বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

প্রমথ চৌধুরী

মোট প্রশ্ন১৮৪এই পাতা৮৪প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রমথ চৌধুরী

PrepBank · পাতা / · ১০১১৮৪ / ১৮৪

১০১.
প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যগ্রন্থ - 
  1. আহুতি
  2. নীললোহিত
  3. পদচারণ
  4. চার ইয়ারী কথা
ব্যাখ্যা

• 'পদচারণ' প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যগ্রন্থ
-পদচারণ কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৯ সালে।

প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। 

তাঁর রচিত অন্যান্য গল্পগ্রন্থ:
- আহুতি,
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ,
- চার ইয়ারী কথা।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১০২.
’সুশিক্ষিত লোক মানে স্বশিক্ষিত’-এই উক্তিটি কার?
  1. ড.মনিরুজ্জামান
  2. শেখ ফজলল করিম
  3. প্রমথ চৌধুরি
  4. গোলাম মোস্তফা
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী:
- তিনি ছিলেন বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন।
- এছাড়া বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- ছোটোগল্প ও সনেট রচনাতেও হিসেবেও তার বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত পত্রিকা সবুজপত্র।
- প্রমথ চৌধুরি উক্তি: ’সুশিক্ষিত লোক মানে স্বশিক্ষিত’।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা।
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ।
- আহুতি।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি।
- বীরবলের হালখাতা।
- নানাকথা।
- নানা চর্চা।
- রায়তের কথা।
- প্রবন্ধ সংগ্রহ ( ১ম খণ্ড-১৯৫২, ২য় খণ্ড-১৯৫৩)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১০৩.
'তেল-নুন-লাকড়ি' প্রবন্ধটি কার লেখা? 
  1. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  2. জহির রায়হান 
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. হুমায়ুন আজাদ
ব্যাখ্যা

তেল-নুন-লাকড়ি প্রবন্ধটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা। 

প্রমথ চৌধুরী 
- ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট, যশোরে প্রমথ চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের তুলনামূলক গবেষক ছিলেন।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক এবং বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হিসেবে খ্যাত।
- সাহিত্যিক ছদ্মনাম: বীরবল।
- প্রথমবার গদ্য/প্রবন্ধে চলিত রীতি প্রয়োগ করেন।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তক।
- মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকার সম্পাদক।
- মৃত্যু: ১৯৪৬, শান্তিনিকেতন।

কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ। 

গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা,
- নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ,
- আহুতি। 

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- নানা চর্চা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

১০৪.
প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ কোনটি?
  1. বীরবলের হালখাতা
  2. চার-ইয়ারি কথা
  3. আহুতি
  4. নীললোহিত
ব্যাখ্যা

• বীরবলের হালখাতা প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ।

• প্রমথ চৌধুরী:

- প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরী মূলত একজন প্রাবন্ধিক। 
- তাঁর পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন একজন জমিদার।
- তিনি ব্যক্তিগত জীবনে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা ইন্দিরা দেবীকে বিয়ে করেন।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- ফরাসি সনেটরীতি ট্রিয়লেট,তের্জারিমা ইত্যাদি বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম প্রবর্তন করেন।
- সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- ১৯১৪ সালে মাসিক  সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- পরবর্তীতে  বীরবল’ ছদ্মনামে সবুজপত্র পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। এ ছদ্মনাম থেকে পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা।
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ।
- আহুতি।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি।
- বীরবলের হালখাতা।
- নানাকথা।
- নানা চর্চা।
- রায়তের কথা।
- প্রবন্ধ সংগ্রহ ( ১ম খণ্ড-১৯৫২, ২য় খণ্ড-১৯৫৩)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০৫.
কোন পত্রিকাকে কেন্দ্র বাংলা গদ্যে চলিত রীতি প্রতিষ্ঠা লাভ করে?
  1. সংবাদ প্রভাকর
  2. কল্লোল
  3. সবুজপত্র
  4. প্রগতি
ব্যাখ্যা
সবুজপত্র পত্রিকা:
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম।
- সাধু গদ্যরীতির বদলে চলিত গদ্যরীতি এই পত্রিকা ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠা করে। 
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন।
- সাহিত্য জগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরিতে সক্ষম হয়। 

প্রমথ চোধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। 
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১০৬.
প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার প্রথম প্রকাশ সাল কত?
  1. ১৯২৪
  2. ১৯১৪
  3. ১৯১১
  4. ১৯২১
ব্যাখ্যা
• 'সবুজপত্র' পত্রিকা: 
- 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত সাহিত্য পত্রিকা।
- 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে।  
- এটি বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৩ বছর চলে।
- এটি চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে।
- তিনি 'বিশ্বভারতী' পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
--------------------  
• প্রমথ চৌধুরী:
- ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- তিনি বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- গদ্য / প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। 
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
- ১৯৪৬ সালে শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।
 
• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল নুন লকড়ি ইত্যাদি।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া।
১০৭.
প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. আত্মকথা
  2. আমাদের শিক্ষা
  3. সনেট পঞ্চাশৎ
  4. নানাচর্চা
ব্যাখ্যা
• 'সনেট পঞ্চাশৎ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে। 

⇒ প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ। 

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১০৮.
প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ কোনটি?
  1. তেল-নুন-লকড়ি
  2. আহুতি
  3. বীরবলের হালখাতা
  4. রায়তের কথা
ব্যাখ্যা
• ‘আহুতি’ প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি গল্পগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯১৯ সালে প্রকাশিত হয়।

• প্রমথ চৌধুরী:
-  ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি বাংলা সাহিত্য চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- ছদ্মনাম: বীরবল।

• প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ।

• প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
তেল-নুন-লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- নানাকথা,
- নানাচর্চা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা, ইত্যাদি।

• প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১০৯.
“বর্ষা” প্রবন্ধটির রচয়িতা হলেন-
  1. মীর মোশাররফ হোসেন
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম। পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন জমিদার।
১৯৪১ সালে তিনি  কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জগত্তারিণী স্বর্ণপদকে ভূষিত হন।
১৯৪৬ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তিনিকেতনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 
 
প্রমথ চৌধুরীর “বর্ষা” প্রবন্ধটি তাঁর 'প্রবন্ধ সংগ্রহ' (১৯৫২) থেকে সংকলিত এবং ঈষৎ সংক্ষেপিত।
নদীমাতৃক এই দেশে বর্ষা ঋতু অত্যন্ত পরিচিত। অবিরাম বৃষ্টিতে বৃক্ষরাজির অবস্থা, মানব মনের আনন্দ-বিষাদ মাখানাে। 
অনুভূতি, বর্ষার গান ও কবিতা, বিশেষত রবীন্দ্রনাথের বর্ষার চিত্র প্রাবন্ধিকের মন জুড়ে বয়ে চলেছে।

প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ: 
তেল নুন লকড়ি ,
বীরবলের হাল খাতা 
- নানাকথা 
- আমাদের শিক্ষা 
- রায়তের কথা 
- নানাচর্চা 
- প্রবন্ধ সংগ্রহ 

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা 
- আহুতি 
- নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ 

[উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর, সাহিত্য পাঠ -একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি]
১১০.
"যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।" — উক্তিটি কার?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. কাজী মোতাহার হোসেন
ব্যাখ্যা
প্রমথ চৌধুরী'র বিখ্যাত কিছু উক্তি:

- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।
- ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালিই পড়ে। (ভাষার কথা)।
- আনন্দের ধর্ম এই যে তা সংক্রামক।
- সাহিত্যে মানবত্মা খেলা করে এবং সেই খেলার আনন্দ উপভোগ করে।
- যে খেলার ভিতর আনন্দ নেই কিন্তু উপরি পাওনার আশা আছে, তার নাম খেলা নয়, জুয়াখেলা।
- যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।

প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল’।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১১১.
'‘আহুতি’ প্রমথ চৌধুরী রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. প্রবন্ধগ্রন্থ
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. গল্পগ্রন্থ
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• ‘আহুতি’ প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি গল্পগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯১৯ সালে প্রকাশিত হয়।

-----------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- তিনি সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- ১৯১৪ সালে মাসিক সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

• প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- নানাকথা,
- নানাচর্চা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

• প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ।

• প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১২.
''সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া-কারও মনোরঞ্জন করা নয়।'' - এই মত কে পেশ করেন?
  1. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা
• ''সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া-কারও মনোরঞ্জন করা নয়।'' - প্রমথ চৌধুরী এই মত পেশ করেন।

• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।
----------------------
• প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত কিছু উক্তি:
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।
- বাংলা ভাষা আহত হয়েছে সিলেটে আর নিহত হয়েছে চট্টগ্রামে।
- সাহিত্য জাতির দর্পণ স্বরূপ।
- হীরক ও কাঁচ যমজ হলেও সহোদর নয়।
- সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া-কারও মনোরঞ্জন করা নয়।
- কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা।
- সাহিত্যে মানবাত্মা খেলা করে এবং সেই খেলার আনন্দ উপভোগ করে।
- যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়।
- জ্ঞানের প্রদীপ যেখানেই জ্বালো না কেন, তাহার আলোক চারিদিক ছড়াইয়া পড়িবে।
- যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।
- মনোজগতে বাতি জ্বালানোর জন্য সাহিত্যচর্চার বিশেষ প্রয়োজন।
- ইহা সত্যকে সুন্দর করে নাই, মিথ্যাকে সত্যের মুখোশ পরাইয়াছে।
- মন উঁচুতে উঠতে চায় নীচুতেও নামতে চায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১১৩.
কোনটি প্রমথ চৌধুরী রচিত চলিত রীতির প্রথম গদ্যরচনা?
  1. বীরবলের হালখাতা
  2. কথপোকথন
  3. লিপিমালা
  4. হিতোপদেশ
ব্যাখ্যা
• ‘বীরবলের হালখাতা’:
- ‘বীরবলের হালখাতা’ তাঁর রচিত প্রথম চলিত রীতির গদ্য রচনা।
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।

