বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১২৬ / ৩০৬ · ১২,৫০১১২,৬০০ / ৩০,৮৩২

১২,৫০১.
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা কত?
  1. ক) ৫০
  2. খ) ২৫
  3. গ) ৩০
  4. ঘ) ৪০
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫০
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ টি।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর ফলে বর্তমানে জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা ৫০টি এবং সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত মহিলা আসনের মেয়াদ ২৫ বছর বৃদ্ধি করা হয়।

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান ও জাতীয় সংসদের ওয়েবসাইট।
১২,৫০২.
'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' গানটির গীতিকার কে?
  1. ক) নজরুল ইসলাম বাবু
  2. খ) গোবিন্দ হালদার
  3. গ) ফজলে এ খোদা
  4. ঘ) গাজী মাজহারুল আনোয়ার
সঠিক উত্তর:
খ) গোবিন্দ হালদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) গোবিন্দ হালদার
ব্যাখ্যা
- 'মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি' গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার।
- এটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত হয়। এতে কণ্ঠ দেন আপেল মাহমুদ।
গোবিন্দ হালদারের অন্যান্য জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে:
- এক সাগর রক্তের বিনিময়ে
- পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে ইত্যাদি৷
(তথ্যসূত্রঃ দৈনিক প্রথম আলো)
১২,৫০৩.
নিচের কোন ব্যক্তির কার্যভার গ্রহণের পূর্বে শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়?
  1. স্পীকার
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
- কার্যভার গ্রহণের পূর্বে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের শপথ নেওয়া আবশ্যক নয়।

সাংবিধানিক পদ গ্রহণের পূর্বে শপথ:

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানে সাংবিধানিক পদের মূলভিত্তি ১৪৮ অনুচ্ছেদ'র আলোকে ৩য় তফসিল প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- ৩য় তফসিল অনুযায়ী ৯টি পদে নির্বাচিত বা নিযুক্ত ব্যক্তির শপথ গ্রহণ বা ঘোষণাপত্র পাঠের বিষয় উল্লেখ আছে।
- যেখানে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের নাম উল্লেখ নাই।

⇒ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদের বিধান অ্যাটর্নি-জেনারেল:
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।

উল্লেখ্য,
সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী:
- রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ মন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র: - বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৫০৪.
বিশ্বে প্রথম ন্যায়পাল ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয় কত সালে?
  1. ১৮০৯ সালে
  2. ১৮০৮ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮০৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০৯ সালে
ব্যাখ্যা
সুইডিশ ভাষায় Ombudsman বা ন্যায়পাল বলতে এমন একজন সরকারি মুখপাত্র বা প্রতিনিধি কিংবা সরকারি কর্মকর্তাকে বোঝায় যিনি সরকারি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ তদন্ত করেন।
- জবাবদিহিতামূলক পদ বা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ১৮০৯ সালে সুইডেনে প্রথম প্রবর্তিত হয়।
- ক্রমান্বয়ে অন্যান্য দেশে এই ব্যবস্থা চালু হয়।
যেমন- ফিনল্যান্ডে ১৯১৯ সালে , ডেনমার্কে ১৯৫৫ সালে , নিউজিল্যান্ডে ১৯৬১ সালে , নরওয়েতে ১৯৬৩ সালে , গ্রেট ব্রিটেনে ১৯৬৭ সালে , অস্ট্রেলিয়ায় ১৯৭৩ সালে।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৭ অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ কর্তৃক ন্যায়পাল নিয়োগের বিধান রাখা হয়েছে।

সোর্স: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের সংবিধান ।
১২,৫০৫.
সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের নামে কোথায় সাতটি পুকুর খনন করা হয়েছে?
  1. ক) সন্দীপে
  2. খ) হাতিয়ায়
  3. গ) সুন্দরবনে
  4. ঘ) চাঁদপুরে
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সুন্দরবনে
ব্যাখ্যা
- সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের নামে সাতটি পুকুর খনন করা হয়েছে - সুন্দরবনে।

• বীরশ্রেষ্ঠ:

- মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্যে বঙ্গবন্ধু সরকার ১৯৭৩ সালে সাতজন মুক্তিযোদ্ধাকে সর্বোচ্চ বীরত্বসূচক খেতাব ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ প্রদান করেন।
- এদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্য তিনজন, সাবেক ই. পি. আর. সদস্য দুইজন এবং বিমান বাহিনী ও নোবাহিনীর একজন করে।
- বীরশ্রেষ্ঠরা হলেন:
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর : সেনাবাহিনী,
- সিপাহী মোস্তফা কামাল : সেনাবাহিনী, 
- সিপাহী হামিদুর রহমান : সেনাবাহিনী, 
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন : নৌবাহিনী, 
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান : বিমান বাহিনী,  
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ : সাবেক ই. পি. আর,.
- ল্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ : সাবেক ই. পি. আর।

এছাড়াও,
- সিপাহী হামিদুর রহমান সর্বকনিষ্ঠ শহীদ বীরশ্রেষ্ঠ।
- সাতজন বীরশ্রেষ্ঠকে নিয়ে আলাদাভাবে সাতটি চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন -  সৈয়দ শামসুল হক।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাগো নিউজ।
১২,৫০৬.
দেশের প্রথম নারী শিক্ষাসচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন কে?
  1. জাকিয়া সুলতানা
  2. শাহনাজ আরেফিন
  3. রেহানা পারভীন
  4. শাহীনা বেগম
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেহানা পারভীন
ব্যাখ্যা

প্রথম নারী শিক্ষা সচিব:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একজন নারী শিক্ষা সচিব নিয়োগ পেলেন রেহানা পারভীন।
- তিনি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নতুন সচিব হয়েছেন ।
- তিনি এর আগে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) নির্বাহী চেয়ারম্যান (সচিব) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
- ১৮ আগস্ট, ২০২৫ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে রেহানা পারভীন আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের প্রথম নারী শিক্ষা সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেলেন।

উল্লেখ্য,
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ২০১৬ সালের নভেম্বরে দুটি বিভাগে ভাগ করা হয়।
- একটি হলো মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং অন্যটি কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর থেকে অবিভক্ত শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে মোট ৩৩ জন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করেছেন।
- বিভাগ বিভক্ত হওয়ার পর মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগে এখন পর্যন্ত সাতজন সিনিয়র সচিব ও সচিব দায়িত্ব পালন করলেও তাদের কেউ নারী ছিলেন না। 

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১২,৫০৭.
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়ক-
  1. ক) ECOSOC
  2. খ) UNDP
  3. গ) WB
  4. ঘ) IMF
সঠিক উত্তর:
গ) WB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) WB
ব্যাখ্যা
- বিডিএফ হলো বাংলাদেশের উন্নয়ন সহযোগী বা দাতাদের একটি ফোরাম যা ১৯৭৪ সালে গঠিত হয়।
- তখন এর নাম ছিলো বাংলাদেশ এইড গ্রুপ।
- ১৯৯৭ সালে এর নাম হয় 'প্যারিস কনসোর্টিয়াম গ্রুপ' এবং ২০০২ সালে এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম।
- প্রথমদিকে এর বৈঠক প্যারিসে অনুষ্ঠিত হলেও ২০০৩ সাল থেকে এর বৈঠক নিয়মিতভাবে ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। 
- বিশ্বব্যাংক এই ফোরামের সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে।

উৎস: ইআরডি ওয়েবসাইট।
১২,৫০৮.
'স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র' সংবিধানের কত নং তফসিলে বর্ণিত হয়েছে?
  1. সপ্তম তফসিল
  2. ষষ্ঠ তফসিল
  3. তৃতীয় তফসিল
  4. পঞ্চম তফসিল
সঠিক উত্তর:
সপ্তম তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সপ্তম তফসিল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিল সমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
• দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
• তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
• চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি।
• পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
• ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৫০৯.
পাঙ্গন জাতিসত্তা কোন নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত? 
  1. সাঁওতাল
  2. খাসিয়া 
  3. রাখাইন
  4. মণিপুরী
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা

• পাঙ্গন জাতিসত্তা মূলত মণিপুরি মুসলিম বা পাঙাল নামেও পরিচিত এবং তারা মণিপুরি জনগোষ্ঠীর একটি অংশ।
- তারা বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। 

পাঙ্গন জাতিসত্তা: 
- সপ্তদশ শতকের প্রথম দিকে খাজা ওসমানের সৈন্যাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সানীর নেতৃত্বে ইসলাম ধর্মের অনুসারী এক দল সৈন্যবাহিনী মণিপুর রাজ্যে অভিযান চালায়। 
- তখনকার মণিপুরের রাজা খাগোম্বার সাথে এক সন্ধির ফলে এই বাহিনী মণিপুরে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করে। 
- পরবর্তীকালে মোগল শাসক মীর জুমলা আসাম আক্রমণে বিপর্যস্ত হলে ঐ সৈন্যবাহিনীর অনেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্য মণিপুরে আশ্রয় নেয়।
- তারা মণিপুরের স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ইসলাম ধর্ম প্রচার করে। 
- মণিপুরের মুসলমান জনগোষ্ঠীরাই পাঙ্গান নামে পরিচিত।
- পাঙ্গানরা 'মেইতেইলোন' ভাষায় কথা বলে যা টিবেটো-বার্মান শাখার কুকি-চিন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- এরা সবাই ইসলাম ধর্মের সুন্নী মতাবলম্বী। 
- নিজেদের সম্প্রদায়ের মধ্যেই সাধারণত বিয়ে হয়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ অংশে এদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

উৎস:  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, ২০১৮ বোর্ড বই। 

১২,৫১০.
নিচের কোন জেলায় জুম চাষ করা হয় না?
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রংপুর
ব্যাখ্যা
⇒ রংপুরে জুম চাষ করা হয় না।

জুম চাষ:
- পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষিপদ্ধতি।
- জুম চাষ বিশেষ শব্দে "ঝুম চাষ" নামেও পরিচিত।
- জুম চাষ এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি।
- এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়, আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র আবার কৃষি জমি গড়ে ওঠে।
- পাহাড়ের গায়ে ঢালু এলাকায় এই চাষ করা হয়।
- এই পদ্ধতির চাষে বছরের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়।
- জুম চাষ ভারতে পোড়ু, বীরা, পোনম, প্রভৃতি নামেও পরিচিত।
- রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এই তিন জেলায় জুম চাষের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- পাহাড়ীদের সমাজে জুম চাষ বেশ জনপ্রিয়।
- পাহাড়ী জুমিয়ান নারীরা অতি যত্নের সহিত জুম চাষে ব্যস্ত থাকে সব সময়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৫১১.
বাংলাদেশ সরকার কত বছরের কর্মসূচি হিসেবে ADP ঘোষণা করে?
  1. ৩ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ১ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) হলো বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের কৌশল ও লক্ষ্যসমূহ বাস্তবায়নের জন্য একটি স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশ সরকার ১ বছরের কর্মসূচি হিসেবে ADP ঘোষনা করে।
- বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। 
- ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের এডিপি'র আকার ছিল ৫০১ কোটি টাকা। 
- ৫৩ বছরের ব্যবধানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট আকার নির্ধারণ করা হয়েছে ২,৩০,০০০.০০ কোটি (জিওবি ১,৪৪,০০০.০০ কোটি ও প্রকল্প ঋণ/অনুদান ৮৬,০০০.০০ কোটি) টাকা।
- এছাড়া, বিভিন্ন স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা/কর্পোরেশন এর নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়িত প্রকল্পসমূহের অনুকূলে বরাদ্দকৃত ৮,৫৯৯.৭১ কোটি  টাকাসহ মোট এডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ২,৩৮,৫৯৯.৭১ কোটি টাকা।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ৯২ মার্কিন ডলার থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ২,৭৮৪ মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়েছে, যা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার প্রতিচ্ছবি।

উৎস: বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় নণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

১২,৫১২.
জুলাই বিপ্লবে প্রবাসী নারীদের ভূমিকা নিয়ে নির্মিত স্বল্পদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্রের নাম কী? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ফাহিমস ড্রিম
  2. আমাদস ড্রিম
  3. জাহানস ড্রিম
  4. ঈশিতাস ড্রিম
সঠিক উত্তর:
আমাদস ড্রিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাদস ড্রিম
ব্যাখ্যা

• আমাদস ড্রিম:
- ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে প্রবাসীদের সক্রিয় ভূমিকা বিশেষ করে প্রবাসী নারীদের অবদান নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলার আশিষ কিফায়েত নির্মাণ করেছেন স্বল্পদৈর্ঘ্য তথ্যচিত্র 'আমাদস ড্রিম'। 
- চলচ্চিত্রটি ইস্ট ভিলেজ নিউইয়র্ক চলচ্চিত্র উৎসব এবং এথেন্স আন্তর্জাতিক আর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে সম্মানজনক পুরস্কার অর্জন করেছে।
- এছাড়া, 'আমাদস ড্রিম' বিভিন্ন শর্ট ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নির্বাচিত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১২,৫১৩.
অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. ক) কুমিল্লা
  2. খ) বরিশাল
  3. গ) ময়মনসিংহ
  4. ঘ) সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
সর্বশেষ মৎস্য পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থের তথ্যানুযায়ী ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে দেশে মাছ উৎপাদনের পরিমাণ:
- মোট মাছ উৎপাদন : ৪৩.৮৪ লক্ষ মে. টন
- অভ্যন্তরীণ উৎসের মাছ : ৩৭.২৪ লক্ষ মে. টন
- সামুদ্রিক মাছ : ৬.৬ লক্ষ মেট্রিক টন।
অভ্যন্তরীণ উৎসের মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলাসমূহ:
- প্রথম : ময়মনসিংহ (৩.৮৯ লক্ষ টন)
- দ্বিতীয় : কুমিল্লা (২.৫৭ লক্ষ টন)
- তৃতীয় : যশোর (২.২৩ লক্ষ টন)।
(সূত্র: মৎস্য পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০১৮-২০১৯)
১২,৫১৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা'র কথা বলা হয়েছে?
  1. ৯৫নং অনুচ্ছেদে
  2. ৯৪নং অনুচ্ছেদে
  3. ৯৭নং অনুচ্ছেদে
  4. ১০০নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৯৪নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৪নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের এখতিয়ার বর্ণিত হয়েছে।
- সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদে বর্ণিত হয়েছে যে, আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ নিয়ে বাংলাদেশের জন্য সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে। 

অন্যদিকে: 
- ৯৫নং অনুচ্ছেদে বিচারক-নিয়োগ। 
- ৯৭নং অনুচ্ছেদে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ। 
- ১০০নং অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টের আসন। 

