বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

শিল্প উৎপাদন সম্পর্কিত

মোট প্রশ্ন২৬২এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিল্প উৎপাদন সম্পর্কিত

PrepBank · পাতা / · ১০০ / ২৬২

.
বাংলাদেশে আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্র কয়টি? ( মে - ২০২৫)
  1. ২৯ টি
  2. ২৫ টি
  3. ২৭ টি
  4. ৩২ টি
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ টি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্র - ২৯ টি।
- দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্রের নাম, ইলিশা-১ ।
- পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী অনুযায়ী প্রাথমিক মোট মজুদ গ্যাসের পরিমাণ- ৪০.৫৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- মোট স্থাপিত বিদ্যুত উৎপাদন ক্ষমতা : ২৬,৮৪৪ মেগাওয়াট ( ৩০ এপ্রিল ২০২৪ পর্যন্ত)।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৪ এবং The Daily Star Bangla.
.
বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. ফার্মগেইট, ঢাকা
  3. সাহেপ্রতাপ, নরসিংদী
  4. রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
সাহেপ্রতাপ, নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাহেপ্রতাপ, নরসিংদী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট:
- বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর অধীন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ নামক স্থানে অবস্থিত।
এই প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের সার্বিক তত্তাবধানে ২০১০ সালে তাঁতি এবং তাঁতি পরিবারের সন্তানদের ১০% কোটা সংরক্ষন রেখে  বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম অনুযায়ী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স চালু হয়।

উৎস: বাংলাদেশ তার্ত শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট ওয়েবসাইট।

.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে কয়টি চালু সার কারখানা আছে? [জুন, ২০২৫]
  1. ৬টি
  2. ৭টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি চালু কারখানা আছে- এর মধ্যে সার কারখানা ৭টি, কাগজ কারখানা ১টি, সিমেন্ট কারখানা ১টি, গ্লাসশীট কারখানা ১টি, স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা ১টি।

- বিসিআইসি’র উৎপাদিত পন্যের মধ্যে ৮০% রাসায়নিক সার ; এর মধ্যে ৭০% ইউরিয়া সার ও ১০% অন্যান্য সার।
- তাছাড়া যৌথ অংশীদারিত্বে ১০টি কারখানা রয়েছে।
- উল্লেখ্য যে, ১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে সারা দেশে কৃষকদের মাঝে সার বিতরনের মত স্পর্শকাতর বিষয়টি বিসিআইসি’র উপর ন্যাস্ত হয়।
- বিসিআইসি অত্যন্ত আস্তা এবং সফলতার সাথে এই গুরু দয়িত্ব পালন করে যাচ্ছে।

⇒ চালু সার কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ৫টি ইউরিয়া সার কারখানা।
• ১টি ডিএপি সার কারখানা।
• ১টি টিএসপি সার কারখানা।
• ১টি কাগজ কারখানা।
• ১টি সিমেন্ট কারখানা।
• ১টি গ্লাসশীট কারখানা।
• ১টি স্যানিটারীওয়্যার ও ইনসুলেটর কারখানা রয়েছে।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।
.
BSTI-এর পূর্ণরূপ কোনটি?
  1. Bangladesh Standards and Testing Institution
  2. Bangladesh Standards and Technical Institution
  3. Bangladesh Standards and Technical Institute
  4. Bangladesh Standards and Testing Institute
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Standards and Testing Institution
ব্যাখ্যা

বিএসটিআই:
- BSTI এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Standards and Testing Institution.
- ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ সরকারের জারীকৃত অধ্যাদেশ ৩৭ এর মাধ্যমে সেন্ট্রাল টেস্টিং ল্যাবরেটরী (CTL) এবং বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস ইন্সটিটিউশন (BDSI) কে একীভূত করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ স্ট্যন্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইন্সটিটিউশন (BSTI) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯৫ সালে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ কৃষি পণ্য বিপণন ও শ্রেনীবিন্যাস পরিদপ্তরটিও (Department of Agricultural Grading and Marking) বিএসটিআই'র সঙ্গে একীভূত হয়।

⇒ বিএসটিআই-এর কাজ:
- পণ্য, সেবা ও প্রক্রিয়ার জাতীয় মান প্রণয়ন, তদানুযায়ী পণ্য পরীক্ষণ ও পণ্যের গুণগত মান সনদ (সার্টিফিকেশন) প্রদান এবং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে।
- এছাড়া দেশব্যাপী ওজন ও পরিমাপের সকল ক্ষেত্রে মেট্রিক পদ্ধতির প্রচলন এবং পরিমাপ যন্ত্রসমূহ ভেরিফিকেশন ও ক্যালিব্রেশনের দায়িত্বেও নিয়োজিত।

তথ্যসূত্র - বিএসটিআই ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় কোন দেশে?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. শ্রীলংকা
  3. মিয়ানমার
  4. মালদ্বীপ
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ২০১০ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তরকে অধিদপ্তরে উন্নীত করা হয়
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ৫৪টি ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
- ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে প্রথম ঔষধ রপ্তানি করা হয় শ্রীলঙ্কায়।

উৎস: কালের কণ্ঠ এবং প্রথম আলো।
.
বাংলাদেশে সবুজ কারখানার সংখ্যা কয়টি? (জুন - ২৫)
  1. ২৪৩টি
  2. ২২৭ টি
  3. ২৩২ টি
  4. ২২৬টি
সঠিক উত্তর:
২৪৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৪৩টি
ব্যাখ্যা
• গ্রীন ফ্যাক্টরি বা সবুজ কারখানা:
- সবুজ কারখানা এমন একটি পরিবেশবান্ধব শিল্প প্রতিষ্ঠান, যা টেকসই ও পরিবেশ সুরক্ষিত উৎপাদন প্রক্রিয়া অনুসরণ করে। এ সব ফ্যাক্টরিতে কার্বন নিঃসরণ কমানো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি ব্যবহারে গুরুত্ব দেওয়া হয়। সৌরশক্তি, রেইনওয়াটার হারভেস্টিং এবং দক্ষ যন্ত্রপাতির ব্যবহার এদের বৈশিষ্ট্য। গ্রীন ফ্যাক্টরি শ্রমিকদের জন্য স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করে। 
- দেশে পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার সংখ্যা ২৪৩ ( জুন-২০২৫)।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) সবুজ কারখানার  সনদ দিয়ে থাকে। 

উৎস: কালের কন্ঠ {লিংক
.
কোন গাছের কাঠ হতে দিয়াশলাই-এর কাঠি তৈরি হয়?
  1. গরান
  2. ধুন্দল
  3. গেওয়া
  4. চাপালিশ
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া
ব্যাখ্যা
• দিয়াশলাই শিল্প:- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
• কাগজ শিল্প:- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।
• নিউজপ্রিন্ট কারখানা:- সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে।
• রেয়ন শিল্প:- চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি কোন কাঠের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে?
  1. চাপালিশ কাঠ
  2. গরান কাঠ
  3. সুন্দরী কাঠ
  4. গেওয়া কাঠ
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গেওয়া কাঠ
ব্যাখ্যা

• শিল্প উন্নয়নে বনভূমির গুরুত্ব:

১) কাগজ শিল্প: রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

২) নিউজপ্রিন্ট কারখানা: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর ভিত্তি করে খুলনার নিউজপ্রিন্ট কারখানাটি গড়ে উঠেছে

৩) দিয়াশলাই শিল্প: সুন্দরবনের গেওয়া কাঠের উপর নির্ভর করে দিয়াশলাই শিল্প গড়ে উঠেছে। এছাড়া কদম ও শিমুল গাছের কাঠ এই শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

৪) রেয়ন শিল্প: চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনার রেয়ন কারখানাটি স্থানীয় বনভূমির নরম কাঠ ও বাঁশের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।

৫) পর্যটন শিল্প: পার্বত্য চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, সিলেট, সুন্দরবন পর্যটন শিল্পের অপার সম্ভাবনাময় স্থান। প্রাকৃতিক দৃশ্য ও জীববৈচিত্র্য পর্যটকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে যা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


তথ্যসূত্র:  ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. মেঘনা সিমেন্ট কারখানা
  2. সুরমা সিমেন্ট কারখানা
  3. জৈন্তাপুর সিমেন্ট কারখানা
  4. ছাতক সিমেন্ট কারখানা
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা
⇒ দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ।

ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।
১০.
বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশনের আওতাধীন কতটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে? (নভেম্বর-২০২৫)
  1. ৫টি
  2. ৯টি
  3. ৭টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৯টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান (জাতীয়করণ) অধ্যাদেশ ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট অর্ডার নং ২৭ অব ১৯৭২) অনুযায়ী বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন গঠন করা  হয়।
- বর্তমানে আইনটি বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত। প্রারম্ভিক ভাবে বাংলাদেশ স্টীল মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএসইসি কার্যক্রম শুরু করে।
- পরে বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠা করে। 
- বর্তমানে করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। 

• যেমন প্রতিষ্ঠানের নাম:
- প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ।
- জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুঃ কোম্পানী লিঃ।
- ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লিঃ।
- ইস্টার্ন কেবলস লিঃ।
- ইস্টার্ন টিউবস লিঃ।
- গাজী ওয়্যারস লিঃ।
- ন্যাশনাল টিউবস লিঃ।
- এটলাস বাংলাদেশ লিঃ।
- বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ।

উৎস: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।

১১.
দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম কী?
  1. মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. নারায়ণঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল 
  3. মোংলা অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা

জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চলের নাম জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রামের মীরসরাই, সীতাকুণ্ড এবং ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় প্রায় ৩৩,৮০৫ একরের বেশি জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

• 'জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' ৩টি ইকোনমিক জোন নিয়ে গঠিত।
- চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড ও মিরসরাই এবং ফেনীর সোনাগাজী এলাকায় দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল এনএসইজেড নির্মাণের কাজ করছে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা)।
- প্রথম পর্যায়ে আগামী পাঁচ বছরে ১৭ হাজার ৩১৩.৫৮ একর জমির ওপর বিস্তৃত এনএসইজেডের মিরসরাই অঞ্চলের কাজ সম্পন্ন করা হবে।
- দ্বিতীয় পর্যায়ে ষষ্ঠ থেকে দশম বছরের মধ্যে সোনাগাজীর ১১ হাজার ২০.৫ একর এলাকার কাজ করা হবে।
- তৃতীয় ও চূড়ান্ত পর্যায়ে এগারোতম থেকে বিশতম বছরে সম্পন্ন হবে সীতাকুণ্ড অঞ্চলের কাজ।

উৎস: i) বেজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

১২.
বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. বাগেরহাট
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
বেপজা:
- BEPZA এর পুর্ণরূপ: Bangladesh Export Processing Zone Authority.
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল হলো চট্টগ্রামে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগরের শিল্প জোন।
- এটির অবস্থান চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই উপজেলায়।
- এটির আয়তন প্রায় ১,১৫০ একর।
- মোট শিল্প প্লটের সংখ্যা ৫৩৯টি।
- সম্ভাব্য বিনিয়োগের পরিমাণ ৪.৫ বিলিয়ন ডলার।
- কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে আনুমানিক ৫ লক্ষ মানুষের ।

উৎস: বেপজা ওয়েবসাইট।
১৩.
বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর কোনটি?
  1. বুড়িমারী স্থলবন্দর
  2. ভোমরা স্থলবন্দর
  3. বেনাপোল স্থলবন্দর
  4. সোনাহাট স্থলবন্দর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল স্থলবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা

• বেনাপোল স্থলবন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থলবন্দর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

⇒ কয়েকটি স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১৪.
বাংলাদেশের ইপিজেডগুলোতে কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ আসে?
  1. চীন
  2. জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. শ্রীলঙ্কা
সঠিক উত্তর:
চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন
ব্যাখ্যা
ইপিজেডে বিদেশি বিনিয়োগ:
- বাংলাদেশের ইপিজেডগুলোতে সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ আসে চীন থেকে।
- এ পর্যন্ত বেপজার ইপিজেডগুলোতে ৩৮টি দেশ থেকে বিনিয়োগ এসেছে।
- সবচেয়ে বেশি এসেছে চীন থেকে। চীনের মোট ১০৮টি প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ রয়েছে ইপিজেডে।
- এরপর বিনিয়োগ করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার ৬১টি, জাপানের ২৯টি, ভারতের ১৯টি, যুক্তরাজ্যের ১৯টি, যুক্তরাষ্ট্রের ১৭টি ও শ্রীলঙ্কার ৭টি প্রতিষ্ঠান।

উল্লেখ্য,
- বেপজার অধীনে বর্তমানে ৮টি ইপিজেড ও বেপজার অর্থনৈতিক অঞ্চলে মোট ৪৪৯ শিল্পপ্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে।
- এর বাইরে পটুয়াখালী ও যশোরে দুটি ইপিজেড স্থাপনের কাজ চলছে। আর গাইবান্ধায় একটি ইপিজেড স্থাপনের জন্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

⇒ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের (এফডিআই) ২৯ শতাংশই এসেছে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড) থেকে।
- গত অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট ১৪৬ কোটি ৮২ লাখ ডলারের বিদেশি বিনিয়োগ এসেছে, যার মধ্যে ৪২ কোটি ৪৩ লাখ ডলার ইপিজেডগুলোর মাধ্যমে এসেছে।
- বেপজা রপ্তানি করেছে ৭০৭ কোটি ডলারের পণ্য, এবং ২০২৪ সালে ২৮টি নতুন বিনিয়োগ চুক্তি হয়েছে।

উৎস: i) The Business Standard.
ii) প্রথম আলো
১৫.
জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
  3. গজারিয়া, মুন্সিগঞ্জ
  4. ছাতক, সুনামগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আড়াইহাজার, নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (SEZ):
- SEZ-এর পূর্ণরূপ: Special Economic Zone.
- এসইজেড (SEZ) একটি বিশেষ ভৌগলিক অঞ্চল যা শুল্কমুক্ত ছিটমহল হিসাবে বিবেচিত হয়।
- ​​বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ইপিজেড বা স্পেশাল ইকোনমিক জোন (Special Economic Zone) বা এসইজেড (SEZ) খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ‌
- যেকোনো দেশের আন্তর্জাতিক মানের আর্থিক পরিকাঠামো গড়ে তুলতে এস ই জেডের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

⇒ জাপানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে অবস্থিত।
- নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে মোট ১১১০ একর জমিতে নির্মাণ হচ্ছে জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- জাপানের সুমিতমো করপোরেশন ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) যৌথভাবে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে।

উৎস: BSEZ ওয়েবসাইট।
১৬.
বাংলাদেশে কয়টি রাবার জোন রয়েছে? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ৩টি 
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৩টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি 
ব্যাখ্যা

রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

উল্লেখ্য,
- বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- বাংলাদেশে রাবার জোন রয়েছে ৩টি। এগুলো হলো: বৃহত্তর চট্টগ্রাম, সিলেট এবং টাঙ্গাইল - শেরপুর।
- ৩টি জোনে মোট রাবার বাগান ১৮টি; এর মধ্যে চট্টগ্রামে ৯টি, সিলেট জোনে ৪টি এবং টাঙ্গাইল-শেরপুর জোনে ৫টি।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৭.
বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস কোনটি?
  1. তানিয়া গার্মেন্টস
  2. নাহার গার্মেন্টস
  3. রিয়াজ গার্মেন্টস
  4. সুভা গার্মেন্টস
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়াজ গার্মেন্টস
ব্যাখ্যা

