ব্যাখ্যা
অন্যদিকে,
• 'বসতে পেলে শুতে চায়' অর্থ - একবার সুবিধে পেলে পেয়ে বসে।
• 'বানরের গলায় মুক্তার মালা' অর্থ - অস্থানে মূল্যবান বস্তুর অবস্থান।
• 'বামন হয়ে চাঁদে হাত' অর্থ - সাধ্যের অতীত আশা করা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন
PrepBank · পাতা ১২ / ১৬ · ১,১০১–১,২০০ / ১,৫৫৯
বক ধার্মিক - ভণ্ড
বিড়াল তপস্বী - ভণ্ড সাধু
ভিজে বেড়াল - সাধু বেশে অসৎ লোক
ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির - পরম ধার্মিক বলে অধার্মিক হিসেবে ব্যাঙ্গ করা
• 'দাঁত ফোটানো' অর্থ: কঠিন বিষয় আয়ত্ত করা
- বাক্য: অঙ্কের বিষয়ে দাঁত ফোটানো যাচ্ছে না।
গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- দহরম মহরম - অন্তরঙ্গতা।
- দুধের মাছি - সুসময়ের বন্ধু।
- দা-কুমড়া সম্বন্ধ - শত্রুভাব।
- দক্ষিণ হস্ত - প্রধান সহযোগী।
- দেতো হাসি - কৃত্রিম হাসি।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'কোণঠাসা করা' বাগ্ধারার অর্থ - বেকায়দায় ফেলা।
অন্যদিকে,
• 'ঘুঘু চরানো' অর্থ - সর্বনাশ করা।
• 'আঁতে ঘা' অর্থ - দুর্বল জায়গায় খোঁচা।
• 'ভিটায় ঘুঘু চরানো' অর্থ - সর্বস্বান্ত।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা , ড. হায়াত মামুদ।
"বাঙ্গালা ভাষার অভিধান, জ্ঞানেন্দ্র মোহন দাস" অনুসারে -
• ছাতা দিয়ে মাথা রাখা
১. মাথায় ছাতা ধরিয়া রৌদ্র বৃষ্টি হইতে মাথা বাঁচান।
২. আশ্রয় বা অর্থ সাহায্য দ্বারা মান রক্ষা করা।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা অনুসারে -
• ছাতা দিয়ে মাথা রাখা
অর্থ - বিপদে সাহায্য করা।
উদাহরণ বাক্য - তিনি ছাতা দিয়ে আমার মাথা রেখেছেন, আমি তাঁর প্রতি চিরদিন কৃতজ্ঞ থাকব।
উল্লেখ্য - ‘ছাতাদিয়ে মাথা রাখা’ এবং 'ছাতা দিয়ে মাথা রক্ষা' বাগধারা দুটি প্রায় একই অর্থ প্রকাশক। তাই কাছাকাছি উত্তর হিসেবে অপশন ‘ক’ গ্রহণ করা হলো।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাঙ্গালা ভাষার অভিধান- জ্ঞানেন্দ্র মোহন দাস।
• 'আস্তাকুঁড়ের পাতা' বাগ্ধারার অর্থ - নিচ ব্যক্তি।
অন্যদিকে,
• 'অকর্মার ধাড়ি' অর্থ - অত্যন্ত অলস।
• 'আখাম্বা' অর্থ - বেখাপ্পা।
• 'তালপাতার সেপাই' অর্থ- রুগ্ণ/ছিপছিপে।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াত মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং অভিগম্য অভিধান।
• 'অগস্ত যাত্রা' বাগ্ধারা অর্থ - শেষ যাত্রা।
অন্যদিকে,
অগত্যা মধুসূদন - অনন্যোপায়।
অঙ্কুশ-তাড়না - অন্তর্গত আঘাত।
অনন্তশয্যা - শেষ শয্যা।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
- ‘বানরের গলায় মুক্তার মালা’প্রবাদ-প্রবচনটির অর্থ 'অস্থানে মূল্যবান বস্তুর অবস্থান'
- 'হাতে না মেরে ভাতে মারা' এর অর্থ 'বড় ধরনের ক্ষতি করা'
- 'যত দোষ নন্দ ঘোষ' এর অর্থ দুর্বলের প্রতি সর্বদা দোষারোপ
- 'মরা হাতি লাখ টাকা' এর অর্থ 'যোগ্যতার মূল্য সর্বাবস্থায়'
[উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড.হায়াৎ মাহমুদ]
• 'আয়োসুয়ো' বাগ্ধারার অর্থ - সধবা স্ত্রীলোকের দল।
