বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

SAT and NAT Act

মোট প্রশ্ন১৯৪এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

SAT and NAT Act

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ১৯৪

.
The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর কত ধারার বিধান মতে সরকার যে কোন সংখ্যক Land Survey Tribunal গঠন করতে পারে?
  1. ১৪৫
  2. ১৪৫ক
  3. ১৪৫খ
  4. ১৪৬
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৫ক (১) ধারার বিধান ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল (Land Survey Tribunal) প্রতিষ্ঠা:
- সরকার গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ধারা ১৪৪ এর অধীনে সর্বশেষ সংশোধিত খতিয়ান চূড়ান্ত প্রকাশের ফলে সৃষ্ট মামলার নিষ্পত্তির উদ্দেশ্যে প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করতে পারবেন।
----------
Land Survey Tribunal:
- Section 145A. (1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Tribunals as may be required to dispose of the suits arising out of the final publication of the last revised record-of-rights prepared under section 144.
.
এস. এ (S.A) খতিয়ান তৈরির কাজ কোন জেলা থেকে শুরু হয়?
  1. কক্সবাজার
  2. দিনাজপুর
  3. পটুয়াখালী
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
⇒ এস. এ খতিয়ান:
পাকিস্তান আমলে ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের চতুর্থ অধ্যায় এর ১৭ হতে ৩১ দ্বারা মতে ১৯৫৬-৬০ সালের দিকে যে খতিয়ান তৈরি করা হয় তাকে এস. এ (State Acquision) খতিয়ান বলে।
- এটা করতে The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৭ ধারার অধীন State Acquisition Survey এর উপর ভিত্তি করে এস.এ খতিয়ান তৈরী করা হয়েছিল। তাই এই খতিয়ানকে এস.এ খতিয়ান বলা হয়।
- এটা ১৯৫৪ সালে পটুয়াখালীতে শুরু হয়ে ১৯৬৫ সালে ফরিদপুরে শেষ হয়েছিল।
.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশের বিরুদ্ধে কোথায় আপিল করতে হবে?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজের নিকট
  3. ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালে
  4. ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারা- আপিল:

১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশে ক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্ত আদেশের তারিখ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত এলাকার এখতিয়ারবান জেলা জজের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত আপিলে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে ।

Section 14- Appeal:
Any person who is aggrieved by an order of the Collector under sub-section (2) of section 11 or under sub-section (2) of section 13, may prefer an appeal to the District Judge having jurisdiction over the area within thirty days from the date of such order; and the decision of the District Judge having jurisdiction over the area, on such appeal, shall be final.
.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৫০ ধারার অধীনে রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট পর্যালোচনার আবেদন কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১৫০: রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা পর্যালোচনা (Review by Revenue-officer):
(১) কোনো স্বার্থসম্পন্ন পক্ষের আবেদনক্রমে অথবা নিজ উদ্যোগে, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা নিজে বা তাঁর পূর্বসূরিদের দ্বারা এই অংশের অধীনে গৃহীত কোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন এবং সেই পর্যালোচনার মাধ্যমে উক্ত আদেশ সংশোধন, বাতিল বা অনুমোদন করতে পারেন:

তবে শর্ত থাকে যে—
(ক) কোনো আদেশের পর্যালোচনার আবেদন সেই আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে না করা হলে তা গৃহীত হবে না, তবে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আবেদন করা হলে, আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করার যথার্থ কারণ ছিল।
(খ) কোনো আদেশের বিরুদ্ধে যদি আপিল করা হয়ে থাকে বা কোনো উচ্চতর রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করা হয়ে থাকে, তবে সেই আদেশ পর্যালোচনা করা যাবে না।
(গ) কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে সংশোধন বা বাতিল করার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ প্রদান করতে হবে যেন তারা উপস্থিত হয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে পারে।

(২) পর্যালোচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান বা পূর্বের কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে অনুমোদন করার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।

.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারা অনুযায়ী, রায়ত কোন ধরনের বন্ধক দিতে পারবেন
  1. স্বত্বের দলিল জমার মাধ্যমে সৃষ্ট বন্ধক
  2.  শর্তসাপেক্ষ বিক্রয় বন্ধক
  3. আংশিক খাই খালাসী বন্ধক
  4. সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক
ব্যাখ্যা

রায়তের সম্পত্তি বন্ধকী (Mortgage) সংক্রান্ত বিধিনিষেধ- ধারা ৯৫, The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: 
(১) যেকোনো অন্য প্রযোজ্য আইন সত্ত্বেও, কোনো রায়ত তার অধিকারী সম্পত্তিতে সম্পূর্ণ খাই খালাসী (complete usufructuary) বন্ধক ছাড়া অন্য কোনো ধরনের usufructuary mortgage করতে পারবে না।

এই পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধকও সেই সীমাবদ্ধতার অধীনে হবে যা ধারা ৯০ অনুযায়ী রায়তের সম্পত্তি বা তার অংশ/শেয়ারের হস্তান্তরে প্রযোজ্য।

কোনো রায়ত এই ধরণের বন্ধক করতে পারবে সর্বোচ্চ ৭ বছরের জন্য (চুক্তি স্পষ্ট বা নীরব হোক)।

প্রদত্ত শর্ত:
- বন্ধকয়ের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে যে কোনো সময়, রায়ত বন্ধক বাতিল (redeem) করতে পারবে।
- এর জন্য যে অর্থ প্রদান করতে হবে, তা হবে মোট প্রাপ্ত অর্থের সেই অংশ যা বাকি সময়ের অনুপাতে (unexpired period / total period) হিসাব করা হবে।

(২) প্রতিটি পূর্ণ ব্যবহারাধিকারী বন্ধক Registration Act, 1908 অনুযায়ী নিবন্ধনযোগ্য হতে হবে।

(৩) যদি কোনো রায়তের বন্ধকী উপ-ধারা (১)-এর শর্ত পূরণ না করে বা নিবন্ধিত না হয়, তবে তা বাতিল (void) হবে।

(৪) যেকোনো ক্ষেত্রে, যদি বন্ধক গ্রহণকারী (mortgagee) মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে বন্ধকী বাতিল বা জমির পুনরুদ্ধার (redemption/restoration) করতে বাধা দেয়, তখন রায়াত Subdivisional Magistrate বা সরকারের অনুমোদিত কোনো কর্মকর্তার কাছে আবেদন করতে পারবে। আবেদন ও মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে প্রয়োজনীয় অর্থ প্রদান করলে, ম্যাজিস্ট্রেট বা অনুমোদিত কর্মকর্তা নির্দেশ দিবেন যে mortgagee জমি রায়াতকে ফেরত দেবে এবং সমস্ত সম্পর্কিত দলিল হস্তান্তর করবে।

(৫) যদি mortgagee নির্দেশিত তারিখে জমি ফেরত না দেয়, তখন ম্যাজিস্ট্রেট বা অনুমোদিত কর্মকর্তা রায়াতের আবেদন অনুযায়ী মর্টগেজি (mortgagee) কে উচ্ছেদ করে জমিতে দখল ফিরিয়ে দিতে পারবেন। এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়ায় প্রয়োজন হলে প্রয়োজনীয় বল প্রয়োগ (force) করা বা করানো যাবে।

.
সাব-লেটের ফলাফল স্বরুপ অ-কৃষি জমির প্রজাস্বত্ব সরকারের উপর অর্পিত হলে, তা কবে থেকে কার্যকর হয়?
  1.  আদালতের রায় ঘোষণার দিন থেকে
  2. সরকারের অনুমোদনের দিন থেকে
  3. সাব-লেট প্রদানের তারিখ থেকে
  4. সাব-লেট চুক্তি সইয়ের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

অ-কৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ২৬ক (সাব-লেট প্রদানে বাধা):
(১) এই আইনে অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে অথবা কোনো চুক্তিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো অ-কৃষি প্রজা, যে কোনো শর্তেই হউক না কেন, তাহার প্রজাস্বত্বের সম্পূর্ণ বা কোনো অংশ সাব-লেট দিতে পারিবেন না।

(২) উপ-ধারা (১) এর বিধানাবলি লঙ্ঘনক্রমে যদি কোনো প্রজাস্বত্ব বা প্রজাস্বত্বের কোনো অংশ সাব-লেট প্রদান করা হয়, তাহা হইলে, ক্ষেত্র অনুযায়ী, উক্ত প্রজাস্বত্বে বা প্রজাস্বত্বের উক্ত অংশে অ-কৃষি প্রজার স্বার্থের অবসান ঘটিবে, এবং উক্ত প্রজাস্বত্ব বা প্রজাস্বত্বের উক্ত অংশ সকল দায় হইতে মুক্তরূপে উক্ত সাব-লেট প্রদানের তারিখ হইতে সরকারে অর্পিত হইবে।

.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন অগ্রক্রয়ের আবেদন করাকালে সংশ্লিস্ট দলিলে উল্লিখিত বিক্রয়মূল্যের উপর শতকরা কত ভাগ ক্ষতিপূরণ জমা দিতে হয়?
  1. ২০
  2. ২৫
  3. ৪০
  4. ৩০
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৬ (৩) ধারার বিধান অগ্রক্রয়ের জন্য দায়েরকৃত আবেদন খারিজ হইবে যদি আবেদনকারী অথবা আবেদনকারীগণ উহা দায়ের করিবার সময় আদালতে নিম্নরূপ অর্থ জমা প্রদান না করেন, যথা:-
(ক) ধারা ৮৯ এর অধীন নোটিশে অথবা হস্তান্তর দলিলে, ক্ষেত্রমত, বর্ণিত বিক্রিত জোত অথবা অংশ-বিশেষ বা শেয়ারের বিনিময় মূল্য;
(খ) দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণ অর্থের শতকরা পঁচিশ ভাগ ক্ষতিপূরণ; এবং
(গ) বিক্রয় দলিল সম্পাদনের তারিখ হইতে অগ্রক্রয়ের আবেদন দাখিলের তারিখ পর্যন্ত সময়ের জন্য দফা (ক) এ উল্লিখিত পরিমাণের উপর শতকরা বার্ষিক আট ভাগ হারে সরল সুদের হিসাবকৃত অর্থ।
--------------
Section 96 Right of pre-emption (3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption.
.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১০৪ অনুযায়ী, খাজনার হার কত বছর পর পর সংশোধন করা যায়?
  1. ৫ বছর
  2. ১০ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৩০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ১০৪-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
- খাজনার হার একবার নির্ধারিত ও অনুমোদিত হওয়ার পর
- ২০ (বিশ) বছর পর্যন্ত অপরিবর্তিত থাকবে
- এই সময়ের মধ্যে কোনোভাবেই খাজনার হার সংশোধন করা যাবে না
- কেবল ২০ বছর পূর্ণ হওয়ার পরেই নতুন করে হার পর্যালোচনা ও সংশোধন করা যাবে

⇒ আইনের মূল উদ্ধৃতি (ধারা ১০৪):
"When the rent-rates... have been determined... they shall not be changed until after a period of twenty years has elapsed from the date of such confirmation."

⇒ ধারা ১০৪ অনুযায়ী, খাজনা-হার নির্ধারণের পর ২০ বছর অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত ওই খাজনা-হার পরিবর্তন বা সংশোধন করা যাবে না। অর্থাৎ, খাজনা-হার প্রতি ২০ বছর পর পর সংশোধন করা সম্ভব।
.
Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো নোটিশ জারি বা প্রদান না করা হয়, তবে অকৃষি জমির সহ-অংশীদার অগ্রক্রয়ের আবেদন করতে পারবে-
  1. হস্তান্তরের পর যেকোনো সময়
  2. হস্তান্তরের ৪ মাসের মধ্যে
  3. হস্তান্তরের খবর জানার ৪ মাসের মধ্যে
  4. হস্তান্তরের খবর জানার ৩ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা

Non-Agricultural Tenancy Act, 1949: ধারা ২৪ – সহ-অংশীদার বা হস্তান্তরকারীর সোজাসুজি জমির মালিকের ক্রয় অধিকার:
(১) যদি কোনো অকৃষি জমির অংশ বা শেয়ার, যা একজন অকৃষি ভাড়াটিয়ার অধীনে থাকে, হস্তান্তর করা হয়, তবে সেই জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার:
- ধারা ২৩ অনুযায়ী নোটিশ জারি ও প্রদান হওয়ার চার মাসের মধ্যে, অথবা
- যদি কোনো নোটিশ জারি বা প্রদান না করা হয়, তবে হস্তান্তরের খবর জানার চার মাসের মধ্যে,

আদালতের কাছে আবেদন করতে পারেন যাতে উক্ত অংশ বা শেয়ার তাদের বা তাদের মধ্যে যে কোন একজনের নামে হস্তান্তর করা হয়।

Section 24- Power of the co-sharer or the immediate landlord of transferor to purchase:
(1) If a portion or share of the non-agricultural land held by a non-agricultural tenant is transferred, one or more co-sharer tenants of such land may, within four months of the service of notice issued under section 23 and, in case no notice had been issued or served, then within four months from the date of knowledge of such transfer, apply to the court for such portion or share to be transferred to himself or to themselves, as the case may be. 

১০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে Land Survey Tribunal এর কোন রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি আপীল করতে পারে কত দিনের মধ্যে-
  1. ২ মাসের মধ্যে
  2. ৩ মাসের মধ্যে
  3. ৪ মাসের মধ্যে
  4. ৬ মাসের মধ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার বিধান: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত, অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে চলিবে না।
(৫) উপ-ধারা (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্তরূপ রায়, ডিক্রি বা আদেশের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন।
(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরেও পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হইতে পারে, যদি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিলকারী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট হন।
----------
Section 145B. Land Survey Appellate Tribunal:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Appellate Tribunals as may be required to hear the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunals.
(2) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the territorial limits of the jurisdiction of any Land Survey Appellate Tribunal.
(3) The Government shall appoint the judge of the Land Survey Appellate Tribunal from among the persons who are District judges.]
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower the District Judge as the judge of the Land Survey Appellate Tribunal of the district.
(3B) The District Judge, empowered under sub-section (3A), shall be deemed to be the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Additional District Judges as a judge of the Land Survey Appellate Tribunal to hear appeals transferred by the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed or empowered under this section.]
(4) No appeal other than the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal shall lie in the Land Survey Appellate Tribunal.
(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
(6) An appeal may be admitted within next three months even after the expiry of the period specified in sub-section (5), if the Land Survey Appellate Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the appellant.
১১.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনারের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়?
  1. ভূমি হস্তান্তরের আদেশ
  2. ভূমি জরিপ সংক্রান্ত আদেশ
  3. দখল পুনরুদ্ধারের আদেশ
  4. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ধারা ৯(১) বা ধারা ২০ এর অধীনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যায়। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিষয়ে উল্লেখ করে।
- সুতরাং, ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনারের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
Section 85A.  Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

১২.
Land Survey Tribunal ______ নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করবে।
  1. অভিযোগ দায়েরের
  2. চূড়ান্ত শুনানির জন্য
  3. সাক্ষ্য গ্রহণের
  4. প্রাথমিক শুনানির জন্য
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারার ১৪৫ক উপধারা (৭ক) এর বিধান-

চূড়ান্ত শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
 
(7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing.
১৩.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৬(১) অনুযায়ী, অ-কৃষি জমি ব্যবহার করার ক্ষেত্রে প্রজার প্রধান শর্ত কী?
  1. জমি বিক্রি করা যাবে না
  2. জমির মূল্যের ক্ষতি না করা
  3. আবাসিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার করতে হবে
  4. মালিকের অনুমতি গ্রহণ করতে হবে
ব্যাখ্যা

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৬: অ- কৃষি জমির ব্যবহার পদ্ধতি:
(১) অ-কৃষি জমি অধিকারে আছে এমন কোনো প্রজা উক্ত জমি যেকোনোভাবে ব্যবহার করিতে পারিবেন, তবে এই আইনের অধীন যে সকল উদ্দেশ্যে অ- কৃষি জমি অধিকারে রাখা যায় উহাদের কোনোটির সহিত যেন উক্ত ব্যবহার অসংগতিপূর্ণ না হয় এবং বাস্তবে উক্ত জমির মূল্যের যেন কোনো ক্ষতি না হয়।

(২) যে প্রজাস্বত্বের প্রতি ধারা ৭ বা ধারা ৮ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য উহার অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজার নিম্নবর্ণিত কাজ করিবার অধিকার থাকিবে, যথাঃ-
(ক) পাকা কাঠামোসহ যে কোনো কাঠামো নির্মাণ করা;
(খ) মসজিদ, মন্দির বা অন্য কোনো উপাসনালয় নির্মাণ করা;
(গ) পুকুর খনন করা; এবং
(ঘ) বৃক্ষ রোপণ করা এবং উক্ত জমির উপরস্থ গাছের ফুল, ফল ও অন্যান্য জিনিস ভোগ করা এবং কাঠ আহরণ ও ব্যবহার বা হস্তান্তর করা।

(৩) যে প্রজাস্বত্বের প্রতি ধারা ৯ এর বিধানাবলি প্রযোজ্য উহার অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজার নিম্নবর্ণিত কাজসমূহ করিবার অধিকার থাকিবে, যথা:-
(ক) পাকা কাঠামো ব্যতীত অন্য যে কোনো কাঠামো নির্মাণ করা;
(খ) বৃক্ষ রোপণ করা, এবং গাছের ফুল, ফল ও অন্যান্য জিনিস ভোগ করা; এবং
(গ) উক্ত জমিতে তাহার রোপিত গাছের কাঠ আহরণ ও ব্যবহার বা হস্তান্তর করা।

১৪.
SAT Act, 1950 এর ৯২ ধারা অনুসারে, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি কত বছর ধারাবাহিক চাষাবাদ না করলে জমির উপর রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯২ অনুসারে কোনো জোত বা হোল্ডিং-এ একজন রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে-
(ক) যখন তিনি কোনো উইল না রেখে (অতীবাহিত মৃত্যু) মারা যান এবং তাঁর উত্তরাধিকারী আইন অনুসারে উত্তরাধিকার লাভের যোগ্য না থাকেন;

(খ) যখন তিনি কোনো কৃষি বর্ষের শেষে রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্ধারিত ফরম, নিয়ম এবং সময়ে নোটিশ দিয়ে নিজের হোল্ডিং বা জমি স্বেচ্ছায় হস্তান্তর করেন;

