বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূরাজনীতি

মোট প্রশ্ন৪১৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূরাজনীতি

PrepBank · পাতা / · ৩০১৪০০ / ৪১৫

৩০১.
বর্তমান ভেনেজুয়েলায় অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট কে? (মার্চ-২০২৬)
  1. মারিয়া কোরিনা মাচাদো
  2. দেলসি রদ্রিগেজ
  3. হিউগো চাভেজ
  4. হুয়ান গুইদো
সঠিক উত্তর:
দেলসি রদ্রিগেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেলসি রদ্রিগেজ
ব্যাখ্যা

- বর্তমান ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট - দেলসি রদ্রিগেজ।
- ২০১৮ সাল থেকে তিনি ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

উল্লেখ্য,
- ৩ রা জানুয়ারি ২০২৬ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে ‘বড় পরিসরে’ হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। 

উৎস: বিবিসি এবং প্রথম আলো।

৩০২.
'ট্রুম্যান ডাকট্রিন' ঘোষণা করা হয় কবে?
  1. ক) ১৯৬৭ সালে
  2. খ) ১৯৪৭ সালে
  3. গ) ১৯৪৪ সালে
  4. ঘ) ১৯৫৭ সালে
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৪৭ সালে
ব্যাখ্যা
• ট্রুম্যান ডকট্রিন: 
- ১৯৪৭ সালে ট্রুম্যান ডাকট্রিনের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল।
- এর উদ্দেশ্য ছিল সমাজতন্ত্রের প্রসার ঠেকানো।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে গ্রিস ও তুরস্কে কমিউনিস্টদের প্রভাব বাড়ছিল।
- এই প্রভাব কমানোর লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র এগিয়ে এসেছিল।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান কংগ্রেসের কাছে প্রেরিত বার্তায় বলেছিলেন, যে সকল স্বাধীন জনগণ সশস্ত্র সংখ্যালঘু বা বহিরাগত চাপের মারফত পদানত করার প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সচেষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হবে তাদের রক্ষা করা।
- ট্রুম্যানের নীতির কারণেই ওয়াশিংটন-মস্কো সম্পর্কের অবনতি ঘটে।
- ১৯৫২ সালে গ্রিস ও তুরস্ক ন্যাটোতে যোগ দেয়।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের এই নীতি আর্থিকভাবে প্রয়োগ করার জন্য ১৯৪৭ সালের জুন মাসে তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট ঘোষণা করেছিলেন যে, ইউরোপের পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে, যা মার্শাল প্লান নামে পরিচিত।

উৎস: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৩০৩.
রাশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. ক) ভ্লাদিমির পুতিন
  2. খ) সেবাস্তিয়ান কুর্জ
  3. গ) মিখাইল মিশুস্তিন
  4. ঘ) দিমিত্রি মেদভেদ
সঠিক উত্তর:
গ) মিখাইল মিশুস্তিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মিখাইল মিশুস্তিন
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - মিখাইল মিশুস্তিন। ভ্লাদিমির পুতিন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট।
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, ফেব্রুয়ারি ২০২০]
৩০৪.
প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে 'ইউবোট যুদ্ধকৌশল' প্রয়োগ করে কোন দেশ?
  1. ক) সোভিয়েত ইউনিয়ন
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) যুক্তারাজ্য
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
আটলান্টিকের ত্রাস জার্মান ইউবোট:
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত ব্রিটিশ নৌবাহিনীকে ইউরোপের প্রতিটি দেশ সমীহ করে চলতে।
- ১৯১৪ সালের দিকে উদ্ভাবিত জার্মান ইউবোট এক্ষেত্রে হঠাৎ করেই আটলান্টিকের অতলে ত্রাস সৃষ্টি করে।
- জার্মান শব্দ ‘আন্ডারসিবোটভাভি' থেকেই এ ইউবোটের নামকরণ যা পানির তলদেশ দিয়ে আক্রমণ চালাতে অনেক কার্যকর একটিসাবমেরিন।
- ব্রিটেন জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার ঠিক দুদিন পর তৎপরতা শুরু করে এ ইউবোট।
- ১৯১৪ সালের ৬ আগস্ট হোলিগোল্যান্ডে অবস্থিত নৌঘাঁটি থেকে ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির ওপর আক্রমণ শানাতে যাত্রা করে ১০টি জার্মান ইউ বোট।
- ইতিহাসে প্রথমবারের মত সাবমেরিন টহল শুরু হলে মাইনের আঘাতে কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- তবে ১৯১৪ সালের ৫ সেপ্টেম্বর থেকে সফলতার মুখ দেখে ইউবোটগুলো।
- লেফটেন্যান্ট অটো হার্সিং ইউ-২১ থেকে টর্পেডো নিক্ষেপ করে ব্রিটিশ ক্রুজার পাথফাইন্ডারকে ডুবিয়ে দেয়।
- এতে ২৫৯ জন ক্রুর কেউই প্রাণরক্ষা করতে পারেনি। এদিকে ২২ সেপ্টেম্বর লেফটেন্যান্ট অটো ওয়েডিগেন ইউ-৯ তিনটি ব্রিটিশ ক্রুজারে প্রাণঘাতী হামলা চালান।
- এতে তিনটি ব্রিটিশ ক্রুজার আবুকির, ক্রেসি ও হগ পুরোপুরি পানিতে ডুবে যায়।
- মাত্র আধঘণ্টার এ লড়াইয়ে প্রায় ১ হাজার ৪৬০ জন ব্রিটিশ নাবিক প্রাণ হারায়।
- এরপর আরো কয়েকটি হামলা চালিয়ে এককথায় আটলান্টিকের ত্রাস হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে জার্মান ইউবোট।

সূত্র: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০৫.
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) কোন দেশের উদ্যোগ?
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ:
- উদ্যোগকারী দেশ: চীন।
- ২০১৩ সালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং কর্তৃক ঘোষণা

• উদ্দেশ্য
- বিশ্বব্যাপী অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাণিজ্য যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গঠন করা,
- বিশেষত এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার মধ্যে সম্পর্ক বৃদ্ধি করা

• সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট:

- স্থলপথে এশিয়া থেকে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য পথ গঠন।

• মেরিটাইম সিল্ক রোড:

- সামুদ্রিক পথ দিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের মধ্যে বাণিজ্য ও যোগাযোগ বৃদ্ধির পরিকল্পনা।
- অবকাঠামো নির্মাণ (সড়ক, রেল, বন্দর, বিদ্যুৎ),
- বাণিজ্য উন্নয়ন, তথ্যপ্রযুক্তি ও যোগাযোগ খাতে বিনিয়োগ।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
৩০৬.
মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী কোন দেশের?
  1. বাংলাদেশ
  2. পাকিস্তান
  3. আলজেরিয়া
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানের বেনজির ভুট্টো।

বেনজির ভুট্টো: 
- মুসলিম বিশ্বের প্রথম নির্বাচিত নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো।
- বেনজির ভুট্টোর জন্ম ১৯৫৩ সালের ২১ জুন, করাচিতে।
- বেনজির ভুট্টো ছিলেন জুলফিকার আলি ভুট্টোর কন্যা।
- জুলফিকার আলি ভুট্টো ১৯৭১ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত পাকিস্তানের নেতা ছিলেন।
- প্রতিপক্ষের এক নেতাকে খুনের অভিযোগে ১৯৭৯ সালে জুলফিকার আলী ভুট্টোর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে বেনজির ভুট্টো মাত্র ২৬ বছর বয়সে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
- ১৯৮৮ সালে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বেনজির ভুট্টোর নেতৃত্বাধীন পিপিপি জয়ী হলে তিনি মাত্র ৩৫ বছর বয়সে প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।
- তিনি ১৯৮৮-৯০ এবং ১৯৯৩-৯৬ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দুটি মেয়াদে দায়িত্ব পালন করেন।
- ২০০৭ সালের ২৭ ডিসেম্বর এক আত্মঘাতী বোমা হামলায় বেনজির ভুট্টো নিহত হন।

উৎস: Britannica ও প্রথম আলো। 
৩০৭.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ইলেক্টোরাল ভোট রয়েছে?
  1. ক) টেক্সাস
  2. খ) নিউইয়র্ক
  3. গ) ফ্লোরিডা
  4. ঘ) ক্যালিফোর্নিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালিফোর্নিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
- ইলেক্টোরাল হলো নির্বাচক। জনসংখ্যার ভিত্তিতে প্রতি অঙ্গরাজ্যে ইলেক্টেরালদের সংখ্যা নির্ধারিত হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মোট ইলেক্টোরাল সংখ্যা ৫৩৮টি।
- এর মধ্যে ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ৫৪টি ইলেক্টোরাল ভোট রয়েছে।
- টেক্সাসে রয়েছে ৩৮টি
- নিউইয়র্ক ও ফ্লোরিডায় ২৯টি করে ইলেক্টোরাল ভোট রয়েছে।
- প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার জন্যে ন্যূনতম ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের প্রয়োজন হয়।
(তথ্যসূত্রঃ মার্কিন সরকারি ওয়েবসাইট)
৩০৮.
'দ্বৈত অর্থনীতি' ধারণাটির বাস্তব প্রয়োগ হয়েছে চীনের কোন অঞ্চলে?
  1. ক) হংকং
  2. খ) জিনজিয়াং
  3. গ) গুয়ানজু
  4. ঘ) সাংহাই
সঠিক উত্তর:
ক) হংকং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হংকং
ব্যাখ্যা
• চীনের ‘এক দেশ দুই নীতি’ পলিসির আওতায় ‘হংকং’ ও ‘ম্যাকাও’ -কে নিজেদের অধিভুক্ত করে।
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই ব্রিটিশদের কাছ থেকে হংকং এবং ১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর পর্তুগালের কাছ থেকে ম্যাকাও কে ৫০ বছরের জন্য নিজেদের অধিভুক্ত করে।
- হংকং-এর অর্থনীতিকে সচল রাখার উদ্দেশ্যেই মূলত এই “এক দেশ দুই নীতি” ধারণা প্রবর্তন করা হয়।
- পরবর্তীতে ম্যাকাও ও তাইওয়ানে একই ধারণা প্রবর্তন করা হয়।

• উল্লেখ্য, এশিয়ায় ম্যাকাও উপনিবেশবাদের কবল থেকে মুক্ত হওয়া সর্বশেষ অঞ্চল।

উৎস: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩০৯.
ফ্রান্সের প্রাচীন নাম কী?
  1. ক) দক্ষিণ রোডেশিয়া
  2. খ) হেলভেসিয়া
  3. গ) নিপ্পন
  4. ঘ) দ্য গল
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্য গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) দ্য গল
ব্যাখ্যা
ফ্রান্স
• ফ্রান্সের প্রাচীন নাম 'দ্য গল’ বা গল।
• আবার দ্য গল প্যারিসে অবস্থিত এয়ারপাের্টের নাম।
• গল (Gaul) শব্দটি এসেছে রােমানের Galli শব্দ থেকে।
• একসময় মধ্য ইউরােপে কর্তৃত্বকারী কেল্টদের রােমানরা Galli বলত। তারা অতি উন্নত সভ্যতার অধিকারী ছিল।

অন্যদিকে,
• জাপানের প্রাচীন নাম নিপ্পন।
• জিম্বাবুয়ের পূর্বনাম - দক্ষিণ রোডেশিয়া।
• জাম্বিয়া'র পূর্বনাম - উত্তর রোডেশিয়া।
• সুইজারল্যান্ড: হেলভেসিয়া, হেলভেটিয়া।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩১০.
ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. ইতালি
  2. মিশর
  3. তুরস্ক
  4. গ্রীস
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
ইতিহাস এবং অবস্থান:
- হোমারের মহাকাব্যে বর্ণিত ইতিহাসে, ট্রয় নগরী হলো বিখ্যাত একটি নগরী যা বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের হেসারলিক নামক স্থানে অবস্থিত ছিল।

• প্রত্নতাত্ত্বিক খোঁজ:
- উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে, ব্রিটিশ প্রত্নতাত্ত্বিক ফ্র্যাঙ্ক কালভার্ট এবং জার্মান প্রত্নতাত্ত্বিক হেনরিক শ্লিম্যানের প্রচেষ্টায় ট্রয় নগরীর সন্ধান লাভ করা সম্ভব হয়।

• ধ্বংস:
- গ্রিকদের দ্বারা ট্রয় নগরী ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
- ট্রয় এর ধ্বংসের কারণ হেলেনকেন্দ্রিক ঐতিহাসিক ট্রোজান যুদ্ধ।

উৎস: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ও ইউনেস্কোর ওয়েবসাইট।
৩১১.
নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি কোন দেশের প্রেসিডেন্ট  কর্তৃক গৃহীত নীতি?
  1. উত্তর কোরয়িয়া
  2. চীন
  3. ইরান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা


- নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি চীনের প্রেসিডেন্ট  কর্তৃক গৃহীত নীতি।
- নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি: আমেরিকার চীনা বিরোধী কার্যকলাপ মোকাবেলায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং কর্তৃক ২০২০ সালে গৃহিত নীতি।

এছাড়াও,
- চার্জ দ্য অ্যাফেয়ারস: রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতিতে নিযুক্ত অস্থায়ী প্রধান।
- Persona-non-grata: কোন কূটনীতিক ব্যক্তিকে কোন কারণ দর্শনো ছাড়াই অবাঞ্জিত ঘোষণা করা।
- নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি: আমেরিকার চীনা বিরোধী কার্যকলাপ মোকাবেলায় চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং কর্তৃক ২০২০ সালে গৃহিত নীতি।
- ফিফথ কলাম: যে জনতা গোপনে নিজ সরকারের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং শত্রুকে সাহায্য করে।
- স্পেনের গৃহযুদ্ধের সময় শব্দটি সর্বপ্রথম ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩১২.
মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন রাশিয়ার কৌশলগত ছিটমহল কোনটি?
  1. ক) কালিনিনগ্রাদ
  2. খ) লেনিনগ্রাদ
  3. গ) ভ্লাদিভস্টক
  4. ঘ) ক্রিমিয়া
সঠিক উত্তর:
ক) কালিনিনগ্রাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) কালিনিনগ্রাদ
ব্যাখ্যা
• রাশিয়ার মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন রুশ ছিটমহল কালিনিনগ্রাদের সঙ্গে বাল্টিক তীরবর্তী দেশ লিথুয়ানিয়া এবং পোল্যান্ডের সীমান্ত রয়েছে।
- কালিনিনগ্রাদে রাশিয়ার কয়েক ডজন রণতরী এবং ডুবোজাহাজ রয়েছে। 
- এ ছাড়া, রুশ পদাতিক বাহিনী, নৌ ব্রিগেড এবং দু'টি সামরিক ঘাঁটিও এখানে আছে।
- কৌশলগত এই অঞ্চলে ইসকান্দার ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করে রাশিয়া।
- দ্বৈত-ক্ষমতা সম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্র হিসেব পরিচিত ইসকান্দার পরমাণু বোমাও বহন করতে পারে।
- এই ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা ৭০০ কিলোমিটার হওয়ায় জার্মানির রাজধানী বার্লিনসহ পোল্যান্ড ও সুইডেনের দুই-তৃতীয়াংশ ভূখণ্ড এর আওতায় পড়বে।

