বিষয়সমূহ

PrepBank · বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

মোট প্রশ্ন৭,১৯১এই পাতা১০০প্রতি পাতা১০০
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ভূগোল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা

PrepBank · পাতা ৬৮ / ৭২ · ৬,৭০১৬,৮০০ / ৭,১৯১

৬,৭০১.
কোনটি বন্যার প্রাকৃতিক কারণ?
  1. অপরিকল্পিত নগরায়ন
  2. নদীর গভীরতা কমে যাওয়া
  3. জলাধার ভরাট
  4. বালু ভরাট
সঠিক উত্তর:
নদীর গভীরতা কমে যাওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নদীর গভীরতা কমে যাওয়া
ব্যাখ্যা

• বন্যার কারণসমূহ-
• মানব সৃষ্ট কারণ
- অপরিকল্পিত নগরায়ন ও জলাধার ভরাট করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ বিঘ্ন করা।
- অপরিকল্পিত রাস্তাঘাট নির্মাণ।
- গঙ্গা নদীর উপর ফারাক্কা ও তিস্তা নদীর উপর নির্মিত বাঁধের প্রভাব।
- বালু ভরাট করে নদীসমূহের স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা দান।

• প্রাকৃতিক কারণ:
- বর্ষাকালে উত্তরাঞ্চলে নদীর উজানে প্রচুর বৃষ্টি।
- মৌসুমি জলবায়ুর প্রভাব।
- মূল নদীসমূহের গভীরতা হ্রাস পাওয়া।
- বঙ্গোপসাগরে ভরা জোয়ার।
- হিমালয়ের বরফগলা পানিপ্রবাহ।
- শাখা নদীগুলো পলি দ্বারা ভরাট হয়ে যাওয়া।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, ৯ম ১০ম শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৭০২.
জার্মানির ব্ল্যাক ফরেস্ট কী ধরনের পর্বত?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
  3. আগ্নেয় পর্বত
  4. ল্যাকোলিথ পর্বত
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
ব্যাখ্যা
- ভূ-আলোড়নের ফলে ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে সংকোচন ও প্রসারণের মাধ্যমে সৃষ্ট পর্বত চ্যুতি-স্তূপ পর্বত নামে পরিচিত।
চ্যুতি-স্তূপ পর্বতের মধ্যে রয়েছে:
- ব্ল্যাক ফরেস্ট (জার্মানি)
- বিন্ধ্যা পর্বত (ভারত)
- সাতপুরা পর্বত (ভারত)
- লবণ পর্বত (পাকিস্তান)।
(তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৭০৩.
'বাইক্কা বিল' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কুলাউড়া
  2. খ) শ্রীমঙ্গল
  3. গ) কমলগঞ্জ
  4. ঘ) বড়লেখা
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীমঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) শ্রীমঙ্গল
ব্যাখ্যা
- শ্রীমঙ্গলে অবস্থতি বাইক্কা বিল হাইল হাওরের প্রাণ।
- সেখানে গড়ে তোলা হয়েছে পাখি ও মাছের অভয়াশ্রম। এক সময় শুধু শীত কালে এখানে অতিথি পাখি আসতো কিন্তু বিগত কয়েক বছর ধরে বাইক্কা বিল পাখির স্থায়ী অভয়াশ্রমে পরিনত হয়েছে। বার মাসই সেখানে পাখি দেখা য়ায়। শুধু পাখি নয় এখানে রয়েছে বড় বড় দেশীয় প্রজাতির মাছ তাও সম্ভব হয়েছে এখানে মাছের স্থায়ী আভয়াশ্রম গড়ে তোলায়।
- সেখানে পাখি দেখার জন্য নির্মিত হয়েছে একটি র্পযটন টাওয়ার।
-  এটি বর্তমানে বাংলাদেশের একমাত্র পর্যটন টাওয়ার। এ টাওয়ারটি নির্মান করা হয়েছে শুধু মাত্র পাখি দেখার জন্য। টাওয়ারটি ৩তলা বিশিষ্ট। প্রত্যেক তলাতেই রয়েছে ১টি করে শক্তিশালী বাইনোকোলার।

তথ্যসূত্র:- মৌলভীবাজার জেলা ওয়েবসাইট।
৬,৭০৪.
খালের নগরী কোনটি?
  1. প্যারিস
  2. শিকাগো
  3. কায়রো 
  4. ভেনিস
সঠিক উত্তর:
ভেনিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভেনিস
ব্যাখ্যা

ভেনিস (Venice):
- ইটালির একটি ঐতিহাসিক শহর, তার অসংখ্য খাল (প্রায় ১৫০টিরও বেশি)।
- এবং সেগুলোর উপর নির্মিত সেতু (প্রায় ৪০০টিরও বেশি) এর জন্য "খালের নগরী" (City of Canals বা City of Water) নামে বিখ্যাত।
- এটি অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের ল্যাগুন অঞ্চলে ১১৮টি ছোট দ্বীপের উপর নির্মিত, যেখানে খালগুলোই মূল যাতায়াতের পথ রাস্তার পরিবর্তে নৌকা (যেমন গন্ডোলা) দিয়ে চলাচল হয়।
- ঐতিহাসিকভাবে, ৫ম শতাব্দীতে আক্রমণকারীদের থেকে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের দ্বারা গড়ে উঠে এটি একটি নৌ-শক্তি হয়ে ওঠে, যেখানে খালগুলো বাণিজ্য এবং যোগাযোগের জন্য কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে।

অন্যদিকে,
- প্যারিস সীন নদীর তীরে অবস্থিত, কিন্তু খাল-ভিত্তিক নয়; রাস্তা এবং মেট্রো প্রধান।
- শিকাগো : গ্রেট লেকসের কাছে এবং কিছু খাল আছে, কিন্তু দ্বীপ-ভিত্তিক খাল-নগরী নয়।
- কায়রো : নাইল নদীর ধারে, কিন্তু খালের নেটওয়ার্কের উপর নির্ভরশীল নয়।

• কয়েকটি প্রাকৃতিক ভৌগলিক নাম: 
- মুক্তার দেশ  কিউবা,
- প্রাচীরের দেশ  চীন,
- নীলনদের দেশ মিশর,
- ধীবরের দেশ নরওয়ে,
- সিল্ক রুটের দেশ ইরান,
- পিরামিডের দেশ মিশর,
- সূর্যোদয়ের দেশ জাপান।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৬,৭০৫.
Surma river known as the Barak river is originated from northeastern Indian state -
  1. ক) Assam
  2. খ) Manipur
  3. গ) Meghalaya
  4. ঘ) Sikkim
সঠিক উত্তর:
খ) Manipur
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) Manipur
ব্যাখ্যা
- In the west of Manipur, the Surma River, known as the Barak River, cuts a narrow steep-sided valley through the West Manipur Hills to join the Meghna River in Bangladesh.
Manipur, state of India is located in the northeastern part of the country. 
The name Manipur means “land of gems.” 
 
Source: Britannica 
৬,৭০৬.
ম্যাজিনো লাইন অবস্থিত-
  1. এশিয়ায়
  2. ইউরোপে
  3. উত্তর আমেরিকায়
  4. দক্ষিণ আমেরিকায়
সঠিক উত্তর:
ইউরোপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপে
ব্যাখ্যা
ম্যাজিনো লাইন:
- ইউরোপের দুই প্রতিবেশী দেশ ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যে অবস্থিত সীমান্ত বরাবর নির্মিত দুর্ভেদ্য লাইন।
- ফ্রান্স ১৯৩০ এর দশকে এটি নির্মাণ করে।
- জার্মান আক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য নির্মিত হয়।
- ১৯৩৮ সালে নির্মাণ কাজ শেষ হয়।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
৬,৭০৭.
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত বনভূমি কী ধরনের বনাঞ্চল?
  1. সরলবর্গীয় বনভূমি
  2. স্রোতজ বনভূমি
  3. পর্ণমোচী বৃক্ষের বনভূমি
  4. সোয়াম্প ফরেস্ট
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্রোতজ বনভূমি
ব্যাখ্যা
- যে বন জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয় আবার ভাটার সময় শুকিয়ে যায়, তাকে স্রোতজ বা টাইডাল বনভূমি বলে।
- সুন্দরবন একটি স্রোতজ বনভূমি।
- খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলা জুড়ে বিস্তৃত বাংলাদেশ অংশের সুন্দরবনের আয়তন প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কি.মি.।
- এটি পৃথিবীর একক বৃহত্তম প্রাকৃতিক ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি।
- সুন্দরবনের প্রধান বৃক্ষ সুন্দরী।
এছাড়া অন্যান্য উদ্ভিদের মধ্যে রয়েছে:
- গেওয়া
- কেওড়া
- ধুন্দল
- পশুর
- গোলপাতা প্রভৃতি।
(তথ্যসূত্র: বন বিভাগ ওয়েবসাইট)
৬,৭০৮.
নিচের কোন জেলা নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত নয়?
  1. নওগাঁ
  2. রাজশাহী
  3. বগুড়া
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ: 
- প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা- বরেন্দ্রভূমি, মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং লালমাই পাহাড়।
- নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে বরেন্দ্রভূমি গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এ স্থানের মাটি ধূসর ও লাল বর্ণের।
- ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা জেলার অংশবিশেষ নিয়ে মধুপুর ও ভাওয়ালের সোপানভূমি গঠিত।
- এর আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গকিলোমিটার।
- সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ৩০ মিটার। মাটির রং লালচে ও ধূসর।
- কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত লালমাই পাহাড়টি বিস্তৃত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৬,৭০৯.
'গাবখান চ্যানেল' অবস্থিত -
  1. পটুয়াখালীতে
  2. সুন্দরবনে
  3. ঝালকাঠিতে
  4. বঙ্গোপসাগরে
সঠিক উত্তর:
ঝালকাঠিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝালকাঠিতে
ব্যাখ্যা
- গাবখান চ্যানেল অবস্থিত ঝালকাঠি জেলায়।
- ঝালকাঠির সুগন্ধা-বিষখালী নদীর সাথে পিরােজপুরের সন্ধ্যা নদীর সংযােগ ঘটিয়েছে ১৬ কিমি দীর্ঘ এ গাবখান চ্যানেল।
- এটি বাংলাদেশের একমাত্র কৃত্রিম নৌপথ যা ১৯১৮ সালে খনন করা হয়।

রাবনাবাদ চ্যানেল - পটুয়াখালীতে অবস্থিত।
সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বা গঙ্গাগাত বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত।

উৎস: পত্রিকা রিপোর্ট ও বাংলাপিডিয়া।
৬,৭১০.
নিচের কোনটি 'মানবসৃষ্ট আপদ'?
  1. নদী ভাঙ্গন
  2. ভবনধ্বস
  3. পারমানবিক দুর্ঘটনা
  4. শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা
সঠিক উত্তর:
ভবনধ্বস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবনধ্বস
ব্যাখ্যা
আপদ (Hazard):
- আপদ একটি অস্বাভাবিক ঘটনা যা প্রাকৃতিক, মানব সৃষ্ট বা কারিগরি ক্রটির কারণে ঘটতে পারে এবং মানুষের জীবন ও জীবিকার ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে।
- এর ফলস্বরূপ বিপর্যয় সংঘটনের মাধ্যমে মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিপদ ও হুমকির মধ্যে নিপতিত করে।
- দুর্যোগ যেমন ভূমিকম্প, বন্যা ইত্যাদির প্রাথমিক এবং প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়ে অবকাঠামোর উপর যার পুনঃনির্মাণ খুব ব্যয়বহুল কাজ।
- সব চরম ঘটনাই হচ্ছে আপদ।

উল্লেখ্য,
- প্রাকৃতিক আপদ: ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, বজ্রঝড়, টর্ণেডো, বন্যা, ভূমিকম্প, সুনামি, খরা, নদী ভাঙ্গন ইত্যাদি।
- মানবসৃষ্ট আপদ: ভবনধ্বস, নৌ ও সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকান্ড ইত্যাদি।
- কারিগরি আপদ: বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে সৃষ্ট অগ্নিকান্ড, শিল্প ও কলকারখানায় দুর্ঘটনা, পারমানবিক দুর্ঘটনা ইত্যাদি।

উৎস: দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২।
৬,৭১১.
বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন কত?
  1. ক) ২৪০০ বর্গমাইল
  2. খ) ১৯৫০ বর্গমাইল
  3. গ) ১৭৬০ বর্গমাইল
  4. ঘ) ১২২৫ বর্গমাইল
সঠিক উত্তর:
ক) ২৪০০ বর্গমাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২৪০০ বর্গমাইল
ব্যাখ্যা
সুন্দরবনের মোট আয়তন ৩৮৬০ বর্গমাইল বা ১০০০০ বর্গকি.মি প্রায়।
- এর মধ্যে ৩/৫ অংশ বা ২৩১৮ বর্গমাইল বা ৬০০০ বর্গকি.মি বাংলাদেশ অংশে পড়েছে।
- কাছাকাছি অপশন হিসাবে ক) ২৪০০ বর্গমাইল অপশনটি নেওয়া হলো।

উল্লেখ্য,
- ৬ ডিসেম্বর ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো সুন্দরবনকে ৭৯৮ তম ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
- এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন এবং বাংলাদেশের জাতীয় বন।

উৎস: বাংলাদেশ বনবিভাগ ওয়েবসাইট ও ব্রিটানিকা।
৬,৭১২.
পৃথিবীর বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল নিম্নের কোনটি?
  1. চেরাপুঞ্জি-মাওসিনরাম
  2. কঙ্গোবন
  3. সাভানা
  4. আমাজন
সঠিক উত্তর:
আমাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন
ব্যাখ্যা

আমাজন:
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ৯ টি দেশজুড়ে এর অবস্থান। 
- আমাজনের বেশিরভাগ অংশ রয়েছে - ব্রাজিলে (৬৪%)।
- আমাজন ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা নামে নয়টি দেশে বিস্তৃত। 
- আমাজন নদী নীল নদের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী।

সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

৬,৭১৩.
ক্রান্তীয় মহাদেশীয় অঞ্চলে কোন সময় বৃষ্টিপাত হয়?
  1. ক) কেবল বর্ষাকালেই
  2. খ) কেবল গ্রীষ্মকালেই
  3. গ) কেবল শীতকালেই
  4. ঘ) সব কালেই
সঠিক উত্তর:
খ) কেবল গ্রীষ্মকালেই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) কেবল গ্রীষ্মকালেই
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় ও উষ্ণ মরু অঞ্চলের মহাদেশসমূহের মধ্যভাগে যে জলবায়ু দেখতে পাওয়া যায় তাকে ক্রান্তীয় মহাদেশীয় জলবায়ু বলে। ক্রান্তীয় মহাদেশীয় অঞ্চলের গ্রীষ্মকালের গড় তাপমাত্রা ৩২° সেলসিয়াস। (রেফারেন্সঃ একাদশ- দ্বাদশ শ্রেনীর ভূগোল)
৬,৭১৪.
কোনটি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ?
  1. ক) চুনাপাথর
  2. খ) মার্বেল
  3. গ) জিপসাম
  4. ঘ) কয়লা
সঠিক উত্তর:
খ) মার্বেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) মার্বেল
ব্যাখ্যা

• পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তা পাললিক শিলা। এ শিলায় পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে একে স্তরীভূত শিলাও বলে। পাললিক শিলা নরম ও হালকা যা সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত হয়। এর মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। পাললিক শিলায় ছিদ্র দেখা যায়।

