বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

হুমায়ূন আহমেদ ও হুমায়ুন আজাদ

মোট প্রশ্ন২০৭এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

হুমায়ূন আহমেদ ও হুমায়ুন আজাদ

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ২০৭

.
হুমায়ুন আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস -
  1. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
  2. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
  3. জ্বলো চিতাবাঘ
  4. ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল
ব্যাখ্যা

'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস:
- হুমায়ুন আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস- 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' (১৯৯৪)।
- এই উপন্যাস প্রকাশের মধ্য দিয়ে হুমায়ুন আজাদ ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রাশেদকে উপন্যাসটি উৎসর্গ করা হয়।

হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।

হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
কোনটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত উপন্যাস?
  1. আনন্দ বেদনার কাব্য
  2. নদী ও মানুষের কথা
  3. পুঁই ডালিমের কাব্য
  4. দিবারত্রির কাব্য
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদ রচিত উপন্যাস - আনন্দ বেদনার কাব্য।
- ৯ টি ছোটগল্প নিয়ে সংকলন আনন্দ বেদনার কাব্য। জব সল্যুশনের প্রশ্নে উপন্যাস লেখা হয়েছে বিধায় অধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে- 'আনন্দ বেদনার কাব্য' গ্রহণ করা হলো। 

অন্যদিকে,
- ''দিবারাত্রির কাব্য” মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম লেখা উপন্যাস।
- 'পুঁই ডালিমের কাব্য' শামসুদ্দীন আবুল কালাম - গল্পগ্রন্থ।

• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২) কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক এর জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- ছাত্রজীবনে লেখা ‘নন্দিত নরকে’ শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- ‘নন্দিত নরকে’ বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩)।
- গল্প, উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, শিশুতোষ গ্রন্থ, নাটক, প্রবন্ধ, আত্মজৈবনিক রচনা প্রভৃতি মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক।
- তাঁর শেষ উপন্যাস দেয়াল (অপ্রকাশিত-পটভূমি ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ড ও তৎকালীন রাজনৈতিক ঘটনা)।

• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া,
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচীর একদিন,
- জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি।

• স্থান-কাল ও বিষয়ভিত্তিক প্রধান গ্রন্থ:
- শঙ্খনীল কারাগার,
- আনন্দ বেদনার কাব্য,
- যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ,
- আমার আছে জল,
- নক্ষত্রের রাত,
- এই সব দিনরাত্রি,
- বহুব্রীহি,
- অয়োময়,
- শ্রাবণ মেঘের দিন,
- আশাবরী (১৯৯১),
- কোথাও কেউ নেই (১৯৯২),
- কবি,

• সায়েন্স ফিকশন:
- তোমাদের জন্য ভালোবাসা,
- তারা তিনজন।

• আত্মজৈবনিক গ্রন্থ:
- হোটেল গ্রেভারইন,
- আমার ছেলেবেলা।

- হুমায়ূন আহমেদ চলচ্চিত্র নির্মাণেও সার্থক।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র শ্যামল ছায়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি অবলম্বনে নির্মিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; ‘বাদশাহ নামদার’ উপন্যাস।
.
‘অনিল বাগচীর একদিন’ কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কাব্যনাট্য
  2. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক উপন্যাস
  3. সামাজ সমস্যামূলক নাটক
  4. মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাস
ব্যাখ্যা
• অনিল বাগচীর একদিন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাসের মধ্যে হুমায়ূন আহমেদ রচিত 'অনিল বাগচীর একদিন' বেশ ভিন্ন ধারার।
- এখানে যুদ্ধ নেই প্রত্যক্ষভাবে তবে আছে সততার ঋজু সৌধ, যা নির্মাণ করেছে অনিল নামের একটি সাদাসিধে ছেলে।
- পিতার হত্যা-সংবাদ ও বোনের অন্যের বাড়িতে আশ্রয়ের খবর পেয়ে গ্রামে ফিরবে বলে অনিলের মধ্যে চাপা উত্তেজনা- সব মিলিয়ে উপন্যাসটি ভিন্ন আবেদন সৃষ্টি করে।
- পাকবাহিনীর সদস্যরা অনিলকে হত্যা করে।
- অনিল বাগচীর একদিন সমাপ্ত হয় চিরতরে কিন্তু বাংলাদেশে উদিত হয় স্বাধীনতার সূর্য।

---------------------------
• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২) বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- ছাত্রজীবনে লেখা 'নন্দিত নরকে' শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)। [প্রথম রচিত উপন্যাস; কিন্তু দ্বিতীয় প্রকাশিত]

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া,
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচীর একদিন,
- জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
মুক্তিযোদ্ধা 'বদিউল আলম' কোন উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত চরিত্র?
  1. জোছনা ও জননীর গল্প
  2. আগুনের পরশমণি
  3. শ্যামল ছায়া
  4. অনিল বাগচীর একদিন
ব্যাখ্যা

• 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাস:
- ১৯৮৬ সালে হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'আগুনের পরশমণি'।
- 'আগুনের পরশমণি'তে ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা অপারেশনের দুঃসাহসিক বর্ণনা, গেরিলাদের গোপন তৎপরতা, স্বাধীনতা সমর্থনকারী ও বিরোধিতাকারী কিছু চরিত্র উপস্থাপন করে ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ রচনা করলেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয় মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক। এভাবেই উপন্যাসটির কাহিনি শুরু হয়েছে।
- বদিউলের সঙ্গে ওই ভদ্রলোকের কন্যার মানবিক দুর্বলতা প্রকাশিত যুদ্ধকালীন পরিবেশে।

---------------------
হুমায়ূন আহমেদ রচিত অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- ১৯৭১,
- অনিল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে হুমায়ুন আহমেদের লেখা উপন্যাস কোনটি?
  1. শঙ্খনীল কারাগার
  2. শ্যামল ছায়া
  3. জীবন থেকে নেয়া
  4. নন্দিত নরকে
ব্যাখ্যা
• 'শ্যামল ছায়া' উপন্যাস:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা হুমায়ুন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস 'শ্যামল ছায়া'।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে রচিত উপন্যাসটি ২০০৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তিতে এই উপন্যাসের কাহিনি অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।

অন্যদিকে, 
• ছাত্রজীবনে লেখা 'নন্দিত নরকে' শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব। ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।

• তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)। 
• 'জীবন থেকে নেয়া' একটি বাংলা চলচ্চিত্র। জহির রায়হান এর নির্মিত এই চলচ্চিত্রটি ১৯৭০ সালের এপ্রিলে মুক্তি পায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
হুমায়ুন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. আগুনের পরশমনি
  2. জোছনা ও জননীর গল্প
  3. অনিল বাগচীর একদিন
  4. আয়োময়
ব্যাখ্যা

প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ খ্রিষ্টাব্দের ১৩ নভেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত নেত্রকোণা মহুকুমার মোহনগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে'।
- তার প্রকাশিত গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক। 
- হিমু, মিসির আলী, শুভ্র চরিত্রে সৃষ্টি করেছেন তিনি।

তাঁর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া (১৯৭৪),
- আগুনের পরশমণি (১৯৮৬),
- অনিল বাগচীর একদিন (১৯৯২),
- জোছনা ও জননীর গল্প (২০০৪)
- সূর্যের দিন প্রভৃতি।

স্থান-কাল ও বিষয়ভিত্তিক প্রধান গ্রন্থ:
শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩),
আনন্দ বেদনার কাব্য (১৯৮৪),
আমার আছে জল (১৯৮৫),
ফেরা (১৯৮৬),
নক্ষত্রের রাত (১৯৮৭),
ছায়াসঙ্গী (১৯৯০),
এই সব দিনরাত্রি (১৯৯০),
বহুব্রীহি (১৯৯০),
অয়োময় (১৯৯০),
গৌরীপুর জংশন (১৯৯০),
শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯০),
আশাবরী (১৯৯১),
অমানুষ (১৯৯১),
চাঁদের আলোয় কয়েকজন যুবক (১৯৯১),
দুই দুয়ারী (১৯৯১),
কোথাও কেউ নেই (১৯৯২),
কবি (১৯৯৬),
মহাপুরুষ (১৯৯৬),
মেঘ বলেছে যাব (১৯৯৭),
মৃন্ময়ী (২০০১),
বৃষ্টি ও মেঘমালা (২০০১),
বাদশাহ নামদার (২০১১),
মেঘের ওপর বাড়ি (২০১২) প্রভৃতি।

- তাঁর মৃত্যু নিউইয়র্কে, ১৯ জুলাই ২০১২

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া

.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?
  1. একাত্তর করতলে ছিন্নমাথা
  2. দুই সৈনিক
  3. অনিল বাগচীর একদিন
  4. নীল দংশন
ব্যাখ্যা

• 'অনিল বাগচীর একদিন' উপন্যাস:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাসের মধ্যে হুমায়ূন আহমেদ রচিত 'অনিল বাগচীর একদিন' বেশ ভিন্ন ধারার।
- এখানে যুদ্ধ নেই প্রত্যক্ষভাবে তবে আছে সততার ঋজু সৌধ, যা নির্মাণ করেছে অনিল নামের একটি সাদাসিধে ছেলে।
- পিতার হত্যা-সংবাদ ও বোনের অন্যের বাড়িতে আশ্রয়ের খবর পেয়ে গ্রামে ফিরবে বলে অনিলের মধ্যে চাপা উত্তেজনা- সব মিলিয়ে উপন্যাসটি ভিন্ন আবেদন সৃষ্টি করে।
- পাকবাহিনীর সদস্যরা অনিলকে হত্যা করে।অনিল বাগচীর একদিন সমাপ্ত হয় চিরতরে কিন্তু বাংলাদেশে উদিত হয় স্বাধীনতার সূর্য।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো হলো:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
-সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনিল বাগচীর একদিন।

অন্যদিকে, 
----------------
- হাসান আজিজুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ- একাত্তর করতলে ছিন্নমাথা।
- শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাসগুলো হলো- জাহান্নম হইতে বিদায়, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য, জলাংগী ইত্যাদি।
- 'নীল দংশন' সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

.
নিচের কোনটি হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস নয়?
  1. ক) ছায়াসঙ্গী 
  2. খ) এলেবেলে
  3. গ) মহাপুরুষ 
  4. ঘ) এপিটাফ
ব্যাখ্যা
- 'এলেবেলে' হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস নয়, এটি তাঁর রচিত একটি গল্পগ্রন্থ। 

হুমায়ূন আহমেদ
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে। তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে। 
- শৈশবে হুমায়ূন আহমেদের নাম ছিল শামসুর রহমান। 
- ১৯৭০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন শাস্ত্রে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি (সম্মান) এবং ১৯৭২ সালে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। 
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ময়মনসিংহ) প্রভাষক হিসেবে শুরু হয় হুমায়ূন আহমেদের কর্মজীবন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন। 
- তিনি একাধারে কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন। 
- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।

তাঁর রচিত গ্রন্থ
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া
- আগুনের পরশমণি
- অনিল বাগচীর একদিন
- জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি। 
উপন্যাস:
- নন্দিত নরকে 
- শঙ্খনীল কারাগার 
- আনন্দ বেদনার কাব্য 
- যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ 
- আমার আছে জল
- ফেরা 
- সম্রাট 
- আজ রবিবার 
- নক্ষত্রের রাত 
- প্রিয়তমেষু 
- বাসর 
- সাজঘর 
- ছায়াসঙ্গী 
- এই সব দিনরাত্রি 
- বহুব্রীহি 
- অয়োময় 
- গৌরীপুর জংশন 
- শ্রাবণ মেঘের দিন 
- আশাবরী 
- অমানুষ 
- চাঁদের আলোয় কয়েকজন যুবক 
- দুই দুয়ারী 
- নৃপতি 
- নী 
- কোথাও কেউ নেই 
- মন্দ্রসপ্তক 
- কবি 
- মহাপুরুষ 
- আমাদের সাদা বাড়ি 
- মেঘ বলেছে যাব 
- দূরে কোথায় 
- বৃষ্টিবিলাস
- মৃন্ময়ী
- হুমায়ূন আহমেদের হাতে ৫টি নীল পদ্ম 
- বৃষ্টি ও মেঘমালা
- আজ চিত্রার বিয়ে
- এপিটাফ 
- লীলাবতী
- তিন পুরুষ
- মধ্যাহ্ন
- বৃক্ষকথা
- বাদশাহ নামদার 
- মেঘের ওপর বাড়ি প্রভৃতি।
আত্মজৈবনিক গ্রন্থ:
- হোটেল গ্রেভারইন 
- আমার ছেলেবেলা 
- কিছু শৈশব 
- বলপয়েন্ট 
- কাঠপেন্সিল 
- ফাউন্টেন পেন 
- রঙ পেন্সিল 
- নিউইয়র্কের নিলাকাশে ঝকঝকে রোদ। 
গল্পগ্রন্থ
- এলেবেলে। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
‘সূর্যের দিন' উপন্যাসটি কার রচনা?
  1. জহির রায়হান
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4. আহমদ ছফা
ব্যাখ্যা
• ‘সূর্যের দিন' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদ রচিত উপন্যাস সূর্যের দিন। 
- উপন্যাসটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়। 
- উপন্যাসে ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় অর্জন থেকে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বাঙালির মানসিক অবস্থার ভাষারূপ অংকিত হয়েছে।
 
• হুমায়ূন আহমেদ:
- কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
 
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনিল বাগচীর একদিন ইত্যাদি।
 
উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০.
“মধ্যাহ্ন” - উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) হাসান হাফিজুর রহমান
  2. খ) সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  3. গ) হুমায়ুন আহমেদ
  4. ঘ) সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
বঙ্গভঙ্গ ও দেশ বিভাগের প্রেক্ষাপটে লেখা হুমায়ুন আহমেদের উপন্যাস “মধ্যাহ্ন”। হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস - অনিল বাগচীর একদিন, আগুনের পরশমণি, জোছনা ও জননীর গল্প ইত্যাদি। বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ড নিয়ে তার ইতিহাস মিশ্রিত লেখা - দেয়াল আর ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান নিয়ে লেখা উপন্যাস - মাতাল হাওয়া। উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১১.
হুমায়ুন আজাদ রচিত ’শব্দ থেকে কবিতা’ কী ধরনের রচনা?
  1. প্রবন্ধ
  2. উপন্যাস
  3. ছড়া
  4. কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• ’শব্দ থেকে কবিতা: 
- এটি হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি প্রবন্ধ।
- সাহিত্যের নানা রূপের মধ্যে একটি হচ্ছে কবিতা।
- রচনাটিতে কবিতার শিল্পরূপ ও তার বৈশিষ্ট্য অপরূপ ভাষায় বর্ণিত হয়েছে।
- কাকে বলা যায় কবিতা? লেখকের মতে, যা পড়লে মনের ভিতর স্বপ্ন জেগে ওঠে, ছবি ভেসে ওঠে, তা-ই কবিতা।
- শব্দের সঙ্গে শব্দ মিলিয়ে লেখা হয় কবিতা।
-------------------------------------------------------------------
• হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার।
- তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার (প্রথম কাব্যগ্রন্থ),
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- যতোই গভীরে যায় মধু, যতোই ওপরে যাই নীল,
- আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে,
- পেরোনোর কিছু নেই ইত্যাদি‌।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল (প্রথম প্রকাশিত)
- সবকিছু ভেঙে পড়ে,
- মানুষ হিসেবে আমার অপরাধসমূহ,
- রাজনীতিবিদগণ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ,
- একটি খুনের স্বপ্ন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া সপ্তম শ্রেণির বাংলা পাঠ্য বই সপ্তবর্ণ।
১২.
হুমায়ূনের প্রথম টেলিভিশন নাটক কোনটি?
  1. ক) এইসব দিনরাত্রি
  2. খ) প্রথম প্রহর
  3. গ) বহুব্রীহি
  4. ঘ) কোথাও কেউ নেই 
ব্যাখ্যা
-  হুমায়ূনের প্রথম টেলিভিশন নাটক 'প্রথম প্রহর'

