সালে
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬০ সালে
  4. ১৯৬২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা

মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ:
- 'মৌলিক গণতন্ত্র অধ্যাদেশ' ব্যবস্থাটি জারি করেন আইয়ুব খান।
- ১৯৫৯ সালে জারিকৃত মৌলিক গণতন্ত্র আদেশ এর উদ্দেশ্য ছিল জনগণের ইচ্ছেকে সরকারের কাছাকাছি এবং সরকারি কর্মকর্তাদেরকে জনগণের কাছাকাছি এনে গণতান্ত্রিক বিকেন্দ্রীকরণ-এর ব্যবস্থা করা।
- এটি ছিল চারস্তর বিশিষ্ট স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন ব্যবস্থা।
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের চারটি স্তর ছিল। যথা-
(১) ইউনিয়ন কাউন্সিল (গ্রাম এলাকায়) এবং টাউন কমিটি (শহর এলাকায়)।
(২) থানা কাউন্সিল (পূর্ব পাকিস্তানে) এবং তহশিল কাউন্সিল (পশ্চিম পাকিস্তানে)।
(৩) জেলা কাউন্সিল।
(৪) বিভাগীয় কাউন্সিল।

উল্লেখ্য,
- উচ্চ বিলাসী আইয়ুব খান সামরিক শাসন যাত্রার ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজে প্রেসিডেন্ট পদ দখল করেন।
- অতঃপর তিনি রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেন।
- ১৯৫৯ সালের অক্টোবর মাসে আইয়ুব খান 'মৌলিক গণতন্ত্র' নামে একটি রাজনৈতিক প্রক্রিয়া শুরু করেন।
- এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের দুই অঞ্চল থেকে ৪০ হাজার করে ৮০ - হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী সদস্য নির্বাচন করা হয়।
- ১৯৬০ সালে এসব মৌলিক গণতন্ত্রীর আস্থা ভোটে আইয়ুব খান প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

[উল্লেখ্য যে, [শুধুমাত্র সংগ্রামের নোটবুক ও বাংলাপিডিয়া মৌলিক গণতন্ত্রের ৫টি স্তর বলা হয়েছে। কিন্তু পৌরনীতি ও সুশাসন, ইতিহাস, ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খন্ডের মধ্যে মৌলিক গণতন্ত্রের ৪টি স্তরের কথা বলা হয়েছে। তাই অধিক গ্রহনযোগ্য হিসেবে ৪ টি উত্তর নেওয়া হয়েছে।]

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪,১৯১.
বাংলাদেশ কোন সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান শুরু করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীনতা পুরস্কার: 
- বাংলাদেশ ১৯৭৭ সালে স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান শুরু করে। 

- স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- জাতীয় জীবনে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশিষ্ট অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলাদেশের নাগরিককে স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- এ পুরস্কার প্রদানের ক্ষেত্রগুলি হলো স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে স্মরণীয় অবদান, ভাষা আন্দোলনে অবদান এবং শিক্ষা, সাহিত্য, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, চিকিৎসা বিজ্ঞান, সাংবাদিকতা, জনসেবা, সামাজিক বিজ্ঞান, সঙ্গীত, ক্রীড়া, চারুকলা ও পল্লী উন্নয়নে অবদান।
- এ ছাড়া জাতীয় জীবনের অন্যান্য ক্ষেত্রে অসাধারণ কৃতিত্ব প্রদর্শনকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকেও এ পুরস্কারে ভূষিত করার বিধান রয়েছে।
- প্রতিটি পুরস্কারের মান একটি স্বর্ণপদক, সম্মাননাপত্র এবং নগদ অর্থ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৪,১৯২.
বিশ্বের কতটি দেশে বাংলাদেশের মিশন রয়েছে?
  1. ক) ৭০টি দেশে
  2. খ) ৭৫টি দেশে
  3. গ) ৬৮টি দেশে
  4. ঘ) ৫৮টি দেশে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৮টি দেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৫৮টি দেশে
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বিশ্বের ৫৮টি দেশে বাংলাদেশের ৭৭টি মিশন (দূতাবাস /হাইকমিশন/কনস্যুলেট জেনারেল/কনস্যুলেট/উপ-হাইকমিশন/সহকারী হাইকমিশন) রয়েছে।
- এই মিশনগুলোর মধ্যে ১১টি দূতাবাস নিজস্ব জমিতে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ তার ৭৮তম মিশন খুলতে যাচ্ছে সেন্ট কিটস ও নেভিসে।
(সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন)
১৪,১৯৩.
ব্যাংকের মাধ্যমে রেমিট্যান্স প্রেরণের ক্ষেত্রে সরকার কত শতাংশ বোনাস প্রদান করে?
  1. ক) ১ শতাংশ
  2. খ) ৩ শতাংশ
  3. গ) ২ শতাংশ
  4. ঘ) ৪ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

