বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১৩২ / ৩০৬ · ১৩,১০১১৩,২০০ / ৩০,৮৩২

১৩,১০১.
বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির বর্তমান সভাপতি কে?
  1. ক) মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
  2. খ) খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া
  3. গ) রাশেদ খান মেনন
  4. ঘ) তোফায়েল আহমেদ
সঠিক উত্তর:
গ) রাশেদ খান মেনন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) রাশেদ খান মেনন
ব্যাখ্যা
• ওয়ার্কার্স পার্টি:
- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি এটি একটি সমাজতান্ত্রিক দল।
- বাংলাদেশে সমাজতান্ত্রিক দলের দুটি ধারা। একটি মার্কসবাদী-লেনিনবাদী বা চীনপন্থী অন্যটি সোভিয়েতপন্থী।
- বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পাটি মূলত লেনিনবাদী সমাজতান্ত্রিক দল।
- ১৯৮০ সালে দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৪ সালে দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে গেলেও ১৯৯২ সালে পুনরায় একত্র হয়।
- বর্তমানে রাশেদ খান মেনন দলটির সভাপতি।
- ২০১৪ সালে মহাজোট এর হয়ে নির্বাচন করে বর্তমানে সরকারের অন্তর্ভূক্ত। 

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)
১৩,১০২.
How many bases of built Smart Bangladesh?
  1. ক) 3
  2. খ) 4
  3. গ) 5
  4. ঘ) 6
সঠিক উত্তর:
খ) 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 4
ব্যাখ্যা
• স্মার্ট বাংলাদেশ:
- ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় বাস্তবায়ন করা হবে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’
- ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বলতে স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট সমাজ, স্মার্ট অর্থনীতি ও স্মার্ট সরকার গড়ে তোলাকে বুঝানো হয়েছে। যেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও আর্থিক খাতের কার্যক্রম স্মার্ট পদ্ধতিতে রূপান্তর, সরকারি ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং উন্নয়নে দক্ষ ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণসহ সরকারি বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম ডিজিটালাইজেশন করা হবে।

- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার ভিত্তি - ৪ টি।
- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে ২০৪১ সালের মধ্যে।
- স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তোলার চারটি ভিত্তি হলো –

১. স্মার্ট সিটিজেন, 
২. স্মার্ট ইকোনোমি, 
৩. স্মার্টগভর্নমেন্ট, 
৪. স্মার্ট সোসাইটি।

তথ্যসূত্র: এটুআই প্রোগ্রাম, মন্ত্রিপরিষদ ও আইসিটি বিভাগ।
১৩,১০৩.
বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের বর্তমান অধিনায়ক কে? [২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৪]
  1. মমিনুল হক
  2. সাকিব আল হাসান
  3. মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ
  4. নাজমুল হোসেন শান্ত
সঠিক উত্তর:
নাজমুল হোসেন শান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাজমুল হোসেন শান্ত
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তিন ফরম্যাটের নতুন অধিনায়ক নির্বাচিত হন — নাজমুল হোসেন শান্ত।
- অধিনায়ক নির্বাচিত হওয়ার সময়কাল পর্যন্ত ২৫ বছর বয়সী শান্ত বাংলাদেশের হয়ে ২৫টি টেস্ট, ৪২টি ওয়ানডে ও ২৮টি টি২০ ম্যাচ খেলেছেন।

ক্রিকেটে বাংলাদেশ:
- বাংলাদেশ টেস্ট ম্যাচে প্রথম জয় পায় ২০০৫ সালে।
- প্রথম টেস্ট ম্যাচে বাংলাদেশের অধিনায়ক ছিলেন নাইমুর রহমান।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ খেলে ১০ নভেম্বর ২০০০ সালে।
- প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে ৪০০ রান করে বাংলাদেশ।
- টেস্টে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক তামিম ইকবাল।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট ম্যাচ জয় পায় কোন দলের বিপক্ষে  জিম্বাবুয়ে।
- টেস্টে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম ব্যক্তিগত হাজার রান সংগ্রাহক হাবিবুল বাশার।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম অধিনায়ক গাজী আশরাফ হোসেন লিপু।

উৎস:
i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ৬ জানুয়ারি ২০১৭, প্রথম আলো।
iii) ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, প্রথম আলো।
iv)  ১৪ জুন ২০২৩, সময় নিউজ।
v) Bangladesh Cricket Board।
১৩,১০৪.
গ্রাম অঞ্চলে কত স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:

- গ্রাম অঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- এ স্তরগুলো হল-
• জেলা পরিষদ।
• উপজেলা পরিষদ।
• ইউনিয়ন পরিষদ।

- শহর অঞ্চলে দুই স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান।
• পৌরসভা।
• সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

- তাছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে আঞ্চলিক পরিষদ ও জেলা পরিষদ রয়েছে।
- গ্রাম বা এর নিকটবর্তী হল ইউনিয়ন ও উপজেলা পরিষদ।
- ইউনিয়ন পরিষদ স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বশেষ ও কার্যকরী স্তর বলে বিবেচিত।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে বিশেষ স্থানীয় সরকারের পাশাপাশি পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন রয়েছে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,১০৫.
বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল কোনটি?
  1. ক) তুলা
  2. খ) পাট
  3. গ) চা
  4. ঘ) গম
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাট
ব্যাখ্যা
• পাট:
- সোনালী আঁশের সোনার দেশ, পাট পণ্যের বাংলাদেশ।
- বিশ্বের বুকে বাংলাদেশ পাট থেকে উৎপাদিত সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে পরিচিত।
- পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল।
- সারা বিশ্বে আঁশ উৎপাদনকারী ফসল হিসেবে তুলার পরেই পাট ও পাট জাতীয় আঁশ ফসল দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে।
- একটি কাঁচা পাটের গাঁইটের ওজন সাড়ে তিন মণ।
- বাংলাদেশের যে জেলায় সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয়— ফরিদপুর জেলায় । 
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠা— ১৯৭৪ সালে ।
- পাট উৎপাদনের বিশ্বে প্রথম দেশ- ভারত (২য় শীর্ষ দেশ বাংলাদেশ)।
- জুটন আবিস্কার করেন— ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকউল্লাহ । 
- আন্তর্জাতিক পাট সংস্থা (IJO) প্রতিষ্ঠিত হয়— ১৯৮৪ সালে।
- সদর দপ্তর ফার্মগেট, ঢাকা (প্রতিষ্ঠা ২৭ এপ্রিল ২০০২)। 
- বাংলাদেশে উৎপন্ন কিছু উন্নত জাতের গম— অগ্রণী, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, দোয়েল, বরকত।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস)।
১৩,১০৬.
আইনবিভাগ, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগের সমন্বয়ে রাষ্ট্রের কোন উপাদান গঠিত?
  1. নির্দিষ্ট ভূখণ্ড
  2. সরকার 
  3. জনসমষ্টি 
  4. সার্বভৌমত্ব
সঠিক উত্তর:
সরকার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার 
ব্যাখ্যা

জনসমষ্টি :
-রাষ্ট্রের প্রাথমিক উপাদান হচ্ছে জনসমষ্টি।
- জনসমষ্টি বলতে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত জনগণকে বোঝায়। রাষ্ট্র গঠনের জন্য জনসমষ্টি একান্ত অপরিহার্য। 

• নির্দিষ্ট ভূখণ্ড :
- নির্দিষ্ট ভূখণ্ড হচ্ছে রাষ্ট্রের অপরিহার্য দ্বিতীয় উপাদান।
- প্রত্যেক রাষ্ট্রই একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমারেখা দ্বারা পরিবেষ্টিত।
- ভূখন্ড বলতে স্থলভাগ, সমুদ্রসীমা, আকাশসীমাও বোঝায়।
- রাষ্ট্রের জনগণের বসবাসের জন্য নির্দিষ্ট ভূখণ্ডের উপর নিয়ন্ত্রণ আবশ্যক। 

• সরকার :
- রাষ্ট্রের অপরিহার্য তৃতীয় উপাদানটি হলো সরকার।
- সরকার গঠনের মাধ্যমে নির্দিষ্ট ভূখন্ডের ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য তিনটি বিভাগ থাকে- আইনবিভাগ, শাসনবিভাগ ও বিচারবিভাগ।
- এ তিন বিভাগের সমন্বয়ে সরকার গঠিত হয়।

• সার্বভৌমত্ব:
- রাষ্ট্র গঠনের মুখ্য উপাদান সার্বভৌমত্ব বা সার্বভৌমিকতা।
- সার্বভৌম শব্দ দ্বারা চরম ও চূড়ান্ত ক্ষমতাকে বোঝায়।
- সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে রাষ্ট্রের গঠন পূর্ণতা পায়। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।

১৩,১০৭.
কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার কোনটি?
  1. ক) টিএসপি
  2. খ) জিপসাম
  3. গ) ইউরিয়া
  4. ঘ) ডিএপি
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
-  কৃষি জমিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক সারগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ইউরিয়া সার; পরিমাণ - ২,৪৫০ হাজার/২৪.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যবহৃত সার - ডিএপি (DAP); পরিমাণ – ১,৩০০.০০ হাজার/১৩.০০ লক্ষ মেট্রিক টন।
-  বাংলাদেশের কৃষিতে ২০২০-২১ অর্থবছরে মোট রাসায়নিক সার ব্যবহৃত হয় - ৫,৮৬৫ হাজার মেট্রিক টন/৫৮.৬৫ লক্ষ মেট্রিক টন।

[উৎস: অথনৈতিক সমীক্ষা-২০২১]
১৩,১০৮.
'গল্লামারী বধ্যভূমি' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. খুলনা
  3. যশোর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা

• গল্লামারী বধ্যভূমি:
- গল্লামারী মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ গণহত্যার স্মৃতি–বিজড়িত একটি স্থান।
- এটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে প্রবাহিত ময়ূর নদীর তীরে অবস্থিত।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে খুলনা অঞ্চলের অন্যতম বধ্যভূমি ছিল গল্লামারী।
- তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রেডিও স্টেশন (গল্লামারী রেডিও সেন্টার) ভবনে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাকামী মানুষদের আটক করে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো।
- নিহতদের মরদেহ গল্লামারী নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।
- শহর থেকে প্রায় দু’কিলোমিটার অভ্যন্তরে গল্লামারী খালের পাশে এই বধ্যভূমিটির অবস্থান।
- খুলনা মুক্ত হওয়ার পর গল্লামারী খাল ও আশপাশের স্থান থেকে প্রায় পাঁচ ট্রাক মানুষের মাথার খুলি ও হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়।
- ধারণা করা হয়, এখানে প্রায় ১৫ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল।
- স্বাধীনতার পর রেডিও সেন্টার (বর্তমান বাংলাদেশ বেতার, খুলনা কেন্দ্র) নূরনগর এলাকায় স্থানান্তরিত হয়।
- ১৯৯৫ সালে সেখানে প্রথম একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,১০৯.
বর্তমানে বাংলাদেশে ইউনেস্কো স্বীকৃত অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের সংখ্যা কত? [জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা

• ইউনেসকোর 'অপরিমেয়/বিমূর্ত/অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- সম্প্রতি, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫  বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প ইউনেসকোর 'অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের' (ইনট্যাঞ্জিবল কালচারাল হেরিটেজ) তালিকায় স্থান পেয়েছে। 

উল্লেখ্য,
 - বর্তমানে দেশে ৬টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো:
 ১) বাউলগান (২০০৮), 
২) জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), 
৩) মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), 
৪) শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও 
৫) ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।
৬) টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প (২০২৫)

তথ্যসূত্র: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। 

১৩,১১০.
পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন কে জারি করেন?
  1. ইস্কান্দার মির্জা
  2. ইয়াহিয়া খান
  3. আইয়ুব খান
  4. জিয়াউল হক
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্কান্দার মির্জা
ব্যাখ্যা

পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি:
- ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তানে সর্বপ্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- পাকিস্তানের শাসন ব্যবস্থায় একধরনের স্বৈরতান্ত্রিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রবণতা লক্ষ করা যায়।
- ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ জেনারেল ইস্কান্দার মির্জা পাকিস্তান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট মনোনীত হন।
- ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর ইস্কান্দার মির্জা মালিক ফিরোজ খানের সংসদীয় সরকার উৎখাত করে দেশে প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন।
- সেনাপ্রধান আইয়ুব খানকে প্রধান সামরিক শাসক নিযুক্ত করেন। সংবিধান বাতিল, আইন পরিষদ ও মন্ত্রীসভা ভেঙ্গে দেয়া হয়।
- মেজর জেনারেল ওমরাও খান পূর্ব বাংলার সামরিক প্রশাসক নিযুক্ত হন।
- প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মির্জার গণতন্ত্র বিরোধী উপরিউক্ত কার্যক্রমে প্রধান সহযোগী ছিলেন আইয়ুব খান।
- উচ্চবিলাসী আইয়ুব খান ২৭ অক্টোবর ২১ দিনের মাথায় ইস্কান্দর মির্জাকে পদচ্যুত করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,১১১.
ঢাকার শেষ নবাব কে ছিলেন?
  1. খাজা আতিকুল্লাহ বাহাদুর
  2. খাজা নাজিমুদ্দিন বাহাদুর
  3. খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর
  4. খাজা সলিমুল্লাহ বাহাদুর
সঠিক উত্তর:
খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর
ব্যাখ্যা
নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর:

