বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল

মোট প্রশ্ন১৫এই পাতা১৫প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল

PrepBank · পাতা / · ১৫ / ১৫

.
বাংলাদেশে সরকারি EPZ সংখ্যা-
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি। 

• সরকারি EPZ:
- বাংলাদেশে সরকারি EPZ এর সংখ্যা ৮ টি।
- এগুলোর অবস্থান হলো- চট্টগ্রাম, সাভার, মংলা (খুলনা), উত্তরা (নীলফামারী), ঈশ্বরদী (পাবনা), কুমিল্লা, কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) ও আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।
- এট ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশের EPZ সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রন করে BEPZA.
- দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক EPZ উত্তরা, নীলফামারী।

উৎস- বেপজা ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।
.
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. লালমনিরহাট
  2. কুড়িগ্রাম
  3. গোপালগঞ্জ
  4. জামালপুর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে স্থাপিত হবে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 
- ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: ২৮ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।
.
আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করতে কোন বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়? [সেপ্টেম্বর- ২০২৫]
  1. পায়রা বন্দর
  2. মোংলা বন্দর
  3. চট্টগ্রাম বন্দর
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম বন্দর
ব্যাখ্যা

অনলাইন গেট পাস: 
- আমদানি ও রপ্তানি পণ্য পরিবহন সহজ করতে চট্টগ্রাম বন্দরে ‘অনলাইন গেট পাস’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে।
- ২০২৫ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল এসএম মনিরুজ্জামান এই ডিজিটাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।
- এর ফলে পণ্য প্রবেশ ও বের হওয়ার সময় কমবে এবং যানজট হ্রাস পাবে। টার্মিনাল অপারেটিং সিস্টেমের (টিওএস) আওতায় ডেটাসফট সিস্টেমস বাংলাদেশ লিমিটেড প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়েছে।
- ডিজিটাল পেমেন্টের মাধ্যমে ফি পরিশোধ করে দ্রুত গেট পাস সংগ্রহ করা যাবে।
- প্রতিদিন প্রায় ৮ হাজার যানবাহন বন্দরের মাধ্যমে চলাচল করায় এই ব্যবস্থা কার্যক্রমকে আরও সহজ করবে।

​অন্যদিকে, 
- ১৯৭৬ সালে জারিকৃত রাষ্ট্রপতির ৫২ নং আদেশ বলে চট্টগ্রাম বন্দর ট্রাস্ট-কে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ (চবক) এ রূপান্তরিত করা হয়।
- চট্টগ্রাম বন্দর দেশের প্রধান ও ব্যস্ততম সামুদ্রিক বন্দর।
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্ত্বশাসিত সংস্থা।

উৎস - চট্টগ্রাম বন্দর ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিক।

.
সম্প্রতি, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের কয়টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন বাতিল করেছে? [মে, ২০২৫]
  1. ১০টি
  2. ১৫টি
  3. ২০টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- দেশের ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিকল্পনা বাতিল করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।
- প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়।
- এর মধ্যে পাঁচটি সরকারি এবং পাঁচটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল আছে।

- বাতিল করা অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে সরকারিগুলো হলো:
সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক (কক্সবাজার), সুন্দরবন ট্যুরিজম পার্ক (বাগেরহাট), গজারিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (মুন্সীগঞ্জ), শ্রীপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল (গাজীপুর) এবং ময়মনসিংহ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ময়মনসিংহ)।

- বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো হলো:
বিজিএমইএ গার্মেন্টস শিল্প পার্ক (মুন্সীগঞ্জ), ছাতক ইকোনমিক জোন (সুনামগঞ্জ), ফমকম ইকোনমিক জোন (বাগেরহাট), সিটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন (ঢাকা) এবং সোনারগাঁও অর্থনৈতিক অঞ্চল (নারায়ণগঞ্জ)। - এছাড়াও নেপালের জন্য আলাদা একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট।
.
ইপিজেডগুলিতে বিদেশী বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহজতর করার জন্য সরকারী সংস্থা কোনটি?
  1. BEPZA
  2. BEZA
  3. BSEZ
  4. BJRI
সঠিক উত্তর:
BEPZA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
BEPZA
ব্যাখ্যা
BEPZA: 
- বেপজা হল ইপিজেডগুলিতে বিদেশী বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহজতর করার জন্য সরকারের সরকারী সংস্থা।
- বাংলাদেশ সরকার দ্রুত শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করতে ‘ওপেন ডোর পলিসি’ গ্রহণ করেছে, যার মাধ্যমে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা হয়।
- BEPZA বিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে শিল্পায়নকে ত্বরান্বিত করে দেশকে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিতে কাজ করে যাচ্ছে।