সূত্র: Britannica
৩১৩.
ইতিহাসে দুই পরাশক্তির মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন অবস্থা কী নামে পরিচিত?
  1. শান্তি চুক্তি
  2. দাঁতাত
  3. স্নায়ুযুদ্ধ
  4. শ্বেতপত্র
সঠিক উত্তর:
দাঁতাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঁতাত
ব্যাখ্যা
দাঁতাত (Detente):
- দাঁতাত (Detente) একটি ফরাসি শব্দ।
- এর অর্থ হল উত্তেজনা প্রশমন (relaxation of tension)।
- ১৯৭০-এর দশকে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে ঠান্ডা লড়াই ক্রমশ স্তিমিত হয়ে পড়ে। আন্তর্জাতিক ইতিহাসে এই পর্বটি দাঁতাত নামে পরিচিত। অর্থাৎ পারস্পরিক বােঝাপড়ার মাধ্যমে স্বাভাবিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার সুপরিকল্পিত নীতি হল দাঁতাত’।
- হেনরি কিসিংগারের মতে, দাঁতাত হল প্রত্যক্ষ সামরিক সংঘাত এবং সর্বোপরি পারমাণবিক যুদ্ধ এড়ানাের লক্ষ্যে চিরাচরিত প্রতিদ্বন্দ্বিতার বদলে পারস্পরিক শান্তিপূর্ণ সমঝােতায় গুরুত্ব আরােপ।
- বিশেষ করে ১৯৬১ সালের এপ্রিলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক কিউবার সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রবিরোধী অভিযানে সহায়তা প্রদান, একই বছর পূর্ব জার্মানিতে সোভিয়েত সমর্থনে পূর্ব ও পশ্চিম বার্লিনকে বিভক্তকারী প্রাচীর (Berlin Wall) নির্মাণ, ১৯৬২ সালে সংঘটিত কিউবান মিসাইল সংকট (Cuban Missile Crisis)-এই উত্তেজনা বৃদ্ধির পশ্চাতে সবচেয়ে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।
- কিউবান মিসাইল সংকট ছিল সবচেয়ে ভয়াবহ ও উত্তেজনাপূর্ণ অধ্যায়। এ সংকটকে কেন্দ্র করে উভয় পরাশক্তির মধ্যে নতুন সম্পর্কের উদ্ভব হয়। তারা বিশ্বকে পরমাণু যুদ্ধের আশঙ্কা থেকে যুক্ত করতে ও উভয়ের মধ্যে উত্তেজনা প্রশমন করতে সম্মত হয়।
- মস্কো ও ওয়াশিংটনের মধ্যে সরাসরি টেলিফোন যোগাযোগ (Hotline) প্রতিষ্ঠিত হয়। ইতিহাসে উভয় পরাশক্তির মধ্যে এ উত্তেজনা প্রশমন অবস্থাকে দাঁতাত (Detente) বলা হয়। 

উৎস: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান। 
৩১৪.
বেনিতো মুসোলিনি কোন দেশের ফ্যাসিস্ট নেতা ছিলেন?
  1. জার্মানি
  2. স্পেন
  3. ইতালি
  4. অস্ট্রিয়া
সঠিক উত্তর:
ইতালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইতালি
ব্যাখ্যা
বেনিতো মুসোলিনী: 
- পুরো নাম: Benito Amilcare Andrea Mussolini. 
- জন্মস্থান: ইতালি।
- রাজনৈতিক আদর্শ: ফ্যাসিবাদ (Fascism) একনায়কতান্ত্রিক, সামরিকতান্ত্রিক ও জাতীয়তাবাদী মতবাদ।
- প্রতিষ্ঠাতা: ইতালির ফ্যাসিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা, ১৯১৯ সালে।
- ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত: ইতালির প্রধানমন্ত্রী হিসেবে: ১৯২২-১৯৪৩।
- শাসনব্যবস্থা: একদলীয় একনায়কতন্ত্র; সংসদীয় গণতন্ত্র ধ্বংস করে ফ্যাসিস্ট একনায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ
- মূল দর্শন: রাষ্ট্রের ঊর্ধ্বে কিছু নেই, সবকিছু রাষ্ট্রের অধীনে। 
- জোট: অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি জার্মানির সাথে মিত্রতা গড়ে তোলেন।
- যুদ্ধ অংশগ্রহণ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (১৯৩৯-১৯৪৫) ফ্যাসিস্ট জোটের পক্ষে ইতালিকে নেতৃত্ব দেন।
- পতন: ১৯৪৩ সালে মিত্রবাহিনীর আক্রমণের মুখে মুসোলিনির সরকার পতন ঘটে।
- মৃত্যু: ২৮ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে ইতালির উত্তরাঞ্চলে গণবিক্ষোভের মধ্যে তিনি ও তার প্রেমিকা ক্লারেটা পেতাচিকে গুলি করে হত্যা করা হয়। 

উৎস: Britannica.
৩১৫.
সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধে আফগানিস্তান থেকে সমস্ত সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার করা হয় -
  1. ক) ১৯৯১ সালে
  2. খ) ১৯৮৭ সালে
  3. গ) ১৯৮৯ সালে
  4. ঘ) ১৯৯০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
সোভিয়েত-আফগান যুদ্ধ (Soviet Afghan War)
যুদ্ধের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
যুদ্ধ সংঘটনকাল: ২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ - ১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত।
প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষসমূহ: সোভিয়েত রাশিয়া এবং তালেবান সহ অন্যান্য মুসলিম মিলিশিয়া গ্রুপ।
ফলাফল - কোন পক্ষই পুর্ণাঙ্গ বিজয় লাভ করে নি।
২৪ ডিসেম্বর, ১৯৭৯ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন আফগানিস্তান আক্রমণ করে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এটাই ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের বাইরে তাদের প্রথম কোন অভিযান। 
তারা কাবুল দখল করে এবং সোভিয়েত নিয়ন্ত্রণে কমিউনিস্ট ধারার সরকার প্রতিষ্ঠা করে।
এই সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ সহযোগীতায় ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বে তালেবান বাহিনী গড়ে তোলা হয়।
 প্রথম দিকে সোভিয়েত ইউনিয়ন কৌশলগত বিজয় লাভ করলেও পরবর্তীতে তালেবান জিহাদিরা তুমুল প্রতিরোধ গড়ে তুলে।

যুদ্ধে বিজয়ী হওয়ার কোন সম্ভাবনা না থাকায় এবং যুদ্ধক্ষেত্রে প্রচুর সোভিয়েত সৈন্য হতাহতের কারনে সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভ ক্ষমতায় এসে ১৯৮৮ সালে আফগানিস্তান থেকে সৈন্য প্রত্যাহার শুরু করে। 
১৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮৯ সালে আফগানিস্তান থেকে সমস্ত সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার করা হয়।
 
 উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার। 
৩১৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোন দেশগুলোতে ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিলো?  
  1. দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও উত্তর কোরিয়ায়
  2. সোমালিয়া, ইরিত্রিয়া, ও দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. চীন, মঙ্গোলিয়া ও উত্তর কোরিয়ায়
  4. ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে
ব্যাখ্যা
• ডমিনো তত্ত্ব (Domino Theory):
- ডমিনো তত্ত্ব-এর মূল কথা হচ্ছে কোনো একটি দেশে যদি সমাজতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে তার পাশের এবং আশেপাশের দেশগুলোও এই মতাদেশে উদ্বুদ্ধ হবে এবং এক সময় রাষ্ট্রগুলো সমাজতন্ত্রী রাষ্ট্রে পরিণত হবে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- তবে প্রেসিডেন আইসেনহাওয়ার এর ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিলের সংবাদ সম্মেলনে প্রথমবারের মতো পরোক্ষভাবে ডমিনো তত্ত্ব-এর কথা বলেছিলেন।
- মূল বিষয় ছিল কোনো অবস্থাতেই দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং অন্যত্র সমাজতন্ত্রের প্রসারকে এগিয়ে নিজে যেতে দেয়া যাবে না। প্রয়োজনে সেইসব দেশে সামরিক হস্তক্ষেপ কর হবে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৩১৭.
The only country in Asia that was never colonized by a European power is
  1. ক) Thailand
  2. খ) Nepal
  3. গ) Myanmar
  4. ঘ) Bhutan
সঠিক উত্তর:
ক) Thailand
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) Thailand
ব্যাখ্যা
• এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড কখনো কোন দেশের উপনিবেশ ছিলো না। এজন্যে থাইল্যান্ডকে মুক্তভূমি বলা হয়।

• অন্যদিকে: 
- মিয়ানমার : ব্রিটেনের উপনিবেশ ছিলো।
- নেপাল ও ভুটানকে  যদিও সরাসরি ব্রিটিশ উপনিবেশ বলা যায় না তবে তারা ব্রিটেনের কাছে Protectorate (আশ্রিত রাজ্য) হিসেবে ছিলো।
৩১৮.
নিচের কোন ব্যক্তি কৃষ্ণাঙ্গ নেতা নন?
  1. ক) নেলসন ম্যান্ডেলা
  2. খ) রবার্ট মুগাবে
  3. গ) এফডব্লিউডি ক্লার্ক
  4. ঘ) মার্টিন লুথার কিং
সঠিক উত্তর:
গ) এফডব্লিউডি ক্লার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এফডব্লিউডি ক্লার্ক
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট, মার্টিন লুথার কিং যুক্তরাষ্ট্রের নিগ্রোদের অধিকার আন্দোলনের নেতা, রবার্ট মুগাবে জিম্বাবুয়ের কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এবং এফডব্লিউডি ক্লার্ক দক্ষিণ আফ্রিকার সর্বশেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট। উৎসঃ দক্ষিণ আফ্রিকা ও জিম্বাবুয়ের সরকারি ওয়েবসাইট।
৩১৯.
মার্শাল প্ল্যান এর পরিচিতি হচ্ছে -
  1. ক) European Recovery Program
  2. খ) African Recovery Program
  3. গ) Asian Recovery Program
  4. ঘ) American Recovery Program
সঠিক উত্তর:
ক) European Recovery Program
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) European Recovery Program
ব্যাখ্যা
• মার্শাল প্ল্যান এর পরিচিতি হচ্ছে European Recovery Program.

• প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান কংগ্রেসের কাছে প্রেরিত এক বার্তায় বলেছিলেন, যে সকল স্বাধীন জনগণ যারা সশস্ত্র সংখ্যালঘু বা বহিরাগত চাপের মারফত পদানত করার প্রচেষ্টা প্রতিহত করতে সচেষ্ট, যুক্তরাষ্ট্রের নীতি হবে তাদের সমর্থন করা। অর্থাৎ এখানে কমিউনিজম ভীতি কাজ করছিল।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যানের এই নীতি আর্থিকভাবে প্রয়োগ করার জন্য ১৯৪৭ সালের জুন মাসে তৎকালীন যুক্তরাষ্ট্রের সেক্রেটারি অব স্টেট ঘোষণা করেছিলেন যে ইউরোপের পুনর্গঠনে যুক্তরাষ্ট্র সাহায্য করবে।
- প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান এতে স্বাক্ষর করেন ১৯৪৮ সালের ৩ এপ্রিল। ওইদিন থেকেই তা কার্যকর হয়।
- পশ্চিম ইউরোপ পুনর্গঠনের পরিকল্পনা সফল হয়েছিল।
- যুক্তরাষ্ট্র এই প্রোগ্রামের আওতায় ওই সময় ১৫ বিলিয়ন ডলার যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা দিয়েছিল।
- এই আর্থিক সহায়তার কারণে পশ্চিম ইউরোপের জিডিপি ১৫ থেকে ২৫ ভাগ বৃদ্ধি পেয়েছিল।
- পরবর্তীতে অনুন্নত দেশগুলোর জন্যও মার্শাল পরিকল্পনা প্রয়োগ করা হয়। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর, তারেক শামসুর রেহমান।
৩২০.
নিম্নের কোন রাষ্ট্র ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করে?
  1. সুইডেন
  2. রাশিয়া
  3. ব্রিটেন
  4. বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর:
ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রিটেন
ব্যাখ্যা
ইউরোপীয় ইউনিয়ন 

- রোম চুক্তির মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি তথা বর্তমানের ইউরোপীয় ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ইইউর প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য দেশ ছিলো ৬টি।
- ব্রিটেন ১৯৭৩ সালের ১ জানুয়ারি ইইউতে যোগ দেয়।
- ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ৪৭ বছরের সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করে।
- এর মধ্য দিয়ে প্রথমবারের মতো কোন দেশ ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে পদত্যাগ করে।

- ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা ২৮টি থেকে কমে বর্তমানে ২৭টি আছে।

উল্লেখ্য,
- লিসবন চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যায়।
- ২০০৭ সালে পর্তুগালে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০০৯ সালে কার্যকর হয়।
- এই চুক্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সংস্কার চুক্তিও বলা হয়।
- এই চুক্তির ৫০ অনুচ্ছেদে, গণভোটের মাধ্যমে যেকোন সদস্য দেশকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করার অধিকার দেয়া হয়েছে।

উৎস: ইইউ ওয়েবসাইট।
৩২১.
ভূমিকম্পের দেশ বলা হয়- 
  1. জাপানকে
  2. তাইওয়ানকে
  3. ইরানকে
  4. জাম্বিয়াকে
সঠিক উত্তর:
জাপানকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপানকে
ব্যাখ্যা

ভৌগলিক উপনাম:
- সোনালী প্যাগোডার দেশ: মিয়ানমার।
- লিলি ফুলের দেশ: কানাডা।
- ক্যাঙ্গারুর দেশ: অস্ট্রেলিয়া।
- সিল্ক রুটের দেশ: ইরান।
- মার্বেলের দেশ: ইতালি।
- পঞ্চম ড্রাগনের দেশ: তাইওয়ান।
- তামার দেশ: জাম্বিয়া।
- পিরামিডের দেশ: মিশর।
- প্রাচীরের দেশ: চীন।
- ভূমিকম্পের দেশ: জাপান।

উৎস: Britannica.com

৩২২.
ম্যানচেস্টার সমুদ্র বন্দর কোন দেশে অবস্থিত?
  1. ক) পোল্যান্ড
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) ব্রিটেন
  4. ঘ) মিশর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ব্রিটেন
ব্যাখ্যা
- ব্রিটেনের  সমুদ্র বন্দর:- ম্যানচেস্টার, বিস্ট্রল, গ্লাসকো, লিভারপুল।
- মিশরের সমুদ্র বন্দর:- পোর্ট সৈয়দ, সুয়েজ, আলেকজান্দ্রিয়া।
- অস্ট্রেলিয়ার সমুদ্র বন্দর:- সিডনি, মেলবোর্ন, ব্রিসবেন।
- পোল্যান্ডের সমুদ্র বন্দর ডানজিগ।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩২৩.
রাশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল কোনটি?
  1. ইয়েকাতেরিনবুর্গ
  2. দাগেস্তান
  3. লুহানস্ক
  4. কোচলান
সঠিক উত্তর:
দাগেস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাগেস্তান
ব্যাখ্যা
• রাশিয়ার মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল:
- রাশিয়ার দাগেস্তান মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চল।
- কিছুদিন আগে ইসরায়েল থেকে একটি ফ্লাইট আসছে-এমন গুজবে রাশিয়ার দাগেস্তান প্রজাতন্ত্রের বিমানবন্দরে বিক্ষোভ হয়েছে।
- এর জেরে বিমানবন্দরটি বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
- বর্তমান রাশিয়ার দাগেস্তান অঞ্চল সর্বপ্রথম মুসলিম শাসনাধীন হয়। 

উৎস: প্রথম আলো প্রত্রিকা রিপোর্ট।
৩২৪.
‘গ্লাসনস্ত নীতি‘ কে প্রবর্তন করেন?
  1. ব্রেজনেভ
  2. দ্বিতীয় নিকোলাস
  3. পুতিন
  4. গর্বাচেভ
সঠিক উত্তর:
গর্বাচেভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গর্বাচেভ
ব্যাখ্যা
রাশিয়া: 
- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মেয়াদ - ৬ বছর।
- সোভয়েত ইউনিয়নের স্থায়িত্বকাল - ১৯২২-১৯৯১ সাল।
- USSR (Union of Soviet Socialist Republic) বিলুপ্ত হয় - ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে।
- রাশিয়ায় রুশ বিপ্লব সংঘঠিত হয় - ১৯১৭ সালে।
- রুশ বিপ্লবের স্থায়িত্ব ছিল - ১০ দিন।

-  রুশ বিপ্লবের অন্য নাম - বলশেভিক বিপ্লব, সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব, অক্টোবর বিপ্লব ও ফেব্রুয়ারি বিপ্লব।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে - রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন - ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।
- সর্বপ্রথম অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন করে - সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- পঞ্চবাষির্কী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রবর্তক দেশ - রাশিয়া।
- 'Imperialism, the Highest Stage of Capitalism' বইটির লেখক - ভি. আই. লেনিন।
- ‘গ্লাসনস্ত নীতি‘ প্রবর্তন  করেন - সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট গর্বাচেভ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩২৫.
চীনের ’এক দেশ দুই নীতি' চালু থাকবে কত সাল পর্যন্ত?
  1. ২০৪৭ সাল
  2. ২০৪৯ সাল
  3. ২০২৯ সাল
  4. ২০৩৫ সাল
সঠিক উত্তর:
২০৪৭ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০৪৭ সাল
ব্যাখ্যা
'একদেশ, দুই নীতি':
- ১৯৯৭ সালের ১ জুলাই যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে হংকংয়ের নিয়ন্ত্রণ পায় চীন।
- হংকং শাসনের ক্ষেত্রে যে 'এক দেশ, দুই ব্যবস্থা' নীতি অনুসরণ করা হয়ে থাকে, তা বজায় থাকবে।
- হংকং ও চীনের 'এক দেশ দুই নীতি' চালু করে ১৯৯৭ সালে।
- যা চালু থাকবে ২০৪৭ সাল পর্যন্ত।
- যুক্তরাজ্যের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী হংকংয়ে 'এক দেশ, দুই ব্যবস্থা নীতি' বাস্তবায়ন করা হয়েছিল।
- ব্রিটেন হংকংকে ১৫৬ বছর পর চীনের কাছে হস্তান্তর করে ১৯৯৭ সালে।