• পাললিক শিলার উদাহরণ:
- চুনাপাথর,
- কয়লা,
- নুড়িপাথর,
- বেলেপাথর,
- পলিপাথর,
- কর্দমপাথর,
- চক,
- কোকিনা,
- লবণ,
- জিপসাম,
- ডায়াটম,
- ডোলোমাইট ইত্যাদি।

• কিছু রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ:
- গ্রাফাইট (কয়লার রূপান্তরিত রূপ),
- মার্বেল (চুনাপাথরের রূপান্তরিত রূপ),
- নিস (গ্রানাইটের রূপান্তরিত রূপ) ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৭১৫.
আতাকামা মরুভূমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) এশিয়ায়
  2. খ) আফ্রিকায়
  3. গ) দক্ষিণ আমেরিকায়
  4. ঘ) পেরুতে
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ আমেরিকায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ আমেরিকায়
ব্যাখ্যা
আতাকামা মরুভূমি উত্তর চিলিতে অবস্থিত একটি শীতল, শুষ্ক, বৃষ্টিবিহীন মরুভূমি অঞ্চল।
৬,৭১৬.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা থেকে হিমালয়ের কোন শৃঙ্গ দেখা যায়?
  1. কাঞ্চনজঙ্ঘা
  2. মাকালু
  3. নাঙ্গা পর্বত
  4. নামচা বারওয়া
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চনজঙ্ঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাঞ্চনজঙ্ঘা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা (অক্ষাংশ ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখা)।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলার তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় থেকে হিমালয়ের কাঞ্চনজংঘা দেখা যায়।
- তেঁতুলিয়ায় ডাক বাংলোতে দাঁড়িয়ে মহানন্দা নদীর পাড় থেকে এবং বাংলাবান্ধা গিয়ে উত্তরের মেঘমুক্ত আকাশে তাকালেই চোখে পড়ে হিমালয়ের নয়নাভিরাম দৃশ্য।

উল্লেখ্য,
- মাকালু: এটি মাউন্ট এভারেস্টের পূর্বে তিব্বত সীমান্তে অবস্থিত একটি শৃঙ্গ।  
- নাঙ্গা পর্বত:  এটি হিমালয়ের পশ্চিমতম শৃঙ্গ।  
- নামচা বারওয়া: এটি হিমালয়ের পূর্বতম শৃঙ্গ হিসেবে বিবেচিত। 

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। [লিঙ্ক]

৬,৭১৭.
পৃথিবীর পৃষ্ঠের কত শতাংশ জল দ্বারা ঢাকা?
  1. ৭১%
  2. ৬৫%
  3. ৭৫%
  4. ৬০%
সঠিক উত্তর:
৭১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭১%
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর পৃষ্ঠ:
- পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠফল হলো ৫১,০০,৭২,০০০ বর্গ কি.মি. (৫১ কোটি বর্গ কিমি)।
- এর মধ্যে প্রায় ৭১% পানিতে ঢাকা; 
- এবং ২৯% স্থলভাগ।

- পৃথিবী মূলত দুই ভাগ দিয়ে গঠিত: জল ও স্থল।
- পৃথিবীর মোট আয়তন ১.০৮৩২০৭ × ১০¹² ঘন কি.মি. অর্থাৎ পৃথিবী প্রায় ১০¹² ঘন কি.মি. আকারের।
- আমাদের চোখে পৃথিবীকে দেখলে মনে হয় অনেক স্থল আছে। 
- কিন্তু বাস্তবে— 
- জলভাগ: ৩৬,১১,৩২,০০০ বর্গ কি.মি. → পৃথিবীর পৃষ্ঠের ৭০.৮% বা ৭১% এবং 
- স্থলভাগ: ১৪,৮৯,৪০,০০০ বর্গ কি.মি. → পৃথিবীর পৃষ্ঠের ২৯%।

- তবে, পৃথিবীর মোট ভর ও ঘনত্ব অনেক বেশি—প্রায় ৫.৯৭ × ১০²⁴ কেজি;
- এবং গড় ঘনত্ব ৫.৫ গ্রাম/ঘন সে.মি.।
- এর মানে, পানি বেশি হলেও পৃথিবী ভারী ও ঘন, কারণ এর ভেতরের অংশ (কোর ও ম্যান্টল) অনেক ঘন ও ভারী ধাতু দিয়ে গঠিত।

উৎস: Britannica ও বিজ্ঞান চিন্তা [লিঙ্ক]। 

৬,৭১৮.
বাংলাদেশে গ্রীষ্মকালে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়-
  1. ক) সমুদ্র বায়ুর প্রভাবে
  2. খ) পার্বত্য বায়ুর প্রভাবে
  3. গ) দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
  4. ঘ) উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে
ব্যাখ্যা
গ্রীষ্মকালীন মৌসুমী বায়ু বা দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু দীর্ঘপথ সমুদ্রের উপর দিয়ে আসে বলে জলীয়বাষ্পপূর্ণ থাকে এবং হিমালয় ও অন্যান্য উচ্চ পর্বতগাত্রে বাঁধাপ্রাপ্ত হয়ে প্রচুর বৃষ্টিপাত ঘটায়। এর প্রভাবে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
৬,৭১৯.
কোন প্রতিষ্ঠান রিবন রেটিং পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছে?
  1. বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
  2. বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট
  3. জাতীয় বীজ বোর্ড
  4. কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা

রিবন রেটিং (Ribbon Retting): 
- রিবন রেটিং হলো বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত একটি আধুনিক, সাশ্রয়ী ও পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি। 
- এই পদ্ধতি পাটের আঁশ আলাদা করে পচানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
- কাঁচা পাট গাছ কাটার পর রিবনার (Ribboner) যন্ত্রের মাধ্যমে ফিতার মতো ছাল আলাদা করা হয় এবং অল্প পানিতে পচানো হয়।

• এই পদ্ধতির প্রধান সুবিধা হলো:
- কম পানি ও সময়:
- প্রচলিত পদ্ধতির তুলনায় কম পানি ব্যবহার হয় এবং ৪–৫ দিন কম সময়ে উন্নত মানের আঁশ পাওয়া যায়।

- উন্নত মানের আঁশ:
- প্রাপ্ত আঁশের রঙ উজ্জ্বল এবং মান উন্নত।

- ছাল আলাদা করা সহজ:
- Ribboner যন্ত্র দিয়ে সহজেই ছাল আলাদা করা যায়।

- পচন প্রক্রিয়া:
- আলাদা ছাল কম পানিতে বা ছোট ডোবা/গর্তে পচানো যায়।

- সার হিসেবে ব্যবহার:
- অবশিষ্ট পাতা ও ছাল জমিতে পচিয়ে সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

- খরচ ও পরিবেশ বান্ধব:
- পানি সংকটের এলাকায় কার্যকর এবং পরিবেশের জন্য উপকারী।

উৎস: কৃষি শিক্ষা, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি। 

৬,৭২০.
ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে কোনটি?
  1. বেরিং প্রণালী
  2. পানামা খাল
  3. পক প্রণালী
  4. জিব্রাল্টার প্রণালী
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিব্রাল্টার প্রণালী
ব্যাখ্যা
⇒ ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযুক্ত করেছে জিব্রাল্টার প্রণালী।

জিব্রাল্টার প্রণালী:
- জিব্রাল্টার প্রণালী ইউরোপ থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে।
- ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরকে সংযোজনকারী একমাত্র প্রাকৃতিক পথ।
- জিব্রাল্টার প্রণালী পূর্বে ভূমধ্যসাগরকে পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগরের সাথে সংযোগকারী সমুদ্র প্রণালী।
- এটি উত্তর আফ্রিকাকে দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপের আইবেরীয় উপদ্বীপ থেকে পৃথক করেছে।
- প্রণালীটি মরক্কো ও স্পেনকে পৃথক করে।
- যার গড় গভীরতা ১,২০০ ফুট (৩৬৫ মিটার)।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬,৭২১.
জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. দিনাজপুর
  2. নীলফামারী
  3. লালমনিরহাট
  4. জয়পুরহাট
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জয়পুরহাট
ব্যাখ্যা

• জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্র :
১৯৬২ সালে জয়পুরহাট জেলার জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রটি আবিষ্কৃত হয়।
- এই কয়লােেক্ষত্রটির বিস্তৃতি ১১.৬৬ বর্গকিলোমিটার এবং কয়লা স্তরের গভীরতা ৬৪০ থেকে ১,১৫৮ মিটার।
 জামালগঞ্জ কয়লাক্ষেত্রে সঞ্চিত কয়লার পরিমাণ ১০৫ কোটি ৩০ লক্ষ টন।

উল্লেখ্য,
- খালাসপীর কয়লাক্ষেত্র - রংপুর।
- বড় পুকুরিয়া কয়লাক্ষেত্র - দিনাজপুর।
- দিঘীপাড়া কয়লাক্ষেত্র -  দিনাজপুর।
- ফুলবাড়ী কয়লাক্ষেত্র - দিনাজপুর।

উৎস: ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৭২২.
ভোরের আকাশে শুকতারা হিসেবে পরিচিত-
  1. বুধ
  2. মঙ্গল
  3. শুক্র
  4. শনি
সঠিক উত্তর:
শুক্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুক্র
ব্যাখ্যা
শুক্র (Venus):
- বুধের মতো শুক্র গ্রহকেও ভোরের আকাশে শুকতারা এবং সন্ধ্যার আকাশে সন্ধ্যাতারা হিসেবে দেখা যায়। শুকতারা বা সন্ধ্যাতারা আসলে কোনো তারা নয়।
- কিন্তু নক্ষত্রের মতো জ্বলজ্বল করে বলেই আমরা একে ভুল করে তারা বলি।
- শুক্র গ্রহটি ঘন মেঘে ঢাকা।
- তাই এর উপরিভাগ থেকে সূর্যকে কখনই দেখা যায় না।
- শুক্রের মেঘাচ্ছন্ন বায়ুমণ্ডল প্রধানত কার্বন ডাইঅক্সাইডের তৈরি।
- এটি সৌরজগতের সবচেয়ে উজ্জ্বল ও সবচেয়ে উত্তপ্ত গ্রহ।
- সূর্য থেকে শুক্র গ্রহের দূরত্ব ১০.৮ কোটি কিলোমিটার।
- এর দিন ও রাতের মধ্যে আলোর বিশেষ কোনো তারতম্য হয় না।
- এখানে বৃষ্টি হয় তবে এসিড বৃষ্টি। শুক্রের ব্যাস ১২,১০৪ কিলোমিটার। সূর্যকে ঘুরে আসতে শুক্রের সময় লাগে ২২৫ দিন।
- সুতরাং শুক্রে ২২৫ দিনে একছর।
- শুক্রের কোনো উপগ্রহ নেই।
- সকল গ্রহ এদের নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে পাক খেলেও একমাত্র শুক্র গ্রহ পূর্ব থেকে পশ্চিমে পাক খায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।
৬,৭২৩.
বাংলাদেশে বছরের কোন সময়ে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়?
  1. আষাঢ়- শ্রাবণ
  2. কার্তিক-অগ্রহায়ণ
  3. বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ
  4. ভাদ্র-আশ্বিন
সঠিক উত্তর:
বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ
ব্যাখ্যা
• কালবৈশাখী ঝড়:
- কালবৈশাখী ঝড় বাংলাদেশের অতি পরিচিত একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
- বাংলাদেশে সাধারণত এপ্রিল থেকে মে (বৈশাখ থেকে জ্যৈষ্ঠ) মাসে কালবৈশাখী ঝড় দেখা দেয়। তবে বৈশাখ মাসেই কালবৈশাখীর প্রকোপ বেশি থাকে।

- এই ঝড়ের গতিবেগ ৫৫ থেকে ৮০ কি. মি. পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- বাংলাদেশে উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আগত শীতল ও শুষ্ক বায়ু এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে আগত উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর সংঘর্ষে সাধারণত কালবৈশাখী ঝড় সংঘটিত হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : সপ্তম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৬,৭২৪.
সুয়েজ খাল কোন দুই সাগরকে যুক্ত করে?
  1. ভূ-মধ্যসাগর ও কৃষ্ণ সাগর
  2. উত্তর সাগর ও বাল্টিক সাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর ও ভূ-মধ্যসাগর
  4. লোহিত সাগর ও ভূ-মধ্যসাগর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও ভূ-মধ্যসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর ও ভূ-মধ্যসাগর
ব্যাখ্যা
সুয়েজ খাল:
- সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত।
- এটি একটি কৃত্তিম সামুদ্রিক খাল।
- এটি ভূমধ্যসাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।
- দশ বছর ধরে খননের পর পথটি ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দে সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেয়া হয়।
- নির্মাণ শুরু হয়েছে: ২৫ এপ্রিল, ১৮৫৯।
- নির্মাণ শেষ হয়: ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯।
- খালটি মিশরের সুয়েজ ক্যানেল অথোরিটির মালিকানাধীন।

উৎস: Britannica.
৬,৭২৫.
বলিভিয়ার মালভূমি কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. পাদদেশীয় 
  2. পর্বতমধ্যবর্তী
  3. ক্ষয়জাত
  4. মহাদেশীয় 
সঠিক উত্তর:
পর্বতমধ্যবর্তী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্বতমধ্যবর্তী
ব্যাখ্যা

• মালভূমি:
- পর্বত থেকে কম উচ্চতার তবে সমভূমি থেকে অধিক উচ্চতার খাড়া ঢালযুক্ত বিস্তীর্ণ সমতল ভূমিকে মালভূমি বলে। 
​- মালভূমির উচ্চতা শত মিটার থেকে কয়েক হাজার মিটার পর্যন্ত হতে পারে। 
​- অবস্থানের ভিত্তিতে মালভূমি তিন ধরনের। যথা- 
​(ক) পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি;
​(খ) পাদদেশীয় মালভূমি;
​(গ) মহাদেশীয় মালভূমি।

পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি: 
​- পর্বতের মধ্যখানে এই প্রকারের মালভূমি দেখতে পাওয়া যায়। 
​- এই মালভূমির উচ্চতা প্রায় ৩,০০০ থেকে ৪,৫০০ মিটার হয়ে থাকে। 
​- তিব্বত মালভূমি একটি পর্বত মধ্যবর্তী মালভূমি। 
​- এই পর্বতের উত্তরে কুনলুন ও দক্ষিণে হিমালয় পর্বত এবং পূর্ব-পশ্চিমের অন্যান্য পর্বত ঘিরে আছে। 
​- দক্ষিণ আমেরিকার বলিভিয়া, মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো এবং এশিয়ার মঙ্গোলিয়া এ ধরনের মালভূমি।

​তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৭২৬.
জৈবিক দুর্যোগ ঝুঁকির উদারহরণ নিচের কোনটি?
  1. ক) ভবনধ্বস
  2. খ) রাসায়নিক বিস্ফোরণ
  3. গ) নিপাহ ভাইরাস
  4. ঘ) ঘূর্ণিঝড়
সঠিক উত্তর:
গ) নিপাহ ভাইরাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) নিপাহ ভাইরাস
ব্যাখ্যা
• প্রাকৃতিক ও মানব সৃষ্ট কারণে বিশেষ করে জলবায়ু পরিবর্তন এবং পরিবেশ অবক্ষয়ের দরুন বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন ধরনের দুর্যোগের শিকার হচ্ছে বিশ্ববাসী।বাংলাদেশও এর ব্যতিক্রম নয়। দুর্যোগের ধরন ও দুর্যোগ সৃষ্টির কারণের ওপর নির্ভর করে বাংলাদেশের দুর্যোগ ও দুর্যোগ ঝুঁকির পরিবেশকে প্রধান তিনটি ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা হয়েছে। যথা- প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির পরিবেশ, মানব সৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকির পরিবেশ এবং জৈবিক দুর্যোগের ঝুঁকির পরিবেশ।