রিয়াজ গার্মেন্টস:
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানি করেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসি মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রাঁ, বাংলাদেশি টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- রিয়াজ গার্মেন্টস দেশের প্রথম রপ্তানিকারক গার্মেন্টস।

- বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটি টিকে না থাকলেও পোশাকশিল্পের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন ও তাঁর রিয়াজ গার্মেন্টসের নাম।

উৎস: প্রথম আলো।

১৮.
বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়নগঞ্জ
  2. চট্টগ্রাম
  3. খুলনা
  4. কক্সবাজার
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
• খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড:
খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (KSY) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বাধীন সরকারি বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশ নৌবাহিনী দ্বারা পরিচালিত ও পরিচালিত হয়।
- অবস্থান - খুলনার রূপসা নদীর পশ্চিম তীরে।
- ইস্ট পাকিস্তান ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশন (ইপিআইডিসি) এর তত্ত্বাবধানে ১৯৫৪ সালে কেএসওয়াই-এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।
- জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতের লক্ষ্যে ২৭ নভেম্বর ১৯৫৭ সালে চালু করা হয়।

তথ্যসূত্র: KSY ওয়েবসাইট।
১৯.
ওষুধ শিল্পে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশের 'অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট' (API) পার্ক কোথায় স্থাপিত হয়েছে?
  1. গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ
  2. সাভার, ঢাকা
  3. ভালুকা, ময়মনসিংহ 
  4. মিরসরাই, চট্টগ্রাম
সঠিক উত্তর:
গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গজারিয়া, মুন্সীগঞ্জ
ব্যাখ্যা

'অ্যাক্টিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্ট' (API) পার্ক: 
- অবস্থান: মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায়।
- অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রিডিয়েন্ট (এপিআই) বা ওষুধ শিল্পপার্ক স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছিল ২০০৮ সালে।
- দেশে ওষুধের কাঁচামাল উৎপাদনের লক্ষ্যে এ শিল্পপার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল সরকার। 
- ২০১৮ সালের নভেম্বরে  এটি উদ্বোধন করা হয়।

উল্লেখ্য,
- এপিআই শিল্পপার্কে মোট ২৭টি ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানকে জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
- এর মধ্যে কারখানা স্থাপন করেছে মাত্র চারটি প্রতিষ্ঠান।
- তবে তাদের কেউই এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে উৎপাদন শুরু করতে পারেনি। 

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

২০.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানাটি বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. জামালপুর
  3. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  4. নরসিংদী
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নরসিংদী
ব্যাখ্যা
ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- দেশের ইউরিয়া সারের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে ১৯৭০ সালে নরসিংদী জেলার পলাশ উপজেলায় বার্ষিক ৩,৪০,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিঃ এবং ১৯৮৫ সালে বার্ষিক ৯৫,০০০ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপিত হয়।

উল্লেখ্য,
- ১২ নভেম্বর ২০২৩ তারিখে পরিবেশবান্ধব, জ্বালানি সাশ্রয়ী ও আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক এ কারখানার উদ্বোধন করা হয়।
- সার উৎপাদনের ক্ষমতা: বার্ষিক ৯ লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- বিসিক জানায়, কারখানাটি ৩০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
- ১১০ একর জমিতে কারখানাটি নির্মিত হবে।
- নির্মাণ ব্যয়: ১৫ হাজার ৫০০ কোটি টাকা।
- কারখানাটির দৈনিক সার উৎপাদন হবে ২ হাজার ৮০০ মেট্রিক টন।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম সার কারখানা, যেখানে প্রাথমিক পর্যায়ে ফ্লু গ্যাস থেকে পরিবেশদূষণকারী আহরণ করা হবে এবং ক্যাপচার করা কার্বন ডাই-অক্সাইড ব্যবহার করে ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধি করা হবে (প্রায় ১০ শতাংশ)।
- এটি দেশে ‘অত্যাধুনিক, শক্তি সাশ্রয়ী ও সবুজ’ সার কারখানা, যা ইউরিয়া সারের আমদানি কমিয়ে দেবে এবং কষ্টার্জিত বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করবে।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
২১.
বাংলাদেশ কত সালে ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ে নেটওয়ার্ক চুক্তি স্বাক্ষর করে?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৭ সালে
  3. ২০০৬ সালে
  4. ২০০৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৭ সালে
ব্যাখ্যা

- ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়েতে যুক্ত হতে ২০০৭ সালে চুক্তি করে বাংলাদেশ। 
- এ নেটওয়ার্কের অন্যতম উদ্দেশ্য হলো ভারত, বাংলাদেশ, মিয়ানমার, চীন, মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোর মধ্যে সহজেই পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা।
- রেল নেটওয়ার্কটিতে যোগ দিতে পদ্মা সেতু, পদ্মা সেতু রেল সংযোগ, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের মতো প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ।
- গত দেড় দশকে এ বহুপক্ষীয় নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে রেল অবকাঠামো উন্নয়নে প্রায় ১ লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে বাংলাদেশ।

উৎস: পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয় এবং ডেইলি স্টার বাংলা।

২২.
যমুনা সার কারখানা কী উৎপাদন করে?
  1. টিএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. ইউরিয়া ও টিএসপি
  4. টিএসপি ও এসএসপি
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরিয়া
ব্যাখ্যা
যমুনা সার কারখানা: 
- যমুনা সার কারখানা জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে অবস্থিত।
- পূর্বানুমতি নিয়ে পর্যটকদের সার উৎপাদন প্রক্রিয়া দেখার সুযোগ রয়েছে।
- যমুনা সার কারখানা দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদন করে। 
- ৩১ ডিসেম্বর, ১৯৯১ সালে এ কারখানায় পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয় এবং ১ জুলাই, ১৯৯২ থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু করে।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত ও পরিচালিত একটি ভারী শিল্প প্রতিষ্ঠান।

উৎস: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৩.
বাংলাদেশের প্রথম LNG টার্মিনাল কোথায় অবস্থিত?
  1. কুতুবদিয়া
  2. মহেশখালী
  3. সীতাকুন্ড
  4. আনোয়ারা
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম LNG টার্মিনাল:
- Excelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) কর্তৃক স্থাপিত MLNG টার্মিনাল।
- চুক্তি স্বাক্ষর : ১৮ জুলাই, ২০১৬।
- বাস্তবায়ন : Build Own Operate and Transfer (BOOT) ভিত্তিতে।
- অবস্থান : কক্সবাজারের মহেশখালীতে।
- Floating Storage Re-gasification Unit (FSRU) এর নাম : Excellence।
- আকার: দৈর্ঘ্যে ২৭৭ মিটার, প্রস্থে ৪৪ মিটার এবং ড্রাফট ১২.৫ মিটার।
- ধারনক্ষমতা: ১৩৮,০০০ ঘনমিটার।
- রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি: ৫০০ এমএমএসসিএফডি।
- চুক্তির মেয়াদ : ১৫ বছর (২০১৮-২০৩২)।
- গ্যাস সরবরাহ শুরু: ১৯ আগষ্ট, ২০১৮।
- শুরু থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিমান: ৫৯৭,৭৮৬.৭১ এমএমএসসিএফ।
- টার্মিনাল হস্তান্তর: ১৫ বছর পর কোন ধরনের চার্জ গ্রহন ব্যাতিত FSRU টি EEBL পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করবে।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড।

২৪.
KAFCO-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Karnaphuli Agro Fertilizer Company Organization
  2. Karnaphuli Fertilizer Company Limited
  3. Karnafuli Ammonia Fertilizer Corporation
  4. Karnaphuli Agrochemical Fertilizer Corporation
সঠিক উত্তর:
Karnaphuli Fertilizer Company Limited
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Karnaphuli Fertilizer Company Limited
ব্যাখ্যা

KAFCO:
- KAFCO- এর পূর্ণরূপ: Karnaphuli Fertilizer Company Limited.

⇒ কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো) দেশের সর্ববৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ বহুজাতিক যৌথউদ্যোগ প্রকল্প।
- এটি অ্যামোনিয়া/ইউরিয়া সার প্রস্ত্ততের রপ্তানিমুখী কারখানা।
- এটি একটি ১০০% রপ্তানিমুখী আন্তর্জাতিক যৌথ উদ্যোগ কোম্পানি।
- এটি চট্টগ্রামের রাঙ্গাদিয়া, কর্ণফুলী, চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর ঠিক পাশে অবস্থিত। 
- বাংলাদেশ, জাপান, ডেনমার্ক এবং নেদারল্যান্ডসের সরকার এবং বেসরকারি খাতের শেয়ারহোল্ডিং এবং সহায়তায় বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত, কাফকো বাংলাদেশের বৃহত্তম যৌথ উদ্যোগ বিনিয়োগ।
- কাফকো বিশ্বের অনেক দেশে তার পণ্য বাজারজাত করে।
- KAFCO কমপ্লেক্স উচ্চ-গ্রেডের দানাদার ইউরিয়া এবং অ্যানহাইড্রাস অ্যামোনিয়া তৈরি করে।

উল্লেখ্য,
- কাফকোর কর্পোরেট অফিস বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।

উৎস: KAFCO ওয়েবসাইট।

২৫.
দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা কয়টি?
  1. ৭৬টি
  2. ৮২টি
  3. ৮৪টি
  4. ৮৮টি
সঠিক উত্তর:
৮২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮২টি
ব্যাখ্যা

বিসিক শিল্পনগরীসমুহের অবদান:
- দেশে মোট বিসিক শিল্পনগরীর সংখ্যা ৮২টি।
- সারাদেশে অবস্থিত বিসিকের ৮২টি শিল্পনগরীতে ফেব্রুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত মোট ৬,১৩৫টি শিল্প ইউনিটের অনুকূলে ১১,১৭৪টি প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে, এর মধ্যে ৪,৬২৭টি ইউনিট বর্তমানে উৎপাদনরত আছে।
- ৮২টি শিল্পনগরীতে জুন ২০২৩ পর্যন্ত স্থাপিত শিল্প- কারখানাসমূহে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৫,৩৯৪.৯৯ কোটি টাকা।
- ২০২২-২৩ অর্থবছরে শিল্প কারখানাগুলাতে মোট ৬৩,৭১৬.৮৭ কোটি টাকার পণ্য উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ৩৩,০৪৬.০৫ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে।
- বিদেশে রপ্তানিকৃত এসব পণ্য সামগ্রীর মধ্যে বেশির ভাগই হচ্ছে হোসিয়ারি ও নীটওয়্যার শিল্প খাত থেকে।

উৎস: বিসিক শিল্প নগরী ওয়েবসাইট।

২৬.
সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্রটি কোথায় অবস্থিত?
  1. বান্দরবান
  2. খাগড়াছড়ি
  3. রাঙ্গামাটি
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাগড়াছড়ি
ব্যাখ্যা
• সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র:
- সেমুতাং গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশে খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছরি উপজেলায় অবস্থিত একটি গ্যাসক্ষেত্র।
- এই গ্যাস কুপটি ছিল পরিত্যাক্ত। ১৯৬০-এর দশকে মানিকছড়িতে সেমুতাং গ্যাস ফিল্ড আবিষ্কৃত হওয়ার পর তখনকার পাকিস্তান অয়েল এন্ড গ্যাস ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি চারটি কূপ খনন করে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানী লিঃ।
২৭.
বাংলাদেশে ব্যাংক রেট নির্ধারণ করে কে?
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. বাংলাদেশ ব্যাংক
  3. শিল্প মন্ত্রণালয়
  4. বাংলাদেশ সংসদ
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ব্যাংক
ব্যাখ্যা
ব্যাংক রেট:
- ব্যাংক রেট হলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে বাণিজ্যিক ব্যাংকের (দীর্ঘমেয়াদি) গৃহীত ঋণের সুদ হার।
- বাংলাদেশ ব্যাংক মাসিক ভিত্তিতে ব্যাংক হার/রেট নির্ধারণ করে থাকে।
- বাংলাদেশে এই হার ব্যাংক হার নামেই পরিচিত।
- মুদ্রানীতির উপর ভিত্তি করে এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বাংলাদেশ ব্যাংক এই হার পর্যালোচনা করে।
- ২০১৯ সালে ব্যাংক রেট ৫% ছিল।
- ২০২৩ সালের মুদ্রানীতিতে ব্যাংক রেট ৪% করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
২৮.
পায়রা সমুদ্র বন্দর দেশের কততম সমুদ্র বন্দর?
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. চতুর্থ
  4. তৃতীয়
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা
• পায়রা বন্দর: 
- বাংলাদেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর পায়রা।
- পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার রাবনাবাদ চ্যানেলের তীরে অবস্থিত।
- ১৩ আগস্ট ২০১৬ সালে সীমিত পরিসরে পায়রা বন্দরের কার্যক্রম শুরু হয়।
- সেপ্টেম্বর ২০১৯ থেকে নিয়মিতভাবে কয়লা ও অন্যান্য পণ্যবাহী জাহাজ এই বন্দরে আগমন করছে।
- নেদারল্যান্ডসভিত্তিক প্রতিষ্ঠান রয়েল হাসকনিংডিএইচভি এর মাধ্যমে বন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রস্তুত হয়েছে।
- রাবনাবাদ চ্যানেলে মূল খনন (ক্যাপিটাল ড্রেজিং) চলছে।

উল্লেখ্য, 
- চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের প্রধান সামুদ্রিক বন্দর।
- এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত।
- ইংরেজ শাসনের প্রথম দিকে ইংরেজ ও দেশীয় ব্যবসায়ীরা বার্ষিক এক টাকা সেলামির বিনিময়ে নিজ ব্যয়ে কর্ণফুলি নদীতে কাঠের জেটি নির্মাণ করেন।
- ১৮৬০ খ্রিস্টাব্দে প্রথম দুটি অস্থায়ী জেটি নির্মিত হয়।
- ১৯৫৪ সালের ২০শে জুন মোংলা বন্দর নামকরন করা হয়।
- ১৯৮৭ সালের মার্চ মাসে এটি নাম পরিবর্তনপূর্বক "মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ” হিসেবে যাত্রা শুরু করে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৯.
জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে, কুটির শিল্পে সর্বোচ্চ জনবল কত হতে পারে?
  1. ১০ জন
  2. ১২ জন
  3. ১৫ জন
  4. ২০ জন
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় শিল্পনীতি:
- সর্বশেষ জাতীয় শিল্পনীতি ২০২২ অনুসারে এসএমই ও অন্যান্য শিল্প প্রতিষ্ঠান/উদ্যোগ এর শ্রেণিবিন্যাস -

⇒ কুটির শিল্প (Cottage Industry):
- ‘কুটির শিল্প’ (Cottage Industry) বলতে পরিবারের সদস্যদের প্রাধান্যভুক্ত সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১০ লক্ষ টাকার নীচে এবং যা পারিবারিক সদস্যসহ অন্যান্য সদস্য সমন্বয়ে গঠিত এবং সর্বোচ্চ জনবল ১৫ এর অধিক নয়।

অন্যদিকে, 
⇒ বৃহৎ শিল্প (Large scale industries): উৎপাদনের ক্ষেত্রে ‘বৃহৎ শিল্প’ (Large Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতীত স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ (Replacement Cost) ৫০ কোটি টাকার অধিক কিংবা তৈরী পোশাক/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠান ব্যতীত যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ৩০০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

⇒ মাঝারি শিল্প (Medium scale industries): ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘মাঝারি শিল্প’ (Medium Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ১৫ কোটি টাকা থেকে ৫০ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ১২১-৩০০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। তবে তৈরি পোশাক প্রতিষ্ঠান/শ্রমঘন শিল্প প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে মাঝারি শিল্পে শ্রমিকের সংখ্যা সর্বোচ্চ ১০০০ জন।