- তিনি ২৬এপ্রিল, ১৮৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুর ঢাকার পঞ্চম এবং শেষ নবাব।
- তাঁর পিতাছিলেন নবাব স্যার খাজা সলিমুল্লাহ বাহাদুর।
- নবাব খাজা হাবিবুল্লাহ বাহাদুরের শাসনামলেই ঢাকার নবাবপরিবারের সম্পদ ও জৌলুশ কমতে থাকে।
- ১৯৫২ সালে ইস্ট পাকিস্তান এস্টেটঅ্যাকিউজিশন অ্যাক্ট দ্বারা যা চূড়ান্তভাবে বর্জন করতে হয়।
- ২১শে নভেম্বর ১৯৫৮ তারিখে নবাব হাবিবুল্লাহ মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ঢাকা বিভাগ ওয়েবসাইট।
১৩,১১২.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তিতে জনসংহতি সমিতির পক্ষে স্বাক্ষর করেন কে?
  1. ক) মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা
  2. খ) সাচিং প্রু জেরি
  3. গ) মনির স্বপন দেওয়ান
  4. ঘ) জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন।
- এই চুক্তির ফলে পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং বিবিসি বাংলা)
১৩,১১৩.
কোন নির্বাচনে দেশে প্রথমবারের মতো সব কেন্দ্রে 'ইভিএম পদ্ধতিতে' ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়?
  1. জাতীয় সংসদ নির্বাচনে
  2. সিটি করপোরেশন নির্বাচনে
  3. পৌরসভা নির্বাচনে
  4. উপজেলা নির্বাচনে
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা নির্বাচনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৌরসভা নির্বাচনে
ব্যাখ্যা
EVM:
- EVM এর পূর্ণরূপ: Electronic Voting Machine বা ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন।
- গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোট প্রয়োগে মেশিন বা ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি অণুসৃত হয় বলে সামগ্রিক প্রক্রিয়াটি ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএম নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশে ২০১০ সালে প্রথমবারের মতো ইভিএম ব্যবহার করা হয়।
- ২০১০ সালে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ইভিএম ব্যবহার করা হয়।
- ২০১০ সালে বন্দরনগরী চট্টগ্রামের সিটি করপোরেশনের ১৪টি কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ইভিএম ব্যবহার করা হয়।
- ২০১১ সালে নারায়ণগঞ্জের সিটি করপোরেশনের ৫৮টি কেন্দ্রে এবং ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বরে রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কয়েকটি কেন্দ্রে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনের মাধ্যমে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
- তখনকার নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা'র নেতৃত্বে নির্বাচন কমিশন কেবল সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করে।

উল্লেখ্য,
- ইভিএম পদ্ধতি প্রথম চালু হয় যুক্তরাষ্ট্রে ১৯৬০ সালে।
- বাংলাদেশে ২০০৭ সালে প্রথম ঢাকা অফিসার্স ক্লাবের কার্যকরী সংসদ নির্বাচনে সনাতনী ধাঁচের পরিবর্তে ই-ভোটিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। 
- দেশে প্রথমবারের মতো সব কেন্দ্রে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ হয় ১৭ জানুয়ারি ২০১১ সালে নরসিংদীর পৌরসভা নির্বাচনে এবং পরবর্তী সময়ে ৫ জানুয়ারি ২০১২ সালে কুমিল্লার সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে।
- একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে (২০১৮) ছয়টি আসনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা হয়। ছয়টি আসন দ্বৈবচয়নের মাধ্যমে চূড়ান্ত করে নির্বাচন কমিশন।

উৎস: i) The Business Standard. 
ii) প্রথম আলো। [link]
১৩,১১৪.
উদ্ভিদের পুষ্টির উৎস হিসাবে নিয়ের কোনটি বেশী গুরুত্বপূর্ণ?
  1. বালিকণা
  2. পলিকণা
  3. কর্দমকণা
  4. পাথরকণা
সঠিক উত্তর:
কর্দমকণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্দমকণা
ব্যাখ্যা
- উদ্ভিদের পুষ্টির প্রধান উৎস হলো মাটির কেমিক্যালি সক্রিয় অণুগুলো, এবং এর ক্ষেত্রে খনিজ কণার মধ্যে কর্দমকণা গুরুত্বপূর্ণ।
- কর্দমকণার পৃষ্ঠফল অত্যন্ত বেশি, যার কারণে তারা জলীয় দ্রবণে থাকা পুষ্টি ধরা ও ধারণে সক্ষম।
- মাটির ধনাত্মক আয়ন ধরে রাখার ক্ষমতা উন্নত করে, এটি বড় পরিমাণে কর্দমকণার কারণে সম্ভব।
- খনিজ এবং জৈব পদার্থের সঙ্গে যোগে, কর্দম যুক্ত মাটি জল ও পুষ্টি দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখে, ফলে গাছপালার জন্য স্থায়ী পুষ্টি ও আর্দ্রতা নিশ্চিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১৩,১১৫.
ECNEC-এর বর্তমান সভাপতি কে?
  1. শেখ হাসিনা
  2. ওবায়দুল কাদের
  3. আবুল হাসান মাহমুদ আলী
  4. আনিসুল হক
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ হাসিনা
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- ECNEC এর পূর্ণরূপ: The Executive Committee of the National Economic Council.
- জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC) সরকারের দ্বিতীয় শক্তিশালী কমিটি।
- এর সভাপতি দেশটির প্রধানমন্ত্রী।
- অর্থমন্ত্রী এর বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি।
- এ কমিটির সদস্যগণ সরকার প্রধান কর্তৃক মনোনীত হয়ে থাকেন। 
- নিম্নোক্ত মন্ত্রীদের মধ্য থেকে কমিটির সদস্য মনোনয়ন দেয়া হয়:
• স্থানীয় সরকার পলী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী,
• শিক্ষা মন্ত্ৰী,
• প্রযুক্তি মন্ত্ৰী,
• পানি সম্পদ মন্ত্রী,
• শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্ৰী,
• ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্ৰী,
• কৃষি, খাদ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী এবং
• পরিকল্পনা মন্ত্রী।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
১৩,১১৬.
হাজং সম্প্রদায় কোন ধর্মের অনুসারী?
  1. ক) বৌদ্ধ
  2. খ) খ্রিস্টান
  3. গ) ইসলাম
  4. ঘ) হিন্দু
সঠিক উত্তর:
ঘ) হিন্দু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হিন্দু
ব্যাখ্যা
- হাজং, ত্রিপুরা, বিষ্ণুপ্রিয়া (মণিপুরী) সম্প্রদায় হলো সনাতন বা হিন্দু ধর্মের অনুসারী।
- এছাড়া বর্মন, রাজবংশী, ওরাও, কোচ ও পাহান সম্প্রদায়ের ভেতরেও হিন্দু অনুসারী বৃদ্ধি পাচ্ছে।
- লুসাই উপজাতি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী।
- একমাত্র মুসলিম উপজাতি হলো পাঙন যারা সিলেটে বসবাস করে৷
- চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারী।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় :সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণি।
১৩,১১৭.
বর্তমানে দেশে কয়টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩১টি
  2. ৩৫টি
  3. ৩৭টি
  4. ৪০টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা

ব্যাংক-বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (Finance Companies (FCs)):
- ফাইন্যান্স কোম্পানি (FCs) হলো এমন ধরনের আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যেগুলো ফাইন্যান্স কোম্পানি আইন, ২০২৩ এর আওতায় লাইসেন্সপ্রাপ্ত এবং বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও তত্ত্বাবধানে পরিচালিত।
- দেশে প্রথম আর্থিক প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয় ১৯৮১ সালে।
- দেশে বর্তমানে ৩৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠান কাজ করছে।
- এর মধ্যে ২টি সম্পূর্ণ সরকারি মালিকানাধীন, ১টি রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংকের সহায়ক, ২টি সরকার এবং বিদেশী সরকারি সংস্থার যৌথ মালিকানাধীন, ১৯টি বেসরকারি দেশীয় উদ্যোক্তাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত এবং ১১টি দেশী-বিদেশী উদ্যোক্তাদের যৌথ উদ্যোগ।
- ফাইন্যান্স কোম্পানির প্রধান অর্থের উৎস হলো মেয়াদি আমানত (কমপক্ষে তিন মাসের মেয়াদ), ব্যাংক ও অন্যান্য ফাইন্যান্স কোম্পানি থেকে ঋণ সুবিধা, কল মানি, বন্ড এবং সিকিউরিটাইজেশন।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট। [link]

১৩,১১৮.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় 'ঢাকা' কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ১ নং সেক্টর
  2. ২ নং সেক্টরে
  3. ৪ নং সেক্টরে
  4. ৮ নং সেক্টরে
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টরে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর ও সাব-সেক্টর সমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
- ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধীনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,১১৯.
মুক্তিবাহিনীর অন্যতম গেরিলা দল ‘ক্র্যাক প্লাটুন’ কোন সেক্টরের অধীনে ছিল?
  1. ২নং সেক্টর
  2. ৩নং সেক্টর
  3. ১০নং সেক্টর
  4. ১১নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
ক্র্যাক প্লাটুন:
- ক্র্যাক প্লাটুন হলো ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরের অধীনে ঢাকা শহরের তরুণদের সমন্বয়ে গঠিত একটি গেরিলা সংগঠন।
- ২ নং সেক্টর ছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেক্টর, যার অধীনে ছিল ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, এবং এর আশেপাশের এলাকাগুলো।
- এই সেক্টরের নেতৃত্বে ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ এবং তার অধীনেই ক্র্যাক প্লাটুন গঠিত হয়।
- এই দলের সদস্যরা ছিলেন অত্যন্ত সাহসী এবং সুসংগঠিত।
- তারা অত্যন্ত গোপনীয়ভাবে অপারেশন পরিচালনা করত এবং বিভিন্ন স্থানে পাক বাহিনীর উপর অতর্কিত আক্রমণ চালাত।
- বিশেষ করে, এই দলটি ঢাকা শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ওপর আক্রমণ চালিয়ে পাকিস্তানি বাহিনীর যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং মনোবল ধ্বংস করেছিল।
- শহীদ জননী জাহানারা ইমামের সন্তান শহিদ রুমী ইমাম, শহিদ জুয়েল, শহিদ আলতাফ মাহমুদ, প্রয়াত আযম খান, প্রয়াত সাদেক হোসেন খোকা, ইশতিয়াক আজিজ উলফাত, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া প্রমুখ ক্র্যাক প্লাটুনের সাথে যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথমপত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩,১২০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুয়ায়ী, টাকার অঙ্কে কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. জাপান
  3. চীন
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
দেশভিত্তিক আমদানি:
- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুয়ায়ী, টাকার অঙ্কে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে চীন থেকে। 

⇒ আমদানি রিপোর্ট:
- চীন: ১২,৫৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (২৮.৪৬%)।
- ভারত: ৫,৯১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (১৩.৪২%)।
- যুক্তরাষ্ট্র: ১,৯৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৪.৫১%)।
- মালয়েশিয়া: ১,৪৮২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.৩৬%)।
- সিঙ্গাপুর: ১,৩৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার (৩.১৫%)।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি; সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
- EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩,১২১.
ডেল্টা প্ল্যান প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে বাংলাদেশকে কোন দেশ সহায়তা করছে?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. জার্মানি
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

⇒ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ তে দেশের আটটি হাইড্রোলজিক্যাল অঞ্চলকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করে প্রতিটি অঞ্চলের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির মাত্রার উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
- একই ধরণের প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির সম্মুখীন জেলাসমূহকে একেকটি গ্রুপের আওতায় আনা হয়েছে যাকে "হটস্পট" (পানি ও জলবায়ু উদ্ভূত প্রায় অভিন্ন সমস্যাবহুল অঞ্চল) হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।

১৩,১২২.
চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ১৬৮ টি
  2. ১৭০ টি
  3. ১৭১ টি
  4. ১৬৯ টি
সঠিক উত্তর:
১৭১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১ টি
ব্যাখ্যা

- চা বোর্ডের অধীনে বাংলাদেশের নিবন্ধিত চা বাগান - ১৭১ টি।

- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত - ৯০ টি চা বাগান।
- হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত - ২৫টি চা বাগান।
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান।
-চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত ২২ টি চা বাগান।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১১ টি চা বাগান।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ২ টি চা বাগান।
- ঠাকুরগাঁও জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ১ টি চা বাগান।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।