• প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির পরিবেশ (Natural Disaster Risk Environment): বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকির মধ্যে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, খরা, ভূমিধস, ভূমিকম্প ও বজ্রপাত প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। 

• মানব সৃষ্ট দুর্যোগের ঝুঁকি (Human made Disaster Risk): বিপদজনক রাসায়নিক পদার্থের ব্যবহারের কারণে চামড়া শিল্প, জাহাজভাঙ্গা শিল্প, রাসায়নিক শিল্পে প্রায় দুর্ঘটনা হয়। ২০১৯ সালে ঢাকায় চকবাজার এলাকায় রাসায়নিক বিস্ফোরণে ৭০ জনের মৃত্যু হয়। ২০১৯ সালে সারাদেশে ভবনধ্বসে ২৬ জন মানুষ মারা যায়।

• জৈবিক দুর্যোগ ঝুঁকি (Biological Disaster): সম্প্রতির কোভিড-১৯ সহ বিগত বছরগুলোতে যেমন ২০১৭ সালের চিকুনগুনিয়া, ২০০৭ সালে ব্রার্ড ফ্লু, ২০০৪ সালের নিপাহ ভাইরাসের সংক্রমণ জৈবিক হ্যাজার্ডের অন্তর্ভূক্ত । এছাড়াও ডেঙ্গু, সোয়াইন ফ্লু নিপাহ, জিকা ভাইরাসের আক্রমণ জৈবিক হ্যাজার্ডের অন্তর্গত।

সূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭২৭.
কোন সময়ে আবহাওয়া বিভাগ জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কে পূর্বাভাস দেয়?
  1. ভূমিকম্পের সময়ে
  2. ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে
  3. ভারী বৃষ্টির সময়ে
  4. বন্যার সময়ে
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘূর্ণিঝড়ের সময়ে
ব্যাখ্যা
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস:
- বাংলাদেশের দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরে প্রখর সূর্যতাপে পানি বাষ্পীভূত হয়ে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়।
- এরূপ একটি নিম্নচাপ বেশ কয়েকদিন ধরে শক্তি সঞ্চয় করে ও গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়।
- গভীর নিম্নচাপটি থেকে যে কোনো সময়ে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
- আবহাওয়া বিভাগ সমুদ্র ও নদী বন্দরের জন্য পৃথক সংকেত প্রচার করে।
- বিপদের গুরুত্ব অনুযায়ী সমুদ্র বন্দরের জন্য এক থেকে দশ (১-১০) ধরনের ও নদী বন্দরের জন্য এক থেকে চার (১-৪) ধরনের ঝড় সতর্কীকরণ সংকেত প্রদান করে।
- সাইক্লোন প্রিপেয়ার্ডনেস প্রোগ্রাম (CPP) এর আঞ্চলিক দপ্তরসমূহ থেকে স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে মোবাইল ও জনসংযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন এলাকায় জনসাধারণকে ঝড়ের পূর্বাভাস দেবার পাশাপাশি তাদেরকে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে সরিয়ে নিতে কাজ করে।
- সিপিপি ও অন্যান্য বেসরকারি সংস্থাসমূহ সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকার জনগণকে সর্তক করে।
- ঘূর্ণিঝড়কালিন সময়ে বাতাসের গতিবেগ, জোয়ার-ভাঁটার সময়কাল, সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় উপদ্রুত এলাকার প্রাকৃতিক গঠন ইত্যাদি বিষয়গুলো বিবেচনা করে আবহাওয়া বিভাগ জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কে পূর্বাভাস দেয়।
- স্পারসো ও আবহাওয়া বিভাগ রাডারের মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য ও উপগ্রহ চিত্র বিশ্লেষণ করে ঘূর্ণিঝড়ের মাত্রা, গতিবেগ ও গতিপথ সম্পর্কে পূর্বাভাস দেবার পাশাপাশি জলোচ্ছ্বাস সম্পর্কেও পূর্বাভাস দিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭২৮.
নিচের কোনটি নিয়ত বায়ুপ্রবাহ?
  1. স্থলবায়ু
  2. পশ্চিমা বায়ু
  3. মৌসুমি বায়ু
  4. উপত্যকা বায়ু
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা বায়ু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পশ্চিমা বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ:
- বায়ুপ্রবাহ মূলত চার প্রকার। যথা-
# নিয়মিত বায়ু।
# স্থানীয় বায়ু।
# সাময়িক বায়ু।
# অনিয়মিত বায়ু।

• নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিন প্রকার। যথা-
# অয়ন বায়ু।
# মেরু বায়ু।
# পশ্চিমা বায়ু।

• সাময়িক বায়ু প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
# স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।
# মৌসুমি বায়ু।

• স্থানীয় বায়ু হলো দুই প্রকার। যথা-
# পার্বত্য বায়ু।
# উপত্যকা বায়ু।

• অনিয়মিত বায়ু দুই প্রকার। যথা-
# ঘূর্ণিবাত বায়ু।
# প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৭২৯.
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে কে স্বাক্ষর করেন?
  1. ক) আব্দুল জলিল
  2. খ) আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
  3. গ) ফয়সল বিন জামান
  4. ঘ) আহমেদ বিন জায়েদ
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ
ব্যাখ্যা
পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি:
- ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি।
- ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- বাংলাদেশ সরকার এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম জনসংহতি সমিতির মধ্যে পার্বত্য চটগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- চুক্তিতে বালাদেশ সরকারের পক্ষে আবুল হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং জনসংহতি সমিতির পক্ষে জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা (সন্তু লারমা) স্বাক্ষর করেন। এই চুক্তির ফলে পার্বত্য শান্তি স্থাপনের পথ সুগম হয়।
- ২ ডিসেম্বর, ২০২২ সালে পার্বত্য চট্রগ্রাম শান্তি চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
৬,৭৩০.
নিচের কোনটি আকস্মিকভাবে ভূপৃষ্ঠ পরিবর্তনের প্রক্রিয়া?
  1. বিচূর্ণীভবন
  2. নগ্নীভবন
  3. অগ্ন্যূৎপাত
  4. অপসারণ
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যূৎপাত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্ন্যূৎপাত
ব্যাখ্যা
- প্রাকৃতিকভাবে ভূপৃষ্ঠ পরির্তনের প্রক্রিয়া দুটো। এগুলো হলো:
- আকস্মিক পরিবর্তন ও
- ধীর পরিবর্তন।
আকস্মিক পরিবর্তন প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে:
- ভূমিকম্প
- অগ্ন্যুৎপাত

• যেসব প্রক্রিয়ায় ভূমিরূপের ধীর পরিবর্তন হচ্ছে তাদেরকে প্রধানত চারটি পর্যায়ে বিভক্ত করা যায়।
(ক) বিচূর্ণীভবন ও ক্ষয়ীভবন (Weathering and
Erosion)
(খ) অপসারণ (Transporation)
(গ) নগ্নীভবন (Denudation)
(ঘ) অবক্ষেপণ (Deposition)

তথ্যসূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।
৬,৭৩১.
ফেরেলের সূত্র অনুযায়ী বায়ুপ্রবাহের দিক নিচের কোনটি?
  1. উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
  2. উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
  3. উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের ডান দিকে
  4. দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে ও উত্তর গোলার্ধের বাম দিকে
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে
ব্যাখ্যা
 বায়ুপ্রবাহ:
- বায়ু সর্বদা একস্থান হতে অন্যস্থানে প্রবাহিত হয়।
- বায়ু কিছু নিয়ম মেনে প্রবাহিত হয়। যেমন- সাধারণত উচ্চচাপ বলয় থেকে শীতল ও ভারী বায়ু নিম্নচাপ বলয়ে প্রবাহিত হয়।
- ফেরেলের সূত্রানুযায়ী বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধের ডান দিকে ও দক্ষিণ গোলার্ধের বাম দিকে বেঁকে যায়।
- বায়ুপ্রবাহ প্রধানত চার প্রকার। যথা-নিয়ত বায়ু, সাময়িক বায়ু, স্থানীয় বায়ু ও অনিয়মিত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৩২.
মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের কয়টি প্রধান আন্তঃসীমান্ত নদী রয়েছে? 
  1. ১টি
  2. ৩টি
  3. ২টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩টি
ব্যাখ্যা

সীমান্তবর্তী নদী:
- আন্তঃসীমান্তবর্তী নদী হলো এমন নদী যা অন্তত এক বা একাধিক দেশের রাজনৈতিক সীমান্ত অতিক্রম করে।
- বাংলাদেশে মোট ৫৭টি আন্তঃসীমান্তবর্তী নদী রয়েছে।
-  বাংলাদেশ-মিয়ানমার আন্তঃসীমান্ত নদী ৩টি, (সাঙ্গু, মাতামুহুরী, নাফ)। 
- এই তিনটি নদীর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী হলো নাফ নদী।
- নাফ নদী কক্সবাজার জেলার দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্ত বরাবর প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে মিশেছে।
-  বঙ্গোপসাগরে মিশে নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যে প্রধান আন্তর্জাতিক সীমান্ত গঠন করে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের রাখাইন/মংডু অঞ্চলকে আলাদা করে।
- অন্য দুটি নদী, মাতামুহুরী ও সাঙ্গু, মিয়ানমার থেকে উৎপন্ন হয়ে বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা।

৬,৭৩৩.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরের সামগ্রিক গড় অবস্থাকে জলবায়ু বোঝায়?
  1. উচ্চস্তর
  2. মধ্যস্তর
  3. নিম্নস্তর
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
নিম্নস্তর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিম্নস্তর
ব্যাখ্যা

জলবায়ু:
- জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের সাধারণত ৩০-৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থা।
- অর্থাৎ জলবায়ু হলো কোনো একটি অঞ্চলের অনেক বছরের বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরের সামগ্রিক গড় অবস্থা।
- জলবায়ুর বৈশিষ্ট্য হলো এটি নিয়ত পরিবর্তনশীল নয়।
- আবহাওয়ার থেকে জলবায়ুর পার্থক্য হলো আবহাওয়া কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের স্বল্পস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
- জলবায়ু বলতে কোনো দেশ বা মহাদেশের বায়ুমণ্ডলের দীর্ঘস্থায়ী অবস্থাকে বুঝায়।
- বাংলাদেশের জলবায়ু ‘ক্রান্তীয় মৌসুমি’ জলবায়ুর দেশ।
- জলবায়ুর প্রধান নিয়ামকগুলো হলো- অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহ, বনভূমি, সমুদ্রস্রোত, পর্বতের অবস্থান, ভূমির ঢাল ও মৃত্তিকা প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৭৩৪.
সমুদ্রতীরে কোনটির প্রাচুর্য থাকে?
  1. নাইট্রোজেন (Nitrogen)
  2. হাইড্রোজেন (Hydrogen)
  3. অক্সিজেন (Oxygen)
  4. ওজোন (Ozone)
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন (Nitrogen)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রোজেন (Nitrogen)
ব্যাখ্যা
সমুদ্রতীরে প্রাচুর্য:
- সমুদ্রতীরের বাতাসে সামান্য হেরফের থাকলেও সেখানে নাইট্রোজেনেরই প্রাচুর্য থাকে।
-  যদিও সমুদ্রতীরের বাতাসে জলীয় বাষ্প, কার্বন ডাই অক্সাইড এবং অন্যান্য গ্যাসের পরিমাণ কম-বেশি হতে পারে, তবুও নাইট্রোজেন সবসময়ই বেশি পরিমাণে থাকে। 

⇒ সাধারণভাবে বায়ুমন্ডলে-
- নাইট্রোজেন - ৭৮.০২%,
- অক্সিজেন - ২০.৭১%,
- আর্গন - ০.৮০%,
- জলীয়বাষ্প ০.৪১%,
- কার্বন-ডাই-অক্সাইড - ০.০৩% থাকে,
- এবং অন্য গ্যাসসমূহের পরিমাণ ০.০২%।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৭৩৫.
বাংলাদেশের একটি জীবন্ত জীবাশ্মের নাম-
  1. ক) রাজ কাঁকড়া
  2. খ) গণ্ডার
  3. গ) পিপীলিকাতুক ম্যানিস
  4. ঘ) স্নো লোরিস
সঠিক উত্তর:
ক) রাজ কাঁকড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) রাজ কাঁকড়া
ব্যাখ্যা
রাজ কাঁকড়া:
- রাজ কাঁকড়া (অশ্বখুরাকৃতির কাঁকড়া বা সাগর কাঁকড়া) প্রকৃত পক্ষে কাঁকড়া নয় তবে কাঁকড়ার সহিত সাদৃশ্যযুক্ত সামুদ্রিক অ্যারাকনিড।
- এরা Xiphosura (গ্রীক, xiphos, তলোয়ার এবং uros, লেজ) বর্গের অর্ন্তভূক্ত।
- পৃথিবীব্যাপী ৩টি গনের অধীনে এদের ৪টি জীবিত প্রজাতি রয়েছে।
- প্রাগৈতিহাসিক এই প্রাণীকে ’’জীবন্ত জীবাশ্ম’’ বলা হয় যা প্রায় ৫৫০ মিলিয়ন বা ৫৫ কোটি বছর পূর্বে ট্রাইলোবাইট থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া
৬,৭৩৬.
ভূমিকম্পের সূচনাবিন্দুকে কী বলা হয়? 
  1. Epicentre 
  2. Focus 
  3. Fracture 
  4. Fault
সঠিক উত্তর:
Focus 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Focus 
ব্যাখ্যা

• ভূমিকম্প:
- ভূ-আলোড়নের সময়ে অথবা অন্য কোন প্রাকৃতিক কারণে ভূ-পৃষ্ঠের একটি অংশ যখন হঠাৎ কিছুক্ষণের জন্য কেঁপে উঠে, তখন ভূ-ত্বকের এই কম্পনকে ভূমিকম্প বলা হয়।
- ভূ-গর্ভস্থ যে স্থানে এই কম্পনের সৃষ্টি হয়, তাকে ভূমিকম্পের উৎস স্থল বা কম্পকেন্দ্র বলা হয়।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র (Centre বা Focus) বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র (Epicentre) বলে।

উল্লেখ্য, 
- ভূমিকম্প মাপন যন্ত্রের নাম সিসমোমিটার।
- ভূমিকম্পনের রেখা যে কাগজে অংকিত হয়, তাকে সিসমোগ্রাফ বলে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম -দশম শ্রেণি।

৬,৭৩৭.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে 'ধামাইল' লোকসঙ্গীতের প্রচলন রয়েছে?
  1. ক) রংপুর অঞ্চল
  2. খ) চাপাইনবাবগঞ্জ
  3. গ) সিলেটের হাওরাঞ্চল
  4. ঘ) চট্টগ্রাম অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
গ) সিলেটের হাওরাঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সিলেটের হাওরাঞ্চল
ব্যাখ্যা
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রচলিত লোকসঙ্গীত:
- ধামাইল : সিলেটের হাওরাঞ্চল
- ভাটিয়ালি : ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চল
- ভাওয়াইয়া : রংপুর অঞ্চল
- গম্ভীরা : চাপাইনবাবগঞ্জ
- জারি গান : ঢাকা-ময়মনসিংহ অঞ্চল
- ভান্ডারী গান : চট্টগ্রাম অঞ্চল।