⇒ ক্ষুদ্র শিল্প (Small industries): ম্যানুফ্যাকচারিং এর ক্ষেত্রে ‘ক্ষুদ্র শিল্প’ (Small Industry) বলতে সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝাবে যেসব প্রতিষ্ঠানে জমি এবং কারখানা ভবন ব্যতিরেকে স্থায়ী সম্পদের মূল্য প্রতিস্থাপন ব্যয়সহ ৭৫ লক্ষ টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা কিংবা যেসব শিল্প প্রতিষ্ঠানে ২৬-১২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে।

উৎস: ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প ফাউন্ডেশন ওয়েবসাইট।

৩০.
শেওলা স্থলবন্দর কোথায় অবস্থিত?
  1. বিরল, দিনাজপুর
  2. শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. পাটগ্রাম, লালমনিরহাট
  4. বিয়ানীবাজার, সিলেট
সঠিক উত্তর:
বিয়ানীবাজার, সিলেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিয়ানীবাজার, সিলেট
ব্যাখ্যা
• শেওলা স্থলবন্দর: 
- বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত;
- শেওলা স্থলবন্দর সিলেট জেলার বিয়ানীবাজার উপজেলার দুবাগ ইউনিয়নের কোনাগ্রাম সীমান্তে অবস্থিত।
- এর বিপরীতে ভারতের আসাম রাজ্যের করিমগঞ্জ জেলার সুতারকান্দি আইসিপি।
- ৩০ জুন ২০১৫ তারিখ শেওলা শুল্ক স্টেশনকে স্থলবন্দর ঘোষণা করা হয়।
- ০৭ জুন ২০২৩ তারিখ বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী ঢাকা হতে শেওলা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৯০ কি.মি.।

→ কয়েকটি বিখ্যাত স্থলবন্দর:
- বেনাপোল: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- টেকনাফ: টেকনাফ, কক্সবাজার;
- বুড়িমারী: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট;
- আখাউড়া: আখাউড়া, ব্রাহ্মণবাড়িয়া;
- ভোমরা: ভোমরা, সাতক্ষীরা;
- দর্শনা: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা;
- বাংলাবান্ধা: তেঁতুলিয়া, পঞ্চগড়;
- সোনামসজিদ: শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ;
- হিলি: হাকিমপুর, দিনাজপুর;
- বিরল: বিরল, দিনাজপুর;
- তামাবিল: গোয়াইনঘাট, সিলেট:
- বিলোনিয়া: বিলোনিয়া, ফেনী;
- নাকুগাঁও: নালিতাবাড়ী, শেরপুর;
- শেওলা: বিয়ানীবাজার, সিলেট।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৩১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয়?
  1. সুতা
  2. ভোজ্যতৈল
  3. তৈলবীজ
  4. তুলা
সঠিক উত্তর:
তুলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলা
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে: 
- একক পণ্য হিসেবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তুলা।

• শিল্পজাত পণ্য হিসাবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী (৩২৭১মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সার (২০৯৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- তৃতীয় সর্বোচ্চ সুতা (২০৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার)।

• প্রাথমিক পণ্য হিসাবে সর্বোচ্চ আমদানি করা হয় তুলা  (২,২৩৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গম (১১৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),
- তৃতীয় সর্বোচ্চ তৈলবীজ (৭২২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার),

• সর্বমোট আমদানি করা হয় - ৪৪,১০৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৩২.
বিবিএস-এর শ্রমশক্তি জরিপ-২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির কত শতাংশ নারী?
  1. ৩৩.৪ শতাংশ
  2. ৪৪.২ শতাংশ
  3. ৪৮.৪ শতাংশ
  4. ৫৫.৩ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৪৪.২ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৪.২ শতাংশ
ব্যাখ্যা

নারী শ্রমশক্তি:
- ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
- বিবিএস-এর শ্রমশক্তি জরিপ-২০২৪ অনুযায়ী, দেশের মোট শ্রমশক্তির ৪৪.২ শতাংশ নারী।
- তবে এই ৪৪ দশমিক ২ শতাংশের মধ্যে প্রায় ৯৬.৬ শতাংশ নারী অনানুষ্ঠানিক খাতে কর্মরত (বিশ্বব্যাংক, ২০২৪)। অর্থাৎ তাঁরা কৃষি, গৃহকর্ম, চা-বাগান, গৃহকেন্দ্রিক কাজ, দোকান বা ছোট উৎপাদন ইউনিটে কাজ করেন, যেগুলো শ্রম আইন বা সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আসেনি।
- বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশ আসে তৈরি পোশাকশিল্প থেকে, যেখানে কাজ করেন প্রায় ৪০ লাখ নারী। 
- গ্রামীণ অর্থনীতিতে নারীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও কৃষিজমির মালিকানায় তাঁদের অংশ মাত্র ১২ শতাংশ (বিবিএস, ২০২৩)।
- বাংলাদেশে প্রায় ২০ লাখ নারী গৃহকর্মীর কাজ করেন (ডমেস্টিক ওয়ার্কার্স রাইটস নেটওয়ার্ক, ২০২৩)।
- চা-বাগানশ্রমিকদের মধ্যে ৭০ শতাংশ নারী।
- নির্মাণশিল্পে নারী শ্রমিকদের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু নিরাপত্তা ও মর্যাদা কমছে (আইএলও-বিজিএমইএ রিপোর্ট, ২০২৪ অনুযায়ী), নির্মাণ সাইটে নারী শ্রমিকদের মধ্যে ৬০ শতাংশ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম পান না। 

⇒ শ্রমশক্তি জরিপ ২০২৪ অনুসারে,
- কৃষি খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৪৪.৬৭%।
- শিল্প খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ১৭.৩৭%।
- সেবা খাতে নিয়োজিত জনশক্তির পরিমাণ ৩৭.৯৬%।

উৎস: i) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।
ii) প্রথম আলো।

৩৩.
BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ১১টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

• BCIC-এর অধীনে সার কারখানার সংখ্যা -৭টি

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (BCIC):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে ১১টি  শিল্প কারখানা চালু রয়েছে।

• চালু কারখানাগুলোর মধ্যে:
• ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
• ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
• টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
• কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
• সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
• গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
• স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট। 

৩৪.
নিচের কোন বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা বেশি?
  1. বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
  2. রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  3. রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
  4. মাতারবাড়ি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র
ব্যাখ্যা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বাংলাদেশের একমাত্র পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এটি পাবনা জেলায় অবস্থিত। 
- দেশে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয় ১৯৬১ সালে।
- পাবনা জেলার রূপপুরে প্রকল্প এলাকার জন্য প্রায় ২৬০ একর জমি এবং বৈদ্যুতিক সাব-ষ্টেশন নির্মাণসহ ৭২টি আবাসিক ইউনিটের নির্মাণ কাজও আংশিকভাবে সম্পন্ন করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।
- ৩০ নভেম্বর ২০১৭ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নং ইউনিটের প্রথম কংক্রিটের উদ্বোধন করা হয়।
- এর মোট উৎপাদন ক্ষমতা (১২০০×২) ২৪০০ মেগাওয়াট।
 
অন্যদিকে,
• বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র। দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তগত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।

• রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র: 
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত।
- এটি একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- উৎপাদন ক্ষমতা: ১,৩২০ (২×৬৬০) মেগাওয়াট(সুপার ক্রিটিক্যাল প্রযুক্তি)।

• মাতারবাড়ি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- মাতারবাড়ি তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের একটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলায় মাতারবাড়ী ও ধলঘাটা ইউনিয়নে অবস্থিত।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা: ১২০০ মেগাওয়াট।

উৎস: i) বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
          ii) বিবিসি বাংলা।

৩৫.
"নাকুগাঁও স্থলবন্দর" বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. শেরপুর
  2. যশোর
  3. লালমনিরহাট
  4. চুয়াডাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
শেরপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শেরপুর
ব্যাখ্যা
নাকুগাঁও স্থলবন্দর: 
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত একটি স্থলবন্দর,
- এটা শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায় অবস্থিত।
- এই স্থলবন্দরটি ভারতের মেঘালয় রাজ্যের পশ্চিম গারো পাহাড় জেলার ডালু সীমান্তের কাছাকাছি অবস্থিত।

বিভিন্ন স্থলবন্দর:

- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট, সিলেট।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।

সূত্র: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৩৬.
দেশের সর্বশেষ আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রটি কোন জেলায় অবস্থিত? [ জানুয়ারি, ২০২৬]
  1. সিলেট
  2. ভোলা 
  3. জামালপুর 
  4. লক্ষিপুর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জামালপুর 
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশের সর্বশেষ  আবিষ্কৃত ৩০তম গ্যাসক্ষেত্র জামালপুরের মাদারগঞ্জে আবিষ্কৃত হয়েছে।
- এই গ্যাসক্ষেত্রটি তারতাপাড়া গ্রামের কাছে শনাক্ত করা হয়েছে।

- তারতাপাড়া গ্রামে নতুন কূপ খননের পর প্রাথমিক পরীক্ষায় গ্যাসের সন্ধান পাওয়া গেছে। 
- এই কূপ থেকে প্রতিদিন ৭.৩ মিলিয়ন ঘনফুট হারে গ্যাস উৎপন্ন হচ্ছে।
- কাজটি পরিচালনা করেছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)।
-  এটি দেশের গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে বর্তমানে ২৯টি চলমান প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে। 
- সর্বশেষ আবিষ্কৃত চলমান গ্যাসক্ষেত্রের নাম হলো ভোলা জেলার ইলিশা-১ (Ilisha-1)।
- ইলিশা-১- ২০২২ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ২০২৩ সালের মে মাসে এর আবিষ্কারের ঘোষণা দেওয়া হয়। 
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
- ভোলা নর্থ গ্যাসক্ষেত্রের পরে ভোলার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার এই ইলিশা-১।
- এর আগে ভোলায় 'ভোলা নর্থ' এবং 'শাহবাজপুর' নামে আরও দুটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো।[লিঙ্ক]

৩৭.
বাংলাদেশের তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' রপ্তানি হয়েছে-
  1. ডেনমার্কে
  2. নরওয়েতে
  3. ফিনল্যান্ডে
  4. সুইডেনে
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্কে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেনমার্কে
ব্যাখ্যা

• জাহাজ রপ্তানি:
-বাংলাদেশ থেকে জাহাজ রপ্তানি শুরু হয় ২০০৮ সালে।
- ঢাকার আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে ‘এমভি স্টেলা মরিস‘ নামের ছোট আকারের জাহাজ রপ্তানি করে।
- এর পরেই যুক্ত হয় চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড।

• আনন্দ শিপইয়ার্ড:
- আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মেঘনাঘাটে অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশের প্রথম শিপইয়ার্ড।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার নয়াপল্টনে অবস্থিত।
- এটি ১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটির শিপইয়ার্ডের আয়তন প্রায় ৮০ হাজার বর্গমিটার।
- ২০০৮ সালে আনন্দ শিপইয়ার্ড ডেনমার্কে প্রথম স্টেলা মেরিস নামে জাহাজ রপ্তানি করে।
- প্রতিষ্ঠানটি ডেনমার্ক, জার্মান, নরওয়ে ও মোজাম্বিকসহ বিভিন্ন দেশে জাহাজ রপ্তানি করে।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশে প্রথম যুদ্ধ জাহাজ নির্মাণ করে খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড।
- বাংলাদেশের প্রধান জাহাজ নির্মাণ কারখানা খুলনায় অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: 
i) আনন্দ শিপইয়ার্ড এন্ড স্লিপওয়ে লিমিটেড ওয়েবসাইট। 
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।
iii) দৈনিক প্রথম আলো। 

৩৮.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের শীর্ষস্থানীয় ক্রেতা 'H&M' কোন দেশভিত্তিক প্রতিষ্ঠান?
  1. ডেনমার্ক
  2. নেদারল্যান্ডস
  3. সুইডেন
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুইডেন
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

পোশাকের শীর্ষ ক্রেতা:

- জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও ক্রেতাদের তথ্য অনুয়ায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে কয়েক হাজার ক্রেতার কাছে ৩ হাজার ৬৩৭ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। তার মধ্যে শীর্ষ ১০ ক্রেতা প্রতিষ্ঠান ১ হাজার ৫০ কোটি ডলারের পোশাক কিনেছে। অর্থাৎ মোট রপ্তানির ২৯ শতাংশই নিয়েছে এই ১০ বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান। তারা বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক নিয়ে মূলত বড় বাজারগুলোতে বিক্রি করছে। বাংলাদেশি পোশাকের বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।

⇒ বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের শীর্ষ ১০ ক্রেতার তালিকায় এইচঅ্যান্ডএম, ইন্ডিটেক্স ও প্রাইমার্কের পরে আছে ডেনমার্কের বেস্টসেলার, যুক্তরাজ্যের মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার, নেদারল্যান্ডসের সিঅ্যান্ডএ, জাপানের ইউনিক্লো, পোল্যান্ডের এলপিপি, যুক্তরাজ্যের নেক্সট ও পোল্যান্ডের পেপকো। 

• শীর্ষ ক্রেতা H&M:
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় ক্রেতা সুইডেনের বহুজাতিক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান H&M।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিশ্বের ৪৪টি দেশের সহস্রাধিক আউটলেটে ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পোশাক তুলেছে এই কোম্পানি।
- বাংলাদেশে তৈরি এইচঅ্যান্ডএমের পোশাক বেশি বিক্রি হচ্ছে পোল্যান্ড, জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্রে।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২৫৯ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক কিনেছে এইচঅ্যান্ডএম।
- বাংলাদেশের দুই শতাধিক কারখানা থেকে এই পোশাক কিনেছে তারা। 

এছাড়াও,
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের দ্বিতীয় শীর্ষ ক্রেতা ইন্ডিটেক্স। স্পেনের বহুজাতিক এই কোম্পানি প্রতিবছরই বাংলাদেশ থেকে পোশাক কেনা বাড়াচ্ছে। গত অর্থবছরে বাংলাদেশ থেকে ২১৮ কোটি ডলারের পোশাক কিনেছে ইন্ডিটেক্স। এর আগে তারা বাংলাদেশ থেকে এক অর্থবছরে দুই বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক কেনেন।

উৎস: প্রথম আলো।
৩৯.
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের কয়টি গ্যাস​ক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলিত হচ্ছে? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. ২০টি
  2. ২১টি
  3. ২২টি
  4. ২৫টি
সঠিক উত্তর:
২০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০টি
ব্যাখ্যা

গ্যাসক্ষেত্র:
- পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, দেশে বর্তমানে ২৯টি গ্যাসক্ষেত্র রয়েছে, এর মধ্যে উৎপাদনে আছে ২০টি।
- উত্তোলন শুরু হয়নি ৪টি। সেগুলো হলো: ভোলার ইলিশা ও ভোলা নর্থ, সিলেটের জকিগঞ্জ এবং কুতুবদিয়া।
- উত্তোলনযোগ্য গ্যাস শেষ ৫টি। খনিগুলো হলো: নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, সিলেটের ছাতক, গাজীপুরের কামতা, ফেনী ও সাংগু (চট্টগ্রাম)।