---------------------------
• প্রমথ চৌধুরী:

- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল’।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

• তেল নুন লকড়ি - প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রবন্ধগ্রন্থ।
• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৪.
‘কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা।’- উক্তিটি কোন প্রবন্ধের অন্তর্গত?
  1. বইপড়া
  2. সাহিত্যে খেলা
  3. লাইব্রেরি
  4. শিক্ষা ও মনুষ্যত্ব
ব্যাখ্যা
‘কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা।’- উক্তিটি প্রমথ চৌধুরী রচিত ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের অন্তর্ভুক্ত।

⇒ প্রমথ চৌধুরী:
• বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
• বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।
- ‘বীরবলেন হালখাতা’ তাঁর রচিত প্রথম চলিত রীতির গদ্য রচনা।
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
-'বীরবলের হালখাতা' গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১১৫.
'যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়।' - উক্তিটি কোন প্রবন্ধে রয়েছে?
  1. লাইব্রেরি
  2. আমাদের শিক্ষা
  3. বই পড়া
  4. সভ্যতার সংকট
ব্যাখ্যা
• 'বই পড়া' প্রবন্ধটির রচয়িতা- প্রমথ চৌধুরী। 

• এই প্রবন্ধের কিছু বিখ্যাত উক্তি:
- ব্যাধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়।
- যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব। 
- যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়।
- যে জাতির জ্ঞানভাণ্ডারে শূন্য সে জাতি ভাঁড়েও ভবানী।

অন্যদিকে, 
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘লাইব্রেরি’। এই প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ লাইব্রেরী গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। রবীন্দ্রনাথের আরেকটি প্রবন্ধ- সভ্যতার সংকট।

 ----------------------- 
• প্রমথ চৌধুরী:
- ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- তিনি বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- গদ্য / প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। 
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
- ১৯৪৬ সালে শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।
 
• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ: 
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল নুন লকড়ি ইত্যাদি।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; প্রবন্ধ সংগ্রহ- প্রমথ চৌধুরী।
১১৬.
বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন কে?  
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা

• প্রমথ চৌধুরী: 
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম। পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন জমিদার। 

- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন কলেজে কিছুকাল অধ্যাপনা করেন এবং ঠাকুর এস্টেটের ম্যানেজার ছিলেন। পরে তিনি সাহিত্যচর্চায় পরিপূর্ণভাবে মনোনিবেশ করেন।

- ১৯১৪ সালে মাসিক সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি। একে কেন্দ্র করে তখন একটি শক্তিশালী লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

- প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়। তাঁর সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা হলো বিশ্বভারতী (১৩৪৯-৫০), রূপ ও রীতি (১৩৪৭-৪৯) এবং অলকা।

- সাহিত্য ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরীর প্রধান খ্যাতি মননশীল প্রবন্ধলেখক হিসেবে। তবে তিনি উচ্চমানের গল্প ও কবিতাও রচনা করেছেন। বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। 

- বাংলা কাব্য সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তক।

প্রমথ চৌধুরী রচিত সাহিত্যকর্মগুলো হলো-
কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা,
- নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ,
- আহুতি।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- নানা চর্চা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১১৭.
প্রমথ চৌধুরী বাংলা গদ্যে কোন রীতির প্রবর্তক ছিলেন?
  1. যতিচিহ্ন রীতি
  2. চলিত রীতি
  3. অলঙ্কারিক রীতি
  4. প্রকৃত রীতি
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ছিলেন। 

প্রমথ চৌধুরী:
- জন্ম: ৭ আগস্ট, ১৮৬৮, যশোর। 
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের তুলনামূলক গবেষক ছিলেন। 
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক। 
- সাহিত্যিক ছদ্মনাম: ‘বীরবল’। 
- গদ্য ও প্রবন্ধে প্রথমবার চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান। 
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। 
- মৃত্যু: ২রা সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬ (১৬ই ভাদ্র ১৩৫৩), শান্তিনিকেতন। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া। 

১১৮.
'পৃথিবীর শিল্পী মাত্রেই এই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন।'- উক্তিটি কার?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 
  3. প্রমথ চৌধুরী 
  4. সুফিয়া কামাল 
ব্যাখ্যা

'পৃথিবীর শিল্পী মাত্রেই এই শিল্পের খেলা খেলে থাকেন।' উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের অন্তর্ভুক্ত। 

উক্তিটির বিশ্লেষণ-

পৃথিবীর সকল শিল্পীরই শিল্প সৃষ্টির প্রয়াসকে 'সাহিত্যে খেলা' প্রবন্ধের লেখক খেলা হিসেবে বিবেচনা করেছেন।
লেখক মত প্রকাশ করেছেন যে, শিল্পী যা কিছু সৃষ্টি করেন সেটি শিল্পীর কাছে একরকম খেলারই নামান্তর। বিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর রোদ্যার সৃষ্টিকর্মকে উদাহরণ হিসেবে দেখিয়েছেন তিনি। মাটি নিয়ে পুতুল গড়ার খেলা খেলেই পৃথিবী জোড়া খ্যাতি পেয়েছেন রোদ্যা। ঠিক তেমনই পৃথিবীর সকল শিল্পীই খেলার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত অভিনব সব সৃষ্টিশীল শিল্পকর্ম সৃষ্টি করে যাচ্ছেন।

--------------------
প্রমথ চৌধুরীর 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধের এরূপ কিছু বিখ্যাত উক্তি হলো-
• 'কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা।'- (সাহিত্যের খেলা)।
• 'সাহিত্যের উদ্দেশ্যে সকলকে আনন্দ দান করা কারো মনোরঞ্জনের বিষয় নহে'- (সাহিত্যে খেলা)।
• ‘বেদীতে না বসলে আমাদের উপদেশ কেউ মানে না।’
• 'যিনি গড়তে জানেন, তিনি শিবও গড়তে পারেন বাঁদরও গড়তে পারেন।'
• 'সাহিত্য শিক্ষার ভার নেয় না, কেননা মনোজগতে শিক্ষকের কাজ হচ্ছে কবির কাজের ঠিক উলটো।'

উৎস: 'সাহিত্যের খেলা' প্রবন্ধ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১১৯.
বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে কোন পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম?
  1. তত্ত্ববোধিনী
  2. মোসলেম ভারত
  3. সবুজপত্র
  4. সাধনা
ব্যাখ্যা
• 'সবুজপত্র' পত্রিকা:
- বাংলা সাহিত্যের চলতি রীতির প্রচলণের অগ্রণী ভূমিকা পালন করে সবুজপত্র পত্রিকা।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম। সাধু গদ্যরীতির বদলে চলিত গদ্যরীতি এই পত্রিকা ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠা করে।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন।
- সাহিত্য জগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরিতে সক্ষম হয়।
- ১৯২৭ সালে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১২০.
বাংলা কাব্য সাহিত্যে প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা
⇒ প্রমথ চৌধুরী:
• বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
• বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
• প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।
• ‘বীরবলেন হালখাতা’ তাঁর রচিত প্রথম চলিত রীতির গদ্য রচনা।
• প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
• 'বীরবলের হালখাতা' গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
• বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
• তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল নুন লাকড়ি ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

উল্লেখ্য,
- বাংলা সনেটের জনক মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তাঁর রচিত সনেটের সংকলন ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলি’ ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- তিনি ইতালীয় কবি পেত্রাক ও ইংলিশ কবি শেকসপিয়রের অনুকরনে বাংলা সনেট রচনা করেন। তিনি বাংলা অমিত্রাক্ষর ছন্দের স্রষ্টাও। 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১২১.
সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ উক্তিটি কার?
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. কাজী মোতাহার হোসেন
  4. মীর মশররাফ হোসেন
ব্যাখ্যা
- 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর।
- এটি প্রমথ চৌধুরীর 'বই পড়া' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে।

• তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত উক্তি:
- ‘ব্যাধিই সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়'
- 'যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়'।

• প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রুপাত্নক প্রবন্ধ রচনাকারী, গদ্য সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- ইতালীয় সনেটের প্রবর্তকও হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- তাঁর ছদ্মনাম বীরবল।
- তিনি সবুজপত্র (১৯১৪) ও বিশ্বভারতী, রূপ ও রীতি এবং অলকা পত্রিকা সম্পাদনা করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারি কথা।
- আহুতি।
- নীললোহিত ও
- গল্প সংগ্রহ। 

• তাঁর রচিত প্ৰবন্ধগ্রন্থ:
- তেল- নুন -লকড়ী।
- বীর বলের হালখাতা (চলিত রীতির প্রথম গদ্য রচনা)। 
- নানাকথা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
১২২.
'জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি' সহ্য করতে পারতেন না-
  1. বঙ্কিমচন্দ্র
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. প্রমথনাথ বিশী
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

• তাঁর কিছু বিখ্যাত উক্তি:
- ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’ (বইপড়া)।
- ‘ভাষা মানুষের মুখ হতে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে'-(ভাষার কথা)।
- ‘জীবনে জ্যাঠামি, সাহিত্যে ন্যাকামি সহ্য করতে পারতেন না।’- প্রমথ চৌধুরী (সাহিত্যের খেলা)।
- ‘কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা।’- (সাহিত্যের খেলা)।
- ‘সাহিত্যের উদ্দেশ্যে সকলকে আনন্দ দান করা কারো মনোরঞ্জনের বিষয় নহে’- (সাহিত্যে খেলা)।