উৎস: চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।
৩২৬.
আমেরিকার আদি অধিবাসী কী নামে পরিচিত?
  1. রেড ইন্ডিয়ান
  2. আফ্রিদি
  3. ভাইকিং
  4. দ্রাবিড়
সঠিক উত্তর:
রেড ইন্ডিয়ান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেড ইন্ডিয়ান
ব্যাখ্যা

 রেড ইন্ডিয়ান
- রেড ইন্ডিয়ান বলতে আমেরিকা মহাদেশের ভূমিপুত্রদের বোঝায়।
- কলম্বাস ভারতবর্ষে পৌঁছানোর জলপথ আবিষ্কার করতে গিয়ে বাহামা দ্বীপে এসে পৌঁছান।
- সেখানে তিনি তামাটে বর্ণের মানুষদের ভারতীয় বলে ভেবে নেন।
- তাদের নাম দেন রেড ইন্ডিয়ান।
- উল্লেখ্য রেড ইন্ডিয়ানরা ক্রমাগত ইউরোপীয় আগ্রাসনের ফলে নিজভূমে পরবাসী হয়ে যায়।
- বর্তমানে তারা সংখ্যালঘু এবং সংরক্ষিত জায়গায় বসবাস করে।

অন্যদিকে -
- আফ্রিদি- পাকিস্তানের একটি উপজাতি।।
- মাওরি- নবম থেকে একাদশ শতাব্দীতে ভাইকিংরা ছিল ডাকাত, জলদস্যু, ব্যবসায়ী, অভিযাত্রী এবং উপনিবেশ স্থাপনকারী। তারা প্রায়শই স্ক্যান্ডিনেভিয়া থেকে সমুদ্রপথে ভ্রমণ করত এবং ইউরোপ এবং তার বাইরের অঞ্চলগুলি নিয়ন্ত্রণ করত।।।
- দ্রাবিড়- দক্ষিণ ভারত, বাংলাদেশ ও শ্রীলঙ্কায় বসবাসকারী অনার্য জাতি।।

উৎস: Britannica.

৩২৭.
নিচের কোন দেশটি সামরিক সহযোগীতামূলক জোট ন্যাটোর অন্যতম সদস্য?
  1. ক) সুইডেন
  2. খ) ফিনল্যান্ড
  3. গ) ইউক্রেন
  4. ঘ) বুলগেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) বুলগেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বুলগেরিয়া
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কেবলমাত্র বুলগেরিয়া ন্যাটোর সদস্য। 

NATO:
- এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- NATO প্রধানত একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।

- ন্যাটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি।
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি।  
- উত্তর মেসিডোনিয়া ন্যটোর সর্বশেষ সদস্য।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
- সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে রাশিয়ার দুই প্রতিবেশী দেশ সুইডেন-ফিনল্যান্ড। 

- ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলেনবার্গ।

তথ্যসূত্র:  ন্যাটো ওয়েবসাইট।
৩২৮.
ঐতিহাসিক ‘ফেজ শহর’ কোথায় অবস্থিত?
  1. মিশরে
  2. লিবিয়ায়
  3. মরক্কোয়
  4. আলজেরিয়া
সঠিক উত্তর:
মরক্কোয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মরক্কোয়
ব্যাখ্যা
ফেজ শহর: 
- ফেজ মরক্কোর প্রাচীনতম সাম্রাজ্যিক শহর এবং
- এটি ওয়াদি ফেজ নদীর তীরে অবস্থিত।
- ইদ্রিস -। পূর্ব তীরে এবং ইদ্রিস - ।। পশ্চিম তীরে শহরটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১১শ শতকে আলমোরাভিদরা দুই অংশকে একত্রিত করে একটি গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক শহর বানায়।
- ১৪শ শতকে মেরিনিডদের শাসনে ফেজ শিক্ষার ও বাণিজ্যের কেন্দ্র হয়ে ওঠে।
- ১৯১২ সালে ফেস চুক্তির মাধ্যমে মরক্কোতে ফরাসি প্রোটেক্টরেট প্রতিষ্ঠিত হয়। 

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩২৯.
আধুনিক চীনের জনক কে?
  1. মাও সেতুং
  2. সান ইয়াৎ সেন
  3. শি জিনপিং
  4. লু শাওচি
সঠিক উত্তর:
সান ইয়াৎ সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সান ইয়াৎ সেন
ব্যাখ্যা
সান ইয়াৎ সেন:
- সান ইয়াৎ সেন  আধুনিক চীনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা
- এবং চীনের গণপ্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট।
- সান ইয়াৎ সেন "চীনের জাতির জনক" হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি চীনের রাজনীতি ও সমাজে আধুনিকীকরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- সান ইয়াত-সেন তাঁর রাজনৈতিক দর্শন হিসাবে "থ্রি প্রিন্সিপলস অফ দ্য পিপল"। 

জনতার তিনটি নীতি হলো:
জাতীয়তা,
• মৌলিক গণতন্ত্র,
• জীবিকা। 

⇒ অপরদিকে
- চীনের কমিউনিস্ট বিপ্লবের নেতা, যিনি চীনের People's Republic প্রতিষ্ঠা করেন।
- মাও সেতুং চীনে সমাজতান্ত্রিক বিপ্লব এবং সংস্কৃতি বিপ্লবের মাধ্যমে বিশাল পরিবর্তন আনে।
- শি জিনপিং বর্তমানে চীনের প্রেসিডেন্ট।
- তিনি ২০১৩ থেকে সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতায় আছেন।

উৎস: Britannica.
৩৩০.
দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম নেতা কে ছিলেন?
  1. ইয়ান স্মিথ
  2. ইয়াস সলসবারি
  3. নেলসন ম্যান্ডেলা
  4. এফ. ডব্লিউ ক্লার্ক
সঠিক উত্তর:
নেলসন ম্যান্ডেলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেলসন ম্যান্ডেলা
ব্যাখ্যা
নেলসন ম্যান্ডেলা (Nelson Mandela):
- দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গ অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিসংবাদিত নেতা নেলসন ম্যান্ডেলা।
- তার ডাকনাম মাদিবা, তাতা, রোলিহ্লাহ্লা, ডালিভুঙ্গা ইত্যাদি।
- নেলসন ম্যান্ডেলার জন্ম - ১৯১৮ সালের ১৮ জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার মভেজোতে।
- তিনি ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর জোহানেসবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।
- ১৯৪২ সালে তিনি রাজনীতিতে যোগ দেন। 

- ১৯৬০ সালে শ্বেতাঙ্গ নিয়ন্ত্রিত সরকার ANC এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।
- ১৯৬২ সালে “Spear of the Nation” (ANC সদস্যদের নিয়ে গেরিলা আক্রমন শুরু করেন।
 - ম্যান্ডেলাকে “রোবেন দ্বীপ”– এর কারাগারে ১৯৬৪ সাল থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত অন্তরীণ রাখা হয়।
- পরবর্তীতে দক্ষিণ আফ্রিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের আন্দোলন তীব্র হলে ১৯৮৯ সালে শেষ শ্বেতাঙ্গ প্রেসিডেন্ট এফ. ডি ক্লার্ক ম্যান্ডেলাকে মুক্তি দেওয়ার ঘোষণা দেন।

- ১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি দীর্ঘ ২৭ বছর কারাভোগের পর তিনি মুক্তি পান।
- ১৯৯৯ সালে তিনি স্বেচ্ছায় রাজনীতি থেকে অবসরে যান ।
- তিনি কারাগারে থাকার সময় তার কয়েদী নম্বর ছিলো - ৪৬৬ এবং কারাদন্ডের সাল মিলিয়ে ‘৪৬৬৬৪’ গঠন করা হয় যা মেন্ডেলার এইডস বিরোধী প্রচারণার নাম।
তিনি “Yes for the children” - এর প্রতিষ্ঠাতা।
⇒ তার রচিত বই - Long Walk to Freedom (Autobiography), Conversations with Myself, The Prison Letters of Nelson Mandela, I Am Prepared to Die, No Easy Walk to Freedom, The Struggle Is My Life, In His Own Words

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৩৩১.
বর্তমানে বিশ্বের তেল উৎপাদনকারী শীর্ষ দেশ? [জানুয়ারি,২০২৬]
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• বিশ্বের তেল উৎপাদন ও ওপেক: 
- বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA) বিশ্বে সবচেয়ে বেশি তেল উৎপাদনকারী দেশ।
- এটি প্রতিদিন প্রায় ২১.৯১ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পর তেল উৎপাদনে শীর্ষে আছে রাশিয়া এবং সৌদি আরব।
- বৃহত্তম রপ্তানিকারক দেশ হলো সৌদি আরব, এরপর আসে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া।
- ওপেক- হলো তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- OPEC এর পূর্ণরূপ হলো- Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- এটি মূলত: 
• সদস্য দেশগুলোর তেল নীতি সমন্বয় করে।
• বিশ্ববাজারে তেলের দাম স্থিতিশীল রাখে।
• এবং তেল সরবরাহ নিয়ন্ত্রণে কাজ করে।

উল্লেখ্য,
- OPEC ১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বাগদাদে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য : ইরান, ইরাক, কুয়েত, সৌদি আরব এবং ভেনেজুয়েলা।
- বর্তমানে OPEC-এর মোট ১২টি সদস্য দেশ রয়েছে :
• আলজেরিয়া, ইরান, ইরাক, কুয়েত, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ভেনেজুয়েলা।

উৎস: Britannica [লিঙ্ক]। 

৩৩২.
ব্যারেন কী?
  1. ক) সামুদ্রিক মাছ
  2. খ) আগ্নেয়গিরি
  3. গ) ক্ষেপনাস্ত্র
  4. ঘ) পর্বত শৃঙ্গ
  5. ঙ) জলপ্রপাত
সঠিক উত্তর:
খ) আগ্নেয়গিরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আগ্নেয়গিরি
ব্যাখ্যা
ব্যারেন হলো দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র জীবন্ত আগ্নেয়গিরি। এর অবস্থান আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী পোর্ট ব্লেয়ারে । এটিতে ২০১৭ সাল থেকে অগ্ন্যূৎপাত শুরু হয়। (সূত্রঃ ব্রিটানিকা ডটকম)
৩৩৩.
নিচের কোন মুসলিম দেশটি ইসরাইলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. লেবানন
  2. ইরাক
  3. তুরস্ক
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুরস্ক
ব্যাখ্যা
ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরায়েলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল। 
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিসর।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।

উৎস: Britannica. Al Jazeera.
৩৩৪.
কোন দেশের মহিলারা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. সুইডেন
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা

নারীর ভোটাধিকার লাভ:
- বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়া নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯০৬ সালে ফিনল্যান্ড নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৮ সালে যুক্তরাজ্যের নারীরা নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
-( যুক্তরাজ্যে ১৯১৮ সালে Representation of the People Act-এর মাধ্যমে নারীরা ভোটাধিকার পায়, তবে শুধুমাত্র ৩০ বছরের বেশি বয়সী নারী এবং সম্পত্তির মালিকানার শর্তে। ১৯২৮ সালে এই শর্ত তুলে দেওয়া হয়, এবং সকল নারী (২১ বছরের বেশি) সমান ভোটাধিকার পায়।)
- ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।

অন্যদিকে -
- মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯৩০ সালে তুর্কি নারীরা এবং ১৯৪৯ সালে আরববিশ্বে প্রথম সিরিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে যথাক্রমে ১৯৪৭, ১৯৫০ এবং ১৯৭২ সালে।

উৎস: Ministry for Women New Zealand ওয়েবসাইট।

৩৩৫.
Sunshine Policy এর সাথে জড়িত দেশ -
  1. ভিয়েতনাম ও উত্তর কোরিয়া
  2. তাইওয়ান ও চীন
  3. উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
  4. জাপান ও থাইল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা
• Sunshine Policy:
- Sunshine Policy- এর সাথে জড়িত- উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়া।
- দুই কোরিয়ার সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ১৯৯০-এর দশকে দক্ষিণ কোরিয়া এক নীতি গ্রহন করে যা ‘সানসাইন পলিসি’ (Sunshine Policy) নামে পরিচিত।
- এই পলিসির আওতায় দুই কোরীয়ার শীর্ষ নেতাদের মধ্যে কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় এবং সম্পর্ক স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালানো হয়।
- Sunshine Policy-র প্রবক্তা দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং।
- Sunshine Policy বাস্তবায়নের কারনে ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান- কিং দায়ে জং।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৩৬.
"সিল্ক রোড" পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে চীনের উদ্যোগের নাম কী?
  1. বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ
  2. এশিয়া-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ
  3. পূর্ব এশিয়া সামিট
  4. চীন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডোর
সঠিক উত্তর:
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ
ব্যাখ্যা
বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (Belt and Road Initiative - BRI): 
- "সিল্ক রোড" পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে চীনের উদ্যোগটির নাম বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (Belt and Road Initiative - BRI)।
- এটি চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর নেতৃত্বে ২০১৩ সালে শুরু হয়।
- উদ্দেশ্য: প্রাচীন সিল্ক রোড পুনরুজ্জীবিত করার মাধ্যমে এশিয়া, ইউরোপ এবং আফ্রিকার মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট: স্থলপথে বাণিজ্য রুট।
- ২১ শতকের মেরিটাইম সিল্ক রোড: সমুদ্রপথে বাণিজ্য রুট।

উদ্যোগের লক্ষ্য:
- অবকাঠামো উন্নয়ন।
- বাণিজ্য বৃদ্ধি।
- আন্তর্জাতিক সংযোগ স্থাপন।

গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প:
- রেলপথ, মহাসড়ক, বন্দর ও বিমানবন্দর নির্মাণ।
- এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপে বিনিয়োগ।

উৎস: World Bank 
BBC
৩৩৭.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জাপানে পারমাণবিক বোমা নিক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছিলেন?
  1. জেমস মরনো
  2. হ্যারি এস ট্রুম্যান
  3. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  4. উড্রো উইলসন
সঠিক উত্তর:
হ্যারি এস ট্রুম্যান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্যারি এস ট্রুম্যান
ব্যাখ্যা
লিটলবয় ও ফ্যাটম্যান:
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ যখন প্রায় শেষের পথে, তখন আগস্টের জাপানের হিরোশিমা এবং নাগাসাকি শহরে পরমাণু বোমা ফেলেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
- বিশ্বে প্রথম কোন যুদ্ধে ব্যবহৃত হয়েছিল গণবিধ্বংসী মারণাস্ত্র।
- মারা গিয়েছিল হাজার হাজার মানুষ।
- জাপানের হিরোশিমা শহরে ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে বোমা বর্ষণ করে।
- নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো লিটলবয়।
- ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে নাগাসাকি শহরে পারমাণবিক বোমা বর্ষণ করে।
- নাগাসাকিতে নিক্ষিপ্ত বোমাটির নাম ছিলো ফ্যাটম্যান।
- ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস ট্রুম্যান এই পারমাণবিক বোমা বর্ষণের নির্দেশ দেন।

উৎস: History.com.
৩৩৮.
যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটের মোট আসন সংখ্যা কতটি?
  1. ১০০
  2. ২৭০
  3. ৯৯
  4. ১০৫
সঠিক উত্তর:
১০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০
ব্যাখ্যা

- দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষের নাম সিনেট।
- সিনেটকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিমূলক সভা হিসেবে গণ্য করা হয়।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যসমূহের সমপ্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট গঠিত হয়।
- আয়তন ও জনসংখ্যা নির্বিশেষে প্রত্যেক অঙ্গরাজ্যে ২ জন করে প্রতিনিধি সিনেটে প্রেরণ করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা ৫০।
- তাই সিনেটের মোট সদস্য সংখ্যা হলো ১০০।
- মার্কিন সিনেটে এই সমপ্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা অনেকের মতানুসারে অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ-এর মোট আসন সংখ্যা ৪৩৫টি, মেয়াদ ২ বছর।

উৎস: Britannica.

