বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

মোট প্রশ্ন৩০,৮৩২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাদেশ বিষয়াবলি

PrepBank · পাতা ১০৯ / ৩০৬ · ১০,৮০১১০,৯০০ / ৩০,৮৩২

১০,৮০১.
স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' লাভ করেছে -
  1. ফিরোজা খাতুন
  2. কাজী আব্দুস সাত্তার
  3. ডাঃ হরিশংকর দাশ
  4. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান
সঠিক উত্তর:
কাজী আব্দুস সাত্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাজী আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

স্বাধীনতা পদক:
- স্বাধীনতা পদক বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার।
- মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪:

- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১০ বিশিষ্ট ব্যক্তিকে 'স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৪' প্রদান করা হয়েছে।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হচ্ছেন:
১. কাজী আব্দুস সাত্তার: স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
২. বীর মুক্তিযোদ্ধা ফ্লাইট সার্জেন্ট মোঃ ফজলুল হক (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৩. বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ আবু নঈম মোঃ নজিব উদ্দীন খাঁন (খুররম) (মরণোত্তর): স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ,
৪. ড. মোবারক আহমদ খান: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,
৫. ডাঃ হরিশংকর দাশ: চিকিৎসাবিদ্যা,
৬. মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান: সংস্কৃতি,
৭. ফিরোজা খাতুন: ক্রীড়া,
৮. অরন্য চিরান: সমাজসেবা/জনসেবা,
৯. বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ডাঃ মোল্লা ওবায়েদুল্লাহ বাকী: সমাজসেবা/জনসেবা,
১০. এস.এম. আব্রাহাম লিংকন: সমাজসেবা/জনসেবা।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৮০২.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তান সেনাবাহিনী কোন নীতি গ্রহণ করেছিল?
  1. ঘরোয়া নীতি
  2. শান্তি নীতি
  3. পোড়ামাটি নীতি
  4. বিভাজন নীতি
সঠিক উত্তর:
পোড়ামাটি নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোড়ামাটি নীতি
ব্যাখ্যা
- পাকিস্তান সেনাবাহিনী 'পোড়ামাটি নীতি' অনুযায়ী বাংলাদেশের সব সম্পদ ও প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে দিতে চেয়েছে।
- যে কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, দোকানপাট, ঘর-বাড়ি, হাসপাতাল, মসজিদ, মন্দির কোনো কিছুই তাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি।
- তাদের লক্ষ্য ছিল এই ভূখণ্ডের মানুষদের হত্যা করে কেবল ভূমির দখল নেওয়া।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
১০,৮০৩.
বাংলাদেশের সংবিধানের ২১ (২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সকল সময়ে _____ চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।
  1. সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
  2. জনগণের সেবা করিবার
  3. রাষ্ট্রের সেবা করিবার
  4. সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করিবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণের সেবা করিবার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধান:
• গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের -
⇒ ২১ (১) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, একজন নাগরিকের কর্তব্য হলো -
i. সংবিধান ও আইন মান্য করা;
ii. শৃঙ্খলা রক্ষা করা;
iii. নাগরিক দায়িত্ব পালন করা এবং
iv. জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করা।

⇒ ২১ (২) নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।
- অর্থাৎ, সরকারী কর্মকর্তা বাংলাদেশের নাগরিক হিসাবে উল্লেখিত কর্তব্য পালন করবে। শুধুমাত্র সরকারী কর্মকর্তা হিসাবে, জনগণের সেবা করার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৮০৪.
নায়েম (NAEM)-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. National Authority for Education Monitoring
  2. National Alliance for Education Management
  3. National Academy for Educational Management
  4. National Association for Education Management
সঠিক উত্তর:
National Academy for Educational Management
উত্তর
সঠিক উত্তর:
National Academy for Educational Management
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (NAEM):
- নায়েম বাংলাদেশের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা ক্ষেত্রে একটি উৎকৃষ্ট কেন্দ্র এবং এটি শিক্ষার উৎকর্ষ সাধনে কাজ করে যাচ্ছে।
- NAEM- এর পূর্ণরুপ: National Academy for Educational Management.
- শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দে এডুকেশন এক্সটেনশন সেন্টার (EEC) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- একটি বিবর্তন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ১৯৯২ খ্রিষ্টাব্দে এটিকে জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম)-এ রূপান্তর করা হয়।
- নায়েমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষা ক্ষেত্রে জাতীয় ও বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণকে জ্ঞান, পেশাগত দক্ষতা, ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি ও নেতৃত্বের গুণাবলি দ্বারা সমৃদ্ধ করা।

উৎস: NAEM ওয়েবসাইট।

১০,৮০৫.
কর্ণফুলী পেপার মিলে কাঁচামাল হিসেবে কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. পাটকাঠি
  2. বাঁশ
  3. আখের ছোবড়া
  4. ধানের খড়
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলি পেপার মিলস্:
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটি কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন  কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
১০,৮০৬.
ঐতিহাসিক ৬-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. ক) বিল অব রাইটস
  2. খ) ম্যাগনাকার্টা
  3. গ) পিটিশন অব রাইটস
  4. ঘ) মুখ্য আইন
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনাকার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
• ছয় দফা:
পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সম্মেলনে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সম্মিলিত ৬ দফাভিত্তিক ঘোষণা উত্থাপন বা পেশ করেন। এটাই ইতিহাসে ‘ছয় দফা কর্মসূচি’ নামে পরিচিত।
• ঐতিহাসিক ৬-দফাকে  তুলনা করা হয় ম্যাগনাকার্টা সাথে।
• ১৯৬৬ সালের ৫ - ৬ ফেব্রুয়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে বিরোধী দলের একটি সম্মেলনে ছয় দফা দাবী পেশ করেন।
• আর এটি ২৩ মার্চ ১৯৬৬ অনানুষ্ঠানিক ঘোষিত হয়।
• ঐতিহাসিক ছয় দফার খসড়া প্রণেতা --রুহুল কুদ্দুস । তিনি একজন সি এস পি কর্মকর্তা। 
 ৬ দফার দাবিসমূহ---
প্রস্তাব - এক : শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি
প্রস্তাব - দুই : কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
প্রস্তাব - তিন : মুদ্রা ও অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা (স্বতন্ত্র  মুদ্রা )।
প্রস্তাব - চার : রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা
প্রস্তাব - পাঁচ : বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা
প্রস্তাব - ছয় : আঞ্চলিক বাহিনী গঠনের ক্ষমতা

SOURCE: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
১০,৮০৭.
পাকিস্তানে প্রথম সারাদেশে সামরিক শাসন জারি করেন- 
  1. জেনারেল আইয়ুব খান
  2. ফিরোজ খান নুন
  3. জেনারেল ইস্কান্দার মীর্জা
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ইস্কান্দার মীর্জা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনারেল ইস্কান্দার মীর্জা
ব্যাখ্যা

পাকিস্তান শাসনতন্ত্র: 
- পাকিস্তানে ১৯৪৭ হতে ১৯৫৬ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ নয় বছর কোন সংবিধান ছিলো না।
-  ১৯৫৬ সালের ২৩ মার্চ পাকিস্তানের দ্বিতীয় গণপরিষদ একটি সংবিধান প্রণয়ন করে।
- এই সংবিধান  মাত্র আড়াই বছর টিকে ছিলো।
-  রাজনৈতিক অস্থিরতার সুযোগে ১৯৫৮ সালের ৭ অক্টোবর পাকিস্তানের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট ইস্কান্দার মীর্জা সারাদেশে সামরিক শাসন জারি করেন।
- তিনি ১৯৫৬ সালের সংবিধান কেবল স্থগিতই করেননি, তা বাতিল করে দেন।
- এবং বরখাস্ত করেন ফিরোজ খান নুনের সরকারসহ সকল প্রাদেশিক সরকারকে।

উৎস: পৌরনীতি, ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৮০৮.
বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশন:

- বাংলাদেশ টেলিভিশন বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম টেলিভিশন।
- এটি ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকার ডিআইটি ভবন (বর্তমান রাজউক ভবন) থেকে পাইলট প্রকল্প হিসেবে সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৮০ সাল থেকে বিটিভি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।
- ১৯৯৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র চালু হয়।
- ২০০৪ সালের ১১ই এপ্রিল বিটিভি ওয়ার্ল্ড চালু হয়।
- ২০১৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর থেকে সমগ্র ভারতে বিটিভি ওয়ার্ল্ডের সম্প্রচার শুরু হয়।
- ২০১৯ সালের ১ জুলাই থেকে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ এর মাধ্যমে বিটিভি সম্প্রচার শুরু করে।
- বিটিভির পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রের সংখ্যা ২টি। যথা:
• ঢাকা।
• চট্টগ্রাম।
- উপকেন্দ্র বা রিলেকেন্দ্রের সংখ্যা ১৪টি। এগুলো হলো:
নাটোর, খুলনা, ময়মনসিংহ, সিলেট, রংপুর, নোয়াখালী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, উখিয়া এবং রাঙ্গামাটি।

তথ্যসূত্র - বিটিভি ওয়েবসাইট।
১০,৮০৯.
বাংলাদেশের দ্রুততম ইউনিকর্ন স্টার্ট আপ কোম্পানি ২০২৩ -
  1. নগদ
  2. বিকাশ
  3. উপায়
  4. রকেট
সঠিক উত্তর:
নগদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নগদ
ব্যাখ্যা
'ইউনিকর্ন' স্টার্টআপ কোম্পানি ২০২৩:

- একটি স্টার্টআপের সামগ্রিক মূল্যমান ১ বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলারের সমান হলে তাকে ইউনিকর্ন কোম্পানি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- এ ছাড়া কোম্পানির মূল্যমান ১০ বিলিয়ন বা ১ হাজার কোটি ডলার পার হলে তাকে ডেকাকর্ন কোম্পানির মর্যাদা দেওয়া হয়।
- দেশে সবচেয়ে দ্রুততম সময়ে ‘ইউনিকর্ন’ স্টার্টআপ বা ১০ হাজার কোটি টাকার কোম্পানি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান নগদ।
- ২৯ জুলাই ২০২৩ সালে ‘বাংলাদেশ স্টার্টআপ সামিট ২০২৩’ অনুষ্ঠানে নগদকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এ–বিষয়ক সরকারি স্বীকৃতি ‘ফাস্টেস্ট টু ইউনিকর্ন অ্যাওয়ার্ড’ গ্রহণ করেন নগদের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক।
- সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল কোম্পানি ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেড’ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ২৯ জুলাই ২০২৩।
১০,৮১০.
যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে কয় দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে?
  1. ১২ দফা
  2. ২৪ দফা
  3. ২১ দফা
  4. ১৮ দফা
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ দফা
ব্যাখ্যা
যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি:
- যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি নির্বাচনের প্রাক্কালে বিভিন্ন দল ও জোট নির্বাচনী ম্যানিফেস্টো ঘোষণা করে।
- যুক্তফ্রন্ট ২১ দফা নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছিল।
- ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগ বিরোধী যুক্তফ্রন্টের প্রেরণাশক্তি ছিল ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন।
- তাই যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোতে ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ২১ ফিগারটিকে চিরস্মরণীয় করার জন্য ২১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করে।
- আবুল মনসুর আহমেদ ২১ দফার খসড়া প্রণয়ন করেন।
- ২১ দফার দাবিগুলো ভোটারদের মন জয় করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৮১১.
'সম্পূরক বাজেট’ কী ধরণের বাজেট?
  1. মূল বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ সম্বলিত বাজেট
  2. উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনার অর্থ সম্বলিত বাজেট
  3. সরকারি প্রকল্প সচল রাখার বাজেট
  4. আয়ব্যয়ের সমন্বয় সাধন করার বাজেট
সঠিক উত্তর:
মূল বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ সম্বলিত বাজেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থ সম্বলিত বাজেট
ব্যাখ্যা
- সম্পূরক বাজেট হলো মূল বরাদ্দের অতিরিক্ত অর্থসম্বলিত বাজেট।
 
• বাজেট:
- বাংলাদেশের ২০২৩-২৪ অর্থ বছরের বাজেট ৫২তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৩তম)।
- বাজেটের আকার ৭,৬১,৭৮৫ কোটি টাকা।
- স্লোগান - উন্নয়নের অভিযাত্রায় দেড় দশক পেরিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রা।
- বাজেটের আকার - ৭,৬১,৭৮৫ কোটি।

- করমুক্ত আয়সীমা - ৩ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা।
- মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা - ৭.৫%
- আর মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে ৬ শতাংশ।
 
উৎস: অর্থবিভাগের ওয়েবসাইট এবং জাতীয় বাজেট ২০২৩-২৪।
১০,৮১২.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে 'রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম' ঘোষণা করা হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. নবম সংশোধনী
  4. সপ্তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

অষ্টম সংশোধনী:
- অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়।
- এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনী আইনবলে ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
- ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।

অন্যদিকে,
- নবম সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৮৯ সালের জুলাই মাসে।
- এই সংশোধনী দ্বারা রাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রপতি পদে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান করা হয়;
- রাষ্ট্রপতির পদে একই ব্যক্তির দায়িত্ব পালন পর পর দুই মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয় (প্রতি মেয়াদকাল ৫ বছর)।
- এই সংশোধনীতে আরও বলা হয় যে, শূন্যতা সৃষ্টি হলে একজন উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা যেতে পারে, তবে সেই নিয়োগের পক্ষে জাতীয় সংসদের অনুমোদন আবশ্যক হবে।

• পঞ্চম সংশোধনী আইন এই সংবিধান আইন জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল। 
• সপ্তম সংশোধনী আইন ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর এই আইন পাস হয়।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের ৮৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়;
- এর দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 

১০,৮১৩.
যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ রপ্তানিকারক প্রথম দেশি প্রতিষ্ঠান -
  1. ক) রেনাটা
  2. খ) এসকেএফ
  3. গ) স্কয়ার
  4. ঘ) একমি
সঠিক উত্তর:
খ) এসকেএফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এসকেএফ
ব্যাখ্যা
• এসকেএফ:
- যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ রপ্তানিকারক প্রথম দেশি প্রতিষ্ঠান এসকেএফ।
- প্রথম বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ রপ্তানি শুরু করেছে এসকায়েফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড (এসকেএফ)।
- সেপ্টেম্বরে, ২০২২ ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনের জন্য এসকেএফের কারখানা যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের (এফডিএ) অনুমোদন পায়।
- বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র ইনজেকশনযোগ্য ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে মর্যাদাপূর্ণ এ অনুমোদন পেয়েছে এসকেএফ।
- করোনা মহামারির সময় এসকেএফ জীবনরক্ষাকারী ওষুধ রপ্তানিতে সাফল্য অর্জন করে। এ সময় প্রতিষ্ঠানটি ৩টি অ্যান্টি-কোভিড জেনেরিক ওষুধ-রেমডেসিভির (রেমিভির), মলনুপিরাভির (মনুভির) এবং নির্মাট্রেলভির ও রিটোনাভির সংমিশ্রণ (প্যাক্সোভির) উৎপাদন ও বাজারজাত করে।
- এসকেএফ এসব জীবনরক্ষাকারী ওষুধ বিশ্বের ৪৮টি দেশে রপ্তানি করেছে।
- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি এশিয়া, আফ্রিকা, ইউরোপ, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা এবং উত্তর আমেরিকার ৬৮টি দেশে ওষুধ রপ্তানি করছে।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার নিউজ।
১০,৮১৪.
বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপে কে আম্পায়ারিং করেন?
  1. জোবায়দা রহমান
  2. জেসিয়া আলম
  3. সাথিরা জাকির জেসি
  4. সাথি ইসলাম
সঠিক উত্তর:
সাথিরা জাকির জেসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাথিরা জাকির জেসি
ব্যাখ্যা
- মালয়েশিয়ায় অনুষ্টিত হয়েছিল অনূর্ধ্ব-১৯ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ-২০২৫।
- টুর্নামেন্টে খেলা পরিচালনার জন্য ২০ সদস্যের ম্যাচ অফিশিয়ালের নাম ঘোষণা করেছিল আইসিসি।
- সেই তালিকায় ছিলেন বাংলাদেশি আম্পায়ার সাথিরা।
-  বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসেবে থাকছেন সাথিরা।
- ম্যাচ অফিশিয়ালের দায়িত্বে থাকছেন আরও ১৩ দেশের ১৯ জন।
- ম্যাচ রেফারির দায়িত্ব পালন করবেন ৪ দেশের ৪ জন।
- ভারত, ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও নেদারল্যান্ডস থেকে আম্পায়ার থাকছেন ২ জন করে।

