• পুলিশ কর্তৃক ডাকাত ধৃত হয়েছে। - এটি কর্মবাচ্যের উদাহরণ।
বাচ্য:
- বাক্যের প্রকাশভঙ্গিকে বাচ্য বলে।
- প্রকাশভঙ্গির এই ভিন্নতা অনুযায়ী বাচ্য তিন প্রকার:
১. কৰ্তাবাচ্য,
২. কর্মবাচ্য ও
৩. ভাববাচ্য।
কর্তাবাচ্য:
- যে বাক্যের ক্রিয়া কর্তাকে অনুসরণ করে, তাকে কর্তাবাচ্য বলে। এক্ষেত্রে ক্রিয়ার রূপটি কর্তার পক্ষ অনুযায়ী হয়।
- যেমন:
• তারা বাড়িটি তৈরি করেছে।
• প্রধান শিক্ষক জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেছেন।
• আমরা কঠোর পরিশ্রম করি।
• একটু বাইরে বেড়িয়ে আসি।
- অজীব বিশেষ্যও অনেক সময়ে কর্তার ভূমিকা গ্রহণ করে। যেমন –
• ফ্যানটা অনেক জোরে ঘুরছে।
• শরতে শিউলি ফোটে।
কর্মবাচ্য:
- যে বাক্যের ক্রিয়া কর্মকে অনুসরণ করে, তাকে কর্মবাচ্য বলে।
- যেমন:
• পুলিশ কর্তৃক ডাকাত ধৃত হয়েছে।
• চিঠিটা পড়া হয়েছে।
• তাদের দ্বারা বাড়িটি তৈরি হয়েছে।
• আসামিকে জরিমানা করা হয়েছে।
• আমাদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়।
ভাববাচ্য:
- যে বাক্যের ক্রিয়া-বিশেষ্য বাক্যের ক্রিয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে ভাববাচ্য বলে।
- যেমন:
• আমার যাওয়া হল না।
• কোথা থেকে আসা হলো।
• এবার বাঁশিটি বাজানো হোক।
• তোমাকেই ঢাকা যেতে হবে।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ ও ২০১৯ সংস্করণ)।