- বিদেশ থেকে অবৈধপথে অর্থ প্রেরণ বন্ধ করা এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার ২০১৯-২০২০ অর্থবছর থেকে ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণে ২ শতাংশ প্রণোদনা বা বোনাস প্রদান চালু করে।
- এ উদ্যোগের ফলে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে দেশের রেমিট্যান্স আহরণ ১৮.২০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার এবং ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে রেমিট্যান্স আহরণ ২৪.৭৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌছায় যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ।
উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং দৈনিক প্রথম আলো।

১৪,১৯৪.
According to the data of Bangladesh Bank, the top country of expatriate income in the first three months of the current financial year in Bangladesh is -
  1. Saudi Arabia
  2. United Kingdom
  3. United States
  4. United Arab Emirates
সঠিক উত্তর:
United Arab Emirates
উত্তর
সঠিক উত্তর:
United Arab Emirates
ব্যাখ্যা
• প্রবাসী আয়ের শীর্ষ দেশ:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশে প্রবাসী আয়ের শীর্ষ দেশ - সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে দেশে প্রবাসী আয়ের শীর্ষ ১০ উৎস হচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ওমান, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ইতালি, কাতার ও বাহরাইন।
- এই ১০টি দেশ থেকে ৮৬ শতাংশ প্রবাসী আয় এসেছে।
- এর মধ্যে ইউএই, যুক্তরাজ্য, ওমান থেকে প্রবাসী আয় আসা বেড়েছে। বাকি সাতটি দেশ থেকে কমেছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (০৭ অক্টোবর, ২০২৩)।
১৪,১৯৫.
মুজিবনগর সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন কে?
  1. এম. মনসুর আলী
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  4. তাজউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এম. মনসুর আলী
ব্যাখ্যা
মুজিব নগর সরকার:

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গঠিত হয় মুজিব নগর সরকার। 
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল গঠিত মুজিব নগর সরকার শপথ গ্রহন করেন।
- মুজিবনগর সরকারের তথা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সদর দপ্তর ছিল কলকাতার ৮নং থিয়েটার রোড।
- রাষ্ট্রপতি ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শপথ পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন খন্দকার মোশতাক আহমেদ।
- অর্থ, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রান ও পুনর্বাসন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্বে ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি ছিলেন এম.এ.জি ওসমানী।
- চিফ অব স্টাফ ছিলেন কর্নেল আবদুর রব।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৪,১৯৬.
২০২৫ সালে নারী জাগরণে বেগম রোকেয়া পদক লাভ করেন কে?
  1. সাবিনা খাতুন
  2. ঋতুপর্ণা চাকমা
  3. নিগার সুলতানা জ্যোতি
  4. রাবেয়া খাতুন
সঠিক উত্তর:
ঋতুপর্ণা চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঋতুপর্ণা চাকমা
ব্যাখ্যা

রোকেয়া পদক- ২০২৫: 
- নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) :রুভানা রাকিব।
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার): কল্পনা আক্তার।
- মানবাধিকার শ্রেণিতে: নাবিলা ইদ্রিস।
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া): ঋতুপর্ণা চাকমা।

উল্লেখ্য,
- ৯ ডিসেম্বর ২০২৫ রোকেয়া দিবস অনুষ্ঠানে চারজনের হাতে রোকেয়া পদক তুলে দেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

উৎস: মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১৪,১৯৭.
বক্সারের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কাদের মধ্যে?
  1. মীর জাফর ও ইংরেজদের
  2. মীর কাসিম ও ইংরেজদের
  3. মীর কাসিম ও মারাঠাদের
  4. মীর জাফর ও ফরাসিদের
সঠিক উত্তর:
মীর কাসিম ও ইংরেজদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর কাসিম ও ইংরেজদের
ব্যাখ্যা

