বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১২২ / ৩০৬ · ১২,১০১১২,২০০ / ৩০,৮৩২

১২,১০১.
বাংলাদেশে কবে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয়?
  1. ১৯৫৫ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৭২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৭ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১। [মে,২০২৫]
- এটি অনুসন্ধান করে, (বাপেক্স)।
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এবং প্রথম আলো।
১২,১০২.
সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়?
  1. চতুর্দশ
  2. পঞ্চদশ
  3. ষোড়শ
  4. সপ্তদশ
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চদশ
ব্যাখ্যা
পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির পিতা হিসাবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। 

এছাড়া,
- চতুর্দশ সংশোধনী ৪৫ টি নারী আসন সংরক্ষণ,
- ষোড়শ সংশোধনী বিচারপতিদের অভিসংশন ক্ষমতা এবং
- সপ্তদশ সংশোধনী ৫০ টি নারী আসন সংক্রান্ত।

উৎস: বিবিসি নিউজ বাংলা, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১।
১২,১০৩.
বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. ঢাকা
  2. রাঙামাটি
  3. পঞ্চগড়
  4. চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
সংসদীয় আসন:
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ৩৫০টি আসন নিয়ে গঠিত।
- মহিলাদের জন্য সংসদে সংরক্ষিত আসন ৫০টি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায়।
- ঢাকা জেলায় ২০টি সংসদীয় আসন রয়েছে।

অন্যদিকে -
- জাতীয় সংসদের - ১ নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- ৩০০ নং আসন হলো বান্দরবান।
- চট্টগ্রাম জেলায় সংসদীয় আসন ১৬টি।
- রাজশাহী জেলায় সংসদীয় আসন ৬টি।
- কুমিল্লা জেলায় সংসদীয় আসন ১১টি।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,১০৪.
ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ৪নং
  2. ৮নং
  3. ৭নং
  4. ২নং
সঠিক উত্তর:
৮নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮নং
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধ সেক্টর:
- ল্যান্স নায়েকমুন্সী আব্দুর রব- ১নং সেক্টর।
- সিপাহি মোস্তফা কামাল- ২নং সেক্টর।
- স্কোয়াড্রন ইন্জিনিয়ার রুহুল আমিন- ১০নং সেক্টর।
- ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ- ৮নং সেক্টর।
- সিপাহি হামিদুর রহমান- ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গির- ৭নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান- কোনো সেক্টরে ছিলেন না।

উৎস: মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
১২,১০৫.
বাংলা সন অনুযায়ী ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি কোন তারিখ ছিল?
  1. ৮ ফাল্গুন ১৩৫৭
  2. ৮ ফাল্গুন ১৩৫৮
  3. ৯ ফাল্গুন ১৩৫৭
  4. ১০ ফাল্গুন ১৩৫৮
সঠিক উত্তর:
৮ ফাল্গুন ১৩৫৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ ফাল্গুন ১৩৫৮
ব্যাখ্যা

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি:
- ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে স্মরণীয় এই দিনটি ছিল বাংলা ১৩৫৮ সনের ৮ ফাল্গুন।
- দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার।
- ২১ ফেব্রুয়ারি 'অমর একুশে', ভাষা শহীদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১২,১০৬.
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত-
  1. তৈরি পোশাক শিল্প
  2. চা শিল্প
  3. কৃষি
  4. মৎস্য
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক শিল্প
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ’তৈরি পোশাক’ থেকে সর্বাধিক রপ্তানি আয় করে থাকে।

- প্রধান প্রধান পণ্যের রপ্তানি অবস্থাঃ
→ নীট পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ২১১৫৯.০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৪৩.৮২%।

→ ওভেন পোষাক খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১৮১৮৭.৮৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ৩৭.৬৭%।

→ হোম টেক্সটাইল খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৮৭১.৫৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ১.৮১%।

→ চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১১৪৫.০৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.৩৭%।

→ হিমায়িত ও জীবন্ত মাছ খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৪৪১.৫৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ০.৯১%।

→ কৃষিজাত পণ্য খাতে ২০২৪-২৫ অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ১০০৬.৯৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান ২.০৯%।

উৎস: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি পরিসংখ্যান।

১২,১০৭.
বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের তালিকায় দ্বিতীয় প্রধান পণ্য কোনটি? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. কফি ও চা
  2. চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. খাদ্যশস্য
  4. পাট ও পাটবস্ত্র
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা

• চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য:
- দেশে নিজস্ব কাঁচামালনির্ভর রপ্তানিপণ্যের মধ্যে চামড়া অন্যতম। 
- এটি দেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানিপণ্য।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, সদ্যোবিদায়ি অর্থবছরে (২০২৪-২৫) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে চার হাজার ৮২৮ কোটি মার্কিন ডলারের, যা ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তিন হাজার ৯৩৪ কোটি ডলারের তুলনায় ১০ শতাংশ বেশি। 

তথ্যসূত্র: পত্রিকা প্রতিবেদন। (Link1) (Link2)

১২,১০৮.
বাংলাদেশের পার্লামেন্টের প্রতীক কী?
  1. ক) পদ্মফুল 
  2. খ) শাপলা
  3. গ) দোয়েল
  4. ঘ) টাইগার
সঠিক উত্তর:
খ) শাপলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাপলা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের পার্লামেন্টের প্রতীক হলো শাপলা। 
- শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুলও বটে।
- দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি এবং
- বাঘ বাংলাদেশের জাতীয় পশু।

উৎসঃ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১২,১০৯.
বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূতের নাম কী?
  1. রর্বাট ট্রিস্টেন
  2. পিটার হাস
  3. পিট হেগসেথ
  4. ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
সঠিক উত্তর:
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূতের নাম ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন।
- ১৯ ডি‌সেম্বর, ২০২৫ সালে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রদূত হিসেবে ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনকে অনুমোদন দি‌য়ে‌ছে মার্কিন সিনেট।

ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসন

- ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন সার্ভিসের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা।
- ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার।
- ২০১৯ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিষয়ক কাউন্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

- ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের পুরো নাম ব্রেন্ট টি ক্রিস্টেনসেন।
- কর্মজীবনের শুরুতে তিনি পররাষ্ট্র দপ্তরের পাকিস্তান ও বাংলাদেশবিষয়ক অফিসে বাংলাদেশ কান্ট্রি অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। অবশ্য বর্তমানে এ নামে আর কোনো অফিস নেই।

- ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পলিটিক্যাল-মিলিটারি অ্যাফেয়ার্স ব্যুরোর আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও অস্ত্র হস্তান্তর অফিসের ডেপুটি ডিরেক্টর (২০১৬-১৯) এবং হাউজ ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটির এশিয়া ও প্যাসিফিক সাব-কমিটির সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের স্টাফে পারসন ফেলো (২০১৫-১৬) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

উৎস: বণিক বার্তা ও বাংলা ট্রিবিউন।

১২,১১০.
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় কতটি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা
ব্রিগেড ফোর্স:

- মুক্তিযুদ্ধের সময় ৩টি ব্রিগেড ফোর্স গঠন করা হয়।
- “জেড” ফোর্স, “কে” ফোর্স, “এস” ফোর্স নিয়ে ৩টি ব্রিগেড ফোর্স।
- জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে জেড ফোর্স।
- ‘জেড ফোর্স’ নামে পরিচিত নিয়মিত বাহিনীর প্রথম ব্রিগেডটি জুলাই মাসে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি ১ম, ৩য় ও ৮ম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট নিয়ে গঠিত হয়।
- কে.এম.সফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স।
- ‘এস ফোর্স’ নামে পরিচিত দ্বিতীয় নিয়মিত ব্রিগেডটি অক্টোবরে গঠিত হয়।
- ব্রিগেডটি দ্বিতীয় ও একাদশ ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের নিয়ে অক্টোবরে গঠিত হয়।
- খালেদ মোশারফের নেতৃত্বে কে ফোর্স।
- ‘কে ফোর্স’ গঠিত হয় ৪র্থ, ৯ম ও ১০ম ইস্ট বেঙ্গলের সদস্যদের নিয়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,১১১.
মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন -
  1. ক) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. খ) এম মনসুর আলী
  3. গ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
  4. ঘ) ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অধ্যাপক ইউসুফ আলী
ব্যাখ্যা
⇨ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।
⇨ ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র খসড়া প্রণয়ন ও আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক ইউসুফ আলী আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা পত্র পাঠ করেন।
⇨ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
⇨ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিপিবদ্ধ করেন ব্যারিস্টার আমিরুল ইসলাম।
⇨ মুজিবনগর সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি পাঠ করেন ইউসুফ আলী
⇨ ৬ষ্ঠ তফসিলে ২৬ মার্চের স্বাধীনতার ঘোষনাপত্র সংযুক্ত করা হয় ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান এবং পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১১২.
In which year, Kabaddi was adopted as the national Game of Bangladesh?
  1. 1971
  2. 1972
  3. 1974
  4. 1976
সঠিক উত্তর:
1972
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1972
ব্যাখ্যা
কাবাডি: 
• বাংলাদেশে কাবাডি অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি খেলা। 
• এ খেলা গ্রামাঞ্চলে অধিকতর জনপ্রিয় হওয়ায় একে গ্রামবাংলার খেলাও বলা হয়। 
• কোনো কোনো স্থানে কাবাডিকে আবার হাডুডু খেলাও বলে। 

• ১৯৭২ সালে হাডুডু খেলাকে কাবাডি নামকরণ করা হয় এবং এ খেলাকে জাতীয় খেলার মর্যাদা দেওয়া হয়।

• ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ অ্যামেচার কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয়।
• ফেডারেশন এ খেলার বিভিন্ন নিয়মকানুন তৈরি করে। 
• ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ সফররত ভারতীয় কাবাডি দলের সঙ্গে প্রথম কাবাডি টেস্ট খেলে।  

• বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত ১৯৯০ সালের এশিয়ান গেমসে প্রথমবারের মতো কাবাডি অন্তর্ভুক্ত হয়। 
• বাংলাদেশ তাতে অংশগ্রহণ করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রথমবারের মতো রৌপ্য পদক লাভ করার গৌরব অর্জন করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১২,১১৩.
কোনো আদালতের নিকট জবাবদিহি করেন না কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. সাংসদ
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি তাঁর দায়িত্ব পালনের জন্য করো কাছে দায়ী নন।
- তিনি কোন আদালতের নিকটও জবাবদিহি করেন না।
- কিন্তু রাষ্ট্রপতিকে সংবিধান লংঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে অভিশংসিত করা যায়।
- সংবিধান লংঘন কিংবা গুরুতর অসদাচরণের কারণে সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে তাঁকে অভিযুক্ত করা যায়।
- পদত্যাগ করতে চাইলে রাষ্ট্রপতি স্পীকারের নিকট স্বীয় পদত্যাগ পত্র পেশ করতে পারেন।
- ক্ষমতায় থাকাকালীন তাঁর বিরুদ্ধে কোন ফৌজদারী মামলা দায়ের করা চলে না, এ ছাড়া তাঁকে গ্রেফতারও করা যায় না।

উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান-৫, বিএ ও বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১১৪.
নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন ইংরেজ সেনাপতির নিকট পরাজিত হন?
  1. হেনরি রাইফেল
  2. রবার্ট ক্লাইভ
  3. উইলিয়াম হেস্টিংস
  4. টমাস রোয়ান
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রবার্ট ক্লাইভ
ব্যাখ্যা
পলাশীর যুদ্ধ: 
- নবাব সিরাজউদ্দৌলা ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন পলাশী যুদ্ধের সময় ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের নিকট পরাজিত হন।
- সিরাজউদ্দৌলাকে অনেক অভ্যন্তরীণ ও বাইরের ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে হয়।
- এর মধ্যে মীর জাফর- নবাবের সেনাপতি, তার বিশ্বাসঘাতকতা করে ইংরেজদের সাথে হাত মেলায়।
- ইংরেজরা মীর জাফরের সাহায্য নিয়ে পলাশী যুদ্ধে সিরাজউদ্দৌলাকে পরাজিত করে।
- নবাবের সেনাপতি মীর মদন ও ফরাসি সেনাপতি সিন ফ্রে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত থাকলেও, মীর জাফরের বিশ্বাসঘাতকতার কারণে সিরাজউদ্দৌলা এই যুদ্ধে পরাজিত হন এবং ১৭৫৭ সালে মোহাম্মদী বেগের হাতে নিহত হন। 

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাপিডিয়া।
১২,১১৫.
সম্প্রতি কতজন ব্যক্তিকে 'বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার' প্রদান করা হবে?
  1. ছয়
  2. সাত
  3. আট
  4. নয়
সঠিক উত্তর:
সাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাত
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩
- বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পাচ্ছেন ৭ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।
- শিল্প সংস্কৃতির বিভিন্ন শাখায় অবদানের জন্য বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার অর্জন করেছেন সাত ব্যক্তিত্ব।
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৩ তারিখে একাডেমির সাধারণ পরিষদের ৪৬তম বার্ষিক সভায় সাহিত্য পুরস্কার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রদান করা হবে।

উল্লেখ্য,
- ‘মযহারুল ইসলাম কবিতা পুরস্কার-২০২৩’-এ ভূষিত হয়েছেন কবি নির্মলেন্দু গুণ।
- ‘অধ্যাপক মমতাজউদদীন আহমদ নাট্যজন পুরস্কার-২০২৩’-এ ভূষিত হয়েছেন নাট্যজন রামেন্দু মজুমদার।
- ‘আবু রুশ্দ সাহিত্য পুরস্কার-২০২৩’-এ ভূষিত হয়েছেন ড. মোহাম্মদ হারুন-উর-রশিদ। 
- ‘মেহের কবীর বিজ্ঞান সাহিত্য পুরস্কার’-২০১৯-এ ভূষিত হয়েছেন ডা.এবিএম আবদুল্লাহ।
- ‘সাহিত্যিক মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ প্রবন্ধ সাহিত্য পুরস্কার’-২০২৩-এ ভূষিত হয়েছেন ড. অনুপম সেন।
- ‘সা’দত আলি আখন্দ সাহিত্য পুরস্কার’-২০২৩-এ ভূষিত হয়েছেন কবি ওমর কায়সার। 
-  ‘হালীমা-শরফুদ্দীন বিজ্ঞান পুরস্কার-২০২৩’-এ ভূষিত হয়েছেন আবদুল গাফফার। 