৩৩৯.
আন্তর্জাতিক আইনে ‘জুস কোজেন্স’ বলতে কী বোঝায়? 
  1. আঞ্চলিক আইন
  2. অস্থায়ী কোনো চুক্তি
  3. বহুপাক্ষিক বাণিজ্য আইন 
  4. বাধ্যতামূলক বা অলঙ্ঘনীয় নীতি
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক বা অলঙ্ঘনীয় নীতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক বা অলঙ্ঘনীয় নীতি
ব্যাখ্যা

• জুস কোজেন্স/ Jus Cogens: 
 জুস কোজেন্স হলো আন্তর্জাতিক আইনের একটি মৌলিক ধারণা, যা ল্যাটিন ভাষায় "compelling law" বা "peremptory norm" বা  অনিবার্য নিয়ম নামে পরিচিত।
- এটি এমন নিয়ম বা নর্ম যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সকল রাষ্ট্র দ্বারা স্বীকৃত এবং গ্রহণযোগ্য, যা থেকে কোনো রাষ্ট্র কোনো অবস্থাতেই বিচ্যুতি (derogation) করতে পারে না।
- এই নিয়মগুলো এতটাই মৌলিক যে এর সাথে সাংঘর্ষিক কোনো চুক্তি বাতিল হয়ে যায়। 
- জুস কোজেন্স আন্তর্জাতিক আইনকে মানবতা, শান্তি ও মৌলিক মূল্যবোধ রক্ষায় একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। 

- Vienna Convention on the Law of Treaties, Article 53 তে জুস কোজেন্স এর সংজ্ঞায় বলা হয়েছে,
       ''জুস কোজেন্স হলো এমন একটি নিয়ম, যা রাষ্ট্রসমূহের আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সামগ্রিকভাবে গ্রহণ করে এবং স্বীকৃতি দিয়েছে – যে নিয়ম থেকে কোনো অবস্থাতেই বিচ্যুতি (derogation) করা যায় না এবং যা শুধুমাত্র একই ধরনের পরবর্তী সাধারণ আন্তর্জাতিক আইনের নিয়ম দ্বারাই পরিবর্তিত হতে পারে।"

• জুস কোজেন্স নিয়মের উদাহরণ: 
- আগ্রাসী যুদ্ধ বা আগ্রাসনের নিষেধাজ্ঞা।
- গণহত্যা নিষিদ্ধকরণ। 
- মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ নিষিদ্ধকরণ।
- দাসত্ব ও দাস ব্যবসা। 

তথ্যসূত্র:
i) জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আইন কমিশন। (Link)
ii) ব্রিটানিকা। (Link) 
iii) 1969 Vienna Convention on the Law of Treaties. (Link) 

৩৪০.
মিশরকে নীল নদের দান বলেছেন কে?
  1. ক) এরিস্টটল
  2. খ) সফোক্লিস
  3. গ) সক্রেটিস
  4. ঘ) হেরোডোটাস
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেরোডোটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) হেরোডোটাস
ব্যাখ্যা
- আফ্রিকার লেক ভিক্টোরিয়া থেকে মিশরের নীল নদের উৎপত্তি। 
- এটি বিভিন্ন দেশ হয়ে মিশরের মধ্য দিয়ে ভূ-মধ্যসাগরে এসে পড়েছে। 
- ইতিহাসের জনক হেরোডোটাস বলেছেন- মিশর হচ্ছে ‘নীল নদের দান’
- এই নদ না থাকলে মিশর মরুভূমিতে পরিণত হতো।  
- মিশরের অর্থনীতি ছিল মূলত কৃষিনির্ভর।
- প্রাক-রাজবংশীয় যুগে মিশর কতগুলো ছোট নগর রাষ্ট্রে বিভক্ত ছিল যা ‘নোম’ নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৩৪১.
কোন মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রথম ডমিনো তত্ত্বের প্রয়োগ করেন?
  1. ডোয়াইট আইজেনহাওয়ার
  2. রোনাল্ড রেগান
  3. বারাক ওবামা
  4. জন এফ কেনেডি
সঠিক উত্তর:
ডোয়াইট আইজেনহাওয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোয়াইট আইজেনহাওয়ার
ব্যাখ্যা
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম ডমিনো তত্ত্বের প্রয়োগ করেন।

ডমিনো তত্ত্ব:

- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য 'ডমিনো তত্ত্ব' প্রযোজ্য ছিল।
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে পররাষ্ট্র নীতিগুলি গ্রহণ করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' ছিল অন্যতম।
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র এই তত্ত্বটি প্রচার করেছিল, এর মূল লক্ষ্য ছিল সাম্যবাদের প্রসার ঠেকানো।
- যদি কোনো একটি রাষ্ট্রে সাম্যবাদীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে আশপাশের রাষ্ট্রগুলিও দ্রুত সাম্যবাদী শাসনের দিকে চলে যাবে। 

উল্লেখ্য, 
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' এবং স্নায়ুযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র এই তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল। বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে যুক্তরাষ্ট্র সাম্যবাদের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও, তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেন।

সূত্র: History.com.
৩৪২.
৩৮° উত্তর অক্ষাংশ রেখা কোন অঞ্চলের সীমা নির্ধারণ করে?
  1. চীন এবং মঙ্গোলিয়া
  2. জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়া
  3. ভিয়েতনাম এবং লাওস
  4. উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর কোরিয়া এবং দক্ষিণ কোরিয়া
ব্যাখ্যা

৩৮° অক্ষরেখা:

- ৩৮তম সমান্তরাল, যা প্রায় ৩৮° উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত, পূর্ব এশিয়ায় উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সীমা নির্ধারণ করে।
- এই সীমারেখা নির্বাচন করা হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষের দিকে পটসডাম সম্মেলনে (জুলাই ১৯৪৫)।
- মার্কিন সামরিক পরিকল্পনাকারীরা এটিকে কোরিয়ায় অস্থায়ী সামরিক সীমানা হিসেবে নির্ধারণ করেছিলেন।

- উত্তরে: সোভিয়েত ইউনিয়নকে কোরিয়ার উত্তর অংশে জাপানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণ মেনে নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া।
- দক্ষিণে: মার্কিন বাহিনীকে জাপানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণ মেনে নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া।
- মূলত এই লাইনটি কোরিয়ার অস্থায়ী বিভাজন হিসেবে তৈরি করা হয়েছিল

- উত্তর কোরিয়া সোভিয়েত ইউনিয়নের অধীনে এবং দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে চলে যায়।
- ১৯৪৮ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়ার জন্ম হয়।

উৎস: Britannica.

৩৪৩.
দক্ষিণ আফ্রিকার মুদ্রার নাম কি?
  1. ক) ক্রোনার
  2. খ) পেসো
  3. গ) ক্রুজিরা
  4. ঘ) র‍্যান্ড
সঠিক উত্তর:
ঘ) র‍্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) র‍্যান্ড
ব্যাখ্যা

- দক্ষিণ আফ্রিকার মুদ্রার নাম র‍্যান্ড।
- ক্রোনা আইসল্যান্ড এবং সুইডেনের মুদ্রার নাম।
- ক্রুজিরো ব্রাজিলের পূর্বতন মুদ্রার নাম, বর্তমান মুদ্রা রিয়াল।
- পেসো হলো আর্জেন্টিনা, চিলি, কলম্বিয়া, উরুগুয়ে ও কিউবার মুদ্রার নাম।
উৎসঃ সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সরকারি ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।

৩৪৪.
কোন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় বেলফোর ঘোষণা জড়িত?
  1. পোল্যান্ড
  2. ইসরায়েল
  3. আয়ারল্যান্ড
  4. লিবিয়া
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইসরায়েল
ব্যাখ্যা

বেলফোর ঘোষণা:
- বেলফোর ঘোষণা হলো ব্রিটিশ ইহুদি সম্প্রদায়ের একজন নেতা ব্যারন রথচাইল্ডের কাছে যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্র সচিব আর্থার জেমস বেলফোরের লেখা একটি চিঠি।
- বেলফোর ঘোষণার সাথে ইহুদী রাষ্ট্র ইসরায়েল প্রতিষ্ঠা সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ নভেম্বর তৎকালীন ব্রিটেনের পররাষ্ট্র সচিব এ জে বেলফো ব্রিটিশ জায়নিষ্ঠ ফেডারেশনের সভাপতি লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- তিনি ফিলিস্তিনে একটি আলাদা রাষ্ট্র তৈরির প্রস্তাব দেন।
- ঐ চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটি বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯২২ সালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) বেলফোর ঘোষণা অনুমোদন করে।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরায়েল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
- ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিন ভূখন্ডে ইসরায়েল প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসুত্র - Britannica.com

৩৪৫.
আবু মুসা দ্বীপ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে ____ এর মধ্যে।
  1. ক) ইরান ও সৌদি আরব
  2. খ) আরব আমিরাত ও তুরস্ক
  3. গ) সৌদি আরব ও ইয়েমেন
  4. ঘ) ইরান ও আরব আমিরাত
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরান ও আরব আমিরাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরান ও আরব আমিরাত
ব্যাখ্যা
ইরানের পূর্বনাম ছিল পারস্য। ইরান ও আরব আমিরাতের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে আবু মুসা দ্বীপ নিয়ে। উৎসঃ সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সরকারি ওয়েবসাইট।
৩৪৬.
বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (GDI)-এর প্রস্তাবক কোন দেশ?
  1. ভারত
  2. চীন 
  3. জাপান
  4. রাশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন 
ব্যাখ্যা

• বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোক্তা-এর প্রস্তাবক হচ্ছে ⎯ চীন। 

বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ (জিডিআই):
- জিডিআই হচ্ছে মূলত স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে ঘিরে উন্নয়ন সহযোগিতার উদ্যোগ।
- 'বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগ' চীনের প্রস্তাবিত।
- মূলত জিডিআইতে উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগে (গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভন-জিডিআই) বাংলাদেশকে যুক্ত করতে চায় চীন।
- স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন ও দুর্যোগ মোকাবিলা, সংযুক্তির জন্য যোগাযোগ অবকাঠামোর উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতিসহ আটটি ক্ষেত্রকে অগ্রাধিকার দিয়ে জিডিআইয়ে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে শিগগিরই সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করতে চায় দেশটি।

উৎস: CGTN ও প্রথম আলো ।

৩৪৭.
CDP কতটি সূচকের ভিত্তিতে LDC এর তালিকা করে?
  1. ক) ৬টি
  2. খ) ৪টি
  3. গ) ৫টি
  4. ঘ) ৩টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৩টি
ব্যাখ্যা
• CDP ৩টি সূচকের ভিত্তিতে LDC এর তালিকা করে।

Committee for Development Policy (CDP):
- ১৯৬৫ সালে CDP প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ECOSOC) একটি সহযোগী স্বাধীন ফোরাম।
- CDP স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অনুকূলে উন্নয়ন সহযোগিতা সম্পর্কিত নীতি পরামর্শ দিয়ে থাকে।
- এর সদস্য সংখ্যা ২৪।
- এই কমিটি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় নতুন অন্তর্ভুক্তি এবং তালিকা থেকে উত্তরণ হওয়ার যোগ্যতাসম্পন্ন দেশ চিহ্নিত করে।
- তিন বছর পরপর LDC ভুক্ত দেশগুলোর ত্রিবার্ষিক মূল্যায়ন করা হয়।

LDC-তে অন্তর্ভুক্তি ও উত্তরণ:
- স্বল্পোন্নত দেশের তালিকায় অন্তর্ভুক্তি বা উত্তরণের সূচকগুলো হচ্ছে,
- মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় (GNI)।
- মানব সম্পদ সূচক (HAI) পুষ্টি, স্বাস্থ্য, স্কুলে ভর্তি ও শিক্ষার হারের সমন্বয়ে তৈরি।
- আর্থিক ভঙ্গুরতা সূচক (EVI): প্রাকৃতিক দুর্যোগ, বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক আঘাত, জনসংখ্যার পরিমাণ এবং বিশ্ববাজার থেকে একটি দেশের দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
- একটি দেশ যেকোনো দুটি সূচক অর্জন করতে পারলে LDC থেকে উত্তরণের যোগ্যতা অর্জন করে।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৩৪৮.
জিরোসাম গেম (Zero-sum game) কোন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক তত্ত্বের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. ক) বাস্তববাদ
  2. খ) উদারতাবাদ
  3. গ) গঠনবাদ
  4. ঘ) মার্ক্সবাদ
সঠিক উত্তর:
ক) বাস্তববাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাস্তববাদ
ব্যাখ্যা
জিরো সাম গেম (Zero Sum Game) হচ্ছে বিখ্যাত ‘গেম থিওরি’র একটা অংশ। এটা দিয়ে বোঝায় যেকোনো ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক পক্ষ কোনো নির্দিষ্ট জিনিস পেতে চাইলে, এক পক্ষ যে পরিমাণ সম্পদ অর্জন করবে, অন্য পক্ষ ঠিক সে পরিমাণ সম্পদ হারাবে। এতে নিট ফলাফল শূন্য হবে।
 
জিরো সাম গেমের বৈশিষ্ট্য:
১। এ ক্ষেত্রে চাহিদার তুলনায় যোগান সব সময়ই কম থাকবে।
২। সম্পদের পরিমাণ একই থাকবে। কোনো কিছুর সংযোজন বা বিয়োজন ঘটবে না।
৩। সব পক্ষের জন্যই সম্পদের নেট পরিবর্তন হবে শূন্য।  
 
=====
উদারতাবাদ (Liberalism) হচ্ছে মানুষের প্রগতি ও মুক্তির পথে সৃষ্ট বাঁধাবিপত্তি দূর করার দাবি সম্বলিত আন্দোলন। এটি হচ্ছে মানুষের মধ্যে নিহিত তার বিপুল শক্তি ও সম্ভাবনার সার্থক বিকাশ সাধন করে তাকে তার নিজ সত্ত্বায় প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস। উদারতাবাদ মানুষের রাজনৈতিক জীবনেই সীমিত নয় বরং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনকে অন্তর্ভুক্ত করে মানবতার সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তির লক্ষ্যেই পরিচালিত।

“বাস্তববাদ” (Realism) - অনুযায়ী মানুষ স্বভাবতই বিশৃঙ্খল। মানুষ যেহেতু বিশৃঙ্খল, তাই মানুষের দ্বারা সৃষ্ট যেকোন কিছুই বিশৃঙ্খল অর্থ্যাৎ, রাষ্ট্রও বিশৃঙ্খল।
- রাষ্ট্রসমূহ তাদের অস্তিত্ব ও স্বার্থরক্ষার জন্য সবসময় কোন না কোন ভাবে দ্বন্দ্বে লিপ্ত থাকে।
- বাস্তববাদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের যেকোন মূল্যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় টিকে থাকা, অর্থ্যাৎ জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে ক্ষমতার চর্চাকে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় বাস্তববাদের ব্যাপক চর্চা হচ্ছে। বিশ্বজুড়ে আমেরিকার আগ্রাসন বাস্তববাদ কেন্দ্রিক রাজনীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
 