১৩,১২৩.
বাংলাদেশে প্রতি লাখে মাতৃ মৃত্যুহার কত?
  1. ক) ১৬৯ জন
  2. খ) ১৯৩ জন
  3. গ) ২১১ জন
  4. ঘ) ৩১৬ জন
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬৯ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৬৯ জন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2018 অনুসারে প্রতি এক লক্ষ জীবিত শিশুর জন্মের ক্ষেত্রে মাতৃমৃত্যু হার ১৬৯ জন। গ্রামে এই হার প্রতি লাখে ১৯৩ জন এবং শহর অঞ্চলে ১৩২ জন। ২০১৬ ও ২০১৪ সালে প্রতি লাখে মাতৃ ‍মৃত্যুহার ছিলো যথাক্রমে ১৭৮ জন ও ১৯৩ জন। (সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর SVRS Report-2018)
১৩,১২৪.
সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়?
  1. দ্বাদশ সংশোধনী
  2. পঞ্চদশ সংশোধনী
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী
  4. একাদশ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী.
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১ সালের ২৫ জুন সংসদে পাস হয়।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৭২ মূল সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথা: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার পাশাপাশি সকল ধর্মচর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়

উৎস: বাংলাপিডিয়া, এবং বাংলাদেশ সংবিধান।
১৩,১২৫.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল (পুরুষ) টেস্ট ক্রিকেটে মর্যাদা পায় কত সালে? 
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ২০০০ সালে
  3. ১৯৯৯ সালে
  4. ২০০১ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ক্রিকেট:
- ২০০০ সালে ২৬ জুন ৯টি টেস্ট খেলুড়ে দেশের ভোটে টেস্ট ক্রিকেটের অভিজাত ক্লাবে দশম সদস্য হিসেবে যোগ দেয় বাংলাদেশ।  
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর টেস্ট ক্রিকেটের কঠিন অঙ্গনে বাংলাদেশের পদচিহ্ন পড়ে।
-  অভিষেক টেস্টের অধিনায়ক: নাঈমুর রহমান দুর্জয়।
- প্রথম ম্যাচ: ভারতের সঙ্গে।
- প্রথম টেস্ট ৯ উইকেটে পরাজয়।
- সেঞ্চুরি: আমিনুল ইসলাম ।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড গঠন হয়: ১৯৭২ সালে।
- বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সদর দপ্তর ঢাকা।
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশে প্রথম অংশগ্রহণ করে ১৭ মে ১৯৯৯।
- বাংলাদেশের প্রথম জয় স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে।
- বিশ্বকাপে প্রথম অধিনায়ক আমিনুল ইসলাম বুলবুল।

উৎস: ¡) বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড।
         ¡¡) কালের কণ্ঠ
১৩,১২৬.
৬-দফা দাবি কোথায় উত্থাপিত হয়?
  1. ক) ঢাকা
  2. খ) লাহোর
  3. গ) দিল্লি
  4. ঘ) চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) লাহোর
ব্যাখ্যা
পশ্চিম পাকিস্তানের বিরোধীদলীয় নেতারা তাসখন্দ-উত্তর রাজনীতির গতিধারা নিরূপণের উদ্দেশ্যে ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে এক জাতীয় সম্মেলন আহবান করেন। আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান সম্মেলনে যোগদানের জন্য ৪ ফেব্রুয়ারি লাহোর পৌঁছেন। পরদিন সাবজেক্ট কমিটির সভায় তিনি পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের দাবি হিসেবে ‘ছয়দফা’ প্রস্তাব পেশ করেন এবং তা সম্মেলনের আলোচ্যসূচির অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানান। [উৎসঃ বাংলাপিডিয়া]
১৩,১২৭.
স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ার পূর্বে ঢাকা কতবার বাংলার রাজধানী ছিল?
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৫ বার
সঠিক উত্তর:
৪ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বার
ব্যাখ্যা
রাজধানী ঢাকা:
- এটি বাংলাদেশের বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত বৃহত্তম শহর।
- স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ায় পূর্বে ঢাকা বাংলার রাজধানী ছিল চারবার।
- স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী হওয়ার পূর্বে ঢাকা ১৬১০, ১৬৬০, ১৯০৫ ও ১৯৪৭ সালে মোট চারবার বাংলার রাজধানীর মর্যাদা পায়।

উল্লেখ্য,
- মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের ইচ্ছানুযায়ী ১৬১০ সালে ঢাকাকে সর্বপ্রথম সুবাহ বাংলার রাজধানী ঘোষণা করা হয়। 
- ১৬৫০ সালে সুবেদার শাহ সুজা রাজধানী আবার রাজমহলে স্থানান্তর করেছিলেন। শাহ সুজার পতনের পর ১৬৬০ সালে সুবেদার মীর জুমলা আবার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
-  ১৭১৭ সালে সুবেদার মুর্শিদ কুলি খান রাজধানী মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন। বঙ্গভঙ্গের পর ১৯০৫ সালে ঢাকাকে আসাম ও বাংলার রাজধানী করা হয়।
- কংগ্রেসের বাধার মুখে ব্রিটিশ রাজ আবার ১৯১১ সালে রাজধানী কলকাতায় ফিরিয়ে নেয়। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসান এবং স্বাধীন পাকিস্তান রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার পর পূর্ব বাংলা নামে নতুন প্রদেশের রাজধানী হওয়ায় ঢাকার উথানে অধিকতর স্থায়ী উন্নয়ন সাধিত হয়।

সর্বশেষ -
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে ঢাকা রাজনৈতিক, প্রশাসনিক কার্যকলাপ এবং অর্থনৈতিক, সামাজিক, শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্ররূপে মর্যাদা লাভ করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১৩,১২৮.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে মন্ত্রিসভা গঠনের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৫১ নং
  2. ৫৫ নং
  3. ৫৮ নং
  4. ৭৩ক নং
সঠিক উত্তর:
৫৫ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৫ নং
ব্যাখ্যা
মন্ত্রিসভা:
- সংবিধানের ৫৫ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী,
১• প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করবে, সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে।

২• প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক বা তাঁহার কর্তৃত্বে এই সংবিধান অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা প্রযুক্ত হবে।
৩• মন্ত্রিসভা যৌথভাবে সংসদের নিকট দায়ী থাকবেন।
৪• সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে।
৫• রাষ্ট্রপতির নামে প্রণীত আদেশসমূহ ও অন্যান্য চুক্তিপত্র কিভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত হবে, রাষ্ট্রপতি তা বিধিসমূহ-দ্বারা নির্ধারণ করবেন এবং অনুরূপভাবে সত্যায়িত বা প্রমাণীকৃত কোন আদেশ বা চুক্তিপত্র যথাযথভাবে প্রণীত বা সম্পাদিত হয় নাই বলে তার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না। 
৬• রাষ্ট্রপতি সরকারী কার্যাবলী বন্টন ও পরিচালনার জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করবেন।

এছাড়া,
- ৫১ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- ৫৮ নং অনুচ্ছেদ: প্রধানমন্ত্রী ব্যতীত অন্যান্য মন্ত্রীগণের পদের মেয়াদ।
- ৭৩ক নং অনুচ্ছেদ: সংসদ সম্পর্কে মন্ত্রীগণের অধিকার সংক্রান্ত। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,১২৯.
কৃষিতে 'বাংলামতি' কী?
  1. গম
  2. ধান
  3. পাট
  4. চা
সঠিক উত্তর:
ধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধান
ব্যাখ্যা

বাংলামতি:
- 'বাংলামতি' কৃষিতে এক প্রকার ধান।
- এটি ধানের উন্নত জাত।
- ব্রি ধান-৫০ যার জনপ্রিয় নাম বাংলামতি (বাসমতীর ন্যায়) ধানের জাত অনুকূল বোরো মওসুমের জন্য উপযোগী।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠান: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। 
- জীবনকাল: ১৫৫ দিন দিন
- উৎপাদন ( সেচ সহ ) / প্রতি হেক্টর: ৬.০ টন কেজি
⇒ জাতের বৈশিষ্ট্য:
১। গাছের উচ্চতা ৮২ সেন্টিমিটার।
২। গাছ হেলে পড়ে না।
৩। চাল লম্বা, চিকন, সুগন্ধি ও সাদা।
৪। ভাত ঝরঝরে।
৫। চালে প্রোটিনের পরিমাণ ৮.২%।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১৩,১৩০.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ- 
  1. স্পেন
  2. পর্তুগাল
  3. যুক্তরাজ্য
  4. পূর্ব জার্মানি
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূর্ব জার্মানি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ- পূর্ব জার্মানি।
- পূর্ব জার্মানি (East Germany) : ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে।

বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী দেশ সমূহ: 
- পূর্ব জার্মানি (East Germany) : ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে।
- পোল্যান্ড : ১২ জানুয়ারি ১৯৭২,
- বুলগেরিয়া ১২ জানুয়ারি ১৯৭২,
- মিয়ানমার ১৩ জানুয়ারি ১৯৭২, 
- নেপাল ১৬ জানুয়ারি ১৯৭২, 
- সেনেগাল (প্রথম অনারব মুসলিম দেশ); ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২,
- যুক্তরাজ্য (UK): ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- জাপান ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২
- চীন : ৩১ আগস্ট ১৯৭৫। 

​উৎস: Bangladesh (1971-present) - DADM Project.

১৩,১৩১.
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দিনটির বাংলা তারিখ ছিল -
  1. ৭ ফাল্গুন, ১৩৫৮
  2. ৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮
  3. ৯ ফাল্গুন, ১৩৫৮
  4. ১০ ফাল্গুন, ১৩৫৮
সঠিক উত্তর:
৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ফাল্গুন, ১৩৫৮
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩,১৩২.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন কোনটি?
  1. আকরাম খান কমিশন
  2. শরীফ শিক্ষা কমিশন
  3. সামসুল হক কমিশন
  4. কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা

 কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন-১৯৭২:
- বাংলাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশনের নাম কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন।
- দেশের খ্যাতনামা শিক্ষাবিদ এবং বিজ্ঞানী কুদরত-ই-খুদা-কে প্রধান করে কুদরত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন ১৯৭২ সালে গঠন করা হয়।
- এই কমিশন ১৯৭২ সালে তাদের রির্পোট দাখিল করে।
- দেশের আর্থ-সামাজিক, রাজনৈতিক এবং সাংস্কৃতির উপর ভিত্তি করে এই রির্পোট প্রণয়ন করা হয়।
- এই কমিশনের সুপারিশের আলোকে জাতীয় শিক্ষাক্রম এবং সিলেবাস প্রণয়নের জন্য দেশের ৪৭ জন সুনামধন্য শিক্ষাবিদকে নিয়ে প্রফেসর সামছুল হুদা কে প্রধান করে ১৯৭৬ সালে একটি জাতীয় কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটি ১৯৭৬, ১৯৭৭ এবং ১৯৮৮ সালে মোট ৭টি ভলিউমে  রির্পোট সরকারের নিকট দাখিল করে।

তথ্যসূত্র - শিক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৩,১৩৩.
বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত কয়টি ‘দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র (PRSP)’ গ্রহণ করে?
  1. ক) একটি
  2. খ) দুইটি
  3. গ) তিনটি
  4. ঘ) চারটি
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) দুইটি
ব্যাখ্যা
PRSP এর পূর্ণরূপ হলো Proverty Reduction Strategy Papers. PRSP হলো আইএমএফের নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র। বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ সময়ে প্রথম এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে দ্বিতীয় দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে। এটি প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশন।
[সূত্রঃ IMF ও পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট]
১৩,১৩৪.
২০২৩ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি নির্বাচিত হলেন -
  1. ক) রাবাব ফাতেমা
  2. খ) হাসান জামিল
  3. গ) মোহাম্মদ আবদুল মুহিত
  4. ঘ) আজমল জামান
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ আবদুল মুহিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মোহাম্মদ আবদুল মুহিত
ব্যাখ্যা
- জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ আবদুল মুহিত সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৩ সালের জন্য জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ - সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

• জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশন:
- জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ কমিশনের সহ-সভাপতি বাংলাদেশ।
- তিনি ২০২২ সালে কমিশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর কমিশনের সদস্যরা ২০২৩ সালের জন্য ক্রোয়েশিয়াকে সভাপতি এবং বাংলাদেশ ও জার্মানিকে সহ-সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত করে।
- নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদর দপ্তরে রাষ্ট্রদূত মুহিত আনুষ্ঠানিকভাবে ক্রোয়েশিয়ার কাছে কমিশনের সভাপতির পদ হস্তান্তর করেন।

উৎস: দৈনিক যুগান্তর পত্রিকা।
১৩,১৩৫.
পাকিস্তানের গণপরিষদের অধিবেশনে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রথম দাবি উত্থাপন করেন- 
  1. আবুল কাসেম
  2. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  4. শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

• ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- ফিরোজ খান নুন ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার গভর্নর ছিলেন।
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দীন।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- এই আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সর্ব প্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার দাবী উত্থাপন করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,১৩৬.
ফারাক্কা বাঁধ কোন নদীর উপর নির্মিত?
  1. যমুনা
  2. গঙ্গা
  3. তিস্তা
  4. ব্রহ্মপুত্র
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গঙ্গা
ব্যাখ্যা
ফারাক্কা বাঁধ:
- ফারাক্কা বাঁধ গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত একটি বাঁধ।
- ভারতের হুগলী নদীতে পানি সরবরাহ এবং কলকাতা বন্দরটি সচল করার জন্য ১৯৭৪ সালে এই ফারাক্কা বাঁধ নির্মাণ করা হয়।
- যার অবস্থান বাংলাদেশ থেকে মাত্র ১৬.৫ কিলোমিটার উজানে ভারতের ভূখণ্ডে গঙ্গা নদীর ওপরে।
- ১৯৬১ সালে এই বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হয়।
- শেষ হয় ১৯৭৫ সালে।
- সেই বছর ২১ এপ্রিল থেকে বাঁধ চালু হয়।
- বাঁধটিতে মোট ১০৯টি গেট রয়েছে।
- ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ কমতে থাকার প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদী গঙ্গা চুক্তি হয়।

উৎস: ১ অক্টোবর ২০১৯, বিবিসি বাংলা নিউজ।
১৩,১৩৭.
‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ
  2. ১৯৫০ সালের ১১ মার্চ 
  3. ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৪৯ সালের ১১ মার্চ
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালের ১১ মার্চ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫০ সালের ১১ মার্চ 
ব্যাখ্যা

• 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ',
- তমদ্দুন মজলিশের উদ্যোগে ভাষা আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপদানের জন্য ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে গঠিত হয় প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ', যার আহ্বায়ক মনোনীত হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নূরুল হক ভূইয়া।

⇒ ১৯৪৮ সালে   ২রা মার্চ দেশের শিক্ষার্থী বুদ্ধিজীবীদের উপস্থিতিতে দ্বিতীয় বারের মতো 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
- যার আহবায়ক ছিলেন শামসুল আলম।
-  রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদের নতুন কমিটির আহবানে ১১ই মার্চ ধর্মঘট পালিত হয়।

• ’ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ 
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ গঠিত হয়।
- এ কমিটি আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠিত হয়,
- যার নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন পুনরায় সঞ্জীবিত হতে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,১৩৮.
আফ্রিকার কোন দেশ বাংলাকে দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে?
  1. লিবিয়া
  2. সিয়েরা লিওন
  3. লাইবেরিয়া
  4. আইভরি কোস্ট
সঠিক উত্তর:
সিয়েরা লিওন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিয়েরা লিওন
ব্যাখ্যা
সিয়েরা লিওন:
- সম্প্রতি সিয়েরা লিওনের একটি রাস্তার নাম 'বাংলাদেশ' করা হয়েছে।
- সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সেখানকার সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়।
- বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে সিয়েরা লিয়ন এই সম্মান জানায়।
- সিয়েরা লিয়ন পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- সিয়েরা লিওনের সাংবিধানিক নাম - সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র।
- দেশটির রাজধানী - ফ্রিটাউন।
- দেশটিতে প্রায় ১৬টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করে, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা ভাষা ও রীতিনীতি।
- ইংরেজি ভাষা সিয়েরা লিওনের সরকারি ভাষা। তাছাড়া এখানে আরও প্রায় ২০টি ভাষা প্রচলিত।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১৩,১৩৯.
স্বাধীনতাযুদ্ধে মেজর জিয়াউর রহমান কত নং সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন?
  1. ১ নং 
  2. ২ নং 
  3. ৮ নং 
  4. ১১ নং 
সঠিক উত্তর:
১ নং 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ নং 
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর:
⇒ ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার সমগ্র পূর্বাঞ্চল বেলোনিয়া বুলগের মুহুরী নদীর তীরে নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: হরিণা।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর জিয়াউর রহমান, মেজর রফিকুল ইসলাম। 

⇒ ২নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা এবং ফরিদপুর জেলা এবং নোয়াখালী জেলার অংশ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মেলাঘর।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর খালেদ মোশাররফ, মেজর এটিএম হায়দার।

⇒ ৩নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: হেজামারা।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর কে এম শফিউল্লাহ, মেজর এএনএম নুরুজ্জামান। 

⇒ ৪ নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: প্রথমে করিমগঞ্জে এবং পরে আসামের মাসিমপুর।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর চিত্তরাজন দত্ত, ক্যাপ্টেন এ রব।

⇒ ৫নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বাঁশতলা।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর মীর শওকত আলী। 

⇒ ৬নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: বুড়িমাড়ি (বাংলাদেশের ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে একমাত্র সদর দপ্তর)।
- সেক্টর কমান্ডার: উইং কমান্ডার এম খেদেমুল বাশার। 

⇒ ৭নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়।
- সদরদপ্তর: তরঙ্গপুর।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর নজরুল হক, সুবেদার মেজর এ রব এবং মেজর কাজী নুরুজ্জামান। 

⇒ ৮নং সেক্টর: কুষ্টিয়া, যশোর থেকে খুলনা, সাতক্ষীরা,
- সদরদপ্তর: কল্যাণী।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর আবু ওসমান চৌধুরী, মেজর এম এ মঞ্জুর।

⇒ ৯নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: বশিরহাট।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর এম জলিল, মেজর এম এ মঞ্জুর এবং মেজর জয়নাল আবেদীন।

⇒ ১০নং সেক্টর: সকল নৌপথ ও সমুদ্র উপকূলীয় অঞ্চল।

⇒ ১১নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত।
- সদরদপ্তর: মহেন্দ্রগঞ্জ।
- সেক্টর কমান্ডার: মেজর এম আবু তাহের।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,১৪০.
বাংলাদেশের আইনসভার অফিসিয়াল ইংরেজি নাম কী?
  1. Parliament of the People
  2. House of the Nation 
  3. Nation of the House
  4. National Assembly House 
সঠিক উত্তর:
House of the Nation 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
House of the Nation 
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের আইনসভার অফিসিয়াল ইংরেজি নাম House of the Nation.

আইনবিভাগ: 

- সরকারের তিনটি বিভাগের একটি হলো আইনবিভাগ।
- আইন বিভাগ আইন প্রণয়ন এবং প্রয়োজনবোধে প্রচলিত আইনের সংশোধন বা রদবদল করে থাকে।
- আইনবিভাগের একটি অংশ হলো আইনসভা বা পার্লামেন্ট।
- আইনসভা আইন প্রণয়ন করে।
- নির্বাচিত গণপ্রতিনিধিদের নিয়ে কিংবা কোনো কোনো ক্ষেত্রে মনোনীত সদস্যদের নিয়ে এটি গঠিত হয়।
- আইনসভা প্রণীত আইন রাষ্ট্রপ্রধানের সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।
- প্রত্যেক রাষ্ট্রের আইনসভা রয়েছে।
- এসব আইনসভা বিভিন্ন নামে পরিচিত।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- কোনো দেশের আইনসভা এক কক্ষবিশিষ্ট আবার কোনো দেশের আইনসভা দ্বিকক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে।
- দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট আইনসভায় উচ্চ পরিষদ ও নিম্ন পরিষদ থাকে।
- বাংলাদেশের আইনসভা অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট।
- ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেনের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,১৪১.
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ মীর মাহফুজুর রহমান (মুগ্ধ) খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন?
  1. রাষ্ট্রবিজ্ঞান
  2. গনিত
  3. ইংরেজি
  4. অর্থনীতি
সঠিক উত্তর:
গনিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গনিত
ব্যাখ্যা

• মীর মাহফুজুর রহমান (মুগ্ধ):
- খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ডিসিপ্লিনের ১৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন মীর মাহফুজুর রহমান (মুগ্ধ)।
- ২০২৩ সালের মার্চে স্নাতক শেষ করে তিনি খুলনা ছেড়ে ঢাকায় চলে যান।
- ১৮ জুলাই ২০২৪ বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে রাজধানীতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি।
- মৃত্যুর আগমুহূর্ত পর্যন্ত তিনি আন্দোলনরত ক্লান্ত-শ্রান্ত শিক্ষার্থী-জনতাকে ‘ভাই, পানি লাগবে? পানি?’ বলছিলেন। 

উৎস: প্রথম আলো।

১৩,১৪২.
বাংলাদেশে কৃষিক্ষেত্রে 'বলাকা' ও 'দোয়েল' নাম দুটি কিসের?
  1. দুটি কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
  2. দুটি কৃষি সংস্থার নাম
  3. উন্নতজাতের গম শস্য
  4. কৃষি খামারের নাম
সঠিক উত্তর:
উন্নতজাতের গম শস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্নতজাতের গম শস্য
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে চাষকৃত গমের জাতসমূহ:
- বলাকা, 
- দোয়েল, 
- কাঞ্চন, 
- আকবর, 
- সোনালিকা, 
- সৌরভ, 
- গৌরব, 
- অঘ্রাণী প্রভৃতি।
-------------------------------- 
• উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

• উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত: 
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট, জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১৩,১৪৩.
মানব উন্নয়ন সূচকের প্রথম ধারণা দেন-
  1. ক) কফি আনান
  2. খ) অমর্ত্য সেন
  3. গ) অ্যাডাম স্মিথ
  4. ঘ) বান কি মুন
সঠিক উত্তর:
খ) অমর্ত্য সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অমর্ত্য সেন
ব্যাখ্যা

- মানব উন্নয়ন সূচকের প্রথম ধারণা দেন অর্থনীতিতে নোবেল বিজয়ী ড. অমর্ত্য সেন।
- জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা ইউএনডিপি (UNDP) মানব উন্নয়ন সূচক প্রকাশ করে।
- মানব উন্নয়ন সূচক-২০২০ এ শীর্ষ দেশ নরওয়ে।
- বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৩ তম।
উৎসঃ ইউএনডিপির ওয়েবসাইট।

১৩,১৪৪.
জুলাই বিপ্লবের শহীদ আবু সাঈদ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. পীরগাছা, রংপুর 
  2. পীরগঞ্জ, রংপুর 
  3. তারাগঞ্জ, রংপুর 
  4. বদরগঞ্জ, রংপুর 
সঠিক উত্তর:
পীরগঞ্জ, রংপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পীরগঞ্জ, রংপুর 
ব্যাখ্যা

- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ

শহীদ আবু সাঈদ:

- জুলাই আন্দোলনে আবু সাইদ ১৬ জুলাই, ২০২৪ তারিখে শহীদ হয়েছিলেন।
- রংপুর জেলার পীরগঞ্জ উপজেলা বাবনপুর গ্রামের মোঃ মকবুল হোসেন এর ঘরে জন্ম নেয় আবু সাঈদ।
- ২৫ বছর বয়সী আবু সাঈদ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।
- তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।

এছাড়াও
- ২০২৪ সালে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনে ১৬ জুলাই দুপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে গুলিবিদ্ধ হন আবু সাঈদ।
- ১৬ জুলাই কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি চলাকালে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনের সড়কে পুলিশ আবু সাঈদকে খুব কাছ থেকে গুলি করে।
- আবু সাঈদ এক হাতে লাঠি নিয়ে দুই হাত প্রসারিত করে বুক পেতে দেন।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকা এবং বাংলা সাহিত্য, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,১৪৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
  1. গণতন্ত্র
  2. ধর্মনিরপেক্ষতা
  3. জাতীয়তাবাদ
  4. সার্বভৌমত্ব
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্বভৌমত্ব
ব্যাখ্যা
সংবিধানের মূলনীতি:

- সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়।
- প্রস্তাবনা এবং অনুচ্ছেদ ৮ অনুযায়ী বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতি চারটি।
যথা-
- জাতীয়তাবাদ,
- গণতন্ত্র,
- ধর্মনিরপেক্ষতা ও
- সমাজতন্ত্র
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১১ টি অধ্যায়, ১৫৩টি অনুচ্ছেদ, ৭ টি তফসিল, ১৩ টি পরিচ্ছেদ আছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,১৪৬.
কোনটি বাংলাদেশের সংবিধানের মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. প্রজাতন্ত্র
  2. গণতন্ত্র
  3. সমাজতন্ত্র
  4. জাতীয়তাবাদ
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা
• প্রজাতন্ত্র - বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির অন্তর্ভূক্ত নয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি:
- বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ উল্লেখ করা হয়েছে।
- ৮নং অনুচ্ছেদে ১নং দফানুসারে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি হলো চারটি।

