বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূরাজনীতি

মোট প্রশ্ন৪১৫এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ব্যবস্থা, ভূরাজনীতি

PrepBank · পাতা / · ১০১২০০ / ৪১৫

১০১.
চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নেতৃত্ব দেন কে?
  1. চিয়াং কাইশেক
  2. মাও সেতুং
  3. সান ইয়াৎ সেন
  4. ছিউ সি গুই
ব্যাখ্যা
• চীন:
- চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনসংখ্যার দেশ, এবং এর বর্তমান রাষ্ট্রপতি হলেন শি জিন পিং।
- আধুনিক চীনের জনক হিসেবে সান ইয়াৎ সেনকে গণ্য করা হয়,
- তবে গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের (পিআরসি) প্রতিষ্ঠাতা হলেন মাও সেতুং,
- যিনি ১ অক্টোবর, ১৯৪৯ সালে চীনা কমিউনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে পিআরসি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ১৯৬৬ থেকে ১৯৭৬ সাল পর্যন্ত চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লব ঘটে, যা মাও সেতুংয়ের নেতৃত্বে একটি বিশাল সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলন ছিল।
- চীনে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নেতৃত্বদান করেন - মাও সেতুং।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১০২.
‘ট্রাফালগার স্কোয়ার' কোথায় অবস্থিত?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইংল্যান্ড
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
• ট্রাফালগার স্কয়ার:
- ট্রাফালগার স্কয়ার ইংল্যান্ডের সেন্ট্রাল লন্ডনে অবস্থিত।
- এটি একটি সাধারণ জনগণের মিলনস্থল।
- ১৮০৫ সালে ইংল্যান্ড ফ্রান্স ও স্পেনের সম্মিলিত বাহিনীর সাথে যুদ্ধ করে জয়লাভ করে।
- ট্রাফালগারের যুদ্ধ জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে লন্ডনের কেন্দ্রস্থল একটি চত্ত্বরের নামকরণ করা হয় ট্রাফালগার স্কয়ার।

উৎস: Britannica.
১০৩.
সোভিয়েত ইউনিয়নে কোন নীতি অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য প্রবর্তিত হয়েছিল?
  1. গ্লাসনস্ত
  2. পেরেস্ত্রইকা
  3. কমিউনিজম
  4. মার্কসবাদ
ব্যাখ্যা

- সেভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাস্তনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।

- পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- সোভিয়েত ইউনিয়নকে জার্মানি, জাপান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো পুঁজিবাদী দেশগুলির সাথে অর্থনৈতিকভাবে সমকক্ষে নিয়ে আসার লক্ষ্যে , গর্বাচেভ অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ বিকেন্দ্রীকরণ করেন এবং উদ্যোগগুলিকে স্ব-অর্থায়নকারী হতে উৎসাহিত করেন।

অন্যদিকে
- মধ্যে গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি ।
- - সোভিয়েত নাগরিকদের ব্যাক্তি স্বাধীনতা ও মতামত প্রকাশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য তিনি খোলামেলা আলোচনার যে মুক্ত ব্যবস্থা চালু করেছিলেন তাই গ্লাসনস্ত নীতি হিসেবে অভিহিত।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে আর্থসামাজিক ক্ষেত্রে ব্যাপক পুনর্গঠনের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল তার জন্য রাজনৈতিক সংস্কার ও গণসমর্থন প্রয়োজন ছিল। আর এজন্য গ্লাসনস্ত নীতি গ্রহণ করা হয়।


উৎস: হিস্টোরি ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।।

১০৪.
আন্তর্জাতিক আদালতের সদরদপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
  1. জেনেভা
  2. দি হ্যাগ
  3. নিউইয়র্ক
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক আদালতের সদরদপ্তর: 

• জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গসংস্থা আন্তর্জাতিক আদালত বা ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস।
• আন্তর্জাতিক আদালতের সদর দপ্তরের অবস্থান: দি হ্যাগ, নেদারল্যান্ডস।
• প্রতিষ্ঠা: ১৯৪৫ সাল।
• কার্যক্রম শুরু: ১৯৪৬ সালে।
• আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকের সংখ্যা ১৫ জন।
• আন্তর্জাতিক আদালতের একজন বিচারক নির্বাচিত হন ৯ বছরের জন্য।
• আন্তর্জাতিক আদালতের সভাপতি নির্বাচিত হন ৩ বছরের জন্য।

তথ্যসূত্র: UN Website. 
১০৫.
ইউরোপের শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে কোন চুক্তির মাধ্যমে ত্রিশ বছরের যুদ্ধের অবসান হয়?
  1. লিসবন চুক্তি
  2. ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি
  3. প্যারিস চুক্তি
  4. লুজান চুক্তি
ব্যাখ্যা
Thirty years war:
- ইউরোপে ধর্মকেন্দ্রিক যুদ্ধের সর্বশেষ উদাহরণ ছিলো ত্রিশ বছরব্যাপী যুদ্ধ।
- প্রোটেস্টান্ট জার্মানির উপর অস্ট্রিয়ান হ্যাপসবার্গের-এর প্রভাব অক্ষুন্ন রাখা, ডেনমার্কের রাজার উচ্চভিলাষ, বাল্টিক অঞ্চলে সুইডেনের একচ্ছত্র প্রভাব বিস্তার এবং হ্যাপসবার্গকে পরাজিত করে ফ্রান্সকে ইউরোপের শ্রেষ্ঠ শক্তিতে পরিণত করা এসব নিয়েই যুদ্ধ প্রলম্বিত হতে থাকে।
- ধর্মান্ধতা, স্বার্থপরতা, নিজেদের উচ্চাকাংক্ষা এবং প্রাধান্য বিস্তারের প্রতিযোগিতায় ইউরোপের সকল দেশ এই যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ে।
- দীর্ঘ ত্রিশবছর ধরে যুদ্ধে সমগ্র জার্মানি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়।

ওয়েস্টফেলিয়া চুক্তি:
- ত্রিশ বছরব্যাপী অবিরামভাবে যুদ্ধ করার পর বিপর্যস্ত ইউরোপের সকল দেশের প্রতিনিধিরা ১৬৪৮ সালে ওয়েস্টফেলিয়াতে মিলিত হয়ে দুটি ভিন্ন শান্তিচুক্তি পাস করে। 
- ১৬৪৮ সালের ২৪শে অক্টোবর ওয়েস্টাফেলিয়া চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘ ত্রিশ বছরব্যাপী ধর্মজনিত এই যুদ্ধের অবসান ঘটায়।
- ওয়েস্টফেলিয়া শান্তি চুক্তি ইউরোপের শান্তির স্বপক্ষে প্রথম এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
- এটি ইউরোপকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রব্যবস্থা নিয়ে আসতে সক্ষম হয়।
- এই সন্ধির ভূ-খন্ডগত সীমানা নেপোলিয়নের যুগ পর্যন্ত বহাল থাকে।

উৎস: আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০৬.
‘মাজার–ই–শরিফ’ কোন দেশের বিখ্যাত শহর?
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. আফগানিস্তান
  4. ইরান
ব্যাখ্যা
• আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলের অন্যতম প্রধান শহর মাজার–ই–শরিফ। 
- মাজার–ই–শরিফ আফগানিস্তানের চতুর্থ বৃহত্তম শহর।
- দেশটির বালখ প্রদেশের রাজধানী এটি। 

- কান্দাহার দক্ষিণ-মধ্য আফগানিস্তানের শহর।
- এটি দক্ষিণ আফগানিস্তানের প্রধান বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং
- কাবুল , হেরাত এবং কোয়েটা (পাকিস্তান) থেকে মহাসড়কের সংযোগস্থলে অবস্থিত।
- কান্দাহারের একটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর রয়েছে, যদিও এটি ঐতিহ্যগতভাবে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- আফগানিস্তানের আরও কয়েকটি বিখ্যাত শহর: কাবুল, হেরাত, গজনী।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১০৭.
তিব্বতের ধর্মীয় নেতাকে বলা হয় -
  1. পোপ
  2. পঞ্চেন লামা
  3. দালাইলামা
  4. শেরপা তেনজিং
ব্যাখ্যা
দালাইলামা:
- তিব্বতের আধ্যাত্মিক এবং পার্থিব প্রধানকে দালাইলামা বলা হয়।
- মোঙ্গলীয় ভাষায় দালাই শব্দের অর্থ সমুদ্র, আর লামা শব্দের অর্থ জ্ঞানী। অর্থাৎ, দালাইলামা শব্দের অর্থ দাঁড়ায়, যে ব্যক্তির জ্ঞান সমুদ্রের মতোই গভীর।
- এই পর্যন্ত চৌদ্দ জন দালাইলামা নির্বাচিত হয়েছেন।
- বর্তমানে যিনি আছেন তানজিন গিয়েৎসো, তিনি চতুর্দশ দালাইলামা।

- ১৯৩৫ সালে ১৩তম দালাইলামার মৃত্যুর পর বর্তমান দালাইলামা তানজিন গিয়েৎসোকে খুঁজে পেতে চার বছর সময় লেগেছিল। ১৯৫০ সালে চীন কর্তৃক তিব্বত করায়ত্ব হলে, পরবর্তীতে তানজিন গিয়েৎসোর নেতৃত্বে তিব্বতের স্বাধীকার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে কিন্তু ১৯৫৯ সালে আন্দোলনটি ব্যর্থ হয়। এবং তানজিন গিয়েৎসোকে তার বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়। তখন চতুর্দশ দালাইলামা ভারতে নির্বাসন গ্রহণ করেন। তিব্বত থেকে ভারতে নির্বাসিত হয়েও তিনি পৃথিবীর কাছে অহিংসার বাণী পৌঁছে দেবার কাজ থেকে নিজেকে নিবৃত্ত করেননি। এজন্য তাকে ১৯৮৯ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছিল।

তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১০৮.
কোন দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে 'তাসখন্দ চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ক) আফগানিস্তান ও পাকিস্তান
  2. খ) পাকিস্তান ও ভারত
  3. গ) ভারত ও আফগানিস্তান
  4. ঘ) চীন ও ভারত
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৬ সালের ১০ জানুয়ারি ঐতিহাসিক তাসখন্দ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মধ্য দিয়ে কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে চিরবৈরী ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যকার ১৯৬৫ সালের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের আপাত অবসান ঘটে।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্গত উজবেকিস্তানের তাসখন্দে এই চুক্তি সম্পন্ন হয় বিধায় ইতিহাসে এটি তাসখন্দ চুক্তি নামেই বহুল পরিচিত।
- তৎকালীন সোভিয়েত প্রধানমন্ত্রী এ্যালেক্সি কোসিজিনের মধ্যস্থতায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী লালবাহাদুর শাস্ত্রী ও পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ূব খান দুই দেশের পক্ষে  চুক্তিটিতে স্বাক্ষর করেন।

সূত্র: ব্রিটানিকা।
১০৯.
জিরোসাম গেম (Zero-Sum Game) আন্তর্জাতিক সম্পর্কে কোন তত্ত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট?
  1. বাস্তববাদ
  2. মার্ক্সবাদ
  3. গঠনবাদ
  4. উদারতাবাদ
ব্যাখ্যা
জিরোসাম গেম:
- জিরো সাম গেম (Zero Sum Game) হচ্ছে বিখ্যাত ‘গেম থিওরি’র একটা অংশ।
- এটা দিয়ে বোঝায় যেকোনো ক্ষেত্রে দুই বা ততোধিক পক্ষ কোনো নির্দিষ্ট জিনিস পেতে চাইলে, এক পক্ষ যে পরিমাণ সম্পদ অর্জন করবে, অন্য পক্ষ ঠিক সে পরিমাণ সম্পদ হারাবে।
- এতে নিট ফলাফল শূন্য হবে।

⇒ জিরো সাম গেমের বৈশিষ্ট্য:
১। এ ক্ষেত্রে চাহিদার তুলনায় যোগান সব সময়ই কম থাকবে।
২। সম্পদের পরিমাণ একই থাকবে। কোনো কিছুর সংযোজন বা বিয়োজন ঘটবে না।
৩। সব পক্ষের জন্যই সম্পদের নেট পরিবর্তন হবে শূন্য।

উল্লেখ্য, 
⇒ বাস্তববাদ (Realism):
- বাস্তববাদ অনুযায়ী মানুষ স্বভাবতই বিশৃঙ্খল।
- মানুষ যেহেতু বিশৃঙ্খল, তাই মানুষের দ্বারা সৃষ্ট যেকোন কিছুই বিশৃঙ্খল অর্থ্যাৎ, রাষ্ট্রও বিশৃঙ্খল।
- রাষ্ট্রসমূহ তাদের অস্তিত্ব ও স্বার্থরক্ষার জন্য সবসময় কোন না কোন ভাবে দ্বন্দ্বে লিপ্ত থাকে।
- বাস্তববাদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের যেকোন মূল্যে আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় টিকে থাকা, অর্থ্যাৎ জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষা ও সামরিক শক্তি বৃদ্ধির মাধ্যমে ক্ষমতার চর্চাকে সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় বাস্তববাদের ব্যাপক চর্চা হচ্ছে।
- বিশ্বজুড়ে আমেরিকার আগ্রাসন বাস্তববাদ কেন্দ্রিক রাজনীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
- -অর্থাৎ, বাস্তববাদ (Realism) আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে জিরো-সাম গেম হিসাবে বর্ণনা করে যেখানে এক পক্ষ জিতবে এবং অন্যপক্ষ অবশ্যই হারবে।

অন্যদিকে,
⇒ উদারতাবাদ (Liberalism):
- উদারতাবাদ হচ্ছে মানুষের প্রগতি ও মুক্তির পথে সৃষ্ট বাঁধাবিপত্তি দূর করার দাবি সম্বলিত আন্দোলন।
- এটি হচ্ছে মানুষের মধ্যে নিহিত তার বিপুল শক্তি ও সম্ভাবনার সার্থক বিকাশ সাধন করে তাকে তার নিজ সত্ত্বায় প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস।
- উদারতাবাদ মানুষের রাজনৈতিক জীবনেই সীমিত নয় বরং অর্থনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় জীবনকে অন্তর্ভুক্ত করে মানবতার সার্বিক কল্যাণ ও মুক্তির লক্ষ্যেই পরিচালিত।

উৎস: Investopedia.
১১০.
হাম্বানটোটা গভীর সমুদ্রবন্দরটি শ্রীলংকা সরকার চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেয় -
  1. ক) ২০১৬ সালে
  2. খ) ২০১৭ সালে
  3. গ) ২০১৮ সালে
  4. ঘ) ২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা
• শ্রীলংকার দক্ষিণ কলম্বোতে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হাম্বানটোটা গভীর সমুদ্রবন্দরটি ৯ ডিসেম্বর, ২০১৭ সালের ডিসেম্বরে চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লিজ দেয় শ্রীলংকা সরকার।
- এটি মাগামপুরা মাহিন্দা রাজাপাকসে পোর্ট নামেও পরিচিত।
- কলম্বো বন্দরের পরে এ বন্দরটি শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর।

সূত্র: বিবিসি বাংলা। 
১১১.
কোনো সমস্যা সমাধানে সুশীল সমাজের উদ্যোগকে কী ধরনের কূটনীতি বলা হয়?
  1. পাবলিক কূটনীতি
  2. ট্র্যাক টু কূটনীতি
  3. ট্র্যাক ওয়ান কূটনীতি
  4. মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি
ব্যাখ্যা
ট্র্যাক টু কূটনীতি:

• কূটনীতি শব্দটি ফরাসি ভাষার।
• ট্র্যাক টু কূটনীতি বলতে বোঝায় একদেশের সুশীল সমাজ বা মিডিয়া তথা কোনো সমস্যা সমাধানে প্রভাব ফেলে তাকে। 
• ট্র্যাক টু কূটনীতির ধারণাটি ১৯৭০ দশকে উদ্ভূত হয়েছিল। 
• ১৯৮১ সালে ফরেন পলিসির সহ-লেখক উইলিয়াম ডি. ডেভিডসন এবং জোসেফ ভি. মন্টভিল সর্ব প্রথম এই শব্দটি ব্যবহার করেন।
• ট্র্যাক II কূটনীতিকে ব্যাকচ্যানেল কূটনীতি ও বলা হয়ে থাকে।
• বিশ্বের যে কোন বিবাদ মীমাংসায় সুশীল সমাজের উদ্যোগকে ট্র্যাক টু কূটনীতি বলা হয়।
• যেমন - রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশ সরকারের ট্রাক টু ডিপ্লোমেসি গ্রহন।
• কোন সরকারের পক্ষে বা সরকারের জন্য অন্যদেশের নীতি নির্ধারনের উপর দাতা গোষ্ঠির প্রভাবকে ট্র্যাক থ্রী কূটনীতি বলে।
• পাবলিক কূটনীতি: বিদেশী জনসাধারণের সাথে সরাসরি যোগাযোগের লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকার স্পন্সরকৃত প্রচেষ্টা।
• একইসাথে বিভিন্নমুখী কূটনৈতিক উদ্যোগকে বিভিন্ন ট্র্যাকে একই সঙ্গে চালিয়ে যাওয়া হয়, তাকে মাল্টি ট্র্যাক কূটনীতি বলে

উৎস: ব্রিটিনিকা, mecouncil.org & ডেইলি স্টার পত্রিকা রিপোর্ট।
১১২.
SAARC দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. শ্রীলঙ্কা 
  3. ভারত  
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা

⇔SAARC:
- SAARC -এর পূর্ণরূপ হল : South Asian Association for Regional Cooperation. 
- বাংলায় এর অর্থ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- SAARC ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সচিবালয় কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত।
- SAARC এর প্রতিষ্ঠাকালীন দেশ ছিল ৭টি। 
- SAARC দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত।

উল্লেখ্য, 
- সার্কভুক্ত দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান এবং আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ যোগ দিয়েছে আফগানিস্তান, ২০০৭ সালে।
- SAARC এর প্রথম চেয়ারম্যান ছিল বাংলাদেশ এর মোঃ এরশাদ।
- প্রথম মহাসচিব ছিল বাংলাদেশ এর আবুল হাসান।
- বাংলাদেশের গোলাম সারওয়ার সার্কের বর্তমান মহাসচিব (১৫তম)।
- SAARC কৃষিতথ্য কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত।
- ২০১০ সালে ভারতের দিল্লীতে প্রথম সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস :
১. সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট;
২. Britannica.

১১৩.
‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন কে?
  1. উড্রো উইল্‌সন
  2. টিলিও-লেস্তে
  3. ডি. আইজেনহাওয়ার
  4. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা

• ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।

এছাড়াও,
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘Good Neighbor Policy' প্রবক্তা।
- ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির পরিবর্তে সদ্ভাবমূলক নীতি প্রবর্তন করেন।
- ১৯৩৩ সালে প্রথম এ বিষয়ে ধারণা দেওয়া হয়।
- কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের এন্টি-কমিউনিজম নীতির ফলে ‘সৎ প্রতিবেশি নীতি’ গুরুত্ব হারায়।

উৎস: Britannica & History.com 

১১৪.
জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপের নাম কী?
  1. হোক্কাইডো
  2. শিকোকু
  3. হোনশু
  4. কিউশু
ব্যাখ্যা
জাপান:
- সংবিধানিক রাজতন্ত্র (Constitutional Monarchy).
- সম্রাটের ক্ষমতা আনুষ্ঠানিক কিন্তু কার্যকর শাসন প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
- রাজধানী: টোকিও (Tokyo) ১৮৬৮ সালে ইডো থেকে টোকিওতে স্থানান্তরিত হয়।
- ভৌগোলিক অবস্থান: পূর্ব এশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত দ্বীপদেশ; চারটি প্রধান দ্বীপ: হোক্কাইডো, হোনশু, শিকোকু, কিউশু।
- জাপানের আয়তন: ৩৭৭,৯১৫ বর্গকিলোমিটার।
- সবচেয়ে বড় দ্বীপ: হোনশু।
- আয়তন প্রায় ২২৭,৯৬২ বর্গকিলোমিটার
- জনসংখ্যা (২০২৫ আনুমানিক): প্রায় ১২৩,১০৫,০০০ জন।
- জাতীয় ভাষা: জাপানি (Japanese)।
- ধর্ম: শিন্তো ও বৌদ্ধ ধর্ম প্রধান; খ্রিস্টান ও অন্যান্য ধর্মের অনুসারীও রয়েছে।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী: Shigeru Ishiba ( মে,২০২৫)।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১১৫.
‘বেলফোর ঘোষণা’ কোন রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত?
  1. ক) কসোভো
  2. খ) সাইপ্রাস
  3. গ) দক্ষিণ সুদান
  4. ঘ) ইসরাইল
ব্যাখ্যা
• বেলফোর ঘোষণা (Balfour Delclaration):
- বেলফোর ঘোষণার সাথে আজকের ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল প্রতিষ্ঠার প্রশ্নটি সরাসরিভাবে জড়িত।
- ১৯১৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালিন ব্রিটেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ জে বেলফো ব্রিটিশ লর্ড রথচাইল্ডকে একটি চিঠি দেন।
- ওই চিঠির উদ্দেশ্য ছিল ইহুদীদের জন্য একটি আবাসভূমি প্রতিষ্ঠা।
- ইতিহাসে এটাই বেলফোর ঘোষণা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৪৭ সালে জাতিসংঘ প্যালেস্টাইন অধ্যুষিত আরব এলাকা বিভক্তির মধ্যে দিয়ে ইসরাইল রাষ্ট্রটি প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়। 
- ১৯৪৮ সালে ইসরাইল প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।
১১৬.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন রাজ্যটি ফ্রান্সের নিকট থেকে ক্রয় করা হয়েছিল?
  1. জর্জিয়া
  2. ফ্লোরিডা
  3. লুইসিয়ানা
  4. ক্যালিফোর্নিয়া
ব্যাখ্যা
লুইসিয়ানা:
- ১৮০৩ সালে যুক্তরাষ্ট্র ফ্রান্সের কাছ থেকে লুইসিয়ানা রাজ্য ক্রয় করে।
- নেপোলিয়ান ১৫ মিলিয়ন ডলারে লুইসিয়ানা বিক্রি করতে রাজি হয়।
- এই রাজ্য ক্রয়ের ফলে যুক্তরাষ্ট্রে আয়তন দ্বিগুণ হয়ে যায়।
- লুইসিয়ানা রাজ্যের সীমানা ছিল পূর্বে মিসিসিপি নদী, পশ্চিমে রকি পর্বতমালা, দক্ষিণে মক্সিকো উপসাগর, এবং উত্তরে কানাডা।
- ফরাসিদের কাছ থেকে এই ভূখণ্ড কেনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে প্রশান্ত মহাসাগরের দিকে সীমানা বিস্তার সহজ হয়ে যায়।
- লুইসিয়ানা যুক্তরাষ্ট্রের ১৮তম রাজ্য হিসাবে যুক্ত হয়। 

উৎস: Britannica.
১১৭.
সর্বশেষ ডোনাল্ড ট্রাম্প কততম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন?
  1. ৪৫তম
  2. ৪৬তম
  3. ৪৮তম
  4. ৪৭তম
ব্যাখ্যা

ডোনাল্ড ট্রাম্প:
- বর্তমানে ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট।
- ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে ২০ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে তিনি শপথ গ্রহণ করেন।
- শপথ গ্রহণের দিনটিকে, ২০শে জানুয়ারি ২০২৫-কে তিনি 'মুক্তির দিন' বলে বর্ণনা করেন।
- তিনি ২০২৪ সালের যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান দলের হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।

এছাড়াও,
- ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০ জানুয়ারি, ২০১৭ ইংরেজি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প সবচেয়ে আলোচিত - সমালোচিত প্রেসিডেন্ট ধারা যায়।
- বিভিন্ন বিতর্কিত কাজ করে আলোচনায় থাকা ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে কংগ্রেসের নিম্ন-কক্ষ হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিশংসিত হয়েছিলেন।
- অবশ্য তার আগে আরো দুইজন প্রেসিডেন্ট হাউজ অফ রিপ্রেজেন্টেটিভে অভিসংশিত হয়েছিলেন।
- তারা হচ্ছেন অ্যান্ড্রু জনসন এবং বিল ক্লিনটন।

অন্যদিকে,
- জো বাইডেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট।  তিনি ২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

উৎস: Britannica.

১১৮.
রাশিয়া কবে ইউক্রেন আক্রমণ করে?
  1. ক) ১২ জানুয়ারি ২০২২
  2. খ) ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  3. গ) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  4. ঘ) ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ব্যাখ্যা
রাশিয়া গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ইউক্রেনে সামরিক হামলা শুরু করে। এই হামলার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সামরিক সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে।
- ইউক্রেন কর্তৃক ন্যাটোতে যোগদানের তৎপরতার প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার তার নিরাপত্তাগত স্বার্থে ইউক্রেনে আক্রমণ করে। এই যুদ্ধ এখনো চলমান রয়েছে।

- ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো আর্থিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করছে। একইসময়ে রাশিয়ার উপর তেল-গ্যাসসহ বহুমুখী অবরোধ আরোপ করা হয়।

(তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং প্রথম আলো)
১১৯.
ঐতিহাসিক ‘ম্যাগনাকার্টা সনদ কত সালে স্বাক্ষরিত হয়?
  1. ১২৯৫ সালে
  2. ১২১৫ সালে
  3. ১৮১৫ সালে
  4. ১২১৬ সালে
ব্যাখ্যা
- ব্রিটেনের রাজা জন এবং ব্রিটেনের জনগণের মধ্যে ১২১৫ সালের ১৫ জুন লন্ডনের রানিমেড নামক স্থানে ঐতিহাসিক মাগনাকার্টা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- এর মাধ্যমে রাজার ক্ষমতা সীমিত করা হয় এবং জনগণের অধিকার স্বীকৃত হয়।
- ম্যাগনাকার্টায় প্রথম উল্লেখ করা হয় সকলেই আইনের অধীন, কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়।

সূত্র: ব্রিটানিকা। 
১২০.
’কালাহারি মরুভূমি’ যে তিনটি দেশে বিস্তৃত?
  1. মিশর, লিবিয়া, চাঁদ
  2. নামিবিয়া, জিম্বাবুয়ে, কেনিয়া
  3. মরক্কো, আলজেরিয়া, তিউনিসিয়া
  4. বতসোয়ানা, নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা
ব্যাখ্যা
কালাহারি মরুভূমি: 
- কালাহারি মরুভূমি আফ্রিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আফ্রিকার এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি অঞ্চল মরুভূমি দ্বারা আবৃত।
- কালাহারি মরুভূমি আফ্রিকার মধ্যে দ্বিতীয় বৃহত্তম।
- এবং বিশ্বের মধ্যে ষষ্ঠ বৃহত্তম মরুভূমি।
- এটি তিনটি দেশে বিস্তৃত।
- বতসোয়ানা,নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা।
- এর আয়তন প্রায় ৯,৩২,০০০ বর্গ কিমি।
- এটি বতসোয়ানার ৭০% অঞ্চল,
- নামিবিয়ার পূর্ব অংশ এবং দক্ষিণ আফ্রিকার উত্তর অংশ জুড়ে বিস্তৃত।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১২১.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নে 'পেরেস্ত্রোইকা এর প্রবর্তক কে ছিলেন?
  1. ভি আই লেনিন
  2. জোসেফ স্ট্যালিন
  3. মিখাইল গর্বাচেভ
  4. নিকোলাই পদগর্নি
ব্যাখ্যা
• সোভিয়েত ইউনিয়নের সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট ছিলেন মিখাইল গর্বাচেভ। 
- ১৯৮৫ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর গ্লাসনস্ত এবং পেরেস্ত্রইকা নামে দুটির সংস্কারমূলক নীতি গ্রহণ করেন।
- গ্লাস্তনস্ত ছিলো রাজনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি।
- পেরেস্ত্রইকা ছিলো অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি বিষয়ক নীতি।
- দুই জার্মানির পুনঃএকত্রীকরণের ক্ষেত্রেও তার সক্রিয় ভূমিকা জার্মানিতে ব্যাপক প্রশংসিত।
- ১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক বিলুপ্তির দিন তিনি পদত্যাগ করেন।

সূত্র: সময় নিউজ ও প্রথম আলো।
১২২.
ভারত কবে প্রজাতন্ত্রে পরিণত হয়?
  1. ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭
  2. ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০
  3. ১৪ মার্চ, ১৯৫১
  4. ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫১
ব্যাখ্যা
• ভারত:
- স্বাধীনতা লাভ - ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে (যুক্তরাজ্য থেকে)।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয় - ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম দেশ - ভারত।

-  জাতীয় প্রতীক -  অশোকচক্র।
- রাজ্য সংখ্যা - ২৮ টি।
-  বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান - ভারতের।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী - জওহরলার নেহরু।
- প্রথম রাষ্ট্রপতি - ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
- প্রথম মুসলমান রাষ্ট্রপতি - জাকির হোসেন।

→ তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১২৩.
পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যবর্তী সীমানা কোনটি?
  1. লাইন অব ডিমারকেশন
  2. লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল
  3. পার্পল লাইন
  4. সনেরা লাইন
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন দেশের সীমানা:
- ডুরান্ড লাইন - পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- ম্যাকমোহন লাইন - ভারত ও চীনের মধ্যে সীমানা।
- রেডক্লিফ লাইন - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
- লাইন অব ডিমারকেশন - পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব কন্ট্রোল - ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - চীন ও ভারত মধ্যে সীমানা।
- পার্পল লাইন - ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
- সনেরা লাইন - মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্র মধ্যকার সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১২৪.
বিশ্বের সবচেয়ে বড় সংবিধান কোন দেশের?
  1. যুক্তরাষ্ট
  2. ভারত
  3. কানাডা
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা
• ভারত:
- স্বাধীনতা লাভ - ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ সালে (যুক্তরাজ্য থেকে)।
- সংবিধান কার্যকর হয় - ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- প্রজাতন্ত্র ঘোষণা দেয় - ২৬ জানুয়ারি, ১৯৫০ সালে।
- বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিখিত সংবিধান - ভারতের।
- প্রথম প্রধানমন্ত্রী - জওহরলার নেহরু।
- প্রথম রাষ্ট্রপতি - ড. রাজেন্দ্র প্রসাদ।
- প্রথম মুসলমান রাষ্ট্রপতি - জাকির হোসেন।
- প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি - প্রতিভা পাতিল।

→ তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১২৫.
'বি-৫২' কী ধরনের বিমান?
  1. বোমারু বিমান
  2. বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার
  3. যাত্রীবাহী বিমান
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
বি-৫২:
- বি-৫২, যাকে স্ট্যাটোফোর্ট্রেসও বলা হয়।
- এটি এক ধরণের মার্কিন বোমারু বিমান।
- এটি ১৯৪৮ সালে ডিজাইন করা হয়েছিল।
- এটি প্রথম ১৯৫২ সালে উড্ডয়ন করা হয়েছিল।
- ১৯৫৫ সালে প্রথম সামরিক পরিষেবা দেয়।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
১২৬.
বেনিতো মুসোলিনি কোন দেশের নেতা ছিলেন?
  1. ফ্রান্স
  2. ইতালি
  3. জার্মানি
  4. অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
• মুসোলিনি
- ইতালীয় ফ্যাসিবাদের প্রবক্তা ছিলেন বেনিতো মুসোলিনি।
- ১৮৮৩ সালে উত্তর ইতালিতে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ১৯১৯ সালের মার্চ মাসে তিনি সামরিক বাহিনীর প্রাক্তন সদস্যদের নিয়ে ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণের জন্য একটি সভা করেন।
- তাদের সাথে নিয়ে তিনি গঠন করেন Fascio di Combattamento, যার বাংলা অর্থ হচ্ছে সংগ্রামী ঐক্য।
- তার উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও ধর্মীয় ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা।
- তিনি ছিলেন উগ্র জাতীয়তাবাদের সমর্থক।
- ১৯২১ সালের নভেম্বর মাসে তিনি তার আন্দোলনকে Fascist Party তে রূপান্তরিত করেন।
- তার দলের মতাদর্শ ছিল কমিউনিস্ট বিরোধী।
- এই দলটি ইতালি শাসন করেছে ১৯২২ সাল থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত।
- ১৯৪৩ সালে Grand Council of Fascism কর্তৃক মুসোলিনি অপসারিত হয়েছিলেন।
- ইতিহাস থেকে জানা যায় মুসোলিনি প্রথমে ১৯১৫ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে Revolutionary Fascist Party গঠন করেন (Partito Fascista Rivoluzionario-RER)।
- ১৯১৯ সালের নির্বাচনে RER খারাপ ফলাফল করলে ১৯২১ সালের নভেম্বর মাসে দলটি National Fascist Party নামে আত্মপ্রকাশ করে। 

সূত্র: বিশ্বরাজনীতির ১০০ বছর - তারেক শামসুর রেহমান।
১২৭.
ভারতের কোন রাজ্যের সঙ্গে কাজী লেন্দুপ দর্জির নাম জড়িত? 
  1. অরুণাচল
  2. সিকিম
  3. মেঘালয়
  4. আসাম
ব্যাখ্যা

- ভারতের সিকিমের সঙ্গে কাজী লেন্দুপ দর্জির নাম জড়িত। 

সিকিম: 

- সিকিম ভারতের পৃথিবীর তৃতীয় উচ্চতম পর্বতশৃঙ্গ কাঞ্চনজঙ্ঘার পাদদেশে অবস্থিত।
- এটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৬ হাজার ফুট উঁচুতে অবস্থান করে এবং মাত্র ৭,০৯৬ বর্গ কিলোমিটারের বিস্তৃতিতে একটি প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপার লীলাভূমি হিসেবে পরিচিত।
- সিকিমের রাজধানীর নাম গ্যাংটক।
- প্রথমে এটি একটি স্বাধীন অঞ্চল হিসেবে থেকে পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ঘটনার কারণে ১৯৭৫ সালে ভারতের প্রজাতন্ত্রের অংশ হয়ে যায়।

উল্লেখ্য, 
- ১৯৭৩ সালে সিকিমে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের ফলাফলে অসন্তুষ্ট হয়ে ভোট কারচুপির অভিযোগ আনে লেন্দুপ দর্জির নেতৃত্বাধীন সিকিম ন্যাশনাল কংগ্রেস দল। এর ফলে ১৯৭৪ সালে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং তাতে লেন্দুপ দর্জি অত্যন্ত ব্যবধানে বিজয় লাভ করেন। ওই নির্বাচনে ৩২টি আসনের মধ্যে তার দল ৩১টি আসনে জয়লাভ করে।

- এরপর তিনি সিকিমের প্রধানমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত হন। ১৯৭৫ সালের ২৭ মার্চ লেন্দুপ দর্জি কেবিনেট মিটিংয়ে রাজতন্ত্র বিলোপের প্রশ্নে একটি সাজানো গণভোটের আয়োজন করেন, এর ফলাফলস্বরূপ চোগিয়াল রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে।
- এর পর ২৬ এপ্রিল ১৯৭৫ সিকিম ভারতের ২২তম রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

১২৮.
ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সচিবালয় অবস্থিত-
  1. ক) রিয়াদ
  2. খ) জেদ্দা
  3. গ) দামেস্ক
  4. ঘ) মক্কা
ব্যাখ্যা
- ১৯৬৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর মরক্কোর রাজধানী রাবাতে ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (ওআইসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়।
- ওআইসি সদস্য দেশ ৫৭ টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে লাহোর সম্মেলনে ওআইসি সদস্যপদ লাভ করে।
- ওআইসির অফিসিয়াল ভাষা ৩টি। যথা: আরবি, ইংরেজি এবং ফরাসি।

উৎসঃ ওআইসি ওয়েবসাইট।
১২৯.
পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সময় হস্তান্তর করা হয়?
  1. জিমি কার্টার
  2. রোনাল্ড রিগ্যান
  3. জেরাাল্ড ফোর্ড
  4. বিল ক্লিনটন
ব্যাখ্যা
পানামা খাল:
- পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়ে।
- ১৯৭৭ সালে তৎকালীন পানামার জাতীয়তাবাদী নেতা ওমর তোরিজোস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার একটি চুক্তি সই করেন, এটা "তোরিজোস-কার্টার চুক্তি" নামে পরিচিত।
- চুক্তি অনুযায়ী, পানামা খাল ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে।
- পানামার কাছে হস্তান্তরের আগে খালটি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ছিল এবং
- তারা সেখানে "ক্যানাল জোন" নামে একটি বিশেষ অঞ্চল পরিচালনা করত।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর বিষয়টি পানামার জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল, যা এই চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
- খালটি বর্তমানে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।
১৩০.
ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের নাম-
  1. ক) এয়ারফোর্স ওয়ান
  2. খ) ওভাল অফিস
  3. গ) ১১ নং ডাউন স্ট্রিট
  4. ঘ) এলিসি প্রাসাদ
ব্যাখ্যা

- ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের নাম এলিসি প্রাসাদ।
- ১৮৭৪ সাল থেকে এলিসি প্রাসাদ ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের বাসভবন হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়।
- ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের মেয়াদকাল পাঁচ বছর।
উৎসঃ ফ্রান্সের সরকারি ওয়েবসাইট।

১৩১.
নেলসন ম্যান্ডেলার ডাক নাম কী ছিল?
  1. ওরিস
  2. পিরু
  3. মাদিবা
  4. হ্যারিস
ব্যাখ্যা
• নেলসন ম্যান্ডেলা:
- নেলসন ম্যান্ডেলার রাজনৈতিক দলের নাম আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস।
- নেলসন ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার অবিসংবাদিত কৃষ্ণাঙ্গনেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট।
- নেলসন ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেস (ANC) পার্টির নেতা ছিলেন।
- ১৯৪৪ সালে তিনি ANC তে যোগ দেন।
- ১৯৯১-১৯৯৭ সময়ে তিনি ANC এর সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
- বর্ণবাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের কারণে তিনি ১৯৬৩-১৯৯০ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ২৭ বছর রোবেন দ্বীপে কারান্তরীণ ছিলেন।
- ১৯৯৪ সালের ১০ মে ম্যান্ডেলা দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিক ভাবে প্রথম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
- ১৯৯৩ সালে ম্যান্ডেলা শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ম্যান্ডেলা মারা যান।
- তার ডাকনাম ছিলো মাদিবা।

উৎস: নেলসন ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
১৩২.
নিচের কোনটি বাফার রাষ্ট্রের উদাহরণ?
  1. নেপাল
  2. বেলজিয়াম
  3. মঙ্গোলিয়া
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাফার রাষ্ট্র:
- দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহৎ শক্তিসমূহের মাঝখানে অবস্থিত দেশকে বাফার স্টেট বলা হয়।
- দুটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশের মধ্যস্থলে অবস্থিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে অনেক সময় বিশেষভাবে সাহায্য করে।
- দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত বেলজিয়ামের কথা উল্লেখ করতে পারি।
- বৈশ্বিক রাজনীতি ও কুটনীতিতে দুই বা ততােধিক বিবাদমান শক্তি বা দেশসমূহের মধ্যে সংঘর্ষ ও সংঘাত এড়ানাের জন্য দুইরাষ্ট্র বা শক্তির মাঝখানে যে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র সৃষ্টি করা হয় বা বজায় রাখা হয় এবং যা অস্তিত্বশীল, সে রাষ্ট্রকে বাফার রাষ্ট্র বলা হয়।

⇒ বেলজিয়াম (জার্মানি-ফ্রান্সের মাঝে), নেপাল ও ভুটান (ভারত-চীন), লেবানন (ইসরায়েল এবং সিরিয়ার মধ্যে) এবং মঙ্গোলিয়া (চীন-রাশিয়ার মাঝে) বাফার স্টেটের উদাহরণ।

উল্লেখ্য,
- মঙ্গোলিয়া ১৯৯১ সাল পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়ন এবং চীনের মধ্যে একটি বাফার হিসাবে কাজ করেছিল।
- এটি বর্তমানে রাশিয়া এবং চীনের মধ্যে একটি বাফার হিসাবে কাজ করে। 

উৎস: WorldAtlas.
১৩৩.
'মেমোগেট' কেলেঙ্কারির সাথে জড়িত ছিল কোন দেশ?
  1. শ্রীলঙ্কা
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. নেপাল
ব্যাখ্যা
• মেমোগেট কেলেঙ্কারি:
- ২০১১ সালের মে মাসে পাকিস্তানে ওসামা বিন লাদেন হত্যার পর দেশটিতে সামরিক অভ্যুত্থানের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়।
- পাকিস্তানের এক ব্যবসায়ী মানসুর ইজাজ ফিন্যান্সিয়াল টাইমস পত্রিকায় লেখা এক কলামে লিখেন যে, গত বছরের শুরুর দিকে পাকিস্তানি এক কূটনীতিকে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগে একটি ‘মেমো' পৌঁছে দেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল।
- ঐ মেমোতে সামরিক বাহিনীকে নিয়ন্ত্রণে আনতে মার্কিন সহায়তা চাওয়া হয়েছিল।
- তথ্যটি সামরিক বাহিনীর সঙ্গে সরকারের দূরত্ব বাড়িয়ে দেয়।
- যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এ ধরনের মেমোর কথা অস্বীকার করা হয়েছে।
- পরবর্তীতে ঐ কূটনীতিকের নামও প্রকাশ করেন কলামিস্ট ইজাজ।
-  সেই থেকে মেমোগেট কেলেঙ্কারি পাকিস্তানে আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

উৎস: ডয়চে ভেলে এবং দ্য ডন পত্রিকা রিপোর্ট।
১৩৪.
সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে কয়টি রাষ্ট্র গঠিত হয়?
  1. ক) ১২টি
  2. খ) ১৩টি
  3. গ) ১৫টি
  4. ঘ) ১৬টি
ব্যাখ্যা

- ১৯৯১ সালে সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙ্গে ১৫টি রাষ্ট্র গঠিত হয়।
- USSR (Union of Soviet Socialist Republics) আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয় ১৯৯১ সালের ২১ ডিসেম্বর।
- তখন অখণ্ড ইউরোপের প্রবক্তা মিখাইল গর্বাচেভ পদত্যাগ করেন।
উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিয়া।

১৩৫.
প্যান্ডোরা পেপার্স, পানামা পেপারস, প্যারাডাইস পেপারস কেলেঙ্কারী প্রকাশকারী অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সংস্থার নাম কী?
  1. ক) ICRJ
  2. খ) ICCJ
  3. গ) ICIJ
  4. ঘ) IRCJ
ব্যাখ্যা
• ICIJ:
- ICIJ এর পূর্ণরূপ The International Consortium of Investigative Journalists.
-  বিশ্বের ১০০টির অধিক দেশের শীর্ষস্থানীয় অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের একটি সংগঠন।
- মার্কিন সাংবাদিক চার্লস চাক লুইস ১৯৯৭ সালে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- ICIJ এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
- পানামা পেপার্স, প্যারাডাইস পেপার্স, প্যান্ডোরা পেপার্স, আফসোর লিস প্রভৃতি গোপন নথিপত্র ফাঁসের মাধ্যমে ICIJ বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে।
-  এসব বারমুডায় অবস্থিত অ্যাপলবাই নামের এক আইনি সহযোগী সংঘটনের গোপন নথি।
- যার মধ্যে ১ কোটি ৩৪ লাখ ডকুমেন্টস এখন তদন্ত করে দেখছে ৬৭টি দেশের ৩৮০ জন সাংবাদিক। 

উৎস: ICIJ ওয়েবসাইট।
১৩৬.
‘আফ্রিকান ঐক্য সংস্থা’ এর উত্তরসূরি হিসাবে আফ্রিকান ইউনিয়ন(AU) প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৬৩ সালে
  2. খ) ১৯৭৫ সালে
  3. গ) ২০০২ সালে
  4. ঘ) ২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা
আফ্রিকান ইউনিয়ন(AU) একটি মহাদেশীয় সংস্থা যা আফ্রিকা মহাদেশের ৫৫টি সদস্য রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত। এটি ২০০২ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘আফ্রিকান ঐক্য সংস্থা’ এর উত্তরসূরি হিসাবে চালু হয়েছিল।
[সূত্রঃ আফ্রিকান ইউনিয়ন ওয়েবসাইট]
১৩৭.
সিডনিতে অবস্থিত অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম-
  1. দি লজ
  2. অপেরা হাউস
  3. কিরিবিলি হাউস
  4. দ্য আর্গ
ব্যাখ্যা
অস্ট্রেলিয়া:
- অস্ট্রেলিয়া ওশেনিয়া মহাদেশের একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র।
- আয়তনের দিক থেকে এটি ওশেনিয়ার সর্ব বৃহ‌ৎ রাষ্ট্র ও পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম রাষ্ট্র।
- যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ১৯০১ সালে।
- রাজধানী: ক্যানবেরা।
- বিখ্যাত জনবহুল শহর: সিডনি।
- মুদ্রা: অস্ট্রেলিয়ান ডলার।
- সরকার প্রধান: প্রধানমন্ত্রী।
- সিডনিতে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের নাম: কিরিবিলি হাউস।

উল্লেখ্য,
- প্রধানমন্ত্রীর দুটি সরকারি বাসভবন রয়েছে।
- ক্যানবেরার লজ এবং সিডনির কিরিবিলি হাউস।

ছবির উৎস: ব্রিটানিকা 
উৎস: ব্রিটানিকা। 
১৩৮.
যুক্তরাষ্ট্র কার কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. জার্মানি
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাজ্য
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে - ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- যুক্তরাষ্ট্রে জাতীয় দিবস - ৪ জুলাই।
- অঙ্গরাজ্য - ৫০ টি।
-  সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য -  হাওয়াই।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম অঙ্গরাজ্য - ক্যালিফোর্নিয়া।
- প্রথম প্রেসিডেন্ট - জর্জ ওয়াশিংটন।
- যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম  - আব্রাহাম লিংকন।
- যুক্তরাষ্ট্র থেকে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ হয় - ১৮৬৩ সালে।
- এদেশের পতাকায় ৫০টি তারকা রয়েছে যা ৫০টি রাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং ১৩টি সমান্তরাল রেখা (লাল ও সাদা রংয়ের) রয়েছে যা দেশটির প্রতিষ্ঠাকালীন ১৩টি উপনিবেশকে নির্দেশ করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি।
- প্রসিদ্ধ স্থানসমূহের মধ্যে অন্যতম ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক, বোস্টন, শিকাগো, লস এন্সেলস, সানফ্রান্সিসকো প্রভৃতি।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৩৯.
ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন কে?
  1. সপ্তদশ লুই
  2. পঞ্চদশ লুই
  3. ষোড়শ লুই
  4. চতুর্দশ লুই
ব্যাখ্যা
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।

• ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের পেছনে ফ্রান্সের রাজনৈতিক অনিয়ম ও স্বৈরতান্ত্রিক শাসন অনেকাংশে দায়ী ছিলো।
- চতুর্দশ লুইয়ের শাসনামলে ফ্রান্স একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়।
- তবে তার সাম্রাজ্যবাদী নীতি দেশকে ভেতর থেকে দুর্বল করে দেয়। তার পুত্র পঞ্চদশ লুই এর অমিতব্যায়িতা জন্য এই দুর্বলতা আরও বৃদ্ধি পায়।
- ষোড়শ লুই ১৭৭৪ সালে সিংহাসনে বসে ক্রমশ এক অরাজক পরিস্থিতির মধ্যে পড়েন।
- আর্থ সামাজিক বৈষম্য রাজনৈতিক দুর্বলতার সঙ্গে যুক্ত হয়ে ১৭৮৯ সলে এক বিস্ফোরক পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
- “স্বাধীনতা, সাম্য, মৈত্রী” - ফরাসি বিপ্লবের মূল স্লোগান।
- বিখ্যাত দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনীর মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই বাস্তিল দুর্গের পতনের মাধ্যমে ফরাসী বিপ্লব শুরু হয়।
- এই বিপ্লব ১০ বছর স্থায়ী হয়েছিল।
- রাজধানী প্যারিসে শ্রমিক ও সাধারণ জনগণ খাদ্যের দাবিতে রাজতন্ত্রের অত্যাচারের প্রতীক বাস্তিল দুর্গ আক্রমণ করে।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় ফ্রান্সের রাজা ছিলেন ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় নেপোলিয়ন বোনাপার্টকে।
 
সূত্র:- ব্রিটানিকা এবং হিস্টরি.কম।
১৪০.
যুদ্ধে 'দাহিয়া ডকট্রিন' প্রয়োগ করে কোন দেশ?
  1. রাশিয়া
  2. আমেরিকা
  3. লেবানন
  4. ইসরাইল
  5. ইরান
ব্যাখ্যা
দাহিয়া ডকট্রিন: 
- যুদ্ধে 'দাহিয়া ডকট্রিন' প্রয়োগ করে ইসরাইল। 

- ‘দাহিয়া ডকট্রিনের’ প্রবর্তক ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তৎকালীন নর্দান কমান্ডের প্রধান জেনারেল গাদি আইজেনকট।
- অবসরে যাওয়ার আগে তিনি ২০১৯ সালে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর চিফ অব জেনারেল স্টাফ হয়েছিলেন।
- বেসামরিক স্থাপনায় ইসরায়েলের ধ্বংসযজ্ঞ নতুন কিছু নয়।
- বরং নিজেদের যুদ্ধনীতির অংশ হিসেবেই ইহুদি রাষ্ট্রটি এমন ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে থাকে।
- তাদের এই যুদ্ধনীতি ‘দাহিয়া (দাহিয়েহ) ডকট্রিন’ হিসেবে পরিচিত।
- এই যুদ্ধনীতি ইসরায়েল প্রথম গাজায় প্রয়োগ করেনি।
- এই যুদ্ধনীতি প্রথম প্রয়োগ করা হয়েছিল লেবাননে,
- দাহিয়া শব্দটি এসেছে লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠের দাহিয়া এলাকার নাম থেকে।
- এলাকাটি দাহিয়েহ নামেও পরিচিত।
- দাহিয়াতে লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সদর দপ্তর।
- ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ২০০৬ সালের যুদ্ধে দাহিয়াকে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেয়।
- ২০২৪ সালের অক্টোবরের শুরু থেকে সেই লেবাননে আবার কুখ্যাত এই যুদ্ধনীতি প্রয়োগ শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।
- ইতিমধ্যে লেবাননের দক্ষিণাঞ্চল এবং দেশটির রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠের বিস্তীর্ণ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত করেছে ইসরায়েল।

উৎস: প্রথম আলো (১৫ নভেম্বর ২০২৪)
১৪১.
যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কে? (মার্চ-২০২৬)
  1. বরিস জনসন
  2. লিজ ট্রাস
  3. ঋষি সুনাক 
  4. কিয়ার স্টারমার
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাজ্যের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
- ২০২৪ সালে যুক্তরাজ্যে জাতীয় নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয় পাওয়া লেবার পার্টির নেতা কিয়ার স্টারমারকে প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ দিয়েছেন ব্রিটেনের রাষ্ট্রপ্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস। 
-  নির্বাচনে ৪১২টি আসনে জয় পেয়েছে লেবার পার্টি।
- কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১২১টি আসন।
- সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য কোনো দলের প্রয়োজন হয় ৩২৬ আসন।
- এই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যুক্তরাজ্যে টানা ১৪ বছর পর ক্ষমতা থেকে সরে গেল কনজারভেটিভ পার্টি।

উৎস: বিবিসি এবং প্রথম আলো।

১৪২.
যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম কী?
  1. মার্টিন লুথার কিং
  2. জর্জ ওয়াশিংটন
  3. জন এফ কেনেডি
  4. আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। এই দিনটি যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রে মোট ৫০টি অঙ্গরাজ্য রয়েছে। সর্বশেষ অঙ্গরাজ্য ছিল হাওয়াই। পতাকায় ৫০টি তারা রয়েছে, যা প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের প্রতিনিধিত্ব করে।
- যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভা হচ্ছে কংগ্রেস, এটি দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হলো হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ হলো সিনেট পরিষদ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট, জো বাইডেন, যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট। প্রথম প্রেসিডেন্ট ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন, যিনি কখনো হোয়াইট হাউজে বসবাস করেননি।
- যুক্তরাষ্ট্রকে স্ট্যাচু অব লিবার্টি উপহার দেয় ফ্রান্স। ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্ট ছিলেন আব্রাহাম লিংকন, যিনি ১৮৬৩ সালে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপ করেন। আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট।

সূত্র - Britannica.com
১৪৩.
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. আরব সাগর
  2. বঙ্গোপসাগর
  3. পারস্য উপসাগর
  4. লোহিত সাগর
ব্যাখ্যা
আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ: 
- বঙ্গোপসাগরে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ অবস্থিত।

- আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল।
- যা বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব অংশে অবস্থিত।
- এই দ্বীপপুঞ্জটি মূলত দুটি বৃহৎ দ্বীপ-গুচ্ছ নিয়ে গঠিত:
- আন্দামান দ্বীপপুঞ্জ উত্তর দিকে,
- নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ দক্ষিণ দিকে,
- এই দ্বীপ  দুটি বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারের উপকূলের কাছে অবস্থান করে।

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
১৪৪.
সার্ক কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয় ?
  1. ক) ১৯৭৫
  2. খ) ১৯৮৫
  3. গ) ১৯৮৭
  4. ঘ) ১৯৯০
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC)
- পূর্ণরুপ- South Asian Association for Regional Co-operation (SAARC)
- সার্ক ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ঢাকায়।
- সার্ক ৮ টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। যথা: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা।
- সচিবালয়- কাঠমুন্ড।
- সচিবালয়- ১৭ জানুয়ারী, ১৯৮৭ সালে কাঠমুন্ডতে সচিবালয় স্থাপিত হয়।
- সবর্শেষ সদস্য- আফগানিস্তান।

তথসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (SAARC)
১৪৫.
কোন জনগোষ্ঠী নাকবা বা মহাবিপর্যয় দিবস পালন করে?
  1. ইসরায়েলি
  2. ফিলিস্তিনি
  3. ফরাসি
  4. ইংরেজ
ব্যাখ্যা

⇒  ফিলিস্তিনিরা ১৫ মে নাকবা দিবস পালন করেন।

নাকবা দিবস:
- ১৯১৭ সাল থেকে ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিন ছিল ব্রিটেনের অধীনে।
- প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটিশ বাহিনী তুরস্কের কাছ থেকে জেরুজালেম দখল করে নেয়।
- ১৯১৭ সালে ব্রিটেনের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী লর্ড আর্থার বেলফোর এক চিঠির মাধ্যমে ইহুদী নেতা ব্যারন রথচাইল্ডকে জানান—ব্রিটেন ফিলিস্তিনে একটি ইহুদী রাষ্ট্র গঠনে সহায়তা করবে।
- এই চিঠিই ইতিহাসে ‘বেলফোর ঘোষণা’ নামে পরিচিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ মে ফিলিস্তিনে ব্রিটিশ ম্যানডেট বা শাসন শেষ হলে বেন গুরিয়ান আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ইসরায়েল রাষ্ট্র ঘোষণা করেন।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রুম্যান সঙ্গে সঙ্গে একে স্বীকৃতি দেন। আর আল নাকবা বা মহাবিপর্যয় নেমে আসে ফিলিস্তিনিদের ওপর।
- প্রায় সাড়ে সাত লাখ ফিলিস্তিনি জর্ডান, লেবানন ও সিরিয়ায় গিয়ে উদ্বাস্তু হিসেবে আশ্রয় নেন।
- সেই বিপর্যয় স্মরণে প্রতিবছর ১৫ মে পালিত হয় আল-নাকবা বা মহাবিপর্যয় দিবস।

উল্লেখ্য,
- ১৯৯৮ সালে ফিলিস্তিনিদের কিংবদন্তি নেতা ও ফিলিস্তিনের সাবেক প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত ইসরায়েলের স্বাধীনতা দিবসের পরের দিনটিকে নাকবা দিবস হিসেবে ঘোষণা দেন।
- সেই থেকে নাকবা পালিত হয়ে আসছে। 
- জাতিসংঘ ২০২৩ সাল থেকে দিনটি আনুষ্ঠানিকভাবে পালন শুরু করে।

তথ্যসূত্র: নিউজ রিপোর্ট। [Link]

১৪৬.
কোন বিপ্লবের ফলে রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয়?
  1. ক) বলশেভিক বিপ্লব
  2. খ) ফেব্রুয়ারি বিপ্লব
  3. গ) জানুয়ারী বিপ্লব
  4. ঘ) ডিসেম্বর বিপ্লব
ব্যাখ্যা
ফেব্রুয়ারি বিপ্লব:

- রাশিয়ার রাজতন্ত্রের পতন হয় ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের কারণে।
- ১৯১৭ সালে রাশিয়ায় দুটি বিপ্লব সংগঠিত হয়।
- এই দুটি বিপ্লবকে একত্রে ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব বলে।
- রুশ বিপ্লবের প্রথম পর্যায়কে ফেব্রুয়ারি বিপ্লব বলে। ফেব্রুয়ারি বিপ্লবের ফলে জার দ্বিতীয় নিকোলাসকে ক্ষমতা থেকে উচ্ছেদ ও বন্দি করা হয়।
- ফেব্রুয়ারি বিপ্লব নেতৃত্ব দেন আলেক্সান্দ্রো এফ. ক্যারেনস্কি।

বলশেভিক বিপ্লব/অক্টোবর বিপ্লব:
- রুশ বিপ্লবের দ্বিতীয় পর্যায়কে বলশেভিক বা অক্টোবর বিপ্লব বলে।
- বলশেভিক বিপ্লবের ফলে রাশিয়ায় লেনিনের নেতৃত্বে বিশ্বের প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বলশেভিক বিপ্লবের নেতা ছিলেন।
- ভ্লাদিমির লেনিন ও লিওন ট্রটস্কি।

তথ্যসূত্র - History.com & Britannica.com
১৪৭.
নিচের কোন দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা রয়েছে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. কানাডা
  3. সুইডেন
  4. উল্লিখিত সকল দেশে
ব্যাখ্যা
আইন ও শাসনবিভাগের সম্পর্কের ভিত্তিতে সরকারের শ্রেণিবিভাগ:
- আইন ও শাসনবিভাগ দুটি বিভাগের মধ্যে সম্পর্ক বা জবাবদিহিতা নীতির ভিত্তিতে সরকারের দুটি রূপ রয়েছে।
- যথা- সংসদীয় সরকার ও রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার।

সংসদীয় সরকার:
- যে সরকার ব্যবস্থায় শাসনবিভাগের স্থায়িত্ব ও কার্যকারিতা আইনবিভাগের উপর নির্ভরশীল, তাকে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার বা সংসদীয় পদ্ধতির সরকার বলে।
- এতে মন্ত্রিসভার হাতে দেশের শাসন ক্ষমতা থাকে।
- সাধারণ নির্বাচনে সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ আসনে বিজয়ী দল মন্ত্রিসভা গঠন করেন।
- বাংলাদেশ, ভারত, যুক্তরাজ্য, কানাডা, সুইডেন, অস্ট্রেলিয়া প্রভৃতি দেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- এ ধরনের সরকারে একজন নিয়মতান্ত্রিক রাষ্ট্রপ্রধান থাকেন।
- তবে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা হয় প্রকৃত শাসন ক্ষমতার অধিকারী।
- সংসদীয় সরকারে প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রিসভা তাদের কাজের জন্য আইন পরিষদের নিকট দায়ী থাকে।

তথ্যসূত্র: একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেনীর পৌরনীতি ও সুসাশন বই, ব্রিটানিকা।
১৪৮.
মিয়ানমার কোন দেশের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. চীন
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা
মিয়ানমারের স্বাধীনতা লাভ:
- ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি যুক্তরাজ্যের থেকে মুক্তি পায় মিয়ানমার।
- ১৯৪২ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ব্রিটিশ উপনিবেশ মিয়ানমারে অভিযান চালায় জাপান।
- জাপানে প্রশিক্ষিত বার্মা ইন্ডিপেনডেন্ট আর্মির সহায়তায় দেশটি দখল করে নেয় তারা।
- বার্মা ইন্ডিপেনডেন্ট আর্মি পরবর্তীতে অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট পিপলস ফ্রিডম লীগে (এএফপিএফএল) রূপান্তরিত হয়।
- ১৯৪৫ সালে অং সানের নেতৃত্বাধীন এএফপিএফএল’র সহায়তায় জাপানি দখলদারিত্ব থেকে মিয়ানমারকে মুক্ত করে ব্রিটেন।
- ১৯৪৮ সালে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে উ নু ক্ষমতায় থাকাকালে মিয়ানমার স্বাধীনতা লাভ করে।

উৎস: Britannica ও ডেইলি স্টার বাংলা।
১৪৯.
’সানশাইন পলিসি’ কোন দুই দেশের সাথে জড়িত?
  1. চীন ও রাশিয়া
  2. দক্ষিণ কোরিয়া এবং উত্তর কোরিয়া
  3. চীন ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
‘সানশাইন পলিসি’ (Sunshine Policy):
- ‘সানশাইন পলিসি’ ছিল দক্ষিণ কোরিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি,
- যা ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ও সহযোগিতা বাড়ানোর লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়ার দুই দেশের সাথে জড়িত।

• মূল উদ্দেশ্য:
- দুই কোরিয়ার মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা।
- উত্তরের সঙ্গে বাণিজ্য ও মানবিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।
- যুদ্ধের ঝুঁকি হ্রাস করে ধীরে ধীরে সম্পর্কের উন্নয়ন।

