বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

শিল্প উৎপাদন সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন২৬২এই পাতা৬১প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিল্প উৎপাদন সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা / · ২০১২৬১ / ২৬২

২০১.
নিচের কোন রপ্তানি পণ্যেটি 'White Gold' নামে পরিচিত?
  1. পাট
  2. ইলিশ
  3. চিংড়ি
  4. ফুলকপি
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিংড়ি
ব্যাখ্যা

White gold:
- বঙ্গোপসাগর, মোহনা ও স্বাদুপানিতে পর্যাপ্ত পরিমাণ চিংড়ি থাকায় বাংলাদেশকে চিংড়িসমৃদ্ধ দেশ বলা যায়।
- এদেশে মোট ৫৬টি প্রজাতির চিংড়ি শনাক্ত করা হয়েছে এবং এগুলির মধ্যে ৩৭টি লবণাক্ত পানির, ১২টি কমলবণাক্ত পানির ও ৭টি স্বাদুপানির বাসিন্দা।
- বাংলাদেশ বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে।
- তাই চিংড়িকে ‘সাদা সোনা’ বা ‘হোয়াইট গোল্ড’ বলা হয়।

উল্লেখ্য,
- দেশের মোট উৎপাদিত চিংড়ির বেশীরভাগই উৎপাদিত হয় দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বিশেষ করে বাগেরহাট, খুলনা ও সাতক্ষীরায়।
- সত্তর দশকের শুরু থেকেই মূলত উপকূলীয় অঞ্চলের চাষীরা সনাতন পদ্ধতিতে চিংড়ি চাষ শুরু করে।
- আশির দশক থেকে দেশে বাণিজ্যিকভাবে বাগদা চিংড়ি উৎপাদন ও রপ্তানি হচ্ছে।
- আশির দশকের শুরুতে আধা-লোনা পানিতে মৎস্য খামার স্থাপন প্রকল্পের উদ্যোগে খুলনা অঞ্চলে পোল্ডারের মধ্যে এবং কক্সবাজার অঞ্চলে লবণের সাথে চিংড়ি চাষ শুরু করা হয়।
- আশির দশকের মাঝামাঝি চিংড়ি চাষ প্রকল্পে মৎস্য অধিদপ্তর হ্যাচারিতে পোনা উৎপাদনে সাফল্য অর্জন করে এবং বেসরকারি পর্যায়ে চিংড়ি হ্যাচারি স্থাপনে সহায়তা প্রদান করে।

এছাড়া,
- পাটকে সোনালী আশ বলা হয়।
- ইলিশ বাংলাদেশের জাতীয় মাছ।

উৎস: i) পেটেন্ট, শিল্প-নকশা ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) মৎস্য অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।

২০২.
বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের আওতাধীন, বাংলাদেশে বর্তমানে কয়টি চিনিকল আছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৫টি
  2. ১৬টি
  3. ১৮টি
  4. ২১টি
সঠিক উত্তর:
১৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন (BSFIC):
- BSFIC-এর পুর্ণ রূপ: Bangladesh Sugar and Food Industries Corporation.
- বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রপতির ২৭ (১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ২৭ নম্বর আদেশ) নম্বর আদেশক্রমে গঠিত বাংলাদেশ সুগার মিলস্ করপোরেশন এবং বাংলাদেশ ফুড অ্যান্ড অ্যালাইড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন নামক করপোরেশন দুটি একীভূত করে ১৯৭৬ সালের ১ জুলাই হতে রাষ্ট্রপতির ২৫ নং আদেশবলে (সংশোধিত) বাংলাদেশ সুগার অ্যান্ড ফুড ইন্ডাস্ট্রিজ করপোরেশন (BSFIC) গঠিত হয়।
- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন ২০১৮ অনুযায়ী বিএসএফআইসি শিল্পমন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে।
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের আওতাধীন, বাংলাদেশে বর্তমানে ১৫টি চিনিকল রয়েছে।
- ২০২৪-২০২৫ মাড়াই মৌসুমে ৯ টি চিনিকলের মাড়াই কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

⇒ করপোরেশনের আওত্তাধীন চিনিকলসমূহ:
- পঞ্চগড় সুগার মিলস লি:
- ঠাকুরগাঁও সুগার মিলস লি:
- শ্যামপুর সুগার মিলস লি:
- জয়পুরহাঁট সুগার মিলস লি:
- সেতাবগঞ্জ সুগার মিলস লি:
- রংপুর সুগার মিলস লি:
- ফরিদপুর সুগার মিলস লি:
- নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলস লি:
- কেরু এন্ড কোং (বিডি) লি:
- পাবনা সুগার মিলস লি:
- রাজশাহী সুগার মিলস লি:
- নাটোর সুগার মিলস লি:
- জিল বাংলা সুগার মিলস লি:
- কুষ্টিয়া সুগার মিলস লি:
- মোবারকগঞ্জ সুগার মিলস লি:।

উৎস: i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ii) বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

২০৩.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়নগঞ্জ
  2. কক্সবাজার
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা

জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কারখানা ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।

• খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড:
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান।
- এটী বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- এটি রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে খুলনায় অবস্থিত।
- ইয়ার্ডটিতে ৯০ মিটার দৈর্ঘ্য এবং ৭০০ টন লাইটওয়েট পর্যন্ত স্টিল/অ্যালুমিনিয়াম জাহাজ নির্মাণের ক্ষমতা রয়েছে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম এবং একমাত্র গর্বিত যুদ্ধজাহাজ নির্মাতা।
- এটি পশ্চিম জার্মান সহায়তায় ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ১৯৯৯ সালে নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- এটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিএনএস পদ্মা’।

উৎস: i) খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

২০৪.
দেশের প্রথম জিআই পন্য কোনটি?
  1. ইলিশ
  2. হাঁড়িভাঙ্গা আম
  3. জামদানি শাড়ি
  4. খিরসাপাত আম
সঠিক উত্তর:
জামদানি শাড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামদানি শাড়ি
ব্যাখ্যা
• জিআই পণ্য:
- ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (Geographical Indication)।
- সংক্ষেপে GI) বলতে বোঝায় এমন একটি পণ্য, যা বিশেষ কোনো ভৌগোলিক এলাকা বা অঞ্চলের কারণে তার গুণগত মান, খ্যাতি বা অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের জন্য পরিচিত ও স্বীকৃত।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) জামদানি।
- সময়: ১৭ নভেম্বর ২০১৬ সালে স্বীকৃতি লাভ করে।
- জামদানি শাড়ি প্রথম জিআই পন্য।
- বাংলাদেশ ইলিশ ২য় জিআই পন্য।
- খিরসাপাত আম তৃতীয় জিআই পন্য।
- হাঁড়িভাঙ্গা আম চতুর্থ জি আই পন্য।

উৎস: পেটেন্ট, শিল্প, নকশা, ও ট্রেডমার্ক অধিদপ্তর।
২০৫.
বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. রাঙামাটি
  2. খুলনা
  3. চট্টগ্রাম 
  4. বাগেরহাট
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙামাটি
ব্যাখ্যা

কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড। 
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উল্লেখ্য,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বাঁশ জন্মে এবং বাঁশ ব্যবহার করে কর্ণফুলী পেপার মিলে কাগজ তৈরি হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এদেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।

২০৬.
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৩ সালে
  2. ১৯৮৭ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

⇒ সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩ সাল,
• ঢাকা: ১৯৯৩ সাল,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮ সাল,
• কুমিল্লা: ২০০০ সাল,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১ সাল,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১ সাল,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬ সাল,
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬ সাল।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
২০৭.
দেশের বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি? [মে, ২০২৫]
  1. যমুনা সার কারখানা
  2. শাহজালাল সার কারখানা
  3. ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা
  4. চট্টগ্রাম ইউরিয়া সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দেশের বৃহত্তম সার কারখানা ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।