উল্লেখ্য,
- ২০২৪ সালের ১ জুলাইয়ের হিসাবে, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাসে অবশিষ্ট মজুত আছে প্রায় ২ টিসিএফ। হবিগঞ্জের বিবিয়ানায় আছে ১ দশমিক ৬৬ টিসিএফ। সিলেটের মৌলভীবাজারে আছে প্রায় ২০ বিসিএফ (বিলিয়ন বা শতকোটি ঘনফুট) গ্যাস। ৭০০ বিসিএফের কম মজুত আছে জালালাবাদে। সিলেটের বাখরাবাদ, কৈলাসটিলা, রশিদপুরসহ বাকি গ্যাসগুলোতেও মোটামুটি পরিমাণে গ্যাসের মজুত আছে।
- বর্তমানে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে দিনে ১৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা হয়।
এছাড়া,
- দেশের সবচেয়ে বড় গ্যাসক্ষেত্রে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস আবিষ্কৃত হয়েছিল ১৯৬২ সালে। সর্বশেষ বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া গিয়েছিল ১৯৯৮ সালে, সেটি সিলেটের বিবিয়ানা। বিবিয়ানা থেকেই এখন সবচেয়ে বেশি গ্যাস উত্তোলন করা হচ্ছে। এরপর আর কোনো বড় গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়নি। সর্বশেষ ২০২১ সালে সিলেটের জকিগঞ্জে একটি গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়। যদিও সেখানে মজুত মাত্র ৫২ বিসিএফ।

উৎস: প্রথম আলো।

৪০.
BSEC -এর অধীনে কয়টি শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে? 
  1. ৭টি 
  2. ৯টি 
  3. ৫টি 
  4. ১১টি 
সঠিক উত্তর:
৯টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি 
ব্যাখ্যা

 • Bangladesh Steel & Engineering Corporation (BSEC)
- বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান (জাতীয়করণ) অধ্যাদেশ ১৯৭২ (প্রেসিডেন্ট অর্ডার নং ২৭ অব ১৯৭২) অনুযায়ী বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন গঠন করা  হয়।
- বর্তমানে আইনটি বাংলাদেশ শিল্প প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ আইন, ২০১৮ নামে অভিহিত। প্রারম্ভিক ভাবে বাংলাদেশ স্টীল মিলস্ করপোরেশন ও বাংলাদেশ প্রকৌশল ও জাহাজ নির্মাণ করপোরেশনের নিয়ন্ত্রণাধীন ৬২টি শিল্প প্রতিষ্ঠান নিয়ে বিএসইসি কার্যক্রম শুরু করে।
- পরে বিএসইসি নিজস্ব উদ্যোগে ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ প্রতিষ্ঠা করে। 
- বর্তমানে করপোরেশনের ব্যবস্থাপনায় ৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠান চালু রয়েছে। 

• যেমন প্রতিষ্ঠানের নাম:
- প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ।
- জেনারেল ইলেকট্রিক ম্যানুঃ কোম্পানী লিঃ।
- ঢাকা স্টীল ওয়ার্কস লিঃ।
- ইস্টার্ন কেবলস লিঃ।
- ইস্টার্ন টিউবস লিঃ।
- গাজী ওয়্যারস লিঃ।
- ন্যাশনাল টিউবস লিঃ।
- এটলাস বাংলাদেশ লিঃ।
- বাংলাদেশ ব্লেড ফ্যাক্টরী লিঃ।

উৎস: বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন অফিসিয়াল ওয়েব সাইট।

৪১.
ইপিজেড (EPZ) কী?
  1. কৃষি উন্নয়ন অঞ্চল
  2. আন্তর্জাতিক বানিজ্য কেন্দ্র
  3. রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা
  4. পরিবহন নেটওয়ার্ক
সঠিক উত্তর:
রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড (Export Processing Zone) - রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা নামে পরিচিত। 

বাংলাদেশে ইপিজেডের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:

প্রতিষ্ঠা: বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
প্রথম ইপিজেড: প্রথম ইপিজেডটি চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় স্থাপন করা হয়, যার যাত্রা শুরু হয় ১৯৮৩ সালে।
মোট ইপিজেডের সংখ্যা:র্তমানে বাংলাদেশে মোট ৯টি ইপিজেড রয়েছে, যার মধ্যে ৮টি সরকারি এবং ১টি বেসরকারি।

সরকারি ইপিজেডের বিবরণ:
সংখ্যা: বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেডের সংখ্যা ৮টি।
অবস্থান: এগুলোর অবস্থান হলো:
• চট্টগ্রাম, 
• সাভার,
• মংলা (খুলনা), 
• উত্তরা (নীলফামারী), 
• ঈশ্বরদী (পাবনা), 
• কুমিল্লা, 
• কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম), 
• আদমজী (নারায়ণগঞ্জ)।

প্রতিষ্ঠা: এগুলো ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক সংসদে পাশ হওয়া আইনবলে ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
ব্যবস্থাপনা: বাংলাদেশের ইপিজেড সমূহের ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ করে BEPZA (বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ)।
কৃষিভিত্তিক ইপিজেড: দেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড হলো উত্তরা, যা নীলফামারীতে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র:
• BEPZA ওয়েবসাইট, 
• বাংলাপিডিয়া।
৪২.
বাংলাদেশের সবুজ কারখানার সংখ্যা কতটি?
  1. ১৯০টি
  2. ১৯৮টি
  3. ২১৮ টি
  4. ২২১টি
সঠিক উত্তর:
২১৮ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১৮ টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে লিড সনদপ্রাপ্ত মোট সবুজ কারখানার সংখ্যা  ২১৮ টি  (১ জুন, ২০২৪) । 
- যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল’ (USGBC) এই সনদ দেয়।
- শিল্পকারখানার ভবন নির্মাণ থেকে পণ্য উৎপাদন পর্যন্ত সব পর্যায়ে পরিবেশ সুরক্ষার বিষয়টি ভালোভাবে বিশ্লেষণ করে সর্বোচ্চ মানের কারখানাকে এই সনদ দেয় তারা।
- এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেটপ্রাপ্ত ১০০ লিড কারখানার মধ্যে ৫৪টিই রয়েছে বাংলাদেশে। 

- বর্তমানে  তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানিমুখী শিল্পখাত।
- ডব্লিউটিও'র বর্তমান বৈশ্বিক হিসেবে মোট পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশের দখলে ৬.৪ শতাংশ।
- দেশে বর্তমানে রপ্তানিমুখী ৪,১১৪টি তৈরি পোশাক কারখানা রয়েছে। 

তথ্যসূত্র - বিজিএমইএ ওয়েবসাইট ও ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।[লিঙ্ক]
৪৩.
চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. সুন্দরবনের গেওয়া গাছের পাতা
  2. গর্জন, সেগুন ও চাপালিশ গাছের বাকল
  3. সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
  4. সুন্দরবনের গোলপাতা
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল
ব্যাখ্যা
• চামড়া শিল্প:
- সুন্দরবনের গরান ও বাবুল গাছের বাকল চামড়া পাকা করার জন্য চামড়া শিল্পে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়াও -
বাঘ, হরিণ, গুইসাপ, অজগর সাপ প্রভৃতি প্রাণীর চামড়াও শিল্পের কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে -
• কাগজ শিল্প:
- রাঙ্গামাটি জেলার কর্ণফুলী কাগজের কল স্থানীয় বাঁশ সম্পদের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
সুনামগঞ্জের ছাতকে অবস্থিত কাগজ ও মন্ড তৈরির কারখানাটি সিলেটের সাবাই ঘাসকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪.
নির্মিতব্য 'ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. লালমনিরহাট
  2. নীলফামারি
  3. কুড়িগ্রাম
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল:
- নির্মিতব্য 'ভুটানিজ অর্থনৈতিক অঞ্চল' কুড়িগ্রাম জেলায় অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- উত্তরের সীমান্তবর্তী কুড়িগ্রাম জেলার সদর উপজেলায় ধরলা নদীর পাশে মাধবরাম গ্রামে গড়ে উঠতে যাচ্ছে 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল'।
- বাংলাদেশ ও ভুটান সরকারের যৌথ উদ্যোগে কুড়িগ্রামে জিটুজি-ভিত্তিক প্রস্তাবিত 'ভুটান বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল' দ্রুত বাস্তবায়ন হবে।
- চর মাধবরাম এলাকায় ১৩৩ দশমিক ৯২ একর জমি ভুটানকে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের জন্য বেজার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
- এরই ধারাবাহিকতায় ভুটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ধরলা নদীর পাড়ে এই বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল হচ্ছে।

উৎস: প্রথম আলো।
৪৫.
বাংলাদেশে বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোঃ লিমিটেড
  2. টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড
  3. ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি
  4. ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি
ব্যাখ্যা
• ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পিএলসি:
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) নরসিংদী জেলাস্থ পলাশ উপজেলায় ঘোড়াশাল পৌরসভার অন্তর্গত খানেপুর মৌজায় অবস্থিত।
- পূর্বেকার ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (ইউএফএফএল) এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড (পিইউএফএফএল) একীভূত করে গত ০১-০৭-২০২১ খ্রি. তারিখ থেকে ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী (জিপিএফপিএলসি) গঠিত হয়।
----------------------------------------------------------
• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন এর অধিনে সারকারখানা সমূহ:
- ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী।
- শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোঃ লিমিটেড।
- চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড।
- যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড।
- আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ
- টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটিড।
- ডিএপি ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ।

উৎস: BCIC.
৪৬.
কোন সিটি কর্পোরেশন দেশে প্রথমবারের মতো বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে?
  1. ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
  2. ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
  3. চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন
  4. নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন
সঠিক উত্তর:
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
ব্যাখ্যা

আমিনবাজার বর্জ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প:
- বাংলাদেশের প্রথম বর্জ্য থেকে শক্তি বিদ্যুৎ কেন্দ্র আমিনবাজার বর্জ্য বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প।
- ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় আমিনবাজার ল্যান্ডফিলে দেশে প্রথমবারের মতো বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রকল্প নেওয়া হয়।

উল্লেখ্য,
- তুরাগ নদের কাছাকাছি আমিনবাজার এলাকায় বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের কাজ শুরু হয়েছে।
- প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে চায়না মেশিনারি ইঞ্জিনিয়ারিং করপোরেশন (সিএমইসি)।
- ২০২১ সালের ১ ডিসেম্বর সিএমইসির সঙ্গে চুক্তি সই করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিপিডিবি)।
- প্রকল্পটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা: ৪২.৫ মেগাওয়াট।
- প্রকল্পটির নির্মাণ ব্যয়:  ১৫ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা।
- ২০২৬ সালের মধ্যে এ প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।

⇒ এই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রতি দিন ৩ হাজার টন বর্জ্য পোড়ানোর মাধ্যমে ৪২ দশমিক ৫ মেগা ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।
- বর্জ্য পোড়ানোর ফ্লাই অ্যাশ বা ছাই সিমেন্ট কারখানায় সিমেন্ট তৈরির উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা যাবে।
- বটম অ্যাশ সড়ক নির্মাণের কাজে ব্যবহৃত হবে।
- এ কেন্দ্র থেকে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা (প্রতি ইউনিট) বিদ্যুৎ ১৮.২৯৫ টাকার সমপরিমাণ ২১ দশমিক ৭৮ সেন্ট দিয়ে কিনবে বিপিডিবি।

উৎস: i) Business Insider.
ii) প্রথম আলো।

৪৭.
বর্তমানে দেশের চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
  1. ৫৭ শতাংশ 
  2. ৬৬ শতাংশ 
  3. ৮৭ শতাংশ 
  4. ৯৮ শতাংশ 
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ 
ব্যাখ্যা

ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ওষুধ রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ২১৩ মিলিয়ন ডলার।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
- সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
- ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
- ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

উৎস: i) প্রথম আলো।
         ii) The Daily Star Bangla.

৪৮.
বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার কোথায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. চট্টগ্রাম
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড বাংলাদেশের একমাত্র তেল শোধনাগার।
- এটি চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- এটি ১৯৬৮ সালের ৭ মে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন শুরু করে।
- এর বার্ষিক পরিশোধন ক্ষমতা ১৫ লক্ষ টন।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এটির শতভাগ শেয়ারের মালিক।
- বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ও সিঙ্গাপুরে অবস্থিত সেল ইস্টার্ন পেট্রোলিয়াম লিঃ কোম্পানির সাথে চুক্তিবদ্ধ হয়ে যৌথ প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ চট্টগ্রামস্থ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড-এ অপরিশোধিত খনিজ তেল ও পেট্রোলিয়াম শোধন করে। 
- এখানে উপজাত হিসেবে ন্যাপথা ও ফার্নেস তেল উৎপাদিত হয় যা দেশের চাহিদা পূরণের পর রপ্তানি করা হয়।

উৎস: বিপিসি ও ইআরএল ওয়েবসাইট; অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৯.
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে কোথায়?
  1. গোপালপুর
  2. জামালগঞ্জ
  3. মহাস্থানগড়
  4. রাণীগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গোপালপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গোপালপুর
ব্যাখ্যা
চীনামাটি:
- চীনামাটি কেওলিন কর্দম মণিক দ্বারা গঠিত উন্নতমানের  কর্দম; প্রধানত সিরামিক শিল্পে ব্যবহূত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে গৃহস্থালি সামগ্রী হিসেবে চীনামাটির তৈরী তৈজসপত্রের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
- বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।
- নেত্রকোনা জেলার বিজয়পুর ও গোপালপুরে, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলায়, চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও ও সাতকানিয়া উপজেলার বাইতুল ইজ্জতে চীনামাটির মজুত রয়েছে।
- এ ছাড়া দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়া, বড়পুকুরিয়া ও দীঘিপাড়া এবং নওগাঁ জেলার পত্নীতলাতে ভূ-পৃষ্ঠের নিকটে চীনামাটি মজুতের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৫০.
ঔষধ শিল্প থেকে বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়?
  1. ৯০ শতাংশ
  2. ৯৫ শতাংশ
  3. ৯৮ শতাংশ
  4. ১০০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯৮ শতাংশ
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প: 
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়
- বর্তমানে শুধু মাত্র কিছু হাইটেক প্রোডাক্ট (ব্লাড বায়োসিমিলার প্রোডাক্ট, এন্টিক্যান্সার ড্রাগ, ভ্যাকসিন ইত্যাদি) আমদানি করা হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে। 
- সারা বিশ্বে বাংলাদেশের মানসম্পন্ন ঔষধ সুনাম অর্জন করেছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ ১৫৭টি দেশে রপ্তানি করছে এবং ঔষধ রপ্তানির পরিমাণ উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪
৫১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২৩ অনুযায়ী, প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?
  1. বাখরাবাদ
  2. শ্রীকাইল
  3. বিবিয়ানা
  4. তিতাস
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবিয়ানা
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৬৩৬৭ বি.ঘ.ফু)।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (পরিমাণ – ৫৭৫৫ বি.ঘ.ফু), এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – বিবিয়ানা (প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বি.ঘ.ফু)
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র – তিতাস (পরিমাণ – ৮১৪৮.৯ বি.ঘ.ফু) এটি ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলায় অবস্থিত। 

- দেশের উৎপাদনরত ২০টি গ্যাসক্ষেত্রের উৎপাদনরত কূপের সংখ্যা - ১০৭টি।
- এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি কূপ রয়েছে - বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রের; ২৬টি।
- দ্বিতীয় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের – ২২টি। 

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩।
৫২.
নিচের কোন উদ্ভিদ থেকে পেন্সিল তৈরি করা হয়?
  1. ধুন্দল গাছ
  2. গরান গাছ
  3. সুন্দরী গাছ
  4. গেওয়া কাঠ 
সঠিক উত্তর:
ধুন্দল গাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধুন্দল গাছ
ব্যাখ্যা