• প্রবর্তক:
- দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম ডে-জুং (Kim Dae-jung)।
- তিনি এই নীতির জন্য ২০০০ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৫০.
নিচের কোনটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা?
  1. আসিয়ান
  2. সার্ক
  3. কমনওয়েলথ
  4. ব্রিকস
ব্যাখ্যা
আসিয়ান (ASEAN):
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা হচ্ছে আসিয়ান। 
- আসিয়ান (ASEAN) ৮ আগস্ট ১৯৬৭ সালে ব্যাংকক, থাইল্যান্ডে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর মূল লক্ষ্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সহযোগিতা বৃদ্ধি।
- সদস্য দেশসমূহ: ১০টি দেশ। 
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য (১৯৬৭):ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড।
- পরবর্তীতে যোগদান করে:ব্রুনাই, ভিয়েতনাম, লাওস, মিয়ানমার ও কম্বোডিয়া।
- বর্তমানে আসিয়ান দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ১০টি দেশ নিয়ে গঠিত এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

উৎস: আসিয়ান ওয়েবসাইট। 
১৫১.
জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর হলেন -
  1. ক) কার্ল নেহামার
  2. খ) জেবাস্তিয়ান কুর্টস
  3. গ) অ্যাঞ্জেলা মার্কেল
  4. ঘ) ওলাফ শলৎস
ব্যাখ্যা
• জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর হলেন ওলাফ শলৎস
• তিনি গত ৮ ডিসেম্বর ২০২১ জার্মানির ৯ম চ্যান্সেলর হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তার রাজনৈতিক দল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (সিপিডি)।
• ওলাফ শলৎসের ক্ষমতা গ্রহণের মাধ্যমে জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলের ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটে।

তথ্যসূত্র: ডয়েচভেলে। 
১৫২.
সম্প্রতি, ভারতের কাছে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির ঘোষণা দিয়েছে? [ফেব্রুয়ারি, ২০২৫]
  1. চীন
  2. রাশিয়া
  3. ইরান
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
এফ-৩৫:
- এফ-৩৫ বিশ্বের অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমানগুলোর মধ্যে একটি।
- এই যুদ্ধবিমান শত্রুপক্ষের চোখ ফাঁকি দিয়ে (স্টিলথ) লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।

সম্প্রতি,
- ভারতের কাছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানসহ অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
- হোয়াইট হাউসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প এ ঘোষণা দেন।
- বিক্রি নিয়ে চুক্তি হলে পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর মিত্রদেশ এবং ইসরায়েল ও জাপানের বাইরে ভারত এফ-৩৫ পাবে।
- উল্লেখ্য, পাকিস্তান এর প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, ভারতকে অত্যাধুনিক সামরিক সরঞ্জাম দিলে দক্ষিণ এশিয়ায় সামরিক ভারসাম্যহীনতা তৈরি হবে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১৫৩.
'শাত-ইল-আরব' কে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধের ব্যাপ্তিকাল ছিল -
  1. ১৯৭৩-১৯৮০ সাল
  2. ১৯৮০-১৯৮৮ সাল
  3. ১৯৮৪-১৯৯২ সাল
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
শাত-ইল-আরব:
- 'শাত-ইল-আরব' দক্ষিণ-পূর্ব ইরাকের নদী।
- আল-কুরনাহ শহরে টাইগ্রিস এবং ইউফ্রেটিস নদীর মিলিত প্রবাহ।
- এই জলপথের অবস্থান: পারস্য উপসাগরে।
- ইরাক ও ইরানের মধ্যে এই জলপথ নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরান ও ইরাকের মধ্যে যুদ্ধ হলেছিল।
- যুদ্ধের স্থায়ীত্বকাল: ১৯৮০-১৯৮৮ সাল।
- শাত-ইল আরব জলপথকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে বিরোধ অবসানের উদ্দেশ্যে ১৯৭৫ সালের ১৩ জুন আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বর্তমানে এটি ইরানের দখলে রয়েছে।

তথ্যসূত্র - হিস্টরি.কম এবং ব্রিটানিকা।
১৫৪.
’সাত পাহাড়ের শহর’ নামে পরিচিত-
  1. রোম
  2. ইস্তাম্বুল
  3. লিসবন
  4. ভিয়েনা
ব্যাখ্যা
ভৌগলিক উপনাম: 
- রোম, ইতালির রাজধানী।
-  রোম কে “সাত পাহাড়ের শহর” নামে পরিচিত হয়।
- কারণ প্রাচীন রোম শহরটি গঠিত হয়েছিল সাতটি ছোট ছোট পাহাড় বা টিলার উপর ভিত্তি করে।
• প্রাচীন রোম নগরটি নিচের সাতটি পাহাড়ের উপর প্রতিষ্ঠিত হয়-
- Aventine Hill,
- Caelian Hill,
- Capitoline Hill,
- Esquiline Hill,
- Palatine Hill,
- Quirinal Hill,
- Viminal Hill. 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
১৫৫.
ইন্দোচীনের অর্ন্তভুক্ত নয় কোন দেশটি?
  1. ভিয়েতনাম
  2. জাপান
  3. কম্বোডিয়া
  4. লাওস
ব্যাখ্যা
ইন্দোচীন:  
- ফ্রান্স অষ্টাদশ শতকে ইন্দোচীন হিসাবে পরিচিত বর্তমান ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বােডিয়ার উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পর্যন্ত অঞ্চলটির উপর শাসন অব্যাহত রাখে।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে জাপান ইন্দোচীন দখল করে নেয়।
- ১৯৪৫ সালে ভিয়েতনাম স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
- ফ্রান্স ভিয়েতনামকে ফরাসি ইউনিয়নের অধীনে একটি পৃথক রাষ্ট্র হিসাবে স্বীকৃতি দিয়ে ১৯৪৬ সালে দেশটির উপর পুনরায় নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৫৬.
নর্ড স্ট্রিম-১ কোন দেশের মালিকানাধীন গ্যাস পাইপলাইন?
  1. রাশিয়া
  2. চীন
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
• নর্ড স্ট্রিম-১ রাশিয়ার দেশের মালিকানাধীন গ্যাস পাইপলাইন। 

• নর্ড স্ট্রিম-১: 
- রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানির সবচেয়ে বড় পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম ১। 
- এটির মাধ্যমে ইউরোপে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ করে।
- নর্ড স্ট্রিম-১ পাইপলাইন বাল্টিক সমুদ্রের নিচে দিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার (৭৪৫) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এটি রাশিয়ার সেইন্ট পিটার্সবার্গ এলাকা থেকে জার্মানির উত্তর-পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত প্রসারিত।
- ২০১১ সালে এই পাইপলাইনের উদ্বোধন হয়।
- এটি রাশিয়া থেকে দিনে ১৭০ ঘন মিটার গ্যাস জার্মানিতে পাঠাতে পারে।

সূত্র: ডেইলি স্টার বাংলা ও Nord Stream ওয়েবসাইট (লিঙ্ক) ।
১৫৭.
ভারতের সংবিধানের কোন ধারা বাতিলের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্যের মর্যাদা হারায়?
  1. ৩০৭ ধারা
  2. ৩৭৭ ধারা
  3. ৩৭০ ধারা
  4. ৩৭১ ধারা
ব্যাখ্যা
- ১৭ অক্টোবর ১৯৪৯ ভারতের সংবিধানে ৩৭০ অনুচ্ছেদ যুক্ত করা হয়।
- ২০২০ সালে বিলুপ্ত করা ভারতের সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ এর বিষয়বস্তু ছিল - আলাদা পতাকা রাখার স্বাধীনতা, নিজস্ব সংবিধান ও দ্বৈত নাগরিকত্ব, কাশ্মীর ভারতীয় সংবিধানের আওতামুক্ত।
- এই অনুচ্ছেদ বাতিলের ফলে জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের রাজ্যের মর্যাদা হারায় এবং ‘জম্মু ও কাশ্মীর’ ও ‘লাদাখ’ নামে দুটি কেন্দ্র শাসিত নতুন অঞ্চল হিসাবে বিবেচিত হয়।

উৎস: ইন্ডিয়া টাইমস্‌ ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পত্রিকা রিপোর্ট।
১৫৮.
সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে? (মার্চ-২০২৬)
  1. ফয়েজ আল-হাশেম
  2. তাকফির আল-মুসলিম
  3. আহমেদ আল-শারা
  4. মারওয়ান আল-রাশিদ
ব্যাখ্যা

- সিরিয়ার বর্তমান প্রেসিডেন্ট - আহমেদ আল-শারা।

- আহমেদ আল-শারা, যাকে আবু মোহাম্মদ আল-জোলানি নামেও পরিচিত,
- একজন ইসলামপন্থী এবং হায়াত তাহরির আল-শাম (এইচটিএস) এর নেতা, 
- তিনি ২০২৪ সালে সিরিয়ার রাষ্ট্রপতি বাশার আল-আসাদের পতনের অভিযানে নেতৃত্ব দিয়েছিল।
- ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে তাকে সিরিয়ার অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রাষ্ট্রপতি মনোনীত করা হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৫৯.
গ্লাসনস্ত নীতির প্রবর্তক কে?
  1. মিখাইল গর্বাচেভ
  2. দিমিত্রি মেদভেদেভ
  3. ভ্লাদিমির পুতিন
  4. জর্জ ডব্লিউ বুশ
ব্যাখ্যা

গ্লাসনস্ত নীতি:
- গ্লাসনস্ত, রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়গুলির উন্মুক্ত আলোচনার খোলাখুলি নীতি যেখানে সোভিয়েতের জনগণ নির্ভয়ে তাদের মতামত প্রকাশ করতে পারবে।
- এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট  মিখাইল গর্বাচেভ  ১৯৮০-এর দশকের শেষের দিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
- এর মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজনৈতিক কাঠামোতে মৌলিক পরিবর্তন আসে।
-  সোভিয়ত সরকার, সরকারি কর্মকর্তাদের সমালোচনার অনুমতি দেয় ।
-  সংবাদ ও তথ্যের অবাধ প্রচারের অনুমতি দেওয়া হয়।

উৎস: Britannica

১৬০.
আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৭৭৪
  2. খ) ১৭৭৫
  3. গ) ১৭৭৬
  4. ঘ) ১৭৭৭
ব্যাখ্যা
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র একটি ঐতিহাসিক দলিল যা ৪ জুলাই ১৭৭৬ পেনসিলভানিয়া প্রাদেশিক আইনসভায় অনুষ্ঠিত ২য় কন্টিনেন্টাল কংগ্রেসের সভায় গৃহীত হয়।

• এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের সাথে যুদ্ধরত তেরটি মার্কিন উপনিবেশ নিজেদের ব্রিটিশ শাসনের বাইরে স্বাধীন ও সার্বভৌম হিসেবে ঘোষণা করে এবং যুক্তরাষ্ট্র নামে নতুন রাষ্ট্র গঠন করে।
• পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি কংগ্রেসে ভোটাভুটির জন্য আগেই আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতা ঘোষণার একটি খসড়া প্রস্তুত করে রেখেছিলেন।

উৎস:  ব্রিটানিকা।
১৬১.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৬২ সাল
  2. খ) ১৮৬৫ সাল
  3. গ) ১৮৬৪ সাল
  4. ঘ) ১৮৬৩ সাল
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিঙ্কন দাসপ্রথা বিলুপ্তির লক্ষ্যে, ১ জানুয়ারি ১৮৬৩ সালে তিনি 'Emancipation Proclamation' এ স্বাক্ষর করেন। মূলত এই ঘোষণার মাধ্যমেই যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- এই ঘোষণাকে স্থায়ী বা সাংবিধানিক আইনে পরিণত করতে লিংকন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী আনেন।
- ২ ডিসেম্বর ১৮৬৫ মার্কিন কংগ্রেসের হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ এ ১৩তম সংশোধনী পাস হয়। অর্থ্যাৎ, যুক্তরাষ্ট্রে সাংবিধানিকভাবে ১৮৬৫ সালে স্থায়ীভাবে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয়।

তথ্যসূত্র:- হিস্টোরি ডটকম এবং নিউইয়র্ক টাইমস।
১৬২.
নাথু লা পাস (Nathula Pass) কোন দুটি দেশকে সংযুক্ত করেছে?
  1. চীন ও ভারত
  2. ভারত ও নেপাল
  3. মিয়ানমার ও চীন
  4. নেপাল ও ভূটান
ব্যাখ্যা
• নাথু লা পাস (Nathula Pass) - চীন ও ভারতের মধ্যে অবস্থিত একটি গিরিপথ।
- এটি তিব্বত ও সিকিম সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি চীনের পুরাতণ সিল্ক রোডের একটি অংশ।
- এটি সমুদ্র পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৪,৪৫০ ফুট উপরে অবস্থিত।
- বর্তমানে চীন-ভারতের বাণিজ্যের অন্যতম রূট হিসাবে এই গিরিপথটি ব্যবহৃত হয়।

উৎস: সিকিমের সরকারি ওয়েবসাইট।
১৬৩.
পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয় কোন মার্কিন প্রেসিডেন্টের সময়ে?
  1. জিমি কার্টার
  2. বিল ক্লিনটন
  3. জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ
  4. রোনাল্ড রিগ্যান
ব্যাখ্যা
পানামা খাল: 
- পানামা খাল আনুষ্ঠানিকভাবে পানামার কাছে হস্তান্তর করা হয় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টারের সময়ে।
- ১৯৭৭ সালে তৎকালীন পানামার জাতীয়তাবাদী নেতা ওমর তোরিজোস এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার একটি চুক্তি সই করেন, এটা  "তোরিজোস-কার্টার চুক্তি" নামে পরিচিত।
- চুক্তি অনুযায়ী, পানামা খাল ১৯৯৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর পানামার নিয়ন্ত্রণে আসে।

উল্লেখ্য, 
- পানামার কাছে হস্তান্তরের আগে খালটি দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রের অধীনে ছিল এবং
- তারা সেখানে "ক্যানাল জোন" নামে একটি বিশেষ অঞ্চল পরিচালনা করত।
- পানামা খালের নিয়ন্ত্রণ ফেরানোর বিষয়টি পানামার জনগণের দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ছিল, যা এই চুক্তির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হয়।
- খালটি বর্তমানে পানামা খাল কর্তৃপক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়।

সূত্র: প্রথম আলো ও ব্রিটানিকা।
১৬৪.
আনান কমিশন কোন আন্তর্জাতিক সমস্যার ওপর প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে?
  1. ক) ফিলিস্তিন সমস্যা
  2. খ) রোহিঙ্গা সমস্যা
  3. গ) দ্য ক্রস অব দ্য মেরিট 
  4. ঘ) জলবায়ু সমস্যা
ব্যাখ্যা
• আনান কমিশন:
- ২০১৬ এর সেপ্টেম্বরে কফি আনানকে মায়ানমারের রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট তদন্তে গঠিত একটি জাতিসংঘ কমিশনের প্রধান নিযুক্ত করা হয়, যা 'আনান কমিশন' নামে পরিচিত।
- আনান কমিশনের প্রতিনিধিদলের অন্য দুই সদস্য হলেন মিয়ানমারের নাগরিক উইন ম্রা ও আই লুইন।
- কফি আনান ঘানার একজন কূটনীতিবিদ এবং জাতিসংঘের সপ্তম মহাসচিব ছিলেন।
- কফি আনান ১৯৯৭ সালে  নোবেল শান্তি পুরস্কার অর্জন করেন।
- কফি আনান ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা, যেটি শান্তি, উন্নয়ন এবং মানবাধিকারের হুমকিগুলি কাটিয়ে উঠতে রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তিকে একত্রিত করতে চায়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১৬৫.
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবনের নাম কী?
  1. ক) হোয়াইট হল
  2. খ) ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে
  3. গ) বুশ হাউজ
  4. ঘ) হোয়াইট হাউজ
ব্যাখ্যা
- ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে বলা হয় 'হোয়াইট  হল'। 
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন 'হোয়াইট হাউজ'। 
- ব্রিটিশ রাজপরিবারের বাসভবন 'বাকিংহাম প্যালেস'। 
- যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়ের নাম ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট’। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৬৬.
সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে মোট কতটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়?
  1. ক) ১০ টি
  2. খ) ১২ টি
  3. গ) ১৩ টি
  4. ঘ) ১৫ টি
ব্যাখ্যা
১৯৯১ সালের ২৫ ডিসেম্বর সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন আনুষ্ঠানিকভাবে ভেঙে যায়। এতে পৃথিবীতে নতুন ১৫ টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এগুলো হলোঃ রাশিয়া, ইউক্রেন, বেলারুশ, মোলদাভিয়া, লিথুনিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, জর্জিয়া, উজবেকিস্তান, কাজাখস্তান, তুর্কমেনিস্তান, কিরগিজস্তান এবং তাজিকিস্তান। ১৯১৭ রাশিয়ায় বলশেভিক বিপ্লবের ফলশ্রুতিতে ১৯২২ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়। (সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম)
১৬৭.
সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে?
  1. ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে
  2. ১০ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে
  3. ৮ নভেম্বর, ১৯৮৫ সালে
  4. ১০ নভেম্বর, ১৯৮৫ সালে
ব্যাখ্যা

