বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৩৯ / ৩০৬ · ১৩,৮০১১৩,৯০০ / ৩০,৮৩২

১৩,৮০১.
বাংলাদেশের কোন ক্রিকেটার শততম টেস্ট ম্যাচ খেলেছেন? 
  1. আব্দুর রাজ্জাক
  2. মুমিনুল হক
  3. নাজমুল হোসেন শান্ত
  4. মুশফিকুর রহিম
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুশফিকুর রহিম
ব্যাখ্যা

শততম টেস্ট ম্যাচ:
- মুশফিকুর রহিম শততম ম্যাচ খেলেছেন।

- মুশফিকুর রহিম ১১তম খেলোয়াড় হিসেবে শততম টেস্টে সেঞ্চুরি অর্জন করেন।
- বিপক্ষ দল: আয়ারল্যান্ড।
- ভেন্যু: মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
- সময়: ২০ নভেম্বর, ২০২৫।
- মুশফিক প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ১০৬ রান এবং দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি করেন অপরাজিত ৫৩ রান।
- সব মিলিয়ে শততম টেস্টে অন্তত এক ইনিংসে সেঞ্চুরি করা ব্যাটারের সংখ্যা এখন ১১ জন।
- এদের মধ্যে মুশফিকসহ মাত্র চারজন ব্যাটার দুই ইনিংসেই ব্যাট করার সুযোগ পেয়েছেন।

• শততম টেস্টে সেঞ্চুরি করা বাকি সাত ব্যাটার:
- রিকি পন্টিং, ইনজামাম উল হক, জো রু,ট  কলিন কাউড্রি, জাভেদ মিঁয়াদাদ, গর্ডন গ্রিনিজ, অ্যালেক স্টুয়ার্ট, গ্রায়েম স্মিথ, হাশিম আমলা ও ডেভিড ওয়ার্নার।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

১৩,৮০২.
দেশের একমাত্র বিদ্যুৎ সঞ্চালন সংস্থার নাম?
  1. ক) PGCB
  2. খ) PCGB
  3. গ) BGCP
  4. ঘ) TBCP
সঠিক উত্তর:
ক) PGCB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) PGCB
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ সঞ্চলন কোম্পানি হচ্ছে - পিজিসিবি (PGCB) বা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ।

পিজিসিবি সারাদেশে বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে নিয়োজিত একমাত্র প্রতিষ্ঠান। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সবার নিকট মানসম্পন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য নির্ভরযোগ্য সঞ্চালন ব্যবস্থা গড়ে তোলার রূপকল্প নিয়ে ১৯৯৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ সঞ্চালন সিস্টেমের পরিবর্ধন করে যাচ্ছে। কোম্পানির মূল লক্ষ্য হচ্ছে- ন্যাশনাল গ্রিডকে ক্রমোন্নয়নের মাধ্যমে আরও দক্ষ ও কার্যকর করে গড়ে তোলা।

অন্যদিকে,
দেশে বিদ্যুৎ বিতরণের কাজটি করে চারটি কোম্পানি ও দুটি সংস্থা।
১. বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি),
২. ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো),
৩. নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (নেসকো),
৪. পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি),
৫. ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি) ও
৬. ঢাকা ইলেকট্রিসিটি পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো)। 

২০০৮ সালের ১ জুলাই ঢাকা ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই অথরিটি (ডেসা) এর স্থলাবিষিক্ত হয় - ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)।

সূত্র: পিজিসিবি ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
১৩,৮০৩.
সম্প্রতি বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী কোন দেশে নিহত হয়েছেন? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. সুদান 
  2. কঙ্গো 
  3. রুয়ান্ডা
  4. দক্ষিণ সুদান 
সঠিক উত্তর:
সুদান 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুদান 
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশি ছয় শান্তিরক্ষী নিহত: 
- ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই এলাকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের কাদুগলি লজিস্টিকস বেইসে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র গোষ্ঠী বর্বরোচিত ড্রোন হামলা চালায়। 
- এ ঘটনায় ৬ বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী নিহত ও ৯ জন আহত হন।
- সুদানের সরকারের এক বিবৃতিতে, এ হামলার জন্য সরকারবিরোধী আধা সামরিক র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসকে দায়ী করা হয়েছে।
- কাদুগলি শহরটি প্রায় দেড় বছর ধরে আরএসএফ অবরুদ্ধ করে রেখেছে।
- ২০২৩ সালের এপ্রিল থেকে আধা সামরিক আরএসএফ দেশটির সেনাবাহিনীর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।  

১৩,৮০৪.
'ইলামতি' উন্নত জাতের একটি-
  1. ক) কলা
  2. খ) তরমুজ
  3. গ) আম
  4. ঘ) ধান
সঠিক উত্তর:
গ) আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আম
ব্যাখ্যা

• আমের নাম ইলামতি:
- নাবি জাতের অর্থাৎ মৌসুমের শেষ দিকের সুগন্ধি ও সুস্বাদু এক বিশেষ জাতের আমের সন্ধান মিলেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টার কৃষক নেত্রী ইলামিত্রের নাম অনুসারে এই আমের নামকরণ করে 'ইলামতি'।
- ২০১৩ সালে কৃষিবিদরা আর একটি নাবি জাতের আম উদ্ভাবন করেন যার নাম 'গৌড়মতি'।

১৩,৮০৫.
আমন ধান উত্তোলনের সময় কোনটি?
  1. এপ্রিল – মে
  2. মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  3. মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
  4. ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু
ব্যাখ্যা

আমন ধান:
- আমন ধান মূলত দুই প্রকার:
- রোপা আমন ও বোনা আমন।
- রোপা আমন বলতে বুঝায় অন্য জমিতে চারা প্রস্তুত করে, সেই চারা ক্ষেতে রোপণ করে ধান উৎপন্ন হয়।
- রোপা আমন আষাঢ় মাসে বীজতলায় বীজ বোনা হয়।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাসে মূল জমিতে রোপণ করা হয়।
- অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে রোপা-আমন ধান কাটা হয়।

উল্লেখ্য,
• আউশ ধান রোপনের সময়= মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল।
- আউশ ধান উত্তোলনের সময়= মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু।

• আমন ধান রোপনের সময়= জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু।
- আমন ধান উত্তোলনের সময়= ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু।

• বোরো ধান রোপনের সময়= মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি।
- বোরো ধান উত্তোলনের সময় = এপ্রিল – মে।

উৎস: i) কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২৪।

১৩,৮০৬.
বাংলাদেশ জাতিসংঘের সদস্য হয়েছিল কততম অধিবেশনে?  
  1. ২৭তম
  2. ২৮তম
  3. ২৯তম
  4. ৩২তম
সঠিক উত্তর:
২৯তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯তম
ব্যাখ্যা

• জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ মুক্ত হয়। 
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ৮ আগস্ট সদস্য পদের জন্য আবেদন পাঠিয়েছিল, তবে ১১ আগস্ট নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে বাংলাদেশের আবেদনটি পুনরায় বিবেচনার জন্য ২১ আগস্ট পর্যন্ত মুলতবি করতে সব সদস্যই সম্মত হয়।
- ২৩ আগস্ট বাংলাদেশকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্তির জন্য যুক্তরাজ্য, ভারত, সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুগোস্লাভিয়া সমর্থিত একটি প্রস্তাব নিরাপত্তা পরিষদে উপস্থাপন করা হয়।
- কিন্তু ২৫ তারিখে চীন ওই প্রস্তাবে ভেটো প্রয়োগ করার ফলে ওই সময় বাংলাদেশের পক্ষে জাতিসংঘের সদস্য পদ লাভ করা সম্ভব হয়নি। 

- ১৯৭৪ সালের জুন মাসে বাংলাদেশ পুনরায় আবেদন করে।
- জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ তারিখে ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশের জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করে।
- বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী ৪১তম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
- আনোয়ারুল করিম চৌধুরী ২০০১ সালে নিরাপত্তা পরিষদে সভাপতিত্ব করেন।

উল্লেখ্য, 
- জাতিসংঘ বাজেটে বাংলাদেশের চাঁদার হার .০১ শতাংশ।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১৩,৮০৭.
In 1947, which two languages were designated as official languages of the Pakistan Constituent Assembly?
  1. Bengali and Urdu
  2. English and Bengali
  3. English and Urdu
  4. Arabic and Urdu
সঠিক উত্তর:
English and Urdu
উত্তর
সঠিক উত্তর:
English and Urdu
ব্যাখ্যা

 • গণপরিষদের সরকারি ভাষা: 

-  ১৯৪৭ সালের মধ্যেই বহু প্রখ্যাত এবং অখ্যাত লেখক বাংলা রাষ্ট্রভাষার প্রতি তাদের দ্ব্যর্থহীন সমর্থন জানিয়েছিলেন।
-  কিন্তু পাকিস্তান কর্তৃপক্ষ বাঙালিদের দাবি উপেক্ষা করে উর্দুকে পাকিস্তানের সরকারি ভাষা হিসেবে চাপিয়ে দেয়।
-  যদিও পাকিস্তানের শতকরা মাত্র ৩.২৭ ভাগ লোকের মাতৃভাষা ছিল উর্দু তথাপি পাকিস্তানের মুদ্রা, ডাকটিকেট, মানি অর্ডার ফরম, রেলের টিকেট প্রভৃতিতে কেবল ইংরেজি ও উর্দুভাষা ব্যবহার করা হয়।
-  পাকিস্তানের পাবলিক সার্ভিস কমিশনের বিষয়তালিকা থেকে এবং নৌ ও অন্যান্য বিভাগের নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাকে বাদ দেয়া হয়।
-  এমনকি পাকিস্তানের গণপরিষদের সরকারি ভাষা হিসেবে ইংরেজি ও উর্দুকে নির্বাচন করা হয়
-  ফলে বাঙালিরা বিক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৮০৮.
মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশে সেক্টরের সংখ্যা ছিল-
  1. ক) ৯টি
  2. খ) ১০ টি
  3. গ) ১১ টি
  4. ঘ) ১২ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়। এ সরকার প্রথমে ১০ এপ্রিল সমগ্র দেশকে ৪ টি সেক্টরে ভাগ করে। ১১ এপ্রিল তা পুর্নগঠন করে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। এছাড়া তিনটি বিগ্রেড ফোর্স গঠন এবং ১১ টি সেক্টরকে ৬৪টি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়। ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত কমান্ডার ছিলো না। এটি ছিলো নৌ সেক্টর।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩,৮০৯.
রাজা মানসিংহ কোন মুঘল সম্রাটের শেষ সুবাদার ছিলেন?
  1. হুমায়ুন
  2. আওরঙ্গজেব
  3. আকবর
  4. জাহাঙ্গীর
সঠিক উত্তর:
আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আকবর
ব্যাখ্যা

রাজা মানসিংহ:
- বাংলায় আকবরের শেষ সুবাদার ছিলেন রাজা মানসিংহ।
- তিনি ছিলেন রাজপুত এবং একজন দক্ষ সেনাপতি।
- মানসিংহ তাঁর ছেলে দুর্জন সিংহকে বিশাল বাহিনী নিয়ে ভাটি আক্রমণ করতে পাঠান।
- ব্রহ্মপুত্র তীরে এগারসিন্ধুতে ঈসা খান দুর্জন সিংহকে পরাজিত ও নিহত করেন।
- ঈসা খানের সাথে মানসিংহের একক যুদ্ধ হয়।
- ঈসা খান মানসিংহকে একক যুদ্ধে আহ্বান করেন এবং ঘোষণা করেন যে, যুদ্ধে জয়ী যিনি হবেন তিনিই বাংলার কর্তৃত্ব লাভ করবেন। 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৮১০.
'ঢাকা মহানগর জাদুঘর' নামকরণ করা হবে কোন ভবনের?
  1. ক) বঙ্গভবন
  2. খ) রোজ গার্ডেন
  3. গ) পুরাতন হাইকোর্ট
  4. ঘ) কার্জন হল
সঠিক উত্তর:
খ) রোজ গার্ডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রোজ গার্ডেন
ব্যাখ্যা
ঢাকা মহানগর জাদুঘর: 

- ২৮ মার্চ, ২০২৩ সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে রোজ গার্ডেনের তিনতলা আবাসিক ভবনকে সংস্কার করে ঢাকা মহানগর জাদুঘর নামকরণ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
- ১৯৮৯ সালে রোজ গার্ডেনকে সংরক্ষিত এলাকা ঘোষণা করা হয়।
- ২০১৮ সালে সরকার এই ভবনটিকে কিনে নেয়।
- ২৩ জুন ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক এই ভবনেই প্রতিষ্ঠিত হয় তৎকালীন আওয়ামী মুসলিম লীগ।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক (২৯ মার্চ ২০২৩)।
১৩,৮১১.
পাকিস্তান কেন্দ্রীয় সরকার বাংলা ভাষায় আরবি হরফ চালুর চেষ্টা করে কত সালে?
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:

- ১৯৪৭ সাল থেকেই কেন্দ্রীয় সরকার বাংলা ভাষায় আরবি হরফ চালুর চেষ্টা করে।
- এরপর আরবিতে বাংলা শিক্ষা দেয়া শুরু হয়।
- চালু হয় এ ধরনের অনেকগুলো শিক্ষাকেন্দ্র।
- সেখানে বয়স্ক ছাত্রদের বিনামূল্যে আরবি হরফের বই দেওয়া হতে থাকে।
- পূর্ববাংলার জনগণ কিছুদিনের মধ্যেই পাকিস্তানিদের অসাধু উদ্দেশ্য বুঝতে পারে। পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী পূর্ববাংলার নিজস্ব সংস্কৃতিকে ধ্বংস করার চেষ্টায় লিপ্ত হয়। ফলে সরকারের অসৎ উদ্দেশ্যের বিরুদ্ধে প্রবল জনমত সৃষ্টি হতে থাকে।
- প্রথমে এগিয়ে আসে পূর্বপাকিস্তান মুসলিম লীগের 'ভাষা কমিটি'।
- এই কমিটির বক্তব্য ছিল, পূর্ববাংলার মানুষকে অশিক্ষিত বানানোর জন্যই শাসকদের এই ষড়যন্ত্র।
- প্রবল নিন্দা জানায় 'পাকিস্তান তমদ্দুন মজলিশ'। প্রতিবাদে ফেটে পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীরা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৮১২.
ঔষধ শিল্পপার্ক কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) গজারিয়া
  2. খ) কালিয়াকৈর
  3. গ) সাভার
  4. ঘ) আড়াইহাজার
সঠিক উত্তর:
ক) গজারিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গজারিয়া
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম ঔষধ শিল্পপার্ক নির্মিত হচ্ছে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউশিয়ায়। এর আয়তন প্রায় ২০০ একর। ২০০৮ সালে সরকার ঔষধ শিল্পপার্ক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করে। ২০২৩ সালে এটি পুরোদমে উৎপাদনে যাবে। (সূত্রঃ বিসিক ও বাংলাদেশ প্রতিদিন)
১৩,৮১৩.
মুজিবনগর সরকারকে শপথ বাক্য কে পাঠ করান?
  1. ক) তাজউদ্দিন আহমদ
  2. খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  3. গ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. ঘ) এম হোসেন আলী
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- মুক্তিযুদ্ধকালীন গঠিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার অর্থাৎ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত।
- মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল। 
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল। 
- এ শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী। 
- এ সরকারের সদর দপ্তর প্রথম স্থাপিত হয় মুজিবনগরে (মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা)।
-পরবর্তীকালে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে প্রধানত নিরাপত্তা এবং মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দানের সুবিধার্থে এ সরকারের প্রধান কার্যালয় কলকাতায় স্থানান্তর হয়।
- এ সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- শেখ মুজিবুর রহমানের নামানুসারে বৈদ্যনাথতলার নতুন নামকরণ হয় মুজিবনগর এবং অস্থায়ী সরকারও পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে।