---------------------------
• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; ‘সাহিত্যের খেলা’ প্রবন্ধ ও বাংলাপিডিয়া।
১২৩.
‘বইপড়া’ প্রবন্ধটির লেখক কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  4. হায়াৎ মামুদ
ব্যাখ্যা
• 'বই পরা' প্রবন্ধের রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী।
• এটি তাঁর 'প্রবন্ধ সংগ্রহ' গ্রন্থ থেকে নির্বাচন করা হয়েছে। 

⇒ প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ: 
- তেল নুন লকড়ী, 
- বীরবলের হালখাতা, 
- নানাকথা, 
- ভাষার কথা, 
- আমাদের শিক্ষা, 
- রায়তের কথা, 
- নানাচর্চা, 
- প্রবন্ধ সংগ্রহ। 

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ: 
- চার ইয়ারী কথা, 
- আহুতি, 
- নীললোহিত, 
- অনুকথা সপ্তক, 
- ঘোষালে ত্রিকথা। 

• কাব্যগ্রন্থ: 
- সনেট পঞ্চাশৎ, 
- পদচারণ। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা সাহিত্য; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১২৪.
বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতিতে লিখিত প্রথম গ্রন্থ প্রকাশিত হয়___সালে।
  1. ক) ১৯০৯
  2. খ) ১৯১০
  3. গ) ১৯১৪
  4. ঘ) ১৯১৬
ব্যাখ্যা
বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী। প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল। তার ১৯১৬ সালে প্রকাশিত 'বীরবলের হালখাতা' প্রথম চলিত রীতিতে লিখিত গ্রন্থ। এটি ১৯০২ সালে প্রথম ভারতী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকা (১৯১৪) চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে। বাংলা সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তকও প্রমথ চৌধুরী।
Source: LiveMCQ Lecture
১২৫.
কোন লেখক চলিত ভাষাকে মান ভাষারূপে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আন্দোলন করেছিলেন?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. বুদ্ধদেব বসু
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. জসীমউদ্দিন
ব্যাখ্যা
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- ১৯১৪ সালে মাসিক  সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- একে কেন্দ্র করে তখন একটি শক্তিশালী লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। 
- স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন।
- তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।
- তিনিই চলিত ভাষাকে মান ভাষারূপে প্রতিষ্ঠা করার জন্য আন্দোলন করেছিলেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
১২৬.
বাংলা ভাষায় চলিত রীতির উদ্ভাবক কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী:
- ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক।
- সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন।
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধিক হিসেবে পরিচিত।
- ছোটোগল্প ও সনেট রচনাতেও হিসেবেও তার বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত পত্রিকা সবুজপত্র।
- চলিত রীতিতে তার প্রথম গদ্যরচনা: বীরবলের হালখাতা।
- প্রমথ চৌধুরি উক্তি: ’সুশিক্ষিত লোক মানে স্বশিক্ষিত’।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

১২৭.
প্রমথ চৌধুরী কর্তৃক চলিত রীতিতে লিখিত প্রথম গ্রন্থ কোনটি?
  1. আহুতি
  2. চার ইয়ারী কথা
  3. তেল নুন লাকড়ি
  4. বীরবলের হালখাতা
ব্যাখ্যা

'বীরবলের হালখাতা':
- এটি প্রমথ চোধুরী রচিত প্রথম চলিত রীতিতে লিখিত গ্রন্থ।
- এটি ১৯০২ সালে প্রথম 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকা (১৯১৪) চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে।

প্রমথ চোধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১২৮.
বাংলা সাহিত্যের চলতি রীতির প্রচলণের অগ্রণী ভূমিকা পালন করে-
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. বিহারীলাল চক্রবর্তী
ব্যাখ্যা
বাংলা সাহিত্যের চলতি রীতির প্রচলণের অগ্রণী ভূমিকা পালন করে- 'প্রমথ চৌধুরী'। 

• প্রমথ চোধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। 
- তেল নুন লকড়ি - প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। 
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলো প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
-------------------------------------
• বাংলা সাহিত্যের চলতি রীতির প্রচলণের অগ্রণী ভূমিকা পালন করে- সবুজপত্র পত্রিকা। 

• সবুজপত্র পত্রিকা: 
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম।
- সাধু গদ্যরীতির বদলে চলিত গদ্যরীতি এই পত্রিকা ব্যবহার ও প্রতিষ্ঠা করে। 
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন।
- সাহিত্য জগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরিতে সক্ষম হয়। 
----------------------------- 
• প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ: 
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

• প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।
-----------------------------------------

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া। 
১২৯.
বাংলা সাহিত্যে কে প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী মূলত একজন প্রাবন্ধিক। তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- সাহিত্য ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরীর প্রধান খ্যাতি মননশীল প্রবন্ধলেখক হিসেবে। বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন।
- তিনি ইংরেজি ও ফরাসি সাহিত্যে সুপন্ডিত ছিলেন। ফরাসি সনেটরীতি ট্রিয়লেট, তের্জারিমা ইত্যাদি বিদেশি কাব্যবন্ধ বাংলা কাব্যে তিনিই প্রবর্তন করেন। 
- ১৯১৪ সালে মাসিক সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- পরবর্তীতে বীরবল' ছদ্মনামে সবুজপত্র পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। এ ছদ্মনাম থেকে পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল নুন লকড়ি ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত,
- গল্পসংগ্রহ।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩০.
চলিত রীতি প্রবর্তনে কোন পত্রিকাটি মূল ভূমিকা পালন করে?
  1. কল্লোল
  2. সমাচার দর্পণ
  3. বঙ্গদর্শন
  4. সবুজপত্র
ব্যাখ্যা
• 'সবুজপত্র' পত্রিকা:
- বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- 'সবুজপত্র' পত্রিকা ১৯১৪ সালে প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত বিশিষ্ট সাহিত্য পত্রিকা।
- এটি বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং ১৩ বছর চলে।
- এটি চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে।

--------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল
- ‘বীরবলেন হালখাতা’ তাঁর রচিত প্রথম চলিত রীতির গদ্য রচনা।
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৩১.
'সনেট পঞ্চাশৎ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. বদরুদ্দীন ওমর
  4. বিষ্ণু দে
ব্যাখ্যা
• 'সনেট পঞ্চাশৎ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে। 

⇒ প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ। 

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৩২.
বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক-
  1. ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. খ) ফজলল করিম
  3. গ) ভানুসিংহ
  4. ঘ) বীরবল
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল।
- 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর প্রথম চলিত রীতিতে লিখিত গ্রন্থ।
- এটি ১৯০২ সালে প্রথম 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকা (১৯১৪) চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩৩.
প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত পত্রিকা-
  1. সবুজপত্র
  2. বিশ্বভারতী
  3. রূপ ও রীতি
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী ও তাঁর সম্পাদিত পত্রিকা:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।

- ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি। একে কেন্দ্র করে তখন একটি শক্তিশালী লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

- তাঁর সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা হলো বিশ্বভারতী (১৩৪৯-৫০), রূপ ও রীতি (১৩৪৭-৪৯) এবং অলকা।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৩৪.
বাংলা কাব্য সাহিত্যে প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন কে?
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. প্রমথ চোধুরী
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা

প্রমথ চোধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। 

প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৩৫.
প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ কোনটি?
  1. বীরবলের হালখাতা
  2. চার-ইয়ারি কথা
  3. তেল-নুন-লাকড়ি
  4. রায়তের কথা
ব্যাখ্যা
• 'চার-ইয়ারি কথা'- প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ। 

• প্রমথ চৌধুরী:

- প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন একজন জমিদার।
- তিনি ব্যক্তিগত জীবনে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা ইন্দিরা দেবীকে বিয়ে করেন।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- ফরাসি সনেটরীতি ট্রিয়লেট,তের্জারিমা ইত্যাদি বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম প্রবর্তন করেন।
- সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- ১৯১৪ সালে মাসিক  সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- পরবর্তীতে  বীরবল’ ছদ্মনামে সবুজপত্র পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। এ ছদ্মনাম থেকে পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা।
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ।
- আহুতি।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি।
- বীরবলের হালখাতা।
- নানাকথা।
- নানা চর্চা।
- রায়তের কথা।
- প্রবন্ধ সংগ্রহ ( ১ম খণ্ড-১৯৫২, ২য় খণ্ড-১৯৫৩)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও বাংলাপিডিয়া।
১৩৬.
'সবুজপত্র' পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় কোন সময়ে?
  1. উনিশ শতকের শুরুতে
  2. বিশ শতকের শুরুতে
  3. উনিশ শতকের শেষে
  4. বিশ শতকের শেষে
ব্যাখ্যা
• 'সবুজপত্র' পত্রিকা:
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে (অর্থ্যাৎ বিশ শতকের শুরুতে) মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম।
- বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন।
- সাহিত্য জগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরিতে সক্ষম হয়। 
- ১৯২৭ সালে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া।
১৩৭.
'ইহা সত্যকে সুন্দর করে নাই, মিথ্যাকে সত্যের মুখোশ পরাইয়াছে।' কার উক্তি?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) বুদ্ধদেব বসু
  3. গ) বিহারীলাল চক্রবর্তী
  4. ঘ) প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত কিছু উক্তিঃ
- 'ইহা সত্যকে সুন্দর করে নাই, মিথ্যাকে সত্যের মুখোশ পরাইয়াছে।'
- 'জ্ঞানের প্রদীপ যেখানেই জ্বালো না কেন, তাহার আলোক চারিদিক ছড়াইয়া পড়িবে।'
- 'মনোজগতে বাতি জ্বালানোর জন্য সাহিত্যচর্চার বিশেষ প্রয়োজন।'
- 'মন উঁচুতে উঠতে চায় নীচুতেও নামতে চায়।'
- 'যে জাতি মানে বড় নয় সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়।'
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।