• SAARC:
- এর পূর্ণরূপ: South Asian Association for Regional Cooperation.
- এটি প্রতিষ্ঠত হয়: ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে ঢাকায়।
- SAARC ৮টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত। যথা:
- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং আফগানিস্তান।
-  সার্ক এর মালদ্বীপ ও শ্রীলংকা দ্বীপ রাষ্ট্র।
- SAARC এর সচিবালয় কাঠমান্ডু, নেপালে অবস্থিত।
- সচিবালয়: ১৯৮৭ সালের ১৭ জানুয়ারী নেপালের কাঠমান্ডু-তে।
- এর সর্বশেষ সদস্য হলো আফগানিস্তান।

• SAARC এর আঞ্চলিক কেন্দ্র:
- সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র: গুজরাট, গান্ধীনগর, ভারত।
- সার্ক কৃষি কেন্দ্র: ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক যক্ষা ও এইডস কেন্দ্র: কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র: কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র: ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।

উৎস: SAARC ওয়েবসাইট।

১৬৮.
চীন কর্তৃক গ্রহীত মেঘা প্রকল্প BRI এর অর্থ হচ্ছে-
  1. ক) Belt of Road Initiative
  2. খ) Basic of Regional Initiative
  3. গ) Build Regional Infrastructure
  4. ঘ) Big Road Infrastructure
ব্যাখ্যা
BRI এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Belt of Road Initiative.
 
- চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) ঘোষণা করেছিলেন।
- সমুদ্র ও সড়কপথে চীনের সঙ্গে ইউরোপ ও এশিয়াকে বাণিজ্যসূত্রে গাঁথার প্রকল্প বিআরআই।
- চীনের আনুষ্ঠানিক ভাষ্য হলো, বিআরআই বেইজিংয়ের সঙ্গে বিশ্ব অর্থনীতির সরাসরি সংযোগ।
 
সূত্র: ব্রিটানিকা  ও প্রথম আলো 
১৬৯.
অক্সফাম ইন্টারন্যাশনালের সদরদপ্তর কোন শহরে অবস্থিত?
  1. ক) নাইরোবি
  2. খ) জুরিখ
  3. গ) বার্লিন
  4. ঘ) লন্ডন
ব্যাখ্যা
অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল একটি বহুজাতিক এনজিও কনফেডারেশন। ১৯৪২ সালে যুক্তরাজ্যে গঠিত Oxford Committee for Famine Relief (Oxfam) ১৯৯৫ সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৯টি বেসরকারি স্বাধীন দাতব্য প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি কনফেডারেশন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। এর সদরদপ্তর কেনিয়ার নাইরোবি শহরে অবস্থিত। অক্সফাম বিশ্বের ৯০টির অধিক দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে কাজ করছে।
(সূত্রঃ অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল ওয়েবসাইট)
১৭০.
ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ-
  1. তুরস্ক
  2. সৌদি আরব
  3. কুয়েত
  4. মিশর
ব্যাখ্যা
ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে ছোট্ট একটি দেশ ইসরাইল।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরায়েলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিশর।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।

উৎস: Britannica. 
১৭১.
১০নং ডাউনিং স্ট্রিট কী?
  1. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস অফিস
  2. ব্রিটেনের আইনসভার চিফ হুইপের কার্যালয়
  3. ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়
  4. ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়
ব্যাখ্যা
- যুক্তরাজ্যের অর্থমন্ত্রীকে 'Chancellor of Ex-chequer' বলা হয়।
- ৯ নং ডাউনিং স্ট্রিট: বৃটেনের আইনসভার চিফ হুইপ এর কার্যালয়।
- ১২ নং ডাউনিং স্ট্রিট: বৃটেনের আইনসভার চিফ হুইপ এর বাসভবন। 
- ১০ নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন ও কার্যালয়।
- ১১ নং ডাউনিং স্ট্রিট: ব্রিটিশ অর্থমন্ত্রীর কার্যালয়।
- যুক্তরাজ্যের রানীর বাসভবন হচ্ছে বাকিংহাম প্যালেস/উইন্ডসর ক্যাসেল।
- ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে বলা হয় 'হোয়াইট হল'।

সূত্র:- যুক্তরাজ্যের সরকারি ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
১৭২.
ম্যাকিয়াস সিল দ্বীপটি কোন দুই দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো
  2. কানাডা ও ফ্রান্স
  3. কানাডা ও যুক্তরাষ্ট্র
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
ব্যাখ্যা

⇒ কানাডার নিউ ব্রান্সউইক প্রদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মেইন রাজ্যের মধ্যে অবস্থিত, ম্যাকিয়াস সিল দ্বীপটি কানাডা এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শেষ প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ স্থল অঞ্চল।
- ২০ একরের এই সাধারণ দ্বীপটি প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার অবস্থিত।
- এই বিরোধের ইতিহাস ২০০ বছরেরও বেশি পুরনো।
- ১৮১২ সালের যুদ্ধের সময় এ বিরোধ শুরু হয়।
- তখন গ্রেট ব্রিটেন (বর্তমান কানাডা) ও যুক্তরাষ্ট্র—দুই দেশই দ্বীপটির জমি ও জলসীমার দাবি করে।
- দ্বীপটি খুব ছোট ও দূরবর্তী হওয়ায় সেখানে স্থায়ী বসতি গড়া কঠিন ছিল।
- তবুও এটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এটি জাহাজ চলাচলের একটি কৌশলগত পথের মাঝে অবস্থিত।
- দ্বীপটি গ্র্যান্ড মানান দ্বীপের কাছে অবস্থান করায় এর গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়।
- কোনো দেশই দ্বীপটির দাবি ছাড়তে চায়নি।
- ১৮৩২ সালে ব্রিটেন তাদের দাবি জোরালো করতে সেখানে একটি বাতিঘর নির্মাণ করে।
- এরপর থেকে কানাডিয়ানরা সেখানে বসবাস করে আসছে।
- তারা নাবিকদের পাথুরে উপকূল থেকে নিরাপদে রাখতে সাহায্য করে।
- একই সঙ্গে তারা মানব ও প্রাকৃতিক উভয় ধরনের বিপদ থেকে দ্বীপটিকে রক্ষা করে।

উৎস: বিবিসি।

১৭৩.
ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন কে? (জানুয়ারি-২০২৬)
  1. দিয়োসদাদো কাবেয়ো
  2. নিকোলাস মাদুরো
  3. হুয়ান গুয়াইদো
  4. দেলসি রদ্রিগেজ
ব্যাখ্যা

- দেলসি রদ্রিগেজ ভেনেজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়েছেন।
- ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে এক সংসদীয় অধিবেশনে ৫৬ বছর বয়সী দেলসি শপথ গ্রহণ করেন।
- ২০১৮ সাল থেকে তিনি ভেনেজুয়েলার ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

⇒ ৩রা জানুয়ারি ২০২৬ ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে ‘বড় পরিসরে’ হামলা চালিয়ে দেশটির প্রেসিডেন্ট নিকোলা মাদুরো ও তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে আটক করে মার্কিন বাহিনী। এর সাত ঘণ্টা পরে আটক মাদুরোর ছবি প্রকাশ করেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবিতে তাঁর চোখ বাঁধা, হাতে হাতকড়া আর পরনে ধূসর রঙের নরম কাপড়ের তৈরি ট্রাউজার দেখা যায়।

উৎস: প্রথম আলো।

১৭৪.
চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ কোনটি?
  1. পেরেজিল দ্বীপ
  2. সেনকাকু দ্বীপ
  3. শাখালিন দ্বীপ
  4. কুরিল দ্বীপ
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ অঞ্চল:

- চীন ও জাপানের মধ্যে বিরোধপূর্ণ দ্বীপ সেনকাকু।
- দ্বীপটির মালিকানা নিয়ে চীন ও জাপানের মধ্যকার বিরোধ দীর্ঘদিনের।
- বিরোধপূর্ণ দ্বীপটি জাপানের কাছে ‘সেনকাকু’ ও চীনের কাছে ‘দিয়াওয়ু’ নামে পরিচিত।
- সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ পূর্ব চীন সাগরে অবস্থিত।
- ১৮৯৫ সালে সেনকাকু দ্বীপপুঞ্জ জাপানের ভূখণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার পর, জাপানি নাগরিকরা দ্বীপগুলিতে বসতি স্থাপন করে।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলা, ১৯ অগাষ্ট ২০১২ ও জাপান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৭৫.
ব্যাপক ও অসম শক্তি প্রয়োগ এবং বেসামরিক লোকজন ও স্থাপনার ওপর ইচ্ছাকৃত হামলার ইসরাইলী রণনীতি কী নামে পরিচিত?
  1. লেভিন ডকট্রিন
  2. আয়রন ডোম নীতি
  3. দাহিয়া ডকট্রিন
  4. হাইফা ডকট্রিন
ব্যাখ্যা
দাহিয়া ডকট্রিন:
- ইসরাইলের ব্যাপক ও অসম শক্তি প্রয়োগ এবং বেসামরিক স্থাপনায় ইচ্ছাকৃত হামলার রণনীতি ‘দাহিয়া ডকট্রিন’ নামে পরিচিত।
- ২০০৬ সালে লেবাননের বৈরুতের দক্ষিণ দাহিয়া এলাকায় হিজবুল্লাহর ঘাঁটি ধ্বংস করতে প্রথম এই নীতি প্রয়োগ করা হয়।
- এতে বেসামরিক স্থাপনা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, ও পানিশোধন কেন্দ্র ধ্বংস করে ভয়াবহ ক্ষতি করা হয়।
- ইসরাইলের লক্ষ্য ছিল জনগণকে শাস্তি দিয়ে কোনো গোষ্ঠীর প্রতি সমর্থন বন্ধ করা।
- ২০০৮ সালে গাজা এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে লেবানন ও গাজায় এই নীতি প্রয়োগ করেছে ইসরাইল।   

ইসরাইল:
- মধ্যপ্রাচ্যের মুসলিম দেশগুলোর মাঝখানে একটি দেশ ইসরাইল।
- ফিলিস্তিন অংশের ভূমি দখল করে রাষ্ট্র গঠন করে ইসরাইল।
- মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিস্টান এই তিন ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্রভূমি ফিলিস্তিনের জেরুজালেম।
- বেলফোর ঘোষণা ইসরাইল রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ১৯৪৮ সালের ১৪ই মে ব্রিটিশ ও মার্কিনদের সহায়তায় ইহুদিরা আরব ভূমিতে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
- তারাই একমাত্র দেশ যারা শুধুমাত্র ধর্মের ভিত্তিতে সরাসরি নাগরিকত্ব দেয়।
- গোয়েন্দা সংস্থা: মোসাদ, আমান।
- ইসরাইলের স্বপ্নদ্রষ্টা অস্ট্রিয়ান সাংবাদিক থিওডর হার্জেল।
- ইহুদিবাদ অন্দোলনের প্রবক্তা থিওডোর হার্জল।
- যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম আরব দেশ মিসর।
- ইসরাইলকে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম মুসলিম দেশ তুরস্ক।

উৎস: Britannica. Al Jazeera, প্রথম আলো।
১৭৬.
মালয়েশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম কি?
  1. ক) আনোয়ার ইব্রাহীম
  2. খ) মাহাতির মোহাম্মদ
  3. গ) মুহিউদ্দিন ইয়াসিন
  4. ঘ) ইসমাইল সাবরি ইয়াকুব
ব্যাখ্যা
গত ১৯ নভেম্বর, ২০২২ সালে মালয়েশিয়াতে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। 

- আনোয়ার ইব্রাহিমের সরকারবিরোধী জোট পাকাতান হারাপান (পিএইচ) ৮২টি আসন নিয়ে প্রথম হয়।
- এরপর ৭৩টি আসন নিয়ে দ্বিতীয় হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী মুহিউদ্দিন ইয়াসিনের জোট পেরিকাতান ন্যাশনাল (পিএন)। আর ৩০টি আসন নিয়ে তৃতীয় হয় ক্ষমতাসীন জোট বারিসান ন্যাশনাল (বিএন)।
- মালয়েশিয়ার সংবিধান অনুযায়ী, রাজনৈতিক দলগুলো সরকার গঠনে ব্যর্থ হলে রাজা হস্তক্ষেপ করেন।
- ২৪ নভেম্বর সকালে ইস্তানা নেগারা রাজপ্রাসাদ থেকে এক বিবৃতিতে আনোয়ার ইব্রাহিমকে মালয়েশিয়ার দশম প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করা হয়। এর মাধ্যমে আনোয়ার ইব্রাহিমের দীর্ঘ তিন দশকের প্রতীক্ষার অবসান হলো।

উৎস: আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
১৭৭.
মার্কিন রিপাবলিকান দলের প্রতীক কী?
  1. গাধা
  2. হাতি 
  3. ঘোড়া 
  4. হরিণ 
ব্যাখ্যা

- রিপাবলিকান পার্টি হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি রাজনৈতিক দল
- দলটি ১৮৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- দলের প্রথম নির্বাচিত মার্কিন রাষ্ট্রপতি ছিলেন আব্রাহাম লিংকন যিনি ১৮৬১ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করেছিলেন
- রিপাবলিকান পার্টির প্রতীক - হাতি।
-  আমেরিকান রাজনীতিকে সার্কাসের সাথে তুলনা করার জন্য প্রাণীর চিত্রের ব্যবহার রূপক হিসেবে বোঝানো হয়েছিল।

- রিপাবলিকানরা অর্থনীতিকে উদ্দীপিত করার এবং ব্যক্তিগত অর্থনৈতিক স্বাধীনতাকে এগিয়ে নেওয়ার উপায় হিসাবে কর হ্রাসের পক্ষে, এবং তারা সাধারণত রক্ষণশীল সামাজিক নীতিগুলিকে সমর্থন করে।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৭৮.
পঞ্চম ড্রাগনের দেশ কোনটি?
  1. ক) তাইওয়ান
  2. খ) থাইল্যান্ড
  3. গ) সুদান
  4. ঘ) ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা
- ভুটান - বজ্র ড্রাগনের দেশ (Land of the Thunder Dragon)
- তাইওয়ান - পঞ্চম ড্রাগনের দেশ ( The country of the fifth dragon)
- নরওয়ে - নিশীথ সূর্যের দেশ/ ধীবরের দেশ।
১৭৯.
RSF- প্রকাশিত বৈশ্বিক মুক্ত গণমাধ্যম সুচকে শীর্ষ দেশ কোনটি? [জুন, ২০২৫]
  1. ডেনমার্ক
  2. নরওয়ে
  3. আইসল্যান্ড
  4. ইরিত্রিয়া
ব্যাখ্যা
মুক্ত গণমাধ্যম সূচক ২০২৫:
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গণমাধ্যম কতটা স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারছে, তার ওপর ভিত্তি করে প্যারিস ভিত্তিক সংগঠন 'রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডারস্' এই সূচক প্রকাশ করে আসছে।
- রাজনীতি, অর্থনীতি, আইনি সুরক্ষা, সামাজিক ও নিরাপত্তা- এই পাঁচ বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচক তৈরি করা হয়।
- ৩ মে, ২০২৫ বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষ্যে আরএসএফ মুক্ত গণমাধ্যম সূচক ২০২৫ প্রকাশ করে।
- সূচকে ১৮০টি দেশ ও স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে নরওয়ে।
- এবং সর্বনিম্নে ইরিত্রিয়া।
- তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম।