প্রথম প্রহর:
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয়। 
- এই নাটকটি পরিচালনা করেছেন- নওয়াজেস আলী খান।
-----------------------------------------------------------------
- আশির দশকে বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটক ও ধারাবাহিক নাটকের ইতিহাসে তিনি আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
- তাঁর প্রথম ধারাবাহিক নাটক 'এইসব দিনরাত্রি' যা বাংলাদেশের দর্শকদের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়।
- এ ছাড়া অন্যান্য জনপ্রিয় ধারাবাহিকের মধ্যে আছে:
• বহুব্রীহি 
• অয়োময় 
• কোথাও কেউ নেই 
• আজ রবিবার
• নক্ষত্রের রাত। 

হুমায়ূন আহমেদ
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে। 
- শৈশবে হুমায়ূন আহমেদের নাম ছিল শামসুর রহমান। 
- তিনি একাধারে কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন। 
- 'নন্দিত নরকে' উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম: 
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া
- আগুনের পরশমণি
- অনিল বাগচীর একদিন
- জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি। 
উপন্যাস:
- নন্দিত নরকে 
- শঙ্খনীল কারাগার 
- আমার আছে জল
- আজ রবিবার 
- এই সব দিনরাত্রি 
- বহুব্রীহি 
- অয়োময় 
- শ্রাবণ মেঘের দিন 
- দুই দুয়ারী 
- কোথাও কেউ নেই 
- মহাপুরুষ 
- বৃষ্টিবিলাস
- লীলাবতী ইত্যাদি। 
আত্মজৈবনিক গ্রন্থ:
- আমার ছেলেবেলা 
- বলপয়েন্ট 
- কাঠপেন্সিল 
- রঙ পেন্সিল। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩.
‘আগুনের পরশমণি’ উপন্যাসে গেরিলা মুক্তিযোদ্ধাকে কে আশ্রয় দেয়?
  1. আজাদ সাহেব
  2. ফারুক সাহেব
  3. মতিন সাহেব
  4. বদিউল আলম
ব্যাখ্যা
‘আগুনের পরশমণি' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস - আগুনের পরশমণি।
- উপন্যাসে ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের সামগ্রিক চালচ্চিত্র অংকিত হয়েছে।উপন্যাসটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- এই উপন্যাসে অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয় মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক। এভাবেই এই উপন্যাসের কাহিনি শুরু হয়েছে।

হুমায়ূন আহমেদ:
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে। তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
১৪.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস কোনটি?
  1. শঙ্খনীল কারাগার
  2. সৌরভ
  3. নন্দিত নরকে
  4. আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা

 হুমায়ূন আহমেদ :
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলায়।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনিল বাগচীর একদিন।

• হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত চলচ্চিত্র:
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র শ্যামল ছায়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি অবলম্বনে নির্মিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. সবকিছু ভেঙে পড়ে
  2. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
  3. পাক সার জমিন সাদ বাদ
  4. ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল
ব্যাখ্যা
'সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে' হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- কাব্যগ্রন্থটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- লেখক কাব্যটি হুমায়ুন আহমেদ ও ইমদাদুল হক মিলনকে উৎসর্গ করেন।

------------------
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার (প্রথম কাব্যগ্রন্থ),
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- যতোই গভীরে যায় মধু, যতোই ওপরে যাই নীল,
- আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে,
- পেরোনোর কিছু নেই ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল (প্রথম প্রকাশিত),
- সবকিছু ভেঙে পড়ে,
- মানুষ হিসেবে আমার অপরাধসমূহ,
- রাজনীতিবিদগণ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ,
- একটি খুনের স্বপ্ন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1. সাড়ে তিন হাত ভূমি
  2. এক যুবকের ছায়াপথ
  3. সৌরভ
  4. বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ
ব্যাখ্যা

• 'সৌরভ' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম উপন্যাস 'সৌরভ'।
- উপন্যাসটি ১৯৮৪ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- শফিক উপন্যাসের প্রধান চরিত্র। 

উপন্যাসের অন্তর্ভুক্ত চরিত্রসমূহ হলো-
- শফিক,
- রফিক,
- কাদের,
- নেজাম,
- আজিজ সাহেব,
- শীলা,
- লুনা। 

অন্যদিকে, 
• 'সাড়ে তিন হাত ভূমি' ইমদাদুল হক মিলন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।  
• সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'এক যুবকের ছায়াপথ'।
• সরদার জয়েনউদ্দিন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ'। 

উৎস: সৌরভ' উপন্যাস হুমায়ূন আহমেদ।

১৭.
হুমায়ূন আহমেদের আত্মজৈবনিক গ্রন্থ কোনটি?
  1. ক) আনন্দ বেদনার কাব্য
  2. খ) আমার ছেলেবেলা
  3. গ) এই সব দিনরাত্রি
  4. ঘ) শ্রাবণ মেঘের দিন
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- শৈশবে হুমায়ূন আহমেদের নাম ছিল শামসুর রহমান।
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ময়মনসিংহ) প্রভাষক হিসেবে শুরু হয় হুমায়ূন আহমেদের কর্মজীবন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন।
- ১৯৯০ সালের মাঝামাঝি সময়ে তিনি অধ্যাপনা পেশা থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং সার্বক্ষণিক সাহিত্যর্চ্চায় মনোনিবেশ করেন।

- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩)।

- তাঁর শেষ উপন্যাস দেয়াল (পটভূমি ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ড ও তৎকালীন রাজনৈতিক ঘটনা)।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস জোছনা ও জননীর গল্প।
- হুমায়ূন আহমেদকে বাংলাদেশের সায়েন্স ফিকশনের পথিকৃৎ বলা যায়।
- তাঁর অন্যতম সায়েন্স ফিকশন তোমাদের জন্য ভালোবাসা।
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস মধ্যাহ্ন এবং বাদশাহ নামদার। 

• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া (১৯৭৪),
- আগুনের পরশমণি (১৯৮৬),
- অনিল বাগচীর একদিন (১৯৯২),
- ১৯৭১ (১৯৯৩),
- জোছনা ও জননীর গল্প (২০০৪) প্রভৃতি।

 • স্থান-কাল ও বিষয়ভিত্তিক প্রধান গ্রন্থ:
- শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩),
- আনন্দ বেদনার কাব্য (১৯৮৪),
- যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ (১৯৮৪),
- আমার আছে জল (১৯৮৫), 
- নক্ষত্রের রাত (১৯৮৭),
- এই সব দিনরাত্রি (১৯৯০),
- বহুব্রীহি (১৯৯০),
- অয়োময় (১৯৯০), 
- শ্রাবণ মেঘের দিন (১৯৯০),
- আশাবরী (১৯৯১),
- কোথাও কেউ নেই (১৯৯২), 
- কবি (১৯৯৬), 

• সায়েন্স ফিকশন:
- তোমাদের জন্য ভালোবাসা (১৯৭৩),
- তারা তিনজন। 

• আত্মজৈবনিক গ্রন্থ:
- হোটেল গ্রেভারইন (১৯৮৯),
- আমার ছেলেবেলা। 

- হুমায়ূন আহমেদ চলচ্চিত্র নির্মাণেও সার্থক।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র শ্যামল ছায়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি অবলম্বনে নির্মিত।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
১৮.
হুমায়ুন আজাদ রচিত বই নয় কোনটি?
  1. ক) লাল নীল দীপাবলি
  2. খ) পাক সার জমিন সাদ বাদ
  3. গ) কতো নদী সরোবরে
  4. ঘ) ইস্টিশন
ব্যাখ্যা
হুমায়ুন আজাদের উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,পাক সার জমিন সাদ বাদ, যাদুকরের মৃত্যু। তার লেখা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক বই হলো লাল নীল দীপাবলি বা বাংলা সাহিত্যের জীবনী,কতো নদী সরোবরে বা বাংলা ভাষার জীবনী, বাক্যতত্ত্ব। ইস্টিশন লিখেছেন হুমায়ূন আহমেদ।
উৎসঃ শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-মোহসীনা নাজিলা
১৯.
হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
  2. বাতাসে লাশের গন্ধ
  3. বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে
  4. বন্দী শিবির থেকে
ব্যাখ্যা

• 'কফিনে মোড়া অশ্রুবিন্দু' হুমায়ূন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- এটি ১৯৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।

--------------------------
• হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ ছিলেন একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানা।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।

হুমায়ুন আজাদ রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার
- জ্বলো চিতাবাঘ
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- রুদ্র মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত কবিতা: বাতাসে লাশের গন্ধ।
-  শামসুর রাহমান রচিত কিছু উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে, বন্দী শিবির থেকে। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২০.
'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসের পটভূমি ছিল- 
  1. ভাষা আন্দোলন 
  2. সত্তরের নির্বাচন 
  3. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান
  4. মুক্তিযুদ্ধ 
ব্যাখ্যা

• 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাস:
- ১৯৮৬ সালে হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'আগুনের পরশমণি'।
- 'আগুনের পরশমণি'তে ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা অপারেশনের দুঃসাহসিক বর্ণনা, গেরিলাদের গোপন তৎপরতা, স্বাধীনতা সমর্থনকারী ও বিরোধিতাকারী কিছু চরিত্র উপস্থাপন করে ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ রচনা করলেন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
- অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয় মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক। এভাবেই উপন্যাসটির কাহিনি শুরু হয়েছে।
- বদিউলের সঙ্গে ওই ভদ্রলোকের কন্যার মানবিক দুর্বলতা প্রকাশিত যুদ্ধকালীন পরিবেশে।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত অন্যান্য মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস হলো:
- শ্যামল ছায়া,
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- অনিল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২১.
কথাসাহিত্যক হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস -
  1. জোছনা ও জননীর গল্প
  2. আগুনের পরশমণি
  3. শ্যামল ছায়া
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:
- কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনিল বাগচীর একদিন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২২.
নিচের কোনটি হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ?
  1. সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে
  2. চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া
  3. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
  4. কোনো খেদ নেই
ব্যাখ্যা

• 'কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু' কাব্যগ্রন্থ:
- 'কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু' হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। 

- হুমায়ুন আজাদ প্রকাশিত এই কাব্যগ্রন্থে স্থান পেয়েছে এমন একগুচ্ছ কবিতা, যা সাম্প্রতিক কবিতার দূষণমুক্ত- নিবিড়, অন্তরঙ্গ, অমল এই কবিতারাশি, এবং এর ভাষা ভিন্ন, গভীর অনুভূতির ছোঁয়ায় যা পংক্তিতে পংক্তিতে আলোড়িত।

- হুমায়ুন আজাদের এই কবিতারাশিতে যা বড়ো হয়ে ধরা পড়েছে, তা হচ্ছে প্রাজ্ঞতা, যার বড়ো অভাব আমাদের কবিতায়। আমাদের কবিদের বয়স বাড়ে না, তারা প্রাজ্ঞ হন না, থেকে যাওয়ার চেষ্টা করেন উত্তেজিত যৌবনে; কিন্তু হুমায়ুন আজাদ এগিয়েছেন সামনের দিকে।

---------------------
হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস:
- আব্বুকে মনে পড়ে,
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার,
- রাজনীতিবিদগণ,
- কবি অথবা দণ্ডিত পুরুষ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ।

অন্যদিকে, 
রফিক আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ হলো-
- চুনিয়া আমার আর্কেডিয়া, 
- সীমাবদ্ধ জলে, সীমিত সবুজে, 
- কোনো খেদ নেই। 

উৎস: 'কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু' কাব্যগ্রন্থ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৩.
নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ রচিত উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. ক) শঙ্খনীল কারাগার
  2. খ) জোছনা ও জননীর গল্প
  3. গ) আগুনের পরশমণি
  4. ঘ) মাতাল তরণী
ব্যাখ্যা
‘মাতাল তরণী’ হুমায়ুন আজাদ রচিত প্রবন্ধ। [সূত্র: LiveMCQ লেকচার]
২৪.
হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. অলৌকিক ইস্টিমার
  2. পাক সার জমিন সাদ বাদ
  3. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
  4. জ্বলো চিতাবা
ব্যাখ্যা

'পাক সার জমিন সাদ বাদ' উপন্যাস:
- হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস 'পাক সার জমিন সাদ বাদ'। উপন্যাসটি প্রথম বেরোয় দৈনিক ইত্তেফাক- এর ঈদ সংখ্যা ২০০৩-এ।
- বেরোনোর পর প্রগতিশীলেরা একে অভিনন্দিত করেন, আর মৌলবাদীরা মেতে ওঠে তার বিরুদ্ধে অক্রিমণে-উপন্যাসটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানায়। পুস্তকারে উপন্যাসটি পরিবর্ধিত হয়েছে।
- হুমায়ুন আজাদ এই উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছিলেন '১৯৭১' সালকে; পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের নামানুসারে এই উপন্যাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে কটাক্ষ করা হয়েছে।

হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ। 

হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২৫.
'শ্যামল ছায়া' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্রটির পরিচালক ছিলেন?
  1. জহির রায়হান
  2. তারেক মাসুদ
  3. চাষী নজরুল ইসলাম
  4. হুমায়ূন আহমদে
ব্যাখ্যা
'শ্যামল ছায়া':
- প্রখ্যাত কথাশিল্পী হুমায়ূন আহমদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র 'শ্যামলছায়া'।

- ২০০৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এই চলচ্চিত্রে উঠে এসেছে যুদ্ধকালীন কিছু বিশেষ দিক। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতাযুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের যাত্রাপথে যখনই দেখা পেয়েছেন সাধারণ বাঙালিদের, তখনই পেয়েছেন তাদের উষ্ণ অভ্যর্থনা, অসুস্থ হলে সেবা-শুশ্রূষা পেয়েছে পরম আন্তরিকতায়।

- সিনেমাটির বিশেষত্ব হচ্ছে, সরাসরি যুদ্ধের দৃশ্য না দেখিয়েও এতে যুদ্ধের আবহ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

- মূল চরিত্রে ছিলেন হুমায়ূন ফরিদী, মেহের আফরোজ শাওন, শিমুল, রিয়াজ, স্বাধীন খসরু, সৈয়দ আক্তার আলী, তানিয়া আহমেদ, এজাজুল ইসলাম, ফারুক আহমেদ প্রমুখ।

উৎস: বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।
২৬.
‘আজ রবিবার’ নাটকটি কে রচনা করেন?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. মাসুম রেজা
  3. জিয়া হায়দার
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
• 'আজ রবিবার' নাটকটির রচয়িতা হুমায়ূন আহমেদ। 