উৎস: - ইতিহাস তৃতীয় পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৮১৪.
কোনটি ''Wildlife sanctuary''?
  1. চর কুকরি মুকরি
  2. চর ফ্যাশন
  3. চর জব্বার
  4. চর মুহুরি
সঠিক উত্তর:
চর কুকরি মুকরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চর কুকরি মুকরি
ব্যাখ্যা
''Wildlife sanctuary'' হচ্ছে - চর কুকরি মুকরি।

• চর কুকরি মুকরি:
- ভোলা জেলা শহর থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে অনেকটা সাগরের কোল ঘেঁষে মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর মোহনায় গড়ে উঠেছে  এক অবারিত সৌন্দর্যের দ্বীপ চর কুকরি-মুকরি।
- এটি একটি ''Wildlife sanctuary'' বা বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য।
- নদীর ঢেউ, নির্মল বাতাস, বাহারি ম্যানগ্রোভ বন, নদীপাড়ের সারি সারি গাছ- যেন দৃষ্টি সীমানার পুরোটা জুড়ে শুধু সবুজ আর সবুজ।
- অপরূপ প্রকৃতির মাঝে সাজানো সে বনভূমি দেখে মনে হয় যেন বাংলাদেশের বুকে আরেক সুন্দরবন।

• কিছু বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য বা ''Wildlife sanctuary'' হচ্ছে - 
- রেমা কালেঙ্গা বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, হবিগঞ্জ।
- চর কুকরি মুকরি বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, ভোলা।
- সুন্দরবন ইষ্ট বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, বাগেরহাট।
- সুন্দরবন ওয়েস্ট বন্যপ্রানী অভয়ারণ্য, সাতক্ষীরা।
- সুন্দরবন সাউথ বন্যপ্রানী  অভয়ারণ্য, খুলনা।

তথ্যসূত্র: বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
১৩,৮১৫.
আবুল হাসান মাহমুদ আলী দেশের কততম অর্থমন্ত্রী?
  1. ১৩তম
  2. ১৫তম
  3. ১৭তম
  4. ১৮তম
সঠিক উত্তর:
১৮তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮তম
ব্যাখ্যা
• আবুল হাসান মাহমুদ আলী 
- বাংলাদেশের ১৮তম অর্থমন্ত্রী হলেন দিনাজপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
- আবুল হাসান মাহমুদ আলী দশম জাতীয় সংসদের সদস্য এবং ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ছিলেন।
- এর আগে তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।
- সর্বশেষ দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে দিনাজপুর-৪ আসনে বিজয়ী হন আবুল হাসান মাহমুদ আলী।

উৎস: প্রথম আলো।  
১৩,৮১৬.
বাংলাদেশে কার্যরত বিদেশী ব্যাংক কোনটি?
  1. স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক
  2. দি সিটি ব্যাংক
  3. সিটিব্যাংক এন.এ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সিটিব্যাংক এন.এ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিটিব্যাংক এন.এ
ব্যাখ্যা
বিদেশি ব্যাংকসমূহের নাম:
- ব্যাংক আলফালাহ্
- কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন
- সিটিব্যাংক এন.এ
- হাবিব ব্যাংক
- এইচএসবিসি
- ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান
- স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া
- স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক
- উরি ব্যাংক

উৎস: তফসিলি ব্যাংক ও ফাইন্যান্স কোম্পানিসমূহের CSR কার্যক্রমের ষান্মাসিক প্রতিবেদন (জানুয়ারি-জুন ২০২৪), বাংলাদেশ ব্যাংক।
১৩,৮১৭.
২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট অনুযায়ী, কোন মেগা প্রকল্পে সর্বোচ্চ বরাদ্দ দেওয়া হয়?
  1. পদ্মাসেতু রেলসংযোগ প্রকল্প
  2. ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প
  3. প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪)
  4. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প
ব্যাখ্যা
জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪ মেগা-প্রজেক্টগুলোতে অর্থায়ন:
- মেগাপ্রজেক্ট (Fast Track Project)- এ ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট থেকে প্রদত্ত বরাদ্দ নিম্নরূপ:

১। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প: ৯,৭০৭ কোটি টাকা।
২। মাতারবাড়ি পাওয়ার প্ল্যান্ট: ৯,০৮১ কোটি টাকা।
৩। প্রাথমিক শিক্ষা উন্নয়ন কর্মসূচির (পিইডিপি-৪): ৮,৫৮৬ কোটি টাকা।
৪। ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্প: ৫,৮৭০ কোটি টাকা।
৫। পদ্মাসেতু রেলসংযোগ প্রকল্প: ৫,৫০০ কোটি টাকা।
৬। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্প: ৫,৪৯৯ কোটি টাকা।
৭। ফিজিক্যাল ফ্যাসিলিটিস ডেভেলপমেন্ট: ৪,৬৯৬ কোটি টাকা।
৮। মেট্রোরেল-১ প্রকল্প: ৩,৯১১ কোটি টাকা।
৯। বঙ্গবন্ধু রেলওয়ে সেতু প্রকল্প: ৩,৭৮৮ কোটি টাকা।
১০। মেট্রোরেল-৬ প্রকল্প: ৩,৪২৫ কোটি টাকা।

উৎস: দৈনিক ইনকিলাব, ডেইলি স্টার ও জাতীয় বাজেট ২০২৩-২০২৪।
১৩,৮১৮.
১৯৭১ সালে কোন রাজনৈতিক দলটি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো?
  1. ক) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী)
  2. খ) পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি
  3. গ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (মোজাফফর)
  4. ঘ) জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালে পূর্ব পাকিস্তানের কিছু রাজনৈতিক দল মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করেছিলো। এগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- পূর্ব পাকিস্তান কমিউনিস্ট পার্টি (তোয়াহা)
- পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টি (মতিন)
- জামায়াতে ইসলামী
- মুসলিম লীগ প্রভৃতি।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১৩,৮১৯.
বাংলাদেশের শরণার্থী এবং অভিবাসী বিষয়ক প্রস্তাবনাটি জাতিসংঘের কততম সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়?
  1. ক) ৬৯- তম অধিবেশনে
  2. খ) ৭২- তম অধিবেশনে
  3. গ) ৭১- তম অধিবেশনে
  4. ঘ) ৭০- তম অধিবেশনে
সঠিক উত্তর:
গ) ৭১- তম অধিবেশনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭১- তম অধিবেশনে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শরণার্থী এবং অভিবাসী বিষয়ক প্রস্তাবনাটি জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় ৭১- তম অধিবেশনে।  

- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে বাংলাদেশকে সহসভাপতি পদে নির্বাচিত করা হয়েছিল।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে সভাপতি পদে নির্বাচিত হয়েছে ফিজি।
- ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সালে নিউইয়র্ক থেকে জাতিসংঘের ৭১-তম অধিবেশন শুরু হয়। 
- টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য: 'পৃথিবী বদলে দেয়ার বৈশ্বিক উদ্যোগ' এই স্লোগানে শুরু হয় এই সম্মেলন। 

সূত্র- Ministry of Foreign Affairs [লিঙ্ক]
 
১৩,৮২০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা -
  1. ৩ লাখ
  2. ৪ লাখ
  3. ৪ লাখ ৭৫ হাজার
  4. ৫ লাখ
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে ব্যক্তির আয়ের প্রথম সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয় করমুক্ত।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের জন্য আয়সীমা ৪ লাখ।
- প্রতিবন্ধী করদাতার জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ।
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩,৮২১.
বাংলাদেশের কয়টি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
  1. ক) ২ টি
  2. খ) ৩ টি
  3. গ) ৪ টি
  4. ঘ) ৫ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২ টি
ব্যাখ্যা
ইরানের রামসার শহরে ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে জলাভূমি ও তার সম্পদের সংরক্ষণ ও যথাযথ ব্যবহার বিষয়ক রামসার কনভেনশন অনুষ্ঠিত হয়।
- রামসার কনভেনশন কার্যকর হয় ১৯৭৫ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- রামসারের ডকুমেন্ট অনুসারে - Number of Contracting Parties: 171

বাংলাদেশ ও রামসারঃ
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- এ চুক্তির আওতায় বাংলাদেশের দুটি স্থান রামসার সাইট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে -
- সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেষ্ট (২১ মে ১৯৯২) ও
- টাঙ্গুয়ার হাওর (১০ জুলাই ২০০০) রামসার সাইটের তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

উৎস: রামসার ওয়েবসাইট
১৩,৮২২.
Who is the 'Head of the State' of Bangladesh?
  1. ক) President
  2. খ) Prime Minister
  3. গ) Speaker
  4. ঘ) none
সঠিক উত্তর:
ক) President
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) President
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে চালু সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারি মহামান্য রাষ্ট্রপতি।
- তিনি বাংলাদেশ রাষ্ট্রের প্রধান৷ তবে সরকার প্রধান এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারি প্রধানমন্ত্রী।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারি জাতীয় সংসদের স্পিকার।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১৩,৮২৩.
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য (র‌্যাম্পসহ) কত?
  1. ৪৫.৭৩ কিমি.
  2. ৪৩.৬৭ কিমি.
  3. ৪৭.৬৩ কিমি.
  4. ৪৬.৭৩ কিমি.
সঠিক উত্তর:
৪৬.৭৩ কিমি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬.৭৩ কিমি.
ব্যাখ্যা
• ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের:
→ উড়ালসড়কটি তৈরি হচ্ছে সরকারের সেতু বিভাগের তত্ত্বাবধানে।
→ মূল উড়ালসড়ক ১৯ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার।
→ প্রকল্পে ওঠা-নামার জন্য ২৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ৩১টি র‌্যাম্প (সংযোগ সড়ক) রয়েছে।
→ র‌্যাম্পসহ উড়ালসড়কের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬.৭৩ কিলোমিটার।
--------------------------
→ ২০১১ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রথম চুক্তি স্বাক্ষর হয়। ঐ বছরের জুন মাসে উড়ালসড়কের নির্মাণকাজের উদ্বোধন হয়।
→ উদ্বোধন হয় ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সেতু বিভাগ ও ইত্তেফাক পত্রিকা।
১৩,৮২৪.
In which sector did Sepoy Muhammad Mustafa Kamal fought in?
  1. sector 11
  2. sector 7
  3. sector 5
  4. sector 2
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
sector 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
sector 2
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী মোহাম্মদ মোস্তফা কামাল:
- ভোলা জেলায় দৌলতখান উপজেলার পশ্চিম হাজীপাড়া গ্রামে ১৯৪৭ সালে তাঁর জন্ম।
- সেক্টর: ২ নং।
- মৃত্যু: ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১।
- সমাধি স্থল: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার দরুইন গ্রামে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৮২৫.
সংবিধানের কোন ভাগে নির্বাচন সংক্রান্ত অনুচ্ছেদসমূহ বর্ণিত হয়েছে?
  1. ক) ষষ্ঠ ভাগ
  2. খ) সপ্তম ভাগ
  3. গ) অষ্টম ভাগ
  4. ঘ) নবম ভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) সপ্তম ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সপ্তম ভাগ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ রয়েছে।
এর মধ্যে,
- সপ্তম ভাগে ১১৮ থেকে ১২৬ নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
অন্যদিকে
- ষষ্ঠ ভাগ : বিচার বিভাগ
- অষ্টম ভাগ : মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
- নবম ভাগ : বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১৩,৮২৬.
বিবিএস এর চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৬.৮২%
  2. ৫.৮২%
  3. ৪.৬২%
  4. ৪.২২%
সঠিক উত্তর:
৪.২২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.২২%
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) দেশের জনসংখ্যা, কৃষি, শিল্প, জনমিতি, অর্থনীতি, আর্থ-সামাজিক বিষয়াদি, প্রাকৃতিক সম্পদ, পরিবেশ, ইত্যাদি সংক্রান্ত পরিসংখ্যান প্রণয়ন ও প্রকাশ করে থাকে।
- তন্মধ্যে স্কুল দেশজ উৎপাদ (GDP)-সহ গুরুত্বপূর্ণ সামষ্টিক অর্থনৈতিক নির্দেশক প্রাক্কলন অন্যতম।
 ইতঃপূর্বে সাময়িকভাবে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন ও প্রকাশ করা হয়েছিলো।
- এ পর্যায়ে চূড়ান্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের জিডিপি'র চূড়ান্ত হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.২২%, সাময়িক হিসাবে যা ছিলো ৫.৮২%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১৩,৮২৭.
দেশের একমাত্র গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী 'উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. গাজীপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ:
- 'উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ' চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।