তথ্যসূত্র:- বাংলাপিডিয়া।
৬,৭৩৮.
কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন- 
  1. বেড়িবাঁধ তৈরি
  2. প্রশিক্ষণ
  3. পূর্বপ্রস্তুতি
  4. গণসচেতনতা বৃদ্ধি
সঠিক উত্তর:
বেড়িবাঁধ তৈরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেড়িবাঁধ তৈরি
ব্যাখ্যা

 দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রশমন এবং দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মুখ্য উপাদান। 

প্রতিরোধ:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে সম্পূর্ণরূপে প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও এর ক্ষয়ক্ষতি কমানোর ব্যাপারে প্রতিরোধ কার্যক্রম সফলতা বয়ে আনতে পারে।
- দুর্যোগ প্রতিরোধের কাঠামোগত এবং অকাঠামোগত প্রশমনের ব্যবস্থা রয়েছে।
- কাঠামোগত প্রশমনের ক্ষেত্রে বিভিন্ন নির্মাণ কার্যক্রম যথা-
• বেড়িবাঁধ তৈরি, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, পাকা ও মজবুত ঘরবাড়ি তৈরি, নদী খনন ইত্যাদি বাস্তবায়নকেই বোঝায়। 
- কাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন খুবই ব্যয়বহুল, যা অনেক দরিদ্র দেশের পক্ষে বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে।
• অকাঠামোগত দুর্যোগ প্রশমন যেমন- প্রশিক্ষণ, গণসচেতনতা বৃদ্ধি, পূর্বপ্রস্তুতি ইত্যাদি কার্যক্রম স্বল্প ব্যয়ে করা সম্ভব।

 উৎস: ভূগোল ‍ও পরিবেশ, এসএসসি, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৭৩৯.
২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের যে ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে সেগুলো হলো -
  1. ক) টর্নেডো, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা
  2. খ) মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রস্তরের উচ্চতা হ্রাস এবং কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা
  3. গ) মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং শিল্পের অনিশ্চয়তা
  4. ঘ) মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা
সঠিক উত্তর:
ঘ) মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা
ব্যাখ্যা
• ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করে।
• এগুলো হলোঃ মরুকরণ, বন্যা, ঝড়, সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা
• এর মধ্যে বন্যা ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অবস্থান ১ নম্বরে। ঝড়ের ঝুঁকিতে ২ নম্বর এবং সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধিতে ১০ নম্বর।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৭৪০.
নিম্নের কোনটি আগ্নেয় পর্বত নয়?
  1. ভিসুভিয়াস পর্বত
  2. কিলিমানজারো পর্বত
  3. ফুজিয়ামা পর্বত
  4. হেনরী পর্বত
সঠিক উত্তর:
হেনরী পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরী পর্বত
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়।  পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে। লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে।
- এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

⇒ ল্যাকোলিথ পর্বত: ভূ-অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা বিভিন্ন উপায়ে ভূ-পৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে। 
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত এর উদাহরণ।

উৎস - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৭৪১.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা কোন সাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়েছে?
  1. প্রশান্ত মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আর্কটিক মহাসাগর
  4. আটলান্টিক মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা:
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- গ্রীনিচ থেকে ১৮০° পূর্ব বা পশ্চিমে স্থলভাগকে এড়িয়ে, প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা বরাবর একটি রেখা কল্পনা করা হয়েছে।
- এই রেখাটিকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলা হয়।
- অর্থাৎ এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অঙ্কিত এই রেখা স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৮০° পূর্ব ও পশ্চিম দ্রাঘিমা মূলত একই দ্রাঘিমা রেখা।
- ফলে একই দ্রাঘিমা রেখায় সময়ের ব্যবধান হয়ে যাচ্ছে ২৪ ঘণ্টা এবং তারিখের ক্ষেত্রে দুইটি তারিখ হয়ে যাচ্ছে।
- তারিখ, সময় ও সাপ্তাহিক দিন নির্ধারণের এই সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে ১৮৮৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন-এ 'দ্রাঘিমা ও সময়' সম্পর্কিত আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাকে 'আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা' হিসাবে স্থির করা হয়।
- আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয় এবং রেখাটি সাইবেরিয়ার উত্তর-পূর্বাংশ এবং এ্যালিউশয়ান, ফিজি ও চ্যাথাম দ্বীপপুঞ্জের স্থলভাগকে এড়িয়ে ১১° পূর্ব দিয়ে বেঁকে এবং বেরিং প্রণালীতে ১২° পূর্ব দিকে বেঁকে কল্পনা করা হয়।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৪২.
বিপর্যয় উপদ্রুত এলাকার জনসাধারণ যখন চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয় তখন তাকে কী বলে?
  1. দুর্যোগ
  2. প্রতিকূলতা
  3. বিপদাপন্নতা
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্যোগ
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ:
- একটি বিপর্যয় যখন কোনো নির্দিষ্ট এলাকার জনগণের বেশির ভাগ মানুষকে বিপদাপন্ন করে তুলে এবং তাদের নিজস্ব মোকাবিলা ক্ষমতার বাইরে চলে যায়, তখন তাকে দুর্যোগ বলে।
- দুর্যোগ একটি এলাকার স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রচন্ডভাবে বিঘ্ন ঘটায় এবং জীবন, সম্পদ ও পরিবেশের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করে।
- ক্ষতিগ্রস্থ সমাজের পক্ষে নিজস্ব সম্পদ দিয়ে এই ক্ষতি মোকাবিলা করা দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে।
- দুর্যোগ কোনো স্থানের জনবসতিকে সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করে দেয়, যার ফলে ঐ জনবসতি সহজে পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৭৪৩.
স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ক) ১৯৭৭ সালে
  2. খ) ১৯৭৩ সালে
  3. গ) ১৯৮০ সালে
  4. ঘ) ১৯৭৪ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯৮০ সালে
ব্যাখ্যা

- SPARRSO (স্পারসো) এর পূর্ণরূপ- Space Research and Remote Sensing Organisation (মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন কেন্দ্র)।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮০ সালে।
- এটি ঢাকা শহরের আগারগাঁও এ অবস্থিত।
উৎসঃ স্পারসোর ওয়েবসাইট।

৬,৭৪৪.
বাংলাদেশের সবচেয়ে দক্ষিণের জেলা কোনটি?
  1. ক) চট্টগ্রাম
  2. খ) ভোলা
  3. গ) কক্সবাজার
  4. ঘ) পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কক্সবাজার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার, সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়, সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ এবং সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।
উৎসঃ কক্সবাজার জেলার ওয়েবসাইট।
৬,৭৪৫.
বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবেচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে কোনটি?
  1. ব্রহ্মপুত্র
  2. পদ্মা
  3. মেঘনা
  4. যমুনা
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রহ্মপুত্র
ব্যাখ্যা
• ব্রহ্মপুত্র নদ: 
- ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয় পর্বতের তিব্বত অংশের মানস সরোবর থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে। 
- পৃথিবীর দীর্ঘতম নদনদীগুলির একটি। এর অববাহিকা অঞ্চল চীন (তিববত), ভারত ও বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- এরপর তিব্বত হয়ে ভারতের আসাম রাজ্যের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। 
- এরপর ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে। 
- মেঘনা নদীতে মিলিত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত। 
- বাংলাদেশ অংশে ব্রহ্মপুত্র নদ প্রায় ২৭৭ কিলোমিটার প্রবাহিত হয়েছে। 
- দক্ষিণপশ্চিম তিব্বতের উৎপত্তি স্থল থেকে ব্রহ্মপুত্রের সর্বমোট দৈর্ঘ্য ২৮৫০ কিমি।
- আসামের হিমালয় অঞ্চলে ব্রহ্মপুত্র দিহাঙ নামে পরিচিত।
- এই বিশাল নদটির প্রভাবিত এলাকার আয়তন ৫,৮৩,০০০ বর্গ কিমি, যার ৪৭,০০০ বর্গকিলোমিটারের অবস্থান বাংলাদেশ এলাকায়। - বাংলাদেশের অভ্যন্তরে নদীটি বিনুনি ধরনের। 

- প্রধান শাখানদী: বংশী ও শীতলক্ষ্যা। 
- প্রধান উপনদী: ধরলা ও তিস্তা। 
- এখানে উল্লেখ্য যে, ১৭৮৭ সালে সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা যমুনা নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৪৬.
গ্রীনহাউস গ্যাস কোনগুলো?
  1. কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন
  2. পানি ও তাপ
  3. নাইট্রোজেন ও পানি
  4. অক্সিজেন ও ধূলিকণা
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড ও মিথেন
ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন:

- জলবায়ু পরিবর্তন বলতে সাধারণভাবে আবহাওয়ার উপাদানসমূহের দীর্ঘমেয়াদে গড় অবস্থার পরিবর্তনকে বুঝায়।
- জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষেত্রে বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warning) এর হার বৃদ্ধি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
- বায়ুমন্ডল পৃথিবীর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- এ ক্ষেত্রে বায়ুমন্ডল হলো গ্রীনহাউস বা কাঁচ ঘরের কাঁচের দেয়াল বা ছাদ এবং সূর্যালোক ভূ-পৃষ্ঠ শোষণ করে ও বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে তোলে। মানুষ যখন গাছ-পালা কেটে, কাঠ-কয়লা পুড়িয়ে, কারখানার ধোঁয়া ইত্যাদির দ্বারা মিথেন, ওজোন, কার্বন ডাই-অক্সাইড ইত্যাদি গ্যাস তৈরি করছে তখন তাকে বলা হয় গ্রীনহাউস গ্যাস।
- বায়ুমন্ডলে তাই গ্রীনহাউস গ্যাসের পুরু চাদর তৈরি হয়েছে কারণ এই সব গ্যাস আর ফিরে যেতে পারে না।
- এই তাপ শোষণের মাত্রা যত বাড়বে পৃথিবীর উষ্ণতা ততই বাড়বে। উষ্ণতা বৃদ্ধির এই প্রক্রিয়াই হলো গ্রীনহাউস প্রভাব।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৪৭.
পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের পাহাড় কোন যুগে সৃষ্টি?
  1. টারশিয়ারি যুগে
  2. প্লাইস্টোনিন যুগে
  3. সাম্প্রতিককালে
  4. উপরের কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগে
ব্যাখ্যা
টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ

দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।
- সাম্প্রতিককালে আবিস্কৃত তাজিনডং (বিজয়) পর্বতশৃঙ্গটি দেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ যার উচ্চতা ১,২৩১ মিটার।
- এটি আবিস্কৃত হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ছিল কিওক্রাডং (উচ্চতা ১,২৩০ মিটার)।

উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- এখানকার পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ২৪৪ মিটারের বেশি নয়।
- উত্তরের পাহাড়গুলো স্থানীয়ভাবে টিলা নামে পরিচিত।
- এগুলোর উচ্চতা ৩০ থেকে ৯০ মিটার।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
          ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৭৪৮.
কোনটি পৃথিবীর বৃহত্তম সমভূমি?
  1. মধ্য ইউরোপের সমভূমি
  2. হোয়াংহো সমভূমি
  3. টাইগ্রিস সমভূমি
  4. সিন্ধু সমভূমি
সঠিক উত্তর:
মধ্য ইউরোপের সমভূমি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য ইউরোপের সমভূমি
ব্যাখ্যা
সমভূমি:
- সমুদ্র সমতল থেকে প্রায় সম উচ্চতায় সুবিস্তৃত স্থলভাগকে সমভূমি বলা হয়।
- পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় অর্ধেক সমভূমি।
- সমভূমি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে কয়েকশত ফুট পর্যন্ত উচ্চতায় অবস্থিত হতে পারে।
- সমভূমিতে মৃদু ঢাল বিশিষ্ট ভূমি, ছোট ছোট টিলা, পাহাড় এবং নদী উপত্যকার উপস্থিতিও লক্ষ্য করা যায়।
- মানুষের আবাস এবং অর্থনৈতিক কামকান্ড সমভূমিতে সংঘটিত হয়।
- সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে এশিয়া, ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশে সমভূমির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
- আফ্রিকা মহাদেশে সমভূমির পরিমাণ সবচেয়ে কম।
- ইউরেশিয়ার উত্তরাংশ জুড়ে পৃথিবীর বৃহত্তম সমভূমি অবস্থিত।

মধ্য ইউরোপের সমভূমি: 
- পৃথিবীর বৃহত্তম সমভূমি মধ্য ইউরোপের সমভূমি।
- ইউরাল পর্বত থেকে শুরু করে পিনেরীজ পর্বতমালা এবং দক্ষিণে আল্পস পর্বত থেকে উত্তরদিকে স্ক্যান্ডেনিভিয়া পর্যন্ত এই সমভূমি বিস্তৃত।
 
উৎস: Britannica ও ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৪৯.
নিচের কোনটি স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র নয়?
  1. নরওয়ে
  2. সুইডেন
  3. ডেনমার্ক
  4. পোল্যান্ড
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পোল্যান্ড
ব্যাখ্যা
⇒ পোল্যান্ড স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ নয়।

স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
- স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
- স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
- যথা - নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
- তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।

• নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

• নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com
৬,৭৫০.
সাগরকন্যা কোন জেলার ভৌগোলিক নাম?
  1. ভোলা
  2. খুলনা
  3. কক্সবাজার
  4. পটুয়াখালী
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পটুয়াখালী
ব্যাখ্যা

কুয়াকাটা:
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র।
- এটি বাংলাদেশের পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত।
- পর্যটকদের কাছে পটুয়াখালী জেলায় অবস্থিত এই কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত "সাগরকন্যা" হিসেবে পরিচিত।
- এই সমুদ্র সৈকতটি প্রায় ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও প্রায় ৩ কিলোমিটার প্রস্থবিশিষ্ট।
- কুয়াকাটা বাংলাদেশের একমাত্র সৈকত যেখানে পর্যটকরা সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটোই দেখতে পারে।
- সৈকতের পূর্বে রয়েছে গজমতির সংরক্ষিত বনাঞ্চল; পশ্চিমে কুয়াকাটার বনভূমি; উত্তরে কলাপাড়া জনপদ এবং দক্ষিণে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর। 
- এটি হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মালম্বীদের কাছে একটি গুরুত্বপূর্ণ তীর্থস্থান।
- বিশেষ করে রাস পূর্ণিমা ও মাঘী পূর্ণিমার সময় কুয়াকাটার পবিত্র সৈকতে স্নানসহ নানা ধর্মীয় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া

৬,৭৫১.
জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা কোনটি?
  1. ওডার-নেইস লাইন
  2. সনেরা লাইন
  3. লাইন অব ডিমারকেশন
  4. ম্যাকমোহন লাইন
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওডার-নেইস লাইন
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সীমানা:
⇒ পার্পল লাইন: ইসরাইল ও সিরিয়ার মধ্যে সীমানা।
⇒ সনেরা লাইন: মেক্সিকো ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ওডার-নেইস লাইন: জার্মানি ও পোল্যান্ডের মধ্যকার সীমানা।
⇒ ব্লু লাইন: লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যকার সীমানা।
⇒ লাইন অব ডিমারকেশন: পর্তুগাল ও স্পেনের মধ্যে সীমানা।
⇒ ডুরান্ড লাইন: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা।
⇒ রেডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমারেখা।
⇒ লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল / ম্যাকমোহন লাইন: চীন ও ভারতের মধ্যে সীমানা।
⇒ লাইন অব কন্ট্রোল: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

