বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

সংখ্যাবাচক শব্দ

মোট প্রশ্ন২৪৩এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সংখ্যাবাচক শব্দ

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ২৪৩

১০১.
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ কোনটি ?
  1. তৃতীয়
  2. প্রথম
  3. আধ
  4. ছয়
সঠিক উত্তর:
ছয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়
ব্যাখ্যা
• সংখ্যাবাচক শব্দ:
যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বলে।

• সংখ্যাশব্দ দুই রকমের।
যথা:
১. ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ: একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন- ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট) ইত্যাদি।

২. পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ: পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ দিয়ে কোন সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়। যেমন- ‘এক’ সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ‘প্রথম’, ‘প্রথমা’, ‘পহেলা’ ইত্যাদি। পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ তিন ধরণের হয়:

- সাধারণ পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ.....দ্বাদশ ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক: পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আধ, সাড়ে পোয়া, দেড়, আড়াই তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১০২.
কোনটি ভগ্নাংশ পূরণবাচক সংখ্যা?
  1. ক) ষোড়শী
  2. খ) তেসরা
  3. গ) আড়াই
  4. ঘ) চতুর্দশ
সঠিক উত্তর:
গ) আড়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আড়াই
ব্যাখ্যা
সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা: 
• ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার...আট ইত্যাদি।
• পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয় তৃতীয় ইত্যাদি।

পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা:
- সাধারণ পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম, চতুর্দশ ইত্যাদি। সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপ রয়েছে। যেমন- ষোড়শী, একাদশী, সপ্তমী, এয়োদশী ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক: পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১০৩.
'বার' সংখ্যাটির তারিখবাচক সংখ্যাশব্দ কোনটি?
  1. দ্বাদশ
  2. বারোই
  3. বারতম
  4. বারই
সঠিক উত্তর:
বারোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারোই
ব্যাখ্যা
• 'বার' সংখ্যাটির তারিখবাচক সংখ্যাবাচক- বারোই।
উল্লেখ্য, 
বারই- বানান টি অশুদ্ধ। 
------------- 
• সংখ্যাবাচক শব্দের প্রকারভেদ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংখ্যাবাচক শব্দগুলােকে চারভাগে ভাগ করা হয়েছে

ক) অঙ্কবাচক শব্দ- ১,২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ইত্যাদি। 
খ) পরিমাণ বা গণনাবাচক শব্দ- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট ইত্যাদি।
গ) ক্রম বা পূরণবাচক শব্দ- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম ইত্যাদি।
ঘ) তারিখবাচক শব্দ- পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই, বারোই ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৪.
কোনটি ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ?
  1. পোয়া
  2. তেসরা
  3. চতুর্থ
  4. দ্বিতীয়
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
পোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোয়া
ব্যাখ্যা

• পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।

যথা:
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১০৫.
কোনটি ভগ্নাংশ পূরণবাচক সংখ্যা?
  1. আশিতম
  2. তেহাই
  3. বিশ
  4. সাতই
সঠিক উত্তর:
তেহাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেহাই
ব্যাখ্যা
ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
- কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন:
- আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- 'সাতই' তারিখ পূরণবাচক শব্দ।
- তম প্রত্যয় যোগে - আশিতম।
- 'বিশ' ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১০৬.
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ 'দুই' এর প্রতিশব্দ নয় কোনটি?
  1. দি
  2. দ্বি
  3. দু
  4. দো
সঠিক উত্তর:
দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দি
ব্যাখ্যা
• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ 'দুই' এর প্রতিশব্দ নয় - দি

সংখ্যাবাচক শব্দ:
- যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
- দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।
- সংখ্যাশব্দ দুই রকমের: ক্রমবাচক ও পূরণবাচক।
• ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন।
• পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়।

ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।
যেমন – ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট), ৯ (নয়), ১০ (দশ), ১১ (এগারো), ১২ (বারো), ১৩ (তেরো), ১৪ (চৌদ্দ), ১৫ (পনেরো), ১৬ (ষোলো), ১৭ (সতেরো), ১৮ (আঠারো), ১৯ (উনিশ), ২০ (বিশ) ইত্যাদি।
- ক্রমবাচক সংখ্যাবর্ণের সুবিধা হলো এতে ১ থেকে ৯ এবং ০ দিয়ে অসীম সংখ্যার পূর্ব পর্যন্ত ক্রম তৈরি করা যায়।
- ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দের এক বা একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে। এগুলো কখনো স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়, কখনো সমাসবদ্ধ শব্দের পূর্বপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
→ 'দুই' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ ‘দ্বি’, 'দু', এবং 'দো'।
→ 'তিন' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'ত্রি' এবং ‘তে’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১০৭.
গণনা ও পরিমাপ সংক্রান্ত ধারনা দেয় কোন শব্দ?
  1. ক) সংখ্যাশব্দ
  2. খ) বচন
  3. গ) লগ্নক
  4. ঘ) বলক
সঠিক উত্তর:
ক) সংখ্যাশব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সংখ্যাশব্দ
ব্যাখ্যা
সংখ্যাশব্দ
সংখ্যা হচ্ছে গণনা ও পরিমাপ সংক্রান্ত ধারনা।  
- সংখ্যার সাহায্যে গণনাগত ও পরিমাণগত ধারণা পাওয়া যায়। 
- সংখ্যা যেহেতু বিশেষ্যরই সংখ্যা নির্দেশ করে, তাই তা অন্বয়ের চরিত্রে বিশেষণ হিসেবে গণ্য।  

সংখ্যাবাচক বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ- 
- পূর্ণসংখ্যাবাচক ও 
- ক্রমবাচক।
আরও রয়েছে - তারিখবাচক সংখ্যাশব্দ
                     - গুণিতক সংখ্যাশব্দ

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খণ্ড), বাংলা একাডেমি।
১০৮.
'সপ্ততিতম' কোন সংখ্যার সমান?
  1. ৭৭
  2. ৭০
  3. ৭৯
  4. ৭৩
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭০
ব্যাখ্যা
• 'সপ্ততিতম' - ৭০ সংখ্যার পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ। 

অন্যদিকে, 
সপ্তসপ্ততিতম = ৭৭, 
ত্রিসপ্ততিতম = ৭৩, 
-------------
• ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু ‘তম’ প্রত্যয় যােগ করা হয়।
যথা:
উনিশতম বা ঊনবিংশতিতম (১৯তম),
বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম),
একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম),
আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম),
উনপঞ্চাশতম বা ঊনপঞ্চাশত্তম (৪৯তম),
সত্তর বা সপ্ততিতম - ৭০, 
সপ্তসপ্ততিতম - ৭৭ 
আশিতম বা অশীতিতম (৮০তম),
নব্বইতম বা নবতিতম (৯০তম),
নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।
 
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণি) ২০২১ সংস্করণ।
১০৯.
কোনটি তারিখ পূরণবাচক শব্দ?
  1. পাঁচ
  2. দ্বাদশ
  3. তেহাই
  4. আটই
সঠিক উত্তর:
আটই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটই
ব্যাখ্যা
• তারিখ পূরণবাচক শব্দ- আটই।

----------------------
• সংখ্যাবাচক শব্দ:

যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বলে।

• সংখ্যাশব্দ দুই রকমের।
যথা:
১. ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন- ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট) ইত্যাদি।

২. পূরণবাচক:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।
- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ও বারোতম(১২তম) ইত্যাদি।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী, একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী), ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১১০.
গণনাবাচক সংখ্যা কোনটি?
  1. ক) আট
  2. খ) ষষ্ঠ
  3. গ) তেরই
  4. ঘ) দ্বিতীয়
  5. ঙ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) আট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আট
ব্যাখ্যা

পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যাঃ কোন কিছুর সংখ্যা বা পরিমাণ অঙ্কে না লিখে ভাষায় লিখলে তাকে পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যা বলে। যেমন- এক, দই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট, নয়, দশ, এগারো, বার, বিশ, কুড়ি, সপ্তাহ ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।

১১১.
নিচের কোনটি সংখ্যাবর্ণ?
  1. ক) ছয়
  2. খ) ৪
  3. গ) আড়াই
  4. ঘ) ৪ঠা
সঠিক উত্তর:
খ) ৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৪
ব্যাখ্যা
সংখ্যাশব্দ:
- যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয় প্রভৃতি সংখ্যাশব্দ – এগুলো এখানে কথায় লেখা হয়েছে।
- আবার বিশেষ কিছু বর্ণ বা সংকেত দিয়ে এগুলো প্রকাশ করা যায়, যথা: ১, ২, ৩, , ৫, ৬ প্রভৃতি সংখ্যাশব্দ – এগুলো এখানে অঙ্কে বা সংখ্যাবর্ণে লেখা হয়েছে।
- দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ।
১১২.
'তৃতীয় প্রজন্ম' শব্দজোড়ের 'তৃতীয়' কোন জাতীয় বিশেষণ?
  1. ক) পূরণবাচক
  2. খ) গুণবাচক
  3. গ) পরিমাণবাচক
  4. ঘ) ক্রমবাচক
সঠিক উত্তর:
ক) পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
বিশেষণ ও বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ: যে শব্দ দিয়ে বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বােঝায়, তাকে বিশেষণ বলে। যেমন – সুন্দর ফুল, বাজে কথা, পঞ্চাশ টাকা, হাজার সমস্যা, তাজা মাছ।

পূরণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বােঝায়, তাকে পূরণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – তৃতীয় প্রজন্ম, ৩৪তম অনুষ্ঠান – এখানে তৃতীয় ও ৩৪তম পূরণবাচক বিশেষণ।

গুণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বােঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি – এখানে ‘চালাক’ ও ঠান্ডা হলাে গুণবাচক বিশেষণ।

পরিমাণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পরিমাণ বা আয়তন বােঝায়, তাকে পরিমাণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন- আধা কেজি চাল, অনেক লােক – এখানে আধা কেজি’ ও ‘অনেক পরিমাণবাচক বিশেষণ।

ক্রমবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে ক্রমসংখ্যা বােঝায়, তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – এক টাকা, আট দিন – এখানে ‘এক’ ও ‘আট’ ক্রমবাচক বিশেষণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
১১৩.
তারিখ পূরণবাচক শব্দ নয় কোনটি?
  1. পয়লা
  2. দ্বিতীয়া
  3. চৌঠা
  4. আটই
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়া
ব্যাখ্যা
• তারিখ পূরণবাচক শব্দ নয়- দ্বিতীয়া।
- ‘দ্বিতীয়া’ সাধারণ পূরণবাচক শব্দ।

------------------------
• পূরণবাচক:

পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।
- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ও বারোতম(১২তম) ইত্যাদি।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী, একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী), ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১১৪.
কোনটি পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ নয়?
  1. তেরো
  2. তেরোই
  3. তেরোতম
  4. তেহাই
সঠিক উত্তর:
তেরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেরো
ব্যাখ্যা
• পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ নয় - তেরো
- এটি ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

