ব্যাখ্যা
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১৫ / ২৮ · ১,৪০১–১,৫০০ / ২,৮২৪
মা শব্দের সমার্থক - জননী, মাতা, গর্ভধারিণী, জন্মদাত্রী, প্রসূতি।
স্ত্রী শব্দের সমার্থক - পত্নী, ভার্যা, দারা, জায়া, বেগম, সহধর্মিণী।
নন্দীনি শব্দের সমার্থক - কন্যা, মেয়ে, দুহিতা, তনয়া, আত্মজা।
কুল শব্দের সমার্থক - বংশ, গ্রোত্র, জাত, বর্ণ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি।
• 'বানি' শব্দের অর্থ - গয়না তৈরির মজুরি।
অন্যদিকে,
- 'বাণী' শব্দের অর্থ - কথা, উক্তি।
- 'আশা' শব্দের অর্থ - প্রত্যাশা, ভরসা।
- আভরণ শব্দের অর্থ - অলঙ্কার।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'অসি' শব্দের অর্থ - খড়গ, তরবারি, তলোয়ার।
অন্যদিকে,
'চোখ' শব্দের অর্থ - অক্ষি, চক্ষু, নয়ন, নেত্র, লোচন।
'কাক' শব্দের অর্থ - বায়স, পরভৃৎ।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'অম্বর' এর প্রতিশব্দ- 'অভ্র'।
--------------
• আকাশ এর কিছু সমার্থক শব্দ:
অম্বর, ব্যোম, খ, গগণ, অন্তরিক্ষ, শূণ্যলোক, আসমান, দ্যূলোক, অভ্র, নীলিমা, শূণ্য নভঃ, অনন্ত, সুরপথ, অম্বরতল,খলোক, ইত্যাদি।
• ‘জল’ এর সমার্থক শব্দ:
অম্বু, জীবন, নীর, পানি, সলিল, উদক, বারি, অপ, তোয়, অর্ণঃ।
• পৃথিবী এর সমার্থক শব্দ:
বসুন্ধরা। এর আরো কয়েকটি প্রতিশব্দ - ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, বসুন্ধরা, বসুধা, অবনি, ক্ষিতি, মহী, অখিল ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• ‘রাত্রি’ শব্দের সমার্থক শব্দ-
- নিশা, রজনী, যামিনী, শর্বরী ও বিভাবরী, নিশি, রাত, ক্ষণদা, ত্রিযামা।
--------------------
অন্যদিকে,
- বালার্ক- সূর্যের সমার্থক শব্দ।
- উদধি- সমুদ্রের সমার্থক শব্দ।
- অররু- শত্রুর সমার্থক শব্দ।
• সূর্য শব্দের সমার্থক শব্দ:
- রবি, তপন, ভানু, ভাস্কর, আদিত্য, সবিতা, প্রভাকর, দিবাকর, বিভাবসু, দিনমণি, মার্তণ্ড, অংশুমালী, অরুণ, পুষা, বালার্ক, হরিদশ্ব, অর্ঘমা, ময়ূখমালী ইত্যাদি।
• সমুদ্রের সমার্থক শব্দ-
- সাগর, সিন্ধু, অম্বুধি, বারিধি, জলধি, অর্ণব, পারাবার, রত্নাকর, ও দরিয়া, বারীশ, উদধি, নীলাম্বু, পাথার।
• শত্রু শব্দের সমার্থক-
- অরি, দুশমন, বৈরী, বিপক্ষ, প্রতিপক্ষ, প্রতিদ্বন্দ্বী, অরাতি, রিপু, অররু।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'আবিল' এর অর্থ: কলুষিত, মলিন, পঙ্কিল।
• আরো কিছু শব্দার্থ:
- আভরণ শব্দের অর্থ - অলঙ্কার,
- আভাষ শব্দের অর্থ - ভূমিকা বা আলাপ।
- ‘সওগাত’ শব্দের অর্থ - উপঢৌকন; উপহার।
- ‘অঙ্গনা’ শব্দের অর্থ - অঙ্গসৌষ্ঠববিশিষ্ট নারী, সুন্দর নারী।
- ‘ললনা’ শব্দের অর্থ - নারী, কান্তা, পত্নী।
- 'আফতাব' শব্দের অর্থ - সূর্য।
- 'বিবর' শব্দের অর্থ - গহ্বর।
- চূড়া' শব্দের অর্থ - শীর্ষদেশ, শিখর।