• ধুন্দল গাছ: 
- ধুন্দল গাছ হলো সুন্দরবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ম্যানগ্রোভ গাছ।
- সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অঞ্চলে ধুন্দল ব্যাপকভাবে জন্মায়।
- এটি সুন্দরবনের উদ্ভিদবৈচিত্র্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- এর কাঠ খুবই মূল্যবান।
- ধুন্দল গাছ মাঝারি আকারের এবং চিরহরিৎ, অর্থাৎ বছরের সব সময় সবুজ থাকে।
- এই গাছের আরেকটি পরিচিত নাম হলো ‘ক্যাননবল ট্রি’।
- ধুন্দল গাছকে “Puzzle Fruit Tree” ও বলা হয়।
- ধুন্দলের কাঠ শক্ত কিন্তু হালকা, তাই এটি সহজেই কাটা যায় এবং বিভিন্ন আকারে ছাঁচে ফেলা যায়।
- এই কারণে এটি পেন্সিল তৈরি করার জন্য উপযুক্ত।
- এছাড়াও, ধুন্দলের কাঠ নির্মাণ কাজ এবং নৌকা বানানোর কাজে ব্যবহার করা হয়, কারণ এটি ঘুন-পোকা প্রতিরোধী।
- ধুন্দল বিভিন্ন প্রাণীর খাদ্য ও আশ্রয়স্থল হিসেবে কাজ করে।
- তবে, কাঠ ও অন্যান্য ব্যবহার বেশি হওয়ায় এবং বন ধ্বংসের কারণে এই গাছের সংখ্যা কমে আসছে।  

অন্যদিকে, 
• গরান গাছের ছাল থেকে রং প্রস্তুত করা হয়।
• সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ হচ্ছে সুন্দরী। 
• গেওয়া কাঠ থেকে দিয়াশলাইয়ের কাঠি প্রস্তুত করা হয়। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 

৫৩.
রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মূল জ্বালানি হচ্ছে -
  1. ফার্নেস তেল
  2. ডিজেল
  3. কয়লা
  4. পারমাণবিক পদার্থ
সঠিক উত্তর:
কয়লা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কয়লা
ব্যাখ্যা
• রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে:
- রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ১৩২০ মেগাওয়াট।
- রামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্প বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার রামপালে অবস্থিত একটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি (প্রাঃ) লিমিটেড (বিআইএফপিসিএল)
- প্রকল্প ব্যয় - ১৬,০০০ কোটি টাকা।

→ তথ্যসূত্র: বিদ্যুৎ বিভাগ।
৫৪.
বিসিআইসির তথ্য অনুযায়ী, দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. আকিজ সিমেন্ট
  2. বসুন্ধরা সিমেন্ট
  3. ছাতক সিমেন্ট
  4. শাহ সিমেন্ট
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট
ব্যাখ্যা

ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- বিসিআইসির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ছাতক সিমেন্ট কারখানা দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এখানে ক্লিংকার ও সিমেন্ট উৎপাদন করা হয়। 

⇒ ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। 
- এটি ১৯৩৭ সালে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সাল হতে এটি ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে। 
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উল্লেখ্য,
- সিমেন্ট উৎপাদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্লিংকার।
- চুনাপাথর ও মাটি থেকে প্রাপ্ত ক্যালসিয়াম, সিলিকা, অ্যালুমিনা, আয়রন ইত্যাদিকে বিভিন্ন তাপমাত্রায় রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ক্লিংকার প্রস্তুত করা হয়।

উৎস: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৫৫.
বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক এবং বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা একত্রিত হয়ে গঠিত হয়-
  1. উত্তরা ব্যাংক পিএলসি
  2. অগ্রণি ব্যাংক পিএলসি
  3. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
  4. পূবালী ব্যাংক পিএলসি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি:
- বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিমিটেড (BDBL) গঠিত হয় ১৬ নভেম্বর ২০০৯ তারিখে Companies Act,
- 1994 অনুযায়ী একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে।
- এটি গঠিত হয় রাষ্ট্রীয় খাতে দুইটি উন্নয়নমূলক আর্থিক প্রতিষ্ঠানের (DFIs)- 
১) বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক (BSB) এবং
২) বাংলাদেশ শিল্প ঋণ সংস্থা (BSRS).

উৎস: বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক পিএলসি ওয়েবসাইট।
৫৬.
বাংলাদেশ প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়-
  1. সার কারখানায়
  2. সিমেন্ট কারখানায়
  3. বিদ্যুৎ উৎপাদনে
  4. রান্নার কাজে
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ উৎপাদনে
ব্যাখ্যা

• প্রাকৃতিক গ্যাসের ব্যবহার:
-  বাংলাদেশে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে।

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৭২.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (৪১.০০%),
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭০.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%),
- ক্যাপটিভ: ১৪৯.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৭%),
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ৯৭.৮ বিলিয়ন ঘনফুট। (১১.০০%)।

উল্লেখ্য,
- পেট্রোবাংলার তথ্যমতে দেশে গ্যাসক্ষেত্র ২৯টি।
- উত্তোলনরত ২০টি, উৎপাদনে যায়নি ৪টি, এবং উৎপাদন স্থগিত রয়েছে ৫টি।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।

তথ্যসূত্র:
i) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৫।
ii) প্রথম আলো।

৫৭.
দেশে কত সালে প্রথম EPZ স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৮১ সালে
  2. ১৯৮৩ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৩ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড:
- দেশে ১৯৮৩ সালে প্রথম EPZ স্থাপিত হয়।

⇒ বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল হিসাবে ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের হালিশহরে ৪৫৩ একর জায়গার উপর নির্মাণ করা হয় চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- এটা সমুদ্র বন্দর থেকে ৩.১০ কিলোমিটার এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে মাত্র ১১.৩০ কিলোমিটার দুরত্বে হওয়ায় শিল্প পার্ক হিসাবে দ্রুত প্রসার লাভ করেছ।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই চট্টগ্রামতথা বাংলাদেশের বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে চট্টগ্রাম রপ্তানী প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।
- সম্প্রতি লন্ডন ভিত্তিক FDI ম্যাগাজিনThe Financial Times এর জরিপে চট্টগ্রাম ইপিজেড বিশ্বের ৭০০ টি ইকোনোমিক জোন এর মধ্যে Cost Effective Zone category-তে তৃতীয় স্থান এবং Best Economic Potential 2010-2011 category-তে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছে (FDIম্যাগাজিন- জুন/জুলাই’১০ সংস্করণ)।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সরকারি ইপিজেডগুলো হলো:
• চট্টগ্রাম ইপিজেড: ১৯৮৩ সাল,
• ঢাকা: ১৯৯৩ সাল,
• মংলা, খুলনা: ১৯৯৮ সাল,
• কুমিল্লা: ২০০০ সাল,
• উত্তরা, নীলফামারী: ২০০১ সাল,
• ঈশ্বরদী, পাবনা: ২০০১ সাল,
• আদমজী, নারায়ণগঞ্জ: ২০০৬ সাল,
• কর্ণফুলি, চট্টগ্রাম: ২০০৬ সাল।

উৎস: BEPZA ওয়েবসাইট।

৫৮.
বাংলাদেশের LNG প্রথম টার্মিনাল কোথায় স্থাপিত হয়েছে?
  1. পতেঙ্গা
  2. মংলা
  3. কুয়াকাটা
  4. মহেশখালি
সঠিক উত্তর:
মহেশখালি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহেশখালি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম LNG টার্মিনাল:
- Excelerate Energy Bangladesh Limited (EEBL) কর্তৃক স্থাপিত MLNG টার্মিনাল।
- চুক্তি স্বাক্ষর : ১৮ জুলাই, ২০১৬।
- বাস্তবায়ন : Build Own Operate and Transfer (BOOT) ভিত্তিতে।
- অবস্থান : কক্সবাজারের মহেশখালীতে।
- Floating Storage Re-gasification Unit (FSRU) এর নাম : Excellence।
- আকার: দৈর্ঘ্যে ২৭৭ মিটার, প্রস্থে ৪৪ মিটার এবং ড্রাফট ১২.৫ মিটার।
- ধারনক্ষমতা: ১৩৮,০০০ ঘনমিটার।
- রিগ্যাসিফিকেশন ক্যাপাসিটি: ৫০০ এমএমএসসিএফডি।
- চুক্তির মেয়াদ : ১৫ বছর (২০১৮-২০৩২)।
- গ্যাস সরবরাহ শুরু: ১৯ আগষ্ট, ২০১৮।
- শুরু থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২৪ পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহের পরিমান: ৫৯৭,৭৮৬.৭১ এমএমএসসিএফ।
- টার্মিনাল হস্তান্তর: ১৫ বছর পর কোন ধরনের চার্জ গ্রহন ব্যাতিত FSRU টি EEBL পেট্রোবাংলার নিকট হস্তান্তর করবে।

উৎস: রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানী লিমিটেড।
৫৯.
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন-
  1. Allienet
  2. Accord
  3. Alliance
  4. Antros
সঠিক উত্তর:
Alliance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Alliance
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন- Alliance।
- 'Alliance for Bangladesh Worker's Safety' ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন Accord I
- অ্যাকর্ড হল ব্র্যান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলির মধ্যে একটি স্বাধীন, আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা বাংলাদেশে একটি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর পোশাক এবং টেক্সটাইল শিল্পের লক্ষ্যে কাজ করে।
- অ্যাকর্ড বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলিকে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জন্য নিরাপদ করে তুলতে - এবং নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।

উৎসঃ Accord Bangladesh, দ্যা ডেইলি স্টার।

৬০.
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (TCB) কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৬ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭২ সালে
ব্যাখ্যা
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি স্বায়ত্তশাসিত রাষ্ট্রীয় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান,
- এটি ১৯৭২ সালে রাষ্ট্রপতির ৬৮ নম্বর আদেশের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকেই টিসিবি বাংলাদেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পথিকৃৎ হিসেবে ভূমিকা রেখে আসছে।

উল্লেখ্য, 
- এটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য থেকে শুরু করে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি করে এবং পাট, তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্য রপ্তানির মাধ্যমে বৈদেশিক বাণিজ্য পরিচালনা করে। টিসিবি দেশের বাজার স্থিতিশীল রাখা এবং জনগণের স্বার্থ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

সূত্র: ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) ওয়েবসাইট।
৬১.
বাংলাদেশে কত সালে প্রথম কাগজকল স্থাপিত হয়?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৭ সালে
  3. ১৯৫৯ সালে
  4. ১৯৬১ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৫৩ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম কাগজকল:
- পাকিস্তান রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৫৩ সালে চট্টগ্রামের চন্দ্রঘোনায় প্রথম ‘কর্ণফুলী কাগজকল’ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এরপর স্থাপিত হয় খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিল ও পাবনায় নর্থ বেঙ্গল পেপার মিল।
- বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি মিলে পঞ্চাশের অধিক কাগজকল রয়েছে। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো বসুন্ধরা পেপার মিল, সোনালি পেপার মিল, হাশেম পেপার ও পাল্প মিল, হোসেন পেপার মিল, পার্ল পেপার অ্যান্ড বোর্ড মিলস, সাদেক পেপার মিল ইত্যাদি। বেসরকারি বেশ কিছু কারখানায় প্রধানত আমদানি করা রাসায়নিক মণ্ড ব্যবহার করে উন্নত মানের কাগজ তৈরি করা হয়।
- আমাদের দেশে মূলত লেখার কাগজ, ছাপার কাগজ, নিউজপ্রিন্ট ও প্যাকেজিং জাতীয় কাগজ-এই চার ধরনের কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এর মধ্যে নিউজপ্রিন্ট সবচেয়ে সস্তা ও কম টেকসই।

উল্লেখ্য,
⇒ কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উৎস: i) বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
ii)  বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, পঞ্চম শ্রেণি।
৬২.
বিসিআইসি তথ্য অনুযায়ী, দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা কোনটি?
  1. আকিজ সিমেন্ট
  2. বসুন্ধরা সিমেন্ট
  3. ছাতক সিমেন্ট
  4. শাহ সিমেন্ট
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট
ব্যাখ্যা

• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- বিসিআইসির ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, ছাতক সিমেন্ট কারখানা দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এখানে ক্লিংকার ও সিমেন্ট উৎপাদন করা হয়। 

⇒ ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। 
- এটি ১৯৩৭ সালে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সাল হতে এটি ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে। 
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

উল্লেখ্য,
- সিমেন্ট উৎপাদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ক্লিংকার।
- চুনাপাথর ও মাটি থেকে প্রাপ্ত ক্যালসিয়াম, সিলিকা, অ্যালুমিনা, আয়রন ইত্যাদিকে বিভিন্ন তাপমাত্রায় রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটিয়ে ক্লিংকার প্রস্তুত করা হয়।

তথ্যসূত্র: i) BCIC ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।

৬৩.
নিম্নের কোনটি দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল
  2. মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল
  3. জাপানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
  4. জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা
জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড):
- দেশের বৃহত্তম অর্থনৈতিক অঞ্চল জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় এলাকা সন্দ্বীপ চ্যানেলের পাশে প্রায় ১৩৭ বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে গড়ে তোলা হচ্ছে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- এটি চট্টগ্রাম জেলার মিরসরাই ও সীতাকুন্ড উপজেলা এবং ফেনী জেলার সোনাগাজী উপজেলার উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত।
- এই শিল্পনগরের আয়তন ৩৩ হাজার ৮০৫ একর।
- এর ৪১ শতাংশ বা ১৪ হাজার একরে শুধু শিল্পকারখানা হবে, বাকি ৫৯ শতাংশ এলাকার মধ্যে আছে খোলা জায়গা, বনায়ন, বন্দর–সুবিধা, আবাসন, স্বাস্থ্য, প্রশিক্ষণ ও বিনোদনকেন্দ্র।

এছাড়াও,
- স্বল্পমেয়াদি অগ্রাধিকার পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আগামী দুই বছরে পাঁচটি অর্থনৈতিক অঞ্চল বাস্তবায়নের পরিকল্পনার কথা জানান বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান। এগুলো হলো চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এনএসইজেড), শ্রীহট্ট অর্থনৈতিক অঞ্চল, জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল, মহেশখালী অর্থনৈতিক অঞ্চল ও জাপানিজ বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (এসইজেড)।

উৎস: i) বেপজা ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৬৪.
বর্তমানে দেশের চলমান স্থলবন্দর কয়টি? [জুলাই, ২০২৫]
  1. ২৪টি
  2. ২২টি
  3. ১৮টি
  4. ১৬টি
সঠিক উত্তর:
১৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ:
- স্থলপথে পণ্য আমদানি-রপ্তানি সহজতর এবং উন্নতর করাই বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য।
- বর্তমানে স্থলবন্দরের মোট সংখ্যা ২৪টি এবং চলমান স্থলবন্দরের সংখ্যা ১৬টি।

⇒ ১৬টি চলমান স্থলবন্দরের মধ্যে ১১টি স্থলবন্দর যেমন বেনাপোল, ভোমরা, আখাউড়া, বুড়িমারী, নাকুগাঁও, তামাবিল, সোনাহাট, গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী, বিলোনিয়া, শেওলা ও ধানুয়াকামালপুর স্থলবন্দর বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের (বাস্থবক) নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে এবং বাকি ৫টি সোনামসজিদ, হিলি, টেকনাফ, বাংলাবান্ধা ও বিবিরবাজার এই ৫টি স্থলবন্দর BOT ভিত্তিতে পরিচালিত হচ্ছে।
- এছাড়া রামগড় ও বাল্লা এই ২টি স্থলবন্দর চালুর জন্য অপেক্ষাধীন রয়েছে।

⇒ বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (বিএসবিকে) প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০১ সালে।
- স্বায়ত্তশাসিত এ প্রতিষ্ঠানটি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।
- স্থলপথে প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য কার্যক্রম সহজ ও অধিকতর উন্নত করতে কাজ করে যাচ্ছে এ সংস্থাটি।
- বিএসবিকের আওতায় এ পর্যন্ত মোট ২৪টি স্থল শুল্ক স্টেশনকে ‘স্থলবন্দর’ ঘোষণা করা হয়েছে।
- স্থলবন্দরসমূহ আমদানি-রপ্তানি বৃদ্ধি ও সরকারি রাজস্ব আদায়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে।
- একই সাথে দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও আয় বৃদ্ধির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও সীমান্ত চোরাচালান হ্রাসে কার্যকর ভূমিকা পালন করছে।
- অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি  ত্বরান্বিতকরণের উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ এর দৈনন্দিন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৬৫.
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে নিম্নের কোন সূচকটি ব্যবহার করে?
  1. DSE CDSET Index
  2. DS30 Index
  3. DSE Broad Index
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
স্টক এক্সচেঞ্জ:
- স্টক এক্সচেঞ্জ হলো একটি বাজার যেখানে স্টক এবং অন্যান্য সিকিউরিটিজ বিনিয়োগকারীদের মধ্যে লেনদেন করা হয়।
- বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জ (শেয়ার বাজার) দুইটি। যথা:
• ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৫৪ সাল),
• চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (১৯৯৫ সাল)।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ:
- ঢাকার শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ নিয়ে গঠিত।
- এটি দেশের বৃহত্তম শেয়ার বাজার।
- এটি রাজধানী ঢাকার প্রধানতম বাণিজ্যিক এলাকা মতিঝিলে অবস্থিত।
- ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৪ সালে।
- আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করে ১৯৫৬ সালে।

⇒ ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ শেয়ার ক্রয়-বিক্রয়ে সূচক পদ্ধতি অবলম্বন করে।
- সাধারণ শেয়ার বাজারের গতি বা সার্বিক অবস্থা বোঝার জন্য সূচক ব্যবহার করা হয়। এগুলো হলো:
i) DSE Broad Index,
ii) DSEX Shariah Index,
iii) DS30 Index,
iv) DSE CDSET Index.