⇒ উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ ১৯৫৯ সালের ৩০শে জুন একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর উদ্দেশ্য ছিল স্মারকলিপিতে উল্লেখিত, যা অন্যান্য বিষয়ের সাথে সাথে একটি কাচের শিট কারখানা প্রতিষ্ঠা এবং পরিচালনার বিধান করে, যাতে জনসাধারণের একটি বৃহত্তর অংশকে একটি ক্রমবর্ধমান শিল্পের সাথে যুক্ত করা যায়।
- কোম্পানিটি ১৯৬২ সালের ২৭শে অক্টোবর একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানিতে রূপান্তরিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশ শিল্প উদ্যোগ (জাতীয়করণ) আদেশ, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের পিওন নং ২৭) এর প্রাসঙ্গিক বিধান অনুসারে কোম্পানিটিকে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনায় অর্পণ করে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নীতিমালা অনুযায়ী, ১৯৮৭ সালে সম্পদের পুনর্মূল্যায়ন এবং কোম্পানির নিট মূল্য চূড়ান্তকরণের পর কোম্পানির ৪৯% শেয়ার জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজ (জাতীয়করণ) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ১৯৮৭ (১৯৮৭ সালের অধ্যাদেশ নং ৭) দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের পিও নং ২৭ এর অধীনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আর্থিক পুনর্গঠন করে।
- কোম্পানিটি চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় ৯.৮ একর জমিতে অবস্থিত একটি কারখানার মালিক এবং পরিচালনা করছে, যার বার্ষিক ২০১.০০ লক্ষ বর্গফুট (বর্গফুট) কাচের শিট উৎপাদন ক্ষমতা রয়েছে।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
১৩,৮২৮.
নিচের ভাষা শহীদদের মধ্যে সবার শেষে শহীদ হন কে ?
  1. আবুল বরকত
  2. আবদুস সালাম
  3. রফিকউদ্দিন আহমেদ
  4. আবদুল জব্বার
সঠিক উত্তর:
আবদুস সালাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবদুস সালাম
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেডিকেল কলেজের সামনে ছাত্ররা রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবীতে মিছিল বের করলে্ পুলিশ গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আবুল বরকত, রফিকউদ্দিন আহমেদ এবং আবদুল জব্বারসহ আরো অনেকে শহিদ হন। আবদুস সালাম গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭ এপ্রিল মারা যান।
সূত্র : বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৮২৯.
বাংলাদেশ প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম চালু করে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) এশিয়াটিক সোসাইটি
  2. খ) বাংলা একাডেমি
  3. গ) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
  4. ঘ) শিল্পকলা একামেডি
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলা একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
১৯৯২ সালে বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম প্রণয়ন করে এবং সব প্রতিষ্ঠানকে এই নিয়ম অনুসরণের আহ্বান জানায়। তখন থেকে বাংলা বানানে আরো শৃঙ্খলা আনার প্রচেষ্টা শুরু হয়।
Source:kalerkantho.com
১৩,৮৩০.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?
  1. ক) ১৪ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৩ ডিসেম্বর
  3. গ) ১২ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১১ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে প্রতিবছর ১৪ ডিসেম্বর ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ পালিত হয়।
- ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানের এদেশীয় দোসররা বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে।
- সব শহীদ বুদ্ধিজীবীর প্রকৃত সংখ্যা অদ্যাবধি নিরূপণ করা সম্ভব হয় নি। প্রাপ্ত তথ্যসূত্র থেকে শহীদদের মোটামুটি একটা সংখ্যা দাঁড় করানো যায়। এঁদের মধ্যে ছিলেন ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ১৩ জন সাংবাদিক, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী, ৯ জন সাহিত্যিক ও শিল্পী, ৫ জন প্রকৌশলী,এবং অন্যান্য ২ জন।
- শহিদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতি অমর করে রাখতে ১৯৭২ সালে ঢাকার মিরপুরে মোস্তফা আলী কুদ্দুসের নকশায় শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৮৩১.
ISPR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Inter Services Public Relations
  2. International Security & Peace Research
  3. Internal Services Protection Regulation
  4. Intelligence and Strategic Planning Resource
সঠিক উত্তর:
Inter Services Public Relations
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Inter Services Public Relations
ব্যাখ্যা

ISPR:
- ISPR-এর পূর্ণরপ: Inter-Services Public Relations বা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর ।
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে ১৯৭২ সালে সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য আন্তঃবাহিনী সংস্থার প্রচার ও জনসংযোগ কাজ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতির আদেশবলে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- আইএসপিআর অফিস ভবন: পুরাতন লগ এরিয়া সদর দপ্তর ভবন, ঢাকা সেনানিবাস।
- এর প্রধান কাজ:  সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য সংস্থার কার্যক্রম বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম যেমন সংবাদপত্র, বেতার এবং টেলিভিশনে সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং প্রচারণার উদ্দেশ্যে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা এবং বাস্তবায়ন  নিশ্চিত করা।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৩,৮৩২.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনাকারী কর্তৃপক্ষ কোনটি?
  1. জাতীয় সংসদ
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. রাষ্ট্রপতির কার্যালয়
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
নির্বাচন কমিশন:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় নির্বাচন কমিশন গঠিত। 
- এটি সাংবিধানিকভাবে গঠিত একটি প্রতিষ্ঠান।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন কমিশনারসহ মোট পাঁচজন নিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠিত।
- নির্বাচন কমিশনারগণকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দেন।
- নির্বাচন কমিশনের সভায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার সভাপতির কাজ করেন।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য কমিশনারের মেয়াদ তাদের কার্যভার গ্রহণের তারিখ হতে পাঁচ বছর।
- নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সরকার ও অন্যান্য কর্তৃপক্ষের কর্তব্য।
- নির্বাচন কমিশন সংবিধানে বর্ণিত নির্দেশনাবলি এবং দেশের নির্বাচনি আইন দ্বারা পরিচালিত হয়।
- নির্বাচন কমিশন কর্তৃক পরিচালিত নির্বাচন সমূহ,
• রাষ্ট্রপতি নির্বাচন।
• জাতীয় সংসদ নির্বাচন।
• সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন।
• জেলা পরিষদ নির্বাচন।
• উপজেলা পরিষদ নির্বাচন।
• পৌরসভা নির্বাচন।
• ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম-দশম শ্রেণি ও নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
১৩,৮৩৩.
বাংলাদেশ ভারতের মধ্যকার সবচেয়ে বড় ছিটমহল -
  1. ক) হাড়িয়াভাঙ্গা
  2. খ) দাশিয়ারছড়া
  3. গ) লখ্যাং
  4. ঘ) ওরাওতি
সঠিক উত্তর:
খ) দাশিয়ারছড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দাশিয়ারছড়া
ব্যাখ্যা
ছিটমহল:
- একটি স্বাধীন রাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে বিচ্ছিন্ন অবস্থায় অবস্থিত অন্য কোনো স্বাধীন রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকাই ছিটমহল নামে পরিচিত। ২০১৫ সালের পূর্বে ভারত বাংলাদেশ এর মধ্যাকার সর্বমোট ১৬২ টি ছিটমহল ছিল।
- ০১আগষ্ট, ২০১৫ সালের রাত ১২:০১ মিনিটে ভারত বাংলাদেশ ঐতিহাসিক মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির অংশ হিসাবে নিজেদের ছিটমহলগুলো পরস্পরের সাথে বিনিময় করে।
- ভারতের ১১১টি ছিটমহল ছিল বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ছিল ভারতের অভ্যন্তরে।
- বাংলাদেশ-ভারত ছিটমহল বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত হন ভারতের ১১১টি ছিটমহলের নাগরিক। অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে যুক্ত হন বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহলের নাগরিক।
- দাশিয়ারছড়া ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যকার ১৬২টি বিলুপ্ত ছিটমহলের মধ্যে আয়তন ও লোকসংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড়।

উৎস: প্রথম আলো, বিবিসি।
১৩,৮৩৪.
মুজিব নগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. যশোর
  2. কুষ্টিয়া
  3. মেহেরপুর
  4. চুয়াডাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
• মুজিব নগর বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।

• ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রসিদ্ধ বৈদ্যনাথতলা আম্র কাননে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের হেডকোয়াটার্স স্থাপিত হয়।
- ১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা আম্র কাননে অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রিপরিষদ শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে  অস্থায়ী সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নামের  সাথে মিল রেখে এ স্থানের নামকরণ করা হয় মুজিবনগর।  
 
সূত্র: মেহেরপুর জেলার ওয়েবসাইট।
১৩,৮৩৫.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট–১এর গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৫টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ২টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২টি
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট–১–এর গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি। 
গাজীপুরের তেলিপাড়া এলাকায় পাঁচ একর জমির ওপর বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট–১–এর গ্রাউন্ড স্টেশন তৈরি হয়েছে। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নিয়ন্ত্রণ করা হবে বাংলাদেশের গাজীপুর থেকে। এ জন্য গাজীপুরের জয়দেবপুরে তৈরি করা হয়েছে গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন। বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করা হবে রাঙামাটির বেতবুনিয়া গ্রাউন্ড স্টেশন।

দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট ও টেলিযোগাযোগ সেবার সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে। দুর্যোগ পরিস্থিতি মোকাবিলা ও ব্যবস্থাপনায় নতুন মাত্রা যোগ হবে। স্যাটেলাইটভিত্তিক টেলিভিশন সেবা ডিটিএইচ (ডাইরেক্ট টু হোম) ও জাতীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজেও এ স্যাটেলাইটকে কাজে লাগানো যাবে।

মহাকাশে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের অবস্থান হবে ১১৯ দশমিক ১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে। এই কক্ষপথ থেকে বাংলাদেশ ছাড়াও সার্কভুক্ত সব দেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, মিয়ানমার, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমিনিস্তান ও কাজাখস্তানের কিছু অংশ এই স্যাটেলাইটের আওতায় আসবে।
 
উৎস: gazipur.gov.bd
১৩,৮৩৬.
শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য মূল দাবি ছিল না-
  1. ক) সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া
  2. খ) গণহত্যার তদন্ত করা
  3. গ) চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করা
  4. ঘ) পুনরায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করা
সঠিক উত্তর:
ঘ) পুনরায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) পুনরায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করা
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু রেসকোর্স ময়দানে সমাবেশে উপস্থিত হয়ে তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণ দেন। এই ভাষণে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামের জন্য প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানান এবং দেশকে মুক্ত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। ঐতিহাসিক ৭ মার্চের বঙ্গবন্ধুর ভাষণে জাতীয় পরিষদের অধিবেশনে যোগদানের জন্য মূল দাবি ছিল- ৪টি। যথা:
১. চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার,
২. সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেয়া,
৩. গণহত্যার তদন্ত করা এবং
৪. নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
[সূত্রঃ বোর্ড বইঃ নবম-দশম শ্রেণি(বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা)]
১৩,৮৩৭.
মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন প্রতিকারে হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে পারবেন কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী?
  1. ক) ৪২
  2. খ) ৪৩
  3. গ) ৪৪
  4. ঘ) ৪৫
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪৪
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোন সংক্ষুব্ধ ব্যাক্তি মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে আবেদন করতে পারবেন।
মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগ কোন সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির আবেদনক্রমে মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য যে কোনো ব্যক্তি বা সংস্থাকে নির্দেশ দিতে পারবে। সূত্রঃ একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর পৌরনীতি ও সুশাসন বই।
১৩,৮৩৮.
কোন মুসলিম দেশ প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দান করে?
  1. সৌদি আরব
  2. ইরাক
  3. মালদ্বীপ
  4. নাইজেরিয়া
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সেনেগাল। 

মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক:
- পাকিস্তানের জেল থেকে মুক্তি পেয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসার পর থেকে জাতির জনকের নেতৃত্বে মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্থাপন এবং ক্রমান্বয়ে তা দৃঢ়তর হয়।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্বের অনেক মুসলিম দেশ আমাদের সমর্থন জানালেও আরব দেশগুলো, বিশেষ করে সৌদি আরব, জর্দান, মরক্কো, লিবিয়া পাকিস্তানকে সমর্থন করে গ- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ আফ্রিকার সেনেগা
- এশিয়ার মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

উল্লেবাংলাদেশকে স্বীকৃতি:
- সেনেগাল (১ ফেব্রুয়ারি), মালয়েশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), ইন্দোনেশিয়া (২৪ ফেব্রুয়ারি), গাম্বিয়া (মার্চ), গ্যাবন (৬ এপ্রিল), সিয়েরা লিওন (২১ এপ্রিল), ইরাক (৮ জুলাই), দক্ষিণ ইয়েমেন (৩১ জুলাই), উগান্ডা (৫ আগস্ট), বুরকিনা ফাসো (১৯ আগস্ট) প্রভৃতি মুসলিম দেশ ১৯৭২ সালের মধ্যেই বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
উৎস: i) বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন)।
ii) বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)।

১৩,৮৩৯.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন কোন দেশ পাকিস্তানের পক্ষে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল?
  1. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. পোল্যান্ড
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র 
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়।
- এই প্রস্তাব তিনবার উত্থাপিত হয়।
- কিন্তু প্রতিবারই সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় সেই প্রস্তাবে ভেটো প্রদান করে।
- ফলে পাকিস্তানপন্থী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শেণি।

১৩,৮৪০.
সাঁওতালদের বসবাস রয়েছে কোন অঞ্চলে?
  1. ক) রাঙামাটি
  2. খ) রংপুর
  3. গ) বান্দরবান
  4. ঘ) কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রংপুর
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল
• সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
• তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
• প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর; পরে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সাঁওতাল পরগনায়।
• সাঁওতালদের ভাষা: সাঁওতালি।
• সাঁওতালি ভাষা অস্ট্রিক ভাষার পরিবারভুক্ত। কোল ও মুন্ডারি ভাষার সঙ্গে সাঁওতালি ভাষার সাদৃশ্য রয়েছে।
• সাঁওতালদের যেমন ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই। খ্রিস্টান মিশনারিদের দ্বারা তাদের মধ্যে খ্রিস্টধর্ম প্রচারিত হচ্ছে। 
• প্রধান উৎস: সোহরাই।

তথ্যসূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩,৮৪১.
জিডিপির চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, শিল্প খাতের অবদান কত? [মে, ২০২৫]
  1. ৩৫.২%
  2. ৪২.৫%
  3. ৩৭.৩৭%
  4. ৪০.৪%
সঠিক উত্তর:
৩৭.৩৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৩৭%
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- জিডিপিতে কৃষির অবদান - ১১.১৯%।
- জিডিপিতে শিল্পের অবদান - ৩৭.৩৭%।
- জিডিপিতে সেবার অবদান- ৫১.৪৪%।