উল্লেখ্য,
- আরএসএফের এই বছরের সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে:
- ভারতের অবস্থান ১৫১তম, পাকিস্তান ১৫৮তম, মিয়ানমার ১৬৯তম, শ্রীলঙ্কা ১৩৯তম, নেপাল ৯০তম ও ভুটান ১৫২তম।

উৎস: ওয়াল্ড প্রেস রিপোটার্স।[লিঙ্ক]
১৮০.
যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ১২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন?
  1. আব্রাহাম লিংকন
  2. ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  3. জর্জ ওয়াশিংটন
  4. জন এফ কেনেডি
ব্যাখ্যা
ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট (১৮৮২ - ১৯৪৫):
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ১২ বছর (১৯৩৩ - ১৯৪৫) ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- তিনি একমাত্র প্রেসিডেন্ট যিনি ৪ মেয়াদে নির্বাচিত হয়েছেন।
- ১৯৩২ সালের নভেম্বরে তিনি প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন এবং ১৯৩৩ সালের জানুয়ারিতে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

- যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেট তার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির অংশ হিসাবে ‘নিউ ডিল' (New Deal) ব্যবস্থার প্রবর্তন করেন।
- নিউ ডিল (New Deal) ১৯৩৩ থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত চলমান ছিল।
- তার সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয় এবং জাপান কর্তৃক পার্ল হারবার আক্রমনের (৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১) প্রেক্ষিতে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।

- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট ‘সৎ প্রতিবেশি নীতির প্রবক্তা।
- ১৯৩০-৪০ এর সময়ে লাতিন আমেরিকান দেশগুলোর সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক নির্ধারণে রুজভেল্ট পূর্বেকার হস্তক্ষেপ নীতির বিপরীতে এই নীতি প্রবর্তন করেন।
- ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনেই হবু সংগঠনের নাম প্রথমবারের মতো - “জাতিসংঘ (United Nations)” এই নামটি ব্যবহার করা হয় এবং ফ্রাঙ্কলিন ডি. - রুজভেল্ট এই নামকরণ করেন।
 
তথ্যসূত্র: Britannica & History.com
১৮১.
কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী বন্দর কোনটি?
  1. ক) মারিউপল বন্দর
  2. খ) ওডেসা বন্দর
  3. গ) চাবাহার বন্দর
  4. ঘ) মালমো বন্দর
ব্যাখ্যা
• কৃষ্ণসাগর তীরবর্তী ওডেসা বন্দর

⇨ ওডেসা যে দেশের সমুদ্র বন্দর – ইউক্রেন।
⇨ ক্রেমলিন ও কিয়েভের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তি মতে ইউক্রেনের ওডেসা বন্দর থেকে খাদ্যশস্য রপ্তানি শুরু হয়।উল্লেখ্য,
খাদ্যশস্য রপ্তানিতে রাশিয়া-ইউক্রেনের মধ্যে ঐতিহাসিক চুক্তি স্বাক্ষরিত• গোটা বিশ্বকে খাদ্য সংকট থেকে বাঁচাতে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানির জন্য কৃষ্ণসাগরের বন্দরগুলো খুলে দিতে ২২ জুলাই ২০২২ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
• এতে মধ্যস্থতা করে জাতিসংঘ ও তুর্কিয়ে।
• জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস ও তুর্কিয়ের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান এর উপস্থিতে রাশিয়ার পক্ষে দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী সের্গেই শোইগু এবং ইউক্রেনের পক্ষে দেশটির অবকাঠামো বিষয়ক মন্ত্রী ওলেকসান্দার কুবরাকভ সেই চুক্তিতে সই করেছেন।চুক্তি অনুযায়ী -
i) পণ্যবাহী জাহাজ যাত্রা শুরুর আগে ইউক্রেনীয় বন্দরগুলোতে শস্য ভর্তির কাজ নিরীক্ষণ করবে তুর্কিয়ে, ইউক্রেন ও জাতিসংঘ। জাহাজগুলো কৃষ্ণসাগর অতিক্রম করে তুর্কিয়ের বসফরাস প্রণালির দিকে যাবে।
ii) জাতিসংঘ, ইউক্রেন, রাশিয়া ও তুর্কিয়ের প্রতিনিধিরা ইস্তাম্বুলের একটি যৌথ সমন্বয় কেন্দ্র থেকে জাহাজ পর্যবেক্ষণ করবেন।
iii) ইউক্রেনে প্রবেশকারী জাহাজগুলোও একইভাবে যৌথ সমন্বয় কেন্দ্রের তত্ত্বাবধানে পরিচালনা করা হবে, যাতে তারা ইউক্রেনে অস্ত্র বহন করতে না পারে। রাশিয়া ও ইউক্রেন অত্যাবশ্যক শস্য পরিবহনে নিযুক্ত কোনো বাণিজ্যিক জাহাজ বা বন্দরগুলোতে আক্রমণ করবে না।

তথ্যসূত্র:- লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, আগস্ট ২০২২ ও বিবিসি বাংলা।
১৮২.
আলজিয়ার্স চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় কোন দুটি দেশের মধ্যে?
  1. ক) ইরাক- কুয়েত
  2. খ) ইরান-জার্মান
  3. গ) ইরান-আলজেরিয়া
  4. ঘ) ইরাক-ইরান
ব্যাখ্যা
আলজিয়ার্স চুক্তি:
- ইরাক এবং ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়
- ১৩ই জুন, ১৯৭৫ সালে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি অনুমোদন করে ১৯৭৬ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান- আলজির্য়াস, আলজেরিয়া।
- চুক্তির বিষয় হলো শাত-ইল-আরব সহ বিরোধপূর্ণ সীমানা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মীমাংসা।

তথ্যসুত্র: Britannica.com
১৮৩.
বিখ্যাত 'ওয়াশিংটন কনসেনসাস' (Washington Consensus) কোন বিষয়ের সঙ্গে জড়িত?
  1. আন্তর্জাতিক অভিবাসন নীতি
  2. নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়ন
  3. অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ
  4. আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ দমন
ব্যাখ্যা
ওয়াশিংটন কনসেনসাস:
- ওয়াশিংটন কনসেনসাস নয়া উদারতাবাদী অর্থনৈতিক নীতি বাস্তবায়নের সাথে সম্পৃক্ত।

উল্লেখ্য,
- ওয়াশিংটন কনসেনসাস মুক্ত-বাজার অর্থনৈতিক নীতির একটি গুচ্ছ বোঝায়।
- এই নীতিগুলি বিশিষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান যেমন IMF, বিশ্বব্যাংক এবং মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ দ্বারা সমর্থিত।
- জন উইলিয়ামসন নামে একজন ব্রিটিশ অর্থনীতিবিদ ১৯৮৯ সালে ওয়াশিংটন কনসেনসাস শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন।
- অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সাহায্য করার উদ্দেশ্যে এই ধারণাগুলো তৈরি করা হয়েছিল।

⇒ নীতিগুলো হচ্ছে:
- বাণিজ্য উদার করা, অন্তর্মুখী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক-শৃঙ্খলা, দক্ষ সরকারি ব্যয়ের অগ্রাধিকার, কর সংস্কার, ফিন্যানশিয়াল উদারীকরণ, প্রতিযোগিতামূলক বিনিময় হার, বেসরকারি খাতে হস্তান্তরকরণ নিয়ন্ত্রণ শিথিল করা এবং সম্পত্তির অধিকার নিশ্চিত করা।

উৎস: Britannica.
১৮৪.
নর্ড স্ট্রিম-১ গ্যাস পাইপলাইনটি কোন সাগরের তলদেশ দিয়ে গিয়েছে?
  1. উত্তর সাগর
  2. বাল্টিক সাগর
  3. কৃষ্ণ সাগর
  4. ভূমধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
- নর্ড স্ট্রিম-১ গ্যাস পাইপলাইনটি বাল্টিক সাগরের তলদেশ দিয়ে রাশিয়া থেকে জার্মানিতে গিয়েছে।
এটি ইউরোপে রুশ প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূরাজনৈতিক প্রকল্প।

নর্ড স্ট্রিম-১:

- রাশিয়ার গ্যাস রপ্তানির সবচেয়ে বড় পাইপলাইন নর্ড স্ট্রিম ১।
- এটির মাধ্যমে ইউরোপে রাশিয়ার গ্যাস সরবরাহ করে।
- নর্ড স্ট্রিম-১ পাইপলাইন বাল্টিক সমুদ্রের নিচে দিয়ে প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার (৭৪৫) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গের কাছ থেকে বাল্টিক সাগরের নিচ দিয়ে এটি গিয়ে পৌঁছেছে উত্তর-পূর্ব জার্মানিতে।
- ২০১১ সালে এই পাইপলাইনের উদ্বোধন হয়।
- এটি রাশিয়া থেকে দিনে ১৭০ ঘন মিটার গ্যাস জার্মানিতে পাঠাতে পারে।

সূত্র: বিবিসি বাংলা পত্রিকা রিপোর্ট ও Nord Stream ওয়েবসাইট।
১৮৫.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কততম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়?
  1. ক) ৪৪তম
  2. খ) ৪৫তম
  3. গ) ৪৬তম
  4. ঘ) ৪৭তম
ব্যাখ্যা
• জো বাইডেন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়।
- ৩ নভেম্বর ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তিনি জয়লাভ করেন।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ৪৬ তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের রাজনৈতিক দলের নাম - ডেমোক্রেটিক পার্টি।
- ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রতীক ছিল - গাধা।

সূত্র: ব্রিটানিকা, বিবিসি বাংলা ও প্রথম আলো।
১৮৬.
মিশরের কোন প্রেসিডেন্ট সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করে?
  1. মুহাম্মদ নাগিব
  2. গামাল আবদেল নাসের
  3. মোহাম্মদ মুরসি
  4. আনোয়ার সাদাত
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম সামুদ্রিক খাল,
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে।
- ১৮৬৯ সালে খালটির নির্মাণ কাজ হয়।
- এর নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৮৫৯ সাল।
- বর্তমানে খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।
- ১৯৫৬ সালের ২৬ জুলাই মিশরের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খালকে জাতীয়করণ করেন।

উল্লেখ্য
- এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইসরাইল, ফ্রান্স ও ব্রিটেনের সঙ্গে মিশরের যুদ্ধ বাধে, যা 'দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ' বা 'সুয়েজ যুদ্ধ' নামে পরিচিত।

উৎস: Britannica ও বিবিসি নিউজ।
১৮৭.
কোন দেশটি "ব্রেক্সিট" এর মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে এসেছে?
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাজ্য
  3. জার্মানি
  4. ইতালি
ব্যাখ্যা
ব্রেক্সিট (Brexit):
- ব্রেক্সিট হলো "British Exit" শব্দের সংক্ষিপ্ত রূপ, যা যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) থেকে প্রস্থানের প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
- ২০১৬ সালের ২৩ জুন অনুষ্ঠিত একটি গণভোটে যুক্তরাজ্যের নাগরিকরা ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে বা বিপক্ষে মতামত দেন।
- ৩১ জানুয়ারি ২০২০: যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইইউ ত্যাগ করে।
- ১ জানুয়ারি ২০২১: একটি নতুন বাণিজ্য চুক্তি কার্যকর হয়।
- ব্রেক্সিট প্রক্রিয়াটি তিনটি প্রধান প্রধানমন্ত্রী: ডেভিড ক্যামেরন, থেরেসা মে, এবং বরিস জনসনের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়।
- ইইউ থেকে প্রস্থান করার পরেও যুক্তরাজ্য এখনও ইউরোপীয় দেশগুলোর সাথে সহযোগিতা বজায় রাখার চেষ্টা করছে।

গণভোটের ফলাফল (২০১৬):
ছাড়ার পক্ষে: ৫১.৯%
থাকার পক্ষে: ৪৮.১%

প্রধান কারণসমূহ:
- জাতীয় সার্বভৌমত্ব পুনরুদ্ধার।
- অভিবাসন নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন।
- ইইউ থেকে স্বাধীন বাণিজ্য নীতি নির্ধারণ।

ফলাফল:
- অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তন।
- সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার, বিশেষত উত্তর আয়ারল্যান্ডের ক্ষেত্রে।
- নতুন বাণিজ্য চুক্তি ও বাজার নিয়ম প্রণয়ন।

উৎস: BBC 
European Parliament 
Gov.uk 
১৮৮.
ট্রুম্যান ডকট্রিন ঘোষণা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৪৯ সালে
  2. ১৯৪৭ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৫৯ সালে
ব্যাখ্যা

ট্রুম্যান ডকট্রিন:
- হ্যারি এস. ট্রুম্যান ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম রাষ্ট্রপতি।
- ১২ মার্চ, ১৯৪৭ সালে কংগ্রেসে  তিনি ঘোষণা করেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন বিশ্বরাজনীতিতে বিচ্ছিন্নতার নীতি (মনরো নীতি) অনুসরণ করে আসছে। কিন্তু সোভিয়েত সাম্যবাদের প্রসার রোধ করার উদ্দেশ্যে সেই নীতি থেকে তারা সরে আসবে। তিনি আরও বলেন, যেসব জাতি সশস্ত্র সংখ্যালঘুদের কিংবা কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের আক্রমণের স্বীকার হবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের আর্থিক ও সামরিক সাহায্য দেবে।
- এভাবে বিচ্ছিন্নতার নীতির পরিবর্তে ট্রুম্যান যে সামরিক সক্রিয়তার নীতি নিলেন তা-ই ইতিহাসে 'ট্রুম্যান নীতি' (ট্রুম্যান ডকট্রিন) নামে পরিচিত।
- ট্রুম্যান ডকট্রিনের মূল লক্ষ্য হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূ-রাজনৈতিক বিস্তার প্রতিরোধ করা।

⇒ ট্রুম্যানের এই নীতি ঘোষণার পিছনে কয়েকটি কারণ -
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কমিউনিস্টদের শক্তি বৃদ্ধি ঘটে। এই ঘটনা আমেরিকা সহ পশ্চিমি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলিকে উদ্বিগ্ন করে তোলে।
- ইংল্যান্ড আমেরিকাকে সতর্ক করে যে, ব্রিটিশ সৈন্য গ্রিস থেকে ফিরে আসার পর সেখানে কমিউনিস্টদের প্রাধান্য স্থাপিত হলে সমগ্র ভূমধ্যসাগর ও বলকান অঞ্চল মিত্রশক্তির নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে। এই সতর্কবার্তায় আমেরিকা সচকিত হয়ে পড়ে।
- বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে মার্কিন বাণিজ্যে মন্দা ও অস্ত্রনির্মাণ সংস্থা উৎপাদন হ্রাস ও কর্মী ছাঁটাইয়ের আশঙ্কায় ভুগতে থাকে। এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য ট্রুম্যান তাঁর সামরিক সক্রিয়তার নীতি গ্রহণ করেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের দেশগুলির আর্থিক অবস্থা শোচনীয় হয়ে পড়ে। এই অবস্থার সুযোগ নিয়ে বিনা সুদে ঋণ দেওয়ার বিনিময়ে আমেরিকা এই সব দেশে শিল্পপণ্যের বাজার দখলের পরিকল্পনা করে।

উৎস: National Archives  (.gov).