⇒ হুমায়ূন আহমেদ: 
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে। 
- শৈশবে হুমায়ূন আহমেদের নাম ছিল শামসুর রহমান। 
- তিনি একাধারে কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন। 
- 'নন্দিত নরকে' উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- আশির দশকে বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটক ও ধারাবাহিক নাটকের ইতিহাসে হুমায়ূন আহমেদ আলোড়ন সৃষ্টি করেন।
⇒ হুমায়ুন আহমেদের প্রথম টেলিভিশন নাটক - প্রথম প্রহর (১৯৮৩, পরিচালনা- নওয়াজেস আলী খান)।
⇒ তাঁর প্রথম ধারাবাহিক নাটক - "এইসব দিনরাত্রি" বাংলাদেশের দর্শকদের কাছে ব্যাপকভাবে সমাদৃত হয়।

এ ছাড়া অন্যান্য জনপ্রিয় ধারাবাহিকের মধ্যে আছে:
- বহুব্রীহি (কমেডি),
- অয়োময় (সামাজিক-ঐতিহাসিক),
- কোথাও কেউ নেই (নাগরিক জীবনভিত্তিক),
- আজ রবিবার (পারিবারিক-সামাজিক),
- নক্ষত্রের রাত (আধুনিক জীবনসমস্যা) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৭.
‘বহুব্রীহি’ নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. সাঈদ আহমদ
  3. মামুনুর রশীদ
  4. জিয়া হায়দার
ব্যাখ্যা
• ‘বহুব্রীহি’ নাটকটির রচয়িতা - হুমায়ূন আহমেদ
- এটি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়।

হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত নাটক:
- নক্ষত্রের রাত,
- এই সব দিনরাত্রি,
- বহুব্রীহি,
- অয়োময়, 
- কোথাও কেউ নেই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; বহুব্রীহি, হুমায়ূন আহমেদ।
২৮.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস-
  1. ক) জলাঙ্গী
  2. খ) শ্যামল ছায়া
  3. গ) নিষিদ্ধ লোবান
  4. ঘ) হাঙর নদী গ্রেনেড
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস-জোসনা ও জননীর গল্প, শ্যামল ছায়া, আগুনের পরশমনি, সূর্যের দিন ও অনিল বাগচীর একদিন।
শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস হলো- নেকড়ে অরণ্য (১৯৭৩), দুই সৈনিক (১৯৭৩), জাহান্নাম হইতে বিদায় (১৯৭২) এবং জলাঙ্গী।
সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘নিষিদ্ধ লোবান’।
সেলিনা হোসেন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার]
২৯.
হুমায়ূন আহমেদের পৈত্রিক বাড়ি কোথায়?
  1. কেন্দুয়া
  2. মোহনগঞ্জে
  3. পূর্বধলা
  4. খালিয়াজুড়ি
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩০.
‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকটির রচয়িতা -
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. হুমায়ুন কবির
  3. রফিক আজাদ
  4. হুমায়ুন আজাদ
ব্যাখ্যা
• ‘কোথাও কেউ নেই’ নাটকটির রচয়িতা - হুমায়ূন আহমেদ। এটি ১৯৯২ সালে প্রকাশিত হয়।

হুমায়ূন আহমেদ:

- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত নাটক:
- নক্ষত্রের রাত,
- এই সব দিনরাত্রি,
- বহুব্রীহি,
- অয়োময়, 
- কোথাও কেউ নেই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; কোথাও কেউ নেই, হুমায়ূন আহমেদ।
৩১.
হুমায়ূন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস কোনটি?
  1. কে কথা কয়
  2. শঙ্খনীল কারাগার
  3. নন্দিত নরকে
  4. আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা
• নন্দিত নরকে:
- হুমায়ূন আহমেদের লেখা প্রথম উপন্যাস।
- ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস।
- এটি তার শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর মধ্যে একটি।

• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে ১৯ জুলাই, ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত শ্রেষ্ঠ উপন্যাস:
- নন্দিত নরকে,
- শঙ্খনীল কারাগার,
- আগুনের পরশমণি,
- জোছনা ও জননীর গল্প।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- ১৯৭১,
- শ্যামল ছায়া,
- অনিল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া
৩২.
"শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার" কার রচনা?
  1. হাসান আজিজুল হক
  2. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  3. হুমায়ুন আজাদ
  4. মহাদেব সাহা
ব্যাখ্যা
হুমায়ুন আজাদ ছিলেন মূলত লেখক ও অধ্যাপক।
- তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল বিক্রমপুরের রাড়িখাল এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন।

হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস গুলো হলো:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল
- সবকিছু ভেঙে পড়ে
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার
- রাজনীতিবিদগণ
- কবি অথবা দন্ডিত পুরুষ
- পাক সার জমিন সাদ বাদ ইত্যাদি
- আব্বুকে মনে পড়ে

- হুমায়ুন আজাদ রচিত 'আব্বুকে মনে পড়ে' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস।

শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার - ১৯৯৭ সালের বই মেলায় প্রথম প্রকাশিত হয়।

[উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর]
৩৩.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. আগুনের পরশমণি
  2. সৌরভ
  3. শ্যামল ছায়া
  4. শ্রাবণ মেঘের দিন
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদ:
- তার জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলায়।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনিল বাগচীর একদিন।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- এই সব দিনরাত্রি,
- আমার আছে জল,
- নক্ষত্রের রাত,
- ফেরা,
- বহুব্রীহি,
- গৌরীপুর জংশন,
- শ্রাবণ মেঘের দিন,
- দুই দুয়ারী,
- কোথাও কেউ নেই,
- বৃষ্টি বিলাস,
- বাদশাহ নামদার,
- মেঘের ওপর বাড়ি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৩৪.
'অনীল বাগচীর একদিন' উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. ক) সৈয়দ শামসুল হক
  2. খ) হুমায়ূন আহমেদ
  3. গ) সেলিনা হোসেন
  4. ঘ) হুমায়ুন আজাদ
ব্যাখ্যা
'অনীল বাগচীর একদিন' উপন্যাসটির রচয়িতা- 'হুমায়ূন আহমেদ' 

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস -
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর , বাংলাপিডিয়া।
৩৫.
হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. শ্যামল ছায়া
  2. আগুনের পরশমণি
  3. ঘেটুপুত্র কমলা
  4. ১৯৭১
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত চলচ্চিত্র:
- হুমায়ূন আহমেদের প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫)।
- তার শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র শ্যামল ছায়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি অবলম্বনে নির্মিত।

উল্লেখ্য,
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম নেত্রকোনা জেলায় ১৯৪৮ সালে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২) তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনিল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৩৬.
নিম্নের কোনটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়?
  1. ক) শ্যামল ছায়া
  2. খ) জাহান্নম হইতে বিদায়
  3. গ) অনীল বাগচীর একদিন
  4. ঘ) জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা
কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস -
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনীল বাগচীর একদিন।

অন্যদিকে, 'জাহান্নম হইতে বিদায়' (১৯৭১) শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিক্তিক উপন্যাস।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৩৭.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস ‘আগুনের পরশমণি'এর রচয়িতা কে?
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. শওকত ওসমান
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
‘আগুনের পরশমণি' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস - আগুনের পরশমণি।
- উপন্যাসে ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের সামগ্রিক চালচ্চিত্র অংকিত হয়েছে। উপন্যাসটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- এই উপন্যাসে অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয় মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক। এভাবেই এই উপন্যাসের কাহিনি শুরু হয়েছে।

হুমায়ূন আহমেদ:
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর w বাংলাপিডিয়া।
৩৮.
'অনিল বাগচীর একদিন' উপন্যাসের প্রেক্ষাপট -
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. মুক্তিযুদ্ধ
  3. দেশভাগ
  4. সমাজের কুসংস্কার
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ 'অনিল বাগচীর একদিন'।

অনিল বাগচীর একদিন:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাসের মধ্যে 'অনিল বাগচীর একদিন' বেশ ভিন্ন ধারার।
- এখানে যুদ্ধ নেই প্রত্যক্ষভাবে তবে আছে সততার ঋজু সৌধ, যা নির্মাণ করেছে অনিল নামের একটি সাদাসিধে ছেলে।
- পিতার হত্যা-সংবাদ ও বোনের অন্যের বাড়িতে আশ্রয়ের খবর পেয়ে গ্রামে ফিরবে বলে অনিলের মধ্যে চাপা উত্তেজনা।
- সব মিলিয়ে উপন্যাসটি ভিন্ন আবেদন সৃষ্টি করে।
- পাকবাহিনীর সদস্যরা অনিলকে হত্যা করে।
- অনিল বাগচীর একদিন সমাপ্ত হয় চিরতরে কিন্তু বাংলাদেশে উদিত হয় স্বাধীনতার সূর্য।

উৎস:
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২. বাংলাপিডিয়া।
৩৯.
কোনটি হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ
  1. নরকে লাল গোলাপ
  2. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
  3. নন্দিত নরকে
  4. নরকের ফুল
ব্যাখ্যা
• কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।

-----------------------
• হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।

• হুমায়ুন আজাদ রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• “নরকে লাল গোলাপ” মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটকটির রচয়িতা আলাউদ্দিন আল আজাদ।
• হুমায়ূন আহমেদ রচিত প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে'।
• ‘নরকের ফুল’ গাজালা মাহমুদ রচিত কবিতার গ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪০.
হুমায়ূন আহমেদ কত সালে একুশে পদক লাভ করেছিলেন?
  1. ক) ১৯৮৭
  2. খ) ১৯৮৮
  3. গ) ১৯৯৪
  4. ঘ) ২০০৭
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদ বাংলা সাহিত্যের উপন্যাস শাখায় অসামান্য অবদানের জন্য ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি প্রদত্ত বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। এছাড়া বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে তাঁর অবদানের জন্য ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা 'একুশে পদকে' ভূষিত করে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

৪১.
'লাল নীল দীপাবলি' কার রচনা?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. হুমায়ুন আজাদ
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

লাল নীল দীপাবলি:
- কবি হুমায়ুন আজাদ বাঙলা সাহিত্য নিয়ে লিখেছেন লাল নীল দীপাবলি বা বাঙলা সাহিত্যের জীবনী।
- এটি প্রথম প্রকাশ হয়েছিল ১৯৭৬ সালে।
- এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস সম্পর্কিত একটি কিশোরসাহিত্য গ্রন্থ।

• হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ ছিলেন একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল বিক্রমপুরের রাড়িখালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পূর্ব নাম হুমায়ুন কবির।
- ১৯৮৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি হুমায়ুন কবির নাম পরিবর্তর করে বর্তমান হুমায়ুন আজাদ নাম গ্রহণ করেন।
- তার সাহিত্যজীবনের শুরু হয় কাব্য রচনার মাধ্যমে।
- সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৮৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন।
- মিউনিখ শহরে ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট তাঁর মৃত্যু হয়।

• কিশোরসাহিত্য-গ্রন্থ
- লাল নীল দীপাবলি (১৯৭৬),
- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না (১৯৮৫),
- কতো নদী সরোবর (১৯৮৭),
- আববুকে মনে পড়ে (১৯৮৯),
- বুকপকেটে জোনাকিপোকা (১৯৯৩),
- আমাদের শহরে একদল দেবদূত (১৯৯৬),
- অন্ধকারে গন্ধরাজ (২০০৩) প্রভৃতি।

• কবিতা:
- অলৌকিক ইস্টিমার (প্রথম কাব্যগ্রন্থ),
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- যতোই গভীরে যায় মধু, যতোই ওপরে যাই নীল, ইত্যাদি।

• উপন্যাসসমূহ:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সবকিছু ভেঙে পড়ে,
- রাজনীতিবিদগণ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ, ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৪২.
'ফিহা সমীকরণ' হুমায়ুন আহমেদ রচিত-
  1. ক) উপন্যাস
  2. খ) ছোটগল্প
  3. গ) সায়েন্স ফিকশন
  4. ঘ) আত্মজীবনী
ব্যাখ্যা
'ফিহা সমীকরণ' হুমায়ুন আহমেদ রচিত- সায়েন্স ফিকশন। তোমাদের জন্য ভালোবাসা, দ্বিতীয় মানব, শূন্য এগুলোও তাঁর রচিত সায়েন্স ফিকশন।‌ উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।
৪৩.
কোনটি  মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস?
  1. ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল
  2. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
  3. জ্বলো চিতাবাঘ
  4. সব কিছু ভেঙে পড়ে
ব্যাখ্যা

• 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস:
- হুমায়ুন আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস- 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' (১৯৯৪)।
- এই উপন্যাস প্রকাশের মধ্য দিয়ে হুমায়ুন আজাদ ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রাশেদকে উপন্যাসটি উৎসর্গ করা হয়।

----------------
• হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস:
- আব্বুকে মনে পড়ে,
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে [হুমায়ুন আজাদের 'সব কিছু ভেঙ্গে পড়ে'র বিষয় নারীপুরুষের শারীরিক ও হৃদয়সম্পর্কের কাঠামোটি।]
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার,
- রাজনীতিবিদগণ,
- কবি অথবা দণ্ডিত পুরুষ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ (মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক)।

• হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস।

৪৪.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. অনিল বাগচীর একদিন
  2. দেয়াল
  3. জোছনা ও জননীর গল্প
  4. আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা
• দেয়াল:
- বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হুমায়ুন আহমেদের শেষ উপন্যাস দেয়াল।
- এটি তাঁর লেখা একটি ইতিহাসাশ্রয়ী উপন্যাস যার ভিত্তি মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্মমভাবে সপরিবারে হত্যা ও সেই সময়কার ঘটনাপ্রবাহের বর্ণনার মাধ্যমে এই উপন্যাসের পরিসমাপ্তি ঘটে।
- এটি তার মৃত্যুর এক বছর পর গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

---------------------------
• হুমায়ূন আহমেদ:

- হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২) কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক এর জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩)।
- গল্প, উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, শিশুতোষ গ্রন্থ, নাটক, প্রবন্ধ, আত্মজৈবনিক রচনা প্রভৃতি মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক।

• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া,
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচীর একদিন,
- জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া; ‘দেয়াল’ উপন্যাস।
৪৫.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস নয় কোনটি?
  1. জোছনা ও জননীর গল্প
  2. আগুনের পরশমণি
  3. অনিল বাগচীর একদিন
  4. নন্দিত নরকে
ব্যাখ্যা

নন্দিত নরকে হুমায়ূন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস। 
- এটি মূলত একটি পারিবারিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে লেখা, যা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস হিসেবে পরিচিত নয়। 

হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একাধারে লেখক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র পরিচালক, গীতিকার ও শিক্ষক।
- তাঁর জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জ উপজেলায় মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক নিবাস নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।
- তাঁর ছোট ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল ছিলেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এবং জনপ্রিয় লেখক।

সাহিত্যকর্ম:
- ছাত্রজীবনে লেখা ‘নন্দিত নরকে’ উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে আত্মপ্রকাশ করেন।
- মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক তাঁর গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে: শ্যামল ছায়া, আগুনের পরশমণি, অনিল বাগচীর একদিন ও জোছনা ও জননীর গল্প।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪৬.
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' এর লেখক কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. জাহানারা ইমাম
  3. কাজী মোতাহার হোসেন
  4. হুমায়ুন আজাদ
ব্যাখ্যা
• 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস:
- হুমায়ুন আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস- 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' (১৯৯৪)।
- এই উপন্যাস প্রকাশের মধ্য দিয়ে হুমায়ুন আজাদ ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রাশেদকে উপন্যাসটি উৎসর্গ করা হয়।

হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।

হুমায়ুন আজাদ রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৪৭.
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস কোনটি?
  1. একাত্তরের দিনগুলি
  2. চিলেকোঠার সেপাই
  3. অনীল বাগচীর একদিন
  4. যে অরণ্যে আলো নেই
ব্যাখ্যা
• 'অনিল বাগচীর একদিন' উপন্যাস:
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক উপন্যাসের মধ্যে হুমায়ূন আহমেদ রচিত 'অনিল বাগচীর একদিন' বেশ ভিন্ন ধারার।
- এখানে যুদ্ধ নেই প্রত্যক্ষভাবে, তবে আছে সততার ঋজু সৌধ, যা নির্মাণ করেছে অনিল নামের একটি সাদাসিধে ছেলে।

উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ:
গল্পের মূল চরিত্র হচ্ছে অনিল বাগচী। পিতা সুরেশ বাগচী ও বোন অতশীকে ছেড়ে সে চাকরিজীবী হিসেবে ঢাকার এক মেচে থাকে। ২৪ বছরের একজন যুবক হওয়া সত্ত্বেও সে অসম্ভব ভীতু ধরনের একটি ছেলে। ভয় পাওয়ার বেশিরভাগ ঘটনাই অহেতুক। যেমন, ঘরে একা থাকা অবস্থায় দরজায় সাধারণ টোকা পড়লেও তার ভয়ে গলা শুকিয়ে কাঠ হয়ে যায়। মেচের এক প্রতিবেশী গফুর সাহেবের নিকট হঠাৎ একদিন রুপেশ্বর থেকে একটি খোলা চিঠি আসে। সেই চিঠিতে অনিল বাগচীর জন্যে অপেক্ষা করছিল ভয়াবহ একটি দুঃসংবাদ। গফুর সাহেব পরদিন অনিল বাগচীকে সেই দুঃসংবাদ জানালে হঠাৎ করেই অনিল সাহসী হয়ে উঠে। পিতার হত্যা-সংবাদ ও বোনের অন্যের বাড়িতে আশ্রয়ের খবর পেয়ে গ্রামে ফিরবে বলে অনিলের মধ্যে চাপা উত্তেজনা- সব মিলিয়ে উপন্যাসটি ভিন্ন আবেদন সৃষ্টি করে। পাকবাহিনীর সদস্যরা অনিলকে হত্যা করে। অনিল বাগচীর একদিন সমাপ্ত হয় চিরতরে কিন্তু বাংলাদেশে উদিত হয় স্বাধীনতার সূর্য।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন।

অন্যদিকে, 
• জাহানারা ইমাম রচিত গ্রন্থ 'একাত্তরের দিনগুলি'। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক তাঁর অসাধারণ ডায়েরি গ্রন্থ।
• 'চিলেকোঠার সেপাই' ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস।
• “যে অরণ্যে আলো নেই” ড. নীলিমা ইব্রাহিম রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি নাটক (১৯৭৪)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৪৮.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. অনিল বাগচীর একদিন
  2. শ্যামল ছায়া
  3. সূর্যের দিন
  4. জোছনা ও জননীর গল্প
ব্যাখ্যা
• ‘সূর্যের দিন' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদ রচিত উপন্যাস সূর্যের দিন। 
- উপন্যাসটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়। 
- উপন্যাসে ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয় অর্জন থেকে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত বাঙালির মানসিক অবস্থার ভাষারূপ অংকিত হয়েছে।

---------------------------
• হুমায়ূন আহমেদ:
- কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনিল বাগচীর একদিন ইত্যাদি।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৪৯.
হুমায়ুন আজাদ রচিত ‘আব্বুকে মনে পড়ে’ কোন আঙ্গিকের সাহিত্যকর্ম?
  1. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর কাব্য
  2. ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কবিতা 
  3. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস
  4. ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস
ব্যাখ্যা

• 'আব্বুকে মনে পড়ে' হলো হুমায়ুন আজাদের শিশু-কিশোরদের জন্য লেখা মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস। 
-----------------------
• ‘আব্বুকে মনে পড়ে’ উপন্যাস নিয়ে কিছু কথা:

- হুমায়ুন আজাদ রচিত ‘আব্বুকে মনে পড়ে’ একটি কিশোর উপন্যাস, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়ের ঘটনা নিয়ে লেখা। গল্পটি একটি শিশুর চোখে দেখা যুদ্ধ এবং তার বাবার হারানোর দুঃখকে তুলে ধরে। কিশোরী বর্ণনাকারী তার বাবার স্মৃতিগুলো মনে করেই গল্প বলছে, যিনি মুক্তিযোদ্ধা হয়ে শহিদ হয়েছেন। উপন্যাসে যুদ্ধের সময় ঢাকা ও গ্রাম, পরিবারের কষ্ট, বাবার অভাব, এবং দেশের প্রতি শিশুর ভালোবাসা সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে। গল্পের প্রধান চরিত্রগুলো হলো রাশেদ (আব্বু), তার মেয়ে এবং মা। হুমায়ুন আজাদ খুব সহজ ও আবেগপূর্ণ ভাষায় পরিবারের বেদনা ও দেশের জন্য মমত্ববোধ প্রকাশ করেছেন।
--------------
• হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ ছিলেন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতার নাম আবদুর রাশেদ (স্কুল শিক্ষক) এবং মাতার নাম জোবেদা খাতুন।
- তাঁর জন্মনাম ছিল হুমায়ুন কবির, যা ১৯৮৮ সালে তিনি পরিবর্তন করে হুমায়ুন আজাদ রাখেন।

- হুমায়ুন আজাদ সাহিত্যে প্রথাবিরোধী ও বহুমাত্রিক চিন্তাধারার লেখক ছিলেন।
- তিনি যা ভাবতেন তা সাহসের সঙ্গে প্রকাশ করতেন, ফলে বিতর্ক ও বিরোধের মুখে পড়তেন।
- এক পর্যায়ে মৌলবাদীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়ে প্রায় পঙ্গু হন।
- ১৯৮৬ সালে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন।
- ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট জার্মানির মিউনিখে হুমায়ুন আজাদের মৃত্যু হয়।

- হুমায়ুন আজাদের সাহিত্যকর্ম বিস্তৃত:
• হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু, যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল (প্রথম প্রকাশিত)
- মানুষ হিসেবে আমার অপরাধসমূহ,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার,
- রাজনীতিবিদগণ,
- কবি অথবা দণ্ডিত পুরুষ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ,
- একটি খুনের স্বপ্ন। 

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ ও গবেষণাসংক্রান্ত গ্রন্থ:
- রবীন্দ্রপ্রবন্ধ: রাষ্ট্র ও সমাজচিন্তা,
- বাংলা ভাষার শত্রুমিত্র,
- Pronominalization In Bengali,
- বাক্যতত্ত্ব,
- বাঙলা ভাষা (দু-খন্ড),
- ভাষা-আন্দোলন: সাহিত্যিক পটভূমি,
- নারী (বিতর্কিত), 
- দ্বিতীয় লিঙ্গ (বিতর্কিত)। 

• তাঁর রচিত শিশু-কিশোর সাহিত্য:
- লাল নীল দীপাবলি,
- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না,
- কতো নদী সরোবর,
- আব্বুকে মনে পড়ে (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস), 
- বুকপকেটে জোনাকিপোকা,
- আমাদের শহরে একদল দেবদূত,
- অন্ধকারে গন্ধরাজ।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া। 

৫০.
'আব্বুকে মনে পড়ে' হুমায়ুন আজাদ রচিত -
  1. ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস
  2. ভাষা আন্দোলনভিত্তিক কাব্য
  3. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস
  4. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর কাব্য
ব্যাখ্যা
• 'আব্বুকে মনে পড়ে' হুমায়ুন আজাদ রচিত - মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস

আব্বুকে মনে পড়ে:
- হুমায়ুন আজাদ রচিত 'আব্বুকে মনে পড়ে' মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক কিশোর উপন্যাস
- উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র এক শিশু। ১৯৭১ সালে যার বয়স ছিল ৪ বছর।
- যার মনে বারবার ভেসে উঠে যুদ্ধ করতে যাওয়া তার বাবার স্মৃতি।

হুমায়ুন আজাদ:
- তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল বিক্রমপুরের রাড়িখাল এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মূলত লেখক ও অধ্যাপক।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অলৌকিক ইস্টিমার'।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮৬) লাভ করেন।
- তিনি ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- আব্বুকে মনে পড়ে,
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার,
- রাজনীতিবিদগণ,
- কবি অথবা দণ্ডিত পুরুষ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ৷

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৫১.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত 'অনিল বাগচীর একদিন' কোন আঙ্গিকের সাহিত্যকর্ম? 
  1. গীতিনাট্য
  2. চলচ্চিত্র
  3. উপন্যাস
  4. কাহিনি কাব্য
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদ রচিত ‘অনিল বাগচীর একদিন’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
------------------------------------
'অনিল বাগচীর একদিন' উপন্যাসের খুঁটিনাটি: 
- হুমায়ূন আহমেদের 'অনিল বাগচীর একদিন' উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অস্থির ও ভয়াবহ সময়কে কেন্দ্র করে রচিত একটি ট্র্যাজিক আখ্যান।
- অনিল বাগচীর একদিন মূলত এক ভীতু কিন্তু মানবিক মানুষের সাহস ও আত্মত্যাগের বেদনাময় কাহিনি। 
- কাহিনির কেন্দ্রে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত তরুণ হিন্দু যুবক অনিল বাগচী। 
- অনিলের জীবন জুড়ে বিরাজ করে নিরাপত্তাহীনতা, ভয় এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা।
- ব্যক্তিগত দ্বন্দ্ব, পারিবারিক দায়িত্ব এবং পরিস্থিতির চাপে তার পালিয়ে বাঁচার মানসিকতা ক্রমশ প্রকট হয়ে ওঠে, যা উপন্যাসের আবেগঘন প্রবাহকে গতি দেয়।

- টাঙ্গাইলের রূপেশ্বরে অবস্থানরত বাবা ও ছোট বোন অণিমার নিরাপত্তা নিয়ে সে গভীর উদ্বেগে পড়ে; 
- কারণ চারদিকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নিপীড়ন এবং হিন্দু পরিবারগুলোর ওপর সহিংসতার সংবাদ ছড়িয়ে পড়ে।
- উপন্যাসে টাঙ্গাইলে বাবা ও ছোট বোন অণিমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যাওয়ার পথে পাকিস্তানি সেনা ও দেশীয় দালালদের ভয়ে অনিলের অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রাম চিত্রিত হয়েছে।
- শেষ পর্যন্ত উপন্যাসটি অনিল বাগচীর জীবনের করুণ পরিণতির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের নির্মম বাস্তবতা ও সাধারণ মানুষের অসহায় অবস্থাকে গভীরভাবে তুলে ধরে।
----------------------------
• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক এবং শিক্ষাবিদ।
- তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি সাহিত্যিক।
- তিনি স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সাহিত্যে অসামান্য প্রভাব ফেলেছেন।
- তাঁর জনপ্রিয় চরিত্রের মধ্যে রয়েছে হিমু, মিসির আলি এবং শুভ্র।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক:
• আজ রবিবার;
• কোথাও কেউ নেই।

- হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
• সৌরভ;
• জোছনা ও জননীর গল্প;
• শ্যামল ছায়া;
• ১৯৭১;
অনিল বাগচীর একদিন;
• আগুনের পরশমনি।

- এছাড়া তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে আছে:
• নন্দিত নরকে;
• শঙ্খনীল কারাগার;
• লীলাবালি;
• বাদশা নামদার।
------------------------------------------- 

উৎস:
'অনিল বাগচীর একদিন' উপন্যাস; 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

৫২.
হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত প্রথম চলচ্চিত্র কোনটি?
  1. দুই দুয়ারী
  2. শ্রাবণ মেঘের দিন
  3. আগুনের পরশমণি
  4. আমার আছে জল
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ ও তাঁর নির্মিত চলচ্চিত্র:
• হুমায়ূন আহমেদ চলচ্চিত্র নির্মাণেও সার্থক। তাঁর প্রথম চলচ্চিত্র "আগুনের পরশমণি" (১৯৯৫)। এটি তার নিজের লেখা আগুনের পরশমণি উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এবং পরিচালিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এতে অভিনয় করেছেন বিপাশা হায়াত, আসাদুজ্জামান নূর, আবুল হায়াত, ডলি জহুর সহ আরো অনেকে।
- বাংলাদেশে সরকারী চলচ্চিত্র অনুদানে নির্মিত "আগুনের পরশমণি" চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রসহ আটটি বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করে।

• হুমায়ূন আহমেদের শেষ ছবি "ঘেটুপুত্র কমলা" (২০১২)। ৮৫তম অস্কার বাংলাদেশ কমিটি ৮৫তম একাডেমী অ্যাওয়ার্ড (অস্কার) প্রতিযোগিতার জন্য ঘেটুপুত্র কমলা ছবিটি মনোনীত করে। সুস্থ ধারার চলচ্চিত্র উপহার দিয়ে হুমায়ূন আহমেদ মধ্যবিত্ত দর্শকদের হলমুখী করে তোলেন।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র 'শ্যামল ছায়া' ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি অবলম্বনে নির্মিত। এটি 'অস্কার একাডেমী পুরস্কার'-এর জন্য 'সেরা বিদেশি ভাষার চলচ্চিত্র' বিভাগে বাংলাদেশ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য নির্বাচিত হয়।

অন্যান্য পরিচালিত চলচ্চিত্র:
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০),
- দুই দুয়ারী (২০০১),
- চন্দ্রকথা (২০০৩),
- নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭) এবং
- আমার আছে জল (২০০৮)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫৩.
শামসুর রাহমান : নিঃসঙ্গ শেরপা - কার রচিত গ্রন্থ?
  1. ক) শামসুর রহমান
  2. খ) আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  3. গ) হুমায়ুন আজাদ
  4. ঘ) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান
ব্যাখ্যা
''শামসুর রাহমান : নিঃসঙ্গ শেরপা'' - হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ যা ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয়।
তার অন্যান্য প্রবন্ধ গ্রন্থ -
- নারী,
- আমার অবিশ্বাস,
- দ্বিতীয় লিঙ্গ,
- শিল্পকলার বিমানবিকীরণ ইত্যাদি।
উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
৫৪.
হুমায়ূন আহমেদের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. শঙ্খনীল কারাগার
  2. এই সব দিনরাত্রি
  3. বাদশাহ নামদার
  4. বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

'বাদশাহ নামদার' উপন্যাস:
- 'বাদশাহ নামদার' হুমায়ূন আহমেদ রচিত বাংলা ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস।
- এটি ২০১১ সালে অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়। বইটিকে হুমায়ূন আহমেদের অন্যতম সেরা সৃষ্টি বলে গণ্য করা হয়।
- হুমায়ূন আহমেদ বাদশাহ নামদার বইটি লেখার সময় গুলবদন বেগম রচিত হুমায়ুন-নামা এবং জওহর আফতাবচির তাজকিরাতুল ওয়াকিয়াত গ্রন্থ থেকে ইতিহাসের ঘটনাবলি নিয়েছেন। আফতাবচি সম্রাট হুমায়ূনকে পানি পান করাতেন।