(গ) যখন তিনি বকেয়া খাজনা পরিশোধের কোনো ব্যবস্থা না করে নিজের বাসস্থান স্বেচ্ছায় ত্যাগ করেন এবং নিজে অথবা তাঁর পরিবারের সদস্য বা কর্মচারী, শ্রমিক, অংশীদার বা বর্গাদারের সাহায্যে ধারাবাহিকভাবে ৩ বছর পর্যন্ত নিজের হোল্ডিং বা জমি চাষাবাদ বন্ধ রাখেন;

(ঘ) যখন রায়তের জমি উত্তরাধিকার সূত্রে এমন একজন ব্যক্তির কাছে যায়, যিনি প্রকৃত চাষী নন এবং তিনি নিজে বা তাঁর পরিবারের সদস্য, কর্মচারী, শ্রমিক, অংশীদার বা বর্গাদারের সাহায্যে ধারাবাহিকভাবে ৫ বছর জমি চাষাবাদ করতে ব্যর্থ হন এবং চাষ না করার যথেষ্ট কারণও নেই।
১৫.
ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিযুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সরকার কাকে বিচারক হিসেবে ক্ষমতায়ন করতে পারে?
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম জেলা জজ
  3. সহকারী জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৫খ: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল (Land Survey Appellate Tribunal) –

(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন জারির মাধ্যমে, প্রয়োজনে যতগুলি প্রয়োজন হয় ততগুলি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করতে পারবে, যা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত আপিল শুনানির জন্য গঠিত হবে।

(২) সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন এলাকার সীমা নির্ধারণ বা পরিবর্তন করতে পারবে।

(৩) সরকার, জেলা জজদের মধ্য থেকে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবে।

(৩ক) যতক্ষণ না (৩) উপধারার অধীনে কোনো বিচারক নিয়োগ দেওয়া হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত সরকার প্রত্যেক জেলায় জেলা জজকে আপাতভাবে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত করতে পারবে।

(৩খ) (৩ক) উপধারায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত জেলা জজকে এই ধারার অধীনে নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক বলে গণ্য করা হবে।

(৩গ) প্রয়োজনে সরকার এক বা একাধিক অতিরিক্ত জেলা জজকে এই ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবে, যিনি মূল বিচারকের কাছ থেকে স্থানান্তরিত আপিল শুনানি করবেন।

(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ থেকে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে গ্রহণযোগ্য নয়।

(৫) যে কোনো ব্যক্তি যিনি ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত, তিনি রায়ের তারিখ থেকে তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দায়ের করতে পারবেন।

(৬) যদি আপিলকারী যথাযথ বিলম্বের কারণ ব্যাখ্যা করতে পারেন, তবে ট্রাইব্যুনাল সেই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট হলে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গ্রহণ করতে পারে।
১৬.
লিখিত ইজারার মাধ্যমে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে অকৃষি ভূমি দখলে নেয়া হলে এবং তিন বছরের বেশি সময় ধর্মীয় কাজে ব্যবহার না হলে কী হবে?
  1. কর মওকুফ হবে
  2. জমি সরকারি মালিকানায় যাবে
  3. ভাড়াটিয়াকে উচ্ছেদ করা যাবে
  4. চুক্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে নবায়ন হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১০: ধর্মীয় উদ্দেশ্যে নির্দিষ্ট ভাড়ার জন্য বিশেষ বিধান-
এই আইনের অন্য কোথাও বা বর্তমান কার্যকর কোনো আইনে বা কোনো চুক্তিতে অন্য কিছু বলা থাকলেও, যদি কোনো অকৃষি ভূমি কোনো লিখিত ইজারার মাধ্যমে নির্দিষ্ট ধর্মীয় উদ্দেশ্যে নির্ধারিত সময়ের জন্য ধরা হয়ে থাকে এবং সেই চুক্তিতে ধর্মীয় উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ থাকে, তাহলে সেই ভাড়াভিত্তিক জমিকে ধারা ৭-এ উল্লিখিত শ্রেণির ভাড়াভুক্ত জমি হিসেবে গণ্য করা হবে।

তবে শর্ত থাকে যে,
ভাড়াটিয়া সেই জমি থেকে তখনই উচ্ছেদযোগ্য হবেন যদি তিনি:
- জমিটি নির্ধারিত ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ছাড়া অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করেন; অথবা
- তিন বছরের বেশি সময় ধরে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহার না করেন।
১৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 অনুসারে বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদির মেয়াদ-
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৪ বছর
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
- যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।
-----------
Section 142. Limitation:
- The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.
১৮.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ১০ অনুযায়ী, প্রজা কত বছরের অধিক সময় ধর্মীয় উদ্দেশ্যে জমি ব্যবহার না করলে উচ্ছেদযোগ্য হবে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছ
  4. ৫ বছ
ব্যাখ্যা

অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ১০- সুনির্দিষ্ট ধর্মীয় উদ্দেশ্যের প্রজাস্বত্ব সমূহের প্রতি প্রযোজ্য বিশেষ বিধানাবলি- 
এই আইনের অন্য কোথাও অথবা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোনো আইনে অথবা কোনো চুক্তিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি কোনো প্রজাস্বত্বের অন্তর্ভুক্ত অ-কৃষি জমি লিখিত ইজারা চুক্তির অধীন কোনো সময়ের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে কোনো ধর্মীয় উদ্দেশ্যে, যাহার উল্লেখ উক্ত ইজারা চুক্তিতে রহিয়াছে, অধিকৃত থাকে, তাহা হইলে উক্ত প্রজাস্বত্ব ধারা ৭ এ বর্ণিত শ্রেণীর প্রজাস্বত্ব বলিয়া গণ্য হইবেঃ

তবে শর্ত থাকে যে, উক্ত জমির অধিকারসম্পন্ন প্রজা কর্তৃক উক্ত জমি উক্ত ধর্মীয় উদ্দেশ্য ব্যতীত অন্য কোনো উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার, অথবা তিন বৎসরের অধিক সময়ের জন্য উক্ত ধর্মীয় উদ্দেশ্যে উক্ত জমি ব্যবহার না করার, কারণ ব্যতীত উক্ত প্রজাকে তাহার ভূমি মালিক কর্তৃক উচ্ছেদ করা যাইবে না।

১৯.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনে “উন্নয়ন” (Improvement) বলতে কী বোঝায়?
  1. জমিতে নতুন দখল প্রতিষ্ঠা
  2. কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি
  3. জমির উপযোগিতা হ্রাস করে এমন কাজ
  4. জমির মূল্য বৃদ্ধি করে এমন কাজ
ব্যাখ্যা
ধারা ৬৪: "Improvement" (উন্নয়ন)-
এই আইনের উদ্দেশ্যে "উন্নয়ন" (Improvement) বলতে এমন কোনো কাজকে বোঝায়- যা কোনো অকৃষি জমির মূল্য বৃদ্ধি করে, যা সেই জমির জন্য উপযোগী, এবং ধারা ৪-এ উল্লিখিত যেকোনো নির্ধারিত ব্যবহার অনুযায়ী কাজটি উপযুক্ত, এবং কাজটি যদি সরাসরি সেই জমির ওপর করা না হয়, তবুও তা যদি সেই জমির উপকারে আসে, তাহলে সেটি "উন্নয়ন" হিসেবে গণ্য হবে।

এইরূপ উন্নয়নমূলক কাজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে, যথা-
(ক) পথ বা রাস্তা তৈরি করা,
(খ) বায়ু চলাচলের জন্য খোলা স্থান রাখা,
(গ) পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা,
(ঘ) ড্রেনেজ (পয়নিষ্কাশন) সংযোগ স্থাপন করা।

তবে, কোনো অকৃষি প্রজার দ্বারা সম্পাদিত এমন কোনো কাজ, যা বাড়িওয়ালার (জমিদারের) সম্পত্তির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে, তা "উন্নয়ন" হিসেবে গণ্য হবে না।
২০.
C.S খতিয়ান প্রস্তুত শুরু হয় কোথায়?
  1. দিনাজপুর
  2. কক্সবাজার
  3. সিলেট
  4. খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
সি.এস খতিয়ান [C.S Khatian]:
CS'র পূর্ণরূপ Cadastral Survey। Cada শব্দের অর্থ ভূখন্ড বা মাঠ। এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই C.S Khatian নামে পরিচিত।
- সর্বপ্রথম ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজার জেলার রামু থানা থেকে এ সার্ভে শুরু হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়।
- সি.এস খতিয়ান লম্বালম্বিভাবে লেখা থাকে।
- সি.এস খতিয়ানে জমিদারদের নাম, ভোগদখলকারী রায়তের নাম, জমির পরিমাণ, খাজনার পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ আছে।
-C.S Khatian সর্বাধিক সঠিক; যা মালিকানা ও দখল উভয়ের অনুমানের প্রমাণ দেয়।
- খতিয়ানগুলোর মধ্যে এ খতিয়ান সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। কারণ, এটি সরেজমিনে গিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
২১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে Land Survey Tribunal এর বিচারক হবে-
  1. জেলা জজ
  2. যুগ্ম জেলা জজ
  3. হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি
  4. অতিরিক্ত জেলা জজ
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৫ক(৩) ধারার বিধান ট্রাইব্যুনালের বিচারক:
সরকার সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্য হতে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবেন।
উপধারা- ৩ক: এভাবে বিচারক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সরকার যুগ্ম জেলা জজদের ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের ক্ষমতা দিতে পারবে। 
উপধারা-৩খ: এরূপভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা জজ ট্রাইব্যুনালের নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে গণ্য হবেন।
উপধারা- ৩গ: এ ছাড়া ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল থেকে স্থানান্তরিত মামলা নিষ্পত্তির জন্য সরকার এক বা একাধিক সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ বা ক্ষমতা দিতে পারবে।
-----------
- Section 145A. (3) The Government shall, in consultation with the Supreme Court, appoint the judge of the Land Survey Tribunal from among persons who are Joint District Judges.
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower a Joint District Judge in each district as the judge of the Land Survey Tribunal of the district.
(3B) The Joint District Judge empowered under sub-section (3A) shall be deemed to be the judge of the Land Survey Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Senior Assistant judge or Assistant Judge as a judge of the Land Survey Tribunal to dispose of the suits transferred by the judge of the Land Survey Tribunal appointed or empowered under this section.
২২.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ধারা ১৪৫ক(৩) অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মূলত কোন কর্মকর্তা হতে পারবেন?
  1. জেলা জজ
  2. সহকারী জজ
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. সিনিয়র সহকারী জজ
ব্যাখ্যা

- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ধারা ১৪৫ক(৩) অনুযায়ী, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারককে সরকার সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্যে নির্বাচন করবে।
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৫ক(৩) ধারার বিধান ট্রাইব্যুনালের বিচারক:
সরকার সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্য হতে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবেন।
উপধারা- ৩ক: এভাবে বিচারক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সরকার যুগ্ম জেলা জজদের ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের ক্ষমতা দিতে পারবে। 
উপধারা-৩খ: এরূপভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা জজ ট্রাইব্যুনালের নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে গণ্য হবেন।
উপধারা- ৩গ: এ ছাড়া ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল থেকে স্থানান্তরিত মামলা নিষ্পত্তির জন্য সরকার এক বা একাধিক সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ বা ক্ষমতা দিতে পারবে।
-----------
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950, Section 145A. (3) The Government shall, in consultation with the Supreme Court, appoint the judge of the Land Survey Tribunal from among persons who are Joint District Judges.
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower a Joint District Judge in each district as the judge of the Land Survey Tribunal of the district.
(3B) The Joint District Judge empowered under sub-section (3A) shall be deemed to be the judge of the Land Survey Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Senior Assistant judge or Assistant Judge as a judge of the Land Survey Tribunal to dispose of the suits transferred by the judge of the Land Survey Tribunal appointed or empowered under this section.

২৩.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ প্রণয়নের পর কোন ঘটনা ঘটে?
  1. কৃষকরা ভূমিহীন হয়
  2. জমিদারি প্রথা চালু হয়
  3. জমিদারি প্রথা বিলোপ হয়
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ (State Acquisition and Tenancy Act, 1950) পূর্ববঙ্গ সরকার কর্তৃক প্রণীত হয়েছিল কৃষকদের দীর্ঘদিনের শোষণ ও জমিদারি প্রথার অত্যাচারের অবসান ঘটানোর লক্ষ্যে। এই আইনের মাধ্যমে নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা ঘটে:
জমিদারি প্রথার বিলোপ: এই আইনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জমিদারি প্রথা সম্পূর্ণভাবে বিলুপ্ত করা। ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস কর্তৃক প্রবর্তিত স্থায়ী বন্দোবস্তের ফলে জমিদাররা ভূমির মালিকানা পেয়েছিল এবং কৃষকরা (রায়তরা) তাদের অধীনে শোষিত হতো। ১৯৫০ সালের এই আইনের মাধ্যমে জমিদারি প্রথা আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত করা হয়, এবং জমিদারদের মধ্যস্থতা বাদ দিয়ে কৃষকরা রাষ্ট্রের সরাসরি ভাড়াটিয়া হিসেবে স্বীকৃত হয়।
কৃষকদের অধিকার প্রতিষ্ঠা: আইনটি কৃষকদের (রায়তদের) জমির উপর অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। এর ফলে কৃষকরা ভূমিহীন হওয়ার পরিবর্তে তাদের জমির মালিকানার অধিকার পায় এবং রাষ্ট্রের সরাসরি ভাড়াটিয়া হিসেবে জমি ভোগ করার সুযোগ পায়।
জমির সিলিং ও বিতরণ: আইনটি জমির মালিকানার সর্বোচ্চ সীমা (Ceiling) নির্ধারণ করে। অতিরিক্ত জমি রাষ্ট্র অধিগ্রহণ করে ভূমিহীন কৃষকদের মধ্যে বিতরণের ব্যবস্থা করে। এটি কৃষকদের ভূমিহীনতা দূর করার পরিবর্তে তাদের জমির মালিকানা প্রদানে সহায়ক ছিল।

- অর্থাৎ  রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ প্রণয়নের পর জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়, যা ছিল এই আইনের প্রধান কৃতিত্ব। এটি কৃষকদের জমির অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং ভূমিহীনদের মধ্যে জমি বিতরণের পথ সুগম করে। অতএব, সঠিক উত্তর হলো গ) জমিদারি প্রথা বিলোপ হয়।

২৪.
Land Survey Tribunal এর কোন রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুদ্ধ ব্যক্তি কোথায় আপীল করতে পারে?
  1. জেলা জজ আদালতে
  2. হাইকোর্ট বিভাগে
  3. কালেক্টরের নিকট
  4. ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার বিধান: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত, অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে চলিবে না।
(৫) উপ-ধারা (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্তরূপ রায়, ডিক্রি বা আদেশের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন।
(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরেও পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হইতে পারে, যদি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিলকারী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট হন।
-----------
Section 145B. Land Survey Appellate Tribunal:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Appellate Tribunals as may be required to hear the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunals.
(2) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the territorial limits of the jurisdiction of any Land Survey Appellate Tribunal.
(3) The Government shall appoint the judge of the Land Survey Appellate Tribunal from among the persons who are District judges.]
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower the District Judge as the judge of the Land Survey Appellate Tribunal of the district.
(3B) The District Judge, empowered under sub-section (3A), shall be deemed to be the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Additional District Judges as a judge of the Land Survey Appellate Tribunal to hear appeals transferred by the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed or empowered under this section.]
(4) No appeal other than the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal shall lie in the Land Survey Appellate Tribunal.
(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
(6) An appeal may be admitted within next three months even after the expiry of the period specified in sub-section (5), if the Land Survey Appellate Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the appellant.
২৫.
রায়তের হোল্ডিং-এর বিক্রয় সম্পর্কে জানার কত দিনের মধ্যে অগ্রক্রয়ের আবেদন করা যাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ১ মাস
  3. ২ মাস
  4. ৩ মাস
ব্যাখ্যা
ধারা ৯৬- অগ্রক্রয়ের অধিকার:
(১) যদি কোনো রায়তের হোল্ডিং-এর কোনো অংশ বা অংশীদারিত্ব এমন একজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়, যিনি ওই হোল্ডিং-এর সহ-প্রজা (co-sharer tenant) নন, তবে ঐ হোল্ডিং-এর একজন বা একাধিক সহ-প্রজাভোগী, ধারা ৮৯ অনুযায়ী নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, অথবা যদি এমন কোনো নোটিশ না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, আদালতে আবেদন করতে পারবেন- যাতে উক্ত অংশ বা অংশীদারিত্ব তাদের নামে বিক্রয় করা হয়।

তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না আবেদনকারী—
(ক) উত্তরাধিকারের মাধ্যমে উক্ত হোল্ডিং-এর একজন সহ-প্রজাভোগী হন; এবং
(খ) এমন ব্যক্তি হন, যিনি ধারা ৯০ অনুযায়ী হোল্ডিং বা তার কোনো অংশ/শেয়ার ক্রয় করতে পারেন।

আরও শর্ত থাকে যে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর এই ধারা অনুযায়ী কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
২৬.
"A raiyat shall have the right to occupy and use the land comprised in his holding in any manner he likes." এটি SAT Act এর কোন ধারায় আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ৮১
  2. ৮৩
  3. ৮৪
  4. ৮৭
ব্যাখ্যা
⇒ Section 83.Rights of raiyat in respect of use of land: A raiyat shall have the right to occupy and use the land comprised in his holding in any manner he likes.
-------
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৩ ধারার বিধান রায়তের ভূমি ব্যবহার সম্পর্কিত অধিকার: কোনো রায়তের তাহার জোতের অন্তর্ভুক্ত ভূমি তাহার ইচ্ছামাফিক ভোগ-দখল করার অধিকার থাকিবে।
২৭.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের অধীনে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল দাখিলের সময়সীমা কত?
  1. এক মাস
  2. দুই মাস
  3. তিন মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার উপ-ধারা (৫) অনুযায়ী, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি উক্ত রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল দাখিল করতে পারেন। এছাড়া, উপ-ধারা (৬) অনুযায়ী, যদি তিন মাসের মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে যায়, তবে পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হতে পারে, যদি আপিলকারী বিলম্বের কারণ সম্পর্কে ট্রাইব্যুনালকে সন্তুষ্ট করতে পারেন।

সুতরাং, প্রাথমিক সময়সীমা হলো তিন মাস, যা সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৫খ ধারার বিধান: ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল:
(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল শুনানির জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল গঠন করিতে পারিবে।
(৪) ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের রায়, ডিক্রি বা আদেশ হইতে উদ্ভূত আপিল ব্যতীত, অন্য কোনো আপিল ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে চলিবে না।
(৫) উপ-ধারা (৬) এর বিধান সাপেক্ষে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের কোনো রায়, ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্তরূপ রায়, ডিক্রি বা আদেশের তিন মাসের মধ্যে ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালে আপিল করিতে পারিবেন।
(৬) উপ-ধারা (৫) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরেও পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে আপিল গৃহীত হইতে পারে, যদি ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল আপিলকারী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে সন্তুষ্ট হন।
----------
⇒ Section 145B. Land Survey Appellate Tribunal:
(1) The Government may, by notification in the official Gazette, establish as many Land Survey Appellate Tribunals as may be required to hear the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunals.
(2) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the territorial limits of the jurisdiction of any Land Survey Appellate Tribunal.
(3) The Government shall appoint the judge of the Land Survey Appellate Tribunal from among the persons who are District judges.
(3A) Until such judge is appointed under sub-section (3), the Government may empower the District Judge as the judge of the Land Survey Appellate Tribunal of the district.
(3B) The District Judge, empowered under sub-section (3A), shall be deemed to be the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed under sub-section (3).
(3C) The Government may, if necessary, appoint one or more Additional District Judges as a judge of the Land Survey Appellate Tribunal to hear appeals transferred by the judge of the Land Survey Appellate Tribunal appointed or empowered under this section.
(4) No appeal other than the appeals arising out of the judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal shall lie in the Land Survey Appellate Tribunal.
(5) Subject to the provision of sub-section (6), any person aggrieved by any judgment, decree or order of the Land Survey Tribunal may, within three months from the date of such judgment, decree or order, prefer an appeal to the Land Survey Appellate Tribunal.
(6) An appeal may be admitted within next three months even after the expiry of the period specified in sub-section (5), if the Land Survey Appellate Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the appellant.