১৩৮.
'আমাদের শিক্ষা' প্রবন্ধ গ্রন্থটি রচনা করেন-
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) প্রমথ চৌধুরী
  3. গ) শেখ ফজলুল করিম
  4. ঘ) মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন
ব্যাখ্যা

• বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হিসেবে পরিচিত প্রমথ চৌধুরী।
• তিনি 'বীরবল' ছদ্মনাম ব্যবহার করে অনেক রচনা প্রকাশ করেন।
• তাঁকে বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়।
• 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর রচিত প্রথম চলিত রীতির গদ্য রচনা।
• তিনি মাসিক সবুজপত্র (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি 
- বীরবলের হালখাতা,
- নানা কথা,
- রায়তের কথা, 
- নানাচর্চা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ। 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৩৯.
প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রথম গল্পগ্রন্থ কোনটি?
  1. বীরবলের হালখাতা
  2. তেল নুন লকড়ি
  3. নীললোহিত
  4. চার ইয়ারী কথা
ব্যাখ্যা
• চার ইয়ারী কথা:
- ‘চার ইয়ারী কথা' (১৯১৬) প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ।
- চারবন্ধুর প্রেমের কাহিনি প্রত্যেকটি প্রেমই অভিশপ্ত, নায়িকা চারজন ইউরোপীয়।
- প্রথম নায়িকা উন্মাদ, দ্বিতীয় চোর, তৃতীয় প্রতারক, চতুর্থ নায়িকা মৃত্যুর পর তার ভালোবাসা ব্যক্ত করেছে।
- ভাষার চাতুর্য, পরিহাসপ্রিয়তা এবং সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ উদ্ভাসিত এই কাহিনি বাংলা ভাবালু প্রেমকাহিনির প্রতিবাদী।

• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র’ পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৪০.
চলিত ভাষাকে জনপ্রিয় করেন কে?
  1. ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. খ) কাজী নজরুল ইসলাম
  3. গ) শামসুর রহমান
  4. ঘ) প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল।
- 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর প্রথম চলিত রীতিতে লিখিত গ্রন্থ।
- এটি ১৯০২ সালে প্রথম 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকা (১৯১৪) চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪১.
প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. তেল-নুন-লকড়ী
  2. চার-ইয়ারী কথা
  3. বীরবলের হালখাতা
  4. নানাকথা
ব্যাখ্যা

• 'চার-ইয়ারী কথা' গল্প:
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'চার-ইয়ারী কথা' গল্পটি প্রথম প্রকাশিত হয় 'সবুজপত্র' পত্রিকায়। ১৩২২ বঙ্গাব্দের চৈত্র, ১৩২৩-এর বৈশাখ ও জৈষ্ঠ্য সংখ্যায় তিন কিস্তিতে গল্পটি প্রকাশিত হয়। বহু প্রশংসিত হবার পর, এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সাধারণাব্দে।

- প্রমথ চৌধুরী বইটি উৎসর্গ করেন স্ত্রী ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীকে। ১৯৪৪-এ এই বইটির ইন্দিরা দেবীকৃত ইংরেজি তর্জমা 'Tale of Four Friends' প্রকাশ করে বিশ্বভারতী। এই কাহিনি সম্পর্কে অভিযোগ উঠেছিল, এটি আনাতোল ফ্রাঁসের গল্পের অনুকরণে গড়া।

- গল্প প্রকাশের সময় অনেকেই প্রমথ চৌধুরীকে মুখে বলেছেন: তাঁর নায়িকাগুলির বর্ণনা, কথোপকথন ও চরিত্রাঙ্কন এত নিখুঁত যে মনে হওয়াই স্বাভাবিক যে 'চার ইয়ারি কথা'-র চারটি নায়িকার সঙ্গে বিলেতে তাঁর নিশ্চয়ই পরিচয় ছিল। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ছাড়া এমন লেখা সম্ভব নয়।
প্রত্যুত্তরে প্রমথ চৌধুরী বলেন: "প্রথম নায়িকা হচ্ছে পাগল, দ্বিতীয়টি চোর, তৃতীয়টি জুয়াচ্চোর, আর চতুর্থটি ভূত। বলা বাহুল্য, একরকম চারটি সম্পূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রের নায়িকার একটির পর একটির সঙ্গে পরিচয় হওয়া অসম্ভব। এই চারটিই আমার মনগড়া। তবে এর ভিতর তৃতীয় গল্পের নায়িকার সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল, যাকে আমি রিণী নামে গড়ে তুলেছি।"

- সেকালে পাঠক সমাজের বিশেষ উৎসাহ ছিল তৃতীয় গল্পের রহস্যময়ী নায়িকা রিণীকে নিয়ে। বিশেষত রিণীর সঙ্গে লেখকের কোনো সম্পর্ক ছিল কিনা তা-ই নিয়ে। আত্ম-কথা-য় এ বিষয়ে প্রমথ চৌধুরী যা লিখেছিলেন তার অনেকটাই হারিয়ে গেছে। আর যে-কিছুটা অংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে তা বৈশাখী-তে (১৩৫২) প্রকাশিত হয়েছে।

-----------------
প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন সাহিত্যিক ও বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। তিনি ৭ আগস্ট, ১৮৬৮ সালে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।

প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধ:
- তেল-নুন-লকড়ী,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- ভাষার কথ,
- আমাদের শিক্ষা,
- নানাচর্চা। 

প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্প গন্থ:
- চার-ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত,
- ঘোষালে ত্রিকথা।

উৎস: 'চার-ইয়ারী কথা' গল্প গ্রন্থ; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৪২.
"চার-ইয়ারী কথা" গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. লাঙ্গল
  2. ভারতী
  3. সবুজপত্র
  4. বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা
• 'চার-ইয়ারী কথা’ গল্প:
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'চার-ইয়ারী কথা’ প্রথম প্রকাশিত হয় ‘সবুজপত্র’ পত্রিকায়। ১৩২২ বঙ্গাব্দের চৈত্র, ১৩২৩-এর বৈশাখ ও জৈষ্ঠ্য সংখ্যায় তিন কিস্তিতে গল্পটি প্রকাশিত হয়। বহু প্রশংসিত হবার পর, এটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সাধারণাব্দে।

- প্রমথ চৌধুরী বইটি উৎসর্গ করেন স্ত্রী ইন্দিরা দেবী চৌধুরাণীকে। ১৯৪৪-এ এই বইটির ইন্দিরা দেবীকৃত ইংরেজি তর্জমা ‘Tale of Four Friends’ প্রকাশ করে বিশ্বভারতী। এই কাহিনি সম্পর্কে অভিযোগ উঠেছিল, এটি আনাতোল ফ্রাঁসের গল্পের অনুকরণে গড়া।

- সেসময় অনেকেই প্রমথ চৌধুরীকে মুখে বলেছেন: তাঁর নায়িকাগুলির বর্ণনা, কথোপকথন ও চরিত্রাঙ্কন এত নিখুঁত যে মনে হওয়াই স্বাভাবিক যে 'চার ইয়ারি কথা'-র চারটি নায়িকার সঙ্গে বিলেতে তাঁর নিশ্চয়ই পরিচয় ছিল। ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ছাড়া এমন লেখা সম্ভব নয়।

- প্রত্যুত্তরে প্রমথ চৌধুরী বলেন: “প্রথম নায়িকা হচ্ছে পাগল, দ্বিতীয়টি চোর, তৃতীয়টি জুয়াচ্চোর, আর চতুর্থটি ভূত। বলা বাহুল্য, একরকম চারটি সম্পূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রের নায়িকার একটির পর একটির সঙ্গে পরিচয় হওয়া অসম্ভব। এই চারটিই আমার মনগড়া। তবে এর ভিতর তৃতীয় গল্পের নায়িকার সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল, যাকে আমি রিণী নামে গড়ে তুলেছি।”

সেকালে পাঠক সমাজের বিশেষ উৎসাহ ছিল তৃতীয় গল্পের রহস্যময়ী নায়িকা রিণীকে নিয়ে। বিশেষত রিণীর সঙ্গে লেখকের কোনো সম্পর্ক ছিল কিনা তা-ই নিয়ে। আত্ম-কথা-য় এ বিষয়ে প্রমথ চৌধুরী যা লিখেছিলেন তার অনেকটাই হারিয়ে গেছে। আর যে-কিছুটা অংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে তা বৈশাখী-তে (১৩৫২) প্রকাশিত হয়েছে। 

উৎস: চার-ইয়ারী কথা’ গল্পগ্রন্থ।
১৪৩.
'চার ইয়ারী কথা' গল্পগ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. মোতাহার হোসেন চৌধুরী
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  5. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

'চার ইয়ারী কথা' গল্পগ্রন্থ:
- এটি প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এখানে বর্ণিত হয়েছে চার বন্ধুর প্রেমের কাহিনী। গল্পগ্রন্থের নায়িকা চারজনই ইউরোপীয়।
- গল্পগ্রন্থে প্রথম নায়িকা উন্মাদ, দ্বিতীয় চোর, তৃতীয় প্রতারক ও চতুর্থ নায়িকা মৃত্যুর পর ভালোবাসা ব্যক্ত করেছে।
- এটিতে ভাষার চাতুর্য, পরিহাসপ্রিয়তা এবং সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ উদ্ভাসিত হয়েছে ভাবালু প্রেমকাহিনী প্রতিবাদী রূপে।
 