এছাড়াও, 
- জিডিপিতে কৃষির প্রবৃদ্ধি হার: ৩.৩%।
- জিডিপিতে শিল্পের প্রবৃদ্ধি হার: ৩.৫১%।
- জিডিপিতে সেবার প্রবৃদ্ধি হার: ৫.০৯%।
- সার্বিক প্রবৃদ্ধির হার : ৪.২২%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩,৮৪২.
বাংলাদেশের কোন অভিযাত্রী ‘সি টু সামিট’ অভিযান সম্পন্ন করেছে?
  1. মুসা ইব্রাহীম
  2. ইকরামুল হাসান শাকিল
  3. এম এ মুহিত
  4. ওয়াসফিয়া নাজরীন
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকরামুল হাসান শাকিল
ব্যাখ্যা
ইকরামুল হাসান শাকিল:
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি হিসেবে মাউন্ট এভারেস্ট হয় করেছেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ২০২৫ সালের ১৯ মে তিনি এভারেস্ট চূড়া জয় করেন।
- সবচেয়ে কম সময়ে এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে নতুন রেকর্ডও গড়েছেন তিনি।
- কক্সবাজার থেকে হেঁটে গিয়ে পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ এভারেস্টে বাংলাদেশের পতাকা ওড়ালেন ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ইকরামুল হাসান তাঁর এই অভিযানের নাম দিয়েছেন ‘সি টু সামিট’, অর্থাৎ সমুদ্র থেকে শৃঙ্গ।
- শাকিলের 'সি টু সামিট' অভিযাত্রা শুরু হয় ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ তারিখে কক্সবাজার থেকে।
- এরপর ৯০ দিনের মধ্যেই বাংলাদেশ, ভারত ও নেপালের মধ্য দিয়ে প্রায় এক হাজার ৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দেন এবং ২৯ হাজার ৩১ ফুট উচ্চতার এভারেস্ট জয় করেন।

⇒ এখন পর্যন্ত ছয়জন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন, বাবর আলী, ইকরামুল হাসান শাকিল।
- ১ম বাংলাদেশি: মুসা ইব্রাহিম, ২০১০ সালের ২৩ মে।
- ২য় বাংলাদেশি: এম এ মুহিত, ২০১১ সালের ২১ মে।
- ৩য় বাংলাদেশি: নিশাত মজুমদার, ২০১২ সালের ১৯ মে।
- ৪র্থ বাংলাদেশি: ওয়াসফিয়া নাজরিন, ২০১২ সালের ২৬ মে।
- ৫ম বাংলাদেশি: বাবর আলী, ২০২৪ সালের ১৯ মে।
- ৬ষ্ঠ বাংলাদেশি: ইকরামুল হাসান শাকিল, ২০২৫ সালের ১৯ মে।

এছাড়াও,
- মো. খালেদ হোসেন, ২০১৩ সালের ২০ মে মাউন্ট এভারেস্ট শৃঙ্গ জয় করেন। তবে চূড়া থেকে নামার পথে দুর্ঘটনায় মারা যান তিনি। তাই এভারেস্ট জয়ী হিসেবে নিবন্ধিত হতে পারেননি।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো।
১৩,৮৪৩.
পলাশীর যুদ্ধে কে নবাব সিরাজউদ্দৌলার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা করেনি?
  1. ক) মীরজাফর
  2. খ) মীরমদন
  3. গ) রায় দুর্লভ
  4. ঘ) ইয়ার লতিফ
সঠিক উত্তর:
খ) মীরমদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মীরমদন
ব্যাখ্যা
১৭৫৭ সালের ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর প্রান্তরে নবাব সিরাজ-উ-দ্দৌলার সাথে ইংরেজদের যুদ্ধ হয় । যুদ্ধক্ষেত্রে নবাবের সেনাপতি মীরজাফর, জগৎশেঠ, রায় দুর্লভ, ইয়ারলতিফ, উমিচাঁদ প্রমূখ তাদের সৈন্যবাহিনীসহ নিস্ক্রিয় ভূমিকা পালন করে ইংরেজদের জয়ের সুযোগ করে দেয়।
তবে মীরমদন, মোহনলাল প্রমুখ দেশপ্রেমিক সৈনিকগণ ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রাণপণে যুদ্ধ করেন এবং ইংরেজদের গোলার আঘাতে মীরমদনের মৃত্যু হয়।
নবাব পরাজিত ও নিহত হওয়ার মধ্য দিয়ে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত হয়।
পলাশীর যুদ্ধে ফরাসি সেনাদের একটি দল 'সিনফ্রে'র সেনাপতিত্বে ইংরেজদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল।
উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা - নবম দশম শ্রেণী।
১৩,৮৪৪.
বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি -
  1. প্রত্যক্ষ কর
  2. পরোক্ষ কর
  3. সম্পূরক কর
  4. পরিপূরক কর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ কর
ব্যাখ্যা
মূল্য সংযোজন কর:
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর একটি পরোক্ষ কর।
- ১৯৯০ সনের মধ্য জুনের কিছু আগে মূল্য সংযোজন কর আইন ১৯৯০ (খসড়া) তৈরি করা হয়।
- মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১ জুলাই ১৯৯১ সালে।
- সকল পন্য ও সেবার উপর ১৫% মূল্য সংযোজন কর আরোপ হয় ।
- আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ১৫%। 
- পন্য বা সেবার সর্বশেষ ভোক্তা মূল্য সংযোজন কর দাতা।
- রপ্তানির ক্ষেত্রে মূল্য সংযোজন কর ০%।

তথ্যসূত্র- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, বাংলাদেশ ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,৮৪৫.
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় নদী বন্দর কোনটি?
  1. চাঁদপুর নদীবন্দর
  2. নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর
  3. ভৈরব নদীবন্দর
  4. ঢাকা নদীবন্দর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর
ব্যাখ্যা
নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর:
- পলাশী যুদ্ধে বাংলার পরাজয়ের পর পর ইংরেজরা দল বেঁধে এ অঞ্চলে আসতে থাকে ব্যবসা-বাণিজ্যের আশায়। 
- ইংল্যান্ডের টেমস নদীর পর পৃথিবীর দ্বিতীয় ‘হারবার’ বেষ্টিত শান্ত নদী শীতলক্ষ্যা।
- শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে অবস্থিত নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর বাংলাদেশের ঐতিহাসিক এবং সবচেয়ে বড় নদী বন্দর।
- ভৌগোলিক, বাণিজ্যিকভাবে এ বন্দরের গুরুত্ব অত্যন্ত বেশি।

উৎস: বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ।
১৩,৮৪৬.
নাথান কমিশন গঠিত হয় কত সালে?
  1. ১৯১০ সালে
  2. ১৯১২ সালে
  3. ১৯১৩ সালে
  4. ১৯১৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯১২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯১২ সালে
ব্যাখ্যা
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে ১৯১২ সালের ২৭ মে তৎকালীন বঙ্গীয় সরকার ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশন গঠন করে।
নাথান কমিশনের সদস্যরা হলেন:
- আর. নাথানিয়েল (প্রধান)
- ডব্লিউ কুচলু
- অ্যাডভোকেট রাসবিহারী ঘোষ
- নওয়াব সৈয়দ নওয়াব আলী চৌধুরী
- নওয়াব সিরাজুল ইসলাম
- উকিল আনন্দচন্দ্র রায়
- মুহম্মদ আলী
- এইচ.আর জেমস
- ডব্লিউ.এ.টি আর্চবোল্ড
- সতীশচন্দ্র আচার্য
- ললিত মোহন চ্যাটার্জী
- সি.ডব্লিউ পীক ও
- শামসুল উলামা আবু নসর মুহম্মদ ওহীদ।
- কমিশনের সচিবের দায়িত্ব পালন করেন ডি.এস ফ্রেজার।
- এই কমিশন একই বছরের হেমন্তে তার রিপোর্ট সরকারের নিকট পেশ করে। কমিশন ঢাকায় একটি সরকার নিয়ন্ত্রিত আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রস্তাব করে।
- ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)
১৩,৮৪৭.
মুজিবনগর সরকারের পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য সংখ্যা ছিলো কতজন?
  1. ক) ৪ জন
  2. খ) ৫ জন
  3. গ) ৬ জন
  4. ঘ) ৭ জন
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৫ জন
ব্যাখ্যা
- মুজিবনগর সরকার পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পরিকল্পনা কমিশন গঠন করে।
- কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন ড. মুজাফফর আহমদ চৌধুরী।
অন্য  সদস্যরা হলেন -
(১) ড. খান সরওয়ার মুর্শেদ
(২) ড. মোশাররফ হোসেন
(৩) ড. এস. আর. বোস এবং 
(৪) ড. আনিসুজ্জামান।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৮৪৮.
রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার উৎস কে?
  1. ক) জনগণ
  2. খ) আমলা
  3. গ) চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
  4. ঘ) রাজনৈতিক দল
সঠিক উত্তর:
ক) জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জনগণ
ব্যাখ্যা
- সুশাসন এবং নেতৃত্ব বর্তমান সময়ের অত্যন্ত জনপ্রিয় আলোচ্য বিষয়।
- সঠিক এবং কার্যকরী নেতৃত্ব থাকলে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সহজ হয়।
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য অনেকগুলো পূর্বশর্তের মধ্যে যোগ্য নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা অন্যতম। 
- রাষ্ট্রের বিভিন্ন বিষয়ে নেতারা জনমত গঠন করেন।
- জনগণ রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার উৎস।
- জনগণ যাতে রাষ্ট্রীয় কার্যে অংশগ্রহণ করতে পারে সেদিকে নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিতে হবে।
- সাধারণ নাগরিকেরা উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় যদি অংশগ্রহণ করে তাহলে সে রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সুশাসন ব্যতীত গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখা সম্ভবপর নয়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচ এস সি প্রোগ্রম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৮৪৯.
লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল-
  1. ধর্মনিরপেক্ষতা
  2. দ্বিজাতি তত্ত্ব
  3. দেশপ্রম
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
দ্বিজাতি তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিজাতি তত্ত্ব
ব্যাখ্যা
• ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ পাঞ্জাবের লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের বার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনে তৎকালীন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ.কে. ফজলুল হক উপমহাদেশের মুসলমানদের স্বার্থ সম্বলিত একটি প্রস্তাব পেশ করেন।
- জিন্নাহর সভাপতিত্বে সভায় প্রস্তাবটি গৃহীত হয়।
- এই প্রস্তাবই ঐতিহাসিক "লাহোর প্রস্তাব" বা "পাকিস্তান প্রস্তাব" নামে অভিহিত।
• লাহোর প্রস্তাবের মূল বক্তব্য বা বৈশিষ্ট্য :
- ভৌগোলিক দিক থেকে সংলগ্ন এলাকাগুলোকে পৃথক অঞ্চল বলে গণ্য করতে হবে।
- এ সকল অঞ্চলের ভৌগোলিক সীমানা প্রয়োজন মত পরিবর্তন করে ভারতবর্ষের উত্তরপশ্চিম ও পূর্বাঞ্চলের যে সকল স্থানে মুসলমানেরা সংখ্যাগরিষ্ঠ সেখানে 'স্বাধীন রাষ্ট্রগুলো' (Independent States) প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
- এ সমস্ত স্বাধীন রাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্য হবে সার্বভৌম ও স্বায়ত্তশাসিত।
- ভারতের ও নবগঠিত মুসলমান সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্রের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সাংস্কৃতিক, শাসনতান্ত্রিক ও অন্যান্য অধিকার ও স্বার্থ সংরক্ষণের কার্যকর ব্যবস্থা করা হবে।
- দেশের যে-কোনো ভবিষ্যৎ শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনায় উক্ত বিষয়গুলোকে মৌলিক নীতি হিসাবে গ্রহণ করতে হবে।
- লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তি ছিল দ্বিজাতি তত্ত্ব।

উৎস: এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৮৫০.
২০২৫‑২৬ সালের উন্নয়ন বাজেটের সর্বাধিক বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত কোনটি?
  1. শিক্ষা
  2. স্বাস্থ্য
  3. কৃষি
  4. পরিবহন ও যোগাযোগ
সঠিক উত্তর:
পরিবহন ও যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবহন ও যোগাযোগ
ব্যাখ্যা

• জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১৩,৮৫১.
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটিতে সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেননি -
  1. ক) আতাউর রহমান খান
  2. খ) আলী আমজাদ খান
  3. গ) ইয়ার মোহাম্মদ খান
  4. ঘ) আবদুস সালাম খান
সঠিক উত্তর:
গ) ইয়ার মোহাম্মদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইয়ার মোহাম্মদ খান
ব্যাখ্যা
▪ ১৯৪৯ সালের ২৩ ও ২৪ জুন কাজী বশিরের স্বামীবাগস্থ বাসভবন "রোজ গার্ডেন" এ অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনের মাধ্যমে "পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ" গঠিত হয়।

আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটি
▪ সভাপতি - মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
▪ সহ-সভাপতি - আতাউর রহমান খান, আলী আমজাদ খান, আহমেদ আলী খান, শাখাওয়াত হোসেন ও আবদুস সালাম খান
▪ সাধারণ সম্পাদক  - শামসুল হক
▪ ট্রেজারার - ইয়ার মোহাম্মদ খান (যার মালিকানাধীন রোজ গার্ডেনে প্রথম সভার আয়োজন হয়।)
▪ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক - শেখ মুজিবুর রহমান (তখন কারাগারে আটক ছিলেন),খন্দকার মোশতাক আহমদ,এ.কে রফিকুল হোসেন (খায়ের মিয়া)
▪ আওয়ামী মুসলিম লীগ একটি অসাম্প্রদায়িক দলে পরিণত হওয়ার অভিপ্রায়ে আওয়ামী লীগে রূপান্তরিত হয়।
▪ এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন শেখ মুজিবুর রহমান।
▪ ১৯৫৫ সালের ২১ - ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকার সদরঘাটের রূপমহল সিনেমা হলে আওয়ামী মুসলিম লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
▪ ২২শে সেপ্টেম্বর শহীদ সোহরাওয়ার্দী দলের নাম পরিবর্তনের প্রস্তাব করলে সর্ব সম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়।
▪ ফলে ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে সকল সম্প্রদায়ের লোক আওয়ামী লীগে যোগদানের মধ্য দিয়ে এটি একটি সেকুলার ও সর্বজনীন রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩,৮৫২.
নিচের কোন জেলায় রাজবংশি জনগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. পটুয়াখালী
  2. কক্সবাজার
  3. রংপুর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
রাজবংশি:

