উত্তর
ব্যাখ্যা
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর ফলে বর্তমানে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ৫০টি এবং সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়।
উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১২৬ / ৩০৬ · ১২,৫০১–১২,৬০০ / ৩০,৮৩২
প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী শিক্ষা সচিব নিয়োগ পেলেন রেহানা পারভীন।
- তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন ।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।
উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না।
তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
• পাঙ্গন জাতিসত্তা মূলত মণিপুরি মুসলিম বা পাঙাল নামেও পরিচিত এবং তারা মণিপুরি জনগোষ্ঠীর একটি অংশ।
- তারা বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত।
পাঙ্গন জাতিসত্তা:
- সপ্তদশ শতকের প্রথম দিকে খাজা ওসমানের সৈন্যাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সানীর নেতৃত্বে ইসলাম ধর্মের অনুসারী এক দল সৈন্যবাহিনী মণিপুর রাজ্যে অভিযান চালায়।
- তখনকার মণিপুরের রাজা খাগোম্বার সাথে এক সন্ধির ফলে এই বাহিনী মণিপুরে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করে।
- পরবর্তীকালে মোগল শাসক মীর জুমলা আসাম আক্রমণে বিপর্যস্ত হলে ঐ সৈন্যবাহিনীর অনেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্য মণিপুরে আশ্রয় নেয়।
- তারা মণিপুরের স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ইসলাম ধর্ম প্রচার করে।
- মণিপুরের মুসলমান জনগোষ্ঠীরাই পাঙ্গান নামে পরিচিত।
- পাঙ্গানরা 'মেইতেইলোন' ভাষায় কথা বলে যা টিবেটো-বার্মান শাখার কুকি-চিন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- এরা সবাই ইসলাম ধর্মের সুন্নী মতাবলম্বী।
- নিজেদের সম্প্রদায়ের মধ্যেই সাধারণত বিয়ে হয়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ অংশে এদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, ২০১৮ বোর্ড বই।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) হলো বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের কৌশল ও লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশ সরকার ১ বছরের কর্মসূচি হিসেবে ADP ঘোষনা করে।
- বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের এডিপি'র আকার ছিল ৫০১ কোটি টাকা।
- ৫৩ বছরের ব্যবধানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৩০,০০০.০০ কোটি (জিওবি ১,৪৪,০০০.০০ কোটি ও প্রকল্প ঋণ/অনুদান ৮৬,০০০.০০ কোটি) টাকা।
- এছাড়া, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা/কর্পোরেশন এর নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহের অনুকূলে বরাদ্দকৃত ৮,৫৯৯.৭১ কোটি টাকাসহ মোট এডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২,৩৮,৫৯৯.৭১ কোটি টাকা।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ৯২ মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ২,৭৮৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি।
উৎস: বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় নণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
• আমাদস ড্রিম:
- ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে প্রবাসীদের সক্রিয় ভূমিকা বিশেষ করে প্রবাসী নারীদের অবদান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার আশিষ কিফায়েত নির্মাণ করেছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র 'আমাদস ড্রিম'।
- চলচ্চিত্রটি ইস্ট ভিলেজ নিউইয়র্ক চলচ্চিত্র উৎসব এবং এথেন্স আন্তর্জাতিক আর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সম্মানজনক পুরস্কার অর্জন করেছে।
- এছাড়া, 'আমাদস ড্রিম' বিভিন্ন শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নির্বাচিত হয়েছে।
উৎস: প্রথম আলো।
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়।
- এই প্রস্তাব তিনবার উত্থাপিত হয়।
- কিন্তু প্রতিবারই সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় সেই প্রস্তাবে ভেটো প্রদান করে।
- ফলে পাকিস্তানপন্থী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শেণি।
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল:
• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।
• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।
• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
অ্যান্থনি মাসকারেনহাস:
- নেভিল অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (Neville Anthony Mascarenhas) ছিলেন একজন বিখ্যাত সাংবাদিক।
- তিনি ছিলেন করাচির মর্নিং নিউজের সাংবাদিক ও ব্রিটেনের সানডে টাইমস পত্রিকার পাকিস্তান সংবাদদাতা।
• তিনি ভারতের গোয়ায় ১৯২৮ সালের ১০ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এবং পড়াশোনা করেন পাকিস্তানের করাচিতে।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে তিনি পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যার বিষয়টি বিশ্ববাসীর কাছে সর্বপ্রথম উন্মোচিত করেন।
- জন্মসূত্রে মাসকারেনহাস ভারতীয়, তবে তিনি বাস করেছেন পাকিস্তানের করাচিতে।
- মাসকারেনহাস ১৯৪৭ সালে করাচিতে সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেন।
- তার প্রথম কর্মস্থল ছিল রয়টার্স।
- ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সংবাদ সংস্থা, এপিপি, নিউইয়র্ক টাইমস এবং টাইম/লাইফ সাপ্তাহিকের সংবাদদাতা ছিলেন।
- ১৯৬১-৭১ সালের মে মাস পর্যন্ত দ্য মর্নিং নিউজে কর্মরত ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে তিনি বাংলাদেশে আসেন এবং গণহত্যার তথ্যাদি সংগ্রহ করেন।
- তাঁর "Genocide" শিরোনামের প্রতিবেদন ১৩ জুন ১৯৭১ সালে The Sunday Times (লন্ডন)-এ প্রকাশিত হয়, যা বিশ্ববিবেককে নাড়িয়ে দেয়।
- তার সেই অসাধারণ সাহসী প্রতিবেদনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নির্মম গণহত্যার খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর লেখা তার দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দ্য রেপ অব বাংলাদেশ’ এবং ‘বাংলাদেশ: রক্তের ঋণ’।
- ১৯৮৬ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।
উৎস: i) BBC.