প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৪৪.
নিচের কোনটি প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যগ্রন্থ?
  1. আহুতি
  2. পদচারণ 
  3. নানাকথা
  4. চার-ইয়ারি কথা
ব্যাখ্যা

• প্রমথ চৌধুরীর কাব্যগ্রন্থ- পদচারণ ।

• প্রমথ চৌধুরী:

- প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরী মূলত একজন প্রাবন্ধিক। 
- তাঁর পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন একজন জমিদার।
- তিনি ব্যক্তিগত জীবনে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা ইন্দিরা দেবীকে বিয়ে করেন।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- ফরাসি সনেটরীতি ট্রিয়লেট,তের্জারিমা ইত্যাদি বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম প্রবর্তন করেন।
- সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- ১৯১৪ সালে মাসিক  সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- পরবর্তীতে  বীরবল’ ছদ্মনামে সবুজপত্র পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। এ ছদ্মনাম থেকে পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা।
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ।
- আহুতি

• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি।
- বীরবলের হালখাতা।
- নানাকথা।
- নানা চর্চা।
- রায়তের কথা।
- প্রবন্ধ সংগ্রহ ( ১ম খণ্ড-১৯৫২, ২য় খণ্ড-১৯৫৩)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও বাংলাপিডিয়া।

১৪৫.
চলিত গদ্যরীতির ব্যবহার প্রতিষ্ঠাকারী পত্রিকা কোনটি?
  1. সাধনা
  2. কল্লোল
  3. সবুজপত্র
  4. পরিচয়
ব্যাখ্যা
• 'সবুজপত্র' পত্রিকা:
- বাংলা সাহিত্যে চলতি রীতির প্রচলনের অগ্রণী ভূমিকা পালন করে সবুজপত্র পত্রিকা।
- ১৯১৪ সালে মাসিক সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন প্রমথ চৌধুরীর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি। বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।

- একে কেন্দ্র করে তখন একটি শক্তিশালী লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। প্রমথ চৌধুরী 'বীরবল' ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

- সাধু গদ্যরীতির বদলে চলিত গদ্যরীতির ব্যবহার এই পত্রিকা প্রতিষ্ঠা করে।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন।
- সাহিত্য জগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরিতে সক্ষম হয়। ১৯২৭সালে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৪৬.
“সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।”- এই বিখ্যাত উক্তিটি কোন কবির লেখা? 
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী 
ব্যাখ্যা

“সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।”- এই বিখ্যাত উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর লেখা। 
-------------------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী (৭ আগস্ট ১৮৬৮ — ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৬) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, কবি ও লেখক।
- তিনি প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে বিএ (অনার্স) দর্শন, এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে এমএ ডিগ্রী লাভ করেন।
- তিনি কিছুদিন ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা করেছেন এবং পরবর্তীতে সাহিত্যচর্চায় মনোনিবেশ করেন।
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা গদ্যে চলিতরীতি প্রবর্তক।
- তিনি বাংলা সাহিত্যে বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধের পথিকৃৎ ছিলেন।
- তিনি সবুজপত্র পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে নতুন গদ্যধারা সূচনা করেন।
- ১৯৪১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘জগত্তারিণী পদক’ পান।

- তার সাহিত্যকর্মে প্রবন্ধ, গল্প ও কাব্যরচনার সমৃদ্ধি রয়েছে।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
• তেল-নুন-লকড়ী, 
• বীরবলের হালখাতা,
• নানাকথা,
• আমাদের শিক্ষা,
• রায়তের কথা,
• নানাচর্চা।

- তাঁর গল্পগ্রন্থ:
• চার-ইয়ারী কথা,
• আহুতি,
• নীললোহিত,
• অনুকথা সপ্তক,
• ঘোষালে ত্রিকথা।

- তাঁর কাব্যগ্রন্থ:
• সনেট-পঞ্চাশৎ,
• পদচারণ। 
-----------------------------------------
প্রমথ চৌধুরীর একটি বিখ্যাত উক্তি হলো, 
- “সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত”।

-  এ উক্তিটি তার বিখ্যাত প্রবন্ধ "বই পড়া"-থেকে নেয়া হয়েছে।
- "বই পড়া" প্রবন্ধটি তাঁর "প্রবন্ধ সংগ্রহ" বইয়ের অন্তর্ভুক্ত

- “সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত”-
- এই উক্তি প্রমাণ করে যে প্রকৃত শিক্ষিত হতে হলে শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা নয়, নিজের প্রচেষ্টা ও আগ্রহেও জ্ঞান অর্জন করতে হয়।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১৪৭.
'সনেট পঞ্চাশৎ' কার রচিত কাব্যগ্রন্থ?
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. বিষ্ণু দে
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. বিজন ভট্টাচার্য
ব্যাখ্যা

 • 'সনেট পঞ্চাশৎ' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৩ খ্রিষ্টাব্দে। 

• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি  'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ
- পদাচরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪৮.
বাংলা কাব্য সাহিত্যে প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন - 
  1. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. মীর মশাররফ হোসেন
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী মূলত একজন প্রাবন্ধিক।
- প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৪৯.
প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় 'সবুজপত্র' প্রথম প্রকাশিত হয় - 
  1. ১৯১৪ সালে
  2. ১৯১৬ সালে
  3. ১৯২৪ সালে
  4. ১৯৩৪ সালে
ব্যাখ্যা

'সবুজপত্র' পত্রিকা:
- বিংশ শতাব্দীর বাংলায় আধুনিকতার বাহন বাংলা সাময়িকী।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় সবুজপত্র প্রথম প্রকাশিত হয় ১৩২১ বঙ্গাব্দের (১৯১৪ সালে) ২৫ বৈশাখ।
- এ ধরণের একটি সাময়িকী প্রকাশ করার জন্য  রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর প্রমথ চৌধুরীকে উৎসাহ প্রদান করেছিলেন।
- প্রমথ চৌধুরী নতুন সাহিত্য রীতি প্রবর্তনের চেষ্টা হিসেবে কথ্য বাংলাকে অগ্রাধিকার দেন, যা ‘বীরবলী’ ভাষা (তাঁর ছদ্মনাম ‘বীরবল’ থেকে) রূপে পরিচিতি লাভ করে।
- সবুজপত্রের প্রথম সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত এবং সম্পাদকের নিজের লেখা সন্নিবেশিত হয়।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৫০.
বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক - 
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. অমিয় চক্রবর্তী
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল’।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৫১.
‘বীরবলের হালখাতা’ কী ধরনের সাহিত্যকর্ম? 
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. গল্পগ্রন্থ
  3. প্রবন্ধগ্রন্থ
  4. ভ্রমণকাহিনী
ব্যাখ্যা

‘বীরবলের হালখাতা’ প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধ। 
-------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন একজন বাঙালি প্রাবন্ধিক, কবি এবং লেখক।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন জমিদার।
- তাঁর ছদ্মনাম ছিল বীরবল, এবং তিনি নিজেকে “বাংলা সাহিত্যের বীরবল” হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাইয়ের মেয়ে ইন্দ্রাদেবীকে বিয়ে করেন।
- তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- তিনি মাসিক সবুজপত্র প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির সূচনা করেন, যা তাঁর জীবনের সর্বোচ্চ কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা-
• কাব্যগ্রন্থ: সনেট পঞ্চাশৎ।
• গল্পগ্রন্থ: নীললোহিত ও চার ইয়ারি কথা।
• প্রবন্ধগ্রন্থ: তেল নুন লাকড়ি ও বীরবলের হালখাতা

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১৫২.
'সনেট পঞ্চাশৎ' প্রমথ চৌধুরী রচিত-
  1. উপন্যাস
  2. কাব্যগ্রন্থ
  3. নাটক
  4. প্রবন্ধগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরী মূলত একজন প্রাবন্ধিক।
- তিনি ব্যক্তিগত জীবনে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা ইন্দিরা দেবীকে বিয়ে করেন।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- ১৯১৪ সালে মাসিক সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- পরবর্তীতে বীরবল' ছদ্মনামে সবুজপত্র পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। এ ছদ্মনাম থেকে পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ, 
- পদচারণ।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা।
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ।
- আহুতি।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি।
- বীরবলের হালখাতা।
- নানাকথা।
- নানা চর্চা।
- রায়তের কথা।
- প্রবন্ধ সংগ্রহ (১ম খণ্ড-১৯৫২, ২য় খণ্ড-১৯৫৩)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও বাংলাপিডিয়া।
১৫৩.
"ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে।" - কে বলেছেন?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ 
  4. মোতাহের হোসেন চৌধুরী 
  5. কোনোটিই নয় 
ব্যাখ্যা

• "ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে।" উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর।

• প্রমথ চৌধুরী'র বিখ্যাত কিছু উক্তি:
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।
- ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালিই পড়ে। (ভাষার কথা)।
- আনন্দের ধর্ম এই যে তা সংক্রামক।
- সাহিত্যে মানবত্মা খেলা করে এবং সেই খেলার আনন্দ উপভোগ করে।
- যে খেলার ভিতর আনন্দ নেই কিন্তু উপরি পাওনার আশা আছে, তার নাম খেলা নয়, জুয়াখেলা।
- যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