উৎস: ৫ নভেম্বর ২০২৩, কালের কন্ঠ।
১২,১১৬.
সম্প্রতি, কোথায় 'শহিদ আবু সাঈদ বইমেলা’ অনুষ্ঠিত হয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে
ব্যাখ্যা
'শহিদ আবু সাঈদ বইমেলা’:
- বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো 'শহিদ আবু সাঈদ বইমেলা’ আয়োজন করা হয়।
- পাঁচ দিনের এই বইমেলা ১৮ থেকে ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত স্বাধীনতা স্মারক মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
- মেলায় ৪০টি স্টল অংশগ্রহণ করে।
- এই বইমেলার উদ্বোধন করেন শহিদ আবু সাঈদের বাবা মকবুল  হোসেন ও সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত কিশোরী ফেলানী খাতুনের বাবা নূর ইসলাম।
- শহিদ আবু সাঈদের অসামান্য অবদানকে স্মরণ করার লক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এ বইমেলার আয়োজন করেছে।
- বইমেলার সমাপনী দিনের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে থাকেন একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক দৈনিক আমার দেশ এর সম্পাদক মাহমুদুর রহমান।

তথ্যসূত্র- নিউজ প্রতিবেদন। [Link]
১২,১১৭.
'চরমপত্র' রচনার জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন কে?
  1. ক) জাহানারা ইমাম
  2. খ) রাবেয়া খাতুন
  3. গ) শওকত ওসমান
  4. ঘ) এম আর আখতার মুকুল
সঠিক উত্তর:
ঘ) এম আর আখতার মুকুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) এম আর আখতার মুকুল
ব্যাখ্যা
'একাত্তরের বর্ণমালা' এম আর আখতার মুকুলের লেখা। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার চরমপত্রের জন্য বিখ্যাত।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-মোহসীনা নাজিলা
১২,১১৮.
বায়ান্নর একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহীদ-
  1. ক) শহীদ আব্দুল জব্বার
  2. খ) শহীদ আবুল বরকত
  3. গ) শহীদ শফিউর রহমান
  4. ঘ) রফিকউদ্দিন আহমদ
সঠিক উত্তর:
ঘ) রফিকউদ্দিন আহমদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রফিকউদ্দিন আহমদ
ব্যাখ্যা

- ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারির প্রথম শহীদ রফিকউদ্দিন আহমদ রফিক।
- তিনি মানিকগঞ্জ জেলার সিংগাইর থানার পারিল গ্রামের উত্তরপাড়ায় ১৯২৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম আব্দুল লতিফ এবং মাতার নাম রাফিজা খাতুন।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১২,১১৯.
রবার্ট ক্লাইভ কত সালে দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন?
  1. ১৭৬২ সালে
  2. ১৭৬৩ সালে
  3. ১৭৬৫ সালে
  4. ১৭৬৭ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৬৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা:
- ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- দ্বৈতশাসন অনুসারে রাজস্ব প্রশাসন ও দেশ রক্ষার ভার থাকে কোম্পানির হাতে এবং নিয়ামত বা প্রশাসন ও বিচার বিভাগের দায়িত্ব অর্পিত হয় নবাবের হাতে।
- দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে বাংলার জনজীবনে অরাজকতা নেমে আসে।
- অবাধ লুণ্ঠন ও যথেচ্ছভাবে রাজস্ব আদায়ের ফলে গ্রাম্যজীবন ধ্বংস হয়ে যায়।
- নবাবের হাতে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় প্রশাসন পরিচালনায় ব্যর্থ হন।
- সারাদেশে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।

⇒ এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১২,১২০.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার কত?
  1. ক) ১.২১ শতাংশ
  2. খ) ১.৩৭ শতাংশ
  3. গ) ১.২৭ শতাংশ
  4. ঘ) ১.৫৭ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৩৭ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১.৩৭ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে, 
⇨ মোট জনসংখ্যা : ১৭ কোটি ৮ লাখ 
⇨ জনসংখ্যার ঘনত্ব : ১,১৪০ জন (বর্গ কিমি)
⇨ জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার : ১.৩৭ শতাংশ
⇨ পুরুষ ও নারীর অনুপাত  : ১০০.২ : ১০০

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।
১২,১২১.
গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার ছিল কত সদস্য বিশিষ্ট?
  1. ক) ৪ সদস্য
  2. খ) ৫ সদস্য
  3. গ) ৬ সদস্য
  4. ঘ) ৭ সদস্য
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৬ সদস্য
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠন:
- বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি, তাঁর অনুপস্থিতিতে সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি, তাজউদ্দনি আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে ১০ এপ্রিল একটি অস্থায়ী প্রবাসী সরকার গঠিত হয়।
- ১৭ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে।
- ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রমণ ও গণহত্যা শুরু হলে পূর্ব পাকিস্তান হতে নির্বাচিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের অধিকাংশ সদস্য প্রতিবেশী দেশ ভারতে আশ্রয় গ্রহণ করেন।
- ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী এসব নেতৃবৃন্দ একত্রিত হয়ে সর্বসম্মতিক্রমে স্বাধীন বাংলাদেশের একটি অস্থায়ী সরকার গঠন করেন।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল নতুন সরকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র গ্রহণ করে।
- ১২ এপ্রিল স্বাধীন বাংলা বেতারে গণ-প্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ৬ সদস্য বিশিষ্ট অস্থায়ী সরকার গঠনের সংবাদ প্রচার করা হয়।
- ১৩ এপ্রিল আগরতলায় অনুষ্ঠিত জাতীয় ও প্রাদেশিক পরিষদের সদস্যদের এক সভায় সরকার গঠন অনুমোদন করা হয় ।

• অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহণ:
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল অস্থায়ী সরকারের সদস্যগণ আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করেন।
- তদানিন্তন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুর মহকুমার (বর্তমানে জেলা) বৈদ্যনাথতলা (বর্তমানে মুজিবনগর) গ্রামে শতাধিক দেশী-বিদেশী সাংবাদিক, কতিপয় নির্বাচিত জাতীয় পরিষদ সদস্য ও কয়েক হাজার সাধারণ জনতার উপস্থিতিতে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
- আওয়ামী লীগের চীপ হুইপ অধ্যাপক ইউসুফ আলী শপথ পাঠ করান।
- শপথ অনুষ্ঠানে তিনি একটি ঘোষণাপত্রও পাঠ করেন।
- এ ঘোষণাপত্রে বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণা অনুযায়ী ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা কার্যকর বলে উল্লেখ
করা হয়।

• অস্থায়ী সরকারের সদস্য ও তাদের দফতর:
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান: রাষ্ট্রপতি
২. সৈয়দ নজরুল ইসলাম: উপ-রাষ্ট্রপতি
৩. তাজউদ্দিন আহমদ: প্রধানমন্ত্ৰী 
8. খন্দকার মোশতাক আহমদ: পররাষ্ট্র ও আইনমন্ত্ৰী
৫. এম. মনসুর আলী: অর্থমন্ত্রী
৬. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান: স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী

• উল্লেখ্য যে, রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগারে আটক থাকায় উপ-রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্বভার প্রদান করা হয়।

সূত্র: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১২২.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান কোন শাসকের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছিল?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. জুলফিকার আলী ভুট্টো
  4. আইয়ুব খান
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইয়ুব খান
ব্যাখ্যা

• ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
⇒ ১৯৬৮ সালের নভেম্বরে ছাত্র অসন্তোষকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে যে আন্দোলনের সূত্রপাত হয়, তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে শহর এবং গ্রামের শ্রমিক-কৃষক ও নিম্ন-আয়ের পেশাজীবীসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষের মধ্যে, ইতিহাসে তা ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান নামে পরিচিত। 

- ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ছিল পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা-পরবর্তীকালের সর্ববৃহৎ গণজাগরণ।
- আটষট্টির ছাত্র অসন্তোষ গণআন্দোলনে রূপান্তরিত হয় মওলানা  আবদুল হামিদ খান ভাসানী ঘোষিত গভর্নর হাউস ঘেরাও ও পরবর্তী দিনগুলোর কর্মসূচির মাধ্যমে।
- ৬ ডিসেম্বর ‘জুলুম প্রতিরোধ দিবস’ পালনের জন্য মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন  ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ), তোয়াহার নেতৃত্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান শ্রমিক ফেডারেশন এবং আবদুল হকের নেতৃত্বাধীন পূর্ব পাকিস্তান কৃষক সমিতি যৌথ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পল্টন ময়দানে এক জনসভার আয়োজন করে।
- এর সঙ্গে যুক্ত হয় ডাকসু ও চারটি ছাত্র সংগঠনের সাত জন নেতা প্রণিত ১১ দফা কর্মসূচি।
- ১৯৬৯ সালের ৪ জানুয়ারি ছাত্র নেতৃবৃন্দ ১১ দফা ঘোষণা করেন।
- মূলত ৬ দফার বিস্তারিত রূপই ১১ দফা।
- কেন্দ্রীয় শাসন থেকে বাঙালিদের আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে স্বাধিকার অর্জনই ছিল ১১ দফা দাবির মূল বক্তব্য।
- এগার দফার আন্দোলনই ঊনসত্তরের গণ আন্দোলনে পর্যবসিত হয়।
- ১১ দফার মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাও অন্তর্ভুক্ত করে আরো ৫টি দাবি সন্নিবেশিত করা হয়।
- ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগারো দফা দাবির মধ্যে আওয়ামী লীগের ছয়দফা অন্তর্ভুক্ত হয়।
- এগারো দফায় বাঙালি মধ্যবিত্ত ও কৃষক-শ্রমিকের স্বার্থসংশ্লিষ্ট দাবিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- এগারো দফার আন্দোলন পূর্ব পাকিস্তানে ব্যাপক সমর্থন লাভ করে এবং আইয়ুব বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব ছাত্র-নেতৃবৃন্দের হাতে চলে আসে।
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- আসাদউজ্জামান বা শহীদ আসাদ ছিলো ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহীদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং শেখ মুজিবর রহমান সহ সকল আসামিকে মুক্তি বাধ্য হয়।
- এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে এবং আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

১২,১২৩.
সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রধান কাজ কী?
  1. শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ
  2. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা
  3. মুদ্রাবাজার নিয়ন্ত্রণ
  4. ঋণ নিয়ন্ত্রণ
সঠিক উত্তর:
শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ
ব্যাখ্যা
• স্টক এক্সচেঞ্জ:
- সিকিউরিটিজ এন্ড একচেঞ্জ কমিশন অ্যাক্ট ১৯৯৩ এর অধীনে ১৯৯৩ সালের ৮ জুন সিকিউরিটিস এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন গঠিত হয়।
- গ্রাহকের পুঁজির নিরাপত্তা বিধান ও পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ করা এই কমিশন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ দুইটি। একটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ এবং অপরটি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ।
- পুঁজি বাজার বা স্টক মার্কেটকে সেকেন্ডারি মার্কেট হিসাবে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। 

তথ্যসূত্র:- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ও BSEC ওয়েবসাইট।
১২,১২৪.
মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন কে?
  1. তোফায়েল আহমদ
  2. আ স ম আবদুর রব
  3. শাহজাহান সিরাজ
  4. আবদুল কুদ্দুস মাখন
সঠিক উত্তর:
আ স ম আবদুর রব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আ স ম আবদুর রব
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- বঙ্গবন্ধু অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন।
- ২রা মার্চ ঢাকা শহর এবং ৩রা মার্চ থেকে সারা দেশে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
- ২৫ মার্চ স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হওয়ার মধ্য দিয়ে অসহযোগ আন্দোলন সমাপ্ত হয়।
- ২রা মার্চ ছাত্র নেতাদের পক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় প্রথম মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন ডাকসু সহ-সভাপতি আ. স. ম. আব্দুর রব।
-  এজন্য ২রা মার্চ জাতীয় পতাকা দিবস।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং প্রথম আলো।
১২,১২৫.
দেশের প্রথম অর্গানিক চা বাগান কোথায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- জৈব চাষের প্রথাগত নিয়ম মেনেই তৈরি হয় অর্গ্যানিক চা।
- এক্ষেত্রে চা পাতায় কোনও রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না।
- সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতেই চাষ করা হয় এই চা।
- এই ধরনের চা পাতার গন্ধ ও গুণ আলাদা হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন
১২,১২৬.
বাংলাদেশের সংবিধানে নাগরিকদের জন্য কতটি মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত আছে?
  1. ক) ৫
  2. খ) ১১
  3. গ) ১৩
  4. ঘ) ১৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে ২৭ নং অনুচ্ছেদ থেকে ৪৪ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকদের জন্য মোট ১৮টি মৌলিক অধিকার সংরক্ষিত আছে।
- তৃতীয় ভাগে ২৬-৪৭ পর্যন্ত মোট ২২টি অনুচ্ছেদ থাকলেও অধিকার সংক্রান্ত অনুচ্ছেদ আছে ১৭টি এবং এদের মধ্যে মৌলিক অধিকার ১৮টি [কারণ ২৮ নং অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার ২টি। একটি ২৮(১) এবং অপরটি ২৮(২)।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান
১২,১২৭.
'খিয়াং' ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর গ্রামকে কী বলা হয়?
  1. ইম
  2. পাড়া
  3. খুম
  4. নাম
সঠিক উত্তর:
নাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাম
ব্যাখ্যা
খিয়াং:
- খিয়াং পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি নৃজাতি গোষ্ঠী।আরাকান-ইয়োমা উপত্যকার অববাহিকা অঞ্চলে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী থেকে খিয়াংদের আগমন।
- বর্তমানে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় এ জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- খিয়াংরা চীনা-তিববতীয় ভাষাগোষ্ঠীর তিববতি-ব্রহ্ম শাখার কুকি-চীন দলভুক্ত।
- খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ‘সাংলান’।
- তারা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেয়। তবে তাদের আদি দেব-দেবীদের পূজা করতেও দেখা যায়।
- বর্তমানে অনেকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে।।
- পাহাড়ের উপর খোলা জায়গায় এবং ছোট খাল বা ঝর্ণাধারার কাছে এদের গ্রামগুলি গড়ে উঠে।
- এরা ঘরকে বলে ‘ইম’ এবং গ্রামকে বলে ‘নাম’।
- খিয়াংদের সমাজব্যবস্থায় একজন নেতা থাকে যাকে বলা হয় কার্বারী।
- খিয়াংদের সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,১২৮.
মুর্শিদ কুলী প্রবর্তিত রাজস্ব ব্যবস্থার নাম ছিল-
  1. ক) নানকর
  2. খ) ভূমিকর
  3. গ) জিজিয়া
  4. ঘ) মালজামিনী
সঠিক উত্তর:
ঘ) মালজামিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মালজামিনী
ব্যাখ্যা
বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদকুলী খান। ১৭১৭ খ্রিস্টাব্দে মুর্শিদকুলী বাংলার সুবাদার হন। কার্যত এ সময় থেকেই বাংলার নবাবী আমলের শুরু। তিনি বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন। মুর্শিদকুলী কর্তৃক প্রবর্তিত রাজস্ব ব্যবস্থার নাম ছিল ‘মাল জামিনী'। সূত্র- বোর্ড বইঃ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়(ইতিহাস, এসএসএইচএল)।
১২,১২৯.
'অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল' কী ধরনের সংস্থা?
  1. ক) অর্থনীতি সম্পর্কিত
  2. খ) সাহিত্য সম্পর্কিত
  3. গ) মানবাধিকার সম্পর্কিত
  4. ঘ) আইন সম্পর্কিত
সঠিক উত্তর:
গ) মানবাধিকার সম্পর্কিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মানবাধিকার সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা
'অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল' এক ধরনের আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্পর্কিত সংস্থা। এটি ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত। এর প্রতিষ্ঠাতা পিটার ব্যানেনসন।
উৎসঃ অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইট।
১২,১৩০.
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বাংলাদেশের কৃষিখাতে কয়টি আশঙ্কাজনক ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে?
  1. ক) ৩ টি
  2. খ) ৪ টি
  3. গ) ৫ টি
  4. ঘ) ৭ টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩ টি
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে বাংলাদেশের কৃষিখাতে ৩টি আশঙ্কাজনক ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। যথা:
ক) খরা
খ) লবণাক্ততা
গ) বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়
(রেফারেন্সঃ ৮ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা)
১২,১৩১.
ন্যাপের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. আবুল হাশিম
  2. সোহরাওয়ার্দী
  3. মাওলানা ভাসানী
  4. হাজী দানেশ
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
১৯৫৭ সালের ২৪-২৫ জুলাই ঢাকার রূপমহল সিনেমা হলে আয়োজিত গণতান্ত্রিক কর্মী সম্মেলনের মাধ্যমে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর নেতৃত্বে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) গঠিত হয়।

