বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১২৪ / ৩০৬ · ১২,৩০১১২,৪০০ / ৩০,৮৩২

১২,৩০১.
ইলিশকে ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য ঘোষণা করা হয়-
  1. ২০১৬ সালে
  2. ২০১৭ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২০ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা

• বর্তমানে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য- ৪টি। যথা-
১.জামদানি শাড়ি (১৭ নভেম্বর, ২০১৬)
২.ইলিশ মাছ (৬ আগস্ট, ২০১৭)
৩.ক্ষীরশাপাতি আম (২৭ জানুয়ারি, ২০১৯)
৪.ঢাকাই মসলিন (২৮ ডিসেম্বর, ২০২০)
• বাংলাদেশের মোট ৪ টি পণ্যকে ভৌগোলিক নির্দেশক সামগ্রী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় WIPO।
উৎসঃ শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও সাম্প্রতিক সমাচার।

১২,৩০২.
মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ কোথায় গড়ে তোলা হয়?
  1. যশোরে
  2. গাজীপুরে
  3. টাঙ্গাইলে
  4. মুজিবনগরে
সঠিক উত্তর:
গাজীপুরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুরে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ:
- ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে মহান মুক্তিযুদ্ধ শুরুর আগে ঢাকার উত্তরে জয়দেবপুরে (বর্তমান গাজীপুর) অকুতোভয় মুক্তিকামী বাঙালিরা পাক হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল।
- ১৯ মার্চ পাকিস্তানি বাহিনীর ব্রিগেডিয়ার জাহানজেব ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈন্যদের সতর্কতা ও রাস্তায় আন্দোলনকারীদের দেখে অস্ত্র জমা নেওয়ার আশা ত্যাগ করে ঢাকায় ফিরছিলেন।
- এ সময় ছাত্র-জনতা জয়দেবপুরের রেলক্রসিং এলাকা ও চান্দনা চৌরাস্তায় তাদের বাধা দেন।
- এ সময় পাকিস্তনি বাহিনী গুলি ছুড়লে ছাত্র-জনতা সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।
- পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে শহীদ হন হুরমত, নিয়ামত, কানু মিয়া ও মনু খলিফা। আহত হন আরও অনেকে।
- এরই ধারাবাহিকতায় শুরু হয় সশস্ত্র মুক্তি সংগ্রাম। তখন স্লোগান ওঠে ‘জয়দেবপুরের পথ ধরো, বাংলাদেশ স্বাধীন করো’।
- পাকিস্তানি হানাদারদের বিরুদ্ধে ওটাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধযুদ্ধ।

বিশেষ তথ্য:
- ১৯ মার্চের বীরত্বকে অমর করে রাখতে ১৯৭২-১৯৭৩ সালে গাজীপুরের চৌরাস্তায় একটি ভাস্কর্য নির্মাণ করা হয়।
- ‘জাগ্রত চৌরঙ্গী’ নামের এই ভাস্কর্য মুক্তিযুদ্ধের প্রথম ভাস্কর্য।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৩০৩.
Chief Executive বলা হয় কাকে?
  1. ক) প্রধান বিচারপতি
  2. খ) রাষ্ট্রপতি
  3. গ) আইনমন্ত্রী
  4. ঘ) স্পিকার
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
Chief Executive

বাংলাদেশের আইন অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান ও নির্বাহী বিভাগের প্রধান। কারণ, বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮ (২) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,

“রাষ্ট্রপ্রধান (As Head of State) রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির উর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন।"

এছাড়া সংবিধানের ৫৫(৪) নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে,

"সরকারের সকল নির্বাহী ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতির নামে গৃহীত হয়েছে বলে প্রকাশ করা হবে।"

আবার Warrant of Precedence অনুযায়ী ২৫টি স্তরের মধ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতি হলেন বাংলাদেশের প্রথম ব্যক্তি। এ থেকে বোঝা যায় রাষ্ট্রপতি হলেন সরকার প্রধান অর্থাৎ Chief Executive।


তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১২,৩০৪.
The Constitution Drafting Committee of Bangladesh formed in 1972 had -
  1. 33 members
  2. 34 members
  3. 35 members
  4. 36 members
সঠিক উত্তর:
34 members
উত্তর
সঠিক উত্তর:
34 members
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- সংবিধান প্রণয়নের উদ্দেশ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল আইন বিশেষজ্ঞ ড. কামাল হোসেনকে সভাপতি করে ৩৪ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকরী হয়।
- বাংলাদেশের প্রথম হস্তলিখিত সংবিধানের মূল পাতা ছিল ৯৩ পৃষ্ঠার।
- স্বাক্ষরসহ সংবিধান ছিল ১০৯ পাতার।
- হস্তলিখিত সংবিধানটির মূল লেখক ছিলেন শিল্পী আব্দুর রউফ।
- সংবিধানটির অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদীন। 
- সংবিধানের প্রচ্ছদে শীতলপাটির উপর লেখা 'গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান'।
- গণপরিষদের সদস্যরা হস্তলিখিত মূল সংবিধানের বাংলা ও ইংরেজী লিপিতে স্বাক্ষর করে ১৪-১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২।
- হস্তলিখিত সংবিধানে প্রথম স্বাক্ষর করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত সংবিধানে স্বাক্ষর করেন নি।
- গণপরিষদের ৩৯৯ জন সদস্য হস্তলিখিত মূল সংবিধানে স্বাক্ষর করেন।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
         iii) বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।
১২,৩০৫.
বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?
  1. ক) পূর্ব জার্মানি
  2. খ) রাশিয়া
  3. গ) পোল্যান্ড
  4. ঘ) যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
ক) পূর্ব জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পূর্ব জার্মানি
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম পূর্ব জার্মানি ১১ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে বাংলাদশেকে স্বীকৃতি দান করে। তাছাড়া রাশিয়া ২৪ জানুয়ারি ১৯৭২ ; পোল্যান্ড ১২ জানুয়ারি ১৯৭১ ও যুক্তরাজ্য ৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। [সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন]
১২,৩০৬.
বখতিয়ার খিলজির জাতিগত পরিচয় কী ছিল?
  1. আফগান
  2. তুর্কি
  3. আরবি
  4. পারসি
সঠিক উত্তর:
তুর্কি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুর্কি
ব্যাখ্যা

বখতিয়ার খিলজি:
- ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ -বিন- বখতিয়ার খিলজি নদীয়া জয় করে বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১২০৪ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খিলজি সমগ্র নদীয়া জয় করেন।
- তিনি জাতিতে তুর্কিদের খিলজি সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন।
- তবে তিনি আফগানিস্তানের গরমিশ অঞ্চলের অধিবাসী ছিলেন।
- ভারতবর্ষে ভাগ্যের অন্বেষণে এসে শেষ পর্যন্ত অযোধ্যার শাসক মালিক হুশাম উদ্দিনের রাজ্যের পূর্ব সীমান্তে সীমান্তরক্ষীর কাজ পান।
- তিনি গৌড় বা লক্ষণাবতী (লখনৌতি) জয় করে সেখানেই রাজধানী স্থাপন করেন।
- তার শাসন কেন্দ্র ছিল লক্ষণা বতীতে।
- বখতিয়ার খলজির শাসনামলে বাংলায় যথেষ্ট সংখ্যক মসজিদ, মাদ্রাসা এবং খানকাহ (অতিথিশালা) তৈরি করা হয়।
- ১২০৬ সালে তিনি তিব্বত অভিযানে বের হয়ে ব্যর্থ হন, দিনাজপুরের দেবকোটে ফিরে আসার পর এখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও সভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১২,৩০৭.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫ অনুযায়ী, জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত?
  1. ৩৮.৭৩%
  2. ৩৯.৪৯%
  3. ৪১.২৮%
  4. ৪৪.৬৭%
সঠিক উত্তর:
৪৪.৬৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪.৬৭%
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান = ১০.৯৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান = ৩৭.৪৪%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান= ৫১.৬২%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৪.৬৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭.৩৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৭.৯৬%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১২,৩০৮.
বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট কোনটি?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ২০ টাকা
  4. ৫০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ টাকা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে।
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১২,৩০৯.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, দেশে সর্বাধিক বনাঞ্চল রয়েছে কোন জেলায়? 
  1. বান্দরবান
  2. রাঙামাটি 
  3. খাগড়াছড়ি
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি 
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রীয় বনাঞ্চল:
- ​বাংলাদেশের বনাঞ্চল: ৬৩,৬৩,৩০৯.৩৩ একর বা ২৫,৭৫,১৯৬.০১ হেক্টর।
- সর্বাধিক বনাঞ্চল : রাঙামাটি: ১৩,৭৮,৫৬৪.১৩ একর। [ সর্বাধিক বনাঞ্চল]
- সার্বিকভাবে বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: রংপুর বিভাগ।
- সার্বিক ভাবে জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা।

এছাড়াও,
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর।
- পূর্বে ছিল ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর। 

​উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১২,৩১০.
প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক ছিলেন -
  1. নুরুল হক ভূঁইয়া
  2. গাজীউল হক
  3. শামসুল আলম
  4. আবদুল মতিন
সঠিক উত্তর:
নুরুল হক ভূঁইয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নুরুল হক ভূঁইয়া
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
 - ১৯৪৭ সালের ডিসেম্বর মাসে তমুদ্দিন মজলিসের উদ্যোগে গঠিত প্রথম ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহবায়ক  ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক নুরুল হক ভূঁইয়া।
- ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ পুনর্গঠন করা হয় (এটি দ্বিতীয় ‘রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ নামেও পরিচিত) এবং আহ্বায়ক মনোনীত হন শামসুল আলম।

এছাড়াও,
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এর আহ্বায়ক ছিলেন আবদুল মতিন।
- ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি মাওলানা ভাসানীর সভাপতিত্বে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক দলের সর্বদলীয় সভায় গঠিত ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ এর আহ্বায়ক ছিলেন কাজী গোলাম মাহবুব ৪০সদস্য বিশিষ্ট সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি আমতলার ছাত্রসভায় সভাপতিত্ব করেন গাজীউল হক।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেনি, বাংলাপিডিয়া এবং ভাষা আন্দোলনে ঢাকা - আহমদ রফিক : বাংলাদেশ প্রতিদিন।
১২,৩১১.
কোনটি ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র হিসেবে পরিচিত?
  1. সাপ্তাহিক একুশের চেতনা
  2. সাপ্তাহিক জয়বাংলা
  3. সাপ্তাহিক সৈনিক
  4. সাপ্তাহিক বাংলা
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপ্তাহিক সৈনিক
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলনের মুখপত্র ছিল- 'সাপ্তাহিক সৈনিক' পত্রিকা। 
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন 'তমুদ্দিন মজলিশ' -এর উদ্যোক্তা গণ এই পত্রিকার প্রকাশক ছিলেন।
- সেই অর্থে এটি তমুদ্দিন মজলিসেরও মুখপত্র।
- সাপ্তাহিক সৈনিক -এর প্রথম সংখ্যা প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)। 
- এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন - শাহেদ আলী। 
- পরে এর সম্পাদক ছিলেন - আবদুল গফুর ও সানাউল্লাহ নুরী।

উৎস: বাংলাপিডিয়া, কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রকাশিত স্মারকগ্রন্থ ও প্রথম আলো ও কালের কন্ঠ পত্রিকা রিপোর্ট।
১২,৩১২.
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে 'Global Ambassador for diabetes' উপাধিতে ভূষিত করেছে কোন আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান?
  1. ক) IDF
  2. খ) WHO
  3. গ) SDR
  4. ঘ) UNHCR
সঠিক উত্তর:
ক) IDF
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) IDF
ব্যাখ্যা
• প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে 'Global Ambassador for Diabetes' উপাধিতে ভূষিত করেছে International Diabetes Federation (IDF)।
• পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অনুষ্ঠিত বিশ্ব ডায়াবেটিস সম্মেলন ২০২২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে পর্তুগালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারিক আহসান আইডিএফের সদ্য নির্বাচিত সভাপতি অধ্যাপক আকতার হোসেনের কাছ থেকে এ সম্মাননা গ্রহণ করেন।

তথ্যসূত্র: Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার জানুয়ারি, ২০২৩
১২,৩১৩.
১৯৭৬ সালে কোন চলচ্চিত্রটি 'জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার' লাভ করে?
  1. বসুন্ধরা
  2. মেঘের অনেক রং
  3. শঙ্খনীল কারাগার
  4. আমরা তোমাদের ভুলব না
সঠিক উত্তর:
মেঘের অনেক রং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেঘের অনেক রং
ব্যাখ্যা

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার:
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।
- এটি বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের একমাত্র রাষ্ট্রীয় ও সর্বোচ্চ পুরস্কার।
- স্বাধীনতার চার বছর পর ১৯৭৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।
- ১৯৭৫ সালে প্রথম চলচ্চিত্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য পুরস্কার প্রদান শুরু হয়।
- প্রতি বছর সরকার নিযুক্ত জাতীয় প্যানেল বিজয়ীদের নির্বাচন করে।
- জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদানের প্রথম অনুষ্ঠানিকতা ১৯৭৬ সালের ৪ এপ্রিল সম্পন্ন হয়।

⇒ ১৯৭৬ সালে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘মেঘের অনেক রং’ শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার পায়।
- চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন হারুনর রশীদ।
- রত্না কথাচিত্রের ব্যানারে চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন আনোয়ার আশরাফ ও শাজীদা শামীম।
- এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেন মাথিন, ওমর এলাহী, রওশন আরা, আদনান প্রমুখ।

এছাড়াও,
- ১৯৭৭ সালে ‘বসুন্ধরা’ চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হয়।
- ১৯৯০ সালে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পাশাপাশি শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে ‘আমরা তোমাদের ভুলব না’ পুরস্কার পায়।
- ১৯৯২ সালে ‘শঙ্খনীল কারাগার’ চলচ্চিত্রকে শ্রেষ্ঠ কাহিনির জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়।