১৫৪.
কোনটি প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ নয়?
  1. ক) নানাচর্চা
  2. খ) বীরবলের হালখাতা
  3. গ) নানাকথা
  4. ঘ) আহুতি
ব্যাখ্যা
'আহুতি' প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ।

বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম। পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন জমিদার। প্রমথ চৌধুরী কলকাতার হেয়ার স্কুল থেকে এন্ট্রান্স পাস করেন। তারপর  প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে দর্শনে অনার্সসহ বিএ (১৮৮৯) এবং ইংরেজিতে এমএ (১৮৯০) পাস করেন। ১৮৯৩ সালে প্রমথ চৌধুরী বিলেত যান এবং ব্যারিস্টারি পাস করে দেশে ফিরে কলকাতা হাইকোর্টে আইন ব্যবসায়ে যোগদান করেন। অবশ্য এ ব্যবসায়ে তিনি বেশিদিন যুক্ত থাকেননি।

সাহিত্য ক্ষেত্রে প্রমথ চৌধুরীর প্রধান খ্যাতি মননশীল প্রবন্ধলেখক হিসেবে। তবে তিনি উচ্চমানের গল্প ও কবিতাও রচনা করেছেন। বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধ রচনা করেন। বুদ্ধিদীপ্ত তির্যকভঙ্গি তাঁর গদ্য-পদ্য সব রচনার প্রধান বৈশিষ্ট্য। শাণিত যুক্তি ও আলঙ্কারিক ভাষা প্রয়োগেও তিনি দক্ষ ছিলেন। তাঁর রচিত প্রবন্ধগুলো: 
- তেল নুন লকড়ি
- বীরবলের হালখাতা
- নানাকথা
 -আমাদের শিক্ষা
- রায়তের কথা
- নানাচর্চা
- প্রবন্ধ সংগ্রহ

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর
১৫৫.
কোনটি প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ?
  1. আহুতি
  2. চার ইয়ারী কথা
  3. রায়তের কথা
  4. পদচারণ
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ - রায়তের কথা
- এটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।

প্রমথ চৌধুরী:
- ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- তিনি বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- গদ্য / প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- চলিত রীতির প্রথম গদ্যরচনা 'বীরবলের হালখাতা' (ভারতী পত্রিকায় প্রকাশ: ১৯০২)।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। 
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
- ১৯৪৬ সালে শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল নুন লকড়ি ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত,
- গল্পসংগ্রহ।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৫৬.
'যৌবনে দাও রাজটিকা' কোন ধরনের সাহিত্য রচনা?
  1. প্রবন্ধ
  2. নাটক 
  3. গল্পগ্রন্থ  
  4. কাব্যগ্রন্থ 
ব্যাখ্যা

• 'যৌবনে দাও রাজটিকা' প্রবন্ধটির রচয়িতা - প্রমথ চৌধুরী।
- রচনাটি প্রমথ চৌধুরীর 'প্রবন্ধ সংগ্রহ' গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

• 'যৌবনে দাও রাজটিকা' প্রবন্ধের অংশবিশেষ:
প্রকৃতির যৌবন শাসনযোগ্য হলেও তাকে শাসন করবার ক্ষমতা মানুষের হাতে নেই; কেননা, প্রকৃতির ধর্ম মানবধর্মশাস্ত্রবহির্ভূত। সেই কারণে জ্ঞানীব্যক্তিরা আমাদের প্রকৃতির দৃষ্টান্ত অনুসরণ করতে বারণ করেন, এবং নিত্যই আমাদের প্রকৃতির উলটো টান টানতে পরামর্শ দেন; এই কারণেই মানুষের যৌবনকে বসন্তের প্রভাব হতে দরে রাখা আবশ্যক। অন্যথা, যৌবন ও বসন্ত এ দুয়ের আবির্ভাব যে একই দৈবীশক্তির লীলা–এইরূপ একটি বিশ্বাস আমাদের মনে স্থানলাভ করতে পারে।

--------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- তিনি বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- গদ্য / প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি মাসিক ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪) পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত,
- গল্পসংগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৫৭.
'চার ইয়ারী কথা' গল্পগ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. সুফিয়া কামাল
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা

'চার ইয়ারী কথা' গল্পগ্রন্থ:
- এটি প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এখানে বর্ণিত হয়েছে চার বন্ধুর প্রেমের কাহিনী। গল্পগ্রন্থের নায়িকা চারজনই ইউরোপীয়।
- গল্পগ্রন্থে প্রথম নায়িকা উন্মাদ, দ্বিতীয় চোর, তৃতীয় প্রতারক ও চতুর্থ নায়িকা মৃত্যুর পর ভালোবাসা ব্যক্ত করেছে।
- এটিতে ভাষার চাতুর্য, পরিহাসপ্রিয়তা এবং সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ উদ্ভাসিত হয়েছে ভাবালু প্রেমকাহিনী প্রতিবাদী রূপে।
 
প্রমথ চোধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য গল্পগ্রন্থ:
- আহুতি,
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৫৮.
কে বাংলা গদ্যে চলিত রীতি প্রবর্তন করেন?
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. ইন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী:
- ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- তিনি বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক।
- সবুজপত্র পত্রিকা সম্পাদনার মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যে চলিতরীতি প্রবর্তন করেন।
- প্রমথ চৌধুরী বাংলা সাহিত্যে বিদ্রূপাত্মক প্রবন্ধিক হিসেবে পরিচিত।
- ছোটোগল্প ও সনেট রচনাতেও হিসেবেও তার বিশিষ্ট অবদান রয়েছে।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদিত পত্রিকা সবুজপত্র।
- চলিত রীতিতে তার প্রথম গদ্যরচনা: বীরবলের হালখাতা।
- প্রমথ চৌধুরি উক্তি: ’সুশিক্ষিত লোক মানে স্বশিক্ষিত’।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।

তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা।
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ।
- আহুতি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
১৫৯.
প্রমথ চৌধুরী কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. বর্ধমান
  2. হুগলি
  3. যশোর
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা
প্রমথ চৌধুরী:
- তিনি ৭ আগস্ট, ১৮৬৮ সালে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।

প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধ:
- তেল-নুন-লকড়ী,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- ভাষার কথ,
- আমাদের শিক্ষা,
- নানাচর্চা,

প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগন্থ:
- চার-ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত,
- ঘোষালে ত্রিকথা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬০.
প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধ নয় কোনটি?
  1. নানাকথা
  2. আত্মকথা
  3. বিচিত্র কথা
  4. নানাচর্চা
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চৌধুরী রচিত গ্রন্থ নয় ‘বিচিত্র কথা‘।
• ‘বিচিত্র কথা’ জয়ন্তী অধিকারী রচিত একটি প্রবন্ধ সংকলন

⇒ প্রমথ চৌধুরী:

- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র’ পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ। 

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬১.
’আহুতি’ গল্পগ্রন্থের লেখক কে?
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. বন্দে আলী মিয়া
ব্যাখ্যা

• ’আহুতি’ গল্পগ্রন্থের লেখক- প্রমথ চৌধুরী।

• প্রমথ চৌধুরী:

- প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরী মূলত একজন প্রাবন্ধিক। 
- তাঁর পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন একজন জমিদার।
- তিনি ব্যক্তিগত জীবনে সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা ইন্দিরা দেবীকে বিয়ে করেন।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- ফরাসি সনেটরীতি ট্রিয়লেট,তের্জারিমা ইত্যাদি বাংলা সাহিত্যে তিনিই প্রথম প্রবর্তন করেন।
- সাহিত্যে ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- ১৯১৪ সালে মাসিক  সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- পরবর্তীতে  বীরবল’ ছদ্মনামে সবুজপত্র পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। এ ছদ্মনাম থেকে পরবর্তীতে বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ:
- চার-ইয়ারি কথা।
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ।
- আহুতি।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি।
- বীরবলের হালখাতা।
- নানাকথা।
- নানা চর্চা।
- রায়তের কথা।
- প্রবন্ধ সংগ্রহ ( ১ম খণ্ড-১৯৫২, ২য় খণ্ড-১৯৫৩)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা,বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও বাংলাপিডিয়া।

১৬২.
প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ নয় কোনটি? 
  1. নীললোহিত 
  2. রায়তের কথা
  3. নানাকথা
  4. তেল-নুন-লকড়ি
ব্যাখ্যা

•  প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ নয়- 'নীললোহিত'। 
• 'নীললোহিত' প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়।

--------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- ১৯১৪ সালে মাসিক সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- প্রমথ চৌধুরী 'বীরবল' ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- নানাকথা,
- নানাচর্চা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ।

প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬৩.
‘যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।’- উক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. সুফিয়া কামাল
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
'বইপড়া' প্রবন্ধ:
• 'বইপড়া' প্রবন্ধের রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী।
• এটি তাঁর 'প্রবন্ধ সংগ্রহ' গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। 

• এই প্রবন্ধের কিছু বিখ্যাত উক্তি হলো-
- ‘যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।’ 
- ‘যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানে বড় নয়।’
- ‘পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়।’
- ‘যে জাতির জ্ঞানভাণ্ডারে শূন্য সে জাতি ভাঁড়েও ভবানী।

-------------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি  'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ। 

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬৪.
‘পদচারণ’ প্রমথ চৌধুরী রচিত কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. গল্প
  3. প্রবন্ধগ্রন্থ
  4. গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• ‘পদচারণ’ প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- পদচারণ কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৯ সালে। 

------------------
• প্রমথ চৌধুরী:

- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ। 

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬৫.
নিচের কোনটি গল্পগ্রন্থ?
  1. তেল-নুন-লকড়ী
  2. বীরবলের হালখাতা
  3. নানাকথা
  4. নীললোহিত
ব্যাখ্যা