৬,৭৫২.
ফলের রাজ্য বলা হয় কোন জলবায়ু অঞ্চলকে?
  1. ক) মৌসুমী অঞ্চল
  2. খ) ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল
  3. গ) তুন্দ্রা অঞ্চল
  4. ঘ) নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চল
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল
ব্যাখ্যা
ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলের জলবায়ু ফল উৎপাদনের পক্ষে অত্যন্ত উপযোগী। আবার প্রচুর সূর্যকিরণও ফল পাকার পক্ষে উপযোগী। সেজন্য ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চল ফলের রাজ্য। এরূপ সুমিষ্ট ও রসালো ফল পৃথিবীর অন্য কোন অঞ্চলে উৎপন্ন হয় না। উৎসঃ ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী
৬,৭৫৩.
নিচের কোনটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র?
  1. ক) মালয়েশিয়া
  2. খ) কম্বোডিয়া
  3. গ) বলিভিয়া
  4. ঘ) সেনেগাল
সঠিক উত্তর:
গ) বলিভিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বলিভিয়া
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত দেশসমূহের মধ্যে বলিভিয়া একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র। বলিভিয়া ব্যতীত প্যারাগুয়ে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের অপর একটি স্থলবেষ্টিত রাষ্ট্র।

অন্যদিকে,
মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া এবং সেনেগালের সমুদ্রতট রয়েছে।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস)
৬,৭৫৪.
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য-
  1. গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেশি থাকে
  2. চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়
  3. পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয়
  4. সবগুলো
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলো
ব্যাখ্যা
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:-
নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরুপ:-
১। সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়ার জন্য এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেশি থাকে। দিনের ব্যাপ্তি সারা বছর একই থাকে এবং বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২১°
-২৭°সে.। 
২। অধিক সূর্য তাপ ও জলভাগের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাষ্পীভবনের মাত্রাও বেশি। এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় এবং বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৭০০-২৫০০ মিলিমিটার।
৩। অধিক বৃষ্টিপাতের জন্য চিরহরিৎ বনাঞ্চল দেখা যায়। এই বনাঞ্চলে সেগুন, মেহগনি, রাবার ইত্যাদি গাছ জন্মে। গভীর এই বনাঞ্চলে সহজে সূর্যালোক প্রবেশ করতে পারে না বলে গাছগুলো সূর্যালোক পাওয়ার জন্য উঁচু হয়।
৪। অধিক উত্তাপ এ অঞ্চলে স্থায়ী নিম্নচাপ তৈরি করে এবং উপক্রান্তীয় উষ্ণ চাপ বলয়ের অয়ন বায়ু এ অঞ্চলে প্রবাহিত হয়। উত্তপ্ত বায়ু হালকা হয়ে উপরে উঠে যায় এবং শান্ত বলয় বিরাজমান থাকে। ঊর্ধ্বগামী উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ু উপরে উঠে ঘনীভূত হয়ে পরবর্তীতে বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়ে।
৫। এ অঞ্চলের মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য খুব উপকারী হলেও এখানে মাটি ক্ষয় হয়। অতিরিক্ত তাপ ও বৃষ্টিপাতই এই মাটি ক্ষয়ের কারণ।

তথ্যসূত্র:- ভূগোল প্রথম পত্র , এইচ এস সি প্রোগ্রাম , উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৫৫.
"বাব আল মান্দেব" প্রণালীর সাথে সরাসরি সংশ্লিষ্ট একটি সমুদ্র:
  1. লোহিত সাগর
  2. আরব সাগর
  3. পারস্য সাগর
  4. ভূমধ্যসাগর
  5. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লোহিত সাগর
ব্যাখ্যা
বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী যা লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ "কান্নার দ্বার"।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।

তথ্যসূত্র - Britannica.com
৬,৭৫৬.
সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্টের চারপাশে কতটুকু এলাকাকে 'প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA)' ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ৫ কিলোমিটার
  2. ৮ কিলোমিটার
  3. ১০ কিলোমিটার
  4. ১৩ কিলোমিটার
সঠিক উত্তর:
১০ কিলোমিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ কিলোমিটার
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা:
- অপরিণামদর্শী কর্মকাণ্ডের ফলে দেশের প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য মারাত্মক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে।
- এর ফলে দেশের জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোনো কোনো প্রতিবেশের উৎপাদনশীলতাও কমে গিয়েছে।
- দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সুরক্ষা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিবেশগত মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন ১৯৯৫ (সর্বশেষ সংশোধিত ২০১০) অনুসারে বিভিন্ন সময়ে কিছু এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (Ecologically Critical Area-ECA/ইসিএ) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
- এ-পর্যন্ত দেশের ১৩টি এলাকাকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে।
- এলাকাগুলো: সুন্দরবন, কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্র সৈকত, সেন্টমাটিন দ্বীপ, সোনাদিয়া দ্বীপ, হাকালুকি হাওর, টাঙ্গুয়ার হাওর, মারজাত বাওড়, গুলশান-বারিধারা লেক, বুড়িগঙ্গা নদী, তুরাগ নদী, বালু নদী, শীতলক্ষ্যা নদী, জাফলং-ডাউকি নদী।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ (সংশোধিত ২০১০) এর ধারা ৫ এর ক্ষমতাবলে সুন্দরবন রিজার্ভ ফরেস্টের চারপাশে ১০ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ঘোষিত প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা (ECA) ঘোষণা করা হয়েছে।

উৎস: i) পরিবেশ অধিদপ্তর ওয়েবসাইট।
ii) প্রথম আলো।
৬,৭৫৭.
ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী কোন অঞ্চলটি বাকিগুলোর চেয়ে আলাদা?
  1. বরেন্দ্রভূমি 
  2. সিলেট জেলার পাহাড়সমূহ
  3. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়
  4. লালমাই পাহাড় 
সঠিক উত্তর:
সিলেট জেলার পাহাড়সমূহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলেট জেলার পাহাড়সমূহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূ-প্রাকৃতিক বৈচিত্র্য
- বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের বরেন্দ্রভূমি , ময়মনসিংহ ও টাংগাইলের মধুপুর , গাজীপুরের ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লার লালমাই পাহাড় প্লাইস্টোসিন কালে গঠিত ভূমিরূপ।
- আজ থেকে প্রায় ২৫০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিন কাল বলা হয়।
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ৮% এই যুগে গঠিত। 

অন্যদিকে, 
- দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্ব্যত্য চট্রগ্রাম ও সিলেট জেলার পাহাড়সমূহ টারশিয়ারি যুগে উত্থিত ভূমি। 
- আজ থেকে প্রায় ৭০ মিলিয়ন বা ৭ কোটি বৎসর পূর্বে টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার প্রক্রিয়ায় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয়েছে।
- এই টারশিয়ারি যুগ আজ থেকে ৬ কোটি ৬০ লক্ষ বছর থেকে ২০ লক্ষ বছর আগে পর্যন্ত বিস্তৃত। 
উল্লেখ্য, 
- ভূ-প্রকৃতি অনুসারে বাংলাদেশ কে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা - 
১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ।
২. প্লাইস্টোসিন কালের সোপান ভূমি।
৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

তথ্যসূত্র – ভূগোল ও পরিবেশ (বাউবি ), বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (নবম দশম শ্রেণি)।
৬,৭৫৮.
বাষ্পীভবনের প্রধান উৎস কোনটি?
  1. ভূপৃষ্ঠস্থ জলাশয়
  2. নদী
  3. সমুদ্র
  4. উদ্ভিদজগৎ
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সমুদ্র
ব্যাখ্যা
বাষ্পীভবন:
- সূর্যের তাপে সমুদ্র, নদী, হ্রদ প্রভৃতি থেকে পানি ক্রমাগত বাষ্পে পরিণত হচ্ছে এবং তা অপেক্ষাকৃত হালকা বলে উপর উঠে বায়ুমন্ডলে মিশে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। একে বাষ্পীভবন বলে।
- বায়ুর বাষ্প ধারণ করার একটি সীমা আছে। তা বায়ুর উষ্ণতার উপর নির্ভর করে।
- বায়ু যত উষ্ণ হয়, তত বেশি জলীয়বাষ্প ধারণ করতে পারে।
- সমুদ্রই জলীয়বাষ্পের প্রধান উৎস।
- উদ্ভিদজগৎ, নদ-নদী এবং ক্ষদ্র ক্ষদ্র জলাশয় থেকেও বায়ু জলীয়বাষ্প সংগ্রহ করে থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৭৫৯.
নিচের কোনটি মেঘনার উপনদী নয়?
  1. মনু
  2. কুমার
  3. বাউলাই
  4. তিতাস
সঠিক উত্তর:
কুমার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমার
ব্যাখ্যা
মেঘনা নদী:
- ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- উত্তর দিক দিয়ে আগত শাখা সুরমা পশ্চিমে অবস্থিত ছাতক, সিলেট ও সুনামগঞ্জের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।
- এরপর আজমিরিগঞ্জের কাছে উত্তর সিলেটের সুরমা, দক্ষিণ সিলেটের কুশিয়ারা এবং হবিগঞ্জের কালনী নদী একসঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- পরে সুরমা, কুশিয়ারা ও কালনী নদীর মিলিত প্রবাহ কালনী নামে কিছুদূর অগ্রসর হয়ে মেঘনা নাম ধারণ করেছে।
- মেঘনা নদী কিশোরগঞ্জের ভৈরববাজারের নিকট পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমে প্রবাহিত হয়েছে এবং চাঁদপুরের কাছে পদ্মার সাথে মিলিত হয়ে মেঘনা নামে আরও দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- মেঘনার উল্লেখযোগ্য উপনদী হলো মনু, বাউলাই, তিতাস, গোমতী, কাসনি এবং শাখানদী জাঙ্গালিয়া ও ডাকাতিয়া। 

অন্যদিকে,
- কুমার নদী হল পদ্মা নদীর শাখানদী।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৬০.
আল্পস পর্বতমালা কোন মহাদেশে অবস্থিত?
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. ইউরোপ
  3. উত্তর আমেরিকা
  4. আফ্রিকা
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউরোপ
ব্যাখ্যা

আল্পস পর্বতমালা:
- আল্পস পর্বতমালা ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি একটি বিস্তৃত পর্বতমালা।
- অবস্থান: দক্ষিণ-মধ্য ইউরোপে।
- অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লিচেনস্টাইন, মোনাকো, স্লোভেনিয়া এবং সুইজারল্যান্ড নামে আটটি আল্পাইন দেশ জুড়ে রয়েছে এই পর্বতমালা।
- আল্পস পর্বতশ্রেণী প্রায় ১,২০০ কিমি অর্ধচন্দ্রাকার আকারে বিস্তৃত।
- আল্পস পর্বতমালাকে তিনটি বিস্তৃত ভাগে ভাগ করা যায়: পূর্ব, মধ্য এবং পশ্চিম আল্পস।
- এটি একটি অবিচ্ছিন্ন পর্বতশ্রেণী এবং বিভিন্ন উচ্চতা এবং গভীরতার অসংখ্য চূড়া এবং উপত্যকা নিয়ে গঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের ভ্যালাইস ক্যান্টনে অবস্থিত ২২.৬ কিমি দীর্ঘ আলেচ হিমবাহটি আল্পসের বৃহত্তম হিমবাহ।
- এই পর্বতমালা দক্ষিণ ফ্রান্সের মোনাকোর কাছে ভূমধ্যসাগরের উত্তর থেকে সুইজারল্যান্ড, তারপর উত্তর ইতালি হয়ে দক্ষিণ জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে।
- আল্পস পর্বতশ্রেণি আলবেনিয়ায় রুক্ষ অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলে শেষ হয়েছে।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

৬,৭৬১.
কোনটি সুরমা নদীর আদি উৎস?
  1. ক) বরাক নদী
  2. খ) মেঘনা নদী
  3. গ) যমুনা নদী
  4. ঘ) ব্রহ্মপুত্র নদী
সঠিক উত্তর:
ক) বরাক নদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বরাক নদী
ব্যাখ্যা
সুরমা নদীর আদি উৎস বরাক নদী।         
• মায়ানমার সীমান্তে নাগা-মণিপুর পাহাড়শ্রেণীর  শৈলশিরা ও উপত্যকা ভূখন্ডময় বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে বরাক নদীর জলনিষ্কাশন অঞ্চল অবস্থিত।
• বরাক-মেঘনার দৈর্ঘ্য ৯৫০ কিমি, যার মধ্যে ৩৪০ কিমি বাংলাদেশে অবস্থিত।
• বাংলাদেশের সিলেট জেলার সীমান্তবর্তী অমলশিদ নামক স্থানে বরাক নদী সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুটি খরস্রোতা ধারায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
• উত্তরপশ্চিমের ধারাটি সুরমা এবং দক্ষিণপশ্চিমের ধারাটি কুশিয়ারা নামে পরিচিত।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া। 
৬,৭৬২.
সিডর (SIDR) শব্দের অর্থ-
  1. সমুদ্র
  2. চোখ
  3. বন্যা
  4. সূর্য
সঠিক উত্তর:
চোখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চোখ
ব্যাখ্যা
• সিডর (SIDR) :
- বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা শ্রীলঙ্কার দেওয়া নাম অনুসারে সিডরের নাম ঠিক করে।
- সিডর (SIDR) শব্দের অর্থ চোখ।
- সরকারি তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে ১৯৬০ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত মোট ৩৫টি বড় ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোনের হদিস পাওয়া যায়।
- এর মধ্যে সবচেয়ে মারাত্মক পাঁচটি ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে অন্যতম সিডর।
- এ অঞ্চলে যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানবে, তার নাম দেওয়া হয় ২০০৪ সালে।
- ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে ঘূর্ণিঝড় সিডর বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রচন্ড ভাবে আঘাত হানে।
- আঘাতের সময় সিডরের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ২৬০ কিলোমিটার।
- সিডরকে ১৯৭০ ও ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর সবচেয়ে প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় বিবেচনা করা হয়।

উৎস: ১৫ নভেম্বর ২০২১, প্রথম আলো।
৬,৭৬৩.
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি অনুসারে কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড়ের ভূপ্রকৃতি কোন ধরনের?
  1. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
  2. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  3. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  4. সমভূমির মাঝারি উচ্চতার টিলা
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতি:
- ভূপ্রকৃতির ভিত্তিতে বাংলাদেশকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়।
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি

⇒ প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আনুমানিক ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব সোপান গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়। 

⇒ লালমাই পাহাড়: কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই থেকে ময়নামতি পর্যন্ত এ পাহাড়টি বিস্তৃত।
 • এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গকিলোমিটার এবং গড় উচ্চতা ২১ মিটার।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৬,৭৬৪.
ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’ কত সালে বাংলাদেশে আঘাত হানে?
  1. ২০২১সালে
  2. ২০২২ সালে
  3. ২০২৩ সালে
  4. ২০২৪ সালে
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা

• ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’:
- ২৬ মে, ২০২৪ সালের রাত ৮টার দিকে প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি মোংলার দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ উপকূল ও বাংলাদেশের খেপুপাড়া উপকূল অতিক্রম শুরু করে।
- ঘূর্ণিঝড়টির বিস্তৃতি ছিল প্রায় ৪০০ কিলোমিটার।
- ঘূর্ণিঝড় ‘রেমাল’-এর নামকরণ করেছে ওমান।
- আরবিতে যার অর্থ বালি।
- বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল অতিক্রম করেছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল।