উৎস: i) জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ওয়েবসাইট। [link]
ii) প্রথম আলো।

১২,৩১৪.
‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ মোট কতজন নারীকে প্রদান করা হয়?
  1. ২ জন
  2. ৩ জন
  3. ৪ জন
  4. ৫ জন
সঠিক উত্তর:
৪ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ জন
ব্যাখ্যা

‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’
- ‘বেগম রোকেয়া পদক ২০২৫’ প্রাপ্ত নারী চারজন।
 - নারীশিক্ষা শ্রেণিতে (গবেষণা) রুভানা রাকিব,
- নারী অধিকার শ্রেণিতে (শ্রম অধিকার) কল্পনা আক্তার,
- মানবাধিকার শ্রেণিতে নাবিলা ইদ্রিস ।
- নারী জাগরণ শ্রেণিতে (ক্রীড়া) ঋতুপর্ণা চাকমা। 

- নারীশিক্ষা, নারী অধিকার, মানবাধিকার ও নারী জাগরণে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে রোকেয়া পদক দেওয়া হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

১২,৩১৫.
কোনটির কারণে ঋন খেলাপি হওয়ার সম্ভাবনা কমায় ?
  1. ক) হিসাব সতেনতা
  2. খ) হিসাব সংরক্ষন
  3. গ) ব্যবসায় অধিক লাভ
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) হিসাব সতেনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হিসাব সতেনতা
ব্যাখ্যা
• খেলাপি ঋণ:
যখন কোনো কারণে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় পর কোনো ঋণ বা ঋণের কিস্তি ফেরত পাওয়া যায় না বা সম্ভব হয় না; তখন ওই ঋণকে খেলাপি ঋণ বলে।
বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনীতি তথা ব্যাংক খাতের প্রধান সমস্যা এই খেলাপি ঋণ। 

ঋণ খেলাপী হওয়া  থেকে পরিত্রাণের উপায় 
১. নৈতিকতার চর্চা করা;
২. ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক নেতা এবং ব্যাংক পরিচালকদের প্রভাবমুক্ত করা;
৩. সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সংঘবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে;
৪. কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ সব ব্যাংককে শুধু খেলাপি ঋণসাপেক্ষে আলাদা করে মনিটরিং সেল গঠন করতে হবে;
৫. যাচাই-বাছাই করে ঋণ প্রদান এবং বিতর্কিত ঋণের যথাযথ পর্যবেক্ষণ;
৬. সুশাসন নিশ্চিত করা এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে সুদক্ষ ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা;
৭. ঋণ প্রদানে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি বন্ধ করা;
৮. অর্থ ঋণ আদালতসহ আইনি প্রক্রিয়া আরও উন্নত ও সংস্কার করা;
৯. খেলাপি ঋণগ্রহীতাদের কালো তালিকা প্রকাশ এবং ভবিষ্যতে ঋণ প্রদানে বিরত থাকা;
১০. ঋণের বিপরীতে বন্ধকি সম্পত্তির সঠিক চলতি বাজারমূল্য নিরূপণ করা;
১১. একই খাতে বেশি ঋণ না দিয়ে বিভিন্ন খাতে ঋণ প্রদান করা;
১২. অর্থঋণ আদালতকে আরও শক্তিশালী করতে হবে ইত্যাদি। 

উৎস: যুগান্তর রিপোর্ট- ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০। 
১২,৩১৬.
২০২২ সালের বর্ষপণ্য কোনটি?
  1. ক) আইসিটি পণ্য
  2. খ) লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং  
  3. গ) চামড়া
  4. ঘ) ওষুধ
সঠিক উত্তর:
ক) আইসিটি পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইসিটি পণ্য
ব্যাখ্যা
• পণ্যভিত্তিক রপ্তানিকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিবছর একটি পণকে বর্ষপণ্য অর্থাৎ ‘প্রডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা করা হয়। 
আইসিটি পণ্য সেবাকে ২০২২ সালের বর্ষপণ্য বা প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
• রাজধানীর পূর্বাচলে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা-২০২২ উদ্বোধনকালে তিনি এ ঘোষণা।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
১২,৩১৭.
সরকারের অঙ্গকে সংগঠিত ও নিয়ন্ত্রণ করে কে?
  1. সামরিক বাহিনী
  2. রাজনৈতিক দল
  3. আমলাতন্ত্র
  4. সুশীল সমাজ
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল: 
- রাজনৈতিক দল হচ্ছে সাংগঠনিক উপায় যার দ্বারা অফিসের জন্য প্রার্থী নিয়োগদান ও ভাবাদর্শের বিস্তার ঘটে।
- এটি সরকারের অঙ্গকে সংগঠিত ও নিয়ন্ত্রণ এবং জাতীয় নেতৃত্ব প্রদান করে।
- এডমন্ড বার্ক Edmund Burke দুই শতাব্দী পূর্বে রাজনৈতিক দলের প্রথম আধুনিক সংজ্ঞাটি প্রদান করেন।
- তাঁর মতে রাজনৈতিক দল হল: "a body of men united for promulgating by their joint endeavors, the national interest, upon some particular principle in which they are all agreed."
- জোসেফ এ. শুমপেটার Joseph A. A. Schumpeter বার্ক Burke-এর রাজনৈতিক দলের সংজ্ঞায় মতানৈক্য প্রদর্শন করেন।
- বার্ক যেখানে রাজনৈতিক দলকে দেখেছেন একটি গ্রুপ হিসাবে যা জনকল্যাণের উন্নয়নে সচেষ্ট সেখানে সুম্পিটার দলের সদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রাজনৈতিক ক্ষমতার প্রতিযোগিতামূলক সংগ্রাম হিসাবে দেখেছেন।
- দলব্যবস্থা বিভিন্ন রূপ ধারণ করতে পারে। যেমন একদিকে বহুদল-ব্যবস্থা Multi-party System অপরদিকে একদল-ব্যবস্থা One-party System।
- বহুদল-ব্যবস্থা (প্রায়ই দু'টি প্রধান দল) উদার গণতান্ত্রিক সমাজ (বৃটেন, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, জার্মানী)-এ বিদ্যমান। 

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন,এইচএসএসএল, উন্মুুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৩১৮.
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় 'মিধিলি'-এর নামকরণ করে কোন দেশ?
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. মালদ্বীপ
  4. মায়ানমার
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মালদ্বীপ
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় 'মিধিলি':
- বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় 'মিধিলি' ১৭ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে বাংলাদেশের উপকূলে আঘাত হানে।
- এর গতিবেগ ছিক ঘণ্টায় ৬৫ কিলোমিটার।
- ‘মিধিলি’ নামটি দিয়েছে মালদ্বীপ।
- ‘মিধিলি’ অর্থ ‘ফলপ্রসু বিষয়’।

উল্লেখ্য,
- বিশ্ব আবহওয়া সংস্থার অধিভুক্ত প্রশান্ত-মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১৩টি দেশের প্রস্তাবিত নামগুলো পরপর প্রয়োগ করা হয়।
- আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী, যে মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়-তার অববাহিকায় থাকা দেশগুলো নামকরণ করে।
- পৃথিবীতে মোট ১১টি সংস্থা ঝড়ের নামকরণ করে থাকে।
- মিধিলির পরের নামটি মায়ানমারের ‘মিগজাউম’।
- এরপর আসবে ওমানের ‘রেমাল’।
- তারপর আসবে পাকিস্তানের দেওয়া ‘আসনা’।
- বাংলাদেশের দেওয়া সবশেষ নামটি ছিল ‘বিপর্যয়’।
- ২০২০ সালে মোট ১৩টি দেশ ১৩টি করে মোট ১৬৯টি নাম দেয়।
- ১৩ টি দেশ হলো: বাংলাদেশ, ভারত, মলদ্বীপ, মায়ানমার, ওমান, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ইরান, কাতার, সৌদি আরব, আরব-আমিরাত এবং ইয়েমেন।
- ডব্লিওএমও-র ভারতীয় উপমহাদেশের এই সদস্য দেশগুলোই নাম দেয়।

উৎস: ১৭ নভেম্বর, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১২,৩১৯.
উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সরকারি দলের ন্যায় ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে -
  1. বিরোধী দল
  2. সুশীল সমাজ
  3. সচিব
  4. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিরোধী দল
ব্যাখ্যা
⇒ উন্নত রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে সরকারি দলের ন্যায় ছায়া মন্ত্রিসভা গঠন করে বিরোধী দল।

বিকল্প সরকার:
- প্রতিনিধিত্বশীল গণতন্ত্রে 'বিকল্প সরকার' বলা হয় বিরোধী দলকে।
- সরকার যেন স্বৈরাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেজন্যে বিরোধী দল ছায়া সরকার বা বিকল্প সরকারের ভূমিকা পালনের মাধ্যমে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
- বর্তমান সময়ে গণতন্ত্রের অপর নাম হল দলীয় শাসন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২,৩২০.
জাতীয় ঐতিহাসিক দিনের সাথে সমন্বয় করে নতুন বাংলা বর্ষপঞ্জি কার্যকর করা হয় কবে?
  1. ক) ১৭ অক্টোবর, ২০১৯
  2. খ) ২৫ অক্টোবর, ২০১৯
  3. গ) ১৩ নভেম্বর, ২০১৯
  4. ঘ) ১৯ নভেম্বর, ২০১৯
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭ অক্টোবর, ২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৭ অক্টোবর, ২০১৯
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঐতিহাসিক দিনের সাথে সমন্বয় করে ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ কার্যকর করা হয় নতুন বাংলা বর্ষপঞ্জি। উৎসঃ Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার
১২,৩২১.
বাংলাদেশের 'Host and Rohingya Enhancement of Lives Project (HELP)' প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে -
  1. বিশ্বব্যাংক
  2. আইএমএফ
  3. এডিবি
  4. জাইকা
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্বব্যাংক
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের 'Host and Rohingya Enhancement of Lives Project (HELP)' প্রকল্প:
- বাংলাদেশের 'Host and Rohingya Enhancement of Lives Project (HELP)' প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে বিশ্বব্যাংক। 
- বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে চালু হলো ‘ইনক্লুসিভ সার্ভিসেস অ্যান্ড অপরচুনিটিস ফর হোস্ট কমিউনিটি অ্যান্ড ডিসপ্লেসড রোহিঙ্গা পপুলেশন (আইএসও)’ এবং ‘হোস্ট অ্যান্ড রোহিঙ্গা এনহ্যান্সমেন্ট অব লাইভস (হেল্প)’ প্রকল্প। ৭০ কোটি ডলারের এই প্রকল্প দুটি মাঠপর্যায়ে বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ সরকার।

⇒ ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে যৌথভাবে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংক। এতে রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং তাদের আশপাশে বসবাস করা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর মৌলিক সেবা ও সুযোগ নিশ্চিতে পূর্বের অভিজ্ঞতা, বর্তমান চ্যালেঞ্জ, সমাধান এবং লক্ষ্য নিয়ে বক্তারা আলোচনা করেন।
- উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের মে মাসে Host and Rohingya Enhancement of Lives Project (HELP) এবং Inclusive Services and Opportunities Project (ISO) দুটি প্রকল্প পাস হয়। ৩৫ কোটি করে দুটি প্রকল্পে মোট ৭০ কোটি ডলার প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেয় বিশ্বব্যাংক।
- প্রকল্প দুটি শেষ করার সম্ভাব্য তারিখ ২০২৮ সালের ৩০ জুন। বাস্তবায়নে কাজ করবে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, পরিবেশ বিভাগসহ বেশ কয়েকটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।

উৎস: i) বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১২,৩২২.
সম্প্রতি কোন রোগ নির্মূলে বাংলাদেশকে বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা স্বীকৃতি দিয়েছে? 
  1. পোলিও
  2. ডায়রিয়া
  3. গুটি বসন্ত
  4. কালাজ্বর
সঠিক উত্তর:
কালাজ্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালাজ্বর
ব্যাখ্যা
• কালাজ্বর নির্মূলে বাংলাদেশ:
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে কালাজ্বর নির্মূলে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
- ভারতের দিল্লিতে ডব্লিউএইচওর চার দিনব্যাপী চলা ৭৬তম দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কালাজ্বর:
- কালাজ্বর সাধারণত স্ত্রী বেলে মাছির কামড়ে ছড়ায়।
- বেলে মাছি ঘর এবং ঘরের আশপাশের ফাটলে বিশেষ করে স্যাঁতসেঁতে জায়গায় থাকে।  
- সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত সময়ে এ মাছি বেশি কামড়ায়।
- এর জীবাণু শরীরে প্রবেশের পর তা রক্তের লোহিত কণিকাকে আক্রান্ত করে এবং সেখানে বংশবৃদ্ধি শুরু করে।
- ফলে লোহিত রক্তকণিকা ভেঙে যায় এবং রক্তশূন্যতা দেখা দেয়।

উৎস: প্রথম আলো। [link]
১২,৩২৩.
একনেক এর বিকল্প চেয়ারম্যান-
  1. ক) পরিকল্পনামন্ত্রী
  2. খ) অর্থমন্ত্রী
  3. গ) বাণিজ্যমন্ত্রী
  4. ঘ) শিল্পমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
খ) অর্থমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) অর্থমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ নির্বাহী কমিটি গঠিত হয় ১৯৮২ সালে। একনেক এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প চেয়ারম্যান বা সভাপতি অর্থমন্ত্রী।
১২,৩২৪.
বঙ্গবন্ধুর বই কারাগারের রোজনামচা কত সালে প্রকাশিত হয়
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৭ সালে
  4. ২০১৯ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭ সালে
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর লেখা বইসমূহ:
 
- ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের লেখা বই।
- বঙ্গবন্ধুর প্রথম বই অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হয় ২০১২ সালে।
- অসমাপ্ত আত্মজীবনী লেখা হয়েছে ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে যখন তিনি কারারুদ্ধ ছিলেন।
- আত্মজীবনীর শুরু হয়েছে তাঁর জন্মের সময় থেকে; পাশাপাশি এসেছে পিতৃপুরুষের কথাও। আর বইটি শেষ হয়েছে ১৯৫৪ সালের ঘটনাবলি দিয়ে।
- বঙ্গবন্ধুর বই কারাগারের রোজনামচা ২০১৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থের নামকরণ করেছেন শেখ রেহানা। এই বইও বঙ্গবন্ধু কারাগারে বসে রচনা করেন।
- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জেলখানার জীবনের ওপর লেখা বইয়ের নাম ‘৩০৫৩ দিন’।
- বইটি প্রকাশিত হয় ২০১৮ সালে।
- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীন কারা অধিদপ্তরের ব্যবস্থাপনা এবং জননিরাপত্তা বিভাগের তদারকিতে বইটি প্রকাশিত হয়েছে।
- বঙ্গবন্ধুর লেখা বই আমার দেখা নয়াচীন ২০২০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইটিও কারাগারে রাজবন্দী থাকার সময়ে রচিত।
- বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের অক্টোবর মাসে চীনের পিকিংয়ে অনুষ্ঠিত এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় আঞ্চলিক শান্তি সম্মেলনে পাকিস্তানের প্রতিনিধি হিসেবে যোগ দেন। সে সময় নয়াচীন দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে বইটি রচিত।
 
তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ১৪ই আগস্ট ২০২০ ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ৩০ জুলাই, ২০১৮।
১২,৩২৫.
বাংলাদেশ সরকার কবে 'পলিথিন ব্যবহার নিষিদ্ধ' আইন প্রণয়ন করে?
  1. ক) ১৯৯৮ সালে
  2. খ) ২০০০ সালে
  3. গ) ২০০২ সালে
  4. ঘ) ২০০৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০০২ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে পরিবেশ সংরক্ষণ আইন-১৯৯৫-এর ভিত্তিতে ২০০২ সালে পলিথিন ব্যাগের ব্যবহার, উৎপাদন, বিপণন ও পরিবহন নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।
আইনের ১৫ ধারায় বলা হয়, যদি কোনো ব্যক্তি নিষিদ্ধ পলিথিন সামগ্রী উৎপাদন করে তাহলে ১০ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা, এমনকি উভয় দণ্ড হতে পারে।
উৎসঃ কালের কন্ঠ।

১২,৩২৬.
১১ দফা দাবি নিয়ে গণঅভ্যুত্থানের ডাক দেয় কোন সংগঠন?
  1. সর্বদলীয় ছাত্র আন্দোলন পরিষদ
  2. তমদ্দুন মজলিশ
  3. সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
  4. ছাত্র সংগ্রাম কমিটি
সঠিক উত্তর:
সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ
ব্যাখ্যা
১১ দফা আন্দোলন: 
- ১৯৬৮-৬৯ সালে পূর্ব পাকিস্তানে আইয়ুববিরোধী গণআন্দোলন চূড়ান্ত পর্যায়ে উপনীত হয়।
- ১৯৬৯ সালের ৪ঠা জানুয়ারি ডাকসু (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ) কার্যালয়ে ডাকসুর তৎকালীন সহসভাপতি তোফায়েল আহমেদের নেতৃত্বে 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' গঠন করা হয়। 
- 'সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ' ১১ দফা দাবি নিয়ে গণঅভ্যুত্থানের ডাক দেয়।
- এ কর্মসূচি শুধু ছাত্রদের নয়, আপামর জনগণের আন্দোলনে অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।
- ১১ দফা দাবির মধ্যে ছয় দফা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- এর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য দাবির মধ্যে ছিল- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কুখ্যাত অর্ডিন্যান্স বাতিলসহ শিক্ষার সুযোগ- সুবিধা বৃদ্ধি, বাক্ স্বাধীনতা, ব্যক্তি-স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, বৃহৎ শিল্পের জাতীয়করণ, শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি প্রদান, ট্রেড ইউনিয়ন গঠন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, জরুরি আইন, নিরাপত্তা আইন ও অন্যান্য নির্যাতনমূলক আইন প্রত্যাহার, নিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ, অবিলম্বে গ্রেফতারকৃত নেতাকর্মীদের মুক্তি ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১২,৩২৭.
পূর্ব বাংলায় যুক্তফ্রন্ট কত সালে গঠন করা হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৩ সালে
  4. ১৯৫২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্ট:
 - ৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ ও শেরে বাংলার কৃষক-শ্রমিক পার্টির সমন্বয়ে যুক্তফ্রন্ট গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিলো নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টর পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

উৎস:-স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,৩২৮.
চট্টগ্রাম ইপিজেড কত সালে যাত্রা শুরু করে?
  1. ক) ১৯৮০ সালে
  2. খ) ১৯৮১ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৩ সালে
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড: কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
- চট্টগ্রাম ইপিজেড (১৯৮৩),
- ঢাকা ইপিজেড (১৯৯৩),
- মংলা ইপিজেড (১৯৯৮),
- ঈশ্বরদী ইপিজেড (১৯৯৮),
- কুমিল্লা ইপিজেড (২০০০),
- উত্তরা ইপিজেড (২০০১),
- আদমজী ইপিজেড (২০০৬),
- কর্ণফুলী ইপিজেড (২০০৬)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,৩২৯.
দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে MIGA'র ভাইস প্রেসিডেন্ট (অপারেশন্স) পদে নিয়োগ পান কে?
  1. ক) ফয়সাল চৌধুরী
  2. খ) আজিজুল হক
  3. গ) ইহতিশামুল আলম
  4. ঘ) জুনায়েদ কামাল আহমদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) জুনায়েদ কামাল আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জুনায়েদ কামাল আহমদ
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে বহুপাক্ষিক বিনিয়োগ গ্যারান্টি সংস্থার (MIGA) ভাইস প্রেসিডেন্ট (অপারেশন্স) পদে নিয়োগ পান - জুনায়েদ কামাল আহমদ।
প্রথমজন ছিলেন - ফয়সাল চৌধুরী।
সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, এপ্রিল ২০২২
১২,৩৩০.
১৯৬৬ সালের ছয় দফার তৃতীয় দফা কী ছিল?
  1. মুদ্রা
  2. রাজস্ব
  3. বাণিজ্য
  4. প্রতিরক্ষা
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুদ্রা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১২,৩৩১.
নিম্নের কোনটি রাজনৈতিক দলের কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. রাষ্ট্রীয় সমস্যা নির্ধারণ
  2. জনমত গঠন
  3. নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন
  4. বিরোধী ভূমিকা পালন
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন
ব্যাখ্যা

- নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান; এটি রাজনৈতিক দলের কাজ নয়।

• গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের কার্যাবলি: 
- আধুনিক গণতন্ত্র বলতে পরোক্ষ বা প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রকেই বোঝায়।
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে জনগণ প্রতিনিধি নির্বাচন করে তাদের মাধ্যমে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে।
- প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হচ্ছে রাজনৈতিক দল।

• রাজনৈতিক দলের কার্যাবলি:
- রাষ্ট্রীয় সমস্যা নির্ধারণ
- নীতি-নির্ধারণ ও কর্মসূচি প্রণয়ন
- জনমত গঠন
- প্রার্থী মনোনয়ন
- প্রচারণা
- ভোটারদের স্বার্থ সংরক্ষণ
- বিরোধী ভূমিকা পালন
- রাজনৈতিক চেতনা ও শিক্ষার প্রসার
- স্বেচ্ছাচার প্রতিরোধ
- রাজনৈতিক সামাজিকীকরণ
- শান্তিপূর্ণ ও সাংবিধানিক পদ্ধতিতে ক্ষমতা পরিবর্তন
- সরকারের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে সংযোগ সাধন
- জাতীয় ঐক্যবোধ সৃষ্টি
- সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
- স্বার্থের একত্রীকরণ।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।

১২,৩৩২.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার কোন আসামীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল?
  1. সার্জেন্ট জহুরুল হক
  2. সার্জেন্ট আমিনুল ইসলাম
  3. সার্জেন্ট মহিদুল ইসলাম
  4. সার্জেন্ট শামসুল হক
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্জেন্ট জহুরুল হক
ব্যাখ্যা
আগরতলা মামলা:
- ১৯৬৮ সালে আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- ১৯৬৮ সালের ২১ এপ্রিল বিচারপতি এস.এ. রহমানের নেতৃত্বে একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া ও পৌরনীতি ও সুশাসন, মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২,৩৩৩.
SEZ-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Special Exercise Zone
  2. Special Exclusive Zone
  3. Special Economic Zone
  4. Special Export Zone
সঠিক উত্তর:
Special Economic Zone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Special Economic Zone
ব্যাখ্যা
SEZ:
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.

উল্লেখ্য,
- এসইজেড (SEZ) একটি বিশেষ ভৌগলিক অঞ্চল যা শুল্কমুক্ত ছিটমহল হিসাবে বিবেচিত হয়।
- ​​বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ইপিজেড বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন (Special Economic Zone) বা এসইজেড (SEZ) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‌
- যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক মানের আর্থিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এস ই জেডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম স্পেশাল ইকোনমিক জোন বা বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো জাপানি অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে নির্মাণ করা হচ্ছে।

উৎস: BSEZ ওয়েবসাইট।
১২,৩৩৪.
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?
  1. ক) ১৪ ডিসেম্বর
  2. খ) ১৩ ডিসেম্বর
  3. গ) ১২ ডিসেম্বর
  4. ঘ) ১১ ডিসেম্বর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৪ ডিসেম্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ১৪ ডিসেম্বর
ব্যাখ্যা
শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতির উদ্দেশে বাংলাদেশে ১৪ ডিসেম্বর শোকাবহ শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস পালিত হয়। সব শহীদ বুদ্ধিজীবীর প্রকৃত সংখ্যা অদ্যাবধি নিরূপণ করা সম্ভব হয় নি। প্রাপ্ত তথ্যসূত্র থেকে শহীদদের মোটামুটি একটা সংখ্যা দাঁড় করানো যায়। এঁদের মধ্যে ছিলেন ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ১৩ জন সাংবাদিক, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী, ৯ জন সাহিত্যিক ও শিল্পী, ৫ জন প্রকৌশলী,এবং অন্যান্য ২ জন।
Source: Banglapedia
১২,৩৩৫.
নিচের কোনটি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত?
  1. সুন্দরী
  2. কৈলাসনগর
  3. অগ্রদূত
  4. প্রগতি
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রগতি
ব্যাখ্যা
উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত:
- হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।

উচ্চ ফলনশীল পেঁয়াজের জাত:
- সুখ সাগর, ঝিটকা, কৈলাসনগর, তাহেরপুরী, ভাতি।

উচ্চ ফলনশীল বাঁধাকপির জাত:
- গ্রীন এক্সপ্রেস, ড্রামহেড, গোল্ডেন ক্রস, প্রভাতী, অগ্রদূত।

উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত:
- বিপ্লব, হিরা, মালা, ইরাটম, ময়না, চান্দিনা, হরিধান, নারিফা, সুফলা, প্রগতি ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - জাতীয় কৃষি বাতায়ন।
১২,৩৩৬.
সংবিধানের ৩৭নং অনুচ্ছেদে কোন বিষয় সম্পর্কে উল্লেখ আছে?
  1. পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
  2. সমাবেশের স্বাধীনতা
  3. সংগঠনের স্বাধীনতা
  4. চলাফেরার স্বাধীনতা
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমাবেশের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
- ৩৭নং অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ আছে।
- জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হবার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

অন্যদিকে:
- ৩৬নং অনুচ্ছেদ: চলাফেরার স্বাধীনতা। 
- ৩৮নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা। 
- ৪০নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৩৩৭.
বঙ্গভঙ্গের পরেই ঢাকায় কি নির্মিত হয়?
  1. ক) সুরম্য অট্টালিকা
  2. খ) কার্জন হল
  3. গ) হাইকোর্ট
  4. ঘ) এর সবগুলিই
সঠিক উত্তর:
ঘ) এর সবগুলিই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এর সবগুলিই
ব্যাখ্যা
- ভারতের বড়লাট লর্ড কার্জন ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে ১৬ অক্টোবর বাংলা প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুটো প্রদেশ করেন।

অপরদিকে -
- কার্জন হল কোন সালে নির্মিত হয় - ১৯০৮ সালে।
- হাইকোর্ট ভবন, পুরাতন ঔপনিবেশিক আমলে ঢাকায় নির্মিত একটি ভবন। এটি রমনা গ্রীনের প্রান্ত ঘেঁষে সুদৃশ্য কার্জন হলের বিপরীতে কাজী নজরুল ইসলাম অ্যাভিনিউতে অবস্থিত। বঙ্গভঙ্গ-এর (১৯০৫) পর নব প্রতিষ্ঠিত পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশের গভর্নরের সরকারি বাসভবন হিসেবে জমকালো দ্বিতল ভবনের পরিকল্পনা করা হয়।
- সুরম্য অট্টালিকাও বঙ্গভঙ্গের পরেই নির্মিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৩৩৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব উল্লেখ আছে?
  1. ১১৮
  2. ১১৯
  3. ১২১
  4. ১২৩
সঠিক উত্তর:
১১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৯
ব্যাখ্যা

⇒ সংবিধানের ১১৯নং অনুচ্ছেদে নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব উল্লেখ রয়েছে।

• নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব:
১১৯(১) রাষ্ট্রপতি পদের ও সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুতকরণের তত্ত্বাবধান, নির্দেশ ও নিয়ন্ত্রণ এবং অনুরূপ নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের উপর ন্যস্ত থাকিবে এবং নির্বাচন কমিশন এই সংবিধান ও আইনানুযায়ী 
 