⇒ এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২০৮.
চামড়া শিল্প মালিকদের জোটের নাম কী?
  1. টোয়াব
  2. নোয়াব
  3. বিটিএ
  4. কোয়াব
সঠিক উত্তর:
বিটিএ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিটিএ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ):
- চামড়া শিল্প মালিকদের জোটের নাম বিটিএ।

- বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ) হলো বাংলাদেশের ট্যানারি শিল্পের একটি অলাভজনক সংস্থা।
- এই সংগঠনটি দেশের ট্যানারি শিল্পের পক্ষে দৃঢ়ভাবে অবস্থান নেয়,
- সদস্যদের স্বার্থে নীতিগত সংস্কারের পক্ষে কাজ করে এবং গোটা চামড়া খাত তথা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।

•প্রধান উদ্দেশ্য:
- এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো:
- বাংলাদেশের ট্যানিং শিল্পকে সুরক্ষা প্রদান,
- প্রচারণা চালানো, এবং
- উন্নয়ন সাধন।

• বিটিএ-এর মোট ৮০৯ জন সদস্য রয়েছে, যা দুই ভাগে বিভক্ত:
- সাধারণ সদস্য (General Members):
- সংখ্যা: ১৭০ জন,
- এরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ট্যানারি কারখানার মালিক, প্রধানত ঢাকায় এদের অবস্থান।

• সহযোগী সদস্য (Associate Members):
- বিটিএ-এর মোট ৮০৯ জন সদস্য রয়েছে, যা দুই ভাগে বিভক্ত:
- সাধারণ সদস্য (General Members):
- সংখ্যা: ১৭০ জন,
- এরা দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ট্যানারি কারখানার মালিক, প্রধানত ঢাকায় এদের অবস্থান।
- সহযোগী সদস্য (Associate Members):
- সংখ্যা: ৬৪৯ জন,
- এরা বাণিজ্যিকভাবে রপ্তানিমুখী কার্যক্রম পরিচালনা করে,

অপরদিকে,
- ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (টোয়াব)।
- সংবাদপত্রের মালিকদের সংগঠন নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (নোয়াব)।
- ক্রিকেটার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)।

উৎস: বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন ওয়েবসাইট।
২০৯.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা কয়টি?
  1. ২৪টি
  2. ২৩টি
  3. ২১টি
  4. ১৯টি
সঠিক উত্তর:
২৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ:

- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৪টি এবং চালুকৃত বন্দরের সংখ্যা ১৬ টি।

⇒ ১৬টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর যেমন বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২১০.
গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণ কার্যক্রম প্রাথমিকভাবে শুরু হয় কোথায়?
  1. চট্টগ্রামের হালিশহর
  2. চট্টগ্রামের জোবরা
  3. চট্টগ্রামের রাউজান
  4. চট্টগ্রামের আনোয়ারা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের জোবরা
ব্যাখ্যা
- ১৯৭৬ সালে ড. মুহাম্মদ ইউনূস চট্টগ্রামের জোবরা গ্রামে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রকল্প প্রাথমিকভাবে শুরু করেন।

গ্রামীণ ব্যাংক:
- গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশের একটি ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী সংস্থা এবং সামাজিক উন্নয়ন ব্যাংক।
- গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৭৬ সালের প্রকল্প হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- ১৯৮৩ সালের ২ অক্টোবর ব্যাংক হিসেবে চালু হয়।
- ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে সমাজের নীচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন সৃষ্টির প্রচেষ্টার প্রশংসায় ও ড. মুহাম্মদ ইউনূস ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- গ্রামীণ ব্যাংক প্রকল্পটি ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম জেলার 'জোবরা' গ্রামে একটি অ্যাকশন গবেষণা পাইলট প্রকল্প হিসাবে শুরু হয়েছিল।
- ১৯৮৩ সালে ক্ষুদ্রঋণের মাধ্যমে বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন এবং প্রান্তিক দরিদ্রদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে পাইলট প্রকল্পটি একটি ব্যাংকে রূপান্তরিত হয়।

উৎস: গ্রামীণ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২১১.
তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে নিয়োজিত রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা কোনটি?
  1. বিএসইসি
  2. বাপেক্স
  3. জিটিসিএল
  4. সিইসি
সঠিক উত্তর:
বাপেক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাপেক্স
ব্যাখ্যা
বাপেক্স (BAPEX):
- BAPEX-এর পূর্ণরূ: Bangladesh Petroleum Exploration and Production Company Limited.
- এটি প্রধানত তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।
- বাপেক্সকে আত্মনির্ভরশীল করার লক্ষ্যে ২০০০ সালে একটি অনুসন্ধান ও উৎপাদন সংস্থায় রূপান্তরিত হয়।
- সদর দপ্তর: ঢাকা।

⇒ বর্তমানে বাপেক্স তার ছয়টি উপকূলীয় গ্যাসক্ষেত্র (সালদানদী, ফেঞ্চুগঞ্জ, শাহবাজপুর, সেমুতাং, শাহজাদপুর-সুন্দলপুর, শ্রীকাইল ও রূপগঞ্জ) থেকে দৈনিক প্রায় ১১০ এমএমসিএফ গ্যাস উৎপাদন করছে যা দেশের ক্রমবর্ধমান গ্যাসের চাহিদা কমাতে অবদান রাখছে।
- এছাড়াও, এর পুরস্কৃত এলাকায় অনুসন্ধান এবং খনন কার্যক্রম, বাপেক্স শুরু থেকেই পেট্রোবাংলার অন্যান্য সহযোগী উদ্বেগের জন্য ড্রিলিং এবং ওয়ার্ক-ওভার অপারেশন পরিচালনা করে আসছে। 

উৎস: বাপেক্স ওয়েবসাইট।
২১২.
MRT এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Mass Rapid Transport
  2. Mass Rapid Transit
  3. Metro Rail Transit
  4. Modern Railway Transport
সঠিক উত্তর:
Mass Rapid Transit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mass Rapid Transit
ব্যাখ্যা

- ঢাকা মহানগরী ও তৎসংলগ্ন পার্শ্ববর্তী এলাকার যানজট নিরসনে ও পরিবেশ উন্নয়নে অত্যাধুনিক গণপরিবহন হিসেবে Mass Rapid Transit (MRT) বা মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের পরিকল্পনা, সার্ভে, ডিজাইন, অর্থায়ন, নির্মাণ, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের নিমিত্ত The Companies Act 1994 অনুযায়ী গত ০৩ জুন ২০১৩ তারিখ শতভাগ সরকারি মালিকানাধীন Dhaka Mass Transit Company Limited (DMTCL) গঠন করা হয়।

• Dhaka Mass Transit Company Limited (DMTCL):
- এটি ২০১৩ সালে গঠিত হয়।
- এটি সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় এর আওতাধীন ।
- প্রধান কার্যালয়- মেট্রোরেল ভবন, এমআরটি লাইন-৬ ডিপো সোনারগাঁও জনপথ, সেক্টরঃ ১৫-১৬ দিয়াবাড়ি, উত্তরা, ঢাকা- ১২।

উৎস: DMTCL।

২১৩.
বর্তমানে কয়টি চলমান স্থলবন্দর রয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ২৪টি
  2. ২২টি
  3. ১৮টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৪টি এবং চলমান স্থলবন্দরের সংখ্যা ১৬টি।