ii) কালবেলা।
iii) The Daily Star Bangla.
◉ মুক্তিযুদ্ধের সময় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন নিয়ে আলাদা আলাদা ফোর্স গঠন করা হয়। জেড ফোর্স গঠিত হয় ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স।
• জেড ফোর্স:
- মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- 'জেড ফোর্স' নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।
• এস ফোর্স:
- কে.এম. সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- 'এস ফোর্স' নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
• কে ফোর্স:
- কর্ণেল খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে অক্টোবর মাসে কে ফোর্স গঠিত হয়।
- 'কে ফোর্স' গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ঢাকা জেলা প্রসাশন ওয়েবসাইট।
- টোকাই কার্টুন চরিত্রটির স্রষ্টা রফিকুন নবী।
রফিকুন নবী:
- তাকে রনবী' নামেই তিনি জনসাধারণের কাছে বিপুল সমাদৃত।
- তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি 'টোকাই'-এর প্রতিকৃতি।
- সুবিধাবঞ্চিত শিশুটি এই বিত্তবৈভবে তিলোত্তমা রাজধানীর ফুটপাতে সড়কবাতির পাশে বসে-শুয়ে খুব সহজ-সরল ভাষায় মাত্র দু-একটি কথায় বলে যাচ্ছে সমাজের পর্বতপ্রমাণ অসংগতির কথা।
অপরদিকে,
- হাশেম খান ১৯৭২ সালে প্রণীত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধান গ্রন্থ অলংকরণের প্রধান শিল্পী হিসাবে কাজ করেন।
- ঢাকা নগর জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠায় তার রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
- মর্তুজা বশীর চিত্রশিল্পী ও কার্টুনিস্ট।
- তার বিখ্যাত সিরিজ এপিটাফ।
- রশীদ চৌধুরী বয়ন শিল্পের ভিন্নতর মাধ্যম ট্যাপোস্টির জনক।
উৎস: প্রথম আলো।[ লিঙ্ক]
সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় - গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
৩৫।অনুচ্ছেদ অনুসারে:
(১) কেউ যদি কোনো অপরাধ করেন, তাহলে সেই অপরাধ সংঘটনের সময় যে আইন কার্যকর ছিল, সে আইন অনুযায়ীই তার বিচার হবে। নতুন কোনো কঠোর শাস্তি তাকে দেওয়া যাবে না।
(২) একবার যদি কাউকে কোনো অপরাধের জন্য বিচার করে শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে তাকে একই অপরাধে আবার বিচার করা বা শাস্তি দেওয়া যাবে না।
(৩) ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ উঠলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে দ্রুত এবং প্রকাশ্যে বিচার পাওয়ার অধিকারী থাকবেন।
(৪) কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না।
(৫) কাউকে নির্যাতন করা যাবে না, নিষ্ঠুর বা অমানবিক শাস্তি দেওয়া যাবে না, কিংবা লজ্জাজনক আচরণ করা যাবে না।
(৬) প্রচলিত আইনে যে শাস্তি বা বিচারপদ্ধতি নির্ধারিত আছে, তা এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোনো কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হবে না।
অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ,
- অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ,
- অনুচ্ছেদ ৩৪: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।
উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।
- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধীদলগুলোর সমন্বয়ে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক)’ গঠিত হয়।
- এই জোটে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, মোজাফফর ন্যাপসহ আটটি রাজনৈতিক দল যুক্ত ছিলো।
- পাকিস্তানে ফেডারেল পার্লামেন্টারি পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন, প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং শেখ মুজিবুর রহমান, খান আবদুল ওয়ালী খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি দাবিতে এই জোট গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছিলো।
তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ব্যাপ্তিকাল প্রায় ৪০ বছর (১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দে)।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু হয়।
- বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।
- ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫%।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা: ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৩%)।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৭.০%।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।
উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।
- সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী তা ২৪ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করে চলতি অর্থবছরের জন্য মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আর সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয়।
তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:
→ ১৭ মার্চ, ২০২৪ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়।
→ সারাদেশে দিনটি জাতীয় শিশু কিশোর দিবস হিসাবে উদযাপিত হয়।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের ১৭মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
→ দিবসটি উদযাপনে ১৭ মার্চ দেশের সকল সরকারি,আধা-সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (১৭মার্চ, ২০২৪)।
⇒ বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ছিলেন।