- রাজবংশী বাংলাদেশে বসবাসরত একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- হিমালয় অঞ্চল বা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা থেকে আগত রাজবংশীরা খর্বকায়, চ্যাপ্টা নাক, উঁচু চোয়ালবিশিষ্ট এক মিশ্র জনগোষ্ঠীর মানুষ।
- এরা বৈষ্ণব ধর্মাবলম্বী। বর্তমানে এদের কেউ কেউ মুসলমান, কেউবা খ্রিস্টান।
- বাংলাদেশে এদের বসবাস প্রধানত রংপুর, দিনাজপুর ও রাজশাহী এবং অতি অল্পসংখ্যায় বগুড়া ও ময়মনসিংহ জেলায়।
- রাজবংশীরা মূলত কৃষিজীবী, তবে মাছধরা এবং মাছ বিক্রয় এদের অন্যতম পেশা। মেয়েরা কুটির শিল্পের কাজে দক্ষ।
- পিতাই পরিবারের প্রধান।
- রাজবংশীদের কোন লেখ্য ভাষা বা বর্ণমালা নেই।
- এদের ভাষা স্থানিক তথা আঞ্চলিক ভাষার এক মিশ্ররূপ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৮৫৩.
'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২' উৎক্ষেপণ করবে কোন দেশ?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) ফ্রান্স
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
খ) রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাশিয়া
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২' উৎক্ষেপণ করবে - রাশিয়া (২০২৩ সালে)।

• বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২:
- ২০২৩ সালের মধ্যে দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ ও ব্যবহার শুরু হবে।
- দেশের দ্বিতীয় স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২’-এর ধরন নির্ধারণের জন্য ফ্রান্সের প্রাইসওয়াটারহাউসকুপার্সকে (পিডব্লিউসি) নিয়োগ দিয়েছে বিএসসিএল।
- রাশিয়ার গ্লাভকসমস 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট ২' তৈরি এবং উৎক্ষেপণ করবে।

অপরদিকে, 
২০১৮ সালের ১২ মে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ মহাকাশে উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে প্রবেশ করে বাংলাদেশ।এতে বাংলাদেশের খরচ হয় ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (২০ জানুয়ারি, ২০২১)।
১৩,৮৫৪.
প্রয়াত চিত্রপরিচালক তারেক মাসুদের 'জঙ্গীবাদ ও তার প্রভাব' সম্পর্কিত চলচ্চিত্রের নাম -
  1. ক) মাটির ময়না
  2. খ) অন্তর্যাত্রা
  3. গ) মুক্তির গান 
  4. ঘ) রানওয়ে
সঠিক উত্তর:
ঘ) রানওয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রানওয়ে
ব্যাখ্যা

- প্রয়াত চিত্রপরিচালক তারেক মাসুদের 'জঙ্গীবাদ ও তার প্রভাব' সম্পর্কিত চলচ্চিত্রের নাম - রানওয়ে।

• চলচ্চিত্র:
- বাংলাদেশে স্বাধীন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, চিত্রনাট্যকার, লেখক এবং গীতিকার হিসেবে সমাদৃত তারেক মাসুদ।
- শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর ছেলে আশফাক দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে বিবিসির ভিডিও গ্রাহক হিসেবে কাজ করেছেন দীর্ঘদিন।
- সবার কাছে মিশুক মুনীর নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন তিনি।
- তিনি তার প্রতিটি কাজের মাধ্যমে একটি করে নতুন ধারার সূচনা করতে চেয়েছিলেন।
- তিনি চেয়েছিলেন তার ‘রানওয়ে’ চলচ্চিত্রটিকে বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তের দর্শকদের দোড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে।
- জঙ্গীবাদ, মৌলবাদ বিরোধী একটি রাজনৈতিক ছবি ‘রানওয়ে’ নিয়ে ভেবেছিলেন অন্য ভাবনা।
- ঢাকা কেন্দ্রীক চিন্তাচেতনাকে অগ্রাহ্য করে আর্থিক ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকা পরও অবলীলায় নিজের তৈরি ছবি ‘রানওয়ে’কে বন্দরনগরীতে ২০১০ সালের ৪ অক্টোবরে মুক্তি দিয়েছিলেন।
- ২০০২ সালে তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘মাটির ময়না’ মুক্তি পায়।
- ২০১১ সালের ১৩ অগস্ট মাসে কাগজের ফুল লোকেশন দেখতে গিয়ে ফিরে আসার সময় মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জোকা এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে দুর্ঘটনায় মারা যান। 

তথ্যসূত্র: বাংলা নিউজ ডট কম এবং ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট। 

১৩,৮৫৫.
দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. পঞ্চগড়
  2. সিলেট
  3. খাগড়াছড়ি
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা

দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র:
- দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র পঞ্চগড়ে অবস্থিত। 
- চট্টগ্রাম ও সিলেটের পরে ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ সালে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।
- চা-চাষিদের কাঁচা চা-পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে পঞ্চগড়ে দেশের তৃতীয় চা নিলাম কেন্দ্র চালু করা হয়।
- এতে চা উৎপাদনকারীদের ব্যয় কমবে।
- চা-চাষিরা পাতার মূল্য না পেলে এই নিলামকেন্দ্র চালু করা মূল্যহীন হবে।
- ‘সমতলে চায়ের ভূবন, পঞ্চগড়ে স্বাগতম’ স্লোগানে স্মল টি গার্ডেন ওনার্স অ্যান্ড টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ এই নিলাম কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রথম আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র স্থাপন করা হয় চট্টগ্রামে।
- দেশের দ্বিতীয় আন্তর্জাতিক চা নিলাম কেন্দ্র মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে।
- বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান: মালনীছড়া চা বাগান।

উৎস: i) ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
         ii) ১০ অক্টোবর, ২০১৮, কালের কন্ঠ। 

১৩,৮৫৬.
বর্তমানে দেশে প্রত্নতত্ত্ব জাদুঘর কয়টি?
  1. ক) ১৮টি
  2. খ) ১৯টি
  3. গ) ২০টি
  4. ঘ) ২১টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২১টি
ব্যাখ্যা
বর্তমানে দেশে প্রত্নতত্ত্ব জাদুঘর - ২১টি। দেশের ২১তম প্রত্নতত্ত্ব জাদুঘর - আমঝুপি নীলকুঠী জাদুঘর, মেহেরপুর।
১৩,৮৫৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করে আটক রাখা যায় না?
  1. ক) অনুচ্ছেদ - ৩৫(১)
  2. খ) অনুচ্ছেদ - ৪৭ (১)
  3. গ) অনুচ্ছেদ -৩৩(১)
  4. ঘ) অনুচ্ছেদ - ৪৭ (ক)
সঠিক উত্তর:
গ) অনুচ্ছেদ -৩৩(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অনুচ্ছেদ -৩৩(১)
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৩৩ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ। 
 
৩৩। (১) গ্রেপ্তারকৃত কোন ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র গ্রেপ্তারের কারণ জ্ঞাপন না করিয়া প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না এবং উক্ত ব্যক্তিকে তাঁহার মনোনীত আইনজীবীর সহিত পরামর্শের ও তাঁহার দ্বারা আত্মপক্ষ সমর্থনের অধিকার হইতে বঞ্চিত করা যাইবে না।
 
 (২) গ্রেপ্তারকৃত ও প্রহরায় আটক প্রত্যেক ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেটের সম্মুখে গ্রেপ্তারের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে গ্রেপ্তারের স্থান হইতে ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে আনয়নের জন্য প্রয়োজনীয় সময় ব্যতিরেকে) হাজির করা হইবে এবং ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশ ব্যতীত তাঁহাকে তদতিরিক্তকাল প্রহরায় আটক রাখা যাইবে না।
 
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 
১৩,৮৫৮.
স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার ভিত্তি কয়টি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪টি
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট বাংলাদেশ:
- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার ভিত্তি - ৪ টি।
- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে ২০৪১ সালের মধ্যে।
- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার চারটি ভিত্তি হলো –
১. স্মার্ট সিটিজেন, 
২. স্মার্ট ইকোনোমি, 
৩. স্মার্টগভর্নমেন্ট, 
৪. স্মার্ট সোসাইটি।
১৩,৮৫৯.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্যে বিশেষ বিধান গ্রহণের বিষয়ে বলা হয়েছে?
  1. ১৯(১) নং
  2. ২৮(২) নং
  3. ২৮(৪) নং
  4. ২৯(১) নং
সঠিক উত্তর:
২৮(৪) নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮(৪) নং
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদে পিছিয়ে পড়া বা অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্যে বিশেষ বিধান গ্রহণের বিষয়ে বর্ণনা করা হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে,
“নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্যে বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।”

অন্যদিকে,
- ১৯(১) নং অনুচ্ছেদ : সকল নাগরিকের জন্যে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা
- ২৮(২) নং অনুচ্ছেদ : রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ
- ২৯(১) নং অনুচ্ছেদ : প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভে সকলের সমতা।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১৩,৮৬০.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ কয়টি সেক্টরে পরিচালিত হয়?
  1. ক) ৭টি
  2. খ) ৯টি
  3. গ) ১১টি
  4. ঘ) ১৩টি
সঠিক উত্তর:
গ) ১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১১টি
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার ভারতীয় সামরিক বাহিনীর সহায়তায় সামরিক ও বেসামরিক জনগণের সমন্বয়ে ১৯৭১ সালের ১১ জুলাই মুক্তিবাহিনী গঠন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ১২ এপ্রিল কর্নেল মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি এবং গ্রুপ ক্যাপ্টেন একে খন্দকারকে মুক্তিবাহিনীর উপপ্রধান সেনাপতি নিযুক্ত করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে তাদেরকে আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ও উপপ্রধান সেনাপতি ঘোষণা করা হয়।
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্য বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- এই ১১ টি সেক্টরের সশস্ত্রবাহিনীকে সংগঠিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয় ১১ জুলাই থেকে ১৭ জুলাই।
- মুক্তিবাহিনীকে তিনটি বিগ্রেড ফোর্সে ভাগ করা হয় যা জেড ফোর্স, কে ফোর্স এবং এস ফোর্স নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি, প্রথম আলো পত্রিকা, বিবিসি নিউজ বাংলা, ও যুগান্তর পত্রিকা।
১৩,৮৬১.
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি কমিশন
  2. খ) বাংলাদেশ বিনিয়োগ বোর্ড
  3. গ) নির্বাচন কমিশন
  4. ঘ) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নির্বাচন কমিশন
ব্যাখ্যা
- সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ বাংলাদেশ সরকারের আইনি প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের আইনি কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের আওতায় বেশ কয়েকটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহ:-  
- জাতীয় সংসদ।
- সুপ্রিম কোর্ট। 
- নির্বাচন কমিশন।
- বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।
- এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়।
- কম্পট্রোলার এন্ড অডিটর জেনারেল অব বাংলাদেশ।

উৎস:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৮৬২.
সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আঞ্চলিক পরিচালক পদে নির্বাচিত হন কোন বাংলাদেশি?
  1. রাবেয়া খাতুন
  2. সায়মা ওয়াজেদ
  3. জাকিয়া সুলতান
  4. তারিকুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
সায়মা ওয়াজেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সায়মা ওয়াজেদ
ব্যাখ্যা
সায়মা ওয়াজেদ:
→ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ– পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের পরিচালক নির্বাচিত হয়েছেন। 
→ ১ নভেম্বর ভারতের নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত ডব্লিউএইচওর আঞ্চলিক সম্মেলনে এ নির্বাচন হয়।
→ সায়মা ওয়াজেদ ৮-২ ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আগামী পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন।
→ ২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারিতে সায়মা ওয়াজেদ তাঁর দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (১ নভেম্বর, ২০২৩)।
১৩,৮৬৩.
বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানের উল্লেখিত মূলনীতিগুলি কী কী?
  1. সমাজতন্ত্র, সাম্য, মুক্তি, ন্যায়বিচার
  2. জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্ম
  3. সাম্য, স্বাধীনতা, ন্যায়বিচার, মানবাধিকার
  4. জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা
• সংবিধান:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

• সংবিধানের চারটি মূলনীতি হলো:
- জাতীয়তাবাদ,
- সমাজতন্ত্র,
- গণতন্ত্র ও
- ধর্মনিরপেক্ষতা।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,৮৬৪.
আনুষ্ঠানিক ভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র জারি করা হয়?
  1. ক) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
  2. খ) ২৫ মার্চ ১৯৭১
  3. গ) ৭ মার্চ ১৯৭১
  4. ঘ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০ এপ্রিল ১৯৭১
ব্যাখ্যা
• স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র:
- ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে গণপ্রজাতন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে মুজিবনগর সরকার শপথ নেওয়ার মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
- ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
- ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

উৎস:- বাংলাপিডিয়া।
১৩,৮৬৫.
Who was the Prime Minister of Pakistan during the Liberation war in 1971?
  1. Maulana Akram Khan
  2. Feroze Khan Noon
  3. Nurul Amin
  4. Khwaja Nazimuddin
  5. Liaquat Ali Khan
সঠিক উত্তর:
Nurul Amin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nurul Amin
ব্যাখ্যা
নূরুল আমিন:
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন নূরুল আমিন।
- ১৯৭১ সালের ৭ ডিসেম্বর দীর্ঘ ১৩ বছর সামরিক আইন জারির পর স্বৈরশাসক ইয়াহিয়া খানের প্রশাসনের অধীনে নূরুল আমিনকে প্রধানমন্ত্রী করা হয়।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজয়ের পর ২০ ডিসেম্বর আমিনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।
 
উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন।
- নূরুল আমিন ১৯৪৮ সালে পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন এবং পাঁচ বছর এ পদে বহাল ছিলেন।
- ১৯৫৪ সালে পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে তিনি যুক্তফ্রন্ট প্রার্থীর নিকট পরাজিত হন।
- ১৯৬৯ সালে তিনি পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি (পিডিপি) নামে একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করেন এবং এ দলের সভাপতি হন।
- ১৯৭০ সালে তিনি জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।
- তিনি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা এবং পাক হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সর্বাত্মক সহযোগিতা করেন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের প্রাক্কালে তিনি পশ্চিম পাকিস্তানে অবস্থান করছিলেন এবং স্বাধীনতার পরপরই স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পাকিস্তানের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
        ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,৮৬৬.
বাংলার স্বাধীন সুলতানি যুগ শুরু হয় কোন শাসকের মাধ্যমে?
  1. রাজা গণেশ
  2. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  3. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  4.  ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
সঠিক উত্তর:
 ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ
ব্যাখ্যা