(ক) রাষ্ট্রপতি পদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 (খ) সংসদ-সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করিবেন; 
 (গ) সংসদে নির্বাচনের জন্য নির্বাচনী এলাকার সীমানা নির্ধারণ করিবেন; এবং 
 (ঘ) রাষ্ট্রপতির পদের এবং সংসদের নির্বাচনের জন্য ভোটার-তালিকা প্রস্তুত করিবেন।] 
 
১১৯(২) উপরি-উক্ত দফাসমূহে নির্ধারিত দায়িত্বসমূহের অতিরিক্ত যেরূপ দায়িত্ব এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা নির্ধারিত হইবে, নির্বাচন কমিশন সেইরূপ দায়িত্ব পালন করিবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১২,৩৩৯.
১৯৫৬-৫৮ সাল মেয়াদে কার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক পরিষদে ক্ষমতাসীন ছিল?
  1. ক) মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  2. খ) শেখ মুজিবুর রহমান
  3. গ) আতাউর রহমান খান
  4. ঘ) হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
গ) আতাউর রহমান খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আতাউর রহমান খান
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তানি শাসনামলের ২৪ বছরের মধ্যে আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ প্রাদেশিক ক্ষমতায় ছিল মাত্র ২ বছর (১৯৫৬-৫৮) এবং হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নেতৃত্বে কোয়ালিশন সরকার হিসেবে কেন্দ্রে ক্ষমতায় ছিল মাত্র ১৩ মাস (১২ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬- ১১ অক্টোবর ১৯৫৭)। 

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১২,৩৪০.
লর্ড মাউন্টব্যাটেনের ভাইসরয় হিসেবে কোন সিদ্ধান্ত ছিল সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য?
  1. ভারতীয় রেল ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা
  2. উপমহাদেশের পুলিশ বাহিনী সংস্কার
  3. উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ক্ষমতা হস্তান্তর
  4. ভারতীয় ডাক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ক্ষমতা হস্তান্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ক্ষমতা হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
লর্ড মাউন্টব্যাটেন:
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড মাউন্টব্যাটেন স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- এই পদে আসীন থাকাকালে (১৯৪৭-এর আগস্ট থেকে ১৯৪৮-এর জুন পর্যন্ত) তিনি ভারতীয় রাজন্যবর্গকে হয় ভারতীয় ইউনিয়ন, না হয় পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হতে উদ্বুদ্ধ করেন।

⇒ ভাইসরয় হিসেবে তাঁর কার্যকাল সংক্ষিপ্ত হলেও এই সময়ে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন।
- সেসব সিদ্ধান্তের মধ্যে সর্বাধিক উল্লেখযোগ্য হচ্ছে উপমহাদেশের বিভক্তি এবং ভারত ও পাকিস্তানের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর।
- তিনি স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল নিযুক্ত হন।
- এই পদে আসীন থাকাকালে (১৯৪৭-এর আগস্ট থেকে ১৯৪৮-এর জুন পর্যন্ত) তিনি ভারতীয় রাজন্যবর্গকে হয় ভারতীয় ইউনিয়ন, না হয় পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হতে উদ্বুদ্ধ করেন।

উল্লেখ্য,
- তিনি ১৯৭৯ সালের ২৭ আগস্ট আয়ারল্যান্ডের অদূরে ডোনেগাল বে-তে তাঁর নৌযানে এক বিস্ফোরণে নিহত হন।

অন্যদিকে
- ভারতীয় রেল ব্যবস্থার প্রতিষ্ঠা করেন লর্ড ডালহৌসি।
- উপমহাদেশের পুলিশ বাহিনী সংস্কারের ক্ষেত্রে লর্ড ক্যানিং-এর নাম বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। ১৮৬১ সালে তিনি পুলিশ আইন প্রণয়ন করেন।
- ভারতীয় ডাক ব্যবস্থার সূচনা করেন ওয়ারেন হেস্টিংস। 

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) Britannica.
১২,৩৪১.
বর্তমানে দেশের অর্থনীতির কোন খাতটি সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করছে?
  1. ক) শিল্পখাত
  2. খ) কৃষিখাত
  3. গ) সেবাখাত
  4. ঘ) তৈরি পোশাক খাত
সঠিক উত্তর:
খ) কৃষিখাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কৃষিখাত
ব্যাখ্যা
• কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত - কৃষিখাত (৪০.৬% শ্রমশক্তি নিয়োজিত) এবং ছোট খাত - শিল্পখাত (২০.৪% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
• অর্থনীতি/জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত - শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ১০.৪৪%। 
• অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার - ২.২০%।
• সার্বিকভাবে অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান – ক্রমহ্রাসমান এবং শিল্পখাতের অবদান - ক্রমবর্ধমান। 
• যদিও সাময়িক হিসাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার পূর্ববর্তী অর্থবছরের ০.৫৮ শতাংশ হতে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৬.৩১ শতাংশে।
 
তথ্যসূত্র:- অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২।
১২,৩৪২.
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির অবস্থান কোথায়?
  1. বনানী
  2. বিজয় সরণি
  3. আগারগাঁও
  4. সেগুনবাগিচা
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেগুনবাগিচা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি:
- এটি সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় এর অধীন।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি বাংলাদেশে সংস্কৃতিচর্চার একমাত্র জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৭৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি।
- একাডেমীর সর্বোচ্চ নির্বাহী কর্মকর্তা হচ্ছেন মহাপরিচালক।
- একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন ড. মুস্তাফা নূর-উল ইসলাম।
- সাংস্কৃতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করার লক্ষ্যে দেশের ৬৪টি জেলায় জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
১২,৩৪৩.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেডে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয়?
  1. চট্টগ্রাম ইপিজেড
  2. ঢাকা ইপিজেড
  3. ঈশ্বরদী ইপিজেড
  4. কর্ণফুলী ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেড
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে। যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- বর্তমানে বেপজার অধীনস্থ অঞ্চলগুলোয় ৫৬৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ৪৫০টি প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। বাকি ১১৩টি প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়ন হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

⇒ সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড। দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) আওতাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড ) ও বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোর রপ্তানি বেড়েছে ১৬ শতাংশ, যা দেশের মোট পণ্য রপ্তানির ১৭ শতাংশ।
- বর্তমানে ইপিজেডে উৎপাদিত পণ্য ১২০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
- চালু শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে ৩৩% তৈরি পোশাক, ১৮% গার্মেন্টস অ্যাক্সেসরিজ এবং ৯% টেক্সটাইল উৎপাদন ও রপ্তানি করে, বাকি ৪০% প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রনিক্স এবং চিকিৎসা সরঞ্জাম থেকে শুরু করে আসবাবপত্র এবং ফ্যাশন এক্সেসরিজসহ বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র্যময় পণ্য উৎপাদন ও রপ্তানি করে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।

১২,৩৪৪.
ডেপুটি স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিলে শপথ পাঠ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান যাদের :
- প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ, স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান যাদের:

- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান যাদের:
- রাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্যবৃন্দ।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।
১২,৩৪৫.
বাংলাদেশ থেকে কান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত প্রথম সিনেমা কোনটি?
  1. আগুনের পরশমণি
  2. মাটির ময়না
  3.  লালন
  4. রেহানা মরিয়ম নূর
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাটির ময়না
ব্যাখ্যা
• কান চলচ্চিত্র উৎসব:
- চলচ্চিত্রশিল্পের অন্যতম বড় প্রদর্শনীর নাম কান চলচ্চিত্র উৎসব।
- ১৯৪৬ সালে ক্ষুদ্র পরিসরে বসে প্রথম আসর।
- আসরের সেরা পুরস্কার 'পাম দি'অর' বা 'স্বর্ণপাম' প্রথম প্রদান করা হয় ১৯৫৫ সালে।
- ভূমধ্যসাগরের উপকূলে ফ্রান্সের দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চলের শহর কানে বসে চলচ্চিত্রজগতের সবচেয়ে সম্মানজনক এ আসর।
- প্রতিবছরের মে মাসে ১২ দিনের জন্য বসে এ আসর।
- ১৯৪৬ সালে শুরুর পর থেকে প্রতিবছর সেরা চলচ্চিত্রকে পুরস্কৃত করা হয়।
- এটি বিশেষভাবে পরিচিত পাম দি'অর পুরস্কারের জন্য, যা দেওয়া হয় মূল প্রতিযোগিতা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রকে।
- বাংলাদেশে থেকে ২০০২ সালে প্যারালাল বিভাগ 'ডিরেক্টরস ফোর্টনাইট'-এ মনোনয়ন পেয়ে সমালোচক পুরস্কারও জিতেছিল তারেক মাসুদের 'মাটির ময়না'।
- কান চলচ্চিত্র উৎসবের অফিসিয়াল বিভাগ 'আঁ সার্তেইন রিগার্দ'-এ প্রথমবারের মতো স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র 'রেহানা মরিয়ম নূর' (২০২১ সাল)।

এছাড়াও,
-  ২০২৪ সালের কান চলচ্চিত্র উৎসবের সর্বোচ্চ পুরস্কার স্বর্ণ পাম জিতেছে মার্কিন নির্মাতা শন বেকারের সিনেমা 'আনোরা'। 
- কান উৎসবের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পুরস্কার গ্রাঁ প্রিঁ জিতেছে পায়েল কাপাডিয়ার  ‘অল উই ইমাজিন অ্যাস লাইট’।

উৎস: প্রথম আলো (১৪ মে ২০২৪)।
১২,৩৪৬.
অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন কে?
  1. শেখ ‍মুজিবুর রহমান
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. ড. কামাল হোসেন
  4. তাজউদ্দিন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
শেখ ‍মুজিবুর রহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেখ ‍মুজিবুর রহমান
ব্যাখ্যা
• সংবিধান: 
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করেন - শেখ ‍মুজিবুর রহমান।
- অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারি করা হয় - ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদ আদেশ জারি করা হয় - ২৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে (আদেশটি গেজেট আকারে প্রকাশিত হয় ২৩ মার্চ, ১৯৭২)।
- সংবিধানে স্বাক্ষরের সময় গণপরিষদের মোট সদস্য - ৪০৩ জন।
- গণপরিষদের প্রথম বৈঠক বসে -১০ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশন বসে - ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় - ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, মো: আরিফ খান।
১২,৩৪৭.
The national emergence service is -
  1. ক) 333
  2. খ) 999
  3. গ) 106
  4. ঘ) 109
সঠিক উত্তর:
খ) 999
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 999
ব্যাখ্যা
• মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্ন “রুপকল্প-২০২১” বাস্তবায়ন ও “ডিজিটাল বাংলাদেশ” গড়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
- এ অগ্রযাত্রায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মাননীয় উপদেষ্টা জনাব সজীব ওয়াজেদ এর ‘ব্রেইন চাইল্ড' হচ্ছে “ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯”
- তৎপ্রেক্ষিতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের উদ্যোগে ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে “জাতীয় পর্যায়ে সর্বস্তরের জনগণের জন্য মোবাইল ফোন-ভিত্তিক হেল্পডেস্ক বাস্তবায়ন” কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়।
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক মাননীয় উপদেষ্টার পরামর্শক্রমে কালিয়াকৈর বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটিতে দেশের জনগণের জন্য জরুরি সেবা অর্থাৎ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস এবং এ্যাম্বুলেন্স সেবা দ্রুত নিশ্চিত করার লক্ষ্যে “ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯” এর কাঠামো স্থাপন ও কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
- পরবর্তীতে “ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস” স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করে বাংলাদেশ পুলিশ কর্তৃক “জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯” এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম চালু করা হয়।

সূত্র: “জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নীতিমালা ২০২০”।
১২,৩৪৮.
ইপিজেডগুলিতে বিদেশী বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহজতর করার জন্য সরকারী সংস্থা কোনটি?
  1. BEPZA
  2. BEZA
  3. BSEZ
  4. BJRI
সঠিক উত্তর:
BEPZA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BEPZA
ব্যাখ্যা
BEPZA: 
- বেপজা হল ইপিজেডগুলিতে বিদেশী বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহজতর করার জন্য সরকারের সরকারী সংস্থা।
- বাংলাদেশ সরকার দ্রুত শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ‘ওপেন ডোর পলিসি’ গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা হয়।
- BEPZA বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করে দেশকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে।

BEPZA-এর ভূমিকা ও কার্যক্রম: 
- বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZs) এ বিদেশি বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ ও সহায়তা প্রদান।
- শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সামাজিক ও পরিবেশগত মান, নিরাপত্তা এবং কর্মক্ষেত্রের সুরক্ষা পর্যবেক্ষণ।
- EPZ-এ শ্রম-ব্যবস্থাপনা ও শিল্প সম্পর্ক সমন্বয়ে সহায়তা করা।
- সহজ বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করা, যা জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো এড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের অনুকূল পরিবেশ প্রদান করে।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১২,৩৪৯.
কোন পদটি সাংবিধানিক পদ নয়?
  1. ক) চেয়ারম্যান, সরকারি কর্ম কমিশন
  2. খ) মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
  3. গ) চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
  4. ঘ) প্রধান নির্বাচন কমিশনার
সঠিক উত্তর:
গ) চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রিসভার সদস্যগণ, সংসদ সদস্য, নির্বাচন কমিশনার, সরকারি কর্মকমিশনের সদস্য, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক ইত্যাদি সাংবিধানিক পদ। সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২,৩৫০.
নবাব সিরাজউদ্দৌলা কত বছর বয়সে সিংহাসনে আরোহন করেন?
  1. ২০ বছর
  2. ২১ বছর
  3. ২৩ বছর
  4. ২৪ বছর
সঠিক উত্তর:
২৩ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ বছর
ব্যাখ্যা
নবাব সিরাজউদ্দৌলা:
সিরাজউদ্দৌলা ২৩ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন।
- পলাশী যুদ্ধের কারণ ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলার নবাব আলীবর্দী খানের মৃত্যু হলে তার প্রিয় দৌহিত্র সিরাজউদ্দৌলা ২৩ বছর বয়সে সিংহাসনে বসেন।
- এসময় তাকে নানামুখি ষড়যন্ত্র ও সমস্যার মোকাবেলা করতে হয়। এর মধ্যে একটি পরিবারিক ষড়যন্ত্র।
- যা নবাব কৌশলে দমন করতে সক্ষম হন।
- কিন্তু পরিবারের বাইরেও ষড়যন্ত্রের আরেক জাল বিস্তৃত হতে থাকে।
- এর সঙ্গে জড়িত হয় দেশি-বিদেশি বণিক শ্রেণি,
- নবাবের দরবারের প্রভাবশালী রাজন্যবর্গ ও অভিজাত শ্রেণি,
- নবাবের সেনাপতি মীর জাফরসহ আরো অনেকে।
- এই ষড়যন্ত্রকারীরা পলাশী যুদ্ধের পটভূমি তৈরি করতে থাকে।