অর্থাৎ, বাস্তববাদ (Realism) আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে জিরো-সাম গেম হিসাবে বর্ণনা করে যেখানে এক পক্ষ জিতবে এবং অন্যপক্ষ অবশ্যই হারবে।
৩৪৯.
আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন -
  1. ১৮৬২ সালে
  2. ১৮৬৩ সালে
  3. ১৮৬৪ সালে
  4. ১৮৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৬২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৬২ সালে
ব্যাখ্যা
আব্রাহাম লিংকন (১৮০৯ - ১৮৬৫):
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন আমেরিকার ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- ১৮৬১ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৮৬৫ সালের ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- গেটিসবার্গের ভাষণ (Gettysburg Address) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকনের একটি বিখ্যাত ভাষণ।
- আব্রাহাম লিংকন আমেরিকার গৃহযুদ্ধের সময় পেনসিলভানিয়ার গেটিসবার্গে এই ভাষণ দেন।
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর ভাষণটি দিতে তাঁর লেগেছিল তিন মিনিটেরও কম সময়।
- ১৮৬২ সালের ২২ সেপ্টেম্বর আব্রাহাম লিংকন দাস প্রথা বিলুপ্তির ঘোষণা দেন।
- এ লক্ষে ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ তিনি Emancipation Proclamation এ স্বাক্ষর করেন।
- পরবর্তীতে সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী কার্যকরের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সাংবিধানিকভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে দাস প্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- ১৮৬১ সাল থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কনফেডারেট ও ইউনিয়নিস্টদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ সংঘটিত হয় যা মার্কিন গৃহযুদ্ধ নামে পরিচিত। তখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
৩৫০.
১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে-
  1. ২০০ নটিকেল মাইল
  2. ৩০০ নটিকেল মাইল
  3. ৩৫০ নটিকেল মাইল
  4. ৪৫০ নটিকেল মাইল
সঠিক উত্তর:
৩৫০ নটিকেল মাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫০ নটিকেল মাইল
ব্যাখ্যা
• ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন সংক্রান্ত কনভেনশন অনুযায়ী একটি উপকূলীয় রাষ্ট্রের মহীসোপানের (Continental Shelf) সীমা হবে ভিত্তি রেখা হতে ৩৫০ নটিক্যাল মাইল।

- অর্থনৈতিক সীমারেখার দৈর্ঘ্য - ২০০ নটিক্যাল মাইল।
- একটি রাষ্ট্রের রাজনৈতিক সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
----------------- 
UNCLOS:
- UNCLOS-এর পূর্ণরূপ: United Nations Convention on the Law of the Sea.
- UNCLOS জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সমুদ্র বিষয়ক আইন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- কার্যকর হয়: ১৯৯৪ সালে।
- মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসােপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলাে এ চুক্তির মূল বিষয়।

Source: britannica.com, UN ওয়েবসাইট।
৩৫১.
উই রিভার চুক্তিকে বলা হয় -
  1. ক) ভূমির বিনিময়ে চুক্তি
  2. খ) বন্দি বিনিময় চুক্তি
  3. গ) নদীর সীমানা চিহ্নিত চুক্তি
  4. ঘ) যুদ্ধ বিরতি চুক্তি
সঠিক উত্তর:
ক) ভূমির বিনিময়ে চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ভূমির বিনিময়ে চুক্তি
ব্যাখ্যা
• উই রিভার চুক্তি, ১৯৯৮:
- উই রিভার চুক্তিকে বলা হচ্ছে ভূমির বিনিময়ে চুক্তি
- ১৯৯৮ সালে দীর্ঘ ১৯ মাসের অচলাবস্থার অবসান করে ওয়াশিংটনের অদূরে একটি স্থানে ওই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।
- সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন ও জর্দানের প্রয়াত বাদশা হোসেনও ওই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিলেন।

• চুক্তির উল্লেখযোগ্য দিকগুলো হচ্ছে—
(১) ইসরাইল অধিকৃত আরব এলাকা পশ্চিম তীরের ১৩ শতাংশ এলাকা ফিলিস্তিনিদের হাতে অর্পণ ও ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের মাঝে ৩ শতাংশ এলাকা ‘সবুজ বেষ্টনী' অথবা সংরক্ষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা করবে। ওই সবুজ বেষ্টনীতে বসবাসকারী ইসরাইলিদের নিরাপত্তা ও সন্ত্রাস দমনের বিষয়টি ইসরাইল কর্তৃপক্ষের হাতে ন্যস্ত থাকবে;
(২) সন্ত্রাস দমনের ব্যপারে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে এবং নিজ নিজ বিচারব্যবস্থা অনুযায়ী সন্ত্রাসীদের বিচার করা হবে এবং ইহুদি ও ফিলিস্তিনিদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি দুই সপ্তাহ অন্তর সন্ত্রাস দমনে গৃহীত পদক্ষেপগুলো পর্যালোচনা করবে;
(৩) ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ সকল প্রকার সহিংসতা ও সন্ত্রাসী তৎপরতা নিষিদ্ধ ঘোষণা করে একটি ডিগ্রি জারি করবে;
(৪) 'নিরাপত্তা সহযোগিতা' প্রশ্নে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ ও প্রশিক্ষক বিনিময়সহ অব্যাহতভাবে উভয়পক্ষ ব্যাপক দ্বি-পাক্ষিক কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৩৫২.
'Dollar Diplomacy' কোন দেশের কূটনৈতিক কৌশল? 
  1. চীন
  2. স্পেন
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
ডলার ডিপ্লোমেসি:
- এটি যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক কৌশল। 
- কোন দেশের ব্যবসায়িক ও অর্থনৈতিক স্বার্থকে আধিপত্য দিয়ে অন্য দেশের উপর প্রভাব বিস্তার এবং নিজ উদ্দেশ্য হাসিলের অন্যতম কূটনৈতিক পদ্ধতি 'ডলার ডিপ্লোমেসি'।
- এই নীতিমালাটির প্রথম ব্যবহারিক প্রচলন করেন ২৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম টাফট এবং তার প্রশাসন।
- পরবর্তীতে ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন আগ্রাসী এই নীতি থেকে সরে আসেন।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০টি।
- সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য - হাওয়াই।
- আইনসভা - কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট- জো বাইডেন (৪৬ তম)।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় কোন দেশ - ফ্রান্স।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম - আব্রাহাম লিংকন।
- আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের - ১৬তম প্রেসিডেন্ট।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যে প্রেসিডেন্ট কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি - জর্জ ওয়াশিংটন।

সূত্র - Britannica.com
৩৫৩.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধান প্রণীত হয় -
  1. ১৭৮৯ সালে
  2. ১৭৮২ সালে
  3. ১৭৭৯ সালে
  4. ১৭৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৭৮৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭৮৯ সালে
ব্যাখ্যা
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান বিশ্বের একটি অন্যতম প্রধান শক্তিশালী রাষ্ট্র। 
- যুক্তরাষ্ট্রের পূর্বদিকে রয়েছে আটলান্টিক মহাসাগর, পশ্চিমে প্রশান্ত মহাসাগর, উত্তরে কানাডা এবং দক্ষিণে মেক্সিকো ও মেক্সিকো উপসাগর।
- তেরটি উপনিবেশের ৫৫ জন প্রতিনিধ ১৭৭৬ সালের ৪ঠা জুলাই ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সর্বসম্মতভাবে গ্রহণ করে। 
- ১৭৮৭ সালের মার্কিন সংবিধানের উৎসরূপে গৃহীত হয়।
- সমবায়ী ১৩টি রাষ্ট্রের মধ্যে বিশেষত বানিজ্যিক স্বার্থের সংঘাত ক্রমশ প্রকট হয়ে উঠে।
- এ প্রেক্ষিতে রাষ্ট্র সমবায়ের দুর্বলতা দূর করার জন্য সংশোধনের প্রয়োজন দেখা দেয়।
- একটি সম্মেলন আহ্বানের মাধ্যমে আলেকজান্ডার হ্যামিলটনের যথার্থ প্রচেষ্টায় ১৭৮৭ সালে কংগ্রেসের নিকট আবেদন পেশ করা হয়।
- যার পরিপ্রেক্ষিতে ১৭৮৯ সালে নতুন সংবিধান প্রণীত হয়।

সূত্র: রাষ্ট্রবিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্তবিশ্ববিদ্যালয় ও হোয়াইট হাউজ ওয়েবসাইট (লিঙ্ক)।
৩৫৪.
পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ কোন মহাসাগরের গভীরতম স্থান?
  1. ক) দক্ষিণ মহাসাগর
  2. খ) ভারত মহাসাগর
  3. গ) আটলান্টিক মহাসাগর
  4. ঘ) প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
গ) আটলান্টিক মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) আটলান্টিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা
মহাসাগরগুলোর গভীরতম স্থান
• প্রশান্ত মহাসাগর - মারিয়ানা ট্রেঞ্চ  এর গভীরতা ১০,৯২০ মিটার বা ৩৫,৮২৭ ফুট।
আটলান্টিক মহাসাগর - পুয়ের্তো রিকো ট্রেঞ্চ এর গভীরতা ৯,২১৮ মিটার বা ৩০,২৪৬ ফুট।
• ভারত মহাসাগর - দিয়ামান্টিনা (জাভা) ট্রেঞ্চ এর গভীরতা ৭,৪৫৫ মিটার বা ২৪,৪৬০ ফুট।
• দক্ষিণ মহাসাগর - সাউথ স্যান্ডোইচ ট্রেঞ্চ এর গভীরতা ৭,২৩৫ মিটার বা ২৩,৭৩৭ ফুট।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩৫৫.
কোন দেশের নারীরা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. ফিনল্যান্ড
  3. নিউজিল্যান্ড
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা
- বিশ্বে সর্বপ্রথম ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।

পরবর্তীতে,
- ১৯০২ সালে - অস্ট্রেলিয়া,
- ১৯০৬ সালে - ফিনল্যান্ড এবং
- ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- যুক্তরাজ্যের নারীরা ১৯১৮ সালে প্রথম শর্ত সাপেক্ষে এবং ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে। ১৯৩০ সালে তুর্কি নারীরা এবং ১৯৪৯ সালে আরববিশ্বে প্রথম সিরিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে যথাক্রমে ১৯৪৭, ১৯৫০ এবং ১৯৭২ সালে।

সূত্র: Ministry for Women New Zealand (link)  ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়ন ওয়েবসাইট.
৩৫৬.
ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত এর আনুষ্ঠানিক অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে যোগদানের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান/সরকার প্রধানগণ কোথায় মিলিত হন?
  1. ক) রামাল্লা
  2. খ) প্যারিস
  3. গ) কায়রো
  4. ঘ) জেরুজালেম
সঠিক উত্তর:
গ) কায়রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কায়রো
ব্যাখ্যা
- ফিলিস্তনের প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত - ১১ নভেম্বর ২০০৪ প্যারিসের পার্সি সামরিক হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন।
- ইসরাইলের নিষেধাজ্ঞার কারণে তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয় মিশরের কায়রোতে এবং সেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানগণ অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। অনুষ্ঠান শেষে তাকে রামাল্লায় দাফন করা হয়।
- ইয়াসির আরাফাত ৭৫ বছর বয়সে মারা যান।

উৎস: BBC বাংলা নিউজ 
৩৫৭.
কোন দেশের উদ্যোগে ওয়ারশ প্যাক্ট স্বাক্ষরিত হয়েছিলো?
  1. জার্মানি
  2. সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
- ওয়ারশ প্যাক্ট (Warsaw Pact-Warsaw Treaty of Friendship, Cooperation, and Mutual Assistance) হলো স্নায়ুযুদ্ধের সময়ে ১৯৫৫ সালের ১৪ মে সোভিয়েত ইউনিয়নের নেতৃত্বে পূর্ব ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি সামরিক চুক্তি।
- ন্যাটো জোটের পাল্টা জোট হিসেবে এটি গঠিত হয়।
এই চুক্তির অংশীদার দেশগুলো ছিলো:
- সোভিয়েত ইউনিয়ন
- আলবেনিয়া
- বুলগেরিয়া
- পূর্ব জার্মানি
- হাঙ্গেরি
- পোল্যান্ড
- রোমানিয়া এবং
- চেকোশ্লোভাকিয়া।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের ফলে ওয়ারশ প্যাক্টেরও বিলুপ্তি ঘটে।
(তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা)
৩৫৮.
১২ নং ডাউনিং স্ট্রিট কী?
  1. ক) ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদরদপ্তর
  2. খ) ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন
  3. গ) ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়
  4. ঘ) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিস
ব্যাখ্যা
• ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে বলা হয় 'হোয়াইট  হল'।
• যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন 'হোয়াইট হাউজ'
• ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন 'বাকিংহাম প্যালেস'
• ৯ নং ডাউনিং স্ট্রিট: বৃটেনের আইনসভার চিফ হুইপ এর কার্যালয়।
• যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়ের নাম ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট’
• ১১ নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়।
• ১২ নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিস।

তথ্যসূত্র: যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট।
৩৫৯.
যুক্তরাজ্যের এপসম কেন বিখ্যাত?
  1. ক্রিকেটের জন্য
  2. লন টেনিসের জন্য
  3. ফুটবলের জন্য
  4. ঘোড়াদৌড়ের জন্য
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াদৌড়ের জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াদৌড়ের জন্য
ব্যাখ্যা
যুক্তরাজ্য:
- সরকার ব্যবস্থা: সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
- সংবিধান: অলিখিত।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী: রবার্ট ওয়ালপল।
- প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী: মার্গারেট থ্যাচার।
- যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী উইনস্টোন চার্চিল রাজনীতিবিদ হয়েও সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারী বাসভবন: ১০ নং ডাইনিং স্ট্রিট।
- রাষ্ট্র প্রধান: রানি বা রাজা।
- বর্তমান রাষ্ট্রপ্রধান: রাজা তৃতীয় চার্লস।

উল্লেখ্য,
- যুক্তরাজ্যের এপসম প্রাচীন ঘৌড় দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য বিখ্যাত।

উৎস: Britannica.
৩৬০.
হরমুজ প্রণালী কোন দুটি দেশকে ভৌগোলিকভাবে বিভক্ত করে?
  1. ইরাক ও কুয়েত
  2. ইরান ও ওমান
  3. সৌদি আরব ও কাতার
  4. বাহরাইন ও ইরান
সঠিক উত্তর:
ইরান ও ওমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান ও ওমান
ব্যাখ্যা
• হরমুজ প্রণালী: 
- উত্তরে: ইরান
- দক্ষণে: ওমান এর Musandam Exclave অঞ্চল,
- যা ওমানের মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন)।
- বিভক্ত দেশ: ইরান ও ওমান।
- সংযুক্ত সাগর: পার্সিয়ান উপসাগর ও ওমান উপসাগর।
- এটি বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম জাহাজ চলাচলের পথ,
- যেখানে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল করে।
- বিশ্বের প্রায় ২০% জ্বালানিবাহী তেল এই প্রণালী দিয়ে রপ্তানি হয়, যা মূলত:
- সৌদি আরব, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে আসে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৩৬১.
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পূর্ব- পশ্চিম দ্বন্ধের ফলে সৃষ্ট পূর্বের অর্থনৈতিক জোটটির নাম ছিল?
  1. ক) কমিন্টার্ন
  2. খ) কমেকন
  3. গ) কমিনফর্ম
  4. ঘ) কলিম্পোন
সঠিক উত্তর:
খ) কমেকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কমেকন
ব্যাখ্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পূর্ব- পশ্চিম দ্বন্ধের ফলে সৃষ্ট পূর্বের অর্থনৈতিক জোট - কমেকন।

• COMECON:
- COMECON এর পূর্ণরূপ Council for Mutual Economic Assistance.
- সোভিয়েত ব্লকের অন্তর্গত পূর্ব ইউরোপীয় দেশগুলির অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধার্থে এবং সমন্বয় করার জন্য ১৯৪৯ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত সংস্থা। 
- প্রতিষ্ঠাতা দেশ -পোল্যান্ড এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- পরবর্তীতে পূর্ব জার্মানি , আলবেনিয়া, উত্তর কোরিয়া, উত্তর ভিয়েতনাম সদস্য হিসেবে যোগদান করে।
- সংগঠনটি ১৯৪৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত টিকে ছিল।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৬২.
৪৭তম জি-৭ সামিট কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. বোর্দেক্স, ফ্রান্স
  2. কর্নওয়াল, ব্রিটেন
  3. হ্যালিফ্যাক্স, কানাডা
  4. মেইঞ্জ, জার্মানি
সঠিক উত্তর:
কর্নওয়াল, ব্রিটেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্নওয়াল, ব্রিটেন
ব্যাখ্যা
- ২০২১ সালের ১১-১৩ জুন ব্রিটেনের কর্নওয়াল শহরের কার্বি বে তে ৪৭তম জি-৭ সামিট অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এতে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, কানাডা, ইতালি ও জাপান ছাড়াও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং অতিথি হিসেবে ভারত, অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকা অংশগ্রহণ করবে।
- জি-৭ সেভেন হলো বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের অর্থনৈতিক ফোরাম।