অন্যদিকে,
- উড়ো কথা - গুজব।
- আদাড়ের হাড়ি - সামান্য লোক।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
দুধের মাছি, বসন্তের কোকিল, সুখের পায়রা - বাগধারাগুলোর অর্থ 'সুসময়ের বন্ধু'।
অন্যদিকে, দহরম মহরম - অর্থ অন্তরঙ্গতা।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'চোখের পর্দা' এর বিপরীত বাগ্ধারা 'চশমখোর'।
- 'চোখের পর্দা' বাগ্ধারাটির অর্থ = লজ্জা
- 'চশমখোর' বাগ্ধারাটির অর্থ = নির্লজ্জ
অন্যদিকে,
- 'চক্ষুশূল' = দেখলে বিরক্তিবোধ হয় এমন ব্যক্তি।
- 'চক্ষু চরক গাছ' = বিস্ময়
- 'চোখে সরষে ফুল দেখা' = বিপদে দিশেহারা হওয়া
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'অন্ধের নড়ি' বাগধারার অর্থ হলো- একমাত্র অবলম্বন।
- এটি মূলত একজন অসহায় ব্যক্তির একমাত্র ভরসা বা সহায়তাকে নির্দেশ করে।
-----------------
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগ্ধারা:
অকাল কুষ্মাণ্ড – অপদার্থ, অকেজো,
অক্কা পাওয়া – মারা যাওয়া,
অগস্ত্য যাত্রা – চির দিনের জন্য প্রস্থান,
অগাধ জলের মাছ – সুচতুর ব্যক্তি,
অর্ধচন্দ্র – গলা ধাক্কা,
অন্ধের যষ্ঠি – একমাত্র অবলম্বন,
অগ্নিশর্মা – নিরতিশয় ক্রুদ্ধ,
অগ্নিপরীক্ষা – কঠিন পরীক্ষা,
শিবরাত্রির সলতে = একমাত্র সন্তান,
শিরে সংক্রান্তি = বিপদ মাথার ওপর,
শরতের শিশির = সুসময়ের বন্ধু,
শত্রুর মুখে ছাই = কুদৃষ্টি এড়ানো,
শ্রীঘর = কারাগার,
ষাঁড়ের গোবর = অযোগ্য,
ষোল আনা = পুরোপুরি,
চোখের বালি = চক্ষুশূল,
চোখ কপালে তোলা = বিস্মিত হওয়া,
চোখে ধুলো দেওয়া = প্রতারণা করা,
চোখের মণি = প্রিয়,
কচুকাটা করা = নির্মমভাবে ধ্বংস করা,
কলম পেষা = কেরানিগিরি,
কপাল ফেরা = সৌভাগ্য লাভ,
কেঁচো খুড়তে সাপ = বিপদজনক পরিস্থিতি,
কেউ কেটা = গণ্যমান্য,
গা ঢাকা দেওয়া = আত্মগোপন,
গায়ে কাঁটা দেওয়া = রোমাঞ্চিত হওয়া,
গায়ে ফুঁ দিয়ে বেড়ানো = কোনো দায়িত্ব গ্রহণ না করা,
ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো = নিজ খরচে পরের বেগার খাটা,
ঘোড়ার ঘাস কাটা = অকাজে সময় নষ্ট করা,
ঝোপ বুঝে কোপ মারা = সুযোগ মত কাজ করা।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'টুপ ভুজঙ্গ' বাগ্ধারার অর্থ - নেশাগ্রস্ত।
অন্যদিকে,
ডাকাবুকো - নির্ভীক।
ডামাডোল - গোলযোগ।
কূপমুণ্ডক - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'ঢুঁ মারা' বাগ্ধারার অর্থ - অনুসন্ধান/ চেষ্টা।
অন্যদিকে,
• 'ডুব মারা' অর্থ - অদৃশ্য হওয়া।
• 'ঢাক ঢাক গুড় গুড়' অর্থ- লুকোচুরি।
• 'ঢাকঢোল পেটানো' অর্থ- প্রচারণা।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড হায়াৎ মামুদ।
• 'অঙ্কুশ তাড়না' বাগ্ধারার অর্থ - অন্তর্গত আঘাত।
অন্যদিকে,
-------------
'অগ্নিগর্ভ' অর্থ - বলিষ্ঠ / তেজঃপূর্ণ।
'অন্তব্যস্ত' অর্থ - অতি ব্যস্ত।
'অকটবিকট' অর্থ - ছটফটানি।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম (২০১৯-সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
কুলোপনা চক্কর - সারহীন আড়ম্বর।