উৎস: প্রথম আলো।
১০,৮১৫.
বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান -
  1. ক) শিক্ষিত মানুষ চাই
  2. খ) দক্ষ মানুষ চাই
  3. গ) ভালো মানুষ চাই
  4. ঘ) আলোকিত মানুষ চাই
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোকিত মানুষ চাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আলোকিত মানুষ চাই
ব্যাখ্যা
• বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের স্লোগান - আলোকিত মানুষ চাই। 

• বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র: 
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৮
- নিবন্ধন: সমাজকল্যাণ অধিদপ্তর ও এনজিও বিষয়ক ব্যুরো।
- স্লোগান: আলোকিত মানুষ চাই। 
- প্রতিষ্ঠাতা: আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। 

সূত্র: বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের ওয়েভ সাইট। 
১০,৮১৬.
বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল লোকসভায় কবে পাশ হয়?
  1. ৫ মে, ২০১১
  2. ৭ মে, ২০১১
  3. ৫ মে, ২০১৫
  4. ৭ মে, ২০১৫
সঠিক উত্তর:
৭ মে, ২০১৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ মে, ২০১৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ-ভারত স্থলসীমান্ত চুক্তি বিল লোকসভায় ৭ মে, ২০১৫ পাশ হয়।

স্থলসীমান্ত চুক্তি:

⇒ ১৯৭৪ সাল:
- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অপদখলীয় ভূমি ও ছিটমহল সমস্যা সমাধানে স্থলসীমান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- ১৯৭৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী স্বাক্ষরিত ওই চুক্তিটি ঐতিহাসিক 'মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি' নামে পরিচিত।
- চুক্তি অনুযায়ী, দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ছিটমহলে যাওয়ার জন্য ভারত বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডর শর্তসাপেক্ষে ব্যবহার করতে দিতে রাজি হয়।

⇒ ১৯৯২ সাল:
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরসিমা রাওয়ের সরকার বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডর ব্যবহারের সুযোগ দেয়।
- প্রাথমিকভাবে, দৈনিক ১২ ঘণ্টা করে ব্যবহারের সুযোগ পায় বাংলাদেশিরা।

⇒ ২০১১ সাল:
- ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং ঢাকা সফরের সময় তিন বিঘা করিডর বাংলাদেশিদের সার্বক্ষণিক ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার ও তাৎক্ষণিকভাবে তা কার্যকরের ঘোষণা দেন।
- ওই সফরেই ১৯৭৪ সালের স্থলসীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নে ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে একটি প্রটোকল স্বাক্ষর করে।
- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ড. মনমোহন সিংয়ের উপস্থিতিতে প্রটোকলে স্বাক্ষর করেন উভয় দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদ্বয় যথাক্রমে ডা. দীপু মনি ও এস এম কৃষ্ণা।

⇒ ২০১৫ সাল:
- প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সরকারের মন্ত্রিসভা ৫ মে, ২০১৫ স্থলসীমান্ত চুক্তি ও এর প্রটোকল বাস্তবায়নে সংবিধান সংশোধন বিল অনুমোদন করে।
- ৬ মে ২০১৫ তা ভারতের রাজ্য সভায় এবং ৭ মে, ২০১৫ লোকসভায় পাশ হয়।

উৎস: i) ৮ জুন ২০১৫, প্রথম আলো।
ii) ৩১ জুলাই, ২০১৫, বিবিসি বাংলা।
iii) ৭ মে ২০১৫, প্রথম আলো।
১০,৮১৭.
প্রামাণ্যচিত্র 'তিতাস পারের মানুষটি: শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত'-এর পরিচালক কে?
  1. খান আতাউর রহমান
  2. গৌতম কৈরী
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা
তিতাস পারের মানুষটি: শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেল ভাষাসৈনিক শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের জীবন ও কর্মের ওপর ‘তিতাস পারের মানুষটি : শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত’ শিরোনামে ৭০ মিনিট দৈর্ঘ্যরে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন।
- প্রামাণ্যচিত্রটি প্রযোজনা করেছেন শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের পরিবারের বর্তমান প্রজন্মের সদস্য-সদস্যরা।
- পাকিস্তান গণপরিষদে সর্বপ্রথম বাংলা ভাষার দাবি উত্থাপন করা সংসদ সদস্য শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের ওপর নির্মিত এ প্রামাণ্যচিত্র।

উৎস: ৫ নভেম্বর, ২০২৩, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা। 
১০,৮১৮.
টঙ্ক প্রথা কোন অঞ্চলে প্রচলিত ছিলো?
  1. ক) পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. খ) বৃহত্তর ময়মনসিংহ
  3. গ) বৃহত্তর সিলেট
  4. ঘ) বৃহত্তর রাজশাহী
সঠিক উত্তর:
খ) বৃহত্তর ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বৃহত্তর ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
টঙ্ক প্রথা হলো এক প্রকার খাজনা প্রথা যা বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার হাজং অধ্যুষিত কলমাকান্দা, দুর্গাপুর, নলিতাবাড়ি, হালুয়াঘাট, শ্রীবর্দি প্রভৃতি উপজেলায় প্রচলিত ছিলো। এই প্রথা অনুযায়ী কৃষকদের ধানের মাধ্যমে খাজনা প্রদান করতে হতো যা টাকার মানের তুলনায় অধিক ছিলো। ফলে হাজং সম্প্রদায়ের কৃষকদের নেতৃত্বে ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৯ সাল পর্যন্ত টঙ্ক প্রথাবিরোধী আন্দোলন সংঘটিত হয়।পরবর্তীতে তা অন্যান্য সম্প্রদায়ের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়ে। এ আন্দোলনে কমরেড মণি সিংহ নেতৃত্ব প্রদান করেন। (সূত্রঃ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি : সপ্তম শ্রেণী)
১০,৮১৯.
‘এরাবিকা ও রোবেস্টা’ কোন ফসলের উন্নত জাতের নাম?
  1. মরিচ
  2. কফি
  3. আম
  4. ধান
সঠিক উত্তর:
কফি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কফি
ব্যাখ্যা
উন্নত কফির জাত:
- এরাবিকা ও রোবেস্টা নামের ২টি উন্নত কফির জাত উদ্ভাবন করেছে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই রাইখালী কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা।
- বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের  কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ " প্রকল্পের আওতায় ২০২১ সালে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই রাইখালী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের ২ নং ব্লকে প্রায় ২ একর জমিতে এরাবিকা ও রোবাস্টা জাতের  কফিসহ কাজুবাদাম এর পরীক্ষামূলক চাষ শুরু করা হয়।
- ইতিমধ্যে প্রকল্পের রাঙ্গামাটির বিভিন্ন উপজেলার ৯০ জন কৃষককে কফি ও কাজুবাদাম এর  আধুনিক কলাকৌশল চাষ বিষয়ে অবহিত করার লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

উৎস: ২৪ অক্টোবর ২০২৩, বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা।
১০,৮২০.
২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী দ্বিতীয় প্রধান পণ্য কোনটি?
  1. ক) তৈরি পোশাক
  2. খ) নীটওয়্যার
  3. গ) পাটজাত পণ্য
  4. ঘ) চামড়া
সঠিক উত্তর:
খ) নীটওয়্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নীটওয়্যার
ব্যাখ্যা
রপ্তানি আয়ের শতকরা ভাগ- তৈরি পোশাক - ৪২.২১%, নীট ওয়্যার - ৪১.৭০%, পাটজাত পণ্য- ১.৭২%, চামড়া- ০.৪২% ।
১০,৮২১.
গারো নারী মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনের গল্পে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র নিম্নের কোনটি?
  1. ক) বর্ণচোরা
  2. খ) যাত্রা
  3. গ) হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. ঘ) আবছায়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবছায়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আবছায়া
ব্যাখ্যা
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে গারো নারীদের ১৫ জনের একটি দল যুদ্ধ করেছিল পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে।
- লোকচক্ষুর আড়ালে থাকা এই গারো নারী মুক্তিযোদ্ধার জীবনের গল্পে প্রামাণ্য চলচ্চিত্র ‘আবছায়া’ নির্মাণ করছেন শরিফুল ইসলাম পলাশ
- গারোদের ‘আচিক’ ভাষায় নির্মিত হয়েছে চলচ্চিত্রটি। 
-  ১১ নম্বর সেক্টরের ভারতীয় সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন নিরঞ্জন সিংহ চৌহানের গড়া কমলা ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন একদল গারো নারী।
- তাঁরা সবাই নেত্রকোনার সীমান্তঘেঁষা কলমাকান্দার লেঙ্গুরার বাসিন্দা। এ দলটির নেতৃত্ব দিয়েছেন মল্লিকা ঘাগ্রা।
- অন্যদের মধ্যে ছিলেন তুষি হাগিদক, মগ্ধলিনা নেংমিঞ্জ, সঞ্চিতা জরিনা রেমা, পরিচয় চিসিম, সেলিনা হাউই, রিতা নকরেক, জিতা নকরেক, টুরটুরি নকরেক, ছায়া বনোয়ারি, সুজানা জাম্বিল, মুকুল আজিম, রচিতা হাগিদক, বেঞ্জিনা নকরেক ও হাসিনা বনোয়ারিসহ ১৫ জন।
 - ‘আবছায়া’র চিত্রনাট্য লিখেছেন গারো ভাষার কবি মতেন্দ  মানখিন।
- ‘আবছায়া’ শরিফুল ইসলাম পলাশের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গবেষণাধর্মী তৃতীয় প্রামাণ্য চলচ্চিত্র।
- এর আগে ২০২১ সালে গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা মাস্টার রনি হিজড়ার জীবনের গল্পে ‘অগ্নিঝরা দিনের না বলা কথা’ নির্মাণ করেন।
- রাজবাড়ির তিন সহোদরা মুক্তিযোদ্ধা গীতা, ইরা ও ভক্তি করের গল্পে ‘রণাঙ্গনের তিন কন্যা’ প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করেন। 

উৎস: কালেরকণ্ঠ পত্রিকা।
১০,৮২২.
‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’ বাস্তবায়নে ২০৩০ সালের মধ্যে কয়টি প্রকল্প গ্রহণ করবে সরকার?
  1. ৫০টি
  2. ৬০টি
  3. ৮০টি
  4. ১০০টি
সঠিক উত্তর:
৮০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা হলো ‘বদ্বীপ পরিকল্পনা-২১০০’।
বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পানি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন ব্যবস্থাপনার দীর্ঘমেয়াদি কৌশল হিসেবে বহু আলোচিত এই পরিকল্পনা ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর অনুমোদন দেয় জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি)।
এই পরিকল্পনার মেয়াদ ১০০ বছর।
এটি প্রণয়নে সহায়তা করছে নেদারল্যান্ডস।
‘ডেল্টা প্ল্যান’ নামে বেশি পরিচিত এ মহাপরিকল্পনার অধীনে আপাতত ২০৩০ সালের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য ৮০টি প্রকল্প নেবে সরকার, যাতে ব্যয় হবে প্রায় ২৯৭৮ বিলিয়ন টাকা।
[উৎসঃ পরিকল্পনা কমিশন ওয়েবসাইট এবং দৈনিক প্রথম আলো]
১০,৮২৩.
“আমার দেখা নয়াচীন” গ্রন্থটি প্রকাশিত হয়েছে কোন প্রতিষ্ঠান থেকে?
  1. ক) সংস্কৃত মন্ত্রণালয়
  2. খ) তথ্য মন্ত্রণালয়
  3. গ) দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড (ইউপিএল)
  4. ঘ) বাংলা একাডেমি
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলা একাডেমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বাংলা একাডেমি
ব্যাখ্যা
•“আমার দেখা নয়াচীন” জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর চীন ভ্রমণের উপর লেখা গ্রন্থ।
- এই গ্রন্থটি তার প্রকাশিত তৃতীয় গ্রন্থ।
- ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২০ বাংলা একাডেমি এটি প্রকাশ করে।
- ১৯৫২ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বিশ্ব শান্তি সম্মেলনে যোগ দিতে নয়া চীন যান বঙ্গবন্ধু।
- তার এ সফরের অভিজ্ঞতাই এ গ্রন্থে বর্ণনা করা হয়েছে।

সূত্র: আমার দেখা নয়াচীন : বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর রহমান।
১০,৮২৪.
বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবী কী ছিল?
  1. সিপাহী
  2. ল্যান্স নায়েক
  3. ক্যাপ্টেন
  4. হাবিলদার
সঠিক উত্তর:
সিপাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিপাহী
ব্যাখ্যা
হামিদুর রহমান:
- ১৯৫৩ সালে ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলার খোর্দ্দ খালিশপুর গ্রামে তিনি জম্ম গ্রহণ করেন।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে তিনি যোগ দেন সেনাবাহিনীতে।
- হামিদুর রহমানের পদবী ছিল সিপাহী।
- ১৯৭১ সালে হামিদুর রহমান মুক্তিবাহিনীর সাহসী সদস্য হিসেবে যুদ্ধ করছিলেন সিলেট শ্রীমঙ্গল এলাকায়।
- ১৯৭১ সালের ২৮শে অক্টোবর সম্মুখ যুদ্ধে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধে বিরোচিত ভূমিকা ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরুপ তিনি সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা বীরশ্রেষ্ট খেতাবে ভূষিত হন।
- সুদীর্ঘ ৩৬ বছর পর ১০ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে নিয়ে আসা হয়।
- ১১ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে ঢাকার মিরপুরস্থ শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে সমাহিত করা হয়।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১০,৮২৫.
'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' সময় কাল- 
  1. ১৭৭২ সাল
  2. ১৭৭৫ সাল
  3. ১৭৭০ সাল
  4. ১৭৭৩ সাল
সঠিক উত্তর:
১৭৭০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৭০ সাল
ব্যাখ্যা

ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ইংরেজ গভর্নর ছিলেন কার্টিয়ার।
- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বাংলার ইতিহাসে সর্বাপেক্ষা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ নামে পরিচিত। -
- ১১৭৬ বঙ্গাব্দে এবং ইংরেজি ১৭৭০ সাল  এই দুর্ভিক্ষ হয় বলে একে 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' বলা হয়।
- এই দুর্ভিক্ষে বাংলার প্রায় এক তৃতীয়াংশ লোক মারা যায়।
- এই দুর্ভিক্ষে তৎকালীন বাংলার মোট জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মারা যায়। ছিয়াত্তরের মন্বন্তরের সময় বাংলার ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির গভর্নর ছিলেন জন কার্টিয়ার।
- দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা এবং পরপর তিন বছর অনাবৃষ্টিজনিত খরার কারণে ফসল উৎপাদন কম হওয়ায় এই দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

১০,৮২৬.
ফৌজধারী কার্যবিধি বা Criminal Procedure কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ক) ১৮৫০
  2. খ) ১৮৬০
  3. গ) ১৮৮২
  4. ঘ) ১৮৯৮
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
ফৌজধারী কার্যবিধি বা Criminal Procedure
- এটি ১৮৯৮ সালে প্রণীত হয়। 
- কার্যকর করা হয়--১লা জুলাই ১৮৯৮ সালে
- আইনের প্রকৃতি-পদ্ধতিগত
- মােট ধারা ---৫৬৫ টি
- মােট তফসিল-৫টি
- সর্বশেষ সংশােধনী-২০১২ সালে