- পর্ণ শব্দের অর্থ - গাছের পাতা; তাম্বুল; পান; ডানা ইত্যাদি।
- পর্ণমোচী শব্দের অর্থ - পত্রঝরা; পত্রমোচী।
- 'সলিল' শব্দের অর্থ - 'জল'।
- 'খগ' শব্দের অর্থ - পাখি।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
'সূর্য' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- রবি, তপন, ভানু, ভাস্কর, আদিত্য, সবিতা, প্রভাকর, দিবাকর, বিভাবসু, দিনমণি, মার্তণ্ড, অংশুমালী, অরুণ।
অন্যদিকে,
'চাঁদ' শব্দের সমার্থক শব্দ:
- চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, নিশাকর, সুধাংশু, সুধাকর, ইন্দু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক।
উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২) বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'সূর্য' এর সমার্থক শব্দ:
অর্ক, আদিত্য, তপন, দিবাকর, ভাস্কর, মার্তণ্ড, রবি, সবিতা, আফতাব, অরুণ ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'দুর্গম গিরি, কান্তার-মরু, দুস্তর পারাবার হে!'- 'কান্তার' শব্দের অর্থ- নিবিড় বন।
অন্যদিকে,
• 'দুস্তর' শব্দের অর্থ - কষ্টসাধ্য।
• 'পারাবার' শব্দের অর্থ - সাগর।
• 'গিরি' শব্দের অর্থ - পর্বত।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ - মার্তণ্ড।
• 'সূর্য' এর কিছু প্রতিশব্দ:
- রবি,
- তপন,
- ভানু,
- ভাস্কর,
- আদিত্য,
- প্রভাকর,
- দিবাকর,
- বিভাবসু,
- দিনমণি,
- মার্তণ্ড,
- অংশুমালী,
- অরুণ।
অন্যদিকে,
- চাঁদের প্রতিশব্দ - সুধাকর, কলানিধি।
- 'দেহ' শব্দের প্রতিশব্দ:- কায়া, কলেবর, গা, গাত্র, তনু, শরীর, অঙ্গ, কায় ইত্যাদি।
• 'সমুদ্র' এর প্রতিশব্দ: সাগর, সিন্ধু, বারিধি, জলধি, অর্ণব, পারাবার, বারীশ, উদধি, পয়োনিধি ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'ঘোড়া' শব্দের প্রতিশব্দ: অশ্ব, ঘোটক, হয়, তুরগ, তুরঙ্গম।
অন্যদিকে,
• 'আকাশ' শব্দের প্রতিশব্দ: অম্বর, গগন, নভঃ, ব্যোম, নীলিমা, অন্তরীক্ষ ইত্যাদি।
• ‘পাথর’ শব্দের প্রতিশব্দ: পাষাণ, প্রস্তর, শিলা, উপল, অশ্ম, কঙ্কর।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
• 'শশাঙ্ক' শব্দের সমার্থক শব্দ চন্দ্র, নিশাকর, চাঁদ, বিধু, শশধর, শশী, ইন্দু, সুধাংশু, হিমাংশু ইত্যাদি।
• 'কুঞ্জর' শব্দের অর্থ হাতি।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
• 'প্রকৃতি' এর প্রতিশব্দ নয়- খ্যাতি।
• 'প্রকৃতি' এর প্রতিশব্দ:
- স্বভাব ;
- চরিত্র;
- আচার-আচরণ;
- ব্যবহার;
- স্বাভাবিক;
- নিসর্গ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
পৃথিবী শব্দের সঠিক প্রতিশব্দ - অখিল। এর আরো কয়েকটি প্রতিশব্দ - ধরা, ধরণী, ধরিত্রী, বসুন্ধরা, অবনি, ক্ষিতি, মহী, বসুধা ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।
মধ্যে - 'সীমার মাঝে অসীম তুমি'
একদেশিক - 'এ দেশের মাঝে একদিন সব ছিল'