BEPZA-এর ভূমিকা ও কার্যক্রম: 
- বাংলাদেশের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZs) এ বিদেশি বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ ও সহায়তা প্রদান।
- শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর সামাজিক ও পরিবেশগত মান, নিরাপত্তা এবং কর্মক্ষেত্রের সুরক্ষা পর্যবেক্ষণ।
- EPZ-এ শ্রম-ব্যবস্থাপনা ও শিল্প সম্পর্ক সমন্বয়ে সহায়তা করা।
- সহজ বিনিয়োগ পরিবেশ নিশ্চিত করা, যা জটিল প্রশাসনিক প্রক্রিয়াগুলো এড়িয়ে বিনিয়োগকারীদের অনুকূল পরিবেশ প্রদান করে।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
.
ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. লালমনিরহাট
  2. কুড়িগ্রাম
  3. গোপালগঞ্জ
  4. জামালপুর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা

• ভুটান অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- বাংলাদেশের উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে স্থাপিত হবে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।

উল্লেখ্য,
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। 
- ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজ মাঠের এক জনসভায় জেলায় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার ঘোষণা দেন।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।

.
Blue Economy প্রত্যয়টি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন কে?
  1. পল রোমার
  2. মাইকেল হিউটন
  3. এস্তার দুফলো
  4. গ্রুন্টার পাউলি
সঠিক উত্তর:
গ্রুন্টার পাউলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রুন্টার পাউলি
ব্যাখ্যা

ব্লু-ইকোনমি (সুনীল অর্থনীতি):
- Blue Economy হলো সমুদ্রনির্ভর অর্থনীতি।
- ব্লু ইকোনমি সম্পর্কে প্রথম ধারণা দেন বেলজিয়ামের অর্থনীতিবিদ গুন্টার পাউলি।
- তিনি প্রথম এই প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন ১৯৯৪ সালে।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে তার ব্লু ইকোনমি বইয়ে তিনি বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
- ২০১২ সালের ২০-২২ জুন রিও ডি জেনেরিও শহরে অনুষ্ঠিত রিও+২০ সম্মেলনে ব্লু ইকোনমি ধারণাটি বৈশ্বিকভাবে গুরুত্ব লাভ করে।
- বিশ্বব্যাংকের মতে, সুনীল অর্থনীতি হল 'অর্থনৈতিক বৃদ্ধি, উন্নত জীবিকা, এবং সমুদ্রের বাস্তুতন্ত্রের স্বাস্থ্য সংরক্ষণের জন্য সমুদ্র সম্পদের টেকসই ব্যবহার।

উৎস: Blue Economy- Gunter Pauli ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

.
কোন নদীকে প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক সমৃদ্ধ 'মৎসখনি' বলা হয়?
  1. পদ্মা নদী
  2. হালদা নদী
  3. কর্ণফুলী নদী
  4. মেঘনা নদী
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হালদা নদী
ব্যাখ্যা
হালদা নদী:
- হালদা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের একটি নদী।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের বদনাতলী পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে এটি ফটিকছড়ির মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় প্রবেশ করেছে।
- এটি কালুরঘাটের নিকটে কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
- এর মোট দৈর্ঘ্য ৮১ কিলোমিটার।
- এটি দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র।
- হালদা বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখান থেকে রুইজাতীয় মাছের (রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউশ) নিষিক্ত ডিম সংগ্রহ করা হয়।
- হালদা নদীর প্রজনন সময় হচ্ছে এপ্রিল, মে, জুন এই তিন মাস।
- অমাবস্যা, পূর্ণিমা তিথিতে এখানে রুইজাতীয় মাছ নিষিক্ত ডিম ছাড়ে।
- হালদা হচ্ছে বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক জিন ব্যাংক।

