উত্তর
ব্যাখ্যা
'ঢুঁ মারা' বাগধারার অর্থ- অনুসন্ধান
'উড়ো কথা' বাগধারার অর্থ- গুজব
'কূপমণ্ডূক' বাগধারার অর্থ- সীমাবদ্ধ জ্ঞান
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা , ড. হায়াৎ মাহমুদ]
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ৫ / ১৬ · ৪০১–৫০০ / ১,৫৫৯
• 'উজানের কৈ' বাগ্ধারার অর্থ- সহজলভ্য।
অন্যদিকে,
-------------
• 'উলুখাগড়া' অর্থ- গুরুত্বহীন লোক।
• 'উড়নচণ্ডী' অর্থ- অমিতব্যয়ী / উচ্ছৃঙ্খল।
• 'উটকো লোক' অর্থ- অচেনা লোক।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-২০২২ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• ’পায়া ভারী’ বাগ্ধারাটির অর্থ- অহঙ্কার।
অন্যদিকে,
• ’বক ধার্মিক’ বাগ্ধারাটির অর্থ- ভণ্ড।
• ’পথের কাঁটা’ বাগ্ধারাটির অর্থ- প্রতিবন্ধক।
• ’হাতভারী’ বাগ্ধারাটির অর্থ- ব্যয়কুণ্ঠ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
বাগধারাগুলো অর্থনির্ভর, আর প্রবাদ প্রবচনগুলোও অন্য কোনো বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হয়। সুতরাং এটি অর্থতত্ত্বে আলোচিত হবে।
উৎস : ভাষা-শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ, বাংলা ব্যাকরণ, ড. শাজাহান মনির, বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণির ব্যাকরণ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাকরণ।
• 'কূপমণ্ডুক' বাগ্ধারার অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
অন্যদিকে,
কেউকেটা - বিশিষ্ট ব্যক্তি।
গোমূর্খ - অতি মূর্খ।
কংস-মামা - নির্মম আত্মীয়।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
শরতের শিশির - অর্থ সুসময়ের বন্ধু বা ক্ষণস্থায়ী;
এছাড়াও দুধের মাছি/ সুখের পায়রা/ লক্ষ্মীর বরযাত্রী/ বসন্তের কোকিল সবগুলো বাগধারার অর্থও সুসময়ের বন্ধু।
• 'মন্ত্রের সাধন কিংবা শরীর পাতন' প্রবাদের অর্থ - লক্ষ্য অর্জনে প্রাণপণ চেষ্টা।
অন্যদিকে,
--------------
• 'মাছি মেরে হাত কালো করা' অর্থ- সামান্য লাভের জন্যে অসম্মানের ভাগি হওয়া।
• 'যতক্ষণ শ্বাস ততক্ষণ আশ' অর্থ- শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত হাল ছেড়ে না দেয়া।
• 'মোল্লার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত' অর্থ- প্রত্যেকের যোগ্যতা সীমাবদ্ধ।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• চোখের মাথা খাওয়া - অন্ধ হওয়া/ না দেখা।
- বাক্য: চোখের মাথা না খেলে কেউ এমন কাজ করতে পারে?
একই শব্দের ভিন্নর্থক প্রয়োগ:
• মাথা ধরা (মাথায় যন্ত্রণা হওয়া) ওষুধ খেয়ে রুগির মাথা ধরা কমেছে।
• মাথা পাতা (সম্মত হওয়া) - এ কাজে আমি মাথা পাততে পারি না।
• মাথা আসা (বোধগম্য হওয়া) - অঙ্কটি কিছুতেই আমার মাথায় আসছে না।
• মাথা খাওয়া (নষ্ট করা) - অতি আদর দিয়ে ছেলেটার মাথা খেয়ো না।
• মাথা ঠেকান (প্রণাম করা) ও আমার দেশের মাটি, তোমার তরে ঠেকাই মাথা।
• মাথায় উঠা (প্রশয় পাওয়া) - আদর পেয়ে ছেলেটা মাথায় উঠে যাচ্ছে।
• মাথা গরম করা (চটিয়া যাওয়া)- এত অল্পে ছেলেটা মাথায় উঠে যাচ্ছে।
• মাথার দিব্যি (শপথ) - মাথার দিব্যি, দয়া করে এ কাজ করো না।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• 'কাঠখোট্টা' বাগ্ধারার অর্থ- নীরস ও অনমনীয়।
অন্যদিকে,
• 'কলকাঠি নাড়া' অর্থ - গোপনে কুপরামর্শ দেয়া।
• 'গোবরগণেশ' অর্থ - নিরেট মূর্খ।
• 'খোদার খাসি' অর্থ - ভাবনাচিন্তাহীন।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'মাটি খাওয়া' বাগ্ধারাটির অর্থ বোকার মত কাজ করা।
ব্যবহার:
দুই চাষী চলছিলেন গ্রামের পথ বেয়ে। কথা বলতে বলতে চলছিলেন ও'রা! একজন আর একজনকে কথা প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলেন-তা, হ্যাঁগো, জামাই কেমন হলো? দ্বিতীয় ব্যক্তির উত্তর-আর বোলো না। মাটি খাওয়া কাজ করেছি ভাই। এক মূর্খের হাতে মেয়েটা গিয়ে পড়লো! দেখে তো বাইরে থেকে ভালই মনে হয়েছিল।
উৎস: প্রবাদের উৎস সন্ধানে - দীনেন্দ্রনাথ সরকার।
• 'ঝড়ো কাক' বাগ্ধারার অর্থ- বিপর্যস্ত অবস্থা।
বাক্য: এমন ঝড়ো কাকের মতো অবস্থা কেন? কোনো খারাপ খবর নাকি?