সংখ্যাবাচক শব্দ:
- যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
- দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।
- সংখ্যাশব্দ দুই রকমের: ক্রমবাচক ও পূরণবাচক।
• ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন।
• পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়।

পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।
যেমন - ‘এক' সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ‘প্রথম', ‘প্রথমা’, ‘পহেলা' ইত্যাদি। এগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের হয়। যথা:
১. সাধারণ পূরণবাচক: একাদশ ও এগারোতম, দ্বাদশ ও বারোতম, ত্রয়োদশ ও তেরোতম ইত্যাদি।
২. তারিখ পূরণবাচক: এগারোই, বারোই, তেরোই ইত্যাদি।
৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১১৫.
ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ কোনটি?
  1. দ্বিতীয়
  2. সোয়া
  3. তেসরা
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
সোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোয়া
ব্যাখ্যা

সোয়া হচ্ছে ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ।

• পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান বা পরিমাণ বোঝানো হয়।

• পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ তিন ধরনের হয়:
১. সাধারণ পূরণবাচক

- যেগুলো সাধারণ সংখ্যা বা ক্রম বোঝায়।
- যেমন: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম ইত্যাদি।

২. তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
- কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২৫ সংস্করণ)।

১১৬.
তারিখবাচক শব্দ কোনটি?
  1. ক) পঞ্চম
  2. খ) ছয়
  3. গ) সাতই
  4. ঘ) অষ্টম
সঠিক উত্তর:
গ) সাতই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সাতই
ব্যাখ্যা
সংখ্যাবাচক শব্দের প্রকারভেদ বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত সংখ্যাবাচক শব্দগুলােকে চারভাগে ভাগ করা হয়েছে

ক) অঙ্কবাচক শব্দ- ১,২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮ ইত্যাদি।
খ) পরিমাণ বা গণনাবাচক শব্দ- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট ইত্যাদি।
গ) ক্রম বা পূরণবাচক শব্দ- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, সপ্তম, অষ্টম ইত্যাদি।
ঘ) তারিখবাচক শব্দ- পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১৭.
নিচের কোনটি পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ?
  1. পনেরো
  2. দোসরা
  3. দ্বি
সঠিক উত্তর:
দোসরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোসরা
ব্যাখ্যা

• পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের হয়:
১. সাধারণ পূরণবাচক,
২. তারিখ পূরণবাচক ও
৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• তারিখ পূরণবাচক:
- বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
- যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), ছয়ই (৬ই) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- দ্বি, পনেরো, ৭ ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি( ২০২৪ সংস্করণ)।

১১৮.
পূরণবাচক সংখ্যাবাচক শব্দ কয় রকমের?
  1. দুই
  2. তিন
  3. চার
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা
• সংখ্যাশব্দ:
যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে। এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয় প্রভৃতি সংখ্যাশব্দ এগুলো এখানে কথায় লেখা হয়েছে।
- আবার বিশেষ কিছু বর্ণ বা সংকেত দিয়ে এগুলো প্রকাশ করা যায়, যথা: ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ প্রভৃতি সংখ্যাশব্দ এগুলো এখানে অঙ্কে বা সংখ্যাবর্ণে লেখা হয়েছে। দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।

সংখ্যাশব্দ দুই রকমের:
১. ক্রমবাচক ও
২. পূরণবাচক।

• ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ।
• পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম।

পূরণবাচক শব্দ ৩ প্রকার।
যথা:
- সাধারণ পূরণবাচক
- তারিখ পূরণবাচক ও
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১১৯.
নিচের কোনটি পূর্ণ সংখ্যার আধিক্য অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) তেহাই
  2. খ) পৌনে
  3. গ) সিকি
  4. ঘ) আড়াই
সঠিক উত্তর:
ঘ) আড়াই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) আড়াই
ব্যাখ্যা
- পূর্ণ সংখ্যার আধিক্য অর্থে 'আড়াই' ব্যবহৃত হয়।

• ‘অধিক’ বা ‘আধিক্য’ বলতে কোনো সংখ্যা অপর সংখ্যা থেকে ছোটো বা বড়ো বোঝায়।
যেমন : আড়াই, দেড়, সাড়ে।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ। 
১২০.
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ নয় কোনটি?
  1. দ্বাদশ
  2. দ্বিতীয়া
  3. চৌঠা
  4. একুশতম
সঠিক উত্তর:
চৌঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌঠা
ব্যাখ্যা
• সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ নয়- চৌঠা।
- তারিখ পূরণবাচক শব্দ ‘চৌঠা’।

• পূরণবাচক:

পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।

- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ইত্যাদি। 

- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়। যেমন: উনিশতম, বিশতম, একুশতম ইত্যাদি।

- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী, একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী), ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

-----------------------
• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১২১.
ভগ্নাংশবাচক শব্দ কোনটি?
  1. অষ্টাদশী
  2. সিকি
  3. চৌঠা
  4. দোসরা
সঠিক উত্তর:
সিকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিকি
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, চৌথ, সোয়া, দেড়, আড়াই, সিকি, তেহাই ইত্যাদি।

সিকি (বিশেষ্য ও বিশেষণ উভই পদ),
অর্থ:
- অধুনালুপ্ত চার আনা বা ২৫ পয়সা মূল্যমানের মুদ্রা।
- এক চতুর্থাংশ।

অন্যদিকে,
- 'অষ্টাদশী' সাধারণ পূরণবাচক শব্দ।
- 'চৌঠা' ও 'দোসরা' তারিখ পূরণবাচক শব্দ।

-উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১২২.
‘আমি দৌড়ে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছি।’ - বাক্যে 'দ্বিতীয়' কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. তারিখ পূরণবাচক
  2. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
  3. ক্রমবাচক শব্দ
  4. সাধারণ পূরণবাচক শব্দ
সঠিক উত্তর:
সাধারণ পূরণবাচক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ পূরণবাচক শব্দ
ব্যাখ্যা
• 'দ্বিতীয়' শব্দটি সাধারণ পূরণবাচক শব্দ।

সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা -
- ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার...আট ইত্যাদি।
- পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি।

পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১২৩.
'তেসরা' কোন প্রকার শব্দ?
  1. সাধারণ পূরণবাচক
  2. তারিখ পূরণবাচক
  3. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
  4. ক্রমবাচক
সঠিক উত্তর:
তারিখ পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারিখ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
পূরণবাচক শব্দ ৩ প্রকার।
যথা -
সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১২৪.
তারিখবাচক শব্দের ১ থেকে ৪ পর্যন্ত সংখ্যাশব্দ কোন নিয়মে সাধিত হয়?
  1. বাংলা 
  2. হিন্দি 
  3. সংস্কৃত 
  4. কোনোটিই নয়  
সঠিক উত্তর:
হিন্দি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দি 
ব্যাখ্যা

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), ছয়ই (৬ই)।

- তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়। বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব নিয়মে গঠিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)। 

১২৫.
নিচের কোনটি ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ?
  1. ক) চোদ্দ
  2. খ) তৃতীয়
  3. গ) একাদশ
  4. ঘ) তেসরা
সঠিক উত্তর:
ক) চোদ্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) চোদ্দ
ব্যাখ্যা
'চোদ্দ'- ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন: এক, দুই, তিন ইত্যাদি।

পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
- পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়। 
- যেমন 'এক' সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ' প্রথম', 'পহেলা', 'প্রথমা' ইত্যাদি। এগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে। 

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ ধরনের হয়, 
সাধারণ পূরণবাচক: যেমন- তৃতীয়, একাদশ;
তারিখ পূরণবাচক: যেমন- তেসরা;
ভগ্নাংশ পূরণবাচক: যেমন- আধ, সাড়ে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ)।
১২৬.
কোনটি ক্রমবাচক সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ক) নবম-দশম
  2. খ) সাত, আট
  3. গ) দোসরা, তেসরা
  4. ঘ) সাড়ে, পোয়া
সঠিক উত্তর:
খ) সাত, আট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সাত, আট
ব্যাখ্যা
• সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা:
- ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার...আট ইত্যাদি।
- পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয় তৃতীয় ইত্যাদি।
• পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা:
- সাধারণ পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক: পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ২০২২ সংস্করণ।
১২৭.
কোনটি ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ?
  1. একাদশী
  2. আধ
  3. চৌঠা
  4. তৃতীয়া
সঠিক উত্তর:
আধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধ
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ: আধ।

---------------------
• পূরণবাচক:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।
- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ও বারোতম(১২তম) ইত্যাদি।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী, একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী), ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১২৮.
নির্দিষ্ট সংখ্যার ধারণা পাওয়া যায় কোন বাক্যে?
  1. ক) শত-শত রকমের ঘুড়ি ওড়ানো হয়েছিলো।
  2. খ) বন্যায় লক্ষ লক্ষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
  3. গ) অনেক অনেক বছর আগের কথা
  4. ঘ) চার-চারটা দশ টাকার নোট রেখেছিলাম।
সঠিক উত্তর:
ঘ) চার-চারটা দশ টাকার নোট রেখেছিলাম।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চার-চারটা দশ টাকার নোট রেখেছিলাম।
ব্যাখ্যা
অনির্দিষ্ট বেশি সংখ্যার ধারণা 
- শত-শত রকমের ঘুড়ি ওড়ানো হয়েছিলো। 
- বন্যায় লক্ষ লক্ষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। 
- অনেক অনেক বছর আগের কথা 

নির্দিষ্ট সংখ্যার ধারণা
- চার-চারটা দশ টাকার নোট রেখেছিলাম।
 - তোরা পঞ্চাশ-পঞ্চাশটা লোক গেলি আর মার খেয়ে ফিরে এলি!