উৎস: DSE ওয়েবসাইট।
৬৬.
নিচের কোনটি বাংলাদেশের তফসিলভুক্ত বিশেষায়িত ব্যাংক?
  1. জনতা ব্যাংক
  2. রুপালী ব্যাংক
  3. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  4. অগ্রণী ব্যাংক
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
ব্যাখ্যা
• তালিকাভুক্ত (Scheduled) ব্যাংক
- বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী ব্যাংকগুলো তালিকাভুক্ত থাকে।
- মোট তালিকাভুক্ত ব্যাংক: ৬২টি। [মে, ২০২৫]
• বিশেষায়িত ব্যাংক (SDBs): মোট ৩টি।
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক,
- রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক, 
- প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক।

অপরদিকে,
- রুপালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক এগুলো রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক।
• ব্যক্তিমালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক (PCBs):
- মোট: ৪৩টি।
- প্রচলিত পদ্ধতির ব্যাংক: ৩৩টি (সুদ ভিত্তিক)।
- ইসলামি শরিয়াভিত্তিক ব্যাংক: ১০টি (লাভ-লোকসান ভাগাভাগির ভিত্তিতে পরিচালিত)
- ডিজিটাল বাণিজ্যিক ব্যাংক: মোট: ১টি।
- অবস্থা: এখনও বাণিজ্যিক কার্যক্রমের অনুমতি পায়নি
- বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক (FCBs): মোট: ৯টি।
• বাংলাদেশে বর্তমানে ৫টি অতালিকাভুক্ত ব্যাংক রয়েছে:
- আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক,
- কর্মসংস্থান ব্যাংক,
- গ্রামীণ ব্যাংক,
- জুবিলি ব্যাংক,
- পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।
৬৭.
'বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড' কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে?
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. অর্থ মন্ত্রণালয়
  4. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শিল্প মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
এ্যাক্রেডিটেশন
- এ্যাক্রেডিটেশন হচ্ছে সাযুজ্য নিরূপনকারী প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের তৃতীয় পক্ষ দ্বারা প্রত্যয়ন করা।
- টেস্টিং এন্ড ক্যালিব্রেশন পরীক্ষাগার, সনদ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পরিদর্শন সংস্থা, প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান এবং ব্যক্তিকে সচরাচর এ্যাক্রেডিটেশন সনদ প্রদান করা হয়।
'বাংলাদেশ এ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড' শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত একটি বোর্ড।

এছাড়াও
শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে মোট ৪টি কর্পোরেশন, ৬টি অধিদপ্তর রয়েছে।
কর্পোরেশনগুলো হলো -
• বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশুন (বিসিআইসি)
• বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশন (বিএসএফআইসি)
• বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন (বিএসইসি)
• বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক)

অধিদপ্তরগুলো হলো -
• বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)
• বাংলাদেশ শিল্প কারিগরি সহায়তা কেন্দ্র (বিটাক)
• বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বি আই এম)
• পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি)
• ন্যাশনাল প্রোডাকটিভিটি অর্গানাইজেশন (এনপিও)
• প্রধান বয়লার পরিদর্শকের কার্যালয় (বয়লার)।  

উৎস:- শিল্প মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৬৮.
বাংলাদেশ চা বোর্ড কবে গঠিত হয়?
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭৭ সালে
ব্যাখ্যা
চা বোর্ড:
- বাংলাদেশ চা বোর্ড চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- ১৯৫১ সালে প্রথম পাকিস্তান টি বোর্ড গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে স্বাধীন বাংলাদেশে চা অধ্যাদেশ-১৯৭৭ এর মাধ্যমে ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ চা বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়।
- চা বোর্ড বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন।
- চা বোর্ডের অধীনে দেশে বর্তমানে ১৬৮টি চা বাগান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ চা বোর্ড।
৬৯.
বাংলাদেশের একমাত্র অস্ত্র কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. গাজীপুর
  2. সাভার
  3. চট্টগ্রাম
  4. কেরানীগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা (বিওএফ):
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা অস্ত্র ও গোলাবারুদ উৎপাদনের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ঢাকার অদূরে গাজীপুর জেলার চতর মৌজার ৩০৩.১৪ একর জমির উপর অবস্থিত।
- চীনের কারিগরী সহযোগিতায় কারখানাটি ১৯৭০ সালের ০৬ এপ্রিলে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়।
- দেশের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে সামরিক ও আধা সামরিক বাহিনীর চাহিদা পূরণ করে উদ্ধৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ রপ্তানিকরণ এ প্রতিষ্ঠানের মূল কর্মপরিধি।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের একমাত্র মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি গাজীপুরে অবস্থিত।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
৭০.
উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম সিমেন্ট প্ল্যান্ট কোনটি?
  1. ক্রাউন সিমেন্ট
  2. শাহ সিমেন্ট
  3. বসুন্ধরা সিমেন্ট
  4. হোলসিম সিমেন্ট
সঠিক উত্তর:
শাহ সিমেন্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহ সিমেন্ট
ব্যাখ্যা
সিমেন্ট শিল্প:
- সিমেন্ট শিল্পের মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সিমেন্ট ম্যানুফ্যাকচারিং অ্যাসোসিয়েশন (বিএসএমএ)।
- বিএসএমএ সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দেশে সিমেন্ট খাতের কোম্পানিগুলোর মধ্যে উৎপাদন সক্ষমতার দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে শাহ সিমেন্ট।
- এটির দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ২৯ হাজার টনের বেশি।

অন্যদিকে -
- দ্বিতীয় স্থানে আছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি প্রিমিয়ার সিমেন্ট। কোম্পানিটির দৈনিক উৎপাদনক্ষমতা ২৪ হাজার মেট্রিক টন।
- ১৯ হাজার মেট্রিক টনের বেশি দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে ক্রাউন সিমেন্ট।

উৎস: ১৬ জানুয়ারি ২০২৪, প্রথম আলো।
৭১.
দেশে বর্তমানে (২০২৪) বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা কয়টি?
  1. ১৪০টি
  2. ১৪২টি
  3. ১৪৪টি
  4. ১৪৫টি
সঠিক উত্তর:
১৪৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি: 

বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা - ১৪৫ টি। 
অবসরকৃত/মেয়াদ উত্তীর্ণ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সংখ্যা - ০৯(২০২৩-২০২৪ অর্থবছর) (এপ্রিল ২০২৪ পর্যন্ত)। 
সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদন (মে: ও:) - ১৬,৪৭৭ (৩০ এপ্রিল ২০২৪)। 
বিদ্যুৎ আমদানি (মে: ও:) - ২,৬৫৬। 
মাথাপিছু বিদ্যুৎ উৎপাদন (কি.ও.ঘন্টা) - ৬০২(ক্যাপটিভ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ) (২০২২-২০২৩ অর্থবছর)। 
বিদ্যুৎ গ্রাহক সংখ্যা - ৪ কোটি ৭০ লক্ষ। 
সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ (কোটি টাকায়)  - ৩০,০৬৩.৬৬ (২০২৩-২০২৪ অর্থবছর)। 
বিতরণ সিস্টেম লস (%) - ৭.৬৫ (২০২২-২০২৩ অর্থবছর)। 

সূত্র: প্রথম আলো ও বিদ্যুৎ বিভাগের ওয়েবসাইট।
৭২.
বাংলাদেশে জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স গঠন করা হয় কবে?
  1. ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৪
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২৫
  3. ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫
  4. ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৫
ব্যাখ্যা
জাতীয় সেমিকন্ডাক্টর টাস্কফোর্স:
- বাংলাদেশে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের উন্নয়নে সুপারিশ প্রণয়নের লক্ষ্যে সেমিকন্ডাক্টর শীর্ষক ১৩ সদস্যের একটি টাস্কফোর্স গঠন করেছে বাংলাদেশ সরকার।
- ১ জানুয়ারি, ২০২৫ তারিখে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। 
- বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (বিডা) নেতৃত্বে এই ফোর্স গঠন করা হয়।
- নব গঠিত টাস্কফোর্সের কাজ হবে সেমিকন্ডাক্টর খাতে তাৎক্ষণিক প্রবৃদ্ধির সুযোগ চিহ্নিত করা, নীতি ও দক্ষতার ঘাটতি দূর করা এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগ আকর্ষণে অবকাঠামো ও প্রণোদনা কাঠামো প্রস্তাব করা।
- এই উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশের সেমিকন্ডাক্টর চিপ ডিজাইন, টেস্টিং এবং অ্যাসেম্বলিং সক্ষমতাকে আরও এগিয়ে  নিবে বলে কর্তৃপক্ষ আশাবাদী।

তথ্যসূত্র: বাসস। [Link]
৭৩.
'বুড়িমারী স্থলবন্দর' কোন উপজেলায় অবস্থিত?
  1. গোয়াইনঘাট
  2. পাটগ্রাম
  3. আখাউড়া
  4. দামুরহুদা
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাটগ্রাম
ব্যাখ্যা
বুড়িমারী স্থলবন্দর:
- লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের বুড়িমারী সীমান্তে এ স্থল বন্দর অবস্থিত।
- ভারত, ভূটান এবং নেপালের সঙ্গে স্থলপথে মালামাল আমদানী ও রপ্তানির সুবিধার্থে বুড়িমারী জিরো পয়েন্ট এলাকায় এ বন্দরটি চালু করা হয় ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দে।
- এ বন্দর দিয়ে ভারত, ভূটান ও নেপাল হতে কয়লা, কাঠ, টিম্বার, পাথর, সিমেন্ট, চায়না ক্লে, বল ক্লে, কোয়ার্টজ, রাসায়নিক সার, কসমেটিক সামগ্রী, পশু খাদ্য, বিভিন্ন ধরণের ফলমূল, পিঁয়াজ, রসুন, আদা, চাল, ডাল, গম, বিভিন্ন ধরণের বীজ, তামাক ডাটা প্রভৃতি মালামাল আমদানী করা হয়।
- বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি করা হয় ইলিশ মাছ, মেলামাইনের তৈরী বাসনপত্র এবং ঔষধ সহ কতিপয় মালামাল।

বিভিন্ন স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- ভোমরা স্থলবন্দর: ভোমরা, সাতক্ষীরা সদর।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

সূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।
৭৪.
বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল -
  1. সিলেটের মালনীছড়া
  2. চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার
  3. মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে
  4. চট্টগ্রামের নাসিরাবাদে
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রামের পাইওনিয়ার
ব্যাখ্যা

চট্রগ্রামের পাইওনিয়ার বাগানে বাংলাদেশে প্রথম চা চাষ শুরু হয়েছিল ১৮৪০ সালে । 

বাংলাদেশের চা শিল্প:
- বাংলাদেশের প্রথম বানিজ্যিক চা বাগান সিলেটের মালনীছড়া চা বাগান ।
- সিলেটের বিমানবন্দর সড়কের পাশে অবস্থিত এই চা বাগান ১৮৫৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় । 
- ১৮৫৭ সালে প্রথম বানিজ্যিকভাবে চায়ের চাষ শুরু হয় । 
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট  ১৬৮ টি চা বাগান আছে । 
- সর্বাধিক ৯২ টিচা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজারে ।
- এছাড়াও, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনিস্টিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বানিজ্য মন্ত্রনালয়ের অধীনস্থ বাংলাদেশ চা বোর্ডের একটি অঙ্গ প্রতিষ্ঠান । 
- বাংলাদেশে চা চাষ এবং বিক্রয় সংক্রান্ত আইন প্রনয়ণ, চা চাষ নিয়ন্ত্রণ এবং উৎসাহিত করার লক্ষ্যে চট্রগ্রামের নাসিরাবাদে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ চা বোর্ড ।
- ১৯৫৭ সালে স্বায়ত্তশাসিত এই প্রতিষ্ঠানের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান । 

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ চা বোর্ড ওয়েবসাইট , জাতীয় তথ্য বাতায়ন ।

৭৫.
বাংলাদেশের প্রথম ট্যানারি স্থাপিত হয় কোথায়?
  1. নারায়ণগঞ্জে
  2. ঢাকায়
  3. গাজীপুরে
  4. সাভারে
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নারায়ণগঞ্জে
ব্যাখ্যা

ট্যানারি শিল্প:
- ট্যানারি শিল্প বলতে চামড়া পাকা করা বা প্রক্রিয়াজাত করা হয়, এমন কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠানকে বোঝায়।
- ট্যানারিতে পশুর কাঁচা চামড়া পাকা করার পর জুতা, ব্যাগ, স্যুটকেস, বেল্ট, মানিব্যাগ, জ্যাকেট ইত্যাদি উৎপাদনের উপযোগী চামড়া তৈরি করা হয়।
- এ অঞ্চলে ১৯৪০ সালে নারায়ণগঞ্জে প্রথম ট্যানারি স্থাপন করেন রণদাপ্রসাদ সাহা।
- পরবর্তীকালে ট্যানারিটি ঢাকার হাজারীবাগে স্থানান্তর করা হয়।
- এই ট্যানারিকে কেন্দ্র করেই হাজারীবাগ এলাকায় অনেক ট্যানারি গড়ে ওঠে।
- দেশ বিভাগের আগ পর্যন্ত পূর্ববঙ্গে উৎপাদিত সব কাঁচা চামড়া পশ্চিম বাংলায় বিশেষত কলকাতায় রপ্তানি হতো।
- ২০১৭ সালে ট্যানারি শিল্প জনবহুল হাজারীবাগ এলাকা থেকে সাভারে নিজস্ব শিল্পনগরীতে স্থানান্তর করা হয়।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) BBC. 