অন্যদিকে,
• 'ডামাডোল' অর্থ- গোলযোগ।
• 'তালকানা' অর্থ- কাণ্ডজ্ঞানহীন।
• 'পথের কাঁটা' অর্থ- প্রতিবন্ধক।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'নকড়া ছকড়া করা' বাগ্ধারার অর্থ- তুচ্ছ জ্ঞান করা।
অন্যদিকে,
• 'নয়-ছয়' অর্থ- অপচয়/বিশৃঙ্খল অবস্থা।
• 'নাক সিঁটকানো' অর্থ- অবজ্ঞা করা।
• 'ছক্কাপাঞ্জা করা' অর্থ- বড়ো বড়ো কথা বলা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'উদোগেঁড়ে' বাগ্ধারার অর্থ- আলসে।
অন্যদিকে,
• 'উপোসি ছারপোকা' অর্থ - অভাবগ্রস্থ লোক।
• 'উড়নপেকে' অর্থ - অপব্যয়ী।
• 'উঁচু কপালে' অর্থ - ভাগ্যবান।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণi (২০১৯ সংস্করণ)।
• ’এককথার মানুষ’ বাগ্ধারাটির অর্থ- 'দৃঢ় সংকল্প'।
• ’উড়নচণ্ডী’ বাগ্ধারাটির অর্থ- 'বেহিসেবি'।
• ’কংস মামা’ বাগ্ধারাটির অর্থ- 'নির্দয় আত্মীয়'।
• ’একচোখা’ বাগ্ধারাটির অর্থ- 'পক্ষপাতদুষ্ট '।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
• 'আকাশ থেকে পড়া' বাগ্ধারার অর্থ- না জানার ভান করা।
অন্যদিকে,
• 'অন্ধকারে থাকা' অর্থ - কিছু না জানা।
• 'আসরে নামা' অর্থ - আবির্ভূত হওয়া।
• 'কেঁচো খুড়তে সাপ' অর্থ - বিপজ্জনক পরিণতি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'গয়ংগচ্ছ' বাগ্ধারার অর্থ - ঢিলেমি।
অন্যদিকে,
ডাকাবুকো - নির্ভীক।
বকধার্মিক - ভণ্ড।
পায়া ভারি - অহংকার।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
”উপোসি ছারপোকা” বাগ্ধারাটির অর্থ - অভাবগ্রস্থ লোক।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
- ক-অক্ষর গোমাংস - অশিক্ষিত ব্যক্তি / বর্ণ পরিচয়হীন।
- উপোসি ছারপোকা- অভাবগ্রস্থ লোক।
- ঢাকের বাঁয়া - মূল্যহীন / অপ্রয়োজনীয়।
- ডুমুরের ফুল - বিরল বস্তু।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ব্যাঙের আধুলি’- সামান্য সম্পদ।
'একাদশে বৃহস্পতি' - সৌভাগ্যের বিষয়।
'কেউকেটা' - সামান্য।
'শাপে বর' - অনিষ্টে ইষ্ট লাভ।
উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
• 'উলুখাগড়া' বাগ্ধারার অর্থ - গুরুত্বহীন লোক।
অন্যদিকে,
পুঁটি মাছের প্রাণ - ক্ষীণজীবী লোক।
উজানের কৈ - সহজলভ্য।
ঝাঁকের কৈ - এক দলভুক্ত বা একই স্বভাবের লোক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
- গয়ংগচ্ছ - ঢিলেমি
- কপাল ফেরা - সৌভাগ্য লাভ
- কেঁচে গণ্ডূষ - পুনরায় আরম্ভ
- গণেশ উলটানো - ফেল মারা
উৎস- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম - দশম শ্রেণি।
- ’তালকানা’ বাগ্ধারাটির অর্থ - কাণ্ডজ্ঞানহীন।
অন্যদিকে,
- ’ডুমুরের ফল’ বাগ্ধারাটির অর্থ - অদৃশ্য বস্তু।
- 'গাছ পাথর' বাগ্ধারাটির অর্থ - হিসাব নিকাশ।
- ’টুপ ভুজঙ্গ’ বাগ্ধারাটির অর্থ - নেশাগ্রস্ত।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'কোণঠাসা করা' বাগ্ধারার অর্থ - বেকায়দায় ফেলা।
অন্যদিকে,
ঘুঘু চরানো - সর্বনাশ করা।
আঁতে ঘা - দুর্বল জায়গায় খোঁচা।
ভিটায় ঘুঘু চরানো - সর্বস্বান্ত।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা , ড. হায়াত মামুদ।
• 'খয়ের খাঁ' বাগ্ধারার অর্থ - চাটুকার।
অন্যদিকে,
• 'গোঁফ খেজুরে' অর্থ - নিতান্ত অলস।
• 'ঠোঁটকাটা' অর্থ - বেহায়া।
• 'উনপাঁজুরে' অর্থ - দুর্বল।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• আদা-জল খেয়ে লাগা (প্রাণপণ চেষ্টা করা): এতদিন কাজটা ফেলে রেখেছিলে, এবার আদা-জল খেয়ে লেগে দেখো শেষ করতে পারো কিনা।
• গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- আঠারো মাসে বছর (দীর্ঘসূত্রিতা): সাত দিনের মধ্যে ও করবে এই কাজ! ওর তো আঠারো মাসে বছর।
- আমড়া কাঠের ঢেঁকি (অপদার্থ): তার মতো আমড়া কাঠের ঢেঁকি লাখে একটা মেলে।
- আষাঢ়ে গল্প (আজগুবি গল্প): বর্ষাকালে আষাঢ়ে গল্প না হলে কি আসর জমে?