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (প্রথম খণ্ড), বাংলা একাডেমি।
১২৯.
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ কোনটি?
  1. পহেলা
  2. তেহাই
  3. একত্রিশে
  4. একাদশ
সঠিক উত্তর:
একাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাদশ
ব্যাখ্যা
পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ তিন প্রকার। যথা:
১. সাধারণ পূরণবাচক,
২. তারিখ পূরণবাচক,
৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারোতম ইত্যাদি। সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ (১১শ) ও এগারোতম (১১তম), দ্বাদশ (১২শ) ও বারোতম (১২তম), ত্রয়োদশ (১৩শ) ও তেরোতম (১৩তম), চতুর্দশ (১৪শ) ও চোদ্দতম (১৪তম), পঞ্চদশ (১৫শ) ও পনেরোতম (১৫তম)। 

- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু 'তম' প্রত্যয় যোগ করা হয়। যথা: উনিশতম বা ঊনবিংশতিতম (১৯তম), বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম), একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম), আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম)...নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।

- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন প্রথমা (১মা), দ্বিতীয়া (২য়া), তৃতীয়া (৩য়া), চতুর্থী (৪র্থী), পঞ্চমী (৫মী), ষষ্ঠী (৬ষ্ঠী), সপ্তমী (৭মী), অষ্টমী (৮মী), নবমী (৯মী), দশমী (১০মী), একাদশী (১১শী), দ্বাদশী (১২শী), ত্রয়োদশী (১৩শী), চতুর্দশী (১৪শী), পঞ্চদশী (১৫শী), ষোড়শী (১৬শী), সপ্তদশী (১৭শী), অষ্টাদশী (১৮শী) ইত্যাদি।

-------------------------
• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়। যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৩০.
কোনটি সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ?
  1. চৌঠা
  2. ষষ্ঠ
  3. আটই
  4. তেহাই
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠ
ব্যাখ্যা

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ তিন প্রকার। যথা:
১. সাধারণ পূরণবাচক,
২. তারিখ পূরণবাচক,
৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারোতম ইত্যাদি। সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ (১১শ) ও এগারোতম (১১তম), দ্বাদশ (১২শ) ও বারোতম (১২তম), ত্রয়োদশ (১৩শ) ও তেরোতম (১৩তম), চতুর্দশ (১৪শ) ও চোদ্দতম (১৪তম), পঞ্চদশ (১৫শ) ও পনেরোতম (১৫তম)।

- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু 'তম' প্রত্যয় যোগ করা হয়। যথা: উনিশতম বা ঊনবিংশতিতম (১৯তম), বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম), একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম), আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম)...নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।

- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন প্রথমা (১মা), দ্বিতীয়া (২য়া), তৃতীয়া (৩য়া), চতুর্থী (৪র্থী), পঞ্চমী (৫মী), ষষ্ঠী (৬ষ্ঠী), সপ্তমী (৭মী), অষ্টমী (৮মী), নবমী (৯মী), দশমী (১০মী), একাদশী (১১শী), দ্বাদশী (১২শী), ত্রয়োদশী (১৩শী), চতুর্দশী (১৪শী), পঞ্চদশী (১৫শী), ষোড়শী (১৬শী), সপ্তদশী (১৭শী), অষ্টাদশী (১৮শী) ইত্যাদি।

-------------------------
• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়। যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৩১.
’সিকি’ কোন ধরনের শব্দ?
  1. অংকবাচক
  2. গণনাবাচক
  3. পূরণবাচক
  4. তারিখবাচক
সঠিক উত্তর:
গণনাবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণনাবাচক
ব্যাখ্যা
পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যা:
- একাধিকবার একই একক গণনা করলে যে সমষ্টি পাওয়া যায়, তা-ই পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যা।
যেমন— সপ্তাহ বলতে আমরা সাত দিনের সমষ্টি বুঝিয়ে থাকি। সপ্ত (সাত) অহ (দিনক্ষণ) = সপ্তাহ।
এখানে দিন একটি একক। এরূপ—সাতটি দিন বা সাতটি একক মিলে হয়েছে সপ্তাহ।

পূর্ণসংখ্যার ন্যূনতা বা আধিক্য বাচক ‘সংখ্যা শব্দ: 
এক এককের চার ভাগের এক ভাগ (১/৪) = চৌথা, সিকি বা পােয়া।
এক এককের তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) = তেহাই।
এক এককের দুই ভাগের এক ভাগ (১/২) = অর্ধ বা আধ।
এক এককের আট ভাগের এক ভাগ (১/৮) = আট ভাগের এক বা এক অষ্টমাংশ।
তেমনি এক পঞ্চমাংশ (১/৫), এক দশমাংশ (১/১০) ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩২.
‘একাদশ’ কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ
  2. তারিখ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
  3. সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
  4. ভগ্নাংশ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
সঠিক উত্তর:
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
ব্যাখ্যা
• পূরণবাচক:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।
- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ও বারোতম(১২তম) ইত্যাদি।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী, একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী), ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৩৩.
কোনটি পূর্ণ সংখ্যার আধিক্য অর্থে ব্যবহৃত হয়?
  1. পৌনে
  2. সিকি
  3. সাড়ে 
  4. তেহাই
সঠিক উত্তর:
সাড়ে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাড়ে 
ব্যাখ্যা
• পূর্ণ সংখ্যার আধিক্য অর্থে 'সাড়ে' শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

• ‘অধিক’ বা ‘আধিক্য’ বলতে কোনো সংখ্যা অপর সংখ্যা থেকে ছোটো বা বড়ো বোঝায়।
যেমন:
- সোয়া, 
- আড়াই, 
- দেড়, 
- সাড়ে।

অন্যদিকে,
• ‘ন্যূন’ বলতে কোনো ভাগের অংশ বোঝায়।
যেমন : 
১/৪ = চার ভাগের এক ভাগ = চৌথা, সিকি বা পোয়া
১/৩ = তিন ভাগের এক ভাগ = তেহাই।
৩/৪ = চার ভাগের তিন ভাগ = পৌনে।
১/২ = দুই ভাগের এক ভাগ = অর্ধ বা আধা।
১/৮ = আট ভাগের এক ভাগ = অষ্টমাংশ।

উৎস : বাংলা ভাষার ব্যাকরণ নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), ভাষা-শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ। 
১৩৪.
কোনটি ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ নয়?
  1. ক) তেরো
  2. খ) তেইশে
  3. গ) সতেরো
  4. ঘ) বিশ
সঠিক উত্তর:
খ) তেইশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তেইশে
ব্যাখ্যা
- ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ নয় 'তেইশে'

• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
- একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন- ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট) ইত্যাদি।
- ক্রমবাচক সংখ্যাবর্ণের সুবিধা হলো এতে ১ থেকে ৯ এবং ০ দিয়ে অসীম সংখ্যার পূর্ব পর্যন্ত ক্রম তৈরি করা যায়।
- ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দের এক বা একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে।

• তেইশে (২৩শে)- তারিখ পূরণবাচক শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৩৫.
কোনটি গণনাবাচক শব্দ?
  1. ১২
  2. দ্বাদশ
  3. বারো
  4. বারোই
সঠিক উত্তর:
বারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারো
ব্যাখ্যা
পরিমাণ বা গণনা বাচক সংখ্যা:
- একাধিকবার একই একক গণনা করলে যে সমষ্টি পাওয়া যায়, তা-ই পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যা।

যেমন:
- যেমন- এক, দই, তিন, চার, পাঁচ, ছয়, সাত, আট, নয়, দশ, এগারো, বারো, বিশ, কুড়ি, সপ্তাহ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
অঙ্ক বা সংখ্যা শব্দ - ১২।
তারিখবাচক শব্দ - বারোই
পূরণবাচক শব্দ - দ্বাদশ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯, ২০২২ সংস্করণ)।
১৩৬.
বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশক বর্ণ কয়টি?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ১০
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১০
ব্যাখ্যা
সংখ্যাবর্ণ
বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশের জন্য দশটি সংখ্যাবর্ণ রয়েছে। যথা: ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ০।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৩৭.
'পঞ্চম' কোন জাতীয় সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ক) পূরণবাচক
  2. খ) তারিখবাচক
  3. গ) পরিমাণবাচক
  4. ঘ) গণনাবাচক
সঠিক উত্তর:
ক) পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
• উল্লেখিত 'পঞ্চম' শব্দটি হলো 'পূরণবাচক'।

• পূরণবাচক বা ক্রমবাচক সংখ্যা:
প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম.... একাদশ, দ্বাদশ ইত্যাদি হলো পূরণবাচক বা ক্রমবাচক সংখ্যা।
অঙ্কবাচক সংখ্যা
১, ২, ৩... ১১, ১২, ১৩ ইত্যাদি হলো অঙ্কবাচক সংখ্যা।
• পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যা: 
এক, দুই....... এগার, বার ইত্যাদি হলো পরিমাণ বা গণনাবাচক সংখ্যা।
• তারিখবাচক সংখ্যা:
পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি হলো তারিখবাচক সংখ্যা।

• বাংলা ভাষায় তারিখবাচক সংখ্যাগুলোর প্রথম তিনটি হিন্দি ভাষা থেকে এসেছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯সংস্করণ)।
১৩৮.
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে কোনটিতে?
  1. ষোড়শী
  2. দোসরা
  3. ষোলো
  4. উনিশতম
সঠিক উত্তর:
ষোড়শী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোড়শী
ব্যাখ্যা

• বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে।
যেমন:
- প্রথমা, দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী, অষ্টমী, নবমী, দশমী, ত্রয়োদশী, ষোড়শী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- 'দোসরা' তারিখ পূরণবাচক শব্দ।
- সাধারণ পূরণবাচক যোগে - উনিশতম।
- 'ষোলো' ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৩৯.
'সওয়া', 'সাড়ে' - কোন ধরনের শব্দ হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. পূর্ণগুণিতক শব্দ
  2. ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ
  3. অঙ্কবাচক সংখ্যাশব্দ
  4. আধিক্য নির্দেশক শব্দ
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আধিক্য নির্দেশক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধিক্য নির্দেশক শব্দ
ব্যাখ্যা
• সংখ্যাবাচক বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ - 
- পূর্ণসংখ্যাবাচক বিশেষণ
- ক্রমবাচক বিশেষণ
- তারিখ সংখ্যাশব্দ
- গুণিতক সংখ্যাশব্দ

গুণিতক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের - 
- পূর্ণগুণিত শব্দ : এক এক্কে এক, দুই দুগুণে চার ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ : চৌথাই, সিকি , পোয়া, তেহাই, অর্ধ ইত্যাদি।
- ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ : পৌনে চার, পৌনে সাত ইত্যাদি। 
- আধিক্য নির্দেশক শব্দ : 'আড়াই' 'দেড়', 'সওয়া', 'সাড়ে' ইত্যাদি। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।
১৪০.
'সোয়া সাত' এখানে 'সোয়া' কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ? 
  1. তারিখাবাচক 
  2. ভগ্নাংশবাচক 
  3. ক্রমবাচক 
  4. সাধারণ পূরণবাচক 
সঠিক উত্তর:
ভগ্নাংশবাচক 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভগ্নাংশবাচক 
ব্যাখ্যা

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন- আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

১৪১.
তারিখ পূরণবাচক শব্দ কোনটি?
  1. চৌথ
  2. ৪র্থ
  3. চৌঠা
  4. চতুর্দশ
সঠিক উত্তর:
চৌঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৌঠা
ব্যাখ্যা

পূরণবাচক শব্দ ৩ প্রকার।
যথা:
- সাধারণ পূরণবাচক,
- তারিখ পূরণবাচক ও
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক। 