ন্যাপের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ছিলেন মাওলানা ভাসানী ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন পশ্চিম পাকিস্তানের মাহমুদুল হক ওসমানী।
অন্যান্যদের মধ্যে ছিলেন হাজী মুহাম্মদ দানেশ, অধ্যাপক মোজাফফর আহমেদ, মশিউর রহমান যাদু মিয়া, আবদুল মতিন, ওয়ালি খান প্রমুখ।

এর আগে ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি টাঙ্গাইলে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের কাগমারি সম্মেলনে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রনীতি প্রশ্নে বিরোধের জের ধরে ১৮ই মার্চ মাওলানা ভাসানী আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করেন।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,১৩২.
ইসির চূড়ান্ত ভোটার তালিকা অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ভোটার সংখ্যা কত? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ১২ কোটি ২৬ লাখ
  2. ১২ কোটি ৫৬ লাখ
  3. ১২ কোটি ৬৬ লাখ
  4. ১২ কোটি ৭৬ লাখ
সঠিক উত্তর:
১২ কোটি ৭৬ লাখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ কোটি ৭৬ লাখ
ব্যাখ্যা

ভোটার সংখ্যা:
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
- দেশে বর্তমানে ১২ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ১৮৩ জন ভোটার রয়েছেন।
- এর মধ্যে পুরুষ ৬ কোটি ৪৮ লাখ ১৪ হাজার ৯০৭ জন, নারী ৬ কোটি ২৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪২ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১ হাজার ২৩৪ জন।
- ভোটার তালিকা পর্যালোচনা করে দেখা যায়, পুরুষ ভোটার বৃদ্ধির হার ২.২৯ শতাংশ, আর নারী ভোটার বৃদ্ধির হার ৪.১৬ শতাংশ।
- নতুন প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকায় যারা ২০২৫ সালের ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ১৮ বছর পূর্ণ করেছেন, তারা অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছেন।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [link]

১২,১৩৩.
Who is the first Governor of Bangladesh Bank?
  1. A. N. M. Hamidullah
  2. Atiur Rahman
  3. AKN Ahmed
  4. M Nurul Islam
সঠিক উত্তর:
A. N. M. Hamidullah
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A. N. M. Hamidullah
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক হলো বাংলাদেশ ব্যাংক।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য: চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: জনাব আব্দুর রউফ তালুকদার (১২ তম)। 

অন্যদিকে -
- এম নূরুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের তৃতীয় গভর্নর। দেশের সবচেয়ে বেশি সময় গভর্নর ছিলেন তিনি।
- একেএন আহমেদ বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বিতীয় গভর্নর।
- বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নয়নে তার অবদানের জন্য আতিউর রহমানকে 'গরিবের ব্যাংকার' বলা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
১২,১৩৪.
১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারে ড. মুহাম্মদ ইউনূস কোন মন্ত্রনালয়ের দায়িত্ব পালন করেন?
  1. অর্থ ও পরিকল্পনা
  2. আইন, বিচার ও সংসদ এবং স্থানীয় সরকার
  3. প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
  4. বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ এবং পানি সম্পদ
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা
ব্যাখ্যা
ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
- ড. ইউনুসকে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকারের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান করা হয়।
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ।
- তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
- তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
- অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
- মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
- তিনি প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এই পুরস্কার লাভ করেন।
- ড. ইউনূস বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

উল্লেখ্য,
- মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

⇒ থ্রি জিরো তত্ত্ব:
- ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য।
- সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা।
- তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।
- বাংলাদেশের এই লক্ষ্য অর্জনের ক্ষেত্রে শূন্যে নামিয়ে আনতে হবে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ।

উৎস: i) Yunus Centre.
ii) দ্য ডেইলি স্টার।
১২,১৩৫.
হিলি স্থল বন্দরটি বাংলাদেশের কোথায় অবস্থিত?
  1. বিরামপুর, দিনাজপুর
  2. ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর
  3. হাকিমপুর, দিনাজপুর
  4. পাঁচ বিবি, জয়পুর হাট
সঠিক উত্তর:
হাকিমপুর, দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাকিমপুর, দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
হিলি স্থলবন্দর:
- হিলি স্থলবন্দর দিনাজপুর জেলার হাকিমপুর উপজেলার বাংলা হিলি সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি এলসিএস রয়েছে।
- দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরটি ২৬ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালু হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশের প্রধান ও বৃহত্তম স্থলবন্দর বেনাপোল। এটি যশোর জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৫টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৫ টি।
- চালুকৃত ১৫টি স্থলবন্দরের মধ্যে বেনাপােল, ভােমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল ও সোনাহাট স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনা মসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার স্থলবন্দর Build Operate Transfer (BOT) ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।

এছাড়াও,
⇒ কয়েকটি স্থলবন্দর ও অবস্থান দেওয়া হলো:
- ভোমরা স্থল বন্দর- সাতক্ষীরা সদর, সাতক্ষীরা।
- সোনামসজিদ স্থল বন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
- বিবির বাজার স্থল বন্দর- কুমিল্লা সদর, কুমিল্লা।
- আখাউড়া স্থল বন্দর- আখাউড়া, ব্রাম্মণবাড়িয়া।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর- পাট গ্রাম, লালমনিহাট।
- দর্শনা স্থল বন্দর- দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- তামাবিল স্থল বন্দর- গোয়াইনঘাট, সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর- ভুরুঙ্গামারী, কুুুড়িগ্রাম।

উৎস: i) অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
ii) বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
১২,১৩৬.
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কীভাবে নির্বাচিত হন?
  1. জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে
  2. সংসদ সদস্যদের ভোটে
  3. সুপ্রিম কোর্টের বিচারকদের ভোটে
  4. মন্ত্রিসভার ভোটে
সঠিক উত্তর:
সংসদ সদস্যদের ভোটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ সদস্যদের ভোটে
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধান সংবিধানের চতুর্থ অংশে রয়েছে।
- এ সম্পর্কিত অনুচ্ছেদ ৪৮-৫৪।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত।
- সংবিধান ও আইন অনুযায়ী তিনি তাঁর ক্ষমতা ও দায়িত্ব পালন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলা হয়।
- সরকারের সব নির্বাহী কার্য রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদিত হয়।
- রাষ্ট্রপতি সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৬০-৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১২,১৩৭.
In which district is Tanguar Haor located?
  1. ক) Sylhet
  2. খ) Sunamganj
  3. গ) Moulvibazar
  4. ঘ) Kishoreganj
সঠিক উত্তর:
খ) Sunamganj
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Sunamganj
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর:

- টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলাধীন ১০টি মৌজা নিয়ে বিস্তৃত একটি হাওর।
- এ হাওরটিতে ছোটবড় ১২০টি বিল রয়েছে।
- ৪৬টি গ্রামসহ পুরো হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
- প্রতি বছর এখানে প্রায় ২০০ প্রজাতির অতিথি পাখির আগমন ঘটে।
- এখানে ১৪০টিরও বেশি প্রজাতির স্বাদুপানির মাছ পাওয়া যায়।
- টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০৮ প্রজাতির পাখি, ১৫০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ৩৪ প্রজাতির সরীসৃপ ও ১১ প্রজাতির উভচর প্রাণী রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,১৩৮.
আওয়ামী লীগের ছয়-দফা কত সালে পেশ করা হয়েছিল?
  1. ১৯৬৭ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৬৬ সালে
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লাগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষে ৬ দফা দাবি পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ৬ দফা প্রস্তাব এবং দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আন্দোলনের কর্মসূচি গৃহীত হয়।
- ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন।
- ১৯৬৬ সালের ১৮ মার্চ আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবুর রহমানের নামে ‘আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা কর্মসূচি’ শীর্ষক একটি পুস্তিকা প্রচার করা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি,  যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট।
১২,১৩৯.
BEPZA গঠিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯৭৬ সালে
  2. খ) ১৯৮০ সালে
  3. গ) ১৯৮২ সালে
  4. ঘ) ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা
BEPZA (Bangladesh Export Processing Zones Authority) ১৯৮০ সালে গঠিত হয়। এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
এটির কাজ হলো দেশের সম্ভাবনাময় স্থানে রপ্তানী প্রক্রিয়াকরণ এলাকা প্রতিষ্ঠা, ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা।
বেপজার অধীনে বর্তমানে দেশে ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
(সূত্রঃ বেপজা ওয়েবসাইট)
১২,১৪০.
দুটি সংসদ অধিবেশনের মধ্যে সর্বোচ্চ কত দিনের বিরতি থাকতে পারে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা

সংসদ আহবান:
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহবান, স্থগিত ও ভঙ্গ করেন।
- সংসদের এক অধিবেশনের শেষ এবং পরবর্তী অধিবেশনের শুরুর মধ্যে সর্বোচ্চ বিরতি হবে ৬০ দিন।
- সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহ্বান করা হবে।
- একাধারে কোনো সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে ৯০টি কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে তাহার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
- দেশের নিরাপত্তা বা অর্থনৈতিক জীবনে হুমকির কারণে জরুরি অবস্থা (সর্বাধিক ১২০ দিনের জন্য) ঘোষিত হতে পারে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এস এস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাদেশের সংবিধান।

১২,১৪১.
Who is the sculptor of the sculpture “Janani O Garbita Bornomala” commemorating the Language Martyrs?
  1. Mrinal Haque
  2. Shamim Shikder
  3. Hamiduzzaman Khan
  4. Novera Ahmed
  5. None of these
সঠিক উত্তর:
Mrinal Haque
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mrinal Haque
ব্যাখ্যা
• জননী ও গর্বিত বর্ণমালা:
- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক।
- এটি অবস্থিত শাহবাগের পরীবাগে।
- ভাস্কর: মৃণাল হক।

উৎস: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট।
১২,১৪২.
বাংলাদেশের মোট অ-তফসিলী ব্যাংক কতটি?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা

অ-তফসিলী ব্যাংক:
- যে সকল ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তালিকার অন্তর্ভুক্ত নয় তাদেরকে অ-তালিকাভুক্ত ব্যাংক বলে। এরূপ ব্যাংক কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিধি-নিষেধ মেনে চলে না।

• মোট অ-তফসিলী ব্যাংক: ৫টি।
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে বিশেষায়িত ব্যাংক রয়েছে ৩টি।
- এগুলোর মালিকানা বাংলাদেশ সরকারের হাতে।
- ব্যাংক তিনটি আলাদা আলাদা বিশেষ উদ্দেশ্য পূরণকল্পে গঠন করা হয়েছে।
- ব্যাংক ৩টি হলো:
১. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
২. রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
৩. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১২,১৪৩.
বাংলার প্রথম স্বাধীন শাসক শশাঙ্কের রাজধানী নাম কী?
  1. চন্দ্রনগর
  2. কর্ণসুবর্ণ
  3. গৌড়
  4. পুন্ড্রনগর
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা

শশাঙ্ক:
- বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম সার্বভৌম রাজা।
- সময়কাল: সপ্তম শতকের শুরু। 
- স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠা: আনুমানিক ৬০৬ খ্রি.।
- রাজ্য: গৌড় রাজ্য।
- রাজ্যের বিস্তৃতি ছিল বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাংশ, বিহার ও উড়িষ্যা পর্যন্ত।
- রাজধানী: কর্ণসুবর্ণ। 
- বর্তমান মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ - পশ্চিমে অবস্থিত রাঙ্গামাটি নামক স্থানটিই প্রাচীন কর্ণসুবর্ণ।
- শশাঙ্ক সনাতন হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী ছিলেন।
- উত্তর ভারতে শশাঙ্কের প্রধান প্রতিদ্বন্ধী ছিলেন হর্ষবর্ধন।
- শশাঙ্ক ৬৩৭ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য শাসকের অভাবে গৌড়ে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১৪৪.
'সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড' কোথায় অবস্থিত?
  1. যমুনা নদীতে
  2. মেঘনা নদীতে
  3. বঙ্গোপসাগরে
  4. ভোলায়
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরে
ব্যাখ্যা
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড:
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড খাদ আকৃতির সামুদ্রিক অববাহিকা বা গিরিখাত, যা বঙ্গোপসাগরের মহীসোপানকে কৌণিকভাবে অতিক্রম করেছে।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- গঙ্গা খাদ নামেও এটি পরিচিত।
- সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের প্রস্থ ৫ থেকে ৭ কিলোমিটার, তলদেশ তুলনামূলকভাবে সমতল এবং পার্শ্ব দেয়াল প্রায় ১২ ডিগ্রি হেলানো।
- মহীসোপানের কিনারায় খাদের গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার।
- 'বেঙ্গল ফ্যান' ভূমি রূপটি পাওয়া যায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডে।
- প­াইসটোসিন যুগে (২০ লক্ষ থেকে ১ লক্ষ বছর আগে) নিম্ন সমুদ্রপৃষ্ঠে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র নদীর পললের স্তূপ সরাসরি মহীসোপান প্রান্তে নির্গত হয়েছে।
- সোপান প্রান্ত ও সোপান প্রান্তের ঊর্ধ্ব ঢালে উৎপন্ন ঘোলাটে স্রোত ও নদী-প্রবাহের সম্মিলিত প্রভাব সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড গঠনের জন্য দায়ী।
- বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানের লক্ষণ প্রমাণাদিও এই ধারণাকে সমর্থন করে বলে মনে হয়।
- পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, প­াইসটোসিন যুগে সমুদ্রপৃষ্ঠ যখন নিম্নতর ছিল তখন বঙ্গীয় ডিপ সি ফ্যানে ঘোলাটে স্রোতের প্রভাবে অবক্ষেপণ সংঘটিত হতো; আর উপ-বদ্বীপটিতে পলল বণ্টিত হতো সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড থেকে উদ্ভূত আন্তঃসাগরীয় খাল (submarine channel) থেকে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১২,১৪৫.
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়-
  1. ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮
  2. ৩০ ডিসেম্বর ২০০৮
  3. ৩১ ডিসেম্বর ২০০৮
  4. ০১ জানুয়ারি ২০০৯
সঠিক উত্তর:
২৯ ডিসেম্বর ২০০৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ ডিসেম্বর ২০০৮
ব্যাখ্যা
নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন:
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে সবশেষ নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন হয় ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর।
- সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোট সরকার ২৬৩টি আসন পেয়ে সরকার গঠন করে।
- দুই বছর সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পর আসা ওই নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ৩৩টি আসন পায়।

উল্লেখ্য, 
- সর্বশেষ ২০২৪ সালের ০৭ জানুয়ারি দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, জাতীয় দৈনিক পত্রিকা।
১২,১৪৬.
জেলা পরিষদে কতজন সংরক্ষিত মহিলা সদস্য থাকে?
  1. ক) ৩ জন
  2. খ) ৪ জন
  3. গ) ৫ জন
  4. ঘ) ৬ জন
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫ জন
ব্যাখ্যা
• জেলা পরিষদ:
- ২০০০ সালের জেলা পরিষদ আইন অনুযায়ী জেলা পরিষদ গঠিত। 
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১৫ জন সদস্য এবং সংরক্ষিত আসনে ৫ জন মহিলা সদস্য। 
- এরা সবাই পরোক্ষভাবে নির্বাচিত হবেন একটি নির্দিষ্ট জেলার অধীনে সিটি কর্পোরেশনের মেয়র, কমিশনারবৃন্দ, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের ভোটে।
- এই পরিষদের মেয়াদ হবে পাঁচ বছর। 

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
১২,১৪৭.
রাজ মহলের যুদ্ধ সংঘটিত হয় কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ১৫৭৫ খ্রিস্টাব্দে
  2. ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে
  3. ১৫৭৭ খ্রিস্টাব্দে
  4. ১৫৭৯ খ্রিস্টাব্দে
সঠিক উত্তর:
১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• রাজ মহলের যুদ্ধ:
- ১৫৭৬ খ্রিস্টাব্দে রাজমহলে মোগল বাহিনীর সাথে যুদ্ধে হয় দাউদ কররানির।
- এ যুদ্ধে দাউদ পরাজিত ও বন্দি হন। পূর্ববর্তীকালে সন্ধি ভঙ্গের অপরাধে দাউদ খানকে প্রাণদণ্ড দেওয়া হয়। এভাবে কররানি শাসনের অবসান।

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৪৮.
খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব -
  1. চাপচারকূত
  2. সাংলান
  3. সাংসারেক
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সাংলান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাংলান
ব্যাখ্যা
খিয়াং:
- খিয়াং পার্বত্য চট্টগ্রামের একটি নৃজাতি গোষ্ঠী।আরাকান-ইয়োমা উপত্যকার অববাহিকা অঞ্চলে বসবাসরত নৃগোষ্ঠী থেকে খিয়াংদের আগমন।
- বর্তমানে রাঙ্গামাটি, বান্দরবান ও চট্টগ্রাম জেলায় এ জাতিগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে।
- খিয়াংরা চীনা-তিববতীয় ভাষাগোষ্ঠীর তিববতি-ব্রহ্ম শাখার কুকি-চীন দলভুক্ত।
- খিয়াংদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব হচ্ছে ‘সাংলান’।
- তারা বৌদ্ধধর্মে দীক্ষা নেয়। তবে তাদের আদি দেব-দেবীদের পূজা করতেও দেখা যায়।
- বর্তমানে অনেকে খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষিত হয়েছে।।
- পাহাড়ের উপর খোলা জায়গায় এবং ছোট খাল বা ঝর্ণাধারার কাছে এদের গ্রামগুলি গড়ে উঠে।
- এরা ঘরকে বলে ‘ইম’ এবং গ্রামকে বলে ‘নাম’।
- খিয়াংদের সমাজব্যবস্থায় একজন নেতা থাকে যাকে বলা হয় কার্বারী।
- খিয়াংদের সমাজ পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
১২,১৪৯.
গণতন্ত্রের মানসপুত্র বলা হয় -
  1. নওয়াব আব্দুল লতিফ
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. এ কে ফজলুল হক
  4. সৈয়দ আমীর আলী
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
ব্যাখ্যা
• হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী:
- পাকিস্তানে গণতন্ত্র ও শিক্ষিত মানুষের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে গেছেন।
- বাংলাদেশের তিনি ‘গণতন্ত্রের মানসপুত্র' নামেই পরিচিত।
- রাজনীতিতে মানবিক মূল্যবোধ ও মেধার গুরুত্ব বিবেচনায় তিনি কোন আপোস করেন নি।
- দেশপ্রেম, মানব-কল্যাণ ও গণতন্ত্রের একনিষ্ঠ সাধক হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী এ দেশের রাজনীতিতে ধ্রুবতারার জ্যোতি নিয়ে বিরাজ করতে থাকবেন।

উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৫০.
কলিঙ্গ যুদ্ধের ফলে কোন রাজার রাজ্য শাসন নীতির পরিবর্তন ঘটে?
  1. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  2. সম্রাট অশোক
  3. সমুদ্র গুপ্ত
  4. বল্লাল সেন
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্রাট অশোক
ব্যাখ্যা
সম্রাট অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়।
- যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।
- এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি মৌর্য সম্রাটদের চিরাচরিত দ্বিগ্বিজয় নীতি পরিত্যাগ করে ঘোষণা করেন তাঁর পুত্র, প্রপৌত্র কেউই ভবিষ্যতে আর যুদ্ধ করবে না।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান।
- অশোকের প্রচারিত ধর্ম বৌদ্ধ ধর্ম ছিল না। তাঁর প্রচারিত ধর্মের মূল বিষয় ছিল গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধা, জীবে দয়া, সত্যবাদিতা ইত্যাদি।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

উৎস: ইতিহাস প্রথমপত্র, স্নাতক শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৫১.
বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি কে ছিলেন?
  1. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  2. আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
  3. কামালউদ্দিন হোসেন
  4. সৈয়দ রেফাত আহমেদ
সঠিক উত্তর:
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম
ব্যাখ্যা
বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম: 
- বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম (১৯১৬-১৯৯৭) বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।
- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান বিচারপতি ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম। 
- ১৯৭০-৭১ সালে তিনি নির্বাচন কমিশনের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি তিনি বাংলাদেশ হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি নিযুক্ত হন।
- ওই বছর ১৭ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হলে তিনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৭৫ সালের ৬ নভেম্বর বিচারপতি সায়েম বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণের পরই তিনি সংসদ ও মন্ত্রী পরিষদ ভেঙে দিয়ে সারা দেশে সামরিক আইন জারী করেন এবং নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষণা করেন।
- ১৯৭৬ সালের ২৯ নভেম্বর তিনি প্রধান সামরিক আইন প্রশাসকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নেন এবং ১৯৭৭ সালের ২১ এপ্রিল তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব থেকে অবসর গ্রহণ করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১২,১৫২.
বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী কে?
  1. ক) এএইচ এম কামারুজ্জামান
  2. খ) তাজউদ্দীন আহমদ
  3. গ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
  4. ঘ) সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি - জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম মুজিবনগর সরকার তথা বাংলাদেশের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বা উপ-রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
তাজউদ্দিন আহমেদ - প্রথম প্রধানমন্ত্রী।
ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী - প্রথম অর্থমন্ত্রী
এ.এইচ.এম কামারুজ্জামান ছিলেন - প্রথম স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী।
উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১২,১৫৩.
শিল্প কারখানাকে লাভজনক প্রতিষ্ঠান করার কাজে নিয়োজিত কোন অধিদপ্তর?
  1. ক) BIM
  2. খ) BITAC
  3. গ) NPO
  4. ঘ) DPDT
সঠিক উত্তর:
গ) NPO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) NPO
ব্যাখ্যা
ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন-এনপিও (National Productivity Organization-NPO): এনপিও জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে সরকারি কৃষি খাতসহ জাতীয় অর্থনীতির সকল কর্মকান্ডে অব্যাহতভাবে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির মাধ্যমে শিল্প কারখানা ও প্রতিষ্ঠানকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তর এবং বেসরকারি উদ্যোগে শিল্পায়নকে উৎসাহিত করার মানসে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। গত ০২ অক্টোবর, ২০২০ তারিখে দেশব্যাপী ‘জাতীয় উৎপাদনশীলতা দিবস’ পালন করা হয়। উক্ত দিবসের প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল ‘জাতির পিতার স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনিমার্ণে উৎপাদনশীলতা’। জাতীয় অর্থনৈতিক উন্নয়নে ২০২০-২১ অর্থবছরে (ফেব্রুয়ারি, ২০২১ পর্যন্ত) এনপিও বিভিন্ন কারখানা ও এনপিও’র সেমিনার কক্ষে মোট ৩৬টি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে।
ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও), শিল্প মন্ত্রণালয় এবং এশিয়ান প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এপিও), জাপান -এর যৌথ উদ্যোগে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরের উৎপাদনশীলতা, গুণগতমান, প্রতিযোগিতা এবং উদ্ভাবনী দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘Bangladesh National Productivity Master Plan 2021-2030’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১
১২,১৫৪.
’ছোট সোনামসজিদ’ কোথায় অবস্থিত?
  1. নওঁগা
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. বাগেরহাট
  4. নাটোর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

• ছোট সোনামসজিদ ‘সুলতানি স্থাপত্যের রত্ন’ বলে আখ্যাত।
- প্রধান প্রবেশ পথের উপরিভাগে স্থাপিত একটি শিলালিপি অনুযায়ী জনৈক মজলিস-ই-মাজালিস মজলিস মনসুর ওয়ালী মুহম্মদ বিন আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়। শিলালিপিতে নির্মানের সঠিক তারিখ সম্বলিত অক্ষরগুলি মুছে গেছে।
- তবে এতে সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ এর নামের উল্লেখ থেকে এটা সুস্পষ্ট যে, মসজিদটি তার রাজত্বকালের (১৪৯৪-১৫১৯) কোন এক সময় নির্মিত।
- বিশাল এক দিঘির দক্ষিণপাড়ের পশ্চিম অংশ জুড়ে এর অবস্থান।
- মসজিদের কিছু দূর পশ্চিমে বাংলাদেশ সরকারের প্রত্নতত্ত্ব অধিপ্তর কর্তৃক কয়েক বছর পূর্বে নির্মিত  একটি আধুনিক দ্বিতল গেষ্ট হাউস রয়েছে। 
- গেষ্ট হাউস ও মসজিদের মধ্য দিয়ে উত্তর-দক্ষিণে একটি আধুনিক রাস্তা চলে গেছে। 
- মনে হয় রাস্তাটি পুরনো আমলের এবং একসময় এটি কোতোয়ালী দরওয়াজা হয়ে দক্ষিণের শহরতলীর সঙ্গে গৌড়-লখনৌতির মূল শহরের সংযোগ স্থাপন করেছিল।
- ছোট সোনা মসজিদটি শাহবাজপুর ইউনিয়ন, শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থিত। 

উৎস: চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা।

১২,১৫৫.
৪র্থ বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন – ২০২৫ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. থিম্পু, ভুটান
  2. কলকাতা, ভারত
  3. ঢাকা, বাংলাদেশ
  4. কাঠমন্ডু, নেপাল
সঠিক উত্তর:
ঢাকা, বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা, বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা

৪র্থ বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন- ২০২৫:
- গত ২২-২৪ নভেম্বর, ২০২৫ বাংলাদেশের ঢাকায় আয়োজিত হয়েছে ৪র্থ বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন।
- এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম বড় ভূরাজনৈতিক সম্মেলন।
- চতুর্থবারের মতো আয়োজিত এ সম্মেলনে ৮৫টি দেশের ২০০ বক্তা, ৩০০ প্রতিনিধি ও এক হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারী যোগ দেন। - এবারের প্রতিপাদ্য হচ্ছে—‘প্রতিদ্বন্দ্বিতা, ভাঙন ও পুনর্গঠন: পরিবর্তনশীল বিশ্বে ক্ষমতা ও বিশৃঙ্খলতার মধ্যে পথনির্দেশ’।
- এবারের সম্মেলনে পাঁচটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
- বিষয়গুলো হচ্ছে—পরিবর্তিত জোট ও ক্ষমতার নতুন কাঠামো; বহুমাত্রিক সংকট: যুদ্ধ, ভঙ্গুর রাষ্ট্র ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার সমাপ্তি; কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ভুয়া তথ্যের হুমকি; নিষেধাজ্ঞা ও ঋণের যুগে অর্থনৈতিক কাঠামোর পুনর্বিন্যাস এবং জলবায়ু সীমান্ত, অভিবাসন ও নিরাপত্তা।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। [link]