উল্লেখ্য,
- হালদা নদীকে ‘বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ’ ঘোষণা করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
- এতে হালদা নদী জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ ঐতিহ্যগত স্থান হিসেবে বিশ্বে পরিচিত হবে।
- হালদায় মাছের অভয়াশ্রমের পাশাপাশি প্রকৃতিতে আসবে নতুন প্রাণ।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সমকাল পত্রিকার নিউজ।
.
বাংলাদেশের নবম সরকারি ইপিজেড কোথায় নির্মিত হচ্ছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. পটুয়াখালী
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. মুন্সিগঞ্জ
  4. ফেনী
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

৯ম ইপিজেড:
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)। 
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা। 
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১০.
BEPZA এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Bangladesh Export Processing Zonal Authority
  2. Bangladesh Expert Processing Zones Authority
  3. Bangladesh Expert Processing Zone Authority
  4. Bangladesh Export Processing Zones Authority
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Export Processing Zones Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Export Processing Zones Authority
ব্যাখ্যা
Bangladesh Export Processing Zones Authority (BEPZA): 
- BEPZA এর পূর্ণরূপ Bangladesh Export Processing Zones Authority.
- দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিশেষত শিল্পায়নের মাধ্যমে, ত্বরান্বিত করতে সরকার 'উন্মুক্ত দরজা নীতি' গ্রহণ করেছে।
- এই নীতির মাধ্যমে বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করা হচ্ছে।
- বেপজা (BEPZA) সরকারের একটি সংস্থা যা ইপিজেডে (EPZ) বিদেশি বিনিয়োগ প্রচার, আকর্ষণ এবং সহায়তা প্রদান করে।
- বেপজা সামাজিক ও পরিবেশগত বিষয়, কর্মস্থলের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যবেক্ষণ ও পরিদর্শন করে।
- ইপিজেডে শ্রম-ব্যবস্থাপনা ও শিল্প সম্পর্ক শান্তিপূর্ণ রাখার দায়িত্বও পালন করে বেপজা।
- ইপিজেডের মূল উদ্দেশ্য হলো বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ এলাকা তৈরি করা।
- এই এলাকায় জটিল প্রক্রিয়া থেকে মুক্ত একটি অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ প্রদান করা হয়।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।
১১.
‘টিপাইমুখ বাঁধ’ ভারতের কোন রাজ্যে অবস্থিত?
  1. আসাম
  2. মেঘালয়
  3. মনিপুর
  4. মিজোরাম
সঠিক উত্তর:
মনিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মনিপুর
ব্যাখ্যা
• ‘টিপাইমুখ বাঁধ’ ভারতের মণিপুর প্রদেশে বরাক নদীর উপর অবস্থিত।

টিপাইমুখ বাঁধ:
- বাংলাদেশের সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর উজানে ভারতের বরাক নদীর ওপর নির্মিতব্য বাঁধটি টিপাইমুখ বাঁধ নামে পরিচিত।
- এক হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য নিয়ে ভারত সরকার এই কাজ করেছে।
-  ১৯৩০-এর দশক থেকে আসামের কাছাড় উপত্যকায় এক ভয়াবহ বন্যা হওয়ার পর থেকে একটি দীর্ঘমেয়াদি বন্যা নিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা করা হয়; যার অংশ হিসেবে ১৯৫৪ সালে ভারতের Central Water Commission (CWC) একটি বহুমুখী জলাধারের জন্য সমীক্ষার কাজ হাতে নেয়।
- এই বাঁধের উচ্চতা ১৬২.৮ মিটার।

উৎসঃ বিবিসি এবং কালের কণ্ঠ।
১২.
দেশের নবম সরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) কোথায় নির্মিত হচ্ছে? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. সিলেট
  2. নারায়ণগঞ্জ
  3. পটুয়াখালী
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

ইপিজেড - 
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)। 
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা। 
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯ টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
 বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

সূত্র- বেপজা ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১৩.
দেশের ৯ম সরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) কোথায় নির্মিত হচ্ছে? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. খুলনা
  2. গাজীপুর
  3. পটুয়াখালী
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