২৮.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949-এ বর্ণিত অগ্রক্রয় কোন ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে?
  1. হোল্ডিং এর হস্তান্তর (Transfer of holding)
  2. ভূমি হস্তান্তর (Transfer of land)
  3. বিনিময়ের মাধ্যমে হস্তান্তর
  4. বণ্টনের মাধ্যমে হস্তান্তর
ব্যাখ্যা
• ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনটি ভূমি ( Non Agricultural Land) এবং অকৃষি প্রজার (Non - Agricultural Tenant) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। The Non - Agricultural Tenancy, 1949 এর ২৪ ধারার অধীনে অগ্রক্রয়ের ভিত্তিতে ভূমি হস্তান্তর (Transfer of Land) করা হয়।

অকৃষি প্রজাস্বত্বের অগ্রক্রয়াধিকার সম্পর্কে ২৪ ধারায় বর্ণিত বিধানাবলী কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না তা ২৪ ধারার ১১ উপধারায় বর্ণনা করা আছে, নিম্নে ক্ষেত্রসমূহ উল্লেখ করা হলো-

ক. প্রজাস্বত্বে কোন সহ উওরাধিকারী যখন অন্য কোন প্রকারে অকৃষি জমিতে স্বার্থ লাভ করে;
খ. বিনিময় বা ভাগ বাটোয়ারার মাধ্যম যখন অকৃষি জমি হস্তান্তরিত হয়;
গ. যখন স্বামী বা স্ত্রীর অনুকূলে উইল বা দানের মাধ্যমে জমি হস্তান্তর করা বা দাতা বা অসিয়তকারীর রক্ত সম্পর্কের অধস্তন তিন প্রজন্ম পর্যন্ত বিস্তৃত এমন কোন ব্যক্তি দ্বারা হস্তান্তর সম্পন্ন হয়;
ঘ. মুসলিম আইনের বিধানানুসারে ওয়াকফ;
ঙ. ধর্মীয় বা দাতব্য কাজের জন্য দেবওোর বা অনুরূপ কোন উদ্দেশ্যে সম্পওি হস্তান্তর এবং যে হস্তান্তরে ব্যক্তির অনুকূলে কোন সুবিধা দেওয়া হয় না।

তবে কোন সহ-অংশীদারী যখন প্রজাস্বত্বে বা হোল্ডিংয়ে তার অংশটুকু জমা প্রদানপূর্বক নামজারি করেন এবং সম্পওি ভাগ করেন তখন তিনি অগ্রক্রয়াধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না। এছাড়া যখন কোন ব্যক্তি সরকারের কর্তৃত্বাধীনে কোন সম্পওি অধিকারী হয় তখন ঐরূপ সম্পওির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয়াধিকার প্রযোজ্য নয়।
২৯.
SAT Act, 1950 এর কত ধারায় রাজস্ব কর্মকর্তাকে অকৃষি প্রজার ভাড়া নির্ধারণের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. ২৫ ধারায়
  2. ২৬ ধারায়
  3. ২৭ ধারায়
  4. ২৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
SAT Act, 1950 ধারা ২৫: অকৃষি প্রজাদের ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়া নির্ধারণ-
এই অধ্যায়ের অধীনে রেকর্ড-অফ-রাইটস প্রস্তুত বা সংশোধন করার সময়, রাজস্ব কর্মকর্তা অকৃষি ভূমি অধিকারী সকল অকৃষি প্রজার (টেনিওর-হোল্ডার বাদে) জমির ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়া নির্ধারণ করবেন, যা ধারা ২৩-এর বিধান অনুসারে নির্ধারিত হবে, যতদূর তা অকৃষি ভূমির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

শর্ত:
যদি কোনো অকৃষি প্রজা ওই জমি সরাসরি এমন কোনো ব্যক্তির অধীনে ভোগ করে যিনি প্রোপাইটর বা টেনিওর-হোল্ডার না হন, তখন রাজস্ব কর্মকর্তা ধরে নেবেন যে, সেই প্রজার বর্তমান প্রদেয় ভাড়া ন্যায্য ও সঙ্গত। তবে যদি সেই ভাড়া, ওই ব্যক্তির অধীনে থাকা একই জমির জন্য প্রদেয় ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়ার চেয়ে পঞ্চাশ শতাংশ (৫০%) বা তার বেশি বেশি হয়, তাহলে রাজস্ব কর্মকর্তা সেই ভাড়াকে সেই ব্যক্তির প্রদেয় ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়ার তুলনায় পঞ্চাশ শতাংশের বেশি বাড়ানোর অধিকার দেবেন না।
৩০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৩ ধারার বিধান কী?
  1. Ground for eviction of raiyats
  2. Rights of raiyat in respect of use of land
  3. Limitation of transfer of holding
  4. Devolution of holding on the death of a raiyat
ব্যাখ্যা
⇒ Section 83.Rights of raiyat in respect of use of land: A raiyat shall have the right to occupy and use the land comprised in his holding in any manner he likes.
-------
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৩ ধারার বিধান রায়তের ভূমি ব্যবহার সম্পর্কিত অধিকার: কোনো রায়তের তাহার জোতের অন্তর্ভুক্ত ভূমি তাহার ইচ্ছামাফিক ভোগ-দখল করার অধিকার থাকিবে।
৩১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ধারা ৮১খ এর বিধান কোন ধরনের জমির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য?
  1. জমিদারি জমি
  2. চাষযোগ্য জমি
  3. সরকারি খাসজমি
  4. ব্যক্তিগত মালিকানাধীন জমি
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ৮১খ (Section 81B) এর বিধান অনুযায়ী, এই ধারা স্পষ্টভাবে সরকারি খাসজমি (Government Khas Land) সম্পর্কিত ইজারা দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এই ধারা বলে যে, সরকারি খাসজমির ইজারা প্রদানের জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক সম্পাদিত ইজারা দলিল নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) অনুসারে নিবন্ধিত না হলে, কৃষি বা অকৃষি কোনো প্রজাস্বত্ব সৃষ্টি হবে না। অর্থাৎ, এই বিধান শুধুমাত্র সরকারি খাসজমির ইজারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১খ ধারার বিধান ইজারা দলিল নিবন্ধন: ধারা ৮১ বা ৮১ক অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি সরকারি খাসজমি ইজারা প্রদানের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক ইজারা দলিল সম্পাদিত এবং নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর বিধানানুসারে নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে এমনকি ইজারা-গ্রহীতার নিকট হইতে সেলামি বা খাজনা গ্রহণ করা হইলেও, কৃষি অথবা অকৃষি কোনো প্রকার প্রজাস্বত্বই সৃষ্টি হইবে না বা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
----------
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950, Section 81B. Registration of lease deed:
 - Notwithstanding anything contained in sections 81 and 81A or any other law for the time being in force, no agricultural or non-agricultural tenancy shall in law be created or deemed to have been created, even after acceptance of salami and/or rent from the lessee, till a deed of lease has been executed in favour of the lessee by an authority competent to grant lease of Government khas land or any other gazetted officer duly authorised in this behalf and the said lease has been duly registered under the provision of clause (d) of sub-section (1) of section 17 of the Registration Act, 1908.

৩২.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ধারা ২১ অনুসারে, কীসের ভিত্তিতে ভাড়া নির্ধারণ করা হবে?
  1. বাজারদর অনুযায়ী
  2. জমির মালিকের দাবির ভিত্তিতে
  3. রাজস্ব কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী
  4. আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যায্য ও সঙ্গত হারে
ব্যাখ্যা
ধারা ২১: দখলে রাখা জমির ভাড়া পরিশোধ:
যেসব জমি ধারা ২০ অনুসারে কোনো ভাড়াগ্রহীতা, চাষি রায়ত, চাষি অধিরায়ত বা অকৃষি প্রজা তাদের দখলে রাখেন, সেইসব জমি তাদের কাছে থাকবে এই শর্তে যে, তারা আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ন্যায্য ও সঙ্গত ভাড়া প্রদান করবেন।

[All lands, of which a rent-receiver, a cultivating raiyat, a cultivating under-raiyat or a non-agricultural tenant retains possession under section 20, shall be held on payment of such fair and equitable rent as may be determined under the provisions of this Act.]
৩৩.
বন্ধকের মেয়াদে ভূমি হতে চাষাবাদের মাধ্যমে উৎপাদিত শস্য হতে বন্ধকী ঋণ পরিশোধ বলে গণ্য হবে এমন বন্ধক কি নামে পরিচিত?
  1. সাধারণ বন্ধক।
  2. সম্পূর্ণ খাই খালাসী বন্ধক।
  3. নাম বিহীন বন্ধক।
  4. দলিল জমা রাখা বন্ধক।
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ২(৬) ধারার বিধান "সম্পূর্ণ খাই-খালাসি বন্ধক” অর্থ কোনো প্রজা কর্তৃক ঋণ হিসাবে গৃহীত অর্থ বা শস্য ফেরত প্রদান করিবার নিশ্চয়তাস্বরূপ কোনো ভূমির দখলাধিকার এই শর্তে হস্থান্তর করা যাহা বন্ধকের মেয়াদে উক্ত ভূমি হইতে প্রাপ্ত মুনাফার মাধ্যমে, সকল সুদসহ, ঋণটি পরিশোধ হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে;
--------------
Section 2(6) “complete usufructuary mortgage” means a transfer by a tenant of the right of possession in any land for the purpose of securing the payment of money or the return of grain advanced or to be advanced by way of loan upon the condition that the loan, with all interests thereon, shall be deemed to be extinguished by the profits arising from the land during the period of the mortgage.
৩৪.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কোন ধারার অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করা যায়?
  1. ধারা ১৪৫গ
  2. ধারা ১৪৫ঙ
  3. ধারা ১৪৫ছ 
  4. ধারা ১৪৫ঝ 
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ১৪৫ছ (Section 145G) অনুযায়ী সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে ধারা ১৪৫ক এবং ১৪৫খ-এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল ও আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারে।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৫ছ ধারার বিধান: ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্তির ক্ষমতা, ইত্যাদি: সরকার, যেকোনো সময় সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, ধারা ১৪৫ক এর অধীন প্রতিষ্ঠিত যেকোনো ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল এবং ১৪৫খ এর অধীন প্রতিষ্ঠিত যেকোনো ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করিতে পারিবে, এবং উক্তরূপ বিলুপ্তির সময়, সরকার একই বিজ্ঞপ্তিতে কোনো আদালতকে নির্দিষ্ট করিয়া দিবে যেখানে বিলুপ্তির সময় উক্ত ট্রাইব্যুনালে বিচারাধীন মামলা, আপিল এবং অন্যান্য কার্যক্রম স্থানান্তর ও নিষ্পত্তি হইতে পারিবে।
-------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-Section 145G. Power to abolish Tribunals, etc.
- The Government may, by notification in the official Gazette, at any time, abolish any Land Survey Tribunal established under section 145A and any Land Survey Appellate Tribunal established under section 145B, and while so abolishing, the Government shall, in the same notification, specify the courts where the suits, appeals and other proceedings pending in such Tribunals at the time of such abolition shall be transferred to and be disposed of.

৩৫.
Bengal Tenancy Act, 1885-এর অধীনে কোন খতিয়ান প্রণয়ন করা হয়েছে?
  1. এস. এ খতিয়ান
  2. বি. এস খতিয়ান
  3. সি. এস খতিয়ান
  4. আর. এস খতিয়ান
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন প্রকার খতিয়ান:
১. সি.এস (CS) খতিয়ান:
- সি.এস খতিয়ান Bengal Tenancy Act, 1885 এর অধীনে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
- এটি Cadastral Survey (ক্যাডাস্ট্রাল জরিপ) নামে পরিচিত।
- এই জরিপ শুরু হয়েছিল ১৮৮৮ সালে কক্সবাজার জেলার রামু উপজেলা থেকে এবং শেষ হয়েছিল ১৯৪০ সালে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম ও প্রাথমিক খতিয়ান হিসেবে বিবেচিত।

২. আর.এস (RS) খতিয়ান:
- সি.এস জরিপের প্রায় ৫০ বছর পর একটি নতুন জরিপ চালু হয়, যেটিকে বলা হয় Revisional Survey (পুনঃজরিপ)।
- এই জরিপের মাধ্যমে যেসব খতিয়ান তৈরি হয়, সেগুলোকে বলা হয় আর.এস খতিয়ান।
- এই জরিপের উদ্দেশ্য ছিল: জমির পরিমাণ হালনাগাদ করা, মালিকের নাম সংশোধন, দখলদারের নাম অন্তর্ভুক্ত করা।
- এটি সি.এস খতিয়ানের চেয়ে বেশি নির্ভরযোগ্য বলে গণ্য করা হয়।

৩. এস.এ (SA) খতিয়ান:
- এই খতিয়ান State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর অধীনে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
- এটি বাস্তব/মাঠ জরিপের ভিত্তিতে তৈরি নয়, বরং জমিদার বা মালিকের দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছিল।
- SA খতিয়ান বলতে বোঝায় State Acquisition খতিয়ান, অথবা Settlement Attestation খতিয়ান।
- এটি অনেক সময় PS খতিয়ান বা Pakistan Survey খতিয়ান নামেও পরিচিত।
- এই খতিয়ান খুব একটা নির্ভরযোগ্য নয়।

৪. বি.এস (BS) খতিয়ান:
- বি.এস খতিয়ান হলো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ও আধুনিক খতিয়ান।
- এটি ১৯৭০ সালে শুরু হওয়া একটি জরিপ (Bangladesh Survey) এর ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয় এবং এখনো পর্যন্ত চলছে।
- এই জরিপের মাধ্যমে তৈরি খতিয়ানকে বলা হয়: বি.এস বা Bangladesh Survey খতিয়ান
- এটি জমির মালিকানা নির্ধারণে সবচেয়ে বেশি স্বীকৃত এবং নির্ভরযোগ্য দলিল।
৩৬.
'Extinguishment of interest of raiyats in certain cases'- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর কত ধারায় এই বিধান আছে?
  1. ধারা ৯১
  2. ধারা ৯২
  3. ধারা ৯৩
  4. ধারা ৯৪
ব্যাখ্যা
• Section 92: Extinguishment of interest of raiyats in certain cases:

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯২ অনুসারে কোনো জোত বা হোল্ডিং-এ একজন রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে-
(ক) উত্তরাধিকারী না রেখে বা সম্পত্তির জন্য কোনো প্রকার উইল সম্পাদন না করে কোনো জোতের বা হোল্ডিং এর মালিক বা রায়ত মারা গেলে।

(খ) রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট জোত সমর্পণ করলে।

(গ) বকেয়া খাজনা পরিশোধ না করে স্বেচ্ছায় বাসস্থান ত্যাগ করে বা যে ক্ষেত্রে কোনো রায়ত নিজে বা তার পরিবারের সদস্যগণ দ্বারা বা কর্মচারীগণ দ্বারা অথবা শ্রমিক দ্বারা অথবা বর্গাদারের সাহায্যে একনাগাড়ে ৩ বছর পর্যন্ত তার জোত চাষাবাদ হতে বিরত থাকে।

(ঘ) যে ক্ষেত্রে কোনো রায়ত উত্তরাধিকারসূত্রে কোনো ভূমির স্বত্ব পেয়ে থাকে, যে নিজে খাঁটি চাষী নয় ও যে নিজে অথবা তার পরিবারের লোকজন, কর্মচারী বা বর্গাদারগণের সহায়তায় এক নাগাড়ে ৫ বছর চাষাবাদ করতে ব্যর্থ হয়।
৩৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারা অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের আবেদন করা কালে সংশ্লিষ্ট দলিলে উল্লিখিত বিক্রয়মূল্যের উপর শতকরা কত হারে সুদ জমা দিতে হয়?
  1. ৫%
  2. ৪%
  3. ৮%
  4. ২৫%
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধান: অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of pre-emption)
১) আবেদন দাখিল:
- জোতের সহ-শরীক প্রজা নন এমন কোন ব্যক্তির নিকট জোতের খন্ড বা অংশ বিক্রয় করা হলে সেক্ষেত্রে-
- ৮৯ ধারা অনুযায়ী নোটিশ প্রদানের ২ মাসের মধ্যে; বা
 - নোটিশ জারি না হয়ে থাকলে বিক্রয়ের বিষয়ে অবগত হওয়ার ২ মাসের মধ্যে উক্ত খন্ড বা অংশ তার বা তাদের নিকট বিক্রয় করার জন্য আদালতে আবেদন পেশ করতে পারবেন। তবে:-
i) উত্তরাধিকারসূত্রে সহ-শরীক প্রজা না হলে এবং
ii) বিক্রয়ের দলিল নিবন্ধন করার ৩ বছর পর এই ধারা অনুযায়ী কোন আবেদন করা যাবে না,
iii) ৯০ ধারার অধীনে ইতিমধ্যে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি ধারণ করলে সেক্ষেত্রে আবেদন করা যাবে না।

২) পক্ষভুক্তি:
- এরূপ আবেদনের ক্ষেত্রে জোতের উত্তরাধিকারীসূত্রে অন্যান্য সহ-শরীকগণ এবং ক্রেতাকে পক্ষভুক্ত করতে হবে।

৩) ক্ষতিপূরন ও সুদ:
আবেদনকারী আবেদন দাখিলের সময় নিম্ন বর্ণিত অর্থ জমা না দিলে আবেদন খারিজ করা হবে- 
- ধারা ৮৯ এর নোটিশ বা বিক্রয় দলিলে উল্লিখিত হোল্ডিং বা জোতের মোট মূল্য;
- উল্লিখিত মোট মূল্যের ২৫% ক্ষতিপূরণ;
- বিক্রয় চুক্তি বা দলিল সম্পাদনের তারিখে থেকে অগ্রক্রয়ের আবেদন করার সময়কালের জন্য মোট মূল্যের উপর বার্ষিক ৮% সুদ প্রদান করতে হবে।
---------------------
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 96.Right of pre-emption:
(1) If a portion or share of a holding of a raiyat is sold to a person who is not a co-sharer tenant in the holding, one or more co-sharer tenants of the holding may, within two months of the service of the notice given under section 89, or, if no notice has been served under section 89, within two months of the date of the knowledge of the sale, apply to the Court for the said portion or share to be sold to himself or themselves: 

Provided that no application under this section shall lie unless the applicant is- 
(a) a co-sharer tenant in the holding by inheritance; and 
(b) a person to whom sale of the holding or the portion or share thereof, as the case may be, can be made under section 90: 
Provided further that no application under this section shall lie after expiry of three years from the date of registration of the sale deed. 