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৫১৫.
দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) ফেনী
  3. গ) পটুয়াখালী
  4. ঘ) নোয়াখালী
সঠিক উত্তর:
গ) পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলে দেশের তৃতীয় সমুদ্রবন্দর পায়রা সমুদ্রবন্দর নির্মাণাধীন। ২০১৩ সালের ১৯ নভেম্বর পায়রা সমমুদ্রবন্দর নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয়। ২০২৩ সালে পায়রা সমুদ্রবন্দর পুরোপুরি চালু করার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
(সূত্র: পায়রা সমুদ্রবন্দর ওয়েবসাইট)
১২,৫১৬.
মুজিবনগর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ক) রাজশাহী
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) ফরিদপুর
  4. ঘ) রংপুর
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মেহেরপুর
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশে একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়। ১৩ এপ্রিল আগরতলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের এক সভায় সরকার গঠন অনুমোদন করা হয়। ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলায় শপথ গ্রহণ করেন। সরকারের প্রধান ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর নাম অনুসারে বৈদ্যনাথ তলার নামকরণ করা হয় মুজিবনগর এবং সরকার পরিচিত হয় মুজিবনগর সরকার নামে। সূত্র- বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৫১৭.
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি সন্নিবেশিত হয়েছে বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
  1. ক) ১২২
  2. খ) ১১৮
  3. গ) ১৩৭
  4. ঘ) ১১৭
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১১৭
ব্যাখ্যা
- প্রজাতন্ত্রের  কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিবর্গের চাকুরি সংক্রান্ত বিষয়াদি, অর্থদন্ড বা অন্য দন্ডের বিষয়ে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল নিস্পত্তি করে থাকে।
-  এ আদালতের এখতিয়ার রয়েছে এমন কোন বিষয়ে অন্য কোন আদালত কোন কার্যক্রম  গ্রহণ বা রায় দিতে পারে না। 
- অনুচ্ছেদ ১১৭(২) অনুযায়ী কোন ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হলে অনুরূপ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের অন্তর্গত কোন বিষয়ে অন্য কোন আদালত কোনরূপ কার্যধারা গ্রহণ করবেন না বা কোন আদেশ প্রদান করবেন না।
- বিদ্যমান বিচার কাঠামো ছাড়াও জাতীয় সংসদ আইনের মাধ্যমে আরও এক বা একাধিক ট্রাইব্যুনাল গঠন বা বিলোপ করতে পারে।
- সংসদ আইনের দ্বারা কোন ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা অনুরূপ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান করতে পারবে।

উৎস:- বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৫১৮.
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচিতে দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য কোন স্কিমটি?
  1. সমতা
  2. সুরক্ষা
  3. প্রবাস
  4. প্রগতি
সঠিক উত্তর:
সমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমতা
ব্যাখ্যা
সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি (স্কিম):
- ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো নাগরিক ৬০ বছর বয়সে না পৌঁছানো পর্যন্ত কিস্তি পরিশোধ করে অবসর জীবনের সময় পেনশন সুবিধা পেতে সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থায় অংশগ্রহণ করতে পারবেন।
- ১৭ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে সর্বজনীন পেনশন কর্মসূচি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- সরকার মোট ৬টি স্কিমের কথা ঘোষণা করেছে। 
- আপাতত চালু হয়েছে ৪টি স্কিম।

৪টি স্কিম:
• প্রবাস: 
- এটি শুধু বিদেশে কর্মরত বা অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকের জন্য।
- এর মাসিক চাঁদার হার ধরা হয়েছে ৫ হাজার, সাড়ে ৭ হাজার ও ১০ হাজার টাকা করে।

• প্রগতি:
- এই স্কিম বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের জন্য।

• সুরক্ষা:
- এই স্কিমটা স্বনির্ভর ব্যক্তির জন্য।
- অর্থাৎ কেউ কোথাও চাকরি করছেন না কিন্তু নিজে উপার্জন করতে পারেন, তারা সুরক্ষা স্কিমে অংশ নিতে পারবেন।
- এর আওতায় পড়েন ফ্রিল্যান্সার, কৃষক, শ্রমিক ইত্যাদি পেশার লোকজন।

• সমতা:
- এই স্কিমে চাঁদার হার একটিই: এক হাজার টাকা।
- তবে এক্ষেত্রে প্রতিমাসে ব্যক্তি দেবে পাঁচশ টাকা আর বাকি পাঁচশো দেবে সরকার।
- মূলত দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসরত স্বল্প আয়ের মানুষের জন্য এই স্কিম।

উৎস: ১৭ আগস্ট, ২০২৩, প্রথম আলো।
১২,৫১৯.
বেগম সুফিয়া কামাল কত তারিখে মৃত্যুবরণ করেন?
  1. নভেম্বর ২০, ১৯৯৯
  2. নভেম্বর ১৯, ১৯৯৯
  3. নভেম্বর ১৮, ১৯৯৯
  4. নভেম্বর ১৭, ১৯৯৯
সঠিক উত্তর:
নভেম্বর ২০, ১৯৯৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নভেম্বর ২০, ১৯৯৯
ব্যাখ্যা
বেগম সুফিয়া কামাল:
- বেগম সুফিয়া কামাল একজন কবি, বুদ্ধিজীবী ও সমাজনেত্রী।
- সুফিয়া কামালের জন্ম ১৯১১ সালের ২০ জুন বরিশালের শায়েস্তাবাদে।
- তিনি ছোটবেলা থেকেই কবিতাচর্চা শুরু করেন।
- তিনি নারী সমাজকে অজ্ঞানতা ও কুসংস্কারের বেড়াজাল থেকে মুক্ত করতে আজীবন সংগ্রাম করে গেছেন।
- মহান ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার, মুক্তিযুদ্ধসহ গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি আন্দোলনে তিনি আমৃত্যু সক্রিয় ছিলেন।
- মুক্তিযুদ্ধকালীন মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারের জন্য যে আন্দোলন শুরু হয়েছিল, ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা।
- তিনি ১৯৫৬ সালে শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা প্রতিষ্ঠা করেন।
- আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর নামে ছাত্রী হল নির্মাণ করেছে। 
- ১৯৭১ সালের মার্চে অসহযোগ আন্দোলনে তিনি নারীদের মিছিলে নেতৃত্ব দেন। 
- মুক্তিযুদ্ধসহ বাঙালির সমস্ত প্রগতিশীল আন্দোলনে ভূমিকা পালনকারী সুফিয়া কামাল ১৯৯৯ সালের ২০ নভেম্বর বার্ধক্যজনিত কারণে ইন্তেকাল করেন।
- সম্পূর্ণ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তার ইচ্ছানুযায়ী তাকে আজিমপুর কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,৫২০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কত নং সেক্টরের অধীন ছিলো?
  1. ১ নং সেক্টর
  2. ২ নং সেক্টর
  3. ৩ নং সেক্টর
  4. ৯ নং সেক্টর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ নং সেক্টর
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১১ এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে।
এর মধ্যে ফেনী নদী থেকে উত্তর দিকে আখাউড়া-ভৈরব রেললাইন পর্যন্ত বৃহত্তর নোয়াখালী, ‍বৃহত্তর কুমিল্লা, ফরিদপুর জেলার অংশ বিশেষ এবং ঢাকা শহর নিয়ে ২ নং সেক্টর গঠিত হয়।
২ নং সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশারফ এবং মেজর এটিএম হায়দার।
(উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১২,৫২১.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় কোন দেশে ভেটো প্রয়োগ করেছিল?
  1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. চীন
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়।
- এই প্রস্তাব তিনবার উত্থাপিত হয়।
- কিন্তু প্রতিবারই সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় সেই প্রস্তাবে ভেটো প্রদান করে।
- ফলে পাকিস্তানপন্থী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শেণি।

১২,৫২২.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. স্পিকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: 
• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১২,৫২৩.
সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ-২০২৪ কোন দেশে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ভারত
  2. ভুটান
  3. নেপাল
  4. বাংলাদেশ
সঠিক উত্তর:
নেপাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেপাল
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
---------------------------
২০২৪ নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ:
- ২০২৪ সালের অক্টোবরে নেপালে অনুষ্ঠিত হয়।
- নারী সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ৭ম সংস্করণ।
- অংশগ্রহণকারী দল: ৭টি।
- মোট ম্যাচ: ১২টি।
- মোট গোল: ৬২টি।
- চ্যাম্পিয়ন: বাংলাদেশ।
- রানার্স আপ: নেপাল।
- সেরা খেলোয়াড়: ঋতুপর্ণা চাকমা।
- সেরা গোলরক্ষক: রূপনা চাকমা।
- ফেয়ার প্লে ট্রফি: ভুটান।

উল্লেখ্য,
- সাতটি দেশ: বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, মালদ্বীপ এবং ভুটান।
- বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।
- সর্বোচ্চ ৫ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। 

তথ্যসূত্র: SAFF Championship ওয়েবসাইট।
১২,৫২৪.
নেভিল অ্যান্থনি মাসকারেনহাস কোন পত্রিকায় ১৯৭১ সালের গণহত্যার প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
  1. নিউইয়র্ক টাইমস
  2. সানডে টাইমস
  3. টাইম ম্যাগাজিন
  4. দ্য গার্ডিয়ান
সঠিক উত্তর:
সানডে টাইমস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সানডে টাইমস
ব্যাখ্যা

অ্যান্থনি মাসকারেনহাস:
- নেভিল অ্যান্থনি মাসকারেনহাস (Neville Anthony Mascarenhas) ছিলেন একজন বিখ্যাত সাংবাদিক।
- তিনি ছিলেন করাচির মর্নিং নিউজের সাংবাদিক ও ব্রিটেনের সানডে টাইমস পত্রিকার পাকিস্তান সংবাদদাতা।

• তিনি ভারতের গোয়ায় ১৯২৮ সালের ১০ জুলাই জন্মগ্রহণ করেন এবং পড়াশোনা করেন পাকিস্তানের করাচিতে।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে তিনি পাকিস্তানি বাহিনী কর্তৃক সংঘটিত গণহত্যার বিষয়টি বিশ্ববাসীর কাছে সর্বপ্রথম উন্মোচিত করেন।
- জন্মসূত্রে মাসকারেনহাস ভারতীয়, তবে তিনি বাস করেছেন পাকিস্তানের করাচিতে।
- মাসকারেনহাস ১৯৪৭ সালে করাচিতে সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেন।
- তার প্রথম কর্মস্থল ছিল রয়টার্স।
- ১৯৪৯ থেকে ১৯৫৪ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান সংবাদ সংস্থা, এপিপি, নিউইয়র্ক টাইমস এবং টাইম/লাইফ সাপ্তাহিকের সংবাদদাতা ছিলেন।
- ১৯৬১-৭১ সালের মে মাস পর্যন্ত দ্য মর্নিং নিউজে কর্মরত ছিলেন।
- ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাসে তিনি বাংলাদেশে আসেন এবং গণহত্যার তথ্যাদি সংগ্রহ করেন।
- তাঁর "Genocide" শিরোনামের প্রতিবেদন ১৩ জুন ১৯৭১ সালে The Sunday Times (লন্ডন)-এ প্রকাশিত হয়, যা বিশ্ববিবেককে নাড়িয়ে দেয়।
- তার সেই অসাধারণ সাহসী প্রতিবেদনে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নির্মম গণহত্যার খবর সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের ওপর লেখা তার দুটি বিখ্যাত গ্রন্থ ‘দ্য রেপ অব বাংলাদেশ’ এবং ‘বাংলাদেশ: রক্তের ঋণ’।
- ১৯৮৬ সালের ৬ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

উৎস: i) BBC.
ii) কালবেলা।
iii) The Daily Star Bangla.

১২,৫২৫.
সরকারি হিসাবে বাংলাদেশে মোট উপজাতির সংখ্যা-
  1. ৪৮ টি
  2. ৫০ টি
  3. ২৭ টি
  4. ৪৫ টি
সঠিক উত্তর:
৫০ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ টি
ব্যাখ্যা
সরকারি হিসাবে বাংলাদেশে মোট উপজাতির সংখ্যা- ৫০টি।
আদিবাসী ফোরামের হিসাবে বাংলাদেশে মোট উপজাতির সংখ্যা- ৪৫টি এবং
আদমশুমারি-২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট উপজাতির সংখ্যা- ২৭টি।
১২,৫২৬.
মন্ত্রী পরিষদের বর্তমান সচিব -
  1. ক) মোঃ মাহবুব হোসেন
  2. খ) কবির বিন আনোয়ার
  3. গ) এইচ টি ইমাম
  4. ঘ) মোঃ রফিকুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
ক) মোঃ মাহবুব হোসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মোঃ মাহবুব হোসেন
ব্যাখ্যা
মন্ত্রী পরিষদের সচিব: 
- দেশের বর্তমান এবং ২৪ তম মন্ত্রী পরিষদ সচিব হলেন মোঃ মাহবুব হোসেন (০৩-০১-২০২৩ থেকে বর্তমান)।
- তার পূর্বে ২৩ তম সচিব ছিলেন কবির বিন আনোয়ার (১৫-১২-২০২২ থেকে ০৩-০১-২০২৩)।
- মন্ত্রী পরিষদের প্রথম সচিব ছিলেন এইচ টি ইমাম (১৬-০৭-১৯৭১ থেকে ২৭-০৮-১৯৭৫)।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৫২৭.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফায় ভাষা সংক্রান্ত দফা ছিল কয়টি?
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ৫টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের একুশ দফা: 
- ১৯৫৪ সালে পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং পূর্ববাংলায় মুসলিম লীগ শাসনের অবসান ঘটানোর লক্ষ্য নিয়ে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক-শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দলের সমন্বয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর যুক্তফ্রণ্ট নামে এক নির্বাচনী মোর্চা গঠিত হয়।

- এ মোর্চা গঠনের প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন কৃষক-শ্রমিক পার্টির সভাপতি এ.কে. ফজলুল হক, আওয়ামী মুসলিম লীগের সভাপতি মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এবং আওয়ামী মুসলিম লীগ নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।

উল্লেখ্য, 
- যুক্তফ্রণ্টের পক্ষ থেকে ২১টি প্রতিশ্রুতি সম্বলিত যে নির্বাচনী মেনিফেস্টো ঘোষণা করা হয়, তা-ই একুশ দফা নামে পরিচিত।
- যুক্তফ্রন্ট সরকারের ২১ দফার মধ্যে ভাষা সংক্রান্ত দফা ছিলো ৫টি। 
- এগুলা হলো ১, ১০, ১৬, ১৭, ১৮ নং দফা। 

এই দফাগুলো সংক্ষেপে বর্ণিত হল:
১. বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা।
২. বিনা ক্ষতিপূরণে জমিদারি উচ্ছেদ করা এবং ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে উদ্বৃত্ত জমি বিতরণ।
৩. পাটের ব্যবসায় জাতীয়করণ করা।
৪. সমবায় কৃষি ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।
৫. পূর্ব পাকিস্তানে লবণ শিল্প প্রতিষ্ঠা করা।
৬. কারিগর মুহাজিরদের কাজের ব্যবস্থা করা।
৭. বন্যা ও দুর্ভিক্ষ রোধের জন্য খাল খনন ও সেচের ব্যবস্থা করা
৮. শিল্প ও খাদ্যে দেশকে স্বাবলম্বী করা।
৯. অবৈতনিক বাধ্যতামূলক প্রাথমিক শিক্ষার প্রবর্তন করা
১০. শিক্ষাব্যবস্থার আমূল সংস্কার, মাতৃভাষায় শিক্ষাদান, সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের মধ্যকার বৈষম্য বিলোপ করে সকল বিদ্যালয়কে সরকারি সাহায্যপুষ্ট প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হবে;
১১. ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা।
১২. শাসন ব্যয় হ্রাস করা ও মন্ত্রীদের বেতন এক হাজার টাকার বেশি না করা।
১৩. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা।
১৪. জন নিরাপত্তা আইন ও অর্ডিন্যান্স প্রভৃতি বাতিল করা।
১৫. বিচার ও শাসন বিভাগ পৃথকীকরণ করা।
১৬. মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন 'বর্ধমান হাউস'কে বাংলা ভাষা গবেষণাগারে পরিণত করা।
১৭. বাংলা ভাষা করার দাবিতে নিহত শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে শহীদ মিনার নির্মাণ করা।
১৮. একুশে ফেব্রুয়ারিকে শহীদ দিবস ঘোষণা করে সরকারি ছুটির দিন ঘোষণা।
১৯. লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে পূর্ব পাকিস্তানের পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন প্রদান।
২০. আইন পরিষদের মেয়াদ কোনোভাবেই বৃদ্ধি না করা।
২১. আইন পরিষদের আসন শূন্য হলে তিন মাসের মধ্যে উপনির্বাচন দিয়ে তা পূরণ করা।

সূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৫২৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'উপজাতি ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. ২২(খ)
  2. ২৩(ক)
  3. ২৩(খ)
  4. ২৪(ক)
সঠিক উত্তর:
২৩(ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩(ক)
ব্যাখ্যা
• ২৩নং অনুচ্ছেদ:
- ২৩নং অনুচ্ছেদটি সংবিধানের ২য় ভাগে রয়েছে।
- ২৩নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংস্কৃতির কথা বলা হয়েছে।
- ২৩(ক) অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতির উল্লেখ রয়েছে।
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ ১৮ - জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা।
- অনুচ্ছেদ ১৮(ক) - পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।
- অনুচ্ছেদ ১৯ - সুযোগের সমতা।
- অনুচ্ছেদ ২০ - অধিকার ও কর্তব্যরূপে কর্ম।
- অনুচ্ছেদ ২১ - নাগরিক ও সরকারী কর্মচারীদের কর্তব্য।
- অনুচ্ছেদ ২২ - নির্বাহী বিভাগ হইতে বিচার বিভাগের পৃথকীকরণ।
- অনুচ্ছেদ ২৪ - জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ২৫ - আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।  
১২,৫২৯.
'অপারেশন সার্চলাইট' পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন— 
  1. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  2. লেফটেন্যান্ট জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান
  3. লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান
  4. মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী
সঠিক উত্তর:
লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা:
- অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা ছিল পাকিস্তানি সেনাদের একটি গণহত্যামূলক অভিযান,
- এটা ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতে পূর্ব পাকিস্তানে চালানো হয়।
- পাকিস্তান বাহিনীর ১৪ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা এবং ৫৭ ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী খান ১৯৭১ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি অপারেশন সার্চলাইট নামক সামরিক অভিযানের বিষয়ে সিদ্ধান্তে পৌঁছান।
- ১৭ মার্চ চীফ অব স্টাফ জেনারেল আবদুল হামিদ খানের নির্দেশে জেনারেল রাজা পরদিন ঢাকা সেনানিবাসে জিওসি অফিসে অপারেশন সার্চলাইটের পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেন।
- এই অপারেশনের আওতায় ঢাকার গণহত্যার মূল দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল রাও ফরমান আলী, এবং
- ঢাকার বাহিরে এই অপারেশনের দায়িত্ব পান জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
- অপারেশন সার্চলাইটের সার্বিক তত্ত্বাবধান এবং মূল দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল টিক্কা খান।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া, বিবিসি নিউজ।
১২,৫৩০.
কোন সালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) ১০ জুলাই, ১৯২৪
  2. খ) ৭ জুলাই, ১৯৩০
  3. গ) ১০ জুলাই, ১৯৪৬
  4. ঘ) ৭ জুলাই, ১৯৫৬
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ জুলাই, ১৯৪৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ জুলাই, ১৯৪৬
ব্যাখ্যা
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১০ জুলাই ১৯৪৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
উৎসঃ ঢাকা মেডিকেল কলেজের ওয়েবসাইট।
১২,৫৩১.
মুক্তিযুদ্ধের সময় ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে কোন বাহিনী গঠিত হয়েছিল?
  1. জেড ফোর্স
  2. কে ফোর্স
  3. এস ফোর্স
  4. যৌথ কমান্ড
সঠিক উত্তর:
জেড ফোর্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেড ফোর্স
ব্যাখ্যা

◉ মুক্তিযুদ্ধের সময় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের বিভিন্ন ব্যাটালিয়ন নিয়ে আলাদা আলাদা ফোর্স গঠন করা হয়। জেড ফোর্স গঠিত হয় ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- জেড ফোর্স, কে ফোর্স, এস ফোর্স।

• জেড ফোর্স:
- মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- 'জেড ফোর্স' নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।

• এস ফোর্স:
- কে.এম. সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- 'এস ফোর্স' নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।

• কে ফোর্স:
- কর্ণেল খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে অক্টোবর মাসে কে ফোর্স গঠিত হয়।
- 'কে ফোর্স' গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ঢাকা জেলা প্রসাশন ওয়েবসাইট।

১২,৫৩২.
ভারতের মুসলিম জাগরণের প্রথম অগ্রদূত কে?
  1. ক) এ কে ফজলুল হক
  2. খ) নবাব সলিমুল্লা
  3. গ) আবুল কালাম আজাদ
  4. ঘ) স্যার সৈয়দ আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্যার সৈয়দ আহমদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) স্যার সৈয়দ আহমদ খান
ব্যাখ্যা
- স্যার সৈয়দ আহমদ খান কে মুসলিম জাগরনের অগ্রদূত বলা হয়।

- সৈয়দ আহমদ খান:
সৈয়দ আহমদ খান হাজী আহমদের দ্বিতীয় পুত্র সৈয়দ আহমদ খান নওয়াব  সরফরাজ খানের আমলে ঘোড়াঘাট ও রংপুরের নায়েব ফৌজদার ছিলেন।
উনিশ শতকের মধ্যভাগে স্যার সৈয়দ আহমদ খান উত্তর ভারতে আলীগড় আন্দোলন গড়ে তুলে।
- আলিগড় আন্দোলনের প্রবর্তক ছিলেন স্যার সৈয়দ আহমদ খান। পিছিয়ে পড়া মুসলমান সম্প্রদায়কে যুক্তিবাদী আধুনিক পাশ্চাত্য শিক্ষায় শিক্ষিত করে তোলার জন্য উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ে যে আন্দোলনের সূচনা করেন তা আলিগড় আন্দোলন নামে খ্যাত।
- ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে বিদ্রোহের পর অনগ্রসর মুসলিম সমাজে কিছু কিছু সংস্কারের প্রয়োজন অনুভূত হয়।
- হিন্দুদের তুলনায় অনগ্রসর পাশ্চাত্য শিক্ষায় উদাসীন মুসলিম সমাজের দুরবস্থার কথা সৈয়দ আহমদ অবগত ছিলেন।
- ইংরেজি ভাষার মাধ্যমে পাশ্চাত্য শিক্ষাকে প্রগতির যথার্থ সোপান বলে মনে করতেন তিনি এজন্য মুসলমানদের মধ্যে পাশ্চাত্য শিক্ষা ও পাশ্চাত্য সংস্কৃতির প্রসারে উদ্যোগী হয়েছিলেন।
- তাই তাকে মুসলিম জাগরনের অগ্রদূত বলা হয়। 

সূত্র: ডেইলি বাংলাদেশ।
১২,৫৩৩.
টোকাই কার্টুন চরিত্রটির স্রষ্টা কোন চিত্রশিল্পী?
  1. মর্তুজা বশীর
  2. রশীদ চৌধুরী
  3. রফিকুন নবী 
  4. হাশেম খান
সঠিক উত্তর:
রফিকুন নবী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিকুন নবী 
ব্যাখ্যা

- টোকাই কার্টুন চরিত্রটির স্রষ্টা রফিকুন নবী।

রফিকুন নবী:

- তাকে রনবী' নামেই তিনি জনসাধারণের কাছে বিপুল সমাদৃত।
- তাঁর অনবদ্য সৃষ্টি 'টোকাই'-এর প্রতিকৃতি।
- সুবিধাবঞ্চিত শিশুটি এই বিত্তবৈভবে তিলোত্তমা রাজধানীর ফুটপাতে সড়কবাতির পাশে বসে-শুয়ে খুব সহজ-সরল ভাষায় মাত্র দু-একটি কথায় বলে যাচ্ছে সমাজের পর্বতপ্রমাণ অসংগতির কথা।

অপরদিকে,
- হাশেম খান ১৯৭২ সালে প্রণীত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধান গ্রন্থ অলংকরণের প্রধান শিল্পী হিসাবে কাজ করেন। 
- ঢাকা নগর জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠায় তার রয়েছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
- মর্তুজা বশীর চিত্রশিল্পী ও কার্টুনিস্ট।
- তার বিখ্যাত সিরিজ এপিটাফ।
- রশীদ চৌধুরী বয়ন শিল্পের ভিন্নতর মাধ্যম ট্যাপোস্টির জনক।

উৎস: প্রথম আলো।[ লিঙ্ক]

১২,৫৩৪.
যশোরের প্রতাপাদিত্য হলেন -
  1. মুঘল শাসক
  2. রাজপুত রাজা
  3. সেন শাসক
  4. বার ভূঁইয়াদের একজন
সঠিক উত্তর:
বার ভূঁইয়াদের একজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার ভূঁইয়াদের একজন
ব্যাখ্যা
• বার ভূঁইয়া: 
- ‘আফগানদের শাসনামলে বাংলায় বার ভূঁইয়াদের উত্থান ঘটে।
- তারা জমির খাজনা বা ইজারা লাভের সুযোগে জমিদার হয়ে উঠেন।
- হিন্দু এবং মুসলমানদের মধ্য থেকেই এসব জমিদার বংশ সৃষ্টি হয়।
- যদিও এদের বার ভূঁইয়া বলা হয়, কিন্তু তাদের প্রকৃত সংখ্যা ১২-এর অধিক ছিল।
- আকবরের বাহিনী বাংলায় প্রবেশ করলে জমিদারগণ শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
- তাদের নিজস্ব সৈন্য ও নৌবাহিনী ছিল।

• উল্লেখযোগ্য বার ভূঁইয়াদের মধ্যে ছিলেন সোনারগাঁয়ের জমিদার ঈসা খান, ভাওয়ালের গাজী পরিবার, বাকুড়ার বীর হামির, চন্দ্রদ্বীপের পরমানন্দ রায়, ভুলুয়ার লক্ষণ মাণিক্য, যশোরের প্রতাপাদিত্য, বিক্রমপুরের কেদার রায়, পাবনার রাজা রায়, মানিকগঞ্জের বিনোদ রায় প্রমুখ।

সূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৫৩৫.
বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি -
  1. হাজং
  2. মুরং
  3. পাঙন
  4. লুসাই
সঠিক উত্তর:
পাঙন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঙন
ব্যাখ্যা
পাঙন উপজাতি:

- পাঙন সম্প্রদায় সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
- তবে এদের অধিকাংশের বসবাস মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় ।
- পাঙনরা মণিপুরী নৃ-গোষ্ঠীর অন্তর্গত একটি শাখা।
- এরা বাংলাদেশে বসবাসকারী একমাত্র ইসলাম ধর্মাবলম্বী উপজাতি।
- ধর্মীয় দিক থেকে এরা সুন্নি মুসলিম।

তথ্যসূত্র - ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি।
১২,৫৩৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুসারে কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না?
  1. অনুচ্ছেদ - ৩৪
  2. অনুচ্ছেদ - ৩৫
  3. অনুচ্ছেদ - ৩২
  4. অনুচ্ছেদ - ৩৩
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ৩৫
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান রচিত হয় - গণপরিষদের মাধ্যমে।
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।

৩৫।অনুচ্ছেদ অনুসারে:
(১) কেউ যদি কোনো অপরাধ করেন, তাহলে সেই অপরাধ সংঘটনের সময় যে আইন কার্যকর ছিল, সে আইন অনুযায়ীই তার বিচার হবে। নতুন কোনো কঠোর শাস্তি তাকে দেওয়া যাবে না।
(২) একবার যদি কাউকে কোনো অপরাধের জন্য বিচার করে শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে তাকে একই অপরাধে আবার বিচার করা বা শাস্তি দেওয়া যাবে না।
(৩) ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ উঠলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালতে দ্রুত এবং প্রকাশ্যে বিচার পাওয়ার অধিকারী থাকবেন।
(৪) কাউকে নিজের বিপক্ষে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাবে না।
(৫) কাউকে নির্যাতন করা যাবে না, নিষ্ঠুর বা অমানবিক শাস্তি দেওয়া যাবে না, কিংবা লজ্জাজনক আচরণ করা যাবে না।
(৬) প্রচলিত আইনে যে শাস্তি বা বিচারপদ্ধতি নির্ধারিত আছে, তা এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোনো কিছুর দ্বারা প্রভাবিত হবে না।

অন্যদিকে:
- অনুচ্ছেদ ৩২: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ,
- অনুচ্ছেদ ৩৩: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ,
- অনুচ্ছেদ ৩৪: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 

১২,৫৩৭.
নিচের কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি’ গঠিত হয়?
  1. ক) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  2. খ) বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসন জারি
  4. ঘ) ভাষা আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ক) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা

- উনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে ১৯৬৯ সালের ৮ জানুয়ারি পূর্ব পাকিস্তানের বিরোধীদলগুলোর সমন্বয়ে ‘ডেমোক্র্যাটিক অ্যাকশন কমিটি (ডাক)’ গঠিত হয়।
- এই জোটে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ, মোজাফফর ন্যাপসহ আটটি রাজনৈতিক দল যুক্ত ছিলো।
- পাকিস্তানে ফেডারেল পার্লামেন্টারি পদ্ধতির সরকার প্রবর্তন, প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটাধিকারের ভিত্তিতে নির্বাচন, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার এবং শেখ মুজিবুর রহমান, খান আবদুল ওয়ালী খান ও জুলফিকার আলী ভুট্টোসহ সকল রাজনৈতিক বন্দির মুক্তি দাবিতে এই জোট গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছিলো।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।

১২,৫৩৮.
ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নেতা ছিলেন কে?
  1. দুদু মিয়া
  2. হাজী শরীয়তুল্লাহ
  3. চেরাগ আলী শাহ
  4. মীর নিসার আলী
সঠিক উত্তর:
চেরাগ আলী শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেরাগ আলী শাহ
ব্যাখ্যা

ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ:
- ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের ব্যাপ্তিকাল প্রায় ৪০ বছর (১৭৬০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দে)।
- ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গে ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু হয়।
- বর্ধমান জেলায় সন্ন্যাসীরা ইংরেজদের বিরুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ শুরু করে।
- ১৭৭১ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ সারা উত্তর বাংলায় ইংরেজ বিরোধী তৎপরতা শুরু করেন।
- ১৭৭৭ থেকে ১৮০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর, বগুড়া, ঢাকা, ময়মনসিংহ মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, মালদহসহ বিভিন্ন অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনের তীব্রতা ছিল উত্তর বঙ্গে।
- এ সব সংঘর্ষে বিদ্রোহীরা অনেক ব্রিটিশ সেনা কর্মকর্তাকে হত্যা করে এবং কোম্পানির বহু কুঠি লুঠ করে।
- ফকির মজনু শাহর যুদ্ধ কৌশল ছিল গেরিলা পদ্ধতি।
- তিনি ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৫৩৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময় অপারেশন কিলো ফ্লাইটের মূল লক্ষ্য কী ছিল?
  1. মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া
  2. ঢাকা বিমানবন্দর দখল করা
  3. তেল ডিপো, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সরবরাহ লাইন ধ্বংস করা
  4. পাকিস্তানি বিমানবাহিনীকে সম্পূর্ণ ধ্বংস করা
সঠিক উত্তর:
তেল ডিপো, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সরবরাহ লাইন ধ্বংস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেল ডিপো, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সরবরাহ লাইন ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা
অপারেশন কিলো ফ্লাইট:
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় মুক্তিবাহিনীর বিমান উইংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযান ছিল।
- এটি মূলত একটি দুঃসাহসিক বিমান হামলা যা পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়। 
- কিলো ফ্লাইট ছিল মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যুদ্ধ বিমান গঠনের সাংকেতিক নাম। 
- এই অপারেশনের মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর তেল ডিপো, যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং সরবরাহ লাইন ধ্বংস করা, সেই সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বাড়ানো। 
- ১৯৭১ এর সেপ্টেম্বর এর মাঝামাঝি ভারত সরকার অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারকে একটি স্বাধীন বিমান বাহিনী গঠনের জন্য আমেরিকায় তৈরী ১টি পুরানো ডিসি-৩ বিমান, কানাডার তৈরী ১টি অটার বিমান এবং ফ্রান্সের তৈরী ১টি এ্যালুয়েট-৩ হেলিকপ্টার দেয়।
- এর সাথে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে একটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরিত্যক্ত রানওয়ে ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
- ২৮ সেপ্টেম্বর মুক্তিবাহিনীর ডিপুটি চিফ অফ স্টাফ এ কে খন্দকারের নেতৃত্বে ৯ জন পাইলট ও ৪৭ জন গ্রাউন্ড ইঞ্জিনিয়ারের সমন্বয়ে যাত্রা শুরু হয় মুক্তিবাহিনীর এয়ার উইং এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর।
- বিমান বাহিনী প্রধান হিসাবে মুক্তিযুদ্ধের উপ-প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