- ১২০৪ খ্রিস্টাব্দে ইখতিয়ারউদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা করেন।
- এরপর থেকে রাজা গণেশের স্বল্পকালীন শাসন ব্যতীত ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা মুসলিম শাসনের অধীনে থাকে।
- ১২০৪–১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত খলজি, তুর্কি ও বলবনী শাসকগণ প্রধানত দিল্লির সুলতানদের নিয়োগপ্রাপ্ত ছিলেন।
- অনেক শাসক দূরবর্তী বাংলায় স্বাধীনতার সুযোগ পেয়ে দিল্লির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতেন।
- বাংলাকে তখন “বুলঘাকপুর” বা “বিদ্রোহের নগরী” বলা হতো।
- ১৩৩৮ খ্রিস্টাব্দে ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ সোনারগাঁও-এ স্বাধীন সুলতানি যুগ শুরু করেন।
- ১৩৩৮–১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলা প্রায় দুই শতাব্দী স্বাধীন থাকে।
- এই স্বাধীন যুগে শাসক ছিলেন ফখরুদ্দিন মুবারক শাহ, ইলিয়াস শাহী বংশ, রাজা গণেশের বংশ, হাবশি সুলতান ও হোসেন শাহী বংশ।
শাসকগণ ভারতবর্ষের শ্রেষ্ঠ নৃপতিদের পাশে স্থান করে নেন।
- তারা বাংলায় সুশাসন প্রতিষ্ঠা, শিক্ষাসংস্কৃতি উন্নয়ন ও জনকল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- এই দুই শতাব্দীর স্বাধীন সুলতানি যুগকে বাংলার গৌরবময় যুগ বলা হয়।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৮৬৭.
ইস্কান্দার মির্জা সামরিক আইন জারি করে কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন?
  1. ১৯৫৬ সালের সংবিধান বাতিল
  2. কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ ভেঙ্গে দেওয়া
  3. রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
সামরিক শাসন: 
- ১৯৫৮ সালের ৭ই অক্টোবর প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মীর্জা সামরিক আইন জারি করেন।
- তিনি দায়িত্ব নিয়ে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:
১. ১৯৫৬ সালের সংবিধান বাতিল,
২. কেন্দ্রীয় ও প্রাদেশিক পরিষদ ভেঙ্গে দেওয়া,
. রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা,
৪. বেশ কজন রাজনৈতিক নেতাকে জেলে প্রেরণ,
৫. সকল মৌলিক অধিকার কেড়ে নেওয়া।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১৩,৮৬৮.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি প্রাথমিক শিক্ষার সাথে জড়িত?
  1. ক) নিপোর্ট
  2. খ) নিকার
  3. গ) নেপ
  4. ঘ) নায়েম
সঠিক উত্তর:
গ) নেপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নেপ
ব্যাখ্যা
• National Academy for Primary Education (NAPE):
- জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)
- ১৯৬৯ সনে জুনিয়র ট্রেনিং কলেজ (জেটিসি) হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয় ও
- ১৯৮৫ সালে এর নামকরণ করা হয় ‘‘জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি (নেপ)"

- অন্যদিকে:
• National Institute of Population Research and Training (NIPORT):
- জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)
- ১৯৭৭ সালে নিপোর্ট প্রতিষ্ঠিত।

• National Implementation Committee for Administrative Reform (NICAR):
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার)।
- এটি ১৯৮২ সালে গঠিত।
- মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এই কমিটির আহবায়ক।

• National Academy for Educational Management (NAEM):
- জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)
- ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয় ও
- ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রূপান্তর করা হয়।

উৎস: সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১৩,৮৬৯.
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা' এর সুরকার কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
  4. ঘ) সলীল চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংগীত:

- 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি' এই গানটির প্রথম ১০ চরন বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত হিসাবে গৃহীত।
- এটি প্রথম ১৯০৫ (১৩১২) সালে বঙ্গদর্শন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- এই গানের সুরকার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর স্বয়ং এবং এতে বাউল গগন হরকরার সুরের প্রভাব রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩,৮৭০.
কোন ধরণের শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকের স্বাধীনতা এবং অধিকার বিনষ্ট হওয়ার সুযোগ থাকে?
  1. ক) গণতন্ত্রে
  2. খ) একনায়কতন্ত্রে
  3. গ) সমাজতন্ত্র
  4. ঘ) অভিজাততন্ত্র
সঠিক উত্তর:
খ) একনায়কতন্ত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) একনায়কতন্ত্রে
ব্যাখ্যা
একনায়কতন্ত্র শাসন ব্যবস্থায় নাগরিকের স্বাধীনতা এবং অধিকার বিনষ্ট হওয়ার সুযোগ থাকে। 

- একনায়কতন্ত্র হচ্ছে একটি স্বেচ্ছাচারী শাসনব্যবস্থা। 
- একনায়কতন্ত্র হল একটি অতি প্রাচীন রাষ্ট্রনৈতিক মতবাদ।
- তত্ত্বগতভাবে একনায়কতন্ত্র হল গণতন্ত্রের সম্পূর্ণ বিপরীত শাসনব্যবস্থা।
- প্রাচীনকালে গ্রীস ও রোমের স্বৈরতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার মধ্যে একনায়কতান্ত্রিক শাসনের লক্ষণ পরিলক্ষিত হয়।
- তবে একনায়কতন্ত্র সম্বন্ধে বর্তমান ধারণা ভিন্ন ধরনের।
- সাধারণত একনায়কতন্ত্রকে সামরিক, সাম্যবাদী এবং ফ্যাসিবাদী বা নাৎসীবাদী—মূলত এই তিনটি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়ে থাকে।

সূত্র- গণতন্ত্র এবং একনায়কতন্ত্র অধ্যায়, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১৩,৮৭১.
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করার পর পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হয়েছিলেন কে?
  1. আইয়ুব খান
  2. রাও ফরমান আলি
  3. খাদিম রাজা
  4. ওমরাও খান
সঠিক উত্তর:
ওমরাও খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওমরাও খান
ব্যাখ্যা
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:
- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্থানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৮৭২.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ত্রিশাল, ময়মনসিংহ
  2. মানিক মিয়া এভিনিউ, ঢাকা
  3. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  4. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়দেবপুর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা
BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- BRRI-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Rice Research Institute.
- অবস্থান: জয়দেবপুর, গাজীপুর
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

⇒ স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
১৩,৮৭৩.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী?
  1. চাকমা
  2. ত্রিপুরা
  3. মারমা
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
♦ চাকমা:
- চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
-  তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমাদের শতকরা ৯০ জনেরও বেশি রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি জেলায় কেন্দ্রীভূত।
- ভারতের অরুণাচল, মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্যে চাকমাদের কিছু বসতি রয়েছে।
- চাকমারা মূলত ছিল মধ্য মায়ানমার ও আরাকান এলাকার অধিবাসী।
- চাকমা ভাষার নিজস্ব লিপি থাকলেও এ লিপি আজকাল আর ব্যবহার করা হয় না।
- চাকমা ভাষা এখন সাধারণত বাংলা লিপিতেই লেখা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১৩,৮৭৪.
মুক্তিযুদ্ধে "ক্র্যাক প্লাটুন” কোন শহরে সক্রিয় ছিলো?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. চট্টগ্রাম
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

- মুক্তিযুদ্ধে "ক্র্যাক প্লাটুন” ঢাকা শহরে সক্রিয় ছিলো।

• 'ক্র্যাক প্লাটুন':

- মুক্তিযুদ্ধে স্বতন্ত্র গেরিলা দল যারা মূলত গণবাহিনীর অংশ।
- এই বাহিনী স্বাধীনতা যুদ্ধে ২ নং সেক্টরের অধীন অংশ নেয়।
- ক্র্যাক প্লাটুন গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করেছিলেন খালেদ মোশাররফ এবং এটিএম হায়দার।
- ঢাকা শহরে এটি ৮২ টি অপারেশন পরিচালনা করে।
- এরা "হিট এন্ড রান" পদ্ধতিতে তাঁদের অপারেশন পরিচালনা করতো।
- এই প্লাটুনের অন্যতম সদস্য ছিলেন:
- শহীদ জননী জাহানার ইমাম, শহীদ রুমি ইমাম, আলতাফ মাহমুদ, পপ সম্রাট আজম খান প্রমুখ।
 
 উৎস: বাংলাপিডিয়া, মুক্তিযুদ্ধ ই-আর্কাইভস, দ্যা দেইলি স্টার বাংলা।

১৩,৮৭৫.
ঐতিহাসিক 'ছয়দফা কর্মসূচির' প্রথম দফা-
  1. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  2. বাণিজ্য বিষয়ক সরকারের ক্ষমতা
  3. বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
  4. প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
ব্যাখ্যা
ছয়দফা কর্মসূচি:
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক 'ছয়দফা কর্মসূচি' পেশ করেন।
- এ কর্মসূচিকে তিনি 'পূর্ব পাকিস্তানের বাঁচার দাবি' বলে অভিহিত করেন।
- বঙ্গবন্ধুর ঘোষিত ছয়দফা দাবি সংক্রান্ত পুস্তিকাটির নাম 'ছয়দফা: আমাদের বাঁচার দাবি।'

• বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে পরিচিত বঙ্গবন্ধু ঘোষিত ১৯৬৬ সালের ছয় দফার দফা গুলো হলো:
- প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসন‌
- কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা,
- মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা,
- বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা এবং
- আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো: মোজাম্মেল হক।
১৩,৮৭৬.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১৩,৮৭৭.
পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী গণআন্দোলন পরিচালিত হয় কোন দলের নেতৃত্বে?
  1. ক) আওয়ামী লীগ
  2. খ) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি
  3. গ) নেজামে ইসলাম
  4. ঘ) কাউন্সিল মুসলিম লীগ
সঠিক উত্তর:
ক) আওয়ামী লীগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আওয়ামী লীগ
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দলের পুনরুজ্জীবন:
- পাকিস্তানের শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত হামিদুর রহমান কমিশনের রিপোর্ট পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
- কমিশন রিপোর্ট বাতিল এবং বিজ্ঞান ভিত্তিক গণতান্ত্রিক শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের দাবিতে ১৯৬২ সালে ব্যাপক ছাত্র বিক্ষোভ শুরু হয়।
- এ অবস্থায় আইয়ুব খান 'রাজনৈতিক দলবিধি' প্রবর্তন করে পাকিস্তানে রাজনৈতিক দলের পুনরুজ্জীবন ঘটান।
- আইয়ুব খান নিজে 'কনভেনশন মুসলিম লীগ' নামে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করেন।
- পশ্চিম পাকিস্তানে কাউন্সিল মুসলিম লীগ, জামায়াতে ইসলামী ও নেজামে ইসলামী দল সক্রিয় হয়।
- এসময়ে সোহরাওয়ার্দীর উদ্যোগে আওয়ামী লীগ, নেজামে ইসলাম, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, কাউন্সিল মুসলিম লীগ ও নূরুল আমিনের নেতৃত্বাধীন মুসলিম লীগ মিলে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট বা এন. ডি. এফ গঠিত হয়।
- এই ফ্রন্টের উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ১৯৫৬ সালের সংবিধানে ফিরে যাওয়া।
- ১৯৬৩ সালের ডিসেম্বরে সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুর পর ১৯৬৪ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগের পুনরুজ্জীবন ও পুনর্গঠন করেন।
- আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুব বিরোধী গণআন্দোলন পরিচালিত হয়।

উৎস:
ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৮৭৮.
মুজিবনগর সরকারের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন -
  1. ক) এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান
  2. খ) তাজউদ্দিন আহমদ
  3. গ) ক্যাপ্টেন মনসুর আলী
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
খ) তাজউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তাজউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

- মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় : তাজউদ্দীন আহমদ।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী : এম. মনসুর আলী।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ-পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী : এ. এইচ. এম. কামরুজ্জামান।
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

১৩,৮৭৯.
নিচের কোনটি বিরোধী দলের কাজ নয়?
  1. গঠনমূলক সমালোচনা
  2. সরকার গঠন
  3. গণতন্ত্র রক্ষা
  4. অধিকার বাস্তবায়ন
সঠিক উত্তর:
সরকার গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার গঠন
ব্যাখ্যা

- সরকার গঠন বিরোধী দলের কাজ নয়।

• বিরোধী দলের কাজ:
১) গঠনমূলক সমালোচনা: বিরোধী দল সরকারকে সুপরিকল্পিত সমালোচনার মাধ্যমে জনসাধারণের সামনে সরকারের ত্রুটি তুলে ধরে।
২) অধিকার বাস্তবায়ন: জনগণের অধিকার রক্ষায় বিরোধী দল সরকারের কোনো ক্ষতিকর সিদ্ধান্ত ঠেকাতে সচেষ্ট থাকে।
৩) গণতন্ত্র রক্ষা: বিরোধী দল গণতান্ত্রিক মতবিনিময় নিশ্চিত করে এবং সরকারের স্বৈরাচারী হওয়ার সুযোগ কমায়।
৪) প্রার্থী মনোনয়ন: নির্বাচনের সময় বিরোধী দল নিজের আদর্শ অনুযায়ী প্রার্থী মনোনয়ন ও সমর্থন দেয়।
৫) রাজনৈতিক সংযোগ সাধন: বিরোধী দল জনগণের দাবি ও মতামত সরকারের কাছে পৌঁছে দেয়।
৬) রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ: বিরোধী দল জনগণকে রাজনীতির সাথে একত্রিত করে এবং ভোটের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন করে।
৭) জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা: মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত ও নীতির জন্য বিরোধী দল মন্ত্রীদের আইনসভার কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করে।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,৮৮০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল নিয়ে গঠিত সেক্টর কোনটি?
  1. ৯ নং
  2. ৬ নং
  3. ২ নং
  4. ১০ নং
সঠিক উত্তর:
১০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ নং
ব্যাখ্যা
• ১১টি সেক্টর এবং সেক্টর কমান্ডার

• সেক্টর নং ১: 
ফেনী নদী থেকে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি এবং ফেনী পর্যন্ত ছিল ‘সেক্টর নং ১’।
১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান এবং জুন থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত কমান্ডার ছিলেন মেজর রফিকুল ইসলাম।
আর এই সেক্টরকে পাঁচটি সাব সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল।

• সেক্টর নং ২:
ঢাকা, কুমিল্লা, আখাউড়া–ভৈরব, নোয়াখালী ও ফরিদপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ২’।
এপ্রিল থেকে অক্টোবর পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এটিএম হায়দার।
এই সেক্টরে ৬টি সাব-সেক্টর ছিল।