(2) In an application under sub-section (1), all other co-sharer tenants by inheritance of the holding and the purchaser shall be made parties. 
(3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. 
(4) On receipt of such application accompanied by such deposits, the Court shall give notice to the purchaser and to the other persons made parties thereto under sub-section (2) to appear within such period as it may fix and shall require the purchaser to state what other sums he has paid in respect of rent since the date of sale and what expenses he has incurred in annulling encumbrances on, or for making any improvement in respect of the holding, portion or share sold. 
(5) The Court shall, after giving all the parties an opportunity of being heard after holding an enquiry as to rent paid and the expenses incurred by the purchaser as referred to in sub-section (4), direct the applicant or applicants to deposit a further sum, if necessary, within such period as the Court thinks reasonable. 
(6) When an application has been made under sub-section (1), any of the remaining co-sharer tenants may, within the period referred to in sub-section (1) or within two months of the date of the service of the notice of the application under sub-section (4), whichever be earlier, apply to join in the said application; any co-sharer tenant who has not applied either under sub-section (1) or under this sub-section, shall not have any further right to purchase under this section. 
(7) On the expiry of the period within which an application may be made under sub-section (6), the Court shall determine, in accordance with the provisions of this section, which of the applications filed under sub-section (6) shall be allowed. 
(8) If the Court finds that an order allowing the applications made under sub-section (7) is to be made in favour of more than one applicant, the Court shall determine the amount to be paid by each of such applicants and, after apportioning the amount, shall order the applicant or applicants who have joined in the original application under sub-section (6) to deposit in the Court the amounts payable by him or them within such period as it thinks reasonable; and if the deposit is not made by any such applicant within such period, his application shall be dismissed. 

(9) On the expiry of the period within which a deposit, if any, is to be made under sub-section (8), the Court shall pass orders- 
(a) allowing the application or applications made by the applicant or applicants who are entitled to purchase under, and have complied with the provisions of, this section; 
(b) apportioning the holding or the portion or share of the holding among them in such manner as it deems equitable when such orders are passed in favour of more than one applicant under sub-section (8); 
(c) refunding money to any one if entitled to such refund of any money from the amount deposited by the applicant or applicants under sub-sections (3) and (5); 
(d) directing that the purchaser be paid out of the deposits made under sub-sections (3) and (5); 
(e) directing the purchaser to execute and register deed or deeds of sale within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed; and no tax, duty or fee shall be payable for such registration. 
(10) If the purchaser fails to execute and register deed or deeds of sale in pursuance of the directions under clause (e) of sub-section (9), within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed, the court shall execute and present deed or deeds of sale for registration within sixty days thereafter in favour of such person or persons whose application or applications have been allowed. 
(11) From the date of the registration of sale deed or deeds under clause (e) of sub-section (9) or under sub-section (10), the right, title and interest in the holding or portion or share thereof accruing to the purchaser from the sale shall, subject to any orders passed under sub-section (9), be deemed to have vested, free from all encumbrances which have been created after the date of sale, in the co-sharer tenant or tenants whose application or applications to purchase have been allowed under sub-section (9). 

(12) The Court on further application of such applicant or applicants may place him or them, as the case may be, in possession of the property vested in him or them. 
(13) No apportionment ordered under clause (b) of sub-section (9) shall operate as division of the holding. 
(14) An application under this section shall be made to the Court which would have jurisdiction to entertain a suit for the possession of the land in connection with which the application is brought. 
(15) An Appeal shall lie to the ordinary Civil Appellate Court from any order of the Court under this section. 
(16) Nothing in this section shall be deemed to apply to homestead land. 
(17) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by the Mohammadan Law. 
(18) Nothing in this section shall apply to any transfer of any portion or share of a holding of a raiyat or any application under section 96 of this Act, made prior to coming into force of the State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2006.]
৩৮.
কোনো রায়ত যদি উইল না করে মারা যান, তবে তার হোল্ডিং-
  1. উত্তরাধিকারসূত্রে বণ্টিত হবে
  2. রাষ্ট্র রক্ষণাবেক্ষণ করবে
  3. মালিকের কাছে ফেরত যাবে
  4. আদালতের মাধ্যমে বাজেয়াপ্ত করা হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৪: রায়তের মৃত্যুর পর জমির উত্তরাধিকার (Devolution of holding on the death of a raiyat):
যদি কোনো রায়ত তার জীবদ্দশায় উইল বা অছিয়তপত্র না রেখে মারা যান (intestate), তাহলে তার হোল্ডিং (চাষযোগ্য জমির অধিকার)- এই আইনের বিধানগুলোর পরিপন্থী না হয়ে- তার অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির মতো উত্তরাধিকারসূত্রে বণ্টিত হবে।

তবে, যদি এমন কোনো ক্ষেত্রে উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী তার অন্য সম্পত্তি রাষ্ট্রের অনুকূলে যায়, তাহলে তার হোল্ডিং-এর অধিকার বিলুপ্ত (extinguished) হয়ে যাবে, অর্থাৎ সেই জমির ওপর তার বা তার উত্তরাধিকারীদের কোনো অধিকার থাকবে না।
৩৯.
নিচের কোন ক্ষেত্রে মিউটেশন বা নামজারি করা প্রয়োজন হয় না? 
  1. ভূমির বিক্রি করলে
  2. ভূমি দান করলে
  3. ভূমি লিজ দিলে
  4. ভূমির উত্তরাধিকার পরিবর্তন হলে
ব্যাখ্যা
খতিয়ান মিউটেশন:
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ধারায় মিউটেশন সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে। মিউটেশনের আভিধানিক অর্থ হলো নামজারি বা পরিবর্তন।
- কোন জমি হস্তান্তর হলে পুরাতন মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম প্রতিস্থাপন করাই মিউটেশন। মিউটেশন নামজারি ও জমা খারিজ হিসাবে পরিচিত।
- মিউটেশনের মাধ্যমে যে খতিয়ানের সৃষ্টি করা হয় তাকে মিউটেশন খতিয়ান বলা হয়।সম্পত্তির মালিকানা পরিবর্তনের সাথে সাথে খতিয়ানে পরিবর্তন করতে হয়।
 
- মূলত: জরিপের মাধ্যমে খতিয়ান সৃষ্টি করা হয়। কিন্তু জরিপের পর বিক্রি, এওয়াজ-বদল, দান, হেবা, ওয়াকফ, দেবোত্তর, অধিগ্রহণ, মালিকের মৃত্যু ইত্যাদি কারণে মালিকানা প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। মালিকানা পরিবর্তনের ফলে যে ব্যক্তি নতুনভাবে মালিকানাস্বত্ব অর্জন করেছে খতিয়ান সংশোধন করে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
সুতরাং জমি সংক্রান্ত বিষয়ে মিউটেশন বলতে কোন জমি হস্তান্তর হলে পুরাতন মালিকের নাম বাদ দিয়ে নতুন মালিকের নাম প্রতিস্থাপন।

উল্লিখিত প্রশ্নে ভূমি লিজ দিলে মালিকানা পরিবর্তন হয় না তাই এর জন্য মিউটেশন প্রয়োজন নেই।
৪০.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর অধীনে অকৃষি প্রজার প্রধান দুটি শ্রেণি কী?
  1. কৃষক ও শ্রমিক
  2. মালিক ও অধীন-মালিক
  3. প্রজা ও অধীন-প্রজা
  4. কৃষক ও মালিক
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ধারা ৩-
(১) এই আইনের উদ্দেশ্যে নিম্নলিখিত শ্রেণির অকৃষি ভাড়াটিয়া থাকবে, যথা—
(ক) প্রজা (Tenant), এবং
(খ) অধীন-প্রজা (Under-tenant)।

(২) “প্রজা” বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি কোনো মালিক বা করপ্রদায়ী (tenure-holder) থেকে অকৃষি জমি এই আইনে নির্ধারিত যেকোনো উদ্দেশ্যে ধারনের অধিকার অর্জন করেছেন এবং এই অধিকার অর্জনকারীদের উত্তরাধিকারীরাও এতে অন্তর্ভুক্ত।

(৩) “অধীন-প্রজা” বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি কোনো প্রজার অধীন (সরাসরি বা পরোক্ষভাবে) অকৃষি জমি এই আইনে উল্লিখিত যেকোনো উদ্দেশ্যে ধারনের অধিকার অর্জন করেছেন এবং এরূপ অধিকার অর্জনকারীদের উত্তরাধিকারীরাও এতে অন্তর্ভুক্ত।
৪১.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের কত ধারা অনুযায়ী সরকারী খাস ভূমির লিজ অবশ্যই নিবন্ধিত হতে হবে?
  1. ৮১
  2. ৮১ক
  3. ৮১খ
  4. ৮২
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১খ ধারার বিধান ইজারা দলিল নিবন্ধন: ধারা ৮১ বা ৮১ক অথবা আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, যদি সরকারি খাসজমি ইজারা প্রদানের উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ বা এতদুদ্দেশ্যে ক্ষমতাপ্রাপ্ত গেজেটেড কর্মকর্তা কর্তৃক ইজারা দলিল সম্পাদিত এবং নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৭ এর উপ-ধারা (১) এর দফা (খ) এর বিধানানুসারে নিবন্ধিত না হয়, তাহা হইলে এমনকি ইজারা-গ্রহীতার নিকট হইতে সেলামি বা খাজনা গ্রহণ করা হইলেও, কৃষি অথবা অকৃষি কোনো প্রকার প্রজাস্বত্বই সৃষ্টি হইবে না বা হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
----------
Section 81B. Registration of lease deed:
 - Notwithstanding anything contained in sections 81 and 81A or any other law for the time being in force, no agricultural or non-agricultural tenancy shall in law be created or deemed to have been created, even after acceptance of salami and/or rent from the lessee, till a deed of lease has been executed in favour of the lessee by an authority competent to grant lease of Government khas land or any other gazetted officer duly authorised in this behalf and the said lease has been duly registered under the provision of clause (d) of sub-section (1) of section 17 of the Registration Act, 1908.
৪২.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারায় কার নিকট আপিল করার বিধান আছে?
  1. কালেক্টর
  2. হাইকোর্ট
  3. জেলা জজ
  4. রাজস্ব কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৪ ধারার বিধান- আপিল:
১১ ধারার (২) উপধারায় কালেক্টরের আদেশে ক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি উক্ত আদেশের তারিখ হইতে ৩০ দিনের মধ্যে উক্ত এলাকার এখতিয়ারবান জেলা জজের নিকট আপিল দায়ের করিতে পারিবে এবং উক্ত আপিলে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে ।

Section 14. Appeal:
Any person who is aggrieved by an order of the Collector under sub-section (2) of section 11 or under sub-section (2) of section 13, may prefer an appeal to the District Judge having jurisdiction over the area within thirty days from the date of such order; and the decision of the District Judge having jurisdiction over the area, on such appeal, shall be final.

৪৩.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় 'প্রজা (tenant)' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২(২৭) ধারায়
  2. ২(১৭) ধারায়
  3. ২(১৫) ধারায়
  4. ২(৩০) ধারায়
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950

ধারা ২(২৭) প্রজা (tenant): বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায় যে অপরের অধীনে ভূমি দখল করে আছে ও উক্ত ভূমির জন্য কোন খাজনা প্রদান করতে বাধ্য থাকে। তবে কোন ব্যক্তি যদি সাধারণভাবে প্রচলিত 'আধি', 'বর্গা' বা 'ভাগ' এর অধীনে অপরের জমি এই শর্তে চাষ করে যে অনুরূপ ব্যক্তিকে সে উৎপন্ন ফসলের একটি অংশ প্রদান করবে তবে সে প্রজা নয়। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি প্রজা হিসাবে বিবেচিত হবে-

⇒ যদি তার ভূমির মালিক কর্তৃক সম্পাদিত ও গৃহীত কোন দলিল দ্বারা একজন প্রজা হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়;
⇒ কোন দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে যদি প্রজা হিসাবে ঘোষণা দেয়।
৪৪.
SAT Act, 1950 এর কত ধারায় “চাষাবাদকারী রায়ত” এর সংজ্ঞা দেয়া আছে?
  1. ধারা ২(৯)
  2. ধারা ২(১১)
  3. ধারা ২(১৩)
  4. ধারা ২(১৫)
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ২(৯):
“চাষাবাদকারী রায়ত” বা “চাষাবাদকারী অধীন-রায়ত” বলতে সেই রায়ত বা অধীন-রায়তকে বোঝায়, যিনি নিজে, অথবা তাঁর পরিবারের সদস্যগণ, বা চাকর, বা বর্গাদার, বা ভাড়াটে শ্রমিকদের সাহায্যে, অথবা অংশীদারদের সহায়তায় জমি চাষ করেন।

The State Acquisition and Tenancy Act,1950 Section 2(9):
[“cultivating raiyat” or “cultivating under-raiyat” means a raiyat or an under-raiyat, as the case may be, who holds land by cultivating it either by himself or by members of his family or by servants or by bargadars or by or with the aid of hired labourers or with the aid of partners]
৪৫.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে কত বছরের মধ্যে অগ্রক্রয়ের আবেদন করতে হয়?
  1. ১ বছরের মধ্যে
  2. ২ বছরের মধ্যে 
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ৫ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৯৬(১) এর দ্বিতীয় শর্তাংশ (Provided further) অনুসারে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর অগ্রক্রয়ের (Pre-emption) কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।
- সুতরাং, অগ্রক্রয়ের আবেদন বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে ৩ বছরের মধ্যে করতে হবে।

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ৯৬- অগ্রক্রয়ের অধিকার:
(১) যদি কোনো রায়তের হোল্ডিং-এর কোনো অংশ বা অংশীদারিত্ব এমন একজন ব্যক্তির কাছে বিক্রি করা হয়, যিনি ওই হোল্ডিং-এর সহ-প্রজা (co-sharer tenant) নন, তবে ঐ হোল্ডিং-এর একজন বা একাধিক সহ-প্রজাভোগী, ধারা ৮৯ অনুযায়ী নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, অথবা যদি এমন কোনো নোটিশ না দেওয়া হয়ে থাকে, তবে বিক্রয় সম্পর্কে জানার তারিখ থেকে দুই মাসের মধ্যে, আদালতে আবেদন করতে পারবেন- যাতে উক্ত অংশ বা অংশীদারিত্ব তাদের নামে বিক্রয় করা হয়।
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারার অধীনে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না যদি না আবেদনকারী—
(ক) উত্তরাধিকারের মাধ্যমে উক্ত হোল্ডিং-এর একজন সহ-প্রজাভোগী হন; এবং
(খ) এমন ব্যক্তি হন, যিনি ধারা ৯০ অনুযায়ী হোল্ডিং বা তার কোনো অংশ/শেয়ার ক্রয় করতে পারেন।
আরও শর্ত থাকে যে, বিক্রয় রেজিস্ট্রেশনের তারিখ থেকে তিন বছর অতিক্রান্ত হওয়ার পর আর এই ধারা অনুযায়ী কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না।

৪৬.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারা অনুসারে প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের মেয়াদ-
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৪ মাস
ব্যাখ্যা
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে।
- এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
-----------------------------------------------------
- Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc. 
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 

(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৪৭.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর অধীন অগ্রক্রয়ের মামলার ক্ষেত্রে নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর কত হারে ক্ষতিপূরণ আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. ৫%
  2. ২৫%
  3. ৬.২৫%
  4. ৮%
ব্যাখ্যা
• The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারায় অগ্রক্রয়ের মামলার সাথে আদালতে জমা দিতে হবে:

- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকা [Consideration Money]; 
- নোটিশে উল্লেখিত মূল্যের টাকার উপর ৫% হারে ক্ষতিপূরণ;
- ভূমি হস্তান্তরের তারিখ হতে আবেদনের সমনের নোটিশ প্রদানের তারিখের মধ্যে ভূমি হস্তান্তর করা হয়েছে সেখানে কোন দালান, স্থাপনা বা কোন উন্নয়ন করার জন্য যে ব্যয় হয়েছে সেই ব্যয়ের উপর ৬.২৫% হারে বার্ষিক সুদ প্রদান।
৪৮.
নিম্নের কোনটি অকৃষি ভূমির উন্নয়ন নয়?
  1. পয়ঃসংযোগ স্থাপন
  2. পুকুর খনন
  3. পানির প্রবাহ সৃষ্টি
  4. সড়ক নির্মাণ
ব্যাখ্যা
• অকৃষি ভূমি বলতে ‘আবাসিক ও অন্যান্য শ্রেণি’ অর্থে বাণিজ্যিক কার্যে বা শিল্পকার্যে ব্যবহৃত হয় না এইরূপ ভূমি বিবেচিত হইবে, যেমন, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার বা ব্যক্তি মালিকানাধীন আবাসিক ও দাপ্তরিক ভবনাদি, রাস্তাঘাট, মাঠ, আঙিনা, স্থাপনা ইত্যাদি।
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৪ ধারায় উন্নয়নের সংজ্ঞা (Definition of improvement) দেয়া আছে। বলা হয়েছে, প্রজাস্বত্বের উন্নয়ন শব্দের ব্যবহারের অর্থ যে কাজ করার মাধ্যমে-

- প্রজাস্বত্বের অন্তর্ভুক্ত অকৃষি জমির মূল্যমান বাড়ে এবং
- যে কাজ উক্ত জমির জন্য উপযুক্ত ও ধারা-৪ এ নির্ধারিত উদ্দেশ্যসমূহের যে কোন একটির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। যা অকৃষি কাজের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে তোলে এবং এমন কাজ যা ভূমির সরাসরি সুবিধার জন্য করা হয় বা বাস্তবায়নের পর সরাসরি উপকারে আসে।

নিম্নোক্ত কাজসমূহও উন্নয়নের অন্তর্ভুক্ত হবে:
ক) চলাচল বা সড়ক পথের ব্যবস্থা:
খ) জন্য উন্মুক্ত স্থানের ব্যবস্থা:
গ) পানি নেওয়ার সুযোগ প্রদান;
ঘ) পানি নিষ্কাশনের জন্য নালা নির্মাণ,

উল্লিখিত প্রশ্নে, পুকুর খনন, পানির প্রবাহ সৃষ্টি এবং সড়ক নির্মাণ প্রদত্ত সংজ্ঞানুসারে উন্নয়নমূলক কাজের মধ্যেই পড়ে।

কিন্তু পয়ঃসংযোগ স্থাপন উন্নয়ন না, আবশ্যক কাজের মধ্যেই পড়ে। তাই অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে এটি উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।
৪৯.
The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর কোন ধারায় পয়স্থি জমি খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে?
  1. ৮৬
  2. ৮৭
  3. ৯০
  4. ১৪৩
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর ৮৭ ধারা মতে নদী বা সমুদ্র সরে যাওয়ার কারণে যখন কোন জমি বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়- তখন এটিকে যে জোত বা প্রজাস্বত্বের সাথে সংযুক্ত হয়েছে সেই জোত বা প্রজাস্বত্বের পরিবৃদ্ধি হিসাবে বিবেচনা করা হবে না এবং এটি চূড়ান্তভাবে সরকারের বরাবর ন্যস্ত হবে এবং সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকবে।
- নদী বা সমুদ্র সরে যাওয়ার কারণে কোন জমি পুনঃউদ্ভাবিত হলে বা জেগে উঠেছে বলে কথিত জমি কোন জোত এর পরিবৃদ্ধি হিসাবে দখলের কোন দাবি ঘোষণা করার জন্য। 
- কোন আদালত বা কর্তৃপক্ষের নিকট বিচারাধীন সকল মোকদ্দমা, দরখাস্ত, আপিল কিংবা অন্যান্য কার্যধারা উক্ত আদেশ কার্যকর হওয়ার তারিখ হতে আর অগ্রসর হবে না ও তা বাতিল হবে এবং কোন আদালত অনুরূপ দাবি সম্পর্কিত কোন মোকদ্দমা, আবেদন বা অন্যান্য আইনগত কার্যধারা আর গ্রহণ করবেন না।

অর্থাৎ The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর  ৮৭ ধারায় পয়স্থি জমি খাস জমি হিসাবে গণ্য হবে।
৫০.
অকৃষি প্রজা নিম্নের কোন উদ্দেশ্যে অকৃষি জমি ব্যবহার করতে পারেন?
  1. ধর্মীয় উদ্দেশ্যে
  2. ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে
  3. আবাসিক উদ্দেশ্যে
  4. উল্লিখিত সকল উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 ধারা ৪: অকৃষি প্রজা যে সকল উদ্দেশ্যে অকৃষি জমি ব্যবহার করতে পারেন-
(ক) গৃহস্থালি বা আবাসিক উদ্দেশ্যে;
(খ) শিল্প বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে;
(গ) ধর্মীয় বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে।
৫১.
কোনো অকৃষি প্রজা যদি নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে জমি কোর্ফা পত্তন দেয়, তাহলে তার-
  1. জরিমানা হবে
  2. অধিকার স্থগিত হবে
  3. অধিকার বাতিল হবে
  4. জমির উপর কর বসবে
ব্যাখ্যা
NAT Act, 1949 ধারা ২৬ক: কোর্ফা পত্তন নিষিদ্ধ (Bar to Sub-let):
(১) এই আইন, বা প্রচলিত অন্য কোনো আইন, কিংবা কোনো চুক্তিতে ভিন্ন কিছু থাকলেও, কোনো অকৃষি প্রজা (non-agricultural tenant) তার ভাড়া নেওয়া জমির পুরোটা বা কোনো অংশ অন্য কাউকে কোর্ফা পত্তন দিতে পারবে না- যে কোনো শর্তেই হোক না কেন।

(২) যদি কেউ এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘন করে তার ভাড়াকৃত জমি বা তার কোনো অংশ কোর্ফা পত্তন করে, তাহলে-
- সেই প্রজার জমির ওপর অধিকার বাতিল (extinguished) হয়ে যাবে।
- এবং সেই জমি বা তার অংশ সকল দায়-দেনা মুক্তভাবে সরকার (প্রাদেশিক সরকার)-এর অধীনে চলে যাবে।
৫২.
The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 অনুসারে অকৃষি প্রজা ও মালিকের মধ্যে উন্নয়ন বিষয়ক কোনো প্রশ্নের সমাধান করতে পারেন কে?
  1. দেওয়ানী আদালত
  2. সহকারী কমিশনার
  3. ডেপুটি কমিশনার
  4. স্থানীয় সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 এর ধারা ৬৬ মতে উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না,
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।
 ২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
 অর্থাৎ উন্নয়ন করার অধিকার আছে কিনা বা কোন নির্দিষ্ট কাজ উন্নয়নমূলক কিনা সেই বিষয়ে কোন প্রশ্ন দেখা দিলে সেই প্রশ্ন ডেপুটি কমিশনার নির্ধারণ করবেন।
-------------------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act 1949 Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc.
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord-
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question.
(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৫৩.
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় "Preparation of record-of-rights" এর বিধান আছে?
  1. ১৭
  2. ১৮
  3. ১৯
  4. ২০
ব্যাখ্যা
The State Acquisition Tenancy Act, 1950 এর ১৭ ধারার বিধান স্বত্বলিপি প্রস্তুতকরণ (Preparation of record-of-rights):
- সরকার অধিগ্রহণ ও অধিগ্রহণকৃত স্বার্থের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের জন্য- খতিয়ান তৈরির ঘোষণা দিতে পারেন, সর্বশেষ প্রস্তুতকৃত ও চূড়ান্তভাবে প্রকাশিত স্বত্বলিপি বা খতিয়ান রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক রিভিশন বা পুনর্বিবেচনা করতে পারে।
-----------
- Section 17. Preparation of record-of-rights:
(1) The Government may, with a view to acquisition under the provisions of this Act of the interests of all rent-receivers within any district, part of a district or local area and of such other interests in land therein as are liable to be acquired under the provisions of this Act, and with a view to the assessment of compensation payable for all such interests including the interests which have already been acquired under Chapter II, make an order directing- 
(a) that a record-of-rights be prepared in respect of such district, part of a district or local area, or 
(b) that the record-of-rights, last prepared and finally published under Chapter X of the Bengal Tenancy Act, 1885, in respect of such district, part of a district or local area, be revised, by a Revenue-officer in accordance with the provisions of this Chapter and with such rules as may be made in this behalf by the Government. 
(2) If any order has been made under section 101 of the Bengal Tenancy Act, 1885, or under section 117 of the Sylhet Tenancy Act, 1936, for the preparation of a record-of-rights in respect of any district, part of a district or local area, but the preparation of such record-of-rights has not been completed or such record-of-rights has not been finally published at the time when an order is made under sub-section (1) for the preparation or revision of a record-of-rights in respect of such district, part or area, then on the making of an order under the said sub-section, all further proceedings relating to the preparation of the record-of-rights under the said Act shall be stayed; and such record-of-rights shall be prepared in accordance with the provisions of this Chapter and with such rules as may be made in this behalf by the Government: 

Provided that any proceedings in respect of the preparation of such record-of-rights commenced under Chapter X of the Bengal Tenancy Act, 1885, or under Chapter IX of the Sylhet Tenancy Act, 1936, and undertaken prior to the publication of the draft of such record-of-rights under section 103A of the Bengal Tenancy Act, 1885, or under section 119 of the Sylhet Tenancy Act, 1936, as the case may be, shall, for the purposes of the preparation of such record-of-rights under this Chapter, be deemed to have been commenced and undertaken under this Chapter. 
(3) A notification in the official Gazette of an order under sub-section (1) shall be conclusive evidence that the order has been duly made.
৫৪.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধানমতে বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রেশনের কত সময় পর অগ্রক্রয়ের দরখাস্ত আর গ্রহণযোগ্য হবে না?
  1. ২ মাস
  2. ১ বৎসর
  3. ২ বৎসর
  4. ৩ বৎসর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৬ ধারার বিধান: অগ্রক্রয়ের অধিকার (Right of pre-emption)
আবেদন দাখিল:
- জোতের সহ-শরীক প্রজা নন এমন কোন ব্যক্তির নিকট জোতের খন্ড বা অংশ বিক্রয় করা হলে সেক্ষেত্রে-
- ৮৯ ধারা অনুযায়ী নোটিশ প্রদানের ২ মাসের মধ্যে; বা
 - নোটিশ জারি না হয়ে থাকলে বিক্রয়ের বিষয়ে অবগত হওয়ার ২ মাসের মধ্যে উক্ত খন্ড বা অংশ তার বা তাদের নিকট বিক্রয় করার জন্য আদালতে আবেদন পেশ করতে পারবেন। তবে:-
i) উত্তরাধিকারসূত্রে সহ-শরীক প্রজা না হলে এবং
ii) বিক্রয়ের দলিল নিবন্ধন করার ৩ বছর পর এই ধারা অনুযায়ী কোন আবেদন করা যাবে না,
iii) ৯০ ধারার অধীনে ইতিমধ্যে ৩৭৫ বিঘার বেশি ভূমি ধারণ করলে সেক্ষেত্রে আবেদন করা যাবে না।
----------------
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 Section 96.Right of pre-emption:
(1) If a portion or share of a holding of a raiyat is sold to a person who is not a co-sharer tenant in the holding, one or more co-sharer tenants of the holding may, within two months of the service of the notice given under section 89, or, if no notice has been served under section 89, within two months of the date of the knowledge of the sale, apply to the Court for the said portion or share to be sold to himself or themselves: 

Provided that no application under this section shall lie unless the applicant is- 
(a) a co-sharer tenant in the holding by inheritance; and 
(b) a person to whom sale of the holding or the portion or share thereof, as the case may be, can be made under section 90: 
Provided further that no application under this section shall lie after expiry of three years from the date of registration of the sale deed. 

(2) In an application under sub-section (1), all other co-sharer tenants by inheritance of the holding and the purchaser shall be made parties. 
(3) An application under sub-section (1) shall be dismissed unless the applicant or applicants, at the time of making it, deposit in the Court- 
(a) the amount of the consideration money of the sold holding or portion or share of the holding as stated in the notice under section 89 or in the deed of sale, as the case may be; 
(b) compensation at the rate of twenty five per centum of the amount referred to in clause (a); and 
(c) an amount calculated at the rate of eight per centum simple annual interest upon the amount referred to in clause (a) for the period from the date of the execution of the deed of sale to the date of filing of the application for preemption. 
(4) On receipt of such application accompanied by such deposits, the Court shall give notice to the purchaser and to the other persons made parties thereto under sub-section (2) to appear within such period as it may fix and shall require the purchaser to state what other sums he has paid in respect of rent since the date of sale and what expenses he has incurred in annulling encumbrances on, or for making any improvement in respect of the holding, portion or share sold. 
(5) The Court shall, after giving all the parties an opportunity of being heard after holding an enquiry as to rent paid and the expenses incurred by the purchaser as referred to in sub-section (4), direct the applicant or applicants to deposit a further sum, if necessary, within such period as the Court thinks reasonable. 
(6) When an application has been made under sub-section (1), any of the remaining co-sharer tenants may, within the period referred to in sub-section (1) or within two months of the date of the service of the notice of the application under sub-section (4), whichever be earlier, apply to join in the said application; any co-sharer tenant who has not applied either under sub-section (1) or under this sub-section, shall not have any further right to purchase under this section. 
(7) On the expiry of the period within which an application may be made under sub-section (6), the Court shall determine, in accordance with the provisions of this section, which of the applications filed under sub-section (6) shall be allowed. 
(8) If the Court finds that an order allowing the applications made under sub-section (7) is to be made in favour of more than one applicant, the Court shall determine the amount to be paid by each of such applicants and, after apportioning the amount, shall order the applicant or applicants who have joined in the original application under sub-section (6) to deposit in the Court the amounts payable by him or them within such period as it thinks reasonable; and if the deposit is not made by any such applicant within such period, his application shall be dismissed. 

(9) On the expiry of the period within which a deposit, if any, is to be made under sub-section (8), the Court shall pass orders- 
(a) allowing the application or applications made by the applicant or applicants who are entitled to purchase under, and have complied with the provisions of, this section; 
(b) apportioning the holding or the portion or share of the holding among them in such manner as it deems equitable when such orders are passed in favour of more than one applicant under sub-section (8); 
(c) refunding money to any one if entitled to such refund of any money from the amount deposited by the applicant or applicants under sub-sections (3) and (5); 
(d) directing that the purchaser be paid out of the deposits made under sub-sections (3) and (5); 
(e) directing the purchaser to execute and register deed or deeds of sale within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed; and no tax, duty or fee shall be payable for such registration. 
(10) If the purchaser fails to execute and register deed or deeds of sale in pursuance of the directions under clause (e) of sub-section (9), within sixty days in favour of the person or persons whose application or applications have been allowed, the court shall execute and present deed or deeds of sale for registration within sixty days thereafter in favour of such person or persons whose application or applications have been allowed. 
(11) From the date of the registration of sale deed or deeds under clause (e) of sub-section (9) or under sub-section (10), the right, title and interest in the holding or portion or share thereof accruing to the purchaser from the sale shall, subject to any orders passed under sub-section (9), be deemed to have vested, free from all encumbrances which have been created after the date of sale, in the co-sharer tenant or tenants whose application or applications to purchase have been allowed under sub-section (9). 

(12) The Court on further application of such applicant or applicants may place him or them, as the case may be, in possession of the property vested in him or them. 
(13) No apportionment ordered under clause (b) of sub-section (9) shall operate as division of the holding. 
(14) An application under this section shall be made to the Court which would have jurisdiction to entertain a suit for the possession of the land in connection with which the application is brought. 
(15) An Appeal shall lie to the ordinary Civil Appellate Court from any order of the Court under this section. 
(16) Nothing in this section shall be deemed to apply to homestead land. 
(17) Nothing in this section shall take away the right of pre-emption conferred on any person by the Mohammadan Law. 
(18) Nothing in this section shall apply to any transfer of any portion or share of a holding of a raiyat or any application under section 96 of this Act, made prior to coming into force of the State Acquisition and Tenancy (Amendment) Act, 2006.]
৫৫.
Special Committee on the East Bengal State Acquisition and Tenancy Bill, 1948 এর Chairman কে ছিলেন?
  1. এ, কে, ফজলুল হক
  2. তাফাজ্জল আলী
  3. আব্দুর রাশিদ তর্কবাগীশ
  4. নাজির হোসেন খন্দকার
ব্যাখ্যা
Special Committee on the East Bengal State Acquisition and Tenancy Bill, 1948 এর Chairman ছিলেন এ, কে, ফজলুল হক।

আবুল কাশেম ফজলুল হক (২৬ অক্টোবর ১৮৭৩ - ২৭ এপ্রিল ১৯৬২) বাঙালি রাজনীতিবিদ। বিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে বাঙালি কূটনীতিক হিসেবে পরিচিত লাভ করেন। রাজনৈতিক মহল এবং সাধারণ মানুষের নিকট শেরেবাংলা এবং 'হক সাহেব' নামে পরিচিত ছিলেন।

তিনি রাজনৈতিক অনেক পদে অধিষ্ঠান করেছেন, তার মধ্যে কলকাতার মেয়র (১৯৩৫), অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী (১৯৩৭ - ১৯৪৩), পূর্ব পাকিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী(১৯৫৪), পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (১৯৫৫), পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর (১৯৫৬ - ১৯৫৮) অন্যতম। যুক্তফ্রন্ট গঠনে প্রধান নেতাদের মধ্যে তিনি অন্যতম।
৫৬.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১৩(২) অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কোথায় আপিল করতে পারেন?
  1. হাইকোর্ট বিভাগে
  2. জেলা জজ আদালতে
  3. ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- ধারা ১৪:
"যে কোনো ব্যক্তি কালেক্টরের ধারা ১১-এর উপ-ধারা (২) অথবা ধারা ১৩-এর উপ-ধারা (২) অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশে ক্ষতিগ্রস্ত বোধ করেন, তিনি ঐ আদেশের তারিখ হতে ত্রিশ (৩০) দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট এলাকার অধিক্ষেত্রভুক্ত জেলা জজের নিকট আপিল করতে পারেন; এবং ঐ আপিলের উপর জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।"
৫৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৪৭ অনুযায়ী Compensation Assessment-roll প্রস্তুতের জন্য মোট কয়টি কর্তৃপক্ষের কথা উল্লেখ আছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৪৭ অনুযায়ী Compensation Assessment-roll প্রস্তুতের জন্য নিম্নোক্ত ৫টি কর্তৃপক্ষের কথা স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে:
(ক) রাষ্ট্রীয় ক্রয় কমিশনার (Commissioner of State Purchase)
(খ) ভূমি রেকর্ড ও জরিপ পরিচালক (Director of Land Records and Surveys)
(গ) সেটেলমেন্ট অফিসার এবং সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার (Settlement Officers and Assistant Settlement Officers)
(ঘ) অন্যান্য রাজস্ব কর্মকর্তা (Other Revenue Officers)
(ঙ) বিশেষ বিচারক (Special Judges)
সুতরাং মোট ৫টি কর্তৃপক্ষ।

AUTHORITIES FOR THE PREPARATION OF COMPENSATION ASSESSMENT-ROLL:
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: Section-47. Revenue and Judicial authorities:
There shall be the following authorities for the purposes of this part of this Act :- 
(a) the Commissioner of State Purchase; 
(b) the Director of Land Records and Surveys; 
(c) Settlement Officers and Assistant Settlement Officers; 
(d) Other Revenue Officers; 
(e) Special Judges.