⇒ ১৬টি স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর যেমন বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (বিএসবিকে) প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০১ সালে।
- স্বায়ত্তশাসিত এ প্রতিষ্ঠানটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।
- স্থলপথে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম সহজ ও অধিকতর উন্নত করতে কাজ করে যাচ্ছে এ সংস্থাটি।
- বিএসবিকের আওতায় এ পর্যন্ত মোট ২৪টি স্থল শুল্ক স্টেশনকে ‘স্থলবন্দর’ ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২১৪.
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড কত সালে স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৬৩ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৭ সালে
  4. ১৯৬৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিমিটেড রাঙ্গামাটি জেলায় অন্তর্গত কাপ্তাই উপজেলার চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নে অবস্থিত।
- একটি রাষ্ট্রয়াত্ব কাগজ কল।
- কারখানাটি ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয়।
- প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কারখানাটির বার্ষিক নিজস্ব পাল্প উৎপাদন ক্ষমতা ২৪,০০০ মে. টন এবং কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা ৩০,০০০ মে. টন।
- কারখানা স্থাপিত হওয়ার পর হতে প্রথমে পিআইডিসি (১৯৫৩-১৯৫৮), দাউদ (১৯৫৯-১৯৭১), পেপার এন্ড বোর্ড কর্পোরেশন (১৯৭১-৭৪) এবং পরবর্তীতে ১৯৭৪-৭৫ হতে অদ্যাবধি  বিসিআইসি কারখানা পরিচালনা করে আসছে।

উৎস: কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড ওয়েবসাইট।
২১৫.
দেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার কোনটি?
  1. পদ্মা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড
  2. মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড
  3. যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেড
  4. ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- দেশের একমাত্র সরকারি জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (ইআরএল)।
- এই পরিশোধনাগারে জ্বালানি তেল শোধনের সক্ষমতা বছরে সর্বোচ্চ ১৫ লাখ টন।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং  চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সরকারি তেল পরিশোধনাগার ইআরএল তৈরি করা হয় ১৯৬৮ সালে।
- বিপিসির মাধ্যমে আনা অপরিশোধিত জ্বালানি তেল তারা শোধন করে। এলপিজি, পেট্রল, অকটেন, কেরোসিন, ডিজেল, ফার্নেসসহ ১৪ রকমের তেল উৎপাদন করে ইআরএল। 

উল্লেখ্য,
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৫ লাখ ৩৫ হাজার টন তেল শোধন করা হয়েছে। প্রথমবারের মতো ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেডে এত বেশি তেল পরিশোধন করা সম্ভব হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) প্রথম আলো।

২১৬.
ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কী?
  1. টিএসপি
  2. ডিএপি
  3. অ্যামোনিয়াম সালফেট
  4. ইউরিয়া
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম ইউরিয়া।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- বর্তমানে কারখানার উৎপাদন চালু আছে।

উল্লেখ্য,
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে এবং কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
২১৭.
ঘোড়াশাল সার কারখানার প্রধান উৎপাদিত সারের নাম কী?
  1. ডিএপি
  2. ইউরিয়া
  3. পটাশ
  4. টিএসপি
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

তথ্যসূত্র: i) প্রথম আলো পত্রিকা নিউজ।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
২১৮.
দেশের প্রথম সার কারখানা-
  1. যমুনা সার কারখানা
  2. ফেনী সার কারখানা
  3. ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
  4. গোবিন্দগঞ্জ সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা
ব্যাখ্যা
ফেঞ্চুগঞ্জ সার কারখানা: 
- ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ এটি এশিয়ার প্রথম সার কারখানা।
- ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা অবস্থিত।
- দেশের প্রথম সার কারখানা হচ্ছে ফেঞ্চুগঞ্জ সারকারখানা।
- এই কারখানাটি ১৯৬১ সালে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার মাইগাঁও ইউনিয়নের অবস্থিত।

উৎস: সিলেট জেলার ওয়েবসাইট।
২১৯.
পায়রা সমুদ্র বন্দর কোন চ্যানেলে অবস্থিত?
  1. গাবখান চ্যানেল
  2. রামনাবাদ চ্যানেল
  3. কর্ণফুলী চ্যানেল
  4. পশুর চ্যানেল
সঠিক উত্তর:
রামনাবাদ চ্যানেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রামনাবাদ চ্যানেল
ব্যাখ্যা
পায়রা সমুদ্র বন্দর:
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর ‘পায়রা বন্দর'।
- পায়রা সমুদ্র বন্দর পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেল সংলগ্ন আন্ধারমানিক নদীর পাড়ের টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়ায় অবস্থিত।

⇒ ‘পায়রা বন্দর' পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লালুয়া, বালিয়াতলী, ধূলাসার, ধানখালী ও টিয়াখালী ইউনিয়নের অনত্মর্গত রাবনাবাদ চ্যানেলের পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
- শিপিং-বান্ধব বিস্মীর্ণ এলাকা হিসেবে এটি সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রাকৃতিকভাবেই উপযুক্ত একটি অঞ্চল।
- ১৩ আগস্ট, ২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পায়রা বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।
- এ উদ্বোধনের দ্বারা বাংলাদেশের আমদানি- রপ্তানি বাণিজ্য তথা দেশের সার্বিক উন্নয়নে নতুন মাইল ফলক রচিত হবে বলে আশা করা যায়।
- ২০২৩ সালের শেষ নাগাদ এই প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
- এটি বঙ্গোপসাগরের কাছে রামনাবাদ চ্যানেলে অবস্থিত।

উৎস: পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষ।
২২০.
দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা কোনটি?
  1. যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড
  2. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ
  3. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ
  4. টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড
সঠিক উত্তর:
টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড
ব্যাখ্যা
টিএসপি সার কারখানা:
- অবস্থান: পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।
- এটি দেশের একমাত্র ফসফেটিক সার কারখানা
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ এর স্থাপনা তৎকাতলীন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে আরম্ভ হলেও ১৯৭৬ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদনে যায়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উত্‍পাদন ক্ষমতা ১,০০,০০০ মেট্রিক টন।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
২২১.
ঘোড়াশাল-পলাশ সার কারখানায় কী ধরনের সার উৎপাদিত হয়?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া 
  3. এএসপি
  4. ডিএপি
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া 
ব্যাখ্যা

ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

 উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে উদ্বোধনী ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) ১২ নভেম্বর ২০২৩, প্রথম আলো।
         ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

২২২.
মাতারবাড়ী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কত মেগাওয়াটের?
  1. ৯০০
  2. ১১৫০
  3. ১২০০
  4. ১৩২০
সঠিক উত্তর:
১২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২০০
ব্যাখ্যা
মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নের ১,৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ৬০০ মেগাওয়াট এর মোট দুটি ইউনিট তৈরি হবে।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াট।
- জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে মাতারবাড়ির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনায় মাতারবাড়িকে ‘বিদ্যুৎ হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা রয়েছে।
- ২৯ জুলাই, ২০২৩ তারিখে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয় মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট।

উৎস: ২৯ জুলাই, ২০২৩, কালের কন্ঠ।
২২৩.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. পতেঙ্গা
  2. চন্দ্রঘোনা
  3. পটিয়া
  4. সীতাকুন্ড
সঠিক উত্তর:
পতেঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পতেঙ্গা
ব্যাখ্যা

ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড:
- বাংলাদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় তেল শোধনাগার হলো ইস্টার্ণ রিফাইনারি লিমিটেড।
- এটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)-এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।
- এটি একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি।
- কোম্পানি আইন ১৯১৩ (সংশোধিত, ১৯৯৪) অনুযায়ী এ প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- একদল পাকিস্তানি শিল্প-উদ্যোক্তা ১৯৬৩ সালে এ প্রকল্পটির উদ্যোগ নেয় এবং চট্টগ্রামের কর্ণফুলি নদীর তীরে এ পরিশোধনাগারটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৬৮ সাল থেকে পরিশোধন কেন্দ্রটিতে উৎপাদন কার্যক্রম শুরু হয়।
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড তাদের নিজস্ব পরিশোধন ইউনিটের মাধ্যমে অপরিশোধিত তেল শোধিত করে থাকে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