ব্যাপ্তি - 'আছ তুমি প্রভু, জগত মাঝারে'
সর্বত্র - 'আমার মাঝে তুমি জুরে আছ'
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণি।
• 'শাখামৃগ' - এর সমার্থক শব্দ- বানর।
• বানরের সমার্থক শব্দ:
- শাখামৃগ, বাঁদর, বান্দর।
অন্যদিকে,
• 'ময়ূর' শব্দের অর্থ - কলাপী, কেকা, কেকী, শিখী, শিখণ্ডী।
• 'হরিণ' এর সমার্থক শব্দ: মৃগ, কুরঙ্গ, সুনয়ন, সারঙ্গ।
• 'হাতি' এর সমার্থক শব্দ:
গজ, দ্বিপ, দ্বিরদ, ঐরাবত হস্তী, করী, দন্তী, দন্তাবল, নগজ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
তমসা শব্দটির সমার্থক শব্দ হলো তিমির, আঁধার, অন্ধকার ইত্যাদি।
পাবক, অনল, হুতাশন হলো আগুন - এর সমার্থক শব্দ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণী
• 'প্রবর'(বিশেষ্য) শব্দের অর্থ - গোত্র বা কুলের প্রবর্তনকারী, বংশ।
• প্রবর'(বিশেষণ): গোত্র, বংশ।
অন্যদিকে,
-'কূল' শব্দের অর্থ - তীর, তট, সৈকত, কীনারা।
- 'কপাল' শব্দের অর্থ - ললাট, ভাগ্য, ভাল, অদৃষ্ট।
- 'কান' শব্দের অর্থ - কর্ণম, শ্রবণ, শ্রুতি।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'খবর' এর প্রতিশব্দ:
- সংবাদ,
- বার্তা,
- তথ্য,
- সমাচার,
- বিবরণ,
- বৃত্তান্ত,
- খোঁজখবর।
অন্যদিকে,
• 'খ্যাতি' এর প্রতিশব্দ: সুবাদ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
অমোঘ (বিশেষণ):
- সংস্কৃত শব্দ।
অর্থ:
- অব্যর্থ,
- অপরিবর্তনীয়,
- অটল,
- সফল,
- সার্থক।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
'তরঙ্গিণী' শব্দের সমার্থক শব্দঃ
- নদী
- নদ
- নদনদী
- স্রোতস্বিনী,
- তটিনী,
- স্রোতস্বতী,
- শৈবলিনী,
- সরিৎ
- প্রবাহিণী,
- মন্দাকিনী
- কল্লোলিনী ইত্যাদি।
'ঊর্মি' শব্দের সমার্থক শব্দ- তরঙ্গ
'পদ্ম' শব্দের সমার্থক শব্দ -অরবিন্দ
'অশ্ব' শব্দের সমার্থক শব্দ- তুরঙ্গ,
[উৎস:ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
• 'ঈক্ষিত' অর্থ - দেখা হয়েছে এমন।
অন্যদিকে,
• 'ঈর্ষী' অর্থ - ঈর্ষাপরায়ণ।
• 'ঈপ্সু' অর্থ - পেতে ইচ্ছুক।
• 'ঈক্ষমাণ' অর্থ - নিরীক্ষিত হচ্ছে এমন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
'চাঁদ' এর সমার্থক শব্দ - বিধু।
• ‘চাঁদ’ এর সমার্থক শব্দ হলো:
• চন্দ্র, শশী, শশধর, শশাঙ্ক, বিধু, সোম, নিশাকর, সুধাংশু, সুধাকর, ইন্দু, সিতাংশু, হিমাংশু, মৃগাঙ্ক ।
অন্যদিকে,
- নিধি অর্থ: ১) গচ্ছিত ধন; ধনরত্ব। ২) কুবেরের ধন। ৩) আশ্রয়; আধার (গুণনিধি)। ৪) সমুদ্র (বিদ্যানিধি)। ৫) বিশেষ উদ্দেশ্যে নিয়োজিত তহবিল বা ধন (স্মৃতিনিধি)।
- সবিতা অর্থ: সূর্য।
উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
• 'বাতাস' এর অন্যান্য সমার্থক শব্দ:
বায়ু, পবন, সমীর, সমীরণ, গন্ধবহ/গন্ধবাহ, অনিল, মারুত, বাত, বায়, আশুগ, পবমান, সদাগতি, নভঃশ্বাস, শব্দবহ, অগ্নিসখ, জগতায়ু, জগৎপ্রাণ, মাতরিশ্বা, জগদ্বল, ইত্যাদি।