৫৮.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর অধীন কোন কর্তৃপক্ষ ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারে?
  1. সুপ্রিম কোর্ট
  2. সরকার
  3. রাজস্ব বোর্ড
  4. রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর ধারা ১৪৫গ: ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি বিলুপ্ত করার ক্ষমতা:
সরকার সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা যে কোনো সময় ধারা ১৪৫ক এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল এবং ধারা ১৪৫খ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনাল বিলুপ্ত করতে পারবে এবং বিলুপ্তকরণের সময় সরকার একই প্রজ্ঞাপনে উক্ত ট্রাইব্যুনালসমূহে বিলুপ্তকালের সময়ে মুলতুবি থাকা মামলা, আপিল ও অন্যান্য কার্যক্রম কোন আদালতে স্থানান্তরিত ও নিষ্পত্তি করা হবে তা নির্দিষ্ট করবে।

৫৯.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কত ধারায় 'হোল্ডিং বা জোত'-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২(১১) ধারায়
  2. ২(১২) ধারায়
  3. ২(১৩) ধারায়
  4. ২(১৪) ধারায়
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৩) ধারায় হোল্ডিং-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

ধারা ২(১৩)- জোত [Holding]:
'হোল্ডিং বা জোত' অর্থ ভূমির একটি খণ্ড অথবা খণ্ডসমূহ বা তার একটি অবিভক্ত অংশ যা কোনো রায়ত বা অধীনস্থ রায়ত কর্তৃক অধিকৃত এবং যা কোনো পৃথক প্রজাস্বত্বের বিষয়বস্তু; একটি খতিয়ানে একটি দাগ থাকতে পারে, আবার একাধিক দাগও থাকতে পারে। এ রকম একটি খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ভূমিকে হোল্ডিং বা জোত-জমা বলা হয়।

⇒The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-Section-2(13):
“holding” means a parcel or parcels of land or an undivided share thereof, held by a raiyat or an under-raiyat and forming the subject of a separate tenancy;
৬০.
নিম্নের কোন কাজ অকৃষি ভূমির “উন্নয়ন” হিসেবে গণ্য হবে না?
  1. রাস্তা নির্মাণ করা
  2. ড্রেনেজ সংযোগ দেয়া
  3. বায়ু চলাচলের খোলা জায়গা রাখা
  4. যে কাজ সম্পত্তির মূল্য হ্রাস করে
ব্যাখ্যা
NAT Act, 1949- ধারা ৬৪: "Improvement" (উন্নয়ন)-
এই আইনের উদ্দেশ্যে "উন্নয়ন" (Improvement) বলতে এমন কোনো কাজকে বোঝায়- যা কোনো অকৃষি জমির মূল্য বৃদ্ধি করে, যা সেই জমির জন্য উপযোগী, এবং ধারা ৪-এ উল্লিখিত যেকোনো নির্ধারিত ব্যবহার অনুযায়ী কাজটি উপযুক্ত, এবং কাজটি যদি সরাসরি সেই জমির ওপর করা না হয়, তবুও তা যদি সেই জমির উপকারে আসে, তাহলে সেটি "উন্নয়ন" হিসেবে গণ্য হবে।

এইরূপ উন্নয়নমূলক কাজের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হবে, যথা-
(ক) পথ বা রাস্তা তৈরি করা,
(খ) বায়ু চলাচলের জন্য খোলা স্থান রাখা,
(গ) পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা,
(ঘ) ড্রেনেজ (পয়নিষ্কাশন) সংযোগ স্থাপন করা।

তবে, কোনো অকৃষি প্রজার দ্বারা সম্পাদিত এমন কোনো কাজ, যা জমিদারের সম্পত্তির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে, তা "উন্নয়ন" হিসেবে গণ্য হবে না।
৬১.
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক ভূখণ্ডসমূহকে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করার আদেশ দিতে পারেন কে?
  1. আদালত
  2. ভূমি কমিশনার
  3. রাজস্ব কর্মকর্তা
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
৬২.
কোন খতিয়ানে জমিদারের নাম লিপিবদ্ধ থাকে?
  1. সি. এস
  2. এস, এ
  3. বি. এস
  4. আর. এস
ব্যাখ্যা
সি.এস খতিয়ান [C.S Khatian]:
CS'র পূর্ণরূপ Cadastral Survey। Cada শব্দের অর্থ ভূখন্ড বা মাঠ। এই Survey'র মাধ্যমে প্রণীত খতিয়ানই C.S Khatian নামে পরিচিত।
- সর্বপ্রথম ১৮৮৮ সালে বর্তমান কক্সবাজার জেলার রামু থানা থেকে এ সার্ভে শুরু হয় এবং ১৯৪০ সালে দিনাজপুর জেলায় শেষ হয়।
- সি.এস খতিয়ান লম্বালম্বিভাবে লেখা থাকে।
- সি.এস খতিয়ানে জমিদারদের নাম, ভোগদখলকারী রায়তের নাম, জমির পরিমাণ, খাজনার পরিমাণ ইত্যাদি উল্লেখ আছে।
-C.S Khatian সর্বাধিক সঠিক; যা মালিকানা ও দখল উভয়ের অনুমানের প্রমাণ দেয়।
- খতিয়ানগুলোর মধ্যে এ খতিয়ান সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য। কারণ, এটি সরেজমিনে গিয়ে প্রস্তুত করা হয়েছিল।
৬৩.
অকৃষি ভূমিতে কে উন্নয়ন করবে বা কোন কার্য উন্নয়ন কিনা সেই সম্পর্কে কোন বিরোধ দেখা দিলে তা কে নির্ধারণ করবে?
  1. জেলা জজ
  2. কমিশনার
  3. যুগ্ম জেলা জজ
  4. ডেপুটি কমিশনার
ব্যাখ্যা
⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 
তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।
-----------------------------------------------------
Section 66. Collector to decide question as to right to make improvement, etc. 
(1) If a question arises between the non-agricultural tenant and his landlord- 
(a) as to the right to make an improvement, or 
(b) as to whether a particular work is an improvement, 
the Deputy Commissioner may, on the application of either party, decide the question. 
(2) An appeal, if presented within thirty days from the date of the order appealed against, shall lie to the District Judge from every order passed by the Deputy Commissioner under sub-section (1) and the order passed by the District Judge on such appeal shall be final.
৬৪.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইনের ৮৫ক ধারায় কোন ধরনের আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের বিধান রয়েছে?
  1. দখলদারের বিরুদ্ধে আদেশ
  2. ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশ
  3. জমি বায়না সংক্রান্ত আদেশ
  4. ইজারা নির্ধারণের আদেশ
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ধারা ৯(১) বা ধারা ২০ এর অধীনে ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যায়। এই ধারাটি স্পষ্টভাবে শুধুমাত্র ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীলের বিষয়ে উল্লেখ করে।
- সুতরাং, ৮৫ক ধারা অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনারের ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যায়।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949-Section 85A.  Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

৬৫.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় “complete usufructuary mortgage” এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ধারা ২(৫)
  2. ধারা ২(৬)
  3. ধারা ২(১১)
  4. ধারা ২(১৪)
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০- ধারা ২(৬):
"সম্পূর্ণ খাই-খালাসি বন্ধক” অর্থ কোনো প্রজা কর্তৃক ঋণ হিসাবে গৃহীত অর্থ বা শস্য ফেরত প্রদান করিবার নিশ্চয়তাস্বরূপ কোনো ভূমির দখলাধিকার এই শর্তে হস্থান্তর করা যাহা বন্ধকের মেয়াদে উক্ত ভূমি হইতে প্রাপ্ত মুনাফার মাধ্যমে, সকল সুদসহ, ঋণটি পরিশোধ হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে;

Section 2(6)-
“complete usufructuary mortgage” means a transfer by a tenant of the right of possession in any land for the purpose of securing the payment of money or the return of grain advanced or to be advanced by way of loan upon the condition that the loan, with all interests thereon, shall be deemed to be extinguished by the profits arising from the land during the period of the mortgage.
৬৬.
নিচের কোন পদধারী রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(৩) ধারা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে 'কালেক্টর' হিসেবে গণ্য হন না?
  1. জেলার কালেক্টর
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. সার্কেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্ড অফিসার
  4. সরকার কর্তৃক নিযুক্ত বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ২(৩) অনুসারে "কালেক্টর" বলতে নিম্নোক্ত তিন প্রকার কর্মকর্তাকে বোঝায়:
১. জেলার কালেক্টর 
২. ডেপুটি কমিশনার 
৩. এই আইনের অধীনে কালেক্টরের সকল বা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত অন্যান্য কর্মকর্তা। 
- কিন্তু সার্কেল অ্যাসিস্ট্যান্ট ল্যান্ড অফিসার এই আইনের সংজ্ঞা অনুযায়ী স্বাভাবিকভাবে "কালেক্টর" হিসেবে গণ্য হবেন না।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(৩) ধারায় কালেক্টরের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কালেক্টর বলতে জেলার কালেক্টর এবং ডেপুটি কমিশনার এবং এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কেন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত হবে।

সুতরাং, কালেক্টর বলতে-
i. জেলার কালেক্টর; এবং
ii. ডেপুটি কমিশনার; এবং
III. এই আইনের অধীনে একজন কালেক্টরের সকল অথবা যে কোন দায়িত্ব পালনের জন্য সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হতে পারে এইরুপ অন্যান্য কর্মকর্তা; অন্তর্ভুক্ত হবে।

৬৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারার অধীন সংযুক্তীকরনের শর্ত কী?
  1. একাধিক ভূখণ্ড একই গ্রামের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে
  2. দুই বা ততোধিক গ্রামের মধ্যে অবস্থিত একই রায়তের জমি হতে হবে
  3. একাধিক ভূখণ্ড একাধিক গ্রামের মধ্যে অবস্থিত হতে হবে
  4. পার্শ্ববর্তী সংলগ্ন গ্রামে জমি ভোগকারী দুই বা ততোধিক রায়তের জোত-জমা হতে হবে
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:

একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
৬৮.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর কত ধারায় কালেক্টরকে খতিয়ানের 'clerical mistakes' সংশোধনের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে?
  1. ১৪৩
  2. ১৪৩খ
  3. ১৪৩গ
  4. ১৪৪
ব্যাখ্যা
- রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ১৪৩ ধারার বিধান খতিয়ান সংরক্ষণ: কালেক্টর অত্র আইনের ৪র্থ খণ্ড অথবা এই খণ্ড অনুযায়ী প্রস্তুতকৃত অথবা পুনঃপরীক্ষিত খতিয়ান নির্ধারিত পদ্ধতিতে সংরক্ষণ করিবেন, প্রকৃত ভুল শুদ্ধ করিয়া ও উহাতে নিম্নলিখিত হেতুতে পরিবর্তনগুলি অন্তর্ভুক্ত করিবেন-

ক) হস্তান্তর অথবা উত্তরাধিকারের ভিত্তিতে নামজারী।
খ) জোত ক্ষুদ্রতর অংশ ভাগকরণ, একত্রীকরণ বা সংযুক্তকরণ,
গ) সরকার কর্তৃক ক্রয় করা ভূমি অথবা জোতের নূতন বন্দোবস্ত: এবং
ঘ) ভূমি পরিত্যাগ অথবা সিকস্তি অথবা অধিগ্রহণজনিত কারণে খাজনা মওকুফ। 
----------- 
Section 143. Maintenance of the record-of-rights:
- The Collector shall maintain up-to-date, in the prescribed manner, the record-of-rights prepared or revised under Part IV or under this Part by correcting clerical mistakes and by incorporating therein the changes on account of- 
(a) the mutation of names as a result of transfer or inheritance; 
(b) the subdivision, amalgamation or consolidation of holdings; 
(c) the new settlement of lands or of holdings purchased by the Government; and 
(d) the abatement of rent on account of abandonment or diluvion or acquisition of land.
৬৯.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৫ ধারায় কোন ধরনের জমির ভাড়া নির্ধারণের বিধান আছে?
  1. খাস জমি
  2. বন্দোবস্ত জমি
  3. ফসলি জমি
  4. করাতল জমি
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ৫: ভাড়াগ্রহীতাদের খাস জমির ভাড়া নির্ধারণ:
যত শীঘ্র সম্ভব ধারা ৩(১) উপধারায় উল্লেখিত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর, রাজস্ব কর্মকর্তা উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে উল্লিখিত সমস্ত ভাড়াগ্রহীতার খাস দখলে থাকা জমির প্রতিটি খণ্ডের ভাড়া নির্ধারণ করবেন। এই নির্ধারণ ধারা ২৩, ২৪, ২৫, ২৫ক, ২৬, ২৭ এবং ২৮-এ বর্ণিত নীতিমালা অনুযায়ী করতে হবে, এবং এসব জমি সেই এস্টেট, তালুক, তনুর, হোল্ডিং বা টেনান্সির অন্তর্ভুক্ত হবে যার সাথে উক্ত বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কিত।
৭০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ১৪৩(খ) ধারার বিষয়বস্তু কী?
  1. Maintenance of the record-of-rights
  2. Correction of the Record of Rights upon inheritance
  3. Procedure for Correction of the Record-of-Rights
  4. Revision of the record-of-rights
ব্যাখ্যা
• Section 143B: Correction of the Record-of Rights upon inheritance:

(1) Person acquiring immovable property by inheritance according to their respective personal laws shall amicably effect partition of the property among them after the death propositus. After such partition, an instrument of partition shall be prepared and signed by all the concerned parties and shall be registered under the Registration Act, 1908.

(2) Upon presentation of the instrument of partition prepared, signed and registered under sub-section (1), the Revenue-officer shall revise the Khatian in accordance therewith.

ধারা ১৪৩(খ)- উত্তরাধিকারের উপর ভিত্তি করে খতিয়ান সংশোধন:
 
উত্তরাধিকারের উপর ভিত্তি করে খতিয়ান সংশোধনের বিধান ১৪৩খ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে। কোন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর তার উত্তরাধিকারীরা তাদের ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী তাদের মধ্যে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বন্ধুত্বপূর্ণভাবে বণ্টন করবে। এমন বণ্টনের পর, একটি বন্টননামা তৈরী করতে হবে এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগণ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে এবং রেজিস্ট্রেশন আইন, ১৯০৮ এর অধীন নিবন্ধন করতে হবে। এমন স্বাক্ষরিত এবং নিবন্ধিত বণ্টননামা উপস্থাপন করলে রাজস্ব কর্মকর্তা বন্টননামা অনুযায়ী খতিয়ান সংশোধন করবে।
৭১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান অনুসারে, কখন থেকে বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদি গণনা শুরু হয়?
  1. যে বছরের খাজনা বকেয়া সেই বছরের প্রথম দিন থেকে
  2. যে বছরের খাজনা বকেয়া সেই বছরের শেষ দিন থেকে
  3. খাজনা পরিশোধের নির্ধারিত তারিখ থেকে
  4. যে বছরের খাজনা বকেয়া তার পরবর্তী বছরের প্রথম দিন থেকে
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।

Section 142. Limitation:
The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.

৭২.
Land Survey Tribunal চূড়ান্ত শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৬০
  2. ৯০
  3. ১২০
  4. ১৮০
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ধারার ১৪৫ক  উপধারা (৭ক) এর বিধান চূড়ান্ত শুনানির জন্য নির্ধারিত তারিখ থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে হবে।
-------------
- (7) A suit may be admitted within next one year after the expiry of the period specified in sub-section (6), if the Land Survey Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the plaintiff.