২২৪.
বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা কত?
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি
সঠিক উত্তর:
৮টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮টি
ব্যাখ্যা
ইপিজেড:
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯টি।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- চট্টগ্রাম ইপিজেড যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- 'কোরিয়ান ইপিজেড' চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত দেশের একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট।
২২৫.
ড. আহসান এইচ মনসুর বাংলাদেশ ব্যাংকের কততম গভর্নর?
  1. ১১তম
  2. ১২তম
  3. ১৩তম
  4. ১৪তম
সঠিক উত্তর:
১৩তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩তম
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশ ব্যাংক:
- বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মুদ্রা নিয়ন্ত্রণের প্রধান কর্তৃপক্ষ।
- এটি বাংলাদেশ ব্যাংক আদেশ, ১৯৭২-এর মাধ্যমে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এ পর্ষদের সভাপতি।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বর্তমান গভর্নর: আহসান এইচ মনসুর (১৩তম)।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদ ৪ বছর।

উৎস: Bangladesh Bank ওয়েবসাইট।
২২৬.
LNG ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মিত হচ্ছে কোথায়?
  1. মাতারবাড়ি
  2. ফুলবাড়ী
  3. পায়রা
  4. রূপপুর
সঠিক উত্তর:
পায়রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পায়রা
ব্যাখ্যা

পায়রাতেই ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট সক্ষমতার একটি এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে নর্থওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড (এনডব্লিউপিজিসিএল)। এরই মধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কাজ শেষ হয়েছে। আগামী ২০২৫ থেকে ২০২৭ সালের মধ্যে তিনটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রেরই উৎপাদনক্ষম হয়ে ওঠার কথা রয়েছে।

⇒ পটুয়াখালীর পায়রায় ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট সক্ষমতার একটি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনা করছে বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড (বিসিপিসিএল)। সংস্থাটি এখন পায়রায় একই সক্ষমতার কয়লাভিত্তিক আরেকটি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করছে। যৌথভাবে কয়লাভিত্তিক আরেকটি বিদ্যুৎ নির্মাণ করছে চীনা কোম্পানি নরিনকো ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রুরাল পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেড।

• মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র হল বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নের এক হাজার ৪১৪ একর জমিতে এই বিদ্যুৎ প্রকল্পটি নির্মাণ করা হচ্ছে।
- ৬০০ মেগাওয়াট এর মোট দুটি ইউনিট তৈরি হবে।
- জাপানের আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগিতা সংস্থা জাইকার অর্থায়নে মাতারবাড়ির এই বিদ্যুৎকেন্দ্র হবে বাংলাদেশের অন্যতম বড় প্রকল্প।
- বিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের মহাপরিকল্পনায় মাতারবাড়িকে ‘বিদ্যুৎ হাব’ হিসেবে গড়ে তোলার ঘোষণা রয়েছে।
২৯ জুলাই, ২০২৩ তারিখে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হলো কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলায় কয়লাভিত্তিক মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রথম ইউনিট।
- এই ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ৬০০ মেগাওয়াট।
- পরীক্ষামূলক উৎপাদনের শুরুতে ৩৩ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন হয়। 

• বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর এল.এন.জি ও কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প :
⇒ বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, কর্তৃক এল এন জি ও কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য মহেশখালী উপজেলা 
- এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ৮৫০০ মে. ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে মর্মে জানা যায়।

উৎস:
i) বণিক বার্তা [লিংক]
ii) ২৯ জুলাই, ২০২৩, কালের কন্ঠ।

২২৭.
বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC)-এর তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে কয়টি রাবার জোন রয়েছে?
  1. ২টি 
  2. ৩টি 
  3. ৪টি 
  4. ৫টি 
সঠিক উত্তর:
৩টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বন শিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন (BFIDC)-র তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে মোট ৩টি রাবার জোন বা অঞ্চল রয়েছে।
জোনগুলো হলো:  চট্টগ্রাম জোন, সিলেট জোন ও টাঙ্গাইল-শেরপুর (মধুপুর) জোন।

রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- বাংলাদেশে রাবার জোন রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো: বৃহত্তর চট্টগ্রাম, সিলেট এবং টাঙ্গাইল - শেরপুর।
- ৩টি জোনে মোট রাবার বাগান ১৮টি; এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৯টি, সিলেট জোনে ৪টি এবং টাঙ্গাইল-শেরপুর জোনে ৫টি।

• বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

২২৮.
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. রাজশাহী
  4. বগুড়া
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজশাহী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড রাজশাহী জেলায় অবস্থিত।

 উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড নামে যাত্রা শুরু করে।
- ২০১৩ সালে রেশম বোর্ড, রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট এবং সিল্ক ফাউন্ডেশন কে একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়।

সূত্রঃ বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।
২২৯.
দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. গাইবান্ধা 
  2. পাবনা 
  3. নীলফামারী
  4. কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলফামারী
ব্যাখ্যা

উত্তরা ইপিজেড:
- উত্তরা ইপিজেড দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড।
- এটি নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার সংগলশী ইউনিয়নে অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- প্রতিষ্ঠিত হয়: জুলাই, ১৯৯৯।
- উদ্বোধন হয়: জুলাই, ২০০১।
- মোট আয়তন ২১৩.৬৬ একর।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৩০.
যমুনা সার কারখানা কী উৎপাদন করে?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. ইউরিয়া ও টিএসপি
  4. টিএসপি ও এসএসপি
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা

• যমুনা সার কারখানা: 
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত।
- পূর্বানুমতি নিয়ে পর্যটকদের সার উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখার সুযোগ রয়েছে।
- যমুনা সার কারখানা দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। 
- ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে এ কারখানায় পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয় এবং ১ জুলাই, ১৯৯২ থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত একটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৩১.
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. হস্তশিল্প
  2. চামড়াজাত পণ্য
  3. নীট পোশাক
  4. কৃষিজাত পণ্য
সঠিক উত্তর:
নীট পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীট পোশাক
ব্যাখ্যা

নীট পোশাক:
- বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য  নীট পোশাক
- এখাতে  2024-2025 অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে 21,159.08 মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান 43.82%।

• ওভেন পোশাক:

 - ওভেন পোষাক খাতে 2024-2025 অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে 18,187.89 মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান 37.67%।

• হোম টেক্সটাইল : 
- হোম টেক্সটাইল খাতে 2024-2025 অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে 871.57 মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ে মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান 1.81%।

• চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা:
- চামড়া-চামড়াজাত পণ্য ও পাদুকা খাতে 2024-2025 অর্থ-বছরের জুলাই-জুন সময়ের রপ্তানি আয় হয়েছে 1,145.07 মিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- উক্ত সময়ের মোট রপ্তানিতে এ খাতের অবদান 2.37%।

উৎস: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।

২৩২.
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. পাবনা
  3. ঈশ্বরদী
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
পাবনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবনা
ব্যাখ্যা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত।
- রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হয়েছে।
- এটি নির্মাণে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা করেছে রাশিয়া।
- রাশিয়ান রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান রোসাটম এতে কারিগরি সহায়তা করেছে। অপর রাশিয়ান কোম্পানি টিভিএল জয়েন্ট স্টক এতে জ্বালানি সরবরাহ করছে।
- তবে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ সঞ্চালন প্রকল্পে অর্থ সহায়তা করছে ভারত সরকার।
- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২,৪০০ মেগাওয়াট।
- রূপপুর পরমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হলো ইউরেনিয়াম- ২৩৫।

উৎস: রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র ওয়েবসাইট এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

২৩৩.
বাংলাদেশে কবে প্রথম জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণীত হয়?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা

জাতীয় ঔষধনীতি:
- বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় ঔষধ নীতি প্রণীত হয় ১৯৮২ সালে।