• সাধারণ পূরণবাচক:
- ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
- যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারোতম, চতুর্দশ ইত্যাদি।
- সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
- বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
- যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই),
- তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়। বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব নিয়মে গঠিত।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
- কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
- যেমন- আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৪২.
বাংলা ব্যাকরণে সংখ্যা নির্দেশ করার জন্য যেসব বর্ণ ব্যবহার করা হয়, সেগুলোকে বলে -
  1. ক) অনুবর্ণ
  2. খ) কারবর্ণ
  3. গ) যুক্তবর্ণ
  4. ঘ) সংখ্যাবর্ণ
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংখ্যাবর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সংখ্যাবর্ণ
ব্যাখ্যা

বাংলা ব্যাকরণের সংখ্যা নির্দেশ করার জন্য যেসব বর্ণ ব্যবহার করা হয় তাদেরকে সংখ্যাবর্ণ বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে ১০ টি সংখ্যা বর্ণ রয়েছে।

ব্যঞ্জনবর্নের বিকল্প রূপের নাম অনুবর্ন।
অনুবর্নের মধ্যে রয়েছে - ফলা, রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ।

স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কারবর্ণ বলে।
- বাংলা ব্যাকরণে কারবর্ণ ১০টি।

একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
যুক্তবর্ণ দুই ধরনের, 
- স্বচ্ছ,
- অস্বচ্ছ।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।

১৪৩.
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে সেগুলোকে কী বলে?
  1. ক্রমবাচক
  2. তারিখবাচক
  3. সংখ্যাবাচক
  4. পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক
ব্যাখ্যা
• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
- একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।
- যেমন: ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট), ৯ (নয়), ১০ (দশ) ইত্যাদি।
- ক্রমবাচক সংখ্যাবর্ণের সুবিধা হলো এতে ১ থেকে ৯ এবং ০ দিয়ে অসীম সংখ্যার পূর্ব পর্যন্ত ক্রম তৈরি করা যায়।
- ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দের এক বা একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে।
- এগুলো কখনো স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়, কখনো সমাসবদ্ধ শব্দের পূর্বপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- যেমন 'দুই' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'দ্বি', 'দু', এবং 'দো'।
- 'তিন' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'ত্রি' এবং 'তে'।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি( ২০২৪ সংস্করণ)।
১৪৪.
কোনটি পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ?
  1. দুই
  2. দোসরা
  3. বারো
  4. দ্বি
সঠিক উত্তর:
দোসরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোসরা
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর - দোসরা
- এটি তারিখ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ।

• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।
যেমন – ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট), ৯ (নয়), ১০ (দশ), ১১ (এগারো), ১২ (বারো), ১৩ (তেরো), ১৪ (চৌদ্দ), ১৫ (পনেরো), ১৬ (ষোলো), ১৭ (সতেরো), ১৮ (আঠারো), ১৯ (উনিশ), ২০ (বিশ) ইত্যাদি।
- ক্রমবাচক সংখ্যাবর্ণের সুবিধা হলো এতে ১ থেকে ৯ এবং ০ দিয়ে অসীম সংখ্যার পূর্ব পর্যন্ত ক্রম তৈরি করা যায়।
- ক্রমবাচক  সংখ্যাশব্দের এক বা একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে। এগুলো কখনো স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়, কখনো সমাসবদ্ধ শব্দের পূর্বপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
• 'দুই' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ: ‘দ্বি’, 'দু', 'দো'।
• 'তিন' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ: 'ত্রি', ‘তে’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪৫.
নারীবাচক সংখ্যাশব্দ কোনটি?
  1. ক) ষোড়শী
  2. খ) চতুর্থ
  3. গ) অষ্টাদশ
  4. ঘ) অষ্টম
সঠিক উত্তর:
ক) ষোড়শী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ষোড়শী
ব্যাখ্যা
বাংলা সংখ্যাবাচক শব্দের "পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ" ৩ প্রকার।
যথা -
১. সাধারণ পূরণবাচক
২. তারিখ পূরণবাচক
৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
-----------
সাধারণ পূরণবাচক শব্দ:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
যেমন - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ইত্যাদি।
- এগুলো আবার সংক্ষিপ্তরূপেও লেখা যায়। যেমন - ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।

বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে
যেমন - প্রথমা, দ্বিতীয়া, অষ্টমী, দশমী, ত্রয়োদশী, ষোড়শী ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪৬.
সোয়া, পোয়া, তেহাই ইত্যাদি কোন ধরণের সংখ্যাশব্দ?
  1. ক) সাধারণ পুরণবাচক
  2. খ) তারিখ পুরণবাচক
  3. গ) ভগ্নাংশ পুরণবাচক
  4. ঘ) ক্রমবাচক
সঠিক উত্তর:
গ) ভগ্নাংশ পুরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভগ্নাংশ পুরণবাচক
ব্যাখ্যা
পুরণবাচক সংখ্যাশব্দ ৩ প্রকার - 
- সাধারণ পুরণবাচক 
- তারিখ পুরণবাচক 
- ভগ্নাংশ পুরণবাচক 

ভগ্নাংশ পুরণবাচক সংখ্যাশব্দ: 
কখনো পূর্ণসংখ্যা থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পুরণবাচক হয়। 
যেমন: আধ, সাড়ে, সোয়া, পোয়া,দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪৭.
কোনটি তারিখ পূরণবাচক শব্দ?
  1. দোসরা
  2. দেড়
  3. দ্বিতীয়
  4. সাড়ে
সঠিক উত্তর:
দোসরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দোসরা
ব্যাখ্যা

তারিখ পূরণবাচক:
- বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই....... ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

সাধারণ পূরণবাচক:
- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।

১৪৮.
কোনটি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যবহার করা হয়?
  1. দূরত্ব
  2. দৈর্ঘ্য
  3. আয়তন
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• সংখ্যাবাচক শব্দ:
- যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
- দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।
- সংখ্যাশব্দ দুই রকমের: ক্রমবাচক ও পূরণবাচক।
• ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন।
• পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৪৯.
'চত্বারিংশ' শব্দটি কোন সংখ্যাজ্ঞাপক শব্দ?
  1. ২৪
  2. ৩৪
  3. ৪০
  4. ১৪
সঠিক উত্তর:
৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০
ব্যাখ্যা
• 'চত্বারিংশ' শব্দটি '৪০' এর সংখ্যাজ্ঞাপক শব্দ।

অন্যদিকে,
চতুর্বিংশ - ২৪,
চতুর্ত্রিংশ - ৩৪,
চতুর্দশ -১৪।
-------------------- 
১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু ‘তম’ প্রত্যয় যােগ করা হয়।
যথা:
• উনিশতম বা ঊনবিংশতিতম (১৯তম),
• বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম),
• একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম),
• আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম),
• উনপঞ্চাশতম বা ঊনপঞ্চাশত্তম (৪৯তম),
• সত্তর বা সপ্ততিতম - ৭০, 
• সপ্তসপ্ততিতম - ৭৭ 
• আশিতম বা অশীতিতম (৮০তম),
• নব্বইতম বা নবতিতম (৯০তম),
• নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।
 
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণি) ২০২১ সংস্করণ।
১৫০.
বাজার থেকে দেড় কেজি চাল কিনে আনো।  নিম্নরেখ শব্দটি কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ক) পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
  2. খ) সাধারণ পূরণবাচক
  3. গ) তারিখ পূরণবাচক
  4. ঘ) ভগ্নাংশ পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভগ্নাংশ পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ভগ্নাংশ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
- উল্লেখিত 'দেড়' শব্দটি হলো ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ।
পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।
যেমন ‘এক’ সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান 'প্রথম', 'প্রথমা', 'পহেলা' ইত্যাদি। এগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে ।

পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের হয়:
১. সাধারণ পূরণবাচক
২. তারিখ পূরণবাচক
৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি(২০২২সংস্করণ)।
১৫১.
‘দুই লাইনের কাব্য’ - এখানে 'দুই' কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. সাধারণ পূরণবাচক শব্দ
  2. ক্রমবাচক শব্দ
  3. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
  4. তারিখ পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক শব্দ
ব্যাখ্যা
• 'দুই' শব্দটি ক্রমবাচক শব্দ।

সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা -
- ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার...আট ইত্যাদি।
- পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি।

পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫২.
বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশের জন্য কয়টি সংখ্যাবর্ণ আছে?
  1. ক) ছয়
  2. খ) সাত
  3. গ) দশ
  4. ঘ) এগার
সঠিক উত্তর:
গ) দশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দশ
ব্যাখ্যা
বাংলা বর্ণমালায় মূল বর্ণের সংখ্যা ৫০টি।
তবে মূল বর্ণের পাশাপাশি বাংলা বর্ণের পাশাপাশি বাংলা বর্ণমালায় রয়েছে নানা ধরনের কারবর্ণ, অনুবর্ণ, যুক্তবর্ণ ও সংখ্যাবর্ণ।

কারবর্ণ: স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কারবর্ণ বলে।
- কারবর্ণ মোট ১০টি। 

অনুবর্ণ: ব্যঞ্জনবর্ণের বিকল্প রূপের নাম অনুবর্ণ।
অনুবর্ণের মধ্যে রয়েছে,
- ফলা,
- রেফ ও বর্ণসংক্ষেপ।

যুক্তবর্ণ: একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
- যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না।
যুক্তবর্ণ দুই রকম হয়,
- স্বচ্ছ,
- অস্বচ্ছ।

সংখ্যাবর্ণ: বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশের জন্য দশটি সংখ্যাবর্ণ রয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৫৩.
তারিখ পূরণবাচক শব্দ নয় কোনটি?
  1. চৌঠা
  2. পোয়া
  3. পয়লা
  4. পাঁচই
সঠিক উত্তর:
পোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোয়া
ব্যাখ্যা
• তারিখ পূরণবাচক শব্দ:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই) ইত্যাদি।

[তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়। বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব নিয়মে গঠিত।]

অন্যদিকে, 
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ:
কোনো পূর্ণসংখ্যা থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন:
- আধ, সাড়ে, সোয়া, পোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১৫৪.
নিচের কোনটি পূরণবাচক শব্দের উদাহরণ?
  1. ৩য়
  2. তেসরা
  3. তেহাই
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনাে সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বােঝায়।
যেমন ‘এক সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ‘প্রথম’, ‘প্রথম’, ‘পহেলা' ইত্যাদি। এগুলােকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।

- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের হয়:
সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
যেমন - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারােতম ইত্যাদি।
সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন - ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), ছয়ই (৬ই), সাতই (৭ই), আটই (৮ই), নয়ই (৯ই), দশই (১০ই),

ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনাে পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বােঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন - আধ, সাড়ে, পােয়া, সােয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

[উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১- সংস্করণ।]
১৫৫.
‘চৌঠা’ কোন ধরণের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ক) অঙ্কবাচক
  2. খ) গণনাবাচক
  3. গ) তারিখবাচক
  4. ঘ) পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
গ) তারিখবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তারিখবাচক
ব্যাখ্যা

সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা - 
- ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার ইত্যাদি।
- পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি।

পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

আবার,
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম দশম শ্রেণী (২০২০ সংস্করণ) অনুসারে,
সংখ্যা বাচক শব্দ ৪ প্রকার।
যথা-
- অঙ্কবাচক শব্দ- কোন কিছুর সংখ্যা বা পরিমাণ অঙ্কে বা সংখ্যায় লিখলে তাকে অঙ্কবাচক শব্দ বলে। যেমন- ১,৩৪, ৫৬৪
- পরিমাণ বা গণনা বাচক - একাধিকবার একই একক গণনা করলে যে সমষ্টি পাওয়া যায়, তা-ই পরিমাণ বা গণনা বাচক শব্দ। যেমন- সপ্তাহ, দ্বিগুণ, ১/৪
- ক্রম বা পূরণ বাচক- একই সারি, দল বা শ্রেণীতে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সংখ্যার ক্রম বা পর্যায় বোঝাতে যে সংখ্যা ব্যবহার হয়। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, নবম।
- তারিখ বাচক- বাংলা মাসের তারিখ বোঝাতে ব্যবহার করা হয়। যেমন- পহেলা, চৌঠা, একুশে। (১ম চারটি হিন্দি নিয়ম সাধিত)

১৫৬.
কোনটি পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ?
  1. তিন
  2. তেসরা
  3. তেরো
  4. ত্রি
সঠিক উত্তর:
তেসরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেসরা
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর - তেসরা
- এটি তারিখ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ।

• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।
যেমন: ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট), ৯ (নয়), ১০ (দশ), ১১ (এগারো), ১২ (বারো), ১৩ (তেরো), ১৪ (চৌদ্দ), ১৫ (পনেরো), ১৬ (ষোলো), ১৭ (সতেরো), ১৮ (আঠারো), ১৯ (উনিশ), ২০ (বিশ) ইত্যাদি।
- ক্রমবাচক সংখ্যাবর্ণের সুবিধা হলো এতে ১ থেকে ৯ এবং ০ দিয়ে অসীম সংখ্যার পূর্ব পর্যন্ত ক্রম তৈরি করা যায়।
- ক্রমবাচক  সংখ্যাশব্দের এক বা একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে। এগুলো কখনো স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়, কখনো সমাসবদ্ধ শব্দের পূর্বপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন -
'দুই' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ ‘দ্বি’, 'দু', এবং 'দো'।
'তিন' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'ত্রি' এবং ‘তে’।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৫৭.
কোনটি ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ?
  1. দ্বিতীয়
  2. তেসরা
  3. তেহাই
  4. তিন
সঠিক উত্তর:
তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা

ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
- একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন:
- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- সাধারণ পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক: পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আধ, সাড়ে পোয়া, দেড় আড়াই তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৫৮.
তারিখবাচক শব্দ কোনটি?
  1. একুশে
  2. দ্বাদশ
  3. পনেরোতম
  4. ষোড়শ
সঠিক উত্তর:
একুশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একুশে
ব্যাখ্যা
• তারিখ পূরণবাচক শব্দ:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।

যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), ছয়ই (৬ই), সাতই (৭ই), আটই (৮ই), নয়ই (৯ই), দশই (১০ই), এগারোই (১১ই), বারোই (১২ই), তেরোই (১৩ই), চোদ্দই (১৪ই), পনেরোই (১৫ই), ষোলোই (১৬ই), সতেরোই (১৭ই), আঠারোই (১৮ই), উনিশে (১৯শে), বিশে (২০শে), একুশে (২১শে), বাইশে (২২শে), তেইশে (২৩শে), চব্বিশে (২৪শে), পঁচিশে (২৫শে), ছাব্বিশে (২৬শে), সাতাশে (২৭শে), আটাশে (২৮শে), উনত্রিশে (২৯শে), ত্রিশে (৩০শে), একত্রিশে (৩১শে)।

অন্যদিকে, 
দ্বাদশ, পনেরোতম ও ষোড়শ সাধারণ পূরণবাচক শব্দ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকারণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
১৫৯.
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে কোনটিতে?
  1. দোসরা
  2. উনিশতম
  3. ষোলো
  4. দ্বিতীয়া
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বিতীয়া
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে।
যেমন -
- প্রথমা, দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী, অষ্টমী, নবমী, দশমী, ত্রয়োদশী, ষোড়শী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- 'দোসরা' তারিখ পূরণবাচক শব্দ।
- সাধারণ পূরণবাচক যোগে - উনিশতম।
- 'ষোলো' ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬০.
'আড়াই', 'দেড়', - কোন ধরনের শব্দ হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ
  2. খ) পূর্ণগুণিতক শব্দ
  3. গ) আধিক্য নির্দেশক শব্দ
  4. ঘ) ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ
সঠিক উত্তর:
গ) আধিক্য নির্দেশক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আধিক্য নির্দেশক শব্দ
ব্যাখ্যা
• সংখ্যাবাচক বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ - 
- পূর্ণসংখ্যাবাচক বিশেষণ
- ক্রমবাচক বিশেষণ
- তারিখ সংখ্যাশব্দ
- গুণিতক সংখ্যাশব্দ

গুণিতক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের - 
- পূর্ণগুণিত শব্দ : এক এক্কে এক, দুই দুগুণে চার ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ : চৌথাই, সিকি , পোয়া, তেহাই, অর্ধ ইত্যাদি।
- ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ : পৌনে চার, পৌনে সাত ইত্যাদি। 
- আধিক্য নির্দেশক শব্দ : 'আড়াই' 'দেড়', 'সওয়া', 'সাড়ে' ইত্যাদি। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।
১৬১.
'৯৩' এর সংখ্যাবাচক শব্দ কোনটি?
  1. নবনবতিতম
  2. নবতিতম
  3. উননবতিতম
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
• '৯৩' এর সংখ্যাবাচক শব্দ - ত্রিনবতিতম।

• ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু ‘তম’ প্রত্যয় যােগ করা হয়।
যথা: 
• উনিশতম বা ঊনবিংশতিতম (১৯তম),
• বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম),
• একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম),
• আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম),
• উনপঞ্চাশতম বা ঊনপঞ্চাশত্তম (৪৯তম),
• আশিতম বা অশীতিতম (৮০তম),
• নব্বইতম বা নবতিতম (৯০তম),
• নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি অভিধান, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ (নবম-দশম শ্রেণি) ২০২১ সংস্করণ।
১৬২.
‘অষ্টআশীতিতম’ সংখ্যার অঙ্কবাচক রূপ কোনটি?
  1. ক) ৮০
  2. খ) ৮৮
  3. গ) ৮০০
  4. ঘ) ৮৮৮
সঠিক উত্তর:
খ) ৮৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৮৮
ব্যাখ্যা
- ‘অষ্টআশীতিতম’ সংখ্যার অঙ্কবাচক রূপ হচ্ছে ৮৮

• ৮৮ সংখ্যাকে বিশ্নেষণ করি। ৮০ + ৮ = ৮৮। সংখ্যাটির এককের ঘরে আছে ৮, ৮-এর ক্রমবাচক রূপ হলো ‘অষ্ট’। তাই প্রথমে বসবে ‘অষ্ট’। দশকের ঘরে আছে ৮। যেহেতু দশকের ঘরে ৮ আছে সেহেতু গণিতের নিয়ম অনুসারে সেটি ৮০ হয়েছে। ৮০-এর ক্রমবাচক রূপ হলো ‘আশীতিতম’। সুতরাং ৮৮-এর ক্রমবাচক রূপ হবে ‘অষ্টআশীতিতম’।

উৎস : নবম-দশম শ্রেণি পুরাতন ও নতুন ব্যাকরণ, ভাষা-শিক্ষা, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ। 
১৬৩.
'আড়াই', 'দেড়', 'সওয়া', 'সাড়ে' - কোন ধরনের শব্দ হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) আধিক্য নির্দেশক শব্দ
  2. খ) ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ
  3. গ) ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ
  4. ঘ) পূর্ণগুণিতক শব্দ
সঠিক উত্তর:
ক) আধিক্য নির্দেশক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) আধিক্য নির্দেশক শব্দ
ব্যাখ্যা
সংখ্যাবাচক বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ - 
- পূর্ণসংখ্যাবাচক বিশেষণ
- ক্রমবাচক বিশেষণ
- তারিখ সংখ্যাশব্দ
- গুণিতক সংখ্যাশব্দ

গুণিতক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের - 
- পূর্ণগুণিত শব্দ : এক এক্কে এক, দুই দুগুণে চার ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ : চৌথাই, সিকি , পোয়া, তেহাই, অর্ধ ইত্যাদি।
- ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ : পৌনে চার, পৌনে সাত ইত্যাদি। 
- আধিক্য নির্দেশক শব্দ : 'আড়াই' 'দেড়', 'সওয়া', 'সাড়ে' ইত্যাদি। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।
১৬৪.
'১০ম' কোন ধরনের শব্দ?
  1. ভগ্নাংশবাচক
  2. তারিখবাচক
  3. সাধারণ পূরণবাচক
  4. ক্রমবাচক
সঠিক উত্তর:
সাধারণ পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
• সংখ্যাবাচক শব্দ দুই রকমের:
১. ক্রমবাচক ও
২. পূরণবাচক।

১. ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ।
২. পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম।

• পূরণবাচক শব্দ ৩ প্রকার।
যেমন:
- সাধারণ পূরণবাচক,
- তারিখ পূরণবাচক ও
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক। 

• সাধারণ পূরণবাচক:
- ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
যেমন: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারোতম ইত্যাদি।
- সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন: ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
- বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
- যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই) ইত্যাদি। 
তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব নিয়মে গঠিত।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
- কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১৬৫.
"ত্রি" কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. তারিখ পূরণবাচক
  2. সাধারণ সংখ্যাশব্দ
  3. ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ
  4. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ
ব্যাখ্যা
• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

যেমন- ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট), ৯ (নয়), ১০ (দশ), ১১ (এগারো), ১২ (বারো), ১৩ (তেরো), ১৪ (চোদ্দ), ১৫ (পনেরো), ১৬ (ষোলো), ১৭ (সতেরো), ১৮ (আঠারো), ১৯ (উনিশ), ২০ (বিশ) ইত্যাদি।

ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দের এক বা একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে। এগুলো কখনো স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়, কখনো সমাসবদ্ধ শব্দের পূর্বপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন-  'দুই' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'দ্বি', 'দু', এবং 'দো'। 'তিন' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'ত্রি' এবং 'তে'