• এগুলো হলো:
- জাতীয়তাবাদ,
- সমাজতন্ত্র,
- গণতন্ত্র ও
- ধর্মনিরপেক্ষতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,১৪৭.
বাংলাদেশ আইসিসি ট্রফি জয় লাভ করে -
  1. ক) ১৯৯৬ সালে
  2. খ) ১৯৯৯ সালে
  3. গ) ১৯৯৭ সালে
  4. ঘ) ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৯৭ সালে
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে। 
- ওই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশ দু'টি ম্যাচ জয়লাভ করে এবং দু'টি ম্যাচ হেরে যায়।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে। 
- বাংলাদেশের এখন অব্দি অন্যতম অর্জন হলো ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়, এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। 
- কারণ, এই জয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর বিশ্বকাপ (১৯৯৯ সালে) খেলার সুযোগ।
 
উৎস: প্রথম আলো 
১৩,১৪৮.
স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য ‘বীর উত্তম’ উপাধি লাভ করে কতজন?
  1. ৬৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ৭০ জন
  4. ৭৫ জন
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীরবিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন।

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,১৪৯.
চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কবে প্রবর্তন করা হয়?
  1. ১৮৯৩ সালে
  2. ১৮০৫ সালে
  3. ১৭৯৩ সালে
  4. ১৭৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৯৩ সালে
ব্যাখ্যা

- ১৭৯৩ সালের  লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত:

- ১৭৯৩ সালের ২২মার্চ লর্ড কর্নওয়ালিস চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করেন।
- ঐদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ রাজস্ব পরিশোধের বিনিময়ে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের নিজ নিজ জমির উপর চিরস্থায়ী মালিকানা প্রদান করে যে বন্দোবস্ত করা হয় তা-ই চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত নামে পরিচিত।
- চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের কারণে কৃষক জমির উপর তাদের অধিকার হারায়।
- বিপরীতে জমির উপর জমিদারদের স্থায়ী মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৫০ সালে পূর্ববঙ্গ জমিদারি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ফলশ্রুতিতে জমিদারি প্রথা ও চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ব্যবস্থার উচ্ছেদ ঘটে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩,১৫০.
ইলিশ মাছের জিনোম আবিষ্কারক কে?
  1. কাজী হামিদুল হক
  2. আবেদ চৌধুরী
  3. মাকসুদুল আলম
  4. সামছুল আলম
সঠিক উত্তর:
সামছুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামছুল আলম
ব্যাখ্যা
ইলিশ মাছের জিনোম আবিষ্কারক সামছুল আলম।

ইলিশ মাছ:

- বাংলাদেশ বিশ্বের বৃহত্তম ইলিশ উৎপাদনকারী দেশ।
- ইলিশ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ১ম।
- ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ইলিশের উৎপাদন ছিল ৫ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশেই ইলিশ উৎপাদন বেড়েছে।
- বর্তমানে ১২৫টি উপজেলার নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে।
- ইলিশের ভৌগোলিক নির্দেশক নিবন্ধন সনদ (জিআই সনদ) প্রাপ্তি পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেড মার্কস অধিদপ্তর বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশ এর ভৌগোলিক নিবন্ধন প্রদান করেছে।
- বিশ্বে ইলিশের দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশে এখন পৃথিবীর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের অধিক ইলিশ উৎপাদিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- ইলিশ মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচনের কৃতিত্ব অর্জন করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।
- ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের চার গবেষক ইলিশ মাছের পূর্ণাঙ্গ জীবনরহস্য উন্মোচন করেন।
- ২০১৫ সাল থেকে এই জিনোম সংক্রান্ত গবেষণা শুরু করেন তারা।
- এই সফলতা ইলিশ মাছের সংরক্ষণ, উৎপাদন ও গুণগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
- ইলিশ জিনোম সিকোয়েন্সিং অ্যান্ড অ্যাসেম্বলি নামের এই গবেষণা দলটির সমন্বয়ক হিসেবে আছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিসারিজ বায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ. সামছুল আলম।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
         ii) ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮, বিবিসি।
১৩,১৫১.
অপারেশন সার্চলাইটের সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন কে?
  1. ক) রাও ফরমান আলী খান
  2. খ) জেনারেল আবদুল হামিদ খান
  3. গ) জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা
  4. ঘ) জেনারেল টিক্কা খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেনারেল টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জেনারেল টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা 
• পাকিস্তানি সেনারা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে যে গণহত্যামূলক অভিযান চালিয়েছিল তার নাম দিয়েছিল ‘অপারেশন সার্চ লাইট’।
• পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামে একটি সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছেন।
• ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইট পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
• এই অপারেশন সার্চ লাইট অনুযায়ী ঢাকা শহরের গণহত্যার মূল দায়িত্ব দেওয়া হয় জেনারেল রাও ফরমান আলীকে।এবং
• ঢাকার বাহিরে এ অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
• এ পরিকল্পনার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন জেনারেল টিক্কা খান

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বিবিসি।
১৩,১৫২.
Bir Shrestha Flight Lieutenant Matiur Rahman martyred while hijacking which aircraft?
  1. ক) A-44
  2. খ) T-33
  3. গ) T-44
  4. ঘ) X-22
সঠিক উত্তর:
খ) T-33
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) T-33
ব্যাখ্যা
বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান:

- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান টি-৩৩ বিমানটি ছিনিয়ে আনতে গিয়ে শহীদ হন
- “টি-৩৩” বিমানটির ছদ্মনাম ছিলো - ব্লু বার্ড
- ২০শে আগস্ট ১৯৭১ সকাল ১১.১৫ মিনিটে তিনি বিমানটি ছিনতাই করেন।
- চাকুরী জীবনে তিনি এফ-৮৬ জঙ্গী বিমানের পাইলট হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।
- বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের জন্ম ২৯শে অক্টোবর ১৯৪১ সালে।
- ১৯৬১ সালের ১৫আগস্ট ৩৬তম জিডি (পি) কোর্সে ফ্লাইট ক্যাডেট হিসাবে যোগদান করেন পাকিস্তান বিমান বাহিনী একাডেমি, রিসালপুরে।
- বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ১৯৭১ সালের  ২০শে আগস্ট শহীদ হন

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৩,১৫৩.
১৯৫৬ সালের কোয়ালিশন সরকারের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. মাওলানা ভাসানী
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. এ. কে. ফজলুল হক
  4. শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
কোয়ালিশন সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

১৯৫৬ সালের কোয়ালিশন সরকার:

- আওয়ামী লীগ প্রধান হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ৫ দফা কর্মসূচীর ভিত্তিতে একটি কোয়ালিশন গঠন করেন। 
- এর ফলে ১৯৫৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর চৌধুরী মোহাম্মদ আলী পদত্যাগ করেন।
- হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯৫৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পাকিস্তানের ৬ষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী হন।
- ১৯৫৬ সালে কোয়ালিশন সরকারের মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।
- ইস্কান্দার মীর্জার গোপন ষড়যন্ত্রে রিপাবলিকান দলীয় কিছুসংখ্যক সদস্য সোহরাওয়ার্দী মন্ত্রিসভার উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলে মন্ত্রিসভা নাজুক অবস্থার সম্মুখীন হয়।
- ১৯৫৭ সালের ১৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী পদ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।
১৩,১৫৪.
রাষ্ট্র প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন - এটি সংবিধানে কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ১৬
  2. অনুচ্ছেদ - ২৫
  3. অনুচ্ছেদ - ১৪
  4. অনুচ্ছেদ - ১৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ২৫
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

• অনুচ্ছেদ - ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন: 
জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র- 

(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,১৫৫.
কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদিত হয়?
  1. পাবনা
  2. চুয়াডাঙ্গা
  3. মানিকগঞ্জ
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে মোট ৪৭.২১ লক্ষ মেট্রিক টন ভুট্টা উৎপাদিত হয়।
ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : দিনাজপুর (৭.৪৯ লক্ষ মে. টন)
- দ্বিতীয় : চুয়াডাঙ্গা (৫.২৬ লক্ষ মে. টন)
- তৃতীয় : ঠাকুরগাঁও (৩.২৩ লক্ষ মে. টন)।
(তথ্যসূত্র: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর)
১৩,১৫৬.
বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. সিলেট
  3. রংপুর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট
ব্যাখ্যা
₻ মনিপুরী
- বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
- মণিপুরী সংস্কৃতি অত্যন্ত সমৃদ্ধশালী ও ঐতিহ্যবাহী।
- নৃত্য ও সঙ্গীত মণিপুরীদের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
এই নৃত্যে শারীরিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ চালনার মাধ্যমে বৃত্ত বা উপবৃত্ত সৃষ্টি করা হয়।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে রাসা (Rasa) নৃত্য। ভারতীয় সংস্কৃতিতে রাসার অবদান অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৩,১৫৭.
’বৈসু’ কাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. গারো
  4. ত্রিপুরা
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিপুরা
ব্যাখ্যা

- ত্রিপুরাদের বর্ষবরণ উৎসবের নাম বৈসু।
- বৈসু উৎসব এদের জীবনের সবচেয়ে বড় উৎসব।
- বৈসু উৎসব একটানা তিন দিন পালন করা হয়।
- এই তিন দিনের অনুষ্ঠানগুলির নাম হলো হারি বৈসু, বিসুমা বৈসু ও বিসিকাতাল বা আতাদাং বৈসু।
- বৈসু উৎসবের প্রথম দিন হারি বৈসু।
- এই দিন ভোরে ঘুম থেকে উঠে তারা ঘরদোর লেপেপোঁছে, বসতবাড়ি কাপড়চোপড় পরিস্কারপরিচ্ছন্ন করে।
- ত্রিপুরারা বিশেষ একপ্রকার গাছের পাতার রস আর হলুদের রস মিশিয়ে গোসল করে।
- ফুল দিয়ে ঘরবাড়ি সাজায়।
- উৎসবের দ্বিতীয় দিন বিসুমাতে ত্রিপুরারা নববর্ষকে স্বাগত জানায়, ধূপ, চন্দন ও প্রদীপ জ্বেলে পূজা দেয় ও উপাসনা করে।
- অনুষ্ঠানের তৃতীয় দিন বিসিকাতালে আমিষ খাবার গ্রহণে বাধা নেই।

উল্লেখ্য,
- বৈসাবি  বাংলাদেশে তিন আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসব। বৈসু, সাংগ্রাই, বিজু এই তিন নামের আদ্যাক্ষর নিয়ে বৈসাবি নামের উৎপত্তি।
- বর্ষবরণ উৎসবকে ত্রিপুরারা বৈসু, মারমারা সাংগ্রাই ও চাকমারা বিজু বলে অভিহিত করে এবং এগুলি বৈসাবি নামে পরিচিত। সাধারণত বছরের শেষ দুইদিন এবং নতুন বছরের প্রথম দিন বর্ষবরণ উৎসব বৈসাবি পালিত হয় বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায়।
- গারোদের উৎসবের নাম 'ওয়ানগালা'।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩,১৫৮.
শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুসারে, কোন বিভাগে বেকারত্বের হার সবচেয়ে কম?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চট্টগ্রাম
  3. বরিশাল
  4. ঢাকা 
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪:
- শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঢাকা বিভাগে বেকারত্বের হার সর্বোচ্চ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে বেকারত্বের হার সবচেয়ে কম।

⇒ ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- প্রতিবেদন অনুযায়ী সবচেয়ে বেশি বেকার ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে ৬ লাখ ৮৭ হাজার বেকার আছে।
- দেশের বিভাগওয়ারি হিসাবে ঢাকা বিভাগের পর চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ লাখ ৮৪ হাজার, রাজশাহীতে ৩ লাখ ৫৭ হাজার, খুলনায় ৩ লাখ ৩১ হাজার, সিলেটে ২ লাখ ১৬ হাজার, রংপুরে ২ লাখ ৬ হাজার, বরিশালে ১ লাখ ৩৯ হাজার এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ১ লাখ ৪ হাজার বেকার আছে।
- বিবিএসের জরিপ অনুসারে, দেশে যত বেকার আছে, তাঁদের মধ্যে সাড়ে ১৩ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারী।

⇒ শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুসারে, 
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৪.৬৭%।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৭.৯৬%।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
ii) প্রথম আলো।

১৩,১৫৯.
সর্বশেষ সংশোধনী অনুযায়ী, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার সংখ্যা কতটি?
  1. ২৫টি
  2. ২৬টি
  3. ২৭টি
  4. ২৮টি
সঠিক উত্তর:
২৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস:
- বাংলাদেশ গেজেটে ১৩ নভেম্বর ২০১৮ তারিখে প্রকাশিত এস.আর.ও. নম্বর-৩৩৫-আইন/২০১৮ অনুযায়ী বর্তমান বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা নির্ধারিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ইকোনমিক) ক্যাডারকে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের সাথে একীভূত করা হয়েছে।
- বর্তমানে ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি

উল্লেখ্য
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পূর্বে থেকেই সিভিল সার্ভিস প্রচলিত ছিল।
- স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস গঠন করা হয়। এরপর বিভিন্ন সময় বিসিএস ক্যাডার সংখ্যায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে।