১২,১৫৬.
বাংলার নবাবী শাসনের সূচনা করেন কে?
  1. সুজাউদ্দৌলা
  2. সিরাজউদৌলা
  3. মুর্শিদ কুলি খান
  4. আলীবর্দী খান
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুর্শিদ কুলি খান
ব্যাখ্যা

নবাবী আমল:
- বাংলায় স্বাধীন নবাবী আমল ১৭০৭-১৭৫৭ সাল।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদকুলী খান ১৭০৭ সালে নবাবী শাসনের সূচনা করেন।
- ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধে শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদৌলার ইংরেজদের হাতে পরাজয়ের মাধ্যমে শেষ হয় স্বাধীন নবাবী আমল।
- ১৭৬০ থেকে ৬৩ সাল পর্যন্ত মীর কাসিম নবাব ছিলেন।
- ১৭৬৪ সালে তৎকালীন ক্ষমতাচ্যুত নবাব নবাব মীর কাসিম, মোঘল সম্রাট শাহ আলম ও অযোধ্যার নওয়াব সুজাউদ্দৌলা বাহিনীর সাথে ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানীর যুদ্ধ হয় যা বক্সারের যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- উক্ত যুদ্ধে পরাজয়ের ফলে বাংলা সহ অন্যান্য অঞ্চলে নবাবী শাসন বিলুপ্ত হয় এবং ইংরেজ উপনেবেশিক যুগ চূড়ান্তভাবে শুরু হয়

উৎস: ইসলামের ইতিহাস ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।

১২,১৫৭.
আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি কতবার নোবেল পুরষ্কার লাভ করে? 
  1. ১ বার 
  2. ২ বার 
  3. ৩ বার 
  4. একবারও নয় 
সঠিক উত্তর:
৩ বার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ বার 
ব্যাখ্যা

◉ আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি (International Committee of the Red Cross - ICRC) মোট ৩ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেছে।

Red Cross:
- ICRM-এর পূর্ণরূপ: The International Red Cross and Red Crescent Movement সংক্ষেপে রেডক্রস নামে পরিচিত।
- এটি একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়: ৯ ফেব্রুয়ারি, ১৮৬৩ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: সুইজারল্যান্ডের জেনেভা।
- প্রতিষ্ঠাতা: হেনরী ডুনান্ট।
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

⇒ যুদ্ধ ও সংঘাতে আহত ব্যক্তিদের সহায়তা করার জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয় সংস্থাটি।
- পরবর্তী সময় এই সংস্থার কাজ বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিশ্বব্যাপী দুস্থ মানুষের সেবা তথা যুদ্ধে আহত ও যুদ্ধবন্দি, প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য ও দুঃখ লাঘবই রেড ক্রস/রেড ক্রিসেন্ট’র মূল লক্ষ্য।

⇒ আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি মোট তিনবার (১৯১৭, ১৯৪৪ ও ১৯৬৩ সালে) শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

উৎস: Red Cross ওয়েবসাইট।

১২,১৫৮.
বেঙ্গল রেনেসাঁর ‘ইয়াং বেঙ্গল’ আন্দোলনের প্রবক্তা কে ছিলেন?
  1. হেনরি লুই ডিরোজিও 
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. রাধানাথ সিকদার
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ডিরোজিও 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরি লুই ডিরোজিও 
ব্যাখ্যা

- বেঙ্গল রেনেসাঁসের 'ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা হেনরি লুই ডিরোজিও।

• ডিরোজিও ও ইয়াং বেঙ্গল মুভমেন্ট :
- 'রেনেসাঁস যুগে বাঙালি যুব সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী 'ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা ডিরোজিও ১৮০৯ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা শহরে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা ছিলেন পর্তুগিজ এবং মা ছিলেন বাঙালি। 
- ডিরোজিও ইংরেজি শিক্ষার স্কুল ডেভিড ড্রামন্ডের ধর্মতলা একাডেমিতে পড়ালেখা শুরু করেন। 
- এই শিক্ষকের আদর্শ ডিরোজিওকে তাঁর শিশুকাল থেকে মৃত্যু পর্যন্ত প্রভাবিত করে রেখেছিল। 
- বাঙালি যুব সমাজের মধ্যে আলোড়ন সৃষ্টিকারী 'ইয়াং বেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা। 
- বয়সে তরুণ হলেও তিনি ইতিহাস, ইংরেজি, সাহিত্য, দর্শন শাস্ত্রে গভীর জ্ঞানের অধিকারী ছিলেন।
-  ডিরোজিওর অনুসারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন রামতনু লাহিড়ী, রাধানাথ সিকদার, প্যারিচাঁদ মিত্র, কৃষ্ণমোহন ব্যানার্জি প্রমুখ।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত তাঁর ছাত্র না হলেও তাঁর আদর্শ দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত হয়েছিলেন। ডিরোজিওর অনুসারীদের আন্দোলন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকেও প্রভাবিত করেছিল।


তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি ও লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

১২,১৫৯.
রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. স্থানীয় ও জাতীয়
  2. আর্দশহীন
  3. সংঘবদ্ধ জনসমষ্টি
  4. সাংগঠনিক কাঠামো
সঠিক উত্তর:
আর্দশহীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্দশহীন
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রাজনৈতিক দল অন্যতম।
- এটি মূলত এক দল জনসমষ্টি যারা নির্দিষ্ট নীতি ও আদর্শ এবং লক্ষ্যে ঐক্যবদ্ধ।
- রাজনৈতিক দল মূলত জনগণের দাবি দাওয়া প্রকাশের প্লাটফর্ম।
- জাতি ধর্ম-বর্ণ লিঙ্গ, শ্রেণি পেশা নির্বিশেষে সকল জনগোষ্ঠী কোন রাজনৈতিক দলে অন্তর্ভূক্ত হতে পারে।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে নিয়মতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়া।
- অর্থাৎ নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা এবং নির্বাচনি ইশতেহার প্রকাশের মধ্য দিয়ে জনগণকে আকর্ষণ করা।

⇒ বর্তমানে পৃথিবীর অধিকাংশ রাষ্ট্রেই একাধিক রাজনৈতিক দল রয়েছে।
- গণতন্ত্রের জন্য রাজনৈতিক দল অপরিহার্য।
- তবে যে সব রাষ্ট্রে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা নেই সে সব রাষ্ট্রে রাজনৈতিক দলও নেই। যেমন সৌদি আরব, বাহরাইন, ওমান, কাতার এ রাজতন্ত্র বিদ্যমান। তাই এসব দেশে রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ। 
- তাছাড়া সামরিক সরকার ক্ষমতায় থাকলেও রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ থাকে। 

⇒ রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য:
- সংঘবদ্ধ জনসমষ্টি,
- নির্দিষ্ট নীতি ও আর্দশ,
- সাংবিধানিকভাবে ক্ষমতা লাভ,
- সাংগঠনিক কাঠামো,
- স্থানীয় ও জাতীয় অবস্থান।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৬০.
স্বাধীন বাংলাদেশে ১ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়?
  1. ক) ১৬ মার্চ, ১৯৭২
  2. খ) ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. গ) ৪ মার্চ, ১৯৭২
  4. ঘ) ৪ জানুয়ারি, ১৯৭৩
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ মার্চ, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৪ মার্চ, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
৪ মার্চ, ১৯৭২ স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম ১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট চালু করা হয়।

- ১৯৭২ সালে ১, ৫, ১০ ও ১০০ টাকার নোট প্রচলন হয়।
- ১৯৭৫ সালে : ৫০ টাকার নোট
- ১৯৭৭ সালে : ৫০০ টাকার নোট
- ১৯৮০ সালে : ২০ টাকার নোট
- ১৯৮৯ সালে : ২ টাকার নোট
- ২০০৮ সালে : ১০০০ টাকার নোট
- ২০২০ সালে : ২০০ টাকার নোট।

(সূত্র: প্রথম আলো)
১২,১৬১.
গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  4. ২১ এপ্রিল, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা
 গণপরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার মাত্র ১১৬ দিন পর গণপরিষদের এ প্রথম অধিবেশন বসে।
- এ অধিবেশনে গণপরিষদের স্পীকার ও ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত হয়।
- শাহ আব্দুল হামিদ গণপরিষদের প্রথম স্পীকার নির্বাচিত হন।
- তাঁর মৃত্যুর পর নির্বাচিত হন জনাব মোহাম্মদ উল্লাহ।

⇒ এ অধিবেশনে একটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটি গঠন করা হয়।
- এটি হল "সংবিধান কমিটি"।
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নিযুক্ত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- 'গণপরিষদের ৩৪ জন সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত খসড়া প্রণয়ন কমিটি- যার সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ড. কামাল হোসেন'।

উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৬২.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা -
  1. ৪৮টি
  2. ৪৯টি
  3. ৫০টি
  4. ৫১টি
সঠিক উত্তর:
৫০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০টি
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ‘ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর’ সংখ্যা ৫০টি।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী বসবাস করে রাঙামাটিতে। এ জেলায় এসব জাতিগোষ্ঠীর মানুষের সংখ্যা ৩ লাখ ৭২ হাজার ৮৬৪।
- জেলার দিক দিয়ে -দ্বিতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি।
- এর মধ্যে ৬০.০৪% চট্টগ্রাম বিভাগে বসবাস।
- এছাড়াও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১৪.৮২% রাজশাহী, ৮.২৮% সিলেট, ৫.৫২% রংপুর ও ৪.৯৯% ঢাকা বিভাগে বসবাস করে।

⇒ পার্বত্য চট্টগ্রামে ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- এ অঞ্চলে বসবাস করে ১৩টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মানুষ।
- তাদের মধ্যে চাকমা, ত্রিপুরা, ম্রো, খুমি, লুসাই, মারমা, রাখাইন, চাক, বম, খেয়াং, পাঙ্খোয়া জাতিগোষ্ঠী উল্লেখযোগ্য।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।
১২,১৬৩.
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) প্রণীত নতুন ভিত্তি বছরে জিডিপির খাত কয়টিতে উন্নীত করেছে?
  1. ক) ২১
  2. খ) ১৫
  3. গ) ২৪
  4. ঘ) ১১
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৪
ব্যাখ্যা
- দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরকে ভিত্তিবছর ধরে জিডিপি প্রকাশ শুরু করে।
- তখন ১১ টি খাতের উপর ভিত্তি করে জিডিপি প্রকাশ করা হতো।
- এরপর কয়েকবার ভিত্তি বছর পাল্টানো হয় এবং জিডিপি খাত ১১ থেকে ১৫ টি তে উন্নীত করা হয়।
- সর্বশেষ ২০২১ সালে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০১৫-১৬ অর্থবছরকে ভিত্তি করে জিডিপি, প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, মাথাপিছু আয় গণনা শুরু করে।
- নতুন ভিত্তি বছরে জিডিপি খাত ২৪টি তে উন্নীত করা হয়।
-
নতুন খাতসমূহ: মোবাইল ব্যাংকিং; এজেন্ট ব্যাংকিং; গরু ও হাঁস-মুরগি; নার্সারি; লটকন, ড্রাগন, স্ট্রবেরি, ক্যাপসিকাম, মাশরুম; আবাসন; কেব্‌ল টেলিভিশন; ইন্টারনেট; হেলিকপ্টার।
উৎস: বিবিএস, পত্রিকা রিপোর্ট
১২,১৬৪.
বর্তমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন- 
  1. শহীদ আবুল বরকতের মা
  2. শহীদ শফিউরের মা
  3. শহীদ আব্দুস সালামের বাবা
  4. শহীদ শফিউরের বাবা
সঠিক উত্তর:
শহীদ আবুল বরকতের মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শহীদ আবুল বরকতের মা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার:
- অবস্থান: ঢাকা মেডিকেল কলেজ প্রাঙ্গণে।
- বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের নকশাকার/স্থপতি হলেন হামিদুর রহমান।
- ১৯৫৬ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের পাশে হামিদুর রহমানের নকশায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
- ১৯৬৩ সালের একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।

উল্লেখ্য, 
- শহিদ মিনার প্রথম নির্মিত হয় ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি। 
- শহীদ মিনারটি ছিল ১০ ফুট উচ্চ ও ৬ ফুট চওড়া।
- ২৪ ফেব্রুয়ারি সকালে, শহীদ শফিউরের পিতা অনানুষ্ঠানিকভাবে শহীদ মিনারের উদ্বোধন করেন। 
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহীদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।

 উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন, ঢাকা জেলা ওয়েব সাইট ও বাংলাপিডিয়া।

১২,১৬৫.
'মুজিব: একটি জাতির রূপকার' চলচ্চিত্র পরিচালনা করেন কে?
  1. শামা জাইদি
  2. অতুল তিওয়ারি
  3. শ্যাম বেনেগাল
  4. শ্যাম নীতিশ
সঠিক উত্তর:
শ্যাম বেনেগাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্যাম বেনেগাল
ব্যাখ্যা
মুজিব: একটি জাতির রূপকার (MUJIB: THE MAKING OF A NATION):

- জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবনী নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র 'মুজিব: একটি জাতির রূপকার'।
- চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায় ১৩ অক্টোবর ২০২৩ সালে।
- ১৯ মে ২০২২ সালে ফ্রান্সে ৭৫তম কান চলচ্চিত্র উৎসবে সিনেমাটির প্রাথমিক ট্রেলার মুক্তি পায়।
- বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ভারতের খ্যাতিমান নির্মাতা শ্যাম বেনেগাল।
- এর নির্মাণ ব্যয় ৮৩ কোটি টাকা। বাংলাদেশ মোট অর্থের ৫০ কোটি ও ভারত ৩৩ কোটি টাকা দিয়েছে।
- এর চিত্রনাট্য রচনা করেছেন শামা জাইদি ও অতুল তিওয়ারি।
- এটি বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি তিনটি ভাষায় করা হয়েছে।
- চলচ্চিত্রটিতে বঙ্গবন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো প্রতিবেদন।
১২,১৬৬.
”ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী” সংবিধানের কততম তফসিলে অন্তর্ভুক্ত?
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. প্রথম তফসিল
  3. দ্বিতীয় তফসিল
  4. তৃতীয় তফসিল
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ তফসিল
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের সংবিধানে মোট সাতটি তফসিল রয়েছে।
এগুলো হলো:

- প্রথম তফসিল : অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল : রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (বিলুপ্ত)।
- তৃতীয় তফসিল : শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল : ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলী।
- পঞ্চম তফসিল : বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল : বঙ্গবন্ধু প্রদত্ত স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল : মুজিবনগর সরকার জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে প্রথম চারটি তফসিল ছিলো।
- ২০১১ সালে সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী দ্বারা সংবিধানে নতুন করে ৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম তফসিল যুক্ত করা হয়।


উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১২,১৬৭.
অধীনতামূলক মিত্রতানীতি প্রবর্তন করেন কে?
  1. লর্ড ডালহৌসি
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. লর্ড বেন্টিং
সঠিক উত্তর:
লর্ড ওয়েলেসলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লর্ড ওয়েলেসলি
ব্যাখ্যা
⇒ অধীনতামূলক মিত্রতানীতি প্রবর্তন করেন লর্ড ওয়েলেসলি।

লর্ড ওয়েলেসলির সময়ে শাসন ব্যবস্থা:
- ১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড ওয়েলেসলি কোম্পানির গভর্নর হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন।
- তিনি রাজ্য শাসনের পরিবর্তে রাজ্য বিস্তারের দিকেই বেশি আগ্রহী ছিলেন।
- রাজ্যের শাসন ব্যবস্থায় তাঁর অবদান নিতান্তই সামান্য। সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব থাকা সত্ত্বেও তিনি বেশকিছু সংস্কার করে গেছেন।
- তিনি ইংরেজ অধিকৃত স্থানে জমি জরিপ করার জন্য ড. ফ্রান্সিস বুকাননকে নিযুক্ত করেন।
- তিনি এদেশের কৃষি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন।
- ওয়েলেসলি বিচার ব্যবস্থার বেশকিছু সংস্কার করেন।
- লর্ড ওয়েলেসলি ভারতবর্ষে নবাগত ইংরেজ কর্মচারিদের শিক্ষার জন্য কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে একটি কলেজ স্থাপন করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৬৮.
কোয়ালিশন মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন -
  1. ক) কৃষি
  2. খ) শিক্ষা
  3. গ) শিল্প
  4. ঘ) স্বাস্থ্য
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) শিল্প
ব্যাখ্যা
- ১৯৫৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে আতাউর রহমান খানের নেতৃত্বে কোয়ালিশন মন্ত্রিসভা গঠিত হয়।
- বঙ্গবন্ধু ১৬ সেপ্টেম্বর ১৯৫৬ এই মন্ত্রিসভায় শিল্প, বাণিজ্য, শ্রম, দুর্নীতি দমন ও ভিলেজ এইড দপ্তরের মন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন।
- কিন্তু ১৯৫৭ সালের ৩০ মে দলীয় কাজে মনোনিবেশের জন্যে স্বেচ্ছায় মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগ করেন।
- ফজলুল হক নেতৃত্বাধীন যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভায় বঙ্গবন্ধু কৃষি ও সমবায় মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া এবং অসমাপ্ত আত্মজীবনী)
১২,১৬৯.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ এর রিপোর্ট অনুসারে, গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার কত শতাংশ?
  1. ৪.২%
  2. ৬.৫%
  3. ৮.১%
  4. ১১.৭%
সঠিক উত্তর:
৬.৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬.৫%
ব্যাখ্যা

খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) Household Income and Expenditure Survey (HIES) 2022 শিরোনামে ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩ খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২ প্রকাশ করে।
- জনপ্রতি দৈনিক ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণ: ২,৩৯৩ কিলোক্যালোরি।
⇒ খানাপ্রতি মাসিক গড় আয়: ৩২,৪২২ টাকা।
• শহর: ৪৫,৭৫৭ টাকা,
• গ্রাম: ২৬,১৬৩ টাকা)।

⇒ সাক্ষরতার হার (৭ বছর এবং তদূর্ধ্ব): ৭৪%।
• পুরুষ: ৭৫.৮%,
• নারী ৭২.৬%।

⇒ দারিদ্র্যের হার:
- দেশে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- শহরে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ১৪.৭%।
- গ্রামে উচ্চ দারিদ্র্যের হার: ২০.৫%।

⇒ উল্লেখ্য:
- দেশে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।
- শহরে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৩.৮%।
- গ্রামে নিম্ন দারিদ্র্যের হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - খানা আয় ও ব্যয় জরিপ চূড়ান্ত প্রতিবেদন-২০২২।

১২,১৭০.
'দ্বিজাতি তত্ত্বের' প্রবক্তা কে?
  1. স্যার সৈয়দ আহমদ খান
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. এ.কে. ফজলুল হক
  4. নওয়াব সলিমুল্লাহ
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
ব্যাখ্যা
জিন্নাহর দ্বিজাতি তত্ত্ব:
- জাতিতত্ত্বের বিশ্লেষণে একটি জনগোষ্ঠীকে তখনই জাতি বলা যায়, যার ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, মনন, কৃষ্টি, ধর্ম এমনকি অর্থনীতি একটি একক সত্তায় পরিণতি লাভ করে।
- মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ভারতের হিন্দু ও মুসলমান এ দুটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে দুটি পৃথক জাতি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন। এটিই মূলত জিন্নাহর 'দ্বিজাতি তত্ত্ব'।
- ১৯৩৯ সালে জিন্নাহ্ তাঁর 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' ঘোষণা করেন।
- পরবর্তী বছর লাহোরে মুসলিম লীগের ঘোষণায় এরই প্রতিধ্বনি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।
- ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্।
- এ অধিবেশনেই বাংলার নেতা ও প্রধানমন্ত্রী এ.কে. ফজলুল হক বিখ্যাত লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
- এতে বলা হয় যে, কোনো শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনা এদেশে কার্যকর বা মুসলমানদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না যদি একটি নিম্নবর্ণিত মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত না হয়।

সূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২,১৭১.
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল আন্তর্জাতিক একদিনের খেলায় কোন দেশের বিরুদ্ধে প্রথম জয়লাভ করে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) জিম্বাবুয়ে
  3. গ) পাকিস্তান
  4. ঘ) কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) কেনিয়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ক্রিকেট দল:
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম ১৯৭৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত আইসিসি ট্রফি দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আত্মপ্রকাশ করে।
- বাংলাদেশ সর্বপ্রথম একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯৮৬ সালের ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে।
- বাংলাদেশ ওয়ানডে স্ট্যাটাস পায় ১৯৯৭ সালে।
- ১৯৯৭ সালের আইসিসি ট্রফি জয়ের মাধ্যমেই বাংলাদেশ পেয়েছিল প্রথমবারের মতো ক্রিকেটের সর্বোচ্চ আসর বিশ্বকাপ (১৯৯৯ সালে) খেলার সুযোগ।
- একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে বাংলাদেশ তাদের প্রথম জয়টা পায় ২২ ম্যাচ হারের পর।
- ১৯৯৮ সালে মোহাম্মদ রফিকের অসাধারণ নৈপুণ্যে (৭৭ রান ও ৩ উইকেট) কেনিয়ার বিরুদ্ধে ভারতের মাটিতে জয় পায় বাংলাদেশ।
- সেদিন আতহার আলী খান ও মোহাম্মদ রফিক মিলে জুটি বেঁধেছিলেন ১৩৭ রানের।
- আতহার আলী করেছিলেন ৪৭ রান।
- ২০০০ সালের ১০ নভেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল টেস্ট খেলার মর্যাদা অর্জন করে।
- বাংলাদেশ প্রথম টেস্ট জয় পায় ২০০৫ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে।

উৎস: প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট, ২০২০।

১২,১৭২.
বর্তমানে বাংলাদেশে নিবন্ধিত চা বাগান রয়েছে কয়টি?
  1. ১৭৩টি
  2. ১৬৯টি
  3. ১৭১টি
  4. ১৭০টি
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
ব্যাখ্যা

চা বাগান:
- ১৮৪০ খ্রিষ্টাব্দে চট্টগ্রাম শহরের বর্তমান চট্টগ্রাম ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় একটি চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল যা কুন্ডদের বাগান নামে পরিচিত।
- সিলেটের মালনীছড়ায় প্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৭ সালে।
- বর্তমানে চা বাগানের সংখ্যা ১৭১টি।

উল্লেখ্য,
- দেশে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়।
- মৌলভীবাজার জেলায় ৯০টি চা বাগান রয়েছে।
- হবিগঞ্জ জেলায় ২৫টি চা বাগান রয়েছে।
- সিলেট জেলায় ১৯টি চাচা বাগান রয়েছে।
- চট্টগ্রাম জেলায় ২২টি চাচা বাগান রয়েছে।
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১১ টি।
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি ।
- ঠাকুরগাঁও জেলায়- ০১টি ।
- খাগড়াছড়ি জেলায়-০১টি।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১২,১৭৩.
মুক্তিযুদ্ধের সময় সাব সেক্টর কয়টি ছিল?
  1. ৬০
  2. ৬২
  3. ৬৪
  4. ৬৬
সঠিক উত্তর:
৬৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪
ব্যাখ্যা
- যুদ্ধ শুরু হবার পর সুষ্ঠু প্রশাসনিক ব্যবস্থার অধীন যুদ্ধ-অঞ্চল (সেক্টর) গঠন এবং এ লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে সমন্বয় সভা আয়োজনের জন্য মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি কর্নেল ওসমানীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেয় যুদ্ধকালীন অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রিসভা।
- সে অনুযায়ী মুক্তিবাহিনীর বিভিন্ন দলের কমান্ডারদের নিয়ে ১১ থেকে ১৭ জুলাই আহ্বান করা হয় প্রথম সম্মেলন।
- প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদের কলকাতার ৮ নম্বর থিয়েটার রোডের (বর্তমানে শেকসপিয়ার সরণি) অফিস ভবনে তার সভাপতিত্বে সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলন উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ। 
- সম্মেলনে সুষ্ঠুভাবে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার লক্ষ্যে সারাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করে একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়।
- পাশাপাশি সেক্টরগুলোকেও ভাগ করা হয় ৬৪টি সাব-সেক্টরে।
- তিনটি উদ্দেশ্য সামনে রেখে এই সেক্টরগুলো গঠন করা হয়।
- প্রথমত, সেক্টরগুলোর সীমানা নির্ধারণ; দ্বিতীয়ত, গেরিলা যোদ্ধাদের সংগঠিত করা এবং তৃতীয়ত, নিয়মিত বাহিনী সংগঠিত করা।

উৎস: দৈনিক সমকাল। [লিঙ্ক]
১২,১৭৪.
সর্বশেষ জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয় কত সালে? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৫ সালে
ব্যাখ্যা

'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫:
- ২৪ জুলাই ২০২৫ সালে 'বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫' প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়।
- রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের এক অনুষ্ঠানে এই নতুন জনসংখ্যা নীতি প্রকাশ করা হয়।
- প্রতিবছর ১১ জুলাই জনসংখ্যা দিবস পালন কর হলেও অনিবার্য কারণে মন্ত্রণালয় গতকাল এই দিবস পালন করেছে।
- এর আগে জনসংখ্যা নীতি ছিল ২০১২ সালের।

- এই নীতির প্রক্ষেপণ অনুযায়ী, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০৬১ সালের পর আর বাড়বে না।
- তখন দেশের জনসংখ্যা হবে ২১ কোটি।
- ২০৬২ সাল থেকে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঋণাত্মক হবে এবং মোট জনসংখ্যা কমতে থাকবে।
- ২০০৫ সাল থেকে বাংলাদেশ জনসংখ্যার লভ্যাংশের যে সুযোগ পেয়ে আসছে তা অব্যাহত থাকবে ২০৬১ সাল পর্যন্ত।
- তখন সমাজে প্রবীণ মানুষের হার অনেক বেশি থাকবে।

- মানবাধিকার, ন্যায্যতা ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তি, জেন্ডার সমতা, বৈষম্যহীনতা, স্বেচ্ছা সম্মতি ও অবহিত পছন্দ, তথ্য প্রাপ্তি, গোপনীয়তা, সেবার মান ও অংশীদারত্ব–অংশগ্রহণকে ২০২৫ সালের জনসংখ্যা নীতির মূল ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
• জনসংখ্যার আধিক্য রোধকল্পে বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় জনসংখ্যা নীতি প্রণীত হয়- ১৯৭৬ সালে

উৎস: বাংলাদেশ জনসংখ্যা নীতি ২০২৫ ও প্রথম আলো।

১২,১৭৫.
বাংলাদেশের বৃহত্তম উন্নয়ন পরিকল্পনা কোনটি?
  1. ক) অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা
  2. খ) প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
  3. গ) দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা
  4. ঘ) ব-দ্বীপ পরিকল্পনা
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব-দ্বীপ পরিকল্পনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব-দ্বীপ পরিকল্পনা
ব্যাখ্যা
- ব-দ্বীপ পরিকল্পনা বা ডেল্টা প্ল্যান-২১০০ দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ডস সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়। এটি পানিসম্পদ কেন্দ্রিক একটি মহাপরিকল্পনা যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় প্রণয়ন করা হয়েছে।
(তথ্যসূত্র: পরিকল্পনা কমিশন এবং প্রথম আলো)
১২,১৭৬.
মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য কয় সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠণ করা হয়েছিলো?
  1. ক) ৭ সদস্য
  2. খ) ৮ সদস্য
  3. গ) ৯ সদস্য
  4. ঘ) ১০ সদস্য
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ সদস্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮ সদস্য
ব্যাখ্যা

