ব্যাখ্যা
'আশিস' শব্দের অর্থ- আশীর্বাদ।
তাছাড়া,
আশীষ শব্দের অর্থ- শীর্ষ পর্যন্ত
আশি শব্দের অর্থ- ৮০ সংখ্যা
আশী শব্দের অর্থ- বিষদাঁত
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৬ / ২৮ · ১,৫০১–১,৬০০ / ২,৮২৪
• দ্রুম শব্দের অর্থ: গাছ।
'বৃক্ষ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গাছ, পাদপ, দ্রুম, বনানী, তরু, বিটপী, শাখী, পণী, শৃঙ্গী, শিখরী, মহীরুহ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
‘নীর’ শব্দের সমার্থক শব্দ - জল, পানি, রস।
অন্যদিকে,
• 'বাসা' শব্দটির সমার্থক শব্দ - নীড়
• 'রাত্রি' শব্দটির সমার্থক শব্দ- যামিনী
• 'বাতাস' শব্দটির সমার্থক শব্দ - সমীর
উৎম: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অহি (বিশেষ্য পদ):
অর্থ:
- সাপ;
- সর্প।
• 'সাপ' এর সমার্থক শব্দ - অহি, আশীবিষ, নাগ, ফণী, ভুজঙ্গ, সর্প।
অন্যদিকে,
• 'চোখ' এর সমার্থক শব্দ: অক্ষি, চক্ষু, নয়ন, নেত্র, লোচন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
সঠিক উত্তর: গ) হাতুড়ে।
------------------
‘গোবৈদ্য’ শব্দটির ব্যাখ্যা:
‘গোবৈদ্য’ শব্দটি বাংলা প্রবাদে সাধারণত — হাতুড়ে বা অদক্ষ ব্যক্তিকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে যিনি কোনো কাজে পারদর্শী নন, কিন্তু তবুও সেই কাজ করার চেষ্টা করেন। এটি প্রায়শই এমন ব্যক্তির জন্য ব্যবহৃত হয় যিনি অল্প জ্ঞান নিয়ে বড় কাজে হাত দেন, যেমন একজন অদক্ষ ডাক্তার বা চিকিৎসক। ‘গোবৈদ্য’ শব্দটি এসেছে ‘গো’ (গরু) এবং ‘বৈদ্য’ (ডাক্তার) থেকে, যা গরুর চিকিৎসক বোঝায়, কিন্তু প্রবাদে এটি অদক্ষতার প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশন:
(ক) মূর্খ: ‘গোবৈদ্য’ সরাসরি মূর্খতা বোঝায় না, বরং অদক্ষতা বা হাতুড়ে কাজের প্রতি ইঙ্গিত করে।
(খ) চালাক: ‘গোবৈদ্য’ চালাকি বা বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত নয়, বরং এটি অদক্ষতার প্রতীক।
(ঘ) অলস: ‘গোবৈদ্য’ অলসতা বোঝায় না, বরং কাজের অদক্ষতা বা অযোগ্যতার দিকে ইঙ্গিত করে।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অত্যাচার এর প্রতিশব্দ:
- নির্যাতন, নিষ্পেষণ, লাঞ্ছনা, পীড়ন, উৎপীড়ন, নিপীড়ন, নিগ্রহ, জুলুম, জবরদস্তি, উৎপাত, উপদ্রব।
• 'সমুদ্র' শব্দের প্রতিশব্দ শব্দ = পাথার।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
'দোকান' শব্দের অর্থ:
- আপণ, বিপণি, হাট, পণ্যশালা, পণ্যনিকেতন, পণ্যগৃহ, পণ্যবিচিত্রা।
অন্যদিকে,
'কায়া' শব্দের অর্থ - দেহ, শরীর, তনু।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• কবুতরের সমার্থক শব্দ- কপোত, নোটন, পায়রা, পারাবত।
অন্যদিকে,
• ময়ূরের সমার্থক শব্দ: কলাপী, শিখী, শিখণ্ডী, বহী।
• কোকিলের সমার্থক শব্দ: অন্যপুষ্ট, কলকণ্ঠ, পিক।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- ‘টোটা’ শব্দের অর্থ - বাগান; উদ্যান।
অন্যদিকে,
- আভরণ শব্দের অর্থ - অলঙ্কার,