৭৬.
দেশে প্রথমবারের মতো লোহার খনি কোথায় আবিষ্কৃত হয়?
  1. চট্টগ্রাম
  2. দিনাজপুর
  3. সিলেট
  4. পঞ্চগড়
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে প্রথম লোহার খনি:
- দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলায় দেশের প্রথম লোহার খনির সন্ধান মিলেছে।
- উপজেলার ইসবপুর গ্রামে বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (জিএসবি) এ খনির সন্ধান পেয়েছে।
- জিএসবি জানিয়েছে, খনিটিতে উন্নত মানের লোহার আকরিক (ম্যাগনেটাইট) রয়েছে।
- লোহার পাশাপাশি খনিটিতে মূল্যবান কপার, নিকেল ও ক্রোমিয়ামেরও উপস্থিতি রয়েছে বলে জানান জিএসবি কর্মকর্তারা।
- ভূগর্ভের ১ হাজার ৩০০ ফুট থেকে ১ হাজার ৬৫০ ফুটের মধ্যে লোহার একটি স্তর পাওয়া গেছে।
- খনিটির আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার।
- খনিতে ৫০০ থেকে ৬০০ মিলিয়ন টন লোহাসহ মূল্যবান পদার্থ রয়েছে।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৭৭.
বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নগরী কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. ধামরাই
  3. আশুলিয়া
  4. যাত্রাবাড়ি
সঠিক উত্তর:
সাভার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাভার
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশের চামড়া শিল্প নগরী সাভারের হেমায়েতপুরের হরিণধরায় অবস্থিত।
- ২০০ একর জমির ওপর গড়ে উঠেছে এ শিল্প নগরী।
- রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্পকে ২০১৭ সালে স্থানান্তর করা হয় সাভারের হেমায়েতপুরের চামড়া শিল্প নগরীতে। 
- ১৯৫০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত রাজধানীর হাজারীবাগ ছিল ট্যানারি শিল্পের বৃহৎ ঠিকানা।
=  হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি শিল্প সরাতে ২০০৩ সালে সাভার চামড়া শিল্পনগরীর প্রকল্প হাতে নেয় শিল্প মন্ত্রণালয়। মোট ১২ দফায় মেয়াদ বাড়িয়ে ১ হাজার ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হয় এ নগরী।

উৎস: বণিক বার্তা।

৭৮.
বাংলাদেশের তামাবিল সীমান্তের সাথে ভারতের কোন শহরটি অবস্থিত?
  1. ডাউকি
  2. বজ্রপুর
  3. পেট্রাপোল
  4. করিমগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
ডাউকি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডাউকি
ব্যাখ্যা
• তামাবিল স্থলবন্দর: 
- গোয়াইনঘাট উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা তামাবিল।
- তামাবিল স্থল শুল্ক বন্দর দিয়েই ভারত থেকে কয়লা আমদানী করা হয়।
- তামাবিলের অপর প্রান্তে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকী শহরটি অবস্থিত।
- তামাবিল থেকে মেঘালয় রাজ্যের শিলং পাহাড়ের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যায়।

সূত্র: গোয়াইনঘাট উপজেলা ওয়েবসাইট।
৭৯.
দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত? [ডিসেম্বর,২০২৫]
  1. ময়মনসিংহ
  2. গাজীপুর
  3. কুষ্টিয়া
  4. নারায়ণগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গাজীপুর
ব্যাখ্যা

• ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ: 
- দেশের সর্ববৃহৎ ভাসমান সৌর বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট স্থাপন করেছে ওয়ালটন।
- বাংলাদেশের শিল্পখাতে টেকসই ও পরিবেশবান্ধব জ্বালানি ব্যবহারে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি।
- নিজস্ব অর্থায়নে প্রতিষ্ঠানটি গাজীপুরের চন্দ্রায় ওয়ালটন হেডকোয়ার্টার্সের জলাশয়ের ওপর স্থাপন করেছে দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি ভাসমান সৌর বিদ্যুৎকেন্দ্র।
- সম্প্রতি ১ মেগাওয়াট ক্ষমতার এই ফ্লোটিং সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট চালু হয়েছে।

উৎস: THE BUSINESS STANDARD.[Link]

৮০.
বাংলাদেশে মোট কতটি রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল রয়েছে? (২০২৪)
  1. ১৩ টি
  2. ৬ টি
  3. ৫ টি
  4. ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
১৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।] 

রাষ্ট্রায়ত্ত চিনিকল বন্ধ:
- বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের (বিএসএফআইসি) অধীনে সরকারি মোট ১৫টি চিনিকল রয়েছে।
- এর মধ্যে ছয়টির কার্যক্রম বন্ধ আছে।
- এগুলো হচ্ছে কুষ্টিয়া, পাবনা, পঞ্চগড়, শ্যামপুর (রংপুর), রংপুর ও সেতাবগঞ্জ (দিনাজপুর) চিনিকল।
- ছয়টি সরকারি চিনিকলে প্রায় চার বছর ধরে আখমাড়াই বন্ধ রয়েছে।
- এসব চিনিকল পর্যায়ক্রমে আবার চালুর চিন্তাভাবনা করছে অন্তর্বর্তী সরকার।

সূত্র- প্রথম আলো রিপোর্ট।
৮১.
BJMC- এর পূর্ণরূপ-
  1. Bangladesh Jute Mills Council
  2. Bangladesh Joint Of Military Coordination
  3. Bangladesh Jute Mills Corporation
  4. Bangladesh Jute Mills Cooperation
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Jute Mills Corporation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bangladesh Jute Mills Corporation
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন (বিজেএমসি):
- BJMC- এর পূর্ণরূপ-Bangladesh Jute Mills Corporation.
- ১৯৭২ মূলে ৭৮টি রাষ্ট্রায়ত্ত জুট মিল পরিচালন কাজ তত্ত্বাবধানের লক্ষ্যে বাংলাদেশ জুট মিলস্ করপোরেশন (বিজেএমসি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ৪টি মিল স্থাপনের মাধ্যমে মিল সংখ্যা দাঁড়ায় ৮২ টি।
- ২০০২ সালে বন্ধ ঘোষিত ২টি মিল।
- আদমজী জুট মিলস লিঃ ও এবিসি লিঃ।
- যা সরকারি আদেশে বেপজার নিকট হস্তান্তর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশন ওয়েবসাইট।
৮২.
চিনামাটি কোন শিল্পের মূল কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. কাগজ শিল্প
  2. সিরামিক শিল্প
  3. ইস্পাত শিল্প
  4. সিমেন্ট শিল্প
সঠিক উত্তর:
সিরামিক শিল্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরামিক শিল্প
ব্যাখ্যা

• নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর ও এর আশপাশের এলাকায় রয়েছে চিনামাটির খনি।
- চিনামাটি মূলতঃ সিরামিক শিল্পের কাঁচামাল।
- খনিজ সম্পদ ব্যুরোর ১৯৫৭ সালের তথ্যানুযায়ী, এ এলাকায় চিনামাটির মজুদ প্রায় ২৪ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন। 
- এটি দিয়ে বাংলাদেশের তিনশ বছরের চাহিদা পূরণ সম্ভব বলে তখন বলা হয়েছিল।
- খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো থেকে অনুমতি নিয়ে কয়েকটি বেসরকারি কোম্পানী এখানকার চিনামাটি আহরণ করছে।
- প্রতিদিন হাজার হাজার শ্রমিক মাটি খননের কাজ করছে খনিজ প্রকল্পগুলোতে।
- এরপর তা পরিবহন করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে সিরামিক শিল্পের কারখানাগুলোতে। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৮৩.
বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে চলমান শিল্প কারখানা রয়েছে -
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি
সঠিক উত্তর:
১১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
- বর্তমানে বিসিআইসি’র অধীনে চলমান শিল্প কারখানা রয়েছে ১১টি।

⇒ চলমান শিল্প কারখানাগুলোর মধ্যে:
- ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী - লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
- ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
- টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
- কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
- সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
- গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
- স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।

৮৪.
কর্ণফুলী কাগজ কলে কাঁচামাল হিসেবে কী ব্যবহৃত হয়?
  1. বেত
  2. ধুন্দল গাছ
  3. বাঁশ
  4. আখের ছোবড়া
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাঁশ
ব্যাখ্যা
কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড:
- বাংলাদেশের প্রথম কাগজ কল কর্ণফুলী পেপার মিলস লিমিটেড।
- এশিয়ার বৃহত্তম কাগজের কল কর্ণফুলি পেপার মিলস্ লিমিটেড।
- ১৯৫৩ খ্রিস্টাব্দে রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলাধীন চন্দ্রঘোনা নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পরই এ প্রতিষ্ঠানটিকে জাতীয়করণ করা হয়।
- ৫ একর জমি জুড়ে ১৯৫৩ সালে তদানীন্তন পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা কর্তৃক বার্ষিক ৩০,০০০ মেঃ টন কাগজ উৎপাদন ক্ষমতা সম্পন্ন কর্ণফূলী পেপার মিলস্ লিঃ স্থাপিত হয়।
- চন্দ্রঘোনা কাগজ কলের প্রধান কাঁচামাল বাঁশ।
- কাগজ উৎপাদনে ব্যবহৃত কাঁচামাল বাশেঁর প্রাপ্যতার উপর ভিত্তি করে কর্ণফুলি পেপার মিলটি চন্দ্রঘোনায় স্থাপন করা হয়েছিল।
- এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কাগজ উৎপাদনকারী কোম্পানি।

উল্লেখ্য,
- পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচুর বাঁশ জন্মে এবং বাঁশ ব্যবহার করে কর্ণফুলী পেপার মিলে কাগজ তৈরি হয়।
- এই মিলে সাদা কাগজ এবং বাদামী ও অন্যান্য রঙ্গিন কাগজ উৎপাদিত হয়।
- এদেশে সরকারী চাহিদার প্রায় অর্ধেকের বেশি কাগজ সরবরাহ করে থাকে এ প্রতিষ্ঠানটি।

উৎস: বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
৮৫.
দেশের নবম ইপিজেড কোথায় স্থাপিত হবে?
  1. পটুয়াখালী
  2. গাইবান্ধা
  3. গোপালগঞ্জ
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নবম ইপিজেড:
- বাংলাদেশের নবম ইপিজেড পটুয়াখালীতে স্থাপিত হবে।
- ১,৫৩০ মিলিয়ন ডলার বৈদেশিক বিনিয়োগ পাওয়ার ও ১,৮৩৬ মিলিয়ন ডলার রপ্তানির লক্ষ্য নিয়ে পটুয়াখালীতে গড়ে তোলা হচ্ছে বাংলাদেশের নবম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)।
- 'প্রস্তাবিত ইপিজেডের কাছাকাছি দুটি সমুদ্র বন্দর রয়েছে-একটি পায়রা, অপরটি মোংলা সমুদ্র বন্দর।
- সমীক্ষা অনুযায়ী, পটুয়াখাালীর পচাকোড়ালিয়া ও কুয়াকাটার ৪১৮ একর জমিতে প্রস্তাবিত ইপিজেডে ৩০৬টি শিল্প প্লট তৈরি করা যাবে।
- প্রস্তাবিত ইপিজেডে ১ লাখ বাংলাদেশি নাগরিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।
- এছাড়া আরও ২ লাখ বাংলাদেশির পরোক্ষ কর্মসংস্থান হবে।
- ২০২৬ সালের জুনের মধ্যে ইপিডেজ স্থাপনের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- ১৯৮০ সালে গঠন করা হয় বেপজা।
- বর্তমানে, বাংলাদেশে ৮টি ইপিজেড আছে।
- এগুলো হচ্ছে: চট্টগ্রাম ইপিজেড, ঢাকা ইপিজেড, মোংলা ইপিজেড, ঈশ্বরদী ইপিজেড, কুমিল্লা ইপিজেড, উত্তরা ইপিজেড, আদমজী ইপিজেড ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উৎস: ২৩ জুন, ২০২৩, The Business Standard।
৮৬.
দেশের প্রথম অর্গানিক চা উৎপাদন শুরু হয় কোন জেলায়?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. পঞ্চগড়
  3. মৌলভীবাজার
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চগড়
ব্যাখ্যা
অর্গানিক চা:
- অর্গানিক বা ভেষজ চা হচ্ছে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে কোনোরকম ক্ষতিকর রাসায়নিক ও কৃত্রিম উপাদান ছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়া।
- অর্গানিক চা চাষে রাসায়নিক সার বা কীটনাশক ব্যবহৃত হয় না।
- বাংলাদেশে পঞ্চগড় জেলার তেতুঁলিয়ায় সর্বপ্রথম অর্গানিক চায়ের চাষ শুরু হয়।
- ২০০০ সালে কাজী অ্যান্ড কাজী টি এস্টেটে চায়ের আবাদ শুরু হয়।
- উৎপাদন শুরু হয় ২০০৪ সালে।
- বর্তমানে পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও ও দিনাজপুর জেলায় ক্ষুদ্র ও বৃহৎ পরিসরে অর্গানিক চায়ের চাষ হচ্ছে।

উল্লেখ্য,
- দেশে বর্তমানে নিবন্ধিত চা বাগান ১৭০ টি। [আগস্ট,২০২৫]
- মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত ৯০টি চা বাগান,
- সিলেট জেলায় অবস্থিত ১৯টি চা বাগান,
- পঞ্চগড় জেলায় অবস্থিত ১০ টি চা বাগান,
- রাঙ্গামাটি জেলায় অবস্থিত ০২টি চা বাগান,
- খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলায় অবস্থিত ০১টি চা বাগান।

উৎস: প্রথম আলো ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৭.
পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. বুড়িগঙ্গা
  3. মেঘনা
  4. পদ্মা
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুড়িগঙ্গা
ব্যাখ্যা

• ২০১৩ সালের ৭ নভেম্বর বুড়িগঙ্গার তীরে কেরানীগঞ্জে চালু করা হয়েছিল ‘পানগাঁও অভ্যন্তরীণ কনটেইনার টার্মিনাল’। 
- চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ ও অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ যৌথভাবে এটি নির্মাণ করে চালু করে।
- টার্মিনালে বিনিয়োগ হয়েছে প্রায় ৩৫০ কোটি টাকা। 

- সাম্প্রতি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পানগাঁও নৌ টার্মিনাল আগামী ২২ বছরের জন্য পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব প্রধান করে সুইজারল্যান্ডের প্রতিষ্ঠান মেডলগকে। 
-  চুক্তির আওতায় সরকার বছরে ১ কোটি ১ লাখ টাকা ফি পাবে। পাশাপাশি প্রতি একক কনটেইনার থেকে ২৫০ টাকা মাশুল পাবে সরকার।
- এ টার্মিনালে মোট ৪ কোটি ডলার বিনিয়োগ করবে মেডলগ।
- তৈরি করা হবে কটন ওয়্যারহাউস। নিজস্ব বার্থ জাহাজ এবং ট্রাক ও ফ্রিজিং ট্রাক ক্রয় করা হবে টার্মিনালটির জন্য।
- এত দিন ধরে বছরে ২২ কোটি টাকা লোকসানে ছিল পানগাঁও নৌ টার্মিনালটি।