⇒ এই কিলো ফ্লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন দুঃসাহসিক বিমান যোদ্ধারা। ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ সম্ভাবনাটিও চিরতরে হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

⇒ এই ফ্লাইট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, লালমনিরহাট এলাকায় মোট ৫০টি অভিযান সাফল্যের সঙ্গে পরিচালনা করে।
- এদের মধ্যে মোগলহাটে (১৫ অক্টোবর ৭১), লালমনিরহাট ও ঠাকুরগাঁয়ে (১৬ অক্টোবর ৭১), চৌগাছায় (২১ নভেম্বর ৭১), গোদনাইল ও পতেঙ্গায় (৩ ডিসেম্বর ৭১), সিলেটে (৪ ডিসেম্বর ৭১), জামালপুরে (৫ ডিসেম্বর ৭১), মেঘনা নদীতে (৬ ডিসেম্বর ৭১), সিলেটে (৭ ডিসেম্বর ৭১) এবং নরসিংদীতে (১১ ডিসেম্বর ৭১) বিমান হামলা বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

উৎস: i) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) The Daily Star বাংলা।
১২,৫৪০.
কোন শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' সংঘটিত হয়?
  1. মওলানা আকরম খাঁ শিক্ষা কমিশন
  2. শরীফ শিক্ষা কমিশন
  3. এয়ার মার্শাল নূর খান কমিশন
  4. ড. কুদরাত-ই-খুদা শিক্ষা কমিশন
সঠিক উত্তর:
শরীফ শিক্ষা কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরীফ শিক্ষা কমিশন
ব্যাখ্যা
• ১৯৬২'র শিক্ষা আন্দোলন: 
- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরিফ কমিশনের শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পেলে ছাত্র আন্দোলন নতুন রূপ লাভ করে।
- এ প্রতিবেদনের সুপারিশে ছাত্রদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
- ফলে কঠোর আন্দোলন শুরু হয়। এ আন্দোলন 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন’ নামে পরিচিত ।

- ১৫ই আগস্ট থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ই সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং কয়েকশ’ আহত হয়।
- এ আন্দোলনের ফলে শরিফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত হয়।
- এই আন্দোলনের ফলে ছাত্ররা আইয়ুববিরােধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তিতে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া, প্রথম আলো রিপোর্ট।
১২,৫৪১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা কত নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ৫ লাখ ৫০ হাজার কোটি টাকা
  2. ৫ লাখ ৬১ হাজার কোটি টাকা
  3. ৫ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা
  4. ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা
ব্যাখ্যা

• জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেটের আকার:  ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫%।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা:  ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা। 
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৩%)।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৭.০%।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- “জুলাই যোদ্ধা”।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব আহরণের গতি বৃদ্ধি পাওয়ায় রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হয়েছে।
- সংশোধিত বাজেট অনুযায়ী তা ২৪ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি করে চলতি অর্থবছরের জন্য মোট ৫ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- আর সংশোধিত বাজেটের আকার ২ হাজার কোটি টাকা কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- ১ ফেব্রুয়ারি থেকে সংশোধিত জাতীয় বাজেট কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১২,৫৪২.
বাংলাদেশের শিক্ষা বিভাগের প্রশিক্ষণের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. টিটিসি
  2. পিএটিসি
  3. নায়েম
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
নায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নায়েম
ব্যাখ্যা
NAEM:
- NAEM-এর পূর্ণরূপ: National Academy for Educational Management.
- দেশের শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনায় প্রশিক্ষণ ও গবেষণাভিত্তিক শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত নায়েম ।
- শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন এই প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় দক্ষ জনবল গড়ে তোলার লক্ষ্যে বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করে আসছে।

⇒ ১৯৫৯ সালে এটি এডুকেশন এক্সটেনশন (EEC) সেন্টার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- স্বাধীনতার পরে ১৯৭৫ সালে এ সংস্থা বাংলাদেশ শিক্ষা সম্প্রসারণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (BEERI) হিসেবে বাংলাদেশের কলেজ ও মাদ্রাসা শিক্ষক, প্রশাসক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের গবেষণা ও ব্যবস্থাপনা প্রশিক্ষণের দায়িত্ব নিয়োজিত ছিল।
- অতিরিক্ত ব্যয় হ্রাস ও কার্যকরী শিক্ষা ব্যবস্থাপনা উন্নয়নের লক্ষ্যে (NIEMR) ও বিরি (BEERI)-কে একীভূত করে ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট ফর এডুকেশনাল এ্যাডমিনিস্ট্রেশন এক্সটেনশন এন্ড রিচার্স (NIEAER) নামে অভিহিত করেন।
- নিয়েয়ারকে আবারও পরিবর্তন করে ১৯৯২ সালে জাতীয় ব্যবস্থাপনা একাডেমী (নায়েম) হিসাবে নামকরণ করা হয়।
- বর্তমানে এর প্রধান দায়িত্ব বিভিন্ন স্তরে শিক্ষার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহের প্রধানদের শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্বল্পকালীন প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা, মহাপরিচালক এই একাডেমির নির্বাহী প্রধান।

⇒ নায়েম এ চারটি বিভাগ রয়েছে।
- এ বিভাগগুলো হলো- পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগ, প্রশিক্ষণ ও বাস্তবায়ন বিভাগ, প্রশাসন ও অর্থ বিভাগ এবং গবেষণা ও তথ্যায়ন বিভাগ।
- নায়েমের প্রশাসনিক কাঠামোয় রয়েছেন ১৪ সদস্যের একটি বোর্ড অব গভর্র্নস, যার সভাপতি শিক্ষামন্ত্রী এবং সদস্য সচিব প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক। 

উৎস: i) বাংলাদেশের শিক্ষা, স্কুল অব এডুকেশন, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৫৪৩.
পুণ্ড্র জনপদের বর্তমান অবস্থান কোনটি?
  1. ওয়ারী-বটেশ্বর
  2. ময়নামতি
  3. মহাস্থানগড়
  4. সোমপুর বিহার
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহাস্থানগড়
ব্যাখ্যা
পুণ্ড্র জনপদ:
- পুণ্ড্র ছিল পূর্বাঞ্চলের জনপদসমূহের মধ্যে খুব সম্ভবত প্রাচীনতম।
- বগুড়া, রাজশাহী, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অবস্থানভূমিকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠে পুণ্ড্র জনপদ। প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রবর্ধন বা পুণ্ড্রনগর।
- এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুণ্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়। গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুণ্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুণ্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে সমৃদ্ধ রাজ্য।

⇒ মহাস্থানগড়:
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি। এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গেছে। সেন বংশের শেষ রাজা লক্ষ্মণ সেন (১০৮২-১১২৫) যখন গৌড়ের রাজা ছিলেন তখন এই গড় অরক্ষিত ছিল। ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন ঐতিহাসিক স্থান। ২০১৬ সালে এটিকে সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম।
১২,৫৪৪.
আইন প্রণয়নের ক্ষমতা কার হাতে?
  1. ক) আইন মন্ত্রণালয়
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) স্পিকার
  4. ঘ) জাতীয় সংসদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জাতীয় সংসদ
ব্যাখ্যা
- আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ বা আইন বিভাগ সার্বভৌম ক্ষমতার অধিকারী। বাংলাদেশ সংবিধানের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার প্রবর্তন করা হয়।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। সংবিধান বলা হয়েছে যে, 'জাতীয় সংসদ' নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকবে এবং এ সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা সংসদে ওপর ন্যস্ত হবে।
- রাজধানী ঢাকায় জাতীয় সংসদের স্থায়ী আসন রয়েছে। জাতীয় সংসদের কার্যকাল ৫ বছর হবে।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২,৫৪৫.
রানী চাঁদ সুলতানা কোন মুসলিম রাজ্যের রানী ছিলেন?
  1. খান্দেশ 
  2. গোলকুন্ডা
  3. বিজাপুর
  4. আহমদ নগর
সঠিক উত্তর:
আহমদ নগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আহমদ নগর
ব্যাখ্যা
রানী চাঁদ সুলতানা আহমদ নগর মুসলিম রাজ্যের রানী ছিলেন।

• আহমদ নগর:
- সম্রাট আকবরের রাজত্বকালে দাক্ষিণাত্যে আহমদনগর, বিজাপুর, গোলকুন্ডা, বিদর এবং খান্দেশ এই পাঁচটি স্বাধীন মুসলিম রাজ্য ছিল। এদের মধ্যে আহমদনগর ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী।
- আকবর প্রথমে দূত পাঠিয়ে এসব রাজ্যের সুলতানদের মোগল আধিপত্য মেনে নেয়ার প্রস্তাব দেন।
কিন্তু একমাত্র খান্দেশের সুলতান সম্রাট আকবরের আনুগত্য স্বীকার করে। ফলে আকবর সমরাভিযানের প্রস্তুতি মনোনিবেশ নেন।
- ১৫৯৫ খ্রিস্টাব্দে মোগল বাহিনী আহমদনগর অভিযানে বের হয়।
- আহমদনগরের রাণী চাঁদ সুলতানা আকবরকে বেরার প্রদেশ দান করে তাঁর সঙ্গে সন্ধি স্থাপন করেন।
- ১৬০০ খ্রিস্টাব্দে চাঁদ সুলতানার মৃত্যুর পর আহমদনগর আকবরের সাম্রাজ্যভুক্ত হয়।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৫৪৬.
'কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট' কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট:
- কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট বা কেএনএফকে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন।
- বান্দরবান ও রাঙ্গামাটির অন্তত ছয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছে তারা।
- এগুলো হলো: বম, পাংখোয়া, লুসাই, খিয়াং, ম্রো ও খুমি। 
- তাদের সাংগঠনিক প্রধান নাথান বম।
- নাথান বম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের শিক্ষার্থী ছিলেন।
-  তিনি রুমা উপজেলার এডেনপাড়ার অধিবাসী।
- রুমার এডেনপাড়ায় কুকি চিন ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (কেএনডিও) নামের একটি বেসরকারি সংগঠনেরও প্রতিষ্ঠাতা তিনি। 
- আত্মপ্রকাশের পর কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্ট (কেএনএফ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি, বরকল, জুরাছড়ি, বিলাইছড়ি এবং বান্দরবান জেলার রোয়াংছড়ি, রুমা, থানচি, লামা ও আলীকদম উপজেলার সমন্বয়ে পৃথক রাজ্যের দাবি করে।

উল্লেখ্য,
- কুকি চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) সামরিক শাখা কুকি চিন আর্মি (কেএনএ) পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিন ধরে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কর্মরত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
- কেএনএফ-এর সামরিক শাখা কেএনএ-এর শতাধিক সদস্য গেরিলা প্রশিক্ষণের জন্য মিয়ানমারের কাচিন প্রদেশে যায়।
- ২০২১ সালে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি দল ফিরে আসে।
- এই দলের সদস্যরাই এখন সেনাবাহিনীর ওপর একের পর এক হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

উৎস: ২০ অক্টোবর ২০২২, বিবিসি বাংলা।
১২,৫৪৭.
২০২৪ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কততম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়?
  1. ১০৩তম
  2. ১০৪তম
  3. ১০৫তম
  4. ১০৬তম
সঠিক উত্তর:
১০৪তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০৪তম
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান:

→ ১৭ মার্চ, ২০২৪ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৪তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়।
→ সারাদেশে দিনটি জাতীয় শিশু কিশোর দিবস হিসাবে উদযাপিত হয়।
স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের ১৭মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
→  দিবসটি উদযাপনে ১৭ মার্চ দেশের সকল সরকারি,আধা-সরকারি,স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সকল সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (১৭মার্চ, ২০২৪)।

১২,৫৪৮.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর বসবাস?
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩টি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে।
- জেলার দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- সংখ্যার দিক দিয়ে - বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হলো চাকমা। দ্বিতীয় অবস্থানে আছে মারমা। তৃতীয় অবস্থানে আছে ত্রিপুরা।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

উৎস: জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১২,৫৪৯.
আগরতলা মামলার বিচারকার্য ট্রাইব্যুনালের প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. এস.এ.রহমান
  2. এম.আর.খান
  3. মকসুমুল হাকিম
  4. আতাউর রহমান খান
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এস.এ.রহমান
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলার বিচারকার্য:

- আগরতলা মামলার বিচারকার্য পরিচালনার জন্য বিশেষ ট্রাইবুনাল গঠন করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ১৯ জুন বেলা এগারটায় কুর্মিটোলা ক্যান্টনমেন্টের একটি বিশেষ কক্ষে মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মামলাটি ছিল পাকিস্তান দণ্ডবিধির ১২ ক এবং ১৩১ ধারা অনুসারে।
- প্রখ্যাত আইনজীবী আবদুস সালাম খানের নেতৃত্বে অভিযুক্তদের আইনজীবীদের নিয়ে একটি আত্মপক্ষ সমর্থকদল গঠন করা হয়।
- যুক্তরাজ্য প্রবাসী বাঙালিরা ব্রিটেনের প্রখ্যাত আইনজীবী স্যার টমাস উইলিয়াম এমপিকে বিশেষ ট্রাইবুনালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আইনজীবী হিসেবে প্রেরণ করেন।
- তাঁকে সহযোগিতা করেন আবদুস সালাম খান, আতাউর রহমান খান প্রমুখ।
- পাকিস্তান সরকারের পক্ষে প্রধান কৌসুলী ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনজুর কাদের ও অ্যাডভোকেট জেনারেল টি.এইচ.খান।
- ট্রাইবুনালের প্রধান বিচারপতি ছিলেন এস.এ.রহমান।
- অপর দুই বিচারপতি ছিলেন এম.আর.খান ও মকসুমুল হাকিম।
- ২৯ জুলাই ১৯৬৮ মামলার শুনানি শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৫৫০.
বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ব্যাংক একীভূত করণের নীতিমালা জারি হয় কবে?
  1. ৫ এপ্রিল, ২০২৪
  2. ৪ এপ্রিল, ২০২৪
  3. ৩ এপ্রিল, ২০২৪
  4. ২ এপ্রিল, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ এপ্রিল, ২০২৪
ব্যাখ্যা
ব্যাংক একীভূত করণ নীতিমালা:
- বাংলাদেশ ব্যাংক ৪ এপ্রিল, ২০২৪ তারিখে জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ব্যাংক একীভূতকরণ নীতিমালা জারি করেছে।
- এই নীতিমালার আওতায় রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ও ব্যক্তিমালিকানাধীন দুর্বল ব্যাংকগুলোকে একীভূত করা হবে।
উল্লেখ্য,
- নীতিমালায় অনুযায়ী, খারাপ অবস্থায় থাকা ব্যাংকগুলো নিজ থেকে একীভূত না হলে বাধ্যতামূলকভাবে একীভূতকরণ করা হবে।
- একীভূতকরণের আগে দুই ব্যাংকের মধ্যে একটি সমঝোতা সই করতে হবে।
- এরপর বিস্তারিত পরিকল্পনা বিশেষ করে আমানতকারী, সব পাওনাদার ও বিনিয়োগকারীর অর্থ ফেরতের পরিকল্পনা জমা দিতে হবে।
- এরপর বাংলাদেশ ব্যাংক বহিঃনিরীক্ষক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ব্যাংকের সার্বিক আর্থিক চিত্র বের করবে।
- বিভিন্ন প্রক্রিয়া শেষে সর্বশেষ আদালতের কাছে একীভূতকরণের আবেদন করতে হবে।