- চূড়া' শব্দের অর্থ - শীর্ষদেশ, শিখর।
- পর্ণ শব্দের অর্থ - গাছের পাতা; তাম্বুল; পান; ডানা ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• কনক(বিশেষ্য) শব্দের অর্থ:
১। স্বর্ণ, সোনা।
২। গম।
৩। (বাংলায়) মোহর।
কনক(বিশেষণ): স্বর্ণবর্ণ, সোনার মতো উজ্জ্বল; প্রভাময়, দ্যুতিমান।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'কল্লোলিনী' শব্দটি অন্যান্য শব্দগুলো থেকে ভিন্ন।
'কল্লোলিনী' শব্দের অর্থ- নদী।
• 'নদী' শব্দের সমার্থক শব্দ:
তটিনী, গাঙ, প্রবাহিনী, নির্ঝরিনী, স্রোতস্বিনী, স্রোতস্বতী, শৈবলিনী, সরিৎ, প্রবাহিণী, তরঙ্গিণী, মন্দাকিনী, কল্লোলিনী ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
সমুদ্র শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো:
অর্ণব, জলধি, উদধি, পয়োধি, পয়োনিধি, তোয়ধি, পারাবার, সাগর, সিন্ধু, বারিধি, বারীশ, রত্নাকর।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• তপন (বিশেষ্য পদ)।
অর্থ:
- সূর্য, ভানু।
- গ্রীষ্মকাল।
- সূর্যকান্তমণি।
- আকন্দগাছ।
• 'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো:
রবি, তপন, ভানু, ভাস্কর, আদিত্য, সবিতা, প্রভাকর, দিবাকর, বিভাবসু, মার্তণ্ড ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
আকুঞ্চন (বিশেষ্য):
১ সঙ্কোচন; ঈষৎ কুঁকড়ে কিংবা কুঁচকে যাওয়া।
২ নিষ্পেষণ
{(তৎসম বা সংস্কৃত) আ+কুন্চ্+ অন(লুট্)}
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান
• 'শশ' শব্দের অর্থ - খরগোশ, চন্দ্রকলা।
অন্যদিকে,
'জঙ্গল' শব্দের অর্থ - বন, অরণ্য; ঝোপঝাড়পূর্ণ স্থান, নির্জনস্থান।
'আয়না' শব্দের অর্থ - দর্পণ, আরশি, মুকুর।
'আকাশ' শব্দের অর্থ - গগন, অন্তরীক্ষ, অম্বর, ব্যোম; শূন্য।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
- একই শব্দের সঙ্গে সমার্থক আর একটি শব্দ যােগ করে ব্যবহৃত হয়। যথা- ধন-দৌলত, খেলা-ধুলা, লালন-পালন, বলা-কওয়া, খোঁজ-খবর ইত্যাদি।
- দ্বিরুক্ত শব্দ জোড়ার দ্বিতীয় শব্দটির আংশিক পরিবর্তন হয়। যেমন- মিটমাট, ফিটফাট, বকা-ঝকা, তােড়-জোড়, গল্প-সল্প, রকম-সকম ইত্যাদি।
- সমার্থক বা বিপরীতার্থক শব্দ যােগে। যেমন- লেন-দেন, দেনা-পাওনা, টাকা-পয়সা, ধনী- গরিব, আসা-যাওয়া, আমির-ফকির, ভালো-মন্দ ইত্যাদি।
সোর্সঃ ভাষা-শিক্ষা,হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ : নবম-দশম শ্রেণী।
কথা শব্দটি দিয়ে বিভিন্ন অর্থ প্রকাশ করা যায়।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
"তোমার কথায় আমি এই দায়িত্ব নিয়েছি।" - এখানে 'কথা' শব্দটি - পরামর্শ নির্দেশ করে।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• অগোর (বিশেষণ পদ),
অর্থ: অচেতন, বিমোহিত।
অন্যদিকে,
--------------
•'অগূঢ়' (বিশেষণ পদ),
অর্থ: গূঢ় নয়, প্রকাশিত।
• অগুনতি (বিশেষণ পদ),
অর্থ: অসংখ্য, অনেক।
• আগড়-বাগড়(বিশেষ্য পদ),