উৎস: Prime Minister Office ও প্রথম আলো।

৮৮.
বাংলাদেশে বৃহত্তম স্থল বন্দর কোনটি?
  1. নাকুগাঁও স্থলবন্দর
  2. বেনাপোল স্থলবন্দর
  3. আখাউড়া স্থলবন্দর
  4. বুড়িমারী স্থলবন্দর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল স্থলবন্দর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেনাপোল স্থলবন্দর
ব্যাখ্যা
বেনাপোল স্থল বন্দর:
- বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থল বন্দর বেনাপোল স্থল বন্দর।
- বেনাপোল স্থল বন্দর যশোর জেলার শার্শা উপজেলার বেনাপোল সীমান্তে অবস্থিত।
- মোট ৮৬.৬৮ একর এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- স্থলবন্দরটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি/রপ্তানির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর হিসেবে কাজ করে।।
- বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার গুরুত্বপূর্ণ তল্লাশী ঘাঁটি ও আন্তর্জাতিক স্থলবন্দর হিসেবে পরিচিত।
- দেশের স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৯০% এ বন্দরের মাধ্যমে হয়ে থাকে।

বিভিন্ন স্থলবন্দর:
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

উৎস: বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষ।
৮৯.
বাংলাদেশে সিমেন্ট শিল্পের সূচনা কোন কারখানার মাধ্যমে হয়?
  1. হোলসিম বাংলাদেশ লিমিটেড
  2. ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
  3. মোস্তফা হাকিম সিমেন্ট লিমিটেড
  4. শাহ সিমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে সিমেন্ট শিল্পের সূচনা হয় 'ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড' এর যাত্রার মাধ্যমে।

• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- দেশের প্রথম সিমেন্ট কারখানা বর্তমান সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে স্থাপিত হয়।
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা। 
- এটি ১৯৩৭ সনে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে উহা ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
- বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন।

৯০.
বাংলাদেশে প্রথম গ্যাস উত্তোলন হয়েছিল কোথায়?
  1. বাখরাবাদ
  2. হরিপুর
  3. কৈলাসটিলা
  4. তিতাস
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হরিপুর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের গ্যাসক্ষেত্র:
- বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে সিলেট জেলার হরিপুরে।
- এই গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।
- ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র জকিগঞ্জ গ্যাসক্ষেত্র, সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায়।
- সর্বশেষ গ্যাসক্ষেত্র ভোলার ইলিশা-১। [ আগস্ট, ২০২৫]
- এটি অনুসন্ধান করে, (বাপেক্স)।
- এটি দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র। 

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ এবং প্রথম আলো।
৯১.
দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. খুলনা
  3. রাঙামাটি
  4. সিলেট
সঠিক উত্তর:
খুলনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খুলনা
ব্যাখ্যা
খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ:
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড কারখানা 'খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ' খুলনা জেলার খালিশপুর শহরে অবস্থিত।
- খুলনা হার্ডবোর্ড মিলস্ লিঃ এর স্থাপনা তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা (ইপিআইডিসি’র) সময়ে ১৯৬৫ সালে।
- কারখানাটি কানাডীয় সরকারি সাহায্য সংস্থার সহায়তায় স্থাপিত হয়।
- এটি বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন( বিসিআইসি) এর অধিনস্থ্য একটি প্রতিষ্ঠান।
- কারখানার প্রধান কাঁচামাল সুন্দরবনে উৎপাদিত কাঁচা সুন্দরী জ্বালানী কাঠ।

উল্লেখ্য,
- দেশের একমাত্র সরকারি হার্ডবোর্ড মিলটি ১৯৬৫ সালে স্থাপন করা হয়।
- কানাডীয় অনুদানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান শিল্প উন্নয়ন সংস্থা মিলটি স্থাপন করে।
- স্বাধীনতার পরে সেটি বিসিআইসির কাছে আসে।
- তখন কারখানার বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতা ছিল ৩ কোটি বর্গফুট।

[উল্লেখ্য, মিলটি প্রতিষ্ঠার পরে অনেকবার বন্ধ ও পুনরায় চালু হয়েছে। বর্তমানে মিলটী বন্ধ রয়েছে এবং মিলটি চালুর জন্য বাংলাদেশের অন্তবর্তাকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। মিলটি চালু হলয়ে বেকার সমস্যার অনেকখানি সমাধান হবে।]

উৎস: i) খুলনা হার্ড বোর্ড মিলস লিঃ।
ii) প্রথম আলো।
৯২.
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা কোনটি?
  1. আশুগঞ্জ ইউরিয়া সার কারখানা
  2. টিসিএল সার কারখানা
  3. গাজীপুর সার কারখানা
  4. ঘোড়াশাল–পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল–পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোড়াশাল–পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা
ব্যাখ্যা

• ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা:
- দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বৃহত্তম সার কারখানা হলো ঘোড়াশাল-পলাশ ইউরিয়া সার কারখানা।
- এটি নরসিংদীতে অবস্থিত।
- ইউরিয়া ফার্টিলাইজরা ফ্যাক্টরি লিঃ এবং পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ কারখানা ২টির স্থানে আধুনিক প্রযুক্তি ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতিতে বার্ষিক ৯,২৪,০০০ (নয় লক্ষ চব্বিশ হাজার) মেট্রিক টন উৎপাদন ক্ষমতা ও জ্বালানি সাশ্রয়ী সর্বাধুনিক প্রযুক্তি এবং উচ্চতর ক্ষমতাসম্পন্ন ইউরিয়া সার কারখানা স্থাপনের লক্ষ্যে “ঘোড়াশাল পলাশ ইউরিয়া ফার্টিলাইজার প্রকল্প” শীর্ষক প্রকল্পটি ১২ নভেম্বর ২০২৩ খ্রি. তারিখে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক উদ্ধোধন করা হয়।
- ঘোড়াশাল সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। 

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাই

৯৩.
বর্তমানে দেশের চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়? [ডিসেম্বর, ২০২৫]
  1. প্রায় ৮৪%
  2. প্রায় ৮৮%
  3. প্রায় ৯২%
  4. প্রায় ৯৮%
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৯৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রায় ৯৮%
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প:
- বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প যাত্রা শুরু করে ১৯৫০-এর দশকে।
- ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর এটি আরও বৃদ্ধি পায়।
- প্রাথমিকভাবে দেশের ২০ শতাংশ চাহিদা মাত্র পূরণ করতে পারতো, বাকি ৮০ শতাংশ আমদানি করা হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়
- দেশে বর্তমানে ২৮৪টি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি নিবন্ধিত, যার মধ্যে ২২৯টি সক্রিয়ভাবে উৎপাদনে রয়েছে।
- এ বাজারের প্রায় ৭১ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে শীর্ষ ১০টি কোম্পানি।
- এর মধ্যে স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস, ইনসেপ্টা, বেক্সিমকো, রেনাটা, অপসনিন, এসকেয়ার, হেলথকেয়ার অন্যতম। বড় কোম্পানিগুলো আধুনিক প্রযুক্তি, গবেষণায় বিনিয়োগ এবং বিস্তৃত বিতরণ কাঠামোর মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে।

⇒ বাংলাদেশে ১৯৮২ সালে ড্রাগ অর্ডিন্যান্স জারি হওয়ার পর প্রথম বারের মতো ঔষধ বা ফার্মাসিউটিক্যালসকে ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প হিসাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
-  এতে বহুজাতিক কোম্পানির একচেটিয়া দাপট কমে আসে, গুণগত মান ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিতের মাধ্যমে দেশীয় কোম্পানিগুলো ধীরে ধীরে আস্থা অর্জন করতে থাকে।
- বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ১৫৭ টিরও বেশি দেশে ঔষধ রপ্তানি করছি।
- বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির শীর্ষ ১০টি গন্তব্য হলো– মিয়ানমার, যুক্তরাষ্ট্র, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, আফগানিস্তান, কেনিয়া, কম্বোডিয়া, পাকিস্তান, ভিয়েতনাম ও নেপাল।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্যমতে, ২০১০ সালে ওষুধশিল্পের বাজার ছিল প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকার, যা ২০২৪ সালে পৌঁছেছে সাড়ে ৪২ হাজার কোটিতে, ইউএস ডলারে প্রায় ৩.৫ বিলিয়ন। গত এক দশকে এই খাতের গড় বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ১০-১৪ শতাংশ।

উৎস: i) MedEx.
ii) বণিক বার্তা।

৯৪.
IDRA এর পূর্ণরূপ নিচের কোনটি?
  1. Income Tax Development and Regulatory Authority
  2. Insurance Development and Regulation Authority
  3. Insurance Design and Regulatory Authority
  4. Insurance Development and Regulatory Authority
সঠিক উত্তর:
Insurance Development and Regulatory Authority
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Insurance Development and Regulatory Authority
ব্যাখ্যা
IDRA:
- IDRAএর পূর্ণরূপ: Insurance Development and Regulatory Authority.
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন ২০১০ প্রণয়ন করেছে।
- এটি বীমা ব্যবসার তত্ত্বাবধান এবং পলিসি হোল্ডারের স্বার্থ রক্ষার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- কর্তৃপক্ষ 'জাতীয় বীমা নীতি ২০১৪' বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বীমা শিল্পের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণের জন্য কাজ করছে।
- IDRA একজন চেয়ারম্যান এবং চারজন সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত।

সূত্র - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৯৫.
বাংলাদেশের কোন ইপিজেড থেকে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি আয় আসে? [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ঢাকা ইপিজেড
  2. কর্ণফুলী ইপিজেড
  3. কুমিল্লা ইপিজেড
  4. চট্টগ্রাম ইপিজেড
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চট্টগ্রাম ইপিজেড
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (EPZ):
- শিল্প খাতের দ্রুত বিকাশ এর লক্ষ্যে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ-বেপজা (Bangladesh Export Processing Zone Authority-BEPZA) দেশে ইপিজেড স্থাপনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্টকরণসহ দেশে শিল্প খাত বিকাশে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করে আসছে।
- বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ৮টি সরকারি ইপিজেড রয়েছে।
- যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মোংলা, কুমিল্লা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, আদমজী ও কর্ণফুলী ইপিজেড।

উল্লেখ্য,
⇒ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে সবচেয়ে বেশি উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠান রয়েছে চট্টগ্রাম ইপিজেডে; উৎপাদনরত শিল্প প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা: ১৪৫টি। সবচেয়ে বেশি বিনিয়োগ হয় ও রপ্তানি আয় আসে চট্টগ্রাম ইপিজেড।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
৯৬.
বাংলাদেশে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. খুলনা
  2. কক্সবাজার
  3. বাগেরহাট
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাগেরহাট
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র বাগেরহাটে অবস্থিত। 

এছাড়াও, 
→ স্বাদুপানি কেন্দ্র – ময়মনসিংহে অবস্থিত। 
→ নদী কেন্দ্র – চাঁদপুরে অবস্থিত। 
→ লোনাপানি কেন্দ্র – পাইকগাছা, খুলনায় অবস্থিত। 
→ সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র – কক্সবাজারে অবস্থিত। 

সূত্র: চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্রের ওয়েবসাইট। 

৯৭.
বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬৯ সাল
  2. ১৯৭০ সাল
  3. ১৯৭১ সাল
  4. ১৯৭৩ সাল
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৭০ সাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা:
- ০৬ এপ্রিল ১৯৭০ সালে কারখানাটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়।
-  ১৯৭১ সালে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের কারণে নির্মাণকাজ ব্যাহত হয় এবং চীনা দল কারখানা ত্যাগ করে।
-  ১৯৭৬ সালে একটি ৪৫ সদস্যের কারিগরি দল চীন থেকে আসে এবং বাকি কাজগুলি যেমন যন্ত্রপাতি, সরঞ্জাম, গেজ, ফিক্সচার ইত্যাদির ব্যবস্থা করা সম্পন্ন করে।
-  ১৯৭৭ সালে কারখানাটি নিয়মিত উৎপাদনের জন্য চালু হয়।
- বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানাটি গাজিপুর সেনানিবাস, গাজিপুরে অবস্থিত।

উৎস: বাংলাদেশ সমরাস্ত্র কারখানা ওয়েবসাইট।
৯৮.
বাংলাদেশের সর্বশেষ উপকূলীয় নদীবন্দর কোনটি? [আগস্ট, ২০২৫]
  1. মোংলা
  2. সন্ধীপ
  3. হাতিয়া
  4. ভোলাগঞ্জ
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাতিয়া
ব্যাখ্যা
দেশের উপকূলীয় নদীবন্দর:
- দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর হলো সন্দ্বীপ। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপকে দেশের প্রথম উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।
- দেশের সর্বশেষ উপকূলীয় নদীবন্দর হলো হাতিয়া। নোয়াখালীর হাতিয়াকে দেশের ২য় উপকূলীয় নদীবন্দর ঘোষণা করেছে সরকার।

⇒ ৩ জুন ২০২৫ তারিখে বিষয়টি নিয়ে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় থেকে একটি সরকারি গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে।
- এই গেজেট অনুযায়ী, হাতিয়ার চানন্দি ইউনিয়নের চানন্দি চ্যানেলের একটি নির্দিষ্ট অংশকে নদী বন্দর হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বন্দর সংক্রান্ত ১৯০৮ সালের একটি আইনের আওতায়।

উৎস: i) বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইনকিলাব।
৯৯.
বর্তমানে বাংলাদেশে পরিবেশবান্ধব কারখানার সংখ্যা কয়টি? [৩০ জানুয়ারি, ২০২৫]
  1. ২৩০টি
  2. ২৩২টি
  3. ২৩৫টি
  4. ২৩৭টি
সঠিক উত্তর:
২৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩৫টি
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

পরিবেশবান্ধব কারখানা:
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) 'লিড' সনদ দেয়।
- লিডের পূর্ণরূপ: লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন।
- ২০১২ সালে পাবনার ঈশ্বরদী ইপিজেডে স্থাপনের মাধ্যমে প্রথম পরিবেশবান্ধব কারখানার যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশে।
- বর্তমানে দেশে তৈরি পোশাক খাতে লিড সবুজ কারখানা ২৩৫টি।

সম্প্রতি,
- বাংলাদেশে দুটি নতুন কারখানা ‘লিড’ (লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভারমেন্টাল ডিজাইন) সনদ পেয়েছে।
- কারখানা দুটি হল: গাজীপুরের টিএম জিন্স লিমিটেড এবং ঢাকার দক্ষিণ খানের আজমেরি কম্পোজিট নিট লিমিটেড।
- ২০২৫ সালের প্রথম ২৫ দিনে বাংলাদেশের মোট তিনটি পোশাক কারখানা গুরুত্বপূর্ণ এই সনদ পেল।
- এর আগে গত ৭ জানুয়ারি, ২০২৫ স্বীকৃতি পায় গাজীপুরের কনসিস্ট অ্যাপারেলস লিমিটেড।

তথ্যসূত্র- পত্রিকা রিপোর্ট। [Link]
১০০.
বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র 'ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার' কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. গাজীপুর
  3. ঢাকা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র 'ওয়ার্ল্ড' ট্রেড সেন্টার:
- দ্যা ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার চট্টগ্রাম বাংলাদেশে প্রথম ও একমাত্র বাণিজ্যিক কেন্দ্র।
- এটি চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে অবস্থিত। [এখানে উত্তর "কোনটি নয়"]
- চট্টগ্রাম চেম্বার অব কর্মাস অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অর্থায়নে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি নির্মাণ করা হয়েছে।
- এই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৩২৭টি ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নেটওয়ার্কে সংযুক্ত হয় বন্দরনগরী চট্টগ্রাম।

উৎস: World Trade Center Chittagong ওয়েবসাইট।