যেমন - আজকাল শহরের অনেকেই কুলোপনা চক্করের দলে পড়েছেন।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
• 'হাড়হদ্দ' বাগ্ধারার অর্থ- সবকিছু।
বাক্য- তোমার হাড়হদ্দ সবই আমার জানা আছে।
অন্যদিকে,
• 'হাড়ে হাড়ে' অর্থ - গভীরভাবে।
• 'পথে বসা' অর্থ - সর্বস্বান্ত হওয়া।
• 'টইটম্বুর' অর্থ - ভরপুর।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• 'অষ্টমঙ্গলা' বাগ্ধারার অর্থ - আনন্দের রেশ থাকাবস্থা।
অন্যদিকে,
আক্কেল গুড়ুম - হতবুদ্ধি হওয়া।
আকাশ-পাতাল - বিশাল ব্যবধান।
অকালকুসুম - অসম্ভব জিনিস।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
- 'বিড়াল তপস্বী', এবং 'বক ধার্মিক' বাগ্ধারার অর্থ - ভণ্ড সাধু।
অন্যদিকে,
'অমাবস্যার চাঁদ' বাগ্ধারার অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
'আকাশ কুসুম' বাগ্ধারার অর্থ - অসম্ভব কল্পনা।
‘রুই কাতলা’ বাগ্ধারার অর্থ - ক্ষমতাশালী ব্যক্তি।
'কেউকেটা' বাগ্ধারার অর্থ - তুচ্ছ ব্যক্তি।
'ভিজে বিড়াল' বাগ্ধারার অর্থ - কপটাচারী।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
'ঘুণাক্ষর' - সামান্য ইঙ্গিত অর্থে সঠিক বাগধারা।
চক্ষু চড়ক গাছ- বিস্ময় অর্থে সঠিক।
তিলে তিলে - ধীরে ধীরে অর্থে সঠিক।
নকড়া ছকড়া করা - তুচ্ছ জ্ঞান করা অর্থে সঠিক বাগধারা।
উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
• রি রি (অব্যয়) - তীব্র ক্রোধ বা অন্য প্রকার অনুভূতি বোঝানোর জন্য ব্যবহৃত শব্দ।
বাক্য: রাগে গা রি রি করছে।
• কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
- ‘অন্ধকার দেখা’ বাগধারাটির অর্থ - দিশেহারা হয়ে পড়া।
- ‘কেউকেটা’ বাগধারাটির অর্থ - সামান্য।
- ‘অকূল পাথার’ বাগধারাটির অর্থ - ভীষণ বিপদ।
- ‘আদায় কাঁচকলায়’ বাগধারাটির অর্থ - শত্রুতা।
উৎস: বাংলা একাডেমী আধুনিক বাংলা অভিধান; অভিগম্য অভিধান।
• 'লেফাফা দুরস্ত' বাগ্ধারার অর্থ - বাইরে পরিপাটি।
কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা:
'খয়ের খাঁ' - তোষামোদকারী,
- 'খোদার খাসি' - ভাবনাচিন্তাহীন বা হৃষ্টপুষ্ট ব্যক্তি,
- 'ক-অক্ষর গোমাংশ' - সম্পূর্ণ মূর্খ।
- 'চুলোয় যাওয়া' নষ্ট হওয়া।
- 'গুড়ে বালি' - আশায় নৈরাশ্য।
- 'গোড়ায় গলদ' শুরুতেই ভুল।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ), বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
• 'ঝড়ো কাক' বাগ্ধারার অর্থ- বিপর্যস্ত অবস্থা।
অন্যদিকে,
• 'ছা-পোষা' অর্থ- পোষ্য-ভারাক্রান্ত।
• 'ঝাঁকের কই' অর্থ- সমমনা।
• 'জবরজং' অর্থ- জমকালো কিন্তু বেমানান।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ইঁদুর কপালে - মন্দ ভাগ্য
অন্ধকার দেখা - দিশাহারা হয়ে পরা
থ বনে যাওয়া - স্তম্ভিত হওয়া
আকাশ ভেঙ্গে পরা - হঠাৎ বিপদ দেখা
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম ও দশম শ্রেণী।
• ‘কূপমুণ্ডক’ বাগ্ধারার অর্থ - সীমাবদ্ধ জ্ঞান।
অন্যদিকে,
কালে ভদ্রে - কদাচিৎ।
ডাকাবুকো - নির্ভীক।
কানকাটা - বেহায়া।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।