অর্থ: বেদরকারি জিনিসপত্র, অপ্রাসঙ্গিক কথা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'শ্বেত' একটি সংস্কৃত শব্দ।
শব্দটি বিশেষ্য ও বিশেষণ উভয়পদ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অর্থ:
- শুক্ল বর্ণ,
- সাদা রং,
- সাদা,
- শুভ্র (শ্বেতপদ্ম)।
• 'সাদা' এর সমার্থক শব্দ: শ্বেত, শুভ্র, সিত, ধবল, সফেদ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• তণ্ডুল' শব্দের অর্থ - খোসাছাড়ানো ধান, চাল।
অন্যদিকে,
- 'সুপারি' শব্দের অর্থ - একবীজবিশিষ্ট গোলাকার ছোটো ফল, গুবাক।
- 'দোকান' শব্দের অর্থ - যে গৃহ থেকে পণ্য-সামগ্রী ক্রয় করা যায়, বিপণি, পণ্যশালা।
- 'বাজার' শব্দের অর্থ - পণ্য কেনাবেচার নির্দিষ্ট স্থান জনসমাগমের ফলে সৃষ্ট বিশৃঙ্খল অবস্থা।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'অতিথি' এর প্রতিশব্দ নয় 'ভোজালি'।
- 'ভোজালি' অর্থ- বাঁকানো ছোরাবিশেষ।
• 'অতিথি' এর প্রতিশব্দ:
- অভ্যাগত, মেহমান, নিমন্ত্রিত, আমন্ত্রিত, কুটুম, কুটুম্ব, আগন্তুক ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'ভূশণ্ডি' শব্দের অর্থ- বয়োবৃদ্ধ বহুদর্শী ও অভিজ্ঞ ব্যক্তি।
আবার,
- 'ভূষণ্ডির কাক/কাক ভুষুণ্ডি' বাগ্ধারার অর্থ- বিচক্ষণ ব্যক্তি/দীর্ঘায়ু ব্যক্তি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
→ ’পর্বত’ শব্দটির সমার্থক শব্দ- শৈল।
→ শৈল শব্দের অর্থ- পর্বত।
অন্যদিকে,
’ক্ষিতি’ শব্দের অর্থ- পৃথিবী।
’শৈবলিনী’ শব্দের অর্থ- নদী।
’উৎপল’ শব্দের অর্থ- পদ্ম।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• ‘ইচ্ছা’ এর সমার্থক শব্দ:
- আকাঙ্ক্ষা, আশা, ইচ্ছা, প্রার্থনা, চাওয়া, স্পৃহা, অভিপ্রায়, সাধ, অভিরুচি, প্রবৃত্তি, মনোরথ, ঈপ্সা, অভীপ্সা, বাসনা, কামনা, বাঞ্ছা।
অন্যদিকে,
‘আনন্দ’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- খুশি, আমোদ, মজা, হর্ষ, আহ্লাদ, স্ফূর্তি, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রমোদ, উল্লাস, উচ্ছ্বাস।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
• 'চাঁদ' এর প্রতিশব্দ-
- চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, নিশাকর, সুধাংশু, ইন্দু, সিতাংশু, হিমাংশু ইত্যাদি।
• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ -
- রবি, সবিতা, আদিত্য, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, দিনপতি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (সর্বশেষ সংস্করণ)।
• 'বিদ্যুৎ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
তড়িৎ, বিজলি, বিজুরি, অশনি, ক্ষণপ্রভা, সৌদামিনী, দামিনী, চপলা।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'হাতি' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- গজ, হস্তী, করী, দ্বিপ, বারণ, মাতঙ্গ, কুঞ্জর, দন্তী, দ্বিরদ, পিল।
অন্যদিকে,
‘ঘোড়া’ শব্দের সমার্থক শব্দ:
- অশ্ব, ঘোটক, হয়, বাজী, তুরঙ্গ।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।