- ইঁচড়ে পাকা (অকালপক্ব): ইঁচড়ে পাকা ছেলেমেয়েদের দিয়ে এমন কাজ করানো কঠিন।
- ইতর বিশেষ (পার্থক্য): দুজনের কাজের মাঝে অনেক ইতর বিশেষ আছে।
- উড়নচণ্ডী (বেহিসেবি): যেমন উড়নচণ্ডী মেয়ে তেমন উড়নচণ্ডী জামাই।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম ও দশম শ্রেণি( ২০২৫ সংস্করণ)
• 'ডাকাবুকো' বাগ্ধারার অর্থ- নিৰ্ভীক।
অন্যদিকে,
• 'টনক নড়া' অর্থ - সচেতন হওয়া।
• 'ডিমে রোগা' অর্থ - সর্বদা রুগ্ণ।
• 'ঠোঁটকাটা' অর্থ - স্পষ্টভাষী।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'কেতাদুরস্ত' বাগ্ধারাটির অর্থ — পরিপাটি।
বাক্য গঠন: চালচলন আর পোশাকে সে খুবই কেতাদুরস্ত লোক।
অন্যদিকে,
• "টুপ ভুজঙ্গ"- বাগ্ধারাটির অর্থ - নেশাগ্রস্ত।
• 'আকাশের চাঁদ' বাগ্ধারাটির অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
• ‘কেবলা হাকিম’ বাগধারার অর্থ - অনভিজ্ঞ।
কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা হলো:
• ’চুলোয় যাওয়া’ - নষ্ট হওয়া।
• ’গুড়ে বালি’ - আশায় নৈরাশ্য।
• ’গোড়ায় গলদ’ - শুরুতেই ভুল।
• ’কৈ মাছের জান’ - যা সহজে মরে না।
• ’তিলকে তাল করা’ - ছোটকে বড় করা।
• 'অকাল কুষ্মাণ্ড' - অপদার্থ।
• 'অক্ষরে অক্ষরে' - সম্পূর্নভাবে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
গাছপাথর - হিসেবনিকেশ।
যেমনঃ আমরা সেকেলে, আমাদের বয়সের কি কোনো গাছপাথর আছে!
হাতভাড়ি - ব্যয়কুন্ঠ
হাড়হদ্দ - সবকিছু।
খতিয়ে দেখা - বিবেচনা করা।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মামুদ
• 'ঊনকোটি চৌষট্টি' বাগ্ধারাটির অর্থ - প্রায় সম্পূর্ণ।
অন্যদিকে,
• 'ঊনপাঁজুরে' বাগ্ধারাটির অর্থ - অপদার্থ।
• 'উড়নচণ্ডী' বাগ্ধারাটির অর্থ - উচ্ছৃঙ্খল।
• 'ঊনপঞ্চাশ বায়ু' বাগ্ধারাটির অর্থ - পাগলামি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'মাথা খাওয়া' বাগ্ধারার অর্থ- নষ্ট করা।
অন্যদিকে,
• 'ঘোল খাওয়ানো' অর্থ- জব্দ করা।
• 'কান ভারী করা' অর্থ- কুপরামর্শ দান।
• 'পথে বসা' অর্থ- সর্বস্বান্ত হওয়া।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।
• 'উনপাঁজুরে' বাগ্ধারার অর্থ - দুর্বল ও ব্যক্তিত্বহীন।
অন্যদিকে,
• 'কেউকেটা' অর্থ - বিশিষ্ট ব্যক্তি।
• 'ঊনপাঁজরে' অর্থ - অপদার্থ।
• 'উলুখাগড়া' অর্থ- গুরুত্বহীন লোক।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'ধোপদুরস্ত' বাগ্ধারার অর্থ - বাবুয়ানি।
অন্যদিকে,
চশমখোর - নির্লজ্জ ।
ধামাধরা - তোষামুদে।
ডামাডোল - গোলযোগ।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।