-------------------------
• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক। হুমায়ূন আহমেদের জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে। তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।

- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব। ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়। তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩)।

- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস জোছনা ও জননীর গল্প। হুমায়ূন আহমেদকে বাংলাদেশের সায়েন্স ফিকশনের পথিকৃৎ বলা যায়। তাঁর অন্যতম সায়েন্স ফিকশন তোমাদের জন্য ভালোবাসা।

- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস মধ্যাহ্ন এবং বাদশাহ নামদার।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম:
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া
- আগুনের পরশমণি
- অনিল বাগচীর একদিন
- জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি।

উপন্যাস:
- নন্দিত নরকে,
- শঙ্খনীল কারাগার,
- আনন্দ বেদনার কাব্য,
- যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ,
- আমার আছে জল,
- আজ রবিবার,
- এই সব দিনরাত্রি,
- বহুব্রীহি,
- অয়োময়,
- শ্রাবণ মেঘের দিন,
- দুই দুয়ারী,
- কোথাও কেউ নেই,
- মহাপুরুষ,
- বৃষ্টিবিলাস,
- মৃন্ময়,
- এপিটাফ,
- লীলাবতী,
- তিন পুরুষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৫৫.
'জ্যোৎস্না ও জননীর' গল্প কী ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস 
  2. ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক উপন্যাস 
  3. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• 'জ্যোৎস্না ও জননীর গল্প' হুমায়ূন আহমেদ এর রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস।

• 'জ্যোৎস্না ও জননীর গল্প':
- হুমায়ূন আহমেদের ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ উপন্যাসের প্রেক্ষাপট হলো বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ।
- গল্পটি একটি সাধারণ গ্রাম্য পরিবারের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে।
- ‘জোছনা ও জননীর গল্প’ উপন্যাসে মাওলানা ইরতাজউদ্দিন কাশেমপুরী, তাঁর ভাই শাহেদ, শাহেদের স্ত্রী আসমানী ও মেয়ে রুনি— এই চরিত্রগুলো মাধ্যমে লেখক যুদ্ধের বাস্তবতা, ত্যাগ এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রাম ফুটিয়ে তুলেছেন।
- লেখক ইতিহাস ও কল্পনার মিশ্রণে মুক্তিযুদ্ধকালীন মানুষের সংগ্রাম ও স্বাধীনতার চেতনা উপস্থাপন করেছেন।
-----------------------------------------
হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক এবং শিক্ষাবিদ।
- তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি সাহিত্যিক।
- তিনি স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সাহিত্যে অসামান্য প্রভাব ফেলেছেন।
- তাঁর জনপ্রিয় চরিত্রের মধ্যে রয়েছে হিমু, মিসির আলি এবং শুভ্র।
- তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
• অনীল বাগচীর একদিন,
• সৌরভ,
•  শ্যামল ছায়া,
• আগুনের পরশমণি,
• ১৯৭১। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

৫৬.
“মিসির আলি” চরিত্রটি কার সৃষ্টি?
  1. শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. সত্যজিৎ রায়
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• মিসির আলি সিরিজ:
“মিসির আলি” বাংলাদেশের প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক হুমায়ূন আহমেদ সৃষ্ট একটি জনপ্রিয় চরিত্র। মিসির আলি কাহিনিগুলো রহস্যমাত্রিক। মিসির আলির কাহিনিগ‌ুলো ঠিক গোয়েন্দা কাহিনি নয়, কিংবা 'ক্রাইম ফিকশন' বা 'থ্রিলার' কাহিনি নয়, বরং মনস্তাত্ত্বিক, বিজ্ঞাননির্ভর এবং যুক্তিনির্ভর কাহিনির বুনটে বাঁধা। অনেক ক্ষেত্রে একে রহস্যগল্প বলা চলে। চারিত্রিক দিক দিয়ে মিসির আলি চরিত্রটি হুমায়ূন আহমেদের আরেক অনবদ্য সৃষ্টি।

মিসির আলি সিরিজের অন্যান্য পর্বগুলো হলো:
- দেবী (১৯৮৫),
- অন্যভুবন (১৯৮৭),
- বিপদ (১৯৯১),
- মিসির আলির অমীমাংসিত রহস্য (১৯৯৪),
- তন্দ্রাবিলাস (১৯৯৭),
- আমিই মিসির আলি (২০০০),
- বাঘবন্দি মিসির আলি (২০০১),
- নিশীথিনী (২০০৪),
- নিষাদ (২০০৪),
- বৃহন্নলা (২০০৪),
- কহেন কবি কালিদাস (২০০৫),
- মিসির আলির চশমা (২০০৮)  প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ‘মিসির আলি সিরিজ’ হুমায়ূন আহমেদ।
৫৭.
'শ্যামল ছায়া' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. ক) হুমায়ূন আহমেদ
  2. খ) তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. গ) যাযাবর
  4. ঘ) সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা
১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্টের ট্র্যাজেডিকে কেন্দ্র করে রচিত ‘দেয়াল’ রাজনৈতিক উপন্যাসটির রচয়িতা হুমায়ুন আহমেদ। তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস - জোছনা ও জননীর গল্প, আগুনের পরশমণি, শ্যামল ছায়া, সৌরভ, ১৯৭১, অনীল বাগচীর একদিন।
Source: LiveMCQ Lecture
৫৮.
হুমায়ুন আজাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ কোনটি?
  1. জ্বলো চিতাবাঘ
  2. অলৌকিক ইস্টিমার
  3. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
  4. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
ব্যাখ্যা

হুমায়ুন আজাদের প্রথম কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে অলৌকিক ইস্টিমার। 

হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল, বিক্রমপুরের রাড়িখাল এলাকায়।
- তিনি মূলত একজন লেখক ও অধ্যাপক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অলৌকিক ইস্টিমার’ প্রকাশিত হয় ১৯৭৩ সালে।
- তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন ১৯৮৬ সালে।
- হুমায়ুন আজাদ মৃত্যুবরণ করেন ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট।

প্রধান কাব্যগ্রন্থ:
-  অলৌকিক ইস্টিমার,
-  জ্বলো চিতাবাঘ,
-  সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
-  যতোই গভীরে যাই মধু, যতোই উপরে যাই নীল,
-  কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

৫৯.
'অপরাহ্ন' নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. ক) মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
  2. খ) রাবেয়া খাতুন
  3. গ) হুমায়ুন আহমেদ
  4. ঘ) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
• 'অপরাহ্ন' নাটকটির রচয়িতা হুমায়ূন আহমেদ। 

»হুমায়ূন আহমেদ-
- কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস -
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর , বাংলাপিডিয়া।
৬০.
হুমায়ুন আহমেদের উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত “আগুনের পরশমনি” - চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) মোর্শেদুল ইসলাম
  2. খ) হাফিজ মোহম্মদ বরকতুল্লাহ
  3. গ) নাসিরুদ্দিন ইউসুফ
  4. ঘ) হুমায়ুন আহমেদ
  5. ঙ) চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
হুমায়ুন আহমেদ রচিত উপন্যাস - “আগুনের পরশমনি” প্রকাশিত হয় ১৯৮৬ সালে। পরে ১৯৯৪ সালে হুমায়ুন আহমেদের পরিচালনাতেই একই নামে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়। উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
৬১.
‘অয়োময়’ নাটকটি কে রচনা করেছেন?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. রাবেয়া খাতুন
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. জিয়া হায়দার
ব্যাখ্যা
• ‘অয়োময়’ নাটকটি হুমায়ূন আহমেদ রচনা করেছেন।
- এটি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়।

হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত নাটক:
- নক্ষত্রের রাত,
- এই সব দিনরাত্রি,
- বহুব্রীহি,
- অয়োময়
- কোথাও কেউ নেই ইত্যাদি।

অভিসম্বন্ধ: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; ‘অয়োময়’ নাটক, হুমায়ূন আহমেদ।
৬২.
'অয়োময়' নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. ক) ইমদাদুল হক মিলন
  2. খ) সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  3. গ) মমতাজউদদীন আহমেদ
  4. ঘ) হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদের একটি বিখ্যাত নাটক অয়োময়‌
- ক্ষয়িষ্ণু জমিদার প্রথা নাটকটির মূল উপজীব্য।
- নাটকটি মূলত জমিদার মির্জা সাহেবের বিচিত্র চরিত্রকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত।
- একসময় জমিদার নিজে জমিদারি প্রথার প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে গভীর রাতে সংসার ত্যাগ করেন।

উৎস: শীকর বাংলা প্রশ্ন-পাঠ, মোহসীনা নাজিলা।
৬৩.
কোন উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব ঘটে?
  1. ক) নন্দিত নরকে
  2. খ) শঙ্খনীল কারাগার
  3. গ) আগুনের পরশমণি
  4. ঘ) আশাবরী
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- শৈশবে হুমায়ূন আহমেদের নাম ছিল শামসুর রহমান।
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ময়মনসিংহ) প্রভাষক হিসেবে শুরু হয় হুমায়ূন আহমেদের কর্মজীবন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন।
- ১৯৯০ সালের মাঝামাঝি সময়ে তিনি অধ্যাপনা পেশা থেকে অবসর গ্রহণ করেন এবং সার্বক্ষণিক সাহিত্যর্চ্চায় মনোনিবেশ করেন।

- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩)।

- তাঁর শেষ উপন্যাস দেয়াল (পটভূমি ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ড ও তৎকালীন রাজনৈতিক ঘটনা)।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস জোছনা ও জননীর গল্প।
- হুমায়ূন আহমেদকে বাংলাদেশের সায়েন্স ফিকশনের পথিকৃৎ বলা যায়।
- তাঁর অন্যতম সায়েন্স ফিকশন তোমাদের জন্য ভালোবাসা।
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস মধ্যাহ্ন এবং বাদশাহ নামদার। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬৪.
নিচের কোনটি হুমায়ুন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ?
  1. ক) কাঠপেন্সিল
  2. খ) রংপেন্সিল
  3. গ) লীলাবতীর মৃত্যু
  4. ঘ) সবগুলোই আত্মজীবনীমূলক
ব্যাখ্যা
উল্লেখিত সবগুলো গ্রন্থই হুমায়ুন আহমেদের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। তার রচিত গল্পগ্রন্থের নাম - এলেবেলে। অটিজম নিয়ে তার একটি উপন্যাস রয়েছে - কে কথা কয়। উৎসঃ মোহসীনা নাজিলা রচিত শীকর বাংলা ভাষা ও সাহিত্য।
৬৫.
“ঘেটুপুত্র কমলা” চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. ক) মোর্শেদুল আলম
  2. খ) সুভাষ দত্ত
  3. গ) হুমায়ুন আহমেদ
  4. ঘ) চাষী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদের সর্বশেষ নির্মিত চলচ্চিত্র 'ঘেটুপুত্র কমলা' যা ২০১২ সালে নির্মিত হয়েছিল। তাঁর নির্মিত অন্যান্য চলচ্চিত্র- আগুনের পরশমনি, শ্রাবণ মেঘের দিন, দুই দুয়ারী, শ্যামল ছায়া, আমার আছে জল।
এছাড়াও তিনি নিজে পরিচালনা করেননি কিন্তু তাঁর উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত এরকম কিছু চলচ্চিত্রঃ শঙ্খনীল কারাগার, দারুচিনি দ্বীপ, নন্দিত নরকে।

৬৬.
‘নীল অপরাজিতা’ উপন্যাসটির রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. শামসুর রাহমান
  4. হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা

• ‘নীল অপরাজিতা' হুমায়ূন আহমেদ রচিত উপন্যাস।

এই কাহিনীর সঙ্গে বাস্তব জীবনের কোন মিল নেই। নীল অপরাজিতার মূল চরিত্রে আছেন-একজন ঐপন্যাসিক। পাঠক-পাঠিকারা যদি আমাকেই সেই ঔপন্যাসিক ভেবে বসেন তাহলে আমার জন্যে খুব অস্বস্তির ব্যাপার হবে। (হুমায়ূন আহমেদ)


• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ (১৯৪৮-২০১২)  কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক এর জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস শঙ্খনীল কারাগার (১৯৭৩)।
- গল্প, উপন্যাস, সায়েন্স ফিকশন, শিশুতোষ গ্রন্থ, নাটক, প্রবন্ধ, আত্মজৈবনিক রচনা প্রভৃতি মিলিয়ে তাঁর গ্রন্থের সংখ্যা তিন শতাধিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া এবং ‘নীল অপরাজিতা’ হুমায়ূন আহমেদ।

৬৭.
নিচের কোনটি হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গ্রন্থ নয়?
  1. আগুনের পরশমনি
  2. অনিল বাগচীর একদিন
  3. শঙ্খনীল কারাগার
  4. শ্যামল ছায়া
ব্যাখ্যা
'শঙ্খনীল কারাগার' হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক গ্রন্থ নয়।
- শঙ্খনীল কারাগার' হুমায়ূন আহমেদের সমকালীন উপন্যাস।

• হুমায়ূন আহমেদ: 
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে। 
- শৈশবে হুমায়ূন আহমেদের নাম ছিল শামসুর রহমান। 
- তিনি একাধারে কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন। 
- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।

- তাঁর রচিত সাহিত্যকর্ম: 
• মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক গ্রন্থ:
- শ্যামল ছায়া
- আগুনের পরশমণি
- অনিল বাগচীর একদিন
- জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি। 

• উপন্যাস:
- নন্দিত নরকে,  
- শঙ্খনীল কারাগার , 
- আনন্দ বেদনার কাব্য,  
- যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ , 
- আমার আছে জল, 
- আজ রবিবার , 
- এই সব দিনরাত্রি , 
- বহুব্রীহি , 
- অয়োময় , 
- শ্রাবণ মেঘের দিন ,  
- দুই দুয়ারী,  
- কোথাও কেউ নেই,  
- মহাপুরুষ,  
- বৃষ্টিবিলাস, 
- মৃন্ময়, 
- এপিটাফ,  
- লীলাবতী, 
- তিন পুরুষ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৮.
হুমায়ুন আজাদের কোন গ্রন্থটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত নয়?
  1. ক) নারী
  2. খ) দ্বিতীয় লিঙ্গ
  3. গ) পাক সার জমীন সাদ বাদ
  4. ঘ) অলৌকিক ইস্টিমার
ব্যাখ্যা
হুমায়ুন আজাদের অলৌকিক ইস্টিমার গ্রন্থটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত নয়। 
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার.
-  তাঁর নারী, দ্বিতীয় লিঙ্গ, পাক সার জমীন সাদ বাদ গ্রন্থ তিনটিকে সরকার বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে।

হুমায়ুন আজাদ:
- তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল  বিক্রমপুরের রাড়িখালে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী। 
- ১৯৮৮ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর তিনি হুমায়ুন কবির নাম পরিবর্তর করে বর্তমান হুমায়ুন আজাদ নাম গ্রহণ করেন।
- ১৯৭০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এবং ১৯৭২ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক পদে যোগদান করেন।
- ১৯৭৮ সালের ১ নভেম্বর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন এবং ১৯৮৬ সালে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন।