এছাড়াও,
- ১৭৫৭ খ্রিস্টাব্দে ২৩ জুন ভাগীরথী নদীর তীরে পলাশীর আমবাগানে নবাবের সঙ্গে ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের যুদ্ধ হয়।
- এই যুদ্ধে নবাবের পক্ষে ছিলেন দেশপ্রেমিক মীরমদন, মোহন লাল এবং ফরাসি সেনাপতি সিন ফ্রে।
- জেতার সবধরণের সুযোগ সুবিধা এবং এদের প্রাণপাত লড়াইয়ের পরও নবাব পরাজিত হন তার সেনাপতি মীরজাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে।
- এ যদ্ধ পলাশীর  যুদ্ধ নামে খ্যাত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।[Link]
১২,৩৫১.
মন্ত্রণালয়ের মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক কে?
  1. মন্ত্রী
  2. সচিব
  3. অতিরিক্ত সচিব
  4. উপসচিব
সঠিক উত্তর:
সচিব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সচিব
ব্যাখ্যা

মন্ত্রনালয়গুলোর প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক কাঠামো:
- বাংলাদেশে মন্ত্রণালয়গুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলা হয়।
১. মন্ত্রী - মন্ত্রণালয়ের নির্বাহী প্রধান। প্রত্যেক মন্ত্রণালয় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রী/উপমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে
থাকে।
২. সচিব - মন্ত্রণালয়ের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। সচিব মন্ত্রণালয়ের প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও মূখ্য হিসাব নিরীক্ষক।
৩. অতিরিক্ত সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৪. যুগ্ম-সচিব - উপ-বিভাগের প্রধান।
৫. উপসচিব - একাধিক শাখার প্রধান।
৬. সিনিয়র বা জেষ্ঠ সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।
৭. সহকারী সচিব - শাখা বা সেকশন প্রধান।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক।

১২,৩৫২.
বখতিয়ার খলজি কত সালে সালে বাংলা জয় করেন?
  1. ১২০২ সালে
  2. ১২০৩ সালে
  3. ১২০৪ সালে
  4. ১২০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১২০৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০৪ সালে
ব্যাখ্যা
ইখতিয়ার উদ্দিন বখতিয়ার খলজি:
- বখতিয়ার খলজী ছিলেন বাংলার দিল্লি সুলতানাতের একজন মুসলিম সুলতান।
- তিনি ছিলেন একজন তুর্কি সেনাপতি।
- ত্রয়োদশ শতকে তার নদীয়া জয়ের মাধ্যমে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত হয়। 
- তিনি ১২০৪ সালে বাংলার সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে বিনা বাঁধায় পরাজিত করে নদীয়া জয় করেন।
- বখতিয়ার খলজী তুর্কি জাতির খলজী সম্প্রদায়ভুক্ত ছিলেন।
- তিনি স্বল্প সময়ের জন্য নদীয়ায় অবস্থান করেন এবং পরে গৌড়ের দিকে যাত্রা করেন।
- তিনি ৬০১ হিজরিতে (১২০৫ খ্রি.) বিনা বাধায় গৌড় জয় করেন এবং লখনৌতি নাম দিয়ে সেখানে তাঁর রাজধানী স্থাপন করেন।
- উল্লেখ্য, পূর্বে গৌড়ের নাম ছিল লক্ষণাবতী।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাপিডিয়া।
১২,৩৫৩.
‘স্বত্ববিলোপ নীতি’ আরোপ করে লর্ড ডালহৌসি কোন রাজ্যটি অধিকার করেন?
  1. অযোধ্যা ও পাঞ্জাব
  2. পাঞ্জাব ও হায়দ্রাবাদ
  3. নাগপুর ও ঝাঁসি
  4. হায়দ্রাবাদ ও অযোধ্যা
সঠিক উত্তর:
নাগপুর ও ঝাঁসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাগপুর ও ঝাঁসি
ব্যাখ্যা
লর্ড ডালহৌসি:
- স্বত্ববিলোপ নীতি আরোপ করে লর্ড ডালহৌসি নাগপুর ও ঝাঁসি অধিকার করেন।
- স্বত্ববিলোপ নীতি বা ডক্ট্রিন অব ল্যাপ্স হলো ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দ্বারা আরোপিত ভারতীয় রাজ্য আত্মসাৎ করার নীতি ৷
- ১৮৫৯ খ্রিস্টাব্দ অবধি এই নীতি কার্যকর ছিল ৷
- লটারি উপমহাদেশের প্রথম টেলিগ্রাফ লাইন স্থাপন করেন ১৮৫০ সালে।
- বাংলাদেশের প্রথম রেললাইন স্থাপন করেন ১৮৬২ সালে।
- ডাকটিকিট চালু করেন ১৮৫৪ সালে।
- বিধবা বিবাহ আইন প্রণয়ন করেন ১৮৫৬ সালে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১২,৩৫৪.
কোন সালে বাংলাদেশে গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
হরিপুর গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো সিলেটের হরিপুরে।
- ১৯৫৫ সালে সর্বপ্রথম এখানে গ্যাসের খোঁজ পাওয়া যায়।
- ১৯৫৭ সালে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম তেলক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৮৬ সালে সিলেটের হরিপুরে। 
- ১৯৮৭ সনে এই তেলক্ষেত্রটি থেকে তেল উৎপাদন শুরুর মাধ্যমে বাংলাদেশ তেলযুগে পদার্পন করে।
- বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
 
এছাড়াও,
- বাংলাদেশে প্রথম ১৯৮৫ সালে দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়াতে কয়লা খনির সন্ধান পাওয়া যায়।
- ১৯৮৯ সালে রংপুর জেলার খালাশপীর নামক স্থানে এবং
- ১৯৯৫ সালে দিনাজপুরের দীঘিপাড়াতে পার্মিয়ান যুগের গন্ডোয়ানা কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
১২,৩৫৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার -
  1. ১.০২%
  2. ১.১২%
  3. ১.১৭%
  4. ১.২১%
সঠিক উত্তর:
১.১২%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.১২%
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১২,৩৫৬.
সংবিধানের কোথায় 'বিসমিল্লাহির-রহমানির রহিম' সংযুক্ত করা হয়েছে?
  1. প্রথম তফসিলে
  2. প্রস্তাবনায়
  3. প্রথম ভাগে
  4. প্রথম অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রস্তাবনায়
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৯ সালে পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রস্তাবনার শীর্ষে ''বিসমিল্লাহির-রাহমানির রহিম'' (দয়াময়, পরম দয়ালু আল্লাহর নামে) বাক্য সংযুক্ত হয়।
- ২০১১ সালে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলা তর্জমায় (পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার নামে) সংযোজন করা হয়।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ সংবিধান)
১২,৩৫৭.
আউশ ধান রোপনের সময় নিচের কোনটি?
  1. ক) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  2. খ) মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু
  3. গ) জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু
  4. ঘ) এপ্রিল – মে
সঠিক উত্তর:
ক) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
ব্যাখ্যা
• আউশ ধান
- মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল (রোপনের সময়)।
- মধ্য জুলাই – আগস্টের শুরু (উত্তোলনের সময়)।
• আমন ধান
- জুনের শেষ – সেপ্টেম্বরের শুরু (রোপনের সময়)।
- ডিসেম্বর – জানুয়ারির শুরু (উত্তোলনের সময়)।
• বোরো ধান
- মধ্য নভেম্বর – মধ্য জানুয়ারি (রোপনের সময়)।
- এপ্রিল – মে (উত্তোলনের সময়)।

সূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২১.
১২,৩৫৮.
আদমশুমারি রিপোর্ট-২০১১ অনুসারে কোন বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক?
  1. ঢাকা
  2. বরিশাল
  3. খুলনা
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
- ২০১১ সালে অনুষ্ঠিত পঞ্চম আদমশুমারি রিপোর্ট অনুসারে দেশে ৭ বছর ও তার উর্ধ্বের জনগোষ্ঠীর মধ্যে সাক্ষরতার হার ছিলো ৫৬.০৯ শতাংশ।
- বিভাগ অনুযায়ী সাক্ষরতার হার সর্বাধিক বরিশাল বিভাগে এবং সর্বনিম্ন সিলেট বিভাগে।
বিভাগ অনুযায়ী স্বাক্ষরতার হার:
- বরিশাল বিভাগ : ৫৯.৫৫ শতাংশ
- চট্টগ্রাম বিভাগ : ৫৯.৪৮ শতাংশ
- ঢাকা বিভাগ : ৫৬.৯৮ শতাংশ
- খুলনা বিভাগ : ৫৬.৮০ শতাংশ
- রাজশাহী বিভাগ : ৫৩.২৫ শতাংশ
- রংপুর বিভাগ : ৫১.৯৭ শতাংশ
- সিলেট বিভাগ : ৪৯.৭৮ শতাংশ
- [তবে পঞ্চম আদমশুমারি পরবর্তী সময়ে ঢাকা বিভাগ ভেঙ্গে ময়মনসিংহ বিভাগ সৃষ্টির পর সাক্ষরতার হার ঢাকা বিভাগে ৬০.৫৭ শতাংশ এবং ময়মনসিংহ বিভাগে ৪৫.৩৮ শতাংশ]
- সর্বশেষ বিবিএস SVRS Report-2019 অনুসারে বাংলাদেশের ৭ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার সাক্ষরতার হার ৭৪.৪ শতাংশ এবং ১৫ বছর ও তদূর্ধ্ব জনসংখ্যার সাক্ষরতার হার ৭৪.৭ বছর।
(সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১২,৩৫৯.
বাংলাদেশ কবে IMF এর সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
The International Monetary Fund (IMF):
- The International Monetary Fund বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল।
- ১৯৪৪ সালের ৪ জুলাই Bretton Woods Conference এর মাধ্যমে IMF গঠিত হয়।
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৫ সালে।
- কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৭ সালে।
- IMF এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯০টি।
- IMF এর সদরদপ্তর: যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.তে অবস্থিত।
- বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক: ক্রিস্টালিনা জর্জিয়েভা।
- IMF এর প্রধান কাজ: আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।
- ২০২০ সালের ১৬ অক্টোবর অ্যান্ডোরা সংস্থাটির সর্বশেষ সদস্যপদ লাভ করে।
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৭ আগস্ট IMF এর সদস্যপদ লাভ করে।

অন্যদিকে -
- ডেভিড ম্যালপাস বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট ছিলেন।
- WTO এর মহাপরিচালক এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা। 

উৎস: IMF ওয়েবসাইট।
১২,৩৬০.
বঙ্গবন্ধু রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত কিলোমিটার?
  1. ৩.৪ কিলোমিটার
  2. ৪.২ কিলোমিটার
  3. ৪.৮ কিলোমিটার
  4. ৬.১৫ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
৪.৮ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪.৮ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
যমুনা নদীর উপর দেশের সর্ববৃহৎ একক রেলু সেতু হিসেবে বঙ্গবন্ধু রেলসেতু নির্মিত হচ্ছে। যমুনা সেতু তিনশ মিটার উজানে নির্মাণাধীন সেতুটির দৈর্ঘ্য ৪.৮ কিলোমিটার।
এটি ডাবল লাইনের ডুয়েলগেজ রেলসেতু। ২০২০ সালের ২৯ নভেম্বর এটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়। ২০২৫ সালের মধ্যে সেতুটির নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
সেতুটি নির্মাণে জাপান সরকার আর্থিক সহায়তা করছে।

(তথ্যসূত্র: সেতু বিভাগ ও ফিনান্সিয়াল এক্সপ্রেস)
১২,৩৬১.
ব্লু ইকোনমি কোনটির সাথে সম্পর্কিত?
  1. ক) বায়ু
  2. খ) সমুদ্র
  3. গ) আকাশ
  4. ঘ) মাটি
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সমুদ্র
ব্যাখ্যা
কোন ব্যাখ্যা যোগ করা হয়নি।
১২,৩৬২.
পার্বত্য চট্টগ্রামে উপজাতীয় জনগোষ্ঠী যে বিশেষ পদ্ধতিতে চাষ করে, তাকে কী বলা হয়?
  1. কুম
  2. জুম
  3. রুম
  4. কুমি
সঠিক উত্তর:
জুম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুম
ব্যাখ্যা