বক্সারের যুদ্ধ:
- বক্সারের যুদ্ধ নবাব মীর কাসিম ও তাঁর মিত্রশক্তির সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ।
- ১৭৬৪ সালে বিহারের বক্সার নামক স্থানে এই যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- মেজর হেক্টর মুনরোর নেতৃত্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাহিনী এবং মীর কাসিম, মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম এবং অযোধ্যার নবাব সুজাউদ্দৌলা-এর সম্মিলিত সেনাবাহিনীর মধ্যে লড়াই হয়েছিল।
- ১৭৬৪ সালের ২২ অক্টোবর বিহারের বক্সার নামক স্থানে সংঘটিত এ যুদ্ধে ইংরেজরা জয়লাভ করে।
- এই যুদ্ধের ফলে বাদশাহ দ্বিতীয় শাহ আলম পুনরায় ইংরেজ শিবিরে আশ্রয় নেন।
- সুজাউদ্দৌলা রোহিলাখন্ডে পালিয়ে যান এবং অযোধ্যা ইংরেজ বাহিনীর পদানত হয়।
- মীর কাসিম নিরুদ্দেশ হন এবং এরপর তাঁর সম্পর্কে আর কিছু জানা যায় নি।
- বক্সার ছিল একটি চূড়ান্ত যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের পর বাংলা ইংরেজ কোম্পানির শাসনের অধীনে আবদ্ধ হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ও বাংলাপিডিয়া।

১৪,১৯৮.
নিচের কোনটির সাথে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ এর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে?
  1. ব্যবসায়
  2. জনসংখ্যা
  3. জলবায়ু
  4. পরিবেশ
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনসংখ্যা
ব্যাখ্যা
ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড:
- ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড ধারণাটি মূলত জনসংখ্যার সাথে সংশ্লিষ্ট।
- যখন একটি দেশের কর্মক্ষম জনসংখ্যা অর্থাৎ ১৫ থেকে ৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের অধিক হয় তখন তাকে ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’ হিসেবে অভিহিত করা হয়।

- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠী (১৫ বছরের কম ও ৬০+) সংখ্যা কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী অপেক্ষা কম হয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বা জনমিতিক লভ্যাংশ অবস্থা অতিবাহিত করছে। বর্তমানে দেশে ১৫-৫৯ বছর বয়সী জনসংখ্যার পরিমাণ শতকরা ৬৩.৩ শতাংশ।
- জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের তথ্যানুসারে ২০৫০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জনমিতিক লভ্যাংশের সুবিধা ভোগ করবে।
- জনসংখ্যার এরূপ অবস্থাকে যথাযথভাবে ব্যবহার করতে সক্ষম হলে একটি দেশ দ্রুত উন্নয়ন সাধন করতে পারে।

উৎস: বিবিএস ও জাতিসংঘ ওয়েসাইট এবং ডেইলি স্টার।
১৪,১৯৯.
ওলন্দাজরা কত সালে উপমহাদেশে আসে?
  1. ১৬০১ সালে
  2. ১৬০২ সালে
  3. ১৬০৩ সালে
  4. ১৬০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৬০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬০২ সালে
ব্যাখ্যা
ওলন্দাজ:
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে।
- বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক 'ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- কালিকট, নাগাপট্রম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪,২০০.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
  3. তাজউদ্দিন আহমেদ
  4. ক্যাপটেন মনসুর আলী
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল আতাউল গণি ওসমানি
ব্যাখ্যা
• জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী:
- জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ছিলেন।
- আতাউল গণি ওসমানী ১৯৭০ সালে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মুজিবনগরে অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হলে ওসমানী বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি নিযুক্ত হন।
- স্বাধীনতার পর ১৯৭১ সালের ২৬ ডিসেম্বর তিনি বাংলাদেশ সশস্ত্রবাহিনীর জেনারেল পদে উন্নীত হন।
- তাঁর পদোন্নতি ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়।

অন্যদিকে -
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন এ কে খন্দকার।
- মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন কর্নেল এম এ রব।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।