তাঁর রচিত গ্রন্থ:
কাব্যগ্রন্থ:
-  যতোই গভীরে যাই মধু যতোই ওপরে যাই নীল 
- আমি বেঁচেছিলাম অন্যদের সময়ে 
- কাব্যসংগ্রহ 
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
প্রবন্ধগ্রন্থ:
- শামসুর রাহমান/নিঃসঙ্গ শেরপা
- বিমানবিকীকরণ ও অন্যান্য প্রবন্ধ 
- ভাষা-আন্দোলন : সাহিত্যিক পটভূমি 
- নারী 
- নরকে অনন্ত ঋতু 
- প্রবচনগুচ্ছ
- সীমাবদ্ধতার সূত্র 
- আধার ও আধেয় 
- আমার অবিশ্বাস 
- নির্বাচিত প্রবন্ধ 
- আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম প্রভৃতি। 
উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল 
- সব কিছু ভেঙে পড়ে 
- মানুষ হিশেবে আমার অপরাধসমূহ 
- যাদুকরের মৃত্যু 
- শুভব্রত,তার সম্পর্কিত সুসমাচার 
- রাজনীতিবিদগণ 
- কবি অথবা দন্ডিত অপুরুষ 
- নিজের সঙ্গে নিজের জীবনের মধু 
- ফালি ফালি করে কাটা চাঁদ
- শ্রাবণের বৃষ্টিতে রক্তজবা ইত্যাদি। 
ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক:
- লাল নীল দীপাবলি 
- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না 
- কতো নদী সরোবর 
- আববুকে মনে পড়ে 
- বুকপকেটে জোনাকিপোকা 
- আমাদের শহরে একদল দেবদূত 
- অন্ধকারে গন্ধরাজ ইত্যাদি। 
- তাঁর নারী, দ্বিতীয় লিঙ্গ, পাক সার জমীন সাদ বাদ গ্রন্থ তিনটি বিতর্কের ঝড় তোলে এবং এরই এক পর্যায়ে সরকার বই তিনটিকে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়-
  1. আগুনের পরশমণি
  2. শ্যামল ছায়া
  3. শ্রাবণ মেঘের দিন
  4. সূর্যের দিন
ব্যাখ্যা

• কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয় শ্রাবণ মেঘের দিন।
• তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসঃ
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচীর একদিন,
- সূর্যের দিন,
- শ্যামল ছায়া,
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- ১৯৭১ ইত্যাদি।
উৎসঃ লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৭০.
‘শ্যামল ছায়া’ উপন্যাসের পটভূমি হচ্ছে-
  1. গ্রামীণ জীবন
  2. শহুরে জীবন
  3. বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ
  4. নদী পাড়ের জীবন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা হুমায়ুন আহমেদের জনপ্রিয় উপন্যাস 'শ্যামল ছায়া'।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের উপর ভিত্তি করে রচিত উপন্যাসটি ২০০৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তিতে এই উপন্যাসের কাহিনি অবলম্বনে চলচ্চিত্র নির্মিত হয়।

⇒ হুমায়ূন আহমেদ:
- জন্ম: ১৯৪৮ সালে তৎকালীন ময়মনসিংহ জেলায়। 
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে।'
- তাঁর উল্লেখযোগ্য ছায়াছবি: 'আগুনের পরশমণি','শ্রাবণ মেঘের দিন', 'দুই দুয়ারী'
- লজিক ও এন্টি লজিক নিয়ে কাজ করা তাঁর দুটি চরিত্র: মিসির আলী ও হিমু। 
- তাঁর অন্যতম সায়েন্স ফিকশন 'তোমাদের জন্য ভালোবাসা'।
- ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস: মধ্যাহ্ন এবং বাদশাহ নামদার।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
• শ্যামল ছায়া,
• আগুনের পরশমণি,
• অনিল বাগচীর একদিন,
• জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭১.
‘সব কিছু ভেঙে পড়ে’ ও ‘বুকপকেটে জোনাকি পোকা’ উপন্যাসদ্বয় কার রচনা?
  1. নির্মলেন্দু গুণ
  2. হুমায়ুন আজাদ
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
ব্যাখ্যা
• হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক ও ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার,
- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না,
- বুকপকেটে জোনাকি পোকা,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭২.
হুমায়ূন আহমেদ মৃত্যুবরণ করেন কত সালে?
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০০৯ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদ:
- কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন। 

উৎস: 
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

৭৩.
হুমায়ুন আজাদের রচিত জীবনী সাহিত্য কোনটি?
  1. জ্বলো চিতাবাঘ
  2. কতো নদী সরোবর
  3. অলৌকিক ইস্টিমার
  4. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
ব্যাখ্যা
• হুমায়ুন আজাদ
- হুমায়ুন আজাদের জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল মুন্সিগঞ্জের বিক্রমপুরের কামারগাঁয়ে নানা বাড়িতে। 
-  ২০০৪ সালের ১১ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তার প্রথম গবেষণা গ্রন্থ ‘রবীন্দ্র প্রবন্ধ: রাষ্ট্র ও সমাজচিন্তা’।
- একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে সেপ্টেম্বরে প্রকাশিত হলো তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অলৌকিক ইস্টিমার’। 
- তার প্রথম উপন্যাস ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল, যা ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।
- ছোটদের জন্য তিনি লিখেছেন  'লাল নীল দীপাবলি' (বাঙলা সাহিত্যের জীবনী) এবং 'কতো নদী সরোবর' (বাঙলা ভাষার জীবনী)। 

- হুমায়ুন আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস- 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' (১৯৯৪)।
- এটি তার প্রথম উপন্যাস।

হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

উপন্যাস
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- কবি অথবা দণ্ডিত অপুরুষ,
- শুভব্রত, তার সম্পর্কিত সুসমাচার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৭৪.
হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?
  1. আগুনের পরশমণি
  2. নেকড়ে অরণ্য
  3. নিষিদ্ধ লোবান
  4. রাইফেল রোটি আওরাত
ব্যাখ্যা

হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস আগুনের পরশমণি। 

আগুনের পরশমণি:

- ‘আগুনের পরশমণি’ উপন্যাসের উপজীব্য হলো মুক্তিযুদ্ধ।
- উপন্যাসে ঢাকায় মুক্তিযুদ্ধে গেরিলা অপারেশনের সাহসিকতা, গেরিলাদের গোপন তৎপরতা এবং স্বাধীনতা সমর্থক ও বিরোধীদের চরিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
- গল্পের শুরু হয় অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয়া থেকে, যাকে মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক আশ্রয় দেন।
- উপন্যাসে বদিউলের সঙ্গে ওই ভদ্রলোকের কন্যার মানবিক দুর্বলতাও যুদ্ধকালীন পরিবেশে ফুটে উঠেছে।

হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।
- শৈশবে তাঁর নাম ছিল শামসুর রহমান।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন।
- তিনি একাধারে কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার এবং শিক্ষক ছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসসমূহ:
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচির একদিন,
- সূর্যের দিন,
- শ্যামল ছায়া,
- জোছনা ও জননীর গল্প।

অন্যদিকে,
খ) নেকড়ে অরণ্য: এটি শওকত ওসমান রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।  
গ) নিষিদ্ধ লোবান: বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি উপন্যাস, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে
ঘ) রাইফেল রোটি আওরাত: এটি আনোয়ার পাশা রচিত একটি বিখ্যাত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া। 

৭৫.
নিচের কোনটি হুমায়ুন আজাদের কবিতা নয়?
  1. ক) কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
  2. খ) সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
  3. গ) জ্বলো চিতাবাঘ
  4. ঘ) কবি অথবা দন্ডিত পুরুষ
ব্যাখ্যা
হুমায়ুন আজাদের কাব্যঃ অলৌকিক ইস্টিমার, জ্বলো চিতাবাঘ, সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে, যতি গভীরে যাই মধু যতই ওপরে যাই নীল, কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি। তার উপন্যাসঃ ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল, সব কিছু ভেঙে পড়ে, শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার, রাজনীতিবিদগণ, কবি অথবা দন্ডিত পুরুষ, পাঁক সার জমিন সাদ বাদ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর
৭৬.
বিতর্কিত কবি হিসেবে কাকে অভিহিত করা হয়?
  1. হুমায়ুন আজাদ
  2. রফিক আজাদ
  3. আব্দুল মান্নান 
  4. সেলিনা হোসেন
ব্যাখ্যা

•  হুমায়ুন আজাদকে বিতর্কিত কবি হিসেবে কাকে অভিহিত করা হয়।

• হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ (১৯৪৭-২০০৪) ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি লেখক, কবি, ঔপন্যাসিক, ভাষাবিজ্ঞানী, সমালোচক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক।
- তিনি প্রথাবিরোধী, সাহসী এবং বহুমাত্রিক লেখার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
- হুমায়ুন আজাদকে বিতার্কিক বলা হয় কারণ তিনি তার সাহিত্য ও প্রবন্ধে প্রচলিত ধর্মীয়, সামাজিক ও রাজনৈতিক ধ্যানধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন।
- ধর্ম, মৌলবাদ, নারীবাদ এবং রাজনীতির মতো বিষয় নিয়ে তাঁর সমালোচনামূলক লেখা সমাজে বিতর্ক এবং সচেতনতা সৃষ্টি করেছিল। 

- তাঁর বিতর্কিত প্রবন্ধ:
• নারী;
• ২য় লিঙ্গ।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে:
• ‘অলৌকিক ইস্টিমার’,
• ‘জ্বলো চিতাবাঘ’,
• ‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’,
• ‘যতোই গভীরে যাই মধু যতোই ওপরে যাই নীল’।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
• ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’,
 • ‘যখন গিয়েছি ভীরু’।

- তাঁর উল্লেখযোগ্য গবেষণা ও প্রবন্ধ:
• 'লাল নীল দিপাবলী'।
• ‘নারী’,
 • ‘আমরা কি এই বাংলাদেশ চেয়েছিলাম’,
• ‘ভাষার জাদুকর’।

- কিশোর সাহিত্য গ্রন্থ:
• ‘আবুল আব্বাস’,
• ‘দ্বিতীয় মানুষ’,
• ‘আমাদের শহরে একদল নক্ষত্র’। 

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

৭৭.
‘নক্ষত্রের রাত’ নাটকটির রচয়িতা -
  1. মামুনুর রশীদ
  2. সাঈদ আহমদ
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. হুমায়ূন আহমেদ
ব্যাখ্যা
• ‘নক্ষত্রের রাত’ নাটকটির রচয়িতা - হুমায়ূন আহমেদ
- এটি ১৯৮৭ সালে প্রকাশিত হয়।

হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত নাটক:
- নক্ষত্রের রাত,
- এই সব দিনরাত্রি,
- বহুব্রীহি,
- অয়োময়, 
- কোথাও কেউ নেই ইত্যাদি।

অভিসম্বন্ধ: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; ‘নক্ষত্রের রাত’ নাটক, হুমায়ূন আহমেদ।
৭৮.
হুমায়ুন আজাদের প্রথম কাব্য কোনটি?
  1. জ্বলো চিতাবাঘ
  2. অলৌকিক ইস্টিমার
  3. যতোই উপরে যাই নীল
  4. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
ব্যাখ্যা
• হুমায়ুন আজাদ:
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য ‘অলৌকিক ইস্টিমার’।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।

• হুমায়ুন আজাদ রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

• হুমায়ুন আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস- 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' (১৯৯৪)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৯.
হুমায়ুন আজাদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - 
  1. যতোই গভীরে যাই মধু
  2. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
  3. জ্বলো চিতাবাঘ
  4. অলৌকিক ইস্টিমার
ব্যাখ্যা
'অলৌকিক ইস্টিমার' কাব্যগ্রন্থ:
- 'অলৌকিক ইস্টিমার' হুমায়ুন আজাদ রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার।
- কবিতায় যৌনতার অনুষঙ্গ আছে, কিন্তু স্লোগান ও আছে। তবে কাব্যভাষা ঋদ্ধ, লক্ষ্যভেদী।

হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে'
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর রবং বাংলাপিডিয়া।
৮০.
নিচের কোন চলচ্চিত্রের সাথে হুমায়ুন আহমেদের নামটি জড়িত নয়?
  1. শ্রাবণ মেঘের দিন
  2. দুই দুয়ারী
  3. আগুনের পরশমণি
  4. গেরিলা
ব্যাখ্যা

- হুমায়ূন আহমেদ,  (১৯৪৮-২০১২) কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদ চলচ্চিত্র নির্মাণে সার্থক
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)। 
- অন্যান্য চলচ্চিত্র :
- শ্রাবণ মেঘের দিন (২০০০),
- দুই দুয়ারী (২০০১), 
- চন্দ্রকথা (২০০৩), 
- নয় নম্বর বিপদ সংকেত (২০০৭)
- আমার আছে জল (২০০৮)।

- গেরিলা চলচ্চিত্রটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত উপন্যাস 'নিষিদ্ধ লোবান' অবলম্বনে নাসিরুদ্দিন ইউসুফ নির্মাণ করেন।

[উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা , ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

৮১.
‘কে কথা কয়’ - উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. ক) হাসান আজিজুল হক
  2. খ) হুমায়ুন আহমেদ
  3. গ) দিলারা হাসেম
  4. ঘ) নীলিমা ইব্রাহিম
ব্যাখ্যা
'কে কথা কয়' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদের 'কে কথা কয়' উপন্যাসে মতিন ও কমল নামের চরিত্রকে কেন্দ্র করে একটি শিশুর আত্মানুসন্ধান ও সত্যান্বেষণের প্রয়াস লক্ষ করা যায়।
- উপন্যাসে শিশু কমলের সার্বক্ষণিক সঙ্গী হিসেবে চাকরি পাওয়া মতিন কমলের সঙ্গে কাহিনিসূত্রে একটি বৃহৎবৃত্তে অধিভুক্ত হয়।
- উপন্যাসের শেষে কমল সত্যোন্বেষণে ব্যস্ত আর মতিন সত্যের জন্য প্রাণ দান করে।

হুমায়ূন আহমেদ:
- তিনি একাধারে কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।

তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উল্লেখযোগ্য উপন্যাস:
- শ্যামল ছায়া।
- আগুনের পরশমণি।
- অনিল বাগচীর একদিন।
- জোছনা ও জননীর গল্প প্রভৃতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৮২.
কোনটি হুমায়ূন আহমেদের রচনা নয়?
  1. নামহীন গোত্রহীন 
  2. লীলাবালি
  3. বাদশা নামদার 
  4. শঙ্খনীল কারাগার 
ব্যাখ্যা

 ‘নামহীন গোত্রহীন’ হুমায়ূন আহমেদের রচনা নয়। 
---------------
হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদ ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, গীতিকার, চলচ্চিত্র পরিচালক এবং শিক্ষাবিদ।
- তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি সাহিত্যিক।
- তিনি স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের সাহিত্যে অসামান্য প্রভাব ফেলেছেন।
- তাঁর জনপ্রিয় চরিত্রের মধ্যে রয়েছে হিমু, মিসির আলি এবং শুভ্র।

- তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
• অনীল বাগচীর একদিন,
• সৌরভ,
•  শ্যামল ছায়া,
• আগুনের পরশমণি,
• ১৯৭১।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাস-
- নন্দিত নরকে;  
- শঙ্খনীল কারাগার;
- লীলাবালি;
- বাদশা নামদার;
- দেয়াল।