উৎস: ৫ এপ্রিল ২০২৪, প্রথম আলো।
১২,৫৫১.
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন -
  1. ওবায়দুল হাসান
  2. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
  3. আবু মোস্তফা কামাল
  4. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
সঠিক উত্তর:
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম ছিলেন। 

⇒ বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ স্বাধীন হয় ১ নভেম্বর ২০০৭ সালে।
- ২০০০ সালের ২৮ মে মাসে উচ্চ আদালতে প্রথমবারের মতো নিয়োগ পান নারী বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা।
- হাইকোর্টের ব্রেঞ্চ গঠন করেন প্রধান বিচারপতি।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দিয়ে থাকেন রাষ্ট্রপতি।
- বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির বয়সসীমা দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে পরবর্তী ৫ বছর।
-  সংবিধানের প্রণয়নকালে বিচারপতিদের চাকরির বয়সসীমা ছিল ৬২ বছর।
- দেশে সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয় ২৮ জানুয়ারি ২০১৩ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।
- বাংলাদেশের বর্তমান ২৫তম প্রধান বিচারপতি হলেন সৈয়দ রেফাত আহমেদ
 
উল্লেখ্য, 
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৪ (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে, সুপ্রীম কোর্ট দুটি বিভাগ নিয়ে গঠিত:
১. আপীল বিভাগ
২. হাইকোর্ট বিভাগ

আপীল বিভাগের এখতিয়ার
১. আপীল শুনানি: সংবিধানের ১০৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, হাইকোর্ট বিভাগের রায়, আদেশ বা দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীল শুনানির এখতিয়ার আপীল বিভাগের রয়েছে।
- বিশেষ ক্ষেত্রে হাইকোর্ট বিভাগ যদি সার্টিফিকেট প্রদান করে যে মামলাটি গুরুত্বপূর্ণ আইন বা সংবিধান ব্যাখ্যার প্রশ্নে জড়িত, তখন আপীল করা যাবে।
২. পরোয়ানা জারি: ১০৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে, আপীল বিভাগ ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় আদেশ বা রিট জারি করতে পারে।
৩. পুনর্বিবেচনার ক্ষমতা: ১০৫ অনুচ্ছেদে বর্ণিত, আপীল বিভাগ তার রায় বা আদেশ পুনর্বিবেচনার এখতিয়ার রাখে।
৪. উপদেষ্টামূলক ক্ষমতা: ১০৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি আইনি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নে আপীল বিভাগের মতামত চাইতে পারেন।
৫. বিধি প্রণয়ন ক্ষমতা: সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে আদালতের রীতি ও পদ্ধতি নির্ধারণে বিধি প্রণয়ন করতে পারে।

হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার
১. আদি এখতিয়ার: সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৌলিক অধিকার রক্ষায় হাইকোর্ট বিভাগ রিট জারি করতে পারে।
- কোম্পানি আইন, ১৯৯৪; বিবাহ বিচ্ছেদ আইন, ১৮৬৯ ইত্যাদির অধীনে আদি এখতিয়ার প্রয়োগ করা হয়।
২. আপীল শুনানি: ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮; দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮-এর অধীনে আপীল শুনানির ক্ষমতা রাখে।
৩. পুনঃনিরীক্ষণের ক্ষমতা: অধস্তন আদালতের রায় বা আদেশ পুনঃপরীক্ষার এখতিয়ার রয়েছে।
৪. তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা: সংবিধানের ১০৯ অনুচ্ছেদ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ অধস্তন আদালত ও ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম তদারকি করতে পারে।
৫. মামলা স্থানান্তর: সংবিধানের ১১০ অনুচ্ছেদ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ তার অধীনস্থ আদালত থেকে মামলা সরাসরি স্থানান্তর করতে পারে।

তথ্যসূত্র: সুপ্রিমকোর্ট ওয়েবসাইট, বাংলাদেশ সংবিধান ও বিবিসি বাংলা নিউজ। [লিঙ্ক] 

১২,৫৫২.
বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন কে?
  1. ক) শেখ মুজিবুর রহমান
  2. খ) মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
  3. গ) শাহ আব্দুল হামিদ
  4. ঘ) তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
খ) মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা
১৯৭২ সালের ২২শে মার্চ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবু সায়িদ চৌধুরী সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে ‘বাংলাদেশ গণপরিষদ আদেশ’ জারি করেন। ৭ এপ্রিল এটির সংশোধনী আদেশ জারি করা হয়।
১০ এপ্রিল ৪১৪ জন সদস্যের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে সভাপতিত্ব করেন মাওলানা আব্দুর রশীদ তর্কবাগীশ।
১০ ও ১১ই এপ্রিল এই অধিবেশনের মোট দুটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
শাহ আবদুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পিকার এবং মোহাম্মদ উল্ল্যাহ প্রথম ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন।
(সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)
১২,৫৫৩.
বাংলাদেশ সরকার কয়টি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করেছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
PRSP:
- PRSP-এর পূর্ণরূপ হলো: Poverty Reduction Strategy Papers.
- PRSP হলো IMF-এর নির্দেশনায় বাংলাদেশ সরকার গৃহিত দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র
- বাংলাদেশ সরকার ২০০৫-২০০৮ এবং ২০০৯-২০১১ সময়ে মোট দুটি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।
- বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন PRSP প্রণয়ন করে।

উল্লেখ্য,
- ২০০২ সালে বিশ্ব ব্যাংক দরিদ্র দেশগুলোর দারিদ্রসীমার নিচে বসবাসকারী নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে PRSP প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করে।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১২,৫৫৪.
বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশী মুক্তিযোদ্ধা____________?
  1. ক) মার্ক টালী
  2. খ) ডাব্লিউ এ এস ওভারল্যান্ড
  3. গ) আস্প্রে মারকো
  4. ঘ) এডওয়ার্ড কেনেক্তি
সঠিক উত্তর:
খ) ডাব্লিউ এ এস ওভারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ডাব্লিউ এ এস ওভারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে 'বীরপ্রতীক' খেতাবপ্রাপ্ত একমাত্র বিদেশি নাগরিক ডব্লিও এ এস ওডারল্যান্ড ৬ ডিসেম্বর, ১৯১৭ সালে হল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেছিলেন।
- তাঁর জাতীয়তা ছিল অস্ট্রেলিয়।
- মুক্তিযুদ্ধে তিনি ২ নং সেক্টরে কাজ করেন।
- ১৯৭০ সালে তিনি বাটা সু কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশে আসে।
- ১৮ মে, ২০০১ সালে তিনি মারা যান।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১২,৫৫৫.
জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির সংখ্যা-
  1. ক) ৩৯টি
  2. খ) ৪১টি
  3. গ) ৫০টি
  4. ঘ) ১১টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫০টি
ব্যাখ্যা
জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৫০টি। মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ৩৯টি এবং সংসদ সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সংখ্যা ১১টি।
উৎসঃ জাতীয় সংসদ সচিবালয়।
১২,৫৫৬.
নিচের কোনটি প্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. ক) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
  2. খ) চামড়াজাত পণ্য
  3. গ) বাইসাইকেল
  4. ঘ) হোম টেক্সটাইল
সঠিক উত্তর:
খ) চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
যেসব রপ্তানি পণ্যের কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস থেকে অথবা যেসব পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি সেগুলো হলো প্রচলিত রপ্তানি পণ্য।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- পাট ও পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- ফল
- চিংড়ি প্রভৃতি।
অন্যদিকে, যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- বাইসাইকেল
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- হোম টেক্সটাইল
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস প্রভৃতি।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১২,৫৫৭.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের ২১শে ফেব্রুয়ারির শহিদ দিবসকে 'আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস' হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ইউনিসেফ
  2. ইউনেসকো
  3. ইউএন
  4. এডিবি
সঠিক উত্তর:
ইউনেসকো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউনেসকো
ব্যাখ্যা
- ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কোর সাধারণ অধিবেশনে '২১ ফেব্রুয়ারি'কে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়। 

২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:

- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।
- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

সূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১২,৫৫৮.
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কে? [জুন,২০২৫]
  1. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  3. আদিলুর রহমান খান
  4. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
অন্তর্বতী সরকারের উপদেষ্টা:
- অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

• ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ- অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
• ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
• আসিফ নজরুল: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়,
-  প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় 
• মোঃ তৌহিদ হোসেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- আদিলুর রহমান খান: শিল্প মন্ত্রণালয় ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
• মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান: 
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়,
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
- রেলপথ মন্ত্রণালয়।

উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।
১২,৫৫৯.
১৯৭০ সালের নির্বাচন সংক্রান্ত আইনগত কাঠামো আদেশে সংবিধানের কতটি নীতি বেঁধে দেয়া হয়?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬টি
ব্যাখ্যা
আইনগত কাঠামো আদেশ:
- ইয়াহিয়া খান ১৯৭০ সালের ২৮শে মার্চ জাতির উদ্দেশে এক ভাষণে নির্বাচন সংক্রান্ত আইনগত কাঠামো আদেশ ঘোষণা করেন। 
- সেখানে তিনি মূলত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত হবে, ভোটদানের প্রক্রিয়া কী হবে, কত দিনের মধ্যে নির্বাচিত পরিষদ সংবিধান রচনা করবে এবং পাকিস্তানের দুই অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য বিশেষ কিছু দিক তুলে ধরেন। 
- তার ঘোষণার বিশেষ দিকগুলো ছিল:

১. পশ্চিম পাকিস্তানে এক ইউনিট ভেঙে দিয়ে সাবেক প্রদেশগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা হবে যা ১লা জুলাই ১৯৭০ সালে প্রতিষ্ঠিত হবে। 
২. ১৩ জন মহিলা প্রতিনিধি নিয়ে ৩১৩ আসনের জাতীয় পরিষদ হবে, আর ৬২১ জন সদস্য নিয়ে হবে পাঁচটি প্রাদেশিক পরিষদ। 
৩. নির্বাচনে এক ব্যক্তি এক ভোট নীতি গ্রহণ করা হয়। 
৪. পাকিস্তানের দুই অংশের আইন ও অর্থনীতি বিষয়ক দায়িত্ব এবং ক্ষমতা নির্বাচিত প্রতিনিধিরা নির্ধারণ করবেন।
৫. ভোটার তালিকা ১৯৭০ সালের জুন মাসের মধ্যে তৈরি হবে। 
৬. সংবিধান রচনার জন্য পরিষদের প্রথম অধিবেশন থেকে ১২০ দিনের সময় ধার্য করে দেন। 

- আইনগত কাঠামো আদেশের ২০ নং ধারায় সংবিধানের মূল ছয়টি নীতি বেঁধে দেয়া হয়।
যথা:
ক. ফেডারেল পদ্ধতির সরকার;
খ. ইসলামি আদর্শ হবে রাষ্ট্রের ভিত্তি;
গ. প্রাপ্তবয়স্কদের ভোটে প্রত্যক্ষ নির্বাচনে জনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিনিধিরা নির্বাচিত হবেন;
ঘ. মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে হবে;
ঙ. নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে বিভিন্ন এলাকার অর্থনৈতিক ও অন্যান্য বৈষম্য দূর করতে হবে;
চ. বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৫৬০.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট -
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) মুহম্মদ উল্লাহ
  3. গ) আবু সাঈদ চৌধুরী
  4. ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) শেখ মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- তিনি বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি (তাঁর অনুপস্থিতি ২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ পর্যন্ত)।

এছাড়াও,
- স্বাধীন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন।
- তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭২ সালের ৩০ জুন একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ ও ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছিলেন।
- তাজউদ্দীন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট দিয়েছিলেন; সেই বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।

উৎস: দৈনিক ইত্তেফাক ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৫৬১.
১৯২০ সালে কার নেতৃত্বে অসহযোগ আন্দোলন পরিচালিত হয়?
  1. সুভাষচন্দ্র বসু
  2. শেরে বাংলা একে ফজলুল হক
  3. মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
  4. সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জী
সঠিক উত্তর:
মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী
ব্যাখ্যা
অসহযোগ আন্দোলন: 
- মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর নেতৃত্বে পরিচালিত অসহযোগ আন্দোলন ছিল ভারতের এক শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী আন্দোলন।
- ১৯২০ সালে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রত্যক্ষ সংগ্রামের নীতি অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেয়, যা ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হিসেবে চিহ্নিত হয়।
- রাওলাট আইন, জালিয়ানওয়ালা বাগ হত্যাকান্ড ও পাঞ্জাবে সামরিক আইন যুদ্ধকালীন সময়ে ব্রিটিশদের প্রদত্ত উদার অঙ্গীকারকে মিথ্যা বলে প্রতিপন্ন করে।
- ক্ষতিকর বলে বিবেচিত দ্বৈত-শাসনের কর্ম-পরিকল্পনাসহ মন্টেগু চেমসফোর্ড রিপোর্ট খুব অল্পসংখ্যক লোককেই সন্তুষ্ট করতে পেরেছিল।
- এতদিন পর্যন্ত সরকারের ন্যায়পরায়ণতা ও নিরপেক্ষ বিচারে আস্থাশীল গান্ধী এখন উপলব্ধি করলেন যে, বাধ্য হয়েই সরকারের সঙ্গে অসহযোগ আরম্ভ করতে হবে।
- একই সময় মিত্র শক্তিবর্গ ও তুরস্কের মধ্যে স্বাক্ষরিত সেভার্স চুক্তির কঠোর শর্তাবলি ভারতীয় মুসলমানদের ক্ষুব্ধ করে তোলে।
- মুসলমানগণ খিলাফত আন্দোলন শুরু করে এবং গান্ধী নিজেকে তাদের সঙ্গে অবিচ্ছেদ্যরূপে একাত্ম করার সিদ্ধান্ত নেন।
- ‘গান্ধীর উঁচুস্তরের রাজনৈতিক কৌশল’ ভারতে অসহযোগ আন্দোলনে মুসলমানদের সমর্থন লাভ নিশ্চিত করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১২,৫৬২.
’রাজা রামমোহন রায়’ কোন প্রথা বিলুপ্তিতে নেতৃত্ব দেন?
  1. বহুবিবাহ
  2. বাল্যবিবাহ
  3. সতীদাহ প্রথা
  4. দাসপ্রথা
সঠিক উত্তর:
সতীদাহ প্রথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সতীদাহ প্রথা
ব্যাখ্যা

• রাজা রামমোহন রায়: 
- উপাধি: ভারতীয় রেনেসাঁর জনক।
- জন্ম: ২২ মে ১৭৭২/৭৪, রাধানগর, হুগলি, পশ্চিমবঙ্গ
- মৃত্যু: ২৭ সেপ্টেম্বর ১৮৩৩, ব্রিস্টল, ইংল্যান্ড
- পেশা: সমাজ সংস্কারক, চিন্তাবিদ, ভাষাবিদ, ধর্মতত্ত্ববিদ।
 
প্রধান অবদান:
- সতীদাহ প্রথা বিলুপ্তিতে নেতৃত্ব দেন , জাতিভেদ ও কুসংস্কারের বিরুদ্ধে অবস্থান।
- একেশ্বরবাদ প্রচার, প্রতিমা পূজার বিরোধিতা
- আধুনিক শিক্ষার প্রসার, ইংরেজি ও বাংলা ব্যাকরণ রচনা
- ১৮২৮ সালে ব্রাহ্ম সমাজ প্রতিষ্ঠা। 