⇒ ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাসহ দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ কর্তৃক বিপুলভাবে প্রশংসিত ও সমাদৃত হয়।
- এ ঔষধনীতির ফলে বাংলাদেশের ওষুধের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় ও মান উন্নত হয়, ওষুধের দামের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। আমদানি নির্ভরতা কমে দেশ ওষুধের ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হতে শুরু করে, ঔষধ সেক্টরে বিদেশি আধিপত্য কমে আসে, দেশীয় ঔষধ কোম্পানিসমূহ আধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বৃহদাকার কারখানা স্থাপন করতে থাকে। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের ঔষধ সেক্টরের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয় এবং এক সময়কার ঔষধ আমদানিকারী দেশটি ঔষধ রপ্তানিকারী দেশে পরিণত হয়।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।

⇒ জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৫(ঘ) ও ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২. এক সময় যেখানে চাহিদার প্রায় ৮০% ঔষধ আমদানি করা হত সেখানে বর্তমানে ৯৭% এরও অধিক ঔষধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত গুণগতমানসম্পন্ন ঔষধ এখন বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশসহ ১১৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৩. বঙ্গবন্ধু দেশে মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং এ শিল্পকে সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে 'ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর' গঠন করেন।
৪. ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে।

⇒ জাতীয় ঔষধনীতির লক্ষ্যসমূহ:
১। জনগণ যাতে নিরাপদ, কার্যকর ও মানসম্পন্ন ঔষধ সহজে ক্রয়সাধ্য মূল্যে পেতে পারে তা নিশ্চিত করা।
২। ঔষধের যৌক্তিক ও নিরাপদ ব্যবহার এবং সুষ্ঠু পরিবেশন ব্যবস্থা (Dispensing) নিশ্চিত করা।
৩। স্থানীয় সকল পদ্ধতির ঔষধ প্রস্তুতকারী শিল্পসমূহকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় সেবা ও সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা, যাতে মানসম্পন্ন ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জিত হয়।
৪। দেশের উৎপাদিত ঔষধের রপ্তানি বৃদ্ধি করা।
৫। ঔষধের কার্যকর নজরদারী (Surveillance) ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা।

উৎস: জাতীয় ঔষধনীতি-২০১৬।

২৩৪.
বাংলাদেশের সর্বপ্রথম কাগজকল কোনটি?
  1. চন্দ্রঘোনা কাগজ কল
  2. এশিয়া কাগজ কল
  3. কর্ণফুলী কাগজ কল
  4. উত্তরবঙ্গ কাগজ কল
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী কাগজ কল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণফুলী কাগজ কল
ব্যাখ্যা
• কর্ণফুলি পেপার মিলস:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- অবস্থান- চন্দ্রঘোনা, কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা।
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে -১৯৫৩ সালে।
- ’বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।

- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়।
- এতে কাঁচামাল হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম বনাঞ্চলের বাঁশ ব্যবহৃত হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এ দেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
২৩৫.
বাংলাদেশের একমাত্র গন্ধক খনি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. কক্সবাজার
  4. দিনাজপুর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
গন্ধকের খনি:
- বাংলাদেশের একমাত্র গন্ধক খনি কক্সবাজার জেলার কুতুবদিয়া দ্বীপে অবস্থিত। 
- গন্ধক বা সালফারকে সালফিউরিক এসিড, বারুদ ও কীটনাশক তৈরিতে বহুলভাবে ব্যবহার করা হয়।

এছাড়াও,
- দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় অবস্থিত দেশের একমাত্র ভূগর্ভস্থ গ্রানাইট পাথরের খনি।
- এই খনিতে পাওয়া গ্রানাইট দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- আরেকটি উল্লেখযোগ্য খনিজ সম্পদ হলো ইউরেনিয়াম, যার সন্ধান পাওয়া গেছে মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া পাহাড়ে।
- ইউরেনিয়াম মূলত পারমাণবিক শক্তি উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়, যা বিদ্যুৎ উৎপাদনে সম্ভাবনাময় একটি উৎস।

উৎস: ভুগোল ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
২৩৬.
BEZA কবে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEZA) ৯ নভেম্বর ২০১০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০-এর অধীনে গঠিত একটি সরকারি সংস্থা, এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন।

BEZA:
- BEZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Economic Zones Authority.
- বেজা বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত।
- এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ এর বিধানানুসারে ৯ নভেম্বর ২০১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: বেজা ওয়েবসাইট।

২৩৭.
বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার, ঢাকা
  2. মিরসরাই, চট্টগ্রাম
  3. আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
  4. মাধবরাম, কুড়িগ্রাম
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই, চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল।

⇒ 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত। এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।
- ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

২৩৮.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নয়?
  1. মাছ চাষ
  2. বস্ত্র
  3. পাট
  4. সিমেন্ট
সঠিক উত্তর:
মাছ চাষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাছ চাষ
ব্যাখ্যা
❐ বাংলাদেশের শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড নয় - মাছ চাষ।
মাছ চাষ একটি কৃষিভিত্তিক কার্যক্রম।

বাংলাদেশের শিল্প সংক্রান্ত অর্থনৈতিক কর্মকান্ড:
- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে শিল্প একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ খাত।
- বাংলাদেশ কৃষি প্রধান দেশ হলেও এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিল্প গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। 
- বাংলাদেশের প্রধান প্রধান শিল্পগুলো হলো: পাট শিল্প, কার্পাস বয়ন শিল্প, পোশাক শিল্প, সার শিল্প, সিমেন্ট শিল্প, কাগজ শিল্প, চিনি শিল্প, চা শিল্প ইত্যাদি।

⇒ পাট শিল্প: পাট শিল্প বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান শিল্প। এটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে দেশের বেকার সমস্যার সমাধান, জাতীয আয় বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং অথ্যনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বর্তমানে পাটকলগুলো চট, থলে, বস্তা, দড়ি, ত্রিপল, ক্যানভাস, তাঁবু, কাপড় ইত্যাদি দ্রব্য উৎপাদন করছে। এ দ্রব্যসমূহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ; যেমন- ব্রিটেন, রাশিয়া, বুলগেরিয়া, লিবিয়া, ইতালি, ফ্রান্স, জাপান, মিসর, কানাডা প্রভৃতি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ৮২ কোটি ডলারের পাটজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছিল।

⇒ বস্ত্রশিল্প: বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান গুরুত্বপূর্ণ শিল্প হচ্ছে কার্পাস বয়নশিল্প। মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে দ্বিতীয় প্রধান গুরুত্বপূর্ণ চাহিদা হচ্ছে বস্ত্র। কিন্তু বাংলাদেশ এ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। বিদেশ থেকে আমদানিকৃত তুলা ও সুতা দিয়ে বাংলাদেশের সুতা ও বস্ত্রকলগুলো পরিচালিত হয়। জাপান, সিঙ্গাপুর, হংকং, কোরিয়া, ভারত, পাকিস্তান প্রভৃতি দেশ থেকে বাংলাদেশ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ তুলা, সুতিবস্ত্র ও সুতা আমদানি করে। বাংলাদেশের বস্ত্র শিল্পগুলো মূলত ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, নোয়াখালী, রাজশাহী ও খুলনা জেলায় অবস্থিত।
- বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানি খাতে ৮.৮৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। এ সময়ে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩৯.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। 

⇒ সিমেন্ট শিল্প: বাংলাদেশ সিমেন্ট শিল্পে অনগ্রসর। প্রয়োজনীয় কাঁচামালের অভাবে এদেশ সিমেন্ট শিল্পে উন্নতি লাভ করতে পারেনি। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় মাত্র ১টি সিমেন্ট কারখানা বাংলাদেশের অংশে পড়ে। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার দেশের অভ্যন্তরের চাহিদা উপলব্ধি করে দেশে সিমেন্ট শিল্প স্থাপনের জন্য যথেষ্ট উদ্যোগী হয়।
সিমেন্ট শিল্পের সহায়ক উপাদানসমূহ: চুনাপাথর, কাদামাটি, জিপসাম প্রভৃতি সিমেন্ট শিল্পের প্রধান কাঁচামাল। যেসব দেশে এসব উপাদান বেশি পাওয়া যায় সেসব দেশ সিমেন্ট শিল্পে উন্নতি লাভ করেছে। বাংলাদেশে এসব কাঁচামালের অভাব রয়েছে। ফলে এদেশ সিমেন্ট শিল্পে তেমন উন্নতি লাভ করতে পারেনি।