• সেক্টর নং ৩:
হবিগঞ্জ, আখাউড়া–ভৈরব রেললাইন থেকে পূর্ব দিকে কুমিল্লা জেলার অংশবিশেষ এবং কিশোরগঞ্জ এবং ঢাকার কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৩’ এর আওতায়।
এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর কেএম শফিউল্লাহ।
সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করেন মেজর এএনএম নুরুজ্জামান।
আর এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।

• সেক্টর নং ৪:
সিলেট জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত হয়েছিল ‘সেক্টর নং ৪’।
এই সেক্টরেও ছিল ৬টি সাব-সেক্টর।
মে থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর সিআর দত্ত (পরে মেজর জেনারেলা) এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব।

•সেক্টর নং ৫:
বৃহত্তর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী অঞ্চল এবং সিলেট জেলার অংশ বিশেষ নিয়ে ‘সেক্টর নং ৫‘ গঠিত হয় ।
মেজর মীর শওকত আলী ছিলেন সেক্টর কমান্ডার।
এই সেক্টরকেও ৬টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়ছিল।

• সেক্টর নং ৬:
দিনাজপুরের ঠাকুরগাঁও মহাকুমা এবং ব্রহ্মপুত্র নদের তীরবর্তী অঞ্চল ব্যতীত সমগ্র রংপুর নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৬’।
সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এমকে বাশার।
এই সেক্টরে ছিল ৫টি সাব-সেক্টর।

• সেক্টর নং ৭:
রাজশাহী, পাবনা, ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরবর্তী এলাকা ব্যতীত সমগ্র বগুড়া, দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চল এবং রংপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৭’ এর অন্তর্ভুক্ত।
সেক্টর কমান্ডার ছিলেন তিনজন -মেজর নাজমুল হক, সুবেদার মেজর এ রব ও মেজর (পরে লে. কর্নেল) কাজী নুরুজ্জামান।
এই সেক্টরে ছিল ৯টি সাব-সেক্টর।

• সেক্টর নং ৮:
কুষ্টিয়া, যশোর, দৌলতপুর সাতক্ষীরা সড়ক পর্যন্ত খুলনা জেলা ও ফরিদপুরের কিছু অংশ ছিল ‘সেক্টর নং ৮’ এর অন্তর্ভুক্ত। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর (পরে লে.কর্নেল) আবু ওসমান চৌধুরী ও আগস্ট থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর (পরে মেজর জেনারেল) এম এ মঞ্জুর। এই সেক্টরে ছিল ৭টি সাব-সেক্টর।

• সেক্টর নং ৯:
পটুয়াখালী, বরিশাল ও খুলনার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ৯’।
ডিসেম্বরের শুরু পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম এ জলিল এবং তারপর মেজর জয়নাল আবেদীন।
এছাড়াও অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন মেজর এম এ মঞ্জুর।
এই সেক্টরে ছিল ৩টি সাব-সেক্টর।

• সেক্টর নং ১০:
সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল, নৌ কমান্ডো ও আভ্যন্তরীন নৌ-পরিবহন ছিল ‘সেক্টর নং ১০’ এর অধিনে।
এ সেক্টরে নৌ কমান্ডোরা যখন যে সেক্টরে মিশনে নিয়োজিত থাকতেন, তখন সে সেক্টরের কমান্ডারের নির্দেশে কাজ করতেন।
এই সেক্টরে কোনো সাব-সেক্টর ছিল না এবং ছিল না নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার।
প্রধান সেনাপতির নিয়ন্ত্রণাধীন বিশেষ বাহিনী ছিল এটি।

• সেক্টর নং ১১:
কিশোরগঞ্জ বাদে ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল জেলা নিয়ে গঠিত হয় ‘সেক্টর নং ১১’।
১৯৭১ সালের এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান ।
নভেম্বর পর্যন্ত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু তাহের ও তারপর ফ্লাইট লেফট্যান্যান্ট (পরে উইং কমান্ডার) এম হামিদুল্লাহ খান।
এই সেক্টরকে ৭টি সাব-সেক্টর ভাগ করা হয়েছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,৮৮১.
নিচের কোনটি টমেটোর উন্নত জাত?
  1. ক) ঝুমকা
  2. খ) শ্রাবণী
  3. গ) রতন
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
- টমেটোর উন্নত জাত- বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিদুর ও শ্রাবণী।
- কলার  জাত- অমৃতসাগর, মেহেরসাগর, অগ্নিশ্বর, কানাইবাশী, মােহনাশী, বীটজবা, সিঙ্গাপুরি , বসরাই, চম্পা, করবী।
- ভুট্টার জাত- বর্ণালি, শুভ্রা, খইভুট্টা, মােহর উত্তরণ, সুপার সুইট কর্ন, সােয়ান-০২।

তথ্যসূত্র- কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৩,৮৮২.
বিবিএসের জরিপ অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি লাখ জীবিত শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যু হার কত?
  1. ১৫৫ জন
  2. ১৬৩ জন
  3. ১৬৯ জন
  4. ১৭২ জন
সঠিক উত্তর:
১৬৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৩ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর সর্বশেষ SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশে প্রতি এক লাখ জীবিত শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যু হার:
- জাতীয় পর্যায়ে : ১৬৩ জন।
- গ্রামাঞ্চলে : ১৭৮ জন
- শহরাঞ্চলে : ১৩৮ জন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2020)
১৩,৮৮৩.
বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি'র সভাপতি -
  1. ক) শেখ হাসিনা, এমপি
  2. খ) আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, এমপি
  3. গ) বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, বীর উত্তম
  4. ঘ) অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ
ব্যাখ্যা

জাতীয় পার্টি (জেপি)'র চেয়ারম্যান - আনোয়ার হোসেন মঞ্জু, এমপি
কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি - বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী, বীর উত্তম
বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের সভানেত্রী - শেখ হাসিনা, এমপি
বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি'র সভাপতি - অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ
উৎসঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন

১৩,৮৮৪.
১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের উপর ছবি এঁকে বিখ্যাত হন কোন শিল্পী?
  1. ক) জয়নুল আবেদীন
  2. খ) হাসেম খান
  3. গ) রফিকুন্নবী
  4. ঘ) কামরুল হাসান
সঠিক উত্তর:
ক) জয়নুল আবেদীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জয়নুল আবেদীন
ব্যাখ্যা
১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষে জয়নুল আবেদিন ধারাবাহিকভাবে একাধিক চিত্র স্কেচ করেন। এ দুর্ভিক্ষে হাজার হাজার মানুষ প্রাণ হারায়। সস্তা প্যাকিং পেপারে চাইনিজ ইঙ্ক ও তুলির আচরে ‘দুর্ভিক্ষের রেখাচিত্র’ নামে পরিচিত জয়নুলের এ চিত্রকর্মে ফুটে উঠেছে শব-সওদাগরদের নিষ্ঠুরতা ও নৈতিক কলুষতা, সে সাথে নিপীড়িতের অমানবিক দুর্দশা। চিত্রকর্মগুলো জয়নুলকে ভারতব্যাপী খ্যাতি এনে দেয়।
Source: banglapedia.org
১৩,৮৮৫.
বাংলাদেশে বাস নেই এমন উপজাতির নাম-
  1. বানাই
  2. মাহাতো
  3. হুনজা
  4. মুরং
সঠিক উত্তর:
হুনজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হুনজা
ব্যাখ্যা
হুনজা পাকিস্তানের একটি উপজাতি 
- বাংলাদেশে মোট ৫০ টি উপজাতি রয়ছে।
- ২৩ শে র্মাচ ২০১৯ বাংলাদেশ সরকার ৫০ টি উপজাতির নাম উল্লখে করে গেজেট প্রকাশ করে।
- উপজাতিসমূহ হলঃ
ওরাওঁ, কোচ, কোল, কন্দ, কড়া, খারিয়া/খাড়িয়া, খারওয়ার/খাড়োয়ার, খাসিয়া, খিয়াং, খুমি, গারো, গঞ্জু, গড়াইত,
গুর্খা, চাক, চাকমা, ডালু, তঞ্চঙ্গা, ত্রিপুরা, তেলী, তুরী, মালপাহাড়ি, পাংখোয়া, পাত্র, বাগদি, বানাই, বাড়াইক, বেদিয়া,
বম, বর্মণ, ভিল, ভূমিজ, ভূঁইমালি, মণিপুরী, মারমা, মুন্ডা, ম্রৌ, মাহাতো, মালো, মাহালী, মুসহর, রাখাইন, রাজোয়ার,
লোহার, লুসাই, শবর, সাঁওতাল, হুদি, হো এবং হাজং।

সূত্র: বাংলাদেশ সরকারি গেজেট, ২৩ মার্চ ২০১৯),  ব্রিটানিকা।
১৩,৮৮৬.
নীল বিদ্রোহের প্রধান নেতা কারা ছিলেন?
  1. বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস
  2. হাজী শরিয়তুল্লাহ এবং মজনু শাহ
  3. ভবানী পাঠক এবং গোলাম মাসুম
  4. উপরের কেউই না
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস
ব্যাখ্যা

নীল বিদ্রোহ:
- বাংলার কৃষকেরা ১৮৫৯-৬২ খ্রি. ইউরোপীয় নীলকরদের বিরুদ্ধে একটি ব্যাপক বিদ্রোহ সংঘটন করে।
- তারা সকলে একতাবদ্ধ হয়ে নীল চাষ বর্জন করার আন্দোলন গড়ে তোলে।
- এই আন্দোলনের মাধ্যমে কৃষকেরা সাফল্যের সাথে ইংরেজদের নীলভিত্তিক অর্থনীতিতে আঘাত হেনেছিল।
- এই বিদ্রোহের ফলে নীল শিল্প ধ্বংস হয়ে যায় এবং বাংলার নীলকরেরা তাদের কুঠি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

⇒ ইংল্যান্ডে শিল্প বিপ্লবের ফলে কাঁচামাল সংগ্রহের একটি ক্ষেত্র হিসেবে আবির্ভূত হয় ব্রিটেনের বাংলা উপনিবেশ। বস্ত্র শিল্পের রঞ্জক হিসেবে নীলের চাষ ও তা ইংল্যান্ডে রপ্তানি করে প্রচুর মুনাফার সম্ভাবনা সূত্র খুঁজে পায় নীলকরেরা। রায়তদের জোর করে নীল চাষে বাধ্য করে তারা। কিন্তু অলাভজনক হওয়ায় রায়তেরা নীলচাষে অনাগ্রহ প্রকাশ করে।

⇒ চরম অত্যাচার আর শোষণে বিপর্যস্ত দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া নীল চাষিরা ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দে প্রচণ্ড বিদ্রোহে ফেটে পড়ে। গ্রামে গ্রামে কৃষকরা সংগঠিত এবং ঐক্যবদ্ধ হতে থাকে। এই সব বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয় নীল চাষিরাই।
- যশোরের নীল বিদ্রোহের নেতা ছিলেন নবীন মাধব ও বেনী মাধব নামে দুই ভাই।
- হুগলীতে নেতৃত্ব দেন বৈদ্যনাথ ও বিশ্বনাথ সর্দার।
- নদীয়ায় ছিলেন মেঘনা সর্দার এবং নদীয়ার চৌগাছায় বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেন বিষ্ণুচরণ বিশ্বাস ও দিগম্বর বিশ্বাস নামে দুই ভাই।

⇒ ১৮৬০ সালে সরকার 'ইন্ডিগো কমিশন' বা 'নীল কমিশন' গঠন করে।
- এই কমিশনের সুপারিশের ভিত্তিতে নীলচাষ করা, না করা কৃষকদের ইচ্ছার উপর ছেড়ে দেয়া হয় এবং ‘ইন্ডিগো কন্ট্রাক্টস অ্যাক্ট' বাতিল করা হয়।
- ফলে নীল বিদ্রোহের অবসান ঘটে।
- দীনবন্ধু মিত্রের লেখা 'নীলদর্পণ' নাটকের কাহিনী চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) Britannica.
iii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।

১৩,৮৮৭.
নিচের কোনটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি?
  1. ক) নিপোর্ট (NIPORT)
  2. খ) ব্যানবেইস (BANBEIS)
  3. গ) নিকার (NICAR)
  4. ঘ) ন্যাপ (NAPE)
সঠিক উত্তর:
গ) নিকার (NICAR)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিকার (NICAR)
ব্যাখ্যা
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো- নিকার (NICAR)।
- NICAR এর পূর্ণরূপ National Implementation Committee for Administrative Reorganization-Reform.
- NIPORT (নিপোর্ট) বা National Institute of Population Research and Training হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ব্যানবেইস(BANBEIS) বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা সংক্রান্ত তথ্য-উপাত্ত ও বিভিন্ন গবেষণা করে থাকে।
- BANBEIS এর পূর্ণরূপ হলো Bangladesh Bureau of Educational Information and Statistics.
- NAPE (ন্যাপ) এর পূর্ণরূপ হলো National Academy for Primary Education .এটি বাংলাদেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান। ।

উৎসঃ অর্থ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৩,৮৮৮.
১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া গৃহীত হয়-
  1. ক) সুপ্রীম কোর্টে
  2. খ) জাতীয় সংসদে
  3. গ) জাতীয় পরিষদে
  4. ঘ) গণপরিষদে
সঠিক উত্তর:
ঘ) গণপরিষদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) গণপরিষদে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর রাষ্ট্র পরিচালনার
জন্য একটি সংবিধান প্রয়োজন হয়।
- সংবিধান তৈরির জন্য ১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।
- এ খসড়া কমিটির প্রথম অধিবেশন বসে ১৯৭২ সালের ১৭ এপ্রিল।
- এ কমিটি অক্লান্ত পরিশ্রম করে বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান তৈরি করে এবং তা গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- ১৯ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত গণপরিষদে সংবিধানের খসড়া পাঠ করা হয়।
- গণপরিষদে সদস্যগণ পক্ষে-বিপক্ষে মত দেন অবশেষে পরিমার্জিত হয়ে উক্ত সংবিধান ৪ নভেম্বর ১৯৭২ সালে গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ থেকে তা কার্যকর হয়।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ দ্রুততম সময়ে একটি আর্দশ সংবিধান প্রণয়ন করে।