রাজনৈতিক ও আন্তর্জাতিক ভূমিকা:
- মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় আকবর শাহ কর্তৃক “রাজা” উপাধি লাভ।
- ইউরোপীয় উদার চিন্তাধারার সাথে পরিচিত হয়ে তা ভারতীয় সমাজে প্রয়োগ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১২,৫৬৩.
'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালনা করে -
  1. বিমান বাহিনী
  2. মিত্র বাহিনী
  3. ক্র্যাক প্লাটুন
  4. নৌবাহিনী
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নৌবাহিনী
ব্যাখ্যা
অপারেশন জ্যাকপট:

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় নৌবাহিনীর পরিচালিত প্রথম অভিযান ছিল 'অপারেশন জ্যাকপট'।
- 'অপারেশন জ্যাকপট' পরিচালিত হয় ১৫ই আগস্ট মতান্তরে ১৬ই আগস্ট ১৯৭১ সালে। [অপশনে ১৫ আগস্ট থাকলে ১৫ আগস্ট দাগাতে হবে। অপশনে ১৫ আগস্ট না থাকলে সেই ক্ষেত্রে ১৬ আগস্ট দাগাতে হবে।]
- দেশের দুইটি সমুদ্রবন্দর—চট্টগ্রাম ও মোংলা এবং দুইটি নদী বন্দর - চাঁদপুর ও নারায়ণগঞ্জে একযোগে একই নামে পরিচালিত অপারেশনগুলো চালানো হয়েছিল।
- অপারেশন জ্যাকপট ছিল একটি আত্মঘাতী অভিযান।
- এই অপারেশনে পাকিস্তান ও আরও কয়েকটি দেশ থেকে আসা অস্ত্র, খাদ্য ও তেলবাহী ২৬টি জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া হয়েছিল।
- চট্টগ্রামে বন্দরে অপারেশন চালানোর জন্য বাছাই করা হয়েছিল ৬০ জনের একটি দল।
- ১৯৭১ সালের অগাস্টের ১৫ তারিখ রাতে অপারেশন জ্যাকপট পরিচালনার সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে এর পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছিল সেই বছরের মে মাসে।
- সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রফিকুল ইসলাম ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে এক নম্বর সেক্টরের কমান্ডার।
- অপারেশন জ্যাকপটে চট্টগ্রাম বন্দরের অভিযান তার তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়।
- সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের জন্য বীর উত্তম খেতাব লাভ করেছিলেন।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ১৬ই আগস্ট ২০২১।
১২,৫৬৪.
এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে কত তারিখে উদ্বোধন করা হয়?
  1. ১০ অক্টোবর
  2. ২৪ অক্টোবর
  3. ২০ অক্টোবর
  4. ২ সেপ্টেম্বর
সঠিক উত্তর:
২ সেপ্টেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ সেপ্টেম্বর
ব্যাখ্যা
ফার্স্ট ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে পিপিপি প্রকল্প:
- ২ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখে বিমানবন্দর থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত অংশের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
প্রকল্পের রুট - হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের দক্ষিণে কাওলা-কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী-ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়ক (কুতুবখালী)। 
চুক্তি স্বাক্ষর - ১৯ জানুয়ারী ২০১১।
প্রকল্পের মেয়াদ - জুলাই ২০১১ থেকে জুন ২০২৪।
প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা:
মূল এলিভেটেড অংশের দৈর্ঘ্য ১৯.৭৩ কি.মি.।
প্রকল্পে উঠা-নামার জন্য মোট ২৭ কি.মি দীর্ঘ ৩১টি র‍্যাম্প রয়েছে।
র‍্যাম্পসহ এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের মোট দৈর্ঘ্য ৪৬.৭৩ কি.মি.।

উৎস: দি ডেইলি স্টার। [লিঙ্ক]
১২,৫৬৫.
বর্তমানে বাংলাদেশের কয়টি ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার সাথে যুক্ত? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ২৫টি
  2. ২৮টি
  3. ৩১টি
  4. ৩৫টি
সঠিক উত্তর:
৩১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১টি
ব্যাখ্যা
এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা:
- ২০১৪ সালে ব্যাংক এশিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশে চালু হয় এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের ৩১টি ব্যাংক এই সেবার সঙ্গে যুক্ত।
- দেশজুড়ে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার আওতায় প্রায় আড়াই কোটি গ্রাহক হিসাব খোলা হয়েছে এবং ২১ হাজার কেন্দ্রের মাধ্যমে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে।
- গত মার্চ পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিং সেবার আওতায় আমানত জমা হয়েছে ৪২ হাজার কোটি টাকা।
- তার বিপরীতে ঋণ বিতরণ করা হয়েছে ১০ হাজার কোটি টাকা।

উল্লেখ্য,
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, এজেন্ট আউটলেটে দেশে শীর্ষে আছে ডাচ্‌–বাংলা ব্যাংক।
- গত মার্চের শেষে তাদের এজেন্ট আউটলেটের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৬২৫।
- এরপরের অবস্থানে রয়েছে ব্যাংক এশিয়া। মার্চ শেষে দেশজুড়ে তাদের এজেন্ট আউটলেটের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৩৬।
- তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ইসলামী ব্যাংক। তাদের এজেন্ট আউটলেট ২ হাজার ৭৯০।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]
১২,৫৬৬.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের রাজধানীর নামের ইংরেজি বানান Dacca থেকে Dhaka হয়?
  1. ৮ম সংশোধনী
  2. ৯ম সংশোধনী
  3. ১০ম সংশোধনী
  4. ১১তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ম সংশোধনী
ব্যাখ্যা
অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশের রাজধানীর নামের ইংরেজি বানান Dacca থেকে Dhaka হয়।

অষ্টম সংশোধনী:
- সংসদে উত্থাপন: ১১ মে, ১৯৮৮।
- উত্থাপনকারী: সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ। 
- সংসদে গৃহীত: ৭ জুন, ১৯৮৮। 
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভ: ৯ জুন, ১৯৮৮।

⇒ অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়;
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৫৬৭.
'বঙ্গ' জনপদের অবস্থান নিচের কোনটি?
  1. ভাগীরথী ও পদ্মার মধ্যবর্তী এলাকা
  2. বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ পূর্বাংশ
  3. মেঘনা পূর্ববর্তী অঞ্চল
  4. পদ্মা পূর্ববর্তী অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী ও পদ্মার মধ্যবর্তী এলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাগীরথী ও পদ্মার মধ্যবর্তী এলাকা
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো।
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল ।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৫৬৮.
জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রথম প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা-  
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস 
  2. সারজিস আলম
  3. মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ 
  4. নাহিদ ইসলাম 
সঠিক উত্তর:
মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ 
ব্যাখ্যা

• জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন: 
- জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের স্মরণে।
- এটি একটি অরাজনৈতিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক সংস্থা। 
- এই সংস্থা শহীদদের পরিবারকে সহায়তা এবং আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা নিশ্চিত করে।
- ফাউন্ডেশন ২০২৪ সালের ১০ সেপ্টেম্বর সমাজসেবা অধিদপ্তরের অনুমোদন পায়;
- এবং ১২ সেপ্টেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।

- ফাউন্ডেশনটির প্রধান উপদেষ্টা ও সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস;
- ফাউন্ডেশনটির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক সারজিস আলম, এবং 
- প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধকে নির্বাচিত করা হয়। 
- ফাউন্ডেশনটির কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।
- প্রাথমিক তহবিল হিসেবে প্রধান উপদেষ্টার ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ১০০ কোটি টাকা অনুদান প্রাপ্ত হয়।
------------------------------------------------- 
উল্লেখ্য,
- জুলাই শহিদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের প্রথম প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন মীর মাহবুবুর রহমান স্নিগ্ধ। 
- তিনি ২১ অক্টোবর ২০২৪ থেকে ৮ মে ২০২৫ পর্যন্ত দায়িত্বে ছিলেন।
- পরে লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) কামাল আকবর নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হন।

উৎস: July Shaheed Smrity Foundation Website. 

১২,৫৬৯.
নিচের কোনটি ছয় দফার গুরুত্ব নয়?
  1. বাঙালি জাতীয়তাবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ
  2. আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি
  3. মুক্তিযুদ্ধে প্রভাব
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
ছয় দফার গুরুত্ব:
- ছয়দফার প্রতিটি দফাই ছিল তাৎপর্যপূর্ণ এবং এ কারণে একে বাঙালির বাঁচার দাবি বলা হয়েছে।
- ৬ দফা কর্মসূচি প্রচারিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব পাকিস্তানে বিরাট সাড়া পড়ে যায়।
- পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ ব্যাপকভাবে এই কর্মসূচী সমর্থন করে।
- আওয়ামী লীগ স্বল্প সময়ের ব্যবধানে জনগণের হৃদয় জয় করে নিল।
- পূর্ব বাংলার বুদ্ধিজীবী ব্যবসায়ী, আইনজীবী, সরকারী কর্মকর্তাসহ, সর্বস্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ৬ দফা কর্মসূচী সমর্থন করেছিল।
- ৬ দফার মূল বক্তব্য ছিল, পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা বিষয় বাদ দিয়ে আর সব ব্যাপারে পূর্ব-বাংলার স্বায়ত্তশাসন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৬ দফার মধ্যে দেশের দুই অঞ্চলের মাঝে বিদ্যমান আর্থ-সামাজিক বৈষম্য তুলে ধরেন।
- এই গুরুত্বপূর্ণ দাবী নিয়ে আওয়ামী লীগ রাজনীতি ক্ষেত্রে প্রাধান্য লাভ করে।

উল্লেখ্য, ছয় দফার গুরুত্ব:
১. বাঙালি জাতীয়তাবাদের চূড়ান্ত বহিঃপ্রকাশ:
- ছয় দফার প্রতি জনগণের সমর্থন ছিল স্বতঃস্ফূর্ত।
- ছয় দফা আন্দোলন কঠোরভাবে দমনের ফলে বাঙালি জাতি নবযাগ্রত চেতনাবোধ তাদের ঐক্যবদ্ধ করে।
- এর ফলে স্বায়ত্ত শাসন দাবি জোরদার হয়।

২. আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি:
- ছয় দফা ভিত্তিক দাবিগুলো ছিল বাঙালির প্রাণের দাবি, তাই এদলটি '৬৬ সালের পর ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

৩. ১৯৭৫ সালের নির্বাচনে প্রভাব:
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী কর্মসূচিতে ছয় দফা অন্তর্ভূক্ত করায় এদলটি ব্যপক জনপ্রিয়তা ও নিরংকুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা লাভ করে।

৪. মুক্তিযুদ্ধে প্রভাব:
- ছয় দফাকে কেন্দ্র করেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার বীজ অংকুরিত হয়।
- ৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে বাঙালির স্বাশাসনের নিষয়টি সময়ের ব্যাপারে পরিণত হয়।
- এভাবে ছয় দফা বাঙালি জাতিকে মুক্তির প্রেরণা দেয়।
১২,৫৭০.
Who was the sector commander of 'Sector 03' during our liberation war?
  1. Chitta Ranjan Dutta
  2. K. M. Shafiullah
  3. Ziaur Rahman
  4. Major Rafiqul Islam
  5. ATM Haider
সঠিক উত্তর:
K. M. Shafiullah
উত্তর
সঠিক উত্তর:
K. M. Shafiullah
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে সেক্টরসমূহ:
- মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।

• ১নং সেক্টর: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালি জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে। সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

• ২ নং সেক্টর: ঢাকা, কুমিল্লা, ফরিদপুর এবং নোয়াখালি জেলার অংশ নিয়ে গঠিত। এ সেক্টরের বাহিনী গঠিত হয় ৪- ইস্টবেঙ্গল এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালির ইপিআর বাহিনী নিয়ে। আগরতলার মেলাঘরে ছিল এ সেক্টরের সদরদপ্তর। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দার।

• ৩ নং সেক্টর: উত্তরে চূড়ামনকাঠি (শ্রীমঙ্গলের নিকট) থেকে সিলেট এবং দক্ষিণে ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার সিঙ্গারবিল পর্যন্ত এলাকা নিয়ে গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর কে.এম শফিউল্লাহ এবং পরে মেজর এ.এন.এম নূরুজ্জামান।

• ৪নং সেক্টর: উত্তরে সিলেট জেলার হবিগঞ্জ মহকুমা থেকে দক্ষিণে কানাইঘাট থানা পর্যন্ত ১০০ মাইল বিস্তৃত সীমান্ত এলাকা নিয়ে গঠিত। সিলেটের ইপিআর বাহিনীর সৈন্যদের সঙ্গে ছাত্র মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বয়ে এ সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর চিত্তরঞ্জন দত্ত এবং পরে ক্যাপ্টেন এ রব। হেডকোয়ার্টার ছিল প্রথমে করিমগঞ্জ এবং পরে আসামের মাসিমপুরে।

• ৫ নং সেক্টর: সিলেট জেলার দুর্গাপুর থেকে ডাউকি (তামাবিল) এবং জেলার পূর্বসীমা পর্যন্ত বিস্তৃত এলাকা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর মীর শওকত আলী। হেড কোয়ার্টার ছিল বাঁশতলাতে।

• ৬ নং সেক্টর: সমগ্র রংপুর জেলা এবং দিনাজপুর জেলার ঠাকুরগাঁও মহকুমা নিয়ে গঠিত। প্রধানত রংপুর ও দিনাজপুরের ইপিআর বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন উইং কমান্ডার এম খাদেমুল বাশার।

• ৭ নং সেক্টর: রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া এবং দিনাজপুর জেলার দক্ষিণাংশ নিয়ে গঠিত হয়। ইপিআর সৈন্যদের নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী ক্যাপ্টেন গিয়াস ও ক্যাপ্টেন রশিদের নেতৃত্বে রাজশাহীতে প্রাথমিক অভিযান পরিচালনা করে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর নাজমুল হক এবং পরে সুবেদার মেজর এ. রব ও মেজর কাজী নূরুজ্জামান।

• ৮ নং সেক্টর: এপ্রিল মাসে এই সেক্টরের অপারেশনাল এলাকা ছিল কুষ্টিয়া, যশোর, খুলনা, বরিশাল, ফরিদপুর ও পটুয়াখালী জেলা। মে মাসের শেষে অপারেশন এলাকা সঙ্কুচিত করে কুষ্টিয়া, যশোর ও খুলনা জেলা, সাতক্ষীরা মহকুমা এবং ফরিদপুরের উত্তরাংশ নিয়ে এই সেক্টর পুনর্গঠিত হয়। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর আবু ওসমান চৌধুরী এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর।

• ৯ নং সেক্টর: বরিশাল ও পটুয়াখালি জেলা এবং খুলনা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত। এই সেক্টরের হেড কোয়ার্টার ছিল বশিরহাটের নিকটবর্তী টাকিতে। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম.এ জলিল এবং পরে মেজর এম.এ মঞ্জুর ও মেজর জয়নাল আবেদীন।