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকারণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৬৬.
কোনটি ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ?
  1. পাঁচ
  2. চতুর্থ
  3. পোয়া
  4. তেহাই
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাঁচ
ব্যাখ্যা
পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক শব্দ তিন ধরনের হয়।
সাধারণ পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় , চতুর্থ ইত্যাদি।
তারিখ পূরণবাচক: পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আধ, সাড়ে পোয়া, দেড় আড়াই তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
- একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন:
- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬৭.
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ কোনটি?
  1. উনিশতম
  2. চতুর্দশ
  3. ষোলো
  4. প্রথম
সঠিক উত্তর:
ষোলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোলো
ব্যাখ্যা
• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ। যেমন ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট), ৯ (নয়), ১০ (দশ), ১১ (এগারো), ১২ (বারো), ১৩ (তেরো), ১৪ (চোদ্দ), ১৫ (পনেরো), ১৬ (ষোলো), ১৭ (সতেরো), ১৮ (আঠারো), ১৯ (উনিশ), ২০ (বিশ) ইত্যাদি।

• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দের এক বা একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে। এগুলো কখনো স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়, কখনো সমাসবদ্ধ শব্দের পূর্বপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন- 'দুই' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'দ্বি', 'দু', এবং 'দো'। 'তিন' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'ত্রি' এবং 'তে'।

অন্যদিকে, 
-------------
সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারোতম ইত্যাদি। সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।
সংখ্যাবাচক শব্দ

১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ (১১শ) ও এগারোতম (১১তম), দ্বাদশ (১২শ) ও বারোতম (১২তম), ত্রয়োদশ (১৩শ) ও তেরোতম (১৩তম), চতুর্দশ (১৪শ) ও চোদ্দতম (১৪তম), পঞ্চদশ (১৫শ) ও পনেরোতম (১৫তম), ষোড়শ (১৬শ) ও ষোলোতম (১৬তম), সপ্তদশ (১৭শ) ও সতেরোতম (১৭তম), অষ্টাদশ (১৮শ) ও আঠারোতম (১৮তম)।

১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু 'তম' প্রত্যয় যোগ করা হয়। যথা: উনিশতম বা উনবিংশতিতম (১৯তম), বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম), একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম), আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম), উনপঞ্চাশতম বা উনপঞ্চাশত্তম (৪৯তম), আশিতম বা অশীতিতম (৮০তম), নব্বইতম বা নবতিতম (৯০তম), নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যকারণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
১৬৮.
কোনটি ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ?
  1. নবম
  2. দেড়
  3. দোসরা
  4. পনেরো
সঠিক উত্তর:
পনেরো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পনেরো
ব্যাখ্যা
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
- একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন:
- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, পনেরো ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।
পূরণবাচক শব্দ তিন ধরনের হয়।
- সাধারণ পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় , চতুর্থ, নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক: পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আধ, সাড়ে পোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬৯.
"তিনি বইয়ের আধ পাতা পড়েই থেমে গেছেন।" - এখানে নিম্নরেখ কোন ধরনের শব্দ?
  1. সাধারণ পূরণবাচক
  2. তারিখ পূরণবাচক
  3. ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ
  4. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ভগ্নাংশ পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভগ্নাংশ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা

ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
- কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন-
- আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৭০.
তারিখ পূরণবাচক শব্দ কোনটি?
  1. প্রথমা
  2. একত্রিশে
  3. একাদশ
  4. আড়াই
সঠিক উত্তর:
একত্রিশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্রিশে
ব্যাখ্যা
• তারিখ পূরণবাচক শব্দ- একত্রিশে।

--------------------------
• পূরণবাচক:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।
- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ও বারোতম(১২তম) ইত্যাদি।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী, একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী) ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭১.
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ কোনটি?
  1. দেড়
  2. পোয়া
  3. আধ
  4. দ্বি
সঠিক উত্তর:
দ্বি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্বি
ব্যাখ্যা
• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
- একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ। যেমন ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট), ৯ (নয়), ১০ (দশ) ইত্যাদি।

- ক্রমবাচক সংখ্যাবর্ণের সুবিধা হলো এতে ১ থেকে ৯ এবং ০ দিয়ে অসীম সংখ্যার পূর্ব পর্যন্ত ক্রম তৈরি করা যায়।

- ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দের এক বা একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে। এগুলো কখনো স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়, কখনো সমাসবদ্ধ শব্দের পূর্বপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যেমন 'দুই' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'দ্বি', 'দু', এবং 'দো'। 'তিন' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'ত্রি' এবং 'তে'।

অন্যদিকে, 
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন- আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।
১৭২.
কোনটি পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ নয়?
  1. বারো
  2. বারোতম
  3. বারোই
  4. দ্বাদশ
সঠিক উত্তর:
বারো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বারো
ব্যাখ্যা
• সংখ্যাবাচক শব্দ:
- যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
- দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।
- সংখ্যাশব্দ দুই রকমের: ক্রমবাচক ও পূরণবাচক।
 ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন।
পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়।

• পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।
যেমন - ‘এক' সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ‘প্রথম', ‘প্রথমা’, ‘পহেলা' ইত্যাদি। এগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের হয়:
১. সাধারণ পূরণবাচক: একাদশ ও এগারোতম, দ্বাদশবারোতম
২. তারিখ পূরণবাচক: এগারোই, বারোই
৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আড়াই, তেহাই।

অন্যদিকে,
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ - বারো

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭৩.
‘দ্বি’ কোন ধরনের শব্দ?
  1. ক্রমবাচক
  2. ভগ্নাংশবাচক
  3. তারিখবাচক
  4. পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক
ব্যাখ্যা
• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।
যেমন: ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট), ৯ (নয়), ১০ (দশ), ১১ (এগারো), ১২ (বারো), ১৩ (তেরো), ১৪ (চৌদ্দ), ১৫ (পনেরো), ১৬ (ষোলো), ১৭ (সতেরো), ১৮ (আঠারো), ১৯ (উনিশ), ২০ (বিশ) ইত্যাদি।

- ক্রমবাচক সংখ্যাবর্ণের সুবিধা হলো এতে ১ থেকে ৯ এবং ০ দিয়ে অসীম সংখ্যার পূর্ব পর্যন্ত ক্রম তৈরি করা যায়।
- ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দের এক বা একাধিক প্রতিশব্দ রয়েছে। এগুলো কখনো স্বতন্ত্রভাবে ব্যবহৃত হয়, কখনো সমাসবদ্ধ শব্দের পূর্বপদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- 'দুই' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ ‘দ্বি’, 'দু', এবং 'দো'।
- 'তিন' সংখ্যাশব্দের প্রতিশব্দ 'ত্রি' এবং ‘তে’।

---------------
• পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:

পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।
- যেমন: 'এক' সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান প্রথম, প্রথমা, পহেলা ইত্যাদি। এগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।

পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
- যেমন: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারােতম ইত্যাদি।
- সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন - ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পুরণবাচক শব্দ:
কোনো পূর্ণসংখ্যা থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়। 
যেমন: আধ, সাড়ে, সোয়া, পোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
- যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই) ইত্যাদি। 
- তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়। বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব নিয়মে গঠিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৭৪.
‘একাদশ’ কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. তারিখ পূরণবাচক
  2. গুণিতক পূরণবাচক
  3. সাধারণ পূরণবাচক
  4. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
সাধারণ পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
সাধারণ পূরণবাচক:
- ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।

যেমন:
- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারােতম ইত্যাদি।

- সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়।
যেমন:
- ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৭৫.
নিচের কোনটি পূরণবাচক শব্দের উদাহরণ?
  1. ক) একাদশ
  2. খ) পাঁচ
  3. গ) পহেলা
  4. ঘ) সিকি
  5. ঙ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
ক) একাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) একাদশ
ব্যাখ্যা
পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনাে সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বােঝায়।
যেমন ‘এক সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ‘প্রথম’, ‘প্রথম’, ‘পহেলা' ইত্যাদি। এগুলােকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের হয়:

সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
যেমন - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারােতম ইত্যাদি।
সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন - ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), ছয়ই (৬ই), সাতই (৭ই), আটই (৮ই), নয়ই (৯ই), দশই (১০ই),

ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনাে পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বােঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন - আধ, সাড়ে, পােয়া, সােয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

[উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১- সংস্করণ।]
 
১৭৬.
তারিখ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ কোনটি?
  1. তেহাই
  2. চৌথ
  3. পয়লা
  4. একাদশী 
সঠিক উত্তর:
পয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পয়লা
ব্যাখ্যা

• ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন: এক, দুই, তিন ইত্যাদি।

• পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।
যেমন: 'এক' সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান' প্রথম', 'পহেলা', 'প্রথমা' ইত্যাদি। এগুলোকে পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ ধরনের হয়। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক: যেমন- প্রথমা (১মা), দ্বিতীয়া (২য়া), তৃতীয়া (৩য়া), চতুর্থী, একাদশী (১১শী), দ্বাদশী (১২শী) ত্রয়োদশী (১৩শী) ইত্যাদি।
• তারিখ পূরণবাচক: যেমন- পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই। 
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক: কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়। যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, চৌথ, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১-সংস্করণ)।

১৭৭.
‘পোয়া’ কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. তারিখ পূরণবাচক
  2. গুণিতক পূরণবাচক
  3. সাধারণ পূরণবাচক
  4. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ভগ্নাংশ পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভগ্নাংশ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ:
- কোনো পূর্ণসংখ্যা থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন:
- আধ, সাড়ে, সোয়া, পোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
সাধারণ পূরণবাচক:
- ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
যেমন:
- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারােতম ইত্যাদি।
- সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়।
যেমন -
- ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

তারিখ পূরণবাচক:
- বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যথা:
- পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই) ইত্যাদি।
- তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়। বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব নিয়মে গঠিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৭৮.
পূরণবাচক শব্দ কোনটি?
  1. ক) দ্বাদশ
  2. খ) পনের
  3. গ) ঊনিশে
  4. ঘ) এগার
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দ্বাদশ
ব্যাখ্যা
- অপশনে প্রদত্ত শব্দের মধ্যে পূরণবাচক শব্দ হলো: দ্বাদশ

বাংলা সংখ্যাবাচক শব্দের "পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ" ৩ প্রকার।
যথা -
১. সাধারণ পূরণবাচক
২. তারিখ পূরণবাচক
৩. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
-----------
সাধারণ পূরণবাচক শব্দ:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়।
যেমন - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ইত্যাদি।
- এগুলো আবার সংক্ষিপ্তরূপেও লেখা যায়। যেমন - ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)
১৭৯.
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে কোনটিতে?
  1. ষষ্ঠী
  2. তেরো
  3. উনিশতম
  4. দোসরা
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষষ্ঠী
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে।
যেমন -
- প্রথমা, দ্বিতীয়া, ষষ্ঠী, অষ্টমী, নবমী, দশমী, ত্রয়োদশী, ষোড়শী ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- 'দোসরা' তারিখ পূরণবাচক শব্দ।
- সাধারণ পূরণবাচক যোগে - উনিশতম।
- 'তেরো' ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮০.
সংখ্যা গণনার মূল একক কোনটি?
  1. শূন্য
  2. এক
  3. দশ
  4. শত
সঠিক উত্তর:
এক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক
ব্যাখ্যা
• অঙ্কবাচক শব্দ:
যে শব্দ দ্বারা অঙ্কবাচক শব্দ নির্দেশ করা হয় তাকে বলা হয় অঙ্কবাচক শব্দ।