• 'নীললোহিত' প্রমথ চৌধুরী রচিত - গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়।

প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন সাহিত্যিক ও বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। তিনি ৭ আগস্ট, ১৮৬৮ সালে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।

প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধ:
- তেল-নুন-লকড়ী,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- ভাষার কথ,
- আমাদের শিক্ষা,
- নানাচর্চা। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬৬.
প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা কোনটি?
  1. সংবাদ প্রভাকর
  2. সবুজপত্র
  3. তত্ত্ববোধিনী
  4. বঙ্গদর্শন
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত বিখ্যাত পত্রিকা 'সবুজপত্র'।

সবুজপত্র পত্রিকা:
- ১৯১৪ সালে পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়।
- বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং তের বছর চলে।
- এই পত্রিকার সাথে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গভীর ভাবে জড়িত ছিলেন।
- এই পত্রিকা রবীন্দ্রনাথের চিন্তা এবং ভাষারীতির আধুনিকতা বিকাশে বিশেষ সহায়ক হয়েছিল।
- সবুজপত্র মাসিক পত্রিকা ছিল এবং এই পত্রিকার সম্পাদনার মাধ্যমে প্রমথ চৌধুরী প্রভুত খ্যাতি অর্জন করেন।
- সবুজপত্রের প্রথম সংখ্যায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত এবং সম্পাদকের নিজের লেখা সন্নিবেশিত হয়।

অন্যদিকে,
- সংবাদ প্রভাকর পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত।
- তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন: অক্ষয়কুমার দত্ত।
- বঙ্গদর্শন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন:বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১৬৭.
‘যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়।’ এ কথাটি কে বলেছেন?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• ‘যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়।’ এ কথাটি বলেছেন : প্রমথ চৌধুরী। 
--------------------- 
 • 'বইপড়া' প্রবন্ধ:
- 'বইপড়া' প্রবন্ধের রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী।
- এটি তাঁর 'প্রবন্ধ সংগ্রহ' গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। 

• এই প্রবন্ধের কিছু বিখ্যাত উক্তি হলো :
- ‘যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।’ 
- ‘যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়।’
- ‘যে জাতির জ্ঞানের ভাণ্ডার শূন্য সে জাতির ধনের ভাঁড়েও ভবানী।’

 • প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ। 

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।
----------------------
• প্রমথ চৌধুরীর বিখ্যাত কিছু উক্তি:
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।
- বাংলা ভাষা আহত হয়েছে সিলেটে আর নিহত হয়েছে চট্টগ্রামে।
- সাহিত্য জাতির দর্পণ স্বরূপ।
- হীরক ও কাঁচ যমজ হলেও সহোদর নয়।
- সাহিত্যের উদ্দেশ্য সকলকে আনন্দ দেওয়া-কারও মনোরঞ্জন করা নয়।
- কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা।
- সাহিত্যে মানবাত্মা খেলা করে এবং সেই খেলার আনন্দ উপভোগ করে। 
- যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়।
- জ্ঞানের প্রদীপ যেখানেই জ্বালো না কেন, তাহার আলোক চারিদিক ছড়াইয়া পড়িবে।
- যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।
- মনোজগতে বাতি জ্বালানোর জন্য সাহিত্যচর্চার বিশেষ প্রয়োজন।
- ইহা সত্যকে সুন্দর করে নাই, মিথ্যাকে সত্যের মুখোশ পরাইয়াছে।
- মন উঁচুতে উঠতে চায় নীচুতেও নামতে চায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৬৮.
নিচের কোনটি ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ নয়?
  1. চার ইয়ারী কথা
  2. পালামৌ
  3. দৃষ্টিপাত
  4. দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যা

• 'চার ইয়ারী কথা':
- 'চার ইয়ারী কথা' প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ। এটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এখানে বর্ণিত হয়েছে চার বন্ধুর প্রেমের কাহিনি।
- গল্পগ্রন্থের নায়িকা চারজনই ইউরোপীয়।
- গল্পগ্রন্থে প্রথম নায়িকা উন্মাদ, দ্বিতীয় চোর, তৃতীয় প্রতারক ও চতুর্থ নায়িকা মৃত্যুর পর ভালোবাসা ব্যক্ত করেছে।
- এটিতে ভাষার চাতুর্য, পরিহাসপ্রিয়তা এবং সূক্ষ্ম ব্যঙ্গ উদ্ভাসিত হয়েছে ভাবালু প্রেমকাহিনী প্রতিবাদী রূপে।

অন্যদিকে,
- ‘পালামৌ’ সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম ভ্রমন কাহিনি।
- ‘দৃষ্টিপাত’ বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনির রচয়িতা বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়। 
- ‘দেশে বিদেশে’ সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি।

--------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।

তাঁর রচিত অন্যান্য গল্পগ্রন্থ:
- আহুতি।
- নীললোহিত ও গল্প সংগ্রহ।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ।
- পদচারণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

১৬৯.
নিচের কোনটি ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ নয়?
  1. ক) চার ইয়ারী কথা
  2. খ) পালামৌ
  3. গ) দৃষ্টিপাত
  4. ঘ) দেশে বিদেশে
ব্যাখ্যা
- 'চার ইয়ারী কথা'(১৯১৬) প্রমথ চৌধুরীর গল্পগ্রন্থ।
- পালামৌ বাংলা সাহিত্যের প্রথম ভ্রমন কাহিনী। রচয়িতা - সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। 
- ‘দৃষ্টিপাত’ - বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনীর রচয়িতা - বিনয়কৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়। তিনি ‘যাযাবর’ ছদ্মনামে এই বইটি রচনা করেন।
- দেশে বিদেশে সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৭০.
‘The Story of Bengali Literature’ - কার লেখা গ্রন্থ?
  1. ক) প্রমথ চৌধুরী
  2. খ) নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
  3. গ) পঞ্চানন কর্মকার
  4. ঘ) মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
প্রমথ চৌধুরী, (১৮৬৮-১৯৪৬)  সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- ১৯১৪ সালে মাসিক ‘সবুজপত্র’ প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায়  প্রকাশিত হয়।  বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ত্ব অপরিসীম।
তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি,
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- চার-ইয়ারি কথা,
- বীরবলের হালখাতা,
- The Story of Bengali Literature,
- পদচারণ, রায়তের কথা,
- নীললোহিত  ও
- আত্মকথা।
[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড.  সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]
১৭১.
প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ নয় কোনটি?
  1. তেল-নুন-লকড়ি
  2. নানাচর্চা
  3. আহুতি
  4. রায়তের কথা
ব্যাখ্যা

•'আহুতি' প্রমথ চৌধুরী রচিত একটি গল্পগ্রন্থ।
- গ্রন্থটি ১৯১৯ সালে প্রকাশিত হয়।

-----------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম।
- ১৯১৪ সালে মাসিক সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- প্রমথ চৌধুরী 'বীরবল' ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন। তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।

প্রমথ চৌধুরী রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- নানাকথা,
- নানাচর্চা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

প্রমথ চৌধুরী রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত ও গল্পসংগ্রহ।

প্রমথ চৌধুরী রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচরণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭২.
'পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়।'- উক্তিটি কার রচনা?
  1. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. এস ওয়াজেদ আলী
  3. সুফিয়া কামাল 
  4. প্রমথ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
'বইপড়া' প্রবন্ধ:
• 'বইপড়া' প্রবন্ধের রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী।
• এটি তাঁর 'প্রবন্ধ সংগ্রহ' গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।

• এই প্রবন্ধের কিছু বিখ্যাত উক্তি হলো-
- 'যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।'
- 'যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানে বড় নয়।'
- 'পাস করা আর শিক্ষিত হওয়া এক বস্তু নয়।'
- 'যে জাতির জ্ঞানভাণ্ডারে শূন্য সে জাতি ভাঁড়েও ভবানী।

------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭৩.
‘যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়।’ উক্তিটির রচিয়তা কে?
  1. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
⇒ 'বইপড়া' প্রবন্ধ:
• 'বইপড়া' প্রবন্ধের রচয়িতা প্রমথ চৌধুরী।
• এটি তাঁর 'প্রবন্ধ সংগ্রহ' গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। 

• এই প্রবন্ধের কিছু বিখ্যাত উক্তি হলো-
- ‘যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।’ 
- ‘যে জাতি মনে বড় নয়, সে জাতি জ্ঞানেও বড় নয়।’
- ‘যে জাতির জ্ঞানের ভাণ্ডার শূন্য সে জাতির ধনের ভাঁড়েও ভবানী।’

⇒ প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। 

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ। 

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৭৪.
প্রমথ চৌধুরীর পৈতৃক নিবাস কোথায়?
  1. যশোর
  2. কুষ্টিয়া
  3. ঢাকা
  4. পাবনা
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন ।
- তার পৈতৃক নিবাস পাবনা জেলার চাটমোহর উপজেলার হরিপুর গ্রামে ।
- প্রমথ চৌধুরী রবীন্দ্রনাথের অগ্রজ সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুরের কন্যা ইন্দিরা দেবীকে বিবাহ করেন ।
- তিনি জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি সহ্য করতেন না।

তার প্রবন্ধ গ্রন্থ গুলোর মধ্যে রয়েছে:
- বীরবলের হালখাতা
- তেল-নুন-লাকড়ি
- রায়তের কথা
- সাহিত্যের খেলা

তার কাব্যগ্রন্থ - সনেট পঞ্চাশৎ ও পদচারণ ।

উৎস: সাহিত্য পাঠ (একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)