উৎস: i) বাণিজ্যিক ভূগোল, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশের সম্পদ ও শিল্প, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
iii) প্রথম আলো।
২৩৯.
বাংলাদেশের একমাত্র রেয়ন মিল কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. রাঙ্গামাটি
  3. বান্দরবান
  4. খাগড়াছড়ি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

• রেয়ন মিল:
- বাংলাদেশের একমাত্র রেয়ন মিল রাঙ্গামাটিতে অবস্থিত।
- পার্বত্য এলাকায় বনজ কাঁচামালের সহজলভ্যতা থাকায় সেখানে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল কর্ণফুলী রেয়ন মিলস লিমিটেড।
- ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এশিয়া মহাদেশের মধ্যে বিখ্যাত কর্ণফুলী কাগজ কল এবং কর্ণফুলী রেয়ন এন্ড কেমিক্যালস লিমিটেড।
- কর্ণফুলী পেপার ও রেয়ন মিল স্থাপনের উদ্দেশ্যে চন্দ্রঘোনা এলাকায় সর্বপ্রথম স্বয়ংক্রিয় মেশিনে ইট তৈরির একটি কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- কাপ্তাই এলাকায় গড়ে উঠা কাঠ ভিত্তিক শিল্প কারখানাগুলোর উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী এবং বাঁশ ও গাছ ভিত্তিক কর্ণফুলী পেপার মিলের কাগজসহ রেয়ন মিলে উৎপাদিত পণ্য দেশে বিদেশে বিগত দিনগুলোতে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটির লোকসানের মধ্যে থাকায় ঠিকাদাররাও কাঁচামাল সরবরাহে আগ্রহ হারিয়েছেন।

উৎস: জতীয় তথ্য বাতায়ন।

২৪০.
ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য -
  1. রাসায়নিক দ্রব্য
  2. কৃষিজাত পণ্য
  3. চামড়া
  4. তৈরি পোশাক
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৈরি পোশাক
ব্যাখ্যা
• রপ্তানি বাণিজ্য:
- অঞ্চল হিসাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে - ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহে।
- ইউরোপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্রেতা রাষ্ট্র - জার্মানি।
- ইউরোপের দেশগুলোতে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য - তৈরি পোশাক।
- এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে – জাপানে। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, জুলাই-ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ পর্যন্ত।
২৪১.
বিজিএমইএ সংগঠন কোন বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্ট?
  1. কৃষিজাত পণ্য রপ্তানিকারক
  2. চামড়াজাত পণ্য রপ্তানিকারক
  3. পাটজাত পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
  4. পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
সঠিক উত্তর:
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক
ব্যাখ্যা
বিজিএমইএ (BGMEA):
- BGMEA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Garment Manufacturers and Exporters Association.
- বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)।
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের প্রতিনিধিত্বকারী জাতীয় বণিক সমিতি।
- এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি দুই বছর মেয়াদে নির্বাচিত ৩৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালক পর্ষদের দ্বারা পরিচালিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৯৭৭ সালে মাত্র ১২ সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরুর পর থেকে সমিতিটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নয়ন ও বৃহত্তর স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য কাজ করে আসছে।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৪৫০০ এর কাছাকাছি।

উৎস: BGMEA ওয়েবসাইট।
২৪২.
বাংলাদেশে Insurance Development and Regulatory Authority কত সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়?
  1. ২০০১
  2. ২০০৫
  3. ২০০৮
  4. ২০১১
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
২০১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।
- IDRA বিমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

উৎস: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
২৪৩.
বাংলাদেশের প্রথম এলএনজি-টার্মিনাল কোথায় অবস্থিত?
  1. মংলা
  2. সন্দ্বীপ
  3. মীরসরাই
  4. মহেশখালী
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম এলএনজি-টার্মিনাল:
⇒ Excelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) কর্তৃক স্থাপিত MLNG টার্মিনাল।
- অবস্থান: কক্সবাজারের মহেশখালীতে।
- চুক্তি স্বাক্ষর: ১৮ জুলাই, ২০১৬।
- বাস্তবায়ন: Build Own Operate and Transfer (BOOT) ভিত্তিতে।
- Floating Storage Re-gasification Unit (FSRU) এর নাম : Excellence।
- ধারনক্ষমতা: ১৩৮,০০০ ঘনমিটার।
- রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি: ৫০০ এমএমএসসিএফডি।
- চুক্তির মেয়াদ : ১৫ বছর (২০১৮-২০৩২)।
- গ্যাস সরবরাহ শুরু: ১৯ আগষ্ট, ২০১৮।
- শুরু থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিমান: ৫৯৭,৭৮৬.৭১ এমএমএসসিএফ।
- টার্মিনাল হস্তান্তর: ১৫ বছর পর কোন ধরনের চার্জ গ্রহন ব্যাতিত FSRU টি EEBL পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করবে।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড।
২৪৪.
যমুনা সার কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. রংপুর
  3. জামালপুর
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর
ব্যাখ্যা
যমুনা সার কারখানা:
- বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সার উৎপাদন কারখানা হচ্ছে যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ।
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ীতে অবস্থিত।
- কারখানাটি ১৯৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদন হয়।
- এ ফ্যাক্টরীর বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ৫,৬১,০০০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
২৪৫.
বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ কোনটি?
  1. বানৌজা লিলি
  2. বানৌজা পদ্মা
  3. বানৌজা যমুনা
  4. বানৌজা কর্ণফুলী
সঠিক উত্তর:
বানৌজা পদ্মা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বানৌজা পদ্মা
ব্যাখ্যা
জাহাজ নির্মাণ শিল্প:
- জাহাজ নির্মাণ শিল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক শিল্পখাত।
- দেশে আনুমানিক ১০,০০০ টন ক্ষমতার আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন জাহাজ তৈরির ক্ষমতা সম্পন্ন প্রায় ১১টি স্থানীয় শিপইয়ার্ড রয়েছে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে তৈরি প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- এটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘বিএনএস পদ্মা বা বানৌজা পদ্মা’। 
- বিএনএস পদ্মার গতিবেগ হবে ঘন্টায় ২৩ নটিকাল মাইল (প্রায় ৩৭ মাইল)।
- ২০১১ সালের ৫ মার্চ খুলনা শিপইয়ার্ডে জাহাজটির নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- ২০১২ সালের ৮ অক্টোবর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি জাহাজটি লাঞ্চিং করান।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশে জাহাজ নির্মাণ ও মেরামত কারখানা ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।

উৎস: i) খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
২৪৬.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেডে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. মোংলা
  4. আদমজী
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।
- বর্তমানে বেপজার অধীনস্থ অঞ্চলগুলোয় ৫৬৩টি শিল্পপ্রতিষ্ঠান রয়েছে, যার মধ্যে ৪৫০টি প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। বাকি ১১৩টি প্রতিষ্ঠান বাস্তবায়ন হওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে।