- (7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing.
৭৩.
Land Survey Tribunal এ মামলা করার তামাদির মেয়াদ?
  1. ৩ মাস
  2. ১ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ১২ বছর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪৫ক ধারার বিধান: ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল:
উপ-ধারা(৬): উপ-ধারা (৭) এর বিধান সাপেক্ষে, ধারা ১৪৪ এর অধীন প্রস্তুতকৃত সর্বশেষ রিভিশনকৃত খতিয়ানের চূড়ান্ত প্রকাশনায় সংক্ষুব্ধ কোনো ব্যক্তি, উক্ত প্রকাশনার তারিখ অথবা ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠার তারিখ, যাহা পরে ঘটে, হইতে এক বৎসরের মধ্যে যেকোনো মামলা উক্ত ট্রাইব্যুনালে দায়ের করিতে পারিবেন।
উপ-ধারা(৭): কোনো মামলা, বাদী কর্তৃক প্রদর্শিত বিলম্বের কারণ বিষয়ে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল সন্তুষ্ট হইলে, উপ-ধারা (৬) এ উল্লিখিত মেয়াদ উত্তীর্ণ হইবার পরবর্তী এক বৎসরের মধ্যে দাখিল করা যাইবে।
------------
Section145A Land Survey Tribunal:

(6) Subject to the provision of sub-section (7), any person aggrieved by the final publication of the last revised record-of-rights prepared under section 144 may, within one year from the date of such publication or from the date of the establishment of the Land Survey Tribunal, whichever is later, file a suit in such Tribunal.
(7) A suit may be admitted within next one year after the expiry of the period specified in sub-section (6), if the Land Survey Tribunal is satisfied with the reasons for delay shown by the plaintiff.
(7A) The Land Survey Tribunal shall conclude the trail of a suit within 180 (one hundred and eighty) days from the date fixed for its final hearing. 
৭৪.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ১৪৭ অনুযায়ী, জেলার কালেক্টর কর্তৃক প্রদত্ত আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে কার নিকট?
  1. জেলা জজ
  2. বিভাগীয় কমিশনার
  3. ভূমি প্রশাসন বোর্ড
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৭ ধারার বিধান আপিল: 
- এই ভাগ বা এই আইনের অধীন প্রণীত বিধিমালাতে আপিলের বিশেষ বিধানসাপেক্ষে, এই ভাগের অধীন রাজস্ব কর্মকর্তার প্রত্যেক মূল বা আপিল আদেশের বিরুদ্ধে নিম্নরূপভাবে আপিল করা যাইবে, যথা:
(ক) কালেক্টরের অধস্তন রাজস্ব কর্মকর্তা কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, কালেক্টরের নিকট;
(কক) বিভাগের মধ্যে জেলার কালেক্টর কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, বিভাগীয় কমিশনারের নিকট; এবং
(গ) বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক আদেশ প্রদান করা হইলে, ভূমি প্রশাসন বোর্ডএর নিকট

The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৮ ধারার বিধান আপিল: আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ:
- ধারা ১৪৭ অনুযায়ী আপিলের জন্য তামাদির মেয়াদ যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা হয় সেই আদেশের তারিখ হইতে চলিতে থাকিবে এবং উহা নিম্নরূপ হইবে, অর্থাৎ-
       (ক) কালেক্টরের নিকট আপিল__________ত্রিশ দিন।
       (খ) বিভাগীয় কমিশনারের নিকট আপিল________ষাট দিন। 
       (খখ) ভূমি প্রশাসন বোর্ড এর নিকট আপিল___________নব্বই দিন।

-----------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 Section 147. Appeals:
-Subject to any special provisions for appeal made in this Part or in any rules made under this Act, an appeal shall lie from every original or appellate order made under any of the provisions of this Part by a Revenue-officer as follows, namely:- 
(a) to the Collector, when the order is made by a Revenue-officer subordinate to the Collector; 
(aa) to the Commissioner of the division, when the order is made by the Collector of a district within the division; and
(c) to the Board of Land Administration, when the order is made by the Commissioner of a division.

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 Section 148. Limitation for appeals:
The period of limitation for an appeal under section 147 shall run from the date of the order appealed against and shall be as follows, that is to say- 
(a) when the appeal lies to the Collector ................... thirty days. 
(b) when the appeal lies to the Commissioner of a division ............ sixty days.
(bb) when the appeal lies to the Board of Land Administration ........................ ninety days.

৭৫.
প্রথম জরিপ খতিয়ান কোনটি?
  1. বি. এস খতিয়ান
  2. আর. এস খতিয়ান
  3. সি. এস খতিয়ান
  4. এস. এ খতিয়ান
ব্যাখ্যা
• মূলত জমির মালিকানা স্বত্ব রক্ষা ও রাজস্ব আদায়ের জন্য জরিপ বিভাগ কর্তৃক প্রতিটি মৌজার জমির এক বা একাধিক মালিকের নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, ঠিকানা, দাগ নম্বর, ভূমির পরিমাণ, হিস্যা(অংশ), খাজনা ইত্যাদি বিবরণসহ যে ভূমি স্বত্ব প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।

- বাংলাদেশে সাধারণত ৪ ধরনের খতিয়ান রয়েছে।
 যথা-
১. সি. এস খতিয়ান
২. এস. এ খতিয়ান
৩. আর. এস খতিয়ান
৪. বি. এস খতিয়ান / সিটি জরিপ

সি. এস খতিয়ান: 
১৯৪০ সালে ব্রিটিশ সরকার জরিপ করে যে খতিয়ান তৈরি করে তাকে সি. এস খতিয়ান বলা হয়। আমাদের দেশে এটিই প্রাথমিক খতিয়ান হিসাবে বিবেচিত।

এস. এ খতিয়ান:
পাকিস্তান আমলে ১৯৫০ সালে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের চতুর্থ অধ্যায় এর ১৭ হতে ৩১ দ্বারা মতে ১৯৫৬-৬০ সালের দিকে যে খতিয়ান তৈরি করা হয় তাকে এস. এ (State Acquision) খতিয়ান বলে।

আর. এস খতিয়ান:
বাংলাদেশ সরকার পূর্বের তৈরিকৃত খতিয়ানের ভুল ত্রুটি সংশোধন করার জন্য নতুনভাবে উদ্যোগ নিয়ে যে খতিয়ান প্রস্তুত করেন তা আর. এস(Renisional Survey)খতিয়ান নামে পরিচিত।

বি. এস খতিয়ান / সিটি জরিপ:
১৯৯৮-৯৯ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত চলমান জরিপকে বি. এস খতিয়ান বা সিটি জরিপ বলে। এই খতিয়ান প্রস্তুতের কার্যক্রম এখনো চলছে।
৭৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা অনুযায়ী, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর কৃষি জমির একমাত্র শ্রেণীর অধিকারী কে হবেন?
  1. রায়ত
  2. মালিক
  3. জমিদার
  4. প্রজাস্বত্বধারী
ব্যাখ্যা

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর ধারা ৮১ অনুযায়ী, আইন কার্যকর হওয়ার পর কোনো এলাকায় কৃষি জমির একমাত্র শ্রেণীর অধিকারী হবে ‘মালিক’। এই মালিকদের অধিকার ও দায়িত্ব এই ধারা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।

⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারা: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।
-------------
⇒The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- Section 81- Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities:
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 
Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:
Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.

৭৭.
রায়তের দখলে থাকা চা বাগানের খাস জমি কার লিখিত অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা যাবে না?
  1. ভূমি সংস্কার বোর্ড
  2. ডেপুটি কমিশনার
  3. জেলা ভূমি অফিসার
  4. উপজেলা নির্বাহী অফিসার
ব্যাখ্যা
ধারা ৮৮: রায়াতদের হোল্ডিং-এর হস্তান্তরযোগ্যতা:
রায়তের হোল্ডিং বা তার অংশ বা হিস্যা, এই আইন অনুযায়ী, অন্যান্য স্থাবর সম্পত্তির মতোই রায়তের দ্বারা হস্তান্তর করা যাবে।

তবে,
- চা বাগানের খাস জমি (যা ধারা ২০(২) অনুযায়ী রায়তের দখলে থাকে) বা তার অংশ, ডেপুটি কমিশনারের লিখিত অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা যাবে না, এবং এই হস্তান্তর চা বাগানের পূর্ণতা বা চা চাষের কার্যক্রমে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না।

অর্থাৎ The State Acquisition and Tenancy Act এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী, রায়তের দখলে থাকা চা বাগানের খাস জমি বা তার অংশ ডেপুটি কমিশনারের লিখিত অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করা যাবে না। এছাড়া, হস্তান্তর চা বাগানের পূর্ণতা বা চা চাষের কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি করতে পারবে না। 
৭৮.
রায়াতকে তার অধিকার বা জমির অংশ থেকে উচ্ছেদ করার জন্য কোন ধরনের আদেশ প্রয়োজন?
  1. সরকারের আদেশ
  2. সিভিল কোর্টের আদেশ
  3. ভূমি অফিসের আদেশ
  4. রেজিস্ট্রেশন অফিসের আদেশ
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- ধারা ৮৫ - রায়াতের উচ্ছেদের ভিত্তি:
"একটি রায়াতকে তার অধিকার বা অধিকারভুক্ত কোন অংশ থেকে উচ্ছেদ করা যাবে না, সিভিল কোর্টের একটি উচ্ছেদ আদেশ ছাড়া, যা সম্পূর্ণ অধিকার বা যে কোন অংশের জন্য, যেটি সংশ্লিষ্ট আইন অনুসারে রায়াতের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ বা আইন লঙ্ঘনের কারণে দেওয়া হয়েছে।"

অর্থাৎ, একটি রায়াতকে তার জমি বা জমির অংশ থেকে উচ্ছেদ করতে হলে, সেটি কেবল সিভিল কোর্টের আদেশের মাধ্যমে হতে পারে, যেখানে রায়াত কোনো আইনি লঙ্ঘন করেছে বা এই আইনের কোনো শর্ত ভঙ্গ করেছে।
৭৯.
The State Acquisition and Tenancy Act,1950 এর কত ধারায় হোল্ডিং-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ২(১২) ধারায়
  2. ২(১৩) ধারায়
  3. ২(১৪) ধারায়
  4. ২(১৫) ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৩) ধারায় হোল্ডিং-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।
- ধারা ২(১৩)- জোত [Holding]:
'হোল্ডিং বা জোত' অর্থ ভূমির একটি খণ্ড অথবা খণ্ডসমূহ বা তার একটি অবিভক্ত অংশ যা কোনো রায়ত বা অধীনস্থ রায়ত কর্তৃক অধিকৃত এবং যা কোনো পৃথক প্রজাস্বত্বের বিষয়বস্তু;
একটি খতিয়ানে একটি দাগ থাকতে পারে, আবার একাধিক দাগও থাকতে পারে। এ রকম একটি খতিয়ানের অন্তর্ভুক্ত ভূমিকে হোল্ডিং বা জোত-জমা বলা হয়।
-----------------------------
⇒The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-Section-2(13) “holding” means a parcel or parcels of land or an undivided share thereof, held by a raiyat or an under-raiyat and forming the subject of a separate tenancy;
৮০.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন এর ৮১ ধারা অনুযায়ী কৃষি প্রজাগণকে কয় শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে?
  1. এক শ্রেণীতে
  2. দুই শ্রেণীতে
  3. তিন শ্রেণীতে
  4. কোন শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়নি
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৮১ ধারার বিধান: রায়তি কৃষকের শ্রেণিবিভাগ এবং তাহাদের অধিকার ও দায়িত্বসমূহ নিয়ন্ত্রণ:
(১) কোনো এলাকায় এই ভাগ সম্পূর্ণরূপে কার্যকর হইবার তারিখে অথবা তারিখ হইতে উক্ত এলাকায় কেবল মালিক নামে কৃষি জমির এক শ্রেণির অধিকারী থাকিবে এবং উক্ত ভূমি মালিকদের অধিকার ও দায়সমূহ এই ভাগের বিধান দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, এই ধারা উক্তরূপ কোনো মালিককে তাহার জোতের খনিজ সম্পদের অধিকারসহ ভূনিম্নস্থ কোনো স্বার্থের উপর কোনো অধিকার প্রদান করিবে না:
আরও শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে সরকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কোনো ভূমি ইজারা প্রদান করে, সেইক্ষেত্রে উক্ত ইজারা-গ্রহীতার অধিকার ও দায়সমূহ ইজারায় বর্ণিত শর্তাবলি অনুযায়ী পরিচালিত হইবে।
--------
Section 81. Class of agricultural tenants and regulation of their rights and liabilities
(1) On and from the date of coming into force of the whole of this Part in any area, there shall, within that area, be only one class of holders of agricultural land, namely, maliks, and the rights and liabilities of every such land-holder shall be regulated by the provisions of this Part: 

Provided that nothing in this section shall confer on any such malik any right to any interests in the sub-soil including rights to minerals in his holding:

Provided further that when the Government lease out any land for any particular period, the rights and liabilities of such a lessee shall be governed by such terms and conditions as may be set forth in the lease.
৮১.
জমির মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন জড়িত থাকলে তার প্রতিকার ও খতিয়ান সংশোধনের আদেশ কে দিতে পারেন?
  1. সহকারী কমিশনার (ভূমি)
  2. দেওয়ানী আদালত
  3. ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল
  4. সেটেলমেন্ট অফিসার
ব্যাখ্যা
- The State Acquisition and Tinancy Act, 1950 এর ১৪৫ক ধারার   সরকার সুপ্রিম কোর্টের সাথে পরামর্শক্রমে যুগ্ম জেলা জজদের মধ্য হতে ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারক নিয়োগ করবেন।
এভাবে বিচারক নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত সরকার যুগ্ম জেলা জজদের ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের বিচারকাজের ক্ষমতা দিতে পারবে। (উপধারা- ৩ক)
এরূপভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত যুগ্ম জেলা জজ ট্রাইব্যুনালের নিয়োগপ্রাপ্ত বিচারক হিসেবে গণ্য হবেন। (উপধারা- ৩খ) 
এ ছাড়া ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনাল থেকে স্থানান্তরিত মামলা নিষ্পত্তির জন্য সরকার এক বা একাধিক সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে ট্রাইব্যুনালের বিচারক হিসেবে নিয়োগ বা ক্ষমতা দিতে পারবে। (উপধারা- ৩গ)

- মালিকানার প্রশ্ন এবং খতিয়ান সংশোধনের উদ্দেশ্যে দেওয়ানী আদালতে The Specific Relief Act, 1877'র ৪২ ধারার অধীনে মালিকানা তথা স্বত্বের ঘোষণা কিংবা ঐ সম্পত্তিতে দখলের অধিকার আছে মর্মে ঘোষণার মামলায় ডিক্রি প্রাপ্ত হয়ে উক্ত ডিক্রি বলে SAT Act, 1950'র ৫৪ ধারানুসারে খতিয়ানের ভুল সংশোধন করে নেওয়া হয়।
৮২.
একজন অকৃষি প্রজা কোন উদ্দেশ্যে জমি ব্যবহার করতে পারেন না?
  1. ব্যবসায়িক কাজে
  2. ধর্মীয় উদ্দেশ্যে
  3. চা চাষের উদ্দেশ্যে
  4. আবাসিক উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 ধারা ৪: অকৃষি প্রজা যে সকল উদ্দেশ্যে অকৃষি জমি ব্যবহার করতে পারেন-
(ক) গৃহস্থালি বা আবাসিক উদ্দেশ্যে;
(খ) শিল্প বা ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে;
(গ) ধর্মীয় বা অন্যান্য উদ্দেশ্যে।

⇒ 'চা চাষ' কৃষি কাজের (agricultural) অন্তর্গত, তাই এটি অকৃষি প্রজার জমি ব্যবহারের বৈধ উদ্দেশ্য নয়।
৮৩.
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ২৪ ধারা অনুসারে pre-emption-এর ক্ষেত্রে উক্ত আইনের ২৩ ধারার নোটিশ জারির কতদিনের ভিতর আদালতে মামলা দায়ের কত হবে?
  1. দুই মাস
  2. তিন মাস
  3. চার মাস
  4. ছয় মাস
ব্যাখ্যা
• The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ধারা ২৪ এর অধীন অকৃষি ভূমির ক্ষেত্রে অগ্রক্রয়ের আবেদন করা হয়-

আবেদন করতে পারবে:
কোন প্রজা অ-কৃষি জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/বিক্রয় করলে, ঐ জমির এক বা একাধিক সহ-অংশীদার [co-sharer] ঐ জমির অংশ/শেয়ার হস্তান্তর/ক্রয় করতে আবেদন করতে পারবে।

আবেদনের সময়সীমা:
১. নোটিশ প্রদান করা হলে- নোটিশ জারি/প্রদানের তারিখ হইতে ৪ মাসের মধ্যে।
২. নোটিশ প্রদান করা না হলে- হস্তান্তর/বিক্রয় সম্পর্কে অবগত হওয়ার ৪ মাসের মধ্যে।
৮৪.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় একই গ্রামে রায়তের জোতের সংযুক্তকরণ বিধান আলোচনা করা হয়েছে?
  1. ১১৬ ধারা
  2. ১১৭ ধারা
  3. ১১৮ ধারা
  4. ১১৯ ধারা
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারার বিধান একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
-একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।
----------
Section 116. Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
- Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.
৮৫.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৭) ধারায় কীসের সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. “rent-receiver”
  2. “khas land”
  3. “homestead”
  4. “non-agricultural tenant”
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ২(১৭) ধারায় 'অকৃষি প্রজা' এর সংজ্ঞা রয়েছে।

ধারা ২ উপধারা-(১৭) 'অকৃষি প্রজা' অর্থ একজন প্রজা যে কৃষি চাষ বা ফলচাষের সাথে সম্পর্কিত নয় এরূপ ভূমির অধিকারী থাকে; তবে যে ব্যক্তি চিরস্থায়ী ইজারা ব্যতীত অন্য কোনো প্রকার ইজারাসূত্রে ভূমি ও তার উপর নির্মিত দালান ও প্রয়োজনীয় সংলগ্ন জায়গা অধিকারে রাখে সে তার অন্তর্ভুক্ত হইবে না;
----------
Section 2 (17) “non-agricultural tenant” means a tenant who holds land for purposes not connected with agriculture or horticulture, but does not include a person holding land together with any building standing thereon any necessary adjuncts thereto under a lease other than a lease in perpetuity;
৮৬.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৮৫ক অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে কার নিকট?
  1. ভূমি আপীল বোর্ডের নিকট
  2. হাইকোর্ট বিভাগের নিকট 
  3. জেলা জজের নিকট
  4. সাব-ডিভিশনাল অফিসারের নিকট
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯-এর ধারা ৮৫ক অনুযায়ী, ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক ক্ষতিপূরণ নির্ধারণের আদেশের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে জেলা জজের নিকট।

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
------------
⇒ The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949, Section 85A- Appeal:
- An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

৮৭.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় "জোত (holding)" এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ২ (৯)
  2. ২ (১১)
  3. ২ (১৩)
  4. ২ (১৫)
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ২ (১৩) ধারায় "জোত (holding)" এর সংজ্ঞা রয়েছে।

- ধারা ২ (১৩) এর বিধান জোত (holding): বলতে জমির একটি খন্ড অথবা খন্ডসমূহ বা তার একটি অবিভক্ত অংশ যা একজন রায়ত বা অধীন রায়ত কর্তৃক ধারণকৃত ও যা কোন পৃথক প্রজাস্বত্বের বিষয়বস্তু।
----
Section 2(13) “holding” means a parcel or parcels of land or an undivided share thereof, held by a raiyat or an under-raiyat and forming the subject of a separate tenancy;
৮৮.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ২০ ধারার অধীন ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ আদেশ দিলে, উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট কত দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
ব্যাখ্যা

• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৮৫ক ধারার বিধান- আপীল:
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৯ (১) ধারার বিধান অনুসারে বা ২০ ধারার বিধান মোতাবেক ডেপুটি কমিশনার ক্ষতিপূরণ নির্ধারণ করলে, তার আদেশের বিরুদ্ধে জেলা জজের নিকট ৩০ দিনের মধ্যে আপীল করা যাবে।
----
Section 85A- Appeal:
An appeal against an order passed by the Deputy Commissioner determining compensation under the proviso to sub-section (1) of section 9 or the proviso to section 20 shall, if presented within thirty days of such order, lie to the District Judge.