১৭৫.
'যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।' বিখ্যাত উক্তিটি কার?
  1. ​রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. সুফিয়া কামাল 
  4. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী'র বিখ্যাত কিছু উক্তি:
- সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত।
- ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালিই পড়ে।
- আনন্দের ধর্ম এই যে তা সংক্রামক।
- সাহিত্যে মানবত্মা খেলা করে এবং সেই খেলার আনন্দ উপভোগ করে।
- যে খেলার ভিতর আনন্দ নেই কিন্তু উপরি পাওনার আশা আছে, তার নাম খেলা নয়, জুয়াখেলা।
- যে জাতি যত নিরানন্দ সে জাতি তত নির্জীব।

​-----------------
• ​প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও প্রথম আলো।

১৭৬.
প্রমথ চৌধুরী রচিত 'তেল নুন লকড়ি' কী জাতীয় গ্রন্থ?
  1. ক) কাব্যগ্রন্থ
  2. খ) গল্পগ্রন্থ
  3. গ) প্রবন্ধগ্রন্থ
  4. ঘ) ছোটগল্প
ব্যাখ্যা
• তেল নুন লকড়ি - প্রমথ চৌধুরীর একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। 
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলো প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'

• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- নীললোহিত ও
- আহুতি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭৭.
"ব্যাধি সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়" উক্তি টি কার?
  1. লুৎফর রহমান
  2. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. বীরবল
  4. মোহাম্মদ আকরাম খাঁ
ব্যাখ্যা
"ব্যাধি সংক্রামক, স্বাস্থ্য নয়" উক্তি টি বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীর(বীরবল)। 

প্রমথ চৌধুরী, (১৮৬৮-১৯৪৬)
 
সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীর জন্ম ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে।
- পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন জমিদার। 
- ১৯১৪ সালে মাসিক  সবুজপত্র প্রকাশনা এবং তার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তন তাঁর জীবনের শ্রেষ্ঠ কীর্তি।
- একে কেন্দ্র করে তখন একটি শক্তিশালী লেখকগোষ্ঠী গড়ে ওঠে। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথও এর অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
- প্রমথ চৌধুরী ‘বীরবল’ ছদ্মনামে এ পত্রিকায় ব্যঙ্গরসাত্মক প্রবন্ধ ও নানা গল্প প্রকাশ করেন।
- তাঁর এ ছদ্মনাম থেকে তখন বাংলা সাহিত্যে বীরবলী ধারা প্রবর্তিত হয়।
- তাঁর সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা হলো বিশ্বভারতী (১৩৪৯-৫০), রূপ ও রীতি (১৩৪৭-৪৯) এবং অলকা।
তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- তেল-নুন-লাকড়ি (১৯০৬),
- সনেট পঞ্চাশৎ (১৯১৩),
- চার-ইয়ারি কথা (১৯১৬),
- বীরবলের হালখাতা (১৯১৬),
- The Story of Bengali Literature (১৯১৭),
- পদচারণ (১৯১৯),
- রায়তের কথা (১৯২৬),
- নীললোহিত (১৯৩২) ও
- আত্মকথা (১৯৪৬)।

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৭৮.
কোন পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির সূচনা ঘটে? 
  1. সবুজপত্র
  2. সওগাত  
  3. পূর্বাশা 
  4. লহরি
ব্যাখ্যা

প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত 'সবুজপত্র' পত্রিকার মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির সূচনা ঘটে। 
-------------------------
• প্রমথ চৌধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ছিলেন একজন বাঙালি প্রাবন্ধিক, কবি এবং লেখক।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা দুর্গাদাস চৌধুরী ছিলেন জমিদার।
- তাঁর ছদ্মনাম ছিল বীরবল, এবং তিনি নিজেকে “বাংলা সাহিত্যের বীরবল” হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন।
- তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাইয়ের মেয়ে ইন্দ্রাদেবীকে বিয়ে করেন।

- তিনি সবুজপত্র পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- পত্রিকাটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- তিনি মাসিক সবুজপত্র প্রকাশের মাধ্যমে বাংলা চলিত গদ্যরীতির সূচনা করেন, যা তাঁর জীবনের সর্বোচ্চ কীর্তি হিসেবে বিবেচিত হয়।

• তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা-
• কাব্যগ্রন্থ: সনেট পঞ্চাশৎ।
• গল্পগ্রন্থ: নীললোহিত ও চার ইয়ারি কথা।
• প্রবন্ধগ্রন্থ: তেল নুন লাকড়ি ও বীরবলের হালখাতা।
--------------------- 
অন্যদিকে, 
- ‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন।
- 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- সঞ্জয় ভট্টাচার্য।
- ‘লহরি' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক

উৎস:
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা – সৌমিত্র শেখর;
বাংলাপিডিয়া।

১৭৯.
'বীরবল' ছদ্মনামে কে লিখতেন?
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. বন্দে আলী মিয়া
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. মুনীর চৌধুরী
ব্যাখ্যা
• প্রমথ চোধুরী:
- প্রমথ চৌধুরী ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রমথ চৌধুরী মূলত একজন প্রাবন্ধিক।
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক ও বিদ্রূপাত্মক প্রাবন্ধিক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তাকে বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক বলা হয়।

• প্রমথ চৌধুরী প্রবন্ধগ্রন্থ:
- নানা কথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- প্রবন্ধ সংগ্রহ,
- বীরবলের হালখাতা,
- তেল-নুন-লকড়ি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৮০.
'সুশিক্ষিত ব্যক্তি মাত্রই স্বশিক্ষিত' উক্তিটি কার রচনা?
  1. সুফিয়া কামাল
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
ব্যাখ্যা
'সুশিক্ষিত ব্যক্তি মাত্রই স্বশিক্ষিত' বিখ্যাত উক্তিটি বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরীর।
- তিনি তাঁর 'বই পড়া' প্রবন্ধে আলোচ্য উক্তিটি করেন।

• তাঁর আরো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উক্তি হলো-
- 'সাহিত্য জাতির দর্পণ স্বরূপ।'
- 'বাংলা ভাষা আহত হয়েছে সিলেটে আর নিহত হয়েছে চট্টগ্রামে।'
- 'কাব্য জগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম বেদনা।'

তার রচিত প্রবন্ধ:
- বীরবলের হালখাতা,
- রায়তের কথা,
- তেল-নুন-লাকড়ি ইত্যাদি।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ ও উচ্চমাধ্যমিক সাহিত্য পাঠ।
১৮১.
প্রমথ চৌধুরী কোন জেলায় জন্মগ্রহন করেন?
  1. ক) খুলনা
  2. খ) যশোর
  3. গ) বরিশাল
  4. ঘ) ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
প্রমথ চৌধুরী (১৮৬৮-১৯৪৬) সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে তাঁর জন্ম। ১৯৪১ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক জগত্তারিণী স্বর্ণপদকে ভূষিত হন। ১৯৪৬ সালের ২ ডিসেম্বর শান্তিনিকেতনে তাঁর মৃত্যু হয়। [সূত্র: বাংলাপিডিয়া]
১৮২.
'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' উক্তিটি কোন প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে?
  1. বই পড়া
  2. তেল-নুন লাকড়ী
  3. সভ্যতার সংকট
  4. বীরবলের হালখাতা
ব্যাখ্যা
• 'সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত' উক্তিটি প্রমথ চৌধুরীর 'বই পড়া' প্রবন্ধ থেকে নেওয়া হয়েছে।

প্রমথ চৌধুরী:
- বাংলা সাহিত্যে প্রথম বিদ্রুপাত্নক প্রবন্ধ রচনাকারী, গদ্য সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক বলা হয়।
- ইতালীয় সনেটের প্রবর্তকও হলেন প্রমথ চৌধুরী।

তাঁর রচিত প্ৰবন্ধগ্রন্থ:
- তেল- নুন -লাকড়ী
- বীরবলের হালখাতা
- নানাকথা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৮৩.
'সনেট পঞ্চাশৎ' কাব্যগ্রন্থ কে রচনা করেছেন? 
  1. ফররুখ আহমেদ 
  2. আহসান হাবীব 
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. আবদুল কাদির
ব্যাখ্যা
• 'সনেট পঞ্চাশৎ' কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা- প্রমথ চৌধুরী।

প্রমথ চৌধুরী
- প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক।
- তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগস্ট যশোরে  জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- এ গদ্য/প্রবন্ধ রচনায় তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।
- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র' পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন। 

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ;
- পদচারণ  

 তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থঃ
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
১৮৪.
প্রমথ চৌধুরী কোন পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন?
  1. বঙ্গদর্শন
  2. সবুজপত্র
  3. কল্লোল
  4. সমাচার দর্পণ
ব্যাখ্যা
• 'সবুজপত্র' পত্রিকা:
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় ১৯১৪ সালে মাসিক 'সবুজপত্র' পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বাংলা গদ্যরীতির বিকাশে এই পত্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম।
- বাংলা বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাব্দে পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজেও এই পত্রিকায় লেখার সুবাদে চলিত গদ্যরীতির স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব এবং পরে তা চর্চা করেন।
- সাহিত্য জগতে এই পত্রিকা 'সবুজপত্র গোষ্ঠী' তৈরিতে সক্ষম হয়।
- ১৯২৭ সালে পত্রিকাটি বন্ধ হয়ে যায়।

• প্রমথ চৌধুরী:
- তিনি ৭ আগস্ট, ১৮৬৮ সালে যশোরে জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত রূপের মধ্যে তুলনামূলক গবেষণা করেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম 'বীরবল।'
- প্রমথ চৌধুরী রচিত 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।