(তথ্যসূত্র: ইউকে গভর্নমেন্ট এবং জি-৭ ওয়েবসাইট)
৩৬৩.
কোন ঘটনাটি আগে ঘটেছিল?
  1. ক) জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা
  2. খ) চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব
  3. গ) ভারতের স্বাধীনতা লাভ
  4. ঘ) রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লব
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লব
ব্যাখ্যা
রাশিয়ার বলশেভিক বিপ্লব সংঘটিত হয় ১৯১৭ সালে, চীনের সাংস্কৃতিক বিপ্লব শুরু হয় ১৯৬৬ সালে, ভারত স্বাধীনতা লাভ করে ১৯৪৭ সালে এবং আর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৫ সালে।
৩৬৪.
How many countries are currently members of BIMSTEC?
  1. ক) 6
  2. খ) 7
  3. গ) 8
  4. ঘ) 9
সঠিক উত্তর:
খ) 7
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) 7
ব্যাখ্যা
(BIMSTEC) The Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation 
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে-৬ জুন, ১৯৯৭ সালে।
- আঞ্চলিক গ্রুপের মূল লক্ষ্য ছিল বঙ্গোপসাগরের সীমান্তবর্তী দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রচার।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য-৪ টি (বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড)।
- বর্তমান সদস্য ৭ টি (বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মায়ানমার, ভূটান, নেপাল)।
- মায়ানমার যোগ দেয়- ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে।
- ভূটান ও নেপাল যোগ দেয়-ফেব্রুয়ারি, ২০০৪ সালে।
- প্রথমে এর নাম ছিল-BIST-EC (Bangladesh-India-Sri Lanka-Thailand Economic Cooperation)
- বর্তমান নাম-(BIMSTEC
- ০৬ জুন ১৯৯৭ তারিখে, বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা এবং থাইল্যান্ড সরকারের প্রতিনিধিরা ব্যাংককে একত্রিত হন এবং 'বাংলাদেশ-ভারত-শ্রীলঙ্কা-থাইল্যান্ড অর্থনৈতিক সহযোগিতা (BIST-EC) প্রতিষ্ঠার ঘোষণাপত্রে' স্বাক্ষর করেন।
- বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী।
- বর্তমান মহাসচিব - জনাব তেনজিন লেকফেল ০৬ নভেম্বর ২০২০-এ BIMSTEC-এর মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি হলেন BIMSTEC-এর তৃতীয় মহাসচিব।

তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (BIMSTEC)
৩৬৫.
ম্যাকাও কোন দেশের কলোনি ছিল?
  1. ক) পর্তুগিজ
  2. খ) স্পেন
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) ফ্রান্স
সঠিক উত্তর:
ক) পর্তুগিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা
ম্যাকাও ১৫৫৭ থেকে ১৯৯৯ সাল পর্যন্ত পর্তুগিজদের দখলে ছিল। ১৯৯৯ সালে চীনের নিকট হস্তান্তর করে। উৎসঃ চীনের সরকারি ওয়েবসাইট।
৩৬৬.
বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক ফেডারেশন-রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে -
  1. ক) ১৯৯২
  2. খ) ১৯৯১
  3. গ) ১৯৯৩
  4. ঘ) ১৯৯৪
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৯৯১
ব্যাখ্যা
১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক ফেডারেশন-রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ঘটে এবং বৃহৎ রাষ্ট্রটির ভূমি বিভিন্ন ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে।
• ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনে ১৫টি নতুন প্রজাতন্ত্র গঠিত হয়। এগুলো হলো: রাশিয়া, জর্জিয়া, ইউক্রেন, মলদোভা, বেলারুশ,আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান, কিরগিজিস্তান, তাজিকিস্তান, ইস্তোনিয়া, লাতভিয়া, লিথুয়ানিয়া। 

তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা। 
৩৬৭.
কোন দুটি দেশের মধ্যে শাত-ইল-আরব জলপথকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ সংঘটিত হয়?
  1. ক) সৌদি আরব-ইয়েমেন
  2. খ) বাহরাইন-ইরান
  3. গ) ইরাক-কুয়েত
  4. ঘ) ইরাক-ইরান
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরাক-ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইরাক-ইরান
ব্যাখ্যা
‘শাত-ইল-আরব’: 
-  এই জলপথের অবস্থান পারস্য উপসাগরে।
- এর মালিকানা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে ইরাক ও ইরানের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে। 
- ১৯৮০-১৯৮৮ সাল পর্যন্ত শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ চলে।
- তাঁর আগে, শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এতে ইরানের পক্ষে রেজা শাহ পাহলভী এবং ইরাকের তৎকালীন ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন স্বাক্ষর করেন।
- তবে চুক্তি স্বাক্ষরের পাঁচ বছরের মাথায় দেশ দুটি শাত-ইল আরবকে কেন্দ্র করে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- চুক্তির বিষয়বস্তু ছিল শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে ইরাক ও ইরানের মধ্যে মীমাংসা।

তথ্যসূত্র: হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
৩৬৮.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে একজন প্রার্থীকে নির্বাচিত হতে কমপক্ষে কতটি ইলেকটোরাল কলেজের ভোট প্রয়োজন?
  1. ২৭০টি
  2. ৩০০টি
  3. ৩২০টি
  4. ২৫০টি
সঠিক উত্তর:
২৭০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৭০টি
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে একজন প্রার্থীকে নির্বাচিত হতে কমপক্ষে  ২৭০টি ইলেকটোরাল কলেজের ভোট পেতে হয়।

• ইলেক্টোরাল কলেজ
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি এবং সহ-রাষ্ট্রপতি কে নির্বাচিত হবেন তা ইলেক্টোরাল কলেজ নির্ধারণ করে। 
- ইলেক্টোরাল কলেজ কোনও বাস্তব স্থান নয়। এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যার মধ্যে রয়েছে:

- অন্যান্য মার্কিন নির্বাচনে, প্রার্থীরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
- কিন্তু রাষ্ট্রপতি এবং উপরাষ্ট্রপতি সরাসরি নাগরিকদের দ্বারা নির্বাচিত হন না। বরং, তারা ইলেক্টোরাল কলেজ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্বাচিত হন।

- ইলেক্টোরাল কলেজের মোট ভোটের সংখ্যা ৫৩৮টি।
- মাইন ও নেব্রাসকা এই দুটো অঙ্গরাজ্য বাদে বাকি সবগুলো রাজ্যের ইলেকটোরাল ভোট যোগ দিলে যে প্রার্থী ২৭০টি বা তারও বেশি ভোট পাবেন তিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবেন।
- প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের বেশ কয়েকটি করে ইলেক্টোরাল ভোট থাকে, যা ওই অঙ্গরাজ্যের জনসংখ্যার মোটামুটিভাবে সমানুপাতিক হয়।
- ক্যালিফোর্নিয়া অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক ৫৪টি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট রয়েছে।

উৎস: যুক্তরাষ্ট্র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো।

৩৬৯.
কাকে আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক বলা হয়?
  1. জুলিয়াস নায়ারে
  2. ডেভিড বেন গুয়েরিন
  3. হালিমা ইয়াকুব
  4. লি কুয়ান ইউ
সঠিক উত্তর:
লি কুয়ান ইউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লি কুয়ান ইউ
ব্যাখ্যা
- আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক লি কুয়ান ইউ।

সিঙ্গাপুর:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ধনী নগররাষ্ট্র সিঙ্গাপুর। 
- সিঙ্গাপুরের রাজধানী: সিঙ্গাপুর সিটি।
- সিঙ্গাপুরের মুদ্রা: সিঙ্গাপুরীয় ডলার।

উল্লেখ্য,
- আধুনিক সিঙ্গাপুরের জনক হলেন লি কুয়ান ইউ।
- লি কুয়ান ইউ ১৯৫৯ সালের জুন মাসে সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী হন।
- তিনি ১৯৫৯ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
- তাঁর দীর্ঘ শাসনামলে , সিঙ্গাপুর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সবচেয়ে সমৃদ্ধ দেশ হয়ে ওঠে।

এছাড়াও,
- সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল।
- ১৯৫৯ সালে সিঙ্গাপুর স্ব-শাসিত হয়ে ওঠে।
- ১৯৬৩ সালে লি কুয়ান ইউ মালয়েশিয়ার সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ফেডারেশন গঠন করেন, যা ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত স্থায়ী হয়।
- ১৯৬৫ সালে মালয়েশিয়ার কাছ থেকে স্বাধীন হয় সিঙ্গাপুর। 
- ৯ আগস্ট, ১৯৬৫ সালে একটি স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- দেশটির নতুন নাম হয় 'রিপাবলিক অব সিঙ্গাপুর'।
- ১৯৯০ সালে সিঙ্গাপুরের প্রতিষ্ঠাতা প্রধানমন্ত্রী লি কুয়ান ইউ পদত্যাগ করেন।
- সিঙ্গাপুরে প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট: হালিমা ইয়াকুব।

উৎস: Britannica.
৩৭০.
নিচের কোন দেশ 'Horn of Africa'- এর অংশ নয়?
  1. সোমালিয়া
  2. ইরিত্রিয়া
  3. কেনিয়া
  4. জিবুতি
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
ব্যাখ্যা
Horn of Africa
- আফ্রিকার হর্ন বলতে পূর্ব আফ্রিকার অঞ্চল বোঝানো হয়।
- এর অংশগুলো হলো জিবুতি, ইরিথ্রিয়া, ইথিওপিয়া এবং সোমালিয়া দেশগুলির আবাসস্থল।
- হর্ন অফ আফ্রিকা অঞ্চলের একটি অংশ সোমালি উপদ্বীপ নামেও পরিচিত।
- হর্নে ইথিওপিয়ান মালভূমির উচ্চভূমি, ওগাডেন মরুভূমি এবং ইরিথ্রিয়ান, এবং সোমালিয়ান উপকূলের মতো বিভিন্ন অঞ্চল রয়েছে এবং এটি আমহারা, টাইগ্রে, ওরোমো এবং সোমালি জনগণের আবাসস্থল।
- এর উপকূল লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর দ্বারা ঘেরা।
- এটি দীর্ঘদিন ধরে আরব উপদ্বীপ এবং দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ার সাথে যোগাযোগ করেছে। 

অন্যদিকে -
- কেনিয়া পূর্ব আফ্রিকার একটি প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্র এবং কমনওয়েলথ অব নেশনসের সদস্য। 

উৎস: Britannica.
৩৭১.
'ভাইমার প্রজাতন্ত্র' কোন দেশের ইতিহাসের সাথে জড়িত?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. রাশিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জার্মানি
ব্যাখ্যা
• চ্যান্সেলর অটো ফন বিসমার্ক জার্মান সাম্রাজ্যের একত্রীকরণ ঘটিয়েছিলেন ১৮৭১ সালের ১৮ জানুয়ারি।
- তিনি গণতন্ত্রের পথে না গিয়ে সংসদীয় প্রথা ভেঙে শক্তিশালী রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন। 
- এরপর আসে ভাইমার রিপাবলিক।
- জার্মান জাতির ইতিহাসে ভাইমার প্রজাতন্ত্রের গঠন একটি উল্লেখযোগ্য দিক।
- এই প্রজাতন্ত্র ১৯১৮ থেকে ১৯৩৩ সাল পর্যন্ত টিকেছিলো। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পরেও ভার্সাই চুক্তির কারণে জার্মান প্রগতিবাদীরা ভাইমার প্রজাতন্ত্র গঠনে সক্ষম হয়েছিলেন।
- ভাইমারে ১৯১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় পার্লামেন্টের অধিবেশন ডাকা হয়।
- ১৯১৯ সালের ৩১ জুলাই রচিত হয় সংবিধান।
- ১৯২০ সালে জাতীয় পার্লামেন্ট বার্লিন ফিরে যায়।
- ভাইমার প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট ফ্রিডরিশ এবার্ট ১৯২৫ সাল পর্যন্ত আমৃত্যু তাঁর পদে বহাল ছিলেন। 
-  এবার্টের পর সাবেক ফিল্ড মার্শাল হিন্ডেনবুর্গ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৩৩ সালে ফিল্ড মার্শাল হিন্ডেনবুর্গের হাত ধরেই অ্যাডলফ হিটলার ক্ষমতায় আসেন। 
- হিটলার ক্ষমতায় আসার পর জার্মানসহ ইউরোপজুড়ে শুরু হয়ে যায় ফ্যাসিবাদী তাণ্ডব।
- একপর্যায়ে বেধে যায় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ।
- ৯৪৫ সালের ৮ মে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে পরাজিত জার্মান জাতি ও দেশ বিভক্ত হয় পূর্ব আর পশ্চিমে সমাজতান্ত্রিক আর পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক সামাজিক ব্যবস্থায়।

সূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।
৩৭২.
নিচের কোন দেশের সাথে ইজরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই?
  1. ক) সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. খ) মিশর
  3. গ) ইউক্রেন
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
• ইজরাইলের কূটনৈতিক সম্পর্ক:
- কূটনীতি (Diplomacy) হচ্ছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিদ্যার একটি শাখা যেখানে রাষ্ট্র ও রাষ্ট্র সম্পর্কিত প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে পারস্পরিক চুক্তি বা আলোচনা সর্ম্পকিত   কলা কৌশল অধ্যয়ন করা হয়।
- সাধারন অর্থে কূটনীতি হচ্ছে কোন রাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে পরিচালিত সরকারি কার্যক্রম।
- যে সকল দেশের সাথে ইজরাইলের সাথে কূটনৈতিক সর্ম্পক নেই সেগুলো হলো:
- ইন্দোনেশিয়া, ইরাক, ইরান, আলজেরিয়া, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ব্রুনাই, জিবুতি, মালদ্বীপ, ভেনিজুয়েলা, কুয়েত, লেবানন, লিবিয়া, মৌরিতানিয়া, মালি, মালেশিয়া, নাইজার, সুদান, সোমালিয়া, সিরিয়া, সৌদি আরব, ওমান, পাকিস্তান, উত্তর কোরিয়া, কিউবা, কোমোরোস, কাতার, তিউনিশিয়া, ইয়েমেন। 

উৎস: ইজরাইলের সরকারী ওয়েবসাইট।
৩৭৩.
সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেন কে?
  1. আনোয়ার সাদাত
  2. গামাল আবদেল নাসের
  3. হোসনি মুবারক
  4. মোহাম্মদ নাজিব
সঠিক উত্তর:
গামাল আবদেল নাসের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গামাল আবদেল নাসের
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল,
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- ১৮৬৯ সালে খালটির নির্মাণ কাজ হয়।
- এর নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৮৫৯ সাল।
- বর্তমানে খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।
- ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন।

উল্লেখ্য
- এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরাইল, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সঙ্গে মিশরের যুদ্ধ বাধে, যা 'দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ' বা 'সুয়েজ যুদ্ধ' নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica ও বিবিসি নিউজ।
৩৭৪.
স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?
  1. জওহরলাল নেহরু
  2. রাজেন্দ্র প্রসাদ
  3. লাল বাহাদুর শাস্ত্রী
  4. এ পি জে আব্দুল কালাম
সঠিক উত্তর:
জওহরলাল নেহরু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জওহরলাল নেহরু
ব্যাখ্যা
• জওহরলাল নেহরু:
- জওহরলাল নেহরু ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রভাবশালী নেতা এবং মহাত্মা গান্ধীর রাজনৈতিক উত্তরাধিকারী।
- ১৯৪৭ সালে স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তিনি।
- ১৯৪৭ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত আমৃত্যু প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করে গেছেন তিনি।
- নেহরু ছিলেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের অন্যতম প্রধান নেতা।
- আন্দোলনের মূল ধারায় দেশের বুদ্ধিজীবী ও যুবকদের আকৃষ্ট করেছিলেন তিনি।
- এ ছাড়া ১৯৩০ ও ১৯৪০–এর দশকে ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান নেতার ভূমিকাও পালন করেছেন নেহরু।