অপরদিকে,
 
- ১৮৬০ সালে ভারতীয় দণ্ডবিধি প্রণীত হয়। দেশ স্বাধীনের পর এর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ দণ্ডবিধি। এটি বর্তমানে প্রচলিত প্রধান এবং প্রাচীনতম আইন সংকলন।

তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া।
১০,৮২৭.
বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের পরিমাণ-
  1. ক) ১০ শতাংশ
  2. খ) ১২ শতাংশ
  3. গ) ১৫ শতাংশ
  4. ঘ) ১৮ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

ইলিশ উৎপাদনে,
- বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম,
- ভারত বিশ্বে দ্বিতীয়,
- মিয়ানমার বিশ্বে তৃতীয়।
- বাংলাদেশের মোট উৎপাদিত মাছের মধ্যে ইলিশের পরিমাণ- ১২%।
- মোট দেশজ উৎপাদনে ইলিশের অবদান- ১%।
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৬% (World Fish- এর তথ্যানুসারে)
- বাংলাদেশে উৎপাদিত হয় বিশ্বের মোট ইলিশের ৮৫% (FAO এর The State of World Fisheries and Aquaculture 2020 এর তথ্যানুসারে)।

১০,৮২৮.
নিয়মিত সেনা ব্যাটালিয়ন নিয়ে কয়টি ফোর্স গঠিত হয়?
  1. একটি
  2. দুটি
  3. তিনটি
  4. এগারোটি
সঠিক উত্তর:
তিনটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনটি
ব্যাখ্যা
নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনী:
- মুক্তিবাহিনী সরকারি পর্যায়ে দুটি শাখায় বিভক্ত ছিল ১. নিয়মিত বাহিনী ও ২. অনিয়মিত বাহিনী।
১. নিয়মিত বাহিনী:
- ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ইউনিটগুলোর বাঙালি সৈনিকদের নিয়ে এই বাহিনী গঠিত হয়। সরকারিভাবে এদের নামকরণ করা হয় এম. এফ. (মুক্তিফৌজ)। মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশ সরকার নিয়মিত বাহিনী হিসেবে সেনা, বিমান ও নৌবাহিনীও গড়ে তোলে।

উল্লেখ্য,
⇒ প্রতিরক্ষা বাহিনীর নিয়মিত সদস্যদের নিয়ে তিনটি বাহিনী গঠন করা হয়। এগুলো হলো:
- মেজর জিয়াউর রহমানের অধীনে জেড ফোর্স,
- খালেদ মোশারফের অধীনে কে ফোর্স এবং
- কে.এম শফিউল্লাহর নেতৃত্বে এস ফোর্স। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
১০,৮২৯.
'UCEF'- এর কার্যক্রম কিসের সাথে জড়িত?
  1. ক) শিক্ষা
  2. খ) স্বাস্থ্য
  3. গ) বিচার বিভাগ
  4. ঘ) স্থানীয় শাসন
সঠিক উত্তর:
ক) শিক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) শিক্ষা
ব্যাখ্যা
• Underprivileged Children's Educational Programme (UCEP) বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয়  এনজিও।
- এর লক্ষ্য দরিদ্র ও কর্মজীবী শিশুকিশোরদের সাধারণ শিক্ষাদানের পাশাপাশি প্রশিক্ষণ প্রদান এবং তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা
- ইউসেপ এসক্যাপের তালিকাভুক্ত একটি মানবসম্পদ উন্নয়ন, গবেষণা ও প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৭০ সালে ঘূর্ণিঝড়ে বাংলাদেশের দক্ষিণ পূর্ব উপকূল দুর্দশাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।
- তখন এলাকার মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবার জন্য নিউজিল্যান্ড থেকে লিন্ডসে অ্যালেন চেইনী নামে একজন সেবাকর্মী একটি ব্রিটিশ ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে এ দেশে আসেন।
- ত্রাণ তৎপরতার পাশাপাশি গৃহহীন ও দরিদ্র শিশুদের শিক্ষাদানের জন্য তাঁর আহবানে সাড়া দিয়ে ডেনমার্ক সরকার আর্থিক সহায়তাসহ একটি তিনবছর মেয়াদি প্রকল্প অনুমোদন করে।
- শুরুর দিকে ইউসেপ কমিউনিটি স্কুলের মডেল অনুযায়ী দরিদ্র ও কর্মজীবী শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে। স্কুলবহির্ভূত দরিদ্র শিশুদের জন্য ইউসেপ মডেল সমাদৃত হয়।
- ইউসেপ ১৯৮৩ সালে সাধারণ শিক্ষাদান কর্মসূচির সাথে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালু করে এবং এ লক্ষ্যে ঢাকায় একটি কারিগরি বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করে।
- এই সময়ের মধ্যে ইউসেপের শিক্ষা কার্যক্রম চট্টগ্রাম এবং খুলনা শহরে সম্প্রসারিত হয়।
- সমাজকল্যাণ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ) অধ্যাদেশ ১৯৬১-এর অধীনে ১৯৯০ সালে ইউসেপ একটি জাতীয় এনজিও হিসেবে নিবন্ধিত হয়।

সূত্র: UCEP ও বাংলাপিডিয়া
১০,৮৩০.
GDP এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Gross Domestic Product
  2. Global Domestic Production
  3. Gross Development Progress
  4. Growing Domestic Product
সঠিক উত্তর:
Gross Domestic Product
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gross Domestic Product
ব্যাখ্যা

GDP:
- GDP এর পূর্ণরূপ Gross Domestic Product (মোট দেশজ উৎপাদন)।
- মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি হলো একটি নির্দিষ্ট দেশের ভূখণ্ড ও রাজনৈতিক সীমানার মধ্যে অবস্থানরত দেশি ও বিদেশি সকল সম্পদ ব্যবহার করে এক বছরে উৎপাদিত সকল চূড়ান্ত পণ্য ও সেবার বাজার মূল্য।
- জিডিপি একটি দেশের ভুগোলিক সীমার মধ্যে উৎপাদিত সব ধরনের পণ্য ও সেবার আর্থিক মূল্য হিসাব করে।
- এটি দেশের অর্থনৈতিক উৎপাদন ক্ষমতার সার্বিক চিত্র তুলে ধরে এবং দেশের অর্থনীতির সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কে ধারণা দেয়।

তথ্যসুত্র - বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০,৮৩১.
আওরঙ্গজেব কত খ্রিস্টাব্দে দিল্লির সিংহাসনে আরোহন করেন?
  1. ১৬৫৮ খিষ্টাব্দে
  2. ১৬৫৯ খিষ্টাব্দে
  3. ১৬৬০ খিষ্টাব্দে
  4. ১৬৬১ খিষ্টাব্দে 
সঠিক উত্তর:
১৬৫৮ খিষ্টাব্দে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৫৮ খিষ্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• আওরঙ্গজেব:
→ সম্রাট শাহজাহানের জীবদ্দশায় সংঘটিত উত্তরাধিকার দ্বন্দ্বে বিজয়ী হয়ে ১৬৫৮ খিষ্টাব্দে আওরঙ্গজেব বাদশাহ আলমগীর উপাধি নিয়ে মোগল সিংহাসনে বসেন।
→ ভারত উপমহাদেশের ইতিহাসে তিনি একজন অনন্য সাধারণ ব্যক্তিত্ব।
→ ঐতিহাসিক স্টেন্লি লেনপুল আওরঙ্গজেবকে মোগল বংশের মধ্যে সর্বাপেক্ষা শক্তিশালী শাসক বলেছেন।ৎ
→ তাঁর রাজত্বকালে মোগল সাম্রাজ্য সর্বাধিক বিস্তার লাভ করেছিল।
→ সম্রাট শাহজাহানের সামরিক সাফল্যের পর আওরঙ্গজেবের শাসনামলে সর্বাপেক্ষা আলোচিত বিষয় ছিল দাক্ষিণাত্য নীতি। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৮৩২.
২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছেন কে?
  1. কাজী আব্দুস সাত্তার
  2. ড. নিয়াজ জামান
  3. বদরুদ্দীন উমর
  4. ড. মোবারক আহমদ খান
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বদরুদ্দীন উমর
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫:
- জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ৭ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ২০২৫ সালের স্বাধীনতা পুরস্কার পেয়েছেন।
- পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রত্যেককে পাঁচ লাখ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৫০ গ্রাম ওজনের স্বর্ণের পদক, পদকের একটি রেপ্লিকা ও একটি সম্মাননাপত্র দেওয়া হবে।

⇒ স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্ত:
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে বদরুদ্দীন উমর স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রত্যাখ্যান করেন।
- ১৯৭৩ সাল থেকে তাকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। 
- এর আগে ১৯৭২ সালে বদরুদ্দীন উমরকে বাংলা একাডেমি পুরস্কার দেওয়া হয়, তবে তিনি তা তাৎক্ষণিক প্রত্যাখ্যান করেন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ইতিহাস পরিষদের পুরস্কার পান এবং তা প্রত্যাখ্যান করেন।

উৎস: i) সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
ii) প্রথম আলো।

১০,৮৩৩.
বর্তমানে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে কোন দেশ শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. সৌদি আরব
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. সংযুক্ত আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

রেমিট্যান্স:

- সম্প্রতি চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর-এই তিন মাসের প্রবাসী আয়–সংক্রান্ত বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- দেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) প্রেরণকারী দেশ হিসেবে টানা তিন মাস ধরে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
- এই তিন মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ১৪০ কোটি মার্কিন ডলারের প্রবাসী আয় এসেছে।
- এই তালিকায় শীর্ষ থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে চলে এসেছে সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- দেশটি থেকে অর্থবছরের তিন মাসে প্রবাসী আয় এসেছে ৯৯ কোটি ডলার।
- এরপরে রয়েছে যথাক্রমে- সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, যুক্তরাজ্য, কুয়েত, ইতালি, ওমান, কাতার ও সিঙ্গাপুর।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিবেদন।
১০,৮৩৪.
বাংলাদেশের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল বিশ্বের কয়টি দেশে রপ্তানি করা হয়? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ১৫৫টি
  2. ১৫৭টি
  3. ১৫৮টি
  4. ১৫৯টি
সঠিক উত্তর:
১৫৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৭টি
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- দেশের উৎপাদিত ওষুধের গুণ-মান আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তুলনীয় এবং তা বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- স্বাধীনতার পর আমদানিনির্ভর ওষুধ খাত আজ দেশের চাহিদার ৯৮ শতাংশ মেটাচ্ছে
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

⇒ ওষুধশিল্প দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য নিরাপত্তার জন্য এক অবিচ্ছেদ্য খাত।
- ১৯৮২ সালের জাতীয় ঔষধ নীতি ছিল বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির জন্য বিপ্লবের সূচনা।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- এরপর গত কয়েক দশকে স্বল্পোন্নত দেশগুলোয় ওষুধের বৃহত্তম উৎস হয়ে উঠেছে বাংলাদেশ।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
ii) বণিক বার্তা।
১০,৮৩৫.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী ঢাকা বিভাগের সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭৫.৩৯%
  2. ৭৬.৮৪%
  3. ৭৭.১৭%
  4. ৭৮.২৪%
সঠিক উত্তর:
৭৮.২৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮.২৪%
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) জনশুমারি পরিচালনা করে।
- ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় : ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।
১০,৮৩৬.
২০২৩-২৪ অর্থবছরে, বাংলাদেশের জিডিপিতে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান শতকরা কত?
  1. ১.২২%
  2. ১.৩৪%
  3. ১.৬৬%
  4. ১.৮০%
সঠিক উত্তর:
১.৮০%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১.৮০%
ব্যাখ্যা
জিডিপিতে প্রাণিসম্পদের অবদান:
⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে,
- জিডিপিতে স্থিরমূল্যে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১.৮০%, প্রবৃদ্ধির হার ৩.১৫%।
- কৃষিজ জিডিপি'তে প্রাণিসম্পদ খাতের অবদান ১৬.৩৩%।

এছাড়াও,
- বর্তমানে মৎস্য সেক্টরে ১৪ লক্ষ নারীসহ প্রায় ১ কোটি ৯৫ লক্ষ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জীবিকা নির্বাহ করছে।
- বিশ্বে ইলিশ উৎপাদনকারী ১১টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশ প্রথম।
- জিডিপিতে ইলিশের অবদান শতকরা ১% এর বেশি।
- বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য পৃথিবীর ৫২টি'র অধিক দেশে রপ্তানি করছে।
- মিঠা পানির মাছ আহরণে বাংলাদেশ চীনকে টপকে বিশ্বে ২য় অবস্থানে উঠে এসেছে।
- জনসংখ্যার প্রায় ২০% প্রত্যক্ষ এবং ৫০% পরোক্ষভাবে প্রাণিসম্পদ খাতের ওপর নির্ভরশীল।

উৎস: প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর।
১০,৮৩৭.
বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক -
  1. সংশপ্তক
  2. বাংলা আমার বাংলা
  3. একতলা দোতলা
  4. কবর
সঠিক উত্তর:
একতলা দোতলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একতলা দোতলা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক:
- বাংলাদেশ টেলিভিশনের প্রথম নাটক ছিল ‘একতলা দোতলা’।
- এর নাট্যকার শহীদ মুনীর চৌধুরী।
- প্রযোজক শহীদ মনিরুল আলম।
- ১৯৬৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টিভিতে সেই নাটক প্রচারিত হয়। নাটকে অভিনয় করেছিলেন ফেরদৌসী মজুমদার।

উল্লেখ্য,
- রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) কার্যক্রম শুরু করে ১৯৬৪ সালে।
- তখন এটি পরিচিত ছিল ঢাকা টেলিভিশন হিসেবে।
- মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তীতে টেলিভিশনের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবং এর রাষ্ট্রায়ত্তকরণ করা হয়।
- ১৯৭৫ সালে ডিআইটি ভবন ছেড়ে রামপুরায় টেলিভিশনের নিজস্ব ভবন তৈরি করা হয়।

অন্যদিকে,
- ১৯৭১ সালে শহীদুল্লাহ কায়সারের উপন্যাস ‘সংশপ্তক’ থেকে ধারাবাহিক নাটক সংশপ্তক নির্মাণ শুরু হয়েছিল।
- ১৯৭১ সালে ১৬ ডিসেম্বর দেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক ‘বাংলা আমার বাংলা’। নাটকটি লিখেছিলেন ড. ইনামুল হক, প্রযোজনা করেছিলেন আবদুল্লাহ আল মামুন।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ টেলিভিশন ওয়েবসাইট।
১০,৮৩৮.
ঐতিহাসিক ৬ দফাকে কীসের সাথে তুলনা করা হয়?
  1. মুখ্য আইন
  2. পিটিশন অব রাইটস
  3. বিল অব রাইটস
  4. ম্যাগনাকার্টা
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যাগনাকার্টা
ব্যাখ্যা
• ৬ দফা:
- ৬ দফা আন্দোলন বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ঘটনা।
-  ৬ দফা কর্মসূচির ভিত্তি ছিল ১৯৪০ সালের ঐতিহাসিক লাহোর প্রস্তাব। পরবর্তীকালে এই ৬ দফা দাবিকে কেন্দ্র করে বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসনের আন্দোলন জোরদার হয়।
- ৬ দফাকে ‘ম্যাগনাকার্টা’ বা বাঙালি জাতির মুক্তির সনদও বলা হয়।

• ৬ দফার দাবিসমূহ নিম্নরূপ:
১. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি।
২. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা।
৩. মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৪. রাজস্ব, কর বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা।
৫. বৈদেশিক বাণিজ্যবিষয়ক ক্ষমতা।
৬. আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