⇒ বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয় ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- ২০০০ সালের ২৮ মে মাসে উচ্চ আদালতে প্রথমবারের মতো নিয়োগ পান নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।
- হাইকোর্টের ব্রেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
- সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।
- বাংলাদেশের বর্তমান ২৫তম প্রধান বিচারপতি হলেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ।
উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট দুটি বিভাগ নিয়ে গঠিত:
১. আপীল বিভাগ
২. হাইকোর্ট বিভাগ
আপীল বিভাগের এখতিয়ার
১. আপীল শুনানি: সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের রায়, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানির এখতিয়ার আপীল বিভাগের রয়েছে।
- বিশেষ ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ যদি সার্টিফিকেট প্রদান করে যে মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ আইন বা সংবিধান ব্যাখ্যার প্রশ্নে জড়িত, তখন আপীল করা যাবে।
২. পরোয়ানা জারি: ১০৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে, আপীল বিভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আদেশ বা রিট জারি করতে পারে।
৩. পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা: ১০৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত, আপীল বিভাগ তার রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনার এখতিয়ার রাখে।
৪. উপদেষ্টামূলক ক্ষমতা: ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি আইনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে আপীল বিভাগের মতামত চাইতে পারেন।
৫. বিধি প্রণয়ন ক্ষমতা: সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে আদালতের রীতি ও পদ্ধতি নির্ধারণে বিধি প্রণয়ন করতে পারে।
হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
১. আদি এখতিয়ার: সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার রক্ষায় হাইকোর্ট বিভাগ রিট জারি করতে পারে।
- কোম্পানি আইন, ১৯৯৪; বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ ইত্যাদির অধীনে আদি এখতিয়ার প্রয়োগ করা হয়।
২. আপীল শুনানি: ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮; দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অধীনে আপীল শুনানির ক্ষমতা রাখে।
৩. পুনঃনিরীক্ষণের ক্ষমতা: অধস্তন আদালতের রায় বা আদেশ পুনঃপরীক্ষার এখতিয়ার রয়েছে।
৪. তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা: সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম তদারকি করতে পারে।
৫. মামলা স্থানান্তর: সংবিধানের ১১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ তার অধীনস্থ আদালত থেকে মামলা সরাসরি স্থানান্তর করতে পারে।
তথ্যসূত্র: সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ সংবিধান ও বিবিসি বাংলা নিউজ। [লিঙ্ক]
• রাজা রামমোহন রায়:
- উপাধি: ভারতীয় রেনেসাঁর জনক।
- জন্ম: ২২ মে ১৭৭২/৭৪, রাধানগর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ
- মৃত্যু: ২৭ সেপ্টেম্বর ১৮৩৩, ব্রিস্টল, ইংল্যান্ড
- পেশা: সমাজ সংস্কারক, চিন্তাবিদ, ভাষাবিদ, ধর্মতত্ত্ববিদ।
প্রধান অবদান:
- সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তিতে নেতৃত্ব দেন , জাতিভেদ ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে অবস্থান।
- একেশ্বরবাদ প্রচার, প্রতিমা পূজার বিরোধিতা
- আধুনিক শিক্ষার প্রসার, ইংরেজি ও বাংলা ব্যাকরণ রচনা
- ১৮২৮ সালে ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা।
রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা:
- মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর শাহ কর্তৃক “রাজা” উপাধি লাভ।
- ইউরোপীয় উদার চিন্তাধারার সাথে পরিচিত হয়ে তা ভারতীয় সমাজে প্রয়োগ করেন।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
• জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন:
- জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে।
- এটি একটি অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক সংস্থা।
- এই সংস্থা শহীদদের পরিবারকে সহায়তা এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করে।
- ফাউন্ডেশন ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সমাজসেবা অধিদপ্তরের অনুমোদন পায়;
- এবং ১২ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
- ফাউন্ডেশনটির প্রধান উপদেষ্টা ও সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস;
- ফাউন্ডেশনটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম, এবং
- প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধকে নির্বাচিত করা হয়।
- ফাউন্ডেশনটির কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।
- প্রাথমিক তহবিল হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ১০০ কোটি টাকা অনুদান প্রাপ্ত হয়।
-------------------------------------------------
উল্লেখ্য,
- জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রথম প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ।
- তিনি ২১ অক্টোবর ২০২৪ থেকে ৮ মে ২০২৫ পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন।
- পরে লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কামাল আকবর নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হন।
উৎস: July Shaheed Smrity Foundation Website.
জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- জুলাই অভ্যুত্থানের স্মরণে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে জেলা পর্যায়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ-এর নকশাকার আব্দুল হালিম চঞ্চল
- ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট ব্যাসের এই স্তম্ভে রয়েছে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের স্লোগান, কবিতা ও গ্রাফিতি।
- দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
উল্লেখ্য:
- আগ্রাসন বিরোধী আট স্তম্ভ শহীদ আবরার ফাহাদের স্মরণে নির্মিত একটি প্রতীকী স্থাপনা যার নকশাকার হলেন স্থপতি নাজমুল হক নাঈম।
- 'অদম্য ২৪' স্মৃতিস্তম্ভটির নকশা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাঈদ হোসেন, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে নির্মিত এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- শহীদ আবু সাঈদ-কে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্ম 'উন্নত মম শির' -এর শিল্পী শহীদ কবির।
তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
- হোসেনী দালান পুরানো ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি শিয়া সম্প্রদায়ের একটি ইমারত।
- ইমারতটি মুঘল আমলে নির্মিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়।
- শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, ৬১ হিজরির ১০ মুহররম (৬৮০ খ্রিস্টাব্দের ১০ অক্টোবর) তারিখে আল-হোসেনের শহীদত্ব স্মরণ করতে এই ইমারত নির্মাণ করা হয়।
- শাহ সুজার শাসনকালে সৈয়দ মুরাদ প্রথম হোসেনী দালান নির্মাণ করেন।
- শাহ সুজা সুন্নি মুসলমান হলেও শিয়াদের রীতিনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করতে আগ্রহী ছিলেন।
- প্রচলিত লোককাহিনী অনুসারে, সৈয়দ মুরাদ স্বপ্নে আল-হোসেনকে ‘তাজিয়াখানা’ নির্মাণ করতে দেখে এই ইমারত নির্মাণে উৎসাহিত হন।
- সৈয়দ মুরাদই ইমারতের নাম রাখেন হোসেনী দালান।
- প্রাথমিকভাবে এটি একটি ছোট্ট স্থাপনা ছিল।
- পরবর্তীতে ১৮০৭ ও ১৮১০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্যোগে সংস্কার করা হয়।
- ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পের পর ইমারতের কিছু অংশ নতুন করে পুনর্নির্মাণ করা হয়।
- সংস্কার ও সম্প্রসারণের ফলে ইমারতটি বর্তমান রূপ ধারণ করেছে।
উৎস: বাংলাপিডিয়া।
- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচারের দ্বার উন্মুক্ত হয়।
- ২ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তাঁর রিসেপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় ২৪ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ৷
- ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ১২ আসামিকে মৃত্যদন্ড প্রদান করে আদালত রায় প্রদান করে।
- অবশেষে হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর ১৯ নভেম্বর ২০০৯ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে ৷
- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ৷ ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোট ১২ আসামিরই মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে৷
তথ্যসূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো।
অষ্টম সংশোধনী:
অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়। এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। এই সংশোধনী আইনবলে
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।
উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সম্পর্কে উল্লেখিত সংজ্ঞাটি প্রদান করেছেন - আলফ্রেড গ্রাজিয়ার।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বেসরকারি সংগঠন যা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও স্বার্থ অর্জনের জন্য কাজ করে এবং সরকারের নীতি ও আচরণকে প্রভাবিত করে।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (১ম) বোর্ড বই।