- সংখ্যার একক হলো 'এক'।
- সুতরাং কোনো শব্দকে ভাঙতে হলে এক সংখ্যাকে একক হিসেবে গণ্য করা হয়।
যেমন- তিন টাকা বলতে এক টাকার তিনটি একক বা এককের সমষ্টি বোঝায়।
- অতএব 'তিন' সংখ্যাকে আমরা ভাঙতে পারি এভাবে এক+এক+এক। এভাবে এবা থেকে একশ পর্যন্ত গণনা করা যায়।

উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮১.
'আড়াই', 'দেড়', 'সাড়ে' - কোন ধরনের শব্দ হিসাবে ব্যবহৃত হয়?
  1. পূর্ণগুণিতক সংখ্যাশব্দ
  2. ন্যূনতা নির্দেশক সংখ্যাশব্দ
  3. আধিক্য নির্দেশক সংখ্যাশব্দ 
  4. ন্যূনতা ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ
সঠিক উত্তর:
আধিক্য নির্দেশক সংখ্যাশব্দ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আধিক্য নির্দেশক সংখ্যাশব্দ 
ব্যাখ্যা

সংখ্যাবাচক বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ - 
- পূর্ণসংখ্যাবাচক বিশেষণ;
- ক্রমবাচক বিশেষণ;
- তারিখ সংখ্যাশব্দ;
- গুণিতক সংখ্যাশব্দ।

গুণিতক সংখ্যাশব্দ তিন ধরনের - 
- পূর্ণগুণিত শব্দ : এক এক্কে এক, দুই দুগুণে চার ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ সংখ্যাশব্দ : চৌথাই, সিকি , পোয়া, তেহাই, অর্ধ ইত্যাদি।
- ন্যূনতা নির্দেশক শব্দ : পৌনে চার, পৌনে সাত ইত্যাদি। 
- আধিক্য নির্দেশক শব্দ : 'আড়াই' 'দেড়', 'সওয়া', 'সাড়ে' ইত্যাদি। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, বাংলা একাডেমি।

১৮২.
তারিখবাচক শব্দ কোনটি?
  1. প্রথমা
  2. অষ্টমী
  3. একত্রিশে
  4. চতুর্থ
সঠিক উত্তর:
একত্রিশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্রিশে
ব্যাখ্যা
তারিখ পূরণবাচক শব্দ:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যথা:
পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), ছয়ই (৬ই), সাতই (৭ই), আটই (৮ই), নয়ই (৯ই), দশই (১০ই), এগারোই (১১ই), বারোই (১২ই), তেরোই (১৩ই), চোদ্দই (১৪ই), পনেরোই (১৫ই), ষোলোই (১৬ই), সতেরোই (১৭ই), আঠারোই (১৮ই), উনিশে (১৯শে), বিশে (২০শে), একুশে (২১শে), বাইশে (২২শে), তেইশে (২৩শে), চব্বিশে (২৪শে), পঁচিশে (২৫শে), ছাব্বিশে (২৬শে), সাতাশে (২৭শে), আটাশে (২৮শে), উনত্রিশে (২৯শে), ত্রিশে (৩০শে), একত্রিশে (৩১শে)।

-----------------
• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারোতম ইত্যাদি।

সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।
১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম:

• একাদশ (১১শ) ও এগারোতম (১১তম), দ্বাদশ (১২শ) ও বারোতম (১২তম), ত্রয়োদশ (১৩শ) ও তেরোতম (১৩তম), চতুর্দশ (১৪শ) ও চোদ্দতম (১৪তম), পঞ্চদশ (১৫শ) ও পনেরোতম (১৫তম), ষোড়শ (১৬শ) ও ষোলোতম (১৬তম), সপ্তদশ (১৭শ) ও সতেরোতম (১৭তম), অষ্টাদশ (১৮শ) ও আঠারোতম (১৮তম)।

• ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু 'তম' প্রত্যয় যোগ করা হয়।
যথা:
উনিশতম বা উনবিংশতিতম (১৯তম), বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম), একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম), আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম), উনপঞ্চাশতম বা ঊনপঞ্চাশত্তম (৪৯তম), আশিতম বা অশীতিতম (৮০তম), নব্বইতম বা নবতিতম (৯০তম), নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।

বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচকের নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে।
যেমন:
প্রথমা (১মা), দ্বিতীয়া (২য়া), তৃতীয়া (৩য়া), চতুর্থী (৪র্থী), পঞ্চমী (৫মী), ষষ্ঠী (৬ষ্ঠী), সপ্তমী (৭মী), অষ্টমী (৮মী), নবমী (৯মী), দশমী (১০মী), একাদশী (১১শী), চতুর্দশী (১৪শী), পঞ্চদশী (১৫শী), ষোড়শী (১৬শী), সপ্তদশী (১৭শী), অষ্টাদশী (১৮শী) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২-সংস্করণ)।
১৮৩.
তারিখবাচক শব্দের ক্ষেত্রে প্রথম চারটির গঠন কোন ভাষার নিয়মে সাধিত হয়?
  1. বাংলা
  2. ফারসি
  3. হিন্দি
  4. আরবি
সঠিক উত্তর:
হিন্দি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিন্দি
ব্যাখ্যা

• তারিখবাচক শব্দ:
বাংলা মাসের তারিখ বোঝাতে যে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে তারিখবাচক শব্দ বলে।
যেমন - পয়লা বৈশাখ, বাইশে শ্রাবণ ইত্যাদি।

• তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।
- বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব ভঙ্গিতে গঠিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

১৮৪.
কোনটি তারিখ পূরণবাচক শব্দ?
  1. দ্বাদশী
  2. আঠারোই
  3. ষোড়শ
  4. একাদশ
সঠিক উত্তর:
আঠারোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আঠারোই
ব্যাখ্যা
• তারিখ পূরণবাচক শব্দ:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।

যথা:
পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), ছয়ই (৬ই), সাতই (৭ই), আটই (৮ই), নয়ই (৯ই), দশই (১০ই), এগারোই (১১ই), বারোই (১২ই), তেরোই (১৩ই), চোদ্দই (১৪ই), পনেরোই (১৫ই), ষোলোই (১৬ই), সতেরোই (১৭ই), আঠারোই (১৮ই), উনিশে (১৯শে), বিশে (২০শে), একুশে (২১শে), বাইশে (২২শে), তেইশে (২৩শে), চব্বিশে (২৪শে), পঁচিশে (২৫শে), ছাব্বিশে (২৬শে), সাতাশে (২৭শে), আটাশে (২৮শে), উনত্রিশে (২৯শে), ত্রিশে (৩০শে), একত্রিশে (৩১শে)।

অন্যদিকে, 
দ্বাদশী, ষোড়শ ও একাদশ  সাধারণ পূরণবাচক শব্দ। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
১৮৫.
সাধারণ পূরণ বাচক শব্দ কোনটি?
  1. ক) আট
  2. খ) নবম
  3. গ) তেসরা
  4. ঘ) দেড়
সঠিক উত্তর:
খ) নবম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) নবম
ব্যাখ্যা

সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা - 
- ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার...আট ইত্যাদি।
- পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি।

পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম দশম শ্রেণী

১৮৬.
কোনটি তারিখ পূরণবাচক শব্দ?
  1. দশ 
  2. দ্বাদশ
  3. ত্রিশে
  4. তেহাই
সঠিক উত্তর:
ত্রিশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রিশে
ব্যাখ্যা
• তারিখ পূরণবাচক শব্দ- ত্রিশে।

----------------------
• সংখ্যাবাচক শব্দ:

যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বলে।

• সংখ্যাশব্দ দুই রকমের।
যথা:
১. ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন- ১ (এক), ২ (দুই), ৩ (তিন), ৪ (চার), ৫ (পাঁচ), ৬ (ছয়), ৭ (সাত), ৮ (আট), ৯ (নয়),  ১০ (দশ) ইত্যাদি।

২. পূরণবাচক:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।
- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ও বারোতম(১২তম) ইত্যাদি।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী, একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী), ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮৭.
তারিখ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ নয় কোনটি?
  1. দোসরা
  2. পাঁচই 
  3. ষোলো
  4. চৌঠা
সঠিক উত্তর:
ষোলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ষোলো
ব্যাখ্যা

• তারিখ পূরণবাচক শব্দ নয়- ষোলো।
- ‘ষোলো’ - ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ।

------------------------
• পূরণবাচক:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।
- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ও বারোতম(১২তম) ইত্যাদি।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী, একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী), ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৮৮.
কোনটি ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ?
  1. দ্বাদশ
  2. পহেলা
  3. তেহাই
  4. তিন
সঠিক উত্তর:
তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন
ব্যাখ্যা
• ক্রমবাচক সংখ্যা: 
একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলোকে ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে।
যেমন: এক(১), দুই(২), তিন(৩), ছয়(৬), সাত (৭) ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- পহেলা - তারিখ পূরণবাচক শব্দ।
- তেহাই - ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ।
- দ্বাদশ - সাধারণ পূরণবাচক শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮৯.
নিচের কোনটি তারিখ পূরণবাচক সংখ্যা?
  1. ক) সাত
  2. খ) দ্বিতীয়া
  3. গ) আটাশে
  4. ঘ) চতুর্দশ
সঠিক উত্তর:
গ) আটাশে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আটাশে
ব্যাখ্যা
পূরণবাচক শব্দ ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক
- তারিখ পূরণবাচক ও
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক

তারিখ পূরণবাচক:
- বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
- যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), 
- তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।
- বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব নিয়মে গঠিত।

সাধারণ পূরণবাচক:
- ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
- যেমন - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারােতম ইত্যাদি।
- সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন - ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
- কখনাে পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বােঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
- যেমন - আধ, সাড়ে, পােয়া, সােয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১- সংস্করণ। 
১৯০.
'অষ্টাবিংশতিতম' কোন সংখ্যার পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ?
  1. ২৮
  2. ২০২৮
  3. ৮০
  4. ৮৮
সঠিক উত্তর:
২৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৮
ব্যাখ্যা
১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংখ্যার সংক্ষিপ্ত পূরণবাচকে শুধু ‘তম’ প্রত্যয় যােগ করা হয়। যথা:
উনিশতম বা ঊনবিংশতিতম (১৯তম),
বিশতম বা বিংশতিতম (২০তম),
একুশতম বা একবিংশতিতম (২১তম),
আটাশতম বা অষ্টাবিংশতিতম (২৮তম),
উনপঞ্চাশতম বা ঊনপঞ্চাশত্তম (৪৯তম),
আশিতম বা অশীতিতম (৮০তম),
নব্বইতম বা নবতিতম (৯০তম),
নিরানব্বইতম বা নবনবতিতম (৯৯তম) ইত্যাদি।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণি, বাংলা ব্যাকরণ (২০২১ সংস্করণ)
১৯১.
সাধারণ পূরণবাচক শব্দ কোনটি?
  1. পাঁচ
  2. দোসরা
  3. একাদশ
  4. পােয়া
সঠিক উত্তর:
একাদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একাদশ
ব্যাখ্যা
• সাধারণ পূরণবাচক শব্দ- একাদশ।