তথ্যসূত্র: উৎস: বাংলাপিডিয়া ও মূলধারা ’৭১।
১০,৮৩৯.
বাঙালি জাতির 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত -
  1. লাহোর প্রস্তাব
  2. ২১ দফা
  3. ১১ দফা
  4. ৬ দফা
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ দফা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:
- ৭ জুন ছয় দফা দিবস। 
- ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক 'লাহোর প্রস্তাব' এর ভিত্তিতে রচিত। 
- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
- ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ' বা 'ম্যাগনেকার্টা' হিসাবে পরিচিত।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১০,৮৪০.
কার নেতৃত্বে ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ সংঘটিত হয়?
  1. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  2. মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ
  3. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হক
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ
ব্যাখ্যা
মাওলানা আবদুর রশিদ তর্কবাগীশ-এর নেতৃত্বে ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ সংঘটিত হয়। 

সলঙ্গা বিদ্রোহ:

- ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি তরুণ নেতা মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ-এর নেতৃত্বে তৎকালীন পাবনা জেলার সিরাজগঞ্জ মহকুমার সলঙ্গা হাটে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সূচনা ঘটে।
- আন্দোলনরত জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করে ব্রিটিশ পুলিশ, নিহত হন কয়েক শ মানুষ।
- নিহতদের ব্রিটিশ পুলিশ সিরাজগঞ্জের রহমতগঞ্জে গণকবর দেয়।

⇒ বিদেশি পণ্য বর্জন ও স্বদেশি পণ্য ব্যবহার করার আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯২২ সালের ২৭ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের সলঙ্গা হাটে গণহত্যা সংঘটিত হয়।
- যুবনেতা মাওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের নেতৃত্বে সলঙ্গা এলাকায় 

⇒ মূলত জালিয়ান ওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা থেকে সূত্রপাত হয় ভারতবর্ষে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের। জালিয়ান ওয়ালাবাগের পথ ধরে ব্রিটিশ বেনিয়াদের নৃশংসতার আরেক রক্তাক্ত অধ্যায় রচিত হয় সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায়।

⇒ ২৭ জানুয়ারি ঐতিহাসিক সলঙ্গা বিদ্রোহ দিবস পালিত হয়।

উল্লেখ্য,
• আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ:
- মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশ একজন রাজনীতিক। 
- তর্কবাগীশ জন্মেছিলেন ১৯০০ সালের ২৭ নভেম্বরে সলঙ্গাতে।
- স্থানীয় ডায়মন্ড জুবিলী হাইস্কুলে এন্ট্রান্স ক্লাসে অধ্যয়নকালে তিনি খিলাফত ও অসহযোগ আন্দোলনে (১৯২০-২২) যোগ দেন।
- লাহোরের এরশাদ ইসলামিয়া কলেজে বিতর্ক প্রতিযোগিতায় সেরা বাগ্মীর স্বীকৃতি লাভ করার পরে তিনি ‘তর্কবাগীশ’ হিসেবে পরিচিত হন।
- ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে তিনি প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য এবং ১৯৫৬ সালে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হিসেবে পাকিস্তান গণপরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। 
- তিনি ১৯৫৭ থেকে ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন।
- ১৯৬৯-এর গণআন্দোলনের পর তিনি ছয়দফা-পন্থি আওয়ামী লীগে প্রত্যাবর্তন করেন।
- ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ অধিবেশনে মাওলানা সভাপতিত্ব করেন।
- ১৯৮৬ সালের ২০ আগস্ট ঢাকায় তার মৃত্যু হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।
১০,৮৪১.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মত কৃষক দিবস পালিত হয়-
  1. ৩০ নভেম্বর
  2. ৩ জানুয়ারি
  3. ৩০ জানুয়ারি
  4. ৩ ফেব্রুয়ারি
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
• কৃষক দিবস:
- কৃষকের ঘামেই দাঁড়িয়ে দেশের কৃষি।
- অথচ তাঁদের সম্মান জানাতে বিশেষ কোনো দিবস ছিল না এত দিন।
- এবার সেই শূন্যতা পূরণে এগিয়ে এসেছে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)।
- ৩০ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো বিশ্ববিদ্যালয় ও এর সম্প্রসারণ কেন্দ্রের (বাউএক) উদ্যোগে পালিত হয়েছে কৃষক দিবস।
- 'কৃষকবান্ধব প্রযুক্তির সম্প্রসারণই হোক আমাদের অঙ্গীকার' প্রতিপাদ্য সামনে রেখে দিবসটি পালন করা হয়।
- প্রতি বছর জানুয়ারির শেষ বৃহস্পতিবার দিবসটি উদযাপন হবে বলে জানান আয়োজকরা।
- ১৯৭৬ সালে 'অ্যাগ্রি ভার্সিটি এক্সক্সটেনশন' প্রকল্পের মাধ্যমে শুরু হওয়া এই সম্প্রসারণ কেন্দ্র ১৯৮৯ সালে 'বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সম্প্রসারণ কেন্দ্র (বাউএক)' নামে আত্মপ্রকাশ করে।
- তখন থেকেই গ্রামীণ কৃষকদের সঙ্গে সংযোগ স্থাপন এবং কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে প্রতিষ্ঠানটি।
- দীর্ঘদিন ধরে বাউএক মাঠপর্যায়ে সবজি চাষ প্রতিযোগিতা, গবাদিপশুর টিকা প্রদান, মাঠ ফসল প্রদর্শনী, কৃষি প্রশিক্ষণ, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, পুষ্টি কার্যক্রম এবং স্থানীয় নেতৃত্ব তৈরিতে কাজ করে আসছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা  ও Bdnews24.com।
১০,৮৪২.
বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনার কে ছিলেন?
  1. ক) বিচারপতি এম ইদ্রিস
  2. খ) বিচারপতি চৌধুরী এটিএম মাসুদ
  3. গ) বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম
  4. ঘ) কেএম নুরুল হুদা
সঠিক উত্তর:
ক) বিচারপতি এম ইদ্রিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বিচারপতি এম ইদ্রিস
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের প্রথম প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি এম ইদ্রিস৷
তাঁর কমিশনের মেয়াদ ছিল ১৯৭২ সালের ৭ জুলাই থেকে ১৯৭৭ সালের ৭ জুলাই ৷
১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করে এই কমিশন৷।

- বিচারপতি একেএম নুরুল ইসলাম বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদে দায়িত্ব পালন করা প্রধান নির্বাচন কমিশনার৷
তিনি ১৯৭৭ সালের ৮ জুলাই দায়িত্ব নেন৷ অব্যাহতি নেন ১৯৮৫ সালের ১৭ ফ্রেব্রুয়ারি৷ আট বছর দায়িত্ব পালন করেন তিনি ৷

- বর্তমান কমিশন হলো নুরুল হুদা’র কমিশন৷ সিইসি পদে সাবেক সচিব কেএম নুরুল হুদা নিয়োগ পান ২০১৭ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি৷
তাঁর অধীনেই সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন  অনুষ্ঠিত হয় ৷

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ও ডয়েচে ভেলে)

১০,৮৪৩.
মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব কোনটি?
  1. ক) বীর শ্রেষ্ঠ
  2. খ) বীর বিক্রম
  3. গ) বীর উত্তম
  4. ঘ) বীর প্রতীক
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীর প্রতীক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বীর প্রতীক
ব্যাখ্যা

১৫ ডিসেম্বর ১৯৭৩ সালে সরকারি গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের খেতাব প্রদান করেন।
মুক্তিযুদ্ধের খেতাব ৪ পর্বে বিভক্ত। যথা-
১. বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন (মর্যাদা অনুসারে প্রথম বীরত্বসূচক খেতাব),
২. বীর উত্তম ৬৮ জন (মর্যাদা অনুসারে দ্বিতীয় বীরত্বসূচক খেতাব),
৩. বীর বিক্রম ১৭৫ জন (মর্যাদা অনুসারে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব) এবং
৪. বীর প্রতীক ৪২৬ জন (মর্যাদা অনুসারে চতুর্থ বীরত্বসূচক খেতাব)।
মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট যোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন।
উৎসঃ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১০,৮৪৪.
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) এর আলোচ্য বিষয় নিচের কোনটি?
  1. জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
  2. জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ
  3. প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি
  4. সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জরুরী-অবস্থা ঘোষণা
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১৪১(ক) - জরুরী-অবস্থা ঘোষণা।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(খ) - জরুরী-অবস্থার সময় সংবিধানের কতিপয় অনুচ্ছেদের বিধান স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪১(গ) - জরুরী-অবস্থার সময় মৌলিক অধিকারসমূহ স্থগিতকরণ।
- অনুচ্ছেদ ১৪২ -  সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৩ - প্রজাতন্ত্রের সম্পত্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৪ - সম্পত্তি ও কারবার প্রভৃতি-প্রসঙ্গে নির্বাহী কর্তৃত্ব।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫ - চুক্তি ও দলিল।
- অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) - আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৬ - বাংলাদেশের নামে মামলা।
- অনুচ্ছেদ ১৪৭ - কতিপয় পদাধিকারীর পারিশ্রমিক প্রভৃতি।
- অনুচ্ছেদ ১৪৮ - পদের শপথ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৮৪৫.
নিচের কোন জেলা বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. বগুড়া
  2. সিলেট
  3. ফরিদপুর
  4. কুমিল্লা
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
বঙ্গ:
- বঙ্গ একটি প্রাচীন জনপদ।
- ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে একটি উপজাতির নাম হিসেবে বঙ্গের প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়।
- ভাগীরথী ও পদ্মার স্রোত মধ্যবর্তী এলাকায় যে ত্রিভুজাকৃতি ব-দ্বীপ সৃষ্টি হয়েছে তাকেই বঙ্গদের অঞ্চল বলা হয়।
- প্রাচীন শিলালিপিতে বঙ্গের দুটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়।
- একটি বিক্রমপুর বঙ্গ অন্যটি নাব্য বঙ্গ।
- ঢাকা-ফরিদপুর-বরিশাল এলাকা নাব্য বঙ্গের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- বাংলায় মুসলমান শাসনামলের প্রাথমিক পর্যায়ে 'বঙ্গ' বলে বাংলার দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব অংশকেই বুঝানো হতো। 
- মধ্যযুগের বিখ্যাত মুঘল ঐতিহাসিক আবুল ফজল রচিত আইন-ই-আকবরী গ্রন্থে পাওয়া যায় যে, বঙ্গদেশের উত্তরকালীন নাম বঙ্গাল । 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৮৪৬.
নিচের কোনটি অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য?
  1. ক) কাঁচা পাট
  2. খ) শাকসবজি
  3. গ) তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
  4. ঘ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
ব্যাখ্যা
যেসব রপ্তানি পণ্য অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে উৎপন্ন কিংবা কাঁচামালের যোগান স্থানীয় উৎস অথবা মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% বা তার বেশি তাদের প্রচলিত রপ্তানি পণ্য বিবেচনা করা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- কাঁচা পাট
- পাটজাত পণ্য
- চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
- শাকসবজি
- তাঁত ও হস্তশিল্পজাত পণ্য
- চা
- মাছ
- তামাক (আংশিক)
- ফল
- চিংড়ি
- মসলা (স্থানীয়) প্রভৃতি।
অন্যদিকে, যেসব রপ্তানি পণ্যের মূল্য সংযোজনের পরিমাণ ৭০% এর কম তাদের অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ধরা হয়।
এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে:
- ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য
- বাইসাইকেল
- পেট্রোলিয়াম উপজাত
- ঔষধ
- রাসায়নিক সার
- কসমেটিকস
- হোম টেক্সটাইল
- ওভেন গার্মেন্টস
- কটন প্রোডাক্টস
- ফুটওয়্যার
- পিভিসি ব্যাগস প্রভৃতি।
(সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
১০,৮৪৭.
ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন কে?
  1. স্যার সৈয়দ আহমদ
  2. হাজী শরীয়তউল্লাহ
  3. মজনু শাহ
  4. মীর নিসার আলী
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তউল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাজী শরীয়তউল্লাহ
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন:
- ফরায়েজি আন্দোলন ছিল একটি ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলন।
- উনিশ শতকের প্রথমার্ধে হাজী শরীয়তুল্লাহ ফরায়েজী আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলায় ১৭৮২ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন।
- ফরায়েজি শব্দটি আরবি ‘ফরজ’ (অবশ্য কর্তব্য) শব্দ থেকে এসেছে। যাঁরা ফরজ পালন করে তারাই ফরায়েজি।
- হাজী শরীয়তুল্লাহ যে ফরজের উপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন, তা ছিল পবিত্র কুরআনে বর্ণিত পাঁচটি অবশ্যপালনীয় (ফরজ) মৌলনীতি।
- তিনি ভারতবর্ষকে ‘দারুল হারব' অর্থাৎ বিধর্মীর রাজ্য বলে ঘোষণা করেন।
- জমিদার শ্রেণি নানা অজুহাতে ফরায়েজি প্রজাদের উপর অত্যাচার শুরু করলে হাজী শরীয়তুল্লাহ প্রজাদের রক্ষার জন্য লাঠিয়াল বাহিনী গঠনের সিদ্ধান্ত নেন।
- ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে তার উপর পুলিশি নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।
- ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
- হাজী শরীয়তুল্লাহর মৃত্যুর পরে ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তাঁর যোগ্যপুত্র মুহম্মদ মুহসিন উদ্দীন আহমদ ওরফে দুদু মিয়া।
- তিনি ১৮১৯ খ্রিস্টাব্দে জন্ম গ্রহণ করেন।
- দুদু মিয়া ফরায়েজি আন্দোলনকে রাজনৈতিক আন্দোলনে রূপদান করেন।
- ১৮৬২ খ্রিস্টাব্দে দুদু মিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
- তাঁর মৃত্যুর পর যোগ্য নেতৃত্বের অভাবে ফরায়েজি আন্দোলন দুর্বল হয়ে পড়ে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৮৪৮.
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম নারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল কে?
  1. নাজমা বেগম
  2. ফেরদৌসী কাদরী
  3. সুলতানা রাজিয়া
  4. নাজনীন আহমেদ
সঠিক উত্তর:
নাজমা বেগম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাজমা বেগম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রথম নারী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল - নাজমা বেগম।
উৎস: ডেইলি ষ্টার
১০,৮৪৯.
বাংলাদেশ প্রথম কোন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে?
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. ডেনমার্ক
  3. সুইডেন
  4. সিঙ্গাপুর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

জাহাজ শিল্প:
- বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সমুদ্রগামী জাহাজ ‘এমভি আনসু’ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ আনুষ্ঠানিকভাবে রপ্তানি হয়েছে।
- জাহাজটি কিনেছেন জার্মান কোম্পানি এইচএস সিফার্টস জিএমবিএইচ অ্যান্ড কোং কেজিএমএস।নারায়নগঞ্জের মেঘনাঘাটে আনন্দ শিপইয়ার্ডে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনসুর ক্যাপ্টেন পিয়োট বুজনাস্কিকে জাহাজটি বুঝিয়ে দেন আনন্দ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আফরোজা বারী।
- আনসু ৫৫০০ ডিডব্লিউটিএ ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি মাল্টি পারপাস মালবাহী জাহাজ।
- জাহাজটির দৈর্ঘ্য ৩৪২ ফুট, প্রস্থ ৫০ ফুট, গভীরতা ২৪ দশমিক ২৭ ফুট, ইঞ্জিনের ক্ষমতা ২৭৫০ হর্সপাওয়ার এবং ঘন্টায় গতিবেগ ১২ নটিক্যাল মাইল।
- গত ২০০৮ সালে ডেনমার্কে অত্যাধুনিক কন্টেইনার জাহাজ ‘স্টেলা মারিস’ রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য জাহাজ রপ্তানির স্বর্ণদ্বার উন্মোচন করে আনন্দ শিপইয়ার্ড অ্যান্ড শিপওয়েজ লিমিটেড।
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এ পর্যন্ত দেশি-বিদেশি ৩৬৫টি জলযান নির্মাণ করেছে।
- এর মাধ্যমে বাংলাদেশ জাহাজ রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে পরিচিতি পায়।