উৎস: The Daily Star বাংলা।

৬,৭৬৫.
Cyclone শব্দের উৎপত্তি হয়েছে-
  1. ক) Cyclos
  2. খ) Cyclon
  3. গ) Kylos
  4. ঘ) Kyklos
সঠিক উত্তর:
ঘ) Kyklos
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) Kyklos
ব্যাখ্যা
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Cyclone.
- এর উৎপত্তি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে যার অর্থ Coil of Snakes বা সাপের কুণ্ডলী।
- সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় স্যাটেলাইটের ছবিতে সাপের কুণ্ডলীর মতো দেখায়।
- ঘূর্ণিঝড় আমাদের দেশে ‘সাইক্লোন’ নামে পরিচিত হলেও দূরপ্রাচ্যে এটি ‘টাইফুন’ এবং আমেরিকায় ‘হ্যারিকেন’ নামে পরিচিত।

সূত্র:- সাধারণ বিজ্ঞান : নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৭৬৬.
বুড়িমারী স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. কুড়িগ্রাম
  2. লালমনিরহাট
  3. নীলফামারী
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট
ব্যাখ্যা

বুড়িমারী স্থলবন্দর:
- অবস্থান: পাটগ্রাম উপজেলা, লালমনিরহাট জেলা, বাংলাদেশ।
- সীমান্ত: ভারতের সঙ্গে সংযোগ (Changrabandha / বুড়িমারী ক্রসিং)।
- উদ্দেশ্য: পণ্য আমদানি-রপ্তানি, যাত্রী পারাপার।
- পরিচালনা: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ (BLPA)।
- আয়তন: প্রায় ১১.১৫ একর।
- যোগাযোগ: সড়ক ও রেলপথে ঢাকা ও দেশের অন্যান্য অঞ্চল থেকে সংযোগ।
- গুরুত্ব: উত্তরের প্রধান স্থলবন্দর, বাণিজ্য ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ। 

৬,৭৬৭.
আটলান্টিক মহাসাগর: বারমুডা, প্রশান্ত মহাসাগর: _____?
  1. সিসিলি
  2. বাহামা
  3. দিয়াগো গার্সিয়া
  4. তাহিতি
সঠিক উত্তর:
তাহিতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাহিতি
ব্যাখ্যা
গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ:
প্রশান্ত মহাসাগর:
- পাপুয়া নিউ গিনি, হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, নিউজিল্যান্ড, ফিলিপাইন, পালাউ, নাউরু, তাহিতি, ফিজি, সলোমান দ্বীপপুঞ্জ ইত্যাদি।

আটলান্টিক মহাসাগর: 
- যুক্তরাজ্য, বাহামা, বারমুডা, গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, জ্যামাইকা, ডোমিনিকান প্রজাতন্ত্র, কিউবা ইত্যাদি।

ভারত মহাসাগর:
- মাদাগাস্কার, সিসিলি, মরিশাস, দিয়াগো গার্সিয়া, মালদ্বীপ, আন্দামান ও নিকোবর, মালাগাছি ইত্যাদি।

উৎস: Britannica.
৬,৭৬৮.
বাংলাদেশে কয়টি রামসার সাইট রয়েছে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৪টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে রামসার সাইট ২টি হলো—সুন্দরবন ও টাঙ্গুয়ার হাওর।

রামসার কনভেনশন:
- রামসার কনভেনশন-এর উদ্দেশ্য হলো জলাভূমি (wetlands) সংরক্ষণ এবং সারা বিশ্বে এসব এলাকার টেকসই ব্যবহারের মাধ্যমে পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা করা।
- এটি একমাত্র আন্তর্জাতিক চুক্তি যা শুধুমাত্র জলাভূমি সংরক্ষণের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- রামসার কনভেনশনের মূল উদ্দেশ্য: জলাভূমি সংরক্ষণ, টেকসই ব্যবহারের প্রচার, বিশ্বব্যাপী সহযোগিতা।
- ১৯৯৭ সাল থেকে ২ ফেব্রুয়ারি বিশ্ব জলাভূমি দিবস হিসেবে IUCN, UNESCO-সহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক, সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ১০০টিরও বেশি দেশে পরিবেশ সচেতন নাগরিকরা পালন করে আসছেন।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ ১৯৯২ সালের ২১ সেপ্টেম্বর রামসার সনদ কার্যকর করে।
- বাংলাদেশের ২টি স্থান রামসার সাইট (Ramsar sites) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত।
- রামসার সাইট ২টি হলো: সুন্দরবন, টাঙ্গুয়ার হাওর।

সূত্র: Ramsar Convention ওয়েবসাইট।
৬,৭৬৯.
সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমারের সাথে বিরোধ নিষ্পত্তির ফলে বাংলাদেশ পেয়েছে -
  1. ১ লক্ষ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি জলসীমা
  2. ৫৬ হাজার বর্গকিলোমিটার জলসীমা
  3. ২২ হাজার বর্গকিলোমিটার জলসীমা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১ লক্ষ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি জলসীমা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ লক্ষ বর্গ কিলোমিটারেরও বেশি জলসীমা
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়:
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে 'The Territorial Water and Maritime Zones Act' আইন পাস হয়।
- এই আইনে বঙ্গোপসাগরের ১২ নটিক্যাল মাইল আঞ্চলিক সমুদ্র অঞ্চল, ২০০ নটিক্যাল মাইল অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং এর বাহিরে মহীসোপান অঞ্চল দাবি করা হয়। 
- বাংলাদেশ সরকার সমুদ্রসীমা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য জাতিসংঘ সমুদ্র আইন (UNCLOS) ১৯৮২ অনুযায়ী সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল International Tribunal for the Law of the Sea (ITLOS)- এ ৮ অক্টোবর ২০০৯ সালে দুটি মামলা দায়ের করে।
- দুটি মামলা আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনাল (ITLOS) ২০১২ ও ২০১৪ সালে মামলা নিষ্পত্তি করে রায় প্রদান করে। 

⇒ প্রথমটি, ২০১২ সালের ১৪ মার্চ জার্মানির সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে মিয়ানমারের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়।
- দ্বিতীয়টি, ৭ জুলাই, ২০১৪ নেদারল্যান্ডের স্থায়ী সালিশি আদালতে ভারতের বিপরীতে বাংলাদেশের বিজয়।
- যার ফলে দীর্ঘদিনের সমুদ্রসীমা বিরোধের অবসান হয়।

⇒ ভারতের সঙ্গে বিরোধপূর্ণ ২৫,৬০২ বর্গকিলোমিটারের মধ্যে বাংলাদেশ পেয়েছে ১৯,৪৬৭ বর্গকিলোমিটার ও ভারত পেয়েছে ৬,১৩৫ বর্গকিলোমিটার।
- মিয়ানমারের সাথে বিরোধপূর্ণ এলাকা থেকে বাংলাদেশ পেয়েছে ১,১১,৬৩১ বর্গকিলোমিটার।
- এছাড়াও সমুদ্রে অবস্থিত ২৮টি ব্লকের মধ্যে ১৮টি ব্লকের মালিকানা বাংলাদেশ পায়।

উল্লেখ্য,
• অর্জিত মোট সমুদ্রসীমা: ১,১৮,৮১৩ বর্গ কি.মি.,
• উপকূলীয় দৈৰ্ঘ্য: ৭১২ কিলোমিটার,
• টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা: ১২ নটিক্যাল মাইল,
• EEZ সমুদ্রসীমা: ২০০ নটিক্যাল মাইল,
• মহীসোপান এলাকা: ৩৫০ নটিক্যাল মাইল,
• বঙ্গোপসাগরের গড় গভীরতা: ২,৬০০ মিটার,
• সর্বোচ্চ গভীরতা: ৫,২৫৮ মিটার,
• পৃথিবীর বৃহত্তম উপদ্বীপ: Bengal Fan.

উৎস: i) বাংলাদেশ ওশানোগ্রাফিক রিসার্চ ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।
ii) দৈনিক ইত্তেফাক।
৬,৭৭০.
বাংলাদেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. কাপ্তাই
  2. ঈশ্বরদী
  3. বড়পুকুরিয়া
  4. মংলা
সঠিক উত্তর:
বড়পুকুরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বড়পুকুরিয়া
ব্যাখ্যা
দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র:
- বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র দেশের প্রথম কয়লা নির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তগত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- এটি ২০০৬ সালে গড়ে ওঠে।
- মোট উৎপাদন ক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।
- কেন্দ্রটিতে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির কয়লা ব্যবহার করা হয়।
- এটি পরিচলনা করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড।

উৎস: বিদ্যুৎ বিভাগ ওয়েবসাইট।
৬,৭৭১.
কোন দেশটি ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলে অবস্থিত নয়?
  1. ক) ফিনল্যান্ড
  2. খ) পোল্যান্ড
  3. গ) অস্ট্রিয়া
  4. ঘ) সুইডেন
সঠিক উত্তর:
গ) অস্ট্রিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অস্ট্রিয়া
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে বাল্টিক স্টেট বলা হয় নি; বাল্টিক অঞ্চল বলা হয়েছে।
- অস্ট্রিয়া বাল্টিক অঞ্চল/সাগর থেকে অনেক দূরে অবস্থিত।

বাল্টিক রাষ্ট্র ৩টি।
যথা-
- এস্তোনিয়া,
- লাটভিয়া,
- লিথুনিয়া।

এছাড়াও পোল্যান্ড, সুইডেন, ডেনমার্ক - প্রভৃতি রাষ্ট্রও বাল্টিক সাগরের নিকটে অবস্থিত।

উৎসঃ ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৬,৭৭২.
মহাকাশে পাঠানো কৃত্রিম উপগ্রহ বায়ুমন্ডলের কোন স্তরে অবস্থান করে?  
  1. ক) স্ট্রাটোমন্ডল  
  2. খ) তাপমন্ডল
  3. গ) মেসোমন্ডল  
  4. ঘ) এক্সোমন্ডল
সঠিক উত্তর:
খ) তাপমন্ডল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) তাপমন্ডল
ব্যাখ্যা
- মহাকাশে পাঠানো কৃত্রিম উপগ্রহ বা স্যাটেলাইটসমূহ তাপমন্ডলে অবস্থান করে।
- তাপমন্ডল বায়ুমন্ডলের চতুর্থ স্তর যার বিস্তৃতি ভূপৃষ্ঠ থেকে উপরের দিকে ৮০ কি.মি. থেকে ৫০০ কি.মি. এর মধ্যে।
- রকেটও এ স্তর দিয়ে চলাচল করে। মহাশূন্য থেকে পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসা উল্কাপিণ্ড এই স্তরে এসে পুড়ে যায়।
- তাপমন্ডলের নিচের অংশ আয়নমন্ডল নামে পরিচিত যেখানে পৃথিবী থেকে প্রেরিত বেতার তরঙ্গ বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ফিরে আসে।

(তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
৬,৭৭৩.
খৈয়াছড়া ঝর্ণা কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) কক্সবাজার
  2. খ) বান্দরবান
  3. গ) চট্টগ্রাম
  4. ঘ) রাঙামাটি
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
- খৈয়াছড়া ঝর্ণা চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলার খৈয়াছড়া ইউনিয়নে অবস্থিত।
- আকার আকৃতি ও গঠনশৈলির দিক দিয়ে এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ঝর্ণা হিসেবে বিবেচিত।
- খৈয়াছড়া ঝর্ণাতে মোট ৭/৯টি মুল ধাপ ও অনেকগুলো বিচ্ছিন্ন ধাপ রয়েছে। অপরূপ সৌন্দর্যমণ্ডিত গঠনশৈলীর কারণে খৈয়াছড়া কে বাংলাদেশের ঝর্ণা রানী বলা হয়।
(সূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন)
৬,৭৭৪.
তাতার প্রণালী সংযুক্ত করেছে কোন দুই সাগরকে?
  1. বেরিং সাগর ও ওখোটস্ক সাগর
  2. জাপান সাগর ও ওখোটস্ক সাগর
  3. জাপান সাগর ও পূর্ব চীন সাগর
  4. হলুদ সাগর ও জাপান সাগর
সঠিক উত্তর:
জাপান সাগর ও ওখোটস্ক সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান সাগর ও ওখোটস্ক সাগর
ব্যাখ্যা

তাতার প্রণালী:
- অবস্থান: রাশিয়ার সাখালিন দ্বীপ ও এশীয় মূল ভূখণ্ড (সাইবেরিয়া) এর মধ্যে।
- সংযোগ স্থাপন: জাপান সাগর ও ওখোটস্ক সাগরের মধ্যে।
- দৈর্ঘ্য: প্রায় ৬৬০ কিলোমিটার।
- প্রস্থ: সর্বাধিক প্রায় ৩২০ কিমি;
- সংকীর্ণতম অংশ (নেভেলস্কয় প্রণালী) প্রায় ৭–৮ কিমি।
- প্রকৃতি: তুলনামূলকভাবে অগভীর জলরাশি।
- জলবায়ুগত বৈশিষ্ট্য: শীতকালে উত্তরাংশ বরফে আচ্ছাদিত থাকে।
- গুরুত্ব: রাশিয়ার দূরপ্রাচ্য অঞ্চলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক পথ।

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

৬,৭৭৫.
‘লাইন অব কন্ট্রোল’ কোন দুটি দেশের সীমারেখা নির্দেশ করে?
  1. ভারত-পাকিস্তান
  2. চীন-ভারত
  3. পাকিস্তান-আফগানিস্তান
  4. চীন-মায়ানমার
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত-পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
• সীমারেখা:
- ‘আলপাইন লাইন'- ইতালি - ফ্রান্স।
- ‘লাইন অব কন্ট্রোল’ - ভারত-পাকিস্তান।
- লাইন অব একচুয়াল কন্ট্রোল - ভারত ও চীন।
- ভারত- চীন এর মধ্যবর্তী লাইন - ম্যাকমোহন লাইন।
- কার্জন লাইন - পোল্যান্ড-রাশিয়া।
- ওডারনিস লাইন - জার্মানি ও পোল্যান্ড।
- 'ম্যাজিনো লাইন' - জার্মানি ও ফ্রান্স।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৭৭৬.
বিশ্বব্যাপী নিচের কোন অর্থনৈতিক খাত থেকে সবচাইতে বেশি গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গত হয়?
  1. পরিবহন
  2. বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন
  3. ভবন নির্মাণ
  4. শিল্প
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন
ব্যাখ্যা
গ্রিন হাউস:
- গ্রিন হাউস হচ্ছে এক ধরনের কাচের ঘর।
- যেসব গ্যাস ‍ভূপৃষ্ঠ থেকে বিকিরিত তাপ আটকে রেখে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে তাদের ‘গ্রিনহাউজ গ্যাস’ বলা হয়।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ শীতপ্রধান দেশের গ্রীন হাউস ঘরের ন্যায় সূর্য থেকে আগত রশ্মি তাপ বিকিরণে বাধা সৃষ্টি করে বায়ুমন্ডলকে উত্তপ্ত করে।
- ‘গ্রিন হাউস ইফেক্ট' কথাটি প্রথম ব্যবহার করেন সুইডিস রসায়নবিদ সোভানটে আরহেনিয়াস।

⇒ গ্রিনহাউজ গ্যাসের মধ্যে রয়েছে:
- কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন, জলীয়বাষ্প, নাইট্রাস অক্সাইড, ওজোন, হ্যালোকার্বন জাতীয় গ্যাস প্রভৃতি।