৮৯.
Under Section 145E of The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 , whose decisions and orders are considered final?
  1. The Revenue Officer
  2. The Civil Court
  3. The High Court Division
  4. The Land Survey Tribunal
ব্যাখ্যা

The State Acquisition and Tenancy Act, 1950: Section 45E: Finality of Tribunals decisions and orders:
Subject to the decisions and orders of the Land Survey Appellate Tribunal, the decisions and orders of the Land Survey Tribunal shall be final.

[ভূমি জরিপ আপিল ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত ও আদেশের অধীনস্থ থেকে, ভূমি জরিপ ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত ও আদেশ চূড়ান্ত বলিয়া গণ্য হইবে।]

৯০.
জমির খতিয়ানে নিচের কোন বিষয় অন্তর্ভুক্ত করা থাকে না?
  1. পিতা বা স্বামীর নাম
  2. কালেক্টরের নাম
  3. ইজমেন্টের অধিকার
  4. জেলার নাম
ব্যাখ্যা
- মূলত জমির মালিকানা স্বত্ব রক্ষা ও রাজস্ব আদায়ের জন্য জরিপ বিভাগ কর্তৃক প্রতিটি মৌজার জমির এক বা একাধিক মালিকের নাম, পিতা বা স্বামীর নাম, ঠিকানা, দাগ নম্বর, ভূমির পরিমাণ, হিস্যা(অংশ), খাজনা ইত্যাদি বিবরণসহ যে ভূমি স্বত্ব প্রস্তুত করা হয় তাকে খতিয়ান বলে।

- খতিয়ানে কি কি বিষয় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে সে গুলো হলো-
১. প্রজা বা দখলদারের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা, তারা কোন শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত, তাদের অধিকৃত জমির অবস্থান শ্রেণী পরিমাণ ও সীমানা।
২. প্রজার অথবা জমির মালিকের নাম, পিতার নাম ও ঠিকানা।
৩. খতিয়ান প্রস্তুতের সময় খাজনা এবং ২৮, ২৯, ৩০ বিধি অনুযায়ী নির্ধারিত খাজনা। যদি খাজনা ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পেতে থাকে তাহলে যে সময় ও যে যে পদ্ধক্ষেপে বৃদ্ধি পায় তার বিবরণ। যে পদ্ধতিতে খাজনা ধার্য হয়েছে তার বিবরণ।
৪. গোচরণ ভূমি, বনভূমি ও মৎস্য খামারের জন্য ধারণকৃত অর্থ। কৃষি কাজের উদ্দেশ্যে প্রজা কর্তৃক পানির ব্যবহার এবং পানি সরবরাহের জন্য যন্ত্রপাতি সংস্কার ও রক্ষণাবেক্ষণ সম্পর্কিত প্রজা ও জমির মালিকের বর্ণনা।
৫. নিজস্ব জমি হলে তার বিবরণ।
৬.পথ চলার অধিকার ও জমির সংলগ্ন অন্যান্য ইজমেন্টের অধিকার।
৭. খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, বাট্টা নম্বর, এরিয়া নম্বর, মৌজা নম্বর ও জে. এল নম্বর, জেলার নাম, উপজেলা/থানা/ইউনিয়ন ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।

অর্থাৎ জমির খতিয়ানে কালেক্টরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা থাকে না।
৯১.
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসর বা তার অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে, সেই ক্ষেত্রে উক্ত অকৃষি ভূমিতে সে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-
  1. যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ করতে
  2. পুকুর খনন করতে
  3. মসজিদ, মন্দির বা অন্য যেকোন উপাসানালয়ের স্থান নির্মাণ করতে
  4. উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯: ধারা ৬- অকৃষি ভূমি ব্যবহারের পদ্ধতি:
 
যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসর বা তার অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে উক্ত অকৃষি ভূমিতে সে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-

ক. পাকা অবকাঠামোসহ যেকোন অবকাঠামো নির্মাণ করতে;
খ. মসজিদ, মন্দির বা অন্য যেকোন উপাসানালয়ের স্থান নির্মাণ করতে;
গ. যেকোন পুকুর খনন করতে; এবং
ঘ. এমন ভূমিতে গাছ রোপণ, উক্ত বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে এবং উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে;

অন্যদিকে, যেক্ষেত্রে কোন অকৃষি প্রজা ১২ বৎসরের কম কিন্তু ১ বৎসরের অধিক সময়ের জন্য কোন অকৃষি ভূমিতে দখলে থাকে সেই ক্ষেত্রে সে উক্ত অকৃষি ভূমিতে নিম্নলিখিত কার্য করার অধিকারী হবে-

ক. পাকা অবকাঠামো ব্যতীত যেকোন অবকাঠামো নির্মাণে;
খ. যেকোন বৃক্ষ রোপন করতে, এবং এমন বৃক্ষের ফুল, ফল এবং অন্যান্য পণ্য ভোগ করতে।
গ. উক্ত বৃক্ষের কাঠ ব্যবহার বা হস্তান্তর করতে।
৯২.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৮ক ধারায় ভূমির খাজনা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রায়ত বা অকৃষি প্রজাকে সর্বনিম্ন কতদিনের নোটিশ দিতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৮ক ধারায় ডেপুটি কমিশনার ভূমির খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করতে পারবে।

নিম্নলিখিত ২টি ক্ষেত্রে ডেপুটি কমিশনার কোন ভূমির খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করতে পারে-

ক. যেক্ষেত্রে রায়ত অথবা অকৃষি প্রজা কর্তৃক অধিকৃত ভূমির খাজনা ৪র্থ অধ্যায়ে অথবা ১৪৪ ধারা মোতাবেক নির্ধারণ করা হয় নাই অথবা উক্ত ভূমির খাজনা ১০৭ ধারা মোতাবেক নির্ধারণ করা হয় নাই; বা

খ. যে ক্ষেত্রে কোন ভূমির খাজনা ক ক্লজে উল্লেখিত কোন বিধান মোতাবেক কৃষি ভূমি হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরবর্তীতে অকৃষি ভূমি হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

⇒ এই ধারায় কোন ভূমির খাজনা নির্ধারণ করতে উক্ত ভূমির রায়ত বা অকৃষি প্রজাকে সর্বনিম্ন ১৫ দিনের নোটিশ দিতে হবে। অন্যথায়, খাজনা নির্ধারণ বা পুনঃনির্ধারণ করা যাবে না (ধারা ৯৮ক (২))।
৯৩.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারা অনুযায়ী খাইখালাসি বন্ধকের সর্বোচ্চ মেয়াদ কত বছর?
  1. ১২
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ৯৫ ধারার বিধান রায়তি জোতের বন্ধকের উপর সীমাবদ্ধতা জমির পরিমাণ ও সময়ের সীমাবদ্ধতা:
-কোন রায়ত তার জোত বা তার অংশ বিশেষ সম্পূর্ণ খাইখালাসী রেহেন ব্যতীত অন্য কোনরূপ রেহেন দিতে পারবে না এবং এরূপ সম্পূর্ণ খাইখালাসী রেহেনের চুক্তির মেয়াদ প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে ৭ বছরের বেশি হবে না।
- এরূপ খাইখালাসী রেহেন উক্ত মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার আগে যে কোন সময় মুক্ত করতে পারে অর্থাৎ ৭ বছর উত্তীর্ণ হওয়ার আগে কোন জমি উদ্ধার করতে চাইলে অবশিষ্ট দেনা আনুপাতিক হারে পরিশোধ করতে হবে।
-------
Section 95. Limitation on mortgage of raiyat holdings:
(1) Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, a raiyat shall not enter into any form of usufructuary mortgage other than a complete usufructuary mortgage in respect of his holding or of a portion or share thereof, and every such complete usufructuary mortgage shall be subject to the same limitations as are imposed by section 90 on a transfer of the holding of a raiyat or of any share or portion thereof; and the period for which such complete usufructuary mortgage may be entered into by any raiyat shall not exceed, by any agreement express or implied, seven years: 

Provided that any such usufructuary mortgage may be redeemed at any time before the expiry of the said period, on payment of an amount which shall bear the same proportion to the total consideration money received by the mortgagor, as the unexpired period bears to the total period for which the mortgage had been entered into.
৯৪.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 অনুসারে খসড়া স্বত্বলিপি প্রকাশ হলে কার নিকট আপিল দায়ের হয়?
  1. ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল
  2. সহকারী কমিশনার (ভূমি)
  3. সহকারী জজ
  4. সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৪ ধারার অধীন সরকার কোন জেলা, জেলার অংশ বা স্থানীয় এলাকার জন্য রাজস্ব কর্মকর্তা [Revenue Officer) দ্বারা খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারে।
- যখন ১৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধন করা হয়, রাজস্ব কর্মকর্তা উক্ত খতিয়ানের একটি খসড়া নির্ধারিত সময়ের জন্য প্রকাশ করবে। রাজস্ব কর্মকর্তা উক্ত খসড়া সম্পর্কে আপত্তি গ্রহণ এবং বিবেচনা করবে।

- ধারা ১৪৪ (৬) এ বলা আছে,
রাজস্ব কর্মকর্তা  কর্তৃক আপত্তি শুনানী শেষে রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশ দ্বারা কোন ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হলে সে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের পদ মর্যাদার নীচে নয় এইরুপ কোন রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট আপীল করতে পারবে।

অর্থাৎ, ১৪৪ ধারায় প্রকাশিত খসড়া খতিয়ানের বিষয়ে আপত্তি দাখিল করতে হবে রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট এবং উক্ত আপত্তি শুনানী শেষে রাজস্ব কর্মকর্তা যে আদেশ দিবে, সেটার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার নিচের পদমর্যাদার নিচে নয় এমন রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট।
৯৫.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১১৬ অনুযায়ী, কোন পরিস্থিতিতে প্রজার জোত সংযুক্ত করা যাবে?
  1. একই গ্রামের মধ্যে একাধিক প্রজার ভূখণ্ড থাকলে
  2. একাধিক গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকলে
  3. একাধিক গ্রামের মধ্যে সরকারি খাস ভূমি থাকলে
  4. একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকলে
ব্যাখ্যা

• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১১৬ ধারা- একই গ্রামে প্রজার জোতের সংযুক্তকরণ:
একই গ্রামের মধ্যে একই প্রজার যদি পৃথক একাধিক ভূখণ্ড থাকে, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি কিংবা উহার কতিপয় যদি পৃথক প্রজাস্বত্বের অধীন হয়, তবে উক্ত ভূখণ্ডগুলি রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশক্রমে একই প্রজাস্বত্বে সংযুক্ত করা যাইবে।

Section 116- Amalgamation of holdings of a tenant in the same village:
Where various parcels of land are held by one tenant within one village, and such parcels of land or some of them are the subject of separate tenancies, such parcels of land shall, under the orders of the Revenue-officer, be amalgamated into one tenancy.

৯৬.
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের কত ধারায় "সম্পূর্ণ খাইখালাসি বন্ধক” এর সংজ্ঞা দেওয়া আছে?
  1. ২(৩)
  2. ২(৭)
  3. ২(৯)
  4. ২(৬)
ব্যাখ্যা
⇒ রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইনের ২(৬) ধারার বিধান "সম্পূর্ণ খাই-খালাসি বন্ধক” অর্থ কোনো প্রজা কর্তৃক ঋণ হিসাবে গৃহীত অর্থ বা শস্য ফেরত প্রদান করিবার নিশ্চয়তাস্বরূপ কোনো ভূমির দখলাধিকার এই শর্তে হস্থান্তর করা যাহা বন্ধকের মেয়াদে উক্ত ভূমি হইতে প্রাপ্ত মুনাফার মাধ্যমে, সকল সুদসহ, ঋণটি পরিশোধ হইয়াছে মর্মে গণ্য হইবে;
-------------- 
- The State Acquisition and Tenancy Act, 1950, Section 2(6) “complete usufructuary mortgage” means a transfer by a tenant of the right of possession in any land for the purpose of securing the payment of money or the return of grain advanced or to be advanced by way of loan upon the condition that the loan, with all interests thereon, shall be deemed to be extinguished by the profits arising from the land during the period of the mortgage.
৯৭.
অকৃষি প্রজা 'ক' এবং তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে উন্নয়ন কাজ সম্পর্কিত প্রশ্নে ডেপুটি কমিশনার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। উক্ত সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে-
  1. আপিল করা যাবে না
  2. সরাসরি হাইকোর্টে আপিল করা যাবে
  3. ডেপুটি কমিশনারের কাছে রিভিশন করা যাবে
  4. জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে
ব্যাখ্যা

• অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৬ ধারার বিধান- উন্নয়ন ইত্যাদি করার অধিকারের প্রশ্নে কালেক্টর সিদ্ধান্ত দিবেন:
১) যদি অকৃষি প্রজা ও তার ভূ-স্বত্বাধিকারীর মধ্যে এমন প্রশ্ন উঠে-
ক) উন্নয়ন কাজ করার অধিকার সম্বন্ধে; বা
খ) কোন বিশেষ একটি কাজ উন্নয়নমূলক কি না, 

তখন যে কোন পক্ষের আবেদন অনুযায়ী ডেপুটি কমিশনার সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।

২) ডেপুটি কমিশনারের প্রদত্ত আদেশের তারিখ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে জেলা জজের নিকট আপিল করা যাবে। এরূপ আপিলের ক্ষেত্রে জেলা জজের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত।

৯৮.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ধারা ১৪২ অনুযায়ী বকেয়া খাজনা আদায়ের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950–এর ধারা ১৪২ অনুযায়ী, যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে, সেই বছরের শেষ দিন থেকে গণনা করে বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ হবে ৩ (তিন) বছর।

⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর ১৪২ ধারার বিধান: তামাদি:
- যে বছরের খাজনা বকেয়া পড়ে সেই বকেয়া খাজনা আদায়ের জন্য তামাদি মেয়াদ সেই বছরের শেষ দিন হতে তিন বছর হবে।
-----------
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- Section 142. Limitation:
- The period of limitation for the recovery of an arrear of rent shall be three years running from the last day of the year in which the arrear fell due.

৯৯.
যদি অধীনস্ত প্রজার লিখিত চুক্তি থাকে কিন্তু তাতে কোনো মেয়াদ নির্ধারিত না থাকে, তবে তাকে উচ্ছেদ করার জন্য প্রয়োজন-
  1. মৌখিক নোটিশ
  2. আদালতের আদেশ
  3. দুই মাসের লিখিত নোটিশ
  4. ছয় মাসের লিখিত নোটিশ
ব্যাখ্যা
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 ধারা ২০: অধীন-প্রজাকে উচ্ছেদ (Ejectment of an under-tenant):

বর্তমানে কার্যকর কোনো আইন বা চুক্তিতে ভিন্ন কিছু থাকলেও, এই আইনের বিধান অনুযায়ী একজন অধীন-প্রজা (under-tenant) কেবল নিচের যে কোনো একটি বা একাধিক কারণে উচ্ছেদের জন্য দায়ী হবেন; অন্য কোনো কারণে নয়:
(ক) যদি তিনি তার অধীনে থাকা অকৃষি জমিকে এমনভাবে ব্যবহার করেন, যাতে তা ধারা ৪-এ উল্লিখিত উদ্দেশ্যগুলোর জন্য ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
(খ) যদি তিনি লিখিত চুক্তির (written lease) অধীনে জমি ধারণ করে থাকেন এবং চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়।

তবে,
যদি কোনো অধীন-প্রজা লিখিত চুক্তি ছাড়া বা এমন লিখিত চুক্তির অধীনে থাকেন যেখানে মেয়াদ নির্দিষ্ট নেই, তাহলে মালিক তাকে এক বছরের শেষে কার্যকর ছয় মাসের লিখিত নোটিশ প্রদান করে এবং ডেপুটি কমিশনার কর্তৃক নির্ধারিত উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে উচ্ছেদ করতে পারেন।
১০০.
অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী, কোন কাজ ‘উন্নয়ন’-এর অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. পথ বা রাস্তা নির্মাণ
  2. কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি
  3. পানি সরবরাহের সুবিধা প্রদান
  4. বায়ুচলাচলের জন্য খোলা জায়গা প্রদান
ব্যাখ্যা

⇒ অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯-এর ধারা ৬৪ অনুযায়ী, ‘উন্নয়ন’ (Improvement) বলতে অকৃষি জমির মূল্য বৃদ্ধি করে এমন কাজকে বোঝায়, যা জমির ব্যবহারের উদ্দেশ্যের (ধারা ৪-এ উল্লিখিত) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং জমির সরাসরি উপকারের জন্য বা উপকারী হিসেবে সম্পাদিত হয়। এই ধারায় নিম্নলিখিত কাজগুলো ‘উন্নয়ন’-এর অন্তর্ভুক্ত হিসেবে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে:
(ক) পথ বা রাস্তা নির্মাণ
(খ) বায়ুচলাচলের জন্য খোলা জায়গা প্রদান
(গ) পানি সরবরাহের সুবিধা প্রদান
(ঘ) নিকাশি সংযোগ স্থাপন
তবে, ধারা ৬৪-এ আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, অকৃষি প্রজা কর্তৃক সম্পাদিত কোনো কাজ যদি জমির মালিকের সম্পত্তির মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে, তবে তা ‘উন্নয়ন’-এর অন্তর্ভুক্ত হবে না।
- কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি এই তালিকায় সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ নেই এবং এটি অকৃষি জমির উদ্দেশ্যের (ধারা ৪-এ উল্লিখিত) সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, কারণ এই আইন অকৃষি জমির প্রজাস্বত্বের জন্য প্রযোজ্য। কৃষি কাজে জমির ব্যবহার অকৃষি জমির প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যের পরিপন্থী হতে পারে এবং এটি জমির মালিকের সম্পত্তির মূল্য হ্রাস করতে পারে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো খ) কৃষি কাজে জমির ব্যবহার বৃদ্ধি।