তথ্যসূত্র - দৈনিক ইত্তেফাক, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।

১০,৮৫০.
নিচের কোন জেলা পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- চট্টগ্রাম জেলা পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের অন্তর্ভুক্ত নয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের গঠন:
- বাংলাদেশে মোট ৬৪টি জেলার মধ্যে পার্বত্য চট্টগ্রামের ৩টি জেলার (বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটি) উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডের দেখভাল ও সমন্বয় সাধন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৯৮ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইনানুসারে, ১৯৯৯ সালের ২৭শে মে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলার পুরো এলাকার স্থানীয় শাসনের কাজকর্ম তদারকি করার জন্য এই বিশেষ ধরনের আঞ্চলিক পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১ জন চেয়ারম্যান, ১২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ৬ জন অ- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সদস্য, ২ জন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য, ১ জন অ- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নারী সদস্য এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদের ৩ চেয়ারম্যানসহ সর্বমোট ২৫ জন সদস্য সমন্বয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হবে।
- চেয়ারম্যান হবেন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী থেকে।
- তিন পার্বত্য জেলার চেয়ারম্যানগণ পদাধিকার বলে এর সদস্য হবেন এবং তাদের ভোটাধিকার থাকবে।
- আঞ্চলিক পরিষদে সরকারের যুগাসচিব পদমর্যাদার একজন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা থাকবেন।
- আঞ্চলিক পরিষদের মেয়াদ হবে ৫ বছর।

উৎস: পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ ওয়েবসাইট।
১০,৮৫১.
The military operation carried out by the Pakistan Army in the erstwhile East Pakistan in March 1971 was named operation.
  1. ক) Searchlight
  2. খ) Jackpot
  3. গ) Blitz
  4. ঘ) Jinnah
সঠিক উত্তর:
ক) Searchlight
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Searchlight
ব্যাখ্যা
অপারেশন সার্চলাইট:
পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতের সেনা অভিযানের সাংকেতিক নাম বা কোডনেম দিয়েছিল 'অপারেশন সার্চলাইট'।

- অপারেশন সার্চলাইটের আওতায় নিম্নোক্ত পরিকল্পনা নেয়া হয়:
একযোগে সমগ্র পূর্ব পাকিস্তানে অপারেশন শুরু হবে।
ঢাকার অপারেশনকে শতকরা ১০০ ভাগ সফল করতে হবে। এ জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দখল করতে হবে।
প্রথম পর্যায়ে এ অপারেশনের এলাকা হিসেবে ঢাকা খুলনা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, রংপুর, সৈয়দপুর ও সিলেটকে চিহ্নিত করা হবে। চট্টগ্রাম, সিলেট, যশোর, রংপুর ও কুমিল্লায় প্রয়োজনে বিমানযোগে পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে।
আওয়ামী লীগের মুখ্য সশস্ত্র শক্তির উৎস রাজারবাগ পুলিশ লাইনে ৩২নং পাঞ্জাব রেজিমেন্ট এক হাজার বাঙালি পুলিশকে নিরস্ত্র করবে।
বিশেষ সার্ভিস গ্রুপের এক প্লাটুন কমান্ডো সৈন্য শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ি আক্রমণ ও তাঁকে গ্রেফতার করবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০,৮৫২.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৪ সালে
  3. ১৯৭৫ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৪ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের আদমশুমারিসমূহ ও জনসংখ্যা:
- প্রথম আদমশুমারি : ১৯৭৪ (৭.৬৪ কোটি)
- দ্বিতীয় আদমশুমারি : ১৯৮১ (৮.৯৯ কোটি)
- তৃতীয় আদমশুমারি : ১৯৯১ (১১.১৫ কোটি)
- চতুর্থ আদমশুমারি : ২০০১ (১২.৯৩ কোটি)
- পঞ্চম আদমশুমারি : ২০১১ (১৫.২৫ কোটি)।
(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো)
১০,৮৫৩.
কোন পদক্ষেপটি বেকারত্ব দূর করার জন্য বেশি প্রযোজ্য?
  1. কারিগরি জ্ঞান
  2. শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন
  3. দ্রুত নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর হার বৃদ্ধি
  4. দ্রুত শিল্পায়ন
সঠিক উত্তর:
দ্রুত শিল্পায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত শিল্পায়ন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে বেকারত্বের প্রভাব:
১. উৎপাদন ক্ষমতা ও জাতীয় হ্রাস পাচ্ছে। ফলে সময় এবং উপকরণ উভয়েরই অপচয় ঘটছে।
২. বেকারত্ব দেশের মাথাপিছু আয় ও জীবনযাত্রার মান ক্রমান্বয়ে হ্রাস করে দিচ্ছে।
৩. বেকারত্ব কর্মক্ষম মানুষের মধ্যে হতাশা ও ব্যর্থতার জন্ম দিচ্ছে যা সামাজিক সংঘাত ও কলহ সৃষ্টি করে।
8. বেকারত্বের অসহনীয় যন্ত্রণা মানুষকে সামাজিক আইন শৃঙ্খলার প্রতি বীতঃশ্রদ্ধ করে তোলে।
৫. বেকারত্বের ফলে কর্মক্ষম ব্যক্তি সমাজে বৈধ উপায়ে মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হয়ে ভিক্ষাবৃত্তি, যৌতুক প্রথা, চোরাকারবার, দুর্নীতি প্রভৃতি সমস্যা সৃষ্টি করে।
৬. পুষ্টিহীনতা, স্বাস্থ্যহীনতা, নিরক্ষতা ইত্যাদি সমস্যার অন্যতম কারণ হচ্ছে বেকারত্ব।
৭. সমস্যা সৃষ্টির ক্ষেত্রে মারাত্ম প্রভাব বিস্তার করে।
৮. নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর হার বৃদ্ধিতে বেকারত্ব সহায়তা করছে।

⇒ বেকার সমস্যা সমাধানের উপায়সমূহ:
- দ্রুত শিল্পায়ন: দেশে অধিক সংখ্যক কল-কারখানা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার মধ্য দিয়ে বেকারত্ব কাটিয়ে ওঠা যায়।
- ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের উন্নতি: আমাদের দেশে মৌসুমী বেকারত্ব দূর করতে হলে ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের উন্নতি সাধন করতে হবে।
- শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন: বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন সাধন করে কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষার প্রসার ঘটাতে হবে।
- নারী শিক্ষা প্রসার: নারীদের জন্য উপযুক্ত কর্মক্ষেত্র সৃষ্টি করে তাদেরকে সুশিক্ষিত করে তুলতে হবে।
- কর্ম বিনিময় কেন্দ্র স্থাপন দেশের বিভিন্ন স্থানে কর্মবিনিময় কেন্দ্র স্থাপন করে, বেকারদের তালিকা প্রস্তুত, কাগজে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে এর সমাধান করা যায়।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধি রোধ: জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারকে হ্রাস করে পরিবার পরিকল্পনা গ্রহণ করে বেকার সমস্যা অনেকাংশে লাঘব করা যায়।
- দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন: দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করে বেকার সমস্যার সমাধান করা যাবে।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৮৫৪.
খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২ অনুসারে, দেশে দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. বরিশাল
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ:
- ২০২২ সালের খানা আয় ও ব্যয় জরিপ অনুযায়ী,
• দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭ শতাংশ।
• অতি দারিদ্রের হার: ৫.৬ শতাংশ।

• উচ্চ দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: বরিশাল (২৬.৯%)।
• নিম্ন দারিদ্র্যের হারে শীর্ষ বিভাগ: খুলনা (১৪.৮%)।

উৎস: খানা আয় ও ব্যয় জরিপ ২০২২। 
১০,৮৫৫.
টাকার অঙ্কে কোন পণ্যটি সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আমদানি করা হয়? [অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫]
  1. সার
  2. তুলা
  3. সুতা
  4. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
ব্যাখ্যা

আমদানি পরিস্থিতি:
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মোট আমদানি ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ৬৮,৩৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- এটি পূর্ববর্তী অর্থবছরের তুলনায় ২.৪ শতাংশ বেশি।

⇒ সার্বিক আমদানি পরিস্থিতি (সাময়িক):
ক) প্রধান প্রাথমিক পণ্য
১. তুলা: ৩,৪৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২. গম: ১,৬২৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. তৈলবীজ: ১,০৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. অপরিশোধিত পেট্রোলিয়াম: ৬২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. চাল: ৬৮৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

খ) প্রধান শিল্পজাত পণ্যসমূহ
১. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী: ৪,৫১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। 
২. সার: ২,৬২০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৩. সুতা: ৩,৬১৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৪. ভোজ্যতৈল: ২,৭১৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৫. স্টেপল ফাইবার: ১,৫৩২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
৬. ক্লিংকার: ৮৩৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

⇒ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয়: তুলা।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।

১০,৮৫৬.
‘শহিদ সাগর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নাটোরে
  2. খ) বগুড়ায়
  3. গ) ফরিদপুরে
  4. ঘ) যশোরে
সঠিক উত্তর:
ক) নাটোরে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) নাটোরে
ব্যাখ্যা
নাটোরের লালপুর উপজেলার নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লিমিটেডের ভিতরে একটি ছোট পুকুরের নাম এখন শহিদ সাগর। ১৯৭১ সালের ৫ মে এই ছোট্ট পুকুরের সিড়িঁতে অর্ধ শতাধিক ব্যক্তিকে দাঁড় করিয়ে গুলি করে হত্যার মাধ্যমে পুকুরটিকে রক্তের সাগরে পরিণত করা হয়েছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর শহীদদের স্বজনেরা পুকুরটির নামকরণ করেন শহিদ সাগর।
সূত্র : বাংলাপিডিয়া।
১০,৮৫৭.
সংবিধানের প্রস্তাবনায় কোনটি ঘোষণা হিসেবে উল্লেখিত?
  1. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
  2. মূলনীতি গ্রহণ
  3. শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা
  4. গণপ্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে। 
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
• ১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
• ২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)। 
• ৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)। 
• ৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)। 
• ৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১০,৮৫৮.
ঢাকায় নিচের কোন সংস্থাটির সদরদপ্তর অবস্থিত নয়?
  1. BIMSTEC
  2. IJSG
  3. CIRDAP
  4. ESCAP
সঠিক উত্তর:
ESCAP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ESCAP
ব্যাখ্যা
ঢাকায় যেসব সংস্থার সদরদপ্তর অবস্থিত:
- CIRDAP (চামেলি হাউজ)
- BIMSTEC (গুলশান)
- SAARC Agriculture Centre (ফার্মগেট)
- IJSG (তেজগাঁও)
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউট প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
ESCAP (United Nations Economic and Social Counsil for Asia-Pacific) এর সদরদপ্তর থাইল্যান্ডের ব্যাংককে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর ওয়েবসাইট)
১০,৮৫৯.
রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে?
  1. ৪৫ দিন
  2. ৯০ দিন
  3. ১০০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রপতি:
- রাষ্ট্রপতি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সাংবিধানিক প্রধান।
- বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ অংশের ৪৮-৫৪ অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি সম্পর্কিত বিধানাবলি বিধৃত হয়েছে।
- রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আসনে অধিষ্ঠিত।
- তিনি সংবিধান ও আইন বলে তাঁর উপর অর্পিত ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব সম্পন্ন করেন।
- রাষ্ট্রপতি জারিকৃত আইনকে অধ্যাদেশ বলে।
- সরকারের যাবতীয় নির্বাহী কার্যাদি রাষ্ট্রপতির নামে সম্পাদন করা হয়।
- সংসদ-সদস্যদের দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার জন্যে নূন্যতম বয়স ৩৫ বছর।
- রাষ্ট্রপতির পদ শূণ্য হলে মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬০-৯০ দিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৮৬০.
According to the report of the IMF, how much is the amount of defaulted debt in the country?
  1. Tk.1 lakh 42 thousand 39 crores
  2. Tk. 1 lakh 46 thousand 29 crores
  3. Tk. 1 lakh 56 thousand 39 crores
  4. Tk. 1 lakh 58 thousand 59 crores
সঠিক উত্তর:
Tk. 1 lakh 56 thousand 39 crores
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Tk. 1 lakh 56 thousand 39 crores
ব্যাখ্যা
- আইএমএফ এর রিপোর্ট অনুযায়ী বর্তমানে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ - ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৯ কোটি টাকা।
- গত এপ্রিল-জুন সময়ে দেশের ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ২৪ হাজার ৪১৯ কোটি টাকা।
- ফলে জুন শেষে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৩৯ কোটি টাকা।
- এই খেলাপি ঋণ ব্যাংক খাতের বিতরণ করা ঋণের ১০ দশমিক ১১ শতাংশ। গত মার্চ শেষে খেলাপি ঋণ ছিল ১ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ কোটি টাকা।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (০২ অক্টোবর ২০২৩)।
১০,৮৬১.
বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. BADC
  2. BARI
  3. BARC
  4. DAE
সঠিক উত্তর:
BADC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BADC
ব্যাখ্যা

BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।

১০,৮৬২.
কোনটি অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্ব বা কার্যাবলির অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করা
  2. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত দায়িত্ব পালন করা
  3. রাষ্ট্রের পক্ষে আদালতে বক্তব্য পেশ করা
  4. জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
সঠিক উত্তর:
জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনস্বার্থে আইনি লড়াই করা
ব্যাখ্যা

• অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা বা কার্যাবলির মধ্যে পড়ে না- জনস্বার্থে স্বার্থে আইনি লড়াই করা।
- অ্যাটর্নি জেনারেলের ক্ষমতা ও কার্যাবলি:
- অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।- অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁর বক্তব্য পেশ করার অধিকার থাকবে।- বাংলাদেশ সরকারের আইন বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে অ্যাটর্নি জেনারেল তাঁর দায়িত্ব পালন করবেন।

উল্লেখ্য,
- - বাংলাদেশ সংবিধানের চতুর্থ ভাগে নির্বাহী বিভাগের ৫ম পরিচ্ছেদে ৬৪নং অনুচ্ছেদে অ্যাটর্নি জেনারেল পদের কথা উল্লেখ রয়েছে।
- সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি এটর্নি জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত এটর্নি জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভকরবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রপতির কাছে লিখিত স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করতে পারবেন।
- বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল সুপ্রিম কোর্টের একজন বিচারকের ন্যায় মর্যাদা ভোগের অধিকারী হবেন।
- দেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান।

তথ্যসূত্র: অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় ওয়েবসাইট ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

১০,৮৬৩.
স্বাধীনতা পদক ২০২৫-এ 'বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি' শাখায় পুরস্কার প্রদান করা হয় কোন ব্যাক্তিকে? 
  1. বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর
  2. অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
  3.  নভেরা আহমেদ
  4. আজম খান
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা পদক:
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার স্বাধীনতা পদক।
- ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
- স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে এ পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- মেজর মোঃ জিয়াউর রহমান এ পুরস্কার প্রবর্তন করেন । 

• স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৫ প্রাপ্তরা হলেন-
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি: অধ্যাপক জামাল নজরুল ইসলাম (মরণোত্তর),
- সাহিত্য: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ (মরণোত্তর),
- সংস্কৃতি: নভেরা আহমেদ (মরণোত্তর),
- সমাজসেবা: স্যার ফজলে হাসান আবেদ (মরণোত্তর),
- মুক্তিযুদ্ধ ও সংস্কৃতি: মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান ওরফে আজম খান (মরণোত্তর),
- শিক্ষা ও গবেষণা: বদরুদ্দীন মোহাম্মদ উমর,
- প্রতিবাদী তারুণ্য: আবরার ফাহাদ (মরণোত্তর)।