সূত্র: প্রথম আলো। 
৩৭৫.
তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন -
  1. বাবর ‍মুখতার
  2. মোস্তফা কামাল পাশা
  3. জামাল আবদেল নাসের
  4. হাফিজ আল আসাদ
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা কামাল পাশা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোস্তফা কামাল পাশা
ব্যাখ্যা
• মোস্তফা কামাল পাশা:
- আধুনিক তুরস্কের জনক খ্যাত মোস্তফা কামাল পাশা বা কামাল আতাতুর্ক
- ১৯২৩ সালে তুরস্কের ওসমানীয় খেলাফত বিলুপ্ত করে তুরস্ককে প্রজাতন্ত্র হিসেবে ঘোষণা করেন।
- একই সময়ে তিনি তুরস্ককে একটি আধুনিক মনস্ক রাষ্ট্রে পরিণত করতে ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেন।
- এর অংশ হিসেবে ধর্ম পালনের উপর বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ‍তুরস্কের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব দেন- কামাল পাশা।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
৩৭৬.
সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য নয়-
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) পাকিস্তান
  3. গ) উজবেকিস্তান
  4. ঘ) কিরগিজস্তান
সঠিক উত্তর:
খ) পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
২০০১ সালের ১৫ জুন সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা গঠিত হয়। এর বর্তমান সদস্য ৮টি দেশ। এগুলো হলো: চীন, রাশিয়া, উজবেকিস্তান, কাজাকিস্তান, তাজিকিস্তান এবং কিরগিজস্তান, ভারত ও পাকিস্তান। এর মধ্যে প্রথম ৬টি প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য। পর্যবেক্ষক ৪টি (ইরান, আফগানিস্তান, বেলারুশ ও মঙ্গোলিয়া) এবং ডায়ালগ পার্টনার ৬টি (আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, তুরস্ক, শ্রীলংকা, কম্বোডিয়া এবং নেপাল)। এর সদর দপ্তর চীনের বেইজিংয়ে অবস্থিত।
[সূত্র: সাংহাই সহযোগিতা সংস্থা ওয়েবসাইট]
৩৭৭.
ন্যাটোর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি? (মার্চ, ২০২৬)
  1. ৩০টি
  2. ৩১টি
  3. ৩২টি
  4. ৩৩টি
সঠিক উত্তর:
৩২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২টি
ব্যাখ্যা

ন্যাটো:
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট।
- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ১৯৪৯ সাল।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।
- তিনি ১৪তম মহাসচিব।
- দায়িত্ব গ্রহণ করেন: ১ অক্টোবর ২০২৪।
- তিনি নেদারল্যান্ডসের নাগরিক।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- ন্যাটোতে যোগদানকারী মুসলিম দেশ: তুরস্ক ও আলবেনিয়া।
- তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে।
- সর্বশেষ সদস্য: সুইডেন।
- সুইডেন ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে ২০২৪ সালে।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩৭৮.
Inter-parliamentary Alliance on China (IPAC) এর সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ক) ৪ টি
  2. খ) ৬ টি
  3. গ) ৮ টি
  4. ঘ) ১১ টি
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৮ টি
ব্যাখ্যা
৫ জুন ২০২০ বিশ্বের আট দেশের আইন প্রণেতারা গঠন করেন Inter-parliamentary Alliance on China (IPAC) নামে একটি জোট। বৈশ্বিক বাণিজ্য, নিরাপত্তা ও মানবাধিকার ইস্যুতে চীনের উদীয়মান প্রভাব কমাতে এটি গঠন করা হয়। জোটের সদস্য দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, জার্মানি, অস্টড়েলিয়া, নরওয়ে ও সুইডেন। এই জোটের নেতৃত্বে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সারাবিশ্বে কীভাবে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ল, সেটিও খতিয়ে দেখবে IPAC.
[সূত্রঃ লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, জুলাই ২০২০]
৩৭৯.
নিচের কোন দেশ Developing Countries Trading Scheme (DCTS) নামে নতুন বাণিজ্য নীতি ঘোষণা করে?
  1. ক) নরওয়ে 
  2. খ) অস্ট্রেলিয়া
  3. গ) যুক্তরাজ্য
  4. ঘ) চীন 
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) যুক্তরাজ্য
ব্যাখ্যা
⇒ Developing Countries Trading Scheme (DCTS) নামে নতুন বাণিজ্য নীতি ঘোষণা করে যুক্তরাজ্য।
⇒ বাংলাদেশ ২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তীর্ণ হওয়ার পরও তৈরি পোশাকসহ ৯৮ শতাংশ পণ্য শুল্কমুক্তভাবে যুক্তরাজ্যে রপ্তানি করতে পারবে।
⇒ এই স্কিমের আওতায় অস্ত্র ছাড়া অন্য সব পণ্যে যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের শুল্কমুক্ত রপ্তানি সুবিধা অব্যাহত থাকবে।
⇒  Developing Countries Trading Scheme (DCTS) নামে নতুন বাণিজ্য নীতিতে বাংলাদেশসহ  বিশ্বের ৬৫টি উন্নয়নশীল দেশ শুল্ক হ্রাস এবং সহজতর রপ্তানি সুবিধা পাবে।
উৎস:- Live MCQ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর ২০২ এবং কালেরকণ্ঠ ।
৩৮০.
কে ‘লৌহ মানবী‘ বলে পরিচিত?
  1. ইন্ধিরা গান্ধী
  2. মার্গারেট থ্যাচার
  3. আং সান সুচী
  4. বেনজির ভুট্রো
সঠিক উত্তর:
মার্গারেট থ্যাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মার্গারেট থ্যাচার
ব্যাখ্যা
• মার্গারেট থ্যাচার:
- মার্গারেট থ্যাচার ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
- লৌহ মানবী বলে পরিচিত — মার্গারেট থ্যাচার।
- মৃত্যুবরণ করেন — ৮ এপ্রিল, ২০১৩
- ১৯২৫ সালের ১৩ই অক্টোবরে লিংকনশায়ারে জন্ম নেন মার্গারেট থ্যাচার।
- ১৯৭৯-১৯৯০ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মার্গারেট থ্যাচার।
- একাধারে ১৯৭৯, ১৯৮৩ এবং ১৯৮৭ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হন মার্গারেট থ্যাচার।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ।
৩৮১.
চীনের সাথে মোট কয়টি দেশের স্থল সীমান্ত আছে?
  1. ১০টি
  2. ১২টি
  3. ১৩টি
  4. ১৪টি
সঠিক উত্তর:
১৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪টি
ব্যাখ্যা
- চীনের সাথে ১৪টি দেশের স্থল সীমান্ত আছে।

• দেশগুলি হলো:
→ Afghanistan,
→ Bhutan,
→ India,
→ Kazakhstan,
→ North Korea,
→ Kyrgyzstan,
→ Laos,
→ Mongolia,
→ Myanmar (Burma),
→ Nepal,
→ Pakistan,
→ Russia,
→ Tajikistan, and
→ Vietnam.

উলেখ্য, রাশিয়ার ১৬টি দেশের সাথে সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে ১৪টি স্থল সীমান্ত ও বাকী ২টি জল সীমান্ত রয়েছে। 
এছাড়া, ভারতের ৭টি দেশের সাথে, এবং আফগানিস্তানের সাথে ০৬ টি দেশের সীমান্ত আছে।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস ও Britannica.com
৩৮২.
Gulf Cooperation Council (GCC)-এর সদস্য দেশ নয় কোনটি? 
  1. সৌদি আরব
  2. কুয়েত
  3. ইরান
  4. বাহরাইন
সঠিক উত্তর:
ইরান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান
ব্যাখ্যা

- ইরান Gulf Cooperation Council (GCC)-এর সদস্য দেশ নয়। 

• GCC:

- GCC-এর পূর্ণরূপ: Gulf Cooperation Council.
- Gulf Cooperation Council হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট।
- গঠিত হয়: ২৫মে, ১৯৮১ ।
- সদরদপ্তর: রিয়াদ, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: জাসেম মোহাম্মদ আল বুদাইউই (কুয়েত)।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা: ৬টি (সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, কুয়েত, বাহরাইন, ওমান)।
- উদ্দেশ্য: সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ঐক্য স্থাপন, আরব ও ইসলামি সংস্কৃতিতে শিকড়-স্থাপিত রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক পরিচিতির ওপর ভিত্তি করে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা। 

৩৮৩.
গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই) এর উদ্যোক্তা কোন দেশ?
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই):
- গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (জিডিআই) এর উদ্যোক্তা দেশ চীন। 
- চীনের আরেকটি বৈশ্বিক উদ্যোগে (বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ বা বিআরআই) যুক্ত হতে সমঝোতা স্মারক সই করেছিল বাংলাদেশ।
- বিআরআইয়ের পর ২০২১ সাল থেকে জিডিআইকে সামনে এনেছে চীন।
- প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগে (গ্লোবাল ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ—জিডিআই)। 
- বিআরআই মূলত যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে ব্যাপকভাবে সংযুক্তির উদ্যোগ।
- আর জিডিআই হচ্ছে মূলত স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও ডিজিটাল অর্থনীতিকে ঘিরে উন্নয়ন সহযোগিতার উদ্যোগ।
- চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ২০২১ সালের ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈশ্বিক উন্নয়ন উদ্যোগের ঘোষণা দেন।
- তিনি বলেছিলেন, করোনা মহামারির পরিপ্রেক্ষিতে একটি ভারসাম্যপূর্ণ, সমন্বিত ও অংশগ্রহণমূলক উন্নয়নের ধারা নিশ্চিত করতে হলে বিশ্বকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
- এই লক্ষ্য অর্জনের পাশাপাশি ২০৩০ সালের মধ্যে জাতিসংঘ ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) অর্জনের জন্যও জিডিআই গ্রহণ করা হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো (২৭ মে ২০২৩)
৩৮৪.
আয়তনে জাপানের বৃহত্তম দ্বীপ কোনটি?
  1. ক) শিকোকু
  2. খ) কিউসু
  3. গ) হনসু
  4. ঘ) হোক্কাইডো
সঠিক উত্তর:
গ) হনসু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) হনসু
ব্যাখ্যা
• জাপান:
- জাপান একটি দ্বীপরাষ্ট্র।
- জাপানের প্রধান চারটি রয়েছে।
- এগুলো হলো:
→ শিকোকু,
→ কিউসু, 
→ হনসু ও
→ হোক্কাইডো।

- আয়তনে বৃহত্তম দ্বীপ হনসু।
- রাজধানী টোকিও হনসু দ্বীপে অবস্থিত।
- হনসু জাপানের মূল ভূখণ্ড হিসেবে গণ্য হয়। 
- জাপানের সর্বোচ্চ পর্বত মাউন্ট ফুজি এবং এর বৃহত্তম হ্রদ, বিওয়া হ্রদ এই দ্বীপে অবস্থিত।

উৎস: Britannica.
৩৮৫.
মনরো ডকট্রিন কখন ঘোষণা করা হয়েছিল?
  1. ১৮১৭ সালে
  2. ১৮২৩ সালে
  3. ১৮২৫ সালে
  4. ১৮৩০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮২৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮২৩ সালে
ব্যাখ্যা

• মনরো ডকট্রিন (Monroe Doctrine): 
-  ২ ডিসেম্বর ১৮২৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জেমস মনরো কর্তৃক কংগ্রেসকে দেওয়া বার্ষিক ভাষণে ঘোষণা করা হয়।
- জেমস মনরো ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পঞ্চম রাষ্ট্রপতি।
 - তিনি ১৮১৭ থেকে ১৮২৫ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- তিনি উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার বিষয়গুলিতে হস্তক্ষেপ না করতে ইউরোপীয় শক্তিগুলিকে সতর্ক করেন। 

» মনরো ডকট্রিনের মূল বক্তব্য ছিল:

১. উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার কোনো স্বাধীন দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ইউরোপের কোনো দেশ হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।
২. এই অঞ্চলে নতুন করে কোনো উপনিবেশ স্থাপন করা যাবে না।
৩. কোনো ইউরোপীয় হস্তক্ষেপকে আমেরিকার নিরাপত্তার ওপর সরাসরি আক্রমণ হিসেবে দেখা হবে।
৪. বিনিময়ে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র বিদ্যমান ইউরোপীয় উপনিবেশগুলোকে স্বীকৃতি দেবে এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়গুলিতে হস্তক্ষেপ করবে না।

উৎস: ব্রিটানিকা ও আল জাজিরা।

৩৮৬.
'গারুদা' কোন দেশের বিমান সংস্থা?
  1. ক) গ্রীস
  2. খ) জার্মানি
  3. গ) ইন্দোনেশিয়া
  4. ঘ) নেদারল্যান্ডস
সঠিক উত্তর:
গ) ইন্দোনেশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ইন্দোনেশিয়া
ব্যাখ্যা
- ‘গারুদা’ ইন্দোনেশিয়ার একটি বিমান সংস্থা।
- ইন্দোনেশিয়ার পতাকা বহনকারী। 
- বিমান পরিবহন সংস্থাটিই তার প্রাথমিক সদর দপ্তর।
- ১ আগস্ট ১৯৪৭ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ২৬ জানুয়ারি ১৯৪৯ ইন্দোনেশিয়ান এয়ারওয়েজ হিসেবে কার্যক্রম শুরু হয়।
- ২৮ ডিসেম্বর ১৯৪৯ গারুদা ইন্দোনেশিয়ান এয়ারওয়েজ হিসেবে যাত্রা শুরু হয়।

উৎস: Garuda Indonesia: The Airlines of Indonesia।
৩৮৭.
যুক্তরাজ্যের হাউজ অব লর্ডসের সদস্য সংখ্যা কতজন?
  1. ক) ৬৫০ জন
  2. খ) ৫৩৮ জন
  3. গ) ৭৫০ জন
  4. ঘ) ৮০০ জন
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮০০ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ৮০০ জন
ব্যাখ্যা

যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট দুই কক্ষ বিশিষ্ট।
উচ্চকক্ষ - হাউস অব লর্ডস্‌ ও
নিম্নকক্ষ - হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস্‌।

হাউস অব লর্ডসের সদস্য সংখ্যা - ৮০০ (২০২১ সাল; তবে এই সংখ্যা পরিবর্তনশীল।)
যুক্তরাজ্যের রাজনৈতিকদের বাইরের লোকজনও এর সদস্য হতে পারে।
রাণীর অনুমোদন সাপেক্ষে এর সদস্য হয়।

হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস্‌ - এর সদস্য সংখ্যা - ৬৫০
এর সদস্যগণ নির্বাচনে জনগণের ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হন।

উৎসঃ যুক্তররাজ্যের পার্লামেন্টের ওয়েবসাইট।

৩৮৮.
ভারত ও নেপালের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড কোনটি?
  1. কালাপানি
  2. ইম্ফল
  3. লাদাখ
  4. সিয়েচেন হিমবাহ
সঠিক উত্তর:
কালাপানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কালাপানি
ব্যাখ্যা
• ভারত ও নেপালের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখন্ড কালাপানি।

কালাপানি:
- কালাপানি অঞ্চল ভারত ও নেপালের মধ্যকার বিতর্কিত একটি অঞ্চল যা উত্তরাখণ্ডের পিথোরাগড় জেলায় অবস্থিত।
- বর্তমানে এই অঞ্চল ভারত প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
- নেপাল ও ভারতের মধ্যে ১৬ হাজার কিলোমিটারের বেশি খোলা সীমান্ত রয়েছে।
- তার মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে।
- বিরোধের কেন্দ্রে থাকা ভূখণ্ডগুলোর মধ্যে কালাপানি, লিপুলেখ এবং সুস্তা অন্যতম।
- নেপালের উত্তর-পশ্চিম অংশে এগুলো অবস্থিত।
- যার দক্ষিণে ভারতের কুমায়ুন এবং উত্তরে চীনের তিব্বত।
- এই ভূখণ্ডটি ভারত, নেপাল ও চীন - তিন দেশের একটি সংযোগস্থল।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।
৩৮৯.
রেড শার্ট আন্দোলন হয়েছিলো কোন দেশে?
  1. ক) থাইল্যান্ড
  2. খ) ভুটান
  3. গ) কম্বোডিয়া
  4. ঘ) নেপাল
সঠিক উত্তর:
ক) থাইল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) থাইল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• থাইল্যান্ডে সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার সমর্থকরা ২০০৯ সালে যে আন্দোলন গড়ে তুলেছিলেন তা রেড শার্ট বা লাল শার্ট নামে পরিচিত।
- আন্দোলনকারীরা লাল শার্ট পরিধান করতেন।
- তাই এই আন্দোলন রেড শার্ট আন্দোলন হিসেবে পরিচিতি পায়।
- ২০০২ সালের নির্বাচনে থাকসিন সিনাওয়াত্রা ও তার দল ‘থাই রক থাই' পার্টি বিজয়ী হয়েছিল।
- কিন্তু তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ২০০৬ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর সেখানে সেনা অভ্যুত্থান হয়।
- লাল শার্ট আন্দোলনকারীরা United Front for Democracy Against Dictatorship এর ব্যানারে সংগঠিত হয়েছে।
- ২০০৯-১০ সালে তারা বড় আন্দোলন গড়ে তোলে।
- ২০১১ সালের জুলাই মাসে সেখানে নির্বাচন সম্পন্ন হয়।


সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ - তারেক শামসুর রেহমান। 
৩৯০.
পানামা খাল হস্তান্তরের আগে এটি কোন দেশের নিয়ন্ত্রণে ছিল?
  1. স্পেন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়ে।
- ১৯৭৭ সালে তৎকালীন পানামার জাতীয়তাবাদী নেতা ওমর তোরিজোস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার - একটি চুক্তি সই করেন, এটা "তোরিজোস-কার্টার চুক্তি" নামে পরিচিত।
- চুক্তি অনুযায়ী, পানামা খাল ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে।
- পানামার কাছে হস্তান্তরের আগে খালটি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ছিল এবং
- তারা সেখানে "ক্যানাল জোন" নামে একটি বিশেষ অঞ্চল পরিচালনা করত।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর বিষয়টি পানামার জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙক্ষা ছিল, যা এই চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
- খালটি বর্তমানে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।

উৎস: Britannica. 
৩৯১.
ফরমোসা প্রণালি কোন দুইটি দেশকে পৃথক করেছে?
  1. ক) দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান
  2. খ) সুমাত্রা ও জাভা
  3. গ) তাইওয়ান ও চীন
  4. ঘ) ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া
সঠিক উত্তর:
গ) তাইওয়ান ও চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) তাইওয়ান ও চীন
ব্যাখ্যা
তাইওয়ান প্রণালী:
- একে ফরমোসা প্রণালীও বলা হয়।
- প্রণালীটি দক্ষিণ ও পূর্ব চীন সাগরের মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম থেকে উত্তর-পূর্ব পর্যন্ত বিস্তৃত।
- এটি চীন ও তাইওয়ানকে পৃথক করেছে।
- এটি প্রায় 230 ফুট (70 মিটার) গভীরতায় পৌঁছে এবং এতে পেসকাডোরস দ্বীপপুঞ্জ রয়েছে (যা তাইওয়ান সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত)।
- প্রধান বন্দরগুলি হল চীনের মূল ভূখন্ডের অ্যামোয় এবং তাইওয়ানের কাও-সিউং।
- এলাকাটি টাইফুন জোনে অবস্থিত।
- 16 শতকের শেষের দিকে পর্তুগিজ ন্যাভিগেটরদের দ্বারা প্রণালীটির নাম ফরমোসা করা হয়।
- এটি এখনও পশ্চিমে এর ইউরোপীয় নামে পরিচিত, তবে চীনা এবং এখন বেশিরভাগ পশ্চিমারা তাইওয়ান স্ট্রেট নামটি ব্যবহার করে।

অন্যদিকে -
- দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানকে পৃথক করেছে কোরিয়া প্রণালি।
- সুমাত্রা ও জাভা পৃথক করেছে সুন্দা প্রণালি।
- ইন্দোনেশিয়া ও মালয়েশিয়া পৃথক করেছে মালাক্কা প্রণালি।

উৎস: Britannica.
৩৯২.
ভারতের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতির নাম কী?
  1. ক) ইন্দিরা গান্ধী
  2. খ) প্রতিভা পাতিল
  3. গ) দ্রৌপদি মুর্মু
  4. ঘ) সোনিয়া গান্ধী
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিভা পাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রতিভা পাতিল
ব্যাখ্যা
- প্রতিভা দেবীসিং পাতিল ১২তম ও প্রথম ‍নারী রাষ্ট্রপতি।
- ভারতের প্রথম রাষ্ট্রপতি ড. রাজেন্দ্র প্রাসাদ। তিনি ১৯৫০-১৯৬২ মেয়াদে ভারতের রাষ্ট্রপতি ছিলেন।
- ড. জাকির হোসেন ভারতের ৩য় ও প্রথম মুসলিম রাষ্ট্রপতি।
- প্রণব মুখার্জী ১৩তম ও প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি।
 
- ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি দেশটির প্রথম আদিবাসী রাষ্ট্রপতি। 
- ১৯৫৮ সালের ২০ জুন ময়ুরভাঞ্জ জেলার বাইদাপোসি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন দ্রৌপদী মুর্মু। তিনি ভারতের সবচেয়ে প্রাচীন এবং বৃহৎ আদিবাসী গোষ্ঠী সাঁওতাল সম্প্রদায়ের।
- তিনি স্বাধীন ভারতে জন্ম নেয়া প্রথম ভারতীয় রাষ্ট্রপতি।
- ঝাড়খণ্ডের প্রাদেশিক গভর্নর হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
- তার নিকটতম প্রার্থী ছিল যশবন্ত সিনহা।

(সূত্র: ভারতের সরকারি ওয়েবসাইট)
৩৯৩.
বিখ্যাত 'ওয়াশিংটন কনসেনসাস' কোন বিষয়ের সঙ্গে জড়িত?
  1. ক) আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতি
  2. খ) অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  3. গ) আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ দমন
  4. ঘ) নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়ন
সঠিক উত্তর:
ঘ) নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়ন
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত প্রশ্নের উত্তর: নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়ন। 

• ওয়াশিংটন কনসেনসাস (Washington Consensus)
• The Washington Consensus - বা ওয়াশিংটন ঐক্য হচ্ছে, বিশ্বের বড় বড় অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান যেমন - বিশ্বব্যাংক, আই.এম.এফ, U.S. Treasury প্রভৃতি কর্তৃক অনুমোদিত কতিপয় (দশটি) মুক্তবাজার (free-marke) অর্থনৈতিক পলিসি যা বিশ্বের উন্নয়নশীল দেশ এবং ল্যাটিন আমেরিকার দেশ সমূহের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রণীত। 
• সঙ্কটে থাকা বিভিন্ন দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করার জন্য Washington Consensus প্রয়োগ করার সুপারিশ করা হয়।
• কোন দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণকারী বিভিন্ন বিষয়, যেমন - বিনিময় হার, মুক্ত বাণিজ্য, জিডিপি, সুদের প্রকৃত হার ইত্যাদি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে এই অর্থনৈতিক পলিসিসমূহ নির্ধারিত ও সুপারিশ করা হয়ে থাকে। ১৯৮০- এর দশকে Washington Consensus ধারনাটি জনপ্রিয় ছিল।
• ওয়াশিংটন ভিত্তিক - এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮৯ সালে ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ John Williamson কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।


উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৯৪.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে ‘পেরেস্ত্রোইকা’ চালু হয় কত সালে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৯ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

পেরেস্ত্রোইকা: 
- ‘পেরেস্ত্রোইকা’ (Perestroika) ছিল সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে গৃহীত একটি সংস্কারমূলক কর্মসূচি,
- এর অর্থ “পুনর্গঠন”।
- এটি চালু করেন তৎকালীন সোভিয়েত নেতা মিখাইল গরবাচেভ ১৯৮৫ সালে, দেশটির রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সংস্কারের লক্ষ্যে।
- পেরেস্ত্রোইকার আওতায় সোভিয়েত অর্থনীতিতে আংশিক বাজারনীতি চালু করা হয়, পার্টির একচেটিয়া ক্ষমতা সীমিত করা হয় এবং গণতান্ত্রিক সংস্কারের মাধ্যমে ব্যক্তি স্বাধীনতা ও মত প্রকাশের অধিকারে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- এই কর্মসূচিতে রাজনীতি, সমাজ, ধর্ম, পররাষ্ট্রনীতি এমনকি জাতীয়তাবাদের প্রশ্নেও ব্যাপক রূপান্তরের চেষ্টা হয়।
- গরবাচেভ পশ্চিমা বিশ্বকে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, পেরেস্ত্রোইকা কোনো ধরনের পশ্চিমবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে পরিচালিত নয় বরং এটি এক নতুন উদার ভাবনার সূচনা।
- যদিও এই সংস্কারমূলক কর্মসূচি অনেক ইতিবাচক পরিবর্তন আনলেও তা শেষ পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পথ তৈরি করে দেয়।

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর - ড. তারেক শামসুর রেহমান। 

৩৯৫.
সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানো ও আর্থিক সহযোগিতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে গঠিত হয় -
  1. ক) COMECON
  2. খ) NATO
  3. গ) EU
  4. ঘ) NAM
সঠিক উত্তর:
ক) COMECON
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) COMECON
ব্যাখ্যা
• ওয়ারশ সামরিক জোট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যখন ট্রুমান ডকট্রিন, মার্শাল প্ল্যান আর ন্যাটো সামরিক জোট গঠন করে পশ্চিম ইউরোপে সমাজতন্ত্রের বিরোধী একটা জোট গড়ে তুলেছিল, তখন সোভিয়েত ইউনিয়নই ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোকে নিয়ে ‘ওয়ারশ’ সামরিক জোট গড়ে তোলে।
- এটি গঠিত হয়েছিল ১৯৫৫ সালের ১৪ মে।
- সদস্য রাষ্ট্রগুলো ছিল আলবেনিয়া (প্রত্যাহার ১৯৬৮), বুলগেরিয়া, চেকোস্লাভিয়া, পূর্ব জার্মানি, হাঙ্গেরী, পোল্যান্ড, রুমানিয়া ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানো ও আর্থিক সহযোগিতা গড়ে তোলার লক্ষ্যে একই সাথে কমিকন বা Council for Mutual Economic Assistance-COMECON গঠন করে।
- গরবাচেভ ওয়ারশ সামরিক জোট ভেঙ্গে দেন ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। 

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
৩৯৬.
জাতিপুঞ্জ(League of Nations) গঠনের প্রস্তাব করেন -
  1. ক) উইন্সটন চার্চিল
  2. খ) উড্রো উইলসন
  3. গ) ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজবেল্ট
  4. ঘ) জার দ্বিতীয় নিকোলাস
সঠিক উত্তর:
খ) উড্রো উইলসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) উড্রো উইলসন
ব্যাখ্যা
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের শেষে বিজয়ী মিত্রশক্তির উদ্যোগে ১০ ই জানুয়ারি, ১৯২০ সালে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সংগঠন ‘লীগ অব নেশনস’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন জাতিপুঞ্জ গঠনের জন্য তার প্রস্তাবিত বিখ্যাত ‘১৪ দফা’ মার্কিন কংগ্রেসে উত্থাপন করেছিলেন। এই ১৪ দফার সর্বশেষ দফায় জাতিপুঞ্জ গঠনের কথা বলা হয়েছে।
[সূত্রঃ ব্রিটানিকা এবং লাইভ এমসিকিউ আর্কাইভ]
৩৯৭.
'উদারতাবাদ' বলতে কী বুঝায়?
  1. ব্যক্তির স্বাধীন চিন্তা ও মত প্রকাশের উপর গুরুত্ব
  2. রাষ্ট্রকে সীমাহীন ক্ষমতা প্রদান
  3. রাষ্ট্রের ক্ষমতা উৎখাত করতে মত প্রকাশের গুরুত্ব
  4. রাষ্ট্রের সীমা নির্ধারণ ও প্রগতি ও মুক্তির ছায়া
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির স্বাধীন চিন্তা ও মত প্রকাশের উপর গুরুত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যক্তির স্বাধীন চিন্তা ও মত প্রকাশের উপর গুরুত্ব
ব্যাখ্যা
উদারতাবাদ:
- উদারতাবাদ বলতে সেই মতবাদকে বুঝায়, যা' ব্যক্তির স্বাধীন চিন্তা ও মত প্রকাশের উপর গুরুত্ব আরোপ করে
- ব্যক্তিগত সম্পত্তির অধিকারকে ব্যক্তিত্ব বিকাশের উপায় বলে মনে করে এবং রাষ্ট্রের কার্যাবলীকে সীমিত করতে চায়। 
- উদারতাবাদ হচ্ছে মানুষের প্রগতি ও মুক্তির পথে সৃষ্ট বাঁধাবিপত্তি দূর করার দাবি সম্বলিত আন্দোলন।
- এটি হচ্ছে মানুষের মধ্যে নিহিত তার বিপুল শক্তি ও সম্ভাবনার সার্থক বিকাশ সাধন করে তাকে তার নিজ সত্ত্বায় প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস। 
- উদারতাবাদ মানুষের রাজনৈতিক জীবনেই সীমিত নয় বরং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনকে অন্তর্ভুক্ত করে মানবতার সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তির লক্ষ্যেই পরিচালিত । 
 
উৎস: রাষ্ট্রবিজ্ঞান : রাষ্ট্রতত্ত্ব, এসএসএইচএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৯৮.
ভারতের লোকসভায় সরকার গঠন করতে হলে ন্যূনতম কতগুলো আসনের প্রয়োজন হয়?
  1. ক) ৫৪৫ টি
  2. খ) ২৫০টি
  3. গ) ২৭২টি
  4. ঘ) ৪৪৫টি
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২৭২টি
ব্যাখ্যা
• ভারতের আইনসভা দ্বি-কক্ষবিশিষ্ট। যার মোট আসন ৭৮৮ টি।
• নিম্নকক্ষ লোকসভার আসন সংখ্যা ৫৪৫ টি লোকসভায় সরকার গঠন করতে হলে ন্যূনতম ২৭২ টি আসনের প্রয়োজন হয়।
• উচ্চকক্ষ রাজ্যসভা যার আসন সংখ্যা ২৪৫ টি। যার মধ্যে ২৩৩ টি নির্বাচিত এবং ১২ টি অনির্বাচিত।
• ১৯৫১-৫২ সালে ভারতের প্রথম লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৩৯৯.
রাজনৈতিক জোট আরব লীগে কোন দেশটির সদস্য পদ স্থগিত রয়েছে-
  1. ক) মিশর
  2. খ) সিরিয়া
  3. গ) ইয়েমেন
  4. ঘ) লেবানন
সঠিক উত্তর:
খ) সিরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) সিরিয়া
ব্যাখ্যা
আরব লীগ হলো মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ গঠিত হয়। এটির সদর দপ্তর মিশরের রাজধানী কায়রোতে অবস্থিত। এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৭টি। যথা: সৌদি আরব, ইরাক, ইয়েমেন, জর্ডান, সিরিয়া, লেবানন ও মিশর। বর্তমান সদস্য ২২ টি। এর মধ্যে সিরিয়ার সদস্যপদ স্থগিত রয়েছে।
[সূত্রঃ আরব লীগ ওয়েবসাইট এবং এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা]
৪০০.
হোয়াইট পেপার (শ্বেতপত্র) কী?
  1. সরকারী নীতির লিখিত বিবৃতি
  2. সাদা চিঠি
  3. এক ধরনের আইন
  4. সংবাদপত্র
সঠিক উত্তর:
সরকারী নীতির লিখিত বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী নীতির লিখিত বিবৃতি
ব্যাখ্যা
শ্বেতপত্র :

• সমকালীন অর্থনৈতিক বা সামাজিক গুরুত্বপূর্ন কোন বিষয়ে সরকারী নীতির লিখিত বিবৃতি।
• নতুন আইন তৈরির আগে জনমত যাচাইয়ের জন্য শ্বেতপত্র প্রকাশ করা হয়।
• ইংল্যান্ডে শ্বেতপত্রকে পার্লামেন্টারি পেপারস বলে।

- হাইকমিশনার: 
• কমনওয়েলথভুক্ত রাষ্ট্র সমূহের সর্বোচ্চ শ্রেণির কূটনীতিক।

- অ্যাম্বাসেডর: 
• জাতিসংঘভুক্ত রাষ্ট্রসমূহের সর্বোচ্চ কূটনৈতিক ব্যক্তিকে অ্যাম্বাসেডর বলে।


- চার্জ দ্য অ্যাফেয়ারস:
• রাষ্ট্রদূতের অনুপস্থিতিতে নিযুক্ত অস্থায়ী প্রধান।

- Persona-non-grata:
• কোন কূটনীতিক ব্যক্তিকে কোন কারণ দর্শনো ছাড়াই অবাঞ্জিত ঘোষণা করা।

উৎস: ব্রিটানিকা, হিস্টোরি.কম এবং Live MCQ লেকচার।