নবম সরকারি রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড):
- দেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল হচ্ছে পটুয়াখালী ইপিজেড।
- পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের ৪১০.৭৮ একর জমির ওপর গড়ে উঠছে ইপিজেড।
- ২০২৩ সালের ২৯ আগস্ট একনেকে অনুমোদিত এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৪৪২.৭৮ কোটি টাকা।
- এর মধ্যে সরকার দেবে ১,১০৫ কোটি টাকা (যার ৪০ শতাংশ মূলধনী বিনিয়োগ) এবং বাকি প্রায় ৩৩৮ কোটি টাকা আসবে বেপজার নিজস্ব তহবিল থেকে।
- পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। [link]

১৪.
ব-দ্বীপ পরিকল্পনায় উপকূলীয় অঞ্চলের জেলার সংখ্যা কতটি?
  1. ১৮ টি
  2. ৭ টি
  3. ১৯ টি
  4. ২৯ টি
সঠিক উত্তর:
১৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯ টি
ব্যাখ্যা
শতবর্ষী ব-দ্বীপ পরিকল্পনা: 
- ইউরোপের দেশ নেদারল্যান্ডসের আদলে গ্রহণ করা শতবর্ষী প্ল্যান তথা ডেল্টা প্ল্যান বা ব-দ্বীপ পরিকল্পনা -২১০০
- ‘ডেল্টা প্ল্যান-২১০০’ ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) অনুমোদন দেয়।
-ডেল্টা প্ল্যানে ছয়টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- বন্যা, নদী ভাঙন, নদী ব্যবস্থাপনা, নগর ও গ্রামে পনি সরবরাহ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বন্য নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন।
-দেশের ভৌগলিক অবকাঠামো বিবেচনায় ডেল্টা প্ল্যানে সমগ্র দেশ কে ছয়টি হটস্পট ভাগ করা হয়েছে।
১•  উপকূলীয় অঞ্চল,
- এ অঞ্চলের অধীনে মোট ১৯ টি জেলা আছে।
২• বরেন্দ্র ও খরাপ্রবণ অঞ্চল,
- এ অঞ্চলের অধীনে মোট ১৮ টি জেলা আছে।
৩• হাওর ও আকস্মিক বন্যাপ্রবণ অঞ্চল,
- এ অঞ্চলের অধীনে মোট ৭ টি জেলা আছে।
৪. পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল,
- এ অঞ্চলের অধীনে মোট ৩ টি জেলা আছে।
৫. নদী ও মোহনা অঞ্চল ,
- এ অঞ্চলের অধীনে মোট ২৯ টি জেলা আছে।
৬. নগরাঞ্চল,
 - এ অঞ্চলের অধীনে মোট ৭ টি জেলা আছে।

উৎস: স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর {লিংক}
১৫.
সম্প্রতি, দেশের কয়টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিকল্পনা বাতিল করা হয়েছে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ১০টি
  4. ১৫টি
সঠিক উত্তর:
১০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০টি
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- দেশের ১০টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের পরিকল্পনা বাতিল করেছে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)।
- প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) যৌথভাবে এই সিদ্ধান্ত নেয়।
- এর মধ্যে পাঁচটি সরকারি এবং পাঁচটি বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চল আছে।

- বাতিল করা অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে সরকারিগুলো হলো: 
সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক (কক্সবাজার), সুন্দরবন ট্যুরিজম পার্ক (বাগেরহাট), গজারিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (মুন্সীগঞ্জ), শ্রীপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল (গাজীপুর) এবং ময়মনসিংহ অর্থনৈতিক অঞ্চল (ময়মনসিংহ)।

- বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলো হলো:
বিজিএমইএ গার্মেন্টস শিল্প পার্ক (মুন্সীগঞ্জ), ছাতক ইকোনমিক জোন (সুনামগঞ্জ), ফমকম ইকোনমিক জোন (বাগেরহাট), সিটি স্পেশাল ইকোনমিক জোন (ঢাকা) এবং সোনারগাঁও অর্থনৈতিক অঞ্চল (নারায়ণগঞ্জ)।

- এছাড়াও নেপালের জন্য আলাদা একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

তথ্যসূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]