উৎস: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

১০,৮৬৪.
বাংলাভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলনে প্রথম শহিদ কে?
  1. আবদুস সালাম
  2. রফিকউদ্দিন আহমেদ
  3. আবদুল জব্বার
  4. শফিউর রহমান
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রফিকউদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন:
- ভাষা আন্দোলন ছিলো বাঙালি সংস্কৃতির স্বাধিকার আন্দোলন।
- ১৯০৬ সালে নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার সময় উর্দু বনাম বাংলা বিতর্ক প্রথম ওঠে।
- ১৯৩৭ সালে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ মুসলিম লীগের দাপ্তরিক ভাষা উর্দু করার প্রস্তাব করলে শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক এর বিরোধিতা করেন।
- তমদ্দুন মজলিশ ছিলো ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠন।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পুস্তিকা প্রকাশ করে 'তমদ্দুন মজলিশ।
- বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- এই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদ আবদুস সালাম, বরকত, রফিকউদ্দিন আহমেদ, আবদুল জব্বার, শফিউর রহমান।

⇒ রফিকউদ্দিন আহমদ:
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি দুপুর সোয়া তিনটা। বাংলাভাষার অধিকার রক্ষার আন্দোলনে প্রথম শহিদ রফিকউদ্দিন আহমেদ। ঐদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডের মিছিলে পুলিশের গুলিতে রফিক ঘটনাস্থলে শহিদ হন। তাঁকে আজিমপুর গোরস্থানে সমাহিত করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
ii) দ্য ডেইলি স্টার বাংলা।
১০,৮৬৫.
পানিপথের কোন যুদ্ধে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কামানের ব্যবহার করা হয়েছিল?
  1. দ্বিতীয় যুদ্ধে
  2. প্রথম যুদ্ধে
  3. তৃতীয় যুদ্ধে
  4. কোনোটিতেই নয়
সঠিক উত্তর:
প্রথম যুদ্ধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রথম যুদ্ধে
ব্যাখ্যা

পানি পথের যুদ্ধ:
- পানিপথ ভারতের হরিয়ানা রাজ্যের যমুনা নদীর তীরে অবস্থিত।
- পানি পথে এ পর্যন্ত তিনটি যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছে।


→ পানি পথের প্রথম যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫২৬ খ্রিস্টাব্দ।
- পক্ষ: বাবর বনাম ইব্রাহিম লোদী।
- ফলাফল: ইব্রাহিম লোদী পরাজিত হন এবং নিহত হন্।
- এই যুদ্ধে প্রথম কামানের ব্যাবহার হয়।


→ পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ।
- পক্ষ: আকবরের সেনাপতি বৈরাম খাঁ বনাম আফগান নেতা হিমু।
- ফলাফল: হিমু পরাজিত ও নিহত হন।

→ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ:
- সময়কাল: ১৪ জানুয়ারি, ১৭৬১ সালে।
- আহমদ শাহ আবদালি বনাম মারাঠা।
- ফলাফল: মারাঠা বাহিনী পরাজিত হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১০,৮৬৬.
জনশুমারি ২০২২-এ পুরুষ ও নারীর অনুপাত কত?
  1. ১০০ : ১০০
  2. ৯৮ : ১০০
  3. ৯৫ : ১০০
  4. ৯৯ : ১০০
সঠিক উত্তর:
৯৮ : ১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮ : ১০০
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- এটি অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৬৬%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উল্লেখ্য,
বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি হয় ১৯৭৪ সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১০,৮৬৭.
কোন জেলায় জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. ময়মনসিংহ
  3. যশোর
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
জাপানিজ ইকোনমিক জোন:
- জাপানি বিনিয়োগকারীদের জন্যে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের অধীনে নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার উপজেলায় জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার ও জাপানের যৌথ উদ্যোগে ১,০০০ একর জমিতে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল নির্মাণ করা হচ্ছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চল চালু হলে সেখানে ১.৫ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ হবে।
- কর্মসংস্থান হবে এক লাখ মানুষের।
- বেজা এবং জাপানের সুমিতোমো কর্পোরেশন যৌথভাবে এ অর্থনৈতিক অঞ্চল উন্নয়নে কাজ করছে।

উৎস: দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড এবং বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
১০,৮৬৮.
রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭৮ সালে
  2. ১৯৭৯ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন:
- প্রত্যক্ষ বা সরাসরি ভোটে বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তিনটি।
- জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। বাকি দুজন হলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। এই তিনজন সরাসরি ভোটে নির্বাচিত বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি।

⇒ ১৯৭৮ সালের ৩ জুন বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- এটিই ছিল রাষ্ট্রপতি পদের জন্য প্রথম সরাসরি নির্বাচন।
- তবে এর আগে সংসদ দ্বারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হয়েছিল।
- সেই নির্বাচনে ১০ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন।
-  সরাসরি ভোটের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জিয়াউর রহমান বিজয়ী হয়েছিলেন। তিনি জাতীয়তাবাদী ফ্রন্টের ব্যানারে অংশ নিয়ে ৭৭ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এমএজি ওসমানী গণতান্ত্রিক ঐক্যজোটের ব্যানারে নির্বাচনে অংশ নিয়ে ২২ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। - জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। তিনি ২১ এপ্রিল ১৯৭৭ থেকে ৩০ মে ১৯৮১ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে ছিলেন।

উৎস: i) BBC.
ii) যুগান্তর।

১০,৮৬৯.
ঐতিহাসিক ছয় দফার পঞ্চম দফা কী ছিল?
  1. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  2. রাজস্ব
  3. বৈদেশিক মুদ্রা
  4. প্রতিরক্ষা
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক মুদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক মুদ্রা
ব্যাখ্যা
ছয় দফা:

- প্রথম দফা (শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রীয় প্রকৃতি)।
- দ্বিতীয় দফা (কেন্দ্রিয় ও প্রাদেশিক সরকারের ক্ষমতা)।
- তৃতীয় দফা (মুদ্রা ও অর্থবিষয়ক)।
- চতুর্থ দফা (রাজস্ব ও শুল্কনীতি বিষয়ক)।
- পঞ্চম দফা (বৈদেশিক মুদ্রা ও বাণিজ্য)।
- ষষ্ঠ দফা (প্রতিরক্ষা বিষয়ক)।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
১০,৮৭০.
৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে পল্টন ময়দানে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন কে?
  1. ক) নূরে আলম সিদ্দিকী
  2. খ) শাজাহান সিরাজ
  3. গ) আ.স.ম. আব্দুর রব
  4. ঘ) আব্দুল কুদ্দুস মাখন
সঠিক উত্তর:
খ) শাজাহান সিরাজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শাজাহান সিরাজ
ব্যাখ্যা
৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ। ঐদিনই বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেন ডাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব।
উৎসঃ বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি ও আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট।
১০,৮৭১.
বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্স অনুযায়ী সর্ব প্রথম কে অবস্থান করেন? 
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান উপদেষ্টা
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

জুলাই, ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্স অনুযায়ী:

রাষ্ট্রপতি (President of the Republic) এর অবস্থান সর্ব প্রথম।

উল্লেখ্য,
২. প্রধানমন্ত্রী
৩. সংসদের স্পিকার
৪. বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতিগণ।
৫. কেবিনেট মন্ত্রিগণ; কেবিনেটের প্রধান হুইপ; সংসদের ডেপুটি স্পিকার; সংসদে বিরোধী দলের নেতা
৬. কেবল পদমর্যাদা অনুযায়ী মন্ত্রিসভার সমমানের পদে থাকা ব্যক্তিরা।
৭. বিশেষ দূত ও কমনওয়েলথ দেশের হাইকমিশনারগণ, যারা বাংলাদেশে নিয়োগপ্রাপ্ত।
৮. প্রধান নির্বাচন কমিশনার; পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান; সংসদে বিরোধী দলের ডেপুটি নেতা;সুপ্রিম কোর্টের বিচারকগণ(আপিল বিভাগ); রাষ্ট্রের রাজ্য মন্ত্রীগণ; হুইপ।

এছাড়াও,
ওয়ারেন্ট অফ প্রেসিডেন্সে মোট ২৫টি পদক্রম রয়েছে।

উৎস: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১০,৮৭২.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক "ওরা ১১ জন" চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. নাসির উদ্দীন ইউসুফ
  2. জহির রায়হান
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. তানভীর মোকাম্মেল
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• "ওরা ১১ জন (১৯৭২)":
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র ‘ওরা ১১ জন’।
- এর পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম।
- এই চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন রাজ্জাক, শাবানা, নূতন, হাসান ইমাম, এ টি এম শামসুজ্জামান, খলিল উল্লাহ প্রমুখ।
- সিনেমায় অভিনয় করা ১১ জন মুক্তিযোদ্ধার ১০ জনই সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেন।
- তাঁদের মধ্যে আছেন খসরু, মুরাদ, হেলাল, নান্টু। ছবির নামটি প্রতীকী।
- মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয় এবং ১৯৬৮-৬৯ সালে ছাত্ররা ১১ দফার ভিত্তিতে আন্দোলন করে।
- এখান থেকে ছবির নামকরণ হয়েছে ‘ওরা ১১ জন’। 

উৎস: প্রথম আলো- তারিক মনজুর, শিক্ষক, বাংলা বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। 
১০,৮৭৩.
'কিং চার্লস তৃতীয় হারমনি অ্যাওয়ার্ড- ২০২৫' পেয়েছেন কে?
  1. ফজলে হাসান আবেদ
  2. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  3. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  4. ডা. তাহমিদ আহমেদ
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা
কিং তৃতীয় চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫:
- কিং চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড  ব্রিটেনের মর্যাদাপূর্ণ একটি অ্যাওয়ার্ড।
- পরিবেশ রক্ষা, ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প দক্ষতা, পরিবেশবান্ধব ব্যবসা ও প্রকৃতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরির ক্ষেত্রে ব্যক্তির উল্লেখযোগ্য কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রতি বছর এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়ে থাকে।   
- ব্রিটেনের মর্যাদাপূর্ণ 'কিং তৃতীয় চার্লস হারমনি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫' পুরস্কার অর্জন করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- বিশ্বব্যাপী শান্তি, টেকসই উন্নয়ন ও মানুষের এবং প্রকৃতির মধ্যে সমন্বয় প্রতিষ্ঠায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ প্রধান উপদেষ্টাকে এই সম্মাননার জন্য মনোনীত হন।
- ১২ জুন ২০২৫ তারিখে দ্য কিংস ফাউন্ডেশন সেন্ট জেমস’স প্যালেস, লন্ডনে তৃতীয় চার্লসের পক্ষ থেকে তাঁকে এই সম্মানজনক পুরস্কার প্রদান করে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠা পায় ‘দ্য কিংস ফাউন্ডেশন’।
- এ দাতব্য প্রতিষ্ঠান তৎকালীন প্রিন্স অব ওয়েলসের উদ্যোগে গঠিত হয়।
- ২০২৪ সালের জুন মাসে রাজা চার্লস প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ জীবনযাপনের উদ্‌যাপন হিসেবে নতুন এ পুরস্কার প্রবর্তন করেন।
- এ পুরস্কারের প্রথম বিজয়ী ছিলেন জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বান কি–মুন।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
১০,৮৭৪.
বাংলাদেশের ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর প্রথম কোন কোভিড-১৯ টিকার জরুরি ব্যবহারের অনুমােদন দেয়?
  1. ক) কোভিশিল্ড
  2. খ) স্পুটনিক–ভি
  3. গ) কোভ্যাক্সিন
  4. ঘ) করোনাভ্যাক
সঠিক উত্তর:
ক) কোভিশিল্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কোভিশিল্ড
ব্যাখ্যা

বিশ্বের ৫৪তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশে করােনাভাইরাসের টিকা প্রয়ােগ শুরু হয় ২৭ জানুয়ারি, ২০২১ সালে।
বাংলাদেশে প্রথম (৮ জানুয়ারি, ২০২১ সালে) অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ও ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের উৎপাদিত টিকা ‘কোভিশিল্ড’ জরুরি ব্যবহারের অনুমােদন দেয় ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

বাংলাদেশে জরুরি ব্যবহারের অনুমোদনপ্রাপ্ত করোনাভাইরাসের (কোভিড-১৯) টিকাঃ
- অক্সফোর্ড–অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ‘কোভিশিল্ড’,
- রাশিয়ার তৈরি ‘স্পুতনিক–ভি’,
- চীনের ‘সিনোফার্ম’,
- চীনের প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাকের তৈরি ‘করোনাভ্যাক’,
- ফাইজার–বায়োএনটেকের টিকা এবং
- জনসন অ্যান্ড জনসনের তৈরি টিকা।

উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার ফেব্রুয়ারি, ২০২১ এবং দৈনিক পত্রিকা।

১০,৮৭৫.
কীসের ভিত্তিতে পূর্ব বাংলায় ভাষা আন্দোলন হয়েছিল?
  1. ক) বাঙালী জাতীয়তাবাদ
  2. খ) দ্বি-জাতি তত্ত্ব
  3. গ) অসাম্প্রদায়িকতা
  4. ঘ) স্বাধীনতা সংগ্রাম
সঠিক উত্তর:
ক) বাঙালী জাতীয়তাবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাঙালী জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন
- বাঙালি জাতীয়তাবাদ বিকাশে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন।
- সমস্ত পাকিস্তানের জনগণের সংখ্যাগরিষ্ঠের (শতকরা ৫৬ ভাগ) ভাষা ছিলো বাংলা।
- কিন্তু তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার নীল নকশার ষড়যন্ত্র শুরু করে।
- এদেশের সমগ্র জনগোষ্ঠী তাদের এ সিদ্ধান্ত প্রত্যাখান করে এবং প্রতিবাদমুখর হয়ে উঠে।
- অবশেষে ১৯৫২ সালের এদেশের ছাত্র- শিক্ষক এবং জনতার সাথে এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর পাকিস্তান সরকার বাঙালিদের দাবী মানতে বাধ্য হয়।
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্রে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ভাষা আন্দোলনের এ ঘটনার মাধ্যমে বাঙালি জাতীয়তাবাদে উদ্বুদ্ধ হয়ে বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৮৭৬.
মুক্তিযুদ্ধের কোন সেক্টরে কেবল নৌ কমান্ড দ্বারা গঠিত হয়েছিল?
  1. ক) ৮ নং
  2. খ) ৭ নং
  3. গ) ১০ নং
  4. ঘ) ৫ নং
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১০ নং
ব্যাখ্যা
• মুক্তিযুদ্ধ:
- ১৯৭১ সালের ১১ই এপ্রিল ‍মুজিবনগর সরকার যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার জন্যে সমগ্র দেশকে ১১ টি সেক্টরে ভাগ করে।
- এরমধ্যে ১০ নং সেক্টর ছিলো একমাত্র নৌ সেক্টর।
- দেশের সমুদ্র এলাকা ও নৌপথ নিয়ে এই সেক্টর গঠিত ছিলো।
- ১০ নং সেক্টরে কোন নিয়মিত সেক্টর কমান্ডার ছিলো না।
- যখন যে সেক্টর এলাকায় অভিযান পরিচালিত হতো সেই সেক্টরের কমান্ডার ১০ নং সেক্টরের কমান্ডারের দায়িত্ব পালন করতেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া
১০,৮৭৭.
চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে 'সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী' হিসেবে অভিহিত করেন কে?
  1. আলমন্ড পাওয়াল
  2. অ্যালান বল
  3. অ্যালেন পটার
  4. অ্যালমন্ড গ্যাব্রিয়েল ও জি পাওয়েল
সঠিক উত্তর:
অ্যালেন পটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যালেন পটার
ব্যাখ্যা
• চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর নামকরণ ও সংজ্ঞা:
- অনেকে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী (Pressure group), স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী (Interest group), লবি (Lobby), মনোভাব কেন্দ্রিক গোষ্ঠী (Attitude group) এবং রাজনৈতিক গোষ্ঠীকে (Political group) সমার্থক শব্দরূপে গণ্য করেন। এর ফলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়।
- অ্যালেন পটার চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠীর পরিবর্তে ' সুসংবদ্ধ গোষ্ঠী' (Organized group) শব্দ দু'টি ব্যবহারের পক্ষে। কারণ এ ধারণার মাধ্যমে গোষ্ঠীর সংগঠনের ব্যাপকতাকে আরো যথার্থভাবে অনুধাবন করা সম্ভব।
- অ্যালান বলের মতে, "চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হল এমন একটি গোষ্ঠী যার সদস্যগণ 'অংশীদারী মনোভাবের' দ্বারা আবদ্ধ।"
- এইচ জিগলার এর মতে, চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী হচ্ছে এমন একটি সংগঠিত ব্যক্তি সমষ্টি যার সদস্যগণ সরকারি ক্ষমতা প্রয়োগে অংশগ্রহণ করে না। বরং তাদের লক্ষ্য হল সরকারি সিদ্ধান্ত প্রভাবিত করা।
- অ্যালমন্ড গ্যাব্রিয়েল ও জি পাওয়েল বলেন, "স্বার্থগোষ্ঠী বলতে আমরা নির্দিষ্ট স্বার্থের বন্ধনে আবদ্ধ অথবা সুযোগ-সুবিধা দ্বারা সংযুক্ত এমন এক ব্যক্তিসমষ্টিকে বুঝি যারা এরূপ বন্ধন সম্পর্কে সচেতন।"
- সংক্ষেপে বলতে গেলে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বা স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী হল এমন এক দল ব্যক্তির সমষ্টি। যারা নির্দিষ্ট লক্ষ্যের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং নিজেদের লক্ষ্য সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন থাকে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৮৭৮.
জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম জনসংখ্যার ঘনত্ব কোথায়? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বান্দরবান
  3. রাঙ্গামাটি
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা
- রাঙ্গামাটি পাহাড়ি ভৌগোলিক অবস্থার কারণে জনসংখ্যা ঘনত্ব তুলনামূলক কম।