জুম চাষ:
- জুম চাষ (Jhum) বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বাধিক প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতি।
- এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ করা।
- মূলত পাহাড়ের জঙ্গল পরিষ্কার করে চাষাবাদ করাই হলো জুম।
- এক্ষেত্রে সাধারণত পাহাড়ের গায়ে কিছু স্থানে চাষ করার পর কয়েক বছর সেই স্থানের উর্বরতা বৃদ্ধির জন্য রেখে দিয়ে আবার পাহাড়ের অন্য স্থানে গিয়ে চাষ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জুম চাষিদের জুমিয়া বলা হয়।
- জুম চাষ পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের জীবন-জীবিকার প্রধান অবলম্বন।
- বর্তমানে প্রতিবছর প্রায় ২০ হাজার হেক্টর ভূমি এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়।
- সাধারণভাবে জন্মানো প্রধান ফসলের মধ্যে রয়েছে ধান, ভুট্টা, কাউন, তিল, শসা, মিষ্টিকুমড়া, তরমুজ, বরবটি, তুলা, কলা, আদা, হলুদ প্রভৃতি।
- বাংলাদেশের তিন পার্বত্য জেলায় (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) জুম চাষ হয়।
- জুম চাষের বিকল্প পদ্ধতি হচ্ছে সল্ট।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১২,৩৬৩.
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলায় অংশগ্রহণকারী প্রথম বাংলাদেশির নাম কী?
  1. শহিদ ইসলাম
  2. রাশেদ আলম
  3. তৌহিদ ইসলাম
  4. শহিদুল আলম
  5. তৌকির ইসলাম
সঠিক উত্তর:
শহিদুল আলম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহিদুল আলম
ব্যাখ্যা

শহিদুল আলম:
- গাজাগামী 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা' অংশগ্রহণকারী শহিদুল আলম পেশায় একজন আলোকচিত্রী। 

⇒ গাজায় ইসরায়েলের আরোপিত অবরোধ ভাঙার বৃহত্তর নৌ-সাহায্য মিশনের অংশ হিসেবে যাত্রা শুরু করে 'গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা'। 
- এই ফ্লোটিলায় প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে আছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন আলোকচিত্রী ও মানবাধিকার কর্মী শহিদুল আলম।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা নৌবহর যাত্রা শুরু করেছিল গাজার ১৭ বছরের অবরোধ ভাঙতে খাদ্য, ওষুধ আর শিশুদের খেলনা নিয়ে। 
- এর যাত্রীদের মধ্যে আছেন সুইডিশ জলবায়ুকর্মী গ্রেটা থুনবার্গসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানবাধিকারকর্মী, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও সাংবাদিকেরা।
- গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা ‘ফ্রিডম ফ্লোটিলা’ কোয়ালিশনের অংশ, যা ২০০৮ সাল থেকে গাজার অবরোধ ভাঙার জন্য লড়ছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১২,৩৬৪.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান কোন বাহিনীতে ছিলেন?
  1. ইপিআর
  2. বিমানবাহিনী
  3. সেনাবাহিনী
  4. নৌবাহিনী
সঠিক উত্তর:
সেনাবাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেনাবাহিনী
ব্যাখ্যা
হামিদুর রহমান:

- ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে তিনি জম্ম গ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে।
- হামিদুর রহমানের পদবী ছিল সিপাহী।
- ১৯৭১ সালে হামিদুর রহমান মুক্তিবাহিনীর সাহসী সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন সিলেট শ্রীমঙ্গল এলাকায়।
- ১৯৭১ সালের ২৮শে অক্টোবর সম্মুখ যুদ্ধে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বীরশ্রেষ্ট খেতাবে ভূষিত হন।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর ১০ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৩৬৫.
ঐতিহ্যবাহী ‘বনবিবির পূজা ও মেলা’ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
  1. সিলেট অঞ্চলে
  2. বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে
  3. রাজশাহী অঞ্চলে
  4. সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে
ব্যাখ্যা
বনবিবির পূজা ও মেলা:
- সুন্দরবনের দেবদেবীর মাহাত্ম্য বর্ণনায় প্রথমেই যাঁর কথা উল্লেখ করতে হয়, তিনি বনবিবি।
- সুন্দরবন উপকূলের হিন্দুধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, বনবিবি সুন্দরবনে যত্রতত্র যাতায়াত করেন।
- বাঘ, কুমিরসহ সব হিংস্র জন্তু তাঁর অনুগত।
- তাই অরণ্যের দেবী হিসেবে প্রতিবছর মাঘ মাসের প্রথম সপ্তাহে খুলনার কয়রা উপজেলার সুন্দরবনসংলগ্ন বিভিন্ন গ্রামে অনুষ্ঠিত হয় বনবিবির পূজা ও মেলা।

উল্লেখ্য,
- বনবিবির পূজা করলে সুন্দরবনের হিংস্র প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায় বলে স্থানীয় মানুষের বিশ্বাস।
- সুন্দরবনসংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের পারের চরামুখা গ্রামে বনবিবি মন্দির ঘিরেই এখানে বনবিবির পূজা ও মেলা হয়ে আসছে সেই ১২৮৩ বঙ্গাব্দ থেকে।

উৎস: ১৭ জানুয়ারী ২০২৪, প্রথম আলো।
১২,৩৬৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে পরিবেশ উন্নয়ন ও বন সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৬(১) নং
  2. ৭খ নং
  3. ১৮ক নং
  4. ১৯(১) নং
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ক নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১৮ক নং অনুচ্ছেদে 'পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন' এর কথা বলা হয়েছে।

• সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদ অনুসারে,
- রাষ্ট্র বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নাগরিকদের জন্য পরিবেশ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন করিবেন এবং প্রাকৃতিক সম্পদ, জীব- বৈচিত্র্য, জলাভূমি, বন ও বন্যপ্রাণির সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিধান করিবেন।

অন্যদিকে -
- ৬(১) নং - বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে।
- ১৯(১) নং- সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হইবেন।
- অনুচ্ছেদ ৭খ: সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী সংশোধন অযোগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৩৬৭.
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৭ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
• নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- ১৯৪৮ সালে ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’স্থাপন করে।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে  বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৮ সালে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে;
- এবং ‘‘হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী’’ প্রতিষ্ঠানটি ইহার সহিত একীভূত করে।
- ১৯৮৯ সালে  ফরিদপুরে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি  ঢাকা শহর হতে ১৪০ কিলোমিটার দুরে।
- এটি ৮৬ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯০ সনের ৫৩নং আইন বলে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কেএকটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্ব-শাসিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন (ফরিদপুর জেলা)।
১২,৩৬৮.
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ১৯৭৭ রহিত করে কবে বিদ্যুতায়ন বোর্ড আইন জারি করা হয়েছিল?
  1. ক) ২০১৭ সালে
  2. খ) ২০১০ সালে
  3. গ) ২০১৩ সালে
  4. ঘ) ২০২১ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২০১৩ সালে
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড অধ্যাদেশ, ১৯৭৭ (১৯৭৭ এর অধ্যাদেশ নং ৫১) জারি করেন ও অধ্যাদেশ অনুসারে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৭৮ সালে এটি কার্যক্রম শুরু করে।
- ২০১৩ সালে অধ্যাদেশটি রহিত করা হয় ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড আইন, ২০১৩ জারি করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
১২,৩৬৯.
পৌষ সংক্রান্তির দিন সাঁওতালদের কোন উৎসব জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়?
  1. করম
  2. সরহুল
  3. সোহরাই
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোহরাই
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ নৃগোষ্ঠী।
- আবাসস্থল: মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা, এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- প্রধান উপাস্য দেবতা: মারাং বুরু।
- এই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে।
- প্রায় প্রতিমাসে বা ঋতুতে রয়েছে পরব বা উৎসব।
- সাঁওতালদের জাতীয় উৎসব: সোহরাই।
- সোহরাই পৌষ সংক্রান্তির দিন অত্যন্ত জাঁকজমকের সঙ্গে উদ্যাপিত হয়।
- সাঁওতাল সমাজে পুরুষের আধিপত্য অপেক্ষাকৃত বেশি।
- সাঁওতালদের ভাষা আছে কিন্তু লেখ্য বর্ণমালা নেই, তেমনি তাদের ধর্ম আছে কিন্তু কোন আনুশাসনিক ধর্মগ্রন্থ নেই।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

১২,৩৭০.
দেশে 'লিচু' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি? [কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪]
  1. দিনাজপুর
  2. পাবনা 
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  4. রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
পাবনা 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা 
ব্যাখ্যা

- দেশে 'লিচু' উৎপাদনে শীর্ষ জেলা পাবনা। (৮,৮৯০ মে. টন)।
- দেশে 'লিচু' উৎপাদনে দ্বিতীয় শীর্ষ জেলা দিনাজপুর। (৮,৫২০.৪৯ মে. টন)।

অন্যদিকে,
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা:রংপুর জেলা।
- মিঠা পানিতে মৎস্য উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষ গ্রন্থ ২০২৪।

১২,৩৭১.
১৯৫৭ সালের কাগমারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় -
  1. দিনাজপুর
  2. টাঙ্গাইল
  3. ময়মনসিংহ
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
কাগমারি সম্মেলন: 
- কাগমারি সম্মেলন  টাঙ্গাইল জেলার কাগমারিতে ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশন ও সাংস্কৃতিক সম্মেলন।
- ৭ ফেব্রুয়ারি কাউন্সিল অধিবেশনে মূল আলোচ্যসূচি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পূর্ণ স্বায়ত্তশাসন এবং জোটনিরপেক্ষ পররাষ্ট্রনীতি।
- কিন্তু সিয়াটো ও সেন্টোর সামরিক চুক্তির প্রতি  আওয়ামী লীগ নেতা ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী  হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী দৃঢ় সমর্থন ব্যক্ত করলে সম্মেলনে মতবিরোধের সৃষ্টি হয়।
- ১৯৫৪ সালে  যুক্তফ্রণ্ট নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোর একুশ দফা প্রতিশ্রুতির অন্যতম ছিল জোটনিরপেক্ষ ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি।
- সোহরাওয়ার্দীর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক বক্তব্য আওয়ামী লীগের বামপন্থি নেতৃবৃন্দ সমর্থন করেন নি। এঁদের পুরোধা ছিলেন আওয়ামী লীগ সভাপতি (সম্মেলনেরও সভাপতি) মওলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানী।

উল্লেখ্য, 
- আওয়ামী লীগের আইনসভার সদস্য ও নেতৃবৃন্দের উপস্থিতিতে কাউন্সিল অধিবেশনে মওলানা ভাসানী সোহরাওয়ার্দীর অনুসৃত সামরিক জোটের সমালোচনা করেন। ওই ভাষণে মওলানা প্রাদেশিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি তোলেন। সোহরাওয়ার্দী সামরিক জোটের পক্ষে যুক্তি প্রদর্শন করেন। তিনি পাকিস্তান স্বাক্ষরিত সামরিক চুক্তি এবং কেন্দ্র কর্তৃক পূর্ব পাকিস্তানে আরোপিত অর্থনৈতিক নীতিমালার পক্ষেও রায় দেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
১২,৩৭২.
বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য কোনটি?
  1. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
  2. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
  3. আন্তর্জাতিক স্বার্থ রক্ষা করা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- যে কোন দেশ বহির্বিশ্বের কাছ থেকে তার উদ্দেশ্যাবলি অর্জনের জন্য তার পররাষ্ট্র নীতি প্রণয়ন করে থাকে ।
- বাংলাদেশও এই প্রচলিত রাষ্ট্রীয় নিয়মের বাইরে নয়।
- বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যাবলিকে আমরা বর্ণনা করতে পারি:
• আত্বরক্ষা,
• অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
• অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
• নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা,
• জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

তথ্যসূত্র - সিভিক এডুকেশন-২, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,৩৭৩.
নিচের কোনটি ধানের জাত?
  1. শাহজালাল
  2. বীটজবা
  3. সোহাগ
  4. প্রভাতী
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজালাল
ব্যাখ্যা

বিআর-১৮ঃ
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জের হাওর এলাকার উপযোগী বলে এ জাতটি ইন্দোনেশিয়া থেকে এদেশে প্রবর্তন করেছে।
এটি ১৯৮৫ সনে বোরো মৌসুমে চাষাবাদের জন্য বিআর ১৮ নামে জাতীয় বীজ বোর্ডের অনুমোদন লাভ করে।
এ জাতের জনপ্রিয় নাম শাহজালাল।
উৎসঃ কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) এর ওয়েবসাইট।

১২,৩৭৪.
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত আইন কোনটি?
  1. ক) IPO
  2. খ) NPO
  3. গ) RPO
  4. ঘ) BPO
সঠিক উত্তর:
গ) RPO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) RPO
ব্যাখ্যা
- স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের ২৬ ডিসেম্বর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ বা (Representation of the People Order-RPO) জারি করা হয়।
- এটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংক্রান্ত প্রধান আইন।
- এই আইনে মোট ৯৫টি ধারা রয়েছে।

তথ্যসূত্র:  আইন মন্ত্রণালয় এবং নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
১২,৩৭৫.
প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে শিকাগো ম্যারাথন সফলতার সাথে শেষ করেছেন -
  1. মাহরীন খান
  2. নিশাত সুলতানা
  3. শিরিন শারমিন
  4. নাবিলা জাহান
সঠিক উত্তর:
মাহরীন খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহরীন খান
ব্যাখ্যা
মাহরীন খান:
- প্রথম বাংলাদেশি নারী হিসেবে শিকাগো ম্যারাথন সফলতার সঙ্গে শেষ করেছেন মাহরীন খান। 
- এর আগে মাহরীন খান নিউইয়র্ক ও বন ম্যারাথানও সফলতার সাথে শেষ করেন।
- মাহরীন খান বর্তমানে এম আই টি থেকে পিএইচডি করে বর্তমানে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণারত।

উৎস: ৯ অক্টোবর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১২,৩৭৬.
বাংলাদেশ ব্যতীত কোন দেশের মালিকানা শেয়ার রয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে?
  1. জার্মান
  2. চীন
  3. ভুটান
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
শেয়ার মার্কেট:
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ২৫ শতাংশ শেয়ারের মালিক চীনের সাংহাই স্টক এক্সচেঞ্জ এবং শেনজেন স্টক এক্সচেঞ্জ।
- ডিমিউচুয়ালাইজেশন আইনের অধীনে ২০১৮ সালে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ২৫ শতাংশ শেয়ার চীনা কোম্পানির দুটি প্রতিষ্ঠানের কাছে বিক্রি করা হয়।
- এ শেয়ার ক্রয়ে চীনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলো ভারত।
- “দীর্ঘ মেয়াদে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সংরক্ষণে এমন কৌশলগত বিনিয়োগ করা হয়।