• ১০ নং সেক্টর: নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।

• ১১ নং সেক্টর: টাঙ্গাইল জেলা এবং কিশোরগঞ্জ মহকুমা ব্যতীত সমগ্র ময়মনসিংহ জেলা নিয়ে গঠিত। সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর এম. আবু তাহের। মেজর তাহের যুদ্ধে গুরুতর আহত হলে স্কোয়াড্রন লীডার হামিদুল্লাহকে সেক্টরের দায়িত্ব দেয়া হয়। মহেন্দ্রগঞ্জ ছিল সেক্টরের হেডকোয়ার্টার।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,৫৭১.
ড. মুহম্মদ শামসুজ্জোহা কোন আন্দোলন চলাকালে শহীদ হয়?
  1. ক) ৫২ এর ভাষা আন্দোলন
  2. খ) ৬২ এর শিক্ষা আন্দোলন
  3. গ) ৬৯ এর গণঅভ্যূত্থান
  4. ঘ) ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৯ এর গণঅভ্যূত্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬৯ এর গণঅভ্যূত্থান
ব্যাখ্যা
ড. মুহম্মদ শাসুজ্জোহা ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রসায়ন বিভাগের লেকচারার ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর। ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবি’র প্রধান ফটকে পাকবাহিনীর গুলিতে তিনি শহীদ হন। তার ‍মৃত্যুতে আইয়ুববিরোধী আন্দোলন তীব্র আকার ধারণ করে। (সূত্র: বাংলাপিডিয়া)
১২,৫৭২.
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের মাধ্যমে কয়টি স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টীয় প্রায় ৪ শতকের শুরুতে উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রথম গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- মগধ বা বরেন্দ্রের অধিপতি ছিলেন গুপ্তদের আদিপুরুষ শ্রীগুপ্ত।
- প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর একে একে সমুদ্রগুপ্ত, দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্য, ১ম কুমারগুপ্ত মহেন্দ্রাদিত্য, স্কন্ধগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের প্রবল পরাক্রান্ত শাসন লক্ষ করা যায়।
- তবে পরবর্তীকালের গুপ্ত শাসকগণ অপেক্ষাকৃত দুর্বল ছিলেন।
- তারপর হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

⇒ ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বিশাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- সেই অস্থিতিশীল পরিবেশে বাংলাদেশে দুটো স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে।
- এর একটি হচ্ছে স্বাধীন 'বঙ্গ রাষ্ট্র', অপরটি 'গৌড় রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৫৭৩.
How many state-owned insurance companies in Bangladesh?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
সঠিক উত্তর:
2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
2
ব্যাখ্যা
বীমা প্রতিষ্ঠান:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর জীবন বীমার সুফল দেশের সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেয়ার উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সনের রাষ্ট্রপতির ৯৫নং আদেশ বলে বাংলাদেশের বীমা শিল্প জাতীয়করণের আওতায় আনা হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশে দুটি রাষ্ট্রায়ত্ত বীমা প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- এগুলো হলো:
i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন এবং
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন।
- দুটি প্ৰতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এগুলা অর্থ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।
- এই দুটি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ অর্থ মন্ত্রনালয়ের অধীনে ১৯৭৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

⇒ বাংলাদেশ সরকার সরকারি বা বেসরকারি সব ধরণের বীমা প্রতিষ্ঠান এর তত্ত্বাবধান এবং নিয়ন্ত্রনের উদ্দেশ্যে বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেন।
- এই আইনের অধীনে ২০১১ সালে Insurance Development and Regulatory Authority (IDRA) বা বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: i) সাধারণ বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) জীবন বীমা কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
১২,৫৭৪.
দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. রংপুর
  3. নারায়ণগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ:
- জুলাই অভ্যুত্থানের স্মরণে রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে জেলা পর্যায়ে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
- জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ-এর নকশাকার আব্দুল হালিম চঞ্চল
- ১৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট ব্যাসের এই স্তম্ভে রয়েছে ২০২৪ সালের জুলাইয়ের স্লোগান, কবিতা ও গ্রাফিতি।
- দেশের প্রথম 'জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ' নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।

উল্লেখ্য:
- আগ্রাসন বিরোধী আট স্তম্ভ শহীদ আবরার ফাহাদের স্মরণে নির্মিত একটি প্রতীকী স্থাপনা যার নকশাকার হলেন স্থপতি নাজমুল হক নাঈম।
- 'অদম্য ২৪' স্মৃতিস্তম্ভটির নকশা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থী মো. রাঈদ হোসেন, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মরণে নির্মিত এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- শহীদ আবু সাঈদ-কে নিয়ে অঙ্কিত শিল্পকর্ম 'উন্নত মম শির' -এর শিল্পী শহীদ কবির।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।

১২,৫৭৫.
পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. ক) চীন
  2. খ) বাংলাদেশ
  3. গ) ভিয়েতনাম
  4. ঘ) শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
ক) চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চীন
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের অবস্থান তৃতীয়।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ চীন।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ ভিয়েতনাম।

- তৈরি পোশাক আমদানিতে শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় শীর্ষ দেশ জাপান।
- তৈরি পোশাক আমদানিতে তৃতীয় শীর্ষ দেশ যুক্তরাজ্য।
১২,৫৭৬.
মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  2. খন্দকার মুশতাক আহমেদ
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এ এইচ এম কামরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
• মুজিবনগর সরকার:
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।

এই সরকারের গঠন:
- রাষ্ট্রপতি - বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপ রাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি - সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী - তাজউদ্দিন আহমেদ।
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী - এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- অর্থ-বাণিজ্য মন্ত্রী - এম মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী - খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা নবম-দশম শ্রেণী।
১২,৫৭৭.
What is the first strategy adopted for the purpose of liberation war?
  1. Teliapara strategy
  2. Mujibnagar strategy
  3. Rajarbag strategy
  4. Meherpur strategy
  5. Rayerbag strategy
সঠিক উত্তর:
Teliapara strategy
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Teliapara strategy
ব্যাখ্যা
তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ:
- তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলাধীন তেলিয়াপাড়ায় অবস্থিত।
- মুক্তিযুদ্ধের প্রথম বৈঠক এখানে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
- এই স্মৃতিসৌধ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত স্মৃতিসৌধ।
- তেলিয়াপাড়া চা বাগানের বাংলোর পূর্ব দিকে নির্মাণ করা হয়েছে ২, ৩ ও ৪নং সেক্টরের শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মরণে তেলিয়াপাড়া স্মৃতিসৌধ।
- ১৯৭৫ সালের জুন মাসে এ স্মৃতিসৌধের উদ্বোধন করেন প্রাক্তন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ।

⇒ মুক্তিবাহিনী:
- ১৯৭১ সালের একাত্তর সালের ৪ এপ্রিল সামরিক বাহিনীর বাঙালি কর্মকর্তারা সিলেটের তেলিয়াপাড়া চা বাগানে এক বৈঠকে মিলিত হন।
- সেখানে তারা মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশল প্রণয়ন করে।
- পরে এটি তেলিয়াপাড়া স্ট্র্যাটেজি নামে পরিচিত হয়।
- বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয় এম এ জি ওসমানী যুদ্ধে নেতৃত্ব দেবেন এবং বাংলাদেশকে চারটি সামরিক অঞ্চলে ভাগ করে সশস্ত্র যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়া হবে।
- ১২-১৭ জুলাই কলকাতায় মুজিবনগর সরকারের নেতৃত্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি দীর্ঘ সম্মেলন হয়, সেখানেই তিনটি নিয়মিত বাহিনী তৈরি এবং বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) ১৬ ডিসেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।
১২,৫৭৮.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কয়টি আসন লাভ করে?
  1. ১৬৭টি
  2. ১৯৩টি
  3. ২২৩টি
  4. ৩০৯টি
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২২৩টি
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৫৭৯.
UNESCO বাংলাদেশের কোন ধরনের গানকে 'Heritage of Humanity' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে?
  1. লালনগীতি
  2. কবিগান
  3. বাউল
  4. হাসন রাজার গান
সঠিক উত্তর:
বাউল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাউল
ব্যাখ্যা
বাউল সংগীত:
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে কাজ করে আসছে।
- পদাধিকার বলে শিক্ষামন্ত্রী বিএনসিইউ এর চেয়ারম্যান ।
 
- মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষনা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।
১২,৫৮০.
হোসেনী দালান কোন আমলে নির্মিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়?
  1. তুুর্কি আমল
  2. ব্রিটিশ আমল
  3. মুঘল আমল 
  4. সুলতানি আমল
সঠিক উত্তর:
মুঘল আমল 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুঘল আমল 
ব্যাখ্যা

- হোসেনী দালান পুরানো ঢাকায় অবস্থিত।
- এটি শিয়া সম্প্রদায়ের একটি ইমারত।
- ইমারতটি মুঘল আমলে নির্মিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়।
- শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী, ৬১ হিজরির ১০ মুহররম (৬৮০ খ্রিস্টাব্দের ১০ অক্টোবর) তারিখে আল-হোসেনের  শহীদত্ব স্মরণ করতে এই ইমারত নির্মাণ করা হয়।
- শাহ সুজার শাসনকালে সৈয়দ মুরাদ প্রথম হোসেনী দালান নির্মাণ করেন।
- শাহ সুজা সুন্নি মুসলমান হলেও শিয়াদের রীতিনীতির পৃষ্ঠপোষকতা করতে আগ্রহী ছিলেন।
- প্রচলিত লোককাহিনী অনুসারে, সৈয়দ মুরাদ স্বপ্নে আল-হোসেনকে ‘তাজিয়াখানা’ নির্মাণ করতে দেখে এই ইমারত নির্মাণে উৎসাহিত হন।
- সৈয়দ মুরাদই ইমারতের নাম রাখেন হোসেনী দালান।
- প্রাথমিকভাবে এটি একটি ছোট্ট স্থাপনা ছিল।
- পরবর্তীতে ১৮০৭ ও ১৮১০ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির উদ্যোগে সংস্কার করা হয়।
- ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পের পর ইমারতের কিছু অংশ নতুন করে পুনর্নির্মাণ করা হয়।
- সংস্কার ও সম্প্রসারণের ফলে ইমারতটি বর্তমান রূপ ধারণ করেছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২,৫৮১.
বাবর আলী আলী এভারেস্টের শিখরে পা রাখেন কত তারিখ?
  1. ১৭ মে, ২০২৪ সালে
  2. ১৮ মে, ২০২৪ সালে
  3. ১৯ মে, ২০২৪ সালে
  4. ২০ মে, ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯ মে, ২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ মে, ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশী এভারেস্ট জয়ী:

- বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গের নাম এভারেস্ট পর্বত বা মাউন্ট এভারেস্ট (Mount Everest)।
- ১৯৫৩ সালে এডমন্ড হিলারি ও তেনজিং নোরগে নেপালের দিক থেকে দক্ষিণ-পূর্ব শৈলশিরা ধরে
প্রথম এই শৃঙ্গ জয় করেন। - বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ হচ্ছে ৬৭তম এভারেস্টজয়ী দেশ।
- এখন পর্যন্ত ৬ জন বাংলাদেশী এভারেস্ট জয় করেছেন।
- তাঁরা হলেন মুসা ইব্রাহীম, এম এ মুহিত, নিশাত মজুমদার, ওয়াসফিয়া নাজরীন, মো. খালেদ হোসাইন ও বাবর আলী।
- প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২৩ মে ২০১০ সালে প্রথম এভারেস্ট জয় করেন মুসা ইব্রাহিম। নারীদের মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি এভারেস্টজয়ী হচ্ছেন নিশাত মজুমদার।
- সর্বশেষ ১৯ মে, ২০২৪ সালে এভারেস্ট জয় করেন বাবর আলী।

তথ্যসূত্র - দৈনিক কালের কণ্ঠ, ৬ ডিসেম্বর, ২০২২ ও দ্যা ডেইলী স্টার, ১৯ মে, ২০২৪।
১২,৫৮২.
বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা -
  1. ছয় দফা
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. এগারো দফা
  4. মুক্তিযুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাষা আন্দোলন
ব্যাখ্যা
সংগ্রাম:
- বাঙালির জাতীয় মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

অন্যদিকে,
- শিক্ষা আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
- ছয়দফা আন্দোলন আন্দোলন সংঘটিত হয় ১৯৬৬-৬৮ সালে।
- মহান মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৫৮৩.
'বঙ্গবন্ধু হত্যা' মামলা দায়ের করা হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৫ সালে
  2. খ) ১৯৯০ সালে
  3. গ) ১৯৮৫ সালে
  4. ঘ) ১৯৯৬ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ১৯৯৬ সালে পুনরায় ক্ষমতায় আসার পর বঙ্গবন্ধুর সপরিবারে নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচারের দ্বার উন্মুক্ত হয়।
- ২ অক্টোবর, ১৯৯৬ সালে হত্যাকাণ্ডের ২১ বছর পর শেখ মুজিবুর রহমান রাষ্ট্রপতি থাকার সময় তাঁর রিসেপসনিস্ট কাম রেসিডেন্ট পিএ আ ফ ম মুহিতুল ইসলাম ধানমন্ডি থানায় ২৪ আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন ৷
- ২০০০ সালের ১৪ ডিসেম্বর ১২ আসামিকে মৃত্যদন্ড প্রদান করে আদালত রায় প্রদান করে।
- অবশেষে হত্যাকাণ্ডের ৩৪ বছর পর ১৯ নভেম্বর ২০০৯ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করে ৷
- মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচ আসামির আপিল আবেদন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ৷ ফলে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মোট ১২ আসামিরই মৃত্যুদণ্ড বহাল থাকে৷

তথ্যসূত্র:- দৈনিক প্রথম আলো।

১২,৫৮৪.
Which of the following is the function of the Central Bank?
  1. deposit collection
  2. savings mobilization
  3. loan sanction
  4. credit control
সঠিক উত্তর:
credit control
উত্তর
সঠিক উত্তর:
credit control
ব্যাখ্যা
Bangladesh Bank:
- BB performs all the core functions of a typical monetary and financial sector regulator, and a number of other noncore functions.
- The major functional areas include:
• Formulation and implementation of monetary and credit policies.
• Regulation and supervision of banks and non-bank financial institutions, promotion and development of domestic financial markets.
• Management of the country's international reserves.
• Issuance of currency notes.
• Regulation and supervision of the payment system.
• Acting as banker to the government.
• Money Laundering Prevention.
• Collection and furnishing of credit information.
• Implementation of the Foreign exchange regulation Act.
• Managing a Deposit Insurance Scheme.