উৎস:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৮৮৯.
বাংলাদেশ কত সালে জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে স্বীকৃতি পায়?
  1. ক) ২০০৯
  2. খ) ২০০৬
  3. গ) ২০০৭
  4. ঘ) ২০০৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২০০৮
ব্যাখ্যা
- সম্প্রতি বাংলাদেশে তৈ‌রি এক‌টি পণ্যবাহী কন্টেইনার জাহাজ প্রথমবারের মতো যুক্তরাজ্যে রপ্তা‌নি করা হয়েছে। 
- দে‌শীয় প্রতিষ্ঠান আনন্দ শিপইয়ার্ডের তৈ‌রি করা ৬ হাজার ১০০ টন ধারণক্ষমতার জাহাজ‌টি কিনেছে যুক্তরাজ্যের এনজিয়ান শিপিং কোম্পানি লিমিটেড।
- বাংলাদেশের মুদ্রায় প্রায় ৬০ কোটি টাকায় এ জাহাজটি বিক্রি করেছে আনন্দ শিপইয়ার্ড।
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ক্রেতাদের কাছে ৩৫৬টি জলযান নির্মাণ করে সরবরাহ করেছে। 
- প্রতিষ্ঠানটি ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ “স্টেলা মেরিস” রপ্তানির মধ্য দিয়ে বংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে এবং বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।
- জাহাজ নির্মাণশিল্প বাংলাদেশের একটি সম্ভাবনাময় রপ্তানি খাত।
 
উৎস: বাংলা ট্রিবিউন, যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,৮৯০.
সম্রাট ফারুকশিয়ার ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কোন স্থানে বিনা শুল্কে বাণিজ্যের অধিকার প্রদান করেন?
  1. দিল্লী
  2. সুরাট
  3. বোম্বাই
  4. রাজস্থান
সঠিক উত্তর:
বোম্বাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোম্বাই
ব্যাখ্যা
ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি:
- ইংরেজ কোম্পানির ক্ষমতা আরো বৃদ্ধি পায় যখন দিল্লীর সম্রাট ফারুকশিয়ার তাদের বাংলা, বোম্বাই, মাদ্রাজে বিনা শুল্কে বাণিজ্যের অধিকার প্রদান করেন।
- এই সঙ্গে নিজস্ব মুদ্রা প্রচলনের অধিকারও তারা লাভ করে।
- সম্রাটের এই ফরমানকে ইংরেজ ঐতিহাসিক ওরমে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির মহাসনদ বা ম্যাগনাকার্টা বলে উল্লেখ করেন।
- এই অধিকার লাভ করে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অপ্রতিরুধ্য গতিতে অগ্রসর হতে থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,৮৯১.
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি কার দ্বারা নিয়োগপ্রাপ্ত হয়ে থাকেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সুপ্রীম কোর্টের বিচারক নিয়োগ:
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হবেন এবং প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করবেন।

(২) কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হলে, এবং (ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোনো বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করে থাঢ়লে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকলে;তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোনো সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করেছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,৮৯২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বজনমত সৃষ্টিতে গান পরিবেশন করে কে?
  1. জর্জ হ্যারিসন
  2. বব ডিলান
  3. এরিক ক্ল্যাপটন
  4. বর্ণিত সবাই
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবাই
ব্যাখ্যা
বিশ্বজনমত সৃষ্টিতে মুক্তিযুদ্ধে মানবতাবিরোধী গান পরিবেশন করে রবি শঙ্কর, বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।

কনসার্ট ফর বাংলাদেশ:

- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে ১৯৭১ সালের ১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হয়েছিল ‘দ্য কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’।
- ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিউইয়র্কের ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে এমন একটি আয়োজনে যোগ দিয়েছিলেন, যে ধরণের আয়োজন এর আগে বিশ্বের মানুষ কখনও দেখেনি।

⇒ কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'-এর প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্রের শিল্পী জর্জ হ্যারিসন।
- জর্জ হ্যারিসন 'কন্সার্ট ফর বাংলাদেশ' থেকে প্রাপ্ত অর্থ মুজিবনগর সরকারের কাছে তুলে দেন।
- ভারতের খ্যাতিমান শিল্পী রবি শঙ্কর মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেন।
- তিনি বাংলাদেশ কনসার্টের আয়োজকদের মধ্যে অন্যতম।
- ১৯৭১ সালের ১লা অগাস্টের সেই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন পপ সঙ্গীতের তৎকালীন সুপারস্টার বব ডিলান, জর্জ হ্যারিসন এবং এরিক ক্ল্যাপটনের মত তারকারা।
- জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানের মতো তারকাদের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ অন্যরকম এক পরিচিতি পায় যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের সাধারণ মানুষের কাছে।

উল্লেখ্য,
- জন লেনন, রিঙ্গো স্টার, বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন এবং বিখ্যাত সব পপ শিল্পী এই আয়োজনে অংশ নেওয়ার কথা ছিল।
- তবে জন লেনন শেষ পর্যন্ত কনসার্ট ফর বাংলাদেশে অংশ নেননি।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
ii) BBC।
১৩,৮৯৩.
২০২২-২৩ অর্থবছরের  বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) -তে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া বিভাগ কোনটি?
  1. ক) সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ
  2. খ) স্থানীয় সরকার বিভাগ
  3. গ) বিদ্যুৎ বিভাগ
  4. ঘ) অর্থ বিভাগ
সঠিক উত্তর:
খ) স্থানীয় সরকার বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্থানীয় সরকার বিভাগ
ব্যাখ্যা
• ২০২২-২৩ অর্থবছরের  বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) আকার দুই লাখ ৪৬ হাজার ৬৬ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। 

• মন্ত্রণালয়/বিভাগভিত্তিক সর্বোচ্চ :
>> এবার সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া স্থানীয় সরকার বিভাগে প্রায় ৩৫ হাজার ৮৪২ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
>>  দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগে প্রায় ৩১ হাজার ২৯৬ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।
>> তৃতীয় সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ বিভাগে প্রায় ২৪ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

• খাতভিত্তিক সর্বোচ্চ বরাদ্দ:
>> পরিবহন ও যোগাযোগ; সর্বোচ্চ ৭০ হাজার ৬৯৫ কোটি ৫২ লাখ টাকা; মোট বরাদ্দের প্রায় ২৯ শতাংশ।
>> বিদ্যুৎ ও জ্বালানি; দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৯ হাজার ৪১২ কোটি টাকা; মোট বরাদ্দের ১৬ শতাংশ।
>> শিক্ষা; তৃতীয় সর্বোচ্চ ২৯ হাজার ৮১ কোটি টাকা ৩৮ লাখ টাকা; মোট বরাদ্দের প্রায় ১২ শতাংশ।

সূত্র: বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, ২০২২-২৩ অর্থ বছর।
১৩,৮৯৪.
পার্বত্য চট্টগ্রামে কতটি সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশে মোট সংসদীয় আসন রয়েছে ৩৫০টি।
- নারীদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন রয়েছে ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রতিটি জেলায় ১টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রামে সংসদীয় আসন ছিল ৩টি।
• বান্দরবান।
• রাঙ্গামাটি।
• খাগড়াছড়ি। 

উল্লেখ্য:
⇒ জাতীয় সংসদের ১নং আসন পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত।
- ১নং সংসদীয় আসন: পঞ্চগড়-১।

⇒ জাতীয় সংসদের ৩০০নং আসন বান্দরবান জেলায় অবস্থিত।
- ৩০০নং সংসদীয় আসন: বান্দরবান।

অন্যদিকে:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,৮৯৫.
মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর 'বিজয় কেতন' কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা সেনানিবাস
  2. কুমিল্লা সেনাবিবাস
  3. সাভার সেনাবিবাস
  4. রাজেন্দ্রপুর সেনাবিবাস
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা সেনানিবাস
ব্যাখ্যা

বিজয় কেতন:
- ঢাকা সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের নাম বিজয় কেতন।
- বিজয় কেতন জাদুঘরের মূলমন্ত্র 'অতীতকে শ্রদ্ধা কর, ভবিষ্যতকে আলোকিত কর'।
- মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযোদ্ধা এবং বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্তদের স্মরণে নির্মিত এ জাদুঘর চালু হয় ২০০০ সালের ২১ নভেম্বর।
- ছয়টি গ্যালারিতে মুক্তিযুদ্ধে ব্যবহৃত বাংলাদেশের সামরিক যোদ্ধাদের নানা কীর্তি, স্মৃতিস্মারক, সেক্টর কমান্ডারদের আলোকচিত্র ও পরিচিতি, মুক্তিযোদ্ধাদের ব্যবহৃত রাইফেল, কামান, বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের মরদেহ বহনের কফিন ইত্যাদিসহ মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত আরো অনেক সামগ্রী রয়েছে।

এছাড়াও, 
- ঢাকার সাভার সেনানিবাসের কোর অব মিলিটারি পুলিশ সেন্টার অ্যান্ড স্কুল (সিএমপিসিঅ্যান্ডএস) চত্বরে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভ ‘বিজয় চেতন’।
- রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম রক্ত সোপান। 

উৎস: i) দৈনিক ইত্তেফাক।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৩,৮৯৬.
‘বাংলা ভাষা দাবি দিবস’ হিসেবে ধর্মঘট পালিত হয় কবে?
  1. ১১ মার্চ, ১৯৪৮
  2. ১৮ মার্চ, ১৯৪৮
  3. ২১ মার্চ, ১৯৪৮
  4. ২৩ মার্চ, ১৯৪৮
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ, ১৯৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ, ১৯৪৮
ব্যাখ্যা

সর্বদলীয় রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি করাচিতে পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে পরিষদ সদস্যদের ইংরেজি অথবা উর্দুতে বক্তৃতা দেয়ার প্রস্তাব করা হয়।
- এ অবস্থায় পূর্ব-পাকিস্তান কংগ্রেস দলের সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্র নাথ দত্ত এর প্রতিবাদ করেন এবং পাকিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের মাতৃভাষা বাংলাকে গণপরিষদের অন্যতম ভাষারূপে স্বীকৃতি দানের দাবি জানান। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানসহ মুসলিম লীগের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন এ দাবি প্রত্যাখ্যান করলে পূর্ব বাংলার ছাত্র-শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবীমহল প্রতিবাদ মুখর হয়ে পড়ে।
- মাতৃভাষার মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্য ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম পরিচালনার উদ্দেশ্যে ২ মার্চ পূর্ব বাংলার রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও যুব সংগঠন মিলিতভাবে 'সর্বদলীয় রাষ্ট্র ভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করে।
- ১১ মার্চ, ১৯৪৮ ‘বাংলা ভাষা দাবি দিবস’ হিসেবে ধর্মঘট পালিত হয়। ভাষার দাবিতে এটাই ছিল প্রথম ধর্মঘট। সেদিন পিকেটিং ও বিক্ষোভে শেখ মুজিবুর রহমানসহ অনেক শিক্ষার্থী ও রাজনৈতিক কর্মী গ্রেপ্তার হন। 'রাষ্ট্র ভাষা বাংলা চাই' শ্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে ঢাকার রাজপথ। এসময় পুলিশী আক্রমণে বহু ছাত্র আহত হয় এবং বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তার হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে ১২-১৫ মার্চ ঢাকাসহ সকল জেলায় ধর্মঘট কর্মসূচি পালিত হয়। পরিস্থিতির চাপে বাধ্য হয়ে মুখ্যমন্ত্রী খাজা নাজিম উদ্দিন সংগ্রাম পরিষদের সাথে একটি ৮ দফা চুক্তি স্বাক্ষর করেন। চুক্তিতে তিনি সংগ্রাম পরিষদের অনেকগুলো শর্ত মেনে নিলেও বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্র ভাষার দাবি মানেন নি।

উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা। 

১৩,৮৯৭.
রাজা রামমোহন রায়ের 'গোস্বামীর সহিত বিচার' বইটি মূলত কোন বিষয়ের উপর লেখা?
  1. বিধবা বিবাহ প্রথার প্রচলন
  2. সতীদাহ প্রথার অযৌক্তিকতা
  3. সমাজে নারী অধিকার ও বাল্যবিবাহ প্রসঙ্গ
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সতীদাহ প্রথার অযৌক্তিকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সতীদাহ প্রথার অযৌক্তিকতা
ব্যাখ্যা
• রাজা রামমোহন রায়: 
- রাজা রামমোহন রায় রচিত ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম = গৌড়ীয় ব্যাকরণ।  
- রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি যিনি বাংলা ভাষায় প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন। 
- রাজা রামমোহন রায় রচিত বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম- 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ'।             
-  রাজা রামমোহন রায় ছিলেন একাধারে সমাজ, শিক্ষা ও ধর্ম সংস্কারক ।
- সতীদাহ প্রথা নিষিদ্ধকরণে তিনি জোর প্রচারণা চালান।
 
সতীদাহ প্রথার প্রসঙ্গে রচিত গ্রন্থ:
উনিশ শতকের যুক্তিবাদী মননশীলতায় রামমোহন সহমরণ প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। নিজস্ব মত প্রচারের জন্য হিন্দু সমাজের গোঁড়া সংস্কারের যুক্তিহীনতা দেখাবার জন্য তিনি দুটি গ্রন্থ রচনা করেন।
এগুলো হলো - 
১. প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ,
২. গোস্বামীর সহিত বিচার।

তার রচিত অন্যান্য গ্রন্থ:
- বেদান্ত গ্রন্থ, 
- বেদান্তসার, 
- পথ্য প্রদান,
- গোস্বামীর সহিত বিচার ( সতীদাহ প্রথার অযৌক্তিকতা প্রসঙ্গে)। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩,৮৯৮.
বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. ময়মনসিংহ
  3. নেত্রকোণা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী জাদুঘর:
- রাঙ্গামাটি শহরের ভেদভেদি নামক স্থানে অবস্থিত।
​- এটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইন্সটিটিউটের অভ্যন্তরে এ জাদুঘরটি অবস্থিত।
- এখানে পার্বত্য অঞ্চলে ববাসরত উপজাতি সমূহের ঐতিহ্য এবং কৃষ্টি-সংস্কৃতির বিভিন্ন নিদর্শন দেখা যাবে।
- জাদুঘরে রক্ষিত উপজাতীয়দের বিভিন্ন যে কাউকে মুগ্ধ করে সহজে।
- এছাড়াও জাদুঘরের অভ্যন্তরে রয়েছে পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সমূহের কৃষ্টি ও সংস্কৃতি চর্চা কেন্দ্র।
- এর ভবনটি অনন্য আধুনিক স্থাপত্য কলায় নির্মিত।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,৮৯৯.
সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয় কত তারিখ?
  1. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল - ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালরে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ - ১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১৩,৯০০.
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে কোন দেশে?
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. ভিয়েতনাম
  3. জাপান
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
• দেশভিত্তিক রপ্তানি:
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ - যুক্তরাষ্ট্র। 
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।