উৎস: ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং দৈনিক কালেরকণ্ঠ।
১২,৩৭৭.
মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করা হয়। এর মধ্যে কোন সেক্টরটি ব্যতিক্রম?
  1. ক) ১ নং
  2. খ) ৬ নং
  3. গ) ১০ নং
  4. ঘ) ১১ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং
ব্যাখ্যা
১০ নং সেক্টরটি ব্যতিক্রম। এই সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না। নৌ-কমান্ডো বাহিনী নিয়ে এই সেক্টর গঠিত হয়। এই বাহিনী গঠনের উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সে প্রশিক্ষণরত পাকিস্তান নৌবাহিনীর আট জন বাঙালি নৌ-কর্মকর্তা।
১২,৩৭৮.
৪ স্তর বিশিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলেন কে?
  1. ক) আইয়ুব খান
  2. খ) ইস্কান্দার মির্জা
  3. গ) ইয়াহিয়া খান
  4. ঘ) ফিরোজ খান
সঠিক উত্তর:
ক) আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা
মৌলিক গণতন্ত্র প্রবর্তন:
- ১৯৫৮ সালে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েই জেনারেল আইয়ুব খান পাকিস্তানের শাসন কাঠামো এবং রাজনৈতিক কাঠামোর আমূল পরিবর্তনের উদ্যোগ নেন।
- ১৯৫৯ সালের অক্টোবর মাসে আইয়ুব খান গণতান্ত্রিক পদ্ধতি পরিত্যাগ করে একটি নতুন নির্বাচন কাঠামো প্রবর্তন করেন।
- তাঁর এই নির্বাচনের মূলভিত্তি ছিল ‘মৌলিক গণতন্ত্র'।
- এই ব্যবস্থার মাধ্যমে নির্দিষ্ট সংখ্যক লোক প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের অধিকার লাভ করে।
- এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের দুই অঞ্চল থেকে ৪০ হাজার করে ৮০ হাজার মৌলিক গণতন্ত্রী সদস্য নির্বাচন করা হয়।
- আইয়ুব খান ৪ স্তর বিশিষ্ট প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলেন
- মৌলিক গণতন্ত্র ব্যবস্থায় নিম্ন থেকে উচ্চ স্তরগুলো ছিল : ১. ইউনিয়ন পরিষদ (গ্রামে) এবং টাউন ও ইউনিয়ন কমিটি (শহরে), ২. থানা পরিষদ (পূর্ব বাংলায়) এবং তহশিল পরিষদ (পশ্চিম পাকিস্তানে), ৩. জেলা পরিষদ, ৪. বিভাগীয় পরিষদ।
- এই পরিষদগুলোতে নির্বাচিত এবং মনোনীত উভয় ধরনের সদস্য থাকতেন।
- এরাই জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে ভোট দানের ক্ষমতার অধিকারী ছিলেন।
- ১৯৬০ সালে এসব মৌলিক গণতন্ত্রীদের আস্থা ভোটে আইয়ুব খান পরবর্তী পাঁচ বছরের জন্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
১২,৩৭৯.
কোন গাছের কাঠ হতে দিয়াশলাই-এর কাঠি তৈরি হয়?
  1. গরান
  2. গেওয়া
  3. ধুন্দল
  4. চাপালিশ
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা
• দিয়াশলাই শিল্প:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

• কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

• নিউজপ্রিন্ট কারখানা:
- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।

• রেয়ন শিল্প:
- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,৩৮০.
খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসবের নাম-
  1. সাংলান
  2. হেনেই
  3. সোহরাই
  4. মাইলুকমা
সঠিক উত্তর:
সাংলান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংলান
ব্যাখ্যা

খিয়াং:
- পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি নৃ-গোষ্ঠী।
- দক্ষিণের টেম চিন (Tame Chin) বা উত্তরের ওয়াইল্ড চিন (Wild Chin) নামে অভিহিত আরাকান-ইয়োমা উপত্যকার অববাহিকা অঞ্চলে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী থেকে খিয়াংদের আগমন।
- খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ‘সাংলান’।
- গৌতম বুদ্ধকে পূজা-অর্চনার মাধ্যমে এ উৎসব শুরু হয়।
- বর্তমানে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় এ জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- খিয়াংরা চীনা-তিববতীয় ভাষাগোষ্ঠীর তিববতি-ব্রহ্ম শাখার কুকি-চীন দলভুক্ত।
- খিয়াংদের নিজস্ব কোনো বর্ণমালা নেই।

উল্লেখ্য,
- খিয়াং জনগোষ্ঠীর নবান্ন উৎসবের নাম হলো 'হেনেই'।
- খিয়াংদের সমাজব্যবস্থায় একজন নেতা থাকে যাকে বলা হয় কার্বারী।
- খিয়াংদের সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।
- অন্যায় বা অপরাধের সাথে জড়িত কোনো লোকের বিচার গ্রামের কার্বারী তাদের নিজস্ব প্রথা অনুসারে করে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২,৩৮১.
নিচের কোন জেলায় সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর বসবাস নেই?
  1. রাজশাহী
  2. বগুড়া
  3. দিনাজপুর
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
সাঁওতাল:
- বাসস্থান: রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- বাংলাদেশের  উত্তর ও পশ্চিমাংশে বসবাস করে।
- সাঁওতাল সমাজ: পিতৃতান্ত্রিক।
- গ্রাম প্রধান হলেন: মাঞ্চঝি।
- সাঁওতাল সমাজের মূল ভিত্তি : গ্রাম পঞ্চায়েত।
- প্রধান উৎসব:সোহরাই।

উল্লেখ্য,
- রাখাইনরা বসবাস করে পটুয়াখালী ও কক্সবাজার।
- গারোরা বসবাস করে ময়মনসিংহ।
- মণিপুরীরা বসবাস করে সিলেটে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,৩৮২.
'বীমা কর্পোরেশন বিল - ২০১৯' জাতীয় সংসদে পাস হয়-
  1. ক) ৩০ এপ্রিল,২০১৯
  2. খ) ২৮ এপ্রিল, ২০১৯
  3. গ) ২০ এপ্রিল, ২০১৯
  4. ঘ) ২৫ এপ্রিল, ২০১৯
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০ এপ্রিল,২০১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩০ এপ্রিল,২০১৯
ব্যাখ্যা
বীমা কর্পোরেশন বিল ২০১৯ জাতীয় সংসদে পাস হয় ৩০শে এপ্রিল, ২০১৯।
উৎসঃ বাসস
১২,৩৮৩.
বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয় কী?
  1. আইনসভা
  2. রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি
  3. প্রজাতন্ত্র
  4. মৌলিক অধিকার
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রজাতন্ত্র
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় - প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় অধ্যায় - রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায় - মৌলিক অধিকার;
- চতুর্থ অধ্যায় - নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায় - আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায় - বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় - নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় - মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায়  - বাংলাদেশের কর্মবিভাগ;
- দশম অধ্যায়  - সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়  - বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১২,৩৮৪.
জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে বাংলাদেশি প্রবাসী সংখ্যা কত?
  1. প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ
  2. প্রায় ১ কোটি ২৫ লাখ
  3. প্রায় ১ কোটি ৪৫ লাখ
  4. প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রবাসী আয়

- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক এবং আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা পালন করছে পোশাকশিল্পের বিকাশ ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধি।
- বাংলাদেশ সাধারণত সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং আমেরিকা, কুয়েত, যুক্তরাজ্য প্রভৃতি দেশ থেকে সর্বাধিক প্রবাসী আয় পেয়ে থাকে।
- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি প্রবাসীর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ।
- ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ অভিবাসন হয় যা সংখ্যায় ১৩ লাখেরও বেশি।
- প্রবাসী আয়ে প্রতি বছর দেশে ২২ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি রেমিট্যান্স আসে, যা দেশের মোট জিডিপির ১২ শতাংশ।

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রবাসী আয় বিভিন্নভাবে ভূমিকা পালন করে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্ষেত্র হলো:
• দারিদ্র্য বিমোচন;
• গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন;
• জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন;
• কর্মসংস্থান সৃষ্টি;
• বিনিয়োগের নতুন সম্ভাবনা ;
• বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধি;
• আমদানি-রপ্তানিতে ভারসাম্য রক্ষা;
• নারীর ক্ষমতায়ন। 

সূত্র- জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১২,৩৮৫.
১৯৭১ সালে যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধারা কোন অভিযান পরিচালনা করে?
  1. চাটগাঁ অভিযান
  2. বেলুনিয়া অভিযান
  3. কুষ্টিয়া অভিযান
  4. ময়মনসিংহ অভিযান
সঠিক উত্তর:
বেলুনিয়া অভিযান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেলুনিয়া অভিযান
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধকালীন চূড়ান্ত পর্যায়ে মুক্তিবাহিনী :
- ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাস থেকে মুক্তিবাহিনী শত্রুর বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে ঝটিকা আক্রমণ শুরু করে।
- ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে ভারত-সোভিয়েত চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাংলাদেশ যুদ্ধে ভারত অধিকতর আগ্রহ দেখাতে শুরু করে।
- অবশেষে, ৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ ভারত সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হয়।
- বস্ত্তত নভেম্বর মাস থেকেই ভারতীয় সৈন্যরা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়ে আসছিল।
- এ সময় মুক্তিযোদ্ধারা বেলুনিয়া অভিযান পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,

• মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিবাহিনী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সংগঠিত সশস্ত্রবাহিনী।
- শুরুতে এর নাম ছিল মুক্তিফৌজ।
- ১৯৭১ সালের মার্চের শুরু থেকে দেশের শহর ও গ্রাম এলাকায় ছাত্র ও যুব নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে গঠিত সংগ্রাম পরিষদের কর্মীরাই পরবর্তী সময়ে সংগঠিত হয়ে মুক্তিফৌজ ও মুক্তিবাহিনী গঠন করে।

উৎস; বাংলাপিডিয়া।

১২,৩৮৬.
জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে কোনটি?
  1. আদালত
  2. নির্বাহী বিভাগ
  3. সুশীল সমাজ
  4. রাজনৈতিক দল
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজনৈতিক দল
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল:
- জনগণ ও সরকারের মধ্যে সেতু বন্ধনের কাজ করে রাজনৈতিক দল।
- রাজনৈতিক দলের একটি স্থায়ী সংগঠন থাকে এবং এ সংগঠনের মাধ্যমে এটি কাজ করে।
- একটি রাজনৈতিক দলের সদস্যবৃন্দ একই মতাদর্শে বিশ্বাসী হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা অর্জনের জন্য কাজ করে। 
- সমমতাদর্শে অনুপ্রাণিত, ঐক্যবদ্ধ ও সংগঠিত ব্যক্তিদের নিয়ে রাজনৈতিক দল গঠিত হয়।
- প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের নির্দিষ্ট কর্মসূচি থাকে।
- এই কর্মসূচিকে বাস্তবে রূপায়িত করার জন্য দলগুলো নিয়মতান্ত্রিক এবং সংবিধানসম্মত পদ্ধতিতে অগ্রসর হয়।
- রাজনৈতিক দল মাত্রই জাতীয় স্বার্থের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়।
- প্রত্যেক দল সমগ্র জাতির সাধারণ স্বার্থ সাধনে আত্মনিয়োগ করে। 

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, মোজাম্মেল হক।

১২,৩৮৭.
How many ground stations are there for Bangabandhu Satellite-1?
  1. One
  2. Two
  3. Three
  4. Four
  5. Five
সঠিক উত্তর:
Two
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Two
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ নির্মাণ করেছে বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান ফ্রান্সের থেলেস এলেনিয়া স্পেস।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের গায়ে বাংলাদেশের লাল-সবুজ পতাকার রঙের নকশার ওপর ইংরেজিতে লেখা রয়েছে বাংলাদেশ ও বঙ্গবন্ধু- ১।
- বাংলাদেশ সরকারের একটি মনোগ্রামও রয়েছে এতে।
- বাংলাদেশ সময় ১২ মে, ২০১৮ তারিখ শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ১৪ মিনিটে যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টারের উৎক্ষেপণ মঞ্চ থেকে 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট– ১' মহাকাশে পাঠানো হয়।
- ফ্যালকন ৯ রকেটের নতুন সংস্করণ ব্লক ফাইভ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে নিয়ে যাত্রা করে নিজস্ব কক্ষপথে।
- রকেট উৎক্ষেপণের আধা ঘণ্টাখানেক পর স্যাটেলাইটটি কাঙ্ক্ষিত জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিটে পৌঁছায়।
- এই স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সম্প্রচার, টেলিযোগাযোগ ও ডেটা কমিউনিকেশন সেবা পাওয়া যাবে।
- এর মাধ্যমে বিশ্বের ৫৭তম স্যাটেলাইট সদস্য দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলো বাংলাদেশ।
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ১ প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট খরচ হয়েছে ২ হাজার ৯০২ কোটি টাকা।
- এর মেয়াদ ১৫ বছর।
- এই স্যাটেলাইটের গ্রাউন্ড স্টেশন সংখ্যা ২টি (প্রথমটি গাজীপুরে, দ্বিতীয়টি বেতবুনিয়ায়)।
-- ট্রান্সপন্ডার রয়েছে ৪০টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,৩৮৮.
২০২৪ সালে প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ১৫%
  2. ১৭%
  3. ২৩%
  4. ২৯%
সঠিক উত্তর:
১৭%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান - ১১.০২%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান - ৩৭.৯৫%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতের অবদান - ৫১.০৪%।