১৮৯.
স্নায়ুযুদ্ধের সময় Containment Doctrine-এর ধারণা কোন ব্যক্তির?
  1. জর্জ এফ. কেনান
  2. হেনরি কিসিঞ্জার
  3. হ্যারি এস. ট্রুম্যান
  4. উইনস্টন চার্চিল
ব্যাখ্যা

• Containment Doctrine:
- Containment Doctrine ছিল যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ুযুদ্ধকালীন একটি গুরুত্বপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বজুড়ে কমিউনিজমের বিস্তার রোধ করা, বিশেষত সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব প্রতিরোধ করা।
- স্নায়ুযুদ্ধকালীন মার্কিন কূটনীতিক জর্জ এফ. কেনান ১৯৪৭ সালে এর প্রস্তাব করেন।
- তিনি Foreign Affairs পত্রিকায় একটি প্রবন্ধ লেখেন, যা "X Article" নামে পরিচিত।

⇒ ১৯৪৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান ঘোষণা দেন যে, যুক্তরাষ্ট্র গ্রিস ও তুরস্ককে অর্থনৈতিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করবে, যেন তারা কমিউনিস্ট বিদ্রোহ বা প্রভাব থেকে রক্ষা পায়।
- এই ঘোষণা ইতিহাসে Truman Doctrine নামে পরিচিত।
- এটি ছিল Containment Doctrine–এর প্রথম বাস্তব প্রয়োগ।

তথ্যসূত্র: Office of the Historian (.gov)

১৯০.
ইসরাইলের আইন সভার নাম কী?
  1. ফোকেটিং
  2. নেসেট
  3. লয়াজিরগা
  4. রিক্সড্যাগ
ব্যাখ্যা
আইন সভা: 
- আফগানিস্তানের আইনসভা: লয়াজিরগা।
- ফোকেটিং: ডেনমার্কের আইনসভা।
- রিক্সড্যাগ: সুইডেনের আইনসভা।
- আলথিং: আইসল্যান্ডের আইনসভা।
- এডুসকুন্ডা: ফিনল্যান্ডের আইনসভা।
- নেসেট: ইসরাইল আইনসভা।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
১৯১.
কিউবার বর্তমান প্রেসিডেন্ট কে? (মার্চ-২০২৬)
  1. রাউল কাস্ত্রো
  2. ফিদেল কাস্ত্রো
  3. মিগুয়েল ডিয়াজ-ক্যানেল 
  4. রিকার্দো মুলো
ব্যাখ্যা

কিউবা:
- সরকারি নাম: কিউবান রেপাবলিক।
- রাজধানী: হাভানা (Havana)।
- অবস্থান: ক্যারিবিয়ান সাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ রাষ্ট্র।
- আয়তন: প্রায় ১০৬,০০০ বর্গকিলোমিটার।
- ভাষা: স্প্যানিশ (সরকারি ভাষা)।
- মুদ্রা: কিউবান পেসো।
- ধর্ম: প্রধানত ক্যাথলিক এবং অন্যান্য খ্রিস্টান সম্প্রদায়।
- শাসন ব্যবস্থা: একদলীয় সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র।
- কিউবার বর্তমান প্রেসিডেন্ট - মিগুয়েল ডিয়াজ-ক্যানেল। (মার্চ-২০২৬)

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৯২.
SAARC-এর সদস্য দেশ নয় কোনটি? 
  1. বাংলাদেশ
  2. ভারত
  3. নেপাল
  4. সিঙ্গাপুর
ব্যাখ্যা

সিঙ্গাপুর সার্কভুক্ত দেশ নয়। 
---------------------------------------  
SAARC:
- SAARC -এর পূর্ণরূপ হল- South Asian Association for Regional Cooperation. 
- বাংলায় এর অর্থ দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা।
- SAARC ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এর সচিবালয় কাঠমুন্ডুতে অবস্থিত।
- SAARC এর প্রতিষ্ঠাকালীন দেশ ছিল ৭টি। 
- সার্কভুক্ত দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, নেপাল, ভুটান এবং আফগানিস্তান।
- সর্বশেষ যোগ দিয়েছে আফগানিস্তান, ২০০৭ সালে।
- SAARC এর প্রথম চেয়ারম্যান ছিল বাংলাদেশ এর মোঃ এরশাদ।
- প্রথম মহাসচিব ছিল বাংলাদেশ এর আবুল হাসান।
- বাংলাদেশের গোলাম সারওয়ার সার্কের বর্তমান মহাসচিব (১৫তম)।
- SAARC কৃষিতথ্য কেন্দ্র ঢাকায় অবস্থিত।
- SAARC দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র ভারতের গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত।
- ২০১০ সালে ভারতের দিল্লীতে প্রথম সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস :
১. সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট;
২. Britannica.

১৯৩.
বর্তমান বিশ্বের কোন দেশটির সংবিধানকে ‘শান্তি সংবিধান‘ বলা হয়?
  1. কোস্টারিকা
  2. জাপান
  3. পেরু
  4. সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা
• জাপান:
- জাপানের পূর্বনাম - নিপ্পন।
- জাপানের সংবিধানকে বিশ্বের ‘শান্তির সংবিধান‘ বলা হয়।
- বর্তমান প্রধানমন্ত্রী - ফুমিও কিশিদা।
- জনসংখ্যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় শহর - টোকিও।
- জাপানের আইনসভার নাম - ডায়েট।
- জাপানের প্রধান দ্বীপ হচ্ছে - হোক্কাইডো, হনসু, শিকোকু, কিউসু ও ওকিনাওয়া।
- জাপানের সবচেয়ে বড় দ্বীপ - হনসু।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
১৯৪.
নিচের কোনটি বাফার রাষ্ট্র নয়?
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. মঙ্গোলিয়া
  4. চীন
ব্যাখ্যা

বাফার রাষ্ট্র :
- দুই বা ততোধিক প্রতিদ্বন্দ্বী বৃহৎ শক্তিসমূহের মাঝখানে অবস্থিত দেশকে বাফার স্টেট বলা হয়।
- দুটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশের মধ্যস্থলে অবস্থিত ক্ষুদ্র রাষ্ট্রটি শক্তির ভারসাম্য বজায় রাখতে অনেক সময় বিশেষভাবে সাহায্য করে।
- দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত বেলজিয়ামের কথা উল্লেখ করতে পারি।
- বৈশ্বিক রাজনীতি ও কুটনীতিতে দুই বা ততােধিক বিবাদমান শক্তি বা দেশসমূহের মধ্যে সংঘর্ষ ও সংঘাত এড়ানাের জন্য দুইরাষ্ট্র বা শক্তির মাঝখানে যে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র সৃষ্টি করা হয় বা বজায় রাখা হয় এবং যা অস্তিত্বশীল, সে রাষ্ট্রকে বাফার রাষ্ট্র বলা হয়।
- ভারত-চীন দুটি বৃহৎ শক্তিশালী দেশের মধ্যস্থলে নেপাল ও ভুটান বাফার স্টেট।
- মঙ্গোলিয়া (চীন-রাশিয়ার মাঝে) বাফার স্টেটের উদাহরণ।

উল্লেখ্য,
- চীন বাফার রাষ্ট্র নয়। চীন নিজেই বৃহৎ শক্তিশালী দেশ।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৯৫.
কোন ব্যবস্থায় কোন কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব নেই?
  1. নৈরাজ্যবাদ
  2. বাস্তববাদ
  3. উদারতাবাদ
  4. জাতীয়তাবাদ
ব্যাখ্যা
নৈরাজ্যবাদ:
- এই ব্যবস্থায় কোন কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব নেই।
- নৈরাজ্যবাদ (Anarchism) একটি মতবাদ ও দৃষ্টিভঙ্গির সমষ্টি, যার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে এই বিশ্বাস যে সরকার বা রাষ্ট্র ব্যবস্থাপনা ক্ষতিকর এবং অপ্রয়োজনীয়।
- "Anarchism" শব্দটি এসেছে গ্রিক শব্দ "anarchos" থেকে, যার অর্থ "কোনো কর্তৃত্ব নেই"।
- অরাজকতাবাদীরা বিশ্বাস করেন, সরকার, আইন এবং কেন্দ্রীয় কর্তৃত্ব মানব স্বাধীনতার পরিপন্থী।
- এদের মতে, মানুষ নিজে নিজেই নিজের জীবন পরিচালনা করতে পারে পরস্পর সহযোগিতামূলক ভিত্তিতে, কোনো জোরপূর্বক কর্তৃত্বের প্রয়োজন নেই।
- মূলত পশ্চিমা বিশ্বে এই মতবাদের বিকাশ ঘটে এবং বিশ শতকের শুরুর দিকে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
- এটি সমাজতন্ত্র, কমিউনিজম, কিংবা স্বতন্ত্রবাদী মতবাদের মতো বিভিন্ন রূপে বিকশিত হয়েছে।
- কারো কাছে নৈরাজ্যবাদ মানে প্রকৃত স্বাধীনতা ও সমতার স্বপ্ন, আবার অন্যদের চোখে এটি অস্থিরতা ও বিশৃঙ্খলার প্রতীক।

উৎস: Britannica.
১৯৬.
জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর কে? [জুন, ২০২৫]
  1. ফ্রিডরিখ মেরৎস
  2. ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডনার
  3. কিয়ার স্টারমার
  4. ওলাফ শলৎস
ব্যাখ্যা
ফ্রিডরিখ মেরৎস:
- জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেরৎস।
- তিনি ৬ মে, ২০২৫ জার্মানির বর্তমান চ্যান্সেলর নির্বাচিত হন।
- ৬৯ বছর বয়সী মেরৎস, যিনি ওলাফ শলৎসের স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন।

উল্লেখ্য,
- ওলাফ শলৎস (Olaf Scholz) – জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর (এসপিডি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি)।
- ক্রিশ্চিয়ান লিন্ডনার (Christian Lindner) – অর্থমন্ত্রী (এফডিপি ফ্রি ডেমোক্রেটিক পার্টি)।

উৎস: এপি নিউজ।
১৯৭.
সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিলেন কোন মিশরীয় প্রেসিডেন্ট?
  1. আনোয়ার সাদাত
  2. গামাল আবদেল নাসের 
  3. হোসনি মুবারক
  4. মুহাম্মদ নাজিব
ব্যাখ্যা

সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ সালে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।

উল্লেখ্য,
- মিশরের প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিলেন ১৯৫৬ সালে।
- দখল করে নিয়েছিলেন মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান পথটির নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: i) Britannica.
          ii) BBC.

১৯৮.
ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ দেশ জিবুতিতে সামরিক ঘাঁটি রয়েছে কোন দেশের?
  1. ক) যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
  2. খ) ফ্রান্স ও জাপান
  3. গ) চীন ও জাপান
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
• পূর্ব আফ্রিকার বাব-এল-মান্দেবের তীরে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছোট দেশ জিবুতি।
- চীন ২০১৭ সালে জিবুতিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে।
- ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার জন্য আগে থেকেই দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জাপানের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

উৎস: বিবিসি নিউজ।
১৯৯.
স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে কোন সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. NATO
  2. CENTO
  3. SEATO
  4. ANZUS
ব্যাখ্যা

- স্নায়ুযুদ্ধকে কেন্দ্র করে NATO সামরিক জোট গঠিত হয়েছিল।

• স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War):
- স্নায়ুযুদ্ধ বলতে সরাসরি প্রথাগত যুদ্ধে অবতীর্ণ না হয়ে একে অপরকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক কিংবা ভিন্ন আঙ্গিকে পরাজিত করার কৌশলকে ইঙ্গিত করা হয়।
- ১৯৪৭ - ১৯৯১ অব্দি চলমান এই যুদ্ধ ইতিহাসে স্নায়ু যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ওয়াল্টার লিপম্যান সংবাদপত্রে প্রথম cold war শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- স্নায়ুযুদ্ধের প্রধান দুই শক্তি ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন ও যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের মধ্যে চলা স্নায়ুযুদ্ধ অবসান হয়েছিলো ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের মাধ্যমে।

⇒ দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পৃথিবীর অপ্রতিরোধ্য পরাশক্তিতে পরিণত হয়। এ সময়ে মার্শাল প্ল্যানের (১৯৪৭) মাধ্যমে ইউরোপ পুনর্গঠনে প্রধান ভূমিকা রাখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- দ্বিতীয় মহাযুদ্ধ শেষ হওয়ার মাধ্যমে দুটো বিপরীত বৈশ্বিক শক্তি ও আদর্শের বিকাশ ঘটে। পূর্ব ইউরোপে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও পশ্চিম ইউরোপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- এই দুই শিবিরেই গঠিত হয়েছিল দুটি সামরিক জোট। একটি নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (ন্যাটো), অন্যটি ওয়ারশ জোট।

• NATO:
- উত্তর আটলান্টিক চুক্তি বা ওয়াশিংটন চুক্তির মাধ্যমে NATO গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য: ১২টি।
- বর্তমান সদস্য: ৩২টি।
- সদর দপ্তর: ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- বর্তমান মহাসচিব: মার্ক রুট্টে।

অন্যদিকে,

• সিটো (SEATO):
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া চুক্তি সংস্থা (১৯৫৪) এশিয়ায় কমিউনিজমের বিস্তার রোধের জন্য গঠিত, কিন্তু এটি ন্যাটো বা ওয়ারশ প্যাক্টের মতো প্রভাবশালী ছিল না।
- সেন্টো (CENTO): কেন্দ্রীয় চুক্তি সংস্থা (১৯৫৫) মধ্যপ্রাচ্যে গঠিত, কিন্তু এটিও সীমিত প্রভাব ফেলে।
- আনজুস (ANZUS): যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যে ১৯৫১ সালে গঠিত একটি সীমিত জোট।

তথ্যসূত্র:
i) Britannica.
ii) NATO ওয়েবসাইট।

২০০.
'হায়ারোগ্লিফিক’ নামক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন কারা?
  1. ক) রোমান সভ্যতা
  2. খ) মিশরীয় সভ্যতা
  3. গ) সুমেরীয় সভ্যতা
  4. ঘ) ফিনিশীয় সভ্যতা
ব্যাখ্যা
• 'হায়ারোগ্লিফিক’ নামক লিখন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন মিশরীয় সভ্যতা। 

• মিশরীয় সভ্যতার অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল লিপি বা অক্ষর আবিষ্কার।
- নগর সভ্যতা বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিশরীয় লিখনপদ্ধতির উদ্ভব ঘটে।
- পাঁচ হাজার বছর পূর্বে তারা সর্বপ্রথম ২৪টি ব্যঞ্জনবর্ণের বর্ণমালা আবিষ্কার করে।
- প্রথম দিকে ছবি এঁকে তারা মনের ভাব প্রকাশ করত।
- এই লিখন পদ্ধতির নাম ছিল চিত্রলিপি।
- এই চিত্রলিপিকে বলা হয় ‘হায়ারোগ্লিফিক ’ বা পবিত্র অক্ষর।
- মিশরীয়রা নলখাগড়া জাতীয় গাছের কাণ্ড থেকে কাগজ বানাতে শেখে।
- সেই কাগজের ওপর তারা লিখত। গ্রিকরা এই কাগজের নাম দেয় ‘প্যাপিরাস’।
- এই শব্দ থেকে ইংরেজি পেপার শব্দের উৎপত্তি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।