⇒ বিশ্বব্যাপী বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন খাত থেকে সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গত হয়।
- এই খাতটি প্রধানত ফসিল জ্বালানি যেমন কয়লা, তেল এবং প্রাকৃতিক গ্যাস পোড়ানোর মাধ্যমে বিদ্যুৎ এবং তাপ উৎপাদন করে, যা বায়ুমণ্ডলে প্রচুর পরিমাণে কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO2) এবং অন্যান্য গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ করে।
- প্রায় ৩৪% গ্রিনহাউস গ্যাস এই খাত থেকে নিঃসরিত হয়।

অন্যদিকে,
- পরিবহন থেকে প্রায় ১৫% গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরিত হয়।
- শিল্প থেকে প্রায় ২৪% গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরিত হয়।
- ভবন নির্মাণ থেকে প্রায় ৬% গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরিত হয়।

উৎস: i) U.S. Environmental Protection Agency (.gov)। [link]
ii) Britannica.
৬,৭৭৭.
বিশ্বের গভীরতম হ্রদ কোনটি? 
  1. সুপিরিয়র হ্রদ
  2. টাঙ্গানিকা হ্রদ 
  3. ভিক্টোরিয়া হ্রদ 
  4. বৈকাল হ্রদ 
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈকাল হ্রদ 
ব্যাখ্যা

বৈকাল হ্রদ: 
- যা দক্ষিণ সাইবেরিয়ার বুরিয়াত প্রজাতন্ত্র ও ইরকুতস্ক ওব্লাস্ট-এর মধ্যবর্তী এলাকায় অবস্থিত।
- বিশ্বের গভীরতম হ্রদ বৈকাল হ্রদ।
- যা আয়তনের দিক থেকে নয় বরং পানির পরিমাণ বা আয়তন (volume) অনুসারে প্রথম।
- পৃথিবীর মোট ভূপৃষ্ঠের কমপক্ষে ২২% মিঠা পানি এই হ্রদে সংরক্ষিত।
- উত্তর আমেরিকার সমস্ত গ্রেট লেকসের পানির পরিমাণ একত্র করলেও তা লেক বৈকাল পূর্ণ করতে পারে - 
- বৈকাল হ্রদ সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ।
- এটি বিশ্বের অন্যতম স্বচ্ছ (clearest) হ্রদ হিসেবেও পরিচিত।

অপরদিকে,
- ভিক্টোরিয়া হ্রদ পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশুদ্ধ পানির আধার।
- টাঙ্গানিকা হ্রদ এটি বিশ্বের দীর্ঘতম স্বাদু পানির হ্রদ।
- সুপিরিয়র হ্রদ উত্তর আমেরিকার সর্ববৃহৎ হ্রদ। 

উৎস: ওয়ার্ল্ড এটলাস। 

৬,৭৭৮.
প্রাকৃতিক দুর্যোগের উদাহরণ কোনটি?
  1. জলাবদ্ধতা
  2. অগ্নিকাণ্ড
  3. ভূমিকম্প
  4. রাসায়নিক দূষণ
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক দুর্যোগঃ
-  প্রাকৃতিক দুর্যোগ বলতে প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়। 
 যেমন:
- বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছাস, টর্নেডো, ভূমিকম্প, খরা, নদীভাঙন, সুনামি, আগ্নেয়গিরি, ইত্যাদি।


মানব- সৃষ্ট দুর্যোগ:
- মানব-সৃষ্ট দুর্যোগ বলতে মানব কর্মকান্ডের ফলে সংঘটিত দুর্যোগসমূহকে বুঝায়।
যেমন:
- জলাবদ্ধতা, অগ্নিকাণ্ড, রাসায়নিক দূষণ, যুদ্ধ-বিগ্রহ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, বনাঞ্চল ধ্বংস, পরিবেশ দূষণ, মরুকরণ, অগ্নিকাণ্ড ইত্যাদি।


উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬,৭৭৯.
গাঙ্গিনা নদীর অবস্থান কোথায়?
  1. নেত্রকোনা
  2. জামালপুর
  3. কুমিল্লা
  4. ময়মনসিংহ
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের নদ-নদী:
- বাংলাদেশের মোট নদ-নদীর সংখ্যা প্রায় - ১০০৮টি।
- বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী - পদ্মা ।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদী - গাঙ্গিনা।
- বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম নদীর দৈর্ঘ্য (কি.মি.)- ০.০৩২।
- নদীটি ময়মনসিংহ জেলা দিয়ে প্রবাহিত।
- নদীটি হালুয়াঘাট উপজেলা দিয়ে প্রবাহিত।

তথ্যসূত্র: যৌথ নদী কমিশন, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশন।
৬,৭৮০.
সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন কত?
  1. ৮ বর্গ কি.মি.
  2. ১০ বর্গ কি.মি.
  3. ১২ বর্গ কি.মি.
  4. ১১ বর্গ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
৮ বর্গ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ বর্গ কি.মি.
ব্যাখ্যা
• সেন্টমার্টিন দ্বীপ: 
- সেন্ট মার্টিন্‌স দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি প্রবালদ্বীপ।
- এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং 
- মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত। 
- প্রচুর নারিকেল পাওয়া যায় বলে স্থানীয়ভাবে একে নারিকেল জিঞ্জিরাও বলা হয়ে থাকে। 
- ৯২°১৮´ ও ৯২°২১´ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ এবং ২০°৩৪´ ও ২০°৩৯´ উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে দ্বীপটির অবস্থান। 

টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ১৭ বর্গ কিলোমিটার। 

 কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট অনুসারে, 
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার ও উত্তর-দক্ষিণে লম্বা।

- সেন্টমার্টিন দ্বীপ সম্পর্কে সময় নিউজের রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সেন্টমার্টিন দ্বীপ ৭.৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার। 

দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্টে বলা হয়েছে -
- সরকারি তথ্যে দ্বীপের আয়তন ১৩ বর্গকিলোমিটার উল্লেখ রয়েছে।
- তবে গবেষণায় বলা হয়েছে ৮ বর্গকিলোমিটার।

⇒ উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে আমরা এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারি যে,
- সেন্টমার্টিন দ্বীপের আয়তন ৮ বর্গ কিলোমিটার।
- পরীক্ষায় যদি ৮ বর্গ কিলোমিটার না থাকে তখন ১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ১৩ বর্গ কিলোমিটার উত্তর করবেন, অথবা অপশন বিবেচনায় উত্তর করবেন।

সূত্র: টেকনাফ উপজেলা ওয়েবসাইট,  কক্সবাজার জেলা ওয়েবসাইট, সময় নিউজ ও দৈনিক প্রথম আলো রিপোর্ট।
৬,৭৮১.
বর্তমানে [সেপ্টেম্বর, ২০২৪] বাংলাদেশে আবহাওয়া স্টেশন কয়টি?
  1. ১২টি
  2. ৪টি
  3. ৩৫টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫টি
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর:
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর একটি বৈজ্ঞানিক ও কারিগরি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৮৬৭ সালে যশোর ও নারায়ণগঞ্জে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার স্থাপনের মাধ্যমে ‘পর্যবেক্ষণ সার্ভিস’ এর কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথমে এটি ‘আবহাওয়া সার্ভিস’ নামে পরিচিতি পেলেও স্বাধীন বাংলাদেশে এটি ‘আবহাওয়া দপ্তর’ নামে এবং পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে ‘বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর’ করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর দেশের একমাত্র সংস্থা হিসেবে সার্বক্ষণিক বাংলাদেশের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ, কেন্দ্রীয়ভাবে আবহাওয়ার তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ, আদান-প্রদান ও সংরক্ষণ করে থাকে।

আবহাওয়া স্টেশন:

- বর্তমানে বাংলাদেশে আবহাওয়া স্টেশন ৩৫টি।
- সাইক্লোন শেল্টার ১৮৪১টি।
- কৃষি আবহাওয়া পূর্বাভাস কেন্দ্র ১২টি।
- আবহাওয়া কেন্দ্র ৪টি।
- রাডার স্টেশন ৫টি।


উৎস: আবহাওয়া অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট & ResearchGate.
৬,৭৮২.
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থানের ক্ষেত্রে সঠিক নয় কোনটি?
  1. পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি.
  2. আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গ কি.মি.
  3. মোট সীমারেখা ৪,৭১১ কি.মি.
  4. বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১২ কি.মি.
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১২ কি.মি.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১২ কি.মি.
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান:
- বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
- বাংলাদেশ  ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে।
- বাংলাদেশের আয়তন ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার।
- পূর্ব থেকে পশ্চিমে বিস্তৃতি ৪৪০ কিলোমিটার এবং উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বিস্তৃতি প্রায় ৭৬০ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের মোট সীমারেখা ৪,৭১১ কিলোমিটার।
- ভারতের সাথে সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৩,৭১৫ কিলোমিটার।
- বঙ্গোপসাগরের তটরেখার দৈর্ঘ্য ৭১৬ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের টেরিটোরিয়াল সমুদ্রসীমা ১২ নটিক্যাল মাইল।
- অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা ২০০ নটিক্যাল মাইল।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৭৮৩.
বিশ্বব্যাংক জলবায়ু পরিবর্তনের কয়টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে?
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি
সঠিক উত্তর:
৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫টি
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে।

• বাংলাদেশে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব:
- ২০০৯ সালে বিশ্বব্যাংক বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ দিক চিহ্নিত করেছে যথা- বন্যা, ঝড়, মরুকরণ, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং কৃষিক্ষেত্রে অধিকতর অনিশ্চয়তা। এগুলোর প্রতিটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণ ১২টি দেশের তালিকা তৈরি হয়েছে। সেই তালিকায় ৫টি ঝুঁকিপূর্ণ ভাগের একটিতে শীর্ষ ঝুঁকিপূর্ণসহ ৩টিতে বাংলাদেশের নাম রয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের এই বিরূপ প্রতিক্রিয়া থেকে দেশকে বাঁচাতে হলে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে কার্যকরী অভিযোজন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা অত্যন্ত জরুরি।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৮৪.
ব্যাসল্ট অঞ্চলের উপাদান প্রধানত কী দ্বারা গঠিত?
  1. লোহা ও তামা
  2. নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন
  3. সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
  4. সিলিকন ও অ্যালুমিনিয়াম
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিলিকন ও ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা

ব্যাসল্ট অঞ্চল (Basalt Zone): 
- সমুদ্র তলদেশের ভূত্বক প্রধানত ব্যাসল্ট জাতীয় এবং মহাদেশীয় ভূত্বক ফেলসিক স্তরবিহীন।
- ব্যাসল্ট-এর প্রধান খনিজ উপাদানের নাম সিলিকন (Si) এবং ম্যাগনেসিয়াম (Mg) যা সাধারণভাবে সিমা (Sima) নামে পরিচিত।
- ধারণা করা হয় যে, এ ব্যাসল্ট স্তরই সারা পৃথিবী জুড়ে বহিরাবরণ হিসেবে মহাদেশের মেফিক স্তরের নিচে ও গভীর সমুদ্রের তলদেশে বিদ্যমান।
- ভূ-ত্বকের নিচের দিকে প্রতি কিলোমিটারে ৩০° সে. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।

উৎস: ভুমিরূপবিদ্যা, বিএ/বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৬,৭৮৫.
কীসের মাধ্যমে সমুদ্রের পানি উত্তপ্ত ও হালকা হয়?
  1. ক) ঘনীভবন
  2. খ) বিষমীভবন
  3. গ) বাষ্পীভবন
  4. ঘ) কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
গ) বাষ্পীভবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) বাষ্পীভবন
ব্যাখ্যা
বাষ্পীভবনের মাধ্যমে সমুদ্রের পানি উত্তপ্ত ও হালকা হয়ে বাষ্পাকারে উপরে ওঠে এবং সুবিশাল বায়ুমন্ডলে মিশে যায়। এছাড়া ভূপূষ্ঠের বিভিন্ন প্রকার উদ্ভিদ থেকে প্রস্বেদনের মাধ্যমে জলীয় অংশ বায়ুমণ্ডলে সম্পৃক্ত হয়। জলীয়বাষ্পপূর্ণ বায়ু শীতল ও ঘনীভূত হয়ে মেঘ, বৃষ্টি, শিশির, কুয়াশা, তুষার, বরফ প্রভৃতিতে পরিণত হয় এবং যেগুলাে বৃষ্টিপাতসহ বিভিন্ন রূপে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির টানে ভূপৃষ্ঠে পতিত হয়। (রেফারেন্সঃ নবম দশম শ্রেণির ভূগোল)
৬,৭৮৬.
বাংলাদেশে উপকূলীয় অঞ্চলের পরিমাণ -
  1. ক) ৩.০৭ মিলিয়ন হেক্টর
  2. খ) ১.০৫ মিলিয়ন হেক্টর
  3. গ) ২.৫ মিলিয়ন হেক্টর
  4. ঘ) ১.২৫ মিলিয়ন হেক্টর
সঠিক উত্তর:
গ) ২.৫ মিলিয়ন হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ২.৫ মিলিয়ন হেক্টর
ব্যাখ্যা
- লোনা পানির অনুপ্রবেশের মাধ্যমে মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি দেশের দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে এক মারাত্মক সমস্যা। 
- বাংলাদেশের ২.৫ মিলিয়ন হেক্টর উপকূলীয় অঞ্চল। এর মধ্যে ১.০৫৬ মিলিয়ন হেক্টর জমি বিভিন্ন মাত্রায় লবণাক্ততায় আক্রান্ত হয়। - জলবায়ুর পরিবর্তন ও শুকনো মৌসুমে নদী প্রবাহ ক্রমাগত কমে যাওয়ায় চট্টগ্রাম ছাড়া দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সর্বত্র ভূ ভাগের অনেক গভীরে সমুদ্রের লোনা পানি অনুপ্রবেশ করে মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি করছে। 
- বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় মাটিতে লবণাক্ততার প্রভাব দেখা যায়। 
- বর্ষা মৌসুমে উপকূলীয় বন্যা (জুন থেকে অক্টোবর), সরাসরি লবণাক্ত পানি দিয়ে জমি ডুবে যাওয়া এবং শুষ্ক মৌসুমে (নভেম্বর থেকে মে) মাটির নিচে থাকা লবণাক্ত পানির উপরের দিকে বা পাশের দিকে প্রবাহিত হওয়ার কারণে মাটিতে লবণের পরিমাণ বেড়ে যায় যা মাটির উর্বরতা নষ্ট করে। 
- উপকূলীয় অঞ্চলের ৭টি জেলা- বরগুনা, পটুয়াখালী, ভোলা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি ও বরিশালের ভূমি সমতল, জোয়ার ভাটাসমৃদ্ধ। 
 
উৎস: dae.portal.gov.bd
৬,৭৮৭.
'নাফ ট্যুরিজম পার্ক' কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) জালিয়ার দ্বীপ
  2. খ) মহেশখালী দ্বীপ
  3. গ) শাহপরীর দ্বীপ
  4. ঘ) সোনাদিয়া দ্বীপ
সঠিক উত্তর:
ক) জালিয়ার দ্বীপ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) জালিয়ার দ্বীপ
ব্যাখ্যা
- নাফ নদীর বাংলাদেশ অংশে টেকনাফ উপজেলার জালিয়ারদ্বীপ নামক স্থানে 'নাফ ট্যুরিজম পার্ক' অবস্থিত। 
- ২৭২ একর আয়তনের জালিয়ার দ্বীপে গড়ে উঠেছে  নাফ ট্যুরিজম পার্ক l 
- এই পর্যটন পার্কের তত্ত্বাবধানে রয়েছে অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) । 
 
উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন। 
৬,৭৮৮.
'ম্যাকাও' দ্বীপ কোন সাগরে অবস্থিত?
  1. ক) দক্ষিণ চীন সাগর
  2. খ) ভূমধ্যসাগর
  3. গ) ভারত মহাসাগর
  4. ঘ) বঙ্গোপসাগর
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ চীন সাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) দক্ষিণ চীন সাগর
ব্যাখ্যা
দক্ষিণ চীন সাগরের দ্বীপ: 
- ম্যাকাও,
- মিন্দানাও,
- স্প্রাটলি দ্বীপপুঞ্জ।

ভূমধ্যসাগরের দ্বীপ: 
- সাইপ্রাস,
- মাল্টা,
- সিসিলি,
- কর্সিকা।

ভারত মহাসাগরের দ্বীপ: 
- মালদ্বীপ,
- শ্রীলঙ্কা,
- মান্নার দ্বীপপুঞ্জ,
- জাফনা,
- মাদাগাস্কার,
- মরিশাস।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৬,৭৮৯.
খাগড়াছড়ি অঞ্চলের পাহাড়সমূহ কোন যুগের পাহাড়?
  1. টারশিয়ারি যুগের
  2. প্লাইস্টোসিনকালের
  3. সাম্প্রতিক কালের
  4. খ ও গ
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টারশিয়ারি যুগের
ব্যাখ্যা

টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ:
- বাংলাদেশের মোট ভূমির ১২ শতাংশ এলাকা নিয়ে টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় যে সকল পর্বতের সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে পরিচিত।
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, চট্টগ্রাম, সিলেট, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জের পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগের।
- এ পাহাড়গুলোকে আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয় বলে ধারণা করা হয়।
- এ যুগের পাহাড়সমূহ বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত।
- টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এবং
খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ
 
⇒ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি এবং কক্সবাজার ও চট্টগ্রাম জেলার পূর্বাংশ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
- দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের এ পাহাড়গুলোর গড় উচ্চতা ৬১০ মিটার।

⇒ উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ:
- ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার উত্তরাংশ, সিলেট জেলার উত্তর ও উত্তর- পূর্বাংশ এবং মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার দক্ষিণের পাহাড়গুলো এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: i) ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
         ii) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৬,৭৯০.
মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্ব-
  1. মকরক্রান্তি রেখা
  2. দ্রাঘিমাংশ
  3. অক্ষাংশ
  4. নিরক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রাঘিমাংশ
ব্যাখ্যা
দ্রাঘিমা রেখা:
- ভূ-পৃষ্ঠের কোনো স্থানে মূল মধ্যরেখার সাথে পৃথিবীর কেন্দ্রবিন্দুতে সৃষ্ট কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে।
- যে কাল্পনিক রেখার মাধ্যমে দ্রাঘিমাংশ প্রকাশ করা হয়, তাকে দ্রাঘিমা রেখা বলে।
- অর্থাৎ পৃথিবীর উত্তর ও দক্ষিণ মেরু সংযোগকারী কাল্পনিক রেখাসমূহ দ্রাঘিমা রেখা।
- যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের নিকটবর্তী গ্রীনিচ নামক স্থানে একটি মান মন্দির বরাবর যে দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে, তাকে মূল দ্রাঘিমা রেখা বা মূল মধ্যরেখা বলা হয়।
- এই মূল মধ্যরেখাটির মান ০° ধরে নেয়া হয়।
- প্রতি ১° অন্তর অন্তর একটি করে দ্রাঘিমা রেখা কল্পনা করা হয়।
- মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্বে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০টি পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা কল্পনা করা হয়।
- অপরদিকে মূল মধ্য রেখা থেকে পশ্চিমে মোট ১৮০° পর্যন্ত মোট ১৮০ টি পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা কল্পনা করা হয়।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ার ১৮০° পূর্ব ও ১৮০° পশ্চিম দ্রাঘিমা রেখা মূলত একই মধ্যরেখার পড়ে।
- এই ১৮০° দ্রাঘিমা রেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা হিসাবে চিহ্নিত।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৯১.
সুপ্রাচীন 'ম্যানলি লেক' এর অবস্থান কোন দেশে? 
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

• ম্যানলি লেক:
- যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার ‘ডেথ ভ্যালি’ উপত্যকায় অবস্থিত লাখো বছর পুরনো ম্যানলি লেক। 
- এর ইতিহাস ছড়িয়ে আছে প্রায় ১ লাখ ২৮ হাজার থেকে ১ লাখ ৮৬ হাজার বছর আগের সময়ে। 
- এটি পুরো উত্তর আমেরিকার সবচেয়ে নিচু ভূখণ্ড- সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ২৮২ ফুট নিচে এর অবস্থান। 
- গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, একসময় ম্যানলি লেকের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১৬০ কিলোমিটার। 

সম্প্রতি, 
- ডেথ ভ্যালি এলাকায় টানা ঝড়বৃষ্টি হওয়ায় হ্রদটি আবার জেগে উঠেছে।

তথ্যসূত্র- প্রথম আলো। 

৬,৭৯২.
মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথ দুইটির মাঝামাঝি অবস্থানে কোন ধরনের বস্তু রয়েছে?
  1. অ্যাস্টরয়েড
  2. নক্ষত্র
  3. ধূমকেতু
  4. উল্কা
সঠিক উত্তর:
অ্যাস্টরয়েড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাস্টরয়েড
ব্যাখ্যা
গ্রহাণুপুঞ্জ (Asteroids):

- মঙ্গল ও বৃহস্পতি গ্রহের কক্ষপথ দুইটির মাঝামাঝি অবস্থানে গ্রহাণুপুঞ্জ (Asteroids) রয়েছে।
- সৌরজগতে মঙ্গল ও বৃহস্পতি এই দুইটি গ্রহের মধ্যবর্তী অংশে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র গ্রহ একত্রে পূঞ্জীভূত হয়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করে।
- এগুলোকে একত্রে গ্রহাণুপুঞ্জ বলে।
- গ্রহাণুপুঞ্জসমূহ একটি বলয়ের মতো ঘিরে থাকে, যা গ্রহাণুপুঞ্জ বলয় নামে অভিহিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৬,৭৯৩.
জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে কয় শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়?
  1. দুই শ্রেণিতে
  2. তিন শ্রেণিতে
  3. চার শ্রেণিতে
  4. পাঁচ শ্রেণিতে
সঠিক উত্তর:
তিন শ্রেণিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন শ্রেণিতে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের বনাঞ্চল (Forest of Bangladesh):
বনভূমি থেকে যে সম্পদ উৎপাদিত হয় বা পাওয়া যায় তাকে বনজ সম্পদ বলে।
- কোনো দেশের পারস্পরিক ভারসাম্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য মোট ভূমির ২৫ ভাগ বনভূমি থাকা প্রয়োজন।
- জলবায়ু ও মাটির গুণাগুণের তারতম্যের কারণে বাংলাদেশের বনভূমিকে তিন শ্রেণিতে বিভক্ত করা যায়।

⇒ বাংলাদেশের বনভূমি:
১) ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
২) ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি।
৩) স্রোতজ বনভূমি বা সুন্দরবন।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৬,৭৯৪.
“পৃথিবীর ফুসফুস” বলা হয় কাকে?
  1. আমাজন
  2. সুন্দরবন
  3. তৈগা বনভূমি
  4. কঙ্গো বেসিন
সঠিক উত্তর:
আমাজন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আমাজন
ব্যাখ্যা
আমাজান:
- এটি বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ৯ টি দেশজুড়ে এর অবস্থান। 
- আমাজনের বেশিরভাগ অংশ রয়েছে - ব্রাজিলে (৬৪%)।
- আমাজন ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা নামে নয়টি দেশে বিস্তৃত।
- আমাজনকে “পৃথিবীর ফুসফুস” বলা হয়। 
- আমাজন নদী নীল নদের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।
৬,৭৯৫.
জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট কোন ধরনের পর্বতের উদাহরণ?
  1. ভঙ্গিল পর্বত
  2. আগ্নেয় পর্বত
  3. ল্যাকোলিথ পর্বত
  4. চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত
ব্যাখ্যা
চ্যুতি-স্তূপ পর্বত:
- ভূআলোড়নের সময় ভূপৃষ্ঠের শিলাস্তরে প্রসারণ এবং সংকোচনের সৃষ্টি হয়। 
- এই প্রসারণ এবং সংকোচনের জন্য ভূত্বকে ফাটলের সৃষ্টি হয়।
- কালক্রমে এ ফাটল বরাবর ভূত্বক ক্রমে স্থানচ্যুত হয়। ভূগোলের ভাষায় একে চ্যুতি বলে।
- ভূত্বকের এ স্থানচ্যুতি কোথাও উপরের দিকে হয়, আবার কোথাও নিচের দিকে হয়।
- চ্যুতির ফলে উঁচু হওয়া অংশকে স্তূপ পর্বত বলে। 
- ভারতের বিন্ধ্যা ও সাতপুরা পর্বত, জার্মানির ব্ল‍্যাক ফরেস্ট, পাকিস্তানের লবণ পর্বত  চ্যূতি-স্তূপ পর্বতের উদাহরণ।

উল্লেখ্য,
⇒ উৎপত্তিগত বৈশিষ্ট্য ও গঠনপ্রকৃতির ভিত্তিতে পর্বত প্রধানত চার প্রকার। যথা-
(ক) ভঙ্গিল পর্বত (Fold Mountains)
(খ) আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountains)
(গ) চ্যুতি-স্তূপ পর্বত (Fault-block Mountains)
(ঘ) ল্যাকোলিথ পর্বত (Dome/Laccolith Mountains)

তথ্যসূত্র:- ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণি।
৬,৭৯৬.
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. চাঁদপুর
  2. বরিশাল
  3. ফরিদপুর
  4. ঢাকা
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট:

- অসংখ্য বিনুনি শাখা প্রশাখা সহ গঙ্গা-পদ্মা, ব্রহ্মপুত্র-যমুনা ও মেঘনা এ ৩টি অন্যতম প্রধান ও সুবৃহৎ আন্তর্জাতিক নদীমালা কর্তৃক বাহিত পলিতে গঠিত এ বাংলাদেশ।
- এই বিষয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে তৎকালীন সরকার ১৯৪৮ সালে ঢাকার গ্রীণরোডে প্রায় ১২ একর জমির উপর “হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী” নামে একটি গবেষণাগার স্থাপন করে।
- স্বাধীনতা উত্তরকালে ব্যাপক বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও গবেষণার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৭ সালে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে এবং “হাইড্রলিক রিসার্চ ল্যাবরেটরী” প্রতিষ্ঠানটি ইহার সহিত একীভূত করে।
- ১৯৮৯ সালে ফরিদপুর শহরের উপকণ্ঠে ৮৬ একর জমির উপর এক মনোরম পরিবেশে নদী গবেষণা ইনষ্টিটিউট প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে পানি সম্পদ সেক্টরে বহুমুখী গবেষণা কার্যক্রম উত্তরোত্তর বৃদ্ধির লক্ষ্যে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ১৯৯০ সনের ৫৩নং আইন বলে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কেএকটি সংবিধিবদ্ধ স্বায়ত্ব-শাসিত সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
- বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণাধীন হতে আলাদা করে সরাসরি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে ন্যস্ত করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট ও ফরিদপুর জেলা ওয়েবসাইট।
৬,৭৯৭.
নিচের কোন নদী বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে?
  1. ক) মাতামুহুরী
  2. খ) কুমারখালি
  3. গ) তিস্তা
  4. ঘ) আড়িয়াল খাঁ
সঠিক উত্তর:
ক) মাতামুহুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) মাতামুহুরী
ব্যাখ্যা
মাতামুহুরী নদী বাংলাদেশে উৎপত্তি হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে কিন্তু হালদা নদী বাংলাদেশে উৎপত্তি হলেও বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়নি।
উৎসঃ বাংলাপিডিয়া
৬,৭৯৮.
অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও শুষ্ক আবহাওয়ার ফলে সৃষ্ট দুর্যোগ কোনটি?
  1. সাইক্লোন
  2. মৌসুমি বন্যা
  3. খরা
  4. কালবৈশাখী
সঠিক উত্তর:
খরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খরা
ব্যাখ্যা
অপর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত ও দীর্ঘকালীন শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে খরা দেখা দেয়। বাষ্পীভবন ও প্রস্বেদনের হার বৃষ্টিপাত অপেক্ষা অধিক হলে এরূপ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল অধিক খরা প্রবণ।
অন্যদিকে,
- সাইক্লোন সৃষ্টির প্রধান কারণ নিম্নচাপ।
- গ্রীষ্মকালে দেশের উত্তর-পূর্ব এবং দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে আগত বায়ুর সংঘর্ষে কালবৈশাখী ঝড় সৃষ্টি হয়।
- মৌসুমি বন্যার জন্যে বৃষ্টিপাত দায়ী।
(তথ্যসূত্রঃ মাধ্যমিক সাধারণ বিজ্ঞান এবং দুর্যোগকোষ)
৬,৭৯৯.
নিচের কোনটি উঁচু আকাশের মেঘ?
  1. সিরোস্ট্র্যাটাস
  2. স্ট্রাটাস
  3. কিউমুলাস
  4. অল্টোকিউমুলাস
সঠিক উত্তর:
সিরোস্ট্র্যাটাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরোস্ট্র্যাটাস
ব্যাখ্যা
সিরোস্ট্র্যাটাস উঁচু আকাশের মেঘ।

মেঘ:
- মেঘকে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা, আকৃতি, রঙ ইত্যাদি বৈশিষ্ট্যের উপর অনেকভাবেই ভাগ করা হয়।
- উচ্চতা অনুসারে মেঘ:

উঁচু আকাশের মেঘ:
- যারা সাধারণত সমুদ্রপৃষ্ঠ হতে ৬০০০ মিটারের উপরে থাকে।
- যেমন: সিরাস (Cirrus), সিরোকিউমুলাস (Cirro-Cumulus) সিরোস্ট্র্যাটাস (Cirro-Stratus).

মাঝারি আকাশের মেঘ:
- ২০০০ মিটার থেকে ৬০০০ মিটারের মধ্যে থাকে।
- অল্টোকিউমুলাস (Altocumulus), অল্টো স্ট্রাটাস (Altostratus), এই মাঝারি আকাশের মেঘ।

নীচু আকাশে মেঘ:
- যারা ২০০০ মিটারের নিচে অবস্থান করে।
- যেমন: স্ট্রাটাস (Stratus), নিম্বো স্ট্রাটাস (Nimbo- status), কিউমুলো-নিম্বাস (Cumulonimbus, কিউমুলাস (Cumulus) এবং স্ট্রাটো-কিউমুলাস (Strato- cumulus).

উৎস: National Weather Service (.gov). [
৬,৮০০.
মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর-
  1. ক) বিভাগীয় প্রশাসন 
  2. খ) জেলা প্রশাসন 
  3. গ) উপজেলা প্রশাসন
  4. ঘ) সচিবালয়
সঠিক উত্তর:
গ) উপজেলা প্রশাসন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উপজেলা প্রশাসন
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর স্তর তিনটি। যথাঃ
১) বিভাগীয় প্রশাসন, 
২) জেলা প্রশাসন ও 
৩) উপজেলা প্রশাসন।
- মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর উপজেলা প্রশাসন।
- মাঠ পর্যায়ে প্রশাসনিক কাঠামোর সর্বোচ্চ স্তর বিভাগীয় প্রশাসন‌।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।