অন্যদিকে,
প্রসূন শব্দের সমার্থক: পুষ্প, ফুল, মুকুল।
বিভাবসু শব্দের সমার্থক: সূর্য।
পাথার শব্দের সমার্থক: সমুদ্র।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- পর্ণ শব্দের অর্থ - গাছের পাতা; তাম্বুল; পান; ডানা ইত্যাদি।
• আরো কিছু শব্দার্থ:
- 'আফতাব' শব্দের অর্থ - সূর্য।
- 'বিবর' শব্দের অর্থ - গহ্বর।
- চূড়া' শব্দের অর্থ - শীর্ষদেশ, শিখর।
- পর্ণমোচী শব্দের অর্থ - পত্রঝরা; পত্রমোচী।
- 'সলিল' শব্দের অর্থ - 'জল'।
- 'খগ' শব্দের অর্থ - পাখি।
- ‘সওগাত’ শব্দের অর্থ - উপঢৌকন; উপহার।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
সঠিক উত্তর হলো: ঘ) অহরহ।
ব্যাখ্যা: ‘নিত্য তোমার যে ফুল ফোটে ফুলবনে’—এই পঙ্ক্তিতে ‘নিত্য’ শব্দের অর্থ হলো ‘প্রতিনিয়ত’ বা ‘নিয়মিতভাবে’। এটি এমন কিছু বোঝায় যা ক্রমাগত বা প্রতিদিন ঘটে। প্রতিশব্দ হিসেবে — ‘অহরহ’ (যার অর্থ ‘নিরন্তর’ বা ‘প্রতিনিয়ত’) এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত।
• অভিধান অনুসারে,
অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
(ক) অতিশয়: এর অর্থ ‘অত্যন্ত’ বা ‘খুব বেশি’, যা পরিমাণ বা তীব্রতা বোঝায়, নিত্য'র প্রতিশব্দ নয়।
(খ) চিরন্তন: এর অর্থ ‘অনন্তকাল’ বা ‘চিরস্থায়ী’, যা সময়ের স্থায়িত্ব বোঝায়, কিন্তু ‘নিত্য’র মতো নিয়মিত ঘটনার ধারাবাহিকতা বোঝায় না।
(গ) প্রকৃতি: এর অর্থ ‘স্বভাব’ বা ‘নৈসর্গিক বৈশিষ্ট্য’, যা ‘নিত্য’র অর্থের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
পাদপ = পা দ্বারা পান করে যে; বৃক্ষ; গাছ, উদ্ভিদ।
এর আরো কয়েকটি সমার্থক শব্দ -
উর্বীরূহ, ক্ষিতিজ, উদ্ভিদ, অটবি, বিটপী, পল্লবী, দ্রুম
অন্যদিকে, পয়োধর = মেঘ; জলধর; নারকেল; স্তন ইত্যাদি।
উৎসঃ বাংলা একাডেমি অভিধান ও ভাষা শিক্ষা- হায়াৎ মামুদ।
• সমার্থক শব্দগুচ্ছ হচ্ছে- অপশন (গ) অর্ণব, বারীন্দ্র, উদধি।
• 'সমুদ্র' এর সমার্থক শব্দ:
সাগর, রত্নাকর, জলধি, সিন্ধু, বারিধি, বারীশ, উদধি, অর্ণব, অম্বুধি, পয়োধি, পারাবার, জলনিধি, নীলাম্বু, পাথার, পয়োনিধি, জলধর, অমুনিধি, তোয়নিধি, বারীশ, বারীন্দ্র।
অন্যদিকে,
• 'ঊর্মি' এর সমার্থক শব্দ: বীচি, উল্লোল, লহর, লহরী, দোলা।
• 'পাখি' এর সমার্থক শব্দ: বিহগ, খগ, দ্বিজ, চিড়িয়া।
• 'হরিণ' এর সমার্থক শব্দ: মৃগ, কুরঙ্গ, সারঙ্গ, সুনয়ন।
• মেঘ এর সমার্থক শব্দ: বারিদ, জলধর, অব্দ, তোয়দ, পর্জন্য, পয়োদ, পয়োধর, নীরদ, জলদ, জীমূত, বলাহক, তোয়ধর, ঘন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'তামসিক' শব্দের বিপরীত শব্দ - 'রাজসিক'।
- 'তামসিক' শব্দের অর্থ: অন্ধকার।
- 'রাজসিক' শব্দের অর্থ: আড়ম্বরপূর্ণ।
অন্যদিকে,
- 'ঐহিক' - পারত্রিক।
- 'নৈসর্গিক' - কৃত্রিম/অনৈসর্গিক।
- 'ভীরু' - নির্ভীক।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।