• সংখ্যাবাচক শব্দ:
- যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয় প্রভৃতি সংখ্যাশব্দ – এগুলো এখানে কথায় লেখা হয়েছে।
- আবার বিশেষ কিছু বর্ণ বা সংকেত দিয়ে এগুলো প্রকাশ করা যায়, যথা: ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ প্রভৃতি সংখ্যাশব্দ – এগুলো এখানে অঙ্কে বা সংখ্যাবর্ণে লেখা হয়েছে।
- দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।

• সংখ্যাশব্দ দুই রকমের:
১. ক্রমবাচক ও
২. পূরণবাচক।

• ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ
• পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম।

--------------------------
পূরণবাচক শব্দ ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক,
- তারিখ পূরণবাচক ও
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
- ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
- যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারােতম ইত্যাদি।
- সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন - ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
- বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
- যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), ছয়ই (৬ই)।
- তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।
- বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব নিয়মে গঠিত।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
- কখনাে পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বােঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
- যেমন- আধ, সাড়ে, পােয়া, সােয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ।
১৯২.
পূরণবাচক শব্দ নয় নিচের কোনটি?
  1. এক
  2. প্রথম
  3. পহেলা
  4. আড়াই
সঠিক উত্তর:
এক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এক
ব্যাখ্যা

'এক' পূরণবাচক শব্দ নয়। 

পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ:

- পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ দিয়ে কোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

• পূরণবাচক শব্দ তিন ধরনের হয়।
- সাধারণ পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় , চতুর্থ ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক: পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক: আধ, সাড়ে পোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ:
- একের পর এক যে সংখ্যাগুলো আসে, সেগুলো ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ বলে। যেমন:
- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২- সংস্করণ)।

১৯৩.
'চার' কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. সাধারণ পূরণবাচক
  2. ক্রমবাচক
  3. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
  4. তারিখ পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্রমবাচক
ব্যাখ্যা

'চার' শব্দটি সাধারণ ক্রমবাচক শব্দ।

সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা -
- ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার...আট ইত্যাদি।
- পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি।

পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

১৯৪.
'চতুর্থী' কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. তারিখ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
  2. ক্রমবাচক সংখ্যাশব্দ
  3. ভগ্নাংশ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
  4. সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
সঠিক উত্তর:
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধারণ পূরণবাচক সংখ্যাশব্দ
ব্যাখ্যা
• পূরণবাচক:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।
- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ও বারোতম(১২তম) ইত্যাদি।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী (৪র্থী), একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী), ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৯৫.
বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশের জন্য কয়টি সংখ্যাবর্ণ রয়েছে?
  1. ৭টি
  2. ১১টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষায় সংখ্যা নির্দেশের জন্য দশটি সংখ্যাবর্ণ রয়েছে। যথা- ১,২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯, ০।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
১৯৬.
'তেসরা' কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. তারিখ পূরণবাচক
  2. ভগ্নাংশ পূরণবাচক
  3. ক্রমবাচক শব্দ
  4. সাধারণ পূরণবাচক শব্দ
সঠিক উত্তর:
তারিখ পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তারিখ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
সংখ্যাবাচক শব্দ মূলত দুই প্রকার।
যথা -
- ক্রমবাচক - এক, দুই, তিন, চার...আট ইত্যাদি।
- পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি।

পূরণবাচক শব্দ আবার ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ ... নবম ইত্যাদি।
- তারিখ পূরণবাচক - পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা ইত্যাদি।
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক - আধ, সাড়ে, পোয়া, দেড়, আড়াই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৯৭.
কোনটি ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ?
  1. চৌঠা
  2. সোয়া
  3. দোসরা
  4. দ্বাদশী
সঠিক উত্তর:
সোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোয়া
ব্যাখ্যা
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক শব্দ: সোয়া।

---------------------
• পূরণবাচক:
পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।
- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ও বারোতম(১২তম) ইত্যাদি।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী, একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী), ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৯৮.
‘প্রথম লোকটিকে ডাক’ - এখানে 'প্রথম' কোন ধরনের সংখ্যাবাচক শব্দ?
  1. ক) সাধারণ পূরণবাচক
  2. খ) ক্রমবাচক
  3. গ) তারিখ পূরণবাচক
  4. ঘ) ভগ্নাংশ পূরণবাচক
সঠিক উত্তর:
ক) সাধারণ পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) সাধারণ পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
সংখ্যাশব্দ:
- যেসব শব্দ দিয়ে সংখ্যা বোঝায়, সেগুলোকে সংখ্যাবাচক শব্দ বা সংখ্যাশব্দ বলে।
- এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ, ছয় প্রভৃতি সংখ্যাশব্দ – এগুলো এখানে কথায় লেখা হয়েছে।
- আবার বিশেষ কিছু বর্ণ বা সংকেত দিয়ে এগুলো প্রকাশ করা যায়, যথা: ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬ প্রভৃতি সংখ্যাশব্দ – এগুলো এখানে অঙ্কে বা সংখ্যাবর্ণে লেখা হয়েছে।
- দূরত্ব, দৈর্ঘ্য, আয়তন, খণ্ড, তাপমাত্রা ইত্যাদি পরিমাপের ক্ষেত্রে সংখ্যাশব্দের ব্যাপক ব্যবহার হয়।

• সংখ্যাশব্দ দুই রকমের:
১. ক্রমবাচক ও
২. পূরণবাচক।

• ক্রমবাচক: এক, দুই, তিন, চার, পাঁচ।
• পূরণবাচক: প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম।

পূরণবাচক শব্দ ৩ প্রকার।
যথা -
- সাধারণ পূরণবাচক
- তারিখ পূরণবাচক ও
- ভগ্নাংশ পূরণবাচক

তারিখ পূরণবাচক:
- বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
- যথা: পহেলা বা পয়লা (১লা), দোসরা (২রা), তেসরা (৩রা), চৌঠা (৪ঠা), পাঁচই (৫ই), 
- তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।
- বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব নিয়মে গঠিত।

সাধারণ পূরণবাচক:
- ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থানকে নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে।
- যেমন - প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, পঞ্চম, ষষ্ঠ, সপ্তম, অষ্টম, নবম, দশম, একাদশ বা এগারােতম ইত্যাদি।
- সাধারণ পূরণবাচক সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায়। যেমন - ১ম, ২য়, ৩য়, ৪র্থ, ৫ম, ৬ষ্ঠ, ৭ম, ৮ম, ৯ম, ১০ম ইত্যাদি।

ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
- কখনাে পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বােঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
- যেমন - আধ, সাড়ে, পােয়া, সােয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই, চৌথ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ।
১৯৯.
পূর্ণসংখ্যার ন্যূনতা বোঝাতে কোন সংখ্যাশব্দ ব্যবহৃত হয়?
  1. দেড়
  2. সাড়ে
  3. তেহাই
  4. সোয়া
সঠিক উত্তর:
তেহাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তেহাই
ব্যাখ্যা
• ‘ন্যূন’ বলতে কোনো ভাগের অংশ বোঝায়।
যেমন :
১/৪ = চার ভাগের এক ভাগ = চৌথা, সিকি বা পোয়া।
১/৩ = তিন ভাগের এক ভাগ = তেহাই।
৩/৪ = চার ভাগের তিন ভাগ = পৌনে।
১/২ = দুই ভাগের এক ভাগ = অর্ধ বা আধা।
১/৮ = আট ভাগের এক ভাগ = অষ্টমাংশ।

অন্যদিকে,
'দেড়, সাড়ে, সোয়া - দ্বারা পূর্ণ সংখ্যার আধিক্য বোঝায়। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
২০০.
কোনটি তারিখ পূরণবাচক শব্দ?
  1. দ্বাদশী
  2. ছয়ই
  3. প্রথমা
  4. আড়াই
সঠিক উত্তর:
ছয়ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছয়ই
ব্যাখ্যা
• ‘ছয়ই’ তারিখ পূরণবাচক শব্দের উদাহরণ।

-----------------------
• পূরণবাচক:

পূরণবাচক সংখ্যা দিয়ে যেকোনো সংখ্যার ক্রমিক অবস্থান ও পরিমাণকে বোঝায়।

পূরণবাচক সংখ্যা শব্দ ৩ প্রকার। যথা:
• সাধারণ পূরণবাচক,
• তারিখ পূরণবাচক,
• ভগ্নাংশ পূরণবাচক।

• সাধারণ পূরণবাচক:
ক্রমবাচক সংখ্যার পর্যায় বা অবস্থান নির্দেশ করতে সাধারণ পূরণবাচক হয়ে থাকে। যেমন- প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় ইত্যাদি। এদের সংক্ষিপ্ত রূপেও লেখা যায় যেমন- ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি।
- ১১ থেকে ১৮ পর্যন্ত সংখ্যার পূর্ণ পূরণবাচক ও সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক দুই রকম: একাদশ(১১শ) ও এগারোতম(১১তম), দ্বাদশ(১২ শ) ও বারোতম(১২তম) ইত্যাদি।
- ১৯ থেকে ৯৯ পর্যন্ত সংক্ষিপ্ত পূরণবাচক শব্দে শুধু তম প্রত্যয় যোগ করা হয়।
- বাংলা ভাষায় সাধারণ পূরণবাচক শব্দে নারীবাচক রূপের ব্যবহার আছে। যেমন - প্রথমা(১মা), দ্বিতীয়া(২য়া), তৃতীয়া(৩য়া), চতুর্থী, একাদশী(১১শী), দ্বাদশী(১২শী), ত্রয়োদশী(১৩শী) ইত্যাদি।

• তারিখ পূরণবাচক:
বাংলা ভাষায় তারিখ নির্দেশ করার জন্য সংখ্যাশব্দের পূরণবাচকে নির্দিষ্ট কিছু প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়।
যেমন: পয়লা/পহেলা, দোসরা, তেসরা, চৌঠা, পাঁচই, ছয়ই, সাতই, আটই.......ত্রিশে, একত্রিশে ইত্যাদি।

• ভগ্নাংশ পূরণবাচক:
কখনো পূর্ণসংখ্যার থেকে খানিকটা কম বা খানিকটা বেশি বোঝাতে ভগ্নাংশ পূরণবাচক হয়।
যেমন: আধ, সাড়ে, পোয়া, সোয়া, দেড়, আড়াই, তেহাই ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।