- মুজিবনগর সরকারের উপদেষ্টা কমিটি গঠন মুজিবনগর সরকারকে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে উপদেশ প্রদান করার জন্য মুক্তিযুদ্ধে সমর্থনদানকারী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ৮ সদস্য বিশিষ্ট একটি উপদেষ্টা কমিটি গঠিত হয় (৯ সেপ্টেম্বর ১৯৭১)।
- মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির নেতা।
- এর আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
- কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন-
অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা - ৯ম - ১০ম শ্রেনি , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১৭৭.
বাংলাদেশে নারীদের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল কত বছর?
  1. ক) ৭৩.৯ বছর
  2. খ) ৭৪.২ বছর
  3. গ) ৭৪.৫ বছর
  4. ঘ) ৭৫.২ বছর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪.৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৪.৫ বছর
ব্যাখ্যা
বিবিএস SVRS Report-2020 অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল,
- জাতীয় : ৭২.৮ বছর
- পুরুষ : ৭১.২ বছর
- নারী : ৭৪.৫ বছর।
(তথ্যসূত্রঃ বিবিএস SVRS-2020 রিপোর্ট)
১২,১৭৮.
এনসিপি গঠনের পেছনে কোন ধরনের আন্দোলনের সফল পরিণতি উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অর্থনৈতিক সংস্কার আন্দোলন
  2. ছাত্র-জনতার আন্দোলন
  3. পরিবেশ আন্দোলন
  4. শ্রমজীবী আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
ছাত্র-জনতার আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাত্র-জনতার আন্দোলন
ব্যাখ্যা

• National Citizen Party (NCP):
- জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) হলো বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত একটি রাজনৈতিক দল।
- এটি  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটির উদ্যোগে গঠিত হয়েছে।
- ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে দলটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে।
 - নাহিদ ইসলামকে দলটির  আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
- এটি দেশের প্রথম রাজনৈতিক দল, যা সম্পূর্ণভাবে ছাত্র নেতৃত্বের মাধ্যমে গঠিত হয়েছে।
- দলটির সৃষ্টি ছাত্র-জনতার আন্দোলনের একটি সফল পরিণতি হিসেবে বিবেচিত হয়।
- দলটির নির্বাচনী প্রতীক - শাপলা কলি।

উৎস: NCP ওয়েবসাইট।

১২,১৭৯.
কোন দেশের অধিবাসীদের 'ডাচ' বা ওলন্দাজ বলা হয়?
  1.  ইংল্যান্ডের
  2. হল্যান্ডের
  3. বেলজিয়ামের
  4. স্পেনের
সঠিক উত্তর:
হল্যান্ডের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হল্যান্ডের
ব্যাখ্যা

ওলন্দাজ বা ডাচ:
- হল্যান্ডের অধিবাসীদের ওলন্দাজ বা ডাচ বলা হয়।
- ১৬০২ খ্রিস্টাব্দে ওলন্দাজরা জলপথে উপমহাদেশে আসে।
- প্রাচ্য বাণিজ্যে আধিপত্য বিস্তারের উদ্দেশ্যে হল্যান্ডের একদল বণিক 'ডাচ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি' গঠন করে।
- তারা কালিকট, নাগাপট্টম, বাংলার চুঁচুড়া ও বাঁকুড়ায় বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে।
- এছাড়া বালেশ্বর, কাশিমবাজার এবং বরানগরেও তাদের কুঠি ছিল।
- প্রথমে ওলন্দাজগণ ইংরেজদের সাথে রেশমী সূতা, সুতি কাপড় চাল, ডাল সোরা ও তামাক এদেশ থেকে রপ্তানি করত এবং অন্যদেশ থেকে এদেশে মসলা আমদানি করত।
- ইংরেজদের সাথে তাদের যে বাণিজ্য চুক্তি হয় তা দু'বছরের মধ্যে ভেঙ্গে গিয়ে বিরোধ দেখা দেয়।
- অন্যদিকে বাংলার শাসনকর্তাদের সাথেও তাদের প্রবল বিরোধ দেখা দেয়।
- এ বিরোধ বেশি বেড়ে গেলে ইংরেজগণ ওলন্দাজ কুঠিগুলো দখল করে ফেলে।
- আর এভাবে ওলন্দাজদের বাণিজ্যিক সুবিধা সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায় এবং তাঁরা উপমহাদেশ ছেড়ে মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় চলে যায়।
- সেখানে তাঁরা উপনিবেশ স্থাপন করে।
- ফলে এদেশে ইংরেজদের শক্তি বেড়ে যায়।
- বর্তমান ইন্দোনেশিয়া ওলন্দাজদের কাছ থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সংগ্রামের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে।

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র (এইচএসসি প্রোগ্রাম), বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১৮০.
বর্তমানে দেশে সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কতটি?
  1. ক) ৩টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৬টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫টি।
১. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
২. রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
৩. চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
৪. সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
৫. শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা।
খুলনায় প্রতিষ্ঠিত দেশের ৫০তম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শেখ হাসিনা মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়। এটি দেশের পঞ্চম সরকারি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়।
উৎসঃ বাংলাদেশ গেজেট এবং দৈনিক পত্রিকা।
১২,১৮১.
সর্বশেষ বাংলাদেশী হিসেবে (২০২৪) মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন কে?
  1. নিশাত মজুমদার
  2. ওয়াসফিয়া নাজরীন
  3. বাবর আলী
  4. সজল খালেদ
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাবর আলী
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]
বাবর আলী
- বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট জয় করেছেন বাবর আলী নামে এক বাংলাদেশি।
- ২০২৪ সালের ১৯ মে বাংলাদেশ সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেন তিনি।
- বেসক্যাম্প টিমের বরাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অভিযানের প্রধান সমন্বয়ক ফরহান জামান।
- এর আগেও আরও চারজন বাংলাদেশি এভারেস্ট জয় করেছিলেন।
- বাবরের  পৃথিবীর চতুর্থ উচ্চতম পর্বত মাউন্ট লোৎসে জয় করেন।
- এ লোৎসেতে এর আগে কোনো বাংলাদেশি সামিট করেননি। 

সূত্র- প্রথম আলো।
১২,১৮২.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতার কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৩৬ নং
  2. ৩৭ নং
  3. ৩৮ নং
  4. ৩৯ নং
সঠিক উত্তর:
৩৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭ নং
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চলাফেরার স্বাধীনতা।
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে সমাবেশে স্বাধীনতা।
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- সংগঠনের স্বাধীনতা।
- ৩৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১২,১৮৩.
নিম্নের কোন ভাষা শহীদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
  1. রফিক উদ্দীন
  2. আবদুস সালাম
  3. আবদুল জব্বার
  4. আবুল বরকত
সঠিক উত্তর:
আবুল বরকত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আবুল বরকত
ব্যাখ্যা

আবুল বরকত:
- ভাষা আন্দোলনের শহিদ আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।

 অন্যদিকে,
- শফিউর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন ক্লাসের প্রাইভেট ছাত্র ও ঢাকা হাইকোর্টের কর্মচারী।
- আবদুল জব্বার সাধারণ গ্রামীণ কর্মজীবী মানুষ ছিলেন।
- রফিক উদ্দীন আহমদ মানিকগঞ্জ জেলার দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয়  বর্ষের ছাত্র।
- আবদুস সালাম ডাইরেক্টর অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অফিসে রেকর্ড কিপার পদে চাকরি করতেন।
- আবদুল আউয়াল ছিলেন রিকশাচালক।
- মো. অহিউল্লাহ ছিলেন শিশু শ্রমিক।

⇒ ভাষা শহিদ আবুল বরকত ১৯২৭ সালের ১৩ জুন অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলায় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- ভারত বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে সপরিবার ঢাকায় চলে আসেন।
- তিনি ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে চতুর্থ হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে একই বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তি হন।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সংগঠিত আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।
- ভাষা আন্দোলনে আত্মদানের স্বীকৃতি স্বরূপ আবুল বরকতকে ২০০০ সালে একুশে পদকে (মরণোত্তর) ভূষিত করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি না দেওয়ায় এবং পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে চাপিয়ে দেওয়ার প্রতিবাদে ঢাকার ছাত্র ও সাধারণ জনগণ রাস্তায় নেমে আসে।
- পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলাকে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস থেকে ১৪৪ ধারা ভেঙে ছাত্র-ছাত্রীরা মিছিল বের করে। 
- মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ আরও কয়েকজন মাটির বীর সন্তান।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১২,১৮৪.
ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করেন কে?
  1. ভাস্কো-দ্য-গামা
  2. আলভারেঞ্জ ক্যাব্রাল
  3. বার্থলমিউ দিয়াজ
  4. আল বুকার্ক
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-দ্য-গামা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাস্কো-দ্য-গামা
ব্যাখ্যা
- বাংলায় ইউরোপীয়দের মধ্যে সবার আগে আসে পর্তুগিজরা।
- ১৪৯৮ সালে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো দা গামা ইউরোপ থেকে ভারতে আসার জলপথ আবিষ্কার করার কয়েক দশক পর থেকেই বাংলায় পর্তুগিজদের আগমন ঘটে।
-  আলবুকার্ক উপমহাদেশে পর্তুগিজ-শক্তির প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। কলম্বাস বিখ্যাত ইতালীয় নাবিক ছিলেন।
 
- উপমহাদেশে আসার অল্পদিনের মধ্যেই তাঁরা এদেশের পশ্চিম উপকূলের কালিকট, চৌল, বোম্বাই, সালসেটি, বেসিন, কোচিন, গোয়া, দমন, দিউ প্রভৃতি বন্দরে, সিংহলের নানাস্থানে এবং বাংলার হুগলী বন্দরে তাঁদের বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করেন। 
- তাঁদের নৌ ও সেনাবাহিনী খুব শক্তিশালী ছিল।

- বাংলায় সবার শেষে আগমন করে ফরাসিরা।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী;  বাংলাপিডিয়া; ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় )
১২,১৮৫.
বাংলাদেশে সাঁওতাল জনগোষ্ঠী প্রধানত কোন অঞ্চলে বসবাস করে?
  1. সিলেট ও চট্টগ্রাম
  2. রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান
  3. রাজশাহী ও দিনাজপুর
  4. ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী ও দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী ও দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

সাঁওতাল:
- সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- তাদের বছর শুরু হয় ফাল্গুন মাসে। 
- সাঁওতালদের প্রধান উৎসব সোহরাই।
- সাওতালদের সমাজ হলো পিতৃতান্ত্রিক।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া।
         ii) ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি: সপ্তম শ্রেণি।

১২,১৮৬.
বাংলাদেশের কয়টি জেলার সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে?
  1. ক) ৩৮টি
  2. খ) ৩২টি
  3. গ) ৩০টি
  4. ঘ) ২৮টি
সঠিক উত্তর:
খ) ৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৩২টি
ব্যাখ্যা
- বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যকর বিভাগ সংখ্যা ৮টি এবং জেলার সংখ্যা ৬৪টি।
- বাংলাদেশের ৬ টি বিভাগের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত থাকলেও ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের সাথে কোনো আন্তর্জাতিক সীমান্ত নেই।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- একটি জেলার সাথে উভয় দেশের সীমানা রয়েছে সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের আয়তনে সবচেয়ে বড় জেলা রাঙামাটি।

উৎস: বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।
১২,১৮৭.
মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ কোথায় সংঘটিত হয়েছিল?
  1. ঢাকা 
  2. কুমিল্লা 
  3. চট্টগ্রাম 
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ:
- ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চ পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে গাজীপুরের জয়দেবপুরের জনগণ সম্মুখযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছিল।
- এটিই ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ। 

⇒ ১৯৭১ সালের ১৯ মার্চে ঢাকা ব্রিগেড হেডকোয়ার্টার থেকে আকস্মিকভাবে পাকিস্তানি ব্রিগেডিয়ার জাহান জেবের নেতৃত্বে পাকিস্তানি রেজিমেন্ট জয়দেবপুরের (গাজীপুর) দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্টকে নিরস্ত্র করার জন্য পৌঁছে যায়।
- এ খবর জানাজানি হতেই বিক্ষুব্ধ জনতা জয়দেবপুরে এক প্রতিরোধ সৃষ্টি করে।
- সশস্ত্র পাকিস্তানি সেনাবাহিনী জনতার ওপর গুলিবর্ষণ করলে অকুস্থলেই শহীদ হন অনেকে।
- এটি ছিল মুক্তিযুদ্ধে প্রথম সশস্ত্র প্রতিরোধ।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২,১৮৮.
ঢাকার 'ধোলাই খাল' কে খনন করেন?
  1. ইসলাম খান
  2. শায়েস্তা খান
  3. মীর জুমলা
  4. পরিবিবি
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসলাম খান
ব্যাখ্যা

ধোলাই খাল:
- এটি পুরানো ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক আবাসিক এলাকা।
- তৎকালীন ঢাকার প্রধান জলপথ ও নগর রক্ষা পরিখা ছিল এ ধোলাই খাল।
- নগর রক্ষার পরিখা নির্মাণ ও জলপথ হিসেবে ব্যবহারের জন্য ঢাকার প্রথম সুবেদার ইসলাম খান ধোলাই খাল খনন করিয়েছিলেন।
- অতীতে ধোলাই খাল শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল এবং ঐতিহাসিক  লালবাগ দুর্গ, আহসান মঞ্জিল ও  বড় কাটরা এবং ছোট কাটরাসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা এর চারপাশে গড়ে ওঠে।
- খালটি শহরকে সুরক্ষার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ নৌ যোগাযোগের সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে খনন করা হয়। 
- ১৮৩২ সালে মি. ওয়াল্টার নামে ঢাকার একজন কালেক্টর নারায়ণগঞ্জ যাতায়াতের সুবিধার্থে খালটির উপর একক স্প্যানের একটি ঝুলন্ত সেতু নির্মাণ করেন।
- এটি ছিল সে সময়ের প্রকৌশল সাফল্যের একটি উল্লেখযোগ্য নিদর্শন।
- ১৮৬৭ সালে খালে চলাচলকারী যানবাহনের ওপর টোল আরোপ করা হয়।
- সময়ের বিবর্তনে কৌশলগত ও বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্ববহ জলপথটি পার্শ্ববর্তী বাড়িঘর থেকে নিক্ষিপ্ত ময়লা-আবর্জনা দিয়ে স্থানে স্থানে ভরাট হয়ে যায়।
- খালটির কিছু অংশ এখনও উন্মুক্ত স্থান হিসেবে দেখা যায়।
- কিন্তু পুরানো ঢাকায় এটিকে একটি ভূগর্ভস্থ নর্দমায় রূপান্তর করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি, বাংলাপিডিয়া।