অন্যদিকে, 
- ‘নামহীন গোত্রহীন’ হলো হাসান আজিজুল হকের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি ছোটগল্প সংকলন।
- এতে মুক্তিযুদ্ধকালীন ও যুদ্ধ পরবর্তী সময়ের সাতটি গল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
- এই গল্প সংকলন ১৯৭১ সালের ঘটনাপ্রবাহ ও প্রেক্ষাপটকে ফুটিয়ে তোলে।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা;
বাংলাপিডিয়া।

৮৩.
হুমায়ূন আহমেদ কর্তৃক সৃষ্ট চরিত্র নয় কোনটি?
  1. শুভ্র
  2. মিসির আলী
  3. ফেলুদা
  4. হিমু
ব্যাখ্যা
• "ফেলুদা" চরিত্র:
বাংলা সাহিত্যের একটি জনপ্রিয় কাল্পনিক গোয়েন্দা চরিত্র 'ফেলুদা' এর স্রষ্টা সত্যজিৎ রায়। ১৯৬৫ সালের ডিসেম্বর মাসের সন্দেশ পত্রিকায় ফেলুদা সিরিজের প্রথম গল্প ফেলুদার গোয়েন্দাগিরির প্রথমভাগ প্রকাশিত হয় যা পরের আরো দুইটি সংখ্যার মাধ্যমে শেষ হয়। ১৯৬৫ থেকে ১৯৯৭ পর্যন্ত এই সিরিজের মোট ৩৫টি সম্পূর্ণ ও চারটি অসম্পূর্ণ গল্প ও উপন্যাস প্রকাশিত হয়েছে। ফেলুদার প্রধান সহকারী তার খুড়তুতো ভাই তপেশরঞ্জন মিত্র ওরফে তোপসে ও লেখক লালমোহন গাঙ্গুলি (ছদ্মনাম জটায়ু)।

ফেলুদার চরিত্র নির্মাণে সত্যজিৎ রায় তার ছোটবেলায় পড়া শার্লক হোমস এর গোয়েন্দা গল্পের দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন। তাই ফেলুদার চরিত্রের সাথে অনেক জায়গায় আমরা হোমসের আর ফেলুদার ভাই ও সহকারী তোপসের সাথে হোমসের সহকারী ওয়াটসনের মিল পাওয়া যায়। নিজের লেখা অধিকাংশ গল্পের বইয়ের মতই ফেলুদার বইতেও সত্যজিৎ রায় নিজেই প্রচ্ছদ ও অলংকরণ করতেন।

------------------
• "শুভ্র" চরিত্র:

হুমায়ূন আহমেদের পাঠকপ্রিয় উপন্যাস 'দারুচিনি দ্বীপ'। এই উপন্যাসের অন্যতম প্রধান চরিত্র 'শুভ্র'। চশমা ছাড়া চোখে দেখে না শুভ্র। সে খুব মেধাবী ছাত্র। বাবা-মায়ের একমাত্র সন্তান। এই উপন্যাস নিয়ে তৌকীর আহমেদ নির্মাণ করেছেন 'দারুচিনি দ্বীপ' সিনেমা। রূপালি পর্দায় শুভ্র চরিত্রে অভিনয় করেছেন নায়ক রিয়াজ। তবে, উপন্যাসের শুভ্রই বেশি মানুষের কাছে জনপ্রিয় ও পরিচিত। শুভ্রকে নিয়ে বেশ কয়েকটি উপন্যাস রয়েছে এই লেখকের। প্রকাশ হয়েছে শুভ্র সমগ্রও।

• শুভ্র সিরিজ: দারুচিনি দ্বীপ (১৯৯১), রূপালী দ্বীপ (১৯৯৪), শুভ্র (১৯৯৮), এই শুভ্র ! এই (২০০৩), শুভ্র গেছে বনে (২০১০) প্রভৃতি।

-----------------
• "মিসির আলী" চরিত্র:
হুমায়ূন আহমেদের লেখা চরিত্রগুলোর মধ্যে মিসির আলী পাঠকদের কাছে বেশ জনপ্রিয়। যারা যুক্তির খেলা পছন্দ করেন, তারা জানেন মিসির আলী যুক্তি ছাড়া কিছু করেন না। সব সমস্যার সমাধানের জন্য তিনি সময় নেন, চিন্তা-ভাবনা করেন এবং যুক্তি দিয়ে বোঝান। তারপর সমস্যার সমাধান করেন। সমস্যা সমাধানের জন্য তার কাছে অনেকেই ছুটে আসেন। তিনি অবশ্য পেশায় একজন শিক্ষক। টেলিভিশন নাটকে মিসির আলী চরিত্রে প্রথমে অভিনয় করেন গুণী অভিনেতা আবুল হায়াত। আর অনম বিশ্বাস পরিচালিত 'দেবী' সিনেমায় মিসির আলী চরিত্রে অভিনয় করেছেন চঞ্চল চৌধুরী।

• মিসির আলি সিরিজ:
দেবী (১৯৮৫), অন্যভুবন (১৯৮৭), বিপদ (১৯৯১), মিসির আলির অমীমাংসিত রহস্য (১৯৯৪), তন্দ্রাবিলাস (১৯৯৭), আমিই মিসির আলি (২০০০), বাঘবন্দি মিসির আলি (২০০১), নিশীথিনী (২০০৪), নিষাদ (২০০৪), বৃহন্নলা (২০০৪), কহেন কবি কালিদাস (২০০৫), মিসির আলির চশমা (২০০৮)  প্রভৃতি।

----------------
• "হিমু" চরিত্র:
হুমায়ূন আহমেদের লেখা চরিত্রগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছেন 'হিমু'। বিশেষ করে তার লেখা উপন্যাসে 'হিমু' বেশি প্রিয় পাঠকের কাছে। প্রতিবছর বই মেলায় পাঠকেরা অপেক্ষা করতেন কখন হিমুকে নিয়ে নতুন বই আসবে। এখনো হিমুর অপেক্ষায় থাকেন পাঠকেরা। কিন্তু আর কখনো নতুন হিমু আসবে না। তবে, নাটকে হিমু কম এসেছ। হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় নাটক নক্ষত্রের রাতে হিমু চরিত্রটি ছিল। এই নাটকে হিমুর চরিত্রে অভিনয় করেন ফজলুল কবির তুহিন।

• হিমু সিরিজ:
ময়ূরাক্ষী (১৯৯০), দরজার ওপাশে (১৯৯৩), হিমু (১৯৯৩), পারাপার (১৯৯৩), এবং হিমু (১৯৯৫), হিমুর হাতে কয়েকটি নীল পদ্ম (১৯৯৬), হিমুর দ্বিতীয় প্রহর (১৯৯৭), হিমুর রূপালী রাত্রি (১৯৯৮), একজন হিমু কয়েকটি ঝিঁঝিঁ পোকা (১৯৯৯), তোমাদের এই নগরে (২০০০), সে আসে ধীরে (২০০২), চলে যায় বসন্তের দিন (২০০২), হিমু মামা (২০০৪), আঙুল কাটা জগলু (২০০৫), হলুদ হিমু কালো র‌্যাব (২০০৬), আজ হিমুর বিয়ে (২০০৭), হিমু রিমান্ডে (২০০৮), হিমুর একান্ত সাক্ষাৎকার ও অন্যান্য (২০০৮), হিমুর মধ্যদুপুর (২০০৯), হিমুর বাবার কথামালা (২০০৯), হিমুর নীল জোছনা (২০১০), হিমু এবং একটি রাশিয়ান পরী (২০১১), হিমুর আছে জল (২০১১), হিমু এবং হার্ভার্ড পিএইচ.ডি বল্টু ভাই (২০১২) প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং ডেইলি স্টার বাংলা রিপোর্ট (বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৫)
৮৪.
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক হুমায়ুন আজাদের বাজেয়াপ্তকৃত গ্রন্থ কোনটি? 
  1. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
  2. সব কিছু ভেঙে পড়ে
  3. পাক সার জমীন সাদ বাদ
  4. বুকপকেটে জোনাকি পোকা
ব্যাখ্যা
• হুমায়ুন আজাদকে দেশের প্রধান প্রথাবিরোধী ও বহুমাত্রিক লেখক হিসেবে বিবেচনা করা যায়। গতানুগতিক চিন্তাকে তিনি সচেতনভাবেই পরিহার করেছেন। তিনি জনপ্রিয় তবে অতি বিতর্কিত সাহিত্যিক ছিলেন। তিনি যা ভাবতেন তাই সাহসের সঙ্গে লিখতেন ফলে তিনি অনেকেরই বিরাগভাজন হন। এক পর্যায়ে তিনি মৌলবাদীদের কর্তৃক মারাত্মকভাবে আহত হয়ে প্রায় পঙ্গু হয়ে পড়েন। তাঁর নারী (১৯৯২), দ্বিতীয় লিঙ্গ (২০০১), পাক সার জমীন সাদ বাদ (২০০৩) গ্রন্থ তিনটি বিতর্কের ঝড় তোলে এবং এরই এক পর্যায়ে সরকার বই তিনটিকে বাজেয়াপ্ত ঘোষণা করে। 

-------------------
• 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' উপন্যাস:
- 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস।
- ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর সাথে সহযোগিতাকারী একটি ধর্মীয় গোষ্ঠীর উপর ভিত্তি করে এটি রচিত।
- উপন্যাসটি প্রথম ২০০৩ সালে দৈনিক ইত্তেফাক-এর ঈদ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়।

--------------------
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার,
- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না,
- বুকপকেটে জোনাকি পোকা,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৮৫.
হুমায়ূন আহমেদ রচিত 'আগুনের পরশমণি' উপন্যাসটি কোন সালে প্রকাশিত হয়েছে?
  1. ১৯৯০
  2. ১৯৮৬
  3. ১৯৮০
  4. ১৯৭৫
ব্যাখ্যা
• ‘আগুনের পরশমণি' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস - আগুনের পরশমণি।
- উপন্যাসে ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের সামগ্রিক চালচ্চিত্র অংকিত হয়েছে।
- উপন্যাসটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- এই উপন্যাসে অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয় মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক।
- এভাবেই এই উপন্যাসের কাহিনি শুরু হয়েছে।

হুমায়ূন আহমেদ:
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- অনীল বাগচীর একদিন। 

উৎস: 
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
৮৬.
'মতিন ও কমল' নামের চরিত্রকে কেন্দ্র করে একটি শিশুর আত্মানুসন্ধান প্রকাশিত হয় হুমায়ূন আহমেদের কোন উপন্যাসে?
  1. আগুনের পরশমণি
  2. কে কথা কয়
  3. শ্যামল ছায়া
  4. কোথাও কেউ নেই
ব্যাখ্যা
• 'কে কথা কয়' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদ রচিত জনপ্রিয় উপন্যাস।
- এই উপন্যাসে অটিস্টিক বিষয়টিকে তুলে ধরেছেন।
-  'মতিন ও কমল' নামের চরিত্রকে কেন্দ্র করে একটি শিশুর আত্মানুসন্ধান প্রকাশিত হয় হুমায়ূন আহমেদের এই উপন্যাসে।

হুমায়ূন আহমেদ:

- কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত উপন্যাস:
- নন্দিত নরকে,  
- শঙ্খনীল কারাগার , 
- আনন্দ বেদনার কাব্য,  
- যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ , 
- আমার আছে জল, 
- আজ রবিবার , 
- এই সব দিনরাত্রি , 
- বহুব্রীহি , 
- অয়োময় , 
- শ্রাবণ মেঘের দিন ,  
- দুই দুয়ারী,  
- কোথাও কেউ নেই,  
- মহাপুরুষ,  
- বৃষ্টিবিলাস, 
- মৃন্ময়, 
- এপিটাফ,  
- লীলাবতী, 
- তিন পুরুষ ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
৮৭.
‘আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে’ কী ধরনের রচনা?
  1. ক) কাব্যগ্রন্থ
  2. খ) উপন্যাস
  3. গ) প্রবন্ধ
  4. ঘ) কাব্যনাট্য
ব্যাখ্যা
ব্যাখ্যা :
হুমায়ুন আজাদ রচিত আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে একটি কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৯০ সালে প্রকাশিত হয়।
এই গ্রন্থের কবিতাগুলোতে কবি মানুষের অমরত্বের সন্ধান করেছেন।
উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর
৮৮.
হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. জ্বলো চিতাবাঘ
  2. অলৌকিক ইস্টিমার
  3. সবকিছু ভেঙে পড়ে
  4. সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
ব্যাখ্যা
• ‘সব কিছু ভেঙে পড়ে’ উপন্যাস:
- ‘সব কিছু ভেঙে পড়ে’ হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি উপন্যাস।
- উপন্যাসটি ১৯৯৫ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের নায়ক সেতু-প্রকৌশলী ‘মাহবুব’।
- 'ব্রিজ একটি কাঠামো; সব কিছুই আমার কাছে কাঠামো'- উক্তিটি বলেছে সব কিছু ভেঙে পড়ের নায়ক, সেতু-প্রকৌশলী, মাহবুব।

-------------------
• হুমায়ুন আজাদ:

- তিনি ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল বিক্রমপুরের রাড়িখাল এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মূলত লেখক ও অধ্যাপক।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অলৌকিক ইস্টিমার'।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৮৬) লাভ করেন।
- তিনি ২০০৪ সালের ১২ আগস্ট মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ুন আজাদ রচিত অন্যান্য উপন্যাস গুলো হলো:
- সবকিছু ভেঙে পড়ে,
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার,
- রাজনীতিবিদগণ,
- কবি অথবা দন্ডিত পুরুষ, 
- পাক সার জমিন সাদ বাদ ইত্যাদি

কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি

উৎস: ‘সব কিছু ভেঙে পড়ে’ উপন্যাস এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৮৯.
প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদ রচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস কোনটি?
  1. ক) জোছনা ও জননীর গল্প
  2. খ) বাদশাহ নামদার
  3. গ) দেয়াল
  4. ঘ) প্রথম আলো
ব্যাখ্যা
'বাদশাহ নামদার' হুমায়ূন আহমেদ রচিত বাংলা ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস।
- এটি ২০১১ সালে অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত হয়।
- বইটিকে হুমায়ূন আহমেদের অন্যতম সেরা সৃষ্টি বলে গণ্য করা হয়।
- তাঁর রচিত অপর একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - মধ্যাহ্ন

- হুমায়ূন আহমেদ রচিত শেষ উপন্যাস 'দেয়াল' (অপ্রকাশিত-পটভূমি ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকান্ড ও তৎকালীন রাজনৈতিক ঘটনা)।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে লেখা জনপ্রিয় উপন্যাস 'জোছনা ও জননীর গল্প'। 
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় রচিত  বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস 'প্রথম আলো'। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৯০.
কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস কোনটি?
  1. নন্দিত নরকে
  2. এই সব দিনরাত্রি
  3. জোছনা ও জননীর গল্প
  4. আগুনের পরশমণি
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদের প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস- নন্দিত নরকে (১৯৭২)।

• হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলা।
- তিনি কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচীর একদিন,
- শ্যামল ছায়া,
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- ১৯৭১ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- এই সব দিনরাত্রি,
- আমার আছে জল,
- নক্ষত্রের রাত,
- ফেরা,
- বহুব্রীহি,
- গৌরীপুর জংশন,
- শ্রাবণ মেঘের দিন,
- দুই দুয়ারী,
- কোথাও কেউ নেই,
- বৃষ্টি বিলাস,
- বাদশাহ নামদার,
- মেঘের ওপর বাড়ি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
৯১.
মুক্তিযোদ্ধা 'বদিউল আলম' হুমায়ূন আহমেদ রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. শ্যামল ছায়া
  2. জোছনা ও জননীর গল্প
  3. আগুনের পরশমণি
  4. অনীল বাগচীর একদিন
ব্যাখ্যা
'আগুনের পরশমণি' উপন্যাস:
- হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস - আগুনের পরশমণি। উপন্যাসটি ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত হয়েছে।
- উপন্যাসে ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে অবরুদ্ধ ঢাকা শহরের সামগ্রিক চালচ্চিত্র অংকিত হয়েছে।
- এই উপন্যাসে অপরিচিত গেরিলা মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলমকে আশ্রয় দেয় মতিন সাহেব নামে একজন ভদ্রলোক। এভাবেই এই উপন্যাসের কাহিনি শুরু হয়েছে।

------------
হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৯২.
হুমায়ুন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয়-
  1. ক) আগুনের পরশমণি
  2. খ) শ্যামল ছায়া
  3. গ) শ্রাবণ মেঘের দিন
  4. ঘ) সূর্যের দিন
ব্যাখ্যা

• কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস নয় শ্রাবণ মেঘের দিন।
• তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচীর একদিন,
- সূর্যের দিন,
- শ্যামল ছায়া,
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- ১৯৭১ ইত্যাদি।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার।

৯৩.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
  1. নন্দিত নরকে
  2. আগুনের পরশমণি
  3. জননী
  4. ক্রীতদাসের হাসি
ব্যাখ্যা
হুমায়ূন আহমেদ:
- তিনি একাধারে কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক ছিলেন।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালের ১৩ নভেম্বর নেত্রকোণা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোণা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।
- শৈশবে হুমায়ূন আহমেদের নাম ছিল শামসুর রহমান।
- ১৯৭০ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রসায়ন শাস্ত্রে প্রথম শ্রেণিতে বিএসসি (সম্মান) এবং ১৯৭২ সালে এমএসসি ডিগ্রি লাভ করেন।
- ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ময়মনসিংহ) প্রভাষক হিসেবে শুরু হয় হুমায়ূন আহমেদের কর্মজীবন।
- ১৯৭৪ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রসায়ন বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন।
- ছাত্রজীবনে লেখা নন্দিত নরকে শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- আগুনের পরশমণি,
- অনিল বাগচীর একদিন,
- সূর্যের দিন, শ্যামল ছায়া,
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- ১৯৭১ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- এই সব দিনরাত্রি,
- আমার আছে জল,
- নক্ষত্রের রাত,
- ফেরা,
- বহুব্রীহি,
- গৌরীপুর জংশন,
- শ্রাবণ মেঘের দিন,
- দুই দুয়ারী,
- কোথাও কেউ নেই,
- বৃষ্টি বিলাস,
- বাদশাহ নামদার,
- মেঘের ওপর বাড়ি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস- জননী যা সন্তানের মঙ্গলাকাঙ্ক্ষা ও নিরাপত্তার জন্যে একজন মা যে কোনো পথ অবলম্বন করতে পারে তাই এ উপন্যাস উপজীব্য।
- শওকত ওসমান রচিত প্রতীকাশ্রয়ে উপন্যাস  ‘ক্রীতদাসের হাসি’।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৪.
হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি উপন্যাস -
  1. বাঙলা ভাষার শত্রুমিত্র
  2. ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল
  3. নারী
  4. কতো নদী সরোবর
ব্যাখ্যা

'ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস:
- 'ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল' হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি উপন্যাস। 
- এই উপন্যাস প্রকাশের মধেদিয়ে হুমায়ুন আজাদ ঔপন্যাসিক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেন।
- বাংলাদেশে সামরিক আইন জারীর প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাসটি ১৯৯৪ সালে ঢাকা থেকে এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস:
- ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল, 
- সব কিছু ভেঙে পড়ে, 
- একটি খুনের স্বপ্ন। 

হুমায়ুন আজাদ রচিত প্রবন্ধ-গবেষণা: 
- নারী, 
- বাঙলা ভাষার শত্রুমিত্র, 
- বাক্যতত্ত্ব, 
- লাল নীল দীপাবলি,
- কতো নদী সরোবর।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং 'ছাপান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস।

৯৫.
কোন উপন্যাস প্রকাশের মধ্যে দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব ঘটে?
  1. শঙ্খনীল কারাগার
  2. কোথাও কেউ নেই
  3. নন্দিত নরকে
  4. বহুব্রীহি
ব্যাখ্যা

• 'নন্দিত নরকে' উপন্যাস:
- ছাত্রজীবনে লেখা 'নন্দিত নরকে' শিরোনামের নাতিদীর্ঘ উপন্যাসের মধ্য দিয়ে বাংলা সাহিত্যে হুমায়ূন আহমেদের আবির্ভাব।
- ১৯৭২ সালে তিনি উপন্যাসটি রচনা করেন এবং সে বছরই উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- নন্দিত নরকে বাংলাদেশের পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়।

-------------------
• হুমায়ূন আহমেদ:
- কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- অনিল বাগচীর একদিন ইত্যাদি।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত অন্যান্য উপন্যাসসুমূহ:
- নন্দিত নরকে,
- শঙ্খনীল কারাগার,
- আনন্দ বেদনার কাব্য,
- যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ,
- আমার আছে জল,
- আজ রবিবার,
- এই সব দিনরাত্রি, 
- বহুব্রীহি,
- অয়োময়,
- শ্রাবণ মেঘের দিন,
- দুই দুয়ারী,
- কোথাও কেউ নেই,
- মহাপুরুষ,
- বৃষ্টিবিলাস,
- মৃন্ময়,
- এপিটাফ,
- লীলাবতী,
- তিন পুরুষ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৯৬.
হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু
  2. সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে
  3. পাক সার জমিন সাদ বাদ
  4. আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে,
ব্যাখ্যা

• 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' উপন্যাস:
- হুমায়ুন আজাদ রচিত উপন্যাস 'পাক সার জমিন সাদ বাদ'। উপন্যাসটি প্রথম বেরোয় দৈনিক ইত্তেফাক- এর ঈদ সংখ্যা ২০০৩-এ। বেরোনোর পর প্রগতিশীলেরা একে অভিনন্দিত করেন, আর মৌলবাদীরা মেতে ওঠে তার বিরুদ্ধে অক্রিমণে-উপন্যাসটিকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানায়। পুস্তকারে উপন্যাসটি পরিবর্ধিত হয়েছে।
- হুমায়ুন আজাদ এই উপন্যাসটি উৎসর্গ করেছিলেন '১৯৭১' সালকে; পাকিস্তানের জাতীয় সঙ্গীতের নামানুসারে এই উপন্যাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তিকে কটাক্ষ করা হয়েছে।

উপন্যাসের পটভূমি-
১৯৬০-এর দশকে বাংলাদেশে ছিল পাকিস্তানের উপনিবেশ। তখন একটি উর্দুগানের নিরন্তর ঝালাপালা হতো আমাদের কান, যার প্রথম পংক্তি ছিলো 'পাক সার জমিন সাদ বাদ'। সামরিক শাসন আর উর্দু জাতীয় সঙ্গীতে বাঙলাদেশ ছিল পীড়িত। ১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা সৃষ্টি করি একটি স্বাধীন দেশ; বাংলাদেশ। কিন্তু প্রতিক্রিয়াশীল অন্ধকারের শক্তিরাশি আমাদের সামনের দিকে এগোতে দেয়নি, বরং নিয়ে চলছে মধ্যযুগের দিকে; বাংলাদেশকে করে তুলছে একটি অপপাকিস্তান। মৌলবাদ এখন দিকে দিকে হিংস্ররূপ নিয়ে দেখা দিচ্ছে; ত্রাসে ও সন্ত্রাসে দেশকে আতঙ্কিত করে তুলছে। তারই এক ভয়াবহ ও শিল্পিত চিত্র রচিত হয়েছে হুমায়ুন আজাদের পাক সার জমিন সাদ বাদ উপন্যাসে।

উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ-
উপন্যাসটির প্রধান নায়ক একটি কাল্পনিক ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলের সদস্য থাকে যে একটি হিন্দু মেয়ের প্রেমে পড়ে উপন্যাসটির শেষের দিকে তাকে বিয়ে করে এবং ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দলটি ত্যাগ করে।

--------------------
• হুমায়ুন আজাদ:

- হুমায়ুন আজাদ একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার (প্রথম কাব্যগ্রন্থ),
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- সব কিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- যতোই গভীরে যায় মধু, যতোই ওপরে যাই নীল,
- আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে,
- পেরোনোর কিছু নেই ইত্যাদি।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল (প্রথম প্রকাশিত)
- সবকিছু ভেঙে পড়ে,
- মানুষ হিসেবে আমার অপরাধসমূহ,
- রাজনীতিবিদগণ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ,
- একটি খুনের স্বপ্ন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; 'পাক সার জমিন সাদ বাদ' উপন্যাস এবং বাংলাপিডিয়া।

৯৭.
'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাসটি কোন পটভূমিতে রচিত?
  1. ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে
  2. দেশ ভাগের পটভূমিতে
  3. মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে
  4. বঙ্গভঙ্গের পটভূমিতে
ব্যাখ্যা
• 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' উপন্যাস:
- হুমায়ুন আজাদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস 'ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল' (১৯৯৪)।
- এই উপন্যাস প্রকাশের মধ্য দিয়ে হুমায়ুন আজাদ ঔপন্যাসিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
- এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র রাশেদকে উপন্যাসটি উৎসর্গ করা হয়।

উপন্যাসের কাহিনি সংক্ষেপ- 
বসন্তের এক নিষ্ঠুর ভোরে মুখ ভেঙে রাশেদ দেখতে পায় ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল জুড়ে নেমে এসেছে অন্ধকার-ঘোষিত হয়েছে সামরিক শাসন; তার পাঁচ বছরের মেয়ে মৃদু ইস্কুলে গিয়েছিল, কিন্তু তাকে যেতে দেয়া হয়নি, মিলিটারিরা রাইফেল উঁচিয়ে তাকে বাধা দেয়, সে এই অদ্ভুত মানুষদের দেখে রাস্তা থেকে চোখ আর বুক ভ’রে দুঃস্বপ্ন নিয়ে ঘরে ফিরে আসে। রাশেদের হৃদয়ের মতো ছাপ্পান্নো হাজার বর্গমাইল আর মৃদুর কাজলাদিদি লুপ্ত হয়ে যায় কর্কশ অশ্লীল সামরিক অন্ধকারে। তবে এই প্রথম সামরিক গ্রাসে পড়েনি তার নষ্টভ্রষ্ট দেশটি, রাশেদের বাল্যকাল আর যৌবন নষ্ট হয়ে গিয়েছিল পাকিস্তানি সামরিক গ্রাসে, এখন তার উত্তরাধিকারীর জীবনও পড়ে সামরিক গ্রাসে। 

---------------------
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল,
- সব কিছু ভেঙে পড়ে,
- শুভব্রত তার সম্পর্কিত সুসমাচার,
- ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না,
- বুকপকেটে জোনাকি পোকা,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৮.
’১৯৭১’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?
  1. হুমায়ুন আজাদ
  2. জীবনান্দ দাশ
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4. জহির রায়হান
ব্যাখ্যা
’১৯৭১’ হুমায়ূন আহমেদ রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
-------------------------------
• হুমায়ূন আহমেদ :
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলায়।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রামে।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।

• তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনিল বাগচীর একদিন।

• হুমায়ূন আহমেদ নির্মিত চলচ্চিত্র:
- তাঁর প্রথম ছবি আগুনের পরশমণি (১৯৯৫) এবং শেষ ছবি ঘেটুপুত্র কমলা (২০১২)।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্র শ্যামল ছায়া ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমি অবলম্বনে নির্মিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৯৯.
হুমায়ূন আহমেদের কোন গ্রন্থটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নয়?
  1. আগুনের পরশমণি
  2. জোছনা ও জননীর গল্প
  3. নীল অপরাজিতা
  4. শ্যামল ছায়া
ব্যাখ্যা
• হুমায়ূন আহমেদের কোন গ্রন্থটি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক নয় - নীল অপরাজিতা

হুমায়ূন আহমেদ:
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তিনি ছিলেন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- তাঁর লেখা প্রথম উপন্যাস 'নন্দিত নরকে' (১৯৭২)।
- তাঁর দ্বিতীয় উপন্যাস 'শঙ্খনীল কারাগার' (১৯৭৩)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস:
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনিল বাগচীর একদিন।

তাঁর রচিত প্রধান গ্রন্থ:
- নীল অপরাজিতা,
- প্রিয়তমেষু,
- জয়জয়ন্তী,
- দূরে কোথাও,
- এই সব দিনরাত্রি,
- মহাপুরুষ,
- নিশিকাব্য,
- সম্রাট,
- দুই দুয়ারী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
১০০.
‘নরকে অনন্ত ঋতু’ প্রবন্ধ সংকলনটির রচয়িতা কে?
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. জহির রায়হান
  3. হুমায়ুন আজাদ
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা
• ‘নরকে অনন্ত ঋতু’ প্রবন্ধ সংকলন:
- হুমায়ুন আজাদের কিছু দীর্ঘ ও হ্রস্ব সামাজিক রাজনৈতিক প্রবন্ধের সংকলন ‘নরকে অনন্ত ঋতু’।
- এই সংকলনে 'জাতীয় সংস্কৃতি কমিশন: তার প্রলাপ বা প্রতিবেদন', 'বাঙালি: একটি রুগ্ন জনগোষ্ঠি?', 'বইয়ের বিরুদ্ধে' নামের তিনটি দীর্ঘ প্রবন্ধ রয়েছে। এবং একগুচ্ছ তীক্ষ্ণ প্রথাবিরোধী প্রবন্ধ রয়েছে।
- যখন সবাই মেনে নিয়েছিলো এরশাদি সংস্কৃতি, তার কমিশনের প্রস্তাব, তখন শুধু হুমায়ুন আজাদই এর প্রতিবাদ করেছিলেন এই প্রবন্ধ রচনার মাধ্যমে।

উল্লেখ্য,
• “নরকে লাল গোলাপ” নামে আলাউদ্দিন আল আজাদের একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক রয়েছে।

-----------------------
• হুমায়ুন আজাদ:
- হুমায়ুন আজাদ একজন কবি, ঔপন্যাসিক, গল্পকার, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী।
- তিনি বিক্রমপুরের রাড়িখালে ১৯৪৭ সালের ২৮ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্য অলৌকিক ইস্টিমার।
- ১৯৮৩ সালে প্রকাশিত হয় তাঁর দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ জ্বলো চিতাবাঘ।

• হুমায়ুন আজাদ রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ:
- অলৌকিক ইস্টিমার,
- জ্বলো চিতাবাঘ,
- যতোই গভীরে যাই মধু,
- যতোই উপরে যাই নীল,
- কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল (প্রথম প্রকাশিত),
- সবকিছু ভেঙে পড়ে,
- মানুষ হিসেবে আমার অপরাধসমূহ,
- রাজনীতিবিদগণ,
- পাক সার জমিন সাদ বাদ,
- একটি খুনের স্বপ্ন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘নরকে অনন্ত ঋতু’ প্রবন্ধ সংকলন এবং বাংলাপিডিয়া।