উৎস: বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন ওয়েবসাইট।
১৩,১৬০.
স্বর্ণা এক প্রকার-
  1. ক) চিংড়ির প্রজাতি
  2. খ) জৈব সার
  3. গ) পেঁয়াজ জাতীয় শস্য
  4. ঘ) মরিচের জাত
সঠিক উত্তর:
খ) জৈব সার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জৈব সার
ব্যাখ্যা
স্বর্ণা হলো এক প্রকার জৈব সার যা আবিষ্কার করেন ড. আব্দুল খালেক। ১৯৮৭ সালে তিনি এই সার আবিষ্কার করেন এবং ১৯৯৩ সালে এটির প্যাটেন্ট করা হয়। স্বর্ণা সার প্রাকৃতিক উপায়ে জমির উর্ববতা বৃদ্ধি করে থাকে। ফলে এটি পরিবেশ বান্ধব।
(সূত্রঃ বাংলানিউজ)
১৩,১৬১.
১৯৭০ সালের নির্বাচনে সমগ্র পাকিস্তানকে কয়টি প্রাদেশিক পরিষদে ভাগ করা হয়েছিল?
  1. ৫টি
  2. ৬টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
সত্তরের প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন
- ১৯৬৯ সালে পাকিস্তান সুপ্রিম কোর্টের বাঙালি বিচারপতি আব্দুস সাত্তার এর নেতৃত্বে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- এই কমিশনের অধীনে ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সাধারণ নির্বাচন এবং প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- নির্বাচনে মোট ২৪ টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে।
- ১৯৭০ সালের ১৭ ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 
- এই নির্বাচনে ৫ টি প্রাদেশিক পরিষদে ২১টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ মোট ৬২১টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগ ৩১০ টি আসনের ( ১০টি সংরক্ষিত মহিলা আসন সহ ) মধ্যে ২৯৮ টিতে জয়লাভ করে।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি। বাংলাপিডিয়া।
১৩,১৬২.
সময়ের বিবেচনায় কোন রাজনৈতিক দলটি সবার আগে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)
  2. খ) নিখিল ভারত মুসলিম লীগ
  3. গ) বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
  4. ঘ) জামায়াতে ইসলামী
সঠিক উত্তর:
খ) নিখিল ভারত মুসলিম লীগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নিখিল ভারত মুসলিম লীগ
ব্যাখ্যা

- ১৯৫৭ সালের ২৪-২৫ জুলাই ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে আয়োজিত গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে ‘ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)’ গঠিত হয়।
- ন্যাপের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি ছিলেন মাওলানা ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী।
- এর আগে ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ‘কাগমারি সম্মেলনে’ পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি প্রশ্নে বিরোধের জের ধরে ১৮ই মার্চ ১৯৫৭ মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।

- ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন ঢাকার কে.এম দাস লেনের রোজ গার্ডেনে হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের নেতৃত্বাধীন বঙ্গীয় প্রাদেশিক মুসলিম লীগের একটি অংশের নেতা-কর্মীদের কনভেনশনে আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

- ১৯৪১ সালের ২৫ আগস্ট লাহোরে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
- জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন বাতিল করা হয় - ২০১৮ সালের ২৯ অক্টোবর।

- ১৯০৬ সালের ৩০ ডিসেম্বর ঢাকায় ‘নিখিল ভারত মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনের সময় ১৯০৬ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত ‘সর্ব ভারতীয় মুসলিম শিক্ষা সম্মেলনে’ ঢাকার তৎকালীন নবাব স্যার সলিমুল্লাহ মুসলমানদের জন্যে একটি পৃথক রাজনৈতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব করেন। তার প্রস্তাবের ভিত্তিতেই মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- মুসলিম লীগের গঠন প্রক্রিয়ার সাথে নওয়াব ‍সলিমুল্লাহ, নবাব ভিকার-উল ‍মুলক, আগা খান প্রমুখ যুক্ত ছিলেন।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।

 

১৩,১৬৩.
নিচের কোনটি আমানত গ্রহণকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয় ?
  1. ক) আইএফআইসি
  2. খ) ওরিয়েন্টাল ব্যাংক লিমিটেড
  3. গ) অগ্রণী
  4. ঘ) আইসিবি
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসিবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আইসিবি
ব্যাখ্যা

আইসিবি ব্যাংক আমানত গ্রহণকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান নয় ।

-ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (বাংলাদেশ বিনিয়োগ সংস্থা, সংক্ষেপে আইসিবি) হল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সরকারি মালিকানাধীন বিনিয়োগ কোম্পানি, যা রাষ্ট্রপতির অধ্যাদেশ ১৯৭৬ (১৯৭৬ সালের ৪০ নং অধ্যাদেশ)-এর অধীনে ১ অক্টোবর ১৯৭৬ সালে প্রতিষ্ঠিত। -এটি একাধারে একটি বিনিয়োগ ও মার্চেন্ট ব্যাংক।

উৎস:icb.gov.bd

১৩,১৬৪.
’দ্বীন-ই-ইলাহী‘ ধর্ম কে প্রবর্তন করেন?
  1. সম্রাট শাহজাহান
  2. সম্রাট বাবর
  3. সম্রাট আকবর
  4. ফিরোজ শাহ তুঘলক
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট আকবর
ব্যাখ্যা

দ্বীন-ই-ইলাহী:
- সম্রাট আকবর ১৫৮২ খ্রি. দ্বীন-ই-ইলাহী নামক এক নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন।
- প্রকৃত অর্থে এটি ছিল একটি ভ্রাতৃত্বের সংঘ।
- আকবর ফতেহপুর সিক্রিতে একটি ইবাদাতখানা তৈরী করেন।
- হিন্দু পন্ডিত, আলেম-উলেমা, জেসুইট মিশনারী ও অন্যান্য ধর্মের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকতেন।
- আকবর সকলের মতামত মনোযোগ সহকারে শুনতেন এবং এই সকল ধর্মের দ্বন্দ্বকে একপাশে রেখে সকল ধর্মের ভাল দিকগুলো একত্রিত করে একটি নতুন ধর্মমত প্রবর্তন করেন।
- এটিই দ্বীন-ই-ইলাহী নামে পরিচিত।
- আকবর নিজে 'ইমাম-ই-আদিল' উপাধি গ্রহণ করেন।
- সম্রাটের ধর্মনীতির মূল কথাই ছিল পরধর্ম সহিঞ্চুতা বা "সুলহ-ই-কুল"।
- প্রতি রবিবার সম্রাট নিজে এই ধর্মের দীক্ষা দিতেন।
- সম্রাট আকবরের মৃত্যুর সাথে সাথে দ্বীন-ই-ইলাহীরও অবসান ঘটে।

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ২য় পত্র, এইচ এসসি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩,১৬৫.
বাংলাদেশে কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি? [মার্চ, ২০২৫]
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. ত্রিপুরা
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
চাকমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাকমা
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা: 
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর জনসংখ্যা ১৬ লাখ ৫০ হাজার ১৫৯।
- জনশুমারিতে দেশের ৫০টি জাতিসত্তার জনসংখ্যা তুলে ধরা হয়।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ৫০টি জাতিসত্তার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের জাতিগোষ্ঠী চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা।
- চতুর্থ স্থানে আছে সমতলের জাতিগোষ্ঠী সাঁওতাল। 
- জেলার নিরিখে দেশে রাঙামাটিতে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।
- এরপরই আছে আরেক পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- এখানে জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৭৮।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১৩,১৬৬.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে কত সালে?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৬ সালে
  4. ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা

স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- বাংলাদেশের পুঁজি বাজার পরিচালনা করে বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ কিমিশন বা Bangladesh Securities and Exchange Commission.
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি।
- একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে।

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত। 
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ:
- চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ ১৯৯৫ সালের ১০ অক্টোবর চট্টগ্রাম থেকে শুরু হয়। 
- এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্যগণ ১৯৯৫ সালের জানুয়ারিতে সরকারের কাছে আবেদন করলে সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ১৯৯৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে এর অনুমোদন দেন।

তথ্যসূত্র- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।

১৩,১৬৭.
নিচের কোন অঞ্চলে হাজংদের বসবাস রয়েছে?
  1. পটুয়াখালীতে
  2. ময়মনসিংহে
  3. রংপুরে
  4. রাজশাহীতে
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহে
ব্যাখ্যা
হাজং:
- হাজং  বাংলাদেশের একটি আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- ময়মনসিংহ জেলার পর্বত সংলগ্ন ভূমিতে হাজংদের বসবাস।
- এদের কিছুসংখ্যক শেরপুর, সিলেট ও নেত্রকোনা অঞ্চলেও বাস করে।
- তবে প্রধান বসবাস শ্রীবর্দি, ঝিনাইগাতি, হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নালিতাবাড়ি, সুসং দুর্গাপুর, কলমাকান্দা ও বিরিশিরি এলাকায়।
- নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে, হাজংদের আদিনিবাস উত্তর বার্মায়।
- প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে হাজংদের পূর্বপুরুষের দলটি তাদের আদিনিবাস ত্যাগ করে ভারতীয় উপমহাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য এলাকায় প্রথমে প্রবেশ করে। 

ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠী:
- রাজবংশী উপজাতির বসবাস রংপুর।
- বাংলাদেশে মনিপুরী, খাসিয়া উপজাতি বাস করে সিলেট অঞ্চলে।
- রাঙ্গামাটিতে বাস করে চাকমা, মারমা, তনচংগা সহ বেশ কয়েকটি উপজাতির অংশবিশেষ।
- রাখাইন উপজাতিরা বসবাস করে পটুয়াখালীতে।
- সাওতাল - রাজশাহী, রংপুর।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,১৬৮.
‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ' এর আহ্বায়ক কে ছিলেন?
  1. শামসুল আলম
  2. এ.এস.এম নূরুল হক ভূঁইয়া
  3. কাজী গোলাম মাহবুব
  4. আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
শামসুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুল আলম
ব্যাখ্যা

• সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ:
- ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে তমদ্দুন মজলিশ কর্মী এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের যৌথসভায় মজলিশ কর্মী শামসুল আলমকে আহবায়ক করে ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ’ নামে একটি নতুন কমিটি গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- তমদ্দুন মজলিশের নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালের ১ অক্টোবর প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এ পরিষদের আহবায়ক নির্বাচিত হন মজলিশ নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এএসএম নূরুল হক ভূইয়া।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৩,১৬৯.
পদ্মা সেতুর মোট পিলার সংখ্যা কত?
  1. ক) ৫২ টি
  2. খ) ৪২ টি
  3. গ) ৬০ টি
  4. ঘ) ৩২ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৪২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪২ টি
ব্যাখ্যা

এক নজরে পদ্মা সেতু :

অফিসিয়াল নাম : পদ্মা বহুমুখী সেতু (Padma Multipurpose Bridge)
সেতুর ধরন : দ্বিতল (ওপরে সড়ক এবং নিচে রেলপথ)
প্রত্যক্ষভাবে জড়িত স্থান/জেলা/উপজেলা ৩টি- ১. মাওয়া, লৌহজং উপজেলা, মুন্সিগঞ্জ জেলা, ২. শিবচর উপজেলা, মাদারীপুর জেলা ও ৩. জাজিরা উপজেলা, শরীয়তপুর জেলা।
সংযোগস্থল :  মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার মাওয়া ও শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলা।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন : ৪ জুলাই ২০০১।
নির্মাণকাজ উদ্বোধন : ১২ ডিসেম্বর ২০১৫।

দৈর্ঘ্য : ৬.১৫ কি.মি. (২০,১৭৭.১৭ ফুট)।
প্রস্থ : ১৮.১০ মি. (৫৯.৩৮ ফুট)
সংযোগ সড়কসহ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য : ৯.৩০ কি.মি.
লেন : ৪টি 
সেতুর আয়ুষ্কাল : ১০০ বছর 
ভূমিকম্পের সহনীয় মাত্রা : রিখটার স্কেল ৯ 
স্প্যান : ৪১টি
পিলার বা পিয়ার : ৪২টি

১৩,১৭০.
বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ব বাংলা ও আসামের নতুন প্রদেশের রাজধানী কোথায় হয়?
  1. কোলকাতা
  2. ঢাকা
  3. চট্টগ্রাম
  4. মুর্শিদাবাদ
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ:
- ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের ফলে সৃষ্ট নতুন প্রদেশ "পূর্ববঙ্গ ও আসাম"-এর রাজধানী করা হয় ঢাকা।

উল্লেখ্য,
- ভারতের বড় লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ই অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। এই বিভক্তি ইতিহাসে বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত। ভাগ হবার পূর্বে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, মধ্যপ্রদেশ, মেঘালয়, ত্রিপুরা ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল বাংলা প্রদেশ বা বাংলা প্রেসিডেন্সি।

• ১৯০৪ সালে ভারত সচিব এটি অনুমোদন করেন এবং ১৯০৫ সালের জুলাই মাসে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়। সে বছর অক্টোবরে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হয়।
- এই পরিকল্পনায় বর্তমান বাংলাদেশের ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী এবং ভারতের আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ। প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
- অপরপক্ষে পশ্চিম বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিম বাংলা প্রদেশ, যার রাজধানী হয় কোলকাতা।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম- ১০ম শ্রেণি। 