অন্যদিকে,
- অর্থনীতি/জিডিপিতে শিল্পখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ১৭%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে সেবাখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৩৮%।
- অর্থনীতি/জিডিপিতে কৃষিখাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ - ৪৫%।

তথ্যসূত্র - অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১২,৩৮৯.
পলাশী গোলচত্বরে অবস্থিত 'আট স্তম্ভ' কার স্মরণে নির্মিত হয়েছে?
  1. আবরার ফাহাদ
  2. আবু সাঈদ
  3. মীর মুগ্ধ
  4. জাতীয় আট নেতা
সঠিক উত্তর:
আবরার ফাহাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবরার ফাহাদ
ব্যাখ্যা

• আগ্রাসনবিরোধী ‘আট স্তম্ভ’:
- বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী শহীদ আবরার ফাহাদ স্মৃতি স্মরণে আগ্রাসনবিরোধী ‘আট স্তম্ভ’ বুয়েট–সংলগ্ন পলাশী গোলচত্বরে অবস্থিত। 
- আটটি স্তম্ভ হচ্ছে সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র, গণপ্রতিরক্ষা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা, দেশীয় শিল্প-কৃষি-নদী-বন-বন্দর রক্ষা, সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা ও মানবিক মর্যাদা।

- ৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে ‘আট স্তম্ভ’ উদ্বোধন করা হয়েছে।
- উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভুঁইয়া বলেন, ‘আট স্তম্ভের অবয়বের চেয়ে, আট স্তম্ভে লিখে রাখা বিষয়গুলো অধিক গুরুত্বপূর্ণ। এই শব্দগুলোর বাস্তবায়নের মাধ্যমে এই বদ্বীপের প্রকৃত স্বাধীনতা অর্জিত হবে।’
- আগ্রাসনবিরোধী আট স্তম্ভ নির্মাণে ৩৯ লাখ ৫৯ হাজার টাকা ব্যয় হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১২,৩৯০.
BPATC- এর প্রধানের পদবি কী?
  1. ক) মহাসচিব
  2. খ) চেয়ারম্যান
  3. গ) মহাপরিচালক
  4. ঘ) রেক্টর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রেক্টর
ব্যাখ্যা
‘বাংলাদেশ লোক প্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র বা Bangladesh Public Administration Training Centre (BPATC)’ ঢাকার সাভারে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস কমিশন কর্তৃক বাছাইকৃত ক্যাডারদের প্রশিক্ষনের জন্য একটি প্রতিষ্ঠান। 
- চারটি প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিত করে ১৯৮৪ সালে বিপিএটিসি গঠিত হয়।
- এর প্রধানের পদবী রেক্টর।
- বিপিএটিসিতে সরকারি কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিকল্পে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

উৎস: বিপিএটিসি ওয়েবসাইট।
১২,৩৯১.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়?
  1. ১১৮নং
  2. ১২১নং
  3. ১৩৭নং
  4. ১২৩নং
সঠিক উত্তর:
১১৮নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১৮নং
ব্যাখ্যা
•নির্বাচন কমিশনের গঠন:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১১৮ অনুসারে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশন সমন্বয়ে একটি নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য নির্বাচন কমিশনারদেরকে রাষ্ট্র প্রধান নিয়োগ দান করবেন।
- সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কাজের শর্তাবলী রাষ্ট্র প্রধানের আদেশের দ্বারা নির্ধারিত হয়।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার কমিশনের সভাপতিরূপে দায়িত্ব পালন করবেন।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,৩৯২.
বড় সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন-
  1. ক) শায়েস্তা খান
  2. খ) হোসেন শাহ
  3. গ) নুসরাত শাহ
  4. ঘ) শাহজাহান
সঠিক উত্তর:
গ) নুসরাত শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নুসরাত শাহ
ব্যাখ্যা
- সুলতানি আমলে বড় সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন নুসরত শাহ।
- ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণ করেন আলাউদ্দিন হোসেন শাহ।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।
১২,৩৯৩.
বঙ্গভঙ্গের ফলে কোন প্রদেশকে বিভক্ত করা হয়?
  1. ক) আসাম ও ত্রিপুরা
  2. খ) পূর্ব বাংলা ও আসাম
  3. গ) আসাম ও পাঞ্জাব
  4. ঘ) বাংলা প্রেসিডেন্সি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলা প্রেসিডেন্সি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলা প্রেসিডেন্সি
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালের পূর্বে 'বাংলা প্রেসিডেন্সি' ছিল ভারতের সর্ববৃহৎ প্রদেশ। ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর বঙ্গভঙ্গের ঘোষণা প্রদান করা হয় এবং ১৫ অক্টোবর থেকে তা কার্যকর হয়।
- ঢাকা, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিভাগ এবং আসাম নিয়ে গঠিত হয় 'পূর্ববঙ্গ ও আসাম' প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী স্থাপিত হয় ঢাকায়।
- পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয় পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ। এ প্রদেশের রাজধানী হয় কলকাতা।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২,৩৯৪.
বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান (২০২৪) মহাপরিদর্শক (আইজিপি) কে?
  1. মো. ময়নুল ইসলাম
  2. আদিলুর রহমান খান
  3. চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন
  4. কে এম শহিদুর রহমান
সঠিক উত্তর:
মো. ময়নুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মো. ময়নুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান (২০২৪) মহাপরিদর্শক (আইজিপি)
- পুলিশের ৩২তম মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ট্রাফিক অ্যান্ড ড্রাইভিং স্কুলের কমান্ড্যান্ট মো. ময়নুল ইসলাম।

- ১৯৯১ সালের জানুয়ারিতে ১২তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচে সহকারী পুলিশ সুপার হিসেবে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান করেন ময়নুল ইসলাম। 
- ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পুলিশের ডিআইজি পদমর্যাদার ১৪ কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতি. আইজিপি) করা হয়।  
- তাদের মধ্যে সুপারনিউমারারি (সংখ্যাতিরিক্ত পদ) পদে অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি পান ৫৮ বছর বয়সি ময়নুল ইসলাম।  
- এর আগে ২০১৮ সালে অতিরিক্ত ডিআইজি থেকে ডিআইজি হন তিনি।

পুলিশ প্রশাসন:
- পুলিশ প্রশাসন  অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা রক্ষার্থে রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা।
-  বর্তমানে বাংলাদেশের পুলিশ প্রশাসনের সর্বোচ্চ কর্মকর্তা হলেন ইন্সপেক্টর জেনারেল অফ পুলিশ (আইজিপি)।
- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পরোক্ষ নিয়ন্ত্রণে তিনি দেশের সকল পুলিশ বিভাগ নিয়ন্ত্রণ করেন।
- তাকে পুলিশ সদর দপ্তরে সহযোগিতা করেন কয়েকজন সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তা।
- সিভিল প্রশাসনিক ইউনিটের প্রত্যেক রেঞ্জে একজন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল নিয়োগ প্রাপ্ত হন। 
- বাংলাদেশে ছয়টি সিভিল রেঞ্জ ও একটি রেলওয়ে রেঞ্জ রয়েছে। প্রতিটি রেঞ্জে রয়েছেন একজন ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল।
- এছাড়া বিভাগীয় মহানগর পুলিশ কমিশনার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইডি) প্রশাসনিক প্রধান, স্পেশাল ব্রাঞ্চের (এসবি) প্রধান এবং সারদা একাডেমীর প্রধানের পদবী অতিরিক্ত ইন্সপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ।
- জেলা পর্যায়ে সকল পুলিশের প্রশাসন পরিচালক হলেন জেলা পুলিশ সুপারিন্টেন্ডেন্ট। সার্কেলের প্রশাসন পরিচালনা করেন একজন সহকারি পুলিশ সুপার। 

উৎস: পুলিশ হেডকোয়ার্টাস ও বাংলাপিডিয়া।
১২,৩৯৫.
মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পরিচালিত অপারেশন কোনটি?
  1. অপারেশন জ্যাকপট
  2. অপারেশন ব্লু বার্ড
  3. অপারেশন কিলো ফ্লাইট
  4. অপারেশন থান্ডার বোল্ট
সঠিক উত্তর:
অপারেশন কিলো ফ্লাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপারেশন কিলো ফ্লাইট
ব্যাখ্যা
অপারেশন কিলো ফ্লাইট:
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট নামের সঙ্গে জড়িয়ে আছে মুক্তিবাহিনীর বিমান উইং এবং বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর জন্ম ও গোড়াপত্তনের ইতিহাস।
- ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহৃত পরিত্যক্ত এক বিমানঘাঁটিতে জন্ম হয়েছিল যে ইতিহাসের, সেই ইতিহাস শত্রুর চোখে চোখ রেখে লড়াইয়ের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়।
- অপারেশন কিলো ফ্লাইট মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর অপারেশনগুলোর সমন্বিত সাংকেতিক নাম।
- এই কিলো ফ্লাইটের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিয়েছিলেন দুঃসাহসিক বিমান যোদ্ধারা।
- ফলে ঘুরে দাঁড়ানোর শেষ সম্ভাবনাটিও চিরতরে হারিয়ে ফেলেছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী।

তথ্যসুত্র - ডেইলি স্টার, ৯ ডিসেম্বর ২০২২।
১২,৩৯৬.
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে মোট কতজনকে বীরউত্তম খেতাব প্রদান করা হয়?
  1. ৬৫ জন
  2. ৬৬ জন
  3. ৬৭ জন
  4. ৬৮ জন
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৮ জন
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের খেতাব:
- মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে। এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ: ৭জন।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম: ৬৮ জন।
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম: ১৭৫ জন।
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক: ৪২৬জন।

- ৬ জুন ২০২১ তারিখে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় চার জনের খেতাব বাতিল করে।
- স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে। এর মধ্য:
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন।
- বীর উত্তম: ৬৭ জন।
- বীর বিক্রম: ১৭৪ জন।
- বীর প্রতীক : ৪২৪ জন।

মহিলা বীরপ্রতীক:
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসামান্য অবদানের জন্য ২ জন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- তাঁরা হলেন- ডা. সেতারা বেগম ও তারামন বিবি।
- তারামন বিবি ও ডা. সেতারা বেগম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতাযুদ্ধে যথাক্রমে ১১ ও ২ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন।

[প্রশ্নটি প্রাথমিকভাবে কতজনকে দেওয়া হয়েছিল সে বিষয়ে করা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হবে ৬৮ জন।
প্রশ্নটি যদি করা হতো বর্তমানে বীরউত্তম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা কতজন, তাহলে সঠিক উত্তর হতো ৬৭জন।]

তথ্যসূত্র - মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও বাংলাপিডিয়া।

১২,৩৯৭.
বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান শুরু হয় কত সাল থেকে?
  1. ১৯৫৫ সাল
  2.  ১৯৫৮ সাল
  3. ১৯৬০ সাল
  4. ১৯৬২ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬০ সাল
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি পুরস্কার:
- বাংলা একাডেমি বাংলা ভাষা ও সাহিত্য বিষয়ক বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গবেষণা ও সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান।
- ঢাকার বর্ধমান হাউসে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৩৬২ বঙ্গাব্দের ১৭ অগ্রহায়ণ (৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫)।
- ভিশন: উচ্চ বুদ্ধিবৃত্তিক, গবেষণানিষ্ঠ, বিদ্বৎ সমাজ ও ঐতিহ্যমণ্ডিত সংস্কৃতিমনস্ক জাতি। 
- মিশন: বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির গবেষণা, প্রকাশনা ও অনুবাদের মাধ্যমে প্রযুক্তিগত জ্ঞানভিত্তিক এবং ঐতিহ্যমণ্ডিত সংস্কৃতিমনস্ক জাতি গঠন।
- ১৯৬০ সাল থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সামগ্রিক অবদান ও সৃজনশীল প্রতিভার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রদান শুরু হয়।
- বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা।
- প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে চেক, সম্মাননাপত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।

১২,৩৯৮.
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?  (আগস্ট-২০২৫)
  1. চামড়া-চামড়াজাত পণ্য
  2. হস্তশিল্প
  3. নীট পোষাক
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস
সঠিক উত্তর:
নীট পোষাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীট পোষাক
ব্যাখ্যা

• নীট পোষাক :
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য নীট পোষাক (আগস্ট-২০২৫)
- এখাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ২১,১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

• ওভেন পোষাক:
ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮,১৮৭.৮৯মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%।

• হোম টেক্সটাইল : 
হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.১৮%।

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে ১,১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

১২,৩৯৯.
‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয় -
  1. ক) ১৯৪৮ সালের ১ মার্চ
  2. খ) ১৯৪৭ সালের ২ মার্চ
  3. গ) ১৯৪৮ সালের ৩ মার্চ
  4. ঘ) ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ
ব্যাখ্যা

১৯৪৮ সালের ২ মার্চ কামরুদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’ গঠিত হয়। সংগ্রাম পরিষদ রাষ্ট্রভাষার ক্ষেত্রে সরকারের ষড়যন্ত্র রোধ করার জন্য ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ থেকে সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দেয়।
ঐদিন ঢাকায় বহু ছাত্র আহত এবং বঙ্গবন্ধুসহ অনেকে গ্রেফতার হন।
১৯৪৮-৫২ সালে ১১ মার্চ ভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হতো।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও অসমাপ্ত আত্মজীবনী।

১২,৪০০.
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের সদস্যদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা কত বছর?
  1. ক) ৬২ বছর
  2. খ) ৬৫ বছর
  3. গ) ৬৭ বছর
  4. ঘ) ৬০ বছর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬৫ বছর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৯ নং অনুচ্ছেদের ১ নং দফা অনুযায়ী সরকারি কর্মকমিশনের সদস্যদের অবসর গ্রহণের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬৫ বছর।
পদের মেয়াদ দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ থেকে পরবর্তী ৫ বছর। অপসারণ প্রক্রিয়া সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের অনুরূপ।
(সূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)