উৎস: Bangladesh Bank Website.
১২,৫৮৫.
রুপালী ও ডেলফোজ কোন ফসলের উন্নত জাতের বীজ?
  1. তুলা
  2. ধান
  3. ভূট্টা
  4. গম
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
• রুপালি ও ডেলফোজ ও সিবি-১০  তুলার উন্নত জাতের বীজ।
- বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ড  ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- এটি ঢাকার ফার্মগেটে অবস্থিত।
- এটি তুলা চাষের প্রচার ও সুরক্ষা এবং তুলা গবেষণা ও সম্প্রসারণ কাজে নিয়োজিত।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে তুলো বীজ আমদানি মাধ্যমে ১৯৭০ এর দশকে তুলা উৎপাদন বৃদ্ধি করে।

এছাড়াও, 
• ধানের কয়েকটি উন্নত জাতের বীজ, যথা-
- হীরা, মালা, বিপ্লব, ব্রিশাইল, দুলাভোগ, ইরাটম, মুক্তা, সোনার বাংলা-১, ব্রি- হাইব্রিড।

• ভূট্টার কয়েকটি উন্নত জাতের বীজ, যথা-
- বর্ণালি, শুভ্রা, উত্তরণ।

•গমের কয়েকটি উন্নত জাতের বীজ, যথা-
- বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর, কাঞ্চন, অগ্রণী, আনন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ তুলা উন্নয়ন বোর্ড।
১২,৫৮৬.
দেশের প্রথম মুদ্রণ শিল্প পার্ক কোথায় স্থাপিত হচ্ছে?
  1. ক) গজারিয়া
  2. খ) সাভার
  3. গ) ভালুকা
  4. ঘ) সিরাজদিখান
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিরাজদিখান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সিরাজদিখান
ব্যাখ্যা
- পাঁচ বছর ভূমি জটিলতায় আটকে থাকার পর এবার আরও বড় পরিসরে হচ্ছে দেশের প্রথম মুদ্রণ শিল্প পার্ক।
- ঢাকা-দোহার সড়কের পাশে মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখানের খারসুর মৌজায় ১০০ একর পতিত জমিতে পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক)।
- মুদ্রণ শিল্পের বর্তমান মার্কেট সাইজ ১২০০০ কোটি টাকা। শুধু ঢাকায় মুদ্রণ শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে সাড়ে ৪০০ হাজারের বেশি।
- মুদ্রণ শিল্পে চার লাখ কর্মীর কর্মসংস্থান হয়েছে। শিল্প পার্ক হলে আরো দুই লাখ লোকের কর্মসংখ্যান বাড়বে।
source: www.tbsnews.net
১২,৫৮৭.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মোট কয়টি ফোর্স ছিল?
  1. ক) ১১টি
  2. খ) ৩টি
  3. গ) ৪টি
  4. ঘ) ৫টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩টি
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের ফোর্স,সেক্টর সমূহ:

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ৩টি ফোর্স ছিল
- “জেড” ফোর্স, “কে” ফোর্স, “এস” ফোর্স নিয়ে ৩টি ব্রিগেড ফোর্স।
- জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স,কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স,খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে কে ফোর্স
- মুক্তিযুদ্ধের সময় সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরের অধীনে ৬৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়।
- ঢাকা ও কুমিল্লা অঞ্চল নিয়ে ২নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল নিয়ে ১নং সেক্টর গঠন করা হয়।
- নৌ সেক্টর ছিলো ১০ নং  সেক্টরের অধিনে ।
- ১০ নং সেক্টরের নিয়মিত কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিলো না
- ২ নং সেক্টর প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম হায়দারের অধিনে ছিল।
- ১ নং সেক্টরে সেক্টর প্রধান ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান এবং পরে মেজর রফিকুল ইসলাম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,৫৮৮.
What is the length of Dhaka Metro Mass Rapid Transit (MRT)?
  1. 127 km
  2. 128 km
  3. 129 km
  4. 130 km
সঠিক উত্তর:
129 km
উত্তর
সঠিক উত্তর:
129 km
ব্যাখ্যা
মেট্রোরেল:
- বাংলাদেশের গণপরিবহনে বৈদ্যুতিক মেট্রোরেল যুক্ত হয় ২৮ ডিসেম্বর ২০২২ সালে।
- বাংলাদেশ সরকারের মালিকাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited.
- এর দৈর্ঘ্য ১২৯ কি.মি.।
- মেট্রোরেলের নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করা হয় ২৬ জুন, ২০১৬ সালে।
- বাংলাদেশ বিদ্যুৎ চালিত মেট্রোরেলে প্রবেশ করে ২৮ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে।
- মেট্রোরেলের প্রথম যাত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- মেট্রোরেলের প্রথম চালক মরিয়ম আফিজা।
- সাধারণ যাত্রীদের জন্যে মেট্রোরেল উন্মুক্ত করা হয় ২৯ ডিসেম্বর, ২০২২ তারিখে।
- মেট্রোরেলের কোচগুলোর নির্মাতা জাপানের কাওয়াসাকি-মিতসুবিশি কনসোর্টিয়াম।

উৎস: Dhaka Metro Mass Rapid Transit System - Railway Technology.
১২,৫৮৯.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে ইসলামকে রাষ্ট্রধর্মের মর্যাদা দেওয়া হয়?
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম
ব্যাখ্যা

অষ্টম সংশোধনী: 
অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়। এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়। এই সংশোধনী আইনবলে
(১) ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
(২) ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়;
(৩) সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার বা অভিধা গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ করা যেতে পারে যে, পরবর্তী সময়ে সুপ্রীম কোর্ট সংবিধানের ১০০ অনুচ্ছেদের সংশোধনীকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে, কারণ তার দ্বারা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো পরিবর্তিত হয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

১২,৫৯০.
বর্তমানে দেশে কয়টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে?
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

• ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়। 
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।

• এগুলো হলো:
- বাউলগান (২০০৮),
- জামদানি বুননশিল্প (২০১৩),
- মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬), 
- শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও
- ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)। 

- ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের আন্তসরকার কমিটির ১৮তম অধিবেশনে বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’।
- এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের  পর পঞ্চম বিমূর্ত ঐতিহ্য হিসেবে ইউনেসকোর ‘ইনটেনজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি’ তালিকায় স্থান পেল রিকশা ও রিকশাচিত্র।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন ও প্রথম আলো।
১২,৫৯১.
সংবিধানের কোন ভাগে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে?
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- বাংলাদেশ সরকারের যাবতীয় কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়।
- বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগের ১ম পরিচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির পদমর্যাদা, ক্ষমতা ও কার্যাবলি নির্ধারিত আছে
- রাষ্ট্রপতি দেশের প্রধান নির্বাহী; কিন্তু অলঙ্কারিক প্রধান।
- রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব পালনের অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করতে হয়।
- বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পাঁচ বছরের জন্য সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রবিরুদ্ধ কর্মকান্ডের জন্য সংসদ রাষ্ট্রপতিকে অভিশংসনের মুখোমুখি করতে পারে।
- বাংলাদেশ সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮ (৪) অনুসারে পঁয়ত্রিশ বছর বয়স্ক বাংলাদেশের যেকোন নাগরিক নির্দিষ্ট আইনের আওতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে পারেন।
- তাঁকে অবশ্যই সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা থাকতে হবে।
- এছাড়া এই সংবিধানের আওতায় তিনি কখনও এই পদ থেকে অপসারিত হননি এই শর্তটিও পূরণ করতে হবে।
- উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্রপতি থাকাকালীন সময়ে তিনি কখনই জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে পারবেন না।

বাংলাদেশের সংবিধান রাষ্ট্রপতিকে নানাবিধ ক্ষমতা প্রদান করেছে -
- শাসন সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- সংসদ ও আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- বিচার সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- অর্থ সংক্রান্ত ক্ষমতা,
- প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত ক্ষমতা।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৫৯২.
উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত কোনটি?
  1. গৌরব
  2. চমক
  3. অনুপম
  4. মোহর
সঠিক উত্তর:
মোহর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহর
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল কলার জাত:
- সিঙ্গাপুরী, কাবুলী, মেহের সাগর, অমৃত সাগর, সবরি, অনুপম, মালভোগ, মর্তমান, চাঁপা, অগ্নিশ্বর, কবরী।

উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল গমের জাত:
- কাঞ্চন, আকবর, অঘ্রাণী, প্রতিভা, সৌরভ, গৌরব।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল আমের জাত:
- মহানন্দা, ল্যাংড়া, ফজলি, হাড়িভাঙ্গা, আম্রপালি, গোপালভোগ, সূর্যপুরী, হিমসাগর, মোহনভোগ প্রভৃতি।

উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত:
- বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১২,৫৯৩.
বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঘোড়াশাল
  2. কাপ্তাই
  3. আশুগঞ্জ
  4. বাখরাবাদ
সঠিক উত্তর:
কাপ্তাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাপ্তাই
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত চট্টগ্রামের কাপ্তাইয়ে ৷
- ১৯৬২ সালে কর্ণফুলী নদীর তীরে ৪৬ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট নিয়ে কেন্দ্রটির যাত্রা শুরু হয়৷
- বর্তমানে এই কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ২৩০ মেগাওয়াট৷
- কর্ণফুলি নদীর নির্ধারিত স্থানে বাঁধ দিয়ে পানি প্রবাহ বন্ধ করে সঞ্চিত পানির বিরাট জলাধার সৃষ্টি এবং পানির এই শক্তিকে গতিশক্তিতে রুপান্তর করে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়। এজন্য ৬৭০.৬ মিটার দীর্ঘ এবং ৪৫.৭ মিটার উঁচু বাঁধ তৈরি করা হয়। এই বাধেঁর পাশে ১৬ টি জলকপাট সংযুক্ত ৭৪৫ ফুট দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট একটি জল নির্গমনপথ বা স্পীলওয়ে রয়েছ।

উৎস: রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা ওয়েবসাইট।
১২,৫৯৪.
বক্সারের যুদ্ধে কে পরাজিত হন?
  1. ক) মীর কাশিম
  2. খ) সুজাউদ্দৌলা
  3. গ) শাহ আলম
  4. ঘ) ফররুখশিয়ার
সঠিক উত্তর:
ক) মীর কাশিম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মীর কাশিম
ব্যাখ্যা
অযোদ্ধার নবাব সুজাউদ্দৌলা ও মুঘল সম্রাট শাহ আলমের সহায়তায় গড়ে তোলা মীর কাশিমের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে ১৭৬৪ খ্রিষ্টাব্দে বিহারের বক্সার নামক স্থানে ইংরেজ বাহিনীর যে যুদ্ধ সংঘটিত হয় তাই বক্সারের যুদ্ধ নামে খ্যাত। এ যুদ্ধে মীর কাশিম শোচনীয়ভাবে পরাজিত হন। [সূত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর ইতিহাস প্রথম পত্র, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা]
১২,৫৯৫.
সম্প্রতি, বিজ্ঞান সাময়িকী নেচার ‘Nation builder’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছে- [ডিসেম্বর, ২০২৪]
  1. আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে
  2. ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে
  3. ড. জাফর উল্লাহ্‌কে
  4. ফজলে হাসান আবেদকে
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে
ব্যাখ্যা
নেচার সাময়িকী সেরা দশ ব্যক্তিত্ব তালিকা-২০২৪:
- ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে প্রখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী 'নেচার' জ্ঞান-বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন শাখায় অবদান রাখা ২০২৪ সালের সেরা দশ ব্যক্তিত্বের তালিকা প্রকাশ করেছে।
- চলতি বছরের তালিকায় আবহাওয়া পূর্বাভাসের নতুন ধারণা থেকে শুরু করে একটি জাতিকে নেতৃত্ব দেয়ার বিষয় স্থান পেয়েছে।
- এ তালিকায় ৭ম স্থানে রয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- ড. ইউনূসকে ‘নেশন বিল্ডার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে সাময়িকীটি।

সাময়িকীটি ড. মুহাম্মদ ইউনূস সম্পর্কে বলেছে,
বাংলাদেশে স্বৈরাচারী সরকারের পতনে নেতৃত্ব দেওয়া শিক্ষার্থীরা শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দেশের নেতৃত্ব দিতে আমন্ত্রণ জানানোর দাবি জানিয়েছিলেন। এটি ছিল ড. ইউনূসের জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ, ছয় দশকের পেশাজীবনে তিনি কখনও রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেননি।

উল্লেখ্য,
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের যুগান্তকারী উদ্ভাবন হলো ‘ক্ষুদ্র ঋণ’। এই উদ্ভাবনের মাধ্যমে তিনি দেখিয়েছেন যে সঠিক ব্যবস্থাপনা থাকলে, ক্ষুদ্রঋণ সমাজের সবচেয়ে দরিদ্র অংশের জীবন বদলে দিতে পারে। ক্ষুদ্র ঋণের ধারণার ওপর ১৯৮৩ সালে গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। পরবর্তীতে তার ক্ষুদ্র ঋণের ধারণা সারা বিশ্বে মডেল হিসেবে স্বীকৃতি পায়।

তথ্যসূত্র: নেচার সাময়িকী ওয়েবসাইট।
১২,৫৯৬.
২০২৪-২৫ অর্থবছরের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাত কোনটি?
  1. জনপ্রশাসন
  2. কৃষি
  3. শিক্ষা ও প্রযুক্তি
  4. পরিবহন ও যোগাযোগ
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা ও প্রযুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিক্ষা ও প্রযুক্তি
ব্যাখ্যা
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৮১,৪৫৩ কোটি টাকা।
- পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,১৫,৫৪৭ কোটি টাকা। 
- বাজেটে খাতভিত্তিক বরাদ্দের বিবেচনায় মূল খাতগুলো হলো-
- শিক্ষা ও প্রযুক্তি, পরিবহন ও যোগাযোগ, স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন, কৃষি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানী খাত, স্বাস্থ্য, প্রতিরক্ষা, জনপ্রশাসন এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া ৩টি খাত: 
১ম: জনপ্রশাসন - ১,৭৫,৭৭৪ কোটি টাকা (২২.১%)
২য়: শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১,১১,১৫৭ কোটি টাকা (১৪%)
৩য়: পরিবহন ও যোগাযোগ - ৮২,৯১৮ কোটি টাকা (১০.৪%) ।

উৎস: জাতীয় বাজেট (২০২৪-২৫)
১২,৫৯৭.
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. এ কে ফজলুল হক
  3. মাওলানা ভাসানী
  4. আবুল মনসুর আহমেদ
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল মনসুর আহমেদ
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র - স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৫৯৮.
“চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে এমন এক সংগঠিত সামাজিক গোষ্ঠী, যা সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা না করে রাজনৈতিক কর্মকর্তাদের আচরণকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করে।” - কার সংজ্ঞা?
  1. ক) এস. ই. ফাইবার
  2. খ) এইচ. জিগলার
  3. গ) অ্যালান আর. বল
  4. ঘ) আলফ্রেড গ্রাজিয়ার
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলফ্রেড গ্রাজিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলফ্রেড গ্রাজিয়ার
ব্যাখ্যা

- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী সম্পর্কে উল্লেখিত সংজ্ঞাটি প্রদান করেছেন - আলফ্রেড গ্রাজিয়ার।
- চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বেসরকারি সংগঠন যা সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও স্বার্থ অর্জনের জন্য কাজ করে এবং সরকারের নীতি ও আচরণকে প্রভাবিত করে।
সূত্রঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীর (১ম) বোর্ড বই।

১২,৫৯৯.
সর্বশেষ নিহত বীরশ্রেষ্ঠ কে?
  1. মোস্তফা কামাল
  2. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  3. হামিদুর রহমান
  4. মতিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
ব্যাখ্যা
• মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীর:
 - ১৯৪৯ সালের ৭ মার্চ, বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে।
- ১৯৬৮ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত হন।
- ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে পাকিস্তান থেকে পালিয়ে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। তখন তাঁর পদবি ছিল ক্যাপ্টেন।
- ৭ নম্বর সেক্টরের মাহদীপুর সাব-সেক্টরের অধিনায়ক ছিলেন।
- ১৪ ডিসেম্বর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহর দখলের যুদ্ধে শহীদ হন।
- ১৫ ডিসেম্বর মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের মরদেহ ঐতিহাসিক সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।
- তিনি ছিলেন সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে সর্বশেষ শহীদ।

তথ্যসূত্র:- চিরন্তন ১৯৭১, প্রথম আলো।
১২,৬০০.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানের কততম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়?
  1. ক) তৃতীয় তফসিল
  2. খ) চতুর্থ তফসিল
  3. গ) ষষ্ঠ তফসিল
  4. ঘ) পঞ্চম  তফসিল
সঠিক উত্তর:
গ) ষষ্ঠ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ষষ্ঠ তফসিল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
• পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে নতুন ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়।
• বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বাধীনতার ঘোষণা সংবিধানের ষষ্ঠ তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়

• সংবিধানের তফসিলগুলো হলো -
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্টপতি নির্বাচন।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবালী
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: ১৯৭১ সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক প্রদত্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিবনগর সরকারের জারিকৃ্ত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

• এই তফসিল  সংবিধানের  ১৫০(২) নং অনুচ্ছেদ র্বণনা প্রদান করা হয়েছে। 
১৫০(২) অনুচ্ছেদ: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখ হইতে ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তন হইবার অব্যবহিত পূর্ব পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণার টেলিগ্রাম এবং সপ্তম তফসিলে বর্ণিত ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র হইল বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তি সংগ্রামের ঐতিহাসিক ভাষণ ও দলিল, যাহা উক্ত সময়কালের জন্য ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী বলিয়া গণ্য হইবে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।