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২: 
- বাংলাদেশে ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয় ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত।
- এতে ব্যবহৃত তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি ছিল CPI এবং গণনা পদ্ধতি ছিল Modified De-fecto।
- দেশে মোট জনসংখ্যা দাঁড়ায় ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন, বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার ৭৪.৮০%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব ১১১৯ জন প্রতি বর্গকিলোমিটার।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে ঢাকায় এবং সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।

উল্লেখ্য, 
- জেলার মধ্যে রাঙ্গামাটির ঘনত্ব সবচেয়ে কম।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
১০,৮৭৯.
বাংলাদেশ কত সালে আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?
  1. ১৯৭২
  2. ১৯৭৩
  3. ১৯৭৪
  4. ১৯৭৫
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৩
ব্যাখ্যা
- ICAO (International Civil Aviation Organization) হলো বেসামরিক বিমান চলাচল সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি ৪ এপ্রিল ১৯৪৭ সালে ICAO নামে কার্যক্রম শুরু করে।
- এর প্রধান কার্যালয় কানাডা'র মন্ট্রিয়াল শহরে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে -১১ ফ্রেব্রয়ারি ১৯৭৩ সালে।

উৎস: ICAO ওয়েবসাইট।
১০,৮৮০.
বারো ভূঁইয়ার প্রধান কে ছিলেন?
  1. ঈশা খাঁ
  2. শের খান
  3. জাহাঙ্গীর খাঁ
  4. ইসলাম খান
সঠিক উত্তর:
ঈশা খাঁ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশা খাঁ
ব্যাখ্যা
বারো ভূঁইয়া:
- বাংলায় কররানী বংশের রাজত্ব দুর্বল হয়ে পড়লে বাংলার সোনারগাঁ, খুলনা, বরিশাল প্রভৃতি অঞ্চলে কিছুসংখ্যক জমিদার স্বাধীন রাজার মতো রাজত্ব শুরু করে।
- ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর পশ্চিম বাংলা ও উত্তর বাংলার অধিকাংশই দখল করে নেন। 
- এক দল জমিদার বা ভূস্বামী একযোগে পূর্ব বাংলার ওপর মোগল আক্রমণ প্রতিহত করেন। এরাই বারো ভূঁইয়া নামে পরিচিত।
- বারো ভূঁইয়াদের মধ্যে সোনারগাঁওয়ের ঈশা খাঁ ছিলেন সর্বাধিক প্রভাবশালী।
- বারো ভূঁইয়াদের প্রধান ছিলেন ঈশা খাঁ।
- আকবরের সেনাপতি মানসিংহ বারবার চেষ্টা করেও ঈশা খাঁকে পরাজিত করতে পারেননি।
- সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসন আমলেও বারো ভূঁইয়ারা মোগলবিরোধী প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

উল্লেখযোগ্য বারো ভূঁইয়া:
⇒ বারো ভূঁইয়াদের মধ্যে সোনারগাঁও এর ঈসা খাঁ ও তার পুত্র মুসা খাঁ, যশোহরের প্রতাপদিত্য, বিক্রমপুরের কেদার রায় ও চাঁদ রায়, বরিশালের কন্দর্প নারায়ণ, ফরিদপুরের মুকুন্দ রাম রায়, নোয়াখালীর লক্ষণ মাণিক্য, নাটোরের কংস নারায়ণ, বাকুড়ার বীর হাম্মীর, ভাওয়ালের ফজল গাজী, চন্দ্রপ্রতাপের চাঁদ গাজ, পুটিয়ার পীতাম্বর রায় এবং দিনাজপুরের প্রমথ রায় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- এছাড়াও বাহাদুর গাজী, সোনা গাজী, ওসমান কান, রাজা ছত্রজিৎ ও রাজা অনন্ত মাণিক্যও বারো ভূঁইয়াদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

ইসলাম খানের আগমন:
- ১৬০৮ সালে ইসলাম খান বাংলার সুবাদার হয়ে আসেন।
- তার মূল লক্ষ্য ছিল বারো ভূঁইয়াদের দমন করে মুঘল শাসন প্রতিষ্ঠা করা।
বারো ভূঁইয়াদের পতন:
- বারো ভূঁইয়ারা পরবর্তীতে ইসলাম খানের নেতৃত্বে মুঘল সেনাবাহিনীর হাতে পরাজিত হন।
- মুঘল শাসনের বশ্যতা স্বীকারের মাধ্যমে বাংলায় মুঘল শাসন সুপ্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র: i) বাংলাপিডিয়া।
              ii) ইতিহাস, এসএএস এইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৮৮১.
বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু জিডিপির পরিমাণ কত?
  1. ক) ২৭৬৫ মার্কিন ডলার
  2. খ) ২৬৭৫ মার্কিন ডলার
  3. গ) ২৬৫৭ মার্কিন ডলার
  4. ঘ) ২৭৫৫ মার্কিন ডলার
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬৫৭ মার্কিন ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৬৫৭ মার্কিন ডলার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৬৯.৮৩ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩%।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২৭৬৫ মার্কিন ডলার।
- মাথাপিছু জিডিপি: ২৬৫৭ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৪৯৬৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৬,৭৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট তফসিলি ব্যাংক: ৬১টি। 
- ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান: ৩৬টি। 
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩।
১০,৮৮২.
বাগেরহাট জেলা কার শাসনামলে 'খলিফাত-ই-আবাদ' নামে পরিচিত লাভ করে?
  1. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  2. সুলতান নুসরত শাহ
  3. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  4. নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
সঠিক উত্তর:
নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের কূল ঘেষে বাগেরহাট জেলার অবস্থান।
বাংলার শাসক যখন নাসিরউদ্দিন মাহমুদ শাহ(১৪৪২-১৪৫৯) তখন হযরত খানজাহান(রঃ) এ অঞ্চল আবাদ করে নামকরণ করলেন ‘‘খলিফাত-ই-আবাদ’’ বা প্রতিনিধির অঞ্চল। মানুষের কল্যাণে তিনি তৈরী করলেন ষাটগম্বুজসহ অসংখ্য মসজিদ, দীঘি, রাসত্মা ও পত্তন করলেন অগণিত হাট-বাজার। হযরত খানজাহান(রঃ) এর আগমনকাল না জানা গেলেও এ সাধক পুরম্নষ পঞ্চদশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে বহু ধর্মপ্রাণ অনুসারিদের সাথে নিয়ে যশোর জেলার বার বাজার হয়ে ভৈরব নদী অতিক্রম করে বাগেরহাট পৌঁছান।

উৎস: বাগেরহাট জেলা ওয়েবসাইট।
১০,৮৮৩.
বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা কতটি? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]
  1. ১৬৯টি
  2. ১৭০টি
  3. ১৭১টি
  4. ১৭২টি
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭১টি
ব্যাখ্যা

চা-বাগান:
- চা বোর্ড কর্তৃক নিবন্ধকৃত দেশে মোট চা-বাগানের সংখ্যা – ১৭১ টি।
- মৌলভীবাজার জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ৯০ টি।
- হবিগঞ্জ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২৫ টি।
- সিলেট জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১৯ টি।
- চট্টগ্রাম জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২২ টি।
- রাঙ্গামাটি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ২ টি।
- পঞ্চগড় জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১১ টি।
- ঠাকুরগাওঁ জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা - ১ টি।
- খাগড়াছড়ি জেলায় চা-বাগানের সংখ্যা -১ টি। [ব্যাখ্যা আপডেট- ফেব্রুয়ারি, ২০২৬]

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট।

১০,৮৮৪.
সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশে সর্বাধিক কতজনকে Technocrat মন্ত্রী নিয়োগ করা যায়?
  1. এক-চতুর্থাংশ
  2. এক-তৃতীয়াংশ
  3. এক-দশমাংশ
  4. এক-পঞ্চমাংশ
সঠিক উত্তর:
এক-দশমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক-দশমাংশ
ব্যাখ্যা
টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী ও অন্যান্য মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপ-মন্ত্রীদিগকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দান করিবেন
- সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, সংসদ-সদস্যগণের মধ্য হতে ৯০ শতাংশ মন্ত্রী নিযুক্ত হবেন।
- নির্বাচিত সদস্য সংসদ সদস্যদের বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পরিচিত।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায় এক-দশমাংশ।
- অর্থাৎ ১০ শতাংশ সংসদ সদস্যের বাইরে থেকে টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী নিয়োগ দেয়া যায়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।
১০,৮৮৫.
Which organization is the inventor of Meat Chicken-1 (Suvarna) breed?
  1. ক) Institute of Food and Radiation Biology
  2. খ) National Institute of Biotechnology
  3. গ) Bangladesh Livestock Research Institute
  4. ঘ) National Institute of Textile Engineering and Research
সঠিক উত্তর:
গ) Bangladesh Livestock Research Institute
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Bangladesh Livestock Research Institute
ব্যাখ্যা
- দেশি আবহাওয়ায় পালন উপযোগী ও অধিক মাংস উৎপাদনশীল জাত প্রায় দুই বছর আগে উদ্ভাবন করে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)।
- নতুন এই জাতের নাম বিএলআরআই মিট চিকেন-১ (সুবর্ণ)।
- নতুন এই জাতটি এখন সারা দেশেই উৎপাদনের জন্য উন্মুক্ত করা হচ্ছে।
- প্রাথমিকভাবে পোলট্রি উৎপাদনকারী দুই কোঁম্পানি প্যারাগন ও আফতাব বহুমুখী ফার্মস এই জাতের বাচ্চা বিক্রি করে।
-  এই জাতের বৈশিষ্ট্য হলো, এর মাংস দেশি মুরগির স্বাদ দেবে।
- এ ছাড়া এই জাত অধিক রোগ প্রতিরোধী ও বেশি মাংস উৎপাদনকারী।

উল্লেখ্য,
- বিএলআরআই মিট চিকেন-১ (সুবর্ণ) জাতের মোরগ-মুরগি সাধারণত আট সপ্তাহের মধ্যে পরিপক্ব হয়। 

উৎস: কালের কন্ঠ।
২৫ ডিসেম্বর, ২০২২।
১০,৮৮৬.
চাকমা গ্রামের প্রধান-
  1. ক) হেডম্যান
  2. খ) মৌজা
  3. গ) কারবারি
  4. ঘ) পুঞ্জি
সঠিক উত্তর:
গ) কারবারি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কারবারি
ব্যাখ্যা
- চাকমা শাসন ব্যবস্থায় গ্রাম প্রধানকে বলা হয় কারবারি।
- কারবারির কাজ হলো রাজার পক্ষ গ্রামের বিভিন্ন বিরোধের নিষ্পত্তি করা ।
- এদের রাজার সুপারিশে সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

- কয়েকটি গ্রাম নিয়ে একটি মৌজা গঠিত হয়।
- মৌজার প্রধান হলো হেডম্যান।

- কতগুলোর মৌজার সমন্বয়ে গঠিত হয় একটি সার্কেল।
- সার্কেল প্রধান হলো রাজা।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে চাকমা, বোমাং ও মং নামে মোট ৩টি সার্কেল রয়েছে।

তথ্যসূত্র- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণী।
১০,৮৮৭.
১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মোট কত আসন লাভ করেন?
  1. ৩১০
  2. ২৮৮
  3. ২৯৮
  4. ১৬৭
সঠিক উত্তর:
২৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯৮
ব্যাখ্যা
♣ সত্তরের নির্বাচন: 
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের ইতিহাসে ১৯৭০ সালের নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- ১৯৬৯ সালের অভ্যুত্থানে ২৫শে মার্চ আইয়ুব খান পদত্যাগ করলে তাঁর উত্তরসূরি জেনারেল ইয়াহিয়া খান ১৯৭০ সালের ২৬শে মার্চ - এক বেতার ভাষণে পরবর্তী নির্বাচন ও নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
- যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৭০ সালে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

- শেষ পর্যন্ত ৭ই ডিসেম্বর জাতীয় পরিষদ এবং ১৭ই ডিসেম্বর প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
- তবে ১২ই নভেম্বর পূর্ব পাকিস্তানের উপকূল অঞ্চলে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হওয়ায় ঐ সব অঞ্চলে ১৯৭১ সালের ১৭ই জানুয়ারি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

♣ নির্বাচনের ফলাফল: 
- নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী লীগ নিরংকুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে ১৬৭টি (সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ) আসন আওয়ামী লীগ লাভ করে। 
- ১০ দিন পর অনুষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি আসন লাভ করে।
- সংরক্ষিত মহিলা আসনসহ ৩১০ আসনের মধ্যে ২৯৮ টি আসন লাভ করেন।  
- অপরপক্ষে জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) পশ্চিম পাকিস্তানে ১৪৪টি আসনের মধ্যে ৮৮টি আসন লাভ করে।  

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৮৮৮.
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোন দুই বাহিনী মিলে 'যৌথ বাহিনী' গঠন করে?
  1. বাংলাদেশ সেনাবাহিনী - মুক্তিবাহিনী
  2. পাকিস্থানি বাহিনী - ভারতীয় বাহিনী
  3. মুক্তিবাহিনী - ভারতীয় বাহিনী
  4. বাংলাদেশ বিমানবাহিনী - মুক্তিবাহিনী
সঠিক উত্তর:
মুক্তিবাহিনী - ভারতীয় বাহিনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুক্তিবাহিনী - ভারতীয় বাহিনী
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়:

- মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করে।
- ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনী মিলে 'যৌথ বাহিনী' গঠন করে।
- ৬-১৬ ডিসেম্বর মুক্তিবাহিনীর সাথে ভারতের সেনা, নৌ, বিমানবাহিনীও পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে।
- যৌথ বাহিনীর দুর্বার আক্রমণে পর্যুদস্ত পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী অবশেষে আত্মসমর্পণে সম্মত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তান বাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল আমীর আবদুল্লাহ খান নিয়াজী ৯৩ হাজার সৈন্যসহ যৌথ বাহিনীর নিকট আত্মসমর্পণ করেন।
- পাকিস্তানের পক্ষে নিয়াজী এবং যৌথ বাহিনীর পক্ষে আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।
- এতে অস্থায়ী গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
- পাকিস্তান বাহিনীর আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয় সম্পন্ন হয়।