⇒ সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে।
- সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- দ্বিতীয়: ঢাকা ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪–২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) আওতাধীন রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড ) ও বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রতিষ্ঠানগুলোর রপ্তানি বেড়েছে ১৬ শতাংশ, যা দেশের মোট পণ্য রপ্তানির ১৭ শতাংশ।
- বর্তমানে ইপিজেডে উৎপাদিত পণ্য ১২০টির বেশি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
- বেপজার অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোয় ৫ লাখ ৩৩ হাজার ৫২৭ জনের কর্মসংস্থান হয়েছে। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৪৭.
বাংলাদেশ ইনসুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (বিআইএসএফএল) কোথায় অবস্থিত?
  1. বরিশাল
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা
ব্যাখ্যা
• বিআইএসএফএল পরিচিতি:
- বাংলাদেশ ইনসুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (বিআইএসএফএল) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি)-এর  নিয়ন্ত্রণাধীন একটি রাষ্ট্রায়ত্ত্ব শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- এটি ইনসুলেটর ও স্যানিটারীওয়্যার উৎপাদনকারী দেশের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অন্তর্গত শাহ আলী থানার অধীন মিরপুর চিড়িয়াখানা রোডে ৩০.৩৭ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত।
- এখানে ১৯৮১ সনে ৪০০০ মে. টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন স্যানিটারীওয়্যার প্লান্ট এবং ২৪০০ মে. টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইনসুলেটর প্লান্টের উৎপাদন শুরু হয়।
- পরবর্তীতে বাজার চাহিদার আলোকে হালকা ওজনের পণ্য উৎপাদন প্রবর্তন করায় সংখ্যা ভিত্তিক উৎপাদন কিছুটা বৃদ্ধি করা সত্ত্বেও টন ভিত্তিক উৎপাদন যথাক্রমে ৩৪০০ মে. টন ও ১৪০০ মে. টন নির্ধারণ হয়। - ১৯৮৬-১৯৮৭ অর্থ বছরে ১১০০ মে. টন উৎপাদন ক্ষমতার গ্লেজড টাইলস প্লান্ট সংযোজন করা হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯১-১৯৯২ অর্থ বছরে বিভিন্ন প্রকার রিফ্র্যক্টরীজ ব্রিকস্ উৎপাদন শুরু হয়।
- ২০০১ সাল হতে টাইল উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ আছে। 

উৎস: বিআইএসএফএল ওয়েবসাইট।
২৪৮.
দেশের প্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় কোথায়?
  1. জয়পুরহাট
  2. রংপুর
  3. দিনাজপুর
  4. নেত্রকোনা
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
ব্যাখ্যা
কয়লা ক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৫।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৯৫।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: জিএসবি, ১৯৮৯।
• খালাসপীর: রংপুর, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন: বি.এইচ.পি মিনারেলস, ১৯৯৭।
• জামালগঞ্জ: জয়পুরহাট, আবিষ্কারক ও আবিষ্কারের সন:  জিএসবি, ১৯৬২।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট। 
২৪৯.
দেশের সর্বশেষ আবিষ্কৃত কয়লা খনি কোনটি? (নভেম্বর, ২০২৪)
  1. দীঘিপাড়া
  2. জয়পুরহাট
  3. খালাসপীর
  4. বড়পুকুরিয়া
সঠিক উত্তর:
দীঘিপাড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীঘিপাড়া
ব্যাখ্যা
দেশের সর্বশেষ আবিষ্কৃত কয়লা খনি - দীঘিপাড়া, দিনাজপুর।

কয়লা ক্ষেত্র:

- বাংলাদেশে আবিস্কৃত মোট কয়লা ক্ষেত্র ৫টি।
- ১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জে দেশের সর্বপ্রথম কয়লাক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- গভীরতা বেশি হওয়ায় জামালগঞ্জ খনি থেকে এখনো কয়লা উত্তোলন শুরু হয়নি।
- দেশে একমাত্র দিনাজপুর জেলার বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি থেকে কয়লা উত্তোলিত হচ্ছে।

দেশের কয়লা খনিসমূহ হলো:
• জামালগঞ্জ: জয়পুরহাট ১৯৬২।
• বড়পুকুরিয়া: দিনাজপুর ১৯৮৫।
• খালাসপীর: রংপুর ১৯৮৯।
• ফুলবাড়ী: দিনাজপুর ১৯৯৪।
• দীঘিপাড়া: দিনাজপুর ১৯৯৫।

উৎস: খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট।
২৫০.
দেশের প্রথম ঔষধ শিল্প পার্ক কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. মুন্সীগঞ্জ
  2. মাদারীপুর
  3. নারায়াণগঞ্জ
  4. গাজীপুর
সঠিক উত্তর:
মুন্সীগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• ঔষধ শিল্প পার্ক:
- দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায়।
- ২০০৮ সালে গজারিয়ায় এপিআই শিল্প পার্ক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়। 
- এটি দেশের প্রথম বিশেষায়িত ঔষধ শিল্প পার্ক।
- শিল্প পার্কে ইতোমধ্যে এক্‌মি, হেলথকেয়ার, ইউনিমেড,
- ইবনে সিনা-র মতো প্রতিষ্ঠান কারখানা স্থাপন করেছে।
- ৪২টি প্লটের মধ্যে ২৭টি কোম্পানিকে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।
২৫১.
বিসিআইসি এর অধীনে বর্তমানে কতগুলি কারখানা চলমান?
  1. ১১
  2. ১২
  3. ১৩
  4. ১৪
  5. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বিসিআইসি এর অধীনে বর্তমানে ১১টি কারখানা চলমান।

⇒ চলমান কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
২৫২.
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড) কোথায় অবস্থিত?
  1. মোংলা
  2. ঈশ্বরদী
  3. আড়াইহাজার
  4. মিরসরাই
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।

⇒ ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।
- ২০১৮ সালে এটির নাম পাল্টে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’ রাখা হয়।
- সম্প্রতি নভেম্বর, ২০২৪-এ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’-এর নাম পাল্টে নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’।

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২৫৩.
বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন কে?
  1. ডা. কাজী হোসেন আহমেদ
  2. ডা. আনোয়ার হোসেন
  3. ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
  4. ডা. নূর উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী
ব্যাখ্যা
জাতীয় ঔষধনীতি:
- দেশে প্রথম ওষুধনীতি ঘোষিত হয় ১৯৮২ সালে।
- ১৯৮২ সালের নীতিতে দেশি ওষুধশিল্পের বিকাশে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- এই নীতির কারণে দেশে সহজ প্রযুক্তির ওষুধ আসা শুরু হয়।
- তালিকা করে দেড় হাজারের বেশি ওষুধ দেশে নিষিদ্ধ করা হয়।
- বলা হয়েছিল, যেসব ওষুধ দেশি কোম্পানিগুলো তৈরি করতে পারে সেসব ওষুধ আমদানি করা যাবে না।
- এগুলো ছিল ওষুধশিল্প পর্যায়ক্রমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ার পেছনের কারণ।
- বাংলাদেশের জাতীয় ওষুধনীতির জনক হিসেবে পরিচিত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
- সর্বশেষ ২০১৬ সালে সংস্কার করে নতুন ওষুধনীতি করা হয়।

⇒ জাতীয় ঔষধ নীতি, ২০১৬:
১. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫(ক), ১৫(ঘ) ও ১৮(১) ধারা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকার কার্যকর স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের বিষয়ে জনগণের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
২. এক সময় যেখানে চাহিদার প্রায় ৮০% ঔষধ আমদানি করা হত সেখানে বর্তমানে ৯৭% এরও অধিক ঔষধ দেশেই উৎপাদিত হচ্ছে। বাংলাদেশে উৎপাদিত গুণগতমানসম্পন্ন ঔষধ এখন বিশ্বের বিভিন্ন উন্নত দেশসহ ১১৩টি দেশে রপ্তানি হচ্ছে।
৩. বঙ্গবন্ধু দেশে মানসম্মত ওষুধের উৎপাদন বাড়ানো এবং এ শিল্পকে সহযোগিতা ও নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে ১৯৭৪ সালে 'ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর' গঠন করেন।
৪. ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকার প্রথম জাতীয় ঔষধনীতি প্রণয়ন করে।