১৩,১৭১.
স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে কয়টি বিষয়ের উপর গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে?
  1. ক) ২টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা
ভিশন-২০২১ তথা ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের পর এবার ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন বাস্তবায়নে যাত্রা শুরু করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

স্মার্ট বাংলাদেশ রূপকল্প বাস্তবায়নে ৩ বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেয়া হয়েছে -
১. জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি, 
২. উদ্ভাবনী জাতি এবং 
৩. অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল সমাজ বিনির্মাণ।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২২
১৩,১৭২.
‘হত্যাযজ্ঞ’ ও ‘চরদখল’ চিত্রকর্ম দুটি কার?
  1. ক) জয়নুল আবেদিন
  2. খ) এস এম সুলতান
  3. গ) কামরুল হাসান
  4. ঘ) কাইয়ুম চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
খ) এস এম সুলতান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এস এম সুলতান
ব্যাখ্যা
‘হত্যাযজ্ঞ’ (১৯৮৭) এবং ‘চরদখল’ (১৯৮৮) চিত্রকর্ম দুটির শিল্পী হলেন এস এম সুলতান।
তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
-সভ্যতার ক্রমবিকাশ
- ধান মাড়াই
- জমি কর্ষণ
- গ্রাম্য কাজিয়া
- মাঠ পরিস্কার
- ফসল সংগ্রহ প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।
এস এম সুলতান বাংলাদেশের একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী। তার পুরো নাম শেখ মোহাম্মদ সুলতান।
তিনি ১৯২৩ সালে নড়াইলের মাছিমদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
তিনি নড়াইলে ‘শিশুস্বর্গ’ ও ‘চারুপীঠ’ নামে শিশুদের জন্যে দুটি চিত্রাংকন প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।
(সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও ঢাকা ট্রিবিউন)
১৩,১৭৩.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করে হয়েছিল?
  1. ক) ১০ টি
  2. খ) ১১ টি
  3. গ) ০৯ টি
  4. ঘ) ০৬ টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১১ টি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
১৩,১৭৪.
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত ধান কোনটি? [মার্চ, ২০২৫]
  1. আউশ
  2. আমন
  3. ইরি
  4. বোরো
সঠিক উত্তর:
বোরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোরো
ব্যাখ্যা
ধান চাষ:
- ধান বাংলাদেশের প্রধান খাদ্য শস্য।
- বাংলাদেশে ধানের হেক্টরপ্রতি গড় ফলন ৪.২ টন।
- আবহাওয়া ও জলবায়ুর ওপর ভিত্তি করে দেশের ধান উৎপাদনের তিনটি মৌসুম লক্ষ্য করা যায়। যথা: আউশ, আমন ও বোরো।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত ধান হলো বোরো ধান।
- কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে, বাংলাদেশের ১১৯৮০০০ একর জমিতে মোট ২,০৭,৬৮,০০০ মেট্রিক টন বোরো ধান উৎপন্ন হয়।

অন্যদিকে -
- উৎপাদনের পরিমাণ বিচারে বোরো ধান শীর্ষে এবং তারপরই রয়েছে আমন ও আউশ।

- আউশ ধান ২৬২২০০০ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ২৯০১০০০ মেট্রিক টন।
- আমন ধান ১৪১৪৩০০০ লক্ষ একর জমিতে মোট উৎপন্ন হয় ১৫৪২৬০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: i) কৃষি মন্ত্রণালয়।
ii) কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৩,১৭৫.
বিসিআইসি’র তত্ত্বাবধানে বর্তমানে কতটি শিল্প কারখানা সচল আছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি চালু শিল্প কারখানা রয়েছে।

• চালু কারখানাসমূহের মধ্যে:
- ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা, ১টি ডিএপি সার কারখানা, ১টি টিএসপি সার কারখানা, ১টি কাগজ কারখানা, ১টি সিমেন্ট কারখানা, ১টি গ্লাসশীট কারখানা ও ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে। 

⇒ চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

তথ্যসূত্র: BCIC ওয়েবসাইট।

১৩,১৭৬.
যশোর জেলা কত তারিখে সর্বপ্রথম শত্রু মুক্ত হয়?
  1. ১৯৭১ সালের ৩ই ডিসেম্বর 
  2. ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর
  3. ১৯৭১ সালের ৮ই ডিসেম্বর
  4. ১৯৭১ সালের ১০ই ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ ও যশোর জেলা:
- ১৯৭১ সালের ৬ই ডিসেম্বর বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রাণপণ লড়াইয়ে দেশের সর্বপ্রথম শত্রু মুক্ত হয় যশোর জেলা।
- ৭ জন বীরশ্রেষ্ঠর মধ্যে ২-জনই বৃহত্তর যশোর জেলার কৃতি সন্তান।
- এরা হলো বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ও বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ সেপাহী হামিদুর রহমান।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যশোরই হল প্রথম শত্রু মুক্ত জেলা।

উৎস: যশোর জেলার ওয়েবসাইট।

১৩,১৭৭.
বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলার নাম কী?
  1. থানচি
  2. আলীকদম
  3. নাইক্ষ্যংছড়ি
  4. লামা
সঠিক উত্তর:
থানচি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থানচি
ব্যাখ্যা

সর্ব উত্তর:
- সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান: বাংলাবান্ধা।
- সর্ব উত্তরের উপজেলা: তেঁতুলিয়া।
- সর্ব উত্তরের জেলা: পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- সর্ব পূর্বের স্থান: আখাইনঠং।
- সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা: থানচি।
- সর্ব পূর্বের জেলা: বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- সর্ব পশ্চিমের স্থান: মনাকষা।
- সর্ব পশ্চিমের উপজেলা: শিবগঞ্জ।
- সর্ব পশ্চিমের জেলা: চাপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- সর্ব দক্ষিণের স্থান: ছেড়াদ্বীপ।
- সর্ব দক্ষিণের উপজেলা: টেকনাফ।
- সর্ব দক্ষিণের জেলা: কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১৩,১৭৮.
ধানের একটি উন্নত জাত-
  1. প্রভাতী
  2. কুফরী
  3. নারিফা
  4. সুন্দরী
সঠিক উত্তর:
নারিফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারিফা
ব্যাখ্যা

• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি ধানের জাত:
- বিপ্লব,
- ইরাটম,
- ময়না,
- চান্দিনা,
- হরিধান,
- নারিফা,
- প্রগতি ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল কয়েকটি আলুর জাত:
- হীরা,
- আইলসা,
- ডায়মন্ড,
- কার্ডিনাল,
- চমক,
- সুন্দরী,
- কুফরী ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস,
- ড্রামহেড,
- গোল্ডেন ক্রস,
- প্রভাতী,
- অগ্রদূত ইত্যাদি।

১৩,১৭৯.
'ইলামতি' উন্নত জাতের-
  1. কলা
  2. ধান
  3. বেগুন
  4. আম
সঠিক উত্তর:
আম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আম
ব্যাখ্যা

- নাবি জাতের অর্থাৎ মৌসুমের শেষ দিকের সুগন্ধি ও সুস্বাদু এক বিশেষ জাতের আমের সন্ধান মিলেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে।
- চাঁপাইনবাবগঞ্জের কল্যাণপুর হর্টিকালচার সেন্টার কৃষক নেত্রী ইলামিত্রের নাম অনুসারে এই আমের নামকরণ করে 'ইলামতি'।
- ২০১৩ সালে কৃষিবিদরা আর একটি নাবি জাতের আম উদ্ভাবন করেন যার নাম 'গৌড়মতি'।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার।

১৩,১৮০.
ইউনেস্কোর অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয় কত তারিখ?
  1. ১৬ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
  2. ১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
  3. ১৮ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
  4. ১৯ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ নভেম্বর, ১৯৯৯ সালে
ব্যাখ্যা
২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র - ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৩,১৮১.
কোন দেশ থেকে বাংলাদেশ সর্বাধিক পাম অয়েল আমদানি করে?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) ইন্দোনেশিয়া
  3. গ) কম্বোডিয়া
  4. ঘ) ভিয়েতনাম
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সর্বাধিক পাম অয়েল আমদানি করে ইন্দোনেশিয়া থেকে।
- গত বছর সয়াবিন তেলের তুলনায় পাম অয়েলের আমদানি ছিল প্রায় দ্বিগুণ।
- পাম অয়েল বর্তমানে দেশের সর্বাধিক ব্যবহৃত ভোজ্যতেল এবং বিশ্বে এই তেলের অন্যতম বৃহৎ আমদানিকারক।
- পাম তেলের মূল সরবরাহকারী হলো ইন্দোনেশিয়া এবং মালয়েশিয়া।

উৎসঃ পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩,১৮২.
‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ পাঠ করেন কে?
  1. ক) অধ্যাপক এম ইউসুফ আলী
  2. খ) শাহজাহান সিরাজ
  3. গ) আব্দুল মান্নান
  4. ঘ) তোফায়েল আহমেদ
সঠিক উত্তর:
খ) শাহজাহান সিরাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাহজাহান সিরাজ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ৩রা মার্চ ঢাকায় পল্টন ময়দানে আয়োজিত জনসভায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের উপস্থিতিতে ছাত্রনেতা শাহজাহান সিরাজ ‘স্বাধীনতার ইশতেহার’ পাঠ করেন।
এই ইশতেহার ‘স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ’ এর পক্ষ থেকে প্রচার করা হয়।
একই দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘জাতির জনক’ উপাধি দেওয়া হয়।
(সূত্রঃ বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১৩,১৮৩.
জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী কতটি  সংস্কার কমিশন গঠিত হয়েছে? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ৮টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

- জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী ১১টি  সংস্কার কমিশন গঠিত হয়েছে।

• সংস্কার কমিশন: 

১. নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন,
২. বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশন,
৩. দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার ,
৪. পুলিশ সংস্কার কমিশন,
৫. জনপ্রশাসন সংস্কার,
৬. সংবিধান সংস্কার কমিশন,
৭. নারী বিষয়ক সংস্কার কমিশন,
১০. স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন,
১১. স্থানীয় সরকার সংস্কার কমিশন। 

উৎস: প্রধান ‍উপদেষ্টার কার্যালয় ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]

১৩,১৮৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুযায়ী, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ-
  1. ৫০,৮৪,০০০ একর
  2. ৪৫,৯২,০০০ একর
  3. ৩,৯২,৫৮০০০ একর
  4. ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
৩,৯৩,৫৮,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩,৯৩,৫৮,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৩,১৮৫.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, কৃষি খাতে মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ নিয়োজিত রয়েছে?
  1. ৩৮ শতাংশ
  2. ৪০ শতাংশ
  3. ৪৫ শতাংশ
  4. ৪৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৪৫ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে,
কৃষি খাতে:
নিয়োজিত জনশক্তি: ৪৫%
জিডিপিতে অবদান: ১১.০২%

শিল্প খাতে: 
নিয়োজিত জনশক্তি: ১৭% 
জিডিপিতে অবদান: ৩৭.৯৫% 

সেবা খাতে: 
নিয়োজিত জনশক্তি: ৩৮% 
জিডিপিতে অবদান: ৫১.০৪%  

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
১৩,১৮৬.
How many districts in Bangladesh have borders with India?
  1. 29
  2. 30
  3. 31
  4. 32
  5. 33
সঠিক উত্তর:
30
উত্তর
সঠিক উত্তর:
30
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সীমান্ত:
- বাংলাদেশের সাথে ভারতের ৫টি রাজ্যের সীমান্ত আছে।
- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী মোট জেলা- ৩২টি।
- বাংলাদেশের সাথে দুটি দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে- ভারত ও মিয়ানমার।
- ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা- ৩০টি।
- বাংলাদেশ-ভারত ও মায়ানমার এই তিনটি দেশের যৌথ সীমান্ত রয়েছে রাঙ্গামাটি জেলার।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,১৮৭.
১৯৭১ সালে সংঘটিত বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি প্রাণ হারায় -
  1. ক) চিকিৎসক
  2. খ) আইনজীবী
  3. গ) সাংবাদিক
  4. ঘ) শিক্ষাবিদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিক্ষাবিদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শিক্ষাবিদ
ব্যাখ্যা
- বুদ্ধিজীবী হত্যা  ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বুদ্ধিজীবী নিধন ইতিহাসের নৃশংসতম ও বর্বরোচিত হত্যাযজ্ঞ। 
- বাঙালি বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, বিজ্ঞানি, আইনজীবী, শিল্পী, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তাবিদগণ এই সুপরিকল্পিত নিধনযজ্ঞের শিকার হন।
- জানা যায় যে, বুদ্ধিজীবী নিধনের নীলনকশা পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলীর নেতৃত্বে অন্যূন দশ জনের একটি কমিটি কর্তৃক প্রণীত হয়। 
- পরবর্তীকালে জানা যায় যে, ১৪ ডিসেম্বরের নিধনযজ্ঞ সরাসরি রাও ফরমান আলী কর্তৃক পরিচালিত হয়। 
- শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির উদ্দেশে বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর শোকাবহ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়। 
- সব শহীদ বুদ্ধিজীবীর পরিচয় দূরের কথা, তাঁদের প্রকৃত সংখ্যাই অদ্যাবধি নিরূপণ করা সম্ভব হয় নি। 
- প্রাপ্ত তথ্যসূত্র থেকে শহীদদের মোটামুটি একটা সংখ্যা দাঁড় করানো যায়। 
- এঁদের মধ্যে ছিলেন ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ১৩ জন সাংবাদিক, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী, ৯ জন সাহিত্যিক ও শিল্পী, ৫ জন প্রকৌশলী,এবং অন্যান্য ২ জন।
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া 
১৩,১৮৮.
বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন কে?
  1. এ.এস.এম. সায়েম
  2. হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
  3. আবদুস সাত্তার
  4. খন্দকার মোশতাক আহমদ
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খন্দকার মোশতাক আহমদ
ব্যাখ্যা

→ বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন জারি করেন খন্দকার মোশতাক আহমদ।

বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর পরিবারকে হত্যাকাণ্ডের পর খন্দকার মোশতাক আহমদ রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে নেন।
- প্রায় তিন মাসের মতো ক্ষমতায় ছিলেন মোশতাক।
- মোশতাকের স্বল্পকালীন শাসনকাল বাংলাদেশের রাজনীতিতে পরিবর্তন আনে।
- ক্ষমতা দখল করে পাঁচ দিনের মাথায় মোশতাক স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।

১৩,১৮৯.
সংবিধান অনুযায়ী মালিকানা কয় ধরনের হয়?
  1. ১১
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
মালিকানার নীতি: বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদের বিধান রয়েছে। মোট ৩ ধরনের মালিকানার কথা উল্লেখ করা আছে।
-উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 
১৩,১৯০.
বাংলাদেশে মিঠাপানির প্রধান উৎস কোনটি?
  1. সমুদ্র
  2. নদী
  3. বৃষ্টি
  4. ভূ-গর্ভ
সঠিক উত্তর:
ভূ-গর্ভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূ-গর্ভ
ব্যাখ্যা
ভূগর্ভস্থ পানি:

- ভূ-পৃষ্ঠের নিচে সঞ্চিত পানি সম্পদ যা প্রধানত ভূ-পৃষ্ঠের সঞ্চয়িত পানি নিয়ে গঠিত।
- এই পানি মৃত্তিকা ও তার রন্ধ্রে সঞ্চিত হয়। ভূগর্ভস্থ পানির উপরের স্তরকে বলে ভূ-জলপৃষ্ঠ (water table)।
- বাংলাদেশে মিঠাপানির প্রধান উৎস ভূগর্ভস্থ পানি।
- পৃথিবীর স্বাদুজল সম্পদের প্রায় ৩০% আসে ভূগর্ভস্থ পানি থেকে।
- আহরণযোগ্য সাধু পানির প্রায় ৯৭% আসে ভূগর্ভস্থ পানি থেকে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাপিডিয়া।
১৩,১৯১.
IMF এর পূর্বাভাসমতে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের মূল্যস্ফীতির হার হবে কত শতাংশ? 
  1. ৬.৭শতাংশ
  2. ৮.৭শতাংশ
  3. ৯.২শতাংশ
  4. ১০.৪শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৮.৭শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮.৭শতাংশ
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ):
- চলতি ২০২৫–২৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির হার আগের অর্থবছরের চেয়ে বাড়বে।
- আবার মূল্যস্ফীতির হার কমবে।
- চলতি অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির হার ৮ দশমিক ৭ শতাংশ হবে।
- যা ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ছিল ১০ শতাংশ।

• আইএমএফ বলছে, চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছর শেষে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়াবে ৪ দশমিক ৯ শতাংশ।
- অন্তর্বর্তী সরকার অবশ্য চলতি অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির হার ঠিক করেছে ৫ দশমিক ৫ শতাংশ।
- আইএমএফের নতুন পূর্বাভাস অনুসারে, এ বছর বৈশ্বিক গড় জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি হবে ৩ দশমিক ২ শতাংশ।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।[লিঙ্ক]

১৩,১৯২.
২০২০ সালের যুব বিশ্বকাপ ফাইনালে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন কে?
  1. ক) তানজিম হাসান সাকিব
  2. খ) শরিফুল ইসলাম
  3. গ) পারভেজ হোসেন
  4. ঘ) আকবর আলী
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকবর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আকবর আলী
ব্যাখ্যা
২০২০ সালের যুব বিশ্বকাপ ফাইনালে প্লেয়ার অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন অধিনায়ক আকবর আলি। তিনি ৪৩ রান করে অপরাজিত ছিলেন। [সূত্র: espncricinfo.com]
১৩,১৯৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. নীলফামারী
  2. রংপুর
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
খাদ্য শস্য:
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।

• শীর্ষ বিভাগ:
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
 
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৩,১৯৪.
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সাফল্যের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোন সংস্থা পুরস্কৃত করে?
  1. EU
  2. IDB
  3. ADB
  4. IFRC
সঠিক উত্তর:
IFRC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IFRC
ব্যাখ্যা
- আইএফআরসি (IFRC) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় অসাধারণ সাফল্যের জন্য শেখ হাসিনাকে পুরস্কৃত করে।
- ২০১৬ সালে শেখ হাসিনার হাতে  ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন আইএফআরসি-এর মহাসচিব আলহাজআস সাই।
- অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইএফআরসি এর এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলেরপরিচালক জেভিয়ার ক্যাসেলানোস এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান হাফিজআহমেদ মজুমদার ও ভাইস চেয়ারম্যান সাংসদ হাবিবে মিল্লাত।
- অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বের ১০০ কোটি দুর্যোগ পীড়িত জনগোষ্ঠীকে অধিক দুর্যোগ-সহনশীল করে গড়ে তোলার বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় শেখ হাসিনার ভূমিকার প্রশংসা করেন আলহাজ আস সাই।
 
উৎস: বিডিনিউজ২৪
১৩,১৯৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনায় 'বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম' যুক্ত করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৯ সালে
  2. খ) ১৯৮৫ সালে
  3. গ) ১৯৮৯ সালে
  4. ঘ) ২০১১ সালে
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৯৭৯ সালে
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার শীর্ষে ''বিসমিল্লাহির-রাহমানির রহিম'' (দয়াময়, পরম দয়ালু আল্লাহর নামে) বাক্য সংযুক্ত হয়।
• ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলা তর্জমায় (পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে) সংযোজন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১৩,১৯৬.
বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের পথ প্রদর্শক কে?
  1. এম নাসির উদ্দিন
  2. নুরুল কাদের
  3. আনিসুর রহমান সিনহা
  4. গুল আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
নুরুল কাদের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল কাদের
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের গোড়াপত্তন:
- বাংলাদেশে গার্মেন্টস শিল্পের পথ প্রদর্শক নুরুল কাদের।
- ১৯৭৭ সালে চট্টগ্রামের কালুরঘাট শিল্প এলাকায় প্রায় ৯ একর জমির ওপর ‘দেশ গার্মেন্টস’ গড়ে তুলেছিলেন নুরুল কাদের। 
- এটিই দেশের প্রথম তৈরি পোশাকের কারখানা।
- ব্যবসা-বাণিজ্যের নানা পথ ঘুরে তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার দাইয়ু করপোরেশনের সঙ্গে মিলে গড়ে তোলেন দেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানির কারখানা দেশ গার্মেন্টস। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের পদযাত্রার সূচনা করেন দুই উদ্যোক্তা—রিয়াজ উদ্দিন ও এম নুরুল কাদের। 

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ থেকে প্রথম জিনস রপ্তানির নেপথ্য কারিগর ছিলেন চট্টগ্রামের উদ্যোক্তা এম নাসির উদ্দিন।
- শিল্প হিসেবে তৈরি পোশাকের বিকাশের অন্যতম বড় চালক ধরা হয় আনিসুর রহমান সিনহাকে। ১৯৮৪ সালে যাত্রা করে তার প্রতিষ্ঠিত কারখানা ওপেক্স।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বণিক বার্তা।

১৩,১৯৭.
জাতীয় সংসদের অভিভাবক হিসেবে বিবেচিত হন কে?
  1. ক) রাষ্ট্রপতি
  2. খ) প্রধানমন্ত্রী
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
গ) স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) স্পিকার
ব্যাখ্যা

- সংসদের প্রধান নির্বাহী হিসেবে স্পিকারের মর্যাদা অনেক উপরে।
- সকল দেশের সংসদেই স্পিকার কে একটি স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেখা হয়।
- সংসদের অভিভাবক হিসেবে তিনি সরকারী এবং বিরোধী উভয় দলের নিকট শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদের কাজ পরিচালনা, শৃঙ্খলা রক্ষা ও অন্যান্য ক্ষমতা প্রয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে স্পিকার আদালতের এখতিয়ারভুক্ত নন।
- স্পিকারকে দেয় পারিশ্রমিক সংযুক্ত তহবিলে দায়মুক্ত বলে গণ্য।

উৎসঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় পৌরনীতি ২য় পত্র ।
১৩,১৯৮.
২০১৮-১৯ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ৬.৫০%
  2. খ) ৬.২৫%
  3. গ) ৬.৩৯%
  4. ঘ) ৬.৬৯%
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.৫০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৬.৫০%
ব্যাখ্যা

২০১৮-১৯ অর্থবছরের অর্থনীতির খাতগুলোর প্রবৃদ্ধির হারঃ
- কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৩.৫১%
- সেবাখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ৬.৫% ও
- শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার - ১৩.০২%।
উৎসঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০১৯

১৩,১৯৯.
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা কয় স্তরবিশিষ্ট?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
শিক্ষা কাঠামো:
- বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা তিন স্তরবিশিষ্ট।
- যথা: প্রাথমিক স্তর, মাধ্যমিক স্তর এবং উচ্চশিক্ষা বা বিশ্ববিদ্যালয় স্তর।

⇒ প্রাথমিক শিক্ষা: বর্তমানে প্রাথমিক শিক্ষা ৫ বছর মেয়াদী (১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত) বছর যা জাতীয় শিক্ষানীতি- ২০১০-এর সুপারিশ অনুযায়ী অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত বৃদ্ধির বিষয়টি বাস্তবায়নাধীন। তাছাড়া তিন বছর মেয়াদী প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার ব্যবস্থা রয়েছে।
⇒ মাধ্যমিক শিক্ষা: প্রাথমিক স্তরের শিক্ষা ও বিশ্ববিদ্যালয় স্তরের শিক্ষার মধ্যবর্তী শিক্ষাস্তরটি মাধ্যমিক শিক্ষা নামে পরিচিত। মাধ্যমিক শিক্ষার পরিধি ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ৭ বছর। বর্তমানে মাধ্যমিক শিক্ষার তিনটি স্তর রয়েছে। সেগুলো হলো- ৬ষ্ঠ-অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত নিম্ন মাধ্যমিক স্তর, নবম-দশম শ্রেণি পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তর, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত উচ্চ মাধ্যমিক স্তর।
⇒ উচ্চ শিক্ষা: উচ্চ মাধ্যমিকের পরবর্তী পর্যায় হচ্ছে উচ্চ শিক্ষা। সাধারণ শিক্ষা ধারায় উচ্চ শিক্ষা সাধারণত ৩-৫ বছর মেয়াদি। 

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয় হলো শিক্ষার জন্য রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ দফতর।
- এর অধীন কয়েকটি অধিদপ্তরে রয়েছে।
- বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প (শিক্ষা প্রকল্প ও কারিগরি প্রকল্প)’র মাধ্যমে এ অধিদপ্তরসমূহের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের প্রতিটি শিশু মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা সুবিধা পাওয়ার অধিকার রাখে।

এছাড়াও,
⇒ বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থার বর্তমান কাঠামোতে শিক্ষা ধারা মূলত তিনটি। এগুলো হচ্ছে-
১. সাধারণ শিক্ষা,
২. মাদ্রাসা শিক্ষা এবং,
৩. কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা।

উৎস: i) বাংলাদেশের শিক্ষা, স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৩,২০০.
Organisation of Islamic Cooperation (OIC) এর সচিবালয় অবস্থিত কোথায়?
  1. ক) রিয়াদ
  2. খ) জেদ্দা
  3. গ) দামেস্ক
  4. ঘ) মক্কা
সঠিক উত্তর:
খ) জেদ্দা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জেদ্দা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়।
- ওআইসি সদস্য দেশ ৫৭ টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে।
- ওআইসির অফিসিয়াল ভাষা ৩টি।
- যথা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উৎস: ওআইসি ওয়েবসাইট।