তথ্যসূত্র- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৮৮৯.
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থ উপদেষ্টা কে?  ‍[জানুয়ারি,২০২৬]
  1. আদিলুর রহমান খান
  2. ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
  3. আহসান এইচ মনসুর
  4. মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের  অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ।

• অন্তর্বতী সরকারের উপদেষ্টা:

- অন্তর্বতী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা: ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
• ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ- অর্থ মন্ত্রণালয় ও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।
• ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ: পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়।
• আসিফ নজরুল: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়,
-  প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় 
• মোঃ তৌহিদ হোসেন: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
- আদিলুর রহমান খান: শিল্প মন্ত্রণালয় ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়।
• মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান: 
- বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়,
- সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়।
- রেলপথ মন্ত্রণালয়।

উৎস: প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়।

১০,৮৯০.
স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কোথায় পাঠ করা হয়?
  1. বৈদ্যনাথতলায়
  2. পল্টন ময়দান
  3. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বটতলা
  4. রেসকোর্স ময়দান
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যনাথতলায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদ্যনাথতলায়
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে। এই অনুষ্ঠানে অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

এর আগে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৮ এপ্রিল এই সরকারের সদস্যদের মধ্যে দপ্তর বণ্টন করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)
১০,৮৯১.
২০২৫ সালে অর্থনীতিতে কতজন ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার লাভ করেছেন?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
সঠিক উত্তর:
৩ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ জন
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে মোট ১৪ জন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
⇒ অর্থনীতি:
- ২০২৫ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ৩জন।
• ইওয়েল মোকিয়র,
• ফিলিপ আগিয়োঁ ও
• পিটার হাউইট।

⇒ সাহিত্য:
- ২০২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার জিতেছেন হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।

⇒ শান্তি:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

⇒ চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• ম্যারি ই. ক্রনকো,
• ফ্রেড রামসডেল ও
• শিমন সাকাগুচি।
- অবদান: মানবদেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যপ্রণালী বিষয়ে গবেষণার জন্য দুই মার্কিন ও এক জাপানি গবেষক এই পুরস্কার পান।

⇒ পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৫ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• জন ক্লার্ক,
• মিশেল দেভরেট ও
• জন এম মার্টিনিস।
- অবদান: ম্যাক্রোস্কোপিক কোয়ান্টাম মেকানিক্যাল টানেলিং এবং ইলেকট্রিক সার্কিটে এনার্জি কোয়ান্টাইজেশন গবেষণার জন্য তারা নোবেল পান।

⇒ রসায়ন:
- ২০২৫ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন
• সুসুমু কিতাগাওয়া,
• রিচার্ড রবসন ও
• ওমর এম. ইয়াগি।
- অবদান: মেটাল-অর্গানিক ফ্রেমওয়ার্ক নামে নতুন একধরনের আণবিক কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা এ পুরস্কার পান।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

১০,৮৯২.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৪ অনুযায়ী, পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ কোনটি?
  1. রংপুর
  2. ঢাকা
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, শীর্ষ বিভাগ:
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ ঢাকা।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ সিলেট।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ খুলনা।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।

উল্লেখ্য,
বিভাগ অনুযায়ী পাট সর্বাধিক উৎপাদন:
১. ঢাকা বিভাগ- উৎপাদন: ৩৫,৭৮,৩৪২ বেল;
২. খুলনা বিভাগ- উৎপাদন: ২৬,২৮,৩৪৮ বেল।
 
জেলা অনুযায়ী পাট সর্বাধিক উৎপাদন:
১. ফরিদপুর জেলা- উৎপাদন: ১২,৩৭,৩২০ বেল;
২. রাজবাড়ী জেলা- উৎপাদন: ৬,২১,৮৯৯ বেল।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১০,৮৯৩.
সিটিজেনস ফর ফেয়ার ইলেকশনস্ (সিএফই) নামের নাগরিক সংগঠনটি বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. বাংলাদেশ নির্বাচন ওয়াচ
  2. সুজন
  3. সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
  4. আশা
সঠিক উত্তর:
সুজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুজন
ব্যাখ্যা

সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক):
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ১২ নভেম্বর ২০০২ তারিখে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
- এর ২১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি রয়েছে।
- সুজনের সভাপতি জনাব এম হাফিজউদ্দিন খান এবং সম্পাদক ড: বদিউল আলম মজুমদার। 


⇒ প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

উৎস: সুজন ওয়েবসাইট।

১০,৮৯৪.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অনগ্রসর নাগরিকদের জন্যে বিশেষ বিধান প্রণয়নের কথা বলা হয়েছে?
  1. ক) ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদ
  2. খ) ২৮(২) নং অনুচ্ছেদ
  3. গ) ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদ
  4. ঘ) ২৯(১) নং অনুচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
গ) ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ সংবিধানের ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অনগ্রসর নাগরিকদের জন্যে বিশেষ বিধান গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
এতে বলা হয়,

“নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।”

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবিধান)
১০,৮৯৫.
কোন মৌর্য রাজা বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেছিলেন?
  1. বিন্দুসরা
  2. অশোক
  3. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  4. কেউই নয়
সঠিক উত্তর:
অশোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অশোক
ব্যাখ্যা
সম্রাট অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিন্দুসরার পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর ২৬৯ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন।
- তিনি পাটলীপুত্র হতে তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য শাসন করতেন।
- রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে তিনি কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- তিনি মৌর্য সম্রাটদের চিরাচরিত দ্বিগ্বিজয় নীতি পরিত্যাগ করে ঘোষণা করেন তাঁর পুত্র, প্রপৌত্র কেউই ভবিষ্যতে আর যুদ্ধ করবে না।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

উল্লেখ্য,
- রক্তক্ষয়ী কলিঙ্গ যুদ্ধের রক্তবন্যা তাঁকে একজন নীতিবান ব্যক্তিতে পরিণত করেছে।
- ওই সময় থেকেই তিনি জীবনের সর্বক্ষেত্রে বিশ্বশান্তি ও ন্যায়নিষ্ঠ শাসন প্রতিষ্ঠায় নিজেকে নিয়োজিত করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে সম্রাট অশোক অহিংস বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০,৮৯৬.
হাজী শরীয়তউল্লাহর সংস্কার আন্দোলনের নাম কী ছিল?
  1. ইসলামিক আন্দোলন
  2. ওয়াহাবী আন্দোলন
  3. ফরায়েজি আন্দোলন
  4. তারিখ-ই-মুহাম্মদিয়া
সঠিক উত্তর:
ফরায়েজি আন্দোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরায়েজি আন্দোলন
ব্যাখ্যা
ফরায়েজি আন্দোলন: 
- ফরায়েজি আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা হাজী শরীয়তউল্লাহ
- তিনি বৃহত্তর ফরিদপুরের মাদারীপুর জেলার শাসশাইল গ্রামে ১৭৮২ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি দীর্ঘ বিশ বছর মক্কায় অবস্থান করেন।
- সেখানে তিনি ইসলাম ধর্মের ওপর লেখাপড়া করে অগাধ পাণ্ডিত্য অর্জন করেন।
- দেশে ফিরে তিনি বুঝতে পারেন যে, বাংলার মুসলমানরা ইসলামের প্রকৃত শিক্ষা থেকে অনেক দূরে সরে গেছে।
- তাদের মধ্যে অনৈসলামিক রীতিনীতি, কুসংস্কার, অনাচার প্রবেশ করেছে।
- ইসলাম ধর্মকে কুসংস্কার আর অনাচারমুক্ত করতে তিনি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন।
- এই প্রতিজ্ঞার বশবর্তী হয়ে উনিশ শতকের প্রথমার্ধে তিনি এক ধর্মীয়-সামাজিক সংস্কার আন্দোলনের সূত্রপাত করেন।
- হাজী শরীয়তউল্লাহর এই ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলনের নামই 'ফরায়েজি আন্দোলন'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড  বই।
১০,৮৯৭.
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে কোন প্রতিষ্ঠান সহযোগিতা করবে?
  1. রোসাটম (রাশিয়া)
  2. এয়ারবাস (ফ্রান্স)
  3. থ্যালেস এলেনিয়া (ফ্রান্স)
  4. কসমস (রাশিয়া)
সঠিক উত্তর:
এয়ারবাস (ফ্রান্স)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এয়ারবাস (ফ্রান্স)
ব্যাখ্যা
 বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট- ২:
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট -২ আর্থ অবজারভেটরি স্যাটেলাইট।
- ফ্রান্সের আন্তর্জাতিক মহাকাশযান নির্মাণ প্রতিষ্ঠান এয়ারবাস বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ নির্মাণ ও উৎক্ষেপণে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।
- এটি ভূ-পৃষ্ঠ থেকে উপরে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে।
- ফলে দ্বিতীয় স্যাটেলাইটের জন্য অরবিটাল স্লট প্রয়োজন হবে না।
- এই স্যাটেলাইটের লাইফ টাইম হবে ১৮ বছরের মতো।
- দেশের সমুদ্রসীমায় ‘সি রিসোর্স’ ভালোভাবে পর্যবেক্ষণে এই স্যাটেলাইট কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশাবাদী। 

উল্লেখ্য,
- বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১-এর সফল উৎক্ষেপণ-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ পরিণত হয়েছে স্যাটেলাইট ক্লাবের ৫৭ তম গর্বিত সদস্যে। 

উৎস: ২৪ জুলাই, ২০২৩, যুগান্তর।
১০,৮৯৮.
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল নির্মাণকাজ চলছে কোন রুটে?
  1. ঢাকা-কুমিল্লা
  2. কক্সবাজার-চট্টগ্রাম
  3. কমলাপুর-বিমানবন্দর
  4. যাত্রাবাড়ী-বিমানবন্দর
সঠিক উত্তর:
কমলাপুর-বিমানবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কমলাপুর-বিমানবন্দর
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের প্রথম ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেল:
- ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনায় দেশে প্রথমবারের মতো বিমানবন্দর-কমলাপুর রুটে ভূগর্ভস্থ মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ চলছে।
- এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের বিবরণ অনুযায়ী, ১৯ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার দীর্ঘ ভূগর্ভস্থ বিমানবন্দর রুটে ১২টি স্টেশন এবং ১১ দশমিক ৩৬ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড পূর্বাচল রুটে ১টি ভূগর্ভস্থ স্টেশনসহ ৯টি স্টেশন থাকবে।
- ২০২৮ সালের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্যে পরিষেবা লাইনগুলো স্থানান্তর করা হচ্ছে।

- প্রকল্পে ব্যয় জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা) এবং বাংলাদেশ সরকার দিচ্ছেন।
- প্রকল্পের কাজ শেষ হলে মেট্রোরেলে বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত প্রায় প্রতি ঘণ্টায় ৭০ হাজার লোক যাতায়াত করতে পারবে।
- বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এই মেট্রোরেল দিয়ে প্রতিদিন সাড়ে ১৩ লাখ মানুষ চলাচল করতে পারবে, যা বর্তমানে চলমান এমআরটি লাইন-৬ প্রকল্পের তুলনায় প্রায় ২ দশমিক ৮৩ গুণ বেশি।
- সরকার যানজট নিরসনে ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় ১৪০ কিলোমিটার মেট্রোরেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার লক্ষ্যে মেগা পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো নিউজ।
১০,৮৯৯.
মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টরের হেডকোয়ার্টার কোথায় ছিল?
  1. কালুরঘাটে
  2. বারিয়ার হাটে
  3. হরিনাতে
  4. করিমগঞ্জে
সঠিক উত্তর:
হরিনাতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিনাতে
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টর:
- মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টরটি চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা এবং নোয়াখালী জেলার মুহুরী নদীর পূর্বাংশের সমগ্র এলাকা নিয়ে গঠিত।
- প্রথমে এ সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান। (১০ এপ্রিল থেকে ২৫ জুন)
- পরে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মেজর রফিকুল ইসলাম। (২৮ জুন থেকে ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি)
- মুক্তিযুদ্ধের ১ নম্বর সেক্টরের হেডকোয়ার্টার ছিল হরিনাতে।
- এ সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন প্রায় ১০,০০০ মুক্তিযোদ্ধা। 
- এর মধ্যে ই.পি.আর, পুলিশ, সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর প্রায় ২,০০০ নিয়মিত সৈন্য অংশগ্রহণ করেন।
- গণবাহিনীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৮,০০০ জন।
- এই সেক্টরের গেরিলাদের ১৩৭টি গ্রুপে বিভক্ত করে দেশের অভ্যন্তরে পাঠানো হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১০,৯০০.
Which force conducted 'Operation Kilo Flight' during the Liberation War?
  1. Bangladesh Air Force
  2. Bangladesh Navy Force
  3. Crack Platoon
  4. Guerrilla Force
  5. A & B
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Air Force
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Air Force
ব্যাখ্যা
কিলো ফ্লাইট:
- ১৯৭১ এর সেপ্টেম্বর এর মাঝামাঝি ভারত সরকার অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকারকে একটি স্বাধীন বিমান বাহিনী গঠনের জন্য আমেরিকায় তৈরী ১টি পুরানো ডিসি-৩ বিমান, কানাডার তৈরী ১টি অটার বিমান এবং ফ্রান্সের তৈরী ১টি এ্যালুয়েট-৩ হেলিকপ্টার দেয়।
- এর সাথে ভারতের নাগাল্যান্ডের ডিমাপুরে একটি দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরিত্যক্ত রানওয়ে ব্যবহারের অনুমতি দেয়।
- এই সীমিত সম্পদ নিয়ে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর যাত্রা শুরু হয়।

⇒ বিমান বাহিনী প্রধান হিসাবে মুক্তিযুদ্ধের উপ-প্রধান গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকারকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- সশস্ত্র বিমান বাহিনী গঠনে গোপনীয়তা রক্ষার্থে এর গুপ্ত নাম হয় 'কিলো ফ্লাইট'।
- 'কিলো ফ্লাইটের' অস্তিত্ব বিডি এফ এবং গোটা কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব ছাড়া আর কেউ জানতেন না।
- কিলো ফ্লাইটে বিমান বাহিনীর পাইলটদের পাশাপাশি বেশ কয়েকজন পি আই এ এবং প্লান্ট প্রটেকশনের পাইলট এসে যোগ দেন।
- বিভিন্ন সেক্টর হতে যুদ্ধরত মোট ৫৮ জন বিমানসেনাকে এই ফ্লাইটে নিয়ে আসা হয়।
- এই ফ্লাইটের নেতৃত্বের দায়িত্ব দেয়া হয় স্কোঃ লীঃ সুলতান মাহমুদকে।
- এই সব অত্যুৎসাহী বিমান বাহিনী সদস্যদের সমন্বয়ে ১৯৭১ এর ২৮ সেপ্টেম্বর সশস্ত্র বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর উদ্ধোধন হয়।
- শুরু হয় কঠোর প্রশিক্ষণ।

⇒ এই ফ্লাইট, ঢাকা, চট্টগ্রাম, লালমনিরহাট এলাকায় মোট ৫০টি অভিযান সাফল্যের সঙ্গে পরিচালনা করে।
- এদের মধ্যে মোগলহাটে (১৫ অক্টোবর ৭১), লালমনিরহাট ও ঠাকুরগাঁয়ে (১৬ অক্টোবর ৭১), চৌগাছায় (২১ নভেম্বর ৭১), গোদনাইল ও পতেঙ্গায় (৩ ডিসেম্বর ৭১), সিলেটে (৪ ডিসেম্বর ৭১), জামালপুরে (৫ ডিসেম্বর ৭১), মেঘনা নদীতে (৬ ডিসেম্বর ৭১), সিলেটে (৭ ডিসেম্বর ৭১) এবং নরসিংদীতে (১১ ডিসেম্বর ৭১) বিমান হামলা বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।