উৎস: জাতীয় ঔষধনীতি-২০১৬।
২৫৪.
বর্তমানে দেশে কয়টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে? [সেপ্টেম্বর,২০২৫]
  1. ২৬টি
  2. ২৯টি
  3. ২৭টি
  4. ৩০টি
সঠিক উত্তর:
২৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯টি
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্রে: 
- পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে।
- এর মধ্যে উৎপাদনে আছে ২০টি।
- বাকিগুলোর মধ্যে চারটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করা হলেও উত্তোলন করা হচ্ছে না।
- সেগুলো হলো ভোলার ইলিশা ও ভোলা নর্থ, সিলেটের জকিগঞ্জ এবং কুতুবদিয়া।
- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস।যা আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৬২ সালে।
- সর্বশেষ বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল ১৯৯৮ সালে, সেটি সিলেটের বিবিয়ানা।
- বিবিয়ানা থেকেই এখন সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

২৫৫.
বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত? [জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ফরিদপুর
  2. নরসিংদী
  3. গোপালগঞ্জ
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপালগঞ্জ
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

আকিজ জুট মিল:

- বিশ্বের বৃহত্তম পাটকল আকিজ জুট মিলস।
- এটি গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় অবস্থিত।
- ৪৫০ বিঘা জুড়ে বিস্তৃত পাটকলটিতে ছয়টি কারখানা থাকবে।
- আকিজ গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম শেখ আকিজ উদ্দিনের উদ্যোগী ছেলেরা প্রতিকূলতাকে উপেক্ষা করে বাংলাদেশের পাট শিল্পে অর্থ ঢেলে যাচ্ছেন।
- আকিজ গ্রুপের চেয়ারম্যান এবং আকিজ জুট মিলের মালিক শেখ নাসির উদ্দিন।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশের পাট শিল্প:
- বাংলাদেশে বছরে ১১-১২ লাখ টন পাট উৎপাদন হয়।
- যার মধ্যে দুই লাখ টন কাঁচা পাট সরাসরি রপ্তানি করা হয় এবং আরও দুই লাখ টন স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করা হয়।
- বাকি সাত লাখ টন ব্যবহার করা হয় বিভিন্ন পণ্য বিশেষ করে বিশ্ববাজারে রপ্তানির জন্য সুতা তৈরিতে।

উৎস: The Business Standard।
২৫৬.
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানীকারক গার্মেন্টস-
  1. রয়েল গার্মেন্টস
  2. ডিজি গার্মেন্টস 
  3. রিয়াজ গার্মেন্টস
  4. ঢাকা অ্যাপারেল লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা

রিয়াজ গার্মেন্টস:
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানি করেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসি মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রাঁ, বাংলাদেশি টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- রিয়াজ গার্মেন্টস দেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস।
- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি টিকে না থাকলেও পোশাকশিল্পের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ও তাঁর রিয়াজ গার্মেন্টসের নাম।

উৎস: প্রথম আলো।

২৫৭.
বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. টঙ্গী
  2. মিরসরাই
  3. আড়াইহাজার
  4. ঈশ্বরদী
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিরসরাই
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই-এ অবস্থিত।

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):

- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল। 
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।

⇒ ২০১৬ সালে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চল নামে এই শিল্পনগরের উদ্বোধন করা হয়।
- ২০১৮ সালে এটির নাম পাল্টে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’ রাখা হয়।
- সম্প্রতি নভেম্বর, ২০২৪-এ ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগর’-এর নাম পাল্টে নতুন নাম দেওয়া হয়েছে ‘জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল’। 

উল্লেখ্য,
- জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলটি ১২টি পৃথক অঞ্চলে বিভক্ত।
- সেখানে বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক (বিজিএমইএ) শিল্পপার্ক, ভারতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল, এসবিজি (শিকদার, বসুন্ধরা ও গ্যাসমেন গ্রুপ) অর্থনৈতিক অঞ্চলের মতো আলাদা জোন রয়েছে।
- পুরো অর্থনৈতিক অঞ্চলটি চালু হলে আগামী ১৫ বছরের মধ্যে সেখানে ১৫ লাখ লোকের কর্মসংস্থান হবে এবংংসেখান থেকে প্রতিবছর রপ্তানি আয় হবে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
২৫৮.
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ওষুধ নীতি ঘোষণা করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৮২ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৮৮ সালে
  4. ১৯৯১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮২ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ওষুধনীতি: 
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ওষুধনীতি ঘোষণা করা হয় ১৯৮২ সালে।
- এই নীতিটি দেশে ওষুধশিল্পের উন্নয়নে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতি অনুসারে, দেশীয় কোম্পানিগুলোর বিকাশে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- নীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয় এবং দেশীয় কোম্পানিগুলোর মোট উৎপাদনের ৬০ শতাংশ অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ উৎপাদন বাধ্যতামূলক করা হয়। 
- এ নীতির ফলে প্রযুক্তিগত উন্নয়ন, দক্ষ জনবলের ব্যবহার, এবং দেশীয় উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়। ওষুধের দাম নিয়ন্ত্রণে আনা হয়, যা সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী চিকিৎসা নিশ্চিত করে।
- ১৯৮২ সালের পর এই নীতির সংস্কার ২০০৫ ও ২০১৬ সালে করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
২৫৯.
সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে কোন কোম্পানি?
  1. শেল অয়েল কোম্পানি
  2. বার্মা অয়েল কোম্পানি
  3. টার্নার মরিসন অ্যান্ড কোম্পানি
  4. হোয়াইট হল পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
বার্মা অয়েল কোম্পানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্মা অয়েল কোম্পানি
ব্যাখ্যা
সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র: 
-  বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ১৯৫৫ সালে বার্মা অয়েল কোম্পানি এদেশে সর্বপ্রথম সিলেটের হরিপুরে গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করে।
- ১৯৫৭ সাল থেকে গ্যাসের উৎপাদন শুরু হয়।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯ টি।
- বাংলাদেশের অন্যান্য খনিজ সম্পদের মধ্যে কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, গন্ধক, খনিজ তেল প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য।

উল্লেখ্য, 
-সম্প্রতি সিলেটের হরিপুরে পুরোনো গ্যাসকূপ (সিলেট-৭) সংস্কার করতে গিয়ে নতুন করে গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে।
-এ কূপ থেকে প্রতিদিন অন্তত ৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যাবে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী এবং পেট্রোবাংলা, প্রথম আলো।
২৬০.
IDRA এর সম্পর্কে কোন তথ্যটি সত্য?
  1. এটি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
  2. এটি অভ্যন্তরীণ গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  3. এটি আন্তর্জাতিক গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  4. এটি একটি মানবাধিকার সংস্থা
সঠিক উত্তর:
এটি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এটি বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
-  এটি বাংলাদেশের বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা,
- এটি ২০১১ সালের ২৬ জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার কর্তৃক প্রণীত বীমা আইন ২০১০ অনুযায়ী কাজ করে।
- IDRA মূলত বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার জন্য গঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।
- IDRA এর একটি চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

সূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
২৬১.
বাংলাদেশে প্রথম PTA স্বাক্ষর করে কোন দেশের সাথে?
  1. নেপাল
  2. ভুটান
  3. শ্রীলংকা
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুটান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি:
- ২০২০ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ভুটানের সাথে একটি অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (Preferential Trade Agreement - PTA) স্বাক্ষর করে। 
- ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ভুটানের স্বীকৃতি দেওয়া দিনটিকে শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে দুই দেশ অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের দিন হিসেবে বেছে নেয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী ভুটান ১০০টি বাংলাদেশি পণ্য রফতানিতে শুল্ক সুবিধা দেয়।
- ভুটানের ৩৪টি পণ্য বাংলাদেশে রফতানিতে একই ধরনের শুল্ক ছাড় পায়।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।