১২,১৮৯.
নীল নদের উৎপত্তিস্থল কোথায়?
  1. ক) ভিক্টোরিয়া হ্রদ
  2. খ) কুনকুন পর্বত
  3. গ) পামির মাল্ভূমি
  4. ঘ) আন্দিজ পর্বতমালা
সঠিক উত্তর:
ক) ভিক্টোরিয়া হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভিক্টোরিয়া হ্রদ
ব্যাখ্যা
মিশরীয় সভ্যতা:
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া থেকে মিশরের নীল নদের উৎপত্তি। 
- এটি বিভিন্ন দেশ হয়ে মিশরের মধ্য দিয়ে ভূ-মধ্যসাগরে এসে পড়েছে। 
- ইতিহাসের জনক হেরোডোটাস বলেছেন- মিশর হচ্ছে ‘নীল নদের দান’, এই নদ না থাকলে মিশর মরুভূমিতে পরিণত হতো। 
- মিশরের অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষিনির্ভর।
- প্রাক-রাজবংশীয় যুগে মিশর কতগুলো ছোট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল যা ‘নোম’ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি। 
১২,১৯০.
বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-
  1. আইন সচিব
  2. অ্যাটর্নি জেনারেল
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেল:
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী। 
- অ্যাটর্নি জেনারেল হলো বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সুপ্রিম কোর্টের সম্মানীয় জ্যেষ্ঠ আইনজীবীগণের মধ্য থেকে সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন জনাব মোঃ আসাদুজ্জামান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪(১) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তি অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিযুক্ত হন।

তথ্যসূত্র:
i) এটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ওয়েবসাইট।
ii) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।
iii) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১২,১৯১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে, দেশে মোট আবাদী জমির পরিমান কত একর?
  1. ২,৯৮,২৯,০০০ একর
  2. ১,৯৮,২৯,০০০ একর
  3.  ১,৯৮,২৭,০০০ একর
  4.  ১,৯৫,২৯,০০০ একর
সঠিক উত্তর:
১,৯৮,২৯,০০০ একর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৯৮,২৯,০০০ একর
ব্যাখ্যা

 কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪ অনুসারে,

• মোট আবাদযোগ্য জমি পরিমান =
- ৩,৯২,৯৬,০০০ একর;
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

• মোট আবাদী জমির পরিমান=
- ১,৯৮,২৯,০০০ একর।
- ৮০,২৮,০০০ হেক্টর।

• বনাঞ্চল - ৬৩,৬৩,০০০ একর (প্রায়)।

উৎস: বিবিএস।

১২,১৯২.
১৯৭২ সালে সংবিধান খসড়া তৈরির জন্য ড. কামাল হোসেনকে আহ্বায়ক করে কমিটি গঠন করা হয় কত তারিখে?
  1. ১৭ এপ্রিল
  2. ১৫ এপ্রিল
  3. ১১ এপ্রিল
  4. ১৩ এপ্রিল
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল
ব্যাখ্যা

- ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল, গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন সংবিধান খসড়া প্রণয়নের জন্য কমিটি গঠন করেন।

• সংবিধান:

- ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সালে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিন।
- এদিন পরিষদের সামনে সকল প্রস্তাব উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
- শুধু 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' সংক্রান্ত প্রস্তাবটি গণপরিষদে উত্থাপন করেন যোগাযোগ মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- সংবিধানের খসড়া প্রণয়নের লক্ষ্যে ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল ড. কামাল হোসেনকে আহবায়ক করে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৭ এপ্রিল খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে।
- ৪ নভেম্বর গণপরিষদে বাংলাদেশের সংবিধান গৃহিত হয়।
- সবশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

এছাড়াও, 
- সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত এতে স্বাক্ষর করেননি।

সূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১২,১৯৩.
ভোলা জেলার পূর্ণনাম কি?
  1. শাহবাজপুর
  2. বাকলা
  3. সমতট
  4. হরিকেল
সঠিক উত্তর:
শাহবাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহবাজপুর
ব্যাখ্যা

ভোলা জেলা:
- গাঙ্গেয় অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে অবস্থিত দেশের একমাত্র দ্বীপ ভোলা। 
- এটি ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ (Queen Island of Bengal)’ নামে পরিচিত। 
- বরিশাল বিভাগের পূর্ব অংশ ভোলা জেলা।
- ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিণ শাহবাজপুর।
- এটি মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত। হিমালয় থেকে নেমে আসা ৩টি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনায় গড়ে উঠেছে এ দ্বীপ। তেঁতুলিয়া নদী একে মূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা করেছে। 

উল্লেখ্য,
- ভোলা ইলিশ মাছ, মহিষের দুধের দই, নারিকেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য বিখ্যাত। 
- চর কুকরি মুকরি, মনপুরা দ্বীপ ভোলা জেলার অন্তর্গত।

উৎস: ভোলা জেলা ওয়েবসাইট।

১২,১৯৪.
কোন দেশ বাংলাদেশকে ডেল্টা প্ল্যানে সহায়তা করছে?
  1. ক) অস্ট্রেলিয়া
  2. খ) জাপান
  3. গ) নেদারল্যান্ড
  4. ঘ) চীন
সঠিক উত্তর:
গ) নেদারল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নেদারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেল্টা প্ল্যান:
- ডেল্টা প্ল্যান ২১০০ বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা দেশের সবচেয়ে বড় উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- বাংলাদেশের ডেল্টা প্ল্যান ১০০ বছরের জন্য প্রণয়ন করা হয়েছে।
- এই পরিকল্পনা প্রণয়নে ও বাস্তবায়নে নেদারল্যান্ড সরকার বাংলাদেশকে সহায়তা করছে।
- ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদে এই পরিকল্পনা অনুমোদন দেওয়া হয়।
- ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে: বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ।
- ২০২০ সালের ১ জুলাই ১২ সদস্যের এই কাউন্সিল গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
- সরকারের পরিকল্পনামন্ত্রীকে ডেল্টা কাউন্সিলের ভাইস-চেয়ারম্যান করা হয়েছে।
- ধাপে ধাপে বাস্তবায়নযোগ্য এই মহাপরিকল্পনার প্রথম ধাপে অর্থাৎ ২০৩০ সাল নাগাদ বাস্তবায়নের জন্য গ্রহণ করা হয়েছে ৮০টি প্রকল্প।

উৎস: পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট।
১২,১৯৫.
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার সদস্য হন কত বছর বয়সে?
  1. ক) ৩৪ বছর
  2. খ) ৩৬ বছর
  3. গ) ৩৯ বছর
  4. ঘ) ৩১ বছর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৪ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৩৪ বছর
ব্যাখ্যা
৪ ডিসেম্বর ১৯৫৩ সালে গঠিত হয় যুক্তফ্রন্ট।
- যুক্তফ্রন্ট কর্তৃক নির্বাচনী প্রচারণা পরিচালিত হয় ২১ দফার ভিত্তিতে।
- ২১ দফার অন্যতম রচয়িতা ছিলেন আবুল মনসুর আহমদ।
- ২১ দফার প্রথম দফাটি ছিল বাংলা ভাষাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- ১৯৫৪ সালের ৮ মার্চ পূর্ব পাকিস্তানে প্রথম সার্বজনীন ভোটাধিকারের ভিত্তিতে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে চানদলীয় জোট যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- ৪ এপ্রিল শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হককে মুখ্যমন্ত্রী করে ৫ সদস্যের মন্ত্রীসভা গঠন করা হয়।
- ১৪ মে এই মন্ত্রিসভায় আওয়ামীলীগ যোগদান করলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি, বন, সমবায় এবং পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী হন। তখন তার বয়স ছিলো ৩৪ বছর। 
- তবে ৩০শে মে মাত্র ৫৬ দিনের মাথায় যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভা ভেঙে দেওয়া হয়।

উৎসঃ অসমাপ্ত আত্মজীবনী এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী, পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
১২,১৯৬.
ব্রিটিশ আমলে কোন আন্দোলন হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের অবনতি হওয়ার জন্য দায়ী?
  1. ক) ভারত ছাড় আন্দোলন
  2. খ) স্বদেশী আন্দোলন
  3. গ) ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন
  4. ঘ) অসহযোগ আন্দোলন
সঠিক উত্তর:
খ) স্বদেশী আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) স্বদেশী আন্দোলন
ব্যাখ্যা
- ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের উগ্রপন্থিদের নেতৃত্বে যে বয়কট আন্দোলন সংগঠিত হয় তা স্বদেশী আন্দোলন নামে পরিচিত। এই আন্দোলনের মূল বিষয় ছিলো ইংরেজদের সবকিছু বয়কট ও স্বদেশী সবকিছুর ব্যবহার।
- বাংলার মুসলমানরা বঙ্গভঙ্গের পক্ষে ছিলো, তাই তারা স্বদেশী আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়নি বরং এর বিরোধিতা করে। যার কারণে এই আন্দোলনের ফলে বাংলার হিন্দু-মুসলমান সম্পর্কের অবনতি হয়।
- বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কের অবনতির যে সূচনা হয়, স্বদেশী আন্দোলনের ফলে তা আরো তিক্ত হয়। যার চূড়ান্ত পরিণতিতে ১৯৪৭ সালে ধর্মের ভিত্তিতে ভারত ভাগ হয়।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)
১২,১৯৭.
'বঙ্গবন্ধু টানেল' কোন দুটি অংশগকে যুক্ত করবে?
  1. ক) পতেঙ্গা - আনোয়ারা
  2. খ) কতোয়ালি - আনোয়ারা
  3. গ) দোহাজারি - কক্সবাজার
  4. ঘ) পটিয়া - চকোরিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) পতেঙ্গা - আনোয়ারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পতেঙ্গা - আনোয়ারা
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু টানেল
• দেশের ফাস্ট ট্র্যাক মেগাপ্রকল্পের একটি বঙ্গবন্ধু টানেল নির্মাণ।
• চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে নির্মিত হচ্ছে দেশের প্রথম টানেল।
• জাপানি সংস্থা জাইকা প্রথম কর্ণফুলী নদীতে টানেল নির্মাণের সুপারিশ করে।
• ১৪ অক্টোবর ২০১৭ বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ এবং চীন সরকারের পক্ষ থেকে দ্য এক্সিম ব্যাংক অব চায়না এর মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ঐ দিনই টানেলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
• মূল টানেলের দৈর্ঘ্য ৩.৪ কিমি এবং উভয় পাশের সংযোগ সড়ক ৫.৩৫ কিমি।
• চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তলদেশে দেশের প্রথম টানেল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান টানেল নির্মিত হচ্ছে। এটি চট্টগ্রাম শহরের পতেঙ্গা ও আনোয়ারা ‍উপজেলাকে সংযুক্ত করবে।
• টানেলের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান চায়না কমিউনিকেশন্স কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড (CCCC)।
• এর নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ এবং এটি ২০২২ সালে উন্মুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।
১২,১৯৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৬নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কোনটি?
  1. অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা
  2. বিচারকদের পদের মেয়াদ
  3. সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
  4. বিচারক-নিয়োগ
সঠিক উত্তর:
বিচারকদের পদের মেয়াদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারকদের পদের মেয়াদ
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ৯১ - সম্পূরক ও অতিরিক্ত মঞ্জুরী।
- অনুচ্ছেদ ৯২ - হিসাব, ঋণ প্রভৃতির উপর ভোট।
- অনুচ্ছেদ ৯৩ - অধ্যাদেশ প্রণয়ন-ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ৯৪ - সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ ৯৫ - বিচারক-নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৬ - বিচারকদের পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৯৭ - অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি নিয়োগ।
- অনুচ্ছেদ ৯৮ - সুপ্রীম কোর্টের অতিরিক্ত বিচারকগণ।
- অনুচ্ছেদ ৯৯ - অবসর গ্রহণের পর বিচারকগণের অক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১০০ - সুপ্রীম কোর্টের আসন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১২,১৯৯.
মুক্তিযুদ্ধের সময়ে হেমায়েত বাহিনী কোন অঞ্চলে যুদ্ধ করে?
  1. বরিশাল
  2. মানিকগঞ্জ
  3. সিরাজগঞ্জ
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা

আঞ্চলিক বাহিনী:
- সেক্টর এলাকার বাইরে আঞ্চলিক পর্যায়ে যেসব বাহিনী গড়ে উঠে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে,
- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ)।
- বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল)।
- হেমায়েত বাহিনী (গোপালগঞ্জ, বরিশাল)।
- হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ)।
- আকবর বাহিনী (মাগুরা)।
- লতিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা)।
- জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।
- এছাড়া ছিল ঢাকার গেরিলা দল, যা 'ক্র্যাক প্লাটুন' নামে পরিচিত।
- ঢাকা শহরের বড় বড় স্থাপনা, বিদ্যুৎ কেন্দ্র, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ব্যাংক ও টেলিভিশন ভবনে বোমা বিস্ফোরণ ঘটায় ঢাকার গেরিলারা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।

১২,২০০.
বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম শহীদ হন -
  1. মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর
  2. হামিদুর রহমান
  3. মুন্সী আব্দুর রউফ
  4. মোহাম্মদ মোস্তফা
সঠিক উত্তর:
মুন্সী আব্দুর রউফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সী আব্দুর রউফ
ব্যাখ্যা
• মুন্সী আব্দুর রউফ, বীরশ্রেষ্ঠ:
- জন্ম: ১৯৪৩ সালের ৮ মে, ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারী থানার সালামতপুর গ্রামে।।
- বাবা মুন্সী মেহেদি হোসেন, মা মুকিদুননেছা।
- খেতাবের সনদ নম্বর ০২।
- মুন্সী আব্দুর রউফ ইপিআর বাহিনীতে চাকরি করতেন।
- তিনি ১৯৬৩ সালে ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলসে যোগ দেন।
- ল্যান্স নায়েক মুন্সী আবদুর রউফ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চে মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন। 
- ১৯৭১ সালে চট্টগ্রাম সেক্টরের অধীন ১১ নম্বর উইংয়ে কর্মরত ছিলেন। 
- তিনি বীরশ্রেষ্ঠদের মধ্যে প্রথম শহীদ।
- তিনি শহীদ ২০ এপ্রিল, ১৯৭১।
- বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফের সমাধি - রাঙামাটির বুড়িঘাটে।

তথ্যসূত্র: চিরন্তন ৭১, প্রথম আলো।